Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Target Achiever for Amibroker AFL 12-Aug
HOLY GRAIL for Amibroker AFL 03-Aug
Flower Indicator for Amibroker AFL 28-Jul
KPBB htrsystem for Amibroker AFL 09-Jul
POLYNOMIAL Amibroker AFL 29-Jun

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ZEALBANGLA 8.9 6.3 2.60 41.27
MODERNDYE 92 75 17.00 22.67
BDAUTOCA 34 28.1 5.90 21.00
MEGCONMILK 8.6 7.5 1.10 14.67
AIBL1STIMF 5.2 4.6 0.60 13.04
MEGHNAPET 6.1 5.4 0.70 12.96
DBH 96.8 86.3 10.50 12.17
STANCERAM 49 44 5.00 11.36
SINOBANGLA 25.6 23 2.60 11.30
KAY&QUE 13.3 12 1.30 10.83

Contest SB2015_Aug

1st
blank_person
MEHEDIARAFAT82
2nd
blank_person
GAINLOSS
3rd
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
SQURPHARMA 251.2 248.6 2.49335 660186.00
OLYMPIC 277.3 275.8 0.41180 18787.00
GLAXOSMITH 2140 2124.8 0.31679 19.00
IFADAUTOS 103.6 102.8 0.15917 108269.00
IPDC 19 18.3 0.15290 388477.00
Negative impact
GP 316.1 317.8 -3.97142 48720.00
NBL 10.3 11.6 -3.51212 1151670.00
BATBC 2950 2972.9 -2.37713 3.00
TITASGAS 75 76 -1.71143 869577.00
ISLAMIBANK 29.7 30.2 -1.39271 855848.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
SQURPHARMA 251.2 252.7 248.1 1.05% 165.37
TITASGAS 75 76 74.9 -1.32% 65.34
LAFSURCEML 113.7 114.2 113 0.00% 42.28
FARCHEM 52.9 54.5 52.9 -1.86% 42.08
CVOPRL 428.3 434.6 427 -0.02% 36.18
KBPPWBIL 27 27.6 27 -2.17% 26.32
ISLAMIBANK 29.7 30.1 29.7 -1.66% 25.52
UCBL 21 21.3 21 -0.94% 25.32
NFML 26.1 26.7 25.9 0.38% 23.63
SINOBANGLA 25.6 26.5 25 2.81% 23.07

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 31 Aug 2015

37596
TOTAL TRADE
36.7386
TOTAL VOLUME(Mn)
1400.75
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • আলফা ক্যাপিটাল থেকে ব্যবসা গুটিয়েছে প্রগ্রেসিভ লাইফ
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড সমুদয় বিনিয়োগ গুটিয়ে নিয়েছে আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড (এসিএমএল) থেকে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রগ্রেসিভ লাইফের ১২কোটি ৭৫লাখ টাকার ১কোটি ২৭লাখ ৫০হাজার শেয়ার ছিল আলফা ক্যাপিটালে। আলফার সঙ্গে ব্যবসা করবেনা বলে সম্প্রতি এসব শেয়ার তুলে নিয়েছে কোম্পানিটি।
  • ইউকে-বাংলাদেশ ই-কমার্স ফেয়ার ১৩ নভেম্বর
    স্টাফ রিপোর্টার : লন্ডনে দ্বিতীয়বারের মতো ‘ইউকে-বাংলাদেশ ই-কমার্স ফেয়ার’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে। চলবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত। দেশে-বিদেশে ই-কমার্সের বিকাশ ঘটাতে লন্ডনের মেলায় পার্টনার হিসেবে অংশগ্রহন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকারের আইসিটি ডিভিশন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথরিটি ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক ম্যাগাজিন কমপিউটার জগৎ এই মেলার আয়োজক। মেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নেতৃত্বে একটি ই-ব্যাংকিং জোন থাকবে বলে সূত্রে জানা যায়। সংশ্লিষ্ট খাতে দেশি-বিদেশি ব্যাংক, পেমেন্ট গেটওয়েগুলো বিভিন্ন সেবা প্রদর্শন করবে এই জোনে। একইসঙ্গে এতে তুলে ধরা হবে- অনলাইন ব্যাংকিং সেবা, পেমেন্ট গেটওয়েসহ ই-কমার্স সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়। এছাড়াও মেলায় বাংলাদেশ ও ইউরোপের শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়ে তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করবে। মেলায় অংশ নিতে বর্তমানে স্টল বুকিং চলছে। ই-কমার্স ওয়েবসাইট, ই-গভ. সার্ভিস, ক্রেডিট কার্ড অ্যান্ড পেমেন্ট সার্ভিস, ই-এডুকেশন, ব্যাংকিং সার্ভিস, এয়ারলাইন্স, রিয়েল এস্টেট, টেলিকম, কুরিয়ার/ডেলিভারি সার্ভিস, ট্যুরিজম-ট্রাভেল অ্যান্ড হোটেল, ফ্যাশন হাউস, সফটওয়্যার অ্যান্ড হার্ডওয়্যারসহ অন্যান্য ই-সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে এবারের মেলায়। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে ‘ইউকে-বাংলাদেশ ই-কমার্স ফেয়ার’। এই মেলার অন্যতম ইভেন্ট পার্টনার- টেকশেড লিমিটেড। বিস্তারিত জানতে : ( www.e-commercefair.com, Email: expo@e-commercefair.com)
  • বাংলাদেশ ব্যাংকে পুঁজিবাজার পরামর্শক নিয়োগ
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের জ্যৈষ্ঠ অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে ফয়সাল আহমেদকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, আর্থিক খাতের উন্নয়ন ও পুনর্গঠন পরামর্শক হিসেবে তাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তবে ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, ফয়সাল আহমেদ মূলত পুঁজিবাজার পরামর্শক হিসেবে কাজ করবেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ দেয়ার আগে তিনি ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত কম্বোডিয়াতে আন্তজাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) আবাসিক প্রতিনিধি এবং সংস্থাটির মুদ্রা ও পুঁজিবাজার বিভাগে কাজ করেছেন। তিনি মিনসোটা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।  এছাড়া তিনি তুরস্কের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবেষক ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের ভিজিটিং স্কলার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
  • মন্ত্রীসভায় সোমবার উঠছে ফাইন্যান্সিয়াল আইন
    বিশেষ প্রতিনিধি : মন্ত্রীসভায় উঠছে সোমবার ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানি আইন -২০১৪। আইনটি আরও কঠোর, কোম্পানিগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই মন্ত্রীসভায় উঠছে। নির্ভরযোগ্য এটি সূত্র রোববার সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রিয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ঋণ প্রদান, নগদ তহবিল ও তরল সম্পদ সংরক্ষণ, পরিচালক নিয়োগ, পরিচালকদের শেয়ার ধারণ ও মিথ্যা তথ্য প্রদানে কঠোর শাস্তি প্রদানের বিধান রেখে তৈরি হচ্ছে ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানি আইন। ইতিমধ্যে আইনটি সর্বমোট ১০৩টি ধারার সঙ্গে প্রায় ৩০০টি উপধারা সংযোজন করে প্রস্তাবনা আকারে উপস্থাপন করা হবে। সূত্র জানায়, এর মাধ্যেমে আগের আইনটি আরও কঠোর এবং কোম্পানিগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যাবে। পাশাপাশি নতুন আইনের অধীনে লিজিং ফাইন্যান্স কোম্পানির ব্যবসার আরও প্রসার ঘটবে।
  • সেবা বিনিময়ে শমরিতার সঙ্গে ভারতের মেডিকার চুক্তি
    সিনিয়র রিপোর্টার : এম এইচ শমরিতা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ এবং ভারতের মেডিকা হসপিটাল্স প্রাইভেট লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাজধানীর তেজগাঁওয়ের লাভরোডে শমরিতার হাসপাতালে গতকাল রোববার সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। চিকিৎসা শাস্ত্রের উন্নয়ন, উন্নত চিকিৎসা সেবা, বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সেবা বিনিময় এবং দুই দেশের চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যে ‘Continuous Medical Education Program’ বিনিময় নিয়ে সমঝোতা চুক্তি হয়। এম এইচ শমরিতা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব মকবুল হোসেন এবং ভারতের মেডিকা হসপিটাল্স প্রাইভেট লিমিটেডের (গ্রæপ) চেয়ারম্যান ডা. আলোক রায় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন। এ সময় মেডিকা হসপিটাল্সের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডা. লক্ষ্মী নারায়ণ তৃপাতি ও লোপামুদ্রা দত্ত।
  • চিটাগাং সিমেন্টের মামলার পরবর্তী জবানবন্দী ১ সেপ্টেম্বর
    স্টাফ রিপোর্টার : ১৯৯৬ সালে চিটাগাং সিমেন্টের শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলার পরবর্তী জবানবন্দী আগামী ১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার সকালে মামলার কার্যক্রম পরিচালনায় আরও সময় প্রয়োজন বলে (টাইম পিটিশন) আবেদন জানান বাদীপক্ষের (বিএসইসি) আইনজীবী রেজাউল করিম। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুঁজিবাজার বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) হুমায়ুন কবির এ মামলার জবানবন্দী গ্রহণের জন্য ১ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্টদের আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেন। রবিবার সকালে আসামিপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনের ১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজার কেরেঙ্কারির বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যকে (সাক্ষী) জেরা করার কথা ছিল। কিন্তু এদিন আসামিপক্ষের আইনজীবীসহ কোনো আসামিই আদালতে উপস্থিত হননি। অপরদিকে এ মামলার কার্যক্রম পরিচালনায় আরও সময় চেয়ে আবেদন করায় বাদীপক্ষের কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এর আগে গত ১৬ আগস্ট মামলার বাদী এম এ রশীদ খানকে জেরা করেছিলেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। আর ১৭ আগস্ট ১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজার কেরেঙ্কারির বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আমিরুল ইসলাম চৌধুরীকে জেরা করা হয়। ওই দিনই এ মামলার প্রথম জেরা ও জবানবন্দী গ্রহণ শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা ১৯৯৬ সালে চিটাগাং সিমেন্টের পরিচালক ছিলেন। ভারতীয় ও ইরানী বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির শেয়ার কিনবে বলে আসামিরা মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছড়িয়ে শেয়ার মূল্য প্রভাবিত করেন। এ ব্যাপারে পরবর্তীকালে চিটাগাং সিমেন্টের পক্ষ থেকে সন্তোষজনক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এর পর কোম্পানির একজন পরিচালক বড় অংকের শেয়ার হস্তান্তরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ ছাড়া বিএসইসির নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রকিবুর রহমান ও এ এস শহিদুল হক বুলবুল পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেননি, সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স-১৯৬৯ এর ১৭ ধারা অনুসারে যা কারসাজি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আমিরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। তিন মাস পর ১৯৯৭ সালের ২৭ মার্চ তদন্ত কমিটি সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে আসে। আর এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১৯৯৭ সালের ৪ মে মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে মামলা করে বিএসইসি। মামলাটি পরবর্তীকালে বিচারের জন্য প্রথম অতিরিক্ত দায়রা আদালত ঢাকায় বদলি করা হয়। এই আদালতে থাকাকালীন মামলাটির বাদীর সাক্ষ্য শেষ হয়। পরবর্তীকালে মামলার আদালত পরিবর্তনের নির্দেশ এলে বাদীপক্ষের সম্মতিতে নিম্ন আদালতের আদেশের ওপর স্থগিত আদেশ দেন উচ্চ আদালত। এর পর বিএসইসির ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর মামলাটি এই আদালতে স্থানান্তর করা হয়।
  • আইসিএমএবিতে বাজেটোত্তর আলোচনা
    ২০১৫-১৬ সালের জাতীয় বাজেট বিষয়ে দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্য্যানেজমেন্ট একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) ২৯ আগষ্ট ইন্সটিটিউটের রুহুল কুদ্দুস মিলনায়তনে বাজেটোত্তর আলোচনা সভার আয়োজন করে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী অনুষ্ঠানে ‘সেশন চেয়ারম্যান’ আলোচনা পরিচালনা করেন। ঢাকা স্টক একক্সচেঞ্জ লিমিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আইসিএমএবি’র কোষাধ্যাক্ষ প্রফেসর ডক্টর স্বপন কুমার বালা এফসিএমএ এবং ট্যাকসেস এপিলেট ট্রাইবুনাল এর সদস্য রন্জন কুমার ভৌমিক এফসিএমএ আলোচনা সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিএমএবি-এর প্রেসিডেন্ট আবু সাইদ মো: শায়খুল ইসলাম, এফসিএমএ। সকলের উদ্দেশ্যে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আইসিএমএবি সচিব মো: আবদুর রহমান খান এফসিএমএ । মূলত: পূর্ববর্তী বছরের বাজেট ও অর্থ আইনের যে সব ক্ষেত্রে ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে পরিবর্তন এসেছে সে সব বিষয় নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয় যাতে সিএমএ পেশাবীদগণ বা কর্মক্ষেত্রে তার জ্ঞান হালনাগাদ করতে পারেন এবং কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও সততার সাথে পেশাদারী দায়িত্ব পালন করতে পারেন। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক পেশাদার সিএমএ উপস্থিত থেকে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ গ্রহন করে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। বিজ্ঞপ্তি।
  • বিনিয়োগের লক্ষ্যে এগিয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরা
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের কলাকৌশল মাথায় রেখে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন টেকনিক্যাল কোর্সের ওপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে স্টক বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি Basic Technical Analysis Of stock Market-এর ৩৫তম কোর্স-এর প্রশিক্ষণমূলক কর্মশালা সম্পাদন করেছে। মাসব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি ৭ই আগষ্ট, শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়ে ২৯শে আগষ্ট,শনিবার শেষ হয়। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ৯৯, কাজী নজরুল ইসলাম এভিন্যুয়ের ঢাকা ট্রেড সেন্টারের ১৫ তলায় অবস্থিত স্টক বাংলাদেশের অফিস কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। স্টক বাংলাদেশ এর রিচার্স এণ্ড ডেভলপমেন্টের কর্মকর্তারা সহকারী ব্যবস্থাপক (স্টক বাংলাদেশ) মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলে প্রশিক্ষণকর্ম। এতে গোল্ডেন স্টার ইন্ডস্ট্রিজ লিমিটেড, এ্যাপেক্স ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট, স্টারলিং স্টোক এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, গ্রীণ স্কলার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, এ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গ্লোবাল এন্টারপ্রাইজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও ছাত্র প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদান করেছে স্টক বাংলাদেশ। প্রশিক্ষক মোহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান বলেন, মাসব্যাপি সফলতার সঙ্গে বেসিক টেকনিক্যাল এ্যানালাইসেস কোর্সের উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এতে প্রশিক্ষণার্থীদের দক্ষতা বেড়েছে। পরবর্তীতে তারা আরো উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের কথা ভেবে আরো নতুন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে পারে স্টক বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। ব্যবসার ক্ষেত্রে তাদের উপার্জনের পথ সুগম হবে এ ধরণের কর্মশালায় অংশ নিয়ে। শেয়ারবিজনেসের জন্য কর্মশালাটি  খুবই সহায়ক বলে উল্লেখ করেন প্রশিক্ষণার্থীরা। তারা বলেন, এর মাধ্যমে আমরা শেয়ারব্যবসার কৌশল রপ্ত করলাম। আমাদের শেখার পালা শেষ হয়নি এখনো। পুঁজিবাজার সম্পর্কে আরো অধিক ধারণা পেতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ অব্যাহত রাখা দরকার। পরবর্তীতে সুযোগ পেলে এ ধরণের চমৎকার কর্মশালায় অংশ নিয়ে আমরা নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে আত্মপ্রত্যয়ী হবো। শিক্ষামূলক প্রশিক্ষণের এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান প্রশিক্ষণার্থীরা। প্রশাসনিক কর্মকর্তা (স্টক বাংলাদেশ) তৌফিকুল আরিফ বলেন, সফলতা অর্জনের জন্য প্রত্যেকেরই প্রত্যাশা থাকে। এর জন্য প্রয়োজন প্রশিক্ষণ গ্রহণ। আর বিনিয়োগকারীদের কথা ভেবেই পুঁজিবাজারে ট্রেডিংয়ের টেকনিক্যাল বিষয়ে স্টক বাংলাদেশ এন্যালাইসেসভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। বিনিয়োগকারীদের চাহিদার আলোকে স্টক বাংলাদেশ প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলমান রেখেছে। তাদের ব্যবসায়ীক সাফল্য ধরে রাখতে ভবিষ্যতেও কার্যক্রম চালিয়ে যাবে স্টক বাংলাদেশ। আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে সুযোগ দেয়া হয় কর্মশালায়। উল্লেখ্য, স্টক বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ পুঁজিবাজার বিষয়ে আগ্রহী বা বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রায়ই ফ্রি টেকনিক্যাল কোর্স সম্পন্ন করে থাকে। একইসঙ্গে বাজার বিশ্লেষণ করে  সাধারণ  বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে- Advance Technical Analysis of Stock Market, Advance Usage of Ami Broker, Fusion Analysis of Stock Market, Basic Fundamental Analysis of Stocks Market, Professional Fundamental Analysis of Stocks Market, Mechanical Trading Method. স্টক বাংলাদেশ ভ্যাট বা মুসক সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণেরও আয়োজন করে থাকে। স্টক বাংলাদেশ মনে করে- এ ধরণের কর্মশালার মাধ্যমে আগ্রহীদের সচেতনতা বাড়বে। এতে ব্যবসার ক্ষেত্র আরো প্রসারিত হবে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য : http://www.stockbangladesh.com/courses
  • আবারো ফ্লোর ক্রয় করছে ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং
    স্টাফ রিপোর্টার : আর্থিক খাতের ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফিন্যান্স কর্পোরেশন লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ আবারো ফ্লোর স্পেস ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। চট্টগ্রামের পূর্ব নাসিরাবদে  ১৮৫০/৩৩১৯, সিডিএ এভিন্যুয়ের সানমার এভিন্যু টাওয়ারে ৩হাজার স্কয়ার ফুট ফ্লোর ক্রয় করবে প্রতিষ্ঠানটি। রেজিষ্ট্রেশন ব্যয় ছাড়া ফ্লোরের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪কোটি ৭৪ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন করেছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।
  • তথ্য ছাড়াই বেড়েছে স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের শেয়ারদর
    স্টাফ রিপোর্টার : সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে সিরামিক খাতের কোম্পানি স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ২৭শে আগষ্ট (বুধবার) দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে  কোম্পানির পক্ষ থেকে সিএসইকে এ কথা জানানো হয়েছে। সিএসইর ওয়েবসাইটে ৩০শে আগষ্ট প্রকাশিত এ সংক্রান্ত তথ্য- শেয়ারটির গত ১মাসের বাজারদর- বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে,  চলতি মাসের ২৪ তারিখে কোম্পানির শেয়ারদর ছিল ৪৩ টাকা ২০ পয়সা। ২৭ তারিখ শেয়ারটির দর ৭ টাকা ৪০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ৬০ পয়সা। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দর বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে- শেয়ারটির ওপেন প্রাইস ৪৮ টাকা ৩০ পয়সা। সকাল ১১.৩১টায় লাস্ট ট্রেড প্রাইস ৫৩ টাকা। গতকাল ক্লোজ প্রাইস ছিল ৪৮ টাকা ৩০ পয়সা। শেয়ারদর ৪ টাকা ৭০ পয়সা বেড়েছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • লেনদেন কমেছে ব্যাংক বিদ্যুৎ ও ওষুধ খাতের
    বুধবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক বেড়েছে। তবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে লেনদেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাজারের উল্লেখযোগ্য খাতগুলোর লেনদেনও কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট খাতের। আর লেনদেন বেড়েছে বীমা ও বস্ত্র খাতের। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বুধবার ব্যাংকিং খাতের লেনদেন কমেছে ৬ কোটি ৩ লাখ টাকা। এ খাতের লেনদেন ৪৮ কোটি টাকা থেকে নেমে এসেছে ৪২ কোটি টাকায়। ওষুধ খাতের লেনদেন কমেছে ৩ কোটি টাকা। বুধবার লেনদেন ৬৮ কোটি টাকা থেকে নেমে এসেছে ৬৫ কোটি টাকায়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের লেনদেন মঙ্গলবার ছিল ৬৭ কোটি টাকা। বুধবার তা কমে হয়েছে ৫৭ কোটি টাকা। একদিনের ব্যবধানে এ খাতের লেনদেন কমেছে ১০ কোটি টাকা। আর সিমেন্ট খাতের লেনদেন কমেছে ১৭ কোটি টাকা। একদিনের ব্যবধানে সিমেন্ট খাতের লেনদেন ২৭ কোটি টাকা থেকে নেমে এসেছে ১০ কোটি টাকায়। তবে লেনদেন বেড়েছে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের। বুধবার এ খাতের লেনদেন বেড়েছে ১ কোটি টাকা আর বস্ত্র খাতের লেনদেন বেড়েছে ২ কোটি টাকা। বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ১০ কোটি ৯৯ লাখ ২৯ হাজার ২৩০টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ৪৩১ কোটি ৭৫ লাখ ৪১ হাজার ৩৪১ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ২৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা কম। ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১২.৭২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮০৫.৬৬ পয়েন্টে। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৫.০৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৮৩৭.৯৭ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়া সূচক (ডিএসইএস) পয়েন্ট ৫.৩৬ বেড়ে ১১৮৩.৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ৩১৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৬টির, কমেছে ১১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৯টি কোম্পানির শেয়ার। লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) ডিএসইর প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো স্কয়ার ফার্মা, ইসলামী ব্যাংক, শাহাজীবাজার পাওয়ার, আলহাজটেক্স, ইফাদ অটোস, অ্যাপেক্স ট্যানারি, ফার কেমিক্যাল, ইউনাইটেড পাওয়ার, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ও ন্যাশনাল ফিডস।দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, ন্যাশনাল হাউজিং, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, হাক্কানী পাল্প, জেমিনি সী ফুডস, মুন্নু স্টাফলার, রংপুর ফাউন্ড্রি, এএমসিএল (প্রাণ) ও মুন্নু সিরামিকস। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো এফবিএফআইএফ, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, এনসিসিবি মিউচুয়াল ফান্ড-১, আইসিবি তৃতীয় এনআরবি, বিডি ওয়েল্ডিং, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আরডি ফুড, কাশেম ড্রাইসেল, সমতা লেদার ও সেন্ট্রাল ফার্মা। source : Alokito Bangladesh
  • গেইনারের তালিকায় যেসব কোম্পানি
    সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অ্যাপেক্স ফুডস টপটেন গেইনারের নেতৃত্বে রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে ইবনে সিনা, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, শমরিতা হাসপাতাল, অ্যাপেক্স ট্যানারি, আইসিবি, এফবিএফআইএফ, প্রাইম ১ম আইসিবিএ, সাফকো স্পিনিং ও কাশেম ড্রাই সেল।ডিএসই ওয়েব সূত্রে জানা যায়, অ্যাপেক্স ফুডসের দর বেড়েছে ১৪ টাকা ৩০ পয়সা বা ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। দিন শেষে শেয়ারটি লেনদেন হয় ১৭১ টাকা ৫০ পয়সা দরে। কোম্পানির ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৩৫টি শেয়ার ১ হাজার ৬৫০ বারে লেনদেন হয়।গেইনার তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইবনে সিনা। শেয়ারটির দর বেড়েছে ৮ টাকা ৯০ পয়সা বা ৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ।   source : Voraer kagoj
  • সোনালী ব্যাংকের আরও টাকা কেটে নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
    দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় পর পরিশোধ করা হচ্ছে সোনালী ব্যাংকের দেয়া স্বীকৃত বিলের পাওনা। দীর্ঘ এ সময়ে স্বীকৃত বিলের অর্থ পরিশোধ থেকে বিরত থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের হিসাব থেকে এসব টাকা কেটে অন্য ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ১ হাজার ৫৭৯টি অভ্যন্তরীণ বিলের পাওনা পরিশোধ করা হবে। এ কারণে সোনালী ব্যাংকের ফরেন কারেন্সি (এফসি) ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ সংরক্ষিত রাখতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক চিঠি পাঠিয়ে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, গত বছরের জুলাইতে অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক হাজার ৫৭৯টি স্বীকৃত বিলমূল্যে পরিশোধে কয়েক দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত সেগুলো পরিশোধ করা হয়নি। এ বিষয়ে সর্বশেষ গত ৬ মে সোনালী ব্যাংক একটি ব্যাখ্যা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ওই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় প্রথম ধাপের ৩১৭টি ও দ্বিতীয় ধাপের ৬০৫টি বিলমূল্যে অন্য ব্যাংকে পরিশোধ করা হয়। এর আগে সোনালীর পর্ষদের অনাপত্তি দেয়া ৫৮৬টি বিলমূল্যে কেটে নিয়ে অন্য ব্যাংককে পরিশোধ করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত শনিবার যুগান্তরকে বলেন, আমাদের বোর্ড যেহেতু সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংক সঠিক কাজটিই করছে। তিনি বলেন, অনিয়ম বা জালিয়াতি না থাকলে বিল পরিশোধ করাই ভালো। তবে এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আমাদের কাছ থেকে বিভিন্ন কোম্পানির ব্যাপারে তথ্যের জন্য চিঠি দিয়েছে। পাশাপাশি ফরেন কারেন্সি (এফসি) ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ সংরক্ষিত রাখতে নির্দেশ দিয়েছে। আমরা সে নির্দেশ মতো অর্থ জমা রেখেছি।উল্লেখ্য, এক হাজার ৫৭৯টি স্বীকৃত বিলের বিপরীতে বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকের এক হাজার ১৬৬ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. আহসানউল্লাহ বলেন, বিল আটকে থাকায় ব্যাংক খাতে অনেক জটিলতাও হচ্ছে। সার্বিক বিবেচনায় আমরা তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নিয়ে পরিশোধ করার ব্যবস্থা করেছি। কোনো মামলা-মোকদ্দমা ও জাল-জালিয়াতি নেই। সোনালী ব্যাংকের স্বীকৃতি দেয়া সব বিল পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে আমরা ৫৮৬টি বিলের পাওনা পরিশোধ করেছি।বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে এসব বিলের মধ্যে ৫৮৬টি বিলে কোনো অনিয়ম না পাওয়ায় গত বছরের ডিসেম্বরে এসব বিলের অর্থ সোনালী ব্যাংকের হিসাব থেকে কেটে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে ১৫৮টি বিলের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ ডলার পরিশোধ করেছে। এছাড়া সোনালী ব্যাংক নিজেও ২২২টি বিল পরিশোধ করেছে। বাকি বিলগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক পরিশোধ করবে।উল্লেখ্য, হল-মার্কসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সোনালী ব্যাংকের শেরাটন শাখা থেকে ২৩৩২টি অভ্যন্তরীণ বিলে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ওই সময় সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে হলমার্কসহ ছয়টি প্রতিষ্ঠান জালিয়াতির মাধ্যমে তিন হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এদিকে দীর্ঘদিন স্বীকৃত বিলের অর্থ পরিশোধ থেকে সোনালী ব্যাংক বিরত থাকায় চরম খেসারত দিতে হয়েছে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের। এ ঘটনায় শিল্প উদ্যোক্তারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন।জানা গেছে, হলমার্ক কেলেংকারির ঘটনায় ২০১২ সালের মে পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকের শেরাটন হোটেল কর্পোরেট শাখায় সৃষ্ট স্থানীয় আমদানি-রফতানির বিপরীতে সোনালী ব্যাংকের স্বীকৃতি দেয়া বিলের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩৪২টি। এর বিপরীতে ৪১টি ব্যাংকের এক হাজার ৩১৬ কোটি টাকা পাওনা ছিল। এই টাকা পরবর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করার কথা থাকলেও সোনালী ব্যাংক বিলগুলো আটকে দেয়। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিলগুলো পরিশোধে মধ্যস্থতা করলেও সোনালী ব্যাংকের আপত্তির কারণে তা পরিশোধ হয়নি। এ ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৫৪টি মামলা করে দেশের ১১টি ব্যাংক। এর মধ্যে জনতা ব্যাংক করেছে ৭টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক করেছে ১টি, যমুনা ব্যাংক করেছে ৩টি, আইএফআইসি ব্যাংক করেছে ২টি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক করেছে ৬টি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক করেছে ২টি, ন্যাশনাল ব্যাংক করেছে ৮টি, উত্তরা ব্যাংক করেছে ৫টি, অগ্রণী ব্যাংক করেছে ১৬টি, সাউথইস্ট ব্যাংক ১টি এবং প্রাইম ব্যাংক করেছে ২টি মামলা। অবশেষে ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভায় সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ কেটে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।উল্লেখ্য, আমদানিকারকের ব্যাংকের স্বীকৃতি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে কমিশনের বিনিময়ে রফতানিকারকের বিল কেনে ব্যাংক। এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিয়ম। এর মাধ্যমে আমদানিকারকের দায় সৃষ্টি হয়। তবে এ প্রক্রিয়ায় কিছু ব্যবসায়ী ভুয়া স্বীকৃত বিল তৈরি করে অন্য ব্যাংক থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়। source : Juganthor
  • বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি : যে আইনে শাস্তি নিশ্চিত হবে সে আইনেরই প্রয়োগ
    শতভাগ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বেসিক ব্যাংক লুটের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনে দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় হতবাক হয়েছে সংসদীয় কমিটি। কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় তহবিলের হেনস্থাকারী এসব দুর্নীতিবাজরা যাতে পার পেয়ে যেতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থেকে যে আইনে তাদের দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি নিশ্চিত করা যায় সেই আইনেরই প্রয়োগ করার তাগিদ দেয়া হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে।জাতীয় সংসদ ভবনে গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে তৎকালীন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শাস্তি এখনো নিশ্চিত করতে না পারায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। এই অনিয়মের সঙ্গে ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এবং এমডিসহ বোর্ডের কর্মকর্তারা কে কতটুকু জড়িত ছিলেন তার সুনির্দিষ্ট করে বিস্তারিত তথ্য প্রমাণাদি পরবর্তী সভায় উপস্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছে কমিটি। পাশাপাশি দেশের প্রচলিত আইন এবং ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায় তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া যায় সে বিষয়েও একটি প্রতিবেদন উপস্থাপনের কথা বলা হয়েছে।কমিটির সভাপতি ড. মো. আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, নাজমুল হাসান, টিপু মুন্শি, ফরহাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এবং মো. শওকত চৌধুরী অংশ নেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব, বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।সংসদীয় কমিটিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই ব্যাংকটিকে ধ্বংস ও ফতুর করে দিতে অনিয়ম, দুর্নীতি আর জালিয়তির সব ধরনের প্রক্রিয়াই প্রয়োগ করেছেন ব্যাংকটির অর্থলোভী পরিচালনা পর্ষদ ও সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। একটি কিংবা দুটি শাখা নয়, রাজধানীর প্রায় প্রতিটি শাখাতেই প্রতিষ্ঠানটির হর্তাকর্তাদের নির্দেশে গঠিত কর্মকর্তাদের সিন্ডিকেট ঋণের নামে বিলিয়ে দিয়েছেন হাজার হাজার কোটি টাকা। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শুধু রিলেশনশিপের ভিত্তিতে কোনো ধরনের কাগজপত্র কিংবা জামানত ছাড়াই মাত্র একদিনে অনুমোদন দেয়া হয়েছে মেগা অঙ্কের এসব ঋণ। ঋণ আবেদন পত্রের সঙ্গে সিকিউরিটি ফরমের ব্যবহার বাধ্যতামূলক থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ফরম আংশিক পূরণকৃত কোনো কোনো ক্ষেত্রে একদম ফাঁকাই রাখা হয়েছে। অনেক ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে আবেদনপত্র গ্রহণ না করারও নজির রয়েছে। জামানত দেখানোর ক্ষেত্রে জাল দলিল অনেক ক্ষেত্রে আগে ঋণ উত্তোলন করে সেই টাকায় জমি কিনে তা বন্ধক রাখার ঘটনাও ঘটেছে। মূলত প্রতিষ্ঠানটি লুটপাটে এমন কোনো জালিয়াতি নেই যা করা হয়নি।   Source : Manob kontho
  • হজভিসা পেয়েছে ৮০ হাজার বাংলাদেশি
    এ বছর ৮০ হাজার বাংলাদেশিকে সৌদি আরব হজভিসা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির নতুন রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ এইচএম আল মুতাইরি।বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে দেখা করে সামগ্রিক বিষয়ে তাদের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন তিনি।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দিতে গত ২৬ জুলাই বাংলাদেশে আসেন আল মুতাইরি। পরে ১৯ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন।এর আগে আব্দুল্লাহ এইচএম আল মুতাইরি সৌদি সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক ছিলেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান সম্পর্ক আরো জোরদার এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সৌদি রাষ্ট্রদূতকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ঢাকার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। source : jayjay din
  • বাংলাদেশি শ্রমিকে মালয়েশিয়ার প্রাদেশিক সরকারের ‘না’
    মালয়েশিয়ার কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার ঘোষণা দিলেও সাবাহ প্রাদেশিক সরকার এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। গতকাল বুধবার সাবাহর তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী সিরিনগান গুবাত জানান, তাঁরা কোনো খাতে বাংলাদেশি শ্রমিক মেনে নেবেন না। গুবাত জানান, প্রাদেশিক মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে কোনো শ্রমিক নেওয়া হবে না। তবে কেন নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে মন্ত্রী কিছু জানাননি। তিনি বলেন, সেবামূলক খাত ছাড়া অন্য যেকোনো খাতে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, নেপাল কিংবা কম্বোডিয়া থেকে শ্রমিক নেওয়া যাবে। সেবামূলক খাতে কেবল ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের শ্রমিক নেওয়া হবে। গত জুনে অবশ্য দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ ঘোষণা দেন, আগামী তিন বছরে বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ শ্রমিক নেওয়া হবে। কৃষি, অবকাঠামো নির্মাণ, পণ্য বাজারজাতকরণ ও সেবামূলক খাতে এই শ্রমিক নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। সূত্র : মালয়মেইল।
  • আইন অমান্য করায় একাধিক প্রতিষ্ঠানকে বিএসইসির জরিমানা
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইল। গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৫২তম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া সিকিউরিটিজ আইন অমান্য করায় একাধিক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।বিএসইসি জানিয়েছে, রিজেন্ট টেক্সটাইল পুঁজিবাজারে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১২৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে মূলধনী বিনিয়োগ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন অর্থায়ন ও আইপিওর কাজে ব্যয় করবে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯২ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ৩৩ টাকা ১৭ পয়সা।এদিকে সভায় এবি ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার নন কনভার্টিবল বন্ড ছাড়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। যার মেয়াদ ৭ বছর। বন্ডের প্রতি ইউনিটের মূল্য ১০ লাখ টাকা। এছাড়া মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকার সাব-অর্ডিনেটেড ফ্লোটিং রেট বন্ড অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ বন্ডের প্রতি ইউনিটের মূল্য এক কোটি টাকা। এসব বন্ড শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ আর্থিক সঙ্গতি সম্পন্ন বিনিয়োগকারীরাই প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ক্রয় করতে পারবেন।বিএসইসির কমিশন সভায় চিকটেক্স লিমিটেডের এমডি সহ প্রত্যেক পরিচালককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। কোম্পানির অর্ধ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল না করায় এ জরিমানা করা হয়। এছাড়া তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক বিবরণীতে যথাযথ ব্যাখ্যামূলক নোট প্রদান না করায় আশরাফ টেক্সটাইল মিলসের এমডিসহ প্রত্যেক পরিচালককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আর তমিজুদ্দিন টেক্সটাইল মিলসের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে স্থায়ী সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন হিসাব সঠিকভাবে না দেখিয়ে নীট মুনাফা ও ইপিএস বেশি দেখানো হয়েছে। এতে কোম্পানিটির এমডিসহ প্রত্যেক পরিচালককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বিএসইসি আরও জানিয়েছে, সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজের আর্থিক বিবরণীতে নানাভাবে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। এতে কোম্পানিটির এমডিসহ প্রত্যেক পরিচালককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আর অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে সুদ বাবদ খরচ না দেখিয়ে কোম্পানির নীট ক্ষতিকে নীট মুনাফা দেখানো হয়েছে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক বিবরণী তলব করলেও তা প্রেরণ করেনি। এসবের প্রেক্ষিতে কোম্পানিটির এমডি সহ প্রত্যেক পরিচালককে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।   Source : ইত্তেফাক
  • রিজেন্ট টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমতি পেয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। সোমবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৫২তম সভায় কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়ার অনুমোদন দেয়া হয়। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানিয়েছে, কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১২৫ কোটি টাকা তুলবে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। উত্তোলিত টাকা রিজেন্ট টেক্সটাইল মূলধনী বিনিয়োগ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন অর্থায়ন ও আইপিওর কাজে ব্যয় করবে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৯২ পয়সা। Source : যায়ে যায়ে দিন   
  • কারসাজির সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি পাচ্ছে পুঁজিবাজার
    ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে মহাধসে বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িত নায়কদের বিচার শুরু করেছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। এর আগে কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারের দাম বৃদ্ধি ও ফেসবুকে তথ্য পাচারের দায়ে ২ মামলার রায় হয়েছে। এতে সুবাতাস বইতে শুরু করেছে পুঁজিবাজারে। আর স্বস্তিতে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরাও। অপরদিকে কারসাজি চক্রের নায়কদের সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি পাচ্ছে শেয়ারবাজার। সর্বশেষ রায় ঘোষণার পর টানা তিনদিন পুঁজিবাজারে উত্থান হয়েছে। বেড়েছে সূচক ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জ, ব্রোকারেজ হাউস এবং শেয়ারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উৎসবমুখর উপস্থিতি দেখা দিয়েছে।১৫ লাখ টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে ২০১০ সালের মহাধসে সর্বস্ব হারিয়েছেন সাদ সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী মহিউদ্দিন। তিনি মানবকণ্ঠকে বলেন, হারানো টাকা হয়তো আর ফিরে পাব না। কিন্তু এই খলনায়কদের বিচার হলেই খুশি। এদের বিচার আরো আগেই হওয়া উচিত ছিল। আর যেন দেরি না হয়। সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মতে, পুঁজিবাজারে মোট বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ৩০ লাখ ৬৫ হাজার ২৩৪ জন। তারা সবাই খুশি। কারসাজিকারকদের কারণে দুই দফা ধসে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেন, অনেকে আত্মহত্যা করেছেন। সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছেন বলে অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের।বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গঠিত এই বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ১৫ মামলার বিচার কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এসব মামলার বাদী বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এসব মামলার মধ্যে ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারির ২টি মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে ট্রাইব্যুনালে। কোম্পানি দুটি হলো চিক টেক্সটাইল ও চিটাগাং সিমেন্ট। চিটাগাং সিমেন্টের শেয়ার কারসাজির দায়ে মামলার অভিযুক্তরা হলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান, বুলবুল সিকিউরিটিজের মালিক এএস শহিদুল হক বুলবুল এবং ব্যবসায়ী মো. আবু তৈয়ব। বর্তমানে অভিযুক্তদের সবাই জামিনে রয়েছেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্তরা ১৯৯৬ সালে চিটাগাং সিমেন্টের পরিচালক ছিলেন। ভারতীয় ও ইরানি বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির শেয়ার কিনবেন বলে অভিযুক্তরা মূল্যসংবেদনশীল তথ্য ছড়িয়ে শেয়ার মূল্য প্রভাবিত করেন। এ ব্যাপারে পরে চিটাগাং সিমেন্টের পক্ষ থেকে সন্তোষজনক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এরপর কোম্পানির এক পরিচালক বড় অঙ্কের শেয়ার হস্তান্তরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এছাড়া বিএসইসির নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রকিবুর রহমান ও এএস শহিদুল হক বুলবুল পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেননি। আগামী ৩০ আগস্ট সর্বশেষ সাক্ষীর শুনানি হবে।আর কৃত্রিমভাবে চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম বাড়িয়ে কারসাজির দায়ে অভিযুক্তরা হলেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদুর রসূল ও পরিচালক ইফতেখার মোহাম্মদ। পরস্পর যোগসাজশে কৃত্রিমভাবে কোম্পানিটির শেয়ারটির দাম বাড়িয়ে বাজার থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ১৯৯৭ সালে ২ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে বিএসইসি। কিন্তু বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর থেকে তারা অনুপস্থিত রয়েছেন। এ জন্য গত ২৮ জুন তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। বিবাদীপক্ষের কেউ না থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-এর বি (২) ধারা অনুযায়ী এ মামলার চার্জ গঠন করেন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন আহমেদ এ মামলার সাক্ষ্য দেন। এর আগে ৬ জুলাই একই মামলার বাদী হিসেবে প্রথম সাক্ষ্য দেন বিএসইসির সাবেক নির্বাহী পরিচালক এমএ রশীদ খান।মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আসামিরা চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম বাড়ানোর লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। কারসাজির মাধ্যমে মুনাফা করার উদ্দেশ্যে ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদুর রসূল ৮ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৪টি ও পরিচালক ইফতেখার মোহাম্মদ ৮ লাখ ৩৫ হাজার শেয়ার অপারেট করেন। মামলাদ্বয়ে রাষ্ট্রপক্ষে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আইনজীবী হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. মাসুদ রানা খান ও হাসিবুর রহমান দিদার আর বিবাদীপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।আর ২০১০ সালে সিরাজউদ্দৌল্লাহ্ ও তার স্ত্রী রাশেদা আক্তার মায়া এবং মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোড়ল নামের তিন বিনিয়োগকারীর বিরুদ্ধে কৃত্রিমভাবে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারের দাম বাড়ানোর অভিযোগ করা হয়েছে।  ২০১১ সালের ২১ আগস্ট এ বিষয়ে মামলা দায়ের করে বিএসইসি। বিএসইসির পরিচালক শেখ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটির বিচার শুরু হয়েছে ১০ আগস্ট। এখন শুনানি চলছে। বিবাদীপক্ষের আইনজীবী বাকী মো. মর্তুজা। সরকার পক্ষের আইনজীবী হলেন ড. মো. মাহবুব আলম ভূঁইয়া মিলন ও মো. রেজাউল করিম রেজা।এসইসির  অভিযোগনামায় বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা ২০১০ সালের ৩০ জুন থেকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে সংঘবদ্ধ ও কৃত্রিম লেনদেনের মাধ্যমে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়িয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন কার্যদিবসে সৈয়দ সিরাজউদ্দৌল্লাহ্ পিপলস লিজিংয়ের ২ লাখ ২২ হাজার ৭০০ শেয়ার বিভিন্ন মূল্যে ক্রয় করেন। ওই সময়ে শেয়ারটির দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। পরবর্তী সময়ে শেয়ারটির অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকায় রূপান্তরের পর ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩০০ শেয়ার বিক্রি করেন। আবার ৪ আগস্ট থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত পিপলস লিজিংয়ের ৮ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ শেয়ার ক্রয় করেন। একই সময়ে ৯ লাখ ১৭ হাজার ২০০ শেয়ার বিক্রি করেন। অভিযোগনামায় আরো বলা হয়, সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রী রাশেদা আক্তার মায়া ১০ আগস্ট থেকে ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পিপলস লিজিংয়ের ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ শেয়ার ক্রয় করেন। একই সময়ে তিনি ৩ লাখ ৩১ হাজার ৯০০ শেয়ার বিক্রি করেন। অপর অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান একই সময়কালে পিপলস লিজিংয়ের ৭৫ হাজার শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করেন।এছাড়াও ২০১০ সালে প্লেসমেন্টের নামে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে দায়ের করা কমিশনের আরেকটি মামলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত বুধবার বিএসইসির সহকারী পরিচালক জহুরুল হকের সাক্ষ্যদানের মাধ্যমে এ মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। বিএসইসির উপপরিচালক এএসএম মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযুক্তরা হলেনÑ গ্রীন বাংলা কমিউনিকেশন কোম্পানিসহ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রয়াত নবীউল্লাহ নবী ও সাত্তারুজ্জামান শামীম। মামলার সাক্ষী জহুরুল হক আদালতকে জানান, ২০১০ সালে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ পায় কমিশন। কমিশনের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-৩ সরেজমিন তদন্তে নামে। র‌্যাব-৩ এর কয়েক সদস্য বিনিয়োগকারী সেজে প্লেসমেন্টে প্রতারণায় নবী উল্লাহ নবী ও সাত্তারুজ্জামান শাহীন নামে ২ জনকে শনাক্ত করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সাক্ষীকে জেরা করেন বিবাদীপক্ষের আইনজীবী আমিনুল হক ভুঁইয়া। পরে মামলাটির পরবর্তী বিচার কার্যক্রম ২৪ আগস্ট দিন ধার্য করেন আদালতের বিচারক হুমায়ুন কবীর।গত বুধবার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে মাসুদ রানা খান, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিএসইসির উপপরিচালক এএসএম মাহমুদুল হাসান, আসামি সাত্তারুজ্জামান শামীম ও তার আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজার ধসের কারসাজির জন্য ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে মোট ১৫টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ৮টি মামলা উচ্চ আদালতে স্থগিত রয়েছে। ৩টি মামলা উচ্চ আদালত খারিজ করে দিয়েছে। ১টি মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে। আর ৩টি মামলার বিচারকাজ শিগগিরই শুরু হবে। অপরদিকে ২০১০ সালে করা ২টি মামলার মধ্যে ১টির বিচারকাজ শুরু হয়েছে। অপরটিও শিগগিরই শুরু হবে।এ বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমের অধ্যাপক মিজানুর রহমান মনবকণ্ঠকে বলেন, ট্রাইব্যুনাল যদি সব রুলস অনুয়ায়ী বিচারকাজ সম্পন্ন করেন, তবে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। নতুন করে বিনিয়োগকারীরাও বাজারের প্রতি আকৃষ্ট হবেন।তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজার কারসাজির রায়কে আমি ইতিবাচকভাবে দেখছি। এটি পুঁজিবাজারের জন্য পরিষ্কার বার্তা। এর মাধ্যমে জানান দেয়া হলো, ভবিষ্যতে এ ধরনের কারসাজি করলে শাস্তি পেতে হবে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনের জন্য এ ধরনের বার্তা জরুরি ছিল।প্রসঙ্গত, এর আগে গত সোমবার কারসাজির মাধ্যমে বিডি ওয়েল্ডিং কোম্পানির শেয়ারের দাম ৬১৬ গুণ বাড়ানোর দায়ে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম নূরুল ইসলাম এবং ডেইলি ইন্ডাস্ট্রি পত্রিকার সম্পাদক এনায়েত করিমকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাদের ২০ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া, গত ৩ আগস্ট ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর দায়ে মাহাবুব সারোয়ার নামে ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।   Source : মানব কণ্ঠ
  • ২০% নগদ লভ্যাংশ দেবে এপেক্স ফুডস
    শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এপেক্স ফুডস লিমিটেড। ২০১৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করেছে কোম্পানিটি। রেকর্ড ডেট ১৩ সেপ্টেম্বর। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, গেল হিসাব বছরে এপেক্স ফুডসের নিট মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। বিনিয়োগকৃত সম্পদ পুনর্মূল্যায়নজনিত ঘাটতি বিবেচনায় নিলে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ১২ টাকা ৬০ পয়সা। এ ঘাটতি বিবেচনায় না নিলে ইপিএস ১৪ টাকা ৮৮ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ১০৯ টাকা ৬০ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • দুই ব্যাংকের বন্ড প্রস্তাব অনুমোদন
    এবি ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের মোট ৭০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর মধ্যে এবি ব্যাংক লিমিটেড নন-কনভার্টেবল সাব-অর্ডিনেট বন্ডের মাধ্যমে বাজার থেকে ৪০০ কোটি টাকা ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক সাব-অর্ডিনেট ফ্লোটিং রেট বন্ডের মাধ্যমে ৩০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। গতকাল কমিশনের নিয়মিত সভায় ব্যাংক দুটির বন্ড প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।এবি ব্যাংক লিমিটেডের ৪০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টেবল সাব-অর্ডিনেট বন্ডটির মেয়াদ হবে সাত বছর। মেয়াদ শেষে বন্ডের পুরো অর্থ নগদে পরিশোধ করা হবে। শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ আর্থিক সঙ্গতিসম্পন্ন বিনিয়োগকারীরাই প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে এ বন্ড কিনতে পারবেন। বন্ডের টাকায় এবি ব্যাংক তাদের টায়ার-২ রেগুলেটরি মূলধন ও মূলধন পর্যাপ্ততা হার বৃদ্ধি করবে। বন্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১০ লাখ টাকা।এদিকে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের ৩০০ কোটি টাকার সাব-অর্ডিনেট ফ্লোটিং রেট বন্ডটির মেয়াদও সাত বছর। এ বন্ডও শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে না। এক্ষেত্রেও ক্রেতা শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ আর্থিক সঙ্গতিসম্পন্ন ব্যক্তি। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক তাদের টায়ার-২ রেগুলেটরি মূলধন বৃদ্ধির কাজে ব্যয় করবে। বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১০ লাখ টাকা।উভয় বন্ডের লিড অ্যারেঞ্জার আরএসএ ক্যাপিটাল ও ট্রাস্টি আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেড।   Source : বনিক বার্তা
  • সায়হাম কটনের পর্ষদ সভা বৃহস্পতিবার
    সায়হাম কটন মিলস লিমিটেডের লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা আগামী বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সেখানে ৩০ এপ্রিল সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে লভ্যাংশ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় সায়হাম কটন। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে তখন কোম্পানির নিট মুনাফা হয় ২০ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা, আগের বছর যা ছিল ২৫ কোটি ৯০ লাখ ১০ হাজার টাকা। শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ১ টাকা ৪৮ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ২৪ টাকা ১৭ পয়সা।তৃতীয় প্রান্তিকে সায়হাম কটনের মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে। গত নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয় ৩ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসেও কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। ২০১৪ সালের মে মাস থেকে গত জানুয়ারি পর্যন্ত এর মুনাফা হয়েছে ১৪ কোটি ৪৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, এক বছর আগে যা ছিল ১৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রথম তিন প্রান্তিকে সায়হাম কটনের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৭ পয়সা। ২০১৩ সালের জন্যও কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। তখন ইপিএস ছিল ১ টাকা ৯২ পয়সা।এদিকে ডিএসইতে গতকাল সায়হাম কটন শেয়ারের দর ২ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়ে ২০ টাকায় উন্নীত হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ১৯ টাকা ৩০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২১ টাকা ৭০ পয়সা। এক বছরে দরের এ সীমা ছিল ১৫ থেকে ২৪ টাকা।২০১২ সালে শেয়ারবাজারে আসা সায়হাম কটন মিলসের পরিশোধিত মূলধন ১৩৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা।   Source : বনিক বার্তা
  • অলটেক্সের আট পরিচালককে ৪০ লাখ টাকা জরিমানা
    আর্থিক প্রতিবেদনে গরমিলের দায়ে বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ পরিচালনা পর্ষদের আট সদস্যকে মোট ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সর্বশেষ নিরীক্ষিত প্রতিবেদনে নিরীক্ষকের আপত্তি অনুযায়ী স্থায়ী সম্পদের বাস্তব অস্তিত্ব না দেখানো ও ব্যাংকঋণের সুদ সঞ্চিতি বা খরচ হিসেবে না দেখানোয় তাদের এ শাস্তি দেয়া হয়।গতকাল কমিশনের নিয়মিত সভায় অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালকদের জরিমানার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। এছাড়া আর্থিক প্রতিবেদনে নানা অনিয়ম ও আর্থিক প্রতিবেদন জমা না দেয়ার পৃথক ঘটনায় ওভার দ্য কাউন্টারভুক্ত (ওটিসি) আরো চার কোম্পানির ২৭ পরিচালককে ৪০ লাখ টাকা জরিমানার সিদ্ধান্ত হয়েছে।কমিশন সভা শেষে গতকাল বিএসইসির মুখপাত্র জানিয়েছেন, গত বছরের আর্থিক বিবরণীতে উল্লিখিত ১১৯ কোটি টাকার স্থায়ী সম্পদের প্রকৃত অবস্থান বিষয়ে কোম্পানিটি কোনো তথ্য দেয়নি। এছাড়া এ কোম্পানির সহযোগী অলটেক্স ফ্যাব্রিকসে ৭ কোটি টাকা বিনিয়োগের ব্যাংক সার্টিফিকেট তলব করলেও কমিশনে তা দাখিল করেনি কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা বিভাগ। এ কারণে কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদসহ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আফসার উদ্দিন আহমেদ, পরিচালক হাসান আহমেদ, হামিদ উদ্দিন আহমেদ, এমএ মহসিন, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) মনোনীত পরিচালক আবুল হোসেন এবং স্বতন্ত্র পরিচালক জাহিদুল ইসলাম ও খলিলুর রহমানকে ২ লাখ টাকা করে মোট ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।জানা গেছে, পর পর দুই বছর লোকসান করার পর কোম্পানির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের এপ্রিলে শিল্প মন্ত্রণালয় অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে রুগ্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নথিভুক্ত করে। রুগ্ণ ক্যাটাগরিতে যাওয়ায় কোম্পানিটি সোনালী ব্যাংকের ১৭২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ঋণের বিপরীতে প্রদেয় ১৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকার সুদ মওকুফের আবেদন করেছিল। তবে তাদের আবেদনের চূড়ান্ত অনুমোদন হয়নি। অথচ এর আগেই কোম্পানিটি ২০১৪ হিসাব বছরের বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন থেকে সুদ বাবদ খরচ বাদ দিয়েছে। এতে আইন লঙ্ঘন হলেও দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা কোম্পানিটি রাতারাতি মুনাফায় ফিরে এসেছে।এ বিষয়ে কোম্পানিটির নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মতামত পাওয়ার পর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন পরীক্ষা করে দেখে। ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে অলটেক্সের কর-পরবর্তী মুনাফা দাঁড়ায় ১২ কোটি ২৬ লাখ টাকা। অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী, কোম্পানিটির সুদ ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে লাভ-লোকসান হিসাব করলে সংশ্লিষ্ট হিসাব বছরে নিট লোকসান হতো ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। এ অবস্থায় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হতো ১ টাকারও বেশি। অথচ হিসাব মান অনুসরণ না করে কোম্পানিটি ২ টাকা ৫৬ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে।মূল্যসংবেদনশীল তথ্য গোপন ও বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড (বিএএস) অনুসরণ না করে আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করায় শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে প্রভাব বিস্তার করে। আর্থিক বিবরণী প্রকাশের আগেই কোম্পানিটি মুনাফায় ফিরে আসছে— শেয়ারবাজারে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে গত অক্টোবর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে শেয়ারটির দর ৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৬ গুণের বেশি বেড়ে ৩৮ টাকায় ওঠে। পরবর্তীতে বিএসইসি বিষয়টি তদন্তের ঘোষণা দেয়।গত বছরের ২৮ অক্টোবর কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করে; যা গত ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) অনুমোদন করেন শেয়ারহোল্ডাররা।আরো ২৭ পরিচালককে জরিমানা: এদিকে গতকাল অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় আরো চার কোম্পানির ২৭ পরিচালককে মোট ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। এর মধ্যে ওটিসি বাজারভুক্ত চিকটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি আইন অনুুযায়ী ২০১১ সালের আর্থিক বিবরণী কমিশনে জমা না দেয়ায় কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুর রাসেলসহ বাকি তিন পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ, মাসুকুর রহমান ও ইফতেখার মাহমুদকে ১ লাখ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কয়েক বছর আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তদন্তে কোম্পানিটির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।এছাড়া ওটিসি মার্কেটের আশরাফ টেক্সটাইলকে ৩১ মার্চ ২০১৪ সমাপ্ত তৃতীয় ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন আইন অনুযায়ী তৈরি না করায় এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদ আলী মৃধাসহ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদ, পরিচালক আব্দুল রউফ, ইব্রাহিম রহমতুল্লাহ, সেলিমা বেগম, মোহাম্মদ আহমেদ, আজিজ আহমেদ, এবিএম শাহনেওয়াজ এবং স্বতন্ত্র পরিচালক অ্যাডভোকেট একেএম বদরুদ্দোজাকে ১ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।এদিকে ২০১২ সালের আর্থিক প্রতিবেদন আইন অনুযায়ী তৈরি না করায় সোনালী আঁশ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল ইসলাম পাটোয়ারীসহ চেয়ারম্যান শামসুন নাহার, পরিচালক মোবারক আলী, মোহসিনা পাটোয়ারী, মাহবুবুর রহমান, জাফর আহমেদ পাটোয়ারী ও নাবিনা পাটোয়ারীর প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে মোট ১৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিএসইসি।একইভাবে আর্থিক প্রতিবেদনে সঠিক তথ্য না দিয়ে অর্জিত মুনাফা ও ইপিএস বাড়িয়ে দেখানোর দায়ে ওটিসি মার্কেটেরই তমিজুদ্দিন টেক্সটাইল মিলস কোম্পানির চেয়ারম্যান মহসিন আহমেদসহ ছয় পরিচালককে মোট ১২ লাখ টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।   Source : বনিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • TRUSTB1MF

    Trading of the units of the fund will be allowed only in the Spot Market and Block transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from 01.09.2015 to 02.09.2015. Trading of the units of the fund will remain suspended on record date i.e., 03.09.2015.

  • FBFIF

    Trading of the units of the fund will be allowed only in the Spot Market and Block transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from 01.09.2015 to 02.09.2015. Trading of the units of the fund will remain suspended on record date i.e., 03.09.2015.

  • ATCSLGF

    Trading of the units of the fund will remain suspended on record date i.e., 01.09.2015.

  • NLI1STMF

    Normal trading of the units of the fund will resume on 01.09.2015 after record date.

  • SEBL1STMF

    Normal trading of the units of the fund will resume on 01.09.2015 after record date.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
KAY&QUE 13.30 12.10 1.20 9.92
ZEALBANGLA 8.90 8.10 0.80 9.88
NORTHERN 323.30 297.30 26.00 8.75
MBL1STMF 4.50 4.30 0.20 4.65
IPDC 19.00 18.30 0.70 3.83
HRTEX 25.70 24.80 0.90 3.63
UNITEDINS 26.00 25.10 0.90 3.59
RAHIMTEXT 303.00 293.70 9.30 3.17
SAFKOSPINN 20.80 20.20 0.60 2.97
SINOBANGLA 25.60 24.90 0.70 2.81

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297