Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ECABLES 218.9 140.5 78.40 55.80
SHYAMPSUG 36 25.6 10.40 40.63
ICBIBANK 7 5.1 1.90 37.25
JUTESPINN 103.5 81.6 21.90 26.84
SAVAREFR 141.3 115 26.30 22.87
MEGHNAPET 13.3 11.1 2.20 19.82
MITHUNKNIT 32.6 27.3 5.30 19.41
ZEALBANGLA 66.7 56.3 10.40 18.47
IPDC 51.6 44.1 7.50 17.01
GHAIL 44.9 38.6 6.30 16.32

Contest SB2017_Nov

1st
blank_person
AQCHY1971
2nd
blank_person
SHOPNO_GHURI
3rd
blank_person
DRREZA31
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BATBC 3297.6 3262.7 3.61924 1732.00
UPGDCL 178.8 173.5 3.32474 940960.00
BEXIMCO 27.4 26.5 1.23642 2806400.00
PUBALIBANK 29.1 28.5 0.98601 1410270.00
ECABLES 218.9 199 0.82548 259585.00
Negative impact
GP 473.4 480.2 -15.87012 549914.00
SQURPHARMA 305 310.8 -6.87636 740591.00
LAFSURCEML 56.1 57.4 -2.60949 1535470.00
EBL 55.2 56.6 -1.78577 472841.00
BRACBANK 105.6 106.8 -1.77376 2044300.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
LANKABAFIN 67.6 68.5 67.2 -0.88% 867.10
ABBANK 25.3 26.3 25.1 -0.78% 491.10
DHAKABANK 25.3 26.3 25 -1.17% 435.64
SHAHJABANK 33.6 35.4 33.3 -3.45% 331.63
FASFIN 24.3 24.7 23.5 1.67% 295.90
CITYBANK 55.6 57 55.3 -1.59% 271.90
BDTHAI 28.9 29.2 27.5 5.09% 267.82
GP 473.4 482.8 472.5 -1.42% 262.51
SQURPHARMA 305 310 304.5 -1.87% 227.10
BRACBANK 105.6 108.4 105.2 -1.12% 217.46

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 21 Nov 2017

165810
TOTAL TRADE
308.7061
TOTAL VOLUME(Mn)
10919.00
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • লংকাবাংলা আল-আরাফাহ শরিয়াহ ইউনিট ফান্ড অনুমোদন
    স্টাফ রিপোর্টার : বে-মেয়াদি লংকাবাংলা আল-আরাফাহ শরিয়াহ ইউনিট ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(বিএসইসি)। ৬১৬তম কমিশন সভায় ফান্ডটির অনুমোদন দেওয়া হয়। বিএসইসি জানায়, মিউচ্যুয়াল ফান্ডটির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৫০ কোটি টাকা। এরমধ্যে ফান্ডটির উদ্যোক্তা অংশ ১০ কোটি টাকা। প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ১৬ কোটি টাকা এবং  ২৪ কোটি টাকা অন্য সকল বিনিয়োগকারীর জন্য রাখা হয়েছে। ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে এ টাকা উত্তোলন করা হবে। ফান্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। ফান্ডটির উদ্যোক্তা আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এমপ্লয়ীজ গ্রাচুইটি ফান্ড ও সম্পদ ব্যবস্থাপক লংকাবাংলা এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কো: লি:। এছাড়া ফান্ডটির ট্রাস্টি এবং কাস্টডিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।
  • দৌড়ের শীর্ষে ইস্টার্ন কেবলস
    স্টাফ রিপোর্টার : দর বাড়ছে ইস্টার্ন কেবলসের প্রতিটি শেয়ারের। মঙ্গলবার লাগামহীনভাবে শেয়ার প্রতি দর বেড়েছে কোম্পানিটির। অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির পেছনে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) জানানোর পরদিনই দরবৃদ্ধির চাপে কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই ইস্টার্ন কেবলসের দর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ দর বেড়ে বিক্রেতা উধাও হয়ে যায়। সারা দিনে ইস্টার্ন কেবলসের মাত্র দুই লাখ ৫৯ হাজার ৫৮৫টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানির শেয়ারটির দরবৃদ্ধির সাম্প্রতিক দৌড় শুরু হয় ১৪ নভেম্বর থেকে। এরপর মাত্র ছয় দিনে ৫৫ শতাংশের বেশি দর বৃদ্ধি পেয়ে ১৪০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে মঙ্গলবার ২১৮ টাকা ৯০ পয়সায় পৌঁছেছে। ডিএসই পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক ‘অস্বাভাবিক’ দাম বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য আছে কি না তা জানতে চাওয়া হলে সোমবার কোম্পানির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের কাছে এ ধরনের কোনো তথ্য নেই। তারপরও এই শেয়ার কিনতে বাড়তি এই চাপের কোনো দৃশ্যমান কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। ক্রয়ের চাপ এতই বেশি যে শেয়ারটির রিলেটিভ স্ট্রেংথ ইনডেক্স (আরএসআই) ৮৭ অতিক্রম করে গেছে। যেখানে আরএসআই ৭০ অতিক্রম করলেই সংশ্লিষ্ট শেয়ার ‘বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচিত হয়। কোম্পানিটি ২০১৭ সালের জুনে সমাপ্ত হিসাব বছরের প্রতিটি ১০ টাকার শেয়ারের বিপরীতে মুনাফা করেছে একটাকা ১৯ পয়সা, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩ শতাংশ কম। ইস্টার্ন কেবলসের ২৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ও ১৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে।
  • নাহি অ্যালুমিনিয়ামের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : নাহি অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ স্টক এবং ৫ শতাংশ নগদসহ মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।  ৩০ জুন, ২০১৭ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য এ ঘোষণা করা হয় বলে মঙ্গলবার কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানির কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৫৬ টাকা। একই সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৫.৩৪ টাকা। ডিভিডেন্ড অনুমদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৮ ডিসেম্বর এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ ডিসেম্বর। উল্লেখ্য, আইপিও সম্পন্নকারী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার লেনদেন আগামী সপ্তাহে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • বেয়ারিশ ক্যান্ডেলে বাঁধা পেল ঊর্ধ্বমুখী ইনডেস্ক
    স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ মঙ্গলবার , ২১ই নভেম্বর, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সুচকে বেয়ারিশ ক্যান্ডেল দেখা যায়। সকাল থেকেই ভাল বাই পেশারে ইনডেস্কের ঊর্ধ্বমুখীতা লক্ষ্য করা যায়। তবে বেলা ১১.১০ মিনিটের পর থেকে বাজারে সেল পেশারে ইনডেস্কের টানা পতন দেখা যায়। দিন শেষে সেলের পরিমান বাড়লে ইনডেস্কে বেয়ারিশ ক্যান্ডেলের আবির্ভাব ঘটে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী, ডিএসইএক্সে আজ বেয়ারিশ ক্যান্ডেল আসায় এখন তা শক্তিশালী সাপোর্ট লেবেলে অবস্থান করছে। এছাড়াও আজকের বেয়ারিশ ক্যান্ডেল ইনভ্যারটেড হ্যামারের পর আসায় তা সাপোর্ট লেবেলের উপর কিছু দিন অবস্থান করতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তবে সামনের দিনগুলোতে  বাজারে সেল পেশার বেড়ে গেলে শক্তিশালী সাপোর্ট লেবেল ভেঙ্গে ডাউন ট্রেন্ডে তা চলে যেতে পারে। এদিকে বর্তমানে ইনডেস্কের সাপোর্ট লেবেল ৬২৮০ তে অবস্থান করছে। ইনডেস্কের আর এস আই [RSI 14] এর মান ৬৭.০৯ তে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার ডিএসইতে এক হাজার ৯১ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের তুলনায় ৬৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা কম। আগের দিন এ বাজারে এক হাজার ১৫৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। ডিএসইতে আজ মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩৩০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩২টির, কমেছে ১৬৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির শেয়ার দর। ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ৩৭ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ২৮১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৩৮১ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ১৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ২৬৮ পয়েন্টে। অন্যদিকে আজ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৬১  কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১০৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৯ হাজার ৪৩৯ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১২টির, কমেছে ১০৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির শেয়ার দর।  
  • ইউনাইটেড পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ নভেম্বর
    স্টাফ রিপোর্টার : ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভা আগামী ২৭ নভেম্বর বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। [caption id="attachment_72922" align="aligncenter" width="859"] ডিএসইর ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদন[/caption] ডিএসই সূত্রে মঙ্গলবার জানা গেছে, সভায় কোম্পানির ৩০ জুন, ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছর ও ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সময়ের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা এবং সমাপ্ত অর্থ  বছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ২০১৬ সালে ১২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল।
  • লুব-রেফ কোম্পানির রোড়শো ৫ ডিসেম্বর
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের লুব-রেফ (বাংলাদেশ) লিমিটেড আগামী ৫ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার সন্ধা ৭ টায় হোটেল রেডিসন ব্লু-তে রোড শো অনুষ্ঠিত হবে। পুঁজিবাজারের ইলিজিবল ইনভেস্টরদের উপস্থিত থেকে রোড শোতে অংশগ্রহণ করার জন্য আহবান জানানো হয়েছে। রোড-শো তে যোগ্য বিনিয়োগকারী (ইলিজিবল ইনভেস্টর) হিসেবে মার্চেন্ট ব্যাংকার, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজার ও তাদের পরিচালিত মিউচ্যুয়াল ফান্ড, স্টক ডিলার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি, অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ও ফান্ডের ম্যানেজার, অনুমোদিত পেনশন ও প্রভিডেন্ট ফান্ড, ইতিমধ্যে বিনিয়োগ করা বৈদেশিক বিনিয়োগকারী এবং কমিশন অনুমোদিত বিনিয়োগকারীরা বুক বিল্ডিংয়ের জন্য আবেদন করতে পারবে। লুব-রেফ কোম্পানিটি লুব্রিকেন্ট তৈরি করে। তাদের বিএনও নামে তারা লুব্রিকেন্ট বাজারজাত করে। দেশীয় বাজারে চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি তাদের তৈরি লুব্রিকেন্ট বিদেশেও রপ্তানি হয়। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এনআরবি ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং রেজিস্টার টু দি ইস্যু হিসেবে কাজ করছে বেটাওয়ান ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।
  • বেয়ারিশ ক্যান্ডেলে সাপোর্ট লাইনের উপর ইনডেস্ক, মার্কেট নিউজ টুইটস: ২.৩০ মিনিট
    পুঁজিবাজার যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে ডিসেম্বরে ‘উৎপাদনে ফেরার আভাস কনফিডেন্স সিমেন্টের শেয়ার কিনবে কনফিডেন্স স্টিল এসিআই’য়ের পাওয়ার জেনারেশন শাখার উদ্বোধন নাহি অ্যালুমিনিয়ামের অনুমোদন, লেনদেন যেকোন দিন ব্লক মার্কেটে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক শীর্ষে বুলিশ ক্যান্ডেলে ইনডেস্কের সাকসেসফুল ব্রেক আউট রোববার হল্টেড ৪টি কোম্পানি                          মার্কেট নিউজ টুইটস: ২.৩০ মিনিট  বাজারে আজ ব্যাপক সেল পেশার থাকায় দিন শেষে ইনডেস্কে ইনভ্যারটেড হ্যামারের [যা এখন সুটিং স্টার হিসেবে বিবেচিত] পর বেয়ারিশ ক্যান্ডেল দেখা যায়। তবে বেয়ারিশ কা ন্ডেলে ইনডেস্কে এখন শক্তিশালী সাপোর্টের উপর অবস্থান করছে।   ARGONDENIM এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩৬ মিনিট ঠিক ১.৩৭ টায় ARGONDENIM উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( 33 TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 2202000 TK। বাজারে আজ লেনদেনের পরিমান লক্ষ্যনীয় ,মার্কেট নিউজ টুইটস: ১১.৩৮ মিনিট বাজারে আজ লেনদেনের পরিমান লক্ষ্যনীয় । বেলা ১১.৩৮ মিনিট পর্যন্তও বাজাএ ৩৫৪ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়। এ সময় ইন ডেস্কের মান বাড়তে দেখা যায়। ইনডেস্কে ধীর গতি আসতে পারে আজ,মার্কেট নিউজ টুইটস: ১০.৩০ মিনিট গতকাল ইনডেস্কে দিন শেষে ইনডেস্কে ইনভ্যারটেড হ্যামার দেখা যায়। আজ সকাল থেকে কিছুটা ধীর হতে পারে। তবে এটি নির্ভর করছে বাই অথবা সেল পেশারের উপর।                                                                                           উল্লেখযোগ্য কিছু বিভাগসমুহ এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ব্রোকারেজ হাউজ সম্পর্কে জানুন পুজিবাজার শিক্ষা টিউটোরিয়াল কর্নার এক্সুসিভ সাক্ষাৎকার সমূহ                                                                              পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।  
  • আইপিডিসির ১০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত
    স্টাফ রিপোর্টার : আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের ১০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ১৬৬তম সভায় বন্ড অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়। বন্ডটির নাম হবে নন-কনভার্টেবল আনসিকিউর্ড কুপন বিয়ারিং সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। এর মেয়াদ হবে ৬ বছর। আর সুদের হার হবে ফ্লটিং। এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে কোম্পানিটি অর্থ উত্তোলন করে টায়ার টু ক্যাপিটালের শর্ত পূরণ করবে। কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, তবে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে এই বন্ড ইস্যু করতে পারবে।
  • অবশেষে জামিনে অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান
    স্টাফ রিপোর্টার : সাড়ে ৮ কোটি টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে গ্রেফতার হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই জামিনে ছাড়া পেয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেকহোল্ডার অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান পঙ্কজ রায়। দুদকের একটি দল এর আগে উপসহকারী পরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌসের নেতৃত্বে গত রোববার সারা রাত পঙ্কজ রায়ের ধানমন্ডির বাসা ঘেরাও করে রেখে সোমবার সকালে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর সোমবার বিকালে পঙ্কজ রায়কে মুখ্য মহানগর হাকিম সত্যব্রত সিকদারের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করা হয়। দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জানান, বয়স বিবেচনায় বিচারক তাকে জামিন দিয়েছেন। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে গত রোববার দুদকের উপসহকারী পরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস পঙ্কজ রায়ের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান পঙ্কজ রায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জমা দেয়া হিসাব বিবরণীতে মোট ২১ কোটি ৯৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩০২ টাকার সম্পদের তথ্য দেন। এর মধ্যে তিনি ৮ কোটি ৫০ লাখ ৪১ হাজার ১০৬ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি। তাছাড়া পঙ্কজ রায়ের বিরুদ্ধে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগেও মামলা রয়েছে। প্রসঙ্গত, চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্ত্রীসহ নিকটাত্মীয়দের বেআইনিভাবে মার্জিন ঋণ প্রদানের কারণে অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজকে চলতি বছরের শুরুতে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করেছিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। পেছনের খবর : অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
  • ভ্যাটের সব কার্যক্রম অনলাইনে শুরু জানুয়ারিতে
    স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী বছরের প্রথম দিন থেকেই ভ্যাটের সব কার্যক্রম অনলাইন ব্যবস্থায় নিয়ে আসছে। বিদ্যমান আইনে কিছু সংশোধন ও ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের সফটওয়্যারে নতুন সংযোজন এনে এটি বাস্তবায়ন করবে সংস্থাটি। ফলে রিটার্ন জমা দেয়া ও টাকা পরিশোধসহ সব কাজই অনলাইনের মাধ্যমে করতে হবে ভ্যাটদাতাদের। নতুন করে শুধু অনলাইনে নিবন্ধন নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হলে বাতিল হয়ে যাবে বিদ্যমান আইনের আওতায় নিবন্ধিত ৭ লাখ ৭৫ হাজার নিবন্ধন। বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার (বিআইএন) গ্রহণ, ভ্যাট রিটার্ন জমা দেয়া ও অর্থ পরিশোধসহ ভ্যাটের সব ব্যবস্থা অনলাইনে করার পরিকল্পনা নিয়ে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ প্রণয়ন করা হয়েছিল। আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এনবিআরের সক্ষমতা বাড়াতে ৫৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পও হাতে নেয়া হয়। সব প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনে সেবা দিতে চলতি বছরের মার্চে নতুন করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ই-বিআইএন কার্যক্রম শুরু করে এনবিআর। প্রকল্পের কাজের প্রায় শেষ মুহূর্তে আইনটি স্থগিত হওয়ায় পুরনো আইনেই তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রকল্পের বাজেট বাড়িয়ে এরই মধ্যে সফটওয়্যার সংযোজনের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প। এখন শুধু আইনি সংশোধন সম্পন্ন হলেই জানুয়ারি থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সব কাজ সম্পন্ন করা হবে। এনবিআর সদস্য (ভ্যাট প্রশাসন) ও ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের পরিচালক মো. রেজাউল হাসান বলেন, ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিদ্যমান আইনেই অনলাইন পদ্ধতি চালু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ৯ ডিজিটের ভ্যাট নিবন্ধন নম্বর নতুন আইনের জন্য করা হলেও তা পুরনো আইনেই সংযুক্ত করা হচ্ছে। প্রথমে ভ্যাটের একটি ইউনিক হারের জন্য উন্নয়ন করা সফটওয়্যারটিতে নতুন সংযোজনের মাধ্যমে বিদ্যমান আইনের উপযোগী করা হয়েছে। এ বছরের মধ্যেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জানুয়ারিতে সম্পূর্ণরূপে অটোমেশনে যাবে ভ্যাটের কার্যক্রম। এনবিআর সূত্র জানিয়েছে, ভ্যাটের সব কাজ অনলাইন প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসতে এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প। বিদ্যমান আইনের স্ল্যাবভিত্তিক ভ্যাটহার সামনে রেখেই প্রযুক্তি সাজানো হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে প্রকল্পের মেয়াদ ও অর্থ বরাদ্দ। চলতি বছরের ১৫ মার্চ সব শ্রেণীর ব্যবসায়ীর জন্য অনলাইনে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে তা এখনো চলছে। পুরনো বিআইএনে ৭ লাখ ৭৫ হাজার প্রতিষ্ঠানের তালিকা থাকলেও নতুন পদ্ধতিতে এখন পর্যন্ত ৬১ হাজার ২১০টি প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন নিয়েছে। অনলাইন প্রকল্পের উদ্যোগে বৃহত্ করদাতা ইউনিটসহ (এলটিইউ) বড় কমিশনারেটে নিয়মিত ভ্যাটদাতা সব প্রতিষ্ঠানকে অনলাইন নিবন্ধের আওতায় আনা হয়েছে। জানুয়ারির প্রথম দিন থেকে পুরনো সব বিআইএন বন্ধ করে দেবে এনবিআর। তখন থেকে অনলাইন ভ্যাট নিবন্ধন নম্বর ছাড়া কোনো ধরনের পণ্য আমদানি-রফতানি করতে পারবেন না ব্যবসায়ীরা। এদিকে বিদ্যমান ভ্যাট আইনও সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। অনলাইন কার্যক্রম শুরু করতে পুরনো আইনের অসঙ্গতি দূর করার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের যেন অসুবিধা না হয়, সেজন্য কার্যকর একটি ব্যবস্থা চাইছে এনবিআর। আইন সংশোধনে সংস্থাটির ভ্যাট বিভাগের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইকে যুক্ত করা হয়েছে। এনবিআর ও এফবিসিসিআইয়ের মধ্যে শিগগিরই এ বিষয়ে একটি সভা আয়োজন করা হবে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২৭ নভেম্বর সংসদে নতুন মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন পাস হয়। এরপর নতুন আইনটি বাস্তবায়নে ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর একনেকে (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি) ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। ওই সময় প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৫৫১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১০১ কোটি টাকা সরকারি তহবিল থেকে ও বাকি ৪৪৯ কোটি টাকার জোগান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০১৮ সাল পর্যন্ত। এরপর ২০১৪ সালের ৮ অক্টোবর ব্যয় ও মেয়াদ ঠিক রেখে প্রথম দফা প্রকল্প সংশোধন করা হয়। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কারিগরি কাজ শেষ না হওয়ায় নতুন করে ১৩৮ কোটি টাকা ও প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় এনবিআর। এনবিআরের নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৬৯০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করে একনেক। উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের জন্য শুধু ভ্যাট থেকে ৯১ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে এনবিআর, যা গত বছরের তুলনায় ৩২ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেশি। নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজস্বের এ লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে আশা করেছিল সংস্থাটি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • এলপিজি আমদানির জাহাজ কিনলো বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম
    বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এলপিজি আমদানির জন্য জাহাজ কিনেছে বেক্সিমকো গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। আন্তর্জাতিক পানিপথে বাংলাদেশের পতাকা বহন করবে জাহাজটি। জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে ‘বেক্সপেট্রো-১’। ২৭০০ মেট্রিক টন এলপিজি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন এই জাহাজটি আমদানিকৃত এলপিজি সরাসরি বেক্সিমকো পেট্রোলিয়ামের কারখানায় সরবরাহ করবে। এটা দেশের এলপিজি খাতে একটা মাইলফলক এবং এর মাধ্যমে নতুন যুগের শুরু হলো। নিজস্ব জাহাজে পণ্য আমদানির কারনে খরচ কমবে এবং আরো কার্যকরী একটি সরবরাহ চ্যানেল তৈরি হবে। ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে বেক্সপেট্রো-১ এবং এর ক্যাপ্টেন আলেক্সান্ডার ফাজারদো প্রথম এলপিজি’র চালানটি নিয়ে বাংলাদেশে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই ধরণের আরো দুটি জাহাজ ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বেক্সিমকো পেট্রোলিয়ামকে প্রিমিয়ার অপারেটর হিসেবে অবস্থান তৈরিতে এই উদ্যোগ যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম ইতিমধ্যে ইনডেক্স পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি’র (একটি বেক্সিমকো কোম্পানি) সহযোগিতায় মংলায় ৩০০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির একটি এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। আইএসও ৯০০১ সনদপ্রাপ্ত এই প্ল্যান্টটির ধারণ ক্ষমতা আরও ৩০০০ মেট্রিক টন বৃদ্ধির কাজ চলছে। এর পাশাপাশি নারায়নগঞ্জে ৫০০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন আরও একটি এলপিজি প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। দেশজুড়ে বিস্তৃত বিক্রয় ও সরবরাহ নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে দ্রুতবর্ধনশীল এলপিজি’র চাহিদা পূরণে এখন পুরোপুরি তৈরি বেক্সিমকো পেট্রোলিয়াম।  source : beniogbarta
  • হোলসিমকে কিনতে ‘দাম নিয়ে’ বিপাকে লাফার্জ
      সিমেন্ট খাতের কোম্পানি হোলসিম বাংলাদেশকে কিনতে নতুন করে জটিলতায় পড়েছে এ খাতের অপর কোম্পানি লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। কারণ যে দামে দুই কোম্পানির মধ্যে কেনাবেচার দরদাম ঠিক হয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক শেষ পর্যন্ত সেই দাম অনুমোদন করেনি। লাফার্জের পক্ষ থেকে দাম পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হলে সেটিও নাকচ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে বাংলাদেশে লাফার্জ ও হোলসিমের একীভূত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে জটিলতা বাড়ল। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, হোলসিমকে কিনতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া দামেই কিনতে হবে। গত সেপ্টেম্বরে লাফার্জের পক্ষ থেকে হোলসিমকে কিনে নেওয়ার প্রস্তাবটি অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এ জন্য লাফার্জের পক্ষ থেকে যে দর প্রস্তাব করা হয়েছিল, তা কমিয়ে প্রায় অর্ধেক করে দেওয়া হয়। দুই কোম্পানির মধ্যে দামের সমঝোতার ভিত্তিতে ১১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ৮১ টাকা) ৯৪৭ কোটি টাকায় হোলসিমকে কেনার প্রস্তাব দেয় লাফার্জ। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক এ দর কমিয়ে ৬ কোটি ২৫ লাখ ডলার নির্ধারণ করে। পরে লাফার্জের পক্ষ থেকে দর প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়। পাশাপাশি সময় বাড়ানোরও আবেদন করে লাফার্জ। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক লাফার্জের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিন মাস সময় বাড়ালেও ক্রয়মূল্য বাড়ানোর পুনর্বিবেচনার আবেদনটি নাকচ করে দেয়। ৯ নভেম্বর স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও লাফার্জ সুরমার কাছে পাঠানো চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে এ দামে বাংলাদেশে লাফার্জ-হোলসিম একীভূত হওয়া নিয়ে তৈরি সংকট আরও জটিলতার মুখে পড়ল।  সূত্র জানায়, গত ডিসেম্বরে লাফার্জ সুরমার পরিচালনা পর্ষদে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ১১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ৮১ টাকা) ৯৪৭ কোটি টাকায় হোলসিমকে কিনে নেবে লাফার্জ। দুই কোম্পানির মধ্যে এ দামেই কেনাবেচার বনিবনা হয়েছিল। হোলসিমের সম্পদ ও দায়-দেনার বিশেষ নিরীক্ষার পর ওই মূল্য ঠিক করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ পাঠানোর আবেদন করলে হোলসিমের শেয়ারের দাম পুনর্বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, কেনাবেচার জন্য হোলসিমের প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যমানের শেয়ারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৬ হাজার টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক অনেক যাচাই-বাছাই করে ১০০ টাকা মূল্যমানের শেয়ারের বিক্রয়মূল্য ঠিক করে ৫৭ হাজার টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, দুই কোম্পানি মিলে যে দাম ঠিক করেছিল তা ‘অতিমূল্যায়িত’। তাতে বৈধ পথে বাংলাদেশ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ বিদেশিদের হাতে চলে যাওয়ার শঙ্কা ছিল। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক তার আইনি ক্ষমতাবলে দাম পুনর্নির্ধারণ করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনের ক্ষমতাবলে ‘বাজারভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি’ অনুসরণ করে দাম পুনর্নির্ধারণ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৪ ও ১২ অক্টোবর স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড এবং ৩ ও ১১ অক্টোবর লাফার্জ সুরমা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে পুরো শেয়ারের দাম পুনর্বিবেচনা করে ৯৪৭ কোটি টাকা করার দাবি জানায়। একই চিঠিতে অনুমতিপত্রের মেয়াদ বাড়ানোর দাবি জানানো হয়। ৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়ে দেয়, ১০০ টাকা শেয়ারের দাম ৫৭ হাজার ২০২ টাকায় ধরে হোলসিমের দাম ৫০৪ কোটি ৭৮ লাখ ১৯ হাজার ৯৪০ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে লাফার্জ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে ইমপেক্ট পিআরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, লাফার্জ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবে না। এর আগে ২০১৪ সালের এপ্রিলে বৈশ্বিকভাবে লাফার্জ ও হোলসিম একীভূত হওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। সেই অনুযায়ী, বৈশ্বিকভাবে কোম্পানি দুটির একীভূত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ফলে বিশ্বের সিমেন্ট খাতে জায়ান্ট দুই কোম্পানি এক ছাতার নিচে এসে ‘লাফার্জহোলসিম’ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এতে দুই কোম্পানি মিলে হয়ে যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় সিমেন্ট কোম্পানি। বৈশ্বিকভাবে একীভূত হওয়ার পর বাংলাদেশেও কোম্পানি দুটি একীভূতকরণের বিষয়টি সামনে আসে। কারণ, এ দেশেও দুই কোম্পানির আলাদা কার্যক্রম ছিল। এর মধ্যে লাফার্জ সুরমা বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলেও হোলসিম তালিকাভুক্ত নয়। তাই বৈশ্বিকভাবে একীভূত হওয়া লাফার্জহোলসিম গ্রুপ থেকে হোলসিম বাংলাদেশের সব শেয়ার কিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় লাফার্জ।  source : prothom-alo
  • আগাম বন্যায় খাদ্য উৎপাদন কমেছে
    আগাম বন্যার কারণে গত অর্থবছর দেশে সার্বিকভাবে খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ কমেছে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়েছে। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে খাদ্য উৎপাদনের পরিমাণ নয় লাখ ৪৩ হাজার মেট্রিক টন কমেছে। বৃহস্পতিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পক্ষ থেকে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কে এম মোজাম্মেল হক ২০১৫-২০১৬ অর্থবছর ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরের আউশ, আমন ও বোরো ধান এবং গম, ভুট্টা ও আলুর উৎপাদনের হিসাব তুলে ধরেন। মোজাম্মেল জানান, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে ২২ দশমিক ৮৮ লাখ মেট্রিক টন আউশ ধান উৎপাদন হয়েছিল। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তা ২১ দশমিক ৩৩ লাখ মেট্রিক টনে নেমে আসে। তবে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আমন উৎপাদন বেড়েছে। এই অর্থবছরে ১৩৬ দশমিক ৫৬ লাখ মেট্রিক টন আমন উৎপাদন হয়েছে, যা আগের অর্থবছর ছিল ১৩৪ দশমিক ৮৩ লাখ মেট্রিক টন। আগাম বন্যায় এবার বোরো ধানের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান বিবিএস সচিব। মার্চ থেকে মে- এই তিন মাস বাংলাদেশে বোরোর চাষ হয়। গত অর্থবছর এই মৌসুমে ১৮৯ দশমিক ৩৭ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হয়েছিল। আর এবার বন্যার কারণে তা কমে হয়েছে ১৮০ দশমিক ১৩ লাখ মেট্রিক টন। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে গম উৎপাদনও আগের অর্থবছরের তুলনায় ৩৬ হাজার মেট্রিক টন কমেছে বলে জানান মোজাম্মেল হক। তবে গত অর্থবছর আলুর উৎপাদন বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে যেখানে ৯৪ দশমিক ৭৪ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়েছিল, সেখানে ২০১৬-১৭ সময়ে হয়েছে ১০২ দশমিক ১৫ লাখ মেট্রিক টন। বেড়েছে ভুট্টার উৎপাদনও। আগের অর্থবছরের ২৪ দশমিক ৫৫ লাখ মেট্রিক টন থেকে হয়েছে ২৭ দশমিক ৫৮ লাখ মেট্রিক টন। পরিকল্পনা মন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, বোরো ধানের উৎপাদন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সার্বিকভাবে খাদ্য উৎপাদন কমে গেছে। খাদ্য পণ্যের উৎপাদন কমলেও গত অর্থবছরে কৃষি খাতে ২ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছিলেন মন্ত্রী। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মুস্তফা কামাল বলেন, কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি হিসাব করতে খাদ্য পণ্যের বাইরেও অন্যান্য কৃষি পণ্যের হিসাব করা হয়। সেই হিসাবে কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। source : the report
  • প্যারাডাইস পেপারসে বাংলাদেশি : তথ্য প্রকাশের দাবি
    প্যারাডাইস পেপারসে বাংলাদেশের যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে, তাদের তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সাংসদ রুস্তম আলী ফরাজী। একই সঙ্গে তিনি এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর ব্যাখ্যা দাবি করেছেন   জাতীয় সংসদ রবিবারের অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় রুস্তম আলী ফরাজী এই দাবি জানিয়েছেন। তবে এ সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সংসদে অনুপস্থিত ছিলেন।   তিনি বলেছেন, ‘এর আগে পানামা পেপারসে অনেকের নাম এসেছিল। বিষয়টি তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনো তা হয়নি। এবার ২১ জনের নাম এসেছে। আবদুল আউয়াল মিন্টু ও তার স্ত্রী সন্তানসহ অনেকের নাম এসেছে। তারা বারমুডায় বিনিয়োগ করেছেন কেন? কারণ, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে হলে কর দিতে হয়। তাদের উদ্দেশ্য কর ফাকি দেওয়া।’   এখন পর্যন্ত প্যারাডাইস পেপারসে এসেছে ১১ ব্যক্তি ও বাংলাদেশ নামযুক্ত ১০টি প্রতিষ্ঠানের নাম। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই জ্বালানি খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত ছোট্ট একটি অঞ্চল বারমুডা। অঞ্চলটি নামমাত্র করের বিনিময়ে ব্যবসা করার জন্য বা সহজেই কোম্পানি নিবন্ধনের জন্য পরিচিত। এর একটি ল ফার্মের নাম অ্যাপলবি। বারমুডায় যারা কোম্পানি নিবন্ধন করেছে, তাদের সব তথ্য ছিল অ্যাপলবির কাছে। সম্প্রতি অ্যাপলবির হাতে থাকা ১ কোটি ৩৪ লাখ গোপন নথির তথ্য ফাঁস হয়ে চলে যায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসের (আইসিআইএজে) কাছে। সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত ৬৮ দেশের ৩৮০ জন অনুসন্ধানী সাংবাদিক বর্তমানে তথ্যগুলো নিবিড় তদন্ত করছেন। প্রতিদিন নতুন তথ্য বের করছেন তারা। তবে কেউ অর্থ পাচারের সঙ্গে যুক্ত—এ কথা এখনো বলা হয়নি।     এদিকে, জাতীয় পার্টি দলীয় এমপি জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবুল ও জাসদের মইনউদ্দিন খান বাদল পৃথক দুটি পয়েন্ট অব অর্ডারে চট্রগ্রামের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন। চট্রগ্রাম বন্দরের নিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে তথ্য তুলে ধরে মইনউদ্দিন খান বাদল বলেন, সেখানে কে বা কাদের নির্দেশে নিয়োগ বাণিজ্য করা হচ্ছে। এ নিয়ে এখনও আন্দোলন চলছে। বিষয়টির দ্রুত সমাধান করা না গেলে সামান্য ভুলে বড় ধরনের বিস্ফোরন ঘটতে পারে।   source : the report
  • চার মাসে ছয় হাজার কোটি টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ
    চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) কৃষি খাতে ছয় হাজার ২০৪ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল পাঁচ হাজার ২৭২ কোটি টাকা। সে হিসেবে এ সময়ে কৃষি খাতে ৯৩২ কোটি টাকা বেশি বিতরণ হয়েছে। অর্থাৎ ঋণ বিতরণে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। বিতরণকৃত এ ঋণ মোট লক্ষ্যমাত্রার ৩০ দশমিক ৪২ শতাংশ। অর্থাৎ বাকি আট মাসে ব্যাংকগুলো ৭০ শতাংশ ঋণ বিতরণ করলেই লক্ষ্য পূরণ হয়ে যাবে। আমন মৌসুমে কৃষক থেকে ঋণের চাহিদা বেশি হওয়ায় সার্বিক কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে। সামনে বোরো মৌসুমে কৃষি ঋণ বিতরণ আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। তবে এর মধ্যেও বেশ কয়েকটি ব্যাংক ঋণ বিতরণে লক্ষ্যমাত্রা থেকে বেশ দূরে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।দেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ৬টি বাণিজ্যিক, ২টি বিশেষায়িত ও ৩৯টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। এগুলোর এজন্য চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কৃষি খাতে মোট ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ২০ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় ৮টি ব্যাংকের জন্য নির্ধারিত নয় হাজার ৫৯০ কোটি টাকার বিপরীতে বিতরণ হয়েছে দুই হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার ২৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কৃষি খাতে মোট ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় ৮টি ব্যাংকের জন্য নির্ধারিত নয় হাজার ২৯০ কোটি টাকার বিপরীতে চার মাসে বিতরণ করেছিল দুই হাজার ২০৪ কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার ২৩ দশমিক ৭২ শতাংশ। সে হিসেবে চলতি বছর ঋণ বিতরণ বেড়েছে ১.১৩ শতাংশ।দেশের কৃষি ঋণের অর্ধেকের বেশি বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর। চলতি অর্থবছরের চার মাসে বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর জন্য নির্ধারিত ১০ হাজার ৮১০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের বিপরীতে বিতরণ হয়েছে তিন হাজার ৮২১ কোটি টাকা। যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৩৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে আট হাজার ২৬০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরণ হয়েছিল তিন হাজার ৬৮ কোটি টাকা বা লক্ষ্যমাত্রার ৩৭ দশমিক ১৪ শতাংশ।গত অর্থবছরে (২০১৬-১৭) শেষে ব্যাংকগুলোর ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২০ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছিল। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেশি। এ হিসেবে আগের অর্থবছরের তুলনায় কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ১৯ শতাংশ। এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ৬টি বাণিজ্যিক, ২টি বিশেষায়িত ও ৩৮টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক মিলে কৃষি খাতে ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। ব্যাংকগুলো বিতরণ করে ১৭ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক হাজার ২৪৬ কোটি টাকা বেশি কৃষি ঋণ বিতরণ হয়। বিতরণকৃত এ ঋণ লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ৮ এবং পূর্ববর্তী বছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে দশ শতাংশ বেশি ঋণ বিতরণ হয়।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে বিভিন্ন কারণে ব্যাংকগুলো অন্য খাতে বিনিয়োগ করতে পারছে না। আর সামগ্রিকভাবে ব্যাংক খাতে সুদহার কমে আসায় ব্যাংকগুলো কৃষিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। এতে এ খাতে ঋণ বিতরণ বাড়ছে।বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জোর তৎপরতা এবং ব্যাংকগুলোর উদ্যোগের কারণেই বেশি পরিমাণ ঋণ বিতরণ সম্ভব হয়েছে। অগ্রাধিকার খাত হিসেবে এ খাতে ঋণ বিতরণ বাড়াতে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকগুলোর প্রতি নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। আর ব্যাংকগুলোর দেয়া লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ না হলে জরিমানারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব কারণেই কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছ শেষে কোন ব্যাংক ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারলে; অনর্জিত অংশের সমপরিমাণ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট রাখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ওই জমাকৃত অর্থের ওপর কোনরূপ সুদ দেয়া হবে না। এ পর্যায়ে, কোন ব্যাংক যদি পরবর্তী অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে পূর্ববর্তী অর্থবছর বা বছরসমূহের লক্ষ্যমাত্রার অনর্জিত অংশ সম্পূর্ণ বা আংশিক বিতরণ করতে পারে। সেক্ষেত্রে জমাকৃত বা কর্তনকৃত অর্থ সম্পূর্ণ বা আনুপাতিকহারে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকসমূহকে ফেরত দেয়া হবে।তবে এর মধ্যেও বেশ কিছু ব্যাংক কৃষি ঋণ বিতরণে ব্যর্থ হয়েছে। এর মধ্যে বিদেশি মালিকানার ব্যাংক আল ফালাহ, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ও ওরি ব্যাংক লিমিটেড এই চারটি কৃষি খাতে কোন ঋণই দিতে পারেনি। এই তালিকায় রয়েছে নতুন অনুমোদন পাওয়া দেশীয় মালিকানার সীমান্ত ব্যাংক। দুটি বেসরকারি খাতের এনআরবি গ্লোবাল ও দ্যা ফারমার্স এ দুটি ব্যাংক দুই অর্থবছরের চার মাসে মোট কোটি টাকারও কম ঋণ বিতরণ করছে। অনেক ব্যাংক আবার লক্ষ্যমাত্রার অনেক বেশি ঋণ বিতরণ করেছে বিগত চার মাসে। বেসরকারি খাতে সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিডেট ৪৪২ টাকা।   source : sonbad
  • তহবিল সঙ্কটে ব্যাংক
    সাড়ে ৮ শতাংশ সুদে তহবিল সংগ্রহ করছে বেসরকারি ব্যাংকগুলো : বেড়েছে ডলারের দাম, ব্যাংকিং চ্যানেলে বিক্রয়মূল্য ৮৪, খোলাবাজারে ৮৫ : ডিপোজিট রেট কমে যাওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে সঞ্চয়ের আগ্রহ কমেছে -ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ফার্মার্স ব্যাংকে তাদের গচ্ছিত ৩৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা তুলতে যায়। টাকার জন্য ব্যাংকের গুলশান শাখায় চেক জমা দিলে টাকা নেই বলে ফেরত দেয়া হয়। একইভাবে দ্বিতীয়বার টাকা না পেয়ে চেক নিয়ে ফিরে আসে বিটিসিএল। নিজেদের গচ্ছিত টাকা তুলতে না পেরে ক্ষোভও প্রকাশ করে টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাই বিটিসিএল ফার্মার্স ব্যাংকের গুলশান শাখার ব্যবস্থাপককে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের কাছে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানিয়েছে। বিটিসিএল’র এক কর্মকর্তা জানান, চেকের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ফার্মার্স ব্যাংক সময় চেয়েছে। এই ঘটনার পর খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেসরকারি এই ব্যাংকটিতে তীব্র আর্থিক সঙ্কট বিরাজ করছে। তাই কেবল বিটিসিএলকেই নয়, এরকম অনেক প্রতিষ্ঠানই তাদের গচ্ছিত টাকা তুলতে গিয়ে চেক নিয়ে ফিরে আসছে।সরকারি বন্ডে দীর্ঘমেয়াদে বিপুল অর্থ আটকে যাওয়া, সঞ্চয়পত্র ও শেয়ারবাজারে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ, মূলধনী যন্ত্র আমদানি ও অফশোর ব্যাংকিংয়ের আড়ালে বিপুল অর্থ পাচারের কারণে তীব্র তহবিল সংকটে পড়েছে ফার্মার্স ব্যাংকসহ বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। সংকট মেটাতে ‘কমিশনের’ বিনিময় বড় অংকের তহবিল সংগ্রহের প্রতিযোগিতায় নেমেছে ব্যাংকগুলো। এদিকে রপ্তানি ও প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার পাশাপাশি আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ব্যাপক ডলার সংকটে পড়েছে সরকারি ও বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো। এজন্য দৈনন্দিন প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে হাত পাততে হচ্ছে তাদের। ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রতি ডলারের বিক্রয়মূল্য ৮৪ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপে তা ৮৩ টাকায় নেমে আসে। বেসরকারি এনসিসি ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববারও আন্ত:ব্যাংক রেট ৮২টাকা ৯৫ পয়সায় প্রতি ডলার বিক্রি করা হয়েছে। অপরদিকে খোলাবাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছে ৮৩ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮৫ টাকায়। এদিকে ডলারের বাজারে বিদ্যমান অস্থিতিশীলতা ভোগ্যপণ্যের বাজারে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন আমদানিকারকরা। দেশের শীর্ষস্থানীয় ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রæপের মহাব্যবস্থাপক বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, ডলারের বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠলে ভোগ্যপণ্যের বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়ে। ডলারের বাজার যাতে স্থিতিশীল থাকে, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা তহবিলের জন্য বড় বড় রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান ও গ্রæপগুলোর কাছে হন্যে হয়ে ছুটছেন। উদ্বৃত্ত তারল্য থাকা সরকারি ব্যাংকগুলোর কাছেও যাচ্ছেন তারা। আর যারা তহবিল সংগ্রহ করে দিচ্ছেন তাদেরকে প্রতি ১শ টাকায় ১০ পয়সা থেকে ১ টাকা পর্যন্ত ‘কমিশন’ দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। কার থেকে কে বেশি কমিশন দেবেÑ তেমন প্রতিযোগিতাও লক্ষ্য করা গেছে ব্যাংকগুলোর মধ্যে। এর কারণ অনুসন্ধানে জানা গেছে, কিছুদিন আগেও উদ্ধৃত্ত তারল্য নিয়ে বিপদে থাকা বেসরকারি ব্যাংকগুলো নগদ টাকার তীব্র সংকটে ভুগছে। সংকটের কারণ হিসেবে ব্যাংকাররা কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করেছেন। সরকারি বন্ডে দীর্ঘমেয়াদে বিপুল অর্থ আটকে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক আমানতের তুলনায় সঞ্চয়পত্র ও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বেশি লাভজনক হওয়ায় সেখানে বিপুল বিনিয়োগ চলে যাওয়াকে দায়ী করেছেন।তাদের দাবির সত্যতা মিলেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যানে। দীর্ঘমেয়াদী সরকারী বন্ড কিনে ব্যাংকগুলোর ১ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা আটকে গেছে সরকারি কোষাগারে। অন্যদিকে গ্রাহক ব্যাংক খাতে সঞ্চয় কমিয়ে দেওয়ায় বিনিয়োগযোগ্য উদ্ধৃত্ত তহবিল ব্যাপকহারে কমে ৮৭ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। কিছুদিন আগেও এই তহবিল ছিল এক লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার ওপরে।পূর্বে সরকার ২৮ দিন, ৬৪ দিন, ২৮০ দিন ও ৩৬৪ দিন মেয়াদের ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে বেশিরভাগ ঋণ নিত। কিন্তু ২০০৯ সালের পর থেকে ৫ বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর ও ২০ বছর মেয়াদি ঋণ নেওয়া শুরু করে সরকার। ২০০৯ সালের জুনে সরকারের ঋণ স্থিতি ৫৬ হাজার কোটি টাকা হলেও আট বছরের মাথায় ১ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। শেয়ারবাজারের মন্দার কারণে এতদিন ব্যাংকগুলোতে বিপুল সঞ্চয় হওয়ায় প্রচুর উদ্ধৃত্ত তারল্য থাকার কারণে বিষয়টি কোনও সংকটের কারণ হয়নি। বরং ব্যাংকগুলোর বাড়তি তারল্য সংকট হিসেবে দেখা দেয়। একপর্যায়ে সঞ্চয় নিরুৎসাহিত করতে ব্যাংকগুলো আমানতের সুদহার কামাতে শুরু করে যা কমতে কমতে গড় ৫ শতাংশে পৌঁছে। একদিকে ব্যাংক সুদহার কমে, অন্যদিকে চাঙ্গা হয় পুঁজিবাজার। পাশাপাশি সঞ্চয়পত্রে ঝোঁক। এ কারণে আমানতকরীরা ব্যাংক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বিনিয়োগ শুরু করে পুঁজিবাজার ও সঞ্চয়পত্রে। এর পাশাপাশি ‘অদৃশ্য কারণে’ ব্যাংকগুলোতে হঠাৎ ব্যাপকহারে বিনিয়োগ বেড়ে যায়। এতে বর্তমানে নগদ টাকার তীব্র সংকটে পড়তে হয়েছে ব্যাংকগুলোকে। বড় তহবিল সংগ্রহে সাড়ে ৭ থেকে সাড়ে ৮ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে, যদিও দৃশ্যমান গড় সুদহার ৫ শতাংশে অবস্থান করছে। অর্থাৎ, সাধারণ সঞ্চয়কারীরা গড়ে ৫ শতাংশ সুদ পাচ্ছেন।এদিকে ব্যাংকের আমানত ও ঋণের প্রবৃদ্ধির সূচক অস্বাভাবিক আচরণ করছে। আমানতের প্রবৃদ্ধি ব্যাপকহারে কমলেও বেড়েছে ঋণের প্রবৃদ্ধি। আগস্ট শেষে আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ৯ শতাংশ, জুনেও যা ছিল ১১ শতাংশ। অথচ উল্টো চিত্র বিনিয়োগে, প্রবৃদ্ধি বেড়ে ১৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে।এই পরিসংখ্যানকে ‘অশুভ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী আমানতের প্রবৃদ্ধির চেয়ে ঋণের প্রবৃদ্ধি কম হওয়ার কথা থাকলেও এটি হচ্ছে উল্টো। কারণ হিসেবে তারা সন্দেহ করছেন, ঋণের সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না। ঋণের অর্থ হয় হুন্ডির মাধ্যমে পাচার হচ্ছে, না হয় গ্রাহক যে কাজের জন্য ঋণ নিয়েছেন সেই কাজে ব্যবহার করছেন না।এদিকে হঠাৎ করে ঋণ বেড়ে যাওয়ারও কোনও যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না খাত সংশ্লিষ্টরা। গত সেপ্টেম্বরে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ১৭ দশমিক ৮০ শতাংশ বাড়লেও আগের বছরের একই সময়ে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। টাকার অঙ্কে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে ২৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে মূলধনী যন্ত্রপাতিই সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে এই বিপুল বিনিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, ঋণের নামে বেশিরভাগ অর্থই পাচার হয়ে যাচ্ছে।এদিকে শুধু টাকার সংকট নয়, ডলার সংকটও তীব্র আকার ধারণ করেছে ব্যাংকখাতে। গত কয়েকবছর ধরে ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে উদ্ধৃত্ত ডলার বিক্রি করে আসলেও এবারের চিত্র উল্টো। দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ৪৫ কোটি ডলার কিনতে হয়েছে ব্যাংকগুলোকে। এদিকে ডলার সংকট কেন্দ্র করে আমদানিকারকদের ‘জিম্মি’ করে আতিরিক্ত অর্থ আদায় করতেও দেখা যাচ্ছে। গত সপ্তাহে আমদানিকারকদের কাছ থেকে প্রতি ডলারের বিনিময়ে ৮৪ টাকা পর্যন্ত নিতে দেখা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ২৭ শতাংশ বেশি এলসি খোলা হয়েছে। একই সময়ে এলসি নিষ্পত্তি বেশি হয়েছে ২৪ শতাংশ। অথচ এ সময়ে রফতানি বেড়েছে মাত্র ৭ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। অন্যদিকে টানা দুই অর্থবছর রেমিটেন্সে কমার পর চলতি অর্থবছরে জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত রেমিটেন্সে ৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত অর্থবছর আমদানিতে ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির বিপরীতে রফতানি বৃদ্ধি পায় মাত্র ১ দশমিক ৭২ শতাংশ। আর রেমিটেন্স কমে ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এ পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোতে ডলারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।সংকটের ধারণা পাওয়া যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলার কেনা-বেচার চিত্রে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে গত সপ্তাহ পর্যন্ত বাজার থেকে একটি ডলারও না কিনে বিক্রি করেছে ৫০ কোটি ডলার। গত অর্থবছর বাজারে ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার বিক্রির বিপরীতে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৯৩ কোটি ১০ লাখ ডলার কেনে। এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাজার থেকে ৪১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার কিনলেও এক ডলারও বিক্রি করার প্রয়োজন পড়েনি। এর আগে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ৩৭৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার কেনে। বিক্রি করে ৩৫ কোটি ৭০ ডলার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাজার থেকে ৫১৫ কোটি ডলার কিনলেও কোনো ডলার বিক্রির প্রয়োজন পড়েনি।সূত্র মতে, কয়েক মাস ধরেই অস্থিরতা চলছে দেশের ডলারের বাজারে। রফতানি ও রেমিটেন্স থেকে আয় কমে যাওয়া এবং খাদ্যশস্যসহ অন্যান্য খাতে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ডলারের বাজারে সংকট চলছে।এদিকে নগদ ডলারের এই সংকট সহসাই কাটার কোনও লক্ষণ নেই। চাল সহ ভোগ্যপণ্য আমদানি ব্যাপহারে বেড়ে যাওয়ায় এবং ডেফার্ড এলসির মাধ্যমে এসব পণ্য আমদানি করায় সামনের দিনে সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি ৩০ শতাংশ প্রবাসীয় আয়ের বাজার সৌদি আরবে অস্থিতিশীলতা আরও বেড়ে যাওয়ায় প্রবাসী আয় আরও কমে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এদিকে ডলার সংকটের আশু কোনও সমাধান দেখছেন না খাত সংশ্লিষ্টরা। সব মিলিয়ে ডলার ও টাকার তীব্র সংকটে ত্রাহী অবস্থা ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের। সংকট সমাধানের আশু কোনও সমাধানও দেখছেন না তারা।রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) তরিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, খাদ্যশস্যসহ সরকারি বিভিন্ন পণ্য আমদানির বিল পরিশোধের জন্য আমরা হন্যে হয়ে ডলার খুঁজছি। বাংলাদেশ ব্যাংক আরো বেশি হারে বাজারে ডলার ছাড়লে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যেত।বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) চেয়ারম্যান ও মেঘনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ নূরুল আমিন বলেন, সুশাসনের ঘাটতির কারণেই দেশে ডলারের বাজারে এ অস্থিতিশীলতা। এ মুহূর্তে বাজারে কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা আইডিয়াল সিচুয়েশন নেই। সুযোগ পেলেই ফাঁকফোকর দিয়ে কিছু ব্যাংক ডলারের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। ব্যাংকগুলোর ডলার সংরক্ষণের হার কিছুটা কমিয়ে দিলে বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ। ওই বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদেশী ব্যাংকগুলো যথাসময়ে বাজারে ডলার বিক্রি করছে না। রেমিটেন্স ও রফতানি আয় কমে যাওয়া এবং আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বাজারে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিদ্যমান অস্থিরতা সাময়িক। চাহিদা কমে গেলে বাজার এমনিতেই স্থিতিশীল হয়ে যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ইনকিলাবকে বলেন, ডিপোজিট রেট কমে যাওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে সঞ্চয়ের আগ্রহ কমে গেছে। অনেকে আবার অধিক ডিপোজিট রেট পেতে সমবায় বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকছে। তবে ব্যাংকের ডিপোজিট রেট কমে যাওয়ার জন্য তিনি ব্যাংকারদের দায়ী করেন। তিনি বলেন, ব্যাংকাররা সবাই মিলে সঞ্চয়ের সুদ কমিয়ে দিয়েছে। ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এটা মার্কেটের উপর নির্ভর করে। আমদানি, এলসি চাহিদা এবং বিভিন্ন ওকেশনে চাহিদা বাড়ে। ব্যাংকগুলোও ডলার বেশি রাখতে পারে না। তাই বিভিন্ন সময়ে চাহিদা বাড়ায় হঠাৎ করে ডলারের দাম বাড়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকিতে যা দু’একদিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়। তবে দীর্ঘদিন থেকে ডলারের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ডলারের চাহিদা বেশি, সরবরাহ কম অথবা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশ থেকে টাকা আসছে। এছাড়া নষ্ট্র হিসাব (বহিঃবাণিজ্যে ব্যবহৃত বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব) ব্যবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ নষ্ট্র হিসাব নতুনভাবে তদারিক এবং অন্যান্য বিষয়ে গুরুত্ব প্রদানের তাগিদ দেন।   source : inkilab
  • মানি লন্ডারিং ঝুঁকিতে ২০ ব্যাংক
    মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি ২০টি বাণিজ্যিক ব্যাংক। ফলে এসব ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থপাচার এবং সন্ত্রাসে অর্থায়নের ঝুঁকি রয়েছে। এগুলোর মধ্যে তিনটি ব্যাংক আছে সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে। চারটি ব্যাংক সন্তোষজনক অবস্থানে আছে। তবে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকই মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে এখনো শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করতে পারেনি। তাই বাংলাদেশের অনেক ব্যাংকের সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেনের সম্পর্ক ছিন্ন করছে কিছু বিদেশি ব্যাংক।বিএফআইইউর রেটিং প্রতিবেদন অনুসারে, ৪০-এর নিচে নম্বর পেয়ে রেটিং ৫ বা অসন্তোষজনক অবস্থানে অর্থাৎ সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে আছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক।প্রান্তিক রেটিংপ্রাপ্ত (৪) অর্থাৎ মানি লন্ডারিংয়ের ঝুঁকি রয়েছে, এমন ব্যাংকের সংখ্যা ১৭। এই মানের ব্যাংকগুলো হলো যথাক্রমে বাংলাদেশ কৃষি, সোনালী, ইউনিয়ন, রূপালী, বিডিবিএল, উরি, পূবালী, মধুমতি, এনআরবি কমার্শিয়াল, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, অগ্রণী, আইসিবি, সাউথবাংলা, এনআরবি, স্ট্যান্ডার্ড, সোস্যাল ইসলামী ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।রেটিং ৪ অর্থাৎ ঝুঁকিতে থাকা প্রতিষ্ঠানের একটি পূবালী ব্যাংক। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এমএ হালিম চৌধুরী বলেন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে আমাদের অবস্থান পুরোপুরি ঠিক আছে। আমাদের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং হওয়ার সামান্য কোনো অভিযোগও নেই।একই রেটিংয়ে থাকা নতুন প্রজন্মের মধুমতি ব্যাংকের এমডি সফিউল আজম বলেন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে নিয়মিত প্রতিবেদন তৈরি এবং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয় আমাদের ব্যাংকে। অর্থপাচার প্রতিরোধে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার।সূত্র জানায়, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে ব্যাংকগুলোর গৃহীত পদক্ষেপ এবং এ সংক্রান্ত কর্মকা- বিচার-বিশ্লেষণ করে রেটিং করে থাকে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে কাজ করা রাষ্ট্রায়ত্ত এ সংস্থাটি ৯টি মানদ-ের ওপর ভিত্তি করে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে ব্যাংকগুলোর রেটিং করেছে। এগুলো হচ্ছে পরিপালন কর্মকর্তা মূল্যায়ন (নম্বর-৬), গ্রাহক পরিচিতি কেওয়াইসি (২৬), লেনদেন পর্যবেক্ষণ (২৩), সন্দেহজনক ও নগদ লেনদেনের প্রতিবেদন (২২), প্রতিবেদন দাখিল (৩), স্বনির্ধারণী পদ্ধতি (৫), এএমএল/সিএফটি বিষয়ে সচেতনতা (৪), রেকর্ড সংরক্ষণ (৩) এবং নিরীক্ষা ও পরির্দশন (৮)। ১০০ নম্বরের মধ্যে ৪০-এর কম পেলে সেই ব্যাংকের রেটিংয়ের মান ধরা হয় ৫। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে এ রেটিংপ্রাপ্ত ব্যাংকগুলোর অবস্থা অসন্তোষজনক। এদের মানি লন্ডারিংয়ের ক্ষেত্রে তীব্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়। ৪০ থেকে ৫৫ নম্বর পেলে রেটিং মান ৪ বা প্রান্তিক রেটিং। এর অর্থ, এ ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের ঝুঁকি রয়েছে। ৫৫ থেকে ৭০ নম্বর পেলে রেটিং ৩ বা মোটামুটি ভালো। এই রেটিংপ্রাপ্ত ব্যাংকগুলো মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কিছুটা কার্যকর। আর ৭০ থেকে ৯০ পাওয়া ব্যাংকের রেটিং ধরা হয় ২ বা সন্তোষজনক। ৯০ থেকে ১০০ পেলে রেটিং মান ১। এর মানে প্রতিষ্ঠানটি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ৫ ও ৪ রেটিংয়ের ব্যাংকগুলোর মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে। এ নিয়ে ব্যাংকগুলো যেন অধিক সক্রিয় হয়, সে জন্য ক্যামেলসের সঙ্গে বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে দুর্বলতা মানে ওই ব্যাংকের মানেজমেন্টে বড় রকমের দুবর্লতা, যা একটি ব্যাংককে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।মোটামুটি ভালো বা ৩ রেটিং পেয়েছে ৩২টি ব্যাংক। পর্যায়ক্রমে এগুলো হচ্ছে উত্তরা, আইএফআইসি, প্রিমিয়ার, ফার্স্ট সিকিউরিটি, হাবীব, এনআরবি গ্লোবাল, প্রাইম, যমুনা, সাউথইস্ট, বেসিক, ঢাকা, ইউসিবি, আল আরাফাহ, মেঘনা, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, ফারমার্স, ডাচবাংলা, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট, ট্রাস্ট, শাহজালাল, ব্র্যাক, ন্যাশনাল, ব্যাংক এশিয়া, ইসলামী, মিডল্যান্ড, সিটি, এনসিসি, এক্সিম, মার্কেন্টাইল, ওয়ান, ইস্টার্ন ও আল ফালাহ ব্যাংক।সন্তোষজনক বা ২ রেটিংয়ের চারটি ব্যাংকের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৫ নম্বর পেয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। সমমানের অন্য তিনটি ব্যাংক হচ্ছে এবি, এইচএসবিসি ও সিটি ব্যাংক এনএ।ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে ১ রেটিং বা শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশের কোনো ব্যাংক।রেটিং মান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সরকারি কোনো ব্যাংক মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি। সবচেয়ে খারাপ মানের তিনটির মধ্যে দুটিই সরকারি ব্যাংক। অন্য চারটি ব্যাংক প্রান্তিক পর্যায়ে রয়েছে। একমাত্র বেসিক ব্যাংক ‘মোটামুটি ভালো’ রেটিং পেয়েছে। নতুন প্রজন্মের কয়েকটি ব্যাংক মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এর মধ্যে ইউনিয়ন, মধুমতি, এনআরবি কমার্শিয়াল, সাউথ বাংলা ও এনআরবিÑ এই পাঁচটি ব্যাংক প্রাান্তিক রেটিং পেয়েছে।মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো। উন্নত দেশের কয়েকটি ব্যাংক বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি ব্যাংকের সঙ্গে করেসপন্ডিং ব্যাংকিং রিলেশন বন্ধ করে দিয়েছে। এ ছাড়া নতুন ব্যাংকগুলো বিদেশের কোনো বাংকের সঙ্গেই সম্পর্ক স্থাপন করতে পারছে না। এতে ঋণপত্র (এলসি) খোলা, আমদানি-রপ্তানি ও রেমিট্যান্স আনার কাজ সরাসরি করতে পারছে না বেশ কয়েকটি ব্যাংক। তৃতীয় কোনো ব্যাংকের গ্যারান্টির মাধ্যমে তারা এসব করছে। এতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় সোনালী ব্যাংকের লন্ডন শাখাকে (ইউকে) বড় ধরনের জরিমানা করেছে দেশটির অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কর্তৃপক্ষ। এর পর ব্যাংকটিতে থাকা নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট বন্ধের মাধ্যমে এটির ক্লিয়ারিং কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাজ্য কর্তৃপক্ষ। ফলে ওই শাখা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে ব্যাংকটি।অর্থপাচার প্রতিরোধে ব্যাংকগুলোর ভূমিকা শক্তিশালী না হওয়ায় বৈধ চ্যানেলে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়ে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত পাচারের পরিমাণ বাড়ছে। পানামা পেপার্স, প্যারাডাইস পেপার্সে বাংলাদেশিদের নাম এসেছে। যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে, তারা আন্তর্জাতিক বৈধ বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত। বৈধ চ্যানেলের অদক্ষতার কারণেই বিদেশে অর্থপাচারের সুযোগ পাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (ফিএফআই) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৫ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে বাংলাদেশ থেকে ৭ হাজার ৫৮৫ কোটি মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ বা ৪৪ হাজার ৬১৫ কোটি ডলার আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য হয়েছে। ঋণপত্র খুলে (এলসি) ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে এ অর্থ লেনদেন হয়েছে।   source : amader somoy
  • ছোট ঋণের বড় সুদ!
    ১শ’ টাকা ঋণ দিয়ে বছরে এনজিওগুলোর সুদ ২৭ টাকা, এতে সুদের হার পড়ছে প্রায় ২৭ শতাংশছোট ঋণের বড় সুদ। কমপক্ষে ২৭ টাকা সুদ গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকার ঋণের। এভাবে পরিচালনা হচ্ছে এনজিওসহ বিভিন্ন সংস্থার ক্ষুদ্র ঋণ। এ খাতের সুদ এখনও ব্যাংকের চেয়ে বেশি। এনজিওগুলোর দাবি তাদের তহবিল ব্যবস্থাপনায় ব্যয় অনেক বেশি। যে কারণে ব্যাংকের স্বাভাবিক ঋণের তুলনায় ক্ষুদ্র ঋণে সুদের হার অনেক বেশি।সূত্রমতে, ১০০ টাকা ঋণ দিয়ে বছরে ২৭ টাকা সুদ নিচ্ছে এনজিওগুলো। ওই হিসেবে ক্ষুদ্র ঋণের সুদের হার পড়ছে প্রায় ২৭ শতাংশ। যেখানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ৯ থেকে ১০ শতাংশ সুদে ঋণ দিচ্ছে। ক্ষুদ্র ঋণের সুদের হার নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নিজেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।সূত্রমতে, ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো ক্ষুদ্র ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ২৭ শতাংশ নির্ধারণ করে এ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। এজন্য একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়, দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এ সুদের হার ক্রমান্বয়ে আরও কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, গত সাত বছরে এনজিওগুলো ক্ষুদ্র ঋণের সুদের হার কমায়নি। এ সুদের হার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছে এমআরএ। বিষয়টি এখনও প্রক্রিয়াধীন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানায়। এনজিওগুলো বলছে, তাদের তহবিল ব্যবস্থাপনায় ব্যয় অনেক বেশি। এক হিসাবে দেখা গেছে, প্রতি ১০০ টাকার তহবিল ব্যবস্থাপনায় এনজিওগুলোর গড় ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ১৮ থেকে ২২ টাকা পর্যন্ত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনজিও) অদক্ষতা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত ব্যয়বিলাসিতা এবং সম্পদ অর্জনের প্রবণতার কারণে তহবিল ব্যবস্থাপনায় এত বেশি ব্যয় হচ্ছে। আর এ কারণে গরিবের ঋণের সুদের হারও কমছে না। জানা গেছে, ২০১০ সালে সার্ভিস চার্জ ২৭ শতাংশ নির্ধারণকালে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণের গড় সুদহারও বেশি ছিল। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংকের সুদহার তার চেয়ে প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। কিন্তু কমেনি ক্ষুদ্র ঋণের সুদ। এদিকে ক্ষুদ্র ঋণের সুদের হার প্রথম হ্রাস করার উদ্যোগ নেয়া হয় ২০০৭ সালে। ওই সময় এনজিওগুলোর তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয় ছিল ১ থেকে ৬ শতাংশ, পরিচালন ব্যয় ৩ থেকে ১৫ শতাংশ এবং অন্যান্য ব্যয় ও মুনাফার পরিমাণ ছিল ১ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত। ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত ৫৪২টি প্রতিষ্ঠান এমআরএতে তাদের সঞ্চিতির হিসাব দিয়েছে। সে অনুযায়ী তহবিল ব্যয়, প্রশাসনিক ও অন্যান্য ব্যয় ধরে দেখা যায়, প্রতি ১০০ টাকায় ঋণ স্থিতির বিপরীতে প্রতিষ্ঠানগুলোর গড় ব্যয় হচ্ছে ২১ থেকে ২২ শতাংশ পর্যন্ত। এর মধ্যে ক্ষুদ্র ঋণের প্রায় ৭০ শতাংশ মার্কেট শেয়ার রয়েছে এমন সাতটি প্রতিষ্ঠানের গড় ব্যয় ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ এবং পরবর্তী ৩১ প্রতিষ্ঠানের (মার্কেট শেয়ার ১৭ শতাংশ) গড় ব্যয় প্রায় ২২ শতাংশ। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ঋণের প্রায় ৮৭ শতাংশ মার্কেট শেয়ার ধরে রেখেছে এমন ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের গড় ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ১৮ থেকে ২২ শতাংশ। তহবিল ব্যবস্থাপনায় এত বেশি ব্যয়ের কারণেই দেশে ক্ষুদ্র ঋণের সুদের হার কমছে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষুদ্র ঋণের তহবিল ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গড় ব্যয় ১১ শতাংশ। কিন্তু বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর গড় ব্যয় অনেক বেশি। ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যয় প্রবণতাই মূলত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষতা ও অত্যধিক পরিচালন ব্যয়ের জন্য দায়ী। বিশেষ করে বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয়, কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ, সম্পদ অর্জন নানা কারণে পরিচালন ব্যয় বেড়েছে। এসব ক্ষেত্রে যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত পরিবর্তন এনে ক্ষুদ্র ঋণের সুদের হার কমানো সম্ভব।জানা গেছে, ক্ষুদ্র ঋণের সুদের হার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য সরকারের গঠিত কমিটি ১৯ জুন তাদের প্রথম সভায় প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় বিশেষণ করে সুপারিশ জমা দেয়ার জন্য এমএম আকাশের নেতৃত্বে একটি কমিটি করে দেয়। কমিটি ১৩ জুলাই এমআরএর সভাকক্ষে প্রথম ও ২৪ জুলাই পিকেএসএফের সভাকক্ষে দ্বিতীয় সভা করে এ বিষয়ে একটি সুপারিশ তৈরি করে। তবে ওই সুপারিশে ক্ষুদ্র ঋণের সুদহার কত হবে সে বিষয়ে কেউ একমত হতে পারেননি। এমআরএর প্রস্তাব অনুযায়ী ছোট ও বড় দুটি শ্রেণীতে ক্ষুদ্র ঋণের সুদহার ২২ ও ২৩ শতাংশ নির্ধারণ করা যেতে পারে বলে সুপারিশ করা হয়। জানা গেছে, এমআরএ সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৬৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৭৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ করেছে।   source : jugantor
  • টাকার বিপরীতে চড়া হচ্ছে ডলার
    রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের তুলনায় আমদানি ব্যয় বেশি হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় চাহিদা বেড়েছে ডলারের। এতে করে ডলারের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় দরও কিছুটা বেড়েছে।তবে দর নিয়ন্ত্রণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়াতে বেশ কিছু ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর পরও টাকার বিপরীতে ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে ডলার।গত বৃহস্পতিবার আমদানিতে সর্বোচ্চ ডলারের দর ছিল এইচএসবিসির, ৮৩ টাকা। ট্রাস্ট ব্যাংকের ডলারের দর ছিল ৮২.৯৮ টাকা। নগদ ডলারের দর ছিল সর্বোচ্চ বেসিক ব্যাংকের, ৮৪ টাকা। ডলারের বাড়তি চাহিদা মেটাতে চলতি অর্থবছরের চার মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে প্রায় ৪৫ কোটি ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পরও চাহিদা মেটাতে ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স আহরণ বাড়িয়ে নিজস্ব উৎস সমৃদ্ধ করায় মনোযোগ দিয়েছে। এদিকে চাহিদা বৃদ্ধির চাপকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি কোনো কোনো ব্যাংক আমদানি পর্যায়ে প্রতি ডলার ৮৪ টাকা দাম ধরেছিল। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপে তা আবার ৮৩ টাকার নিচে নেমেছে।ডলারের দর কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় রেমিট্যান্স প্রেরক ও রপ্তানিকারকরা বাড়তি টাকা পাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে রেমিট্যান্স আরো বাড়বে আশা প্রকাশ করে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) সভাপতি ও মেঘনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নূরুল আমিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা বাফেদার থেকে এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটগুলো থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করেছি। কোনো কোনো ব্যাংক ডলারের দর একটু বেশি কোট করে ফেলেছিল। সেটা আমরা উদ্যোগ নেওয়ায় ৮৩ টাকার নিচে চলে এসেছে। আন্ত ব্যাংক রেট থেকে এখন আর কেউ দুই টাকার বেশি বাড়িয়ে রেট নিতে পারবে না। তা ছাড়া ব্যাংকের নিজস্ব লেনদেনগুলোর রেট থেকেও আমদানি পর্যায়ে ডলারের রেট এক টাকার বেশি বাড়িয়ে নেবে না। এতে ডলারের দর দ্রুত ওঠানামার হাত থেকে রক্ষা পাবে বলে আমরা মনে করি। ’বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) এক হাজার ৮৫২ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি। একই সময়ে এলসি নিষ্পত্তি বেড়েছে ২৪ শতাংশ। অথচ এ সময়ে রপ্তানি বেড়েছে মাত্র ৭.০৩ শতাংশ। তা ছাড়া টানা দুই অর্থবছর রেমিট্যান্স কমার পর চলতি অর্থবছরে জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত রেমিট্যান্সে ৬.৮৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।বিগত অর্থবছরে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় থেকে দেশে আসা ডলারের বিপরীতে আমদানি ব্যয় তেমন না বাড়ায় উদ্বৃত্ত ডলার কিনে দর স্থিতিশীল রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এই অর্থবছরে এখন পর্যন্ত এক ডলারও কিনতে হয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।গত ২০১৬-১৭ অর্থবছর বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ১৯৩ কোটি ১০ লাখ ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিক্রি করেছিল ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাজার থেকে ৪১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার কিনলেও এক ডলারও বিক্রি হয়নি। এর আগে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ৩৭৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার কেনে, বিক্রি করে ৩৫ কোটি ৭০ ডলার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৫১৫ কোটি ডলার কিনলেও কোনো ডলার বিক্রির প্রয়োজন পড়েনি। বর্তমানে চাহিদা বাড়ার কারণে ডলারের দর ৭৮ টাকা থেকে বেড়ে আন্ত ব্যাংকেই ৮১ টাকায় উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের আন্ত ব্যাংক ডলারের দর ছিল ৮১.১৫ টাকা। এক বছর আগে (১৬ নভেম্বর ২০১৬) এই দর ছিল ৭৮.৫৮ টাকা। প্রতি ডলারের দর বেড়েছে ২ টাকা ৫৭ পয়সা। তা ছাড়া আগামী ডিসেম্বরে স্কুল-কলেজ ছুটি থাকায় অনেকেই বিদেশ ভ্রমণে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যে কারণে নগদ ডলারেরও দাম কিছুটা চড়া থাকে এই সময়।গত এপ্রিলে সরকারি কয়েকটি সংস্থার আমদানি ব্যয় মেটানোর চাপকে কেন্দ্র করে ব্যাংকগুলোর আমদানি পর্যায়ের ডলারের দর অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় আন্ত ব্যাংক গড় দরের চেয়ে আমদানিতে দুই টাকার বেশি ব্যবধান না রাখতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপর থেকে কয়েক মাস ডলারের দর কিছুটা কম থাকলেও সম্প্রতি আবার কিছুটা বাড়তে দেখা যায়। গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে কোনো কোনো ব্যাংকের আমদানি পর্যায়ের ডলারের দর ৮৪ টাকায় উঠে যায়। আন্ত ব্যাংকে যেখানে ডলারের গড় দর ছিল ৮১ টাকার নিচে। এমন পরিস্থিতিতে নৈতিক চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে সম্প্রতি এসব ব্যাংককে টেলিফোন করে কড়া বার্তা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরই মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকের ট্রেজারি কার্যক্রমের ওপর বিশেষ পরিদর্শনও পরিচালিত হয়েছে। এর ফলে গত সপ্তাহে আমদানি পর্যায়ে সব ব্যাংকের ডলারের দর ৮৩ টাকার নিচে নেমে এসেছে।ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমদানি-রপ্তানি ও রেমিট্যান্সসহ সব ধরনের বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহকের হয়ে দেনা-পাওনা মিটিয়ে থাকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। ফলে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের বিপরীতে আহরণ করা বিদেশি মুদ্রাসংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো জমা রেখে বাজারদরে গ্রাহকদের সমপরিমাণ টাকা দিয়ে থাকে। একইভাবে আমদানির ব্যয় পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সমপরিমাণ ডলার দিয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে ডলার কেনাবেচার মাধ্যমে কিছু অর্থ মুনাফা থাকে ব্যাংকগুলোর।কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সংরক্ষিত নিত্যপণ্য আমদানির মাসিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সবচেয়ে বেশি বেড়েছে চালের আমদানি ব্যয়। তা ছাড়া বস্ত্র খাতে ব্যবহারের কাঁচা তুলা, শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি, ভোজ্য তেল ও তেলবীজ এবং চিনির আমদানি ব্যয় বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।তবে সে তুলনায় রপ্তানি আয় না বাড়ায় দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া রেমিট্যান্স প্রবাহ সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও দীর্ঘদিন ধরেই মন্দাভাব থাকায় বিদেশি মুদ্রার জোগানে চাপ রয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে দেশের বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে (ব্যালান্স অব পেমেন্ট) ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের করা লেনদেন ভারসাম্য সারণি থেকে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বরে ইপিজেডসহ রপ্তানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে ৮৫৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় হয়েছে এক হাজার ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি ৩৬৫ কোটি ডলার। তা ছাড়া সেবা খাতের বাণিজ্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১০২ কোটি ৬০ লাখ ডলারে। সামগ্রিকভাবে আয়ের তুলনায় বিদেশি মুদ্রা বেশি খরচ হওয়ায় দেশের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ১৭৯ কোটি ১০ লাখ ডলার ঘাটতি রয়েছে।   source : kalar kontho
  • ব্যাংকিং খাতের অনিয়মে আইএমএফের উদ্বেগ
    দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দাতা সংস্থা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এ খাতের পারফরমেন্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। জানতে চেয়েছে যেসব ব্যাংকের নগদ তারল্য সংকট বা টাকা ফুরিয়ে এসেছে, ধারদেনা করে চলছে সেসব ব্যাংকের আমানতকারীদের কী হবে? বিশেষ করে আপদকালীন সময়ে আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা? এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণের পাশাপাশি ঋণ অবলোপন অব্যাহত রয়েছে। আবার মূলধন ঘাটতি পূরণে প্রতি বছর সরকার জনগণের ট্যাক্সের টাকায় মূলধন যোগান দিয়ে যাচ্ছে, এসব কিছুর কোনো পরিবর্তন ঘটবে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছে। মূলত সুশাসনের অভাবে ব্যাংকিং খাতে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছে সংস্থাটি।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক খাতে সুশাসনের অভাবসহ ঋণ খেলাপি, অবলোপন, আমানতকারীদের অর্থের মূলধন ঘাটতির বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে গত ১২ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে আইএমএফ। এ ছাড়া বাংলাদেশের অর্থনীতির সর্বশেষ অবস্থা জানতে অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দফতরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছে ৬ সদস্যের আইএমএফ প্রতিনিধি দল। টানা বৈঠকটি ১৯ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে আইএমএফের এক শীর্ষ কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, আইএমএফ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকে মিলিত হয়েছে। এ সময় পুরো ব্যাংকিং খাতের পারফরমেন্স, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ঋণ খেলাপি, ঋণ অবলোপন, মূলধন ঘাটতি যোগান এবং আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তাসহ মোট প্রায় ১৩টি বিষয় জানতে চেয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মূলত সরকারি ব্যাংকে সুশাসনের ঘাটতির কারণে এমনটি হচ্ছে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন খেলাপি ঋণ আদায় করতে না পেরে করা হচ্ছে অবলোপন। খেলাপির বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। এতে প্রভিশন খেয়ে ফেলছে লাভের অংশ। সে কারণে সরকারি বেশ কিছু ব্যাংক লোকসানের ঘানি টেনে যাচ্ছে দীর্ঘদিন। পাশাপাশি মূলধন ঘাটতিতে পড়েছে কয়েকটি সরকারি ব্যাংক। এসব বিষয়ের সর্বশেষ অবস্থা জানতে চেয়েছে আইএমএফ। এ ছাড়া ঋণ ও আমানতের সুদহার, বেসরকারি আর্থিক খাত, নতুন ভ্যাট আইন, মানি লন্ডারিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সফরের আগেই সংস্থাটির পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রশ্ন পাঠানো হয়েছিল। আইএমএফের অপর একজন কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশের পুরো ব্যাংকিং খাতের সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যেসব ব্যাংকের ব্যাপক তরল্য সংকট- তাদের আমানতকারীদের কী হবে সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। এ ছাড়া ব্যাংকিং খাতের অনেক প্রশ্নের জবাব খোঁজা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বাংলাদেশ ব্যাংকের এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত চার বছরে সরকারি ব্যাংকগুলোকে বাজেট থেকে মূলধন ঘাটতির জোগান হিসেবে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে সরকার, যা সাধারণ মানুষের করের টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক। চার বছরে ব্যাংকটি নিয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকা। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে নিয়েছিল প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৭১০ কোটি টাকা এবং সর্বশেষ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে নিয়েছিল ৩০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া বেসিক ব্যাংক নিয়েছে প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে নিয়েছে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া রূপালী ব্যাংক গত চার বছরে নিয়েছে ৩১০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ২১০ কোটি ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে নিয়েছে ১০০ কোটি টাকা। বাকি অর্থ অন্য সরকারি ব্যাংকগুলো নিয়েছে।তথ্যমতে, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো মোট ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে গেছে প্রায় ৩৪ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত ঋণের ২৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ। তথ্যে আরও দেখা যায়, মোট ঋণের ২৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ আবার আদায় হওয়ার সম্ভাবনা নেই, যার পরিমাণ প্রায় ৩০ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা।   source : jugantor
  • দশ টাকার হিসাবে ১৩শ’ কোটি টাকা!
    সফল হচ্ছে ১০ টাকার ব্যাংক হিসাব চালুর উদ্যোগ। কৃষক ও প্রান্তিক মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে উদ্যোগটি নেয়া হয়েছিল ২০১০ সালে। সে থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকে কৃষক ও নিন্ম আয়ের মানুষের হিসাব খোলা হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫৪টি। এসব হিসাবে জমা হয়েছে ১ হাজার ৩১১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত কৃষকের হিসাব খোলা হয়েছে ৯১ লাখ ৯০ হাজার ৬৪টি। এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি খাতে ৪৪ লাখ ২১ হাজার ৯০৬টি, অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি খাতে ২২ লাখ হাজার ৮৭ হাজার ১৭৯টি, মুক্তিযোদ্ধা খাতে ২ লাখ ১ হাজার ১১৩টি ও অন্যান্য খাতে ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫৪টি হিসাব খোলা হয়েছে। এসব হিসাবের মধ্যে বেশির ভাগ হিসাবই খোলা হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ৮ ব্যাংকে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, কৃষি খাত ছাড়া বাকি সব খাতে জুন পর্যন্ত সরকারি ৮ ব্যাংক ১০ টাকার হিসাব খুলেছে ৭৬ লাখ ৬০ হাজার ৩৭টি। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংক ৩০ লাখ ৩৬ হাজার ১৬টি, জনতা ব্যাংক ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৫৬৬টি, অগ্রণী ব্যাংক ১৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫৮৯টি, রূপালী ব্যাংক ২ লাখ ২ হাজার ৫২০টি, বিডিবিএল ১ হাজার ৯৮৯টি, বেসিক ব্যাংক ২ হাজার ৭৭২টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ১০ লাখ ৫১ হাজার ৭৭৮টি ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক হিসাব খুলেছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮০৩টি। জানতে চাইলে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শামস উল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সরকারি ব্যাংক মানে ১৬ কোটি মানুষের ব্যাংক। আর্থিক খাতে এসব ব্যাংক সরকারের প্রতিনিধিত্ব করে। সরকার চাইছে সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে। তারই অংশ হিসাবে সরকারি ব্যাংকগুলো নিন্ম আয়ের গরিব মানুষকে বিনা খরচে ব্যাংকিং সেবা দিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে অগ্রণী ব্যাংক এসব সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে নিরলসভাবে কাজ করছে। গরিব, দুস্থ, আইলাদুর্গত, মুক্তিযোদ্ধাসহ অনেক ক্ষেত্রে অগ্রণী ব্যাংক কাজ করছে বলে জানান তিনি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ব্যাংকে টাকা জমানো দূরের কথা, অ্যাকাউন্ট খোলারই সুযোগ ছিল না দুস্থ ও নিন্ম আয়ের মানুষের। স্বল্প আয়ের মানুষের সর্বনিন্ম ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলার সুযোগ করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসব হিসাব খোলা ও পরিচালনায় কোনো চার্জ বা ফি নেয়া হয় না। ফলে এ শ্রেণীর মানুষের ব্যাংক হিসাব খোলার প্রবণতা বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুন পর্যন্ত ব্যাংকগুলো ১০ টাকার হিসাব খুলেছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৩৭ হাজার ৮৬৮টি। এসব হিসাবে জমার পরিমাণ ১ হাজার ৫২ কোটি টাকা। সূত্র জানায়, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শ্রেণীর বড় অংশই ছিল আর্থিক সেবা খাতের বাইরে। তাদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমের আওতায় সময় সময় বিভিন্ন সার্কুলারের মাধ্যমে কৃষক, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতাভোগী, মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র জীবনবীমা পলিসি গ্রহীতা, অতি দরিদ্র উপকারভোগী, অতি দরিদ্র মহিলা উপকারভোগী, ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির সুবিধাভোগী, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুস্থ পুনর্বাসনের অনুদানপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা, ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী, তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিক, চামড়া ও পাদুকা শিল্প-কারখানায় কর্মরত শ্রমিক, স্কুলের শিক্ষার্থী, কর্মজীবী পথশিশু-কিশোর, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে অনুদানপ্রাপ্ত দুস্থ ব্যক্তি, আইলাদুর্গত ব্যক্তি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীসহ সব প্রতিবন্ধীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় হিসাব খোলার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। ন্যূনতম ১০ টাকা, ৫০ টাকা এবং ১০০ টাকা জমা দিয়ে এসব হিসাব খোলার নিয়ম করা হয়। এগুলোয় সর্বনিন্ম জমার বাধ্যবাধকতাও তুলে দেয়া হয়। এসব হিসাবে জমা অর্থের ওপর মুনাফার হার অন্য হিসাবের চেয়ে বেশি দিতে বলা হয়। ফলে এগুলোর আওতায় হিসাব খোলার প্রবণতা বেড়েছে।   source : jugantor
  • পর্যবেক্ষণে থাকবেন বড় খেলাপিরা
    নজরদারির মধ্যে আনা হচ্ছে বড় ঋণখেলাপিদের। ব্যাংকিং খাতে কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকার বেশি ঋণখেলাপিদেরই এ পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক যৌথভাবে এ কাজটি করবে। যাতে ঋণ আদায় ত্বরান্বিত হয়। একই সঙ্গে এসব শীর্ষ ঋণখেলাপিদের নামের তালিকা সংবাদপত্রে প্রকাশের আইনগত দিক খতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়া অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য শাস্তির সঙ্গে ভালো কাজের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকবে। বুধবার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ও বিশেষ ব্যাংকের এমডিদের বৈঠকে উল্লিখিত উদ্যোগসহ কয়েকটি বিষয় চূড়ান্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এ তথ্য।জানতে চাইলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকের অবস্থা পর্যালোচনার বিষয়ে ৩৯টি সুপারিশ রয়েছে। এসব সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য বৈঠক করা হয়েছে। কিছু সুপারিশে আইনগত বিষয় রয়েছে। এসব পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কারণ প্রতিটি সুপারিশ আইনগত দিক বিশ্লেষণ করতে হচ্ছে। এসব সিদ্ধান্ত ব্যাংকিং খাতে সংস্কারের ক্ষেত্রে কাজে আসবে। জানা গেছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সম্প্রতি রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকের অবস্থা পর্যালোচনা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার উপায় সংক্রান্ত একটি সেমিনার আয়োজন করে। সেখানে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের কাছ থেকে ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের জন্য ৩৯টি সুপারিশ করা হয়। এসব সুপারিশ চূড়ান্ত করতে বৈঠক করা হয় ব্যাংকের এমডিদের সঙ্গে।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের শীর্ষপর্যায়ে এক কর্মকর্তা জানান, বৈঠকে ২০টি সুপারিশ নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শ্রেণীকৃত ঋণ ও আদায়ে কার্যকরী ব্যবস্থা, অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধ বেশ আলোচনা হয়। সেখানে বলা হয়, দুর্নীতির জন্য সংশ্লিষ্ট দায়ী কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে অবশ্য শাস্তি দেয়া হবে। পাশাপাশি ভালো কাজের জন্য পুরস্কার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।সূত্রমতে, দেশে ১০০ কোটি টাকার ওপরে অনেক ঋণখেলাপি রয়েছে। বর্তমান এদের মনিটরিং করছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকও যৌথভাবে তাদের মনিটরিং করবে। সেখানে ঋণখেলাপিরা কথায় কথায় রিট মামলা দায়ের করছে বলে এমডিরা অভিযোগ তোলেন। এমডিদের পক্ষ থেকে বলা হয়, এমনও ঘটনা আছে একজন খেলাপি সাতটি রিট দায়ের করেছে। এভাবে রিট করে টাকা আদায় প্রক্রিয়া আটকে দিচ্ছে। ঋণখেলাপিরা পরিকল্পিতভাবে এসব করছে। এজন্য বৈঠকে আইন সংশোধনের প্রস্তাব আনা হয় এমডিদের পক্ষ থেকে। সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ও কুঋণ আদায়ে ‘ডেট রিকভারি কোম্পানি’ গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত সম্মতির পর অর্থ মন্ত্রণালয় এ ধরনের কোম্পানি গঠনের পক্ষে ইতিবাচক মত দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের আপত্তিতে তা এখন ফাইলবন্দি হয়ে পড়েছে। যদিও এশিয়ার অনেক দেশেই খেলাপি ঋণ আদায়ে এ ধরনের বেসরকারি এজেন্ট নিয়োগে ভালো সাফল্য পাওয়া গেছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, আইনের মাধ্যমে এজেন্ট নিযুক্ত করা হলে জটিলতা আরও বাড়বে। গ্রাহক ও ব্যাংক প্রধানদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির আশঙ্কা থাকবে। যার বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে খেলাপি আদায়ে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনরায় মতামত চাওয়া হয়েছে।সূত্র আরও জানায়, বৈঠকে ব্যাংক একীভূতকরণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। এজন্য মতামত চাওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের। বৈঠকে প্রযুক্তি ব্যবহার সর্বক্ষেত্রে নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যাপারেও একমত হয়েছেন এমডিরা। পাশাপাশি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আরও যোগ্য করে তুলতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।আর্থিক প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ঋণ ইস্যু ব্যবস্থাপনার মান দুর্বল, আমানতের পরিমাণ কম, ব্যাংকগুলোর মূলধন ক্রমান্বয়ে হ্রাস, প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ বৃদ্ধি, এসএমই ঋণ বিতরণে ধীরগতি ও অক্ষমতাসহ অনেক দুর্বল ইস্যু ওঠে এসেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের তৈরি করা ‘রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকসমূহের অবস্থা পর্যালোচনা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা উপায়’ শীর্ষক প্রতিবেদনে। সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংক এবং বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি ব্যাংকের ওপর এ পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালের জুনের হিসাবে ব্যাংকিং খাতে শ্রেণীকৃত ঋণের গড় হার শতকরা ১০ ভাগের কাছাকাছি। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যাংকের হার ৬ শতাংশ এবং বিদেশি ব্যাংকে ৮ শতাংশ। কিন্তু সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার ২৭ শতাংশ ও বিশেষায়িত ব্যাংকের হার ২৪ শতাংশ, যা ব্যাংকিং খাতের শ্রেণীকৃত গড় হারের দ্বিগুণের চেয়ে বেশি। টাকার অঙ্কে ব্যাংকিং খাতে শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ হচ্ছে ৭৪ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩৪ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর এবং বিশেষায়িত দুটি ব্যাংকের ৫ হাজার ৫১৯ কোটি টাকা। বিপুল পরিমাণ এ শ্রেণীকৃত ঋণের বিপরীতে আদায় খুব নগণ্য।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শ্রেণীকৃত ঋণের বিপরীতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণ করতে পারছে না। এতে ব্যাংকিং খাতে দিন দিন বেড়ে চলছে প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণও। বর্তমান প্রভিশন সংরক্ষণ দিক বিবেচনায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো নেতিবাচক অবস্থায় রয়েছে। ২০১৭ সালের জুনের হিসাবে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা। তবে বেসরকারি ব্যাংকগুলো মোট ১০১৭ কোটি টাকা প্রভিশন ঘাটতি সংরক্ষণ করতে পেরেছে।   source : jugantor
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বড় ঝুঁকিতে বেসিক ব্যাংক
    আর্থিক সূচকগুলোয় ক্রমাগত অবনতিতে চরম ঝুঁকিতে পড়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক। প্রচলিত নিয়ম না মেনে নিজের মতো করে প্রস্তুত করা বিভিন্ন বিষয়ের দুর্বলতা ধরা পড়েছে ব্যাংটিতে। হিসাব কারসাজির মাধ্যমে লোকসান, মূলধন ঘাটতি, প্রভিশন, খেলাপি ঋণ কম দেখানো হয়েছে। কোনো ঋণ আদায় না করেই আদায় দেখিয়ে আয় বেশি দেখানো হয়েছে। গত বছরের কার্যক্রমের ওপর বিশদ পরিদর্শনে এসব অনিয়মের তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রধান কার্যালয়সহ ছয়টি বড় শাখা পরিদর্শন এবং অন্য ৬৩টি শাখার তথ্য পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এ বিষয়ে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আলী আলাউদ্দিন এ মজিদ আমাদের সময়কে বলেন, বেসিক ব্যাংক কিছু অনিয়মের মধ্য নিয়ে চলেছে। বর্তমানের প্রতিবেদনটি দেখা যাচ্ছে, তা আগের। তবে ব্যাংকটি নতুন করে বেশ কিছু পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি লাভজনক অবস্থায় আসবে বলে জানান তিনি।প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর শেষে ব্যাংকটির মূলধন দেখানো হয়েছে ১ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা। অন্য বিধিবদ্ধ সংস্থানের পর মূলধন ঘাটতি হয়েছে ১ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। এ ছাড়া ব্যাসেল-৩ অনুসারে ব্যাংকের মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ দশমিক ৬২৫ শতাংশ মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়। ব্যাংকটির ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ ১১ হাজার ২০১ কোটি টাকা হওয়ায় আরও ১ হাজার ১৯০ কোটি টাকা মূলধন সংরক্ষণের প্রয়োজন ছিল, যা ব্যাংকটি করেনি। অন্য ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে আরও ৫৫৭ কোটি টাকা মূলধন সংরক্ষণের প্রয়োজন ছিল। এসব মিলে ব্যাংকটির সর্বমোট মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা। ঘাটতি মেটাতে ২০১৪ ও ২০১৫ সাল সরকার ২ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা বাজেট প্রদান করে।আয়-ব্যয়ের হিসাবে কারসাজির মাধ্যমে লোকসান কম দেখানো হয়েছে বলে পরিদর্শনে পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত বছরে ব্যাংকটি পরিচালন মুনাফা দেখিয়েছে ৯ কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে কয়েকজন গ্রাহকের কাছ থেকে আদায় না করেই ২০ কোটি টাকা আয় দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ প্রকৃতভাবে হিসাব করলে ব্যাংকটির পরিচালনায় লোকসান ১১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। অন্যদিকে নিট হিসাবে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা লোকসান দেখানো হয়েছে। মন্দ ঋণ ও অন্য ঋণগুলোর বিপরীতে ব্যাংকটির ৪ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা সংরক্ষণের প্রয়োজন থাকলেও করেছে মাত্র ২ হাজার ১৪ কোটি টাকা। সব শাখার ক্ষতি সমন্বয় করে হিসাব করলে ব্যাংকটির প্রকৃত লোকসান হতো ৪ হাজার ৩১৯ কোটি টাকা।কয়েক বছর ধরে ব্যাংকটিতে ঋণের নামে ডাকাতির ঘটনায় কয়েকজন গ্রাহকের কাছে ঋণের টাকা আটকা পড়েছে। এর বেশিরভাগই খেলাপি। বিগত দুই বছর ধরে সেই টাকা আদায় করতে পারছে না। এদিকে ব্যাংকটির সার্বিক সূচকে উন্নতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে স্বাক্ষর করা সমঝোতা স্মারকের (এমওইইউ) শর্তগুলো পরিপালন করছে না ব্যাংকটি। পরিদর্শন সময়ে শীর্ষ ২০ ঋণগ্রহীতার কাছে ব্যাংকটির পাওনা ২ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১১ হাজার ৩৮ কোটি মন্দমানের খেলাপি ঋণ। আদায় অযোগ্য মন্দ ঋণ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের ৪৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। এ ছাড়া মাত্র ২৪ গ্রাহককে ৩ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে ব্যাংকটি; বিতরণকৃত মোট ঋণের ২৭ শতাংশ। ঋণ কেন্দ্রীভূত না করার এমওইউয়ের শর্ত লঙ্ঘন করেছে ব্যাংকটি।এ ছাড়া মোট খেলাপি ঋণের ১৪ দশমকি ৮৬ শতাংশ আটকে রয়েছে শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছে। মোট ১৩ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা খেলাপি ঋণের মধ্যে শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছে আটকে রয়েছে ২ হাজার ৪ কোটি টাকা। কিন্তু শীর্ষ খেলাপির কাছ থেকে আদায় অতি নগণ্য। গত বছরে মাত্র ১২ কোটি ১৮ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে শীর্ষ খেলাপিদের কাছ থেকে।পরিদর্শন প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়, ব্যাংকটিতে আমানত রয়েছে ১২ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা। এই আমানত থাকার পরও ২০১৬ সালের বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম না মেনে আরও ১ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এত অনিয়মের মধ্যেও বেসিক ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া কোনো নির্দেশনাই মানছে না বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। যার মধ্যে বলা হয়েছে, ব্যাংকের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করার জন্য ত্রৈমাসিক সভার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা ‘মুখ্য কর্ম সম্পাদনা নির্দেশক’ ও ‘মুখ্য কর্ম সম্পাদন নির্দেশক’ নামে দুটি প্রজ্ঞাপনও মানা হয়নি। একই সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক ২০১১ সালে অনুমোদিত ব্যাংকের ক্রেডিট পলিসি পরিদর্শনকালীন পর্যন্ত রিভিউপূর্বক অনুমোদন করা হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ গাইডলাইন অনুযায়ী ব্যাংকের অ্যান্ট্রি মানি লন্ডারিং (এএমএল) গাইডলাইন ছাড়া অন্য কোনো ঝুঁকিভিত্তিক গাইডলাইন করা হয়নি। এ ছাড়া ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমকে শক্তিশালী ও আর্থিক কার্যকর করলে ২০১৬ সালে কোনো ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এ ছাড়া ব্যাংকটির অ্যাসেট লাইয়াবিলিট ম্যানেজমেন্ট, ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিপালনসংক্রান্ত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অডিট ডিভিশনের কার্যক্রমের দুর্বলতাসহ কম্পøায়েন্স ডিপার্টমেন্ট কার্যক্রমের দুর্বলতার বিষয়টি উঠে এসেছে। source : amader somy
View All
Latest DSE News
  • FSB

    Withdrawal of Authorized Representative: FAREAST Stocks &amp; Bonds Ltd. (DSE TREC No. 226) has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mst. Samsun Nahar Roji, with immediate effect.

  • PFI

    Withdrawal of Authorized Representatives: PFI Securities Limited (DSE TREC No. 79) has withdrawn three of its Authorized Representatives, Mr. Md. Saiful Islam, Mr. Atikur Rahman &amp; Mrs. Farhana Kulsum, with immediate effect.

  • SAPORTL

    Mr. Syed Ali Jowher Rizvi, one of the Directors of the Company, has expressed his intention to buy 7,30,000 shares of the Company at prevailing market price (in the Public Market) through Stock Exchange within next 30 working days.

  • DACCADYE

    As per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on November 26, 2017 at 3:00 PM to consider, among others, un-audited financial statements of the Company for the First Quarter (Q1) period ended on September 30, 2017.

  • GENNEXT

    The Company has further informed that due to unavoidable circumstances the Board of Directors has decided to change the date of their 13th AGM from December 23, 2017 to December 17, 2017 at 11:00 AM. Other information will remain unchanged.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ECABLES 218.90 199.00 19.90 10.00
PTL 36.40 33.10 3.30 9.97
BDCOM 28.10 25.60 2.50 9.77
SHYAMPSUG 36.00 32.80 3.20 9.76
YPL 21.70 19.80 1.90 9.60
MITHUNKNIT 32.60 29.80 2.80 9.40
SALVOCHEM 22.90 21.40 1.50 7.01
INTECH 18.60 17.60 1.00 5.68
RSRMSTEEL 67.50 63.90 3.60 5.63
NURANI 19.40 18.40 1.00 5.43

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297