Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
BBSCABLES 130.8 100.3 30.50 30.41
SAMATALETH 51.8 40.6 11.20 27.59
MONNOSTAF 781.1 620.5 160.60 25.88
JMISMDL 217.5 180.2 37.30 20.70
KAY&QUE 97.2 81 16.20 20.00
GQBALLPEN 114 95.2 18.80 19.75
UTTARABANK 33.1 27.7 5.40 19.49
BDAUTOCA 122.2 103.7 18.50 17.84
AZIZPIPES 124.7 107.1 17.60 16.43
FINEFOODS 48.5 42.2 6.30 14.93

Contest SB2017_Aug

1st
blank_person
RAHAZANI
2nd
blank_person
GAMBLERBD
3rd
blank_person
SHOPNO_GHURI
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 392 387.2 11.31858 393452.00
UPGDCL 173.9 169.1 3.04230 230679.00
BATBC 2978.2 2961 1.80219 7.00
ICB 183.6 182 1.76814 117945.00
JAMUNAOIL 215.4 209 1.23415 809627.00
Negative impact
EBL 42.5 44.4 -2.44867 874943.00
SQURPHARMA 280.3 281.9 -1.91659 347859.00
CITYBANK 42 43.2 -1.83529 3716320.00
IFIC 19.7 20.4 -1.46116 10901900.00
PUBALIBANK 28.2 29 -1.32832 4065800.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BBSCABLES 130.8 137 126.9 3.40% 436.43
IFADAUTOS 161.2 164 160.8 -1.65% 273.02
IBNSINA 275.3 275.6 255 8.60% 243.28
SALVOCHEM 26.2 27.2 26 -0.76% 225.79
IFIC 19.7 20.6 19.6 -3.43% 218.28
UTTARABANK 33.1 34.8 32.7 -2.07% 204.47
CNATEX 13.1 14.1 12.9 -4.38% 200.27
JAMUNAOIL 215.4 215.7 208.1 3.06% 173.54
MERCANBANK 24.9 25.9 24.8 -0.80% 168.53
CITYBANK 42 43.7 41.7 -2.78% 158.46

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 17 Aug 2017

136904
TOTAL TRADE
234.7711
TOTAL VOLUME(Mn)
8321.25
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • তিনটি দেশ সাবমেরিন ক্যাবলসের ব্যান্ডউইথ কিনতে আগ্রহী
    ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১০০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ নিতে চায় মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া। এজন্য একটি লিংক তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। ওই তিনটি দেশ সি-মি-উই-ফোর সাবমেরিন ক্যাবল থেকে সরাসরি ব্যান্ডউইথ নিতে আগ্রহী বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে প্রধান লিংক গ্রহণকারী দেশ হতে চায় মিয়ানমার বলে জানিয়েছেন বাংলদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার আমাদের কাছ থেকে ১০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ নিতে চায়। ওই পরিমাণ ব্যান্ডউইথ মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া মিলে ব্যবহার করবে। তিনি জানান, সি-মি-উই-ফোর সাবমেরিন ক্যাবল থেকে লিংক তৈরির কাজ চলছে। সাবমেরিন ক্যাবল থেকে মিয়ানমার কাছে হওয়ায় লিংক তৈরির কাজ সহজ হবে। এই লিংক সরাসরি মিয়ানমারকে যুক্ত করবে। মিয়ানমার থেকে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া ব্যান্ডউইথ নেবে। তিনি মনে করেন, এই লিংক তৈরি করে ব্যান্ডউইথ দেওয়া হলে মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া হবে বাংলাদেশের ব্যান্ডউইথের সবচেয়ে বড় বাজার। এদিকে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল তথা সি-মি-উই-ফাইভের সঙ্গে যুক্ত হলে শিগগিরই ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পাবে। ব্যাংকলিংক তৈরির কাজ শেষ না হওয়ায় সি-মি-উই-ফাইভের ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করতে পারছে না বাংলাদেশ। ভুটানের প্রস্তাবিত ২.৫ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ রফতানির উদ্যোগও এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এজন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম শিগগিরই কলকাতা যাচ্ছেন। তিনি সেখানে পাওয়ার গ্রিড করপোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড (পিজিসিআইএল) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে বিএসসিসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পিজিসিআইএল-এর ভুটান পর্যন্ত ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সংযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ চাইবে ওই ক্যাবল ব্যবহার করে ভুটানে ব্যান্ডউইথ পৌঁছতে। এখন দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ভুটান ২.৫ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ নিয়ে আমদানি শুরু করতে চায়। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী তা বাড়তেও পারে। জানা গেছে, ভুটানে ব্যান্ডউইথ রফতানির জন্য দু’টি পথ (ব্যান্ডউইথ পরিবহনের জন্য) প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। একটি পথ হলো পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা হয়ে, অন্যটি রংপুর হয়ে। পিজিসিআইএল-এর সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত হলে পথ নির্বাচনও চূড়ান্ত হবে। বিএসসিসিএল সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশকে ব্যান্ডউেইথের দাম কমাতে বলেছে ভারত। বাংলাদেশ ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ভারতে রফতানি করে জিবিপিএস প্রতি আয় করে ১০ হাজার ডলার। ভারত এই দাম ৯ হাজার ডলারের নিচে করার প্রস্তাব দিয়েছে। ভারতের রাষ্ট্রীয় টেলিযোগাযোগ কোম্পানি বিএসএনএল (ভারতীয় সঞ্চার নিগম লিমিটেড) বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যান্ডউইথ রফতানি চুক্তির বিষয়টি রিভিউ করতে বলেছে বলে জানিয়েছেন মো. মনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে এই চুক্তি হয়েছিল ৩ বছরের জন্য। এরই মধ্যে প্রায় দেড় বছর পার হয়েছে। চুক্তিতে ছিল প্রতি বছর ব্যান্ডউইথের দাম রিভিউ করা হবে। যেহেতু দেড় বছরের মতো সময় পার হয়েছে ফলে এই প্রসঙ্গটি উঠে এসেছে। মনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা মূল্য না কমিয়ে ব্যান্ডউইথের সরবরাহ বাড়িয়ে বর্তমান আয়ের পরিমাণ ধরে রাখতে চাই। এই প্রস্তাব আমরা বিএসএনএল-কে দেবো। তারা রাজি হলে পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হওয়া যাবে। তবে কী পরিমাণ ব্যান্ডউইথ বাড়ানো হবে সে বিষয়ে তিনি এখনই কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর ভারত সফরে এ বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে মো. মনোয়ার হোসেন ইঙ্গিত দেন। উল্লেখ্য, সি-মি-উই-ফোর সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে এখন বাংলাদেশ পাচ্ছে ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ। এর মধ্যে ব্যবহার হচ্ছে ২২০ জিবিপিএস, যা সরবরাহ করছে বিএসসিসিএল। তবে দেশে মোট ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের পরিমাণ ৪৪০ জিবিপিএস। বাকি ২২০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করছে দেশের ৬টি আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল) প্রতিষ্ঠান যার পুরোটাই আমদানি নির্ভর। এই পরিমাণ ব্যান্ডউইথ ৬টি আইটিসি ভারত থেকে আমদানি করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরায় ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডইউথ রফতানি করছে।
  • ফারইস্ট ইসলামী লাইফের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ২০ শতাংশ স্টক এবং ১৫ শতাংশ নগদসহ মোট ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় সমাপ্ত অর্থ বছরের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায়, তোপখানা রোডে ফারইস্ট টাওয়ারে এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর।
  • ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্ট আইন বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় প্রকাশ
    স্টাফ রিপোর্টার : আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মূল উদ্দেশ্য নিয়ে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্ট আইন (এফআরএ) পাস করেছে সরকার। আইনটি বাস্তবায়নে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি) নামে একটি সংস্থাও গঠন করা হয়েছে। তবে ১২ সদস্যের কাউন্সিলে মাত্র দুজন পেশাদার হিসাববিদ হওয়ায় এর সফলতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আইসিএবি মিলনায়তনে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) কর্তৃক আয়োজিত ‘ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং ওভারসাইট: গ্লোবাল প্র্যাকটিস অ্যান্ড বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ সংশয় প্রকাশ করেন বক্তারা। আইসিএবির সভাপতি আদিব হোসেন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. রঞ্জন কুমার মিত্র। ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সি কিউ কে মোস্তাক আহমেদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। সেমিনারে আর্থিক প্রতিবেদন তত্ত্বাবধানের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক অনুশীলন এবং বাংলাদেশের একটি পর্যালোচনামূলক চিত্র তুলে ধরে ড. রঞ্জন কুমার মিত্র বলেন, ঐতিহ্যগতভাবেই হিসাববিদ্যা একটি স্ব-নিয়ন্ত্রিত পেশা। এক্ষেত্রে পেশাদার হিসাববিদদের নিজস্ব সংস্থাই তাদের সদস্যদের জন্য স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ থেকে শুরু করে পেশাগত নৈতিকতা ও কমপ্লায়েন্সের বিষয়গুলো দেখে থাকে। মূলত বিশ্বব্যাপী কিছু আলোচিত স্ক্যান্ডালের কারণে হিসাববিদদের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রশ্নের সম্মুখীন হওয়ার পরই এমন স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনের ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে এখনো বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই হিসাববিদদের স্বতন্ত্র তত্ত্বাবধানকারী সংস্থা গড়ে ওঠেনি। ১৯৫টি দেশের মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম অব ইনডিপেনডেন্ট অডিট রেগুলেটরসের (আইএফআইএআর) সদস্য দেশ মাত্র ৫৫টি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শুধু বাংলাদেশেই এফআরসি রয়েছে উল্লেখ করে প্রবন্ধে বলা হয়, ২০০৩ সালে অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং নিয়ে বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট অন অবজারভেন্স অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড কোডসে (আরওএসসি) এফআরসি গঠনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উঠে আসে। এ প্রতিবেদনে জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর (পিআইই) আর্থিক প্রতিবেদন প্রণয়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখার জন্য একটি স্বাধীন তত্ত্বাবধানকারী সংস্থা গঠনের সুপারিশ করা হয়। বাংলাদেশে ২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর তা বাস্তবায়নে গত বছর একটি কাউন্সিল গঠন করা হয়। তবে বিশ্বের অধিকাংশ দেশের এফআরসিতে পেশাদার হিসাববিদের আধিক্য দেখা গেলেও বাংলাদেশে এর ব্যতিক্রম। মোট ১২ সদস্যের কাউন্সিলে মাত্র দুজন পেশাদার হিসাববিদ ও ছয়জনই সরকারি কর্মকর্তা হওয়ায় এর কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আর্থিক খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি আরো বলেন, আইসিএবি ও বিএসইসি ছাড়া অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা— যেমন বাংলাদেশ ব্যাংক, আরজেএসসি, আইডিআরএ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলের সক্ষমতা শক্তিশালী করার কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এ পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে এফআরসি গঠন করেও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া সম্ভব হবে না। তবে বাংলাদেশের এফআরসির একটি লক্ষণীয় দিক হচ্ছে, এতে শাস্তি হিসেবে কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে, যা বিশ্বের অন্য কোথাও নেই। সম আয়তনের অর্থনীতির দেশগুলো কিংবা প্রতিবেশীদের এফআরসির তুলনায় যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের বেশি সাদৃশ্য রয়েছে। এফআরসিতে পেশাদার হিসাববিদ কম থাকার প্রসঙ্গ তুলে চেয়ারম্যান সি কিউ কে মোস্তাক আহমেদ বলেন, কাউন্সিলের মূল সদস্যের বাইরে এর মধ্যে অনেক পেশাদার হিসাববিদ যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। ফলে এখানে সরকারি কর্মকর্তাদের আধিক্য কাউন্সিলের মূল কাজে সমস্যা হবে না। এফআরসি গঠনের উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থ রক্ষা ও সরকারের রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শ করে এফআরসি গঠন করা হয়েছে। এটি নিয়ে অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে, তবে এর কার্যক্রম নতুন কিছু নয়। অন্যায় করলে যেকোনো পেশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় আসতে হবে। তবে এফআরসি কোনো বিচারিক সংস্থা না হওয়ায় নিরীক্ষা ও বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনায় ঝুঁকির বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। আইসিএবির সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে এফআরসি চেয়ারম্যান বলেন, আইসিএবি প্রণীত বিভিন্ন অ্যাকাউন্টিং ও অডিটিং স্ট্যান্ডার্ডস এবং এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন ম্যানুয়াল আমরা দেখেছি। জনস্বার্থ রক্ষা ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করার জন্য গঠনমূলক কর্মপরিকল্পনা তৈরির ক্ষেত্রে এফআরসি ও আইসিএবি একসঙ্গে কাজ করবে। আদিব হোসেন খান বলেন, আর্থিক প্রতিবেদনের মানোন্নয়নের জন্য যেকোনো পদক্ষেপকে আইসিএবি স্বাগত জানাবে। মানসম্পন্ন আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসিরও দায়িত্ব রয়েছে। মানসম্পন্ন আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ সুবিধা, শেয়ারের সর্বোচ্চ মূল্য এবং কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই কর পরিশোধের সুবিধা দেয়া উচিত। নির্ভুল ও স্বচ্ছ আর্থিক প্রতিবেদন নিশ্চিত করতে এফআরসি একটি কার্যকর সংস্থা হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করি।
  • আয় বৃদ্ধির শীর্ষে বাটা শু, সর্বনিম্নে হাইডেলবার্গ
    সিনিয়র রিপোর্টার : বহুজাতিক বেশির ভাগ কোম্পানির আয় বেড়েছে। তালিকাভুক্ত ১১টি বহুজাতিক কোম্পানির মধ্যে ৬টির আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উল্লম্ফন ঘটেছে বাটা শুর আয়ে। আর ৫ কোম্পানির আয় কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় কমেছে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের। সম্প্রতি প্রকাশিত কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১১টি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো বাটা শু, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ বা বিএটিবি, বার্জার পেইন্টস, গ্ল্যাক্সো স্মিথক্লাইন, গ্রামীণফোন, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, লিনডে বাংলাদেশ, ম্যারিকো বাংলাদেশ, রেকিট বেনকিজার ও সিঙ্গার বাংলাদেশ। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, ডিএসইর বাজার মূলধনের প্রায় ২৪ শতাংশ তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর দখলে রয়েছে। এর মধ্যে এককভাবে সর্বোচ্চ বাজার মূলধন দখল করে আছে টেলিকম খাতের একমাত্র তালিকাভুক্ত কোম্পানি গ্রামীণফোন। এ কোম্পানিই এককভাবে ডিএসইর বাজার মূলধনের প্রায় ১৩ শতাংশ দখলে রেখেছে। এদিকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো তাদের অর্ধবার্ষিক ও ত্রৈমাসিক যে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তা বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, আয় বৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষে বা সবার ওপরে রয়েছে বাটা শু। ২০১৬ সালের প্রথম ছয় মাসের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে সাড়ে ১৩ টাকা। ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে বাটা শুর ইপিএস ছিল ২৫ টাকা ৭৯ পয়সা। চলতি বছরের প্রথমার্ধ শেষে তা প্রায় ৫২ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩৯ টাকা ২৯ পয়সা। আর সর্বশেষ চলতি এপ্রিল থেকে জুন প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১২ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৭৪ পয়সায়। ১৯৮৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ১৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, যা ১০ টাকার অভিহিত মূল্যের ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার শেয়ারে বিভক্ত। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। বাকি শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক, সাধারণ ও বিদেশি বিনিয়োগকারীর হাতে। এর বাইরে আয় বৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, গ্রামীণফোন, সিঙ্গার বাংলাদেশ, রেকিট বেনকিজার ও ম্যারিকো। এর মধ্যে ভারতীয় মালিকানার ম্যারিকো বাংলাদেশের আর্থিক বছর হিসাব করা হয় এপ্রিল থেকে মার্চ সময়ে। ফলে এটির আয়ের তুলনামূলক চিত্রটি মূলত এপ্রিল-জুনের ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে করা। গত বছরের ছয় মাসের সঙ্গে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের তুলনায় আয় কমার দিক থেকে সবার ওপরে রয়েছে সিমেন্ট খাতের বহুজাতিক কোম্পানি হাইডেলবার্গ সিমেন্ট। ২০১৬ সালের প্রথমার্ধের চেয়ে চলতি বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ৬ টাকা ৫৮ পয়সা। চলতি বছরের জুন শেষে এটির শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৭১ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৯ টাকা ২৯ পয়সা। সেই হিসাবে আগের বছরের ছয় মাসের তুলনায় এ বছরের প্রথমার্ধে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের আয় প্রায় ৩৪ শতাংশ কমে গেছে। ১৯৮৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হাইডেলবার্গের মোট পরিশোধিত মূলধন প্রায় সাড়ে ৫৬ কোটি টাকা, যা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৫ কোটি ৬৫ লাখ শেয়ারে বিভক্ত। এর মধ্যে প্রায় ৬১ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে কোম্পানিটির মূল উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে। প্রাতিষ্ঠানিক, বিদেশি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে বাকি প্রায় ৩৯ শতাংশ শেয়ার। আয় কমার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে গ্ল্যাক্সো স্মিথক্লাইন। ২০১৬ সালের প্রথমার্ধের চেয়ে চলতি বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ৬ টাকা ৫ পয়সা। চলতি বছরের জুন শেষে এটির শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২৭ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২৫ টাকা ৩২ পয়সা। সেই হিসাবে আগের বছরের ছয় মাসের তুলনায় এ বছরের প্রথমার্ধে গ্ল্যাক্সোর আয় ২৪ শতাংশ কমে গেছে। ১৯৭৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ খাতের বহুজাতিক এ কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন প্রায় ১২ কোটি টাকা, যা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারে বিভক্ত। এটির মোট শেয়ারের ৮২ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে। আর বাকি ১৮ শতাংশ শেয়ারের মধ্যে প্রায় ১৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক এবং ১ শতাংশের কম শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে। ফলে প্রতিদিন বাজারে কোম্পানিটির খুব কম পরিমাণ শেয়ারেরই হাতবদল হয়। গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনের ২০১৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ওষুধ আমদানির ওপর নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ন্ত্রণ আরোপের ফলে ওই বছরটি ছিল কোম্পানির জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং। এর বাইরে আয় কমার তালিকায় রয়েছে বার্জার পেইন্টস, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ও লিনডে বাংলাদেশ। এর মধ্যে বার্জার পেইন্টসের আয়ের তুলনামূলক চিত্রটি মূলত ত্রৈমাসিক। কারণ বহুজাতিক এ কোম্পানিরও আর্থিক বছর হিসাব করা হয় এপ্রিল থেকে মার্চ সময়ে।
  • বিক্রি বাড়লেও মতিন স্পিনিংয়ের মুনাফায় ধস
    সিনিয়র রিপোর্টার : নতুন ইউনিট উৎপাদনে আসার পর মতিন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের বিক্রি বেড়েছে। তবে উৎপাদন, প্রশাসনিক ও বিপণন সব পর্যায়ে কোম্পানিটির খরচ তার চেয়ে বেশি বেড়েছে। পাশাপাশি এফডিআর থেকে সুদ আয় কমলেও বেড়েছে ঋণের বিপরীতে সুদ ব্যয়। সব মিলিয়ে ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির নিট মুনাফা ৪৬ শতাংশের বেশি কমে গেছে। বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, নতুন মিল্যাঞ্জ ইউনিটে পুরোপুরি ও সিনথেটিক ইউনিটে আংশিক উৎপাদন শুরু হওয়ায় ২০১৬ সালের জুলাই থেকে গত মার্চ পর্যন্ত (প্রথম তিন প্রান্তিক) মতিন স্পিনিংয়ের বিক্রি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৬ দশমিক ৩০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ২১১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। তবে গ্যাস সংকট, বেতন-ভাতা ও অবচয় বাবদ ব্যয় বাড়ার কারণে কোম্পানির উৎপাদন খরচ ৬৬ দশমিক ৩১ শতাংশ বেড়ে হয় ১৮৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এতে মোট (গ্রস) মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ২৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এরপর কোম্পানিটির প্রশাসনিক ও বিপণন ব্যয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৩০ শতাংশ বেড়েছে। এতে প্রথম তিন প্রান্তিকে পরিচালন মুনাফা ৪১ দশমিক ৬০ শতাংশ কমে ২২ কোটি ৯৫ লাখ টাকায় নেমে আসে। এদিকে এফডিআরের সুদ বাবদ ২০১৫-১৬ হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসে ১৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা আয় হলেও এবার তা ৫০ দশমিক ১২ শতাংশ কমে ৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকায় নেমে এসেছে। এর আগে ২০১৪-১৫ হিসাব বছরে এফডিআরের সুদ বাবদ ২০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা আয় হয়েছিল কোম্পানিটির। এফডিআর থেকে সুদ আয় কমলেও হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসে কোম্পানির সুদ ব্যয় বেড়েছে ৪০ শতাংশ। এরপর শ্রমিক তহবিল ও কর পরিশোধের পর নিট মুনাফা দাঁড়ায় ১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা, যেখানে গত বছরের একই সময়ে মুনাফা হয়েছিল ২৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে নিট মুনাফা কমেছে ১৩ কোটি টাকা বা ৪৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ৯১ পয়সা। মতিন স্পিনিংয়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা এএইচএম আরিফুল ইসলাম বলেন, গ্যাস সংকটের মধ্যে কারখানা সচল রাখতে গিয়ে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করতে হয়েছে আমাদের। এ খাতে ব্যয় প্রায় চার গুণ বেড়েছে। এছাড়া ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে নতুন দুই প্রকল্পের যন্ত্রপাতির বিপরীতেও অবচয় ধার্য করতে হয়েছে কোম্পানিকে, যা মোট অবচয় ব্যয় বাড়িয়েছে। বেতন-ভাতা বাবদ কোম্পানির ব্যয়ও বেড়েছে। এফডিআর থেকে সুদ বাবদ আয় উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। মুনাফা হ্রাসের পেছনে প্রতিটি কারণই গুরুত্বপূর্ণ। তবে আগামীতে পরিস্থিতির উন্নতি সম্পর্কে তিনি আশাবাদী। প্রসঙ্গত, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৪ সালে মিল্যাঞ্জ ও সিনথেটিক প্রকল্প হাতে নেয় মতিন স্পিনিং মিলস লিমিটেড। এর মধ্যে মিল্যাঞ্জ প্রকল্পের জন্য আইপিওর মাধ্যমে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে পুঁজিবাজার থেকে ১২৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা সংগ্রহ করে মতিন স্পিনিং। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ১২৩ কোটি টাকা। আইপিওর অর্থ হাতে পাওয়ার এক বছরের মধ্যেই মিল্যাঞ্জ প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের ১৪ মাস পরে ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ থেকে এ প্রকল্পের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে মতিন স্পিনিং। দৈনিক ১০ টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এ প্রকল্প চালুর ফলে কোম্পানির মোট উৎপাদনক্ষমতা দৈনিক ৩৫ টনে দাঁড়ায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্নে ব্যর্থতা ও অনুমোদন ছাড়া আইপিওর অর্থ ব্যাংকে এফডিআর হিসেবে জমা রাখার কারণে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মতিন স্পিনিংয়ের চেয়ারম্যান ও এমডিসহ আট পরিচালককে জরিমানাও করেছিল। অন্যদিকে ২০১৪ সালের নভেম্বরে দৈনিক সাত টন উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন সিনথেটিক ইয়ার্ন ইউনিটের স্থাপনের ঘোষণা দেয় মতিন স্পিনিং। পরে ২০১৬ সালের এপ্রিলে সিনথেটিক ইয়ার্ন ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা দৈনিক সাত থেকে ১৬ টনে উন্নীত করার কথা জানায় কোম্পানিটি। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ১৫১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৮৬ কোটি টাকা বা ১ কোটি ১২ লাখ ডলার এইচএসবিসি ব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে নেয়া হয়। আর বাকি ৬৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা কোম্পানির নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হয়। সিনথেটিক ইয়ার্ন ইউনিটে ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর আংশিক উৎপাদন এবং চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন শুরু হয়। ডিবিএল (দুলাল ব্রাদার্স লিমিটেড) গ্রুপের স্পিনিং প্রকল্প মতিন স্পিনিং মিলস লিমিটেড ২০০৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। ২০১৪ সালে কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে আসে। তাদের কারখানায় মূলত টেক্সটাইল মিলের জন্য কার্ডেড, কম্বড, স্ল্যাব, সিনথেটিক ও মিল্যাঞ্জ— পাঁচ ধরনের সুতা প্রস্তুত হয়। মতিন স্পিনিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। রিজার্ভ ২১৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩২ দশমিক ৭২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৫০ দশমিক ৭৬ ও বাকি ১৬ দশমিক ৫২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। ডিএসইতে গতকাল সর্বশেষ ৪০ টাকা ৩০ পয়সায় মতিন স্পিনিংয়ের শেয়ার বেচাকেনা হয়। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩৫ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৪৯ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
  • এপেক্স ট্যানারির লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বৃহষ্পতিবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৯৫ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৭৩.৫৬ টাকা। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর।
  • ব্লক মার্কেটে ৪টি কোম্পানির লেনদেন
    স্টাফ রিপোর্টার : ব্লক মার্কেটে আজ ৪টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে LAFSURCEML।এই কোম্পানির১লটেই ১০৪০০০টি শেয়ার লেনদেন করেছে। ভেলুর দিক থেকে ও আজ সবচেয়ে বেশী লেনদেন হয়েDSHGARME। আর দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ‍BATBC, তৃতীয় অবস্থানে আছেLAFSURCEML। সূত্র ডিএসই এছাড়া PREMIERLEA কোম্পানির ব্লকে লেনদেন হয়।
  • মার্কেটে সেল প্রেশারে বেয়ারিশ ক্যান্ডেল, সাপোর্টের নিচে অবস্থান করচে সূচক
    স্টাফ রিপোর্টার :  বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সুচকে বেয়ারিশ ক্যান্ডেল দেখা গেছে। মার্কেটে শুরুতে উপরে ছিল। তবে ধীরে ধীরে সেল প্রেশার দেখা যায়। এই সেল প্রেশারে মার্কেটে ভালভাবে পড়তে শুরু করে। ফলে শেষ পর্যন্ত মার্কেট আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২২ পয়েন্ট নিচে শেষ হয়েছে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী ডিএসই ইনডেক্স আজকে শুরুতে কিছুটা বাই প্রেশার ছিল। মার্কেট প্রায় ২০ পয়েন্ট উপরে চলে যায় প্রথম ঘন্টায়। তবে ধীরে ধীরে সেল প্রেশার দেখা যায়। মার্কেটে দর দাম আস্তে আস্তে পড়তে থাকে। বাজার কিছু সময় দোটানায় চলে। তবে সেল প্রেশার অব্যাহত থাকায় মার্কেট পড়ে যায়। পরবর্তীতে মার্কেট আগের দিনের চেয়ে নিচে শেষ হয়ে বেয়ারিশ ক্যান্ডেল তৈরি করেছে। উল্লেখ্য বিষয় হচ্ছে মার্কেটে গত দিন বেয়ারিশ ক্যান্ডেলের পর আজকে আবারও বেয়ারিশ অবস্থাতেই শেষ হয়েছে বাজার। এই ধারাতে আজকে মার্কেট সাপোর্ট লাইনের নিচে চলে গেছে। এই গতি থাকলে পরবর্তীতে সূচক আরও নিচে নামতে পারে। ডিএসই সাধারন সূচক দিন শেষে আগের চেয়ে কিছু পয়েন্ট নিচে আছে। দিন শেষে ইনডেক্স গত দিনের চেয়ে ২২.১২ পয়েন্ট উপরে অবস্থান করছে। ইন্ডেক্স বিগত দিনের ৫৮৮৩.২৪ পয়েন্ট থেকে শুরু করে ৫৮৬১.১১ পয়েন্টে শেষ হয় যা আগের দিনের তুলনায় ০.৩৭% কম। বাজারে সর্বমোট ৩৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে যার মধ্যে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১২৯ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এর, হ্রাস পেয়েছে ১৫৫টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। আজকের মোট লেনদেনের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৮৩২.১ কোটি টাকায় আর মোট লেনদেন হয়েছে  ১ লক্ষ ৩৬ হাজার ৯০৪টি শেয়ার। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বেশিরভাগ শেয়ারের লেনদেন বেড়েছে। দেখা যাচ্ছে ২০ থেকে ৫০ কোটি টাকার মূলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেন বেড়েছে ১.৭৮%। ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকার মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন বেড়েছে ১.৬৬% । আবার ১০০ থেকে ৩০০ মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে ১.৮৩%। তবে ৩০০ কোটির অধিক টাকা পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের ট্রেড কমেছে ৬.২২%। পিই রেশিওর ভিত্তিতে দেখলে দেখা যায় ট্রেড কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির। দেখা যাচ্ছে ০-২০ পিই রেশিওর শেয়ারের লেনদেন কমেছে ২.৭২%। ৪০ এর বেশি পিই রেশিওর শেয়ারের লেনদেন কমেছে ০.৭২%। সেই সাথে ২০-৪০ পিই রেশিওর শেয়ারের ট্রেড বেড়েছে ৩.৪৪%। ক্যাটাগরির দিক থেকে দেখা যায় কিছু কোম্পানির লেনদেন কমেছে আর কিছুর বেড়েছে। এ এবং জেড ক্যাটাগরি লেনদেন কমেছে ২.১৮ এবং ০.৩৮ শতাংশ। সেই সাথে বি ক্যাটাগরির এবং এন ক্যাটাগরির লেনদেন বেড়েছে ২.৪৩ এবং ০.১৪ শতাংশ।
  • বৃহস্পতিবার ব্যাংকিং খাতে সর্বাধিক লেনদেন
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে,বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্যাংকিং খাতে। মার্কেট শুরুতে বাই প্রেশার থাকলেও পরে বিক্রয় চাপ দেখা যায়। পরবর্তীতে সেল প্রেশার দেখা গেছে বেশি পরিমাণ। ফলে মার্কেটে অন্যান্য খাতে তেমন বাই ভলিউম দেখা যায় নি। অনেক শেয়ার দর হালকা কমেছে বাজারে। তবে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্যাংকিং খাতে। অন্যান্য খাতের চেয়ে ক্যাশ ফ্লো এবং ট্রেড ভলিউম উভয়ই বেড়েছে। লেনদেনের ভিত্তিতে দেখলে আজকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাত এবং ফারমাসিউটিক্যাল খাত। তুলনামুলক ভাবে মার্কেটের বাকি খাতগুলোর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে উভয় খাতেই। বলা যেতে পারে যে বিনিয়োগকারীরা এই খাতগুলোতে ট্রেড বেশি করছে। ব্যাংকিং খাত : লেনদেনের ভিত্তিতে ব্যাংকিং খাত সবচেয়ে ভাল অবস্থানে অবস্থানে দিন শেষ করেছে। মোট লেনদেনের পরিমান ছিল ২০৯.৯ কোটি টাকা যা আগের দিনের তুলনায়  ৩৩.৪০ কোটি টাকার মত কম। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে লেনদেন হ্রাস পেয়েছে ১৩.৭৩%। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ২৫.৫২%। লেনদেন হওয়া ৩০টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ১টির এবং কমেছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল রুপালী ব্যাংকের  যা দিন শেষে ৬০.১ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে। আগের দিনের তুলনায় কোম্পানিটির দাম প্রায় ১.৩৫% বেশি। এই খাতে কোন কোম্পানির দাম হ্রাস পায় নি। প্রকৌশল খাত :  প্রকৌশল খাত আজকে দ্বিতীয় অবস্থানে দিন শেষ করেছে। প্রকৌশল খাতে মোট লেনদেনের পরিমান ছিল ১২৪.৪ কোটি টাকার মত যা আগের দিনের তুলনায়  ৪ কোটি টাকা বেশি। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে ৩.৩২%। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল ইস্টার্ন ব্যাংকের যা ৪২.৫ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে  যা আগের দিনের তুলনায় ৪.২৮% কম। এই খাতে লেনদেন হওয়া ৩৪ টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ২০টি ,কমেছে ১২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম এবং অপরিবর্তিত ছিল ২টি কোম্পানির দাম। এই খাতে সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল সুহৃদ লিমিটেডের। এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি ১৪.৭  টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ৯.৭% বেশি। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল ইফাদ অটোস প্রতিষ্ঠানের যা ১৬১.২ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে  যা আগের দিনের তুলনায় ১.৬৫% কম। ফারমাসিউটিক্যাল খাত :  লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে আছে ফারমাসিউটিক্যাল খাত। এই  খাতে আজকে মোট  লেনদেনের পরিমান ছিল ১১১.৩ কোটি টাকা যা আগের দিনের তুলনায় ৪৬.৮০ কোটি টাকার মত বেশি। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে লেনদেন বেড়েছে ৭২.৫৬%। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ১৩.৮৩%। এই খাতে লেনদেন হওয়া ২৮টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ১৬টি এবং কমেছে ৯টি কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল ইবনে সিনা যা আজকে ২৭৫.৩ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৮.৬% বেশি। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল ইমাম বাটন যেটা আজকে ১৮.২ টাকায় লেনদেন শেষ করে যা আগের দিনের তুলনায় ৩.৭% কম।
  • আইডিএলসি থেকে সরে যাচ্ছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক
    স্টাফ রিপোর্টার : আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে ২ কোটি ৮২ লাখ ৭৮ হাজার ৮০৭টি শেয়ার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মালিকানায় রয়েছে। বর্তমান বাজার মূল্যে এরমধ্যে ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ৫০৮টিশেয়ার বিক্রি করবে মার্কেন্টাইল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ব্যাংকটির পর্ষদ সভায় বুধবার এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। মার্কেন্টাইল ব্যাংক জানায়, তাদের পোর্টফোলিও-তে ২ কোটি ৮২ লাখ ৭৮ হাজার ৮০৭টি আইডিএলসি’র শেয়ার রয়েছে। তার মধ্যে ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ৫০৮টি শেয়ার বর্তমান বাজার দরে আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বিক্রি করা হবে। বুধবার লেনদেন শেষে আইডিএলসি’র শেয়ারের সমাপনি দর ছিল ৭৯.৩০ টাকা। এ দরে আইডিএলসি’র ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ৫০৮টি শেয়ারের মূল্য দাঁড়ায় ২৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা। গত দুই বছরে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে আইডিএলসি’র শেয়ার দর। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে আইডিএলসি’র মোট ১ কোটি ৮৮ লাখ ৫২ হাজার ৫৩৮টি শেয়ার গড়ে ৭.২৬ টাকায় কেনা পড়েছে ব্যাংকটির। এই হিসাবে ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ৫০৮টি শেয়ারের মূল্য পড়ে ২ কোটি ৭৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। বর্তমান বাজার দরে শেয়ারগুলো বিক্রি করে ব্যাংকটির প্রায় ২৭ কোটি টাকা আয় হবে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • নেতিবাচক বিও অ্যাকাউন্টে লেনদেনের সময় বাড়ল কৃত্রিমভাবে শেয়ারবাজার চাঙ্গা রাখার উদ্যোগ
    কৃত্রিমভাবে আবারও শেয়ারবাজার চাঙ্গা রাখার উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এরই অংশ হিসেবে নেতিবাচক বিও অ্যাকাউন্টে শেয়ার লেনদেন আরও এক বছর চার মাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এসব হিসাবে লেনদেন করা যাবে। দুই-একদিনের মধ্যেই এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কমিশন সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), ডিএসই ব্রোকারেস অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) প্রতিনিধিরা রোববার সময় বাড়ানোর আবেদন করে। এই আবেদনের প্রেক্ষিতেই সময় বাড়ানো হল। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর মুনাফা লুটে নেবে হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, বাজারকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হবে। কারণ কৃত্রিমভাবে বাজার বাড়ানো হলে তা টেকসই হয় না। তিনি বলেন, বিএসইসিকে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। বাজারে কোনো অনিয়ম হলে তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।জানা গেছে, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মার্জিন রুলস, ১৯৯৯ এর ৩ (৫) এর কার্যকারিতা স্থগিত করতে সম্প্রতি তিন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করে বিএসইসি। বৈঠকে বাজার পরিস্থিতি তুলে ধরে নেতিবাচক অ্যাকাউন্টে শেয়ার লেনদেন চালুর যুক্তি তুলে ধরা হয়। এরপরই সিদ্ধান্ত নেয়া হল। মার্জিন রুলসের এই ধারায় উল্লেখ আছে ঋণাত্মক মূলধনধারী অ্যাকাউন্টে গ্রাহক নিজে শেয়ার লেনদেন করতে পারবে না। কেবল ঋণদাতা ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক এই ধরনের অ্যাকাউন্টে শেয়ার বিক্রি করে তার ঋণ সমন্বয় করতে পারবে। ২০১০ সালের ধসের পর বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় বিএসইসি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাটির কার্যকারিতা স্থগিত করে। এরপর কয়েক দফায় স্থগিত আদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়। স্থগিতাদেশের সর্বশেষ মেয়াদ আগামীকাল শেষ হওয়ার কথা। ‘১৯৯৯ সালের মার্জিন রুলসের ৩ (৫) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো বিনিয়োগকারীর ডেবিট ব্যালেন্স ১৫০ শতাংশের নিচে নামলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান তার কাছে নতুন করে মার্জিন চাইবে। এই মার্জিনের পরিমাণ এমন হবে, যাতে তার ডেবিট ব্যালেন্স ১৫০ শতাংশের উপরে থাকে। নোটিশ দেয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে পর্যাপ্ত মার্জিন জমা দেয়া না হলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে নতুন কোনো লেনদেনের অনুমতি দিতে পারবে না ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান।জানা গেছে, টানা মাস দুই শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক উত্থান হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাতে আবার দরপতন শুরু হয়। এই পতন ঠেকাতে কৃত্রিমভাবে বাজার চাঙ্গা রাখার উদ্যোগ নেয়া হল।বুধবার সূচক কমেছে : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বুধবার গত কার্যদিবসের চেয়ে প্রধান সূচক কমেছে। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ৩৮ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট কমেছে এবং সিএসইর প্রধান সূচক ৬৮ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট কমেছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন গত কার্যদিবসের তুলনায় বাড়লেও কমেছে সিএসইতে। বুধবার উভয় পুঁজিবাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ৮৭৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত রোববার লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ১৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে মোট লেনদেন হয়েছে ৮৩৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। গত রোববার লেনদেন হয়েছিল ৭৭৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা। সুতরাং এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে বেড়েছে ৫৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৮ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৮৮৩ পয়েন্টে, ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ৭ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩০৩ পয়েন্টে এবং ১৩ দশমিক ৭০ পয়েন্ট কমে ডিএসই-৩০ সূচক দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ১১২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। Source: jugantor
  • এশিয়ায় ভোক্তা আস্থা সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি
      অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, কর্মসংস্থান ও শেয়ারবাজারে ইতিবাচক অগ্রগতির মধ্য দিয়ে এশিয়ায় ভোক্তা আস্থা সূচকে কিছুটা এগিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল বুধবার আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান মাস্টারকার্ড প্রকাশিত ‘মাস্টারকার্ড ভোক্তা আস্থা সূচক’ শীর্ষক এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এতে সবচেয়ে বেশি আশাবাদী দেশ হিসেবে শীর্ষ পাঁচে রয়েছে বাংলাদেশ। জরিপে সবচেয়ে বেশি আস্থা বা আশাবাদ দেখা গেছে কম্বোডিয়ার ভোক্তাদের মধ্যে। বদৌলতে দেশটির ভোক্তা আস্থা সূচক দাঁড়িয়েছে ৯৩ দশমিক ১ পয়েন্ট। এবারের জরিপে এটিই কোনো দেশের সর্বোচ্চ স্কোর। কম্বোডিয়ার পরের চারটি স্থানে অর্থাৎ শীর্ষ পাঁচে রয়েছে ভিয়েতনাম (স্কোর ৯০ দশমিক ৮ পয়েন্ট), বাংলাদেশ (৮৯ দশমিক ৪ পয়েন্ট), ফিলিপাইন (৮৮ দশমিক ৮ পয়েন্ট) ও চীন (৮৮ দশমিক ২ পয়েন্ট)।
  • প্রাণ ডেইরির খামারিদের ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক
    সিরিজ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ঢাকার ৫টি মামলা রায়ের অপেক্ষায় ( ১৬ আগস্ট, ২০১৭ ২২:১৪ ) ‘হিজবুল মুজাহিদীন’কে জঙ্গিদল ঘোষণা করল আমেরিকা ( ১৭ আগস্ট, ২০১৭ ০৫:০৫ ) PreviousPauseNext হোম   আজকের পত্রিকা শিল্প বাণিজ্য  প্রাণ ডেইরির খামারিদের ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক প্রাণ ডেইরির খামারিদের ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৭ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০ শেয়ারমন্তব্য()প্রিন্ট সোনালী ব্যাংক ও প্রাণ ডেইরির মধ্যে গতকাল সমঝোতা স্মারক সই হয় অ- অ অ+ উন্নত জাতের গাভি পালন ও দুগ্ধজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে প্রাণ ডেইরির চুক্তিবদ্ধ খামারিদের কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক। তবে জামানত দিলে তিন লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে ব্যাংকটি। ৯ শতাংশ সুদে এ ঋণ পরিশোধের জন্য খামারিরা সময় পাবেন তিন থেকে পাঁচ বছর। গতকাল বুধবার রাজধানীর পূর্বাণী হোটেলে সোনালী ব্যাংক ও প্রাণ ডেইরির মধ্যে এ বিষয়ে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। এতে স্বাক্ষর করেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) উজমা চৌধুরী এবং সোনালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে দেশে বন্যা পরিস্থিতির কারণে খাদ্য সংকট হবে না উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘তবে সাময়িক একটি ক্ষতি হয়েছে, এ ক্ষতি আমরা অতিক্রম করব। এর জন্য অতিরিক্ত অর্থ খরচের প্রয়োজন হবে, সে সামর্থ্যও আমাদের আছে। সে জন্য আমি বলছি, আমাদের কোনো খাদ্য সংকট নেই এবং সামনেও খাদ্য সংকট হবে না। ’ অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে চাল আমদানি অনেক বেড়েছে। দেশে-বিদেশে চালের দামও বেশ বেড়েছে। কিন্তু আমাদের চাল আনতেই হবে। কেননা, দেশের মানুষের সুখের জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন অভাব দূর করা। ’   পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে যমুনা, তিস্তা, ধরলা, আত্রাইসহ সব প্রধান নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এতে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এতে খাদ্যশস্য ও গবাদি পশুসহ জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। তবে সরকার অতি সহজেই এই সংকট মোকাবেলা করতে পারবে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি এ বিষয়ে কোনো ধরনের চিন্তা না করতে পরামর্শ দেন তিনি। অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘দুগ্ধ উৎপাদনে সোনালী ব্যাংক কৃষকদের ঋণ দেওয়ার যে কাজ করছে এতে আমরা খুশি। এ ধরনের কাজই সোনালী ব্যাংক করে থাকে। ’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, প্রাণ-আরএফএল কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবসায় ভালো করছে, যা প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি প্রাণ ডেইরির কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা দুগ্ধ খামারিদের বায়োগ্যাস প্লান্ট করতে উদ্বুদ্ধ করবেন। এতে পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি সংকট নিরসনে সহায়ক হবে। ’ অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, ‘দেশের কৃষিভিত্তিক শিল্পসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে সোনালী ব্যাংক ঋণ সহায়তা প্রদান করে থাকে। দুগ্ধশিল্পের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে যেসব কাজ চলছে প্রাণ ডেইরি তাদের মধ্যে অন্যতম। এ ঋণ প্রদানের উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের দুগ্ধশিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে অপুষ্টি দূরীকরণসহ যুবক ও যুব মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। ’ অনুষ্ঠানে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী বলেন, ‘প্রাণের চুক্তিবদ্ধ খামারিদের গাভি ক্রয়, শেড স্থাপন, মিল্কিং মেশিন, চপার মেশিন, দুধ বহনের অ্যালুমিনিয়াম ক্যানসহ খামার ব্যবস্থাপনার আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ে এ ঋণ দেওয়া হবে। ’ অনুষ্ঠানে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনুসুর রহমান, সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল মকবুল উপস্থিত ছিলেন। Source: kalerkantho
  • বিশ্ববাজারে চিনির দাম নিম্নমুখী
    আন্তর্জাতিক বাজারে নিম্নমুখী ধারায় রয়েছে চিনির দাম। লন্ডন ও নিউইয়র্কের বাজারে পরিশোধিত চিনির দাম কমেছে। মূলত ইউরোপের দেশগুলোয় পণ্যটির সম্মিলিত উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনার খবরে মঙ্গলবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) পণ্যটির দাম কমেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার। আইসিইতে এদিন অক্টোবরে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি পাউন্ড অপরিশোধিত চিনি বিক্রি হয় ১৩ দশমিক ৫৬ সেন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় দশমিক শূন্য ৮ সেন্ট বা দশমিক ৫৯ শতাংশ কম। গত ১৩ জুলাইয়ের পর আইসিইতে এটাই অপরিশোধিত চিনির সর্বনিম্ন দাম।অন্যদিকে পরিশোধিত চিনির দামও কমেছে আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৪২ শতাংশ। এদিন আইসিইতে অক্টোবরে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি টন পরিশোধিত চিনি বিক্রি হয় ৩৭৬ ডলার ৩০ সেন্ট বা ৩০ হাজার ১০৪ টাকায় (প্রতি ডলার ৮০ টাকা ধরে), যা আগের দিনের তুলনায় ১ ডলার ৬০ সেন্ট কম।গত বছরের ফেব্রুয়ারির পর এটা পণ্যটির দামের সর্বনিম্নের কাছাকাছি অবস্থান। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (্ইইউ) দেশগুলোয় চলতি মৌসুমে আখ উৎপাদনের সম্মিলিত পরিমাণ আগের মৌসুমের তুলনায় ২০ শতাংশ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন (ইসি)। এর জের ধরে এসব দেশে চিনির উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় বাড়তে পারে।এ খবরের জের ধরে বাজারে বাড়তি সরবরাহের সম্ভাবনায় পণ্যটির দাম নিম্নমুখী হয়েছে।এদিকে আইসিইতে আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৭০ সেন্ট কমেছে অ্যারাবিকা কফির দাম। এদিন সেপ্টেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি পাউন্ড অ্যারাবিকা কফি বিক্রি হয় ১ হাজার ৪১৯ ডলারে, যা আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৪৯ শতাংশ কম। সেপ্টেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি টন রোবাস্তা কফির দাম কমেছে ৩ ডলার।এদিন পণ্যটি প্রতি টন বিক্রি হয় ২ হাজার ১৩৩ ডলার বা ১ লাখ ৭০ হাজার ৬৪০ টাকায়, যা আগের দিনের তুলনায় দশমিক ১৪ শতাংশ কম। Source: jugantor  0 0000
  • দুর্যোগ মোকাবেলা দুই হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
    বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বন্যা-ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি) মোকাবেলায় বাজেট সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। যার পরিমাণ হবে ২৫ কোটি ডলার, যা (স্থানীয় মুদ্রায় প্রতি ডলার ৮০ টাকা ধরে) প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। ২৩ জুলাই বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে বাজেট সহায়তার এ ঋণ প্রস্তাব নিয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তাদের সামনে একটি উপস্থাপনা দেয়া হয়। বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে এ ঋণ পাওয়া যাবে। আইডিএ থেকে নিয়মিত যে ঋণ বাংলাদেশ পায়, এ ঋণ সহায়তা তার বাইরে। ইআরডি সূত্র জানায়, বন্যা, পাহাড় ধস, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ-পরবর্তী ত্রাণ ও পুনর্বাসনে বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ দিতে চায় সংস্থাটি। দুর্যোগ-পরবর্তী তাৎক্ষণিকভাবে ওষুধ ও খাদ্য আমদানি, অবকাঠামো নির্মাণসহ যে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজন থাকে, তা মেটাতে বিশ্বব্যাংকের এ তহবিল ব্যবহার করা যাবে।বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকিসূচক অনুযায়ী, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান সারা বিশ্বে ষষ্ঠ। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে বাংলাদেশে প্রতিবছর ৩২০ কোটি ডলার বা ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ দশমিক ২ শতাংশ। ২০০০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশে যত প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়েছে, তাতে সব মিলিয়ে ১ হাজার কোটি ডলার বা প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু ত্রাণ, পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণে এ সময়ে তহবিল মিলেছে মাত্র ২০০ কোটি ডলার।ঋণটি নিতে বাংলাদেশ রাজি থাকলে আগামী তিন বছর দেশে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে তাৎক্ষণিকভাবে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যেমন অর্থ পাওয়া যাবে, পাওয়া যাবে পুনর্বাসন প্রকল্পের জন্যও।বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে প্রস্তাবটি পাওয়ার পরপরই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে মতামত দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছে ইআরডি। কোন কোন দুর্যোগে বিশ্বব্যাংকের এ তহবিলের অর্থ ব্যয় করা যাবে, তা ঠিক করতে শিগগির আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকও ডাকা হবে বলে জানা গেছে।ইআরডি সূত্র জানায়, প্রতি তিন বছরের জন্য আইডিএ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ সহজ শর্তের ঋণ পায় বাংলাদেশ। ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত আইডিএতে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪৩০ কোটি ডলার। আগামী তিন বছরেও একই পরিমাণ বরাদ্দ থাকবে বলে জানা গেছে। তবে এ ঋণ নির্দিষ্ট প্রকল্পের বিপরীতে পায় বাংলাদেশ। এর পাশাপাশি আরও ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তাহিসেবে দিতে চায় বিশ্বব্যাংক। Source: jugantor  1.56K 0000
  • চীন-ভারত বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু ৯৩টি চীনা পণ্যের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ দিল্লির, বেইজিংয়ের কড়া
    ডোকলাম নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা এবার বাণিজ্য যুদ্ধের দিকে গড়াচ্ছে। গত সপ্তাহে ৯৩টি চীনা পণ্যের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক (অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি) বসিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সোমবার চীনের সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমসে এ নিয়ে ভারতকে হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে। ভারতের এ ধরনের ‘দুর্বল সিদ্ধান্তের’ জন্য দেশটিকে ভয়াবহ ফল ভোগ করতে প্রস্তুত থাকতে বলেছে চীন।এছাড়া চীনা কোম্পানিগুলোকেও এখন ভারতে বিনিয়োগের ব্যাপারে দ্বিতীয়বার ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও ইকোনমিক টাইমসের। কমিউনিস্ট সরকারের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘দিল্লির এ পদক্ষেপের জবাব অনায়াসে দিতে পারে তারা। পাল্টা দেয়াল তুলতে পারে ভারতীয় রফতানির সামনে।ভারত যদি সত্যিই চীনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তবে বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে ঠিকই; কিন্তু এর জন্য দিল্লিকে অবশ্যই চরম মূল্য দিতে হবে।’ যেসব চীনা কোম্পানি ভারতের মাটিতে কিংবা ভারতীয় কোম্পানিতে লগ্নি করেছে বা করতে উদ্যোগী, তাদেরও সাবধান করেছে বেইজিং।এ বিষয়ে ঝুঁকি খতিয়ে দেখতে পরামর্শ দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে এভাবে দেয়াল তুললে ভারতীয় অর্থনীতিরই ক্ষতি হবে। উদাহরণ হিসেবে চীনা মোবাইল ফোন সংস্থার কথা তুলে ধরে বলা হয়েছে, ভারত যদি চীনা মোবাইল ফোন ভারতে ঢুকতে না দেয় কিংবা চীনা কোম্পানির কারখানায় তৈরি মোবাইল ফোন বিক্রির পথে বাধা দেয়, তবে ভুগতে হবে এ দেশের অর্থনীতিকেই। কাজ খোয়াবেন ভারতীয় কর্মীরা।এর আগেও বিভিন্ন সময়ে উৎপাদন খরচ থেকেও কম দামে পণ্য সরবরাহের অভিযোগে ইস্পাতসহ বিভিন্ন চীনা পণ্যের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক চাপিয়েছে ভারত। কিন্তু তখন বেইজিং উষ্মা প্রকাশ করলেও এত কড়া সুরে হুশিয়ারি দেয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডোকলামে দুই প্রতিবেশীর সামরিক উত্তেজনার কারণেই সুর এত চড়া।ভারতীয় অর্থনীতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভারতের পণ্য রফতানি ১২.৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৭৫ কোটি ডলার। অথচ শুধু চীন থেকেই ভারতের আমদানি ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, চীন ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ভারতের তুলনায় চীনের রফতানি প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কোটি ডলার বেশি। ফলে যুদ্ধের জিগিরে ভারতের এ বিপুল সম্ভাবনাময় বাজার কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চায় না চীন। তাদের তরফে আগাম হুশিয়ারি কিছুটা সেই কারণেও।ডোকলামে বৃষ্টিতে কমেছে দুই দেশের সেনা : চীন, ভারত ও ভুটানের সংযোগস্থল ডোকলামে টানা তিন দিনের প্রবল বর্ষণে কমেছে বেইজিং ও দিল্লির সেনা সদস্য। ভারতীয় প্রতিরক্ষা সূত্রের দাবি, ডোকলামে বিতর্কিত এলাকা থেকে ভারত এবং চীন অধিকাংশ সেনা সরিয়ে নিয়েছে। উভয় পক্ষেরই ১০-১২ জন করে সেনা সেখানে রয়েছেন।আশপাশের বাঙ্কারে আরও কিছু সেনা আশ্রয় নিয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা। বৃষ্টি, ঠাণ্ডা হাওয়া এবং তুষারপাতের মধ্যে জওয়ানরা তিন-চার ঘণ্টার বেশি দাঁড়িয়ে থাকতে পারছেন না।উভয়পক্ষই বারবার সেনা বদলে শুধু বিতর্কিত এলাকায় নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখছে বলে সেনা সূত্রে জানা গেছে। একসময় উভয়পক্ষেরই চারশ’র কাছাকাছি জওয়ান সেখানে ছিলেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে চীনা ফৌজ বিতর্কিত এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হলেও পুরোপুরি সরে গেছে বলে মনে করছেন না ভারতীয় সেনা কর্মকর্তারা।তাদের মতে, কাছাকাছি কোথাও নিরাপদ আশ্রয়ে লুকিয়ে রয়েছে চীনা বাহিনীর বড় অংশ। আবহাওয়ার উন্নতি হলে ফের তারা আবার ফিরবেন বলে মনে করছেন সেনা কর্মকর্তারা। এক সেনা কর্মকর্তার দাবি, ‘যদি আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার পরও চিনা বাহিনী সেনার সংখ্যা না বাড়ায় তবে তা ইতিবাচক পদক্ষেপ। ভারতও সেক্ষেত্রে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।’শান্তি নয়, যুদ্ধ চান রামদেব : চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি শান্তির মাধ্যমে নয়, বরং যুদ্ধের মাধ্যমে সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন ভারতের আরএসএস ঘনিষ্ঠ যোগগুরু বাবা রামদেব। সোমবার টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ভারত বারবার শান্তির বার্তা দিয়ে এসেছে, কিন্তু চীন যুদ্ধের হুমকি দিয়ে এসেছে। চীন শান্তির ভাষা বোঝে না।যে যেরকম করে, তাকে সেই ভাষাতেই জবাব দেয়া উচিত।’ চীনা পণ্য বয়কট করার আহ্বান জানিয়ে রামদেব বলেন, ‘প্রত্যেক ভারতীয় চান, শিগগিরই চীনের পণ্য বয়কট করা হোক। তাহলে আমরা খুব সহজেই চীনের চেয়ে এগিয়ে যেতে পারি এবং ‘সুপার পাওয়ার’ হতে পারি।’যুদ্ধে কেউ জিততে পারবে না -দালাইলামা : ভারত ও চীন যুদ্ধে জড়ালে কোনো পক্ষই জিততে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিব্বতীয় ধর্মগুরু দালাইলামা। সোমবার ভারতের মুম্বাইয়ের এক কর্মসূচিতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় এ মন্তব্য করেন তিনি। দালাইলামা বলেন, ‘বর্তমানে সীমান্তের যা পরিস্থিতি, তাতে ভারত বা চীন কেউই কাউকে হারাতে পারবে না।দুই দেশই সামরিকভাবে শক্তিশালী।’ পরামর্শ দিয়ে তিনি আরও বলেন, সীমান্তে ছোটখাটো ঘটনা ঘটতেই পারে, হয়তো গোলাগুলিও চলতে পারে, কিন্তু তার জন্য পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা উচিত হবে না এ দুই বৃহৎ শক্তির। দালাইলামা বলেন, ধর্মের বন্ধনেই এ দুই দেশ পরস্পরের সঙ্গে আবদ্ধ।আমাদের বুঝতে হবে, চীনের বৌদ্ধরা আসলে সেই ভারতীয় বৌদ্ধ ধর্মকেই অনুসরণ করছেন, যে ধর্ম নালন্দা থেকে এবং সংস্কৃত থেকে এসেছে। তিনি বলেন, ভারতের উচিত চীনের মানুষের জন্য তীর্থযাত্রার ব্যবস্থা করা। এতে তারা মানসিকভাবে ভারতের আরও কাছাকাছি আসতে পারে। Source: jugantor
  • ক্ষুদ্রঋণ পাবে উপবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীর মায়েরা ১০ লাখ নারী উদ্যোক্তা তৈরি করবে রূপালী ব্যা
    বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের দৌড়ে মেসি-রোনালদো-বুফোঁ ( ১৬ আগস্ট, ২০১৭ ০২:২৭ ) PreviousPauseNext হোম   আজকের পত্রিকা শিল্প বাণিজ্য  ১০ লাখ নারী উদ্যোক্তা তৈরি করবে রূপালী ব্যাংক ক্ষুদ্রঋণ পাবে উপবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীর মায়েরা ১০ লাখ নারী উদ্যোক্তা তৈরি করবে রূপালী ব্যাংক শেখ শাফায়াত হোসেন    ১৬ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০ শেয়ারমন্তব্য()প্রিন্ট     অ- অ অ+ উপবৃত্তি পাওয়া প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মায়েদের মধ্য থেকে ১০ লাখ মাকে ক্ষুদ্র ঋণ দিয়ে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার সংকল্পের কথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আতাউর রহমান প্রধান। সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে দিয়ে আমরা এই সেবা সম্পর্কে গ্রামে-গঞ্জে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। এখন আমরা চিন্তা করছি, এই এক কোটি মায়ের মধ্য থেকে ১০ লাখ মাকে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলব। যেসব মায়ের পক্ষে ঘরে বসে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বা যেকোনো ধরনের ব্যবসায় উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ আছে সে ধরনের উদ্যোগে আমরা ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা করে ক্ষুদ্র ঋণ দেব। ঋণের টাকাও তাদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কিস্তিও পরিশোধ করবে তারা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে। ব্যাংকে আসতে হবে না। ’ তিনি আরো বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ইতিবাচক সাড়া পেলেই আমরা বাকি কার্যক্রম শুরু করব। ’ আতাউর রহমান প্রধান বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা বিতরণের ফলে মায়েরা ঘরে বসে তাদের সন্তানদের উপবৃত্তির টাকা পেয়ে যাচ্ছেন। এটা তাঁদের আর্থিক উন্নয়নে অবদান রাখছে। আগে এই টাকা পেতে মায়েদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো।   বর্তমানে দেশব্যাপী ষাট হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় এক কোটি ৩২ লাখ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা তাদের মায়েদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠিয়ে দিচ্ছে সরকার। এ উপবৃত্তি তুলতে কোনো সার্ভিস চার্জ নেই অর্থাৎ মায়েরা নির্ধারিত পুরো টাকাই পাচ্ছেন। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণ বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বড় পেমেন্ট ডিজিটালাইজেশন প্রকল্প। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, রূপালী ব্যাংক এবং শিওরক্যাশ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মা একটি করে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খুলতে পারছেন, যা উপবৃত্তির টাকা পাওয়া ছাড়াও টাকা পাঠানো, জমানো, গ্রহণ, মোবাইল রিচার্জ ও বিল দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১ মার্চ ‘মায়ের হাসি’ নামক এ প্রকল্প উদ্বোধন করার সময় বলেন, ‘আমরা এখন ১ ক্লিকে সারা দেশে ১ কোটি মায়ের ফোনে উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে দিচ্ছি। গ্রামের মায়েরাও এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা পাচ্ছেন। ’ এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করার কারণে উপবৃত্তি বিতরণ এখন অনেক সহজ হয়েছে। তা ছাড়া বৃত্তি বিতরণের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বেড়েছে। ’ শিওরক্যাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শাহাদাত খান বলেন, ‘শিওরক্যাশ পেমেন্ট সিস্টেমে ব্যবহৃত সব সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশে প্রস্তুত করা। এই দেশের তরুণ-তরুণীরা তৈরি করেছে বিশ্বমানের সফটওয়্যার। ’ প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি প্রকল্প বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো, উপস্থিতি ধরে রাখা এবং শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সারা দেশে প্রায় ৬০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থী এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত। কোনো কোনো পরিবারের একাধিক ছেলেমেয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ছে, যে কারণে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ কোটি ৩২ লাখ হলেও মায়েদের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে প্রায় এক কোটিতে। এই উপবৃত্তি সাধারণত তিন মাস পর পর ছাত্র-ছাত্রীর মায়েদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। আগে যেখানে ১৫০০০ কেন্দ্র ব্যবহার করে নির্দিষ্ট দিনে উপবৃত্তি দেওয়া হতো, এখন সেখানে লক্ষাধিক এজেন্ট থেকে যেকোনো সময়ে এ টাকা তোলা যাচ্ছে। Source: kalerkantho  
  • ব্লক মার্কেটে গতকালও শত কোটি টাকার লেঅতিবৃষ্টিতে চা উৎপাদন কমার আশঙ্কা এ বছর
    ১৬ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০ শেয়ারমন্তব্য()প্রিন্ট   ফটিকছড়ির হালদা ভ্যালি চা-বাগানে কাজ করছেন শ্রমিকরা অ- অ অ+   গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত এবং অপর্যাপ্ত রোদ না থাকায় এবার চা উৎপাদন ২০ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন মৌলভীবাজার জেলার ৯১টি চা বাগানের ব্যবস্থাপক ও অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃপক্ষ। গত বছরের রেকর্ডসংখ্যক ৮৫ মিলিয়ন কেজি চা পাতার উৎপাদন হয়েছিল। তারা আশঙ্কা করছেন, এবার সেটা কমে গিয়ে যে উৎপাদন হবে তাতে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদাই পূরণ হবে না। তবে আগামী মাসগুলোতে যদি নিয়মিত বৃষ্টিপাত ও প্রয়োজনীয় রোদ পাওয়া যায় তাহলে এই সমস্যা থেকে উত্তরণের সম্ভাবনা রয়েছে। বাগান কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন সূত্র জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাগান এলাকায় মোট ৮৮ ইঞ্চি (২৩৯৬ মিলিমিটার) বৃষ্টিপাত হয়েছে। ২০১৬ সালে যার পরিমাণ ছিল মাত্র ৪৮ ইঞ্চি এবং ২০১৫ সালে ৩৬ ইঞ্চি। এই হিসাবে গত দুই বছরের চেয়ে চলতি বছর বৃষ্টিপাত দ্বিগুণ হয়েছে। এর ফলে চাগাছ জল শোষণ করতে পারেনি এবং গাছের গোড়া থেকে মাটিও সরে গেছে। এ ছাড়া আকাশ মেঘলা থাকায় প্রয়োজনীয় রোদও পায়নি চাগাছ। ফলে চাগাছের পাতায় পোকার আক্রমণ হয়েছে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার হারুন অর রশীদ জানান, ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ২৩৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এই বৃষ্টিপাত অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ হয়েছে। শুধু জুনে ৯২৫ মিলিমিটার ও জুলাইয়ে ২৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।   হামিদিয়া চা বাগানের জেনারেল ম্যানেজার মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, এবার আমরা চেয়েছিলাম গতবারের চেয়ে বেশি উৎপাদন করব। কিন্তু অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে চা উৎপাদন অনেক কমে যাবে। বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট শাখার চেয়ারম্যান গোলাম মো. শিবলী জানান, চা উৎপাদনের জন্য বৃষ্টিপাত ও রোদ প্রয়োজন। এ বছর অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় চাগাছের গোড়ার মাটি সরে যাওয়াসহ পাতার পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে গত বছরের চেয়ে ২০ শতাংশ উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত যদি বাগানগুলো প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত ও রোদ পায় তাহলে গত বছরের সমান উৎপাদন নাহলেও আশানুরূপ উৎপাদন হতে পারে। Source: kalerkantho
  • চামড়া, প্রকৌশল ও প্লাস্টিক পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ
    আলাউদ্দিন চৌধুরী রপ্তানি খাতে তৈরী পোশাকের উপর অতি নির্ভরশীলতা কমাতে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, হালকা প্রকৌশল ও প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জব’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে এখাতগুলোর রপ্তানি বাজারে প্রবেশ ও রপ্তানি প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির জন্য সে সমস্যাগুলো রয়েছে তা দুর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। গত বুধবার ৯৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। বাণিজ্যমন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা আমাদের রপ্তানি বাজারকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই আমাদের রপ্তানি পণ্যের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যে সব সমস্যা রয়েছে তা দূরীকরণের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার লক্ষ্য হচ্ছে রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য হ্রাস। এ লক্ষ্য অর্জনে রপ্তানি বহুমুখীকরণকে কৌশল হিসেবে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের রপ্তানি মূলত তৈরী পোশাক নির্ভর। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট রপ্তানির ৯৩ ভাগ এসেছে ছয়টি পণ্য থেকে। এর মধ্যে তৈরী পোশাক শিল্প থেকে এসেছে ৮২ ভাগ। রপ্তানি পণ্যের ৫৪ দশমিক ৫৪ ভাগ গিয়েছে ইউরোপের বাজারে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে গিয়েছে প্রায় ২২ ভাগ। আমাদের রপ্তানি বাজার সীমিত পণ্য এবং সীমিত বাজার এলাকায় সীমাবদ্ধ। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা আমাদের রপ্তানি বাজারকে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই রপ্তানি পণ্যের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে উল্লেখিত তিনটি সেক্টরের জন্য রিসাইক্লিং সুবিধা স্থাপন, বিশেষ সাধারণ প্রযুক্তি সেন্টার স্থাপন করা হবে। সেইসাথে কোল্ড স্টোরেজ এবং প্রযুক্তি সেন্টার ও শিল্প ক্লাস্টারের মাধ্যমে যাতায়াত অবকাঠামো সুবিধা গড়ে তোলা হবে। প্রকল্পটি ঢাকা বিভাগের সাভার, মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান, গাজিপুর সদর এবং চট্টগ্রাম বিভাগের মিরসরাই উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। দীর্ঘকাল ধরেই বাংলাদেশ চামড়া ও চামড়াজাত সামগ্রী আভ্যন্তরীণ বাজার এবং রপ্তানির জন্য উত্পাদন করে আসছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, কাঁচা চামড়া রপ্তানির করে যে আয় হয়, তার চেয়ে চামড়াজাত দ্রব্য রপ্তানি করে কয়েকগুণ রপ্তানি আয় বাড়ানো সম্ভব। তৈরী পোশাক শিল্পের পর চামড়া ও চামড়া জাত পণ্য এবং পাদুকা হতে পারে বড় সম্ভাবনাময় আন্তর্জাতিক বাজার। তবে চামড়া শিল্প বিকাশে প্রধান অন্তরায় দক্ষ জনশক্তি। কিছু বিদেশী সংস্থা শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য মাঝে মধ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এ শিল্পে দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে হবে। Source: ittefaq
  • জুলাইয়ে শেয়ারে বিনিয়োগ কমেছে বিদেশিদের
    ইত্তেফাক রিপোর্ট১৩ আগষ্ট, ২০১৭ ইং গেল জুলাই মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিওতে বিনিয়োগ আগের মাসের তুলনায় কমেছে। জুলাই মাসে বিদেশিদের পোর্টফোলিওতে নীট বিনিয়োগ হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। যা আগের মাসে হয়েছিল ৩৯০ কোটি টাকা। জুলাই মাসে ৬২৫ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। বিপরীতে বিক্রি করেছেন প্রায় ৪২৫  কোটি টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যে এ চিত্র ফুটে উঠেছে। এদিকে নীট বিনিয়োগ কমলেও বিদেশি পোর্টফোলিওতে শেয়ার ক্রয়ের পরিমাণ কম নয়। তাছাড়া টানা এগারো মাস ধরে এ পোর্টফোলিওগুলোতে শেয়ার বিক্রয়ের চেয়ে ক্রয়ের পরিমাণ বেশি। এ সময়ে তারা ৩ হাজার ৬৫০ কোটি টাকার বিক্রির বিপরীতে ৬ হাজার ১১৪ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। অর্থাত্ তাদের নীট বিনিয়োগের মোট পরিমাণ ২ হাজার ২৬৪ কোটি টাকা। সর্বশেষ গত বছরের আগস্টে বিদেশিদের শেয়ার কেনার তুলনায় বিক্রির পরিমাণ ছিল বেশি। ওই মাসে বিদেশিদের পোর্টফোলিওতে বিভিন্ন কোম্পানির ৩৬৯ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ৩৭৩ কোটি ১ লাখ টাকার বিক্রি হয়েছিল। তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সর্বমোট প্রায় এক হাজার ৫০ কোটি টাকার শেয়ার  কেনাবেচা করেছেন। একই সময়ে ডিএসইতে সর্বমোট ২০ হাজার ৯২৯ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার  লেনদেন হয়। ক্রয় ও বিক্রয় উভয় দিক বিবেচনায় নিলে ডিএসইর লেনদেনে বিদেশিদের অংশ ছিল আড়াই শতাংশ। ব্রোকারেজ হাউসের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা বলছেন, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়া-কমা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এতে ভয়ের কিছু নেই। বরং প্রতি মাসেই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ক্রয়ের পরিমাণ বিক্রির তুলনায় বেশি, এটিই আশার দিক। এতে বুঝা যাচ্ছে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ছে। তাই তারা বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন। তারা আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মুনাফা করার জন্যই বিনিয়োগ করে। আর এজন্যই কখনও কখনও তাদের বিক্রি বাড়তেই পারে। Source: ittefaq
  • বিআইবিএমের কর্মশালায় বক্তারা রাজনৈতিকভাবে বয়কট করতে হবে ঋণখেলাপিদের
    ব্যাংক থেকে ঋণ ভাগাভাগি করে নিয়ে যাচ্ছেন ব্যাংকের পরিচালকরাই। তারা নিজের ব্যাংক থেকে ঋণ তো নিচ্ছেনই, অন্য ব্যাংক থেকেও নিচ্ছেন। শুধু তা-ই নয়, বেনামেও ঋণ নিচ্ছেন পরিচালকদের কেউ কেউ। বর্তমানে এ ধরনের বেশিরভাগ ঋণই খেলাপি। পুরনো ব্যাংকগুলোর মতো নতুন ব্যাংকগুলোয়ও ছড়িয়ে পড়েছে এই প্রবণতা। তাই সব ধরনের ঋণখেলাপিকে রাজনৈতিকভাবে বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছেন ব্যাংক খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্টজনরা।বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) অডিটোরিয়ামে ‘অ্যান ইভালুয়েশন অব দ্য পারফরম্যান্স অব নিউ কমার্শিয়াল ব্যাংকস’ শীর্ষক কর্মশালায় তারা এসব কথা বলেন। কর্মশালার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী।এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদসহ বিভিন্ন ব্যাংকের এমডিরা উপস্থিত ছিলেন।ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান এবং মেঘনা ব্যাংকের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, খেলাপি ঋণ আমাদের এখন ভাগ্য হয়ে গেছে।একটা শ্রেণী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তা ফেরত দিতে চায় না। ঋণ ফেরত না দেয়ার সংস্কৃতি চর্চা হচ্ছে। ঋণ ফেরতে মামলা হলে সঙ্গে সঙ্গে রিট। রিট এখন গেলেই হয়। তিনি আরও বলেন, একটি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কতগুলো নিউজপ্রিন্টের অপচয় হল, কিন্তু চার্জশিটের সময় তার নাম নেই। তাই ঋণখেলাপিদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বয়কট করতে হবে। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে বয়কট করতেই হবে। তারা যেন সমাজের মেম্বার, চেয়ারম্যান বা ঊর্ধ্বতন কোনো পদে থাকতে না পারেন।বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলি বলেন, নতুন ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা ব্যাংকিং বোঝেন কম। আবার অনেক পরিচালক বেনামি ঋণ নিচ্ছেন। নন-রেসিডেন্সিয়াল বাংলাদেশ বা এনআরবি ব্যাংকগুলো বিদেশ থেকে রেমিটেন্স আনার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাইসেন্স নিয়েছে। আসলে পুরোটাই ভোগাস। শুধু লাইসেন্স পেতে এ প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল।বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী বলেন, নতুন ৯টি ব্যাংকের মধ্যে দু’তিনটির অবস্থা খুবই নাজুক। এদের মধ্যে একধরনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে।এ অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে তারা পিছিয়ে পড়ছে। তবে এখনই বলার সময় আসেনি, নতুন এ ব্যাংকগুলোর অবস্থা খুবই দুর্বল বা ভালো। কারণ মাত্র চার বছর পেরিয়েছে। আরও কিছুদিন পর মূল্যায়ন করা যাবে। যে দু’তিনটি ব্যাংকে বড় বিচ্যুতি দেখা দিয়েছে, এদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে। সার্বিকভাবে তাদের মনিটরিং করা হচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, নতুন ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ এখনও অনেক কম। তাই এসব ব্যাংকের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। যেখানে ৬০ শতাংশ খেলাপি ঋণ থাকার পরও রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক এখনও বাঁচার স্বপ্ন দেখে। সেখানে নতুন ব্যাংকের খেলাপি ঋণ নিয়ে হতাশ হওয়ার মতো কিছু হয়নি। তিনি বলেন, নতুন ব্যাংকগুলোকে কিছু সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। যাতে তারা বড় হতে পারে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্যাংকের সংখ্যা অনেক বেশি।সরকার এতসংখ্যক ব্যাংকের অনুমোদন না দিলেও পারত। তবে ব্যাংকের শাখা বাড়ানো উচিত। ভারতে ১২ হাজার মানুষের জন্য একটি করে শাখা আছে। আমাদের ব্যাংকগুলোর লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে, ১০ হাজার মানুষের জন্য একটি শাখা। বিআইবিএমের মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধূরী বলেন, বাংলাদেশে ব্যাংক অনুমোদন দেয়ার ক্ষেত্রে নতুন ব্যাংকের আদৌ প্রয়োজন আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে। একই সঙ্গে খারাপ করলে লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থাও রাখতে হবে। সবচেয়ে বড় খারাপ দিক হল, এ দেশে ব্যাংক খোলার ব্যবস্থা আছে, বন্ধ করার ব্যবস্থা নেই। অর্থাৎ এ ধরনের কোনো আইন নেই।এনআরবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মেহমুদ হুসাইন বলেন, নতুন ব্যাংকগুলোর পারফরম্যান্স মূল্যায়নের জন্য ৪ বছর যথেষ্ট নয়। তিনি বলেন, নতুন ব্যাংকগুলোর জন্মই আজন্ম পাপ। আমাদের জন্মই হয়েছে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে। এছাড়া রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন ব্যাংকগুলো অনুমোদন পাওয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, যা আজও পিছু ছাড়েনি। লেনদেন করতে গেলে আমাদের জন্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তাই পুরনো বা অন্য প্রজন্মের ব্যাংকের সঙ্গে আমাদের তুলনা করলে হবে না। তিনি বলেন, নতুন ব্যাংকগুলোর মধ্যে আগ্রাসী ব্যাংকিং হচ্ছে।উদাহরণ দিয়ে বলেন, একটি তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাংক ১২ বছরে ৬৫টি শাখা খোলে। আর একটি চতুর্থ প্রজন্ম বা নতুন ব্যাংক মাত্র ৪ বছরে ৬০টি শাখা খুলেছে। এটা নিঃসন্দেহে আগ্রাসী। এত তাড়াহুড়োর কিছু নেই। ব্যাংক ব্যবসা যুগ যুগ ধরে চলবে। ধীরে ধীরে এগোতে হবে। পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমেদ চৌধুরী বলেন, নতুন ব্যাংকগুলো ঋণ দেয়ার বিষয়ে অনেক বেশি অ্যাগ্রেসিভ। এভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়া ঋণ দিলে বেকায়দায় পড়বে ব্যাংকগুলো।কর্মশালায় গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের সহযোগী অধ্যাপক সোহেল মোস্তফাসহ চার সদস্যের একটি টিম। প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ব্যাংকগুলো কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআরে) অর্থ ব্যয়ে নির্দেশনা মানছে না। কর ছাড় পেতে নানাভাবে সিএসআরের পেছনে অস্বাভাবিক অর্থ ব্যয় করছে এসব ব্যাংক। Source: jugantor
  • রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক খেলাপি ঋণে আক্রান্ত চামড়া শিল্প
    গত পাঁচ বছরে সোনালী রূপালী ও বেসিক ব্যাংক বিতরণ করেছে প্রায় ১ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা, এর মধ্যে খেলাপি হয়েছে প্রায় ৭শ’ কোটি টাকা প্রতীকী ছবি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে চামড়া শিল্পে খেলাপি ঋণের ছড়াছড়ি। অধিকাংশ গ্রাহক টাকা ফেরত দিচ্ছে না। গত পাঁচ বছরে সোনালী, রূপালী ও বেসিক ব্যাংক মোট ঋণ বিতরণ করেছে প্রায় ১ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে গেছে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। বাকি টাকাও বকেয়া রয়েছে। ৩১ আগস্টের মধ্যে পরিশোধে ব্যর্থ হলে পুরো অর্থই খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর, নানা অব্যবস্থাপনা, ট্যানারি খাতের নেতাদের অতিমাত্রায় ঋণ গ্রহণ, যাচাই-বাছাই না করে ঋণ অনুমোদন ও দুর্বল প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেয়ার কারণে বিতরণকৃত ঋণের একটি বড় অংশ খেলাপি ও অবলোপন হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে বিতরণ করা প্রায় ৯৯ ভাগ ঋণই বকেয়া।প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সোনালী ব্যাংক গত পাঁচ বছরে চামড়াশিল্পে ঋণ বিতরণ করেছে প্রায় ৬৬৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ফান্ডেড ও নন ফান্ডেড মিলে প্রায় ৮০ কোটি টাকার ঋণ গেছে নিয়মিত চামড়াশিল্পে। বাকি ৫৮৩ কোটি টাকা গেছে কোরবানির চামড়া ক্রয়ে। এসব ঋণ মোট ১০ প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে গেছে প্রায় ৫৫৮ কোটি টাকা। ব্যাংকটির গ্রাহক প্রতিষ্ঠান ভুলুয়া ট্যানারি, আমিন ট্যানারি, কালাম ব্রাদার্স ট্যানারি এবং মোহাম্মদিয়া লেদারের কিছু টাকা বকেয়া থাকলেও লেনদেন নিয়মিত আছে। কিন্তু বাকি ছয় প্রতিষ্ঠান টাকা ফেরত দিচ্ছে না। এসব ঋণ পুরোটাই এখন কুঋণে পরিণত হয়েছে। মেসার্স ভারসেজ সুজের কাছে সোনালী ব্যাংকের বকেয়া রয়েছে ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা। একইভাবে গ্রেট ইস্টার্ন ট্যানারি এক কোটি টাকা, এক্সিলেন্ট ফুটওয়্যার প্রায় ১০ কোটি টাকা, দেশমা সু ইন্ডাস্ট্রিজ প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি, এসএনজেট ফুটওয়্যার প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা এবং আনান ফুটওয়্যারের কাছে ব্যাংকের বকেয়া প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা। এসব ঋণ বর্তমানে খেলাপি হয়ে গেছে।সোনালী ব্যাংকের এজিএম মফিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া পুরনো সব পার্টি খেলাপি। কেউ টাকা ফেরত দিচ্ছে না।সূত্র আরও জানায়, কোরবানির চামড়া কিনতে গত বছর তিনটি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ৭০ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয় সোনালী ব্যাংকের বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কর্পোরেট শাখা থেকে। এর মধ্যে ভুলুয়া ট্যানারি বেশিরভাগ ঋণ পরিশোধ করেছে। এবার প্রতিষ্ঠানটি ৪০ কোটি টাকা ঋণ চেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ঋণ ফেরত দেয়ার অভ্যাস থাকায় এবারও প্রায় ২৫ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার চিন্তা করছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। গত বছরের নেয়া আমিন ট্যানারি ২৫ কোটি ও কালাম ব্রাদার্স ট্যানারি ২০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠান দুটি আরও এক বছর সময় চেয়েছে।বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কর্পোরেট শাখার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ভুলুয়া ট্যানারির ঋণ ফেরত দেয়ার অভ্যাস আছে। তাই প্রতিষ্ঠানটিকে এবারও প্রায় ২৫ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার চিন্তা আছে। তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আর আমিন ট্যানারি ও কালাম ব্রাদার্স ঋণ পরিশোধে সময় চেয়েছে। সেটি কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবে।প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রূপালী ব্যাংক ২০১৬ সাল পর্যন্ত চামড়াশিল্পে ঋণ বিতরণ করেছে ৬৪৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে গত বছরই চার প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে ১৬৭ কোটি টাকা। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ থাকায় এখনও খেলাপি হয়নি। তবে বকেয়া রয়েছে পুরোটাই। এ ছাড়া পুরনো খেলাপি আছে ১৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে হোসেন ব্রাদার্স ২৭ কোটি ২০ লাখ, মাইজদী ট্যানারি ২৪ কোটি, এফ কে লেদার ৫১ কোটি ও মিজান ট্রেডার্সের খেলাপি ৩২ কোটি টাকা। এসব ঋণ ১৯৮৫ সাল থেকে খেলাপি হয়ে আসছে।জানতে চাইলে রূপালী ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, খেলাপি ১৩৫ কোটি টাকা আদায়ে মামলা করা হয়েছে। এবার এখনও কেউ ঋণ চায়নি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বেসিক ব্যাংকে এ পর্যন্ত চামড়াশিল্পে ৩৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। এর মধ্যে সব ঋণ নিয়মিত আছে বলে ব্যাংক সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র দাবি করেছে। অপর একটি সূত্র জানায়, ৩১ আগস্টের মধ্যে পরিশোধ না করলে কিছু ঋণ খেলাপি হয়ে যাবে। এরপরও খাতটিতে আরও ২শ’ কোটি টাকা অনুমোদন দেয়া আছে। Source: jugantor
  • বিপুল বিনিয়োগের সম্ভাবনা মোটরসাইকেল শিল্পে
    নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৩ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০ শেয়ারমন্তব্য()প্রিন্ট     অ- অ অ+   শহরের তীব্র যানজট, গ্রামের দূর-দূরান্ত রাস্তা পার করে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছতে ভরসার বাহন মোটরসাইকেলের চাহিদা বাড়ছে দিন দিন। বাড়তি চাহিদা মেটাতে দেরিতে হলেও বাংলাদেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান দেশেই মোটরসাইকেল উৎপাদন শুরু করেছে, সংযোজন করে বাজারজাত করছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান।   এ শিল্প সম্প্রসারণে গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে শুল্ক করে ছাড় দিচ্ছে সরকার। ফলে রাজধানীসহ সারা দেশে বিদেশি প্রিমিয়াম মডেলের মোটরসাইকেলের সঙ্গে দেশে উৎপাদিত ও সংযোজিত মোটরসাইকেলের সংখ্যাও বাড়ছে। এসব বিবেচনায় বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের ডিস্ট্রিবিউটর কম্পানিগুলো দেশেই সংযোজন ও উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।   মোটরসাইকেলের উৎপাদক ও আমদানিকারকরা বলছেন, চাহিদা বাড়লেও এখনো অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর হার কম। দেশে আরো অধিক হারে মোটরসাইকেল উৎপাদনের মাধ্যমে এর দাম ক্রেতার নাগালে আনা সম্ভব। পাশাপাশি কয়েক বছর ধরে মোটরসাইকেল আমদানিতে শুল্ক কমানো হলেও এখনো ১৫০ শতাংশ বহাল রয়েছে। ফলে আমদানি করা মোটরসাইকেলের দাম পড়ছে সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। এ অবস্থায় দেশে মোটরসাইকেল উৎপাদনে প্রণোদনা বাড়ানো ও আমদানির ওপর শুল্ক কমানো হলে এর চাহিদা আরো বাড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা। এশিয়ার অন্য উন্নয়নশীল দেশগুলো যখন দামি গাড়ি ও বিমান তৈরি করছে, তখন বাংলাদেশ মোটরসাইকেলও তৈরি করতে পারছে না—এই হতাশায় ইতি ঘটিয়েছে দেশের তিনটি প্রতিষ্ঠান ওয়াল্টন, রানা ও যমুনা ইলেকট্রনিকস। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মোটরসাইকেলের মধ্যে রানারের মোটরসাইকেলের চাহিদা বেশি। প্রতিষ্ঠানটি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেও মোটরসাইকেল রপ্তানি করছে বলে জানা গেছে। আর আমদানি করা মোটরসাইকেলের মধ্যে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ মার্কেট শেয়ার ভারতের বাজাজ কম্পানির। এর পরের অবস্থান টিভিএস ও হিরো ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের। তবে বিশ্বের শীর্ষ তিন ব্র্যান্ড হোন্ডা, ইয়ামাহা ও সুজুকি ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলও বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এসব প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের চাহিদা বাড়ছে।   বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১৪-১৫ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশে মোটরসাইকেল বিক্রি অনেক কমে যায়। তবে ২০১৬ সালে বাজেটে শুল্ক করে ছাড় পাওয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও নেমে আসে। ফলে মোটরসাইকেলের বাজার আবার চাঙ্গা হতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৬ সালে দেশে প্রায় আড়াই লাখ মোটরসাইকেল বিক্রি হয়েছে, ২০১৫ সালে এর পরিমাণ ছিল এক লাখ ৮০ হাজার। মোটরসাইকেল বিক্রি বাড়ার পরও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এখনো মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক কম। জাপানের বহুজাতিক ব্র্যান্ড ইয়ামাহার তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি ১৬১ জনে একজন, ভারতে ২০ জনে একজন ও পাকিস্তানে ১৭ জনে একজন মোটরসাইকেল ব্যবহার করে। মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে প্রায় প্রতি চার-পাঁচজনে একজন মোটরসাইকেল ব্যবহার করে। মার্কেট রিসার্চ নামের একটি বেসরকারি সংস্থার গবেষণা তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মোটরসাইকেলের বাজারের আকার প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ১০০ থেকে ১১০ সিসি ইঞ্জিন ক্ষমতার মোটরসাইকেল, যা মোট বাজারের প্রায় ৫০ শতাংশ। তুলনামূলক কম দাম ও কম জ্বালানিতে অধিক রাস্তা পাড়ি দেওয়ার জন্যও এসব মোটরসাইকেল ক্রেতাদের কাছে বেশি জনপ্রিয়। ১২৫ সিসি থেকে ১৩৫ সিসির মোটরসাইকেলের বাজারে অংশীদারি প্রায় ১৭ শতাংশ। ১৫০ সিসির মোটরসাইকেলের অবস্থান দ্বিতীয় শীর্ষে, মোট বাজারের ৩৩ শতাংশ। দেশে বাজাজ, টিভিএস, হিরো, হোন্ডা, ইয়ামাহা, সুজুকি, মাহিন্দ্রা ও কিছু চীনা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল আমদানি করে আমদানিকারকরা। অন্যদিকে রানার, যমুনা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল দেশে তৈরি হয়। সব মিলিয়ে ১৫টি প্রতিষ্ঠিত মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড দেশের বাজারে আছে। এর মধ্যে আমদানিকারক কম্পানিগুলো দেশের মোট বাজারের ৮৬ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে, দেশীয় কম্পানিগুলোর দখল ১৪ শতাংশে। দেশে মোটরসাইকেলের চাহিদা বাড়ার প্রেক্ষাপটে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোও দেশের ভেতরে মোটরসাইকেল সংযোজন ও উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। বাজাজ, টিভিএস, হোন্ডা ও হিরো বাংলাদেশে মোটরসাইকেল উৎপাদনে যাচ্ছে। দেশে উৎপাদিত হলে মোটরসাইকেলের দাম কমবে। বাংলাদেশে ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের ডিস্ট্রিবিউটর এসিআই মোটরসের চিফ বিজনেস অফিসার সুব্রত রঞ্জন সাহা কালের কণ্ঠকে জানান, দেশের মোটরসাইকেলের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। প্রতিবছর প্রায় আড়াই লাখ মোটরসাইকেল বিক্রি হচ্ছে। তবে এটিও যথেষ্ট নয়। জনসংখ্যা অনুযায়ী আরো বেশি মোটরসাইকেলের চাহিদা রয়েছে দেশে। রানার অটোমোবাইলসের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান কালের কণ্ঠকে বলেন, তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে ভালো মোটরসাইকেল মানুষের কাছে তুলে দিতেই রানার কাজ করে যাচ্ছে। উত্তরা মোটরসের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউর রহমান বলেন, ‘মানের কারণে ক্রেতার ১ নম্বর পছন্দ বাজাজের  মোটরসাইকেল। দেশের আনাচে-কানাচেও আছে বাজাজের বিক্রেতা, পরিবেশক আর সেবাকেন্দ্র। বাজারে আমাদের যন্ত্রাংশও খুব সহজলভ্য। তাই গ্রাহকের আস্থা অর্জন করেছে বাজাজ। Source: kalerkantho
View All
Latest DSE News
  • SONARBAINS

    The Company has informed that it has credited the Bonus shares for the year ended on December 31, 2016 to the respective shareholders' BO Accounts on August 16, 2017.

  • RSRMSTEEL

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on August 24, 2017 at 5:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2017.

  • EXCH

    Withdrawal of Authorized Representative: Asia Securities Limited (DSE TREC No. 88) has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Rakib Hasan, with immediate effect.

  • SONARBAINS

    Mrs. Nargis Akter, Mr. Md. Shamsul Haque and Mr. Md. Ruhul Amin, all are Sponsors and Directors of the Company, have further reported that they have completed their buys of 50,000 shares, 1,24,636 shares and 2,00,000 shares respectively of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • SONARBAINS

    Modern Washing &amp; Dyeing Ltd., one of the Corporate Directors of the Company, has further reported that it has completed its buy of 2,50,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
MONNOCERA 46.80 42.60 4.20 9.86
SHURWID 14.70 13.40 1.30 9.70
IBNSINA 275.30 253.50 21.80 8.60
KPPL 11.50 10.60 0.90 8.49
SAMATALETH 51.80 48.40 3.40 7.02
STANDARINS 24.70 23.10 1.60 6.93
STYLECRAFT 1479.70 1392.70 87.00 6.25
AMBEEPHA 468.30 443.20 25.10 5.66
GQBALLPEN 114.00 107.90 6.10 5.65
BSC 51.70 49.10 2.60 5.30

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297