Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
MALEKSPIN 23.3 19.2 4.10 21.35
LANKABAFIN 59.8 51.6 8.20 15.89
SALVOCHEM 20.6 17.9 2.70 15.08
FORTUNE 62.1 54.1 8.00 14.79
BARKAPOWER 52.4 45.8 6.60 14.41
IMAMBUTTON 17.3 15.2 2.10 13.82
CMCKAMAL 27.5 24.2 3.30 13.64
MATINSPINN 42.3 37.7 4.60 12.20
IFADAUTOS 134.9 120.4 14.50 12.04
AMANFEED 85.3 76.8 8.50 11.07

Contest SB2017_Feb

1st
blank_person
FARUK6468
2nd
blank_person
KHORSHEDCTG
3rd
blank_person
ABUBAKAR75
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
TITASGAS 56.8 55.6 2.10502 4679550.00
LANKABAFIN 59.8 56.3 1.71760 8142500.00
BERGERPBL 2300 2259.5 1.66540 1732.00
BEXIMCO 33.7 32.4 1.59335 10762600.00
JAMUNAOIL 219.9 212.8 1.39029 1187290.00
Negative impact
ISLAMIBANK 42.9 43.4 -1.42750 4674010.00
OLYMPIC 308.9 311.9 -1.06365 151225.00
CITYBANK 33.3 33.8 -0.77653 1588020.00
SINGERBD 219.2 224.7 -0.74801 721933.00
NBL 14.1 14.3 -0.70059 4528030.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BARKAPOWER 52.4 53.4 51.3 2.75% 523.93
LANKABAFIN 59.8 59.8 56.5 6.22% 477.34
IDLC 71.9 73.4 71 2.42% 380.89
ACMELAB 116.3 117.5 113.8 2.11% 364.77
BEXIMCO 33.7 33.8 32.3 4.01% 356.76
PADMAOIL 256.9 256.9 238 8.72% 353.51
APOLOISPAT 24.4 24.7 23.8 2.52% 291.34
IFADAUTOS 134.9 138.7 132.6 0.30% 290.48
GPHISPAT 44.4 45.1 42.2 5.21% 286.89
TITASGAS 56.8 57.4 55.5 2.16% 265.86

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 22 Feb 2017

170138
TOTAL TRADE
291.5389
TOTAL VOLUME(Mn)
11992.90
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ২৩ ফেব্রুয়ারি গ্রামীণফোনের লেনদেন শুরু
    স্টাফ রিপোর্টার : গ্রামীণফোন লিমিটেডের লেনদেন আগামীকাল বৃহস্পতিবার চালু হবে। রেকর্ড ডেটের কারণে আজ কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধ রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, এর আগে কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন স্পট মার্কেটে এবং ব্লক/অডলটে শুরু করেছিল; যা সোমবার শেষ হয়।
  • সেন্ট্রাল ফার্মার শেয়ার কিনার সিদ্ধান্ত আলিফ গ্রুপের
    স্টাফ রিপোর্টার : সেন্ট্রাল ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ আলিফ গ্রুপের সাথে একটি চুক্তি সই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী সেন্ট্রাল ফার্মার ৫ শীর্ষ পরিচালকের শেয়ার কিনবে আলিফ গ্রুপ। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, ব্লক মার্কেটের মাধ্যমে দুই কোম্পানি শেয়ার কেনা-বেচা করতে পারবে। শেয়ার বেচা সম্পন্ন হলে সেন্ট্রাল ফার্মার পর্ষদে নতুন চেয়ারম্যান, পরিচালক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে। জানা গেছে, সেন্ট্রাল ফার্মার পর্ষদের ৫ উদ্যোক্তা ও পরিচালক হচ্ছেন- চেয়ারম্যান মোরশেদা আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনসুর আহমেদ, মো: রোকনুজ্জামান, নাসিমা আকতার এবং পারভেজ আহমেদ ভুইয়া। তাদের হাতে কোম্পানিটির মোট ৩০ দশমিক ০২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
  • পপুলার লাইফের ফ্লোর স্পেস কেনার সিদ্ধান্ত
    স্টাফ রিপোর্টার : পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ ফ্লোর স্পেস কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি কার পার্কিংয়ের জন্য ৩৭ হাজার বর্গফুট জায়গা কিনবে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, কোম্পানিটি রাজধানীর মোহাম্মদপুর আদাবরে রোড নং-৫, প্লট নং-২৫, ব্লক-বি তে জায়গা কিনবে। এই জমি কিনতে কোম্পানির মোট ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয় হবে। উল্লেখ্য, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স ২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
  • ‘লেনদেন ৩ হাজার কোটি’ ছাড়াবে
    রাহেল আহমেদ শানু : সম্ভাবনার সমূহ চিহ্ন পড়ছে পুঁজিবাজারে। আস্থা ফেরানোর জাতীয় কণ্ঠে ইতোমধ্যে বাজারে ফিরছেন লাখো তরুণ। যে কারণে বিনিয়োগ বেড়েছে, বিগত চার বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ পরিমাণ। ব্যাংকে লগ্নীকৃত অর্থও ফিরছে পুঁজিবাজারে। অন্যদিকে কমছে সঞ্চয়পত্রের সুদ ও কেনার পরিমাণ। একই সঙ্গে সরকারের ব্যাংক ঋণ কমতে থাকায় স্মরণকালের সম্ভাবনা ফিরে আসছে। বিভিন্ন সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরে অনেকে মন্তব্য করেন, পুঁজিবাজার আবারো তার চিত্র ফেরত পাবে। লেনদেন তিন হাজার কোটি টাকাও ছাড়াবে। স্মরণকালের সেই সম্ভাবনা আগামী মার্চ মাসের শেষে বা এপ্রিল মাস থেকে শুরু হবে। সরকারের বিভিন্ন আর্থিক চিত্র তুলে ধরে অনেক গবেষক এবং দেশের শীর্ষ কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংক কর্মকর্তা স্টক বাংলাদেশকে এমন তথ্য জানিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি ২ হাজার ১শ কোটি ৮০ লাখ টাকার লেনদেন হয়। ৫ বছর পরে শেয়ার লেনদেনের এমন চমককে মাইলফলক ধরা হলেও এপ্রিল মাসের লেনদেন হবে স্মরণকালের সেরা। (ডিএসইর লেনদেনের চিত্র ওপরে প্রকাশ করা হলো) অনেক সম্ভাবনার ভেতর দিয়ে বেড়েছে নতুন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা। ১৪ মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে নতুন বিনিয়োগকারী বা প্রায় ২ লাখ তরুণ পুঁজিবাজারে এসেছে। নতুন বিনিয়োগকারী বেড়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ২৪৭ জন। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্র উল্লেখ করে ‘সম্ভাবনার চিহ্ন’ বলে তারা অভিহিত করেন। সিডিবিএলের তথ্যানুসারে, ২০১৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুঁজিবাজারে বিও হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫১। এরমধ্যে পুরুষ বিনিয়োগকারী ২১ লাখ ৪৭ হাজার ২৩, নারী বিনিয়োগকারী ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৫১১ ও কোম্পানির বিও হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ২১৭। এদিকে ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর মোট বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ২৯ লাখ ৪১ হাজার ৮৬৮। সে হিসাবে দেড় মাসের ব্যবধানে পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়েছে ১২ হাজার ৮৮৩ জন। অন্যদিকে, ২০১৬ সালের চিত্র অন্ধকার। আশাহত হয়ে অনেক বিনিয়োগকারী ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪ লাখ ১৫ হাজার ৮২২ জন তাদের বিও হিসাব বন্ধ করেন। তারা নবায়ন ফি না দেয়ায় গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে এসব বিও হিসাব বন্ধ হয়ে যায়। সিডিবিএল জানায়, বর্তমানে চালু থাকা বিও হিসাবগুলোর মধ্যে একক বিওর সংখ্যা ১৮ লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৯ ও যৌথ হিসাব ১০ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৫টি। এছাড়া মোট বিওর মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের নামে রয়েছে ২৭ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯টি ও অনিবাসী বাংলাদেশীদের নামে রয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৪৫৫টি। অন্যদিকে, ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার পরিবর্তে প্রতি মাসেই আগের নেয়া ঋণ শোধ করছে সরকার। ফলে সরকারের নিট ব্যাংকঋণ ঋণাত্মক ধারায় রয়েছে। চলতি অর্থবছরের (জুলাই-জানুয়ারি) সাত মাসে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক (-) ২০ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা। তবে গত ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এর পরিমাণ কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারের ব্যাংকঋণের মোট স্থিতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮৯ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা। কমেছে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি, যা পুঁজিবাজারে জন্য শুভ। সঞ্চয়ের টাকায় যারা এতদিন সঞ্চয়পত্র কিনতেন, তারা এখন পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছেন। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিসেম্বর মাসে ৩ হাজার ১৫৪ কোটি টাকার নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। তার আগের মাস নভেম্বরে নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৪০২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি কমেছে ১ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা বা ২৯ শতাংশ। সংশ্লিষ্টদের মতে, সঞ্চয়পত্র খাত থেকে অস্বাভাবিক ঋণ পাওয়া, রাজস্ব আদায়ে ভালো গতি এবং সরকারের উন্নয়ন ব্যয়ে ধীরগতি বিরাজ করায় খরচও কম হচ্ছে। অর্থনীতিক উন্নয়নে সরকার বিগত অনকে সময়ের তুলনায় বেশ ভালো সময় পার করছে। তবে পুঁজিবাজার দীর্ঘ সময় পরে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধ পর্যন্ত বেশ চমক দেখায়। এরপরে কিছুটা কমে আশাহত করে আবারো পূর্বের অবস্থানে ফিরতে শুরু করেছে। পুঁজিবাজারে উন্নতির কারণে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমেছে বলেন অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জায়েদ বখত। তিনি স্টক বাংলাদেশকে বলেন, শেয়ার বাজারের দীর্ঘদিনের মন্দা এবং ব্যাংকে আমানতের সুদের হার কম হওয়ার কারণে এতদিন সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সঞ্চয়পত্র বেশি বিক্রি হচ্ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজার ভালো হওয়ায় বেশি মুনাফার আশায় অনেকেই শেয়ার কিনছেন। সে কারণেই সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমেছে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষক ও অক্টোবর মাসে ৪ হাজার ২৬৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিল। সেপ্টেম্বরে বিক্রির পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৮৫৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। অগাস্টে বিক্রি হয়েছিল ৪ হাজার ২৯৭ কোটি ২১ লাখ টাকার। জুলাই ও জুন মাসে বিক্রির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৩ হাজার ৪৯৮ কোটি ৩৭ লাখ ও ৩ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা। বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি মন্দাবস্থায় অনেক বিনিয়োগকারী বাজারের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলেন। তাদের অনেকেই আবার শুধু প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) জন্য বিও হিসাবগুলো খুলেছিলেন। অবশ্য গত এক বছরে নতুন বিনিয়োগকারী যুক্ত হওয়ার বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তারা। একই সঙ্গে তারা নতুন বিওধারীদের জেনে বুঝে বিনিয়োগ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ও শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ আবু আহমেদ স্টক বাংলাদেশকে বলেন, অনেকে শুধু আইপিওতে বিনিয়োগের জন্য বিও হিসাব খুলে থাকে, যাদের প্রায় কেউই সেকেন্ডারি মার্কেটে সক্রিয় নন। শেয়ারদর অনেক নেমে আসার কারণে গত বছরের বাজারে তাদের অনেকেই হয়তো বিও হিসাবটি আর চালিয়ে যেতে চাননি। তবে হঠাৎ করে বাজার ধ্বসের কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেকে ভালো কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে খারাপ কোম্পানির বা জাঙ্ক ধরা কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করেছে। জাঙ্ক শেয়ারের দর ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। আমি মনে করি না, এটা সাসটেইনেবল বিনিয়োগ হবে। এসব শেয়ারের বিনিয়োগকারীরা আবারো মার খাবে। নতুন বিনিয়োগকারীর আগমন এবং পুরাতনদের প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে ডিএসইর পরিচালক মো. রকিবুর রহমান বলেন, পুঁজিবাজার থেকে কিছু সংখ্যক বিনিয়োগকারী চলে যাবেন আবার এর বিপরীতে নতুন বিনিয়োগকারীর আগমন ঘটবে, এটাই স্বাভাবিক। গত বছর অনেক বিও হিসাব বন্ধ হয়ে গেছে। আমার মনে হয়, যেসব বিনিয়োগকারী দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগে আগ্রহী নন কিংবা যাদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থ নেই, তারাই বিও হিসাবগুলো বন্ধ করে দিয়েছেন। তবে একই সময়ে নতুন অনেক বিনিয়োগকারী বাজারে এসেছেন, যেটি ইতিবাচক। আমি বিশ্বাস করতে চাই, তারা জেনে বুঝেই বাজারে এসেছেন। তিনি বলেন, ডিএসই থেকে আমরা বরাবরই বলে আসছি, যাদের কাছে উদ্বৃত্ত অর্থ রয়েছে, কেবল তাদেরই শেয়ারবাজারে আসা উচিত এবং জেনে বুঝে। অনেকেই আছেন, যারা স্বল্প সময়ে বড় মুনাফা করতে আগ্রহী। কিন্তু গত কয়েক বছরের সংস্কার ও বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে আমার মনে হয়, দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগই লাভজনক। তবে আইপিও খরা কাটাতে এবং পুঁজিবাজারে সুস্থ্যতায় আরো আইপিও ছাড়ার তাগিদ প্রকাশ করেন এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেডের সিইও মাহবুব মজুমদার। বাজার সম্পর্কে তিনি স্টক বাংলাদেশকে বলেন, বাজার আবারো ভালো হবে। এ নিয়ে আশঙ্কার কিছু নেই, সব ইন্ডিগেটর বলছে- পজেটিভ। যে কারণে আগামী দিনে বাজার আরো ভালো থাকবে। কারণ বিদেশি বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগ অনেক বাড়াচ্ছেন। অর্থনীতির সব ইন্ডিগেটর বলছে- আগামী বছরে শুভ দিন আসছে।
  • BEXIMCO এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩০ মিনিট
    ঠিক ১.৩০ টায় BEXIMCO উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( ২০৯ TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 18196000 TK। ইনডেস্ক রেজিসটেন্স ব্রেক আউটের পথে,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১২.০০ মিনিট সকাল থেকেই ভাল ভলিওমে ট্রেড ও ইন ডেস্কের মান বাড়ায় ইনডেস্ক রেজিসটেন্স ব্রেক আউটের পথে রয়েছে। ইনডেস্কে আজ রেজিসটেন্স ভাঙতে পারে,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১০.৩০ মিনিট [২২.০২.২০১৭] শেষ দিনে ইনডেস্কের মানের বুলিশ অবস্থানের কারনে ইনডেস্কে এখন রেজিসটেন্সে অবস্থান করছে। ইনডেস্কে আজ রেজিসটেন্স ভাঙতে পারে। তবে সেল পেশার থাকলে এখন হতে ডাউন ট্রেন্ডে চলে যেতে পারে। পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে বুধবার ২ কোম্পানির বোর্ডসভা পাওয়ার গ্রীডের অফলোড নিয়ে বিভ্রান্তি! আইপিওতে আসছে বিশ্বের বৃহত্তম তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের এজিএম ৮ মার্চ এসআইবিএল’র বেড়েছে ইপিএস ও এনএভি ঋণাত্মক ইকুইটির বিও হিসাবে লেনদেন চালুর নির্দেশ ‘গুজবে কান না দিয়ে বিনিয়োগ করতে হবে’ কেয়ার ১৫৫ কোটি টাকার যন্ত্রাংশ দেশে পৌঁছেছে, বাণিজ্যিক উৎপাদন আগস্টে উল্লেখযোগ্য কিছু এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ‘সকলের প্রচেষ্টায় বাজার আরও ভালো হবে’ [ ভিডিও সহ ] এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৪০ কোটি টাকা তুলবে ইনডেক্স এগ্রো [ ভিডিও সহ] রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব আসছে রানার- আইপিও মাধ্যমে তুলবে ১শ’ কোটি টাকা [ভিডিও সহ] খুব তাড়াতাড়ি লেনদেন এক হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে [ভিডিও সহ] বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাকের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব ‘বিনিয়োগ করেন সবাই লাভবান হবো’ [ভিডিও সহ] ডেল্টা হসপিটালের সম্প্রসারণ প্রয়োজন : চেয়ারম্যান [ ভিডিও সহ ] দেখে নিন,জেনে নিন,বুঝে নিন [ভিডিওসহ] – DHL রোডশোর প্রশ্নসমূহ ‘প্রতিকূলতার মাঝেও ন্যাশনাল লাইফ ভালো ব্যবসা করেছে’ : চেয়ারম্যান [ ভিডিও… “এক বছরের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে ভালো অবস্থনে রয়েছে মার্কেট” | জামাল.. ‘বাজার ঊর্ধ্বমুখীতার করণে সংশ্লিষ্টরা নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে’ : বিনিয়োগকারী [ভিডিও সহ] ‘জেমিনি সি ফুডের কাছে অতিরিক্ত বোনাস রয়েছে’ (ভিডিও সহ) ‘সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ধারাবাহিকভাবে সফলতা অর্জন করে আসছে’ [ভিডিও সহ] পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • পাওয়ার গ্রীডের অফলোড নিয়ে বিভ্রান্তি!
    সিনিয়র রিপোর্টার : পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) আরো ১৫ শতাংশ শেয়ায় অফলোড করবে। চলতি মাসের ১৬ তারিখে মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগে এক বৈঠকে অফলোডের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে অাভাস মিলেছে। অন্যদিকে আরেকটি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রায়ত্ব কোম্পানিটি রাইট শেয়ারের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করবে। তবে এমন সংবাদের তথ্য নিশ্চিত করতে পারছে বিদ্যুৎমন্ত্রলালয়ের কোনপক্ষই। বৈঠকের সূত্র ধরে তারা বলেন, কিছুদিন আগে রাষ্ট্রায়ত্ব কোম্পানি ডেসকোর ১০ শতাংশ শেয়ার অফলোড করা হয়। এরপরে পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের রাইট শেয়ার ছাড়ার কথা ছিল। হঠাৎ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বা সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে আরো ১৫ শতাংশ অফলোড করার বিষয়টি অস্পষ্ট। এ সম্পর্কে সংশ্লিসট সূত্র কোন মন্তব্য করতে রাজী হয়নি। তবে অফলোডের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে অাভাস দেন দুটি সূত্র। বিদ্যুৎ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, পাওয়ার গ্রীডের ১৫ শতাংশ শেয়ার অফলোডের কাজ প্রায় চূড়ান্ত। প্রধানমন্ত্রীর এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। তাই সম্প্রতি একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সুপারিশ করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে পুঁজিবাজারে পাওয়ার গ্রীডের ২৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ২০০৬ সালে শেয়ারগুলো পুঁজিবাজারে ছাড়া হয়েছে। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৬০ কোটি ৯১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে আছে ৫১৮ কোটি টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৬ কোটি ৯ লাখ ১২ হাজার ৯৯১। এর ৭৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাংলাদেশ সরকার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৮ দশমিক ৪৫, বিদেশী দশমিক ৭৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার। ২০ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনি মূল্য ৫৬ টাকা ১০ পয়সা।
  • আইসিবি এএমসিএল ফাস্ট এনআরবি মিউচুয়্যাল ফান্ডের – অবলুপ্তকরন – মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
    আইসিবি অ্যাসেট ম্যনেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড পরিচালিত মিউচ্যুয়াল ফান্ড আইসিবি এএমসিএল ফাস্ট এনআরবি মিউচুয়্যাল ফান্ডের ট্রাস্টি কমিটি ফান্ডটির অবলুপ্তকরন সিদ্ধান্ত নিয়েছে । মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (PRICE SENSITIVE INFORMATION ) অ্যাসেট ম্যনেজমেন্ট কোম্পানির পক্ষ থেকে নিচে প্রকাশ করা হল।
  • বুধবার ২ কোম্পানির বোর্ডসভা
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির বোর্ডসভার দিনক্ষণ নির্ধারণ হয়েছে।  বুধবার অনুষ্ঠিত হবে কোম্পানি দুটির বোর্ডসভা। কোম্পানি দুইটি হচ্ছে- ডাচ-বাংলা ব্যাংক ও আর.এন স্পিনিং লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। ডাচ-বাংলা ব্যাংক : বোর্ডসভা সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানির ৩১ ডিসেম্বর,২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি সভা থেকে আসতে পারে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশের ঘোষণা। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। আর.এন স্পিনিং : আর.এন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের বোর্ডসভা বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানির বিগত ৪ বছরের (৩১ ডিসেম্বর, ২০১২,২০১৩,২০১৪ ও ৩০ জুন, ২০১৬) স্থগিত এজিএমের তারিখ নির্ধারণ করা হবে। সভা থেকে আসতে পারে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা। উল্লেখ্য, আর.এন স্পিনিং রাইট শেয়ার সংক্রান্ত মামলার কারণে গত ৪ বছর বিনিয়োগকারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। তাই কোম্পানিটিকে ৪ বছরের এজিএম একসাথে করতে হবে।
  • অবলুপ্তির প্রক্রিয়ায় আইসিবি এএমসিএল এনআরবি ফান্ড
    সিনিয়র রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত  আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডটি আগামী ২০ মার্চ ১০ বছর মেয়াদ পূর্ণ করবে। বৃহস্পতিবারের সভায় ফান্ডটি অবলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাস্টি ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। আইসিবি সূত্রে জানা গেছে, ফান্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি এবং ব্যবস্থাপক হিসেবে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। মেয়াদ উত্তীর্ণের ক্ষেত্রে ট্রাস্টি ফান্ডটির অবসায়নের সকল দায়িত্ব নেবে। এরআগে ফান্ডটির সব দায় পরিশোধ করা হবে। ফান্ডটির অর্ধ বার্ষিক অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ফান্ডটির সম্পদের পরিমাণ ৩২ কোটি ১৪ লাখ ১৬ হাজার ৯৮৯ টাকা। ফান্ডটির হাতে থাকা সম্পদের ক্রয়মূল্যে ইউনিট প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ৩০ টাকা ৬০ পয়সা। আর বিক্রয় মূল্যে এনএভি ২১ টাকা ৩৫ পয়সা। আলোচিত সময়ে ফান্ডটির প্রকৃত মুনাফা হয়েছে ৬০ লাখ ৫৬ হাজার ৬৬৪ টাকা এবং ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ৬১ পয়সা।
  • আইপিওতে আসছে বিশ্বের বৃহত্তম তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো
    সিএনএন : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করতে আগামী বছরই আসছে বিশ্বের বৃহত্তম তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো। সব ঠিক থাকলে এটিই হবে বিশ্বের বৃহত্তম প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও)। সৌদি কর্মকর্তারা মনে করছেন, তাদের আইপিও প্রক্রিয়ায় মোট শেয়ারের মূল্যমান দাঁড়াবে প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার। যদি আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারগুলো অনুমতি দেয় তাহলে তারা ৫ শতাংশ বিক্রি করেই ১০ হাজার কোটি ডলার সংগ্রহ করতে পারবেন। যা হবে ২০১৪ সালে আলিবাবার আইপিও থেকে সংগ্রহ করা অর্থের চার গুণ। ওই সময় এই চীনা প্রতিষ্ঠানটির আইপিও ছিল শীর্ষে। সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে চলমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে সিএনএনকে এ তথ্য দিয়েছেন আরামকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিন নাসের। তিনি বলেছেন, আমরা এখনো ২০১৮ সালের দিকে তাকিয়ে আছি। ওই সময়ের মধ্যেই আসতে চাই, আমাদের সিদ্ধান্তের কোনো নড়চড় হচ্ছে না। গত বছর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান নতুন অর্থনৈতিক কৌশলপত্র প্রকাশের সময়ই উল্লেখ করেন, তাদের এই বৃহত্তম তেল কোম্পানিটির একটি অংশ বিক্রি করে দিতে চান। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় সৌদি আরব তাদের অর্থনীতি নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নানা সংস্কার আনছে রাজতান্ত্রিক দেশটি। এর মধ্যে আরামকোর শেয়ার বিক্রি সবচে উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আরামকো জানিয়েছে, তাদের ২৬ হাজার ১০০ কোটি ব্যারেল তেল মজুদ আছে যা উত্তর আমেরিকার মোট মজুদের চাইতেও বেশি। ফলে আগামী কয়েক বছর কোম্পানিটি যেকোনো ঝামেলা সামলে নেয়ার মতো সক্ষমতা রাখে। আরামকো প্রতিদিন ১ কোটি ৩ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে, যা তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত রোসনেফতের দ্বিগুণ। তবে গত ডিসেম্বরে ওপেকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল করতে উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়ায় এ বছর উৎপাদন কমেছে আরামকোর। এর ফলে চলতি বছর সৌদি আরবের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে মাত্র শূন্য দশমিক ৪ শতাংশে নেমে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • লেনদেনের শীর্ষে সেই বারাকা ও লংকাবাংলা
    শেয়ারবাজারের লেনদেনে দাপুটে আধিপত্য ধরে রেখেছে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি বারাকা পাওয়ার ও আর্থিক খাতের কোম্পানি লংকাবাংলা ফিন্যান্স। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে গতকাল রোববারও প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল যথাক্রমে বারাকা ও লংকাবাংলা।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, কয়েক দিন ধরে কোম্পানি দুটি লেনদেন ও মূল্যবৃদ্ধিতে বেশ দাপুটে অবস্থানে রয়েছে। ডিএসইতে গতকাল এই দুই কোম্পানির সম্মিলিত লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ১০৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে এককভাবে বারাকা পাওয়ারের প্রায় ৬৫ কোটি ও লংকাবাংলার ৪৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। তবে মূল্যবৃদ্ধিতে বারাকা পাওয়ারের চেয়ে লংকাবাংলা কিছুটা পিছিয়ে ছিল এদিন।দিন শেষে গতকাল বারাকা পাওয়ারের প্রতিটি শেয়ারের দাম ৩ শতাংশ বা দেড় টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকায়। আর লংকাবাংলার প্রতিটি শেয়ারের দাম ১০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ২০ পয়সায়। তবে গতকাল মূল্যবৃদ্ধিতে হঠাৎ করেই শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানি সিএমসি কামাল। কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম এদিন প্রায় ৭ শতাংশ বা ১ টাকা ৭০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৭ টাকায়।এদিকে সপ্তাহের প্রথম দিনে ঢাকার বাজারে লেনদেন বাড়লেও সূচক সামান্য কমেছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৮৩ পয়েন্টে। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৩৩ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১৭০ কোটি টাকা কম।অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচকটি এদিন ৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৩১৮ পয়েন্টে। দিন শেষে সেখানকার বাজারে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬৬ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে আড়াই কোটি টাকা বেশি।মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের প্রতিবেদনে গতকালের বাজার সম্পর্কে বলা হয়েছে, ব্যাংকসহ স্বল্প মূলধনি কোম্পানির শেয়ারের মূল্য সংশোধন হয়েছে বাজারে। তার বিপরীতে আর্থিক খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। এই খাতের লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম দিন শেষে গড়ে ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। আর্থিক খাতের মধ্যে এককভাবে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে আইসিবির। লেনদেনে আধিপত্য ছিল প্রকৌশল খাতের। ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশই ছিল এই খাতের লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর। source : prothom-alo
  • উভয় পুঁজিবাজারে সূচকে মিশ্র প্রবণতা : বেড়েছে লেনদেন
    সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) গত কার্যদিবসের চেয়ে সূচকে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে এদিন উভয় এঙ্চেঞ্জে লেনদেন গত কার্যদিবসের চেয়ে বেড়েছে। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএঙ্ ৭ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট কমেছে। তবে সিএসইতে প্রধান সূচক সিএসসিএঙ্ ৭ দশমিক ৪৮ পয়েন্ট বেড়েছে। এদিন উভয় পুঁজিবাজারে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৯৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ১২৬ কোটি ২৬ লাখ।ডিএসই : এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৩২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। গত বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৬১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। সুতরাং এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএঙ্ ৭ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৮৩ পয়েন্টে, ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ২ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩০৮ পয়েন্টে এবং ৭ দশমিক ২৫ পয়েন্ট কমে ডিএসই-৩০ সূচক দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩১টির, কমেছে ১৬২টির এবং কোন পরিবর্তন হয়নি ৩৭টি কোম্পানির শেয়ার দর।সিএসই : অন্যদিকে এদিন সিএসইতে মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ৬৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। গত বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা টাকার শেয়ার। সুতরাং সিএসইতে গত কার্যদিবসের চেয়ে শেয়ার লেনেদেন বেড়েছে ২ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি। এদিন সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএঙ্ ৭ দশমিক ৪৮ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৪৯৬ পয়েন্টে, সিএএসপিআই সূচক ৮ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৩১৭ পয়েন্টে, সিএসই-৫০ সূচক ৩ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৬৩ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ১৭ দশমিক ৩২ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৮৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২০টির, কমেছে ১০৭টির এবং কোনও পরিবর্তন হয়নি ২৯টি কোম্পানির শেয়ার দর। source : sonbad
  • পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াল আইসিবি
    পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে পুঁজিবাজারে ১২০০ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ বাড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ডিসেম্বর মাসের পর বিনিয়োগের হার কিছুটা কমেছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ বাড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে আইসিবি ও এর সাবসিডিয়ারিগুলোর বিনিয়োগ প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। তবে বাজারে উর্ধগতির লাগাম টানতে ডিসেম্বর মাসের পর থেকে কিছুটা বিনিয়োগ কমানো হয়েছে।প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) পুঁজিবাজারে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ও এর সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে বেড়েছে ১ হাজার ২৩১ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ফান্ডে ২৫ কোটি ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মাধ্যমে নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ৪৫ কোটি টাকা। এদিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় গেল অর্ধবার্ষিকে পুঁজিবাজারে আইসিবির সমন্বিত নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ৩১৯ কোটি টাকা। গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুঁজিবাজারে সরকারের বিনিয়োগ অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির নিট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৪১ কোটি ৫৮ লাখ ৭৯ হাজার ১৯০ টাকা।আইসিবির আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধ শেষে (৩১ ডিসেম্বর) শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত নিট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৪১ কোটি ৫৮ লাখ ৭৯ হাজার ১৯০ টাকা, যা ২০১৬ সালের ৩০ জুন ছিল ৯ হাজার ৮৫ কোটি ১৩ লাখ ৯২ হাজার ১৩১ টাকা। ছয় মাসের ব্যবধানে নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯ টাকা। এদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৯৩৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮২ হাজার ২৯৪ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ৩১৯ কোটি ৭৬ লাখ ৪ হাজার ৭৬৫ টাকা।গত ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৬৪ কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার ৯৮৩ টাকা, ছয় মাস আগে যা ছিল ৮ হাজার ৩৩২ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ৯২৪ টাকা। অর্থাৎ গেল অর্ধবার্ষিকীতে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবি ও তার সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৩১ কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯ টাকা।অন্যদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৮৮৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৯০ টাকা। এ হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ৩৪৪ কোটি ৭৬ লাখ ৪ হাজার ৬৬৯ টাকা।বাংলাদেশ ফান্ডে ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর আইসিবির সমন্বিত মোট বিনিয়োগ দাঁড়ায় ৭৩০ কোটি ৯৯ লাখ ১১ হাজার ৬৯৮ টাকা, যা ২০১৬ সালের ৩০ জুন ছিল ৭০৫ কোটি ৯৯ লাখ ১১ হাজার ৬৯৮ টাকা। এর মানে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ২৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৪৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ কমেছে ২৪ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।উল্লেখ্য, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি অনুসারে, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আইসিবি পুঁজিবাজারে ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে প্রথম ছয় মাসে বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। source : jonokontho
  • বস্ত্র খাতের ১৮ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে
    মুনাফা বেড়েছে বেড়েছে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতে থাকা ১৮ কোম্পানির। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদনে দেখানে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) অনুযায়ী এসব কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে আলহাজ্ব টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ০.৭৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৬৬ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৯ টাকা বা ১৩.৬৪ শতাংশ।আনলিমা ইয়ার্নের ইপিএস হয়েছে ০.৫১ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৫ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৬ টাকা বা ১৩.৩৩ শতাংশ।আর্গন ডেনিমসের ইপিএস হয়েছে ১.৭২ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৬১ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১১ টাকা বা ৬.৮৩ শতাংশ।সিএমসি কামালের ইপিএস হয়েছে ০.৯৬ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৭৮ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৮ টাকা বা ২৩.০৮ শতাংশ।দেশ গার্মেন্টসের ইপিএস হয়েছে ৪.০১ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৯৮ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ২.০৩ টাকা বা ১০২.৫৩ শতাংশ।ড্রাগন সোয়েটারের ইপিএস হয়েছে ১.০২ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৮৬ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৬ টাকা বা ১৮.৬০ শতাংশ।ইভিন্স টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ০.৭৮ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৭৫ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৩ টাকা বা ৪ শতাংশ।জেনারেশন নেক্সটের ইপিএস হয়েছে ০.২৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.১৮ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৫ টাকা বা ২৭.৭৮ শতাংশ।হামিদ ফেব্রিক্সের ইপিএস হয়েছে ০.৬০ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৫৮ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০২ টাকা বা ১.৮৪ শতাংশ।ম্যাকসন্স স্পিনিংয়ের ইপিএস হয়েছে ০.১৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.১৩ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৪ টাকা বা ৩০.৭৭ শতাংশ।রহিম টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৪.৪৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩.১২ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১.৩৭ টাকা বা ৪৩.৯১ শতাংশ।রিজেন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ০.৫১ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩৭ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৭ টাকা বা ৪৫.৯৫ শতাংশ।সায়হাম টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ০.৫৪ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩৭ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৭ টাকা বা ৪৫.৯৫ শতাংশ।শাশা ডেনিমসের ইপিএস হয়েছে ৩.৬৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২.৪৯ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৪ টাকা বা ৫.৬২ শতাংশ।সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ১.১৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৯৫ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২০ টাকা বা ২.১১ শতাংশ।জাহিন স্পিনিংয়ের ইপিএস হয়েছে ০.৮৮ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪০ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৪৪ টাকা বা ১১০ শতাংশ।জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ০.৫২ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৭ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৫ টাকা বা ১০.৬৪ শতাংশ।   source : jonokontho
  • প্রতিষ্ঠার দুই যুগ পর নিজ ভবনে বিএসইসি
    প্রতিষ্ঠার ২৪ বছর পর স্থায়ী ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলের জীবন বীমা টাউয়ার থেকে আগারগাঁওয়ে নতুন ঠিকানা পেয়েছে এক্সচেঞ্জ কমিশন। ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হলেও অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের এক মাস পর অফিস সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাহ্যিক কাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা সম্পূর্ণ না হওয়ায় পর্যায়ক্রমে সংস্থাটির সব বিভাগ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ইতিমধ্যে সংস্থার কয়েকটি বিভাগ নতুন ভবনে সরিয়ে আনা হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই অন্য সব বিভাগও সরিয়ে নেওয়া হবে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগকারীর স্বার্থরক্ষা, সিকিউরিটিজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং আইনের সঠিক পরিপালন দেখাশোনা করতে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন-১৯৯৩-এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত এই কমিশনের নাম ছিল সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর আইনে সংশোধন এনে নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নতুন ভবনে স্থানান্তরের আগে দিলকুশায় জীবন বীমা টাওয়ারের ১৪, ১৫, ১৬ ও ২০ তলাজুড়ে ছিল সংস্থাটির অফিস। বর্তমানে সংস্থাটির কার্যালয় ই-৬সি শেরেবাংলানগরের আগারগাঁওয়ে। ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের এক মাস পরে মতিঝিল থেকে অফিস সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভবন নির্মাণ শেষ হলেও অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা না হওয়ায় সরতে সময় লেগেছে বলে জানান কর্মকর্তারা। এর আগে ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর এই ভবন নির্মাণে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়। বিএসইসির নিজস্ব অর্থায়নে ভবনটি নির্মাণে ব্যয় প্রায় ৪৪ কোটি টাকা। ভবনের নকশা করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর এবং বাস্তবায়ন করেছে বিএসইসি ও গণপূর্ত অধিদপ্তর। বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নতুন ভবনে অফিস সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অফিস সরিয়ে নেওয়া হবে। ’ খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনটি ০.৩৩ একর জমির ওপর একতলা বেজমেন্টসহ ১০ তলাবিশিষ্ট। আয়তন এক লাখ বর্গফুট। বিজয় সরণি দিয়ে সংসদ ভবন পার হয়ে আগারগাঁও মোড় থেকে বাম পাশে গেলেই রাস্তার পাশে বিএসইসি ভবন। এই ভবনের উত্তর পাশে পাসপোর্ট অফিস। দৃষ্টিনন্দন ১০ তলা ভবনে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত অফিসের পাশাপাশি রয়েছে মাল্টিপারপাস হল, ট্রেনিং সেন্টার, ডে-কেয়ার সেন্টার, রুপটপ গার্ডেন, সোলার সিস্টেম, ৩০০ কেভিএ জেনারেটর ও ১২৫০ কেভিএ সাবস্টেশন। আগারগাঁও ভবনটি ঘুর দেখা যায়, বাহ্যিক অবয়ব সম্পূর্ণ হলেও ভেতরের সাজসজ্জার কাজ চলছে। ১০ তলা ভবনের দুটি ফ্লোর নিচতলা ও পঞ্চম তলার সাজসজ্জার কাজ শেষ। পঞ্চম তলায় কমিশনের চেয়ারম্যান ও নিচতলা প্রশাসনিক (অ্যাডমিন) বিভাগ কার্যক্রম শুরু করেছে। সার্ভেইল্যান্স বিভাগও নতুন ভবনে নেওয়া হয়েছে। অন্যান্য ফ্লোরের সাজসজ্জার কাজও চলছে। ফ্লোরের সাজসজ্জার কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অফিস সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে আরো দু-একটি বিভাগ নতুন ভবনে আসবে। পর্যায়ক্রমেই চলতি মাসের মধ্যেই কমিশনের সব অফিস নতুন ভবনে নেওয়া হবে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএসইসি নিজস্ব কোনো ভবন পায়নি। দীর্ঘদিন থেকেই মতিঝিলের জীবন বীমা টাওয়ারে কার্যক্রম চলছিল। আগারগাঁওয়ে সরকারের দেওয়া জমিতে নিজস্ব ভবন নির্মাণে স্থায়ী স্থান হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অফিস সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অফিসিয়াল কাজে ব্যাঘাত না ঘটিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিন অফিস সরানোর কাজ চলছে। আগামী মার্চ মাস থেকে পুরোদমে পূর্ণাঙ্গরূপেই কার্যক্রম শুরু করবে সংস্থাটি। মতিঝিলের জীবন বীমা টাওয়ারে গিয়ে দেখা গেছে, কমিশনের অফিসে বিদায়ের সুর। প্রতিটি বিভাগ নিজ নিজ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরানোর প্রক্রিয়া করছে। ফাইলপত্র গোছানো থেকে শুরু করে নেওয়ার প্রক্রিয়া করা হচ্ছে। সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত কমিশনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী। কাজের ফাঁকে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকেই এখানে চাকরি করছি। পরিচিত এই জায়গা ছেড়ে চলে যেতে কষ্টও লাগছে। তবু নিজেদের ভবনে যাওয়ার আনন্দ অন্যরকম। ’ source : kalar kontho
  • পুঁজিবাজারে আইসিবির বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা
    ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) পুঁজিবাজারে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ও এর সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে বেড়েছে ১ হাজার ২৩১ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ফান্ডে ২৫ কোটি ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মাধ্যমে নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ৪৫ কোটি টাকা। এদিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় গেল অর্ধবার্ষিকে পুঁজিবাজারে আইসিবির সমন্বিত নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ৩১৯ কোটি টাকা। গত ৩১ ডিসেম্বর পুঁজিবাজারে সরকারের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটির নিট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৪১ কোটি ৫৮ লাখ ৭৯ হাজার ১৯০ টাকা। কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে আসে।আইসিবির আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধ শেষে (৩১ ডিসেম্বর) শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত নিট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৪১ কোটি ৫৮ লাখ ৭৯ হাজার ১৯০ টাকা, যা ২০১৬ সালের ৩০ জুন ছিল ৯ হাজার ৮৫ কোটি ১৩ লাখ ৯২ হাজার ১৩১ টাকা। ছয় মাসের ব্যবধানে নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯ টাকা। এদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৯৩৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮২ হাজার ২৯৪ টাকা। অর্থাত্ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ৩১৯ কোটি ৭৬ লাখ ৪ হাজার ৭৬৫ টাকা।গত ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৬৪ কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার ৯৮৩ টাকা, ছয় মাস আগে যা ছিল ৮ হাজার ৩৩২ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ৯২৪ টাকা। অর্থাত্ গেল অর্ধবার্ষিকীতে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবি ও তার সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৩১ কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯ টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৮৮৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৯০ টাকা। এ হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ৩৪৪ কোটি ৭৬ লাখ ৪ হাজার ৬৬৯ টাকা।বাংলাদেশ ফান্ডে ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর আইসিবির সমন্বিত মোট বিনিয়োগ দাঁড়ায় ৭৩০ কোটি ৯৯ লাখ ১১ হাজার ৬৯৮ টাকা, যা ২০১৬ সালের ৩০ জুন ছিল ৭০৫ কোটি ৯৯ লাখ ১১ হাজার ৬৯৮ টাকা। এর মানে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ২৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৪৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। অর্থাত্ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ কমেছে ২৪ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।এ বিষয়ে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইফতেখার-উজ-জামান বণিক বার্তাকে বলেন, পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করার জন্যই আমরা ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ বাড়িয়েছি। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হাজার কোটি টাকার বেশি বাড়ানোর পাশাপাশি আমি ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ শুরুর পর পুঁজিবাজারে আইসিবি ও এর সাবসিডিয়ারিগুলোর বিনিয়োগ প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। এ বিনিয়োগ পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে ভূমিকা রেখেছে। তবে বাজার মোটামুটি একটি ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে যাওয়ায় ডিসেম্বরের পর আমরা বিনিয়োগ কিছুটা কমিয়ে এনেছি। এছাড়া ঋণাত্মক ইকুইটির বিও হিসাবধারী গ্রাহকদের সুদ মওকুফও বাজারকে সমর্থন দিয়েছে বলে মনে করেন তিনি। গত বছর আইসিবি ঋণাত্মক ইকুইটির বিওধারীদের মার্জিন ঋণের বিপরীতে পাঁচ বছরের সুদ মওকুফ করেছে। এতে প্রায় ৩০ হাজার বিনিয়োগকারীর ঋণের বোঝা হালকা হয়েছে এবং তারা নতুন উদ্যমে বিনিয়োগে আগ্রহী হয়েছেন।প্রসঙ্গত, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি অনুসারে, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আইসিবি পুঁজিবাজারে ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে প্রথম ছয় মাসে বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। source : bonik barta
  • প্রথমার্ধে মুনাফায় ওটিসির ১৩ কোম্পানি
    দুর্বল মৌল ভিত্তি ও সিকিউরিটিজ আইন পরিপালন না করায় দীর্ঘদিন ধরেই ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে তালিকাভুক্ত রয়েছে বিভিন্ন খাতের ৬৬টি কোম্পানি। এর মধ্যে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা কোম্পানির ৪৩ শতাংশই চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে মুনাফায় দেখাতে সক্ষম হয়েছে।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যমতে, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধের অনিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব বিবরণী প্রকাশ করেছে ৩০টি কোম্পানি। এর মধ্যে মুনাফায় রয়েছে ১৩টি কোম্পানি ও লোকসানে রয়েছে ১৭টি।ডিএসইর তথ্যমতে, আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা কোম্পানিগুলোর মধ্যে মুনাফায় রয়েছে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের প্রথমার্ধে কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭২ পয়সা। হিমাদ্রী লিমিটেডের কর-পরবর্তী মুনাফা ৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ও ইপিএস হয়েছে ৬৩ টাকা ৬১ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে মডার্ন ইন্ডাস্ট্রিজের কর-পরবর্তী মুনাফা ৭৮ লাখ টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৩ টাকা ৬১ পয়সা। এ সময়ে কর-পরবর্তী ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা মুনাফা দেখিয়েছে মোনা ফেব্রিকস। কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩০ পয়সা।পেপার প্রসেসিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এর ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪১ পয়সা। ফনিক্স লেদার কমপ্লেক্সের মুনাফা হয়েছে ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা। প্রথমার্ধে কর পরিশোধের পর ওয়ান্ডার টয়েসের মুনাফা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ইপিএস দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ২ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল শূন্য দশমিক শূন্য ১ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৫৯ পয়সা। এ সময়ে তমিজ উদ্দিন টেক্সটাইল মিলসের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭ হাজার ও ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা। কর পরিশোধের পর সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলের মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা ও ইপিএস হয়েছে ৯৩ পয়সা।এর বাইরে ম্যাক এন্টারপ্রাইজের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৪৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৯৫ টাকা। আগের বছর একই সময়ে এ কোম্পানির মুনাফা ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ইপিএস ছিল ১১ পয়সা। এ সময়ে কর পরিশোধের পর ম্যাক পেপারসের মুনাফা হয়েছে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৫৪ পয়সা। আর লেক্সকো লিমিটেডের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৯৪ পয়সা। এ ছাড়া বাংলাদেশ হোটেলের নিট মুনাফা ৭৭ লাখ টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ১০ পয়সা এবং রহমান কেমিক্যালসের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা।এদিকে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও লোকসান থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি ওটিসি মার্কেটের ২২টি কোম্পানি। এর মধ্যে কয়েকটি কোম্পানির লোকসান কমলেও বেড়েছে অনেক কোম্পানির। চলতি হিসাব-বছরের প্রথমার্ধে লোকসানে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে আলফা টোব্যাকোর নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ৪২ লাখ টাকা। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি ১ টাকা ৪৯ পয়সা লোকসান দেখিয়েছে কোম্পানিটি। এপেক্স ওয়েভিংয়ের কর-পরবর্তী নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ১ টাকা ২৫ পয়সা। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি ৩ টাকা ৮০ পয়সা লোকসান দেখিয়েছে আরবি টেক্সটাইলস। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে কোম্পানিটির নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে লোকসানে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে আল-আমিন কেমিক্যালের কর পরিশোধের পর লোকসান দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ইউসুফ ফ্লাওয়ার মিলসের নিট লোকসান ১ লাখ ১০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ১৯ পয়সা। বিডি ডাইংয়ের কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ৩৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। বিডি জিপারের কর-পরবর্তী নিট লোকসান ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ৮৫ পয়সা। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের নিট লোকসান ২১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা ও বাংলাদেশ লাগেজ ইন্ডাস্ট্রিজের নিট লোকসান হয়েছে ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ১ টাকা ২০ পয়সা।চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে ঈগল স্টার টেক্সটাইলস মিলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৮৪ পয়সা ও কোম্পানিটির মোট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। লোকসানে থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে মোনা ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান ৭ টাকা ৫৬ পয়সা, নিলয় সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি লোকসান ১ টাকা ৫০ পয়সা, পদ্মা প্রিন্টিং অ্যান্ড কালারের শেয়ারপ্রতি লোকসান ১১ পয়সা। source : jaijai din
  • গ্রামীণফোনের স্পট মার্কেটে লেনদেন আজ
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি গ্রামীণফোনের শেয়ার রেকর্ড ডেটের আগে আজ রবিবার থেকে স্পট মার্কেটে লেনদেন হবে। চলবে সোমবার পর্যন্ত। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি। রেকর্ড ডেটের দিন কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। এর অংশ হিসেবেই স্পট মার্কটে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হবে। অর্থনৈতিক রিপোর্টার   source : jonokontho
  • সূচকের সঙ্গে লেনদেন বেড়েছে
    গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সব ধরনের মূল্যসূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন। আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ৪৫ দশমিক ১২ শতাংশ। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, গত সপ্তাহে ৫ হাজার ৩৫০ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার। যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৩ হাজার ৬৮৬ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার। সেই হিসাবে আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ৬৬৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বা ৪৫.১২ শতাংশ।সমাপ্ত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।ডিএসইর সার্বিক সূচক বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৪২ শতাংশ বা ৭৮ দশমিক ২০ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই৩০ সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ২৫ দশমিক ৩২ পয়েন্ট। অপরদিকে শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ বা ২১ দশমিক ২২ পয়েন্টে।সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩৩৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৬টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১২৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির। আর লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির শেয়ার।সূচক বাড়ার কারণে গত সপ্তাহে ডিএসই সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে। আগের সপ্তাহের চেয়ে পিই রেশিও বেড়েছে দশমিক ২৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫২ শতাংশ। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৬ দশমিক ০৫ পয়েন্টে। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১৫ দশমিক ৮১ পয়েন্ট।বিশ্লেষকদের মতে, পিই রেশিও যতদিন ১৫ এর ঘরে থাকে ততদিন বিনিয়োগ নিরাপদ থাকে। সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক ট্রেইলিং পিই রেশিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৪ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ৩০.১ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২২.৬ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ২২.৮ পয়েন্টে, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ২৮.৬ পয়েন্টে, জ্বালানি ও বিদ্যুত খাতে ১৩.৯ শতাংশ, সাধারণ বীমা খাতে ১৫.৭ পয়েন্টে, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ২৬.৬ পয়েন্টে। এছাড়া পাট খাতের পিই রেশিও মাইনাস ১৫.৮ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ৩১.৩ পয়েন্টে, এনবিএফআই খাতে ৩১.২ পয়েন্ট, কাগজ খাতের মাইনাস ১১৫.৮ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৯.৪ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতের ২৩ পয়েন্টে, চামড়া খাতের ২৪.৪ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতে ২০.১ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ২৪.৫ পয়েন্টে এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ২১.৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ৩১৮ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার। তবে সার্বিক সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ২৯৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৬টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ৮০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টির। সোর্স ঃ jonokontho
  • বিশ্ব শেয়ারবাজারে ২১ মাসে সর্বোচ্চ উত্থান
    যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বাড়বে—এমন সম্ভাবনায় আবারও চাঙ্গা বিশ্ব শেয়ারবাজার। গতকাল বুধবার শেয়ারবাজারে সূচক বেড়ে ২১ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে ডলারের দাম, কমেছে সোনা। এ নিয়ে টানা ১১ কার্যদিবস বাড়ল ডলারের দাম। ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ার জেনেট ইয়েলেন আগামী মাসে সম্ভাব্য সুদের হার বৃদ্ধির কথা জানানোর পরই বাজারে এ চাঙ্গাভাব লক্ষ করা যায়।গত মঙ্গলবার এক বক্তব্যে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ার জেনেট ইয়েলেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ইতিবাচক গতিতে এগোচ্ছে, ফলে আগামী মাসে আমাদের যে বৈঠক হবে তাতে সুদের হার বাড়ানো যেতে পারে। এর পরই ওয়ালস্ট্রিট এমএসসিআইয়ের বেঞ্চমার্ক সূচক ০.২৫ শতাংশ বেড়ে হয় ৪৪২.৪ পয়েন্ট, যা ২০১৫ সালের মে মাসের পর থেকে সর্বোচ্চ। একই দিনে ইউরোপের শীর্ষ সূচক এফটিইইউ৩ ০.৪ শতাংশ বেড়ে হয় এক হাজার ৪৬৫ পয়েন্ট, যা ২০১৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে সর্বোচ্চ। জার্মানির ড্যাক্স এবং ব্রিটেনের এফপিএসই উভয় সূচক বাড়ে ০.৫ শতাংশ। ডয়েচে ব্যাংকের বাজার কৌশলী জিম রিড বলেন, বাজার এমনিতেই ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে, তবে এ মুহূর্তে জেনেট ইয়েলেনের বক্তব্যের পর তা আরো চাঙ্গা হয়ে ওঠে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে তিনি যে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। ইয়েলেনের বক্তব্যের জেরে ব্যাংক খাতের শেয়ারের সূচকও বেড়েছে। গতকাল গোল্ডম্যান স্যাকসের শেয়ারের দাম রেকর্ড বেড়ে যায়। এটি গত ৮ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর থেকে এ পর্যন্ত ৩৭ শতাংশ বেড়েছে। রয়টার্স।     
  • ডিএসইর শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচন ২১ মার্চ
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেকহোল্ডার পরিচালক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১ মার্চ। নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. আব্দুস সামাদের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশনের অন্য দুই সদস্য হলেন, হারুন সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হারুন-উর-রশিদ ও এমঅ্যান্ডজেড সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম মনজুর উদ্দিন আহমেদ। বর্তমান শেয়ারহোল্ডার পরিচালক শাকিল রিজভী ও খাজা গোলাম রসূলের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে স্টক এক্সচেঞ্জটির পর্ষদে দুটি পদ শূন্য হচ্ছে।তথ্যানুযায়ী, আগামী ২১ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়া ভোটগ্রহণ চলবে। ডিএসই ভবনের নিচতলায় এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা শেষে সেদিনই ফলাফল জানা গেলেও আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে ডিএসইর ৫৫তম এজিএমে।ডিএসই সূত্রে জানা যায়, শেয়ারহোল্ডার পরিচালক পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী সদস্যদের ২৫ হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য) জমা দিয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে হবে। নির্বাচনে ভোটারদের প্রাথমিক তালিকা ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে এবং যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫টায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমাদান ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এদিন বিকাল ৪টায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে ১৪ মার্চ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।ডিমিউচুয়ালাইজেশনের আইন অনুসারে স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদে মোট ১৩ জন সদস্য থাকেন। এর মধ্যে সাতজন স্বতন্ত্র পরিচালক, চারজন শেয়ারহোল্ডার পরিচালক, একজন কৌশলগত বিনিয়াগকারী পরিচালক ও স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদাধিকারবলে পর্ষদ সদস্য হিসেবে থাকেন। শেয়ারহোল্ডার পরিচালকরা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হন। কারো মেয়াদ শেষ হওয়ার পর শূন্যপদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করে ডিএসই।সর্বশেষ ২০১৬ সালে শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচনের মাধ্যমে ডিএসইর পর্ষদে আসেন স্টক এক্সচেঞ্জটির সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান। source : bonik barta
  • মেঘনা পেট্রোলিয়ামের এজিএম ২৫ ফেব্রুয়ারি
    লভ্যাংশ, নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য এজেন্ডা অনুমোদনের জন্য ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের পাশে একটি হলে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করবে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। সভার রেকর্ড ডেট ছিল ২২ ডিসেম্বর। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আগের বছরের ধারাবাহিকতায় ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের পরিচালনা পর্ষদ। এ সময় কোম্পানিটির মুনাফা কিছুটা কমেছে। এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে ১০ টাকা ১২ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম, এক বছর আগে একই সময়ে যা ছিল ৮ টাকা ৩৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯১ টাকা ২৩ পয়সা।   source : jonokontho
  • বিএসসির এজিএমের তারিখ পরিবর্তন
    লভ্যাংশ ও নিরীক্ষিত প্রতিবেদন অনুমোদনের জন্য ১৯ মার্চ বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় অবস্থিত শহীদ মোহাম্মদ ফজলুর রহমান মুনসী অডিটোরিয়ামে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করার কথা ছিল বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৯ মার্চের পরিবর্তে ২২ মার্চ সভা আয়োজন করা হবে। রেকর্ড ডেট ৬ মার্চ। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে বিএসসির পরিচালনা পর্ষদ। গেল হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৯৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯২ পয়সা। ৩০ জুন শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ৬১০ টাকা। ২০১৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরেও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় বিএসসি। ডিএসইতে মঙ্গলবার সর্বশেষ ৬১০ টাকায় বিএসসির শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক বছরে এ শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ছিল ৬২৫ টাকা ও সর্বনিম্ন ২৮৫ টাকা। ১৯৭৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৪০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৩৬ লাখ ১৯ হাজার ২০০, যার অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে ৫২ দশমিক ১ শতাংশ সরকারের হাতে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২১ দশমিক ২০ ও বাকি ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। source : jonokontho
View All
Latest DSE News
  • 1STPRIMFMF

    Trading of the units of the Fund will resume on 23.02.2017 after record date.

  • GP

    Trading of the shares of the Company will resume on 23.02.2017 after record date.

  • EXCH

    The 205th Edition (February 1-15, 2017) of Fortnightly Capital Market has been published. Investors and any other interested person may collect copies of the same from DSE Reception or DSE Sales Center at 9/F and 9/E (7th Floor), Motijheel C/A, Dhaka-1000 respectively. Mob: 01713-425810, Ph: 9564601, 9576210-18, Ext-106,188, 249. This book is also available at DSE Chittagong Office at Shafi Bhaban (2nd Floor), Agrabad C/A, Chittagong, Sylhet Office at RN Tower (5th &amp; 6th Floor), Chowhatta, Sylhet-3100.

  • FUWANGCER

    The Company has informed that Mr. Javed Opgenhaffen has been elected as the Chairman of the Company.

  • ICB1STNRB

    ICB Asset Management Company Ltd. has informed that the trustee committee of the Fund has decided the following: &quot;As the Fund will complete its 10 years tenure on March 20, 2017, the fund will be winded up as per the 'Securities and Exchange Commission (Mutual Fund) Regulation, 2001 '. The subsequent winding up process will be accomplished as per relevant Rules and Regulations of 'Securities and Exchange Commission (Mutual Fund) Regulation, 2001 '.&quot;

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PADMAOIL 256.90 236.30 20.60 8.72
LANKABAFIN 59.80 56.30 3.50 6.22
FORTUNE 62.10 59.00 3.10 5.25
GPHISPAT 44.40 42.20 2.20 5.21
PREMIERCEM 94.80 91.00 3.80 4.18
SALVOCHEM 20.60 19.80 0.80 4.04
BEXIMCO 33.70 32.40 1.30 4.01
ENVOYTEX 40.80 39.30 1.50 3.82
DSSL 22.40 21.60 0.80 3.70
MALEKSPIN 23.30 22.50 0.80 3.56

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297