Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
MODERNDYE 308.3 231.4 76.90 33.23
CONTININS 15.9 12.2 3.70 30.33
KAY&QUE 29.8 24.4 5.40 22.13
APEXFOODS 155.1 127.7 27.40 21.46
FEDERALINS 11.4 9.5 1.90 20.00
RAHIMTEXT 359.8 300.1 59.70 19.89
BDAUTOCA 44.5 38.5 6.00 15.58
CITYGENINS 12.3 10.8 1.50 13.89
SEMLLECMF 10.5 9.4 1.10 11.70
REPUBLIC 13.4 12.3 1.10 8.94

Contest SB2016_Aug

1st
blank_person
CCHANDAN
2nd
blank_person
IMRANKSL
3rd
blank_person
SHOHAG6610
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
ISLAMIBANK 29.1 28.6 1.39728 696094.00
BXPHARMA 82.9 81.2 1.13972 4118530.00
BATBC 2447.4 2436.6 1.12477 20524.00
IFIC 17 16 0.97866 3338350.00
GPHISPAT 28.8 27.8 0.54130 3130760.00
Negative impact
RENATA 1103.7 1118.9 -1.39710 17391.00
OLYMPIC 300.2 303.6 -1.12376 393882.00
ICB 105 105.8 -0.87873 74927.00
DESCO 55.1 55.9 -0.55207 82121.00
NTLTUBES 129.4 142.5 -0.54080 1321640.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BXPHARMA 82.9 83 81.4 2.09% 338.98
SPCL 158.5 162.7 157.7 0.70% 320.31
SQURPHARMA 264.4 265 261.6 -0.04% 216.78
DBH 112.6 113 110.7 2.09% 213.36
NTLTUBES 129.4 144.7 128.3 -9.19% 179.99
DOREENPWR 63.4 63.8 61.5 3.59% 133.80
IDLC 61.7 62.7 61.4 0.49% 121.54
OLYMPIC 300.2 307 299.8 -1.12% 118.73
FARCHEM 27.8 29.1 27.5 0.00% 105.05
MJLBD 111.9 114 111.6 -1.24% 101.40

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 30 Aug 2016

110832
TOTAL TRADE
127.0115
TOTAL VOLUME(Mn)
5311.33
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ব্যাংক সুদের হার কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৎপরতা বাড়ানোর পরামর্শ
    সিনিয়র রিপোর্টার : সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রের সুদের হার কমানোর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৎপরতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। মঙ্গলবার সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি শওকত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পরামর্শ দেয়া হয়। কমিটি সদস্য নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এবং মুহিবুর রহমান মানিক সভায় অংশ নেন। সভায় কমিটির ২৪তম বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি নির্দেশিত সিদ্ধান্তগুলোর অগ্রগতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিট আপত্তিগুলো দ্বিপাক্ষিক ও ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তি করার তাগিদ দেয়া হয়। সভায় উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের কাজকে সহজীকরণের স্বার্থে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে সুদের হার কমানোর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরো তৎপর হওয়ার সুপারিশ করা হয়। সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের হিসাব থেকে খোয়া যাওয়া সমুদয় অর্থ উদ্ধার করে ফিলিপাইন্স থেকে দেশে ফেরত আনার লক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং এ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এসব উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় খোয়া যাওয়া অর্থের একটি অংশ দ্রুত দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে। সভায় আরো জানানো হয়, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয় এবং আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি গভর্নেন্স ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট (আন্তর্জাতিক পরামর্শক) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তার সমন্বিত প্রয়াস বর্তমান আইটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে উপযুক্ত আইটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংস্কার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তা বাস্তবায়ন করা হবে।
  • সামিট পাওয়ার ‘নাটকীয়তায়’ মূলধন বৃদ্ধির আবেদন
    স্টাফ রিপোর্টার : জ্বালানি খাতের কোম্পানি সামিট পাওয়ার লিমিটেড মূলধন বাড়ানোর আবেদন করেছে। গত ২৮ আগস্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) আবেদন করেছে কোম্পানিটি। মূলধন বাড়ানোর অনুমতি পেলে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন স্থগিত সংক্রান্ত জটিলতার অবসান হতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সামিট পাওয়ার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা দরে ১৯ কোটি ১৮ লাখ ৭৬ হাজার ৫১৮ টি শেয়ার ইস্যু করে ১৯১ কোটি ৮৭ লাখ ৬৫ হাজার ১৮০ টাকা মূলধন বাড়াতে চায়। সামিট পাওয়ারের সঙ্গে গ্রুপের তিন কোম্পানি একীভূতকরণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া জটিলতায় উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে বন্ধ আছে কোম্পানির লেনদেন। একই সঙ্গে বিএসইসি ও উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ গঠন করেছে আলাদা তদন্ত কমিটি। এর আগে গত বুধবার সামিট পাওয়ারের একীভূতকরণ নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন বিএসইসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন নিজামী। এতে বিএসইসি, ডিএসই, সিএসই ও সিডিবিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করে। পরে ওই দিন রাত্রে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ সামিট পাওয়ারের লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে। বিএসইসির অভিযোগ, কোম্পানিটি একীভুতকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধিবিধান সঠিকভাবে অনুসরণ করেনি। বিশেষ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে কোম্পানিটি মূলধন বাড়ানোর অনুমতি নেয়নি। কিন্তু কোম্পানি দুটি একীভূত হওয়ার কারণে সামিট পাওয়ারের নিশ্চিতভাবেই বাড়বে। তাই একীভুতকরণ সম্পন্ন করার আগেই মূলধন বাড়ানোর অনুমতি নেওয়া অপরিহার্য। গত শুক্রবার সামিট ইস্যুতে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি করে বিএসইসি। ৪ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির প্রধান করা হয়েছে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল আলমকে। বাকি ৩ সদস্য হলেন পরিচালক মনসুর রহমান, মোহাম্মদ রেজাউল করিম ও উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম মজুমদার। কমিটিকে আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। জানা গেছে, ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২২৮ ও ২২৯ ধারা অনুসারে উচ্চ আদালতে ৩ কোম্পানিকে সামিট পাওয়ারের সঙ্গে একীভূতকরণের অনুমোদন চাওয়া হলে শর্তসাপেক্ষে গত ১৪ জুলাই সামিট গ্রুপের ৩ কোম্পানির একীভূতকরণের চূড়ান্ত অনুমতি দেন হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমদের বেঞ্চ। এর আগে বিধি মোতাবেক বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ারহোল্ডার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিরও অনুমোদন নেয় কোম্পানি দুটি। সামিট পূর্বাঞ্চলের একটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৩০৯টি শেয়ার পাবেন শেয়ারহোল্ডাররা। সামিট উত্তরাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানির একটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৬৬৮টি এবং সামিট নারায়ণগঞ্জ পাওয়ারের একটি শেয়ারের বিপরীতে সামিট পাওয়ারের ১ দশমিক ৪৭৫টি শেয়ার দেওয়া হয়। ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডকে মঙ্গলবার বাজার থেকে থেকে তালিকাচ্যুত (ডি-লিস্টেড) করার সিদ্ধান্ত নেয় দুই স্টক এক্সচেঞ্জ।
  • বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণে মালয়েশীয় কোম্পানির সাথে পাওয়ার গ্রিডের চুক্তি
    সিনিয়র রিপোর্টার : নীলফামারী ও বগুড়ায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন ৪০ কিলোমিটার  বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি)। অনুষ্ঠানে পিজিসিবির পক্ষে কোম্পানি সচিব আশরাফ হোসেন এবং এইচজি পাওয়ারের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট রিষাভ খৈতান চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। সঞ্চালন লাইন নির্মাণে মঙ্গলবার সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে মালয়েশিয়ার এইচজি পাওয়ার ট্রান্সমিশনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করে পিজিসিবি। আগামী ২০ মাসের মধ্যে এই নির্মাণকাজ শেষ করা হবে। চুক্তিপত্র অনুযায়ী, নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে জলঢাকা পর্যন্ত ৩৮ কি.মি. দূরত্বে ১৩২ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন এবং বগুড়ায় পলাশবাড়ী থেকে মহাস্থানগড় পর্যন্ত দুই কিমি দূরত্বে ফোর সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এইচজি পাওয়ার টার্নকি পদ্ধতিতে এ কাজ সম্পন্ন করে পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে। কাজটির চুক্তিমূল্য ৩২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। জাইকা, বাংলাদেশ সরকার এবং পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে। জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন গ্রিডের সক্ষমতা বাড়াতে পিজিসিবির গৃহীত ‘ন্যাশনাল পাওয়ার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট (এনপিটিএনডি)’ প্রকল্পের আওতায় এই নতুন লাইন নির্মাণকাজ করা হচ্ছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে পিজিসিবি ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম আলবেরুনী, নির্বাহী পরিচালক (ওঅ্যান্ডএম) এমদাদুল ইসলাম, নির্বাহী পরিচালক (এইচআর) শফিকউল্লাহ, নির্বাহী পরিচালক (অর্থ) পরেশ চন্দ্র রায়, প্রধান প্রকৌশলী (প্রকল্প) ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, প্রকল্প পরিচালক মাহবুব আহমেদ এবং এইচজি পাওয়ারের ওভারসিস ডিরেক্টর হেমন্ত কুমার খৈতানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
  • মেয়াদ বাড়ল স্বপন কুমার বালার
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার হিসেবে অধ্যাপক স্বপন কুমার বালার মেয়াদ আরও ২ বছর বাড়ানো হয়েছে। সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর আগে গত ১৮ এপ্রিল তাকে ২ বছরের চুক্তিতে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। [caption id="attachment_43523" align="alignleft" width="295"] অধ্যাপক স্বপন কুমার বালা[/caption] উপ-সচিব মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক স্বপন কুমার বালাকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে কর্ম সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে নিয়োগের তারিখ হতে পরবর্তী ৪ বছর মেয়াদে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো। উল্লেখ্য, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক এ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা করছেন। এছাড়া প্রফেশনাল কস্ট অ্যাকাউনটেন্টদের প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এর কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
  • ঈদুল আযহার ছুটি ৫ দিন
    স্টাফ রিপোর্টার : পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আগামী ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পুঁজিবাজার ৩দিন বন্ধ থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে পাওয়া শুক্রবার এবং শনিবার অর্থাৎ ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর মিলে ৫ দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীরা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে মঙ্গলবার রাতে এমন তথ্য জানা গেছে। ডিএসইর বিশেষ সূত্র জানায়, শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি মিলে ঈদে মোট ৫ দিন স্টক এক্সচেঞ্জ বন্ধ থাকবে। ডিএসইতে ১৪ সেপ্টেম্বর, বুধবার থেকে যথারীতি কর্মদিবস শুরু হবে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ ‘ছুটি সম্পর্কে’ এখনো কিছু জানায়নি।
  • আইএফআইসি ব্যাংক গেইনারের শীর্ষে
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার টপটেন গেইনারের শীর্ষে রয়েছে আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড। মঙ্গলবার শেয়ারটির দর বেড়েছে ১ টাকা ১০ পয়সা বা ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এটিই ছিল মঙ্গলবার ডিএসইতে কোনো কোম্পানির সর্বোচ্চ দর। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, শেয়ারটি মঙ্গলবার সর্বশেষ ১৭ টাকা ১০ পয়সা দরে লেনদেন হয়। এদিন ব্যাংকটি ১ হাজার ১৩৪ বারে ৩৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩৪৬টি শেয়ার লেনদেন করে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলসের ৮০ পয়সা বা ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ দর বেড়েছে। মঙ্গলবার শেয়ারটি সর্বশেষ ১৭ টাকা ২০ পয়সা দরে লেনদেন হয়। এদিন কোম্পানিটি ৭৪৩ বারে ২০ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫টি শেয়ার লেনদেন করে। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৭০ পয়সা বা ৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ দর বেড়েছে। গেইনার তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- জিপিএইচ ইস্পাত, ডরিন পাওয়ার, গ্রীনডেল্টা মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, বিডিকম অনলাইন ও আইএফআইএল ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান।
  • ন্যাশনাল টিউবস পরিদর্শন জামিল গ্রুপের
    স্টাফ রিপোর্টার : ন্যাশনাল টিউবস কোম্পানি গত ১ আগস্ট সৌদি আরবের আল জামিল গ্রুপের একটি প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করেছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, অনলাইন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএসই গত ২১ আগস্ট কোম্পানিকে চিঠি পাঠায়। এর জবাবে কোম্পানিটি জামিল গ্রুপের পরিদর্শনের কথা জানায়। তবে জামিল গ্রুপ আবারও ন্যাশনাল টিউবস পরিদর্শন করবে কিনা এ বিষয়ে কোম্পানিটি জানে না। অন্যদিকে, বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন (বিএসইসি) জানিয়েছে চায়নার সিনোস্টিল মেটালস রিসোর্স কোম্পানির প্রতিনিধি দল স্টিল ফ্যাক্টরি পরিদর্শনের সম্ভবনা রয়েছে। তবে তারা এখনো কারখানা পরিদর্শন করেনি। প্রসঙ্গত, স্টিল, এয়ারকন্ডিশন, প্লাস্টিক, রাসায়নিক পদার্থ, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতে বহুজাতিক আল জামিল গ্রুপের বিনিয়োগ রয়েছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর আগে বিনিয়োগ সুবিধা, কর নীতি এবং সরকার অন্যান্য উদ্যোগের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছে কোম্পানিটি।
  • ৩১ আগস্ট বিডি থাইয়ের লেনদেন বন্ধ
    স্টাফ রিপোর্টার : রেকর্ড ডেটের কারণে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের লেনদেন বুধবার (৩১ আগস্ট) বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, এর আগে কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন স্পট মার্কেটে এবং ব্লক/অডলটে শুরু করেছিল; যা মঙ্গলবার সম্পন্ন হয়। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কোম্পানিটি আবার স্বাভাবিক লেনদেন শুরু করবে পুঁজিবাজারে।
  • ৩১ আগস্ট এসইএমএল লেকচার ফান্ড স্পটে যাচ্ছে
    স্টাফ রিপোর্টার : এসইএমএল লেকচার ইক্যুয়িটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ডের ইউনিট রেকর্ড ডেটের আগে বুধবার (৩১ আগস্ট) থেকে স্পট মার্কেটে লেনদেন হবে। লেনদেন চলবে আগামী বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, ফান্ডটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী রোববার (৪ সেপ্টেম্বর)। ওইদিন ফান্ডটির ইউনিট লেনদেন বন্ধ থাকবে। এর অংশ হিসেবেই দুই দিন স্পট মার্কেটে ফান্ডটির ইউনিট লেনদেন হবে।
  • উত্তরা ফিন্যান্সের পরিচালক মেয়েকে শেয়ার উপহার দিলেন
    স্টাফ রিপোর্টার : উত্তরা ফিন্যান্সের পরিচালক রাশিদুল হাসান পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মেয়েকে শেয়ার উপহার দিয়েছেন।ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, রাশিদুল হাসান তার মেয়ে নুসাবা রশিদকে ২ লাখ শেয়ার উপহার হিসাবে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এই পরিচালক পূর্বঘোষণা অনুযায়ী স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন সিস্টেমের বাইরে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার তার মেয়েকে উপহার দিয়েছেন।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • নয় মিউচ্যুয়াল ফান্ড স্পট মার্কেটে যাচ্ছে আজ
    আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির পরিচালিত ৯টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট রেকর্ড ডেটের আগে আজ সোমবার থেকে স্পট মার্কেটে লেনদেন হবে। লেনদেন চলবে আগামী ৩০ আগস্ট, মঙ্গলবার পর্যন্ত। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।ফান্ডগুলো হচ্ছে- আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইসিবি এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান: স্কীম ওয়ান, প্রাইম ব্যাংক ফার্স্ট আইসিবি এএমসিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফিনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইসিবি এএমসিএল থার্ড এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইএফআইএল ইসলামিক-১ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড।এই ফান্ডগুলোর রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩১ আগস্ট, বুধবার। ওইদিন ফান্ডগুলোর ইউনিট লেনদেন বন্ধ থাকবে। এর অংশ হিসেবেই দুই দিন স্পট মার্কটে ফান্ডগুলোর ইউনিট লেনদেন হবে। source : sanbad
  • টানা ছয়দিন দরপতন
    টানা ছয়দিন পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে ধীরে ধীরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক কিছুটা বেড়েছে। এখন ধীরে ধীরে দরপতন হচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে উত্থান-পতন দুই-ই থাকে। কয়েক মাস ধরে ধীরে ধীরে বাজারে সূচক বেড়েছে। তাই অনেক কোম্পানিতে মুনাফা তুলে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। যার সুযোগ নিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। আর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা থেকেই সূচকের কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। তাছাড়া সামনে ঈদুল আজহা। আর ঈদুল আজহা উপলক্ষে অনেকে কিছু টাকা তুলে নিচ্ছেন। এতে কিছুটা বিক্রয় চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটা সব সময়ই হয়। এজন্যই এখন বাজারে সূচক কিছুটা কমছে। আর এই বাজারে আশার দিক হলো লেনদেন। গত কয়েকদিন ধরেই ডিএসইতে লেনদেন হচ্ছে চারশ থেকে পাঁচশ কোটি টাকা। এ ধরনের প্রবণতা বাজারের জন্য ইতিবাচক।গতকাল সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১৯ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১০৩ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৭৪০ পয়েন্টে। এ নিয়ে টানা ছয়দিন ডিএসইর সার্বিক মূল্য কমলো। এদিকে গতকাল ডিএসইতে ৪৬৫ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে; যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩০ কোটি ৬১ লাখ টাকা কম। গত বুধবার ডিএসইতে ৪৯৬ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। গতকাল সিএসইতে ২৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৯০৯ পয়েন্টে।গতকাল টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে এমজেএল বাংলাদেশের শেয়ার। কোম্পানিটির ২৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল টিউবসের ২৪ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৬ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক। লেনদেনে এরপর রয়েছে শাহজিবাজার পাওয়ার, একমি ল্যাবরেটরিজ, এপেক্স ট্যানারি, মিথুন নিটিং, আল-হাজ্ব টেক্সটাইল, কেয়া কসমেটিকস ও বিএসআরএম লিমিটেড। source : Ittafaq
  • ব্যাংক ব্যবস্থা : ঋণ অবলোপন বনাম মওকুফ
    ব্যাংকের মন্দ ঋণ অবলোপন বিষয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট থেকে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রের তথ্য ও পরিসংখ্যান নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় বহুবিধ প্রতিবেদন ও মতামত প্রকাশিত হচ্ছে। ব্যাংকগুলো অবলোপনের মাধ্যমে মন্দ ঋণ কৌশলে আড়াল করার চেষ্টা করছে, আমানতকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে বেশুমার ঋণ অবলোপন করা হচ্ছে, ঋণ অবলোপন বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের ব্যাংকিং খাত ঝুঁকির মুখে পড়ছে—এজাতীয় বিভিন্ন রকম বিশ্লেষণ উঠে আসছে। নানাবিধ মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে এ বিষয়ে কিছু আলোকপাত করা প্রয়োজন।মূলত সব ধরনের ব্যবসাতেই অনাদায়ি পাওনার ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হয়, সেটা ব্যাংকিং বা অন্য যেকোনো ব্যবসাই হোক না কেন। পাওনা আদায়ের ব্যবস্থা জোরদার না হলে যেকোনো ব্যবসাই বড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে, এমনকি লাটে উঠতেও পারে। পাওনা আদায়ের জন্য সম্ভাব্য সব পন্থা অবলম্বন করার পরও যদি দেখা যায় আদায়ের সব পথ রুদ্ধ, তাহলে সেই পাওনা অবলোপন করা যায়, এটি বিশ্বব্যাপী হিসাববিজ্ঞানের স্বীকৃত একটি পন্থা। এই ব্যবস্থার দুটি উদ্দেশ্য থাকে: একটি অবশ্যই স্থিতিপত্র বা ব্যালেন্স শিটকে অনাদায়ি পাওনার ভারমুক্ত করা, অন্যটি অনাদায়ি পাওনার বিপরীতে আয়কর রেয়াত পাওয়া। কারণ, ঋণ অবলোপন করা ব্যবসায়িক লোকসান; লোকসানের বিপরীতে আয়কর প্রযোজ্য হয় না। তবে পরবর্তী সময়ে অবলোপন করা পাওনা যদি আংশিকভাবেও আদায় করা সম্ভব হয়, সে ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে আয়কর প্রযোজ্য হবে। এটিও আইনসিদ্ধ ব্যবস্থা। একই ব্যবস্থা ও নীতিতে ব্যাংকের আদায়-অযোগ্য খেলাপি ঋণ অবলোপন করার জন্য বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুস্পষ্ট বিধান ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা আছে। কারণ, বছরের পর বছর ধরে আদায়-অযোগ্য ঋণের হিসাব বহন করে ব্যালেন্স শিটের আকার ভারী করার মধ্যে কোনো বাস্তবতা নেই, বরং অনাদায়ি ঋণ ও তার বিপরীতে সংস্থানের পাহাড় গড়া একধরনের কৃত্রিম স্ফীতি। সুতরাং ব্যালেন্স শিটকে নির্ভার রাখতেই অন্য সব ব্যবসার মতো ব্যাংকের ঋণ অবলোপনের বিধান করা হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০০২ সালের আগে মন্দ ঋণ অবলোপন করার কোনো সুস্পষ্ট নীতিমালা ছিল না। অধ্যাপক ওয়াহিদউিদ্দন মাহমুদের নেতৃত্বে সরকারের ব্যাংকিং রিফর্ম কমিটি ২০০২ সালে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মন্দ ঋণ অবলোপন করাসহ কিছু নির্দেশনা-সংবলিত সুপারিশ দেয়। সেসব বাস্তবায়নের জন্য অবলোপনের পরও ঋণখেলাপির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাতে অব্যাহত রাখা যায়, সে জন্য ব্যাংকিং কোম্পানি আইনেও আনতে হয় প্রয়োজনীয় সংশোধনী। এসব সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকিং খাতের প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা খেলাপি ঋণের মধ্যে ১৪ হাজার কোটি টাকা অবলোপনযোগ্য হয়। এর আগে ২০০০ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত খেলাপি ঋণের হার ছিল যথাক্রমে ৩৫, ৩১, ২৮ ও ২২ শতাংশ। ২০০৩ সালের নির্দেশনা পালন করে অবলোপন করার পর ২০০৪ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে এই হার নেমে আসে যথাক্রমে ১৮, ১৪ ও ১৩ শতাংশে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার কোটি টাকা। উল্লেখ্য, এই অঙ্ক অবলোপনকৃত ঋণ বাদ দিয়ে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত অবলোপন করা ৪০ হাজার কোটি টাকার পুঞ্জীভূত ঋণ যোগ করলে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখÿ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের হার ১০ দশমিক ০৬ শতাংশ, কিন্তু অবলোপনকৃত ঋণ যোগ করলে এই হার দাঁড়াবে ১৭ শতাংশ। সুতরাং লক্ষণীয়, অবলোপন করা ঋণ বাদ দিলে খেলাপি ঋণের হার কম দেখায়।এসব কারণে ব্যাংকের ঋণ অবলোপন করা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা যায়। সাধারণ মানুষ কেবল নয়, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা যে ঋণ অবলোপন করা মানে কৌশলে মন্দ ঋণকে আড়াল করার চেষ্টা। কিন্তু ব্যাপারটা ঠিক সে রকম নয়। ঋণ অবলোপন করা হলেও সেই ঋণ আদায়ের সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হয়। অর্থাৎ, অবলোপন মানে মওকুফ বা অব্যাহতি নয়। অবলোপনকৃত ঋণগ্রহীতা সেই ঋণ আদায় না হওয়া পর্যন্ত দায়মুক্তি পান না। বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ অবলোপন বিষয়ে ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে জারি করা সার্কুলারের মাধ্যমে যে নির্দেশনা জারি করেছে, তার শর্তগুলো লক্ষ করলেই বিভ্রান্তিটা ¯দূর হতে পারে। শর্তগুলো এ রকম: ১. মন্দ বা ক্ষতিজনক মানে শ্রেণীকৃত হয়েছে এ রকম ঋণ যেকোনো সময় অবলোপন করা যাবে, তবে এই শ্রেণীকরণের পর পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে এবং ১০০ শতাংশ সংস্থান করা হয়েছে এ রকম ঋণ অবশ্যই অবলোপন করতে হবে। এমনকি কোনো ঋণের বিপরীতে পূর্ণ সংস্থান করা না থাকলেও চলতি বছরের আয় থেকে তা পূরণ করে অবলোপন করা যাবে। ২. অবলোপনের আগে ঋণগ্রহীতার বিরুদ্ধে অবশ্যই মামলা করতে হবে (পরবর্তী সময়ে ৫০ হাজার টাকার কম ঋণ অবলোপনের জন্য মামলা করার বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছে।)। ৩. অবলোপন করা ঋণ আদায়ের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। ৪. অবলোপনকৃত ঋণ আদায়ের জন্য পৃথক ইউনিট গঠন করতে হবে। ৫. অবলোপন করা হলেও সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতা খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবেন এবং সিআইবিতে তা যথানিয়মে রিপোর্ট করতে হবে। ৬. অবলোপনকৃত ঋণের হিসাব পৃথক লেজারে সংরক্ষণ করতে হবে এবং ব্যাংকের বার্ষিক রিপোর্টে ক্রমপুঞ্জীভূত ও চলতি বছরের অবলোপনকৃত ঋণের হিসাব প্রকাশ করতে হবে। ৭. ব্যাংকের পরিচালক কিংবা সাবেক পরিচালক এবং তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণ বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া অবলোপন করা যাবে না। এ প্রসঙ্গে একটি তথ্য জানিয়ে রাখা উচিত যে গৃহীত ঋণের আসল অংশটুকু কখনোই কোনো অবস্থাতেই মওকুফ কিংবা ছেড়ে দেওয়া যায় না। ঋণের আসল আদায়ের জন্য অবলোপন করা হলেও ব্যাংকগুলোকে আসল আদায়ের জন্য কেয়ামত পর্যন্ত লড়ে যেতে হবে।এত সব নির্দেশ ও নীতিমালার ফাঁক গলিয়ে অবলোপনকৃত ঋণ হিসাব আড়াল করা আদৌ সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত, অবলোপন করা ঋণ আদায় করা যাচ্ছে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার দুঃসংবাদটা জনগণের কাছ থেকে লুকাতে চায় কিংবা ঋণখেলাপি রাঘব বোয়ালদের গণরোষ থেকে আড়াল করতে চায়—এজাতীয় ঢালাও মন্তব্যও অভিপ্রেত নয়। ঋণ অবলোপনের এই বিতর্কে যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নরও। তিনি এই অবলোপনকে একধরনের ‘কেলেঙ্কারি’ বলে মনে করেন, কারণ ছোট গ্রহীতাদের মাফ করা না হলেও বড় গ্রহীতাদের ঋণ অবলোপন করা হচ্ছে। এ বিষয়টি ব্যাখ্যার দাবি রাখে। বড় গ্রহীতাদের ঋণ অবলোপন করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযান কোনো কিছুই শিথিল করার কোনো সুযোগ নেই। ব্যাংক যদি ঋণ অনুমোদনে কোনো ধরনের শৈথিল্য না দেখায় এবং অবলোপনের সব পূর্বশর্ত পালন করে, তাহলে এটিকে স্বাভাবিক নিয়মে ব্যবসায়িক ক্ষতি হিসেবে গণ্য করা যায়। সুতরাং পরিণতিহীন ঋণ হিসাব ব্যালেন্স শিটে ধরে রেখে সম্পদ স্ফীত করে না দেখিয়ে অবলোপন করে ফেলাই স্বাস্থ্যপ্রদ। ২০০৩ সালের আগে ব্যাংকগুলোর সামনে কোনো নীতিমালা না থাকায় তাদের ব্যালেন্স শিটের সম্পদ অংশ ছিল কৃত্রিমভাবে অতিমূল্যায়িত।তবে অবলোপনের আপাতত সুফল যেমনই হোক না কেন, এটির সমালোচনাকারীদের যুক্তি অনেক ভারী ও সংগত। প্রথমত, ঋণ অবলোপনের কারণে সরকারের কর আদায় বাধাপ্রাপ্ত হয়, কারণ ব্যাংকগুলো অবলোপনের কারণে সৃষ্ট ব্যবসায়িক ক্ষতির জন্য কর অব্যাহতি পায়, ফলে সরকারের কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয় না। দ্বিতীয়ত, ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা বঞ্চিত হন লভ্যাংশ থেকে, কারণ অবলোপনের প্রথম শর্তই হচ্ছে মুনাফা থেকে সরিয়ে মন্দ ঋণের বিপরীতে সংস্থান সৃষ্টি করা। এতে বার্ষিক লভ্যাংশের হার কমে যায়। (তবে অবলোপন করা না হলেও ‘মন্দ’ শ্রেণিভুক্ত ঋণের বিপরীতে পূর্ণ সংস্থান করতে হয় বলে বার্ষিক লভ্যাংশের হার ক্ষতিগ্রস্ত হয়) তৃতীয়ত, ব্যাংকের সুদের হারের ওপরও অবলোপনের বিরূপ প্রভাব পড়ে। অনাদায়ি মন্দ ঋণের পরিমাণ বেশি হলে ব্যাংকের তহবিল খরচ (কস্ট অব ফান্ড) বেশি থাকে, ফলে আমানতের ওপর কম সুদ ও ঋণের ওপর সুদের হার বাড়াতে হয়। এতে আমানতকারী ও ঋণগ্রহীতা উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হন।ঋণ অবলোপনের এসব বিরুদ্ধচারিতা মোকাবিলা করার জন্য ব্যাংকগুলোকে সচেতন থাকতে হবে, যাতে অবলোপনের মতো চরম ব্যবস্থা না নিতে হয়। ঋণ অবলোপনের যত কিছুই পূর্বশর্ত থাকুক না কেন, এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে অবলোপনের পর ব্যাংকের ঋণ আদায়কারীদের দৃষ্টি অবলোপনকৃত ঋণ থেকে দূরে সরে যায়। উপরন্তু ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার নির্ণয় করার সময় অবলোপন করা ঋণ হিসাবে ধরা হয় না বলে খেলাপি হার বাস্তব অবস্থার চেয়ে কম প্রতিভাত হয়। এটি ব্যাংকগুলোকে একধরনের আত্মতৃপ্তি দেয়, ফলে খেলাপি ঋণ আদায়ে ব্যাংকের উদ্যোগে শিথিলতা আসে। দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের হার প্রকাশের সময় যাতে অবলোপনকৃত ঋণও গণনা করা হয়, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা উচিত। আন্তর্জাতিক মানেও খেলাপি ঋণের হারের সঙ্গে অবলোপনকৃত ঋণের হার যোগ করা হয়, যাতে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের প্রকৃত অবস্থা প্রতিফলিত হয়। অবলোপনকৃত ঋণ বাদ দিলে খেলাপি ঋণের হার কম দেখায় বটে, কিন্তু তাতে খেলাপি ঋণের বাস্তব চিত্র পাওয়া যায় না।বাস্তবতা হচ্ছে, অবলোপনের মতো চরম ব্যবস্থা যাতে নিতে না হয়, তার জন্য ব্যাংকগুলোর ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে, ঋণ ঝুঁকি বিভাগকেও এই স্বাধীনতার সদ্ব্যবহার করতে হবে। তবে বৃহৎ করপোরেট, ক্ষুদ্র ও মাঝারি তথা এসএমই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঋণ ঝুঁকি নির্ধারণে পার্থক্য চিহ্নিত করতে হবে, যাতে এসএমই খাতের ঋণগ্রহীতারা বঞ্চিত না হন। এই ভারসাম্য রক্ষা করে সঠিক মূল্যায়ন করা হলে অবলোপনের মতো চরম ব্যবস্থা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া সম্ভব।ফারুক মঈনউদ্দীন: লেখক ও ব্যাংকার৷ source : prothom-alo
  • রপ্তানি বাণিজ্যে সাফল্যের স্বীকৃতি পেল ১১৩ প্রতিষ্ঠান
    ২০১১-১২ ও ২০১২-১৩ অর্থবছরে রপ্তানি বাণিজ্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় দেশের কীর্তিমান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল রবিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় রপ্তানি ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি ১১৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান করেন।বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েত উল্লাহ আল মামুন, এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মাফরুহা সুলতানা বক্তব্য দেন।অনুষ্ঠানে ২০১১-১২ এবং ২০১২-১৩ অর্থবছরের জন্য সর্বমোট ৫২টি স্বর্ণ, ৩৭টি রৌপ্য এবং ২৪টি ব্রোঞ্জ ট্রফি ও সনদ প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ২০১১-১২ অর্থবছরের জন্য ২৪টি প্রতিষ্ঠান স্বর্ণ, ১৮টি প্রতিষ্ঠান রৌপ্য ও ৯টি প্রতিষ্ঠান ব্রোঞ্জ ট্রফি অর্জন করে। ২০১২-১৩ অর্থবছরের জন্য ২৬টি প্রতিষ্ঠান স্বর্ণ, ১৯টি প্রতিষ্ঠান রৌপ্য ও ১৫টি প্রতিষ্ঠান ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।২০১১-১২ অর্থবছরের স্বর্ণপদক অর্জন করেছে হা-মীম গ্রুপের রিফাত গার্মেন্ট, স্কয়ার ফ্যাশনস, স্কয়ার টেক্সটাইলস, নোমান উইভিং, জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস, অ্যাপেক্স ফুডস, পপুলার জুট এক্সচেঞ্জ, আকিজ জুট, অ্যাপেক্স ট্যানারি, পিকার্ড বাংলাদেশ, এফবি ফুটওয়্যার, অ্যাগ্রি কনসার্ন, প্রাণ এক্সপোর্টস, রাজধানী এন্টারপ্রাইজ, কারুপণ্য রংপুর, বেঙ্গল প্লাস্টিক, ফার সিরামিকস, ইউনিগ্লোরি সাইকেল, তানভীর পলিমার, বেক্সিমকো ফার্মা, সার্ভিস ইঞ্জিন, ইউনিভার্সেল জিনস, শাশা ডেনিমস এবং মন ট্রিমস।রৌপ্যপদক পেয়েছে অনন্ত অ্যাপারেলস, জিএমএস কম্পোজিট, মোশারফ কম্পোজিট, এনভয় টেক্সটাইল, সীমার্ক (বিডি), এফআর জুট, জনতা জুট, এসএফ ইন্ডাস্ট্রিজ, আরএমএম লেদার, ফার্ম ফ্রেশ, প্রাণ অ্যাগ্রো, ক্যাপিটাল এন্টারপ্রাইজ, কোর দ্য জুট ওয়ার্কস, এভারব্রাইট প্লাস্টিক, ট্রান্সওয়ার্ল্ড বাইসাইকেল, আল-হাবিব এন্টারপ্রাইজ, গ্রাফিক পিপল এবং জিনস-২০০০।ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে সিনহা ইন্ডাস্ট্রিজ, ফোর এইচ ফ্যাশনস, ভিয়েলাটেক্স স্পিনিং, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, কুলিয়ারচর সি ফুডস, রেজা জুট, করিম জুট, আল-আজমী ট্রেড এবং প্রাণ ফুডস।২০১২-১৩ অর্থবছরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য রপ্তানি করে স্বর্ণপদক পেয়েছে রিফাত গার্মেন্ট, জিএমএস কম্পোজিট, কামাল ইয়ার্ন, সাদ সান টেক্সটাইল, জাবের অ্যান্ড জোবায়ের, নোমান টেরিটাওয়েল, অ্যাপেক্স ফুডস, পপুলার জুট, আকিজ জুট, অ্যাপেক্স ট্যানারি, পিকার্ড বাংলাদেশ, এফবি ফুটওয়্যার, আল আজমী ট্রেড, প্রাণ ডেইরি, রাজধানী এন্টারপ্রাইজ, কারুপণ্য রংপুর, বেঙ্গল প্লাস্টিক, ফার সিরামিকস, বিআরবি কেবল, মেরিন সেফটি সিস্টেম, স্কয়ার ফার্মা, গ্রাফিক্স পিপল, ইউনিভার্সেল জিনস, শাশা ডেনিমস, মন ট্রিমস এবং মীর টেলিকম।রৌপ্যপদক পেয়েছে অনন্ত অ্যাপারেলস, স্কয়ার ফ্যাশনস, বাদশা টেক্সটাইল, এনভয় টেক্সটাইল, ইউনিলারেন্স টেক্সটাইল, সীমার্ক (বিডি), রেজা জুট, জনতা জুট, এসএফ ইন্ডাস্ট্রিজ, আরএমএম লেদার, লালমাই ফুটওয়্যার, মনসুর জেনারেল, প্রাণ অ্যাগ্রো, ক্যাপিটাল এন্টারপ্রাইজ, কোর দ্য জুট ওয়ার্কস, বেঙ্গল প্লাস্টিক, সার্ভিস ইঞ্জিন, প্যাসিফিক জিনস এবং জাবের অ্যান্ড জোবায়ের।ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে অ্যাপারেল গ্যালারি, ইন্টারস্টফ অ্যাপারেলস, মোশারফ কম্পোজিট, তালহা ফেব্রিকস, জালালাবাদ ফ্রোজেন ফুডস, উত্তরা জুট, সাদাত জুট, বেঙ্গল লেদার, এবিসি ফুটওয়্যার, ফুটবেড ফুটওয়্যার, এলিন ফুডস, প্রাণ ফুডস, হেলাল অ্যান্ড ব্রাদার্স, আরএফএল প্লাস্টিক এবং ইউনিগ্লোরি পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং। source : kalar kontho
  • শেয়ারবাজারে বুধবারের লেনদেন বাতিল
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সামিট পাওয়ারের একীভূতকরণ নিয়ে বড় ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। এর জের ধরে বুধবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সামিট পাওয়ারের লেনদেন বাতিল করা হয়েছে, যা নজিরবিহীন। এর আগে অনিয়মের দায়ে বৃহস্পতিবার তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। শনিবার হঠাৎ ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই অপরাধে একজন উপ-মহাব্যবস্থাপককে ওএসডি (বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তবে অভিযুক্ত অন্য দুই কর্মকর্তার ব্যাপারে আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি তারা।এদিকে অনিয়মের সঙ্গে কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশ অগ্রাহ্য করা হয়েছে। এর আগে বুধবার এক জরুরি বৈঠক করে ৬ কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছিল বিএসইসি। তবে সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে বিএসইসি এবং স্টক এক্সচেঞ্জের মধ্যে শীতল যুদ্ধ চলছে।বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান শনিবার যুগান্তরকে বলেন, সামিট পাওয়ারের সঙ্গে একই গ্রুপের অন্য তিন কোম্পানির একীভূত হওয়ার কথা। কিন্তু তা কোর্টের নির্দেশ অনুসারে হয়নি। ফলে কমিশন মনে করছে এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের উন্নয়ন ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে তদন্তপূর্বক সিদ্ধান্ত হবে।জানা গেছে, সামিট পাওয়ারের সঙ্গে একই গ্রুপের তিন কোম্পানি একীভূতকরণ নিয়ে অনিয়ম করেছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। এ কারণে বৃহস্পতিবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সংশ্লিষ্ট বিভাগের মোট ৬ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেয় বিএসইসি। ওই নির্দেশনা মেনে ওইদিন রাতেই তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে সিএসইসি। তারা হলেন- চিফ রেগুলেটরি অফিসার মোহাম্মদ শামসুর রহমান, মার্কেট অপারেশনের প্রধান মরতুজা আলম এবং লিস্টিং বিভাগের প্রধান সৈয়দ মমিনুল ইসলাম। তবে একদিনের ব্যবধানে শনিবার সকালে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে সিএসই।এদিকে সামিটের শেয়ার নিয়ে কারসাজি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা আবদুল মতিন পাটোয়ারী, প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা মো. জিয়াউল করিম এবং ইন্টারন্যাশনাল অডিট বিভাগের প্রধান ওহিদুল ইসলাম। সামিট গ্রুপের ৩টি কোম্পানির সঙ্গে সামিট পাওয়ারের একীভূতকরণ নিয়ে ডিএসইর কর্মকর্তাদের কোনো ধরনের অবহেলা আছে কিনা- তা খতিয়ে দেখবেন তারা। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া উপ-মহাব্যবস্থাপক নিজাম উদ্দিনকে ওএসডি করেছে ডিএসই। সূত্র বলছে, শনিবারের বৈঠকে বিএসইসির করা কমিটিকে সব ধরনের সহযোগিতার জন্য ডিএসইর ম্যানেজমেন্টকে নির্দেশ দিয়েছে পর্ষদ। আর বিএসইসির চেয়ারম্যান দেশে ফিরলে তারা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার পর আজ তার অফিস করার কথা রয়েছে। সূত্র আরও বলছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি মৌখিকভাবে যে নির্দেশ দিয়েছে, তার সঙ্গে লিখিত আদেশের মিল নেই। লিখিত আদেশে কোনো কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করতে বলা হয়নি। এদিকে বুধবার একই ইস্যুতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি, দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে শেয়ার সংরক্ষণকারী কোম্পানি সিডিবিএলের মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। বৈঠকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের আরও শীর্ষ তিন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করতে বলা হয়। তারা হলেন- চিফ রেগুলেটরি অফিসার একেএম জিয়াউল হাসান খান, উপ-মহাব্যবস্থাপক নিজাম উদ্দিন এবং সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া। একইভাবে সামিট পাওয়ারের লেনদেন অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া বৈঠক শেষে সামিট পাওয়ারের লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ। ফলে আজ থেকে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। এরপর শুক্রবার সামিট ইস্যুতে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি করে বিএসইসি। ৪ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির প্রধান করা হয়েছে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল আলমকে। বাকি ৩ সদস্য হলেন পরিচালক মনসুর রহমান, মোহাম্মদ রেজাউল করিম ও উপপরিচালক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম মজুমদার। এই কমিটিকে আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।জানা গেছে, ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২২৮ ও ২২৯ ধারা অনুসারে উচ্চ আদালতে তিন কোম্পানিকে সামিট পাওয়ারের সঙ্গে একীভূতকরণের অনুমোদন চাওয়া হলে শর্তসাপেক্ষে ১৪ জুলাই সামিট গ্রুপের তিন কোম্পানির একীভূতকরণের চূড়ান্ত অনুমতি দেন আদালত। এর আগে বিধি মোতাবেক বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ারহোল্ডার ও বিএসইসিরও অনুমোদন নেয় কোম্পানি দুটি। source : jugantor
  • ডিএসই'র পিই রেশিও কমেছে ০.৩৪ শতাংশ
    দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক (২১-২৪ আগস্ট) লেনদেনে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে ০.৩৪ শতাংশ বা ০.০৫ পয়েন্ট। ডিএসই'র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বর্তমানে ডিএসই'র পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৪.৭৭ পয়েন্টে, যা গত সপ্তাহের শুরুতে ছিল ১৪.৮২ পয়েন্ট।গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩০ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৫৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে এবং শরিয়া সূচক ডিএসইএস ১৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৭ পয়েন্ট এবং ডিএস৩০ সূচক ১৭ পয়েন্টে কমে ১ হাজার ৭৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩২৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৬টির, কমেছে ১৭৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির আর লেনদেন হয়নি ২টি কোম্পানির শেয়ার। দর (রিটার্ন) বেড়েছে ১১ খাতে। অন্যদিকে দর কমেছে বাকি ৯ খাতে। সপ্তাহে সিমেন্ট খাতে দশমিক ৩৮ শতাংশ দর বেড়েছে। এছাড়া সিরামিক খাতে দশমিক ৭৭ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে দশমিক ২ শতাংশ, জ্বালানি-বিদ্যুৎ খাতে দশমিক ৩৩ শতাংশ, সাধারণ বীমা খাতে দশমিক ৩০ শতাংশ, জীবন বীমা খাতে ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ, পাট খাতে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে দশমিক ২১ শতাংশ, আর্থিক খাতে দশমিক ৩৮ শতাংশ, সেবা ও আবাসন খাতে দশমিক ৭৬ শতাংশ ও ভ্রমণ-অবকাশ খাতে ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ দর বেড়েছে।বর্তমানে খাতভিত্তিক হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ৭.১৭ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতে ২৫.১৭, সিরামিকস খাত ২৩.০৪, প্রকৌশল খাতে ১৪.৭৮, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১৮.৯৮, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ২৩.৬০, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৩.০৫, বীমা খাতে ১৪.৫৭, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২৬.০৬, পাট খাতে ২৭৯.১৩, বিবিধ খাতে ২৩.৩৬, পেপার ও প্রকাশনা খাতে ২১০.৩৯, ওষুধ ও রসায়ন খাতে ২১.২০, সেবা ও আবাসন খাতে ২০.৮৯, চামড়া খাতে ২৬.৮৪, টেলিযোগাযোগ খাতে ১৭.৫৮, বস্ত্র খাতে ১১.০২ এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ১৭.০৭ পয়েন্টে রয়েছে।এর আগের সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ৭.২১ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতে ২৫.০৭, সিরামিকস খাত ২২.৮৪, প্রকৌশল খাতে ১৪.৭৭, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১৮.৮৮, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ২৪.৫২, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৩.০৬, বীমা খাতে ১৪.১৮, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২৬.৮৭, পাট খাতে ২৭৩.৬৬, বিবিধ খাতে ২৩.৪২, পেপার ও প্রকাশনা খাতে ২০৮.৮২, ওষুধ ও রসায়ন খাতে ২১.৪৯, সেবা ও আবাসন খাতে ২০.৭৪, চামড়া খাতে ২৭.২০, টেলিযোগাযোগ খাতে ১৭.৮৩, বস্ত্র খাতে ১১.২৩ এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ১৬.৭৭ পয়েন্টে রয়েছে।উল্লেখ্য, খাতভিত্তিক পিই হিসাব করা হয়েছে 'জেড' ক্যাটাগরি, ওটিসি শেয়ার এবং যেসব শেয়ার দীর্ঘদিন লেনদেন হয় না সেগুলোর হিসাব বাদ দিয়ে।   source : sanbad
  • পরিচালন লোকসানে আটকে যাচ্ছে এলপিজিএলের তালিকাভুক্তি
    ভালো সিকিউরিটিজের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ২০০৮ সালে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মালিকানাধীন লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস লিমিটেডকে (এলপিজিএল) পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। কিন্তু আট বছর পরও নানা জটিলতায় শেয়ার অফলোডে যেতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। এ বিষয়ে একাধিকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। গেল অর্থবছরে পরিচালন লোকসানের আশঙ্কায় আগামী তিন বছরের মধ্যেও পুঁজিবাজারে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত এক বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর আগে গত ৮ জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে অবিলম্বে এলপিজিএলের ২৫ শতাংশ শেয়ার অফলোড করার নির্দেশ দেয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ওই সভার আয়োজন করে বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ নভেম্বর এলপিজিএলের অফলোডের জন্য প্রথমবারের মতো নির্দেশনা দেয়া হয়। ওই নির্দেশনার পর বিপিসি এলপিজিএলের ৩০ শতাংশ শেয়ার অফলোড করার সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোম্পানি পরিচালনা পর্ষদ ও শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনও নেয়া হয়। কিন্তু ২০০৮-০৯ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম কমে গেলে এলপিজিএলের পরিচালন লোকসানের আশঙ্কা দেখা দেয়। পাশাপাশি শেয়ারবাজার অস্থিতিশীল হওয়ায় সরকারি কোম্পানিটির শেয়ার অফলোড করার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।অন্যদিকে নিয়ম অনুযায়ী, বাজারে শেয়ার অফলোড করার জন্য প্লান্টের জমি কোম্পানির নামে থাকা প্রয়োজন। চট্টগ্রাম প্লাটের ৩ দশমিক শূন্য ২ একর জমি যমুনা অয়েল কোম্পানির মালিকানায় ছিল। ওই জমি চট্টগ্রামের এলপিজিএলের নামে হস্তান্তরেও দীর্ঘ সময় লেগে যায়।এর পর ২০১১ সালে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ কোম্পানিকে ১৫ শতাংশ শেয়ার দ্রুত অফলোড করার নির্দেশ দেয়। এ বিষয়েও কোম্পানির পরিচালনা বোর্ডের অনুমতি নেয়া হয়। ওই অর্থবছরের নিরীক্ষিত ও অনুমোদিত হিসাবের ওপর কোম্পানির শেয়ার অফলোড করার জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ করা হয়। চট্টগ্রাম প্লান্টের জমি রেজিস্ট্রেশন করে ক্রেডিট রেটিংও শেষ করা হয়। এজন্য কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। এছাড়া পাঁচ বছরের হিসাবের তুলনামূলক প্রতিবেদন প্রস্তুত, সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন, ২০১১-১২ অর্থবছরের নিরীক্ষিত হিসাবের ওপর শেয়ার অফলোড করার লক্ষ্যে কাগজপত্র প্রস্তুত করে ২০১৩ সালের জুনের মধ্যে ইস্যু ম্যানেজারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।তবে ইস্যু ব্যবস্থাপক জানায়, ডাইরেক্ট লিস্টিং পদ্ধতিতে কোনো কোম্পানির শেয়ার অফলোডের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ শেয়ার অফলোড করতে হবে। কিন্তু এলপিজিএলের এই পরিমাণ শেয়ার অফলোড করা হলে প্রত্যাশিত মূল্য কমে যেতে পারে।উল্লেখ্য, বর্তমানে এলপিজিএলের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১০ কোটি টাকা। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। আর মোট শেয়ারের পরিমাণ ১ কোটি। কিন্তু পরিশোধিত মূলধনের ২৫ শতাংশ শেয়ার অফলোড করতে হলে ১০ টাকা মূল্যের ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার অফলোড করা প্রয়োজন।এদিকে তালিকাভুক্তির প্রস্তুতি হিসেবে দুই দফায় যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে প্রায় ১৫ লাখ টাকা খরচ করা হয়। বাকি কার্যক্রম শেষ করতে আরো ১০ লাখ টাকা খরচ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া গত অর্থবছরের (২০১৫-১৬) হিসাব পর্যালোচনায় পরিচালন লোকসান হবে বলে আশঙ্কা করছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। পরিচালন লোকসান হলে সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী, কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারবে না।সব মিলিয়ে জ্বালানি খাতের অন্যান্য সরকারি কোম্পানির মতোই এলপিজিসিএলের তালিকাভুক্তিও আটকে আছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বর্ণিক বার্তাকে বলেন, তাদের গত আট বছরে একাধিকবার চিঠি দেয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহে এর অগ্রগতি নিয়ে একটি সভা রয়েছে। সেখানে সার্বিক পদক্ষেপ নেয়া হবে।এ বিষয়ে এলপিজিএলের মহাব্যবস্থাপক মো. ফজলুর রহমান খান বণিক বার্তাকে বলেন, এ বছর আমরা লোকসানে আছি। আর বিসিইসির নিয়ম অনুযায়ী লোকসানে থাকলে কোনো কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারবে না। তবে আমরা সরকারের নির্দেশনা মেনে শেয়ারবাজারে যেতে চাই। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিষয়টি কীভাবে সম্পন্ন করা যায় সে ব্যাপারে আমরা অর্থ বিভাগের সঙ্গেও আলোচনা করব। source : bonik barta
  • হোঁচট খেল চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি
    ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছে ৯ কোটি ২৫ লাখ মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬ দশমিক ৯১ শতাংশ কম। একইসঙ্গে গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে রফতানি আয়ের তুলনায়ও ২ দশমিক ২৬ শতাংশ কম বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এই খাতে। বাংলাদেশ রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আগস্ট মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছিল ১১৬ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই খাতের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে শুধু জুলাই মাসে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১১ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার।২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম মাসে কাঁচা চামড়া রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। তবে এ সময়ের মধ্যে আয় হয়েছে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪১ দশমিক ৪৫ শতাংশ কম। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই মাসে চামড়া রফতানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ২১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায় এ বছরের প্রথম মাসে চামড়া রফতানি আয় ৩২ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমেছে। সদ্য সমাপ্ত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে এ খাতের পণ্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ কোটি ১০ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। source : Janokontho
  • চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান ঢাকা চেম্বারের
    প্রতি বছর বাংলাদেশের ৩০ লাখ লোক কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে। বিশাল এ শ্রম বাজারের সুযোগ নিয়ে চীনের উদ্যোক্তাদের আরো বেশি হারে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি হোসেন খালেদ। তিনি বলেন, সম্প্রতি সরকার সারা দেশে ১০০টি নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে চীনের উদ্যোক্তাবৃন্দ তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, ফার্মাসিউটিক্যাল, পাট ও পাটজাত পণ্য, সিরামিক চামড়া, তথ্য-প্রযুক্তি ও পাদুকা শিল্পে বিনিয়োগের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। ঢাকা চেম্বার এবং বাংলাদেশ সফররত চীনের গুয়াংডন প্রদেশের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মধ্যকার মতবিনিময় সভা গতকাল ডিসিসিআই সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। চায়না কাউন্সিল ফর দি প্রমোশন অফ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অফ ঝাওকিং সিটি-এর ডিরেক্টর জেনারেল লিউ ফাং প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করেন।চীনের সাথে বাংলাদেশের প্রতি বছর বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিসিসিআই সভাপতি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ নির্মিত হচ্ছে এবং জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়, যেখানে চীন প্রথম অবস্থানে রয়েছে। এ সুযোগে তিনি জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পে পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।প্রতিনিধিদলের নেতা লিউ ফাং বলেন, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরোও সম্প্রসারিত হবে বলে, তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরোও বলেন, চলতি বছরের অক্টোবরে চীনের গুয়াংডন প্রদেশে “মেরিটাইম সিল্ক রোড ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো” অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ঢাকা চেম্বারের সদস্যদের পাশাপাশি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান, যার মাধ্যমে চীনের বাজারে আরো বেশি বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশিদ, সহ-সভাপতি খ. আতিক-ই-রাব্বানী, এফসিএ, পরিচালক আসিফ এ চৌধুরী, সেলিম আকতার খান, প্রাক্তন সহ-সভাপতি হোসেন এ সিকদার, এম আবু হোরায়রা, প্রাক্তন পরিচালক এম বশির উল্ল্যাহ ভুঁইয়া এবং ডিসিসিআই মহাসচিব এএইচএম রেজাউল কবির এ সময় উপস্থিত ছিলেন। source : Ittafaq
  • আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়াতে সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক
    আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে অবকাঠামো উন্নয়নের প্রস্তাব দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এজন্য ১৪ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার সহজ শর্তের ঋণ দিতে চায় সংস্থাটি। (যা স্থানীয় মুদ্রায় প্রতি ডলার ৭৮ টাকা ধরে প্রায় ১ হাজার ১৫৪ কোটি টাকা)। সম্প্রতি এ প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। রিজিওনাল কানেকটিভিটি প্রজেক্ট-১ শীর্র্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাণিজ্য সুবিধা বৃদ্ধির জন্য অবকাঠামো ও অবস্থার উন্নতির মাধ্যমে কম খরচে এবং কম সময়ে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক পরিবহন সম্পন্ন হবে। এছাড়া বর্তমান স্থলবন্দরগুলোর সীমান্ত পারাপারের সময় কমিয়ে আনা, যেখানে কোনো স্থলবন্দর নেই সেখানে স্থলবন্দর স্থাপনের মাধ্যমে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং আমদানি ও রফতানি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত বিধিবিধানের প্রয়োগ সময় কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্বব্যাংক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।এ প্রসঙ্গে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, বিশ্বব্যাংক প্রস্তাবই শুধু দেয়নি ইতিমধ্যেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে বৈঠকও করেছে। কেননা তাদের প্রস্তাবে একটি বড় কাজ হবে রাজস্ব নিয়ে। তবে এসব প্রস্তাব আমাদের পক্ষ থেকেই যাওয়া উচিত ছিল। কেননা এ কাজটি আমাদের নিজেদের জন্যই প্রয়োজন। বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাবটি গ্রহণযোগ্য। প্রস্তাবিত এ ঋণের ওপর শতকরা শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে। এছাড়া ৬ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩৮ বছরে পরিশোধ করতে হবে বলে জানা গেছে।সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাংকের দেয়া এ প্রস্তাবে ১২ কোটি মার্কিন ডলার দেয়ার কথা বলা থাকলেও ৪ আগস্টের এইড মেমোরি অনুযায়ী এটি বেড়ে ১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারে উন্নীত হতে পারে বলে মনে করছে ইআরডি। প্রকল্পের উদ্দেশ্য অর্জনের পরিমাপক হিসেবে মধ্যমেয়াদি যেসব সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে, নতুনভাবে স্থাপিত স্থলবন্দর বা বর্তমানে অবস্থিত স্থলবন্দরের সংখ্যা, মহিলা ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তাদের জন্য গৃহীত কর্মসূচির সংখ্যা, প্রকল্পের আওতাভুক্ত স্থলবন্দরগুলোতে ট্রেড রেজিস্ট্রেশন কমানোর সংখ্যা, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোর (এনএসডব্লিউ) জন্য আইনগত কাঠামো তৈরি ও অনুমোদন, ট্রেড অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট ফেসিলিটেশন কমিটি এবং সাব-কমিটি (অন্তঃমন্ত্রণালয়) গঠন ও প্রতি ২ মাসে একবার সভা অনুষ্ঠান, এনএসডব্লিউতে অংশগ্রহণকারী সংস্থার সংখ্যা এবং এর আওতায় আমদানি-রফতানির জন্য সার্টিফিকেশন লাইসেন্স ইত্যাদি ইস্যুর সংখ্যা এবং অটোমেটেড সিস্টেমের আওতায় পণ্য রফতানির পরিমাণ। বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাবিত প্রকল্পের ৩টি কম্পোনেন্ট থাকবে। এগুলো হচ্ছে প্রথম কম্পোনেন্টের আওতায় প্রাথমিকভাবে চারটি স্থলবন্দরের প্রস্তাব রয়েছে। ভোমরা, শাওলা, রামগড় এবং তেগামুখ। এর মধ্যে রামগড় ও তেগামুখ পাবর্ত চট্টগ্রামে অবস্থিত। এগুলোর ওপর সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে বর্তমান প্রকল্প হতে ভোমরা ও শাওলা স্থলবন্দরের জন্য অর্থায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও যাচাই-বাছাই এবং বিস্তারিত জরিপের ওপর ভিত্তি করে অর্থায়নের জন্য তৃতীয় স্থলবন্দর চিহ্নিত করা হবে। স্থলবন্দরগুলোর আধুনিকায়ন এবং প্রসেস উন্নয়ন কার্যক্রম করা হবে। সূত্র জানায়, জানুয়ারি-মার্চ সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাংক থেকে আন্তর্জাতিক পরামর্শক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি দল পাঠনো হয় বাংলাদেশে। যার উদ্দেশ্য ছিল স্থলবন্দরগুলোর দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং বিজনেস প্রসেস নিয়ে জরিপ করে একটি আধুনিক পরিকল্পনা তৈরি করা। এ সময় বেনাপোল, বুড়িমারী ও ভোমরা স্থলবন্দরের ওপর জরিপ পরিচালনা করা হয়। সেখানে ওয়্যারহাউস অপারেশন ফি এবং মাসুল স্বংক্রিয় পদ্ধতিতে আদায়ের কারিগরি দিক পর্যালোচনা করা হয়। জরিপ শেষে বন্দরের আধুনিকায়ন ও তথ্য-প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহারের ওপর একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিয়েছে বিশেষজ্ঞ দলটি। এছাড়া বিশ্বব্যাংকের আগের করা একটি গবেষণা জরিপের ফলাফল এবং এ জরিপের ফলাফল মিলিয়ে দেখা যায় অটোমেশনের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন করা গেলে রাজস্ব আদায়ে অগ্রগতি হবে। এক্ষেত্রে শুধু আইসিটির উন্নয়ন নয়, নীতিগত কিছু পরিবর্তন করা হবে। ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোর মাধ্যমে নীতিগত পরিবর্তন আনতে অর্থায়ন করা হবে। source : Jugantor
  • খেলাপি ঋণ বাড়ল ৪০০০ কোটি টাকা
    রাজনৈতিক সুবিধায় ঋণ পুনর্গঠন ও বিশেষ সুবিধায় ঋণ পুনঃ তফসিলের পরও খেলাপি ঋণের লাগাম টানা যাচ্ছে না। প্রতি মাসেই বাড়ছে খেলাপি ঋণ। বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে গত জুন শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ৬৩ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। এ সময় পর্যন্ত ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ৬ লাখ ৩০ হাজার ১৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ দেশে খেলাপি ঋণের হার ১০ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন—এই তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। আর জানুয়ারি থেকে জুন সময়েই খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১১ হাজার ৯৯৪ কোটি টাকা। সরকারি, বিদেশি ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ বাড়লেও কমেছে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোতে। অবলোপনকৃত ৪১ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকার ঋণকে হিসাবে নিলে জুন শেষে প্রকৃত খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৪ হাজার ৮০২ কোটি টাকা। দেশের ৫৬টি ব্যাংকে জুনভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে এ খবর জানা গেছে।মন্দ, মানে শ্রেণীকৃত পুরোনো খেলাপি ঋণ ব্যাংকের স্থিতিপত্র (ব্যালান্স শিট) থেকে বাদ দেওয়াকে ‘ঋণ অবলোপন’ বলা হয়। আর ঋণ দেওয়ার পর আদায় না হলে ঋণখেলাপি হয়ে পড়ে।খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য অদক্ষতা ও দুর্নীতিকে দায়ী করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এই সময়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভালো ছিল, ব্যবসাও ভালো হয়েছে। খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণ নেই। তবে গত কয়েক বছরে ব্যাংকাররা দুর্নীতির মাধ্যমে মাঝারি ও বড় ঋণ বিতরণ করেছেন। আবার কিছু ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রকল্প প্রস্তাব নিয়মমাফিক পরীক্ষা করা হয়নি। অদক্ষতা ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেওয়া এসব ঋণই এখন খেলাপি হয়ে পড়ছে। ব্যাংকগুলো পুনঃ তফসিল করে ঋণ নিয়মিত রাখার চেষ্টা করেও পারছে না। বলা যায়, দেশের ব্যাংক-ব্যবস্থা খুব খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে।ইব্রাহীম খালেদ আরও বলেন, ‘সরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ বেশি। এর জন্য দায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়। তারা বেছে বেছে দুর্নীতিপরায়ণ এমডি-চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছিল। অগ্রণী ব্যাংকের এমডির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আপত্তি সত্ত্বেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এতেই প্রমাণিত হয় যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কেউ সুবিধাভোগী আছেন।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভংকর সাহা বলেন, ‘এ সময়ে ঋণ বেড়েছে, আবার খেলাপির পরিমাণও বেড়েছে। নীতিমালা করা আছে, ব্যাংকগুলো তা মেনে চলবে এটা আমরা আশা করি। খেলাপি ঋণ বাড়ার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত দায়ী নয়, ব্যাংকগুলো নিজেরাই দায়ী।’জানা গেছে, সরকারি খাতের সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের খেলাপি ঋণ এপ্রিল থেকে জুন সময়ে ২৭ হাজার ২৮৯ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩০ হাজার ৭৬ কোটি টাকা। পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েও সরকারি ব্যাংকগুলো টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। পর্যবেক্ষকেরাও যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারছেন না। ফলে সরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ বেশি বাড়ছে।এরই মধ্যে আবার সরকারি ব্যাংকগুলোকে বাজেট বরাদ্দ থেকে মূলধন দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ, ব্যাংকগুলো একদিকে আমানতকারীদের অর্থ নষ্ট করেছে, অন্যদিকে সেই জনগণের করের টাকাই আবার দেওয়া হচ্ছে মূলধন হিসেবে। তারপরও ব্যাংকগুলোর পরিস্থিতি ভালো হচ্ছে না।জানা গেছে, এপ্রিল থেকে জুন সময়ে বেসরকারি খাতের ৩৯টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ২৫ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা থেকে কমে হয়েছে ২৫ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। তবে এই সময়ে বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ১ হাজার ৮২২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ১৫৬ কোটি টাকা। একই সময়ে বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ৪ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা।এ বিষয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিস এ খান প্রথম আলোকে বলেন, গত ডিসেম্বরের আগে যেসব ঋণ বিশেষ ব্যবস্থায় নিয়মিত করা হয়েছিল, এসব ঋণই আবার খেলাপি হয়ে পড়েছে। ফলে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বাড়ছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার আলোকেই ২০০৩ সাল থেকে ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপন করার সুযোগ পেয়েছে। নীতিমালার আওতায় পাঁচ বছর বা তার বেশি সময় ধরে থাকা খেলাপি ঋণের বিপরীতে শতভাগ প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি রেখে এবং মামলা দায়ের করে তা অবলোপন করতে হয়। অবলোপনের পর ঋণ আদায়ে জোরদার ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও ঋণ আদায়ে তৎপরতা দেখা যায় না। এ ছাড়া অনিয়মের ঋণগুলো অবলোপন করে দোষী ব্যক্তিদের আড়ালও করা হয়। source : prothom-alo
  • ফান্ডের পুনর্বিনিয়োগে লোকসানে বিনিয়োগকারী
    মিউচুয়াল ফান্ডে লভ্যাংশ হিসেবে রি-ইনভেস্টমেন্ট (পুনর্বিনিয়োগ) বন্ধ করতে আইনের সংশোধনী খসড়া প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত হলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৮ মাসেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি। যদিও একই সময়ে পাবলিক ইস্যু রুলসের খসড়া প্রকাশ করে চূড়ান্ত অনুমোদন হয়ে গেছে। বিএসইসির এই বিলম্বে লোকসানের কবলে বিনিয়োগকারীরা। শুধু রেস পরিচালিত ১০ মিউচুয়াল ফান্ডেই বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৭০ কোটি টাকার মতো লোকসান দিয়েছে। রি-ইনভেস্টমেন্ট না দিয়ে নগদ লভ্যাংশ দিতে হলে ফান্ডগুলোকে মোট ১৫০ কোটি টাকার লভ্যাংশ দিতে হতো।অভিযোগ রয়েছে, মিউচুয়াল ফান্ডগুলোকে সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য রি-ইনভেস্টমেন্টের সুযোগ দিতেই ইচ্ছাকৃত অনুমোদন দিতে দেরি করা হচ্ছে। যদিও খসড়ায় বলা ছিল, চূড়ান্ত অনুমোদন না হলেও ফান্ডগুলোকে রি-ইনভেস্টমেন্ট দিতে বিএসইসির অনুমতি নিতে হবে। কিন্তু এক্ষেত্রে কোন কিছুই তোয়াক্কা করেনি ফান্ডগুলো। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, রি-ইনভেস্টমেন্ট করা হলে বিনিয়োগকারীরা প্রকৃতপক্ষে লাভবান হয় না। কারণ ফান্ডগুলোর ইউনিট দর এখন অভিহিত মূল্যের নিচে। তবে এই রি-ইনভেস্টমেন্টের কারণে ফান্ড পরিচালনাকারীর লাভবান হন। কারণ রি-ইনভেস্ট করলে ফান্ডের আকারের সঙ্গে সঙ্গে ম্যানেজম্যান্ট ফি বেড়ে যায়। সমাপ্ত অর্থবছরে রেসের ফান্ডগুলোর রি-ইনভেস্টের কারণে ফান্ডগুলোর ব্যবস্থাপনা ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা। কারণ রি-ইনভেস্টমেন্টের কারণে প্রতি বছর ফান্ডগুলোর ব্যয় বাড়ে ২০ লাখ টাকা। সেই হিসেবে ফান্ডগুলোর ব্যবস্থাপনা ব্যয় বেড়েছে ২ কোটি টাকা। একই দিনে আইপিও আইনেও (পাবলিক ইস্যু রুলস-২০১৫) সংশোধন খসড়া অনুমোদনের পর জনমত যাচাই শেষে তা চূড়ান্ত ও কার্যকর করেছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এর মধ্যে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর আইপিও আইন সংশোধন হয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। অথচ ৮ মাস পরও আলোর মুখ দেখেনি মিউচুয়াল ফান্ডের আইন সংশোধন। এর মধ্যে কিছু মিউচুয়াল ফান্ড রি-ইনভেস্টমেন্ট ঘোষণাও করে ফেলেছেন।শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, মিউচুয়াল ফান্ড ব্যবস্থাপনাকারী একাধিক সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি চায় না, আইনের প্রস্তাবিত সংশোধন চূড়ান্ত হোক। তারা প্রস্তাবিত সংশোধনে ব্যাপক রদবদল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। যোগাযোগ করা হলে সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানিগুলোর এ বিষয়ে মন্তব্য পাওয়া যায়নি। কমিশনও এ বিষয়ে মুখ খুলছে না। তবে এর মাঝেও ঠিকই ফান্ডগুলো কাজের কাজটি করে ফেলেছেন। কারণ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ফান্ডগুলোর রি-ইনভেস্টমেন্ট ঘোষণা করেছে। বিশেষ করে রেস পরিচালিত ১০ মিউচুয়াল ফান্ডই রি-ইনভেস্টমেন্ট ঘোষণা করেছে।ফান্ডগুলোর মধ্যে একটি ফান্ডের ইউনিট হোল্ডারদের জন্য ৯ শতাংশ, তিনটির জন্য ৭ শতাংশ, দুটির জন্য ৬ শতাংশ এবং ৪ ফান্ডের ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ট্রাস্টি। এর পুরোটাই রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর বিএসইসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালার প্রস্তাবিত সংশোধনের ধারণা প্রকাশ করে। সেখানে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করে গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলোতে সংশোধন আনার কথা বলা হয়। প্রস্তাবিত সংশোধন খসড়ায় বলা হয়েছে, কোন মিউচুয়াল ফান্ড থেকে বিনিয়োগকারীদের কখন লভ্যাংশ হিসেবে রি-ইনভেস্টমেন্ট করতে পারবে, তা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে। source : Janokontho
  • আড়াই বছরেও কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পায়নি স্টক এক্সচেঞ্জ
    নির্ধারিত সময়ের আড়াই বছরেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পায়নি। ২০১৩ সালে কার্যকর ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইনে তিন বছরের মধ্যে কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে স্টক এক্সচেঞ্জের সংরক্ষিত ২৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামী ডিসেম্বরে। ডিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবশ্য কৌশলগত বিনিয়োগকারী পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। সম্প্রতি ডিএসইর পক্ষ থেকে দেশি কয়েকটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ ব্যাপারে বৈঠক করা হয়েছে।জানা গেছে, কৌশলগত বিনিয়োগকারীর কাছে শেয়ার বিক্রির বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা খুবই শক্ত অবস্থানে রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেন বলেছেন, নির্ধারিত সময় শেষে স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পাইনি এমন ধরনের কথা মেনে নেওয়া হবে না। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর এক চিঠিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে এক বছরের মধ্যে কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রির নির্দেশ দিয়েছিল। এরই মধ্যে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের স্টক এক্সচেঞ্জ, ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকসহ শীর্ষ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তবে তা থেকে কাঙ্ক্ষিত কোন ফল পাওয়া যায়নি। এদিকে সিএসইও কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পেতে পরামর্শক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।ডিএসইর বর্তমান পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৮০৩ কোটি টাকা। এ হিসাবে কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে স্টক এক্সচেঞ্জটিকে অভিহিত মূল্যে প্রায় ৪৫১ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করতে হবে। ডিএসই চাইছে এ শেয়ার প্রিমিয়ামে বিক্রি করতে। আর সিএসইকে অভিহিত মূল্যে ১৫৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকারও বেশি শেয়ার বিক্রি করতে হবে। এর বাইরে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্তির মাধ্যমে ৩৫ শতাংশ করে শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রি করবে।কৌশলগত বা স্ট্র্যাটেজিক বিনিয়োগকারী হবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদিত দেশি বা বিদেশি কোনো স্টক এক্সচেঞ্জ, কোনো বিনিয়োগ ব্যবস্থাপক কোম্পানি, বিনিয়োগ ব্যাংক বা কোনো স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান। স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কৌশলগত বিনিয়োগকারীর সঙ্গে শেয়ার বিক্রির চুক্তি না হলে কমিশন অবশ্য সময় বাড়াতে পারবে। বর্ধিত সময়েও কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে না পেলে কমিশনের অনুমোদনক্রমে অন্য যে কারও কাছে শেয়ার বিক্রি করতে পারবে স্টক এক্সচেঞ্জ। source : Ittafaq
View All
Latest DSE News
  • EHL

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on September 07, 2016 at 3:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2016.

  • EXCH

    (Repeat): While making investment decision in the Capital Market, INVESTORS should not rely on any information obtained from an unauthorized source such as facebook etc.

  • REGL

    (Continuation of BSEC News - Awareness Message for Investors ) 3. Do not pay any heed to rumors at the time of trading shares; it may cause loss to you. Even spreading rumor is legally prohibited. (Ref.: SEC letter no. SEC/SRMIC/2010/726 dated November 23, 2010).(end)

  • REGL

    Investors are requested to consider the following facts at the time of making investment decision in the Capital Market: 1. Without acquiring proper knowledge, information and experience regarding different aspects and matters of Capital Market, one should not invest in the Capital Market. 2. The gain or loss, whichever comes from the investment, it belongs to you. So, well - thought of investment decision based on knowledge and fundamentals of the securities may be real assistance to you. (cont.)

  • EXCH

    Honorable Investors, Good morning! Please make your investment decision based on company fundamentals, technical analysis, price level and disclosed information. Avoid rumor-based speculations.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SAVAREFR 49.00 46.00 3.00 6.52
IFIC 17.00 16.00 1.00 6.25
MODERNDYE 308.30 292.00 16.30 5.58
MHSML 17.10 16.40 0.70 4.27
CONTININS 15.90 15.30 0.60 3.92
BRACSCBOND 1037.00 1000.00 37.00 3.70
GPHISPAT 28.80 27.80 1.00 3.60
DOREENPWR 63.40 61.20 2.20 3.59
GREENDELMF 6.20 6.00 0.20 3.33
DBH1STMF 6.40 6.20 0.20 3.23

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297