Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
AGNISYSL 31.9 24.2 7.70 31.82
RDFOOD 21.5 17.1 4.40 25.73
FUWANGFOOD 22.4 17.9 4.50 25.14
GHAIL 36.4 30.9 5.50 17.80
FUWANGCER 16.6 14.2 2.40 16.90
FINEFOODS 18.2 15.9 2.30 14.47
UNITEDAIR 12.8 11.2 1.60 14.29
SALVOCHEM 22.1 19.4 2.70 13.92
DESHBANDHU 20.5 18 2.50 13.89
SAFKOSPINN 23.9 21 2.90 13.81

Contest SB2014_Sep

1st
blank_person
MISU
2nd
blank_person
ISMAILTOPU
3rd
blank_person
FERDOUSFIN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
ICB 1770.75 1671.75 7.72661 23700.00
SQURPHARMA 238 230.5 6.68771 348090.00
GP 338.9 337.4 3.74707 669200.00
MPETROLEUM 270.6 262.4 1.49239 144400.00
BXPHARMA 56.6 54.7 1.29299 2688700.00
Negative impact
BATBC 2603.8 2704.4 -11.16655 1300.00
BATASHOE 1028.3 1058.2 -0.75671 14100.00
FEKDIL 38.2 40.9 -0.57957 2552400.00
NATLIFEINS 221.4 225 -0.45542 8500.00
TRUSTBANK 13.4 13.9 -0.39424 115500.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BEXIMCO 42.2 42.5 40.7 1.93% 249.25
GP 338.9 340.2 331 0.44% 226.14
LAFSURCEML 114.7 115.1 110 5.42% 226.11
MJLBD 111 115.3 110.1 -1.60% 151.30
BXPHARMA 56.6 57.1 53.8 3.47% 149.38
BSC 631 634.25 613 3.91% 133.96
KEYACOSMET 25.4 25.9 24.3 5.83% 126.19
AGNISYSL 31.9 32 30 9.62% 121.69
RDFOOD 21.5 21.6 19.9 9.14% 114.44
BSRMSTEEL 94.9 96.9 93.9 -0.21% 107.62

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 02 Sep 2014

131655
TOTAL TRADE
148.0794
TOTAL VOLUME(Mn)
5516.63
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ব্রিটিশ টোবাকোকে নোটিশ
    ডেস্ক রিপোর্ট : শেয়ার দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ায় খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো কোম্পানিকে (বিএটিবিসি) নোটিশ দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। জবাবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দর বাড়ার জন্য কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য তাদের কাছে নেই। মঙ্গলবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়। গত ২৬ আগস্ট থেকে কোম্পানিটির শেয়ার দর কোনো কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিক বাড়ে। তাই গত ৩১ আগস্ট দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে কোম্পানিটিকে নোটিশ দেয় ডিএসই। গত এক মাসে এ কোম্পানির শেয়ার দর ২ হাজার ৩৭২ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ২ হাজার ৭৩৭ টাকা ১০ পয়সায় ওঠানামা করে।
  • সুহৃদের শেয়ার এখন বিওতে
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সম্প্রতি পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলনকারী কোম্পানি সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে। আগামী সপ্তাহের যে কোন কার্যদিবসে কোম্পানিটির লেনদেন শুরুর সম্ভবনা রয়েছে। মঙ্গলবার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। ডিএসই ও সিএসই জানায়, গত ১৪ আগস্ট ডিএসই ও ১৮ আগস্ট সিএসতে কোম্পানিটি তালিকাভুক্ত হয়। আর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দিতে ১০ জুলাই আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে কোম্পানিটি।সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) পুঁজিবাজার থেকে মোট ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এই কোম্পানির আইপিওর আবেদন গ্রহণ করা হয় ৮ জুন থেকে ১২ জুন পর্যন্ত। আর প্রবাসী বাংলাদেশীদের আবেদন নেওয়া হয় ২১ জুন পর্যন্ত। ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে। পেছনের খবর : নিষিদ্ধ তবুও সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি, অতপর… আরো খবর : তালিকাভুক্ত হলো তুং হাই, ফার ইস্ট ও সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ
  • হামিদ ফেব্রিকসের ‘ডিজিটাল’ আইপিও ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে
    সিনিয়র রিপোর্টার : প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে হামিদ ফেব্রিকস লিমিটেড নতুন “ডিজিটাল’ পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করবে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওর আবেদনপত্র জমা দানের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এই সুযোগ থাকবে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত। মঙ্গলবার টেলিফোনে হামিদ ফেব্রিকস কোম্পানির সচিব দীন ইসলাম এ তথ্য জানান। প্রাথমিক পর্যায়ে ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে নতুনে এই ডিজিটাল পদ্ধতিটি চালু করা হবে। এর সাফল্য এবং ব্যর্থতা পর্যালোচনা করে তবেই সব আইপিওর ক্ষেত্রে তা আগামীতে অন্য কোম্পানির ক্ষেত্রে তা কার্যকর হবে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ‍বিশেষ একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে । বিএসইসি জানায়,  বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫২৪তম সভায় গত ১২ আগস্ট কোম্পানিটির প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দেয়। নতুন এ আইপিও পদ্ধতিতে বিনিয়োগকারীরা নির্ধারিত ব্যাংক শাখা অথবা নির্দিষ্ট স্টক ব্রোকার (ট্রেকহোল্ডার) বা মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। এ কোম্পানির মাধ্যমেই শুরু হচ্ছে আইপিওর নতুন পদ্ধতি চালুর ‘পাইলট প্রকল্প’। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, আইপিওতে আসা কোম্পানিটি ৩ কোটি শেয়ার ইস্যু করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা মূল্যে শেয়ার ছাড়বে কোম্পানিটি। ৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত হিসাবে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৫ টাকা ৩ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য বা এনএভি ছিল ৪১ টাকা ১৪ পয়সা। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। পেছনের খবর : হামিদ ফেব্রিকস দিয়ে শুরু হচ্ছে ‘ডিজিটাল’ আইপিও
  • ১০০ টাকার শেয়ার ১০ টাকা!
    বিশেষ প্রতিনিধি : ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) বিল-২০১৪ সোমবার একশ টাকার শেয়ারকে ১০ টাকায় রূপান্তর করে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিলটি উত্থাপন করেন। উত্থাপনের পর বিলটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। বিলের ১৮ দফায় বলা হয়েছে, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)-এর অনুমোদিত শেয়ার মূলধন হবে ১ হাজার কোটি টাকা। যা প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের ১০০ কোটি সাধারণ শেয়ারে বিভক্ত থাকবে। তবে সরকার সময়ে সময়ে শেয়ার মূলধন বাড়াতে পারবে। করপোরেশনের পরিশোধিত মূলধন হবে ৪২১ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা সময়ে সময়ে সরকারের অনুমোদন নিয়ে বাড়ানো যাবে। করপোরেশনের শেয়ার মূলধন সরকারিভাবে ২৭ শতাংশ, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ২৪ শতাংশ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি ও জনসাধারণ কর্তৃক ৪৯ শতাংশ হারে সংগৃহীত হবে। বিলে বলা হয়েছে, সরকার মনোনিত একজন চেয়ারম্যান, একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাতজন পরিচালক নিয়ে করপোরেশনের বোর্ড গঠন করা হবে। চেয়ারম্যান ও তিনজন পরিচালককে সরকার মনোনীত করবে। চারজন পরিচালক শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। পদাধিকার বলে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়িত্ব পালন করবেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী হবেন।বিলে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি নিজের নামে বা যে প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তিনি প্রতিনিধিত্ব করেন, উক্ত প্রতিষ্ঠানের নামে করপোরেশনের কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা অভিহিত মূল্যের দায়মুক্ত শেয়ার ধারণ না করেন, তাহলে তিনি পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হতে পারবেন না বা পরিচালক হিসেবে নির্বাচনের যোগ্য বিবেচিত হবেন না। ১৬ দফায় বলা হয়েছে, করপোরেশন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩ এবং ডিপোজিটরি আইন ১৯৯৯ অনুযায়ী ব্যবসা, লেনদেন ও কাজ পরিচালনা করতে পারবে। ১৭ দফায় বলা আছে, করপোরেশন সকল অথবা অধিকাংশ শেয়ার ধারণ করে অধিনস্থ কোম্পানি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন করতে পারবে এবং এই কোম্পানির নিজস্ব পরিচালনা বোর্ড থাকবে। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৬ সালে ইংরেজিতে প্রণীত আইসিবি অধ্যাদেশটি বাংলাভাষায় রূপান্তরপূর্বক যুগোপযোগী করে এই আইনটি প্রণয়নের ফলে প্রজাতন্ত্রের কর্মের ধারাবাহিকতা, আইনের শাসন এবং জনগণের আইনানুগ অধিকারসমূহ জনস্বার্থে বহাল ও অক্ষুণ্ন থাকবে। এ ছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিফর্ম অভিহিত মূল্য অর্থাৎ টাকা মূল্য চালুকরণে আইসিবি কমিশনের আদেশ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।’
  • এনার্জি প্রিমায় ১৫৬ কোটি টাকা আটকা, প্লেসমেন্ট শেয়ারের নামে ভোগান্তি
    এসবি ডেস্ক :  দেশের বেসরকারী কুইক রেন্টাল বিদ্যুত কোম্পানি এনার্জি প্রিমার প্লেসমেন্ট শেয়ার কিনে ভোগান্তিতে পড়েছে বিনিয়োগকারীরা। বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার মতো ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের মোট ১৫৬ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রায় চার বছর ধরে এনার্জি প্রিমায় আটকে রয়েছে। এর আগে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আশ্বাস দিয়ে অভিহিত মূল্যের (ফেস ভ্যালু) প্রায় ১০ গুণ দরে প্লেসমেন্ট বিক্রি করে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। অতিরিক্ত মূল্যে প্লেসমেন্টে শেয়ার বিক্রি করলেও এতদিনেও কোম্পানিটি বাজারে আসার অনুমোদন পায়নি। মূলত কুইক রেন্টাল বা স্বল্পমেয়াদী কোম্পানি হওয়ায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি তাদের আইপিও অনুমোদন দিচ্ছে না। যার কারণে প্লেসমেন্টধারীরা বেশি টাকায় শেয়ার কিনে বিপাকে পড়েছেন। দ্রুত বাজারে আসবে এমন আশায় এনার্জি প্রিমায় বিনিয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দাবি করে দেশের অন্যতম প্রধান ব্যবসায়িক গ্রুপ মেঘনা গ্রুপ সম্প্রতি বিএসইসি ও দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ করেছে। এই অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, এনার্জি প্রিমা শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে টাকা আত্মসাত করেছে। বিনিয়োগ করা ওই টাকা ফেরত পেতে আবেদন করেছে মেঘনা গ্রুপ। একইভাবে আরও কয়েক বিনিয়োগকারী টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, এনার্জি প্রিমাকে আইপিও প্রক্রিয়ায় আর মূলধন সংগ্রহ করতে দেয়া সম্ভব নয় বলে মৌখিকভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএসইসির এক কর্মকর্তা বলেন, কোম্পানিটি ৩ বছর মেয়াদী বিদ্যুত উৎপাদনের শর্তে সরকারের কাছ থেকে লাইসেন্স পায়। প্রথম মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আরও ৩ বছরের জন্য চুক্তি নবায়ন করেছে, যা শিগগিরই শেষ হবে। আইপিওর জন্য কর্তৃপক্ষকে আরও অন্তত ৯ বছরের জন্য বিদ্যুত কেন্দ্র চালানোর অনুমতি নেয়ার শর্ত দিয়েছিল বিএসইসি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ অনুমতি আনতে পারেনি। শিগগিরই এ অনুমতি আনতে না পারলে এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আশ্বাস দিয়ে ২০১০ সালে কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার ৯৫ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি করে মূলধন বাড়ায়। কিন্তু গত চার বছরেও কোম্পানিটি বাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারেনি। ২০১০ সালেই কোম্পানিটি আইপিও প্রক্রিয়ায় শেয়ার প্রতি ৯৫ টাকা হিসেবে ৩ কোটি ১৪ লাখ শেয়ার বিক্রি করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আরও ২৯৮ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলনের জন্য আবেদন করে। পরে দর সংশোধন করে ৫৬ টাকা করেছে। আইপিওর জন্য দরপ্রস্তাব প্লেসমেন্টের দরের চেয়ে অনেক কম হওয়ায় তাদের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, কোম্পানিটি গত তিন বছরে শেয়ারহোল্ডারদের সামান্যই লভ্যাংশ দিয়েছে। ২০১১ সালে ২০ শতাংশ হারে নগদ এবং ২০১২ ও ২০১৩ সালে ১০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এই লভ্যাংশ অভিহিত মূল্যের (১০ টাকা) ওপর। বিনিয়োগকারীরা ১৫৬ কোটি টাকা বিনিয়োগের বিপরীতে এ সময়ে মাত্র সোয়া ৬ কোটি টাকা মুনাফা পেয়েছেন। এ পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে রাখলে তারা অন্তত ৫০ কোটি টাকা সুদ পেতেন। কাদের কাছে বেশিরভাগ প্লেসমেন্ট : প্রাইভেট প্লেসমেন্ট প্রক্রিয়ায় এনার্জি প্রিমার সর্বাধিক ৬ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার কিনেছে ডিবিএইচ প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এর পরের অবস্থানে রয়েছে পূবালী ব্যাংক, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, ঢাকা সিকিউরিটিজ, ইউনাইটেড এডিবল অয়েল, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, ডিবিএইচ, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, পিপলস লিজিং, ইউনাইটেড সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, জনতা ফ্লাওয়ার এন্ড ডাল মিলস লিমিটেড, গ্লোবাল এ্যান্ড স্টার ব্যাগ ইন্ড্রাস্টিজ লিমিটেড ইত্যাদি। এছাড়া ৫০৫ ব্যক্তি বিনিয়োগকারীর মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ১০৫ কোটি টাকা। মোট ৫৪৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ ১৫৬ কোটি টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিনিয়োগকারী বলেন, আইন থাকলেও তা কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভার ১৪ দিন আগে নোটিস করার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ তা না মেনে ২০১৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর সভার কাজ সমাপ্ত করে। পরে ২৭ ডিসেম্বরে কাজ শেষ করে। এটি বিদ্যমান আইনের পরিপন্থী। আইপিও আবেদনে অতিরঞ্জিত তথ্য : আইপিও অনুমোদন পেতে কোম্পানিটি ভবিষ্যতের মুনাফা ও সম্পদমূল্য বিষয়ে অতিরঞ্জিত তথ্য দিয়েছিল। ২০১০ সালে জমা দেয়া কোম্পানির প্রসপেক্টাসে বলা হয়, ২০১১ থেকে তিন বছরে শেয়ার প্রতি আয় দাঁড়াবে যথাক্রমে ৫ টাকা ৪৫ পয়সা, ৭ টাকা ৩০ পয়সা এবং ৯ টাকা ৮৬ পয়সা। কিন্তু এ তিন বছরে কোম্পানির ইপিএস অর্জিত হয়েছে যথাক্রমে ৫ টাকা ৪৮ পয়সা, ৩ টাকা ২২ পয়সা এবং ১ টাকা ৩৩ পয়সা। একইভাবে ২০১৩ সালে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৬০ টাকায় দাঁড়াবে বলে জানালেও প্রকৃতপক্ষে ২০১৩ সাল শেষে কোম্পানির এনএভি দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩২ টাকা ৬৭ পয়সা।  সূত্র : দৈনিক জনকণ্ঠ।
  • করপোরেটদের ওপর আরোপ হচ্ছে সারচার্জ
    এসবি ডেস্ক : বৃহৎ করপোরেট। পরিবেশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই পণ্য উৎপাদন ও সেবা দেয়ার কথা তাদের। থাকার কথা বর্জ্য পরিশোধন প্লান্ট (ইটিপি)। অধিকাংশের তা আছেও। কিন্তু অনেক সময়ই সেগুলো বন্ধ থাকছে। ফলে পরিশোধন ছাড়াই বর্জ্য গিয়ে মিশছে সরাসরি নদী-খাল-জলাশয়ের পানিতে। কখনো আবার অস্বাভাবিক মাত্রায় কার্বন নির্গমন ও শব্দদূষণ হচ্ছে। এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে পরিবেশের ওপর। পরিবেশ দূষণকারী এসব করপোরেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। অর্থ আইন-২০১৪ অনুযায়ী দূষণের জন্য দায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদিত পণ্যমূল্যের ওপর ১ শতাংশ হারে পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ আরোপ করতে যাচ্ছে এনবিআর। সূত্রমতে, সারা দেশের দূষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চিহ্নিত করে তার একটি তালিকা এনবিআরে জমা দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। ২ হাজার ৪৯২টি প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে তালিকায়। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শক্রমে গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দূষণকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট করবে এনবিআর। সে অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত সব পণ্যের ওপর সারচার্জ আরোপ ও আদায় করা হবে। পরিবেশ অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. শাহজাহান বলেন, পরিবেশ দূষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি তালিকা এনবিআর চেয়েছিল। সে অনুযায়ী সারা দেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তালিকাটি পাঠানো হয়েছে। এর বেশি বলা ঠিক হবে না। বাকিটা রাজস্ব বোর্ডই বলতে পারবে। এ বিষয়ে এনবিআরের প্রথম সচিব (মূসক নীতি) মো. শওকাত হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় থেকে দূষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি তালিকা আমরা পেয়েছি। তালিকা যাচাই-বাছাই করে সারচার্জ আদায়ের গেজেট প্রকাশ করা হবে।’ পরিবেশ দূষণকারী এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্থানীয় করপোরেটের পাশাপাশি রয়েছে বহুজাতিক কোম্পানিও। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— নারায়ণগঞ্জে ওরিয়ন গ্রুপের ডিজিটাল পাওয়ারটেক ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুেকন্দ্র, এসিআই গ্রুপের এসিআই সল্ট, হোলসিম সিমেন্ট ও জনি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড; হাজারীবাগে বে ট্যানারি; চট্টগ্রামে পদ্মা অয়েল, কেওয়াই স্টিল মিল, মদিনা ট্যানারি ও হাক্কানী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস। জানতে চাইলে পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল খায়ের বলেন, ‘আমাদের এখনো এ বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। সারচার্জ আরোপের বিষয়ে প্রণীত আইন সম্পর্কেও আমার জানা নেই।’ তবে বর্জ্য শোধনের সব ব্যবস্থা কেওয়াই স্টিল মিলে রয়েছে বলে দাবি করেন প্রতিষ্ঠানটির উপব্যবস্থাপক (এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন) জিএসএম রাশেদ। তিনি বলেন, ‘এর আগে আমাদের জরিমানা করা হলে সে অর্থ পরিশোধ করেছি। জরিমানার পর আবার সারচার্জ আরোপ হলে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে প্রতিষ্ঠান। সরকারের উচিত বিষয়টি ভেবে দেখা।’ বারিধারায় গ্রামীণফোন বেজ স্টেশন; গাজীপুরে রহিমআফরোজ ব্যাটারি লিমিটেড; ঢাকার আশুলিয়া ও জিরাবোয় ইফাদ মাল্টি প্রডাক্টসের কাস্টার্ড কেক ও চিপস স্ন্যাকের দুটি কারখানা; ধামরাইয়ে ওরাসকম টেলিকম ও নবীনগরে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের কারখানাও পরিবেশ  অধিদফতরের তালিকায় উঠে এসেছে। দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় আরো আছে আশুলিয়ায় পারটেক্স হাউজিং, ইয়ক অ্যাপারেল; সাভারের ইউনিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস, এনার্জি প্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং-২ ও ক্রাউন সিমেন্ট অ্যান্ড বিল্ডিং প্রডাক্টস লিমিটেড। এছাড়া রয়েছে কেরানীগঞ্জের কুমিল্লা ডকইয়ার্ড, এশিয়াটিক মেরিনস, ঢাকা ডকইয়ার্ডসহ প্রায় ১৭টি ডকইয়ার্ড; বরিশালে অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড ও ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস। পণ্য উৎপাদন ও সেবার বিভিন্ন পর্যায়ে এসব প্রতিষ্ঠান পরিবেশের দূষণ ঘটাচ্ছে বলে প্রমাণ পেয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বণিক বার্তাকে বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই দূষণকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সারচার্জ আদায় করা হয়। এমনকি উন্নয়নশীল অনেক দেশেও এটা হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। বিভিন্ন প্রকল্পে শুধু বিদেশীদের ওপর নির্ভর না করে সরকারের রাজস্ব বাড়াতে হবে। বড় প্রতিষ্ঠানগুলোই বেশিমাত্রায় পরিবেশ দূষণ করে। তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে পরিবেশ সুরক্ষায় তা ব্যয় করা হবে। দেশের মানুষ এতে উপকৃত হবে। পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ আদায়ের বিষয়টি উল্লেখ আছে অর্থ আইন-২০১৪ এর ৬৭ অনুচ্ছেদে। সেখানে বলা হয়েছে, পরিবেশ দূষণকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক বাংলাদেশে উৎপাদিত সব পণ্যের ওপর মূল্যভিত্তিক ১ শতাংশ হারে পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ আরোপ করা হবে। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সারচার্জ আরোপ স্থায়ী কোনো সমাধান নয়। তবে জরিমানার চেয়ে ভালো। কারণ নিয়মিত সারচার্জ দিতে দিতে দায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো একসময় উপলব্ধি করবে এর চেয়ে ইটিপি বসানোই ভালো। রফতানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো বেশি সারচার্জের আওতায় আনা প্রয়োজন। এতে তারা রফতানি করতে গিয়ে দূষণকারী বলে বায়ারদের বাধার মুখে পড়ে ইটিপি স্থাপনে বাধ্য হবে।’  সূত্র  : বণিক বার্তা।
  • ম্যারিকোকে নোটিশ, অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : শেয়ার দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ায় ওষুধ ও রসায়ন খাতের ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডকে নোটিশ দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। জবাবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দর বাড়ার জন্য কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য তাদের কাছে নেই। সোমবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়। গত তিন কার্যদিবস কোম্পানির শেয়ার দর কোনো কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিক বাড়ে। তাই গত ৩১ আগস্ট দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে কোম্পানিটিকে নোটিস দেয় ডিএসই। গত এক মাসে এ কোম্পানির শেয়ার দর এক হাজার টাকা ৪০ পয়সা থেকে এক হাজার ১৩৩ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়।
  • ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শেয়ার থাকলেই পাবেন ২০ শতাংশ লভ্যাংশ
    ডেস্ক রিপোর্ট : ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। সভায় সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী অনুমোদন করে পর্ষদ। ফার কেমিক্যাল তালিকাভুক্তির পরে এটাই কোম্পানির প্রথম ডিভিডেন্ড। সমাপ্ত বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৪৫ পয়সা। আগামী ৯ অক্টোবর কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর।
  • বেড়ে গেল খরচের খাত, দেখা যাক উন্নয়ন হয় কিনা ?
    ডেস্ক রিপোর্ট : চলতি বছরের বাজেটে ধার্য হওয়া ‘উন্নয়ন সারচার্জ ’আজ সোমবার থেকে কার্যকর হল। মোবাইল অপারেটরদের আয়ের ওপর নতুন করে করারোপ করায় এ চার্জ ধরা হয়েছে। নির্ধারিত করের পাশাপাশি সেবার বিনিময়ে প্রাপ্ত মূল্যের ওপর ১ শতাংশ হারে সারচার্জ দিতে হবে অপারেটরদের। জানা গেছে, কাগজে-কলমে সারচার্জ অপারেটরদের কাছ থেকে সংগ্রহের কথা বলা হলেও বাস্তবে অতিরিক্ত এ করের বোঝা বহন করতে হবে মোবাইল ফোনের গ্রাহকদেরই। ফলে ১ সেপ্টেম্বর থেকে কলরেট না বাড়লেও কথোপকথনের ব্যয় বাড়বে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের। নিউজ বিডিমেইল২৪ এর। এই সারচার্জ বাবদ বছরে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা আদায়ের ল্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। দেশের মোবাইল ফোন অপরেটর সূত্রে জানা গেছে, মোবাইল অপারেটরদের সিমকার্ড বা রিমকার্ড বা অন্য কোনো মাইক্রো চিপ ব্যবহারের মাধ্যমে সেবার বিনিময়ে প্রাপ্ত সমুদয় মূল্যের ওপর ১ শতাংশ হারে উন্নয়ন সারচার্জ আরোপিত হবে। মূল্য সংযোজন কর যে সময় বা যে পদ্ধতিতে আদায় করা হয় একই সময়ে এবং একই পদ্ধতিতে সারচার্জ আদায় করা হবে। সারচার্জের নাম প্রথমে ‘শিক্ষা উন্নয়ন সারচার্জ’ রাখা হলেও পরবর্তী সময়ে অর্থমন্ত্রীর আপত্তির কারণে তা ‘উন্নয়ন সারচার্জ’ করা হয়। মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা করে আদায়পদ্ধতি দ্রুত ঠিক করে ফেলার নির্দেশও দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১ শতাংশ হারে মোবাইল অপারেটরদের ওপর উন্নয়ন সারচার্জ আরোপ করা হলে এ খাত থেকে বছরে ২৫০ কোটি টাকার বেশি আদায় হবে। এ ছাড়া মোবাইল সেট আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে মূল্যভিত্তির ওপর ১ শতাংশ হারে যে সারচার্জ আরোপ করা হয়েছে, তা থেকে ৩৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল সেট আমদানির ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। প্রত্যাহার করা হয়েছে ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর। বাজেটে সিমকার্ড প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা করারোপ করা হয়েছে। এ থেকে ৮০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। এ ছাড়া মোবাইল সেট আমদানি ও স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদন পর্যায়ে মূল্যভিত্তির ওপর ১ শতাংশ হারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নয়ন সারচার্জ আরোপ করা হয়েছে। এখান থেকে ৩৮ কোটি টাকা আদায় করা হবে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে মোবাইলসেবা গ্রহণের ওপর ১ শতাংশ হারে সারচার্জ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাজেট পাসের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি মোবাইল সিমকার্ডে প্রতিদিন ১ টাকা হারে মাসে ৩০ টাকা সারচার্জ আরোপের প্রস্তাব করেন। এ সারচার্জের মাধ্যমে আদায় করা ৪ হাজার কোটি টাকা শিক্ষা উন্নয়নে ব্যয় করা হবে বলে জানান তিনি। কিন্তু এভাবে সারচার্জ আদায় দুরূহ ও এর প্রভাব প্রান্তিক, হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা সৃষ্টি করবে, এমন ভাবনা থেকে তা করা হয়নি। এর পরিবর্তে মোবাইল অপারেটরদের সিম ও রিম কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে প্রদত্ত সেবার বিনিময়ে প্রাপ্ত সমুদয় অর্থের ওপর সারচার্জ আরোপ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে মোবাইল ফোনের গ্রাহকসংখ্যা ১১ কোটি। মোবাইল খাত রাজস্ব আদায়ের অন্যতম উৎস। এনবিআর সূত্র জানায়, গত দুই অর্থবছরে এ খাত থেকে গড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা আদায় হয়েছে। এ খাতেও আরোপ করা হয়েছে একাধিক সারচার্জ। আমদানি ও উৎপাদন পর্যায়ে ১ শতাংশ সারচার্জ আরোপ করা হয়। এর সঙ্গে বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের ওপর সারচার্জ আরোপের ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নে মোবাইল বিলের ওপর ১ শতাংশ সারচার্জ নির্ধারণের প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে এনবিআর। এনবিআর সূত্র জানায়, আগামী সংসদ অধিবেশনে এনবিআরের এ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হতে পারে। এনবিআরের এক কর্মকর্তা বলেন, সর্বনিম্ন পরিমাণে সারচার্জ আরোপে সরকারের আয় বাড়লেও করদাতাদের কোনো ভোগান্তি হবে না। এ খাতে আদায়কৃত অর্থ উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
  • ইনভার্টেড হ্যামার ক্যান্ডেলস্টিক – ট্রেন্ড পরিবর্তনের সম্ভাবনা
    মোঃ আশফাতুল আলমঃ  আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসইএক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে থেকেই ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতা দেখা যায় এবং দিনভর মিশ্র প্রবনতাই লক্ষ্য করা যায় এবং দিনশেষে পুনরায় বিক্রয়চাপ বৃদ্ধির ফলে নিন্মমুখি প্রবনতাই লেনদেন শেষ হয়ে সূচক ৭.৫০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। ডি.এস.ই এক্স ইনডেক্সে আজ ইনভার্টেড হ্যামার ক্যান্ডেলস্টিক  লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইনভার্টেড হ্যামারক্যান্ডেলস্টিক  দ্বারা সাধারণত বাজারের ট্রেন্ড পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রকাশ পেয়ে থাকে। রেজিটেন্স লাইনের আশেপাশে অবস্থান করছে ডিএসইএক্স ইনডেক্স। ১৪ কার্যদিবস একই অবস্থানের মধ্যে থেকে শক্তি সঞ্চয় করে লেনদেন বৃদ্ধির মাধ্যমে রেজিটেন্স লাইনকে ভাঙ্গার জন্য অপেক্ষে করছে ইনডেক্স। আজ ডিএসইএক্স ইনডেক্স তার সাম্প্রতিক সাপোর্ট লাইনের কাছে এসে পুনরাই আপ ট্রেন্ড এ যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করছে, এমনটাই প্রকাশ পাচ্ছে ইনভার্টেড হ্যামার ক্যান্ডেলস্টিক  দ্বারা। ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর চার্ট  এ Ascending Triangle  লক্ষ্য করা যাচ্ছে । Ascending Triangle  কোন চার্ট এ পাওয়া গেলে সাধারণত তার পূর্ববর্তী ট্রেন্ডএর পুনরাবৃত্তি করা থাকে । Ascending Triangle ব্রেকআউট  এর মাধ্যমে ডিএসইএক্স ইনডেক্স স্ট্রংআপ ট্রেন্ড নিশ্চিত করতে পারে বলে ধারনা কারা যাচ্ছে । আশা কারা যাচ্ছে ডিএসইএক্স ইনডেক্স খুবই কম সময়ের মধ্যে রেজিটেন্স লাইন ব্রেকআউট করে স্ট্রংআপ ট্রেন্ড নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। আর যদি ডিএসইএক্স ইনডেক্স স্ট্রংআপ ট্রেন্ড নিশ্চিত করতে অক্ষম হয় তাহলে পুনরাই ইনডেক্স সংশোধনে যাওয়ার শম্ভাবনা আছে।  ডিএসই এক্স ইনডেক্স  আজ ৫.৪৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে  ৪৫৫৪.৯৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.১১% বৃদ্ধি পেয়েছে।  বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪২০৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৪৭.৫৬ এবং আর.এস.আই এর মান ছিল  ৫৭.৬৬ অর্থাৎ আর.এস.আই ও এম.এফ.আই এর মান এখন বুলিশ জোনের কাছাকাছি অবস্থান করছে। এম.এ.সি.ডি লাইনটি এবং সিগনাল লাইনটি এখন এর মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের থেকে উপরে অবস্থান করছে। আজ এম.এ.সি.ডি লাইনের মান ছিল ৩৪.৯৯ এবং সিগনাল লাইনের মান ছিল ৩৭.৮৩ এবং এম.এ.সি.ডি লাইনটি সিগনাল লাইনের নীচে অবস্থান করছে। ক্যান্ডেলস্টিক বলিঞ্জার ব্যান্ডের মধ্যবর্তী অবস্থানে আবস্থান করছে এবং উপরের দিকে উঠার চেষ্টা করছে। ১০ দিনের এস.এম.এ এখন ২৫ দিনের এস.এম.এ এর উপরে অবস্থান করছে। আজ ডিএসইতে ১২ কোটি ১৩ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৬ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৫০১.৪৬ কোটি টাকা। গতকালের তুলনায় আজ ডিএসইতে লেনদেন ৭ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ ঢাকা শেয়ারবাজারে ২৮৮ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৯ টির, কমেছে ১২২ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল  ৩৭ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • তুং হাই নিটিংয়ের দর বাড়ল ১৮০%
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর গতকাল দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু হয় তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেডের। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এদিন এ শেয়ারের দর বাড়ে ১৮০ শতাংশ। ডিএসইতে গতকাল ৩০ টাকা দর নিয়ে এ শেয়ারের লেনদেন শুরু হয়। দিনভর দর ২৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৩৩ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ২৮ টাকায় লেনদেন হয়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ২৭ টাকা ৮০ পয়সায়। এদিন মোট ৯৩ লাখ ৯১ হাজার শেয়ার ১৮ হাজার ১২৮ বারে লেনদেন হয়, যার বাজারদর ছিল ২৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। ২০১৪ সালের ৩১ মার্চ শেষ হওয়া প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুং হাই নিটিংয়ের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এর প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৭ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা হয় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা ও ইপিএস ২৬ পয়সা। Source : বণিক বার্তা
  • ২০% বোনাস লভ্যাংশ দেবে ফার কেমিক্যাল
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদ ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। কোম্পানির ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ সুপারিশ করা হয়েছে। গতকাল কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩ টাকা ৪৫ পয়সা। ৯ অক্টোবর এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর। এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ বা ৫ টাকা ১০ পয়সা। সারা দিন এর দর ৫৩ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৫৮ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ৫৩ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন হয়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ৫৩ টাকা ৬০ পয়সায়। কোম্পানিটি ২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে এর ১৩১ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন ও ৯১ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের ৯ কোটি ১০ লাখ ৩১ হাজার ৫৬৫টি শেয়ার রয়েছে। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৮৬ দশমিক ৮২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১ দশমিক ৩২, সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে ১১ দশমিক ৮৬ শতাংশ শেয়ার। Source : বণিক বার্তা
  • ধারাবাহিক রফতানি আয় কমছে বিএটিবিসির
    বহুজাতিক তামাক প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানির (বিএটিবিসি) ধারাবাহিকভাবে রফতানি আয় কমছে। গত দুই বছর প্রতিষ্ঠানটির তামাক রফতানি কমেছে। বাংলাদেশ থেকে তামাক রফতানিতে শুল্ক আরোপে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। এতে তামাক রফতানি কমছে বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৩ সালে কোম্পানিটি ২০৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকার তামাক রফতানি করে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৪ শতাংশ কম। ২০১২ সালে কোম্পানিটি ২৭৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার তামাক রফতানি করে, যা এর আগের বছরের চেয়ে ৬ শতাংশ কম। এদিকে আগের বছরগুলোয় প্রতিষ্ঠানটির রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি লক্ষ করা গেছে। এর মধ্যে গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ রফতানির পরিমাণ ছিল ২০১১ সালে। ওই বছর প্রতিষ্ঠানটি ২৯৪ কোটি ১০ লাখ টাকার তামাক রফতানি করে, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেশি। এছাড়া ২০০৯ সালে ১৮৮ কোটি ৬৬ লাখ ও ২০০৮ সালে ১১২ কোটি ৭৯ লাখ টাকার তামাক রফতানি করে কোম্পানিটি। কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুর কারণে কোম্পানিটির তামাক রফতানি কমছে। ২০১৩ সালে এসব কারণে বিভিন্ন সময় শিপমেন্টের ওপর প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশ থেকে তামাক রফতানিতে ১০ শতাংশ শুল্কারোপ করা হয়েছে। এ কারণে তামাক রফতানিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা যাচ্ছে না। এতে তামাক রফতানি কমছে বিএটিবিসির। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার জিএসপি সুবিধা তুলে নেয়ায় রফতানি আয়ে প্রভাব ফেলেছে। ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন ক্রেতার কাছে প্রতিষ্ঠানটি ৩৫ লাখ কেজি তামাক রফতানি করে। ২০১৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে কোম্পানির চেয়ারম্যান গোলাম মাইনুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের তামাক রফতানিতে শুল্কারোপ ও জিএসপি সুবিধা বাতিলে কোম্পানির রফতানি আয়ের ওপর কিছুটা প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুর কারণেও গত বছর শিপমেন্টে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এদিকে রফতানি আয়ে নিম্নমুখী প্রবণতা থাকলেও দেশের বাজারে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রি বাড়ছে। ২০১৩ সালে দেশে প্রতিষ্ঠানটির মোট সিগারেট বিক্রির পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৭৪৯ কোটি ২২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৮ হাজার ৭৪১ কোটি ১০ লাখ ৩২ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির সিগারেট বিক্রির পরিমাণ বাড়ে ২৩ শতাংশ। কোম্পানিটির মোট চারটি সেগমেন্টে সিগারেট বাজারজাত করে। এর মধ্যে গত বছর ‘লো’ ও ‘প্রিমিয়াম’ সেগমেন্ট কিছুটা কঠিন সময় পার করেছে। তবে প্রচুর প্রতিযোগিতা সত্ত্বেও লো-এর বাজার ধরে রাখতে সক্ষম ছিল বিএটিবিসি। অন্যদিকে প্রিমিয়াম সেগমেন্টের মূল পণ্য বেনসন অ্যান্ড হেজেসের জন্য ২০১৩ সাল ছিল সবচেয়ে কঠিন সময়। ২০১২ ও ২০১৩ উভয় বছরই সিগারেটের দাম বাড়ায় বেনসন অ্যান্ড হেজেসের বিক্রি কিছুটা কমেছে। তবে কোম্পানি এ খাতে ভোক্তাকেন্দ্রিক বিনিয়োগ করছে। এতে সামনের বছর এ খাতের সিগারেটের বিক্রির পরিমাণ বাড়বে বলে মনে করে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। মিডিয়াম সেগমেন্ট পণ্য স্টার ও স্টার নেক্সেটের মানোন্নয়নে এ খাতটি ধারবাহিক প্রবৃদ্ধিতে রয়েছে। এছাড়া ২০১৩ সালে হাই সেগমেন্টের পণ্য জন প্লেয়ার গোল্ডলিফের বিক্রির পরিমাণ কোম্পানির প্রত্যাশা অনুসারেই হয়েছে। এদিকে সর্বশেষ প্রকাশিত অর্ধবার্ষিকে অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ২৮৭ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৪৭ টাকা ৮৭ পয়সা। কোম্পানিটি ২০১৩ সালে ৬২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিতে সমর্থ হয়। ওই সময় নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে নেট মুনাফার পরিমাণ ৪৮৬ কোটি ৮৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৮১ টাকা ১৪ পয়সা। Source : বণিক বার্তা
  • ডিএসই’র ৫২ ভাগ লেনদেন চার খাত ঘিরে
    গতকাল সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ও লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ডিএসই’র লেনদেনের ৫২ ভাগই হয়েছে মাত্র চারটি খাত ঘিরে। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয়েছে ৮০ কোটি টাকা। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং, ওষুধ ও জ্বালানি খাতে লেনদেন হয়েছে মোট ১৯ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে এ চার খাতে লেনদেন হয়েছে ডিএসই’র মোট লেনদেনের প্রায় ৫২ ভাগ।   এদিকে গতকাল প্রথম লেনদেনের দিনে তিনগুণ দরে লেনদেন হয়েছে তুং হাই নিটিংয়ের শেয়ার। ১০ টাকা ফেসভ্যালুর এ শেয়ারটি গতকাল সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৩০ টাকায়। এদিন ডিএসইতে শেয়ারটির দর সর্বনিম্ন সাড়ে ২৭ টাকা থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৩৩ টাকায় লেনদেন হয়। দিনভর এ কোম্পানির ৯৩ লাখ ৯১ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ২৭ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার ২০০ টাকা।   তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৫ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৫৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭২২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫০১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৮৮টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৯টির, কমেছে ১২২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৮১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২০৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৯টির, কমেছে ১০৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টি কোম্পানির শেয়ারের।   এদিকে ডিএসইসূত্রে জানা গেছে, সমপ্রতি অস্বাভাবিক হারে শেয়ার দর বাড়ার কারণ নেই বলে জানিয়েছে ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড। দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে এ জবাব দিয়েছে ম্যারিকো কর্তৃপক্ষ। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত তিন কার্যদিবস ম্যারিকোর শেয়ার দর বেড়েছে ১৩৩ টাকা বা ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ। Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • এডিবির পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ডিএসইর বৈঠক
      এশিয়ার ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য এরিস গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিনিধিদল গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে এরিস গ্রুপের পরিচালক অ্যানথনি বি শোরাকা এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট লিউইস জে মেন্ডেলসন, ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা এবং প্রধান রেগুলেটরি কর্মকর্তা একেএম জিয়াউল হাসান খান উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দ্য এরিস গ্রুপ লিমিটেডের প্রতিনিধিরা জানান, ক্যাপিটাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের ফেইজ-২ এর শেষের পথে এবং ফেইজ-৩ এর কাজ আগামী বছরের এপ্রিল মাসে শুরু হতে যাচ্ছে।      তারই ধারাবাহিকতায় ডিমিউচুয়ালাইজেশন পরবর্তী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি তথা মার্কেট গভর্নেন্স, বাজার উন্নয়নে নতুন প্রোডাক্ট, ফিন্যান্সিয়াল রির্পোটিং অ্যাক্ট প্রণয়নের মাধ্যমে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল গঠন ও ক্লিয়ারিং কোম্পানি গঠন, ইন্টারনাল কন্ট্রোল, রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের কার্যক্রমের অগ্রগতি, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সক্ষমতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে বিভিন্ন সময়ে সহায়তা ও পরামর্শ দেয়ার জন্য এডিবি অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। Source : মানবব্জমিন
  • বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে নিয়ম শিথিল
    আগে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের অর্থ প্রত্যাবাসনে রক্ষণশীল ভঙ্গি থাকলেও বর্তমানে এর উদারীকরণ হচ্ছে। এতে বিদেশীরা বিনিয়োগকৃত অর্থ ও অর্জিত মুনাফা সহজে নিয়ে যেতে পারবেন। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশী বিনিয়োগের শর্ত শিথিল করেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এর মাধ্যমে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রির পুরো অর্থই এখন প্রত্যাবাসন করতে পারবেন। নিঃসন্দেহে এটি ইতিবাচক উদ্যোগ; তবে সতর্ক থাকতে হবে। এত দিন শুধু শেয়ারের নেট সম্পদমূল্যের ভিত্তিতে অর্থ প্রত্যাবাসনের অনুমতি দেয়া হতো। বর্তমানে এর সঙ্গে বাজারমূল্য ও কোম্পানির নগদ অর্থপ্রবাহ বিবেচনায় নিয়ে শেয়ারের যৌক্তিক মূল্যের ভিত্তিতে অর্থ প্রত্যাবাসনের অনুমতি দেয়া হবে। এতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের উদ্বেগ দূর হবে বলে ধারণা।   উল্লেখ্য, শেয়ারমূল্য প্রত্যাবাসনের পদ্ধতি নিয়ে লন্ডনের বিনিয়োগকারীদের সংগঠন ইমপিইএ ও সিডিসি গ্রুপ লন্ডন হাইকমিশনকে জানালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস শেয়ারমূল্য প্রত্যাবাসনের শর্ত শিথিলের আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক বিচার-বিশ্লেষণ শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলোচ্য তিন পদ্ধতিতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের শেয়ারমূল্যের অর্থ প্রত্যাবাসনের নির্দেশনা দেয়। অনেক দিক থেকে এটি যথার্থ হওয়ায় এতে বিনিয়োগ বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।   বর্তমানে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয়, এমন বেসরকারি কোম্পানিতে বিদেশী বিনিয়োগকারীর শেয়ার বিক্রির অর্থ প্রত্যাবাসনের আগে বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে হয়। এক্ষেত্রে কেবল নেট সম্পদমূল্য হিসাব করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমতি দিত। আর তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো বাজারমূল্য ধরে তা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিক্রি করে দিত। এ সুবিধা এখনো থাকছে। কিন্তু এখন নেট সম্পদমূল্যের পাশাপাশি বাজারমূল্য ও নগদ অর্থপ্রবাহ হিসাবের মাধ্যমে অর্থ প্রত্যাবাসনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আগের হিসাব রক্ষণশীল ও অযথার্থ হওয়ায় বিদেশী বিনিয়োগকারীরা শেয়ারমূল্যের যৌক্তিক অর্থ প্রত্যাবাসন করতে পারতেন না। বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগ কম আসার এটিও অন্যতম কারণ ছিল। কিন্তু নতুন নির্দেশনাকৃত উদারমূলক হিসাব বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বৈকি। এক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা খুবই জরুরি। সুতরাং বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসাবের পুরো প্রক্রিয়া অত্যন্ত সতর্ক ও গুরুত্বের সঙ্গে তদারক করবে— এটাই প্রত্যাশা। Source : বণিক বার্তা
  • এনার্জি প্রিমার প্লেসমেন্ট শেয়ার কিনে বিপাকে বিনিয়োগকারীরা
    দেশের বেসরকারী কুইক রেন্টাল বিদ্যুত কোম্পানি এনার্জি প্রিমার প্লেসমেন্ট শেয়ার কিনে ভোগান্তিতে পড়েছে বিনিয়োগকারীরা। বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার মতো ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের মোট ১৫৬ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রায় চার বছর ধরে এনার্জি প্রিমায় আটকে রয়েছে। এর আগে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আশ্বাস দিয়ে অভিহিত মূল্যের (ফেস ভ্যালু) প্রায় ১০ গুণ দরে প্লেসমেন্ট বিক্রি করে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। অতিরিক্ত মূল্যে প্লেসমেন্টে শেয়ার বিক্রি করলেও এতদিনেও কোম্পানিটি বাজারে আসার অনুমোদন পায়নি। মূলত কুইক রেন্টাল বা স্বল্পমেয়াদী কোম্পানি হওয়ায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি তাদের আইপিও অনুমোদন দিচ্ছে না। যার কারণে প্লেসমেন্টধারীরা বেশি টাকায় শেয়ার কিনে বিপাকে পড়েছেন।   দ্রুত বাজারে আসবে এমন আশায় এনার্জি প্রিমায় বিনিয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দাবি করে দেশের অন্যতম প্রধান ব্যবসায়িক গ্রুপ মেঘনা গ্রুপ সম্প্রতি বিএসইসি ও দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ করেছে। এই অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, এনার্জি প্রিমা শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে টাকা আত্মসাত করেছে। বিনিয়োগ করা ওই টাকা ফেরত পেতে আবেদন করেছে মেঘনা গ্রুপ। একইভাবে আরও কয়েক বিনিয়োগকারী টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে।   বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, এনার্জি প্রিমাকে আইপিও প্রক্রিয়ায় আর মূলধন সংগ্রহ করতে দেয়া সম্ভব নয় বলে মৌখিকভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএসইসির এক কর্মকর্তা বলেন, কোম্পানিটি ৩ বছর মেয়াদী বিদ্যুত উৎপাদনের শর্তে সরকারের কাছ থেকে লাইসেন্স পায়। প্রথম মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আরও ৩ বছরের জন্য চুক্তি নবায়ন করেছে, যা শিগগিরই শেষ হবে। আইপিওর জন্য কর্তৃপক্ষকে আরও অন্তত ৯ বছরের জন্য বিদ্যুত কেন্দ্র চালানোর অনুমতি নেয়ার শর্ত দিয়েছিল বিএসইসি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ অনুমতি আনতে পারেনি। শিগগিরই এ অনুমতি আনতে না পারলে এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।   খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আশ্বাস দিয়ে ২০১০ সালে কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার ৯৫ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি করে মূলধন বাড়ায়। কিন্তু গত চার বছরেও কোম্পানিটি বাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারেনি। ২০১০ সালেই কোম্পানিটি আইপিও প্রক্রিয়ায় শেয়ার প্রতি ৯৫ টাকা হিসেবে ৩ কোটি ১৪ লাখ শেয়ার বিক্রি করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আরও ২৯৮ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলনের জন্য আবেদন করে। পরে দর সংশোধন করে ৫৬ টাকা করেছে। আইপিওর জন্য দরপ্রস্তাব প্লেসমেন্টের দরের চেয়ে অনেক কম হওয়ায় তাদের ঝুঁকি আরও বেড়েছে।   প্রাপ্ত তথ্যমতে, কোম্পানিটি গত তিন বছরে শেয়ারহোল্ডারদের সামান্যই লভ্যাংশ দিয়েছে। ২০১১ সালে ২০ শতাংশ হারে নগদ এবং ২০১২ ও ২০১৩ সালে ১০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এই লভ্যাংশ অভিহিত মূল্যের (১০ টাকা) ওপর। বিনিয়োগকারীরা ১৫৬ কোটি টাকা বিনিয়োগের বিপরীতে এ সময়ে মাত্র সোয়া ৬ কোটি টাকা মুনাফা পেয়েছেন। এ পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে রাখলে তারা অন্তত ৫০ কোটি টাকা সুদ পেতেন।   কাদের কাছে বেশিরভাগ প্লেসমেন্ট : প্রাইভেট প্লেসমেন্ট প্রক্রিয়ায় এনার্জি প্রিমার সর্বাধিক ৬ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার কিনেছে ডিবিএইচ প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এর পরের অবস্থানে রয়েছে পূবালী ব্যাংক, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, ঢাকা সিকিউরিটিজ, ইউনাইটেড এডিবল অয়েল, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, ডিবিএইচ, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, পিপলস লিজিং, ইউনাইটেড সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, জনতা ফ্লাওয়ার এন্ড ডাল মিলস লিমিটেড, গ্লোবাল এ্যান্ড স্টার ব্যাগ ইন্ড্রাস্টিজ লিমিটেড ইত্যাদি। এছাড়া ৫০৫ ব্যক্তি বিনিয়োগকারীর মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ১০৫ কোটি টাকা। মোট ৫৪৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ ১৫৬ কোটি টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিনিয়োগকারী বলেন, আইন থাকলেও তা কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভার ১৪ দিন আগে নোটিস করার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ তা না মেনে ২০১৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর সভার কাজ সমাপ্ত করে। পরে ২৭ ডিসেম্বরে কাজ শেষ করে। এটি বিদ্যমান আইনের পরিপন্থী।   আইপিও আবেদনে অতিরঞ্জিত তথ্য : আইপিও অনুমোদন পেতে কোম্পানিটি ভবিষ্যতের মুনাফা ও সম্পদমূল্য বিষয়ে অতিরঞ্জিত তথ্য দিয়েছিল। ২০১০ সালে জমা দেয়া কোম্পানির প্রসপেক্টাসে বলা হয়, ২০১১ থেকে তিন বছরে শেয়ার প্রতি আয় দাঁড়াবে যথাক্রমে ৫ টাকা ৪৫ পয়সা, ৭ টাকা ৩০ পয়সা এবং ৯ টাকা ৮৬ পয়সা। কিন্তু এ তিন বছরে কোম্পানির ইপিএস অর্জিত হয়েছে যথাক্রমে ৫ টাকা ৪৮ পয়সা, ৩ টাকা ২২ পয়সা এবং ১ টাকা ৩৩ পয়সা। একইভাবে ২০১৩ সালে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৬০ টাকায় দাঁড়াবে বলে জানালেও প্রকৃতপক্ষে ২০১৩ সাল শেষে কোম্পানির এনএভি দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩২ টাকা ৬৭ পয়সা। Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • বেশি সুদে ঋণ বিতরণ করছে ২৯ ব্যাংক
     বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অমান্য করে কম সুদে আমানত সংগ্রহ ও বেশি সুদে ঋণ বিতরণ করছে বেশকিছু ব্যাংক। এর মধ্যে বেসরকারী ও বিদেশী মালিকানার ২৯টি ব্যাংকের ঋণ-আমানতের ব্যবধান ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের ওপরে রয়েছে। ফলে অব্যাহতভাবে বাড়ছে ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড)। যার প্রভাবে দেশের বিনিয়োগে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে ব্যাংকাররা বলছেন, বেসরকারী খাতে ঋণ প্রবাহ কম থাকায় ব্যাংকগুলোতে অলস অর্থ পড়ে থাকলেও আমানতকারীদের নিয়মিতভাবে সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। ফলে ব্যাংকের পরিচালনা ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে।   বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জুলাই শেষে ঋণ ও আমানত উভয়ক্ষেত্রেই কিছুটা সুদহার কমিয়েছে ব্যাংকগুলো। ফলে দেশের ৫৭টি ব্যাংকের ঋণের গড় সুদহার দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৮৪ শতাংশ, যা জুন শেষে ছিল ১৩ দশমিক ১০ শতাংশ। জুলাইতে আমানতে গড় সুদহার ৭ দশমিক ৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা জুন শেষে ছিল ৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ। অর্থাৎ এক মাসে আমানতে দশমিক ২৬ শতাংশ সুদ কমলেও ঋণে কমেছে দশমিক ৮ শতাংশ। এতে ব্যাংকিং খাতে গড় স্প্রেড (ঋণ-আমানতের ব্যবধান) দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ১৩ শতাংশীয় পয়েন্ট, যা জুন শেষে ছিল ৫ দশমিক ৩১ শতাংশীয় পয়েন্ট।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত খাতের বেসিক ব্যাংকের স্প্রেড ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশীয় পয়েন্ট, যা এর আগে ছিল ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশীয় পয়েন্ট। এছাড়া, বেসরকারী ও বিদেশী মালিকানার আরও ২৯টি ব্যাংকের ঋণ-আমানতের ব্যবধান ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের উপরে রয়েছে। বেসরকারী ব্যাংকগুলোর ঋণে গড় সুদহার ১৩ দশমিক শূন্য ৪৮ শতাংশ রয়েছে। যদিও এসব ব্যাংকের আমানতে আরও এক দফা সুদহার কমানো হয়েছে। আমানতের গড় সুদহার ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, যা আগে ছিল ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ। এতে তাদের স্প্রেডের ব্যবধান ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশীয় পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে ।   বেসরকারী খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের স্প্রেড সবচেয়ে বেশি। এ ব্যাংকের ঋণ-আমানতের ব্যবধান ১০ দশমিক ৩২ শতাংশীয় পয়েন্ট। এর পরে ডাচ-বাংলার ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ ও ওয়ান ব্যাংকের ঋণ-আমানতের ব্যবধান ৭ দশমিক ৪২ শতাংশীয় পয়েন্ট। এছাড়া বেসরকারী খাতের এবি ব্যাংকের ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ, দি সিটি ব্যাংকে ৬ দশমিক ৫, আইএফআইসি ৬ দশমিক ৬৬, পূবালী ৫ দশমিক ৩৭, উত্তরা ৬ দশমিক ০৭, ইস্টার্ন ৫ দশমিক ৬১, এনসিসি ৫ দশমিক ০৮, প্রাইম ৫ দশমিক ৭২, সাউথইস্ট ৫ দশমিক ২১, ঢাকা ব্যাংক ৫ দশমিক ১৪, স্যোশাল ইসলামী ৫ দশমিক ২৪, এক্সিম ব্যাংকের ৫ দশমিক ২৬, বাংলাদেশ কমার্স ৫ দশমিক ৭৬, প্রিমিয়ার ৬ দশমিক ৬৩, ব্যাংক এশিয়া ৫ দশমিক ৩৪, যমুনা ব্যাংকের ৫ দশমিক ৪৬ ও দ্য ফার্মার্স ব্যাংকের ঋণ-আমানতের ব্যবধান ৫ দশমিক ০৩ শতাংশীয় পয়েন্ট।   এদিকে, বিদেশী মালিকানার ব্যাংকগুলোর ঋণ-আমানতের ব্যবধান সবচেয়ে বেশী। এসব ব্যাংকের স্প্রেড ৭ দশমিক ৯৮ শতাংশীয় পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ ব্যাংকগুলোর আমানতের সুদহার ৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং ঋণের সুদহার ১২ দশমিক ৩২ শতাংশ। এর মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের স্প্রেড ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, হাবিব ব্যাংক ৫ দশমিক ১৩, সিটি ব্যাংক এনএ ৮ দশমিক ৪২, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন ৭ দশমিক ১৪, ওরি ব্যাংক ৭ দশমিক ১২, এইচএসবিসি ব্যাংকের স্প্রেড ৬ দশমিক ৭১ শতাংশীয় পয়েন্টের ওপরে রয়েছে। এদিকে, রাষ্ট্রীয় মালিকানার চার ব্যাংকের ঋণে গড় সুদহার দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশে। আমানতে সুদহার ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ। এতে তাদের স্প্রেডের ব্যবধান ৩ দশমিক ৫২ শতাংশীয় পয়েন্ট। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো গড়ে ১২ দশমিক শূন্য ২৯ শতাংশ সুদে ঋণ দিয়েছে। আমানতে সুদ দিয়েছে মাত্র ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ। এতে তাদের স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৯৮ শতাংশীয় পয়েন্ট।   ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দেশ দিয়েছিল, আমানত ও ব্যাংক ঋণের সুদের হারের মধ্যে ব্যবধান (¯েপ্রড) কোন অবস্থাতেই ৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। তবে গত অর্থবছরের বেশিরভাগ সময় বেশ কয়েকটি ব্যাংক এ নির্দেশনা অমান্য করেছে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যাংক ঋণের উর্ধমুখী সুদহারের কারণে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। শিল্পের মেয়াদী ঋণ এবং চলতি মূলধনের জন্য কোন কোন ব্যাংক ২০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ নিচ্ছে। এতে উদ্যোক্তাদের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • ইতিবাচক ধারায় পুঁজিবাজার
    অবশেষে দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার প্রবণতা কিছুটা কমেছে। ফলে গত দুই কার্যদিবস পর দেশের পুঁজিবাজারে ইতিবাচক ধারায় ফিরে এসেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ফোন ও জ্বালানি এবং শক্তি খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর চাহিদা বাড়ার কারণে সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের সঙ্গে লেনদেনও বেড়েছে। আগের তুলনায় বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার কারণে ডিএসইতে ৫০১ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন শেষ হয়েছে। আগের দুই কার্র্যদিবসেই সেখানে ৫শ’ কোটি টাকার নিচে লেনদেন হয়েছিল। দিনটিতে ডিএসইতে সার্বিক লেনদেনের নেতৃত্ব দিয়েছে বস্ত্র খাতটি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে একই খাতের দুটি নতুন কোম্পানির লেনদেন শুরু হওয়ার কারণে খাতটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের বেশি নজর ছিল। প্রধান বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখার কারণে অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সূচক বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সোমবারে আগের দিনের তুলনায় ৭ কোটি ৪০ লাখ টাকার বা ১ শতাংশ বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের দিন ডিএসইতে ৪৯৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে ঈদ-উল-ফিতরের পর থেকে প্রায় এক মাস ধরে ইতিবাচক প্রবণতা বিরাজ করছে। তবে টানা বৃদ্ধি নয় মাঝে মাঝে মূল্য সংশোধন হচ্ছে। সামনে বাজার আরও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তারা। খাতওয়ারি দর বাড়ার কারণে নির্দিষ্ট কোন খাতেও অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি ঘটছে না। বিনিয়োগকারীরা কিছুটা সুযোগ পেলেই পত্রকোষ বা পোর্টফলিও পুনর্বিন্যাস করছেন।সকালে দরবৃদ্ধির প্রবণতা দিয়ে শুরুর পর দিনশেষে ডিএসই প্রধান মূল্যসূচক বা ডিএসইএক্স সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৫৫৪ পয়েন্টে। আর ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৬৪ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭২২ পয়েন্টে।দিনটিতে ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নিয়েছে ২৮৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৯টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১২২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির। ডিএসইতে এইদিনে খাতওয়ারি লেনদেনের নেতৃত্ব দিয়েছে বস্ত্র খাতটি। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৮০ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ০৫ ভাগ। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ওষুধ এবং রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলো। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৭৬ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৫ দশমিক ১৮ ভাগ। তৃতীয় অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাতটি। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬১ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ৩০ ভাগ।ডিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো- গ্রামীণ ফোন, তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং, বেক্সিমকো, সামিট পাওয়ার, বেক্সিমকো ফার্মা, এমজেএলবিডি, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, এসি আই, গোল্ডেন সন এবং অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেড।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো- তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং, অগ্নি সিস্টেম, ফু-য়াং ফুড, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, বিডি কম, ইনটেক, আরডি ফুড, ওরিয়ন ইনফিউশন, সিনো বাংলা ও ফাইন ফুডস।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলোÑ ফার কেমিক্যাল, জুট স্পিনার্স, অলটেক্স, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো সিনথেটিকস, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, পপুলার লাইফ, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড ও ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড।অন্যদিকে ঢাকার মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। বেশিরভাগ কোম্পানির দর কমলেও সেখানে বড় মৌলের কিছু শেয়ারের দর বাড়ার কারণে সূচকে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। সকালে সূচকের বৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শুরুর পর সারাদিনে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির আদেশ বাড়লেও সিএসই সার্বিক সূচক ৬২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ১০২ পয়েন্টে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২০৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭৫টির, কমেছে ১০৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টির। Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • সূচকের পতন দিয়ে আগস্ট মাসের লেনদেন শেষ
     আগস্ট মাসের শেষ কার্র্যদিবস রবিবারে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার কারণে সূচকের পতন ঘটলেও মাসের শুরু হয়েছিল উর্ধগতি দিয়ে। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের পরে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার কারণে সূচক ও লেনদেনে উন্নতি ঘটেছিল। এক পর্যায়ে চলতি মাসে ডিএসইর মূল্যসূচক সাড়ে ৪ হাজার ছাড়িয়ে যায়। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক একচেঞ্জের লেনদেন বাড়তে বাড়তে ৮শ’ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। ব্যাংক খাত ছাড়া সব কটি খাতেরই শেয়ারের দরে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ে। দীর্ঘদিন পরে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর দর বেড়েছে। ফলে সূচক বৃদ্ধিতে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোয় দর বাড়ার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, রবিবার ডিএসইতে সব ধরনের সূচকের পতনের সঙ্গে লেনদেনও কমেছে। মূলত বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির বিপরীতে অধিকহারে ক্রয়াদেশ বাড়ার কারণে বাজারে সূচকের পতন ঘটেছে। একই সঙ্গে লেনদেন কমতে কমতে ৫শ’ কোটি টাকার নিচে চলে আসে, যা গত দশ কার্র্যদিবস পরেই সর্বনিম্ন। দিনটিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয়েছে ৪৯৪ কোটি টাকার শেয়ার। আর আগের দিন এ বাজারে লেনদেন হয়েছিল ৬৩২ কোটি টাকার শেয়ার। অর্থাৎ লেনদেন কমেছে ১৩৮ কোটি টাকার বা ২১ দশমিক ৮৫ শতাংশ।বেশিরভাগ কোম্পানির দর কমলেও ঢাকা স্টক একচেঞ্জে সূচকের উর্ধগতি দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু বড় মূলধনের কিছু কোম্পানির সঙ্গে অব্যাহতভাবে দর বাড়তে থাকা কোম্পানিগুলোরও দর কমে যায়। ফলে সূচকের কিছুটা পতন ঘটতে থাকে। সারাদিন সূচকের ওঠানামা শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সূচক ২৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৫৪৯ পয়েন্টে। আর ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচকও ৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৫৭ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭১৩ পয়েন্টে।এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নিয়েছে ২৯৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৯৯টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১৭২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির।ডিএসইতে দিনটিতে খাতভিত্তিক লেনদেনের সেরা স্থান দখল করেছে ওষুধ এবং রসায়ন খাতটি। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ ৮১ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৫১ ভাগ। ৮০ কোটি টাকার লেনদেন করে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাতটি, যা মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ১৩ ভাগ। বস্ত্র খাতের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৩ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ৮৭ ভাগ। চতুর্থ অবস্থানে জ্বালানি ও শক্তি খাতটি। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের ৬১ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ৩৬ ভাগ।ডিএসইতে লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো - বেক্সিমকো, বেক্সিমকো ফার্মা, এমজেএলবিডি, গোল্ডেন সন, বিডি বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, গ্রামীণফোন, বিএসআরএম স্টীল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, ফার কেমিক্যাল এবং এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড।দর বাড়ার সেরা কোম্পানিগুলোÑ মোজাফফর হোসেন এ্যান্ড স্পিনিং মিলস লিমিটেড, ঢাকা ডাইং, ম্যারিকো, ফার কেমিক্যাল, সামিট পোর্ট এ্যালায়েন্স, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, রেকিট বেনকিজার, জনতা ইন্স্যুরেন্স, বিট্রিশ-আমেরিকান টোব্যাকো লিমিটেড ও ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স।দর কমার সেরা কোম্পানিগুলোÑ ফারইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডাইং লিমিটেড, আইসিবি১ম এনআরবি, কে এ্যান্ড কিউ, ন্যাশনাল টি, এক্সিম ১ম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, অগ্নি সিস্টেম, বিডি কম, সালভো কেমিক্যাল, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড ও রেনউইক যজ্ঞেশ্বর রেনউইক।অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সব ধরনের সূচক ও লেনদেন কমেছে। এই দিন সিএসই সার্বিক সূচক ৮০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ৮৬ পয়েন্টে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৯২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৪৯টির, কমেছে ১১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টির।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলোÑ বেক্সিমকো, ফারইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডাইং লিমিটেড, খুলনা প্রিন্টিং এ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, গোল্ডেন সন, এ্যাপোলো ইস্পাত, ইউনাইটেড এয়ার, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, বেক্সিকো ফার্মা ও ফার কেমিক্যাল।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • তুং হাই নিটিংয়ের লেনদেন আজ
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের পর তুং হাই নিটিং এ্যান্ড ডায়িংয়ের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে আজ সোমবার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসইতে কোম্পানিটি ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করবে। তুং হাই নিটিং এ্যান্ড ডায়িং লিমিটেডের প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস বা শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১৫ পয়সা। কোম্পানির আইপিও পরবর্তী ৮ কোটি ১৩ লাখ শেয়ার হিসাবে এ ইপিএস হয়েছে।কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-১৪-মার্চ-১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত বছরে কোম্পানিটির করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ টাকা। শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস করেছে ২৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ২৬ পয়সা।উল্লেখ্য, এই ইপিএস কোম্পানির আইপিও পূর্ববর্তী ৪ কোটি ৫১ লাখ ৩০ হাজার শেয়ারের গড় ভারিত্ব হিসাবের ওপর করা হয়েছে।এর আগে গত ১৪ আগস্ট তুং হাই নিটিং ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ৩ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার বিক্রি করেছে। এর মাধ্যমে বাজার থেকে উত্তোলন করেছে ৩৫ কোটি টাকা। বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, উত্তোলিত টাকা চলতি মূলধন, মেশিনারিজ কেনা এবং মেয়াদী ঋণ পরিশোধে ব্যয় করবে কোম্পানি। আইপিওতে নির্ধারিত সংখ্যার ২৫ গুণ আবেদন জমা পড়ায় লটারির মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডার নির্বাচন করা হয়। গত ১৯ জুন ওই লটারি অনুষ্ঠিত হয়।তুং হাই নিটিংয়ের আইপিওতে ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড। সহ-ইস্যু ম্যানেজার ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড। Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • আরও ১০ মাস সেবা দিতে পারবে ইউনাইটেড এয়ার
    বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) আগামী বছরের ২৯ জুন পর্যন্ত ইউনাইটেড এয়ারের জন্য এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেট (এওসি) ইস্যু করেছে। ফলে কোম্পানিটি আরও ১০ মাস বিমান পরিবহন সেবা দিতে পারবে। গত ২৭ আগস্ট বেবিচক এওসি ইস্যু করে বলে ইউনাইটেড এয়ারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।জানা গেছে, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের সব ধরনের উড্ডয়ন সক্ষমতা বিবেচনা করে এওসি ইস্যু করা হয়েছে। বেবিচকের নিরাপত্তা বিষয়ক পরিদর্শক দলের সন্তোষজনক ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বেবিচক ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আরও ১০ মাস সময় দিয়েছে।বেবিচকের পাওনা ৮৪ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে কিনা, জানতে চাইলে ইউনাইটেড এয়ারের মার্কেটিং ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে বেবিচকের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে। মোট ৮৪ কোটি টাকার মধ্যে ৪৩ কোটি টাকা তিন বছরের কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। বাকি ৪১ কোটি টাকা পরিশোধের বিষয়ে সরকার পরবর্তী সময়ে যে সিদ্ধান্ত দিবে সে অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে।জানা গেছে, বেবিচক ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের প্রথম তিন বছর-প্রতিবছর একবার করে এওসি ইস্যু করেছে। পরবর্তী সময়ে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বরাবর বিভিন্ন মেয়াদে বেবিচক এওসি ইস্যু করেছে। সর্বশেষ ইস্যুকৃত এওসির মেয়াদ ১০ মাস। বেবিচক ইউনাইটেড এয়ারওয়েজকে সর্বপ্রথম এওসি দেয় ৮ জুলাই ২০০৭ তারিখে।   উত্তরা ব্যাংকের উদ্যোক্তার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা   অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত উত্তরা ব্যাংক লিমিটেডের দুই স্বতন্ত্র পরিচালক শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। পরিচালক দুই জনের নাম হচ্ছে আবু হোসাইন সিদ্দিকী ও রেজাউল করিম মজুমদার। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।জানা যায়, আবু হোসাইন সিদ্দিকী ৬ হাজার ৫০০ শেয়ার এবং রেজাউল করিম মজুমদার ৫ হাজার ৯টি শেয়ার বিক্রি করবে। এর মধ্য থেকে উল্লিখিত পরিমাণ শেয়ার পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিদ্যমান বাজার দরে বেচবেন।   Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • বিদেশি বিনিয়োগকারীর শেয়ার বিক্রি
    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির অর্থ বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যাওয়ার শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতদিন পর্যন্ত শুধু শেয়ারের নিট সম্পদ মূল্যের ভিত্তিতে অর্থ প্রত্যাবাসনের অনুমতি দেওয়া হতো। এখন থেকে এর সঙ্গে বাজারমূল্য ও কোম্পানির নগদ অর্থের প্রবাহ বিবেচনায় নিয়ে শেয়ারের একটি যৌক্তিক মূল্যের ভিত্তিতে ওই অনুমতি দেওয়া হবে। ফলে কোনো বিনিয়োগকারী তার শেয়ার বিক্রির পুরো অর্থই প্রত্যাবাসন করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে অবহিত করার জন্য ব্যাংকগুলোতে পাঠিয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, অর্থ প্রত্যাবাসনের বিদ্যমান পদ্ধতি নিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ ছিল। তবে শেয়ারমূল্য হিসাবায়নের নতুন পদ্ধতির কারণে এখন তারা উত্সাহিত হবেন। এতে বিনিয়োগ বাড়বে বলে তাদের ধারণা।জানা গেছে, শেয়ারমূল্য প্রত্যাবাসনের বিদ্যমান পদ্ধতি নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়ে লন্ডনের বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন ইএমপিইএ এবং সিডিসি গ্রুপ লন্ডন হাইকমিশনে আবেদন করে। শেয়ারমূল্য প্রত্যাবাসনের শর্ত শিথিলের আবেদন করে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের কাছেও চিঠি দেয় তারা। এমন পরিস্থিতিতে এই সার্কুলার জারি করা হয়েছে।সার্কুলারে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এবং বেসরকারি কোম্পানিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীর শেয়ার বিক্রির অর্থ প্রত্যাবাসনের আগে বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে হয়। অর্থ প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বর্তমানে শুধু নিট সম্পদমূল্য হিসাব করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমতি দেয়। তবে এখন থেকে নিট সম্পদমূল্য, বাজারমূল্য ও নগদ অর্থপ্রবাহ-এই তিনটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে শেয়ারের একটি যৌক্তিক দাম নির্ধারণপূর্বক অর্থ প্রত্যাবাসনের আবেদন করা যাবে। নতুন পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্যমান হিসাবের ক্ষেত্রে বিএসইসির তালিকাভুক্ত মার্চেন্ট ব্যাংক বা কোম্পানির মূল্যমান হিসাবের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট থেকে সার্টিফিকেট নিয়ে আবেদন করতে হবে।এতে আরও বলা হয়েছে, মার্চেন্ট ব্যাংক বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট থেকে কোম্পানির শেয়ারমূল্য হিসাবায়নের পূর্ণবিবরণ বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে মূল্য প্রত্যাবাসনের আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ আর্থিক বিবরণী সংযুক্ত করতে হবে। শেয়ারমূল্য হিসাবায়নের বিষয়টি কোনো কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যদি অসঙ্গতিপূর্ণ মনে হয় তাহলে দ্বিতীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মূল্য হিসাবায়নের নির্দেশনা দিতে পারবে।       Source : সকালের খবর 
View All
Latest DSE News
  • SONARBAINS

    A.F.M. Quazi Quamrul Hassan, one of the Sponsors/Directors of the Company, has further reported that he has completed his sale of 1,20,000 shares of the Company against declaration of 1,20,261 shares at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • PROVATIINS

    Pradip Kumar Das, one of the Directors (Public Director) of the Company, has further reported that he has completed his buy of 25,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • UCBL

    Abdul Gaffar Chowdhury, one of the Sponsors of the Company, has further reported that he has completed his transfer of 35,29,000 shares to his wife Setara Begum, by way of gift outside the trading system of the Exchange as announced earlier.

  • DSE NEWS

    Today's (02.09.2014) Total Trades: 131,655; Volume: 148,079,446 and Turnover: Tk. 5,516.63 million.

  • Market - End of Day

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
AGNISYSL 31.90 29.10 2.80 9.62
RDFOOD 21.50 19.70 1.80 9.14
MODERNDYE 82.50 75.80 6.70 8.84
INTECH 15.00 13.80 1.20 8.70
NITOLINS 26.70 24.60 2.10 8.54
DESHBANDHU 20.50 19.00 1.50 7.89
RNSPIN 25.70 24.00 1.70 7.08
POPULARLIF 147.50 137.80 9.70 7.04
LEGACYFOOT 28.20 26.40 1.80 6.82
ICB 1770.75 1671.75 99.00 5.92

OUR SERVICE

 

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297