Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SAMATALETH 38.7 32.1 6.60 20.56
RUPALIBANK 42.6 36 6.60 18.33
PLFSL 13.5 11.5 2.00 17.39
SAFKOSPINN 17.4 15 2.40 16.00
JUTESPINN 97.7 84.9 12.80 15.08
ISNLTD 19.1 16.9 2.20 13.02
CONTININS 22.1 19.7 2.40 12.18
LEGACYFOOT 30.7 27.7 3.00 10.83
SINOBANGLA 62 56.3 5.70 10.12
IMAMBUTTON 21.4 19.5 1.90 9.74

Contest SB2017_Jul

1st
blank_person
GAMBLERBD
2nd
blank_person
BDSTOCKGAMBLER@GMAIL.COM
3rd
blank_person
RAHAZANI
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 379.8 374.9 11.57576 395138.00
DUTCHBANGL 113.9 106.1 2.72928 238543.00
RUPALIBANK 42.6 38.8 2.01869 1824590.00
ICB 189.4 188.4 1.10713 41670.00
SQURPHARMA 282.6 282 0.72005 63712.00
Negative impact
BRACBANK 88 89 -1.49622 574003.00
RENATA 1133 1145.4 -1.32111 106.00
MERCANBANK 22.9 23.5 -0.81470 8723240.00
UPGDCL 184.4 185.6 -0.76198 28696.00
PRIMEBANK 24 24.3 -0.54026 1435780.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
MERCANBANK 22.9 23.7 22.8 -2.55% 201.70
LANKABAFIN 56.8 57.8 56.7 0.00% 154.12
GP 379.8 382 375 1.31% 149.99
PREMIERBAN 12.8 13 12.5 4.07% 105.81
IDLC 75.6 76.7 75.6 -0.13% 92.92
FORTUNE 56 56.5 54.9 1.82% 91.85
ZAHEENSPIN 27.6 28.2 27.4 1.47% 78.38
RUPALIBANK 42.6 42.6 39 9.79% 76.29
IFIC 18.3 18.8 18.2 -1.08% 73.95
CITYBANK 38.1 38.7 38.1 -0.78% 71.55

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 27 Jul 2017

47003
TOTAL TRADE
110.4169
TOTAL VOLUME(Mn)
3207.10
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ঋণ সরবরাহে সতর্কতামূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি মাথায় রেখে ঋণ সরবরাহে সতর্কতামূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সরকারি ও বেসরকারি খাতে ঋণ বাড়ানোর প্রাক্কলন কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য যথেষ্ট বলে মনে করছে আর্থিক খাতের এ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আর মুদ্রানীতির লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্রের বর্তমান সুদহারকে অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করে তা কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির এক কথায় এই মুদ্রানীতিকে স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান সহায়ক ও প্রবৃদ্ধিমূলক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর ফজলে কবির চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের উপদেষ্টা আল্লাহ মালিক কাজেমী, ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান ও এস কে সুর চৌধুরী, প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ফয়সাল আহমেদ, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. আখতারুজ্জামানসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গভর্নর বলেন, 'মূল্যস্ফীতি পরিমিত রাখার পাশাপাশি দেশজ উৎপাদনে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গতিশীল প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখতে প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। বেসরকারি খাতে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ ঋণ জোগানের প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৬ দশমিক ২ শতাংশ। আর সরকারি খাতে ধরা হয়েছে ১২ দশমিক ১ শতাংশ। নতুন অর্থবছরের জন্য গড় বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ শতাংশে পরিমিত রাখা এবং ৭ দশমিক ৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণের এ প্রাক্কলন যথেষ্ট।' তিনি বলেন, 'আকস্মিক বন্যায় ফসলহানির ফলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা ঊর্ধ্বগতি রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকায় অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতি পরিমিত রাখা যাবে। আবার রফতানি প্রবৃদ্ধির মন্থরতা এবং রেমিট্যান্স কমার ফলে তারল্য জোগান পরিমিত রয়েছে। যে কারণে রেপো, রিভার্স রেপোসহ নীতি সুদহার আপাতত অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিবর্তন করা হবে। আগের মুদ্রানীতিতে গত জুন নাগাদ বেসরকারি খাতে ১৬ দশমিক ৫০ শতাংশ ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছিল। এবারের মুদ্রানীতিতে ডিসেম্বর নাগাদ ১৬ দশমিক ২ এবং জুন নাগাদ ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছে। আগের প্রাক্কলিত লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনায় এবারের প্রাক্কলন কম হলেও তা প্রকৃত অর্জনের তুলনায় বেশি। গত মে পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ শতাংশ। এ বিষয়ে গভর্নর বলেন, 'প্রতিবছর আর্থিক খাত বড় হচ্ছে। ব্যাংক ব্যবস্থার অনেক বড় ঋণের ওপর ভিত্তি করে নতুন প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে। ফলে নতুন প্রাক্কলনকে আগের তুলনায় কম বলা যাবে না। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য এটাই যথেষ্ট।' সঞ্চয়পত্রের সুদহার বাজারভিত্তিক না হওয়াকে মুদ্রানীতির প্রধান ঝুঁকি উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, 'সঞ্চয়পত্রের সুদহার বাজারের সঙ্গে সঙ্গতিহীন। সরকারের সুদ ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়াও বন্ডবাজারের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে। সঞ্চয়পত্রের সুদহার বর্তমান মাত্রায় থাকলে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পগুলো বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তবে এও ঠিক, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় এ ধরনের কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। এখন প্রকৃত ব্যক্তিরা যেন এর সুবিধা পায় সরকার সেদিকে জোর দিচ্ছে।' তিনি বলেন, 'আমানতের সুদহার এখন অনেক কমে এসেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমানতকারীদের স্বার্থরক্ষায় ব্যাংকগুলোর ওপর চাপ বজায় রাখা হয়েছে।' ফজলে কবির বলেন, 'ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কমানো ও নগদ অর্থ আদায়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম রোধে বিভিন্ন ধরনের পদেক্ষপ চলমান রয়েছে। আর পুনর্গঠিত বড় ঋণ নতুন করে খেলাপি হওয়ায় আবার সুবিধা দেওয়া হবে কি-না এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আপাতত কিছু ভাবছে না।' খেলাপি ঋণ বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এস কে সুর চৌধুরী বলেন, 'ঋণ শ্রেণিকরণ নীতিমালায় বড় পরিবর্তন আনার পর থেকে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ বিবেচনায় ঋণ পুনঃতফসিল, পুনর্গঠনসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে এটা ঠিক, নানা সুবিধার পরও খেলাপি ঋণ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নামানো যায়নি।' অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।' রেমিট্যান্স: গভর্নর বলেন, 'মুদ্রানীতির দুই চ্যালেঞ্জের একটি রেমিট্যান্স কমে যাওয়া।' তিনি বলেন, 'শুধু দেশের বাইরে শ্রমিক রফতানি কমার কারণে রেমিট্যান্স কমছে তা নয়; মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশ ব্যাংকগুলোর ওপর মাত্রাতিরিক্ত কঠোর মানি লন্ডারিং আইন প্রয়োগের কারণে এমনটি হচ্ছে। সাম্প্রতিককালে বড় বড় আন্তর্জাতিক ব্যাংক বিপুল অঙ্কের অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পর রেমিট্যান্স প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক গুটিয়ে নিয়েছে। ফলে বৈধ পথে অর্থ প্রেরণ দুরূহ হয়ে পড়েছে। বিষয়টি সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে কথা বলছে।' এক প্রশ্নের উত্তরে আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান বলেন, 'মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে হুন্ডি ব্যবসায়ীরা কিছু অনিয়ম করেছে। মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে কোথায় কীভাবে অর্থ গেছে এ ধরনের কিছু তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে আছে। এসব বিষয় নিয়ে এখন কাজ চলছে। শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বড় ব্যাংক বাংলাদেশের ৯টি ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। আরও কয়েকটি ব্যাংকের সঙ্গে আংশিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়েছে। অতি সতর্কতার ফলে খুব ছোট বিষয় নিয়ে সম্পর্ক ছিন্নের ঘটনা ঘটছে। এসব বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এপিজি, এফএটিএফসহ বিভিন্ন ফোরামে কথা বলছে। আবার আন্তর্জাতিক যেসব ব্যাংক এখানে কাজ করছে, তারা এখানকার কোনো ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আগে অন্তত বাংলাদেশ ব্যাংককে যেন অবহিত করে, সে বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে।'
  • রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার কারসাজিতে চাচা-ভাতিজা
    আনোয়ার ইব্রাহীম : কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। নেই মুনাফা বৃদ্ধির কোনো খবরও। তারপরও মাত্র সাত মাসে বস্ত্র খাতের রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার দর ১১ টাকা থেকে তিনগুণেরও বেশি বেড়ে গত এপ্রিলে ৩৭ টাকায় উঠেছিল। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির এ ঘটনায় মূল হোতা নোয়াখালীর হাতিয়ার ব্যবসায়ী আহসানুল মাহমুদ ও নারায়ণগঞ্জের সুতা ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা। শেয়ার কেনাবেচার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চাচা-ভাতিজা রিজেন্টের শেয়ারে প্রায় ৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে কারসাজিমূলক লেনদেন করেছেন। এই চাচা ও ভাতিজা মিলে গত মার্চ থেকে নিজেদের মধ্যে ক্রমাগত শেয়ার কেনাবেচা (সার্কুলার ট্রেড) করে শেয়ারটির কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করেন। কেবল ইবিএল সিকিউরিটিজ নামক ব্রোকারেজ হাউসে বিও হিসাব খুলে রিজেন্ট টেক্সটাইলের ৭০০ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। এরমধ্যে ক্রয় ৩৫০ কোটি টাকার এবং বিক্রি ৩৩৯ কোটি টাকার। এরমধ্যে ভাতিজা শফিকুল ইসলাম তার বিও হিসাবে ১৬২ কোটি টাকার শেয়ার কিনে বিক্রি করেছেন ১৫৭ কোটি টাকার। আর চাচা আহসানুল মাহমুদ ১৮৮ কোটি টাকা শেয়ার কিনে বিক্রি করেছেন ১৮২ কোটি টাকার। এখনও উভয়ের হিসাবে অন্তত ২০ কোটি টাকার শেয়ার রয়েছে। এই হিসাব কেবল চাচা-ভাতিজার। চাচি কামরুন নাহারের বিও হিসাবেও শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। শুধু ইবিএল নয়, ইউসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজসহ আরও কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস থেকেও তারা রিজেন্টের শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। এর পরিমাণও কয়েক শত কোটি টাকা হবে। রিজেন্ট টেক্সের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটি এখনও প্রতিবেদন দেয়নি। জানতে চাইলে সংস্থাটির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, ক্রমাগত একাধিক ব্যক্তির মধ্যে কোনো শেয়ার লেনদেন করে সংশ্লিষ্ট শেয়ারের দর নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টাকে কারসাজিমূলক লেনদেন হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েই বিএসইসি তদন্ত কমিটি করেছে। এদিকে জানা গেছে, চাচা-ভাতিজার কারসাজির ফায়দা তুলেছেন একাধিক শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তা ও তাদের একজনের পরিবার। এমন একজন নাজমুল হাসান চৌধুরী। বর্তমানে তিনি লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের ব্যবসায় উন্নয়ন বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক। কিছুদিন আগেও ছিলেন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) মালিকানাধীন ব্রোকারেজ হাউস ইউসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে। এ তালিকায় আছেন লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের এজিএম জোবায়ের মহসিন কবির। তিনি এর আগে ইউসিবিতে ছিলেন। এ ছাড়া বর্তমানে ইউসিবিতে কর্মরত রাজেশ সাহাও শেয়ার কিনে মুনাফা করেছেন। কারসাজির হোতা চাচা-ভাতিজা হলেন ব্রোকারেজ হাউস কর্মকর্তা নাজমুল হাসান চৌধুরীর গ্রাহক। গ্রাহকের হিসাবে রিজেন্টের ব্যাপক শেয়ার কেনাবেচা দেখে নাজমুল এবং তার ভাই মো. শরীফ উদ্দিন চৌধুরী, তাদের মা নূরে হাওয়া, অপর তিন ভাই নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, মেহেদী হাসান চৌধুরী ও কামরুল হাসান চৌধুরী এ কোম্পানিটির শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। এরা শেয়ার কেনাবেচা করেছেন আইডিএলসি, ইবিএল ও আইআইডিএফসি নামক ব্রোকারেজ হাউসে। শেয়ারবাজারের একটি সূত্র জানিয়েছে, পুরো এই গ্রুপটি গত এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) রিজেন্ট টেক্সটাইলের যে শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, কোনো কোনো দিন তার ৫০ থেকে ৯০ শতাংশই ছিল তাদের। শেয়ারটির ব্যাপক চাহিদা তৈরি করার জন্য বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রিও করেছেন চাচা-ভাতিজা। পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর রিজেন্ট টেক্সটাইল স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও লেনদেন শুরু হয়। আইপিওতে ২৫ টাকা দরে শেয়ার বিক্রি করেছিল কোম্পানিটি। লেনদেনে প্রথম দিনের পর চলতি বছরের ৫ এপ্রিলের আগ পর্যন্ত প্রায় দেড় বছরে কখনই এর বাজারদর ২৫ টাকায় ওঠেনি। তালিকাভুক্তির পর ক্রমাগত দর কমে গত বছরের অক্টোবরের শুরুতে সর্বনিম্ন ১১ টাকায় নামে। গত বছরের ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১২ টাকায় কেনাবেচা হয়। এরপর ক্রমাগত বাড়তে থাকে শেয়ারটির দাম। গত মার্চের শেষে দর ওঠে ২১ টাকা। ২ এপ্রিল থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ১১ কার্যদিবসে বাজারদর ২১ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ৩৭ টাকা হয়। গত তিন মাসে অবশ্য শেয়ারটির দর কিছুটা ওঠানামা করছে। সর্বশেষ গতকাল সোমবার শেয়ারটি কেনাবেচা হয় ২৭ টাকা ৭০ পয়সায়। কারসাজিমূলক লেনদেনের বিষয়ে জানতে চাইলে আহসানুল মাহমুদ রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার ব্যাপক লেনদেন করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এমন লেনদেন যে বেআইনি তা তিনি জানতেন না বলে দাবি করেন। যদিও গত প্রায় ২০ বছর ধরে শেয়ার ব্যবসায় আছেন বলে জানান তিনি। আহসানুল মাহমুদ বলেন, ভাতিজা শফিকুল ইসলামই বেশিরভাগ সময় তার শেয়ার কেনাবেচা করে। জানতে চাইলে ভাতিজা শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি নারায়ণগঞ্জে সুতার ব্যবসা করেন। পাশাপাশি গত ৭-৮ বছর শেয়ার ব্যবসাও করছেন। তিনি বলেন, দাম বাড়তে পারে এমনটা মনে করেই রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার কেনেন তিনি। যদিও লাভের তুলনায় লোকসানই হয়েছে বেশি তার। ক্রমাগত শেয়ার কেনাবেচার বিষয়ে জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, এটা অপরাধ বলে তিনি মনে করেন না। শফিকুল বলেন, চাচা কখন কোন শেয়ার কেনেন বা বেচেন তা জানেন না। অবশ্য একই সঙ্গে চাচা-ভাতিজার বিও হিসাব খোলা ও নির্দিষ্ট কোম্পানির শেয়ারে সন্দেহজনক লেনদেনের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। ইবিএল সিকিউরিটিজের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই ব্রোকারেজ হাউসে গত এপ্রিল মাসে খোলা বিও হিসাবে শফিকুল ইসলাম শুধু রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার লেনদেন করেছেন। গত কিছুদিনে শেয়ারটির দর কমার কারণে বর্তমানে তার হিসাবে লোকসান প্রায় ৫ কোটি টাকা। জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, এই লোকসান নিয়ে তিনি ভাবছেন না। কারণ ব্যবসায় লাভ-লোকসান থাকবেই। এদিকে এই কারসাজির কেন্দ্রে থাকা ব্রোকারেজ হাউস কর্মকর্তা নাজমুল হাসান চৌধুরী জানান, 'তিনি নিজের ইচ্ছায় রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। তার মা ও ভাইয়েরা প্রত্যেকেই পূর্ণবয়স্ক। তারাও তাদের ইচ্ছাতেই শেয়ার কেনাবেচা করেছেন।' কীভাবে প্রায় একই সময়ে তার পরিবারের ছয় সদস্য একই শেয়ার কিনেছেন এবং ক্রমাগত বিক্রি করেছেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, 'বাজারে যখন কোনো শেয়ারের দর বাড়ে, তখন অনেকেই শেয়ার কেনেন। পরিবারের সদস্যরা হয়তো এভাবেই শেয়ার কেনাবেচা করেছেন।' তিনি বলেন, 'আমি একবারই শেয়ার কিনেছি ও একদিনেই বিক্রি করেছি।' গড়ে ২৪ টাকা দরে শেয়ার কিনে গড়ে ৩৩ টাকা দরে শেয়ার বিক্রি করে ৫৭ লাখ টাকা লাভ করেছেন বলেও স্বীকার করেন তিনি। পরিবারের অন্য সদস্যদের মুনাফার বিষয়টি জানেন না বলে এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন তিনি। জানতে চাইলে লংকাবাংলার কর্মকর্তা জোবায়ের জানান, তিনি সরল মনেই রিজেন্টের শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। কারসাজি করতে চাইলে বেনামে শেয়ার কিনতেন। তিনি জানান, একবার কিনে একবারই বিক্রি করেছেন তিনি। এতে ৮০ লাখ টাকা মুনাফা হয়েছে তার। ব্রোকারেজ হাউস কর্মকর্তা রাজেশ সাহা জানান, তিনি ২৮ টাকা দরে কিনে ৩২ টাকায় রিজেন্টের শেয়ার বিক্রি করেছেন। এতে কিছু লাভ হলেও পরে ৩৩ টাকা দরে শেয়ার কেনার পর কিছুটা লোকসান হয়েছে। জানতে চাইলে ইবিএল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছায়েদুর রহমান বলেন, কারসাজিমূলক লেনদেনের বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে শফিকুল ইসলাম এবং আহসানুল মাহমুদের লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে। এদের অন্যত্র শেয়ার সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, এই দুই গ্রাহক কর্মকর্তাদের অজ্ঞাতে সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। আইন অনুযায়ী, গ্রাহক শেয়ার কিনতে বা বিক্রি করতে চাইলে ব্রোকারেজ হাউস তাতে বাধা দিতে পারে না। সূত্র : সমকাল
  • বাজার কিছুটা সেল পেশার ,মার্কেট নিউজ টুইটস :১১.৩০ মিনিট
      শুরুতে অনেক পজিটিভে থাকলেও বাজারে বিক্রয় চাপ দেখা দিচ্ছে। তবে এখনও আগের দিনের চেয়ে উপরে অবস্থান করছে মার্কেট। মার্কেট ঊর্ধ্বমুখী থাকার সম্ভাবনা, মার্কেট নিউজ টুইটস :১০.৩০ মিনিট গত দিন ভাল বাই পেশারে শেষ হওয়ায়, মার্কেটে আজকেও ক্রয় চাপ থাকতে পারে বলে ধারনা করা যাচ্ছে।   পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে ৯টি কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ শেয়ারবাজার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি আরএকে সিরামিকের ইপিএস ৭৪% বৃদ্ধি অনুমোদনের অপেক্ষায় ৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র ৯২০ কোটি টাকা মূলধন বেড়েছে ২১ কোম্পানির উল্লেখযোগ্য কিছু বিভাগসমুহ এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ব্রোকারেজ হাউজ সম্পর্কে জানুন পুজিবাজার শিক্ষা টিউটোরিয়াল কর্নার এক্সুসিভ সাক্ষাৎকার সমূহ পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • বিনিয়োগে সেরা কোম্পানির তালিকা
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২৯৭ কোম্পানির মধ্যে গত জুন মাসে ২৯৫টিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৫৬ কোম্পানিতে গত জুন মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে।  সম্প্রতি ক্যাটাগরিভিত্তিক মাসওয়ারি শেয়ারধারণের তথ্য প্রকাশ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তথ্যানুযায়ী, গত জুন মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের।  জুন মাস শেষে এ কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ২২.৩৩ শতাংশ বেড়ে ৩৬.৫৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৪.২৩ শতাংশ। এরপরেই রয়েছে রংপুর ডেইরি ফুড লিমিটেড। গত জুন মাস শেষে এ কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১৯.০৫ শতাংশ বেড়ে ৩৬.৪১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৭.৩৬ শতাংশ। এছাড়া গত জুনে এবি ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৩ শতাংশ বেড়ে ২৮.২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৮.১৬ শতাংশ। আমার ফিডের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৮১ শতাংশ বেড়ে ১৫.৩৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৪.৫৩ শতাংশ।  এ্যাপেক্স ফুডের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৩.৫৯ শতাংশ বেড়ে ১১.১৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৭.৬০ শতাংশ। এ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৪২ শতাংশ বেড়ে ২২.০৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২১.৬৭ শতাংশ। এ্যাপোলো ইস্পাতের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৮ শতাংশ বেড়ে ২১.১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২১.০৭ শতাংশ। ব্যাংক  এশিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৪৭ শতাংশ বেড়ে ৩৬.১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩৫.৬৩ শতাংশ। বারাকা পাওয়ারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৮৩ শতাংশ বেড়ে ১৭.৩৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৬.৫০ শতাংশ। বাটা সু’র প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৫৮ শতাংশ বেড়ে ১৬.৯৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৬.৩৯ শতাংশ। বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.০১ শতাংশ বেড়ে ২০.৭৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৯.৭৫ শতাংশ। বিডি ল্যাম্পসের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩৩ শতাংশ বেড়ে ১৯.৪৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৯.১৫ শতাংশ। বিডি থাইয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৬ শতাংশ বেড়ে ৫.২১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৫.০৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ২.৫৮ শতাংশ বেড়ে ৪.১৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১.৫৫ শতাংশ। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৬ শতাংশ বেড়ে ১২.৬৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১২.৫১ শতাংশ। বিএসআরএম স্টীলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৫ শতাংশ বেড়ে ১৪.০৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৩.৮৮ শতাংশ। সিটি ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৪.১৯ শতাংশ বেড়ে ২১.৩৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৭.২০ শতাংশ। সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৫৭ শতাংশ বেড়ে ৩২.৫৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩১.০২ শতাংশ। ঢাকা ডাইংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৩.০২ শতাংশ বেড়ে ২২.২৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৯.২১ শতাংশ। ড্যাফোডিল কম্পিউটারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১১.০৬ শতাংশ বেড়ে ১১.০৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৯.০৭ শতাংশ। ঢাকা ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩৬ শতাংশ বেড়ে ২৪.২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৩.৯৩ শতাংশ। ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০১ শতাংশ বেড়ে ১৬.৫৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৬.৫৩ শতাংশ। ডাচ বাংলা ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০১ শতাংশ বেড়ে ৬.৩৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।যা মে মাস শেষে ছিল ৬.৩৬ শতাংশ। এনভয় টেক্সটাইলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২৪ শতাংশ বেড়ে ৩৫.৪৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩৫.২৫ শতাংশ। ফারইস্ট ফাইন্যান্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৬৯  শতাংশ বেড়ে ১০.৮৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১০.১৪ শতাংশ। ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৭  শতাংশ বেড়ে ৩৭.৯৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩৭.৭৯ শতাংশ। ফার্স্ট সিকিউরিটিজ ইসলামী ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৩  শতাংশ বেড়ে ১৫.৬১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৫.৫৮ শতাংশ। ফু-ওয়াং ফুডের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৪  শতাংশ বেড়ে ১৯.১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৯.০৬ শতাংশ। গ্লোডেন হাভের্স্ট এগ্রোর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ  ২.৩৮  শতাংশ বেড়ে ৪২.৪৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৪০.০৬ শতাংশ।  জিএসপি ফাইন্যান্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১ শতাংশ বেড়ে ২২.৮৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২১.৮৪ শতাংশ। হাইডেলবার্গ সিমেন্টের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩০ শতাংশ বেড়ে ২৬.৭২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৬.৪২ শতাংশ। হা-ওয়েল টেক্সটাইলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৭ শতাংশ বেড়ে ৬.৯৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৬.৮৮ শতাংশ। আইডিএলসি ফাইন্যান্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩১ শতাংশ বেড়ে ২১.১৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২০.৮৫ শতাংশ। ইফাদ অটোসের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৬৭ শতাংশ বেড়ে ১৮.৫৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৭.৯১ শতাংশ। আইএফআইসি ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৯৬ শতাংশ বেড়ে ২৩.৬৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২২.৭০ শতাংশ। ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৬২ শতাংশ বেড়ে ২২.৬২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২২ শতাংশ। আইপিডিসি ফাইন্যান্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১০ শতাংশ বেড়ে ৭.৯২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৭.৮২ শতাংশ। জেএমআই সিরিঞ্জের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.২৬ শতাংশ বেড়ে ৯.৪৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৮.২০ শতাংশ। লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৩ শতাংশ বেড়ে ২৮.১৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৫.১৩ শতাংশ। ম্যাকসন্স স্পিনিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৮৭ শতাংশ বেড়ে ১৮.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৭.৮৪ শতাংশ। ম্যারিকো বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ  ০.০৮ শতাংশ বেড়ে ২.৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২.৮৫ শতাংশ। মতিন স্পিনিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ  ০.০৬ শতাংশ বেড়ে ৫১.৭৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৫১.৭০ শতাংশ। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৪.২০ শতাংশ বেড়ে ১১.২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৭.০৯ শতাংশ। মোজ্জাফর হোসেন স্পিনিং মিলসের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ২.০৯ শতাংশ বেড়ে ২৭.৯৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৫.৮৯ শতাংশ। মিউচ্যুয়ার ট্রাস্ট ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৬ শতাংশ বেড়ে ২০.০২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৯.১১ শতাংশ। অলেম্পিক এক্সসরিজের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.০১ শতাংশ বেড়ে ২৩.৪৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২২.৪৩ শতাংশ। অলেম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২৭ শতাংশ বেড়ে ১২.২৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১২.০১ শতাংশ। ওরিয়ন ফার্মার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৩ শতাংশ বেড়ে ৪০.৯৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৪০.৯২ শতাংশ। প্যাসিফিক ডেনিমসের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২৫ শতাংশ বেড়ে ১৯.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৯ শতাংশ। পেনিনসুলা চিটাগাংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৫.৬১ শতাংশ বেড়ে ১৮.৮০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৩.১৯ শতাংশ। ফিনিক্স ফাইন্যান্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৩ শতাংশ বেড়ে ২২.২১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২২.১৮ শতাংশ। পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৪৪ শতাংশ বেড়ে ২০.১৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৯.৭২ শতাংশ। প্রিমিয়াম সিমেন্টের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১০ শতাংশ বেড়ে ২৫.০৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৫.৩০ শতাংশ। পূবালী ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৫ শতাংশ বেড়ে ২৪.৯৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৪.৮০ শতাংশ। আরএকে সিরামিকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৬ শতাংশ বেড়ে ১২.৭৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১২.৬৯ শতাংশ। শাশা ডেনিমসের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২০ শতাংশ বেড়ে ১৫.৭৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৫.৫৬ শতাংশ। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২৮ শতাংশ বেড়ে ২৯.১৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৮.৮৯ শতাংশ। সিঙ্গার বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৩৩ শতাংশ বেড়ে ১১.৮৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১০.৫৬ শতাংশ। সাউথইস্ট ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৮৮ শতাংশ বেড়ে ৩০.২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৯.৪১ শতাংশ। তিতাস গ্যাসের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৫ শতাংশ বেড়ে ১৩.৭২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৩.৫৭ শতাংশ। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৮১ শতাংশ বেড়ে ১৩.৪২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১২.৬১ শতাংশ। ইউনিয়ন ক্যাপিটালের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ২.৫৯ শতাংশ বেড়ে ১৬.২৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩০.০৪ শতাংশ। ইউনিক হোটেলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২৪ শতাংশ বেড়ে ৩০.২৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩০.০৪ শতাংশ। ইউনাইটেড এয়ারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৪৮ শতাংশ বেড়ে ২৬.৯৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৫.৪৮ শতাংশ। ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৪৭ শতাংশ বেড়ে ১৯.৮০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৯.৩৩ শতাংশ। উত্তরা ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩৮ শতাংশ বেড়ে ২৫.৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৫.৫৫ শতাংশ। এশিয়া লিমিটেডের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৪৫ শতাংশ বেড়ে ২৯.৩৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৮.৮৮ শতাংশ। এশিয়া ফরমুলেশন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৭০ শতাংশ বেড়ে ২১.০২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২০.৩২ শতাংশ। এফএসসি এগ্রোর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৭.৩০ শতাংশ বেড়ে ৩৮.৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩১.১৫ শতাংশ। আফতাব অটোমোবাইলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩০ শতাংশ বেড়ে ৩৬.০১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩৫.৭১ শতাংশ। অগ্রী সিস্টমের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৭৭ শতাংশ বেড়ে ১০.৭৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১০.০১ শতাংশ। অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০২ শতাংশ বেড়ে ৩৫.৬৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩৫.৬১ শতাংশ। আলহাজ্ব টেক্সটাইলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ২.৩৭ শতাংশ বেড়ে ১৯.৬৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৭.২৬ শতাংশ। আনলিমা ইর্য়ানের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৭৩ শতাংশ বেড়ে ৭.৪৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৬.৭১ শতাংশ। এপেক্স ট্যানারীর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২১ শতাংশ বেড়ে ১৫.৯৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৫.৭৮ শতাংশ। আজিজ পাইপসের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৫২ শতাংশ বেড়ে ৬.১৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৪.৬৬ শতাংশ। বঙ্গজের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০২ শতাংশ বেড়ে ৮.২৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৮.২৮ শতাংশ। বিডিকম অনলাইনের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩৫ শতাংশ বেড়ে ১৮.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৭.৯০ শতাংশ। বেঙ্গল উন্ডসোরের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৮ শতাংশ বেড়ে ২২.৪১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২২.৩৩ শতাংশ। বিআইএফসির প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২৮ শতাংশ বেড়ে ৩৮.৫৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩৮.৩০ শতাংশ। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৯০ শতাংশ বেড়ে ২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২০.১০ শতাংশ। সেন্টাল ফার্মাসিটিক্যালের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ২.৫৪ শতাংশ বেড়ে ১৩.৩৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১০.৮২ শতাংশ। সিএমসি কামালের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৭ শতাংশ বেড়ে ১৪.৬৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৪.৪৬ শতাংশ। কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৫ শতাংশ বেড়ে ৪৩.৭২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৪৩.৫৭ শতাংশ। সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৩.০৯ শতাংশ বেড়ে ১৮.৫৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৫.৪৪ শতাংশ। ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২৩ শতাংশ বেড়ে ২১.৩৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২১.১৬ শতাংশ। ডেল্টা স্পিনার্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৬ শতাংশ বেড়ে ১৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৮ শতাংশ। দেশ বন্ধু পলিমারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৯ শতাংশ বেড়ে ৭.২৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৭.০৪ শতাংশ। ডোরিন পাওয়ারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৩.৬৬ শতাংশ বেড়ে ১৩.৮৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১০.২২ শতাংশ। দেশ গার্মেন্টসের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৪২২শতাংশ বেড়ে ৬.৩৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৬.১১ শতাংশ। ড্রাগণ সোয়েটারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.১৬ শতাংশ বেড়ে ১৯.৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৮.৭৪ শতাংশ। ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৪ শতাংশ বেড়ে ২৫.৪৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৫.৪৩ শতাংশ। ইসল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৮ শতাংশ বেড়ে ৩১.৩২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩১.১৪ শতাংশ। ইস্টার্ন ক্যাবলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৩ শতাংশ বেড়ে ১৭.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৭.৫৮ শতাংশ। ইস্টার্ন হাউজিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৮৩ শতাংশ বেড়ে ২৫.৪০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৪.৫৭ শতাংশ। এমারাল্ড অয়েলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৬৭  শতাংশ বেড়ে ৯.২৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৭.৬১ শতাংশ। ফার কেমিক্যালের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৪৮ শতাংশ বেড়ে ২৭.২০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৬.৭২ শতাংশ। ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৪৪ শতাংশ বেড়ে ৬.৬৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৬.২২ শতাংশ। ফার ইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩৪ শতাংশ বেড়ে ১১.৮৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১১.৫৫ শতাংশ। ফার্স্ট ফাইন্যান্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৯৯ শতাংশ বেড়ে ১৬.৮৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৫.৮৮ শতাংশ। ফরচুন সুজের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.২৬ শতাংশ বেড়ে ১১.৬৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১১.৩১ শতাংশ। ফু-ওয়াং সিরামিকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.২৬ শতাংশ বেড়ে ৩৮.৩১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩৭.০৫ শতাংশ। জিবিবি পাওয়ারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৫৭ শতাংশ বেড়ে ১২.০৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১১.৪৬ শতাংশ। জেমিনি সী ফুডের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৬৬ শতাংশ বেড়ে ৫.১৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩.৫১ শতাংশ। গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.২৯ শতাংশ বেড়ে ৩৪.৩৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩২.৯৮ শতাংশ। গ্লোডেন সনের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৬৮ শতাংশ বেড়ে ১৯.৯৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৯.২৯ শতাংশ। জিপিএইচ ইস্পাতের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২৪ শতাংশ বেড়ে ১১.৩৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১১.১৪ শতাংশ। ইবনে সিনার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৫০ শতাংশ বেড়ে ১৭.৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৭.৪০ শতাংশ। ইনটেক অনলাইনের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৯০ শতাংশ বেড়ে ১৯.১২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২০.০২ শতাংশ। যমুনা ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৪ শতাংশ বেড়ে ১০.৮৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১০.৬৯ শতাংশ। আইটি কনসালটেন্টের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১৮ শতাংশ বেড়ে ২১.৪৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২১.২৮ শতাংশ। কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১০ শতাংশ বেড়ে ১৪.৭২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৪.৬২ শতাংশ। কেডিএস এক্সসরিজের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩২ শতাংশ বেড়ে ৬.৭০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৬.৩৮ শতাংশ। কহিনুর কেমিক্যালের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ২.৩১ শতাংশ বেড়ে ১৬.১৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৩.৮৭ শতাংশ। লিনডে বিডির প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১০ শতাংশ বেড়ে ২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৮.৯০ শতাংশ। মালেক স্পিনিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩৬ শতাংশ বেড়ে ৩২.১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩১.৭৯ শতাংশ। মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২৯ শতাংশ বেড়ে ৪০.২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৪০ শতাংশ। মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৫.২২ শতাংশ বেড়ে ৪২.৩৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩৭.১৩ শতাংশ। মেট্রো স্পিনিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.২৫ শতাংশ বেড়ে ১৪.৭০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৩.৪৫ শতাংশ। মিথুন নিটিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০২ শতাংশ বেড়ে ১০.১৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১০.১৬ শতাংশ। মেঘনা পেট্রোলিয়ামের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৭ শতাংশ বেড়ে ৩১.৫৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৩১.৪৮ শতাংশ। নাভানা সিএনজির প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ২.২৬ শতাংশ বেড়ে ২৫.৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৩.১৯ শতাংশ। ন্যাশনাল হাউজিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩১ শতাংশ বেড়ে ১৬.৮৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৬.৫২ শতাংশ। নিটল ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০২ শতাংশ বেড়ে ২০.৩৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২০.৩২ শতাংশ। নদার্ণ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২৩ শতাংশ বেড়ে ৪৩.৬৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৪৩.৪০ শতাংশ। ন্যাশনাল পলিমারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩০ শতাংশ বেড়ে ১০.০২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৯.৭২ শতাংশ। ন্যাশনাল টিউবসের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৭৯ শতাংশ বেড়ে ১৬.৭২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৫.৯৩ শতাংশ। প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ৩.৮৯ শতাংশ বেড়ে ২৭.১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৩.৩৬ শতাংশ। পিপলস ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩২ শতাংশ বেড়ে ২৭.২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৬.৯৭ শতাংশ। ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০১ শতাংশ বেড়ে ২৯.৭২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৯.৭১ শতাংশ। প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২১ শতাংশ বেড়ে ২৩.৬৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৩.৪৫ শতাংশ। প্রিমিয়াম ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৫৩ শতাংশ বেড়ে ১৭.৭৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৭.২৬ শতাংশ। প্রিমিয়াম লিজিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৫১ শতাংশ বেড়ে ৯.৮০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৯.২৯ শতাংশ। প্রাইম ফাইন্যান্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৪৮ শতাংশ বেড়ে ১৭.৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৭.৪২ শতাংশ। প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৮২ শতাংশ বেড়ে ২২.২০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২১.৩৮ শতাংশ। প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৫ শতাংশ বেড়ে ৪১.৯৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৪১.৯০ শতাংশ। প্রগেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩৭ শতাংশ বেড়ে ২৪.৩৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৪ শতাংশ। প্রভাতি ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৮৭ শতাংশ বেড়ে ২১.৬৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৯.৭৬ শতাংশ। প্যারামাউন্ট টেক্সেটাইলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৭৬ শতাংশ বেড়ে ৮.০৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৬.২৮ শতাংশ। কাশেম ডাইসেলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ২.৭৪ শতাংশ বেড়ে ১৫.৫৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১২.৮০ শতাংশ। রহিম টেক্সটাইলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২৯ শতাংশ বেড়ে ১.৬৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১.৩৫ শতাংশ। আরএন স্পিনিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৩৬ শতাংশ বেড়ে ১২.৪৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১২.০৭ শতাংশ। সাইফ পাওয়ারটেকের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৬৯ শতাংশ বেড়ে ১৫.৭৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৫.০৯ শতাংশ। সায়হাম কটনের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৮ শতাংশ বেড়ে ২৫.০৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৪.৯৫ শতাংশ। এস আলম কোল্ড রোস্ট স্টীলের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.০৯ শতাংশ বেড়ে ২৮.৭৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৮.৬৭ শতাংশ। সালভো কেমিক্যালের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৪৫ শতাংশ বেড়ে ১৪.০৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১২.৫৮ শতাংশ। শমরিতা হাসপাতালের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৪৮ শতাংশ বেড়ে ২৭.৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৭.৪৫ শতাংশ। সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.১১ শতাংশ বেড়ে ২২.২৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৭.৪৫ শতাংশ। সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৮৭ শতাংশ বেড়ে ১১.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১০.৮৪ শতাংশ। সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৫৪ শতাংশ বেড়ে ২৫.৮৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৫.৩০ শতাংশ। শাহজিবাজার পাওয়ারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৭৬ শতাংশ বেড়ে ১২.৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১১.৯৮ শতাংশ। সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.২১ শতাংশ বেড়ে ২৬.২১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৬ শতাংশ। তুং হাইং নিটিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ২.৫৮ শতাংশ বেড়ে ১০.৭৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ৮.১৯ শতাংশ।  ওয়েস্টান মেরিন শিপ ওর্য়াডের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৯০ শতাংশ বেড়ে ১৫.২৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৩.৩৩ শতাংশ। ইয়াকিন পলিমারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ১.৪৭ শতাংশ বেড়ে ১৭.৬০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ১৬.১৩ শতাংশ। জাহিন স্পিনিংয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ০.৬৬ শতাংশ বেড়ে ২৪.৮৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা মে মাস শেষে ছিল ২৪.২০ শতাংশ।
  • বৃহস্পতিবার প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্সের লেনদেন বন্ধ
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্সের লেনদেন রেকর্ড ডেটের কারণে বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
  • ৯টি কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৯ কোম্পানি দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। লংকা বাংলা ফাইন্যান্স: ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন, ১৭) কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা। আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৮৯ পয়সা। আর এককভাবে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭১ পয়সা। গত বছর যা ছিল ১ টাকা ২৯ পয়সা। কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২১ টাকা ৭১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২১ টাকা ০১ পয়সা। পূবালী ব্যাংক: ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন, ১৭) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৭৮ পয়সা। আর এককভাবে ইপিএস হয়েছে ৯২ পয়সা, গত বছর যা ছিল ৭৪ পয়সা। কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদমূল্য ২৬ টাকা ৫১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২৭ টাকা ১২ পয়সা। প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট: ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন, ১৭) হিসাবে কোম্পানিটির লোকসান কমেছে। ৬ মাসে কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৪৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে এই লোকসান ছিল ২ টাকা ২০ পয়সা। এর মধ্যে শেষ ৩ মাসে (এপ্রিল-জুন, ১৭) কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৮৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৪৯ পয়সায়। ডাচ-বাংলা ব্যাংক: ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন, ১৭) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ১০ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ৬২ পয়সা। আর শেষ ৩ মাসে (এপ্রিল-জুন, ১৭) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ১৮ পয়সা। এর আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৩২ পয়সা। বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন’১৭) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ২৭ পয়সা। গত বছর একই প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ৪০ পয়সা। চলতি হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ ও এপ্রিল-জুন) মিলিয়ে বিজিআইসির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৬ পয়সা। গত বছর প্রথম দুই প্রান্তিকে ইপিএস ছিল ১ টাকা ২৩ পয়সা। দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ ছিল ৩২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ২৯ পয়সা। ৩০ জুন, ২০১৭ তারিখে বিজিআইসির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২০ টাকা ৬৮ পয়সা। নর্দার্ণ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন, ১৭) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৬৫ পয়সা। ৩০ জুন, ২০১৭ সমাপ্ত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২০ টাকা। আর শেষ ৩ মাসে (এপ্রিল-জুন, ১৭) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৫ পয়সা। এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ৬৫ পয়সা। উত্তরা ব্যাংক: ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন, ১৭) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৩ টাকা ৬০ পয়সা। আর শেষ ৩ মাসে (এপ্রিল-জুন, ১৭) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩২ পয়সা। এর আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিলো ১ টাকা ৩৩ পয়সা। মার্কেন্টাইল ব্যাংক: ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন, ১৭) কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৩৩ পয়সা। আর এককভাবে ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২ পয়সা, গত বছর যা ছিল ১ টাকা ৩২ পয়সা। কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদমূল্য ২১ টাকা ১৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২১ টাকা ১ পয়সা। প্রিমিয়ার ব্যাংক: ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন, ১৭) কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমম্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪০ পয়সা। আর এককভাবে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১ পয়সা, যা গত বছর ছিল ৪৪ পয়সা। এর মধ্যে শেষ ৩ মাসে (এপ্রিল-জুন, ১৭) কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমম্বিত আয় (ইপিএস)  হয়েছে ৬০ পয়সা। এর আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৪ পয়সা।
  • বৃহস্পতিবার ২টি কোম্পানির এজিএম
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে অন্তরভুক্ত ২টি কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি গুলো হচ্ছে- প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্স লিমিটেড। বিনিয়োগকারীদের সমন্বয়ে লভ্যাংশ, সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য এজেন্ডার অনুমোদন নেয়ার জন্য এ সভা আহ্বান করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
  • বুধবার মার্কেটে সবচেয়ে বেশি ট্রেড ব্যাংকিং খাতে
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে,বুধবার, ২৬ জুলাই সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্যাংকিং খাতে। মার্কেট প্রথমে অনেক ওঠা নামা থাকলেও পরবর্তীতে বুলিশ অবস্থাতে শেষ হয়েছে। সেই কারণে বাই ভলিউম বেশি হয়েছে সেল ভলিউমের চেয়ে। তাই দেখা গেছে অনেক শেয়ার দর হালকা বেড়েছে বাজারে। তবে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্যাংকিং খাতে। অন্যান্য খাতের চেয়ে ক্যাশ ফ্লো এবং ট্রেড ভলিউম উভয়ই বেড়েছে। লেনদেনের ভিত্তিতে দেখলে আজকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল টেক্সটাইল খাত এবং ফাইন্যান্স খাত। তুলনামুলক ভাবে মার্কেটের বাকি খাতগুলোর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে উভয় খাতেই। বলা যেতে পারে যে বিনিয়োগকারীরা এই খাতগুলোতে ট্রেড বেশি করছে। ব্যাংকিং খাত : লেনদেনের ভিত্তিতে ব্যাংকিং খাত সবচেয়ে ভাল অবস্থানে দিন শেষ করেছে। মোট লেনদেনের পরিমান ছিল ১৩৯.৮ কোটি টাকা যা আগের দিনের তুলনায় ১১.১ কোটি টাকার মত বেশি। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে ৮.৬%। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ২২.৩৮%। লেনদেন হওয়া ৩০ টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে মাত্র ২২টি, কমেছে ৪টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল রুপালি ব্যাংকের  যা দিন শেষে ৩৪.৮ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে। আগের দিনের তুলনায় কোম্পানিটির দাম প্রায় ৩.৭৪% বেশি। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল ব্র্যাক ব্যাংকের যা ৮৯ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ২.২% কম। টেক্সটাইল খাত  :  লেনদেনের ভিত্তিতে টেক্সটাইল খাত দ্বিতীয় অবস্থানে দিন শেষ করেছে। টেক্সটাইল খাতে মোট লেনদেনের পরিমান ছিল ৮৪.৪ কোটি টাকার মত যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১৩.৩ কোটি টাকার মত কম। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে লেনদেন কমেছে ১৩%। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ১৩.৩৫%। লেনদেন হওয়া ৪৮টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ২৯টি ,কমেছে ১২টি কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল সাফকো স্পিনিঙ্গের। এই শেয়ারটি ১৭.৪ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৭.৪১% বেশি। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল আনলিমা ইয়ারন যা ৩৩.৩ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ১.১৯% কম। ফাইন্যান্স খাত : ফাইন্যান্স খাত আজকে তৃতীয় অবস্থানে দিন শেষ করেছে। এই খাতে মোট লেনদেনের পরিমান ছিল ৮৩.৪ কোটি টাকার মত যা আগের দিনের তুলনায় ১৯.৬ কোটি টাকা বেশি। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০%। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ১৩.৫২%। এই খাতে লেনদেন হওয়া ২৩ টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ৮টি ,কমেছে ৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম এবং অপরিবর্তিত আছে ৯টি কোম্পানির দাম। এই খাতে সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল মাইডাস ফাইন্যান্স লিমিটেডের। এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি ৩১.৩  টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ৩.৯৯% বেশি। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল ফার্স্ট ফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানের যা ১৩ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে  যা আগের দিনের তুলনায় ২.২৬% কম।
  • আরএকে সিরামিকের ইপিএস ৭৪% বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : আরএকে সিরামিক (বাংলাদেশ) লিমিটেডের (জানুয়ারি-জুন, ১৭) দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। (জানুয়ারি-জুন, ১৭) গত তিন মাসে কোম্পানিটির সমন্বিত ই্পিএস হয়েছে ০.৮২ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৭ টাকা। সে হিসেবে ইপিএস ৭৪ শতাংশ বেড়েছে।  ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৮ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যা ছিলো ১ টাকা ১৪ পয়সা।
  • শেয়ারবাজার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজ মামলায় অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন পরিচালক আনু জায়গীরদার এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে শেয়ারবাজার-সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক আকবর আলী শেখ। শুনানিতে আসামীরা উপস্থিত না থাকায় বাদী পক্ষের সুপারিশে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। মামলাটি ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারির অভিযোগে করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাসুদ রানা খান বলেন, মামলায় বিচারকার্য পরিচালনার জন্য ২৪ জুলাই পূর্ব নির্ধারিত ছিল। কিন্তু অভিযুক্ত আনু জায়গীরদার এবং মশিউর রহমান এ দিন ট্রাইবুন্যালে উপস্থিত হননি। এতে রাষ্ট্রপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার জন্য আবেদন করে। এর আলোকে ট্রাইবুন্যাল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এ মামলার আসামিরা ছিলেন- প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজসহ প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন চেয়ারম্যান এম এ রউফ চৌধুরী, পরিচালক সাঈদ এইচ চৌধুরী ও আনু জায়গীরদার এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান। এরইমধ্যে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল র‌্যাংগস গ্রুপের কর্ণধার এম এ রউফ চৌধুরী ও এইচআরসি গ্রুপের চেয়ারম্যান সাঈদ এইচ চৌধুরী বেকসুর খালাস পেয়েছেন। অন্যদিকে মামলায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে আসামি মশিউর রহমান ও আনু জায়গীরদারের বিচারকাজ বন্ধ ছিল। যা গত ২ মে পর্যন্ত কার্যকরী ছিল। এরপরে মশিউর রহমান ও আনু জায়গীরদারের বিচার কাজ আবার শুরু হয়। এরই আলোকে ২৪ জুলাই বিচার কাজের জন্য পূর্ব নির্ধারিত ছিল। মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামিরা প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজের নামে ১৯৯৬ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করেছেন। এ সময়ে তারা মিতা টেক্সটাইল, প্রাইম টেক্সটাইল, বাটা সুজ ও বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার লেনদেন করেন। প্রতিষ্ঠানটি ওই সময়ে মোট ১২৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা লেনদেন করে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি শুধু ফরেন ডেলিভারি ভার্সেস পেমেন্টের (ডিভিপি) মাধ্যমে ৮৫ লাখ টাকা লেনদেন করে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্ক মুদ্রানীতি ঘোষণা
    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি মাথায় রেখে ঋণ সরবরাহে সতর্কতামূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সরকারি ও বেসরকারি খাতে ঋণ বাড়ানোর প্রাক্কলন কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য যথেষ্ট বলে মনে করছে আর্থিক খাতের এ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আর মুদ্রানীতির লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্রের বর্তমান সুদহারকে অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করে তা কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির এক কথায় এই মুদ্রানীতিকে স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান সহায়ক ও প্রবৃদ্ধিমূলক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর ফজলে কবির চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের উপদেষ্টা আল্লাহ মালিক কাজেমী, ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান ও এস কে সুর চৌধুরী, প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ফয়সাল আহমেদ, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. আখতারুজ্জামানসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।গভর্নর বলেন, 'মূল্যস্ফীতি পরিমিত রাখার পাশাপাশি দেশজ উৎপাদনে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গতিশীল প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখতে প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। বেসরকারি খাতে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ ঋণ জোগানের প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৬ দশমিক ২ শতাংশ। আর সরকারি খাতে ধরা হয়েছে ১২ দশমিক ১ শতাংশ। নতুন অর্থবছরের জন্য গড় বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ শতাংশে পরিমিত রাখা এবং ৭ দশমিক ৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণের এ প্রাক্কলন যথেষ্ট।'তিনি বলেন, 'আকস্মিক বন্যায় ফসলহানির ফলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা ঊর্ধ্বগতি রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকায় অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতি পরিমিত রাখা যাবে। আবার রফতানি প্রবৃদ্ধির মন্থরতা এবং রেমিট্যান্স কমার ফলে তারল্য জোগান পরিমিত রয়েছে। যে কারণে রেপো, রিভার্স রেপোসহ নীতি সুদহার আপাতত অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পরিবর্তন করা হবে।আগের মুদ্রানীতিতে গত জুন নাগাদ বেসরকারি খাতে ১৬ দশমিক ৫০ শতাংশ ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছিল। এবারের মুদ্রানীতিতে ডিসেম্বর নাগাদ ১৬ দশমিক ২ এবং জুন নাগাদ ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছে। আগের প্রাক্কলিত লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনায় এবারের প্রাক্কলন কম হলেও তা প্রকৃত অর্জনের তুলনায় বেশি। গত মে পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ শতাংশ।এ বিষয়ে গভর্নর বলেন, 'প্রতিবছর আর্থিক খাত বড় হচ্ছে। ব্যাংক ব্যবস্থার অনেক বড় ঋণের ওপর ভিত্তি করে নতুন প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে। ফলে নতুন প্রাক্কলনকে আগের তুলনায় কম বলা যাবে না। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য এটাই যথেষ্ট।'সঞ্চয়পত্রের সুদহার বাজারভিত্তিক না হওয়াকে মুদ্রানীতির প্রধান ঝুঁকি উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, 'সঞ্চয়পত্রের সুদহার বাজারের সঙ্গে সঙ্গতিহীন। সরকারের সুদ ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়াও বন্ডবাজারের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে। সঞ্চয়পত্রের সুদহার বর্তমান মাত্রায় থাকলে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পগুলো বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তবে এও ঠিক, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় এ ধরনের কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। এখন প্রকৃত ব্যক্তিরা যেন এর সুবিধা পায় সরকার সেদিকে জোর দিচ্ছে।'তিনি বলেন, 'আমানতের সুদহার এখন অনেক কমে এসেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমানতকারীদের স্বার্থরক্ষায় ব্যাংকগুলোর ওপর চাপ বজায় রাখা হয়েছে।'ফজলে কবির বলেন, 'ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কমানো ও নগদ অর্থ আদায়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম রোধে বিভিন্ন ধরনের পদেক্ষপ চলমান রয়েছে। আর পুনর্গঠিত বড় ঋণ নতুন করে খেলাপি হওয়ায় আবার সুবিধা দেওয়া হবে কি-না এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আপাতত কিছু ভাবছে না।'খেলাপি ঋণ বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এস কে সুর চৌধুরী বলেন, 'ঋণ শ্রেণিকরণ নীতিমালায় বড় পরিবর্তন আনার পর থেকে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ বিবেচনায় ঋণ পুনঃতফসিল, পুনর্গঠনসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে এটা ঠিক, নানা সুবিধার পরও খেলাপি ঋণ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নামানো যায়নি।'অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।'রেমিট্যান্স: গভর্নর বলেন, 'মুদ্রানীতির দুই চ্যালেঞ্জের একটি রেমিট্যান্স কমে যাওয়া।' তিনি বলেন, 'শুধু দেশের বাইরে শ্রমিক রফতানি কমার কারণে রেমিট্যান্স কমছে তা নয়; মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশ ব্যাংকগুলোর ওপর মাত্রাতিরিক্ত কঠোর মানি লন্ডারিং আইন প্রয়োগের কারণে এমনটি হচ্ছে। সাম্প্রতিককালে বড় বড় আন্তর্জাতিক ব্যাংক বিপুল অঙ্কের অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পর রেমিট্যান্স প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক গুটিয়ে নিয়েছে। ফলে বৈধ পথে অর্থ প্রেরণ দুরূহ হয়ে পড়েছে। বিষয়টি সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে কথা বলছে।'এক প্রশ্নের উত্তরে আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান বলেন, 'মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে হুন্ডি ব্যবসায়ীরা কিছু অনিয়ম করেছে। মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে কোথায় কীভাবে অর্থ গেছে এ ধরনের কিছু তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে আছে। এসব বিষয় নিয়ে এখন কাজ চলছে। শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বড় ব্যাংক বাংলাদেশের ৯টি ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। আরও কয়েকটি ব্যাংকের সঙ্গে আংশিক সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়েছে। অতি সতর্কতার ফলে খুব ছোট বিষয় নিয়ে সম্পর্ক ছিন্নের ঘটনা ঘটছে। এসব বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এপিজি, এফএটিএফসহ বিভিন্ন ফোরামে কথা বলছে। আবার আন্তর্জাতিক যেসব ব্যাংক এখানে কাজ করছে, তারা এখানকার কোনো ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আগে অন্তত বাংলাদেশ ব্যাংককে যেন অবহিত করে, সে বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে।' source: samaka
  • মুদ্রানীতির ভীতি কাটল
    শেয়ারবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুদিন ধরে মুদ্রানীতি নিয়ে যে মনস্তাত্তি্বক ভীতি ছিল, বুধবার তার অবসান হয়েছে। মুদ্রানীতি ঘোষণা শেষে বেড়েছে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর। এতে বাজারসূচকও কিছুটা বেড়েছে। তবে লেনদেন সামান্য কমেছে।গতকাল বুধবার দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বর্তমানের অর্জনের তুলনায় কিছুটা বেশি, তবে আগের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ধরা হয়েছে। আর বাংলাদেশ ব্যাংক সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানোর পরামর্শ দিয়েছে। এছাড়া মুদ্রানীতিতে শেয়ারবাজার নিয়ে কোনো নেতিবাচক বক্তব্য নেই। সব মিলিয়ে মুদ্রানীতির ভঙ্গি শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের ভীতি কাটাতে সহায়তা করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমালে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়বে। একই সঙ্গে গত কয়েক বছরের আমানতের সুদহার হ্রাসের প্রবণতা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। ডিএসইতে গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় বেশিরভাগের দাম বৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শুরু হয়, যা প্রথম ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। বেশির ভাগ শেয়ারদর বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট বেড়ে ৫৮২৩ পয়েন্ট ছাড়ায়। কিন্তু সকালের টানা বৃষ্টির কারণে মুদ্রানীতি ঘোষণা বিলম্বিত হলে দর হারাতে থাকে অনেক শেয়ার। টানা এক ঘণ্টার নিম্নমুখী ধারায় ডিএসইএক্স সূচক প্রায় ২৭ পয়েন্ট হারিয়ে ৫৭৯৫ পয়েন্টে নামে। মুদ্রানীতিতে শেয়ারবাজার ইস্যুতে খারাপ কিছু নেই জানার পর বিনিয়োগকারীদের মনস্তাত্তি্বক ভীতি কাটতে থাকে। দর বৃদ্ধির ধারায় ফিরে আসে অধিকাংশ শেয়ার। শেষ পর্যন্ত ডিএসইএক্স সূচক দুপুর সাড়ে ১২টার তুলনায় ৩৪ পয়েন্ট এবং মঙ্গলবারের তুলনায় ২২ পয়েন্ট বেড়ে ৫৮২৯ পয়েন্টে ওঠে। source: samakal
  • বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাস্তবসম্মত
    জাকির হোসেন বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতিকে অর্থনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে যথার্থ মনে করেন। তার মতে, মুদ্রা ও ঋণ প্রবাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবসম্মত। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য ঋণ জোগানের যে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে, তা যথোচিত। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতির ওপর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ড. জাহিদ হোসেন এমন মতামত দেন। সমকালকে তিনি বলেন, গত মুদ্রানীতির ফলাফল থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক শিক্ষা নিয়েছে। এ কারণে নতুন মুদ্রানীতিতে শুধু বাড়তি লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়নি। অর্থনীতির আকার (জিডিপি) যতটুকু বাড়বে বলে সরকারের প্রাক্কলন রয়েছে, ততটুকু অর্থ সংকুলান করা হবে। বাড়তি সম্প্রসারণ করা হয়নি। মুদ্রানীতি তো জনতুষ্টিমূলক কোনো বিষয় নয়। একে ফাঁপিয়ে দেখানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই।  জাহিদ হোসেন বলেন, এবারের মুদ্রানীতির ব্যতিক্রমধর্মী বৈশিষ্ট্য হলো, চলতি মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির সঙ্গে ব্যাপক মুদ্রার জোগানের (এম২) পার্থক্য খুবই কম। চলতি অর্থবছরে সরকারের মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। আর স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রক্ষেপণ হলো, মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৫ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। ফলে মূল্যস্ফীতি যোগ করলে চলতি মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ১৩ শতাংশের কাছাকাছি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি অর্থবছরে ব্যাপক মুদ্রা জোগানের প্রবৃদ্ধি ধরেছে ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ। এর আগের মুদ্রানীতিগুলোতে ব্যাপক মুদ্রা জোগানের লক্ষ্যমাত্রা চলতি মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কমপক্ষে ২ শতাংশ বেশি ছিল। এবার সে চেষ্টা করা হয়নি। কারণ ব্যাংক ব্যবস্থায় প্রচুর অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে। মুদ্রানীতির দুর্বলতা কী_ জানতে চাইলে জাহিদ হোসেন বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো আর্থিক খাতের ব্যবস্থাপনার মুরবি্ব। মুদ্রানীতিতে আর্থিক খাতের ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কথা সামান্য এসেছে। তবে এ সমস্যা উত্তরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুনির্দিষ্ট কী কী পদক্ষেপ নেবে তা উল্লেখ করেনি। ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়া খেলাপি ঋণ কমাতে দৃঢ় কোনো সিগন্যাল দেওয়া হয়নি। সমস্যার স্বীকারোক্তি রয়েছে, তবে দুশ্চিন্তার প্রতিফলন নেই মুদ্রানীতি ঘোষণায়। ড. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, দেশে সরবরাহজনিত কারণে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে। খাদ্য-বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখন এত কম রয়েছে যে, তা বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য কিছুটা বৃদ্ধির প্রাক্কলন রয়েছে। এসব বিবেচনায় মানিটারি প্রোগ্রাম বাস্তবসম্মত। আর রফতানি ও রেমিট্যান্স উৎসাহিত করতে ডলারের দর বৃদ্ধি হতে দেওয়ার নীতিও বর্তমান প্রেক্ষাপটে যৌক্তিক। source: samakal
  • সম্প্রসারণমূলক হওয়া উচিত ছিল মুদ্রানীতি নিয়ে প্রতিক্রিয়া
    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ মনে করেন, এবারের মুদ্রানীতির ভঙ্গি অনেক বেশি সংকোচনমূলক করা হয়েছে। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের তুলনায় বেশি জোর দেওয়া হয়েছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের ওপর। অনেকটা উন্নত বিশ্বের আদলে এ মুদ্রানীতিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রার প্রাক্কলন করা হয়েছে। এ মুদ্রানীতি দিয়ে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন কষ্টকর হবে। বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় মুদ্রানীতি সম্প্রসারণমূলক হওয়া উচিত ছিল।সমকালের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য এখন বেশি প্রয়োজন জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ানো। মুদ্রানীতির ঘোষণাপত্রে বেসরকারি খাতে ঋণ সরবরাহ প্রাক্কলনের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্কতা দেখানো হয়েছে। আগের বছরের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় তা না বাড়িয়ে কমানো হয়েছে। এটা না করে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আরও বাড়ানোর মাধ্যমে বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা উচিত ছিল। কেননা, কর্মসংস্থানমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা গেলে তা অনেক টেকসই হয়। এ ধরনের প্রবৃদ্ধি অর্জন বাংলাদেশের বাস্তবতায় অনেক বেশি দরকার। কর্মসংস্থানমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য মূল্যস্ফীতি বাড়লেও তাতে খুব একটা ক্ষতি নেই। তিনি বলেন, মুদ্রানীতিতে সরকারের ঋণের একটা প্রাক্কলন রাখা হয়েছে। গত অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার ঋণ নেওয়ার তুলনায় বেশি পরিশোধ করলেও এমনটা করা হয়েছে হয়তো নির্বাচনের আগে সরকারের ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বিবেচনায়।  সাবেক এ গভর্নর আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ উন্নত দেশের আদলে মুদ্রানীতির ভঙ্গি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ঠিক নয়। এসব দেশের অনেক বেশি প্রবৃদ্ধির দরকার নেই। তাদের মূল বিষয় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা। আমাদের মূল্যস্ফীতি কমাতে গিয়ে বেসরকারি খাত বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এ রকম পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের উদ্যোক্তারা বেশি সমস্যায় পড়েন। কেননা, বড় উদ্যোক্তাদের কখনও সমস্যা হয় না। যেভাবেই হোক তারা অর্থায়ন পেয়ে যান। ব্যাংক থেকে না পেলে আইপিও ছেড়ে বা বন্ডের মাধ্যমে কিংবা বিদেশি উৎস থেকে ঋণের সংস্থান করেন। এটাও মাথায় রাখতে হবে, বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা না কমিয়ে টেকসই উন্নয়ন হবে না।সঞ্চয়পত্রের সুদহার বাজারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শের বিষয়ে সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের সামগ্রিক বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সঞ্চয়প্রবণতা বাড়াতে হবে। সঞ্চয়প্রবণতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্র বড় ভূমিকা রাখছে। আবার সঞ্চয়পত্র প্রকল্পটি চালুই হয়েছে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে। ফলে সঞ্চয়পত্রে সুদহার কমানো হলে এক শ্রেণির মানুষ সঞ্চয়বিমুখ হয়ে পড়বে। আর সবসময় মনে রাখতে হবে, এ ধরনের স্কিম কখনও বাজারভিত্তিক হয় না। source: samakal
  • বাণিজ্য ও চলতি হিসাবে ঘাটতি বাড়বে
    চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি এবং একই সঙ্গে চলতি হিসাবে ঘাটতি গত অর্থবছরের চেয়ে বাড়বে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মানে আমদানি ব্যয় যে হারে বাড়বে, রফতানি ও রেমিট্যান্স বাড়বে তার চেয়ে কম হারে। এতে করে বিদেশের সঙ্গে লেনদেনের ক্ষেত্রে চাপ বাড়বে। তবে সামগ্রিক লেনদেনের ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত থাকবে। যদিও এ উদ্বৃত্ত হবে গত অর্থবছরের চেয়ে অনেক কম। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য (ব্যালান্স অব পেমেন্ট) বিষয়ে এমন পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে। লেনদেনের ভারসাম্যে চাপ কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে মুদ্রানীতি বিবৃতিতে।   বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, চলতি অর্থবছরে আমদানি ও রফতানির পার্থক্য অর্থাৎ বাণিজ্য ঘাটতি হতে পারে ১ হাজার ১০১ কোটি ২০ লাখ ডলার। প্রতি ডলার ৮০ টাকা ধরলে যার পরিমাণ ৮৮ হাজার কোটি টাকার বেশি। বাণিজ্য ঘাটতির সম্ভাব্য পরিমাণ গত অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) কাছাকাছি। গত অর্থবছরের বৈদেশিক লেনদেনের প্রকৃত হিসাব এখনও তৈরি হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্কলন হলো, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি হবে ৯২৮ কোটি ডলার বা ৭৪ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাব বিবেচনায় নিলে বাণিজ্য ঘাটতি বাড়বে প্রায় ১৯ শতাংশ। পণ্য বাণিজ্যের পাশাপাশি সেবা বাণিজ্যেও ঘাটতি বাড়বে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে যে পরিমাণ সেবা রফতানি হবে, আমদানি হবে তার চেয়ে ৩৫৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার বেশি। প্রবাসে অনেক বাংলাদেশি থাকায় আয় স্থানান্তরের হিসাব সব সময় বাংলাদেশের অনুকূলে থাকে। চলতি অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আসতে পারে ১ হাজার ৩২১ কোটি ৫০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ২৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। রেমিট্যান্স আয়ে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে প্রায় ৫ শতাংশ। রেমিট্যান্স কিছুটা বাড়বে বলে প্রাক্কলন করা হলেও পণ্য ও সেবা বাণিজ্যে ঘাটতি বেড়ে যাওয়ার কারণে চলতি হিসাবে ঘাটতি বেড়ে দাঁড়াবে ২৭২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে চলতি হিসাবে ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৫৫ কোটি ১০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বাভাস ঠিকই আছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আলী তসলিম। সমকালকে তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে চলতি হিসাবে ঘাটতি আড়াই থেকে তিন বিলিয়ন ডলার হতে পারে বলে তার মনে হয়। এর কারণ, রফতানি ও রেমিট্যান্স চাঙ্গা হওয়ার তেমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। অধ্যাপক আলী তসলিমের মতে, চলতি হিসাবে ঘাটতি মানেই তা অর্থনীতির জন্য খারাপ নয়। বিনিয়োগের জন্য মূলধনি যন্ত্রপাতি এবং উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল আমদানি বৃদ্ধির কারণে চলতি হিসাবে ঘাটতি হলে তা নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। যদি বিলাসবহুল পণ্য আনার কারণে আমদানি অনেক বেড়ে ঘাটতি তৈরি হয়, তা নিশ্চয়ই ঝুঁকি তৈরি করবে। আবার সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যের উদ্বৃত্ত যদি বিদেশ থেকে ঋণ বেশি আসার কারণে হয়, তারও একটা ঝুঁকি আছে। মুদ্রানীতির ঘোষণাপত্রে বলা হয়, গত অর্থবছরে রফতানি বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ৭ শতাংশ। রেমিট্যান্স কমেছে সাড়ে ১৪ শতাংশ। আমদানি বেড়েছে ৯ শতাংশ হারে। ফলে চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এ ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। লেনদেনের ওপর এ চাপ কমাতে রফতানি ও রেমিট্যান্স বাড়ানোর নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ পাচার রোধে এনবিআরের একটি বিশেষ শাখা কাজ করছে। প্রসঙ্গত, আমদানির নামে অর্থ পাচার বেড়ে তা বৈদেশিক লেনদেনের ওপর চাপ বাড়াতে পারে। source: samakal
  • রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার কারসাজিতে চাচা-ভাতিজা
    কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। নেই মুনাফা বৃদ্ধির কোনো খবরও। তারপরও মাত্র সাত মাসে বস্ত্র খাতের রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার দর ১১ টাকা থেকে তিনগুণেরও বেশি বেড়ে গত এপ্রিলে ৩৭ টাকায় উঠেছিল। সমকালের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির এ ঘটনায় মূল হোতা নোয়াখালীর হাতিয়ার ব্যবসায়ী আহসানুল মাহমুদ ও নারায়ণগঞ্জের সুতা ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা।  শেয়ার কেনাবেচার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চাচা-ভাতিজা রিজেন্টের শেয়ারে প্রায় ৩০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে কারসাজিমূলক লেনদেন করেছেন। এই চাচা ও ভাতিজা মিলে গত মার্চ থেকে নিজেদের মধ্যে ক্রমাগত শেয়ার কেনাবেচা (সার্কুলার ট্রেড) করে শেয়ারটির কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করেন। কেবল ইবিএল সিকিউরিটিজ নামক ব্রোকারেজ হাউসে বিও হিসাব খুলে রিজেন্ট টেক্সটাইলের ৭০০ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। এরমধ্যে ক্রয় ৩৫০ কোটি টাকার এবং বিক্রি ৩৩৯ কোটি টাকার।   এরমধ্যে ভাতিজা শফিকুল ইসলাম তার বিও হিসাবে ১৬২ কোটি টাকার শেয়ার কিনে বিক্রি করেছেন ১৫৭ কোটি টাকার। আর চাচা আহসানুল মাহমুদ ১৮৮ কোটি টাকা শেয়ার কিনে বিক্রি করেছেন ১৮২ কোটি টাকার। এখনও উভয়ের হিসাবে অন্তত ২০ কোটি টাকার শেয়ার রয়েছে। এই হিসাব কেবল চাচা-ভাতিজার। চাচি কামরুন নাহারের বিও হিসাবেও শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। শুধু ইবিএল নয়, ইউসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজসহ আরও কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস থেকেও তারা রিজেন্টের শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। এর পরিমাণও কয়েক শত কোটি টাকা হবে।রিজেন্ট টেক্সের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটি এখনও প্রতিবেদন দেয়নি। জানতে চাইলে সংস্থাটির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, ক্রমাগত একাধিক ব্যক্তির মধ্যে কোনো শেয়ার লেনদেন করে সংশ্লিষ্ট শেয়ারের দর নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টাকে কারসাজিমূলক লেনদেন হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েই বিএসইসি তদন্ত কমিটি করেছে।   এদিকে জানা গেছে, চাচা-ভাতিজার কারসাজির ফায়দা তুলেছেন একাধিক শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তা ও তাদের একজনের পরিবার। এমন একজন নাজমুল হাসান চৌধুরী। বর্তমানে তিনি লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের ব্যবসায় উন্নয়ন বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক। কিছুদিন আগেও ছিলেন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) মালিকানাধীন ব্রোকারেজ হাউস ইউসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে। এ তালিকায় আছেন লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের এজিএম জোবায়ের মহসিন কবির। তিনি এর আগে ইউসিবিতে ছিলেন। এ ছাড়া বর্তমানে ইউসিবিতে কর্মরত রাজেশ সাহাও শেয়ার কিনে মুনাফা করেছেন।কারসাজির হোতা চাচা-ভাতিজা হলেন ব্রোকারেজ হাউস কর্মকর্তা নাজমুল হাসান চৌধুরীর গ্রাহক। গ্রাহকের হিসাবে রিজেন্টের ব্যাপক শেয়ার কেনাবেচা দেখে নাজমুল এবং তার ভাই মো. শরীফ উদ্দিন চৌধুরী, তাদের মা নূরে হাওয়া, অপর তিন ভাই নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, মেহেদী হাসান চৌধুরী ও কামরুল হাসান চৌধুরী এ কোম্পানিটির শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। এরা শেয়ার কেনাবেচা করেছেন আইডিএলসি, ইবিএল ও আইআইডিএফসি নামক ব্রোকারেজ হাউসে।   শেয়ারবাজারের একটি সূত্র জানিয়েছে, পুরো এই গ্রুপটি গত এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) রিজেন্ট টেক্সটাইলের যে শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, কোনো কোনো দিন তার ৫০ থেকে ৯০ শতাংশই ছিল তাদের। শেয়ারটির ব্যাপক চাহিদা তৈরি করার জন্য বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রিও করেছেন চাচা-ভাতিজা।পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর রিজেন্ট টেক্সটাইল স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও লেনদেন শুরু হয়। আইপিওতে ২৫ টাকা দরে শেয়ার বিক্রি করেছিল কোম্পানিটি। লেনদেনে প্রথম দিনের পর চলতি বছরের ৫ এপ্রিলের আগ পর্যন্ত প্রায় দেড় বছরে কখনই এর বাজারদর ২৫ টাকায় ওঠেনি। তালিকাভুক্তির পর ক্রমাগত দর কমে গত বছরের অক্টোবরের শুরুতে সর্বনিম্ন ১১ টাকায় নামে। গত বছরের ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১২ টাকায় কেনাবেচা হয়। এরপর ক্রমাগত বাড়তে থাকে শেয়ারটির দাম। গত মার্চের শেষে দর ওঠে ২১ টাকা। ২ এপ্রিল থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ১১ কার্যদিবসে বাজারদর ২১ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ৩৭ টাকা হয়। গত তিন মাসে অবশ্য শেয়ারটির দর কিছুটা ওঠানামা করছে। সর্বশেষ গতকাল সোমবার শেয়ারটি কেনাবেচা হয় ২৭ টাকা ৭০ পয়সায়।   কারসাজিমূলক লেনদেনের বিষয়ে জানতে চাইলে আহসানুল মাহমুদ রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার ব্যাপক লেনদেন করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এমন লেনদেন যে বেআইনি তা তিনি জানতেন না বলে দাবি করেন। যদিও গত প্রায় ২০ বছর ধরে শেয়ার ব্যবসায় আছেন বলে জানান তিনি। আহসানুল মাহমুদ বলেন, ভাতিজা শফিকুল ইসলামই বেশিরভাগ সময় তার শেয়ার কেনাবেচা করে।জানতে চাইলে ভাতিজা শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি নারায়ণগঞ্জে সুতার ব্যবসা করেন। পাশাপাশি গত ৭-৮ বছর শেয়ার ব্যবসাও করছেন। তিনি বলেন, দাম বাড়তে পারে এমনটা মনে করেই রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার কেনেন তিনি। যদিও লাভের তুলনায় লোকসানই হয়েছে বেশি তার। ক্রমাগত শেয়ার কেনাবেচার বিষয়ে জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, এটা অপরাধ বলে তিনি মনে করেন না। শফিকুল বলেন, চাচা কখন কোন শেয়ার কেনেন বা বেঁচেন তা জানেন না। অবশ্য একই সঙ্গে চাচা-ভাতিজার বিও হিসাব খোলা ও নির্দিষ্ট কোম্পানির শেয়ারে সন্দেহজনক লেনদেনের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি।ইবিএল সিকিউরিটিজের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই ব্রোকারেজ হাউসে গত এপ্রিল মাসে খোলা বিও হিসাবে শফিকুল ইসলাম শুধু রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার লেনদেন করেছেন। গত কিছুদিনে শেয়ারটির দর কমার কারণে বর্তমানে তার হিসাবে লোকসান প্রায় ৫ কোটি টাকা। জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, এই লোকসান নিয়ে তিনি ভাবছেন না। কারণ ব্যবসায় লাভ-লোকসান থাকবেই।   এদিকে এই কারসাজির কেন্দ্রে থাকা ব্রোকারেজ হাউস কর্মকর্তা নাজমুল হাসান চৌধুরী সমকালকে জানান, 'তিনি নিজের ইচ্ছায় রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। তার মা ও ভাইয়েরা প্রত্যেকেই পূর্ণবয়স্ক। তারাও তাদের ইচ্ছাতেই শেয়ার কেনাবেচা করেছেন।' কীভাবে প্রায় একই সময়ে তার পরিবারের ছয় সদস্য একই শেয়ার কিনেছেন এবং ক্রমাগত বিক্রি করেছেন_ এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, 'বাজারে যখন কোনো শেয়ারের দর বাড়ে, তখন অনেকেই শেয়ার কেনেন। পরিবারের সদস্যরা হয়তো এভাবেই শেয়ার কেনাবেচা করেছেন।' তিনি বলেন, 'আমি একবারই শেয়ার কিনেছি ও একদিনেই বিক্রি করেছি।' গড়ে ২৪ টাকা দরে শেয়ার কিনে গড়ে ৩৩ টাকা দরে শেয়ার বিক্রি করে ৫৭ লাখ টাকা লাভ করেছেন বলেও স্বীকার করেন তিনি। পরিবারের অন্য সদস্যদের মুনাফার বিষয়টি জানেন না বলে এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন তিনি।জানতে চাইলে লংকাবাংলার কর্মকর্তা জোবায়ের জানান, তিনি সরল মনেই রিজেন্টের শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। কারসাজি করতে চাইলে বেনামে শেয়ার কিনতেন। তিনি জানান, একবার কিনে একবারই বিক্রি করেছেন তিনি। এতে ৮০ লাখ টাকা মুনাফা হয়েছে তার। ব্রোকারেজ হাউস কর্মকর্তা রাজেশ সাহা জানান, তিনি ২৮ টাকা দরে কিনে ৩২ টাকায় রিজেন্টের শেয়ার বিক্রি করেছেন। এতে কিছু লাভ হলেও পরে ৩৩ টাকা দরে শেয়ার কেনার পর কিছুটা লোকসান হয়েছে।   জানতে চাইলে ইবিএল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছায়েদুর রহমান বলেন, কারসাজিমূলক লেনদেনের বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে শফিকুল ইসলাম এবং আহসানুল মাহমুদের লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে। এদের অন্যত্র শেয়ার সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, এই দুই গ্রাহক কর্মকর্তাদের অজ্ঞাতে সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। আইন অনুযায়ী, গ্রাহক শেয়ার কিনতে বা বিক্রি করতে চাইলে ব্রোকারেজ হাউস তাতে বাধা দিতে পারে না। source: samakal
  • জনগণের শেয়ার মাত্র ২০ শতাংশ নানা অজুহাতে শেয়ার ছাড়ছে না রাষ্ট্রায়ত্ত কম্পানিগুলো
        অ- অ অ+ পুঁজিবাজারে ভালো শেয়ারের জোগান বাড়াতে রাষ্ট্রায়ত্ত কম্পানির শেয়ার আনতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও তার বাস্তবায়ন হয়নি। ১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠার পর গত ৪১ বছরে মাত্র ১৮টি সরকারি কম্পানি তালিকাভুক্ত হয়েছে। আর এসব কম্পানিতে জনগণের শেয়ার রয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। ২০১১ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি কম্পানির শেয়ার অফলোড করতে সময় বেঁধে দিলেও নানা অজুহাত দেখিয়ে শেয়ার ছাড়ছে না কম্পানিগুলো। আর নতুন কম্পানি বাজারে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হলেও কার্যত ফল আসেনি। সূত্র জানায়, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ার অফলোড ও নতুন কম্পানি তালিকাভুক্তি নিয়ে আজ মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সভায় বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), আইসিবি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। এতে তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলো শেয়ার অফলোডের বিষয়ে মতামত ও নতুন কম্পানি আনার বিষয়ে আলোচনা হবে। জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক ড. ওসমান ইমাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পুঁজিবাজারে সরকারি কম্পানি বেশি থাকলেও জনগণের আস্থা বাড়ে। তবে সরকারি কম্পানির শেয়ারে জনগণের চাহিদা থাকলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় অফলোড করছে না। শেয়ার ছাড়লে বাজারের গভীরতা বাড়বে। পাশাপাশি বহুজাতিক কম্পানিকেও বাজারে তালিকাভুক্ত করতে হবে। ’ সেনাসমর্থিত সরকারের সময় ২০০৮ সালে ৩৪টি সরকারি কম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সেই উদ্যোগ বাস্তবে রূপ না পেলেও নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সালে পুঁজিবাজারের সরকারি কম্পানিতে ৫১ শতাংশ শেয়ার রেখে সব শেয়ার পাবলিকের মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে ২০১১ সালে আবারও প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন, কম্পানিগুলোর শেয়ার বাজারে ছেড়ে দেওয়ার। কিন্তু সেই নির্দেশনারও কোনো বাস্তবায়ন হয়নি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক রকিবুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সরকারি কম্পানিতে সরকারের কোনো শেয়ার থাকতে পারে না। সব শেয়ার জনগণের হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত। কারণ সরকার ব্যবসা করতে পারে না। সরকারের কাজ ব্যবসা করা নয়, বরং সরকারি কম্পানিতে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। ’ তিনি বলেন, ‘সরকারি কম্পানি বাজারে আনা ও শেয়ার অফলোড বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় সভা আহ্বান করেছে। এমন সভা আগেও হয়েছে, তবে কার্যত কোনো ফল আসেনি। তালিকাভুক্ত কম্পানির হিসাব পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১৮ সরকারি কম্পানিতে গড়ে জনগণের শেয়ার রয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। আর গড়ে ৬৫ শতাংশের বেশি শেয়ার সরকারের মালিকানাতেই রয়েছে। আর ১৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর হাতে। আর এই ১৮ কম্পানির বাজার মূলধন মোট মূলধনের ১০ শতাংশের কম। বিভিন্ন সময়ে সরকারি কম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তি নিয়ে আলোচনা হলেও কার্যত কোনো লাভ হয়নি। রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের পাশাপাশি বাংলাদেশ বিমান, রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম প্রতিষ্ঠান টেলিটক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন এসেনশিয়াল ড্রাগস কম্পানি লিমিটেড, গ্যাস ট্রান্সমিশন কম্পানি লিমিটেড, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কম্পানি লিকুইফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস লিমিটেড, বাংলাদেশ কেবল শিল্প ও বাখরাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানির তালিকাভুক্তির বিষয়ে আলোচনা হলেও কার্যত ফল আসেনি। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি কম্পানির শেয়ার অফলোড করা উচিত। এতে বাজারের গভীরতা বাড়বে, পুঁজিবাজারের সহায়ক হবে। বেসরকারি কম্পানিগুলোও তালিকাভুক্ত হওয়ায় আগ্রহ দেখাবে। ভালো ভালো কম্পানি বাজারে আসবে। ’ তিনি বলেন, সরকারি কম্পানিগুলো পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অনীহা ও অস্বচ্ছতার কারণে আসতে চায় না। বাজারে তালিকাভুক্ত হলে কম্পানির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে এবং নিয়মিত হিসাব ও বার্ষিক সভা করতে হবে। সরকারি কিছু কর্মকর্তাও নিজের আয়ত্তে ধরে রাখতে তালিকাভুক্তিতে অনীহা দেখায়। source: kalerkantho
  • মুদ্রানীতি নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক চাপ পুঁজিবাজারে গুজবে প্রভাবিত না হওয়ার পরামর্শ বাজারসংশ্লিষ
    ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতি ঘোষিত হবে আজ বুধবার। তবে এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পুঁজিবাজারের উত্থান-পতন শুরু হয়েছে। আতঙ্কে অনেকে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন। ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বমুখী বাজার হঠাৎ করেই নিচে নেমেছে। গত বৃহস্পতিবার ও রবিবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন হ্রাস পেয়েছে ৬৫ শতাংশ। যদিও সোমবার ও মঙ্গলবার সূচকের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে লেনদেনেও উন্নতি হয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, মুদ্রানীতি ঘোষণায় পুঁজিবাজারে বড় কোনো প্রভাব পড়ার কথা নয়। তবে এই নীতিতে বাজার নিয়ে নেতিবাচক কোনো বিষয় থাকলে প্রভাব পড়তে পারে তবে ঘোষণার আগে প্রভাব পড়ার কথা নয়। কয়েক দিন ধরেই বাজারে প্রভাব পড়ছে। এতে ধারণা করা যায়, কোনো গোষ্ঠী মুদ্রানীতির বিষয়ে নেতিবাচক কিছু ছড়িয়ে শেয়ারের দাম হ্রাস-বৃদ্ধি করছে। আর বিনিয়োগকারীরা না জেনে-বুঝে শেয়ার বিক্রি করছে। মতিঝিলের স্টক এক্সচেঞ্জের নিচে শরিফুল ইসলাম নামের এক বিনিয়োগকারী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সব কেনা শেয়ার বিক্রি করেছি। কিছু শেয়ারে মুনাফা এসেছে; তবে ব্যাংক খাতের একটি কম্পানির শেয়ারে মুনাফা না হলেও বিক্রি করেছি। মুদ্রানীতিতে কী থাকবে সেটি দেখেই নতুন করে শেয়ার কিনব। ’ মুদ্রানীতিতে কী থাকবে সেই বিষয়ে না জানলেও অনেকের দেখাদেখি তিনিও শেয়ার বিক্রি করছেন বলে জানান। গত জানুয়ারিতে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের মুদ্রানীতি ঘোষণার সময়ও বিনিয়োগকারীরা হুজুগেই শেয়ার বিক্রি করছিল। ওই সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির পুঁজিবাজার নিয়ে তেমন কিছু না বললেও বাজারের সব আইন-কানুন যথাযথ পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। তবুও ওই সময়ে অব্যাহত শেয়ার বিক্রির চাপে নিচে নেমেছিল বাজার। এবারও এমন আতঙ্কেই বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ছাড়ছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। ডিএসইর একজন পরিচালক নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, ‘মুদ্রানীতি ঘোষণার আগে কেন বাজার পড়ছে, এটা চিন্তার বিষয়। এই নীতিতে যদি নেতিবাচক কিছু থাকে তবে ঘোষণার পর প্রভাব পড়ার কথা। তবে ঘোষণার কয়েক দিন আগে থেকেই বাজার পড়ছে। কোনো কারসাজিচক্র মুদ্রানীতির কথা বলে মিথ্যা কিংবা গুজব ছড়িয়ে শেয়ারের দাম হ্রাস-বৃদ্ধিতে প্রভাব রাখছে। ’ এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজের ইচ্ছায় বা কম্পানি দেখে বিনিয়োগ করতে হবে। অন্যের কথা শুনে বিনিয়োগ না করা ভালো। ’ ডিএসইর তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৯ জুলাই বুধবার ডিএসইতে শেয়ার হাতবদল হয়েছিল ২৯ কোটি ৩৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪৮৪টি। আর লেনদেন ছিল এক হাজার ৬৯ কোটি ৫৮ লাখ। এর পরদিন হঠাৎ করে শেয়ার হাতবদল কমে যায় প্রায় ১০ কোটি। ওই দিন শেয়ার হাতবদল দাঁড়ায় ১৯ কোটি ৪১ লাখ ৭৪ হাজার। আর লেনদেন প্রায় ৪০ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৬৩৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মুদ্রানীতি নিয়ে বাজার নিম্নমুখী হওয়া একটি মনস্তাত্ত্বিক বিষয়। আগের মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় অনেকে শেয়ার বিক্রি করেছিল, সেটি ভেবেই শেয়ার বিক্রি করছে। অন্য কোনো কারণে নয়। ’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাজারে শেয়ারের দাম হ্রাস-বৃদ্ধির পেছনে একটি গোষ্ঠী কাজ করতে পারে। মিথ্যা কিংবা গুজব ছড়িয়ে শেয়ারের দাম হ্রাস-বৃদ্ধি করছে। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীকে সচেতন থাকতে হবে, নিজের জানাশোনা থেকেই শেয়ার লেনদেন করতে হবে। ’ গতকালের বাজার : গতকাল মঙ্গলবার দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচক ও লেনদেন বেড়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৫৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা। আর মূল্যসূচক বেড়েছে প্রায় ৪ পয়েন্ট। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩১ কোটি ৭ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে প্রায় ৯ পয়েন্ট। source: kalerkantho

  •   বিনিয়োগ চাহিদা পূরণে বেসরকারি খাতে ঋণ জোগান বাড়িয়ে চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ বুধবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম সভাকক্ষে নতুন এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন গভর্নর ফজলে কবির। জানা গেছে, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও সতর্ক মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এবার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের দিকে নজর রাখা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এবারের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির ঊর্ধ্বসীমা কিছুটা বাড়িয়ে ১৭ শতাংশ করা হতে পারে। আগের মুদ্রানীতিতে অর্থাৎ জানুয়ারি-জুন মেয়াদের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির সীমা ধরা হয়েছিল ১৬.৫ শতাংশ। সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, বিদায়ী অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩.০৯ শতাংশ। তবে ২০১৬ সালের মে মাসের তুলনায় ২০১৭ সালের মে মাসে এ খাতে ঋণ বেড়েছে ১৬.০৩ শতাংশ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৭.৪ শতাংশ। আর গড় মূল্যস্ফীতি ৫.৫ শতাংশে আটকে রাখার আশা করা করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে (মাসওয়ারি) জুন মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫.৯৪ শতাংশ। গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫.৪৪ শতাংশ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ৭.২ শতাংশ। অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২৪ শতাংশে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বিবিএস। বরাবরের মতো এবারও নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণার আগে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, ব্যাংকার ও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের ঘোষিত আর্থিক নীতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে প্রতি অর্থবছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। source: kalerkantho
  • রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ৩৮ বিলিয়ন ডলার
    নতুন অর্থবছরের (২০১৭-১৮) রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে ৩৮ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে ৮ শতাংশ। গত অর্থবছরেও একই হারে লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়। রফতানি আয়ে ধীরগতির কারণে লক্ষ্যমাত্রা আগের মতোই রাখা হচ্ছে। টাকার অঙ্কে লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়াচ্ছে ৩৮ বিলিয়ন বা তিন হাজার ৮০০ কোটি ডলার।   রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) গত অর্থবছরের রফতানি আয়, অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং রফতানিকারক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এ অঙ্ক নির্ধারণ করেছে। তবে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে রফতানিকারকদের বৈঠকে লক্ষ্যমাত্রা চূড়ান্ত করা হবে। এ সপ্তাহের মধ্যেই বৈঠকটি হতে পারে। ইপিবি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আগের অর্থবছরে ৩ হাজার ৪২৫ কোটি ৭২ লাখ ডলার থেকে ৮ শতাংশ বাড়িয়ে গত অর্থবছরে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৩ হাজার ৭শ' কোটি ডলার। শেষ পর্যন্ত এই লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৬ শতাংশ কমে রফতানি হয়েছে তিন হাজার ৪৮৪ কোটি ডলারের পণ্য। এ নিয়ে টানা ৬ বছর লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। আগের বছরের তুলনায় রফতানি মাত্র ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেশি হয়েছে। এর মধ্যে তৈরি পোশাক খাতে ওভেন ক্যাটাগরির আয় গত অর্থবছরের তুলনায় ২ দশমিক ২৫ শতাংশ কমেছে। নিটের আয় কিছুটা বেশি অর্থাৎ ৩ শতাংশ বাড়ার সুবাদে গড়ে তৈরি পোশাক রফতানি গত বছরের তুলনায় কমে যাওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে। গড়ে আয় বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ_ যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ইপিবির সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা সমকালকে জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে রফতানি থেকে ৬০ বিলিয়ন ডলার আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলারই আসবে তৈরি পোশাক থেকে। সে বিবেচনায় রফতানি আয়ের লক্ষ্য আরও বেশি হওয়া উচিত। তবে মার্কিন ও ইউরোপীয় দুই ক্রেতা জোট পোশাক কারখানা পরিদর্শন শেষে সংস্কারে যে চাপ দিচ্ছে তাতে অনেক ছোট এবং মাঝারি কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অনেক কারখানা উৎপাদনে নেই। নানা কারণে বিশ্ববাজারেও পোশাকের চাহিদা কমেছে। এসব বিবেচনা থেকে প্রবৃদ্ধি আর বাড়িয়ে ধরা হচ্ছে না। এ ছাড়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে তা সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে সমালোচনা হয়ে থাকে। এ কারণে কম লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে- যাতে বছর শেষে তা অর্জন করা সম্ভব হয়। ইপিবির প্রধান নির্বাহী এবং ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য সমকালকে বলেন, লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নতুন পণ্য এবং বাজার সন্ধানে কাজ করছেন তারা। রাশিয়াসহ যেসব দেশে রফতানিতে এখনও উচ্চ শুল্ক বাধা রয়েছে সেসব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং সমঝোতার ভিত্তিতে বাজার প্রবেশনীতি নিচ্ছেন তারা। তিনি বলেন, প্রকৃত অর্থে রফতানি কেন কমেছে তা জানার চেষ্টা করবেন তারা। এদিকে ৩৮ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রাকেও বেশি মনে করেন উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, গত অর্থবছরের রফতানি আয়ের তুলনায় ৩০০ কোটি ডলারেরও বেশি আয়ের সম্ভাবনা বর্তমান প্রেক্ষাপটে নেই। গত অর্থবছর যেসব কারণে রফতানি খাত খারাপ গেছে, সেসব কারণ এখনও বিদ্যমান। বিজিএমইএর সহসভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু সমকালকে বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে, আগামী কয়েক মাসেও রফতানি পরিস্থিতি অনুকূলে আসার মতো কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না। তার মতে, সব বাজারে অন্তত ৩ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া, ডলারের বিপরীতে টাকার দর অবনমন করা ও গ্যাস সংকটের সমাধান করা গেলে লক্ষ্যামাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। রফতানিকারক ব্যবসায়ীদের সংগঠন ইএবির প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, বাস্তবতা অনুযায়ী নতুন বছর গত বছরের রফতানি ধরে রাখাই কঠিন হবে। সেখানে অতিরিক্ত ৩০০ কোটি ডলার একটা অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা। অন্তত পোশাক খাত বর্তমানে সে অবস্থায় নেই। অন্যান্য খাত যদি খুব ভালো করে তবুও লক্ষ্যমাত্রাটা উচ্চাভিলাষী। কারণ, রফতানি আয়ের ৮৫ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক থেকে। তিনি বলেন, বড়জোর অতিরিক্ত ১০০ কোটি ডলার অর্থাৎ তিন হাজার ৬০০ কোটি ডলার লক্ষ্যমাত্রা ধরা যেতে পারে। source: samakal
  • চামড়া শিল্পের উন্নয়নে হবে ট্যানারি ইনস্টিটিউট
    সমকাল প্রতিবেদক চামড়া শিল্পের উন্নয়নে ট্যানারি ইনস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়। সাভার চামড়া শিল্পনগরী এলাকায় হবে এ ইনস্টিটিউট। শিগগির এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে। হাজারীবাগের ট্যানারিগুলোতে সনাতনী বা পুরনো প্রযুক্তি ব্যবহার করে বেশিরভাগ কাজ হাতে নিয়েছেন শ্রমিকরা। এখন শিল্পনগরীর কারখানাগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হচ্ছে। এসব আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করে উৎপাদন এবং সেগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষতা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক মানের এ ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে বলে কর্মকর্তারা জানান।  মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান মু. আনোয়ারুল আলমকে আহ্বায়ক করে প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন কমিটি করা হয়েছে। এতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি এবং চামড়া খাতের তিন সংগঠনের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। চামড়া খাতের সংগঠন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এজন্য সংগঠনের কাছ থেকে প্রতিবেদন পাওয়ার পরে প্রকল্পের প্রস্তাবের বিস্তারিত প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করবে এ কমিটি। সম্প্রতি কমিটির একটি সভায় সংগঠনগুলোর কাছ থেকে প্রস্তাবিত ইনস্টিটিউটের ল্যাবরেটরির যন্ত্রপাতির তালিকা, জনবল কাঠামো, প্রশিক্ষণ কোর্সের ডিজাইনসহ সম্ভাব্য ব্যয় সংবলিত একটি প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে এ ইনস্টিটিউট স্থাপনের জন্য উপযোগী খালি জায়গা আছে কি-না তা যাচাই করা হবে। এ ইনস্টিটিউট স্থাপনের অভিজ্ঞতা অর্জনে কমিটির সদস্যরা চলতি মাসে গাজীপুরের সিওইএল প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। এরপর চলতি মাসের মধ্যে ডিপিপির রূপরেখা তৈরি করবেন। চামড়া শিল্পনগরীর প্রকল্প পরিচালক জিয়াউল হক সমকালকে বলেন, ট্যানারিতে কর্মরত শ্রমিকদের তেমন প্রশিক্ষণ নেই। তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজ শেষ হলে চামড়া শিল্পনগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ সার্বিক পরিচালনার জন্য একটি ফাউন্ডেশন বা ইনস্টিটিউট প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য এ পদক্ষেপ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। source: samakal
  • অডিট রিপোর্টে সরকারি প্রতিষ্ঠানের চিত্র সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার অনিয়ম
    দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। এর মধ্যে ৯ হাজার কোটি টাকার অনিয়ম হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকে। সরকারি নিরীক্ষার সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি-কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল) নিরীক্ষায় চিহ্নিত হয়েছে এ অনিয়ম। সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যমান বিধিবিধান ভেঙে এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থায় ঘটেছে। এর জন্য অভ্যন্তরীণ মনিটরিং ও নিরীক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাও অনেকটা দায়ী। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে সম্প্রতি সিএজির প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। শিগগিরই এসব প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে জাতীয় সংসদে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।সূত্র মতে, ২০১১-১২ থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছর পর্যন্ত কয়েকটি মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও বিভাগের ওপর নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে খাদ্য, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ, স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন, অর্থ, রেল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন, বস্ত্র ও পাট, কৃষি, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, শিল্প, ডাক টেলিযোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পররাষ্ট্র, পনিসম্পদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় রয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মধ্যে সোনালী, বেসিক, অগ্রণী, রূপালী, বাংলাদেশ কৃষি ও রাজশাহী কৃষি ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকও রয়েছে। এসব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ওপর মোট ৩২টি অডিট রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি রিপোর্ট হচ্ছে সরকারের হিসাব সম্পর্কিত ও ৫টি বিশেষ রিপোর্ট। বাকি ২৩টি রিপোর্টে এসব আর্থিক অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে।এ বছর সবচেয়ে বেশি প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার অনিয়ম পাওয়া গেছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকার অনিয়ম ধরা পড়ে সোনালী ব্যাংকে। সিএজির নিরীক্ষা বিভাগ ২৪টি রিপোর্টের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের অনিয়ম শনাক্ত করেছে। বহুল আলোচিত বেসিক ব্যাংকের অনিয়ম ধরা পড়েছে ১ হাজার ১১ কোটি টাকার। ৩৫টি অনিয়মের মাধ্যমে এ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। একইভাবে অগ্রণী ব্যাংকের আর্থিক অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা। ২২টি ঘটনায় বিপুল পরিমাণ এ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। এছাড়া ২ হাজার ৩৭২ কোটি টাকার অনিয়ম মিলেছে যৌথভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে।ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম প্রসঙ্গে সিএজির প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানে ঋণ দিয়েছে। পরে টাকা ফেরত পায়নি ব্যাংক। এছাড়া ভুয়া রফতানি বিল কেনা, ভুয়া ভেজাল সম্পত্তি জামানত রেখে ঋণ নেয়ার ঘটনা আছে। বন্ধকি সম্পত্তি প্রকৃত মূল্যায়ন না করে ঋণ ইস্যু, জামানতের চেয়ে বেশি ঋণ দেয়া, প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশ অমান্য করে শাখা থেকে ঋণ মঞ্জুর, খেলাপিকে পুনরায় ঋণ ইস্যুসহ নানা কৌশলে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ হয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোর ওপর দায় বেড়েছে।সিএজির প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব অনিয়মের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিদ্যমান আর্থিক বিধিবিধান এবং সরকারের বিভিন্ন সময়ে জারি করা আদেশ ও নির্দেশ অনুসরণ করা হয়নি। এছাড়া ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কার্যক্রমের দুর্বলতাকেও দায়ী করা হয়।এদিকে বিদ্যুৎ বিভাগে ৩৫৩ কোটি টাকার অনিয়ম উদঘাটন করেছে সিএজির নিরীক্ষা বিভাগ। অনিয়মের কৌশল প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজার দর যাচাই না করেই সিডিউলের বাইরের পণ্য কেনা হয়। এছাড়া রেকর্ড গায়েব করে সম্পত্তি অবৈধ দখলদারের কাছে হস্তান্তর হয়েছে। প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত ও বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে মালামাল কেনার মাধ্যমেও টাকা আত্মসাৎ করা হয়। একই সময়ে একই অফিসে কাজ করে দুটি পৃথক সরকারি অফিস থেকে বেতন নিয়ে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবিড় পর্যবেক্ষণের অভাব ছিল। যে কারণে এসব অনিয়ম করতে পেরেছেন সংশ্লিষ্টরা।অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে ৪২৮ কোটি টাকার অনিয়ম শনাক্ত করেছে সিএজি কার্যালয়। সেখানে রাজস্ব ফাঁকি দিতে কম উৎপাদন দেখানো, অনুমোদনের চেয়ে পণ্যের উপকরণ ব্যবহার বেশি দেখিয়ে রেয়াত সুবিধা নেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন হিসাবের ওপর এক্সসাইজ শুল্ক কম দেয়া, কম হারে ভ্যাট কাটাসহ নানা কৌশলে এসব অনিয়ম সংঘটিত হয়। সিএজির প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব অনিয়মের ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিভিন্ন সময়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন, এসআরও অনুসরণ করা হয়নি।এদিকে পেট্রোবাংলার অধীন বিপিসির অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৪৮ কোটি টাকার অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে। নিন্মমানের কেসিং পাইপ কেনা, অতিরিক্ত বিল পরিশোধসহ নানা কৌশলে এ অনিয়ম হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অন্য একটি ঘটনায় দরপত্র ছাড়া ভূমি ইজারা দেয়া হয় হোটেল নির্মাণের জন্য। এরপর ভূমি ইজারা গ্রহণকারীর কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়নি। এভাবে নানা কৌশলে বিমানের ২৮০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে সিএজির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।এছাড়া সিএজির প্রতিবেদনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতি ধরা পড়েছে। রিপোর্টে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে প্রায় ২১৪ কোটি টাকার। এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, সঠিকভাবে ডাম্পিং কাজ শেষ করার আগেই ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা হয়। এছাড়া অন্য একটি কাজের দরপত্র গ্রহণ করা হয়েছে সঠিক যাচাই-বাছাই ছাড়াই। ওই কাজের বিলও পরিশোধ করা হয়। একইভাবে ড্রেজার মেরামতের নামে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলে সেখানে বলা হয়। সিএজির রিপোর্ট ছাড়াও বাঁধ নির্মাণের দুর্নীতির কারণে সম্প্রতি সিলেট হাওর অঞ্চলে কয়েকটি উপজেলায় অকাল বন্যা হয়। এ বাঁধ নির্মাণ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।উল্লেখিত অনিয়ম ছাড়াও বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পে ১৮০ কোটি টাকা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে প্রায় ১০৫ কোটি টাকা, এছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রায় ২৬৯ কোটি টাকা, রেলওয়ে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রায় ৪২ কোটি টাকা, পর্যটন ও কৃষি কর্পোরেশনে ৫ কোটি টাকা, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৬৭ কোটি টাকা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে ১৬ কোটি টাকা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম ওয়াসায় প্রায় ৩৩ কোটি টাকার অনিয়ম শনাক্ত হয়। এছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ৯৩ কোটি টাকা ও অন্যান্য খাতে প্রায় ২৪ কোটি টাকার অনিয়ম চিহ্নিত হয়েছে।বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল মাসুদ আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, যথানিয়মে রাষ্ট্রপতির কাছে সর্বশেষ অডিট রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। এ বছর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর অডিট রিপোর্টে অনেক অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে। অডিট আপত্তির অর্থ সমন্বয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অর্থ সমন্বয় হচ্ছে। তবে অডিট আপত্তির আকারের তুলনায় কম। কারণ নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী এক মাসে তিনটির বেশি অডিট রিপোর্ট নিয়ে সরকারের হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করা যায় না। source: jugantor
  • ১১ ব্যাংকের আগ্রাসী বিনিয়োগ
    দেশে বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যেও বেশকিছু ব্যাংকের ঋণ ও আমানতের হার অনেক বেশি (এডিআর)। অর্থাৎ এসব ব্যাংক আগ্রাসী বিনিয়োগ করছে। বিপরীতে বিনিয়োগ খরায় আছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক। ব্যাংকটি গত মে মাসে মোট আমানতের মাত্র ৩৮ দশমিক ৬০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পেরেছে। এদিকে আগ্রাসী বিনিয়োগ করা ১১টি ব্যাংকের তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যাংকগুলো হল- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক (ইসলামী উইং), ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ঢাকা ব্যাংক (ইসলামী উইং), প্রাইম ব্যাংক (ইসলামী উইং), প্রিমিয়ার ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এবি ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংক।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের আগ্রাসী বিনিয়োগ ব্যাংক খাতের জন্য অশনি সংকেত। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি বাড়ানোর আহ্বান জানান তারা। জানতে চাইলে ব্যাংক নির্বাহীদের শীর্ষ সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান ও মেঘনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ নুরুল আমিন যুগান্তরকে বলেন, জেনারেল ব্যাংকগুলো আমানতের ৮৫ ভাগ বিনিয়োগ করতে পারে।আর ইসলামী ব্যাংক বা উইংগুলো আমানতের ৯০ ভাগ বিনিয়োগ করতে পারে। এর বাইরে কিছু ঘটলে সেটা ব্যাংকের জন্য ভালো নয়। সীমা অতিক্রম করলে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে সরকারি বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক আমানতের ১০৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ বিনিয়োগ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকটি আমানতের সর্বোচ্চ ৮২ থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ করার সুযোগ ছিল।এতে সরকারি বিশেষায়িত ব্যাংকটি সাড়ে ২০ শতাংশ বেশি বিনিয়োগ করেছে, যা পুরোপুরি আগ্রাসী বিনিয়োগ। একইভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক আমানতের প্রায় ৯২ শতাংশ বিনিয়োগ করেছে, যা সীমার চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি। অগ্রণী ব্যাংকের ইসলামী উইং বিনিয়োগ করেছে ৯৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকটি নির্ধারিত সীমার চেয়ে ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ আমানত বেশি বিনিয়োগ করেছে।অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, জেনারেল ব্যাংকিংয়ে বিনিয়োগ অনেক কম। তবে ইসলামী উইংয়ে কিছুটা বেড়ে গেছে। অবশ্যই যে ঋণ গেছে তাতে কোনো ঝুঁকি নেই। তবুও সীমায় ফিরিয়ে আনা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংকের ইসলামী উইংয়ে ৫টি শাখা রয়েছে।এছাড়া এবি ব্যাংক ৮৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ, ঢাকা ব্যাংক ৮৫ দশমিক ৭২ শতাংশ, আইএফআইসি ব্যাংক ৮৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ, ওয়ান ব্যাংক ৮৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ, প্রিমিয়ার ব্যাংক ৮৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ, প্রাইম ব্যাংক ইসলামী উইং ৯১ দশমিক ২৯ শতাংশ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ৮৫ দশমিক ১০ শতাংশ এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান আমানতের ৮৭ দশমিক ২৫ শতাংশ বিনিয়োগ করেছে, যা পুরোপুরি আগ্রাসী বিনিয়োগ। source: jugantor
View All
Latest DSE News
  • PRIMEINSUR

    (continuation news of PRIMEINSUR): (in addition to their earlier declarations for buying of 20,969 shares and 20,968 shares respectively) of the Company at prevailing market price (in the Block Market) through Stock Exchange within next 30 working days. (end)

  • PRIMEINSUR

    With reference to their earlier declarations disseminated by DSE on 19.07.2017, to ensure compliance with block market transactions requirement, Mrs. Mahabuba Haque and Mr. Qazi Saleemul Huq, both are Sponsors and Directors of the Company, have further expressed their intentions to buy additional 31,452 shares and 31,453 shares respectively (cont.)

  • RUPALIINS

    (Q2 Un-audited): EPS was Tk. 0.70 for April-June, 2017 as against Tk. 0.71 for April-June, 2016; EPS was Tk. 1.35 for January-June, 2017 as against Tk. 1.34 for January-June, 2016. NOCFPS was Tk. 0.59 for January-June, 2017 as against Tk. 1.01 for January-June, 2016. NAV per share was Tk. 23.93 as of June 30, 2017 and Tk. 22.64 as of December 31, 2016.

  • NLI1STMF

    The Trustee of the Fund has informed that &quot;the Unit holders are requested to update their respective BO accounts with 12 digit e-TIN through their DP before the record date. Individual unit holder failing to do so will be subject to deduction of Income tax at source at the rate of 15% instead of 10% on cash dividend as per section 54 of Income Tax Ordinance, 1984. &quot;

  • SEBL1STMF

    The Trustee of the Fund has informed that &quot;the Unit holders are requested to update their respective BO accounts with 12 digit e-TIN through their DP before the record date. Individual unit holder failing to do so will be subject to deduction of Income tax at source at the rate of 15% instead of 10% on cash dividend as per section 54 of Income Tax Ordinance, 1984. &quot;

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
RUPALIBANK 42.60 38.80 3.80 9.79
SAVAREFR 78.00 72.00 6.00 8.33
DUTCHBANGL 113.90 106.10 7.80 7.35
JUTESPINN 97.70 91.10 6.60 7.24
ISNLTD 19.10 17.90 1.20 6.70
PREMIERBAN 12.80 12.30 0.50 4.07
KAY&QUE 73.00 70.60 2.40 3.40
UNITEDINS 28.90 28.00 0.90 3.21
KARNAPHULI 17.50 17.00 0.50 2.94
ABB1STMF 7.70 7.50 0.20 2.67

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297