Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
BARKAPOWER 47.4 34.2 13.20 38.60
1JANATAMF 8 6.3 1.70 26.98
PRAGATIINS 36.4 28.7 7.70 26.83
ICB3RDNRB 7.9 6.4 1.50 23.44
ICBAMCL2ND 8.1 6.6 1.50 22.73
CENTRALPHL 27.3 22.4 4.90 21.88
PRIME1ICBA 7.8 6.4 1.40 21.88
CITYBANK 33.6 27.6 6.00 21.74
IBNSINA 253.9 208.9 45.00 21.54
POPULAR1MF 7.4 6.1 1.30 21.31

Contest SB2017_Jan

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
FARUK6468
3rd
blank_person
SHOHAG6610
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
ZAHINTEX 19.1 19.3 -5,533.50000 537781.00
ZAHEENSPIN 22.9 22.9 -5,533.50000 763165.00
YPL 31.8 32.3 -5,533.50000 1017080.00
WATACHEM 173.2 172.4 -5,533.50000 51719.00
UTTARAFIN 65.4 65.8 -5,533.50000 246191.00
Negative impact
AAMRATECH 36.5 35.9 -5,533.50000 3208910.00
ABBANK 23.6 23.6 -5,533.50000 3925720.00
ACI 421.5 424.4 -5,533.50000 136874.00
ACIFORMULA 161.8 164.4 -5,533.50000 115969.00
ACMELAB 114.4 109.7 -5,533.50000 2393060.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BEXIMCO 36.2 36.4 35 1.40% 560.63
IFADAUTOS 124.1 126.4 116.5 6.80% 522.90
BARKAPOWER 47.4 48.8 46.5 0.85% 445.12
RAKCERAMIC 73 73.5 70.7 1.96% 355.79
BBS 56.5 58.4 55.2 -1.05% 303.35
CITYBANK 33.6 34 31 6.67% 272.17
LANKABAFIN 45.6 46.2 44 0.66% 269.77
ACMELAB 114.4 114.9 109.2 4.28% 269.10
NBL 14.3 14.6 13.9 -1.38% 263.51
NPOLYMAR 95.8 98 91.5 7.28% 245.74

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 19 Jan 2017

226941
TOTAL TRADE
422.4751
TOTAL VOLUME(Mn)
14087.40
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ২ দিনের তোলপাড় বাজারে সর্বোচ্চ দর হরিয়েছে যেসব কোম্পানি
    স্টাফ রিপোর্টারঃ  বাজারে গত দুই দিন ধরে শেয়ারের দর কারেকশন হচ্ছে । ব্যাপক হারে ইনডেস্কের উঠানামা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যে কারণে ইনডেস্কের মান দিনের শুরুতে প্রাথমিকভাবে বাড়লেও দিন শেষে যেমন সেল পেশারে ইনডেস্কের মান কমে যাচ্ছে তেমনি আবার দিন শেষেও বাই পেশারে উঠে যাচ্ছে। । অনেক বিনিয়োগকারী রয়েছেন যারা লো রেটে শেয়ারের দর খুঁজছেন বিনিয়োগ করার জন্য। এছাড়াও অনেক বিনিয়োগকারী শঙ্কার মধ্য রয়েছে এই দুই দিনে কোন কোম্পানির শেয়ার দর সর্বোচ্চ কমেছে। দুই দিনের কারেকশনে সর্বোচ্চ দর হারানো কোম্পানির একটি তালিকা দেওয়া হল- ২ দিনের এই তোলপাড় বাজারে সর্বোচ্চ দর যেসব কোম্পানির হয়েছে তার তালিকা ও দেওয়া হল -
  • দুই কোম্পানির দর বাড়ার কারণ নেই
    স্টাফ রিপোর্টার : ড্রাগন সোয়েটার ও তুংহাই নিটিং অ্যান্ড ডাইংয়ের শেয়ার দর বাড়ার কোনো কারণ নেই। কোম্পানির শেয়ারে অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চাইলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এমনটাই জানায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই)। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিগুলোর শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই ১৮ জানুয়ারি নোটিস পাঠায়। এর জবাবে কোম্পানি দুইটি জানায়, কোনো রকম অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ার দর বাড়ছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২১ ডিসেম্বর থেকে ড্রাগন সোয়েটারের শেয়ার দর টানা বেড়ে চলেছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারটির দর ১৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বেড়ে সর্বশেষ ২২ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। একই সময়ে তুং হাই নিটিংয়ের শেয়ার দর ১১ টাকা থেকে বেড়ে ১৪ টাকা ৯০ পয়সা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। আর শেয়ার দুইটির এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন সিএসই কর্তৃপক্ষ।
  • ৫ কোম্পানির বোর্ডসভা অনুষ্ঠিত হবে
    স্টাফ রিপোর্টার : তিনটি কোম্পানির বোর্ডসভা অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি তিনটি হচ্ছে- যমুনা অয়েল, বিডি অটোকার্স ও সেন্ট্রাল ফার্মা। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। যমুনা অয়েল: সূত্র জানায়, কোম্পানিটির বোর্ডসভা আগামী ২৫ জানুয়ারি বিকের সাড়ে ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। সভা থেকে কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকের তথ্য জানা যাবে। উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বিডি অটোকার্স: স্টাফ রিপোর্টার : বিডি অটোকার্সের বোর্ডসভা আগামী ৩০ জানুয়ারি বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে । সূত্র জানায়, সভায় কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। সভা থেকে কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকের তথ্য জানা যাবে। উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ১৯৮৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সেন্ট্রাল ফার্মা: সেন্ট্রাল ফার্মাসিট্যিালস লিমিটেডের বোর্ডসভা আগামী ২৩ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে । সূত্র জানায়, সভায় কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। সভা থেকে কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকের তথ্য জানা যাবে। উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বিএসআরএম স্টিল রি-রোলিং মিলস ও বিএসআরএম স্টিল লিমিটেড: বিএসআরএম স্টিল রি-রোলিং মিলস ও বিএসআরএম স্টিল লিমিটেডের বোর্ডসভা আগামী ২৬ জানুয়ারি যথাক্রমে বিকেল ৪টা ও ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে । সূত্র জানায়, সভায় কোম্পানি দুইটির দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। সভা থেকে কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকের তথ্য জানা যাবে। উল্লেখ্য, বিএসআরএম স্টিল লিমিটেড ২০০৯ সালে ও বিএসআরএম স্টিল ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
  • ‘কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স সফলতার সাথে ব্যবসা করছে’
    মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান : কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড দীর্ঘদিন ধরে সফলতার সাথে ব্যবসা করে আসছে। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদে রয়েছে অভিজ্ঞ ও দক্ষ পরিচালকরা। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান, কোম্পানি সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে সততার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড অব ডিরেক্টরে যারা রয়েছেন তাদের নামের তালিকা নিচে দেয়া হলো। প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা স্টক বাংলাদেশকে বলেন, এখানকার প্রত্যেকটা কর্মকর্তা-কর্মচারী সততার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের মধ্যে কোন বিভেদ নেই। আশা করি কোম্পানি থেকে আমরা চলে যাওয়ার পর পরবর্তী প্রজন্ম উত্তরসূরীদের পথ অনুসরণ করবেন। কোম্পানিটিতে কার কত শতাংশ শেয়ার রয়েছে তা নিচে দেয়া হলো। সূত্র মতে, মতিঝিলের কমার্শিয়াল এরিয়ার বিমান ভবনের ৪র্থ তলায় মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শাখা অফিস। দেশের কোথায় কোথায় প্রতিষ্ঠানটির অফিস রয়েছে তার ঠিকানা নিচে দেয়া হলো। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির অথরাইজড ক্যাপিটাল ৬শ’ মিলিয়ন টাকা। আর পেইড আপ ক্যাপিটাল ৪শ’ ৭ দশমিক ০৩ মিলিয়ন টাকা। স্পন্সর ডিরেক্টরদের শেয়ার সংখ্যা ও তাদের নামের তালিকা নিচে দেয়া হলো। কোম্পানিটির রেজিস্টার্ড অফিস, আইটি বিভাগ ও শেয়ার বিভাগের যোগাযোগের ঠিকানা। কোম্পানিটির ম্যানেজমেন্টে যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য কয়েকজনের নামের তালিকা নিচে দেয়া হলো। কোম্পানিটির গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু তথ্য নিচে দেয়া হলো। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করছে।
  • ডোজি দিয়ে শেষ হল আজকের বাজার,মার্কেট নিউজ টুইটস : ২.৩০ মিনিট
    শেষ পর্যন্ত বাই পেশারের কারনে ডোজি দিয়ে শেষ হল আজকের বাজার। আজ সকাল থেকে বাজারে ব্যাপক হারে সেল পেশারের কারনে ইনডেস্কের ব্যাপক হারে পতন ঘটে। একটি পর্যায়ে ৫০ পয়েন্টের কাছাকাছি সুচকের পতন ঘটে। সেখান থেকে শেষ দিকে বাই পেশারে ইনডেস্ক পজেটিভে  ডোজি ক্যান্ডেলে নিয়ে আসে। IBNSINA  এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩০ মিনিট ঠিক ১.৩০ টায় IBNSINA উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( 33 TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 3053000 TK। বেয়ারিশে শেষ হতে পারে আজকের বাজার, মার্কেট নিউজ টুইটস : ১২.৪৫ মিনিট আজ সকাল থেকেই পেনিক সেল চলছে বাজারে। মাঝে কিছুটা বাই পেশার আসলেও সেল পেশারে তা ম্লান হয়ে যায়। দিন শেষে এই সেল পেশার থাকতে পারে। এর ফলে বেয়ারিশে শেষ হতে পারে আজকের বাজার। বাজার সেল পেশারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, মার্কেট নিউজ টুইটস : ১১.৩০ মিনিট সকাল থেকেই ব্যাপক উঠানামার মধ্য দিয়ে চলছে আজকের বাজার। বাজারে আজ সেল পেশার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে কিছুক্ষণ পর পর বাই পেশারের কারনে বাজার উঠে যাচ্ছে। আজ বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকতে পারে , মার্কেট নিউজ টুইটস : ১০.৩০ মিনিট [ ১৯.০১.২০১৭ ] গতকাল পুঁজিবাজারে লেনদেন ২০০০ কোটি টাকার কাছাকাছি লেনদেন হলে ও বেশীর ভাগ সময়ই কারেকশন মুডে ছিল বাজার। আজ বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকতে পারে । পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে আইপিওভুক্ত শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ‘আমলনামা’ পদ ছাড়লেন ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের সিইও ডিএসইএক্স থেকে ঝরে পড়া এবং যুক্ত হওয়া কোম্পানির তালিকা ক্যাপিটাল মাকের্ট ‘আরো বেগবান’ করতে ‘বন্ড মাকের্ট’ হবে: অর্থমন্ত্রী ডিএসইতে ৫ বছরের সর্বোচ্চ লেনদেন! সোমবার হল্টেড ৫টি প্রতিষ্ঠান বাজার শক্তিশালী করতে আইন পরিপালনের পরামর্শ বিএসইসির ব্লকে ওরিয়ন ফার্মার সবচেয়ে বেশি লেনদেন উল্লেখযোগ্য কিছু এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ‘সকলের প্রচেষ্টায় বাজার আরও ভালো হবে’ [ ভিডিও সহ ] এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৪০ কোটি টাকা তুলবে ইনডেক্স এগ্রো [ ভিডিও সহ] রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব আসছে রানার- আইপিও মাধ্যমে তুলবে ১শ’ কোটি টাকা [ভিডিও সহ] খুব তাড়াতাড়ি লেনদেন এক হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে [ভিডিও সহ] বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাকের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব ‘বিনিয়োগ করেন সবাই লাভবান হবো’ [ভিডিও সহ] ডেল্টা হসপিটালের সম্প্রসারণ প্রয়োজন : চেয়ারম্যান [ ভিডিও সহ ] দেখে নিন,জেনে নিন,বুঝে নিন [ভিডিওসহ] – DHL রোডশোর প্রশ্নসমূহ ‘প্রতিকূলতার মাঝেও ন্যাশনাল লাইফ ভালো ব্যবসা করেছে’ : চেয়ারম্যান [ ভিডিও… “এক বছরের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে ভালো অবস্থনে রয়েছে মার্কেট” | জামাল.. ‘বাজার ঊর্ধ্বমুখীতার করণে সংশ্লিষ্টরা নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে’ : বিনিয়োগকারী [ভিডিও সহ] ‘জেমিনি সি ফুডের কাছে অতিরিক্ত বোনাস রয়েছে’ (ভিডিও সহ) ‘সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ধারাবাহিকভাবে সফলতা অর্জন করে আসছে’ [ভিডিও সহ] পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • আজিজ পাইপস মুনাফায় ফিরেছে
    স্টাফ রিপোর্টার : আজিজ পাইপস লোকসান থেকে মুনাফায় ফিরেছে। কোম্পানিটি দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ৩১ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটি ৭৫ পয়সা লোকসান করেছিল। কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০১৬)  অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ  করলে জানা যায়। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ৩ মাসে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে  ১৭ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ছিল ২ পয়সা। এ হিসাবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে  ১৫  পয়সা বা ৭৫০ শতাংশ।
  • ১৯ জানুয়ারি ডিএসই’র সংবাদ সম্মেলন
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক গতিশীলতায় আনন্দের পাশাপাশি কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে বড় স্টেকহোল্ডাররা। বিশেষ গত কয়েক দিনে ভালো-মন্দ নির্বিচারে সব শেয়ারের দামে বড় উল্লম্ফন আর সূচকের বিরতিহীন উর্ধগতি তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। তাদের মতে, বিনিয়োগকারীরা যৌক্তিক আচরণ না করলে বাজারের এই গতিশীলতা হুমকীর মুখে পড়বে। তাই সবার উচিত দায়িত্বশীল আচরণ করা। এমন বাস্তবতায় বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। এতে ডিএসইর চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালনা পর্ষদের সব সদস্য উপস্থিত থাকবেন। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে ডিএসইর একজন কর্মকর্তা বলেন, বৃহস্পতিবার বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। বাজার পরিস্থিতি বিষয়ে কি কি আলোচনা হবে সে বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি তিনি।
  • ব্র্যাক ব্যাংক কাস্টোডিয়াল সার্ভিস দিবে ডেল্টা ক্যাপিট্যালকে
    স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য ডেল্টা ক্যাপিটাল লিমিটেডকে কাস্টোডিয়াল সার্ভিস দিবে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি সই করেন ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ এবং ডেল্টা ক্যাপিট্যাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেয়াদ রহমান। চুক্তি অনুযায়ী এখন থেকে ডেল্টা ক্যাপিটালের মাধ্যমে কোনো বিদেশী কোম্পানি বা ব্যক্তি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে চাইলে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড ব্যাংকিং সেবা দিবে। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ব্র্যাক ব্যাংকের কর্পোরেট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মাহমুদুননবী চৌধুরী, ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কাস্টোডিয়াল সার্ভিসেসের প্রধান সেকান্দার-ই-আজমসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
  • শিল্প স্থাপনে বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সমঝোতা চুক্তি
    ডেস্ক রিপোর্ট : অত্যাধুনিক বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও ক্যাবল উৎপাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও সৌদি আরব যৌথ বিনিয়োগে শিল্প স্থাপনের জন্য একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার শিল্প মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (বিএসইসি) এবং সৌদি আরবের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আল ফানার এনার্জির মধ্যে এ সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। বিএসইসি’র পক্ষে সংস্থার সচিব মাসুদ আহমেদ এবং আল ফানার এনার্জির পক্ষে সংস্থার বিদ্যুৎ বিষয়ক গবেষণা ব্যবস্থাপক আকবর এম. আলম চুক্তিতে সই করেন। শিল্পমন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ কথা জানানো হয়। সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী, আল ফানার এনার্জি এবং বিএসইসির যৌথ উদ্যোগে একটি অত্যাধুনিক বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও ক্যাবল উৎপাদন শিল্প স্থাপন করা হবে। এ প্রকল্পে আল ফানার এনার্জি শতভাগ অর্থায়ন ও প্রযুক্তি বিনিয়োগ করবে। এই কারখানায় উৎপাদিত পণ্য বাংলাদেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা হবে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, বিএসইসির চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ হোসেন চৌধুরী, সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ্, আল ফানার এনার্জির আন্তর্জাতিক বিপণন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বাসাম নাঈজ,আন্তর্জাতিক বিক্রয় বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুরহাফ আলহাইয়ানিসহ শিল্প মন্ত্রণালয় এবং আল ফানার এনার্জির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত বছর ১ থেকে ৩ মার্চ শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু সৌদি আরব সফরকালে সে দেশের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী ড. তাওফিগ ফাওজান আল-রাবিয়াহ্ এবং সৌদি বিনিয়োগকারীদের সাথে দীর্ঘ বৈঠক করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের সার, বিদ্যুৎ, কেমিক্যাল, চিনি, সিমেন্ট, কাগজসহ উদীয়মান শিল্পখাতগুলোতে বিনিয়োগের জন্য সৌদি উদ্যোক্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ থেকে ৬ জুন সৌদি আরব সফরকালে জেদ্দা চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত এক সভায় সৌদি উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহবান জানান। এ প্রেক্ষিতে আল ফানার এনার্জির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎখাতে বিনিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়া হয়। সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক উন্নয়ন অংশীদার। সৌদি প্রতিষ্ঠান আল ফানার এনার্জির সাথে বিএসইসির চুক্তি সইয়ের মাধ্যমে সৌদি-বাংলাদেশ বিনিয়োগের নতুন ধারা সূচনা হলো। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আরো সৌদি বিনিয়োগ আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
  • আরাধনার ফসলে ‘উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই’
    সিনিয়র রিপোর্টার : বাজার নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। শেয়ারবাজারে যে স্বস্থি ফিরে এসেছে- এটা দীর্ঘ দিনের আরাধনার ফসল। দেশের সকল সূচক ভালো। তাই বাজার নিয়ে আশঙ্কা করার কিছু নেই। এখন পর্যন্ত বাজার স্থিতিশীলতার আমরা সব আভাস পাচ্ছি। সম্ভাবনার এমন কথা বলেন ডিএসই ব্রোকার্স এ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট আহমেদ রশীদ লালী। আশঙ্কার কথা উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্টক বাংলাদেশকে আহমেদ রশীদ লালী বলেন, দেশের পুঁজিবাজারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বাজার নিয়ে আমরা আরো আশাবাদী। আমরা অনেক আগে থেকেই এর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। অবশেষে তা যখন পেয়েছি, তখন উৎকণ্ঠা কাজ করছে- কতোদিন এমন অবস্থায় থাকবে বাজার? প্রতিত্তোরে বৃহস্পতিবার বিকালে লালী বলেন, বিগত দিনে সব খাতের অবস্থা ভাল থাকলেও ব্যাংকখাতটি ছিল পিছিয়ে। এখন আর্থিকখাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে; তবে দুটো-একটা বাদে। বিনিয়োগকারী এখন অন্য খাতের শেয়ার ছেড়ে ব্যাংকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। যে কারণে সূচকের গতি আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি আরও ভাল হচ্ছে এবং হবে। আহমেদ রশীদ আরও বলেন, দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতি অনেক ভাল। ধ্বস ঠেকাতে নিয়ন্ত্রণ কমিশন, সরকার এবং সংশ্লিষ্টরা পুঁজিবাজারের অনেক সংস্কার করেছে। যে কারণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাজারের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। অন্যদিকে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও ফিরে এসেছে। তাই এখন আশঙ্কার কোন কারণ দেখছি না। সব মিলিয়ে পুঁজিবাজারে চলছে উৎসব মূখর পরিবেশ। তাই আশঙ্কা ঠেকিয়ে সুদিন ধরে রাখার বিষয়ে তিনি সিকিউরিটজ আইন সবাইকে মেনে চলার আহ্বান জানান। আমাদের সবাইকে আইন-কানুন সঠিকভাবে পরিপালন করতে হবে বলেন তিনি। তাহলে সবার আস্থা অটুট থাকবে, সেই সাথে থাকবে স্থিতিশীলতা বলেন রশীদ লালী।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে লেনদেন
    বিভিন্ন শ্রেণীর বিনিয়োগকারীর ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। ছয় বছরেরও বেশি সময় পর গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কেনাবেচা ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জটির প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স প্রায় ১০০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫০০ পয়েন্টের উপরে অবস্থান করছে।বাজার-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সামষ্টিক অর্থনীতি নিয়ে আসতে থাকা সুসংবাদ, শেয়ারবাজার নিয়ে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা গৃহীত বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ ও বক্তব্য এবং ধসপরবর্তী সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে বাজারের ঘুরে দাঁড়ানো— সব মিলিয়ে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও আশাবাদ বাড়ছে। দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের জন্য বেছে বেছে শেয়ার কিনছেন অনেকেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে স্পেকুলেটিভ ক্রয়চাপ। সব মিলিয়ে সূচকের এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা।পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই ঊর্ধ্বমুখী ছিল শেয়ারবাজারের সব সূচক। দুপুর ১২টা বাজার আগেই ডিএসইএক্স সাড়ে ৫ হাজারের মনস্তাত্ত্বিক বাধা অতিক্রম করে এবং দিনের শেষ ভাগ পর্যন্ত এ সীমার উপরে অবস্থান করে। দিন শেষে ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়ে সূচকটি ৫ হাজার ৫৭৫ দশমিক ৪৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়। গতকাল ২ শতাংশের উপরে বেড়েছে ঢাকার বাজারের ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০। দিন শেষে ২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৯৮৪ পয়েন্টে উন্নীত হয় ডিএসইর নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর এ সূচক। ১ দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়েছে শরিয়া সূচক ডিএসইএস।এদিকে লেনদেন বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় গতকাল ছয় বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম ২ হাজার কোটি টাকার বেশি কেনাবেচা হয়েছে ঢাকার বাজারে। গতকাল ডিএসইতে মোট ৭০ কোটি ১২ লাখ ২৩ হাজার ৮৫৫টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট হাতবদল হয়, যার বাজারদর ছিল ২ হাজার ৬৪ কোটি ৯৬ লাখ ৫৭ হাজার ২৬৮ টাকা। আগের দিন ডিএসইতে ১ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকার কম লেনদেন হয়।দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল ১১৪ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। ১ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেড়ে ১০ হাজার ৩৭৯ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে সেখানকার ব্রড ইনডেক্স সিএসসিএক্স। ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেড়ে ১৪ হাজার ৮৪ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে সিএসইর নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সূচক সিএসই ৩০।ডিএসইতে লেনদেনকৃত কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে গতকাল দর বেড়েছে ২২৪টির, কমেছে ৮৬টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১৮টির বাজারদর। সিএসইতে ১৮৬টির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দিন শেষে কমেছে ৭৪টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১৬টির বাজারদর।খাতভিত্তিক চিত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের বাজার মূলধন সবচেয়ে বেশি বেড়েছে; ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ। এরপর বেড়েছে যথাক্রমে মিউচুয়াল ফান্ড ৪ দশমিক শূন্য ৩, বিদ্যুত্-জ্বালানি ৩ দশমিক ৫২ ও বস্ত্র ৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ।বিপরীতে দর হারিয়েছে কেবল কাগজ মুদ্রণ, পাট, তথ্যপ্রযুক্তি ও জীবন বীমা খাতের কোম্পানিগুলো।লেনদেনের ভিত্তিতে ডিএসইতে সবার উপরে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড, বারাকা পাওয়ার, যমুনা অয়েল, লংকাবাংলা ফিন্যান্স, এমজেএল বিডি, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, কেয়া কসমেটিকস, সামিট পাওয়ার, ইসলামী ব্যাংক ও ডেসকো লিমিটেড।দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে পদ্মা অয়েল, আইসিবি, প্রাইম ১ আইসিইবিএ, ১জনতা মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি ৩য় এনআরবি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, বিডি ফিন্যান্স, ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, ইবনে সিনা ও আইসিবি সোনালী।অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে ছিল— ইমাম বাটন, সিএপিএম বিডিবিএল, ন্যাশনাল টিউবস, জিল বাংলা সুগার, বিডি আটোকারস, ড্যাফোডিল কম্পিউটার, এমারাল্ড অয়েল, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফিন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ড ও সমতা লেদার। source : Bonik Barta
  • পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেনের রেকর্ড
    দেশের পুঁজিবাজারে মঙ্গলবার মূল্যসূচকের সঙ্গে লেনদেনেও রেকর্ড হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৯৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৭৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ২০১৩ সালে সূচকটি চালু হওয়ার পর এটিই সর্বোচ্চ অবস্থান। এদিকে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ২ হাজারের ঘর অতিক্রম করে রেকর্ড গড়েছে। এদিন ডিএসইতে দুই হাজার ৬৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে; যা গত ৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১০ সালের ৭ ডিসেম্বর ডিএসইতে দুই হাজার ৫০ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। মঙ্গলবার ডিএসইতে আগের দিনে তুলনায় ২০৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বেশি লেনদেন হয়েছে। সোমবার ডিএসইতে এক হাজার ৮৫৬ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩২৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২২৪টির, কমেছে ৮৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির শেয়ার দর। এদিকে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৭৬ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪ পয়েন্টে।ডিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : বেক্সিমকো, বারাকা পাওয়ার, যমুনা ওয়েল, লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স, মবিল যমুনা বিডি, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, কেয়া কসমেটিকস, সামিট পাওয়ার, ইসলামী ব্যাংক ও ডেসকো।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : পদ্মা ওয়েল, আইসিবি, প্রাইম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, ১ম জনতা মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি ৩য় এনআরবি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, বিডি ফাইন্যান্স, ইবিএলএনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, ইবনে সিনা ও আইসিবি সোনালী মিউচুয়াল ফান্ড।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ইমাম বাটন, সিপিএম মিউচুয়াল ফান্ড, ন্যাশনাল টিউবস, ঝিল বাংলা সুগার, বিডি অটোকারস, ডেফোডিল কম্পিউটার, এমারেল্ড ওয়েল, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স ও সামাতা লেদার।অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক ও লেনদেন রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। সিএসইতে ১১৪ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৯৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ১৬৪ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৭৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৩টির, কমেছে ৭৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : বেক্সিমকো, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, ন্যাশনাল ব্যাংক, কেয়া কসমেটিকস, এ্যাপোলো ইস্পাত, এক্সিম ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, এবি ব্যাংক, লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স ও বিএসআরএম স্টিল। sourece : Jonokontho
  • ডিএসইর সূচকে থাকছে না রেকিট বেঙ্কিজার
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইএক্স গণনা থেকে বাদ পড়েছে বহুজাতিক কোম্পানি রেকিট বেঙ্কিজার। শেয়ারের গড় লেনদেন কমে যাওয়ায় ডিএসইএক্স থেকে কোম্পানিটিকে বাদ দেয়া হয়েছে। এদিকে রেকিট বেঙ্কিজার ছাড়াও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড ও পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সকেও ডিএসইএক্স থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। আর ৩১টি কোম্পানিকে নতুন করে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ডিএসইএক্স সূচক গণনা হবে ২৬৩টি কোম্পানির উপর ভিত্তি করে। নতুন অন্তর্ভূক্ত হওয়া কোম্পানিগুলো হলো—ন্যাশনাল টি কোম্পানি, কোহিনূর কেমিক্যাল, রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স, মাইডাস ফাইন্যান্স, ইস্টার্ন ক্যাবলস, রিজেন্ট টেক্সটাইল, ড্রাগন সোয়েটার, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, আইটি কনসালটেন্টস, ইয়াকিন পলিমার, রূপালি ইন্সুরেন্স, জেমিনি সী ফুড, নর্দার্ন জেনারেল ইন্সুরেন্স, রিপাবলিক ইন্সুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্স, ইস্টার্ন ইন্সুরেন্স, ঢাকা ইন্সুরেন্স, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, অগ্রণী ইন্সুরেন্স, এভিন্স টেক্সটাইল, কর্ণফুলী ইন্সুরেন্স, স্টাইলক্রাফট, তাকাফুল ইন্সুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্সুরেন্স, প্রভাতী ইন্সুরেন্স, লিব্রা ইনফিউশনস, ফাইন ফুডস, প্রাইম ইন্সুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্সুরেন্স, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর এবং বিডি অটোকারস। source : Ittafaq
  • লেনদেন ২০১০ সালের অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থানে ডিএসইএক্স
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সাইফ পাওয়ারটেকের অধিকারমূলক বা রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।   বিএসইসি জানিয়েছে, কোম্পানিটি বিদ্যমান একটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার হিসেবে প্রায় ১১ কোটি ৬৩ লাখ নতুন শেয়ার ইস্যু করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ৫ টাকা অধিমূল্য বা প্রিমিয়াম যোগ করে প্রতিটি রাইট শেয়ারের বিক্রয়মূল্য ঠিক হয়েছে ১৫ টাকা। সাইফ পাওয়ারটেক রাইট শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে প্রায় ১৭৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এই টাকায় ব্যাংকঋণ পরিশোধের পাশাপাশি ব্যবসা সম্প্রসারণের কাজে লাগাবে। বিএসইসির একই সভায় তালিকাভুক্ত সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার মুদারাবা বন্ড ছাড়ার প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়। ছয় বছর মেয়াদি অরূপান্তরযোগ্য এই বন্ডের মুনাফার হার সাড়ে ১২ শতাংশ। বন্ডের প্রতিটি ইউনিটের মূল্য ৫ লাখ টাকা। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে এই বন্ড কিনতে পারবেন। একই সভায় সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে দুটি ব্রোকারেজ হাউসকে ৫৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্যভুক্ত অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টকে ৫০ লাখ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সদস্যভুক্ত অ্যাসোসিয়েটেড ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া অ্যালায়েন্স সিকিউরিটিজের পরিচালক ও তাঁদের আত্মীয়স্বজনকে বেআইনিভাবে প্রায় ২৮ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির বেশ কিছু কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি সুদসহ বিতরণ করা ঋণ ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফিরিয়ে আনারও নির্দেশ দেওয়া হয়।  বাজার পরিস্থিতি: এদিকে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন আবারও ২০১০ সালের অবস্থায় ফিরে গেছে। আর ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্সটি সাড়ে ৫ হাজার পয়েন্টের মনস্তাত্ত্বিক সীমা ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৫ কোটি টাকা। ২০১০ সালের ৬ ডিসেম্বরের পর এটিই ডিএসইতে সর্বোচ্চ লেনদেন। সর্বশেষ ২০১০ সালের ৬ ডিসেম্বর ২ হাজার ৭১১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল ঢাকার বাজারে। গতকাল দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৯৮ পয়েন্ট বা পৌনে ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৭৫ পয়েন্টে। ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি ডিএসইএক্স সূচকটি চালু হওয়ার পর এটিই তার সর্বোচ্চ অবস্থান। মূলত বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারের দরবৃদ্ধির ওপর ভর করে গতকাল সূচকের বড় উত্থান ঘটেছে। source : prothom-alo
  • ৭ শতাংশে নেমেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তহবিল ব্যয়
    ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তহবিল ব্যয় ৭ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছে। গত বছরের (২০১৬) নভেম্বরে এ খাতের গড় তহবিল ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। এর অর্থ এ মাসে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ১০০ টাকা তহবিল ব্যবস্থাপনায় গড়ে ৭ টাকা ৯৫ পয়সা ব্যয় করেছে। একই বছরের অক্টোবরে প্রথমবার এ খাতের গড় তহবিল ব্যয় ৭ শতাংশে নেমে আসে। ওই মাসে গড় তহবিল ব্যয় ছিল ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গড় তহবিল ব্যয়ের পাশাপাশি সমন্বিত তহবিল ব্যয়ও নিম্নমুখী রয়েছে। নভেম্বর শেষে সমন্বিত তহবিল ব্যয় কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক সুদহার ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১৩ সালের নভেম্বরে ভিত্তি হার পদ্ধতি নামে একটি তদারকি পদ্ধতি চালু করে, যার মূল উপাদান হচ্ছে তহবিল ব্যয় সূচক। সাধারণ ও সমন্বিত দুই পদ্ধতিতে তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয় হিসাব করা হয়। এ খাতে তহবিল ব্যয় বলতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সুদভিত্তিক প্রাপ্ত সব তহবিল সংগ্রহের ব্যয়কে বোঝায়। আর সমন্বিত তহবিল ব্যয় হচ্ছে, স্বল্প ব্যয়ে নির্দিষ্ট উদ্দেশে গঠিত প্রকল্প তহবিল ব্যতীত অন্যান্য সুদভিত্তিক প্রাপ্ত তহবিল সংগ্রহের ব্যয়। তহবিল ব্যয়সূচক হিসাবের ক্ষেত্রে ননব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সব ননইক্যুইটি তহবিলের দায় বিবেচনায় নেয়া হয়ে থাকে। তহবিল ব্যয়সূচক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পণ্য তথা ঋণের সুদহার নির্ধারণের একটি সূচক, যার মাধ্যমে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সুদহারের নির্ধারিত সীমা জানা যায়। তহবিল ব্যয় কমলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সুদের হার কমবে এবং তহবিল ব্যয় বাড়লেও সুদের হারও বেড়ে যাবে। এর মাধ্যমে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সুদের হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় রাখা যায়। তবে বিভিন্ন কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তহবিল ব্যয় কমতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বাজারে সুদের হারের ওঠানামা, তহবিল সংগ্রহের উৎসে সুদের হার পরিবর্তন, সংযুক্তি ও অধিগ্রহণ কার্যক্রম, হিসাব পদ্ধতির পরিবর্তন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা।বর্তমানে ব্যাংকবহির্ভূত ৩৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ব্যাংকবহির্ভূত এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আগে ব্যবসার মূল ভরসা ছিল ব্যাংক আমানত। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নমনীয় নীতির কারণে তারা এখন জনসাধারণ থেকে তিন মাস মেয়াদি আমানতও সংগ্রহ করতে পারছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে ব্যাংকনির্ভরতা কমিয়ে জনসাধারণ থেকে আমানত সংগ্রহে জোর দেয়ায় এ খাতে সার্বিক তহবিল ব্যয় কমছে। পাশাপাশি বিনিয়োগ গতিশীল না হওয়ায় তারা ব্যাংকগুলো থেকেও তুলনামূলক কম সুদের তহবিল সংগ্রহ করতে পারছে।জানা গেছে, কম সুদে তহবিল মিললেও বিনিয়োগ চাহিদার অভাবে বেশিরভাগ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় বাড়ছে না। আবার বিদ্যমান অফিস ব্যয়, বেতন-ভাতাদিসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় কমছে না। এতে ভিত্তি হারও সেভাবে কমছে না। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান ঋণের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি সুদারোপ করছে। বর্তমানে তারা গ্রাহক পর্যায়ে ১৫ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত সুদ নিচ্ছে। জানা গেছে, এ খাতে তহবিল ব্যয়সূচক চালুর পর থেকেই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গড় তহবিল ব্যয় কমে আসতে থাকে। এ তহবিল যখন চালু করা হয় ওই সময় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গড় তহবিল ব্যয় ১২ শতাংশের ওপরে ছিল। তবে প্রথমবারের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গড় তহবিল ব্যয় সিঙ্গেল ডিজিটে নেমে আসে ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে। এরপর গেল বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত তহবিল ব্যয় সিঙ্গেল ডিজিটের নিচেই ছিল। কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাসে তাদের গড় তহবিল ব্যয় ফের ডবল ডিজিট অতিক্রম করে। পরের মাস মার্চেই তহবিল ব্যয় আবার সিঙ্গেল ডিজিটে নেমে আসে। এরপর থেকে গড় তহবিল ব্যয় সিঙ্গেল ডিজিটের নিচেই রয়েছে।এদিকে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথমবার ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠাগুলোর সমন্বিত তহবিল ব্যয় সিঙ্গেল ডিজিটের নিচে নামে। ওই মাসে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত তহবিল ব্যয় ছিল ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। তবে ২০১৫ সালের মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত তহবিল ব্যয় ১০ শতাংশের ওপরে ছিল।  source : alokito bangladesh
  • টিকে থাকতে প্রয়োজন অনুকূল বিনিময় হার
    ডলারের বিপরীতে পৃথিবীর উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মুদ্রার মান যখন কমেছে, তখন বাংলাদেশি মুদ্রা টাকার মান বেড়েছে। এ বিষয়টি তুলে ধরে বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিটিব্যাংক এনএ বলেছে, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখা ও প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক রাখতে টাকার মানে সঠিক ভারসাম্য দরকার। এ জন্য প্রয়োজন কার্যকর বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা।২০১৬ সাল নিয়ে সিটিব্যাংকের বার্ষিক বাজার পরিস্থিতি বা অ্যানুয়াল মার্কেট আপডেটে এ কথা বলা হয়েছে। এতে বাংলাদেশের অর্থনীতির পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে তারা। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে সুদের হার, মুদ্রার মান, পণ্যবাজার ও পুঁজিবাজার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।এতে টাকার মান নিয়ে বলা হয়, ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বছরজুড়ে মোটামুটি স্থিতিশীল ছিল। বছরের শুরুতে ১ ডলারের বিপরীতে পাওয়া যেত ৭৮ টাকা ৫০ পয়সা, যা ফেব্রুয়ারি মাসে সামান্য বেড়ে ৭৮ টাকা ৫৫ পয়সায় উন্নীত হয়। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টাকার বিনিময় হারের বিশেষ কোনো ওঠানামা ছিল না।আগের দুই বছরের মতো গত বছরও শেষ দিকে ডলারের চাহিদা বেড়ে যায় উল্লেখ করে সিটিব্যাংক বলেছে, এ সময় বড় অবকাঠামোর অর্থ পরিশোধ ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের মুনাফা দেশে নেওয়ার চাপ ছিল। এতে নভেম্বরে ডলারের দাম বেড়ে ৭৮ টাকা ৭৫ পয়সায় উন্নীত হয়। অবশ্য তা ডিসেম্বরে কিছুটা কমে ৭৮ টাকা ৭০ পয়সায় নামে।তবে মোটা দাগে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডলারের বিপরীতে টাকার মান বেড়েছে বলে উল্লেখ করেছে সিটিব্যাংক। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালে বিশ্বের প্রধান প্রধান মুদ্রা ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মুদ্রার মান কমেছে। ডলারের বিপরীতে যুক্তরাজ্যের মুদ্রা পাউন্ডের মান কমেছে প্রায় ১৬ শতাংশ। ইউরোর মান সারা বছর অস্থির ছিল। এ সময় শুধু জাপানি ইয়েন ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী ছিল।সিটিব্যাংক মনে করে, প্রবাসী আয় বৈধ পথে পাঠানো উৎসাহিত করতে অনুকূল বিনিময় হার দরকার। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ২০১৬ সালে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি প্রায় ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। তারপরও প্রবাসী আয় কমছে। জ্বালানি তেলের দাম কমে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নির্মাণকাজ কমছে, পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ ব্যয় সংকোচন করছে। প্রবাসী আয় বৈধ পথে আনতে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ দরকার উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রবাসী আয় কমে যাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ও উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।আমদানির প্রবৃদ্ধি রপ্তানি আয়ের গতিকে ছাড়িয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে বলে উল্লেখ করা হয় সিটিব্যাংকের পর্যালোচনায়। এতে বলা হয়, গত জুলাই-নভেম্বর সময়ে বাণিজ্য ঘাটতি ৩৮৮ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেশি।বিভিন্ন দেশের মুদ্রার অবমূল্যায়ন, টাকার মান ধরে রাখা, বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিবর্তন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়া, বাণিজ্য উদারীকরণের বদলে সুরক্ষার প্রবণতা, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা, বাংলাদেশের নিম্ন মধ্যম আয়ে উত্তরণ—এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের সক্রিয় হওয়া, সতর্ক থাকা ও অনুকূল বাণিজ্য চুক্তির পরামর্শ দেওয়া হয় প্রতিবেদনে।এতে বিগত অর্থবছরে বাংলাদেশের ৭ দশমিক ১১ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে চিত্তাকর্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগের হার ২৩ শতাংশে উন্নীত হওয়া ইতিবাচক লক্ষণ। মূল্যস্ফীতি চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে উল্লেখ করে এতে আরও বলা হয়, অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী জ্বালানি তেলের দাম কমানো হলে তা মূল্যস্ফীতি কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তবে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা হলে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সুফল ততটা না-ও মিলতে পারে।     source : prothom-alo
  • কাল থেকে শুরু প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজ মামলা
    ১৯৯৬ সালে শেয়ার কারসাজিতে প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজ মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম ৬ মাস স্থগিত থাকার পর আবার চালু হচ্ছে। আগামীকাল সাক্ষীদের জেরা করার মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচার কাজ শুরু হবে। গত ৮ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালের বিচারক আকবর আলী শেখ এ দিন ধার্য করেন।এ লক্ষ্যে গত সোমবার ৮ জানুয়ারি সাক্ষীদের হাজির হওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনাল সমন জারি করে। সাক্ষীরা হলেন- ডিএসইর মহাব্যবস্থাপক রুহুল খালেক, সিনিয়র এঙ্িিকউটিভ দেলোয়ার হোসেন, বিএসইসির সহকারী পরিচালক এনামুল হক ও মনিরউদ্দিন আহমেদ। প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজের শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলাটি চালিয়ে নেয়ার জন্য আসামি এমএ রউফ চৌধুরীর পক্ষে তার আইনজীবী শেখ বাহারুল ইসলাম ও আবদুস সালাম খান ট্রাইব্যুনালে আদেন করেন। এতে আরেক আসামি সাঈদ এইচ চৌধুরীর আইনজীবী আলহাজ মো. বোরহান উদ্দিন সমর্থন করেন।অন্যদিকে আসামি মশিউর রহমান ও আনু জায়গীরদার তাদের উচ্চ-আদালতের বর্ধিত স্থগিতাদেশের কপি ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেন। যা ২৯ নভেম্বর ২০১৬ থেকে ২ মে ২০১৭ পর্যন্ত কার্যকরী। এর আগে ১৭ এপ্রিল এই দুই আসামির মামলার বিচারকাজে ৬ মাসের স্থগিতাদেশ দেন উচ্চ আদালত। বিএসইসির প্যানেল আইনজীবী মাসুদ রানা খান বলেন, 'আগামী ১৮ জানুয়ারি প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজের মামলায় বিচারকাজ শুরু হবে। তবে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে মশিউর রহমান ও আনু জায়গীরদারের বিচারকাজ বন্ধ থাকবে।'এ মামলার আসামিরা হলেন- এমএ রউফ চৌধুরী, সাঈদ এইচ চৌধুরী, প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান ও পরিচালক আনু জায়গীরদার।মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামিরা প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজের নামে ১৯৯৬ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করেছেন। এ সময়ে তারা মিতা টেঙ্টাইল, প্রাইম টেঙ্টাইল, বাটা সুজ ও বেঙ্মিকো ফার্মার শেয়ার লেনদেন করেন। প্রতিষ্ঠানটি ওই সময়ে মোট ১২৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা লেনদেন করে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি শুধু ফরেন ডেলিভারি ভার্সেস পেমেন্টের (ডিভিপি) মাধ্যমে ৮৫ লাখ টাকা লেনদেন করে। এ সময় ১ নম্বর আসামি প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজ ওই সময়ে ২১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৩টি শেয়ার বিক্রি করে, যার মূল্য ছিল ৬৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা। স্টক এঙ্চেঞ্জের রেকর্ড মোতাবেক আসামিরা এসিআই লিমিটেডের ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১৯টি শেয়ার বিক্রি করেন। অথচ ব্যাংক রেকর্ড অনুযায়ী শেয়ার বিক্রির পরিমাণ ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৮টি, যার মধ্যে ফরেন ডিভিপির মাধ্যমে লেনদেন অনিষ্পত্তি হওয়া শেয়ারের পরিমাণ ছিল ৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।একইভাবে আসামিরা ডিভিপির মাধ্যম ছাড়াও স্থানীয়ভাবে শেয়ারের অন্যতম ক্রেতা-বিক্রেতা ছিলেন। আসামিরা ওই সময়ের মধ্যে বেঙ্মিকো ফার্মার ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৯৫টি শেয়ার বিক্রি করেন। এর মধ্যে ডিভিপির মাধ্যমে ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭০০টি শেয়ার বিক্রি করেন। আর এখানেও অনিষ্পত্তি হওয়া শেয়ার ছিল ১ লাখ ১ হাজার ৫০০টি। এসব ফরেন ডিভিপির মাধ্যমে লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য প্রতিষ্ঠানটি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও ইন্দোসুয়েজ ব্যাংক ব্যবহার করত। আসামিদের এ ধরনের কার্যকলাপ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি, অপকার ও অনিষ্ট করেছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ অধ্যাদেশ-১৯৬৯ এর ২১ ধারা বলে গঠিত তদন্ত কমিটি ১৯৯৭ সালের ২৭ মার্চ একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে আসামিরা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ অধ্যাদেশ-১৯৬৯ এর ১৭ ধারার ই(২) বিধান লঙ্ঘন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। আর সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ অধ্যাদেশের ২৪ ধারার অধীনে আসামিদের শাস্তি দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। source : sonbad
  • জেড' ক্যাটাগরির তিন কোম্পানির অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত 'জেড' ক্যাটাগরির বিচ হ্যাচারি, দুলামিয়া কটন ও ফার্স্ট ফাইন্যান্সের শেয়ার দর অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে বলে তথ্য প্রকাশ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে 'বি' ক্যাটাগরির সালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির শেয়ার দরও অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।সর্বশেষ ৫ কার্যদিবসের ব্যবধানে সালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির ১.৪ টাকা বা ৮.৪৩ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে। একই সময়ে বিচ হ্যাচারির ১ টাকা বা ৮.৬২ শতাংশ, দুলামিয়া কটনের ০.৮ বা ৮.৬০ শতাংশ ও ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ০.৪ টাকা বা ৪.০৮ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।কোম্পানির শেয়ার দর এই অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির আলোকে ডিএসই কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করে। এক্ষেত্রে সালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি, বিচ হ্যাচারি, দুলামিয়া কটন ও ফার্স্ট ফাইন্যান্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শেয়ার দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার মতো অপ্রকাশিত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। source : Jayjay din
  • তারল্য সংকট কাটছে পুঁজিবাজারে
    আবদুল আজিজ একটি বেসরকারি কম্পানিতে চাকরি করেন। স্বামী-স্ত্রী ও এক সন্তান মিলেই তাঁর সংসার। বাড়তি আয়ের আশায় ২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেন। শেয়ার কেনা-বেচায় শুরুতে ভালোই মুনাফা পেয়েছিলেন। বাড়তি বিনিয়োগ ও ভালো আয়ের আশায় শেয়ারের বিপরীতে মার্জিন ঋণও নেন। কিন্তু ২০১০ সালে শেয়ারের দামে অব্যাহত পতন ও ধস নামায় ক্ষতির মুখে পড়েন তিনি। পুঁজি যায় যায় অবস্থায় বাজার থেকে বিনিয়োগ উঠিয়ে নেন।সম্প্রতি পুঁজিবাজারের ক্রমাগত উন্নতিতে আবারও বিনিয়োগে আগ্রহী আবদুল আজিজ। গত বুধবার মতিঝিলে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অফিসের নিচে আলাপচারিতায় তিনি বলেন, ‘ওই সময় বড় অঙ্কের ক্ষতি হলেও বিনিয়োগের অর্ধেক টাকা নিয়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছি। পরিচিত অনেকেই খালি হাতে ফিরেছে। লসে থাকা শেয়ার বিক্রি করতে না পারায় অনেকের পোর্টফোলিওতে শেয়ার জমে রয়েছে। আবার কারো কারো মার্জিন ঋণ জমে থাকা শেয়ারের দামও ছাড়িয়েছে। শেয়ার থাকলেও খোঁজখবর নেয় না। ঊর্ধ্বমুখী বাজারে খোঁজখবর নিয়েই বিনিয়োগ করতে চায়। ’২০১০ সালের ধসে বড় ধাক্কা লাগে পুঁজিবাজারে। হাতেগোনা কিছু বিনিয়োগকারী ব্যতীত পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয় বড় অংশই। প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা পরবর্তী সময়ে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারলেও পুঁজি হারিয়ে বাজার ছেড়েছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। অনেকের পোর্টফোলিওতে শেয়ার থাকলেও খোঁজখবর নেয় না। এতে অনেকটা ‘নিষ্ক্রিয়’ হয়ে পড়ে পুঁজিবাজার। দৈনিক লেনদেন ২০০ কোটি থেকে ৩০০ কোটিতে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নানা উদ্যোগে আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পুঁজিবাজার। চলতি বছরের শুরুটা অনেকটা ‘তেজিভাবেই’। বাজারে আসছে নতুন নতুন বিনিয়োগ। দেশি বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগও বাড়ছে। ক্ষুদ্র ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণে বেড়েছে বাজার মূলধন। তলানিতে থাকা শেয়ারের দামও বৃদ্ধি পাচ্ছে।সূত্র জানায়, বিগত এক বছরে অর্থাৎ ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তারল্য বেড়েছে ২৫ হাজার কোটি টাকা। তবে চলতি বছরের শুরুতে চমক দেখিয়েছে পুঁজিবাজার। লেনদেন ও মূল্যসূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজার মূলধনও বেড়েছে। অব্যাহতভাবে লেনদেন বৃদ্ধি সাড়ে পাঁচ বছরে রেকর্ড ছাড়িয়েছে। আর মূল্যসূচকও চার বছরের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। এ বছর ১২ কার্যদিবসে বাজার মূলধন বেড়েছে প্রায় ২২ হাজার ৭৬২ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ১২ কার্যদিবস শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকাবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ইফতিখার-উজ জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, বর্তমান বাজার সঠিক পথেই রয়েছে। বাজারে তারল্য সংকট কাটছে। বিনিয়োগকারীদের পদচারণাও বেড়েছে। পুঁজিবাজার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবেই কাজ করছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানতের বিপরীতে সুদের হার কম হওয়ায় অনেকে বিকল্প হিসেবেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছে। ধসের পর শেয়ারের দাম অনেক নিচে নেমেছিল। কম দামে সেই শেয়ার কেনায় অনেকে লাভবান হচ্ছে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বেড়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ ও লেনদেনও বৃদ্ধি পেয়েছে। দৈনিক লেনদেন যথাযথভাবেই পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে পুঁজিবাজারের কম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন সচেতনভাবে দেখেশুনেই বিনিয়োগ করতে হবে।সংশ্লিষ্টরা বলছে, ২০১০ সালে ধসের পর বাজারের আইন-কানুনে অনেক সংস্কার এসেছে। অপকর্ম করে কারো রেহাই পাওয়ার সুযোগ নেই। সঠিক পথে বাজার এগিয়ে চলছে। অনেকে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের বিকল্প হিসেবেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছে। এই খাতে আমানতে সুদের পরিমাণ কম হওয়ায় পুঁজিবাজারমুখী হচ্ছে অনেকেই। ঊর্ধ্বমুখী বাজারে বিনিয়োগকারীদের জেনেশুনেই বিনিয়োগ করতে হবে।২০১০ সালে বিপর্যয়ের পর সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও স্টক এক্সচেঞ্জ পুঁজিবাজারকে গতিশীল করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে। আর্থিক কেলেঙ্কারি মামলার দ্রুতবিচারে পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি মামলার রায়ও হয়েছে।বাজার বিশ্লেষকরাও বলছে, দীর্ঘদিন পর গতি পেয়েছে পুঁজিবাজার। পুরনো বিনিয়োগকারীরা নতুন করে আকৃষ্ট হচ্ছে। তবে দুর্বল ভিত্তি ও ক্ষতিতে থাকা কিছু কম্পানির শেয়ারে উল্লম্ফন দেখা যাচ্ছে। যা খুবই শঙ্কার। ঊর্ধ্বমুখী এই বাজারে সচেতনতা ও দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে বিনিয়োগকারীকেই।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, বছরজুড়েই নতুন নতুন বিনিয়োগ এসেছে। পুঁজিবাজারে স্টক বা শেয়ার ছেড়ে নতুন কম্পানি টাকা তুললেও বছরজুড়েই বেড়েছে তারল্য। গত এক বছরে পুঁজিবাজারের তারল্য বেড়েছে ২৫ হাজার ৩৯৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। গত বছরের শুরুতে বাজার মূলধন ছিল তিন লাখ ১৫ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা। বছর শেষে সেই মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪১ হাজার ২৪৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা। সেই হিসাবে একবছরে ৮ শতাংশ মূলধন বেড়েছে। বিদেশি লেনদেনও বেড়েছে।সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে ১৪টি কম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড প্রাথমিক গণপ্রস্তাব ও রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ তুলেছে এক হাজার ২০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে ১১টি কম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা। যার মধ্যে আটটি কম্পানি সংগ্রহ করে ৬৫৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা আর তিনটি মিউচ্যুয়াল ফান্ড সংগ্রহ করেছে ১৯০ কোটি টাকা। অন্যদিকে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, জিপিএইচ ইস্পাত এবং বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম এই তিনটি কম্পানি রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে ৩৬৬ কোটি টাকা। গত বছর পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের কার্যক্রম শেষ হলেও এখনো তালিকাভুক্ত হতে পারেনি প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেড ও দুটি ফান্ড।বাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, পুঁজিবাজারের অবস্থা অনেকটা ভালো অবস্থানেই। ক্রমান্বয়েই বাজার উন্নতি হয়েছে। তবে দুর্বল ও জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি অসুস্থতার লক্ষণ। কিছু দুর্বল ভিত্তির কম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েই চলেছে। বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকতে হবে। ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) সূত্র জানায়, ২০১০ সালে পতনের পর ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক লাখ বিনিয়োগকারীর সুদ মওকুফ করেছে আইসিবি। ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি ও ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ের সুদ মওকুফ করা হয়েছে। ধসের কারণে যেসব গ্রাহক শেয়ার বিক্রি করতে পারেনি, তাদের শেয়ার পোর্টফোলিওতেই ছিল। দীর্ঘদিন লেনদেন না থাকায় বড় অঙ্কের সুদও জমেছিল। এই সুদ মওকুফ করায় পুরনো বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হয়েছে। পোর্টফোলিওতে থাকা শেয়ারের দামও বেড়েছে।ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী কালের কণ্ঠকে বলেন, বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা কেটেছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা নেই। ব্যাংকের সুদের হার কম হওয়ায় অনেকে বাজারে আসছে। ধসের পর ছোট ছোট বিনিয়োগকারী লস মেনে নিয়ে বাজার থেকে বেরিয়ে গেছে। এখন পোটেনশিয়াল বিনিয়োগকারীরাই বাজারে বেশি। বাজার অনেক নিচে থাকায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কম দামে শেয়ার কিনে প্রবেশ করেছে।  source : Kalar kontho
  • বিদ্যমান আইনকানুন মেনে চলার নির্দেশ
    শেয়ারবাজারের টেকসই অবস্থান ধরে রাখতে বিদ্যমান আইনকানুন ও বিধিবিধান যথাযথভাবে মেনে চলতে বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পক্ষ থেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।শেয়ারবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল দুপুরে এই বৈঠক ডাকে বিএসইসি। এতে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ), ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশনের নেতা, শীর্ষ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।   সভায় বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বিএসইসির পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে বিদ্যমান আইনকানুন ও বিধিবিধান মেনে চলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শেয়ারের বিপরীতে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। বর্তমানে শেয়ারের বিপরীতে একজন বিনিয়োগকারীকে ১: ০.৫ হারে ঋণ দিতে পারে ঋণদাতা ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো। বিদ্যমান নিয়মে একজন বিনিয়োগকারীকে ঋণযোগ্য শেয়ারের বিপরীতে ১০০ টাকায় সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণসুবিধা দেওয়া যায়।বিএসইসির পক্ষে সভায় নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান। বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সূচকের উত্থান-পতন নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। সবাই যাতে আইনকানুন মেনে চলে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অতীতের মতো ঋণ অযোগ্য শেয়ারে যাতে বিনিয়োগকারীদের ঋণসুবিধা দেওয়া না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে বলা হয়। যাতে বাজারে টেকসই পরিস্থিতি বজায় রাখা যায়। * সাড়ে পাঁচ বছর পর ডিএসইতে সর্বোচ্চ লেনদেন * ডিএসইএক্স সর্বোচ্চ অবস্থানে বৈঠক শেষে সাইফুর রহমান বলেন, অনেক দিন পর বাজারে গতি ফিরেছে। এ ধারা যাতে টেকসই হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যথাযথ দায়িত্ব পালনের বিষয়ে তাগিদ ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এখন থেকে ঊর্ধ্বমুখী বাজারেও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে নিয়মিতভাবে এ ধরনের বৈঠক করা হবে।এদিকে প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর পর গতকাল ঢাকার বাজারে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ১ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১৯৮ কোটি টাকা বেশি। ২০১১ সালের ২৮ জুলাইয়ের পর গতকাল ডিএসইতে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়। সর্বশেষ ২০১১ সালের ২৮ জুলাই ঢাকার বাজারে ১ হাজার ৮৮২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।দিন শেষে গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৫ পয়েন্ট বা প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৭৮ পয়েন্টে। ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি সূচকটি চালু হওয়ার পর গতকালই সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছে।ঢাকার বাজারে গতকাল মূল্যবৃদ্ধিতে শীর্ষে ছিল বিডি অটোকারস। এদিন কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৯ টাকা ৭০ পয়সা বা প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৭ টাকা ৪০ পয়সায়। গত এক বছরের মধ্যে এটাই কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বোচ্চ বাজারমূল্য। গত রোববার কোম্পানিটি দুর্বল মৌলভিত্তির ‘জেড’ শ্রেণি থেকে ‘বি’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে। ২০১৬ সালের জুনে সমাপ্ত আর্থিক বছরের জন্য শেয়ারধারীদের ৩ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়ে কোম্পানিটি এই শ্রেণি পরিবর্তন করেছে। শ্রেণি পরিবর্তনের কারণে আইন অনুযায়ী, বিডি অটোকারসের শেয়ারের বিপরীতে ৩০ কার্যদিবসের জন্য ঋণসুবিধা বন্ধ রয়েছে। তা সত্ত্বেও এটির মূল্যবৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না।লেনদেনে ঢাকার বাজারে আধিপত্য ধরে রেখেছে আলোচিত ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়নবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন বেক্সিমকো। এদিন ডিএসইতে এককভাবে কোম্পানিটির প্রায় ৯৫ কোটি টাকার শেয়ারের হাতবদল হয়। তবে প্রতিটি শেয়ারের দাম ১০ পয়সা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ২০ পয়সায়।অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচকটি ১৭৪ পয়েন্ট বা প্রায় ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৮৭২ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১০৫ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা কম। source : prothom-alo
  • পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন বেড়েছে
    গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সব ধরনের মূল্য সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন। আলোচ্য সপ্তাহে প্রধান সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ বা ১৬০ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট। আর লেনদেন বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, গত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ৭ হাজার ১৪০ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার। যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৬ হাজার ২৮৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার। সেই হিসেবে আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৮৫২ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ১৩.৫৬ শতাংশ।সমাপ্ত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে দশমিক ৯০ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ২৪ শতাংশ।ডিএসইর সার্বিক সূচক বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ বা ১৬০ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই৩০ সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ বা ৪৬ দশমিক ২৭ পয়েন্ট। অপরদিকে, শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ বা ২০ দশমিক ৮১ পয়েন্টে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩৩১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৪০টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ৭৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির। আর লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির শেয়ার।গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষে ছিল বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি (বেক্সিমকো) লিমিটেড। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির লেনদেন বেড়েছে ১৩ দশমিক ১৬ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির ১০ কোটি ৭৮ লাখ ৬৪ হাজার ২৫৭টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৩৪৯ কোটি ৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইফাদ অটোস লিমিটেডের লেনদেন ৬.৫৪ শতাংশ বেড়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির ১ কোটি ৫১ লাখ ৩২ হাজার ২৬৬টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ১৭৪ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা। আর লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের লেনদেন বেড়েছে ৯.০২ শতাংশ। গত সপ্তাহে কোম্পানিটির ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৪৭২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ১৬০ কোটি ৮৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা। তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এ্যাপোলো ইস্পাত, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস, বারাকা পাওয়ার, বিডি থাই এ্যালুমিনিয়াম, শাশা ডেনিমস, রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস, ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড।গত সপ্তাহে ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) লিমিটেড। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৩৩.৭৮ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ১২ কোটি ৮৫ লাখ ২০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে এই কোম্পানির ৬৪ কোটি ২৬ লাখ ১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের দর বেড়েছে ২৪.৩৭ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে ফান্ডটির প্রতিদিন গড়ে ১ কোটি ৮৫ লাখ ৬১ হাজার টাকার ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে ৯ কোটি ২৮ লাখ ৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা ফারইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজের ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশ দর বেড়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ১২ কোটি ৫৮ লাখ ১৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে এই কোম্পানির ৬২ কোটি ৯০ লাখ ৭৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সে ২১.৬৯ শতাংশ, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজে ২১.৩৩ শতাংশ, নর্দান জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে ১৯.৫২ শতাংশ, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সে ১৮.৯৩ শতাংশ, আইসিবি এএমসিএল থার্ড এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডে ১৮.৬৪ শতাংশ, পিপলস ইন্স্যুরেন্সে ১৭.৮৯ শতাংশ এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকে ১৭.১৭ শতাংশ দর বেড়েছে।এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ৪১৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার। তবে সার্বিক সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ২৯০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২১৯টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ৬৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টির। source : Jonokontho
  • ডিএসইতে পিই রেশিও বেড়েছে ৩.৪০ শতাংশ
    সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে। আগের সপ্তাহের চেয়ে পিই রেশিও বেড়েছে দশমিক ৫০ পয়েন্ট বা ৩.৪০ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৫ দশমিক ২১ পয়েন্টে। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১৪ দশমিক ৭১ পয়েন্ট। বিশ্লেষকদের মতে, পিই রেশিও যতদিন ১৫-এর ঘরে থাকে ততদিন বিনিয়োগ নিরাপদ থাকে।সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক ট্রেইলিং পিই রেশিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৮ দশমিক ৫ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ২৯ দশমিক ৭ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২২ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ২২.৬ পয়েন্টে, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ২৮ দশমিক ৮ পয়েন্টে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ১৩.৫ পয়েন্টে, সাধারণ বীমা খাতের ১৫.৪ পয়েন্টে, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের ২৮.৭ পয়েন্টে।এছাড়া পাট খাতের পিই রেশিও মাইনাস ১৫ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ৩১.৩ পয়েন্টে, এনবিএফআই খাতের ২৯.১ পয়েন্টে, কাগজ খাতের মাইনাস ১১৮.১ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৮.৫ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতের ২৪.৬ পয়েন্টে, চামড়া খাতের ২৩.৬ পয়েন্টে, টেলিযোগাযোগ খাতের ১৮.৫ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ২৩.৭ পয়েন্টে এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ২৭.৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। source : jayjay din
  • সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর সূচক বেড়েছে ১৬০ পয়েন্ট
    সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সব ধরনের মূল্য সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন। আলোচ্য সপ্তাহে প্রধান সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ বা ১৬০ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট। আর লেনদেন বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, গত সপ্তাহে ৭ হাজার ১৪০ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার। যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৬ হাজার ২৮৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার। সেই হিসাবে আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৮৫২ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ১৩.৫৬ শতাংশ।সমাপ্ত সপ্তাহে 'এ' ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। 'বি' ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ। 'এন' ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে দশমিক ৯০ শতাংশ। 'জেড' ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ২৪ শতাংশ।ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ বা ১৬০ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই৩০ সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ বা ৪৬ দশমিক ২৭ পয়েন্ট। অপরদিকে শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ বা ২০ দশমিক ৮১ পয়েন্টে।সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩৩১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৪০টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ৭৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির। আর লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির শেয়ার।এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ৪১৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার। তবে সার্বিক সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ২৯০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২১৯টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ৬৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টির। source : jayjay din
View All
Latest DSE News
  • PREMIERCEM

    Mr. Zahur Ahamed, one of the Sponsors of the Company, has expressed his intention to transfer 5,00,000 shares out of his total holding of 26,56,920 shares of the Company to his sons Mr. Mohammed Nizamuddin Ishty (2,50,000 shares) and Mr. Mohammed Moinuddin Chisty (2,50,000 shares), by way of gift outside the trading system of the Exchange within next 30 working days from the date of issuance of approval letter by CSE.

  • SONARGAON

    As per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on January 29, 2017 at 4:00 PM to consider, among others, un-audited financial statements of the Company for the Second Quarter (Q2) period ended on December 31, 2016.

  • BENGALWTL

    As per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on January 25, 2017 at 5:00 PM to consider, among others, un-audited financial statements of the Company for the Second Quarter (Q2) period ended on December 31, 2016.

  • PIS

    Withdrawal of Authorized Representatives: Prime Islami Securities. Ltd. (DSE TREC No. 104), has withdrawn two of its Authorized Representatives, Mr. Md. Rezaul Karim and Mr. Aboul Hasanat Mia, with immediate effect.

  • GENNEXT

    The Company has informed that it has credited Bonus share for the 18 months period ended on June 30, 2016 to the respective shareholders' BO Accounts on January 19, 2017.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ISNLTD 15.50 14.10 1.40 9.93
IBNSINA 253.90 233.50 20.40 8.74
SHYAMPSUG 21.50 19.90 1.60 8.04
CENTRALPHL 27.30 25.40 1.90 7.48
NPOLYMAR 95.80 89.30 6.50 7.28
IFADAUTOS 124.10 116.20 7.90 6.80
CITYBANK 33.60 31.50 2.10 6.67
BDAUTOCA 102.30 96.20 6.10 6.34
PRIMETEX 28.70 27.30 1.40 5.13
ILFSL 15.30 14.60 0.70 4.79

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297