Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Parabolic Sar Intraday System AFL 24-May
Guppy Multiple Moving Average Afl 20-May
Automatic Buy Sell Signal Afl 19-May
Stoch RSI Afl 17-May
Bollinger Band Fibonacci Ratio and Heikin Ashi 17-May

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
AFCAGRO 63.4 47.3 16.10 34.04
SHURWID 23.9 18.5 5.40 29.19
POWERGRID 41.3 32 9.30 29.06
IFADAUTOS 119.3 96.4 22.90 23.76
BGIC 17.5 14.3 3.20 22.38
SAPORTL 63.4 52 11.40 21.92
TRUSTBANK 17.9 14.9 3.00 20.13
SUNLIFEINS 37.2 31.4 5.80 18.47
BSCCL 163.5 138.1 25.40 18.39
GHCL 43.7 37 6.70 18.11

Contest SB2015_May

1st
blank_person
IMRANKSL
2nd
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
3rd
blank_person
HOSSAINANWAR36
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
DESCO 73.9 69.3 3.00974 1635030.00
POWERGRID 41.3 37.6 2.94692 56744.00
TITASGAS 71.5 70 2.56409 280744.00
BSCCL 163.5 156.3 1.86519 1110150.00
SAPORTL 63.4 58.1 1.57308 3070150.00
Negative impact
GP 324.1 326.5 -5.60001 166891.00
UPGDCL 188.8 197.4 -4.90336 829755.00
DELTALIFE 110.2 116.7 -1.38997 364306.00
FAMILYTEX 15.1 17.8 -1.29763 4415310.00
OLYMPIC 220.1 224.5 -1.20650 70692.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
KPCL 72.3 72.9 70.7 2.26% 252.41
SAIFPOWER 86.5 87.2 80.5 7.99% 195.88
SAPORTL 63.4 63.9 60 9.12% 192.51
BSCCL 163.5 166 160 4.61% 181.38
UPGDCL 188.8 198.8 185 -4.36% 158.73
IFADAUTOS 119.3 124.2 117.6 5.48% 122.97
DESCO 73.9 75 72.6 6.64% 120.41
BARKAPOWER 37.1 37.4 36.1 2.77% 93.55
AFCAGRO 63.4 64 60.5 5.84% 92.77
BEXIMCO 29.5 31.1 29.3 -10.33% 85.01

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 24 May 2015

74357
TOTAL TRADE
85.8776
TOTAL VOLUME(Mn)
3431.77
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ‘পুঁজিবাজার এখন ভাল চলছে, স্থিতিশীল রয়েছে’
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সচিবালয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক রোববার ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বিও একাউন্ট মেইন্ট্যানেন্স ফি বাবদ প্রদত্ত সরকারি অংশ প্রদানকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন অর্থমন্ত্রীর হাতে ৮১ কোটি ২১ লাখ টাকার চেক তুলে দেন। সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের পুঁজিবাজার এখন ভাল চলছে, স্থিতিশীল রয়েছে। সুতরাং এখন পুঁজিবাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই। বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন বলেন, গত বছর বিও একাউন্ট মেইন্ট্যানেন্স ফি বাবদ আমরা সরকারকে ৬৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা দিয়েছি। এ বছর এর পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেত। কিন্তু তিন মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পুঁজিবাজার তখন ভালভাবে চলতে পারেনি। এ কারণে আয় কম হয়েছে। চেক হস্তান্তর শেষে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেশের পুঁজিবাজারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করেন বিএসইসি’র কর্মকর্তারা। বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপকালে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, অর্থমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, পুঁজিবাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ এর জন্য কমিশনই রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬ প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসার কথা ছিল, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না— জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাজেটের পর এটা নিয়ে আলোচনা হবে। গত বাজেটে বিএসইসি’র উপর আরোপিত কর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পৃথিবীর কোথাও কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার উপর কর নেই। বিএসইসি’র কর্মকর্তাদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে সংস্থার প্রস্তাব প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খায়রুল হোসেন বলেন, নিজেদের বেতন বাড়ানোর কোনো প্রস্তাব আমরা কখনো দেইনি। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। কোনো চিঠিও আমি এ পর্যন্ত পাইনি। সরকারই এ বিষয়ে চিঠি চালাচালি করছে। সম্প্রতি পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনে বিএসইসির চেয়ারম্যান পদত্যাগ করতে পারেন— এমন গুজবের সত্যতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।
  • ডিএসই'র কাছে কারিগরি ত্রুটির ব্যাখ্যা চেয়েছে বিএসইসি
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কারিগরি ত্রুটির বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ডিএসইকে (আজ) রোববারের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপত্র সাইফুর রহমান বলেন, আমরা কারিগরি ত্রুটির বিষয়টি ডিএসইর কাছ থেকে জানতে চেয়েছি। আজকের (রোববার) মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। কারিগরি ত্রুটির কারণে রোববার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু করা সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত সময়ের ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট পর বেলা ২ টা ২০ মিনিটে লেনদেন শুরু হয় এবং শেষ হয় বেলা ৪ টায়। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ২ ঘণ্টা ২০ মিনিট কম লেনদেন হয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জটিতে। তবে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) স্বাভাবিক সময়ে লেনদেন শুরু ও শেষ হয়েছে। তবে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সকাল সাড়ে ১০ টায় লেনদেন শুরু ও শেষ হয় বেলা আড়াইটায়। জানা গেছে, রোববার লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইর অনেক ট্রেকহোল্ডার তাদের ব্যাক অফিস ফাইল আপলোড করতে পারছিলেন না। কারিগরি এ ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০ টায় লেনদেন শুরু করতে ব্যর্থ হয় ডিএসই। কারিগরি এ সমস্যা বেলা ২টার দিকে সমাধান করতে সমর্থ হয় ডিএসই। নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু ও শেষ করতে না পারার কারণে বিনিয়োগকারীদের নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে। এদিকে, ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে ডিএসইতে লেনদন হয়েছে ৩৪৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা। কম সময় লেনদেনের প্রভাব পড়েছে বাজারে। আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৫৬ শতাংশ কম লেনদেন হয়েছে। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল ৭৭৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। সম্প্রতি শেয়ারবাজারে লেনদেন বৃদ্ধির যে ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে কারিগরি ত্রুটির কারণে তাতে ছন্দপতন ঘটেছে। তবে সূচকেরও সামান্য বৃদ্ধি হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় ১.৩৪ পয়েন্ট বেড়ে দিনশেষে ডিএসইএক্স গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪৮৪.৬২ পয়েন্টে। লেনদেনে অংশ নেওয়া ইস্যুগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৩ টির, কমেছে ১৩৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১ টির দর।
  • লেনদেন বিলম্বে ডিএসইর দুঃখ প্রকাশ
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। সার্ভারের ত্রুটির কারণে রোববার লেনদেন শুরু হতে বিলম্ব হওয়া ও কম সময় লেনদেন হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করা হয়। ডিএসইর পক্ষ থেকে উপ-মহাব্যবস্থাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দুঃখ প্রকাশ করেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কারিগরি ত্রুটির কারণে ডিএসইর লেনদেন ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট দেরিতে শুরু হয়। এ কারণে রোববার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম চালানো হয়েছে। তবে সোমবার থেকে নির্ধারিত সময় সকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরু হবে বলেও জানানো হয়েছে।
  • ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি করলো ডিএসইএক্স ইনডেক্স
    মেহেদী আরাফাত : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসই এক্স ইনডেক্স রবিবার দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখি প্রবনতা নিয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে পুনরায় ক্রয়চাপের ফলে দিনশেষে ডিএসই এক্স ইনডেক্স ঊর্ধ্বমুখি হতে থাকে এবং ১.৩৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি করে। ডিএসই এক্স ইনডেক্স ১.৩৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৪৪৮৪.৬২ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.০২% বৃদ্ধি পেয়েছে। TA বিশ্লেষকদের মতে ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক রিভারসেলের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। উনাদের মতে আগামীকালের ক্যান্ডেলস্টিক এজন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আগামীকালের ক্যান্ডেলস্টিক যদি বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক হয় তাহলে মার্কেট ভাল হতে পারে, আর যদি বেয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক হয় তাহলে মার্কেট খারাপ হতে পারে। TA বিশ্লেষকরা মনে করেন গত কয়েকদিন ধরে লেনদেনের পরিমান বাড়ছে। এই হিসাবে উনারা ধারনা করছেন বাজার ভাল হওয়ার সম্বভনাই বেশী। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৩৯৭৫ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৪৫৮১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৮১.৬৯ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৫৪.৭৩। এম.এফ.আই কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে। ডিএসইতে ৮ কোটি ৫৮ লাখ ৭৭ হাজার ৫৯৩ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৩৪৩.১৭ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৪৩৬ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০০ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৩ টির, কমেছে ১৩৬ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩১ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা কম ছিল ৩০০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৮.৮৪% কমেছে। অন্যদিকে কমেছে ০-২০ এবং ২০-৫০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ২১.৪০% এবং ২০.০৬% কম। অন্যদিকে ৫০-১০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় ৬.৬৫% কমেছে। পিই রেশিও ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ২৩.২৩% কমেছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১.৮৬% কমেছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে পিছিয়ে ছিল ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৫২.৮৭% কম ছিল। কমেছে ‘এন’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৪.২৮% কম ছিল।
  • দর কমছে কেন মেঘনা সিমেন্টের
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মেঘনা সিমেন্টের দর ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমেছে। ফলে কোম্পানিটি সাপ্তাহিক দরপতনের সপ্তম স্থানে চলে আসে। সপ্তাহজুড়ে এর মোট ৬ কোটি ৫২ লাখ ২৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। আগের দুই সপ্তাহে দর প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ার পর গত সপ্তাহে কোম্পনিটির দর কমেছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সিমেন্ট কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ২০ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৩১ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময় ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ১ টাকা ৭৫ পয়সা। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, টানা দরপতনের শেষ দিকে মেঘনা সিমেন্ট শেয়ারের দর ৬০ টাকার ঘরে নেমে যায়। সেখান থেকে টানা প্রায় দুই সপ্তাহ বেড়ে এর দর ১১৫ টাকা ছাড়িয়ে যায়। মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় গত সপ্তাহে সামান্য দর সংশোধন দেখা গেছে। ডিএসইতে বৃহস্পতিবার অবশ্য এ শেয়ারের সর্বশেষ দর ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ১ টাকা ৪০ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ১০৭ টাকা। এক মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ৬৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১১৫ টাকা ৫০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৬৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৩১ টাকা ৭০ পয়সা। নীচে এক মাসের চিত্র দেয়া হলো- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৪৮ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৩৬ টাকা ১০ পয়সা। ৩০ মে বাগেরহাটে অবস্থিত কারখানা প্রাঙ্গণে এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। রেকর্ড ডেট ছিল ১২ মে। ২০১৩ সালে কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। সে সময় ইপিএস হয় ৫ টাকা ২৩ পয়সা, এনএভিপিএস ৩৬ টাকা ৫৪ পয়সা ও কর-পরবর্তী মুনাফা ১১ কোটি ৭৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মেঘনা সিমেন্টের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৫৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। সর্বশেষ অনুমোদিত বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এর মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ২০ দশমিক ৩৪।
  • ডিএসইতে ২:২০ থেকে ৪টা পর্যন্ত লেনদেন
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু হয়নি। তবে রোববার টেকনিক্যাল কিছু সমস্যার কারণে বন্ধ থাকা লেনদেন বেলা ২:২০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে রোববার দুপুরে এ তথ্য জানা গেছে। সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। লেনদেনে টেকনিক্যাল কিছু সমস্যা হয় বলে ডিএসই কর্তৃপক্ষ জানায়। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন যথারীতি চলছে। ডিএসইর ওয়েরসাইটে বেলা ২:৩৪ মিনিটে দেখা গেছে লেনদেন, শেয়ার লেনদেন চলছে। এদিকে যেসব ট্রেকহোল্ডাররা এখনও ফাইল আপলোড করেনি, তাদের ব্যাক অফিসের মাধ্যমে ফাইল আপলোড করতে বলা হয়েছে। আর যারা ইতোমধ্যে ফাইল আপলোড করেছেন, তাদের আর ফাইল আপলোড করার প্রয়োজন নেই।
  • ঢাকা ব্যাংকের বোনাস শেয়ার বিওতে
    স্টাফ রিপোর্টার : ব্যাংকিং খাতের তালিকাভূক্ত প্রতিষ্ঠান ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ (বোনাস শেয়ার) ২৪ মে, রোববার বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে পাঠিয়েছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ঢাকা ব্যাংক ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছর বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৪ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ১৪ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস (স্টক) লভ্যাংশ। গত ৮ এপ্রিল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ ঘোষণা করা হয়েছে।
  • ডিএসইতে রোববার লেনদেন শুরু হয়নি
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু হয়নি। সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা এখনো হয়নি। লেনদেনে টেকনিক্যাল কিছু সমস্যা হচ্ছে বলে ডিএসই কর্তৃপক্ষ জানায়। ডিএসই জানায়, দ্রুত তারা এই সমস্যা কাটিয়ে উঠবেন। তবে সমস্যা কাটিয়ে লেনদেন কখন শুরু হবে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারেনি। বেলা সাড়ে ১১টার দিকেও দেখা যায়, ডিএসই লেনদেন শুরু করতে পারেনি। না পারার কারণ হিসেবে কারিগরী ত্রুটির কথা বলা হলেও অনেক বিনিয়োগকারী বলছেন, মোবাইলে লেনদেন শুরু করতে ডিএসই ট্রেডিং প্লাটফর্মের যে পদক্ষেপ নিয়েছে সেকারণেও প্রাথমিক সমস্যা হতে পারে। পেছনের খবর : ডিএসইতে ২:২০ থেকে ৪টা পর্যন্ত লেনদেন
  • ফ্যামিলি টেক্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : ফ্যামিলি টেক্স (বিডি) লিমিটেড ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। শনিবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়। সমাপ্ত বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ৩টা ২৮ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ১৪ পয়সা। ফ্যামিলি টেক্সের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৭ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০ টা এবং রেকর্ড ডেট ৯ জুলাই । একই দিনে কোম্পানিটি বিশেষ সাধারণ সভাও (ইজিএম) আহ্বান করেছে। ইজিএমে অনুমোদিত মূলধন ২৮০ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৩১০ কোটি টাকায় উন্নীত করা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইজিএমের রেকর্ড তারিখও ৯ জুলাই।
  • মার্কেন্টাইল ব্যাংকের রোববার এজিএম
    স্টাফ রিপোর্টার : মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ২৪ মে, রোববার সকাল ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা  (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সি ব্লক, উম্মে কুলসুম রোডে বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের পুষ্পাঞ্জলীতে এ সভা আহ্বান করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এজিএমে বিনিয়োগকারীদের সমন্বয়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য এজেন্ডার অনুমোদন নেয়া হবে। গত ২২ এপ্রিল পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। লভ্যাংশ ঘোষণার পর কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.৫৯ টাকা এবং এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৮.৩৫ টাকায়।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • বিদেশি বিনিয়োগের প্রভাব শেয়ারবাজারে
    দেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগের প্রভাব পড়ছে। কোনো মাসে বিদেশি বিনিয়োগ বেশি হলে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা যায়। আবার বিদেশি বিনিয়োগ কমে গেলে বাজারেও তার প্রভাব দেখা যায়। গত এক বছরের বাজার বিশ্লেষণে এ চিত্র দেখা গেছে।বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে। পাশাপাশি বাজারেও নিম্নগতি প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। ওই সময় বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ কম ছিল। অন্যদিকে গত বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বেশি থাকায় ওই সময়ে বাজারও ভালো ছিল। লেনদেনেও গতি ছিল। তাই বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা বিদেশি বিনিয়োগ দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।বাজার-বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গড়ে প্রতিদিন ২৭৮ কোটি টাকা করে লেনদেন হয়েছে। এ সময়ে ডিএসইতে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে ২২৮ কোটি টাকা। এ মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ৩৬৫ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। আর বিক্রি করেছেন ১৩৬ কোটি টাকার শেয়ার। সব মিলিয়ে প্রায় ৫০২ কোটি টাকার শেয়ার কেনা-বেচা করেছেন তাঁরা।চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ডিএসইতে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে মাত্র ৩১ কোটি টাকা। এ মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ২৫০ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। বিক্রি করেছেন ২১৯ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ৪৭০ কোটি টাকার শেয়ার কেনা-বেচা করেছেন তাঁরা।ফেব্রুয়ারিতে ডিএসইতে গড়ে প্রতিদিন ২৬৮ কোটি টাকা করে লেনদেন হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি ওই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন ১৮৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়। আর মার্চ মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনার চেয়ে বিক্রির পরিমাণ বেশি ছিল। এ মাসে ৩২ কোটি টাকার অতিরিক্ত শেয়ার বিক্রি করেছেন তাঁরা। এমনকি গত এপ্রিলেও ডিএসইতে বিদেশি বিনিয়োগ ঋণাত্মক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা যায়। তবে এ বিষয়ে ডিএসইর কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত জানাতে রাজি হয়নি।অন্যদিকে, এক বছরের মধ্যে গত বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ডিএসইতে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। সেপ্টেম্বরে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ কোটি টাকা করে লেনদেন হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর ওই মাসের সর্বোচ্চ লেনদেন ছিল ১ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা লেনদেন হয়। সেপ্টেম্বরে ডিএসইতে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ৪২৬ কোটি টাকা। ওই মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ৫৮৯ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। বিক্রি করেছেন ১৬৩ কোটি টাকার।আবার অক্টোবরে ডিএসইতে গড়ে প্রতিদিন ৭৫০ কোটি টাকা করে লেনদেন হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ৫০৬ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। বিক্রি করেছেন ২৯৯ কোটি টাকার। ওই মাসে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ২০৭ কোটি টাকা।বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এম এ হাফিজ বলেন, ‘নতুন বিনিয়োগ বাজারে গতি সঞ্চার করে। এটা বিদেশি হোক বা দেশি হোক। বাজারে নতুন টাকা ঢুকলে বাজারে গতি আসবে। বর্তমানে বাজারে অভ্যন্তরীণ ফান্ড ঢুকছে না। যে কারণে বাজার কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতায় রয়েছে। এ অবস্থায় বিদেশি বিনিয়োগও আসছে না। কেননা প্রথমে দেশি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই বিদেশিরাও উৎসাহিত হবেন।’চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাবেক সভাপতি ফখরউদ্দিন আলী আহমেদ অবশ্য বাজারের বর্তমান নিম্নমুখী প্রবণতার জন্য দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে দায়ী করছেন। তাঁর মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সবাই শঙ্কিত। দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মনস্তাত্ত্বিক চাপে আছেন। সামগ্রিক বিনিয়োগ প্রবণতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও শেয়ার বিক্রির প্রবণতা রয়েছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমাদের বাজারটা খুবই ছোট। নতুন বিনিয়োগ এলেই এখানে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। তেমনি বিনিয়োগ বের হলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। আর এ কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে সক্রিয় থাকলে বাজারেও তার ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা যায়।’মিজানুর রহমান আরও বলেন, বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করা এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। একজন বিনিয়োগকারী যখন নিশ্চিত হবেন যে, তাঁর বিনিয়োগ নিরাপদ থাকবে এবং তিনি নিরাপদে তার মুনাফা পাবেন, তখন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যেমন আকৃষ্ট হবেন, তেমনি বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও আকৃষ্ট হবেন।   Source : প্রথম আলো 
  • পুঁজিবাজারে লেনদেন বেড়েছে ২৯ শতাংশ
    গত সপ্তাহে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের সঙ্গে বেড়েছে সব ধরনের মূল্যসূচক। আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ২৮ দশমিক ৭৬ বা প্রায় ২৯ শতাংশ। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, গত কিছুদিন ধরে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা কমে গেছে। যার কারণে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ ফিরে এসেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বেশ কিছু কোম্পানির দর অনেক কমে যায়। যার কারণে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি পর্র্যায়ের এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারী বাজারে সক্রিয় হয়েছেন। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো হারানো দর ফিরে পেতে শুরু করেছে। এরই প্রভাব পড়েছে সার্বিক বাজারে।জানা গেছে, আগের সপ্তাহের চেয়ে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৮৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকার। আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৮৩৬ কোটি ৩ লাখ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৯৭৯ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার।সমাপ্ত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯ দশমিক ৯০ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ২৩ শতাংশ।এদিকে, ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৯০ শতাংশ বা ১৬৮ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএস৩০ সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ বা ৫৯ দশমিক ৭২ পয়েন্ট। অপরদিকে শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ বা ৩৬ দশমিক ৪৫ পয়েন্টে।সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩২৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৩৭টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টির। আর লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির শেয়ার।ডিএসইতে সাপ্তাহিক লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি, আরএকে সিরামিক, সাইফ পাওয়ার টেক, এসিআই ফর্মুলেশন, বারাকাত পাওয়ার, মবিল যমুনা বাংলাদেশ, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও সামিট এলায়েন্স পোর্ট লিমিটেড।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, এএফসি আগ্রো, ইউনাইটেড এয়ার, বিজিআইসি, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, ইউনিক হোটেল রিসোর্ট লিমিটেড, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল ও ন্যাশনাল হাউজিং এ্যান্ড ফাইনান্স লিমিটেড।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ওয়াটা কেমিক্যাল, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এ্যান্ড ফাইনান্স লিমিটেড, বিডি থাই, ইনটেক অনলাইন, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, স্কয়ার টেক্সটাইল, মেঘনা সিমেন্ট, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, সাফকো স্পিনিং ও প্রিমিয়ার ব্যাংক।   Source : জনকণ্ঠ
  • ইউনিক হোটেলের দর বেড়েছে ১৮.৭১%
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গত সপ্তাহে ভ্রমণ-অবকাশ খাতের কোম্পানি ইউনিক হোটেলের দর ১৮ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়েছে। ফলে কোম্পানিটি সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির অষ্টম স্থানে উঠে আসে। সপ্তাহজুড়ে এর মোট ৫৯ কোটি ৬১ লাখ ৬৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৪ হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ২৭ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৮৭ টাকা ৭৪ পয়সা। ২৫ জুন রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত ইউনিক ট্রেড সেন্টারে এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত এ কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২২ কোটি ৫০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৭৬ পয়সা; যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২০ কোটি ৮০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ৭১ পয়সা।ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ইউনিক হোটেল শেয়ারের দর ৫ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৬২ টাকা ৮০ পয়সা। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৪৩ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৬২ টাকা ৮০ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • লেনদেনে শীর্ষে খুলনা পাওয়ার
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষে ছিল বিদ্যুত্ খাতের প্রতিষ্ঠান খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশই ছিল এ কোম্পানির দখলে। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির মোট ২০৮ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।জানা গেছে, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৮১ পয়সা। ২৫ জুন রাজধানীর খামারবাড়ি রোডে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ মে।ডিএসইতে বৃহস্পতিবার এ শেয়ারের দর কমে দশমিক ২৮ শতাংশ বা ২০ পয়সা। সারা দিন দর ৭০ টাকা থেকে ৭৪ টাকা ৫০ পয়সায় ওঠানামা করে। সর্বশেষ এ শেয়ারের লেনদেন হয় ৭০ টাকা ৫০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে ছিল ৭০ টাকা ৭০ পয়সা। আগের কার্যদিবসে এর সমাপনী দর ছিল ৭০ টাকা ৭০ পয়সা। এদিন ৫ হাজার ১৪৯ বারে এর মোট ৬৩ লাখ ৭ হাজার ৬৩৯টি শেয়ার লেনদেন হয়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত এক মাসে এ শেয়ারের সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৭ টাকা ও সর্বোচ্চ ৭০ টাকা ৭০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৪ টাকা ৩০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৭০ টাকা ৭০ পয়সা।কোম্পানিটি ২০১৩ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ওই হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৯৩ কোটি ৫১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৫ টাকা ৬২ পয়সা।২০১০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৭০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৩৬১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৩৩৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৬ কোটি ১২ লাখ ৮৪ হাজার ৭১০টি; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৭০ দশমিক ৫৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৬ দশমিক ২৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ১৩ দশমিক ১২ শতাংশ।উল্লেখ্য, মার্চে সাবসিডিয়ারি খুলনা পাওয়ার কোম্পানি ইউনিট ২ লিমিটেড ও খানজাহান আলী পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডকে মূল কোম্পানির সঙ্গে একীভূত করার প্রস্তাব আদালতের অনুমতি পেয়েছে। এতে বিলুপ্ত হতে যাওয়া কোম্পানি দুটোর ব্যবসা, আয়, সম্পদ ও দায়দেনা সবই খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের অন্তর্ভুক্ত হবে।   Source : বনিক বার্তা
  • মেঘনা সিমেন্টের দর কমেছে
    আগের দুই সপ্তাহে দর প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ার পর গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মেঘনা সিমেন্টের দর ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমেছে। ফলে কোম্পানিটি সাপ্তাহিক দরপতনের সপ্তম স্থানে চলে আসে। সপ্তাহজুড়ে এর মোট ৬ কোটি ৫২ লাখ ২৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।এদিকে অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সিমেন্ট কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ২০ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৩১ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময় ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ১ টাকা ৭৫ পয়সা।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, টানা দরপতনের শেষ দিকে মেঘনা সিমেন্ট শেয়ারের দর ৬০ টাকার ঘরে নেমে যায়। সেখান থেকে টানা প্রায় দুই সপ্তাহ বেড়ে এর দর ১১৫ টাকা ছাড়িয়ে যায়। মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় গত সপ্তাহে সামান্য দর সংশোধন দেখা গেছে।ডিএসইতে বৃহস্পতিবার অবশ্য এ শেয়ারের সর্বশেষ দর ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ১ টাকা ৪০ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ১০৭ টাকা। এক মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ৬৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১১৫ টাকা ৫০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৬৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৩১ টাকা ৭০ পয়সা।৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৪৮ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৩৬ টাকা ১০ পয়সা। ৩০ মে বাগেরহাটে অবস্থিত কারখানা প্রাঙ্গণে এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। রেকর্ড ডেট ছিল ১২ মে।২০১৩ সালে কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। সে সময় ইপিএস হয় ৫ টাকা ২৩ পয়সা, এনএভিপিএস ৩৬ টাকা ৫৪ পয়সা ও কর-পরবর্তী মুনাফা ১১ কোটি ৭৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।মেঘনা সিমেন্টের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৫৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। সর্বশেষ অনুমোদিত বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এর মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ২০ দশমিক ৩৪।   Source : বনিক বার্তা
  • রাইট শেয়ার ইস্যু করবে বিডি থাই
    রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের পরিচালনা পর্ষদ। এছাড়া শেয়ারহোল্ডার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনক্রমে অনুমোদিত মূলধনও বাড়াতে চায় কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে সম্প্রতি এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, বিদ্যমান একটি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার ইস্যু করবে কোম্পানিটি। প্রতিটি রাইট শেয়ার ইস্যুমূল্য হবে ২৫ টাকা। অর্থাত্ রাইট শেয়ারের জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে আরো ১৫ টাকা প্রিমিয়াম গুনতে হবে শেয়ারহোল্ডারদের।এদিকে পরিচালনা পর্ষদের সর্বশেষ সভায় কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা থেকে ২০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এজন্য কোম্পানির সংঘস্মারক ও সংঘবিধিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনতে শেয়ারহোল্ডারদের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটি। ইজিএমে অনুমোদনের পর প্রতিটি সিদ্ধান্তই নিয়ন্ত্রক সংস্থায় পাঠানো হবে।আগামী ২২ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ট্রাস্ট মিলনায়তনে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য ২৮ মে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়া গেলে রাইট শেয়ারের জন্য নতুন রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে।ডিএসইতে বৃহস্পতিবার বিডি থাই শেয়ারের দর ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৩৮ টাকা ৯০ পয়সা। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৩২ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৪৩ টাকা ৯০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ৩০ টাকা ৫০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৫২ টাকা ৯০ পয়সা।এদিকে ২০১৪ সালের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এ কোম্পানি। ইজিএমের দিন বেলা সাড়ে ১১টায় একই ভেনুতে এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৪ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৬৩ পয়সা।২০১৩ সালের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। সে সময় এর নিট লোকসান ছিল ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকা।   Source : বনিক বার্তা
  • বিএসইসির অগ্রাধিকার তালিকায় পাঁচ প্রকল্প
    শেয়ারবাজারে বিদেশী বিনিয়োগসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ক্লিয়ারিং করপোরেশন প্রতিষ্ঠা ও স্বল্প মূলধনি কোম্পানিগুলোর জন্য আলাদা বাজার ব্যবস্থা গঠনে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। উন্নয়নমুখী প্রকল্পের বিভিন্ন উদ্যোগ থাকলেও বর্তমানে পাঁচটি প্রকল্পকে অগ্রাধিকার তালিকায় রেখেছে বিএসইসি। আগামী এক বছরের মধ্যে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।বিএসইসির অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা প্রকল্পগুলো হচ্ছে— প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ড, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, পাবলিক ইস্যু বিধিমালা সংশোধন, ক্লিয়ারিং করপোরেশন ও স্বল্প মূলধনি কোম্পানিগুলোর জন্য আলাদা আলাদা বোর্ড গঠন। জানা গেছে, এর মধ্যে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ডের জন্য আগামী এক মাসের মধ্যে নীতিমালা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে বিএসইসি। আর দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাবলিক ইস্যু বিধিমালা সংশোধন করে স্টক এক্সচেঞ্জের কাছ থেকে কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনাপত্তিপত্র নেয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এছাড়া এক বছরের মধ্যেই ক্লিয়ারিং করপোরেশন ও স্বল্প মূলধনি কোম্পানিগুলোর জন্য আলাদা আলাদা বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া শেষ হবে। বিএসইসির নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।শেয়ারবাজারে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়াতে সংশ্লিষ্ট নীতিমালা তৈরির জন্য সম্প্রতি সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে আগ্রহ দেখা গেছে। যদিও প্রায় এক বছর আগেই প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশী বিনিয়োগ বাড়াতে প্রাইভেট ইকুইটি ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল-সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। এ-সংক্রান্ত বিধিবিধান তৈরির জন্য গঠিত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নীতিমালা তৈরির কাজ প্রায় চূড়ান্ত করে এনেছে কমিশন।কেবল প্রতিষ্ঠান ও সম্পদশালী ব্যক্তিদের জন্য প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ডে বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হচ্ছে। বিদ্যমান মিউচুয়াল ফান্ড নীতিমালার আদলে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন-পরিবর্ধন এনে তালিকাবহির্ভূত কোম্পানিগুলোয় বিনিয়োগের বিশেষ এ তহবিল গঠনের নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সীমিত দায় অংশীদারি প্রতিষ্ঠান (এলএলপি) নিয়ে দেশের কোম্পানি আইন ও অন্য কোনো আইনের পূর্ণাঙ্গ কোনো বিধান না থাকায় মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টের মতোই প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ড গঠনের সুপারিশ রয়েছে। এসব ফান্ড গঠনের সুযোগ তৈরি হলে অনেক বিদেশী বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগে আরো আগ্রহী হবেন। বিদেশী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিদেশী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সেসব ফান্ডের কাঠামোয় আলাদা বিধান যুক্ত করারও সুপারিশ করেছে কমিটি।ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কিংবা প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ড মূলত শেয়ারবাজারের তালিকাবহির্ভূত কোম্পানিগুলোয় বিনিয়োগ করবে। তহবিলগুলোর মূল উদ্দেশ্য হবে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রাইভেট কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখা। এসব ফান্ডের জন্য আরেকটি সক্রিয় সেকেন্ডারি মার্কেট তৈরি করারও প্রস্তাব রাখা হয়েছে।কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথাগত মিউচুয়াল ফান্ডের তুলনায় ঝুঁকি বেশি থাকায় এসব ফান্ডের বিনিয়োগের রিটার্নও বেশি হবে। ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের এসব ফান্ডে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হবে না। প্রাইভেট ইকুইটি ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য এবং ঝুঁকির বিষয়ে ধারণা রয়েছে শুধু এমন প্রতিষ্ঠান বা বিত্তশালী ব্যক্তিরাই এসব ফান্ডে বিনিয়োগের যোগ্য হবেন।বিএসইসির অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষ প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্লিয়ারিং করপোরেশন গঠন। চলতি বছরের মধ্যেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির মালিকানায় এটি গঠন করা হবে। এরই মধ্যে বিএসইসি এ-সংক্রান্ত গঠিত কমিটির প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই ও অন্যান্য দেশের ক্লিয়ারিং করপোরেশন গঠন এবং এর পরিচালনা পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ শেষে নীতিমালা তৈরির কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।ক্লিয়ারিং করপোরেশন হচ্ছে— শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট স্বতন্ত্র একটি প্রতিষ্ঠান, যা শেয়ার বা ফিউচার কিংবা অপশন মার্কেটের নানা সিকিউরিটিজ এবং কমোডিটি এক্সচেঞ্জের লেনদেন নিষ্পত্তিতে কাজ করবে। শেয়ার কেনাবেচার ক্ষেত্রে বর্তমানে এ কাজ স্টক এক্সচেঞ্জই করে থাকে।ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ প্রস্তাবিত ক্লিয়ারিং করপোরেশনের সিংহভাগ মালিকানার দাবি করেছে। তবে কমিশন তাদের প্রস্তাবটি বিবেচনায় না নিয়ে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) আদলে ক্লিয়ারিং করপোরেশন গঠনের পরিকল্পনা করছে। তবে এতে একক প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ এবং একক ব্যক্তি সর্বোচ্চ ২-৩ শতাংশ শেয়ার নিতে পারবেন। আর প্রথম থেকে এ প্রতিষ্ঠান ডিমিউচুয়ালাইজড হবে। ক্লিয়ারিং করপোরেশন গঠনের পর স্বল্পমাত্রায় ডেরিভেটিভ প্রোডাক্ট প্রচলন এবং ফিউচার অপশনস চালুর অনুমতি প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে বিএসইসি।এদিকে ২০১০ সালের বাজার ধসের পর স্বল্প মূলধনি কোম্পানিগুলোর আলাদা বাজার ব্যবস্থা গঠনের দাবি উঠে। তবে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সে সময় আলাদা বাজার ব্যবস্থার অনুমতি দেয়নি বিএসইসি। তবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য মূলধন উত্তোলন পদ্ধতি সহজ করার কথা জানান। এর পর থেকেই স্বল্প মূলধনি কোম্পানিগুলোর জন্য আলাদা বাজার গড়ে তোলার জন্য কাজ করছে বিএসইসি। ইতিমধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের কাছ থেকে এ বিষয়ে ধারণাপত্র নেয়া হয়েছে। এছাড়া স্বল্প মূলধনি কোম্পানি নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের বাজার ব্যবস্থাও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।ছোট কোম্পানির জন্য আলাদা বাজার হলে ন্যূনতম ৩০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের শর্ত পূরণে ব্যর্থ কোম্পানিগুলো শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারবে। পাশাপাশি স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান বোর্ডে বর্তমানে স্বল্প মূলধনি যেসব কোম্পানি রয়েছে, সেগুলোর লেনদেনও ওই বাজার ব্যবস্থায় নিয়ে আসা হবে। বিএসইসিতে দেয়া ধারণাপত্রে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ প্লাটফর্মকে ‘জুনিয়র মার্কেট’ হিসেবে নামকরণের প্রস্তাব করেছে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) একে বলছে ‘অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেট’।কমিশন নতুন ধরনের এ লেনদেন প্লাটফর্ম চালু করতে নতুন বিধি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বর্তমানে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্তি প্রবিধানমালা (লিস্টিং রেগুলেশনস) নতুন করে প্রণয়নের কাজ চলছে। তাতেই এ-সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হবে।এদিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন করা কোম্পানির জন্য দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে ‘অনাপত্তিপত্র’ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এজন্য ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্তি প্রবিধানমালা (লিস্টিং রেগুলেশনস) সংশোধন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মাধ্যমে আইপিও প্রক্রিয়ায় কোনো কোম্পানিকে মূলধন উত্তোলনের সুযোগ দেয়া উচিত হবে কিনা, সে বিষয়ে অভিমত প্রদানের আইনি অধিকার পেতে যাচ্ছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ।বর্তমানে এ বিষয়ে অভিমত প্রদান স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য ঐচ্ছিক বিষয়। প্রবিধানমালা সংশোধন হলে স্টক এক্সচেঞ্জ-সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করতে রাজি কিনা, সে বিষয়েও অভিমত প্রদান করতে হবে। এর মাধ্যমে আইপিওর আবেদন করা কোম্পানির কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন করতে পারবে স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তারা। স্টক এক্সচেঞ্জের ‘প্রাক-আইপিও অনুমোদন’ বা তালিকাভুক্তির জন্য ‘অনাপত্তিপত্র’ (এনওসি) না পেলে কোনো কোম্পানি শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিতে আইপিওর আবেদন জানাতে পারবে না। লিস্টিং রেগুলেশনে নতুন যেসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে, তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করে আইপিও অনুমোদন-সংক্রান্ত বিধিমালা (পাবলিক ইস্যু রুলস) সংশোধন করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। শুধু কমিশনের অনুমোদনের পর তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশের পর কার্যকর হবে।   Source : বনিক বার্তা
  • বঙ্গজের ইজিএম ২৬ মে
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য খাতের কোম্পানি বঙ্গজ লিমিটেডের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) ২৬ মে সকাল ১০টায় রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সম্প্রতি কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ একটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে তিনটি রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের পর রাইট পরিকল্পনা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।উল্লেখ্য, এর আগেও কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে পাঁচটি রাইট শেয়ার ইস্যুর জন্য আবেদন করে। তবে আন্তর্জাতিক হিসাব মান অনুযায়ী আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত না করায় রাইট আবেদন বাতিল করে দেয়া হয়।সাম্প্রতিক প্রস্তাবে কোম্পানিটি উল্লেখ করে, ইউরোপীয় বিস্কুট মেশিন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ আমদানিতে রাইট শেয়ারের অর্থ ব্যয় করা হবে। এদিকে ডিএসইতে বৃহস্পতিবার এ শেয়ারের দর দশমিক ২৫ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৩১৩ টাকা ৩০ পয়সা।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বিস্কুট রফতানির লক্ষ্যে কলকাতাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে বঙ্গজ লিমিটেড। পরিকল্পিত রফতানির সুবাদে আগামী দিনগুলোয় কোম্পানির বিক্রি ও মুনাফায় প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে আশা করছে বঙ্গজ।২০১৪ সালে কোম্পানিটি ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদান করে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির নেট মুনাফার পরিমাণ ১ কোটি ৮৪ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৫ টাকা ৩ পয়সা। Source : বনিক বার্তা  
  • বাজারে নতুন শেয়ার আসা উচিত — ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম
    বাজারের গভীরতার স্বার্থে চাঙ্গা-মন্দা সবসময়েই নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। গতকাল রাজধানীর প্রেস ক্লাবে পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী জাতীয় ঐক্য ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় এ মত দেন তিনি।‘পুঁজিবাজারে স্থায়ী স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে ড. আজিজুল ছাড়াও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান ড. এমএ মজিদ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সভাপতি মো. রকিবুর রহমান, বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আসাদ খান, অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ডের প্রেসিডেন্ট হাসান ইমাম, পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ ও ড. মো. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মোহাম্মদ আলীসহ অনেকে অংশ নেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম আরো বলেন, গত কয়েক কার্যদিবসের বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা বেড়েছে। সূচকের পাশাপাশি বাজারের লেনদেনও বাড়ছে। শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিকে বিনিয়োগ অনুকূল ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানির মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১৫-এর নিচে রয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তারা পুঁজিবাজার ও করপোরেট সুশাসনের লক্ষ্যে হিসাব ও নিরীক্ষা পেশাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে প্রক্রিয়াধীন ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট দ্রুত অনুমোদনের তাগিদ দেন।বিনিয়োগকারী ও বাজারসংশ্লিষ্ট অনেকেই তাদের আলোচনায় শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা, করপোরেট করসহ নানা বিষয়ে নীতির স্থিতিশীলতার অভাবের সমালোচনা করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি পরিবর্তনের পাশাপাশি অসময়ে সরবরাহ বৃদ্ধিও শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য কিছুটা দায়ী বলে মনে করেন তারা।নীতিনির্ধারকদের দায়িত্বশীলতার আবশ্যকতা সম্পর্কে একমত হলেও বাজারে নতুন শেয়ারের সরবরাহ প্রসঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন ড. মির্জ্জা আজিজ বলেন, বাজারের গভীরতা বাড়ানোর জন্য ভালো-মন্দ সবসময়েই কিছু নতুন কোম্পানি আসা উচিত। এতে গুটিকয়েক শেয়ারকে ঘিরে বাজার অস্থিতিশীল করার সুযোগ কমে আসে।অনুষ্ঠানে সিএসই চেয়ারম্যান ড. এমএ মজিদ বলেন, ‘পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতায় আমরা আসন্ন বাজেটে বেশকিছু প্রস্তাব দিয়েছি। গ্রাহকরা ব্যাংকে আমানত রাখতে যেমন নিরাপদ বোধ করেন, তেমনি শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদেরও একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে দেয়া প্রয়োজন।’ডিএসইর সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান বলেন, ঋণ পরিশোধের জন্য কোনো কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দেয়া ঠিক নয়। কোম্পানির উদ্যোক্তারা ঋণ করবে আর এর দায় বিনিয়োগকারীরা বহন করবে, এটা হয় না। আর তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়ার আগে অবশ্যই কোম্পানির পরিচালকদের খোঁজখবর নিতে হবে। তিনিও নিরীক্ষকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট চূড়ান্ত করার দাবি জানান।অধ্যাপক আবু আহমেদ তার বক্তৃতায় বলেন, কিছুদিন আগে একটি কসমেটিকস কোম্পানি তাদের বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০ শতাংশ নগদের পরিবর্তে একই হারে স্টক লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ। এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নীরব ভূমিকা পালন করা উচিত হচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, স্টক লভ্যাংশ আকারে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের পাওয়া শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে কয়েক বছরের লকইন থাকা উচিত।ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, আমাদের শেয়ারবাজারে ন্যূনতম ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করলেই তা ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থান করে নেয়। নামেমাত্র ডিভিডেন্ড দিয়ে ক্যাটাগরি ধরে রাখছে। তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারদর অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে। এ অবস্থায় ঘন ঘন নতুন কোম্পানির অনুমোদন দেয়ার দরকার নেই।এদিকে অনুষ্ঠানের আয়োজক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ফোরামটি বাজারের টেকসই স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে ২১ দফা দাবি তুলে ধরে। এর মধ্যে মার্জিন ঋণের সুদ মওকুফ, নীতি সমর্থন, বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার, কোম্পানি ও নিরীক্ষকদের জবাবদিহিতা বৃদ্ধির মতো ইস্যুগুলো উল্লেখযোগ্য।   Source : বনিক বার্তা
  • পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে হবে দেশের স্বার্থে
    তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমানে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বেড়েছে। এখন নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য আসা উচিত নয়, যাতে এই আস্থা নষ্ট হয়। দেশ ও অর্থনীতির স্বার্থে পুঁজিবারকে শক্তিশালী করতেই হবে। গতকাল জাতীয় প্রেসকাবে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন।মির্জ্জা আজিজ বলেন, আমাদের দেশের অনেকেই মনে করেন পুঁজিবাজার গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটার একটি ভিত্তি আছে, সেটা হচ্ছে আইপিও। কিন্তু আইপিও শেয়ারবাজারের একটা অংশ। আইপিও ধরলেই এক থেকে দেড় কোটি মানুষ পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িত। দারিদ্র্য দূরীকরণেও পুঁজিবাজার ভূমিকা রাখতে পারে। পুঁজিবাজারকে ছোট করে দেখাটা ঠিক নয়।বিশিষ্ট এ অর্থনীতিবিদ বলেন, বিনিয়োগ থেকে কতটুকু সুফল পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর। বিনিয়োগের নিরাপত্তা না থাকলে মুনাফা আসবে না। শেয়ারহোল্ডাররা বিনিয়োগ করতে চাইবেন না। বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট হয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন কিছু যেন না ঘটে সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। তিনি বলেন, সঞ্চয়পত্রে সুদের হার কমানোর ঘোষণায় পুঁজিবাজারে সুফল এসেছে। পুঁজিবাজারে এখনো বিনিয়োগযোগ্য অনেক শেয়ার আছে। যে কোনো পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে শেয়ার আসা উচিত। পুঁজিবাজার ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। দেশের স্বার্থেই এই বাজারকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। Source : আমার দেশ  
  • মুনাফার শীর্ষে জ্বালানি খাত
    সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মুনাফা প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষ অবস্থানে ছিল বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত। সর্বনিম্ম অবস্থান ছিল ট্যানারি খাত। আলোচিত সপ্তাহে বিদ্যুৎ-জালানি খাতের মুনাফা বেড়েছে ২২ দশমিক ৫ শতাংশ। আর ট্যানারি খাতের মুনাফা বেড়েছে দশমিক ২ শতাংশ।ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানিয়েছে, গত সপ্তাহে মুনাফার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। এ খাতের মুনাফা বেড়েছে ১৬ দশমিক ১ শতাংশ। এরপর ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ মুনাফা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাত।চতুর্থ অবস্থানে ছিল বস্ত্র খাত। এ খাতের মুনাফা বেড়েছে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। পঞ্চম অবস্থান থাকা টেলিকমিউনিকেশন খাতের মুনাফা ছিল ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।এছাড়া ব্যাংক খাতের ৫ দশমিক ৩ পয়েন্ট, সেবা ও আবাসন খাতে ৫ দশমিক ২ শতাংশ, সিরামিক খাতে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ, বিবিধ খাতের ৩ দশমিক ৫ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ৩ দশমিক ৪ পয়েন্ট, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাতের ৩ দশমিক ৩ শতাংশ, আইটি খাতের ১ দশমিক ৯ শতাংশ, সিমেন্ট খাতের ১ দশমিক ৪ পয়েন্ট, জীবন বীমা খাতের দশমিক ৮ শতাংশ, সাধারণ বীমা খাতের দশমিক ৮ শতাংশ, কাগজ খাতের দশমিক ২ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে দশমিক ৬ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে দশমিক ৩ শতাংশ মুনাফা বেড়েছে।   Source : যায়ে যায়ে দিন 
  • ডিএসইতে লেনদেন কমলেও সিএসইতে বেড়েছে
    দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের সঙ্গে লেনদেন কমলেও বিপরীত চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। সিএসইতে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। শুধু তাই নয়, দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে এ স্টক এক্সচেঞ্জটিতে।গত মঙ্গলবার ডিএসইতে চলতি বছরে প্রথমবারের মতো ৮০০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছিল। দিনশেষে লেনদেন হয়েছিল ৮০৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। কিন্তু গতকাল বুধবার লেনদেন নেমে এসেছে ৭০০ কোটি টাকার ঘরে। মঙ্গলবারের তুলনায় ২৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা কমে দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ৭৮২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এ ছাড়া ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ওইদিনের তুলনায় ৩ দশমিক ৭১ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৪৫৫ দশমিক ৫৭ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।অপরদিকে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে গত মঙ্গলবার ৬৯ কোটি ৩২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল। গতকাল বুধবার তা বেড়ে হয়েছে ১১৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। মঙ্গলবারের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৪৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এরফলে গত প্রায় দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হলো সিএসইতে। এর আগে ২০১৩ সালের ২৬ জুন সিএসইতে সর্বোচ্চ ১৩১ কোটি ৬৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল। এ ছাড়া সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ৬ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে ৮ হাজার ৪১০ দশমিক ৪৩ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।এদিকে ডিএসইতে সূচক কমলেও বেশিরভাগ কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের দর বেড়েছে। লেনদেন হওয়া ৩০৬টি ইস্যুর মধ্যে ১৫২টির দর বেড়েছে, কমেছে ১২৬টির ও অপরিবর্তিত ছিল ২৮টির দর। লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে খুলনা পাওয়ার। দিনশেষে কোম্পানিটির ৬৩ কোটি ৫১ লাখ ১৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে থাকা সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ৪৪ হাজার টাকা। ২৪ কোটি ৫৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল।লেনদেনে এরপর রয়েছে যথাক্রমেÑ আরএকে সিরামিকস, সাইফ পাওয়ারটেক, ইউনাইটেড এয়ার, বারাকা পাওয়ার, বেক্সিমকো, শাশা ডেনিমস, এসিআই ফরমুলেশন্স। সম্প্রতি লেনদেনের শীর্ষে থাকা ইউনাইটেড পাওয়ারের রেকর্ড ডেটের কারণে গতকাল লেনদেন বন্ধ ছিল।দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া ২৩৫টি ইস্যুর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৬টির, কমেছে ১০১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির দর।   Source : ইনকিলাব
  • ভুলে বাড়তি মুনাফা দেখিয়েছিল জাহিন স্পিনিং!
    ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে ৮ কোটি ৮৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিরীক্ষিত মুনাফা দেখিয়েছিল বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি জাহিন স্পিনিং লিমিটেড। প্রায় দুই সপ্তাহ পর স্টক একচেঞ্জ মারফত কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছে আসলে এ মুনাফা ছিল ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।পর্ষদ সভা শেষে ৪ মে কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে। শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দেখায় ১ টাকা ৩৬ পয়সা। আজ এ কোম্পানির রেকর্ড ডেট। বার্ষিক সাধারণ সভা ২৩ জুন।ভুল ও সংশোধিত মুনাফা ঘোষণার সময়ের ব্যবধানে জাহিন স্পিনিং শেয়ারের দর ১৭ থেকে ২২ টাকায় উন্নীত হয়েছে।এদিকে প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত প্রতিবেদন অনুসারে, এ কোম্পানির নিট মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৮৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।এ বছরই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানিটির ৪৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ শেয়ার এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে।   Source : বনিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • EXCH

    Training Program on &quot;Portfolio Management &amp; Security Analysis&quot;: Due to unavoidable circumstance the program has been rescheduled to be held from June 01, 2015 to June 17, 2015 at 3:00 pm-6:00 pm instead of May 17, 2015 to June 01, 2015. For registration and information, interested participants are requested to contact DSE Training Academy, 9/G (5th floor), Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone: 9564601, 9576210-18, Ext. nos. 157, 158, 333. N.B. Those who are already registered need not to reg

  • KEYACOSMET

    The Company will be placed in A category from existing Z category with effect from May 25, 2015 as the Company has reported disbursement of 20% stock dividend for the year ended on June 30, 2014.

  • KPCL

    The Company has informed that Mr. Md. Abdur Rahim has been appointed as the Managing Director of the Company for a period of two years (renewable) commencing from May 20, 2015.

  • EXCH

    Today (24.05.2015) Total Trades: 74,357; Volume: 85,877,593 and Turnover: Tk. 3,431.77 million.

  • EXCH

    (Continuation of DSE news regarding Olympic Accessories Limited): All the concerned are requested to download the data, send the drafts submitted by successful NRB and Foreign applicants to DSE by May 25, 2015 during office hour at Swantex Building, Level-7, 9/I, Motijheel C/A, Dhaka and also take other necessary actions within the stipulated time as per relevant conditions of BSEC's consent letter in this regard.&quot; (end)

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
POWERGRID 41.30 37.60 3.70 9.84
SAPORTL 63.40 58.10 5.30 9.12
RUPALIBANK 51.10 46.90 4.20 8.96
ICBSONALI1 6.70 6.20 0.50 8.06
SAIFPOWER 86.50 80.10 6.40 7.99
IMAMBUTTON 9.60 8.90 0.70 7.87
MEGCONMILK 7.90 7.40 0.50 6.76
DESCO 73.90 69.30 4.60 6.64
4THICB 205.00 192.60 12.40 6.44
AFCAGRO 63.40 59.90 3.50 5.84

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297