Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SAIFPOWER 68.9 56.1 12.80 22.82
FASFIN 19.2 16.8 2.40 14.29
SAMATALETH 23.6 20.9 2.70 12.92
POPULARLIF 226.3 206.3 20.00 9.69
PRAGATILIF 109.9 101.4 8.50 8.38
MEGHNACEM 141 131.2 9.80 7.47
KPPL 27.8 25.9 1.90 7.34
ALLTEX 8 7.5 0.50 6.67
EASTRNLUB 444.4 418.1 26.30 6.29
BDTHAI 36.5 34.6 1.90 5.49

Contest SB2014_Oct

1st
blank_person
XMAN
2nd
blank_person
DHAKA1205
3rd
blank_person
FERDOUSFIN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 374.8 370.8 9.99574 478800.00
ICB 1517.75 1460.75 4.45024 17700.00
SPCL 130.4 118.6 2.76898 2257800.00
BATBC 2774 2754 2.22078 350.00
MARICO 1186.8 1174.2 0.73452 2350.00
Negative impact
TITASGAS 90 91.2 -2.19685 1897500.00
DESCO 67.5 69.4 -1.21035 1212500.00
ISLAMIBANK 28.4 28.8 -1.19181 819500.00
BEXIMCO 40.9 41.6 -0.77859 1996300.00
BSRMSTEEL 102 103.1 -0.69576 409500.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
MJLBD 152.4 153.4 144.8 4.96% 416.89
SPCL 130.4 130.4 128 9.95% 294.25
IDLC 77.6 81.9 77 0.65% 224.24
KPCL 65.5 66.7 64.5 -0.76% 224.23
RSRMSTEEL 80.1 85.8 79.3 -4.76% 206.11
GP 374.8 375.1 370.2 1.08% 179.05
LAFSURCEML 131.7 140 131.3 -0.38% 174.15
TITASGAS 90 92.7 89.4 -1.32% 172.01
SQURPHARMA 277 280 273.5 0.04% 159.54
SAIFPOWER 68.9 69.9 62.6 8.16% 114.33

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 23 Oct 2014

111244
TOTAL TRADE
114.0453
TOTAL VOLUME(Mn)
5725.50
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • পুঁজিবাজারে ‘জাদুর কাঠি’
    শাহীনুর ইলাম : দেশের সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিস্থিতি নেতিবাচক হলেও বিপুল পরিমাণ উদ্বৃত্ত নগদ অর্থ চলে যাচ্ছে পুঁজিবাজারে। ফলে দীর্ঘ দরপতনের পর ‘জাদুর কাঠির’ বলে আবারো ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পুঁজিবাজার। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে আসতে শুরু করেছে বিনিয়োগকারীদের মাঝে। ২০১০ সালে ভয়াবহ দরপতনের পর বিনিয়োগকারীদের মাঝে নেমে এসেছিল চরম হতাশা। এমনকি সর্বস্ব হারিয়ে আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটেছে। সে সময় বিনিয়োগকারীরা ছিলেন পুরোপুরি অসহায়। তবে দীর্ঘ সময় পরে হলেও গত রোজার ঈদের পর থেকে বিনিয়োগকারীদের মুখে কিছুটা হাসি ফুটতে শুরু করেছে। কারণ দুই মাসের বেশি সময় ধরে বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা থাকায় কিছুটা লাভের টাকা ঘরে তুলতে পারছেন অনেকেই। এদিকে, দীর্ঘ দরপতনের কারণে ক্ষুদ্র ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও ক্ষতির সম্মুখীন হন। বিশেষ করে লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় ব্রোকারেজ হাউজে ছাঁটাই আতঙ্ক বিরাজ করে। কারণ লেনদেনের কমিশন হলো ব্রোকারেজ হাউজের আয়ের প্রধান উৎস। কিন্তু সেই আয় কমে যাওয়ায় হাউজগুলো টিকে থাকার জন্য লোকবল ছাঁটাই করে। আবার মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বিনিয়োগে তেমন আগ্রহী ছিল না। ফলে বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সার্পোট না পেয়ে দিনের পর দিন তলানিতে গিয়ে ঠেকে। তবে আড়াই মাস ধরে কোনো এক ‘জাদুর কাঠির’ বলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পুঁজিবাজার। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা যেমন ফিরে আসছেন বাজারে, তেমনি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ফলে সূচক ও লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। পুঁজিবাজারের ঘুরে দাঁড়ানোর এই চিত্র আশার সঞ্চার করলেও বাস্তবে দেশের বিনিয়োগচিত্র অনেকটাই হতাশাব্যঞ্জক। তিন মাস ধরে টানা রপ্তানি আয় কমছে। শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে এই সময়ে। মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি  মেছে। ব্যাংকগুলোতে জমছে নগদ টাকার পাহাড়। এক লাখ কোটি টাকার বেশি ছাড়িয়েছে ব্যাংকের তারল্যের পরিমাণ। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকে তারল্য জমার পরিমাণ বেশি। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক তাদের ডিপোজিট স্কিমে পরিবর্তন এনেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংক তাদের কয়েকটি ডিপোজিট স্কিম বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ নিজেদের হাতে থাকা নগদ অর্থই বিনিয়োগ করতে পারছে না তারা। আবার নতুন করে জনগণের টাকা নিয়ে বিপাকে পড়তে চাইছে না অনেকেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২০১২ সালে বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমানতের গড় সুদের হার ছিল ৮.৪৬ শতাংশ, ২০১৩ সালে ছিল ৮.৫৫ শতাংশ। অথচ চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত সুদের হার ৭.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, আমানতের সুদহার কমার ফলে সঞ্চিত অর্থ যাচ্ছে পুঁজিবাজারে। সাম্প্রতিক পুঁজিবাজারের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত আড়াই মাসের ঊর্ধ্বমুখী বাজারে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক বা ব্রড ইনডেক্স পাঁচ হাজার পয়েন্টের মনস্তাত্ত্বিক সীমা অতিক্রম করেছে। লেনদেন ছাড়িয়েছে হাজার কোটির ঘর। এদিকে, দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চলতি বছরের নয় মাসে (জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর) মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৮৮ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা। যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৬৮ হাজার ৪০ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত বছরের চেয়ে চলতি বছরের একই সময়ে শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডে লেনদেন বেড়েছে ২০ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দেশী বিনিয়োগ বাড়ার পাশাপাশি বাড়ছে বিদেশী বিনিয়োগ। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ডিএসইতে বিদেশী বিনিয়োগ এসেছে দুই হাজার ১৩ কোটি টাকা। একইসঙ্গে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা এ সময়ের মধ্যে ৪ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বিদেশী  বিনিয়োগের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, জানুয়ারি থেকে ধারাবাহিকভাবে বিদেশী বিনিয়োগ বেড়েছে। জানুয়ারি মাসে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা ৫২৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। এর মধ্যে ৪০৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে বিক্রি করেছেন ১২৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বরে এসে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা ডিএসইতে ৭৫২ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। এর মধ্যে তারা শেয়ার কিনেছেন ৫৮৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং বিক্রি করেছেন ১৬৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, শেয়ারবাজারে বিদেশী বিনিয়োগ আসার অর্থ হচ্ছে এখানে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার প্রাইস অনেকটাই সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তবে রাজনৈতিক কিংবা অন্য ইস্যুগুলো যদি দেশের অর্থনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলতে না পারে সেেেত্র বিদেশী বিনিয়োগ আরো বাড়বে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে বাজারে ক্রমাগত চাঙ্গাভাবও স্বাভাবিক নয় বলে মনে করছেন অনেকেই। বাজারে মূল্যসংশোধন থাকা জরুরি। সেই দিক বিচার করলে গত ১৯ ও ২০ অক্টোবর দেশের পুঁজিবাজারে যে পতন হলো সেটিকে স্বাভাবিক বলছেন বিনিয়োগকারীরা। ১৯ অক্টোবর রোববার একদিনে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স ১০৯ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন হাজার কোটির নিচে নেমে এসেছে। তবে এই দরপতনকে প্রফিট টেকিং বলছেন সংশ্লিষ্টরা। ডিএসইর সাবেক এক সভাপতি বলেন, এটি পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক নিয়ম, যেমন বাড়বে, তেমন কমবেও। একটানা বাড়লে সেটি বেশি দিন টেকে না। কিছুদিন ধরে বাজার ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এতে করে কোনো কোনো বিনিয়োগকারী লাভে আছে। লাভের টাকা তুলে নেয়ার জন্য তারা বিক্রি করছেন। তার ফল হলো এটি। তিনি বলেন, লাভের টাকা তুলে নিচ্ছে বিধায় বাজার কিছুটা কমছে। এখন পর্যন্ত আতঙ্কিত হবার কিছু নেই বলে মনে করেন তিনি। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ বলেন, বাজার তার নিজস্ব গতিতে চলবে। এটাই স্বাভাবিক। তবে খুব বেশি ওঠা যেমন ভালো নয়, তেমনি খুব বেশি নামাও দুঃখজনক। স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ হিসেবে এর বাইরে আমাদের কিছু বলা ঠিক হবে না। ডিএসইর সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী সাম্প্রতিক পতন সম্পর্কে বলেন, এটি শুধুই প্রফিট টেকিং। এতে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হবার কিছু নেই। ঈদের আগ থেকে এ পর্যন্ত বাজার পরিপক্ক আচরণ করছে। তিনি বলেন, বাজারে একটা গুজব আছে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) লাগবে। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এখনো এটির কোনো সত্যতা মেলেনি। আর এটি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। কারণ এটি বিশ্বের সব জায়গায়তেই আছে। ব্যাংকের বিনিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৪ সাল পর্যন্ত সময় দিয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ব্যাংকগুলো তাদের বাড়তি বিনিয়োগ কমাবে। এটি কিভাবে কমাবে তার একটি পরিকল্পনা বাংলাদেশ ব্যাংক চেয়েছে, তারা সেটি দিয়েছে। এতেও আতঙ্কের কিছু নেই বলে জানান তিনি। তা ছাড়া হাতেগোনা কয়েকটি ব্যাংকেরই কেবল বাড়তি বিনিয়োগ রয়েছে। বাকিরা সীমার মধ্যেই আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএসইর সাবেক এক সভাপতি বলেন, বর্তমানে দেশের সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিস্থিতি খুব বেশি ভালো নয়। ফলে উদ্বৃত্ত অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। মূলত সেই কারণে বাজারের সাম্প্রতিক উত্থান। তবে বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকার সময় বিনিয়োগকারীদের আরো বেশি সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাজিদ হোসেন বলেন, আমাদের বিনিয়োগকারীরা আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তবে এখনো বিনিয়োগে সতর্কতার অভাব দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাজারের উত্থানে লেনদেন বেড়েছে। তবে সামগ্রিক বাজারের তুলনায় সেটি কম। আমরা আশা করছি সামনে লেনদেন আরো বাড়বে। পেছনের খবর : পুঁজিবাজারে গুজব!
  • সপ্তাহে ১২টি কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
    সিনিয়র রিপোর্টার : পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ১২টি কোম্পানি সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে শেয়ারহোল্ডাদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিগুলো হলো- বরকতউল্লাহ ইলেক্ট্রো, রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস, তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সে, ফু-ওয়াং ফুড, আমরা টেকনোলজিস, রহিম টেক্সটাইল, মডার্ন ডাইং, ফু-ওয়াং সিরামিক, জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং ও তিতাস গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড। গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বরকতউল্লাহ : কোম্পানিগুলোর মধ্যে বরকতউল্লাহ ইলেক্ট্রো ডায়নামিকসের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৭ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই বোনাস। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ১ টাকা ৯০ পয়সা। আগামী ৬ নভেম্বর কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ ডিসেম্বর। আরএসআরএম : রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলসের (‌আরএসআরএম) পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ বোনাস ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৫ টাকা ২৪ পয়সা। আর সম্পদ মূল্য হয়েছে ৫৮ টাকা ৯৩ পয়সা। আগামী ৬ নভেম্বর কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ নভেম্বর। তুং হাই নিটিং : বস্ত্র খাতের তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িংয়ের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই বোনাস লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ১ টাকা ৩৯ পয়সা। আর সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৫ টাকা ১১ পয়সা। আগামী ৫ নভেম্বর কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২ ডিসেম্বর।  পপুলার লাইফ : বিমা খাতের পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই বোনাস লভ্যাংশ। আগামী ২৮ অক্টোবর কোম্পানির রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ও অন্যান্য তথ্য এখনও জানা জানা যায় নি। ফু-ওয়াং ফুড : খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতে ফু-ওয়াং ফুডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই বোনাস। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৯১ পয়সা। আর সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৩ টাকা ২৭ পয়সা। আগামী ১৬ নভেম্বর কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ ডিসেম্বর। আমরা টেকনোলজিস : আইটি খাতের ‘আমরা টেকনোলজিসের পরিচালনা পর্ষদ’ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ১ টাকা ৫২ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ২০ টাকা ৯৭ পয়সা। আগামী ১২ নভেম্বর কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ ডিসেম্বর। রহিম টেক্সটাইল : বস্ত্র খাতের রহিম টেক্সটাইলের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৬ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই বোনাস। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৮ টাকা ৪২ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ৬৫ টাকা ১০ পয়সা। আগামী ১৩ নভেম্বর কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ ডিসেম্বর। মডার্ন ডাইং অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিং লিমিটেড : পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৮ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ১ টাকা ৫৬ পয়সা। আর সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৫ টাকা ২৩ পয়সা। আগামী ১৩ নভেম্বর কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ ডিসেম্বর। ফু-ওয়াং সিরামিক : পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই বোনাস লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৪৯ পয়সা। আর সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৩ টাকা ১৮ পয়সা। আগামী ১০ নভেম্বর কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ ডিসেম্বর। জাহিনটেক্স : বস্ত্র খাতের জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই বোনাস লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৮২ পয়সা। ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং : শেয়ারহোল্ডারদের প্রথমবারেই ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানি। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ বোনাস ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ২ টাকা ৬৬ পয়সা। আর সম্পদ মূল্য হয়েছে ২১ টাকা ৭৩ পয়সা। আগামী ৬ নভেম্বর কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ নভেম্বর। তিতাস গ্যাস : জ্বালানি ও বিদ্যুত খাতের প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড ৩৮ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে (ইপিএস) ১০ টাকা ৩৮ পয়সা। আগামী ৬ নভেম্বর কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস ও বিবিএস রাইট শেয়ার ছাড়বে
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানি রাইট শেয়ার ছাড়বে। ইতোমধ্যে রাইট ছাড়তে সম্মতি দিয়েছে কোম্পানি দুটির শেয়ারহোল্ডারা। বৃহস্পতিবার কোম্পানিগুলো জরুরি সভায় এ সম্মতি দেন তারা। শুক্রবার কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানি দুটি হলো- প্রকৌশল খাতের বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের (বিবিএস) ও ওষুধ ও রসায়ন খাতের সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। বিবিএস : বিবিএসের পরিচালনা পর্ষদের সভায় কোম্পানিটি ২:৫ হারে অর্থাৎ ৫টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে  ২টি করে রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয়। রাইট শেয়ারের টাকা দিয়ে কোম্পানিটি তার ব্যবসা সম্প্রসারণ ও কার্যকরী মূলধন বৃদ্ধি করবে বলে জানানো হয়। কোম্পানিটি ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ বোনাস এবং ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। বিবিএস ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত হয়। ‘এ’ ক্যাটাগরির এই কোম্পানিটির বর্তমান পিই রেশিও রয়েছে ১৮ দশমিক ৩১ পয়েন্ট। সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড : শেয়ারহোল্ডাররা রাইট শেয়ার ইস্যুর সম্মতি দিয়েছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় রাইট শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়। কোম্পানিটি ২:৫ হারে অর্থাৎ ৫টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২টি করে রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয়। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ বোনাস এবং ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। সেন্ট্রাল ফার্মা ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত হয়। ‘এ’ ক্যাটাগরির এই কোম্পানিটির বর্তমান পিই রেশিও রয়েছে ১৬ দশমিক ০৭ পয়েন্ট।
  • আশঙ্কা নিয়েই ন্যাশনাল ফিডের আইপিও আবেদন রোববার শুরু
    সিনিয়র রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে আগামী  ২৬ অক্টোবর, রোববার থেকে ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেডের আবেদন জমা শুরু হবে। আবেদন চলবে ৩০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বাংলাদেশীরা ৮ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি আইপিও টাকা উত্তোলন করবে বলে জানানো হয়। ন্যাশনাল ফিডের আইপিওতে কোনো প্রিমিয়াম নেই। অভিহিত মূল্য তথা ১০ টাকা দরেই শেয়ার ছাড়বে ন্যাশনাল ফিড। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) গত ২৬ আগস্ট, মঙ্গলবার কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়। গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএ ছিল ১ টাকা ৮৫ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য বা এনএভি ১৪ টাকা ৫৫ পয়সা। প্রতিষ্ঠানটি পোল্ট্রি, ডেইরি ফার্ম ও ফিশারিজ খামারের জন্য খাদ্য উৎপাদন করে। পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহের পর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াবে কোম্পানিটি। এছাড়া সংগৃহীত অর্থের একটি অংশ দিয়ে মেয়াদী ও চলতি মূলধনের চাহিদা মেটানো হবে। প্রিমিয়াম ছাড়া আইপিওভুক্ত হওয়া শুভ হলেও কোম্পানিটির ইপিএিস ও ন্যাভ কম হওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারী কোম্পানির আগামী নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তারা বলছেন, কোম্পানির ক্রমাগত ইপিএস  ও ন্যাভ অর্জনের ধারাবাহিকতা ভালো নয়। যে কারণে লটপ্রতি বিনিয়োগের পর তা লভ্যাংশ আকারে উঠে আসা নিয়েও আশঙ্কা রয়েছে। অনেকে বলছেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ামাত্র ন্যাশনাল ফিড কোম্পানি রাইট শেয়ার ছাড়ারও ঘোষণা দিতে পারে। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে ১৮ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। উত্তোলিত অর্থে ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন বাড়ানো এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। ন্যাশনাল ফিড ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আরো আশঙ্কা রয়েছে, পোল্ট্রি খাতে বছরে ৪ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি। বাংলাদেশের প্রাণিজ সম্পদ খাত তথা পোল্ট্রি খাতের ভয়াবহ ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বিভিন্ন রোগের কারণে বাংলাদেশে পোল্ট্রি খাতে প্রতিবছর প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বা ৪ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয় বলে জানিয়েছে এডিবি। এতোটা ক্ষতির মুখেও বিনিয়োগকারী  আইপিওর আবেদন করবেন কি-না তা ভাবনার বিষয়। মাহফুজ নামে এক বিনিয়োগকারী বলেন, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড কীভাবে এসব কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। তারা কি বিনিয়োগকারী  স্বার্থ নিয়ে সচেতন, তারা কি ভাবেন? পুজিবাজার বিশ্লেষকরা কোম্পানিটি সম্পর্কে বুঝে-শুনে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিয়েছেন। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট। পেছনের খবর : ন্যাশনাল ফিড নিয়ে শঙ্কিত বিনিয়োগকারী, ৪ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি আরো খবর : ন্যাশনাল ফিডের আইপিও আবেদন অক্টোবরে আরো খবর : ন্যাশনাল ফিডের আইপিও অনুমোদন
  • ডিএসই ও সিএসইর আপডেট জানতে ‘স্মার্ট স্টক’
    সিনিয়র রিপোর্টার : বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধা দিতে বাজার সম্পর্কিত অত্যাধুনিক সফটওয়্যার বাজারে নিয়ে এসেছে ইকোসফটবিডি নামের এক প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা এ সফটওয়্যার ব্যবহার করছেন। ইকোসফটবিডির সিনিয়র ট্রেডার গোলাম রসূল বলেন, মেলা উপলক্ষ্যে আমরা সফটওয়্যারটি ক্রয়ে ২৫ শতাংশ ডিসকাউন্ট দিচ্ছি। যার প্রকৃত মূল্য ১০ হাজার টাকা। মেলায় যা বিক্রি করা হচ্ছে সাড়ে সাত হাজার টাকায়। এছাড়া প্রতিবছর এ সফটওয়্যার ব্যবহারকারীকে দুই হাজার টাকা রিনিউ ফি দিতে হবে। তবে সফটওয়্যার ক্রয়ে কেউ এককালীন টাকা পরিশোধ করতে না পারলে চারটি ইন্সটলমেন্টে তা পরিশোধ করা যাবে। রাজধানীর ইন্সস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে, বাংলাদেশ (আইডিইবি) দুইদিনব্যাপী ‘ইন্টারনেট ট্রেডিং ফেয়ার-২০১৪’- উপলক্ষে এ সফটওয়্যার ক্রয়ে ডিসকাউন্ট দেওয়া হয়। সফটওয়্যারটিতে ১৯৯০ সাল থেকে সকল তথ্য পাওয়া যাবে বলেও তিনি জানান। ‘স্মার্ট স্টক’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা যেসব সুবিধা পাবেন তা হলো- প্রতি মুহূর্তে ডিএসই ও সিএসই’র সকল নিউজ ও শেয়ার মূল্য আপডেট পাবে, শেয়ার মূল্য অ্যালার্ট, সকল কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল তথ্য, কোম্পানির তথ্য সম্বলিত বিভিন্ন গ্রাফ, কোম্পানির গত ৭ বছরের শেয়ার মূল্য, মার্কেট চলাকালীন ক্রয়/বিক্রয প্রেসারসহ রিয়েলটাইম মিনিট চার্ট, সকল শেয়ারের ক্রয়/বিক্রয় অর্ডার বুক, MACD, RSI, MFI, Bollinger Band, EMA, WMA, Stochastic, Byu/Sell Pressure সহ অর্ধশতাধিক টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটর। এছাড়া এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সকল কোম্পানির ফান্ডামেন্টাল ডাটা এনালাইসিস করে ভাল কোম্পানি বাছাই করার সুবিধা, বিও অ্যাকাউন্ট, ডেইলি ট্রানজেকশন, কমিশনসহ হিসাব করে সম্পূর্ণ পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট ফিচার, মাসিক, বাৎসরিক ও কোম্পানি অনুযায়ী মুনাফা-লোকসানের হিসাব দেখার সুবিধা পাওয়া যাবে। বৃহস্পতিবার মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, ইকোসফটবিডি’র স্টলে দর্শনার্থীদের প্রচণ্ড ভিড়। সব বিনিয়োগকারী অত্যন্ত আগ্রহের সাথে তাদের এ সফটওয়্যারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, আমরা উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেনের সুবিধা দিচ্ছি। এ ক্ষেত্রে যদি কারও অন্য ব্রোকার হাউজে বিও অ্যাকউন্ট থাকে তবে তিনি আমাদের এখানে একটি লিংক অ্যাউন্ট খুলেই নিজে শেয়ার ক্রয়/বিক্রয় করতে পারবেন। এর জন্য অতিরিক্ত কোনো চার্জ প্রযোজ্য হবে না। তাছাড়া আমরা শেয়ার ক্রয়/বিক্রয়ের উপর মাত্র ০.৩৫ শতাংশ কমিশন নিচ্ছি। অন্যহাউজগুলোতে ০.৪০ শতাংশ বা তার বেশি রাখা হয়।
  • ৯ কোম্পানির সভার তারিখ ঘোষণা
    ডেস্ক রিপোর্ট : স্টক এক্সচেঞ্জের লিস্টিং রেগুলেশন-৩০ অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদের সভা আহ্বান করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৯ কোম্পানি। এগুলো হচ্ছে- মালেক স্পিনিং, মেট্রো স্পিনিং, বিকন ফার্মা, বিডিকম অনলাইন লিমিটেড, সাইফ পাওয়ারটেক, জুট স্পিনার্স, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এবং সায়হাম টেক্সটাইল। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আগামী ২৭ অক্টোবর বেলা পৌনে তিনটায় মালেক স্পিনিং, বিকেল ৩টায় বিকন ফার্মা, বিকেল সাড়ে ৩টায় সাইফ পাওয়ারটেক ও গোল্ডেন হার্ভেস্ট; ২৮ অক্টোবর বিকেল ৩টায় বিডিকম অনলাইন লিমিটেড ও জুট স্পিনার্স, বিকেল সাড়ে তিনটায় সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল ও সায়হাম টেক্স এবং আগামী ৩০ অক্টোবর বিকেল চারটায় মেট্রোস্পিনিংয়ের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে বলে কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আগের বছর বিকন ফার্মা বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। মালেক স্পিনিং ১০ শতাংশ নগদ ও মেট্রো স্পিনিং ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল। বিডি কম আগের বছর ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল, সায়হাম কটন ১২ শতাংশ নগদ, গোল্ডেন হার্ভেস্ট ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল। জুট স্পিনার্স আগের বছর বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। এ ছাড়া সাইফ পাওয়ারটেক চলতি বছর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। তালিকাভুক্তির পর আগামী ২৭ অক্টোবর কোম্পানিটি প্রথমবারের মতো লভ্যাংশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে যাচ্ছে।
  • চারটি কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানি। এগুলো হচ্ছে-জাহিন টেক্সটাইল, মডার্ন ডাইং, ফু-ওয়াং সিরামিক ও ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং। বৃহস্পতিবার কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদের সভায় লভ্যাংশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের জন্য জাহিন টেক্সটাইল ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার, মডার্ন ডাইং ৮ শতাংশ নগদ, ফু-ওয়াং সিরামিক ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ২০ শতাংশ (১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ৫ শতাংশ নগদ) লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।শেয়ারহোল্ডার বাছাইয়ের জন্য মডার্ন ডাইং ১৩ নভেম্বর ও ফু-ওয়াং সিরামিক আগামী ১০ নভেম্বর, ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ৬ নভেম্বর রেকর্ড ডেট ঘোষণা করেছে। তবে জাহিন টেক্সটাইলের রেকর্ড ডেটের তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে মডার্ন ডাইং আগামী ১১ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে। ফু-ওয়াং সিরামিক ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৯টায়, স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টার ও ১৯ নভেম্বর সকাল ১১টায় ফারইস্ট নিটিং এজিএম আহ্বান করেছে। শেষ হওয়া অর্থ বছরে জাহিন টেক্সটাইলের প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮২ টাকা, ফারইস্ট নিটিংয়ের ইপিএস হয়েছে ২.৬৬ টাকা প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ২১.৭৩ টাকা, মডার্ন ডাইংয়ের ইপিএস হয়েছে ১.৫৬ টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ১৫.২৩ টাকা, ফু-ওয়াং সিরামিকের ইপিএস হয়েছে ০.৪৯ টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ১৩.১৮ টাকা ও প্রতি শেয়ারে নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ০.২৪ টাকা।
  • ‘শেয়ারবাজার রাতারাতি বড়লোক হওয়ার জায়গা নয়’
    স্টাফ রিপোর্টার : শেয়ারবাজার রাতারাতি বড়লোক হওয়ার জায়গা নয়। বড়লোক হওয়ার হুযুগে যে বিনিয়োগকারী  শেয়ার কিনেছেন তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বাজার ধসের জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানি, ব্রোকারেজ হাউজ এবং ব্যাংক দায়ী নয়। বুঝে-শুনে শেয়ার কিনলে এমন পরিণতি হতো না। তাই বিনিয়োগকারীদের অধিক সচেতনার সঙ্গে শেয়ার কিনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এম এ খালেক। বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এনেক্স ভবনে আয়োজিত ফারইষ্ট ইসলামী সিকিউরিটিজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পক্ষে স্কয়ার ফার্মার ১০০ শেয়ার কেনার মাধ্যমে হাউজটির কার্যক্রম শুরু করা হয়। এ সময় ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক কাজী ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, হেলাল মিয়া, আয়েশা হুসনে জাহান, নাজনীন হোসেন, খোন্দকার মোস্তাক মাহমুদ, তাসলিমা ইসলাম, নূর মোহাম্মদ ডিকন, ড. এম এ মোশারফ হোসেন, প্রাইম ইসলামী সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম ইয়াজদানী, আনোয়ার সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, ফারইস্ট ইসলামী সিকিউরিটিজ লিমিটেড ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। এম এ খালেক বলেন, দুই বছর অনেক চড়াই উৎরাই ও সকল আইন-কানুন পরিপালন করে আজ (বৃহস্পতিবার) ফারইষ্ট ইসলামী সিকিউরিটিজ হাউসের যাত্রা শুরু হচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানের সকল পরিচালক মন্ডলির সহায়তা পেলে ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মতো ফারইষ্ট ইসলামী সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজারে বুঝে শুনে বিনিয়োগ না করার কারণে অনেক বিনিয়োগকারী কষ্টার্জিত টাকা মার খেয়েছেন। কেউ কেউ গরু বা জমি বিক্রি বা বন্ধক রেখে, আবার কেউ গচ্ছিত টাকা না বুঝে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছেন। পুঁজিবাজার ধসে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের জন্য এ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। সেবার মাধ্যমে আমরা এ প্রতিষ্ঠানকে এক নম্বর ব্রোকারেজ হাউসে পরিণত হতে চাই। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সকল আইন-কানুন মেনে বিনিয়োগকারীদের সেবা দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটিকে এক নম্বরে নিয়ে আসব। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সময়ে সিকিউরিটিজ হাউসগুলো অর্থ দিয়ে সহায়তা দিয়েছে। এই বিপর্যয় থেকে বেরিয়ে এসে যারা এখনও বাজারে বিনিয়োগ করছেন আমরা তাদের সব ধরণের সেবা প্রদান করতে চাই। সেবার মাধ্যমে আমরা প্রতিষ্ঠানটির পরিচিতি সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে চাই। আর ব্রোকারেজ হাউজ চালাতে অনেক অর্থের প্রয়োজন। দরকার হলে ব্যাংক থেকে সহায়তা নেওয়া হবে। এ সময় ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেমায়েত উল্লাহ বলেন, ফারইষ্ট ইসলামী সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠার ফলে ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শক্তি আরও বেড়েছে। এর ফলে এ প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই উপকৃত হবেন। সেবা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মতো ফারইষ্ট ইসলামী সিকিউরিটিজকে সম্মানজনক এবং শীর্ষ অবস্থানে নিয়ে যাব।
  • প্রফিট টেকিং এর প্রবণতা
    মেহেদী আরাফাত : সপ্তাহের শেষ দিনে আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসই এক্স ইনডেক্সে, দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতা লক্ষ্য করা যায় এবং পরবর্তীতে দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে বিক্রয়চাপ অব্যাহত থাকার ফলে ডিএসই এক্স ইনডেক্স  ১৬.০৪ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক  তৈরি করে। সাধারনত ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক দ্বারা আমারা বিনিয়গকারীদের আচরন নিরুপন করে থাকি। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী এই  ক্যান্ডেল সাধারনত বিনিয়গকারীদের উভয়মুখীতা প্রকাশ করে থাকে। এছাড়াও যদি বাজারে কখন ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক আসে তবে ডোজি ক্যান্ডেলস্টিকের পরের দিনের ক্যান্ডেল খুবি গুরুত্তপূর্ণ ।  বাজারে ইনডেক্সের গতি কন্দিকে হবে তা রবিবারের ক্যান্ডেলের উপর নির্ভর করবে। তবে আজ বিনিয়গকারীদের আচরন থেকে প্রফিট টেকিং এর প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে । ডিএসই এক্স ইনডেক্স ১৬.০৪ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৫১৫৪.১০ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় -০.৩১% হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৫১২৩ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৫৩৬৫  পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে আর.এস.আই  এর মান ছিল  ৫৯.০৬ এবং এম.এ.সি.ডি  মান ছিল ১১৬.০২ । এম.এফ.আই কিছুটা নিম্নমুখি আবস্থান করছে । আজ ডিএসইতে ১১ কোটি ৪০ লাখ ৪৫ হাজার ৩৪২  টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৫৭২.৫৫ কোটি টাকা। আজ ডিএসইতে লেনদেন হ্রাস পেয়েছে ১৫০ কোটি টাকা। আজ ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০৩ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৮ টির, কমেছে ১৩৯ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৬ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজ বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ১০০-৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় -১.২২% হ্রাস  পেয়েছে। হ্রাস পেয়েছে ২০-৫০ এবং ০-২০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ১৭.৪৫% এবং ৯.৪৪% কম। অন্যদিকে ৩০০ কোটি টাকার ওপরে মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় আজ ২৯.৭৬% হ্রাস পেয়েছে। আজ পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় -৩১.৬৪% হ্রাস পেয়েছে। আজ হ্রাস পেয়েছে  পিই রেশিও ২০-৪০ এবং পিই রেশিও ৪০ওপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন যার পরিমান আগের দিনের তুলনায় যথাক্রমে -৪.৮৬% এবং -১৬.১২% কম ছিল।
  • আইপিওভুক্ত ইফাদ অটোসের ‘আমলনামা’
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা তোলার অনুমোদন পেয়েছে ইফাদ অটোস লিমিটেড। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫২৭তম সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। আগামী ২৩ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওর আবেদনপত্র জমা দানের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি আইপিও টাকা উত্তোলন করবে বলে জানানো হয়। রাজধানীর বাংলামোটরে কোম্পানির কার্যালয়ে সোমবার বিশেষ এক সাক্ষাতকারে ইফাদ অটোস লিমিটেডের সিএফও আবু সাঈদ আহমেদের সঙ্গে কোম্পানির আইপিও নিয়ে আলোচনা হয়। তার সঙ্গে আলাপ চারিতায় উঠে আসে নানা প্রসঙ্গ। স্টক বাংলাদেশ -এর প্রচেষ্টায় পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো চুম্বক কিছু অংশ। সাক্ষাতকার গ্রহণ করেছেন- শাহীনুর ইসলাম। ইফাদ গ্রুপের ইফাদসহ রয়েছে মোট ৮টি প্রতিষ্টান। এরমধ্যে ৬টি কোম্পানি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বেশ ভালেভাবেই পরিচালনা করেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইফাদ অটোস লিমিটেড, ইফাদ এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, ইফাদ অটোমোবাইলস লিমিটেড, ইফাদ এগ্রো কমপ্লেক্স লিমিটেড, ইফাদ মাল্টি প্রডাক্টস লিমিটেড ও ইফাদ মাল্টি এন্ড ক্যামিকেলস লিমিটেড। সব প্রতিষ্ঠানে রয়েছে অভিজ্ঞ পরিচালক মণ্ডলী। তার মধ্যে শুধুমাত্র ইফাদ অটোস পুঁজিবাজারে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। অন্যান্য প্রতিষ্টানগুলো এখনো পুঁজিবাজারে আওতাভুক্ত হয়নি। তবে প্রতিষ্ঠানগুলো ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলছে। দীর্ঘদিন ধরে বিএসইসিকে প্রিমিয়াম ছাড়া কোম্পানিকে আইপিওতে তালিকাভুক্ত না করার দাবি করছে সাধারণ বিনিয়োগকারী ও বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ। তাদের দাবি এখনো কার্যকর হয়নি। অন্যদিকে মন্দ-ভালো বিভেদ না করে এমনকি ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতেও অনেক কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আইপিওর টাকা তুলতে অনুমোদন দিচ্ছে বিএসইসি। অন্যান্য কোম্পানির মতো ‘প্রিমিয়ামের স্রোতে’ ইফাদ অটোস ভাসালো কেন- এমন প্রশ্ন ছিল ইফাদ অটোস লিমিটেডের সিএফও আবু সাঈদ আহমেদের কাছে। জবাবে তিনি বলেন, ভালো যেসব কোম্পানি সেগুলো ভালো প্রিমিয়াম নিয়েই পুঁজিবাজারে আসবে, এটাই স্বাভাবিক। কেননা, গত ২৫ বছর ধরে আমাদের কোম্পানি সুনামের সঙ্গে কাজ করছে। ইফাদ গ্রুপের ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি ফেস ভ্যালু নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। এর সঙ্গে বাড়তি ২০ টাকা প্রিমিয়াম মিলে শেয়ারপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। কোম্পানিটির ২০১২ সালে ইপিএস ছিল ২.৯৬ টাকা। ২০১৩ সালে তা বেড়ে হয়েছে ২.৯৮ টাকা এবং এরপরে ২০১৪ সালে ইপএিস প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৫.১৬ টাকায় দাঁড়ায়। ২০১৪ সালে কোম্পানির ইপিএস বৃদ্ধি নিয়ে আবু সাঈদ আহমেদ বলেন, ২০১৩ সালে রাজনৈতিকভাবে সারাদেশে একটা বিপর্যয় ছিল। এরপরের বছর ২০১৪ সালে ব্যবসায়ীরা সে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চায়। যে কারণে আমাদের ‘ডিমান্ড’ অনেক বেড়ে যায় এবং কোম্পানি ব্যবসা খুব ভালো করে। ইফাদ অটোস লিমিটেড ১৯৮৫ সালে প্রথম ব্যবসা শুরু করে। বাজারে (থ্রি হুইলার) বেবিটেক্সি বিক্রির মাধ্যমে ব্যবসার গোড়া পত্তন হয়। এরপরে ব্যবসায়িক সাফল্যের ধারাবাহিকতায় কোম্পানি মোটরসাইকেলের ব্যবসা শুরু করে। তারপরে আরো যোগ হয় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির গাড়ির ব্যবসা। ইফাদ অটোস লিমিটেডের সিএফও বলেন, গত বছরই নতুন আরো তিনটি প্রডাক্ট আমাদের কোম্পানিতে যুক্ত হয়েছে। এর আগে আমাদের ১টন ও ৩ টনের কোন গাড়ি ছিল না। গত বছর এসব প্রডাক্ট যুক্ত হওয়ায় কোম্পানি ব্যবসা আরো ভালো করে। একই সঙ্গে অন্য প্রডাক্টগুলোর গড় বিক্রয় বৃদ্ধি পেয়েছিল। সিএফও বলেন, গত বছর জানুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের পর দেশ যখন রাজনীতিকভাবে স্থিতিশীলতার দিকে তখনই পুঁজিবাজারের একটা সুস্থ ধারা দেখা যায়। যার কারণে অর্থনীতি সচলের প্রথম প্রভাব পড়ে পুঁজিবাজারে এবং এরপরই পর্যায়ক্রমে তা হিট করে অর্থনীতির অন্য সব সেক্টরগুলোতে। সে কারণে বিক্রয়ও বেড়ে যায়। ব্যবসায়িক দৃষ্টিতে আপনাদের প্রতিযোগী হিসেবে কোন কোম্পানিকে মনে করছেন। এমন প্রশ্নের জবাবে আবু সাঈদ আহমেদ বলেন, আমাদের মূল ব্যবসা গাড়ির। আমাদের কোম্পানিতে অনেক আগে থেকেই রয়েছে ৭ টনের ট্রাক। নুতন এসেছে ১টন ও ৩ টনের ট্রাক। যেহেতু একই বাজারে রয়েছে- নিটল টাটা, রানার এবং ইফাদ আটোস। তাই গুণগত ও মান সম্পন্ন পণ্য বাজারে দেয়াই আমাদের প্রথম শর্ত। যে কারণে গত ২৫ বছর ধরে এখনো সুনাম নিয়ে মার্কেটে আছি। এবং গুণগত ও মান সম্পন্ন পণ্য দিয়েই এই অবস্থান দখলে নিয়েছি। আমরা তাদের কাউকে প্রতিযোগী মনে করছি না- আমরাই আমাদের প্রতিযোগী। এখন নতুন পলিসি ও মান সম্মত পণ্য দিয়ে মার্কেটের সর্বোচ্চ স্থান দখল করাই আমাদের চেষ্টা। পুঁজিবাজারে শেয়ারমূল্যের দৃষ্টিকোণে আফতাব অটোসকে প্রতিযোগী মনে করেন কি-না? এমন প্রশ্নের উত্তরে সিএফও বলেন, বিনিয়োগকারীরা এটা নির্ধারণ করবেন। তবে আমাদের প্রত্যাশা, আমরা সুনাম অক্ষুণ রাখতে পারবো। তাছাড়া আফতাব অটোস এবং ইফাদ অটোসের ব্যবসার ধরণও ভিন্ন। রাজধানীর বাংলামোটরে কোম্পানির কার্যালয়ে বিশেষ এক সাক্ষাতকারে ইফাদ অটোস লিমিটেডের সিএফও আবু সাঈদ আহমেদ বলেন, গত বছরে ইফাদ অটোস ২৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ট্যাক্স দেয়। তাহলে কোম্পানি ব্যবসা যে ভালো এটা তারই প্রমাণ বহন করে। ইফাদ অটোস পুঁজিবাজার থেকে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহিত অর্থ দিয়ে কোম্পানির এসেম্বিং প্লান্ট, গাড়ির বডি বিল্ডিং ইউনিট নির্মাণ এবং প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা হবে। আইপিওর টাকায় ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা হবে- এটা কি ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা নয়। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রায় ৯ কোটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং ৫০ কোটি টাকা কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণের কাজে ব্যয় হবে। ইতোমধ্যে ঢাকার ধামরাইয়ে প্রায় ৫০ বিঘা জমি রাস্তার পাশে কেনা হয়েছে। কোম্পানির সুপার ভিশনের দায়িত্বে থাকবে অশোক লেল্যান্ড। ইফাদ গ্রুপের ইফাদ মাল্টি প্রডাক্টস লিমিটেডের বিস্কিট ও নুডুলস আগামী মাসে মালয়েশিয়া রপ্তানীর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বর্তমানে শুধুমাত্র লোকাল মার্কেটে ইফাদের পণ্য বিপণন করা হচ্ছে। কোম্পানির ঋণ সম্পর্কে তিনি বলেন, আল আরাফা ব্যাংকে এখন পর্যন্ত কোম্পানির সর্বোচ্চ ঋণ রয়েছে ১০৭ কোটি টাকা। গত বছরের আমাদের বার্ষিক বিক্রয় হয়েছে প্রায় ৮১৫ কোটি টাকা। তবে গত বছরগুলোতে গড় বিক্রয়ের পরিমাণ ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে হয়েছিল। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ১৬ পয়সা। নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ৪৪ টাকা ১২ পয়সা। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ব্যানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। উল্লেখ্য, সাক্ষাতকারের দ্বিতীয় অংশ আগামী সপ্তাহে প্রকাশ করা হবে। পেছনের খবর : আসছে ইফাদ অটোর আইপিওর
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • কোম্পানির নাম বদলাবে বারাকাতউল্লাহ ইলেকট্রো
    শেয়ারধারীদের জন্য ১৭ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বারাকাতউল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিকস। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় গত মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সভায় কোম্পানিটির নাম বদলে বারাকা পাওয়ার লিমিটেড করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। তালিকাভুক্তির নিয়ম অনুযায়ী, গতকাল বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, গত জুনে সমাপ্ত আর্থিক বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে এক টাকা ৯০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল এক টাকা ৪৩ পয়সা। গত বছর কোম্পানিটি নগদ ও বোনাস মিলিয়ে শেয়ারধারীদের ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল।   Source : প্রথম আলো
  • ৩৬টি প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ৬০০ কোটি ডলার
    বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের ৩৬টি প্রকল্পে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থসহায়তা দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থসহায়তায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর মধ্যে অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, কৃষি ও শিক্ষা, পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা ও ক্ষমতা গড়ে তোলার প্রকল্প রয়েছে। ৬০০ কোটি ডলারের অর্থসহায়তার মধ্যে পল্লি বিদ্যুতায়ন, ট্রান্সমিশন ও বিতরণ প্রকল্প সর্বাধিক পরিমাণ অর্থসহায়তা পেয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও স্থানীয় সরকার অর্থসহায়তার একটি বড় অংশ পেয়েছে। বিশ্বব্যাংক বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছে। বাসস   Source : প্রথম আলো 
  • ডিএসইতে সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন
    পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ার একদিন পরই ফের দর পতন হয়েছে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে। তবে সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। প্রান্তিকের ফলাফলের প্রত্যাশার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন শেয়ারের দর উঠানামা করছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ৩০২টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ১২ টি কোম্পানির দর বেড়েছে ৩ শতাংশের বেশি। গতকাল জ্বালানি খাতে লেনদেন হয়েছে ১৩৯ কোটি টাকা। আর ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে লেনদেন হয়েছে ১১৩ কোটি টাকা। এ দুই খাত মিলে লেনদেন হয়েছে ২৫২ কোটি টাকা। যা ডিএসই’র মোট লেনদেনের ৩৫ ভাগ।তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৬৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৪৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৬টির, কমেছে ২০৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮৪ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫০ কোটি ১২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৬ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২২৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫২টির, কমেছে ১৬০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টি কোম্পানির শেয়ারের।ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্রখাতের আরএন স্পিনিংয়ের উদ্যোক্তা-পরিচালকের শেয়ার বিক্রি, হস্তান্তর, বন্ধক ও উপহার দেয়ার নিষেধাজ্ঞার ওপর স্থগিতাদেশ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। অর্থাত্ পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত এ কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকরা শেয়ার লেনদেন ও হস্তান্তর করতে পারবেন। এ নিয়ে এ স্থগিতাদেশ চারবার বাড়ানো হলো। জানা গেছে, রাইট  শেয়ার নিয়ে জালিয়াতি করায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির উদ্যোক্তা-পরিচালকের শেয়ার বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। একই সঙ্গে রাইট শেয়ার সংক্রান্ত দাখিল করা কাগজপত্র জাল হওয়ায় আরএন স্পিনিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে বিএসইসি। বিএসইসির মামলা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। এরই জবাবে চতুর্থ বারের মতো বিএসইসির নিষেধাজ্ঞার উপর স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।   Source : ইত্তেফাক
  • ইস্টার্ন ব্যাংকের ট্যাক্স পকেট গাইড প্রকাশ
    গ্রাহকদের ব্যক্তিগত ট্যাক্স হিসাব সহজীকরণ ও ট্যাক্স প্রদান সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করার ল্েয ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) একটি ট্যাক্স পকেট গাইড প্রকাশ করেছে। ৩২ পৃষ্ঠার পুস্তিকাটিতে অর্থ আইন ২০১৪ পর্যন্ত সংশোধিত আয়কর অর্ডিন্যান্স ১৯৮৪-র গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো সঙ্কলিত হয়েছে। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল    পুস্তিকাটির আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো: গোলাম হোসেন এবং ইবিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আলী রেজা ইফতেখার। প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম ও ইস্টার্ন ব্যাংকের হেড অব কমিউনিকেশন জিয়াউল করিমও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। ইবিএল পকেট ট্যাক্স গাইডটি ব্যাংকের সব গ্রাহক ও আগ্রহীদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। বিজ্ঞপ্তি   Source : নয়া দিগন্ত
  • সরকারের ব্যাংকঋণ নির্ভরতা বেড়েছে
    ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণগ্রহণের প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি অর্থবছরের তিন মাস নয় দিনে ব্যাংকিং খাত থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে ৪ হাজার ৬৩২ কোটি ২৫ লাখ টাকা, যা গত অর্থবছরের একই সময় ছিল ১ হাজার ২৫২ কোটি ২০ লাখ টাকা। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরে সরকারের ব্যাংক ঋণ ২৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগের ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে গৃহীত সরকারের ঋণ পরিস্থিতির হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।   অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকারের রাজস্ব সংগ্রহে বেশ মন্থরগতি লক্ষ করা যায়। এরই মধ্যে মুসলমানদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উত্সব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারকে চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা ও বোনাস পরিশোধে বড় অঙ্কের ব্যয় করতে হয়। এ অবস্থায় দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে সরকার পুরোপুরি ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এতে ব্যাংকগুলোতে থেকে ঋণগ্রহণের হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলো এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নিতে পারে। এতে ১ জুলাই থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত তফসিলি ব্যাংকগুলো থেকে সরকার ৭ হাজার ১৯২ কোটি ৩৩ লাখ টাকার ঋণ নিয়েছে। তবে এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে কোনো প্রকার ঋণ গ্রহণ করেনি, বরং ২ হাজার ৫৬০ কোটি আট লাখ টাকা আগের ঋণ পরিশোধ করেছে। এতে নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৩২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরের শুরুতে সরকারের ব্যাংকঋণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগে দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে অনেকটাই হিমশিম খাচ্ছে সরকার। তবে সরকারের ব্যাংক ঋণের পরিমাণ বাড়লেও অর্থনীতিতে কোনো অসুবিধা হবে না। কেননা দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের হারও সীমিত। এতে ব্যাংকগুলোর কাছে বিপুল পরিমাণের তারল্য পড়ে রয়েছে। এ অবস্থায় সরকারকে ঋণ দিয়ে হলেও কিছু আয় করতে চাচ্ছে ব্যাংকগুলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৩-১৪   অর্থবছরে সরকারের ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণগ্রহণের হার ৬৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ছিল। অথচ এর আগের অর্থবছরে ঋণ বেড়েছিল ১৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। গত অর্থবছরে রাজনৈতিক অস্থিরতায় সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ না হওয়ায় ব্যাংকঋণের পরিমাণ কমেছিল। তবে চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩১ হাজার ২২১ কোটি টাকা, যা ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ছিল ২৯ হাজার ৯৮২ কোটি টাকা। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরে ব্যাংকঋণ লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণ বেড়েছে ১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। সূত্র জানায়, দেশের ব্যাংকগুলোর কাছে বর্তমানে পর্যাপ্ত তারল্য উদ্বৃত্ত রয়েছে। আর বিনিয়োগ মন্দা পরিস্থিতিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এ অর্থ সরকারের ট্রেজারিতে বিনিয়োগ করেছে। আগে ব্যাংকগুলো সরকারকে ঋণ দিতে অনীহা দেখালেও বর্তমানে রীতিমতো প্রতিযোগিতা লেগে গেছে। আর আমানতের সুদহার কমে যাওয়ায় জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমাণও কয়েক গুণ বেড়েছে। তারপরও সরকারের প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান ব্যাংকগুলোকেই করতে হচ্ছে। কেননা অর্থবছরের শুরুতে সরকারের রাজস্ব আয় তেমন একটা বাড়ছে না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের দু’মাসে ১৬ হাজার ৮৭২ কোটি ৬০ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। সেই হিসেবে দু’মাসে ১১ শতাংশ রাজস্ব আয় হয়েছে। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকার বেশি পরিমাণ ঋণ নিলেও তাতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। কেননা বেসরকারি খাতে ঋণ চাহিদা কম রয়েছে এবং ব্যাংকগুলোর কাছে পর্যাপ্ত তারল্য রয়েছে। ব্যাংকগুলো মূলত সরকারকে ঋণ দিয়ে মুনাফা করার সুযোগ পাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সকালের খবরকে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার প্রবণতা কমলে মূল্যস্ফীতি কমাতে সাহায্য করে। কেননা ঋণের জোগান দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে নতুন নোট ছাপিয়ে সরকারকে সরবরাহ করতে হয়, যা সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতির পরিপন্থী। তিনি বলেন, সরকারের চাহিদা মাফিক ঋণের ৬০ শতাংশ পিডি ব্যাংক পূরণ করার পর বাকি ৪০ শতাংশ নন-পিডিদের ঋণ দিতে হয়। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ওপর সরকারের ঋণের অধিকাংশ চাপানোর এ সুযোগটা কাজে লাগাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। শেয়ার   Source : সকালের খবর
  • আগামী সংসদেই ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট
    অর্থনৈতিক রিপোর্টার : আগামী সংসদ অধিবেশনেই ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট (এফআরএ) উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান। তিনি বলেন, ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট পাস হলে পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। সরকার সবসময় রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এ প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কোনো ব্যাঘাত হবে না। গতকাল রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে চট্টগ্রাম একচেঞ্জ স্টক (সিএসই) আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ইন্টারনেট মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) স্বাধীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট যেসব আইনকানুন আছে, সেগুলো সবাই মেনে চলবে তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এর বাইরে সরকার পুঁজিবাজারে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে চায় না। কোনো ধরনের অভিপ্রায়ও সরকারের নেই। তিনি বলেন, সরকার বিশ্বাস করে ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান স্বাধীনভাবে কাজ করবে। দেশে যে আইন আছে তা মানলেই তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। পুঁজিবাজারের স্বার্থে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সরকারের নিকট অনেক সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে। এখন ফ্রিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট সকলের দাবি। আশা করি, আগামী সংসদে তা পাস করে দিতে পারব। এমএ মান্নান জানান, চীনের নেতৃত্বে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের আদলে নতুন যে অবকাঠামো ব্যাংক গঠিত হতে যাচ্ছে তাতে প্রাথমিক সদস্য পদ নেবে বাংলাদেশ। এ জন্য একটি সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে আজই তিনি চীনের বেইজিংয়ে যাচ্ছেন। ২৪ অক্টোবর সমঝোতা চুক্তিতে বাংলাদেশ সই করবে বলেও অনুষ্ঠানে জানানো হয়। প্রসঙ্গত; ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় প্রথম ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয় এবং এ সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। পরে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে অধ্যাদেশটিকে ‘ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট-২০০৯’ শীর্ষক আইনে পরিণত করার উদ্যোগ নেয়। গত বছরের ১৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্টের খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। জাতীয় সংসদে পাঠানোর আগে চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তা পাঠানো হয় আইন মন্ত্রণালয়ে। কিন্তু খসড়া অনুমোদনের পর দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস বাংলাদেশ (আইসিএবি) এবং দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং ম্যানেজমেন্ট বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এ আইনের বিরুদ্ধে ঘোর বিরোধিতা করে। তাই তাদের আপত্তির মুখে বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয় ওই খসড়ায়। উল্লেখ্য, তথ্য গোপন করে প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক রিপোর্ট তৈরির অপরাধে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল ও ১ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দ-ে দ-িত করার বিধান রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত খসড়ায়। পাশাপাশি আইনটি বাস্তবায়নে একটি কাউন্সিল গঠন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। অনুষ্ঠানে বিএসইসির চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেন বলেন, দেশের পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল বলে উল্লেখ করে বলেন, সিএসইর ইন্টারনেট ট্রেডিং মেলার মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহী করে তুলবে। এতে করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্রোকারেজ হাউজ খোলার চাহিদা কমবে। সেই সঙ্গে সিএসইর টার্নওভার আরো বাড়বে। এর ফলে সিএসইতে রাজস্ব আয় বেশি হবে। ফলে সিএসই এখন যে স্ট্যাটিজিক পার্টনার খুঁজছে তারা তা সহজে পেয়ে যাবে। তিনি বলেন, যে দেশের পুঁজিবাজার যত বেশি উন্নত সে দেশের জিডিপি তত বেশি, সে দেশের উন্নয়ন তত বেশি তরান্বিত হয়। আশা করি, আমাদের দেশের পুঁজিবাজার দেশের উন্নয়নে আরো বেশি ভূমিকা রাখবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিএসইসির চেয়ারম্যান মো. আবদুল মজিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাজিদ হোসেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. স্বপন কুমার বালা, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান প্রমুখ। এ সময় ডিএসই ও সিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মেলায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য র‌্যাফল ড্রয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। র‌্যাফেল ড্রয়ের পুরস্কার হিসেবে আকর্ষণীয় সব পুরস্কার দেবে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে এ মেলা। « পূর্ববর্তী সংবাদ পরবর্তী সংবাদ »   Source : ইনকিলাব
  • পুঁজিবাজারে শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে আমরা টেকনোলজিস
    গতকাল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় বছরের প্রথমার্ধের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। আমরা টেকনোলজিসের কোম্পানি সচিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘোষণা অনুসারে ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। শেয়ার হোল্ডার বাছাইয়ের জন্য আগামী ১২ নভেম্বর রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে আগামী ২৪ ডিসেম্বর, সকাল ১০টায় স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। শেষ হওয়া অর্থবছরে আমরা টেকনোলজিসের প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৫২ টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ২০ দশমিক ৯৭ টাকা।   Source : ইনকিলাব
  • ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থার শ্রেষ্ঠত্ব ও সাফল্য’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
    ইসলামী ব্যাংকের ২৮৮তম শাখা হিসেবে হাজিরহাট শাখা উদ্বোধন উপলক্ষে ‘ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থার শ্রেষ্ঠত্ব ও সাফল্য’ শীর্ষক সেমিনার গতকাল বুধবার লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট বাজারে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ আবুল বাশার সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নোয়াখালী জোন প্রধান মোহাম্মদ উল্লাহ। প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি ছাঈদ আহমদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দীন খান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আলেকজান্ডার আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ওমর ফারুক আল মাদানী, হাজিরহাট হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাহেদ হোসাইন ফারুকী, লক্ষ্মীপুর মাদরাসা-ই-আলিয়ার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসমাইল। এ সময় কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট সৈয়দ মুহাম্মদ শামসুল আলম উপস্থিত ছিলেন।   Source : সংগ্রাম
  • কৃষি শিল্প: ২৪৭০৯ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ
    গত অর্থবছরে (২০১৩-১৪) ব্যাংকগুলো কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতে ২৪,৭০৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করেছে, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল ২১,০৯১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। সে হিসেবে গত অর্থবছরে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ১৭.১৫%। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গত অর্থবছরে কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণের সিংহভাগ বিতরণ হয়েছে চলতি মূলধন খাতে এবং সামান্য পরিমাণের ঋণমেয়াদি ঋণ খাতে বিতরণ হয়েছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি মূলধনে ব্যাংকগুলো ২১,৫৭৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আর মেয়াদি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ১৩২ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এতে গত অর্থবছরে চলতি মূলধনে ১৮.১৪% ও মেয়াদি ঋণ ১০.৭৬% প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিতরণকৃত ঋণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ৫.১৯%, বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো ৭২.৩১%, বিদেশী খাতের ব্যাংকগুলো ১৯.৪৯% ও রাষ্ট্রীয় বিশেষায়িত খাতের ব্যাংকগুলো ৩% ঋণ বিতরণ করেছে। গত অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় খাতের ব্যাংকগুলো ১২৮২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ করেছে, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল ১১২০ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। সে হিসেবে রাষ্ট্রীয় খাতের ব্যাংকগুলোতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ১৬১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো ১৭,৮৬৭ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল ১৪,৬৩২ কোটি ২৬ লাখ টাকা। কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত তালিকার ৩৬ ক্যাটাগরির মধ্যে খাদ্যজাত ক্যাটাগরিতে রয়েছে ২০টি পণ্য। আর খাদ্যবহির্ভূত ক্যাটাগরিতের রয়েছে ১৬টি পণ্য। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সবজি ও বিভিন্ন ধরনের ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ, আলু থেকে নানা ধরনের খাদ্য প্রস্তুত, হারবাল ও ইউনানি ওযুধ প্রস্তুত, কৃষির যন্ত্রাংশ তৈরি, চা প্রক্রিয়াকরণ, ফুল সংরক্ষণ, হাঁস, মুরগি ও গবাদি পশু পালন, পাটজাত দ্রব্য প্রস্তুত, জৈব সার তৈরি, মৌমাছি, মাশরুম ও রেশম চাষ, কাঠ, বাস ও বেতের আসবাবপত্র তৈরি, গুঁড়ো মসলা উৎপাদন, দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ প্রভৃতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত অর্থবছরে কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতে বকেয়া ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ২৭,৩০০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, যা ২০১২-১৩ অর্থবছরে ছিল ২৪,০৯০ কোটি ৫১ লাখ টাকা। সে হিসেবে গত অর্থবছরে বকেয়া স্থিতি বেড়েছে ২৩.৭৫%। আর বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে আদায় হয়েছে ২২,৩৬৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৭.১৭% বেশি। পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০৪৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২১৩৮ কোটি ৯ লাখ টাকা। সে হিসেবে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমেছে ৪.২২%। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণের বিতরণ, আদায় ও বকেয়া স্থিতির প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক। এ ছাড়াও শ্রেণী বিন্যাসিত ঋণের পরিমাণ গত অর্থবছরের তুলনায় ইতিবাচক পর্যায়ে রয়েছে। তবে কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণের সিংহ ভাগই চলতি মূলধন ঋণে বিতরণ হচ্ছে। মেয়াদি ঋণ খাতে বিতরণ কমায় নতুন শিল্প গড়ে উঠছে না।   Source : মানব জমিন
  • অর্থনীতির সন্ধিক্ষণে শেয়ারবাজার :বিএসইসি
    পতনের বৃত্তে আবর্তিত দেশের শেয়ারবাজার। ঢাকায় প্রধান সূচক কমেছে ৬৩ পয়েন্ট। চট্টগ্রামে ১০২ পয়েন্ট। উভয় বাজারে প্রায় সব শেয়ারের দাম কমেছে। শেয়ারবাজারের অধঃমুখী গ্রাফ বিগত কয়েকদিন লাগাতার চলছে। শেয়ারবাজারে নতজানু এই সূচকে হতাশ নন নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল হোসেন। গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ইন্টারনেট ট্রেড ফেয়ার-২০১৪-এর উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, অর্থনীতির এক সন্ধিক্ষণে শেয়ারবাজার যেভাবে চলছে তাতে স্থিতিশীল বলা যায়। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেন বলেন, দেশের শিল্পায়নের জন্য পুঁজিবাজারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। কারণ ব্যাংক থেকে ১৭/১৮ শতাংশ হারে ঋণ নিয়ে দেশের শিল্পায়ন সম্ভব নয়। গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক ৬৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৭০ পয়েন্টে অবস্থান করে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৬টির, কমেছে ২০৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির দাম। লেনদেন হয়েছে মোট ৭২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সিএসইর সিএসসিএক্স সূচক ১০২ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৭০৪ পয়েন্টে অবস্থান করে। ২২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৫১টির, কমেছে ১৬২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টির দাম। লেনদেন হয় মোট ৫০ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আরএন স্পিনিংয়ের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের মেয়াদ চতুর্থ দফা বাড়ল : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আরএন স্পিনিং কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বিক্রি, হস্তান্তর, বন্ধক ও উপহার দেয়ার নিষেধাজ্ঞার স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরো বেড়েছে। এ নিয়ে চতুর্থ দফায় এই মেয়াদ বাড়ানো হলো। ফলে পরবর্তী ৬ মাস নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। উল্লেখ্য, রাইট শেয়ার নিয়ে জালিয়াতি করায় ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আরএন স্পিনিংয়ের উদ্যোক্তা-পরিচালকের শেয়ার বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিএসইসি।   Source : যায়ে যায়ে দিন
  • খুলনা পাওয়ারকে নোটিশ
    শেয়ার দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডকে (কেপিসিএল) নোটিশ দিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। জবাবে কোম্পানি জানিয়েছে, দর বাড়ার জন্য কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য তাদের কাছে নেই। বুধবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়। গত তিন কার্যদিবস কোম্পানির শেয়ার দর অস্বাভাবিক বাড়ে। গত এক মাসে এ কোম্পানির শেয়ার দর ৫০ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৬৬ টাকায় লেনদেন হয়।   Source : যায়ে যায়ে দিন
  • বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার তাগিদ আইসিসিবির
    প্রতিষ্ঠার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার: এশীয় পরিপ্রেক্ষিত’ বিষয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশ (আইসিসিবি)। তাদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশের অবস্থান আরো শক্তিশালী করতে হবে। আর আসন্ন সম্মেলনে সে পদক্ষেপ কী হবে তার দিকনির্দেশনা বেরিয়ে আসবে। ২৫ অক্টোবর শুরু হতে যাওয়া দুই দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষে গতকাল মেট্রোপলিটন চেম্বার মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ও বিনিয়োগ বাড়াতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার চেয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিভিন্ন ধরনের সেবার মানোন্নয়ন বেশি জরুরি। আর স্থিতিশীল পরিবেশ শুধু ব্যবসার জন্য নয়, সবকিছুর জন্যই প্রয়োজন। তবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার চেয়েও বেশি প্রয়োজন অবকাঠামো এবং বিভিন্ন সেবার মান আরো শক্তিশালী করা। তিনি বলেন, ‘বিশ্বমন্দার মধ্যেও দক্ষিণ এশিয়া বিশেষ করে বাংলাদেশ আক্রান্ত হয়নি। তবে এ সময়ে বাংলাদেশ আরো ভালো করতে পারত। বাংলাদেশ যে মন্দায় আক্রান্ত হয়নি তার বড় কারণ হলো, আমরা লো-এন্ডে রফতানি (তুলনামূলক কম দামি পণ্য) করি। যদি হাই অ্যান্ড পণ্য (উচ্চমূল্যের পণ্য) রফতানি করতাম, তাহলে আক্রান্ত হতাম।’ একই বিষয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম বলেন, ‘আইসিসিবির জ্বালানিবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সুপারিশ করা হয়েছিল তা সরকার বাস্তবায়ন করেছিল। এরই সুফল আমরা এখন পাচ্ছি। হয়তো ভবিষ্যতে দেশের রাজস্ব ও মুদ্রানীতি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা উঠে আসবে এ সম্মেলন থেকে। এর আগে সম্মেলনের নানা দিক তুলে ধরেন আসিফ ইব্রাহীম। এ সময় তিনি জানান, সম্মেলনে অংশ নেয়ার জন্য অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়। এরই মধ্যে ৫০০ জনের মতো দেশী-বিদেশী ব্যক্তি নিবন্ধন করেছে। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৫ অক্টোবর আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। পর দিন সোনারগাঁও হোটেলে কয়েকটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের মূল বিষয় তুলে ধরতে ব্যবসা-বাণিজ্যকেন্দ্রিক কমর্-অধিবেশনকে চারটি পর্বে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে— ‘বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার: সমসাময়িক বাস্তবতা’, ‘এশীয় প্রবৃদ্ধি: বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জসমূহ’, ‘বাণিজ্য: বালি’র ফলাফল কি ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি ধরে রাখতে পারবে?’ এবং এশিয়ায় বিনিয়োগ উত্সাহিতকরণ। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুইদিনের এ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আঙ্কটাডের মহাসচিব মুখিসা কিতুয়ি ও আইসিসির ভাইস চেয়ারম্যান সুনীল ভারতী মিত্তালসহ ভুটান, নেপাল, শ্রীলংকা, মিয়ানমারের কয়েকজন মন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা এতে উপস্থিত থাকবেন। সম্মেলনে সহ-আয়োজক হিসেবে আছে ডিসিসিআই, এমসিসিআই, সিসিসিআই, এফআইসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিআইএ, আইসিএবি ও এনসিসিআই। প্রিমিয়াম পার্টনারসদের মধ্যে আছে ইসলামী ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে একে খান গ্রুপ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, হা-মিম গ্রুপ, কাফকো, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ট্রান্সকম এবং ইয়াঙ্গুন করপোরেশন। সহযোগী পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে আছে এবি ব্যাংক, ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স, এনভয় টেক্সটাইল, ইস্ট কোস্ট গ্রুপ, গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, মীর আখতার হোসেন, ন্যাশনাল হাউজিং, নাভানা, প্রাইম ব্যাংক, প্রগতী ইন্স্যুরেন্স, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, সাধারণ বীমা করপোরেশন, সিঙ্গার বাংলাদেশ এবং দ্য মার্চেন্টস।   Source : বনিক বার্তা
  • আইপিডিসির মুনাফা বেড়েছে ৩ গুণ
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (আইপিডিসি) চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রায় ৩ গুণ মুনাফা বেড়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৪১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ও ইপিএস ১৫ পয়সা। অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৮৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ৭ কোটি ১২ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৬২ পয়সা। এদিকে ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ বা ৭০ পয়সা। দিনভর দর ১৭ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১৮ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৭ টাকা ৯০ পয়সায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ১৮ টাকায়। এদিন এর ২ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ শেয়ার ১৬৬ বারে লেনদেন হয়। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।   Source : বনিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • RELIANCINS

    (Q3): As per un-audited quarterly accounts for the 3rd quarter ended on 30th September 2014 (July'14 to Sep'14), the Company has reported net profit after tax of Tk. 29.81 million with EPS of Tk. 0.50 as against Tk. 51.82 million and Tk. 0.87 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit after tax was Tk. 169.47 million with EPS of Tk. 2.84 for the period of nine months (Jan'14 to Sep'14) ended on 30.09.2014 as against Tk. 178.74 million and Tk. 2.99 respectively for the same period of the previous year.

  • MTB

    (Q3): As per un-audited quarterly accounts for the 3rd quarter ended on 30th September 2014 (July'14 to Sep'14), the Company has reported consolidated profit after tax of Tk. 195.83 million with consolidated EPS of Tk. 0.64 as against Tk. (143.96) million and Tk. (0.47) respectively for the same period of the previous year. Whereas consolidated profit after tax was Tk. 565.34 million with consolidated EPS of Tk. 1.84 for the period of nine months (Jan'14 to Sep'14) ended on 30.09.2014 as against Tk. (107.73) million and Tk. (0.35) respectively for the same period of the previous year.

  • SAIHAMTEX

    As per Regulation 30 of DSE Listing Regulations, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 28, 2014 at 3.30 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2014.

  • GHAIL

    As per Regulation 30 of DSE Listing Regulations, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 27, 2014 at 3.30 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2014.

  • CVOPRL

    As per Regulation 30 of DSE Listing Regulations, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 28, 2014 at 3.30 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2014.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SPCL 130.40 118.60 11.80 9.95
SAIFPOWER 68.90 63.70 5.20 8.16
NCCBLMF1 6.20 5.80 0.40 6.90
IPDC 19.10 18.00 1.10 6.11
PRAGATILIF 109.90 104.60 5.30 5.07
MJLBD 152.40 145.20 7.20 4.96
STYLECRAFT 939.50 900.00 39.50 4.39
ICB 1517.75 1460.75 57.00 3.90
RANFOUNDRY 108.70 104.70 4.00 3.82
MEGHNACEM 141.00 135.90 5.10 3.75

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297