Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SPCL 58.7 40.2 18.50 46.02
FARCHEM 56.1 43.3 12.80 29.56
SAPORTL 26.6 23.1 3.50 15.15
IDLC 48 42.5 5.50 12.94
HWAWELLTEX 40.6 37.2 3.40 9.14
DAFODILCOM 12.8 11.8 1.00 8.47
PADMAOIL 332.2 307.9 24.30 7.89
BGIC 23.3 21.7 1.60 7.37
ISNLTD 10.5 9.8 0.70 7.14
MARICO 1046.3 979.5 66.80 6.82

Contest SB2014_Jul

1st
blank_person
MEHEDIARAFAT82
2nd
blank_person
AMINUL
3rd
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 307.5 297.7 25.01118 1946200.00
SQURPHARMA 255.3 250.6 4.28176 424340.00
BATBC 2435.4 2420.3 1.71240 2700.00
ICB 1782.25 1765.25 1.35553 750.00
SPCL 58.7 53.4 1.27018 2582800.00
Negative impact
POWERGRID 42.7 43.8 -0.95827 20500.00
RUPALIBANK 65.7 67.9 -0.86791 3000.00
BANKASIA 17.9 18.4 -0.72106 7500.00
MARICO 1046.3 1055.4 -0.54179 1700.00
NTC 801.6 830.1 -0.35552 100.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
GP 307.5 309.3 299 3.29% 595.50
BEXIMCO 35.9 36.2 34.5 3.16% 310.28
LAFSURCEML 85.4 85.9 83 2.15% 160.70
SPCL 58.7 58.7 53.6 9.93% 146.99
PADMAOIL 332.2 333 324.2 1.84% 143.88
FARCHEM 56.1 56.4 50.7 9.36% 125.96
OLYMPIC 242.6 244.3 238 2.15% 115.94
SQURPHARMA 255.3 255.8 250.2 1.88% 107.42
MPETROLEUM 275.7 276.5 270.2 1.32% 103.21
ACI 266.6 268.8 260 2.46% 68.87

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 24 Jul 2014

66020
TOTAL TRADE
71.0029
TOTAL VOLUME(Mn)
3395.38
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • দুই কোম্পানির লেনদেন ৩ আগস্ট স্থগিত
    ডেস্ক রিপোর্ট : রেকর্ড ডেটের কারণে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন ৩ আগস্ট স্থগিত থাকবে। কোম্পানি দুটি হলো- লিন্ডে বাংলাদেশ ও মাইডাস ফিন্যান্স। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের আগে গত বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত লিন্ডে বাংলাদেশের শেয়ার লেনদেন স্পট মার্কেটে চলে। স্পট মার্কেটে কোম্পানির শেয়ার ব্লক বা অড লটে বিক্রি হয়। লিন্ডে বাংলাদেশ (বিডি) লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ২০০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য গত ৩১ মে পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী এই অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ দেবে কোম্পানিটি। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী  ৩ আগস্ট, রোববার। অর্ধবার্ষিকীতে (জানুয়ারি থেকে জুন-২০১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ২৯ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৩৮ টাকা। গত বছর একই সময়ে এ কোম্পানির মুনাফা হয়েছিল ৩৪ কোটি ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ২২ দশমিক ৫৬ টাকা। অন্যদিকে, গত তিন মাসে (এপ্রিল থেকে জুন-২০১৪) কোম্পানির মোট মুনাফা হয়েছে ১৫ লাখ ৭২ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৩৪ টাকা। গত বছর একই সময়ে কোম্পানির মোট মুনাফা হয়েছিল ১৪ লাখ ৬৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ইপিএস দাঁড়িয়েছিল ৯ দশমিক ৬৬ টাকা। এদিকে, কমিশনের (বিএসইসি) ৫২২তম সভায় মাইডাস ফিন্যান্সিং লিমিটেডকে ১ আর : ১ হারে রাইট শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অর্থাৎ কোম্পানির বিনিয়োগকারীরা একটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার কিনতে পারবেন। আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের এই কোম্পানির রাইট শেয়ারের আবেদন জমা নেওয়া শুরু হবে ১ সেপ্টেম্বর। যা আগামী ৩০ সেপ্টম্বর পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা। এজন্য রেকর্ড ডেট ৩ আগস্ট। রাইট শেয়ারের মাধ্যমে কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৬ কোটি ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩৮টি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ৬০ কোটি ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮০ টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটির রাইট শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইজরি লিমিটেড। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে মাইডাস ফিন্যান্সিং কোম্পানি বাংলাদেশ ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী মূলধনের পর্যাপ্ততা পূরণ তথা মূলধন ভিত্তি শক্তিশালীকরণ, লিজ ফিন্যান্স, টার্ম ফিন্যান্স, এসএমই ফিন্যান্স, গৃহায়ণ লোন সম্প্রসারণ ইত্যাদি খাতে ব্যবহার করবে।
  • বীমার মুনাফায় ৫ শতাংশ করারোপের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত
    বিশেষ প্রতিনিধি : ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে জীবন বীমার মুনাফার ওপর ৫ শতাংশ করারোপের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আর রোববার তা বিধি আকারে চূড়ান্ত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। যা দু-একদিনের মধ্যে পরিপত্র আকারে বীমা নিয়ন্ত্রক সংগঠন আইডিয়ারকে জানানো হবে বলে জানিয়েছে এনবিআর সূত্র। এনবিআর সূত্র জানায়, ব্যাংক মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হয় সঞ্চয়কারীদের। কিন্তু জীবন বীমায় সঞ্চয় করলে তার মুনাফার ওপর কোনো কর এতোদিন নির্ধারিত ছিল না। ব্যাংকে সঞ্চয়কারী ও জীবন বীমায় সঞ্চয়কারীদের মধ্যে সমন্বয় করার জন্য বাজেটে এ খাতে করারোপের ঘোষণা দেয় সরকার। আর আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪-এর ধারায় ৫২ট যুক্ত করে মেয়াদ পূর্তির পর জীবন বীমা পলিসির পরিশোধিত প্রিমিয়ামের অতিরিক্ত মুনাফা প্রদানের েেত্র সম্পূর্ণ মুনাফার ওপর ৫ শতাংশ করারোপের বিধান করা হয়েছে। এ বিধানের ফলে ১ জুলাই ২০১৪-এর পর যে সকল জীবন বীমা পলিসির অর্থ চূড়ান্তভাবে পরিশোধ করা হবে সে ক্ষেত্রের এ কর কেটে নেবে সরকার। এ দিকে জীবন বীমার পলিসির প্রিমিয়ামের ওপর করারোপে ক্ষুব্ধ দোকানদার আমিনুল ইসলাম। মধ্যবিত্ত পরিবারের কর্তা আমিনুল ইসলাম। ছোট একটি মুদি দোকানের ব্যবসা তার। দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে পাঁচ সদস্যের পরিবার তার। ছোট মেয়ে জন্ম নেয়ার পর তার ভবিষ্যৎ চিন্তা করে সন্ধানী  লাইফে ১০ বছর মেয়াদি একটি জীবন বীমা পলিসি খোলেন আমিনুল। প্রতি বছর ১০ হাজার টাকা করে ১০ বছরে এক লাখ টাকা জমা করবেন তিনি। কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী মেয়াদ শেষে মুনাফা হিসেবে ৮০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা রয়েছে তার। এখন আর তিনি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাচ্ছেন না। তার জন্য দুঃসংবাদ নিয়ে এলো সরকার। মেয়াদ শেষে তার জমাকৃত টাকার মুনাফা নিতে গেলে ৫ শতাংশ হারে কর দিতে হবে তাকে। অর্থাৎ মুনাফার ৮০ হাজার টাকায় ৫ শতাংশ হারে কর দেয়ায় তিনি ৪ হাজার টাকা কম পাবেন। আর তাই এখন তিনি পাচ্ছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ক্ষে‍াভে তিনি বলেন, সরকার সবসময়ই গরিবের ওপর করের বোঝা চাপায়। অনেক কষ্ট করে টাকা জমানোর পর এ টাকার ওপর সরকার আবার কর নেবে। এটা আমাদের প্রতি অন্যায়। জীবন বীমার পলিসির প্রিমিয়ামের মুনাফায় করারোপে সরকারের রাজস্ব আদায় তেমন একটা বাড়বে না উল্লেখ করেন এনবিআরের এক কর্মকর্তা। তিনি জানান, বর্তমানে ৬২টি বীমা কোম্পানির এক কোটির মতো গ্রাহক আছে। সবার প্রিমিয়াম এক সময় হয় না। এক বছরে যে পরিমাণ পলিসির প্রিমিয়াম হবে তাতে রাজস্ব খুব বেশি বাড়বে না। তবে এর মাধ্যমে ব্যাংকে সঞ্চয়কারীদের সঙ্গে একটা সমন্বয়ের চেষ্টা করা হয়েছে।
  • ফুটপাতে চড়া দামে নতুন টাকা বিক্রি
    স্টাফ রিপোর্টার : ব্যাংকের লাইনে যাদের দাঁড়াতে বিরক্তিকর ও আপত্তি তারা নতুন টাকা নিচ্ছেন রাজধানীর বিভিন্ন ফুটপাত থেকে। তবে নিতে হচ্ছে উচ্চ মূল্যে। ফুটপাতের এই ব্যাংক থেকে টাকা নিতে শতকরা ৫০ থেকে ৬০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে। সরজমিনে শনিবার দেখা গেছে, যে কেউ ইচ্ছে মতো মচমচে নতুন টাকার বান্ডিল নিয়ে ফিরছেন বাড়িতে। ঈদে পরিবারের শিশু-কিশোরদের খুশি করতে, বাড়ির বোয়া, দারোয়ানকে বখশিশ, ভিক্ষুক, দরিদ্রদের মাঝে দান-খয়রাত কিংবা জাকাত-ফেতরা দিতেই নতুন টাকার দরকার। আবার নতুন টাকার মাধ্যমে কেনাকাটা করতেও অনেক শৌখিন মানুষ হাজির হচ্ছেন রাজধানীর ‘ফুটপাত ব্যাংকে’। এই ‘ব্যাংক’ চলে ‘টাকার বিনিময়ে টাকা’! গুলিস্তান শপিংকমপ্লেক্সের পূর্বপাশে ফুটপাতে হকারদের কাছ থেকে পুরাতন ও বড় অঙ্কের নোটের বিনিময়ে যে কেউ চাইলেই নতুন খুচরা নোট সংগ্রহ করতে পারছেন। অবশ্য বিভিন্ন মূল্যমানের নতুন টাকার প্রতিটি বান্ডিল পেতে দিতে হয় কিছু বাড়তি টাকা। যদিও এতে টাকার ‘ক্রেতা’ ও ‘বিক্রেতা’ দুপই খুশি। ঈদ আসলেই যেন মানুষের কাছে নতুন নোটের চাহিদা বেড়ে যায়। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি বছরই নতুন টাকার নোট সরবরাহ করে থাকে। এবারো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১২ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছেড়েছে। ইতোমধ্যে কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (৭ থেকে ২৪ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক ও এ ব্যাংকের অনুমোদনে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই নতুন টাকার নোট সংগ্রহ করেছেন। গুলিস্তান শপিংকমপ্লেক্স এলাকায় সরজমিন দেখা যায়, ফুটপাতে সারিবদ্ধভাবে নতুন টাকার পসরা নিয়ে বসেছেন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন ‘বিক্রেতা’। এখানে নতুন নোটের চাহিদার যেন শেষ নেই। যারা ব্যাংক থেকে নতুন টাকা সংগ্রহ ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের সেখান থেকে নতুন নোট সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। নতুন নোটের পসরার সামনে শত শত মানুষ ভিড় করে আছেন। দর কষাকষি করে অনেককেই দেখা গেলো নতুন টাকার খুচরা নোট সংগ্রহ করতে। দেশের আইনে এ বিনিময় প্রথা সমর্থন না করলেও যুগ যুগ ধরে ঈদসহ সারা বছর অচল ও ছেঁড়া টাকার কেনাবেচা হয়ে আসছে। কিছু বাড়তি অর্থের বিনিময়ে অচল টাকা সচল এবং রাজধানীর বিভিন্ন ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের খুচরা টাকার চাহিদা মিটিয়ে থাকে গুলিস্তানের এসব হকাররা। তারা জানান, ১০০টি নোট দিয়ে প্রত্যেকটি বান্ডিল করা হয়েছে। প্রতিটি ২ টাকার বান্ডিল ২২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া ৫ টাকার বান্ডিল ৫৪০ টাকা, ১০ টাকার বান্ডিল ১ হাজার ৫০ টাকা, ২০ টাকার বান্ডিল ২ হাজার ৬০ টাকা, ৫০ টাকার বান্ডিল ৫ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এ সকল টাকার মধ্যে ৫, ১০ ও ২০ টাকার নোট বেশি বেচাকেনা হচ্ছে বলে হকাররা জানিয়েছেন। অন্যদিকে  ১০০, ৫০০ ও ১ হাজার টাকার নতুন নোটও বিনিময় করে থাকেন তারা। তবে ক্রেতারা বলছেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হকাররা তাদের ইচ্ছমতো নতুন নোট বিক্রি করছেন। অন্য বছরের চেয়ে নতুন নোট পেতে বেশি টাকা দিতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। গুলিস্তান গিয়ে দেখা যায়, নতুন নোট নিতে আসা ক্রেতাদের ভিড়ে হকারদের যেন কথা বলার ফুসরত নেই। এর মধ্যেই হকার কবির হোসেন জানান নতুন নোট কেনাবেচার বিভিন্ন তথ্য। তিনি বলেন, ২-৩ দিন ধরে নতুন নোট বিক্রির চাহিদা বেড়ে গেছে। ঈদ আসলে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে নতুন নোট নিতে আসেন। দর কষাকষির মাধ্যমে ওই নোট বিনিময় হয়ে থাকে বলে জানান তিনি। কবির আরো বলেন, ক্রেতাদের অধিকাংশই খুচরা নতুন নোট নিতে ৫০০/১০০০ টাকার নোট নিয়ে আসেন। পরিবারের ছোট সদস্য, জাকাত-ফেতরা, অনেকের হাতে বখশিশ দিতে মানুষ নতুন নোট নিয়ে থাকেন। হকারদের মধ্যে অনেকেই বছরের বাকি সময় অন্যান্য কাজ করেন। তবে এখানে অনেক হকার আছেন, যারা সারা বছরই নতুন নোট বিনিময়ের ব্যবসা করে থাকেন বলে জানিয়েছেন কবির। নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা আবুল কালাম ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। গুলিস্তান থেকে বেশ কিছু টাকার নতুন নোট কিনেছেন তিনি। তিনি বলেন, ঈদের একদিন আগে তিনি গ্রামের বাড়িতে যাবেন। বাড়িতে পরিবারের ছোট ছেলেমেয়ে আছে। ঈদের দিন তাদের টাকা দিতেই নতুন নোট নিয়েছেন বলে জানান তিনি। আরেক ক্রেতা জাবেদ আহম্মেদ জানান, জাকাত ও ফিতরার টাকা, ভিক্ষুক ও দরিদ্র মানুষের দান করার জন্য ৫, ১০ ও ২০ টাকা নোটের আড়াই হাজার টাকার নতুন নোট নিয়েছেন তিনি। তবে হকাররা নতুন নোট সংগ্রহের উৎস সম্পর্কে মুখ খুলতে একেবারেই নারাজ।
  • সাইফ পাওয়ারটেকের আইপিও লটারি ৭ আগস্ট
    স্টাফ রিপোর্টার : সাইফ পাওয়ারটেক কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) লটারির ড্র আগামী  ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর কেন্দ্রীয় কচি কাঁচার মিলনায়তনে ড্র হবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে মোট ৩৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর বিপরীতে জমা পড়েছে ৩৪০ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। যা কোম্পানির চাহিদার চেয়ে প্রায় দশগুণ বেশি। কোম্পানির আইপিওতে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা মোট ৩৪০ কোটি ৩৯ লাখ ১১ হাজার টাকা এবং প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ৫৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকার শেয়ার বরাদ্দ পেতে আবেদন করেছেন। কোম্পানিটি ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩০ টাকা মূল্যে বাজারে এক কোটি ২০ লাখ শেয়ার বিক্রি করবে। এর মাধ্যমে বাজার থেকে সংগ্রহ করবে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। এর মার্কেট লট ২০০ টি শেয়ারে। উত্তোলিত টাকা দিয়ে কোম্পানির নতুন ইউনিট স্থাপন, মেশিনারিজ ক্রয় এবং মেয়দী ঋণ পরিশোধ ও আইপিও কাজের ব্যয় মেটানো হবে। সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সাইফ পাওয়ারটেকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ দশমিক ১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ২৯ টাকা। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসাবে কাজ করেছে- আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করছে আতা খান অ্যান্ড কোং।
  • বিনিয়োগবান্ধব মুদ্রানীতি ঘোষণা
    সিনিয়র রিপোর্টার : অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে বেসরকারি ঋণ প্রবাহ খানিকটা টেনে ধরে নতুন মুদ্রানীতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৪ শতাংশ। আর বিদেশি খাতের ঋণ প্রবাহ বিবেচনায় এই হার ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গত মুদ্রানীতির সমান। যদিও গত মুদ্রানীতিতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ ধরা হয়েছিল সাড়ে ১৬ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ঋণ প্রবাহ আগের মতোই রয়েছে। এই প্রবাহ দিয়ে যেকোনো মাত্রার প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব। এটি বিনিয়োগ বান্ধব, তবে সর্তক মুদ্রানীতি। বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিমত, এই ঋণ প্রবাহ দিয়ে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৬ শতাংশে নেমে আসবে। শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করে। গভর্নর ড. আতিউর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীদের নিয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করেন। এসময় গভর্নর বলেন, উপযুক্ত নীতি অনুযায়ী চলমান অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য মুদ্রানীতি প্রোগামে রিজার্ভ মুদ্রা এবং ব্যাপক মুদ্রার প্রবৃদ্ধি প্রক্ষেপিত হয়েছে যথাক্রমে ১৫ দশমিক ৫ ও ১৬ শতাংশ। বৈদেশিক উৎসের আমদানি অর্থায়নসহ বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি প্রক্ষেপিত হয়েছে ১৬.৫ শতাংশ। যা এই ষান্মাসিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধির যেকোনো বাস্তবসম্মত উচ্চতর মাত্রা অর্জনের জন্য পর্যাপ্ত হবে। ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি প্রক্ষেপিত হয়েছে ১২ দশমিক ৯ শতাংশ। সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে সরকারের আর্থিক নীতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির যথাযথ সমন্বয়ের জন্য নিয়মিত আলোচনা কার্যক্রম প্রথাগতভাবেই অব্যাহত থাকবে। তবে, বেসরকারি খাতের জন্য বৈদেশিক উৎসের বাণিজ্যিক ঋণ গ্রহণ উন্মুক্ত থাকায় এবং ব্যাংকগুলোর কেনা টাকা-ট্রেজারি বন্ডের বৈদেশিক চাহিদা সৃষ্টি হওয়ায় ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার কারণে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণ যোগান অপর্যাপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা বস্তুত আর নেই। বিভিন্ন উৎপাদনমুখী খাতে অর্থায়ন সুলভতর করার জন্য মুদ্রানীতি প্রোগ্রামের আওতায় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান সমর্থন উদ্যোগগুলো জোরদার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্ধিত মাত্রায় বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে স্থানীয় মুদ্রা বাজার থেকে চলতি মূলধনের পাশাপাশি মেয়াদি ঋণ গ্রহণও বিদেশি মালিকানার শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, মূল মালিক পক্ষ থেকে সুদবিহীন চলতি মূলধন ঋণ গ্রহণও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এসব কিছুই করা হয়েছে বিনিয়োগকে উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে। আতিউর রহমান জানান, অর্থনীতির বহিঃখাতে সামর্থের স্থিতিশীলতা ও সঙ্গতি সুসংহত রাখাও নতুন অর্থবছরের মুদ্রানীতি প্রোগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ফোকাস। দেশে বিনিয়োগ কার্যক্রম গতিশীল হওয়ার সূত্রে অর্থবছর ১৫ এ বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত এবং বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ বৃদ্ধির মাত্রা আগের চেয়ে কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, এ কারণে বৈদেশিক খাতে পরিশোধ-সঙ্গতি উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে না। রেমিট্যান্স : প্রবাসী আয়ের নিম্নগতির প্রসঙ্গ টেনে আতিউর রহমান বলেন, বিগত অর্থ বছরের প্রথম ৬ মাস প্রবাসী আয় কিছু কমে যায়। তবে পরের ৬ মাসে আবার প্রবাসী আয়ে গতি এসেছে। এই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য জনশক্তি রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে বিরাজমান মন্দাভাব থেকে উত্তরণের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হবে। একই কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শক আল্লাহ মালিক কাজমী। মূল্যস্ফীতি : বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রানীতিতে বলছে, এই নীতির কার্যকর প্রয়োগের সূত্রে গড় বার্ষিক ভোক্তা মূল্যস্ফীতি ২০১৪ সালের জুনে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ৭ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছুটা বেশি দাঁড়ালেও নিম্নগামী। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির অনেকটা কম ৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ। তাই মূল্যস্ফীতির এবারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে সাড়ে ৬ শতাংশ। পুঁজিবাজারবান্ধব : গভর্নর তার বক্তব্যে বলেন, মুদ্রানীতি পুঁজিবাজার বান্ধব। এই মুদ্রানীতি পুঁজিবাজারে স্বস্তি আনবে। এক প্রশ্নের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর বলেন, মুদ্রানীতিতে শুধু ইঙ্গিত করা হয়েছে এটি পুঁজিবাজার বান্ধব। বিস্তারিত কর্মসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। বেসিক ব্যাংক : বেসিক ব্যাংকের অর্থ পাচারের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করে দেখছে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেন, বিষয়টি অতি গোপনীয়তার সঙ্গে করা হচ্ছে। তদন্ত করে কিছু পাওয়া গেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদককে বলা হবে ব্যবস্থা নিতে। আতিউর রহমান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি যেভাবে আছে সেটি অব্যাহত থাকতে হবে। প্রবৃদ্ধির জন্য রাজনীতিকসহ সবাইকে কাজ করতে হবে। এখানে স্থিতিশীলতার বিষয়টি জরুরি।
  • ঈদে পুঁজিবাজার ৯দিন বন্ধ, লেনদেন ৩ আগস্ট
    স্টাফ রিপোর্টার : পবিত্র ইদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ৯ দিন বন্ধ রয়েছে। এ উপলক্ষে ২৭ জুলাই, রোববার থেকে ৩১ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। ডিএসই জানায়, পবিত্র ইদুল ফিতর উপলক্ষে পুঁজিবাজারের লেনদেন ২৭ জুলাই, রোববার থেকে ৩১ জুলাই, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর পরবর্তী দুদিন ১ আগস্ট, শুক্র ও ২ আগস্ট, শনিবার সাধারণ ছুটি। অন্যদিকে, ২৫ জুলাই, শুক্রবার ও ২৬ জুলাই, শনিবার সাধারণ ছুটি হওয়ায় সব মিলে ছুটি ৯দিন নির্ধারিত হয়। ঈদ পরবর্তী  আগামী  ৩ আগস্ট, রোববার থেকে ডিএসইর লেনদেন যথা সময়ে শুরু হবে। ডিএসই জানায়, ডিএসইর অফিসের সব কার্যক্রম এই সময়ে বন্ধ থাকবে। ঈদের পর ৩ আগস্ট, রোববার থেকে ডিএসইর অফিস সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত চলবে। তবে শেয়ার লেনদেন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত যথারীতি চলবে বলে জানায়।
  • মুদ্রানীতি ঘোষণা, মেয়াদি ঋণ পাচ্ছে বিদেশি শিল্প প্রতিষ্ঠান
    সিনিয়র রিপোর্টার : বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে স্থানীয় মুদ্রা বাজার থেকে চলতি মূলধনের পাশাপাশি মেয়াদি ঋণগ্রহণও বিদেশি মালিকানাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। শনিবার চলতি অর্থবছরের (২০১৪-১৫) প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর ২০১৪) জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর ড. আতিউর রহমান এ কথা বলেন। ড. আতিউর রহমান বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে এই মুদ্রানীতিতে বেশকিছু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল মালিক পক্ষ থেকে সুদবিহীন চলতি মূলধন ঋণ গ্রহণও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর ২০১৪) জন্য বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে লক্ষ্যমাত্রা আড়াই শতাংশ কমেছে। গত অর্থবছরের কেবল মাত্র বেসরকারি ঋণপ্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল। তবে বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে এই খাতে ঋণপ্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, অর্থবছর ২০১৫ এর প্রথমার্ধের জন্য মুদ্রানীতি প্রোগেম ডিসেম্বর ২০১৪ নাগাদ রিজার্ভ মুদ্রা ও ব্যাপক মুদ্রার প্রবৃদ্ধি প্রক্ষেপিত হয়েছে যথাক্রমে সাড়ে পনের ও ১৬ শতাংশ। বৈদেশিক উৎসের আমদানি অর্থায়নসহ বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি প্রক্ষেপিত হয়েছে সাড়ে ১৬ শতাংশ। যা এই ষান্মাসিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধির যে কোনো বাস্তবসম্মত উচ্চতর মাত্রা অর্জনের জন্য পর্যাপ্ত হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী বলেন, পুঁজিবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। এসকে সুর বলেন, যে সব ব্যাংকের ২৫ শতাংশের কম বিনিয়োগ রয়েছে তাদের বিনিয়োগে উৎসাহী করা হবে। আর এবারের মুদ্রানীতি বিগত মুদ্রানীতির মতোই বিনিয়োগবান্ধব। এদিকে মুদ্রানীতি ঘোষণায়, পুঁজিবাজার তত্ত্বাবধায়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা নিচ্ছে। উদ্যোক্তাদের জন্য প্রাইভেট ইক্যুইটি অর্থায়নের যোগান সুগম করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এ বিষয়ে বিদ্যমান বিধি-ব্যবস্থা পর্যালোচনা করছে। ঘোষিত মুদ্রানীতিতে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।
  • কেপিসিএলের ইপিএস কমেছে ৯ শতাংশ
    ডেস্ক রিপোর্ট : শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের। চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (মার্চ-জুন) কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি ১ টাকা ৩০ পয়সা আয় করেছে। গত বছর দ্বিতীয় প্রান্তিকে আয় ছিল ১ টাকা ৪৩ পয়সা। গত বছরের তুলনায় কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ১৩ পয়সা বা প্রায় ৯ শতাংশ। তবে দুই প্রান্তিক মিলিয়ে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (কেপিসিএল) ইপিএস গতবছরের চেয়ে বেড়েছে। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২১ পয়সা।গতবছর দ্বিতীয়ার্ধ শেষে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ১২ পয়সা।
  • বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে করা আইন বাস্তবায়নে কালক্ষেপণ
    বিশেষ প্রতিনিধি : ব্যবসায়ীদের ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙতে করা ‘প্রতিযোগিতা আইন-২০১২’ নিজেই যেন সিন্ডিকেটের কবলে পড়েছে। আইনটি পাস হওয়ার প্রায় দুবছর অতিক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত এর বিধিমালা চূড়ান্ত করতে পারেনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গঠন করা হয়নি প্রতিযোগিতা কমিশনও। ফলে আইনটির প্রয়োগ শুরু হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, নিজেদের স্বার্থহানি ঘটার আশঙ্কায় অসাধু ব্যবসায়ীদের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এই প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে। এ জন্য বিভিন্ন মহলে মোটা অংকের টাকা ঢেলেছে তারা। সুস্থ প্রতিযোগিতাকে উৎসাহিত করতে বাজারে ষড়যন্ত্রমূলক যোগসাজশ, একক বাজার দখল, কিছু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বাজার নিয়ন্ত্রণ অব্যবস্থাপনা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে ২০১২ সালে এই আইনটি পাস হয়। আইন অনুযায়ী একজন চেয়ারপার্সন ও অনধিক ৪ জন সদস্য নিয়ে দ্রুততম সময়ে একটি কমিশন গঠন করার কথা। অর্থনীতি, বাজার সম্পর্কিত বিষয় বা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইনবিষয়ক কর্মকাণ্ডে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা কমিশনের চেয়ারপার্সন ও সদস্য হতে পারবেন। সে অনুযায়ী কমিশন গঠনের আগে শুরু হয় বিধিমালা তৈরির কাজ। তবে গত দুবছরে বিধিমালার একটি খসড়া তৈরি হয়েছে মাত্র। সূত্র জানায়, সম্প্রতি এটি যাচাই-বাছাই চলছে। এই আইনটি কার্যকর হলে বাজার সিন্ডিকেট ভাঙা অনেকটাই সহজ হবে। এছাড়া মাত্রাতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের জন্য ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন প্রকার কৌশল, অসত্য প্রচারণা চালিয়ে পণ্য বিক্রির চেষ্টা, মজুদদারী, প্রতিযোগী ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে উৎপাদন মূল্যের চেয়ে কম দামে পণ্য বিক্রি ইত্যাদির বিরুদ্ধেও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া যাবে এই আইনে। এই আইনটি নিয়ে গবেষণা করছেন এমন একজন আইনজীবী ব্যারিস্টার সাবির হোসেন বলেন, এই আইনের বলে কমিশন কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা স্বপ্রণোদিত হয়ে যে কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতাবিরোধী  চুক্তি, কর্তৃত্বময় অবস্থান বা অনুশীলনের তদন্ত করতে পারবে। এ জন্য তারা ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র দেখতে ও এসবের অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারবে। তিনি বলেন, অনেক অসাধু ব্যবসায়ী কম দামে পণ্য কিনে বা উৎপাদন করে তা সিন্ডিকেট করে চড়া দামে বিক্রি করেন। কিন্তু সরকার চাইলেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে না। কারণ তাদের প্রকৃত আমদানি খরচ, উৎপাদন খরচ বা মজুদ ইত্যাদি জানার জন্য বাজার মনিটরিংয়ে নিয়োজিত কোনো কর্তৃপক্ষ আইনানুগভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ছিল না। নতুন এই আইনটির কারণে কমিশন সেসব কাগজপত্র দেখার, সংগ্রহ করার ও মামলা করার আইনগত অধিকার পাবে। আইনে অসাধু ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ভোক্তা অধিকার নাগরিক আন্দোলন কমিটির সদস্য নিয়ামত ইলাহী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ জাতীয় আইন রয়েছে। এর প্রয়োগের ফলে সে সব দেশে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। ব্যবসায়ীরাও আগের চেয়ে বেশি সচেতন হয়েছেন। তিনি বলেন, কিন্তু রহস্যজনক কারণে এর বাস্তবায়নে সরকার অনেক বেশি সময় নিচ্ছে। এর পেছনে ব্যবসায়ীদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, তারা জানতে পেরেছেন নানা অজুহাতে আমলারা কালক্ষেপণ করছেন। এই ফাঁকে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট শত শত কোটি টাকা বাজার থেকে অনৈতিকভাবে হাতিয়ে নিয়েছে। তিনি বলেন, এই অর্থের ভাগ অনেকেরই পকেটে গেছে বলে তারা মনে করেন। তাই ভোক্তা স্বার্থরক্ষায় দ্রুত কমিশন গঠন করে সেখানে দক্ষ জনবল নিয়োগের দাবি তোলেন তিনি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, কমিশন গঠন না হলেও একজন যুগ্ম সচিবকে ‘কমিশনের সচিব’ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রথমে কমিশন সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান সুজায়েত উল্লাহ। পরে এ পদে পরিবর্তন আসে। বর্তমানে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আনিস আহমেদ। কমিশন সচিবদের মূল কাজ হচ্ছে খসড়া প্রণয়ন কমিটিকে বিধিমালা তৈরিতে সহযোগিতা করা। এ প্রসঙ্গে কমিশনের সচিব আনিস আহমেদ বলেন, মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বিধিমালা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। এর মাধ্যমে নিয়োগবিধি চূড়ান্ত হলে দ্রুতই কমিশন গঠন প্রক্রিয়া শুরু হবে। ইচ্ছাকৃতভাবে কালক্ষেপণের অভিযোগটি সঠিক নয় বলে এ সময় মন্তব্য করেন তিনি। বাজার বিশেষজ্ঞরা জানান, ব্যবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেট বেশি মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে বাজারে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত বা নানাভাবে বিঘ্নিত করে। পণ্যমূল্যের ক্ষেত্রে তারা কর্তৃত্বময় ভূমিকায় নামে এবং পণ্যের অযৌক্তিক মূল্য বাড়িয়ে তা বাজারে ছাড়ে। এতো কিছুর পরও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থ্য নেয়ার আইনি কোনো হাতিয়ার সরকারের কাছে ছিল না। সে কারণেই প্রতিযোগিতা আইনটি করা হয়। এই আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ হলে ব্যবসায়ীদের নৈতিকতা বৃদ্ধি, পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ের প্রসার, নতুন নতুন শিল্পোদ্যোক্তা গড়ে ওঠা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং মুক্ত বাণিজ্যের প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতিতেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা টিকে থাকতে পারবেন। তারা আরো জানান, আইনটি প্রয়োগ করা হবে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে কোনো পণ্য বা সেবার ক্রয়-বিক্রয়, উৎপাদন, সরবরাহ, বিতরণ ও পণ্য গুদামজাতকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে। তারা বলেন, ভোক্তাস্বার্থ সুরায় প্রতিযোগিতা আইনটি পাস হয় ২০১২ সালের ২১ জুন। দীর্ঘ দুবছর অতিবাহিত হলেও এটি আলোর মুখ দেখেনি। বলা হচ্ছে, বিধিমালা প্রণয়ন না হওয়ায় কমিশন গঠন করা যাচ্ছে না। ফলে ভোক্তা এ আইনের সুফল থেকে বঞ্চিত থাকছে। বিধিমালা তৈরিতে কেন এতো দেরি হচ্ছে, তাও বোধগম্য নয়। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এদিকে আইনটির সঠিক প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর এ প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশে এমনিতেই বহু আইন রয়েছে যেগুলোর প্রয়োগ একেবারেই হয় না বললেই চলে। আর এই আইনটি অকার্যকর করার পেছনে অনেক অর্থশালী ব্যবসায়ী স্বাভাবিকভাবেই কলকাঠি নাড়বেন বলে মনে করা যেতে পারে। তাই এমন পরিস্থিতিতে এই আইনটি কিভাবে কার্যকর হবে এবং কতোটা হবে, তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, শাস্তির বিষয়টি নিয়ে প্রথমদিকে বেশি বেশি বলা হলেই এর বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দেখা দেয়। আমরা অনেক কমিশনকে দেখেছি অনেকটা নিধিরাম সর্দারের মতোই। তাই এই কমিশনও যদি একই ধরনের হয় তবে এই আইন থাকা অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ আরো বাড়িয়ে দেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একজন সাধারণ ভোক্তা বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক আলমগীর হোসেন বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ এই আইনের বাস্তবায়নে কালপেণকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটা আমলাতান্ত্রিক অদতা নাকি ইচ্ছকৃত সুবিধাভোগী আচরণ তা খতিয়ে দেখতে হবে।
  • ঘোষণা হচ্ছে শনিবার নতুন মুদ্রানীতি, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়বে
    স্টাফ রিপোর্টার : মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে শিল্প বিনিয়োগ বৃদ্ধির ল্যমাত্রা নিয়ে নতুন মুদ্রানীতি প্রণয়ন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণের সুদ হার কমানো ছাড়াও চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে পুঁজিবাজারবান্ধব পদপেক্ষ থাকার কথাও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। গভর্নর ড. আতিউর রহমান ছয় মাস মেয়াদি (জুলাই-ডিসেম্বর) এ মুদ্রানীতি শনিবার ঘোষণা করবেন। সূত্র জানায়, নতুন মুদ্রানীতির ধরন এবং মুদ্রা ও ঋণ সরবরাহের কর্মসূচি ঠিক করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে কয়েক দফা  বৈঠক করেছেন। তারা বিভিন্ন ব্যাংকের এমডির সঙ্গে ঋণ সুদ হার নির্ধারণ নিয়েও বৈঠক করেন। তবে আগামী মুদ্রানীতির মূল চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। জানা গেছে, গত জুনে পয়েন্ট টু পয়েন্টে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ০৫ শতাংশ। একই সময়ে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এর আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ। সরকার মূল্যস্ফীতির ল্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সর্বোচ্চ সাড়ে ৭ শতাংশ। তবে রমজানে প্রায় সব ধরনের পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সব খাতেই মূল্যস্ফীতি প্রায় ৯ শতাংশের কাছাকাছি দাঁড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, ৭ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য বেসরকারি খাতে ১৮ শতাংশ বার্ষিক ঋণ প্রবৃদ্ধি যথেষ্ট হলেও এই মাত্রা আরো কিছুটা বাড়বে। তবে ঋণের অপব্যবহার হলে উৎপাদনমুখী কর্মকা- বিঘিœত হবে এবং সেদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ মনোযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ঋণের সুদ হার বাজারভিত্তিক হলেও নৈতিক চাপ সৃষ্টি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। নতুন মুদ্রানীতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী  জানিয়েছেন, সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে ধারণা দিয়ে ব্যাংক নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি ও বিনিময় হার ইত্যাদি সব বিষয়ে আমরা বলেছি। পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো অর্থনীতির জন্য এই মুহূর্তে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আমরা সচেষ্ট রয়েছি।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • অ্যালায়েন্স দিচ্ছে ১০ কোটি ডলার
    বাংলাদেশের পোশাক কারখানা ভবনের অবকাঠামো, অগি্ন ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তায় ১০ কোটি ডলারের সহযোগিতা দিচ্ছে উত্তর আমেরিকার ক্রেতা জোট অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি। ২৬ ব্র্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত এ জোটের ক্রেতারা ৫৮৭ কারখানার উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় করবে। এসব কারখানা থেকে ব্র্যান্ড কোম্পানিগুলো পোশাক কিনে থাকে। এ ছাড়া অ্যাকর্ডের পরিদর্শনে ত্রুটি চিহ্নিত বন্ধ কারখানার শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে অর্থ সহায়তা হিসেবে ৪ মাসের বেতন দেওয়া হচ্ছে।     'বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের জীবন ও জীবিকা সুরক্ষা' শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশে অ্যালায়েন্সের কার্যক্রমের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে গত মঙ্গলবার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে । গত বছরের ২৪ এপ্রিল সাভারে রানা প্লাজা ধসের পর পোশাক কারখানার নিরাপত্তার মান নিয়ে সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে উত্তর আমেরিকার ২৬টি ব্র্যান্ডের সমন্বয়ে এই জোট গঠিত হয়। ৫ বছরের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে এ দেশের পোশাক কারখানার মান উন্নয়নে কাজ করার কথা জোটের। এ সময় রফতানি আদেশ প্রত্যাহার করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বৃহত্তম এ পশ্চিমা ক্রেতাদের জোট থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কংগ্রেসম্যান ইলেন টাউসের অ্যালয়েন্সের নিরপেক্ষ সভাপতি। এদিকে অ্যালায়েন্স সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে নিরাপত্তামান যাচাই শেষে এখন সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ২৪০ কারখানাকে সংস্কারের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে এ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিদর্শনে বড় ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটির কারণে ৫টি কারখানা বন্ধ এবং অপর ৫টি স্থানান্তরের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। অ্যালায়েন্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১০ কোটি ডলারের তহবিল থেকে সংস্কার চলছে এমন কারখানা কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনের ভিত্তিতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ইন্টারন্যশনাল ফিন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) মাধ্যমে এই ঋণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তা ছাড়া জোটের সদস্য ব্র্যান্ডগুলো সরাসরিও কারখানা কর্তৃপক্ষকে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে। এই জোট গঠনের সময় কারখানা সংস্কারে মালিক কর্তৃপক্ষকে স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। গত এক বছরে অ্যালায়েন্সের সাফল্যের কথায় প্রতিবেদনে বলা হয়, কারখানার অগি্ন ও কাঠামো নিরাপত্তায় অভিন্ন মানদণ্ড নির্ধারণ এবং বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পরিদর্শনে বন্ধ এক হাজার শ্রমিকের ৪ মাসের বেতন দেওয়া হয়েছে। পোশাক খাতের অগি্ন, বৈদ্যুতিক কাঠামো নিরাপত্তায় ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে এসব যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে সরকার। তা ছাড়া নিজস্ব অগি্ন নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ মডিউলের আওতায় ১০ লাখ শ্রমিক এবং কর্মকর্তাকে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ঢাকায় নিরপত্তা সামগ্রীর প্রদর্শনীর সফল আয়োজন করা হয়েছে। ৫০ কারখানায় অ্যালায়েন্সের নিরাপত্তা হেলপলইন করা হয়েছে। সমন্বিত বেইজলাইন সার্ভে করা হয়েছে। এসব কাজে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহির বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে অ্যালেয়েন্সের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক বছরে জোটের সাফল্যের পেছনে রয়েছে সরকারি-বেসরকারি সব পক্ষের সহযোগিতা। সরকার, বিজিএমইএ, শ্রমিক প্রতিনিধি ও সিভিল সোসাইটির ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটির (অ্যাকর্ড) বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনে।     Source :  সমকাল রিপোর্ট
  • ইনভেস্টরস প্রোটেকশন ফান্ড আধুনিকায়নের উদ্যোগ
    স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে ইনভেস্টরস প্রোটেকশন ফান্ড আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিশেষ করে বিনিয়োগকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রেকহোল্ডার ব্যর্থ হলে ওই ফান্ড থেকে তা সরবরাহ করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন করে তা হালনাগাদ করেছে বিএসইসি। মঙ্গলবার বিএসইসির ৫২৩তম কমিশন সভায় ইনভেস্টরস প্রোটেকশন ফান্ড গঠন সংক্রান্ত আইন সংশোধন করে তা অনুমোদন দেয়া হয়েছে। নতুন আইনে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ডে যে পরিমাণ টাকা আছে, তা নতুন আইনানুসারে স্থানান্তরিত হবে। এ ফান্ড বিএসইসির অনুমোদিত ট্রাস্টি বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হবে। ওই পর্ষদের চেয়ারম্যান হবেন স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় এমন একজন। ট্রাস্টি বোর্ডের অনুমোদিত তিনজনের মধ্যে থেকে একজন চেয়ারম্যান হবেন। আর ট্রাস্টি বোর্ডে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ দুইজন মনোনীত পরিচালক থাকবেন। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে থেকে একজন থাকবেন। বিএসইসি প্রতিবছর জানুয়ারি মাসে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ নিবে। ফান্ড ব্যবস্থাপনার যাবতীয় সকল দায়িত্ব থাকবে ট্রাস্টি বোর্ডে। ট্রাস্টি বোর্ডকে বছরে তিনটি বৈঠক করতে হবে। যা একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে। সব ট্রেকহোল্ডার কেন এ ফান্ডে অংশগ্রহণ করতে হবে। যদি কোন ট্রেকহোল্ডার ফান্ডে অংশগ্রহণ না করে তাহলে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তার ট্রেডিং রাইট বন্ধ রাখা হতে পারে। টাকা জমা দিলে তা প্রত্যাহার করা হবে। ডিএসইর প্রতিটি প্রান্তিকের শেষে লিস্টিং ফি দশমিক ৫০ শতাংশ ফান্ডে জমা দিতে হবে। এ ছাড়া লেনদের ওপর প্রতি প্রান্তিকে ১০ লাখ টাকায় এক টাকা দিতে হবে ট্রেকহোল্ডারদের। ফান্ড গঠনের শুরুতে যেসব ট্রেকহোল্ডার সম্পৃক্ততা থাকবে তারা এ সুবিধা ভোগ করবেন। পরবর্তী সময়ে কোন ট্রেকহোল্ডার ওই ফান্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে তাদের অতিরিক্ত এক লাখ টাকা দিতে হবে। এ ফান্ডের টাকা যে কোন খাতে ব্যবহার করা যাবে। তবে ফান্ডের টাকা দিয়ে শেয়ার ব্যবসা করা যাবে না। ফান্ড অনুমোদনের বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোঃ সাইফুর রহমান বলেন, ফান্ডটি অনুমোদনের বিষয়ে তিনি শুনেছেন। অন্যদিকে প্রধান পুুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা বলেন, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে ইনভেস্টরস প্রোটেকশন ফান্ডের আইন-কানুন আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছে বিএসইসি। বিশেষ করে স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজড হওয়ার কারণেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়। তাই আমরা বিদ্যমান আইনটিতে কিছু ধারা সংশোধন ও সংযোজন করে তা হালনাগাদ করে বিএসইসির অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছি। বিএসইসি সার্বিক দিক বিবেচনা করে তা অনুমোদন দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইনভেস্টরস প্রোটেকশন ফান্ডের বিদ্যমান আইনের এনফোর্সমেন্টে কিছু দুর্বলতা ছিল। আমরা তা সংশোধন করে দিয়েছি। আশা করছি সংশোধিত নতুন আইন আরও শক্তিশালী হবে। যা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এ দিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাজিদ হোসেন বলেন, ইনভেস্টরস প্রোটেকশন ফান্ড ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিমে অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। এই রেগুলেশনকে আরও যুগোপযুগী করতে বিএসইসি তা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। যা মঙ্গলবারে অনুমোদন করা হয়েছে।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • ৬৯ ভাগ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ
    অর্ধবার্ষিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৬ কোম্পানি। এর মধ্যে মুনাফা বেড়েছে ১১টির এবং কমেছে ৫টির। অর্থাৎ ৬৯ শতাংশ কোম্পানির মুনাফা আগের তুলনায় বেড়েছে। মুনাফা বাড়া কোম্পানিগুলো হলো : স্কয়ার টেক্সটাইল, বিচ হ্যাচারি, জেএমআই সিরিঞ্জ, বিজিআইসি, আরামিট লিমিটেড, সামিট এলায়েন্স পোর্ট, পূবালী ব্যাংক, এএফসি এগ্রো, রেকিট বেনকিজার, পিপলস ইন্স্যুরেন্স ও ঢাকা ইন্স্যুরেন্স। অন্যদিকে মুনাফা কমা কোম্পানিগুলো হলো : ইস্টার্ন ব্যাংক, সিঙ্গার বিডি, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স ও রূপালী ব্যাংক। মুনাফা বাড়া কোম্পানিগুলো হলো : স্কয়ার টেক্সটাইল ॥ অর্ধবার্ষিকে স্কয়ার টেক্সটাইলের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৪৭ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ৩.২০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ও ৩.১০ টাকা। বিজিআইসি ॥ বিজিআইসির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৯২ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.৪৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৭ কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ১.৩৮ টাকা। বিচ হ্যাচারি ॥ আলোচিত সময়ে বিচ হ্যাচারির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৮৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ০.৪৬ টাকা। রেকিট বেনকিজার ॥ আলোচিত বার্ষিকীতে রেকিট বেনকিজারের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৫৯ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১৮.১৮ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ১৩.৩৭ টাকা। জেএমআই সিরিঞ্জ ॥ জেএমআই সিরিঞ্জের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ২.২৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১.২০ টাকা। পিপলস ইন্স্যুরেন্স ॥ অর্ধবার্ষিকে পিপলস ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.২১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ১.১৪ টাকা। ঢাকা ইন্স্যুরেন্স ॥ অর্ধবার্ষিকে ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৮৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.৩০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৫৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ১.২২ টাকা। সামিট পোর্ট ॥ অর্ধবার্ষিকে সামিট এলায়েন্স পোর্টের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে সমন্বিত আয় ০.৪৮ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ও ০.৪১ টাকা। আরামিট লিমিটেড ॥ অর্ধবার্ষিকে আরামিট লিমিটেডের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৩২ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ৭.২০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ৬.৫৬ টাকা। পূবালী ব্যাংক ॥ অর্ধবার্ষিকে পূবালী ব্যাংকের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ১৬৩ কোটি ৫৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.৮৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১১২ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ১.২৮ টাকা। এএফসি এগ্রো ॥ অর্ধবার্ষিকে এএফসি এগ্রোর কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৮২ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.৪২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৮৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ০.৭০ টাকা। মুনাফা কমা কোম্পানিগুলো হলো : ইস্টার্ন ব্যাংক ॥ ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্ধবার্ষিক (জানু ’১৪-জুন ’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইস্টার্ন ব্যাংকের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৯৪ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.৫৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৯৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ও ১.৬০ টাকা। সিঙ্গার বিডি ॥ অর্ধবার্ষিকে সিঙ্গার বিডির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৯ কোটি ২৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ৩.১৪ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২০ কোটি ৮১ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ৩.৩৯ টাকা। হাইডেলবার্গ সিমেন্ট ॥ অর্ধবার্ষিকে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮১ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১৪.৪৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৮৬ কোটি ২৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ১৫.২৭ টাকা। পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স ॥ অর্ধবার্ষিকে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১২ কোটি ৭০ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ২.৫০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১২ কোটি ৭৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ২.৫১ টাকা। রূপালী ব্যাংক ॥ অর্ধবার্ষিকে রূপালী ব্যাংকের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ২৮ কোটি ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.৩৮ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৭৪ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ৩.৫৭ টাকা।   Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ  
  • ডলার কিনে মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
    টাকা ও ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে বাজার থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রচুর পরিমাণে ডলার কিনছে। এতে সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে বাজার থেকে ৫১৫ কোটি ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, ২০১২-১৩ অর্থবছরে বাজার থেকে ৪৭৯ কোটি ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। বছর শেষে প্রতি ডলারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৭৭ দশমিক ৬৩ টাকা। আগের বছর এই বিনিময় হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৬ টাকা। গত ব্যাংকার্স সভায় ডলার কেনা প্রসঙ্গে গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, টাকা ও ডলারের বিনিময় হার ‘স্থিতিশীল’ রাখতেই আগের বছরের তুলনায় বেশি ডলার কিনতে হয়েছে।  তিনি বলেন, গত অর্থবছরে যে পরিমাণ রফতানি আয় ও রেমিট্যান্স এসেছে, সেই অনুপাতে আমদানি ব্যয় হয়নি। ফলে দেশে ডলারের মজুত বেড়েছে। অর্থ বাজারের বিশ্লেষকরা বলছেন, টাকা ও ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক অতিরিক্ত ডলার কিনছে। কিন্তু এতে করে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। তবে ব্যাংকারদের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংক নানা ধরনের নীতি-কৌশল দিয়ে বাজার থেকে ডলার তুলে নিচ্ছে। নগদে নয়, বাকিতে বা বন্ডের বিনিময়ে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে করে তাদের আয়ে টান পড়ার তথ্য দিয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৬৯৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে ইপিবির তথ্যানুযায়ী, সদ্যসমাপ্ত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে রফতানি আয় হয়েছে ৩ হাজার ১৮ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১১ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি। আর প্রবাসীরা ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মোট ১ হাজার ৪২২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বিআইডিএসের পরিচালক জায়েদ বখত বলেন, রফতানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ধারা ধরে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনে থাকতে পারে। একই কারণে ব্যাংক ডলারের বড় মজুত গড়তে পেরেছে বলেও মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ। কিন্তু এভাবে ডলার কিনলে অর্থনীতিতে মুদ্রা সরবরাহ বেড়ে যাবে। এর ফলে মূল্যস্ফীতিও বাড়তে পারে। সম্প্রতি ব্যাংকগুলোর নিজস্ব হিসাবে বৈদেশিক মুদ্রা মজুতের সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলধনে ঘাটতি নেই এমন ব্যাংকগুলো এখন থেকে ১৫০ কোটি ডলার পর্যন্ত নিজেদের কাছে মজুত রাখতে পারে, যা আগে ছিল ১১৩ কোটি ডলার। বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহ ব্যাপক হারে বাড়ায় চলতি অর্থবছরের প্রথম দিন থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স, আমদানি, রফতানিসহ নানা কারণে বৈদেশিক মুদ্রা জমা হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রয়োজনে ব্যাংকগুলো কিছু অর্থ নিজস্ব হিসাবে জমা রাখতে পারে। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, একটি ব্যাংক তার মোট মূলধনের ১৫ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা নিজের কাছে মজুত রাখতে পারে। তবে মোট মূলধন নিয়মিত ওঠানামা করায় কোন ব্যাংক কত বৈদেশিক মুদ্রা জমা রাখতে পারবে সময়ে সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা ঠিক করে দেয়। কোনো ব্যাংকে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ জমা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে তা জমা করতে হয়। এর আগে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা রাখার পরিমাণ বাড়িয়ে ৮১ কোটি ডলার করা হয়। গত বছরের এপ্রিলে এই সীমা আরও বাড়িয়ে করা হয় ১১৩ কোটি ডলার। বর্তমানে বায়ার্স ক্রেডিট ও ইউপাস এলসির মাধ্যমে বেসরকারি উদ্যোক্তারা বিদেশ থেকে প্রচুর ঋণ নিচ্ছেন। রেমিট্যান্সে নেতিবাচক প্রবাহ থাকলেও আগের তুলনায় রফতানি বেড়েছে। এর বাইরে বিভিন্ন দাতা সংস্থার ঋণ ও অনুদানের হারও বেড়েছে। এসব কারণে সাম্প্রতিক সময় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদার তুলনায় জোগান বেশি রয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলোর কাছে অতিরিক্ত অর্থ জমার পর তা কিনে নিতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে প্রায় ৪৫০ কোটি ডলার বৈদেশিক মুদ্রা কিনেছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২১শ’ কোটি ডলারের ওপর দাঁড়িয়েছে।     Source : সকালের খবর
  • পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন কমেছে
    সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে সূচকের পাশাপাশি কমেছে আর্থিক ও শেয়ার লেনদেন। এদিন লেনদেনের শুরুতে বাজার কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা স্থায়ী হয়নি। দিনশেষে উভয় পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন কমেছে। গতকাল প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৩৫ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৩৮৮ পয়েন্টে নেমে আসে। এ সময় লেনদেন হওয়া ২৯৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৯০টির, কমেছে ১৬০টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭টি কোম্পানির। টাকার অঙ্কে লেনদেন হয়েছে ৩১৮ কোটি ৮৬ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। এদিন ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেডের। এদিন এ কোম্পানির ১ কোটি ৬৭ লাখ ৬৫ হাজার ৮০০টি শেয়ার ৬০ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৮০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। অন্যদিকে অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১০৪ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৪৯১ পয়েন্টে নেমে আসে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২০৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৪৯টির, কমেছে ১১৮টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির। দিনশেষে সিএসইতে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৪ কোটি ৭৮ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।   Source : সকালের খবর
  • দুই পুঁজিবাজারের লেনদেন নিম্নমুখী
    মূল্য সূচকের পাশাপাশি টাকার পরিমাণে লেনদেন কমেছে গতকাল বুধবার। এ দিন দেশের উভয় পুঁজিবাজারে দিনের শুরু থেকে নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করে। দিনশেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের  চেয়ে ৩৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৩৮৮ পয়েন্টে। এ সময়ে লেনদেন হওয়া ২৯৭টি  কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৯০টির, কমেছে ১৬০টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৩১৮ কোটি ৮৬ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। গতকাল সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেডের। এ দিন এ কোম্পানির ১  কোটি ৬৭ লাখ ৬৫ হাজার ৮০০টি শেয়ার ৬০ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৮০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। গত মঙ্গলবার ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৪ হাজার ৪২৪ পয়েন্টে। ওই দিন লেনদেন হয় ৩৭৫ কোটি ৬৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সে হিসাবে গতকাল ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৫৬ কোটি ৭৭ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। দিনশেষে অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের  চেয়ে ৬৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৩২১ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২০৪টি  কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৪৯টির, কমেছে ১১৮টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার পরিমাণে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।     Source : দৈনিক ইনকিলাব
  • সৌদি স্টক এক্সচেঞ্জ বিদেশিদের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে
    শিগগিরই আরব বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ারবাজার সৌদি স্টক মার্কেট বিদেশিদের ব্যবসা করার অনুমতি দেয়া হচ্ছে। সৌদি তাদাউল স্টক মার্কেটের বাজার মূলধন ৫৩ হাজার কোটি ডলার।   দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষারত বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সরকারের অনুমতি পেয়েছে। সৌদি সরকার সে দেশের বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ক্যাপিটাল মার্কেট অথরিটি বা পুঁজিবাজার কর্তৃপক্ষকে সৌদি স্টক মার্কেটে বিদেশিদের শেয়ার কেনাবেচার অনুমোদন দেয়ার ক্ষমতা দিয়েছে। বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘যখন সঠিক মনে করবে সেই সময়’ এ অনুমোদন দেবে। সৌদি সরকারি বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সিতে এ সংবাদ দেয়া হয়েছে।   সৌদি সরকারের এই উদ্যোগ কেবিনেট বা মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদন পেয়েছে। তবে বিদেশিদের জন্য পুঁজিবাজার খুলে দেয়ার কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়নি। সৌদি বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এখন বিস্তারিত পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত করার পর্যায়ে রয়েছে। এটি সম্পন্ন হলেই সময়সীমা ঘোষণা করা হবে।   এ বছর সৌদি তাদাউল স্টক সূচকের বেঞ্চমার্ক ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় শেয়ার ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, বিদেশিদের জন্য বাজার খুলে দিলে এটি খুব দ্রুত আরো বৃদ্ধি পাবে।   ২০০৮ সালে সৌদি আরব বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সোয়াপের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে বাজারে প্রবেশের অনুমতি দেয়া শুরু করে। তবে বিদেশিদের জন্য বাজার পুরোপুরি খুলে দিতে দ্বিধান্বিত ছিল এবং বিষয়টি দীর্ঘ আলোচনার পর্যায়ে ছিল। বৃহৎ সব সৌদি কোম্পানির মালিকানা বিদেশিদের হাতে যাবে এ আশঙ্কায় এ উদ্যোগটি বিলম্বিত হয়। এসব কোম্পানির বড় অংশই তেলের বিশাল রাজস্বের সরকারি ব্যয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত। আর এর মূল দাতা সৌদি জনগণ। বৈশ্বিক আর্থিক সংকট এবং আরব বসন্তের ধাক্কা আঞ্চলিক বাজারগুলো কাটিয়ে ওঠার পর বিনিয়োগকারীরা চাঙ্গা হওয়ায় গত দুই বছরে সৌদি তাদাউল সব শেয়ার সূচক ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার শুধু তেল ও গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল না থেকে অর্থনীতিকে বহুমুখীকরণ করতে চায়। এটিই বিদেশিদের জন্য শেয়ারবাজার উন্মুক্ত করার ব্যাপারে উৎসাহ জুগিয়েছে। এর মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করে তেল ও গ্যাসের বাইরেও অর্থনৈতিক কর্মকা-কে সম্প্রসারিত করার জন্যই এটি করা হচ্ছে।     Source : আর্থনীতি প্রতিদিন
  • স্কয়ার টেক্সটাইলসের মুনাফা কমেছে ৫.০৬%
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি স্কয়ার টেক্সটাইলসের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে মুনাফা কমেছে ৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। গতকাল কোম্পানিটি তাদের অর্ধবার্ষিক অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এমনটি দেখা যায়। প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির এপ্রিল-জুন এ তিন মাসে মুনাফা হয়েছে ২২ কোটি ৯৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৫০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১ টাকা ৬৪ পয়সা।   অন্যদিকে সার্বিকভাবে ছয় মাসে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৪৭ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এ সময় কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩ টাকা ১০ পয়সা। এদিকে ডিএসইতে গতকাল এ শেয়াারর দর বেড়েছে ১ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ বা ৯০ পয়সা। সারা দিন এর দর ৮৩ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৮৪ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ৮৪ টাকায় এ শেয়ার লেনদেন হয়। এদিন মোট ৬৪ হাজার ৯০০টি শেয়ার ১৮৬ বারে লেনদেন হয়।   স্কয়ার টেক্সটাইলস ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ প্রদান করেছে।     Source : বণিক বার্তা
  • অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছে এলআর গ্লোবাল
    নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় থাকা বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ডের অর্থ বিধিবহির্ভূতভাবে চারটি প্রাইভেট কোম্পানিতে ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ করেছে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ অর্থবাজারে স্থানান্তরের অভিযোগও উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে ব্যাংক হিসাব ও ফান্ডের আয়-সম্পর্কিত বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়ার অভিযোগও রয়েছে এলআর গ্লোবালের বিরুদ্ধে।   প্রায় এক বছর অনুসন্ধান শেষে এলআর গ্লোবালের বিরুদ্ধে কয়েকটি ক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। প্রতিষ্ঠানটির আটটি অনিয়ম নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে মিউচুয়াল ফান্ড ও এসপিভি বিভাগ। কিছু অনিয়মের দায়ে বিএসইসির এনফোর্সমেন্ট বিভাগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। আরো কয়েকটি অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   জানা যায়, ছয়টি মিউচুয়াল ফান্ড থেকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ৪৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা সদ্য প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি প্রাইভেট কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছে এলআর গ্লোবাল। সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচুয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১ এর বিধি ৫৫(১) এর যা লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এটা ঝুঁকিপূর্ণও। কারণ সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতে করা বিনিয়োগ থেকে দীর্ঘদিন আয় না আসায় তা ছয়টি মিউচুয়াল ফান্ডের আয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।   বিধি ৫৫(১) অনুযায়ী, মিউচুয়াল ফান্ডের অর্থ কেবলমাত্র স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ, প্রাথমিক সিকিউরিটিজ ও অর্থবাজারে হস্তান্তরযোগ্য সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা যাবে। তবে কমিশনের সম্মতিতে প্রাথমিক সিকিউরিটিজ ইস্যুকারী কোনো কোম্পানির প্লেসমেন্ট শেয়ারে তা বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এলআর গ্লোবাল কমিশনের সম্মতি না নিয়েই গার্ডিয়ান হেলথ কেয়ার লিমিটেড, প্রপার্টি ইনভেস্টরস লিমিটেড, থাইরোকেয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড ও ট্রাইবেকা ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছে। এ অর্থ দিয়ে কোম্পানিগুলোর সাধারণ ও অগ্রাধিকার (প্রেফারেন্স) শেয়ার কেনা হয়েছে।   অভিযোগ বিষয়ে এলআর গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট আদেল আহমেদ ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিয়াজ ইসলামের সেলফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। এরপর এসএমএস পাঠানো হলে তারও কোনো উত্তর মেলেনি। যোগাযোগ করা হলে বিএসইসির মুখপাত্র সাইফুর রহমান বলেন, এলআর গ্লোবালের কিছু বিষয়ের তদন্ত চলছে। তদন্তে অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।   জানা গেছে, এলআর গ্লোবালের অধীন পরিচালিত এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানের ১৬ কোটি ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা দিয়ে এ চার কোম্পানির সাধারণ ও অগ্রাধিকার শেয়ার কেনা হয়েছে। এছাড়া ডিবিএইচ ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ৫ কোটি ৮৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬০০ টাকা, গ্রীন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ডের ৭ কোটি ২৪ লাখ, এআইবিএল প্রথম ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের ৫ কোটি ১৬ লাখ ৭৪ হাজার, এমবিএল প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড ৫ কোটি ১১ লাখ ৪৮ হাজার ও এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানের ৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা দিয়ে কোম্পানির শেয়ার কেনা হয়েছে। এসব প্রাইভেট কোম্পানিতে বিনিয়োগ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মুনাফা পায়নি ছয়টি মিউচুয়াল ফান্ড। এতে ফান্ডগুলো বিপুল পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।   গার্ডিয়ান হেলথ কেয়ার লিমিটেড ২০১১ সালের মে মাসে যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মগুলোর অধিদফতরে (আরজেএসসি) নিবন্ধিত হয়। এ প্রতিষ্ঠানের সিংহভাগ শেয়ারের অধিকারী মাসুমা ইসলাম ও মো. মাসুদ রানা। এ দুজনের কাছে শেয়ার রয়েছে ৪৭ লাখের বেশি। এছাড়া এলআর গ্লোবাল পরিচালিত পাঁচটি মিউচুয়াল ফান্ডের ২৫ লাখ শেয়ার রয়েছে। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে নিবন্ধিত ট্রাইবেকা ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান উদ্যোক্তা হচ্ছেন এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। কায়েস খলিল খান নামের আরেকজনও এর উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছেন। থাইরোকেয়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান উদ্যোক্তা হিসেবেও কায়েস খলিল খানের নাম রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৩ সালের ২৬ আগস্ট আরজেএসসিতে নিবন্ধিত হয়।   সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করে ও ফান্ডগুলোর প্রসপেক্টাসে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই প্রাপ্য ম্যানেজমেন্ট ফির অতিরিক্ত আদায় করে নিজস্ব অফিস ও স্টাফ খরচ মেটাচ্ছে এলআর গ্লোবাল। এতে ফান্ডগুলো আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নিয়মানুযায়ী, সম্পদ ব্যবস্থাপকরা নিজস্ব আয় থেকেই খরচ বহন করে থাকে।   বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের প্রথমার্ধে শেয়ারবাজারে মিউচুয়াল ফান্ডের অর্থের ৭৫ শতাংশ বিনিয়োগের বিধান থাকলেও এলআর গ্লোবাল পরিচালিত অধিকাংশ মিউচুয়াল ফান্ডই তা অনুসরণ না করে শেয়ারবাজার থেকে বিনিয়োগ অর্থবাজারে স্থানান্তর করে। পরবর্তীতে বিনিয়োগের ন্যূনতম সীমা ৭৫ থেকে কমিয়ে ৬০ শতাংশ নির্ধারণ করা হলেও তা মানেনি প্রতিষ্ঠানটি। বরং তারল্য সংকটের সময় মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর বিনিয়োগ করা শেয়ার লোকসানে বিক্রি করে তা অর্থবাজারে স্থানান্তর করে।   এলআর গ্লোবালের অধীনে পরিচালিত একাধিক ফান্ড থেকে অর্থ নিয়ে দুটি নতুন ফান্ড করার মাধ্যমে এ বাবদ ফি আদায়ের চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যা সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচুয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১ এর বিধি ৫৬ এর ৭ ধারায় নিষিদ্ধ। এছাড়া এক ফান্ড থেকে অন্য ফান্ডে বিনিয়োগে শুধু অর্থ হস্তান্তর হচ্ছে। এতে শেয়ারবাজারে সত্যিকার অর্থে কোনো বিনিয়োগ হচ্ছে না এবং ফান্ডগুলোর মৌলভিত্তি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। এতে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবস্থাপনা বাবদ বার্ষিক ফি পেলেও ফান্ডের ইউনিটহোল্ডাররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।   এদিকে ফান্ডের অর্থ মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগের জন্য বেশি সুদ প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে ট্রাস্টির অনুমোদনসাপেক্ষে বিভিন্ন ব্যাংকে একাধিক সঞ্চয়ী ব্যাংক হিসাব খুলেছে এলআর গ্লোবাল। কিন্তু ওই হিসাবে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টাকা না রেখেই কোনো কারণ ছাড়াই ঘনঘন এক ব্যাংক হিসাব থেকে অন্য ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে ফান্ডগুলো ব্যাংক হিসাবের সুদ বাবদ প্রাপ্ত আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এছাড়া ফান্ডগুলোর ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ও স্থিতির যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তার সঙ্গে প্রকৃত তথ্যের গরমিল পেয়েছে বিএসইসি। এমনকি এলআর গ্লোবাল প্রকাশিত ব্যাংক হিসাবের তথ্যের সঙ্গেও ফান্ডগুলোর ট্রাস্টি বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিজিআইসি) প্রেরিত ব্যাংক হিসাবের তথ্যের অমিল পাওয়া গেছে।   নিয়মানুযায়ী মিউচুয়াল ফান্ডের সব সম্পদ কাস্টোডিয়ানের অধীন সংরক্ষণের বিধান থাকলেও সম্পদ ব্যবস্থাপক এলআর গ্লোবাল ফান্ডের সব সম্পদের তথ্য কাস্টোডিয়ানকে দেয় না। শুধু লিস্টেড সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের তথ্য প্রদান করে তারা। কাস্টোডিয়ান সেটিই সংরক্ষণ করে থাকে। নন-লিস্টেড সিকিউরিটিজে বিনিয়োগসহ ফান্ডের অধীন অন্য সব সম্পদ সম্পর্কে তথ্য প্রদান না করায় সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচুয়াল ফান্ড) বিধিমালা, ২০০১ এর ৩৩(২) এবং ৪১(১) ধারার লঙ্ঘন করেছে এলআর গ্লোবাল। কাস্টোডিয়ানের অধীন ফান্ডের সব সম্পদ সংরক্ষিত না হলে ভবিষ্যতে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ অসংরক্ষিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এদিকে নিজেদের পরিচালিত মিউচুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ প্রদানের ক্ষেত্রেও আইন ভঙ্গ করেছে এলআর গ্লোবাল ও ট্রাস্টি বিজিআইসি। আইন অনুযায়ী মিউচুয়াল ফান্ডের বার্ষিক আয়ের ৭০ শতাংশ লভ্যাংশ হিসেবে ইউনিটধারীদের প্রদান করতে হয়। কিন্তু ১৪ জুলাই এলআর গ্লোবাল পরিচালিত ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এআইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের আয় ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৪৯ পয়সা হলেও ইউনিটধারীদের জন্য মাত্র সাড়ে ৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। একইভাবে এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি আয় ১ টাকা ৪৪ পয়সা দেখানো হলেও ইউনিটধারীদের জন্য মাত্র ৩ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। আইন ভঙ্গের বিষয়টি বিএসইসি আমলে নিয়ে ফান্ড দুটির নিরীক্ষক হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানি এবং ট্রাস্টি বিজিআইসির কাছে আর্থিক প্রতিবেদন চেয়ে পাঠায়। তা পর্যালোচনা করে মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালার ৬৬ ধারার লঙ্ঘন ধরা পড়ে।   পরবর্তীতে হুদা ভাসি সংশোধিত আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল করে। বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্তি দূর করতে পূর্বপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য সংশোধনের জন্য এলআর গ্লোবাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ও ট্রাস্টি বিজিআইসিকে বিভ্রান্তি দূর করতে নির্দেশনা দেয় কমিশন। কিন্তু আজ পর্যন্ত তা সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।     Source : বণিক বার্তা
  • মুনাফা তুলে নেয়ায় দর সংশোধন
    দুই কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর মুনাফা তুলে নিলেন বিনিয়োগকারীরা। এতে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। গতকাল অধিকাংশ শেয়ারের দর হ্রাসে সূচক কমার পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। দেশের অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সংশোধনের ধারা অব্যাহত ছিল।   ডিএসইতে গতকাল ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৩৫ দশমিক ৯২ পয়েন্ট। লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কিছুটা বাড়ে। দেশের অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতে গতকাল সার্বিক সূচক ১০৪ দশমিক ৫৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়।   বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদ কেনাকাটার জন্য শেয়ারবাজার থেকে নগদ টাকা উত্তোলনের সুযোগ শেষ। তাই সাধারণ বিনিয়োগকারীর পক্ষ থেকে শেয়ারের বিক্রয়াদেশ চাপ আগের দুই কার্যদিবসে কম ছিল। ফলে সে সময় সূচক কিছুটা বাড়ে। পাশাপাশি বেশ কয়েক কার্যদিবস ধরে বেক্সিমকো লিমিটেডসহ বড় মূলধনি কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারদরে ছিল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। এতে গতকাল এসব শেয়ারে কিছুটা সংশোধন দেখা যায়। যার প্রভাবে সার্বিকভাবে বাজারে কিছুটা সূচক হারিয়েছে।   শেয়ারবাজার থেকে ঈদের আগে নগদ অর্থ উত্তোলনের সুযোগ না থাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীর পক্ষ থেকে বিক্রয়চাপ কমে এসেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিনিয়োগকারীরা এক শেয়ার ছেড়ে অন্য শেয়ারে বিনিয়োগের মাধ্যমে পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যাস করেছেন। আর বেশির ভাগ শেয়ারের দর নিম্নতম অবস্থানে থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের একাংশ কম দরে শেয়ার কেনার সুযোগ নিচ্ছেন বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।   বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গতকাল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দিয়ে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের প্রথম ২০ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ১২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪৩৭ পয়েন্টে। এর পর থেকেই সূচক ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী হতে থাকে। বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে সূচক কমে দাঁড়ায় ৪৪১৫ পয়েন্টে। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনেটে সূচক দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৯৫ পয়েন্টে।   অন্যদিকে খাতওয়ারি পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গতকাল সবচেয়ে বেশি বাজার মূলধন হারায় বিবিধ খাত। মূলত এ খাতের বড় মূলধনি কোম্পানি বেক্সিমকো লিমিটেডের দরপতনে গোটা খাতে এর প্রভাব পড়েছে। গতকাল বিবিধ খাতের বাজার মূলধন কমে ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এছাড়া গতকাল ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ২ দশমিক ১৫ শতাংশ, সেবা-আবাসন ১ দশমিক ৭, প্রকৌশল ১ দশমিক ৩৯ ও জীবন বীমা খাতে ১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ বাজার মূলধন কমেছে। গ্রামীণফোনের অর্ধবার্ষিক মুনাফা বৃদ্ধি ও অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা এ শেয়ারের দরে ছিল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। বিনিয়োগকারীদের ঝোঁকও ছিল টেলিযোগাযোগ খাতে। এতে টেলিযোগাযোগ খাতের বাজার মূলধন বাড়ে ১ দশমিক ৩ শতাংশ ও পাট খাতে দশমিক ৩৮ শতাংশ।   গতকাল সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয় বিবিধ খাতে ৬৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এছাড়া ওষুধ ও রসায়ন খাতে ৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ৩৪ কোটি ৩০ লাখ ও বস্ত্র খাতে ২৯ কোটি ৯০ লাখ টাকার লেনদেন হয়। ডিএসইতে গতকাল মোট ২৯৭টি কোম্পানির ৭ কোটি ৭০ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬টি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়। যার বাজারদর ছিল ৩১৮ কোটি ৮৬ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। এটি আগের দিনের চেয়ে ৫৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা কম। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯০টির, কমেছে ১৬০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৭টির। ডিএসই ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৩৫ দশমিক ৯২ পয়েন্ট কমে ৪৩৮৮ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট, ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ১৬ দশমিক শূন্য ২ পয়েন্ট কমে ১৬০২ দশমিক শূন্য ৪ পয়েন্ট এবং ডিএসইএক্স শরিয়াহ সূচক ৬ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট কমে ৯৯৩ দশমিক ২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।   দেশের অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতে গতকাল ২০৪টি কোম্পানির মোট ১ কোটি ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৪৫টি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়, যার বাজারদর ছিল ৩৪ কোটি ৭৮ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৪৯টির, কমেছে ১১৮টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৩৭টির।   সিএসইর সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০৪ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১৩৪৯১ দশমিক ২৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে নির্বাচিত সূচক সিএসই-৩০ আগের দিনের চেয়ে ১৭৯ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১১০৬৭ দশমিক ৩৮ পয়েন্টে। টাকার ভিত্তিতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো— বেক্সিমকো লিমিটেড, গ্রামীণফোন, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, স্কয়ার ফার্মা, শাহজীবাজার পাওয়ার, পদ্মা অয়েল, ফার কেমিক্যাল, জেনারেশন নেক্সট, অ্যাক্টিভ ফাইন ও হাইড্রেলবার্গ সিমেন্ট।     Source : বণিক বার্তা
  • মূলধন বাড়াবে একটিভ ফাইন
    কোম্পানির মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে একটিভ ফাইনের পরিচালনা পর্ষদ। মূলধন বাড়াতে দুই কোটি শেয়ার ইস্যু করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিটি শেয়ারের দর নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ টাকা। ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) অথবা অন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এ শেয়ার বেচা হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বেচা হবে না। এ বিষয়ে ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) বিনিয়োগকারীরা প্রতিটি শেয়ার ৫০ টাকায় ইস্যু করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছিলেন বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে শেয়ার ইস্যু করা হবে বলে একটিভ ফাইনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • ৭ আগস্ট সাইফ পাওয়ার টেকের আইপিও লটারি
    সাইফ পাওয়ার টেকের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) কোম্পানির চাহিদার চেয়ে সাড়ে ৯ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। এমতাবস্থায় আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দিতে আগামী ৭ আগস্ট আইপিও লটারির আয়োজন করা হয়েছে। ওইদিন কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মিলনায়তনে লটারি অনুষ্ঠিত হবে বলে কোম্পানি সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে মোট ৩৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর বিপরীতে জমা পড়েছে ৩৪০ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। যা কোম্পানির চাহিদার ৯.৫ গুণ। স্থানীয় অধিবাসীরা এ কোম্পানির আইপিওতে ৩৪০ কোটি ৩৯ লাখ ১১ হাজার টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন। আর গত ১০ জুলাই পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা জমা দিয়েছেন ৫৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকার শেয়ার। ফেস ভ্যালু ১০ টাকার সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ সাইফ পাওয়ারটেকের প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৩০ টাকা এবং মার্কেট লট ২০০টি শেয়ারে। গত ৬ থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা এ কোম্পানির আইপিওতে আবেদন করার সুযোগ পান। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৯ জুলাই পর্যন্ত। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসাবে কাজ করেছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করছে আতা খান এ্যান্ড কোং।   হারুন সিকিউরিটিজকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে হারুন সিকিউরিটিজ লিমিটেডকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিএসইসি। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ৫২৩তম সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত হয়। জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি তিনটি আইন ভঙ্গ করেছে। প্রথমত, প্রতিষ্ঠানের পরিচালকবৃন্দ, কর্মচারী (অনুমোদিত প্রতিনিধিসহ) এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মার্জিন ঋণ দিয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি কমিশন ডাইরেক্টিভ নম্বর : এসইসি/সিএমআরআরসিডি/২০০১-৪৩/৩১ মার্চ ২৩, ২০১০ এবং সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০ এর বিধি ৪(২) (৪) অনুযায়ী ডিড অব এ্যাগ্রিমেন্টের ক্লোজ ৫ লঙ্ঘন করেছে। দ্বিতীয়ত, ঋণ চুক্তি ছাড়া মার্জিন ঋণ প্রদান করে, মার্জিন রুলস, ১৯৯৯ এর রুল ৩(২) লঙ্ঘন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি নন মার্জিনেবল ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ার কিনতে মার্জিন ঋণ প্রদান করে কমিশনের নির্দেশনা নং-এসইসি/সিএএমআরআরসিডি/২০০১-৪৩/১৬৯ তাং ০১/১০/২০০৯ লঙ্ঘন করেছে।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • পুঁজিবাজারে স্বস্তির নিঃশ্বাস
    দেশের পুঁজিবাজারে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরতে শুরু করেছে। ঈদ-উল-ফিতরের আগ মুহূর্তে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার চাপ আগের তুলনায় কমে যাওয়ার কারণেই বাজারে বেশিরভাগ কোম্পানির দর বাড়ছে। বিশেষ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সম্ভাব্য আর্থিক প্রতিবেদনকে ঘিরে বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি পর্যায়ের সব ধরনের বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। একই সঙ্গে আগামীতে ঘোষণা করতে যাওয়া মুদ্রানীতিকে কেন্দ্র করেও কিছুটা আশাবাদী হয়ে উঠছে বাজার সংশ্লিষ্টরা। যার কারণে আগের তুলনায় শেয়ার কেনার আদেশ বাড়তে শুরু করেছে। মঙ্গলবারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন হয়েছে ৩৭৫ কোটি। এর আগে প্রথম রমজানে ৩০ জুন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩৮৭ কোটি টাকা। দিনটিতে ডিএসইতে লেনদেন বাড়ার দিনে সূচকে যোগ হয়েছে মোট ৩০ পয়েন্ট। একইভাবে অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সব ধরনের সূচকের সঙ্গে লেনদেন বেড়েছে। বাজার পর্যালোচনা দেখা গেছে, সকালে শুরুতে বেশিরভাগ কোম্পানির দর বাড়ার প্রবণতা দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। বড় মূলধনের কিছু কোম্পানির দর বৃদ্ধির কারণে সূচকও বাড়তে থাকে। একইভাবে দিনটিতে আর্থিক প্রতিবেদনের আয় বাড়া এবং বাকিগুলোরও আয় বাড়তে পারে এমন আশাবাদে শেয়ারের ক্রয়াদেশ বেড়েছে। একই সঙ্গে গ্রামীণফোন, অলিম্পিক, বেক্সিমকো, লাফার্জ সুরমার মতো কোম্পানিগুলো লেনদেনে প্রাধান্য বিস্তার করেছে। সারাদিন এভাবে সূচকের বৃদ্ধি শেষে ডিএসইর সার্বিক বা ডিএসইএক্স সূচক ২৯ পয়েন্ট বেড়েছে। এই সূচকের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪২৪ পয়েন্টে। আর শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯৯৯ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএস-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬১৮ পয়েন্টে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৯৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯২টির, কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির। আর শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে মোট ৬৬ কোটি টাকা বেশি। সোমবারে সেখানে মোট ৩০৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। দিনটিতে ডিএসইতে খাতওয়ারি লেনদেনের শীর্ষে ছিল বিবিধ খাত। বেক্সিমকোর প্রাধান্যের দিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫৭ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৬ ভাগ। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ওষুধ এবং রসায়ন খাতটি। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫৩ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের প্রায় ১৫ ভাগ। তৃতীয় অবস্থানে ছিল টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানি। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেন দাঁড়ায় ৪৬ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ৭৪ ভাগ। ডিএসইতে লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো- বেক্সিমকো, গ্রামীণফোন, পদ্মা অয়েল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেড, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, স্কয়ার ফার্মা, জেনারেশন নেক্সট, গোল্ডেন সন এবং ফার কেমিক্যাল লিমিটেড। দর বৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : সামিট পোর্ট এলায়েন্স, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, বিজিআইসি, এএফসি এগ্রো, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল, গোল্ডেন সন, একটিভ ফাইন, স্টাইল ক্রাফট ও সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : আইসিবি ফাস্ট এনআরবি, কর্নফুলী ইন্স্যুরেন্স, প্রগেসিভ লাইফ, লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স, লিব্রা ইনফিউশন, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, রূপালী ব্যাংক, এনভয় টেক্সটাইল, জিএসপি ফাইন্যান্স ও ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স। অপরদিকে ঢাকার বাজারের মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সব ধরনের কোম্পানির দর বেড়েছে। সেখানেও আগের চেয়ে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বেশি ছিল। সারাদিন সূচকের ওঠানামা শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসই সার্বিক সূচক ৭৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৩ হাজার ৫৯৫ পয়েন্টে। সেখানে অন্যান্য সূচকের তুলনায় বাছাই সূচক বেড়েছে বেশি। এইদিন সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২০৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৬টির, কমেছে ৫৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টির। মঙ্গলবারে সিএসইতে মোট ২৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। সোমবারে সেখানে ২৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। সিএসইতে লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : বেক্সিমকো, গ্রামীণফোন, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, ফার কেমিক্যাল, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, পেনিনসুলা চট্টগ্রাম, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন, গোল্ডেন সন, এ্যাপোলো ইস্পাত ও স্কয়ার ফার্মা।       Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
View All
Latest DSE News
  • DSE NEWS

    DSE wishes a happy &quot;Eid Mubarak&quot;; on the occasion of &quot;Eid-ul-Fitr&quot; to all TREC holders, regulators, investors and well wishers of Capital Market of Bangladesh.

  • UNIQUEHRL

    (H/Y): As per un-audited half yearly accounts as on 30.06.2014 (Jan'14 to June'14), the Company has reported net profit after tax of Tk. 437.70 million with EPS of Tk. 1.49 as against Tk. 563.41 million and Tk. 1.91 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit after tax was Tk. 229.64 million with EPS of Tk. 0.78 for the period of 3 months (Apr'14 to June'14) ended on 30.06.2014 as against Tk. 309.12 million and Tk. 1.05 respectively for the same period of the previous year.

  • MERCANBANK

    (Continuation of news of MERCANBANK -H/Y): Whereas consolidated net profit after tax was Tk. 213.17 million with consolidated basic EPS of Tk. 0.32 for the period of 3 months (Apr'14 to June'14) ended on 30.06.2014 as against Tk. 210.58 million and Tk. 0.32 respectively for the same period of the previous year. However, considering bonus share @ 12% for the year 2013, consolidated restated basic EPS is Tk. 0.29 as on 30.06.2014 (Apr'14 to June'14) and Tk. 0.28 as on 30.06.2013 (Apr'13 to June'13). (end)

  • MERCANBANK

    (H/Y): As per un-audited half yearly accounts as on 30.06.2014 (Jan'14 to June'14), the Company has reported consolidated net profit after tax of Tk. 430.39 million with consolidated basic EPS of Tk. 0.65 as against Tk. 227.88 million and Tk. 0.35 respectively for the same period of the previous year. However, considering bonus share @ 12% for the year 2013, consolidated restated basic EPS is Tk. 0.58 as on 30.06.2014 (Jan'14 to June'14) and Tk. 0.31 as on 30.06.2013 (Jan'13 to June'13). (Cont.)

  • TAKAFULINS

    (H/Y): As per un-audited half yearly accounts as on 30.06.2014 (Jan'14 to June'14), the Company has reported net profit after tax of Tk. 22.87 million with EPS of Tk. 0.75 as against Tk. 38.65 million and Tk. 1.26 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit after tax was Tk. 9.31 million with EPS of Tk. 0.30 for the period of 3 months (Apr'14 to June'14) ended on 30.06.2014 as against Tk. 24.06 million and Tk. 0.78 respectively for the same period of the previous year.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
GEMINISEA 147.60 134.20 13.40 9.99
SPCL 58.70 53.40 5.30 9.93
FARCHEM 56.10 51.30 4.80 9.36
POPULARLIF 171.00 159.40 11.60 7.28
STANCERAM 53.20 49.60 3.60 7.26
SAPORTL 26.60 25.00 1.60 6.40
DAFODILCOM 12.80 12.20 0.60 4.92
PRAGATIINS 41.50 39.70 1.80 4.53
JUTESPINN 63.10 60.40 2.70 4.47
ISNLTD 10.50 10.10 0.40 3.96

OUR SERVICE

 

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297