Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Target Achiever for Amibroker AFL 12-Aug
HOLY GRAIL for Amibroker AFL 03-Aug
Flower Indicator for Amibroker AFL 28-Jul
KPBB htrsystem for Amibroker AFL 09-Jul
POLYNOMIAL Amibroker AFL 29-Jun

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ANWARGALV 59.2 48.9 10.30 21.06
SINOBANGLA 27.1 22.5 4.60 20.44
STANCERAM 52 43.2 8.80 20.37
AIBL1STIMF 5.5 4.6 0.90 19.57
JUTESPINN 71.7 61 10.70 17.54
BDAUTOCA 32.1 27.4 4.70 17.15
MONNOCERA 46.7 40.2 6.50 16.17
MODERNDYE 89.8 77.9 11.90 15.28
SAVAREFR 50.5 43.9 6.60 15.03
KAY&QUE 14 12.2 1.80 14.75

Contest SB2015_Sep

1st
blank_person
IMRANKSL
2nd
blank_person
ISMAILTOPU
3rd
blank_person
MOHON_KSL
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
AMANFEED 98.2 0 13.57807 11037200.00
NATLIFEINS 186.6 182.4 0.49639 2767.00
BSRMLTD 107.9 107 0.27589 654371.00
SHAHJABANK 11.3 11.1 0.25396 491790.00
RSRMSTEEL 62.1 60.1 0.22649 593993.00
Negative impact
BATBC 2922.4 3067.1 -15.00570 1126.00
GP 314.7 316.7 -4.66763 141557.00
LAFSURCEML 111 112.5 -3.01092 1124400.00
ISLAMIBANK 28.7 29.7 -2.78266 2129240.00
TITASGAS 73.3 74.5 -2.05169 416678.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
AMANFEED 98.2 103 54.9 0.00% 822.67
NFML 26.2 26.8 25.4 0.77% 145.69
SQURPHARMA 253.1 254 250.1 0.08% 137.50
LAFSURCEML 111 113 109.7 -1.33% 124.73
SPCL 188.2 192.9 187 -1.41% 113.38
AL-HAJTEX 123.4 131.9 122.2 -1.99% 81.35
UPGDCL 150.1 154.5 149.6 -1.44% 76.22
BSRMLTD 107.9 113 104 0.84% 69.33
ISLAMIBANK 28.7 29.9 28.4 -3.37% 61.48
FARCHEM 53.1 53.9 52.9 0.00% 53.36

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 01 Sep 2015

143023
TOTAL TRADE
104.9063
TOTAL VOLUME(Mn)
4213.35
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ঈদুল আজহায় পুঁজিবাজার ৫ দিন বন্ধ
    স্টাফ রিপোর্টার : ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৫ দিন দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডিএসইর সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ ও প্রকাশনা) শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের লেনদেন এবং দাফতরিক কার্যক্রম আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এরপরে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ডিএসইতে লেনদেন এবং দাফতরিক কার্যক্রম যথারীতি পরিচালিত হবে। ৩১ আগস্ট ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
  • চিটাগাং সিমেন্ট মামলার শুনানি বৃহস্পতিবার
    আদালত প্রতিবেদক : শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলার চিটাগাং সিমেন্ট ক্লিংকার গ্রাইন্ডিং কোম্পানি লিমিটেডের (হাইডেলবার্গ সিমেন্ট) সাক্ষীর পরবর্তী জেরা  বৃহস্পতিবার হেবে। পুঁজিবাজার বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মঙ্গলবার বিকেলে মামলার শুনানী শেষে পরবর্তী শুনানীর দিনক্ষণ ধার্য করা হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং ছিয়ানব্বুই শেয়ার কেলেঙ্কারি তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরীকে মঙ্গলবার জেরা করেন আসামিপক্ষের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ মোহসেন রশিদ। এ সময় আসামিপক্ষের অপর সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনও উপস্থিত ছিলেন। এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার আরেক সাক্ষী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান  প্রফেসর জহুরুল হক। আমিরুল ইসলাম চৌধুরীকে জেরা করা হলেও তা শেষ হয়নি। বৃহস্পতিবার ফের তাকে জেরা করা হবে।
  • কমলো ব্যাংক ঋণের সুদের হার
    সিনিয়র রিপোর্টার : বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিবন্ধকতা ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের হার। সেই বাধা ক্রমেই শিথিল হচ্ছে। সর্বশেষ জুলাই মাসে ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হার কমে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৫৭ শতাংশ। আগের মাসেও যা ছিল ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সুদ হারে নিম্নমুখী প্রবণতা ঋণ আমানত ও সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) আরো কমেছে। জুলাই মাস শেষে ঋণ ও আমানতের গড় সুদের হার ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ দাঁড়িয়েছে। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রদর্শিত তথ্যের মধ্যে ২০১৩ সালের পরে সর্বনিম্ন। এর আগে স্প্রেড ৫ শতাংশের নিচে ছিল ২০১৩ সালের এপ্রিলে ৪ দশমিক ৯৯ শতাংশীয় পয়েন্ট। চলতি অর্থবছরের মার্চ থেকেই ব্যাংক খাতের আমানত ও ঋণের সুদের গড় ব্যবধান (স্প্রেড) ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসে। এ মাসে ব্যাংকগুলোর গড় স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশীয় পয়েন্ট। বাংলাদেশ ব্যাংকের স্প্রেড সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ঋণের সুদের হার ‘সিঙ্গেল ডিজিটে’ নামিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ঋণের সুদের হার আরো কমানোর লক্ষে আমানতের বিপরীতে সুদের হার কমিয়েছে। কিন্তু বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলো ঋণ-আমানতের সুদের হার কমাতে পারছে না। যদিও এ হার ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের বাজেটে অর্থনীতির উন্নয়নের প্রধান সূচক জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়। এর জন্য প্রয়োজন ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি। এই বিনিয়োগের েেত্র প্রধান তিনটি সমস্যা হচ্ছে- অবকাঠামোর অভাব, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ঋণের উচ্চ সুদের হার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের অন্যতম পূর্বশর্ত বিনিয়োগ বৃদ্ধি। কাঙ্খিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ জিডিপির ২২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৪ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। কিন্তু ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির অন্যতম বাধা হলো- বিদ্যুৎ, গ্যাস প্রাপ্তিতে বিলম্ব, বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকরণে জটিলতা, জমির অভাব ও ঋণের উচ্চ সুদের হার। সূত্র জানায়, ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি ব্যাংক ঋণের সুদের হার ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা। সুদহারের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি নিয়ন্ত্রণ না থাকলেও ব্যাংকগুলোকে সুদের হার কমিয়ে আনার নির্দেশনা দিয়ে আসছে। গত কয়েক মাস ধরে আমানত ও ঋণ উভয় ক্ষেত্রে সুদের হার কমছে। ফলে গত মার্চে আমানত ও ঋণের সুদ হারের ব্যবধান (স্প্রেড) রেকর্ড পরিমাণ কমে ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের নিচে নেমে এসে দাঁড়ায় ৪ দশমিক ৮৭ পয়েন্টে। গত এপ্রিলে স্প্রেড আরো কমে ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশীয় পয়েন্টে নেমে এসেছে। মে মাসে স্প্রেড আরো কমে ৪ দশমিক ৮৩ শতাংশীয় পয়েন্টে নেমে আসে। তবে জুন মাস শেষে স্প্রেড একটু বেড়ে দাঁড়ায় ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। জুলাই মাস শেষে স্প্রেড কমে আসে ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত জুলাই মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ঋণের ক্ষেত্রে ১০ দশমিক ৩১ শতাংশ হারে সুদ আদায় করেছে। আমানতের বিপরীতে দিয়েছে ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ সুদ। স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশীয় পয়েন্ট। বিশেষায়িত ব্যাংকের স্প্রেড সবচেয়ে কম মাত্র ১ দশমিক ৯৫ শতাংশীয় পয়েন্ট। আমানতের বিপরীতে দিয়েছে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ সুদ। খাতের ব্যাংকগুলোর ঋণের ক্ষেত্রে গড় সুদের হার ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ দাঁড়িয়েছে। তবে বিদেশি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলো স্প্রেড এখনো ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের ওপরে রয়েছে। বিদেশি ব্যাংকগুলো আমানতের বিপরীতে ৩ দশমিক ০২ শতাংশ সুদ দিয়ে ঋণের বিপরীত আদায় করছে ১০ দশমিক ৭৯ শতাংশ সুদ। এ খাতের ব্যাংকগুলোর স্প্রেড সবচেয়ে বেশি ৭ দশমিক ৭৭ শতাংশীয় পয়েন্ট। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঋণের সুদের হার কমানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মানছে না ২১ বাণিজ্যিক ব্যাংক। এর মধ্যে ১৬টিই বেসরকারি ও ৫টি বিদেশি ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণের সুদের হার কমাতে ঋণ ও আমানতের সুদের হারের ব্যবধান (স্প্রেড) ৫ শতাংশের মধ্যে রাখার নির্দেশ রয়েছে। যে সব ব্যাংকে বেশি ব্যবধান রয়েছে তাদের নামিয়ে আনার জন্য একাধিকবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, সবচেয়ে বেশি স্প্রেড রয়েছে বিদেশি খাতের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের। ব্যাংকটির স্প্রেড ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এরপরে রয়েছে বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যাংকটির স্প্রেড ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটির ঋণের একটি বড় অংশই হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) খাতের। ওই খাতের ঋণের সুদের হার বেশি। এছাড়া তাদের ভোক্তা ঋণের সুদের হারও বেশি। যে কারণে তাদের ঋণের গড় সুদের হার বেশি। এদিকে তারা আমানতের বিপরীতে খুব কম সুদ দেয়। যে কারণে তাদের স্প্রেড বেশি। ঋণ ও আমানতের সুদের হারের ব্যবধানের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে বেসরকারি খাতের ডাচ্ বাংলা ব্যাংক। তাদের এই ব্যবধান ৭ দশমিক ৫১ শতাংশ। এই ব্যাংকটিও খুব কম সুদে আমানত সংগ্রহ করে। আবার ঋণের সুদের হার বেশি। যে কারণে তাদের স্প্রেডও বেশি। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ওয়ান ব্যাংকের স্প্রেড ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। চতুর্থ অবস্থানে থাকা উত্তরা ব্যাংকের স্প্রেড ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। পঞ্চম অবস্থানে থাকা এবি ব্যাংকের স্প্রেড ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। অন্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে ব্যাংক এশিয়ার স্প্রেড ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ, আইএফআইসি ব্যাংকের ৫ দশমিক ২৮ শতাংশ, প্রাইম ব্যাংকের ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ, যমুনা ব্যাংকের ৫ দশমিক ১২ শতাংশ, পূবালী ব্যাংকের ৫ দশমিক ৭ শতাংশ, দি সিটি ব্যাংকের ৫ দশমিক ৬ শতাংশ, এক্সিম ব্যাংকের ৫ দশমিক ২ শতাংশ, ঢাকা ব্যাংকের ৫ দশমিক ১ শতাংশ। নতুন ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইউনিয়ন ব্যাংকের স্প্রেড সবচেয়ে বেশি। এ ব্যাংকের স্প্রেড ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ, মিডল্যান্ড ব্যাংকের ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ, মেঘনা ব্যাংকের ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ। নির্দিষ্ট পরিমাণ জমার অজুহাত দেখিয়ে বিদেশি ব্যাংকগুলো সঞ্চয়ী হিসাবে সুদ দেয় না। এছাড়া নির্ধারিত ছকের বাইরে টাকা তোলার কারণেও সুদ দেয় না তারা। এসব কারণে বিদেশি ব্যাংক থেকে গ্রাহকরা সঞ্চয়ী হিসাবের বিপরীতে কোনো সুদ পায় না। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে বর্তমানে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের স্প্রেড ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ, সিটি ব্যাংক এন এর ৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ, উড়ি ব্যাংকের ৭ দশমিক ৯৯ শতাংশ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনের ৭ দশমিক ৯৯ শতাংশ ও এইচএসবিসি ব্যাংকের ৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ স্প্রেড রয়েছে।
  • ১ম দিনেই আমান ফিডের দর বাড়ল ৬২ টাকা
    স্টাফ রিপোর্টার : লেনদেনের ১ম দিনেই আমান ফিড লিমিটেডের শেয়ারদর ইস্যুমূল্যের চেয়ে ৬২ টাকা বা ১৭২ শতাংশ বেড়েছে। যা ইস্যুমূল্যের দেড় গুনের বেশি। ২৬ টাকা প্রিমিয়ামসহ শেয়ারটির ইস্যুমূল্য ৩৬ টাকা। আর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার (১লা সেপ্টেম্বর) এ  শেয়ারের সর্বশেষ ট্রেড হয়েছে ৯৮ টাকায়। এ দিন লেনদেন শুরু করে ৫৪ টাকা ৯০ পয়সায়। ডিএসইতে আমান ফিডের লেনদেনের তথ্য চিত্র (১ম দিন)- দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সম্প্রতি তালিকাভূক্তি শেষে লেনদেনে এসেছে আমান ফিড। আইপিওতে আসার পর থেকেই শেয়ারটি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কমতি নেই। লেনদেনের ১ম দিনেই শেয়ারদর অনেকাংশে বেড়ে যাওয়ায় পরবর্তী লেনদেনে কী অবস্থা দাঁড়াবে- তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। পুঁজিবাজারে শেয়ারটির স্বাভাবিক উত্থান বজায় রেখে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে- তেমনটাই আশা করেন বিনিয়োগকারীরা। আমানফিডের অনুমোদিত মূলধন ১৫০কোটি আর পরিশোধিত মূলধন ৮০কোটি টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৭৫ শতাংশ পরিচালনা পর্ষদের, ২.৫০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকী ২২.৫০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
  • ‘বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষাই লক্ষ্য’
    স্টাফ রিপোর্টার : বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষাই আমাদের লক্ষ্য। তাদের অধিকার সংরক্ষণ করার জন্য অব্যাহত থাকবে আমাদের চেষ্টা। এ জন্য আমরা বদ্ধ পরিকর। আমান ফিডের মঙ্গলবার (১লা সেপ্টেম্বর) লেনদেন শুরু হওয়ার আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন- কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমান ফিড আমাদের অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা আমাদের পরিবারে অন্তর্ভুক্ত হলো। অনুষ্ঠানে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা কোম্পানির উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা এতোদিন জাবাবদিহিতার বাইরে থাকলেও এখন জবাবদিহিতার মধ্যে রয়েছেন। সুতরাং, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবেন- এমনটা আশা করি। ডিএসইর সিআরও একেএম জিয়াউল হাছান খান, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আব্দুল মতিন পাটোয়ারি, মহা-ব্যবস্থাপক সামিউল ইসলাম, লংঙ্কা বাংলা ইনভেস্টমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার কায়েস হাছান, ইউকাস্টবিডি ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব হোসাইন মজুমদার এ সময় উপস্থিত ছিলেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- আমান ফিডের কোম্পানি সচিব নন্দন চন্দ্র দে।
  • কেয়া নিট কম্পোজিট কারখানা বন্ধ ঘোষণা
    রাহেল আহমেদ শানু, গাজীপুর থেকে : কেয়া নিট কম্পোজিট কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। কারখানা বন্ধের নোটিস মঙ্গলবার সকালে কারখানার গেটে টাঙিয়ে দেয়া হয়। শ্রমিক অসন্তোষের কারণে গাজীপুরের জরুন এলাকার কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল খালেক পাঠান। ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল খালেক পাঠান বলেন, কয়েক দিন ধরে উচ্ছৃঙ্খল কিছু শ্রমিক বহিরাগতদের নিয়ে কারখানার ভেতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করচে। শনিবার তারা কারখানায় ঢুকে জেনারেটর বন্ধ করে দেয়। পরে তারা কোম্পানির কর্মকর্তাদের নানা ভয়ভীতি দেখান। ঘটনায় রোববারও শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করেন। তাই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে নোটিস টানিয়ে দেয়া হয়েছে। শ্রমিকদের অভিযোগ, সামান্য অভিযোগেই শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয়। এতে শ্রমিকদের মধ্যে ছাঁটাই আতঙ্ক দেখা দেয়। এ নিয়ে শ্রমিকরা কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করতে চাইলেও নানা অজুহাতে তা বাতিল করা হয়। ফলে কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয় ও শ্রমিকরা কর্মবিরতিতে যান। এরপরে মঙ্গলবার সকালে তারা কর্মস্থলে কারখানার ফটকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নোটিস দেখতে পান। কারখানা সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েক দিন ধরে ছাঁটাইকৃত ৪৭ জন শ্রমিককে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন কেয়া নিট কম্পোজিটের শ্রমিকরা। একপর্যায়ে তারা কর্মবিরতি শুরু করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। কারখানা বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জয়দেবপুর থানার কোনাবাড়ী পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন। তিনি বলেন, শ্রমিক বিক্ষোভ ও কয়েক দিন ধরে চলা আন্দোলনের কারণে কারখানার সম্পদ রক্ষার স্বার্থে গতকাল (সোমবার) অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। অপ্রীতিকর পরিস্থিতির যাতে না ঘটে, সেজন্য কারখানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
  • আমান ফিডের ৫৪ টাকায় লেনদেন শুরু
    স্টাফ রিপোর্টার : সম্প্রতি তালিকাভুক্ত আমান ফিড লিমিটেডের প্রথম লেনদেন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়েছে। সকালে লেনদেন শুরুতে ওপেনিং প্রাইস ছিল ৫৪.৯০ টাকা। লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭ টাকায়। এরপরে ১০:৩৭ মিনিটে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৯.৩০ টাকা। দর পর্যায় ক্রমে বাড়ছে। চিত্রে দেখুন-
  • মর্ডার্ণ ডায়িংয়ের বোর্ড সভা বুধবার
    স্টাফ রিপোর্টার : মর্ডার্ণ ডায়িং অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিং লিমিটেডের বোর্ড সভা ২ সেপ্টেম্বর, বুধবার বিকেল ৪টায় হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সভা থেকে আসতে পারে লভ্যাংশের ঘোষণা। ২০১৪ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এছাড়া ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ১ টাকা ৫৬ পয়সা। শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) করেছে ১১ টাকা ১৩ পয়সা।
  • সংসদে উত্থাপন হচ্ছে না ফিন্যান্সিয়াল আইন
    স্টাফ রিপোর্টার : মন্ত্রিপরিষদে উত্থাপন হলেও শেষ পর্যন্ত পাস হলো না বহুল আলোচিত ফিন্যান্সিয়াল কোম্পানি আইন-২০১৪। সোমবার খসড়া আইনটি মন্ত্রিপরিষদে উঠলেও পাস হয়নি। ঠিক কি কারণে আইনটি ঝুলে গেল সে ব্যাপারে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কিছু জানাতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ম. মাহফুজুর রহমান বলেন, মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হলেও আইনটি সংসদে উত্থাপনের জন্য অনুমোদন করা হয়নি। কি কারণে আইনটি অনুমোদন হয়নি -প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যদি আইনের খসড়ায় কোনো সংশোধন বা পরিমার্জন প্রয়োজন হয় তবে পরে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানানো হবে। এর বাইরে আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে এ ব্যাপারে মন্ত্রিসভার কোনো যোগাযোগ হওয়ার সুযোগ নেই। তাই বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে ন।
  • আমান ফিডের ইপিএস ৩.৬০
    স্টাফ রিপোর্টার : তৃতীয় প্রান্তিক (জুলাই ১৪- মার্চ ১৫) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আমান ফিড মিলস লিমিটেড। তৃতীয় প্রান্তিকে আমান ফিডের কর পরিশোধের পর মুনাফা করেছে ২১ কোটি ৫৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আইপিও পূর্ববর্তী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৬০ টাকা এবং আইপিও-পরবর্তী ইপিএস হয়েছে ২.৭০ টাকা। আর পুন:মুল্যায়নসহ ৩১ মার্চ ২০১৫ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩৪.৩৭ টাকা এবং পুন:মুল্যায়ন ব্যতিত এনএভিপিএস ৩২.৫১ টাকা। গত তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ ১৫)  কোম্পানির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা। আর আইপিও পূর্ববর্তী শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৭ টাকা এবং আইপিও-পরবর্তী ইপিএস হয়েছে ০.৭৩ টাকা। দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার থেকে শেয়ার লেনদেন শুরু হবে কোম্পানিটির। পেছনের খবর : আমান ফিডের শেয়ার বিওতে, লেনদেন যেকোন দিন আরো খবর : আমান ফিডের আইপিও লটারির ফল আরো খবর : মুখরিত আমান ফিডের আইপিও অঙ্গন
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • পোশাক খাতে সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান
    রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে গতকাল সোমবার ‘ষষ্ঠ এইচএসবিসি এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স পুরস্কার’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা l ছবি: এইচএসবিসিতৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি ২০২১ সালের মধ্যে পাঁচ হাজার কোটি ডলারে নিয়ে যেতে হলে বাংলাদেশের তুলনামূলক সুবিধাকে প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় রূপান্তর করতে হবে। একই সঙ্গে এ খাতের দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। আর এসব পরিবর্তন দ্রুততার সঙ্গে করতে না পারলে আফ্রিকাসহ উদীয়মান দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে।বহুজাতিক বাণিজ্যিক ব্যাংক দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) আয়োজনে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এমন মতামত দিয়েছেন তৈরি পোশাক ব্যবসায়ীসহ বিশেষজ্ঞরা। ‘ষষ্ঠ এইচএসবিসি এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স পুরস্কার’ উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে গতকাল সোমবার তিন পর্বের আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব আয়োজিত হয়। গতকালের আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ‘তৈরি পোশাক রপ্তানির টেকসই উন্নয়ন-অগ্রাধিকার ও সামনে এগোনোর উপায়’।আলোচনায় বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বিভিন্ন নীতিমালা খুব দ্রুত ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্য আমাদের স্মার্ট নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।’মোস্তাফিজুর রহমান পণ্য রপ্তানিতে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) শুল্কমুক্ত সুবিধা ১০ বছরে অর্জন করতে না পারাকে বাংলাদেশের বড় ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।বিজিএমইএর সহসভাপতি রিয়াজ-বিন-মাহমুদ বলেন, শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়াতে আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। এ জন্য সরকারের সহযোগিতার পাশাপাশি ক্রেতারা যাতে পোশাকের ন্যায্যমূল্য দেন সেটি নিশ্চিত করতে হবে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জালাল আহমেদ বলেন, আগামী সাত বছরে এ খাতের আরও ১৫ লাখ লোককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, ‘অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্স তিন হাজারের বেশি কারখানা পরিদর্শন করে যে ছাড়পত্র দিয়েছে, সেটা কাজে লাগিয়ে আমাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হবে।’আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য দেন এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফ্রান্সওঁয়া দ্য ম্যারিকো। এ ছাড়া ভিয়েলাটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম রেজাউল হাসনাত, ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইল স্টার-এর বাণিজ্য সম্পাদক অরুণ দেবনাথ, দুলাল ব্রাদার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার, এইচএসবিসি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভুবনেশ খান্না প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।     source : Prothom alo
  • ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে গত অর্থবছরে ৩৯৩১ অভিযোগ
    সেবা নিতে গিয়ে প্রায়ই ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়েন। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে ৩ হাজার ৯৩১ অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। এই অভিযোগের সংখ্যা আগের অর্থবছরের তুলনায় কমেছে ৫৪৫টি। এছাড়া এবার শতভাগ অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। অভিযোগের শীর্ষে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৯৩১টি অভিযোগ আসে। এবারই প্রথম আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০১৪-১৫ অর্থবছরে অভিযোগের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। এর আগের অর্থবছরে অভিযোগ এসেছিল ৪ হাজার ৪৭৬টি। হিসাব অনুযায়ী এক বছরের ব্যবধানে অভিযোগ ৫৪৫টি বা ১২ দশমিক ২০ শতাংশ কমেছে। গত অর্থবছরে অভিযোগ নিষ্পত্তির হারও অনেক ভালো। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে ৩ হাজার ৯৩০টি। নিষ্পত্তির এই হার আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৪ হাজার ২৯১টি বা ৯৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছিল।বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রাহকদের অভিযোগের শীর্ষ সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২৫৬টি অভিযোগ এসেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের বিরুদ্ধে মোট ১৭৫টি অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। এছাড়া রূপালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৪৯, অগ্রণী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৪০, ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১২৩, জনতা ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১০৬, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৮২, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৭৯টি অভিযোগ এসেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয় থেকে জানানো হয়, ২০১৫ সালের জুলাইয়ে ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট গত অর্থবছরে ই-মেইল, ফ্যাক্স, ওয়েবসাইট ও ডাকযোগে ১৭৭টি এবং টেলিফোনে ২৬৬টি সর্বমোট ৪৪৩টি অভিযোগ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ৪৪২টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়। অভিযোগ নিষ্পত্তির হার ছিল ৯৯.৭৭ শতাংশ। প্রাপ্ত অভিযোগগুলোর মধ্যে সাধারণ ব্যাংকিং সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা ছিল ১৫৬, ঋণ ও অগ্রিম সংক্রান্ত ৮২, আমদানি বিল পরিশোধ না করা সংক্রান্ত ৫৩ (অভ্যন্তরীণ ৩০ ও বৈদেশিক ২৩টি), কার্ড সংক্রান্ত ৩৪টি, মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত ২৭টি, রেমিট্যান্স সংক্রান্ত ২৩টি ও ব্যাংক গ্যারান্টি সংক্রান্ত ১০টি। এছাড়া অন্য অভিযোগ ছিল ৫৮টি। সর্বোচ্চ অভিযোগ ছিল সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে। এ দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক এবং তৃতীয় অবস্থানে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান আমাদের সময়কে বলেন, গত বছর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রতিটি ব্যাংকেই আলাদা গ্রাহক অভিযোগ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ছোটখাটো অভিযোগগুলো সেখানেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। যদি কোনো গ্রাহক সুনির্দিষ্ট ব্যাংকে তার অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে না পারেন তখন পুনরায় বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ করতে পারবেন বলেও নির্দেশনা ছিল। এসব কারণেই বিদায়ী অর্থবছরে অভিযোগের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। তবে এবার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎপরতায় শতভাগ অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।  অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের পরিসর অনেক বড়। এর গ্রাহক অনেক বেশি। গ্রাহক অনুযায়ী অভিযোগের আনুপাতিক হার বের করলে সেটি খুবই নগণ্য   source : Amader Somoy
  • একদিনেই বাজার মূলধন কমেছে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি
    সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় শেষ হয় লেনদেন। এর ফলে টানা ২য় দিনের মতো পতনে বিরাজ করছে বাজার। গতকাল সোমবার শুরু থেকেই ধীরে ধীরে পড়তে থাকে সূচক। এদিন সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। তবে টাকার অঙ্কে উভয় বাজারে আগের অবস্থানে রয়েছে লেনদেন। এদিকে গতকাল সোমবার বাজার মূলধন কমেছে ১ হাজার কোটি টাকারও বেশি।দেশের শেয়ারবাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরে শুরুর দিকে পতন লক্ষ্য করা যায়। অর্থাৎ সপ্তাহের প্রথম ২-৩ কার্যদিবস পতন ঘটেছে। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই এখন সব ধরনের শেয়ারের দরপতন হয়েছে। এ ছাড়াও সামনে রয়েছে ডিভিডেন্ডের মৌসুম। আর এ সময়ে এমন চিত্রে হতাশ বিনিয়োগকারীরা। বাজার বর্তমানে যে পর্যায়ে নেমে এসেছে, তাতে এ ধরনের অস্বাভাবিক আচরণের যৌক্তিক কোনো ভিত্তি নেই বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।গতকাল দিনশেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৭৬৮ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৭৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ১ হাজার ৮২৬ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩১৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭২টির, কমেছে ২০৫টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টি কোম্পানির শেয়ার দর। যা টাকায় লেনদেন হয়েছে ৩৫১ কোটি ১৬ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এদিকে গতকাল ডিএসইর বাজার মূলধন অবস্থান করছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৫২৩ কোটি ৯ লাখ ১৪ হাজার টাকায়। গত রোববার যার অবস্থান ছিল ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪৯ কোটি ৩১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। সে হিসেবে গতকাল বাজার মূলধন কমেছে ১ হাজার ২৬ কোটি ২২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা বা ০.৩১ শতাংশ।   source : Voreer kagoj
  • ৯৬ এর শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলায় দুইজনের কারাদণ্ড
    ১৯৯৬ সালে কারসাজির মাধ্যমে চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দর বাড়ানোর মামলায় কোম্পানির দুই পরিচালককে চার বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন পুঁজিবাজার সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধ না করলে আরও ছয় মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আসামিরা হলেন চিক টেক্সটাইলের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. মাকসুদুর রসূল এবং ইফতেখার মোহাম্মদ। গতকাল সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হুমায়ুন কবীর। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা অনুপস্থিত ছিলেন। রায়ে বলা হয়েছে, বাদি পক্ষের আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই আসামিরা শাস্তি পাবে। জরিমানার অর্থ সরকার ইচ্ছা করলে ঘটনার সময় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের স্বার্থে ব্যয় করতে পারবে। আর অভিযুক্তরা গ্রেফতার বা আত্মসমর্পণ করার তারিখ থেকে তাদের শাস্তির মেয়াদ গণনা করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রায়ের অনুলিপি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পুলিশ কমিশনার ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠানো হয়েছে। রায়ের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাসুদ রানা খান জানিয়েছেন, চিক টেক্সটাইলের মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র ও যুক্তিতর্ক আদালতের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সব কিছু প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। তাই বিজ্ঞ আদালত সার্বিক দিক বিবেচনা করে এ রায় ঘোষণা দেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আসামিরা চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দর বাড়ানোর লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালের ২৭ মার্চ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ২১ ধারা অনুযায়ী একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরে ১৯৯৭ সালের ২ এপ্রিল বিএসইসির ওই সময়ের নির্বাহী পরিচালক এম এ রশীদ খান বাদি হয়ে তদন্তের সকল প্রমাণাদিসহ আসামিদের বিরুদ্ধে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। এদিকে মামলার বিচার কার্যক্রম বিশেষ আদালতে মামলা শুরু হলেও আসামিদের কেউই আদালতে হাজির ছিলেন না, কিংবা তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবীও আদালতে ছিলেন না। তাই গত ২৮ জুন গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।     source : Ittafac
  • লেনদেন কমেছে ব্যাংক বিদ্যুৎ ও ওষুধ খাতের
    বুধবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক বেড়েছে। তবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে লেনদেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাজারের উল্লেখযোগ্য খাতগুলোর লেনদেনও কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট খাতের। আর লেনদেন বেড়েছে বীমা ও বস্ত্র খাতের। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বুধবার ব্যাংকিং খাতের লেনদেন কমেছে ৬ কোটি ৩ লাখ টাকা। এ খাতের লেনদেন ৪৮ কোটি টাকা থেকে নেমে এসেছে ৪২ কোটি টাকায়। ওষুধ খাতের লেনদেন কমেছে ৩ কোটি টাকা। বুধবার লেনদেন ৬৮ কোটি টাকা থেকে নেমে এসেছে ৬৫ কোটি টাকায়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের লেনদেন মঙ্গলবার ছিল ৬৭ কোটি টাকা। বুধবার তা কমে হয়েছে ৫৭ কোটি টাকা। একদিনের ব্যবধানে এ খাতের লেনদেন কমেছে ১০ কোটি টাকা। আর সিমেন্ট খাতের লেনদেন কমেছে ১৭ কোটি টাকা। একদিনের ব্যবধানে সিমেন্ট খাতের লেনদেন ২৭ কোটি টাকা থেকে নেমে এসেছে ১০ কোটি টাকায়। তবে লেনদেন বেড়েছে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের। বুধবার এ খাতের লেনদেন বেড়েছে ১ কোটি টাকা আর বস্ত্র খাতের লেনদেন বেড়েছে ২ কোটি টাকা। বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ১০ কোটি ৯৯ লাখ ২৯ হাজার ২৩০টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ৪৩১ কোটি ৭৫ লাখ ৪১ হাজার ৩৪১ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ২৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা কম। ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১২.৭২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮০৫.৬৬ পয়েন্টে। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৫.০৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৮৩৭.৯৭ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়া সূচক (ডিএসইএস) পয়েন্ট ৫.৩৬ বেড়ে ১১৮৩.৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ৩১৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৬টির, কমেছে ১১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৯টি কোম্পানির শেয়ার। লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) ডিএসইর প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো স্কয়ার ফার্মা, ইসলামী ব্যাংক, শাহাজীবাজার পাওয়ার, আলহাজটেক্স, ইফাদ অটোস, অ্যাপেক্স ট্যানারি, ফার কেমিক্যাল, ইউনাইটেড পাওয়ার, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ও ন্যাশনাল ফিডস।দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, ন্যাশনাল হাউজিং, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, হাক্কানী পাল্প, জেমিনি সী ফুডস, মুন্নু স্টাফলার, রংপুর ফাউন্ড্রি, এএমসিএল (প্রাণ) ও মুন্নু সিরামিকস। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো এফবিএফআইএফ, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, এনসিসিবি মিউচুয়াল ফান্ড-১, আইসিবি তৃতীয় এনআরবি, বিডি ওয়েল্ডিং, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আরডি ফুড, কাশেম ড্রাইসেল, সমতা লেদার ও সেন্ট্রাল ফার্মা। source : Alokito Bangladesh
  • গেইনারের তালিকায় যেসব কোম্পানি
    সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অ্যাপেক্স ফুডস টপটেন গেইনারের নেতৃত্বে রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে ইবনে সিনা, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, শমরিতা হাসপাতাল, অ্যাপেক্স ট্যানারি, আইসিবি, এফবিএফআইএফ, প্রাইম ১ম আইসিবিএ, সাফকো স্পিনিং ও কাশেম ড্রাই সেল।ডিএসই ওয়েব সূত্রে জানা যায়, অ্যাপেক্স ফুডসের দর বেড়েছে ১৪ টাকা ৩০ পয়সা বা ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। দিন শেষে শেয়ারটি লেনদেন হয় ১৭১ টাকা ৫০ পয়সা দরে। কোম্পানির ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৩৫টি শেয়ার ১ হাজার ৬৫০ বারে লেনদেন হয়।গেইনার তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইবনে সিনা। শেয়ারটির দর বেড়েছে ৮ টাকা ৯০ পয়সা বা ৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ।   source : Voraer kagoj
  • সোনালী ব্যাংকের আরও টাকা কেটে নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
    দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় পর পরিশোধ করা হচ্ছে সোনালী ব্যাংকের দেয়া স্বীকৃত বিলের পাওনা। দীর্ঘ এ সময়ে স্বীকৃত বিলের অর্থ পরিশোধ থেকে বিরত থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের হিসাব থেকে এসব টাকা কেটে অন্য ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ১ হাজার ৫৭৯টি অভ্যন্তরীণ বিলের পাওনা পরিশোধ করা হবে। এ কারণে সোনালী ব্যাংকের ফরেন কারেন্সি (এফসি) ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ সংরক্ষিত রাখতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক চিঠি পাঠিয়ে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, গত বছরের জুলাইতে অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক হাজার ৫৭৯টি স্বীকৃত বিলমূল্যে পরিশোধে কয়েক দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত সেগুলো পরিশোধ করা হয়নি। এ বিষয়ে সর্বশেষ গত ৬ মে সোনালী ব্যাংক একটি ব্যাখ্যা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ওই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় প্রথম ধাপের ৩১৭টি ও দ্বিতীয় ধাপের ৬০৫টি বিলমূল্যে অন্য ব্যাংকে পরিশোধ করা হয়। এর আগে সোনালীর পর্ষদের অনাপত্তি দেয়া ৫৮৬টি বিলমূল্যে কেটে নিয়ে অন্য ব্যাংককে পরিশোধ করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত শনিবার যুগান্তরকে বলেন, আমাদের বোর্ড যেহেতু সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংক সঠিক কাজটিই করছে। তিনি বলেন, অনিয়ম বা জালিয়াতি না থাকলে বিল পরিশোধ করাই ভালো। তবে এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আমাদের কাছ থেকে বিভিন্ন কোম্পানির ব্যাপারে তথ্যের জন্য চিঠি দিয়েছে। পাশাপাশি ফরেন কারেন্সি (এফসি) ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ সংরক্ষিত রাখতে নির্দেশ দিয়েছে। আমরা সে নির্দেশ মতো অর্থ জমা রেখেছি।উল্লেখ্য, এক হাজার ৫৭৯টি স্বীকৃত বিলের বিপরীতে বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকের এক হাজার ১৬৬ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. আহসানউল্লাহ বলেন, বিল আটকে থাকায় ব্যাংক খাতে অনেক জটিলতাও হচ্ছে। সার্বিক বিবেচনায় আমরা তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নিয়ে পরিশোধ করার ব্যবস্থা করেছি। কোনো মামলা-মোকদ্দমা ও জাল-জালিয়াতি নেই। সোনালী ব্যাংকের স্বীকৃতি দেয়া সব বিল পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে আমরা ৫৮৬টি বিলের পাওনা পরিশোধ করেছি।বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে এসব বিলের মধ্যে ৫৮৬টি বিলে কোনো অনিয়ম না পাওয়ায় গত বছরের ডিসেম্বরে এসব বিলের অর্থ সোনালী ব্যাংকের হিসাব থেকে কেটে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে ১৫৮টি বিলের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ ডলার পরিশোধ করেছে। এছাড়া সোনালী ব্যাংক নিজেও ২২২টি বিল পরিশোধ করেছে। বাকি বিলগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক পরিশোধ করবে।উল্লেখ্য, হল-মার্কসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সোনালী ব্যাংকের শেরাটন শাখা থেকে ২৩৩২টি অভ্যন্তরীণ বিলে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ওই সময় সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে হলমার্কসহ ছয়টি প্রতিষ্ঠান জালিয়াতির মাধ্যমে তিন হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এদিকে দীর্ঘদিন স্বীকৃত বিলের অর্থ পরিশোধ থেকে সোনালী ব্যাংক বিরত থাকায় চরম খেসারত দিতে হয়েছে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের। এ ঘটনায় শিল্প উদ্যোক্তারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন।জানা গেছে, হলমার্ক কেলেংকারির ঘটনায় ২০১২ সালের মে পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকের শেরাটন হোটেল কর্পোরেট শাখায় সৃষ্ট স্থানীয় আমদানি-রফতানির বিপরীতে সোনালী ব্যাংকের স্বীকৃতি দেয়া বিলের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩৪২টি। এর বিপরীতে ৪১টি ব্যাংকের এক হাজার ৩১৬ কোটি টাকা পাওনা ছিল। এই টাকা পরবর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করার কথা থাকলেও সোনালী ব্যাংক বিলগুলো আটকে দেয়। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিলগুলো পরিশোধে মধ্যস্থতা করলেও সোনালী ব্যাংকের আপত্তির কারণে তা পরিশোধ হয়নি। এ ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৫৪টি মামলা করে দেশের ১১টি ব্যাংক। এর মধ্যে জনতা ব্যাংক করেছে ৭টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক করেছে ১টি, যমুনা ব্যাংক করেছে ৩টি, আইএফআইসি ব্যাংক করেছে ২টি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক করেছে ৬টি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক করেছে ২টি, ন্যাশনাল ব্যাংক করেছে ৮টি, উত্তরা ব্যাংক করেছে ৫টি, অগ্রণী ব্যাংক করেছে ১৬টি, সাউথইস্ট ব্যাংক ১টি এবং প্রাইম ব্যাংক করেছে ২টি মামলা। অবশেষে ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভায় সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ কেটে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।উল্লেখ্য, আমদানিকারকের ব্যাংকের স্বীকৃতি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে কমিশনের বিনিময়ে রফতানিকারকের বিল কেনে ব্যাংক। এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিয়ম। এর মাধ্যমে আমদানিকারকের দায় সৃষ্টি হয়। তবে এ প্রক্রিয়ায় কিছু ব্যবসায়ী ভুয়া স্বীকৃত বিল তৈরি করে অন্য ব্যাংক থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়। source : Juganthor
  • বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি : যে আইনে শাস্তি নিশ্চিত হবে সে আইনেরই প্রয়োগ
    শতভাগ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বেসিক ব্যাংক লুটের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনে দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় হতবাক হয়েছে সংসদীয় কমিটি। কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় তহবিলের হেনস্থাকারী এসব দুর্নীতিবাজরা যাতে পার পেয়ে যেতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থেকে যে আইনে তাদের দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি নিশ্চিত করা যায় সেই আইনেরই প্রয়োগ করার তাগিদ দেয়া হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে।জাতীয় সংসদ ভবনে গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে তৎকালীন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শাস্তি এখনো নিশ্চিত করতে না পারায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। এই অনিয়মের সঙ্গে ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এবং এমডিসহ বোর্ডের কর্মকর্তারা কে কতটুকু জড়িত ছিলেন তার সুনির্দিষ্ট করে বিস্তারিত তথ্য প্রমাণাদি পরবর্তী সভায় উপস্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছে কমিটি। পাশাপাশি দেশের প্রচলিত আইন এবং ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায় তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া যায় সে বিষয়েও একটি প্রতিবেদন উপস্থাপনের কথা বলা হয়েছে।কমিটির সভাপতি ড. মো. আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, নাজমুল হাসান, টিপু মুন্শি, ফরহাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এবং মো. শওকত চৌধুরী অংশ নেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব, বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।সংসদীয় কমিটিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই ব্যাংকটিকে ধ্বংস ও ফতুর করে দিতে অনিয়ম, দুর্নীতি আর জালিয়তির সব ধরনের প্রক্রিয়াই প্রয়োগ করেছেন ব্যাংকটির অর্থলোভী পরিচালনা পর্ষদ ও সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। একটি কিংবা দুটি শাখা নয়, রাজধানীর প্রায় প্রতিটি শাখাতেই প্রতিষ্ঠানটির হর্তাকর্তাদের নির্দেশে গঠিত কর্মকর্তাদের সিন্ডিকেট ঋণের নামে বিলিয়ে দিয়েছেন হাজার হাজার কোটি টাকা। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শুধু রিলেশনশিপের ভিত্তিতে কোনো ধরনের কাগজপত্র কিংবা জামানত ছাড়াই মাত্র একদিনে অনুমোদন দেয়া হয়েছে মেগা অঙ্কের এসব ঋণ। ঋণ আবেদন পত্রের সঙ্গে সিকিউরিটি ফরমের ব্যবহার বাধ্যতামূলক থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ফরম আংশিক পূরণকৃত কোনো কোনো ক্ষেত্রে একদম ফাঁকাই রাখা হয়েছে। অনেক ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে আবেদনপত্র গ্রহণ না করারও নজির রয়েছে। জামানত দেখানোর ক্ষেত্রে জাল দলিল অনেক ক্ষেত্রে আগে ঋণ উত্তোলন করে সেই টাকায় জমি কিনে তা বন্ধক রাখার ঘটনাও ঘটেছে। মূলত প্রতিষ্ঠানটি লুটপাটে এমন কোনো জালিয়াতি নেই যা করা হয়নি।   Source : Manob kontho
  • হজভিসা পেয়েছে ৮০ হাজার বাংলাদেশি
    এ বছর ৮০ হাজার বাংলাদেশিকে সৌদি আরব হজভিসা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির নতুন রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ এইচএম আল মুতাইরি।বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে দেখা করে সামগ্রিক বিষয়ে তাদের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন তিনি।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দিতে গত ২৬ জুলাই বাংলাদেশে আসেন আল মুতাইরি। পরে ১৯ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন।এর আগে আব্দুল্লাহ এইচএম আল মুতাইরি সৌদি সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক ছিলেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান সম্পর্ক আরো জোরদার এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সৌদি রাষ্ট্রদূতকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ঢাকার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। source : jayjay din
  • বাংলাদেশি শ্রমিকে মালয়েশিয়ার প্রাদেশিক সরকারের ‘না’
    মালয়েশিয়ার কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার ঘোষণা দিলেও সাবাহ প্রাদেশিক সরকার এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। গতকাল বুধবার সাবাহর তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী সিরিনগান গুবাত জানান, তাঁরা কোনো খাতে বাংলাদেশি শ্রমিক মেনে নেবেন না। গুবাত জানান, প্রাদেশিক মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে কোনো শ্রমিক নেওয়া হবে না। তবে কেন নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে মন্ত্রী কিছু জানাননি। তিনি বলেন, সেবামূলক খাত ছাড়া অন্য যেকোনো খাতে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, নেপাল কিংবা কম্বোডিয়া থেকে শ্রমিক নেওয়া যাবে। সেবামূলক খাতে কেবল ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের শ্রমিক নেওয়া হবে। গত জুনে অবশ্য দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ ঘোষণা দেন, আগামী তিন বছরে বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ শ্রমিক নেওয়া হবে। কৃষি, অবকাঠামো নির্মাণ, পণ্য বাজারজাতকরণ ও সেবামূলক খাতে এই শ্রমিক নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। সূত্র : মালয়মেইল।
  • আইন অমান্য করায় একাধিক প্রতিষ্ঠানকে বিএসইসির জরিমানা
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইল। গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৫২তম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া সিকিউরিটিজ আইন অমান্য করায় একাধিক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।বিএসইসি জানিয়েছে, রিজেন্ট টেক্সটাইল পুঁজিবাজারে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১২৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে মূলধনী বিনিয়োগ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন অর্থায়ন ও আইপিওর কাজে ব্যয় করবে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯২ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ৩৩ টাকা ১৭ পয়সা।এদিকে সভায় এবি ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার নন কনভার্টিবল বন্ড ছাড়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। যার মেয়াদ ৭ বছর। বন্ডের প্রতি ইউনিটের মূল্য ১০ লাখ টাকা। এছাড়া মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকার সাব-অর্ডিনেটেড ফ্লোটিং রেট বন্ড অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ বন্ডের প্রতি ইউনিটের মূল্য এক কোটি টাকা। এসব বন্ড শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ আর্থিক সঙ্গতি সম্পন্ন বিনিয়োগকারীরাই প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ক্রয় করতে পারবেন।বিএসইসির কমিশন সভায় চিকটেক্স লিমিটেডের এমডি সহ প্রত্যেক পরিচালককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। কোম্পানির অর্ধ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল না করায় এ জরিমানা করা হয়। এছাড়া তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক বিবরণীতে যথাযথ ব্যাখ্যামূলক নোট প্রদান না করায় আশরাফ টেক্সটাইল মিলসের এমডিসহ প্রত্যেক পরিচালককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আর তমিজুদ্দিন টেক্সটাইল মিলসের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে স্থায়ী সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন হিসাব সঠিকভাবে না দেখিয়ে নীট মুনাফা ও ইপিএস বেশি দেখানো হয়েছে। এতে কোম্পানিটির এমডিসহ প্রত্যেক পরিচালককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বিএসইসি আরও জানিয়েছে, সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজের আর্থিক বিবরণীতে নানাভাবে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। এতে কোম্পানিটির এমডিসহ প্রত্যেক পরিচালককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আর অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে সুদ বাবদ খরচ না দেখিয়ে কোম্পানির নীট ক্ষতিকে নীট মুনাফা দেখানো হয়েছে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক বিবরণী তলব করলেও তা প্রেরণ করেনি। এসবের প্রেক্ষিতে কোম্পানিটির এমডি সহ প্রত্যেক পরিচালককে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।   Source : ইত্তেফাক
  • রিজেন্ট টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমতি পেয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। সোমবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৫২তম সভায় কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়ার অনুমোদন দেয়া হয়। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানিয়েছে, কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১২৫ কোটি টাকা তুলবে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। উত্তোলিত টাকা রিজেন্ট টেক্সটাইল মূলধনী বিনিয়োগ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন অর্থায়ন ও আইপিওর কাজে ব্যয় করবে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৯২ পয়সা। Source : যায়ে যায়ে দিন   
  • কারসাজির সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি পাচ্ছে পুঁজিবাজার
    ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে মহাধসে বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িত নায়কদের বিচার শুরু করেছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। এর আগে কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারের দাম বৃদ্ধি ও ফেসবুকে তথ্য পাচারের দায়ে ২ মামলার রায় হয়েছে। এতে সুবাতাস বইতে শুরু করেছে পুঁজিবাজারে। আর স্বস্তিতে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরাও। অপরদিকে কারসাজি চক্রের নায়কদের সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি পাচ্ছে শেয়ারবাজার। সর্বশেষ রায় ঘোষণার পর টানা তিনদিন পুঁজিবাজারে উত্থান হয়েছে। বেড়েছে সূচক ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জ, ব্রোকারেজ হাউস এবং শেয়ারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উৎসবমুখর উপস্থিতি দেখা দিয়েছে।১৫ লাখ টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে ২০১০ সালের মহাধসে সর্বস্ব হারিয়েছেন সাদ সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী মহিউদ্দিন। তিনি মানবকণ্ঠকে বলেন, হারানো টাকা হয়তো আর ফিরে পাব না। কিন্তু এই খলনায়কদের বিচার হলেই খুশি। এদের বিচার আরো আগেই হওয়া উচিত ছিল। আর যেন দেরি না হয়। সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মতে, পুঁজিবাজারে মোট বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ৩০ লাখ ৬৫ হাজার ২৩৪ জন। তারা সবাই খুশি। কারসাজিকারকদের কারণে দুই দফা ধসে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেন, অনেকে আত্মহত্যা করেছেন। সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছেন বলে অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের।বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গঠিত এই বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ১৫ মামলার বিচার কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এসব মামলার বাদী বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এসব মামলার মধ্যে ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারির ২টি মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে ট্রাইব্যুনালে। কোম্পানি দুটি হলো চিক টেক্সটাইল ও চিটাগাং সিমেন্ট। চিটাগাং সিমেন্টের শেয়ার কারসাজির দায়ে মামলার অভিযুক্তরা হলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান, বুলবুল সিকিউরিটিজের মালিক এএস শহিদুল হক বুলবুল এবং ব্যবসায়ী মো. আবু তৈয়ব। বর্তমানে অভিযুক্তদের সবাই জামিনে রয়েছেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্তরা ১৯৯৬ সালে চিটাগাং সিমেন্টের পরিচালক ছিলেন। ভারতীয় ও ইরানি বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির শেয়ার কিনবেন বলে অভিযুক্তরা মূল্যসংবেদনশীল তথ্য ছড়িয়ে শেয়ার মূল্য প্রভাবিত করেন। এ ব্যাপারে পরে চিটাগাং সিমেন্টের পক্ষ থেকে সন্তোষজনক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এরপর কোম্পানির এক পরিচালক বড় অঙ্কের শেয়ার হস্তান্তরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এছাড়া বিএসইসির নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রকিবুর রহমান ও এএস শহিদুল হক বুলবুল পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেননি। আগামী ৩০ আগস্ট সর্বশেষ সাক্ষীর শুনানি হবে।আর কৃত্রিমভাবে চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম বাড়িয়ে কারসাজির দায়ে অভিযুক্তরা হলেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদুর রসূল ও পরিচালক ইফতেখার মোহাম্মদ। পরস্পর যোগসাজশে কৃত্রিমভাবে কোম্পানিটির শেয়ারটির দাম বাড়িয়ে বাজার থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ১৯৯৭ সালে ২ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে বিএসইসি। কিন্তু বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর থেকে তারা অনুপস্থিত রয়েছেন। এ জন্য গত ২৮ জুন তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। বিবাদীপক্ষের কেউ না থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-এর বি (২) ধারা অনুযায়ী এ মামলার চার্জ গঠন করেন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন আহমেদ এ মামলার সাক্ষ্য দেন। এর আগে ৬ জুলাই একই মামলার বাদী হিসেবে প্রথম সাক্ষ্য দেন বিএসইসির সাবেক নির্বাহী পরিচালক এমএ রশীদ খান।মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আসামিরা চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম বাড়ানোর লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। কারসাজির মাধ্যমে মুনাফা করার উদ্দেশ্যে ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদুর রসূল ৮ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৪টি ও পরিচালক ইফতেখার মোহাম্মদ ৮ লাখ ৩৫ হাজার শেয়ার অপারেট করেন। মামলাদ্বয়ে রাষ্ট্রপক্ষে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আইনজীবী হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. মাসুদ রানা খান ও হাসিবুর রহমান দিদার আর বিবাদীপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।আর ২০১০ সালে সিরাজউদ্দৌল্লাহ্ ও তার স্ত্রী রাশেদা আক্তার মায়া এবং মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোড়ল নামের তিন বিনিয়োগকারীর বিরুদ্ধে কৃত্রিমভাবে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারের দাম বাড়ানোর অভিযোগ করা হয়েছে।  ২০১১ সালের ২১ আগস্ট এ বিষয়ে মামলা দায়ের করে বিএসইসি। বিএসইসির পরিচালক শেখ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটির বিচার শুরু হয়েছে ১০ আগস্ট। এখন শুনানি চলছে। বিবাদীপক্ষের আইনজীবী বাকী মো. মর্তুজা। সরকার পক্ষের আইনজীবী হলেন ড. মো. মাহবুব আলম ভূঁইয়া মিলন ও মো. রেজাউল করিম রেজা।এসইসির  অভিযোগনামায় বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা ২০১০ সালের ৩০ জুন থেকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে সংঘবদ্ধ ও কৃত্রিম লেনদেনের মাধ্যমে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়িয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন কার্যদিবসে সৈয়দ সিরাজউদ্দৌল্লাহ্ পিপলস লিজিংয়ের ২ লাখ ২২ হাজার ৭০০ শেয়ার বিভিন্ন মূল্যে ক্রয় করেন। ওই সময়ে শেয়ারটির দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। পরবর্তী সময়ে শেয়ারটির অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকায় রূপান্তরের পর ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩০০ শেয়ার বিক্রি করেন। আবার ৪ আগস্ট থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত পিপলস লিজিংয়ের ৮ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ শেয়ার ক্রয় করেন। একই সময়ে ৯ লাখ ১৭ হাজার ২০০ শেয়ার বিক্রি করেন। অভিযোগনামায় আরো বলা হয়, সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রী রাশেদা আক্তার মায়া ১০ আগস্ট থেকে ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পিপলস লিজিংয়ের ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ শেয়ার ক্রয় করেন। একই সময়ে তিনি ৩ লাখ ৩১ হাজার ৯০০ শেয়ার বিক্রি করেন। অপর অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান একই সময়কালে পিপলস লিজিংয়ের ৭৫ হাজার শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করেন।এছাড়াও ২০১০ সালে প্লেসমেন্টের নামে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে দায়ের করা কমিশনের আরেকটি মামলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত বুধবার বিএসইসির সহকারী পরিচালক জহুরুল হকের সাক্ষ্যদানের মাধ্যমে এ মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। বিএসইসির উপপরিচালক এএসএম মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযুক্তরা হলেনÑ গ্রীন বাংলা কমিউনিকেশন কোম্পানিসহ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রয়াত নবীউল্লাহ নবী ও সাত্তারুজ্জামান শামীম। মামলার সাক্ষী জহুরুল হক আদালতকে জানান, ২০১০ সালে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ পায় কমিশন। কমিশনের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-৩ সরেজমিন তদন্তে নামে। র‌্যাব-৩ এর কয়েক সদস্য বিনিয়োগকারী সেজে প্লেসমেন্টে প্রতারণায় নবী উল্লাহ নবী ও সাত্তারুজ্জামান শাহীন নামে ২ জনকে শনাক্ত করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সাক্ষীকে জেরা করেন বিবাদীপক্ষের আইনজীবী আমিনুল হক ভুঁইয়া। পরে মামলাটির পরবর্তী বিচার কার্যক্রম ২৪ আগস্ট দিন ধার্য করেন আদালতের বিচারক হুমায়ুন কবীর।গত বুধবার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে মাসুদ রানা খান, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিএসইসির উপপরিচালক এএসএম মাহমুদুল হাসান, আসামি সাত্তারুজ্জামান শামীম ও তার আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজার ধসের কারসাজির জন্য ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে মোট ১৫টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ৮টি মামলা উচ্চ আদালতে স্থগিত রয়েছে। ৩টি মামলা উচ্চ আদালত খারিজ করে দিয়েছে। ১টি মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে। আর ৩টি মামলার বিচারকাজ শিগগিরই শুরু হবে। অপরদিকে ২০১০ সালে করা ২টি মামলার মধ্যে ১টির বিচারকাজ শুরু হয়েছে। অপরটিও শিগগিরই শুরু হবে।এ বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমের অধ্যাপক মিজানুর রহমান মনবকণ্ঠকে বলেন, ট্রাইব্যুনাল যদি সব রুলস অনুয়ায়ী বিচারকাজ সম্পন্ন করেন, তবে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। নতুন করে বিনিয়োগকারীরাও বাজারের প্রতি আকৃষ্ট হবেন।তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজার কারসাজির রায়কে আমি ইতিবাচকভাবে দেখছি। এটি পুঁজিবাজারের জন্য পরিষ্কার বার্তা। এর মাধ্যমে জানান দেয়া হলো, ভবিষ্যতে এ ধরনের কারসাজি করলে শাস্তি পেতে হবে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনের জন্য এ ধরনের বার্তা জরুরি ছিল।প্রসঙ্গত, এর আগে গত সোমবার কারসাজির মাধ্যমে বিডি ওয়েল্ডিং কোম্পানির শেয়ারের দাম ৬১৬ গুণ বাড়ানোর দায়ে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম নূরুল ইসলাম এবং ডেইলি ইন্ডাস্ট্রি পত্রিকার সম্পাদক এনায়েত করিমকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাদের ২০ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া, গত ৩ আগস্ট ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর দায়ে মাহাবুব সারোয়ার নামে ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।   Source : মানব কণ্ঠ
View All
Latest DSE News
  • UPGDCL

    Credit Rating Information and Services Limited (CRISL) has rated the Company as &quot;AA+&quot; in the long term and &quot;ST-2&quot; in the short term along with a stable outlook in consideration of its audited financials up to December 31, 2014, unaudited financials up to June 30, 2015 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • APEXTANRY

    Credit Rating Information and Services Limited (CRISL) has rated the Company as &quot;AA-&quot; in the long term and &quot;ST-2&quot; in the short term along with a stable outlook in consideration of its audited financials up to June 30, 2014, unaudited financials up to March 31, 2015 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • GPHISPAT

    The Company has further informed that EGM of the Company will be held on 30.09.2015 at 11:00 AM at Tava Rendezvous Convention Center, Khulshi Mart (1st Floor), 4 Zakir Hossain Road, Chittagong. Other information of the EGM is as announced earlier.

  • KOHINOOR

    Credit Rating Information and Services Limited (CRISL) has rated the Company as &quot;A+&quot; in the long term and &quot;ST-3&quot; in the short term along with a stable outlook in consideration of its audited financials up to June 30, 2014, unaudited financials up to June 30, 2015 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • GREENDELT

    Syed Bazlur Rahman, one of the Sponsors of the Company, has further reported that he has completed his sale of 60,000 shares of the Company while Nasiruddin Ahmad Choudhury, another Sponsor of the Company, has further reported that he has completed his buy of 60,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ANWARGALV 59.20 53.90 5.30 9.83
STANCERAM 52.00 47.40 4.60 9.70
TALLUSPIN 21.70 20.10 1.60 7.96
MIRACLEIND 18.10 16.80 1.30 7.74
JUTESPINN 71.70 67.20 4.50 6.70
MONNOCERA 46.70 44.00 2.70 6.14
NORTHERN 342.50 323.30 19.20 5.94
AIBL1STIMF 5.50 5.20 0.30 5.77
SAVAREFR 50.50 47.80 2.70 5.65
SINOBANGLA 27.10 25.70 1.40 5.45

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297