Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SPCL 53.4 36.5 16.90 46.30
FARCHEM 51.3 43 8.30 19.30
IDLC 47 42.3 4.70 11.11
BGIC 23.5 21.5 2.00 9.30
SAPORTL 25 22.9 2.10 9.17
HWAWELLTEX 40.3 37 3.30 8.92
FAREASTFIN 11 10.1 0.90 8.91
ACTIVEFINE 64.6 59.9 4.70 7.85
MARICO 1055.4 980 75.40 7.69
NATLIFEINS 237.3 222.4 14.90 6.70

Contest SB2014_Jul

1st
blank_person
AMINUL
2nd
blank_person
MEHEDIARAFAT82
3rd
blank_person
SOUROVABID
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 297.7 293.5 10.75211 818200.00
BANKASIA 18.4 18.1 0.43397 250500.00
ALARABANK 14.7 14.5 0.35907 684000.00
RUPALIBANK 67.9 67 0.35615 22500.00
NTC 830.1 803.1 0.33785 550.00
Negative impact
ICB 1765.25 1820.75 -4.43906 1350.00
BEXIMCO 34.8 37.9 -3.53235 16765800.00
SQURPHARMA 250.6 253.5 -2.65008 465190.00
TITASGAS 74.5 75.6 -2.06301 96000.00
RENATA 903.1 916.9 -1.15453 18400.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BEXIMCO 34.8 37.8 34.6 -8.18% 600.68
GP 297.7 301 294.6 1.43% 244.08
LAFSURCEML 83.6 86.8 83.4 -0.36% 170.67
SQURPHARMA 250.6 254 250 -1.14% 117.07
SPCL 53.4 58 52.5 -5.65% 102.88
PADMAOIL 326.2 328.1 321.7 0.03% 97.84
FARCHEM 51.3 54.2 50.8 1.99% 82.86
GENNEXT 17.7 18.6 17.6 -2.21% 70.38
ACTIVEFINE 64.6 66.4 64.3 1.10% 62.23
HEIDELBCEM 505.7 509.5 498 -0.26% 62.23

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 23 Jul 2014

74610
TOTAL TRADE
77.0214
TOTAL VOLUME(Mn)
3188.65
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • জেএমআই সিরিঞ্জয়ের ৮৭ শতাংশ মুনাফা বৃদ্ধি
    ডেস্ক রিপোর্ট : ওষুধ ও রসায়ন খাতের জেএমআই সিরিঞ্জ ও মেডিকেল ডিভাইস লিমিটেডের মুনাফা বেড়েছে ৮৭ শতাংশ। কোম্পানিটির অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি- জুন’ ১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া যায়। বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। আলোচিত প্রান্তিকে জেএমআই সিরিঞ্জ ও মেডিকেল ডিভাইস লিমিটেডের মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ২৫ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ১ টাকা ২০ পয়সা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন’ ১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৯০ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আর  শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৭৩ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ১ টাকা ৮ পয়সা।
  • বোনাস বিওতে পাঠিয়েছে দুই কোম্পানি
    ডেস্ক  রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানি ঘোষিত বোনাস শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে। কোম্পানি দুটি হচ্ছে- জেনারেশন নেক্সট এবং বীচ হ্যাচারী। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। এর আগে জেনারেশন নেক্সট ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এই লভ্যাংশ মঙ্গলবার ২২ জুলাই বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে। বীচ হ্যাচারী সমাপ্ত বছরের জন্য ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করে। গত ২১ জুলাই এই লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে।
  • ১৩টি কোম্পানির শেয়ার ৫ বছরেও লেনদেন হয়নি
    ডেস্ক রিপোর্ট  : পুঁজিবাজার থেকে তালিকাচ্যুত ১৩ কোম্পানির শেয়ার প্রায় ৫ বছর ধরে লেনদেন হয় না। লেনদেন  না হওয়া কোম্পানিগুলো বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটে অবস্থান করছে।কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ম্যাক এন্টারপ্রাইজ, আমাম সী ফুড ইন্ডাষ্ট্রিজ, রাসপিট ডাটা, রাসপিট ইঙ্ক, ডায়নামিক টেক্সটাইল, রাঙ্গামাটি ফুড, রোজ হ্যাভেন বলপেন, গচিহাটা একুয়াকালচার, বেমকো, আল-আমিন কেমিক্যাল, পদ্মা প্রিন্টার্স, ঈগলস্টার টেক্সটাইল মিলস ও এক্সেলসিওর সুজ। জানা গেছে, ডিএসইতে ২০০৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ওটিসি মার্কেট প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ১ অক্টোবর থেকে কার্যক্রম শুরু হয়। ওটিসি প্রতিষ্ঠার আগে থেকে এ সব কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হতো না। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ৩০ জুন ম্যাক এন্টারপ্রাইজের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়। এর পর সর্বশেষ গত ১৫ জুলাই ৩৭.৭৫ টাকা দরে এ কোম্পানির ৫০টি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়েছে। ২০০৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আমাম সী ফুড ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়। আর গত ১৪ জুলাই ২১৯ টাকা দরে এ কোম্পানির ৩৫টি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়েছে। ২০০৯ সালের ৩ মার্চ ডায়নামিক টেক্সটাইলের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয় এবং ২০১৩ সালের ১৭ এপ্রিল ৫২.২৫ টাকা দরে ২০টি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ৩০ জুন রাঙ্গামাটি ফুডের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়। পরে ২০১০ সালের ৮ নভেম্বর ১১.১০ টাকা দরে ২ হাজারটি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ৩০ ‍জুন রোজ হ্যাভেন বলপেনের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়। এর পর ২০১০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ১৭.৮০ টাকা দরে ২ হাজার ৫০০টি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ৩০ জুন গচিহাটা একুয়াকালচারের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়। এর পর ২০১০ সালের ১৬ আগস্ট ৬৪.৫০ টাকা দরে ৫০০টি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ৩ মার্চ বেমকোর শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়। এর পর ২০১০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ৬১ টাকা দরে ৭০টি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ৩০ জুন আল-আমিন কেমিক্যালের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়। এর পর ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি ১২ টাকা দরে ২০০০টি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ৩০ জুন পদ্মা প্রিন্টার্সের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয় এবং ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি ১৩ টাকা দরে ১০০টি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ৯ জানুয়ারি ঈগলস্টার টেক্সটাইল মিলসের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়। এর পর ২০১২ সালের ৬ ডিসেম্বর ৮.৯০ টাকা দরে ১০০টি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের ৯ জানুয়ারি এক্সেলসিওর সুজের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়। এর পর ২০০৯ সালের ১৮ নভেম্বর ৬৬ টাকা দরে ৫০টি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ২০০৮ সালের ১৫ জানুয়ারি রাসপিট ডাটার শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর ৩.৫০ টাকা দরে ৪০০টি শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়। ২০০৮ সালের ১৫ জানুয়ারি রাসপিট ইঙ্কের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়। এর পর ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর ১.৯০ টাকা দরে ১০ হাজার শেয়ার বেচার আদেশ দেওয়া হয়।
  • সূচকের পাশাপাশি লেনদেন হ্রাস ৫৭ কোটি টাকা
    মোঃ আশফাতুল আলমঃ     আজ বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসইএক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে থেকেই বিক্রয়চাপের ফলে নিন্মমুখি প্রবনতা দেখা যায় এবং দিনভর নিন্মমুখি প্রবনতাই লক্ষ্য করা যায় এবং দিনশেষে পুনরায় বিক্রয়চাপ বৃদ্ধির ফলে নিন্মমুখি প্রবনতাই লেনদেন শেষ হয়ে সূচক ৩৫.৯১ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। ডি.এস.ই এক্স ইনডেক্সে আজ বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক দ্বারা সাধারণত বাজারের নিন্মমুখি প্রবনতা প্রকাশ পেয়ে থাকে। ডিএসই এক্স ইনডেক্স  আজ ৩৫.৯১ পয়েন্ট হ্রাসপেয়ে  ৪৩৮৮.৬৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.৮১% হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪২০৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৩৪.৪৯ এবং আর.এস.আই এর মান ছিল  ৪৮.৩৪ অর্থাৎ আর.এস.আই ও এম.এফ.আই এর মান এখন বুলিশ জোনের কাছাকাছি অবস্থান করছে। বাজারের ভারসাম্য বজাই রাখতে এখন অতীব প্রয়োজন বাজারে লেনদেন বৃদ্ধি। কেবল মাত্র ধারাবাহিক লেনদেন বৃদ্ধির মাধ্যমেই সম্ভব বাজারকে পুনরাই চাঙ্গা করেতোলা।ধারাবাহিক লেনদেন বৃদ্ধি ছাড়া বাজার সাময়িক ভাল হলেও এটা স্বল্প মেয়াদের জন্য, দীর্ঘ মেয়াদের জন্য এটা ভাল ফলাফল বয়ে আনবে না।এমনটাই ধারনা করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা। এম.এ.সি.ডি লাইনটি এবং সিগনাল লাইনটি এখন এর মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের থেকে নীচে অবস্থান করছে। আজ এম.এ.সি.ডি লাইনের মান ছিল -৫.০৫ এবং সিগনাল লাইনের মান ছিল -৮.০৭ এবং এম.এ.সি.ডি লাইনটি সিগনাল লাইনের উপরে অবস্থান করছে। ক্যান্ডেলস্টিক বলিঞ্জার ব্যান্ডের মাঝামাঝি অবস্থান করছে এবং উপরের ব্যান্ডে দিকে উঠার চেষ্টা করছে। ১০ দিনের এস.এম.এ এখন ২৫ দিনের এস.এম.এ এর উপরে অবস্থান করছে। আজ ডিএসইতে ৭ কোটি ৭০ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৩১৮.৮৬ কোটি টাকা। গতকালের তুলনায় আজ ডিএসইতে লেনদেন ৫৭ কোটি  টাকা হ্রাস পেয়েছে। আজ ঢাকা শেয়ারবাজারে ২৯৭ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ৯০  টির, কমেছে ১৬০ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল  ৪৭ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজ বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ০-২০ কোটি, ৫০-১০০ কোটি এবং ৩০০ কোটি টাকার উপরের পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন আগেরদিনের তুলনায় ০.০৮%, ২.০৯% এবং ৫.০৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে আজ ২০-৫০ কোটি ১০০-৩০০ কোটি টাকার মধ্যেকার পরিশোধিত মূলধনের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায়  আজ ০.০১%এবং ৭.২৪%  হ্রাস পেয়েছে। আজ পিই রেশিও ২০-৪০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন সবচাইতে বেশি ছিল যা আগের দিনের তুলনায় ৫.৮৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে এবং পিই রেশিও ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৫.৩৭% এবং ০.৪৮%  হ্রাস পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ এগিয়ে ছিল  ‘এন’, ‘বি’ এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় বেশ খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে আজ ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন খানিকটা হ্রাস পেয়েছে।
  • বিডি সার্ভিস সামিট পাওয়ার ও ট্রাস্ট ব্যাংকের আয় বৃদ্ধি, কমেছে হাইডেলবার্গের
    সিনিয়র রিপোর্টার : বাংলাদেশ সার্ভিস লিমিটেডের (বিডি সার্ভিস) অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির আয় বেড়েছে। একই সঙ্গে সামিট পাওয়ার লিমিটেড ও ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি ট্রাস্ট ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী আয় বেড়েছে। তবে সিমেন্ট খাতের হাইডেলবার্গ সিমেন্টের ৬ মাসে মুনাফা কমেছে। বুধবার ডিএসই ও কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বিডি সার্ভিস : চলতি বছরের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্ধ বার্ষিক (জানু-জুন’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিডি সার্ভিসের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১.৪৩ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৯ কোটি ১ লাখ টাকা ও ইপিএস ১.২২ টাকা। সে হিসেবে আগের বছরের তুলনায় এ কোম্পানির আয় বেড়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এদিকে বিডি সার্ভিসের প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ারের হিসাবে অর্ধ বার্ষিকে ইপিএস হবে ১.২৪ টাকা। একই হিসাবে যা আগের বছরের এ সময়ে ছিল ১.০৬ টাকা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন’১৪) বিডি সার্ভিসের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা ও ইপিএস ০.৫৩ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫৪ লাখ টাকা ও ইপিএস ০.০৭ টাকা। তবে প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ারের হিসাবে অর্ধ বার্ষিকে এ কোম্পানির ইপিএস হবে ০.৪৬ টাকা। একই হিসাবে যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.০৬ টাকা। সামিট পাওয়ার : সামিট পাওয়ার লিমিটেডের প্রতিবেদন অনুযায়ী আয় বেড়েছে। চলতি বছরের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্ধবার্ষিক (জানু-জুন’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১২০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১.৭৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা ও ইপিএস ১.৭২ টাকা। সে হিসেবে আগের বছরের তুলনায় এ কোম্পানির আয় বেড়েছে ৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন’১৪) সামিট পাওয়ারের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা ও ইপিএস ১.০২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ও ইপিএস .৯৭ টাকা। ট্রাস্ট ব্যাংক : ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি ট্রাস্ট ব্যাংকের অর্ধবার্ষিকে মুনাফা বেড়েছে ৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩৮ কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৯১ পয়সা; যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৬ কোটি ৫৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ৮৬ পয়সা। অন্যদিকে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা ১৪ কোটি ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৩৩ পয়সা; যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ও ৫৭ পয়সা। সম্প্রতি কোম্পানির সাব-অর্ডিনেটেড বন্ডের অনুমোদন করেছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ৬ বছর মেয়াদি বন্ড ছাড়বে ট্রাস্ট ব্যাংক। এর মাধ্যমে ২০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে ব্যাংকটি। পূর্ণাঙ্গ পরিশোধযোগ্য এ বন্ড শেয়ারে রূপান্তরযোগ্য নয়। এ বন্ডের কুপন রেট ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। সাত বছর পর পূর্ণাঙ্গ পরিশোধ করা হবে। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বন্ডটি কিনতে পারবে। এ বন্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাসেল টু শর্ত অনুসারে টিয়ার টু মূলধন বাড়ানো হবে। এছাড়া বন্ডের প্রতিটি ইউনিটের মূল্য হবে ১ কোটি টাকা। বন্ডের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেড। ব্যাংকটি ২০০৭ সালে শেয়ারবাজরে তালিকাভুক্ত হয়। এর অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি, পরিশোধিত মূলধন ৪২৬ কোটি ২০ লাখ ও রিজার্ভের পরিমাণ ২৪০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার ৪২ কোটি ৬২ লাখ ৬ হাজার ১৬৬টি; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৬০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২০ দশমিক ৩৯, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে ১৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। হাইডেলবার্গ সিমেন্ট : সিমেন্ট খাতের হাইডেলবার্গ সিমেন্টের ৬ মাসে মুনাফা কমেছে ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় কমেছে ৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। কোম্পানিটি অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া যায়। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৮১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৪ টাকা ৪৬ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৮৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ১৫ টাকা ২৭ পয়সা। গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন’১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৪১ কোটি ২ ৫ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭ টাকা ৩০ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৯ কোটি ২২ লাখ টাকা এবং ইপিএস ৬ টাকা ৯৪ পয়সা।
  • ন্যাশনাল হাউজিংয়ের মুনাফা কম, লাফার্জ ও স্কয়ার টেক্সটাইলের বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল হাউজিং ফিন্যান্সের মুনাফা চলতি বছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ৪৪ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে বস্ত্র খাতের স্কয়ার টেক্সটাইলের গত ৬ মাসে মুনাফা বেড়েছে ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। একই সঙ্গে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেডের ৬ মাসে শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৩৩ শতাংশ। কোম্পানিগুলো তাদের অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এ চিত্র দেখা যায়। প্রতিবেদন অনুসারে এপ্রিল-জুন এ তিন মাসে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬৪ পয়সা। অন্যদিকে সার্বিকভাবে ছয় মাসে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৯৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এ সময় কোম্পানিটির ইপিএস হয় ৯৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬৪ পয়সা। এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল। সর্বশেষ ২৭ টাকায় এ শেয়ারের লেনদেন হয়। দিন শেষে এ শেয়ারের দর দাঁড়ায় ২৬ টাকা ৯০ পয়সা। এদিন মোট ১ লাখ ৬ হাজার শেয়ার ৭২ বারে লেনদেন হয়। এদিকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর মুনাফা হয়েছে ১৬ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ইপিএস ১ টাকা ৫৭ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি এনএভি ১৩ টাকা ৪০ পয়সা। কোম্পানিটি ঋণমানে দীর্ঘমেয়াদে ‘এ২’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে— ঋণ ঝুঁকি সক্ষমতায় ভালো অবস্থানে রয়েছে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)। ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়ায় কোম্পানিটিকে ‘এ’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে নামানো হয়েছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এ কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৬০ পয়সা, এনএভি ১৩ টাকা ৩৪ পয়সা ও কর-পরবর্তী নেট মুনাফা ৪ কোটি ১৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। স্কয়ার টেক্সটাইল : বস্ত্র খাতের স্কয়ার টেক্সটাইলের ছয় মাসে মুনাফা বেড়েছে ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। এই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ২০ পয়সা। কোম্পানিটি অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া যায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির (সুদ ব্যতীত) মুনাফা হয়েছে ৪৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ২০ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ৩ টাকা ১০ পয়সা। গত ৩ মাসে (এপ্রিল-জুন’১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ২২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৫৫ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা এবং ইপিএস ১ টাকা ৬৪ পয়সা। লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট : লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেডের ছয় মাসে শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৩৩ শতাংশ। কোম্পানিটি অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া যায়। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ১৪০ কোটি ২২ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ২১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১০৬ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল৯১ পয়সা। গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন’১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৭৭কোটি ৪৩ লাখ টাকা। আর  শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৬৭ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং ইপিএস  ৩১ পয়সা। উল্লেখ্য, গত ছয় মাসের হিসাবে লাফার্জ সুরমা ১২ কোটি ২৫ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত লোকসানে রয়েছে।
  • ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর মুনাফা বৃদ্ধি ৯৩ শতাংশ
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি (বিএটিবিসি) লিমিটেডের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে মুনাফা বেড়েছে ৯৩ শতাংশ। মঙ্গলবার কোম্পানিটি তাদের অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এমন চিত্র দেখা যায়। প্রতিবেদন অনুসারে (এপ্রিল-জুন) তিন মাসে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ১৬৩ কোটি ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৮৪ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২৭ টাকা ১৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৪ টাকা ৯ পয়সা। অন্যদিকে সার্বিকভাবে ৬ মাসে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ২৮৭ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২০৬ কোটি ৩৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৭ টাকা ৮৭ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৪ টাকা ৩৯ পয়সা। এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার এ শেয়ারের দর বেড়েছে দশমিক ৪৫ শতাংশ বা ১০ টাকা ৭০ পয়সা। সারা দিন এর দর ২ হাজার ৪১০ থেকে ২ হাজার ৪৯০ টাকায় ওঠানামা করে। সর্বশেষ ২ হাজার ৪১২ টাকায় এ শেয়ারের লেনদেন হয়। দিন শেষে এ শেয়ারের দর দাঁড়ায় ২ হাজার ৪২৯ টাকা ৩০ পয়সা। মঙ্গলবার মোট ২ হাজার ৩০০টি শেয়ার ৩৯ বারে লেনদেন হয়। ২০১৩ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ চূড়ান্ত ৫২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করে। এছাড়া ওই বছর মোট ৬২০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। এর মধ্যে ১০০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ রয়েছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৪৮৬ কোটি ৮৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৮১ টাকা ১৪ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৪৮ টাকা ৩৬ পয়সা। ২০১২ সালের জন্য ৫০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় এ কোম্পানি। ওই হিসাব বছর এর ইপিএস হয় ৬৫ টাকা ৬৯ পয়সা, এনএভি ১১৭ টাকা ২২ পয়সা ও কর-পরবর্তী মুনাফা ৩৯৪ কোটি ১৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ১৯৭৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৬০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৬০ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৩০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার ৬ কোটি; যার মধ্যে ৭২ দশমিক ৯১ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, দশমিক ৬৪ শতাংশ সরকার, ১৩ দশমিক ৬১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক এবং ১২ দশমিক ৮৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা এবং ৫০টিতে মার্কেট লট।
  • নাভানা সিএনজির ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রকৌশল খাতের কোম্পানি নাভানা সিএনজি লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। লভ্যাংশ ৩১ মার্চ ২০১৪  তারিখে সমাপ্ত বছরের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে মঙ্গলবার এই তথ্য জানা যায়। বৈঠকে কোম্পানির ৩১ মার্চ ২০১৩ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয় পরিচালনা পর্ষদ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৩ টাকা ৪৬ পয়সা। আগামি ২৫ সেপ্টেম্বর কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ আগষ্ট। গত বছর নাভানা সিএনজি ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। সে বছর শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৯ পয়সা।
  • পুঁজিবাজারবান্ধব মুদ্রানীতি আসছে শনিবার
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়ক করে চলতি অর্থবছরের প্রথম মূদ্রনীতি ঘোষণা করতে চলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগামী  ২৬ জুলাই, শনিবার ২০১৪-১৫ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের মূদ্রানীতি ঘোষণা করবে বায়লাদেশ ব্যাংক। সোমবার দেশের ব্যাংকগুলোর নির্বাহীদের সঙ্গে সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী ২৬ জুলাই, শনিবার আগামী ছয় মাসের মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হবে। ব্যাংকার্স সভায় সে বিষয়ে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কিছুটা ধারণা দেওয়া হয়েছে। এবারের মুদ্রানীতি পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগবান্ধব করা হচ্ছে জানিয়ে ডেপুটি গভর্নর বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে ব্যাংকারদের ধারণা দেওয়া হয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি ও বিনিময় হার ইত্যাদি সব বিষয়ে আমরা বলেছি। পুঁজি বাজারে স্থিতিশীলতা ও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো আমাদের অর্থনীতির জন্য কতোটা দরকার সেটি সম্পর্কে বলা হয়েছে। আমরা সেটা চাইও। গভর্নর আতিউর রহমানও তার লিখিত বক্তব্যে মুদ্রানীতির ধরণ নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। মুল্যস্ফীতি, বিনিময় হার, জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহ নিয়েও কথা বলেন তিনি।
  • ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ইউনাইটেড পাওয়ারের মূল্য নির্ধারণ
    সিনিয়র রিপোর্টার : বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির শেয়ারের নির্দেশক মূল্য বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে ৬০ টাকা দরে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে কোম্পানিটি। বিদ্যমান ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে এ শেয়ারের নির্দেশক মূল্য দাঁড়ায় ৩৯ টাকা। ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতির একটি হিসাব অনুযায়ী, সর্বশেষ পাঁচ বছরের গড় ভারত্ব প্রতি শেয়ারে আয়ের (ওয়েটেড এভারেজ ইপিএস) সঙ্গে মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ১০ গুণ করতে হয়। তার সঙ্গে প্রতি শেয়ারে সম্পদ (এনএভিপিএস) যোগ করে ২ দিয়ে ভাগ করতে হয়। এ হিসাবে ইউনাইটেড পাওয়ারের শেয়ারের নির্দেশক মূল্য দাঁড়ায় ৩৯ টাকা। বর্তমানে এই পদ্ধতিতেই শেয়ার দর বিবেচনা করছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।শেয়ার দর নির্ধারণের আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে কোম্পানির প্রতি শেয়ারে সম্পদের সমান। এক্ষেত্রে ইউনাইটেড পাওয়ারের শেয়ারের নির্দেশক মূল্য হতে পারে ২৬.৫০ টাকা। এছাড়া কোম্পানির সর্বশেষ ৫ বছরের ওয়েটেড ইপিএসের সঙ্গে উল্লিখিত কোম্পানির খাতের সর্বশেষ ৩ মাসের পিই’র গড় করে যেটি কম সেটি গুণ করে নির্ণয় করা। এদিক দিয়ে ইউনাইটেড পাওয়ারের ওয়েটেড ইপিএস ৫.৩১ টাকা এবং এপ্রিল, মে ও জুন মাসের বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের গড় পিই ১২.৯৫ হিসাবে আসে ৬৮.৭৫ টাকা। তবে এ পদ্ধতি এখন ব্যবহার করা হয় না। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার দর বেশি নির্ধারণ হয়েছে কি না জানতে চাইলে ইউনাইটেড পাওয়ারের ইস্যু ম্যানেজার লঙ্কাবাংলা ইনভেষ্টমেন্ট লিমিটেডের প্রাইমারী মার্কেট অপারেশনের প্রধান আদনান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে শেয়ার দর নির্ধারণে উল্লিখিত প্রথম পদ্ধতিটি ব্যবহার হয়। তবে ইউনাইটেড পাওয়ারের দর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতির সঙ্গে বুক বিল্ডিংয়ের তুলনা করা ঠিক হবে না। তিনি আরও বলেন, কোম্পানির পারফরমেন্স অনুযায়ী ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে প্রত্যাশিত দর পাওয়া যাবে না বলে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি বেছে নেওয়া হয়েছে। আর পুঁজিবাজারের বর্তমান পেক্ষাপটে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ প্রত্যাশিত দর পেয়েছে। ২০০৮ সালে ৪ দিন ও ২০০৯ সালে দুইটি প্লান্টের একটি দিয়ে ৬ মাস উৎপাদন কর্মকান্ড চালানোয় মুনাফা কম হয়েছে বলে জানান, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের ফিন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার মজিবুল ইসলাম পাটোয়ারি। আর এর ফলে ওয়েটেড ইপিএস কম হয়েছে এবং ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে দর কম হচ্ছে বলে জানান তিনি। তবে নতুন ব্যবসা হিসাবে ২০০৮ ও ২০০৯ সালের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করা হলে দর বেশি হয়নি বলে মনে করেন তিনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির এক কমিশনার জানান, উল্লিখিত পদ্ধতিতে (প্রথম পদ্ধতি) বর্তমানে ইস্যু ম্যানেজাররা শেয়ার দর চেয়ে থাকে। আর বেশ কিছু দিন ধরে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। সম্প্রতি যেসব কোম্পানি পুঁজিবাজারে এসেছে সেসব কোম্পানির শেয়ার দর উল্লিখিত পদ্ধতির (প্রথম পদ্ধতি) মধ্যেই আছে বলে জানিয়েছেন, আইডিএলসি ইনভেষ্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মনিরুজ্জামান। একটি কোম্পানির বিগত কয়েক বছরের আয়ের ধারা, রিটার্ন অন ইক্যুইটি, বাজারে কোম্পানিটির সুনাম ও কি পরিমাণ সম্পদ আছে তার উপর বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হয়। ইউনাইটেড পাওয়ারের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০০৮ সালে ০.০২ শতাংশ (লোকসান), ২০০৯ সালে ১৮.২ শতাংশ, ২০১০ সালে ৮৪.১০ শতাংশ, ২০১১ সালে ৫৩.৭০ শতাংশ ও ২০১২ সালে ১০২.১০ শতাংশ হারে মুনাফা করেছে কোম্পানিটি। উল্লিখিত ৫ বছরে গড়ে ৫১.৬২ শতাংশ হারে মুনাফা করেছে ইউনাইটেড পাওয়ার। আর সর্বশেষ ২০১২ সাল শেষে ইউনাইটেড পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৬.৫০ টাকা। এদিক দিয়ে হিসাব করলে কোম্পানিটির মুনাফা অনুযায়ী শেয়ার দর ৫১.৬২ টাকা হতে পারে। আর প্রতি শেয়ারে সম্পদ অনুযায়ী শেয়ার দর ২৬.৫০ টাকা হতে পারে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • মূলধন বাড়াবে একটিভ ফাইন
    কোম্পানির মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে একটিভ ফাইনের পরিচালনা পর্ষদ। মূলধন বাড়াতে দুই কোটি শেয়ার ইস্যু করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিটি শেয়ারের দর নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ টাকা। ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) অথবা অন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এ শেয়ার বেচা হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বেচা হবে না। এ বিষয়ে ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) বিনিয়োগকারীরা প্রতিটি শেয়ার ৫০ টাকায় ইস্যু করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছিলেন বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে শেয়ার ইস্যু করা হবে বলে একটিভ ফাইনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • ৭ আগস্ট সাইফ পাওয়ার টেকের আইপিও লটারি
    সাইফ পাওয়ার টেকের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) কোম্পানির চাহিদার চেয়ে সাড়ে ৯ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। এমতাবস্থায় আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দিতে আগামী ৭ আগস্ট আইপিও লটারির আয়োজন করা হয়েছে। ওইদিন কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মিলনায়তনে লটারি অনুষ্ঠিত হবে বলে কোম্পানি সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে মোট ৩৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর বিপরীতে জমা পড়েছে ৩৪০ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। যা কোম্পানির চাহিদার ৯.৫ গুণ। স্থানীয় অধিবাসীরা এ কোম্পানির আইপিওতে ৩৪০ কোটি ৩৯ লাখ ১১ হাজার টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন। আর গত ১০ জুলাই পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা জমা দিয়েছেন ৫৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকার শেয়ার। ফেস ভ্যালু ১০ টাকার সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ সাইফ পাওয়ারটেকের প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৩০ টাকা এবং মার্কেট লট ২০০টি শেয়ারে। গত ৬ থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা এ কোম্পানির আইপিওতে আবেদন করার সুযোগ পান। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৯ জুলাই পর্যন্ত। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসাবে কাজ করেছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করছে আতা খান এ্যান্ড কোং।   হারুন সিকিউরিটিজকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে হারুন সিকিউরিটিজ লিমিটেডকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিএসইসি। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ৫২৩তম সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত হয়। জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি তিনটি আইন ভঙ্গ করেছে। প্রথমত, প্রতিষ্ঠানের পরিচালকবৃন্দ, কর্মচারী (অনুমোদিত প্রতিনিধিসহ) এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মার্জিন ঋণ দিয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি কমিশন ডাইরেক্টিভ নম্বর : এসইসি/সিএমআরআরসিডি/২০০১-৪৩/৩১ মার্চ ২৩, ২০১০ এবং সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০ এর বিধি ৪(২) (৪) অনুযায়ী ডিড অব এ্যাগ্রিমেন্টের ক্লোজ ৫ লঙ্ঘন করেছে। দ্বিতীয়ত, ঋণ চুক্তি ছাড়া মার্জিন ঋণ প্রদান করে, মার্জিন রুলস, ১৯৯৯ এর রুল ৩(২) লঙ্ঘন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি নন মার্জিনেবল ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ার কিনতে মার্জিন ঋণ প্রদান করে কমিশনের নির্দেশনা নং-এসইসি/সিএএমআরআরসিডি/২০০১-৪৩/১৬৯ তাং ০১/১০/২০০৯ লঙ্ঘন করেছে।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • পুঁজিবাজারে স্বস্তির নিঃশ্বাস
    দেশের পুঁজিবাজারে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরতে শুরু করেছে। ঈদ-উল-ফিতরের আগ মুহূর্তে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার চাপ আগের তুলনায় কমে যাওয়ার কারণেই বাজারে বেশিরভাগ কোম্পানির দর বাড়ছে। বিশেষ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সম্ভাব্য আর্থিক প্রতিবেদনকে ঘিরে বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি পর্যায়ের সব ধরনের বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। একই সঙ্গে আগামীতে ঘোষণা করতে যাওয়া মুদ্রানীতিকে কেন্দ্র করেও কিছুটা আশাবাদী হয়ে উঠছে বাজার সংশ্লিষ্টরা। যার কারণে আগের তুলনায় শেয়ার কেনার আদেশ বাড়তে শুরু করেছে। মঙ্গলবারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন হয়েছে ৩৭৫ কোটি। এর আগে প্রথম রমজানে ৩০ জুন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩৮৭ কোটি টাকা। দিনটিতে ডিএসইতে লেনদেন বাড়ার দিনে সূচকে যোগ হয়েছে মোট ৩০ পয়েন্ট। একইভাবে অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সব ধরনের সূচকের সঙ্গে লেনদেন বেড়েছে। বাজার পর্যালোচনা দেখা গেছে, সকালে শুরুতে বেশিরভাগ কোম্পানির দর বাড়ার প্রবণতা দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। বড় মূলধনের কিছু কোম্পানির দর বৃদ্ধির কারণে সূচকও বাড়তে থাকে। একইভাবে দিনটিতে আর্থিক প্রতিবেদনের আয় বাড়া এবং বাকিগুলোরও আয় বাড়তে পারে এমন আশাবাদে শেয়ারের ক্রয়াদেশ বেড়েছে। একই সঙ্গে গ্রামীণফোন, অলিম্পিক, বেক্সিমকো, লাফার্জ সুরমার মতো কোম্পানিগুলো লেনদেনে প্রাধান্য বিস্তার করেছে। সারাদিন এভাবে সূচকের বৃদ্ধি শেষে ডিএসইর সার্বিক বা ডিএসইএক্স সূচক ২৯ পয়েন্ট বেড়েছে। এই সূচকের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪২৪ পয়েন্টে। আর শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯৯৯ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএস-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬১৮ পয়েন্টে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৯৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯২টির, কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির। আর শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে মোট ৬৬ কোটি টাকা বেশি। সোমবারে সেখানে মোট ৩০৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। দিনটিতে ডিএসইতে খাতওয়ারি লেনদেনের শীর্ষে ছিল বিবিধ খাত। বেক্সিমকোর প্রাধান্যের দিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫৭ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৬ ভাগ। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ওষুধ এবং রসায়ন খাতটি। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫৩ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের প্রায় ১৫ ভাগ। তৃতীয় অবস্থানে ছিল টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানি। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেন দাঁড়ায় ৪৬ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ৭৪ ভাগ। ডিএসইতে লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো- বেক্সিমকো, গ্রামীণফোন, পদ্মা অয়েল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেড, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, স্কয়ার ফার্মা, জেনারেশন নেক্সট, গোল্ডেন সন এবং ফার কেমিক্যাল লিমিটেড। দর বৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : সামিট পোর্ট এলায়েন্স, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, বিজিআইসি, এএফসি এগ্রো, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল, গোল্ডেন সন, একটিভ ফাইন, স্টাইল ক্রাফট ও সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : আইসিবি ফাস্ট এনআরবি, কর্নফুলী ইন্স্যুরেন্স, প্রগেসিভ লাইফ, লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স, লিব্রা ইনফিউশন, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, রূপালী ব্যাংক, এনভয় টেক্সটাইল, জিএসপি ফাইন্যান্স ও ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স। অপরদিকে ঢাকার বাজারের মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সব ধরনের কোম্পানির দর বেড়েছে। সেখানেও আগের চেয়ে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বেশি ছিল। সারাদিন সূচকের ওঠানামা শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসই সার্বিক সূচক ৭৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৩ হাজার ৫৯৫ পয়েন্টে। সেখানে অন্যান্য সূচকের তুলনায় বাছাই সূচক বেড়েছে বেশি। এইদিন সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২০৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৬টির, কমেছে ৫৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টির। মঙ্গলবারে সিএসইতে মোট ২৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। সোমবারে সেখানে ২৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। সিএসইতে লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : বেক্সিমকো, গ্রামীণফোন, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, ফার কেমিক্যাল, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, পেনিনসুলা চট্টগ্রাম, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন, গোল্ডেন সন, এ্যাপোলো ইস্পাত ও স্কয়ার ফার্মা।       Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • ঈদ ঘনিয়ে আসায় উভয় পুঁজিবাজারে বাড়ছে টাকার অংকে শেয়ার লেনদেন
    ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে টাকার অংকে শেয়ার লেনদেন ততো বাড়ছে। রমজান মাসের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত দৈনিক গড় লেনদেন ২শ’ কোটির মধ্যে ঘুরপাক খেলেও গত দু’দিন যাবত তা ৩শ’ কোটি অতিক্রম করেছে। ঈদকে সামনে রেখে অনেকে বেশি করে শেয়ার লেনদেন করছেন বলে জানিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। গতকাল (মঙ্গলবার) দিনশেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৪২৪ পয়েন্টে। দিনভর  লেনদেন হওয়া ২৯৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৯২টির, কমেছে ৭০টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৩৭৫ কোটি ৬৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকা। গতকাল সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেডের। এ দিন এ কোম্পানির ১ কোটি ২৮ লাখ ৩৩ হাজার ৬০০টি শেয়ার ৪৯ কোটি ৮ লাখ ৭০ হাজার ৪০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। গত সোমবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৪ হাজার ৩৯৪ পয়েন্টে। ওই দিন লেনদেন হয় ৩০৯ কোটি ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সে হিসাবে গতকাল ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৬৬ কোটি ৬১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। ঈদের পর শেয়ার দর বাড়তে পারে এমন ধারণা থেকে অনেকে শেয়ার কিনছেন। এছাড়া অনেক কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের সময় এসেছে। কোম্পানিগুলো ভাল মুনাফা করবে এমন ধারণা থেকে অনেকে কিছুটা বেশি দামে শেয়ার কিনছেন। এ কারণে মূল্য সূচকের পাশাপাশি টাকার পরিমাণে লেনদেন বেড়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। দিনশেষে অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৩৮৮ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২০৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১৬টির, কমেছে ৫৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার পরিমাণে মোট লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। গত সোমবার সিএসইতে লেনদেন হয় ২৪ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সে হিসাবে গতকাল সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা।   Source : দৈনিক ইনকিলাব
  • পুঁজিবাজারবান্ধব মুদ্রানীতি আসছে
    পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়ক করে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ২৬ জুলাই ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার দেশের ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী ২৬ জুলাই, শনিবার আগামী ছয় মাসের মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হবে। এটি পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগবান্ধব হবে। ব্যাংকার্স সভায় সে বিষয়ে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কিছুটা ধারণা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি বিনিয়োগে মন্দা কাটাতে এবার উদার মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত চারটি মুদ্রানীতি অনেকটা সংকোচনমূলক থাকলেও এবার বাস্তবতার নিরিখে আর এটা ধরে রাখা যাচ্ছে না। বেসরকারি বিনিয়োগ তলানীতে পৌঁছায় মুদ্রানীতিতে অনেকটা ছাড় দিতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, উদার মুদ্রানীতিই সময়ের দাবি। ঘোষণার সময়ে এটা বিবেচনায় রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ছয় মাসে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকলেও ঋণ বিতরণ বাড়েনি। এতে এবছরের প্রথমার্ধের ঘোষিত মুদ্রানীতির লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ঋণ বিতরণ অনেক কম হয়েছে। জানুয়ারি-জুন মেয়াদের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। কিন্তু চলতি বছরের মে মাস শেষে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ১১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এই হার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫ দশমিক ১ শতাংশ কম। জুন মাসে এই হার খুব বেশি বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেনা কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এখন চলতি অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধির যোগফল হিসাব করে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ ঠিক করা হবে। এতে ঋণ প্রবাহের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমলেও ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। ব্যাংকগুলো কি কাজে ঋণ দিচ্ছে, কাকে দিচ্ছে, প্রকৃত উদ্যোক্তারা ঋণ পাচ্ছে কি না, তা সঠিকভাবে তদারক করা হবে। কোনো অবস্থায়ই অর্থের জোগান অপরিমিত হবে না। আবার জোগান পরিমিত করলেও বাজেটে প্রস্তাবিত প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। মূলত উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধি সহায়ক খাতে ব্যাংকগুলোকে ঋণ দেয়ার পরামর্শ দেয়া হবে। হালনাগাদ উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বেসরকারি খাতে আশানুরূপ হারে ঋণ না বাড়ায় ব্যাংকগুলোর কাছে প্রচুর উদ্বৃত্ত তারল্য পড়ে রয়েছে। আশানুরূপ বিনিয়োগের অভাবে ব্যাংকগুলোতে বর্তমানে ৯৫ হাজার কোটি টাকার বেশি (বন্ড সহ) উদ্বৃত্ত তারল্য রয়েছে। এর মধ্যে নগদ টাকাই (এম২) অলস পড়ে আছে ২৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। এসব অর্থ অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় হয়ে যাতে মূল্যস্ফীতি উসকে না দেয় সেজন্য টাকা তুলে নিতে ব্যাংকগুলোর নগদ জমা সংরক্ষণের হারও (সিআরআর) বাড়ানো হয়েছে। গত ২৩ জুন সিআরআর বাড়ানোর পর থেকে দৈনিক গড়ে তিন হাজার কোটি টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বেশি জমা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি ছয় মাস অন্তর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে। মুদ্রানীতিতে আর্থিক খাত পরিচালনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। পরবর্তী ছয় মাসে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে তার একটা ধারণা এতে স্পষ্ট করা হয়।       Source : দৈনিক ইনকিলাব
  • বাজারমূলধন বেড়েছে চার হাজার কোটি টাকা
    রমজানের শেষ সময়ে এসে কিছুটা ইতিবাচক হয়েছে শেয়ারবাজার। তারল্যপ্রবাহ এবং বাজারমূলধন বেড়েছে। আর দুই দিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বাজারমূলধন বেড়েছে ৪ হাজার কোটি টাকা। এ সময়ে মূল্যসূচক বেড়েছে ৫০ পয়েন্ট। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের সহায়তায় আগামী ৬ মাসে পুঁজিবাজারবান্ধব মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হবে, এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। ফলে তারা নতুন করে বিনিয়োগ শুরু করেছেন। এ ছাড়া বড় দুটি কোম্পানি- বেক্সিমকো লিমিটেড এবং গ্রামীণফোনের কারণে লেনদেন বাড়ছে। সূচকের ঊর্ধ্বগতি দিয়ে মঙ্গলবারও ঢাকার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। আর দিনের শেষ সময় পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। দিনশেষে মঙ্গলবার ডিএসইতে ২৯৭টি প্রতিষ্ঠানের ৮ কোটি ৫৭ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ৩৭৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে যা ৬৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা বেশি। ডিএসইর ব্রডসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৯ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৪২৪ দশমিক ৬০ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১২ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬১৮ দশমিক ০৬ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই শরিয়াহসূচক আগের দিনের চেয়ে ৮ দশমিক ০৯ পয়েন্ট বেড়ে ৯৯৯ দশমিক ৮০ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯২টি প্রতিষ্ঠানের, কমেছে ৭০টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। এদিকে সূচকের ঊর্ধ্বগতিতে বেড়েছে ডিএসইর বাজারমূলধন। রোববার ডিএসইর বাজারমূলধন ছিল ২ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। আর দুই দিনে ৪ হাজার কোটি টাকা বেড়ে দুই লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। শীর্ষ দশ কোম্পানি : মঙ্গলবার ডিএসইতে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বেশি লেনদেন হয়েছে সেগুলো হল- বেক্সিমকো লিমিটেড, গ্রামীণফোন, পদ্মা অয়েল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, শাহজিবাজার পাওয়ার, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, স্কয়ার ফার্মা, জেনারেশন নেক্সট, গোল্ডেন সন এবং ফার কেমিক্যাল। ডিএসইতে মঙ্গলবার যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি বেড়েছে সেগুলো হল- সামিট এলায়েন্স পোর্ট, শাহজিবাজার পাওয়ার, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, এএফসি এগ্রো কেমিক্যাল, ইসলামি ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল, গোল্ডেন সন, অ্যাক্টিভ ফাইন, স্টাইল ক্র্যাফট এবং সামিট পূর্বাচল পাওয়ার।      Source : যুগান্তর
  • ২৫, ২৬, ২৮শে জুলাই ব্যাংক খোলা
    আগামী ২৫, ২৬ ও ২৮শে জুলাই দেশের সব কাস্টমস স্টেশন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা খোলা থাকবে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তৈরী পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র অনুরোধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আগামী ২৫, ২৬ ও ২৮শে জুলাই চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ও ঢাকার কমলাপুর আইসিডিসহ সব কাস্টমস স্টেশন খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই ৩ দিন দেশের সব কাস্টমস স্টেশন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে খোলা রাখার পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে। এছাড়া ছুটির দিন হওয়ায় কাজে যোগদানকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সম্মানজনক যুক্তিসঙ্গত ভাতা প্রদানের জন্যও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।     Source : মানবব্জমিন
  • ১৪ কার্যদিবস পর ডিএসই'র লেনদেন সাড়ে তিনশ' কোটি টাকার বেশি
    চলতি মাসে এই প্রথমবারের মতো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে সাড়ে তিনশ' কোটি টাকার বেশি। এছাড়া ১৪ কার্যদিবস পর গতকাল মঙ্গলবার লেনদেন হলো ৩৭০ কোটি টাকার বেশি। এদিকে টানা ১১ দিন ধরে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বেক্সিমকো লিমিটেড। গতকাল এ কোম্পানি ঘিরে লেনদেন হয়েছে ৪৯ কোটি টাকা। অর্থাত্ বেক্সিমকো ঘিরে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৩ শতাংশের বেশি। তবে সবচে বেশি লেনদেন হয়েছে টেলিকমিউনিকেশন খাত ঘিরে। গ্রামীণফোনের দর বৃদ্ধির ভালো আয়ের প্রভাব হিসেবে গতকাল এ খাতের লেনদেন বেড়েছে।   তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই'র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২৯ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৪২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৭৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৬৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৯৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯২টির, কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের।   অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৭৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৫৯৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৩ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২০৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৬টির, কমেছে ৫৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টি কোম্পানির শেয়ারের।   এদিকে গতকাল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশন সভায় হারুন সিকিউরিটিজকে তিন লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। বিএসইসি জানিয়েছে, পরিচালক, কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মার্জিন ঋণ দিয়ে আইন লংঘন করেছে হারুন সিকিউরিটিজ। এছাড়া ঋণ চুক্তি ছাড়া ঋণ প্রদান এবং 'জেড' ক্যাটাগরির শেয়ারে ঋণ দেয়ায় হারুন সিকিউরিটিজকে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।       Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • বিএসইসির বেআইনি অনুমোদন
    নিয়মবহির্ভূতভাবে লোকসানী কোম্পানি মাইডাস ফাইন্যান্সের রাইট শেয়ার অনুমোদন বাতিল করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ। গতকাল সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানকে দেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যানের পক্ষে চিঠিটি গ্রহণ করেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও কমিশনের মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান। এ বিষয়ে মো. আবদুর রাজ্জাক সকালের খবরকে জানান, লোকসানী কোম্পানি মাইডাস ফাইন্যান্সের ৬০ কোটি টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন দিয়ে বিএসইসি বিনিয়োগকারীদের আরও বিপদের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তাই আমরা মাইডাসের রাইট শেয়ার বাতিল করার দাবি জানিয়েছি। তিনি বলেন, বিএসইসি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে রাইট শেয়ার অনুমোদন বাতিল না করলে আমরা আইনের আশ্রয় নেব। গত ১ জুলাই নিয়মবহির্ভূতভাবে লোকসানী কোম্পানি মাইডাস ফাইন্যান্সের রাইট শেয়ার অনুমোদন করে বিএসইসি। ওইদিন বিএসইসি লোকসানী কোম্পানি মাইডাসকে ১:১ অনুপাতে ৬০ কোটি ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮০ টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন করেছে। রাইট শেয়ার অনুমোদনের সময় গত ৯ মাসে বা তিন প্রান্তিকে (জুন-১৩ থেকে মার্চ-১৪) কোম্পানিটির অ্যাকিউমুলাটেড লোকসানের পরিমাণ ছিল ৩১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৭ মে বিএসইসি লোকসানী কোম্পানি হওয়া সত্ত্বেও রাইট শেয়ার ঘোষণা করে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করায় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (রাইট ইস্যু) রুলস ২০০৬-এর ৩(এইচ) ধারা লঙ্ঘন করায় মাইডাস ফাইন্যান্সকে ২ লাখ এবং একই অপরাধে কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার লঙ্কা-বাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে আরও ২ লাখ টাকা জরিমানা করে। কিন্তু গত ১ জুলাই বিএসইসি সব নিয়ম-কানুন লঙ্ঘন করে এবং আগের জরিমানার কথা ভুলে গিয়ে রহস্যজনকভাবে মাইডাস ফাইন্যান্সের রাইট শেয়ার অনুমোদন করেছে। জানা গেছে, মাইডাস ফাইন্যান্স কোম্পানিকে লোকসানী হওয়ার কারণে গত বছরের ৭ মে বিএসইসি জরিমানা করায় কোম্পানিটি কারসাজির আশ্রয় নেয়। ২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে বা তৃতীয় কোয়ার্টার পর্যন্ত অর্থাত্ মার্চ-১৩ পর্যন্ত মাইডাস ফাইন্যান্সের লোকসানের পরিমাণ ছিল ৩৪ কোটি টাকা। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে ২০১২-১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের চতুর্থ কোয়ার্টারে (এপ্রিল-১৩ থেকে জুন-২০১৩) কোম্পানিটি ৩৪ কোটি টাকা লোকসান কাটিয়ে উল্টো ৯৪ লাখ টাকা আর্থিক প্রতিবেদনে লাভ দেখানো হয়েছে। বিএসইসির কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান এবং কোম্পানির যোগসাজশে কৃত্রিমভাবে আর্থিক প্রতিবেদনে লাভ দেখিয়ে ২০১৩ সালের ১৯ আগস্ট আবার রাইট শেয়ার ঘোষণা করে দ্বিতীয় দফায় বিএসইসির অনুমোদনের জন্য আবেদন করে। এদিকে রাইট শেয়ার ঘোষণা দেওয়ার পরের তিন কোয়ার্টারেও কোম্পানিটির লোকসান অব্যাহত থাকে। এর মধ্যে (জুলাই-১৩ থেকে ডিসেম্বর-২০১৩) অর্ধবাষিকী অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ১৭ কোটি ৮৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির ২০১৪ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি ১৪-মার্চ ১৪) শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে ৪৬ শতাংশ। অর্থাত্ ২০১৩-১৪ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত গত ৪ মে ’১৪ প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির (সুদ ছাড়া) লোকসান হয়েছে ১৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ফলে গত তিন প্রান্তিকে (জুন ১৩ থেকে মার্চ ১৪) গত ৯ মাসে অ্যাকিউমুলাটেড লোকসানের পরিমাণ ৩১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এ অবস্থায় কোম্পানিটির রাইট অনুমোদন করলে বিনিযোগকারীরা গতকাল তা বাতিলের দাবি জানান।     Source : সকালের খবর
  • রমজানের শেষ দিকে বাড়ছে শেয়ারদর ও লেনদেন
    রমজানের শুরুতে দেশের দুই শেয়ারবাজারে দরপতন ও লেনদেন হ্রাসের ধারা দেখা গেলেও শেষ দিকে এসে ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। চলতি সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবসসহ আগের সপ্তাহের সর্বশেষ দুই কার্যদিবসে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। যদিও এ সময়ে সূচকে এর তেমন প্রভাব পড়েনি। রমজান শুরুর পর প্রথম ৯ কার্যদিবসে দেশের দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ারের দর হ্রাস পেয়েছিল। কিন্তু সর্বশেষ ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ছয় দিনই অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। এর মধ্যে ৫ দিন মূল্যসূচক বেড়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতি রমজানেই এ ধরনের চিত্র দেখা যায়। শুরুতে বিনিয়োগকারীদের কম উপস্থিতি এবং মনস্তাত্তি্বক কারণে শেয়ারদর কমে। এ ছাড়া ঈদ উৎসবকেন্দ্রিক অর্থের চাহিদা থাকায় অনেকে নতুন করে বিনিয়োগে উৎসাহ দেখান না। এ কারণে শেয়ারের দর উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসায় রমজানের শেষ দিকে এসে কিছু বিনিয়োগকারী অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে শেয়ার কেনার অপেক্ষায় থাকেন। এ কারণে শেয়ারদর ও লেনদেন উভয়ই বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। গতকাল মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৯৭ কোম্পানির শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও কর্পোরেট বন্ডের মধ্যে ১৯২টির দর বেড়েছে, কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৫টির দর। অপর শেয়ারবাজার সিএসইতে ১১৬টির দর বেড়েছে, কমেছে ৫৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৬টির দর। এদিকে নির্দেশনা অমান্য করে নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মার্জিন প্রদান করাসহ একাধিক অভিযোগে ডিএসইর ব্রোকারেজ হাউস হারুন সিকিউরিটিজকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। গতকাল কমিশন বৈঠকে জরিমানা করার এ সিদ্ধান্ত হয়। শেয়ারদর ও মূল্য সূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণও আগের কয়েক সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল দুই শেয়ারবাজার মিলে সর্বমোট ৪০৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়। যা গত সোমবারের তুলনায় ৭০ কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে গতকাল ডিএসইতে ৩৭৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকার এবং সিএসইতে ২৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়েছে। এ লেনদেন গত ৩০ জুনের পর সর্বোচ্চ। ডিএসইর খাতওয়ারি লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা যায়, সিরামিক্স, পাট এবং বিবিধ খাত ছাড়া অন্য সব খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দরই বেড়েছে। ব্যাংক, ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক এবং বীমা খাতের ৯৯ কোম্পানির মধ্যে ৬৫টিরই দর বেড়েছে। কমেছে ২৩টির এবং বাকি ১১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এ ছাড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, প্রকৌশল, বস্ত্র, খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক, সিমেন্ট, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। একক কোম্পানি হিসেবে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের শেয়ার দিনের সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ দর ২৫ টাকা ৭০ পয়সায় কেনাবেচা হয়েছে। দরবৃদ্ধির শীর্ষে এর পরের অবস্থানে ছিল শাহজীবাজার পাওয়ার, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, গ্গ্নোবাল হেভি কেমিক্যাল, এএফসি অ্যাগ্রো বায়োটেক। এসব কোম্পানির শেয়ারদর ৭ থেকে সাড়ে ৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপরীতে দরপতনের শীর্ষে ছিল আইসিবি প্রথম এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড। প্রায় ৭ শতাংশ দর হারিয়ে ফান্ডটি ২৭ টাকা ১০ পয়সা দরে সর্বশেষ কেনাবেচা হয়েছে। দরপতনে এর পরের অবস্থানে ছিল কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স, প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স, লিবরা ইনফিউশনস ও সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স। একক কোম্পানি হিসেবে লেনদেনের শীর্ষে ছিল যথারীতি বেক্সিমকো লিমিটেড। গতকাল এ কোম্পানির ৪৯ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। লেনদেনের শীর্ষে এর পরের অবস্থানে ছিল গ্রামীণফোন, পদ্মা অয়েল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, শাহজীবাজার পাওয়ার। গতকালের লেনদেনের উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো_ এদিন ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষ ২০ কোম্পানির সর্বমোট ২১৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। যা মোট লেনদেনের ৫৮ শতাংশেরও বেশি।     Source :  সমকাল রিপোর্ট
  • অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করল গ্রামীণফোন ও ম্যারিকো
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুই বহুজাতিক কোম্পানি গ্রামীণফোন ও ম্যারিকো অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গ্রামীণফোন: ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৯৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ দেয়ার সুপারিশ করেছে গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদ। ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির আয় এবং ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের অবণ্টিত মুনাফা থেকে এ লভ্যাংশ দেয়া হবে। ৩০ জুন পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৬০ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৭ টাকা ৮৫ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২৫ টাকা ৯১ পয়সা। বিনিয়োগকারী বাছাইয়ের জন্য আগামী ৫ আগস্ট রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে গতকাল প্রকাশিত অর্ধবার্ষিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৬০ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৭ টাকা ৮৫ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫১০ কোটি ৩৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ৩ টাকা ৭৮ পয়সা। অন্যদিকে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫৪৪ কোটি ১২ লাখ টাকা ও ইপিএস ৪ টাকা ৩ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫৬ কোটি ৪২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ৪২ পয়সা। এদিকে ডিএসইতে গতকাল এর দর বাড়ে ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ বা ৪ টাকা ৫০ পয়সা। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৯৩ টাকা ৯০ পয়সায়। ম্যারিকো: কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ অর্থবছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এদিকে প্রথম প্রান্তিকের (এপ্রিল ’১৪ থেকে জুন ’১৪) মুনাফা অনুযায়ী লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১৪ টাকা ৮২ পয়সা। আগামী ৭ আগস্ট রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৯ আগস্ট সকাল ১০টায় হোটেল র্যাডিসনে এ কোম্পানির ১৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে ডিএসইতে গতকাল এর দর কমে ১ দশমিক ৪৮ শতাংশ বা ১৫ টাকা ৮০ পয়সা। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১ হাজার ৫২ টাকায়। লেনদেন শেষে এর সর্বশেষ দর ছিল ১ হাজার ৫৫ টাকা ৩০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ১ হাজার ৬৭ টাকা ৮০ পয়সা। গতকাল ৪৬ বারে কোম্পানিটির মোট ২ হাজার ৯০০ শেয়ারের লেনদেন হয়।     Source : বণিক বার্তা
  • জেড ক্যাটাগরির শেয়ারে ঋণ দেয়ায় হারুন সিকিউরিটিজকে জরিমানা
    আইন লঙ্ঘন করে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ার কিনতে ঋণ দিয়েছে হারুন সিকিউরিটিজ লিমিটেড। একই সঙ্গে আইন লঙ্ঘন করে বিনিয়োগকারীদের ঋণ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে সার্বিক দিক বিবেচনা করে হারুন সিকিউরিটিজকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল সকালে কমিশনের ৫২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হারুন সিকিউরিটিজ পরিদর্শনের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির দাখিল করা প্রতিবেদন অনুযায়ী বিভিন্ন সিকিউরিটিজের আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, কর্মচারী ও পরিবারের সদস্যদের ২০১০ সালের ২৩ মার্চের সিকিউরিটিজ নির্দেশনা লঙ্ঘন করে ঋণ সুবিধা দিয়েছে হারুন সিকিউরিটিজ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি চুক্তি ব্যতিরেকে মার্জিন ঋণ দেয়ার মাধ্যমে মার্জিন রুলস, ১৯৯৯-এর ৩(২) ধারা লঙ্ঘন করেছে। এছাড়া নন-মার্জিনেবল জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ে ঋণ সুবিধা দেয়ায় ২০০৯ সালের ১ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছে হারুন সিকিউরিটিজ।     Source : বণিক বার্তা
  • ন্যাশনাল হাউজিং ফিন্যান্সের মুনাফা কমেছে ৪৪%
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল হাউজিং ফিন্যান্সের মুনাফা চলতি বছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে কমেছে ৪৪ শতাংশ। গতকাল কোম্পানিটি তাদের অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এমনটি দেখা যায়। প্রতিবেদন অনুসারে এপ্রিল-জুন এ তিন মাসে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬৪ পয়সা। অন্যদিকে সার্বিকভাবে ছয় মাসে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৯৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এ সময় কোম্পানিটির ইপিএস হয় ৯৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬৪ পয়সা। এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল এ শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল। সর্বশেষ ২৭ টাকায় এ শেয়ারের লেনদেন হয়। দিন শেষে এ শেয়ারের দর দাঁড়ায় ২৬ টাকা ৯০ পয়সা। এদিন মোট ১ লাখ ৬ হাজার শেয়ার ৭২ বারে লেনদেন হয়। এদিকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর মুনাফা হয়েছে ১৬ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ইপিএস ১ টাকা ৫৭ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি এনএভি ১৩ টাকা ৪০ পয়সা। আগামী ২৮ মে বেলা ১১টায় রাজধানীর লেকশোর হোটেলে এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটি ঋণমানে দীর্ঘমেয়াদে ‘এ২’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে— ঋণ ঝুঁকি সক্ষমতায় ভালো অবস্থানে রয়েছে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)। ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়ায় কোম্পানিটিকে ‘এ’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে নামানো হয়েছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এ কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৬০ পয়সা, এনএভি ১৩ টাকা ৩৪ পয়সা ও কর-পরবর্তী নেট মুনাফা ৪ কোটি ১৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা।     Source : বণিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • Instrument STYLECRAFT resumed - By the Stock Exchange Authorities

  • MEGHNACEM

    (H/Y): As per un-audited half yearly accounts as on 30.06.2014 (Jan'14 to June'14), the Company has reported net profit after tax of Tk. 102.47 million with EPS of Tk. 4.55 as against Tk. 100.51 million and Tk. 4.47 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit after tax was Tk. 63.09 million with EPS of Tk. 2.80 for the period of 3 months (Apr'14 to June'14) ended on 30.06.2014 as against Tk. 73.75 million and Tk. 3.28 respectively for the same period of the previous year.

  • RUPALIINS

    (H/Y): As per un-audited half yearly accounts as on 30.06.2014 (Jan'14 to June'14), the Company has reported net profit after tax of Tk. 78.20 million with EPS of Tk. 1.36 as against Tk. 70.90 million and Tk. 1.24 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit after tax was Tk. 43.70 million with EPS of Tk. 0.76 for the period of 3 months (Apr'14 to June'14) ended on 30.06.2014 as against Tk. 43.19 million and Tk. 0.75 respectively for the same period of the previous year.

  • EXIMBANK

    Zubayer Kabir, one of the Sponsors of the Company, has further reported that he has completed his sale of 3,00,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • PIONEERINS

    Yeasmeen Rahman, one of the Sponsors of the Company, has further reported that she has completed her sale of 40,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
GEMINISEA 134.20 122.00 12.20 10.00
ICB1STNRB 29.50 27.10 2.40 8.86
JUTESPINN 60.40 57.50 2.90 5.04
JMISMDL 163.50 155.80 7.70 4.94
SONARBAINS 17.60 17.00 0.60 3.53
NTC 830.10 803.10 27.00 3.36
SAVAREFR 62.20 60.40 1.80 2.98
IMAMBUTTON 8.40 8.20 0.20 2.44
HWAWELLTEX 40.30 39.40 0.90 2.28
CMCKAMAL 23.10 22.60 0.50 2.21

OUR SERVICE

 

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297