Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
JMISMDL 216.7 161.2 55.50 34.43
NORTHERN 286 216 70.00 32.41
GEMINISEA 195.1 148.5 46.60 31.38
PHARMAID 289 221.8 67.20 30.30
SONALIANSH 172.2 142.9 29.30 20.50
GSPFINANCE 29 24.2 4.80 19.83
BDTHAI 47.7 41.3 6.40 15.50
HAKKANIPUL 31.1 27 4.10 15.19
MIDASFIN 14.8 13.6 1.20 8.82
RNSPIN 25.9 23.8 2.10 8.82

Contest SB2014_Nov

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
GAINLOSS
3rd
blank_person
FERDOUSFIN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BERGERPBL 1216.8 1155.5 2.61586 8400.00
OLYMPIC 285.3 282 0.71380 189500.00
ISLAMIBANK 25.3 25.2 0.29628 59100.00
JMISMDL 216.7 202.6 0.28542 340500.00
HEIDELBCEM 501 499.3 0.17677 6150.00
Negative impact
BATBC 2567.8 2696.8 -14.24339 450.00
GP 328.9 334 -12.67281 197200.00
SPCL 257.6 282.2 -5.74011 600.00
SQURPHARMA 257.7 260.2 -2.55010 300340.00
BSRMSTEEL 88.6 91.5 -1.82394 230500.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
WMSHIPYARD 64.8 70.4 63.9 -12.90% 196.05
JAMUNAOIL 257.5 265.7 256 -2.17% 180.52
KBPPWBIL 52.8 60 52.1 -10.20% 111.06
BEDL 37.6 40.2 37.5 -4.33% 91.73
PHARMAID 289 294.5 278 5.74% 84.22
MPETROLEUM 254.7 266 253.3 -2.53% 82.76
SQURPHARMA 257.7 260.9 256.2 -0.96% 77.69
JMISMDL 216.7 219.7 209 6.96% 73.38
RSRMSTEEL 68.6 71 67.5 -0.87% 70.35
KEYACOSMET 27.8 28.7 27.1 1.09% 68.41

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 23 Nov 2014

85349
TOTAL TRADE
77.4957
TOTAL VOLUME(Mn)
3489.98
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • সাইফ পাওয়ারটেকে কেন স্টক ডিভিডেন্ড
    হোসাইন আকমল : পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত সেবা ও আবাসন খাতের সাইফ পাওয়ারটেক বিনিয়োগকারীদের জন্য স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করে। ‘এন’ ক্যাটাগরীর কোম্পানিটি স্টক ডিভিডেন্ট কেন ঘোষণা করলো, তাই নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কয়েকদিন ধরে বেশ আলোচনা-সমালোচনা চলে। কারণ অনুসন্ধানে কোম্পানির কতৃর্পক্ষ জানায়, বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমাতেই এই লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। স্টক ডিভিডেন্টর কারণ ব্যাখ্যা করে সাইফ পাওয়ারটেকের সিএফও হাসান রেজা স্টক বাংলাদেশকে রোববার বলেন, বিনিয়োগকারীদের সুবিধা বিবেচনা করে স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়। কারণ, স্টক লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের বিও এ্যাকাউন্টের সাথে সহজে সমন্বয় করা যায়। এ ক্ষেত্রে ডিভিডেন্ড বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তির সুযোগ থাকেনা। সাইফ পাওয়ারটেক ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ২ টাকা ৫৪ পয়সা। আর সম্পদ মূল্য হয়েছে ২৬ টাকা ৮৪ পয়সা। এদিকে, জুলাই, ১৪ থেকে সেপ্টেম্বর, ১৪ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ দেয়ার পর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৯ পয়সা। এর আগের বছর একই সময় ইপিএস ছিল ৩৩ পয়সা। অর্থাৎ, কোম্পানিটির প্রতি শেয়ারে আয় বেড়েছে ২৬ পয়সা। এ বিষয়ে হাসান রেজা বলেন, কোম্পানির রেভিন্যু বাড়ার ফলে ইপিএস বেড়েছে। আবার, সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের ৯ মাসে ইপিএস বা শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ২২ পয়সা। কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি,১৪-মার্চ,১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদেনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস করেছে ৫৬ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ৩৫ টাকা পয়সা। ইপিএস কোম্পানির আইপিও পূর্ববর্তী ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৯৪ হাজার শেয়ারের গড় ভারিত্ব হিসাবের উপর করা হয়েছে। আর কোম্পানির আইপিও পরবর্তী ৫ কোটি ৫৮ লাখ ৯৪ হাজার শেয়ার বিবেচনা করলে ইপিএস দাঁড়াত ৪৪ পয়সা। এদিকে নয় মাসে (জুলাই,১৩-মার্চ,১৪) কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা। আর ইপিএস ১ টাকা ৫৫ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। আর ইপিএস ছিল ১ টাকা ৪২ পয়সা।
  • লুজারে ৪ কোম্পানি
    স্টাফ রিপোর্টার : সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার সার্বিক পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। এতে ‘এন’ ক্যাটাগরির ৪ কোম্পানি টপটেন  লুজারে নেমে গেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ও শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি। রোববার সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার দর ৭ টাকা ২০ পয়সা বা ১৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে ৩৪ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন শেষ হয়। এদিন কোম্পানির ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৫০০ শেয়ার ৬০৯ বার লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ছিল ২ কোটি ৫ লাখ টাকা। ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের আজ ১০ টাকা ৪০ পয়সা বা ১৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ দর কমে ৬৪ পয়সায় লেনদেন শেষ হয়। এদিন কোম্পানির ২৮ লাখ ৮৮ হাজার ২০০ শেয়ার ৬ হাজার ৭৫৭ বার লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ছিল ১৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এছাড়া লুজারে থাকা খান ব্রাদার্সের শেয়ার দর কমেছে ৬ টাকা ৬০ পয়সা বা ১১ দশমিক ২২ শতাংশ। এদিন কোম্পানির ২০ লাখ ১৯ হাজার শেয়ার ২ হাজার ৬৮৩ বার লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ছিল ১১ কোটি ১০ লাখ টাকা। ‘এন’ ক্যাটাগরির আরেক কোম্পানি শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার দর কমেছে ২৪ টাকা ৬০ পয়সা বা ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। এদিন শাহজিবাজারের শেয়ার সর্বশেষ ২৫৭ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ছিল ১ লাখ টাকা।
  • পুঁজিবাজার উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতায় ৭ দফা দাবি
    সিনিয়র রিপোর্টার : পুঁজিবাজার উন্নয় ও স্থিতিশীলতায় ৭দফা দাবি তুলে ধরেছে পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত জাাতীয় ঐক্য। এবিষয়ে সংগঠনটি বিভিন্ন দাবি সম্বিলিত একটি স্মারকলিপি রোববার দুপুরে বাংলাদেশ সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) প্রদান করে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এক্স ইনডেক্স রোববার দিনের প্রথম ভাগে বিক্রয়চাপ বাড়ে। ফলে নিন্মমুখী প্রবণতা নিয়ে সূচক হ্রাস পেতে থাকে। পরবর্তীতে দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে পুনরায় বিক্রয়চাপের ফলে দিনশেষে ডিএসই এক্স ইনডেক্স আবারো নিন্মমুখী হয়। ডিএসই এক্স ইনডেক্স ৬১.৪৯ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪৮৩৮.১১ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ১.২৫শতাংশ কম। বা গত কার্যদিবসের তুলনায় ৬১.৪৯ পয়েন্ট সূচক হ্রাস পায়। নিন্মমুখী প্রবণতা নিয়ে সূচক হ্রাস পেতে থাকলে বেলা ১২টায় বিএসইসি কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ঐক্য পরিষদ। এতে নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির সভাপতি মো. রুহুল আমিন আকন্দ। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় সংগঠনটির কয়েকজন নেতাকর্মী বিএসইসির চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মো. আলমের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। মানববন্ধন চলাকালে রুহুল আমিন বলেন, বিএসইসি চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে বলছি, দ্রুত শেয়ারবাজার ঠিক করেন, নইলে পদত্যাগ করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের উদ্দেশ্যে বলছি, বাজারকে স্বাভাবিক গতিতে চলতে দেন। কোনো কারণ ছাড়াই অযাচিত হস্তক্ষেপ করবেন না। না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হবে। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, অতিরিক্ত প্রিমিয়ামে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন বন্ধ করতে হবে। ট্যাক্স আইডেন্টিটি নম্বর (টিআইএন) সংক্রান্ত এ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স (এআইটি) দ্রুত স্থগিত করতে হবে। পুঁজিবাজার নিয়ে ব্যাংলাদেশ ব্যাংকের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। নো-ডিভিডেন্ড দেওয়া কোম্পানিগুলোকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো বন্ধ না করে স্বল্প সময়ের জন্য বর্ধিত করা বিশেষ প্রয়োজন। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উন্নয়নে বিএসইসিকে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে হবে। যুগোপযোগী পাবলিক ইস্যু রুলস প্রণয়ন করতে হবে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) আপ্যায়ন স্বরূপ উপহার সামগ্রী প্রদানের বিষয়টি অব্যাহত রাখার দ্রুত নির্দেশ দিতে হবে। বিস্তারিত নীচে..
  • ডাউন ট্রেন্ডের ইঙ্গিত দিয়ে চলছে টেকনিক্যাল ইনডিকেটর
    মেহেদী আরাফাত : রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসই এক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে বিক্রয়চাপের ফলে নিন্মমুখি প্রবনতা নিয়ে হ্রাস পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে পুনরায় বিক্রয়চাপের ফলে দিনশেষে ডিএসই এক্স ইনডেক্স  আবারো নিন্মমুখি হতে থাকে এবং ৬১.৪৯ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক  তৈরি করে।  ডিএসই এক্স ইনডেক্স ৬১.৪৯ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪৮৩৮.১১ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ১.২৫% হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৭৪৮ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৫৩৬০  পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল  ২২.৯০ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ১৪.৭৭ । এম.এফ.আই এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর নিন্মমুখি আবস্থান করছে । ডিএসইতে ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৯৫ হাজার ৭৪৩  টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৩৪৮.৯৯ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন হ্রাস  পেয়েছে ১৩৭ কোটি টাকা।ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০১ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩ টির, কমেছে ২০৬ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩২ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজ বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ০-২০, ২০-৫০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় .৭১% এবং ৬.৭৮% হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে হ্রাস পেয়েছে ৫০-১০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের  যা আগেরদিনের তুলনায় ৩৫.১৬% কম। অন্যদিকে ১০০-৩০০ এবং ৩০০ কোটি টাকার ওপরে পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় যথাক্রমে আজ ২২.৬৩% এবং ৩৬.২৩% হ্রাস পেয়েছে। পিই রেশিও ২০-৪০ এর  মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায়  ২৩.৯২% হ্রাস পেয়েছে। হ্রাস পেয়েছে  পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন যার পরিমান আগের দিনের তুলনায়  ৩৪.৯০% কম ছিল। অন্যদিকে পিই রেশিও  ৪০ এর ওপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন  আগের দিনের তুলনায়  ১১.৭৮% বৃদ্ধি  পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ এগিয়ে ছিল ‘এন’ এবং ‘জেড’ ‘ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ৪.০২% এবং ২৫.২১% বেশী ছিল। আজ হ্রাস পেয়েছে ‘এ’, বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ৩২.২৭% এবং ২২.৩৯% কম ছিল।
  • জমি কিনছে একটিভ ফাইন
    ডেস্ক রিপোর্ট : জমি কেনার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের একটিভ ফাইন কেমিক্যাল। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শৈলমারি, বটিয়াঘাটা, খুলনায় ২৬.৫১ ডেসিমেল জমি কেনা হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। রেজিস্ট্রেশন এবং অন্যান্য খরচ বাদে জমির মূল্য ধরা হয়েছে ২৬ লাখ ৫১ হাজার টাকা।
  • হামিদ ফেব্রিক্সের রিফান্ড বিতরণে জটিলতা
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) শেষে আবেদনকারীদের শেয়ার বরাদ্দ দিতে শুরু করেছে মাহিন গ্রুপের হামিদ ফেব্রিক্স কোম্পানি। রাজধানীর গুলশান অফিস থেকে রিফান্ড বিতরণ শুরু করা হয়েছে। রিফান্ড বিতরণে ইতোমধ্যে কোম্পানির কিছু জটিলতাও দেখা দিয়েছে। তা সংশোধনের জন্য অফিস থেকে নতুন করে রিফান্ড বিতরণ করা হচ্ছে বলে রোববার কোম্পানির সচিব দীন ইসলাম জানান। তিনি বলেন, আইপিও শেষে রিফান্ড করা হয়েছে। প্রত্যেকের ব্যাংক হিসাব অথবা কুরিয়ারে আবেদনকারীর নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠানো হয়। যদি কেউ তাদের ঠিকানায় চিঠি না পান সেক্ষেত্রে আমাদের অফিসে এসে নিতে পারেন। আর যদি হিসাব ভুল অথবা অন্য কোন কারণে কেউ ব্যাংকে রিফান্ড না পান সে ক্ষেত্রেও অফিসে তাদের আসতে হবে। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে গত ৩০ অক্টোবর কোম্পানির লটারির ড্র হয়। অনুষ্ঠানে কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানির কর্তকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দীন ইসলাম বলেন, রিফান্ড বিতরণে উভয়ের সামান্য ভুল হতে পারে। তা সংশোধনের জন্য জন্যই আবেদনকারীকে অফিসে আসার আহ্বান জানান। জটিলতার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, অনেকে বাসা বদল করেছেন কিন্তু তার পুরাতন ঠিকানায় আমরা তাকে চিঠি পাঠিয়েছি, তিনি তা পাননি। অন্যদিকে, ব্যাংকে রিফান্ড করা হলে তার হিসাব বন্ধ রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই বিড়ম্বনা তৈরি হতে পারে। কোম্পানির আইপিওতে ৮৯১ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়ে। আর কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ১০৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও মিউচুয়াল ফান্ড কোটায় ৮৪৬ কোটি ১৪ লাখ ৪ হাজার টাকা এবং প্রবাসী কোটায় ৪৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়ে। কোম্পানিটি ৩ কোটি শেয়ার বরাদ্দ দেবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩৫ টাকা এবং মার্কেট লট নির্ধারণ ২০০টি শেয়ারে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে এ কোম্পানির আইপিও আবেদন গ্রহণ করা হয়। আর প্রবাসীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১১ অক্টোবর পর্যন্ত। উল্লেখ্য, হামিদ ফেব্রিক্সের লটারি ফল ছাড়াও আইপিওভুক্ত সকল কোম্পানির ফলাফল www.Stockbangladesh.com এর ওয়েবসাইটেও দেখা যাবে।
  • সায়হাম কটনের লভ্যাংশ বিওতে
    ডেস্ক রিপোর্ট : বস্ত্র খাতের কোম্পানি সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশ বিওতে পাঠিয়েছে। কোম্পানির পরিচালণা পর্ষদ এর আগে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বিওতে পাঠানো হয়েছে বলে রোবববার ডিএসই এ তথ্য জানায়। উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। আলোচিত বছর কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৮ পয়সা। আগের বছর ইপিএস ছিল ১ টাকা ৯২ পয়সা। সে বছর কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদেরকে ১০ শতাংশ নদগ লভ্যাংশ দিয়েছিল। কোম্পানির শেয়ার প্রতি এনএভি হয়েছে ২৪ টাকা ১৭ পয়সা ও এনওসিএফপিএস হয়েছে  ৮ টাকা ৯৩ পয়সা। আগামী ২৩ নভেম্বর কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বর।
  • বিবিএস ৯ কোটি টাকার প্রকল্প খুলছে
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রকৌশল খাতের বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস (বিবিএস) ৯ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প খুলবে। কোম্পানিটি অগ্নিনির্বাপক দরজা স্থাপন করতে এ প্রকল্পের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যে কোম্পানিটি নতুন মেশিনারিজ আমদানি করতে একটি ঋণপত্র  খুলেছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের কাছ থেকে ৯ কোটি ৬৯ লাখ ৩৮ হাজার ঋণ নেবে। উল্লেখ্য, বিবিএস গত ২৪ মার্চ ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশিত করে।
  • বিএটিবিসির রোববার মূল্যসীমা নেই
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতের কোম্পানি বৃটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকো শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ নগদ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ দেয়ায় রোববার কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেনে কোন মূল্যসীমা নেই। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। আগামী  ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে সমাপ্ত বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি তার শেয়ারহোল্ডারদের তাদের বিও হিসাব হালনাগাদ করার অনুরোধ জানিয়েছে। বলেছে তাদের ১২ ডিজিটের কর সনাক্তকরণ নাম্বারটি (টিআইএন) দেওয়ার জন্য। যেসব শেয়ারহোল্ডার এখনও তাদের এখনো বিও হিসাব খুলেননি তাদেরও টিআইএনের তথ্য দিতে বলা হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিও হালনাগাদ ও টিআইএন জমা দিতে হবে।
  • ইফাদ অটোর আইপিও শুরু
    ডেস্ক রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ইফাদ অটোস লিমিটেডের আইপিও আবেদন রোববার শুরু হয়েছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ২৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আবেদন  করতে পারবে। আর, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর সাথে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করবে। এদিকে, ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি আয়  হয়েছে ৫.১৬ টাকা এবং ন্যাভ হয়েছে ৪৪.১২ টাকা। ইফাদ অটোসের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ব্যানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • দাম বাড়ার শীর্ষে উচ্চ দামের কোম্পানিগুলো
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানির আয়ের তুলনায় শেয়ারের দাম অনেক বেশি বা ঝুঁকিপূর্ণ সেসব কোম্পানিগুলোই গেল সপ্তায় দাম বাড়ার শীর্ষে উঠে এসেছে। দাম বাড়ার শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানির ৭টিই উচ্চ পিই রেশিও সম্পন্ন কোম্পানি। শেয়ারবাজারে কোনো কোম্পানির পিই রেশিও (আয়ের তুলনায় দাম) ৪০ এর উপরে উঠে গেলে তাকে ঝুঁকিপূর্ণ ও অতিরিক্ত দামের কোম্পানি বলে বিবেচনা করা হয়। এ সাত কোম্পানির পিই রেশিও ৪০ এর বেশি।ডিএসই’র এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কোন কোম্পানির ভবিষ্যতে ভালো করার সম্ভাবনা থাকে সেক্ষেত্রে পিই রেশিও বেশি হলেও ওই কোম্পানির শেয়ার কেনা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তাছাড়া হঠাত্ করে কোনো প্রান্তিকে কোম্পানির আয় কোনো কারণে কমে পিই রেশিও বেড়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রেও ওই কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করা হয় না। অন্যথায় যেসব কোম্পানির পিই রেশিও ৪০ বা তার বেশি সেসব কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করা ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, কেউ যদি পিই রেশিও’র ঝুঁকি বিবেচনা না করে শেয়ার ক্রয় করেন তবে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে অনেক বেশি। সাধারণত এসব কোম্পানিগুলো কারসাজির কারণে দাম বেড়ে যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।ডিএসই’র তথ্যে দেখা গেছে, গেল সপ্তায় দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে ছিল জেএমআই সিরিঞ্জি। ২০১৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আয়ের ভিত্তিতে এ কোম্পানির পিই রেশিও ৪৫ দশমিক ২২। উচ্চ দাম সত্ত্বেও গেল সপ্তায় এ কোম্পানির ্রদর বেড়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ। লেনদেন হয়েছে ৩৫ কোটি টাকার শেয়ার। দর বৃদ্ধির তালিকায় চতুর্থ সর্বোচ্চ দর বেড়েছে হাক্কানি পাল্পের। এ কোম্পানির দর বেড়েছে ১৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের আয়ের ভিত্তিতে এ কোম্পানির পিই রেশিও ৪৯। দর বৃদ্ধির তালিকায় পঞ্চম স্থানে ছিল বিডি থাই এ্যালমুনিয়াম। তৃতীয় প্রান্তিকের আয়ের ভিত্তিতে এ কোম্পানির পিই রেশিও ৪৪। সপ্তাহ শেষে বিডি থাইয়ের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। এছাড়া এ সপ্তায় সিভিও পেট্রোক্যামিকেলের দাম বেড়েছে ১০ শতাংশ। অথচ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের আয়ের ভিত্তিতে এ কোম্পানির পিই রেশিও ১২২। আর ২০১৩ সালের আয়ের ভিত্তিতে পিই রেশিও ১২১৩। এছাড়া শেয়ারদর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় থাকা সোনালি আঁশের পিই রেশিও ২০৬। ওয়াটা ক্যামিকেলের পিই রেশিও ৪৪ দশমিক ১৬।এদিকে গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৭ শতাংশ কমে গেছে। আর সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ৮৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৭০ পয়েন্ট। একই সঙ্গে কমেছে ডিএস-৩০ মূল্য সূচকও। গত সপ্তায় ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৬২৭ কোটি ১ লাখ টাকা। যা আগের সপ্তায় ছিল ৭৫৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। অর্থাত্ এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ১৭ শতাংশ। শেয়ার হাত বদলের পরিমাণও কমেছে গেল সপ্তায়। এ সপ্তায় শেয়ার হাত বদল কমেছে প্রায় ২৪ শতাংশ।   Source : ইত্তেফাক
  • লেনদেনে এগিয়ে যমুনা অয়েল
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান যমুনা অয়েলের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক লক্ষ করা গেছে। ফলে সাপ্তাহিক লেনদেনে এগিয়ে থাকা কোম্পানির তালিকায় এটি ছিল শীর্ষে। ডিএসইর সাপ্তাহিক লেনদেনের ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ এর। এ সময়ে এর দর বেড়েছে সাড়ে ৩ শতাংশ। গত সপ্তাহে এর ২০৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে মুনাফা বৃদ্ধি ও লভ্যাংশ ঘোষণার প্রভাবে এ শেয়ারের চাহিদা বাড়ে। বৃহস্পতিবার এ শেয়ারের দর বাড়ে ২ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ৬ টাকা। দিনভর দর ২৬০ টাকা থেকে ২৬৬ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৬৩ টাকায়, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ২৬৩ টাকা ২০ পয়সায়। গত এক মাসের মধ্যে এর সর্বনিম্ন দর ২৩৩ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৬৬ টাকা ৫০ পয়সা।অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এ কোম্পানি কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৭১ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৭ টাকা ৯ পয়সা। তবে এর আগের হিসাব বছরের এ তিন মাসে মুনাফা ছিল ৫১ কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৫ টাকা ১০ পয়সা।২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৯০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে। এ হিসাব বছরে এর মুনাফা হয়েছে ২৩১ কোটি ৬৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ইপিএস ২৩ টাকা ৮ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি এনএভি ১১৮ টাকা ৫৩ পয়সা।কোম্পানিটি ২০১৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার। সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ১৯৯ কোটি ৬০ হাজার টাকা, ইপিএস ২১ টাকা ৮১ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ৭২ টাকা ৫ পয়সা।২০০৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৫৫৭ কোটি ১১ লাখ টাকা।   Source : বনিক বার্তা
  • শেয়ারবাজার নিয়ে আগ্রহ কাজে লাগানো যায়নি
    একটি দেশের শিল্পায়নে পুঁজি সংগ্রহের মূল উৎস পুঁজিবাজার। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ মোট দেশজ আয় (জিডিপি) বাড়ে। কিন্তু বাংলাদেশের শিল্পায়নে পুঁজিবাজার এখনও কাক্সিক্ষত অবদান রাখতে পারেনি। এক্ষেত্রে বাজারের ব্যাপারে মানুষের খুব বেশি আগ্রহ থাকলেও তা সম্পূর্ণ কাজে লাগানো যায়নি। ফলে মানুষের আগ্রহ কাজে লাগিয়ে শিল্পায়নকে এগিয়ে নেয়াই আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ। যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)-এর নতুন চেয়ারম্যান ড. মুজিব উদ্দিন আহমেদ এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মনির হোসেন।আইসিবি চেয়ারম্যানের মতে, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনও শিশু অবস্থায় রয়েছে। এর বিকাশ জরুরি। এতে একদিকে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হবে। অপরদিকে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধশালী হবে। পৃথিবীতে শিল্প সমৃদ্ধ যতগুলো দেশ রয়েছে, তার উন্নয়নের নেপথ্যে রয়েছে পুঁজিবাজারের অবদান। উদ্যোক্তারা পুঁজির নিশ্চয়তা চায়। তার মতে, ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হলে তা হবে স্বল্পমেয়াদি। কিন্তু পুঁজিবাজার দীর্ঘমেয়াদি পুঁজির নিশ্চয়তা দেয়। এই ধারণাটি সবারই জানা। তবে কার্যকর করতে উল্লেখযোগ্য কোনো উদ্যোগ নেই। বাজারের ব্যাপারে বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। কারণ এত বড় দুর্যোগের পরও আইপিওতে (প্রাথমিক শেয়ার) কয়েকগুণ বেশি আবেদন জমা পড়ে। কিন্তু মানুষের আগ্রহ কাজে লাগাতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। তিনি বলেন, ভালো কোম্পানি শেয়ারবাজারে নিয়ে আসতে হবে। তালিকাভুক্ত কোম্পানির কমপ্লায়েন্স বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বলেন, বর্তমানে বাজারের মূল সমস্যা হল আস্থার সংকট। বিভিন্ন হতাশা থেকে এই সংকট তৈরি হয়েছে। ২০১০-১১ সালের পর এই সংকট চলছে। এই সংকট কাটানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বিনিয়োগকারীদের নিশ্চয়তা দিতে হবে, কারসাজির মাধ্যমে কেউ পুঁজি হাতিয়ে নিতে পারবে না। ড. মুজিব বলেন, শেয়ারবাজারের সবচেয়ে বড় স্টেকহোল্ডার হল আইসিবি। বাজারের উন্নয়নে আইসিবির বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে নতুন ইস্যু নিয়ে আসা এবং বাজারের সম্প্রসারণে বড় কাজটিই করে আইসিবি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের শেয়ারবাজার অনেক সম্ভাবনাময়। এই বাজার নিয়ে আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। ফলে আমাদের বিবেচনায় এই বাজার নিয়ে অনেক কিছু করার আছে। সেই আলোকেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের ব্যাপারে আমার অনেক অভিজ্ঞতা আছে। দেশের বাইরেও আমার প্রশিক্ষণ রয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে বাজারের ব্যাপারে নতুন কিছু করতে চাই। সংকট কাটাতে আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ হাতে নিচ্ছি। পর্যায়ক্রমে এগুলো বাস্তবায়ন হবে। ড. মুজিব উদ্দিন বলেন, আইসিবির ব্যাপারে অভিযোগ আছে। তবে এসব অভিযোগ ঢালাওভাবে করা হয়। কিছু গুজবও রয়েছে। কেউ কেউ আবার আইসিবির কাজ কী, তা না জেনেই কথা বলছে। ফলে অভিযোগ সব সত্য নয়। তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এলে আমরা খতিয়ে দেখব। প্রয়োজনে এর ব্যাখ্যা দেয়া হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের সামনে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে। আইসিবি বিভিন্ন সময়ে বাজারকে প্রভাবিত করে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনও আমার জানা নেই। তবে আমরা তা খতিয়ে দেখব। এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ার আইসিবি বাজারে নিয়ে আসছে, এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক মুজিব উদ্দিন বলেন, এখানে টেকনিক্যাল অনেক বিষয় রয়েছে। বিষয়গুলো আগের। তবে এ বিষয়ে আমার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে তথ্য যাচাই না করে কোনো কথা বলা যাবে না। তবে এতটুকু বলতে পারি, বাজারের উন্নয়নে আমরা সবকিছু করব। উল্লেখ্য, অধ্যাপক মুজিব উদ্দিন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিংয়ে এমকম লাভ করেছেন। এরপর তিনি অ্যাকাউন্টেন্সির ওপর স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই ডিগ্রি নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পুরনো ডোমিনিয়ন ইউনিভার্সিটি থেকে ফাইন্যান্সের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েছেন। Source : যুগান্তর  
  • বন্ড ছাড়বে আলিবাবা
    বিনিয়োগকারীদের জন্য এবার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলারের বন্ড ইস্যু করার পরিকল্পনা নিয়েছে চীনের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবা। দুই মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) রেকর্ড পরিমাণ তহবিল সংগ্রহের পর টেক জায়ান্ট এই কোম্পানি বন্ড বিক্রির পরিকল্পনা নিয়েছে। সূত্র : বস্নুমবার্গএশিয়া, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই অর্থ সংগ্রহ করা হবে। আগামী সপ্তাহে এই বন্ড বিক্রি হতে পারে বলে রয়টার্স ও বিবিসির খবরে জানানো হয়েছে।ইতোমধ্যে কোম্পানিটি ডাচ ব্যাংক, জেপি মর্গান, সিটি গ্রুপ এবং মর্গ্যান স্ট্যানলির সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রে আইপিতে মোটা অঙ্কের তহবিল সংগ্রহ করে আলিবাবা। চলতি সপ্তাহেও প্রতিষ্ঠানটি মাত্র এক দিনে চীনে ৯০০ কোটি ডলারের পণ্য বিক্রি করে, যা অনলাইনে এক দিনের হিসাবে সবচেয়ে বেশি। এরপরই প্রতিষ্ঠানটি এই বন্ড বিক্রির পরিকল্পনা করেছে।   Source : যায়ে যায়ে দিন 
  • খেলাপি ঋণের প্রভাব শেয়ারবাজারে
    ব্যাংকের খেলাপি ঋণের প্রভাব পড়েছে শেযারবাজারে। ফলে সপ্তাহে কমেছে মূল্যসূচক ও বাজারমূলধন। গত সপ্তাহে ৫ দিনের লেনদেনে চার দিনই সূচক কমেছে। লেনদেন কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিশেষ করে ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেশি কমেছে। এদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের আয় কিছু বাড়ায় এ খাতের শেয়ারের দাম বেড়েছে। তবে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের বেশি আগ্রহ দেখা গেছে।ফলে বাজারে আসার পর প্রথম দিনেই এসব কোম্পানির শেয়ারের এবং লেনদেন বাড়ছে। অন্যদিকে গত সপ্তাহে আরও ১০টি কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের নগদের পাশাপাশি বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিচ্ছে।গত সপ্তাহে ৫ ডিএসইতে ৩ হাজার ১৩৫ কোটি টাকার ৬৪ কোটি ৮ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৬২৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে ৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ৮৪ কোটি শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। প্রতিদিন গড়ে ৭৫৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল।এ হিসেবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৬৪২ কোটি টাকা। প্রতিদিন গড়ে লেনদেন কমেছে ১২৮ কোটি টাকা। লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৯টি প্রতিষ্ঠানের, কমেছে ২২৪টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।ডিএসইর ব্রড সূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ৮৪ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮৯৯ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসই ৩০ মূল্যসূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে ৪৫ পয়েন্ট ৪৬ কমে ১ হাজার ৮১৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের সপ্তাহের চেয়ে ১ হাজার কোটি টাকা কমে ৩ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে।শীর্ষ স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি বলছে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ব্যাংকগুলোর দেয়া খেলাপি ঋণের তথ্যে শেয়ারবাজার প্রভাবিত হয়েছে। ওই তথ্যে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে খেলাপি ঋণ ব্যাপক হারে বেড়েছে। আগামী প্রান্তিকে বছর শেষ হওয়ায় ব্যাংকগুলোকে মুনাফা থেকে নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে হবে।যা ব্যাংকের আয়ে এবং লভ্যাংশ বিতরণে প্রভাব পড়বে। এ ধারণা থেকেই ব্যাংকের শেয়ারের দাম কমেছে। অন্যদিকে গত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিভিন্ন কোম্পানির প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এ খাতে আয় বেড়েছে। বিনিয়োগকারীরা বিষয়টি স্বাগত জানিয়েছে। ফলে সপ্তাহ শেষে এ খাতের শেয়ারের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তবে খাতভিত্তিক বিবেচনায় আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রকৌশলী খাতের লেনদেন ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। এছাড়া ওষুধ খাতের লেনদেন ১ দশমিক ৩ শতাংশ।যেসব কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এর মধ্যে রয়েছে- এনভয় টেক্সটাইল ১২ শতাংশ নগদ এবং ৩ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ৯৫ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ বোনাসশেয়ার লভ্যাংশ, খান বাদার্স পিপি ওভেন ১০ শতাংশ বোনাসশেয়ার লভ্যাংশ, জেমিনি ফুড সাড়ে ৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, কহিনুর কেমিক্যাল ২৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ, ওরিয়ন ইনফিউশন ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, ঢাকাডাইং ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ এবং আফতাব অটোমোবাইল ১৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।তবে রহিমা ফুড আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও কোনো ধরনের লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি।   Source : যুগান্তর
  • সরকারের ব্যাংকঋণ বেসরকারি খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেনি
    বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে না। আর সরকার ঋণের এ সীমা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ শতাংশ পর্যন্ত বজায় রাখে, তাহলে ভবিষ্যতেও প্রভাব ফেলবে না। বরং বাংলাদেশের বাস্তবতায় সরকারের ব্যাংকঋণ বেসরকারি খাতে ইতিবাচক প্রভাবই ফেলেছে।এমন মত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) গবেষক দলের। সরকারি বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পরিচালিত গবেষণার ফলাফল গতকাল শনিবার প্রতিষ্ঠানটির মিলনায়তনে এক সেমিনারে উপস্থাপন করা হয়।গবেষণায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ব্যাংকব্যবস্থায় বরাবরই অতিরিক্ত তারল্য থাকে। তাই সরকারের ঋণ গ্রহণের পরও বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহে খুব বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না। তবে সরকারের এই ঋণ গ্রহণের হার জিডিপির ৩ শতাংশের বেশি হলে তা বেসরকারি খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অবশ্য এখন পর্যন্ত ২০১১ সালে সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সর্বোচ্চ জিডিপির আড়াই শতাংশ ঋণ গ্রহণ করেছিল।বিআইবিএমের গবেষক দলের এই দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখত প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের বাজেট উপস্থাপনের পরপরই ঘাটতি বাজেট ও সরকারের ব্যাংকঋণ গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে নানা কথা বলা হয়। মূলত সতর্কতা অবলম্বনের জন্যই তা করা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকার কখনো মাত্রাতিরিক্ত ঋণ নেয়নি। আবার বেসরকারি উদ্যোক্তারা ব্যাংক থেকে ঋণ চেয়ে অর্থসংকটের কারণে পাননি এমনও ঘটেনি। তার পরও সতর্কতা অবলম্বনের জন্য সব সময় ব্যাংকব্যবস্থা থেকে কম ঋণ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।বিআইবিএমের শিক্ষক এস এ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা আখতারুজ্জামান, বেসরকারি আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহ আলম সারওয়ার, জনতা ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবদুস সালাম।মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জি। গবেষণা দলে তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যাপক আবেদ আলী, মহিউদ্দিন সিদ্দিকী ও রুহুল আমিন।মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নিয়ে তা যদি অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি ও উৎপাদনশীল খাতে ভর্তুকি হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা বেসরকারি খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সেমিনারে চা-বিরতিতে এ বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপকের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘সরকার যদি ঋণ নিয়ে মহাসড়ক তৈরি, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন বা বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ায়, তাহলে তা বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করবে। কারণ এর ফলে বেসরকারি খাতই বেশি উপকৃত হবে।’এ বিষয়ে জায়েদ বখত বলেন, যদি পদ্মা সেতুর কাজ যথাযথভাবে শুরু হয়, তাহলে সেটিকে ঘিরে বেসরকারি বিনিয়োগে কিছুটা গতি আসবে। বেসরকারি উদ্যোক্তারা সরাসরি ওই সেতুর কিছু কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে। আবার আরেকটি অংশ নতুন করে বিনিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। তাই সরকারের অবকাঠামো উন্নয়ন বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আবুল কাশেম বলেন, গবেষণার তথ্য অনুযায়ী বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে যে ঋণ নিচ্ছে, তা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। এর ফলে বেসরকারি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না। এমনকি ব্যাংকগুলোও এ ক্ষেত্রে তাদের সামর্থ্য বিবেচনায় ঋণ দিচ্ছে।সরকারের ব্যাংকঋণের সাম্প্রতিক তথ্য তুলে ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকের উপদেষ্টা আখতারুজ্জামান বলেন, তিন বছর ধরে সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ গ্রহণের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে, বাস্তবে তার চেয়ে ২০-৩০ শতাংশ কম ঋণ নিয়ে থাকে।সেমিনারে আইএফআইসি ব্যাংকের এমডি বলেন, ‘আমাদের দেশে ব্যাংকে অনেক অলস টাকা পড়ে থাকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ঋণের সুদের হার কমে না। অথচ সাধারণ হিসাবে অলস টাকার পরিমাণ বেশি হলে সুদের হার কমে যাওয়ার কথা। কিন্তু চলমান ব্যবস্থায় কোথাও কোনো ঘাটতি রয়ে গেছে, যার ফলে এ নিয়ম কার্যকর হচ্ছে না।’   Source : প্রথম আলো 
  • কনডেনসেট বরাদ্দ পাচ্ছে সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল
    কনডেনসেট (গ্যাস ফিল্ডের নির্গত তরল) বরাদ্দ পাচ্ছে সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল। এজন্য সিলেট গ্যাস ফিল্ডের সঙ্গে চুক্তি করেছে কোম্পানিটি। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।চুক্তি অনুযায়ী সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল প্রতি বছর ১৫ হাজার টন কনডেনসেট পাবে। আর কনডেনসেট থেকে জ্বালানি বিশেষ করে, ডিজেল ও পেট্রল উৎপাদন করবে কোম্পানিটি। এর আগে গত ৩০ অক্টোবর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সিভিও পেট্রোকেমিক্যালকে চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র দেয়া হয়।এদিকে ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে দশমিক ৩৬ শতাংশ বা ২ টাকা ৪০ পয়সা। দিনভর দর ৬৫৫ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৬৯৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৬৬০ টাকায়, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ৬৬২ টাকা ২০ পয়সায়। এদিন ১ হাজার ৭৯ বারে কোম্পানিটির মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ২০০ শেয়ারের লেনদেন হয়।এদিকে উৎপাদন কার্যক্রমে পরিবর্তন আনা সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল অ্যান্ড রিফাইনারি লিমিটেড কর অব্যাহতির সুবিধা পাচ্ছে। দেশে পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে কর অব্যাহতির সুবিধার অংশ হিসেবে কোম্পানিটি আগামী পাঁচ বছরের জন্য এ সুযোগ পাচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ১৫ অক্টোবর এ বিষয়ে কোম্পানিটিকে একটি চিঠি দিয়েছে। চলতি বছরের ২ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল পর্যন্ত সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল কর অব্যাহতি সুবিধা পাবে। এছাড়া কোম্পানির উৎপাদিত পরিশোধিত পণ্য সরবরাহ ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো অগ্রিম আয়কর কাটা হবে না মর্মে ১৬ অক্টোবর এনবিআর সিভিওর অনুকূলে একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করেছে বলে জানা গেছে।নতুন পণ্য উৎপাদনের জন্য এরই মধ্যে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের। এর আগে উপজাত থেকে বহুমুখী পণ্য উৎপাদনের জন্য রিফাইনারি প্লান্টে ক্ষুদ্র পরিসরে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালু করে প্রতিষ্ঠানটি। যেখান থেকে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশও দেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ায় বড় অঙ্কের লোকসানের মুখে পড়ে কোম্পানিটি।জানা গেছে, প্রতি বছর ৫০ হাজার টন গ্যাস উপজাত উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন প্লান্ট স্থাপন করেছে কোম্পানিটি। এর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১৫০ টন। ২০১৩ সালে নভেম্বরে বুয়েট বিপিসি ও পেট্রোবাংলা টিম কারখানা পরিদর্শন করে। এ বিষয়ে ২০১১ সালে কোম্পানিটি অনাপত্তিপত্র পায়। এতে কোম্পানিটি বার্ষিক ৫০ হাজার টন উপজাত সরবরাহের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। মন্ত্রণালয় পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের জন্য বার্ষিক ৩ হাজার টন উপজাত সরবরাহের অনুমোদন দিয়েছে।কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, এরই মধ্যে সিলেট গ্যাস ফিল্ডের সঙ্গে একটি ক্রয়/বিক্রয় চুক্তি সম্পন্ন করেছে। পেট্রোবাংলার নির্দেশে মূলত এ চুক্তি করে সিলেট গ্যাস ফিল্ড। ১৬ মার্চ উভয় কোম্পানি চুক্তি স্বাক্ষর করে। আর অনাপত্তিপত্রের শর্তানুসারে কোম্পানিটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের তথ্য বিপিসি ও পেট্রোবাংলাকে অবগত করতে হবে। আর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষে কোম্পানি বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমোদন দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।২০১৩ সালের জন্য কোম্পানিটির ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দেয়া হয়েছে। ওই হিসাব বছরে মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ৫৮ পয়সা। Source : বনিক বার্তা  
  • বীমা খাতের মুনাফায় শ্লথ প্রবৃদ্ধি
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সাধারণ বীমা খাতের কোম্পানিগুলোর মুনাফায় ধীর প্রবৃদ্ধি লক্ষ করা গেছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে এ খাতের মুনাফায় প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক চিত্র ফুটে উঠেছে। এ সময় খাতটিতে সার্বিক মুনাফা কমেছে ২ শতাংশ। বীমা কোম্পানিগুলোর তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এমনটি দেখা গেছে।৩৪টি সাধারণ বীমা কোম্পানির নেট মুনাফার তথ্য পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ২০টির মুনাফা বেড়েছে, কমেছে ১৪টির। অধিকাংশ কোম্পানির মুনাফা বাড়লেও প্রবৃদ্ধি ছিল কম। দুই অঙ্ক প্রবৃদ্ধির উপরে ছিল মাত্র সাতটি প্রতিষ্ঠান।তৃতীয় প্রান্তিকের তথ্যানুসারে, সবচেয়ে বেশি মুনাফা কমেছে জনতা ইন্স্যুরেন্সের। এ প্রতিষ্ঠানের মুনাফা কমেছে ৪৪ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফা হয়েছে ৯৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা।প্রগতী ইন্স্যুরেন্সের নেট মুনাফা কমেছে ৩৮ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফার পরিমাণ ১০ কোটি ২৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১৬ কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা।তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের নেট মুনাফার পরিমাণ হয়েছে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৫ কোটি ২৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফা কমেছে ৩৮ শতংশ।এছাড়া গ্রীন ডেল্টার মুনাফা কমেছে ২৮ শতাংশ। এ কোম্পানির নেট মুনাফার পরিমাণ ৯ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের নেট মুনাফা কমেছে ১৯ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফার পরিমাণ ছিল ৫ কোটি ২ লাখ ১০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৬ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার টাকা।এছাড়া প্যারামাউন্ট, গ্লোবাল, এশিয়া প্যাসিফিক, প্রিমিয়ার, ইস্টার্ন, রিলায়েন্স, রিপাবলিক, কন্টিনেন্টাল ও মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা আগের বছরের চেয়ে কমেছে।নয় মাসে সবচেয়ে বেশি মুনাফা বেড়েছে পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের। এ প্রতিষ্ঠানের মুনাফা বেড়েছে প্রায় ১৮৩ শতাংশ। নয় মাসে কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১ কোটি ৭২ লাখ ১০ হাজার টাকা।এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ৪৭ শতাংশ। এ কোম্পানির নেট মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৫ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ব্যবস্থাপনা ব্যয় আগের বছরের চেয়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। পাশাপাশি চলতি বছরের বীমা দাবি পরিশোধের অনুপাত কমেছে। এতে মুনাফার উন্নতি হয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি এ বছর কিছুটা স্থিতিশীল ছিল, যা এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।’ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের নেট মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৬ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে ২৯ শতাংশ।অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ২৩ শতাংশ। কোম্পানিটির নেট মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৩ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা।স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের নেট মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৫ কোটি ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০ শতাংশ।সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা হয়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ১০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ শতাংশ।নিটল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৭ লাখ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪ কোটি ৪৬ লাখ ২০ হাজার টাকা।রূপালী ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ৭ শতাংশ। এ সময় কোম্পানির নেট মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৮১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১০ কোটি ১২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।মুনাফা বৃদ্ধি পাওয়া অন্য কোম্পানিগুলো হলো— সোনার বাংলা, ইসলামিক ইন্স্যুরেন্স, সিটি জেনারেল, পিপলস, ইস্টল্যান্ড, ফিনিক্স, প্রভাতী, বিজিআইসি, ঢাকা, পাইওনিয়ার, নর্দার্ন ও কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স। তবে সব প্রতিষ্ঠানের মুনাফার প্রবৃদ্ধি ছিল দুই অঙ্কের নিচে। কোনোটির মুনাফা ১ শতাংশের চেয়ে কম বৃদ্ধি পেয়েছে।   Source : বনিক বার্তা
  • পুঁজিবাজারে কারসাজি থামছেই না : টার্গেট নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি
    পুঁজিবাজারে নতুন আসা কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি থামছেই না। একটির পর একটি নতুন কোম্পানি বেছে নিচ্ছে তারা। মৌলভিত্তি দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে এসব কোম্পানির শেয়ারের দাম। চক্রটির সর্বশেষ শিকারে হলো গত মঙ্গলবার লেনদেনে আসা খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ কোম্পানি। লেনদেনের প্রথম দিনেই মঙ্গলবার কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ৬৬০ শতাংশ বা ৬৬ টাকা।পোস্ট আইপিও শেয়ারের আলোকে সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস ১ টাকা ১৭ পয়সা। এ হিসেবে শেয়ারের মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও দাঁড়িয়েছে ৭৫। এটি অনেক বিপজ্জনক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।তাদের আশঙ্কা, কারসাজিকারীদের পাতা ফাঁদে পা দিলেই বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তারা বলছেন, লেনদেনের প্রথম দিন থেকেই মার্জিন সুবিধা, সার্কিট ব্রেকার না থাকা, তালিকাভুক্ত নতুন কোম্পানির শেয়ারে ধারাবাহিকভাবে দাম বাড়া, কারসাজি ও বিনিয়োগকারীরা না বুঝে নতুন শেয়ারে বিনিয়োগ করার কাণে নতুন কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ে বলে মনে করেন তারা।এ বিষয়ে সিটিজেন সিকিউরিটিজ এন্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাহিদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, নতুন কোম্পানি বাজারে আসলেই হু হু করে দাম বাড়ে। ফলে বিনিয়োগকারীরা কিছু না বুঝেই সে শেয়ারে বিনিয়োগ করে। এতে করে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের উচিত ভালো কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করা। যাতে করে তারা দীর্ঘমেয়াদে ভালো কিছু পায়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি মার্চেন্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, এক সময় নতুন কোম্পানির শেয়ারে কোনো মার্জিন ছিল না। এখন বিএসইসি আবার প্রথম দিন থেকেই মার্জিনের ব্যবস্থা করে রেখেছে। এতে করে মার্জিন নিয়ে তারা নতুন কোম্পানির শেয়ারের দিকে ঝুঁকে পড়ে। বিএসইসির উচিত মার্চেন্ট ব্যাংক বা ট্রেকহোল্ডারদের বলে দেয়া, যাতে তারা নতুন কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে মার্জিন ঋণ না দেয়।খাস ব্রাদার্সের দাম বাড়ার বিষয়ে ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আলি বলেন, প্রথম দিনেই খান ব্রার্দাসের শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়েছে। শেয়ার কম হওয়ার ফলে এ ঘটনা ঘটছে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, যদি কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৭৮ টাকা হওয়ার মতো হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ (বিএসইসি) তাদের প্রিমিয়াম দিয়ে বাজারে নিয়ে আসতো। এটি প্রিমিয়াম পাওয়ার যোগ্য না বলেই তাদের ফেইস ভ্যালুতে বাজারে এসেছে।এ বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু আহমেদ বলেন, প্রথম দিন লেনদেনে আসা নতুন কোম্পানিগুলোতে কারসাজি হয় এবং এ কারণে কিছু বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন। আর বর্তমান আইপিও বাজারের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে শুরু থেকেই সার্কিট ব্রেকার রাখা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।তিনি বলেন, এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার একটু নজর দেয়া উচিত। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের কারসাজির ফাঁদে পা না দেয়ার জন্য বলেন তিনি।পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস ইকোনমিক্সের অধ্যাপক মুহাম্মদ মূসা বলেন, নতুন কোম্পানির শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হলেই এক দল বিনিয়োগকারী কারসাজিতে মেতে ওঠে। এতে পা দেয় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এক সময় তারা সব হারিয়ে ফেলে। তিনি বলেন, এ মুহ‚র্তে এ ধরনের কোম্পানির শেয়ারের দিকে নজর না দিয়ে মৌলভিত্তিক কোম্পানির শেয়ারের দিকে নজর দেয়া উচিত। আর যদি দুর্বল কোম্পানির শেয়ারে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকে পড়ে তাহলে তাদের ধরা খাওয়া নিশ্চিত।এ বিষয়ে খান ব্রাদার্সের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, খান ব্রাদার্স গ্রুপের বাজারে একটি সুনাম আছে। ওই সুনামের কারণে বিনিয়োগকারীরা এ কোম্পানির শেয়ারের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে।তিনি বলেন, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের বিশ্বব্যাপী চাহিদা রয়েছে। এ চাহিদাকে সামনে রেখে সব কিছু ঠিক থাকলে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হবে। ইতোমধ্যে এ সক্ষমতা বেড়েছে। সামনে আমরা আরো সম্প্রসারণ করবো। আমাদের ব্যবসাটা দিন-দিন আরো এগিয়ে যাবে।এক প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিল কোম্পানির শেয়ারের দাম প্রথম দিনে ৪০ থেকে ৫০ টাকা হবে। বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের কোম্পানির সব কিছু প্রকাশ করা হয়েছে। সবই দেখে শুনে বিনিয়োগ করবেন।গত মঙ্গলবার দেশের উভয় পুঁজিবাজারে খান ব্রাদার্সের শেয়ার লেনদেন শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই ১০ টাকার শেয়ার সর্বশেষ ৭৬ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। এ দিন শেয়ারটির দর ৪৭ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। এ দিন ১৭ হাজার ৪২৮ বার হাতবদলের মাধ্যমে ৯৬ লাখ ২০ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৫৮ কোটি ৮৯ লাখ ৭৭ হাজার ২০০ টাকায়। Source : ভোরের কাগজ  
  • সরেজমিনে এসে পোশাক কারখানা দেখার আহ্বান
    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক নিয়ে যে অপপ্রচারে হচ্ছে, তাতে কান না দিয়ে সরেজমিনে কারখানা পরিদর্শন করতে অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতাদের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।মন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের পোশাকশিল্প নিয়ে অনেকেই অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার পোশাকশিল্পে নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। অস্ট্রেলীয় সরকার ও ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ সরকারের এই অবস্থানের বিষয়টি বুঝবেন এবং অপপ্রচারে প্রভাবিত হবেন না।অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে পোশাকশিল্প নিয়ে আয়োজিত এক ফোরামে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ২০২১ সালে রপ্তানি পাঁচ হাজার কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার।অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট, সেন্টার ফর সাসটেইনেবল অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ওয়ার্কস অ্যান্ড দি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন সেন্টার এবং ক্যানবেরার বাংলাদেশ হাইকমিশন ও তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ যৌথভাবে এ ফোরামের আয়োজন করে। Source : প্রথম আলো 
  • ডিএসইর পাঁচ ব্রোকারেজ হাউসে চুরি হয়েছে
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য পাঁচ ব্রোকারেজ হাউস বা ট্রেক হোল্ডার কার্যালয়ে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে চুরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে টোটাল কমিউনিকেশনস, ঔষুধি সিকিউরিটিজ, খুরশিদ আলম সিকিউরিটিজ, কাইয়ূম সিকিউরিটিজ ও আল মুনতাহা সিকিউরিটিজ।রাজধানীর মতিঝিলের ডিএসই ভবনের উল্টো পাশে মধুমিতা ভবনের ছয় ও সাততলায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যালয়ের দরজা ভেঙে চুরি করা হয়েছে বলে একাধিক প্রতিষ্ঠানের মালিক জানিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা গতকাল সকালে কার্যালয়ে গিয়ে চুরির ঘটনা বুঝতে পারেন।এর মধ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠান ও ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যালয় থেকে নগদ টাকা, চেকসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র চুরি হয়েছে। ওই ভবনে এই পাঁচটি ছাড়া আরও অনেক ব্রোকারেজ হাউসের কার্যালয় রয়েছে।ডিএসইর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো ব্রোকারেজ হাউস নামে ব্যাপকভাবে পরিচিত। কিন্তু স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথক বা ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পর এসব প্রতিষ্ঠানের নামকরণ হয় ‘ট্রেক হোল্ডার’ (টিআরইসি-ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট বা লেনদেনের সনদধারী প্রতিষ্ঠান)।জানতে চাইলে আল মুনতাহা সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান আকবর কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের কার্যালয় থেকে সাড়ে পাঁচ লাখ থেকে ছয় লাখ টাকা চুরি হয়েছে।এ ছাড়া কার্যালয়ে বেশ কিছু আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ বিষয়ে মতিঝিল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, সকালে কর্মকর্তারা কার্যালয়ে গিয়ে এ ঘটনা জানতে পারেন। এরপরই তা ডিএসইকে অবহিত করা হয়।খুরশিদ আলম সিকিউরিটিজের মহাব্যবস্থাপক আবদুল বারী প্রথম আলোকে জানান, তাঁদের কার্যালয় থেকে নগদ ৩৫ হাজার টাকা চুরি হয়েছে। বেশ কিছু আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়েছে। Source : প্রথম আলো 
  • শাহজিবাজার ও খান ব্রাদার্সের শেয়ারের দরে নেতিবাচক প্রভাব
    ঋণসুবিধা বন্ধের প্রথম দিনে ধাক্কা খেল শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার। গতকাল বুধবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ২৯ টাকা ৬০ পয়সা বা পৌনে ৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩০৯ টাকা ২০ পয়সায়।অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির লাগাম টানতে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গতকাল থেকে কোম্পানিটির শেয়ারের বিপরীতে ঋণসুবিধা বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে লেনদেনের জন্য কোম্পানির শেয়ার স্পট মার্কেট বা নগদ লেনদেনের বাজারে স্থানান্তর করা হয়।বিএসইসির সিদ্ধান্তের পর গতকাল কোম্পানির শেয়ারের দামের পাশাপাশি লেনদেনের ওপরও বড় ধরনের প্রভাব দেখা গেছে। ডিএসইতে এদিন মাত্র পাঁচ হাজার ৮০০ শেয়ারের লেনদেন হয়। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল কোম্পানিটির কোনো শেয়ারেরই লেনদেন হয়নি। ডিএসইতেও কোম্পানিটির শেয়ারের ক্রেতা ছিল খুবই কম। এ কারণে খুব কমসংখ্যক শেয়ার লেনদেন হয়েছে।গত জুলাইয়ে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর থেকে শাহজিবাজারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটতে থাকে। এ কারণে মাঝে এক দফা কোম্পানিটির লেনদেন স্থগিত রাখা হয়। কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন বিশেষ নিরীক্ষা করায় বিএসইসি। হিসাব কারসাজির দায়ে জরিমানা করা হয় কোম্পানিটির পরিচালকদের।অন্যদিকে লেনদেন শুরুর প্রথম দিনে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পরের দিনেই বড় ধাক্কা খেল খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার। একদিনে ডিএসইতে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ১৪ টাকা ১০ পয়সা বা প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশ কমে হয়েছে ৬৩ টাকা ৮০ পয়সা।নিয়ম অনুযায়ী, নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রথম পাঁচ দিন কোনো ধরনের মূল্যস্তর বা সার্কিট ব্রেকার থাকে না। এ কারণে দামের উত্থান-পতনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। প্রথম পাঁচ দিনের লেনদেন শেষে স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে নিয়ম অনুযায়ী, শেয়ারের দামের উত্থান-পতনের ওপর মূল্যস্তর বা সার্কিট ব্রেকার আরোপ করা হয়।গত মঙ্গলবার লেনদেন শুরু হয় খান ব্রাদার্স পিপি ওভেনের শেয়ার। ওই দিন কোম্পানিটির ১০ টাকার শেয়ারের দাম উঠে ৭৮ টাকায়। যেটিকে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ও বিশ্লেষকেরা অস্বাভাবিক ও অপ্রত্যাশিত বলে অভিমত দেন। Source : প্রথম আলো 
  • সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় আগ্রহ নেই ব্যবসায়ীদের!
    সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হতে ব্যবসায়ীদের আগ্রহ নেই। অন্তত গতকাল পরিকল্পনা কমিশনের আমন্ত্রণে সাড়া দেওয়ার মাত্রা দেখে এমনটাই মনে করা যেতে পারে। ব্যবসায়ীদের মত নেওয়ার জন্য দেশের বড় বড় বাণিজ্য সংগঠনকে (অ্যাসোসিয়েশন) আমন্ত্রণ জানানো হলেও অধিকাংশ সমিতির প্রতিনিধি আসেননি।সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে গতকাল বুধবার এ মতবিনিময় সভায় অর্ধশতাধিক সমিতিকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানায় পরিকল্পনা কমিশন। কিন্তু গতকাল ৮-১০টি সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শামসুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা অর্ধশতাধিক সমিতিকে এই আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। তবে উপস্থিতি অনেক কম ছিল। সব সমিতির প্রতিনিধিরা এলে তাঁদের মতামত পাওয়া যেত। আর তাঁদের মতামত খসড়া পরিকল্পনার দলিলে অন্তর্ভুক্ত করা হতো।’যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি জাহাঙ্গীর আলামিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকার বাইরে থাকায় সভায় যেতে পারিনি। সমিতির শীর্ষনেতৃবৃন্দও ঢাকার বাইরে ছিল।’ তবে তিনি মনে করেন, এসব সভায় ব্যবসায়ীদের যাওয়া উচিত। কেননা আগামী দিনগুলোয় বাংলাদেশের মতো মুক্তবাজার অর্থনীতিতে শিল্পায়ন ও বাণিজ্য কেমন হবে, সে সম্পর্কে ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরাই ভালো বলতে পারবেন।এদিকে গতকালের সভাটিও ছিল অনেকটা দায়সারা গোছের। বেলা তিনটায় সভা শুরুর পর কয়েকজন বক্তব্য দেওয়ার পর পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল নিজেই জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিতে চলে যান। অবশ্য তিনি এ জন্য উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। এরপর শামসুল আলমের সভাপতিত্বে মাত্র দুজন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি বক্তব্য দেন।আলোচনা: এর আগেও এ ধরনের বেশ কয়েকটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছেন। সেসব সভার শুরুতে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার একটি উপস্থাপনা দেওয়া হতো। গতকালের সভায় কোনো উপস্থাপনা দেওয়া হয়নি।সভায় বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার অ্যান্ড লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু তাহের বলেন, বিশ্ববাজারে চামড়াশিল্পের ২২০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য রয়েছে। বাংলাদেশ মাত্র এক বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করে। তিনি জানান, বিদেশি ক্রেতারা শর্ত দিয়েছেন, হাজারীবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারিশিল্প স্থানান্তর না করলে তাঁরা চামড়া ও পাদুকা—কোনো কিছুই কিনবেন না। এই অবস্থায় সরকারি সহায়তা ছাড়া এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) যুগ্ম সম্পাদক মোস্তফা জামালের মতে, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হলো মানবসম্পদ। দেশে বছরে তিন লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক ডিগ্রি পাচ্ছেন। ২০১৮ সালের লক্ষ্য হলো, বছরে ১০ লাখ শিক্ষার্থী এ ডিগ্রি পাবেন। সফটওয়্যারের স্থানীয় বাজার উন্নয়নে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। এ জন্য সরকারি সহযোগিতা ও প্রণোদনা পেলে শিল্পটি দ্রুত এগিয়ে যাবে।বাংলাদেশ অ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ওবায়দুর রহমানের মতে, ‘রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণের দিকে নজর দিতে হবে। চীন এ শিল্পে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে। সরকার এ শিল্পে প্রণোদনা বাড়ালে আমরা চীনের পরেই যেতে পারি।’পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ৩০ বছর আগে সারা বিশ্বে শহরে বাস করত ৩০ ভাগ মানুষ, এখন তা ৫৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০৫০ সালে তা ৬৮ ভাগে দাঁড়াবে। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।মন্ত্রী মত দেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে গেলে দেশে বিদ্যমান ব্যাংকঋণের সুদহার কমাতে হবে। ঋণ ও আমানতের সুদের হারের পার্থক্য কিছুতেই ৩ শতাংশের বেশি হওয়া উচিত নয়। ব্যাংকঋণ নিয়ে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী খেলাপি হওয়ায় ব্যাংকগুলো এখন ঋণ বিতরণে আস্থা পাচ্ছে না। অন্যদিকে পুঁজিবাজার শক্তিশালী না হওয়ায় বিনিয়োগ পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে না।   Source : প্রথম আলো 
View All
Latest DSE News
  • JAMUNAOIL

    (Continuation of News of JAMUNAOIL): iii) Omera Fuels Limited (OFL) did not allot 43,70,000 shares of Tk, 10.00 each as yet to JOCL (note-5.02). iv) Land measuring 2.10 acres and 0.51 acres possessed by Chittagong Dry Dock Ltd. and by some filling stations respectively are yet to be taken into possession by JOCL [(note-3.02(b)]. v) Sales was shown net of cost of goods sold (note-2.22.01). vi) Balance confirmation from the parties included under different heads of accounts were not obtained and made available for our audit (note-31.00). (end)

  • JAMUNAOIL

    (Qualified Opinion): &quot;The auditor of the company has given the following qualified opinion in the audit report of the company for the year ended on 30 June 2014:&quot; Basis for qualified opinion: i) Accounts receivables include Tk. 44,371,237.00 recoverability of which is uncertain but there against no provision was made (note-7.03). Account receivables also include Tk, 49,694,567.00 recoverability of which is uncertain but there against no provision was made (note-7.04). ii) Inventories include obsolete items valued Tk. 4,793,299.00 for which no provision was made (note-6.01.02). (cont.)

  • ZEALBANGLA

    (Auditor's Observation): &quot;Malek Siddiqui Wali, auditor of the company has given the following qualified opinion in the audit report of the company for the year ended on 30 June 2014:&quot; i) Cost of Production per M. Tons is Tk. 51,450.00 but selling price per M. Tons is Tk. 40,000.00 i.e. production cost is higher than selling price by Tk. 11,450.00 Per M. Tons. ii) Actual production 11,391 M. Tons sugar in 175 crushing days comparing to budgeted production 12,800 M. Tons sugar in 172 days, which is 11% lower than budgeted target. iii) Due to increase of bank loan liabilities, bank interest and huge accumulated loss it appears that the company is in the 'Going Concern' threat. The Government support helps the company survive/continue as a 'Going Concern.'

  • BBS

    The Company has informed that Cash dividend for the year ended on June 30, 2014 has been credited to the respective shareholders' Bank Accounts through Bangladesh Electronic Fund Transfer Network (BEFTN).

  • FARCHEM

    Abid Mustafizur Rahman, Lee Jung Kook and Kim Jong Suk, all are Sponsors/Directors of the Company, have further reported that they have completed their sale of 10,05,000 shares, 4,02,000 shares and 44,01,000 shares respectively at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SONALIANSH 172.20 156.70 15.50 9.89
RNSPIN 25.90 23.70 2.20 9.28
UNITEDINS 36.80 34.40 2.40 6.98
JMISMDL 216.70 202.60 14.10 6.96
MIDASFIN 14.80 13.90 0.90 6.47
PROGRESLIF 93.20 87.60 5.60 6.39
APEXSPINN 76.90 72.60 4.30 5.92
PHARMAID 289.00 273.30 15.70 5.74
BERGERPBL 1216.80 1155.50 61.30 5.31
TAKAFULINS 27.90 26.60 1.30 4.89

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297