Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar
Parallel Trend Lines 2 Amibroker AFL 11-Feb

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
WMSHIPYARD 26.5 21.7 4.80 22.12
ISLAMIINS 15.7 13.3 2.40 18.05
MEGHNALIFE 57.1 48.9 8.20 16.77
ICB 112.8 97.5 15.30 15.69
FBFIF 7.1 6.2 0.90 14.52
PUBALIBANK 20.1 17.7 2.40 13.56
NCCBLMF1 6.1 5.4 0.70 12.96
CITYBANK 24 21.3 2.70 12.68
JANATAINS 10.7 9.5 1.20 12.63
ZEALBANGLA 9 8 1.00 12.50

Contest SB2016_Jul

1st
blank_person
NAWED1980
2nd
blank_person
NIRMAL2975
3rd
blank_person
DIDAR12
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 254.7 252.2 5.85004 193224.00
LAFSURCEML 79.1 76.5 5.23280 3553960.00
ICB 112.8 109.6 3.50924 366352.00
SQURPHARMA 265.7 262.9 3.02582 1094660.00
PUBALIBANK 20.1 18.4 2.59361 765770.00
Negative impact
DUTCHBANGL 104.9 106.7 -0.62387 5304.00
KEYACOSMET 11.9 12.3 -0.49057 5909970.00
BANKASIA 16 16.2 -0.30544 2833.00
ISLAMIBANK 29.2 29.3 -0.27900 3434860.00
DHAKABANK 15 15.2 -0.23842 48895.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
SQURPHARMA 265.7 266.6 263.1 1.07% 290.00
LAFSURCEML 79.1 79.7 77.1 3.40% 279.74
ACMELAB 116.4 117.9 116 0.09% 125.47
ISLAMIBANK 29.2 29.9 28.8 -0.34% 100.90
CITYBANK 24 24.5 23.2 2.56% 98.05
BXPHARMA 83.5 83.9 82 1.09% 85.87
AMANFEED 85.6 85.8 83 1.66% 74.54
KEYACOSMET 11.9 12.4 11.8 -3.25% 71.00
OLYMPIC 345.3 346.7 342.2 0.99% 62.78
FARCHEM 28.3 28.6 27.4 3.28% 62.76

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 30 Jun 2016

81038
TOTAL TRADE
106.7973
TOTAL VOLUME(Mn)
3772.87
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • আরামকোর আইপিও নিয়ে সৌদি আরব ও জাপানের আলোচনা
    অ্যারাবিয়ান বিজনেস : সৌদি আরবের জাতীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি সৌদি আরামকোর পরিকল্পিত ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিংয়ে (আইপিও) জাপানি বিনিয়োগ নিয়ে দুই দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী খালিদ আল-ফালিহ এ কথা জানিয়েছেন। অ্যারাবিয়ান বিজনেস জানায়, চলতি বছরের শুরুতে দেশটির তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা জানান সৌদি আরবের ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমান। প্রচেষ্টার প্রধানতম অংশ হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালিত তেল কোম্পানি আরামকোর ৫ শতাংশ আইপিও হিসেবে বাজারে ছাড়া হচ্ছে। সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাপানের জ্বালানি কোম্পানি একই সঙ্গে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সৌদি আরবের সুসম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত সৌদি আরামকোর আইপিওতে জাপানি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উষ্ণ অংশগ্রহণ থাকবে। বুধবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত জি২০-এর জ্বালানিমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে জাপানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন সৌদি আরবের জ্বালানি, শিল্প ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী। আরামকোর আইপিও কেনার জন্য এরই মধ্যে উঠেপড়ে লেগেছে বিনিয়োগ ব্যাংকগুলো। সৌদি আরবের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন পরিকল্পনা থেকে লাভজনক প্রকল্পের প্রবাহ বেরিয়ে আসার দরজা হিসেবে আরামকোর আইপিও ছাড়াকে দেখা হচ্ছে। আরামকোর আইপিও নিয়ে যুবরাজ সালমান জানান, শীর্ষ তেল রফতানিকারক আরামকো এত বিশাল যে এর মাত্র ১ শতাংশ বিক্রি বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইপিও তৈরি করতে সক্ষম। আরামকোর আইপিওর মূল্য অন্তত ২ লাখ কোটি ডলার হবে বলে আশা করছেন তিনি। এ মুহূর্তে আইপিওর বিকল্পগুলো নিয়ে কাজ করছে সৌদি আরামকো। এর মধ্যে একক ঘরোয়া স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকা ও বিদেশী বাজারের সঙ্গে দ্বৈত তালিকা রয়েছে। এদিকে আরামকোর প্রধান নির্বাহী জানিয়েছেন, কোম্পানি প্রস্তাব চূড়ান্ত করার কাজ করছে  এবং শিগগিরই সর্বোচ্চ পরিষদের কাছে  উত্থাপন করবে।
  • টেলিযোগাযোগ খাতের প্রসার ঘটছে দ্রুত
    ইটি টেলিকম : বৈশ্বিকভাবে টেলিযোগাযোগ খাতের প্রসার ঘটছে দ্রুত। সংশ্লিষ্ট খাতে সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। গ্রাহক চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে খাতটিতে নিয়মিত নতুন কোম্পানির প্রবেশ ঘটছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও হাতেগোনা কিছু টেলিকম অপারেটর ব্যতীত বেশির ভাগই লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। বিদ্যমান পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে ডাটা প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ, গ্রাহক আচরণ পর্যবেক্ষণ, নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, ডিভাইস আপগ্রেড ও কনটেন্ট সরবরাহকারীরা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। অর্থাত্ উল্লিখিত বিষয়গুলোর উন্নয়নের মাধ্যমে মোবাইল ভিডিও সেবার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানো যেতে পারে; যা টেলিকম অপারেটরদের রাজস্ব বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। চীনভিত্তিক নেটওয়ার্ক যন্ত্রাংশ নির্মাতা হুয়াওয়ে টেকনোলজিস কোম্পানি লিমিটেডের সাম্প্রতিক এক জরিপ প্রতিবেদনে এমন তথ্যই জানানো হয়েছে। হুয়াওয়ে প্রতিবেদনে জানায়, টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোর নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় প্রাধান্য বিস্তার করে আছে মোবাইল ভিডিও। মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় যে ট্রাফিক তার বেশির ভাগই মোবাইল ভিডিওর কারণে। টেলিযোগাযোগ খাতে ভবিষ্যতে মোবাইল ভিডিওর চাহিদা আরো বাড়বে। বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, বর্তমানে বিনোদনের স্থান অনেকাংশে দখল করে নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেন্দ্রিক ভিডিও, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের লাইভস্ট্রিমিং সুবিধা এবং ভিআর হেডসেটের জন্য ধারণকৃত ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও। টেলিযোগাযোগ খাতের গ্রাহকদের কাছে আরো বেশকিছু দিক বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে ভিডিও। তথ্যের অন্যতম উত্স এখন ভিডিও। এটিকে অনেকেই যোগাযোগের সমার্থক হিসেবেও বিবেচনা করার পক্ষে। ইটি টেলিকম জানায়, হুয়াওয়ের ওয়্যারলেস মার্কেটিং অপারেশন ডিপার্টমেন্টের প্রেসিডেন্ট কিউ হেং বলেন, মোবাইল ভিডিও বাজারের যে পরিসর তা অনেক বড়। এটি শিগগিরই টেলিকম অপারেটরদের ব্যবসায় গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হবে। ইন্টারনেট সেবার উল্লেখযোগ্য প্রসার ঘটেছে। বিশ্বের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোকেও এখন ইন্টারনেট সেবার আওতায় নিতে কাজ চলছে। যদিও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের চেয়ে উন্নয়নশীল বিশ্বের দেশগুলোয় মোবাইল ইন্টারনেটই বেশি জনপ্রিয়। এক্ষেত্রে সাশ্রয়ী ইন্টারনেট প্যাকেজ ঘোষণার মধ্য দিয়ে মোবাইল ভিডিও সেবার প্রসার ঘটানো যেতে পারে। বিবেচনায় নেয়া উচিত গ্রাহকরা প্রকৃতপক্ষে কোন ধরনের সেবা চাইছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে নেটওয়ার্ক উন্নয়ন ও ডিভাইস আপগ্রেড সুবিধার ওপর জোর দেয়া উচিত। তিনি বলেন, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অপারেটর কোম্পানিগুলোকে সক্রিয়ভাবে ভিডিও সেবার উন্নয়নে মনোযোগী হতে দেখেছি। উন্নত নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে তারা ইউজার এক্সপেরিয়েন্স বাড়ানোয় জোর দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো নতুন ব্যবসায় মডেলে গুরুত্ব বাড়ানোয় তাদের রাজস্ব বাড়ছে এবং কনটেন্ট উত্স অর্জনের মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করছে। মোবাইল ভিডিও খাতে টেলিযোগাযোগ কোম্পানিগুলোর ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য হুয়াওয়ে উদ্ভাবন চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বিক্রয় ও বিপণন-বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিটিকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২১ সাল নাগাদ মোবাইল ভিডিওর গ্রাহক সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ২০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিটিকসের ওয়্যারলেস মিডিয়া স্ট্র্যাটেজিস বিভাগের পরিচালক নিতেশ প্যাটেল বলেন, গ্রাহক-সংশ্লিষ্টতা বৃদ্ধির জন্য মোবাইল ভিডিও অন্যতম একটি কার্যকর হাতিয়ার। এটি সোস্যাল নেটওয়ার্ক মাধ্যমে গ্রাহককে দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে সহায়ক।
  • বিনিয়োগ সমন্বয় ঘিরে বছরে লেনদেন কমেছে ৫ হাজার কোটি টাকা
    স্টাফ রিপোর্টার : বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সমন্বয়কে কেন্দ্র করে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রায় পুরোটা সময়ই শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ প্রত্যাহারের শঙ্কায় ব্যক্তি ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ এ সময় সাইডলাইনে চলে যায়। এতে শেয়ারবাজারে সার্বিক লেনদেনে বিরূপ প্রভাব পড়ে। এর বাইরে মার্জিন ঋণ সংকটের আবর্তে ঋণাত্মক ইকুইটির কারণেও হাজার হাজার বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলিওতে থাকা শেয়ার লেনদেন হচ্ছে না। এসব কারণে আগের অর্থবছরের চেয়ে সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা কমে গেছে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) গত দুই অর্থবছরের লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মোট ২৩৪ কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এ সময়ে ১ লাখ ১২ হাজার ৩৫১ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে। আর সদ্য শেষ হওয়া ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২৪৭ কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এ সময়ে শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট কেনাবেচার মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। এ হিসাবে এক বছরে ৫ হাজার ১০৫ কোটি টাকা কম লেনদেন হয়েছে। যদিও সর্বশেষ অর্থবছরে ১৩ কার্যদিবস বেশি লেনদেন হয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৪৩২ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা আগের বছরের চেয়ে ৩৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা কম। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) দেয়া তথ্যানুুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ লাখ ৬১ হাজার ৯৯৫। অবশ্য এর অধিকাংশ হিসাবেই কোনো শেয়ার নেই। এছাড়া এ বিও হিসাবের উল্লেখযোগ্য অংশই শুধু প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারিতে অংশগ্রহণের জন্য ব্যবহূত হয়ে থাকে। এদিকে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়কে কেন্দ্র করে যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল, তা ২০১৫-১৬ অর্থবছরের শেষ সময়ে এসে সমস্যাটির সমাধান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলোকে কোনো শেয়ার বিক্রি না করেই নির্ধারিত সময়ের আগেই অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ের সুযোগ করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি বছরের এপ্রিলে অতিরিক্ত বিনিয়োগের (এক্সপোজার) উপাদান হিসাবের ক্ষেত্র পুনর্বিন্যাসসহ কতিপয় অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের মূলধন বৃদ্ধির সুযোগ দেয়া হয়। এর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয় হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, দেশের ৫৬টি ব্যাংকের মধ্যে ৪৮টির শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ রয়েছে। একক ভিত্তিতে বিনিয়োগ ইকুইটির ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার নির্দেশ থাকলেও নভেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ ছিল ৩৪ শতাংশ, যার পরিমাণ প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোর সহযোগী ৩৩ প্রতিষ্ঠানকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা মূলধন জোগান দিয়েছে। গত ডিসেম্বরের নির্দেশনা জারির ফলে এ মূলধন আর ব্যাংকের একক হিসেবে গণ্য হবে না। ফলে নভেম্বরের হিসাবে বিনিয়োগ কমে আসে ২৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এর ফলে ৪৮ ব্যাংকের মধ্যে মাত্র ছয়টি ব্যাংকের সীমা ২৫ শতাংশের বেশি রয়ে যায়। এ অবস্থায় অতিরিক্ত বিনিয়োগ সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মূলধন বৃদ্ধির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ছয়টি ব্যাংকের এক্সপোজারজনিত সমস্যার সমাধান এরই মধ্যে করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, শেয়ারবাজারে যেসব ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ রয়েছে, তা ২১ জুলাইয়ের মধ্যে নামিয়ে আনার কথা রয়েছে। এ সময়সীমা বাড়াতে বিভিন্ন পক্ষের দাবি করা হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নিজেও সময়সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, সময়সীমা বাড়াতে হলে আইন পরিবর্তন করতে হবে। তাই এক্সপোজারের সংজ্ঞায় পরিবর্তন এনে অতিরিক্ত বিনিয়োগজনিত সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। তবে ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগজনিত সমস্যার সমাধান হলেও শেয়ারবাজারের লেনদেন পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। গত এপ্রিলে ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ বিষয়টি সমাধান হলেও ডিএসইর লেনদেন ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। মূলত মার্জিন ঋণ সংকটই লেনদেন বাড়ানোর পথে প্রধান অন্তরায় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শেয়ারবাজারে বর্তমানে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার মার্জিন ঋণ রয়েছে। এ ঋণের একটি বড় অংশই নেগেটিভ ইকুইটিতে পরিণত হয়েছে।
  • ডিএসইর রাজস্ব কমেছে
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আদায় কমেছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। ব্যাংকের এক্সপোজার লিমিট নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা, বাজার নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরব ভূমিকা এবং কিছুটা রাজনৈতিক অস্থিরতায় রাজস্ব কমেছে। ডিএসইর রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন ডিএসই সংশ্লিষ্টরা। ডিএসই প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা গেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সর্বমোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৫৮ কোটি ৪ লাখ ৩০ হাজার ৩৯২ টাকা। যা আগের বছরে ছিল ১৭৪ কোটি ৮৯ লাখ ৭৫ হাজার ৩৮৭ টাকা। সে হিসেবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ডিএসইতে থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় কমেছে ১৬ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার ৯৯৫ টাকা বা ৯.৬৪ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ডিএসইর ব্রোকারেজ হাউসগুলোর কাছ থেকে লেনদেনের ওপর ১০৭ কোটি ২৪ লাখ ৬০ হাজার ৪৪৭ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। একই সঙ্গে উদ্যোক্তা পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার বিক্রয় বাবদ আদায় হয়েছে ৫০ কোটি ৭৯ লাখ ৬৯ হাজার ৯৪৫ টাকা। অপরদিকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ডিএসইর ব্রোকারেজ হাউসগুলোর কাছ থেকে ৭ কোটি ৫০ লাখ ৪৭ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়। একই সঙ্গে উদ্যোক্তা পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার বিক্রয় বাবদ আদায় হয়েছিল ৬২ কোটি ৫৪ লাখ ৫৮ হাজার ৭৩০ টাকা। সে হিসেবে এ বছরে (২০১৫-১৬) ব্রোকারেজ হাউসগুলোর কাছ থেকে রাজস্ব আদায় কমেছে ৫ কোটি ১০ লাখ ৬৭ হাজার ২১০ টাকা। আর উদ্যোক্তা পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় কমেছে ১১ কোটি ৭৪ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮৫ টাকা।
  • পাস হলো স্বপ্ন পূরণের বাজেট, আকার ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা
    সংসদ প্রতিবেদক : জাতীয় সংসদে ৫৮ ঘণ্টা আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট পাস হয়েছে। এর আকার ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা। বাজেট পাসের মধ্য দিয়ে আজ থেকে শুরু হচ্ছে নতুন অর্থবছর। জাতীয় সংসদ আগামী ২০১৭ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫৩ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা খরচের অনুমোদন দিয়েছে। এই অর্থ বরাদ্দের জন্য সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পক্ষ থেকে মোট ৫৫টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করা হয়। এসব মঞ্জুরি দাবির বিপরীতে বিরোধীদল জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র ৯ জন সংসদ সদস্য মোট ৪২০টি ছাঁটাই প্রস্তাব আনেন। স্পিকারের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে এসব মঞ্জুরি দাবির মধ্যে তাঁরা ৭টি দাবির ওপর আলোচনায় অংশ নেন। তবে সবগুলো ছাঁটাই প্রস্তাবই কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে ৫৫টি মঞ্জুরি দাবি সরকার ও বিরোধী দলের কণ্ঠভোটে সংসদে গৃহীত হয়। বাজেট পাসের পর সংসদ অধিবেশন আগামী ১৭ জুলাই  রোববার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং পর ডেপুটি স্পিকার এডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তরপর্বটি টেবিলে উত্থাপনের পর বাজেট পাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়। স্পিকার সরাসরি মঞ্জুরি দাবিগুলো নিয়ে ভোটে চলে যান। এ সময় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের ওপর আনা ছাঁটাই প্রস্তাব আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়। মঞ্জুুরিকৃত দাবিগুলো নিষ্পত্তি শেষে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নির্দিষ্টকরণ বিল- ২০১৬ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। বাজেট পাসের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্য টেবিল চাপড়িয়ে ‘সমৃদ্ধি, উন্নয়ন ও সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার’ ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট বাস্তবায়নের যাত্রাকে স্বাগত জানান। বাজেট পাসের পর অর্থমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগদানের জন্য সব সংসদ সদস্যকে আমন্ত্রণ জানান। সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫৩ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকার মধ্যে সংসদের ওপর দায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৩ কোটি ৮৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। এই টাকা অনুমোদনের জন্য কোনো ভোটের প্রয়োজন হয় না। সরাসরি সংসদ এই টাকা অনুমোদন করে। অবশিষ্ট ৩ লাখ ১১ হাজার ৪১০ কোটি ১৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা ভোটের মাধ্যমে সংসদে গৃহীত হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ২ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে যে বাজেট পাস হয়েছে তার আকার দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫৩ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। যা মূল বাজেটের চেয়ে এক লাখ ২৩ হাজার ৯৪৮ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বেশি। মূলত এটি হচ্ছে সরকারের গ্রস বাজেট। আর সংসদে পাস করা এই বাজেটের পুরো অর্থ কখনো ব্যয় হয় না। কিন্তু সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ দিতে হয়। এই অতিরিক্ত বরাদ্দ আয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বাজেটের ভারসাম্য রক্ষা করা হয়। তবে নিট বাজেট হচ্ছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা। যা আগামী অর্থবছরে সরকারের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যয় করা হবে। বাজেট পাসের আগে সাতটি মঞ্জুরি দাবি নিয়ে আলোচনা হয়। এই সাতটি মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরি দাবির বিপরীতে যে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো আনা হয়েছে সেগুলো হলো মিতব্যয়ী ছাঁটাই, নীতি অনুমোদন ছাঁটাই এবং প্রতীক ছাঁটাই। এ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম, নুরুল ইসলাম ওমর, সেলিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম মিলন, কাজী ফিরোজ রশীদ, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজী ও আবদুল মতিন। তবে তাদের সব ছাঁটাই প্রস্তাবই কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ : এ খাতে বরাদ্দের কঠোর বিরোধিতা করে জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা নিচ্ছে, অথচ বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে। রিজার্ভ চুরি, শেয়ার চুরি, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, বেসিক ব্যাংক থেকে চুরি, বিসমিল্লাহ গ্রুপের চুরি এবং ডেসটিনি ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে। কিন্তু তাদের কোনো বিচার হয়নি। অর্থমন্ত্রী কী বাজেটের মাধ্যমে এই চুরি-লুণ্ঠনের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছেন? আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে তারা একটি ব্যাংক কমিশন গঠনের প্রস্তাব দেন। জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ব্যাংকিং খাতের লুটপাট নিয়ে সংসদ সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এজন্য তাদের ধন্যবাদ। ব্যাংকিং খাতের লুটপাট নিয়ে আমরাও চিন্তিত। এটা যাতে ভবিষ্যতে না হয় তার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, লুণ্ঠিত টাকা জনগণের। এজন্য রাষ্ট্র দায়িত্ব গ্রহণ করছে। প্রত্যেকটি চুরির তদন্ত ও মামলা হয়েছে। তবে বেসিক ব্যাংকের বিষয়ে এখনো মামলা হয়নি। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছে। আমি আপনাদের নিশ্চিন্ত করতে চাই যে, যারা দোষী অবশ্যই তাদের শাস্তি হবে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় : পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দের বিরোধিতা করে বিরোধীদল জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা বলেন, পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রায়শই বৈষম্য করা হয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেয়া হয়, কিন্তু ব্যয় করতে পারে না। বাজেট বাস্তবায়ন করতে না পারলে ‘পরি’ উঠে যাবে, শুধু ‘কল্পনা’ থাকবে। ব্যয় করতে না পারলে বড় বড় প্রকল্প নিয়ে কী লাভ? এডিবির বাস্তবায়ন ঠিক সময়ে হয় না। শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে কাজ করতে গিয়ে মান খারাপ করে ফেলে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা তদারকি জোরদার করার দাবি জানান। জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেন, সবাই আশাবাদী মানুষ, আমারও কিছু আশা আছে। সবার ধারণা যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ করি না, গ্রহণ করলেও সময়মতো হয় না। আমি দৃঢ়কণ্ঠে বলতে পারি, দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর থেকে যেসব পরিকল্পনা গ্রহণ করি ও অনুমোদন দেই, তা অত্যন্ত স্বচ্ছ-দায়বদ্ধতা রেখেই বাস্তবায়ন করি। বিশাল বিশাল অর্জনগুলো কখনোই ম্লান করা যাবে না। সারা বছরই কাজ হয়, কিন্তু বছরের শেষে পেমেন্ট দেয়া হয়। তখন মনে হয় বছরের শেষে তড়িঘড়ি করে প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এটা মোটেও সঠিক নয়। তিনি আগামী অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশের বেশি অর্জিত হবে বলে সংসদকে আশ্বস্ত করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় : শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বাজেট বরাদ্দের বিরোধীতা করে জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা ছাঁটাই প্রস্তাব এনে বলেন, শিক্ষা খাতেও দুর্নীতি ঢুকে গেছে। এই খাত দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত। শিক্ষা খাতে বরাদ্দ হয় কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি হয় না। শিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা কোয়ালিটি চাই, কোয়ান্টিটি চাই না। গোল্ডেন ফাইভ দরকার নেই, গুণগত শিক্ষায় নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বেশি বরাদ্দ দিতে চাই, কিন্তু শিক্ষার মান ভাল করেন। গড় আড়াই বছরে একটি স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত হয়নি। মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই এমপিওভুক্ত করতে হবে। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, শিক্ষা খাতে আরো ব্যয় বরাদ্দ প্রয়োজন। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর বিপুলসংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তি করা হয়েছে। সংখ্যার দিক থেকে বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রয়োজন নেই, তবে মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দরকার। ৭শ’ কলেজে মাত্র এক-দুইজন করে ছাত্র ভর্তির জন্য আবেদন করেছে। আমরা কোয়ালিটি ও কোয়ান্টিটি দুটোই বজায় রাখতে চাই। গুণগত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তিনি সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা কামনা করেন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় : এই মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দের বিরোধিতা করে জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা বলেন, হাসি ও ভালোবাসায় অনেক রোগ সেরে যায়। কিন্তু প্রকৃত চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। স্বাস্থ্য খাতে সেবার মান নিম্নমানের। হাসপাতালগুলোর গুণগতমান নেই। এতো অপরিষ্কার-অপচ্ছিন্ন হাসপাতাল, রোগীদের প্রতি চিকিৎসকদের অবহেলা বেড়েই চলেছে। তাই সেবার মান অবশ্যই বাড়াতে হবে। গ্রামেই এখন মানুষ চিকিৎসা পাচ্ছে এটা অস্বীকার করছি না, কিন্তু স্বাস্থ্য খাতে সেবার মান আরো বাড়াতে হবে। বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণ এখন একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে, কারণ বিপুল পরিমাণ কালো টাকা রয়েছে মানুষের হাতে। তারা স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বৃদ্ধির দাবি জানান। জবাব দিতে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরে গ্রামে চিকিৎসক দিয়েছি। চিকিৎসকরা ঠিকমতো গ্রামে গিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছেন কি-না তা তদারকি করার জন্য এমপিদের সভাপতি করা হয়েছে। এমপিদের প্রত্যয়নপত্র ছাড়া কোনো চিকিৎসকদের বদলি বা পদোন্নতি হবে না, এমন পরিকল্পনার কথা চিন্তা করা হচ্ছে। আমাদের সম্পদ সীমিত, ইচ্ছা থাকলেও অনেক কিছু করা যায় না। যদি সম্পদশালী এমপিরা গ্রামের হাসপাতালগুলোতে সহযোগিতা করেন, তবে অনেক সমস্যাই কমে যাবে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশে বিনা পয়সায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় : স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে বাজেট বরাদ্দের বিরোধিতা করে জাতীয় পার্টি ও সংসদ সদস্যরা বলেন, স্থানীয় সরকার হলো গ্রামের মানুষের আশা-ভরসার স্থল। তবে উন্নয়নের ক্ষেত্রে মনিটরিংয়ের অভাব রয়েছে। শহর-গ্রামের মধ্যে বরাদ্দে চরম বৈষম্য চলছে। ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশরা রিকশা চালায়, ঝাড়– দেয়। সচিবরা কোনো সুযোগ পায় না। জেলা পরিষদকে যেন দেখার কেউ নেই। তাই ইউপিকে প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে। জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় একটি উন্নয়নমুখী সংস্থা। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা হয়। বর্তমান সরকার স্থানীয় সরকারকে অনেক শক্তিশালী করেছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেনি। প্রত্যেক বছরেই স্থানীয় সরকারে অতিরিক্ত থোক বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছে। জনগণের চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন করতে আরো বরাদ্দ বৃদ্ধি প্রয়োজন। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় : এই মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দের বিরোধীতা করে জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা বলেন, টেন্ডার ছাড়া অনেক কাজ প্রদানের কারণে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কাজগুলো নিম্নমানের হচ্ছে। সোলার লাইট প্রদানের নামে অবচয় হচ্ছে। এই মন্ত্রণালয় টিআর, খাবিখা, টিনসহ অনেক কিছু দেয়। এগুলো সুষ্ঠুভাবে জনগণের দুয়ারে পৌঁছে দিতে গেলে দেশের চিত্রই পাল্টে যেত। কিন্তু তা হয় না। তারা সোলার ব্যবস্থাকে ঢাকা থেকে শহর-গ্রামে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। জবাব দিতে গিয়ে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেন, বিদ্যুৎ দেশের মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে টিআর-কাবিখার অর্ধেকভাগ সোলার প্যানেলে অন্তর্ভুক্তি করার সিদ্ধান্ত নেই। তখন অনেক এমপি তা গ্রহণ করতে চাননি। এখন আবার সেসব এমপিই সোলারে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানান। সোলারের মান নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থানে। ইডকলের সরবরাহকৃত সোলার প্যানেল নিয়ে ব্যবহারকারীরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। একটু বেশি খরচ হলেও মান সম্পন্ন, পরীক্ষিত। ধর্ম মন্ত্রণালয় : ধর্ম মন্ত্রণালয়ে বাজেট বরাদ্দের বিরোধিতা করে জাতীয় পার্টি ও সংসদ সদস্যরা বলেন, এ মন্ত্রণালয়ে যে ব্যয় হচ্ছে তা স্বচ্ছ নয়। মসজিদ-মন্দিরের ব্যয় বরাদ্দ সত্যিই অপ্রতুল। হজযাত্রীরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হন। সরকারি অর্থে রাজনৈতিক কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এমনকি পিয়ন পর্যন্ত হজে যায়, অথচ অনেক বড় বড় আলেমরা অর্থের অভাবে হজে যেতে পারেন না। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তা হজের সময় ব্যবসা খুলে বসেন। হজ নিয়ে বাণিজ্য অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। জবাবে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, হজ নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম-গাফিলতি আমরা সহ্য করছি না। যার বিরুদ্ধেই কোনো অভিযোগ আসছে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এবারের বাজেটে বিশাল ব্যয়ের পরিকল্পনায় আয় ধরা হয়েছে দুই লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। আর বিদেশি অনুদান হিসাবে ৫ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই হিসেবে বাজেট ঘাটতি থাকছে ৯৭ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের বড় অংশের জোগান আসবে আয়কর, শুল্ক ও মূসক থেকে। এনবিআরের আয় ধরা হয়েছে দুই লাখ তিন হাজার ১৫২ কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত কর থেকে আসবে সাত হাজার ২৫০ কোটি টাকা। আর কর ব্যতীত প্রাপ্তি ৩২ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। এবারের বাজেটে সবচেয়ে বেশি কর আদায়ের ল্য ঠিক করা হয়েছে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে, ৭২ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা। এই অঙ্ক বিদায়ী অর্থবছরের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি। দশম জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশনে গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, সরকার ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে বাজেট পাস হয়। এই বাজেট স্বাধীন বাংলাদেশের ৪৫তম, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতে দেয়া দশম বাজেট। অধিবেশনের শুরুতেই জানানো হয় ৫৬টি মঞ্জুরি দাবির মধ্যে ৭টি দাবির ওপর আলোচনার সুযোগ রয়েছে। এর পর এসব দাবির ওপর আলোচনায় অংশ নেন সরকার ও বিরোধীদলীয় সদস্যরা। দাবিগুলো হলো ৮, ১০, ২১, ২৩, ৩১, ৩৩ ও ৪৪ নস্বর। এর আগে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধরীর সভাপতিত্বে দুপুর দেড়টায় অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে নতুন অর্থবছরের ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পাস হয়। নতুন অর্থবছরের বাজেট থেকে উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় হবে এক লাখ ১৭ হাজার ২৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) এক লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এডিপি বহির্ভূত প্রকল্প ব্যয় ৪ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিতে এক হাজার ৮২৬ কোটি এবং রাজস্ব বাজেট থেকে অর্থায়নকৃত উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় হবে ৩৫৪ কোটি টাকা। তবে মূল উন্নয়ন ব্যয় এক লাখ ১৭ হাজার ২৭ কোটি টাকার সঙ্গে নতুন অর্থবছরে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও কর্পোরেশনগুলোর উন্নয়ন ব্যয় ৯ হাজার ৬৪৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা যোগ করলে নতুন এই অর্থবছরে সর্বমোট উন্নয়ন ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৩ হাজার ৩৪৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এই বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ধরা হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। তবে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে এডিপিতে পাঁচ হাজার ৬৮৫ কোটি ৪৮ টাকার কর্মসূচি রয়েছে। নির্দিষ্টকরণ বিল পাস : নতুন ২০১৬-১৭ অথবছরের বাজেট ব্যয়ের বাইরে সরকারের বিভিন্ন ধরনের সংযুক্ত দায় মিলিয়ে মোট ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫৩ কোটি ৯৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকার নির্দিষ্টকরণ বিল জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে পাস করা হয়েছে। এর মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে গৃহীত অর্থের পরিমাণ ৩ লাখ ১১ হাজার ৪১০ কোটি ১৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা এবং সংযুক্ত তহবিলের ওপর দায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৩ কোটি ৮৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। সংযুক্ত তহবিলের দায়ের মধ্যে ট্রেজারি বিলের দায় পরিশোধ, হাইকোর্টের বিচারপতি এবং মহাহিসাব নিরীক ও নিয়ন্ত্রকের বেতন ইত্যাদি দায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উল্লেখ্য, মোট বাজেট ব্যয়ের মধ্যে বৈদেশিক অনুদান রয়েছে। সেই অনুদান বাদ দিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে নির্দিষ্টকরণ অর্থ মঞ্জুরের জন্য সংসদে পাস করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিল উপস্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস করা হয়। এ সময় সরকারদলীয় সদস্য টেবিল চাপড়ে অর্থমন্ত্রীকে বাহবা জানান। মঞ্জুরি দাবি ও ছাঁটাই প্রস্তাব : নতুন বাজেটের ওপর সংসদে উত্থাপিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ খাতের ৫৬টি মঞ্জুরি দাবির বিপরীতে বিরোধীদল জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা ৪২০টি বিভিন্ন ধরনের ছাঁটাই প্রস্তাব আনা হয়। বিরোধীদল ও স্বতন্ত্র সাংসদদের আলোচনা সত্ত্বেও ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে বাতিল হয়ে যায়। ইফতার ও নৈশভোজ : বরাবরের মতো এবারো বাজেট পাসের পর অর্থ মন্ত্রণালয় নৈশভোজ আয়োজন করেছে। গতবারের মতোই রোজার মধ্যে বাজেট হওয়ায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নৈশভোজের আগে ইফতারের আয়োজন করা হয়। বাজেট পাস হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্যদের সবাইকে নৈশভোজে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানান।
  • বাজেটে কোন খাতে কত বরাদ্দ
    রাহেল আহমেদ শানু : জাতীয় সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট পাস হয়েছে বৃহস্পতিবার। বাজেটে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনুকূলে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। জাতীয় সংসদ খাতে ২৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে ১৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক হাজার ৩২১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ৯৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় খাতে ৯২৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ২ হাজার ৭৭ কোটি ২২ লাখ টাকা। অর্থ বিভাগে ৪৭ হাজার ৫৬৪ কোটি ৬৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে ২ হাজার ৩০১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে ২ হাজার ৫২৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ খাতে ২৪৫ কোটি ৬২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা, পরিকল্পনা বিভাগে এক হাজার ৪১০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, বাস্তবায়ন। পরিবীণ ও মূল্যায়ন বিভাগ খাতে ১৬১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৫০০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় খাতে ৫৫২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক হাজার ৮৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, প্রতিরা মন্ত্রণালয় খাতে ২২ হাজার ১১৫ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার টাকা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ২৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা, আইন ও বিচার বিভাগে এক হাজার ৫২১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১৯ হাজার ২৮৫ কোটি ৯৩ লাখ ২২ হাজার টাকা, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগে ২৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা, প্রাথমিক ও গণশিা মন্ত্রণালয় খাতে ২২ হাজার ১৬২ কোটি ৫৮ লাখ ২০ হাজার টাকা, শিা মন্ত্রণালয় খাতে ২৬ হাজার ৮৫৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় খাতে ২ হাজার ৬৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় খাতে ১৭ হাজার ৫১৬ কোটি ৫ লাখ টাকা। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে এক হাজার ৮৩৫ কোটি ৮ লাখ টাকা, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ৪ হাজার ২৭৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ২ হাজার ১৫১ কোটি ২৯ লাখ ৮৩ হাজার টাকা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় খাতে ৩০৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় খাতে ৩ হাজার ১২০ কোটি ২৮ লাখ টাকা, তথ্য মন্ত্রণালয় খাতে ৮৩৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৪২১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫২৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় খাতে ৯২২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা, স্থানীয় সরকার বিভাগে ২১ হাজার ৩২৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে এক হাজার ৩৭৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, শিল্প মন্ত্রণালয় খাতে এক হাজার ৭১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে ৬৮৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে এক হাজার ৯৭৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কৃষি মন্ত্রণালয় খাতে ১৩ হাজার ৬৭৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় খাতে এক হাজার ৮০২ কোটি ১৪ লাখ টাকা, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় খাতে এক হাজার ৩৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা, ভূমি মন্ত্রণালয় খাতে এক হাজার ৪৯১ কোটি ৩ লাখ ২৭ হাজার টাকা। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় খাতে ৪ হাজার ৭১৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা, খাদ্য মন্ত্রণালয় খাতে ১২ হাজার ৯২ কোটি ৪৮ লাখ ৯২ হাজার টাকা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮ হাজার ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এ ছাড়া সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ খাতে ১০ হাজার ৯১০ কোটি ৯১ লাখ টাকা, রেলপথ মন্ত্রণালয় খাতে ১১ হাজার ৯৫৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় খাতে ২ হাজার ৫৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় খাতে ৫৪৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় খাতে ২ হাজার ৫১৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে ৮৩৯ কোটি ৬৩ লাখ ১৮ হাজার টাকা, বিদ্যুৎ বিভাগ খাতে ১৩ হাজার ৬২ কোটি ৮০ লাখ টাকা, সুপ্রিম কোর্ট খাতে ১৫৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে ৩ হাজার ১১ কোটি ৬১ লাখ টাকা, প্রবাসীকল্যাণ ও  বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় খাতে ৫৫৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা, দুর্নীতি দমন কমিশন খাতে ১২ কোটি টাকা, সেতু বিভাগ খাতে ৯ হাজার ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
  • বসুন্ধরা পেপার মিলের রোডশো সম্পন্ন, উত্তোলন করবে ২০০ কোটি টাকা
    সিনিয়র রিপোর্টার : প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের মাধ্যমে (আইপিও) বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুজিঁবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড। এ লক্ষ্যে মূলধন সংগ্রহে রোডশো অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘রোড শো ফর ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং’ আন্ডার বুক বিল্ডিং মেথড অব বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিিটেডের রোডশো অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কোম্পানির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যত ব্যবসার পরিকল্পনার বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্লেষণমূলক তথ্য ও উপাত্ত তুলে ধরেন চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অফিসার তোফায়েল হোসেন। তিনি বলেন, বসুন্ধরা পেপার মিলসের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে পরিশোধিত মূলধন ১৪৭ কোটি টাকা। ১৯৯৭ সাল থেকে বসুন্ধরা পেপার মিলস বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।  ২০১১ সাল থেকে ২১টি দেশে বসুন্ধরা পেপার মিলস উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি শুরু করে। আইপিও’র মাধ্যমে বসুন্ধরা পেপার মিলস ভবিষ্যতে ২০০ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বসুন্ধরা পেপার মিলসের পুঁজিবাজারে আসার বিষয়ে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে রয়েছে ত্রিপল এ ফাইনান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. এ হাফিজ বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার অনেকটা নিম্নমুখী। বসুন্ধরা পেপার মিলস লি. পুঁজিবাজারে আসলে বাজার চাঙ্গা হবে। এর আইপিও পুঁজিবাজারের জন্য যুগান্তকারী ইস্যু হিসেবে আসবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফওয়ান সোবহান, পেপার মিলস লি. এর সচিব নাসিমুল হাই এফসিএস, এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেডেরর উপপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমানসহ কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইস্যু ম্যানেজার ও ইস্যু রেজিস্ট্রাররা।
  • অর্থ আত্মসাতে অগ্রণী ব্যাংকের নতুন ভারপ্রাপ্ত এমডিসহ গ্রেফতার ৩
    স্টাফ রিপোর্টার : দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অগ্রণী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিজানুর রহমানসহ তিনজনকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আটক অন্য দুজন হলেন―অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখার উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আখতারুল আলম এবং সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিউল্লা। রাজধানীর মতিঝিল থেকে বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বিকেলে তাদের গ্রেফতার করেন দুদকের উপপরিচালক মো. বেনজীর আহম্মদ। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বিকেলে মতিঝিল এলাকা থেকে অগ্রণী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিজানুর রহমান, অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখার উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আখতারুল আলম এবং সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিউল্লাকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার মতিঝিল থানা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর-৩৮। ওই তিনজন ছাড়াও এ মামলায় আরও পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদের লাভবান করা জন্য একটি ভবনের অস্বাভাবিক নির্মাণ ব্যয় ও আয় দেখিয়ে মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে গ্রাহককে ১০৮ কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর করে। তারা পর্যায়ক্রমে ৯৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা উত্তোলন বা গ্রহণ করে। এতে ব্যাংক তথা রাষ্ট্রের ক্ষতিসাধনসহ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর আগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ আবদুল হামিদকে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৭৯২ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করার অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে আবদুল হামিদকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর দুপুরের দিকে ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব দেওয়া মিজানুর রহমানকে। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে দুদক।
  • ৯ দিন বন্ধ পুঁজিবাজার
    স্টাফ রিপোর্টার : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত মোট ৯ দিন বন্ধ থাকবে দেশের পুঁজিবাজার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানিয়েছে, জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে ডিএসই ও সিএসইর অফিসের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ১০ জুলাই থেকে আগের নিয়মে পুঁজিবাজারে লেনদেন চলবে। ঈদের পর দুই স্টক এক্সচেঞ্জের অফিস আগের সময় অনুযায়ী সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত চলবে। আর শেয়ার লেনদেন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চলবে। যা রমজান উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা এবং সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত চলছে।
  • ৬ষ্ঠ আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ডিলিস্টেড হচ্ছে
    স্টাফ রিপোর্টার : ৬ষ্ঠ আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে ডিলিস্টেড হচ্ছে। ৩০ জুন থেকে ফান্ডটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, ১০ জুলাই থেকে ফান্ডটি আর পুঁজিবাজারে লেনদেন করবে না। উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটাগরির ফান্ডটি ১৯৮৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ফারমার্স ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ে ১৫ কোটি টাকার অনিয়ম
    রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিনিয়োগ সংস্থা ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে সদ্য প্রতিষ্ঠিত ফারমার্স ব্যাংকের সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার ক্রয় করে। ওই শেয়ারের প্রকৃত মূল্য ৪৫ কোটি টাকা হলেও ১৫ কোটি টাকা প্রিমিয়ামসহ (অভিহিত মূল্যের বেশি) ৬০ কোটি টাকা পরিশোধ করে আইসিবি। প্রিমিয়ামের ওই ১৫ কোটি টাকার কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। আইসিবির ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক পরিদর্শন প্রতিবেদনে এ অনিয়ম উঠে এসেছে। আইসিবির বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ইফতেখার-উজ-জামানএবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রিমিয়ামে ফারমার্স ব্যাংকের শেয়ার কেনা হয়েছে। আর ফারমার্স ব্যাংকের বর্তমান এমডি এ. কে. এম. শামীম জানান, ব্যাংকটির আর্থিক প্রতিবেদনে প্রিমিয়ামে শেয়ার কেনার কোনো তথ্য নেই। অর্থাৎ প্রিমিয়াম নেওয়া হয়নি। আবার ফারমার্স ব্যাংকের ২০১৩ সালের নিরীক্ষক হুদা-ভাসী চৌধুরী অ্যান্ড কোং জানিয়েছে, প্রিমিয়ামে শেয়ার কেনাবেচা হলে অবশ্যই তা ফারমার্স ব্যাংকের ব্যালান্সশিটে উল্লেখ থাকত।বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে ব্যাংকটির শেয়ার ক্রয়ে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম হয়েছে। আইসিবির ওপর গত বছরের ৩০ জুনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মিত পরিদর্শন প্রতিবেদনে এ অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে এটি ছাড়াও আরও বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্ষদের অনুমতি পাওয়ার চার দিন পর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ফারমার্স ব্যাংকের সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার ৬০ কোটি টাকায় ক্রয় করে আইসিবি। এর মধ্যে শেয়ার প্রিমিয়াম ছিল ১৫ কোটি টাকা। অথচ ফারমার্স ব্যাংকের ২০১৪ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন ৪০১ কোটি টাকা। এতে শেয়ার প্রিমিয়াম নামে কোনো খাতের উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে আইসিবির পক্ষ থেকেও ব্যাংকটির সঙ্গে যোগাযোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনের সূত্র ধরে এ প্রতিবেদক ফারমার্স ব্যাংকের ২০১৩ ও ২০১৪ সালের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে। এক্ষেত্রেও শেয়ার প্রিমিয়ামের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। পর্যালোচনায় দেখা যায়, উভয় বছরে ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন ছিল ৪০১ কোটি ৬১ লাখ টাকা। আর শেয়ারহোল্ডারদের ইক্যুয়িটি ছিল যথাক্রমে ৪০৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা এবং ৪০৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। পরিশোধিত মূলধনের অতিরিক্ত অর্থ এসেছে সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও অবণ্টিত মুনাফা থেকে। এখানে শেয়ার প্রিমিয়াম নামে কোনো খাত নেই। ধারণা করা হচ্ছে, আইসিবি বা ফারমার্স ব্যাংক বা এ শেয়ার কেনাবেচায় মধ্যস্থতাকারী কেউ না কেউ এককভাবে বা সম্মিলিতভাবে প্রিমিয়ামের ১৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান হুদাভাসী চৌধুরীর পার্টনার সাবি্বর আহমেদ জানান, প্রিমিয়ামে শেয়ার বিক্রি করলে অবশ্যই শেয়ার ইস্যুকারী কোম্পানির মূলধন সম্পর্কিত প্রতিবেদনে শেয়ার প্রিমিয়াম নামক খাতে প্রদর্শন করতে হয়। একই সঙ্গে তা শেয়ারহোল্ডার্স ইক্যুয়িটিতেও যোগ হয়। এক্ষেত্রে ব্যত্যয় হওয়ার মানে প্রিমিয়ামে শেয়ার কেনাবেচা হয়নি। এ ছাড়া সদ্য প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের শেয়ার প্রিমিয়ামে কেনা নিয়েও বিষ্ময় প্রকাশ করেন তিনি।এদিকে ফারমার্স ব্যাংকের শেয়ার প্রিমিয়ামে কেনার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৩ সালে আইসিবি যখন ব্যাংকটির শেয়ার কেনে, তখন শেয়ারবাজারে প্রতিষ্ঠিত ও ১৫-২০ বছরের পুরনো অন্তত ৭টি ব্যাংকের শেয়ার কেনাবেচা হচ্ছিল ৯ থেকে ১০ টাকা দরে। এ অবস্থায় একটি নতুন ব্যাংকের শেয়ার প্রিমিয়ামে কেনার যৌক্তিকতা বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে এই শেয়ার ক্রয়ে অতিরিক্ত প্রিমিয়াম প্রদান এবং পর্ষদের পরামর্শ অনুসরণ না করারও অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ফারমার্স ব্যাংক ২০১২ সালের ৪ ডিসেম্বর আইসিবিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৬ কোটি শেয়ার ৭৫ কোটি টাকায় কেনার প্রস্তাব দেয়। এতে আড়াই টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের দাম দাঁড়ায় সাড়ে ১২ টাকা। অথচ আইসিবি সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার কেনে ৬০ কোটি টাকায়। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি দর পড়ে ১৩ টাকা ৩৩ পয়সা।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শক দল প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ফারমার্স ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ে আইসবিরি পর্ষদ অনুমোদন দিলেও প্রিমিয়াম ছাড়াই ফারমার্স ব্যাংকের শেয়ার কেনার চেষ্টা করার পরামর্শ দিয়েছিল। এক্ষেত্রে ব্যাংকটি নমনীয় না হলে প্রিমিয়ামের পরিমাণ নিয়ে দরকষাকষি করারও পরামর্শ দেয় পর্ষদ। তবে আইসিবির পক্ষ থেকে দরকষাকষি করা হয়েছে_ এমন নথি পায়নি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল।পরিদর্শক দল তাদের অভিমতে সম্ভাব্য অনিয়মের দিকে ইঙ্গিত করে জানায়, প্রিমিয়ামের টাকা ব্যাংকের হিসাবে যোগ না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আইসিবি যোগাযোগ না করার ব্যাখ্যা নেই। এটিকে অনিয়ম হিসেবে চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইসিবির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেয়।জানতে চাইলে আইসিবির বর্তমান এমডি মো. ইফতেখার-উজ-জামান সমকালকে বলেন, 'ফারমার্স ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ের সময় দায়িত্ব ছিলাম না। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না।' তবে তিনি নিশ্চিত করেন, ব্যাংকটির শেয়ার ক্রয়ে ১৫ কোটি টাকা প্রিমিয়াম দিয়েছে আইসিবি।একই বিষয়ে আইসিবির সাবেক এমডি মো. ফায়েকুজ্জামানের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি সমকালকে বলেন, 'আমি আইসিবিতে নেই। এ বিষয়ে কথা বলা আমার এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।' তবে এ প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, প্রিমিয়ামেই ফারমার্স ব্যাংকের শেয়ার কেনা হয়েছিল। যদি শেয়ার প্রিমিয়ামের টাকা ব্যাংকটি তাদের আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখ না করে, তার দায় ফারমার্স ব্যাংকের।এক্সটার্নাল অডিটর হুদাভাসী চৌধুরী অ্যান্ড কোং এর পার্টনার সাবি্বর আহমেদ জানান, ২০১৩ সালের ফারমার্স ব্যাংকের আর্থিক হিসেবের নিরীক্ষা করে তার প্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, ফারমার্স ব্যাংক তাদের হিসাবে শেয়ার প্রিমিয়ামের টাকা রাখলে অবশ্যই নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হতো।জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, সার্বিক অবস্থাদৃষ্টি মনে হচ্ছে ফারমার্স ব্যাংকের শেয়ার ক্রয়ে বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে। অভিযোগটা যেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে পাওয়া গেছে, সেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংকেরই উচিত হবে পুরো বিষয়ে আরও তদন্ত করা। এক্ষেত্রে অনিয়ম হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।আইসিবিতে আরও অনিয়ম :বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনটিতে আইসিবির তৎকালীন এমডি মো. ফায়েকুজ্জামানের বিরুদ্ধে ক্ষমতা-বহির্ভূত কার্যকলাপেরও অভিযোগ আনা হয়েছে। বিশেষত এক্মি ল্যাবরেটরিজ এবং এনার্জি প্যাক পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগে সর্বোচ্চ যত টাকার শেয়ার কিনতে পারতেন, তার থেকে বেশি টাকা বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্গ্নোবাল অ্যাসেট নামের কোম্পানির অধীনে সিলেটে নির্মাণাধীন গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট নামের পাঁচ তারকা হোটেলের ৩০ কোটি টাকার প্রেফারেন্স শেয়ার ক্রয়, আয়মন টেক্সটাইল অ্যান্ড হোসিয়ারিতে ২৫ কোটি টাকার ঋণ প্রদান এবং শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নানা অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে।পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্মাণাধীন সিলেট গ্র্যান্ড হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট নামের ৫ তারকা মানের হোটেলের ৬ বছর মেয়াদি ৩০ কোটি টাকার প্রেফারেন্স শেয়ার কেনার অনুমোদন দেয় আইসিবির পর্ষদ। শর্ত ছিল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মানের কোনো আন্তর্জাতিক চেইন হোটেলের সঙ্গে এ হোটেলের চুক্তি থাকতে হবে। এরপর ২০১৪ সালের ৩০ মার্চ থেকে ২৪ জুলাই সময়ের মধ্যে তিন কিস্তিতে আইসিবি প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার কেনে। অথচ এ সময় এমন কোনো চুক্তি ছিল না। তা ছাড়া হোটেলটির নির্মাণ কাজও নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি।বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল জানায়, সিলেটের প্রকল্পটি সরেজমিন পরিদর্শন করে আইসিবির ব্যবস্থাপনা বিভাগ। এরপর পর্ষদকে জানায় প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় আনুমানিক ২৬৫ কোটি টাকার মধ্যে ১২৩ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে আরও ১৪২ কোটি টাকা প্রয়োজন এবং বাকি নির্মাণ কাজ শেষ হবে পরবর্তী ৯ মাসে। তবে ওই ১৪২ কোটি টাকা কীভাবে জোগান দেওয়া হবে, তার দিকনির্দেশনা ছিল না। এ অবস্থায় প্রকল্পটির কাজ শেষ না হলে আইসিবিকে মেয়াদ শেষে কীভাবে অর্থ পরিশোধ করবে তা প্রশ্নসাপেক্ষ বলে মন্তব্য করে। এ কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের মঞ্জুরিপত্রের শর্ত লঙ্ঘন করে এমন বিনিয়োগ করায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শক দল।   Source : সমকাল
  • শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান ডিএসইর
    দেশের শেয়ারবাজারকে বিকশিত করতে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। পাশাপাশি বাজার সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা নিয়ে আসতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।গতকাল ডিএসইর সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ লিমিটেডের (এবিবি) সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদের মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন ডিএসইর চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া। এ সময় এবিবির চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আনিস এ. খান, ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের এমডি সৈয়দ ওয়াসেক মো. আলী, পূবালী ব্যাংকের এমডি মো. আবদুল হালিম চৌধুরী, সাউথইস্ট ব্যাংকের এমডি শহিদ হোসেইনসহ ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।ডিএসইর চেয়ারম্যান বলেন, পুুঁজিবাজারকে সক্ষম করে তুলতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ চলছে। এ বাজারকে আরো বিকশিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার বিকল্প নেই। বর্তমানে শেয়ারবাজারে ব্যাংকের প্রচুর বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। বাজারকে সহায়তা দিতে এ মুহূর্তে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। এক্সপোজার সমস্যা প্রায় সমাধান হয়ে যাওয়ায় ব্যাংকের নতুন করে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। শেয়ারবাজার প্রসারের জন্য ব্যাংকের শাখা অফিসে মার্কেটিং বুথ স্থাপন করে স্টক এক্সচেঞ্জের সব পণ্যের তথ্য দিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করা যাবে।সভায় এবিবি নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারের বাজারমূল্যও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই। অধিকাংশ ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দিয়ে এলেও বাজারমূল্য নিট সম্পদমূল্যের নিচে অবস্থান করছে। এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। বাজারকে গতিশীল করতে বড় কোম্পানি তালিকাভুক্ত করতে হবে। দেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে নিয়ে আসতে হবে। এছাড়া বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে রোড শো, প্রচারণা, ডিএসইর প্রতিনিধি, ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রধানদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন এবং বিও হিসাবের ফি কমানো দরকার। বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে ব্যাপকভিত্তিক প্রচারণা, মিউচুয়াল ফান্ড, আইপিও এবং পুঁজিবাজারে ট্রেজারি বন্ডের লেনদেনের বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে বলে মনে করছেন দেশের শীর্ষ ব্যাংকাররা।   Source : বনিক বার্তা
  • পুঁজিবাজারে লেনদেন বেড়েছে ১০ শতাংশ
    দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার মূল্য সূচকের উর্ধগতিতে লেনদেন শেষ হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ শেয়ারের দর বেড়েছে। এই নিয়ে চলতি সপ্তাহে টানা তৃতীয় দিনে সূচকের উর্ধগতির মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন ডিএসইতে আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ লেনদেন বেড়েছে।বাজার বিশ্লেষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদ-উল-ফিতরের ছুটির ঠিক আগ মুহূর্তে শেয়ার বিক্রি করে টাকা নগদায়নের আর সুযোগ না থাকায় বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রির চাপ কমে গেছে। উল্টো গত কিছুদিন ধরে টানা পতনের কারণে বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ার লোভনীয় পর্যায়ে এসে পৌঁছছে। ওই পর্যায়ে বিনিয়োগকারীদের কেউ কেউ শেয়ার কিনছেন, ফলে আগের তুলনায় বাজারে চাহিদা বেড়েছে। যার প্রভাবেই বাজারে সূচকে ও লেনদেন অগ্রগতি দেখা গেছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার ডিএসইতে ৩৮৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে; যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৩৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বেশি। সোমবার এই বাজারে ৩৫২ কোটি ১১ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছিল।মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩৫২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২০০টির, কমেছে ৭২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮টির শেয়ার দর।এদিকে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৪৫১ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯৫ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৭৪০ পয়েন্টে।ডিএসইতে দিনটিতে খাতওয়ারি লেনদেনের শীর্ষে ছিল ওষুধ এব রসায়ন খাত। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ২১.০৫ ভাগ। এরপরে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাতটি। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৯ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৪.৩৪ ভাগ। এরপরে তৃতীয় অবস্থানে ছিল বস্ত্র খাতটি। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৪ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১২.৭২ ভাগ।ডিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : একমি ল্যাবরেটরিজ, কেয়া কসমেটিকস, ইসলামী ব্যাংক, গ্রামীন ফোন, স্কয়ার ফামা, আমান ফিড, সিটি ব্যাংক, ন্যাশনাল ফিড মিলস লিমিটেড, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম ও অলিম্পিক এক্সেসরিজ।অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। সিএসইতে ১৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৩৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৬৫১ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৪টির, কমেছে ৫৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টির। Source : জনকণ্ঠ  
  • আইডিএলসির শেয়ার বিক্রি করবে সিটি ব্যাংক
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেডের কর্পোরেট উদ্যোক্তা সিটি ব্যাংক কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, সিটি ব্যাংক ৩ কোটি ৫৭ লাখ ১৬ হাজার ৮৩১টি শেয়ার বেচবে। এই ব্যাংকের কাছে আইডিএলসির মোট ৬ কোটি ৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫৪৯টি শেয়ার রয়েছে। এই কর্পোরেট উদ্যোক্তা উল্লিখিত পরিমাণ শেয়ার আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বর্তমান বাজার দরে বেচতে পারবে। -অর্থনৈতিক রিপোর্টার   Source : জনকণ্ঠ
  • ইভিন্স টেক্সটাইলের লেনদেন শুরু ১৭ জুলাই
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন ও লটারি শেষ হওয়া ইভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে আগামি ১৭ জুলাই থেকে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ তথ্য জানিয়েছে। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু হবে এ কোম্পানির। ইভিন্স টেক্সটাইল আইপিও’র মাধ্যমে ১ কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করার অনুমোদন পায়। প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য হচ্ছে ১০ টাকা। কোনো প্রিমিয়াম ছাড়াই কোম্পানি বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে। উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি মেশিনারিজ ক্রয়, ভবন নির্মাণ, চলতি মূলধন ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। এর আগে ৪ এপ্রিল (সোমবার) অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশন সভায় কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ দশমিক ৬২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৭ দশমিক ৬২ টাকা।   Source : ইত্তেফাক
  • লভ্যাংশ পাঠিয়েছে বাটা সু
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি বাটা সু দ্বিতীয় অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বাটা সু ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে ১০৫ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি ব্যাংকের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের নিজস্ব ঠিকানায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেও লভ্যাংশ পাঠিয়েছে।   Source : যায়ে যায়ে দিন 
  • ঈদের আগে পুঁজিবাজারে সূচকে উল্লম্ফন
    ঈদের আগে পুঁজিবাজারে লেনদেন হবে আর মাত্র দুই দিন। আগামী বৃহস্পতিবার ঈদ-পূর্ববতী লেনদেন হয়ে ৯ দিনের জন্য বন্ধ থাকবে পুঁজিবাজার। বাজার বন্ধ হওয়ার আগে পুঁজিবাজারে সূচকের উল্লম্ফন ঘটেছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যাপকহারে বেড়েছে সূচক। আগের দিনও দুই বাজারে লেনদেন ও সূচকের উত্থান হয়েছিল।সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস গতকাল মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৮৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর মূল্যসূচক বেড়েছে ৩৮ পয়েন্ট। লেনদেন বেড়েছে ৩৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৩৫২ কোটি ১১ লাখ টাকা। আর মূল্যসূচক বেড়েছিল ৩২ পয়েন্ট। লেনদেনও বেড়েছিল ৮৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে সূচকের উত্থান ঘটেছে। এতে দিনের সূচক ৩৮ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। দিনশেষে সূচক দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৪৫১ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৭৪০ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৯৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩২০টি কম্পানির মধ্যে বেড়েছে ২০০টি, কমেছে ৭২টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮টি কম্পানির শেয়ারের দাম।লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে একমি ল্যাব, কেয়া কসমেটিকস, ইসলামী ব্যাংক, গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মা, আমান ফিডস, সিটি ব্যাংক, ন্যাশনাল ফিড, বিবিএস ও অলিম্পিক অ্যাকসেসরিজ।দাম বৃদ্ধির শীর্ষে রয়েছে জেমিনি সি ফুড, বিডি থাই, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, আরামিট সিমেন্ট, ইসলামী ব্যাংক, প্রগতি ইনস্যুরেন্স, কেয়া কসমেটিকস, ইস্টল্যান্ড ইনস্যুরেন্স, সিটি ব্যাংক ও ভ্যানগার্ড বিডি মিউচ্যুয়াল ফান্ড১।অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে রয়েছে সেন্ট্রাল ইনস্যুরেন্স, সমতা লেদার, রিজেন্ট টেক্স, অগ্নি সিস্টেম, কে অ্যান্ড কিউ, জেএমআই সিরিঞ্জ, ন্যাশনাল ফিডস, পিএফ প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফুওয়াং ফুড ও ড্যাফোডিল কম্পিউটার।এদিকে আরেক বাজার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে ৮২ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয় ৬৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছিল ৫৩ পয়েন্ট। দিনশেষে সূচক দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৩০৬ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২৪৪টি কম্পানির মধ্যে বেড়েছে ১৫৩টি, কমেছে ৫০টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কম্পানির শেয়ারের দাম।ইভিন্সের লেনদেন শুরু ১৭ জুলাই : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদন ও লটারি শেষ হওয়া ইভিন্স টেক্সটাইলসের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে আগামী ১৭ জুলাই। ‘এন’ ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত হওয়া কম্পানিটির ট্রেডিং কোড ‘ইটিএল’ ও ডিএসই কম্পানি কোড ১৭৪৭২। ইভিন্স টেক্সটাইল আইপিওর মাধ্যমে এক কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করার অনুমোদন পায়। উত্তোলিত অর্থে মেশিনারিজ ক্রয়, ভবন নির্মাণ, চলতি মূলধন ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে কম্পানিটি।   Source : কালের কণ্ঠ
  • ডিএসইতে লেনদেন সামান্য বাড়লেও সিএসইতে কমেছে
    দেশের শেয়ারবাজারে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস গতকাল আগের দিনের ধারাবাহিকতায় মূল্যসূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন উভয় শেয়ারবাজারে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বেড়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন সামান্য বাড়লেও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন কমেছে।বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএঙ্ আগের দিনের চেয়ে ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৪৫১ পয়েন্টে, ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে এবং ডিএস৩০ সূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭৪০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৮৮ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৬ কোটি টাকা বেশি। সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩৫২ কোটি টাকা। ডিএসইতে মোট ৩২০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ২০০টির, কমেছে ৭২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮টির শেয়ার দর। এদিন টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ার। এদিন কোম্পানিটির ১৮ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে থাকা কেয়া কসমেটিকসের ১৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। লেনদেনে এরপর রয়েছে গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মা, আমান ফিড, সিটি ব্যাংক, ন্যাশনাল ফিড মিলস, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, অলিম্পিক এঙ্সেরিজ।সবচেয়ে বেশি দর কমেছে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের। এদিন কোম্পানিটির শেয়ারের দর কমেছে ৩.৮২ শতাংশ। এর আগের কার্য দিবস সোমবারের সমাপনী মূল্যের (ক্লোজিং প্রাইস) সঙ্গে গতকালের সমাপনী মূল্যের পার্থক্য হিসেবে কোম্পানিটির শেয়ারের এ দর কমেছে। আগের কার্য দিবসে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের সমাপনী মূল্য ছিল ১৫.৭ টাকা। গতকাল লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী মূল্য গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৫.১ টাকায়। দিনের মধ্যে শেয়ারটির দরসীমা ছিল ১৫ টাকা থেকে ১৫.১ টাকা। দর হারানোর শীর্ষে থাকা অপর ইস্যুগুলোর মধ্যে সমতা লেদারের ৩.৫৩ শতাংশ, রিজেন্ট টেঙ্টাইলের ২.৮০ শতাংশ, অগি্ন সিস্টেমের ২.৫৩ শতাংশ, কে অ্যান্ড কিউ-এর ২.৪৩ শতাংশ, জেএমআই সিরিঞ্জের ২.২৭ শতাংশ, ন্যাশনাল ফিড মিলের ২.২০ শতাংশ, ফনিঙ্ ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ২.১৩ শতাংশ, ফু-ওয়াং ফুডের ২.১০ শতাংশ, ডেফোডিল কম্পিউটারের ২.০৭ শতাংশ দর কমেছে।অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন। এদিন সিএসইতে সার্বিক সূচক সিএসসিএঙ্ ৮২ পয়েন্ট বেড়ে ৮ হাজার ৩০৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এছাড়া সিএসই৫০ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৩ পয়েন্টে, সিএসই৩০ সূচক ১১১ পয়েন্ট বেড়ে ১২ হাজার ৫৭৬ পয়েন্টে, সিএএসপিআই সূচক ১৩৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৬৫১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে এবং সিএসআই শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে ৯৭৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট। এদিন সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের। এর মধ্যে বেড়েছে ১৫৩টির, কমেছে ৫০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কোম্পানির শেয়ার দর।   Source : সমকাল
  • ইভিন্স টেক্সটাইলের শেয়ার বিওতে জমা
    সম্প্রতি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া বস্ত্রখাতের কোম্পানি ইভিন্স টেক্সটাইল লিমিটেডের লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, গত ২৩ জুন আইপিওর লটারিতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে। এর আগে গত ১৯ জুন কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্তির অনুমোদন পায়। আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে ইভিন্স টেক্সটাইল লিমিটেড। কোম্পানিটিকে অভিহিত মূল্যে তথা ১০ টাকা দরে শেয়ার ইস্যু করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।   Source : জনকণ্ঠ
  • জেড ক্যাটাগরির ওয়েস্টার্ন মেরিন বিক্রেতাশূন্য
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সোমবার লেনদেনের দুই ঘণ্টার মধ্যে বিক্রেতা উধাও হয়ে গেছে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের শেয়ারের। এতে কোম্পানির শেয়ারটি হল্টেড হয়ে মূল্য স্পর্শ করছে সার্কিট ব্রেকারে।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার লেনদেন শেষেও কোম্পানিটির স্ক্রিনে সর্বশেষ ২ লাখ ৪ হাজার ১৭৪টি শেয়ার কেনার প্রস্তাব দেখাচ্ছিল। কিন্তু বিক্রেতার ঘরে কোন শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব ছিল না। হল্টেডের আগে সর্বশেষ লেনদেনটি হয় ২৪ টাকা ৪০ পয়সা দরে। রবিবার এ শেয়ারের সমাপনী দর ছিল ২২ টাকা ২০ পয়সা।জানা গেছে, রবিবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, কোম্পানিটি ২০১৫ সালের স্থগিত বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজনে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছে। এর আগে বার্ষিক সাধারণ সভা বা এজিএম নির্ধারিত সময়ে না করতে পারার কারণে কোম্পানিটিকে জেড ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেয়া হয়।সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়ায় ০.০৯ টাকা। আগের বছরে একই সময়ে যা ছিল ০.৪৮ টাকা। মোট নয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ০.৬৯ টাকা, যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ২.০১ টাকা। ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি ওই বছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে মোট ৩৭.৩১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১০.৪৩ শতাংশ এবং ৫২.২৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে।   Source : জনকণ্ঠ
  • ব্রেক্সিটের ধকল কাটিয়ে উঠেছে এশিয়ার পুঁজিবাজার
    ব্রেক্সিট ভোটের পর ব্রিটেনের শেয়ারমার্কেট সোমবারও অস্থিরতায় দিন পার করছে। এদিকে রেকর্ড লোকসানের পর ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের আরও দরপতন হয়েছে। সোমবার লেনদেনের শুরুতে লন্ডনের বাজারে এফটিএসই ১০০ সূচক ০.৭ শতাংশীয় পয়েন্ট পড়ে ৬ হাজার ৯৬ পয়েন্টে অবস্থান করে। তবে জাপান, চীন, ভারতের মতো দেশগুলোর পুঁজিবাজার গত দুই দিনের পতনের ধাক্কা কিছুটা সামলে উঠেছে।সোমবারে এশিয়ার পুঁজিবাজারে জাপানের নিক্কেই সূচক ১.৬৮ শতাংশ, সাংহাই সূচক ২.২৭ শতাংশ, ভারতের সেনসেক্স ০.০২ শতাংশ, হংকংয়ের প্রধান সূচক ০.২০ শতাংশ, থাইলান্ডের সূচক বেড়েছে ০.৭৯ শতাংশ। তবে পাকিস্তানের সূচক আগের দিনের চেয়ে ০.৯৪ শতাংশ কমেছে।গণভোটে ব্রিটেনের ফলাফল চূড়ান্ত হওয়ার পর শুক্রবার একপর্যায়ে সূচক ৮ শতাংশেরও বেশি পড়ে যায়। তবে লেনদেনের শেষপর্যায়ে তা কিছুটা কাটিয়ে ৩.২% পতনে শেষ হয়। এদিন স্টারলিং পাউন্ড বিক্রি হয় ১.৩৪৬ ডলার। শুক্রবার এর মান ছিল ১.৩২২ ডলার। বাজারে এদিন সবচেয়ে বেশি নজর ছিল ব্রিটিশ কোম্পানিগুলোর দিকে।লেনদেনের আগে ব্রিটেনের চ্যান্সেলর জর্জ অবসর্ন এক বিবৃতিতে জানান, ভবিষ্যতে কী ঘটতে যাচ্ছে তার জন্য ব্রিটেন প্রস্তুত আছে। এ মুহূর্তে কোন জরুরী বাজেট ঘোষণা হবে না ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, ব্রিটেনের অর্থনীতিতে এখন সামঞ্জস্যতা দরকার। তবে এ ধরনের কোন পদক্ষেপ নেয়ার আগে নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করতে হবে।ইয়েন নিয়ে উদ্বেগ ॥ এদিকে বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে পদক্ষেপ নিচ্ছেন এশিয়ার প্রধানরা। জরুরী বৈঠকের পর জাপানের অর্থমন্ত্রী তারো আসোকে প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে প্রয়োজনে যেকোন পদক্ষেপ নিতে হবে। আর্থিক বাজারে ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে বলে জানান তিনি। জাপানের মুদ্রা ইয়েনের মান বেড়ে যাওয়া দেশটির সরকারের জন্য উদ্বেগের বিষয়। কারণ এ প্রবণতা বিশ্ববাজারে দেশটির রফতানিকে কম প্রতিযোগী করে তুলছে।শুক্রবার জাপানের বেঞ্চমার্ক শেয়ার সূচক, নিক্কেই ২২৫ প্রায় ৮ শতাংশ পতনের পর সোমবার লেনদেনের শুরুতে আরও ১.৭ শতাংশ পতন হয়। তবে লেনদেনের শেষ পর্যায়ে সূচক ২.৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। চীনের মুদ্রা ইউয়ানের এদিন ০.৯ শতাংশ পতন হয়েছে; যা গত বছরের আগস্টের পর সর্বোচ্চ।   Source : জনকণ্ঠ
  • পুঁজিবাজারে ৬৪ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে
    ব্রেক্সিটের প্রভাবে বিশ্ব পুঁজিবাজার ও পাউন্ডের দরপতনের মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে দেশের পুঁজিবাজার। ঈদ-উল-ফিতরের আগে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা শেষ হওয়ার পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সোমবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো মূল্য সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া প্রায় ৬৪ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে। এদিন ডিএসইতে আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৩২ শতাংশ লেনদেন বেড়েছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সোমবার ডিএসইতে ৩৫২ কোটি ১১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে; যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৮৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বেশি। রবিবার এ বাজারে ২৬৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছিল।সোমবার ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩২০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২০৫টির, কমেছে ৬২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৩টির শেয়ার দর। এদিকে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ৩২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৪১২ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮৫ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক দশমিক ১১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৭২৬ পয়েন্টে।ডিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলোÑ একমি ল্যাবরেটরিজ, অলিম্পিক এক্সেসরিজ, আমান ফিড, ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ফিড মিলস লিমিটেড, ড্রাগন সোয়েটার, লাফার্জ সুরমা ও শাহজিবাজার পাওয়ার।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলোÑ ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, সাউথ ইস্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ড্রাগন সোয়েটার, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, সাইফ পাওয়ার, অগ্নি সিস্টেম, মালেক স্পিনিং, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স ও মেঘনা লাইফ।অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। সিএসইতে ৬৫ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১০২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৫২৫ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৫২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৬৩টির, কমেছে ৫৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টির।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলোÑ মেঘনা পেট্রোলিয়াম, লিন্ডে বিডি, একমি ল্যাবরেটরিজ, প্রাইম লাইফ, অলিম্পিক এক্সেসরিজ, সাইফ পাওয়ার, ড্রাগন সোয়েটার, জিপিএইচ ইস্পাত, স্কয়ার ফার্মা ও ইউনাইটেড এয়ার।   Source : জনকণ্ঠ
  • ৪ হাজার ৪ শ’ পয়েন্ট ছাড়াল ডিএসই সূচক
    হারানো সূচক ফিরে পেতে শুরু করেছে দেশের পুঁজিবাজার। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচকটি আবার চার হাজার ৪০০ পয়েন্টের ঘর অতিক্রম করেছে। চার হাজার ৩৮০ দশমিক ২২ পয়েন্ট থেকে লেনদেন শুরু করা ডিএসই সূচক দিনশেষে চার হাজার ৪১২ দশমিক ৮৩ পয়েন্টে স্থির হয়। এভাবে সাত কার্যদিবস পর ডিএসই সূচক আবার চার হাজার ৪০০ পয়েন্ট ছাড়াল্।রোববার মিশ্র প্রবণতার মধ্য দিয়ে পার করলেও গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই ঊর্ধ্বমুখী ছিল দুই পুঁজিবাজার সূচক। লেনদেনের মাঝামাঝি সময়ে কিছুটা বিক্রয়চাপ তৈরি হলেও দ্রুতই তা সামলে নেয় বাজারগুলো। দিনশেষে সূচকের বড় ধরনের উন্নতির পাশাপাশি বৃদ্ধি পায় ডিএসইর লেনদেনও। ঢাকা শেয়ারবাজারে গতকাল ৩৫২ কোটি টাকার লেনদেন নিষ্পত্তি হয়, যা আগের দিন অপেক্ষা ৮৭ কোটি টাকা বেশি। রোববার ডিএসইর লেনদেন ছিল ২৬৫ কোটি টাকা। তবে কিছুটা কমেছে সিএসইর লেনদেন। রোববারের ৭৯ কোটি টাকার স্থলে গতকাল এখানে লেনদেন হয় ৬৫ কোটি টাকা। তবে রোববারের মতো গতকালও সিএসইর লেনদেনের একটি বড় অঙ্কই দখলে ছিল দুই কোম্পানির। গতকাল একক কোম্পানি হিসেবে ৩৩ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয় মেঘনা পেট্রোলিয়াম কোম্পানির। এ ছাড়া লিনডে বাংলাদেশের লেনদেন হয় ১৪ কোটি টাকার।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচকটি গতকাল ৩২ দশমিক ৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। ডিএসই-৩০ ও শরিয়াহ সূচকের উন্নতি ঘটে যথাক্রমে ১১ দশমিক ৬ ও ৫ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট। অন্য দিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক ও সিএসসিএক্স সূচকের উন্নতি ঘটে যথাক্রমে ৯০ দশমিক ২৭ ও ৫৩ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট। এখানে সিএসই-৫০ ও শরিয়াহ সূচকের উন্নতি ঘটে যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪৮ ও ৩ দশমিক ৮১ পয়েন্ট।গতকাল ডিএসইর লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে ৬৪ শতাংশের মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। ৩২০টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দাম বেড়েছে ২০৫টির যা লেনদেন হওয়া কোম্পানির ৬৪ শতাংশ। এর বাইরে দর হারায় ৬২টি কোম্পানি তথা ১৯ শতাংশ। এ ছাড়া অপরিবর্তিত ছিল ৫৩টি তথা ১৭ শতাংশ কোম্পানির দর। অন্য দিকে চট্টগ্রামে লেনদেন হওয়া ২৫২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৫৭টির মূল্যবৃদ্ধির বিপরীতে দর হারায় ৫৭টি। অপরিবর্তিত ছিল ৩৮টির দর।গতকাল সকালে লেনদেনের শুরুতেই ঊর্ধ্বমুখী হয় দুই পুঁজিবাজার সূচক। ঢাকা শেয়ারবাজারে প্রধান সূচকটি চার হাজার ৩৮০ দশমিক ২২ পয়েন্ট থেকে লেনদেন শুরু করে বেলা সোয়া ১১টায় পৌঁছে যায় চার হাজার ৩৯৭ পয়েন্টে। অর্থাৎ পৌনে এক ঘণ্টায় ডিএসই সূচকের উন্নতি ঘটে প্রায় ১৭ পয়েন্ট। লেনদেনের এ পর্যায়ে সাময়িকভাবে বিক্রয়চাপ তৈরি হলে কিছুক্ষণের জন্য নি¤œমুখী হয়ে ওঠে ডিএসই সূচক। দুপুর ১২টার আগে সূচকটি চার হাজার ৩৮৭ পয়েন্টে নেমে আসে। কিন্তু সাময়িক এ বিক্রয়চাপ সামলে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় বাজারটি। দুপুর সাড়ে ১২টার পর আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওটা সূচকটি দিনশেষে চার হাজার ৪১২ দশমিক ৮৩ পয়েন্টে স্থির হয়।গতকাল দুই পুঁজিবাজারের বেশির ভাগ খাতেই মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। ব্যাংক, প্রকৌশল, সিমেন্ট, জ্বালানি ও টেক্সটাইলের মতো প্রধান প্রধান খাতে বেশির ভাগ কোম্পানির মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। প্রধান খাতগুলোর মধ্যে একমাত্র নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানেই ছিল মিশ্র প্রবণতা। আবার কয়েকটি খাতে দাম বাড়ে প্রায় শতভাগ কোম্পানির। তবে ব্যাংক, বীমা ও মিউচুয়াল ফান্ডের মতো মূলধন সমৃদ্ধ খাতগুলোর মূল্যবৃদ্ধিই দুই বাজার সূচককে এগিয়ে নিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে।অলিম্পিক এক্সেসরিজকে পেছনে ফেলে গতকাল ঢাকা শেয়ারবাজারের লেনদেনের শীর্ষে ফিরে আসে একমি ল্যাবরেটরিজ। ১৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকায় কোম্পানিটির ১২ লাখ ৪৭ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়। ৯ কোটি ৮১ লাখ টাকায় ৩৪ লাখ ৭১ হাজার শেয়ার বেচাকেনা করে অলিম্পিক এক্সেসরিজ ছিল দিনের দ্বিতীয় কোম্পানি। ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় আরো ছিল যথাক্রমে আরমান ফিড, ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং লি., ন্যাশনাল ফিড মিলস, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ও শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লি.।দিনের মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স। ৮ দশমিক ২৭ শতাংশ দাম বাড়ে কোম্পানিটির। এ ছাড়া ড্রাগন সোয়েটার ৫.৬০, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স ৫.০৩, সাইফ পাওয়াট্রেক ৪.২৮, অগ্নি সিস্টেমস ৪.২১ ও মালেক স্পিনিংয়ের ৪.১৬ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। অন্য দিকে দিনের সর্বোচ্চ দর হারায় মডার্ন ডাইং। ৬ দশমিক ২৬ শতাংশ দর হারায় বস্ত্র খাতের কোম্পানিটি। এ ছাড়া দুলা মিয়া কটন মিলস ৪.৬৮, প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্স ৪.৩০, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স ৪.২৯ ও প্রগ্রেসিভ লাইফ ৩.৩০ শতাংশ দর হারায়।   Source : নয়া দিগন্ত
View All
Latest DSE News
  • EXCH

    Dhaka Stock Exchange Ltd. wishes a happy &quot;Eid Mubarak&quot;; on the occasion of &quot;Eid-ul-Fitr&quot; to all TREC holders, Regulators, Investors and Well wishers of Capital Market of Bangladesh.

  • PROVATIINS

    The Company has informed that the Board of Directors of the Company has elected Alhaj Md. Mofizur Rahman as the Chairman of the Company.

  • STYLECRAFT

    Credit Rating Agency of Bangladesh Limited (CRAB) has announced the entity rating of the Company as &quot;BBB1&quot; along with a stable outlook based on audited financial statements of the Company up to March 31, 2015; bank liability position as on March 31, 2016 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • STANDBANKL

    Credit Rating Information and Services Limited (CRISL) has rated the Company as &quot;AA&quot; in the long term and &quot;ST-2&quot; in the short term along with a stable outlook in consideration of its audited financials up to December 31, 2015 and unaudited financials up to March 31, 2016 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • EASTLAND

    The Company has informed that Cash dividend for the year 2015 has been disbursed to the respective shareholders' Bank Accounts through Bangladesh Electronic Fund Transfer Network (BEFTN) System on June 30, 2016.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SEMLLECMF 13.30 12.10 1.20 9.92
PUBALIBANK 20.10 18.40 1.70 9.24
FBFIF 7.10 6.50 0.60 9.23
NCCBLMF1 6.10 5.70 0.40 7.02
JANATAINS 10.70 10.00 0.70 7.00
PIONEERINS 30.70 29.10 1.60 5.50
ICBIBANK 4.10 3.90 0.20 5.13
RELIANCINS 43.00 41.00 2.00 4.88
BEACONPHAR 17.30 16.50 0.80 4.85
MODERNDYE 107.80 103.00 4.80 4.66

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297