Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
LAFSURCEML 68.3 57.3 11.00 19.20
ABBANK 28.7 25 3.70 14.80
EASTRNLUB 598 530 68.00 12.83
GREENDELT 84.5 77.6 6.90 8.89
EXIMBANK 12.6 11.7 0.90 7.69
MPETROLEUM 310.8 288.6 22.20 7.69
SALVOCHEM 20.4 19 1.40 7.37
SOUTHEASTB 19.1 17.8 1.30 7.30
OLYMPIC 242.5 227.5 15.00 6.59
UCBL 24.3 22.9 1.40 6.11

Contest SB2014_Apr

1st
blank_person
SOUROVABID
2nd
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
3rd
blank_person
ASHRAFUL_BASICBANK
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
DELTALIFE 236.8 225.5 2.17737 577500.00
OLYMPIC 242.5 234.2 1.89884 882500.00
MPETROLEUM 310.8 303.7 1.35949 909700.00
PREMIERCEM 94.1 87.6 1.33407 116600.00
BSRMSTEEL 66.2 64.3 1.26390 177500.00
Negative impact
MARICO 1219.3 1277.8 -3.58661 7050.00
GP 254.6 255.8 -3.15377 792200.00
RENATA 1052.9 1086.2 -2.28805 36350.00
TITASGAS 85.2 85.9 -1.34775 814500.00
BATBC 2527.5 2537.3 -1.14445 1400.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
LAFSURCEML 68.3 74.9 66.7 -1.44% 499.16
MPETROLEUM 310.8 314.5 302 2.34% 281.46
OLYMPIC 242.5 243.5 233.6 3.54% 211.26
PADMAOIL 356.8 364 351.1 0.25% 204.87
GP 254.6 261 252.5 -0.47% 203.15
BSC 631.5 648 590 3.61% 167.12
DELTALIFE 236.8 245 229.1 5.01% 137.63
SQURPHARMA 283.7 286 281.4 0.39% 132.46
LANKABAFIN 55.5 57.5 54.1 -1.60% 95.68
FAMILYTEX 51 52 49.6 0.59% 83.15

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 17 Apr 2014

89205
TOTAL TRADE
77.2389
TOTAL VOLUME(Mn)
4440.87
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসের মধ্যে দুই কার্যদিবস মূল্য সূচক বেড়েছে এবং দুই কার্যদিবস কমেছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস কারিগরি ত্রুটির কারণে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় দুই ঘণ্টা লেনদেন হয়নি। আর সোমবার বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে উভয় পুঁজিবাজার বন্ধ ছিল। যে কারণে সপ্তাহ শেষে টাকার অংকে লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে কমেছে। সপ্তাহশেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স ০.১৩ শতাংশ বা ৬ পয়েন্ট কমেছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস অর্থাৎ রবিবার ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স কমেছে ১৯ পয়েন্ট, সোমবার বাজার বন্ধ ছিল, মঙ্গলবার বেড়েছে ৩৩ পয়েন্ট, বুধবার কমেছে ১৬ পয়েন্ট এবং বৃহস্পতিবার বেড়েছে ৮ পয়েন্ট। রবিবার ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৪৫৭৩ পয়েন্টে, মঙ্গলবার ৪৬০৬ পয়েন্টে, বুধবার ৪৫৯০ পয়েন্টে এবং বৃহস্পতিবার অবস্থান করে ৪৫৯৮ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক সপ্তাহশেষে ১.৪৪ শতাংশ বা ১৪.৭১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১০৩৪ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ ইনডেক্স সপ্তাহশেষে ১.৬৪ শতাংশ বা ২৭.৫২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৭০৩ পয়েন্টে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৩১.৫৭ শতাংশ বা ৮০৫ কোটি ৬৬ লাখ ১৬ হাজার ২৪৯ টাকা।সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২২৪ কোটি ২৮ লাখ ৪৩ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট, মঙ্গলবার ৫৪৭ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার, বুধবার ৫৩০ কোটি ৫৩ লাখ ৪৩ হাজার এবং বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছে ৪৪৪ কোটি ৮ লাখ ৭২ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৭৪৬ কোটি ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৪৫১ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৫৫১ কোটি ৭১ লাখ ৫৪ হাজার ৭০০ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ১৪.৪৭ শতাংশ বা ৭৩ কোটি ৮২ লাখ ৯৬ হাজার ৩২৭ টাকা। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবস ডিএসইতে গড় লেনদেন হয়েছে ৪৩৬ কোটি ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ৬১৩ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আগের সপ্তাহে প্রতি কার্যদিবস গড় লেনদেন হয়েছিল ৫১০ কোটি ৩৪ লাখ ৩০ হাজার ৯৪০ টাকা। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া ৩০৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ২১৪টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টির এবং লেনদেন হয়নি ৫টি কোম্পানির। গত সপ্তাহে ডিএসই’র বাজার মূলধন বেড়েছে ০.২১ শতাংশ বা ৬০৩ কোটি ৯৪ লাখ ৩ হাজার ২৭৬ টাকা। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস বাজার মূলধন ছিল ২ লাখ ৯৪ হাজার ১৬২ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ৫২৭ টাকা এবং সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বাজার মূলধন ছিল ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬৬ কোটি ৪৮ লাখ ৮ হাজার ৮০৩ টাকা। গত সপ্তাহে ডিএসইতে ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮৫.৪৫ শতাংশ, ‘বি’ ক্যাটাগরির ১.৭৫ শতাংশ, ‘এন’ ক্যাটাগরির ২.৩৫ শতাংশ এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির ১০.৪৫ শতাংশ। সপ্তাহশেষে অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক ০.৩৫ শতাংশ বা ৩১ পয়েন্ট কমেছে। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৬১টির, কমেছে ১৬৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৪টি কোম্পানির শেয়ার দর।
  • সপ্তাহিক লেনদেনে এগিয়ে পদ্মা মেঘনা ও যমুনা
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ স্থানে রয়েছে তিন তেল কোম্পনি। তিন তেল কোম্পিানির একটি মেঘনা পেট্রোলিয়াম রয়েছে সপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকার শীর্ষে। আর পদ্মা অয়েল রয়েছে তালিকার চতুর্থ স্থানে। বাকী  একটি যমুনা অয়েল রয়েছে অষ্টম স্থানে। বিশ্লেষকদের মতে, কিছু কারণে এই তিন তেলের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আর্কষণ বেড়েছে। এর মধ্যে একটি হল নিম্ন মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও। এছাড়াও সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যতের কিছু সম্ভাবনার কারণেই এই শেয়ারের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের। বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনের শীর্ষে থাকা বিশ কোম্পানির তালিকায় এই তিন তেল অধিকাংশ দিন ছিল। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেন শেষে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের পিই রেশিও দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৫৯। আর পদ্মা অয়েলের পিই রেশিও ১৫ দশমিক ৬৯। যমুনা অয়েলের পিই রেশিও দাঁড়ায় ১২ দশমিক ৮৩। পুরো সপ্তাহে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের শেয়ার লেনদেন বেড়েছে ৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ। টাকার পরিমাণে এই শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৩৯ কোটি ৪৩ লাখ ৪৬ হাজার। পদ্মা অয়েলের শেয়ার লেনদেন বেড়েছে দশমিক ৮৫ শতাংশ। ৯৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে এই কোম্পানির। আর যমুনা অয়েলের ৪ দশমিক ০৬ শতাংশ লেনদেন বেড়েছে। এই শেয়ার ৫১ কোটি ৪৩ লাখ টাকার লেনদেন করেছে পুরো সপ্তাহে। এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় থাকা লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট রয়েছে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে। এই শেয়ারের লেনদেন বেড়েছে ২১ দশমিক ১০ শতাংশ। অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার লেনদেন বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ, হাইডেলবার্গ সিমেন্টের দশমিক ৩৭ শতাংশ, স্কয়ারফার্মার ১ দশমিক ২১ শতাংশ, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ১ দশমিক ১২ শতাংশ এবং তিতাস গ্যাসের ৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
  • শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক  লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে শুক্রবার এই তথ্য জানা গেছে। এই লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত বছরের জন্য। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে  ১টাকা ৯৬ পয়সা। আগামি ২৯ জুন কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে  ৪ মে। ২০১২ সালে ব্যাংকটি ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। ‘এ’ ক্যাটাগরির এই ব্যাংক ২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমান পিই রেশিও রয়েছে ৮ দশমিক ৯৪।
  • ২৩ এপ্রিল এনসিসি ব্যাংকের বোর্ড সভা
    স্টাফ রিপোর্টার : ব্যাংকিং খাতের এনসিসি ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের আগামী ২৩ এপ্রিল, বুধবার বিকেল তিনটায় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সভায় ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আগের বছর এনসিসি ব্যাংক বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল।
  • বিডি ফিন্যান্সের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি বিডি ফিন্যান্স  লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ  বোনাস  লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত বছরের জন্য। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৩ পয়সা। আর কোম্পানির কনসোলিডেট ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য বা এনএভি হয়েছে ১৪ টাকা ৮৮ পয়সা। আগামি ১৪ জুন কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে  ১২ মে। ২০১২ সালে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ বোনাস  লভ্যাংশ দিয়েছিল। ‘এ’ ক্যাটাগরির এই কোম্পানিটি ২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
  • অ্যাপোলো ইস্পাত রোববার ডিএসই এক্সে অন্তর্ভুক্ত
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জর (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ডিএসই এক্সে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেডকে।  স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরস (এস অ্যান্ড পি) এর নিয়ম অনুসারে কোম্পানিটিকে প্রধান সূচকে অন্তভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই ইনডেক্স কমিটি। ব্রড সূচকের আওতায় এই কোম্পানি কার্যকর হবে ২০ এপ্রিল, রোববার। বৃহস্পতিার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। জানা যায়,  কোম্পানির লেনদেনযোগ্য (ফ্রি-ফ্লোট) শেয়ারের বাজার মূলধন, পরিশোধিত মূলধন বাজারের মোট পরিশোধিত মূলধনের শতকরা প্রায় ১৯ ভাগ এবং ফ্রি ফ্লোট বাজার মূলধন সার্বিক  বাজার মূলধনের শতকরা প্রায় ৩৬ ভাগ। সিএসই ৩০ পিই রেশিও হল প্রায় ১৯ এবং মার্কেট পিই রেশিও প্রায় ১৫  বিবেচনায় নিয়ে সূচকটি সমন্বয় করা হয়েছে।। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে চালু হয় ডিএসইএক্স সূচক। প্রথমে ১৯৪ টি কোম্পানি নিয়ে শুরু করলেও পরে এই সূচকে কোম্পানির সংখ্যা দাঁড়ায় ২২৬ টি। আর অ্যাপোলো ইস্পাত যোগ হলে কোম্পানির সংখ্যা দাঁড়াবে ২২৭ টি। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ফেব্রয়ারি পর্যন্ত তিনটি কোম্পানি প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু করে। এর মধ্য থেকে অ্যাপোলো ইস্পাতকে এই সূচকের জন্য নির্বাচন করা হয়। অ্যাপোলো ইস্পাতের লেনদেন শুরু হয় ২০১৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর থেকে। আর জানুয়ারিতে তালিকাভুক্ত হয় মোজাফফর হোসেন স্পিনিং এবং ফেব্রুয়ারিতে তালিকাভুক্ত হয় এ এফসি অ্যাগ্রো বায়োটেক লিমিটেড। ওই সময় কোম্পানিটি লেনদেন শুরু করেছিল ৩৮ টাকায়। আজ বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির সর্বশেষ দর দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা। অর্থাৎ চার মাসে শেয়ারটির দর ৩৪ শতাংশ কমেছে। এছাড়া অর্ধ-বার্ষিকীতে (জুলাই,১৩-ডিসেম্বর,১৩) কোম্পানিটি মুনাফা করেছে ১১ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৭৬ পয়সা।  আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ১ টাকা ১৫ টাকা।
  • বুলিশ জোনে অবস্থান আর.এস.আই ও এম.এফ.আই
    মোঃ আশফাতুল আলমঃ  আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসইএক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতা দেখা যায় এবং দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবনতাই লক্ষ্য করা যায় এবং দিনশেষে পুনরায় ক্রয়চাপ বৃদ্ধির ফলে ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতাই লেনদেন শেষ হয়ে সূচক ৮.৭৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। ডি.এস.ই এক্স ইনডেক্সে আজ বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক দ্বারা  সাধারণত বাজারের আপ ট্রেন্ডের সম্ভাবনা প্রকাশ পেয়ে থাকে। ডিএসই এক্স ইনডেক্স  আজ ৮.৭৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৪৫৯৮.৯১ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.১৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৪৪৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৫৮.৭২ এবং আর.এস.আই এর মান ছিল  ৫০.৮১ অর্থাৎ আর.এস.আই ও এম.এফ.আই এর মান এখন বুলিশ জোনে অবস্থান করছে। এম.এ.সি.ডি লাইন সিগনাল লাইনটিকে ক্রস করে উপরদিকে উঠতে শুরু করছে। আশা কারা যাচ্ছে যদি এম.এ.সি.ডি লাইন তার অবস্থান মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের উপরে অবস্থান নিতে থাকে তাহলে বাজার তার স্ট্রং আপ ট্রেন্ড ধরে রাখবে। এম.এ.সি.ডি এবং  সিগনাল লাইনটি এখন এর মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের থেকে নিচে অবস্থান করছে। আজ এম.এ.সি.ডি লাইনের মান ছিল -৭.২৭ এবং সিগনাল লাইনের মান ছিল -১৬.৭৮ এবং এম.এ.সি.ডি লাইনটি সিগনাল লাইনের উপরে অবস্থান করছে। ক্যান্ডেলস্টিক বলিঞ্জার ব্যান্ডের উপরের ব্যান্ডের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং বলিঞ্জার ব্যান্ডের উপরের ব্যান্ড এখন উপরের দিকে প্রসারিত করার চেষ্টা করছে। ১০ দিনের এস.এম.এ এখন ২৫ দিনের এস.এম.এ এর উপরে অবস্থান করছে। আজ ডিএসইতে ৭ কোটি ৭২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৯৯ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৪৪৪.০৮ কোটি টাকা। গতকালের তুলনায় আজ ডিএসইতে লেনদেন ৮৬ কোটি  টাকা হ্রাস পেয়েছে। আজ ঢাকা শেয়ারবাজারে ২৮৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬১ টির, কমেছে ৯০ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল  ৩৪ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজ বাজারে চাহিদা বেশি ২০-৫০ কোটি এবং ১০০-৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায়  আজ ১.২৬% এবং ১.৬৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে আজ ০-২০ কোটি, ৫০-১০০ কোটি এবং ৩০০ কোটি টাকার উপরের পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন আগেরদিনের তুলনায় ০.০৩%, ১.৬০%  এবং ১.২৬%  হ্রাস পেয়েছে । আজ পিই রেশিও পিই ২০-৪০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন সবচাইতে বেশি ছিল যা আগের দিনের তুলনায় ১.৫৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে এবং ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১.২০% এবং ০.৩৫% হ্রাস পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ এগিয়ে ছিল ‘এন’ ‘বি’ এবং  ‘জেড’  ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় বেশ খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে আজ  ‘এ’  ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন খানিকটা হ্রাস পেয়েছে।
  • বৃহস্পতিবার সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে
    স্টাফ রিপোর্টার : দেশের উভয় পুঁজিবাজারে বৃহস্পতিবার মূল্য সূচক বেড়েছে। দিনের শুরু থেকে বাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। দিনের কোনো ভাগে বাজার নিম্নমুখী হয়নি। তবে এদিন টাকার পরিমাণে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কমেছে। দিনশেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪৫৯৮ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৮৫টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৬১টির, কমেছে ৯০টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ৪৪৪ কোটি ৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা। বুধবার ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৪৫৯০ পয়েন্টে। এদিন লেনদেন হয় ৫৩০ কোটি ৫৩ লাখ ৪৩ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার লেনদেন কমেছে ৮৬ কোটি ৪৪ লাখ ৭১ হাজার টাকা। এদিন সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের। দিনভর এ কোম্পানির ৬৯ লাখ ৬৮ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টাকার অংকে যা ৪৯ কোটি ৯১ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা। বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন কমে যাওয়ায় সার্বিক লেনদেন কমেছে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তবে কয়েকদিনের নিম্নমুখী প্রবণতা কাটিয়ে বর্তমানে কিছুটা মুনাফার আশায় অনেকে বেশি দর প্রত্যাশা করছেন। তুলনামুলক বেশি দরে শেয়ার বেচার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় মূল্য সূচক বেড়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। দিনশেষে অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৮৮৬৮ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২১২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১১টির, কমেছে ৭৬টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার পরিমাণে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৪ কোটি ৬১ লাখ ৩ হাজার টাকা। বুধবার সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সিএসইতে লেনদেন কমেছে ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
  • রোববার থেকে চার কোম্পানির লেনদেন
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানির শেয়ার লেনদেন চালু হবে আগামি ২০ এপ্রিল, রোববার থেকে শুরু হবে। রেকর্ড ডেটের পর লেনদেনের তালিকায় থাকা কোম্পানি চারটি হচ্ছে- বীচ হ্যাচারী, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, বিডি ল্যাম্পস এবং ফিনিক্স ফিন্যান্স। এর মধ্যে বীচ হ্যাচারী পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০০২ সালে। ‘এ’ ক্যাটাগরির এই কোম্পানির বর্তমান পিই রেশিও রয়েছে ২২ দশমিক ৮৯। হাইডেলবার্গ সিমেন্ট পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ১৯৮৯ সালে। ‘এ’ ক্যাটাগরির এই কোম্পানির বর্তমান পিই রেশিও রয়েছে ২৩ দশমিক ১৬। বিডি ল্যাম্পস পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ১৯৮১ সালে। বর্তমানে এই কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে। ফিনিক্স ফিন্যান্স পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০০৭ সালে। ‘এ’ ক্যাটাগরির এই কোম্পানির বর্তমান পিই রেশিও রয়েছে ১০ দশমিক ৯৩।
  • ১০ লাখ শেয়ার কিনবেন মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উদ্যোক্তা
    স্টাফ রিপোর্টার : মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উদ্যোক্তা মোহাম্মদ সেলিম নিজ প্রতিষ্ঠানের ১০ লাখ শেয়ার কিনবেন। ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে শেয়ার কেনা সম্পন্ন করবেন তিনি। বৃহস্পতিবার ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। এর আগে ব্যাংকিং খাতের মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ১২ শতাংশ নগদ এবং ৮ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের রোববার বিকেলের সভায় ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সূত্র জানায়, ব্যাংকিং খাতের মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ এই লভ্যাংশ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে। ‘এ’ ক্যাটাগরির ব্যাংকটি ২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমান মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও রয়েছে ১০ দশমিক ৪৮। ব্যাংকের হিসাব অনুসারে সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা। বছর শেষে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য বা এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ১৪ পয়সা। ব্যাংকের এ সংক্রান্ত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামি ১২ জুন। আর রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ এপ্রিল। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে এই ব্যাংকের শেযারহোল্ডারদেরকে ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। এর মধ্যে ৭ শতাংশ নগদ এবং ৮ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। ওই বছর শেষে শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস করেছিল ২ টাকা ২৪ পয়সা। একই বছরে নয় মাসে শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস করেছিল ১ টাকা ৭১ পয়সা।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • টি+২ কার্যকর লেনদেনে অংশগ্রহণ বাড়েনি
    দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল টি+২ কার্যকর  হলেও লেনদেনে আকৃষ্ট হননি বিনিয়োগকারীরা। আগের দিনের চেয়ে এদিন লেনদেন কমে। পাশাপাশি মুনাফা তোলার প্রবণতা থাকায় সূচক পতন হয়। দেশের অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন ও সূচক ছিল নিম্নগামী। ডিএসইতে গতকাল ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১৬ পয়েন্ট কমে। লেনদেন কমে ৩ শতাংশ। আর সিএসইতে সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৯ দশমিক ৩ পয়েন্ট কমে। ডিএসইতে গতকাল লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। প্রথম ৫ মিনিটে সূচক আগের দিনের ১৭ পয়েন্টের চেয়ে বেড়ে দাঁড়ায় ৪৬২৪ পয়েন্টে। বেলা ১১টা ৫ মিনিটে সূচক ৪৬৩৬ পয়েন্টে ওঠে, যা দিনের সর্বোচ্চ। এরপর থেকে ধারবাহিক কমে সূচক পতন হয়, যা দিনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বেশ কয়েক দিন ধরে বড় মূলধনি কোম্পানরি শেয়ারদরে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ছিল। গতকাল এসব কোম্পানির অধিকাংশের শেয়ারদর কিছুটা সংশোধন হয়। এতে সূচক কমে। এদিকে লেনদেন নিষ্পত্তির সময় আগের চারদিনের পরিবর্তে তিনদিনে (টি+২) নামিয়েছে ডিএসই। গতকাল থেকে এটি কার্যকর হচ্ছে। তবে এদিন বাজারে তারল্যের উন্নতি হয়নি। অনেকেই মনে করেছিলেন টি+২ কার্যকর হলে লেনদেনে অংশগ্রহণ বাড়বে, তবে বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হননি। গতকালও কয়েকটি কোম্পানি ঘিরেই বিনিয়োগকারীরা লেনদেনে আগ্রহ দেখিয়েছেন। ডিএসইর খাতওয়ারি লেনদেন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, আগের দিনের মতো গতকালও সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয় বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের শেয়ার। এ খাতে মোট ১২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ারের লেনদেন হয়। এছাড়া সিমেন্ট খাতে ৬৫ কোটি ৬০ লাখ ও ওষুধ খাতের ৫০ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।   অন্যদিকে গতকাল সবচেয়ে বেশি বাজার মূলধন বাড়ে ইন্স্যুরেন্স খাতে; ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এদিন সিমেন্ট খাত ৪ দশমিক ১১ শতংশ, পাট খাত ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ ও বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের ১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ বাজার মূলধন বাড়ে। এছাড়া অন্যান্য খাতের বেশির ভাগেরই বাজার মূলধন কমে। এর মধ্যে টেলিযোগাযোগ খাত ৪ দশমিক ৮১ শতাংশ, চামাড়া শিল্প ২ দশমিক ৯২, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক ২ দশমিক ১ এবং বস্ত্র খাতের ২ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ বাজার মূলধন কমে। ডিএসইতে গতকাল ২৮৫টি কোম্পানির মোট ৮ কোটি ৪৮ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৬টি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়। লেনদেন হওয়া সিকিউরিটিজের বাজারদর ছিল ৫৩০ কোটি ৫৩ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। আগের দিনের চেয়ে লেনদেন কমে ১৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা। ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১৬ দশমিক ৬১ পয়েন্ট কমে ৪৫৯০ দশমিক ১৫ পয়েন্ট, ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ১০ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট কমে ১৬৯২ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট এবং ডিএসইএক্স শরিয়াহ সূচক ৩ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট কমে ১০৩২ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে দাঁড়ায়। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বাড়ে ১০৬টির, কমে ১৪৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টির। সিএসইতে গতকাল ২১৩টি কোম্পানির মোট ৭২ লাখ ৬ হাজার ৫৮৭টি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়; যার বাজারদর ছিল ৩৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বাড়ে ৫৬টির, কমে ১৩৭টির ও অপরিবর্তিত ছিল ২০টির। সিএসইর সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৯ দশমিক ৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১৪১৫২ দশমিক ৮১ পয়েন্টে। আর নির্বাচিত সূচক সিএসই-৩০ আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৭৫ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১১৯৮৩ দশমিক ৮৮ পয়েন্টে। টাকার ভিত্তিতে লেনদেনে এগিয়ে থাকা কোম্পানিগুলো হলো— মেঘনা পেট্রোলিয়াম, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, পদ্মা অয়েল, গ্রামীণফোন, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, স্কয়ার ফার্মা, তিতাস গ্যাস, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, যমুনা অয়েল ও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন। দরবৃদ্ধিতে এগিয়ে থাকা কোম্পানিগুলো হলো— দেশ গার্মেন্টস, উসমানিয়া গ্লাস, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ডেল্টা লাইফ, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস, প্রগতী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আলহাজ টেক্সটাইল, পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, কনফিডেন্স সিমেন্ট ও প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্স। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি দরপতন হওয়া কোম্পানিগুলো হলো— তৃতীয় আইসিবি, এনভয় টেক্সটাইলস, বে-লিজিং, ফ্যামিলিটেক্স, প্রাইম ব্যাংক, আইসিবি এমপ্লয়িজ মি. ফা. ১ স্কিম ১, ডেল্টা স্পিনার্স, গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো, গ্রামীণফোন ও বাটা সু।     Source : বণিক বার্তা
  • সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও কমেছে
    গত কয়েকদিন ধরে বড় মূলধনি কোম্পানিগুলোর শেয়ার ঘিরে লেনদেন বাড়লেও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাহীনতা কাটেনি। এ কারণে বাজারে বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। এ কারণে গতকালের লেনদেনে দেশের দুই শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন কমেছে। অধিকাংশ কোম্পানিরই দিন শেষে শেয়ারের দর কমেছে। ডিএসইর বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, লেনদেন শুরুর প্রথম ৩০ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক আগের কার্য দিবসের চেয়ে ২৯.৫৫ পয়েন্ট বেড়ে ৪৬৩৬.৩১ পয়েন্টে পৌঁছে। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ওই অবস্থান থেকে সূচক কমে ১১ পয়েন্টের মতো। আর বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১১.৮৫ পয়েন্ট বেড়ে ৪৬১৮.৬১ পয়েন্টে অবস্থান করে। এরপর বেলা দেড়টা নাগাদ ওই অবস্থান থেকে সূচক বাড়ে ২ পয়েন্টের মতো। তবে দিন শেষে সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১৬.৬০ পয়েন্ট কমে ৪৫৯০.১৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হয়েছে মোট ২৮৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৬টির, কমেছে ১৪৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টির। দিন শেষে লেনদেন হয়েছে ৫৩০ কোটি ৫৩ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১৬ কোটি ৬১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা কম। আর শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট বিক্রির পরিমাণ ৮ কোটি ৪৮ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৬টি। দিন শেষে ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষ দশে রয়েছে—মেঘনা পেট্রোলিয়াম, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, পদ্মা অয়েল, গ্রামীণফোন, হেইডেলবার্গ সিমেন্ট, স্কয়ার ফার্মা, তিতাস গ্যাস, অলিম্পিক, যমুনা অয়েল ও বিএসসি। এদিকে দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) গতকাল সারা দিন একই পরিস্থিতি বিরাজ করেছে। সকাল ১১টা নাগাদ সিএসই-এক্স সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৪২.০১ পয়েন্ট বেড়ে ৮৯৩৪.৫৭ পয়েন্টে গিয়ে পৌঁছে। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই অবস্থান থেকে সূচক কমে ২২ পয়েন্টের মতো। তবে বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৩.২৪ পয়েন্ট বেড়ে ৮৮৯৫.৮০ পয়েন্টে অবস্থান করে। এরপর বেলা দেড়টা নাগাদ ওই অবস্থান থেকে সূচক কমে ৩৩ পয়েন্টের মতো। আর দিন শেষে সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৫৯.৫৭ পয়েন্ট কমে ৮৮৩২.৯৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে মোট ২১৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৬টির, কমেছে ১৩৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২০টির দর। শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড বিক্রির পরিমাণ ৭২ লাখ ৬ হাজার ৫৮৭টি। মোট লেনদেন হয়েছে ৩৫ কোটি ৯৪ লাখ ৭৩১ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২ কোটি ৬৩ লাখ ৬ হাজার ৪৫৪ টাকা কম। দিন শেষে সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ পাঁচ কোম্পানি হলো—লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, গ্রামীণফোন, পদ্মা অয়েল, বিএসসি ও মেঘনা পেট্রলিয়াম।     Source : আমার দেশ
  • নিম্নমুখী প্রবণতা ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে
      সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় আজ বুধবার শেষ হয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই ও সিএসই) লেনদেন। দিনের লেনদেন শেষে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। ফলে সূচক কমেছে। পাশাপাশি লেনদেনও কমেছে দুই বাজারে।   ডিএসইতে সূচক কমেছে ১৬ পয়েন্ট প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ডিএসইএক্স সূচক আজ ১৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৫৯০ পয়েন্টে। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। বেলা পৌনে দুইটা পর্যন্ত এভাবেই লেনদেন চলে। এরপর নিম্নমুখী প্রবণতায় যায় সূচক, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। ডিএসইতে আজ ২৮৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১০৬টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১৪৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইতে আজ ৫৩০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ১৭ কোটি টাকা কম। গতকাল এ বাজারে ৫৪৭ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।   ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে মেঘনা পেট্রোলিয়াম গতকালের মতো আজও ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে রয়েছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম। আজ এ প্রতিষ্ঠানের ৪১ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এ ছাড়া লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, পদ্মা অয়েল, গ্রামীণফোন, হেইডেলবার্গ সিমেন্ট, স্কয়ার ফার্মা, তিতাস গ্যাস, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, যমুনা অয়েল প্রভৃতি লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে।   সিএসইতে সূচক কমেছে ৪৯ পয়েন্ট ডিএসইর পাশাপাশি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক ও লেনদেন কমেছে। লেনদেন শেষে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ৪৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ১৫২ পয়েন্টে। সিএসইতে আজ ২১৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১৩৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। আজ সিএসইতে ৩৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে দুই কোটি টাকা কম। গতকাল এই বাজারে ৩৮ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।     Source : প্রথম-আলো
  • সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও বেড়েছে
    গত কয়েকদিন ধরে বড় মূলধনি কোম্পানিগুলোর শেয়ার ঘিরে লেনদেন বাড়লেও বিনিয়োগকারীরা আস্থাহীনতায় রয়েছেন। এ কারণে তারা পুঁজি হারানোর আশঙ্কায় সাইডলাইনে অবস্থান করছেন। ফলে চাহিদা না থাকায় সূচক ও লেনদেন পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হচ্ছে না। এ অবস্থায় গত কয়েক কার্যদিবস ধরে নিয়মিত বিরতিতে বাজারে সূচকের উত্থান ও পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বহুজাতিক ও বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারের দর ও লেনদেন বৃদ্ধিতে বাজারে মাঝে-মধ্যে চাঙ্গাভাব ফিরছে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। এদিকে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আজ মঙ্গলবার সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে আজ উভয়বাজারে বেশিরভাগ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম কমেছে। এ ছাড়া বাজারে গতকার্যদিবসের চেয়ে লেনদেনও বেশ খানিকটা বেড়েছে। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, লেনদেন শুরুর প্রথম ৩০ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১৯.২২পয়েন্ট বেড়ে ৪৫৯২.৭৯ পয়েন্টে পৌঁছে। এর পর বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ সূচক প্রায় স্থিতাবস্থায়ই ছিল। আর বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২৩.০৭ পয়েন্ট বেড়ে ৪৫৯৬.৬৪ পয়েন্টে অবস্থান করে। এর পর বেলা দেড়টা নাগাদ ওই অবস্থান থেকে সূচক কমে ৪ পয়েন্টের মতো। তবে দিন শেষে সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৩৩.১৮ পয়েন্ট কমে ৪৬০৬.৭৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মোট ২৯২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৯টির, কমেছে ১৬৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টির। আজ মোট লেনদেন হয়েছে ৫৪৭ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকা, যা গতকালের চেয়ে ৩২২ কোটি ৮৬ লাখ ৩৬ হাজার টাকা বেশি। আর শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড বিক্রির পরিমাণ ৭ কোটি ৯৮ লাখ ৮৯ হাজার ২৩৫টি। দিন শেষে ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষ দশে রয়েছে- মেঘনা পেট্রলিয়াম, গ্রামীণফোন, অলিম্পিক, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, পদ্মা অয়েল, হেইডেলবার্গ সিমেন্ট, যমুনা অয়েল, স্কয়ার ফার্মা, বিএসসি ও বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস। এদিকে দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সারা দিন একই পরিস্থিতি বিরাজ করেছে। সকাল ১১টা নাগাদ সিএসই-এক্স সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৭.০৬ পয়েন্ট বেড়ে ৮৮৭৩.০৮ পয়েন্টে গিয়ে পৌঁছে। এর পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সূচক প্রায় স্থিতাবস্থায়ই ছিল। তবে বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২.৪৭ পয়েন্ট কমে ৮৮৬৩.৫৫ পয়েন্টে অবস্থান করে। এর পর বেলা দেড়টা নাগাদ ওই অবস্থান থেকে সূচক বাড়ে ১৭  পয়েন্টের মতো। আর দিন শেষে সূচক আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২৬.৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ৮৮৯২.৫৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আজ সিএসইতে লেনদেন হয়েছে মোট ২১১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫২টির, কমেছে ১৪৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩টির। শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড বিক্রির পরিমাণ ৭১ লাখ ৬১ হাজার ২৮৩টি। আজ মোট লেনদেন হয়েছে ৩৮ কোটি ৫৭ লাখ ৭ হাজার ১৮৫ টাকা, যা গত কার্যদিবসের চেয়ে ৮ কোটি ৭৮ লাখ ৬৪ হাজার ৩৪৮ টাকা বেশি। দিন শেষে সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ পাঁচ কোম্পানি হলো- গ্রামীণফোন, মেঘনা পেট্রলিয়াম, পদ্মা অয়েল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ও স্কয়ার ফার্মা।     Source : বণিক বার্তা  
  • এডিপির বাস্তবায়ন নয় মাসে ৪৩ শতাংশ
    এডিপির বাস্তবায়ন নয় মাসে ৪৩ শতাংশ ব্যয় হয়েছে ২৮ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা     চলতি অর্থবছরের নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে ৪৩ শতাংশ। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের হয়েছিল ৪৯ শতাংশ। তুলনামূলক পর্যালোচনা করলে দেখা যায় ৬ শতাংশ কম বাস্তবায়িত হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) প্রাথমিক হিসাব থেকে এ সব তথ্য জানা গেছে। চলতি অর্থবছরের নয় মাসে ব্যয় হয়েছে মোট ২৮ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারী তহবিলের ১৮ হাজার ৪২২ কোটি এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ব্যয় করা হয়েছে ৯ হাজার ৯৩৭ কোটি টাকা। শতাংশের দিক থেকে সরকারী তহবিলের অর্থ বাস্তবায়নের হার ৪৫ শতাংশ এবং বৈদেশিক সহায়তা বরাদ্দের বাস্তবায়নের হার দাঁড়িয়েছে ৪০ শতাংশে। গত অর্থবছরের একই সময়ে অর্থাৎ জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো ব্যয় করেছে মোট ২৭ হাজার ২১৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারী তহবিলের ১৮ হাজার ১০৯ কোটি এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৯ হাজার ১১০ কোটি টাকা। এ সময় সরকারী তহবিলের অর্থ ব্যয় হয়েছিল মোট বরাদ্দের ৫৪ শতাংশ এবং বৈদেশিক সহায়তার অংশ ব্যয় হয়েছিল ৪২ শতাংশ। এডিপির বাস্তবায়ন বাড়াতে কী ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল জনকণ্ঠকে বলেন, এডিপির বাস্তবায়ন বাড়াতেই সংশোধন করা হয়েছে। এটি করা হয়েছে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর চাহিদা ও সম্মতির উপর ভিত্তি করেই। তাই আমি মনে করি শুধু সংখ্যা দিয়েই নয় গুণগত বাস্তবায়ন যাতে নিশ্চিত হয় সেই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের কাক্সিক্ষত বাস্তবায়ন বাড়াতে প্রত্যেকটি প্রকল্প ফিজিক্যাল পরিদর্শন বা অডিট করার ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রত্যোক সপ্তাহে একদিন করে আমি নিজেও প্রকল্প পরিদর্শনে যাব। যা ইতোমধ্যই শুরুও করেছি। পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারাও সপ্তাহে অন্তত একদিন প্রকল্প পরিদর্শনে যাবেন। কাজেই সংশোধিত এডিপির বাস্তবায়ন কাক্সিক্ষতই হবে। সূত্র জানায়, গত ৩ এপ্রিল মূল এডিপি কাটছাঁট করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) বৈঠকে ৬০ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত এডিপি (আরএডিপি) অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারী তহবিলের ৩৮ হাজার ৮০০ কোটি এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ২১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। ফলে মূল এডিপি থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে ৫ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা। চলতি অর্থ বছরের মূল এডিপিতে অর্থবরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৬৫ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা। এর সঙ্গে এবারই প্রথম স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ (স্থানীয় মুদ্রায়) ৮ হাজার ১১২ কোটি টাকা যোগ হওয়ার ফলে মোট এডিপির আকার দাঁড়িয়েছিল ৭৩ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা। যা ছিল এ যাবতকালের সর্ববৃহৎ। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দসহ চলতি অর্থবছরের এডিপিতে গত অর্থবছরের এডিপির চেয়ে বরাদ্দ বেড়েছে ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ। আর স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ ছাড়া এডিপির বরাদ্দ বেড়েছিল ১৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম জনকণ্ঠকে বলেন, বর্তমানে এডিপির আকার বেড়েছে। বলা চলে গত অর্থবছরের চেয়ে চলতি অর্থবছরে মূল এডিপির আকার অনেক বেশি। তাই এ বাস্তবায়ন হারকেও কম বলা যায় না। সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের আট মাসে (জুলাই- ফেব্রুয়ারি) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছিল ৩৮ শতাংশ। যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪৪ শতাংশ। তুলনামূলক পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এ বছর আট মাসে বাস্তবায়নের হার কমেছে ৬ শতাংশ। কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাসের থেকে মার্চ মাসের তুলনা করলে দেখা যায় এক মাসের ব্যবধানে এডিপি বাস্তবায়নের হার বেড়েছে ৫ শতাংশ। অন্যদিকে, চলতি অর্থবছরের ৭ মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) এডিপির বাস্তবায়ন হয়েছিল ৩৩ শতাংশ। সে তুলনায় এক মাসের ব্যবধানে বাস্তবায়ন হার বেড়েছিল ৫ শতাংশ।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • বিলেট আমদানিতে শুল্ক বাড়ানোর দাবি
    দেশীয় স্টিল শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় রড তৈরির কাঁচামাল বিলেট আমদানিতে শুল্ক বাড়িয়ে টনপ্রতি সাড়ে ৫ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন স্টিল ও রি-রোলিং মিল মালিকরা। মঙ্গলবার দুপুরে শিল্প মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের তিনটি সংগঠনের নেতারা শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সঙ্গে বৈঠকে এ দাবি জানান। তারা বলেন, বর্তমানে প্রতিটন বিলেট আমদানিতে শুল্কের পরিমাণ সাড়ে ৩ হাজার টাকা। দেশে তৈরি বিলেট ও এমএস রডের গুণগতমান আমদানিকৃত বিলেটের চেয়ে উৎকৃষ্ট হলেও আমদানির ক্ষেত্রে কোন ধরনের মূল্য সংযোজক কর (ভ্যাট) না থাকায় দেশীয় বিলেট উৎপাদনকারী স্টিল ও রি-রোলিং শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ সময় তারা স্ক্র্যাপ ও স্পঞ্জ আয়রন আমদানির ক্ষেত্রে টনপ্রতি নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর ৮শ’ টাকা এবং লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে সংগ্রহকৃত কাঁচামালের ওপর শতকরা ৪ ভাগ উৎসে মূসক প্রদানের প্রথা বাতিলের দাবি জানান। এ সময় শিল্পমন্ত্রী বলেন, অটো রি-রোলিং শিল্পসহ সব ধরনের দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষায় সরকার সাধ্যমতো নীতি সহায়তা দেবে। রড উৎপাদনে গুণগতমানের ঘাটতি থাকলে তা জনমালের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকির কারণ হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন। তাই স্টিল ও রড উৎপাদনের ক্ষেত্রে মানের বিষয়ে কোন আপোস না করার জন্য তিনি শিল্প মালিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।   Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৭শ’ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি বিসিএসের
    সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের প্রধান কারিগর ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার হিসেবে গণ্য করার দাবি জানানো হয়েছে। এ খাতে আগামী সাত বছরের জন্য ট্যাক্স হলিডে সুবিধা দিয়ে বাজেটে ৭০০ কোটি টাকার বরাদ্দ চেয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি। একই সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সব যন্ত্রাংশ ও অনুষঙ্গ যৌক্তিকভাবে সমহারে শুল্কায়িত করতে এইচএস কোডের শ্রেণী স্থানীয়ভাবে পুনর্বিন্যাস করার দাবি জানানো হয়। আউটসোর্সিং ও ই-সেবার বিকাশে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং অন্তত পাঁচ বছরের জন্য প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ের বাড়ি ভাড়ার ওপর শতকরা ৯ মূসক প্রত্যাহার করতে হবে। ই-বাণিজ্যের সব লেনদেনের ওপর থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর প্রত্যাহারসহ সাত দফা দাবি জানানো হয়েছে। এ দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- আমদানি পর্যায়ে এটিভির হার শতকরা অন্তত ১ ভাগ কমানো এবং সরবরাহ পর্যায়ে কোন ভ্যাট আরোপ না করা। আমদানি এবং সরবরাহ পর্যায়ে কোন আয়কর আরোপ না করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে দাবি জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিসিএস মিলনায়তনে আয়োজিত বাজেট প্রস্তাবনা শীর্ষক মিট দ্য প্রেসে এ সব দাবি জানান বিসিএস কার্যনির্বাহী কমিটি। অনুষ্ঠানে বিসিএসের ৮টি শাখা কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। মিট দ্য পেসে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের আশ্বাস অনুযায়ী ‘ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ’ হিসেবে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ডিজিটাল ক্যামেরা, ২৭ ইঞ্চি পর্যন্ত মনিটর, মাল্টি ফাংশনাল প্রিন্টার, ইন্টারনেট সংযোগের জন্য নেটওয়ার্কিং ডিভাইসের শুল্ক হ্রাস করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। গত বছরের মতো এবারও যেন ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণের শুল্ক ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা হয় সে জন্য আগামী বাজেটে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার দাবি জানানো হয়। এ ছাড়াও আইটি দোকানগুলোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভ্যাট মওকুফ সুবিধা আগামী ২০১৮ সাল পর্যন্ত অব্যাহত রাখতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। পাশাপাশি সম্ভাবনাময় ‘তথ্যপ্রযুক্তি সেবা’ খাতের উন্নয়নে বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তিতে বিদ্যমান ১০ শতাংশ এআইটি এবং ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বিসিএস সভাপতি এএইচএম মাহফুজুল আরিফ। তিনি বলেন, কৃষি ও শিল্প বিপ্লবের পর বিশ্ব এখন এগিয়ে চলছে তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের দিকে। এখানে কায়িকশ্রমের স্থানে যুক্ত হয়েছে মেধা। খনিজ সম্পদের চেয়ে গুরুত্ব পাচ্ছে মানব সম্পদ। কম্পিউটার বিপ্লব আর ই-যোগাযোগ ব্যবস্থার কল্যাণে পৃথিবীর অনেক দেশই দারিদ্র্যতাকে জয় করে পা রেখেছে উন্নত দেশের তালিকায়। উন্নয়নের এ মহাসড়কে সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখছে আমাদের তরুণ প্রজন্ম। অধিক জনসংখ্যার কারণে তাদের চাকরির বাজার একেবারেই ছোট হলেও কম্পিউটার আর ই-যোগাযোগ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এ তরুণরা ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসেই আয় করতে শুরু করেছে বৈদেশিক মুদ্রা। পাচ্ছে বিশ্ব নাগরিকের মর্যাদা। একদিকে, তারা বিশ্বের নানা প্রান্তের প্রতিষ্ঠানের কাজ যেমন করে দিচ্ছে, তেমনি নিত্যনতুন সফটওয়্যার, এ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে দেশের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি রফতানিও করছে। বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির পক্ষ থেকে এ বারের বাজেটে সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব করা হয়। এ প্রস্তাব দীর্ঘমেয়াদে দেশের কল্যাণে আসবে, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • দরবৃদ্ধিতে এগিয়ে বাটা সু
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল চামড়া খাতের কোম্পানি বাটা সুর শেয়ারদর বাড়ে সবচেয়ে বেশি। তবে এদিন এর লেনদেন কমে। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে ৬ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ বা ৬১ টাকা ১০ পয়সা। দিনভর দর ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৬৯ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১ হাজার ৬৯ টাকা ৯০ পয়সায়, যা দিন শেষে দর দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৭ টাকা ৯০ পয়সায়। এদিন ২৫১ বারে মোট ৩১ হাজার ১০০ শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ৮৫৬ টাকা ২০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৭ টাকা ৯০ পয়সা। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১৯৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির পারফরম্যান্স বিবেচনা করে এ লভ্যাংশ সুপারিশ করা হয়েছে। কোম্পানিটি জুতা ও স্যান্ডেল তৈরি ও বাজারজাত করে থাকে। চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঈদ ও পূজাসহ বড় তিনটি ধর্মীয় উত্সব উদযাপিত হওয়ায় কোম্পানিটির বার্ষিক মোট আয়ের বড় অংশ আসে এ সময়ে। প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির পণ্য বিক্রি হয় ২৪৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা এ বছরের নয় মাসের মোট পণ্য বিক্রি বাবদ আয়ের ৪১ শতাংশ। এ সময়ে আগের বছর একই সময়ের চেয়ে পণ্য বিক্রির পরিমাণ ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়েছে। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৩১ কোটি ৭৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১২ সালের জন্য ২৭৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কর-পরবর্তী ওই সময়ে নেট মুনাফা হয়েছে ৬৭ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৪৯ টাকা ১২ পয়সা। ১৯৮৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১৭১ কোটি ৭২ লাখ টাকা।     Source : বণিক বার্তা
  • দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ গ্রামীণফোনের দর
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১০ কার্যদিবস টানা বেড়েছে টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানি গ্রামীণফোনের শেয়ারদর। গতকাল এ শেয়ার কেনাবেচা হয় দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দরে। এদিন এর দর বাড়ে ১ দশমিক ৯৫ শতাংশ। তবে লেনদেন ছিল নিম্নগামী। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গত ১৩ কার্যদিবসের মধ্যে মাত্র একদিন এ শেয়ারের দর কমেছে। এ সময়ে এর দর বেড়েছে ২৫ শতাংশের বেশি বা ৫২ টাকা ৭০ পয়সা। গতকাল এর দর বাড়ে ১ দশমিক ৯৫ শতাংশ বা ৫ টাকা। দিনভর দর ২৫৭ থেকে ২৬২ টাকায় ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৬১ টাকায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ২৬০ টাকা ৭০ পয়সায়। এদিন ১ হাজার ৭২০ বারে এর ৮ লাখ ৬৪ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসের মধ্যে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ২০৮ টাকা ও সর্বোচ্চ ২৬০ টাকা ৭০ পয়সা। গত দুই বছরের মধ্যে এর সর্বনিম্ন দর ১৪১ টাকা ও সর্বোচ্চ ২৬০ টাকা ৭০ পয়সা। এদিকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি ১৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এ হিসাব বছরে এর আয় বাড়লেও মুনাফা কমেছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ১ শতাংশ, তবে মুনাফা কমেছে ১৬ শতাংশ। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, উচ্চহারে করপোরেট ট্যাক্স (২০১২ সালসহ), টুজি ও থ্রিজি লাইসেন্সের অবলোপন (অ্যামোর্টাইজেশন) মূল্য এবং সুদের উচ্চহারের কারণে মুনাফা কমেছে। ডিএসইর ওয়েবসাইটে গতকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ২০০৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৪ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৩৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এর রিজার্ভের পরিমাণ ১ হাজার ৪১১ কোটি ২৯ লাখ টাকা। বাজারে মোট শেয়ার ১৩৫ কোটি ৩ লাখ ২২টি; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৯০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ৪ দশমিক ৭, বিদেশী দশমিক ২৬ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৫ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। এর প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও ২০০টিতে মার্কেট লট। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ২০ দশমিক ১২।       Source : বণিক বার্তা
  • বছর শুরুর আগে ধাক্কা খেল পুঁজিবাজার
    বাংলা নববর্ষের আগের শেষ কার্র্যদিবসে ধাক্কা খেল দেশের পুঁজিবাজার। সফটওয়্যারে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লেনদেন বিঘœ ঘটার দিনে প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক কমেছে মোট ১৯ পয়েন্ট। প্রায় দুই ঘণ্টার লেনদেনে ভাল কিছু কোম্পানির দর বাড়লেও অন্যান্য কোম্পানিগুলো দর হারিয়েছে আশঙ্কাজনক হারে। প্রধান সূচক কমলেও অন্যান্য সূচক বেড়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেন। তবে জ্বালানি ও শক্তি খাতসহ বেশ কিছু বড় মূলধনের কোম্পানিগুলোর দর বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণে, রবিবারে ডিএসইতে ২২৪ কোটি টাকা শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১৯৬ কোটি টাকা কম। বৃহস্পতিবারে সেখানে মোট ৪২০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। দিনটিতে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৬৮টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৮৬টির এবং ২৮টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। সকালে ডিএসইতে লেনদেন শুরুর মাত্র ৫ মিনিটের মাথায় সফটওয়্যার বিকল হওয়ার কারণে লেনদেন স্থগিত হয়ে যায়। দীর্ঘ বিরতির পরে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের মন সংযোগে কিছুটা বাধা ঘটায় শুরুতেই লেনদেন কমতে থাকে। সেই সঙ্গে বড় কোম্পানিগুলোর দর বাড়তে থাকলেও অন্যান্য খাতের কোম্পানিগুলো আশঙ্কাজনক হারে দর হারাতে থাকে। দিনশেষে ডিএসইর সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে মোট ১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৫৭৩ পয়েন্ট। সেখানকার নতুন চালু করা শরীয়াহ সূচকটি মোট ১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ২০ পয়েন্টে। একইভাবে বাছাই সূচক ডিএস-৩০ আগের চেয়ে মোট ২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৭৭ পয়েন্টে। ডিএসইতে খাতওয়ারি লেনদেনের শীর্ষে ফিরে এসেছে জ্বালানি ও শক্তি খাতের কোম্পানিগুলো। সারাদিনে কোম্পানিগুলোর মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৮ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৭২ ভাগ। সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলোর মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৯ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৩ ভাগ। টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানিগুলোর মোট ২৮ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ৩৬ ভাগ। ডিএসইতে লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : গ্রামীণফোন, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, হিডেলবার্গ সিমেন্ট, পদ্মা অয়েল, অলিম্পিক, রেনেটা, ফ্যামিলি টেক্স, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ও বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড। একইভাবে অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সব ধরনের সূচকই কমেছে। সেখানে হাতেগোনা কিছু বড় কোম্পানির দর বাড়লেও বেশিরভাগ কোম্পানির দর বেড়েছে। একইসঙ্গে আশঙ্কাজনকভাবে কিছু কোম্পানির দর হারানোর কারণে লেনদেনও কমে যায়। দিনশেষে সিএসইর সূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ১২৮ পয়েন্ট। একইভাবে সেখানকার বাছাই সূচকটির পতন ঘটেছে। সিএসই-৩০ সূচকটি আগের চেয়ে ৩৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১১ হাজার ৮৮০ পয়েন্ট। সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২০০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৫৬টির, কমেছে ১২৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২০ কোম্পানির শেয়ার দর। সেখানে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে মোট ১ কোটি টাকা। রবিবারে সেখানে মোট ২৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা কম। সিএসইতে লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : হিডেলবার্গ সিমেন্ট, গ্রামীণফোন, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, মতিন স্পিনিং, স্কয়ার ফার্মা, পদ্মা অয়েল, এবি ব্যাংক ও গোল্ডেন সন।   Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • সিএসই-৩০ সূচক চালু
    চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পারফর্মেন্স পর্যালোচনার ভিত্তিতে সিএসই-৩০ ইনডেক্স চালু করা হয়েছে। ৩০টি কোম্পানিকে সিএসই-৩০ ইনডেক্সের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা কার্যকর হয় রবিবার থেকে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাজিদ হোসেন জানান, আমাদের সিএসই-৩০ সূচক চালুই রয়েছে। প্রতি ছয় মাস পর পর কোম্পানিগুলোর পারফর্মেন্স বিবেচনা করে সূচকটি ঢেলে সাজানো হয়। অর্থাৎ নতুন করে কোন কোম্পানি সেখানে অন্তর্ভুক্ত হয়, বা বাদ দেয়া হয়। জানা গেছে, নতুন করে যেসব কোম্পানি যুক্ত হয়েছে সেগুলো হলো : বিডি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড, এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড, পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেড, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড ও অ্যারামিট লিমিটেড। এ সূচকের চূড়ান্ত কোম্পানিগুলো হলো : ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বিডি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, স্কয়ার টেক্সটাইল, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, কনফিডেন্স সিমেন্ট, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড, আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেড, সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড, এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড, এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড, পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, এবি ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেড, উত্তরা ফিন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, অ্যারামিট লিমিটেড, বেক্সিকো লিমিটেড, জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। উল্লেখ্য, সিএসই-৩০ ইনডেক্সভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন বাজারের মোট পরিশোধিত মূলধনের প্রায় ১৯ শতাংশ এবং ফ্রি ফ্লট বাজার মূলধন সার্বিক বাজার মূলধনের প্রায় ৩৬ শতাংশ।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • ডিএসইর যান্ত্রিক ত্রুটির ব্যাখ্যা চেয়েছে বিএসইসি
    যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আড়াই ঘণ্টা লেনদেন বন্ধ থাকার বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। রোববার বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান ডিএসইকে লিখিত আকারে ব্যাখ্যা দেয়ার মৌখিক নির্দেশনা দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে বিএসইসির মুখপাত্র সাইফুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, লেনদেন শুরুর আগে থেকে সফটওয়্যারজনিত ত্রুটির বিষয়টি দেখতে পায় ডিএসই কর্তৃপক্ষ। সকাল সাড়ে ১০টায় যথারীতি লেনদেন শুরু হওয়ার ১০ মিনিটের মাথায় সমস্যা বেড়ে যায়। শুরুতে স্টেকহোল্ডাররা ট্রেডিং সফটওয়্যারে লগইন করতে পারলেও পরবর্তী সময় ধীর ধীরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগআউট হতে থাকে। ফলে অধিকাংশ স্টেকহোল্ডার লেনদেনে অংশ নিতে পারেনি। তিনি আরো বলেন, এটি সফটওয়্যারজনিত সমস্যা। তবে কি কারণে এ রকম হয়েছে, তার একটি প্রতিবেদন দেয়ার জন্য ডিএসইকে মৌখিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।   Source : যায়যায় দিন
  • বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান
    নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান খান। গতকাল ডিসিসিআই ভবনে তুরস্ক-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (টিবিসিসিআই) সভাপতি ফ্রিকরেট চিচেকের সঙ্গে সাক্ষাত্কালে তিনি এ আহ্বান জানান। ডিসিসিআই সভাপতি বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বায়ু বিদ্যুত্, অবকাঠামো, পর্যটন, যোগাযোগ, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য, ওষুধ ইত্যাদি খাতে তুরস্কের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানান। শাহজাহান খান বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য ট্যাক্স হলিডে, টেকনিক্যাল নো-হাউ, যন্ত্রপাতি আমদানির ওপর শুল্ক মওকুফসহ নানা সুবিধা ঘোষণা করেছে। তিনি দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কিত বিরোধ দ্রুত নিরসনের ওপর গুরুত্ব দেন। টিবিসিসিআই সভাপতি ফ্রিকরেট চিচেক বলেন, তুরস্ক বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরে আগ্রহী।     Source : সকালের খবর
View All
Latest DSE News
  • NCCBANK

    As per Regulation 30 of DSE Listing Regulations, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on April 23, 2014 at 3:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2013.

  • Instrument PHOENIXFIN resumed - By the Stock Exchange Authorities

  • Instrument HEIDELBCEM resumed - By the Stock Exchange Authorities

  • Instrument BEACHHATCH resumed - By the Stock Exchange Authorities

  • Instrument BDLAMPS resumed - By the Stock Exchange Authorities

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
AFCAGRO 52.30 47.60 4.70 9.87
CENTRALPHL 40.30 37.00 3.30 8.92
3RDICB 228.00 210.60 17.40 8.26
BENGALWTL 48.40 44.90 3.50 7.80
PREMIERCEM 94.10 87.60 6.50 7.42
ISNLTD 16.30 15.20 1.10 7.24
ACTIVEFINE 83.90 78.60 5.30 6.74
RAHIMAFOOD 42.20 39.60 2.60 6.57
LIBRAINFU 488.80 459.90 28.90 6.28
SALVOCHEM 20.40 19.20 1.20 6.25

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297