Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

HOLY GRAIL for Amibroker AFL 03-Aug
Flower Indicator for Amibroker AFL 28-Jul
KPBB htrsystem for Amibroker AFL 09-Jul
POLYNOMIAL Amibroker AFL 29-Jun
15 DAYS WMA VOLUME ANALYSIS AFL 22-Jun

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
GEMINISEA 346.7 261 85.70 32.84
ZAHEENSPIN 28.9 22.6 6.30 27.88
BSRMLTD 109.8 88.8 21.00 23.65
APEXFOODS 133.7 109.2 24.50 22.44
1STICB 1500.5 1226.3 274.20 22.36
TALLUSPIN 19.5 16.1 3.40 21.12
BDLAMPS 164 135.9 28.10 20.68
ISLAMIBANK 26.4 22.3 4.10 18.39
NPOLYMAR 105.2 89 16.20 18.20
BDWELDING 26 22 4.00 18.18

Contest SB2015_Aug

1st
blank_person
GAINLOSS
2nd
blank_person
IMDADCU
3rd
blank_person
MEHEDIARAFAT82
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 329 325.7 7.68483 279932.00
ISLAMIBANK 26.4 24 6.66384 4009280.00
BERGERPBL 1987.5 1870.8 4.66704 4632.00
TITASGAS 76.5 73.8 4.60625 2145280.00
PRIMEBANK 20.5 19.2 2.30779 1859250.00
Negative impact
LAFSURCEML 125 125.8 -1.60233 1919330.00
UPGDCL 158.1 160.3 -1.37706 941089.00
SPCL 184 187.1 -0.71179 734598.00
RENATA 1283.5 1291.2 -0.70319 26407.00
HEIDELBCEM 631.5 638.1 -0.64315 37152.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
APOLOISPAT 23.2 23.4 21.7 6.91% 290.98
SQURPHARMA 270.6 271.2 269.5 0.37% 280.16
LAFSURCEML 125 126.8 124.6 -0.64% 240.93
BXPHARMA 71.8 72.4 71 0.84% 217.33
JAMUNAOIL 214.7 216.5 206.4 4.32% 188.91
KPCL 76 77.4 75.7 -0.39% 175.34
BEXIMCO 34.1 34.5 34 0.00% 171.91
SHASHADNIM 46.7 48.3 46.5 -2.71% 163.87
TITASGAS 76.5 76.6 73.8 3.66% 162.33
UPGDCL 158.1 163 157 -1.37% 150.12

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 03 Aug 2015

167299
TOTAL TRADE
207.3885
TOTAL VOLUME(Mn)
8117.14
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • শেয়ার কেলেঙ্কারির দায়ে কারাদণ্ড
    স্টাফ রিপোর্টার : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ছয়টি ওয়েব পোর্টালে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচার আগাম মিথ্যা তথ্য প্রচারকারী মাহাবুব সারোয়ারকে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন পুঁজিবাজার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার জন্য আসামি এ কাজ করেছেন বলে যে অভিযোগ ছিল, তা প্রমাণিত হয়েছে বলে ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছেন। বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক (বিশেষ জেলা জজ) হুমায়ুন কবীর বাদী পক্ষ (বিএসইসি) ও বিবাদী পক্ষের (মাহাবুব সারোয়ার) সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা এবং যুক্তিতর্ক শুনে সার্বিক দিক বিবেচনা করে এ রায় দেন। এটাই পুঁজিবাজার বিশেষ ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিচারক হুমায়ুন কবির আসামি ও বাদী পক্ষের উপস্থিতিতে রায় পড়ে শোনান। মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে রায় পড়ে শুনিয়ে এজলাস কক্ষ ত্যাগ করেন বিচারক হুমায়ুন কবীর। রায়ে উল্লেখ করা হয়, আসামি মাহাবুব সারোয়ার শেয়ারবাজারের বিভিন্ন কোম্পোনির আগাম বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ফেসবুকসহ অন্যান্য ওয়েব পোর্টালে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচার আগাম মিথ্যা তথ্য প্রচার করে বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষ যে সাক্ষ্য দিয়েছেন তা বিশ্বাসযোগ্য। এখানে অবিশ্বাসের কিছুই নেই। আর বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আসামি মাহাবুব সারোয়ারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশে যে তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছিল তা যথাপোযুক্ত। পাশাপাশি পুলিশের তদন্তেও আসামি দোষী হিসেবে প্রমাণীত হয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) রেজিস্ট্রেশন নিয়ে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনা-বেচার আগাম তথ্য দিয়ে সহায়তা করার কাজ বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক বা পোর্টফোলিও ম্যানেজার করে থাকে। কিন্তু আসামি মাহাবুব সারোয়ার রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনা-বেচার আগাম তথ্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন ওয়েব পোর্টালে প্রকাশ করেছেন। যা সিকিউরিটিজ আইন পরিপন্থী। আসামি মাহাবুব সারোয়ার সন্দেহাতিতভাবে দোষী হিসেবে প্রমাণীত হয়েছে। তাই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ১৮ ধারা ও সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ এর ২৪ ধারা অনুযায়ী আসামিকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় শেষে আসামি পক্ষের আইনজীবী নজরুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজার বিশেষ ট্রাইব্যুনালের এটাই প্রথম রায়। আমরা মনে করি, রাষ্ট্রপক্ষ মাহাবুব সারোয়ারের অপরাধ যথাযথভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছেন তা মাথায় রেখে উচ্চ আদালতে আপিল করব। আমরা আশা করি, উচ্চ আদালত মাহাবুব সারোয়ারকে বেকসুর খালাস দেবেন। আপিলের জন্য কিছু প্রস্তুতি রয়েছে। তাই দেড় থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে উচ্চ আদালতে এ রায়ের বিপরীতে আপিল করব। এদিকে রায় শেষে অনেকটাই ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন রাষ্ট্র (বিএসইসি) পক্ষের আইনজীবী ও কর্মকর্তারা। তবে আসামির কারাদণ্ড বা জরিমানার পরিমাণ আরও বেশি আশা করেছিলেন তারা। এ বিষয়ে বিএসইসির আইনজীবী হাসিবুর রহমান দিদার বলেন, আসামি মাহাবুব সারোয়ার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩ এর ১৮ ধারা লঙ্ঘন করেছেন। তাই বিজ্ঞ ট্রাইব্যুনাল সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ২৪ ধারা অনুযায়ী দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র সাইফুর রহমান বলেন, এটা ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়। আমার মতে এটা একটা যুগান্তকারী রায়। আর বাজারে মেনুপুলেটরদের (কারসাজিকারী) জন্য এ রায় একটি সতর্কবার্তা। এ ধরনের ইতিবাচক রায়ে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সূত্রে জানা গেছে, আসামি মাহাবুব সারোয়ারকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুঁজিবাজার ট্রাইব্যুনালের বিচারক হুমায়ুন কবীর নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, ২০০৭ সালের মার্চ থেকে ২০১০ সালের মার্চ পর্যন্ত মাহাবুব সারোয়ার বিভিন্ন ব্লগ ও ফেসবুকে শেয়ারবাজার সংক্রান্ত মিথ্যা ও প্রতারণামূলক তথ্য প্রচার করেন। ওই পোর্টালগুলোর নাম হল— সৈকতস ব্লগ, মাহাবুব সারোয়ার, সৈকত সৈকত, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিএসই-এক্সুসিভ ও ফেসবুক। পোর্টালগুলোতে যেসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল তা পুরোপুরি বিভ্রান্তকর ছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে ওই সময় বাজার অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। এ জন্য ওই সময় অসংখ্য বিনিয়োগকারী প্রতারিত হয়েছিলেন। বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করে ফায়দা হাসিলের জন্য তিনি এ ধরনের কাজ করেছিলেন বলে মনে করে বিএসইসি। যার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালেই বিএসইসি মাহাবুব সারোয়ারকে র‌্যাবের সহায়তায় গুলশানের একটি বাসা থেকে কম্পিউটারসহ আটক করে গুলশান থানায় সোপর্দ করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় গুলশান থানায়। পরবর্তী সময়ে ওই মামলা মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়। ওই সময় মাহাবুব সারোয়ারের এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন— বর্তমানে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল আলম, পরিচালক (আইন) মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, পরিচালক রাজিব আহমেদ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক চিফ টেকনিক্যাল অফিসার (সিটিও) এটিএম খায়রুজ্জামান।
  • দুই মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি সভা ১০ আগস্ট
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দু’টি মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি সভা ১০ আগস্ট হবে। ফান্ড দুটি হচ্ছে—এনএলআই ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ও সাউথইস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দু’টি ফান্ডেরই ট্রাস্টি সভা বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় অন্যা বিষয়ের পাশাপাশি ২০১৫ সালের ৩০ জুনে শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হতে পারে বলে ট্রাস্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সাউথইস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ২০১১ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ২০১৪ সালে ফান্ডের ট্রাস্টি ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। অপরদিকে এনএলআই ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ২০১২ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ২০১৪ সালে ফান্ডটির ট্রাস্টি ১২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। উল্লেখ্য, দু’টি ফান্ডেরই সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ভিআইপিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
  • লাফার্জ সুরমায় মানববন্ধন নিয়ে ‘পাল্টা’ সংবাদ সম্মেলন
    বিশেষ প্রতিনিধি : লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানায় শ্রমিকরা সোমবার বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন করেছে। অন্যদিকে শ্রমিকদের দাবির প্রেক্ষিতে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে ‘পাল্টা’ সংবাদ সম্মেলন করে তাদের ভূমিকা প্রকাশ করে। সুনামগঞ্জের ছাতকে লাফার্জ সুরমার প্রধান ফটকের সামনে শ্রমিকরা স্থায়ী চাকরিসহ বিভিন্ন দাবিতে সকালে এই মানববন্ধন করে। পরিবেশ দুষণ রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ, এলাকার আর্থ সামাজিক উন্নয়নে শিক্ষা ও স্বাস্ব্য খাতে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিকদের ক্ষতিপুরণসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিকরা মানববন্ধন করে। সম্প্রতি লাফার্জ সুরমা কর্তৃক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ৪০ যুবককে কারখানায় স্থায়ীভাবে চাকরি প্রদানের মানববন্ধনে দাবী জানান বক্তারা। এদিকে, লাফার্জ সুরমার কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের মানববন্ধনের প্রেক্ষিতে সোমবার সংবাদ সম্মেলন করেছে। কারখানার সিডি বিল্ডিংয়ে মানববন্ধন সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের লিখিত বক্তব্যে জানান, ছাতকে লাফার্জ প্রতিষ্ঠার পর থেকে নিজস্ব সিএসআর কার্যক্রমের আওতায় কমিউনিটির আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করে আসছে। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, কমিউনিটির শিশুদের বিনা খরচে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত পড়ালেখা, নারীদের জন্য সেলাই শিক্ষা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা, স্থানীয় যুবকদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন ও স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় অনুদান প্রদান করছে। বর্তমানে লাফার্জে প্রত্যাক্ষ ও পরোক্ষভাবে স্থানীয় কমিউনিটির এক হাজারেরও বেশী লোক কাজ করছে। এদের মধ্যে কেউ লাফার্জে স্থায়ী শ্রমিক হিসেবে কর্মরত আছে। আবার কেউ ঠিকাদারের মাধ্যমেও কাজ করছে। শ্রমিকদের ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য দেন স্থানীয় শামছুর রহমান সামছু, সাবেক পৌর কমিশনার ফয়জুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, শাহিনুল হক চৌধুরী, লিমন আহমদ, মাও. ফরিদ আহমদ, মাও শফিক আহমদ, রুহুল আমিন ও আইনুল ইসলাম প্রমূখ। লাফার্জ সুরমার কর্তৃপক্ষ তাদের সংবাদ সম্মেলনে জানায়, কমিউনিটির লোকজন সবসময় চাকরি কিংবা ব্যবসার ক্ষেত্রে দক্ষতা ও মেধা অনুযায়ী অগ্রধিকার পেয়ে থাকে। লাফার্জ সব সময়ই কমিউনিটির লোকজনের দতা বৃদ্ধির পক্ষে আছে। দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য মোবাইল মেইনটেনেন্স, সোলার প্যানেল মেইনটেনেন্স, ওয়েল্ডিং এবং পাইপ ফিটিং প্রশিণের আয়োজন করে থাকে লাফার্জ। যাতে স্থানীয় তরুণরা চাকরির বাজারে স্বনির্ভর হয়ে অধিকতর সুযোগ লাভ করতে পারে অথবা আত্মকর্মসংস্থান তৈরী করতে পারে। এটাই লাফার্জের স্থানীয় যুবকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার মূল উদ্দেশ্য। সম্প্রতি বিষয়টিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় স্বার্থান্বেষী একটি মহল নিজ স্বার্থসিদ্ধির জন্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরীর চেষ্টা করছে। সংবাদ সম্মেলনে লাফার্জ কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ আবুল কালাম, সাব্বির হোসেন, জহিরুল হক তরুন ও মোহাম্মদ উল্লাহ।
  • দর বাড়ছে বিএসআরএমের, ২ স্টক এক্সচেঞ্জের নোটিশ
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিএসআরএম লিমিটেডের শেয়ারদর বাড়ছে। অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) ২রা আগষ্ট নোটিশ দেয় বিএসআরএমকে। নোটিশের জবাবে দর বাড়ার অপ্রকাশিত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে স্টক এক্সচেঞ্জদ্বয়কে জানিয়েছে কোম্পানিটি। চিত্র (ডিএসইর নোটিশ)- চিত্র (সিএসইর নোটিশ)- নোটিশ পাওয়ার পরও দর বৃদ্ধি যথারীতি অব্যাহত রয়েছে কোম্পানিটির। এরফলে ৩রা আগষ্ট (সোমবার), উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে নোটিশ প্রকাশের পর শেয়ারটির দর ৪ টাকা ৭০ পয়সা বেড়ে যায়। এদিন ১০৫ টাকায় লেনদেন শুরু হয়ে সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ১১০ টাকায়। আগেরদিনের ক্লোজিং প্রাইস ছিল ১০৫ টাকা ৩০ পয়সা। শেয়ারটির দর বাড়ার ফলে পরিবর্তন হয়েছে ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ। নিচের চিত্র- শেয়ারদর বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৪ জুলাই থেকে দর বাড়ছে। সামান্য সংশোধন ছাড়া ৩রা আগষ্ট পর্যন্ত শেয়ারটির দর ৪০ টাকা বাড়ে। চিত্র দেখুন-
  • ছুটছে বার্জার পেইন্টসের ঘোড়া
    স্টাফ রিপোর্টার : বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের শেয়ারদর বাড়ছেই। যেন ঘোড়া ছুটছে কোন গন্তব্যে। ডিএসইর ওয়েবসাইটে কোম্পানির শেয়ারদর বিশ্লেষণে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণার পর থেকে শুরু হয়েছে শেয়ারটির দরবৃদ্ধির প্রক্রিয়া। চিত্র দেখুন- চলতি মাসের ২ ও ৩ তারিখ মিলে ২ কার্যদিবসে শেয়ারটির দর বেড়েছে ২২৩ টাকা ৮০ পয়সা। আবার, ৩ আগষ্ট, সোমবার শেয়ারটির দর আগের দিনের তুলনায় ১১৬ টাকা ৮০ পয়সা বাড়ে। নিচের চিত্রে- দর বাড়ার কারণে এ দিন পরিবর্তন হয়েছে ৬ দশমিক ২৪ শতাংশ। আরো জানতে- লভ্যাংশ ঘোষণায় দর বাড়ল বার্জারের
  • সোমবার সূচক ও লেনদেন বেড়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধিতে মূল্য সূচকের বড় ধরনের উত্থানে শেষ হয়েছে দেশের উভয় বাজারের লেনদেন। সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৬০.৫২ পয়েন্ট। সূচক বৃদ্ধির এ হার ১.২৬ শতাংশ। দিনশেষে সূচক গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮৬২.৫৫ পয়েন্টে। রোববার সূচক বেড়েছিল ৯.৭১ পয়েন্ট। দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ১০৪.৭১ পয়েন্ট। এদিকে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮১১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। রোববার লেনদেন হয়েছিল ৮০৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহের দুই দিনেই ৮০০ কোটি টাকার বেশী লেনদেন হয়েছে দেশের প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জটিতে। লেনদেনে অংশ নেয়া ৩১৯টি ইস্যুর মধ্যে দিনশেষে দর বেড়েছে ২০১টির, কমেছে ৮২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টির দর। অর্থাৎ লেনদেনে অংশ নেয়া ইস্যুগুলোর মধ্যে ৬৩ শতাংশের দর বেড়েছে। ২৭ টি কোম্পানির দর বেড়েছে ৫ শতাংশেরও বেশী। এরমধ্যে বীচ হ্যাচারি, ইসলামী ব্যাংক, বিডি ওয়েল্ডিং ও জেমিনি সী ফুডের দর সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমায় দর বেড়েছে। লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে অ্যাপলো ইস্পাত। দিনশেষে কোম্পানিটির ২৯ কোটি ৯ লাখ ৭৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্কয়ার ফার্মার লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। ২৪ কোটি ৯ লাখ ২৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। লেনদেনে এরপর রয়েছে যথাক্রমে- বেক্সিমকো ফার্মা, যমুনা অয়েল, খুলনা পাওয়ার, বেক্সিমকো, শাশা ডেনিমস, তিতাস গ্যাস, ইউনাইটেড পাওয়ার। দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সিএসসিএক্স ১০৪.৭১ বেড়ে দিনশেষে ৯০৮২.৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৬১ কোটি ৬২ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানি ও মিউচুয়ালফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৪৫টির, কমেছে ৭৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টির দর।
  • মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেল ৫ টাকার নোট
    স্টাফ রিপোর্টার : সরকারি নোট হিসেবে মন্ত্রিসভায় চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পেল ৫ টাকা। এখন থেকে গভর্ণর বাদ দিয়ে অর্থসচিবের স্বাক্ষরে পাঁচ টাকার নোট ইস্যু করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (৩রা আগষ্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে ১ টাকা ও ২ টাকার আদলে ইস্যু করার জন্য বাংলাদেশ কয়েন অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট-২০১৫ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসেন ভূইঞাঁ। মোশাররাফ হোসেন বলেন, এই আইনের বলে অর্থসচিবের স্বাক্ষরে ১ টাকা ও ২ টাকার মতো ৫ টাকার নোট সরকার ইস্যূ করবে। এতোদিন দুই টাকা পর্যন্ত সরকারি নোট ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক বাকি নোটগুলো ইস্যু করতো। তিনি বলেন, সরকারের ইস্যু করা পাঁচ টাকার নোটের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঁচ টাকার নোট  চলবে। ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা পাঁচ টাকার নোট পর্যায়ক্রমে তুলে নেয়া হবে। এর প্রভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সরকারের ৭৯০ কোটি টাকা ঋণ ধীরে ধীরে কমে আসবে। বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে এফএও (ফাও) কর্তৃক বাংলাদেশকে দেয়া অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। আরো দেখুন- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকছে না পাঁচ টাকা
  • মুদ্রানীতি বেসরকারিখাত বান্ধব নয় : ডিসিসিআই
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্প্রতি ঘোষিত (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০১৫) মুদ্রানীতি বেসরকারিখাত বান্ধব নয় বলে মনে করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। মুদ্রানীতির বিষয়ে রোববার(২রা আগষ্ট) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছে ডিসিসিআই। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৩০ জুলাই ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের সতর্কমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ২ শতাংশে নামিয়ে আনা ও জিডিপি ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করা হয় মূদ্রানীতি। এবারের মুদ্রানীতি বেসরকারী খাতে ঋণ প্রবাহ এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে সার্বিকভাবে তেমন আকৃষ্ট করছে না বলে মনে করছে ডিসিসিআই। যদিও আরো উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো প্রয়োজন দেশের বেসরকারি খাতে কমে যাওয়া বৈদেশিক বিনিয়োগ। তারা জানায়, ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি অন্যান্য শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য দেশের সরকারি ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণের সুদের হার সহায়ক নয়। বেসরকারি খাতে ১৫ শতাংশ ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণের সুদের উচ্চ হার, ব্যবসা পরিচালনব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রস্তাবিত নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়ন মুদ্রাস্ফীতিকে আরো প্রভাবিত করতে পারে। তারা আরো জানায়, বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা বৈদেশিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নিতে আগ্রহী হচ্ছে। স্থানীয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অব্যবস্থাপনা ও সক্ষমতার অভাবে এ প্রবণতা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি কেবল দেশীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতার নিদর্শন। সম্মেলনে তারা জানায়,  আমদানির হার ১২ শতাংশ বেড়েছে সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে। আর রপ্তানির প্রবৃদ্ধি বেড়েছে প্রায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ হারে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমানের ক্রমাগত ওঠানামায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বাড়তে পারে। সুতরাং, রপ্তানিআয় কমে যাওয়ার সঙ্গে আমদানিব্যয় বৃদ্ধি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাছাড়াও, এবারের মুদ্রানীতিতে সুনির্দিষ্ট কোনো দিক-নির্দেশনা নেই ব্যাংকিং খাতের শ্রেণীভুক্ত ও খেলাপি ঋণ আদায় এবং সহনীয় পর্যায়ে তা নামিয়ে আনার। আর্থিক খাত ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গগুলো যতক্ষণ পর্যন্ত স্থিতিশীল না হবে, আগামী ছয়মাসে এ ব্যবস্থার তেমন সুফল পাওয়া যাবে না। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের ভাষায়, দেশের উৎপাদনশীল খাতগুলো কম সুদে ঋণ সুবিধা পাবে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ হারে নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রায় শিল্পায়ন তরান্বিত করতে হবে বলে জানায় ডিসিসিআই। একইসঙ্গে আর্থিক ব্যবস্থায় আরো গতি সঞ্চারেও তাগিদ দেয় তারা। সংবাদ সম্মেলনে তারা জানায়, সুদের হার কমানো এবং ব্যবসায় পরিচালন ব্যয় হ্রাসের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ব্যাংক ঋণের সুদহার কামানো হলে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।  
  • বিচ হ্যাচারি জানে না কবে বোর্ডমিটিং
    স্টাফ রিপোর্টার : কোম্পানির বছর শেষ ডিসেম্বর মাসে। ৬ মাস অতিবাহিত হলেও কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোনো ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। ২০১৩ সালের জন্য কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেয়ার ঘোষণা দেয়। এদিকে সোমবার  ডিএসইতে ১০% শেয়ারের দর বেড়ে ১৯.৮০ টাকায় লেনদেন হয়। এদিকে সোমবার কোম্পানির অফিস ফোন করে জানতে চাওয়া হলে কোম্পানির  এক কর্মকর্তা জানান, এ সপ্তাহে অথবা আগামী সপ্তাহে বোর্ডমিটিং হবার আশা প্রকাশ করেন। তবে তিনি এ বিষয়ে নিজেও দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছেন বলে আমাদের রিপোর্টারকে জানান। তবে  রিপোর্টার  কর্মকর্তার নাম জানতে চাইলে তিনি ব্যাস্ত আছে বলে ফোন রেখে দেন। এর আগে খোঁজ খবরে নামে স্টক বাংলাদেশ -এর টিম। ডিএইর ওয়েবসাইটের ঠিকানা অনুযায়ী কনকর্ড টাওয়ারে দেখা মেলে (নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ) এক নারী সহকর্মীর। অফিসের অন্য কর্মচারীদের মধ্যে শুধু দেখা মেলে অফিস পিয়নের। বোর্ডমিটিং -এর দিনক্ষণ সম্পর্কে জানতে চাইলে বলা হয়। স্টক বাংলাদেশ -এর  অনুসন্ধান, বোর্ডমিটিং সম্পর্কে শেয়ার বিভাগের এক নারী কর্মী বলেন, ডিএসইর কাছে সময় বাড়িয়ে নেয়া হয়েছে। তবে ডিএসই কর্তৃপক্ষ তা জানেনা। অনুমোদনের ‘পেপার দিন’ বলা হলে পরে যোগাযোগ করে আসতে বলা হয়। বিচ হ্যাচারীর অফিসে তিন মাসে তিন বার যাওয়া হয়। এ বিষয়ে আমাদের রিপোর্টার হোসাইন আকমল বলেন, অফিসে গেলেও কর্তৃপক্ষ অনুমোদন লিপি দেখাতে পারেনি। অন্যদিকে কোম্পানি সেক্রেটারি সাক্ষাত দেননা, বলা হয় ব্যস্ত এবং বাইরে আছেন। তবে বিস্ময়ের ব্যাপার, তিন দিনে অফিস কর্মচারি ও কর্তা বলতে শুধু তিনজন মানুষকেই চোখে পড়ে। অফিস চলাকালীন অন্যকোন কর্মচারি বা কর্তাকে অফিসে দেখিনি। উল্লেখ্য যে, গত বছর কোম্পানিটি এজিএমের তারিখ বার পরিবর্তন করা হয়। কোম্পানিটি সম্পর্কে বিস্তারিত আরও জানুন। বিচ হ্যাচারির এজিএমের তারিখ ফের পরিবর্তন বিচ হ্যাচারির রাইট আবেদন নাকচ
  • স্টক বাংলাদেশ এর ৪৭তম বেসিক কোর্স সম্পন্ন
    স্টাফ রিপোর্টার : বর্তমান পুঁজিবাজার বিবেচনা করে  বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন টেকনিক্যাল কোর্সের উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে স্টক বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি Basic Technical Analysis Executive Course of Stock Market-এর ৪৭তম কোর্স-এর প্রশিক্ষণমূলক কর্মশালা সম্পাদন করেছে। ২০ ঘণ্টার দু ’পর্বের প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি ৩১শে জুলাই, শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়ে ১লা আগষ্ট,শনিবার শেষ হয়। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ৯৯, কাজী নজরুল ইসলাম এভিন্যুয়ের ঢাকা ট্রেড সেন্টারের ১৫ তলায় অবস্থিত স্টক বাংলাদেশের অফিস কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। সহকারী ব্যবস্থাপক (স্টক বাংলাদেশ) মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে স্টক বাংলাদেশ এর রিচার্স এণ্ড ডেভলপমেন্টের কর্মকর্তারা কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলে প্রশিক্ষণকর্ম। এতে প্রাইম ইসলামি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, পেট্রোবাংলা, ইউনিক লাইন(সিঙ্গাপুর), গ্রামীণ ফোন লিমিটেড, ঢাকা ওয়াসা, ব্রেব, এমবিএসএল(খুলনা), নেভীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও ছাত্র প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদান করেছে স্টক বাংলাদেশ। প্রশিক্ষক মোহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যাপক আগ্রহের ভিত্তিতে বেসিক টেকনিক্যাল এ্যানালাইসেস এক্সিকিউটিভ কোর্সের উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। সফলতার সঙ্গে কোর্সটি সম্পন্ন করেছে তারা। এরপর তারা আরো উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতেও আগ্রহ প্রকাশ করেন। স্টক বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের কথা ভেবে আরো নতুন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে পারে। এ ধরণের কর্মশালায় অংশ নিয়ে তাদের সফলতার সোপান মসৃণ হবে। এ ধরণের কর্মশালা শেয়ারবিজনেসের জন্য খুবই সহায়ক বলে উল্লেখ করেন প্রশিক্ষণার্থীরা। তারা বলেন, এটি চমৎকার একটি কর্মশালা। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজার সম্পর্কে আরো অধিক ধারণা পাবেন। প্রশিক্ষণার্থীরা শিক্ষামূলক প্রশিক্ষণের এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। স্টক বাংলাদেশের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তৌফিকুল আরিফ বলেন, সবাই চায় সফলতা। আর সফলতার জন্য প্রশিক্ষণ অতি গুরুত্বপূর্ণ। পুঁজিবাজারে ট্রেডিংয়ের টেকনিক্যাল বিষয়ে স্টক বাংলাদেশ এন্যালাইসেসভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। বিনিয়োগকারীদের চাহিদার আলোকে প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলমান রেখেছে স্টক বাংলাদেশ। বিনিয়োগকারীদের সাফল্যের ধারা ধরে রাখতে ভবিষ্যতেও স্টক বাংলাদেশ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। কর্মশালায় আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে সুযোগ দেয়া হয়। উল্লেখ্য, পুঁজিবাজার বিষয়ে আগ্রহী বা বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রায়ই ফ্রি টেকনিক্যাল কোর্স সম্পন্ন করে থাকে স্টক বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে বাজার বিশ্লেষণ করে  সাধারণ  বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে- Advance Technical Analysis of Stock Market, Advance Usage of Ami Broker, Fusion Analysis of Stock Market, Basic Fundamental Analysis of Stocks Market, Professional Fundamental Analysis of Stocks Market, Mechanical Trading Method. এর বাইরেও স্টক বাংলাদেশ ভ্যাট বা মুসক সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। এ ধরণের কর্মশালা সচেতনতা বাড়াতে যথার্থ ভূমিকা রাখতে সহায়ক বলে মনে করে স্টক বাংলাদেশ। রেজিস্ট্রেশনের জন্য : http://www.stockbangladesh.com/courses
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • পুঁজিবাজারে আবারও ৮শ’ কোটি টাকার লেনদেন
    চলতি সপ্তাহের প্র্রথম কার্যদিবসে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে সূচকের ইতিবাচক প্র্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। যদিও দিনটিতে প্র্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ কোম্পানির দর কমেছে। সকালে লেনদেন শুরুর পর থেকেই সূচকের ওঠানামা দিয়ে লেনদেন চলে। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ আগের তুলনায় বেশি ছিল। অপেক্ষাকৃত বড় মূলধনী কোম্পানির চাহিদা বাড়ার কারণে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ডিএসইতে সূচক বেড়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্র্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ায় উভয় বাজারে বেড়েছে লেনদেন। আর ডিএসইতে আবারও লেনদেন ছাড়ালো ৮০০ কোটি টাকা। যার পরিমাণ আগের দিনের লেনদেনের চেয়ে প্র্রায় ২০০ কোটি টাকা বেশি।শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির অর্ধবার্ষিক ও প্র্রান্তিকের আর্থিক প্র্রতিবেদন প্র্রকাশ শুরু হয়েছে। প্র্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী মুনাফা বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। আর এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। এর ফলে মুনাফায় থাকা কোম্পানিগুলোর শেয়ারের প্রতি ক্রেতাদের চাহিদা বেড়েছে। পাশা পাশি আসন্ন অর্ধবার্ষিকে অন্যান্য কোম্পানির মুনাফা বা প্রতিবেদন ভাল আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন সবাই। আর এ কারণে রবিবারের বাজারে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।সকালে ইতিবাচক প্রবণতা দিয়ে শুরুর পরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে ৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৮০২ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৯২ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৮৮৫ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩১৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৪১টির, কমেছে ১৪৯টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ার দর। যা টাকায় লেনদেন হয়েছে ৮০৬ কোটি ৫৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা।ডিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা, ডেসকো, ফার কেমিক্যাল, শাশা ডেনিমস, গ্রামীণফোন, বিএসআরএম লিমিটেড, বিএসআরএম স্টিল ও অলিম্পিক এক্সেসরিজ।দর বৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ১ম আইসিবি, বিডি ওয়েল্ডিং, ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল পলিমার, জেমিনি সী ফুড, বিএসআরএম লিমিটেড, আইসিবি ১ম এনআরবি, নাভানা সিএনজি ও স্টাইল ক্রাফট।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : মেঘনা লাইফ, আইএসএন, পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড, ফনিক্স ফাইন্যান্স, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, রূপালী ব্যাংক, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ন্যাশনাল হাউজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড, ফাস ফাইন্যান্স ও প্রগতি ইন্স্যুরেন্স।এদিকে দিনশেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ৩০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৯৯০ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৬১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১০টির, কমেছে ১২৬টির ও দর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টির। যা টাকায় লেনদেন হয়েছে ৬০ কোটি ৭৬ লাখ ২৩ হাজার টাকা। এর আগের কার্যদিবস অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৫০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৯৭২ পয়েন্টে। ওইদিন লেনদেন হয় ৬১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : অলিম্পিক এক্সেসরিজ, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, বিএসআরএম লিমিটেড, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা, বেক্সিমকো, বিএসআরএম স্টিল, পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড ও শাশা ডেনিমস।   Source : জনকণ্ঠ
  • বস্ত্র খাতের পাঁচ কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের পাঁচ কোম্পানির আর্থিক প্র্রতিবেদন প্র্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো- এইচ আর টেক্সটাইল, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, জেনারেশন নেক্সট, সাফকো স্পিনিং ও জাহিন স্পিনিং। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে কোম্পানিগুলোর প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।এইচ আর টেক্সটাইল ২০১৪-১৫ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ০.২১ টাকা ইপিএস করেছে, যার পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.৫০ টাকা। আর কোম্পানিটি আগের বছরের ১.৩১ টাকার বিপরীতে চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে (অক্টো ’১৪-জুন ’১৫) ইপিএস করেছে ০.৬৪ টাকা। ৩০ জুন ২০১৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৫.৫৯ টাকা।সোনারগাঁও টেক্সটাইল ২০১৫ সালের প্রথম ৬ মাসে ইপিএস করেছে নেগেটিভ (১.১৩) টাকা, যার পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ে ছিল নেগেটিভ (০.৪৮) টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ইপিএস করেছে (০.৫৬) টাকা। ৩০ জুন ২০১৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০.৩৯ টাকা।জাহিন স্পিনিংয়ের ২০১৫ সালের প্র্রথম ৬ মাসে ইপিএস করেছে ০.৯৬ টাকা, যার পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.৭১ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ইপিএস করেছে ০.৫৮ টাকা। ৩০ জুন ২০১৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩.৫৫ টাকা।জেনারেশন নেক্সট-এর ২০১৫ সালের প্রথম ৬ মাসে ইপিএস করেছে ০.৭১ টাকা, যার পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.৬৭ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ইপিএস করেছে ০.২৬ টাকা। ৩০ জুন ২০১৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২.৯৩ টাকা।সাফকো স্পিনিংয়ের ২০১৫ সালের প্রথম ৬ মাসে ইপিএস করেছে ০.৫০ টাকা। যার পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.৫৩ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ইপিএস করেছে ০.১৭ টাকা। ৩০ জুন ২০১৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০.১১ টাকা।   Source : জনকণ্ঠ
  • গেইনারের শীর্ষে ফার্স্ট আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল রোববার টপটেন গেইনারের শীর্ষে উঠে এসেছে ফার্স্ট আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড। এ ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিটের দর বেড়েছে ২৪০ টাকা বা ২০ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ফার্স্ট আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ডের প্রতিটি ইউনিট গতকাল সর্বশেষ লেনদেন হয় ১ হাজার ৪৪০ টাকা দরে। ৭৬ বারে ফান্ডটির ২ হাজার ৬৯৩টি ইউনিট লেনদেন হয়। যার বাজারমূল্য ছিল ৩৭ লাখ ৩ হাজার টাকা। গেইনার তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিডি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোডেস। এ শেয়ারটির দর বেড়েছে ২ টাকা ১০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ। শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৩ টাকা ৯০ পয়সা দরে। এদিন কোম্পানির ২৭ লাখ ২০ হাজার ২৫৮টি শেয়ার লেনদেন হয়। যার বাজারমূল্য ছিল ৬ কোটি ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা ইসলামী ব্যাংকের ২ টাকা ১০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ দর বেড়েছে। শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৪ টাকা দরে। গেইনার তালিকায় থাকা ন্যাশনাল পলিমারের ৭ দশমিক ১৮ শতাংশ, জেমিনি সি ফুডের ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ, বিএসআরএম লিমিটেডর ৮ দশমিক ০২ শতাংশ। Source : ভোরের কাগজ
  • সিএসইর নতুন ৫০ সূচক
    সিএসইর তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনার ভিত্তিতে সিএসই-৫০ ইনডেক্স (সূচক) চূড়ান্ত করা হয়েছে। সিএসইর নির্ধারিত কিছু নীতিমালার ভিত্তিতে বছরে দুবার এ পর্যালোচনা করা হয়। এ রিভিউয়ের ওপর ভিত্তি করে নিম্নবর্ণিত ৫০টি কম্পানিকে সিএসই-৫০ ইনডেক্সের জন্য চূড়ান্ত করা হয়। এটি কার্যকর হয়েছে জুলাই ৩০ তারিখ থেকে।এবারের ইনডেক্সে নতুন করে যে কম্পানিগুলো যুক্ত হয়েছে সেগুলো হলো এসিআই এবং লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। আগের তালিকা থেকে বাদ পড়া কম্পানি দুটি হলো ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ এবং ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কম্পানি।চূড়ান্ত ৫০ ইনডেক্সের কম্পানিগুলো হলো-এবি ব্যাংক, আফতাব অটোমোবাইলস, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, বেক্সিমকো, ব্র্যাক ব্যাংক, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সিমকো ফার্মা, দ্য সিটি ব্যাংক, ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স, ডেসকো, ঢাকা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্রামীণফোন, হেইডেলবার্গ সিমেন্ট, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, আইএফআইসি, ইসলামী ব্যাংক, যমুনা অয়েল কম্পানি, খুলনা পাওয়ার কম্পানি, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, এমজেএল বাংলাদেশ, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, ওয়ান ব্যাংক, ওরিয়ন ফার্মা, পদ্মা অয়েল কম্পানি, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, আরএকে সিরামিকস বাংলাদেশ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, স্কয়ার টেক্সটাইল, স্কয়ার ফার্মা, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, সামিট পাওয়ার, তিতাস গ্যাস, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, উত্তরা ব্যাংক, এসিআই এবং লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট।   Source : কালের কণ্ঠ
  • মুদ্রানীতি ও বাজেটের প্রভাব : ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার
    ২০১৫-১৬ অর্থবছরের ‘পুঁজিবাজারবান্ধব’ বাজেট এবং পরবর্তী সময়ে বাজারসহায়ক মুদ্রানীতির কারণে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের পুঁজিবাজার। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কাটতে শুরু করেছে আস্থাহীনতা। বাজারে আসছে নতুন ফান্ড। দূর হচ্ছে তারল্য সংকট। প্রতিনিয়তই বাড়ছে সূচক ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম। পাশাপাশি বাড়ছে ব্যক্তি, বিদেশি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও।চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে মোট ১৭ দিন লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১০দিন উভয় বাজারে উত্থান হয়েছে। ৬দিন সূচক কমেছে সামান্য। আর একদিন সূচক কমেছে ব্যাপক। এ সময়ে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১৩ হাজার ২৫২ কোটি টাকা। সূচক বেড়েছে ২২৯ পয়েন্ট। লেনদেন ৫শ’ কোটি থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮শ’ কোটি টাকা। পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজেট ও মুদ্রানীতির পাশাপাশি কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণার কারণে পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এছাড়াও আইসিবিসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে চাঙ্গা হচ্ছে বাজার।এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান মানবকণ্ঠকে বলেন, পুঁজিবাজারে সব সূচক ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। এর মধ্যে ২০১৩ ও ১৪ সালের তুলনায় ১৫ সালে বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনের পারফর্মেন্স ‘পজেটিভ’। তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক অবস্থার উন্নতির ফলে প্রাইভেট সেক্টরে     বিনিয়োগ বাড়ছে। সামষ্টিক অর্থনীতিতে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এর ফলে প্রবৃদ্ধি ও তারল্য বাড়ছে। ব্যাংকের সুদ হার কমেছে। এর ফলে বাজারে নতুন ফান্ড আসছে। আশা করছি পুঁজিবাজারেও তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, বাজেটে পুঁজিবাজারে বেশ কিছু প্রণোদনা দেয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের পজেটিভ মুদ্রানীতি ঘোষণায় ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাজারে ফিরছেন।পুঁজিবাজারের জন্য বিশেষ চমক : পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি দেশি ও বিদেশি কোম্পানিকে আকৃষ্ট করতে তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হার কমানোর পাশাপাশি তালিকাভুক্ত কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত এই লভ্যাংশ আয়ের করমুক্ত টাকার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও কোম্পানি বা অংশীদারী ফার্ম থেকে বাজারে বিনিয়োগ করে অর্জিত মুনাফার ওপর উৎসে কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বাজার ভালো হওয়ার প্রত্যাশা করে বলেন, পুঁজিবাজারের জন্য বেশকিছু ছাড় দেয়া হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে নিশ্চিতভাবেই লাভবান হবে পুঁজিবাজার।সঞ্চয়পত্র ও মুদ্রানীতির ঘোষণা : পুঁজিবাজারকে চাঙ্গা রাখতে ৩ ও ৫ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রের পারিবারিক ও পেনশন সঞ্চয়পত্রের সুদহার ১৩ দশমিক ২৬ শতাংশ ও ১৩ দশমিক ৫০ শতংশ থেকে কমিয়ে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ ও ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি মুদ্রানীতিতে ব্যাংকে সুদের হার আরো কমিয়ে আনতে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে পুঁজিবাজারে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ বিরূপাক্ষ পাল বলেন, বেশি ঋণ দেয়ার চেয়ে মানসম্পন্ন ঋণের দিকে নজর দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার কথা বলা হচ্ছে এবং একই সঙ্গে তাদের দক্ষতা বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে। এ দুটি বিষয় নিশ্চিত করতে পারলে স্বাভাবিকভাবেই ঋণের সুদের হার কমে আসবে। আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতার পাশাপাশি পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়ক ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।বিষয়টি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, গত ৬ মাস দরপতন শেষে রমজানের ঈদকে কেন্দ্র করে পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার অভিহিত মূল্যের নিচে থাকায় বিনিয়োগকারীরাও যাচাই বাছাই করে শেয়ার কিনছেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা সচেতন থাকার পাশাপাশি কারসাজি চক্র থেকে বাজারকে মুক্ত রাখলে আরো কিছুদিন ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে।গতকালের বাজার : এদিকে আগের দিনগুলোর ধারাবাহিতকায় দিনভর সূচকের ওঠানামা শেষে গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮০৬ কোটি টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৭৭ কোটি টাকা বেশি। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক আগের দিনের চেয়ে ৮ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৮০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪১টির, কমেছে ১৪৯টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯ কোম্পানির শেয়ারের দাম।চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৭৪৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০০টির, কমেছে ১৩৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮ কোম্পানির শেয়ারের।   Source : মানব কণ্ঠ
  • শেয়ারের দাম বাড়ছে দুর্বল কোম্পানির
    শেয়ারবাজারে দুর্বল কোম্পানিগুলোর এখন পোয়াবারো। এরমধ্যে কোনো কোনো কোম্পানি বছরের পর বছর লোকসান দিচ্ছে। আবার কিছু প্রতিষ্ঠান আয় করলেও তা খবুই সামান্য। কিন্তু ৫ কার্যদিবসে এসব কোম্পানির শেয়ারের দাম ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। হঠাৎ শেয়ারের দাম বাড়তে দেখে কিছু বিনিয়োগকারী হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। অথচ শক্ত মৌলভিত্তি সম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের মূল্যস্তর নিচে। এর ফলে প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। আর অস্বাভাবিকভাবে দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে ৪ প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, হঠাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের দাম বৃদ্ধির মতো কোনো কারণ বাজারে তৈরি হয়নি। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বৃদ্ধির কারণ নিয়ন্ত্রকসংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) খতিয়ে দেখা উচিত। এদিকে এক মাসে তালিকাভুক্ত ৪০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান ৬ মাসের অনিরীক্ষত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এরমধ্যে ২৫টি প্রতিষ্ঠানের আয় কমেছে। এই তালিকায় ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা এবং বহুজাতিক কোম্পানিও রয়েছে। অর্থাৎ সার্বিক মূল্যায়নে শেয়ারবাজারের অবস্থা নেতিবাচক। এ দিকে অস্বাভাবিকভাবে দাম বৃদ্ধির কারণে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জানতে ৪ কোম্পানিকে চিঠি দিয়েছে ডিএসই।যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ছে : দুর্বল মৌলভিত্তির প্রতিষ্ঠান জাহিন স্পিনিং মিল। ২৩ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ছিল ২০ টাকা। ৫ কার্যদিবসের ব্যবধানে তা ২৮ টাকায় উন্নীত হয়েছে। এ হিসেবে শেয়ারের দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশ। ৭৪ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের এ প্রতিষ্ঠানে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে মাত্র ১১ কোটি টাকার শেয়ার রয়েছে। কোম্পানির মূল্য আয়ের অনুপাত (পিই রেশিও) ২০। অর্থাৎ আজ যে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার কিনবে, আয়ের মাধ্যমে তা ফেরত পেতে ২০ বছর সময় লাগবে। প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিডি ল্যাম্প। ২২ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ছিল ১০০ টাকা। ৬ কার্যদিবসে রোববার তা ১৬০ টাকায় উন্নীত হয়েছে। এ হিসেবে শেয়ারের দাম ৬০ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পিই রেশিও ৭১।অপরদিকে খাদ্য খাতের মাত্র ১ কোটি ১০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের প্রতিষ্ঠান জেমিনি ফুড। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির লোকসানের পরিমাণ ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ পরিশোধিত মূলধনের চেয়েও লোকসান ৪৭ লাখ টাকা বেশি। গত ২৩ জুলাই প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ছিল ২৫০ টাকা। ৫ কার্যদিবসের ব্যবধানে রোববার তা ৩২০ টাকায় উন্নীত হয়েছে। এ হিসেবে শেয়ারের দাম বেড়েছে ২৮ শতাংশ।আয় কমেছে যেসব কোম্পানির : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিটি কোম্পানিকে প্রতি ৩ মাস পরপর আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হয়। এতে কোম্পানির আয়-ব্যয় বুঝা যায়। আর অর্থবছরের প্রথম ৬ মাস অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়কালে ৪০টির বেশি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে অর্ধবার্ষিক অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রকাশ করেছে। এরমধ্যে ২৫টি প্রতিষ্ঠানের আয় কমেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্যালভো কেমিক্যাল, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ন্যাশনাল ব্যাংক, রংপুর ফাউন্ড্রি, ঢাকা ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, মবিল যমুনা, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স, বিডি সার্ভিস, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, এবি ব্যাংক, প্রিমিয়ার লিজিং, সিঙ্গার বিডি, পূবালী ব্যাংক, ন্যাশনাল টি কোম্পানি, ন্যাশনাল হাউজিং, আইএফআইসি ব্যাংক, আজিজ পাইপস এবং মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স।চার কোম্পানিকে শোকজ : এদিকে অস্বাভাবিকভাবে দাম বৃদ্ধির কারণে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জানতে চেয়ে ৪ কোম্পানিকে গত সপ্তাহে চিঠি দিয়েছে ডিএসই। কোম্পানিগুলো হল- এপেক্স ফুটওয়্যার, জাহিন স্পিনিং মিল, বিএসআরএম লিমিটেড এবং ন্যাশনাল পলিমার। তবে কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে তাদের কাছে দাম বৃদ্ধির মতো কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সামগ্রিকভাবে বাজার অতিমূল্যায়িত নয়। মূল্যস্থর এখনও কম। তবে কিছু দুর্বল ও ছোট মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, কোম্পানির শেয়ারের দাম তাদের মৌলভিত্তির সঙ্গে সঙ্গতি পূর্ণ না হলে বুঝতে হবে, এখানে কোনো কারসাজি আছে। বিষয়টি তদন্ত করে বিএসইসিকে ব্যবস্থা নিতে হবে। তারমতে, কোম্পানির আয় কমলে শেয়ারমূল্যে প্রভাব পড়ে। এক্ষেত্রে কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট দায়ী। আবার কখনও কখনও ইচ্ছা করে উদ্যোক্তারা আয় কম দেখায়। এটিও এক ধরনের কারসাজি। তিনি বলেন, কারসাজির সঙ্গে জড়িত কোনো পক্ষকে ছাড় দিলে পরবর্তীতে এরা উৎসাহিত হবে। কাজেই বাজারের বৃহৎ স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।   Source : যুগান্তর
  • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নিয়ে কারসাজি
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির লাভ-ক্ষতি, বার্ষিক লভ্যাংশ ঘোষণা বা ভবিষ্যৎ ব্যবসা পরিকল্পনা-সংক্রান্ত তথ্য আগাম জেনে যাচ্ছেন শেয়ারবাজারের এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারী। এসব আগাম তথ্যের ভিত্তিতে তারা আগেই শেয়ার কিনছেন। পরে তথ্যটি বাজারে ছড়িয়ে মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে তারা কোটি কোটি টাকা মুনাফা তুলে নিচ্ছেন। এভাবে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নিয়ে শেয়ারবাজারে চলছে কারসাজি।শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এটা বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে 'ওপেন সিক্রেট' বিষয়। কোম্পানির ব্যবসায়িক সাফল্য বা ব্যর্থতা বাজারকে তেমন প্রভাবিত করে না। বরং মূল্য সংবেদনশীল তথ্যের খবর আগে জানলেই শেয়ার ব্যবসার মাধ্যমে মুনাফা করা যায়। বিনিয়োগের মৌলিক বিষয় অনুসরণ করে যারাই শেয়ার কিনছেন, তারাই 'ফতুর' হচ্ছেন।শেয়ারবাজারের এই অপতৎপরতা বছরের পর বছর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নাকের ডগায় ঘটছে। তারপরও সংস্থাটি একেবারেই নির্বিকার। এমনকি কমিশনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিশ্বাস করেন, কারসাজিমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কোম্পানির উদ্যোক্তা, পরিচালক, শীর্ষ কর্মকর্তা, তাদের নিকটাত্মীয় এবং অডিটর জড়িতথাকে। তারপরও তা বন্ধের কোনো উদ্যোগনেওয়া হচ্ছে না।বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, কারসাজিমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে অনেক দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে থাকে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠী কারসাজিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হলেই ওই সংস্থা কমিশনের নজরে আনে। আমাদের কমিশনে এ ধরনের ব্যবস্থা নেই। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে শিগগিরই গোয়েন্দা দল নিয়োগ করা উচিত।সাম্প্রতিক শেয়ারবাজারের লেনদেন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ১৩ জুলাই থেকে হঠাৎ করে ইসলামি ব্যাংকের শেয়ারদর বাড়তে থাকে। ওইদিন শেয়ারটি সর্বনিম্ন ১৬ টাকা ৮০ পয়সা দরে কেনাবেচা হলেও মাত্র ৬ কার্যদিবস পর ২৬ জুলাই শেয়ারটির দর উঠে ২৫ টাকা ১০ পয়সায়। দরবৃদ্ধির হার ৪৯ শতাংশ। জুনের শুরুতে কয়েকজন এ কোম্পানির বিপুল পরিমাণ শেয়ার ক্রয় করেন। শেয়ারটির হঠাৎ এবং অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, বাজারে এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছে যে, অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) গত বছরের তুলনায় সাড়ে তিনগুণ হচ্ছে। বাস্তবে তাই হয়েছে। গত ২৬ জুলাই প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংকের প্রথম ছয় মাসেরইপিএস সাড়ে তিনগুণ বেড়ে ২ টাকা ১১ পয়সায় উন্নীত হয়েছে।একইচিত্র দেখা গেলো বীমা খাতের প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ক্ষেত্রে। গত ২১ জুলাই বীমা কোম্পানিটির শেয়ার সর্বনিম্ন ৭৮ টাকায় কেনাবেচা হয়। মাত্র আট কার্যদিবসে শেয়ারটির দর বেড়েছে সাড়ে ৫২ শতাংশ। শেয়ারটির দর বেড়েছে লভ্যাংশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে। গত ২৯ জুলাই কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় গত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৭ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করা হয়। এ সভাটির খবর আনুষ্ঠানিকভাবে কোম্পানিটি গত ২৬ জুলাই প্রকাশ করে। এর কয়েকদিন আগেই খবরটি শেয়ারবাজারে চলে আসে। এর ভিত্তিতেই শেয়ার কিনেছেন অনেকে। কেবল ইসলামী ব্যাংক বা প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স নিয়ে এমন দরবৃদ্ধির ঘটনাই প্রথম নয়। বরং প্রতি মাসেই বিভিন্ন কোম্পানির ক্ষেত্রে এমন কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে।শীর্ষ এক মার্চেন্ট ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, দেশের শেয়ারবাজারে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ রয়েছে এমন মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ডিলারের সংখ্যা প্রায় ১০০। এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড ও ব্যক্তি শ্রেণীর কয়েকজন বড় বিনিয়োগকারী রয়েছে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের বিষয়ে এদের মৌলিক দক্ষতা নেই বললেই চলে। ফলে এরা প্রায়ই সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন তালিকাভুক্ত কোম্পানির মূল্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ ও শেয়ার ক্রয় করে। ২০০৯-১০ সালে এটি খুবই সাধারণ বিষয় ছিল। এখনও তা বন্ধ হয়নি।কমিশনের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান সমকালকে বলেন, মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নিয়ে কারসাজিমূলক লেনদেন প্রমাণ করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। বিষয়টি কমিশনের জন্য উদ্বেগের। কমিশন চেষ্টা করছে নতুন সার্ভিল্যান্স সফটওয়্যারে সকল ইনসাইডারের (যারা মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জানতে পারে) তথ্য সংযুক্ত করতে। এক্ষেত্রে প্রমাণযোগ্য তথ্য না পেলে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্ভিল্যান্স বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রায় প্রতি মাসেই কারসাজিমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্যসহ ৪-৫টি প্রতিবেদন কমিশনে পাঠানো হয়। এর সিংহভাগেরই আর কোনো তদন্ত হয় না। সিভিও পেট্রোক্যামিকেল কোম্পানির শেয়ার কারসাজির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ কারসাজির সঙ্গে কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা জড়িত রয়েছেন, এমন প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে কোম্পানিটির কার্যালয় ও কারখানা পরিদর্শনের উদ্যোগ নেয় ডিএসই। কিন্তু বিএসইসির এক কমিশনার সরাসরি হস্তক্ষেপে তা আটকে যায়। এরপর এর কারসাজিমূলক লেনদেনের তথ্য কমিশনে পাঠানো হয়। পরে শেয়ারবাজারে এ খবর ফাঁস হলে অনেকটা বাধ্য হয়েই কমিশন তদন্ত কমিটি করে। পরে কমিটি অনিয়মের প্রমাণ পেলে আর্থিকজরিমানা করলেও কোম্পানিটির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। Source : সমকাল  
  • ‘এ’ ক্যাটাগরিতে জাহিন স্পিনিং
    স্টক এক্সচেঞ্জে ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানি জাহিন স্পিনিং লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পনিটির নিট মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৩৬ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ১২ টাকা ৯৮ পয়সা।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইতে এর দর বাড়ে ৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ বা ৯০ পয়সা। দিনভর দর ২৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ২৭ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৭ টাকা ৭০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সমাপনী দর ছিল ২৭ টাকা ৭০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ২৬ টাকা ৮০ পয়সা। এদিন ৭০৭ বারে কোম্পানিটির মোট ১৩ লাখ ৪৪ হাজার ২২৬টি শেয়ারের লেনদেন হয়।গত এক মাসে এ শেয়ারের সর্বনিম্ন দর ছিল ২০ টাকা ৩০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৭ টাকা ৭০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ১৬ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৭ টাকা ২৭০ পয়সা।সার্ভিল্যান্স রেটিং অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদে এ কোম্পানির ঋণমান ‘ট্রিপল বি ২’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। এর অর্থ ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বিবেচনায় মোটামুটি মানের কোম্পানি এটি। কোম্পানির ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ (সিআরএবি)।প্রসঙ্গত, জুনে কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ১৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকার যন্ত্র আমদানির ঘোষণা দেয় জাহিন স্পিনিং। নতুন যন্ত্র চালুর পর কারখানার দৈনিক সুতা উৎপাদন ক্ষমতা ৪ হাজার ২৪০ কেজি বাড়বে। এতে বার্ষিক মুনাফা প্রায় ৪ কোটি টাকা বা ৫৫ শতাংশ বাড়বে বলে আশাবাদী কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ।এর আগে জানুয়ারিতে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে শেয়ারবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলন করে জাহিন স্পিনিং। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের ইস্যুমূল্যও ছিল ১০ টাকা।কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন ৬৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৪৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৩৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং বাকি ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।   Source : বনিক বার্তা
  • শেয়ারবাজারে লেনদেন বেড়েছে ১৩শ কোটি টাকা
    শেয়ারবাজারে তারল্যপ্রবাহ বাড়ছে। গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গড় লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা। এ সময়ে প্রতিদিনের গড় লেনদেন হয়েছে ৬৭৬ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহে যা ছিল ৬৭৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ আলোচ্য সময়ে গড় লেনদেন বেড়েছে দশমিক ৪১ শতাংশ। জানা গেছে, ঈদের ছুটির কারণে আগের সপ্তাহে ৩ কার্যদিবস লেনদেন হয়েছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ৫ কার্যদিবস। এ হিসাবে আগের সপ্তাহের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৬৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে ২ হাজার ২১ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। আর গত সপ্তাহে তা বেড়ে ৩ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। ৩২৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫০টির, কমেছে ১৫৭টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এদিকে ডিএসই ব্রডসূচক ১৬ দশমিক ০৯ পয়েন্ট কমেছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ৪ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট। আর ডিএসইর শরিয়াহ সূচক কমেছে ৫ দশমিক ৩৬ পয়েন্ট। এদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন ২ হাজার কোটি টাকা কমেছে। সপ্তাহের শুরুতে বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা। সপ্তাহ শেষে তা কমে ৩ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। সপ্তাহজুড়ে লেনদেনের শীর্ষে ছিল লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। প্রতিষ্ঠানটির ১৯৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা মোট লেনদেনের ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। আগের সপ্তাহের তুলনায় কোম্পানির লেনদেন বেড়েছে ১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এ ছাড়া লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে : স্কয়ার ফার্মা, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, বেক্সিমকো ফার্মা, বেক্সিমকো, শাহজিবাজার পাওয়ার, অলিম্পিক এক্সেসরিজ, শাশা ডেনিমস, আরএকে সিরামিকস এবং এসিআই লিমিটেড।   Source : যুগান্তর
  • ইউনাইটেড এয়ারের ইজিএম বৃহস্পতিবার
    অনুমোদিত মূলধনের পাশাপাশি বিকল্প উপায়ে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির পরিকল্পনা অনুমোদনের জন্য ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শেয়ারহোল্ডারদের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আয়োজন করবে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বাংলাদেশ লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একমাত্র বিমান চলাচল কোম্পানিটি জুনে জানায়, বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের বাইরে নতুন শেয়ার ইস্যু করে পরিশোধিত মূলধন ৬২৪ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের পরিচালনা পর্ষদ। অভিহিত মূল্যে এসব শেয়ার মূলত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির চেষ্টা করা হবে।ইজিএমে অনুমোদিত মূলধন বর্তমান ১ হাজার কোটি থেকে বাড়িয়ে দেড় হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করবে পর্ষদ।প্রসঙ্গত, উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ন্যূনতম শেয়ার না থাকায় ইউনাইটেড এয়ার পুনঃগণপ্রস্তাবের (আরপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে আরো মূলধন উত্তোলনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। জ্বালানি অদক্ষ উড়োজাহাজ, আর্থিক সংকট ইত্যাদি কারণে ব্যবসায় আশানুরূপ ফলাফল দেখাতে পারছে না বেসরকারি বিমান সংস্থাটি। ২০১০ সালে তালিকাভুক্তির পর এখন পর্যন্ত শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ দেয়নি এ কোম্পানি।২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়। Source : বনিক বার্তা  
  • ১০% অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ দেবে শাশা ডেনিমস
    শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে শাশা ডেনিমস লিমিটেড। চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধের অনিরীক্ষিত ফলাফল বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। অন্তর্বর্তী লভাংশের জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ আগস্ট। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।অনিরীক্ষিত অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে বস্ত্র খাতের এ কোম্পানিটি জানুয়ারি-জুন সময়ে শেয়ারপ্রতি ২ টাকা ৬২ পয়সা আয় (ইপিএস) করেছে, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৭ পয়সা। আর বছরের দ্বিতীয় (এপ্রিল-জুন) প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১২ পয়সা।এদিকে প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, জানুয়ারি-মার্চ সময়ে কোম্পানিটির নিট মুনাফা হয়েছে ১১ কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৩২ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে নিট লোকসান ছিল ৫৬ লাখ ১০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ১২ পয়সা।এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৪ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় শাশা ডেনিমস। এ সময় নিট মুনাফা হয় ১৭ কোটি ৫১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ইপিএস ৩ টাকা ৬৪ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৫৯ টাকা ৩২ পয়সা।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে বৃহস্পতিবার শাশা ডেনিমস শেয়ারের দর দশমিক ৪৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৪৩ টাকা ৭০ পয়সা। দিনভর দর ৪২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৪৪ টাকা ৮৮ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। এদিন ৩ হাজার ৪৮৪ বারে এর মোট ৫৪ লাখ ৪৮ হাজার ১৭টি শেয়ারের লেনদেন হয়।প্রসঙ্গত, গত ৫ মার্চ দেশের উভয় শেয়ারবাজারে একসঙ্গে লেনদেন শুরু হয় বস্ত্র খাতের এ কোম্পানিটির। এর আগে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা দরে শেয়ার ইস্যু করে বাজার থেকে মোট ১৭৫ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করে তারা। এ অর্থ ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও আইপিওর খরচ খাতে ব্যয় করার ঘোষণা দেয় কোম্পানি।শাশা ডেনিমসের অনুমোদিত মূলধন ২২৫ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ১১২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, রিজার্ভ ২২২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ২৭ লাখ ৮৭ হাজার ৬৩০টি। এর মধ্যে ৪৬ দশমিক ২৮ শতাংশ এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রতিষ্ঠান ৭ দশমিক ৮৪ এবং বাকি ৪৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত ১২ দশমিক ২, প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে যা ৮ দশমিক ৪১-এ নেমে এসেছে। Source : বনিক বার্তা  
  • অ্যাক্টিভ ফাইনের অর্ধবার্ষিক ইপিএস বেড়েছে ৪৫%
    প্রথমার্ধে অ্যাক্টিভ ফাইন কেমিক্যালস লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সর্বশেষ প্রকাশিত অনিরীক্ষিত অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে ওষুধ ও রসায়ন খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি জানুয়ারি-জুন সময়ে ১ টাকা ৬১ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ টাকা ১১ পয়সা।দ্বিতীয় (এপ্রিল-জুন) প্রান্তিকে অ্যাক্টিভ ফাইন শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ৭৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪৯ পয়সা। এর আগে প্রথম প্রান্তিকে এর সমন্বয়-পরবর্তী  ইপিএস ছিল ৮২ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ৬৩ পয়সা।বছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির নিট পরিচালন নগদপ্রবাহ ছিল ২ টাকা ৬৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৩৪ পয়সা।২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ২৬ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ ও বাকি ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়া হয় বোনাস শেয়ার হিসেবে। তখন কোম্পানিটির ইসিএস ছিল ৪ টাকা ২৬ পয়সা।এদিকে সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার ডিএসইতে অ্যাক্টিভ ফাইন শেয়ারের দর কমেছে দশমিক ৮১ শতাংশ। সেদিন ৬১ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন শুরু হয়ে শেষ হয় ৬১ টাকা ৪০ পয়সায়। সারা দিনে ৭৭৮ বারে এ কোম্পানির মোট ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৯১৬টি শেয়ার হাতবদল হয়।২০১০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১২৩ কোটি টাকা। শেয়ার সংখ্যা ১২ কোটি ৩০ লাখ ৪০ হাজার; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ১২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে বাকি ৬২ দশমিক ১১ শতাংশ শেয়ার।সবশেষ নিরীক্ষিত মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১৪ দশমিক ৩৯, প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ১৮ দশমিক ৬৯। ৩০ জুন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৮৭ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • সহজে মিলছে ব্যাংকঋণ : পুঁজিবাজারে আগ্রহ নেই উদ্যোক্তাদের
    ব্যাংক থেকে খুব সহজে ঋণ পাওয়া যায় বলে উদ্যোক্তারা সেখান থেকেই ঋণ গ্রহণ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। অথচ ব্যাংকের অর্থায়ন অনেক বেশি ব্যয়সাপেক্ষ। পুঁজিবাজার থেকে অর্থায়ন সস্তা হলেও উদ্যোক্তারা এখান থেকে তা নিতে আগ্রহী হচ্ছেন না। অন্যদিকে যারা বাজার থেকে টাকা নেন, তারাও আবার সঠিকভাবে ব্যবহার করেন না। এতে পুঁজিবাজার অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী। শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদ মিলনায়তনে পুঁজিবাজার নিয়ে তিন মাসব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে পুঁজিবাজার কাক্সিক্ষত অবদান রাখতে পারেনি। এর উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলো পুঁজিবাজার থেকে  কোনো উদ্যোক্তাকে টাকা নিতে হলে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। এজন্য ভালো কোম্পানি বাজারে আসতে চায় না। একইসঙ্গে ভালো কোম্পানি বাজারে আনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে তেমন ভূমিকা নেই। তিনি বলেন, ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে সৃষ্টি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। দুটি ধসই এড়ানো যেত। কিন্তু তা করা যায়নি। ২০১০ সালের ধসে শুধু ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরাই নন, বড় বিনিয়োগকারী ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ আবদুল হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে আজাদ চৌধুরী।বিএসইসির সাবেক এ চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দুটি দুর্যোগ হওয়ার পরও আমরা তা থেকে এখনও শিক্ষা নিতে পারিনি। পুঁজিবাজারধসে বাজার মধ্যস্থতাকারীদের বড় ধরনের ভূমিকা ছিল। পুঁজিবাজার যখন চাঙা ছিল তখন অনেক মিউচুয়াল ফান্ড বাজারে এসেছিল। এখন সে ফান্ডগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। অধিকাংশ ফান্ডের দর এখন অভিহিত মূল্যের নিচে। শুধু তাই নয়, সম্পদ মূল্যের নিচেও অবস্থান করছে। মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউসগুলোর মার্জিন লোনের কয়েক হাজার কোটি টাকা আটকে রয়েছে, এটা সবাই জানেন। অথচ এ সমস্যা উত্তরণে কেউ কোনো কাজ করছেন না।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, ২০১০ সালে এক দিনেই সূচকের ৫০০ পয়েন্ট পতন হয়েছিল। এটা অবশ্যই পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়। সে বিপর্যয়ের পর সরকারের পক্ষ থেকে অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে বাজার ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার দিকে ফিরে এসেছে।প্রফেসর মোঃ আবদুল হাকিম বলেন, দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে না পারলে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বাজার সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। ড. মিজানুর রহমান বলেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণের মাধ্যমে যাতে একজন বিনিয়োগকারী বিনিয়োগের সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু বলেন, প্রশিক্ষণে পুঁজিবাজার বিটের ১৫ সাংবাদিক অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকরা বিনিয়োগকারীদের কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছে দিতে সক্ষম হবেন। প্রসঙ্গত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একাডেমিক ইনোভেশন ফান্ড (এআইএফ) ও বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় পুঁজিবাজার বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড সিস্টেম ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট।প্রশিক্ষণের সহযোগী হিসেবে রয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ), ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস ও ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ)।  Source : আলোকিত বাংলাদেশ   
View All
Latest DSE News
  • TOSRIFA

    The Company has further informed that a meeting of the Board of Directors will be held on August 10, 2015 at 3:30 PM to notify the AGM venue, date and record date for the financial year ended on December 31, 2014.

  • RUPALIINS

    Quazi Moniruzzaman, one of the Sponsors/Directors of the Company, has further reported that he has completed his buy of 30,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • SEBL1STMF

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Trustee of the Fund has informed that a meeting of the Trustee of the Fund will be held on August 10, 2015 at 3:30 PM to consider, among others, audited financial statements of the Fund for the year ended on June 30, 2015.

  • NLI1STMF

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Trustee of the Fund has informed that a meeting of the Trustee of the Fund will be held on August 10, 2015 at 3:30 PM to consider, among others, audited financial statements of the Fund for the year ended on June 30, 2015.

  • CENTRALINS

    Mir Rahmat Ali, one of the Sponsors of the Company, has further reported that he has completed his transfer of 1,55,024 shares of the Company to his son Mir Jahanzeb Ali, by way of gift outside the trading system of the Exchange as announced earlier.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ISLAMIBANK 26.40 24.00 2.40 10.00
BEACHHATCH 19.80 18.00 1.80 10.00
BDWELDING 26.00 23.90 2.10 8.79
GEMINISEA 346.70 318.80 27.90 8.75
BDLAMPS 164.00 152.30 11.70 7.68
LIBRAINFU 364.60 339.00 25.60 7.55
TALLUSPIN 19.50 18.20 1.30 7.14
LEGACYFOOT 25.80 24.10 1.70 7.05
APEXFOOT 356.10 333.00 23.10 6.94
APOLOISPAT 23.20 21.70 1.50 6.91

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297