Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar
Parallel Trend Lines 2 Amibroker AFL 11-Feb

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
RENWICKJA 567 347.1 219.90 63.35
EXIM1STMF 8.4 6.2 2.20 35.48
NTLTUBES 101.9 81.6 20.30 24.88
ECABLES 173.8 143.8 30.00 20.86
ZEALBANGLA 11.6 9.7 1.90 19.59
8THICB 78.4 67.9 10.50 15.46
MONNOSTAF 496.4 430.2 66.20 15.39
BSC 388.8 337.3 51.50 15.27
WATACHEM 152.3 133 19.30 14.51
HAKKANIPUL 53 46.7 6.30 13.49

Contest SB2016_Jul

1st
blank_person
CCHANDAN
2nd
blank_person
IMRANKSL
3rd
blank_person
RUHAN363
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BRACBANK 61.5 58.9 3.17198 2311630.00
SQURPHARMA 267.4 265.5 2.03461 666524.00
EBL 29.1 28 1.32767 81694.00
BERGERPBL 2180 2153.2 1.06720 2493.00
OLYMPIC 333.7 330.6 1.01368 172845.00
Negative impact
GP 281.1 284.7 -8.34765 419664.00
LAFSURCEML 70.9 73.9 -5.98308 1801760.00
UPGDCL 144.5 148.8 -2.68004 884289.00
ICB 107.5 108.9 -1.52137 63722.00
RAKCERAMIC 58.3 59.5 -0.69414 530199.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
SQURPHARMA 267.4 269 265.3 0.72% 178.50
BSRMLTD 163.5 167.2 163 0.25% 144.55
BRACBANK 61.5 62.7 59.3 4.41% 140.22
ISLAMIBANK 31.4 32 31 0.96% 136.43
UPGDCL 144.5 150.1 143 -2.89% 129.50
LAFSURCEML 70.9 73.8 70 -4.06% 128.59
GP 281.1 285.9 265 -1.26% 118.32
ACMELAB 114.9 115.9 114.6 -0.43% 110.87
MJLBD 103.1 103.7 102.7 0.39% 86.17
DBH 111.3 113 110.5 -0.63% 75.72

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 28 Jul 2016

96957
TOTAL TRADE
90.0067
TOTAL VOLUME(Mn)
3755.80
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • শীর্ষ তিনজন ঋণগ্রহীতার হাতে ২৫ ব্যাংকের ভাগ্য
    ডেস্ক রিপোর্ট : শীর্ষ ঋণগ্রহীতাদের হাতে ঝুলছে দেশের ২৫টি ব্যাংকের ভাগ্য। এসব ব্যাংকের শীর্ষ তিনজন করে ঋণগ্রহীতা খেলাপি হলে ঝুঁকিতে পড়বে ব্যাংকগুলো। কারণ ওই তিনজন করে ঋণগ্রহীতার খেলাপির বিপরীতে মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হবে এই ২৫টি ব্যাংক। একইভাবে শীর্ষ ৭ ও ১০ ঋণগ্রহীতা খেলাপি হলে ২৯টি ও ৩৫টি ব্যাংক মূলধন সংরক্ষণ করতে পারবে না। এ হিসাব বাংলাদেশ ব্যাংকের। মার্চভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোর সংকটকালীন সহনক্ষমতা পরীক্ষা বা স্ট্রেস টেস্টিং পরীক্ষা করে এ তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা পর্যালোচনা প্রতিবেদনেও তা তুলে ধরা হয়েছে। মূলত শীর্ষ গ্রহীতাদের কাছে বড় অঙ্কের ঋণ পুঞ্জীভূত থাকায় এ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে। ব্যাংকগুলোর সংকটকালীন সহনক্ষমতা পরীক্ষায় ঋণঝুঁকি, বাজারঝুঁকি ও তারল্যঝুঁকি—এ তিন ধরনের ঝুঁকি পরীক্ষা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণঝুঁকির বিষয়ে বলা হয়েছে, খেলাপি ঋণ ৩ শতাংশ বাড়লে ৮ ব্যাংক ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হবে। আর খেলাপি ঋণ ৯ শতাংশ বাড়লে ২৩টি ও ১৫ শতাংশ বাড়লে ৩২টি ব্যাংক মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হবে। এ ছাড়া ঋণের বিপরীতে ঋণগ্রহীতারা যেসব সম্পদ ব্যাংকের কাছে জামানত রাখেন সেই সম্পদের মূল্য কমে গেলে কয়েকটি ব্যাংক প্রয়োজনীয় মূলধন সংরক্ষণ করতে পারবে না। জামানতের সম্পদমূল্য ১০ শতাংশ কমলে ৪টি ব্যাংক মূলধন সংরক্ষণ করতে পারবে না। একইভাবে ২০ ও ৪০ শতাংশ করে জামানতের সম্পদমূল্য কমলে যথাক্রমে ৫ ও ৭টি ব্যাংক মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হবে। ব্যাংকিং হিসাবে খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে তিনটি ধাপ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে নিম্নমান, সন্দেহজনক ও মন্দ ঋণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের স্ট্রেস টেস্টিংয়ে বলা হচ্ছে, খেলাপি ঋণের এ তিন ধাপের মধ্যে কোনো একটি ধাপ নিচে নেমে গেলে দেশের সবগুলো ব্যাংক মূলধন সংরক্ষণে হিমশিম খাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরীক্ষার তথ্য বলছে, খেলাপি ঋণের ধাপ ৫ শতাংশ অবনমন হলে ৪ ব্যাংক মূলধন সংরক্ষণ করতে পারবে না। একইভাবে খেলাপি ঋণের ধাপ ১০ ও ১৫ শতাংশ অবনমন হলে যথাক্রমে ১১ ও ১৮টি ব্যাংক মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হবে। ব্যাংক খাতের স্ট্রেস টেস্টিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান ও ইস্টার্ণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী রেজা ইফতেখার বলেন, ব্যাংকগুলো কতটা চাপ নিতে পারবে, তা জানতেই এ পরীক্ষা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলো কী পরিমাণ ঝুঁকি নিচ্ছে তা পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আমাদের ঋণ কেন্দ্রীভূত না করে বিকেন্দ্রীকরণের জন্য বলা হচ্ছে। আলী রেজা ইফতেখার বলেন, একই খাত, একই ব্যক্তির কাছে যাতে বেশি ঋণ না যায়, সেদিকে নজর রাখতে বলা হচ্ছে। ঝুঁকি এড়াতে ব্যাংকগুলোকে ঋণ বিকেন্দ্রীকরণ করতেই হবে, এটাই ভালো চর্চা। ব্যাংক খাতের সার্বিক অবস্থা যাচাইয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের করা এ পরীক্ষায় বাজারঝুঁকির বিষয়ে বলা হয়েছে, সুদের হার ১, ২ ও ৩ শতাংশ কমলে যথাক্রমে ৫, ১০ ও ১৩টি ব্যাংক মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হবে। ব্যাংকগুলোর বাজারঝুঁকির ক্ষেত্রে তিন ধরনের ঝুঁকি উল্লেখ করা হয়েছে। সুদের হারজনিত ঝুঁকি ছাড়াও এ ক্ষেত্রে অন্য দুটি বাজারঝুঁকি হলো মুদ্রার বিনিময় হারজনিত ও সম্পদের মূল্যজনিত ঝুঁকি। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যাংক খাতের সম্পদমূল্য ১০, ২০ ও ৪০ শতাংশ কমলে ৩ থেকে ৪টি ব্যাংক মূলধন সংরক্ষণে ব্যর্থ হবে। এদিকে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ব্যাংক খাতে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। এ সময়ে ব্যাংকের ঋণ বেড়েছে। একইভাবে খেলাপি ঋণও বেড়েছে। ফলে এ সময়ে ব্যাংকের আয় কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন ব্যাংক থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, গত মার্চ শেষে ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ৫৯ হাজার ৪১১ কোটি টাকা। এ সময় পর্যন্ত ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপন করেছে ৪১ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা। ফলে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৪৮ কোটি টাকা। সরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোও খেলাপি ও অবলোপনে রয়েছে একই কাতারে।
  • বিপিও খাতে বছরে ২ লাখ কর্মসংস্থান হবে: জয়
    বিডিনিউজ : বাংলাদেশের বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতে ২০২১ সালের মধ্যে প্রতিবছর দুই লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। সরকারের এ মেয়াদে ২০১৮ সালের মধ্যে আইসিটি খাতে রপ্তানি আয় এক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে দুই দিনের ‘বিপিও সম্মেলন ২০১৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জয় এই আশার কথা শোনান। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ বাজার শক্তিশালী করতে না পারলে বিশ্ব বাণিজ্যে ভালো করা যাবে না। আমাদের স্থানীয় বিপিও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্র্যান্ডিং করতে হবে। স্থানীয় অভিজ্ঞতার আলোকে বিশ্ববাজারে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরতে এবারের বিপিও সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে ‘স্থানীয় অভিজ্ঞতা, বৈশ্বিক ব্যবসা।' বিপিও খাতে সরকারের সরাসরি সহযোগিতার কথা তুলে ধরে জয় বলেন, বাংলাদেশে এ খাতে প্রতিবছর প্রচুর কর্মী প্রয়োজন। এ জন্য আইসিটি বিভাগ ৪০ হাজার প্রযুক্তিবিদ তৈরির প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রতিবছর বিপিও খাতে দুই লাখ কর্মসংস্থান গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বিপিও খাতকে সহযোগিতা করতে দেশে ১০টি আইটি ট্রেনিং সেন্টার করা হবে, যাতে তরুণদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এ খাতে তাদের কাজে লাগানো যায়। প্রতি বছর দেশে ১০ হাজার কম্পিউটার সায়েন্স স্নাতক তৈরি হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এদের মধ্যে অনেকেই গুগল, ফেইসবুক বা মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, বর্তমানে প্রতিটি গ্রামের জনগণ সরকারি সেবা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফল, স্বাক্ষ্য, শিক্ষাসহ অন্যান্য তথ্যসেবা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নিতে পারছে। দেশে ছয় কোটির বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে, বর্তমানে ১০০ শতাংশ টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক রয়েছে। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে আইসিটি খাতকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। স্কুলের পাঠ্যবইয়ের ছাপা সংস্করণের পাশাপাশি এখন পিডিএফ সংস্করণ পাওয়া যাওয়ার কথা তুলে ধরে জয় বলেন, শিগগিরই পাঠ্যবইয়ের ই-বুক সংস্করণও পাওয়া যাবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক অনুষ্ঠানে বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যে ভালো করতে হলে বিপিও খাতকে দেশের বাজারেও শক্তিশালী করতে হবে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ ৩২ বিলিয়ন ডলার আয় করছে, যার মধ্যে শুধু গার্মেন্ট খাত থেকেই আসে ২৮ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানি বাণিজ্য থেকে এক বিলিয়ন ডলার আয় হয় এ রকম আর কোনো খাত আমাদের নেই। আমরা সে সুযোগটাই নিতে চাই। বিপিও খাতে প্রবৃদ্ধি প্রায় শতভাগ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিপিও থেকে আমরা ১৮০ মিলিয়ন ডলার আয় করছি। ২০২১ সালের মধ্যে আইসিটি খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার কাজ করছে তার মধ্যে শুধু বিপিও খাত থেকেই এক বিলিয়ন ডলার আয় করার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। ২০০৯ সালে বিপিও খাত ৩০০ কর্মী নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার কর্মী এ খাতে কাজ করছেন বলে জানান তিনি। দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতের অবস্থান ও সক্ষমতা তুলে ধরতে দ্বিতীয়বারের মতো এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(আইসিটি) বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করছে। এবারের আয়োজনে মোট ১০টি অধিবেশন ও দুইটি কর্মশালা হবে। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ২০ জন বিদেশি বক্তা এসব অধিবেশনে আলোচনায় অংশ নেবেন। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম ও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এডিএন টেলিকম লিমিটেড বিপিও সম্মেলন আয়োজনে সহযোগিতা করছে। সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও আছে সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেড, ঢাকা ব্যাংক, বিটিআরসি, এ-টু-আই ও বেসিস। অন্যদের মধ্যে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা আইটিইউ’র মহাসচিব হাউলিন ঝাউ; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ; বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং বাক্যের সভাপতি আহমাদুল হক সম্মেলনের উদ্বোধনী উনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
  • ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২টাকা ১৫ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ১১ পয়সা। এ সময়ে কোম্পানির এককভাবে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৩১ পয়সা। গত বছরের একই সময়েও ছিল ৩০ টাকা ৩১ পয়সা। তবে ৩মাসে ব্যাংকের ইপিএস গত বছরের তুলনায় অনেকটা কমে হয়েছে ১টাকা ৬৫ পয়সা। এর আগের বছরে ছিল ১টাকা ৮৬ পয়সা। পেছনের খবর : ইসলামী ব্যাংকের ইপিএস বৃদ্ধি, নতুন কমিটি গঠন
  • বাটার ইপিএস বৃদ্ধি, এক্সিম ব্যাংকের দ্বিগুণ
    স্টাফ রিপোর্টার : বাটা সু লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) গত ৬ মাসে বেড়ে হয়েছে ২৫ টাক‍া ৭৯ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ছিল ২০ টাকা ১৩ পয়সা। কোম্পানি সূত্রে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানা গেছে, বাটার ৩ মাসে ইপিএস ছিল ১৪ টাকা ১৮ পয়সা এবং গত বছরে একই সময়ে ছিল ৯ টাকা ১৪ পয়সা। একই সঙ্গে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ (এক্সিম) ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় দ্বিগুণ হয়েছে। গত ৬ মাসে ব্যাংকের আয় হয়েছে ৪৬ পয়সা। তবে গত বছরে একই সময়ে ছিল ২৩ পয়স‍া। এক্মিম ব্যাংকের বর্তমান সম্পদ মুল্য ১৮ টাকা ২৫ পয়সা এবং গত বছরে একই সময়ে ছিল ১৬ টাকা ৫০ পয়সা।
  • আমান কটনের আইপিও প্রসপেক্টাস জমা
    সিনিয়র রিপোর্টার : আমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠান আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) প্রসপেক্টাস নিয়ন্ত্রক সংস্থায় জমা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে এই প্রসপেক্টাস জমা করা হয়েছে বলে কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার সূত্রে জানা গেছে। আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের ঊর্ধতন কর্মকর্তা ফজলুর হক স্টক বাংলাদেশকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আমান কটন ফাইবার্স লিমিটেডের প্রসপেক্টাস জমা করা হয়েছে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহিত ৮০ কোটি টাকার মধ্যে ৪৯ কোটি আধুনিক মেশিনারি স্থাপনে ব্যয় করবে। এসব কথা বলেন আমান গ্রুপ অব কোম্পানির সিএফও মোকতার হোসেন। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আমান কটনের আইপিও অনুমোদন দিলে কোম্পানিটি টাকা উত্তোলন শুরু করবে। ইতোমধ্যে কোম্পানিটি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে আসতে ২৪ জুলাই সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে রোডশো সম্পন্ন করেছে। আমান কটনের প্রসপেক্টাস অনুসারে, কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৮০কোটি এবং অনুমোদিত মূলধন ২০০কোটি টাকা। বিস্তারিত দেখুন : আমান কটন ৮০ কোটি টাকা তুলবে
  • ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি করলো ডিএসইএক্স ইনডেক্স
    মেহেদী আরাফাত : টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী বুধবার ঢাকা শেয়ার বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়- ডিএসইএক্স ইনডেক্স লেনদেনের শুরু থেকেই বাড়তে থাকে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এবং লেনদেন উভয়ই বাড়তে থাকে কিন্তু দিন শেষে ডিএসইএক্স ইনডেক্স ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি  করে। আজকের ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক বাজারের রিভারসেলের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। ডিএসই এক্স ইনডেক্স ০.০৫ পয়েন্ট কমে ৪৫৩৮.২৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.০০১% কমেছে। TA বিশ্লেষকদের মতে ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক রিভারসেলের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। উনাদের মতে আগামীকালের ক্যান্ডেলস্টিক এজন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আগামীকালের ক্যান্ডেলস্টিক যদি বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক হয় তাহলে মার্কেট ভাল হতে পারে, আর যদি বেয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক হয় তাহলে মার্কেট খারাপ হতে পারে। সামনের সপ্তাহে বাজার একটু স্লো থাকতে পারে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৫০০ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৪৫৮৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৫৪.৩০ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৪৭.৮০। এম.এফ.আই কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে। ডিএসইতে ৯ কোটি ৬ হাজার ৭২৩ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৩৭৫.৫৭ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ২৯ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩২৩ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৯ টির, কমেছে ১৪৯ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা বেশী ছিল ২০-৫০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ১৭.৯২% বেশী। অন্যদিকে কমেছে ৩০০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৩২.১০% কম। অন্যদিকে ১০০-৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় ৬.০১% বেড়েছে। পিই রেশিও ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ২.৪৭% কমেছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ২০-৪০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৬.৩৫% বেড়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে এগিয়ে ছিল ‘বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ২৮.৩৪% বেশী ছিল। কমেছে ‘বি’  ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ১৮.৪৫% বেশী ছিল।
  • ‘বোর্ড মিটিংয়ে উপস্থিত থাকলেও এজিএমে থাকেন না’
    মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান :  শতকরা ১শ’ ভাগ পরিচালক কোম্পানির বিভিন্ন বোর্ড মিটিংয়ে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করে। কিন্তু বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম)  সব পরিচালক উপস্থিত থাকে না। এর পেছনের কারণটি হচ্ছে বোর্ড মিটিংএ উপস্থিত থাকলে কোম্পানির পরিচালকরা সম্মানি পান কিন্তু এজিএমে উপস্থিত থাকলে সম্মানি পান না। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভায়(এজিএম) সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানিটির পরিচালকদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেন। শেয়াহোল্ডাররা বলেন, ২০১৪ সালের মতো ২০১৫ সালেও একই রকম ডিভিডেন্ড দেয়ার অনুমোদন করেছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। ডিভিডেন্ড যেন একটি জায়গায় স্থির হয়ে আছে। অথচ ২০১২ ও ২০১৩ সালে ১২ শতাংশ ডিভিডেন্ড দেয়া হয়েছিল। কেন কোম্পানিটির ডিভিডেন্ডের পরিমাণ কমে যাচ্ছে তা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না। তারা বলেন, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স যদি সব দিক থেকে ভালো করে তবে ডিভিডেন্ডের দিক থেকে কেন পিছিয়ে থাকবে। আশা করি কোম্পানি এই বিষয়টি মাথায় রেখে আগামী বছর ডিভিডেন্ড ঘোষণা করবে। তারা আরও বলেন, সব বিভাগীয় শহরে এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের শাখা নেই। যদি সব বিভাগীয় শহরে শাখা থাকতো তবে কোম্পানির আয় আরও বৃদ্ধি পেতো। তাই যত দ্রুত সম্ভব বিভাগীয় শহরসহ যেসব জেলায় শাখা নেই সেসব জেলায় শাখা স্থাপন করতে হবে।
  • ‘এগিয়ে যাচ্ছে এশিয়া প্যাসিফিক’
    স্টাফ রিপোর্টার: সব দিক দিয়েই এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স এগিয়ে যাচ্ছে। আর এই এগিয়ে যাওয়ার পিছনে শেয়ারহোল্ডারদের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। যে কারণে শেয়ারহোল্ডারদের বিষয়টি কোম্পানি সব সময় মাথায় রাখার চেষ্টা করেছে। ভবিষ্যতেও মাথায় রাখার চেষ্টা করবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম)  কোম্পানির চেয়ারম্যান আফতাব উল ইসলাম এসব কথা বলেন। আফতাব উল ইসলাম বলেন, গত ৪ বছরে আমরা ১০ থেকে ১২ শতাংশ ডিভিডেন্ড দেয়ার চেষ্টা করেছি। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত অর্থবছরেও শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড দেয়ার অনুমোদন দিয়েছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। তিনি বলেন, আগামী বছর কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ডিভিডেন্ডের পরিমাণ বাড়ানোসহ আরও কিভাবে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় সেই চেষ্টাই করবে। চেয়ারম্যান আফতাব উল ইসলামের সভাপতিত্বে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান কাশমিরি কামাল, ওয়াহিদুল হক সিদ্দিকি, পরিচালক গাজি এ.জেট.এম শামিম, পরিচালক কাশফি কামাল, পরিচালক ময়নুল হক সিদ্দিকি, মো: শাহজাহান মিয়া প্রমূখ।
  • বিনিয়োগে ঝুঁকছে বড় করপোরেটরা
    ডেস্ক রিপোর্ট : জমি, গ্যাস ও বিদ্যুতের নিশ্চয়তায় বিনিয়োগের জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চলের দিকে ঝুঁকছে বড় করপোরেটরা। এর মাধ্যমে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে তারা। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) থেকে এরই মধ্যে প্রাক-যোগ্যতা (প্রি-কোয়ালিফিকেশন) লাইসেন্সও নিয়েছে এ ধরনের বেশকিছু বড় করপোরেট। লাইসেন্স নেয়ার অপেক্ষায় আছে আরো কিছু প্রতিষ্ঠান। বেজার তথ্য অনুযায়ী, সাতটি শিল্প গ্রুপ এরই মধ্যে প্রি-কোয়ালিফিকেশন লাইসেন্স সংগ্রহ করেছে। এগুলো হলো— এ কে খান, আবদুল মোনেম, আমান, মেঘনা, বে, মাইশা ও ইউনাইটেড গ্রুপ। বৃহস্পতিবার লাইসেন্স সংগ্রহের কথা রয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের। দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করবে শিল্প গ্রুপটি। বেজার তথ্য অনুযায়ী, প্রাক-যোগ্যতা লাইসেন্স গ্রহণকারী সাত প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত বিনিয়োগ করেছে ৪৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩ হাজার ৫৬৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। অধিকাংশ অর্থই খরচ হয়েছে জমি অধিগ্রহণ বাবদ। বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, বিনিয়োগের জন্য উদ্যোক্তারা যেসব সুযোগ-সুবিধা চান, তার প্রায় সবই বেজার মাধ্যমে নিশ্চিতের চেষ্টা করছে সরকার। এর মধ্যে আছে— শুল্কমুক্ত, নীতি, ইউটিলিটি ও সার্বিক অবকাঠামো সুবিধা। আবার বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘ প্রত্যাশিত ওয়ান স্টপ সেবাও নিশ্চিত করার পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে বিনিয়োগের জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চলকে গুরুত্ব দিচ্ছে দেশের প্রায় সব বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় লাইসেন্স নিয়েছে আবদুল মোনেম লিমিটেড। প্রাথমিকভাবে ১৯৭ একর জমির ওপর আবদুল মোনেম ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে বেজা। অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে ৬ কোটি ৬ লাখ ডলার বা ৫১৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা বিনিয়োগও করেছে আবদুল মোনেম লিমিটেড। জানতে চাইলে আবদুল মোনেম ইকোনমিক জোনের পরিচালক এ গফুর বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের শিল্প তথা ব্যবসা-বাণিজ্যে আরো পেশাদারিত্বের প্রয়োজন। এ কারণে পরিকল্পিত বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো এ ধরনের বিনিয়োগ পরিবেশের সুযোগ করে দিচ্ছে। অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায়ও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা মনে করছি। এসব কারণেই আমরাসহ দেশের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগ সম্প্রসারণে অর্থনৈতিক অঞ্চল বেছে নিচ্ছে। নারায়ণগঞ্জের পলাশিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় বেজার কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়েছে এ কে খান গ্রুপ। প্রাথমিকভাবে ২০০ একর জমির ওপর অর্থনৈতিক অঞ্চলটি প্রতিষ্ঠা করবে তারা। এরই মধ্যে শিল্প গ্রুপটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ২৭৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে বলে জানা গেছে। দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ। এর একটি মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় ৬৭ একর জমির ওপর এটি স্থাপনের লাইসেন্স দিয়েছে বেজা। এরই মধ্যে বিনিয়োগ হয়েছে ৩১২ কোটি টাকা। নারায়ণগঞ্জেরই মেঘনাঘাটে ৮০ একর জমির ওপর গ্রুপটি প্রতিষ্ঠা করছে মেঘনা ইকোনমিক জোন। এ অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে মেঘনা গ্রুপ এখন পর্যন্ত বিনিয়োগ করেছে ৪৩৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। নারায়ণগঞ্জে ৯০ একর জমির ওপর আমান ইকোনমিক জোন স্থাপনের লাইসেন্স পেয়েছে আমান গ্রুপ লিমিটেড। নারায়ণগঞ্জে এ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি স্থাপনে এরই মধ্যে ৫৩০ কোটি ৪০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছে তারা। বস্ত্র, নির্মাণ, কৃষিতে বিনিয়োগ থাকা এ গ্রুপের বার্ষিক টার্নওভার বর্তমানে ৪ হাজার কোটি টাকা। নারায়ণগঞ্জে অর্থনৈতিক অঞ্চলটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তা ১৫ হাজার কোটি টাকায় নিয়ে যেতে চায় শিল্প গ্রুপটি। আমান গ্রুপ লিমিটেডের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার রবিউল ইসলাম বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগে অবকাঠামো, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সুবিধার নিশ্চয়তা পাওয়া যায়। সার্বিক প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত বিনিয়োগ ধারণা বাস্তবায়নে আমরা অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করছি। সিমেন্ট, খাদ্য, মোড়কসহ বিভিন্ন শিল্প এ অঞ্চলে গড়ে তুলব আমরা। অন্য উদ্যোক্তারাও আমাদের অঞ্চলটিতে বিনিয়োগ করবে। মাইশা গ্রুপের অর্থনৈতিক অঞ্চল আরিশা ইকোনমিক জোন স্থাপন হবে ঢাকার বসিলায়। প্রাথমিকভাবে ৫০ একর জমির ওপর এটি স্থাপনের লাইসেন্স নিয়েছে গ্রুপটি। এটি স্থাপনে এরই মধ্যে বিনিয়োগ হয়েছে ১৩ কোটি ডলার বা ১ হাজার ১৪ কোটি টাকা। অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় বেজার প্রাক-যোগ্যতা সনদ পেয়েছে চামড়া ও ফুটওয়্যার খাতের বে গ্রুপ। অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য এরই মধ্যে তারা জমি নিয়েছে ৫৫ একর। এখন পর্যন্ত গ্রুপটি বিনিয়োগ করেছে ৬ কোটি ২০ লাখ ডলার বা ৪৮৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ইউনাইটেড গ্রুপের ইউনাইটেড সিটি ইকোনমিক জোনটি স্থাপিত হবে বিশেষায়িত আইটি পার্ক হিসেবে। এজন্য প্রাথমিকভাবে ২ দশমিক ৪৩ একর জমি নেয়া হয়েছে। দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের। বসুন্ধরা স্পেশাল ইকোনমিক জোন লিমিটেড নামে অর্থনৈতিক অঞ্চলটি প্রতিষ্ঠা করা হবে ২২৩ একর জায়গার ওপর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে। ইস্ট-ওয়েস্ট ইকোনমিক জোন লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করা হবে ২১৮ একর জমির ওপর। অর্থনৈতিক অঞ্চল দুটির জন্য আজ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাক-যোগ্যতা লাইসেন্স হস্তান্তর করবে বেজা। এছাড়া লাইসেন্স নেয়ার পরিকল্পনায় আছে আকিজ, সিটি, টিকে, বেঙ্গলসহ দেশের বড় করপোরেটরা। বেজা-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিনিয়োগের পাশাপাশি এর নিরাপত্তাকেও অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা। বেজাও নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাসম্ভব চেষ্টা করছে। ওয়ান স্টপ সার্ভিস থেকে শুরু করে সার্বিক ভৌত অবকাঠামো গড়ে তোলার বিষয়ে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে বেজার মাধ্যমে। এ কারণেই বিনিয়োগের জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনে আগ্রহী হয়ে উঠছে দেশের প্রায় সব প্রতিষ্ঠান। সক্ষমতার আলোকে এতে এগিয়ে থাকছে বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো। আগামী ১৫ বছরের মধ্যে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। অর্থনীতির চাকা গতিশীল করতে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এ ধারণা বাস্তবায়নে রয়েছে সরকারের সর্বোচ্চ তত্পরতা। আশির দশকে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ঈর্ষণীয় উন্নতি করেছে চীন। একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড ও ভারত। এদিকে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় এখনো দৃশ্যমান কিছু চোখে পড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক ড. জায়েদ বখ্ত। তিনি বলেন, সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশের প্রতিকূলতা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ধারণাকে জনপ্রিয় করছে। অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অন্যতম দুর্বলতা নির্বাচিত স্থানের পার্শ্ববর্তী ভৌত অবকাঠামো। এখন পর্যন্ত বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা যে ধরনের স্থান চাইছেন, তার বেশির ভাগই ঢাকার কাছাকাছি। সার্বিক সফলতা আসা এখনো সময়সাপেক্ষ।
  • আইসিবি অষ্টম মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণায় চমক
    স্টাফ রিপোর্টার : অষ্টম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি কমিটি ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণায় চমক দেখিয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় ১৭ টাকা ৪৩ পয়সা্ এবং সম্পদ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৭ টাকা ৩৬ পয়সা।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • পাঁচ দিন পর পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ল
    টানা পাঁচ কার্যদিবস পতনের পর মঙ্গলবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক (ডিএসই) ১ পয়েন্ট বেড়েছে। একই সঙ্গে এদিন আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।গত ১৯ জুলাই থেকে ডিএসইতে মূল্যসূচকের পতন শুরু হয়। এরপর পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইএক্স কমে ২২.৬৩ পয়েন্ট, যা গড়ে প্রতিদিন ৪.৬৩ পয়েন্ট কমে। তবে মঙ্গলবার ০.৯৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৫০.১৬ পয়েন্টে।মঙ্গলবার ডিএসইতে ৪৪৮ কোটি ১৬ লাখ টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ সোমবার ছিল ৩৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার। এদিন ডিএসইতে ৩২৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১১৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১৪৬টির দর কমেছে, ও ৬৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার। কোম্পানিটির ২৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা গ্রামীণফোনের ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লিন্ডে বিডি। লেনদেনে এরপর রয়েছে : ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, একমি ল্যাবরেটরিজ, বিএসআরএম লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, স্কয়ার ফার্মা, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, ব্র্যাক ব্যাংক।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পারিগুলো হলো : হাক্কানী পাল্প, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর, এটলাস বাংলাদেশ, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, উসমানিয়া গ্লাস, এক্সিম ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, লিগ্যাসি ফুটওয়ার ও ৭ম আইসিবি।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ইভিন্স টেক্সটাইল, প্রগতি লাইফ, সামাতা লেদার, ফাস্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড, ন্যাশনাল পলিমার, ইস্টার্ন ক্যাবলস, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ, রিজেন্ট টেক্সটাইল, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ও ন্যাশনাল ফিড মিলস লিমিটেড।এদিকে মঙ্গলবার অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স মূল্যসূচক ২.৬৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫২০.৬৮ পয়েন্টে, যা আগের দিন ০.১৪ পয়েন্ট বেড়েছিল।এদিন সিএসইতে আর্থিক লেনদেন হয়েছে ২৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার। যার পরিমাণ আগের দিন ছিল ১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৮টি ইস্যুর মধ্যে দর বেড়েছে ৯৮টির, কমেছে ১১১টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ইসলামী ব্যাংক, একমি ল্যাবরেটরিজ, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড, বিএসআরএম লিমিটেড, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, গ্রামীণফোন, তিতাস গ্যাস, বেক্সিমকো ও বেক্সিমকো ফার্মা।   Source : জনকণ্ঠ
  • আইপিও ব্যয় কমানোর পরামর্শ
    শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ তথা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) ব্যয় কমানোর পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার ঘোষিত মুদ্রানীতিতে এ পরামর্শ দেয়া হয়। গবর্নর ফজলে কবির সকালে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) জন্য এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।কর্পোরেট তথা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে সহজে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে সে বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরও বেশি সহায়ক ভূমিকা পালনের জন্যও পরামর্শ দেয়া হয় মুদ্রানীতিতে। মুদ্রানীতিতে পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক নেতিবাচক ধারার কিছু পরিসংখ্যান উল্লেখ করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) বিপরীতে পুঁজিবাজারের মূলধনের অনুপাত ছিল ১৫ দশমিক ০৪ শতাংশ, যা মে মাসে ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশে নেমে আসে। একই সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্য-আয় অনুপাত ১৫ দশমিক ২২ থেকে ১৪ দশমিক ৩৩ এ নেমে আসে।তবে বেশ আশার কথাও শুনিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, সরকার বেসরকারী খাতে পেনশন চালুর জন্য দীর্ঘমেয়াদী পেনশন সঞ্চয় প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে। এর জন্য একটি পেনশন ফান্ড রেগুলেটর গঠন করা হবে। এটি সফলভাবে চালু হলে তা মুদ্রা ও পুঁজিবাজারকে সহায়তা করবে। দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় থেকে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে অর্থায়ন করা যাবে সহজেই। মুদ্রানীতি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য সরাসরি পুঁজিবাজার নিয়ে কোন কথা বলেননি গবর্নর ফজলে কবির বা কোন ডেপুটি গবর্নর। প্রশ্নোত্তর পর্বেও এ নিয়ে কোন প্রশ্ন ছিল না। তাই পুঁজিবাজার সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর কী কী ভাবনা আছে, তা জানা যায়নি।   Source : জনকণ্ঠ
  • মুদ্রানীতির পর ডিএসইর সূচক বেড়েছে ১ পয়েন্ট
    আগামী ছয় মাসের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। তবে মুদ্রানীতির ফলে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা আশান্বিত হতে পারেননি। ফলে সূচকে তেমন কোন উন্নতি হয়নি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক বেড়েছে প্রায় ১ পয়েন্ট। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক হবে এমন কোন কিছু নেই মুদ্রানীতিতে। ফলে বাজারে তেমন কোন প্রভাবও পড়েনি। তবে পুঁজিবাজারের জন্য মুদ্রানীতির চেয়েও এখানে আস্থা বাড়ানোই বেশি জরুরী বলে মনে করেন তারা।একাধিক মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে এখন বড় সমস্যা হলো আস্থার সংকট। তাই আস্থার সংকট কাটাতে হবে। এজন্য তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর হিসাবায়নে স্বচ্ছতা আনা এবং লভ্যাংশ দেয়ার প্রবণতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ভালো কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে নিয়ে আসতে হবে। আর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ দিতে হবে।ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক শূন্য দশমিক ৯৮ পয়েন্ট বেড়েছে। আর লেনদেন হয়েছে ৪৪৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা। যা আগেরদিন ছিল ৩৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এদিন ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার। কোম্পানিটির ২৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা গ্রামীণফোনের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। াার তৃতীয় স্থানে থাকা লিন্ডে বিডির শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। লেনদেনে এরপর রয়েছে ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, একমি ল্যাবরেটরিজ, বিএসআরএম লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, স্কয়ার ফার্মা, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন এবং ব্র্যাক ব্যাংক। এদিন অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স মূল্যসূচক ২ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫২০ পয়েন্টে।   Source : ইত্তেফাক
  • ডিএসইতে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে
    টানা পাঁচ কার্যদিবস পতনের পরে গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ০.৯৮ পয়েন্ট বেড়েছে। একইসঙ্গে এদিন আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। ডিএসই'র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।গত ১৯ জুলাই থেকে ডিএসইতে মূল্যসূচকের পতন শুরু হয়। এরপরে পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইএক্স কমে ২২.৬৩ পয়েন্ট। যা গড়ে প্রতিদিন ৪.৬৩ পয়েন্ট কমে। তবে গতকাল ০.৯৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৫০.১৬ পয়েন্টে। গত সোমবার (২৫ জুলাই) ১.৮৯ পয়েন্ট, রোববার (২৪ জুলাই) ১.৮৫ পয়েন্ট, বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) ০.৭৭ পয়েন্ট, বুধবার (২০ জুলাই) ২.৩৮ পয়েন্ট ও মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) ১৪.৮৩ পয়েন্ট কমেছিল।এর আগের কার্যদিবসে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের মিশ্র প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন উভয় বাজারে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দরপতন হয়েছে। দিন শেষে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন বাড়লেও অন্য বাজার সিএসইতে তা কমেছে। এ নিয়ে ডিএসইতে টানা পঞ্চম দিন মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। এ সময় ডিএসই'র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ২২.৬৩ পয়েন্ট। যা ৫ দিনের গড়ে প্রতিদিন ৪.৬৩ পয়েন্ট কমেছে। গত ১৯ জুলাই থেকে ডিএসইতে মূল্যসূচকের পতন শুরু হয়েছে। ওইদিন লেনদেনের শুরুতে ডিএসই'র মূল্যসূচক ছিল ৪৫৭১.৮১ পয়েন্ট। যা গতকাল ১.৮৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৫৪৯.১৮ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে ৩৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ রোববার ছিল ৩৩৮ কোটি ৮৪ লাখ টাকার। এদিন ডিএসইতে ৩২৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১১৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১৫১টির দর কমেছে ও ৬২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।গতকাল ডিএসইতে ৪৪৮ কোটি ১৬ লাখ টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ সোমবার ছিল ৩৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার। এদিন ডিএসইতে ৩২৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১১৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১৪৬টির দর কমেছে ও ৬৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার। কোম্পানিটির ২৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা গ্রামীণফোনের ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লিন্ডে বিডি। লেনদেনে এরপর রয়েছে ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, একমি ল্যাবরেটরিজ, বিএসআরএম লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, স্কয়ার ফার্মা, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, ব্র্যাক ব্যাংক।এদিকে গতকাল অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স মূল্যসূচক ২.৬৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫২০.৬৮ পয়েন্টে। যা আগের দিন ০.১৪ পয়েন্ট বেড়েছিল। এদিন সিএসইতে আর্থিক লেনদেন হয়েছে ২৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার।   Source : সংবাদ
  • লেনদেন স্থগিত, সপ্তম আইসিবির আজ
    আজ বুধবার লেনদেন স্থগিত রাখবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচ্যুয়াল ফান্ডখাতের কোম্পানি সপ্তম আইসিবি মিউচ্যুয়ালফান্ড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র মতে, আজ সপ্তম আইসিবির বে-মেয়াদে রূপান্তরসংক্রান্ত রেকর্ড ডেট। আর এ কারণে লেনদেন স্থগিত রাখবে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে এ কোম্পানির লেনদেন যথানিয়মে চলবে।   Source : ভোরের কাগজ
  • ১১ কোম্পানির বোর্ডসভার তারিখ ঘোষণা
    বোর্ডসভার তারিখ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১১ কোম্পানি। এগুলো হলো উত্তরা ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, প্রিমিয়াম ব্যাংক, এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স, ফাস্ট ফাইন্যান্স, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স এবং ঢাকা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিগুলো ঢাকা স্টক একচঞ্জে লিস্টিং রেগুলেশন ১৬(১) ধারা অনুযায়ী বোর্ডসভাটি করবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।উত্তরা ফাইন্যান্স : আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স : আগামী ৩১ জুলাই রোববার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স : আগামী ৩০ জুলাই শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।প্রিমিয়াম ব্যাংক : আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স : আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল : আগামী ২৯ জুলাই শুক্রবার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স : আগামী ৩০ জুলাই শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স : আগামী ৩০ জুলাই শনিবার বিকেল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।ফাস্ট ফাইন্যান্স : আগামী ৩১ জুলাই রোববার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স : আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।ঢাকা ইন্স্যুরেন্স : আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।সভায় কোম্পানিগুলো ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি প্রকাশ করবে।   Source : ভোরের কাগজ
  • বড় মূলধনি কোম্পানির মূল্য বৃদ্ধি
    দেশের শেয়ারবাজারে গতকাল মঙ্গলবার লেনদেন বেড়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এদিন লেনদেন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৪৮ কোটি টাকা। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ কোটি টাকা। তবে দুই বাজারে গতকাল সূচকের বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হয়নি।ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স মঙ্গলবার দিন শেষে ১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৫০ পয়েন্টে। টানা পাঁচ কার্যদিবস সূচক কমার পর গতকাল ডিএসইএক্স ১ পয়েন্ট বেড়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচকটি এদিন ১২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৭ পয়েন্টে।মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাজারে বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। যার কারণে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন সত্ত্বেও সূচক সামান্য বেড়েছে।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বাজারে গতকাল লেনদেনের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল গ্রামীণফোন। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একমাত্র মুঠোফোন কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম এদিন সাড়ে ৩ শতাংশ বা ৯ টাকা ৩০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮০ টাকায়। এদিন ডিএসইতে এককভাবে কোম্পানিটির প্রায় ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। লেনদেনের দিক থেকে গতকাল ডিএসইতে শীর্ষ অবস্থানে ছিল বেক্সিমকো ফার্মা। এককভাবে এদিন কোম্পানিটির প্রায় ২৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার সমমূল্যের শেয়ার লেনদেন হয়। তবে দিন শেষে বেক্সিমকো ফার্মার প্রতিটি শেয়ারের দাম ৭০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭ টাকা ৩০ পয়সায়।ঢাকার বাজারে গতকাল ৩২৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৪৬টির দাম কমেছে, বেড়েছে ১১৫টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৬৪টির দাম। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন আগের দিনের চেয়ে ৫৩ কোটি টাকা বেড়েছে।   Source : প্রথম আলো 
  • ৩০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে আইপিডিসি
    কোম্পানির আর্থিক চাহিদা মেটাতে ৩০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টিবল জিরো কুপন বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি (আইপিডিসি) অব বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ বছর মেয়াদি এ বন্ডের সব ইউনিট প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। এ পরিকল্পনায় সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনুমোদন প্রয়োজন হবে।৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি। নিরীক্ষিত প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৫ সালে আইপিডিসির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৬০ পয়সা। ২০১৪ সালের জন্য কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়। তখন সমন্বয়-পরবর্তী ইপিএস ছিল ১ টাকা ৩১ পয়সা।এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-মার্চ) আইপিডিসি ১ টাকা ১৯ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে; আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৫৫ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৫২ পয়সা।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, প্রায় চার মাস দর সংশোধনের পর এপ্রিলের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আইপিডিসির শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ডিএসইতে সর্বশেষ ২৭ টাকা ৩০ পয়সায় আইপিডিসির শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১৫ টাকা ৮০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৩৩ টাকা।ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে আসে ২০০৬ সালে। এর অনুমোদিত মূলধন ৪০০ কোটি, পরিশোধিত মূলধন ১৫১ কোটি ৫০ লাখ ও রিজার্ভ ৭৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা। উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে বর্তমানে কোম্পানির ৫১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ শেয়ার, সরকারের হাতে ২১ দশমিক ৮৮, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১১ দশমিক ৩২ ও বাকি ১৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে।সর্বশেষ নিরীক্ষিত মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে আইপিডিসি শেয়ারের মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত ১৭ দশমিক ৩; হালনাগাদ অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ১৭ দশমিক ১৯।উল্লেখ্য, গত বছর কোম্পানিটির মালিকানা কাঠামোয় বড় পরিবর্তন এসেছে। প্রতিষ্ঠাকালীন বিদেশী উদ্যোক্তা আগা খান ফান্ড ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টের কাছ থেকে এ প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ শেয়ার কিনে নেয় স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক, আয়েশা আবেদ ফাউন্ডেশন ও আরএসএ ক্যাপিটাল। এ পরিবর্তন কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য পূরণে সহায়ক হবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।   source : Bonik Barta
  • পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত শিথিল হচ্ছে
    তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত শিথিল হচ্ছে। বর্তমান বিধি অনুযায়ী, উদ্যোক্তা পরিচালকদের এককভাবে কোম্পানির ন্যূনতম ২ শতাংশ এবং সম্মিলিতভাবে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে হয়। জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে মূলত বড় মূলধনি কোম্পানির জন্য বিধিটি শিথিল করতে যাচ্ছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আকারের ভিত্তিতে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত আরোপের কথা বলা হয়েছে। সুপারিশ অনুসারে, ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণে আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে। অর্থাত্ এসব কোম্পানির প্রত্যেক পরিচালককে সর্বনিম্ন ২ শতাংশ এবং উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে হবে।আর ২০০ কোটি থেকে ৪৯৯ কোটি টাকা পর্যন্ত পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির পরিচালকদের জন্য এককভাবে ন্যূনতম ১ দশমিক ৫ শতাংশ ও সম্মিলিতভাবে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ২০ শতাংশ শেয়ার ধারণের বাধ্যবাধকতা প্রস্তাব করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ অনুযায়ী, ৫০০ কোটি থেকে ৯৯৯ কোটি টাকা পর্যন্ত পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির পরিচালকদের এককভাবে ন্যূনতম ১ শতাংশ ও উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে অন্তত ১৫ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে হবে। আর হাজার কোটি অথবা এর বেশি পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির পরিচালকদের ন্যূনতম দশমিক ৫ শতাংশ ও উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ন্যূনতম ১০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে হবে।নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিএসইসি এখন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করছে। এরই মধ্যে খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। সেখানেও স্বতন্ত্র (ইনডিপেনডেন্ট) ও পদাধিকারবলে নিযুক্ত (এক্স অফিসিও) পরিচালকদের ক্ষেত্রে এ বাধ্যবাধকতা থাকছে না। তবে মনোনীত পরিচালকদের ক্ষেত্রে তিনি যে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করছেন, এর হাতের কোম্পানির ন্যূনতম শেয়ার থাকতে হবে। কোনো মালিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে যদি দুজন পরিচালক মনোনয়ন দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হাতে কোম্পানির আবশ্যক শেয়ারের দ্বিগুণ শেয়ার ধারণ করতে হবে।কমিশন সূত্র আরো জানায়, শেয়ার ধারণের শর্তে পরিবর্তন আনতে এরই মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেলের মতামত চেয়েছে বিএসইসি। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের মতামত পেলেই তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্তে পরিবর্তন এনে নতুন নির্দেশনা জারি করবে বিএসইসি।প্রসঙ্গত, ২০০৯ ও ২০১০ সালে চাঙ্গা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির অনেক উদ্যোক্তা-পরিচালক হাজার হাজার কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করে দেন। ধস-পরবর্তী সময়ে দরপতন দীর্ঘায়িত হয়। এ সময়ও স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রায় প্রতিদিনই উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা আসতে থাকে। এ অবস্থায় বিক্রয়চাপ প্রশমনে কমিশন তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বিক্রি রোধে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিএসইসি। সে সময় অর্থ মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির বৈঠকেও পরিচালকদের শেয়ার বিক্রিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপের সুপারিশ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সালের ২২ নভেম্বর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত বেঁধে দিয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নির্দেশনা জারি করে বিএসইসি। পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের জন্য ছয় মাস সময় বেঁধে দেয়া হয়।২০১১ সালে নির্দেশনাটি জারির পর থেকেই বিভিন্ন কোম্পানি, বিশেষ করে ব্যাংকের পরিচালকরা ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত থেকে ব্যাংকগুলোকে অব্যাহতি দেয়ার দাবি জানান। পরিশোধিত মূলধন তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ব্যাংকগুলোকে অব্যাহতি দেয়ার দাবি ছিল তাদের। এমনকি সে সময় কয়েকটি ব্যাংকের পরিচালকরা বিএসইসির বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলাও করেন। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় হেরে গিয়ে পর্ষদের সদস্যপদ ছাড়তে হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পরিচালকদের।বাজার-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ন্যূনতম শেয়ার ধারণ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি যে সুপারিশ করা হয়েছে, তাতে ব্যাংক পরিচালকরা বেশি লাভবান হবেন। বর্তমানে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ বাণিজ্যিক ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৮০০ কোটি টাকার বেশি। এটি কার্যকর হলে দশমিক ৫ থেকে ১ শতাংশ শেয়ার থাকলেই কোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালক পদের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।এ প্রসঙ্গে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণে আন্তর্জাতিক কোনো মানদণ্ড নেই। যদিও আমাদের দেশে এটি করা হয়েছিল। এখন যদি শেয়ার ধারণের শর্তে পরিবর্তন আনা হয়, তাহলে যারা আগে এ শর্তের কারণে পরিচালক পদ হারিয়েছিলেন তারা বিএসইসির বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন। এতে বিএসইসি নতুন করে জটিলতায় পড়তে পারে। আমি মনে করি, উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার ধারণে ন্যূনতম সীমা বেঁধে দেয়ার চেয়ে কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও স্বচ্ছতা আনতে বিএসইসির বেশি মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। কারণ বিশ্বে এমন অনেক খ্যাতনামা কোম্পানি রয়েছে, যেগুলোয় উদ্যোক্তা পরিচালকদের নামমাত্র শেয়ার রয়েছে। তবে স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে সেসব কোম্পানি ভালো মুনাফা করছে।উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২১ মে ন্যূনতম শেয়ার ধারণের প্রজ্ঞাপনটির কার্যকারিতা শুরু হয়। এর প্রায় চার মাস পর ২০ সেপ্টেম্বর ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত পূরণে ব্যর্থ পরিচালকদের পদ শূন্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। সে সময় ২০৯টি কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার ধারণ-সম্পর্কিত দেয়া তথ্য থেকে দেখা যায়, এসব কোম্পানিতে মোট পরিচালকের সংখ্যা ২ হাজার ৯৬। এর মধ্যে ৮৫০ জনই স্বতন্ত্র বা মনোনীত কিংবা পদাধিকারবলে পরিচালক। আর ৯১১ জন পরিচালকের নিজ কোম্পানির ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার ছিল। এছাড়া তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর অন্তত ৩৩৫ জন পরিচালকের ২ শতাংশ শেয়ার না থাকায় পদ ধারণ করা বেআইনি হয়ে পড়ে। এর মধ্যে অন্তত ৩০০ জন পরিচালককে পরবর্তী সময়ে পদ ছাড়তে হয়েছিল। এছাড়া ন্যূনতম শেয়ার ধারণের ব্যর্থতায় পরিচালক-স্বল্পতায় সে সময় ১৪টি কোম্পানি কোরাম সংকটে পড়ে।সে নির্দেশনার কারণে অনেক উদ্যোক্তা শেয়ার বিক্রি করতে পারেননি। বিশেষ করে যেসব কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের সম্মিলিত শেয়ার ৩০ শতাংশের নিচে ছিল, সেসব কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকরা কোনো শেয়ার বিক্রি করতে পারেননি, যা এখনো বহাল রয়েছে। সেসব কোম্পানির ক্ষেত্রে রাইট শেয়ার ইস্যু কিংবা রিপিট পাবলিক অফারের (আরপিও) মাধ্যমে পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোতেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। source : bonik barta
  • বন্ধ ৭০ হাজার বিও হিসাব
    বেঁধে দেয়া সময়ে নবায়ন ফি জমা না দেয়ায় শেয়ারবাজারে ৭০ হাজার বেনিফিশারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্ট (হিসাব) বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ তালিকায় বিভিন্ন কোম্পানির ৬১টি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের (এনআরবি) ২ হাজার ৮৫১টি হিসাব রয়েছে। বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের সুপারিশে এ সিদ্ধান্ত নেয় ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে শেয়ার সংরক্ষণকারী কোম্পানি সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিও নবায়নের শেষ সময় ছিল ৩০ জুন। তবে ব্রোকারেজ হাউসগুলো বিনিয়োগকারীদের ২৫ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল। এরপরই হাউসগুলো থেকে বিও হিসাব বন্ধের তালিকা পাঠানো শুরু হয়। আর সর্বশেষ হিসাবে দেশের শেয়ারবাজারে মোট বিও হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ লাখ ৪৮ হাজার। সিডিবিএল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজারের স্বচ্ছতায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত ইতিবাচক।সূত্র জানায়, বর্তমানে বিও অ্যাকাউন্ট নবায়ন করতে ৫০০ টাকা লাগে। এর মধ্যে সিডিবিএল ১৫০ টাকা, হিসাব পরিচালনাকারী ব্রোকারেজ হাউস ১০০ টাকা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কমিশন (বিএসইসি) ৫০ টাকা এবং বিএসইসির মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ২০০ টাকা জমা হয়। আর এ খাত থেকে গত বছর সরকারকে ৮১ কোটি টাকা দিয়েছিল বিএসইসি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিডিবিএলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ব্রোকারেজ হাউস থেকে বন্ধের তালিকা পাঠানো হয়। এটি চলমান প্রক্রিয়া। এখানে সিডিবিএলের খুব বেশি কিছু করার নেই। তিনি আরও বলেন, যেসব বিও হিসাবে শেয়ার রয়েছে সেসব হিসাবের ট্রেড সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিও নবায়ন ফি জমা দিলেই হিসাবধারী ট্রেড করতে পারবেন। এজন্য তাকে কোনো জরিমানা দিতে হবে না। আর যেসব হিসাবে কোনো শেয়ার নেই সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।প্রতিবছর ৩০ জুনের মধ্যে এই ফি সিডিবিএলে জমা দিতে হয়। এ বছর ব্রোকারেজ হাউসগুলো বিনিয়োগকারীদের ২৫ জুন পর্যন্ত সময় দিয়েছিল। এরপরই নবায়ন ফি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করা শুরু হয়। আর ২৫ জুনের আগে শেয়ারবাজারে মোট বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ৩২ লাখ ১৮ হাজার। বর্তমানে তা ৩১ লাখ ৪৮ হাজার ২৩৪টি নেমে এসেছে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারী ২৯ লাখ ৮১ হাজার ৭১৬টি, প্রবাসী বাংলাদেশিদের ১ লাখ ৫৫ হাজার ৭৫২টি এবং বিভিন্ন কোম্পানি ১০ হাজার ৭৬৬টি। তবে সিডিবিএল সূত্র বলছে, ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দেয়া হলেও অলিখিতভাবে আরও কিছুদিন সময় রয়েছে। ফলে অ্যাকাউন্ট বাতিলের সংখ্যা আরও বাড়বে। গত বছর এ প্রক্রিয়ায় তারা ১ লাখ ৭২ হাজার বিও অ্যাকাউন্ট বাতিল করেছিল। তবে যেসব অ্যাকাউন্টে শেয়ার আছে, অথবা টাকা জমা আছে, ওই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেয়া হয়। এছাড়া বেশকিছু হাউস অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য সিকিউরিটি ডিপোজিট বা জামানত জমা দিয়েছে। ওসব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়নি। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ডিপোজিটরি (ব্যবহারিক) প্রবিধানমালা-২০০৩ এর তফসিল-৪ অনুযায়ী, বিও হিসাব পরিচালনার জন্য ডিপোজিটরি অংশগ্রহণকারী বা বিনিয়োগকারীকে নির্ধারিত হারে বার্ষিক হিসাবরক্ষণ ফি দিয়ে হিসাব নবায়ন করতে হয়। এর আগে পঞ্জিকা বর্ষ হিসেবে প্রতিবছর ডিসেম্বরে এই ফি জমা নেয়া হতো। তবে ২০১০ সালের জুন মাসে বিএসইসি বিও হিসাব নবায়নের সময় পরিবর্তন করে বার্ষিক ফি প্রদানের সময় জুন মাস নির্ধারণ করে। এ সময়ে বিও নবায়ন ফি ৩০০ থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়। এরপর বিএসইসির জারি করা ২০১১ সালের ১৮ এপ্রিল এক সার্কুলারে ৩০ জুনের মধ্যে বিও হিসাব নবায়নের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। না হলে তা বাতিল করা হবে বলে ওই সার্কুলারে বলা হয়েছিল।সিডিবিএলের তথ্য অনুসারে, সারাদেশে ৩১ লাখ ৪৮ হাজার ২৩৪টি বিও হিসাবের মধ্যে ঢাকায় ২৪ লাখ এবং ঢাকার বাইরে ৭ লাখ। কিন্তু গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ লাখ ৯১ হাজার ৫১৮টি সক্রিয় বিও পাওয়া গেছে। এগুলোতে শেয়ার আছে এবং এগুলো থেকে নিয়মিত লেনদেন হয়। এছাড়া ১১ লাখ ২৫ হাজার ২৩৩টি বিওতে কখনো কখনো শেয়ার থাকলেও গত বছরের জানুয়ারি থেকে তা শূন্য হয়ে যায়। ৪ লাখ ৮৪ হাজার ১০১টি বিও অ্যাকাউন্টে কখনই শেয়ার ছিল না। এসব বিও অ্যাকাউন্ট সাধারণত আইপিওর জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। লটারিতে কোনো শেয়ার বরাদ্দ পায়নি বলে এসব অ্যাকাউন্টে কোনো শেয়ার নেই। অন্যদিকে ঢাকায় বিও অ্যাকাউন্টের জন্য মেশিন রিডেবল হিসাব ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে।কিন্তু ঢাকায় ২৪ লাখ অ্যাকাউন্টের মধ্যে বেশকিছু অ্যাকাউন্টে মেশিন রিডেবল হিসাব নেই। সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারে আইপিও আবেদনের জন্য নামে-বেনামে প্রচুর বিও হিসাব খোলা হয়। একই ব্যক্তি এক থেকে দেড় শ' পর্যন্ত বিও হিসাব পরিচালনা করে। আর এসব বিওতে শুধু আইপিও আবেদন করা হয়। ২০০৯ সালের জুন পর্যন্ত বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ। কিন্তু ২০১০ সাল শেষে তা ৩৩ লাখ ছাড়িয়ে যায়। আর এ প্রবণতা রোধে বিও অ্যাকাউন্ট খুলতে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়।   source : Jai jai din
  • ডিএসইতে গত সপ্তাহে ১৯৩টি কোম্পানির দর কমেছে
    গত সপ্তাহের লেনদেনে দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫৯ শতাংশ বা ১৯৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে ডিএসইতে ৩২৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৫ শতাংশ বা ১১৪টি’র ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৭ শতাংশ বা ২২টি’র।ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৫ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৫৩ দশমিক ৭৮ পয়েন্টে। এছাড়া গত সপ্তাহে ডিএসই-৩০ সূচক ০ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট বেড়েছে ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট কমেছে। গত সপ্তাহের ৬ কার্যদিবসে ডিএসইতে ২ হাজার ৩৯৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। দৈনিক গড় হিসাবে এ লেনদেনের পরিমাণ ৩৯৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকার। মোট লেনদেনের ৮৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ০ দশমিক ৯০ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ১০ দশমিক ০৪ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ০ দশমিক ৪৮ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে লেনদেন হয়েছে।গত সপ্তাহের লেনদেনে ডিএসই’র মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত বেড়েছে ০ দশমিক ০৭ পয়েন্ট বা সপ্তাহের শুরুতে পিই ছিল ১৪ দশমিক ৮২, যা বর্তমানে রয়েছে ১৪ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে। এ সময়ে বাজার মূলধন বেড়েছে ০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসই’র বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ১৯ হাজার ৮১২ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২১ হাজার ২৮৪ কোটি টাকায়।গত সপ্তাহে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বিএসআরএম লিমিটেডের শেয়ার। এ সময়ে কোম্পানির ১১৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গত সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা একমি ল্যাবরেটরিজের লেনদেন হয়েছে ১১৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ। ১০৬ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। লেনদেনে এরপর রয়েছে যথাক্রমে-ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, শাহজিবাজার পাওয়ার, এজেএল বাংলাদেশ, বেক্সিমকো ফার্মা, স্কয়ার ফার্মা, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, গ্রামীণফোন।গত সপ্তাহে ব্যাংক খাতে ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে ১ দশমিক ৮১ শতাংশ, জ্বালানি-বিদ্যৎ খাতে দশমিক ৩৪ শতাংশ, পাট খাতে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাতে দশমিক ৫৪ শতাংশ, কাগজ খাতে ২ দশমিক ৯ শতাংশ, ট্যানারি খাতে দশমিক ৮০ শতাংশ, টেলিযোগাযোগ খাতে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ ও টেক্সটাইল খাতে দশমিক ৬৭ শতাংশ দর বেড়েছে।অন্যদিকে, সিমেন্ট খাতে দশমিক ৯৩ শতাংশ, সিরামিক খাতে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ, খাদ্য খাতে ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ, সাধারণ বিমা খাতে দশমিক ৫২ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে দশমিক ৪৪ শতাংশ, বিবিধ খাতে দশমিক ৬১ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ, ওষুধ-রসায়ন খাতে দশমিক ৯৪ শতাংশ, সেবা-আবাসন খাতে ২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ভ্রমণ-অবকাশ খাতে ৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ দর কমেছে।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহের সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের শেয়ারের। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারের দর বেড়েছে ৩০ দশমিক ৭২ শতাংশ। সপ্তাহ জুড়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় কোম্পানির এ দর বেড়েছে। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গত সপ্তাহে গড়ে প্রতিদিন রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের ২৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা অপর কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে- নর্দার্ন জুট ম্যানুফ্যাকচারিং-এর ১৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের ১৪ দশমিক ৯১ শতাংশ, ইস্টার্ন ক্যাবলসের ১২ দশমিক ৩৭ শতাংশ, বিএসআরএম লিমিটেডের ১১ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ওয়াটা কেমিক্যালের ১১ দশমিক ০৯ শতাংশ, এপেক্স ট্যানারির ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ, ন্যাশনাল টিউবসের ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ, অ্যাম্বি ফার্মার ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ, আনলিমা আর্ন ডাইং-এর ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ দর বেড়েছে।এদিকে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহের সবচেয়ে বেশি দর কমেছে ন্যাশনাল ফিড মিলের শেয়ারের। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারের দর কমেছে ১২ দশমিক ২৪ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় কোম্পানিটির এ দর কমেছে। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। লুজারের শীর্ষে থাকা অপর কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে-এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজম্যান্ট ফান্ডের ১২ দশমিক ১৭ শতাংশ, রিল্যায়েন্স ওয়ান দি ফার্স্ট স্কিম অব রিল্যায়েন্স ইন্স্যুরেন্স মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ১১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ, ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং-এর ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ, এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের ৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং-এর ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ দর কমেছে। source : Incilab
  • ডিএসইর পিই রেশিও বেড়েছে
    সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় পিই রেশিও বেড়েছে দশমিক ৭ পয়েন্ট বা দশমিক ৫০ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৪ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১৪ দশমিক ৮২ পয়েন্ট। বিশ্লেষকদের মতে, পিই রেশিও যতদিন ১৫ এর ঘরে থাকে ততদিন বিনিয়োগ নিরাপদ থাকে। সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক ট্রেইলিং পিই রেশিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৬ দশমিক ৯ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ২৫ দশমিক ২ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২০ দশমিক ২ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ১৬ দশমিক ৪ পয়েন্টে, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ৩৩ পয়েন্টে, জ্বালানি ও বিদ্যুত খাতে ১৩ দশমিক ৫ পয়েন্টে, সাধারণ বীমা খাতে ১০ দশমিক ৩ পয়েন্টে দাড়িয়েছে।    Source : জনকণ্ঠ
  • ব্লক মার্কেটে ৩১ কোটি টাকা লেনদেন
    সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ১৫টি কোম্পানি ও দুই মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার বা ইউনিট লেনদেন হয়েছে। কোম্পানি ও ফান্ড মিলে মোট ১ কোটি ২ লাখ ৮৭ হাজার ১৭টি শেয়ার বা ইউনিট লেনদেন করেছে। যার আর্থিক মূল্য ৩১ কোটি ৩ লাখ টাকা।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, আলোচিত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন করেছে মালেক স্পিনিং লিমিটেড। এই কোম্পানি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার লেনদেন করেছে। যার আর্থিক মূল্য ৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।ম্যাকসন স্পিনিং ২৫ লাখ শেয়ার লেনদেন করে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। কোম্পানিটি মোট ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে। ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড ও এনভয় টেক্সটাইল ১০ লাখ শেয়ার লেনদেন করে যৌথভাবে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে।ব্লক মার্কেটে লেনদেন করা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিক, ন্যাশনাল পলিমার, তিতাস গ্যাস, গ্রামীণফোন, ব্র্যাক ব্যাংক, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, রেনেটা, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা, জনতা ইন্স্যুরেন্স মিউচুয়াল ফান্ড ও এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।   Source : জনকণ্ঠ
View All
Latest DSE News
  • SIBL

    Mr. Abdul Awal Patwary, one of the Sponsors/Directors of the Company, has further reported that he has completed his buy of 2,97,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • GSPFINANCE

    (Q2 Un-audited): Consolidated EPS was Tk. 0.48 for April-June, 2016 as against Tk. 0.34 for April-June, 2015; Consolidated EPS was Tk. 0.93 for January-June, 2016 as against Tk. 0.55 for January-June, 2015. Consolidated NOCFPS was Tk. (2.37) for January-June, 2016 as against Tk. 3.38 for January-June, 2015. Consolidated NAV per share was Tk. 16.05 as of June 30, 2016 and Tk. 16.68 as of December 31, 2015.

  • FEDERALINS

    (Q2 Un-audited): EPS was Tk. 0.12 for April-June, 2016 as against Tk. 0.22 for April-June, 2015; EPS was Tk. 0.23 for January-June, 2016 as against Tk. 0.40 for January-June, 2015. NOCFPS was Tk. 0.13 for January-June, 2016 as against Tk. (1.95) for January-June, 2015. NAV per share was Tk. 11.50 as of June 30, 2016 and Tk. 11.27 as of December 31, 2015.

  • NORTHRNINS

    (Q2 Un-audited): EPS was Tk. 0.72 for April-June, 2016 as against Tk. 0.91 for April-June, 2015; EPS was Tk. 1.81 for January-June, 2016 as against Tk. 1.74 for January-June, 2015. NOCFPS was Tk. 0.43 for January-June, 2016 as against Tk. 1.18 for January-June, 2015. NAV per share was Tk. 20.27 as of June 30, 2016 and Tk. 20.77 as of June 30, 2015.

  • LAFSURCEML

    The Company has further informed that the new date of 18th AGM will be August 31, 2016 for the year ended on December 31, 2016. Time: 11:00 AM. Venue: RAOWA Convention Hall no. 1 (Helmet), VIP Road, Mohakhali, Dhaka-1206.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
8THICB 78.40 67.70 10.70 15.81
MONNOSTAF 496.40 456.50 39.90 8.74
RENWICKJA 567.00 527.50 39.50 7.49
MIDASFIN 17.80 16.60 1.20 7.23
MODERNDYE 157.90 147.90 10.00 6.76
WATACHEM 152.30 142.70 9.60 6.73
NTC 558.80 524.40 34.40 6.56
HRTEX 25.20 23.70 1.50 6.33
KOHINOOR 398.90 376.60 22.30 5.92
NORTHERN 271.30 256.80 14.50 5.65

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297