Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
BDWELDING 14.7 12.3 2.40 19.51
SAIFPOWER 67.4 57.3 10.10 17.63
ALLTEX 8.5 7.4 1.10 14.86
FASFIN 19.3 17 2.30 13.53
POPULARLIF 240.8 213.7 27.10 12.68
DESCO 69.6 62.6 7.00 11.18
RAHIMTEXT 353.3 318.9 34.40 10.79
SONALIANSH 132.9 120.3 12.60 10.47
SAMATALETH 23.3 21.2 2.10 9.91
SINGERBD 251.9 232 19.90 8.58

Contest SB2014_Oct

1st
blank_person
XMAN
2nd
blank_person
DHAKA1205
3rd
blank_person
ARIFUL_100
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 373.6 369.1 11.27430 710400.00
SQURPHARMA 279.9 272.8 7.30212 1033250.00
BATBC 2732.3 2704.2 3.12827 1350.00
KPCL 64.4 60 2.94950 4662000.00
ISLAMIBANK 28.7 27.9 2.38979 2279600.00
Negative impact
MARICO 1174.1 1186 -0.69551 2500.00
PRIMEBANK 20.7 21 -0.57297 347500.00
RAKCERAMIC 64.3 64.9 -0.37500 1312400.00
EBL 29.8 30 -0.22680 101000.00
RUPALIBANK 63.5 64 -0.19364 9900.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
MJLBD 147.8 148.9 145.1 1.93% 324.52
KPCL 64.4 65.9 61 7.33% 297.99
SQURPHARMA 279.9 282.5 274.3 2.60% 288.10
GP 373.6 375.8 369.8 1.22% 264.90
RSRMSTEEL 82.2 84.4 77.6 5.52% 250.14
TITASGAS 93.4 94 92.6 1.19% 223.13
IDLC 77.9 78.3 75.3 4.42% 194.18
BXPHARMA 68.7 69.3 65.7 5.37% 177.69
CITYBANK 22.9 23.2 22.3 2.69% 157.73
LAFSURCEML 133.4 134.5 128.5 3.98% 157.05

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 21 Oct 2014

126803
TOTAL TRADE
150.5263
TOTAL VOLUME(Mn)
6942.31
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • সর্বনিম্ন দরে ইউনাইটেডের শেয়ার
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের শেয়ার দর গত দুই বছর আগের অবস্থানে নেমে এসেছে। এয়ার কর্তৃপক্ষের বিশৃঙ্খলার কারণে গত দুই বছরের মধ্যে মঙ্গলবার এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা। সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ৮০ পয়সা বা ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ দর হারিয়ে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) টপটেন লুজার তালিকার দ্বিতীয় স্থানে নেমে আসে। মঙ্গলবার দিনভর এই শেয়ার ১০ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১০ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১০ টাকা ২০ পয়সায়। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরী পদত্যাগ করার পর চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে এয়ারওয়েজটির সব ফ্লাইট বন্ধ হয়ে গেলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। অন্যদিকে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রি করতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। ওই সময় এ শেয়ারের দর সার্কিট ব্রেকারের সর্বনিম্ন সীমায় চলে আসে।পরবর্তীতে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয় মোহাম্মদ মাহাতাবুর রহমানকে। আর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে রাখা হয়েছে ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরীকে ও ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন শাহিনুর আলম। অন্যদিকে গত ২৪ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর ইউনাইটেড এয়ারওয়েজে চরম বিশৃঙ্খল অবস্থা সৃষ্টির কারণ অনুসন্ধানে ইতিমধ্যে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের কার্যক্রম স্থগিত, পর্ষদ পুনর্গঠন এবং পুনরায় কার্যক্রম চালুসহ সম্প্রতি কোম্পানিটির বাণিজ্যিক পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত করবে বিএসইসি। ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে বিএসইসির পরিচালক আবুল কালামকে। অন্য দুই সদস্য হলেন- বিএসইসির সদস্য নজরুল ইসলাম ও আল মাসুম মৃধা।
  • বুধ ও বৃহস্পতিবার সিএসইর ইন্টারনেট ট্রেড ফেয়ার
    স্টাফ রিপোর্টার : দেশে ও দেশের বাইরের বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। এ লক্ষ্যে আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর ইন্টারনেট ট্রেড ফেয়ারের (আইটিএফ) আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে। এতে হাতে কলমে বিনিয়োগকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যেখানে উপস্থিত দর্শনার্থীদের জন্য প্রতিদিন ৫টি করে পুরস্কার থাকছে।মঙ্গলবার সিএসইর ঢাকা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ সাজিদ হোসেন। তিনি বলেন, ট্রেড ফেয়ারে আইপ্যাড, নোটপ্যাড ও স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেটে কিভাবে শেয়ার লেনদেন করা যাবে তা হাতে কলমে বিনিয়োগকারীদের শেখানো হবে। সৈয়দ সাজিদ বলেন, ২০১০ সালের ধসের পর থেকে এখন পর্যন্ত বাজারে বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ততা বাড়েনি। ফলে ট্রেড ভলিয়মও বেশি বাড়েনি। এ পরিস্থিতিতে লেনদেন বাড়াতে সিএসই এ উদ্যোগ নিয়েছে। মেলায় আগত বিনিয়োগকারী বা দর্শনার্থীদের জন্য দু’দিনই থাকছে ৫টি করে পুরস্কার। বিনিয়োগকারীরা মেলায় প্রবেশের সময় ১টি করে টিকেট পাবেন। এর মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে বিজয়ীদের পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রথম পুরস্কার হিসেবে থাকছে রবি প্যাকেজের ১টি স্মার্ট ফোন। এ ছাড়া ২য় পুরস্কার হিসেবে বাংলালায়ন মডেম, ৩য় গ্রামীণফোন মডেম, ৪র্থ পুরস্কার গ্রামীণফোন সিম ও ৫ম পুরস্কার হিসেবে থাকছে রবি সিম। সিএসই এমডি বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ডেরিভিটিভ মার্কেট চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কিন্তু তার আগে প্রয়োজন ক্লিয়ারিং করপোরেশন। যা বাস্তবায়ন সময়সাপেক্ষ। এ প্রেক্ষাপটে লেনদেনের গতি বাড়াতে এ মেলা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। মেলা উদ্বোধন করবেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম. এ মান্নান এমপি। এ ছাড়া মেলায় উপস্থিত থাকবেন বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন। মেলায় ১৭টি ব্রোকারেজ হাউস, ৩টি আইটি সল্যুশন কোম্পানি, ২টি টেলিকম কোম্পানি ও ২টি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) কোম্পানি অংশ নেবে।
  • দেশ গার্মেন্টসের সভা ২৮ অক্টোবর
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত দেশ গার্মেন্টসের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকের দিন ঘোষণা করা হয়েছে।  আগামী ২৮ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে এই বৈঠক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। বৈঠকে কোম্পানির ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। একই সাথে বৈঠকে আসতে পারে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ। কোম্পানিটি ২০১৩ সালে শেয়ারহোল্ডারদের  ৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ওই বছর শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ৮৮  পয়সা। দেশ গার্মেন্টস ১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির বর্তমান মূল্য আয় (পিই রেশিও) অনুপাত রয়েছে  ৮৮ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট।
  • ২০ লাখ শেয়ার বেচবে ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ফিনিক্স ফিন্যান্সের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোক্তা পরিচালক ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছে। কোম্পানিটি মোট  ২০ লাখ শেয়ার বিক্রি করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। আরও জানা যায়, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের কাছে ফিনিক্স ফিন্যান্সের মোট ১ কোটি ৫২ লাখ ৬৪ হাজার ১৬৩টি শেয়ার রয়েছে।  আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বিদ্যমান বাজার দরে  শেয়ার বিক্রয় করতে পারবে বিমা খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স।
  • ইসলামী ফিন্যান্সের আয় বেড়েছে
    ডেস্ক রিপোর্ট : ইসলামী ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে ৪১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই ১৪-সেপ্টেম্বর ১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদেনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ মাসে কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ১ কোটি ৩৪ লাখ  টাকা এবং ইপিএস ছিল ১২ পয়সা। উল্লেখ্য, গত ৯ মাসে (জানুয়ারি ১৪-সেপ্টেম্বর ১৪) কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৯১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ৭  কোটি ৩০ লাখ এবং শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল  ৬৩ পয়সা।
  • ন্যাশনাল ফিড নিয়ে শঙ্কিত বিনিয়োগকারী, ৪ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি
    স্টাফ রিপোর্টার :  বাংলাদেশের প্রাণিজ সম্পদ খাত তথা পোল্ট্রি খাতের এক ভয়াবহ ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বিভিন্ন রোগের কারণে বাংলাদেশে পোল্ট্রি খাতে প্রতিবছর প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বা ৪ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার এডিবি’র সদর দপ্তর ম্যানিলা থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ অবস্থা থেকে উত্তোরণে দক্ষিণ এশিয়ায় ২০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ (অনুদান) করবে এডিবি। এ তহবিলে সহায়তা দেবে জাপান সরকার। অ্যাভিয়ন ফ্লু’র প্রাদুর্ভাব কমিয়ে আনতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। প্রতি বছর এ রোগের কারণে কয়েক বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয় বলেও জানিয়েছে এডিবি। এডিবি’র অর্থায়নে পরিচালিত কার্যক্রমে ২০১৮ সালের মধ্যে অ্যাভিয়ন ফ্লু’র সংক্রামণ ৩০ শতাংশে নেমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এ তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর থেকে বিনিয়গকারীদের মধ্যে শঙ্কা দেখা গিয়েছে। কারন ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেডকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন দিয়েছে। আবেদন চলতি মাসের ২৬ অক্টোবর শুরু হয়ে শেষ হবে ৩০ অক্টোবর। তবে দেশের বাইরের বিনিয়োগকারীদের জন্য ৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। এসব ব্যাপারে ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেডের কোম্পানি সচিব আরিফুর রহমান জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আজকে ব্যস্ত আছি। আপনি ইন্টারভিউয়ের জন্য আগামীকাল দুপুরে ফোন দিয়ে আসুন। পরদিন তাকে ফোন দেয়া হলে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহের প্রথমেই আসুন। এরপর থেকে তাকে একাধিকবার অনেক সংবাদকর্মী ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে ১৮ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। উত্তোলিত অর্থে ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন বাড়ানো এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। ন্যাশনাল ফিড ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। উল্লেখ্য যে, পোল্ট্রি খাতে বছরে যেখানে ৪ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি সেখানে বিনিয়গকারীরা এখন আইপিওর আবেদন করবেন কিনা তা ভেবে দেখছেন । এছাড়াও বিনিয়গকারীরা বলছেন,আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড কীভাবে এসব কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে,তারা কি বিনিয়গকারী স্বার্থও বিষয়ে সচেতন না ?  পুজিবাজার বিশ্লেষকরা  এ বিষয়ে  বিনিয়গকারীদের সচেতন হবার পরামর্শ দিয়েছেন।
  • চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে অগ্রগতি
    ডেস্ক রিপোর্ট : চলতি অর্থবছরের (২০১৪-১৫) প্রথম তিন মাস অর্থাৎ জুলাই- সেপ্টেম্বরে দেশের মোট পণ্য রফতানি আয় হয়েছে ৭৬৯ কোটি ৫১ লাখ ডলার। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রফতানি আয়ের হালনাগাদ প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। তথ্য অনুযায়ী এই আয় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ কম। তবে তা গত অর্থবছরের চেয়ে দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয় ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। আর প্রথম দুই মাসে প্রবৃদ্ধি হয় ২ শতাংশ।এদিকে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশ থেকে ৬২৩ কোটি মার্কিন ডলারের তৈরি  পোশাক রফতানি হয়েছে। যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৫০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকার সমান। তৈরি পোশাক খাতের এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে মাত্র শূন্য দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি হলেও আলোচ্য সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তা ৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ কম। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী দেখা যায়, তৈরি পোশাকে সামান্য প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পাট ও পাটজাত পণ্য, টেরিটাওয়াল, প্রকৌশলী পণ্য, বিশেষায়িত টেক্সটাইল, হিমায়িত মাছসহ বেশকিছু পণ্যে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হওয়ায় সামগ্রিক রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কের ঘরে নেমে এসেছে। আলোচ্য সময়ে ৩০ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১২ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি। এই ৩০ কোটি ডলারের মধ্যে ১০ কোটি ৯২ লাখ ডলারের চামড়া, পাঁচ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য, ১৪ কোটি ডলারের পাদুকা রফতানি হয়েছে। এছাড়াও পাট ও পাটজাত পণ্যে ১৯ কোটি, হোম টেক্সটাইলে ১৮ কোটি, টেরিটাওয়ালে এক কোটি, বাইসাইকেলে তিন কোটি ৪৬ লাখ, প্লাস্টিকে দুই কোটি ৭৩ লাখ, প্রকৌশল পণ্যে আট কোটি ৩৪ লাখ ডলার রফতানি আয় হয়েছে।
  • ডিএসইতে ওয়েস্টার্ন মেরিন তালিকাভুক্ত
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেয়েছে জাহাজ ও অন্যান্য জলযান প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড। সোমবার অনুষ্ঠিত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে অনুমোদন দেয়া হয়। আগামী সপ্তাহের যেকোন দিন থেকে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন শুরু হবে বলে ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটিকে এখন প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) বরাদ্দপ্রাপ্তদের বিও হিসাবে শেয়ার জমা করে ডিএসইতে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দিতে হবে। এর পর কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করবে ডিএসইর ব্যবস্থপনা কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি প্রাথমিক গণ প্রস্তাব (আইপিও) শেষে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের অ্যালটমেন্ট লেটার বা বরাদ্দপত্র ও রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ করা হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর, সোমবার থেকে  ২০ সেপ্টেম্বর, শনিবার পর্যন্ত রিফান্ড বিতরণের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ব্যাংক রশিদের বিনিময়ে বরাদ্দপত্র এবং রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে রোববার এই তথ্য জানা গেছে। আইপিওর মাধ্যমে ওয়েস্টার্ন মেরিন ১৫৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। প্রতিষ্ঠানটি বাজারে সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার বিক্রি করেছে। আইপিওতে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতি শেয়ারের জন্য ৩৫ টাকা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করবে প্রতিষ্ঠানটি।কিছু টাকা ব্যয় হবে আইপিওর খরচ সংস্থানে।
  • অ্যালেক্সার রমরমা র‌্যাংকিং বাণিজ্য-সচেতন হন
    ডেস্ক রিপোর্ট : দেশে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অনলাইন নিউজ পোর্টাল। তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষতায় পাঠক চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় একের পর এক বাজারে আসছে নতুন অনলাইন মিডিয়া। কাগুজে পত্রিকাগুলোও পাঠক ধরে রাখতে অনলাইন সংস্করণে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে জোরেশোরে। বলতে গেলে দেশে এখন অনলাইন মিডিয়ার প্রতিযোগিতা চলছে। আর সে কারণে বিজ্ঞাপনের বাজার ধরতেও চলছে প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় নিজেদের র‌্যাংক বা পাঠকপ্রিয়তা প্রমাণ করতে এলেক্সা নামক এক নতুন অনুসঙ্গকে স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে প্রচার করছে বাংলাদেশের অনলাইন মিডিয়াগুলোর বেশিরভাগই, যদিও বিশ্বের অন্যান্য দেশে এলেক্সা এক ভুয়া ও প্রতারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইতিমধ্যেই পরিচিতি পেয়েছে। খবর শীর্ষ কাগজের সৌজন্যে। জানা গেছে, গত কয়েক মাসেই বাংলাদেশে চালু হয়েছে বেশ কিছু নতুন অনলাইন নিউজ পোর্টাল। আর নিউজ  পোর্টাল বেড়ে যাওয়ায় র‌্যাংকিংয়ে কে কার আগে যেতে পারবে তা নিয়েও চলছে নানা কৌশল আর প্রতিযোগিতা। এর কারণ, যে ওয়েবসাইট যত আগের র‌্যাংকে থাকবে তাদের পক্ষে বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করা সহজ হবে। বিজ্ঞাপনের রেটও বেশি হবে। তাই অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোর মধ্যে নিউজের পাশাপাশি চলে অ্যালেক্সা র‌্যাংকিং-এ এগিয়ে থাকার প্রতিযোগিতা। আর প্রতিযোগিতার এই মোক্ষম সুযোগকে কাজে লাগাতে ভুল করেনি ধান্ধাবাজ অ্যালেক্সা ডটকম। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রতি মাসে বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে অ্যালেক্সা ডটকমের প্রতিনিধিরা। অবাক করার মতো বিষয় হলো- বাংলাদেশের মাত্র দুটি ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোনো ওয়েবসাইটের পেজ ভিউয়ার অথবা কতজন পেজটিতে ক্লিক করেছে তার কোনো হদিস পাওয়া যায় না এই অ্যালেক্সা ডটকমে। অথচ শুধুমাত্র পেজ ভিউয়ার, ইউনিক ভিজিটর এবং সাইট লিংকিং-এর ওপরই নির্ভর করে পেজটির র‌্যাংকিং বা অবস্থান। প্রশ্ন হলো, অ্যালেক্সার কাছে যদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পেজ ভিউয়ার এবং ইউনিক ভিজিটর সংক্রান্ত তথ্য না-ই থাকে তাহলে কীভাবে এসব ওয়েব পোর্টাল প্রতিষ্ঠানের র‌্যাংকিং নির্ধারণ করছে অ্যালেক্সা? আরো মজার বিষয় হলো, গুগলে সার্চ দিয়ে অ্যালেক্সা ডটকম বের করা হয়। কিন্তু সেই গুগল এনালাইটিকস-এর কোনো গ্রহণযোগ্যতাই নেই বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে। আরো মজার বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ভিজিটররা সাধারণত গুগল বা গুগল ডটকম.ডটবিডি থেকেই অন্যান্য ওয়েবসাইট ব্রাউজ করেন। এমনকি অ্যালেক্সাও গুগল থেকে ব্রাউজ করা হয়। কিন্তু অ্যালেক্সা র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের তালিকায় সেই গুগলের র‌্যাংকই হচ্ছে তিন নম্বরে। আবার দেখা যাচ্ছে, অ্যালেক্সার র‌্যাংকিংয়ে তাদের নিজেদেরই কোনো স্থান নেই। বাংলাদেশে অ্যালেক্সার টপওয়েবসাইট তালিকায় অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নিউজ পোর্টালকে রাখা হয়েছে ৪০ এরো পরে। আর কমপক্ষে দুটি অখ্যাত নিউজ পোর্টালকে রাখা হয়েছে যথাক্রমে ২০ এবং ২৫-এর আগে। এক জরিপে দেখা গেছে, অ্যালেক্সা ডটকমে ১০ থেকে ২০-এর মধ্যে অবস্থানরত কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল-এর গুগল এনালাইটিকস-এর পেজ ভিউয়ার দেখাচ্ছে ৩২ হাজার থেকে ৩৫ হাজারের মধ্যে। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অ্যালেক্সা র‌্যাংকিংয়ে ৩০-এর বাইরে থাকা একটি নিউজ পোর্টালে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৩ লাখ পেজ ভিউয়ার দেখাচ্ছে। এতে বোঝাই যায়, অ্যালেক্সা র‌্যাংকিং কতটা ভুয়া!
  • পরিবেশবান্ধব ঢেউটিন বাজারজাত করবে এ্যাপোলো ইস্পাত
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢেউটিন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এ্যাপোলো ইস্পাত জার্মান প্রযুক্তির রেডিয়েন্ট টিউব ফারনেস (আরটিএফ) সমৃদ্ধ নন অক্সিডাইজডনির্ভর কন্টিনিউয়াস গ্যালভানাইজিং (সিজিএল) প্ল্যান্টের কাজ শুরু করেছে। নতুন এ প্রযুক্তি পরিবেশবান্ধব। প্ল্যান্ট স্থাপন প্রক্রিয়া শেষ হলে শিগগিরই উন্নত প্রযুক্তির ঢেউটিন বাজারজাত করবে এ্যাপোলো ইস্পাত। সোমবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ্যাপোলো ইস্পাতের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রহমান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এ সময় কোম্পানির চেয়ারম্যান দীন মোহাম্মদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনসার আলী, পরিচালক এম এ মজিদ, মোহাম্মদ রফিক, মহা-ব্যবস্থাপক (জিএম) মো. হাসান এস হান্নান, কোম্পানির পরামর্শক মো. শেখ সাদিসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় আবদুর রহমান বলেন, বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও কাঠামোগত ব্যবস্থার কিছু দুর্বলতার (গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি) জন্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সমস্যা হলেও এ্যাপোলো ইস্পাত সকল প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। আশা করছি, শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে। আলোচনার শেষে এ্যাপোলো ইস্পাতের চেয়ারম্যান দীন মোহাম্মদ সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, এ্যাপোলো ইস্পাতের সঙ্গে সাংবাদিকদের সব সময় যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে। কোম্পানিটির সার্বিক পরিস্থিতি ও বাণিজ্যিক অগ্রগতি অবহিত করা হবে। এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হওয়ার জন্য সকল সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন দীন মোহাম্মদ। এদিকে এ্যাপোলো ইস্পাত থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ধারাবাহিক অগ্রগতিতে রয়েছে এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড। তালিকাভুক্তির খুব কম সময় হলেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে লেনদেনে এগিয়ে এ্যাপোলো ইস্পাত। এ ছাড়া সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তির ঢেউটিন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সক্ষমতা বাড়াতে প্রতিনিয়তই নতুন উদ্যোগে যুক্ত হচ্ছে কোম্পানিটি। সম্প্রতি এ্যাপোলো ইস্পাত জাপানের বিখ্যাত স্টিল কোম্পানি ম্যারুবেনি-ইতোচুর সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়েছে। সাশ্রয়ী, উন্নত এবং মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহের লক্ষ্যে এ্যাপোলো ইস্পাত জার্মান প্রযুক্তির রেডিয়েন্ট টিউব ফারনেস (আরটিএফ) সমৃদ্ধ নন-অক্সিডাইজড ফার্নেসনির্ভর কন্টিনিউয়াস গ্যালভানাইজিং (সিজিএল) প্ল্যান্টের কাজ শুরু করেছে। পরিবেশবান্ধব এ প্রযুক্তি উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে ব্যবহার হচ্ছে। বাংলাদেশেও শিগগিরই এ প্রযুক্তির ঢেউটিন বাজারে আনছে কোম্পানিটি। বর্তমানে এ্যাপোলোর রয়েছে নিজস্ব কোল্ড রোল্ড প্ল্যান্ট। যার মাধ্যমে ঢেউটিনের মূল কাঁচামাল সিআর কয়েল উৎপাদিত হয় এবং আরও রয়েছে ঢেউটিন উৎপাদনের জন্য জাপানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত নিপ্পন ড্যানরোর দুটি কন্টিনিউয়াস গ্যালভানাইজিং প্ল্যান্ট (সিজিএল)। আগামীতে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হচ্ছে আরটিএফ নফ প্রযুক্তির প্ল্যান্ট। আরটিএফ নফ সমৃদ্ধ প্ল্যান্ট চালু হলে প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় দেশের ঢেউটিন জগতে মাইলফলক স্থাপন করবে এ্যাপোলো ইস্পাত। আরও কম খরচে ঢেউটিন প্রস্তুতের পাশাপাশি এর উৎপাদন বাড়বে ২০ শতাংশ। ২০১৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৫০ কোটি টাকা। এ্যাপোলো ইস্পাত আইপিওতে ১০ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ২২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। সংগৃহীত অর্থ থেকে ব্যাংক ঋণও পরিশোধ করেছে কোম্পানিটি। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১২ টাকা প্রিমিয়াম যোগ করে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ছিল ২২ টাকা। বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশের ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি। সম্প্রতি পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শেয়ারহোল্ডার বাছাইয়ের জন্য আগামী ২১ অক্টোবর রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে ও অন্য এজেন্ডা বাস্তবায়নে আগামী  ২১ ডিসেম্বর বেলা ১২টায় নরসিংদীর পাঁচদোনার চৈতাবো এলাকার ড্রিম হলিডে লিমিটেডে ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। বিগত অর্থবছরে এ্যাপোলো ইস্পাতের প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৪ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ৩১.৩৭ টাকা ও প্রতি শেয়ারে নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে (০.৭১) টাকা। অন্যদিকে সার্বিকভাবে ১ বছরে (জুলাই ২০১৩-মার্চ ২০১৪) কোম্পানিটির নিট মুনাফা হয়েছে ৩৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৮৪ পয়সা। তবে এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে মুনাফা হয় ৩৬ কোটি ২৩ লাখ ১২ হাজার টাকা। যা বিগত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৩ শতাংশ বেশি।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • বস্ত্র খাতের জন্য বাংলাদেশি কর্মী চায় তুরস্ক
    বর্তমান বিশ্বের অন্যতম দ্রুত প্রবৃদ্ধিশীল দেশ তুরস্ক। দেশটিতে অন্যান্য খাতের মতো তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতও বিকশিত হচ্ছে। সম্প্রতি এ খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে তুরস্কের পোশাক ও বস্ত্রশিল্প ব্যবসায়ীরা। দৈনিক হ্যাবারটার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইস্তাম্বুল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের (আইএইচকেআইবি) প্রধান হিকমত তানরিবার্দি জানান, বস্ত্র খাতে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মী তুরস্কে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, 'আমাদের কারখানাগুলোতে ন্যূনতম মজুরিতে কাজ করার জন্য তুর্কী কর্মী আমরা পাচ্ছি না। এদের বেশির ভাগই একই বেতনে সেবা খাতে কাজ করতে আগ্রহী। এ অবস্থায় সিরিয়ার কর্মীদের দিয়ে আমরা আপাতত কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এ খাতে আমাদের আরো শ্রমিক দরকার। এ জন্য ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে স্বস্তা শ্রমিক এনে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে।' তিনি বলেন, 'খুব দ্রুতই বাংলাদেশি শ্রমিক আনার ব্যাপারে আমরা ব্যবস্থা নেব।' তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরেই আমরা সিরিয়ার কর্মীদের নিয়োগ করছি। বিশেষ করে মারমারা অঞ্চলে সিরিয়া থেকে আগত কর্মীরা কাজ করে।' হুররিয়াত ডেইলি নিউজ।       Source :  কালের কণ্ঠ
  • গ্যাস বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করলে আন্দোলন
    অবিলম্বে গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা না হলে সর্বাত্মক আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা। গতকাল বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গ্যাসের দাম অযৌক্তিক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত এবং লুটেরাদের স্বার্থে বিদ্যুতের দাম অব্যাহত বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণসংহতি আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা এ ঘোষণা দেন। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য আবদুস সালাম, আবুল হাসান রুবেল, বাচ্চু ভুঁইয়া, জুলহাসনাইন বাবু, সৈকত মল্লিক, জান্নাতুল মরিয়ম প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, খাত নির্বিশেষে সমস্ত পর্যায়ে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত এবং গৃহস্থালি গ্যাসের দামের একলাফে ১২২ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এর প্রধান শিকার হবেন নগরের গরিব মানুষরা। তারা অবিলম্বে এই বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান। বক্তারা প্রাইভেটকারে কম মূল্যে গ্যাস ব্যবহারের সুযোগের সমালোচনা করে একে পেট্রল, অকটেনের দামের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করার প্রস্তাব দেন। তারা বলেন, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে সিলিন্ডারের গ্যাসের ব্যবসা যেসব প্রাইভেট কোম্পানিকে দেয়া হয়েছে তারাই লাভবান হবে।নেতারা এই গণবিরোধী ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী তৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সমাবেশ শেষে একটি মিছিল রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।      Source : মানব কণ্ঠ
  • দ্বিতীয় দিনেও পুঁজিবাজারে দরপতন
    প্রথম দিনের মতো সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনেও পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। এদিন কমেছে লেনদেন, সূচক ও বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম। শেয়ার বিক্রির চাপে দিনভর সূচক ওঠানামা শেষে গতকাল ঢাকার বাজারে সূচক কমেছে ৩২ পয়েন্ট আর চট্টগ্রামের বাজারে সূচক কমেছে ৯৬ পয়েন্ট।বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে নতুন বিও হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা, বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ, আইসিবির বড় অংকের শেয়ার বিক্রি গুজবের পাশাপাশি স্বাভাবিক মূল্য সংশোধনের কারণে পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। এ দরপতন বাজারের স্বাভাবিক নিয়ম। এতে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে বিনিয়োগকারীদের গুজবে কান না দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন, উত্থান-পতন পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক নিয়ম। কিছুদিন যাবত বাজার ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এতে কোনো কোনো বিনিয়োগকারী লাভে আছে। লাভের টাকা তুলে নেয়ার জন্য তারা বিক্রি করছে। তিনি বলেন, বাজারে একটা গুজব আছে নতুন বিও অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) লাগবে। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এখনো এটির কোনো সত্যতা মেলেনি। আর এটি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। কারণ এটি বিশ্বের সব জায়গায়তেই আছে।সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যদিয়ে গতকাল পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়ে চলে সোয়া ১১টা পর্যন্ত। এরপর শেয়ার বিক্রির চাপে শুরু হয় দরপতন। দিন শেষে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৪৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইএক্স শরিয়াহ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২০৭ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক আগের দিনের চেয়ে ২০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৯৬ কোটি টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৯০ কোটি টাকা কম। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০০টির, কমেছে ১৬৬টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২ কোম্পানির শেয়ারের।দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে ৯৬ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৮৯৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৬ কোটি টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৫টির, কমেছে ১৩৮টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২২ কোম্পানির শেয়ারের।লেনদেনের ভিত্তিতে গতকাল ডিএসইতে শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হলো তিতাস গ্যাস, এমজেএল বিডি, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, যমুনা অয়েল, গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মা, অ্যাপোলো ইস্পাত, আরএকে সিরামিকস, বেক্সিমকো লিমিটেড ও সাইফ পাওয়ার।    Source : মানব কণ্ঠ
  • ১০ দিন সময় পেলো ৩ ব্যাংক
    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একই পরিবার থেকে পরিচালক সংখ্যা দুইজনে নামিয়ে আনতে পারেনি বেসরকারি ৩ ব্যাংক। পরিচালক সংখ্যা কমিয়ে আনতে সময় প্রার্থনা করায় তাদেরকে ১০ দিনের সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৫ ধারার (১০) উপধারায় একই পরিবার থেকে একই সময়ে কোন ব্যাংকে দুইজনের অধিক পরিচালক না রাখার নির্দেশনা রয়েছে। এরপরও ন্যাশনাল ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক এ নির্দেশনা পরিপালন করেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত ১২ই অক্টোবর এ ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান বরাবর ব্যাংক কোম্পানি আইন পরিপালন না করার কারণ জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছিল।চিঠিতে বলা হয়, আগামী ৭ কর্মদিবসের অর্থাৎ ২০শে অক্টোবরের  মধ্যে এ নির্দেশনা কার্যকর করে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে হবে। সূত্রটি জানায়, শুধুমাত্র ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক একই পরিবারের পরিচালক সংখ্যা ২ জনে নামিয়ে এনেছে। বাকি তিনটি ব্যাংকের মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক ১ মাস এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক ৩ মাসের সময় প্রার্থনা করেছে। তাদেরকে ১০ দিনের সময় বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে এটি পরিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।      Source : মানবব্জমিন
  • কারখানা মেরামত হচ্ছে কিনা গভীর নজর ক্রেতাদের
    দেশের গার্মেন্ট কারখানার পরিদর্শনে বের হওয়া ত্রুটি এবং তা সংশোধনে কি ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা দেখতে গভীর নজর রাখছে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা। এ ছাড়া পরিদর্শনে কারখানার অগ্নি ও ভবনের কাঠামোগত ত্রুটি সমাধানে আগামীতে কি কি ব্যবস্থা নেয়া হবে সেটাও তারা জানতে চেয়েছেন। পাশাপাশি কারখানায় অগ্নি ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তাসামগ্রী ব্যবহারে কিছু মালিকের উদাসীনতা নিয়েও তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গতকাল বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সংগঠন বায়ার্স ফোরামের সঙ্গে মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র বৈঠক হয়। বৈঠকে বিজিএমইএ’র কাছে এসব বিষয় জানতে চান তারা। রাজধানীর গুলশানে ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এইচএন্ডএম’র কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এইচএন্ডএম, ভিএফ করপোরেশন, জেসি পেনিসহ ২৫টি ক্রেতা প্রতিনিধি দল। এ ছাড়া বিজিএমইএ’র সহসভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম, পরিদর্শক দল অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ (অ্যাকর্ড) এর প্রতিনিধি রব ওয়েজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র জানায়, ত্রুটি চিহ্নিত হয়েছে এমন কারখানার ত্রুটি সংশোধনে ইতিমধ্যে ব্র্যান্ডগুলো অর্থ দেয়ার বিষয়ে এগিয়ে এসেছে। বৈঠকে এ বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। ব্র্যান্ডগুলো ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) মাধ্যমে ১ কোটি ডলারের বেশি অর্থ দেয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিনিয়োগ বোর্ডের কাছ থেকে যথাযথ অনুমোদন পাচ্ছে না। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছ থেকে সহায়তা চেয়েছে তারা। বৈঠকে বিষয়ে বিজিএমইএ’র সহসভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম বলেন, কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক করতে আগামীতে কি কি ব্যবস্থা নেয়া হবে তা ক্রেতাদের জানানো হয়েছে। রানা প্লাজার পর গার্মেন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ তৈরি হলেও বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন। অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের পরিদর্শনে মাত্র ২ শতাংশ কারখানা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ফলে ক্রেতারা এখন আবার বাংলাদেশমুখী হওয়ার কথা ভাবছেন। পরিদর্শনে কিছু কারখানায় ছোটখাটো ত্রুটিকে বড় করে দেখানো হচ্ছে। সম্প্রতি অ্যাকর্ডের পরিদর্শনকৃত কারখানায় ৮০ হাজার ধরনের সমস্যা পাওয়া গেছে বলে যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে তা সঠিক নয়। এ বিষয়ে তিনি বলেন, এতে ক্রেতাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। তাদের আস্থা নষ্ট হয়। বৈঠকেও ক্রেতারা এ ইস্যুটি তুলেছেন বলে তিনি জানান। রানা প্লাজা ধসের পর বাংলাদেশের গার্মেন্ট খাতের নিরাপত্তা মান পরিদর্শনে ইউরোপ ও আমেরিকার আলাদা দুটি দল কাজ করছে। ইউরোপীয় অ্যাকর্ড ছাড়াও আমেরিকার ক্রেতাদের সমন্বয়ে গঠিত জোট অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স সেফটি (অ্যালায়েন্স) ইতিমধ্যে তাদের অর্ডার সরবরাহ করে এমন প্রায় ৬০০ কারখানা পরিদর্শন করেছে। অন্যদিকে অ্যাকর্ড তাদের অর্ডার সরবরাহ করে এমন ১৬০০ কারখানার মধ্যে ১১০০ কারখানার পরিদর্শন সম্পন্ন করেছে। উভয়ের পরিদর্শনে ৩০টির মতো কারখানা নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। অন্যদিকে পরিদর্শন হওয়া সব কারখানায়ই কম বেশি ত্রুটি পাওয়া গেছে।     Source : মানবব্জমিন
  • ডিএসইতে দেড় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন
    টানা দরপতনের শেয়ারবাজার। সোমবারও দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। ফলে কমেছে মূল্যসূচক ও বাজারমূলধন। এর মধ্যে ডিএসইর সূচক কমেছে ৩২ পয়েন্ট এবং সিএসইর সূচক কমেছে ৯৬ পয়েন্ট। এছাড়া ডিএসইতে সোমবার ৫৯৬ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। সিএসইর এ লেনদেন গত দেড় মাসের মধ্যে সর্বনিু। এর আগে চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ডিএসইতে ৫২২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, গুজবে বাজার প্রভাবিত হচ্ছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে- সূচকের ঊর্ধ্বগতি দিয়ে সোমবার ঢাকার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। তবে দিনব্যাপী অস্থির ছিল বাজার। দিনশেষে সোমবার ডিএসইতে ২৯৮টি প্রতিষ্ঠানের ১৩ কোটি ৫৮ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ৫৯৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে যা ৯০ কোটি ৩০ লাখ টাকা কম। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১০০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ১৬৬টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। ডিএসইর ব্রড সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩২ দশমিক ২৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৪৪ দশমিক ৫০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ২০ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৩৩ দশমিক ২৭ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসই শরীয়াহ্ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০ দশমিক ১৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২০৭ দশমিক ৩৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে কমে ৩ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। খাতভিত্তিক বিবেচনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতের শেয়ারের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। প্রকৌশলখাতের শেয়ারের দাম দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। এছাড়া সিমেন্টখাতের শেয়ারের দাম ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। তবে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। একক কোম্পানি হিসেবে সোমবার তিতাসের শেয়ারের দাম ২ শতাংশ কমেছে। মবিল যমুনার শেয়ারের দাম ২ দশমিক ৬০ শতাংশ কমেছে। এছাড়া লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের শেয়ারের দাম ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে গুজব রয়েছে বিও একাউন্টে টিআইএন নম্বর বাধ্যতামূলক হচ্ছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা আতংকে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছে।সিএসই : চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সোমবার ২২৫টি প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ১৮ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ৪৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে যা ১ কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ১৩৮টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৯৬ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৮৯৩ দশমিক ৬২ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সিএসই ৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৬ দশমিক ০৫ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ১৩৯ দশমিক ০৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে কমে ২ লাখ ৭২ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে।শীর্ষ দশ কোম্পানি : সোমবার ডিএসইতে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বেশি লেনদেন হয়েছে সেগুলো হল- তিতাস গ্যাস, মবিল যমুনা, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, যমুনা অয়েল, গ্রামীণ ফোন, স্কয়ার ফার্মা, অ্যাপোলো ইস্পাত, আরএকে সিরামিকস, বেক্সিমকো লিমিটেড এবং সাইফ পাওয়ার।ডিএসইতে সোমবার যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি বেড়েছে সেগুলো হল- সামিট পূর্বাচল, সাইফ পাওয়ার, ইসলামিক ফাইন্যান্স, আরএকে সিরামিকস, আরএসআরএম স্টিল, ইস্টার্ন ব্যাংক এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এফএএস ফাইন্যান্স, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি কমেছে সেগুলো হল- সপ্তম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, জেমিনী সী ফুড, বিআইএফসি, পেনিনসুলা চিটাগাং, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর, মেঘনা পিইটি, প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বিডি অটোকারস, শাইনপুকুর সিরামিকস এবং ফু-ওয়াং ফুডস।      Source : যুগান্তর
  • অ্যাপোলো ইস্পাতের নতুন প্লান্টে উৎপাদন এপ্রিলে
    আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের দিকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত অ্যাপোলো ইস্পাত কোম্পানি। সোমবার ঢাকা ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রহমান।তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সঠিক সময়ে প্লান্টের কাজ শেষ করা যায়নি। এ ছাড়া বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং কাঠামোগত ব্যবস্থার কিছু দুর্বলতার (গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি) জন্য উৎপাদনে সমস্যা হয়েছে। অ্যাপোলো ইস্পাত সব প্রতিকূলতা মোকাবেলা করার চেষ্টা করছে। তবে এখন সব পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় প্লান্টের কাজ শেষে আগামী মার্চ-এপ্রিলে উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করেন তিনি।আবদুর রহমান আরো জানান, দেশে সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তির ঢেউটিন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সক্ষমতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সম্প্রতি জাপানের বিখ্যাত স্টিল কোম্পানি ম্যারুবেনি-ইতোচুর সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। সাশ্রয়ী, উন্নত এবং মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহের লক্ষ্যে জার্মান প্রযুক্তির রেডিয়েন্ট টিউব ফার্নেসসমৃদ্ধ (আরটিএফ) নন-অক্সিডাইজড ফার্নেসনির্ভর কন্টিনিউয়াস গ্যালভানাইজিং (সিজিএল) প্লান্টের কাজ শুরু হয়েছে।   Source : যায়যায় দিন
  • সহজ পদ্ধতিতে চাঁদা প্রদানেও সাড়া মিলছে না
    দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন এবং রিফান্ড-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে সহজ পদ্ধতিতে আবেদন প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। তবে এ পদ্ধতিতে প্রথম আইপিও হামিদ ফ্যাব্রিকসের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা তেমন সাড়া দেখাননি। কোম্পানিটির আইপিও শেয়ার ক্রয়ে বিনিয়োগকারীরা ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে মাত্র ১৩৭ কোটি টাকার চাঁদা জমা দিয়েছেন, যা আদায়কৃত অর্থের ১৫ শতাংশেরও কম। তবে আইপিও আবেদনের নতুন এ পদ্ধতি সহজ হওয়ায় ধীরে ধীরে এর পরিমাণ আরো বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ব্রোকার হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তারা।   হামিদ ফ্যাব্রিকস সূত্রে জানা গেছে, মোট ৯২৯ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয়ের আবেদনের বিপরীতে ডিএসইর ব্রোকারেজ হাউসগুলোর মাধ্যমে ১০৭ কোটি টাকা এবং সিএসইর ব্রোকারেজ হাউসগুলোর মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকার আইপিও আবেদন পাওয়া গেছে। এছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৬ কোটি টাকার আইপিও আবেদন পাওয়া গেছে। পুরনো ব্যাংকিং প্রক্রিয়ায় ৭৩৬ কোটি টাকার আইপিও শেয়ার ক্রয়ের আবেদন পাওয়া গেছে।   মার্কেন্টাইল ব্যাংক সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মানজুম আলী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘মূলত প্রচারের অভাবে ব্রোকার হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদনে সাড়া মেলেনি। যদিও প্রচারণা চালানোর দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ব্রোকার হাউসেরই। তবে এটি ভালো উদ্যোগ। আইপিও, শেয়ারহোল্ডার ও ব্রোকারেজ হাউস সবার জন্যই এটি ভালো। প্রথম আইপিওতে পর্যাপ্ত সাড়া না পেলেও ধীরে ধীরে তা বাড়বে।’   একই অভিমত ব্যক্ত করে ঢাকা ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউসের সিইও মোহাম্মদ আলী জানান, ‘এটি খুবই ভালো উদ্যোগ। তবে এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রচার-প্রচারণা প্রয়োজন। বড় ব্রোকার হাউসগুলো প্রচারণা চালালেও অন্যরা তেমনভাবে প্রচার করেনি। আইপিও শেয়ার ক্রেতার সঙ্গে ব্রোকার হাউসের যোগাযোগ কম থাকায় প্রথমবার এমনটি হয়েছে। এছাড়া যেসব বিনিয়োগকারী সেকেন্ডারি বাজারে বিনিয়োগ করেন, তাদের আইপিওতে আবেদনের আগ্রহ কম রয়েছে। তবে প্রক্রিয়াটি সহজ হওয়ায় পরবর্তী আইপিওতে ব্রোকার হাউসের অংশগ্রহণ বাড়বে। তিনি বলেন, আইপিওতে আবেদনের পাশাপাশি তালিকাভুক্ত কোম্পানির লভ্যাংশ বিতরণের বিষয়টি যদি ব্রোকার হাউসের মাধ্যমে করা যায়, তাহলে শেয়ারহোল্ডারদের বিও হিসাবে দ্রুততম সময়ে প্রেরণ নিশ্চিত করা যাবে।’১৯৯৩ সালে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গঠনের পর এই প্রথমবার পরীক্ষামূলক (পাইলট) প্রকল্পের অধীনে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আবেদন ও চাঁদা জমা দেয়ার সুযোগ করা হয়। নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংক শাখার মাধ্যমে আইপিও আবেদন ও চাঁদা জমা দিতে গিয়ে বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক সময় নষ্ট ও দুর্ভোগের স্বীকার হন। এ দুর্ভোগ লাঘবে ও প্রক্রিয়াটি সহজ করার স্বার্থে ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আবেদন এবং চাঁদা সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি।   বিএসইসির কর্মকর্তারা জানান, এ প্রক্রিয়ায় আইপিও লটারিতে অকৃতকার্যদের জমাকৃত চাঁদা ফেরত পাওয়া সহজ হবে। কোনো কোম্পানির আইপিওতে শেয়ার বিক্রির সংখ্যা থেকে বেশি আবেদন পাওয়া গেলে অনুষ্ঠিত আইপিও লটারিতে যারা শেয়ার পাওয়ার যোগ্য হবেন না, তারা এক সপ্তাহের মধ্যে অর্থ ফেরত পাবেন। এক্ষেত্রে রিফান্ড সংগ্রহ এবং তা ব্যাংকে জমা দেয়ার প্রয়োজন হবে না। একই সঙ্গে পুরোপুরি ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে আবেদন ও চাঁদা সংগ্রহ করা হলেও আইপিও সাবস্ক্রিপশন সময়ও কমে আসবে। ফলে বর্তমান রীতির তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার সেকেন্ডারি শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু করা যাবে।   প্রসঙ্গত, বিএসইসি থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর হামিদ ফ্যাব্রিকস ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আইপিও আবেদন ও চাঁদা সংগ্রহ করে। ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা দরে মোট ৩ কোটি শেয়ার বিক্রি করে কোম্পানিটি।     Source : বণিক বার্তা
  • ঋণ সুবিধা হারালেন শাহজিবাজার পাওয়ারের বিনিয়োগকারীরা
    মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়ে যাওয়ায় মার্জিন সুবিধা হারালেন শাহজিবাজার পাওয়ারের বিনিয়োগকারীরা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিশেষ নিরীক্ষায় এ কোম্পানির মুনাফা ও ইপিএস কিছুটা কমে যাওয়ায় এর পিই রেশিও দাঁড়িয়েছে ৫০.৩০।    এদিকে একটানা ৪৪ কার্যদিবস বন্ধ থাকার পর সোমবার লেনদেন চালু হলেও শেয়ারটির দর আকাশচুম্বী রয়েছে। দিনের অধিকাংশ সময় শেয়ারটি বিক্রেতাশূন্য ছিল। সোমবার এটির দর আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৯.৯৮ শতাংশ বা ৮.৯ টাকা বেড়েছে। সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করায় দিনের অধিকাংশ সময় শেয়ারটির লেনদেন স্থগিত (হলট্রেড) থাকে। দিনভর শেয়ারটির দর ৯৪.৯ টাকা থেকে ৯৮.১ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে সর্বশেষ ৯৮.১ টাকায় লেনদেন হয়। এ দিন এ কোম্পানির ৭ লাখ ১৫ হাজার ৪০০ শেয়ার লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ৭ কোটি ৭৯ হাজার ৪০০ টাকা।    গত ১৫ জুলাই লেনদেন শুরুর দিনে এ শেয়ারের প্রাথমিক দর ছিল ৩৫ টাকা। এর পর মাত্র ১৪ কার্যদিবসের ব্যবধানে ১০ আগস্ট শেয়ারটির দর ৮৯.২ টাকায় পৌঁছায়। অর্থাৎ এ সময়ে শেয়ার দর বেড়েছে ৫৪.২ টাকা বা প্রায় ১৫৫ শতাংশ বা ২.৫ গুণ। এর আগে ৩ আগস্ট অস্বাভাবিকহারে শেয়ার দর বাড়ার কারণ অনুসন্ধানে কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।   Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেল ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা কোম্পানি ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্তির অনুমোদেন পেয়েছে। গতকাল ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।আইপিওধারীদের বিও হিসাবে শেয়ার স্থানান্তরের পর এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করবে ডিএসইর ব্যবস্থপনা কর্তৃপক্ষ। নদী ও সমুদ্রগামী বিভিন্ন ধরনের জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড শেয়ারবাজার থেকে ১৫৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে।   ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড আইপিওর মাধ্যমে সাড়ে চার কোটি শেয়ার ছাড়বে। এক্ষেত্রে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দমূল্য ৩৫ টাকা (২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ) নির্ধারণের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এ হিসাবে কোম্পানিটি ১৫৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। সংগৃহীত অর্থ ব্যাংকঋণ পরিশোধ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ খাতে ব্যয় করবে প্রতিষ্ঠানটি।   ২০১৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরসহ বিগত পাঁচ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩ টাকা ৮৭ পয়সা (গড়) ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৪০ টাকা ২৭ পয়সা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফিন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও ইসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড।     Source : বণিক বার্তা
  • আরএকে সিরামিকসের মুনাফা কমেছে ২০%
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট খাতের বড় মূলধনি কোম্পানি আরএকে সিরামিকসের চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মুনাফা কমেছে ২০ শতাংশ। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রকাশিত কোম্পানিটির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এমনটি দেখা যায়।   প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ১২ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের এ তিন মাসে মুনাফা হয় ১৫ কোটি ৮৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৪৭ পয়সা। অন্যদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৪২ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ২৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরের এ নয় মাসে মুনাফা হয় ৪৮ কোটি ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৪৩ পয়সা।এদিকে বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে এ শেয়ারের দর ৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়েছে। দিনভর এর দর ৫৯ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৬৬ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ৬৫ টাকা ৮০ পয়সায় এর লেনদেন হয়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ৬৪ টাকা ৯০ পয়সায়। এদিন ৩ হাজার ৪১ বারে কোম্পানিটির ২৩ লাখ ২১ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। এক মাসের মধ্যে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৪ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৬৮ টাকা ৩০ পয়সা।চলতি হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি-জুন) কোম্পানিটির সমন্বিত কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ২৯ কোটি ৭৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৮৮ পয়সা। এর আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ৩২ কোটি ১৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৯৬ পয়সা। অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ১২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৩৬ পয়সা। তবে এর আগের বছরের এ তিন মাসে মুনাফা হয় ১৪ কোটি ৬৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৪৪ পয়সা।   কোম্পানিটি ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর পর প্রতি বছর ২৫ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়ে এসেছে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দেয়া হয়। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে এ হিসাব বছরে এর কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৬৮ কোটি ২৪ লাখ ২০ হাজার টাকা, ইপিএস ২ টাকা ২৩ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৮ টাকা ৯৯ পয়সা।   ডিএসই সূত্রে জান যায়, দুটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মালিকানা ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আরএকে সিরামিকসের পরিচালনা পর্ষদ। কোম্পানি দুটি হচ্ছে— আরএকে ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রাইভেট লিমিটেড ও ক্ল্যাসিক পর্সলেইন প্রাইভেট লিমিটেড। কোম্পানি দুটির প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব ও বিনিয়োগের পরিপ্রেক্ষিতে আশানুরূপ মুনাফা না হওয়ার আশঙ্কায় তা বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আরএকে সিরামিকস। উভয় কোম্পানিতে আরএকে সিরামিকসের ৫১ শতাংশ মালিকানা রয়েছে। এর মধ্যে আরএকে ফুডে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১০ হাজার ২০০ শেয়ার ও ক্ল্যাসিক পর্সলেইনে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৫১ হাজার শেয়ার রয়েছে।এছাড়া দুই সাবসিডিয়ারি কোম্পানির শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্তের পাশাপাশি মূল পণ্য টাইলসের উত্পাদনক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন দুটি মেশিনারিজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরএকে সিরামিকসের পরিচালনা পর্ষদ। এর মধ্যে ৪৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি ন্যানো পলিশিং মেশিন ও ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ওয়াটার স্কয়ারিং মেশিন কেনা হবে। এতে কোম্পানিটির দৈনিক ১০ হাজার স্কয়ার মিটার টাইলস ও ১ হাজার পিস সেনিটারিওয়্যার তৈরি বাড়বে। আর মেশিনারিজ ক্রয়সহ সব মিলিয়ে কোম্পানির উত্পাদনক্ষমতা বৃদ্ধিতে আনুমানিক ২৩০ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে কোম্পানি সূত্রে জানানো হয়েছে। Source : বণিক বার্তা
  • ডিএসইতে লেনদেন আবারও ৬০০ কোটি টাকার নিচে নামল
    আগের দিনের বড় দরপতনের পর গতকাল সোমবারও দেশের শেয়ারবাজারে মূল্যসূচক ও লেনদেন কমেছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন এদিন ৬০০ কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৩২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫১৪৪ পয়েন্টে। রোববার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান সূচক ১০৯ পয়েন্ট বা ২ শতাংশ কমেছিল।   অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক গতকাল ৯৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ হাজার ৮৯৪ পয়েন্টে। সেখানকার বাজারে রোববার এ সূচকটি ৩১৯ পয়েন্ট বা প্রায় ২ শতাংশ কমেছিল।   ঢাকার বাজারে গতকাল সূচকের ঊর্ধ্বগতি দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও সেটি খুব বেশি সময় স্থায়ী ছিল না। সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরুর ৩০ মিনিটের মধ্যে সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৮ পয়েন্ট বাড়লেও এক ঘণ্টার ব্যবধানে তা আগের দিনের চেয়ে ৫৪ পয়েন্ট নিচে নেমে আসে। এরপর কয়েক দফা ওঠানামার পর সূচকের নিম্নগতি নিয়েই লেনদেন শেষ হয়।   গত রোববার বড় দরপতনের দিনে ঢাকার বাজারে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬৮৭ কোটি টাকা। গতকাল তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৯৭ কোটি টাকায়। অর্থাৎ আগের দিনের চেয়ে ডিএসইতে ৯০ কোটি টাকা লেনদেন কমেছে। সর্বশেষ গত ৯ সেপ্টেম্বর ডিএসইতে ৬০০ কোটি টাকার কম লেনদেন হয়েছিল। প্রায় দেড় মাসের ব্যবধানে গতকাল লেনদেন আবারও ৬০০ কোটি টাকার নিচে নেমেছে। Source : প্রথম-আলো
  • শুল্কমুক্ত তৈরি পোশাক প্রবেশাধিকারের আশ্বাস
    রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশী তৈরি পোশাকের শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার এ নিকোলেভ। রোববার রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু সাংবাদিকদের এ কথা জানান। শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নতুন শিল্প সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াসহ শিল্প মন্ত্রণালয় এবং রাশিয়ান দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে শিল্প খাতে দ্বিপাক্ষিক সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত শিল্প ও বাণিজ্য খাতে দ্বিপাক্ষিক সহায়তা জোরদার করতে দুদেশের মধ্যে সরকারি পর্যায়ে একটি যৌথ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহায়তা কমিশন গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন।আমির হোসেন আমু বলেন, দুদেশের মধ্যে শিল্পায়ন ও বাণিজ্যিক সহায়তা বাড়াতে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন গঠন একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। তিনি এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিতে রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এর আওতায় রাশিয়ার উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় শিল্প খাতে বিনিয়োগ করতে চাইলে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভব সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে বলে তিনি জানান।শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার প্রতি সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ইতিমধ্যে চীন, জাপানসহ উন্নত দেশগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য পৃথক অর্থনৈতিক অঞ্চলের সুবিধা চেয়েছে। রাশিয়া এ ধরনের প্রস্তাব দিলে বাংলাদেশ তা ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। Source : যুগান্তর
View All
Latest DSE News
  • APEXSPINN

    The Company has requested the concerned shareholders to collect their dividend warrants for the year 2013-2014 on 23rd October, 25th October and 26th October 2014 during business hours from the Registered Office of the Company at Rupayan Golden Age (5th &amp; 6th Floor), 99 Gulshan Avenue, Gulshan, Dhaka-1212.

  • APEXFOODS

    The Company has requested the concerned shareholders to collect their dividend warrants for the year 2013-2014 on 23rd October, 25th October and 26th October 2014 during business hours from the Registered Office of the Company at Rupayan Golden Age (5th &amp; 6th Floor), 99 Gulshan Avenue, Gulshan, Dhaka-1212.

  • FUWANGCER

    As per Regulation 30 of DSE Listing Regulations, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 23, 2014 at 3:30 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2014.

  • SHURWID

    As per Regulation 30 of DSE Listing Regulations, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 27, 2014 at 6:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2014.

  • DSHGARME

    As per Regulation 30 of DSE Listing Regulations, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 28, 2014 at 4:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2014.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
FARCHEM 42.90 39.00 3.90 10.00
SPCL 107.90 98.10 9.80 9.99
SAIFPOWER 67.40 61.30 6.10 9.95
SONALIANSH 132.90 121.50 11.40 9.38
SAPORTL 60.80 55.90 4.90 8.77
RAHIMTEXT 353.30 324.90 28.40 8.74
SAMATALETH 23.30 21.60 1.70 7.87
DAFODILCOM 15.20 14.10 1.10 7.80
POPULARLIF 240.80 223.60 17.20 7.69
KPCL 64.40 60.00 4.40 7.33

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297