Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Flower Indicator for Amibroker AFL 28-Jul
KPBB htrsystem for Amibroker AFL 09-Jul
POLYNOMIAL Amibroker AFL 29-Jun
15 DAYS WMA VOLUME ANALYSIS AFL 22-Jun
Price Break Out Detection Afl 22-Jun

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
BDLAMPS 154.2 109.6 44.60 40.69
ZAHEENSPIN 27.2 20.6 6.60 32.04
FBFIF 8.1 6.3 1.80 28.57
PRAGATILIF 101.6 81.6 20.00 24.51
ISNLTD 12.3 9.9 2.40 24.24
NPOLYMAR 99.8 83.8 16.00 19.09
ISLAMIBANK 22.3 19 3.30 17.37
PLFSL 17.7 15.2 2.50 16.45
BDAUTOCA 24.4 21.1 3.30 15.64
APEXFOODS 120.2 104.2 16.00 15.36

Contest SB2015_Jul

1st
blank_person
MEHEDIARAFAT82
2nd
blank_person
ASHOKCHY
3rd
blank_person
TIGERSHARK
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BERGERPBL 1756.8 1735.8 0.83677 1137.00
KEYACOSMET 19.8 19.3 0.50669 2122280.00
SQURPHARMA 274.3 273.8 0.47623 927837.00
IFADAUTOS 104.6 102.4 0.43474 1253640.00
NHFIL 25.8 23.5 0.42048 432011.00
Negative impact
RENATA 1199 1258.8 -5.44128 44033.00
RUPALIBANK 46.2 49.6 -1.40235 38845.00
LAFSURCEML 123.3 124 -1.39693 1902380.00
HEIDELBCEM 609.1 620.1 -1.06801 67420.00
KPCL 75.9 77.4 -0.93121 3313370.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BXPHARMA 68.3 70.1 67.6 0.59% 261.32
SQURPHARMA 274.3 276 271.8 0.18% 254.46
KPCL 75.9 78 75.5 -1.94% 252.96
LAFSURCEML 123.3 125.5 122 -0.56% 234.84
BEXIMCO 33.8 34.6 33.7 -0.59% 174.79
MJLBD 109.8 113 108.4 -0.36% 165.04
FAMILYTEX 14.1 14.6 13.6 3.68% 163.74
UNITEDAIR 10.8 11.2 10.7 -0.92% 146.95
FARCHEM 51.2 52.5 50.7 -1.35% 145.58
PLFSL 17.7 18.3 17.6 -0.56% 145.02

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 29 Jul 2015

141189
TOTAL TRADE
182.1039
TOTAL VOLUME(Mn)
6302.38
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • শাশা ডেনিমসের অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা
    সিনিয়র রিপোর্টার : শাশা ডেনিমস শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় বুধবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কোম্পানি সূত্রে বুধবার সন্ধ্যায় এ তথ্য জানা যায়। বস্ত্র খাতের কোম্পানিটি হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসে কোম্পানিটি  শেয়ার প্রতি আয় করেছে ২ টাকা ৬২ পয়সা। কোম্পানিটি গত ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এজন্য রেকর্ড ডেট আগামী ২০ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের বৃহস্পতিবার এজিএম
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৩০শে জুলাই, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ স্টক (বোনাস) লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আগামীকাল ৩০ জুলাই এ.এইচ, শমরিতা হসপিটাল অ্যান্ড মেডিক্যাল কলেজ অডিটোরিয়ামে বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত এজিএম হবে।
  • এক জেলা, এক পণ্য নীতিতে বাণিজ্যমন্ত্রী
    স্টাফ রিপোর্টার : এক জেলা, এক পণ্য নীতি গ্রহণ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এ জন্য প্রত্যেক জেলা থেকে অন্তত একটি করে পণ্য রফতানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বুধবার (২৯শে জুলাই) অনুষ্ঠিত  জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কার্য-অধিবেশন শেষে তিনি এ কথা বলেন। তোফায়েল বলেন, প্রতি জেলা থেকে কমপক্ষে একটি করে পণ্য নির্বাচন করে তা রফতানির ব্যবস্থা করা হবে। এ জন্য এক জেলা, এক পণ্য নীতিতে রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, এখন নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ। আগামী তিন বছরে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। এদেশের মোবাইল ব্যাংকিং নিয়ে প্রশংসা করেছেন বারাক ওবামা।
  • সামনের সপ্তাহে কেমন হতে পারে বাজার
    মেহেদী আরাফাত : টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী বুধবার ঢাকা শেয়ার বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়- ডিএসইএক্স ইনডেক্স লেনদেনের শুরু থেকেই হ্রাস পেতে থাকে। দিনের শুরুতে কিছুটা ক্রয়চাপ থাকলেও কিছু সময় পর বিক্রয় চাপের ফলে সূচক বেশ নিম্নমুখী হয়ে যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিক্রয় চাপ আরও প্রবল হতে থাকে এবং দিনশেষে সূচক ১৯.২৬ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। সূচকের এ দরপতনের ফলে আজকের ক্যান্ডেলস্টিক একটি বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক ছিল। ডিএসই এক্স ইনডেক্স ১৯.২৬ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪৭৭৭.৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.৪০% হ্রাস পেয়েছে। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায় টানা নয় দিন ইনডেক্স বৃদ্ধির পরে গত কয়েকদিন ধরে  ইনডেক্স একই স্থানে ঘুরাঘুরি করছে। ইনডেক্স তার রেজিটেন্স লেভেল ৪৮০০ কে ভাঙতে পারেনি। TA বিশ্লেষকদের মতে ইনডেক্স বৃদ্ধির ফলে বাজারের RSI এর মান হয়েছিল ৭৫.৯১। এই হিসাবে বাজার কিছুদিনের জন্য খারাপ হতে পারে। এই অবস্থাতে সামনের সপ্তাহে বাজার খারাপ থাকতে পারে। উনাদের মতে ফিবোনাক্কি রিট্রেসমেন্ট দিয়ে সম্ভাব্য সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স লেভেল বের করা হয়। এই হিসাবে বাজার ১০০ পয়েন্ট কারেকশন হতে পারে। এই কয়েকদিন সল্প মূলধনই কম্পানির শেয়ারের বিনিয়োগকারীরা বেশী লাভবান হতে পারে। যেমন- সোনালি আঁশ, মিরাকেল, বঙ্গজ। অন্যদিকে সামনে টেক্সটাইল সেক্টরের শেয়ারের বোনাসের কারণে এই সেক্টরও ভাল হবে বলে উনারা ধারনা করছেন। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৬৮০ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৪৮০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৭৭.২২ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৬৪.৬৬। এম.এফ.আই কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে। ডিএসইতে ১৮ কোটি ২১ লাখ ০৩ হাজার ৮৭২ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৬৩০.২৩ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৮৯ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩১৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৫ টির, কমেছে ১৩৮ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩২ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা বেশী ছিল ০-২০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ২৩.৬০% বেড়েছে। অন্যদিকে হ্রাস পেয়েছে ২০-৫০ এবং ৫০-১০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ২০.২৯% এবং ১২.২৩% কম। অন্যদিকে ৩০০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় ২১.২২% কমেছে। পিই রেশিও ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৫.০১% কমেছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৮.৪১% কমেছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে এগিয়ে ছিল ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ২০.২৮% বেশী ছিল। কমেছে ‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ১১.৯৯% এবং ১৩.৮৫% কম ছিল। ফিবোনাক্কি রিট্রেসমেন্ট দিয়ে সম্ভাব্য সাপোর্ট লেভেল বের করা হোল।
  • দর বাড়ার কারণ জানেনা ২ প্রতিষ্ঠান, সিএসইর নোটিশ
    স্টাফ রিপোর্টার : সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার দর বাড়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছে বিডি ওয়েল্ডিং ও পিপলস লিজিং। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) গত ২৮শে জুলাই দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে সিএসইকে এ কথা জানানো হয়েছে। বিডি ওয়েল্ডিং- বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি মাসের ২৬ তারিখ থেকে শেয়ারটির দর বাড়া শুরু হয়েছে। ২৭শে জুলাই সামান্য কারেকশন ছাড়া  ২৬ ও ২৮ তারিখে অস্বাভাবিকহারে দর বেড়েছে শেয়ারটির। শেয়ারদর এসময়  প্রায় ৪ টাকা ২০ পয়সা বেড়ে প্রায় ২০ টাকা থেকে ২৪.২০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। চিত্র- পিপলস লিজিং : বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি মাসের ২৭ ও ২৮ তারিখে অস্বাভাবিকহারে দর বেড়েছে শেয়ারটির। এসময় শেয়ারদর প্রায় ২ টাকা ৩০ পয়সা বেড়ে প্রায় ১৫.৫০ টাকা থেকে ১৭.৮০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। চিত্র-
  • নতুন ৩ বিভাগ গঠন বাংলাদেশ ব্যাংকে
    স্টাফ রিপোর্টার : নতুন তিনটি বিভাগ গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তা হলো- ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্ট, আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগ ও এক্সপেনডিচার ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট-২ । কাজের পরিধি বাড়াতেই  এ তিনটি বিভাগ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ব্যাংকিং খাতের পরিধি বাড়ায় নতুন বিভাগগুলো গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান। তিনি বলেন, বিভিন্ন বিভাগের অতিরিক্ত কাজের চাপ সমন্বয় করে এমনটা করা হয়েছে। এতে কাজের পরিধি আরো বাড়বে। কৃষিঋণ ও আর্থিক সেবাভুক্তি বিভাগ থেকে আর্থিক সেবাভুক্তি কার্যক্রমকে সরিয়ে গঠন করা হয়েছে ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বিভাগ। আর কৃষি ঋণ ও আর্থিক সেবাভুক্তি বিভাগের নামে কিছুটা পরিবর্তন এনে করা হয়েছে কৃষিঋণ বিভাগ । আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগ গঠন করা হয়েছ- আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে ভিজিলেন্স সেল এবং ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিষয়ক অনসাইট সুপারভিশন কার্যক্রম সমন্বয়ের মাধ্যমে। এক্সপেনডিচার ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট ভেঙ্গে গঠন হয়েছে- এক্সপেনডিচার ম্যানেজম্যান্ট ডিপার্টমেন্ট-১ ও এক্সপেনডিচার ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট-২। অন্যদিকে কাঠামোগত কিছুটা পরিবর্তন এনে সেন্ট্রাল ব্যাংক স্ট্রেংথেনিং প্রজেক্ট সেল ও স্ট্রাটেজিক প্ল্যানিং ইউনিট পুনর্গঠনের মাধ্যমে ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং ডিপার্টমেন্ট গঠন করা হয়েছে। গ্রীণ ব্যাংকিং অ্যান্ড সিএসআর ডিপার্টমেন্ট করা হয়েছে- সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট রূপান্তরিত করে।
  • ৪টি প্রতিষ্ঠানের অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন
    স্টাফ রিপোর্টার : ২০১৫ সালের প্রথম ছয় মাসের জন্য (জানু-জুন) অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে- ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স ও আজিজ পাইপস। এরমধ্যে এবি ব্যাংক ও ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্সের মুনাফা বেড়েছে এবং মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স ও আজিজ পাইপসের মুনাফা কমেছে। ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স : কোম্পানিটির ২০১৫ সালের (জানু-জুন) অর্ধবার্ষিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১২ টাকা। যার পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.৯৪ টাকা। আর চলতি বছরের ছয় মাস শেষে শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ০.৩৪ টাকা। মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স : কোম্পানিটির ২০১৫ সালের (জানু-জুন) অর্ধবার্ষিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৯৮ টাকা। যার পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা। আর চলতি বছরের ছয় মাস শেষে শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ০.৮১ টাকা। আজিজ পাইপস : কোম্পানিটির ২০১৫ সালের (জানু-জুন) অর্ধবার্ষিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে নেগেটিভ (১.০৬) টাকা। যার পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.২১ টাকা। কোম্পানিটির চলতি বছরের ছয় মাস শেষে শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ১.০৭ টাকা। ৩০ জুন ২০১৫ শেষে শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫১.৯৩ টাকা। এবি ব্যাংক : শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে ১.৪১ টাকা হয়েছে। যার পরিমান আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১.৩৫ টাকা। ২০১৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) এবি ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ০.৪৪ টাকা। যার পরিমান আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.৬৬ টাকা। ৩০জুন ২০১৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাড়িয়েছে ৩৪.৫৬ টাকা।
  • বিএসআরএম স্টিলসের বুধবার রেকর্ড ডেট এবং অন্যান্য
    স্টাফ রিপোর্টার : বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) রেকর্ড ডেটের কারণে শেয়ারবাজারে বুধবার বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। ২০০ কোটি টাকার জিরো কুপন বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বন্ড ইস্যুর বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নিতে আগামী ২৫ আগস্ট বিকাল ৪টায় চট্টগ্রামের লাভ লেনে অবস্থিত স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টারে ইজিএম আহ্বান করেছে কোম্পানি। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, মূলধনি ব্যয়নির্বাহ, ব্যয়বহুল ঋণ পরিশোধ ও বিএসআরএম গ্রুপের বিদ্যুত্ প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য বন্ড ইস্যু করবে বিএসআরএম স্টিলস। ইজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি পেলে এ পরিকল্পনা শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এদিকে কোম্পানিটির মুনাফা গেল অর্ধবার্ষিকে এক বছর আগের তুলনায় ২৯ শতাংশ বেড়েছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০৫ কোটি ৪৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩ টাকা ৯ পয়সা; যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৮১ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ২ টাকা ৩৯ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে অবশ্য এ কোম্পানির অনিরীক্ষিত মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ কমে ৩০ কোটি টাকার ঘরে নেমে আসে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফা অনেক বাড়ার কারণে অর্ধবার্ষিক মুনাফায় ইতিবাচক ধারা লক্ষ করা গেছে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত (দ্বিতীয় প্রান্তিক) কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭৫ কোটি ১৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ইপিএস ২ টাকা ২০ পয়সা; যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ও ১ টাকা ২১ পয়সা। কোম্পানিটির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’।
  • ১০টি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রতিবেদন
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১০ কোম্পানি অর্ধবার্ষিকের অনিরীক্ষিত (জানুয়ারি-জুন ১৫) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কোম্পানিগুলো হলো- পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, সামিট এলায়েন্স, ইস্টার্ন ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, ইসলামিক ফাইন্যান্স, উত্তরা ফাইন্যান্স এবং রূপালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। প্রতিবেদন অনুযায়ী ৬টি কোম্পানির ইপিএস বাড়লেও কমেছে ৪টির। পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স : দ্বিতীয় প্রান্তিকে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৭২ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২২.৩৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ২ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ২১.৬০ টাকা । সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.২৮ টাকা বা ১৪ শতাংশ। তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৯৭ টাকা। মার্কেন্টাইল ব্যাংক : দ্বিতীয় প্রান্তিকে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫০ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭.৯১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৪.০৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৫৮ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৮.৯৫ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৮.৩৪ টাকা । সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.০৮ টাকা। তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.২৯ টাকা। রূপালি লাইফ : দ্বিতীয় প্রান্তিকে রূপালি লাইফের রেভেনিউ এ্যাকাউন্ট বেড়েছে ৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। আর বীমা তহবিলের পরিমাণ হচ্ছে ৩৪০ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। যা আগের বছর এক সময়ে রেভেনিউ এ্যাকাউন্ট বেড়েছিলো ১১ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আর বীমা তহবিলের পরিমাণ ছিলো ৩১৩ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সে হিসাবে আগের বছরের তুলনায় কোম্পানির বীমা তহবিলের পরিমাণ বেড়েছে ২৬ কোটি ৮৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা বা ৮.৫৬ শতাংশ। এদিকে তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানিটির রেভেনিউ এ্যাকাউন্ট বেড়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা আগের বছরে বেড়েছিলো ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। উত্তরা ফাইন্যান্স : দ্বিতীয় প্রান্তিকে উত্তরা ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪.৬৮ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৪৭.৮৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৩৮.০৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪.৫৩ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১৩.৬৭ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৫০.৫৬ টাকা । সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.১৫ টাকা। গত মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৬৪ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ২.৩২ টাকা। ইসলামিক ফাইন্যান্স :দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইসলামিক ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৪ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১২.২৫ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.৮৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৭২ টাকা, এনএভিপিএস ছিল ১১.৬১ টাকা এবং এনওসিএফপিএস ছিল ৫.৭৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির এনএভিপিএস বেড়েছে ০.৬৪টাকা। গত মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.৪৯ টাকা। আইসিবি ইসলামী ব্যাংক : অর্ধবাষির্কে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.১৪ টাকা, শেয়ার প্রতি দায় হয়েছে ১৪.৬২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.৬২ টাকা (মাইনাস)। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ০.৪০ টাকা, শেয়ার প্রতি দায় ছিল ১৪.৪৫ টাকা এবং এনওসিএফপিএস ছিল (মাইনাস) ০.০৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান কমেছে ০.২৬ টাকা। গত মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.০৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ০.১২ টাকা। এদিকে আলোচিত সময় পর্যন্ত (জুন-১৫) এ কোম্পানির পুঁঞ্জিভূত লোকসানের পরিমাণ ১ হাজার ৬৯৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং শেয়ার হোল্ডার ইক্যুইটি দাঁড়িয়েছে (মাইনাস) ৯৭১ কোটি ৯৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ইস্টার্ন ব্যাংক : অর্ধবাষির্কে ইস্টার্ন ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ২.০৩ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৩.৬৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৩২.৮৮ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ১.৫৫ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল (মাইনাস) ২১.৮০ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ৩০.৭৪ টাকা। সে হিসাবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ৩০.৯৭ শতাংশ। সামিট এলায়েন্স : অর্ধবার্ষিকে সামিট এলায়েন্সের কর পরিশোধের পর সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৪১ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ইপিএস কমেছে ০.০৪ টাকা। এদিকে তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ১৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.১৮ টাকা। লংকাবাংলা ফাইন্যান্স : অর্ধবার্ষিকে লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের কর পরিশোধের পর সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৫৯ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.১১ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৬৩ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ১২ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ইপিএস কমেছে ০.৫২ টাকা। এদিকে তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৩৪ কোটি ৪৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৮ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ০.৩৪ টাকা। আইডিএলসি ফাইন্যান্স : অর্ধবার্ষিকে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৮১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.২৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩০ কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ১.২২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে ৫১ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ইপিএস বেড়েছে ২.০৩ টাকা। এদিকে তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৫) এ কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৬৭ কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৬৭ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩৫ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল ১.৪০ টাকা।
  • তালিকাভুক্তির ফি কমলেও বাড়ছে নবায়নে
    ডেস্ক রিপোর্ট : স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির বার্ষিক নবায়ন ফি বাড়ছে। নতুন লিস্টিং রেগুলেশনস অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোম্পানির স্টক এক্সচেঞ্জে বার্ষিক নবায়ন ফি সর্বনিম্ন ৩৩ শতাংশ বাড়বে। যদিও সংশ্লিষ্ট আইনে নতুন কোম্পানিগুলোর জন্য কিছু সুবিধা রাখা হয়েছে। শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করা কোম্পানির জন্য স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তি ফি কমানো হয়েছে। তালিকাভুক্তি ফি কমিয়ে বার্ষিক নবায়ন ফি বাড়ানোর ফলে স্টক এক্সচেঞ্জের আয় কিছুটা বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আগে ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিকে পরিশোধিত মূলধনের ওপর সর্বনিম্ন দশমিক শূন্য ১ শতাংশ হারে বার্ষিক নবায়ন ফি দিতে হতো। এখন তা বাড়িয়ে দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ১০০ কোটি টাকার বেশি মূলধনের কোম্পানিকে পরিশোধিত মূলধনের ওপর সর্বনিম্ন দশমিক শূন্য ২ শতাংশ নবায়ন ফি দিতে হবে। এটি প্রেফারেন্স শেয়ার, ফিক্সড ইনকাম সিকিউরিটিজ ও মিউচুয়াল ফান্ডের জন্যও প্রযোজ্য। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, লিস্টিং ফি কমানোর কারণে এ খাত থেকে স্টক এক্সচেঞ্জের আয় কমবে। তবে বার্ষিক নবায়ন ফি সর্বনিম্ন ৩৩ থেকে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এ খাত থেকে ডিএসইর বার্ষিক আয় তালিকাভুক্তি ফির তুলনায় বেশি। ফলে সম্মিলিতভাবে এ খাত থেকে স্টক এক্সচেঞ্জের আয় বাড়বে। অন্যদিকে বাড়বে তালিকাভুক্ত কোম্পানির ব্যয়। নতুন লিস্টিংয়ের ক্ষেত্রে আগে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধনের কোম্পানির জন্য লিস্টিং রেগুলেশনে দশমিক ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ফি নেয়া হতো। এর সঙ্গে প্রিমিয়াম থাকলে পরিশোধিত মূলধনের সঙ্গে হিসাব করে একই হারে ফি নির্ধারিত হতো। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা ছিল ২০ লাখ টাকা। নতুন আইনে একই হার বজায় থাকলেও প্রিমিয়াম হিসাব বাদ দেয়া হয়েছে। তবে ১০ কোটির উপরে মূলধনি কোম্পানির জন্য তালিকাভুক্তি ফি কমিয়ে দশমিক ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া আগে তালিকাভুক্তি ফি সর্বনিম্ন ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা ছিল। নতুন আইনে তা বাড়িয়ে সর্বনিম্ন তালিকাভুক্তি ফি করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। আর সর্বোচ্চ তালিকাভুক্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত. আইপিও প্রক্রিয়ায় শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন হওয়ার পর অথবা সরাসরি তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে লিস্টিং রেগুলেশন অনুযায়ী কোনো কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ১২ জুলাই ডিএসই ও ১৪ জুলাই চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) নতুন লিস্টিং রেগুলেশনসের গেজেট হয়েছে। জুন শেষে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি এ রেগুলেশনস অনুমোদন করেছিল। এতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে মূলধন উত্তোলনে আগ্রহী কোম্পানির স্টক এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক সম্মতি নেয়ার বিধান রাখা হয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জকে আইপিওর মাধ্যমে মূলধন উত্তোলনে আগ্রহী কোম্পানির প্রকাশিত তথ্য (ডিসক্লোজার বেসিস) পর্যালোচনা করে প্রাথমিক মতামত দেয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের তিনদিন আগে তারিখ ঘোষণার বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে বিএসইসি। এছাড়া কোম্পানির ওয়েবসাইটে পরিচালকদের তথ্য ও আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে। এছাড়া ওই প্রবিধানমালা অনুযায়ী, কোম্পানির নিজস্ব ওয়েবসাইটে পরিচালকদের প্রোফাইল রাখার পাশাপাশি অন্তত সর্বশেষ ছয়টি প্রান্তিক পাশাপাশি রাখতে হবে; যাতে বিনিয়োগকারীরা বর্তমান ও অতীতের প্রান্তিক আয়ের তুলনা করতে পারেন। এছাড়া শেয়ারহোল্ডারদের অধিকার রক্ষায় তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে আলাদা বিভাগ খোলতে হবে। যদিও বর্তমানে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানিগুলোয় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য শেয়ার বিভাগ নামে আলাদা বিভাগ রয়েছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিভাগটি শেয়ারহোল্ডারদের যাবতীয় তথ্য বা প্রশ্নের সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হয় বলে বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এছাড়া প্রতি মাসে স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডিং অনুপাত দেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জের সংশোধিত তালিকাভুক্তি প্রবিধানমালায় তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা কোনো কোম্পানি সরাসরি পরিদর্শনের ক্ষমতা থাকছে না। তবে তালিকাভুক্তির পর কমিশনের অনুমোদনসাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি পরিদর্শন করতে পারবে স্টক এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তারা।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • পুঁজিবাজারে বিক্রেতাশূন্য চার কোম্পানি
    মঙ্গলবারে দর বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানি। সারাদিনই স্বল্প মূলধনী এই কোম্পানির বিক্রেতাশূন্য অবস্থায় লেনদেন হয়। কোম্পানিগুলো হলো- স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, ইনফরমেশন সার্ভিস নেটওয়ার্ক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এবং মুন্নু সিরামিক লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক ॥ পুঁজিবাজারে ‘এ’ ক্যাটাগরির স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের সার্কিট ব্রেকার সর্বনিম্ন সীমা ছিল ৩৮.৭০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৪৭.৩০ টাকা। এই দিনে কোম্পানিটির শেয়ার দর ৪৭.৩০ টাকায় স্পর্শ করাতে তা সার্কিট ব্রেকারের আওতায় চলে আসে। কোম্পানিটির শেয়ার দর ১০.০০ শতাংশ বা ৪.৩০ টাকা বেড়েছে। এই সময় প্রতিষ্ঠানটির ইউনিট দর ৪৩.৫০ টাকা থেকে ৪৭.৩০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে সর্বশেষ ৪৭.৩০ টাকায় লেনদেন হয়। এর মোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯১৯টি শেয়ার ৩২৬ বার হাত বদল হয়। যার বাজার মূল্য ৬৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।ইনফরমেশন সার্ভিস নেটওয়ার্ক ॥ ‘জেড’ ক্যাটাগরির তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের কোম্পানি ইনফরমেশন সার্ভিস নেটওয়ার্ক লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯.৮০ শতাংশ বা ১.০০ টাকা বেড়েছে।এইদিন কোম্পানির শেয়ারদরের সর্বনিম্ন সীমা ছিল ৯.২০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১১.২০ টাকা। এই দিনে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১১.২০ টাকায় স্পর্শ করলে তা সার্কিট ব্রেকারের আওতায় চলে আসে। একই দিনে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১০.৪০ টাকা থেকে ১১.২০ টাকায় ওঠানামা করে সর্বশেষ ১১.২০ টাকায় লেনদেন হয়। এ কোম্পানিটির মোট ৯৬ হাজার ৩৪টি শেয়ার মোট ৮৫ বার হাত বদল হয়। যার বাজার দর ১০ লাখ ৬৯ হাজার টাকা।আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ॥ ১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ‘জেড’ ক্যাটাগরির ব্যাংক খাতের কোম্পানি আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের সার্কিট ব্রেকারের সর্বনিম্ন সীমা ছিল ৩.৮০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৪.৬০ টাকা। এই দিনে কোম্পানিটির শেয়ার দর ৪.৬০ টাকায় স্পর্শ করাতে তা সার্কিট ব্রেকারের আওতায় চলে আসে। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯.৫২ শতাংশ বা ০.৪০ টাকা বেড়েছে। এই সময় কোম্পানিটির শেয়ার দর ৪.১০ টাকা থেকে ৪.৬০ টাকায় ওঠানামা করে সর্বশেষ ৪.৬০ টাকায় লেনদেন হয়। এ কোম্পানিটির মোট ৯ লাখ ৩০ হাজার ২৩২টি শেয়ার ২৭৪ বার হাত বদল হয়। যার বাজার মূল্য ৪১ লাখ ১৫ হাজার টাকা।মুন্নু সিরামিক ॥ ‘বি’ ক্যাটাগরির সিরামিক খাতের কোম্পানি মুন্নু সিরামিকের লিমিটেডের সার্কিট ব্রেকারের সর্বনিম্ন সীমা ছিল ৩৭.৭০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৪৭.৩০ টাকা। এই দিনে কোম্পানিটির শেয়ার দর ৪৭.৩০ টাকায় স্পর্শ করে। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯.৫৭ শতাংশ বা ২.৯০ টাকা বেড়েছে। একই দিনে কোম্পানিটির শেয়ার দর ২৯.৭০ টাকা থেকে ৩৩.৩০ টাকায় ওঠানামা করে সর্বশেষ ৩৩.২০ টাকায় লেনদেন হয়।   Source : জনকণ্ঠ
  • দুই দিন পরই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় পুঁজিবাজার
    টানা নয় কর্মদিবস সূচক বাড়ার পর দুইদিন দর সংশোধন হয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)। দুইদিন পরই ফের বাড়তে শুরু করেছে ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক। সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত কয়েকদিনে সূচক বাড়লেও এখনও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে যায়নি। কারণ সাড়ে ৫ হাজার পয়েন্ট থেকে সূচক নেমে চার হাজারের কাছাকাছি চলে এসেছিল। তাই বিনিয়োগকারীরা এখনও বিনিয়োগ করছেন।তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৭৯৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৮৭৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭২০ কোটি ১২ লাখ টাকা। যা আগের কর্মদিবসের চেয়ে ৭১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩১৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৫টির, কমেছে ১০৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৪টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৯১ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৭১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। যা আগের কর্মদিবসের চেয়ে ১২ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৬০টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫০টির, কমেছে ৮২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টি কোম্পানির শেয়ারের।এদিকে বীমা খাতের কোম্পানি সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে লভ্যাংশের এ সিদ্ধান্ত  নেয়া হয়। কোম্পানিটি গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এছাড়া বহু কোম্পানি তাদের অর্ধবার্ষিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে আয় বেড়েছে রেকিট বেনকিজার, শাহজালাল ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, আরএকে সিরামিক, ইস্টার্ন ব্যাংক ও এনসিসি ব্যাংকের। আর আয় কমেছে মেঘনা সিমেন্ট, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, গ্ল্যাক্সো স্মিথক্লাইন, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, ইউনিক হোটেল, প্রাইম লাইফ এবং ইসলামিক ফাইনান্স।   Source : ইত্তেফাক
  • চীনের পুঁজিবাজারে ধস অব্যাহত
    থামছেই না চীনের পুঁজিবাজারের ধস। সোমবার সাড়ে ৮ শতাংশ দরপতনের পর গতকাল মঙ্গলবার দেশটির পুঁজিবাজারে সূচক কমেছে প্রায় ২ শতাংশ।চীনের অন্যতম প্রধান পুঁজিবাজার সাংহাইয়ের সমন্বিত সূচক কমে দিন শেষে ৩ হাজার ৬৬৩ পয়েন্টে নেমে গেছে। গত সোমবার এ সূচক ছিল ৩ হাজার ৭২৫ পয়েন্টে।পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতে চীনা সরকার গতিশীল মুদ্রানীতি বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলেও তা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে পারেনি। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়না ৮০৫ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ সরবরাহ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক অবশ্য বলছে, চীনের অর্থনীতির মূল সূচকগুলো এখন আগের চেয়ে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।দেশটির পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা চায়না সিকউরিটিজ ফাইন্যান্স করপোরেশন (সিএসএফসি) অস্বাভাবিক লেনদেন থেকে বিরত থাকতে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে দিয়েছে। সিএসএফসি বলেছে, যেকোনো অস্বাভাবিক লেনদেন তদন্ত করা হবে ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র: বিবিসি   Source : প্রথম আলো 
  • শেয়ার লেনদেনে তিন স্তরে করারোপ
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের ক্ষেত্রে তিন স্তরের করারোপ করা হয়েছে। কর আরোপের ওই নির্দেশনা দিয়ে সম্প্রতি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআরের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বিএসইসি তালিকাভুক্ত সরকারি কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের ক্ষেত্রে কর থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।এনবিআর সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৮ আগস্টে শেয়ার লেনদেন-সংক্রান্ত জারিকৃত এসআরও-২১৭ রহিতক্রমে বিএসইসির তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের ওপর করারোপ করা হয়েছে। জারি করা প্রজ্ঞাপনের প্রথম ধাপে আয়কর আইনের ২ নম্বর অধ্যায়ের ধারা (২০)-এর অধীন কোম্পানি মর্যাদাভুক্ত ও ধারা (৩২)-এর অধীন ফার্ম মর্যাদাভুক্ত করদাতার শেয়ার লেনদেনের উদ্ভূত আয়ের ওপর ১০ শতাংশ হারে করারোপ করা হয়েছে। একইভাবে প্রজ্ঞাপনের দ্বিতীয় ধাপে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক, বিমা, লিজিং কোম্পানি, পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি, স্টক ডিলার বা স্টক ব্রোকার কোম্পানির স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার বা শেয়ারহোল্ডার ডিরেক্টরদের শেয়ার লেনদেনের অর্জিত আয়ের ওপর পাঁচ শতাংশ হারে করারোপ করা হয়েছে।করারোপের তৃতীয় স্তরে বলা হয়েছে, প্রথম স্তরে বর্ণিত কোম্পানিগুলোর স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার বা শেয়ারহোল্ডার ডিরেক্টর ব্যতীত স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত অন্য কোনো কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার, যাদের সংশ্লিষ্ট আয় বছরের যে কোনো সময়ের স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি বা কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের অধিক পরিমাণ শেয়ার রয়েছে তাদের ওই কোম্পানি বা কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেনের অর্জিত আয়ের ওপর পাঁচ শতাংশ হারে কর প্রদান করতে হবে। অন্যদিকে আয়কর আইনের অধ্যায় ৫৩ (এম) অনুযায়ী ওপরে উল্লিখিত করদাতা ছাড়া অন্য সব করদাতার স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার লেনদেনের অর্জিত আয়ের ওপর প্রদেয় আয়কর থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪-এর ৪৪ অধ্যায়ের ৪ উপঅধ্যায়ের ধারা (বি)-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এনবিআর শেয়ার লেনদেনের ক্ষেত্রে অর্জিত আয়ের ওপর ওই করারোপ করে। আর এনবিআরের এই আদেশ চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে ধরা হবে। এ বিষয়ে এনবিআরের আয়কর বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চলতি অর্থবছরে সরকার পুঁজিবাজারের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করতে এই নির্দেশনা দিয়েছিল। তবে রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি বিবেচনা করে সরকারের নির্দশনা অনুযায়ী এনবিআর শেয়ার লেনদেনের অর্জিত আয়ের ওপর সবচেয়ে কম হারে কর ধার্য করার চেষ্টা করেছে। চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এনবিআর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। যা মোট বাজেটের প্রায় ৬০ শতাংশের সমান। এ ক্ষেত্রে রাজস্ব আদায়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে প্রত্যক্ষ কর বা আয়কর খাতকে। এ খাতে রাজস্ব কর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা। Source : ভোরের কাগজ  
  • আইপিও ও রাইটে ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স যাচাই করছে না বিএসইসি
    পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করার জন্য কোম্পানিগুলোকে প্রসপেক্টাস জমা দিয়ে বিএসইসির কাছে আবেদন করতে হয়। এ প্রসপেক্টাসে কোম্পানিগুলোর ভ্যাট, শুল্ক ও রাজস্ব পরিশোধের সার্টিফাইড তথ্যসহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পাশাপাশি যথাসময়ে রাজস্ব জমা সম্ভব না হলে প্রসপেক্টাসের সুনির্দিষ্ট কারণ উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু কোম্পানিগুলো আইন অনুযায়ী ভ্যাট, শুল্ক ও ট্যাক্স পরিশোধের বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করলেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে রাজস্ব ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দাখিল করছে না। এ বিষয়ে বিএসইসি কোম্পানিগুলোর জমা দেয়া রাজস্ববিষয়ক তথ্য যাচাই করছে না। বরঞ্চ বিএসইসি রাজস্ব বোর্ডেও ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ছাড়াই কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও), রাইট ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করার অনুমোদন করছে বলে জানা যায়।এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান বলেন, আইপিওর আবেদনের ক্ষেত্রে কোম্পানির জমা দেয়া প্রসপেক্টাসের সঙ্গে রাজস্ব ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ও এবিষয়ক বিস্তারিত তথ্য জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। বিএসইসি শুধু বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কোম্পানির ক্রেডিট ইনফরমেশন রিপোর্ট যাচাই করে। কিন্তু রাজস্বের বিষয়ে কোনো কিছুই যাচাই করা হয় না।কিন্তু আইপিও নীতিমালার ১০ নম্বর অনুচ্ছেদে কোম্পানিকে সর্বশেষ রাজস্ব প্রদানের বিস্তারিত সার্টিফাইড তথ্য জমা দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে। এ ছাড়া সময়মতো রাজস্ব না দেয়ার বিষয়ে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে কোম্পানির মতামত উপস্থাপন করারও নির্দেশনা রয়েছে। অপরদিকে আইপিও নীতিমালার ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদে কোম্পানিকে আইপিও আবেদনের সঙ্গে রাজস্ব ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জমা দেয়ারও নির্দেশনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলো প্রসপেক্টাসে রাজস্ব প্রদানবিষয়ক তথ্য উপস্থাপন করলেও রাজস্ব ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জমা দিচ্ছে না। কিন্তু বিএসইসি কোম্পানির জমা দেয়া রাজস্ববিষয়ক তথ্য যাচাই না করে রাজস্ব ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ছাড়াই পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিগুলোকে অর্থ সংগ্রহ করার অনুমোদন দিচ্ছে।প্রসঙ্গত, বিমা খাতের কোম্পানি রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স ২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে আইপিওর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হয়েছে। অথচ কোম্পানিটির ২০০৬ সাল থেকে ২০১০ পর্যন্ত রাজস্ব ফাঁকি ছিল ৬ লাখ ৪৩ হাজার ২০০৮ টাকা। পরবর্তী সময়ে কোম্পানি এ টাকা পরিশোধ করে। কিন্তু এ বিষয়ে প্রসপেক্টাসে কোনো তথ্যই উপস্থাপন করেনি কোম্পানিটি। আর এসব তথ্য ছাড়াই কোম্পানিটিকে আইপিওর অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি।এদিকে বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রসপেক্টাসে জমা দেয়া রাজস্ববিষয়ক তথ্য যাচাই না করায় বিএসইসির পাশাপাশি কোম্পানিগুলোর স্বচ্ছতা সম্পর্কে প্রশ্ন থেকে যায়। আর যাচাই না করার কারণে কোম্পানিগুলোর জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হচ্ছে না। আর এ জবাবদিহিতার অভাবের সুযোগ নিয়ে কোম্পানিগুলো অনিয়ম, দুর্নীতি করে পার পেলেও এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর কর রেয়াত নিয়ে রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে বিএসইসির সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু এ দুই সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে বিনিয়োগকারীর স্বার্থে কোম্পানিগুলোর রাজস্ববিষয়ক জবাবদিহিতা নিশ্চিত হচ্ছে না।   Source : ভোরের কাগজ
  • গেইনারের শীর্ষে স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল মঙ্গলবার টপটেন গেইনারের শীর্ষে উঠে এসেছে স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক। গতকাল এই শেয়ারটির দর বেড়েছে ৪ টাকা ৩০ পয়সা বা ১০ শতাংশ। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের শেয়ার গতকাল সর্বশেষ লেনদেন হয় ৪৭ টাকা ৩০ পয়সা দরে। এ দিন কোম্পানির ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯১৯টি শেয়ার লেনদেন হয়। যার বাজারমূল্য ছিল ৬৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। গেইনার তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মুন্নু সিরামিক। এই শেয়ারটির দর বেড়েছে ২ টাকা ৯০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় ৩৩ টাকা ২০ পয়সা দরে। এ দিন কোম্পানির ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৯টি শেয়ার লেনদেন হয়। যার বাজারমূল্য ছিল ৮১ লাখ ৪২ হাজার টাকা। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা ইসলামিক ফিন্যান্সের ১ টাকা ২০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ দর বেড়েছে। গতকাল শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৩ টাকা ৯০ পয়সা দরে। গেইনার তালিকায় থাকা এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ ফান্ডের ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডের ৯ দশমিক ৯ শতাংশ, বিডি ওয়েল্ডিংয়ের ৭ দশমিক ২১ শতাংশ, অ্যারামিট সিমেন্টের ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। Source : ভোরের কাগজ  
  • সব সূচকে এগিয়ে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক
    দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রচলিত ব্যাংকগুলোর তুলনায় শরিআহ মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংকগুলোর প্রবৃদ্ধির হার বাড়ছে। এর পাশাপাশি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণখেলাপি প্রবণতা কম থাকা এবং কর্পোরেট ঝুঁকি মোকাবেলা করার সক্ষমতাসহ সবকয়টি সূচকেই প্রচলিত ব্যাংকগুলোর তুলনায় এগিয়ে আছে শরিআহভিত্তিক ব্যাংকগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত ২০১৪ অর্থবছরের ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট-২০১৪ তে এসব তথ্যচিত্র উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ রিপোর্টে উঠে আসে সম্পদ, আমানত সংগ্রহ, বিনিয়োগ, ঋণসহ প্রতিটি সূচকেই শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংকগুলো অধিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পেরেছে। যা ২০১৩ অর্থবছরের তুলনায় আরো বেড়েছে।ঋণ নন-পারফরমিং বা অনিয়মিত হয়ে যাওয়ার প্রবণতাও ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে কম। শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংকগুলোর নন-পারফরমিং ঋণের অনুপাত যেখানে মাত্র ৪.৮০ শতাংশ সেখানে অন্য প্রচলিত ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এ অনুপাত প্রায় দ্বিগুণ। এদিকে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও বাজারে ইসলামী ব্যাংকগুলোর শেয়ার সংখ্যা সেভাবে বাড়েনি। যা ব্যাংকগুলোর ভিত্তিকে আরো মজবুত করছে। দেশের ব্যাংকিং খাতের মোট শেয়ারের মাত্র এক পঞ্চমাংশ ইসলামী ব্যাংকগুলোর। অন্যদিকে মুনাফা বাড়ার ক্ষেত্রেও ইসলামী ব্যাংকগুলো প্রচলিত ব্যাংকগুলোর তুলনায় এগিয়ে আছে। ইসলামী ব্যাংকিং কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি প্রবলেম ব্যাংক থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকগুলোর রিটার্ন অন ইক্যুইটি (আরওই) এবং রিটার্ন অন অ্যাসেট (আরওএ) ব্যাংক শিল্পে সর্বোচ্চ। আরওএ এবং আরওই ব্যাংকের মুনাফার পরিমাণ নির্দেশ করে। শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংকগুলোর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল) অন্য ব্যাংকগুলোর তুলনায় অনেক এগিয়ে আছে। আমানত-সম্পদের হিসাবে ইসলামী ব্যাংকগুলোর মধ্যে ৪০ শতাংশ এবং ব্যাংকিং শিল্পের ৭ শতাংশই ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশে শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত ব্যাংকগুলোর মধ্যে ব্যাসেল অ্যাকর্ড পরিপালনের প্রবণতাও বেশি। ৮টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে একটি প্রবলেম ব্যাংক বাদে বাকি সব কোম্পানিই ব্যাসেল অ্যাকর্ড অনুযায়ী যথেষ্ট মূলধন অনুপাত ন্যূনতম ১০-এ রাখতে পেরেছে। যা ব্যাংক খাতের প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর অনেকেই পরিপালন করতে পারেনি। ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ-আমানত অনুপাতও আগের বছরের তুলনায় ২০১৪তে সামান্য পরিমাণে কমেছে। এ খাতে নতুন করে নয়টি ব্যাংককে অনুমোদন দেয়া হলেও ইসলামী ব্যাংকগুলোর ব্যবসা পরিস্থিতি আগের তুলনায় ভালো হচ্ছে। Source : ভোরের কাগজ
  • বিএসআরএমের দর বাড়ার কারণ নেই
    প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের (বিএসআরএম) শেয়ারদর বাড়ার কোনো কারণ নেই। শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চাইলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এমনটাই জানায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই)। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই গত ২৭ জুলাই নোটিশ পাঠায়। এর জবাবে কোম্পানিটি জানায়, কোনো রকম মূল্যসংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারটির দর বাড়ছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ৭ কার্যদিবসে মাত্র ২ দিন শেয়ারটির দর কমেছে। এ সময়ে শেয়ারটির দর ৬৯ টাকা ৮০ পয়সা থেকে বেড়ে হয় ৯৬ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত হয়।   Source : ভোরের কাগজ
  • ৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সানলাইফ
    বীমা খাতের কোম্পানি সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গতকাল অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনাপর্ষদের বৈঠকে লভ্যাংশের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কোম্পানিটি গত ৩০ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানির রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৮ আগস্ট। আর এজিএমের তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে। Source : মানব কণ্ঠ
  • কেয়া ও গোল্ডেন সনের এজিএম : লভ্যাংশের ধরন বদলানোয় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা
    কোম্পানির বোর্ডসভার নগদ লভ্যাংশের সিদ্ধান্তের পরিবর্তে বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার ফাঁদে পড়েছে গোল্ডেন সন ও কেয়া কসমেটিকসের বিনিয়োগকারীরা। কোম্পানি আইনের ফাঁক ও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনাকে পুঁজি করে বাজার থেকে সুবিধা নিতে একটি চক্র এজিএমে তা পরিবর্তন করেছে বলে অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের। এর ফলে যারা রেকর্ড ডেটের আগে নগদ লভ্যাংশ দেয়া হবে বলে এই দুই কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছেন তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।এ বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং এবং ইনফরমেশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান মানবকণ্ঠকে বলেন, রেকর্ড ডেটকে কেন্দ্র করেই কোম্পানি লভ্যাংশের হিসাব করা হয়। যারা এই দুই কোম্পানিতে নগদ লভ্যাংশ পাবেন বলে বিনিয়োগ করেছেন তারা নগদ লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এ বিষয়ে বিএসইসির যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া উচিত।অনুসন্ধানে জানা গেছে, কোম্পানির পরিচালনা পরিষদের লভ্যাংশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রেকর্ড ডেটের আগেই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় বিনিয়োগকারীরা। এ ক্ষেত্রে নগদ লভ্যাংশের চেয়ে বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা দিলেই শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকে পড়েন। কিন্তু কোম্পানি দুটো ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোম্পানির বোর্ডসভায় নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে তা এজিএমে পরিবর্তন করে নগদ লভ্যাংশ না দিয়ে বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। ফলে নগদ শেয়ার লভ্যাংশ ভেবে যারা কোম্পানি দুটোর শেয়ারে বিনিয়োগ করেননি তারা শেয়ার কেনা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এজিএমে কোনো বিশেষ ব্যক্তিদের সুবিধা দেয়ার জন্য এ কাজ করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে বিএসইকে নজর দেয়া আহ্বান জানিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।বিএসইসির ২০০৯ সালের জুন মাসের নির্দেশনা মতে, কোম্পানির বোর্ডসভায় সিদ্ধান্তের পর এজিএম না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা যাবে না। এ সুযোাগকে কাজে লাগিয়ে গোল্ডেন সন লিমিটেড গত ২৯ জুন ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের ঘোষিত লভ্যাংশ পরিবর্তন করেছে। অপর কোম্পানি কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডও গত ৪ ডিসেম্বর ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণার পরিবর্তে এজিএমে তাদের শেয়ার হোল্ডারদের বোনাস ২০ শতাংশ শেয়ার দেয়ার সিদ্ধান্ত তাদের শেয়ার হোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে পাশ করেছে। এর ফলে যেসব বিনিয়োগকারীরা নগদ লভ্যাংশ পাবে বলে এ কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করেছে তারা প্রতারিত হয়েছে। অপরদিকে যেসব বিনিয়োগকারী বোনাস শেয়ার হলে বিনিয়োগ করতেন তারাও প্রতারিত হয়েছেন।একইভাবে কোম্পানি আইনের সিডিউল-১ এর ৯৬ ধারা বলা হয়েছে, পরিচালনা পরিষদের লভ্যাংশ ঘোষণার লভ্যাংশের অর্থের পরিমাণ কোনো কোম্পানি বাড়াতে পারবে না। সেটা ইজিএম কিংবা এজিএম যাই হোক। তবে সেখানে লভ্যাংশের পরিবর্তে বোনাস শেয়ার দেয়া যাবে না এরপর কোনো কথা বলা হয়নি। ফলে নগদ লভ্যাংশ দিলে যা খরচ হতো। বোনাস শেয়ার দিয়ে সে টাকা কোম্পানির কাছে থেকে যাচ্ছে বরং তার বিনিময়ে কয়েকটি শেয়ারের সংখ্যা  বাড়িয়েছেন। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।উল্লেখ্য, গোল্ডেন সন কোম্পানি লিমিটেড ২৯ জুন ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের ঘোষিত লভ্যাংশ পরিবর্তন করেছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে সাড়ে ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়। ডিএসইও ওয়েবসইটে বলা হয়েছে, কোম্পানিটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে লভ্যাংশ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি গত ২৭ জুন বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) স্থগিত করে এক জরুরী বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করে। এর আগে গত ১৬ মে কেয়া কসমেটিক্স কোম্পানির এজিএমে নগদ ২০ শতাংশের পরিবর্তে বোনাস লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তার আগে গত ৪ ডিসেম্বর কোম্পানির পরিচালনা পরিষদ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ (ক্যাশ ডিভিডেন্ড) সুপারিশ করে।   Source : মানব কণ্ঠ
  • সাউথইস্ট ব্যাংকের দুই উদ্যোক্তার শেয়ার কেনাবেচার ঘোষণা
    সাউথইস্ট ব্যাংকের উদ্যোক্তা বেগম রহিমা খাতুন আহাদ ব্লক মার্কেটে নিজ কোম্পানির এক লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। একই দিনে কোম্পানিটির আরেক উদ্যোক্তা-পরিচালক মো. আকিকুর রহমান ব্লক মার্কেটে একই পরিমাণ শেয়ার কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, রহিমা খাতুনের হাতে বর্তমানে তালিকাভুক্ত ব্যাংকটির ২ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার রয়েছে।এদিকে গতকালই ব্যাংকটির এক করপোরেট উদ্যোক্তা বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১১ লাখ ৭৫ হাজার শেয়ার কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন।ডিএসইতে গতকাল সাউথইস্ট ব্যাংক শেয়ারের দর ২ দশমিক ২৭ শতাংশ বা ৪০ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ টাকা। গত এক মাসে এ শেয়ারের সর্বনিম্ন দর ছিল ১৬ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৭ টাকা ৮০ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • বিনিয়োগকারীর শেয়ার লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ডিএসই
    অবশেষে দুই ব্রোকারেজ হাউস থেকে বিনিয়োগকারী কপিল চন্দ্র বোসের শেয়ার লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। গত বৃহস্পতিবার ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) স্বপন কুমার বালার নির্দেশে কপিল চন্দ্র বোসের দুটি বিওর শেয়ার লেনদেন স্থগিত করেছিল এডি হোল্ডিংস লিমিটেড ও ইত্তেহাদ সিকিউরিটিজ লিমিটেড। ডিএসইর এমডির ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নিয়ম-বহির্ভূতভাবে বিও হিসাব দুটি বন্ধ করা নিয়ে গতকাল সকালের খবরে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে এ ব্যাপারে করণীয় নিয়ে ডিএসইর কর্মকর্তাদের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক হয়। পরে গতকাল দুপুরে ডিএসইর এমডির পিএস মিলন মিয়া ব্রোকারেজ হাউস দুটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোন করে বিনিয়োগকারী কপিল চন্দ্র বোসের বিও হিসাবে লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। ফলে ব্রোকারেজ হাউস দুটি লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।এ ব্যাপারে গতকাল এডি হোল্ডিংস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এমএ বারী সকালের খবরকে বলেন, ডিএসইর এমডির নির্দেশে আমরা বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব স্থগিত করেছিলাম। গতকাল পিএসের নির্দেশে পুনরায় তা চালু করে দিয়েছি। অন্যদিকে ইত্তেহাদ সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবের আহমেদ সকালের খবরকে বলেন, ডিএসইর এমডির নির্দেশে কপিলের শেয়ার লেনদেন বন্ধ রেখেছিলাম। গতকাল এমডির পিএস পুনরায় চালু করতে বললে আমরা তা চালু করে দিয়েছি। এটা আমাদের কোনো বিষয় ছিল না।উল্লেখ্য, বিনিয়োগকারী কপিল চন্দ্র বোস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠান এডি হোল্ডিংস লিমিটেড ও ইত্তেহাদ সিকিউরিটিজ লিমিটেডে দুটি পৃথক বিও হিসাব খোলে শেয়ার লেনদেন করেন। প্রতিষ্ঠান দুটিতে ওই বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব নম্বর যথাক্রমে ১২০৫০৩০০৫৮৪০৪৩৬৯ ও ১২০৩৮১০০৫২৬০৮৫১০। কিন্তু গত ২৩ জুলাই ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) স্বপন কুমার বালার বরাত দিয়ে তার পিএস মো. মিলন মিয়া উল্লিখিত ব্রোকারেজ হাউস দুটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোন করে কপিল চন্দ্র বোসের শেয়ার লেনদেন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। ফলে ব্রোকারেজ হাউস দুটি ওইদিন থেকেই কপিল চন্দ্র বোসের শেয়ার লেনদেন স্থগিত করে রাখে।সূত্র জানায়, বিনিয়োগকারী কপিল চন্দ্র বোস ও সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস পরস্পর বন্ধু। কিন্তু সম্প্রতি তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হলে সমরেন্দ্র বিশ্বাস ডিএসইর এমডি স্বপন কুমার বালার মাধ্যমে প্রভাব খাটিয়ে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কপিলের বিওর শেয়ার লেনদেন স্থগিত করে দেন। অথচ সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন না করলে অথবা আদালত কিংবা এনবিআর কিংবা দুদক অথবা অন্য কোনো সংস্থার আইনি নির্দেশ ছাড়া কোনো স্টক এক্সচেঞ্জ বিনিয়োগকারীর শেয়ার লেনদেন স্থগিত করতে পারে না। তা সত্ত্বেও ডিএসইর এমডি ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে কপিলের শেয়ার লেনদেন স্থগিত করেছেন বলে বড় ধরনের অভিযোগ উঠেছে। Source : সকালের খবর  
  • ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ইউনাইটেড পাওয়ার
    লভ্যাংশ বিতরণ সম্পন্ন করায় শেয়ারবাজারে ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে বিদ্যুত্ খাতের কোম্পানি ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ইউপিজিডিসিএল)। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা যায়, ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ ও ২০১৪ সালের জন্য ৩০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উঠে এসেছে এ বছর শেয়ারবাজারে আসা কোম্পানিটি।২০১৪ সালে কোম্পানির সমন্বয়-পরবর্তী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ১৫ পয়সা।এদিকে প্রথম প্রান্তিকে এর সমন্বয়-পরবর্তী ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ১৫ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা।এদিকে ডিএসইতে গতকাল ইউপিজিডিসিএল শেয়ারের দর ১ দশমিক ৩১ শতাংশ বা ২ টাকা ১০ পয়সা কমেছে। দিনভর দর ১৫৭ টাকা থেকে ১৬৪ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৫৭ টাকা ৯০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সমাপনী দর ছিল ১৫৭ টাকা ৪০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ১৬০ টাকা। এদিন ২ হাজার ৭৮৯ বারে কোম্পানিটির মোট ৬ লাখ ১৫ হাজার ৭২টি শেয়ারের লেনদেন হয়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত তিন কার্যদিবস ধরে কমছে এর দর। এক মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ১৫০ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৬৭ টাকা ৯০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ১২৮ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২২৫ টাকা ৮০ পয়সা।প্রসঙ্গত, জুনে ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে দুটি গ্যাসচালিত বিদ্যুেকন্দ্র অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। অধিগ্রহণ শেষে ইউনাইটেড পাওয়ারের বিদ্যুত্ উত্পাদন ক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়বে।নিজস্ব অর্থে ৫৩ মেগাওয়াট সক্ষমতার ইউনাইটেড আশুগঞ্জ পাওয়ার লিমিটেড ও ২৮ মেগাওয়াটের শাহজাহানুল্লাহ পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি নামের প্রতিষ্ঠান দুটি অধিগ্রহণ করবে ইউনাইটেড পাওয়ার। এজন্য নতুন কোনো শেয়ার ইস্যু করা হবে না। ঘোষণার পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা ছিল কোম্পানির।ইউপিজিডিসিএলের অনুমোদিত মূলধন ৮০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৬২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৬১৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৯০ শতাংশই এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং বাকি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।সর্বশেষ নিরীক্ষিত প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত ২৩ দশমিক ১৮, প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ১৮ দশমিক ৩-এ নেমে এসেছে।   Source : বনিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • SBL

    Withdrawal of Authorized Representative: Stock &amp; Bond Limited (DSE TREC No. 199), has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Md. Washim Zoarder, with immediate effect.

  • FIR

    Withdrawal of Authorized Representative: Kazi Firoz Rashid Securities Limited (DSE TREC No. 29), has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Sheikh Md. Nahid, with immediate effect.

  • FIRSTFIN

    (Q2 Un-audited): EPS for April-June, 2015 was Tk. 0.09 as against Tk. 0.25 for April-June, 2014, EPS for Jan-June, 2015 was Tk. 0.47 as against Tk. 0.69 for Jan-June, 2014. NOCFPS was Tk. 0.09 for Jan-June, 2015 as against Tk. 9.60 for Jan-June, 2014. NAV per share was Tk. 13.46 as of June 30, 2015 and Tk. 13.64 as of December 31, 2014.

  • SALVOCHEM

    (Q2 Un-audited): EPS for April-June, 2015 was Tk. 0.12 as against Tk. 0.28 for April-June, 2014, EPS for Jan-June, 2015 was Tk. 0.29 as against Tk. 0.55 for Jan-June, 2014. NOCFPS was Tk. 0.03 for Jan-June, 2015 as against Tk. 0.25 for Jan-June, 2014. NAV per share was Tk. 12.02 as of June 30, 2015 and Tk. 11.74 as of December 31, 2014.

  • OAL

    The Company has informed that the Registered Office of the Company has been shifted from House # 54 (1st Floor), Road # 08, Block # D, Niketon, Gulshan-1, Dhaka-1212 to new address at Saiham Sky View Tower, 45, Bijoynagar, Dhaka-1000.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
APEXFOODS 120.20 109.40 10.80 9.87
ISNLTD 12.30 11.20 1.10 9.82
NHFIL 25.80 23.50 2.30 9.79
ZAHEENSPIN 27.20 25.00 2.20 8.80
RAHIMTEXT 262.40 245.50 16.90 6.88
NPOLYMAR 99.80 93.40 6.40 6.85
PRIMETEX 18.10 17.00 1.10 6.47
SHYAMPSUG 6.70 6.30 0.40 6.35
AIBL1STIMF 5.10 4.80 0.30 6.25
POPULAR1MF 5.70 5.40 0.30 5.56

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297