Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SPCL 221.2 206.8 14.40 6.96
EXIM1STMF 6.7 6.3 0.40 6.35
SAVAREFR 49.4 47.2 2.20 4.66
BRACBANK 39.3 37.6 1.70 4.52
ICB 1377.2 1331.4 45.80 3.44
NLI1STMF 8.1 7.9 0.20 2.53
MONNOSTAF 287.1 281 6.10 2.17
EBL 28.4 27.8 0.60 2.16
NCCBLMF1 5.6 5.5 0.10 1.82
BENGALWTL 59.2 58.2 1.00 1.72

Contest SB2015_Jan

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
NURRAZU
3rd
blank_person
FEROJ102
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
ICB 1377.2 1301.2 5.77083 25849.00
BATBC 2794.7 2775.6 2.06265 97.00
DESCO 69.6 68.5 0.74965 1231140.00
SPCL 221.2 218.7 0.57055 145626.00
CVOPRL 519.3 510.7 0.30648 74298.00
Negative impact
GP 339.2 348.8 -23.33147 155304.00
SQURPHARMA 252.2 255.2 -2.99300 151314.00
TITASGAS 75 76.5 -2.67070 371728.00
SAPORTL 60 66 -1.76657 1121250.00
RAKCERAMIC 52.1 54.5 -1.45509 174392.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
CNATEX 26.1 26.7 24.5 -0.38% 234.82
LAFSURCEML 122.3 126.3 120.5 -2.94% 124.63
DESCO 69.6 70.9 67.5 1.61% 85.36
SAPORTL 60 65.3 59.6 -9.09% 68.91
ALLTEX 32.6 33.3 32.1 2.52% 65.21
GSPFINANCE 33.2 33.6 31.8 5.40% 59.00
NFML 34.5 37.8 34.1 -6.76% 57.94
GP 339.2 348.1 335 -2.75% 53.05
WMSHIPYARD 48.5 51.3 47.8 -4.34% 52.54
CVOPRL 519.3 529.9 514 1.68% 38.69

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 25 Jan 2015

75302
TOTAL TRADE
61.9337
TOTAL VOLUME(Mn)
2232.45
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ফু-ওয়াং ও মেট্রো স্পিনিংয়ের লভ্যাংশ বিওতে
    ডেস্ক রিপোর্ট : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিরামিক খাতের কোম্পানি ফু-ওয়াং সিরামিক ও বস্ত্র খাতের কোম্পানি মেট্রো স্পিনিং লিমিটেড সমাপ্ত অর্থবছরে ঘোষিত বোনাস শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে পাঠিয়েছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সিডিবিএল জানায়, ২৫ জানুয়ারি, রোববার বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে কোম্পানি ২টির লভ্যাংশ সমন্বয় হয়েছে। উল্লেখ্য,  ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে ফু-ওয়াং সিরামিক বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ এবং মেট্রো স্পিনিং ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে।
  • ডিভিডেন্ড ওয়ার‌্যান্ট সংগ্রহের নির্দেশ
    ডেস্ক রিপোর্ট : বস্ত্র খাতের কোম্পানি দেশ গার্মেন্টস শেয়ারহোল্ডারদের ডিভিডেন্ড ওয়ার‌্যান্টস সংগ্রহের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। ২৫ জানুয়ারি, রোববার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই জানায়, ৩০ জুন, ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোম্পানির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের ডিভিডেন্ড ওয়ার‌্যান্টস সংগ্রহ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। রাজধানীর বনানি বাণিজ্যিক এলাকায় ৩৪, কামাল আতাতুর্ক এভিন্যু’র আউয়াল সেন্টারের ৮ম তলায় কোম্পানির রেজিষ্টার্ড অফিস হতে ২৬-২৭ জানুয়ারি পযর্ন্ত সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪ টার মধ্যে এ ওয়ার‌্যান্ট সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া, বিও অ্যাকাউন্টধারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে লভ্যাংশ সরাসরি প্রেরিত হবে। দেশ গার্মেন্টস ৩০ জুন, ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।
  • ইসলামি ব্যাংকের পর্ষদসভা ১৪ ফেব্রুয়ারি
    ডেস্ক রিপোর্ট : স্টক এক্সচেঞ্জের লিস্টিং রেগুলেশন-৩০ অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদের সভা আহ্বান করেছে ব্যাংক খাতের কোম্পানি ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। ১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার বিকেল ৩টায় কোম্পানিটির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। ২৫ জানুয়ারি, রোববার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সভায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে বলে ইসলামি ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আগের বছর ইসলামি ব্যাংক বিনিয়োগকারীদের ৮ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল।
  • শেয়ার সংক্রান্ত লিয়াজোঁ অফিস বন্ধ
    ডেস্ক রিপোর্ট : তালিকাভূক্ত চামড়া খাতের কোম্পানি বাটা-সু’র শেয়ার বিভাগের লিয়াজোঁ অফিস বন্ধ করছে। ২৫ জানুয়ারি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই জানায়, বাটা-সু ৬, বিবি, গুলশান এভিন্যুতে তাদের শেয়ার বিভাগের লিয়াজোঁ অফিস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা আরো জানিয়েছে, তাদের স্টেক-হোল্ডারদের এখন থেকে গাজীপুর জেলার টঙ্গিতে অবস্থিত বাটা-সু’র প্রধান কার্যালয়ের শেয়ার বিভাগের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে।
  • ‘RSI 30’ এর কাছাকাছি ডিএসইএক্স ইনডেক্স
    মেহেদী আরাফাত : টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী রাবিবার ঢাকা শেয়ার বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়- ডিএসইএক্স ইনডেক্স লেনদেনের শুরু থেকেই হ্রাস পেতে থাকে। দিনের শুরুতে কিছুটা ক্রয়চাপ থাকলেও কিছু সময় পর বিক্রয় চাপের ফলে সূচক বেশ নিম্নমুখী হয়ে যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিক্রয় চাপ আরও প্রবল হতে থাকে ফলে ডিএসইএক্স ইনডেক্স তার নিকটতম সাপোর্ট লেভেল “৪৭৫৪” পয়েন্টকে ব্রেকডাউন করে হ্রাস পেতে থাকে এবং দিনশেষে লেনদেন গতকালের তুলনায় বৃদ্ধি পেলেও সূচক ৮১.১৯ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে । সূচকের এ দরপতনের ফলে আজকের ক্যান্ডেলস্টিক একটি স্ট্রং বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক ছিল। এই স্ট্রং বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক বাজারের  বিক্রয় চাপ প্রকাশ করছে । বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, মার্কেট ইনডেক্স তার সাপোর্ট কে সফলভাবে ভাঙতে সক্ষম হয়েছে। TA বিস্লেশকদের কাছে ‘RSI’ একটি জনপ্রিয় ইনডিকেটর। ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর ‘RSI’ দেখলে দেখা যায়ে, ‘RSI’ এর মান এই পর্যন্ত ২১ পয়েন্ট এর নিচে নামে নাই। ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর ‘RSI’ ৩০ পয়েন্ট এর নিচে নেমেছিল এই পর্যন্ত মোট ৭ বার, তারপর খুব অল্প সময়ের মার্কেট ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। বর্তমানে ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর ‘RSI’ এর মান হচ্ছে ৩০.৯১। এই হিসাবে TA বিস্লেশকরা ধারনা করছেন মার্কেট আরও অল্প কিছু কারেকশন হয়ে, তার পরবর্তী সাপোর্ট কে ছুঁয়ে, এই সপ্তাহের শেষের দিকে অথবা সামনের সপ্তাহে ভালভাবে ঘুরে দাড়াতে পারে। বর্তমানে ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৬৫৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ২২.৫৮ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৩১.১৯। এম.এফ.আই এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর উভয়েই নিম্নমুখী অবস্থায় ছিল। স্টচ আর.এস.আই এর মান এখন সর্বনিম্ন অর্থাৎ শুন্য যা বাজারের ওভার-সোল্ড অবস্থা প্রকাশ করছে। আজ ঢাকা শেয়ারবাজার ডিএসইএক্স ইনডেক্স ৮১.১৯ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪৭১৬.৭৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে যা আগের দিনের তুলনায় ১.৬৯% হ্রাস পেয়েছে। আজ ডিএসইতে ৬ কোটি ১৯ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৭ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ২২৩.২৪ কোটি টাকা। আজ ডিএসইতে প্রায় ২ লাখ টাকার লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০৭ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৪ টির, কমেছে ২৫২ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২১ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজ বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ০-২০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ১৯.০১% বেশি ছিল। অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে ৩০০ কোটি টাকার ওপরে  পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৩.৬% বেশী। ১০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকার মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় আজ ১৩.৩৫% বেশী। আজ পিই রেশিও ২০-৪০ মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ২.৫১% বেরেছে। আজ  পিই রেশিও ০-২০ এবং ৪০ এর ওপরে  থাকা শেয়ারের লেনদেন যার পরিমান আগের দিনের তুলনায়  ২.৭৪% এবং ৪১.২১% বেশী ছিল। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ এগিয়ে ছিল ‘এন’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৩৪.০৪% বেশী ছিল। আজ বৃদ্ধি পেয়েছে ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন ও যা আগেরদিনের তুলনায় ৪৭.০৭% বেশি ছিল ।  
  • স্বাধীনতা টাওয়ারে ট্রাস্ট ব্যাংকের শেয়ার বিভাগ
    ডেস্ক রিপোর্ট : তালিকাভূক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ার বিভাগ নতুন ঠিকানায় স্থানান্তর করেছে। ২৫ জানুয়ারি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই জানায়, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড তাদের শেয়ার বিভাগ রাজধানীর ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর গেট-এর সন্নিকটে স্বাধীনতা টাওয়ারের লেভেল- ১ এ স্থানান্তর করেছে।
  • মতিঝিল থেকে পল্টনে বিডি-ওয়েল্ডিং
    ডেস্ক রিপোর্ট : তালিকাভূক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানি বিডি-ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রোডস নতুন ঠিকানায় অফিস স্থানান্তর করেছে। ২৫ জানুয়ারি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (বিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বিএসই জানায়, বিডি-ওয়েল্ডিং তাদের রেজিস্টার্ড অফিস আগের ঠিকানা অর্থাৎ, রাজধানীর ৮৭, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়েছে। এখন থেকেে কোম্পানিটির নতুন ঠিকানা রাজধানীর ৫৫/বি, পুরানা পল্টনে নোয়াখালি টাওয়ারের ১২ তলায়।
  • মিউচ্যুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ
    মোহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান : ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) পরিচালিত আট মিউচুয়াল ফান্ডের নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ২০ জানুয়ারী ২০১৫ তারিখের হিসাব অনুযায়ী ১০ টাকা ফেসভ্যালুর বিপরীতে প্রথম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু ক্রয় মূল্য অনুসারে ২২৯.১৯ টাকা আর বাজার মূল্য অনুসারে ১৫৫২.১৯ টাকা, দ্বিতীয় আইসিবির এনএভি ক্রয় মূল্য অনুসারে ১০০.২৩ টাকা এবং বাজার মূল্য অনুসারে ৩০০.৭৩ টাকা, তৃতীয়টির ক্রয় মূল্য অনুসারে ৬৯.৩৫ টাকা আর বাজার মূল্য অনুসারে ৩৩২.২৯ টাকা, চতুর্থটির ক্রয় মূল্য অনুসারে ৭৭.৬৬ টাকা আর বাজার মূল্য অনুসারে ২৮৮.০০ টাকা, পঞ্চমটির ক্রয় মূল্য অনুসারে ৫৮.৬১ টাকা আর বাজার মূল্য অনুসারে ২৪৭.৪৫ টাকা, ষষ্ঠটির ক্রয় মূল্য অনুসারে ২৭.০১ টাকা আর বাজার মূল্য অনুসারে ৬০.৭২ টাকা, সপ্তমটির ক্রয় মূল্য অনুসারে ৬৮.৬৭ টাকা আর বাজার মূল্য অনুসারে ১০৭.৯৫ টাকা এবং অষ্টম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ক্রয় মূল্য অনুসারে ৩৩.২৩ টাকা আর বাজার মূল্য অনুসারে ৭২.৭৬ টাকা। অনান্য বাকী মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি), ২০ জানুয়ারী ২০১৫ তারিখের হিসাব অনুযায়ী নিম্নরূপ
  • শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ডেসকোর
    ডেস্ক রিপোর্ট : বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো)  প্রতি শেয়ারে আয় বেড়েছে । ২৫ জানুয়ারি, রোববার ডিএসই’র ওয়েবসাইটে দেয়া কোম্পানিটির অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জানা গেছে, জুলাই-১৪ থেকে ডিসেম্বর-১৪ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮৪ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার টাকা। আর প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ২ টাকা ২৪ পয়সা। আগের বছর একই সময় যা ছিল যথাক্রমে ১৯ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ৫১ পয়সা। আবার, অক্টোবর-১৪ থেকে ডিসেম্বর-১৪ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪৭ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। আর প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১ টাকা ২৫ পয়সা। আগের বছর একই সময় যা ছিল যথাক্রমে ১৭ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ৪৬ পয়সা।
  • বিদ্যুতের দাম বাড়বে কিন্তু মানুষ বুঝবে না
    ডেস্ক রিপোর্ট :  গরিব মানুষের বিদ্যুৎ ব্যবহারের স্লাব (লাইফ লাইন) কমানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ (পিডিবি) চারটি বিতরণ কোম্পানি গরিব মানুষের ব্যবহৃত বিদ্যুতের সীমা ৫০ ইউনিট থেকে কমিয়ে ৩০ ইউনিটের স্লাব করার প্রস্তাব করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন,  এমনটি করা হলে বিদ্যুতের দাম বাড়বে কিন্তু মানুষ বুঝবে না। আর এটা বাস্তবায়ন হলে নিম্ন আয়ের মানুষ কম দামের বিদ্যুৎ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন।  বিশেষ করে ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যোক্তাদের বিদ্যুৎ বিল অনেক বেড়ে যাবে। বিইআরসির চেয়ারম্যান এআর খান এ প্রসঙ্গে যুগান্তরকে বলেছেন, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের সীমা ৩০ ইউনিট করার প্রস্তাব কমিশন আরও ভেবে দেখবে। বিষয়টি গণশুনানি শেষে তারা নিশ্চিত করবেন বলেও জানান। ২০ জানুয়ারি থেকে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম বাড়ানোর বিষয়ে গণশুনানি শুরু করেছে বিইআরসি। ইতিমধ্যে গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর জন্য পিডিবিসহ দুটি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) এবং বিকালে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) মূল্যবৃদ্ধির ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বিইআরসির সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৪ সালের ১৩ মার্চ বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সময় লাইফ লাইন নামে নতুন একটি শ্রেণী নির্ধারণ করে বিইআরসি। এই শ্রেণীর গ্রাহকরা মাসে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে সর্বনিম্ন দাম পরিশোধ করছিল। এর আগে এই ধরনের কোনো শ্রেণী ছিল না। শুরুতে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত প্রথম ধাপ ছিল, যে ধাপের মধ্যে দরিদ্র শ্রেণী অন্তর্ভুক্ত ছিল। গত বছরের মার্চে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণায় লাইফ লাইন শ্রেণীর গ্রাহকদের পিডিবি, ডিপিডিসি, ডেসকো ও ওজোপাডিকোর ক্ষেত্রে ইউনিট প্রতি ৩ টাকা ৩৩ পয়সা এবং আরইবির গ্রাহকরা সমিতি অনুযায়ী ৩ টাকা ৩৬ পয়সা থেকে ৩ টাকা ৮৭ পয়সা নেয়ার ঘোষণা দেয়। এবার পিডিবসহ অন্য চারটি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি তাদের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবে লাইফ লাইন শ্রেণীর বিদ্যুৎ ব্যবহারের সীমা শূন্য থেকে ৫০ এর পরিবর্তে ৩০ ইউনিট করার প্রস্তাব করেছে। পাশাপাশি এই শ্রেণীর গ্রাহকদের ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিরও প্রস্তাব করেছে। পিডিবির খুচরা পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবে লাইফ লাইন শ্রেণীর গ্রাহকদের বিদ্যুতের মূল্য ৩ টাকা ৩৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩ টাকা ৫৫ পয়সা, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ৩ টাকা ৩৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩ টাকা ৬০ পয়সা, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ৩ টাকা ৩৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩ টাকা ৫৫ পয়সা, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ৩ টাকা ৩৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩ টাকা ৫৫ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে। আর পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) সমিতি অনুযায়ী ৩ টাকা ৩৬ পয়সা থেকে ৩ টাকা ৮৭ পয়সা না রেখে সব সমিতির জন্য ৩ টাকা ৮৭ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • সংলাপ চান ব্যবসায়ীরা
    ঢাকা চেম্বারের বর্তমান সভাপতি মো. হোসেন খালেদ। সম্প্রতি তিনি ব্যবসায়ীদের শীর্ষস্থানীয় এ সংগঠনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আনোয়ার গ্রুপের এই ব্যবস্থাপনা পরিচালক এর আগেও ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ছিলেন। চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিরাজ শামস হরতাল-অবরোধে বিপর্যস্ত অর্থনীতি সমকাল : দ্বিতীয় মেয়াদে সভাপতি হিসেবে ঢাকা চেম্বার নিয়ে আপনার পরিকল্পনার বিষয়ে বলুন?হোসেন খালেদ : ব্যবসায়ীদের শীর্ষস্থানীয় এ চেম্বারকে একটি গ্রিন চেম্বারে পরিণত করা হবে। এ জন্য বেশ কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে চেম্বারকে একটি কাগজবিহীন অফিস এবং একটি স্মার্ট বিল্ডিংয়ে রূপান্তরিত করা হবে। পরিবেশবান্ধব কার্যালয় গড়ে তুলতে সব ধরনের অপচয় কমানো হবে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য নানা উদাহরণ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।ঢাকা চেম্বার পরিচালিত প্রকল্পের মধ্যে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির প্রথম ধাপ কাজ গত বছর শেষ হয়েছে। এ কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চলবে। এটির আওতায় নূ্যনতম ১০০ কোম্পানি করা সম্ভব হলে ১ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। বিল্ড কার্যক্রম আরও বাড়ানো হবে। এর মাধ্যমে ব্যবসা উন্নত করার যে পন্থা রয়েছে সেগুলোকে কীভাবে ত্বরান্বিত করা যায় সে চেষ্টা করা হচ্ছে। এ প্রচেষ্টা ফলদায়ক হওয়ায় ব্যবসা প্রক্রিয়ায় ধাপগুলো অর্ধেকে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।       সমকাল : চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ কোন দিক যাচ্ছে?হোসেন খালেদ : অর্থনীতিই হচ্ছে দেশের চালিকাশক্তি। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থানের পেছনে বেসরকারি খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। এতদিন রাজনৈতিক অবস্থা যেমন থাকুক না কেন, ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো এর স্বীকৃতি কোনো সময়ই কোনো সরকার দেয়নি। এখন মনোভাব পরিবর্তনের সময় এসেছে। রাজনীতির এমন কর্মকাণ্ডের মধ্যে ব্যবসা- বাণিজ্য স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকবে সেটা ভাবা কঠিন।এমন পরিস্থিতিতেও দেশে ৬ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও হচ্ছে। তবে গত বছরে ব্যবসায় নতুন বিনিয়োগ কমেছে। এর পরেও প্রবৃদ্ধি ঠিক ছিল। সরকারের উচিত অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিকে ত্বরান্বিত করার জন্য নীতি সহায়তা দেওয়া। পাশাপাশি অবকাঠামোসহ ব্যবসার ভিতগুলো মজবুত করা। এগুলো সম্ভব হলে ৬ থেকে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।২০১৪ সালে শেষের দিকে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা যে সময়ে ক্ষতি কাটিয়ে উঠছিলেন, ঠিক সময়ে আবার ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক এ অস্থিরতা কারও জন্য কাম্য নয়। হরতালকে গণতান্ত্রিক অধিকার বলা হলেও ব্যবসায়ীরা এর সঙ্গে এক মত নন। হরতাল-অবরোধের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচি কখনও ভালো কিছু বয়ে আনতে পারেনি। সবার আশা, যত শিগগির সম্ভব সরকার ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এর সুরাহা করবে। ব্যবসায়ীরা বিশ্বাস করেন- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংলাপের মাধ্যমে সঠিক সমাধান বেরিয়ে এসেছে। সমকাল : ব্যবসা-বাণিজ্যে বিপর্যস্ত এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠার উপায় কী?হোসেন খালেদ :গত বছর খুব অল্প বিনিয়োগ হয়েছে। এবার খুব খারাপ অবস্থা। এ বিনিয়োগ বাড়াতে সহযোগিতা জোরদার করা উচিত। ব্যবসায় পরিচালনা ব্যয় কমিয়ে আনা প্রয়োজন। দেশে প্রতি বছর ৩০ লাখ যুবক কর্মসংস্থানের জন্য আসছে। এর মধ্যে প্রত্যক্ষভাবে ১০ লাখ ও পরোক্ষভাবে ১০ লাখের ব্যবস্থা হচ্ছে। বাকি ১০ লাখ বেকার থাকছে। এদের কর্মসংস্থান করতে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন প্রয়োজন।বর্তমান বিপর্যস্ত অবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্য সংলাপের বিকল্প নেই। যে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সংকট আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। এ ছাড়া একটা নীতির মধ্যে থেকে গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করা উচিত। সমকাল : বাণিজ্যের কোন খাতগুলোকে আপনি সম্ভাবনাময় হিসেবে চিহ্নিত করবেন? এসব খাতের উন্নয়নে আপনার পরামর্শ কী?হোসেন খালেদ : ব্যবসার সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে পোশক খাত অন্যতম। পাশাপাশি ওষুধ, শিপবিল্ডিং, আবাসন ও সেবা খাতের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদের কথা বিবেচনায় তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) সম্ভাবনাও রয়েছে। এসব ব্যবসায় উন্নয়নে নীতি-সহায়তা দিতে হবে। সরকারকে এসব ব্যবসার সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ব্যবসায়ীরা এখন রাজনীতিতে আসছেন। তারা ব্যবসায়ীদের জন্য যে নীতিগুলো প্রয়োজন সেগুলোর ব্যবস্থা করবেন। সমকাল : রফতানি বাড়াতে কী কী করা প্রয়োজন বলে আপনি মনে করেন?হোসেন খালেদ : রফতানি বাড়াতে পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে। রফতানিতে নতুন পণ্য হিসেবে গৃহস্থালি পণ্য ও বৈদ্যুতিক পণ্যে জোর দেওয়া উচিত। রফতানিমুখী শিল্পের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন তা হুমকির মুখে পড়ে যাচ্ছে। সেগুলোকে সহযোগিতা করতে হবে। সমকাল :যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি ফিরে পাওয়া এবং শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার জন্য কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত?হোসেন খালেদ :দুর্ভাগ্যজনক হলো যুক্তরাষ্ট্র অগ্রাধিকার সুবিধা তো দিচ্ছে না, এদেশ থেকে পণ্য আমদানির ফলে তারা যে লাভবান হচ্ছে, সে কথাও বলছে না। দেশটি বাংলাদেশের পরিবর্তে আফ্রিকার দেশগুলোকে সুবিধা দিচ্ছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবহার করলে আগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা দিতে পারত। তবে আশার কথা হলো, এ সুবিধা ছাড়াও পোশাক খাত এগিয়ে চলছে। তবে রফতানি বাড়াতে দামি পণ্য তৈরি করতে হবে। সমকাল : আনোয়ার গ্রুপের ব্যবসার বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কে বলুন।হোসেন খালেদ :বর্তমান অস্থিরতায় গ্রুপের কার্যক্রমও বেশ ক্ষতির মুখে পড়েছে। উৎপাদিত পণ্য সরবরাহে সমস্যা হচ্ছে। বন্দরে পণ্য পড়ে আছে, রফতানি হচ্ছে না। আবার আমদানি পণ্যও কারখানায় আনা যাচ্ছে না। আনোয়ার গ্রুপে বর্তমানে ১২ হাজার কর্মসংস্থান রয়েছে। ভবিষ্যতে ২০২০ সালের মধ্যে ২০ হাজারে নিয়ে যেতে চাই। উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে গাড়ি সংযোজন কারখানা স্থাপন এবং টেক্সটাইল ও সিমেন্টসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসার পরিধি বাড়ানো হবে। নতুন পণ্য উৎপাদনের চেষ্টা চলছে।   Source : সমকাল
  • নতুন কোম্পানি আইন আগামী জুনের পর
    নতুন কোম্পানি আইন করতে আগামী জুন পর্যন্ত সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, আইনটি ব্যবসাবান্ধব করা হবে এবং বিবেচনায় থাকবে এর কোনো ধারা যাতে অন্য আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়।রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল শনিবার বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই) আয়োজিত ‘ব্যবসার পরিবেশ সহায়ক কোম্পানি আইন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।বিইআই সভাপতি ফারুক সোবহানের সঞ্চালনায় বৈঠকে বক্তব্য দেন বাণিজ্যসচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ম বাণিজ্যসচিব আবদুল মান্নান, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম, আইনজীবী নিহাদ কবির প্রমুখ। ব্যারিস্টার তানজিব-উল আলম এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।প্রবন্ধে নতুন কোম্পানি আইনে বাই-ব্যাক পদ্ধতি চালু করার পক্ষে মত দেওয়া হয়। বাই-ব্যাক হলো কোনো কোম্পানির বাজারে থাকা শেয়ার একটি নির্দিষ্ট দামে নেমে এলে ওই কোম্পানির উদ্যোক্তা কর্তৃক তা আবার কিনে নেওয়া।বেসরকারি কোম্পানির ক্ষেত্রে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এবং পর্ষদের ক্ষমতা, পরিচালকদের দায়িত্ব ইত্যাদি বিষয় সুনির্দিষ্ট করার কথাও উঠে আসে প্রবন্ধে।ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম বলেন, বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে বেসরকারি খাত। আইন করার সময় বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়।বহুস্তর বিপণন (এমএলএম) পদ্ধতির কোম্পানির কার্যক্রম প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, দেশের মানুষকে ভিখারিতে পরিণত করেছিল এই এমএলএম। এর পরও গত বছর পাঁচ এমএলএম কোম্পানির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।   Source : প্রথম আলো 
  • অস্বাভাবিক হারে দর বাড়ায় ৫ কোম্পানিকে নোটিশ
    অস্বাভাবিকহারে শেয়ার দর বাড়ার কারণে গত সপ্তাহে তালিকাভুক্ত পাঁচ কোম্পানিটি নোটিশ দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। কোম্পানি পাঁচটি হলো- ফার্মা এইডস, এপেক্স স্পিনিং, এনভয় টেক্সটাইল, অলটেক্স এবং ম্যাকসন্স স্পিনিং।ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর মধ্যে ডিএসই নোটিশ দিয়েছে ফার্মা এইডস ও এনভয় টেক্সটাইলকে এবং সিএসই এপেক্স স্পিনিং, অলটেক্স ও ম্যাকসন্স স্পিনিংকে নোটিশ দিয়েছে। জানা গেছে, এ কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর বেশ কয়েক দিন যাবত অস্বাভাবিকহারে বাড়তে থাকে। যা ডিএসই ও সিএসইর নজরে আসে।এরপর ডিএসই ও সিএসইর পক্ষ থেকে কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর অস্বাভাবিকহারে বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে কোম্পানিগুলো ডিএসই ও সিএসইকে জানিয়েছে, তাদের শেয়ার দর অস্বাভাবিক হারে বাড়ার পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই।   Source : ইনকিলাব
  • সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের দর
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারের দর। তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা বাড়ায় ব্যাংকটির শেয়ারের চাহিদা বেড়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।গত সপ্তাহে দর ৫ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বাড়ায় কোম্পানিটি সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির পঞ্চম স্থানে উঠে আসে। সপ্তাহজুড়ে এর মোট ১৯ কোটি ৫৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্র্যাক ব্যাংকের কর-পরবর্তী সমন্বিত নিট মুনাফা হয়েছে ৭৫ কোটি ৫৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ মুনাফা ছিল ৩৯ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৮১ পয়সা।অন্যদিকে একই হিসাব বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে এর মুনাফা হয়েছে ১৭১ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ইপিএস ২ টাকা ৮৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ মুনাফা ছিল ১৩৬ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস ২ টাকা ৮০ পয়সা।২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য লভ্যাংশ হিসেবে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয় ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত সে হিসাব বছরে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয় ১৪১ কোটি ৯৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ইপিএস ৩ টাকা ২০ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য এনএভি ২৯ টাকা ৩৮ পয়সা।এদিকে সার্ভিলেন্স রেটিংয়ে কোম্পানিটি দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ ৩’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে কোম্পানিটি ভালো অবস্থানে রয়েছে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গত সাত কার্যদিবসের মধ্যে ছয় কার্যদিবসই বেড়েছে এ শেয়ারের দর। বৃহস্পতিবার দর বাড়ে ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বা ৪০ পয়সা। সর্বশেষ ৩৯ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন হয়, সমন্বয় শেষে যা ছিল ৩৯ টাকা ৫০ পয়সা। আগের কার্যদিবসে এর সমাপনী দর ছিল ৩৯ টাকা। এদিন ৪৫৫ বারে এর ১৩ লাখ ২৭ হাজার ১৮৭টি শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৩৬ টাকা ৯০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৩৯ টাকা ৫০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ২৬ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৩৯ টাকা ৫০ পয়সা।২০১২ সালের জন্য কোম্পানিটি লভ্যাংশ হিসেবে ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ওই হিসাব বছরে এর কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয় ৬৭ কোটি ২১ লাখ টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৭৪ পয়সা।২০০৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৭০৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৯৯ কোটি ৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার ৭০ কোটি ৯২ লাখ ৮৭ হাজার ৩২১টি; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৫০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৪ দশমিক ৪১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৪৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত ১৩ দশমিক ৫৭।   Source : বনিক বার্তা
  • লভ্যাংশ পাচ্ছেন না ডিএসইর ট্রেকহোল্ডাররা
    বিন্যস্তকরণের (ডিমিউচুয়ালাইজেশন) অংশ হিসেবে মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগ পৃথক হওয়ার পর প্রথম হিসাব বছরে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেকহোল্ডাররা লভ্যাংশ পাচ্ছেন না। মূলত রিজার্ভ বাড়িয়ে কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে কোম্পানির শেয়ারকে আরো আকর্ষণীয় করতেই এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ। তাই লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও প্রথম বছরের মুনাফা থেকে লভ্যাংশ পাচ্ছেন না ট্রেকহোল্ডাররা। এছাড়া নগদ লভ্যাংশ দেয়ার মতো পর্যাপ্ত পরিচালন আয়ও হয়নি ডিএসইর।জানা গেছে, ২০১৩ সালের নভেম্বরে স্টক এক্সচেঞ্জ বিন্যস্তকরণের পরবর্তী সাত মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে ২০১৩-১৪ হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে ডিএসইর। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির মোট আয় হয়েছে ১৩৫ কোটি টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৪ পয়সায়। বাজার পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির আয়ের সিংহভাগই এসেছে সুদ আয় থেকে। বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকে স্টক এক্সচেঞ্জটির প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট) রয়েছে।বিন্যস্তকরণের পর লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় ডিএসইর পরিশোধিত মূলধন ৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৮০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়, যা দেশের সবচেয়ে বড় পরিশোধিত মূলধনি কোম্পানি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিরাট অঙ্কের পরিশোধিত মূলধনি কোম্পানিতে রূপান্তরিত হওয়ায় ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়াও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন কারণে শেয়ারবাজারের প্রতি আস্থাহীনতায় স্টক এক্সচেঞ্জটিতে শেয়ার লেনদেন অনেক কমে গেছে। এ পরিস্থিতিতে পরিচালন আয় থেকে ব্যয় নির্বাহ করে ট্রেকহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেয়াটা কঠিন হয়ে পড়ছে। ডিএসইর পরিশোধিত মূলধন হিসেবে ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে হলে ন্যূনতম ১৮০ কোটি টাকা প্রয়োজন, যা বর্তমান পরিচালন আয় থেকে নির্বাহ করা সম্ভব নয়।সর্বশেষ হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির মোট আয় জানা গেলেও পরিচালন আয় কত হয়েছে সেটি জানা যায়নি। যদিও আগের বছরে ডিএসইর পরিচালন ব্যয় ও সুদ আয় বাদ দিলে পরিচালন মুনাফা দাঁড়ায় মাত্র ৭ কোটি টাকায়। ডিমিউচুয়ালাইজেশনের স্কিমে দেয়া তথ্যানুযায়ী ২০১৩-১৪ হিসাব বছরে মুনাফার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮ শতাংশ। তবে গত বছর ব্যাংকে স্থায়ী আমানতের সুদ হার কমে যাওয়ায় মুনাফায় ১৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএসইর এক পরিচালক বণিক বার্তাকে বলেন, প্রথম বছরে আয় হলেও তা লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণের জন্য যথেষ্ট নয়। যদিও এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। তবে কৌশলগত বিনিয়োগকারীর কাছে স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার মূল্যকে আকর্ষণীয় করতে রিজার্ভ বড় রাখা প্রয়োজন। এটি হলে ভবিষ্যতে ট্রেকহোল্ডাররা অনেক বেশি লাভবান হবেন।জানা গেছে, বর্তমানে ডিএসইর সিংহভাগ আয় আসছে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকে ১ হাজার কোটি টাকা স্থায়ী আমানত থেকে। ডিএসইর আয়ের অন্যতম উত্স হচ্ছে লেনদেন থেকে প্রাপ্ত ফি। শেয়ারবাজারে লেনদেন বর্তমানে ১০০-২০০ কোটি টাকায় নেমে আসায় কমিশন আয় কমে গেছে ডিএসইর। এর বাইরে স্টক এক্সচেঞ্জটির অন্যতম আয়ের উত্স হচ্ছে কোম্পানির তালিকাভুক্তি ফি। এদিকে ডিএসইতে চালু হওয়া নতুন লেনদেন ব্যবস্থা চালুর পর হাওলা ফি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে লাগা চার্জও (লেনদেনের ওপর আরোপিত কমিশন) কমিয়ে আনা হয়েছে। শেয়ারের লেনদেন ফি দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ করা হয়। বন্ড মার্কেটের ক্ষেত্রে লেনদেন ফি ট্রেডপ্রতি ৫০ টাকা ধার্য করা হয়। দেশের অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জও (সিএসই) লেনদেনের খরচ কমিয়ে আনে।প্রসঙ্গত, স্টক এক্সচেঞ্জেস ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন ২০১৩-এর আলোকে সে বছরের ২৯ জুলাই দেশের উভয় শেয়ারবাজার কর্তৃপক্ষ ডিমিউচুয়ালাইজড স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানার ধরন, ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, নির্বাহীদের দায়িত্ব, সম্পদ বণ্টন বিষয়ক প্রস্তাব বা স্কিম জমা দেয়। একই বছরের সেপ্টেম্বরে মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথকীকরণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিমের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিন্যস্তকরণের মাধ্যমে স্টক এক্সচেঞ্জ অলাভজনক থেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়। রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক থেকে স্টক এক্সচেঞ্জের নিবন্ধন প্রাপ্তির পর নভেম্বরে স্টক এক্সচেঞ্জ গ্যারান্টি দ্বারা সীমাবদ্ধ পাবলিক কোম্পানি থেকে শেয়ার দ্বারা সীমাবদ্ধ পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তর হয়। এর পরই এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজড বলে গণ্য হয়।স্টক এক্সচেঞ্জ বিন্যস্তকরণের পর ভবিষ্যতে দেশে ডেরিভেটিভস, কমোডিটিজ, ফিউচার এবং অপশন মার্কেট চালু করার লক্ষে সর্বাধুনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যেই নাসডাক ওএমএক্স ও ফ্লেক্সট্রেড সিস্টেম কোম্পানির সহযোগিতায় স্বয়ংক্রিয় অত্যাধুনিক ট্রেডিং সফটওয়্যার ডিএসই এক্সস্ট্রিম আইনেট ম্যাচিং ইঞ্জিন এবং ডিএসই ফ্লেক্স-টিপি চালু হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সুবিধা সংবলিত নতুন লেনদেন ব্যবস্থা চালুর ফলে শেয়ারের লট প্রথা তুলে দেয়া সম্ভব হয়েছে। এতে অডলট-সংক্রান্ত সমস্যা দূর হয়েছে। নতুন সফটওয়্যার চালুর ফলে ভবিষ্যতে সহজেই ইটিএফ, সুকুকসহ অন্যান্য ইসলামিক সিকিউরিটিজ, ডেরিভেটিভস প্রডাক্টস চালুর উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে ডিমিউচুয়ালাইজড এক্সচেঞ্জের আয় আরো বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডিএসইর কর্মকর্তারা।   Source : বনিক বার্তা
  • তালিকাভুক্ত কোম্পানির উৎপাদন ব্যাহত
    টানা অবরোধ ও রাজনৈতিক সহিংসতায় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক কোম্পানির উৎপাদন অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। এতে এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীরা বড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। কোম্পানিগুলো বলছে- উৎপাদিত পণ্যের সরবরাহে সমস্যা, পণ্য বিক্রি না হওয়া, উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল আনতে সমস্যা এবং দূরের শ্রমিকরা কাজে আসতে না পারায় তাদের উৎপাদন কমেছে। এর ফলে বছর শেষে কোম্পানিগুলোর আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দেয়ার সক্ষমতা হারানোরও আশংকা করা হচ্ছে।এর পাশাপাশি আয় কমলে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে সমস্যা হবে। ফলে ব্যাংকিং খাত সমস্যায় পড়তে পারে। তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মতে, এ অবস্থা আরও কিছুদিন চলতে থাকলে কোম্পানি চালানোই কষ্টকর হবে।এদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার নেতিবাচক প্রভাব সেকেন্ডারি মার্কেটেও পড়ছে। গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্যসূচক ও লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে উৎপাদন করে লাভ নেই। এতে কোম্পানির ক্ষতি। তাদের মতে, অচল অবস্থার কারণে শিল্প খাতে বহুমুখী সমস্যা হবে। তবে তাদের মতে, ক্ষতির দোহাই দিয়ে ঋণ পুনঃতফসিলসহ সরকারি সুযোগ-সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করবে বেশ কিছু দুর্বল প্রতিষ্ঠান।শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি বাটা সু। কোম্পানির মূল পণ্য জুতা। ১৩ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর বিনিয়োগকারীদের ভালো লভ্যাংশ দেয়। গত বছর দিয়েছে ৩০০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ। সাম্প্রতিক সময়ে টানা অবরোধের কারণে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রি অনেক কমেছে। কোম্পানি সচিব হাশিম রেজা যুগান্তরকে বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতায় আমাদের উৎপাদন অর্ধেকে নেমেছে। এতে কোম্পানির আয়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। কারণ আজকে যে পরিমাণ পণ্য বিক্রি হবে, পরে তা আর পুষিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, হরতাল-অবরোধের কারণে ডিলাররা দোকান খুলতে পারছে না। ফলে তাদের বেচাকেনা বন্ধ। আর ডিলাররা পণ্য না কেনায় আমাদের বেচাকেনাও বন্ধ। তিনি বলেন, এই অবস্থা আরও কিছুদিন চলতে থাকলে আমরা কোম্পানি চালাতে পারব কিনা সেটাই সন্দেহ।প্রাণ আরএফএল গ্রুপের দুটি কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত। গ্রুপের মার্কেটিং ডিরেক্টর কামরুজ্জামান কামাল বলেন, অবরোধের কারণে তারা বেশি পণ্য সরবরাহ করতে পারছেন না। ঢাকার আশপাশসহ বেশি সমস্যা হচ্ছে ঢাকার বাইরে। নোয়াখালী এবং উত্তরাঞ্চলে তাদের গাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন তাদের ৭শ ট্রাক পণ্য সরবরাহ করে। বর্তমানে তা একেবারে কমে গেছে। তারমতে, সরবরাহ না থাকায় পণ্যের উৎপাদন একেবারে কম। তবে তিনি মনে করেন, এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু এ অবস্থা আরও কয়েক দিন চললে, বছর শেষে তাদের আয় কমে যাবে। এছাড়াও ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কমবে। বাজারে তালিকাভুক্ত অন্যতম গ্র“প বেক্সিমকো। ওই গ্র“পের মিডিয়া ডিরেক্টর আলমগীর হোসেন বলেন, হরতাল-অবরোধের কারণে নির্ধারিত সময়ে কাঁচামাল আসছে না। এছাড়াও দূরের যেসব স্টাফ রয়েছে, তারা অফিসে আসতে পারছে না। ফলে উৎপাদনে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। আর বছরের শেষে কোম্পানির আয়ে তার প্রভাব পড়তে পারে। তার মতে, ১৮ দিন অবরোধের কারণে ব্যাংক পরিশোধেও কিছুটা সমস্যা হতে পারে। কারণ কোম্পানির আয় কমলে বাজারে এর প্রভাব পড়বে।বাজারে ভারি শিল্প হিসেবে পরিচিত অ্যাপোলো ইস্পাত। প্রতিষ্ঠানটির ডিএমডি আবদুর রহমান যুগান্তরকে অবরোধে বহুমুখী প্রভাব পড়েছে। পরিবহন সংকটের কারণে আমদানিতে সমস্যা। এছাড়া উৎপাদিত পণ্য বিপণন করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, অন্যান্য শিল্পের চেয়ে আমাদের সমস্যা বেশি। কারণ আমাদের প্রতিটি কয়েলের ওজন ২০ টনের বেশি। আর হরতাল-অবরোধের মধ্যে এই ধরনের ভারি কাঁচামাল পরিবহন সম্ভব নয়। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আর কোম্পানির ওপর এর প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, বছর শেষে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ অনেক ধরনের সমস্যার মুখোমুখী হতে হবে।সিরামিক খাতের বড় কোম্পানি আরএকে সিরামিকস। প্রতিষ্ঠানটির কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা আগে অর্ডার নিই। উৎপাদন করে পণ্য সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে আগের অর্ডারের পণ্যগুলোর উৎপাদন চলছে। কিন্তু পরিবহনের জন্য তা সরবরাহ করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, এই অবস্থা আরও কিছুদিন চললে, কোম্পানির আয়ে প্রভাব পড়বে। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, কোম্পানির উৎপাদন ব্যাহত হলে আয়ে প্রভাব পড়বে, এটি স্বাভাবিক ঘটনা। আর এ অবস্থায় নতুন বিনিয়োগও আসবে না। ফলে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, বাজারের মূল সংকট রাজনৈতিক। এই কারণে বিনিয়োগকারীদের মাঝে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। আর রাজনৈতিক অস্থিরতা না কাটলে বাজার ভালো হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।   Source : যুগান্তর
  • পিই কমেছে ৩.১৬ শতাংশ
    দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ৪ কার্যদিবস মূল্যসূচক কমেছে। বাকি এক কার্যদিবস সূচক সামান্য বেড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সপ্তাহ শেষে পিই কমেছে ৩.১৬%। ডিএসইর পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৭.৫৩ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহ শেষে অবস্থান করে ১৮.১০ পয়েন্টে। অর্থাৎ সপ্তাহ শেষে ডিএসইর পিই রেশিও কমেছে ০.৫৭ পয়েন্ট বা ৩.১৬%। খাতভিত্তিক পিইর হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ১০.২৯ পয়েন্টে, আর্থিক ১৪.৮৪ পয়েন্ট, প্রকৌশল ২০.৮৮, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক ৩০.৭৪, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ১১.৪৪, পাট খাতের ২১২.২৫, বস্ত্র ১১.৭৪, ওষুধ ও রসায়ন ২২.৮৩, সেবা ও আবাসন ৩৭.৮৫, সিমেন্ট খাতের ১৯.৭৬, তথ্যপ্রযুক্তি ২৩.২৯, চামড়া ২৩.৫০, সিরামিক ৩৩.৬৮, বীমা ১৯.৮৮, বিবিধ ৩১.২৭, পেপার ও প্রকাশনা ১০.২৪, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ১৫.০৮ পয়েন্টে।আগের সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক পিইর হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করে ১০.৩৪ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ১৫.৩৭ পয়েন্ট, প্রকৌশল খাতের ২১.৯৯, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ৩০.৪৩, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১১.৯৭, পাট খাতের ২১২.০৫, বস্ত্র খাতের ১২.৭২, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২৩.০৬, সেবা ও আবাসন খাতের ৪৩.১৬, সিমেন্ট খাতের ২০.৭২, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ২৩.৮৮, চামড়া খাতের ২৩.১৯, সিরামিক খাতের ৩৬.২৮, বীমা খাতের ২১.০৫, বিবিধ খাতের ৩৩.২২, পেপার ও প্রকাশনা খাতের ১০.৭৫, টেলিযোগাযোগ খাতের ২৩.৮৮, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ১৬.০১ পয়েন্টে। সপ্তাহ শেষে ক্যাটাগরিভিত্তিক পিইর হিসাবে ‘এ’ ক্যাটাগরির পিই অবস্থান করছে ১৬.৪৩ পয়েন্টে, ‘বি’ ক্যাটাগরির ৩৪.৮৬, ‘জেড’ ক্যাটাগরির ৮৯.৬৪ এবং ‘এন’ ক্যাটাগরির পিই অবস্থান করছে ১৯.৮০ পয়েন্টে।   Source : মানব জমিন
  • বাজার মূলধন কমেছে ৭,৯৬৬ কোটি টাকা
    দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ৪ কার্যদিবস মূল্যসূচক কমেছে। বাকি এক কার্যদিবস সূচক সামান্য বেড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সপ্তাহ শেষে ডিএসইর ৩টি মূল্যসূচক ও টাকার অঙ্কে লেনদেন কমেছে। সপ্তাহ শেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স কমেছে ৩.১৯%। গত সপ্তাহে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেন কমেছে ৫৬৩ কোটি ৪০ লাখ ৩৭,১৮৭ টাকা। গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৭,৯৬৬ কোটি ৬৬ লাখ ৪৪,৭৪৮ টাকা। আগের সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছিল ১,০০০ কোটি ৮৮ লাখ ৬৬,৪৭৮ টাকা। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৩০,০৮০ কোটি ৯২ লাখ ১৭,৫৮২ টাকা এবং শেষ কার্যদিবসে বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ২২,১১৪ কোটি ২৫ লাখ ৭২,৮৩৪ টাকা। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১,২৮৮ কোটি ৭৫ লাখ ৮৪,১৭১ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সিএসই’র মূল্যসূচক কমেছে ২.৯৯%। সপ্তাহ শেষে সিএসইর সিএসসিএক্স মূল্যসূচক অবস্থান করছে ৮,৯২৪ পয়েন্টে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬৯টি কোম্পানি ও মিউ. ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৩১টির, কমেছে ২২৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি কোম্পানির শেয়ারদর।   Source : মানব জমিন
  • মুদ্রানীতি পুঁজিবাজারবান্ধব করার দাবি জাতীয় ঐক্যের
    আগামী মুদ্রানীতি পুঁজিবাজারবান্ধব করার দাবি জানিয়েছে বিনিয়োগকারীদের সংগঠন সম্মিলিত জাতীয় ঐক্য। বুধবার বিকালে এ সংক্রান্ত একটি স্মারকলিপি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত জাতীয় ঐক্যের সভাপতি রুহুল আমিন আকন্দ। স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, বর্তমান বাজারের প্রেক্ষাপটে ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও (সিআরআর) ও স্টাটুটরি লিকুইডিটি রেশিও (এসএলআর)-এর হার কমাতে হবে। এ ছাড়া ব্যাংকগুলোর মোট দায়ের কমপক্ষে ১০ শতাংশ বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য মাসিক ভিত্তিতে মনিটরিং না করে বার্ষিক ভিত্তিতে করতে হবে। পাশাপাশি সিঙ্গেল পার্টি এক্সপোজার লিমিট বা একক গ্রাহক ঋণসীমা সমন্বয়ের সময়সীমা আরো পাঁচ বছর বাড়াতে হবে। ঋণাত্মক হিসাবগুলোকে পুনরায় লেনদেনযোগ্য করার অনুমোদন দিতে হবে। এ ছাড়া ৫ শতাংশ সুদে আগামী পাঁচ বছর মার্জিন ঋণ দিতে হবে। ভালো লভ্যাংশ দেয়া কোম্পানিগুলোকে ট্যাক্স রিবেটের আওতায় আনতে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর লভ্যাংশ না দেয়া কোম্পানিগুলোর ওপর ট্যাক্স আরোপের ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) মাধ্যমে পুঁজিবাজার প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করতে হবে। পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডগুলো বন্ধ না করে স্বল্প সময়ের জন্য বর্ধিত করা যেতে পারে বলেও সম্মিলিত জাতীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়েছে।    Source : যায়ে যায়ে দিন 
  • দরপতন ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা দাবি
    পুঁজিবাজারের দরপতন ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা চেয়েছে বিনিয়োগকারীরা। এরই অংশ হিসেবে আগামী ২৮ জানুয়ারি ঘোষণা করতে যাওয়া মুদ্রানীতি পুঁজিবাজারবান্ধব করার দাবি জানিয়েছে বিনিয়োগকারীদের সংগঠন সম্মিলিত জাতীয় ঐক্য। পাশাপাশি পুঁজিবাজারের উন্নয়নে আরও পৃথক নয়টি দাবি সংগঠনের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে উত্থাপন করা হয়েছে।বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত জাতীয় ঐক্যের সভাপতি রুহুল আমিন আকন্দ বুধবার বিকেলে এ সংক্রান্ত স্মারকলিপি বিএসইসির কাছে জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এই স্মারকলিপিতে উল্লেখ রয়েছে, বর্তমান বাজারের প্রেক্ষাপটে ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও (সিআরআর) ও এসএলআরের হার কমাতে হবে। এছাড়া ব্যাংকগুলোর মোট দায়ের কমপক্ষে ১০ শতাংশ বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য মাসিক ভিত্তিতে মনিটরিং না করে বার্ষিক ভিত্তিতে করতে হবে। পাশাপাশি সিঙ্গেল পার্টি এক্সপোজার লিমিট বা একক গ্রাহক ঋণসীমা সমন্বয়ের সময়সীমা আরও পাঁচ বছর বাড়াতে হবে।   Source : জনকণ্ঠ
  • হরতাল-অবরোধে রাজস্বে ধস
    চলতি অর্থবছরে জাতীয় বাজেটের ৫৯.৮ শতাংশ অর্থায়নের দায় রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাঁধে। এবার এক লাখ ৪৯ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। এই হিসাবে এনবিআরকে প্রতিদিন রাজস্ব আদায় করতে হবে ৪১০ কোটি টাকা। যা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। অথচ টানা অবরোধ, বিক্ষিপ্ত হরতালসহ রাজনৈতিক সহিংসতায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে বড় অঙ্কের রাজস্ব ঘাটতিতে পড়বে এনবিআর। এতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি মাঝপথে হোঁচট খাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া সরকারের ঋণের বোঝা বাড়ার পাশাপাশি বেসরকারি খাতে অর্থপ্রবাহ কমবে। অর্থনীতির আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য নষ্ট হবে। অবরোধ, হরতালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতায় আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট এবং শুল্ক-রাজস্বের এ তিন খাতেই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আদায় সম্ভব হচ্ছে না। এনবিআর সূত্র জানায়, এক দিনের হরতাল, অবরোধে সমুদ্রবন্দরে গড়ে ৪০০ কনটেইনার কম ওঠানামা করে। এতে প্রতিদিন ৬০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক না থাকায় স্থলবন্দরে দৈনিক ১৫০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। রাজনৈতিক সহিংসতায় দোকানপাটে স্বাভাবিক বেচাকেনা হচ্ছে না। এতে মূসক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৫ শতাংশ কম আদায় হয়। ফলে দৈনিক ৩৫ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। চলতিবারে সবচেয়ে নেতিবাচক পরিস্থিতি শুল্ক খাতে। টানা অবরোধে বিপাকে পড়েছে ব্যবসায়ীরা। ব্যবসা-বাণিজ্যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। অবরোধে আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক থাকলে স্থলবন্দরের প্রতিটিতে প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ২৫০টি ট্রাক দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসে। অবরোধের প্রথম দিকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০টি ট্রাক পুলিশ পাহারায় এলেও গত দুই দিনে ট্রাক আসার সংখ্যা কমেছে। অন্যদিকে স্থলবন্দরে অন্য দেশ থেকে পণ্য বোঝাই ট্রাক এসে পৌঁছালেও তা অবরোধের কারণে বাংলাদেশের মধ্যে নির্ধারিত ঠিকানায় পৌঁছতে পারছে না। টানা অবরোধে স্থলবন্দরে আটকা পড়েছে পণ্য বোঝাই দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার ট্রাক। অন্যদিকে সমুদ্রবন্দরে রাজস্ব কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকলেও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বন্দরে পণ্য নেওয়ার হার কমেছে কয়েকগুণ। একইভাবে জাহাজে পণ্য এসে পৌঁছালেও তা খালাস করে দেশের মধ্যে নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছাতে পারছে না। আখাউড়া, হিলি, সোনামসজিদ, বুড়িমারী, বেনাপোল স্থলবন্দরে পণ্য পরিবহন বেশি হয়। ভারতের ত্রিপুরায় বাংলাদেশি পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতের ত্রিপুরায় পণ্য রপ্তানি হয়। ৩০টি পণ্য নিয়মিত রপ্তানি হয়। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এ বন্দর থেকে ভারতের ত্রিপুরায় পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ সরকারের আয় হয়েছে ২২৬ কোটি টাকা। টানা অবরোধে আখাউড়া স্থলবন্দরে পণ্য রপ্তানি কমে গেছে। এনবিআর সূত্র জানায়, নভেম্বরে ৩৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ডিসেম্বরে ৪১ কোটি ১৭ লাখ টাকা রপ্তানি আয় হয়। কিন্তু টানা অবরোধে চলতি বছরের গত ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আয় হয়েছে ৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। অন্যদিকে হিলি স্থলবন্দরে নভেম্বরে আয় হয়েছে এক কোটি ৩৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, ডিসেম্বরে এক কোটি ৯৬ লাখ টাকা ৭১ হাজার ৭৭০ টাকা। অথচ জানুয়ারি মাসে টানা অবরোধ থাকায় ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত আট লাখ টাকা আয় হয়। একইভাবে অন্যান্য স্থলবন্দরেও রপ্তানি আয় কমেছে।   অর্থবছরের গত ছয় মাসে ভ্যাট আদায়ে ঘাটতি রয়েছে। এ সময়ে ২৪ হাজার ১২২ কোটি টাকার বিপরীতে আদায় হয়েছে ২১ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা। আদায়ে এ নেতিবাচক ধারার মধ্যেই চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় ভ্যাট আদায়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। চলমান অবরোধে রাজধানীসহ বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরের মধ্যে স্বাভাবিক পণ্য পরিবহন নেই। পুলিশ পাহারায় সীমিতভাবে কিছু পরিবহন চলছে। এতে ছোট-বড় অনেক দোকানের মজুদ শেষ হয়ে এলেও আবার দোকানে পণ্য আনতে পারছে না বিক্রেতারা। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পণ্য সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। এতে স্বাভাবিক বেচাকেনা ব্যাহত হচ্ছে। সম্প্রতি রাজস্ব কর্মকর্তারা ভ্যাট আদায়ে গেলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি উল্লেখ করে ভ্যাট পরিশোধে সময় বাড়ানোর আবেদন করছে ব্যবসায়ীরা। অতীতে দেশের মধ্যে ভ্যাট খাতে ঢাকা ও চট্টগ্রামে আদায় সবচেয়ে বেশি হলেও এ দুই অঞ্চলে অবরোধে বিপাকে থাকা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও আদায় সম্ভব হয়নি। দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, দোকানের মালামাল শেষ হয়ে গেলেও অবরোধের কারণে আবারও পণ্য আনা যাচ্ছে না। রাজধানীসহ সারা দেশের দোকানপাটে একই অবস্থা। এমন পরিস্থিতিতে হিসাব মতো রাজস্ব পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। রাজনৈতিক সংঘাতের দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে আয়কর আদায়ে। অথচ রাজস্ব আদায়ে সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে আয়কর খাতে। এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন বলেন, ২০১৩ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতায় ২০১৩-১৪ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন করতে হয়। এতে অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় বাধ্য হয়েই এডিপি কাটছাঁট করতে হয়। সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতায় চলতি অর্থবছরে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় এত বড় অঙ্কের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না বলে আশঙ্কা থাকছে। এতে ব্যয় নির্বাহে সরকার বেকায়দায় পড়বে। ঋণ করতে বাধ্য হবে। বেসরকারি খাতে অর্থ প্রবাহ কমবে। ফলে বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বলেন, 'রাজনৈতিক অস্থিরতায় রাজস্ব আদায়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তবে এ পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কৌশলপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। এ কৌশলপত্র অনুসরণ করে কাজ করা হচ্ছে। আশা করি চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।'   Source : কালের কণ্ঠ
  • শিগগির উন্মুক্ত হচ্ছে সৌদি শ্রমবাজার
    সৌদি আরবে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে দেশটির সরকার। এর ফলে প্রায় সাত বছর বন্ধ থাকার পর সৌদিতে আবার বাংলাদেশি শ্রমিক যাওয়ার পথ উন্মুক্ত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ এ দেশটির শ্রমমন্ত্রী আবদেল ফকিহর বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আরব নিউজ। ২০০৮ সালে দেওয়া এক নিষেধাজ্ঞার কারণে সৌদিতে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত রবিবার নিজ কার্যালয়ে আবদেল ফকিহ বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করেন সৌদি মন্ত্রী। ওই বৈঠকের পর দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির কথা তুলে ধরে আবদেল ফকিহ বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপর সোমবার আবদেল ফকিহ জানান, সৌদি আরবে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ শিগগিরই শুরু হবে। সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শহীদুল ইসলাম বিডিনিউজকে বলেন, 'এটা একটা বিরাট খবর। বাংলাদেশ থেকে ফের শ্রমিক আমদানির বিষয়ে সৌদি আরব সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে সৌদি আরব সফররত প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। শিগগিরই বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক পাঠানো যাবে।' কত দিন সময় লাগবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'যেহেতু নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন তাঁদের কিছু আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে। এগুলো সারতে এক দিনও লাগতে পারে, দুই দিনও লাগতে পারে।' প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন আরব নিউজকে বলেন, সৌদি সরকার শিগগিরই বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য তাদের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করতে প্রস্তুত। ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, সৌদি আরবের কোনো কোনো খাতে কিভাবে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ শ্রমিক নিলে দুই দেশই লাভবান হবে- সে বিষয়ে একটি কর্মকৌশল ঠিক করার ওপর জোর দেন আবদেল ফকিহ। তিনি বলেন, কাজ নিয়ে সৌদি আরবে আসার আগে আগ্রহীরা যাতে নিজের দেশে প্রশিক্ষণ পায় এবং 'অনলাইন ভেরিফিকেশনের' সুযোগ রেখে স্বচ্ছতার সঙ্গে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়- সে ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। সৌদি আরবের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশের মন্ত্রী জানান, তাঁর দেশে ২২ লাখ নিবন্ধিত শ্রমিকের একটি তথ্যভাণ্ডার রয়েছে। সরকারি হিসাবে বর্তমানে ১২ লাখ ৮০ হাজার বাংলাদেশি সৌদি আরবে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছে।   Source : কালের কণ্ঠ
  • তৈরি পোশাকশিল্পে ৩৭ লাখ ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল
    চলমান হরতাল-অবরোধের কারণে আবার ক্ষতি গুনতে শুরু করেছেন পোশাক কারখানার মালিকেরা। ইতিমধ্যে ৩৭ লাখ মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে। এর সঙ্গে মূল্যছাড়, উড়োজাহাজে পণ্য পাঠানো, জাহাজীকরণে বিলম্ব ও নাশকতার ক্ষতি যোগ করে লোকসান ৬১ লাখ ডলারে দাঁড়ায়।পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ কার্যালয়ে এই ক্ষতির হিসাব পাঠিয়েছে পাঁচটি কারখানা। কারখানাগুলো হচ্ছে ম্যাগপাই নিটওয়্যার, ম্যাগপাই কম্পোজিট, ক্রিয়েটিভ উলওয়্যার, বেঙ্গল পোশাক ও আর্ভা টেক্সটাইল। এর মধ্যে প্রথম তিনটি প্রতিষ্ঠান ম্যাগপাই গ্রুপের। বিজিএমইএ ১২ জানুয়ারি বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে, তার হিসাব চেয়ে সদস্যদের কাছে চিঠি পাঠায়। তারপর ১৪ জানুয়ারি থেকে গতকাল বুধবার পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পাঠিয়েছে কারখানাগুলো।বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, টানা হরতাল-অবরোধে পাঁচ কারখানার ৩৭ লাখ ৪ হাজার ৮৫০ ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে। ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে মূল্যছাড় দিয়ে ক্ষতি ৩৯ হাজার ৯০১ ডলার। উড়োজাহাজে পণ্য পাঠাতে বাড়তি খরচ হয়েছে ৭১ হাজার ৫০৮ ডলার। নাশকতায় ক্ষয়ক্ষতি ১ হাজার ২৮২ ডলার। আর জাহাজীকরণে বিলম্ব বা আটকে পড়েছে ২২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৮১ ডলারের পণ্য। সব মিলিয়ে ৬১ লাখ ১৬ হাজার ৪২২ ডলারের ক্ষতি, দেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৪৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। ২০১৩ সালে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে পোশাকশিল্প মালিকদের মূল্যছাড় দিতে হয়েছিল ৯ হাজার কোটি টাকার পণ্য। আর বেশি অর্থ দিয়ে উড়োজাহাজে পাঠাতে হয়েছিল সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার পণ্য।গত সোমবার ক্রেতা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজিএমইএর নেতারা। এতে ক্রেতারা জানান, বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে নয়টি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে তাদের ক্রয়াদেশ অন্য দেশে সরিয়ে নিতে যাচ্ছে। এ ছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠানই হিসাব-নিকাশ করে স্বাভাবিকের চেয়ে কম ক্রয়াদেশ দিচ্ছে। তারা বলছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তারা ক্রয়াদেশ বাড়াবে।জানতে চাইলে বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম বলেন, ‘আগের চেয়ে এ বছর ইউরোপ ও আমেরিকায় পোশাকের খুচরা বিক্রি বেড়েছে। সেই হিসাবে আমরা বেশি ক্রয়াদেশ পাওয়ার আশা করছিলাম। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, ক্রয়াদেশই বাতিল হচ্ছে কারও কারও।’ তিনি আরও বলেন, অনেক কারখানার মালিকই স্বাভাবিকের চেয়ে ৪০ শতাংশ কম কার্যাদেশ পাচ্ছেন।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৩ সালে রাজনৈতিক সহিংসতা শুরু হওয়ার বেশ কয়েক দিন পর পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের পাহারায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য পাঠানো শুরু হয়। তত দিনে অনেকের গুদামেই রপ্তানিপণ্য জমে গিয়েছিল। সে জন্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেশি ছিল। এবার টানা অবরোধের প্রথম দিন ৬ জানুয়ারি থেকেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ায় সমস্যা কম হচ্ছে। তা ছাড়া এখন রপ্তানি হওয়া পণ্যের মধ্যে মূলত গ্রীষ্ম মৌসুমের পোশাক হওয়ায় পরিবহন কম লাগছে।এ বিষয়ে শহিদউল্লাহ আজিম বলেন, এখন ক্রয়াদেশ কম পেলে বিরাট সমস্যা হবে। কারণ ক্রয়াদেশের বিপরীতে ঋণপত্র খুলে মালিকেরা প্যাকিং ক্রেডিট নিতে পারেন। এটি না হলে অর্থসংকটে পড়ে অনেকেই শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতে পারবেন না।   Source : প্রথম আলো 
View All
Latest DSE News
  • BDWELDING

    The Company has informed that the Registered office of the Company has been shifted from 87, Motijheel C/A, Dhaka to 55/B Purana Palton, Noakhali Tower, (11th Floor) Dhaka-1000.

  • ISLAMIBANK

    As per Regulation 30 of DSE Listing Regulations, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on February 14, 2015 at 3:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2014.

  • BATASHOE

    The Company has informed that the Board of Directors has decided to close the share liaison office at 6BB Avenue, Gulisthan, Dhaka. The Company has further informed that it has requested all its stake holders to communicate only to their head office Share Department, Bata Shoe Company (Bangladesh) Limited, Tongi, Gazipur.

  • TRUSTBANK

    The Company has informed that the Share Department of the Company has been relocated at Shadhinata Tower, Level-1, Bir Srestha Shaheed Jahangir Gate, Dhaka Cantonment, Dhaka.

  • FUWANGCER

    The Company has credited the bonus shares for the year ended on June 30, 2014 to the respective shareholders' BO Account on January 25, 2015.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
GEMINISEA 270.80 249.00 21.80 8.76
EXIM1STMF 6.70 6.30 0.40 6.35
NORTHERN 278.30 262.00 16.30 6.22
ICB 1377.20 1301.20 76.00 5.84
GSPFINANCE 33.20 31.50 1.70 5.40
SAMATALETH 20.10 19.20 0.90 4.69
FAREASTFIN 16.90 16.20 0.70 4.32
AZIZPIPES 19.10 18.50 0.60 3.24
ALLTEX 32.60 31.80 0.80 2.52
CVOPRL 519.30 510.70 8.60 1.68

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297