Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SHYAMPSUG 21.8 18 3.80 21.11
PRIMEINSUR 21.3 18 3.30 18.33
ZEALBANGLA 34.7 29.7 5.00 16.84
BEACHHATCH 11.9 10.2 1.70 16.67
FIRSTFIN 11 9.7 1.30 13.40
PREMIERLEA 18.3 16.4 1.90 11.59
NORTHERN 363.1 335.9 27.20 8.10
MERCANBANK 17.4 16.1 1.30 8.07
PRIMEBANK 22.6 21.1 1.50 7.11
JAMUNABANK 19.7 18.4 1.30 7.07

Contest SB2017_Apr

1st
blank_person
SHOPNO_GHURI
2nd
blank_person
FARUK6468
3rd
blank_person
NAZRUL
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
SQURPHARMA 284.8 280.3 5.42552 376972.00
LAFSURCEML 67.9 66.4 3.06198 998603.00
GP 337.3 336.7 1.42403 84923.00
NBL 14.7 14.3 1.38883 12650100.00
ONEBANKLTD 20.5 19.6 1.04986 5059860.00
Negative impact
ICB 193.2 198.7 -6.11754 490980.00
OLYMPIC 271 285 -4.91999 237351.00
DESCO 54.1 56.1 -1.39760 2739610.00
CITYBANK 33.7 34.6 -1.38543 2835790.00
SUMITPOWER 41.1 41.7 -1.12619 555152.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
LANKABAFIN 54.1 56.7 53.9 -2.35% 334.08
UPGDCL 157.2 159.9 156.2 -0.69% 233.92
PRIMEBANK 22.6 23.2 22.3 2.26% 218.85
NBL 14.7 15.1 14.5 2.80% 187.73
SPCL 148 150.4 147.1 0.54% 185.08
BDCOM 33.8 34.2 32 8.68% 172.94
BEXIMCO 33.7 34 33.2 0.90% 171.49
BXPHARMA 112 114.9 111.3 0.00% 162.58
DESCO 54.1 56.1 53.6 -3.57% 149.57
ISLAMIBANK 33.7 34.8 33.5 0.30% 145.37

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 27 Apr 2017

117198
TOTAL TRADE
219.2859
TOTAL VOLUME(Mn)
6988.45
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • আইপিওর নিয়মে সংশোধন
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ইস্যুর ক্ষেত্রে  বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস-২০১৫ সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে। ২৭ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত কমিশনের ৬০৩ তম সভায় প্রস্তাটি অনুমোদন দেওয়া হয়। নিন্মে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে সিদ্ধান্ত সমূহ হুবহু তুলে দেয়া হল ।
  • এএফসি এগ্রো বায়োটেক ও এসিআই লিমিটেডের ইপিএস বৃদ্ধি,
    স্টাফ রিপোর্টার :  এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেড তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি  আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫৭ পয়সা। যা এর আগের বছর ছিল ২ টাকা ৩১পয়সা । সে তুলনায় ইপিএস অনেক বেড়েছে। সর্বশেষ ৩ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯০ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ছিল ৮২ পয়সা । ৩১ মার্চ, ২০১৭ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৬ টাকা ৫৫ পয়সা। এসিআই লিমিটেডের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানির শেয়ার প্রতি  আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৬ টাকা ৬২ পয়সা। যা এর আগের বছর ছিল ১৩ টাকা ২০পয়সা । সে তুলনায় ইপিএস অনেক বেড়েছে। সর্বশেষ ৩ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৭৯ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ২৬ পয়সা । ৩১ মার্চ, ২০১৭ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মুল্য (এনএভি) হয়েছে ২৩৪ টাকা ৮৮ পয়সা।
  • আইডিএলসি ব্যালেন্সড ফান্ডের অনুমোদন
    স্টাফ রিপোর্টার : বে-মেয়াদি আইডিএলসি ব্যালেন্সড ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কমিশনের ৬০৩তম নিয়মিত সভায় এই প্রোসপেক্টাস অনুমোদন দেওয়া হয়। বিএসইসি সূত্রে বৃহস্পতিবার জানা গেছে, মিউচ্যুয়াল ফান্ডটির প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫০ কোটি টাকা। এখানে উদ্যোক্তার অংশ ১০ কোটি টাকা। সব বিনিয়োগকারীর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪০ কোটি টাকা। যা ইউনিট বিক্রয়ের মাধ্যমে উত্তোলন করা হবে। ফান্ডটির অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। ফান্ডটির নিয়মিত বিনিয়োগ পরিকল্পনার আওতায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইউনিট বিক্রি করা যাবে। ফান্ডের উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপক হিসাবে রয়েছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। ফান্ডটির ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হলো ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ।
  • ডেসকোর ইপিএস কমেছে, পাওয়ার গ্রিডের বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লিমিটেডের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আলোচ্য সময়ে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানির শেয়ার প্রতি  আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৪। যা এর আগের বছর ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা ।  সে হিসেবে কোম্পানির আয় অনেক কমেছে। সর্বশেষ ৩ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস লোকসান হয়েছে ৩৯ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল ২৪ পয়সা । ৩১ মার্চ, ২০১৭ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মুল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৭ টাকা ৪৯ পয়সা। পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আলোচ্য সময়ে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। যা এর আগের বছর ছিল ১ টাকা ৯৫ পয়সা । সে হিসেবে আয় অনেক বেড়েছে। কোম্পানি সূত্রে বৃহস্পতিবার জানা গেছে, সর্বশেষ ৩ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ছিল ৬৫ পয়সা।
  • যমুনা ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যাংক সূত্র জানায়, আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯২ পয়সা; শেয়ার প্রতি প্রকৃত সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২৫ টাকা ৭০ পয়সা। আগামী ৭ আগস্ট কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ জুন।
  • ফনিক্স ইন্স্যুরেন্স ও ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : ফনিক্স ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করা হয়েছে। ফনিক্স ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। সূত্র জানায়, আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৪৪ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৪ টাকা ৬৪ পয়সা। আগামী ২১ জুন কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ মে। ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। সূত্র জানায়, আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৩৩ পয়সা; আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৯ টাকা ২৫ পয়সা। আগামী ২৫ জুলাই কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ জুন।
  • অলিম্পিক এক্সেসরিজ লিমিটেডের – ৩য় প্রান্তিকের – মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি অলিম্পিক এক্সেসরিজ লিমিটেডের ৩য় প্রান্তিকের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ৩য় প্রান্তিকের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (PRICE SENSITIVE INFORMATION) কোম্পানির পক্ষ থেকে নিচে প্রকাশ করা হল।
  • এসিআই ফরমুলেশনের আয় বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : এসিআই ফরমুলেশন তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।গত বছরের  একই সময়ের তুলনায় ইপিএস ৬৪ পয়সা বা  প্রায় ১৩  শতাংশ বেড়েছে । ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। গত ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৫০ পয়সা। যা গত বছরে একই সময়ের ছিল ৪ টাকা ৮৬ পয়সা। সর্বশেষ ৩ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬৬ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৩৯ পয়সা।
  • আইসিবি অ্যাসেট ম্যনেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড পরিচালিত মিউচ্যুয়াল ফান্ডের – মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
    আইসিবি অ্যাসেট ম্যনেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড পরিচালিত মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (PRICE SENSITIVE INFORMATION ) অ্যাসেট ম্যনেজমেন্ট কোম্পানির পক্ষ থেকে নিচে প্রকাশ করা হল।
  • লাফার্জ সুরমা ইপিএস প্রকাশ
    স্টাফ রিপোর্টার : লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেড প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।গত বছরের  একই সময়ের তুলনায় ইপিএস ১৬ পয়সা কমেছে ।ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। গত ৩ মাসে (জানুয়ারি,১৭- মার্চ,১৭) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৭ পয়সা। গত বছর একই সময়ে যা ছিল ৪৩ পয়সা।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ডিএসইতে ২০১টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে
    টানা দরপতনের পর দ্বিতীয় দিনের মতো ইতিবাচক ছিল শেয়ারবাজার। বুধবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২০১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) ১৫০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ফলে মূল্যসূচক ও বাজারমূলধনে এর প্রভাব পড়েছে। আর দিনশেষে ডিএসইর সূচক বেড়েছে ৪৭ পয়েন্ট এবং সিএসইর সূচক বেড়েছে ১৪৫ পয়েন্ট। এ ছাড়া উভয় শেয়ারবাজারেই এদিন লেনদেনও বেড়েছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে বুধবার ৩২৮টি কোম্পানির ১৯ কোটি ৭১ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ৬৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে যা ১৭৭ কোটি টাকা বেশি।এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২০১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ৮৫টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। ডিএসইর ব্রডসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৭ দশমিক ৯০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫১৭ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ১২ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৩৮ দশমিক ৫৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২৬৮ দশমিক ৬৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৩ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।সিএসই : চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ২৪০টি প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ৭৬ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ৪৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ৬৩টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৮৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। সিএসই-৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ২৪৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। সিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৩ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।শীর্ষ দশ কোম্পানি : ডিএসইতে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বেশি লেনদেন হয়েছে সেগুলো হল : লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, ইউনাইটেড পাওয়ার, আইডিএলসি, আইসিবি, প্রাইম ব্যাংক, আর্গন ডেনিমস, বেক্সিমকো লিমিটেড, আরএসআরএম স্টিল, ইসলামী ব্যাংক ও ডেসকো লিমিটেড। ডিএসইতে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি বেড়েছে সেগুলো হল : লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, আর্গন ডেনিমস, ফাইন ফুডস, প্রিমিয়ার লিজিং, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল। source : jugantor
  • স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার পেতে সিএসইর রোড শো
    গত মঙ্গলবার রাজধানী একটি হোটেলে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বা স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার পেতে এ রোড শো আয়োজন করা হয়। এতে সিএসইর চেয়ারম্যান ড. এ কে আব্দুল মোমেন বক্তব্য রাখেন। সিএসইর ভবিষ্যত পরিকল্পনা এবং ব্যবসায়িক নানা বিষয়ে আলোকপাত করেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান রহমান মজুমদার। সিএসইর এমডি সভায় পুঁজিবাজারের নানা দিক তুলে ধরেন। সভাপতির বক্তব্যে ড. আব্দুল মোমেন বলেন, সিএসই আগামীতে নানা ধরনের প্রোডাক্ট নিয়ে আসছে। এক্ষেত্রে  স্ট্র্যাটেজিক পার্টনাররা বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি source : ittafaq
  • কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজতে সিএসইর রোড শো
    কৌশলগত বিনিয়োগকারীর খোঁজে রোড শো করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। গত ২৫ এপ্রিল ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হওয়া এ রোড শোতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক, মার্চেন্ট ব্যাংক, বিভিন্ন দেশের এ্যাম্বাসেডর বা হাইকমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, ২০১৩ সালে সিএসই ডি-মিউচুয়ালাইজড এক্সচেঞ্জে পরিণত হয়। এতে সিএসই অলাভজনক থেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর হয়। ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইনানুযায়ী, সিএসইকে পরিশোধিত মূলধনের ২৫ শতাংশ শেয়ার স্ট্যাট্রেজিক ইনভেস্টরের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। সে লক্ষ্যে যোগ্য কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজতে রোড শোর আয়োজন করেছে সিএসই। রোড শোতে সিএসইর বিভিন্ন কারিগরি বিষয় উপস্থাপন করে স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার। এই সময়ে তিনি সিএসইর আর্থিক ভীত, ভবিষ্যত পরিকল্পনা, প্রজেক্ট ফিন্যান্সিয়াল এবং ভ্যালুয়েশনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন ফোরামের মাধ্যমে সিএসই আন্তর্জাতিক ও দেশী স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে। উল্লেখ্য, রোড শোতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিএসইর চেয়ারম্যান ড. এ কে আবদুল মোমেন। এছাড়া অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে সিএসই যোগ্য স্ট্যাট্রেজিক পার্টনার খুঁজছে। এর মাধ্যমে স্টক এক্সচেঞ্জে আসন্ন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হবে। source : jonokontho
  • পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন বেড়েছে
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বুধবার মূল্য সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। দুই বাজারেই লেনদেনে অংশ নেয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে ৬৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের তুলনায় ১৭৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা বেশি। মঙ্গলবার ডিএসইতে ৫০০ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩২৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২০১টির, কমেছে ৮৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২টির শেয়ার দর।এদিকে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ৪৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ২৬৮ পয়েন্টে। আর ডিএস ৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ৩৮ পয়েন্টে।আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টের বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আগের দিনের ধারবাহিকতায় বুধ্বারও প্রধান বাজার ডিএসইতে সূচকের উর্ধমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ায় সেখানকার সার্বিক সূচকটি মোট ৪৭.৯০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৫১৭ পয়েন্টে। অর্থাৎ ডিএসইর সার্বিক সূচকটি আবারও সাড়ে ৫ হাজারের ওপর অবস্থান করল। ডিএসইতে দিনটিতে ২০১ কোম্পানির দর বেড়েছে, এর বিপরীতে কমেছে ৮৫টি কোম্পানির। এছাড়া সেখানে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে ৩৫.৫০ শতাংশ। দিনটিতে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলো লেনদেন ও দর বৃদ্ধির শীর্ষে ছিল। কারণ খাতটির আইসিবি ও আইডিএলসি ফাইন্যান্সের প্রথম প্রান্তিকের ঘোষণার পর দর বেড়েছে ২.১ ও ৩.৪ শতাংশ। সার্বিকভাবে খাতটির দর বেড়েছে ৩ শতাংশ করে। সার্বিকভাবে খাতটি মোট লেনদেনের ২৪.৩০ শতাংশ লেনদেন দখল করেছে। ব্যাংক খাতটি এই দিনে দর বৃদ্ধির দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।ডিএসইতে লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, ইউনাইটেড পাওয়ার, আইডিএলসি, আইসিবি, প্রাইম ব্্যাংক, আর্গন ডেনিম, বেক্সিমকো, আরএসআরএম স্টিল, ইসলামী ব্যাংক ও ডেসকো।দর বৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, আর্গন ডেনিম, ফাইন ফুড, প্রিমিয়ার লিজিং, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, সোসাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ইউসিবিএল, বিডিকম, রিলায়েন্স ১, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, পিপলস লিজিং, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, ডিবিএইচ মিউচুয়াল ফান্ড ও প্রাইম টেক্স।অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ৪৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৭ হাজার ৮৩ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫০টির, কমেছে ৬৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টি কোম্পানির শেয়ার।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, প্রাইম ব্যাংক, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, আর্গন ডেনিম, এক্সিম ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ইউনাইটেড পাওয়ার, ইসলামী ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক।   source : jonokontho
  • টাকা রাখতে এখনো ব্যাংকই ভরসা!
    কয়েক বছর ধরে ব্যাংকিং খাতে বড় বড় জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। শত শত কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে। আবার কমেছে সুদের হার। তারপরও ব্যাংকিং খাতের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা কমেনি; বরং বেড়েছে। গ্রাহকেরা এখন আগের চেয়ে বেশি টাকা ব্যাংকে রাখেন; ব্যাংক থেকে টাকা ধারও নেন বেশি। সরকারি ব্যাংকগুলোর প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ আরও একটু বেশি।  পাঁচ বছর আগে যেখানে একজন গ্রাহক গড়ে ৩৩ হাজার টাকা রাখতেন, সেখানে এখন রাখেন প্রায় ৫০ হাজার টাকা। অন্যদিকে একই সময়ের ব্যবধানে গ্রাহকপ্রতি গড় ঋণের পরিমাণ ৮ হাজার টাকা বেড়েছে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের ব্যাংকের শাখা বেড়েছে, লোকবল বেড়েছে, সার্বিকভাবে কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হয়েছে। মানুষ আগের চেয়ে বেশি ব্যাংকিং সেবা পাচ্ছেন।  পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) এক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সহায়তায় ‘ব্যাংকিং এটলাস’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। প্রতিবেদনে ব্যাংকিং খাতে ২০১০ ও ২০১৫ সালের একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।  একটি উপজেলায় গড়ে ব্যাংকের কয়টা শাখা, প্রতি বর্গকিলোমিটারে শাখা, প্রতি এক লাখ জনগোষ্ঠীর জন্য কয়টা শাখা, গ্রাহকপ্রতি আমানত ও ঋণের পরিমাণ—এসব চিত্র উঠে এসেছে। একটি উপজেলায় অবস্থিত ব্যাংকগুলোর শাখায় যত আমানত ও ঋণ আছে, তা ওই উপজেলার সব ব্যাংক গ্রাহককে ভাগ করে দিয়ে গড় ঋণ ও আমানতের পরিমাণ গণনা করা হয়েছে। মোট আমানত ও ঋণের পরিমাণ বেড়ে গেলে গড় হিসাবপ্রতি আমানত ও ঋণও বেড়ে যায়। এভাবে হিসাব করা সব সূচকেই আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে।  এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘অর্থনীতি বড় হয়েছে, মানুষের আয়ও বেড়েছে। তাঁরা কোথাও না কোথাও টাকা রাখবেন; তাই তাঁরা ব্যাংকে রাখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। সরকারি ব্যাংকে টাকা রাখার প্রবণতা বেশি। কারণ, গ্রামের মানুষ মনে করেন, এটি সরকারের ব্যাংক। এ ছাড়া তাঁরা সরকারি ব্যাংকের জালিয়াতির ঘটনাগুলো সম্পর্কে এত বেশি জানেনও না। যাঁরা এই জালিয়াতিগুলো সম্পর্কে জানেন, তাঁরা হয়তো বেসরকারি ব্যাংকে টাকা সরিয়ে নিয়েছেন।’  আমানত ও ঋণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি ব্যাংকের একজন গ্রাহক তাঁর হিসাবে গড়ে ৪২ হাজার টাকার বেশি রাখেন। ২০১০ সালে প্রায় ২৫ হাজার টাকা রাখতেন। পাঁচ বছরে প্রতি হিসাবে আমানত বেড়েছে গড়ে ১৭ হাজার টাকা। সরকারি ব্যাংকে গ্রাহকের টাকা রাখার পরিমাণ ৬০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যাংকে গ্রাহকপ্রতি আমানত রাখার পরিমাণ ৪০ হাজার থেকে বেড়ে ৬০ হাজার টাকা হয়েছে। পাঁচ বছরের ব্যবধানে তা বেড়েছে ৫০ শতাংশ।  অন্যদিকে ঋণ দেওয়ায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে। গ্রাহকপ্রতি গড় ঋণ এখন ২৫ হাজার টাকা। সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে ৫০ শতাংশ করে ঋণ দেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে।  প্রতিবেদনে উপজেলা পর্যায়ে ব্যাংকিং খাতের কার্যক্রমের একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৫ সালের হিসাবে, একটি উপজেলায় গড়ে ১৬ দশমিক ৮০টি ব্যাংক শাখা আছে। ২০১০ সালে ছিল ১৪ দশমিক ২১টি। আশার কথা হলো, সরকারি ব্যাংকের চেয়ে বেসরকারি ব্যাংকের শাখা বাড়ানোর প্রবণতা বেশি। প্রতি উপজেলায় তাদের এখন গড়ে ৭ দশমিক ৪৯টি শাখা আছে; পাঁচ বছর আগে ছিল ৫ দশমিক ৩৮টি শাখা। অন্যদিকে সরকারি ব্যাংকের শাখা আছে প্রতি উপজেলায় গড়ে ৯ দশমিক ৩২টি; পাঁচ বছর আগে ছিল ৮ দশমিক ৮৩টি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশের অন্য এলাকার চেয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মধ্যে ব্যাংক হিসাব খোলার প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। আবার দেশে এমন কিছু অঞ্চল আছে যেখানে দ্রুত ব্যাংকের শাখা বাড়ছে। যেমন দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও যশোর।  সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদের মতে, ব্যাংকের শাখা, আমানত ও ঋণ কার্যক্রম বাড়লেও গ্রাহকসেবা বাড়েনি। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এখনো ব্যাংক থেকে সহজে ঋণ পান না। একটি ব্যাংকের শাখা থেকে একটি বড় প্রতিষ্ঠানকে বিশাল অঙ্কের ঋণ দিলেই ব্যাংক হিসাবপ্রতি গড় ঋণের পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই ব্যাংকিং খাতে যে গড় হিসাব করা হয়, তাতে শুভংকরের ফাঁকি আছে।  এই প্রতিবেদন তৈরির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক কাজী ইকবাল। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ ভালো করেছে। তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ অর্থনীতির সুফল পেয়েছে। তাই তাদের কাছে নগদ অর্থ গেছে। ব্যাংকিং খাতেরও সম্প্রসারণ হয়েছে। এই প্রতিবেদনে মাঠ পর্যায়ের প্রকৃত চিত্র উঠে এসেছে।   source : prothom-alo
  • অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে বাজেট ঘাটতি
    অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে চলতি অর্থবছরের (২০১৬-১৭) বাজেট ঘাটতির পরিমাণ। গত ৫ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) পাঁচ শতাংশ অতিক্রম করেছে এ ঘাটতি। বাজেট রীতি অনুযায়ী এর পরিমাণ পাঁচ শতাংশের মধ্যে থাকার কথা। রাজস্ব আদায়ে শ্লথ গতির কারণেই মূলত এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বাজেটে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ৯২ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। কিন্তু প্রস্তাবিত সংশোধিত বাজেটে তা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকা বেশি (জিডিপির ৫ দশমিক ৪ শতাংশ)।এর আগে পাঁচ শতাংশ করে ঘাটতি ছিল ২০১৫-১৬ এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে। আর ২০১৩-১৪ এবং ২০১২-১৩ বছরে এ ঘাটতির পরিমাণ ছিল যথক্রমে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ ও ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।আগামী অর্থবছরেও (২০১৭-১৮) এ বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশ অতিক্রম করবে বলে আভাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।বাজেট ঘাটতি বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বাজেট) হাবিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, চলতি বাজেটে রাজস্ব আয় কমবে। কারণ এনবিআর রাজস্ব, এনবিআরবহির্ভূত রাজস্ব ও এনটিআরের আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আয় কমার পাশাপাশি ব্যয়ের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকলে, বাজেট ঘাটতি বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সংশোধিত বাজেটের মূল আকার কমছে। এরপরও ঘাটতি পরিমাণ বেশি দেখানো হচ্ছে। এর মূল কারণ হচ্ছে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় ঘাটতি বাজেটের পরিমাণ বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অতি উচ্চাভিলাষী, আগেও বলেছি। ফলে তা অর্জন সম্ভব হবে না।সূত্রমতে, চলতি বাজেটের মোট আকার হচ্ছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেট হচ্ছে ৩ লাখ ১৭ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ঘাটতির পরিমাণ হচ্ছে ৯২ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা। ঘাটতি পূরণ করতে বিদেশি ও অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয় সরকার।সূত্রমতে, ঘাটতি বাজেট নিয়ে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সম্পদ কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়। নতুন ভাবে ঘাটতি অর্থায়ন পূরণ করতে সেখানে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।ঘাটতি পূরণ যেভাবে-বিদেশ থেকে ঋণ : চলতি বাজেটে ঘাটতি পূরণে বিদেশ থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩৮ হাজার ৯৪৭ কোটি টাকা। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে তা কাটছাঁট করে ২৮ হাজার ৭৭০ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। ওই হিসাবে বিদেশ থেকে ঋণ পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা কমানো হয় ১০ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিদেশ থেকে এ বছর চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাওয়ায় যায়নি। ফলে সরকার ঋণের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েছে।অভ্যন্তরীণ ঋণ : ঘাটতি অর্থায়নের জন্য একটি উৎস হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ঋণ। এ বছর এ ঋণের লক্ষ্য ধরা হয় ৬১ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা। কিন্তু বিদেশি ঋণ পর্যাপ্ত না পাওয়ায় চাপ বেড়ে যায় অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর। ফলে সংশোধিত বাজেটে এ ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি করে ৭৭ হাজার ৯শ’ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। ওই হিসাবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে সরকার ১৬ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা বেশি ঋণ গ্রহণ করতে যাচ্ছে।জানা গেছে, ঘাটতি বাজেটের অর্থায়নের জন্য অভ্যন্তরীণ ঋণ নেয়া হয় মূলত তিনটি খাত থেকে। এর মধ্যে ব্যাংকিং, ব্যাংকবহির্ভূত এবং সঞ্চয়পত্র খাত রয়েছে। ঘাটতি বেড়ে যাওয়ায় সংশোধিত বাজেটে এ তিন খাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ : ২০১৬-১৭ অর্থবছর বাজেটে ব্যাংকিং খাত থেকে ৩৮ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এটি জিডিপির ২ শতাংশ। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন করে এ লক্ষ্যমাত্রা ৪০ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, এ বছর সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এখন পর্যন্ত কম গ্রহণ করছে।ব্যাংকবহির্ভূত খাত : ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে ২২ হাজার ৬১০ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ৩৭ হাজার ৯শ’ কোটি টাকা নির্ধারণ হয়। ফলে এ খাত থেকে ১৫ হাজার ২৯০ কোটি টাকা বেশি নেয়া হচ্ছে।সঞ্চয়পত্র : ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকার সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ১৯ হাজার ৬১০ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে এ খাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণ করা হয়। সর্বশেষ হিসাবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকার এ খাত থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। তবে বেশি পরিমাণ এ খাত থেকে ঋণ নেয়া বাজেটের ওপর সুদ পরিশোধের চাপও বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। source : jugantor
  • পুঁজি লগ্নির বিপরীতে মুনাফার শীর্ষে বহুজাতিক কোম্পানিই
    কত পুঁজি বিনিয়োগ করে ব্যবসায় কী পরিমাণ মুনাফা হচ্ছে, তা বোঝার আর্থিক নির্দেশক রিটার্ন অন ইকুইটি (আরওই)। শেয়ারহোল্ডারদের নিট ইকুইটির বিপরীতে কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফায় বরাবরই বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এগিয়ে। দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৫-১৬ হিসাব বছরে আরওইতে শীর্ষ ১০ কোম্পানির আটটিই বহুজাতিক। দেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে এ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে শুধু অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ও রেনাটা।বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন দক্ষতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বহুজাতিক কোম্পানিগুলো মূলধন কাঠামোর ব্যাপারেও বিচক্ষণ নীতি গ্রহণ করে। এতে তাদের শেয়ারহোল্ডারদের অর্থের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার ও রিটার্ন নিশ্চিত হয়। দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া স্থানীয় কোম্পানিগুলো এদিক থেকে অনেক পিছিয়ে।চার্টার্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট (সিএফএ) সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, বহুজাতিক কোম্পানিগুলো সাধারণত শেয়ারহোল্ডারদের ভ্যালু সর্বোচ্চকরণের নীতিতে বিশ্বাসী। তাদের ম্যানেজমেন্টের জন্য এটিই সবচেয়ে বড় মূলমন্ত্র। এজন্য একদিকে তাদের ব্যবসায় সর্বোচ্চ দক্ষতা নিশ্চিত করতে হয়, অন্যদিকে তারা কোম্পানির মূলধন কাঠামোও এমন অবস্থানে রাখে, যাতে শেয়ারহোল্ডারদের অর্থের সর্বোচ্চ রিটার্ন দেয়া সম্ভব হয়।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদন ও লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের গবেষণা সেলের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ হিসাব বছরে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে আরওইতে সবার উপরে ছিল মুম্বাইভিত্তিক এফএমসিজি (ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুডস) কোম্পানি ম্যারিকোর বাংলাদেশ সাবসিডিয়ারি ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড। শেয়ারহোল্ডারদের নিট ইকুইটির বিপরীতে বছর শেষে ৮২ দশমিক ৭ শতাংশ মুনাফা করেছে কোম্পানিটি। ৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের সঙ্গে অবণ্টিত মুনাফা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মূলধন যোগ করে ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডার্স ইকুইটি ১৭০ কোটি টাকা ছাড়ায়। হিসাব বছরটিতে কোম্পানির বিক্রি ছিল ৭৩৪ কোটি টাকা। পরিচালন মুনাফা হয় ১৮১ কোটি টাকা। অন্যান্য আয়সহ কর-পূর্ব মুনাফা দাঁড়ায় ১৯২ কোটি টাকা। কর দেয়ার পর নিট মুনাফা হয় ১৪১ কোটি টাকা, যা তাদের শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটির ৮২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। বিক্রির বিপরীতে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বা নিট প্রফিট মার্জিন ছিল ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ।পূর্ববর্তী চার বছরেও ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের আরওই উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০১২ সালে কোম্পানির আরওই ছিল ২১ দশমিক ২০ শতাংশ। পরের বছরগুলোয় তা যথাক্রমে ৩০, ৫৭, ৭৮ ও ৮২ দশমিক ৬ শতাংশে উন্নীত হয়।ম্যারিকো বাংলাদেশের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ইকবাল চৌধুরী বলেন, ব্যবস্থাপনা ও কোম্পানির পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে রিটার্ন অন ইকুইটি। বহুজাতিক কোম্পানির দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও শতভাগ করপোরেট হওয়ায় স্থানীয় কোম্পানির চেয়ে আরওই ভালো। এছাড়া স্বচ্ছতার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা থাকায় আর্থিক প্রতিবেদনে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো কোনো কিছু লুকায় না।২০১৫ হিসাব বছরের আরওই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল বহুজাতিক সেলফোন অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেড। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানিটির নিট মুনাফা ছিল এর শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটির ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ। মোট রাজস্বের ১৯ শতাংশ নিট মুনাফা হিসেবে দেখাতে সক্ষম হয় কোম্পানিটি।এর পরই রয়েছে তামাক খাতের জায়ান্ট ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বাংলাদেশ) কোম্পানি। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে কোম্পানিটির আরওই ছিল ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ। সে বছর বিক্রির ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ নিট মুনাফা হিসেবে প্রদর্শন করেছে কোম্পানিটি।ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর কোম্পানি সচিব মো. আজিজুর রহমান জানান, কোম্পানি হিসেবে বিএটি বাংলাদেশ বরাবরই সুশাসন ও ব্যবসায় উত্কর্ষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। শেয়ারহোল্ডারদের রিটার্নে আমাদের এগিয়ে থাকার এটিই মূল কারণ।তালিকায় কিছুটা ব্যতিক্রমভাবেই চার নম্বরে অবস্থান করছিল দেশীয় কোম্পানি অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। বিস্কুটের স্থানীয় বাজারে শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিটির আরওই ছিল ৪১ দশমিক ১ শতাংশ। নিট মুনাফার মার্জিন ছিল ১২ দশমিক ২ শতাংশ।পাঁচ নম্বরে আসে পেইন্টের বাজারে অপ্রতিদ্বন্দ্বী নাম বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে তাদের আরওই ছিল ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ। নিট মুনাফার মার্জিন ছিল ১১ দশমিক ৬ শতাংশ।বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি কিছুটা কমলেও রিটার্ন অন ইকুইটির তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল হেলথ ফুড ড্রিংকস ও ওষুধ কোম্পানি গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন বাংলাদেশ লিমিটেড। এ কোম্পানির আরওই ছিল ৩৪ দশমিক ২ শতাংশ ও মুনাফা মার্জিন ১২ দশমিক ৪ শতাংশ।বাটা সু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডও শেয়ারহোল্ডারদের অর্থের সদ্ব্যবহারে এগিয়ে আছে। ২০১৫ হিসাব বছরে ইকুইটির ৩০ শতাংশের সমান নিট মুনাফা দেখাতে সক্ষম হয় বহুজাতিক কোম্পানিটি। আরওই তালিকায় সপ্তম অবস্থানে ছিল বাটা সু। তাদের মুনাফা মার্জিন ছিল ৮ দশমিক ৭ শতাংশ।বাটা সুজের কোম্পানি সচিব মো. হাশিম রেজা বলেন, বাটাসহ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা অনেক ভালো। আন্তর্জাতিক বাজারে সুনাম ধরে রাখতে বিনিয়োগের বিপরীতে মুনাফা অর্জনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে বহুজাতিক কোম্পানি। নতুন নতুন পণ্য এনে ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখায় বিনিয়োগের বিপরীতে আয়েও শীর্ষে থাকে এসব কোম্পানি। এছাড়া উত্পাদিত পণ্যের পরিমাণের চেয়ে গুণগত মানকে বেশি গুরুত্ব দেয়ায় ব্যবসায়ও এগিয়ে থাকে বহুজাতিকরা।প্রতিকূল সময়েও ২৫ শতাংশ আরওই নিয়ে তালিকায় অষ্টম স্থানে ইলেকট্রনিকস ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স জায়ান্ট সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড। ২০১৫ সালে কোম্পানিটির নিট মুনাফার মার্জিন ছিল ৫ দশমিক ৩ শতাংশ।মেডিকেল অক্সিজেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস ও ওয়েল্ডিং রডের বাজারে অন্যতম নাম লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেড। ২০১৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির আরওই ছিল ২৪ দশমিক ১ শতাংশ। আর মুনাফা মার্জিন ছিল ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ।রিটার্ন অন ইকুইটির শীর্ষ ১০ তালিকায় সর্বশেষ স্থানটি ওষুধ কোম্পানি রেনাটার দখলে। বিদেশী উদ্যোক্তারা আরো আগেই তাদের শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে চলে যাওয়ার পর স্থানীয়দের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় চলছে কোম্পানিটি। তবে এটিকে সোজাসাপ্টা স্থানীয় কোম্পানি বলতে নারাজ বিনিয়োগকারীরা। ২০১৫-১৬ হিসাব বছরে কোম্পানিটির আরওই ছিল ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ ও মুনাফা মার্জিন ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ।ব্যবসায় দক্ষতার পাশাপাশি পরিশোধিত মূলধন না বাড়ানোও বিভিন্ন আর্থিক নির্দেশকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর এগিয়ে থাকার একটি বড় কারণ বলে মনে করেন অনেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ আবু আহমেদ বলেন, মূলধন বাড়ানোর পরিবর্তে অন্যান্য উত্স থেকে ব্যবসায় অর্থসংস্থানে বেশি আগ্রহী বহুজাতিক কোম্পানিগুলো। তাদের সমান ব্যবসা করতে হলে স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে তিন গুণ পুঁজি বিনিয়োগ করতে হচ্ছে। শেয়ার সংখ্যা ও নিট ইকুইটি অনেক কম থাকায় বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস), শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ও আরওই সবই অনেক বেশি থাকে। source : bonik barta
  • টানা দরপতন ও লেনদেন কমায় বিনিয়োগকারীরা হতাশ
    পুঁজিবাজারে গত দুই সপ্তাহ ধরে টানা দরপতনে হতাশ বিনিয়োগকারীরা। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে দরপতন হতেই পারে। গত দুই সপ্তাহ আগেও যেভাবে সূচক বেড়েছে সেখান থেকে এই দরপতন মূলত দর সংশোধন। তাই এ নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তবে একাধিক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে দুই সপ্তাহ ধরে একটানা দরপতনের কারণে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা বাজারে লেনদেন কমে যাওয়ায়।এসব ব্যাপারে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, গত কয়েক মাসে বাজারে সূচক ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচকসহ সব সূচকই সর্বোচ্চ অবস্থানে চলে আসে। তবে সর্বোচ্চ অবস্থানে চলে আসলেও বাজার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়নি। বরং এখনও ডিএসইর পিই রেশিও (দাম-আয় অনুপাত) নীচের দিকেই আছে। পাশাপাশি তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আয় বেড়েছে। বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বেড়েছে। তাছাড়া এখনও বাজারে অনেক কোম্পানির শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম। তাই বাজার এখান থেকে আরও উপরে যাওয়াই স্বাভাবিক। তবে একটানা না গিয়ে ধীরে ধীরে যাওয়াই ভালো। এতে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনার সুযোগ পাবেন। আর লেনদেন কমে যাওয়া কিছুটা দুশ্চিন্তার বিষয়। বাজারে দরপতন হওয়ায় অনেকে অর্থ বিনিয়োগ না করে হাতে রাখছেন, বাজার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করলেই তারাও লেনদেনে ফিরবেন। তখন এ নিয়েও আর দুশ্চিন্তা থাকবে না।ডিএসইর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ১ নভেম্বর ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ছিল ৪ হাজার ৫৯৬ পয়েন্টে। যা ধীরে ধীরে বেড়ে গত ৪ এপ্রিল ৫ হাজার ৭৭৭ পয়েন্টে উঠে এসেছে। অর্থাত্ এ সময়ের মধ্যে ডিএসইএক্স বেড়েছে ১ হাজার ১৮১ পয়েন্ট। এ সময়ে বাজারের লেনদেনও চারশ কোটি টাকার ঘর থেকে এক হাজার কোটি টাকায় উঠে আসে। তবে এরপরই দরপতন হতে শুরু করে। গত দুই সপ্তাহে টানা দরপতনে ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ২১৫ পয়েন্ট, বা প্রায় চার শতাংশ। লেনদেনও নেমে এসেছে পাঁচশ কোটি টাকায়।ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বলছেন, পুঁজিবাজারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে অনেক বেশি ডে ট্রেড (দৈনিক মুনাফার জন্য লেনদেন করা) করছেন। এ ধরনের লেনদেনের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বেশি করলে বাজার গতিশীল হবে। তাছাড়া বাজার যখন নিম্নমুখী হয় তখন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাজারের সম্ভাবনা বিচার করে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করতে থাকলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।ডিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে দ্রুত বাজারে নিয়ে আসার কার্যকরী পদক্ষেপ, আগামী বাজেটে পুঁজিবাজার নিয়ে নেতিবাচক কোনো কিছু যেন না থাকে সে নিশ্চয়তা চেয়েছেন শীর্ষ ব্রোকাররা। source : Ittfaq
  • ব্যাংকিং খাত ঘিরেই সর্বোচ্চ লেনদেন
    গেল সপ্তাহে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শীর্ষে ছিল ব্যাংকিং খাত। এ খাত ঘিরে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর আগে ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বাড়ায় এখন তা সংশোধন হচ্ছে। গত সপ্তাহে অনেক কোম্পানির শেয়ারের দাম সংশোধন হয়েছে। এতে ব্যাংকিং খাত ঘিরে লেনদেন শীর্ষ স্থানে অব্যাহত রয়েছে। এর আগে শেয়ারের দাম বাড়ার কারণে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাজারে লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে ব্যাংকিং খাত।তথ্যে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ব্যাংকিং খাতে প্রতিদিন ১৫৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ২২ শতাংশ। এরপর বস্ত্র খাতে লেনদেন হয়েছে ১১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ১৭ শতাংশ। ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাতে ১৩ শতাংশ লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এ খাতে প্রতিদিন ৯৪  কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তালিকায় থাকা অন্য খাতগুলোর মধ্যে প্রকৌশল খাতে ১১ শতাংশ, ওষুধ-রসায়ন খাতে ১১ শতাংশ, বিদ্যুত্ ও জ্বালানী খাতে ৬ শতাংশ, বিবিধ খাতে ৬ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ৩ শতাংশ, আবাসন ও সেবা খাতে ৩ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। এছাড়া অন্য খাতগুলোর মধ্যে খাদ্য-আনুষঙ্গিক খাত, সিমেন্ট খাতে ২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। ১ শতাংশ           করে লেনদেন হয়েছে তথ্য প্রযুক্তি খাত, টেলিকমিউনিকেশন ও ভ্রমণ-অবকাশ খাতে। source : ittafaq
  • পুঁজিবাজার চাঙ্গা করতে প্রস্তাব দেবে কমিশন
    পুঁজিবাজার চাঙ্গা করতে অর্থের জোগান বাড়াতে হবে। এর জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন। আর তা সম্ভব বেমেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের মাধ্যমে।শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মতে, আইন অনুযায়ী পুঁজিবাজার এক্সপোজার লিমিট (বিনিয়োগ সীমা) এড়িয়ে বেমেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি-সহায়তা। কারণ, তারা বর্তমানে বেমেয়াদি ফান্ডের বিনিয়োগকে এক্সপোজার লিমিটের মধ্যে গণনা করছে। আর আইনে বেমেয়াদি ফান্ডের বিনিয়োগ এক্সপোজার লিমিটের বাইরে রাখার সুযোগ রয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ তার ক্যাপিটালের ২৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। গত ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাদের সমন্বয় সভায় এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বিএসইসির আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে এ বিষয়ে বিএসইসিকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পাঠানোর অনুরোধ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি পুঁজিবাজারের স্বার্থে প্রস্তাব তৈরির কাজ করছে। বিএসইসির এক কমিশনার এ বিষয়ে বলেন, ইতোমধ্যে প্রস্তাব তৈরির কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শিগগিরই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।তিনি আরও বলেন, ব্যাংক কোম্পানি অ্যাক্ট ২০১৩ এর ধারা ২৬(ক)- এ বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে অন্যান্য উপাদানের পাশাপাশি মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারমূল্যে ব্যাংকগুলোকে এক্সপোজার লিমিটে গণনা করতে হবে। কিন্তু বেমেয়াদি ফান্ডে বিনিয়োগ বাজারমূল্যে গণনার সুযোগ নেই। কারণ, তারা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত নয়। তাই এ খাতে ব্যাংকের পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ এক্সপোজার লিমিটের বাইরে রাখার প্রস্তাব দেয়া হবে। আর মিউচুয়াল ফান্ড আইন অনুযায়ী ফান্ডগুলোর বিনিয়োগ উপযোগী অর্থের একটি নির্দিষ্ট অংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে হয়। আর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বেমেয়াদি ফান্ডে সক্রিয় হলে এ খাতে বিনিয়োগ বাড়বে। পাশাপাশি শেয়ারবাজারে ইক্যুইটি সহয়তাও বাড়বে। source : jayjay din
  • পুঁজিবাজারে সব ধরনের সূচক কমেছে
    গত সপ্তাহে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ডিএসইএক্স, শরিয়াহ ও ডিএসই ৩০ সূচক কমেছে। একইসঙ্গে আর্থিক লেনদেন ও বাজার মূলধন কমেছে। এ ছাড়া বেশি সংখ্যক কোম্পানির দর কমেছে। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, রবিবার নেতিবাচক প্রবণতা দিয়ে শুরুর পর একদিন মাত্র সামান্য উত্থান ঘটেছিল। বাকি চারদিনই সূচক কমেছিল। গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১২৪ পয়েন্ট বা ২.২০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৪৬ পয়েন্টে। এ ছাড়া ডিএসই ৩০ সূচক কমেছে ৩৭ পয়েন্ট বা ১.৭৭ শতাংশ ও ডিএসইএক্স শরিয়াহ সূচক ২৩ পয়েন্ট বা ১.৭৫ শতাংশ কমেছে। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইএক্স ৯১ পয়েন্ট বা ১.৫৮ শতাংশ কমেছিল।এদিকে গত সপ্তাহে মোট ৩ হাজার ৪৩২ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা আগের সপ্তাহে হয়েছিল ৩ হাজার ৫৯৩ কোটি ২৪ লাখ টাকার। এ হিসাবে লেনদেন কমেছে ৪.৪৬ শতাংশ।গত সপ্তাহে মোট লেনদেনের ৯৫.৫৩ শতাংশ ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ২.৯৮ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ০.৯৪ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ০.৫৫ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে হয়েছে।সপ্তাহের শুরুত ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকায়। অর্থাৎ গত সপ্তাহে বাজার মূলধন কমেছে ১.২৬ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩৩২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭৬টি বা ২২.৮৯ শতাংশ কোম্পানির। আর দর কমেছে ২৩১টি বা ৬৭.৫৮ শতাংশ কোম্পানির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি বা ৭.৫৩ শতাংশ কোম্পানির।গত সপ্তাহে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের শেয়ার। এ সময় কোম্পানির ২৩৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা গত সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৬.৮৯ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শাহজিবাজার পাওয়ারের লেনদেন হয়েছে ১২২ কোটি ৯১ লাখ টাকার, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৩.৫৮ শতাংশ। ৮০ কোটি ৮৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিটি ব্যাংক। লেনদেনে এরপর রয়েছে যথাক্রমে- আরএসআরএম স্টিল, রিজেন্ট টেক্সটাইল, বিডিকম অনলাইন, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, ইভিন্স টেক্সটাইলস ও তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : বিডিকম, নদার্ন জুটস, বিআইএফসি, ইসলামিক ফাইনান্স, শাহজিবাজার পাওয়ার, আইসিবি এমপ্লয়ীজ মিউচুয়াল ফান্ড, ডেসকো, ফাস ফাইনান্স, তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স ও প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : আইএফআইসি ব্যাংক, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, লঙ্কাবাংলা ফাইনান্স, ফাস্ট ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, মালেক স্পিনিং, হাক্কানী পাল্প ও পেনিনসুলা চট্টগ্রাম। source : jonokontho
  • ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বেশি লাভজনক
    পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ডের তুলনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বেশি লাভজনক। বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো যে লভ্যাংশ দেয় সে তুলনায় এখানকার কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম কম। ফলে কোম্পানিগুলোর শেয়ার কিনলে যে প্রকৃত লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড ইল্ড) পাওয়া যায়, তা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে পাওয়া যায় না। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশের স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্যের ভিত্তিতে ডিএসই এ তথ্য দিয়েছে।বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো মূলত শেয়ারের গায়ের দরের (ফেসভ্যালু) ভিত্তিতে লভ্যাংশ দেয়। কিন্তু শেয়ারক্রেতা সাধারণত গায়ের দরে শেয়ার কিনতে পারেন না। তাকে শেয়ার কিনতে হয় আরো বেশি দামে বাজারমূল্যে। তাই শেয়ারহোল্ডারকে তার প্রকৃত লভ্যাংশ বুঝতে বাজারমূল্যের ভিত্তিতে সে কত লভ্যাংশ পেল তা হিসেব করতে হয়।তথ্যে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান মূল্য সূচকে অন্তর্ভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রকৃত লভ্যাংশ (বাজারমূল্যের ভিত্তিতে লভ্যাংশ) ৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ। যা ভারতের সেনসেক্সভুক্ত কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আর বিএসই ১০০ সূচকে অন্তর্ভুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। অর্থাত্ কেউ যদি ডিএসইর অন্তর্ভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করেন তবে তিনি বছরশেষে ৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ প্রকৃত লভ্যাংশ পান। আর সেনসেক্সভুক্ত কোম্পানির শেয়ার কিনলে প্রকৃত লভ্যাংশ পান ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস্-এর তথ্য অনুযায়ী, ডিএসইএক্সের প্রকৃত নগদ লভ্যাংশ ২ দশমিক ৬০ শতাংশ। সেই হিসেবে প্রকৃত নগদ লভ্যাংশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের শেয়ারবাজার বেশি লাভজনক।ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, শ্রীলংকার সিএসই অল শেয়ার ইনডেক্সের ক্ষেত্রে প্রকৃত লভ্যাংশ ৩ শতাংশ। থাইল্যান্ডের এসইটিভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রকৃত লভ্যাংশ ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। অর্থাত্ এ দুটি দেশের পুঁজিবাজারের তুলনায়ও বাংলাদেশের পুঁজিবাজার লাভজনক। ডিএসইর কর্মকর্তারা বলছেন, পুঁজিবাজারে মুনাফা করার দুটি উপায়।  প্রকৃত লভ্যাংশ এবং মূলধনী মুনাফা। প্রকৃত লভ্যাংশের পাশাপাশি মূলধনী মুনাফার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের পুঁজিবাজার ভারতের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তথ্যে দেখা গেছে, গত এক বছরে ভারতের পুঁজিবাজারে মূলধনী মুনাফা হয়েছে সাড়ে ১৩ শতাংশ। আর বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে মুলধনী মুনাফা হয়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ।বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যে বাজার যত বেশি মুনাফামুখী বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও সে বাজারের দিকে তত বেশি থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের পুঁজিবাজার তত বেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারেনি। এর বড় কারণ হলো— এখানকার কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা কম। ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং এ্যাক্ট করা হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। এখনও বাজারে গুজবের ভিত্তিতে লেনদেন হয়, বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের লেনদেন কম। ফলে অনেক সময় ভালো কোম্পানির শেয়ারের দামের তুলনায় খারাপ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেশি থাকে। source : Ittafaq
  • শেয়ারবাজারে ১২ কোম্পানি ৫ বছর জেড ক্যাটাগরিতে
    পাঁচ বছর ধরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ১২টি কোম্পানি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে পড়ে আছে। আর পাঁচটি কোম্পানি আছে প্রায় চার বছর ধরে। কোম্পানির পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে নিকৃষ্ট কোম্পানিগুলোকে এই ক্যাটাগরিতে দেওয়া হয়। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের কোম্পানি পুঁজিবাজারের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। এসব কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করে বিনিয়োগকারীরা বছরের পর বছর ধরে লোকসানের পাল্লা ভারি করছেন। কিন্তু কোম্পানিগুলোর অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। পাশাপাশি এসব কোম্পানির কারণে পুঁজিবাজার সম্পর্কে মানুষের নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। তাই কোম্পানিগুলোকে মুনাফামুখী করার ব্যাপারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়ার দাবি বিনিয়োগকারীদের।এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবু আহমেদ বলেন, বাজার থেকে মূলধন উত্তোলনের পর ধীরে ধীরে অনেক কোম্পানি লোকসানে যেতে থাকে। এ কোম্পানিগুলোর বাজারে আসার উদ্দেশ্য তখন স্পষ্ট হয়ে যায়। এসব কোম্পানি বাজারে আসার ক্ষেত্রেই বাধা দিতে হবে। তাহলে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। আর কোনো কোম্পানি যদি বছরের পর বছর লোকসান করতে থাকে, বছরের পর বছর উত্পাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে থাকে, তখন এ কোম্পানিগুলোর ব্যাপারে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে পদক্ষেপ নিতে হবে। বিএসইসি চাইলে এ কোম্পানিগুলোর পর্ষদে পরিবর্তন করতে পারে। দক্ষ ও যোগ্যদেরকে পর্ষদে বসানোর মাধ্যমেও যদি কোম্পানিগুলো মুনাফামুখী হয় তবে বিনিয়োগকারীরা উপকৃত হবেন।ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুলামিয়া কটন, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, সমতা লেদার, আজিজ পাইপস, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, জীল বাংলা সুগার মিলস এবং শ্যামপুর সুগার মিলস ২০১০ সাল থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে। এছাড়া মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক রয়েছে ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। ইমাম বাটন ইন্ডাস্ট্রিজ রয়েছে ২০১১ সালের ২৭ নভেম্বর থেকে।        আর মডার্ন ডায়িং, সাভার রিফ্রোক্টরিজ এবং বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস গত ছয় বছরের মধ্যে একবার অল্পকিছু লভ্যাংশ দিয়ে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আসলেও পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ছিল ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে। আরও দেখা দেখা গেছে, গত প্রায় চার বছর ধরে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে পাঁচটি কোম্পানি। এর মধ্যে মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড রয়েছে ২০১২ সালের ৭ নভেম্বর থেকে। কে এন্ড কিউ রয়েছে ২০১৩ সালের ১৩ জুন থেকে। রহিমা ফুড করপোরেশন রয়েছে ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর থেকে। জুট স্পিনার্স রয়েছে ২০১৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর থেকে। আর পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স গত প্রায় পাঁচ বছরের মধ্যে মাঝে একবার অল্পকিছু লভ্যাংশ দিয়ে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আসলেও অবশিষ্ট সময় ছিল জেড ক্যাটাগরিতে।যে কোম্পানিগুলো বছর শেষে লভ্যাংশ দেয় না কিংবা বার্ষিক সাধারণ সভা করে না কিংবা টানা ছয় মাস কোনো কোম্পানির উত্পাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকলে কোম্পানিগুলোকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে দিয়ে দেওয়া হয়। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে টাকা তুলে এ কোম্পানিগুলো মূলধন বাড়িয়েছে। এখন তারা দীর্ঘ সময় ধরে লোকসান করে যাচ্ছে। অনেক কোম্পানির উত্পাদন কার্যক্রমও বন্ধ। এসব কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করে তার বিপরীতে বিনিয়োগকারীরা কোনো লভ্যাংশ পাচ্ছেন না। ফলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ কোম্পানিগুলোর ব্যাপারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার উদ্যোগ নেওয়া দরকার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি কোম্পানি প্রতি বছরই লাভজনক হবে, এমনটা নাও হতে পারে। দু’এক বছর লোকসান হতেই পারে। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে লোকসান হতে থাকলে ওই কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তাদের মনোভাব নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। source : Ittfaq
View All
Latest DSE News
  • PRIME1ICBA

    (Q3 Un-audited): EPU for January-March, 2017 was Tk. 0.21 as against Tk. 0.07 for January-March, 2016; EPU for July, 2016-March, 2017 was Tk. 0.51 as against Tk. 0.45 for July, 2015-March, 2016. NOCFPU was Tk. (0.003) for July, 2016-March, 2017 as against Tk. (0.002) for July, 2015-March, 2016. NAV per unit at market price was Tk. 9.93 as of March 31, 2017 and Tk. 8.18 as of June 30, 2016. NAV per unit at cost price was Tk. 11.73 as of March 31, 2017 and Tk. 11.93 as of June 30, 2016.

  • PF1STMF

    (Q3 Un-audited): EPU for January-March, 2017 was Tk. 0.29 as against Tk. 0.06 for January-March, 2016; EPU for July, 2016-March, 2017 was Tk. 0.55 as against Tk. 0.39 for July, 2015-March, 2016. NOCFPU was Tk. (0.01) for July, 2016-March, 2017 as against Tk. (0.05) for July, 2015-March, 2016. NAV per unit at market price was Tk. 9.70 as of March 31, 2017 and Tk. 7.86 as of June 30, 2016. NAV per unit at cost price was Tk. 11.79 as of March 31, 2017 and Tk. 11.74 as of June 30, 2016.

  • BXPHARMA

    (Q3 Un-audited): EPS was Tk. 1.29 for January-March, 2017 as against Tk. 1.06 for January-March, 2016; EPS was Tk. 4.03 for July, 2016-March, 2017 as against Tk. 3.39 for July, 2015-March, 2016. NOCFPS was Tk. 4.37 for July, 2016-March, 2017 as against Tk. 4.77 for July, 2015-March, 2016. NAV per share was Tk. 60.36 as of March 31, 2017 and Tk. 59.24 as of March 31, 2016.

  • ICBEPMF1S1

    (Q3 Un-audited): EPU for January-March, 2017 was Tk. 0.42 as against Tk. 0.10 for January-March, 2016; EPU for July, 2016-March, 2017 was Tk. 0.73 as against Tk. 0.66 for July, 2015-March, 2016. NOCFPU was Tk. (0.00) for July, 2016-March, 2017 as against Tk. 0.08 for July, 2015-March, 2016. NAV per unit at market price was Tk. 9.68 as of March 31, 2017 and Tk. 7.70 as of June 30, 2016. NAV per unit at cost price was Tk. 12.19 as of March 31, 2017 and Tk. 12.06 as of June 30, 2016.

  • ICBAMCL2ND

    (Q3 Un-audited): EPU for January-March, 2017 was Tk. 0.35 as against Tk. 0.14 for January-March, 2016; EPU for July, 2016-March, 2017 was Tk. 0.62 as against Tk. 0.44 for July, 2015-March, 2016. NOCFPU was Tk. (0.03) for July, 2016-March, 2017 as against Tk. (0.03) for July, 2015-March, 2016. NAV per unit at market price was Tk. 10.79 as of March 31, 2017 and Tk. 8.40 as of June 30, 2016. NAV per unit at cost price was Tk. 13.54 as of March 31, 2017 and Tk. 13.42 as of June 30, 2016.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
FIRSTFIN 11.00 10.00 1.00 10.00
MIDASFIN 29.50 26.90 2.60 9.67
BDAUTOCA 72.80 66.50 6.30 9.47
NORTHERN 363.10 333.90 29.20 8.75
BDCOM 33.80 31.10 2.70 8.68
ALLTEX 12.40 11.70 0.70 5.98
PURABIGEN 16.00 15.10 0.90 5.96
IBNSINA 249.90 235.90 14.00 5.93
SALVOCHEM 24.90 23.80 1.10 4.62
ONEBANKLTD 20.50 19.60 0.90 4.59

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297