Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SPCL 197.6 160.7 36.90 22.96
SAPORTL 64.7 54.7 10.00 18.28
NTLTUBES 117.2 101.1 16.10 15.92
SIBL 16.1 14.1 2.00 14.18
MITHUNKNIT 82 73.1 8.90 12.18
SONALIANSH 111.4 99.9 11.50 11.51
BSCCL 134.1 121.1 13.00 10.73
TUNGHAI 19.1 17.4 1.70 9.77
QSMDRYCELL 61.5 56.9 4.60 8.08
RENWICKJA 255.5 237.2 18.30 7.72

Contest SB2015_Mar

1st
blank_person
FAIZUB
2nd
blank_person
FERDOUSFIN
3rd
blank_person
SSHIMANTO
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BEXIMCO 32.6 31.1 1.60951 2306210.00
DELTALIFE 154.2 149.2 1.10466 552812.00
NBL 11.7 11.4 0.83636 509347.00
RAKCERAMIC 54.4 53.4 0.60138 288971.00
ALARABANK 15.1 14.8 0.50719 1045730.00
Negative impact
GP 331 335 -9.64284 292296.00
SQURPHARMA 259.4 263.7 -4.25527 287972.00
BATBC 3037.7 3075.9 -4.09194 1965.00
TITASGAS 73.9 75.2 -2.29589 721154.00
BSCCL 134.1 142.5 -2.24821 634798.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
SIBL 16.1 16.2 15.6 1.26% 160.71
SPCL 197.6 216.7 195 -3.98% 120.05
SAPORTL 64.7 66.4 63.9 2.05% 101.40
IFADAUTOS 54 55.6 52.7 3.65% 100.73
LAFSURCEML 113.2 113.3 108.1 2.54% 98.50
GP 331 337.3 330 -1.19% 97.40
BSCCL 134.1 145 132 -5.89% 87.81
DELTALIFE 154.2 159.9 149.9 3.35% 86.04
SQURPHARMA 259.4 264.4 258.8 -1.63% 75.30
BEXIMCO 32.6 33.4 30.8 4.82% 74.72

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 02 Mar 2015

81098
TOTAL TRADE
71.1346
TOTAL VOLUME(Mn)
2980.57
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • সামিট এ্যালায়েন্স’র ক্রেডিট নির্ধারণ
    ডেস্ক রিপোর্ট : সেবা ও আবাসন খাতের কোম্পানি সামিট এ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডের জন্য ‘A1' ক্রেডিট নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমটেড (ক্র্যাব) এ ক্রেডিট নির্ধারণ করে। ২ মার্চ, সোমবার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই জানায়, সামিট এ্যালায়েন্স’র ৩১ ডিসেম্বর-২০১৪ এর নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের স্থিতিতাবস্থা, ৩১ জানুয়ারি-২০১৫ এর ব্যাংক-দায় ও প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্য বিবেচনা করে এ কোম্পানির জন্য ক্র্যাব ‘A1' ক্রেডিট নির্ধারণ করেছে।
  • ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর MACD নেগেটিভ ক্রস করেছে
    মেহেদী আরাফাত : টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী সোমবার ঢাকা শেয়ার বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়- ডিএসইএক্স ইনডেক্স লেনদেনের শুরু থেকেই হ্রাস পেতে থাকে। দিনের শুরুতে কিছুটা ক্রয়চাপ থাকলেও কিছু সময় পর বিক্রয় চাপের ফলে সূচক বেশ নিম্নমুখী হয়ে যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিক্রয় চাপ আরও প্রবল হতে থাকে এবং দিনশেষে ইনডেক্স গতকালের তুলনায় ২৩.৫৬ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। সূচকের এ দরপতনের ফলে আজকের ক্যান্ডেলস্টিক একটি বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক ছিল। এই বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক বাজারের বিক্রয় চাপ প্রকাশ করছে। গতকাল ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর MACD  নেগেটিভ ক্রস করেছে। TA বিস্লেশকদের মতে MACD নেগেটিভ ক্রস করার দ্বারা বাজার আবার কিছুদিনের জন্য খারাপ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। বর্তমানে ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৫৮১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৪৪.৭৮ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৩২.৪৯। এম.এফ.আই এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর উভয়েই নিম্নমুখী অবস্থায় ছিল। স্টচ আর.এস.আই এর মান এখন সর্বনিম্ন অর্থাৎ শুন্য যা বাজারের ওভার-সোল্ড অবস্থা প্রকাশ করছে। ডিএসইতে ৭ কোটি ১১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৪ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়,  যার মূল্য ছিল ২৯৮.০৫ কোটি টাকা। আজ ডিএসইতে প্রায় ৩৮ কোটি টাকার লেনদেন কমেছে। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে,  যার মধ্যে দাম বেড়েছে ৯১ টির,  কমেছে ১৭৯ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজ বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ৩০০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৯.১৮% বেশী ছিল। অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে ০-২০ এবং ২০-৫০ কোটি টাকার  পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৩৬.৮০% এবং ১৯.৯৩% হ্রাস পেয়েছে। ৫০-১০০ এবং ১০০-৩০০ কোটি টাকার মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় আজ ৪১.৫৬% এবং ৫.৭% বেশী। আজ পিই রেশিও ২০-৪০ মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১৯.৮৮% কমেছে। আজ  পিই রেশিও ০-২০ এবং ৪০ এর ওপরে  থাকা শেয়ারের লেনদেন যার পরিমান আগের দিনের তুলনায় ৫.০৪% এবং ২৮.০৪% কম ছিল। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ এগিয়ে ছিল ‘এন’  ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ১৮.২৭% বেশী ছিল। আজ কমেছে ‘এ’,  ‘বি’  এবং ‘জেড’  ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ১৫.৮৫%, ৭.০৭% এবং ৩১.৮২% কম ছিল। এ মাসের লেনদেনএ শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলির তালিকা নিচে দেওয়া হোল -  
  • সাউথঈস্ট ব্যাংকের পর্ষদসভা মঙ্গলবার
    ডেস্ক রিপোর্ট : ডিএসই-৩০ রেগুলেশন অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদের সভা আহ্বান করেছে ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি সাউথঈস্ট ব্যাংক লিমিটেড। ৩ মার্চ, মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় এ ব্যাংকের বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। ২ মার্চ, ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সভায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হতে পারে বলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
  • বিএসআরএম’র আইপিওতে ২০ গুন আবেদন
    হোসাইন আকমল : সম্প্রতি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড (বিএসআরএম)। চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি, রোববার থেকে শুরু করে ৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত ছিল বিএসআরএম’র প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে  আবেদনের সময়সীমা।  তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য সময় ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটির আইপিও টাকা উত্তোলন করেছে। শুরুর দিকে বিএসআরএম’র আইপিওতে  আবেদনকারীর তেমন সাড়া না থাকলেও শেষের কয়েক দিন অনেকটা সাড়া পড়েছে। বিএসআরএম’র আইপিওতে অতিরিক্ত প্রিমিয়াম বর্জনে বিনিয়োগকারীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) কোম্পানির বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ পাঠানো হলেও বিষয়টি আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে তেমন প্রভাব ফেলেনি। ফলশ্রুতিতে, এ কোম্পানির আইপিওতে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত, মিউচুয়্যাল ফান্ড ও প্রবাসী বাংলাদেশী মিলে চাহিদার ২০ গুনের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। -যা বেশ আশাব্যঞ্জক। জানা গেছে, বিএসআরএম’র আইপিওতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, সিকিউরিটিজ হাউজ, মিউচুয়্যাল ফান্ড (সাধারণ ও ক্ষতিগ্রস্ত) ও প্রবাসী বাংলাদেশি মিলে প্রায় ১৭ লাখ ৬০ হাজার ৫ শত ৫৭টি আবেদন জমা পড়েছে। অংকে যা দাঁড়িয়েছে ১২৩২ কোটি ৩৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। এর মধ্যে- সাধারণ বিনিয়োগকারী : বিএসআরএম’র আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীর ১২ লাখ ৩০ হাজার ৭ শত ১৫ টি আবেদন জমা পড়েছে। অংকে যা দাঁড়িয়েছে ৮৬১ কোটি ৫০ লাখ ৫ হাজার টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী : এ কোম্পানির আইপিওতে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর ১ লাখ ৩০ হাজার ৮ শত ৯৫ টি আবেদন জমা পড়েছে। অংকে যা দাঁড়িয়েছে ৯১ কোটি ৬২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। প্রবাসী বাংলাদেশী : বিএসআরএম’র আইপিওতে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ৮৪ হাজার ১ শত ২৫ টি আবেদন জমা পড়েছে। অংকে যা দাঁড়িয়েছে ৫৮ কোটি ৮৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। মিউচুয়্যাল ফান্ড : এ কোম্পানির আইপিওতে মিউচুয়্যাল ফান্ডের মাধ্যমে ৩ লাখ ১৪ হাজার ৮ শত ২২ টি আবেদন জমা পড়েছে। অংকে যা দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ৩৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। সে হিসেবে, বিএসআরএম’র আইপিওতে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রবাসী বাংলাদেশী মিলে প্রায় ১৭ লাখ ৬০ হাজার ৫ শত ৫৭টি আবেদন জমা পড়েছে। অংকে যা দাঁড়িয়েছে ১২৩২ কোটি ৩৮ লাখ ৯৯ হাজার  টাকা। এদিকে, শেয়ারবাজারে ১ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে  কোম্পানিটি ৬১ কোটি ২৫ লাখ টাকা উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আইপিও-তে আসে। এ জন্য ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। মার্কেট লট ২০০টি। লক্ষ্যমাত্রা ৬১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হলেও বিএসআরএম’র আইপিও-তে আবেদন জমা পড়ে ১২৩২ কোটি ৩৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যা ২০ গুনেরও বেশি। কোম্পানিটির আইপিও-তে এ প্রেক্ষিতে ভাল মুনাফার আশা করছেন বিনিয়োগকারীরা। সেইসাথে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন বলে প্রত্যাশা করছেন কোম্পানিকর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, বিএসইসির ৫৩৩তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিওর অনুমোদন দেয়া হয়। আইপিওর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করে কোম্পানিটি ঋণ পরিশোধ ও আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করবে। আইপিও ব্যবস্থাপনায় কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি.। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিএসআরএম’র ইপিএস ৫.০৬ টাকা এবং এনএভি ৫২.০৯ টাকা।
  • তথ্য নেই রেকিট বেনকিজারের
    ডেস্ক রিপোর্ট : সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে ঔষধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি রেকিট বেনকিজার বাংলাদেশ লিমিটেড। দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে ২ মার্চ, সোমবার কোম্পানিটির পক্ষ থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে(ডিএসই) এ কথা জানানো হয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে,  গত মাসের ২৬ তারিখ ও চলতি মাসের ১ তারিখে অস্বাভাবিকহারে শেয়ারটির দর বেড়েছে। ২দিনে শেয়ারটির দর প্রায় ১৪৬ টাকা বেড়ে ১২০০ (প্রায়) টাকা থেকে ১৩৪৬.৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪ কার্যদিবসে শেয়ারটির দর প্রায় ১৭০ টাকা বেড়ে ১০৭০ (প্রায়) টাকা থেকে ১২৪০ (প্রায়) টাকায় উন্নীত হয়েছে।  
  • ১০ মার্চের পর লেনদেনে আসছে জাহিন স্পিনিং
    হোসাইন আকমল : সম্প্রতি প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) সম্পন্ন করা বস্ত্র খাতের কোম্পানি জাহিন স্পিনিং লিমিটেডকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অধীনে লেনদেনের জন্য আর অপেক্ষা করতে হবেনা। বিনিয়োগকারীদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে এবার। আগামী সপ্তাহে যথারীতি লেনদেনে আসছে কোম্পানিটি। এমন আভাস দিয়েছেন কোম্পানি-কর্মকর্তা কবির হোসেন। দৈনিক স্টক বাংলাদেশ থেকে জাহিন স্পিনিংয়ে সোমবার যোগাযোগ করা হলে কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, জাহিন স্পিনিং ১০ মার্চের পর লেনদেনে আসতে পারে। ডিএসই-তে নতুন কোম্পানি হিসেবে ভাল কিছু করার আশা রাখে জাহিন। বিনিয়োগকারীর স্বার্থে জাহিন স্পিনিংয়ের ইতিবাচক ধারায় লেনদেনের শুভ সূচনা হবে- এমন প্রত্যাশা করেন কবির হোসেন। প্রসঙ্গত, আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর গত ২ ফেব্রুয়ারি লটারির ড্র সম্পন্ন করেছে জাহিন স্পিনিং। এর আগে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু করে চলতি বছর ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত এই কোম্পানির আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ ছিল। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে পুঁজিবাজারে ১ কোটি ২০ লাখ  শেয়ার ছাড়ে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যে। চাহিদার বিপরীতে প্রায় ৭৪ গুন আবেদন জমা পড়েছে জাহিনের আইপিওতে। অর্থাৎ, ১২ কোটি টাকার বিপরীতে প্রায় ৮৮৭ কোটি ১৬ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৩০তম সভায় এ কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী জাহিন স্পিনিংয়ের প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১ পয়সা। নেট এ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ১২ টাকা  ৬৯  পয়সা ।
  • গত মাসে লেনদেনের শীর্ষে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট
    ডেস্ক রিপোর্ট : গত মাসে লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। উল্লেখ্য, লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের অর্থবছর শেষ হবে ডিসেম্বরে।আগামী ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় এই কোম্পানির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আর সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির ভালো লভ্যাংশ দেওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা। কারণ সর্বশেষ প্রান্তিকেও কোম্পানির ইপিএস এবং মুনাফা বেড়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা কোম্পানি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছরে ৫ শতাংশ অন্তবর্তীকালীন লভ্যাংশ দিয়েছে। এর ফলে লাফার্জের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। গত মাসে লেনদেন এ শীর্ষে থাকা কোম্পানির তালিকা নিচে দেওয়া হল-
  • ২ কোম্পানির ইজিএম সোমবার
    ডেস্ক রিপোর্ট : শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ২টি কোম্পানির অতিরিক্ত সাধারণ সভা (ইজিএম) ২ মার্চ, সোমবার। কোম্পানি ২টি হচ্ছে- দ্য পেনিনসুলা চিটাগং ও বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দ্য পেনিনসুলা চিটাগং : চট্টগ্রাম জেলার নিজাম রোডে বুলবুল সেন্টারের ডালিয়া হলে সোমবার সকাল ১০টায় দ্য পেনিনসুলা চিটাগংয়ের ইজিএম। ইজিএমে কোম্পানির উন্নয়ন, আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনাসহ বিবিধ বিষয়ে আলোচনা হবে। বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড : রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৫টায় বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেডের ইজিএম। ইজিএমে কোম্পানির বিবিধ বিষয়ে আলোচনাসহ সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে।
  • বিনিয়োগকারীরা ১৪ শতাংশ লভ্যাংশের অপেক্ষায়
    ডেস্ক রিপোর্ট : ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি আল-আরাফাহ ইসলামি ব্যাংক বিনিয়োগকারীদের ১৪ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। রোববার ব্যাংকের পর্ষদসভায় এ সিদ্ধা্ন্ত নেয়া হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আল-আরাফাহ ইসলামি ব্যাংক জানিয়েছে, এ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভায় ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অথর্বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের সমন্বয়ে এসব সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য কোম্পানির বাষির্ক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে ৩১ মার্চ। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ মার্চ। ডিভিডেন্ড ঘোষণার পর আলোচিত বছরে সিনোবাংলার প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ২ টাকা ২০ পয়সা এবং ন্যাভ হয়েছে ১৭ টাকা ৫১ পয়সা।
  • ইউনিয়নের পরিচালকরা সভা করবেন মঙ্গলবার
    ডেস্ক রিপোর্ট : ডিএসই-৩০ রেগুলেশন অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদের সভা আহ্বান করেছে আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড। ৩ মার্চ, মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় এ প্রতিষ্ঠানের বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। ১ মার্চ, ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সভায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হতে পারে বলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে ৮৫ ভাগ
    পুঁজিবাজারে গেল ফেব্রুয়ারি মাসে নিট বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে প্রায় ৮৬ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে বিদেশিরা মোট ৩১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা নিট বিনিয়োগ করেছে। জানুয়ারি মাসে বিদেশিদের নিট বিনিয়োগ ছিল ২২৮ কোটি ২০ লাখ টাকা। অর্থাত্ ফেব্রুয়ারিতে বিদেশিদের নিট বিনিয়োগ কমেছে ১৯৬ কোটি ৪৬ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিদেশিরা বিনিয়োগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ফলে তারা যত শেয়ার কিনেছেন তার চেয়ে বেশি বিক্রি করেছেন। এতে বিদেশি বিনিয়োগ কমে গেছে। গেল মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেনও কমেছে। জানুয়ারি মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন ছিল ৫০১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে লেনদেন নেমে এসেছে ৪৭০ কোটি ৪২ লাখ টাকায়। অর্থাত্ গত মাসে মোট লেনদেন কমেছে ৬ শতাংশ বা ৩১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এদিকে গতকাল ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে ব্যাংকিং খাতের স্যোশাল ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৮ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করায় এ কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। গতকাল এসআইবিএলের দর বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। ব্যাংকটির শেয়ারদর বিবেচনায় ঘোষিত লভ্যাংশ লাভজনক বিবেচনা করায় কোম্পানিটিতে বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে। ফলে লেনদেনের শীর্ষ কোম্পানিগুলোর মধ্যে এসআইবিএল চতুর্থ নম্বরে উঠে এসেছে। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২৩ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৭৩৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৩৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৩টির, কমেছে ১৮৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৫০ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৪৯৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ১৬ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২২৬টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫০টির, কমেছে ১৫৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারের। Source : ইত্তেফাক
  • পোশাক খাতের আরো উন্নতি চায় জার্মানি
    বাংলাদেশের পোশাক খাতের আরো উন্নতি চায় জার্মানি। তারা প্রতিযোগিতামূলক দর এবং গুণগত মানের পাশাপাশি পরিবেশসম্মতভাবে পোশাক উৎপাদনের দিকে যথেষ্ট মনোযোগী। একই সঙ্গে শ্রমিক নিরাপত্তা ও তাঁদের সন্তানদের প্রয়োজনীয় পরিচর্যাকেন্দ্রের বিষয়টিও জানতে চায় সে দেশের ভোক্তারা। গতকাল রাজধানীর র‌্যাডিসন হোটেলে তৃতীয় ডেনিমস অ্যান্ড জিনস ডটকম বাংলাদেশ শোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত (ভারপ্রাপ্ত) ড. ফার্দিনান্দ ফন ভেহে এসব কথা বলেন। দুই দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে রাষ্ট্রদূত আরো জানান, তাঁর দেশের ভোক্তারা বাংলাদেশের পোশাকের মান ও দরে সন্তুষ্ট। অনুষ্ঠানে ডেনিমস অ্যান্ড জিন্স ডটকমের উদ্যোক্তা সন্দ্বীপ আগারওয়াল এক্সপো সম্পর্কে বলেন, ডেনিম কাপড় এবং ডেনিম থেকে তৈরি পোশাকের বিশ্বের বড় বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি বাংলাদেশের ডেনিম বাজারের প্রতি আকৃষ্ট করাই আমাদের মূল প্রচেষ্টা।   Source : কালের কণ্ঠ
  • চীন-বাংলাদেশ বাণিজ্য ১০০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে
    দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ এখন চীনের তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। বাংলাদেশ এখন চীন থেকেই সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১ হাজার কোটি ডলার (১০ বিলিয়ন) ছাড়িয়ে গেছে।বাংলাদেশে নবনিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত মা মিংকিয়ানের সংবর্ধনা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল রোববার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভীও এতে বক্তব্য দেন।অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে শুধু বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলেই (ইপিজেড) চীনের বিনিয়োগ ১৪২ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এর মাধ্যমে প্রায় ৮০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় শাহজালাল সার কারখানা নির্মাণ প্রকল্পসহ বর্তমানে বেশ কয়েকটি বড় বিনিয়োগ প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এগুলো সমাপ্ত হলে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।অনুষ্ঠানে তোফায়েল আহমেদ বলেন, প্রায় সব রপ্তানি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছে চীন। এতে সে দেশে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। আগামী তিন-চার বছরের মধ্যে বাংলাদেশ চীনে ২০০ কোটি ডলার রপ্তানি করতে সক্ষম হবে। বর্তমান সরকার যেসব বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) গড়ে তুলছে, তাতে চীনা শিল্প স্থানান্তরের জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলো অর্থনৈতিকভাবে ধনী হলে চীনের উন্নয়ন প্রচেষ্টা সফল হবে।   Source : প্রথম আলো 
  • ঢাকায় ডেনিম ও জিনস পণ্যের প্রদর্শনী শুরু
    বাংলাদেশে তৈরি ডেনিম পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার আরও বাড়াতে রাজধানীর র্যা ডিসন হোটেলে গতকাল রোববার শুরু হয়েছে ‘তৃতীয় ডেনিমস অ্যান্ড জিনস ডটকম বাংলাদেশ ২০১৫’ শীর্ষক এক প্রদর্শনী।জার্মানি সরকারের উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেডের কারিগরি সহায়তায় দুই দিনের এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ফার্ডিনান্ড ফন ভেহে।প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ, ভারত, জার্মানিসহ সাতটি দেশের ২৬টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এতে ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্রসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ডেনিম পণ্যের ক্রেতা-বিক্রেতা, ফ্যাশন বিশেষজ্ঞসহ এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যোগ দিচ্ছেন। ডেনিম পণ্যের বিশেষত্ব তুলে ধরতে প্রদর্শনীতে থাকছে বিশেষ ফ্যাশন শো ‘ফ্যাসিওনি’।আমন্ত্রিত দর্শনার্থীরাই শুধু এ প্রদর্শনী পরিদর্শন করতে পারবেন। সকাল সাড়ে নয়টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত চলা প্রদর্শনীর আজ শেষ দিনে ‘ডেনিম শিল্পের উন্নয়নে করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।প্রদর্শনীটি উদ্বোধনকালে জার্মানির রাষ্ট্রদূত ফার্ডিনান্ড ফন ভেহে বলেন, ‘বাংলাদেশের মোট ডেনিম উৎপাদনের ৭ শতাংশ কিনে থাকে জার্মানি। এই রপ্তানি আরও বাড়ানোর সুযোগ আছে। সে জন্য উদ্যোক্তাদের ভালো মানের পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি কারখানার কর্মপরিবেশ, নিরাপত্তা, পরিবেশ দূষণ না করা প্রভৃতি বিষয়ও মাথায় রাখতে হবে।’ প্রয়োজনে এ ক্ষেত্রে জার্মানি সব ধরনের কারিগরি সহায়তা দেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।   Source : প্রথম আলো 
  • বিদেশী বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রি বেড়েছে
    দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদেশী বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রি বেড়েছে। গেল মাসে তাদের নিট বিনিয়োগ অনেকটা কমে এসেছে। জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ডিএসইতে নিট বিদেশী বিনিয়োগ কমেছে ৮৬ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে আসে।ডিএসই থেকে পাওয়া তথ্যানুসারে, ফেব্রুয়ারিতে নিট বিদেশী বিনিয়োগ হয়েছে ৩১ কোটি টাকা, যা জানুয়ারিতে ছিল ২২৮ কোটি টাকা। গত মাসে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করেছেন ২১৯ কোটি টাকা, যা আগের মাসে ছিল ১৯৭ কোটি টাকা। জানুয়ারিতে ৩৬৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা, যেখানে ফেব্রুয়ারিতে কিনেছে ২৫০ কোটি টাকার। ফেব্রুয়ারিতে তাদের মোট লেনদেন দাঁড়িয়েছে ৪৬৯ কোটি টাকা, যা আগের মাসে ছিল ৫০২ কোটি টাকা।চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় শেয়ারবাজারে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কমে আসছে। রাজনৈতিক প্রতিকূলতায় অনেক কোম্পানির বিশেষ করে উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় কমার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বেশি ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না।২০১৪ সালে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন ছিল ৬ হাজার ২০৫ কোটি টাকা। সে সময় ৪ হাজার ৪০৬ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে তারা বিক্রি করেছে মোট ১ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকার শেয়ার কিংবা বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড। এক বছরে ঢাকার শেয়ারবাজারে নিট বিদেশী বিনিয়োগ হয় ২ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা।ডিসেম্বরে বিদেশীরা শেয়ার কেনে ৪১০ কোটি ৩৬ লাখ টাকার। এর বিপরীতে বিক্রি করে ১৯৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার। সে সময় বিদেশীদের মোট লেনদেন ছিল ৬০৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। নভেম্বরে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কেনাবেচা ছিল ৫১৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকার, যার মধ্যে ক্রয় ৩৪৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ও বিক্রি ছিল ১৬৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।অক্টোবরে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা মোট ৩০২ কোটি ৮৮ লাখ ১৫ হাজার টাকার শেয়ার কেনে। এর বিপরীতে বিক্রি ছিল ১০৭ কোটি ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। অক্টোবরে তাদের মোট লেনদেন ছিল ৪০৯ কোটি ৯৮ লাখ ৮২ হাজার টাকা।সেপ্টেম্বরে নিট বিদেশী বিনিয়োগ আগস্টের চেয়ে প্রায় ৩৩ গুণ বাড়ে। সেপ্টেম্বরে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনেন ৫৮৯ কোটি ৬০ লাখ টাকার, এর বিপরীতে বিক্রি করেন ১৬৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। আগস্টে নিট বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ১২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।আগের মাসের তুলনায় গত আগস্টে নিট বিদেশী বিনিয়োগ কমে ৮৪ শতাংশ। সে সময় ডিএসইতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩১৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এর মধ্যে শেয়ার ক্রয় ১৬৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা ও শেয়ার বিক্রির পরিমাণ ছিল ১৫২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।জুলাইয়েও তার আগের মাসের তুলনায় বিদেশী বিনিয়োগ কমে যায়। জুনে ডিএসইতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন ছিল ৬০২ কোটি টাকা, যা জুলাইয়ে নামে ২৫৩ কোটি টাকায়। আগের মাসে শেয়ার বিক্রির চেয়ে ক্রয়ের পরিমাণ বেশি থাকলেও জুলাইয়ে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা ছিল।জুনে মোট লেনদেনের মধ্যে শেয়ার ক্রয় ছিল ৪৮২ কোটি ৫১ লাখ ৫ হাজার টাকা; যা জুলাইয়ে নামে ৮৬ কোটি ৮০ লাখ টাকায়। এ হিসাবে এক মাসে বিদেশীদের শেয়ার ক্রয় কমে ৮২ শতাংশ। অন্যদিকে জুনে বিদেশীদের বিক্রি ছিল ১১৯ কোটি ৮৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকার, যা জুলাইয়ে ১৬৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকায় উন্নীত হয়।জুলাই ও আগস্টের টানা দরপতনের কারণে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বিদেশীরাও শেয়ার কেনাবেচা কমিয়ে দেন। এছাড়া ঝুঁকি এড়াতে কিছু মুনাফাও তুলে নেন অনেকে। এর আগে মে মাসেও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের লেনদেন প্রায় অর্ধেকে নেমে যায়। সে সময়ে নিট বিদেশী বিনিয়োগ কমে প্রায় ৭৮ শতাংশ। যদিও মার্চের তুলনায় এপ্রিলে ডিএসই নিট বিদেশী বিনিয়োগ ছিল ছয় গুণ বেশি।মে মাসে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও থেকে মোট ৫৭৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়, যার মধ্যে ক্রয় ৩৫৩ কোটি ৬ লাখ টাকা ও বিক্রি ২২৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা।এর আগে এপ্রিলে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের লেনদেন আগের মাসের চেয়ে ৪২৭ শতাংশ বাড়ে। এপ্রিলে বিদেশী বিনিয়োগ হয়েছিল ১ হাজার ১৮০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এ সময় নিট বিদেশী বিনিয়োগ হয় ৫৭২ কোটি ৮ লাখ টাকা, যা ২০১৪ সালের সর্বোচ্চ।২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ডিএসইতে নিট বিদেশী বিনিয়োগ ছিল ২৭৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। সে মাসে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা মোট শেয়ার কেনাবেচা করে ৫২৭ কোটি ৯৪ লাখ টাকার। ফেব্রুয়ারিতে নিট বিনিয়োগ হয় ১২১ কোটি ৫ লাখ টাকা ও লেনদেন হয় ৫৩৩ কোটি ৫ লাখ টাকা। এছাড়া মার্চে নিট বিদেশী বিনিয়োগ ৯৭ কোটি টাকা ও মোট লেনদেন ছিল ৩১৩ কোটি টাকা।   Source : বনিক বার্তা
  • পশ্চিমবঙ্গে বিস্কুট রফতানি করবে বঙ্গজ
      ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বিস্কুট রফতানির লক্ষ্যে কলকাতাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে তালিকাভুক্ত খাদ্য কোম্পানি বঙ্গজ লিমিটেড। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে।বঙ্গজ জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে তাদের প্রস্তুত করা বিস্কুট আমদানি ও পরিবেশন করবে এক্সিমপো ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। সেখানকার বাজারে বঙ্গজ পণ্যের প্রচার-প্রসারেও কাজ করবে তারা। এক্সিমপোর ঠিকানা ৫/১২৪ এ, বিধান কলোনি, অরবিন্দ ব্লক, সন্তোষপুর, কলকাতা-৭০০০৭৫, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।পরিকল্পিত রফতানির সুবাদে আগামী দিনগুলোয় কোম্পানির বিক্রি ও মুনাফায় প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে আশা করছে বঙ্গজ।এদিকে ডিএসইতে এক মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী আছে বঙ্গজের শেয়ারদর। ফেব্রুয়ারিতে এর দর ২৭১ টাকা থেকে বেড়ে ৩৫৮ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। গতকাল এ শেয়ারের দর ১ দশমিক ৫১ শতাংশ কমে। সর্বশেষ ৩৫৩ টাকায় লেনদেন হয়। সমাপনী দর ছিল ২৫৮ টাকা ৯০ পয়সা।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গত এক বছরে বঙ্গজ শেয়ারের দর ২৭০-৫৫৫ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে বঙ্গজের কর-পরবর্তী মুনাফা হয় ১ কোটি ৮৪ লাখ ১০ হাজার টাকা, যা এর আগের বছর ছিল ১ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। ২০১২ সাল পর্যন্ত মুনাফা ৬৬ লাখ টাকা ছাড়ায়নি কোম্পানিটির।২০১০ সাল থেকে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের যথাক্রমে ২৫, ৩২, ৪৫, ৭০ ও ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়ে আসছে। সর্বশেষ নিরীক্ষিত প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৫ টাকা ৩ পয়সা, বোনাস শেয়ার সমন্বয় শেষে যা দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৩৫ পয়সা। বর্তমানে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ২৩ টাকা ৬ পয়সা।১৯৮৪ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মোট শেয়ারের ৫০ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ শেয়ার এবং অবশিষ্ট ৪২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ শেয়ার আছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।সর্বশেষ নিরীক্ষিত আয় ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত ১০৭ দশমিক ১৩, দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আয়ের ভিত্তিতে যা ৬৪ দশমিক ৭৮ এ নেমে এসেছে। Source : বনিক বার্তা
  • রিজার্ভ ভেঙে লভ্যাংশ দেবে সিঙ্গার বাংলাদেশ
    এবারো রিজার্ভ ভেঙে মোটা অঙ্কের লভ্যাংশ দিতে যাচ্ছে প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিঙ্গার বাংলাদেশ। ২০১৪ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৫ টাকা ৯১ পয়সা হলেও এ সময় প্রতিষ্ঠানটি বোনাস শেয়ারসহ মোট ২২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এতে ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের প্রদান করতে ব্যবহার করতে হবে কোম্পানির পুঞ্জীভূত মুনাফার অংশ। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে।২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য সিঙ্গার বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের ৩৫ শতাংশ নগদ ও ২৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার মিলিয়ে মোট ৬০ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। গেল হিসাব বছরে এর আগেই ১৬০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। এতে ২০১৪ সালের জন্য মোট লভ্যাংশ দাঁড়াচ্ছে ২২০ শতাংশ বা শেয়ারপ্রতি ২২ টাকা। এর বিপরীতে এক বছরে কোম্পানির ইপিএস হয়েছে মাত্র ৫ টাকা ৯১ পয়সা। অতিরিক্ত ১৬ টাকা ৯৯ পয়সা লভ্যাংশ দিতে রিজার্ভের সম্পদ ব্যবহার করবে কোম্পানি।হিসাব করে দেখা যায়, লভ্যাংশের জন্য রিজার্ভ থেকে মোট ১০৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা খরচ করতে হচ্ছে বহুজাতিক কোম্পানিটিকে। বর্তমানে কোম্পানির পুঞ্জীভূত মুনাফা ২০১ কোটি ৯২ লাখ টাকা। বড় অঙ্কের লভ্যাংশ দিতে গিয়ে কোম্পানির রিজার্ভ অর্ধেকেরও নিচে নেমে যাবে। এতে কমে আসবে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি)। দুই বছর ধরেই শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে রিজার্ভ ব্যবহার করছে সিঙ্গার বাংলাদেশ।২৮ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ মার্চ।এদিকে ডিএসইতে গতকাল এ কোম্পানির শেয়ারদরের ওঠানামায় কোনো সীমা নির্ধারণ করা ছিল না। এদিন শেয়ারটির দর কমে ২ দশমিক ১২ শতাংশ বা ৪ টাকা ৮০ পয়সা। দিনভর দর ২২০ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ২২৯ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ২২১ টাকা ৯০ পয়সায় এর লেনদেন হয়। দিন শেষে এর সমাপনী দর দাঁড়ায় ২২১ টাকা ৪০ পয়সা।২০১৩ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১০০ শতাংশ নগদ ও ২৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদান করে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ওই সময় কোম্পানির নিট মুনাফা হয় ৩৮ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৭ টাকা ৭৯ পয়সা।১৯৮৩ সালে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৭৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৫ দশমিক ১৭ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ।   Source : বনিক বার্তা
  • হিসাব বছর শেষ হওয়া কোম্পানির লেনদেন বেড়েছে
    বিনিয়োগ পরিস্থিতি যথেষ্ট ইতিবাচক না হলেও লভ্যাংশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে লেনদেন বাড়ছে সম্প্রতি হিসাব বছর শেষ হওয়া কোম্পানিগুলোর শেয়ারের। তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির হিসাব বছর শেষ হয় ডিসেম্বরে। এরই মধ্যে ব্যাংক ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণা শুরু হয়েছে। মুনাফার ভাগ নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন অনেক বিনিয়োগকারী। ফলে শেয়ারবাজারে লেনদেন বেড়েছে। গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কেনাবেচা হয়েছে ৩৩৬ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি। তবে কমেছে সূচক।পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ব্যাংক, সিমেন্ট ও প্রকৌশল খাতের কোম্পানিগুলোর অধিকাংশেরই হিসাব বছর শেষ হয় ডিসেম্বরে। এ কোম্পানিগুলো লভ্যাংশ ঘোষণা শুরু করেছে। গতকাল এ তিনটি খাতে প্রায় ১২৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ব্যাংকিং খাত। খাত হিসেবে ব্যাংক এগিয়ে থাকলেও একক কোম্পানি হিসেবে লেনদেনে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল সিমেন্ট খাতের দুটি কোম্পানি।সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের লেনদেনচিত্রে দেখা গেছে, অতিসম্প্রতি লভ্যাংশ ঘোষণা করা ও লভ্যাংশ ঘোষণার অপেক্ষায় থাকা কোম্পানিগুলোই লেনদেনের শীর্ষস্থানে। এর বাইরে জ্বালানি, ওষুধ ও বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোতেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দেখা গেছে। জ্বালানি ও বস্ত্র খাতের কোম্পানির দর নেমে যাওয়ায় মূলধনি মুনাফার আশায় এসব শেয়ার কেনাবেচা করছেন অনেক বিনিয়োগকারী। এছাড়া বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ভালো লভ্যাংশ ঘোষণাও বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরেছে।ডিএসইতে একক কোম্পানি হিসেবে সবচেয়ে বেশি কেনাবেচা হয়েছে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের। শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৮০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করায় গতকাল এ কোম্পানির প্রায় ২২ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। ১৮ কোটি টাকা লেনদেন নিয়ে পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। এছাড়া শাহজিবাজার পাওয়ার, এসআইবিএল ও সিঙ্গার বাংলাদেশেরও উল্লেখযোগ্য শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে।এদিকে লেনদেন বাড়লেও গতকাল বেশির ভাগ শেয়ারই দর হারিয়েছে। গতকাল ডিএসইতে কেনাবেচা হওয়া প্রায় ৬০ শতাংশ শেয়ারের দরহ্রাসে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২৩ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট কমে ৪৭৩৯ দশমিক ৬৫ ও ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১৩ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট কমে ১৭৫৮ দশমিক ৭৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ৬৮ শতাংশ শেয়ারের দরহ্রাসে সেখানকার সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫০ পয়েন্ট কমলেও সিএসই ৫০ সূচক সামান্য বেড়েছে।গতকাল ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৩৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৪০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বেশি। সিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ৩৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা বেশি।গতকাল ডিএসইতে লেনদেনকৃত ৩০৯টি কোম্পানি, বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৩ টির, কমেছে ১৮৫ টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কোম্পানির শেয়ারের। সিএসইতে লেনদেনকৃত ২২৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫০টির, কমেছে ১৫৪ টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারের। বাজারে বেশির ভাগ শেয়ার দর হারালেও সেবা ও ব্যাংকিং খাতের বাজার মূলধন সামান্য বেড়েছে। বিপরীতে সিমেন্ট খাতে কেনাবেচা বাড়লেও লাফার্জ সুরমা শেয়ারের দরহ্রাসে খাতটির বাজার মূলধন প্রায় আড়াই শতাংশ কমেছে।গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো— হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, শাহাজিবাজার পাওয়ার, সোস্যাল ইনভেস্টমেন্ট ইসলামী ব্যাংক, সিঙ্গার বিডি, সামিট অ্যালায়েন্স, বিএসসিসিএল, এমজেএল বিডি, এসিআই ও আইডিএলসি।দরবৃদ্ধির শীর্ষে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো— সোস্যাল ইনভেস্টমেন্ট ইসলামী ব্যাংক, আলহাজ টেক্স, শাহাজিবাজার পাওয়ার, মিথুন নিটিং, দেশ গার্মেন্ট, পূবালী ব্যাংক, রেকিট বেনকিজার, হা-ওয়েল টেক্স, জেমিনি সি ফুড ও এপেক্স ট্যানারি।অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে ১০টি কোম্পানি হলো— মডার্ন ডায়িং, ম্যাকসন স্পিনিং, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, সায়হাম কটন, গোল্ডেন হারভেস্ট, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, হাক্কানী পাল্প, বিডি থাই ও বিডি কম।   Source : বনিক বার্তা
  • ৭ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৭ কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিগুলো হলো— হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, স্যোসাল ইসলামী ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, সিনোবাংলা ও লিন্ডে বিডি। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে।প্রাইম ব্যাংক: ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। আগামী ৩০ মার্চ বেলা ১১টায় রাজধানীর খামারবাড়ি কেআইবি কমপ্লেক্সে ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ মার্চ। এ সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১৮ পয়সা। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বেড়েছে শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ বা ১০ পয়সা। সর্বশেষ ১৯ টাকা ২০ পয়সায় এর লেনদেন হয়।পূবালী ব্যাংক: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার সুপারিশ করেছে। আগামী ৩১ মার্চ সকাল ৯টায় মিরপুরে পিএসসি কনভেনশন হলে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট ১০ মার্চ। এ সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ৫৪ পয়সা। ডিএসইতে গতকাল এর দর বেড়েছে ৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ বা ১ টাকা ২০ পয়সা। সর্বশেষ ২৪ টাকা ৯০ পয়সায় এর লেনদেন হয়।ব্যাংক এশিয়া: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার সুপারিশ করেছে। ৩১ মার্চ বেলা ১১টায় ইস্কাটন গার্ডেনের লেডিস ক্লাবে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট ১০ মার্চ। এ সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৬৪ পয়সা। ডিএসইতে গতকাল এর দর বেড়েছে ২ দশমিক ২২ শতাংশ বা ৪০ পয়সা। সর্বশেষ ১৮ টাকা ৪০ পয়সায় এর লেনদেন হয়।সিনোবাংলা: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। আগামী ২১ মে বেলা ১১টায় শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে মুন্সীগঞ্জে কোম্পানির কারখানা প্রাঙ্গণে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট ১৯ মার্চ। এ সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ২৭ পয়সা। ডিএসইতে গতকাল এর দর কমেছে ২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বা ৫০ পয়সা। সর্বশেষ ২৩ টাকা ৯০ পয়সায় এর লেনদেন হয়।লিন্ডে বাংলাদেশ: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১১০ শতাংশ নগদ চূড়ান্ত লভ্যাংশ প্রদান করেছে। এর ২০০ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ প্রদান করেছে কোম্পানি। এতে মোট লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩১০ শতাংশ। এ সময় কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৪০ টাকা ৭৫ পয়সা। আগামী ৩০ এপ্রিল সকালে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট ১০ মার্চ। এজিএম-সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য পরে জানাবে কোম্পানি। ডিএসইতে গতকাল এর দর কমেছে ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ বা ২৫ টাকা ৮০ পয়সা। সর্বশেষ ৯১০ টাকায় এর লেনদেন হয়।সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। আগামী ৩০ মার্চ সকালে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট ১০ মার্চ। এজিএম বিষয়ে অন্যান্য তথ্য পরবর্তীতে জানাবে ব্যাংকটি। এ সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৭৪ পয়সা। ডিএসইতে গতকাল এর দর বেড়েছে ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ বা ১ টাকা ৬০ পয়সা। সর্বশেষ ১৫ টাকা ৭০ পয়সায় এর লেনদেন হয়।হাইডেলবার্গ সিমেন্ট: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৩১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করেছে। আগামী ১৫ এপ্রিল বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জে কোম্পানির কারখানা প্রাঙ্গণে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট ১২ মার্চ। এ সময় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২০ টাকা ৮৮ পয়সা। ডিএসইতে গতকাল এর দর বেড়েছে ৪ দশমিক ৯২ শতাংশ বা ২৪ টাকা ৮০ পয়সা। সর্বশেষ ৫২৯ টাকায় এর লেনদেন হয়।   Source : বনিক বার্তা
  • সায়হাম কটনের মুনাফা কমেছে ৪০%
    তৃতীয় প্রান্তিকে সায়হাম কটনের মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য পাওয়া যায়।সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, গত নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসে বস্ত্র খাতের কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয় ৩ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। তিন প্রান্তিকের সমন্বিত ইপিএস ১ টাকা ৭ পয়সা।এদিকে হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসেও কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। মে ২০১৪ থেকে জানুয়ারি ২০১৫ সময়ে মুনাফা হয়েছে ১৪ কোটি ৪৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, এক বছর আগে যা ছিল ১৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। গতকাল ডিএসইতে এ শেয়ারের দর ৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ কমে ১৯ টাকা ৪০ পয়সায় নেমে আসে।২০১২ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অর্ধেক শেয়ার উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে, ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ শেয়ার প্রতিষ্ঠানের কাছে এবং ৩০ শতাংশের বেশি শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।   Source : বনিক বার্তা
  • দুই প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা
    লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা আহ্বান করেছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুই প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন ক্যাপিটাল ও ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। সভায় সংশ্লিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ সুপারিশ করবে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে।ইউনিয়ন ক্যাপিটাল: ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ আগামীকাল বিকাল ৪টায় লভ্যাংশ নির্ধারণী সভায় বসবে। ডিএসইতে অবশ্য গতকাল এর শেয়ারের দর ৩ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ১৮ টাকা ৯০ পয়সা।সর্বশেষ প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয় ৮ কোটি ৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৬৭ পয়সা।২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল। সে বছর ইপিএস ছিল ১ টাকা ১৭ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ১৬ টাকা ৬৩ পয়সা।ট্রাস্ট ব্যাংক: ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ আগামীকাল সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে লভ্যাংশ নির্ধারণী সভায় বসবে। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর ১ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ টাকা ৪০ পয়সা। সর্বশেষ প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির নিট মুনাফার পরিমাণ ৯৩ কোটি ৭২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ইপিএস ২ টাকা ২০ পয়সা। গত বছর ট্রাস্ট ব্যাংক ১২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল।   Source : বনিক বার্তা
  • পর্যটন খাতে ক্ষতি দুই হাজার কোটি টাকা
    টানা অবরোধ ও হরতালে পর্যটন খাতে ব্যবসা কমেছে প্রায় ৯৫ শতাংশ। ফলে এ খাতে ৫৩ দিনের টানা অবরোধে ক্ষতি হয়েছে ২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘ট্যুরিজম সেক্টর : চ্যালেঞ্জ এ্যাহেড’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এ তথ্য জানান টোয়াবের সভাপতি প্রফেসর ড. আকবর উদ্দিন আহমাদ। তিনি জানান, ‘গত তিন বছর ধরেই রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটন শিল্পের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। সাধারণত শীতকাল পর্যটনের প্রধান মৌসুম। কিন্তু টানা অবরোধ ও হরতালে পর্যটন খাতে ব্যবসা কমেছে প্রায় ৯৫ শতাংশ। এ সময় এই খাতে দুই হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।’ টোয়াবের ৩০০ সদস্য রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আমরা অপূরণীয় ক্ষতির মুখোমুখি। যারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন তাঁদের ঋণ পরিশোধেও তাড়া দেয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক সমস্যার মাসুল আমরা কেন এভাবে দিয়ে যাব?’ এ সময় তিনি সরকারের কাছে থেকে আর্থিক অনুদান ও বিনা সুদে ব্যাংক ঋণের দাবি করেন।টোয়াব সদস্য এসএম মোকসেদুল ইসলাম মাসুম বলেন, ‘হরতাল-অবরোধে গাড়ি পুড়লে প্রধানমন্ত্রী গাড়ির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছেন। কিন্তু আমাদের কে দেখবেন? এ সময় তিনি পর্যটন খাতকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ হাকিম আলী ও টোয়াব সহসভাপতি মোঃ রাফেউজ্জামান, মোঃ হাফিজুর রহমান ফারুক, পরিচালক আরএইচএম ইমরান চৌধুরী।   Source : জনকণ্ঠ
  • সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ বেড়েছে তিন গুণ
    সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়ে গেছে ব্যাপকভাবে। আগের সব রেকর্ড ভেঙে চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭৩৯ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১০ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা বা তিন গুণেরও বেশি। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে নিট নয় হাজার ৫৬ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে হিসাবে সাত মাসে পুরো অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ছয় হাজার ৬৮৩ টাকা বা ৭৩ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি হয়েছে। বাজেট ঘাটতি মেটাতে একটি সময় ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর বেশি নির্ভরতা ছিল সরকারের। ২০১২-১৩ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের সুদহার বাড়ানো হয়। এর পর থেকে এর বিক্রি বাড়ছে। আর এখন সঞ্চয়পত্রে ভর করেছে সরকারের ঋণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আগের একই সময়ের তুলনায় ব্যাংক ব্যবস্থায় সরকারের নিট ঋণ কমে গেছে ছয় হাজার ৬০ কোটি টাকা। অথচ আগের বছরের একই সময়ে তিন হাজার ১৩৬ কোটি টাকা ঋণ ছিল। মূলত প্রত্যাশার তুলনায় সঞ্চয়পত্রের বিক্রি বেশি হওয়ায় ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার এখন যে পরিমাণ ঋণ নিচ্ছে, পরিশোধ করছে তার অনেক বেশি।ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান ও বেসরকারি মেঘনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নূরুল আমিন সমকালকে বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে উদ্যোক্তাদের অনেকেই নতুন বিনিয়োগ করছেন না। এতে ব্যাংকগুলোর কাছে বড় অঙ্কের অলস অর্থ পড়ে আছে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয় কমাতে আমানতে সুদহার কমে আসছে। সঞ্চয়পত্রের সুদহার আগের মতো বেশি থাকায় অনেকেই এখন সেদিকে ঝুঁকছেন। এসব কারণে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি বাড়ছে।সঞ্চয় পরিদপ্তরের তথ্যমতে, সাত মাসে সঞ্চয়পত্রের মোট বিক্রি হয়েছে ২২ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে বিক্রির পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ৭০২ কোটি টাকা। এতে একই সময়ের তুলনায় মোট বিক্রি বেড়েছে ১০ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা। সাত হাজার ২০৬ কোটি টাকার মূল পরিশোধ বাদ দিয়ে নিট বিক্রি দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭৩৯ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে নিট বিক্রি ছিল চার হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা।ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানোর বিষয়ে সরকারি উদ্যোগের কথা শোনা গেলেও এখনও তা কার্যকর হয়নি। আগের বছরের এ সময়ে ব্যাংকগুলো ১২ থেকে ১৩ শতাংশ সুদে মেয়াদি আমানত নিত। তবে এখন বেশির ভাগ ব্যাংক তা ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে এনেছে। আগামী ১ মার্চ থেকে সরকারি ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ সাড়ে ৮ শতাংশ সুদে মেয়াদি আমানত নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাঁচ বছর মেয়াদি পরিবার সঞ্চয়পত্রে ১৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ সুদ দিচ্ছে সরকার। এ ছাড়া পেনশনার সঞ্চয়পত্রে ১৩ দশমিক ১৯, বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে ১৩ দশমিক ১৯ ও তিন বছর মেয়াদি তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে ১২ দশমিক ৫৯ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে। আর তিন বছর মেয়াদি ডাকঘর সঞ্চয় ও ব্যাংক মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশ সুদ দেওয়া হচ্ছে।আলোচ্য সাত মাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে পরিবার সঞ্চয়পত্র। সাত মাসে নিট বিক্রি দাঁড়িয়েছে সাত হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা। পর্যায়ক্রমে বিক্রির শীর্ষে থাকা তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের বিক্রি দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৬৭৯ কোটি, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এক হাজার ৭৬৪ কোটি, পোস্ট অফিসের মেয়াদি সঞ্চয়পত্র এক হাজার ২১৩ কোটি এবং ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ড ২১৯ কোটি টাকা।   Source : সমকাল
View All
Latest DSE News
  • MONNOCERA

    Afroza Khan, one of the Sponsors/Directors of the Company, has expressed her intention to transfer 4,00,000 shares out of her total holdings of 28,73,131 shares of the Company to her son Rasheed Mymunul Islam, one of the Directors (nominated from Monno Welfare Foundation), by way of gift outside the trading system of the Exchange within next 30 working days from the date of issuance of approval letter by DSE.

  • TOT

    Withdrawal of Authorized Representatives: Total Communication Ltd. (DSE TREC No. 200), has withdrawn two of its Authorized Representatives, namely, Mr. Md. Ariful Aziz Sheikh and Mr. Sarkar Mohammad Nader, with immediate effect.

  • DEM

    Withdrawal of Authorized Representative: Desa Securities Limited (DSE TREC No. 85), has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Devasish Mukharjee, with immediate effect.

  • ETL

    Withdrawal of Authorized Representative: Expo Traders Ltd. (DSE TREC No. 230), has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Md. Harun-Ar-Rashid, with immediate effect.

  • ARC

    Withdrawal of Authorized Representative: A. R. Chowdhury Securities Ltd. (DSE TREC No. 22), has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Md. Rafikul Islam, with immediate effect.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PROGRESLIF 73.00 69.20 3.80 5.49
ILFSL 14.60 13.90 0.70 5.04
BEXIMCO 32.60 31.10 1.50 4.82
PRIMETEX 18.00 17.30 0.70 4.05
IFADAUTOS 54.00 52.10 1.90 3.65
BDCOM 25.60 24.70 0.90 3.64
NTC 730.20 704.90 25.30 3.59
DELTALIFE 154.20 149.20 5.00 3.35
POPULARLIF 143.00 138.70 4.30 3.10
NFML 26.90 26.10 0.80 3.07

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297