Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SPCL 239 201.1 37.90 18.85
PF1STMF 5 4.4 0.60 13.64
BENGALWTL 63 57.6 5.40 9.38
MONNOSTAF 295 280.8 14.20 5.06
AZIZPIPES 20 19.1 0.90 4.71
BRACBANK 40.1 38.5 1.60 4.16
1STICB 1175 1137.7 37.30 3.28
ALLTEX 32.5 31.5 1.00 3.17
BATASHOE 1215 1181.5 33.50 2.84
FEKDIL 25.7 25 0.70 2.80

Contest SB2015_Jan

1st
blank_person
JEWELROY91
2nd
blank_person
MINHAZ8399
3rd
blank_person
NURRAZU
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 331.4 329.3 5.10529 224623.00
SQURPHARMA 255.8 253.1 2.69451 118881.00
RAKCERAMIC 54.9 51.9 1.81941 408116.00
NATLIFEINS 235 222.8 1.50201 2925.00
TITASGAS 75.9 75.1 1.42480 179994.00
Negative impact
ICB 1371 1396.4 -1.92925 5063.00
SHAHJABANK 11.7 12 -0.39682 308060.00
PREMIERCEM 73.5 75.3 -0.34174 3136.00
ALARABANK 15.3 15.5 -0.34098 259014.00
DUTCHBANGL 97 97.8 -0.28807 16480.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
CNATEX 23.8 25.3 23.8 -3.64% 113.80
GSPFINANCE 30.9 33.9 30.4 -2.83% 84.73
GP 331.4 334.7 325.5 0.64% 73.93
SAPORTL 66.8 66.9 61.9 7.74% 59.51
SAIFPOWER 71.3 71.9 67.4 5.16% 50.78
IDLC 77.8 78 74.9 3.87% 49.31
LAFSURCEML 124.8 124.9 120.7 2.04% 43.40
CVOPRL 530.1 536 527 1.26% 39.87
WMSHIPYARD 50.3 50.4 48.1 3.29% 37.94
BENGALWTL 63 63.1 59.2 6.24% 37.41

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 27 Jan 2015

60862
TOTAL TRADE
51.8648
TOTAL VOLUME(Mn)
1864.48
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ট্যানারি মালিকদের আড়াই শ কোটি টাকার বেশী দাবি
    স্টাফ রিপোর্টার : ট্যানারি মালিকেরা বলছেন, ঢাকার হাজারীবাগ থেকে সব ট্যানারি সাভারে স্থানান্তরে ট্যানারি মালিকদের জন্য সরকার যে আড়াই শ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, তা মোটেও পর্যাপ্ত নয়। শিল্প মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গতকাল সোমবার সাভারের চামড়াশিল্পনগর পরিদর্শন করতে গেলে ট্যানারি মালিকেরা এ দাবি জানান। একই সঙ্গে তাঁরা চামড়াশিল্প খাতে শিল্পঋণের সুদের হার ৫ শতাংশ করার দাবিও জানান। জবাবে স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক বলেন, ঋণের সুদহার কমানোর বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পরবর্তী সভায় আলোচনার জন্য তোলা হবে। তবে আবদুর রাজ্জাক আরও বলেন, ট্যানারি মালিকদের অবশ্যই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাভারে তাঁদের কারখানা স্থানান্তরের কাজ শেষ করে উৎপাদনে যেতে হবে। তা না হলে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের (সিইটিপি) কর্মক্ষমতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব হবে না। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রসঙ্গত, এ বছরের জুনের মধ্যে হাজারীবাগের সব ট্যানারি সাভারে স্থানান্তর শেষ করে উৎপাদন শুরু করার কথা রয়েছে।
  • ইফাদের আইপিও শেয়ার বিওতে
    ডেস্ক রিপোর্ট : ইফাদ অটোস লিমিটেড আইপিও শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে পাঠিয়েছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সিডিবিএল জানায়, ২৭ জানুয়ারি, রোববার বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে কোম্পানিটির আইপিও শেয়ার সমন্বয় হয়েছে।
  • ২৯ জানুয়ারি দুপুর ২টায় আসছে ঘোষণা
    মোহাম্মাদ মুশফিকুর রহমানঃ  আগামী ২৯ জানুয়ারি নিয়ম রক্ষার্থে চলতি (২০১৪-১৫) অর্থবছরের (জানুয়ারি-জুন) দ্বিতীয়ার্ধের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই দিন দুপুর ২টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম সম্মেলন কক্ষে মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন গভর্নর ড. আতিউর রহমান। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বিরাজমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তায় অর্থবছরের প্রথমার্ধে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় গতানুগতিক অপরিবর্তিত মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এবারের মুদ্রানীতিতে দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে আভাস দিয়েছেন গভর্নর ড. আতিউর রহমান। সূত্রে জানা গেছে, নিয়মানুসারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি ৬ মাস অন্তর আগাম মুদ্রানীতি ঘোষণা করে। প্রতিবছর জানুয়ারি এবং জুলাই মাসে এটি ঘোষণা করা হয়। এর মাধ্যমে পরবর্তী ৬ মাসে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে এর একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। মুদ্রানীতি চূড়ান্ত করতে অন্যান্য বছরের মতো এবারো বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, বিশিষ্ট ব্যাংকার, সাবেক গভর্নর, সাবেক মন্ত্রী, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট, সাবেক অর্থ উপদেষ্টা এবং সাবেক সচিবসহ মুদ্রানীতি-সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পরামর্শ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগামী ২৮ জানুয়ারি সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর ড. আতিউর রহমান (জানুয়ারি-জুন) ৬ মাসের মুদ্রানীতির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরবেন। গত রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অনুষ্ঠিত 'মহাব্যবস্থাপক সম্মেলন ২০১৫'-র উদ্বোধনকালে ড. আতিউর বলেন, গত বছরের আর্থিক খাতের বেশির ভাগ সূচকের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে হালের সহিংসতা ও অস্থিরতা এ ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। দেশের বিনিয়োগে চাঙ্গাভাব, আমদানি-রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে ঊর্ধ্বমুখী ধারা, বৈদেশিক মুদ্রার মজুদে নতুন রেকর্ড এবং মূল্যস্ফীতির নিম্নমুখী ধারার প্রেক্ষিতে এই অস্থিরতাকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন গভর্নর। জানা গেছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ-মূলত এই দুটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতি অর্থবছরে দুবার (জুন থেকে জুলাই সময়ের জন্য প্রথমার্ধের এবং জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধের) মুদ্রানীতি গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন এ মুদ্রানীতিতে ব্যক্তিগতখাতকে প্রধাণ্য দিয়ে, ব্যাংক ঋণের সুদ হার নামিয়ে আনা, বিনিয়োগ বাড়ানো ও নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে পদক্ষেপ গ্রহণ, মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অনিশ্চয়তার সমাধান না হলে নতুন মুদ্রানীতি যাই হোক অর্থনীতির জন্য কোনো লাভ হবে না। উল্লেখ্য যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি বছর দুই দফায় আগাম মুদ্রানীতি ঘোষণা করে। অর্থবছরের শুরুতে প্রথম ছয় মাসের জন্য। এই ছয় মাস শেষ হলে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করে। প্রথম ছয় মাসের অবস্থা দেখে পরবর্তী ছয় মাসের মুদ্রানীতিতে কিছু সংশোধনী আনা হয়।
  • সেন্ট্রাল ফার্মার মুনাফা বৃদ্ধি
    ডেস্ক রিপোর্ট : সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের মুনাফা বেড়েছে। ২৭ জানুয়ারি, মঙ্গলবার ডিএসই’র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোম্পানির অর্ধবার্ষিক (জুলাই, ১৪–ডিসেম্বর, ১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ মাসে কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৯০ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৯৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল  ৬ কোটি ১৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। আর ইপিএস ছিল ৭৫ পয়সা। অর্ধবার্ষিকে আগের তুলনায় কোম্পনিটির মুনাফা বেড়েছে  ১ কোটি ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। উল্লেখ্য, ঔষধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিটির গত ৩ মাসে (অক্টোবর,১৪-ডিসেম্বর,১৪) কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫২  পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল  ৩ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার  টাকা। আর ইপিএস ছিল ৪৩ পয়সা। এ তিন মাসে আগের তুলনায় কোম্পনিটির মুনাফা বেড়েছে  ৭৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
  • জিএসপি ফাইন্যান্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
    ডেস্ক রিপোর্ট : ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান জিএসপি ফাইন্যান্সের  পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫৫ শতাংশ বোনাস  লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পর্ষদ সভায় ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়। আলোচিত বছরে এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৮ পয়সা। অন্যদিকে মুঙ্গলবার কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে কোন মূল্য সীমা নেই। জিএসপি ফিন্যান্সের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)  আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ ফেব্রুয়ারি।
  • তথ্য ছাড়াই দর বেড়েছে শাহজিবাজারের
    ডেস্ক রিপোর্ট: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের  শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড দর বাড়ার কারণ জানেনা। কোম্পানিটির অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণে ২৬ জানুয়ারি সোমবার ডিএসইর নোটিশের জবাবে শাহজিবাজার এ কথা জানিয়েছে।  মঙ্গলবার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।  উল্লেখ্য, কোম্পানিটির গত ১ মাসের গ্রাফ অনুযায়ী চলতি মাসের ১৯ তারিখ হতে ২৬ তারিখ পর্যন্ত ৬ কার্য দিবস শেয়ারটির দর বেড়েছে। এ সময় প্রায় ৪৩ টাকা  বেড়ে শেয়ারটির দর ১৯৭ (প্রায়) টাকা থেকে ২৪০.১০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত ৬ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত ৪ কার্যদিবস অস্বাভাবিকহারে শেয়ারটির দর বেড়েছিল। এসময় শেয়ারটির দর প্রায় ৫২ টাকা বেড়ে শেয়ারটির দর ১৭০ (প্রায়) টাকা থেকে প্রায় ২২৩ টাকায় দাঁড়িয়েছিল।
  • আসছে কোটি টাকার মেট্রোরেল
    স্টাফ রিপোর্টার : সোমবার জাতীয় সংসদে বহুল আলোচিত মেট্রো রেল বিল পাস হয়েছে। মাত্র ৩৮ মিনিটে উত্তরা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত ৬০ হাজার যাত্রী নিয়ে যাতায়াতের সক্ষমতা সম্পন্ন ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রজেক্ট বাস্তবায়নের জন্য বহুল আলোচিত মেট্রো রেল বিল পাস হল । বিলে মেট্রোরেল পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের সর্বনিম্ন এক বছর থেকে অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৫ লাখ থেকে ১ কোটি টাকার অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।  এর আগে বিলটি যাচাই বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কণ্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে যায়। চলতি সংসদের চতুর্থ অধিবেশনের সমাপনী দিবসে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। এরপর বিলটি চার সপ্তাহের মধ্যে যাচাই-বাচাই করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। সোমবার জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির সুপারিশকৃত আকারে বিলটি পাস করার জন্য সংসদে প্রস্তাব করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি একাব্বর হোসেন স্থায়ী কমিটিতে গৃহীত সংশোধনীসহ বিলটি সংসদে পেশ করেন। বিলটি পাসের প্রস্তাব করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তরুণ সমাজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সরকারের মেগা প্রজেক্ট হলো এই ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট প্রজেক্ট। এ প্রকল্পে শূন্য দশমিক শূন্য এক টাকা সুদে জাইকার ঋণ ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা। ৪০ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সাল হলেও ২০১৯ সালে মেট্রোরেল চালুর বিষয়ে জাপানকে রাজি করিয়েছে বাংলাদেশ। এ মাসেই প্রথম টেন্ডার আহ্বান করা হবে। চলতি বছরে বাকি ৮টি টেন্ডার আহ্বান করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ হবে ২১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের বিনিয়োগ ৫ হাজার কোটি টাকা। মন্ত্রী সংসদকে আরো জানান, উত্তরা তৃতীয় ফেজ থেকে মিরপুর, ফার্মগেট, শাহবাগ, টিএসসি, তোপখানা রোড হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত মেট্রোরেলের দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটারের বেশি। এ পথে চলাচলকারী যাত্রীদের সুবিধার্থে ১৬টি স্টেশন রাখা হয়েছে। ট্রেনটি প্রতি ট্রিপে ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহণ করতে পারবে। এজন্য ঢাকা র‌্যাপিড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি গঠন করা হয়েছে। রাজউক থেকে প্রয়োজনীয় ২২ হাজার একর জমি সংস্থাকে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিলের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে, ঢাকা শহরের যানজট নিরসন, দ্রুত ও উন্নত গণপরিবহন সেবা প্রদানের জন্য এই বিল আনা হয়েছে। বিলে সরকারি বেসরকারি অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে মেট্রোরেল নির্মাণের বিধান রাখা হয়েছে। বিলে মেট্রোরেল পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের সর্বনিম্ন এক বছর থেকে অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৫ লাখ থেকে ১ কোটি টাকার অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া টিকেট বা বৈধ পাস ছাড়া মেট্রোরেলের ভ্রমণ করলে যাত্রীকে ভাড়ার ১০ গুণ বা অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে। উল্লখ্য যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত ও স্বল্প খরচে জনগণকে যতায়াতের সুযোগ করে দিতে ২০১২ সালে এই মেগা প্রজেক্ট গ্রহণ করেন।
  • ৬টি নতুন জাহাজ পাচ্ছে বিএসসি
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জন্য চীন সরকারের আর্থিক সহায়তায় ৬টি নতুন জাহাজ কিনবে সরকার। সোমবার সচিবালয়ে ‘অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র বৈঠকে জাহাজ ক্রয়ের বিষয়টি নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৬টি নতুন জাহাজ ক্রয়ের বিষয়ে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ছয়টি জাহাজের মধ্যে তিনটি প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাঙ্কার ও তিনটি বাল্ক ক্যারিয়ার। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। চীনা সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট এ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন’ (সিএমসি) এ জাহাজ সরবরাহ করবে। এলক্ষ্যে ২০১২ সালের ১৫ জুন বিএসসি ও সিএমসি’র মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। চীনের এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে চীনা সরকারের প্রিফারেনশিয়াল/কন্সেশনাল ঋণের আওতায় এ জাহাজ কেনা হবে বলে প্রস্তাবে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বৈঠকে চীনের এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়নে ‘চতুর্থ টিয়ের (Tier) ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার’ স্থাপনে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কনসোর্টিয়াম ‘জেডটিই হোল্ডিংস কোম্পানি লিমিটেড’ ও ‘জেডটিই করপোরেশন’-এর সঙ্গে চূড়ান্ত কমার্শিয়াল চুক্তি স্বাক্ষরের আরেকটি পৃথক প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ‘অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র বৈঠকে ৫টি বিষয় আলোচিত হয়েছে। এর মধ্যে উপরোক্ত দু’টি প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অপর তিনটি প্রস্তাব সম্পর্কে যুগ্ম-সচিব বলেন, এগুলো বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এগুলোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। প্রস্তাব তিনটি ছিল— তিতাস গ্যাস ফিল্ডের চারটি কূপ খননের জন্য চীনা প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো প্রতিষ্ঠান বিক্রি, বেসরকারিকরণ ও হস্তান্তরে একমাত্র প্রাইভেটাইজেন কমিশন কর্তৃক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ এবং বেসরকারিকরণের জন্য প্রাইভেটাইজেশন কমিশনে ন্যস্ত বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো বিক্রয়ের তালিকা থেকে প্রত্যাহার-পূর্বক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ফেরত প্রদান।
  • এশিয়ান টাইগার গ্রোথ ফান্ডের অশুভ সূচনা
    চাহিদার চেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডে। ফলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় থাকা প্রথম গ্রোথ ফান্ড আশার সঞ্চার করতে পারেনি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। মিউচুয়াল ফান্ড খাতের নাজুক অবস্থা এবং পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক মন্দাবস্থা আবেদন কম পড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ড পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর বিপরীতে ৬১ কোটি টাকার (প্রায়) আবেদন জমা পড়েছে। তবে নিয়মানুযায়ী মোট আকারের ৫০ শতাংশ অর্থ যোগান হওয়ায় ফান্ডটির তালিকাভুক্তিতে বাধা থাকছে না।ফান্ডটিতে উদ্যোক্তা অংশ ২০ কোটি টাকা, প্লেসমেন্ট অংশ ২০ কোটি টাকা এবং বাকি ৬০ কোটি টাকা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। আইপিওর ৬০ কোটি টাকার মধ্যে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ ছিল ৬ কোটি টাকা, স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৬ কোটি টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ কোটি টাকা এবং মিউচুয়াল ফান্ড কোটার জন্য বরাদ্দ ছিল ৬ কোটি টাকা। স্থানীয় অধিবাসীদের কাছ থেকে এ ফান্ডের আইপিও আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয় গত ১১ জানুয়ারি এবং শেষ হয় ১৫ জানুয়ারি। প্রবাসীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও মিউচুয়াল ফান্ড কোটায় ২০ কোটি ৭২ লাখ ৪০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া গত ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা জমা দিয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার আবেদন। অর্থাৎ আইপিও কোটায় মোট জমা পড়েছে ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার আবেদন। এছাড়া উদ্যোক্তা অংশ ২০ কোটি ও প্লেসমেন্টের ২০ কোটি মিলিয়ে ফান্ডটিতে মোট জমা পড়েছে ৬০ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ফান্ডটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১০ কোটি ইউনিট ইস্যু করেছে। এর মার্কেট লট ৫০০টি ইউনিটে। ফান্ডটি ১০ বছর মেয়াদী। জানা গেছে, এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ ফান্ড পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাওয়া প্রথম গ্রোথ ফান্ড। গ্রোফফান্ডের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- যেসব কোম্পানির মুনাফা ও নগদান প্রবাহ অন্য কোম্পানির চেয়ে বেশি সেসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণীয় লভ্যাংশ দেওয়ার প্রচেষ্টা নিহিত থাকে। কিন্তু ফান্ডটি নির্ধারিত সীমার চেয়ে ৩৯ কোটি টাকা কম সংগ্রহ করতে পেরেছে। ফলে প্রথম গ্রোথ ফান্ডের সূচনা শুভ হলো না বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর অবস্থা খুব একটা ভালো না। অধিকাংশ ফান্ড লোকসানে রয়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনেকে পুঁজিবাজার বিমুখ। এ কারণে এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডে চাহিদার চেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে। এ ব্যাপারে সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান এশিয়ান টাইগার্স কেপিটাল পার্টনারসের কর্মকর্তা শামসুল হক বলেন, আবেদন কম হওয়ার পেছনে মূলত বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা দায়ী। তবে নিয়ম অনুযায়ী যে ৬১ কোটি টাকা জমা পড়েছে এটাই এখন ফান্ডটির টার্গেট সাইজে পরিণত হবে। নতুন করে আবেদনের সময় বাড়ানোর চেষ্টা করবেন কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ‘না’ সূচক উত্তর দেন। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের প্রতি ইউনিটের নিট সম্পদমূল্য বাজারদর অনুযায়ী ১৪.১২ টাকা। ফান্ডটির উদ্যোক্তা সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং ট্রাস্টি বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিজিআইসি)। বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত বছরের ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের আইপিও অনুমোদন দেয়। এর আগে নির্ধারিত সময়ে প্রস্তাব জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় কমিশনের ৪৯৯তম সভায় এর নিবন্ধন বাতিল করা হয়। আর কমিশনের ৩৬২তম সভায় সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের নিবন্ধন দেওয়া হয়।
  • পদ্মা অয়েলের এজিএমের স্থান পরিবর্তন
    ডেস্ক রিপোর্ট : বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) স্থান পরিবর্তন করেছে পদ্মা অয়েল। আগামী  ১৪ ফেব্রুয়ারি এ কোম্পানির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে তথ্য জানা গেছে। এজিএম অনুষ্ঠিত হবে চিটাগাং বোট ক্লাব (সিবিসি), সিসিএল কনভেনশন সেন্টার, ঘাট-১১, পতেঙ্গা, চিটাগাং। এর আগে গুপ্তখাল চট্টগ্রামে এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এজিএম সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এর আগে ১০ নভেম্বর পদ্মা অয়েল ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য ১০০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ব্যাংকেও অবরোধের প্রভাব
    বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ডাকা টানা অবরোধে রাজধানীতে লেনদেন স্বাভাবিক থাকলেও বাইরের ব্যাংক শাখায় দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। এলাকাভেদে লেনদেন কমেছে ২০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত। নগদ অর্থের সঙ্কটে কোনো কোনো ব্যাংক গ্রাহকের চাহিদা মেটাতে পারছে না। একই সঙ্গে কমেছে ঋণ আদায় এবং দেয়ার পরিমাণও।রাজধানীর বাইরের ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অবরোধ ও হরতালের আতঙ্কে বড় কোনো লেনদেন করছেন না গ্রাহকরা। টাকা স্থানান্তরে প্রয়োজনীয় পুলিশ চেয়েও পাচ্ছে না অনেক ব্যাংকের শাখা। তবে যেসব ব্যাংকের শাখায় অনলাইন সুবিধা রয়েছে, তারা কাছের অন্য শাখার মাধ্যমে গ্রাহকদের নগদ অর্থ প্রদানের সুবিধা দিচ্ছে। বরিশাল বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টানা অবরোধে বরিশালের ব্যাংকগুলোতে কমে গেছে দৈনন্দিন লেনদেনের পরিমাণ। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ শাখার অফিসার মিলন হোসেন যায়যায়দিনকে জানান, তারা গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা দিতে পারছেন না।একই কথা বলেছেন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের বরিশাল শাখার অফিসার জিলান মাহমুদ। তিনি জানান, ব্যবসায়ীরা বড় কোনো লেনদেন করছে না। কারণ হিসেবে জানান, রাস্তায় চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় বড় অঙ্কের টাকা নিয়ে কেউ ব্যাংক পর্যন্ত আসতে চান না। বরিশাল পোর্ট রোড মৎস্য আড়ৎ সমিতির নেতা জামাল হোসেন জানান, অবরোধের কারণে বড় পাইকার না থাকায় ব্যাংকের সঙ্গে তাদের বড় লেনদেন কমে গেছে।নেত্রকোনার ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, গত মাসের তুলনায় চলতি মাসে গ্রাহকদের কাছ থেকে ব্যাংকগুলোর ঋণ আদায়ের পরিমাণ ব্যাপকভাবে কমে যাচ্ছে। নেত্রকোনা থেকে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ বিভিন্ন জেলায় ব্যবসায়ীরা টিটির মাধ্যমে মালামাল ক্রয় করেন। অবরোধে পণ্য পরিবহনে খরচ বৃদ্ধি ও সড়কে জানমালের ওপর নাশকতার আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে আছেন। ব্যাংকগুলোতে সঞ্চয়ী গ্রাহক, ডিপিএস নিয়ে গ্রাহকরা নিয়মিত হলেও বড় বড় ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি এবং লেনদেন কমে গেছে।নেত্রকোনা মাহিতাজ আয়রন মিলসের মালিক আজিজুল হক তালুকদার বলেন, ব্যাংক ঋণের টাকায় তার কারখানা চলে। পরিবহন খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় তার কারখানা বন্ধ হওয়ার পথে। জেলা চেম্বার অব কমার্সের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল ওয়াহেদ বলেন, রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে নিয়মিত ট্রাকসহ বিভিন্ন ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে জেলায় মালামাল আনতে হয়। এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করাই কঠিন হবে। জনতা ব্যাংক লিমিটেড নেত্রকোনা শাখা ব্যবস্থাপক মো. শওকত হাসান বলেন, তাদের সবসময় ব্যবসার গতির ওপর নির্ভর করতে হয়। এ মাসে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তাদের ঋণ আদায় কম হচ্ছে। কুমিল্লায় ব্যাংকপাড়ায় লেনদেনেও দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। ব্যাংকের প্রধান ফটক বন্ধ রেখে পকেট গেট দিয়ে গ্রাহক ব্যাংকে প্রবেশ করছেন। ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজার ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বাবুল, গণি ভূঁইয়া ম্যানশনের ইকবাল হোসেন ভূঁইয়াসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, অবরোধ ও হরতালের কারণে ক্রেতা অর্ধেকে কমে এসেছে। যা বিক্রি হয় তা দিয়ে কর্মচারীর বেতন ও দৈনন্দিন খরচ মিটে না। এ অবস্থায় ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ার উপক্রম হয়েছে। ব্যাংক থেকে সিসি লোন নিয়ে তা পরিশোধ করতে পারছেন না। ইস্টার্ন ট্রেডিং করপোরেশনের যমুনা ডিলারের ম্যানেজার মনোরঞ্জন বাবু জানান, তাদের ২টি সিএনজি ও ৪টি পেট্রল পাম্প রয়েছে। লাগাতার অবরোধ ও হরতালের কারণে এসব পাম্প ঝিমিয়ে পড়েছে। এতে ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারছেন না তিনি। যমুনা ব্যাংক শাখার ম্যানেজার মো. শাহনেওয়াজ সরকার জানান, হরতালে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে প্রধান ফটক বন্ধ রেখে পকেট গেট দিয়ে আসা-যাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগের মতো লেনদেন হচ্ছে না। সোনালী ব্যাংক করপোরেট শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. সলিমুল্লাহ বলেন, পুলিশের সাহায্য নিয়ে শাখার চাহিদা অনুযায়ী টাকা পাঠানো হচ্ছে। রংপুর জেলা ফার্টিলাইজার অ্যাসোয়িশনের সভাপতি আবুল কাশেম বলেন, তিনি প্রাইম ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করছেন। রাজনৈতিক অস্থিরতায় তার কোনো ব্যবসা নেই। তিনি অবরোধের আগে ব্যাংকে সুদের টাকা জমা দিয়েছিলেন। এরপর থেকে কোনো টাকা জমা দিতে পারেননি। তবে রংপুর জেলা সোনালী ব্যাংক করপোরেট শাখা প্রিন্সিপাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার নজরুল ইসলাম জানান, অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধার কারণে তার ব্যাংকে লেনদেনের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। তার মতো ওয়ান ব্যাংকের অ্যাসিস্টেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহবুবুর রহমানেরও একই কথা। তবে হরতাল অবরোধের প্রভাব পড়েছে খুলনার ব্যাংকিং সেক্টরেও। বেসরকারি ব্যাংকগুলোয় নগদ লেনদেন কমে গেছে। নিরাপত্তার কারণে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের প্রধান ফটক সার্বক্ষণিক বন্ধ থাকছে। অর্থ আনা-নেয়ার জন্যও অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশের সহায়তা নিতে হচ্ছে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক খুলনার ব্রাঞ্চ হেড ও এফএভিপি মো. আকবর আলী জানান, আগের মতো লেনদেন হচ্ছে না। অবরোধের আগে তার শাখায় দিনে প্রায় ৫ কোটি টাকা টার্নওভার হতো। এখন দেড় কোটি টাকাও হয় না। নিরাপত্তার জন্য ব্যাংকে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। সাউথইস্ট ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার আবু নঈম বলেন, অবরোধের প্রভাবে নগদ অর্থ লেনদের আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। তার ব্যাংকে অবরোধের আগে প্রতিদিন গড়ে দেড় কোটি টাকা লেনদেন হতো। গত ১৮-১৯ দিন ধরে লেনদেন ৫০ লাখে নেমে এসেছে।সোনালী ব্যাংক খুলনা অঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক নেপাল চন্দ্র সাহা জানান, তার আওতায় ১২৩টি শাখা রয়েছে। অবরোধের কারণে লেনদেন ২০ ভাগ কমে গেছে।মুন্সীগঞ্জ সদরের মুক্তারপুর এলাকায় এসএম মুনালিসা করপোরেশনের মালিক মো. সালাম বলেন, তার ফিশিং নেটের বেচাকেনা নেই বললেই চলে। ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধ করতে বেগ পেতে হচ্ছে।সোনালী ব্যাংকের মুন্সীগঞ্জ শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক এমডি মনিরুজ্জামান জানান, লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। লোন পরিশোধের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি। তবে গ্রাহকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যাংকে আসতে হচ্ছে। ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের মুন্সীগঞ্জ শাখার ম্যানেজার মো. সোলায়মান জানান, লেনদেনে কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, বেচাকেনা কমে যাওয়ায় লোনের কিস্তি পরিশোধে কষ্ট হচ্ছে।এদিকে টানা অবরোধের কোনো প্রভাব পড়েনি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সরকারি-বেসরকারি কোনো ব্যাংকেই। এসব ব্যাংকে লেনদেন চলছে স্বাভাকিভাবে। কৃষি ব্যাংক নালিতাবাড়ী শাখা ব্যবস্থাপক গৌরাঙ্গ সরকার জানান, অবরোধের কোনো প্রভাব তাদের শাখায় পড়েনি। গ্রাহকরা তাদের লেনদেন স্বাভাবিকভাবেই চালিয়ে যাচ্ছেন।অগ্রণী ব্যাংক নালিতাবাড়ী শাখার ব্যবস্থাপক শাহজাদা মিয়া জানান, স্থানীয় লেনদেন স্বাভাবিক রয়েছে। তবে টিটি কমে গেছে।অন্যদিকে ২০ দলের ডাকা টানা অবরোধে নোয়াখালীতে বিভিন্ন ব্যাংকের লেনদেন কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ওয়ান ব্যাংকের মাইজদী কোর্ট শাখার ব্যবস্থাপক মো. মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী জানান, আগে প্রতিদিন যেখানে চারশ' থেকে সাড়ে চারশ' গ্রাহক লেনদেন করতেন সেখানে এখন এই সংখ্যা নেমে এসছে তিনশ' থেকে সাড়ে তিনশতে। নিরাপত্তাজনিত কারণে জেলার সুবর্ণচর, আমিশাপাড়া ও চন্দ্রগঞ্জ শাখায় চরম তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। সপ্তাহে একদিন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে মোটরসাইকেলে করে জেলা সদর থেকে ব্যাংকগুলোতে টাকা পাঠানো হচ্ছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে বড় বড় গ্রাহকরা মোটা অঙ্কের টাকা জমা দিচ্ছে বা নিচ্ছেন না।রাজশাহীর ব্যাংকগুলোতেও লেনদেন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। মূলত ব্যবসায়িকরা লেনদেন না করায় ৭০ ভাগ লেনদেন কমে গেছে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকের কর্মকর্তারা। এছাড়াও অবরোধের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা পরিবহন করতে চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে।ওয়ান ব্যাংকের রাজশাহী শাখার ব্যবস্থাপক এম আব্দুল মান্নান বলেন, অবরোধের কারণে রাজশাহীর ব্যাংকগুলোতে প্রায় ৭০ ভাগ লেনদেন কমে গেছে। ঋণ উত্তোলন বা ঋণের কিস্তির টাকা দিতে পারছে না ব্যবসায়ীরা। অর্থের সঙ্কট না থাকলেও লেনদেন না হওয়ায় ব্যাংকগুলো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানান তিনি।ব্যাংকার আব্দুল মান্নান আরো বলেন, অবরোধে ব্যাংকগুলোর সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকে টাকা পরিবহনের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাহারা ছাড়া নিজস্ব পরিবহনে টাকা পাঠানো বা নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু সময়মতো তাদের পাওয়া যাচ্ছে না।    Source : যায়ে যায়ে দিন 
  • ভ্যাট ও শুল্ক আইন যুগোপযোগী করার দাবি ব্যবসায়ীদের
    রাজস্ব আয় বাড়াতে ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সেইসঙ্গে বিদ্যমান মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও শুল্ক আইনকে যুগোপযোগী করা, রাজস্ব বোর্ডের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মকর্তাদের মনোভাবেরও পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। গতকাল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসের আলোচনায় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরামউদ্দিন আহমদ এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে দেড় লাখ কোটি টাকা। ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ দিলে আগামী বছর এটি দু’লাখ কোটি টাকায় এবং কয়েক বছরের মধ্যে তা ৫ লাখ কোটি টাকায়ও উন্নীত করা সম্ভব। এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ ব্যবসায়ী ও এনবিআরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  কাজী আকরাম বলেন, ট্যাক্স ও ভ্যাট না দিলে দেশ এগুবে না। কিন্তু ব্যবসায়ীদের সে পরিবেশ দিতে হবে। এনবিআরের মনোভাবে পরিবর্তন আনা দরকার। মমত্ববোধের সাথে কর আদায় করতে হবে। অবশ্য দিনে দিনে কর্মকর্তাদের মধ্যে সে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আলোচনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, একসময় সরকারের রাজস্বের বড় অংশ ছিলো শুল্ক। কিন্তু ধীরে ধীরে তা কমে যাচ্ছে। তিনি বলেন, শুল্ক তো প্রায় বিদায় হয়ে যাবে। এজন্য ভ্যাটসহ (মূল্য সংযোজন কর) অন্যখাত থেকে রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ভ্যাট আইনের মূল লক্ষ্য দেশীয় শিল্পকে রক্ষা করা। সরকার ব্যবসাবান্ধব। ভ্যাট আইন নিয়ে গঠিত কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করা হবে। তিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের রাজস্বসহ অর্থনৈতিক বিভিন্ন খাতের অগ্রগতি তুলে ধরেন। বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ শুল্ক ও অশুল্ক বাধায় পড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা শুল্ক অনেক কমিয়েছি। অনেক দেশ আমাদের শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে। কিন্তু কোন কোন দেশ দেয়ার পরও বিভিন্ন শুল্ক অশুল্ক বাধা রয়েছে। বাংলাদেশের মত স্বল্পোন্নত দেশের জন্য এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। নেয়ার সময় সব নিয়েছে কিন্তু দেয়ার সময় সঙ্কুচিত হয়েছে। ড. মসিউর রহমান এনবিআরের বিভিন্ন সময় নেয়া সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে শিল্প-বাণিজ্যের প্রতিক্রিয়া বিবেচনায় নেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এটা হলে ভুলের আশংকা কমে আসবে। সেইসঙ্গে ফিসক্যাল ইকোনমি নিয়ে একটি গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান করার উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের (ডব্লিওসিও) অধীনে ২০০৯ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী কাস্টমস দিবস পালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে এ সংস্থার সদস্য দেশের সংখ্যা ১৭৯টি। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিলো সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা : অংশীদারী সম্পর্কের একটি আন্তরিক ব্যবস্থাপনা। অনুষ্ঠানে এনবিআরের ১৫ জন কর্মকর্তাসহ ২০ জনকে শুল্ক ব্যবস্থাপনায় অবদানের জন্য ডব্লিওসিওর সনদ দেয়া হয়। Source : ইত্তেফাক
  • ছয় মাসে লক্ষ্যমাত্রার দেড় গুণ বিনিয়োগ সঞ্চয়পত্রে
    চলতি অর্থবছরে প্রথম ছয় মাসে বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার দেড় গুণ বিনিয়োগ এসেছে সঞ্চয়পত্রে। এ বিনিয়োগ বাড়ায় সরকারের নিট ব্যাংকঋণ কমেছে সাড়ে ৩৪ কোটি টাকা। জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) সঞ্চয়পত্রে নিট বিনিয়োগ এসেছে ১৩ হাজার ১৩৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, যা পুরো অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪৫.০৪ শতাংশ বা প্রায় দেড় গুণ বেশি। এ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের নিট বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯ হাজার ৫৬ কোটি টাকা। অন্যদিকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে সরকারের মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৪ হাজার ২০৯ কোটি টাকা। এখান থেকে ছয় মাস আগে গত জুন শেষে যা ছিল এক লাখ ১৪ হাজার ২৪৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা। এ হিসাবে ছয় মাসে সরকারের নিট ঋণ ৩৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা কমেছে। সাধারণত সব সময়ই আগের একই সময়ের তুলনায় সরকারকে বেশি ঋণ নিতে দেখা যায়। বাজেট ঘাটতি মেটাতে ট্রেজারি বিল ও বন্ড ছেড়ে সরকার বিভিন্ন মেয়াদে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়। চলতি অর্থবছরে সরকারের ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩১ হাজার ২২১ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে সরকারের মোট ঋণের এক লাখ ১০ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে। বাকি তিন হাজার ৯৪১ কোটি টাকা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব কারণে এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা না নিয়ে আগের নেওয়া ঋণ পরিশোধ করছে সরকার।   গত ছয় মাসে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া আগের ঋণের ৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। এ সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নিয়েছে ৯ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। নিরাপদ বিনিয়োগ এবং বেশি মুনাফার আশায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ বাড়ছে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। একক মাস হিসেবে ডিসেম্বরে এ খাতে বিনিয়োগ এসেছে এক হাজার ৮৯৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। নভেম্বরে নিট বিনিয়োগ এসেছিল প্রায় এক হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ড. গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, অবরোধ-হরতালসহ রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ বাড়ছে। মূলত কোনো ধরনের ঝুঁকি না থাকায় এবং বেশি লাভের জন্য সবাই এ খাতে ঝুঁকছেন। ড. মোয়াজ্জেম বলেন, শেয়ারবাজারে দীর্ঘদিনের মন্দা এবং ব্যাংকগুলো আমানতের সুদের হার কমানোয় নিরাপদ বিনিয়োগ সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকেছেন সবাই। বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটা ভালো সুযোগ দিয়েছে সরকার। সেই সুযোগ তাঁরা নিচ্ছেন, যার প্রভাব পড়ছে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে। মেঘনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ নুরুল আমীন বলেন, সঞ্চয়পত্রের বিক্রি ভালো থাকায় ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সাময়িকভাবে সরকারের ঋণ কমেছে। তবে বড় প্রকল্পের কাজ শুরু হলে তখন ঋণের চাপ বাড়বে। এবারের বাজেটেও অর্থমন্ত্রী এমনটি বলেছেন। তিনি আরো বলেন, ব্যাংকগুলোতে এখন প্রচুর তারল্য রয়েছে। এ সময়ে ঋণ নিলে ব্যাংকের ওপর কোনো চাপ তৈরি হবে না, বরং উপকৃত হবে।   Source : কালের কণ্ঠ
  • পুঁজিবাজার ধুঁঁকছে আস্থাহীনতায়
    ঠিক এক বছর আগে ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শেয়ার লেনদেন হয়েছিল ৮৫৯ কোটি টাকার। আর গতকাল সোমবার ২৬ জানুয়ারি সেই একই পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়েছে মাত্র ২০৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দিনের হিসাবে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে প্রায় ৭৬ শতাংশ! ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ কম্পানির আর্থিক হিসাব ডিসেম্বরে শেষ হয়। লভ্যাংশ ঘোষণার কারণে বছরের এ সময়টিতে সাধারণত তুলনামূলক চাঙ্গা থাকে শেয়ারবাজার। কিন্তু এবার বাজার পরিস্থিতিতে পুরো উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। প্রতিদিন শেয়ার লেনদেন ও সূচক কমতে কমতে তলানিতে এসে ঠেকেছে। পুঁজিবাজারের এই করুণ হালের জন্য বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকেই দায়ী করলেন বাজার বিশ্লেষকরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এ বছরের শুরু থেকে ক্রমেই নাজুক হয়ে পড়ছে দেশের উভয় পুঁজিবাজার। বিশেষ করে ৫ জানুয়ারি থেকে ২০ দলীয় জোটের টানা অবরোধ ও বিচ্ছিন্ন হরতাল শুরু হওয়ার পর থেকে বাজারে লেনদেন কমতে শুরু করেছে। এর মধ্যে গতকাল উভয় বাজারে বছরের সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে গতকাল সোমবার লেনদেন হয়েছে মাত্র ২০৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ২৮ লাখ টাকা। গতকাল পর্যন্ত জানুয়ারি মাসের ১৭ কার্যদিবসের ১২ দিনই দরপতন হয়েছে পুঁজিবাজারে। আকস্মিকভাবে মাঝেমধ্যে সূচক সামান্য বাড়লেও কমার হার বেশি হওয়ায় নিম্নমুখী প্রবণতা ক্রমেই দীর্ঘায়িত হচ্ছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ না থাকা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তার কারণে নাজুক পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে বলে মনে করছে বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৮ জানুয়ারি থেকে সর্বশেষ সাত কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে পতন হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এই সময় শুধু ডিএসইর বাজার মূলধন থেকে হারিয়ে গেছে ১৩ হাজার ২৫ কোটি টাকা। সাধারণ সূচক কমেছে ২৪৯ পয়েন্ট। গড় লেনদেন নেমেছে ২৪৬ কোটিতে। বাজারের এমন পরিস্থিতিতে চরমভাবে হতাশ হয়ে পড়েছে বিনিয়োগকারীরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সামপ্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারে নতুন করে বিনিয়োগকারী আসছে না। কেবল আইপিও সূত্রে যারা মূল বাজারে আসছে তারাও লাভ বুঝে শেয়ার বিক্রি করে বেরিয়ে যাচ্ছে। চিটাগং ইনভেস্টরস ফোরামের সভাপতি আছলাম মোরশেদ বলেন, 'আমাদের অবস্থা ভালো না। বছরের আট মাসই যদি রাজনৈতিক ক্রাইসিস থাকে, তবে বাজার ভালো থাকে কী করে? অন্য বছরগুলোতে ডিসেম্বর ক্লোজিংয়ের কারণে জানুয়ারি মাসে বাজার ভালো থাকে। এবার পরিস্থিতি পুরোপুরি নেতিবাচক। বহুজাতিক কম্পানিগুলোও খুব সুবিধাজনক অবস্থানে নেই।' বাজারের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য তিনি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিকেও সমানভাবে দায়ী করেন। আছলাম মোরশেদ বলেন, 'একের পর এক নতুন আইপিও বাজারে এনে অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু করেছে বিএসইসি। এমন অনেক আইপিও বাজারে এসেছে যেগুলোর শুরু থেকেই দরপতন হয়েছে। রাজনৈতিক ডামাডোলের কারণে পুঁজিবাজারের দিকে কারো নজর আছে বলে মনে হয় না। কারণ নির্বাচনের আগে হরতাল ডাকলে আইসিবি বাজারে সাপোর্ট দিত। আর এখন আইসিবিও নিষ্ক্রিয় হয়ে হাত গুটিয়ে রয়েছে।' শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালন ব্যর্থতাকেও দায়ী করেন পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. সালেহ জহুর। এ প্রসঙ্গে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মতো যেসব কম্পানি পুঁজিবাজারকে নিয়ন্ত্রণ করে তাদের বেশির ভাগ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি। এ ছাড়া দেশের বিনিয়োগের অবস্থাও ভালো না। অর্থনীতির বেশির ভাগ সূচকই নেগেটিভ। বিনিয়োগ না হওয়ার কারণে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি অলস পড়ে আছে। দেশের ৩৩টি ইন্ডাস্ট্রি সেক্টরে নতুন কোনো কর্মসংস্থান হয়নি, বরং আর্থিক ক্ষতি কমাতে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের কারণে বেকারত্ব আরো বেড়েছে।' এই সব কিছুর জন্য মূলত রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকেই দায়ী করেন তিনি। ড. সালেহ জহুর বলেন, 'রাজনৈতিক হানাহানির কারণে বিদেশি রেমিট্যান্স আর সার্ভিস সেক্টর ছাড়া অর্থনীতির সব সূচকেই ধস নেমেছে। এর প্রভাব পুঁজিবাজারেও পড়েছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।' আইল্যান্ড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, 'বাজারের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাই দায়ী। কারণ অর্থনৈতিক অগ্রগতি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কবে নাগাদ এ অবস্থার উত্তরণ হবে তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। এই সব কিছুর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শেয়ারবাজারে।'   Source : কালের কণ্ঠ
  • পোশাকের দুর্দিন কাটছে না
    রানা প্লাজার ধাক্কা, ক্রেতা জোটের চোখ রাঙানি আর নিরাপত্তার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয়- সব কিছু সামলে উঠে প্রত্যাশা ছিল সুদিন ফেরার। লক্ষণও সে রকম ছিল। মানসম্পন্ন কারখানাগুলোতে কার্যাদেশ দেওয়ার হিড়িক পড়েছিল ক্রেতাদের মধ্যে। ২০১৩ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও কর্মপরিবেশের প্রশ্নে যেসব ক্রেতা বাংলাদেশ ছেড়ে ভিয়েতনাম বা কম্বোডিয়ায় জুতসই কারখানা খুঁজছিলেন, তাঁরাও ফিরতে শুরু করেছিলেন গেল বছরের শেষ দিকে। সম্ভাবনার মূলে শেষ পর্যন্ত কুঠারাঘাত এলো দেশ থেকেই, টানা অবরোধে। রপ্তানিকারকরা বলছেন, অবরোধে চোরাগোপ্তা হামলার ভয়ে কোনো ক্রেতা প্রতিনিধি বাংলাদেশে আসতে রাজি নন। এমনকি গুলশান থেকে তাঁরা বিজিএমইএ ভবনেও যেতে চান না। কারণ প্রধান কার্যালয় থেকে তাঁদের ওপর 'রেড অ্যালার্ট' জারি করা থাকে। এখন বাংলাদেশি কারখানা মালিকরা বিদেশে গিয়ে কিছু কিছু কার্যাদেশ নিয়ে আসছেন। তবে সেটিও কারখানার সক্ষমতা অনুযায়ী নয়, ক্রেতারা তার চেয়ে কম পরিমাণ পোশাকের কার্যাদেশ দিচ্ছেন। এক দিনের হরতাল-অবরোধে পোশাক খাতের ৬৯৫ কোটি টাকার রপ্তানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে কারখানার মালিকরা সময়মতো পণ্য তৈরি ও রপ্তানি করতে না পারায় কার্যাদেশ বাতিল, বিমানে বাড়তি ভাড়া দিয়ে পাঠানো, ক্রেতা কর্তৃক মূল্য কেটে রাখাসহ নানা ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন। ২০১৩ সালে এসব কারণে তাঁদের সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছিল বলে দাবি করেছে মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। এ বছর এখন পর্যন্ত ছয়টি কারখানা ৯৯ লাখ ডলারের ক্ষতি গুনেছে বলে হিসাব দেওয়া হয়েছে। ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে রানা প্লাজা ধসের পর থেকে ক্রেতাদের পরিদর্শনের পরে ও কাজ না পেয়ে প্রায় আড়াই শ পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে। পরিদর্শনের আওতায় পড়ার আগেই ঢাকা ছেড়েছেন প্রায় ৩০০ কারখানার মালিক। যাঁরা উৎপাদনে আছেন তাঁদের ব্যয় করতে হয়েছে কোটি টাকা, যে টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে অগ্নিনিরাপত্তার নানা সরঞ্জাম। এসব ধকলের মধ্যে ২০১৩ সাল পুরোটাই গেছে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে, বিশেষ করে শেষভাগে। এখনো যার মূল্য দিতে হচ্ছে পোশাক খাতকে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ ১৩.৮৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ০.৭৭ শতাংশ। একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্রে ছয় মাসে পোশাক রপ্তানি কমেছে প্রায় ৫ শতাংশ। আরেকটি বড় বাজার কানাডায় কমেছে প্রায় ১৫ শতাংশ। ইউরোপে রপ্তানি কমেনি; কিন্তু বাড়ার হার ভালো নয়, মাত্র ৩.৫৩ শতাংশ। নতুন বাজারগুলোর অবস্থাও খারাপ, সেখানে সম্মিলিতভাবে রপ্তানি আয় বেড়েছে মাত্র ২.৭৪ শতাংশ। বাংলাদেশ রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি (ইএবি) ও দেশের শীর্ষস্থানীয় পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুস সালাম মুর্শেদী কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আমরা সব ধকল সামলে উঠেছিলাম, ক্রেতারাও ফিরতে শুরু করেছিলেন; কিন্তু অবরোধের কারণে আবার কার্যাদেশ ছাড়ের ক্ষেত্রে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে।' তিনি বলেন, 'তাঁরা (ক্রেতারা) কোনো ঝুঁকি নিতে চান না। এ কারণে আমার সক্ষমতা ১০০ ডজন থাকলে দিচ্ছেন ৭৫ ডজন। বাকি অর্ডারের জন্য তাঁরা অন্য দেশ খুঁজছেন।' আগামী গ্রীষ্ম মৌসুমের জন্য এখন পোশাকের কার্যাদেশ দেওয়ার সময়। এ মৌসুমে যে কার্যাদেশ পাওয়া যাবে, তা দিয়ে আগামী তিন থেকে ছয় মাস চলবে কারখানাগুলো। মালিকরা বলছেন, আগামী কয়েক মাসের রপ্তানি আয়ে এখনকার অবরোধের প্রভাব পড়বে না। এটি বোঝা যাবে আরো পরে। যেমন, ২০১৩ সালের শেষ দিকে রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে যে ক্ষতি হয়েছিল, তা প্রকট হয়েছে ২০১৪ সালের শেষ ছয় মাসের রপ্তানি আয়ের পরিসংখ্যানে। ওই সময় মোট পোশাক রপ্তানি আয়ে মাত্র ০.৭৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও তুরস্কের বাজারের। দেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ের চার ভাগের এক ভাগ আসে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বাজার থেকে। একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ বছরে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের বেশি পোশাক রপ্তানি করে। কানাডায়ও পিছিয়ে নেই বাংলাদেশি পোশাক। গেল বছর সেখান থেকে আয় হয়েছে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রায় ২৪৪ কোটি ডলার আয় করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ কম। কানাডায় ছয় মাসে পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে প্রায় ৪৩ কোটি ডলার, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তা ১৪.৬০ শতাংশ কম। অন্যদিকে তুরস্কে ছয় মাসে প্রায় ২২ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৪ শতাংশ কম। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি আগের চেয়ে এখন ভালো অবস্থায় আছে, কানাডাও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। ফলে ওই দুই দেশে ভিয়েতনামসহ অন্যান্য দেশের রপ্তানি বাড়ছে; কিন্তু বাংলাদেশের কমছে। কারণ জানতে চাইলে মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. শহিদউল্লাহ আজিম কালের কণ্ঠকে বলেন, 'রানা প্লাজা ও অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের পরিদর্শন কার্যক্রমের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ক্রেতারা এত দিন চুপচাপ ছিলেন। এ কারণে রপ্তানি কম হয়েছে। কিন্তু তাঁরা আবার ফিরছিলেন।' ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশে চলাফেরার ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রায় সতর্কতা অবলম্বন করার কথা বলা হয়েছে। কানাডা দূতাবাস তাদের নাগরিকদের উদ্দেশে বলেছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নাজুক। এ জন্য সবাইকে উচ্চমাত্রার সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য বলা হচ্ছে। হরতাল ও সহিংস সংঘর্ষ এখানে ধারাবাহিকভাবে হতে থাকে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির যেকোনো সময় অবনতি ঘটতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস তাদের নাগরিকদের সব রাজনৈতিক সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে বলেছে, বাংলাদেশে যেসব কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ হওয়ার কথা সেগুলো সহিংস হয়ে উঠতে পারে। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনায় পশ্চিমারা আক্রান্ত হয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয় তাদের ওয়েবসাইটে। শহিদউল্লাহ আজিম বলেন, 'অবরোধের কারণে ক্রেতারা বাংলাদেশে আসতে পারছেন না। এমনকি তাঁরা গুলশান থেকে বিজিএমইএ ভবনে যেতেও রাজি নন। অনিশ্চয়তার কারণে আমরা গ্রীষ্ম মৌসুমের প্রত্যাশিত কার্যাদেশ পাব না।'   Source : কালের কণ্ঠ
  • পরিচালনগত লোকসানে চলছে স্টক এক্সচেঞ্জ
    শেয়ারবাজারের টানা ও বড় ধরনের দরপতন আবারও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হাহাকার তৈরি করেছে। সেই সঙ্গে ব্রোকারেজ হাউস মালিকদের ফেলেছে দুশ্চিন্তায়। গত কয়েক দিনের দরপতন ও লেনদেন কমে যাওয়ায় বাজারে এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও একাধিক ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে তাঁদের কেউই এ বিষয়ে নাম উল্লেখ করে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত নয় কার্যদিবসেই শুধু সূচক কমেছে প্রায় ২৬২ পয়েন্ট। গত ১৩ জানুয়ারি ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ছিল ৪ হাজার ৯৭০ পয়েন্টে। আর গতকাল সোমবার তা কমে নেমে এসেছে ৪ হাজার ৭০৮ পয়েন্টে। একই সঙ্গে লেনদেনেও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। উল্লিখিত নয় কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বা অর্ধেক কমে গেছে। একই সময়ে অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক কমেছে প্রায় ৮৩৯ পয়েন্ট। ১৩ জানুয়ারি সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ছিল ১৫ হাজার ২৬৩ পয়েন্টে। আর গতকাল সোমবার তা নেমে এসেছে ১৪ হাজার ৪২৪ পয়েন্টে। ডিএসইর এক হিসাব অনুযায়ী, লেনদেনের আয় থেকে স্টক এক্সচেঞ্জটিকে না লাভ, না লোকসানের পর্যায়ে রাখতে হলে প্রতিদিন বাজারে গড়ে ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি টাকার লেনদেন হতে হয়। অন্যথায় এটির পরিচালনগত লোকসান হয়। সেখানে চলতি বছরের ১৭ কার্যদিবস (গতকাল সোমবারসহ) শেষে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮৯ কোটি টাকা। এ ১৭ দিনে ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪ হাজার ৯১১ কোটি টাকা।   ডিএসইর আয়ের যতগুলো খাত রয়েছে, তার মধ্যে বড় একটি হলো লেনদেন বাবদ কমিশন আয়। অন্যান্য আয়ের মধ্যে বড় আরেকটি উৎস হলো স্টক এক্সচেঞ্জটির মেয়াদি আমানত। জানতে চাইলে ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন, ‘লেনদেনের যে অবস্থা তাতে বেশ বড় অঙ্কের পরিচালনগত লোকসান দিয়ে চলছে ডিএসই। তবে অন্যান্য খাতের নির্দিষ্ট কিছু আয় আছে বলে স্টক এক্সচেঞ্জটি মুনাফা টিকিয়ে রেখেছে।’ নিজের প্রতিষ্ঠান শাকিল রিজভী স্টক লিমিটেডের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি জানান, ‘পরিচালন মুনাফা করতে হলে আমার প্রতিষ্ঠানকে প্রতিদিন গড়ে আট কোটি টাকার লেনদেন করতে হয়। সেখানে বর্তমানে কোনোভাবেই চার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হচ্ছে না।’ তিনি জানান, প্রধান কার্যালয়সহ তাঁর প্রতিষ্ঠানের যেসব শাখা রয়েছে সেগুলোর ভাড়া ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাবদ প্রতি মাসের খরচ প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। চলতি মাসে লেনদেন থেকে যে আয় দাঁড়াবে, তাতে লাভ তো দূরে থাক খরচই উঠবে না। উল্টো ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ খরচ অন্য খাত থেকে জোগান দিতে হবে।  সিএসইর হিসাবে, স্টক এক্সচেঞ্জটিকে লেনদেন বাবদ আয় থেকে পরিচালন মুনাফা করতে হলে দৈনিক গড়ে ৮০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হতে হয়। চলতি বছরের ১৭ কার্যদিবসে সিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪৩৪ কোটি টাকা। যার ভিত্তিতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ২৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রয়োজনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ লেনদেন হচ্ছে সিএসইতে। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা একটি ব্রোকারেজ হাউসকে লাভজনকভাবে পরিচালনা করতে হলে দৈনিক গড়ে ১৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন করতে হয়। সেখানে শীর্ষ একাধিক ব্রোকারেজ হাউসে গত কয়েক দিনে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল তিন থেকে পাঁচ কোটি টাকা। বাজারের এ দুরবস্থায় একদিকে যেমন বিনিয়োগকারীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনিভাবে ব্যবসা পরিচালনায় চরম সংকটে পড়েছে ব্রোকারেজ হাউসগুলো। প্রতিষ্ঠানের মাসিক খরচ নির্বাহ করতেই এসব ব্রোকারেজ হাউসকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।    Source : প্রথম আলো 
  • ঊর্ধ্বমুখী সৌদির শেয়ারসূচক
    বাদশাহ আব্দুল্লাহর মৃত্যুর পর প্রথম কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী ছিল সৌদি আরবের শেয়ারবাজার। নতুন বাদশাহ আরব বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি পরিচালনায় পূর্বসূরির নীতি অবলম্বনের ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করছে। খবর ব্লুমবার্গ।সোমবার সৌদি শেয়ারবাজারের প্রধানতম সূচক তাদাউল অল শেয়ার প্রাইস ইনডেক্স ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে।শুক্রবার ৯০ বছর বয়সে মারা যান সৌদি আরবের বাদশাহ আব্দুল্লাহ। বিশ্বের ১ নম্বর তেল রফতানিকারক দেশটির অর্থনীতি বহুমুখীকরণে তিনি ১৩০ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন, যার সুবাদে চার বছর ধরে ঊধ্বমুখী ছিল সৌদির শেয়ারসূচক। তবে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য সৌদি শেয়ারবাজার এখনো অনেক সংরক্ষিত থাকায় সূচক খুব বেশি বাড়েনি।আগামী এপ্রিলের আগেই অনুমোদিত বিদেশী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ারবাজার খুলে দেয়ার পরিকল্পনা আছে সৌদি আরবের। এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দর কমতে থাকলেও বিশ্বেবাজার শেয়ার ও সরকারের রাজস্ব ধরে রাখার স্বার্থে উত্তোলন না কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।দায়িত্ব নিয়ে ৭৯ বছর বয়সী নতুন বাদশাহ সালমান তার পূর্বসূরির নীতি অনুসরণ করে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ব্যাপারে বিশ্লেষক এবং বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করছে।   Source : বনিক বার্তা
  • আর্থিক খাতে আগ্রহ বেড়েছে
    টানা দরপতনে শেয়ার মূল্য কমে যাওয়ায় বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কম মূল্যে শেয়ার কেনার সুযোগ নিতে কিছু বিনিয়োগকারী ক্রয়াদেশ বাড়িয়েছেন। এতে গতকাল লেনদেনের শুরুতে অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে মূল্যসূচকে বাড়তি পয়েন্টও যোগ হয়। তবে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি থাকায় শেষ পর্যন্ত বিক্রয়াদেশের চাপে দরপতন কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা বিফলে গেছে। গতকাল বেশির ভাগ শেয়ারের দর কমলেও ব্যাংকসহ অন্যান্য আর্থিক খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দেখা গেছে। যদিও লেনদেন শেষে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ সব ধরনের সূচক সামান্য পয়েন্ট হারিয়েছে।পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, চলতি মাসজুড়ে চলা দরপতনে মৌলভিত্তির বেশির ভাগ শেয়ার বিনিয়োগযোগ্য অবস্থায় এসেছে। বড় বিনিয়োগকারীরা নিষ্ক্রিয় থাকলেও শেয়ার কেনাবেচায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা দেখা গেছে। গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শুরুতে বেশির ভাগ শেয়ারের দর বাড়ে। লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচকটি আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৩০ পয়েন্ট বাড়তে দেখা যায়। তবে রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে দেশজুড়ে চলা নেতিবাচক প্রবণতায় শেয়ারবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীরা আস্থা রাখতে পারছেন না। ফলে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিক্রয় চাপ তৈরি হয়, যা সূচকের নিম্নমুখী ধারা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এ ধারা অব্যাহত থাকায় বেলা দেড়টায় সূচকটি আগের দিনের চেয়ে ২০ পয়েন্টের বেশি কমে যায়। অবশ্য শেষ ঘণ্টায় ক্রয়াদেশ কিছুটা বাড়ায় দরপতন কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা দেখা যায়, যাতে হারানো মূল্যসূচক কিছুটা পুনরুদ্ধার হয়।গতকাল ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে পয়েন্ট ৮.৪৩ কমে ৪৭০৮.৩৩ পয়েন্ট ও ডিএস-৩০ মূল্যসূচক পয়েন্ট ৯.৪৫ কমে ১৭৩৬.৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৬ পয়েন্ট ও সিএসই-৩০ সূচকটি ১০ পয়েন্ট কমেছে।ডিএসইর খাতওয়ারি পর্যালোচনায় দেখা যায়, অন্যান্য দিনের ধারাবাহিকতায় গতকালও বেশির ভাগ খাত বাজার মূলধন হারিয়েছে। তবে বার্ষিক হিসাব বছর শেষ হওয়ায় ব্যাংক, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা খাতের লভ্যাংশ পেতে খাতগুলোর শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কিছুটা বাড়তে দেখা গেছে। আগের দিন ব্যাংকিং খাতের শেয়ারে মোট লেনদেন হয়েছিল ১৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা, যা গতকাল ৩৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। গতকাল লেনদেন হওয়া আর্থিক খাতের বেশির ভাগ শেয়ারের দরও বেড়েছে। যদিও গতকাল সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে সেবা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। সূচক হ্রাসে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে টেলিযোগাযোগ, ভ্রমণ ও অবকাশ, জ্বালানি, প্রকৌশল ও বিবিধ খাত। গতকাল টেলিযোগাযোগ খাত প্রায় ৩ শতাংশ বাজার মূলধন হারিয়েছে। এছাড়া অন্য খাতগুলোয় দরপতনের মাত্রা তুলনামূলক কম ছিল।এদিকে গতকালও শেয়ারবাজারে কেনাবেচার পরিমাণ কমেছে। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২০৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা কম। সিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ২০ কোটি ২৮ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড, যা আগের দিনের চেয়ে ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা কম।ডিএসইতে গতকাল লেনদেনকৃত ৩০৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১১টির, কমেছে ১৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫২টি কোম্পানির শেয়ারের। সিএসইতে লেনদেনকৃত ২৩১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৭টির, কমেছে ১২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ারের।ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো— সিএনএ টেক্সটাইল, ব্র্যাক ব্যাংক, গ্রামীণফোন, ন্যাশনাল ফিডস, অলটেক্স ইন্ডা., লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, ডেসকো লি., সামিট এলায়েন্স, শাহজিবাজার পাওয়ার ও জিএসপি ফিন্যান্স।   Source : বনিক বার্তা
  • ডেসকোর মুনাফা বেড়েছে ৩৪১%
    বিদ্যুত্ বিতরণ প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লিমিটেডের অর্ধবার্ষিক মুনাফা বেড়েছে ৩৪১ শতাংশ। এ কারণে তালিকাভুক্ত সরকারি কোম্পানিটির শেয়ারের দরেও রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত) ডেসকোর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮৪ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ২৪ পয়সা। এর আগের বছর একই সময়ে তা ছিল যথাক্রমে ১৯ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ৫১ পয়সা। অন্যদিকে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪৭ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ২৫ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল যথাক্রমে ১৭ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৪৬ পয়সা। ২০১৪ সালের জন্য ডেসকো লভ্যাংশ হিসেবে শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির নিট মুনাফা হয়েছে ৬৬ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৯৪ পয়সা। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে দশমিক ৭৩ শতাংশ বা ৫০ পয়সা। দিনভর দর ৬৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৭০ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৬৯ টাকায়। সমাপনী দর ছিল ৬৯ টাকা ৬০ পয়সা। আগের কার্যদিবসে এর সমাপনী দর ছিল ৬৮ টাকা ৫০ পয়সা। এদিন ১ হাজার ৫৯৪ বারে কোম্পানিটির মোট ১২ লাখ ৩১ হাজার ১৩৯টি শেয়ার হাতবদল হয়। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৬৮ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৭৪ টাকা ৬০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৪ টাকা ও সর্বোচ্চ ৭৮ টাকা ৪০ পয়সা। ২০০৬ সালে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৩৭৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। মোট রিজার্ভ ৭৪৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৭ কোটি ৮৬ লাখ ৩৭ হাজার ৯০৯; যার মধ্যে সরকার ৭৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২৬ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ রয়েছে। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এর মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ৩৯.৩২।   Source : বনিক বার্তা
  • জেমিনি সি ফুডের দর বেড়েছে সবচেয়ে বেশি
    ক্যাটাগরি পরিবর্তনের প্রভাবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি জেমিনি সি ফুডের শেয়ারদর বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। এদিন এর দর ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়ে গেলে কোম্পানিটি উঠে আসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে। ৩০ জুন ২০১৪ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ায় সম্প্রতি কোম্পানিটিকে  ‘জেড’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করেছে ডিএসই। মূলত ক্যাটাগরি পরিবর্তনের কারণেই কোম্পানিটির শেয়ারদর বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, গেল হিসাব বছরে জেমিনি সি ফুডের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৩৯ পয়সা। তবে শেয়ারপ্রতি দায় রয়ে গেছে ৪ টাকা ৩১ পয়সা।   বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গতকাল জেমিনি সি ফুডের শেয়ারদর বাড়ে ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ বা ২১ টাকা ৮০ পয়সা। দিনভর দর ২৭০ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ২৭০ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৭০ টাকা ৮০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে ২৭০ টাকা ৮০ পয়সাই ছিল। আগের কার্যদিবসে সমাপনী দর ছিল ২৪৯ টাকা। এদিন ৫৪ বারে কোম্পানির মোট ১০ হাজার ৬৪টি শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ২০৯ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৮১ টাকা ৭০ পয়সা। ছয় মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ১২৬ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৮১ টাকা ৭০ পয়সা। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৫০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৬০ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী লোকসান হয়েছে ৪০ কোটি ৩০ হাজার টাকা ও শেযারপ্রতি লোকসান ৩ টাকা ৬৬ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীদের পর্যটন খাতে বিনিয়োগের আহবান
    যুক্তরাজ্যের ওয়েলস বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স (ডব্লিউবিসিসি) -এর সদস্যদেরকে পর্যটন এবং সমুদ্র বাণিজ্যে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ। গতকাল রবিবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে যুক্তরাজ্যে অবস্থিত ডব্লিউবিসিসি-এর প্রতিনিধি দলের সাথে এক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় স্থান। বর্তমান সরকারও বিদেশী বিনিয়োগে অনেক সুবিধা দিচ্ছে। এছাড়া পর্যটন শিল্প এবং সমুদ্র বাণিজ্য বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া চামড়া পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য এবং এগ্রো প্রসেস পণ্য উত্পাদনে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। Source : ইত্তেফাক
  • ২৪ দিনে ৬৫ লাখ টাকা ভ্যাট আদায়
    হরতাল-অবরোধের মধ্যেও শেষদিকে বাণিজ্য মেলায় ক্রেতা ও দর্শনার্থী সমাগম বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মেলার সময় ১০ দিন বাড়ানোয় আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে বাণিজ্য মেলা। মেলার সময় বাড়ানোর ফলে খুশি ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। জানা গেছে, গত বছর বাণিজ্য মেলায় ভ্যাট আদায় হয়েছিল এক কোটি ১৬ লাখ টাকা। এ বছর ২৪ দিনে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৬৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা। এর মধ্যে ওয়ালটন পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার টাকা ভ্যাট দিয়েছে, যা একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বোচ্চ। এ ছাড়া পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা ভ্যাট দিয়ে পরের অবস্থানে রয়েছে ফিট এলিগ্যান্স, দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকা ভ্যাট দিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে দিল্লি অ্যালুমিনিয়াম। মেলায় মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আদায়কারী সোনালী ব্যাংকের প্যাভিলিয়ন ম্যানেজার আবদুল কাদের বলেন, 'এ বছর রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মেলা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। ফলে সার্বিক বেচাবিক্রি প্রথম পর্যায়ে কম হলেও এখন বেচাকেনা বেড়েছে। ফলে শেষ পর্যন্ত রাজস্ব আদায় বাড়বে বলে আমরা আশা করছি।' Source : কালের কণ্ঠ
  • শেয়ারবাজারে আবারও বড় দরপতন
    সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে গতকাল রোববার দেশের শেয়ারবাজারে আবারও বড় ধরনের দরপতন ঘটেছে। এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৮১ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৭০ শতাংশ কমেছে।অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ২৮০ পয়েন্ট কমেছে। এ বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে এটিই দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের সর্বোচ্চ পতন। এর আগে গত বুধবার দুই বাজারে সূচকের বড় পতন হয়েছিল। বুধবার ডিএসইএক্স দেড় শতাংশ বা ৭৪ পয়েন্ট এবং সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ২১৬ পয়েন্ট কমেছিল। মাঝে এক কার্যদিবসের ব্যবধানে গতকাল আবারও দুই বাজারে বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটল।এ পতনের জন্য বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে দায়ী করেছেন।জানতে চাইলে বেসরকারি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বাণিজ্য অনুষদের ডিন মোহাম্মদ মূসা প্রথম আলোকে বলেন, দেশের চলমান যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে আর্থিকভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। বছর শেষে এ ক্ষতির দায় যোগ হবে কোম্পানির আয়-ব্যয়ের হিসাবে। তাতে হয়তো তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানির আয় কমে যেতে পারে। এ আশঙ্কা থেকে শেয়ারের দাম কমাটা স্বাভাবিক প্রবণতা। এ ছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবও এ ক্ষেত্রে রয়েছে।মোহাম্মদ মূসা আরও বলেন, বেশির ভাগ সাধারণ বিনিয়োগকারী যখন ভাবতে থাকেন রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হতে পারে, তখন তারা বিনিয়োগের আগ্রহ হারান। অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী যাদের আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তারাও নিজেদের স্বার্থে দাম কমতে থাকলে হাত গুটিয়ে বসে থাকে। এসবের সমন্বয়ে বাজারে বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটে।রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রলম্বিত হলে বাজারের এ মন্দাভাবও কি চলতে থাকবে? এ প্রশ্নের জবাবে মূসা বলেন, একটি পর্যায়ে গিয়ে হয়তো কোনো কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী সক্রিয় হবে। তাতে হয়তো বাজারে কিছুটা ইতিবাচক ধারা ফিরবে।ঢাকার বাজারে গতকাল ৩০৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ২৬১টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে মাত্র ২৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৯টির দাম। তবে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের মতোই ছিল। এদিনও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২২৩ কোটি টাকা।চট্টগ্রামের বাজারে এদিন ২৩৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন হয়। তার মধ্যে ১৮২টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ৩৬টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৫টির দাম। দিন শেষে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৪ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে দুই কোটি টাকা কম।   Source : প্রথম আলো 
View All
Latest DSE News
  • QSMDRYCELL

    (H/Y Un-audited): Net profit after tax from July'14 to Dec'14 was Tk. 39.68 million with EPS of Tk. 1.08 as against Tk. 38.12 million and Tk. 1.04 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit after tax from Oct'14 to Dec'14 was Tk. 18.90 million with EPS of Tk. 0.51 as against Tk. 21.08 million and Tk. 0.57 respectively for the same period of the previous year.

  • RAHIMTEXT

    (H/Y Un-audited): Net profit after tax from July'14 to Dec'14 was Tk. 17.31 million with EPS of Tk. 4.99 as against Tk. 15.92 million and Tk. 4.59 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit after tax from Oct'14 to Dec'14 was Tk. 7.78 million with EPS of Tk. 2.24 as against Tk. 14.87 million and Tk. 4.29 respectively for the same period of the previous year.

  • GREENDELMF

    (H/Y Un-audited): Net Profit from July'14 to Dec'14 was Tk. 33.48 million with earnings per unit of Tk. 0.22 as against Tk. 33.75 million and Tk. 0.23 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit from Oct'14 to Dec'14 was Tk. 6.36 million with earnings per unit of Tk. 0.04 as against Tk. 43.98 million and Tk. 0.29 respectively for the same period of the previous year.

  • NLI1STMF

    (Correction): (H/Y Un-audited): Net Profit from July'14 to Dec'14 was Tk. 44.80 million with earnings per unit of Tk. 0.89 as against Tk. 23.54 million and Tk. 0.47 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit from Oct'14 to Dec'14 was Tk. 17.89 million with earnings per unit of Tk. 0.36 as against Tk. 11.46 million and Tk. 0.23 respectively for the same period of the previous year.

  • DBH1STMF

    (H/Y Un-audited): Net Profit from July'14 to Dec'14 was Tk. 18.94 million with earnings per unit of Tk. 0.16 as against Tk. 39.00 million and Tk. 0.33 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit from Oct'14 to Dec'14 was Tk. 2.38 million with earnings per unit of Tk. 0.02 as against Tk. 36.68 million and Tk. 0.31 respectively for the same period of the previous year.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PF1STMF 5.00 4.50 0.50 11.11
MIDASFIN 15.60 14.30 1.30 9.09
EASTERNINS 32.70 30.10 2.60 8.64
SAPORTL 66.80 62.00 4.80 7.74
BDTHAI 38.40 35.70 2.70 7.56
BBS 50.50 47.50 3.00 6.32
BENGALWTL 63.00 59.30 3.70 6.24
MONNOSTAF 295.00 278.40 16.60 5.96
FUWANGFOOD 25.40 24.00 1.40 5.83
RAKCERAMIC 54.90 51.90 3.00 5.78

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297