Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ALLTEX 19.6 8 11.60 145.00
SPCL 208.2 118.6 89.60 75.55
SAIFPOWER 82.5 63.7 18.80 29.51
MODERNDYE 99.6 80 19.60 24.50
DULAMIACOT 8.2 6.8 1.40 20.59
KPPL 32.1 27.7 4.40 15.88
SINOBANGLA 33.3 29.6 3.70 12.50
MEGCONMILK 8.5 7.7 0.80 10.39
KEYACOSMET 26.8 24.3 2.50 10.29
SPPCL 60 54.6 5.40 9.89

Contest SB2014_Oct

1st
blank_person
MEHEDIARAFAT82
2nd
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
3rd
blank_person
DHAKA1205
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
TITASGAS 91.7 88.4 5.98850 2960000.00
SPCL 208.2 190.7 4.07062 129000.00
POWERGRID 50.7 46.1 3.88944 793000.00
SQURPHARMA 278.7 275.7 3.05053 556950.00
BEXIMCO 41.4 39 2.64612 4004900.00
Negative impact
ICB 1560.5 1596.25 -2.76675 5200.00
ISLAMIBANK 26.7 27.2 -1.47674 562100.00
DELTALIFE 180.8 186.6 -1.31669 679500.00
GLAXOSMITH 1481.2 1524.1 -0.94804 1150.00
BRACBANK 34.9 35.6 -0.91082 1450500.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
TITASGAS 91.7 92.5 88.4 3.73% 269.46
SPPCL 60 62.9 59.8 -0.83% 228.10
KPCL 65 68.5 64.1 -1.52% 217.92
ABBANK 27.8 27.8 25.9 9.88% 185.20
KPPL 32.1 33.3 31 5.94% 183.22
GP 374.5 378 372.1 -0.03% 180.92
OLYMPIC 262.6 264 259 1.63% 164.74
BEXIMCO 41.4 41.9 40.1 6.15% 164.69
KEYACOSMET 26.8 26.9 25.3 6.77% 161.42
MJLBD 142 144.4 138 0.92% 160.17

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 30 Oct 2014

132712
TOTAL TRADE
179.2784
TOTAL VOLUME(Mn)
7248.41
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • লভ্যাংশ দেবে না ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স
    ডেস্ক রিপোর্ট : আইটি খাতের ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য এবারও কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। শুক্রবার কোম্পানির ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে  লভ্যাংশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৭৩ পয়সা। আগামী ২০ নভেম্বর কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালেও কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। ওই বছর শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ৮৫ পয়সা।
  • ৪২টি কোম্পানির আয়ের প্রতিবেদন
    ডেস্ক রিপোর্ট :  পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৪২টি কোম্পানি তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। এগুলো হচ্ছে- ফ্যামিলিটেক্স, কর্নফুলী ইন্স্যুরেন্স, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ইউনিক হোটেল, গ্লোবাল হেভী কেমিক্যাল, ইসলামিক ইন্স্যুরেন্স, লিগ্যাসী ফুটওয়্যার, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, পপুলার লাইফ, বিজিআইসি, আরগন ডেনিমস, বিডি ফাইন্যান্স, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, স্টাইল ক্রাফট, বিচ হ্যাচারীর, তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স, স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স ও মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, স্কয়ার টেক্সটাইল, ডেল্টা লাইফ, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, জিকিউ বলপেন, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, বিডি ওয়েল্ডিং, ওরিয়ন ফার্মা, জেমএমআই সিরিঞ্জ, জিএসপি ফাইন্যান্স, সামিট এলায়েন্স পোর্ট, রূপালী লাইফ, সন্ধানী ইন্স্যুরেন্স, ন্যাশনাল টি ও আরডি ফুড। ফ্যামিলিটেক্স : ২০১৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ফ্যামিলিটেক্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.২৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৮ কোটি ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ১.১২ টাকা।বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) ফ্যামিলিটেক্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬৭ কোটি ৭৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ২.৪৪ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৭৩ কোটি ৫৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ২.৮৬ টাকা। কর্নফুলী ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে কর্নফুলী ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৩৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৬৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ০.৪৩ টাকা। কর্নফুলী ইন্স্যুরেন্স : বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) কর্নফুলী ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.০৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ১.০৫ টাকা। কনফিডেন্স সিমেন্ট : তৃতীয় প্রান্তিকে কনফিডেন্স সিমেন্টের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৫৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.০২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬ কোটি ৩৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ১.৪১ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) কনফিডেন্স সিমেন্টের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২০ কোটি ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ৪.৫২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২৫ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৫.৫৮ টাকা। ইউনিক হোটেল : তৃতীয় প্রান্তিকে ইউনিক হোটেলের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২৩ কোটি ৩০ লাখ ৬ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৮০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২২ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ০.৭৬ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) ইউনিক হোটেলের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২০ কোটি ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ৪.৫২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২৫ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৫.৫৮ টাকা। গ্লোবাল হেভী কেমিক্যাল : তৃতীয় প্রান্তিকে গ্লোবাল হেভী কেমিক্যালের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৬০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪ কোটি ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.৫৭ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) গ্লোবাল হেভী কেমিক্যালের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৩ কোটি ১১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.৮২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১.৬৬ টাকা। ইসলামিক ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে ইসলামিক ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.২৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭২ লাখ টাকা ও ০.২৮ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) ইসলামিক ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.১১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ১.০৪ টাকা। লিগ্যাসী ফুটওয়্যার : তৃতীয় প্রান্তিকে লিগ্যাসী ফুটওয়্যারের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.০৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ০.০৭ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) লিগ্যাসী ফুটওয়্যারের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.২১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ০.২৬ টাকা। এ কোম্পানির পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১ কোটি ৮১ লাখ ২০ হাজার টাকা। মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.২৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ও ০.৩২ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.১১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ও ১.১২ টাকা। প্রগতি ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৪৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৬৩ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫ কোটি ৫২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ০.৯৯ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ২৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.৮৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১৬ কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ২.৯৯ টাকা। সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ১০ কোটি ৩৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। যা আগে বছরের একই সময়ে বেড়েছিল ৮ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের জীবন বিমা তহবিলে বেড়েছে ১৮ কোটি ৪২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে বেড়েছিল ১৭ কোটি ৯১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের মোট জীবন বিমা তহবিলে দাঁড়িয়েছে ৩২৮ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৯৬ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৫৩ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৭৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ০.৫৭ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৫৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ২.০৮ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬ কোটি ৫২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ২.০৭ টাকা। রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭৫ লাখ ১০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৩০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ০.৪১ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৮৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.৯২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫ কোটি ৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ২.০২ টাকা। স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৮০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ০.৬৩ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ২.৩০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫ কোটি ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ১.৯৩ টাকা। তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৩৩ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৪৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ০.৪৭ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.০৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫ কোটি ২৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ১.৭৩ টাকা। বিচ হ্যাচারী : তৃতীয় প্রান্তিকে বিচ হ্যাচারীর কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.১২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ০.০৬ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) বিচ হ্যাচারীর কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৮২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৯৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২ কোটি ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ০.৫২ টাকা। স্টাইল ক্রাফট : তৃতীয় প্রান্তিকে স্টাইল ক্রাফটের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪৬ লাখ ১০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ৮.৩৮ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩৭ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ৬.৭৬ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) স্টাইল ক্রাফটের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ২২.৪৯ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১৮.৬৪ টাকা। কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪৭ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.১৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.৩৩ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.৭০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫ কোটি ৫১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ১.৭৬ টাকা। বিডি ফাইন্যান্স : তৃতীয় প্রান্তিকে বিডি ফাইন্যান্সের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৩৯ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ০.৪৫ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) বিডি ফাইন্যান্সের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৫২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ০.১৭ টাকা। আরগন ডেনিমস : তৃতীয় প্রান্তিকে আরগন ডেনিমসের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৮৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬ কোটি ৫১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ০.৭৯ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) আরগন ডেনিমসের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২৩ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ২.৮৪ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১৭ কোটি ৯৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ২.১৭ টাকা। বিজিআইসি : তৃতীয় প্রান্তিকে বিজিআইসির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৩০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ কোটি ৬০ হাজার টাকা ও ০.৩৭ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) বিজিআইসির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি আয় হয়েছে ১.৭৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ১.৭৫ টাকা। পপুলার লাইফ : তৃতীয় প্রান্তিকে পপুলার লাইফের জীবন বিমা তহবিলে বেড়েছে ৯২ কোটি ১২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে বেড়েছিল ১৪৭ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) পপুলার লাইফের জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ২৪০ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে বেড়েছিল ২৪৩ কোটি ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত এ কোম্পানির জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ২ হাজার ৭১৯ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে বেড়েছিল ২ হাজার ৩১৪ কোটি ৩৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৬৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ০.৬৯ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ১০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ২.২২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১.৮৭ টাকা। সোনারগাঁও টেক্সটাইল : তৃতীয় প্রান্তিকে সোনারগাঁও টেক্সটাইলের কর পরবর্তী লোকসান হয়েছে ৪৭ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে লোকসান হয়েছে ০.১৮ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ০.১৩ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) সোনারগাঁও টেক্সটাইলের কর পরবর্তী লোকসান হয়েছে ১ কোটি ৬৬ লাখ ১০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে লোকসান হয়েছে ০.৬৩ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ০.৫২ টাকা। বেক্সিমকো : তৃতীয় প্রান্তিকে বেক্সিমকোর কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৯ কোটি ৫২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৩২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১১ কোটি ৬৭ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ০.১৯ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) বেক্সিমকোর কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪৫ কোটি ৯০ লাখ ৫ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৭৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪০ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ০.৬৭ টাকা। তৃতীয় প্রান্তিকে বেক্সিমকো ফার্মার কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪২ কোটি ৯৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.১৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪২ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ১.১৫ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) বেক্সিমকো ফার্মার কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১১৫ কোটি ৪০ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ৩.১৪ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১০৮ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ২.৯৪ টাকা। ফারইস্ট লাইফ : তৃতীয় প্রান্তিকে ফারইস্ট লাইফের জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ৬৪ কোটি ৩ লাখ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে বেড়েছিল ৬২ কোটি ৫৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) ফারইস্ট লাইফের জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ১৫৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১৪৬ কোটি ২৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে এ কোম্পানির মোট জীবন বিমা তহবিল দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৮০ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ হাজার ২২৬ কোটি ৬৮ লাখ ১০ হাজার টাকা। স্কয়ার টেক্সটাইল : তৃতীয় প্রান্তিকে স্কয়ার টেক্সটাইলের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ১৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.২০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৮ কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ১.২৬ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) স্কয়ার টেক্সটাইলের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৬৫ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে সমন্বিত আয় হয়েছে ৪.৪০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬৪ কোটি ৪৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ৪.৩৬ টাকা। ডেল্টা লাইফ : তৃতীয় প্রান্তিকে ডেল্টা লাইফের জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ১১ কোটি ৪৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে বেড়েছিল ৩৬ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) ডেল্টা লাইফের জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ১৬২ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২১৭ কোটি ২৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে এ কোম্পানির মোট জীবন বিমা তহবিল দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৬৮ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ হাজার ৮৫০ কোটি ৪০ লাখ ৯০ হাজার টাকা। পিপলস ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে পিপলস ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৪৮ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ও ০.৫১ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) পিপলস ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.৬৯ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৭ কোটি ৬২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ১.৬৫ টাকা। জিকিউ বলপেন : তৃতীয় প্রান্তিকে জিকিউ বলপেনের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৪৯ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.৪৭ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) জিকিউ বলপেনের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.৬৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ২.৬২ টাকা। ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৫২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৭০ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.৪০ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৪৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.৭৩ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৮ কোটি ৪১ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ১.৯৫ টাকা। এশিয়া প্যাসেফিক ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে এশিয়া প্যাসেফিক ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৬১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ কোটি ৪৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ০.৫৯ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) এশিয়া প্যাসেফিক ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.৭৪ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ও ২ টাকা। ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স : তৃতীয় প্রান্তিকে ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৭৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪ কোটি ৪৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ১.১০ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১১ কোটি ৭৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ২.৯১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১১ কোটি ৫৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ২.৮৬ টাকা। বিডি বিল্ডিং : তৃতীয় প্রান্তিকে বিডি বিল্ডিংয়ের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬২ লাখ ১০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.১৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৭ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ০.১৪ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) বিডি বিল্ডিংয়ের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৩৩ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৭৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ০.৪৩ টাকা। ওরিয়ন ফার্মা : তৃতীয় প্রান্তিকে ওরিয়ন ফার্মার কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ১৭ কোটি ৯৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৭৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২২ কোটি ৯৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ০.৯৮ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) ওরিয়ন ফার্মার কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৮৮ কোটি ৮৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে সমন্বিত আয় হয়েছে ৩.৮০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৭৭ কোটি ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ৩.৩০ টাকা। জেএমআই সিরিঞ্জ : তৃতীয় প্রান্তিকে জেএমআই সিরিঞ্জের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ২৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.১৩ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ০.৬১ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) জেএমআই সিরিঞ্জের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৬৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ৩.৩৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ১.৮২ টাকা। জিএসপি ফাইন্যান্স : তৃতীয় প্রান্তিকে জিএসপি ফাইন্যান্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৩৮ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২ কোটি ৯০ হাজার টাকা ও ০.৩০ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) জিএসপি ফাইন্যান্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.১৯ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ০.৯৯ টাকা। সামিট এলায়েন্স পোর্ট : তৃতীয় প্রান্তিকে সামিট এলায়েন্স পোর্টের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.২২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ০.২৫ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) সামিট এলায়েন্স পোর্টের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৭৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৬৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৯ কোটি ৭৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.৬০ টাকা। রূপালী লাইফ : তৃতীয় প্রান্তিকে রূপালী লাইফের জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে বেড়েছিল ৩ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) রূপালী লাইফের জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ১৮ কোটি ১৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২৬ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে এ কোম্পানির মোট জীবন বিমা তহবিল দাঁড়িয়েছে ৩১৯ কোটি ৮৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩০১ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সন্ধানী লাইফ : তৃতীয় প্রান্তিকে সন্ধানী লাইফের জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ৫ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে বেড়েছিল ২ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) সন্ধানী লাইফের জীবন বিমা তহবিল বেড়েছে ১২ কোটি ৭৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২২ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে এ কোম্পানির মোট জীবন বিমা তহবিল দাঁড়িয়েছে ৮৯৫ কোটি ৮৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৮৩৯ কোটি ৪৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ন্যাশনাল টি : তৃতীয় প্রান্তিকে ন্যাশনাল টি’র কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৯২ লাখ ১০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ৮.৯৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৬.৭০ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) ন্যাশনাল টি’র পোর্টের কর পরবর্তী লোকসান হয়েছে ৩ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে লোকসান হয়েছে ৪.৮৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল যথাক্রমে ১০ কোটি ৭৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ছিল ১৬.৩৪ টাকা। তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত এ কোম্পানির পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৩ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার টাকা। আরডি ফুড : তৃতীয় প্রান্তিকে আরডি ফুডের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.২৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ০.২৮ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) আরডি ফুডের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৮৪ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ০.৭৭ টাকা।
  • ৫টি কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
    ডেস্ক রিপোর্ট : লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাঁচ কোম্পানি। এগুলো হচ্ছে- ন্যাশনাল টিউবস, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, মেট্রো স্পিনিং, এএমসিএল (প্রাণ) ও অগ্নি সিস্টেমস। বৃহস্পতিবার কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি ও ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ন্যাশনাল টিউবস : ২০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং ৭.৫ শতাংশ নগদ, অগ্নি সিস্টেমস ১০ শতাংশ বোনাস, মেট্রো স্পিনিং ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও এএমসিএল (প্রাণ) ৩২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।শেয়ারহোল্ডার বাছাইয়ের জন্য আনোয়ার ন্যাশনাল টিউবস ২০ নভেম্বর, গ্যালভানাইজিং আগামী ১৩ নভেম্বর, অগ্নি সিস্টেমস আগামী ১৬ নভেম্বর, মেট্রো স্পিনিং ১৭ নভেম্বর ও এএমসিএল (প্রাণ) ১৩ নভেম্বর রেকর্ড ডেট ঘোষণা করেছে। ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে ন্যাশনাল টিউবস আগামী ২০ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে। তবে এজিএমের স্থান ও সময় জানা যায়নি। শেষ হওয়া অর্থ বছরে ন্যাশনাল টিউবসের প্রতি শেয়ারে আয় ৪.৯৬ টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ৩১৫.৮৭ টাকা ও প্রতি শেয়ারে নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ১৩.৮৯ টাকা। আনোয়ার গ্যালভানাইজিং : আগামী ১২ জানুয়ারি সকাল ১০টায় বিসিআইসিতে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে। শেষ হওয়া অর্থ বছরে আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.৫ টাকা ও প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ৮.১১ টাকা। অগ্নি সিস্টেমস : আগামী ২৩ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে। শেষ হওয়া অর্থবছরে অগ্নি সিস্টেমসের প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.০১ টাকা এবং প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ১৫.৮৭ টাকা। মেট্রো স্পিনিং : ৩০ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ম্যাকসন্স গ্রুপ কনফারেন্স সেন্টারে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে। মেট্রো স্পিনিংয়ের প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে (ইপিএস) ০.৮৪ টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ১৯.২৯ টাকা ও প্রতি শেয়ারে নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ১.০৯ টাকা। এএমসিএল প্রাণ : আগামী ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ট্রাস্ট মিলনায়তনে এজিএম আহ্বান করেছে। এএমসিএলের ইপিএস হয়েছে ৬.৯৩ টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ৬০.৮৮ টাকা ও প্রতি শেয়ারে নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ১৩.১১ টাকা।
  • মেট্রো স্পিনিংয়ের ৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা
    ডেস্ক রিপোর্ট : মেট্রো স্পিনিং মিলসের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার কোম্পানির ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮৪  পয়সা। আর সম্পদ মূল্য হয়েছে  ১৯ টাকা ২৯ পয়সা। আগামী ১৭ নভেম্বর কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর।
  • স্ট্রং বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক, ডিএসইতে লেনদেন ১৭৯ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে
    মেহেদী আরাফাত : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসই এক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখি প্রবনতা নিয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে পুনরায় ক্রয়চাপের ফলে দিনশেষে ডিএসই এক্স ইনডেক্স  ঊর্ধ্বমুখি হতে থাকে এবং ৫০.৫৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে স্ট্রং বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক  তৈরি করে। স্ট্রং বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক  দ্বারা মার্কেট ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে থাকে । বেলা ১.১৫ থেকে ১.৩০ এবং ২.০০ টার পরে ভাল অংকের টাকার লেনদেন হতে দেখা যায়ে । ডিএসই এক্স ইনডেক্স ৬৩.৮০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫১৭৩.২৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ১.২৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৫১১৫ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৫৩৫০  পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল  ৪৫.৬৩ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৩৩.৩৮ ।  এম.এফ.আই কিছুটা ঊর্ধ্বমুখি আবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর  কিছুটা ঊর্ধ্বমুখি আবস্থান করছে । ডিএসইতে ১৭ কোটি ৯২ লাখ ৭৮ হাজার ৪০৭  টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৭২৪.৮৪ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন বৃদ্ধি  পেয়েছে ১৭৯ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩১১ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩১ টির, কমেছে ৭৭ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২১ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ৩০০ কোটি টাকার ওপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৫৬.০৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে হ্রাস পেয়েছে ২০-৫০ কোটি টাকার পরিশোধিত পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের  যা আগেরদিনের তুলনায় ৮.৪৫% কম। অন্যদিকে ০-২০, ৫০-১০০ এবং ১০০-৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় যথাক্রমে আজ ১৬.০৯%, ২৮.৪৫ এবং ৩৯.১৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায়  ৫০.৪৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ২০-৪০ এবং ৪০ এর ওপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন  আগের দিনের তুলনায় যথাক্রমে আজ ৯.১৮% এবং  ২৮.৩% বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ এগিয়ে ছিল ‘এ’, ‘জেড’ ‘ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ৪০.৪৮% এবং ২৫.৮২% বেশী ছিল। আজ বৃদ্ধি পেয়েছে ‘বি’ এবং ‘এন’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায়   ২.৫০% এবং ১০.৪০% বেশী ছিল।    
  • হামিদ ফেব্রিক্সের লটারির ফলাফল প্রকাশ
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের শেয়ার বরাদ্দ দিতে মাহিন গ্রুপের হামিদ ফেব্রিক্সের লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় লটারির ড্র হয়। অনুষ্ঠানে কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানির কর্তকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দৈনিক স্টক বাংলাদেশ -এর বিশেষ উদ্যোগে লটারির ফলাফল প্রকাশ করা হলো। দেখতে ক্লিক করুন- ক.  সাধারণ বিনিয়োগকারী খ. ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী গ. প্রবাসী বিনিয়োগকারী ঘ. মিউচুয়াল ফান্ড ঙ. ব্যাংক কোড চ . রিফান্ড ও এলোটমেন্ট কোম্পানির আইপিওতে ৮৯১ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়ে। আর কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ১০৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সে হিসেবে আইপিওতে সাড়ে ৮ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও মিউচুয়াল ফান্ড কোটায় ৮৪৬ কোটি ১৪ লাখ ৪ হাজার টাকা এবং প্রবাসী কোটায় ৪৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটি ৩ কোটি শেয়ার বরাদ্দ দেবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩৫ টাকা এবং মার্কেট লট নির্ধারণ ২০০টি শেয়ারে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে এ কোম্পানির আইপিও আবেদন গ্রহণ করা হয়। আর প্রবাসীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১১ অক্টোবর পর্যন্ত। উল্লেখ্য, হামিদ ফেব্রিক্সের লটারি ফল ছাড়াও আইপিওভুক্ত সকল কোম্পানির ফলাফল www.Stockbangladesh.com এর ওয়েবসাইটেও দেখা যাবে।
  • হামিদ ফেব্রিক্সের আইপিও ড্র সম্পন্ন
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণ প্রস্তাব (আইপিও) শেষে হামিদ ফেব্রিক্সের লটারির ড্র হয়েছে। রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের মিলনায়তনে সকাল ১০টায় শুরু হয় লটারির ড্র উৎসব । সকালে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ । উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির স্বতন্ত্র পরিচালক ফি.এম. আলম, ইস্যু ম্যানেজার আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের সিইও মশিউর রহমান, কোম্পানি সচিব দ্বীন ইসলাম, ডিএসই, সিএসই ও সিডিবিএলের প্রতিনিধিরা। প্রসঙ্গত কোম্পানির আইপিওতে নির্ধারিত সংখ্যার প্রায় ৯ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটি ৩ কোটি শেয়ার ইস্যুর জন্য আবেদন আহ্বান করেছিল। তার বিপরীতে ২৬ কোটি ৪২ হাজার শেয়ারের সমপরিমাণ আবেদন জমা পড়েছে। এর আগে বিএসইসি হামিদ ফেব্রিকসকে আইপিওতে ৩ কোটি শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দেয়। কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যু করে আইপিওতে। আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ১০৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কিন্তু এর বিপরীতে জমা পড়েছে ৯২৫ কোটি টাকার আবেদন। জানা গেছে, অনিবাসী বাংলাদেশীরা প্রায় ৫০ কোটি টাকার শেয়ারের জন্য আবেদন করেছেন। বাকীটা করেছেন দেশী বিনিয়োগকারীরা, যার মধ্যে ব্যক্তি বিনিয়োগকারী ও মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, ব্যাংকের মাধ্যমে জমা পড়েছে ৭৩৫ কোটি টাকার আবেদন। আর বাকী টাকার আবেদন জমা হয়েছে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ট্রেকহোল্ডারের মাধ্যমে। এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর কোম্পানির আইপিওর আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয়। চলে ২ অক্টোবর পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এই সুযোগ ছিল ১১ অক্টোবর পর্যন্ত।
  • তৃতীয় প্রান্তিকে বেক্সিমকোর আয়ে বেড়েছে ৬৮ শতাংশ
    ডেস্ক রিপোর্ট : তৃতীয় প্রান্তিকে বেক্সিমকোর কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ১৯ কোটি ৫২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় সমন্বিত হয়েছে ০.৩২ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে সমন্বিত আয় ছিল ০.১৯ টাকা। বিগত নয় মাসে (জানু’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) বেক্সিমকোর কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৪৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে সমন্বিত আয় হয়েছে ০.৭৬ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪০ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে সমন্বিত আয় হয়েছে ০.৬৭ টাকা।
  • ৪টি কোম্পানির ‘নো’ ডিভিডেন্ড ঘোষণা
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চারটি কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তা হলো-  মাইডাস ফাইন্যান্স, জিলবাংলা সুগার, সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ ও শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড। বুধবার  চারটি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মাইডাস ফাইন্যান্স : আগামী ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায়, মাইডাস সেন্টারে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এজন্য রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে ২০ নভেম্বর। শেষ হওয়া অর্থ বছরে মাইডাস ফাইন্যান্সের কর পরবর্তী সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৩৭ লাখ ৭ হাজার টাকা, প্রতি শেয়ারে সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৬১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ৪.০৪ টাকা এবং প্রতি শেয়ারে নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ২৬.২৭ টাকা। জিলবাংলা সুগার : আগামী ১৯ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় এজিএম আহ্বান করেছে। এজন্য রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে ২০ নভেম্বর। শেষ হওয়া অর্থ বছরে জিল বাংলা সুগারের কর পরবর্তী লোকসান হয়েছে ২৯ কোটি ২১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, প্রতি শেয়ারে লোকসান হয়েছে ৪৮.৭০ টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ২৭৫.৯৩ টাকা ও প্রতি শেয়ারে নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ৫.৪৯ টাকা। সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ : আগামী ২৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টায় হোটেল সুন্দরবনে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ ডিসেম্বর। শেষ হওয়া অর্থবছরে সাভার রিফ্র্যাক্টরিজের প্রতি শেয়ারে লোকসান হয়েছে ১.০৮ টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ৯.৪৮ টাকা ও প্রতি শেয়ারে নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ৪.৪২ টাকা। শ্যামপুর সুগার : আগামী ১৩ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় শ্যামপুর সুগার মিলস ট্রেনিং সেন্টারে এজিএম আহ্বান করেছে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ নভেম্বর। শেষ হওয়া অর্থবছরে শ্যামপুর সুগার মিলসের লোকসান হয়েছে ৩৩ কোটি ৯০ লাখ ৩০ হাজার টাকা, প্রতি শেয়ারে লোকসান হয়েছে ৬৭.৮১ টাকা, প্রতি শেয়ারে দায় দাঁড়িয়েছে ৪৬১.৪০ টাকা ও প্রতি শেয়ারে নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ঋণাত্মক ৬১.৪৪ টাকা। উল্লেখ্য, স্টক এক্সচেঞ্জের লিস্টিং রেগুলেশন-৩০ অনুযায়ী বোর্ড সভার ঘোষণা না দিয়েই লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ।
  • লোকসান কাটিয়ে মুনাফায় অলটেক্স
    স্টাফ রিপোর্টার : অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসের সাড়ে ৪ কোটি টাকার লোকসান কাটিয়ে উঠেছে শেষ তিন মাসে। পাশাপাশি শেয়ার প্রতি ২.৫৬ টাকার মুনাফাও করেছে কোম্পানিটি। মন্দাবস্থার কারণের আগের পাঁচ বছর শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে না পারলেও এবার ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ। বুধবার অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার সর্বশেষ ১৭.৯ টাকায় লেনদেন হয়েছে, যা বিগত দুই বছরের মধ্যে এ শেয়ারের সর্বোচ্চ দর। আগের দিনের চেয়ে বুধবার এ শেয়ারের দর বেড়েছে ৮.১ টাকা বা ৮৫.৭১ শতাংশ। কোম্পানিটি দীর্ঘ দিন পর লভ্যাংশ দেওয়ায় শেয়ার দর বেড়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টদের ধারণা।এর আগে ২০০৯, ১০, ১২ ও ১৩ সালে লোকসানে পড়ে কোম্পানিটি। তবে ২০১১ সালে সামান্য মুনাফা করে অলটেক্স। ব্যবসায়িক মন্দার কারণে ওই ৫ বছর শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি কোম্পানি। অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতি শেয়ারে সম্পদ (এনএভিপিএস) দীর্ঘ দিন অভিহিত মূল্যের নিচে থাকলেও ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মুনাফায় আসার পর তা ১১.১৬ টাকায় উঠে এসেছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ব্যবসা সহজ করার পথে পেছাল বাংলাদেশ
    ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করা বা পরিচালনায় স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগোয়নি বরং গত এক বছরে তিন ধাপ পিছিয়েছে। আর তা হয়েছে মূলত আইন-কানুন বা নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের অভাবে। গতকাল বুধবার বিশ্বব্যাপী 'ডুয়িং বিজনেস ২০১৫ : গোয়িং বিয়ন্ড এফিসিয়েন্সি' রিপোর্ট প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক।   প্রতিবেদনে উঠে আসা বিশ্বের ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৭৩তম। আগের বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৭০তম। অর্থাৎ বাংলাদেশে এ বছর তিন ধাপ পিছিয়েছে। এ বছর বাংলাদেশের ডিটিএফ পয়েন্ট ৪৪.৮৪, যা গত বছর ছিল ৪৬.৩৮। এ জরিপে প্রথমবারের মতো ১০ কোটির ওপর জনসংখ্যা রয়েছে বিশ্বের এমন ১১টি দেশের দ্বিতীয় শহরকেও আনা হয়েছে। ফলে এবার বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রামের তথ্য-উপাত্তও উঠে এসেছে। বিশ্বব্যাংকের এ জরিপে মূলত বাণিজ্যিক পরিবেশের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বা অবকাঠামো সংস্কারের বিষয়গুলো আনা হয়নি, বরং এতে নিয়ন্ত্রণক প্রতিষ্ঠান বা নিয়ম-নীতি সংস্কারের ক্ষেত্রে ১০টি বিষয়কে বিবেচনায় আনা হয়েছে, যা স্থানীয় উদ্যোক্তাদের ব্যবসাকে ইতিবাচক বা নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।   প্রতিবেদনে উঠে আসা ১০টি মানদণ্ডের মধ্যে ব্যবসা শুরুর সুযোগের দিক থেকে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫তম, নির্মাণ অনুমতিতে ১৪৪তম, বিদ্যুতের প্রাপ্যতায় ১৮৮তম, প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনে ১৮৪তম, ঋণের প্রাপ্যতায় ১৩১তম, সংখ্যালঘু বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ৪৩তম, কর প্রদানে ৮৩তম, আন্তসীমান্ত বাণিজ্যে ১৪০তম, চুক্তি কার্যকরকরণে ১৮৮তম ও ঋণ দেউলিয়াত্বের সমাধানে ১৪৭তম। এ ১০টি মানদণ্ডের ক্ষেত্রে শুধু বিদ্যুৎ প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি হলেও বাকি ছয়টি ক্ষেত্রে অবনতি হয়েছে। এ ছাড়া তিনটি ক্ষেত্রে অবস্থান আগের মতো রয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বছর বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণ সংস্কারের মধ্যে রয়েছে আন্তসীমান্ত বাণিজ্যের উন্নতি ঘটনার জন্য স্বয়ংক্রিয় ও কম্পিউটারাইজড কাস্টমস ডাটা ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (এএসওয়াইসিইউডিএ) চালু করা। এটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম উভয় শহরেই কাস্টমস কার্যক্রমে চালু হয়েছে। এ ছাড়া আগের বছর বাংলাদেশ ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি সহজ করা, কর ও ভ্যাট প্রদান সহজ করার জন্য স্বয়ংক্রিয় নিবন্ধন প্রক্রিয়াও শুরু করে, যা উদ্যোক্তাদের সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি প্রক্রিয়ার দীর্ঘতাকে কমিয়ে দেয়।   এ বছরের জরিপে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দ্বিতীয় নিউজিল্যান্ড, তৃতীয় হংকং, চতুর্থ ডেনমার্ক, পঞ্চম দক্ষিণ কোরিয়া। শীর্ষ দশে থাকা বাকি দেশগুলো হচ্ছে যথাক্রমে নরওয়ে, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফিনল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া। এবং এ তালিকায় একেবারে তলানিতে রয়েছে ভেনিজুয়েলা, অ্যাঙ্গোলা ও হাইতি।   দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ১৪২তম স্থানে রয়েছে ভারত। পাকিস্তান ১২৮তম, ভুটান ১২৫তম, ও শ্রীলঙ্কা ৯৯তম স্থানে রয়েছে। বলা হয়, ২০১৩-১৪ সময়ে বাংলাদেশ, নেপাল ও পাকিস্তানসহ তিনটি দেশ বাণিজ্যিক কার্যক্রম সহজ করার জন্য আধুনিক ইলেকট্রনিকস সিস্টেম গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার আটটি অর্থনৈতিক দেশের মধ্যে অন্তত চারটি দেশ একটি হলেও নিয়ন্ত্রণগত সংস্কার করেছে, যা স্থানীয় উদ্যোক্তাদের ব্যবসা করার ক্ষেত্রে সুবিধা এনে দিয়েছে। এ প্রতিবেদনের মূল রচয়িতা রিতা রামালহো বলেন, 'সেসব দেশেই ব্যবসা পরিচালনা সহজ যেসব দেশে প্রশাসনিক দক্ষতা রয়েছে এবং নিয়ন্ত্রণগত সুরক্ষা রয়েছে।' প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত গত এক দশকে খুব বেশি এগোয়নি। দেশটিতে একজন উদ্যোক্তা কোনো ব্যবসা শুরু করার জন্য ঋণ পাওয়া এখনো ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে। কারণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো একজন ব্যক্তিকে ঋণ দানে পুরোপুরি আস্থাশীল হতে পারে না, তথ্য-উপাত্তের সহজলভ্যতার অভাবে।   Source : কালের কণ্ঠ    
  • পুঁজিবাজার সূচকের অবনতি অব্যাহত
    পুঁজিবাজারে লেনদেন কিছুটা বাড়লেও অব্যাহত রয়েছে সূচকের অবনতি। লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির মূল্যবৃদ্ধিও ঠেকাতে পারেনি সূচকের পতন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কোম্পানির শেয়ারদর উঠে যায় দিনের সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চপর্যায়ে। তবে বড় রকমের দর হারায় ব্যাংকিং খাত। পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ব্যাংকিং খাতের দরপতনের নেতিবাচক প্রভাব ছিল দিনের লেনদেনে। তা ছাড়া গতকাল লেনদেনের প্রায় পুরোটা সময় কেটেছে সূচকের ওঠানামায়। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ডিএসইএক্স সূচক ১৯ দশমিক ৪১ পয়েন্ট হ্রাস পায়। ডিএসই-৩০ ও শরিয়াহ সূচকের অবনতি ঘটে ১৪ দশমিক ২১ ও ৪ দশমিক ০২ পয়েন্ট। চট্টগ্রাম স্টকে (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স সূচকের অবনতি ঘটে ৪৬ দশমিক ৪৬ ও ২৭ দশমিক ১৭ পয়েন্ট। এখানে সিএসই -৫০ সূচকটি হারায় ৭ দশমিক ২০ পয়েন্ট।  নেতিবাচক প্রবণতা সত্ত্বেও পুঁজিবাজারগুলোতে লেনদেনের কিছুটা উন্নতি ঘটে গতকাল। ঢাকায় ৫৪৫ কোটি টাকায় পৌঁছে লেনদেন যা আগের দিনের চেয়ে ৮৩ কোটি টাকা বেশি। গত মঙ্গলবার ডিএসইর লেনদেন ছিল ৪৬২ কোটি টাকা। চট্টগ্রামেও ৩৪ কোটি টাকা থেকে ৪৩ কোটি টাকায় পৌঁছে লেনদেন। এ দিকে দিনের বাজার আচরণে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে গতকাল। লেনদেন হওয়া কোম্পানির বেশির ভাগ মূল্যবৃদ্ধির তালিকায় উঠে আসার পরও অবনতি ঘটে দুই বাজার সূচকে। একমাত্র ব্যাংক ও রসায়ন ছাড়া অন্যান্য খাতের বেশির ভাগ কোম্পানির দর বাড়ে গতকাল। ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা খাতের মতো বড় মূলধনসমৃদ্ধ কোম্পানিগুলোও এ তালিকায় ছিল। তারপরও ব্যাংকিং খাতের দরপতনের সুস্পষ্ট প্রভাব ছিল দিনের সূচকে। এ খাতের ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২৫টিই দর হারায় গতকাল।   পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা সূচকের অবনতির মধ্যেও লেনদেনের উন্নতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। কারণ ক’দিন ধরে লেনদেনের ধারাবাহিক অবনতি ঘটায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশের মধ্যে মাঝে হতাশা তৈরি হয়। গতকালের লেনদেনের উন্নতি তাদের কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে। তা ছাড়া গতকাল দুই বাজারেই লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডের বেশির ভাগই মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। এতে হারানো দরের একটি অংশ ফিরে পায় এসব প্রতিষ্ঠান যা বিনিয়োগকারীদের লোকসান সমন্বয়ে সহায়ক হবে। তবে দিনের সূচকের অস্থির ওঠানামাকে তারা নতুন করে আস্থাহীনতা তৈরির ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন। গতকাল দিনের বেশির ভাগ সময় সূচকের নেতিবাচক প্রবণতাই তার প্রমাণ। গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই নেতিবাচক প্রবণতার শিকার হয় পুঁজিবাজারগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকায় ৫ হাজার ১২৮ পয়েন্ট লেনদেন শুরু করা ডিএসইএক্স সূচকটি কয়েক মিনিটের মধ্যেই নেমে আসে ৫ হাজার ১২৩ পয়েন্টে। অবশ্য বেলা ১১টার দিকে সাময়িকভাবে সূচকটি আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে। বেলা সোয়া ১১টায় তা পৌঁছে যায় ৫ হাজার ১৩৮ পয়েন্টে। দিনের বিক্রয়চাপের শুরু এখান থেকেই। দিনের বাকি সময়ের পুরোটাই কাটে নেতিবাচক প্রবণতায়। এর মধ্যে বেলা দেড়টা পর্যন্ত চলতে থাকে সূচকের ব্যাপক ওঠানামা। বেলা ২টার দিকে শেষবারের মতো বিক্রয়চাপ তৈরি হলে প্রধান সূচকের ১৯ দশমিক ৪১ পয়েন্ট হারিয়ে লেনদেন শেষ করে ডিএসই। ব্যাংকিং খাতের দরপতন ঘটলেও গতকাল অন্যান্য খাতের বেশির ভাগই ভালো অবস্থানে ছিল। বিশেষ করে জ্বালানি ও প্রকৌশল খাতের বেশ কিছু কোম্পানির উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি ঘটে গতকাল। আবার নন ব্যাংক, বীমা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে মূল্যবৃদ্ধির হার ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি। তবে বাজারের উল্লেখযোগ্য দিক ছিল জেড ক্যাটাগরির দরের উল্লম্ফন। এ খাতের বেশ কয়েকটি কোম্পানি গতকাল সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ দর উঠে যায়। ঢাকায় লেনদেন হওয়া ৩০৫টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে ১৬৯টির দাম বৃদ্ধি পায়। দর হারায় ১০৪টি। ৩২টির দর ছিল অপরিবর্তিত। অপর দিকে চট্টগ্রামে লেনদেন হওয়া ২২১টি সিকিউরিটিজের মধ্যে ১০৪টির দাম বাড়ে, ৯৪টির কমে এবং ২৩টির দাম অপরিবর্তিত থাকে।   গতকাল ডিএসইর শীর্ষ কোম্পানি ছিল সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি। ২৭ কোটি ৭১ রাখ টাকায় কোম্পানিটির ৪৬ লাখ ৯০ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়। ২৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকায় ৬ লাখ ২৯ হাজার শেয়ার লেনদেন করে গ্রামীণফোন ছিল দ্বিতীয় কোম্পানি। শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় আরো ছিল খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, মোবিল যমুনা লুব্রিকেন্ট, খুলনা পেপার অ্যান্ড প্রিন্টিং, সামিট পাওয়ার, এসিআই লিমিটেড, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ও তিতাস গ্যাস। দিনের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের। বছরের পর বছর বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ বঞ্চিত করা টেক্সটাইল খাতের এ কোম্পানি এবার ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করে। গতকাল এক দিনেই ৮২ দশমিক ৬৫ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে কোম্পানিটির। আগের দিন ৮ টাকারও কম দরে লেনদেন হওয়া কোম্পানিটির গতকাল দর উঠে আসে ১৭ টাকায়। এ ছাড়া ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা একই খাতের কোম্পানি দেশ গার্মেন্টসের মূল্যবৃদ্ধির হার ছিল ১৪ দশমিক ০৯ শতাংশ। অপর দিকে দিনের সর্বোচ্চ দর হারায় পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স। লভ্যাংশ ঘোষণার রেকর্ড-পরবর্তী মূল্য সমন্বয়ে ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ দর হারায় জীবন বীমা কোম্পানিটি।   Source : নয়া দিগন্ত
  • শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে কড়াকড়ি
    শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে কড়াকড়ি আরোপ করেছে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল কমিশন সভায় শেয়ারবাজার থেকে মূলধন উত্তোলন, আইপিও অর্থে ঋণ পরিশোধ ও রাইট ইস্যুসহ কয়েকটি বিষয়ের ক্ষেত্রে শর্তারোপ করা হয়েছে। বিএসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শর্তে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের এক-তৃতীয়াংশের বেশি ঋণ পরিশোধে ব্যবহার করতে পারবে না কোনো কোম্পানি। গণপ্রস্তাবে আসা কোনো কোম্পানি প্রসপেক্টাস প্রকাশের দুই বছরের মধ্যে রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। এছাড়া আইপিও অথবা রাইটের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ সম্পূর্ণ ব্যবহার না করে আবারো অর্থ সংগ্রহ করে মূলধন বাড়াতে পারবে না। ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেট থেকে পুনরায় মূল মার্কেটে ফিরে আসা কোম্পানি তালিকাভুক্তির তিন বছরের মধ্যে রাইট শেয়ার ছাড়তে পারবে না।   মূলধন বাড়ানোর ক্ষেত্রে শর্তারোপ করা হয়েছে, বিএসইসির অনুমোদন ছাড়া কোনো কোম্পানির উদ্যোক্তা, পরিচালক, কর্মকর্তা ও এজেন্ট কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে শেয়ার বাবদ অর্থ সংগ্রহ করতে পারবে না। তবে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা যাবে। কোনো কোম্পানির আইপিওতে আবেদনের এক বছরের মধ্যে যদি কোনো উদ্যোক্তা-পরিচালক শেয়ার অন্য কোনো ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করে, তবে সেক্ষেত্রে আইপিও অনুমোদনের তারিখ থেকে তিন বছর পর্যন্ত হস্তান্তরকৃত শেয়ার লক-ইন থাকবে। শেয়ার বাবদ সংগৃহীত সব আমানত আলাদা ব্যাংক হিসাবে রাখতে হবে। এছাড়া পাঁচ লাখের বড় অঙ্ক হলে তা অ্যাকাউন্টপেয়ি চেকের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করতে হবে। প্রসঙ্গত, ১২ অক্টোবর বণিক বার্তায় ‘তালিকাভুক্তির পর পরই রাইট শেয়ারের প্রস্তাব’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।   বছরখানেক আগে আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তা ব্যাংকঋণ পরিশোধে ব্যয় করে রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, মোজাফফর হুসাইন স্পিনিং মিলস ও সেন্ট্রাল ফার্মা। সম্প্রতি এ তিন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে রাইট শেয়ার ছাড়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর লেনদেন শুরু হয় বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের। এর আগে একই বছরের জুলাইয়ে কোম্পানিটি অভিহিত দরে ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। তালিকাভুক্তির সময়ে প্রতিষ্ঠানটির মোট ব্যাংকঋণের পরিমাণ ছিল ৫৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ ১২ কোটি ৪ লাখ টাকা ও স্বল্পমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আইপিওর সংগৃহীত অর্থ থেকে ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যাংকঋণ পরিশোধে ব্যয় করে কোম্পানিটি। তবে আইপিও থেকে অর্থ সংগ্রহের এক বছরের মধ্যে পুনরায় অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়েছে কোম্পানিটি। রাইট শেয়ার থেকে সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি ব্যাংকঋণ পরিশোধের পাশাপাশি চলতি মূলধন জোগান ও উৎপাদন ব্যবস্থায় বৈচিত্র্য আনতে চায়।   গত ২১ সেপ্টেম্বর রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। প্রতি পাঁচটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে দুটি রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে কোম্পানিটি। এক্ষেত্রে প্রতিটি রাইট শেয়ার ২০ টাকায় (১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ) প্রস্তাব দিয়েছে। ওষুধ খাতের সেন্ট্রাল ফার্মা শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসইসির অনুমোদনসাপেক্ষে ২০১৩ সালের মে মাসে অভিহিত দরে শেয়ার ছেড়ে ১৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। সে সময়ে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের প্রায় পুরোটাই ব্যাংকঋণ পরিশোধে ব্যয় করে কোম্পানিটি। অথচ তালিকাভুক্তির দেড় বছরের মধ্যেই আবারো ব্যাংকঋণ পরিশোধের জন্য অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়েছে কোম্পানিটি। গত ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি পাঁচটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে দুটি রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। রাইট শেয়ার থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানিটি ব্যাংকঋণ পরিশোধের পাশাপাশি ব্যবসা সম্প্রসারণ ও চলতি মূলধনে ব্যবহার করার প্রস্তাব দিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।   আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করার এক বছরের মধ্যে আবারো একই প্রস্তাব দিয়েছে মোজাফফর হুসাইন স্পিনিং মিলস। গত বছরের নভেম্বরে কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে অভিহিত দরে শেয়ার ছেড়ে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। সংগৃহীত অর্থ থেকে ২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যাংকঋণ পরিশোধের কথা বলা হয় আইপিও প্রসপেক্টাসে। সে সময়ে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ছিল ২৬ কোটি ১৭ লাখ ১৯ হাজার ৫৫২ টাকা এবং স্বল্পমেয়াদি ঋণ ছিল ২৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। আইপিওর টাকায় দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পরিশোধ করা হলেও এবার রাইট শেয়ারের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে রোটর প্রজেক্টের অধীনে একটি রিং প্রজেক্ট স্থাপন করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর কোম্পানি কর্তৃপক্ষ অভিহিত দরে দুটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে তিনটি রাইট শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব দিয়েছে। শতভাগ রফতানিমুখী সুতা উৎপাদন করে প্রতিষ্ঠানটি।   Source : বনিক বার্তা
  • শাহজীবাজারের পাঁচ পরিচালককে ৪৫ লাখ টাকা জরিমানা
    হিসাব কারসাজির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার দায়ে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি শাহজীবাজার পাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) পাঁচ পরিচালককে ৪৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে চার পরিচালককে ১০ লাখ করে ৪০ লাখ টাকা ও এমডিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় । পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) গতকালের সভায় এ জরিমানা করা হয়। সভা শেষে বিএসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর বাইরে কোম্পানিটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা বা সিএফওর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   বিএসইসি জানিয়েছে, কোম্পানিটি ২০১৪ সালের মার্চে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে অসত্য তথ্য দিয়ে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস (দুই টাকা ৫৪ পয়সা) বাড়িয়ে দেখিয়েছে। পরবর্তীকালে বিএসইসি ওই আর্থিক প্রতিবেদন বিশেষ নিরীক্ষা করালে তাতে ইপিএস এক টাকারও বেশি কমে এক টাকা ৪৮ পয়সায় নেমে আসে।   নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, হিসাব কারসাজি করে আয় বাড়িয়ে দেখিয়ে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার মাধ্যমে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করেছে। এ কারণে কোম্পানির প্রত্যেক পরিচালককে ১০ লাখ ও এমডিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।   গত এপ্রিলে শাহজীবাজার পাওয়ার প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। ১৫ জুলাই থেকে শেয়ারবাজারে কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হয় এবং কয়েক দিনের মধ্যেই বাজারে কোম্পানিটির শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বাড়তে থাকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন এবং পরবর্তীকালে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন বিশেষ নিরীক্ষার উদ্যোগ নেয়। কোম্পানিটির আইপিও প্রসপেক্টাস বা বিবরণীপত্র অনুযায়ী, চেয়ারম্যান ও এমডিসহ পাঁচজন পরিচালককে নিয়ে একটির পরিচালনা পর্ষদ গঠিত। তাঁরা হলেন চেয়ারম্যান রেজাকুল হায়দার, এমডি ফিরোজ আলম; পরিচালক আনিস সালাউদ্দিন আহমেদ, এ কে এম বদিউল আলম ও শামসুজ্জামান।   এ ছাড়া বিএসইসির গতকালের সভায় সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টল্যান্ড সিকিউরিটিজকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।   Source : প্রথম আলো
  • আইপিও অর্থ ব্যবহারে সময় বাড়াতে চায় গোল্ডেন হার্ভেস্ট
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যবহারে সময় বাড়াতে চায় গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো। সম্প্রতি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি আইপিওর খরচও অতিরিক্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এসব বিষয়ে  শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইপিওর অতিরিক্ত খরচ, আইপিওর তহবিল ব্যবহারে সময় বৃদ্ধি, অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ ও অন্যান্য বিষয়ে সম্মতি পেতে ইজিএম আহ্বান করা হয়েছে। এদিকে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৯ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য ২৩ টাকা ৫ পয়সা। আগামী ১৫ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় গাজীপুরে বোকরানে কোম্পানির কারখানা প্রাঙ্গণে এর ইজিএম ও ১০টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে ২৫ টাকা ইস্যু মূল্যে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এর মধ্যে আইপিওর খরচ ধরা হয় ৯৮ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। আইপিও অর্থের মধ্যে ৩৩ কোটি ৮৪ লাখ ৭৮ হাজার টাকা ব্যাংকঋণ পরিশোধে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়। আইপিওর অর্থ সংগ্রহের এক মাসের মধ্যে এ ঋণ পরিশোধ করা হবে বলে প্রসপেক্টাসে উল্লেখ ছিল।   Source : বনিক বার্তা  
  • বিএসইসির পর্যবেক্ষণে শাহজিবাজার পাওয়ার
    দুই মাসেরও বেশি সময় লেনদেন স্থগিত থাকার পর সম্প্রতি সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ দরে কেনাবেচা হচ্ছে নতুন তালিকাভুক্ত শাহজিবাজার পাওয়ার। ২০ অক্টোবর লেনদেনে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের পর গত সাত কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৯৪ শতাংশ। সংবেদনশীল কোনো তথ্য না থাকলেও অস্বাভাবিক হারে দর বাড়ায় শেয়ারটির লেনদেনে নজরদারি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ বিষয়ে বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, এরই মধ্যে কোম্পানিটির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর কমিশনের বিশেষ নিরীক্ষায় মুনাফা কমার সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। তার পরও ধারাবাহিকভাবে শেয়ারটির অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি পাওয়ায় এর লেনদেন বিশেষ পর্যবেক্ষণে নেয়া হয়েছে। এছাড়া বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করতে স্টক এক্সচেঞ্জও কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন পুনরায় প্রকাশ করছে। এদিকে অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নোটিসের জবাবে শাহজিবাজার পাওয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে এ শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে সংবেদনশীল কোনো তথ্য নেই। যদিও হিসাব বছর শেষ হওয়ায় কোম্পানিটির গতকাল বোর্ডসভা আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সভা থেকে লভ্যাংশের ঘোষণা আসতে পারে। এর আগে গত রোববার শাহজিবাজার পাওয়ারের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান পেট্রোম্যাক্স রিফাইনারির পরিচালনা পর্ষদ ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ট্যাংকার ভেসেল কেনার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। কোম্পানিটির লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা যায়, স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শুরু থেকেই সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ দরে কোম্পানিটির শেয়ার ক্রয়ে বিপুল পরিমাণ ক্রয়াদেশ আসে। বিপরীত দিকে এ শেয়ারের বিক্রেতার পরিমাণ কম থাকায় লেনদেন সীমিত হয়ে পড়ছে। গত সাত কার্যদিবস একই প্রবণতা দেখা গেছে। গতকাল লেনদেনের শুরুতে সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ দর ১৭৩ টাকা ৪০ পয়সায় ১১ লাখ শেয়ার কেনার ক্রয়াদেশ থাকলেও দিন শেষে মাত্র ৫৪ হাজার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। কোম্পানিটির লেনদেনে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের পর ২০ অক্টোবর শেয়ারটির সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধিতে ক্লোজিং প্রাইস দাঁড়ায় ৯৮ টাকা ১০ পয়সায়। এর পর গত ছয় কার্যদিবসে সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধিতে গতকাল মঙ্গলবার ১৭৩ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়ায়। প্রসঙ্গত, লেনদেন শুরুর কয়েক দিনের মধ্যে অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি এবং নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে দুই মাসেরও বেশি সময় লেনদেন বন্ধ রাখে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির অনিরীক্ষিত প্রান্তিকের প্রতিবেদনের ওপর বিশেষ নিরীক্ষা করেছে বিএসইসি। বিশেষ নিরীক্ষায় শাহজিবাজার পাওয়ারের তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা কমে ১৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এতে তৃতীয় প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় ২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৮ পয়সায় নেমে আসে।    
  • নিরপেক্ষ মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান নিয়োগ ডেসকোর
    ডেসকো ডেসার কাছ থেকে ২৭৯ কোটি ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকার সম্পদ অধিগ্রহণ করলেও কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মূল্যায়ন করেনি। বরং ডেসকো নিজেই এ সম্পদের মূল্য নির্ধারণ করেছে। তবে ডেসকোর কাছ থেকে ক্রয়কৃত সম্পদ সরেজমিনে দেখা ও মূল্যায়ন করার জন্য নিরপেক্ষ মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রস্তুতকৃত খসড়া প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার জন্য কোম্পানি কর্তৃপক্ষ পরিচালনা পর্ষদের সামনে উপস্থাপন করেছে। কোম্পানিটির নিরীক্ষক ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য প্রস্তুতকৃত নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উল্লেখ করেছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ১ দশমিক ১৬ শতাংশ বা ৮০ পয়সা। দিনভর দর ৬৭ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৭০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৬৮ টাকায়, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ৬৭ টাকা ৯০ পয়সায়। এদিন ১৭০ বারে মোট ২ লাখ ৯ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৬০ টাকা ও সর্বোচ্চ ৭৬ টাকা ৫০ পয়সা। গত ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৪ টাকা ও সর্বোচ্চ ৭৬ টাকা ৫০ পয়সা। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৬৬ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৯৪ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ৩২ টাকা ৮২ পয়সা। আগামী ১৩ নভেম্বর কোম্পানিটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখ পরে জানানো হবে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১৫ পয়সা। এর আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ৮ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস ২৬ পয়সা। ২০১৩ সালের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিতে সমর্থ হয়। ওই হিসাব বছরে এর ইপিএস হয় ২ টাকা ৬৯ পয়সা, এনএভি ৩৫ টাকা ৯৭ পয়সা ও কর-পরবর্তী মুনাফা ৮০ কোটি ৪৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ২০০৬ সালে তালিকাভুকক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানির বর্তমানে অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৪৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। মোট শেয়ারসংখ্যা ৩৪ কোটি ৪২ লাখ ১৬ হাজার ২৮১টি; যার মধ্যে সরকার ৭৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৫ দশমিক ৭১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৯ দশমিক ১১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। এর প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও ৫০০টিতে মার্কেট লট। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের দর আয় অনুপাত ২৯ দশমিক শূন্য ২।   Source : বনিক বার্তা
  • মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত আজ
    রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) পরিচালিত আটটি মিউচুয়াল ফান্ডের অবসায়নের মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর। মেয়াদি (ক্লোজড-এন্ড) মিউচুয়াল ফান্ড হিসেবে এসব ফান্ডের মেয়াদ আরো ১০ বছর বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছিল আইসিবি। তবে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আজকের কমিশন সভায় প্রতিষ্ঠানটির এ আবেদন আমলে না নেয়ার সম্ভাবনাই বেশি। নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ ১০ বছর অতিক্রম করায় প্রথম বিএসআরএস ও আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড অবসায়নে যায়। যদিও ফান্ডের মেয়াদ বাড়াতে একাধিকবার আবেদন জানায় বিডিবিএল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তাদের আবেদনে সাড়া দেয়নি কমিশন। অবশ্য ২০১৩ সালে আইসিবি পরিচালিত আটটি মিউচুয়াল ফান্ড অবসায়নের মাত্র চার কার্যদিবস বাকি থাকতেই আরো এক বছর মেয়াদ বাড়ায় কমিশন।  সম্প্রতি দেশের প্রথম বেসরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি এইমস বাংলাদেশ ইউনিটহোল্ডারদের মতামত নিয়ে এইমস প্রথম এবং গ্রামীণ ওয়ান স্কিম-১ মিউচুয়াল ফান্ডের আরো ১০ বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিল। গত ৯ সেপ্টেম্বর বিএসইসি ওই প্রস্তাব নাকচ করে দেয়। তবে ওইদিন আইসিবির ফান্ডগুলোর আবেদন বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন। নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত আইসিবিকে তার মেয়াদি আট মিউচুয়াল ফান্ড অবসায়ন করতে বলা হলে চলতি বছরের মধ্যে এসব ফান্ডের বিনিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে এসব ফান্ডের হিসাবে থাকা সমুদয় শেয়ার বিক্রি করে এসব ইউনিটহোল্ডারদের মধ্যে ওই অর্থ বিতরণ করতে হবে। প্রসঙ্গত, আইসিবি পরিচালিত প্রথম আটটি মিউচুয়াল ফান্ডের (প্রথম-অস্টম) মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর। তবে রূপান্তর বা অবসায়নের নীতিমালা অনুযায়ী, দর সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে লেনদেন বন্ধের ৯০ দিন আগে ইউনিটহোল্ডারদের জানানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে এ তথ্য স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইট অথবা পত্রিকায় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। আইসিবি প্রথম থেকে আইসিবি অষ্টম পর্যন্ত আট মিউচুয়াল ফান্ডের পরিশোধিত মূলধন ১৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ২০১০ সালের ২৪ জানুয়ারি বিএসইসি ওই সময়ের আগে ১০ বছর মেয়াদ পার করেছে, এমন সব মেয়াদি (ক্লোজড-এন্ড) মিউচুয়াল ফান্ড ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অবলুপ্ত করার আদেশ দিয়েছিল। কিন্তু এর পর শেয়ারবাজারে ধস নামলে বিশেষ বিবেচনায় তিন দফায় আইসিবির ফান্ডগুলোর মেয়াদ বাড়ানো হয়, যা শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর। এ অবস্থায় আইসিবি ফান্ডগুলোর মেয়াদ একই বিবেচনায় আরো ১০ বছর বাড়ানোর আবেদন করেছিল। আইসিবি সিরিজের প্রথম ফান্ডটি (আইসিবি প্রথম) গঠিত ও শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছিল ১৯৮০ সালে। আর সর্বশেষ অষ্টম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ডটি গঠিত ও তালিকাভুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে। অর্থাত্ ফান্ডগুলো সর্বনিম্ন ১৮ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৩৪ বছর ধরে পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু ২০০৬ সালের আগে মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালনার জন্য কোনো আইন ছিল না। ১৯৯৩ সালে শেয়ারবাজার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য এসইসি গঠনের পর সংস্থাটি ২০০৬ সালে এসে মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা প্রণয়ন করে এবং ২০১০ সালে এসে মেয়াদি ফান্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর নির্দিষ্ট করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এর আগে ১০ বছর মেয়াদ পার হওয়ায় এইমস বাংলাদেশ পরিচালিত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোকে অবসায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ফলে আইসিবির ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আইসিবি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বেসরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানিগুলো মনে করতে পারে আইসিবিকে বিশেষ প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে বিএসইসি শেয়ারবাজারের সার্বিক স্বার্থ এবং আইনকে সবার ওপরে প্রাধান্য দেয়। জানা গেছে, আট মিউচুয়াল ফান্ড সম্পর্কে করণীয় নির্ধারণে চলতি মাসে আইসিবির উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে উপস্থিত আইসিবির সাবেক চেয়ারম্যান ড. এসএম মাহফুজুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ফান্ডগুলো অবসায়নে যাবে নাকি বে-মেয়াদিতে রূপান্তর হবে— সে বিষয়ে ৮ অক্টোবর আলোচনা হয়েছে। কমিশন যদি ফান্ডের মেয়াদ আর বাড়াতে রাজি না হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ফান্ডের পোর্টফোলিওতে থাকা ইউনিট বিক্রি করে ইউনটহোল্ডারদের দিতে হবে। তবে সমস্যা হচ্ছে, এত স্বল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করতে হলে, বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে বিকল্প ভাবনাও রয়েছে। ইউনিটহোল্ডারদের সম্মতিতে মেয়াদি ফান্ডগুলোকে বে-মেয়াদিতে রূপান্তর করা যেতে পারে।’ উল্লেখ্য, অবসায়নে যাওয়া মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর জন্য রূপান্তর সুবিধা যুক্ত করে একটি নীতিমালা জারি করেছে বিএসইসি। ২০১৩ সালের ৮ জানুয়ারি সংশোধিত মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালায় মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড বা স্কিমের রূপান্তর সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। ফলে কোনো মেয়াদি স্কিমের বিশেষ সভায় উপস্থিত অন্যূন তিন-চতুর্থাংশ ইউনিট মালিকরা স্কিমটির রূপান্তরের পক্ষে প্রস্তাব গ্রহণ করলে মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের স্কিম বে-মেয়াদি স্কিমে রূপান্তরিত হতে পারে। ফলে মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তিন-চতুর্থাংশ ইউনিট মালিকদের সম্মতিতে সেটি বে-মেয়াদি স্কিমে রূপান্তর করা যাবে। সেক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে তালিকাচ্যুত করতে হবে। যদিও গত ৩ নভেম্বর রূপান্তর নীতিমালা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জানিয়েছিল আইসিবি।   Source : বনিক বার্তা
  • লাগামহীন শাহজিবাজারের শেয়ার দর
    শাহজিবাজারের শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি থামাতে পারছে না নিয়ন্ত্রক সংস্থা। দাম বাড়ার কারণে ডিএসই ও বিএসইসি একাধিক পদক্ষেপ নিলেও এই শেয়ারটির দাম বাড়া অব্যাহত আছে। এ প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীদের দেখেশুনে শেয়ার লেনদেন করার পরামর্শ দিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। গতকাল শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ারের দাম বাড়তে বাড়তে সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে। এতে শেয়ারটি কেনাবেচা স্থগিত (হলট্রেড) হয়ে যায়। গতকাল এ শেয়ারের দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ বা ১৫ দশমিক ৭ টাকা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিকহারে শেয়ার দর বাড়ার কারণ জানতে চায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। জবাবে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে মঙ্গলবার ডিএসইকে জানায় কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ১৫ জুলাই পুঁজিবাজারে এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরু হওয়ার পর থেকেই দর বাড়তে থাকে। এরপর মাত্র ১৪ কার্যদিবসের ব্যবধানে গত ১০ আগস্ট শেয়ারটির দর ৮৯ দশমিক ২ টাকায় পেঁৗছে। অর্থাৎ এ সময়ে শেয়ার দর বেড়েছিল ৫৪ দশমিক ২ টাকা বা প্রায় ১৫৫ শতাংশ বা ২ দশমিক ৫ গুণ। ফলে কী কারণে দর বাড়ছে, তা তদন্ত করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তদন্তের স্বার্থে ৪৪ কার্যদিবস এ শেয়ারের লেনদেন স্থগিত রাখা হয়। গত ২০ অক্টোবর শেয়ারটির লেনদেন পুনরায় শুরু হওয়ার পরও দর বাড়তে থাকে। এ কোম্পানির ৩৫ টাকার শেয়ার বর্তমানে লেনদেন হচ্ছে ১৭৩ দশমিক ৪০ টাকায়। অর্থাৎ দর বেড়েছে প্রায় ৫ ?গুণ বা ৩৯৫ শতাংশ। জানা গেছে, শেয়ার দর বাড়ার পেছনে তেমন কোনো কারণ উল্লেখ করেনি নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বিএসইসির পাশাপাশি দর বাড়ার কারণ তদন্ত করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এরই অংশ হিসেবে এ কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন বিশেষ নিরীক্ষা করে ডিএসই। এতে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ প্রতিটি শেয়ারে আয় ০ দশমিক ০২ টাকা বেশি দেখিয়েছে বলে ডিএসইর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। গত ৭ কার্যদিবস ধরে একটানা বাড়ছে শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার দর। এ সময়ে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৭৫ দশমিক ৩ টাকা বা ৭৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ। মঙ্গলবার শেয়ারটি সর্বশেষ ১৭৩ দশমিক ৪ টাকায় লেনদেন হয়। দিনভর এ কোম্পানির ৫৪ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শাহজিবাজার পাওয়ারের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান পেট্রোম্যাক্স রিফাইনারি ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ট্যাংকার ভেসেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ খবরে এ শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ আরো বেড়েছে। এরমধ্যে আগামী ২ নভেম্বর কোম্পানির লভ্যাংশসংক্রান্ত পরিচালনা পর্ষদের সভা আহ্বান করা হয়েছে। ফলে অনেকে ভালো লভ্যাংশ আবার অনেকে লভ্যাংশের প্রভাবে আরো বেশি দর আশা করছেন। তাই শেয়ার ছাড়ছেন না। তবে বর্তমান দর অনুযায়ী এ শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত ৮৭ দশমিক ৮৭, যা অনেক ঝুঁকিপূর্ণ এবং এ শেয়ার মার্জিন ঋণ আওতার বাইরে চলে গেছে।    Source : যায়ে যায়ে দিন 
  • গার্মেন্ট খাতের সংস্কারে দরকার ২০ হাজার কোটি টাকা
    অর্থনৈতিক রিপোর্টার : তৈরি পোশাক শিল্পে পুরোপুরি কমপ্লায়ান্স বাস্তবায়ন করতে ২০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স। তবে কোথা থেকে এই টাকা আসবে সে সম্পর্কে কারও সুস্পষ্ট ধারণা নেই। গার্মেন্ট খাতে কমপ্লায়ান্স বাস্তবায়নে কর্মরত সংস্থা অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের পরিদর্শন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে চালু থাকা তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর প্রতিটিই কোনো না কোনো নিরাপত্তাঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বৈদ্যুতিক নিরাপত্তাব্যবস্থা, অগ্নিনির্বাপণ, বহির্গমনে অসুবিধা, ফায়ার ডোরের অপর্যাপ্ততার মতো হাজারো সমস্যায় জর্জরিত বেশির ভাগ কারখানা। গত কয়েক মাসে সংস্থা দুটি দেড় হাজারের বেশি কারখানা পরিদর্শন করে প্রতিটিতেই কোন না কোন সমস্যা চিহ্নিত করেছে। এসব সমস্যা সমাধান করে কারখানাগুলোয় নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি করতে অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স। ইউরোপীয় ক্রেতাদের ৮৯টি করপোরেট সদস্যের গ্রুপ বাংলাদেশ অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি এবং যুক্তরাষ্ট্রের গ্রুপগুলোর প্রাধান্য নিয়ে গঠিত অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি গঠিত। অ্যাকর্ড এ পর্যন্ত পরিদর্শন করেছে ১ হাজার ১০৬টি কারখানা। আর অ্যালায়েন্স পরিদর্শন শেষ করেছে ৫৮৭টি কারখানা। এসব কারখানায় তারা খুঁজে পেয়েছে ৮০ হাজারেরও বেশি সমস্যা। এসব সমস্যার কিছু ছোটখাটো হলেও বেশির ভাগই জটিল। অ্যাকর্ডের নিরাপত্তাবিষয়ক প্রধান পরিদর্শক ব্রাড লোয়েন এ প্রসঙ্গে বলেন, আমরা যেসব কারখানা পরিদর্শন করেছি তার সবটায় সমস্যা পাওয়া গেছে। এর মাত্রা স্বল্প থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে। অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশের সিনিয়র উপদেষ্টা ইয়ান স্পাউল্ডিং বলেছেন, পরিদর্শন করা সহজ কাজ। কিন্তু তার পরের কাজটি অনেক কঠিন। এ বিষয়ে অ্যাকর্ডের আন্তর্জাতিক অপারেশন বিষয়ক নির্বাহী পরিচালক অ্যালান রবার্টসের মন্তব্য, সংস্কারের জন্য প্রতিটি কারখানার মেশিনারিজ সরাতে হবে। যেসব কারখানায় অতিরিক্ত পোশাক জমা আছে তা সরাতে হবে। অন্য দিকে আগুন নেভানোর জন্য পানি ছিটানোর যন্ত্র থাকতে হবে। বসাতে হবে স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ম সিস্টেম। যেসব কলামের ওপর ভর করে ভবন দাঁড়িয়ে আছে তার শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে। প্রতিটি কারখানায় নিরাপত্তার মান উন্নত করতে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার থেকে ১০ লাখ ডলার করে লাগবে। এ হিসাবে দেশে চালু থাকা সাড়ে চার হাজার কারখানা সংস্কারে অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।গত বছরের এপ্রিলে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডিতে ১ হাজার ১২৯ জন নিহত হওয়ার পর শ্রমিক ইউনিয়ন ও ভোক্তা গ্রুপগুলো পোশাক ক্রেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। তারই ভিত্তিতে চলমান পরিদর্শনকালে এ পর্যন্ত অ্যালায়েন্সের পরিদর্শকরা বাংলাদেশের পর্যালোচনা কমিটিকে ১৭টি কারখানা অস্থায়ী ভিত্তিতে বন্ধ করে দিতে সুপারিশ করেছেন। ২৪টি কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে বলেছেন অ্যাকর্ডের পরিদর্শকেরা। পরিদর্শন রিপোর্টের ভিত্তিতে এ পর্যন্ত চারটি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের পাশাপাশি এ সংক্রান্ত সরকারি কমিটি নিজেই দেড় হাজার কারখানা পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ দিকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প খাতের এমন ঝুঁকিপূর্ণভাবে বেড়ে ওঠার জন্য সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ না থাকাকেই দায়ী করছেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশ অবদান রক্ষাকারী বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতকে দেখাশোনার জন্য কোনো কর্তৃপক্ষ নেই। কখনো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কখনো বস্ত্র মন্ত্রণালয়, কখনো শিল্প মন্ত্রণালয় আবার কখনো শ্রম মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব পালন করে। পরিবেশ, স্থানীয় সরকার, গণপূর্ত, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, পরিকল্পনা, পাটসহ কর্তৃত্ব দেখাতে চায় অন্তত ১৭টি মন্ত্রণালয় কিংবা বিভাগ। যদিও এ খাতের কোনো দুর্ঘটনা বা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনার দায় নিতে রাজি হয় না কোনো কর্তৃপক্ষই। তৈরি পোশাক শিল্প খাতের জন্য অ্যাপারেল বোর্ড গঠনের আলোচনা শেষ হয়নি গত ২৫ বছরেও। ফলস্বরূপ বিভিন্ন সরকারি অফিসকে ম্যানেজ করতে প্রতি বছর অন্তত ৩৫০ কোটি টাকা গুণতে হয় এ খাতের উদ্যোক্তাদের।গত তিন যুগের অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় তৈরি পোশাক শিল্প খাত এখন যেকোনো বিবেচনায় দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত। শিল্প খাতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অপরাপর বেসরকারি খাতের ধারাবাহিক অবনতি ঘটলেও অব্যাহতভাবে এগিয়ে চলেছে এ খাতটি। ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে পোশাক শিল্প খাতের জন্য সর্বপ্রথম একটি পৃথক অ্যাপারেল বোর্ড গঠনের দাবি তোলেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। তারও আগে ১৯৮৯ সালে এরশাদের শাসনামলে মন্ত্রিসভায় এ সংক্রান্ত একটি সিদ্ধান্তও অনুমোদিত হয়। প্রতি বছরই তৈরি পোশাক রফতানিকারকদের বার্ষিক প্রধান উৎসব বাটেক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতার কাছে এ দাবি উত্থাপন করে আসছেন তারা। অসংখ্যবার দাবি তোলা হয়েছে পৃথক একটি মন্ত্রণালয় খোলার জন্য। প্রতিবারই সব পক্ষ থেকেই উদ্যোক্তারা কেবল আশ্বাসই পেয়ে আসছেন। আলোচনা চলমান আছে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।    Source : ইনকিলাব
  • আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধার করে দৈনন্দিন ব্যয় মেটাচ্ছে
    স্বল্প সময়ের কলমানি মার্কেট থেকে টাকা ধার নিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাচ্ছে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। এতে প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে। নগদ অর্থের চাপ বাড়ায় সুদহারও বেড়ে চলেছে। এতে গত সপ্তাহেও সুদহার ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দৈনন্দিন কলমানি মার্কেটের প্রতিবেদন সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, কলমানি মার্কেটে গতকাল ৬ হাজার ৬৯৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়েছে ২ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা। এসব দেনায় সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সুদ পরিশোধ করতে হয়েছে। তবে এদিনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো মাত্র ৫৯ কোটি টাকা ধার দিয়েছে। আর বাকি অর্থ তফসিলি ব্যাংকগুলোর মধ্যে লেনদেন হয়েছে। পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, গত সোমবার কলমানি মার্কেটে ৬ হাজার ৭২৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। এর মধ্যে ২ হাজার ৩১৩ কোটি টাকা নিয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এবং বাকি ৩ হাজার ৮৯৯ কোটি টাকা নিয়েছে ব্যাংকগুলো। এ দিনে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ সুদ পরিশোধ করলেও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ সুদ গুনতে হয়েছে। গত সপ্তাহে কলমানি মার্কেটে ৪৬ হাজার ৮১২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এ সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ সুদে টাকা লেনদেন হয়েছে। তবে কলমানি মার্কেটে ব্যাংকের তুলনায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেশি হওয়ায় সুদহার বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। ব্যাংকিং খাতে এক লাখ কোটি টাকার ওপরে উদ্বৃত্ত তারল্য পড়ে রয়েছে, তারপরও কলমানি মার্কেটে নগদ অর্থের চাপ বেড়েছে। ঈদের আগে প্রতিদিন আট হাজার কোটি টাকার মতো লেনদেন হয়েছে। ওই সময়ে নগদ অর্থের চাহিদা বৃদ্ধিতে স্বল্প সময়ের আর্থিক সুবিধায় সুদহারও বৃদ্ধি পায়। এতে দীর্ঘ দুই বছর স্থিতিশীল থাকার পর কলমানি মার্কেটে সুদহার ৯ দশমিক ২৫ শতাংশে উঠে আসে। তবে ঈদের পরও কলমানি মার্কেটে সুদহার আগের মতোই রয়েছে। মূলত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা বেশি থাকায় সুদহার কমছে না। অন্যদিকে বিনিয়োগের মন্দা পরিস্থিতিতে টাকা খাটিয়ে কিছু মুনাফা করার চেষ্টা করছে কয়েকটি ব্যাংক। সূত্রমতে, ব্যাংকগুলো এখন আর বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ রেপো বা তারল্য সহায়তা নিচ্ছে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ রেপোর সুদহার ১০ দশমিক ২৫ শতাংশ, রেপোর ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। বর্তমানে রেপো সুবিধা না থাকায় বিশেষ রেপো নিতে হয়। কিন্তু কলমানিতে সুদহার কয়েক মাস যাবত্ সাড়ে ৭ শতাংশের মধ্যে থাকায় তারা বিশেষ রেপো নিতে আগ্রহী নয়। তবে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর লেনদেনে সুদহার একটু বেশি। সুদহার প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, কলমানি মার্কেট স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অলিখিত নির্দেশনা রয়েছে। কোনো ব্যাংক ইচ্ছা করলেই বেশি সুদহারে ধার দিতে পারবে না। আর ব্যাংকগুলোর কাছে বেশি পরিমাণ তারল্য থাকায় কলমানি মার্কেটের ওপর চাপ কমে গিয়েছিল। তবে ব্যাংকগুলো প্রয়োজন মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্কিমে না গিয়ে স্বল্প সুদে কলমানি থেকে ধার করে চলেছে। এতে চাপ কিছুটা বেড়েছে। দীর্ঘ দুই বছর সুদহার নিম্নস্তর ধরে রাখার পরও ঈদের আগে বেড়ে গিয়েছিল, যা সম্প্রতি কমতে শুরু করেছে Source : সকালের খবর
  • এনভয় টেক্সটাইলের সাথে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির চুক্তি স্বা
    দেশের প্রথম রোপ ডেনিম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেড ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির (ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ) মধ্যে গত ২০ অক্টোবর এক সমঝোতা চুক্তি স্বারিত হয়েছে। চুক্তিতে স্বার করেন এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডের পে চেয়ারম্যান প্রকৌশলী কুতুবউদ্দিন আহমেদ ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির পে অধ্যাপক ডা: মো: আবুল কালাম। চুক্তি স্বার অনুষ্ঠানে পরিচালক তানভীর আহমেদ ও অধ্যাপক ডা: সামন্তলাল সেনসহ প্রতিষ্ঠান দু’টির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি। Source : নয়া দিগন্ত
  • এক দিনের ব্যবধানেই ফের দরপতন
    মাত্র এক দিনের ব্যবধানেই সাধারণ সূচক আবার আগের অবস্থানেই ফিরে এসেছে। তবে এই ফিরে আসা ঊর্ধ্বমুখী নয়, পতনের দিকে। দেশের দুই পুঁজিবাজারেই গতকাল সাধারণ সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও কমেছে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল সাধারণ সূচক কমেছে প্রায় ২৮ পয়েন্ট। গতকাল ডিএসইতে এই সূচকের অবস্থান ছিল প্রায় ৫ হাজার ১২৮ পয়েন্টে, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল প্রায় ৫ হাজার ১৫৭ পয়েন্ট। এর আগে টানা তিন কার্যদিবস পতনের পর গত সোমবার সূচক কিছুটা বেড়েছিল, যা প্রায় ৪৫ পয়েন্ট। তবে এর আগে টানা তিন কার্যদিবসে মোট পতন হয়েছিল প্রায় ১২১ পয়েন্ট। টানা তিন কার্যদিবস পতনের আগে সাধারণ সূচকের অবস্থান ছিল প্রায় ৫ হাজার ২৩৩ পয়েন্ট। টানা তিন কার্যদিবস পতনের পরদিন সূচক ৪৫ পয়েন্ট বাড়লেও অবস্থান ছিল প্রায় ৫ হাজার ১৫৭ পয়েন্টে, যা আগের অবস্থানের চেয়ে অনেক কম। মাত্র একদিন সাধারণ সূচকের ঊর্ধ্বগতি ৪৫ পয়েন্টের পর গতকাল ফের পতনে রূপ নেয়। গতকাল সর্বমোট ৩০৪টি কম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছে ৯৬টি, কমেছে ১৭৫টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টি কম্পানির শেয়ারের দাম। এ ছাড়া ডিএসইর অন্য দুই সূচক ডিএস৩০ ও ডিএসইএস সূচকও যথাক্রমে ১২ পয়েন্ট ও ৬ পয়েন্ট করে হ্রাস পায়। ডিএস৩০ সূচকের অবস্থান ছিল প্রায় এক হাজার ৯৩৩ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস সূচকের অবস্থান ছিল প্রায় এক হাজার ৯৩৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ সূচক ৮৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ হাজার ৭৯৬ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছিল প্রায় ৩৪ কোটি ১৯ লাখ টাকার। মোট ২২০টি কম্পানির শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যার মধ্যে বেড়েছে ৬২টি, কমেছে ১৩৬টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ২২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।   Source : কালের কণ্ঠ
View All
Latest DSE News
  • BEACHHATCH

    (Q3): As per un-audited quarterly accounts for the 3rd quarter ended on 30th September 2014 (July'14 to Sep'14), the Company has reported net profit after tax of Tk. 4.68 million with EPS of Tk. 0.12 as against Tk. 2.37 million and Tk. 0.06 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit after tax was Tk. 38.26 million with EPS of Tk. 0.97 for the period of nine months (Jan'14 to Sep'14) ended on 30.09.2014 as against Tk. 20.33 million and Tk. 0.52 respectively for the same period of the previous year.

  • STYLECRAFT

    (H/Y): As per audited half yearly accounts as on 30.09.2014 (April'14 to Sep'14), the Company has reported net profit after tax of Tk. 4.61 million with EPS of Tk. 8.38 as against Tk. 3.72 million and Tk. 6.76 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit after tax was Tk. 12.37 million with EPS of Tk. 22.49 for the period of 3 months (July'14 to Sep'14) ended on 30.09.2014 as against Tk. 10.25 million and Tk. 18.64 respectively for the same period of the previous year.

  • BEACONPHAR

    Trading of the shares of the Company will be allowed only in the Spot Market and Block/Odd lot transactions will also be settled as per Spot settlement cycle from 02.11.2014 to 13.11.2014. Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 16.11.2014.

  • ZAHINTEX

    Trading of the shares of the Company will be allowed only in the Spot Market and Block/Odd lot transactions will also be settled as per Spot settlement cycle with cum benefit from 02.11.2014 to 03.11.2014. Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 05.11.2014.

  • STANCERAM

    Trading of the shares of the Company will be allowed only in the Spot Market and Block/Odd lot transactions will also be settled as per Spot settlement cycle with cum benefit from 02.11.2014 to 03.11.2014. Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 05.11.2014.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SAIFPOWER 82.50 75.00 7.50 10.00
POWERGRID 50.70 46.10 4.60 9.98
ABBANK 27.80 25.30 2.50 9.88
SHURWID 45.70 41.60 4.10 9.86
NITOLINS 29.60 27.00 2.60 9.63
MITHUNKNIT 95.20 86.90 8.30 9.55
ALLTEX 19.60 17.90 1.70 9.50
DULAMIACOT 8.20 7.50 0.70 9.33
SINOBANGLA 33.30 30.50 2.80 9.18
SPCL 208.20 190.70 17.50 9.18

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297