Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PHARMAID 313.9 256.7 57.20 22.28
AZIZPIPES 19.9 16.3 3.60 22.09
RECKITTBEN 1697 1431.8 265.20 18.52
SHASHADNIM 41.4 37.3 4.10 10.99
JMISMDL 190.3 172 18.30 10.64
KPCL 62.4 57 5.40 9.47
PROGRESLIF 78.6 72.2 6.40 8.86
SPPCL 48.3 44.7 3.60 8.05
ACI 518.3 479.9 38.40 8.00
MJLBD 131.9 122.8 9.10 7.41

Contest SB2015_Apr

1st
blank_person
MUKTHER078
2nd
blank_person
ADMIN
3rd
blank_person
AMINUL
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
SQURPHARMA 265.3 263.1 2.13338 719907.00
BRACBANK 35 34.3 0.86860 595298.00
NCCBANK 10.9 10.3 0.84281 1423540.00
RUPALIBANK 43 41 0.73031 6672.00
DHAKABANK 18 17.4 0.59675 66478.00
Negative impact
GP 353.7 358.2 -10.63027 461671.00
BATBC 3099.3 3156.7 -6.02511 2263.00
BSRMSTEEL 67.8 72.3 -2.69063 451971.00
KPCL 62.4 64.7 -1.45371 1417900.00
ACI 518.3 535.2 -1.01689 269458.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
MJLBD 131.9 136.1 131.4 -1.35% 223.18
SQURPHARMA 265.3 268.5 263.1 0.84% 191.55
GP 353.7 358.9 352 -1.26% 164.18
ACI 518.3 536.5 515 -3.16% 141.31
SHASHADNIM 41.4 43.1 41.1 -1.43% 132.40
BEXIMCO 32.8 33.6 32.4 1.55% 119.99
LAFSURCEML 113.4 116 112 -0.96% 109.85
SAIFPOWER 66.4 68.4 65.7 2.47% 103.48
KPCL 62.4 65.5 61.9 -3.55% 90.22
IFADAUTOS 63.6 65.8 63 -2.60% 89.56

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 01 Apr 2015

88934
TOTAL TRADE
75.4987
TOTAL VOLUME(Mn)
3597.19
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • যমুনা ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার :  যমুনা ব্যাংক লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৯ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। কোম্পানি সূত্রে বুধবার এ তথ্য জানা গেছে। বিশেষ সূত্র জানায়, বুধবার অনুষ্ঠিত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে লভ্যাংশের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে ২০১৩ সালের ব্যাংকটি ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। সে বছর ইপিএস ছিল ২ টাকা ৫৫ পয়সা। সূত্র আরো জানায়, আলোচিত বছরে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ২ টাকা ৬১ পয়সা। যমুনা ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৪ মে অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী  ১৫ এপ্রিল।
  • রোববার থেকে ইউনাইটেড পাওয়ারের লেনদেন
    সিনিয়র রিপোর্টার : ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে আগামী  রোববার থেকে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ইউপিজিডিসিএল) লেনদেন শুরু হবে। ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বুধবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বিশেষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানিটিকে এর আগে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়। পরে কোম্পানিটি সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) শেয়ার দেয়। এরপর সিডিবিএল বিনিয়োগকারীদের হিসাবে শেয়ার পাঠান। গত ২৯ মার্চ বিনিয়োগকারীদের বিওতে শেয়ার দেওয়া সম্পন্ন করে। ইউপিজিডিসিএলের আইপিওতে ৮৩৭ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এটি কোম্পানির চাহিদার তুলনায় প্রায় ৫ দশমিক ৮৭ গুণ। এর পরিপ্রক্ষিতে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটির আইপিও’র লটারি অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে (ব্যক্তি বিনিয়োগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী, অনিবাসী বাংলাদেশী ও মিউচুয়াল ফান্ড) ইস্যু করা হবে ১ কোটি ৯৮ লাখ শেয়ার; যার লট সংখ্যা ১ লাখ ৯৮ হাজারটি। অফার প্রাইস অনুসারে এর মূল্য দাঁড়ায় ১৪২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৬০ টাকা নির্ধারিত হয়। ৬টা ক্যাটাগরির মাধ্যমে ২৮টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী দ্বারা সমর্থন হয়। পরবর্তীতে ২৮ জন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বিডিংয়ে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ৭২ টাকা নির্দেশক মূল্য নির্ধারিত হয়েছে। ২০১৪ সালের জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৯৮ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ২৩ টাকা ৬৪ পয়সা । কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে লংকা বাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। আর ইস্যুটির রেজিস্টার হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
  • কর্পোরেট অফিস স্থানান্তরিত করেছে খান ব্রাদার্স
    স্টাফ রিপোর্টার : বিবিধ খাতের কোম্পানি খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নতুন ঠিকানায় কর্পোরেট অফিস স্থানান্তরিত করেছে। ১ল এপ্রিল ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই জানিয়েছে, খান ব্রাদার্স কর্পোরেট অফিসের ঠিকানা পরিবর্তন করেছে। নতুন ঠিকানা অনুযায়ী এ কোম্পানির কর্পোরেট অফিসের কার্যক্রম এখন থেকে রাজধানীর রামপুরা এলাকার মালিবাগ চৌধুরি পাড়ার ১৫, ডিআইটি রোডে কেবিজি টাওয়ারের ৮ম ও ৯ম তলায় পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের নতুন এ অফিসে যোগাযোগ করার জন্য খান ব্রাদার্সের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।
  • জমি ক্রয় করবে ফারইস্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স
    স্টাফ রিপোর্টার : বিমা খাতের ফারইস্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড জমি ক্রয় করবে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ঢাকা সিটি ও বরিশাল সদরে জমি ক্রয়ের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে ১লা এপ্রিল, বুধবার এ তথ্য জানা গেছে। রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় কোম্পানিটি ৩২ ডেসিমল জমি ক্রয় করবে। রেজিস্ট্রেশন এবং অন্যান্য খরচ বাদে এতে ব্যয় হবে ১৯৫ কোটি ৮৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। একইসাথে, ১৭৭/১৫৬ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের জেএল নং- ৫০, বোগরা আলেকান্দায় ২৮.২০ ডেসিমল জমি ক্রয় করবে কোম্পানিটি। রেজিস্ট্রেশন এবং অন্যান্য খরচ বাদে এতে ব্যয় হবে ১৭ কোটি ২০ লাখ ২০ হাজার টাকা। ২০০৫ সালে ফারইস্ট ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
  • ১০ টাকার ইউনিট ৬.৯০ টাকায় বিক্রি
    সিনিয়র রিপোর্টার : তালিকাভুক্তির প্রথম দিন ও দ্বিতীয দিনে অভিহিত মূল্যের চেয়েও কম দামে লেনদেন হয়েছে এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের প্রতি ইউনিট। বুধবার ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিট সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৬.৯০ টাকায়। বুধবার ফান্ডটির ৬.৪০ টাকা থেকে ৭.১০ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। তবে মঙ্গলবারের তুলনায় ০.৫ শতাংশ ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিটের দর কমেছে। দিবসের শুরুতে ৬.৫০ টাকায় শুরু হলেও দিনশেষে  ৬.৯০ টাকায় ওঠে। আগের দিন মঙ্গলবার প্রথম দিনে লেনদেন হয়েছে ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিট ৭ টাকা ৪০ পয়সায়। অথচ প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ছিল ১০ টাকা। গত দুদিনেই ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিট দর কমেছে। মঙ্গলবার ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ফান্ডটির ছয় কোটি ইউনিট সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রি করা হয়। ১০০ কোটি টাকার ফান্ডটি ১০ কোটি ইউনিটে বিভক্ত। এর মধ্যে দুই কোটি করে মোট চার কোটি ইউনিট ফান্ডটির উদ্যোক্তা ও প্রাক্-প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা প্রি-আইপিও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হয়। এদিকে মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ফান্ডটির পৌনে আট লাখ ইউনিট লেনদেন হয়। আইপিওতে যেসব বিনিয়োগকারী এটির ইউনিট বরাদ্দ পেয়েছেন, তাঁরা প্রথম দিনে কেনা দামের চেয়ে কমে এসব ইউনিট বিক্রি করেছেন। ডিএসইতে ফান্ডটির লেনদেন শুরু হয় ৭ টাকা ১০ পয়সায়। পরে লেনদেনের একপর্যায়ে তা বেড়ে সর্বোচ্চ ৯ টাকা ৬০ পয়সায় ওঠে। আর সর্বনিম্ন দর নেমেছিল ৬ টাকা ৬০ পয়সায়। যদিও দিন শেষে ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিটের দাম দাঁড়ায় ৭ টাকা ৪০ পয়সা। অর্থাৎ প্রথম দিনেই প্রতি ইউনিটের বিপরীতে লোকসান গুনতে হয়েছে ২ টাকা ৬০ পয়সা। আইপিওতে ফান্ডটির প্রতিটি বাজারগুচ্ছ বা মার্কেট লট গঠিত হয় ৫০০টি ইউনিট নিয়ে। প্রতি লটের জন্য আবেদনে বিনিয়োগকারীদের খরচ হয় পাঁচ হাজার টাকা। আইপিওতে বিজয়ী একজন বিনিয়োগকারী যদি গতকাল প্রতিটি ইউনিট ৭ টাকা ৪০ পয়সায় বিক্রি করে থাকেন, তাহলে প্রতি লটে তাঁর লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৩০০ টাকা। কারণ, ওই দামে ফান্ডটির একটি লট বিক্রি করে বিনিয়োগকারী পেয়েছেন ৩ হাজার ৭০০ টাকা। গত ১১ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ফান্ডটি আইপিওর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে। ফান্ডটির ১০০ কোটি টাকার মধ্যে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান সন্ধানী লাইফ ইনস্যুরেন্স দিয়েছে ২০ কোটি টাকা, ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে প্রাক্-আইপিও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে। আর বাকি ৬০ কোটি টাকা জোগান দিয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। ১০ বছর মেয়াদি এ ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল পার্টনারস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট।
  • বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি করলো ডিএসইএক্স ইনডেক্স
    মেহেদী আরাফাত : টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী সোমবার ঢাকা শেয়ার বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়- ডিএসইএক্স ইনডেক্স লেনদেনের শুরু থেকেই হ্রাস পেতে থাকে। দিনের শুরুতে কিছুটা ক্রয়চাপ থাকলেও কিছু সময় পর বিক্রয় চাপের ফলে সূচক বেশ নিম্নমুখী হয়ে যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিক্রয় চাপ আরও প্রবল হতে থাকে এবং দিনশেষে সূচক ২৬.৬৫ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। সূচকের এ দরপতনের ফলে আজকের ক্যান্ডেলস্টিক একটি বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক ছিল। এই বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক বাজারের বিক্রয় চাপ প্রকাশ করছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৩৯২ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৪৮৫১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৩৫.৫৬ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৩৮.৮৮। এম.এফ.আই কিছুটা ঊর্ধ্বমুখি আবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর কিছুটা ঊর্ধ্বমুখি আবস্থান করছে। ডিএসইতে ৭ কোটি ৫৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬৮৭ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৩৫৯.৭১ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন হ্রাস পেয়েছে ৯৩ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০৪ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৮ টির, কমেছে ১৫১ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা কম ছিল ১০০-৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৩১.৩৩% হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে হ্রাস পেয়েছে ৫০-১০০ এবং ৩০০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ২০.১৮% এবং ২৫.৮৫% কম। অন্যদিকে ০-২০ এবং ২০-৫০ কোটি টাকার পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় ১৯.১৭% এবং ২৯.৯৯% হ্রাস পেয়েছে। পিই রেশিও ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৩৩.২৩% হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ০-২০ এবং ২০-৪০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ২৫.১৭% এবং ২৭.১৫% হ্রাস পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে পিছিয়ে ছিল ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ৪১.২১% কম ছিল। হ্রাস পেয়েছে ‘এন’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৩৩.৫০% কম ছিল।
  • হাইডেলবার্গ সিমেন্টের ইপিএস কমেছে
    স্টাফ রিপোর্টার : সমাপ্ত হিসাব বছরে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে প্রায়  ২০ শতাংশ। কোম্পানির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, আলোচ্য বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০ টাকা ৮৮ পয়সা। আগের বছর এই কোম্পানি শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ২৬ টাকা ০৯ পয়সা। সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানির মুনাফার পরিমাণও কমেছে। কোম্পানিটি কর পরিশোধের পর মুনাফা করেছে ১১৭ কোটি ৯৫ লাখ  ৬০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি মুনাফা করেছিল  ১৪৭ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এদিকে, ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানির রিটেইন আর্নিংস বা অবন্টিত মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৫৩২ কোটি  ৯৭ লাখ ১০ হাজার টাকা।
  • রাইট শেয়ার ছাড়বে জিপিএইচ ইস্পাত
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রিমিয়ামসহ রাইট শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের জিপিএইচ ইস্পাতের পরিচালনা পর্ষদ। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ১আর:১ অনুপাতে অর্থাৎ একটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা। পরিচালনা পর্ষদের রাইট শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আগামী ৩০ এপ্রিল আহ্বান করা হয়েছে। ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টায় হোটেল আগ্রাবাদ, চট্টগ্রামে ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে।
  • ইউনাইটেড এয়ারের ৩ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ, তবুও আশঙ্কা
    বিশেষ প্রতিনিধি : ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের কাছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) পাওনা ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। প্রতি মাসে এ টাকা পরিশোধের অঙ্গীকার করেও পাওনা অর্থের মাত্র ৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। তবে এ অবস্থায় আগামী জুন মাসে এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেশন (এওসি) স্থগিতের খড়গ নেমে আসতে পারে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজে ওপর। দেশীয় এয়ারলাইন্সের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বেবিচক সাধারণত এক বছরের জন্য এওসি দিয়ে থাকে। কিন্তু ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ অ্যারোনটিক্যাল ও নন-অ্যারোনটিক্যাল চার্জ নিয়মিত পরিশোধ না করায় গত বছর তাদের মাত্র ৩মাসের জন্য এওসি প্রদান করা হয়েছিল। এটি ছাড়া কোনো এয়ারলাইন্স ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারে না। এক পর্যায়ে পাওনা শোধ বন্ধ রাখায় বেবিচক গত বছরের জুনে তাদের এওসি স্থগিত করে দেয়। পরবর্তীতে বেবিচকের কাছে ১ কোটি টাকা নগদ পরিশোধ ও আরো ৪কোটি টাকা দ্রুততম সময়ে পরিশোধের অঙ্গীকারের বিনিময়ে এওসি পায় তারা। প্রথমে এক সপ্তাহের জন্য এওসি দেয় বেবিচক। পরবর্তীতে ৩ মাসের জন্য এওসি মেলে ইউনাইটেডের। ইউনাইটেডের এওসির মেয়াদ ছিল গত বছরের ২৯ জুন পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে তাদের এওসি নবায়ন হলেও বেবিচকের শর্তের কারণে ছাড়পত্র পাওয়া কঠিন ছিল। এ অবস্থায় ইউনাইটেড এয়ার কর্তৃপক্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে পুরো কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ নিয়ে আসে।  এভাবে বর্তমানে তারা ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আগামী জুনে আবারো তাদের নতুন করে এওসি নিতে হবে। বেবিচকের সদস্য (অর্থ) মিজানুর রহমান বলেন, পাওনা পরিশোধের কথা বলেও তারা মাত্র ৩কোটি ২৪ লাখ টাকা দিয়েছে। এরপর তারা আর কোনো অর্থ পরিশোধ করেনি। এ অবস্থায় আগামী এওসি এর সময় এলে তা আর নবায়ন করা হবে না। এ বিষয়ে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম-পিআর এন্ড মার্কেটিং সাপোর্ট) কামরুল ইসলাম বলেন, আগামী জুনের আগেই পাওনার বিষয়ে একটি যৌক্তিক সমাধানে আসবে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে তিনি আর কিছু বলতে রাজি হননি।
  • আর্গন ডেনিমসের পর্ষদসভা বৃহস্পতিবার
    স্টাফ রিপোর্টার : বস্ত্র খাতের কোম্পানি আর্গন ডেনিমস লিমিটেড পর্ষদসভা আহ্বান করেছে। সভায় বিনিয়োকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করার সম্ভাবনা রয়েছে। ১ল এপ্রিল, বুধবার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ ঘোষণা করা হতে পারে। একইসাথে প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ও রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হতে পারে বলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ফের ২৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রিজার্ভ
    বিদেশি মুদ্রার মজুদ (রিজার্ভ) আবারও দুই হাজার ৩০০ কোটি (২৩ বিলিয়ন) ইউএস ডলার ছাড়িয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিনশেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় দুই হাজার ৩০৫ কোটি ডলার। গত বছরের ৩১ মার্চ রিজার্ভ ছিল এক হাজার ৯২৩ কোটি ডলার। এ সময়ে রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে দেশের ছয় মাসেরও অধিক সময়ের আমদানি দায় পরিশোধ করা সম্ভব বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ২৩ বিলিয়ন ছাড়ায়। এরপর এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দেনা পরিশোধ করায় রিজার্ভ নিচে নেমে যায়। ডলারের সরবরাহ ভালো থাকায় সম্প্রতি তা আবার বেড়ে ২৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। রিজার্ভ স্থিতি বিবেচনায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে ভারতের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। ভারতের রিজার্ভ স্থিতি ৩৩ হাজার ৯৯৯ কোটি ডলার। তৃতীয় স্থানে অবস্থানকারী পাকিস্তানের রিজার্ভ স্থিতি এক হাজার ৬১০ কোটি ডলার।   Source : কালের কণ্ঠ
  • শুল্ক ফাঁকির প্রবণতা বাড়ছে
    নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতা ও নিয়ন্ত্রণের অভাবে মুঠোফোন আমদানিতে শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। চালানপত্রে পণ্যের দাম কম দেখিয়ে শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার কারণে মুঠোফোনের বাজারে একধরনের অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। মোবাইল ফোন আমদানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক বলেন, ব্র্যান্ড, নন-ব্র্যান্ড, গ্রে—সব ধরনের সেট আমদানিতেই শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রাজস্ব বিভাগের কাছে ঘোষিত বেশ কিছু মডেলের মুঠোফোনের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য আর বাজারে বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বিশাল পার্থক্য। দেশের বাজারে সাড়ে আট হাজার টাকা দামে বিক্রি হওয়া একটি স্মার্টফোনের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র ছয় ডলার। যা রীতিমতো অবিশ্বাস্য।আমদানিকারকদের তথ্যমতে, দেশে মুঠোফোনের বার্ষিক বাজার প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার। এর মধ্যে অসাধু ব্যবসার আকার ১০ শতাংশ হলেও তা দাঁড়ায় ৫৫০ কোটি টাকার মতো। ফলে প্রতিবছর কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, যা ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশি বলে ধারণা ব্যবসায়ীদের। আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বেশি লাভ করার উদ্দেশ্যে অনেকেই মুঠোফোন আমদানিতে আন্ডার ইনভয়েসিং (চালানপত্রে পণ্যের দাম কম দেখানো) করছেন। অসাধু আমদানিকারকদের এ প্রবণতার কারণে অনেকেই প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে নিজেদের ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। যাঁরা ব্যবসা করছেন, তাঁদের অনেকেরই বেহাল দশা। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল ফাইভ স্টার ব্র্যান্ডের টি৫০ মডেলের এক হাজার মুঠোফোন আমদানি করা হয়। এর শুল্কায়নের মূল্য ধরা হয়েছে সাত ডলার। দেশীয় মুদ্রায় এর শুল্কায়নযোগ্য মূল্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৫১ টাকা (এক ডলারে ৭৮ দশমিক ৭৭ টাকা ধরে)। অথচ সেটটি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ৮৫০ টাকায়। গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারি আমদানি করা লাভা আইরিস ৩৪৯এস মডেলের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য দেখানো হয়েছে ১৫ ডলার; যা দেশীয় মুদ্রায় দাঁড়ায় ১ হাজার ১৮২ টাকা। অথচ দেশীয় বাজারে মুঠোফোনটি ৩ হাজার ২৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আবার এই একই মডেলের মুঠোফোন ৩০ মার্চ আমদানি করা হয় ১০ ডলারে। শুল্কযোগ্য দাম কম দেখিয়ে আমদানি করা এ ধরনের সেট বাজারে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে বলে অনুসন্ধানে দেখা যায়।সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, এত কম দামে স্মার্টফোন আমদানি সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে অধিক সেট আমদানি করারও অভিযোগ রয়েছে অসাধু আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ২ কোটি ৩২ লাখ মুঠোফোন আমদানি করা হয়েছে। যার শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ৩৬৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ গড়ে প্রতিটি সেটের (সাধারণ, স্মার্টফোন ও ট্যাব) শুল্কায়নযোগ্য মূল্য দাঁড়ায় ১ হাজার ৫৭১ টাকা। অন্যদিকে চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ১ কোটি ৪৯ লাখ মুঠোফোন আমদানি করা হয়েছে। যার শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ২২৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ গড়ে প্রতিটি সেটের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য দাঁড়ায় ১ হাজার ৫২২ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে মুঠোফোনের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ৪৯ টাকা কমে যাওয়াই প্রমাণ করে আমদানিতে আন্ডার ইনভয়েসিং হচ্ছে। গত ১৮ মার্চ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা দামের মুঠোফোন আটক করে বিমানবন্দর শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। স্বল্প মূল্যের কম্পিউটারসামগ্রীর ঘোষণা দিয়ে দামি ব্র্যান্ডের মুঠোফোন আমদানি করা হচ্ছিল। বিমানবন্দর কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার কাজী মুহাম্মদ জিয়া উদ্দীন প্রথম আলোকে জানান, হংকং থেকে কম্পিউটারসামগ্রী আনার ঘোষণা থাকলেও আনা হয় বিপুল পরিমাণে মুঠোফোন। শুল্ক কর্মকর্তাদের মতে, রিকন্ডিশন্ড গাড়ি, ফ্রিজ, কম্পিউটার মনিটর বা অন্যান্য আমদানি করা পণ্য শুল্কায়নের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু মুঠোফোনের অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় তাঁদের করার কিছুই থাকে না। এ কারণে আমদানিকারক যে মূল্য ঘোষণা দেন, সেই মূল্যেই তাঁদের মূল্যায়ন করতে হয়। তাঁদের মতে, মুঠোফোনভেদে এর আমদানি মূল্য নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তা না হলে এ অবস্থা চলতেই থাকবে। রেজওয়ানুল হকের মতে, মুঠোফোনের ধরনভেদে আলাদা এইচএস কোড ও ট্যারিফ ভ্যালু নির্ধারণ করে দিলে শুল্ক ফাঁকি কিছুটা হলেও কমবে। অর্থাৎ বার (সাধারণ) ফোন, স্মার্টফোন, ট্যাবের জন্য পৃথক এইচএস কোড ও শুল্কহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া সেটভেদে ট্যারিফ ভ্যালু নির্ধারণ করলেও শুল্ক ফাঁকি কমবে। পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, কাস্টমস ও বিটিআরসির সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।   Source : প্রথম আলো 
  • বছরের সর্বোচ্চ লেনদেন
    জ্বালানি এবং ওষুধ খাতের বড় মূলধনি কোম্পানিগুলোর ওপর নির্ভর করে গতকাল দেশের উভয় শেয়ারবাজারে লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কেনাবেচা হয়েছে ৪৫২ কোটি টাকা, যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ। আর গতকালের মোট লেনদেনের ৪০ শতাংশেরও বেশি এসেছে জ্বালানি ও ওষুধ খাত থেকে। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) মোটামুটি একই চিত্র দেখা গেছে।রাজনৈতিক অস্থিরতা কমে আসায় সাইড লাইনে থাকা বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ সক্রিয় হচ্ছে। এ কারণেই লেনদেনে গতি বাড়ছে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বিনিয়োগকারীরা কম পিই অনুপাতের বড় মূলধনি কোম্পানিতে তাদের বিনিয়োগ নিরাপদ ভাবছেন। গতকালের লেনদেনের বেশির ভাগ অংশই এসেছে বড় কোম্পানি থেকে। ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ৩১৩ কোম্পানির শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের কেনাবেচা হলেও লেনদেনের শীর্ষে থাকা ২০ কোম্পানিরই ২৭৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা এ বাজারের মোট লেনদেনের প্রায় ৬১ শতাংশ। এছাড়া বড় মূলধনি বেশির ভাগ শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে উভয় শেয়ারবাজারের সব ধরনের সূচক বেড়েছে।এদিকে গতকাল চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিক শেষ হয়েছে। এ সময় প্রায় সব খাতের শেয়ারেই বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের লোকসানে পড়েছেন। প্রথম প্রান্তিকে আর্থিক খাতে বিনিয়োগেই লোকসান বেশি হয়েছে। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে সাধারণ বীমা খাত। এ সময় এ খাতের শেয়ারের গড় মূল্য প্রায় ১৯ শতাংশ কমেছে। দর হারানোর তালিকায় এর পরই রয়েছে ব্যাংকিং খাত। এ সময় খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর ১২ শতাংশ কমেছে। প্রায় একই হারে দর হারিয়েছে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাত। বিপরীতে বিএটিবিসির টানা দরবৃদ্ধিতে খাদ্য ও অনুষঙ্গ খাতের বাজার মূলধন ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। প্রথম প্রান্তিকে বিএটিবিসির শেয়ার দর প্রায় ২১ শতাংশ বেড়ে ৩১৫৬ টাকায় উন্নীত হয়েছে। বেশির ভাগ শেয়ার দর হারানোয় প্রথম প্রান্তিকে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচকটি কমেছে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। গতকাল জ্বালানি ও ওষুধ খাতের ৪৪ কোম্পানির ১৮৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪০ দশমিক ৬১ শতাংশ। এর মধ্যে জ্বালানি খাতের ১৭ কোম্পানির ১০৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা মূল্যের এবং ওষুধ খাতের ২৭ কোম্পানির ৭৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। জ্বালানি খাতের মবিল যমুনা বাংলাদেশেরই প্রায় ৪৪ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা ছিল একক কোম্পানি হিসেবে ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষে।গতকাল ডিএসইতে ১২৩ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দরবৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ১৪৭টির দর। আর সিএসইতে ১১০টির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ১১৪টির। বেশির ভাগ শেয়ারের দরহ্রাস সত্ত্বেও ডিএসইর ডিএসই-এক্স সূচক ২১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৫৩০-এ উন্নীত হয়েছে। আর সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৮৬৪তে উন্নীত হয়েছে। সিএসইতে গতকাল প্রায় ৪৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়।   Source : বনিক বার্তা
  • পুনর্নির্ধারিত শর্তেও আপত্তি হোলসিম শেয়ারহোল্ডারের
    দফায় দফায় বাধাগ্রস্ত হলেও সিমেন্ট খাতের দুই বৈশ্বিক জায়ান্ট ফরাসি লাফার্জ ও সুইজারল্যান্ডভিত্তিক হোলসিমের একীভূতকরণ প্রচেষ্টা চলছে। শুরুতে লাফার্জের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে হোলসিমের একটি করে শেয়ার বিনিময়ের কথা ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে হোলসিম শেয়ারহোল্ডারদের আপত্তির মুখে পর্ষদ পর্যায়ে লাফার্জের ১০টি শেয়ারের বিপরীতে হোলসিমের নয়টি শেয়ার বিনিময়ের সিদ্ধান্ত হয়। নতুন এ হারেও আপত্তি জানিয়েছেন হোলসিমের ১০ দশমিক ৮ শতাংশ শেয়ারধারী ফিলারেট গালচেভ। এর মধ্য দিয়ে আবারো বাধার মুখে পড়ল প্রস্তাবিত একীভূতকরণ। খবর রয়টার্স।ইউরো সিমেন্ট হোল্ডিং এজির বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, রুশ ব্যবসায়ী ফিলারেট গালচেভ নতুন এই বিনিময় হারের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি মনে করছেন, শেয়ার বিনিময়ের শর্তাবলি পরিবর্তন করে হোলসিম শেয়ারহোল্ডারদের আরো সুবিধা দেয়ার সুযোগ আছে।প্রসঙ্গত, এর আগে লাফার্জ ও হোলসিমের এক যৌথ বিবৃতিতে নতুন শর্তে চুক্তির ব্যাপারে উভয় কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ একমত পোষণ করেছেন বলে জানানো হয়।সোমবার হোলসিমের বিবৃতিতে বলা হয়, একীভূতকরণের চুক্তি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রস্তাবিত বিষয়গুলো নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে। শেয়ার বিনিময় হারে কীভাবে আরো সমতা আনা যায় এবং কোম্পানির কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে এখনো আলোচনার সুযোগ রয়েছে। লাফার্জের পরিচালনা পর্ষদ থেকে সিইও পদ প্রস্তাব করা হয়েছে। একীভূত হওয়ার পর এ পদে নিয়োগ দেয়া হবে।উল্লেখ্য, গত বছরের এপ্রিলে একীভূত হয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সিমেন্ট কোম্পানি গড়ার ঘোষণা দেয় লাফার্জ ও হোলসিম। এর পর থেকে হোলসিম বিনিয়োগকারীরা উভয় কোম্পানির সম্পদ, শেয়ারদর ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের দিকে মনোযোগ দিতে থাকেন। বিশেষ করে লাফার্জ সুরমার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্রুনো লাফঁর ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতার দিকে। বিনিময় হারের পাশাপাশি লাফঁর পরিবর্তে নতুন প্রতিষ্ঠানে অন্য কাউকে সিইও হিসেবে দেখতে চান তারা।এদিকে সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রা বিনিময় হার উদারীকরণের পর ইউরোর বিপরীতে সুইস ফ্রাঁ শক্তিশালী হতে শুরু করলে এটাও হোলসিম শেয়ারহোল্ডারদের বিবেচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তাদের হিসাবে, দুর্বল ইউরোয় নির্ধারিত লাফার্জের শেয়ারদর তাদের অনুকূলে থাকবে না। সব মিলিয়ে শেয়ার বিনিময় ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা চাওয়াই যৌক্তিক বলে মনে করেন সিংহভাগ হোলসিম বিনিয়োগকারী।ব্লুমবার্গের তথ্যানুসারে, গতকাল লাফার্জের শেয়ারদর ছিল ৬০ দশমিক ৫৯ ইউরো। অন্যদিকে একই সময় হোলসিমের শেয়ারদর ছিল ৭৩ দশমিক শূন্য ৫ সুইস ফ্রাঁ, ইউরোর হিসাবে যা ৬৯ দশমিক ৮৮।হোলসিমের বড় বিনিয়োগকারীদের আপত্তির খবরে সোমবার ইউরোপের বাজারে লাফার্জের শেয়ারদর কিছুটা কমার পর গতকাল কিছুটা বাড়তেদেখা গেছে।হোলসিমের ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ শেয়ারধারী হ্যারিস অ্যাসোসিয়েটস। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা ডেভিড হিররো বলেন, একীভূত হওয়ার আগে নতুন প্রতিষ্ঠানটিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে গ্রুপের প্রধান নির্বাহী পদে কে থাকছেন তা ঠিকঠাক হওয়াটা জরুরি।এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তলিকাভুক্ত লাফার্জ সুরমা সম্প্রতি জানায়, মূল কোম্পানির সঙ্গে হোলসিমের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া বেশ কিছুটা অগ্রসর হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রকদের কাছ থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে তাদের একীভূতকরণ উদ্যোগ। এরই মধ্যে ইউরোপসহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অ্যান্টিট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের সম্মতি মিলেছে। বিশ্বসেরা দুই সিমেন্ট কোম্পানি একীভূত হয়ে এ খাতের বৃহত্তম কোম্পানিতে পরিণত হলে বাজারের স্বাধীন প্রতিযোগিতার পথে কোনো অন্তরায় সৃষ্টি হবে কিনা, এ বিষয়টি খতিয়ে দেখেই নিজেদের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রকরা।বর্তমানে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক হোলসিমের ৬৪ দেশে এবং লাফার্জের ৭০টি দেশে কার্যক্রম রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, একীভূতকরণের পর বিশ্বজুড়ে তাদের সমন্বিত বিক্রি দাঁড়াবে প্রায় ৪ হাজার কোটি মার্কিন ডলারে।বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে ২০০৩ সালে একমাত্র গ্রীনফিল্ড কোম্পানি হিসেবে তালিকাভুক্ত হয় লাফার্জ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেড। পরবর্তীতে মেঘালয় থেকে চুনাপাথর উত্তোলন নিয়ে ভারতে আইনি জটিলতায় পড়ে কোম্পানিটি। কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এতে বড় অঙ্কের পুঞ্জীভূত লোকসানে পড়ে কোম্পানি। একসময় আদালতের রায়ে পাথর উত্তোলনের অনুমোদন পেয়ে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করে তারা। ২০১২ সালে মুনাফায় ফিরে আসে কোম্পানি। তবে বড় অঙ্কের পুঞ্জীভূত লোকসান থাকায় ২০১৩ সাল পর্যন্ত কোনো লভ্যাংশ পাননি শেয়ারহোল্ডাররা।শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর প্রথমবারের মতো লভ্যাংশ দিচ্ছে লাফার্জ সুরমা। সম্প্রতি কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। এর আগে একই হিসাব বছরে ৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। ২০১৪ সালের জন্য সব মিলিয়ে ১০ শতাংশ পেতে যাচ্ছেন লাফার্জ সুরমা শেয়ারহোল্ডাররা। সুপারিশকৃত এ লভ্যাংশ বিতরণ শেষে ডিএসইতে প্রথমবারের মতো ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হতে যাচ্ছে কোম্পানিটি।নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, গেল হিসাব বছরে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৪৩ পয়সা। একই সময়ে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৪১ পয়সা। আগামী ১১ জুন কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ এপ্রিল।   Source : বনিক বার্তা
  • ৫০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে ইউসিবিএল
    ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল) ৫০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে। বন্ডটির নাম ‘ইউসিবিএল সেকেন্ড সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড’। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডাররা এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন।মঙ্গলবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি মিলনায়তনে ব্যাংকের ওই এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান এমএ হাশেম। এজিএমে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন এবং ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদন করেন শেয়ারহোল্ডাররা।উল্লেখ, আলোচিত বছরে ইউসিবিএল শেয়ার প্রতি ৪ টাকা ৩৯ পয়সা আয় করেছে। ওই বছরের জন্য ৩০% লভ্যাংশ ঘোষণা করে ব্যাংকটি।এজিএমে ব্যাংকের চেয়ারম্যান এমএ হাশেম বলেন, বহুমুখী চ্যালেঞ্জ আর অনিশ্চয়তা নিয়ে আমরা ২০১৪ সাল শুরু করেছিলাম। তবে অনেক সাফল্য নিয়ে তা শেষ করা সম্ভব হয়েছে। এ কারণে আমরা শেয়ারহোল্ডারদের একটা ভাল লভ্যাংশ দিতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ইউসিবিএল দেশের মধ্যে একটি সেরা ব্যাংক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে। তবে আমরা এখানেই থেমে থাকতে চাই না। আমরা ব্যাংকটিকে আন্তর্জাতিক ব্যাংকের মানে নিতে চাই। সেবার ক্ষেত্রে আমরা নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হতে চাই। চেয়ারম্যান বলেন, আমরা শিগগিরই এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করব।মহিলাদের জন্য শাখা খুলেছি। সামাজিক উন্নয়নে ব্যাংকের ভূমিকা ইতোমধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, ৩২তম এজিএম অনুষ্ঠানে একটা ভাল ব্যালেন্সশীট নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে পেরেছি। আপনাদের সবার সহযোগিতার কারণে আজ ইউসিবিএল একটা শক্ত ভিত্তির ওপরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।কর্পোরেট গবর্নেন্সের যতটা উপাদান রয়েছে; ইউসিবিএল তা যথাযথভাবে পালন করতে পেরেছে। সবার প্রচেষ্টায় আগামীতে এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানে ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ জহির, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান এটিএম জহিরুল ইসলাম, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান এমএ সবুর, পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খান, ইউনুস আহমেদ, এমএ কালাম, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী, সাব্বির আহমেদ, আরিফুজ্জামান চৌধুরী, সুলতানা রিজিয়া বেগম, রুখমিলা জামান, নূরুল ইসলাম চৌধুরী, কোম্পানি সেক্রেটারি এটিএম তাওহীদুজ্জামানসহ ব্যাংকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   Source : জনকণ্ঠ
  • ফনিক্স ফাইন্যান্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
     বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে আর্থিক খাতের ফনিক্স ফাইন্যান্স।সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ফনিক্স ফাইন্যান্স লিমিটেড। আলোচিত অর্থবছরে এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৬৪ টাকা, শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২০.৫৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) ৩.৮১ টাকা। বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২১ মে।   Source : জনকণ্ঠ
  • এশিয়ান টাইগারের ১ম দিনেই ২৬ শতাংশ পুঁজি হারালো
    লেনদেনের প্রথম দিনেই ২৬ শতাংশ পুঁজি হারিয়েছে এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার লেনদেন শুরু করেই ফান্ডটির ইউনিট দর কমেছে ২ টাকা ৬০ পয়সা বা ২৬ শতাংশ।বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে বিনিয়োগকারীরা। কারণ তালিকাভুক্ত ৪১টি ফান্ডের মধ্যে ২৬টি বা ৬৫ শতাংশ ফান্ডের লেনদেন হচ্ছে অভিহিত মূল্যের নিচে। এর মধ্যে আবার ১৮টি বা ৪৫ শতাংশ ফান্ড ৫ টাকার নিচে লেনদেন হচ্ছে। তাই মিউচ্যুয়াল ফান্ডের এ নাজুক অবস্থার মাঝে নতুন ফান্ডে বিনিয়োগ করতে সাহস পাচ্ছে না বিনিয়োগকারীরা। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে ফান্ডটির অভিষেক ঘটেছে ৭ টাকা ১০ পয়সা দরে। যেখানে ফান্ডটির অভিহিত মূল্য ছিল ১০ টাকা। দিন শেষে ফান্ডটি সর্বশেষ লেনদেন হয় ৭ টাকা ৪০ পয়সা দরে। এদিন শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৬ টাকা ৬০ পয়সা। আর সর্বোচ্চ দর ছিল ৯ টাকা ৬০ পয়সা।মঙ্গলবার এশিয়ান ফান্ডের ৭ লাখ ৭৪ হাজার ৩৫টি ইউনিট এক হাজার ৭০৮ বার লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ছিল ৫৭ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।উল্লেখ্য, এশিয়ান ফান্ডের পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ৬০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। আর এ ফান্ডের মোট ইউনিট রয়েছে ৬ কোটি ৫ লাখ ৯০ হাজার ৫০০টি।   Source : জনকণ্ঠ
  • রাইট শেয়ার ছাড়বে জিপিএইচ ইস্পাত
    প্রকৌশল খাতের কোম্পানি জিপিএইচ ইস্পাত রাইট শেয়ার ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি ১আর:১ হারে রাইট ইস্যু করবে। অর্থাৎ ১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার ইস্যু করা হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সোমবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সূত্র জানায়, কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর জন্য পরিচালনা পর্ষদ রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাইট শেয়ারের জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১০ টাকা প্রিমিয়াম নেবে কোম্পানিটি। রাইট শেয়ারের ইস্যু মূল্য হবে ২০ টাকা। জানা গেছে, কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতির জন্য আগামী ৩০ এপ্রিল বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।   Source : জনকণ্ঠ
  • ফার্মা এইডসের দর বাড়ার কোন কারণ নেই
    ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ফার্মা এইডসের শেয়ার দর বাড়ার কোন কারণ নেই। শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চাইলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এমনটাই জানায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই)। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে সোমবার ডিএসই নোটিস পাঠায়। এর জবাবে কোম্পানিটি জানায়, কোন রকম মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারটির দর বাড়ছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ৫ কার্যদিবসের মাত্র একদিন শেয়ারটির দর কমেছে। এ সময়ে শেয়ারটির দর ২৫৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বেড়ে ৩০১ টাকা ৭০ পয়সা পর্যন্ত হয়।   Source : জনকণ্ঠ
  • পুঁজিবাজারে প্রায় পাঁচশ’ কোটি টাকা লেনদেন
    গতকাল মঙ্গলবার পুঁজিবাজারে প্রায় পাঁচশ’ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। যা চলতি বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৪৫২ কোটি টাকা। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা। অর্থাত্ গতকাল পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ ৪৯৭ কোটি টাকা। লেনদেনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল জ্বালানি ও ওষুধ খাত। এ দুটি খাতে লেনদেন হয়েছে ১৮৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪০ শতাংশ।আইডিএলসির বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, প্রথম ত্রৈমাসিক শেষে ডিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক কমেছে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক এবং শরীয়াহ সূচক কমেছে ৪ দশমিক ১০ শতাংশ। এ ত্রৈমাসিকে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল খাদ্য ও পানীয় খাত। এ খাতের শেয়ারগুলোর দাম বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশ। এছাড়া সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে বিএটিবিসি’র। এ কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে প্রায় ২১ শতাংশ। প্রথম ত্রৈমাসিকে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে আর্থিক খাত। সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলোর দর কমেছে ১৯ শতাংশ, ব্যাংকের শেয়ারের ১২ শতাংশ এবং ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাড়ে ১১ শতাংশ।তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৫৩০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭২৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৫২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৩৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩১৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৩টির, কমেছে ১৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৬টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৮৬৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ১৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৪৪টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০০টির কমেছে ১১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টি কোম্পানির শেয়ারের।   Source : ইত্তেফাক
  • বাড়তি পাঁচ বছর পাচ্ছে মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড
    মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ ১০ বছর পার হওয়ার পর আরও পাঁচ বছর পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ওই পাঁচ বছর মেয়াদি ফান্ড হিসেবেই পরিচালনা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, কোনো মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর হতে পারে। তবে কোনো ফান্ডের প্রাথমিক মেয়াদ ১০ বছরের কম হলে ওই ফান্ডের ইউনিটহোল্ডার, সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি ও ট্রাস্টি বোর্ড চাইলে তা আরও এক মেয়াদে পরিচালনার আবেদন করতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রেও ফান্ডটির মেয়াদ ১০ বছরের বেশি হতে পারবে না। বর্তমানে দেশের শেয়ারবাজারে মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের সংখ্যা ৪০টি। আজ নতুন একটি যুক্ত হলে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৪১টিতে।কমিশন সূত্র বলছে, নতুন করে যেসব মেয়াদি মিউচুয়াল অনুমোদন পাবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে প্রাথমিক মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি হবে না। তবে নতুন পরিকল্পনা চূড়ান্তভাবে গ্রহণ করা হলে ফান্ডগুলো অতিরিক্ত পাঁচ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ পাবে।কমিশন সূত্র আরও জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিনিয়োগ সংস্থা ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) পরিচালিত আইসিবি সিরিজের আট মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ বাড়ার প্রস্তাব বিবেচনা করতে গিয়ে কমিশন এ ধরনের একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে যাচ্ছে।আলোচিত আইসিবি সিরিজের প্রথম মিউচুয়াল ফান্ডটি ১৯৮১ সালে গঠিত হয়। ইতিমধ্যে এর মেয়াদ প্রায় ৩৪ বছর শেষ হয়েছে। আর এ সিরিজের সর্বশেষ ফান্ডটির (অষ্টম আইসিবি) মেয়াদ হয়েছে ১৯ বছর। তবে ওই সময় মিউচুয়াল ফান্ডের কোনো মেয়াদ ছিল না। গত বছরের ১ নভেম্বর কমিশন আইসিবিকে এসব ফান্ড অবলুপ্ত করতে বা বিধি অনুযায়ী ইউনিটহোল্ডারদের অনুমোদন সাপেক্ষে বেমেয়াদিতে রূপান্তরের সময়সীমা বেঁধে দেয়।কমিশনের ওই নির্দেশ অনুযায়ী, ৩১ মার্চের পর প্রথম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন বন্ধ হওয়ার কথা। এ ছাড়া আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতি তিন মাস অন্তর একটি করে বন্ধ করার মাধ্যমে বাকি সাতটি ফান্ডের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু আগামীকাল প্রথম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ডটির লেনদেন হবে কি-না, সে বিষয়ে কমিশন বা আইসিবির পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।বিএসইসি সূত্র জানায়, আইসিবির পক্ষ থেকে ১ নভেম্বরের আদেশ প্রত্যাহার করে ফান্ডগুলোকে আরও ১০ বছর মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড হিসেবে পরিচালনার আবেদন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে সুপারিশ করেছে।কমিশন সূত্র জানায়, আইসিবির আবেদন বিবেচনায় নিতে গেলে বিদ্যমান বিধি লঙ্ঘন হবে। আবার কেবল আইসিবিকে এ সুবিধা দিতে গেলে অন্য সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানিগুলো বৈষম্যের অভিযোগ আনবে। এ কারণে সকল মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডকে একই সুবিধা প্রদানের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।বেসরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি এইমস বাংলাদেশ ১০ বছর মেয়াদ সম্পন্ন হতে যাওয়া 'এইমস প্রথম' এবং 'গ্রামীণ ওয়ান স্কিম ওয়ান' মিউচুয়াল ফান্ড দুটির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইসিবির আট ফান্ডকে প্রতি বছর মেয়াদ বাড়ানো হলেও এ দুই ফান্ডের মেয়াদ না বাড়িয়ে কমিশন বৈষম্য করছে; যা উচ্চ আদালতের এ-সংক্রান্ত এক আদেশের পরিপন্থী।জানতে চাইলে বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান সমকালকে জানান, আইসিবির পক্ষ থেকে এর আট ফান্ডের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে; যা কমিশনের বিবেচনাধীন রয়েছে। কমিশনের এর আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩১ মার্চ আইসিবি প্রথম ফান্ডের লেনদেন বন্ধ হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শিগগিরই কমিশনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিবৃতি দেওয়া হতে পারে।একই বিষয়ে আইসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কমিশনের কাছে ফান্ডগুলোর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এখনও এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। ৩১ মার্চ কমিশন থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে কমিশনের পক্ষ থেকে সকল মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে যেগুলোর মেয়াদ ওই সময়ের আগে ১০ বছর শেষ হয়, সেগুলোকে ২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অবসানের নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই নির্দেশের আওতায় পড়ে আইসিবি সিরিজের আট মিউচুয়াল ফান্ড। তবে ২০১০ সালের ডিসেম্বরে শেয়ারবাজারে ধস নামলে বিশেষ বিবেচনায় এক বছর করে এতদিন ফান্ডগুলোর মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আবারও মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করলে কমিশন তা নাকচ করে ফান্ডগুলোকে পর্যায়ক্রমে অবলুপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল।কমিশন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, কমিশনের ওই আদেশও সংশোধন হতে যাচ্ছে।   Source : সমকাল
  • শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে নতুন ফোরাম গঠনের ঘোষণা
    পুঁজিবাজারে গতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে বাজারসংশ্লিষ্ট ছয়টি সংগঠনের সমন্বয়ে নতুন একটি ফোরাম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গতকাল সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বোর্ডরুমে অনুষ্ঠিত পুঁজিবাজারবিষয়ক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন এ ফোরামের নামকরণ করা হয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেট ফোরাম। সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।ডিএসই ব্রোকারেজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আহ্বায়ক ও ডিএসইর সাবেক সভাপতি আহসানুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় ছয়টি সংগঠনেরই প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। অন্য সংগঠনগুলোর মধ্যে ছিল ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ বা এবিবি, বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ), বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ), অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ ও বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন।সংবাদ সম্মেলনে বিআইএর সভাপতি শেখ কবির হোসেন বলেন, শুরুতে নতুন ফোরামের কার্যক্রম হবে পুঁজিবাজারকেন্দ্রিক। পরবর্তী সময়ে অর্থবাজারসহ আর্থিক খাতসহ অন্যান্য খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করবে এ সংগঠন। তবে এখনো পর্যন্ত এটির কোনো রূপরেখা ঠিক হয়নি।রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ বা আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফায়েকুজ্জামান বলেন, শেয়ারবাজারে যেসব মার্চেন্ট ব্যাংক রয়েছে তাদের টাকার প্রধান উৎস হলো ব্যাংকঋণ। এ মুহূর্তে উচ্চ সুদে ব্যাংকঋণ নিয়ে তা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের মতো সামর্থ্য বা অবস্থা অনেক মার্চেন্ট ব্যাংকের নেই। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ পুনঃ অর্থায়ন তহবিল গঠনের বিষয়ে সভায় একমত পোষণ করা হয়। সে অনুযায়ী আগামী বাজেটকে সামনে রেখে এ ধরনের একটি তহবিল গঠনের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করা হবে বলে জানান ফায়েকুজ্জামান।সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় না থাকলে বাজারে গতি ফিরবে না। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। পুঁজিবাজারে ব্যাংকের নির্ধারিত যে বিনিয়োগ সীমা আরোপিত রয়েছে তার কারণে ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে বাজারে ইচ্ছে থাকলেও বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা হিসাবের ক্ষেত্রে শেয়ারের যে সংজ্ঞা রয়েছে তাতে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন সিকিউরিটিজকে হিসাবে ধরা হয়। এ ক্ষেত্রে তালিকাভুক্ত নয় এমন সিকিউরিটিজকে বিনিয়োগ সীমার হিসাবে ধরা না হলে ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে পারবে।   Source : প্রথম আলো 
  • গঠিত হচ্ছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল মার্কেট ফোরাম
    শেয়ারবাজার ও অর্থবাজারসহ সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে সংশ্লিষ্ট ছয়টি সংগঠন নিয়ে ফোরাম গঠনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এ ফোরাম দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে কাজ করবে। মূলত নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ওপর বিভিন্ন ইস্যুতে চাপ তৈরি করতেই এ ফোরাম গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অর্থ ও শেয়ারবাজারসংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর ছয় সংগঠনের অভিন্ন এ প্লাটফর্মের নাম দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল মার্কেট ফোরাম (বিএফএমএফ)।গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাজারসংশ্লিষ্ট ছয় সংগঠনের এক মতবিনিময় সভায় এ ফোরাম গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রস্তাবিত ফোরামে থাকছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি), বীমা মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ), ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিএলএফসিএ), বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ), সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড (এএএমসিএমএফ) ও ডিএসইর স্টক ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন।ছয় সংগঠনের সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের প্রস্তাবক ও ডিএসই স্টক ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আহসানুল ইসলাম টিটো জানান, উপস্থিত অ্যাসোসিয়েশনগুলোর প্রতিনিধিরা বিএফএমএফ গঠনের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন। শিগগিরই এর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে ও আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে।গতকালের সভা শেষে এএএমসিএমএফ সভাপতি ও আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান বলেন, শেয়ারবাজারের উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকা জরুরি। সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে ‘চায়নিজ ওয়াল’-এর মতো বাধা থাকলে তা সবার জন্যই ক্ষতির কারণ হয়। নতুন ফোরামের লক্ষ্য এ ধরনের বাধাগুলো দূর করা। এছাড়া ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বীমা কোম্পানির কাছে অলস অর্থ থাকলে তা যাতে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা যায়, সে বিষয়ে ফোরামের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করা।তিনি আরো বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশিত মার্কেট এক্সপোজারের নিচে থাকার পরও কিছু ব্যাংক নতুন করে বিনিয়োগ করতে পারছে না। উল্টো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চাপে তাদের বিনিয়োগ প্রত্যাহার করতে হচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার ডিলারদের জন্য একটি বিশেষ তহবিল থাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে, যাতে এ তহবিল থেকে এসব প্রতিষ্ঠান সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ নিতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের মতো এজন্য বিশেষ তহবিল বা বন্ড ইস্যু করেও এ ফান্ড গঠন করা সম্ভব।বিআইএর সভাপতি শেখ কবির হোসেন বলেন, ফোরামের প্রাথমিক লক্ষ্য শেয়ারবাজারের সম্প্রসারণ, গতিশীলতা বৃদ্ধি ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। তবে ভবিষ্যতে এ ফোরাম সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাজ করবে।শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) হলেও এ বাজারের সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রক হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে শেয়ারবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও এর সাবসিডিয়ারি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজগুলোর সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ রয়েছে। এ কারণে পরোক্ষভাবে কার্যত কেন্দ্রীয় ব্যাংকই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করছে। ২০১০ সালের বাজার ধসের পর আইন সংশোধন করে ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা কমিয়ে দেয়ায় বাজার পরিস্থিতি আর স্বাভাবিক হতে পারেনি। আবার শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ গণনার পদ্ধতি নিয়েও বিভিন্ন সংগঠনের আপত্তি রয়েছে। বিনিয়োগসীমা বিবেচনায় তালিকা-বহির্ভূত কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ যোগ হওয়ায় শেয়ারবাজারে ব্যাংকের অংশগ্রহণ আরো কমে গেছে। বিষয়গুলো বিএসইসির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে আনা হলেও বাজার চাঙ্গা করতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না আসায় হতাশায় পড়েছে শেয়ারবাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। এ অবস্থায় শেয়ারবাজার ও অর্থবাজারসংশ্লিষ্ট ছয়টি সংগঠন একত্র হয়ে ফোরাম গঠনের উদ্যোগ নিল।ফোরাম গঠন প্রসঙ্গে আহসানুল ইসলাম টিটো বণিক বার্তাকে বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ ধরনের সংগঠন রয়েছে। মূলত অভিন্ন প্লাটফর্ম গঠনের লক্ষ্যে শেয়ারবাজার, ব্যাংক, বীমাসহ স্বার্থসংশ্লিষ্ট ছয়টি সংগঠন একত্র হয়ে ফোরাম গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফোরাম থেকে যদি অভিন্ন প্রস্তাব দেয়া যায়, তাহলে নিয়ন্ত্রক সংস্থায় এর গুরুত্ব বাড়বে।তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের ছয়টি খাতের ব্যবসা পরিচালনার জন্য তিনটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা রয়েছে। এতে অনেক সময় বিভিন্ন সংগঠনের দেয়া প্রস্তাব বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হয়। এখন বিভিন্ন সংগঠনের দাবিদাওয়া সমন্বয় করে ফোরাম থেকে যে প্রস্তাব দেয়া হবে, সেটির গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি থাকবে। শেয়ারবাজার ও অর্থবাজার বিষয়ে অভিন্ন লক্ষ্যে কাজ করবে ফোরাম।’গতকালের সভায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন এবিবির সভাপতি ও ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের (ইবিএল) এমডি আলী রেজা ইফতেখার ও বিএমবিএর সহসভাপতি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।   Source : বনিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • IHC

    Withdrawal of Authorized Representative: Imtiyaz Husain Securities Limited (DSE TREC No. 50), has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Md. Manirul Islam, with immediate effect.

  • NAB

    Withdrawal of Authorized Representatives: Nabiul Karim Securities Limited (DSE TREC No. 115), has withdrawn two of its Authorized Representatives, namely, Mr. Md. Abu Siddik and Mr. Mohammad Imam Hasan, with immediate effect.

  • KFE

    Withdrawal of Authorized Representative: Bulbul Securities Ltd. (DSE TREC No. 32), has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Mohammed Azizur Rahman, with immediate effect.

  • SAPORTL

    The Company has further informed that 35, 24,102 shares of Late Sobera Ahmed Rizvi, Director of the Company, has been equally transmitted (i.e. 17,62,051 shares each) to her 2 sons (nominees) Syed Yasser Haider Rizvi and Syed Nasser Haider Rizvi, both of them are Nominated Directors of Alliance Holdings Limited; as announced earlier.

  • NORTHERN

    Ashfaque Ahmed and Fahmida Mahfuz, both are Sponsors of the Company, have expressed intention to sell their entire holdings of 36,075 shares and 18,037 shares respectively while Ratan Kumar Biswas, one of the Directors (Public Director) of the Company, has expressed his intention to buy 54,112 shares at prevailing market price (In the Block Market) through Stock Exchange within April 30, 2015.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ABB1STMF 6.00 5.50 0.50 9.09
BRACSCBOND 1200.00 1130.00 70.00 6.19
PRIMETEX 17.50 16.50 1.00 6.06
MODERNDYE 79.00 74.50 4.50 6.04
NCCBANK 10.90 10.30 0.60 5.83
EASTLAND 27.00 25.70 1.30 5.06
EBLNRBMF 4.30 4.10 0.20 4.88
RUPALIBANK 43.00 41.00 2.00 4.88
PHARMAID 313.90 300.40 13.50 4.49
FUWANGFOOD 21.40 20.60 0.80 3.88

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297