Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ACIFORMULA 157.3 103 54.30 52.72
DELTALIFE 167.1 129.9 37.20 28.64
MJLBD 138.4 111 27.40 24.68
LAFSURCEML 138.9 115.3 23.60 20.47
SAFKOSPINN 31 25.8 5.20 20.16
NAVANACNG 64.7 54.7 10.00 18.28
ACI 420.4 357.1 63.30 17.73
BXPHARMA 62.9 53.5 9.40 17.57
APEXSPINN 77.2 67.1 10.10 15.05
BSRMSTEEL 106.9 93.1 13.80 14.82

Contest SB2014_Sep

1st
blank_person
XMAN
2nd
blank_person
FERDOUSFIN
3rd
blank_person
SHOOHAN1
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BSRMSTEEL 106.9 99.8 4.44809 5268500.00
GP 345.7 344.2 3.71275 578800.00
BXPHARMA 62.9 57.6 3.57374 9140850.00
DELTALIFE 167.1 152.5 3.31187 1496450.00
BEXIMCO 43.4 41 2.64407 10586700.00
Negative impact
MARICO 1196.1 1223.1 -1.55901 4500.00
RENATA 971 982 -0.88978 54350.00
MPETROLEUM 267 271.7 -0.84756 200000.00
POWERGRID 44.6 45.6 -0.84488 165000.00
DESCO 55.5 56.7 -0.75716 283500.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BXPHARMA 62.9 63.3 57.8 9.20% 560.50
BSRMSTEEL 106.9 108 98.7 7.11% 545.76
MJLBD 138.4 139.9 128.2 7.87% 455.23
BEXIMCO 43.4 43.7 41.3 5.85% 451.83
LAFSURCEML 138.9 139.9 130.6 6.60% 341.32
DELTALIFE 167.1 167.7 152 9.57% 242.30
ACI 420.4 424 393.5 7.60% 220.79
ACIFORMULA 157.3 157.3 144 10.00% 201.26
GP 345.7 349 341.3 0.44% 198.97
IDLC 66.4 67 64.5 1.07% 193.68

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 16 Sep 2014

151960
TOTAL TRADE
170.2673
TOTAL VOLUME(Mn)
8362.25
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের রাইট প্রস্তাব নাকচ
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের রাইট শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন দেয়নি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ব্যাংকটি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (রাইট ইস্যু) রুল ৩ (এফ) পরিপালনে ব্যর্থ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। ব্যাংকটি বাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ আর : ২ হারে রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব করেছিল। অর্থাৎ দুটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে শেয়ারহোল্ডাররা একটি করে রাইট শেয়ার কিনতে পারতেন। এর আগে ১২ টাকায় রাইট শেয়ার ইস্যু করার কথা থাকলেও তা পরবর্তীতে ২ টাকা প্রিমিয়াম কমিয়ে ১০ টাকা করা হয়। তবে সিদ্ধান্তটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির অনুমোদনের প্রায়োজন ছিল। এখন বিএসইসি অনুমোদন না দেওয়ায় ব্যাংকটি আর রাইট শেয়ার ছাড়তে পারবে না।
  • রেজিটেন্স লাইন ব্রেকআউট করে স্ট্রংআপ ট্রেন্ড
    মোঃ আশফাতুল আলমঃ  আজ মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসইএক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে থেকেই ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতা দেখা যায় এবং দিনভর ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতাই লক্ষ্য করা যায় এবং দিনশেষে পুনরায় ক্রয়চাপ বৃদ্ধির ফলে ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতাই লেনদেন শেষ হয়ে সূচক ৪৯.৪৮ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। ডি.এস.ই এক্স ইনডেক্সে আজ স্ট্রং বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক  লক্ষ্য করা যাচ্ছে।স্ট্রং বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক দ্বারা সাধারণত বাজারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতা প্রকাশ পেয়ে থাকে। পূর্বের আশা অনুযায়ী ডিএসইএক্স ইনডেক্স রেজিটেন্স লাইন ব্রেকআউট করে স্ট্রংআপ ট্রেন্ড নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।ডেইলি আনালিসিস অনুযায়ী ক্যান্ডেলস্টিক স্ট্রং বুলিশ এবং সাপ্তাহিক আনালিসিসে স্ট্রং বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক লক্ষ কারা যাচ্ছে। সুতারং মার্কেট আশা কারা যাচ্ছে ক্রমাগত ভালই হচ্ছে। পূর্বের রেজিটেন্স লাইনকে ব্রেকআউট এর মাধ্যমে রেজিটেন্স লাইনের উপরে অবস্থান করছে ইনডেক্স। এখন পরবর্তী রেজিটেন্সকে লক্ষ করে ছুটে চলছে ইনডেক্স। পরবর্তী রেজিটেন্স ৪৮৮৪ পয়েন্ট অবস্থান করছে। ডিএসই এক্স ইনডেক্স  আজ ৪৯.৪৮ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে  ৪৭৫৯.৩৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ১.০৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪২০৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৭৪.৬৬ এবং আর.এস.আই এর মান ছিল  ৭৬.৪৫ অর্থাৎ আর.এস.আই ও এম.এফ.আই এর মান এখন বুলিশ জোনের উপরে অবস্থান করছে। এম.এ.সি.ডি লাইনটি এবং সিগনাল লাইনটি এখন এর মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের থেকে উপরে অবস্থান করছে। আজ এম.এ.সি.ডি লাইনের মান ছিল ৫৭.১৪ এবং সিগনাল লাইনের মান ছিল ৪৭.৭৩ এবং এম.এ.সি.ডি লাইনটি সিগনাল লাইনের উপরে অবস্থান করছে। ক্যান্ডেলস্টিক বলিঞ্জার ব্যান্ডের উপরের ব্যান্ডের কাছাকাছি আবস্থান করছে এবং উপরের দিকে উঠার চেষ্টা করছে। ১০ দিনের এস.এম.এ এখন ২৫ দিনের এস.এম.এ এর উপরে অবস্থান করছে। আজ ডিএসইতে ১৭ কোটি ০২ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৮৩৬.২২ কোটি টাকা। গতকালের তুলনায় আজ ডিএসইতে লেনদেন ১৬৭ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০১ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৪ টির, কমেছে ১৩৭ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল  ৫০ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
  • সিভিও-বিপিসি চুক্তি, জ্বালানী কিনবে বিপিসি
    স্টাফ রিপোর্টার :  বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সিভিও ৩০ হাজার টন পেট্রোল ও ডিজেল কিনবে পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে । এ জন্য উভয় পক্ষের মধ্যে সোমবার বিপিসির বোর্ড রুমে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিতে বিপিসির পক্ষে স্বাক্ষর করেন কোম্পানির সচিব দীপক চক্রবর্তী এবং সিভিওর পক্ষে কোম্পানির চেয়ারম্যান শামসুল আলম শামীম।বিপিসির চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান বলেন, দেশে বছরে পেট্রোল ও জ্বালানি তেলের চাহিদা ৫২ লাখ থেকে ৫৪ লাখ টন। সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ৩০ হাজার টন পেট্রোল ও ডিজেল কেনার চুক্তি হচ্ছে। তাদের কাছে থেকে ৮৫ টাকা লিটারে পেট্রোল কেনা হবে। সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেডের চেয়ারম্যান শামসুল আলম শামীম বলেন, আমাদের কোম্পানির অর্ধেক মালিকানা সাধারণ জনগণ (শেয়ারহোল্ডার)। গুণগতমানের দিকে আমরা সবসময় গুরুত্ব দিয়ে থাকি। জানা গেছে, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল প্রতিবছর ৫০ হাজার এবং প্রতিদিন ১৫০ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন কনডেনসেট (গ্যাস ফিল্ডের নির্গত তরল) ফ্লাকশনেশন প্ল্যান্ট স্থাপন করে গত বছরের নভেম্বর মাসে। উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত চিটাগাং ভেজিটেবল অয়েল (সিভিও) ২০১০ সালে সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেডে রূপান্তরিত হয়। এর আগে চিটাগাং ভেজিটেবল অয়েল ফুলকপি সয়াবিন তেল, গোল্ড কাপ ঘিসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করত।
  • বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাচ্ছে গোল্ডেন হার্ভেস্ট আইসক্রিম
    ডেস্ক রিপোর্ট : বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাচ্ছে গোল্ডেন হার্ভেস্টের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান গোল্ডেন হার্ভেস্ট আইসক্রিম লিমিটেড। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার থেকে কোম্পানিটি বাণিজ্যিকভাবে আইসক্রিম উৎপাদন করবে বলে জানানো হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের গোল্ডেন হার্ভেস্ট ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর পরিশোধিত মূলধন ৮১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। বর্তমানে গোল্ডেন হার্ভেস্টের শেয়ার ৩৪ টাকায় লেনদেন হচ্ছে। এ শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ২১.৩৪।
  • ইস্টার্ন হাউজিংয়ের সভা ২১ রোববার
    স্টাফ রিপোর্টার : ইস্টার্ন হাউজিং পরিচালনা পর্ষদের সভা আগামী ২১ সেপ্টেম্বর, রোববার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে কোম্পানির ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত বছরের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। একই সাথে বৈঠকে আসতে পারে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ। কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সমাপ্ত বছরে কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের সাড়ে ২২ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ছিল। একই বছর শেষে শেয়ার প্রতি আয় দাঁড়িয়েছিল ৩ টাকা  ১৬ পয়সা। ইস্টার্ন হাউজিং ১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির বর্তমান মূল্য আয় অনুপাত রয়েছে ১৮ দশমিক ১ পয়েন্ট ।
  • ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের সভা বৃহস্পতিবার
    ডেস্ক রিপোর্ট :  ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের পরিচালনা পর্ষদের আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে কোম্পানির ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত বছরের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। একই সাথে বৈঠকে আসতে পারে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ। ২০১৩ সমাপ্ত বছরে কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদেরকে ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। একই বছর শেষে শেয়ার প্রতি আয় দাঁড়িয়েছিল ১ টাকা  ১০ পয়সা। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ২০১০  সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির বর্তমান মূল্য আয় অনুপাত রয়েছে ১৫ দশমিক ৫২ পয়েন্ট ।
  • কাশেম ড্রাইসেলসের পর্ষদ সভা ২৫ সেপ্টেম্বর
       ডেস্ক রিপোর্ট : প্রকৌশল খাতের কাশেম ড্রাইসেলসের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকের দিন ঘোষণা করা হয়েছে।  আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এই বৈঠক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। বৈঠকে কোম্পানির ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত বছরের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। একই সাথে বৈঠকে আসতে পারে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ। ২০১৩ সমাপ্ত বছরে কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদেরকে ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। একই বছর শেষে শেয়ার প্রতি আয় দাঁড়িয়েছিল ১ টাকা  ১৭ পয়সা। কাশেম ড্রাইসেল ১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির বর্তমান মূল্য আয় অনুপাত রয়েছে ২০ দশমিক ৮২ পয়েন্ট ।
  • বিটকয়েন নিষিদ্ধ করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
    স্টাফ রিপোর্টার :  বিটকয়েন কোনো দেশের ইস্যুকৃত বৈধ মুদ্রা না হওয়ায় বাংলাদেশে এর বিনিময় বা লেনদেন বন্ধ করল বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- বিটকয়েন বা বিটকয়েনের ন্যায় বা অন্য কোনো কৃত্রিম মুদ্রায় লেনদেন বাংলাদেশ ব্যাংক বা বাংলাদেশ সরকারের কোনো সংস্থা দ্বারা স্বীকৃত নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক/অন্য কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন বহির্ভূত এসব লেনদেন বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আর্থিক ও আইনগত ঝুঁকি এড়ানোর লক্ষ্যে বিটকয়েনের ন্যায় কৃত্রিম মুদ্রায় লেনদেন বা এসব লেনদেনে সহায়তা প্রদান ও এর প্রচার হতে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ করা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, বিটকয়েন হল অনলাইন ভিত্তিক কৃত্রিম মুদ্রা। আউটসোর্সিং এর কাজে অনলাইনে এ মুদ্রার একটি বিনিময় প্লাটফর্মে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিটকয়েন অনলাইনে আলোচিত হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে বিষয়টি ধরা পরে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগ অনুসন্ধান চালায়। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে, বিটকয়েনকে কোন দেশই মুদ্রা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়নি।
  • শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার দর বাড়তে কারসাজি নেই
    স্টাফ রিপোর্টার : শাহজিবাজার পাওয়ারের দর অস্বাভাবিকহারে বাড়ার পেছনে কারসাজি পায়নি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) ০.৭১ টাকা বেড়ে যাওয়ার কারণে শেয়ারটির চাহিদা বেড়েছে। যা দর বাড়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) তদন্ত কমিটি। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার দর ৯৫.৬২ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ের মধ্যে শেয়ারটির শীর্ষ ক্রেতাদের তালিকায় রয়েছেন শাহেদ সিকিউরিটিজের আলেয়া বেগম (ক্লায়েন্ট কোড ১৮০)। তিনি ৬ লাখ ৫০ হাজার ২০০ শেয়ার কিনে প্রথম অবস্থানে রয়েছেন। এ ছাড়া শার্প সিকিউরিটিজের মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া (ক্লায়েন্ট কোড ১২১৬) ৫ লাখ ৮৪ হাজার ২০০ শেয়ার কিনে দ্বিতীয় অবস্থানে, শাহেদ সিকিউরিটিজের আলী আকবর (ক্লায়েন্ট কোড ১৮৮) ৪ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার কিনে তৃতীয় অবস্থানে, প্রাইম ইসলামী সিকিউরিটিজের গেটকো টেলিকমিউনিকেশন (ক্লায়েন্ট কোড ৩২৫) ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪০০ শেয়ার কিনে চতুর্থ অবস্থানে।আরো রয়েছে- এআইবিএল ক্যাপিটাল মার্কেট সার্ভিসেসের গোলাম মোস্তফা (ক্লায়েন্ট কোড ৬৬৬) ২ লাখ ৮৩ হাজার শেয়ার কিনে পঞ্চম অবস্থানে, পপুলার ইক্যুইটিস লিমিটেডের মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া ও নার্গিস আক্তার (ক্লায়েন্ট কোড ১২৩১) ২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার কিনে ষষ্ঠ অবস্থানে, সিটি ব্রোকারেজের মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক (ক্লায়েন্ট কোড এম৩৪৪) ২ লাখ ৩৬ হাজার ৪০০ শেয়ার কিনে সপ্তম অবস্থানে, শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেডের হাবিবুর রহমান (ক্লায়েন্ট কোড এস০০১) ২ লাখ ১৭ হাজার ৬০০ শেয়ার কিনে অষ্টম অবস্থানে, আইএফআইসি সিকিউরিটিজের ইয়াকুব আলী খন্দকার (ক্লায়েন্ট কোড ২৭৭২) ২ লাখ ১০ হাজার শেয়ার কিনে নবম অবস্থানে ও মণ্ডল সিকিউরিটিজের মণ্ডল ফেব্রিক্স লিমিটেড (ক্লায়েন্ট কোড ২৪০) ২ লাখ ৪০০ শেয়ার কিনে দশম অবস্থানে রয়েছেন। শীর্ষ বিক্রেতার তালিকায় রয়েছেন শাহেদ সিকিউরিটিজের আলেয়া বেগম (ক্লায়েন্ট কোড ১৮০)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ৫ লাখ ৫ হাজার ২০০ শেয়ার বিক্রি করে প্রথম অবস্থানে রয়েছেন। শার্প সিকিউরিটিজের মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া (ক্লায়েন্ট কোড ১২১৬) ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৮০০ শেয়ার বিক্রি করে দ্বিতীয় অবস্থানে, শাহেদ সিকিউরিটিজের আলী আকবর (ক্লায়েন্ট কোড ১৮৮) ৩ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার বিক্রি করে তৃতীয় অবস্থানে, রেমন্স ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড সিকিউরিটিজের দেলোয়ার হোসেন (ক্লায়েন্ট কোড ১১৭২) ২ লাখ ৩২ হাজার শেয়ার বিক্রি করে চতুর্থ অবস্থানে, মণ্ডল সিকিউরিটিজের মণ্ডল ফেব্রিক্স লিমিটেড (ক্লায়েন্ট কোড ২৪০) ২ লাখ ৪০০ শেয়ার বিক্রি করে পঞ্চম অবস্থানে। তালিকায় রয়েছে- আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের বাংলাদেশ ফান্ড (ক্লায়েন্ট কোড বিডিএফ) ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮০০ শেয়ার বিক্রি করে ষষ্ঠ অবস্থানে, এআরসি সিকিউরিটিজের সুজন আহমেদ খান (ক্লায়েন্ট কোড এম২) ১ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার বিক্রি করে সপ্তম অবস্থানে, পপুলার ইক্যুইটিস লিমিটেডের মোজাম্মেল হক ও নার্গিস আক্তার (ক্লায়েন্ট কোড ১২৩১) ১ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার বিক্রি করে সপ্তম অবস্থানে, শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেডের হাবিবুর রহমান (ক্লায়েন্ট কোড এস০০১) ১ লাখ ৩৯ হাজার ২০০ শেয়ার বিক্রি করে অষ্টম অবস্থানে ও পিএফআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড ড. এম. আমজাদ হোসেন ফকির (ক্লায়েন্ট কোড ১৬০৮) ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬০০ শেয়ার বিক্রি করে নবম অবস্থানে রয়েছেন। এ সব ক্লায়েন্ট কোডের একে অপরের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা পায়নি বিএসইসি। তবে শার্প সিকিউরিটিজ লিমিটেডের পরিচালক হওয়া সত্ত্বেও শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার কিনতে মোজাম্মেল হক ভূঁইয়াকে অনৈতিক ঋণ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সিকিউরিটিজ আইনানুসারে, ব্রোকারেজ হাউজের কোনো পরিচালক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ সুবিধা নিতে পারেন না। কিন্তু গত ১৫ জুলাই ৫ লাখ ২০০টি শেয়ার কিনতে তাকে ঋণ সুবিধা দিয়েছে শার্প সিকিউরিটিজ। ফলে বিএসইসির ২০১০ সালের ২২ জুলাইয়ের নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ দিকে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত শাহজিবাজার পাওয়ারের উদ্যোক্তা বা পরিচালকরা কোনো ধরনের শেয়ার লেনদেন করেনি বলে বিএসইসির তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। এ ছাড়া গত ১৫ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত কোম্পানিটির অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোরও কোনো ধরনের শেয়ার কেনা-বেচার ঘোষণা পায়নি বিএসইসি। শাহজিবাজার পাওয়ারের কর্মকর্তাদের ধারণ করা শেয়ার লেনদেনের তথ্য পর্যবেক্ষণ করেছে বিএসইসির গঠিত তদন্ত কমিটি। গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তাদের ধারণ করা শেয়ার অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) গঠিত তদন্ত কমিটি শাজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে বিএসইসিকে জানিয়েছে, তদন্ত কার্যক্রম চলাকালীন কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেনে সক্রিয় ছিলেন বৃহৎ সংখ্যক বিনিয়োগকারী। তাদের শেয়ার লেনদেনে কোনো ধরনের কারসাজি পরিলক্ষিত হয়নি। তবে ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষত প্রতিবেদনে ইপিএস বেশি আসার কারণে শেয়ারটির চাহিদা বেড়েছে। যা দর বাড়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি গত ৮ জুলাই শাহজিবাজার পাওয়ারকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয় ডিএসই। পরবর্তী সময়ে ১৫ জুলাই সেকেন্ডারি মার্কেটে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন চালু করে। ডিএসইতে তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটির জনসম্মুখে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটেনি। একইভাবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছে, আলোচ্য সময়ে সিএসইর শীর্ষ ১০ ট্রেকহোল্ডার শাহজিবাজারের শেয়ার লেনদেন করেছে, যা ওই সময়ের মোট লেনদেনের ৫২ শতাংশের বেশি। ওই সময় শেয়ারটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের চাহিদা লক্ষ্য করা গেছে। অপরদিকে ওই সময়ের মধ্যেই তারা ২৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। শীর্ষ ক্রেতাদের লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে কোনো আন্তঃসংযোগ নেই। এ ছাড়া শাহজিবাজার নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো গুজবভিত্তিক লেনদেন পরিলক্ষিত হয়নি। প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুলাই সেকেন্ডারি মার্কেটে শাহজিবাজার পাওয়ারের লেনদেন চালু হয়। ওই সময় থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারের দর ৩৬.৫০ টাকা থেকে ৫৮.৭০ টাকায় উন্নীত হয়। এ সময়ের মধ্যে শেয়ারটির দর প্রায় ৭০ শতাংশ বেড়েছে। পরবর্তী সময়ে ৫ আগস্ট পর্যন্ত শেয়ারটির দর প্রায় ৯৬ শতাংশ বাড়ে। কোনো কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিক হারে শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছিল না। যা অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় গত ৩ আগস্ট শেয়ার দর বাড়ার কারণ অনুসন্ধানে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করে বিএসইসি। গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন, উপ-পরিচালক মো. ইউসুফ ভূঁইয়া ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রকিবুর রহমান। এদিকে দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে ১১ আগস্ট শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে ডিএসইকে জানায় শাহজিবাবার পাওয়ার কর্তৃপক্ষ। ওই দিনই তদন্তের স্বার্থে এ শেয়ারের লেনদেন বন্ধ করে দেয় ডিএসই। পরবর্তী সময়ে সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করে ২৫ অক্টোবর কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করে। তবে এখন পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে বিএসইসির দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বলেন, তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করেছে। কমিশন বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। তদন্ত কার্যক্রম এখনও প্রক্রিয়াধীন থাকায় কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন স্থগিত রেখেছে ডিএসই। তৃতীয় প্রান্তিকে শাহজিবাজার পাওয়ারের ইপিএস দাঁড়ায় ১.৫০ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.৭৯ টাকা।
  • সেন্ট্রাল ফার্মার লভ্যাংশ ও রাইট ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজার তালিকাভুক্ত সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ বোনাস এবং ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। একই সাথে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ রাইট শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি ৫:২ হারে অর্থাৎ ৫টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে  ২টি করে রাইট শেয়ার ছাড়বে। কোম্পানিটি ১০০ কোটি টাকা থেকে ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বাড়াবে অনুমোদিত মূলধন। মঙ্গলবার ডিএই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি রাইট ইস্যুর মাধ্যমে সংগ্রীহিত অর্থ ঋণ পরিশোধ এবং ব্যবসার পরিধি বড় করার কাজে ব্যয় করবে। কোম্পানিটি সমাপ্ত বছরে করপরবর্তী মুনাফা করেছে ১৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। শেয়ার প্রতি আয় করেছে ২ টাকা ১৪ পয়সা। এবং শেয়ার প্রতি এনএভি ২০ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ১ টাকা ৬২ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি এনএভি ছিল ১২ টাকা ২৪ পয়সা। শেয়ারহোল্ডার বাছাইয়ের জন্য আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে আগামী ২৩ অক্টোবর সফিপুর, গাজীপুরে সকাল ১০টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। শেষ হওয়া অর্থবছরে সেন্ট্রাল ফার্মার প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ২.১৪ টাকা এবং প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ২০ টাকা। বুধবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ লভ্যাংশ ও রাইট অনুমোদন করা হয়। সভায় সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী অনুমোদন করে পর্ষদ। আগামী ২৩ অক্টোবর কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ সেপ্টেম্বর। আলোচিত বছর কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছ ২ টাকা ১৪ পয়সা।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • তালিকাভুক্ত কোম্পানির ওয়েবসাইট নজরদারিতে আনবে সিএসই
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির ওয়েবসাইট নজরদারিতে আনা হবে। বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ বাড়াতে এটি করা হবে।   সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাজিদ হোসেন এ কথা বলেন। গতকাল রাজধানীতে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত নিয়মিত মতবিনিময় সভা ‘মিডিয়া মিট’-এ উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে সিএসইর বর্তমান ও ভবিষ্যত্ কার্যক্রম সম্পর্কে কথা বলেন তিনি।   সৈয়দ সাজিদ হোসেন বলেন, ‘অনেক তালিকাভুক্ত কোম্পানি রয়েছে, যাদের ওয়েবসাইটে কোনো তথ্য নেই। কিন্তু আইন অনুযায়ী তথ্য থাকতে হবে। ওয়েবসাইটে হালনাগাদ তথ্য থাকা জরুরি। কারণ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে কে আছেন, পরিচালনা পর্ষদে কারা আছেন, তারা কতটুকু দক্ষ— এসব তথ্য দেখে, যাচাই করে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করা উচিত। এজন্য তালিকাভুক্ত কোম্পানির ওয়েবসাইট হালনাগাদ থাকতে হবে।তালিকাভুক্ত কোম্পানির ওয়েবসাইট হালনাগাদ আছে কিনা— তা যাচাই করে বিএসইসিকে জানানোর দায়িত্ব দুই স্টক এক্সচেঞ্জের বলে মনে করে সিএসই। সৈয়দ সাজিদ হোসেন বলেন, কোম্পানির ওয়েবসাইট-সংক্রান্ত বিষয়ে তেমন নজরদারি করা হতো না। তবে এখন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। একই সঙ্গে সিএসইর ওয়েবসাইটকে আরো তথ্যবহুল করা হবে বলে জানান তিনি।    সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সহযোগিতায় শেয়ারবাজার উন্নয়নে সিএসই যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা খুব দ্রুত বাস্তবায়িত হবে। বিন্যস্তকরণ-পরবর্তী স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পর থেকে শেয়ারবাজার উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে ও ভবিষ্যতেও করে যাবে।   সৈয়দ সাজিদ হোসেন বলেন, কোম্পানির কার্যক্রম ও মৌলভিত্তি বিচার করে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করা উচিত। ২০১০ সালে ধসের পর বর্তমানে দেশের শেয়ারবাজার স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।   শেয়ারবাজার সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বাড়াতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান সাজিদ হোসেন। সরকারের একার পৃষ্ঠপোষকতায় বিআইসিএমের কাজ করা কষ্টসাধ্য। এক্ষেত্রে সিএসইর পক্ষ থেকে বিআইসিএম চট্টগ্রাম চ্যাপ্টার অথবা পাবলিক, প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। ‘ইনভেস্টর অ্যাওয়ারনেসের’ জন্য বাংলাদেশ ইনস্টিটিউশন অব ক্যাপিটাল মার্কেটকে (বিআইসিএম) কার্যকর করতে সরকারের পক্ষ থেকে সিএসইর কাছে সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।   সিএসই শিগগিরই নতুন তিনটি সূচক চালু করতে যাচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। সূচক তিনটি হলো— শরিয়াহ ইনডেক্স, আইপিও ইনডেক্স ও বেঞ্চমার্ক ইনডেক্স। এজন্য সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ভারতের ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের একটি দল বিএসইসকে একটি প্রেজেনটেশন করবে। বিএসইসির অনুমতিক্রমে যত দ্রুত সম্ভব, তা চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে সিএসইর সব রকম প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়।২০১৫ সালের মধ্যে ক্লিয়ারিং করপোরেশন ও ২০১৭ সালে ‘ইডেক্স ডেরিভেটিভস’ চালু করা হবে বলে জানিয়েছে সিএসই। সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বিনিয়োগকারীদের কাছে মিউচুয়াল ফান্ড বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু আমাদের দেশে তার ব্যতিক্রম। এক্ষেত্রে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলোর এসব বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন কার্যক্রম চালু করা উচিত।   বিদেশী কৌশলগত বিনিয়োগকারী প্রসঙ্গে সাজিদ বলেন, অনেক ভাবেই কৌশলগত বিনিয়োগকারী আসতে পারে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে নেবে সিএসই। এতে সিএসই ও কৌশলগত বিনিয়োগকারী উভয়ই উপকৃত হবেন এবং শেয়ারবাজার সমৃদ্ধ হবে।     Source : বণিক বার্তা
  • রাইট শেয়ার ছাড়বে মোজাফফর হুসাইন স্পিনিং মিলস
      বস্ত্র খাতের কোম্পানি মোজাফফর হুসাইন স্পিনিং মিলস লিমিটেড রাইট শেয়ার ছাড়বে। কোম্পানিটির মূলধন বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।   বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমতি পেলে রাইট শেয়ার ছাড়বে কোম্পানিটি। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া হিসাব বছরের জন্য ঘোষিত ২৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে নিয়ে রাইট শেয়ার ছাড়া হবে। প্রতি দুটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগকারীদের তিনটি রাইট শেয়ার দেয়া হবে।    প্রতিটি রাইট শেয়ারের মূল্য ১০ টাকা। রাইট শেয়ার থেকে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি বিদ্যমান রোটর প্রজেক্টে একটি রিং প্রজেক্ট স্থাপন করবে। এছাড়া কোম্পানি কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি থেকে ৩০০ কোটিতে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টায় ঠাকুরবাড়ী টেক, মাসুমাবাদ ভুলতা রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এজন্য রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে ২৫ সেপ্টেম্বর। বিএসইসির অনুমোদনের পর রাইট শেয়ারসংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।   এদিকে ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ১০ পয়সা। দিনভর দর ৩০ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৩২ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৩০ টাকা ৬০ পয়সায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ৩০ টাকা ৩০ পয়সায়। এদিন ৬৭৫ বারে এ কোম্পানির মোট ৮ লাখ ১৮ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ৩০ টাকা ৩০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৩৪ টাকা ৮০ পয়সা।   ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি ২৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে। ৩০ অক্টোবর কোম্পানির কারখানা প্রাঙ্গণে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৪ সালে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৬২ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৮ টাকা ২৩ পয়সা। ২৫ সেপ্টেম্বর এ কোম্পানির শেয়ারের রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে।     ২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৬২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। বাজারে মোট শেয়ার ৬ কোটি ২৪ লাখ ৭৫ হাজার; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৩৯ দশমিক ৬১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২০ দশমিক ৭৮ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৩৯ দশমিক ৬২ শতাংশ। এর প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও ৫০০টিতে মার্কেট লট।     Source : বণিক বার্তা
  • নয় দিনের ছুটিতে শেয়ারবাজার
    সাপ্তাহিক এবং ঈদের ছুটি নিয়ে মোট নয় দিনের জন্য বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজার। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেন এবং দাফতরিক কার্যক্রম আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে। উভয় বাজারের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।   তথ্যমতে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুই পুঁজিবাজারে লেনদেন এবং দাফতরিক কার্যক্রম আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া ১০ ও ১১ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি হওয়ায় এই দুইদিনও বন্ধ থাকবে।আগামী ১২ অক্টোবর থেকে লেনদেন এবং দাফতরিক কার্যক্রম যথারীতি শুরু হবে।       Source : আর্থনীতি প্রতিদিন 
  • সেন্ট্রাল ফার্মার লভ্যাংশ ও রাইট ঘোষণা
      পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। গতকাল সোমবার কোম্পানির পরিচালনা পরিষদের সভায় ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ৫ শতাংশ নগদ। কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   একই সঙ্গে কোম্পানির পরিচালনা পরিষদ রাইট শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানির ৫:২ হারে অর্থাৎ দুটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে পাঁচটি করে রাইট শেয়ারের জন্য আবেদন করা যাবে।   বুধবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পরিষদের সভায় এ লভ্যাংশ ও রাইট অনুমোদন করা হয়। সভায় সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী অনুমোদন করে।   আলোচিত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা ১৪ পয়সা।   শেয়ারহোল্ডার বাছাইয়ের জন্য আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে আগামী ২৩ অক্টোবর সফিপুর, গাজীপুরে সকাল ১০টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে।         Source : আর্থনীতি প্রতিদিন 
  • সায়হাম কটনের স্পট মার্কেটে লেনদেন আজ
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্রখাতের সায়হাম কটন মিলস লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন আজ সোমবার থেকে স্পট মার্কেটে হবে। বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) রেকর্ড ডেটের আগে কোম্পানিটির লেনদেন আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ মার্কেটে চলবে। স্পট মার্কেটে কোম্পানিটির শেয়ার ব্লক ও অডলটে লেনদেন করা যাবে। রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ এপ্রিল, ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে তাদের বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার সুপারিশ করেছে।আগামী ২৩ অক্টোবর কোম্পানির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • এ্যাপেক্স স্পিনিং ও রহিম টেক্সটাইলের দর বাড়ার কারণ নেই
    বস্ত্র খাতের এ্যাপেক্স স্পিনিং মিলস ও রহিম টেক্সটাইলের শেয়ার দর বাড়ার কোন কারণ নেই। এর আগে এ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চাইলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এমনটাই জানায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই)। জানা যায়, শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই নোটিস পাঠায়। জবাবে কোম্পানিটি জানায়, কোন রকম মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারটির দর বাড়ছে।বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ৪ কার্যদিবস ধরে শেয়ারটির দর বেড়েছে। এ সময়ে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৬৭ টাকা থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ এ সময়ে শেয়ারটির দর বেড়েছে ১৩ টাকা বা ১৯ শতাংশ। আর শেয়ারটির এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন ডিএসই কর্তৃপক্ষ। গত ৫২ সপ্তাহে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৬১ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১১১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত। রবিবার শেয়ারটি সর্বশেষ ৮২ টাকায় লেনদেন হয়েছে।উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির পিই রেশিও রয়েছে ৩৩ দশমিক ১৩।সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিকহারে শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে রহিম টেক্সটাইল। দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) এ জবাব দিয়েছে কোম্পানিটি।   Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • আট মাসে সূচক ও লেনদেনে সর্বোচ্চ রেকর্ড
     পুঁজিবাজারে সূচকের উর্ধগতি অব্যাহত রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি পর্যায়ের বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার কারণে গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছছে প্রধান বাজার ঢাকা স্টক একচেঞ্জের সার্বিক সূচক। একইসঙ্গে বেশিরভাগ কোম্পানির দর কমলেও ডিএসইতে গত আট মাসের সর্বোচ্চ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। দিনটিতে বড় মূলধনী কিছু কোম্পানির দর বাড়তে থাকার কারণে সূচকে ইতিবাচক প্রবণতা বজায় ছিল। দ্বিতীয় দিনের মতো সিমেন্ট খাতটির সবকটি শেয়ারেরই দর বেড়েছে। একইভাবে জ্বালানি এবং শক্তি খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানিগুলোর চাহিদা বেশি ছিল। ঢাকার মতো দেশের অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জেও সব ধরনের সূচক ও লেনদেন বেড়েছে।বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪৭১৩ পয়েন্টে। ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি ডিএসই’র নতুন সার্বিক সূচক চালুর পর চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি সর্বপ্রথম ৪৭ শ’ পয়েন্টের মাইলফলক স্পর্শ করে। বৃহস্পতিবার ডিএসইর সার্বিক সূচকের অবস্থান করে ৪ হাজার ৬৭৫ পয়েন্টে। ওইদিন লেনদেন হয় ৬৮৫ কোটি ৬৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সেই হিসেবে রবিবার লেনদেন বেড়েছে ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বা ২২.২৪ শতাংশ। রবিবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩০১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২৫টির, কমেছে ১৪৭টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির।রবিবার ডিএসইর টপ-২০ তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলোর মোট ৪৩৬ কোটি ১১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ডিএসই’র মোট লেনদেনের ৫২.০৩ শতাংশ। দিন সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে এমজেএল বিডির। দিনভর এ কোম্পানির ৫৮ লাখ ৮৯ হাজার ৯০০টি শেয়ার ৭৬ কোটি ৩৭ লাখ ১ হাজার ৯০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। এ ছাড়া বিএসআরএম স্টিলসের ৪৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের ৩১ কোটি ২৫ লাখ টাকা, এসিআই লিমিটেডের ৩০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, বেক্সিমকো লিমিটেডের ২৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, ডেল্টা লাইফের ২১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, গ্রামীণফোনের ২১ কোটি ১৮ লাখ টাকা, আমরা টেকনোলজিসের ২১ কোটি ৭ লাখ, সিঙ্গারবিডির ১৯ কোটি ১৪ লাখ এবং হাইডেলবার্গ সিমেন্টের ১৮ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ডেলটা লাইফ, পপুলার লাইফ, সন্ধানী ইন্সু্যুরেন্স, রূপালী লাইফ, নাভানা সিএনজি, পদ্মা লাইফ, সাফকো স্পিনিং, মবিল যমুনা বিডি, এ্যাপেক্স স্পিনিং ও লিন্ডে বিডি।জুনে আর্থিক বছর শেষ হওয়া কোম্পানিগুলোর তুলনামূলক ভালো লভ্যাংশ ঘোষণা এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কমে যাওয়ার কারণে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধীরে ধীরে বাড়ছে। এছাড়া আমানতের সুদ হার কমে আসতে থাকায় অনেক অলস টাকা পুঁজিবাজারে ঢুকছে। এসব কারণেই মূলত সূচক ও লেনদেন বাড়ছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ এ হাফিজের মতে, দীর্ঘসময় বাজার নিম্নমুখী রয়েছে। তাই এ ধরনের অবস্থান কেটে ওঠার চেষ্টা করছেন অনেকে। এছাড়া অনেক বিনিয়োগকারীর পোর্টফলিও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো সচল করতে পেরেছে। পুনর্অর্থায়ন তহবিলের সহায়তা পাওয়ায় অনেক পোর্টফলিও সচল হয়েছে। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর নিজস্ব পোর্টফলিওগুলো অনেকটা বিনিয়োগ সক্ষম হয়েছে। ফলে সবদিক থেকে বিনিয়োগ কিছুটা বেড়েছে।দিনশেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ৫১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৮৮০৯ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২২৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৮৭টির, কমেছে ১২৫টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার পরিমাণে মোট লেনদেন হয়েছে ৫২ কোটি ৪১ লাখ টাকা। বৃহস্পতিবার সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৪০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। সে হিসেবে রবিবার সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১১ কোটি ৫২ লাখ টাকা।সিএসই’র লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো : লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, বেক্সিমকো, মবিল যমুনা বিডি, বিএসআরএম স্টিল, সিঙ্গার বিডি, ডেল্টা লাইফ, সুহৃদ ইন্ড্রাস্টিজ, আফতাব অটোস, এসিআই ও আমরা টেকনোলজিস।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • সবচেয়ে বেশি বেড়েছে পপুলার লাইফের দর
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল সবচেয়ে বেশি বেড়েছে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর। এদিন এর লেনদেনও বাড়ে। মূলত শেয়ারটির দর গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ সৃষ্টি করছে। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে এ শেয়ারের দর বাড়ে ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ বা ১৫ টাকা ১০ পয়সা। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৬৬ টাকা ৫০ পয়সায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ১৬৬ টাকা ৩০ পয়সায়। এদিন ৪০ বারে কোম্পানিটির মোট ২৫ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ১৩৭ টাকা ৮০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৬৯ টাকা ৮০ পয়সা। জানা গেছে, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) অনুমোদন না থাকায় লভ্যাংশ দিতে পারছে না কোম্পানিটি। ব্যবস্থাপনা বাবদ মাত্রাতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়েছে কোম্পানিটি, যা খতিয়ে দেখছে আইডিআরএ। তাই এ কোম্পানির অ্যাকচুরিয়াল ভ্যালুয়েশনের বেসিস অনুমোদন দিচ্ছে না নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। ফলে কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেয়া নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। এদিকে অ্যাকচুরিয়াল ভ্যালুয়েশনের বেসিস অনুমোদন না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি এ কোম্পানি। এতে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন হয়েছে। সর্বশেষ ২০১২ সালে ৩২ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয় এ কোম্পানি। ২০১১ সালে দিয়েছিল ৪০ শতাংশ এবং ২০১০ সালে ৩৭ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি।       Source : বণিক বার্তা
  • দুই কোম্পানির লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা আহ্বান
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির বোর্ডসভা আহ্বান করা হয়েছে। কোম্পানি দুটি হলো— বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস ও মতিন স্পিনিং। এর মধ্যে মতিন স্পিনিংয়ের বোর্ডসভা ১৭ সেপ্টেম্বর। আর বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের সভা অনুষ্ঠিত ১৮ সেপ্টেম্বর। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মতিন স্পিনিং: বোর্ডসভায় কোম্পানির ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ সুপারিশ করবে পরিচালনা পর্ষদ। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে দশমিক ৪৪ শতাংশ বা ২০ পয়সা। দিনভর এর দর ৪৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৪৭ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ৪৫ টাকা ৫০ পয়সায় এর লেনদেন হয়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ৪৫ টাকা ১০ পয়সা। এদিন মোট ১০ লাখ ৮০০টি শেয়ার ৯৯৩ বারে লেনদেন হয়। সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ২২ কোটি ৬৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩ টাকা ৪১ পয়সা। কোম্পানিটি ২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে এর ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন ও ৯৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন রয়েছে। মোট শেয়ার ৯ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৬৫ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৩ দশমিক ৫ ও সাধারণ বিনিয়োকারীর হাতে ৩১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১৬৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা। বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস: বোর্ডসভায় কোম্পানির ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ সুপারিশ করবে পরিচালনা পর্ষদ। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে দশমিক ৬৩ শতাংশ বা ৪০ পয়সা। দিনভর দর ৬২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৬৬ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ৬২ টাকা ৬০ পয়সায় এর লেনদেন হয়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ৬২ টাকা ৮০ পয়সা। এদিন মোট ১৮ লাখ ৭৬ হাজার ৫০০ শেয়ার ১ হাজার ২০৯ বারে লেনদেন হয়। সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ১৬ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ২৬ পয়সা। কোম্পানিটি ২০১৩ সালে ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদান করে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ৭ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৫৩ পয়সা। ২০১৩ সালে কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে এর ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন ও ৭৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধিত মুলধন রয়েছে। মোট শেয়ার ৭ কোটি ৩৬ লাখ। কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৪৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩০ দশমিক ৫২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।     Source : বণিক বার্তা
  • দুই কোম্পানির লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা আহ্বান
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির বোর্ডসভা আহ্বান করা হয়েছে। কোম্পানি দুটি হলো— বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস ও মতিন স্পিনিং। এর মধ্যে মতিন স্পিনিংয়ের বোর্ডসভা ১৭ সেপ্টেম্বর। আর বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের সভা অনুষ্ঠিত ১৮ সেপ্টেম্বর। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মতিন স্পিনিং: বোর্ডসভায় কোম্পানির ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ সুপারিশ করবে পরিচালনা পর্ষদ। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে দশমিক ৪৪ শতাংশ বা ২০ পয়সা। দিনভর এর দর ৪৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৪৭ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ৪৫ টাকা ৫০ পয়সায় এর লেনদেন হয়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ৪৫ টাকা ১০ পয়সা। এদিন মোট ১০ লাখ ৮০০টি শেয়ার ৯৯৩ বারে লেনদেন হয়। সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ২২ কোটি ৬৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩ টাকা ৪১ পয়সা। কোম্পানিটি ২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে এর ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন ও ৯৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন রয়েছে। মোট শেয়ার ৯ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৬৫ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৩ দশমিক ৫ ও সাধারণ বিনিয়োকারীর হাতে ৩১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১৬৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা। বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস: বোর্ডসভায় কোম্পানির ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ সুপারিশ করবে পরিচালনা পর্ষদ। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে দশমিক ৬৩ শতাংশ বা ৪০ পয়সা। দিনভর দর ৬২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৬৬ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ৬২ টাকা ৬০ পয়সায় এর লেনদেন হয়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ৬২ টাকা ৮০ পয়সা। এদিন মোট ১৮ লাখ ৭৬ হাজার ৫০০ শেয়ার ১ হাজার ২০৯ বারে লেনদেন হয়। সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ১৬ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ২৬ পয়সা। কোম্পানিটি ২০১৩ সালে ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদান করে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ৭ কোটি ৬৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৫৩ পয়সা। ২০১৩ সালে কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে এর ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন ও ৭৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধিত মুলধন রয়েছে। মোট শেয়ার ৭ কোটি ৩৬ লাখ। কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৪৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩০ দশমিক ৫২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।     Source : বণিক বার্তা
  • ব্রোকারেজ হাউসের সন্দেহজনক লেনদেন তদারকি হবে
      ব্রোকারেজ হাউসের সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে তদারকি করবে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল পাঁচ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার সমন্বয় সভায় ব্রোকারেজ হাউসগুলোর নিয়মিত নগদ লেনদেন রিপোর্ট (সিটিআর) ও সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট (এসটিআর) করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়। আর এসব বিষয় তদারকি নিশ্চিত করবে বিএসইসি।   এছাড়া সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন রোধে একযোগে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সব নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর নিয়মিত সভায় বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (আইডিআরএ), অফিস অব রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক অ্যান্ড কোম্পানিজ (আরজেএসসি), মাইক্রোক্রেডিট রেগুলটেরি অথরিটি (এমআরএ) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তী সভা থেকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকেও (বিটিআরসি) এ সভায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।    সভা শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। তিনি বলেন, সন্ত্রাসে অর্থায়ন রোধে সব নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধন ও একযোগে কাজ করার ব্যাপারে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষ করে শেয়ারবাজারের ব্রোকারেজ হাউসগুলো নিয়মিতভাবে সিটিআর ও এসটিআর জমার দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিএসইসি এ বিষয় তদারকি করবে। তিনি বলেন, কোনো কোম্পানির নিবন্ধন করার আগে নামের সঙ্গে ‘ফিন্যান্স’ ও ‘ইনভেস্টমেন্ট’ শব্দ থাকলে তা আরজেএসসি নিজস্ব সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেবে না। তাছাড়া কোনো ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামত নেয়ার আগের বিধান অব্যাহত রাখা হয়েছে।   সভায় নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি ধারণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। আন্তর্জাতিক মানের এ পেপার টেকনিক্যাল কমিটির যাচাই-বাছাই শেষে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হবে। এ বিষয়ে পরবর্তী সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হবে বলে এসকে সুর চৌধুরী জানান।   সভায় বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদে স্বাধীন পরিচালক বিষয়ে কোম্পানি আইন মেনে চলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। তবে আইডিআরএ এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানায়।নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী ছাড়াও বিএসইসির কমিশনার মো. আমজাদ হোসাইন, আরিফ খান, হেলাল উদ্দিন নিজামী, এমআরএর পরিচালক মনোজ কুমার বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ডে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে বিধায় এক সংস্থার গৃহীত নীতিমালা অন্যদের প্রভাবিত করে। আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর নীতি প্রণয়নের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে প্রতি তিন মাস পর পর এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।       Source : বণিক বার্তা
  • স্থিতিশীলতার পথে পুঁজিবাজার সাম্প্রতিক সময়ের নতুন উচ্চতায় ডিএসই
    লেনদেন ও মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক সময়ের নতুন উচ্চতায় পৌঁছতে যাচ্ছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। গতকাল সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসইর লেনদেন আবার ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। ডিএসইর প্রধান সূচকটি পার করেছে ৪ হাজার ৭০০ পয়েন্টের ঘর। সাত মাসেরও বেশি সময় পর ডিএসই সূচক ও লেনদেনের এ উন্নতিকে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।    গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮৩৮ কোটি টাকা। এ বছরের ৩০ জানুয়ারির পর ডিএসইর লেনদেন আর এ পর্যায়ে পৌঁছেনি। আবার সূচকের ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে। গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচকটি ৩৭ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৭০০ পয়েন্টের ঘর অতিক্রম করে। এ বছরের ২৪ এপ্রিলের পর ডিএসইর এ সূচক আর এ পর্যায়ে উন্নীত হয়নি।    জাতীয় নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে গত বছরের শেষ দিকে দেশের পুঁজিবাজারগুলো সাময়িক গতি পায়। সে সময় লেনদেন ও সূচকে দৃশ্যমান উন্নতি ঘটে। ঢাকা স্টকে লেনদেন ছাড়ায় ৮০০ কোটি টাকা। ডিএসই সূচকও পার করে ৪ হাজার ৮০০ পয়েন্টের ঘর। কিন্তু কয়েক মাস যেতে না যেতেই আবারো নেতিবাচক প্রবণতা ভর করে বাজারগুলোতে। দিন দিন কমতে থাকে সূচক ও লেনদেন। ধারাবাহিক এ অবনতির ফলে ১৩ জুলাই ডিএসইর লেনদেন নেমে আসে ১৪৯ কোটি টাকায়। তবে রমজানের শেষ দিকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটে। রমজানের ঈদের ছুটির পরও এ ধারাবাহিকতা থেকে যায়। প্রথম দিকে সূচকের বড় ধরনের উন্নতি না ঘটলেও অব্যাহত থাকে লেনদেনের উন্নতি। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ডিএসইর লেনদেন আবার ৮০০ কোটি টাকা ছাড়ায়।    এ দিকে সূচক ও লেনদেনের ধারাবাহিক এ উন্নতি পুঁজিবাজারে অন্ধকারের মধ্যে আলোকবর্তিকা হিসেবে দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাই মনে করছেন, দেরিতে হলেও স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে পুঁজিবাজার। কারণ এর আগে বিপর্যয়-পরবর্তী বিভিন্ন সময় মূল্যবৃদ্ধির ধারায় ফিরলেও তা টেকসই হয়নি। গুজব ও অন্যান্য নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে বাজার অস্বাভাবিক আচরণ করে সেই সময়। কখনো সূচকের অস্বাভাবিক উল্লম্ফন যেমন বিনিয়োগকারীরা দেখেছেন তেমনি পরদিন আবার দেখেছেন সূচকের অস্বাভাবিক পতন। লেনদেন ও সূচকের উন্নতি বা অবনতিতে ছিল না কোনো ধারাবাহিকতা। কিন্তু এবার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। টানা ক’দিন মূল্যবৃদ্ধি যেমন ঘটছে, তেমনি সংশোধনও নিয়মিতভাবেই ঘটে চলেছে। কখনো সূচকের আহামরি উন্নতি চোখে পড়ছে না। সংশ্লিষ্টরা এ প্রবণতাকে ‘ধীর কিন্তু ধারাবাহিক’ বলেই মনে করছেন, যা এ মুহূর্তে পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা। তাদের মতে, এ গতি অব্যাহত থাকলে বিনিয়োগকারীরা বাজারের প্রতি আবারো আগ্রহ ফিরে পাবেন। বাজারে যুক্ত হবেন নতুন নতুন বিনিয়োগকারী। আর এভাবে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার দিকেই এগিয়ে যাবে পুঁজিবাজার।    গতকাল সকালে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায়ই শুরু হয় দুই পুঁজিবাজারের লেনদেন। সূচকের সাথে লেনদেনের গতিও ছিল যথেষ্ট ভালো। ঢাকায় প্রথম এক ঘণ্টায় ডিএসই সূচকের উন্নতি ঘটে প্রায় ৩৫ পয়েন্ট। ৪ হাজার ৬৭৫ পয়েন্ট থেকে লেনদেন শুরু করা ডিএসইর প্রধান সূচকটি বেলা সাড়ে ১১টায় পৌঁছে যায় ৪ হাজার ৭১০ পয়েন্টে। একই সময়ে ডিএসইর লেনদেন ছাড়ায় ২০৫ কোটি টাকা। লেনদেনের এ পর্যায়ে হালকা বিক্রয়চাপের সৃষ্টি হলেও দ্রুতই তা সামলে নেয় বাজারটি। দুপুর ১২টার দিকে আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে বাজার। এরপর লেনদেন শেষ হওয়ার আগ মুহূর্ত ছাড়া বিক্রয়চাপের মুখে পড়তে হয়নি। বেলা ২টায় ডিএসই সূচকটি পৌঁছে যায় ৪ হাজার ৭২৬ পয়েন্টে। দিনের শেষ সময়ে এসে ফের কিছুটা নিম্নমুখী হলে প্রধান সূচকটির ৩৭ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট উন্নতি ধরে রেখে লেনদেন শেষ করে ডিএসই। বাজারটির অন্য দুই সূচক ডিএসই-৩০ ও শরিয়াহ সূচকের উন্নতি ঘটে যথাক্রমে ২৮ দশমিক ২৮ ও ১১ দশমিক ৩০ পয়েন্ট। আর দিনশেষে ডিএসইর লেনদেন পৌঁছে যায় ৮৩৮ কোটি টাকায়।    পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক মূল্যসূচক ১১৬ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। সিএসই-৩০ ও সিএসসিএক্স সূচকের উন্নতি ঘটে যথাক্রমে ১৮৫ দশমিক ৫৪ ও ৫৩ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট। লেনদেনেও যথেষ্ট উন্নতি ঘটে বাজারটিতে। গত বৃহস্পতিবারের ৪০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৫২ কোটিতে পৌঁছে লেনদেন।লেনদেনে গতকাল ডিএসইর শীর্ষে উঠে আসে মোবিল যমুনা লুব্রিকেন্ট। ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি ঘটা কোম্পানিটির ৭৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকায় ৫৮ লাখ ৮৯ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়। ৪৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা লেনদেন করে শীর্ষ তালিকার দ্বিতীয় কোম্পানি হিসেবে উঠে আসে বিএসআরএম স্টিলস।    মূল্যবৃদ্ধিতে গতকাল জীবনবীমা কোম্পানিগুলো ছিল বেশ এগিয়ে। দিনের মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকার প্রথম চারটি কোম্পানিই ছিল জীবন বীমার। এদের মধ্যে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি দিয়ে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ছিল দিনের শীর্ষে। এ ছাড়া পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স ৯.৮১, সন্ধানি লাইফ ৯.৭৮ ও রূপালি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৯.৩৩ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। অন্য দিকে দিনের সর্বোচ্চ দর হারায় ফার কেমিক্যালস। লভ্যাংশ ঘোষণার রেকর্ড পরবর্তী মূল্য সমন্বয়ে ১৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ দর হারায় কোম্পানিটি।    চলতি বছরের রোজার শেষ দিকে পুঁজিবাজারগুলো গতি ফিরে পেতে শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছরের ১৩ জুলাই দেড় শ’ কোটির নিচে নেমে আসা লেনদেন ঈদের পরপরই ৫০০ কোটি টাকা ছাড়ায়। পরে ৮০০ কোটি টাকা ছুঁই ছুঁই করেও যথার্থ গতি পাচ্ছিল না পুঁজিবাজারগুলো। তবে গতকাল আবার ৮০০ কোটি টাকার এ মাইলফলক অতিক্রম করে পুঁজিবাজারটি।     Source : নয়াদিগন্ত  রিপোর্ট
  • কারণ ছাড়াই দর বাড়ছে অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের
    সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিকহারে শেয়ারদর বাড়ছে অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের। এ জন্য এর কারণ জানতে চেয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। জবাবে কোম্পানিটি গত মঙ্গলবার ডিএসইকে জানিয়েছে, অকারণে শেয়ারদর বাড়ছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা যায়, শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই নোটিশ পাঠায়। এর জবাবে কোম্পানিটি জানায়, কোনো রকম মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারটির দর বাড়ছে।   বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত চার কার্যদিবস ধরে শেয়ারটির দর বেড়েছে। এ সময়ে শেয়ারটির দর বাড়ে ৬৭ টাকা থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ এই সময়ে দর বেড়েছে ১২ দশমিক ৪ টাকা বা ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ। আর শেয়ারটির এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন ডিএসই কর্তৃপক্ষ।     Source : আর্থনীতি প্রতিদিন 
View All
Latest DSE News
  • FIRSTSBANK

    BSEC is not in a position to consider the application of First Security Islami Bank Limited regarding approval of rights issue as the Company has failed to comply with the requirement of rule 3(f) of the Securities and Exchange Commission (Rights Issue) Rules, 2006.

  • JMISMDL

    Md. Tariq Ullah Pathan, one of the Sponsors of the Company, has expressed his intention to sell 25,000 shares out of his total holding of 75,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange within October 31, 2014.

  • DHAKAINS

    Credit Rating Information and Services Limited (CRISL) has announced the CPA (Claim Paying Ability) Rating of the Company as &quot;A&quot; in consideration of audited financials of the Company up to December 31, 2013, unaudited financial up to 30th June, 2014 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • DSE NEWS

    Today's (16.09.2014) Total Trades: 151,960; Volume: 170,267,345 and Turnover: Tk. 8,362.25 million.

  • Market - End of Day

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ACIFORMULA 157.30 143.00 14.30 10.00
ANLIMAYARN 25.80 23.50 2.30 9.79
DELTALIFE 167.10 152.50 14.60 9.57
RDFOOD 22.10 20.20 1.90 9.41
BXPHARMA 62.90 57.60 5.30 9.20
GPHISPAT 50.40 46.60 3.80 8.15
MJLBD 138.40 128.30 10.10 7.87
ACI 420.40 390.70 29.70 7.60
SAPORTL 32.90 30.70 2.20 7.17
BSRMSTEEL 106.90 99.80 7.10 7.11

OUR SERVICE

 

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297