Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Support Resistance Amibroker Afl 03-Feb
T3 buy sell update for Amibroker AFL 24-Jan
NIRMALA PATTERN for Amibroker AFL 21-Jan
KAMA System Complete for Amibroker AFL 19-Jan
TTS system V 4 for Amibroker AFL 14-Jan

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
LIBRAINFU 426.3 298.4 127.90 42.86
GEMINISEA 451.6 350 101.60 29.03
APEXFOODS 140.4 109.2 31.20 28.57
FUWANGCER 15.4 12.6 2.80 22.22
RAHIMTEXT 241.5 204 37.50 18.38
BEACONPHAR 18.1 16.2 1.90 11.73
RENWICKJA 272.5 244.3 28.20 11.54
LINDEBD 1253.6 1126.2 127.40 11.31
PREMIERCEM 83.6 75.3 8.30 11.02
ARAMIT 514.6 463.6 51.00 11.00

Contest SB2016_Feb

1st
blank_person
IMDADCU
2nd
blank_person
GAINLOSS
3rd
blank_person
IMRANKSL
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
LINDEBD 1253.6 1188.4 1.75620 110878.00
RENATA 1263.4 1247.6 1.48086 17294.00
BSCCL 109.8 106.8 0.87562 781543.00
MARICO 1345.6 1331.2 0.80285 546.00
BXPHARMA 89.2 88.1 0.75200 1298450.00
Negative impact
GP 259.1 261 -4.54094 111564.00
BATBC 2981.3 3004.7 -2.48501 172.00
BSRMSTEEL 86.2 89.9 -2.23822 493529.00
ICB 102.3 103.6 -1.45606 68227.00
RAKCERAMIC 70 72.2 -1.31166 1251870.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
LINDEBD 1253.6 1262.6 1187 5.49% 136.93
BXPHARMA 89.2 89.7 87.7 1.25% 115.60
UNITEDAIR 7 7.2 6.8 -1.41% 113.55
RAKCERAMIC 70 73.5 69.8 -3.05% 88.90
SQURPHARMA 263.2 264.1 262 -0.08% 85.84
CITYBANK 23.3 24 23.1 -2.10% 85.77
BSCCL 109.8 111 107 2.81% 85.71
OLYMPIC 277.7 279 275.6 0.07% 82.57
APOLOISPAT 19.5 19.6 18.7 3.17% 79.02
BEXIMCO 30.5 30.6 29.7 2.01% 77.65

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 04 Feb 2016

94334
TOTAL TRADE
107.0495
TOTAL VOLUME(Mn)
3424.52
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • লোকসান করলে রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬ পাটকল যাবে বেসরকারি খাতে
    স্টাফ রিপোর্টার : রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬ পাটকলের পুঞ্জীভূত দায় বাড়ছে। ২০১১ সালে এ দায় ৫০০ কোটি টাকা থাকলেও এখন দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকায়। গত ৫ বছরে দায় বেড়েছে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এ কারণে পাটকলগুলোকে হোল্ডিং কোম্পানিতে রূপান্তরের কথা ভাবছে সরকার। কোম্পানিতে রূপান্তরের পর যেসব পাটকল লোকসান করবে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী মাসে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। বৈঠকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, অর্থ সচিব, বস্ত্র ও পাট সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সরকারি মালিকানাধীন পাটকলগুলোর বিদ্যমান সমস্যা নিয়ে ২০১১ সালে সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) একটি চুক্তি হয়। ওই চুক্তি অনুয়ায়ী সংস্থার নিয়ন্ত্রণাধীন ২৬টি পাটকলকে পর্যায়ক্রমে হোল্ডিং কোম্পানিতে রূপান্তর করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু এ চুক্তি পাঁচ বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে আগের চুক্তি অনুয়ায়ী প্রথমে ৫ টি পাটকলকে হোল্ডিং কোম্পানিতে রূপান্তর করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। তবে কওমী ও পিপলস জুট মিলস বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। জানা গেছে, লোকসান দেয়া পাটকলগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি উন্নতির বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় সবসময় বিরোধিতা করে এলেও রাজনৈতিক চাপে সেগুলো চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। প্রত্যেকটি পাটকলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শ্রমিক থাকা সত্ত্বেও বিগত সময়ে প্রতিটি সরকারই নতুন করে শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছে। ফলে ওইসব পাটকলে এসব অতিরিক্ত শ্রমিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে বিজেএমসির দেনার পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। এছাড়া পুরনো যন্ত্রপাতি, ভুয়া শ্রমিক, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে পাটকলগুলো বছরের পর বছর লোকসান দিয়ে আসছে। সরকারি পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বিজেএমসি লোকসান দিয়েছে ৪৯৭ কোটি টাকা। আর ২০১৪-১৫ অর্থবছর প্রতিষ্ঠানটি লোকসান করে ৬৪০ কোটি টাকা। লোকসান কাটিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে প্রতি অর্থবছরই ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থার পক্ষে অর্থ জোগান দেয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। আর পেনশনে যাওয়া শ্রমিকরা প্রতিদিনই প্রতিমন্ত্রী, বিজেএমসিসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে ধরনা দিচ্ছেন। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অর্থের অভাবে সরকারি মালিকানাধীন পাটকলগুলোর পেনশনে যাওয়া বিপুল সংখ্যক শ্রমিক-কর্মচারী পেনশন ও গ্র্যাচুইটির টাকা পাচ্ছেন না। পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পেনশনে যাওয়া প্রায় ৬ হাজার শ্রমিক-কর্মচারীর পেনশন ভাতার পাওনা মেটাতে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার প্রয়োজন। পেনশনের পাওনা পরিশোধসহ খাতের সমস্যা মেটাতে প্রয়োজন ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। উল্লেখ্য, দেশে এখন ২৬টি সরকারি পাটকল আছে। সব মিলিয়ে কাজ করেন ৮০ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী-কর্মকর্তা। তাদের বেতন পরিশোধে প্রতি মাসে সংস্থার ব্যয় হয় ৬০ কোটি টাকা।
  • ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের সব ফ্লাইট বন্ধ
    সিনিয়র রিপোর্টার : উড়োজাহাজ শিল্প খাতের একমাত্র প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের সবক’টি উড়োজাহাজ গ্রাউন্ডেড হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির সব ফ্লাইট বন্ধ হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি উড়োজাহাজ ‘সি’ চেক (ভারী রক্ষণাবেক্ষণ) করাতে পারেনি এয়ারলাইনসটি। এছাড়া দুর্ঘটনায় পড়ে ইউনাইটেড এয়ারের দুটি উড়োজাহাজ গ্রাউন্ডেড হয়ে পড়ে। সব মিলিয়ে কোম্পানির ১১টি উড়োজাহাজের মধ্যে ৯টিই উড্ডয়নের উপযোগিতা হারায়। অবশিষ্ট দুটি উড়োজাহাজ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সম্প্রতি গ্রাউন্ডেড হওয়ায় কোম্পানির সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। উড়োজাহাজ উড্ডয়ন উপযোগী হওয়ার পর কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। এ বিষয়ে ইউনাইটেড এয়ারের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ফেরদৌস ইমাম বলেন, গত মাসে মালয়েশিয়া যাত্রায় যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ায় মিয়ানমার থেকে ঢাকা এমডি-৮৩ মডেলের উড়োজাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হয়। এখন বেবিচক এটি তদন্ত করছে। এরই মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেলেই আমরা পুনরায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করতে পারব। আর অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচল করা এটিআর উড়োজাহাজটি নিয়মিত সার্ভিসিংয়ের জন্য গ্রাউন্ডেড রয়েছে। একটি নির্দিষ্ট সময় ফ্লাইট পরিচালনার পর অথবা ১৫ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর উড়োজাহাজের ‘সি’ চেক করা বাধ্যতামূলক। তবে বেবিচক ‘সি’ চেকের অনুমতি না দেয়ায় ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ১৭০ আসনবিশিষ্ট ছয়টি উড়োজাহাজ দীর্ঘদিন ধরে বসিয়ে রাখা হয়েছে। আবার ‘সি’ চেক সম্পন্ন হলেও উড্ডয়ন সক্ষমতা সার্টিফিকেট (সার্টিফিকেট অব এয়ারওর্দিনেস) না দেয়ায় ইউনাইটেডের এমডি ৮৩ মডেলের একটি উড়োজাহাজ আট মাস ধরে বসিয়ে রাখা হয়েছে। গ্রাউন্ডেড হয়ে থাকা অধিকাংশ উড়োজাহাজের ৫৪ থেকে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত ফ্লাইট সাইকেল বা সার্ভিস লাইফ অবশিষ্ট রয়েছে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। এদিকে নতুন শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ৪০০ কোটি টাকায় দুটি উড়োজাহাজ আনার প্রক্রিয়া শুরু করলেও বকেয়া পরিশোধ না করতে পারায় নতুন উড়োজাহাজ আনার অনুমতি দেয়নি বেবিচক। সম্প্রতি বেবিচক ও এর ১১ শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১ হাজার ২০৮ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা করেছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। মামলায় উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও মেরামত অনুমতিতে (সি চেক) বাধা ছাড়াও বেবিচক কর্মকর্তাদের ভুল সিদ্ধান্ত, অসহযোগিতা ও কোম্পানির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার অভিযোগপত্রে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ জানায়, ইউনাইটেড এয়ারের ১ হাজার ১০৭ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। ২০১২-১৩ হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির টার্নওভার ছিল ৭০৪ কোটি টাকা। ২০১৪-১৫ হিসাব বছরে তা নেমে এসেছে ৩৬৫ কোটি টাকায়। বেশির ভাগ উড়োজাহাজ গ্রাউন্ডেড থাকায় চলতি হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিকী পর্যন্ত কোম্পানির টার্নওভার দাঁড়ায় ৮১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭ পয়সায়। আর এখন সব উড়োজাহাজ চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ায় প্রতিষ্ঠানটি লোকসানের মধ্যে পড়তে যাচ্ছে। গতকাল এ কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ার লেনদেন হয় ৭ টাকায়। ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৬৮৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৭৩ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে আসা ইউনাইটেড এয়ারের পরিশোধিত মূলধন ৬২৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা। রিজার্ভ ১৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের মাত্র ৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৯ দশমিক ৬২ এবং বাকি ৭১ দশমিক ৯৪ শতাংশ শেয়ারই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বহরে থাকা উড়োজাহাজের মধ্যে পাঁচটি এমডি-৮৩। এছাড়া এয়ারবাস-এ৩১০-৩২৫ রয়েছে দুটি, এটিআর৭২-২১২ তিনটি ও ড্যাশ-৮-১০০ উড়োজাহাজ রয়েছে একটি।
  • ১০০ কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে প্রাণ
    স্টাফ রিপোর্টার : দুটি বিদেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১০০ কোটি টাকার বেশি) ঋণ সহায়তা নিচ্ছে প্রাণ গ্রুপ। প্রাণের সহযোগি প্রতিষ্ঠান ময়মনসিংহ এগ্রো লিমিটেডকে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রোপারকো আট মিলিয়ন এবং এফএমও পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দেবে। এসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ পেতে বুধবার ঢাকায় একটি হোটেলে চুক্তি হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার প্রাণের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি বিনিয়োগে অনুঘটক হিসেবে উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে কাজ করে প্রোপারকো ও  এফএমও। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসান খান চৌধুরী, এফএমও’র কৃষি বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা মার্জোলিন ল্যান্ধির ও প্রোপারকো এশীয় অঞ্চলের প্রধান সেবাস্টিয়ান ফ্লিউরি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী সাত বছরে প্রতিষ্ঠান দুটির অর্থ পরিশোধ করবে প্রাণ। প্রাণের কর্মকর্তা আহসান খান চৌধুরী জানান, এই ঋণ সহায়তা কাজে লাগিয়ে প্রাণ প্যাকেজিং শিল্পে আধুনিকায়ন এবং জুস ও বেভারেজ শিল্পে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি স্থাপন করবে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (কর্পোরেট ফাইন্যান্স) উজমা চৌধুরী ও এফএমও’র বিনিয়োগ কর্মকর্তা ডন এ্যারেন্ডসসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের মধ্য দিয়ে ১৯৮৫ সালে যাত্রা শুরু করে প্রাণ। বর্তমানে ১০টি ক্যাটাগরিতে পাঁচশর বেশি পণ্য উৎপাদন করছে প্রাণ। প্রাণের পণ্য ১২৩টি দেশে রপ্তানি হয়।
  • ১৫ মার্চ ডিএসইর ট্রেকহোল্ডার নির্বাচন
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেক বা শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের নির্বাচন হবে আগামী ১৫ মার্চ। নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য ইতোমধ্যে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করছে ডিএসই পরিচালনা পর্ষদ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচনের ভোটারদের তালিকা প্রকাশ হবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি। আগামী ১৬ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেল পর্যন্ত নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র বেলা ৩টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে। ডিমিউচুয়ালাইজেশনের শর্ত অনুসারে প্রথম বছর ৪ জন শেয়ারহোল্ডার পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এক বছর পর তাদের মধ্য থেকে একজন বিদায় নেবেন; তার বিপরীতে নতুন একজন পরিচালক নির্বাচিত হয়ে পর্ষদে যুক্ত হবেন। পরের বছর অপর তিনজন থেকে একজন পরিচালক অবসরে যাবেন। তার বিপরীতে নির্বাচনের মাধ্যমে আরও একজন নতুন পরিচালক যুক্ত হবেন। একই নিয়মে তৃতীয় বছরেও অপর একজন পরিচালক অবসরে যাবেন এবং নতুন একজনকে নির্বাচিত করা হবে। এভাবে প্রতিবছর একজন পরিচালক অবসরে যাবেন এবং তার বিপরীতে নতুন একজনকে যুক্ত করা হবে। প্রার্থীর তালিকা প্রকাশের পর কোনো প্রার্থী তার প্রার্থীতা বাতিল করতে আগামী ৭ মার্চ বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময় পাবেন। ওই দিন বিকাল ৫টায় যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। আগামী ১৫ মার্চ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। স্টক এক্সচেঞ্জ বিল্ডিংয়ে গ্রাউন্ড ফ্লোরে এই ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এরপরে ডিএসইর ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভায় আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে ডিএসই।
  • ইফতেখার উজ জামান আইসিবির এমডি
    স্টাফ রিপোর্টার : ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে মো. ইফতেখার উজ জামানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।  অর্থ মন্ত্রণালয়েয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারিকৃত এক পরিপত্রে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়। জানা গেছে, মো. ইফতেখার উজ জামান গত বছরের ডিসেম্বর থেকে আইসিবির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার আগে তিনি একই প্রতিষ্ঠানের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। আইসিবি সূত্রে জানা যায়, মো. ইফতেখার উজ জামান ১৯৮৩ সালে সিনিয়র অফিসার হিসেবে আইসিবিতে যোগ দেন। এ প্রতিষ্ঠানেই তার ক্যারিয়ারের বড় অংশ কেটেছে। জনতা ব্যাংকে ডিএমডি হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে তিনি আইসিবির মহাব্যবস্থাপক ছিলেন। আইসিবিতে থাকাকালে তিনি আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, প্রশাসন ও আইন বিভাগ, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক গবেষণা বিভাগ এবং ঋণ অনুমোদন বিভাগ, সংস্থাপন বিভাগ ও কর্মচারী বিভাগ (অতিরিক্ত বিভাগ), প্রকল্প ঋণ হিসাব বিভাগ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন বিভাগ (অতিরিক্ত বিভাগ), প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পাবলিক ইস্যু বিভাগ (অতিরিক্ত বিভাগ), প্রশাসন ডিভিশনসহ আইসিবির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পরিসংখ্যানে সম্মান ডিগ্রি লাভ করেন। একই বিষয়ের ওপর ১৯৮১ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়া তিনি হ্যান্ডেলিং অব ডিসিপ্লিনারি কেসেস, ট্রেনিং অন ফিউচার্স অ্যান্ড অপশন্স, ক্যাপিটাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট এবং ইন্টারন্যাশনাল ট্রেনিং প্রোগাম ফর সিকিউরিটিজ প্রোফেশনালের ওপর প্রশিক্ষণ লাভ করেছেন।
  • ৮৫২০ টাকায় একমি’তে আইপিও আবেদন
    সিনিয়র রিপোর্টার : একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) প্রতি আবেদনের জন্য জমা দিতে হবে ৮ হাজার ৫২০ টাকা। ড্রাফট প্রসপেক্টাস জমা দেয়ার পর আইপিও আবেদনের দিন নির্ধারণ করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বিএসইসি। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নির্ধারিত দামেই আইপিওতে শেয়ার কিনতে হবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের। আইপিওতে প্রতিটি লটে থাকবে ১০০টি শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নিলামে ৮৫ টাকা ২০ পয়সা দরে শেয়ার কেনার প্রস্তাব করেছে। সে হিসাবে প্রতিটি লটের জন্য ৮ হাজার ৫২০টাকা গুণতে হবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের। বুক বিল্ডিং আইন ২০০৬ অনুযায়ী নিলাম শেষ হওয়ার ৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিএসইসিতে ড্রাফট প্রসপেক্টাস জমা দিতে হবে ইস্যু-ম্যানেজারকে। ওই প্রসপেক্টাস দেখে আইপিও আবেদনের দিন নির্ধারণ করবে সংস্থাটি। একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৫ কোটি শেয়ার বিক্রি করছে। শেয়ারের ৪০ শতাংশ বা ২ কোটি শেয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত। নিলামে মোট ১০ কোটি ১৬ লাখ ১৩ হাজার ৮০০ শেয়ারের দর বিভিন্ন হারে দর প্রস্তাব করে ১৯৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা ২০ পয়সা দরে নয় কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার শেয়ার কেনার জন্য দর প্রস্তাব করা হয়। এর মূল্য দাঁড়ায় ৮৩০ কোটি ২১ লাখ টাকা।
  • ‘অতি মূল্যায়নের দায়’ নেবে না মার্চেন্ট ব্যাংক
    স্টাফ রিপোর্টার : আইপিওতে প্রিমিয়াম নিতে চাইলে কোম্পানিকে বুক-বিল্ডিং পদ্ধতিতে আসতে হবে। বুক-বিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত হলে দায় ইস্যু ম্যানেজার বা মার্চেন্ট ব্যাংক নেবে না। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ব্রোকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ -এর সঙ্গে বৈঠকে মার্চেন্ট ব্যাংকারদের সংগঠন বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন (বিএমবিএ) এমন মন্তব্য করে। পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাতে করণীয় নিয়ে বৃহষ্পতিবার ডিএসই কার্যালয়ে দুই সংগঠনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে বিএমবিএ প্রেসিডেন্ট মো. ছায়েদুর রহমান বলেন, দুই সংগঠনই পুঁজিবাজার নিয়ে কাজ করছে। প্রত্যেকে আমরা বাজার উন্নয়নে ‍কাজ করতে চাই। তাই বলে কোম্পানি অতি মূল্যায়িত হলে ইস্যু ম্যানেজার দায় নেবে কেন? এদিকে ব্রোকার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আহসানুল ইসলাম টিটু অনুষ্ঠিত বৈঠকের বিষয়ে বলেন, আমরা উভয় সংগঠনই পুঁজিবাজার নিয়ে কাজ করি। তাই বাজারের উন্নয়নে আমাদের একসাথে কাজ করা উচিত।
  • বাড়লো স্বর্ণের দাম
    স্টাফ রিপোর্টার : এক মাসের ব্যবধানে আবারও ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে বাড়লো ১ হাজার ২২৫ টাকা। বুধবার থেকে নতুন মূল্যে প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ৪৩ হাজার ৭৪০ টাকায়। এর আগে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ছিল ৪২ হাজার ৫১৫ টাকা। বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়েছে। এর আগে স্বর্ণের দাম বেড়েছিল চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি। গত কয়েক মাস ধরে অব্যাহতভাবেই বেড়ে চলেছে স্বর্ণের দাম। নতুন মূল্য তালিকায়  ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি  বিক্রি হবে ৪১ হাজার ৬৪০ টাকায়। বর্তমানে এর দাম ৪০  হাজার  ৪১৫ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিপ্রতি বিক্রি হবে ৩৪ হাজার ৯৮২ টাকায়। তবে শুক্রবার পর্যন্ত পুরনো দাম অর্থাৎ ৩৩ হাজার ৭৬৭ টাকায় বিক্রি হবে প্রতি ভরি।
  • ‘নো ডিভিডেন্ড’ ম্যাকসন্স স্পিনিং
    স্টাফ রিপোর্টার : ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করেছে বস্ত্র খাতের কোম্পানি ম্যাকসন্স স্পিনিং লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কোম্পানির বিশেষ সূত্র বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানায়, সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানি শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৮ টাকা। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৭ এপ্রিল এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি। ফলে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন ‘জেট’ ক্য‍াটাগরিতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • মোবাইল এ্যাপস চালু ২৫ ফেব্রুয়ারি
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোবাইল এ্যাপসের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেন আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। অর্থমন্ত্রী আবুল-মাল আবদুল মুহিত এ্যাপসের উদ্বোধন করবেন। ডিএসইর বিশেষ সূত্র বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ডিএসইর কয়েকটি স্টক ব্রোকারে ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে এ্যাপসের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেন চলছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বিনিয়োগকারীরা স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করতে পারবেন বলে সূত্রটি জানায়। পেছনের খবর : কি থাকছে মোবাইল এ্যাপস ‘ডিএসই-ইনফো’তে আরো খবর : ‘ডিএসই ইনফো’ বিষয়ে ডিএসইর বক্তব্য
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • বারাকা সাবসিডিয়ারির মূলধন পরিকল্পনায় পরিবর্তন
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সাবসিডিয়ারি বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেডের পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর পরিকল্পনায় পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে বারাকা পাওয়ার লিমিটেড। বর্তমানে সাবসিডিয়ারি কোম্পানিটির ৫১ শতাংশ শেয়ারের মালিক তালিকাভুক্ত এ কোম্পানি।গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, আইপিওর মাধ্যমে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারের পরিশোধিত মূলধন বর্তমান ৯৪ কোটি ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১০৯ কোটি ৫০ লাখে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট পর্ষদ। এর আগে তা ১২০ কোটিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা হয়েছিল। সাবসিডিয়ারির পরিচালনা পর্ষদে গৃহীত এ পরিবর্তিত পরিকল্পনা অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বারাকা পাওয়ারের পর্ষদ।উল্লেখ্য, স্থিরমূল্য পদ্ধতিতে বাজারে সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানটির ২ কোটি ৫৫ লাখ প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি করতে চেয়েছিল বারাকা পাওয়ার। এখন তা ১ কোটি ৫০ লাখে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বারাকা পাওয়ার আরো জানায়, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেলে আইপিওর পর বারাকা পতেঙ্গায় তাদের শেয়ার ৪৪ শতাংশে নেমে আসবে। এতে বারাকা পতেঙ্গা তাদের সাবসিডিয়ারির বদলে সহযোগী কোম্পানি বিবেচিত হবে।২০১৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৮ শতাংশ নগদ ও ৮ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে বারাকা পাওয়ার।  নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, শেয়ারপ্রতি কোম্পানিটির বার্ষিক মুনাফা (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৭৬ পয়সা, শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ১৯ টাকা ৩৯ পয়সা।এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৬১ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ১ টাকা ৪১ পয়সা। সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং অনুসারে, বারাকা পাওয়ারের এনটিটি রেটিং ‘ডাবল এ২’।২০১১ সালে বারাকাতুল্লাহ ইলেকট্রো ডাইনামিকস লিমিটেড (বিইডিএল) নামে শেয়ারবাজারে আসে বর্তমান বারাকা পাওয়ার। কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৬৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৩৪ কোটি ৭৬  লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালক ৩০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৮ দশমিক ৬৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ৬১ দশমিক ৩৭ শতাংশ শেয়ার।   Source : বনিক বার্তা
  • জানুয়ারিতে ডিএসই থেকে রাজস্ব বেড়েছে
    শেয়ারবাজারে কেনাবেচা বৃদ্ধির প্রভাব দেখা যাচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে সরকারের প্রাপ্য রাজস্বে। জানুয়ারিতে মোট ১৫ কোটি ৫৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৭ টাকা রাজস্ব আহরণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যা  ডিসেম্বরের চেয়ে ২৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেশি।জানা গেছে, সদ্য শেষ হওয়া জানুয়ারিতে ডিএসইর রাজস্ব আহরণ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বেচাকেনা থেকে। ডিসেম্বরের তুলনায় এ খাতে প্রায় দ্বিগুণ রাজস্ব আদায় হয়েছে। ট্রেকহোল্ডার প্রতিষ্ঠান থেকেও রাজস্ব বেড়েছে। জানুয়ারিতে ট্রেকহোল্ডার প্রতিষ্ঠান থেকে ডিএসইর রাজস্ব এসেছে ১১ কোটি ৩৪ লাখ ৯৬ হাজার ৩০৭ টাকা, যা ডিসেম্বরে ছিল ৯ কোটি ১৬ লাখ ১১ হাজার ৯৬২ টাকা। জানুয়ারিতে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বেচাকেনা থেকে রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৪ কোটি ১৯ লাখ ১৮ হাজার ৭৮০ টাকা, যা ডিসেম্বরে ছিল ১ কোটি ৯০ লাখ ৪৮ হাজার ৩১০ টাকা।   Source : বনিক বার্তা
  • মেঘনা পেট্রোলিয়ামের এজিএম ২০ ফেব্রুয়ারি
    আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রামের লালখান বাজারে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করবে জ্বালানি খাতের সরকারি কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ১০৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের পরিচালনা পর্ষদ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৮ টাকা ৮০ পয়সা, শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৪ টাকা ৫১ পয়সা।এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে ৩ টাকা ৪৮ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ১ পয়সা।২০১৪ হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি লভ্যাংশ হিসেবে শেয়ারহোল্ডারদের ৯৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়। তখন এর ইপিএস ছিল ২৩ টাকা ৯৯ পয়সা।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইতে মেঘনা পেট্রোলিয়াম শেয়ারের সর্বশেষ দর দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১৪২ টাকা ২০ পয়সা। গত এক বছরে এর দর ১৩৯ থেকে ২১৫ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।২০০৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৪০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০৮ কোটি ২২ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৫৮৮ কোটি ১০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার ১০ কোটি ৮২ লাখ ১৬ হাজার ১০৮টি। এর মধ্যে সরকার ৫৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২০ দশমিক ৫৬ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে বাকি ২০ দশমিক ৭৭ শতাংশ শেয়ার।   Source : বনিক বার্তা
  • বিনিয়োগ প্রস্তাব বেড়েছে ৪৮.৯৬ শতাংশ
    চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত স্থানীয় ও বিদেশি উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে পাওয়া বিনিয়োগ প্রস্তাব ৪৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেড়েছ। বিনিয়োগ বোর্ডের সাম্প্রতিক তথ্য-উপাত্ত থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। আলোচ্য তিন মাসে ৪০২টি শিল্প ইউনিটে বিনিয়োগ করার লক্ষ্যে বিনিয়োগ বোর্ডের কাছে স্থানীয় ও বিদেশি উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে ২১ হাজার ৬৯২ কোটি ৩৬ লাখ টাকার প্রস্তাব পাঠানো হয়। অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ২০১৫) ৩৭২টি শিল্প ইউনিটে বিনিয়োগ প্রস্তাব ছিল ১৩০ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার টাকার। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ২০১৫) ৩৭২টি শিল্প ইউনিটে বিনিয়োগ প্রস্তাব ছিল ১৩০ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার টাকার। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত পুরোপুরি অথবা যৌথভাবে প্রাপ্ত বিদেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব ছিল ১ হাজার ১৩৮ কোটি ২৪ লাখ টাকার।   Source : ভোরের কাগজ
  • পুঁজি তোলার সুবিধা পাচ্ছে ছোট কোম্পানি
    স্বল্প মূলধনী কোম্পানির জন্য আলাদা মার্কেট তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ লক্ষ্যে স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর লিস্টিং এবং ট্রেডিংয়ের জন্য উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে স্মল ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্ম গঠন করা হবে। তবে এই মার্কেটে লেনদেন করতে পারবে শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং উচ্চ নিটসম্পদধারী ব্যক্তি যাদের বিনিয়োগ-সংক্রান্ত সম্যক ধারণা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে এ মার্কেটে লেনদেন করা থেকে বঞ্চিত হবেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।গত মঙ্গলবার বিএসইসি ভবনে অনুষ্ঠিত ৫৬৫তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুঁজিবাজারে স্মল ক্যাপ বোর্ড প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত কমিটির দাখিলকৃত রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি ১৩টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- স্মল ক্যাপিটাল কোম্পানিগুলোর লিস্টিং এবং ট্রেডিংয়ের জন্য উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে ‘স্মল ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্ম’ নামে ভিন্ন প্ল্যাটফর্ম গঠন করা। এ বাজারে তালিকাভুক্তির জন্য কোম্পানির ইস্যুপূর্ববর্তী ন্যূনতম ৫ কোটি টাকা এবং ইস্যু পরবর্তী ন্যূন্যতম ১০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে। ইস্যু পরবর্তী সর্বোচ্চ মূলধন হবে ৩০ কোটি টাকার নিচে। শুধুমাত্র কোয়ালিফাইড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) মাধ্যমে পুঁজি উত্তোলনপূর্বক স্মল ক্যাপিটাল বেইসড কোম্পানিগুলো এই বাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারবে। কোয়ালিফাইড ইনভেস্টরস বলতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং উচ্চ নিট সম্পদধারী ব্যক্তি যাদের বিনিয়োগ-সংক্রান্ত সম্যক ধারণা রয়েছে তাদের বোঝাবে।এই বাজারে ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে পারবে না। বিদ্যমান শেয়ারধারকদের শেয়ার একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য লক ইন থাকবে। এই বাজারে শুধুমাত্র কোয়ালিফাইড ইনভেস্টররা লেনদেন করতে পারবেন। এই বাজার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত নয়। বাজারে লেনদেনের তারল্য বজায় রাখার জন্য ইস্যুয়ার কোম্পানি ন্যূনতম ৩ বছরের জন্য মার্কেট মেকার নিয়োগ করবে। সিকিউরিটিজগুলো ডিমেটেরিয়ালাইজড ফর্ম হবে এবং ইলেকট্রনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মে লেনদেন হবে। ক্লিয়ারি, সেটেলমেন্ট এবং ট্রেড সাইকেল হবে এক্সচেঞ্জের মূল বাজারের অনুরূপ।স্মল ক্যাপিটাল বেইসড কোম্পানির লিস্টিয়ের ন্যূনতম ফি এবং অন্যান্য খরচ ধার্য করা হবে। তালিকাভুক্তি এবং কমপ্লায়েন্সের বাধ্যবাধকতাগুলো বর্তমানে প্রচলিত আইপিওর চেয়ে হ্রাস করা হবে এবং ইলেকট্রনিক কমপ্লায়েন্স ও ডিসক্লোজার প্রণয়নের ব্যবস্থা করা হবে। বিদ্যমান স্টক ব্রোকারদের মাধ্যমে লেনদেন পরিচালিত হবে। কোয়ালিফাইড ইনভেস্টরস চিহ্নিতকরণের জন্য সিডিবিএলে ভিন্ন ধরনের বিও হিসাব প্রণয়ন করবে। এক্সচেঞ্জগুলো কোম্পানি এবং বিনিয়োগকারীদের সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করবে।   Source : ভোরের কাগজ
  • ডিএসইর রাজস্ব আদায় বেড়েছে
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের আগের তুলনায় লেনদেনের গতি বাড়ছে। যার কারণে সেখান থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরের মাসের তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯১ টাকা বা ৪০.৪৪ শতাংশ। ডিএসই থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।সূত্রমতে, জানুয়ারি মাসে ডিএসই থেকে মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৫ কোটি ৫৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এর আগে মাসে অর্থাৎ ডিসেম্বর’১৫ মাসে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ছিল ১১ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার ২০৯ টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯১ টাকা অর্থাৎ ৪০.৪৪ শতাংশ।জানা যায়, জানুয়ারিতে ডিএসইর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ১১ কোটি ৩৪ লাখ ৯৬ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এর আগে ডিসেম্বর মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৯ কোটি ১৬ লাখ ১১ হাজার টাকা। সেই তুলনায় জানুয়ারিতে সদস্য প্রতিষ্ঠান থেকে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ২ কোটি ১৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা বা ২৩.৮০ শতাংশ। এদিকে, উদ্যোক্তা পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারধারীদের কাছ থেকে জানুয়ারিতে ৪ কোটি ১৯ লাখ ১৮ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এর আগের মাসে ডিএসই উদ্যোক্তা পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারধারীদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ১ কোটি ৯০ লাখ ৪৮ হাজার। সে হিসেবে এ খাতে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ২ কোটি ২৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা বা ১২০ শতাংশ।উল্লেখ্য, আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪, ধারা ৫৩ এর আওতায় ডিএসই জানুয়ারি মাসে সদস্য ব্রোকারেজ হাউসের কাছ থেকে এই রাজস্ব আদায় করেছে।   Source : জনকণ্ঠ
  • সর্বোচ্চ দরেই একমির শেয়ার বিক্রি হচ্ছে
    বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৮৫ টাকা ২০ পয়সা দরে বিক্রি হচ্ছে একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের সব শেয়ার। এটি নিলামে প্রস্তাবিত সর্বোচ্চ দর।প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য একমির দুই কোটি শেয়ার সংরক্ষিত থাকলেও মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত সর্বোচ্চ দরে পাঁচ কোটি ৫৯ লাখ শেয়ার কেনার জন্য প্রস্তাব দিয়েছে ১১০টি প্রতিষ্ঠান। মোট ১৪০টি বিডের মাধ্যমে এ প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবকৃত শেয়ারের মূল্য দাঁড়ায় ৪৭৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটি এসব বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পারবে দেড় শ’ কোটি টাকা। কেনার জন্য ১২২টি প্রতিষ্ঠান নিলামে অংশ নিয়েছে। এদের মধ্যে ১১০টি প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা ২০ পয়সা দরে শেয়ার কেনার প্রস্তাব করেছে।সোমবার বেলা সাড়ে ৩টায় একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের বিক্রির জন্য নিলাম শুরু হয়েছে। এটি বুধবার বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত চলে। বধি অনুসারে, নিলামে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান শেয়ারের নির্দেশক মূল্য থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বেশি বা ২০ শতাংশ কম পর্যন্ত দর প্রস্তাব করতে পারবে। একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ছিল ৭১ টাকা। এ হিসেবে এর সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য দর দাঁড়ায় ৮৫ টাকা ২০ পয়সা। আর সর্বনিম্ন দর হয় ৫৬ টাকা ৮০ পয়সা। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত সর্বোচ্চ দরেই সবচেয়ে বেশি শেয়ার কেনার প্রস্তাব ছিল। একমির আইপিওতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য দুই কোটি শেয়ার সংরক্ষিত আছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দরে পাঁচ কোটি ৫৯ লাখ শেয়ার কেনার প্রস্তাব জমা পড়েছে, যা সংরক্ষিত শেয়ারের ২৭৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ। উল্লেখ্য, যে দামে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে শেয়ার বিক্রি শেষ হবে সেই দামে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব করেছে কোম্পানিটি।   Source : জনকণ্ঠ
  • পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন কমেছে
    দেশের দুই উভয় পুুঁজিবাজারে বুধবার মিশ্র প্রবণতায় শেষ হয়েছে লেনদেন। কারণ দিনটিতে প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচকটি কমলেও শরীয়াহ ও বাছাই সূচকটি কিছুটা বেড়েছে। তবে বেশিরভাগ কোম্পানির দর হারানোর কারণে ডিএসইতে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কমেছে। একই প্রবণতা দেখা অপর বাজারেও। সেখানে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি টাকার শেয়ার।বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪১৪ কোটি টাকার শেয়ার। যা মঙ্গলবারের তুলনায় ৯৫ কোটি টাকা কম। আগের দিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৫০৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার।ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩২৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭৬টির, কমেছে ২১৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির শেয়ার দর।সকালে ইতিবাচক প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরুর পরে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্যসূচক ১৭ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৭৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১০৮ পয়েন্টে। ডিএস ৩০ সূচক দশমিক ৯৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৪৭ পয়েন্টে।পুঁজিবাজারে বুধবারে প্রকৌশল খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারে দরপতন হয়েছে। আর এদিন প্রকৌশল খাতে ৯০ দশমিক ৬৩ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দরপতন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতের ৩২টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ২৯টি কোম্পানির দর কমেছে এবং ২টির দর বেড়েছে এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ১টির।বুধবার প্রকৌশল খাতে দরপতন তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে রেনউইক যজ্ঞেশ্বর এ্যান্ড কোম্পানি (বিডি) লিমিটেড। এই কোম্পানির শেয়ার দর ১৮ টাকা ৭০ পয়সা বা ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ কমেছে। এদিন শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৬৬ টাকা ৫০ পয়সা দরে। কোম্পানির ৩ হাজার ৫৬৩ টি শেয়ার ৭৮ বার লেনদেন হয়।মুন্নু জুট স্ট্যাফলার্স ১৪ টাকা ৯ পয়সা বা ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ দর কমে প্রকৌশল খাতে দরপতনের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এদিন শেয়ারটি সর্বশেষ ৩২০ টাকা দরে লেনদেন হয়। কোম্পানির ৭৮৭টি শেয়ার ২৩ বার লেনদেন হয়। দরপতনের তৃতীয় স্থানে রয়েছে কাশেম ড্রাইসেলস। এদিন শেয়ারটির দর কমেছে ৫ টাকা ৮০ পয়সা বা ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ। এছাড়া এটলাস বাংলাদেশ ৫ টাকা ২ পয়সা বা ৪ দশমিক ১৫ শতাংশ কমে চতুর্থ স্থানে রয়েছে।ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হলোÑ সিটি ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মা, এসিআই লিমিটেড, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, বেক্সিমকো ফার্মা, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, আইটিসি, এ্যাপেক্স ফুডস, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি এবং অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ।এদিকে ঢাকার বাজারের মতো সূচকের পতন ঘটেছে অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও। সেখানেও বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কমতে থাকে। সকালে উর্ধগতির পরে সিএসইর সার্বিক সূচক ৪৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৯২ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৫টির, কমেছে ১৫৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টির।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, শাহজিবাজার পাওয়ার, আইটিসি, সিটি ব্যাংক, এ্যাপোলো ইস্পাত, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, অলটেক্স, তিতাস গ্যাস, অলিম্পিক ও ইউনাইটেড এয়ার।   Source : জনকণ্ঠ
  • শাহজিবাজার পাওয়ারের দর বেড়েছে ৯.৯৯%
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (এসপিসিএল) শেয়ারদর ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়েছে। দিন শেষে স্টক এক্সচেঞ্জটির দরবৃদ্ধির তালিকায় দুই নম্বরে উঠে আসে বিদ্যুত্ খাতের কোম্পানিটি।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইতে এসপিসিএল শেয়ারের দর ১০৫ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১১৫ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ১১৫ টাকা ৬০ পয়সায় এর শেয়ার হাতবদল হয়। গত এক বছরে এ শেয়ারের সর্বনিম্ন দর ছিল ১০৩ টাকা ৮০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা। চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) ২ টাকা ৪০ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে শাহজিবাজার পাওয়ার, এক বছর আগে যা ছিল ৪ টাকা ৫৬ পয়সা।৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ২৮ শতাংশ নগদ ও ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে এর পরিচালনা পর্ষদ। এজিএমের রেকর্ড ডেট ছিল ৭ ডিসেম্বর। হিসাব বছর শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ২০ পয়সা, শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৩০ টাকা ৬০ পয়সা।স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় রাজধানীর খামারবাড়িতে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এসপিসিএলের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।এনটিটি (সার্ভিল্যান্স) রেটিংয়ে এসপিসিএলের অবস্থান ‘ ডাবল এ২’। এর অর্থ  কোম্পানিস্বত্বা বিবেচনায় সার্বিকভাবে ভালো অবস্থানেই রয়েছে জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক  উপাত্ত এবং ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হালনাগাদ ব্যাংকঋণ ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ (সিআরএবি) লিমিটেড।তালিকাভুক্তির পর ২০১৪ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় শাহজিবাজার পাওয়ার। সে হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৪ টাকা ১৩ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • স্বল্প মূলধনি কোম্পানির আলাদা ট্র্রেডিং প্লাটফর্ম গঠনের সিদ্ধান্ত
    স্বল্প মূলধনি কোম্পানির জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে আলাদা লেনদেন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এতে মুনাফার ইতিহাসে ধারাবাহিকতা না থাকলেও শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে পুঁজি সংগ্রহ করতে পারবে স্বল্প মূলধনি কোম্পানি। তবে এসব প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের ঝুঁকির দিকটি মাথায় রেখে শুধু নির্দিষ্ট শ্রেণীর বিনিয়োগকারীদের জন্যই এ বাজারে কেনাবেচার সুযোগ রাখা হচ্ছে।গতকাল বিএসইসির নিয়মিত সভায় স্বল্প মূলধনি কোম্পানির জন্য আলাদা লেনদেন ব্যবস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসব কোম্পানির তালিকাভুক্তি ও লেনদেনের জন্য গঠিত আলাদা প্লাটফর্মের নামকরণ করা হয়েছে ‘স্মল ক্যাপিটাল প্লাটফর্ম’। ন্যূনতম পাঁচ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকলে একটি কোম্পানি এ প্লাটফর্মে তালিকাভুক্ত হতে পারবে। তালিকাভুক্তির পর কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা হতে হবে। তবে তা ৩০ কোটি টাকার নিচে থাকতে হবে।বিএসইসি সূত্র জানিয়েছে, স্বল্প মূলধনি কোম্পানির অর্থ সংগ্রহের জন্য আলাদা লেনদেন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও মূল বাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানিকেই এ প্লাটফরমে স্থানান্তর করা হবে না।নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আগামী মার্চের মধ্যেই স্বল্প মূলধনি কোম্পানির এ প্লাটফর্ম চালু করতে চায় কমিশন। মূলত দেশের ছোট ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোয় বিদেশী বিনিয়োগ আনতেই দ্রুততম সময়ে আলাদা বাজার ব্যবস্থা চালুর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের মাধ্যমে স্বল্প মূলধনি কোম্পানিতে বিনিয়োগের বিধিমালা এরই মধ্যে তৈরি করা হয়েছে। আর নির্দিষ্ট সময়ে এ বিনিয়োগ তুলে নেয়ার সুযোগ দিতেই চালু করা হচ্ছে স্মল ক্যাপিটাল প্লাটফরম। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোয় ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য এ বাজার উন্মুক্ত থাকবে না। শুধু যোগ্য বিনিয়োগকারীরাই এ বাজারে কেনাবেচা করতে পারবেন। ‘যোগ্য বিনিয়োগকারী’ বলতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও উচ্চ নিট সম্পদধারী ব্যক্তি, যাদের বাজার সম্পর্কে সম্যক ধারণা রয়েছে তাদের বোঝাবে। আর কোম্পানিগুলো শুধু ‘কোয়ালিফাইড ইনভেস্টরস অফার’-এর মাধ্যমে সে বাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারবে। এ ধরনের বিনিয়োগকারীদের জন্য সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডও (সিডিবিএল) ভিন্ন ধরনের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব চালু করবে। বাজারে লেনদেনের তারল্য বজায় রাখার জন্য ইস্যুয়ার কোম্পানি ন্যূনতম তিন বছরের জন্য মার্কেট মেকার নিয়োগ করবে। এজন্য মার্কেট মেকার বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনীরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।স্বল্প মূলধনি কোম্পানিগুলোর ইলেকট্রনিক শেয়ার থাকবে এবং ইলেকট্রনিক ট্রেডিং প্লাটফর্মেই এর লেনদেন হবে। ক্লিয়ারিং, সেটেলমেন্ট ও ট্রেড সাইকেল স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বাজারের আদলেই নির্ধারণ করা হবে। তালিকাভুক্তি ও প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শর্ত প্রচলিত ব্যবস্থার চেয়ে কিছুটা শিথিল হবে। ইলেকট্রনিক কমপ্লায়েন্স ও ডিসক্লোজার প্রণয়নের ব্যবস্থা থাকবে। বিদ্যমান স্টক ব্রোকারদের মাধ্যমেই এসব কোম্পানির  শেয়ার লেনদেন পরিচালিত হবে। স্বল্প মূলধনি কোম্পানির তালিকাভুক্তি ও আলাদা লেনদেন ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করা হবে।এ বিষয়ে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রফেসর স্বপন কুমার বালা বণিক বার্তাকে বলেন, আমাদের বর্তমানে যে অবকাঠামোগত সুবিধা রয়েছে, তাতে আমরা যেকোনো সময়েই আলাদা প্লাটফর্ম গঠন করতে পারব। তবে এর আগে সিডিবিএলকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।প্রসঙ্গত, গত বছর স্বল্প মূলধনি বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলো যাতে সহজে শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে, এর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এর পর থেকেই স্বল্প মূলধনি কোম্পানির জন্য আলাদা বাজার গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বিধিবিধান তৈরির কাজ শুরু করে বিএসইসি। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে।খসড়া অনুযায়ী, সাময়িকভাবে লোকসানে থাকা স্বল্প মূলধনি কোম্পানিও এ বাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে ওই কোম্পানির ভবিষ্যত্ সম্ভাবনাময় হতে হবে। এর বাইরে তালিকাভুক্তির অন্যান্য শর্তও শিথিল করা হচ্ছে।বর্তমানে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কোম্পানির পাঁচ বছরের লাভ লোকসানের হিসাব জমা দিতে হয়। এর মধ্যে অন্তত তিন বছর কোম্পানিকে মুনাফায় থাকতে হয়। এর ব্যতিক্রম হলে কোম্পানি শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের যোগ্যতা হারায়। তবে স্বল্প মূলধনি কোম্পানিগুলোর জন্য এ শর্ত শিথিল করা হচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে লোকসানে থাকা প্রতিষ্ঠানও শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারবে।তালিকাভুক্তির পর স্বল্প মূলধনি কোম্পানির শেয়ার বিক্রিতে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফিন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও বিশেষ সুবিধা রাখা হচ্ছে। এ ধরনের কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বিনিয়োগের অর্থ স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির এক বছর পরই তুলে নিতে পারবে প্রতিষ্ঠানগুলো। সাধারণত আইপিওর প্রসপেক্টাস অনুমোদনের পরবর্তী তিন বছর উদ্যোক্তা পরিচালক ও ৫ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ারের অধিকারী বিনিয়োগকারীর শেয়ার বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা (লকইন) থাকে। আলাদা বাজারে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফিন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য লকইনের সময় এক বছরে নামিয়ে আনা হচ্ছে। অবশ্য শুধু বিএসইসিতে নিবন্ধিত ভেঞ্চার ফিন্যান্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোই এ সুযোগ পাবে।     সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিকল্প বাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠলে প্রচলিত ব্যবস্থায় যেসব কোম্পানি শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারছে না, তাদের জন্য একটি সুযোগ তৈরি হবে। এটি হবে এক ধরনের প্রি-লিস্টিং ব্যবস্থা। ছোট ছোট কোম্পানিগুলো এ বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করে যখন বড় হবে, তখন মূল বাজারে আসতে পারবে। অবশ্য মূল বাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে তাদের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মূলধন বিবেচনায় কোম্পানির শেয়ার অফলোডের জন্য আলাদা বাজার ব্যবস্থা রয়েছে। এসব বাজারের জন্য আইন-কানুনও আলাদা। এখানে যেসব কোম্পানি তালিকাভুক্ত হবে, তাদের লিস্টিং ফিসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও কম হবে। বিশ্বে এটিকে অল্টারনেটিভ মার্কেট বলে। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটে (এআইএম) তালিকাভুক্ত আছে দেশীয় কোম্পানি বেক্সিমকো ফার্মা। Source : বনিক বার্তা  
  • গেইনারের শীর্ষে অ্যাপেক্স ফুডস
    গতকাল মঙ্গলবার লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে অ্যাপেক্স ফুডসের। দিনশেষে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ১০ শতাংশ। সোমবারের সমাপনী মূল্যের (ক্লোজিং প্রাইস) সঙ্গে মঙ্গলবারের সমাপনী মূল্যের পার্থক্য হিসেবে কোম্পানিটির শেয়ারের এ দর বৃদ্ধি হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সোমবার অ্যাপেক্স ফুডসের সমাপনী মূল্য ছিল ১১৬ টাকা। মঙ্গলবার দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী মূল্য গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১২৭.৬ টাকায়। দিনের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ারের দর সীমাও ছিল ১২৭.৬ টাকা।দর বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা অপর ইস্যুগুলোর মধ্যে শাহজিবাজার পাওয়ারের ৯.৯৯ শতাংশ, বঙ্গজের ৮.৮৯ শতাংশ, এমবি ফার্মার ৮.৭৫ শতাংশ, লিব্রা ইনফিউশন্সের ৮.৭৪ শতাংশ, জেমিনি ফুডের ৮.৭৪ শতাংশ, আরামিটের ৭.১৭ শতাংশ, রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের ৭.০১ শতাংশ, এসিআই ফরমুলেশন্সের ৬.৮৩ শতাংশ, ফারইস্ট নিটিংয়ের ৬.৪৭ শতাংশ দর বেড়েছে।দর বৃদ্ধির এ তালিকায় ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত ও সার্কিট ব্রেকারের বাইরে থাকা কোম্পানিগুলোকে বিবেচনায় নেয়া হয়নি।   Source : ভোরের কাগজ
  • ড্রাগন সোয়েটারের আইপিও লটারির ড্রয়ের তারিখ নির্ধারণ
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া বস্ত্র খাতের কোম্পানি ড্রাগন সোয়েটার এন্ড স্পিনিং লিমিটেডের আইপিও লটারির ড্রয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানায়, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার সকাল ১০টায়, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, রমনা, ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির আইপিও লটারির ড্র। ড্রাগন সোয়েটারের আইপিওতে স্থানীয় ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ১৭ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করেছে। আর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৬১তম সাধারণ সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। জানা যায়, আইপিওতে কোনো প্রকার প্রিমিয়াম ছাড়া ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৪ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে কোম্পানিটি। যার মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫০০টি শেয়ারে। আর পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত টাকায় মেশিন ক্রয়, বিল্ডিং ও সিভিল কনস্ট্রাকশন, স্পেয়ার পার্টস ক্রয়, চলতি মূলধন এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির গত ৫ বছরের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৩৩ টাকা (ওয়েটেড এভারেজ) এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮.৭৯ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে স্বদেশ ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।   Source : ভোরের কাগজ
  • তিতাস গ্যাসের ইপিএস কমেছে
    দ্বিতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-ডিসেম্বর ১৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তালিকাভুক্ত জ্বালানি বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি তিতাস গ্যাস লিমিটেড। প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে তিতাস গ্যাসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৯ টাকা, শেয়ারপ্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের (এনওসিএফপিএস) পরিমাণ হয়েছে ৫.৫১ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫৮.৭৫ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪.২৫ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৩.৫০ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৫ পর্যন্ত এনএভি ছিল ৫৮.৩৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ২.৩৬ টাকা। এদিকে গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৫) এ কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ০.৩২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ২.১৬ টাকা।   Source : ভোরের কাগজ
View All
Latest DSE News
  • SIB

    Withdrawal of Authorized Representatives: SIBL Securities Limited, DSE TREC No. 94, has withdrawn two of its Authorized Representatives, Mr. Abdullah Al Masud and Mr. Md. Faruque Sarder, with immediate effect.

  • RAZ

    Withdrawal of Authorized Representative: Razzak Securities Ltd., DSE TREC No. 184, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Kazi Billal Hossain, with immediate effect.

  • HFL

    Credit Rating Agency of Bangladesh Limited (CRAB) has announced the entity rating (surveillance) of the Company as &quot;AA3&quot; based on audited financial statements up to June 30, 2015; unaudited 03 (three) months management prepared financial statements; bank liability position as on September 30, 2015 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • EASTRNLUB

    The Company has informed that it has disbursed cash dividend to the respective shareholders' bank accounts through Bangladesh Electronic Fund Transfer Network (BEFTN) system.

  • DYN

    Withdrawal of Authorized Representative: Dynamic Securities Consultants Limited, DSE TREC No. 126, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Mashruq Ahmed, with immediate effect.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
FUWANGCER 15.40 14.00 1.40 10.00
KAY&QUE 21.90 20.00 1.90 9.50
LIBRAINFU 426.30 392.00 34.30 8.75
GEMINISEA 451.60 415.30 36.30 8.74
RAHIMTEXT 241.50 222.30 19.20 8.64
BEACONPHAR 18.10 17.00 1.10 6.47
LINDEBD 1253.60 1188.40 65.20 5.49
EASTRNLUB 694.80 658.80 36.00 5.46
UNITEDINS 28.10 26.70 1.40 5.24
ICBIBANK 4.40 4.20 0.20 4.76

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297