Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
JUTESPINN 65.9 46.4 19.50 42.03
SHYAMPSUG 11.4 8.7 2.70 31.03
ZEALBANGLA 9.6 8.1 1.50 18.52
TUNGHAI 21.3 18.1 3.20 17.68
AGNISYSL 33.1 28.2 4.90 17.38
MIRACLEIND 18.5 16.2 2.30 14.20
FUWANGFOOD 27.5 24.3 3.20 13.17
QSMDRYCELL 79.7 71 8.70 12.25
GSPFINANCE 35.7 32.5 3.20 9.85
FAREASTFIN 17.2 15.7 1.50 9.55

Contest SB2014_Dec

1st
blank_person
GAINLOSS
2nd
blank_person
SANTABANTAO007
3rd
blank_person
FAIZUB
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
SPCL 241.9 231.1 2.51498 38938.00
TITASGAS 80.7 79.7 1.81674 214965.00
RAKCERAMIC 62.1 59.8 1.42287 1128780.00
MARICO 1091.9 1069 1.32478 2593.00
SQURPHARMA 254.3 253.3 1.01799 256590.00
Negative impact
UNIQUEHRL 66.5 68 -0.81101 288741.00
ICB 1385.4 1391.9 -0.50361 1459.00
WMSHIPYARD 53.7 56.1 -0.48287 916272.00
ACI 370.8 377.6 -0.42953 50630.00
UTTARABANK 26.2 26.7 -0.36738 236899.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
QSMDRYCELL 79.7 82 76.6 4.59% 82.68
FUWANGFOOD 27.5 27.9 25.7 4.17% 73.84
RAKCERAMIC 62.1 62.8 60.2 3.85% 69.79
SQURPHARMA 254.3 257 252.7 0.39% 65.09
AGNISYSL 33.1 33.7 32.7 -0.60% 64.29
TUNGHAI 21.3 21.4 20.6 1.43% 63.03
BXPHARMA 62.9 64.2 62 0.96% 60.77
LAFSURCEML 115 120.3 114.2 1.68% 59.30
KEYACOSMET 27.8 28 27 2.96% 58.33
SAPORTL 84.4 89.9 83.6 -0.35% 56.79

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 18 Dec 2014

77899
TOTAL TRADE
59.8621
TOTAL VOLUME(Mn)
2313.24
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ইনডেক্স বাড়লেও লেনদেন হ্রাস পেয়েছে
    মেহেদী আরাফাত : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসই এক্স ইনডেক্স বৃহস্পতিবার দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখি প্রবনতা নিয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে পুনরায় ক্রয়চাপের ফলে দিনশেষে ডিএসই এক্স ইনডেক্স ঊর্ধ্বমুখি হতে থাকে এবং ১৮.৪৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক  তৈরি করে।  ডিএসই এক্স ইনডেক্স ১৮.৪৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৪৮৫৬.৪১ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.৩৮% বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৭৪৮ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৪৯৮৫ পয়েন্টে  অবস্থান করছে। বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল  ৫৩.৯৭ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৩৫.৭৮। এম.এফ.আই  নিন্মমুখি আবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর  কিছুটা নিন্মমুখি আবস্থান করছে । বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৫ কোটি ৯৮ লাখ ৬২ হাজার ১০৩  টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ২৩১.৩২ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন হ্রাস  পেয়েছে ৫৩ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০২ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭২ টির, কমেছে ৯৭ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪১ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়,  বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ২০-৫০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় ১২.৭৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ০-২০, ৫০-১০০, ১০০-৩০০ এবং ৩০০ কোটি টাকার ওপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় যথাক্রমে ১২.০৮%, ৯.২%, ১১.৩৭% এবং ১৯.০৪% হ্রাস  পেয়েছে। পিই রেশিও ০-২০ এর  মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায়  ৭.৯৪% হ্রাস পেয়েছে। হ্রাস পেয়েছে  পিই রেশিও ২০-৪০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন যার পরিমান আগের দিনের তুলনায়  ৯.৯৪% কম ছিল। অন্যদিকে পিই রেশিও  ৪০ এর ওপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন  আগের দিনের তুলনায়  ২৭.১৭% হ্রাস  পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে এগিয়ে ছিল ‘এ’ ‘ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৭.১৬% কম ছিল। আজ হ্রাস পেয়েছে ‘জেড’, ‘এন’ এবং  বি’  ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ২৬.৪৪% , ২৪.৫৫% এবং ৫.৩২% কম ছিল।
  • নতুন প্রধান অর্থনীতিবিদ নিয়োগ
    ডেস্ক রিপোর্ট :  নিউইর্য়কের স্টেট ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. বিরূপাক্ষ পাল বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ হিসেবে যোগদান করেছেন। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের জনসংযোগ বিভাগ হতে জানানো হয় ড. পাল কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ড. পাল ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাকোওর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে সিডনির ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলোজি থেকে ফিন্যান্সে এমবিএ সম্পন্ন করেন। তিনি বিংহ্যামটন এর স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক হতে ২০০৪ সনে এ্যাপ্লাইড ইকোনোমিক্সে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন এবং একই বিশ্বদ্যিালয় থেকে ২০০৭ সালে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। মুদ্রাস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্য উদারীকরণ এবং আর্থিক (মনিটারি) অর্থনীতির উপরে কতিপয় আন্তর্জাতিক জার্নালে তার গবেষণাকর্ম প্রকাশ হয়েছে। ব্যাংকিং, অর্থনৈতিক সাংবাদিকতা, কনসালটেন্সি, শিক্ষকতা এবং গবেষণায় তার পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
  • আরএন স্পিনিং মিলস নিয়ে আকুতিতে বিনিয়োগকারীরা
    সিনিয়র রিপোর্টার : আরএন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের রাইট ইস্যু সংক্রান্ত মামলার দুই বছরের অচলাবস্থার পর ১১ ডিসেম্বর নিষ্পত্তি হয়েছে। ফলে কোম্পানির উদ্যোক্তাদের শেয়ার কেনাবেচা ও হস্তান্তরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে বাতিল ঘোষণা করেছে আদালত। তবে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বিএসইসির। তাই এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার চিন্তাভাবনা করছে সংস্থাটি। বিএসইসি সূত্র জানায়, আপিলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি হাতে পাওয়ার পর। এদিকে বিএসইসির আপিলের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র আবারো এ শেয়ার নিয়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। ফলে এ শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে ভাটা পড়েছে। মামলার রায় হলে শেয়ার দর বাড়বে এমন প্রত্যাশায় এ শেয়ারে অর্থ বিনিয়োগ করে বিপাকে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। অনেকে তাদের আকুতি জানিয়েছেন ইমেলের মাধ্যমে। নিচে তার কিছু নমুনা দেওয়া হল। উল্লেখ্য, রাইট শেয়ার নিয়ে জালিয়াতি করার অভিযোগে ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আরএন স্পিনিংয়ের উদ্যোক্তা পরিচালকদের শেয়ার বিক্রি, হস্তান্তর, বন্ধক ও উপহার দেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এ নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করে কোম্পানির পরিচালকরা। কিন্তু গত দুই বছরে এ মামলার কোনো শুনানিই হয়নি। মামলার কারণে কোম্পানিটি বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠান এবং লভ্যাংশও ঘোষণা করেনি। অন্যদিকে পুজিবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের অবশ্যই  বুঝে শুনে বিনিয়োগ করা উচিত, তা না হলে পড়ে যাবেন ফাঁদে।
  • বুঝে শুনে বিনিয়োগ করুন, তা না হলে পড়ে যাবেন ফাঁদে
    স্টাফ রিপোর্টার : বুঝে শুনে বিনিয়োগ করুন। তা না হলে পড়ে যাবেন ফাঁদে। বন্ড মার্কেটে প্রতি লেনদেনে ৫০ টাকা ট্রানজেকশন ফি দিতে হবে। ডিএসই ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আজ থেকে বন্ড মার্কেটের ট্রানজেকশন ফি ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর লাগা চার্জের নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রানজেকশন ফি’ করা হয়েছে। লাগা চার্জ আগের তুলনায় সামান্য বাড়ানো হয়েছে। আগে ডিএসইতে লাগা চার্জ ছিল ০.০২ শতাংশ। আজ থেকে এটি হবে ০.০৩ শতাংশ। তবে আগামী ৩ মাস পর লাগা চার্জের বিষয়টি সংশোধিত হতে পারে। উল্লেখ্য যে, নতুন সফটওয়্যারের কারণে ১টি করেও শেয়ার কেনা-বেচা করা যায়। কিন্তু এর জন্যও আগের বেঁধে দেয়া হারে হাওলা ও লাগা চার্জ পরিশোধ করতে হয়। এটি ব্রোকারহাউজের জন্য বাড়তি চাপ ছিল। বুধবার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ ও ব্রোকারেজ অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
  • ইষ্টার্ন কেবলসের বোর্ড সভা ২১ ডিসেম্বর
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইষ্টার্ন কেবলসের পরিচালনা পর্ষদের সভার দিন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২১ ডিসেম্বর রোববার বিকেল ৩টায়  এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। বৈঠকে কোম্পানির ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। ২০১৩ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। আর শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছিল ৬ টাকা ১০ পয়সা। ‘এ’ ক্যাটাগরির এই কোম্পানিটি ১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
  • সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন
    ডেস্ক রিপোর্ট : প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করবে এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ড। কোম্পানিটির প্রসপেক্টাস অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রসপেক্টাস অনুযায়ী কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী বছরের ১১ জানুয়ারি। আবেদন গ্রহণ চলবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকছে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ১০ কোটি ইউনিট ছেড়ে শেয়ারবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এ জন্য প্রতিটি ইউনিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। কোম্পানির ৫০০টি ইউনিটে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে প্রসপেক্টাস সময় মতো দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৪৯৯ তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও আবেদন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
  • ইউনাইটেড পাওয়ারে আবেদন ১৮ জানুয়ারি শুরু
    ডেস্ক রিপোর্ট : বুক বিডিং পদ্ধতির আওতায় প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১৮ জানুয়ারি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ ১৮ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ২২ জানুয়ারি। তবে প্রবাসি বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ থাকবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ৩ কোটি ৩০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়ে ২৩৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলন করবে। এ জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ৬২ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭২ টাকা। কোম্পানির ১০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের ইনডিকেটিভ মূল্য ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা ৬ ক্যাটাগরির ২৮টি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী দ্বারা সমর্থিত হয়। পরবর্তীতে ৬৮ জন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর বিডিং এ অংশগ্রহনের মাধ্যমে ইনডিকেটিভ মূল্য ৭২ টাকা (২০ শতাংশ আপার ব্যান্ডসহ) নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে ৪০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৬০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্থ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এনআরবি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি প্রেফারেন্স শেয়ারের রিডেম্পশন, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ও আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.৯৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ২৩.৬৪ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট এবং রেজিষ্ট্রার ইস্যু হলো আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
  • বিদেশীরাও আবেদন করবে আইপিওতে
    ডেস্ক রিপোর্ট : কোন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) বিদেশী বিনিয়োগকারীরা আবেদন করতে পারবেন। স্থানীয় ও অনিবাসী বাংলাদেশীদের পাশাপাশি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিওর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ার কোটা হিসেবে রাখা হচ্ছে। এক মাসের মধ্যে ‘পাবলিক ইস্যু বিধিমালা ২০০৬’ সংশোধনের মাধ্যমে আইপিওর কোটা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কমিশন সূত্রটি আরও জানায়, চলতি মাসের মধ্যে অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথমার্ধে পাবলিক ইস্যু বিধিমালা সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করা হবে। এর পর জনগণের মতামতসাপেক্ষে প্রয়োজনে আরও সংশোধনের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। ওই সংশোধনীতে প্রাইমারি শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে প্রতিটি আইপিওতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য কোটা রাখা হচ্ছে। বর্তমানে কোন আইপিও সাইজের ২০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের, ১০ শতাংশ অনিবাসী বাংলাদেশী, ১০ শতাংশ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও অবশিষ্ট ৬০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য রাখার বিধান রয়েছে। বিদ্যমান ব্যবস্থার পরিবর্তন এনে আইপিও সাইজের ১০ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য কোটা রাখা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ শেয়ারের পরিমাণ কমতে পারে। অথবা ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ শেয়ার একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর কোটা বাতিল করা হতে পারে। প্রাইমারি বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর অংশ হিসেবে কমিশন আইপিওর বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি ঢেলে সাজাতে চায়। এক্ষেত্রে মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বিদেশী বিনিয়োগকারীসহ বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের একটি আইপিওর সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বরাদ্দের জন্য পাবলিক ইস্যু বিধিমালার সংশোধনীতে প্রস্তাব দেয়া হতে পারে। এদিকে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ (পাবলিক ইস্যু) বিধিমালা, ২০০৬ সংশোধনীতে যে কোন আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। অর্থাৎ স্টক এক্সচেঞ্জের সম্মতি ছাড়া কোন কোম্পানি বিএসইসিতে আইপিও আবেদন করতে পারবে না। তবে বিধানটি চূড়ান্ত হওয়ার আগে দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মনে করেন বিএসইসির শীর্ষ কর্মকর্তারা। এজন্য স্টক এক্সচেঞ্জকে আরও ক্ষমতা দেয়া হবে, যাতে আইপিওর প্রাথমিক আবেদন পাওয়ার পর আবেদনকারী কোম্পানির কার্যালয় ও কারখানা সরেজমিনে পরিদর্শন এবং তার আর্থিক হিসাবের যথার্থতা ও আনুষঙ্গিক ঘোষণা বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারে। স্টক এক্সচেঞ্জ সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ‘তালিকাভুক্ত করার যোগ্য’ ঘোষণা না করা পর্যন্ত আইপিও আবেদন বিবেচনা করা থেকে কমিশন বিরত থাকবে। একই সঙ্গে স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্তি বিধিমালায়ও সংশোধন আনা হবে বলে জানা গেছে।
  • এ্যাপোলো ইস্পাতের পরিচালক শেয়ার বেচবেন
    ডেস্ক রিপোর্ট : প্রকৌশল খাতের কোম্পানি এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্সের  পরিচালক আব্দুর রহমান শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। এই পরিচালক নিজ প্রতিষ্ঠানের ৫ লাখ ৫০ হাজার  শেয়ার বিক্রয় করবেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, আব্দুর রহমানের কাছে কোম্পানির মোট ৫৫ লাখ  ৫০ হাজার শেয়ার রয়েছে। এই পরিচালক আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিক্রয় করতে পারবে।  
  • হাওলা চার্জ ফ্রি হলেও বাড়বে লাগা চার্জ
    ডেস্ক রিপোর্ট : নতুন স্বয়ংক্রিয় লেনদেন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হাওলা চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি করে দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তবে লাগা চার্জ বাবদ ব্রোকারেজ হাউস  থেকে ২ পয়সার স্থলে শতকরা ৩ পয়সা নেবে ডিএসই। আর বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে কমিশন আদায়ের ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়ম বহাল থাকবে। একইসঙ্গে লাগা চার্জের নাম পরিবর্তন করে ট্রানজেকশন ফি রাখা হয়েছে। গতকাল (বুধবার) ডিএসইর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। জানা গেছে, বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটায় ট্রেকহোল্ডারদের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করে ডিএসই। বৈঠকে ট্রেকহোল্ডারদের মতামত নিয়ে এবং ১১, ১৪, ১৫ ও ১৭ ডিসেম্বর অর্থাৎ চার কার্যদিবসের সার্বিক লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে হাওলা চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই। এ ছাড়া লাগা চার্জ বাবদ ব্রোকারেজ হাউস থেকে মোট লেনদেনের ওপর শতকরা ৩ পয়সা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে বিনিয়োগকারীদের কমিশন চার্জ আগের মতোই থাকবে। এতে ব্রোকারদের আগের চেয়ে ১০ পয়সা বেশি দিতে হবে। এর আগে ১১, ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বরের লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে ডিএসই। গত ১৫ ডিসেম্বর বোর্ডরুমে ৩ ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা করেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি ডিএসই। পরে অতিরিক্ত একদিন (গতকাল) লেনদেন পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসই। এ বিষয়ে ডিএসইর পরিচালক মো. শরিফ আনোয়ার হোসেন বলেন, লাগা চার্জের নাম পরিবর্তন করে ট্রানজেকশন ফিস রাখা হয়েছে। লাগা চার্জ বাবদ ব্রোকারেজ হাউসগুলো আগে ডিএসইকে শতকরা ২ পয়সা দিত। এখন তা বাড়িয়ে ৩ পয়সা দিতে হবে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ভারতে পেট্রল ও ডিজেলের দর ২ রুপি কমল
    আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমাগত জ্বালানি তেলের দাম পড়তে থাকায় দেশীয় বাজারেও দাম কমাল ভারত। দেশটিতে পেট্রল ও ডিজেলের দর লিটারপ্রতি দুই রুপি করে কমানো হয়েছে। গত সোমবার ভারতে জ্বালানির খুচরা ব্যবসায় সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন দাম কমানোর এ ঘোষণা দেয়। এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে গত আগস্ট মাস থেকে টানা অষ্টমবার পেট্রলের দাম কমানো হলো এবং অক্টোবর থেকে টানা চতুর্থবার কমল ডিজেলের দাম। নতুন দাম অনুযায়ী দিল্লিতে পেট্রলের দাম লিটারপ্রতি ৬৩.৩৩ রুপি থেকে কমে হয়েছে ৬১.৩৩ রুপি, যা ৪৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। ডিজেলের দাম ৫২.৫১ রুপি থেকে কমে হয়েছে ৫০.৫১ রুপি, যা ২০১৩ সালের জুলাইয়ের পর থেকে সর্বনিম্ন। দেশটিতে কর ও ভ্যাটের কারণে রাজ্যভেদে জ্বালানির দামও কমবেশি হয়। গত আগস্ট থেকে ভারতে পেট্রলের দাম লিটারপ্রতি ১২.২৭ রুপি কমানো হলো। অক্টোবর থেকে ডিজেলের দাম কমানো হলো ৮.৪৬ রুপি। প্রসঙ্গত, চলতি বছর বিশ্ববাজারে পড়তির দিকে রয়েছে জ্বালানি তেলের দর। শুধু গত জুন থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে প্রায় ৫০ শতাংশ। এতে ভারত সরকারও ক্রমান্বয়ে দেশীয় বাজারে দাম কমাচ্ছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া। Source : কালের কণ্ঠ
  • উন্নয়নশীল বিশ্ব থেকে এক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থপাচার
    বিশ্বব্যাপী অবৈধ আয় ও অর্থপাচার বাড়ছে। আর এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। সম্প্রতি দুর্নীতি প্রতিরোধ সংস্থা গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির (জিএফআই) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১২ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থপাচার হয়েছে, যা এ দেশগুলোতে রেকর্ড পরিমাণ দুর্নীতি, অর্থপাচার এবং অবৈধ বাণিজ্যের বিষয়টি স্পষ্ট করে। ওয়াশিংটনভিত্তিক এ সংস্থা জানায়, ২০০৩ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এক দশকে বিশ্বে প্রতিবছর অবৈধ অর্থপাচারে প্রবৃদ্ধি এসেছে ৯.৪ শতাংশ হারে, যা বিশ্বে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দ্বিগুণ। সবচেয়ে বেশি অর্থপাচার হয়েছে ওই সব দেশগুলো থেকে যাদের অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ দুর্বল। ২০১২ সালে উন্নয়নশীল যে দেশগুলো থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থপাচার হয় এতে শীর্ষ দশের মধ্যে- চীন থেকে পাচার হয় ২৪৯.৫৭ বিলিয়ন ডলার, রাশিয়া থেকে ১২২.৮৬ বিলিয়ন ডলার, ভারত থেকে ৯৪.৭৬ বিলিয়ন ডলার, মেক্সিকো থেকে ৫৯.৬৬ বিলিয়ন ডলার, মালয়েশিয়া থেকে ৪৮.৯৩ বিলিয়ন ডলার, সৌদি আরব থেকে ৪৬.৫৩ বিলিয়ন ডলার, থাইল্যান্ড থেকে ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার, ব্রাজিল থেকে ৩৩.৯৩ বিলিয়ন ডলার, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ২৯.১৩ বিলিয়ন ডলার এবং কোস্টারিকা থেকে ২১.৫৫ বিলিয়ন ডলার। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১২ সালে উন্নয়নশীল এবং উদীয়মান দেশগুলো থেকে মোট বহির্মুখী অবৈধ অর্থ প্রবাহ ছিল ৯৯১.২ বিলিয়ন ডলার, যা এ দেশগুলোর বিদেশি বিনিয়োগ ও সহায়তা আয়ের সমষ্টির চেয়েও বেশি। এ ছাড়া গত এক দশকে শুধু চীন থেকেই বছরে অর্থের বহির্মুখী প্রবাহ ছিল প্রায় ১২৫ বিলিয়ন ডলার করে। গবেষণার অন্যতম সহকারী অর্থনীতিবিদ জোশেফ স্পেঞ্জার্স বলেন, ২০১২ সালে উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে অর্থক্ষরণ হয়েছে ট্রিলিয়ন ডলার। যে অর্থ স্থানীয় ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা অথবা অবকাঠামোতে বিনিয়োগ হতে পারত। এ অর্থ সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারত এবং বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারত। প্রতিবেদনে বলা হয়, পুরো এক দশকে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে অর্থ পাচার হয়েছে ৬.৬ ট্রিলিয়ন ডলার, যা বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় ৪ শতাংশের সমান। অর্থপাচারের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা এবং সাবসাহারা আফ্রিকা অঞ্চল। দেশগুলো থেকে অর্থপাচারের মূল মাধ্যম ছিল বাণিজ্যিক লেনদেন। আমদানি বা রপ্তানির ছলে ব্যবসায়ীদের পক্ষে অর্থ বাইরে পাচার করা সম্ভব হয়েছে। জিএফআই এর মতে, প্রত্যেক দেশের আলাদা প্রচেষ্টার পাশাপাশি জাতিসংঘকে অবৈধ অর্থপাচার মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ তা না হলে বিশ্বে দারিদ্র্য কমানো যেমন কঠিন হবে তেমনি প্রবৃদ্ধি জোরালো করাও সহজ হবে না। জিএফআই প্রেসিডেন্ট রেমন্ড বেকার বলেন, 'এ সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে বিশ্বনেতারা যদি মুখোমুখি না বসেন তবে টেকসই বিশ্ব উন্নয়ন অর্জন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।' তিনি বলেন, 'জাতিসংঘের উচিত হবে ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট অবৈধ অর্থপ্রবাহ অর্ধেকে নামিয়ে আনতে আগামী বছরই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা। এটি করতে হবে টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডার অধীনে।   Source : কালের কণ্ঠ
  • এক লাফে রাশিয়ায় নীতি সুদের হার ১৭% হলো
    মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে আরেক দফা বাড়ল রাশিয়ার নীতিনির্ধারণী সুদের হার। রাশিয়ার মুদ্রা রুবলের অব্যাহত দরপতন ঠেকাতে এ পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক অব রাশিয়া।গত সোমবার মধ্যরাতে সুদের হার এক লাফে বাড়িয়ে ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে ১৭ শতাংশ করা হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত দেশটির নীতি সুদের হার ছিল ৮ শতাংশ। অক্টোবর থেকে দুই দফা বাড়িয়ে তা গত সপ্তাহে সাড়ে ১০ শতাংশ করা হয়। ১৯৯৮ সালের পর রুবলের দরপতন চলতি সপ্তাহে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসার পর অনেকটা বাধ্য হয়েই এ ব্যবস্থা নিল ব্যাংক অব রাশিয়া।অর্থনীতির সাধারণ সূত্র অনুযায়ী, ব্যাংক সুদের হার বাড়লে তা বাজার অর্থনীতিতে মুদ্রার প্রবাহ কমিয়ে দেয়। এর ফলে মুদ্রার ভিত্তি শক্তিশালী হয়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও তা ভূমিকা রাখে। এ দুটো বিষয় নিয়ন্ত্রণেই মূলত উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।জ্বালানি তেলের অব্যাহত দরপতন ও পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞায় কঠিন সময় পার করছে রাশিয়ার অর্থনীতি। চলতি বছরই মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুবলের দাম পড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। সুদের হার বাড়ানোর ঘোষণার আগে এক ডলারের বিনিময় মূল্য ছিল ৬৭ রুবল। আর ঘোষণার পর পরই তা ৫৮ রুবলে নেমে আসে, যদিও দিন শেষে ওই বিনিময় মূল্য গিয়ে ঠেকে ৬২ রুবলে। প্রতি ডলারের বিপরীতে বিনিময় হার ৬০ রুবলের বেশি হলে সেটাকে দেশটির জাতীয় মুদ্রার জন্য খারাপ মনে করা হয়।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অগ্রসরমান অর্থনীতির দেশগুলোতে মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঠেকাতে সুদের হার বাড়ানোর এমন আগ্রাসী নীতির ব্যবহার আগেও দেখা গেছে। চলতি বছরের শুরুতে তুরস্ক তাদের মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঠেকাতে এ পদক্ষেপ নিয়েছিল। চলতি বছরের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী, ইউক্রেনের মুদ্রা রিভনিয়ার পর সবচেয়ে বাজে সময় পার করছে রুবল।সুদের হার বাড়ানোর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে রাশিয়ার পুঁজিবাজারে। দেশটির বৃহত্তম ব্যাংক বার ব্যাংকের শেয়ারের দাম কমেছে ৬ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর রাষ্ট্রায়ত্ত তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রজনেফত শেয়ারের দাম কমেছে চার দশমিক ৪০ শতাংশ। চলতি ডিসম্বেরে এখন পর্যন্ত রাশিয়ার পুঁজিবাজারের প্রধান সূচক ডলারের অর্থমূল্যে ২৬ শতাংশ কমে গেছে।   Source : প্রথম আলো 
  • বাংলাদেশ থেকে পাচার ১৪ হাজার কোটি টাকা
    বাংলাদেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচার এক বছরে প্রায় তিন গুণ বেড়ে গেছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) নতুন হিসাব অনুসারে, ২০১২ সালে বাংলাদেশ থেকে অন্তত ১৭৮ কোটি ডলার বা ১৩ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা অবৈধ পথে বিভিন্ন দেশে চলে গেছে। আর ২০১১ সালে পাচার হয়েছিল অন্তত ৬০ কোটি ডলার, যা টাকার অঙ্কে চার হাজার ৬৩০ কোটি।যে পরিমাণ অর্থ ২০১২ সালে অবৈধ পথে বাইরে চলে গেছে, তা বাংলাদেশের চলতি অর্থবছরের স্বাস্থ্য বাজেটের চেয়েও বেশি। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে ১১ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।জিএফআই ‘ইলিসিট ফাইন্যান্সিয়াল ফ্লোজ ফ্রম ডেভেলপিং কান্ট্রিজ: ২০০৩-১২’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি গতকাল মঙ্গলবার বিশ্বব্যাপী প্রকাশ করেছে। এতে বিশ্বের উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলো থেকে গত এক দশকে কী পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে বাইরে চলে গেছে, তার প্রাক্কলন করা হয়েছে।পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, নির্বাচনের সময় যখন ঘনিয়ে আসে, তখন আসন্ন অনিশ্চয়তার কারণে অর্থ পাচার বেড়ে যায়। এ কারণেই ২০০৫ ও ২০০৬ সালে বেড়েছে, আবার ২০১২ সালে বেড়েছে। যাঁরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অর্থসম্পদ গড়েন, তাঁরা টাকা পাচার করেন। এর পাশাপাশি সম্প্রতি দেশের বড় বড় শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী নিজেদের পরিবার এবং সন্তানদের নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তার জন্য বিভিন্নভাবে অর্থ বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা মনে করছেন, তাঁরা যেভাবে ব্যবসা, কারখানা ও সম্পদ এ দেশে গড়ে তুলেছেন, তাঁদের সন্তানেরা তা পারবে না।আইএমএফের এই সাবেক কর্মকর্তা মনে করেন, আগামী দিনেও এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। কোনো আইন করে এটা ঠেকানো যাবে না। কেননা, টাকা পাচারের বিষয়টি অনেকাংশে সুশাসনের সঙ্গে জড়িত।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে জিএফআই উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে ২০০২-২০১১ সময়কালের টাকা পাচারের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। বর্তমান প্রতিবেদনটি সেটিরই সংশোধিত ও হালনাগাদকৃত রূপ। হিসাবে কিছুটা সংশোধন হওয়ায় গতবারের থেকে এবারের হিসাবে বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচারের পরিমাণের ক্ষেত্রেও বেশ পরিবর্তন দেখা গেছে।যেমন, গতবারের হিসাব অনুসারে ২০১১ সালে বাংলাদেশ থেকে অন্তত ২৮০ কোটি ডলার পাচার হয়েছিল। হালনাগাদ হিসাবে এটি কমে হয়েছে মাত্র ৬০ কোটি ডলার। একইভাবে নতুন হিসাবে ২০১০ সালে পাচার হয়েছে ৬৭ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা গতবারের হিসাবে ছিল ২১৯ কোটি ডলার। আর ২০০৯ সালে পাচার হয়েছে ১০৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা আগের হিসাবে ছিল ১৪০ কোটি ৬০ লাখ ডলার। তবে ২০০৫ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত সময়কালে গতবারের প্রাক্কলনের সঙ্গে নতুন প্রাক্কলনে খুব বড় ব্যবধান নেই।অবৈধভাবে অর্থ বাইরে চলে যাওয়ার প্রাক্কলনে এক বছরের ব্যবধানে কেন এত বড় পার্থক্য দেখা দিল? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে চাওয়া হয়েছিল জিএফআইয়ের কাছে। ই-মেইল জবাবে জিএফআইয়ের যোগাযোগ পরিচালক ক্লার্ক গাসকোয়ান প্রথম আলোকে বলেন, ‘জিএফআই অর্থ পাচারের হিসাব নির্ণয় করে থাকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিভিন্ন পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে। আইএমএফ নিয়মিতই এসব পরিসংখ্যান সংশোধন ও হালনাগাদ করে। ফলে জিএফআইকেও হালনাগাদ পরিসংখ্যান ধরে অর্থ পাচারের প্রাক্কলন করতে হয়। আর তাই এক বছরের ব্যবধানে সর্বশেষ চার বছরের পাচার হয়ে যাওয়া টাকার পরিমাণে অনেক পার্থক্য দেখা দিয়েছে। তবে পুরোটাই রক্ষণশীল হিসাব। পাচার করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ আরও বেশি হবে।’জিএফআই ১৫১টি দেশের অর্থ পাচারের হিসাব প্রাক্কলন করেছে। এই তালিকায় বাংলাদেশর অবস্থান ৫১তম। নতুন প্রাক্কলন অনুসারে এক দশকে (২০০৩-২০১২) বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক হাজার ৩১৬ কোটি ডলার (এক লাখ কোটি টাকা) পাচার হয়েছে। তার মানে এই সময়কালে গড়ে প্রতিবছর পাচার হয়েছে ১৩১ কোটি ৬০ লাখ ডলার।আলোচ্য ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচার হয়েছে ২০০৬ সালে, যার পরিমাণ ২৬৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। টাকার অঙ্কে ২০ হাজার ৫৭৬ কোটি। তারপর ২০০৭ সালে পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ ২৪৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার (১৮ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা)।জিএফআইয়ের প্রধান অর্থনীতিবিদ ডেভ কার ও অর্থনীতিবিদ জোসেফ স্পানজারস উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে টাকা পাচারের হিসাব নির্ণয় করেছেন। ডেভ কার এর আগে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অর্থনীতিবিদ ছিলেন। তাঁরা বিভিন্ন দেশের লেনদেনের ভারসাম্য ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করেছেন। এসব পরিসংখ্যান নেওয়া হয়েছে আইএমএফের কাছ থেকে।জিএফআই বলছে, ট্রেড মিসইনভেয়সিং বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চালানের গরমিলের মাধ্যমেই বেশি পরিমাণ অর্থ উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ পণ্য আমদানি-রপ্তানির চালানে প্রকৃত মূল্য আড়াল করে কমবেশি দেখিয়ে একদিকে কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে মোটা অঙ্কের অর্থ দেশে না এনে বাইরেই রেখে দেওয়া হয়েছে।যোগাযোগ করা হলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মূলধনি যন্ত্রপাতি ও খাদ্যপণ্য আমদানিতে কোনো শুল্ক নেই। কাজেই এসব পণ্য আমদানিতে বাড়তি মূল্য দেখিয়ে টাকা পাচার হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। আবার রপ্তানির অর্থ পুরোটা সঠিকভাবে দেশে না এনে অন্যত্র সরিয়ে ফেলার সুযোগ আছে। এটাও টাকা পাচার। জিএফআই যে ট্রেড মিসইনভয়েসিংয়ের কথা বলেছে, তা যথেষ্ট যৌক্তিক।বৈশ্বিক পরিস্থিতি: জিএফআই বলছে, ২০০৩-১২ সময়কালে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে অন্তত ছয় লাখ ৬০ হাজার কোটি ডলার অবৈধ পথে বেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে ২০১২ সালেই বেরিয়ে গেছে ৯৯ হাজার ১২০ কোটি ডলার, যা কিনা আগের বছরের চেয়ে ৯ শতাংশ বেশি।জিএফআইয়ের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০০৩-২০১২ সময়কালে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচার হয়েছে চীন থেকে, যার পরিমাণ এক লাখ ২৫ হাজার কোটি ডলার। দ্বিতীয় স্থানে আছে রাশিয়া, ৯৭ হাজার ৩৮৬ কোটি ডলার। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে নাম রয়েছে যথাক্রমে মেক্সিকো (৫১ হাজার ৫২৬ কোটি ডলার) ও ভারত (৪৩ হাজার ৯৪৯ কোটি ডলার)। পঞ্চম স্থানে আছে মালয়েশিয়া (৩৯ হাজার ৪৮৭ কোটি ডলার)। আর ভারত থেকে ২০১২ সালে নয় হাজার ৪৭৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার অবৈধ পথে বাইরে চলে গেছে।   Source : প্রথম আলো 
  • লেনদেন বেড়েছে ওয়েস্টার্ন মেরিনের
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সোমবার বেড়েছে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়েস্টার্ন মেরিনের লেনদেন। এদিন ৪ হাজার ৩৪ বারে কোম্পানিটির মোট ২০ লাখ ৪১ হাজার ১২৩টি শেয়ার লেনদেন হয়। ফলে কোম্পানিটি উঠে আসে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে।এদিকে কোম্পানিটি ঋণমানে দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি+’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৪’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। অর্থাৎ ঋণ পরিশোধ সক্ষমতায় মাঝারি মানের কোম্পানি এটি। কোম্পানিটির ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড।চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টম্বর) এর মুনাফা বেড়েছে ৬৫ শতাংশ। প্রতিবেদন অনুসারে, হিসাব বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময় ছিল ৩ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ তিন মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৫১ পয়সা।ডিএসইতে সোমবার এ শেয়ারের দর বাড়ে ৬ দশমিক ৭২ শতাংশ বা ৩ টাকা ৫০ পয়সা । সর্বশেষ লেনদেন হয় ৫৫ টাকা ৬০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ৫৫ টাকা ৪০ পয়সায়। আগের কার্যদিবসে এর সর্বশেষ দর ছিল ৫২ টাকা ১০ পয়সা। এদিন ৪ হাজার ৩৪ বারে এ কোম্পানির মোট ২০ লাখ ৪১ হাজার ১২৩টি শেয়ার লেনদেন হয়।   Source : বনিক বার্তা
  • খুলনা পাওয়ারের ইজিএম আজ
    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠান খুলনা পাওয়ারের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আজ অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর ট্রাস্ট মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা যায়, কোম্পানিটির দুই অঙ্গপ্রতিষ্ঠান একীভূত হতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হচ্ছে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি ইউনিট টু লিমিটেড ও খানজাহান আলী পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। একীভূতকরণের বিষয়ে অনুমোদন নিতে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২২৮ ও ২২৯ ধারা অনুযায়ী উচ্চ আদালতে আবেদন করেছে কোম্পানিটি। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করেছে এর পরিচালনা পর্ষদ। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, একীভূতকরণের ফলে অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক মুনাফা ও ব্যবসায়িক উন্নতি সম্ভব হবে।এদিকে ঋণমানে কোম্পানিটির অবস্থান দীর্ঘ মেয়াদে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-১’। যার অর্থ ঋণ ঝুঁকি সক্ষমতায় অনেক ভালো অবস্থানে আছে এটি। কোম্পানিটির ৩০ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গত সোমবার এ শেয়ারের দর বাড়ে ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ বা ৮০ পয়সা। সারা দিন দর ৫৬ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৫৮ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৫৮ টাকা ৪০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে ৫৮ টাকা ৩০ পয়সা ছিল। আগের কার্যদিবসে এর সর্বশেষ দর ছিল ৫৭ টাকা ৬০ পয়সা। এদিন ৫৭১ বারে এর মোট ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৩টি শেয়ার লেনদেন হয়।কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৩ সালে ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দিতে সমর্থ হয়।   Source : বনিক বার্তা
  • নিম্নমুখী বাজারে ছোট কোম্পানির শেয়ারদরে উত্থান
    শেয়ারবাজারে অব্যাহত নিম্নমুখী প্রবণতা ও মন্দাভাবের মধ্যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে ছোট মূলধনির দুর্বল কোম্পানি। সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজার মন্দাবস্থায় বিনিয়োগকারীদের এসব শেয়ারের প্রতি ঝোঁক বেড়ে যায়। এতে বিক্রি চাপে কারণ ছাড়াই এসব শেয়ারের দর বাড়ে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সোমবার সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধির অধিকাংশই কোম্পানি ছিল ছোট মূলধনির। একই প্রবণতায় ছিল দেশের অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।এদিকে সম্প্রতি মার্কেট লট তুলে নেয়ায় বিনিয়োগকারীদের হাতে থাকা আগের অডলট শেয়ার বিক্রি বেড়েছে। ফলে বাজার কিছুটা বিক্রিচাপ তৈরি করেছে। মার্কেট লট তুলে নেয়ার কারণে মাত্র কয়েকটি শেয়ার লেনদেনেই কিছু কোম্পানির সর্বোচ্চ দর বাড়ছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃত্রিমভাবে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানির দর বাড়ানো হচ্ছে।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে এদিন লোকসানি কোম্পানি জুট স্পিনার্সের শেয়ারদর বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। এ শেয়ারের দর বেড়েছে ১০ দশমিক ২ শতাংশ। এছাড়া শ্যামপুর সুগার মিলসের দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া জেমিনী সি ফুড, প্রগতী লাইফ, ফু-ওয়াং ফুড, নর্দার্ন জুট, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, জিলবাংলা সুগার মিল, দেশবন্ধু পলিমারের মতো কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক ছিল এসব শেয়ারে। এদিন লেনদেন হয় সবচেয়ে বেশি ফু-ওয়াং ফুডের শেয়ারের। এছাড়া ছোট মূলধনি কোম্পানির মধ্যে অলিম্পিক ও অগ্নি সিস্টেমসের শেয়ারেরও উল্লেখযোগ হারে লেনদেন হয়েছে।বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন প্রযুক্তিতে লেনদেন চালুর প্রেক্ষাপটে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী পুরো প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করছেন। আবার প্রথম দিনে লেনদেন হঠাৎ করে কমে যাওয়ায় এ প্রবণতাকে আরো বেশি উসকে দিয়েছে। এছাড়া লট না থাকায় ক্রয় আদেশের বিপরীতে অনেকে স্বল্পসংখ্যক শেয়ার বিক্রি করায় লেনদেনের সংখ্যা বাড়ছে। এতে খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকে লেনদেনে নিরুত্সাহ বোধ করছেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে যারা অডলট শেয়ার বিক্রি করতে পারেননি, তারাই এখন সেসব শেয়ার বিক্রি করছেন। এতে বিক্রির চাপ ত্বরান্বিত হচ্ছে। ছোট মূলধনি শেয়ারের দরবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে সোমবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ছিল খাদ্য, প্রকৌশল ও চামড়া শিল্প খাত। এছাড়া অন্য সব খাতেরই বাজার মূলধন কমেছে।সোমবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ১১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৪৯০৪ পয়েন্টে। পরবর্তী ১৫ মিনিট সূচক কমে দাঁড়ায় ৪৭৯৩ পয়েন্টে। পরবর্তী ঘণ্টায় আবারো বেড়ে বেলা সাড়ে ১১টায় সূচক দাঁড়ায় ৪৯০১ পয়েন্টে। এর পর থেকে ধারাবাহিক হারে কমতে থাকে সূচক, যা দিনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।ডিএসইতে এদিন ৩০৪টি কোম্পানির ৬ কোটি ৫৫ লাখ ৯ হাজার ৩৩১টি সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে। এর বাজারদর ছিল ২৩৮ কোটি ৫৮ লাখ ৩৮ হাজার টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৪টির, কমেছে ১৫২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮টির। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৪.৩১ পয়েন্ট কমে ৪৮৭৮.৬৫, ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৩.৬০ পয়েন্ট কমে ১৮০৪.৪৫ এবং ডিএসইএক্স শরিয়াহ্ সূচক ৩.০৫ পয়েন্ট কমে ১১৪৭.৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।দেশের অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতে এদিন ২৪৮টি কোম্পানির ৮৩ লাখ ১৬ হাজার ৯৫৭টি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়, যার বাজারদর ছিল ২৬ কোটি ৪৫ লাখ ৫ হাজার টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৮৮টির, কমেছে ১৩০টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৩০টির। সিএসইর সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৭ দশমিক ১৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫০২৭ দশমিক ৮২ পয়েন্টে। নির্বাচিত শেয়ারগুলোর সূচক সিএসই-৫০ আগের দিনের চেয়ে ১ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১০৯৭ দশমিক শূন্য ৬ পয়েন্টে।ডিএসইতে সোমবার সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলো হলো— ফু-ওয়াং ফুড, ওয়েস্টার্ন মেরিন, অগ্নি সিস্টেমস, স্কয়ার ফার্মা, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, বেক্সিমকো লিমিটেড, কেয়া কসমেটিকস, গ্রামীণফোন, ব্র্যাক ব্যাংক ও বেক্সিমকো ফার্মা।অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি দর বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলো হলো— ফু-ওয়াং ফুড, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, ওয়েস্টার্ন মেরিন, দেশবন্ধু পলিমার, সাফকো স্পিনিং, লিগ্যাসী ফুটওয়্যার, ফারইস্ট নিটিং, আইসিবি প্রথম এনআরবি, বার্জার পেইন্ট ও ওরিয়ন ইনফিউশন।অন্যদিকে হ্রাস পাওয়া কোম্পানিগুলো হলো— ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, আরএন স্পিনিং, আজিজ পাইপস, এমবিএল প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, এক্সিম প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, মেঘনা পিইটি, খান ব্রাদার্স, রহিম টেক্সটাইল, সপ্তম আইসিবি ও হামিদ ফ্যাব্রিকস।   Source : বনিক বার্তা
  • অগ্নি সিস্টেমসের চাহিদা বৃদ্ধি
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল লেনদেনে এগিয়ে থাকা কোম্পানির তালিকায় শীর্ষে ছিল অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেড। এদিন ২ হাজার ২৮২ বারে এর মোট ৪৩ লাখ ৭৬ হাজার ১৪৩টি শেয়ার লেনদেন হয়। সর্বশেষ প্রান্তিকে কোম্পানিটির মুনাফা বাড়ায় এ শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৮৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩৬ পয়সা। তবে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এর মুনাফা হয় ১ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস ২৪ পয়সা।২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা দেয়। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, এ হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ২৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ১ পয়সা, শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৫ টাকা ৮৭ পয়সা। ২৩ ডিসেম্বর সাকল ১০টায় গুলশানের স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।   Source : বনিক বার্তা
  • ফু-ওয়াং ফুডের এজিএমের স্থান পরিবর্তন
    বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) স্থান পরিবর্তন করেছে ফু-ওয়াং ফুড। ২৮ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় রাওয়া কমপ্লেক্স, হল-২, ভিআইপি রোড, মহাখালীতে কোম্পানিটির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর আগে ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণ, বোকরাণ মনিপুর, হোতাপাড়া, গাজীপুরে এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এজিএম-সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দেবে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৯১ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৩ টাকা ২৭ পয়সা। ২৮ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় গাজীপুরে কারখানা প্রাঙ্গণে কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।এদিকে চকোলেট পণ্য উৎপাদন শুরু করছে ফু-ওয়াং ফুড। এতে বার্ষিক ২০ কোটি টাকার টার্নওভার আশা করছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারের দর বাড়ে দশমিক ৪২ শতাংশ বা ১০ পয়সা। দিনভর দর ২৩ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ২৪ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৪ টাকা ১০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে একই ছিল।   Source : বনিক বার্তা
  • ইইএফ ফান্ডের ৪৫০ কোটি টাকার তথ্য নেই আইসিবির
    ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদনে ইকুইটি অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ফান্ডের (ইইএফ) প্রায় ৪৫০ কোটি টাকার তথ্য নেই ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি)। উল্লিখিত প্রতিবেদনে নিরীক্ষক এসএফ আহমেদ অ্যান্ড কোম্পানি অ্যান্ড অক্টোখান এমন মন্তব্য করেছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। নিরীক্ষক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপ্রতিনিধি হিসেবে ইকুইটি অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ফান্ডের আওতায় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য করপোরেশনের কাছে বর্তমানে তহবিল রয়েছে, যা তাদের আর্থিক বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়নি। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া বছরের এবং ৩০ জুন ২০১৪ তারিখে আমরা আলোচ্য তহবিলের ব্যালান্স, তথ্য ও ব্যাখ্যা সম্পর্কে জানতে সমর্থ হইনি। ২০০৯ সালের ১ জুন তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী, আইসিবি অনুমোদিত প্রকল্পে তহবিল সরবরাহসহ ইকুইটি এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ফান্ডের পরিচালনা কার্যক্রম দেখভাল করবে। ইইএফ প্রকল্পে ২০১৩ সালের ৩০ জুন তারিখে করপোরেশনের কাস্টডিতে ৪৪৭ কোটি ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার টাকার তহবিল ছিল। করপোরেশনের আর্থিক বিবরণীতে ওই পরিমাণ অর্থ প্রদর্শিত হয়নি। ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে ওই তহবিলের জন্য কোনো পরিমাণ এখনো নির্ধারিত হয়নি।এদিকে বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে দশমিক ৩৫ শতাংশ বা ৫ টাকা। দিনভর দর ১ হাজার ৩৯৫ টাকা ১০ পয়সা থেকে ১ হাজার ৪১৬ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১ হাজার ৪০৩ টাকা ৮০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে ছিল ১ হাজার ৪০০ টাকা ২০ পয়সা। এদিন ৬৭ বারে এর মোট ২ হাজার ২৪১টি শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ১ হাজার ৩৯৪ টাকা ও সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫১৮ টাকা। গত ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ১ হাজার ৩৬৮ টাকা ২৫ পয়সা ও সর্বোচ্চ দর ১ হাজার ৮৮৯ টাকা ২৫ পয়সা।চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আইসিবির মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৯৬ শতাংশ। প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির সমন্বিত কর-পরবর্তী মুনাফা (অনিয়ন্ত্রিত সুদ ব্যতীত) হয়েছে ৯৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২৩ টাকা ৫৪ পয়সা। আর আগের হিসাব বছরের এ তিন মাসে মুনাফা ছিল ৫০ কোটি ৭৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১২ টাকা ৪ পয়সা।২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ হিসাব বছরে এর সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৮৫ টাকা ৪৭ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি এনএভি ৭৩০ টাকা ৭৬ পয়সা। ২০ ডিসেম্বর রাজধানীর পূর্বাণী হোটেলে কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।আইসিবি ২০১৩ সালের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ওই হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৩৭৬ কোটি ৪২ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৮৯ টাকা ২৩ পয়সা।১৯৭৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও ৪২১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ১৪২ কোটি ১০ লাখ টাকা। বাজারে শেয়ারসংখ্যা ৪ কোটি ২১ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০টি; যার মধ্যে সরকার ২৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৭০ দশমিক ৮২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ২ দশমিক ১৮ শতাংশ। এর প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত দর ১০০ টাকা।   Source : বনিক বার্তা
  • ওটিসিতে ৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা লেনদেন
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটের ৬৬ কোম্পানির মধ্যে শেয়ার লেনদেন হয় হাতে গোনা কয়েকটির। তবে আগের মাস থেকে নভেম্বরে ওটিসিতে ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন বেড়েছে। ডিএসইর নভেম্বরের আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। হিসাব অনুযায়ী, নভেম্বরে ওটিসিতে লেনদেন হয়েছে ৪টি কোম্পানির। এগুলো হলো- তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল মিলস, আরবি টেক্সটাইলস, মুন্নু ফেব্রিক্স এবং অ্যাপেক্স ওয়েভিং অ্যান্ড ফিনিসিং মিলস লিমিটেড। নভেম্বরে ওটিসিতে মোট ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫,১৪৫ টাকায় ৩২ লাখ ৩,৬৩০টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। অক্টোবর মাস থেকে ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৩৪,৮৯৫ টাকা এবং ৩১ লাখ ৮০,৬৩০টি শেয়ার বেশি লেনদেন হয়েছে। অক্টোবর মাসে মোট ২ লাখ ৭০,২৫০ টাকার ২৩০০০ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। নভেম্বরে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল মিলসের ২ কোটি ১০ লাখ টাকায় ১৪ লাখ শেয়ার, আরবি টেক্সটাইলের ১ কোটি ৯ লাখ ৪৭,২২৫ টাকায় ১৪ লাখ ৫৯,৬৩০টি শেয়ার, মুন্নু ফেব্রিক্সের ১ লাখ ৪৯,০০০ টাকায় ২৯,০০০ শেয়ার এবং অ্যাপেক্স ওয়েভিংয়ের ১৮ লাখ ৮,৯২০ টাকায় ৩ লাখ ১৫,০০০ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ডিএসই’র ওটিসিতে ৬৮টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত থাকলেও মূলত ১৮ থেকে ২০টির লেনদেন হয়। তবে তা অনিয়মিত। বাকি ৫০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয় না বললেই চলে। এছাড়া ওটিসি চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২২টি কোম্পানির কোন লেনদেন হয়নি।   Source : মানব জমিন
  • প্রস্তাব বিবেচনার আগেই আর্থিক প্রতিবেদন থেকে সুদ খরচ বাদ
    গত পাঁচ বছরের মধ্যে চার বছরই লোকসান। সর্বশেষ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্তও বড় ধরনের লোকসানে ছিল। অব্যাহত লোকসানের কারণে বিপুল পরিমাণ ব্যাংকঋণের বিপরীতে ধার্য সুদ পরিশোধ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে সুদ মওকুফের আবেদন জানায় বস্ত্র খাতের কোম্পানি অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। তবে ব্যাংক সুদ মওকুফের আবেদন বিবেচনার আগেই কোম্পানিটি বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন থেকে সুদ বাবদ খরচ বাদ দিয়েছে। এতে আইন লঙ্ঘন হয়েছে। আর দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা কোম্পানিটি রাতারাতি মুনাফায় ফিরে এসেছে। ফলে শেয়ারদর বেড়েছে চার গুণ।সুদ খরচ বাদ দিয়ে বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করায় কোম্পানির বহিরাগত নিরীক্ষক আপত্তি তুলে ধরেছেন। হিসাব মান লঙ্ঘন করে মুনাফা দেখানোর বিষয়টি অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানির কাছে জানতে চেয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনও (বিএসইসি)। কমিশনের নোটিসের জবাবে কোম্পানিটি জানিয়েছে, বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে সুদ মওকুফের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। তবে সেটি এখনো গৃহীত হয়নি। আর নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান বিএসইসিকে জানিয়েছে, সুদ মওকুফ হওয়ার আগেই বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন থেকে সুদ খরচ বাদ দেয়া আন্তর্জাতিক হিসাব মানের লঙ্ঘন।এভাবে আইন লঙ্ঘন করে লোকসানি প্রতিষ্ঠানকে মুনাফা দেখানোয় অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজকে শাস্তির আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিএসইসি। এছাড়া কৃত্রিম মুনাফা দেখিয়ে কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকরা ইনসাইডার ট্রেডিং করেছে বলে কমিশনের সন্দেহ রয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও বিএসইসির অনুসন্ধান প্রায় শেষ পর্যায়ে। অনুসন্ধান কার্যক্রম শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে কমিশনের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।এদিকে কোম্পানিটি হিসাব মান লঙ্ঘন করে আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ঘোষিত লভ্যাংশের সম্মতি পেতে আজ বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে।জানা যায়, ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ১৭২ কোটি ২৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা বকেয়া ঋণের বিপরীতে ঋণের সুদ হয় ১৭ কোটি ৪৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। কোম্পানিটি সুদ পরিশোধে আর্থিক অক্ষমতা দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যাংককে তা মওকুফের আবেদন জানায়। তবে আবেদন বিবেচনার আগেই সুদ বাবদ খরচ বাদ দিয়ে বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। আন্তর্জাতিক হিসাব মান লঙ্ঘন করে বিপুল পরিমাণ সুদ খরচ বাদ দেয়ায় হঠাৎ করেই লোকসানি প্রতিষ্ঠানটি মুনাফায় ফিরে আসে। যদিও ২০১৪ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের নয় মাসে (জুলাই ’১৩-মার্চ ’১৪) কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৯৩ পয়সা ও নেট লোকসানের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। আর সুদ খরচ বাদ দেয়ায় হিসাব বছর শেষে বার্ষিক প্রতিবেদনে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দেখানো হয়েছে ২ টাকা ৫৬ পয়সা ও নেট মুনাফা প্রায় ১২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আর এ হিসাব আমলে নিলে নয় মাসে ৪ কোটি টাকার উপরে লোকসান গুনলেও শেষ তিন মাসে মুনাফা হয়েছে প্রায় ১৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। পরে প্রথম প্রান্তিকেও কোম্পানিটি সুদ খরচ বাদ দিয়ে কৃত্রিম মুনাফা দেখিয়েছে।এসব বিষয়ে কোম্পানির নিরীক্ষক আপত্তি তুলে ধরে মন্তব্য করেছেন। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে নিরীক্ষক উল্লেখ করেছেন, নিরীক্ষাকালে কোম্পানির ১৭২ কোটি ২৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা বকেয়া ঋণের বিপরীতে ঋণের সুদ হয় ১৭ কোটি ৪৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা; যা সমন্বিত সুদ হিসাবে আয়-ব্যয় খাতে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। তবে তা সম্ভাব্য দায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আর নিরীক্ষকের মতে, এতে ২০১৪ হিসাব বছরে কোম্পানির মুনাফার পরিমাণ বেড়েছে ১৭ কোটি ৪৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ইপিএস বেড়েছে ৩ টাকা ৬৪ পয়সা।অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তৃতীয় প্রান্তিকে অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ১৮ নম্বর নোটে কোনো সম্ভাব্য দায় নেই বলে উল্লেখ করে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। তাই ঋণের সুদ ব্যয় দেখানো হলে মুনাফার পরিবর্তে বড় অঙ্কের লোকসানে পড়বে প্রতিষ্ঠানটি।এ বিষয়ে অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক মো. মহসিন বণিক বার্তাকে বলেন, আর্থিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন নোটে সুদ হিসাব সম্পর্কিত বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে। এর বাইরে আর কোনো মন্তব্য করতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।কোম্পানিটি গত ২৯ অক্টোবর ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করে। এর আগে থেকে শেয়ারদর অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকে। গত ২৮ অক্টোবর কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ৯ শতাংশ বাড়ে। আর লভ্যাংশ ঘোষণার দিন শেয়ারদর ৯ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৮৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৯০ পয়সায়। ৭ ডিসেম্বর এর শেয়ারদর ২৯ টাকা ৯০ পয়সায় কেনাবেচা হয়।১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানটি মূলত হোম টেক্সটাইলসের ব্যবসা করে। ২০০৮ সালে মাত্র আড়াই শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করে। এর পর লোকসানের কারণে ২০০৯ সালের পর লভ্যাংশ দিতে পারেনি। বিগত বছরগুলোর মধ্যে ২০০৯ সালে ৫ কোটি ৮৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ২০১০ সালে ৮ কোটি ৫২ লাখ ১০ হাজার টাকা লোকসান হয়। পরে ২০১১ সালে ৪৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা মুনাফা করলেও ২০১২ সালে ৫৪ লাখ ২০ হাজার ও ২০১৩ সালে ৬ কোটি ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা লোকসান হয়। বর্তমানে কোম্পানির পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৯ কোটি ১২ লাখ টাকা।   Source : বনিক বার্তা
  • ডিএসইতে পর্যবেক্ষণের তিন দিনই দরপতন
    ডিএসইর নতুন সফটওয়্যার চালু করার পর তিন কার্যদিবসের লেনদেন ছিল পর্যবেক্ষণের আওতায়। গত বৃহস্পতিবার পুরনো প্রথা বাদ দিয়ে নতুন সফটওয়্যারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে লেনদেন উদ্বোধন করা হয়। এরপর থেকে তিন কার্যদিবসে লেনদেন করার বিষয়টি ছিল ডিএসইর পর্যবেক্ষণের আওতায়। কিন্তু তিন কার্যদিবসে শুধু পতনই নয়, লেনদেন কমেছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ।গতকাল ছিল পর্যবেক্ষণের শেষ কার্যদিবস। গতকালসহ তিন কার্যদিবসে সাধারণ সূচকের মোট পতন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৫ পয়েন্ট। যার মধ্যে প্রথম কার্যদিবসে ১১ পয়েন্ট, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় কার্যদিবসে যথাক্রমে ৪০ ও ১৪ পয়েন্ট। অন্যদিকে শুধু সাধারণ সূচকই নয়, লেনদেনের পরিমাণও কমেছে যথেষ্ট। যেখানে নতুন সফটওয়্যার চালু করার আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪০০ কোটি টাকার ঘরে, সেখানে নতুন সফটওয়্যার ব্যবহারের পর লেনদেন নেমে এসেছে ২০০ কোটি টাকায়। পর্যবেক্ষণের তিন কার্যদিবসে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল মাত্র ৫৭৬ কোটি টাকা প্রায়। যেখানে নতুন সফটওয়্যার ব্যবহারের আগের এক কার্যদিবসেই লেনদেন ছিল ৪০০ কোটি টাকার ওপরে। নতুন সফটওয়্যার ব্যবহারে লেনদেন কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে অপারেটর এবং বিনিয়োগকারীদের অনভ্যস্ততা ও বোঝার অক্ষমতাকে দায়ী করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। নতুন সফটওয়্যারে বিভিন্ন পরিবর্তনের কারণে এখনো অনেকে পুরোপুরি বুঝে উঠতে সক্ষম হয়নি।গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে সাধারণ সূচক কমেছে প্রায় ১৪ পয়েন্ট। গতকাল এই সূচকের অবস্থান ছিল ৪ হাজার ৮৭৮ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছিল মাত্র ২৩৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। যা এর আগের কার্যদিবসের চেয়ে প্রায় ৩৭ কোটি টাকা বেশি। লেনদেন হওয়া কম্পানিগুলোর মধ্যে বেড়েছে ১১৯টি, কমেছে ১৪৬টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৯টি কম্পানির শেয়ারের দাম। আরেক শেয়ারবাজার সিএসইতে সাধারণ সূচক ২৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ হাজার ২৭ পয়েন্টে।বিজয় দিবসে পুঁজিবাজার বন্ধ : দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ আজ ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রসঙ্গত, বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর এই দিনটি সরকারি ছুটি থাকে। এদিন দেশের সব ব্যাংকেরও লেনদেন বন্ধ থাকে। এ ছাড়া ডিসেম্বর মাসে আরো দুই দিন সরকারি ছুটির কারণে লেনদেন বন্ধ থাকবে। আগামী ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন ও ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডের কারণে পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকবে।   Source : কালের কণ্ঠ
View All
Latest DSE News
  • PEOPLESINS

    Credit Rating Information and Services Limited (CRISL), has announced the CPA (Claim Paying Ability) Rating of the Company as &quot;A+&quot; along with a stable outlook in consideration of audited financials of the Company up to 31st December 2013, unaudited financial up to September 30, 2014 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • FAREASTFIN

    Credit Rating Information and Services Limited (CRISL) has rated the Company as A- in the long term and ST-3 in the short term along with a stable outlook based on audited financial statements of the Company up to December 31, 2013, unaudited financials up to September 30, 2014 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • BIFC

    The Company has informed that it has credited the Rights shares to the respective shareholders BO Accounts on December 18, 2014.

  • EXCH

    Today (18.12.2014) Total Trades: 77,899; Volume: 59,862,103 and Turnover: Tk. 2,313.24 million.

  • SONALIANSH

    Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 21.12.2014.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
JUTESPINN 65.90 60.00 5.90 9.83
RNSPIN 29.50 27.30 2.20 8.06
NORTHERN 299.00 280.60 18.40 6.56
EASTERNINS 34.90 32.90 2.00 6.08
SPCERAMICS 14.80 14.00 0.80 5.71
SONALIANSH 122.70 116.10 6.60 5.68
BEDL 34.30 32.70 1.60 4.89
EBLNRBMF 4.40 4.20 0.20 4.76
MONNOSTAF 304.60 291.00 13.60 4.67
SPCL 241.90 231.10 10.80 4.67

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297