Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
EXIM1STMF 9 7.2 1.80 25.00
IDLC 47.9 42.1 5.80 13.78
FARCHEM 50.3 44.5 5.80 13.03
SAPORTL 25.7 23 2.70 11.74
BEXIMCO 37.9 34.1 3.80 11.14
BGIC 23.9 21.6 2.30 10.65
KAY&QUE 15.2 13.9 1.30 9.35
ISLAMIINS 24.3 22.4 1.90 8.48
PREMIERLEA 7.8 7.2 0.60 8.33
CENTRALPHL 34.2 31.6 2.60 8.23

Contest SB2014_Jul

1st
blank_person
AMINUL
2nd
blank_person
MEHEDIARAFAT82
3rd
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 293.5 289.4 10.51051 1366200.00
BATBC 2429.3 2401.5 3.16669 2300.00
ICB 1820.75 1799 1.74202 2800.00
BSCCL 182.1 177.8 1.22383 330600.00
SPCL 56.6 52 1.10734 1772200.00
Negative impact
ISLAMIBANK 24.8 25.1 -0.91697 109500.00
RUPALIBANK 67 68.9 -0.75290 6100.00
MARICO 1055.3 1067.8 -0.74753 2900.00
LANKABAFIN 41.2 42.8 -0.66452 1022000.00
SQURPHARMA 253.5 254.1 -0.54904 356270.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BEXIMCO 37.9 39.3 37.1 0.80% 490.87
GP 293.5 297 291.1 1.42% 401.30
PADMAOIL 326.1 330.5 322 1.43% 106.61
LAFSURCEML 83.9 84.4 82.1 1.94% 98.03
SPCL 56.6 57 52.4 8.85% 96.63
OLYMPIC 242.2 243.4 239.5 0.92% 90.93
SQURPHARMA 253.5 255 251.9 -0.24% 90.22
GENNEXT 18.1 18.4 17.2 4.02% 84.54
GOLDENSON 45 45.6 43 6.13% 82.02
FARCHEM 50.3 51.5 48.6 3.71% 80.46

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 22 Jul 2014

80260
TOTAL TRADE
85.7211
TOTAL VOLUME(Mn)
3756.45
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ইউনাইটেড পাওয়ারের মূল্য নির্ধারণ
    সিনিয়র রিপোর্টার : বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির শেয়ারের নির্দেশক মূল্য বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে ৬০ টাকা দরে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে কোম্পানিটি। বিদ্যমান ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে এ শেয়ারের নির্দেশক মূল্য দাঁড়ায় ৩৯ টাকা। ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতির একটি হিসাব অনুযায়ী, সর্বশেষ পাঁচ বছরের গড় ভারত্ব প্রতি শেয়ারে আয়ের (ওয়েটেড এভারেজ ইপিএস) সঙ্গে মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ১০ গুণ করতে হয়। তার সঙ্গে প্রতি শেয়ারে সম্পদ (এনএভিপিএস) যোগ করে ২ দিয়ে ভাগ করতে হয়। এ হিসাবে ইউনাইটেড পাওয়ারের শেয়ারের নির্দেশক মূল্য দাঁড়ায় ৩৯ টাকা। বর্তমানে এই পদ্ধতিতেই শেয়ার দর বিবেচনা করছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।শেয়ার দর নির্ধারণের আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে কোম্পানির প্রতি শেয়ারে সম্পদের সমান। এক্ষেত্রে ইউনাইটেড পাওয়ারের শেয়ারের নির্দেশক মূল্য হতে পারে ২৬.৫০ টাকা। এছাড়া কোম্পানির সর্বশেষ ৫ বছরের ওয়েটেড ইপিএসের সঙ্গে উল্লিখিত কোম্পানির খাতের সর্বশেষ ৩ মাসের পিই’র গড় করে যেটি কম সেটি গুণ করে নির্ণয় করা। এদিক দিয়ে ইউনাইটেড পাওয়ারের ওয়েটেড ইপিএস ৫.৩১ টাকা এবং এপ্রিল, মে ও জুন মাসের বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের গড় পিই ১২.৯৫ হিসাবে আসে ৬৮.৭৫ টাকা। তবে এ পদ্ধতি এখন ব্যবহার করা হয় না। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার দর বেশি নির্ধারণ হয়েছে কি না জানতে চাইলে ইউনাইটেড পাওয়ারের ইস্যু ম্যানেজার লঙ্কাবাংলা ইনভেষ্টমেন্ট লিমিটেডের প্রাইমারী মার্কেট অপারেশনের প্রধান আদনান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে শেয়ার দর নির্ধারণে উল্লিখিত প্রথম পদ্ধতিটি ব্যবহার হয়। তবে ইউনাইটেড পাওয়ারের দর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতির সঙ্গে বুক বিল্ডিংয়ের তুলনা করা ঠিক হবে না। তিনি আরও বলেন, কোম্পানির পারফরমেন্স অনুযায়ী ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে প্রত্যাশিত দর পাওয়া যাবে না বলে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি বেছে নেওয়া হয়েছে। আর পুঁজিবাজারের বর্তমান পেক্ষাপটে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ প্রত্যাশিত দর পেয়েছে। ২০০৮ সালে ৪ দিন ও ২০০৯ সালে দুইটি প্লান্টের একটি দিয়ে ৬ মাস উৎপাদন কর্মকান্ড চালানোয় মুনাফা কম হয়েছে বলে জানান, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের ফিন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার মজিবুল ইসলাম পাটোয়ারি। আর এর ফলে ওয়েটেড ইপিএস কম হয়েছে এবং ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে দর কম হচ্ছে বলে জানান তিনি। তবে নতুন ব্যবসা হিসাবে ২০০৮ ও ২০০৯ সালের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করা হলে দর বেশি হয়নি বলে মনে করেন তিনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির এক কমিশনার জানান, উল্লিখিত পদ্ধতিতে (প্রথম পদ্ধতি) বর্তমানে ইস্যু ম্যানেজাররা শেয়ার দর চেয়ে থাকে। আর বেশ কিছু দিন ধরে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। সম্প্রতি যেসব কোম্পানি পুঁজিবাজারে এসেছে সেসব কোম্পানির শেয়ার দর উল্লিখিত পদ্ধতির (প্রথম পদ্ধতি) মধ্যেই আছে বলে জানিয়েছেন, আইডিএলসি ইনভেষ্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মনিরুজ্জামান। একটি কোম্পানির বিগত কয়েক বছরের আয়ের ধারা, রিটার্ন অন ইক্যুইটি, বাজারে কোম্পানিটির সুনাম ও কি পরিমাণ সম্পদ আছে তার উপর বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হয়। ইউনাইটেড পাওয়ারের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০০৮ সালে ০.০২ শতাংশ (লোকসান), ২০০৯ সালে ১৮.২ শতাংশ, ২০১০ সালে ৮৪.১০ শতাংশ, ২০১১ সালে ৫৩.৭০ শতাংশ ও ২০১২ সালে ১০২.১০ শতাংশ হারে মুনাফা করেছে কোম্পানিটি। উল্লিখিত ৫ বছরে গড়ে ৫১.৬২ শতাংশ হারে মুনাফা করেছে ইউনাইটেড পাওয়ার। আর সর্বশেষ ২০১২ সাল শেষে ইউনাইটেড পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৬.৫০ টাকা। এদিক দিয়ে হিসাব করলে কোম্পানিটির মুনাফা অনুযায়ী শেয়ার দর ৫১.৬২ টাকা হতে পারে। আর প্রতি শেয়ারে সম্পদ অনুযায়ী শেয়ার দর ২৬.৫০ টাকা হতে পারে।
  • ১৬টি কোম্পানির অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৬টি কোম্পানি অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এগুলো হচ্ছে- বিডি সার্ভিসেস, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, গ্রামীণফোন, বিএটিবিসি, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, আইডিএলসি, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স, সামিট পাওয়ার, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, ট্রাস্ট ব্যাংক, বাটা সু, সোনালী আঁশ, এইচআর টেক্সটাইল ও ইসলামিক ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। মঙ্গলবার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্ধবার্ষিক (জানু’১৪-জুন’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ সার্ভিসেসের (বিডি সার্ভিসেস) করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.৪৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৯ কোটি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ১.২২ টাকা। প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ারের হিসাবে অর্ধবার্ষিকে এ কোম্পানির প্রতি শেয়ার আয় হবে ১.২৪ টাকা, একই হিসাবে যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১.০৬ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) বিডি সার্ভিসেসের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৫৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ০.০৭ টাকা। তবে প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ারের হিসাবে অর্ধবার্ষিকে এ কোম্পানির প্রতি শেয়ারে আয় হবে ০.৪৬ টাকা, একই হিসাবে যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ০.০৬ টাকা। অর্ধবার্ষিকে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের করপরবর্তী লোকসান হয়েছে ২৬ কোটি ২৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৪০ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৮ কোটি ৬৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা (লোকসান) ও ০.১৩ টাকা (লোকসান)। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের করপরবর্তী লোকসান হয়েছে ৭ কোটি ৮৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে লোকসান ০.১২ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৮ কোটি ২৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.১২ টাকা। এই ব্যাংকের পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১ হাজার ৬৮৮ কোটি ৫৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের লোকসানের পরিমাণ ৯৬০ কোটি ৫৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। অর্ধবার্ষিকে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৩৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ০.০৬ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) ইউনিয়ন ক্যাপিটালের করপরবর্তী লোকসান হয়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.১৯ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ০.২৬ টাকা। অর্ধবার্ষিকে মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ও ১.০১ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৪৬ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২ কোটি ২১ লাখ টাকা ও ০.৫১ টাকা। অর্ধবার্ষিকে গ্রামীণফোনের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৬০ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ৭.৮৫ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫১০ কোটি ৩৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ৩.৭৮ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) গ্রামীণফোনের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫৪৪ কোটি ১২ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ৪.০৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫৬ কোটি ৪২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ০.৪২ টাকা। অর্ধবার্ষিকে বিএটিবিসির করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২৮৭ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ৪৭.৮৭ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২০৬ কোটি ৩৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৩৪.৩৯ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) বিএটিবিসির করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৬৩ কোটি ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ২৭.১৭ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৮৪ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১৪.০৯ টাকা। অর্ধবার্ষিকে লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের করপরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৬৯ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১৯ কোটি ২৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ০.৮৮ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৩৮ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১১ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ০.৫৪ টাকা। অর্ধবার্ষিকে আইডিএলসির করপরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৩০ কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.৫২ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২০ কোটি ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ১.০০ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) আইডিএলসির করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩৫ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.৭৫ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৯ কোটি ৭৯ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ০.৪৯ টাকা। অর্ধবার্ষিকে ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্সের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৯ কোটি ৯৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৯৪ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ও ০.৬৪ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্সের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৩৬ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ০.৬৪ টাকা। অর্ধবার্ষিকে সামিট পাওয়ারের করপরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ১২০ কোটি ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.৭৭ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১১৬ কোটি ৯২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ১.৭২ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) সামিট পাওয়ারের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬৯ কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.০২ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৬৫ কোটি ৮৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.৯৭ টাকা। অর্ধবার্ষিকে সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩৪ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ২.২৬ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩৩ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ২.২২ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ারের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.২১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১৮ কোটি ৯১ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ১.২৪ টাকা। অর্ধবার্ষিকে ইসলামিক ফাইন্যান্সের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৭৫ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ০.৫১ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) ইসলামিক ফাইন্যান্সের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৮৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৫১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৯ কোটি ৭৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ০.৮৪ টাকা। অর্ধবার্ষিকে ট্রাস্ট ব্যাংকের করপরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৩৮ কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৯১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩৬ কোটি ৫৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.৮৬ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) ট্রাস্ট ব্যাংকের করপরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ১৪ কোটি ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৩৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ও ০.৫৭ টাকা। অর্ধ বার্ষিকে বাটা সু’র কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২৭ কোটি ৮৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ২০.৩৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২৪ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ১৭.৭৯ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল’১৪-জুন’১৪) বাটা সু’র কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১১ কোটি ৪২ লাখ ১০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ৮.৩৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৯ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ৭.০৭ টাকা। সোনালী আঁশ : শেয়ার প্রতি আয় কমেছে ৭৮ শতাংশ। কোম্পানিটি অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া যায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫৯ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ছিল৫৯ পয়সা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন’১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ১৫লাখ ৪০ হাজার টাকা। আর  শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫৭ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬২ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ইপিএস  ২ টাকা ৩২ পয়সা। এইচআর টেক্সটাইল : বস্ত্র খাতের কোম্পানি এইচআর টেক্সটাইলের শেয়ার প্রতি আয় কমেছে ৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ। কোম্পানিটি অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া যায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫০ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল৫২ পয়সা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন’১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা। আর  শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৩১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা এবং ইপিএস ১ টাকা ৫৩ পয়সা। ইসলামিক ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট : আর্থিক খাতের কোম্পানি ইসলামিক ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৪৭শতাংশ। কোম্পানিটি অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া যায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭৫ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ৫১ পয়সা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন’১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। আর  শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং ইপিএস  ৭৮ পয়সা।
  • অ্যাকটিভ ফাইন মূলধন বাড়াতে শেয়ার ছাড়বে
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অ্যাকটিভ ফাইন মূলধন বাড়ানোর লক্ষ্যে শেয়ার ছাড়বে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২ কোটি শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। জানা যায়, কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে সাথে আরও ৫০ টাকা যোগ করে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এই শেয়ার ইস্যু করবে। তবে এই শেয়ার ছাড়তে পারবে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনুমোদনের পর। উল্লেখ্য, এর আগে কোম্পানি ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে এই শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন পায়। শেয়ারহোল্ডাররা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী আইসিবির কাছে ৫০ টাকা মূল্যে এই ২ কোটি শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন দেয়।
  • আইপিও নিয়ে ‘রিট নাটক’ বন্ধ করুন
    প্রাথমিক গণ প্রস্তাব (আইপিও) শেষে অথবা চাঁদার টাকা পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলন করতে বিএসইসি অনুমোদন দিয়ে থাকে। অনুমোদনের আগে আইপিও প্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করে আরেকটি প্রতিষ্ঠান। যাকে বলা হয়- কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার। চাঁদা তোলার আগে ইস্যু ম্যানেজার ওই কোম্পানির ‘আমলনামা’ দেখেন। সমস্ত কর্ম সুচারুভাবে সম্পাদন করার পরে ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানির আমলনামা বিএসইসিতে উপস্থাপন করে। দীর্ঘ সময় ধরে বিএসইসি তা পর্যবেক্ষণ করে। এরপরে ইস্যু ম্যানেজারের তদারকির মাধ্যমে কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়। এ আগেও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সভায় এই অনুমোদন নিয়ে চলে নানা নিরিক্ষা। অনেক সময় নিয়ে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে একটি কোম্পানি আইপিও অনুমোদন করা হয়। প্রশ্ন অন্যখানে, এত সুচারুভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের পরেও কিছু বিতর্কিত কোম্পানি আইপিও অনুমোদন পাচ্ছে। তবে কেন এবং কিভাবে এসব কোম্পানি অনুমোদন পায়? যা নিয়ে বিনিয়োগকারী ও সাধারণ বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ অনেকবার দাবি জানিয়ে আসছে। তবুও এমন কর্ম চলছে। অতিরিক্তি প্রিমিয়ামে আইপিও অনুমোদন দেয়া বন্ধ করার আহবান জানিয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। কয়েক দফা দাবিতে গত ৬ জুলাই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সামনে মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধনে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ ও পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত জাতীয় ঐক্যের সদস্যরা অংশ নেয়। পুঁজিবাজারকে টিকিয়ে রাখতে এসব দাবি জানান বিনিয়োগকারীরা। বিনিয়োগকারীরা যদি পুঁজিবাজারকে টিকিয়ে রাখতে চান, তাহলে বিএসইসি, সিডিবিএল ও রাষ্ট্রায়ত্ত অন্য প্রতিষ্ঠানের কি দরকার? রাষ্ট্রায়ত্ত এসব প্রতিষ্টান কি সুস্থ্যতা চায় না? প্রশ্ন তা নয়- সকলের চাওয়া সুস্থ পুঁজিবাজার। বিনিয়োগকারীদের চাওয়া- অতিরিক্তি প্রিমিয়ামে আইপিও অনুমোদন দেয়া বন্ধ করা হোক। তবে রাষ্ট্রয়ত্ত এসব প্রতিষ্ঠান দিচ্ছে না কেন? অন্যদিকে প্রতিবাদের মুখে মন্দা বাজারেও বিএসইসি এসব আমলে নিচ্ছে না কেন? একে অপরের বিপরিতমুখী আয়োজন কেন? হাজারো উত্তরহীন প্রশ্ন প্রতিদিন আসে। সরকার এবং সাধারণ বিনিয়োগকারী সংগঠনের চাওয়া হলো সুস্থ পুঁজিবাজার। স্বচ্ছতার সঙ্গে চলবে এবং প্রিমিয়াম ছাড়া পুঁজিবাজারে আসবে এসব প্রতিষ্টান। কথা হলো অন্যখানে- অনেক পথ পরিক্রমা শেষে কোনো প্রতিষ্টান যখন পুঁজিবাজারে আইপিও অনুমোদন পায়। নির্দিষ্র্ট দিনে ওই প্রতিষ্ঠান আইপিওর টাকা উত্তোলন করবে। টিক সেই সময়ে আদালতে কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে রিট করা। কিংবা তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশন করে এরপরে আদালতে রিট দায়ের করা হয়। যদিও পরবর্তিতে এসব রিট আদালতে টিকছে না। রিটকারীর পক্ষে আদালতে আমলযোগ্য নথি না থাকায় আদালত তা খারিজ করে দেয়। মধ্যবর্তী অবস্থানে থাকেন সাধারণ বিনিয়োগকারী। আইপিও আবেদনের জন্য মন স্থির করেও তিনি পরবর্তিতে পিছিয়ে যান। কারণ, এসব বিনিয়োগকারী মনে-প্রাণে সৎ ও ধার্মিক। তারা বিএসসির অনুমোদনের মূল্যায়ন করতে চান এবং করেন। অন্যদিকে বিভিন্ন নীতিগত দিকেও ক্ষোভ-বিক্ষোভের সঙ্গেও তারা একাত্মতা ঘোষণা করেন। কিন্তু এ নিয়ে যখন আদালতে রিট করা হয় তখন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দ্বিধা দ্বন্দ্বে ভোগেন। কেননা, তারা তাদের পুঁজির নিরাপত্তা আগে দেখবেন। যারা রিট করেন এবং রিটের জবাব দিতেও ব্যর্থ হন। কিন্তু তারা পরবর্তিতে নির্লজ্জভাবে হেরে যান। অথচ বীরের ভঙ্গিতে চলেন। এতে আদালত রিটকারীর বিরুদ্ধে যুগান্তকারী কোনো ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে পারছেন না। দুঃখের বিষয়- তারা (রিটকারী) এসব বিনিয়োগকারীর কাছে একবার ক্ষমাও চান না। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হলো দুটি শ্রেণি- কোম্পানি ও  বিনিয়োগকারী। কেননা আইপিও নির্ভর অনেকটাই এখন পুঁজিবাজার। মন্দা বাজারে টিকে থাকাই এখন চরম স্বার্থকতা। ইতোমধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠানের আইপিও নিয়ে এমন নাটকের ঘটনা ঘটে। কোম্পানি দুটি হলো- খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কোম্পানি লিমিটেড ও আরএসআরএম কোম্পানি। প্রশ্ন হলো- এ ক্ষতি বিনিয়োগকারী এবং কোম্পানির কর্তৃপক্ষ পুষিয়ে নেবে কিভাবে? এজন্য বিএসসি অথবা সংসদে নতুন রুপে একটি আইন করা প্রয়োজন। তা হলো- আইপিওভুক্ত কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধে যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রিট করেত পারবেন। দায়ের করা রিট যদি আদালতে না টেকে অথবা আদালতে খারিজ হয়ে যায়, তবে ওই কোম্পানির যে পরিমাণ আর্থিক ও সুনামের ক্ষতি হয়েছে তা রিটকারী পূরণ করে দিতে বাধ্য থাকবে। এর বাইরে কোনো সংস্থা বা ব্যক্তি আইপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারবে না। যা সকলের স্বার্থে। কেননা এখানে অপরাধ যদি করে থাকে ‘অনুমোদন দণ্ড’ অর্থাৎ বিএসইসি করেছে। অকই সঙ্গে ইস্যু ম্যানেজার দায়ী। অন্যদিকে, আদালতে রিটকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্টান যদি টিকে যান তাহলে ভুলের দায়ভার পড়বে ইস্যু ব্যবস্থপকের ঘাড়ে। এজন্য আদালত প্রথমেই ওই কোম্পানির ইস্যু ব্যাবস্থাপকের বিরুদ্ধে এবং পরবর্তিতে আইপিওভুক্ত কোম্পানির বিরুদ্ধে সামগ্রীক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। যিনি রিট করবেন তাকে আদালত (বিজয়ীকে) সকল প্রকার সম্মানে ভূষিত করবে। এমন ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। লেখক- সিনিয়র রিপোর্টার পেছনের খবর : খুলনা প্রিন্টিংয়ের আইপিও স্থগিতের দাবি আরো খবর : আরএসআরএমের আইপিও নিয়ে নাটক, রিট খারিজ
  • কতটুকু দোষ সাকিবের
    সাত বছর ধরে প্রায় প্রত্যেক বছরই কানাডায় আসা হয়। উদ্দেশ্য প্রিয় রুমকির সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো। এবারকার আগমনটি একটু বাড়তি কারণেই। পুত্রের পিএইচডি সমাপ্ত হতে যাচ্ছে। পুত্রবধূ রুমকির পিএইচডি তো হয়েই গেছে। রথ দেখা ও কলা বেচার মতো আছেন আরেকজন— আমাদের পরিবারের মহাক্ষমতাবান সর্বকনিষ্ঠ সদস্য প্রদীপ্ত প্রতিভাস স্বপ্ন। অতএব নরক গুলজার করা ব্যাপার। উচ্চশিক্ষা শেষে প্রিয় রুমকি দেশে ফিরবে এবং দেশেই শিক্ষকতা করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওদের পরিষ্কার কথা— দেশেই থাকবে এবং নিজেদের শিক্ষাগত অর্জন নিবেদন করবে দেশকেই। আমার স্ত্রী সানজিদা আখতার অত্যন্ত খুশি এজন্যই যে, গোটা পরিবার নিয়ে একসঙ্গে দেশের মাটিতে দিন কাটাতে পারবেন। আর আমি আনন্দিত যে, বাড়িতে তিন তিনজন ডক্টরেটের সান্নিধ্যে থাকলে আমার একটু জ্ঞানবৃদ্ধি হয়। কানাডায় এসে সপরিবারে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার অভিজ্ঞতাটাও অনুপম নিঃসন্দেহে। কারণ পুত্রের সঙ্গে বিশ্বকাপ দেখলাম এই এক যুগ পরে। যদিও আমাদের দুজনের প্রিয় দলটি মর্মান্তিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে সেমিফাইনালে এবং তৃতীয় স্থান নির্ধারণী খেলায়, তবু সবাই মিলে খেলা দেখার আনন্দটাই আলাদা। ওরা দেশে ফেরার পর ২০১৮-এর বিশ্বকাপটা একসঙ্গে দেখার প্রত্যাশা জেগেছে তীব্রভাবে। এখানে এসে প্রতিদিন কয়েকবার বিডিনিউজ২৪ডটকমে চোখ বোলাই। বাংলাদেশের ঘটনাবলি জানার ব্যাপারে ওটাই আমার একমাত্র নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। খবরটা পড়লাম ওখানেই। আর পড়ার পর স্বাভাবিকভাবেই খুব মন খারাপ লাগতে থাকল। বাংলাদেশের সেরা ক্রিকেটার এবং একাধিকবার বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে কঠোর শাস্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ডের দৃষ্টিতে সাকিব গুরুতর শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে— বোর্ডের কাছ থেকে অনুমতি না নিয়ে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট লিগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। আরেকটি অভিযোগ, কিছুদিন আগে সে তার স্ত্রীকে উত্ত্যক্তকারীদের দু-একজনকে ভিআইপি গ্যালারিতে এসে প্রহার করেছিল খেলা চলার সময়। এসব কারণে তার শাস্তি হলো, আগামী ছয় মাস সে কোনো প্রথম শ্রেণীর খেলায় অংশ নিতে পারবে না, আগামী দেড় বছর বিদেশী কোনো লিগেও খেলতে পারবে না। তাকে দেয়া এনওসি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন বিদেশী কোচকে সাকিব মানতে চায় না, নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করে না, সিনিয়রদের অবজ্ঞা, উপেক্ষা এবং প্রকারান্তরে অপমানও করে— এমনই অসংখ্য অভিযোগ নাকি বোর্ডের ঝুলিতে জমা পড়ে আছে। আর তার বেয়াদবির কারণে অন্য খেলোয়াড়রাও নাকি উদ্ধত হয়ে উঠছে। বোর্ড কর্তৃপক্ষের মন্তব্য অনুযায়ী সাকিবকে প্রদত্ত শাস্তি নাকি তার অপরাধের তুলনায় লঘুই হয়েছে! সত্যি বলতে কী, বোর্ডের সিদ্ধান্তে আমি খুব আহত বোধ করেছি, বিশেষ করে বোর্ড সভাপতি পাপনের প্রতিক্রিয়ায়। পাপনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা না থাকলেও তার ব্যাপারে স্নেহের অনুভূতি আছে। জিল্লুর ভাইয়ের পুত্র পাপন। জিল্লুর ভাইকে অর্ধশতাব্দীরও অধিক কাল ধরে জেনেছি রাজনীতি পাড়ার একজন অতিশয় সজ্জন হিসেবে। ষাটের দশক থেকে বহুবার দেখা হয়েছে তার সঙ্গে। রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত হবার পরে যখনই কোনো অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছে, তিনি বার বার অনুরোধ করেছেন বঙ্গভবনে তার কাছে যাওয়ার জন্য। যাই-যাচ্ছি করেও শেষ পর্যন্ত আর যাওয়া হয়নি। মনে আছে, একুশে আগস্টের সেই ভয়াবহ বোমা হামলার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি ছুটে বেড়িয়েছি হাসপাতালে-হাসপাতালে, ধানমন্ডির সুধাসদনে— প্রতি মুহূর্তে আইভি ভাবীর খবর নিয়েছি। তিনি প্রয়াত হওয়ার সংবাদ পেয়ে জিল্লুর ভাইয়ের বাড়ি গিয়েছি, ভিড়ের মধ্যে দূর থেকে শোকনিমগ্ন সদস্যদের দেখে এসেছি। আরো মনে পড়ে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর ভাইয়ের হাত থেকে বিজয় দিবসের পদক গ্রহণ করেছি আমি আর সাকিব আল হাসান একই সঙ্গে। আমি সাংবাদিকতায়, সে ক্রীড়াক্ষেত্রে। সাকিব সম্পর্কে পাপনের প্রতিক্রিয়া পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে আমার স্মৃতিতে ভেসে উঠেছিল পুরনো সেই ছবি, যেখানে জিল্লুর রহমান মহামান্য রাষ্ট্রপতির ভাষণে বলছেন, সাকিব আমাদের জাতীয় সম্পদ-আমাদের অহঙ্কার-বিশ্বের ক্রীড়াক্ষেত্রে আমাদের দূত। দুই. ধরে নিলাম সাকিব ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছে, সে উদ্ধত, ধরাবাঁধা নিয়মের ঘেরাটোপে বন্দি হতে রাজি নয়; কিন্তু তার জন্য এত বড় শাসিত্ম তাকে দিতে হবে, যার ফলে তার ক্রীড়াজীবন, দেশের ক্রিকেট সব কিছুই অনিশ্চয়তায় পড়ে যাবে? এ তো ম্যাচ ফিক্সিং সমপর্যায়ের শাস্তি হয়ে গেল! বিশ্বক্রিকেটে সাকিবের অবস্থানটি যে কোথায়, তা তো বাংলাদেশ ক্রিকেটের হর্তাকর্তারা ভালোই জানেন। তাহলে? সাকিবের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের ক্রিকেট কি খুব লাভবান হবে? তারা কি জানেন বিশ্বের ক্রিকেট আলোচকদের ভেতরে এতে কী প্রতিক্রিয়া হতে পারে? এখানে অন্তত একটি উদাহরণ তুলে ধরা যায়। সাকিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে ক্রিকইনফোতে লন্ডনের একজন ক্রিকেটবোদ্ধা-আলোচক মন্তব্য করেছেন— নাম অ্যান্ড্রু হিউজ। তার লেখার শিরোনাম— বিওয়্যার সাকিব, অর্থাত্ সাকিব সাবধান। এ লেখা নিয়ে টুইট করেছেন ৩৪ জন, অসংখ্য পাঠক লাইক দিয়েছেন, ১৯ জন মন্তব্য করেছেন। আমি অনুরোধ করব, স্যাটায়ারধর্মী লেখাটি বোর্ডের সবাই পাঠ করুন, পাঠ করুন সাকিবের পক্ষের কিংবা বিপক্ষের ক্রিকেটপ্রেমীরা। আশা করব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে অন্তর থেকে ভালোবাসেন, যিনি বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে এবং সাকিবকে নিয়ে রীতিমতো গর্বিত, তিনিও পাঠ করবেন এবং তারপর বিবেচনা করবেন শাস্তিটি কতখানি যৌক্তিক হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কতিপয় বিষয় উল্লেখ করছি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য। তিন. ক. ক্রিকেট দুনিয়ায় সাকিবের ঘটনাটি একমাত্র নয়। এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে প্রায় সব দেশেই। বিশেষ করে যারা মারকুটে, জননন্দিত ক্রিকেটার, তাদের অধিকাংশের মধ্যেই ঔদ্ধত্য রয়েছে। ভিভ রিচার্ডস, ব্রায়ান লারা, ক্রিস গেইল, কেভিন পিটারসন, জাভেদ মিয়াঁদাদ, ইয়ান বোথাম, ইমরান খান, শোয়েব আখতার, সনাত্ জয়সুরিয়া, সৌরভ গাঙ্গুলী, শেন ওয়ার্ন— এদের সবার সঙ্গেই তো বোর্ডের খটামটি বেঁধেছে বিভিন্ন সময়ে। কিন্তু কোনো ক্ষেত্রেই কি বোর্ড এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে খেলোয়াড়ের ক্রীড়ানৈপুণ্য বিপর্যস্ত হয়? না, নেয়নি। ক্রিস গেইলকে জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি কিছুদিন। কিন্তু তার জন্য গেইলের অন্য দেশে ক্রিকেট খেলার অধিকার হরণ করা হয়নি। ভারতের ক্রিকেট দলের কোচ ছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল। তিনি সৌরভ গাঙ্গুলীকে পছন্দ করতেন না, সৌরভ অনুশীলনে অনিয়মিত এবং উদ্ধত প্রকৃতির— এ অজুহাতে তাকে একাদশে নেয়ার বিরোধিতা করতেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গ্রেগকেই চলে যেতে হলো, সৌরভ ভারতীয় ক্রিকেটে সৌরভ ছড়িয়েছেন অবসর নেয়ার আগ পর্যন্ত। খ. এমন কেন হয়? কারণ অ্যাগ্রেসিভ ক্রিকেটারদের বিক্রমের বহিঃপ্রকাশ এভাবেই ঘটে থাকে। এই আগ্রাসী মনোভাব তাদের স্বভাবজাত। এজন্য এ ধরনের খেলোয়াড়দের বশে রাখতে কিংবা ম্যানেজ করার ব্যাপারে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হয়। সব দেশেই এ রীতি আছে। অথচ আমাদের বোর্ডের কর্মকর্তারা দুষ্ট গরুকে বশীভূত করার পরিবর্তে শূন্য গোয়াল রাখার নীতি নিতে গেলেন কেন? এতে কি বাংলাদেশের ক্রিকেট লাভবান হবে? গ. কোচের সঙ্গে সাকিবের যদি মনোমালিন্য হয়েই থাকে, তবে তা হয়েছে একেবারেই ব্যক্তিগত পর্যায়ে এবং সীমাবদ্ধ থেকেছে মান অভিমানের মধ্যে। সেটা কীভাবেইবা মিডিয়ায় এল এবং তাকেইবা কেন গুরুত্ব দিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হলো? ক্রিকেট খেলাটাকে পাড়ার ডাংগুলি খেলার পর্যায়ে নামাতে গেলেন কেন বোর্ডের কর্মকর্তারা? যে মিডিয়ার প্রশ্নে সবসময় খড়্গহস্ত থাকেন সবাই, সেই মিডিয়াকেইবা হঠাত্ এমন জামাই আদর করার কথা ভাবলেন কেন তারা? ঘ. সাকিব কি রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কাজ করেছে, কিংবা বাংলাদেশ ক্রিকেটের বিরুদ্ধে কোনো কিছু? সদ্যসমাপ্ত আইপিএলে একমাত্র বাংলাদেশী খেলোয়াড় ছিল সাকিব। প্রায় সব ম্যাচে সে খেলেছে এবং ভালোই খেলেছে। তার দল কলকাতা নাইট রাইডার্স চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এবং তাতেও বিশাল অবদান ছিল সাকিবের। আইপিএলে সেরা দশজন খেলোয়াড়ের মধ্যে তার অবস্থা ছয় নম্বর। বিজয়ী দল সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে সে বলেছে, বাংলাদেশের জন্য একটা ওয়ানডে জেতা আইপিএলের ট্রফি জেতার চেয়ে আমার কাছে অনেক বেশি। দেশের প্রতি যার কমিটমেন্ট এই রকম, বোর্ডের দেয়া এমন শাস্তি কি তার প্রাপ্য? ঙ. সাকিব ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট লিগে খেলার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল বাংলাদেশ বোর্ডের অনুমতি না নিয়ে। অবশ্যই সাকিবের উচিত ছিল এদিকটা লক্ষ করা এবং অনুমতি নেয়া। আর বোর্ডেরও উচিত ছিল তাকে ভর্ত্সনা বা জরিমানা করে কিংবা দুই-ই করে তারপর অনুমতি দেয়া। কারণ বাংলাদেশ দল তো এরপর যাচ্ছেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ খেলতে। সাকিব যদি সেখানে লিগে খেলে মাঠ, পিচ ও পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সুযোগ পায়, তবে তা তো বাংলাদেশ টিমের জন্য বাড়তি সুবিধা। অথচ তাকে সেখানে যেতেই দেয়া হলো না! তাহলে কি আমাকে বিশ্বাস করতে হবে বোর্ড দেশ বা দলের স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছে? নিজের নাক কেটে কার যাত্রা ভঙ্গ করতে সচেষ্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড? চ. শাস্তির মেয়াদ অনুযায়ী সাকিব আবার খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেতে পারে বিশ্বকাপের ঠিক আগে আগে। অনুশীলনের অভাবে, মানসিক বিপর্যয়ের কারণে সে যদি ঠিকমতো পারফর্ম করতে না পারে তখন বোর্ডের অনেক সদস্য, নিন্দাবাদী মহল এবং একশ্রেণীর মিডিয়া কটুবাক্য বর্ষণে অকৃপণ হয়ে উঠবে হয়তো। যেন সাকিবের অপরাধ সে এত ভালো খেলে কেন? কেন সে বারবার বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার হয়? কেন তাকে বিদেশী ক্রিকেটাররা এত সম্মান দেয়? কেন সে খেলে খেলে এত ধনী হয়ে যাবে? পরশ্রীকাতরতা শব্দটি কেবল বাংলা ভাষায়ই আছে। সম্ভবত অন্য কোনো ভাষায় এ শব্দের যথার্থ প্রতিশব্দ খুঁজে পাওয়া যাবে না। এ কি শুধু বাঙালি মানসিকতারই প্রতিফলন? ছ. ক্রীড়াঙ্গনে প্লেয়ার্স লাউঞ্জ বলে একটা জায়গা থাকে। সেটা শুধু খেলোয়াড়দের জন্যই সুনির্দিষ্ট। শিক্ষাঙ্গনগুলোয়ও থাকে টিচার্স লাউঞ্জ, স্টুডেন্ট লাউঞ্জ ইত্যাদি। অনেকটা মুক্ত মঞ্চের মতো। সাধারণত খেলোয়াড়রা ওই প্লেয়ার্স লাউঞ্জে এসে তাদের আবেগ, উচ্ছ্বাস, ক্ষোভ, ক্রোধ সবকিছু উদ্গীরণ করে নিজেদের মন হালকা করে। ওটাকে তারা মনে করে তাদের সার্বভৌম অঞ্চল। সেখানে কখনই বোর্ড সদস্য কিংবা কর্তৃপক্ষীয়দের উপস্থিতি বাঞ্ছনীয় নয়। সেখানকার কোনো কথাবার্তা কখনই বোর্ড কিংবা মিডিয়ার আঙিনায় পৌঁছানো উচিত নয়, অথবা সেখানকার বিষয়বস্তু কারো আলোচনা, ক্ষোভের, ক্রোধের কিংবা প্রতিশোধের কারণ হতে পারে না। সাকিবের ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটেছে কিনা জানি না। তবে আমি বিশ্বাস করতে চাই, এমন কিছু ঘটেনি। চার. বোর্ডের সিদ্ধান্তের পর আমি হতাশ হয়ে এখন সব অগতির গতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছি। আপনি সাকিবকে একান্তে ডাকুন এবং তার বক্তব্য শুনুন, আর বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি রক্ষার উদ্যোগ নিন অনুগ্রহ করে। পাঁচ. আমার পুত্র ও পুত্রবধূ বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জনের পর নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ স্বর্ণসম্ভাবনাকে পাশে ঠেলে দেশে ফিরতে যাচ্ছে শুধু দেশকে কিছু দিয়ে মাতৃভূমির ঋণ শোধ করার জন্য। সাকিব আল হাসানও তো যা অর্জন করেছে, তা এ দেশকে ভালোবেসেই করেছে, দেশকে ভালোবাসে বলেই করেছে। আশা করি দেশকে যারা ভালোবাসে, দেশের জন্য যারা কিছু করতে চায়, তারা যেন কেউ হতাশ না হয়। সুন্দর যেন অসুন্দরের কাছে নিগৃহীত না হয়— অদ্ভুত আঁধার যেন না নামে বাংলায়। আবেদ খান টরন্টো, ১৭-০৭-১৪ লেখক : সম্পাদক ও প্রকাশক দৈনিক জাগরণ
  • লিনডে বিডির ২০০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি লিনডে বিডি অন্তর্বর্তীকালীন ২০০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর অর্থবছরের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ কারণে বিনিয়োগকারী বাছাইয়ের জন্য আগামী ৩ আগস্ট রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় ট্রাস্ট মিলনায়তনে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া দ্বিতীয় প্রান্তিকের (জানু’ ১৪-জুন’ ১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী লিনডে বিডির করপরবর্তী মুনাফা ২৯ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১৯.৩৮ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩৪ কোটি ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ২২.৫৬ টাকা। গত তিন মাসে এ কোম্পানির করপরবর্তী মুনাফা ১৫ কোটি ৭২ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১০.৩৪ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১৪ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৯.৬৬ টাকা।
  • গ্রামীণফোনের ৯৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্রামীণফোন লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ৯৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য গত ৩০ জুন পর্যন্ত অর্ধবার্ষিকীর হিসাব অনুযায়ী এই অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ দেবে কোম্পানিটি। লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৫ আগস্ট। গত ৩০ জুন সমাপ্ত অর্ধবার্ষিকীতে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে এক হাজার ৬০ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৭ দশমিক ৮৫ টাকা এবং শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ৯১ টাকা।
  • সাইফ পাওয়ারটেকের আইপিওতে দশগুণ আবেদন
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড কোম্পানির ৩৪০ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা কোম্পানির আইপিও মূল্যের চেয়ে ৯ দশমিক ৭৪ গুণ বেশি। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানির আইপিওতে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ৩৪০ কোটি ৩৯ লাখ ১১ হাজার টাকার আবেদন দেন। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা জমা দেন ৫৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকার আবেদন। গত ৬ জুলাই থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড আইপিও আবেদন জমা নেয়। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা এ সুযোগ পান ১৯ জুলাই পর্যন্ত। বিএসইসি জানায়, কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কমিশনের ৫১৫তম সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটি ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩০ টাকা মূল্যে বাজারে এক কোটি ২০ লাখ শেয়ার বিক্রি করবে। এর মাধ্যমে বাজার থেকে সংগ্রহ করবে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। এর মার্কেট লট ২০০ টি শেয়ারে। উত্তোলিত টাকা দিয়ে কোম্পানির নতুন ইউনিট স্থাপন, মেশিনারিজ ক্রয় এবং মেয়দী ঋণ পরিশোধ ও আইপিও কাজের ব্যয় মেটানো হবে। সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সাইফ পাওয়ারটেকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ দশমিক ০১ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ২৯ টাকা। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ( আইসিবি)।
  • সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ১১২ শতাংশ
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের চলতি বছরের এপ্রিল-জুনে মুনাফা বেড়েছে ১১২ শতাংশ। সোমবার কোম্পানি তাদের অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ২৫ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১১ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ পয়সা। অন্যদিকে সার্বিকভাবে ৬মাসে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৬১ কোটি ৬৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৪ কোটি ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৪ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সোমবার এ শেয়ারের দর বেড়েছে ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ বা ২০ পয়সা। সারা দিন দর ১১ টাকা ৪০ থেকে ১১ টাকা ৬০ পয়সায় ওঠানামা করে। সর্বশেষ ১১ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়। দিন শেষে দর দাঁড়ায় ১১ টাকা ৪০ পয়সা। এদিন মোট ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৫০০টি শেয়ার ২৮২ বারে লেনদেন হয়। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে তিন কার্যদিবস ধরে এ শেয়ারের দর টানা বাড়ছে। এক মাসের মধ্যে এ শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ছিল ১১ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বনিম্ন ১১ টাকা। কোম্পানিটি ২০১৩ সালের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির ইপিএস ১ টাকা ৭৮ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৫ টাকা ৭৮ পয়সা। কোম্পানিটি ২০০০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে এর ১ হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন ও ৭০৩ কোটি ১০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের ৭০ কোটি ৩১ লাখ ৪১ হাজার ৫৬৪টি শেয়ার রয়েছে; যার প্রতিটির অভিহিত দর ১০ টাকা ও মার্কেট লট ২৫০টি শেয়ারে। কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৩১২ কোটি ১৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩১ দশমিক ৭৮ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৫২ দশমিক ৭২ শতাংশ রয়েছে।
  • ইস্টল্যাণ্ড ইন্স্যুরেন্সের আয় বৃদ্ধি
    ডেস্ক রিপোর্ট : বিমা খাতের কোম্পানি ইস্টল্যাণ্ড ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। কোম্পানিটির অর্ধবার্ষিকী  (জানুয়ারি-জুন’ ১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য পাওয়া যায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৪১ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৯৩ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১০ কোটি ৬ লাখ টাকা এবং ১ টাকা ৮৬ পয়সা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন’১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮৭ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬ কোটি ০৩ লাখ টাকা এবং ১ টাকা ১১ পয়সা।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের
    দিনভর সূচক বাড়ার মধ্য দিয়ে সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়েছে। এদিন লেনদেন, সূচক ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। গতকাল ঢাকার বাজারে সূচক বেড়েছে ২০ পয়েন্ট আর চট্টগ্রামের বাজারে সূচক বেড়েছে ৮৯ পয়েন্ট। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি ঘোষণা এবং আইসিবিসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানের মার্কেট সাপোর্টের ফলে গতকাল পুঁজিবাজারে উত্থান হয়েছে। এদিন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিমেন্ট খাতসহ বেশিরভাগ খাতের দাম বেড়েছে। তবে কমেছে ব্যাংক খাতের শেয়ারের দাম। গতকাল দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২৯৮টি কোম্পানির ৭ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার ৭৪৭টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৩০৯ কোটি ২ লাখ ৬৫ হাজার ৩৪৪ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ৪৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা বেশি। এদিন ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২০ পয়েন্ট বেড়ে চার হাজার ৩৯৪ পয়েন্ট, ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৬০৫ পয়েন্ট এবং ডিএসইএক্স শরিয়াহ্ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে ৯৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৪টির, কমেছে ৯২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২ কোম্পানির শেয়ারের। দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ২০৩টি কোম্পানির ৬৬ লাখ ৮৩ হাজার ২৯১টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ২৪ কোটি ২৭ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৯ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ২ কোটি ১২ লাখ ৫২ হাজার ২৬১ টাকা বেশি। এদিন সিএসই’র সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৮৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৯টির, কমেছে ৬৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬ কোম্পানির শেয়ারের। লেনদেনের ভিত্তিতে গতকাল ডিএসইতে শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো, শাহজিবাজার পাওয়ার, স্কয়ার ফার্মা, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, বিএসসি, গ্রামীণফোন, পেনিনসুলা, এনভয় টেক্সটাইল, পদ্মা অয়েল ও ফার কেমিক্যাল। দাম বাড়ার শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হলো-এক্সিম ১ম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, ম্যারিকো ইন্ডাস্ট্রিজ, বেক্সিমকো লিমিটেড, মিথুন নিটিং, এফবিএফআইএফ, বিএসসি, রংপুর ফাউন্ড্রি, আলহাজ টেক্স ও গ্রামীণফোন। আর দাম কমার শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হলো- স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, সাভার রিফ্রেক্টরিজ, ফনিক্স ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ইবিএল এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, মতিন স্পিনিং, প্রাইম ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, পপুলার লাইফ ও ফার কেমিক্যাল।     Source : মানব কণ্ঠ
  • রফতানি লক্ষ মাত্রা ২ লাখ ৫৮ হাজার কোটি টাকা
    গত অর্থবছরের চেয়ে ২৭০ কোটি ডলারের বেশি লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করে চলতি অর্থবছরের জন্য ৩ হাজার ৩২০ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। স্থানীয় মুদ্রায় যা ২ লাখ ৫৮ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৭৮ টাকা হিসাবে)। গত বছর এ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৫০ কোটি ডলার। যদিও বছর শেষে অর্জিত হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ১৭ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। সোমবার চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণসংক্রান্ত এক সভায় এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কথা জানান। এ সময় তিনি রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা জানিয়ে বলেন, গত অর্থবছরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ব্যবসার-বাণিজ্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর পরও রফতানিকারকরা দক্ষতার সঙ্গে রফতানি-বাণিজ্য অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছেন। রফতানি উন্নয়নে সরকারও ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরও ৩ হাজার ৩২০ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করছি, এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। এ সময় তিনি আগামী অল্প দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ ৫ হাজার কোটি ডলারের রফতানি আয় করতে সক্ষম হবে বলেও আশাবাদের কথা জানান। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণসংক্রান্ত সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। এ সময় সভায় অন্যদের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশীষ বসু, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, বিজিএমইএ’র সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম, বিকেএমই’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ষষ্ঠ-পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মোতাবেক রফতানি পণ্যের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নতুন নতুন বাজার সৃষ্টির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। পণ্য এবং বাজার বহুমুখীকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের রফতানি দ্রুত এগিয়ে যাবে। বিশ্বের বহু দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য এগিয়ে আসছে। চিলি ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশকে ডিউটি ফ্রি ও কোটা ফ্রি সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত বাংলাদেশকে ডিউটি ফ্রি সুবিধা প্রদান করছে। বাংলাদেশের ব্যবসার পরিধি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তোফায়েল আহমেদ বলেন, দেশের তৈরি পোশাক খাতকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে নিরাপদ ও গতিশীল করতে সরকার অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নিরাপদ কর্মস্থলের জন্য সরকার বিল্ডিং সেফটি ও ফায়ার সেফটি নিশ্চিত করতে এর প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা ঘোষণা করেছে। এতে করে শ্রমিকদের কর্মবান্ধব ও নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিত হবে। মন্ত্রী বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে সরকার প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া রোডম্যাপ মোতাবেক বেশিরভাগ শর্ত ইতিমধ্যে পূরণ করা হয়েছে। বাকিগুলোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি সুবিধা স্থগিতের পরও সেখানে বাংলাদেশী পণ্যের রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে।     Source : যুগান্তর
  • অর্ধবার্ষিকীতে পাঁচ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন খাতের মোট ছয়টি কোম্পানির অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটির মুনাফা আগের তুলনায় বেড়েছে। বাকি একটি কোম্পানির মুনাফা কমেছে। মুনাফা বাড়া কোম্পানিগুলো হলো- সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, আইপিডিসি, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, আজিজ পাইপস, প্রাইম ফাইন্যান্স। শুধু এনভয় টেক্সটাইলের মুনাফা আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ॥ অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্ধবার্ষিক (জানু ’১৪-জুন ’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৬১ কোটি ৬৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে সমন্বিত আয় হয়েছে ০.৮৮ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২৪ কোটি ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ০.৩৪ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল ’১৪-জুন ’১৪) এ কোম্পানির কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ২৫ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৩৬ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১১ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ০.১৭ টাকা। আইপিডিসি ॥ অর্ধবার্ষিকে আর্থিক খাতের ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোমোশন এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডেরও (আইপিডিসি) মুনাফা আগের তুলনায় বেড়েছে। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্ধবার্ষিক (জানু ’১৪-জুন ’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী আইপিডিসির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৩১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৪৬ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রম ৫ কোটি ৩৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.৪৭ টাকা। বিগত তিন মাসে আইপিডিসির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৪৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৩০ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.৩৪ টাকা। রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স ॥ অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সেরও আগের তুলনায় মুনাফা বেড়েছে। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্ধবার্ষিক (জানু ’১৪-জুন ’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৩ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ২.৩৪ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১২ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ২.১২ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল ’১৪-জুন ’১৪) রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৮৮ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.৭৪ টাকা। আজিজ পাইপস ॥ অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে প্রকৌশল খাতের আজিজ পাইপস মুনাফায় ফিরেছে। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্ধবার্ষিক (জানু ’১৪-জুন ’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী আজিজ পাইপসের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ০.২১ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ০.৪০ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল ’১৪-জুন ’১৪) এ কোম্পানির কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.০৪ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা (লোকসান) ও ০.০৫ টাকা (লোকসান)। এ কোম্পানির পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৪৩ কোটি ৩৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এ কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের লোকসানের পরিমাণ ২০ কোটি ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। প্রাইম ফাইন্যান্স ॥ অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে আর্থিক খাতের প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের মুনাফা বেড়েছে। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্ধবার্ষিক (জানু ’১৪-জুন ’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রাইম ফাইন্যান্সের কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ১৩ কোটি ৭৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে সমন্বিত আয় হয়েছে ০.৫১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৭ কোটি ৬২ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ০.২৮ টাকা। বিগত তিন মাসে (এপ্রিল ’১৪-জুন ’১৪) এ কোম্পানির কর পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.২৭ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫ কোটি ৪৫ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ০.২০ টাকা। এনভয় টেক্সটাইল ॥ অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে বস্ত্র খাতের এনভয় টেক্সটাইলের আগের তুলনায় মুনাফা কমল। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্ধবার্ষিক (জানু ’১৪-জুন ’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এনভয় টেক্সটাইলের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১১ কোটি ৩৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ০.৮১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রম ১১ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ০.৮৪ টাকা। বিগত তিন মাসে এনভয় টেক্সটাইলের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২১ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১.৫৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ২.৪৬ টাকা।   Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • ডেসকোকে দ্রুত শেয়ার ছাড়ার অনুরোধ
    সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করে সঠিক মূল্যে ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানিকে (ডেসকো) পুঁজিবাজারে দ্রুত ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়ার (সরবরাহ) অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)। একই সঙ্গে গুলশান ও টঙ্গী সার্কেলের ভূমি ও অবকাঠামো দুটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দিয়ে দ্রুত মূল্যায়ন করে তা আর্থিক বিবরণীতে সন্নিবেশিত করার জন্য ডেসকোকে অনুরোধও করা হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে বলে ডেসকোকে জানিয়েছে বিউবো। গত ৩০ জুন বাংলাদেশ বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রক (হিসাব ও অর্থ) দীন মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এই সংক্রান্ত একটি চিঠি ডেসকোকে দেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া ওই চিঠির অনুলিপি সচিব, বিদ্যুত বিভাগ, বিদ্যুত জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়; সচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়; চেয়ারম্যান, বিএসইসি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৬ মে গুলশান ও টঙ্গী সার্কেলের ভূমি ও অবকাঠামোর মূল্যায়নের জন্য নিয়োজিত দুটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দ্রুত মূল্যায়ন কাজ শেষ করে আর্থিক বিবরণীতে সম্পদের সঠিক মূল্য সন্নিবেশিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা সম্পন্ন করা হয়েছে কিনা তা আমাদের জানা নেই। ফলে সরকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডেসকোর ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়ার বিষয়টি বিলম্বিত হচ্ছে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ অবস্থায় শেয়ার ছাড়ার ক্ষেত্রে মার্কেট বেনিফিট পাওয়ার লক্ষ্যে শেয়ারের ফেয়ার মার্কেট ভ্যালু বা সঠিক শেয়ার মূল্য নিশ্চিত করতে ডেসকোর যাবতীয় সম্পদের সঠিক মূল্য আর্থিক বিবরণীতে দ্রুত অন্তর্ভুক্ত করে জানানোর জন্য পুনরায় অনুরোধ জানানো হলো। শেয়ার ছাড়ার বিষয়টি খুবই জরুরী। এর আগে গত ১৮ মে শেয়ার ছাড়া সংক্রান্ত বিষয়ে ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আমজাদ হোসেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) চিঠি দেয়। ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৫ মে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ডেসকোর ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়ের সরকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে ডেসকোর শেয়ার ছাড়ার লক্ষ্যে সঠিক নিশ্চিত করে গুলশান ও টঙ্গী এলাকার সম্পদ মূল্য আর্থিক বিবরণীতে অন্তর্ভুক্তির জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে লক্ষণীয় যে, ডেসকোর ২০১২-২০১৩ অর্থবছরের আর্থিক বিবরণীতে সাবেক ডেসার গুলশান, বারিধারা, বনানী, উত্তরা, মহাখালী ও টঙ্গী এলাকার সম্পদসমূহের বিপরীতে ৪০৩.৯৬ কোটি টাকা দায় প্রদর্শন করা হয়েছে। অনুরূপভাবে দায়ের বিপরীতে সম্পদ হিসেবে দেখানো হয়েছে। ভেন্ডরস এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের আগে সম্পদসমূহের মূল্যায়ন সম্পন্ন হতে হবে যা বেশ সময়সাপেক্ষ। এ দিকে পরামর্শ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক জমির মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) কর্তৃপক্ষ একমত না হওয়ায় হস্তান্তরিত সম্পদ মূল্য চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • ডিএসই'র লেনদেন তিনশ' কোটি টাকার বেশি
    দেশের শেয়ারবাজারে গতকাল সোমবার সূচক ও লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৩০৯ কোটি টাকা। ১৩ কার্যদিবস পর ডিএসই'র লেনদেন তিনশ' কোটি টাকা পেরিয়েছে। এদিকে লেনদেনের ক্ষেত্রে গতকালও বেক্সিমকো লিমিটেড শীর্ষ স্থানে ছিল।   তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই'র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২০ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৩৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩০৯ কোটি ২ লাখ টাকা। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৪৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৯৮টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৪টির, কমেছে ৯২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৮৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২ কোটি ১২ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২০৩টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৯টির, কমেছে ৬৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টি কোম্পানির শেয়ারের।   ডিএসইসূত্রে জানা গেছে, শেয়ারবাজারের সদ্য তালিকাভুক্ত শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ারের দাম তর তর করে বেড়ে গেছে। গতকাল সোমবার পর্যন্ত পাঁচ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১০৮ শতাংশ বা ২৭ টাকা। তথ্যে দেখা গেছে, গত মঙ্গলবার লেনদেনের প্রথম দিন এ কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছিল ৪৬ শতাংশ। এরপর বুধবার বাড়ে ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ। বৃহস্পতিবার বাড়ে ১১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আর রবি ও সোমবার যথাক্রমে ১৫ দশমিক ৪০ ও দেড় শতাংশ। নিয়মানুসারে আইপিও থেকে আসা নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার দর ওঠানামার ক্ষেত্রে প্রথম পাঁচ কার্যদিবসে কোন মূল্যসীমা বা সার্কিট ব্রেকার থাকে না। তবে শেয়ার লেনদেনের পাঁচ কার্যদিবস পার হওয়ায় আজ মঙ্গলবার থেকে এ শেয়ারের দর ওঠানামার ক্ষেত্রে সার্কিট ব্রেকার কার্যকর হবে।       Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • রফতানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমেছে প্রায় সব খাতে
    চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এবার মোট রফতানি লক্ষ্য ৩ হাজার ৩২০ কোটি ডলার। সার্বিকভাবে এবার রফতানিতে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১০ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, যা আনুপাতিক হারে গত কয়েক বছরের তুলনায় কম। গতকাল চূড়ান্ত করা এ লক্ষ্যমাত্রায় কমানো হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ প্রায় প্রতিটি খাতের প্রবৃদ্ধি। খাতসংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে চূড়ান্ত হওয়া লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। রফতানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার চিত্র থেকে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব খাতের লক্ষ্যমাত্রা গত অর্থবছরে অর্জিত প্রবৃদ্ধির তুলনায় কম ধরা হয়েছে। এর মধ্যে আছে হিমায়িত চিংড়ি, কৃষিপণ্য, চামড়া, চামড়াজাত পণ্য, জুট ইয়ার্ন অ্যান্ড টোয়াইন, নিটওয়্যার, ওভেন পোশাক ও ফুটওয়্যার।   ২০১৩-১৪ অর্থবছরে উল্লিখিত পণ্যগুলোর অর্জিত প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ২০ দশমিক ৯৩, ১৪ দশমিক ৮১, ২৬ দশমিক ৪৭, ৪৮ দশমিক ৫৫, ৫ দশমিক ১৪, ১৫ দশমিক শূন্য ২, ১২ দশমিক ৭০ ও ৩১ দশমিক ১৯ শতাংশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পণ্যগুলো থেকে রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে ১৫ দশমিক ৫১, ৯ দশমিক ৯৩, ২৩ দশমিক ৬৩, ৩৫ দশমিক ৩৭, ১ দশমিক ৭২, ৯ দশমিক ৬৭, ৯ দশমিক ৯৬ ও ১৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, সরকার চলতি অর্থবছরে ৩ হাজার ৩২০ কোটি ডলার রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি অর্থবছরে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। মন্ত্রী বলেন, গত অর্থবছরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর পরও রফতানিকারকরা দক্ষতার সঙ্গে রফতানি বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছেন।   বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ষষ্ঠ-পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মোতাবেক রফতানি পণ্যের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নতুন নতুন বাজার সৃষ্টির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের রফতানি দ্রুত এগিয়ে যাবে। পৃথিবীর বহু দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য এগিয়ে আসছে। চিলি ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশকে ডিউটি ফ্রি ও কোটা ফ্রি সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত বাংলাদেশকে ডিউটি ফ্রি সুবিধা দিচ্ছে। বাংলাদেশের ব্যবসার পরিধি দিন দিন বাড়ছে।   রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশীষ বসু বলেন, গত পাঁচ বছরের রফতানি প্রবৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণ ও পণ্য বহুমুখীকরণ সফলতা, ব্যবসায়ীদের সরকারি সুযোগ সুবিধা, যুক্তরাষ্ট্র ইইউর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, বিশ্ববাজারের প্রতিযোগী সক্ষমতা, মার্কিন বাজারে জিএসপি সুবিধা স্থগিত, পোশাক কারখানায় ক্রেতাদের নিরাপত্তা চাহিদা মেটানো— এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।   লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা অনুষ্ঠানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল আলম, বিকেএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।     Source : বণিক বার্তা
  • উত্তরা ফিন্যান্সের মুনাফা কমেছে ৩.৩%
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান উত্তরা ফিন্যান্সের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকের মুনাফা কমেছে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। গতকাল প্রতিষ্ঠানটি তদের অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এমনটি দেখা গেছে।   প্রতিবেদন অনুসারে এপ্রিল-জুন সময়ে মুনাফা হয়েছে ২৬ কোটি ৪১ লাখ ১০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৭ কোটি ৩১ লাখ ১০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৩২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা।   অন্যদিকে সার্বিকভাবে ছয় মাসে কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ৫১ কোটি ৫৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪৫ কোটি ৮৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৫৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪ টাকা ৩ পয়সা।   এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল এ শেয়ারের দর বেড়েছে দশমিক ৬১ শতাংশ বা ৪০ পয়সা। সারা দিন এর দর ৬৫ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৬৭ টাকা ৯০ পয়সা। সর্বশেষ ৬৫ টাকা ৫০ পয়সায় এ শেয়ারের লেনদেন হয়। দিন শেষে এ শেয়ারের দর দাঁড়ায় ৬৫ টাকা ৩০ পয়সায়। এদিন মোট ৪১ হাজার ৮০০টি শেয়ার ১২৮ বারে লেনদেন হয়। এদিকে সর্বশেষ প্রকাশিত ঋণমানে দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ-’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। অর্থাত্ কোম্পানিটি ঋণঝুঁকি সক্ষমতায় ভালো অবস্থানে রয়েছে।     Source : বণিক বার্তা
  • সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ১১২%
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের চলতি বছরের এপ্রিল-জুনে মুনাফা বেড়েছে ১১২ শতাংশ। গতকাল কোম্পানি তাদের অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এমনটি দেখা গেছে। প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ২৫ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১১ কোটি ৮৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ পয়সা।   অন্যদিকে সার্বিকভাবে ছয় মাসে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৬১ কোটি ৬৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৪ কোটি ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৪ পয়সা।   ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল এ শেয়ারের দর বেড়েছে ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ বা ২০ পয়সা। সারা দিন দর ১১ টাকা ৪০ থেকে ১১ টাকা ৬০ পয়সায় ওঠানামা করে। সর্বশেষ ১১ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়। দিন শেষে দর দাঁড়ায় ১১ টাকা ৪০ পয়সা। এদিন মোট ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৫০০টি শেয়ার ২৮২ বারে লেনদেন হয়। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে তিন কার্যদিবস ধরে এ শেয়ারের দর টানা বাড়ছে। এক মাসের মধ্যে এ শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ছিল ১১ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বনিম্ন ১১ টাকা।   কোম্পানিটি ২০১৩ সালের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির ইপিএস ১ টাকা ৭৮ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৫ টাকা ৭৮ পয়সা। কোম্পানিটি ২০০০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে এর ১ হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন ও ৭০৩ কোটি ১০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের ৭০ কোটি ৩১ লাখ ৪১ হাজার ৫৬৪টি শেয়ার রয়েছে; যার প্রতিটির অভিহিত দর ১০ টাকা ও মার্কেট লট ২৫০টি শেয়ারে। কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ৩১২ কোটি ১৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৩১ দশমিক ৭৮ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৫২ দশমিক ৭২ শতাংশ রয়েছে।     Source : বণিক বার্তা
  • সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৫% বোনাস শেয়ার ঘোষণা
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স ২০১৩ সালের জন্য ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে পরিচালনা পর্ষদ। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে।   এদিকে ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমেছে ১ দশমিক ৬১ শতাংশ বা ৮০ পয়সা। সর্বশেষ ৪৮ টাকা ৯০ পয়সায় এ শেয়ারের লেনদেন হয়। দিন শেষে এ শেয়ারের দর দাঁড়ায় ৪৮ টাকা ৯০ পয়সা। এদিন মোট ৩৫ হাজার ৫০০টি শেয়ার ৪৭ বারে লেনদেন হয়।     Source : বণিক বার্তা
  • বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারে চাহিদা বেড়েছে
    ঈদ কেনাকাটার জন্য শেয়ারবাজার থেকে নগদ টাকা উত্তোলনের সুযোগ শেষ। তাই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে শেয়ারের বিক্রয়াদেশ প্রায় নেই বললেই চলে। আবার বিভিন্ন কোম্পানির অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে মুনাফার হার বৃদ্ধি ও বহুজাতিক কোম্পানির অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ পেতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও সক্রিয় হয়েছেন। এতে বড় মূলধনির অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। এছাড়া লেনদেন পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণ ৩০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে সব ধরনের সূচকেও বাড়তি পয়েন্ট যোগ হয়েছে। আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই পরিস্থিতি লক্ষ করা গেছে।   গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই ক্রয়াদেশের চাপে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়। লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচকটি আগের দিনের চেয়ে প্রায় ২২ পয়েন্ট বাড়ে। পরবর্তী সময়ে বড় মূলধনি ও অধিকাংশ বহুজাতিক কোম্পানির শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে সূচকটি ৩২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। গতকাল ডিএসইর বাজার মূলধনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির সব শেয়ারের দর বাড়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে ম্যারিকো বাংলাদেশের। কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ ঘোষণার সম্ভাবনায় গতকাল ৬ শতাংশের বেশি দর বেড়েছে। এছাড়া শীর্ষ মূলধনি কোম্পানি গ্রামীণফোনের শেয়ারদর বেড়েছে ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ। এক মাস ধরে টানা দরবৃদ্ধিতে থাকা বড় মূলধনি কোম্পানি বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ। গতকালের সূচক বৃদ্ধিতে বড় মূলধনি কোম্পানিগুলো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।   গতকাল ডিএসইতে কেনাবেচা হওয়া ৫৮ শতাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২০ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বেড়ে ৪৩৯৪ দশমিক ৯৪ পয়েন্টে ও ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১৪ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৬০৫.৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আরেক শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৮৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৩৫১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে সিএসই-৩০ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১২৬ পয়েন্ট বেড়ে ১১১৯৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। শেয়ারবাজার থেকে ঈদের আগে নগদ টাকা উত্তোলনের সুযোগ না থাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে বিক্রয় চাপ কমে এসেছে। আর বেশির ভাগ শেয়ারের দর নিম্নতম অবস্থানে থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের একাংশ কম দরে শেয়ার কেনার সুযোগ নিচ্ছেন। এটিও লেনদেন বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০৯ কোটি ২ লাখ টাকা; যা আগের দিনের চেয়ে ৪৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা বেশি। সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা; যা আগের দিনের চেয়ে ২ কোটি ১২ লাখ টাকা বেশি। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৯৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৪টির, কমেছে ৯২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি শেয়ারের। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২০৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৯টির, কমেছে ৬৮ টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টি শেয়ারের।   ডিএসইর খাতওয়ারি পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়লেও সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বিবিধ ও টেলিযোগাযোগ খাতের শেয়ারদর। গতকাল একটি বাদে বিবিধ খাতের সব কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। এতে পুরো খাতটির বাজারমূল্য ৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া টেলিযোগাযোগ খাতের দুই কোম্পানির দরবৃদ্ধিতে খাতটির বাজার মূলধন প্রায় একই হারে বেড়েছে। এছাড়া ট্যানারি, ওষুধ ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রাতিষ্ঠান খাতের বাজার মূলধন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। বিপরীতে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রভাবে ব্যাংকিং খাতের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর সামান্য কমেছে।     Source : বণিক বার্তা
  • ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা কমেছে ৩৬%
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা অর্ধবার্ষিকে কমেছে ৩৬ শতাংশ। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৯৭ কোটি ৪০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৬১ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৫৩ কোটি ৭৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ৯৬ পয়সা। অন্যদিকে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫৯ কোটি ২০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৩৭ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১২৮ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ৮০ পয়সা। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে এ শেয়ারের দর বাড়ে ২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বা ৫০ পয়সা।  সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৫ টাকায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ২৪ টাকা ৭০ পয়সায়। আগের কার্যদিবসে এর সর্বশেষ দর ছিল ২৪ টাকা ৫০ পয়সা। এদিন ২৫১ বারে এর মোট ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৭০০ শেয়ার লেনদেন হয়। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৮ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দিয়েছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ৪৫ পয়সা, শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য ২৯ টাকা ৯২ পয়সা ও কর-পরবর্তী মুনাফা ৫০৫ কোটি ৫৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। দেশের বড় মূলধনি এ ব্যাংকের চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) মুনাফা বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৩৮ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২৬ পয়সা। তবে এর আগের হিসাব বছরের এ তিন মাসে মুনাফা হয় ২৭ কোটি ৮২ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১৯ পয়সা।  ১৯৮৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬১০ কোটি টাকা।     Source : বণিক বার্তা
  • ফারইস্ট ফিন্যান্সের মুনাফা বেড়েছে ৩২৪%
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ফারইস্ট ফিন্যান্সের মুনাফা অর্ধবার্ষিকে বেড়েছে ৩২৪ শতাংশ। কোম্পানিটির অর্ধবার্ষিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা ও ইপিএস ৩৯ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৪৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৯ পয়সা। অন্যদিকে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন এ সময়ে এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৮৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৩৬ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৯৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ৬ পয়সা। প্রথম বছরে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে না পারলেও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ফারইস্ট ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ার এক মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। সম্প্রতি এর অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে কোম্পানিটিকে চিঠি দেয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটি জানায়, অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির পেছনে মূল্যসংবেদনশীল কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় মাত্র ৩ পয়সা হলেও গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ। এক মাস ধরেই এ কোম্পানির শেয়ারদরে ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ২০১৩ সালে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাওয়া দুর্বল মৌলভিত্তির ফারইস্ট ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড প্রথম বছরই লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি। এতে কোম্পানিটির শেয়ারদর এপ্রিল থেকে নিম্নমুখী ধারায় চলে আসে। বিনিয়োগকারীর অনাগ্রহে চলতি বছরের জুনে প্রথমার্ধে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের কোম্পানিটির শেয়ার নেমে আসে ৭ টাকা ৯০ পয়সায়। তবে লোকসান কাটিয়ে মুনাফায় ফিরে আসায় জুনের মাঝামাঝি সময় থেকে শেয়ারের চাহিদা বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় এক মাস ধরেই ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে কোম্পানিটির শেয়ার দর। এ সময় অধিকাংশ শেয়ার দর কমলেও ফারইস্ট ফিন্যান্সের প্রায় ৩০ শতাংশ দর বেড়েছে।  বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ বা ৪০ পয়সা। দিনভর দর ১০ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১১ টাকা ১০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১০  টাকা ৯০ পয়সায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ১০ টাকা ৯০ পয়সা। আগের কার্যদিবসে এর সর্বশেষ দর ছিল ১১ টাকা ৩০ পয়সা। এদিন ৮০ বারে এর মোট ৮৯ হাজার ৫০০ শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ৮ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১১ টাকা ৩০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ৭ টাকা ৯০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৭ টাকা ২০ পয়সা। ২০১৩ সালের ২৯ মে অভিহিত মূল্যে এ কোম্পানির আইপিও প্রস্তাব অনুমোদন দেয় শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিটি মোট ৪ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।       Source : বণিক বার্তা
  • ছয় কোম্পানির পাঁচটির মুনাফা বাড়ল আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ছয়টি কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন রবিবার প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি কোম্পানির মুনাফা আগের তুলনায় বেড়েছে। মাত্র একটি কোম্পানির মুনাফা আগের তুলনায় কমেছে। মুনাফা বাড়া কোম্পানিগুলো হলো : ইউসিবিএল, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, ফাস ফাইন্যান্স, এমজেএল বিডি ও সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স। শুধু ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা অর্ধবার্ষিকীতে কমেছে। ইউসিবিএল ॥ ব্যাংক খাতের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৮২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ব্যাংকের অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন ’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। আলোচিত প্রান্তিকে ইউসিবিএল ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ১৯৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩২ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১০৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা এবং ইপিএস ১ টাকা ৮৭ পয়সা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ’১৪) ব্যাংকের মুনাফা হয়েছে ৯৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩৭ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১২৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা এবং ইপিএস ৮০ পয়সা। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ॥ স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৩৬ দশমিক ১৪ শতাংশ আয় বেড়েছে। কোম্পানির অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন ’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৬৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৩ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪৭ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং ইপিএস ৮৩ পয়সা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ’১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৫০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮৯ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং ইপিএস ২৯ পয়সা। ইসলামী ব্যাংক ॥ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৩৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ কমেছে। কোম্পানির অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন ’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৯৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬১ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৫৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং ইপিএস ৯৬ পয়সা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ’১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৫৯ কোটি ২০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩৭ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১২৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা এবং ইপিএস ৮০ পয়সা। এমজেএল বিডি ॥ কোম্পানিটির বাংলাদেশের ছয় মাসে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৫২ পয়সা। কোম্পানিটির অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন ’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রকাশ করলে এই জানা যায়। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির (সুদ ব্যতীত) মুনাফা হয়েছে ৬০ কোটি ১ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৫২ পয়সা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ’১৪) কোম্পানির মুনাফা (সুদ ব্যতীত) হয়েছে ৩১ কাটি ৮২ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় ১ টাকা ৩৩ পয়সা। সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ॥ বীমা খাতের কোম্পানি সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ আয় বেড়েছে। কোম্পানির অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন ’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ পায়। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং ইপিএস ১ টাকা ৬ পয়সা। তবে ২০১৩ সালে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোম্পানি ঘোষিত ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার হিসাব করা হলে ইপিএস হতো ১ টাকা ২ পয়সা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপিল-জুন ’১৪) কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৬২ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং ইপিএস ৬০ পয়সা। বোনাস শেয়ার হিসাবে আনা হলে এই ইপিএস হতো ৫৬ পয়সা। ফ্যাস ফিন্যান্স ॥ কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ২ হাজার ৫০০ শতাংশ। কোম্পানিটির অর্ধবার্ষিকী (জানুয়ারি-জুন ’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রকাশ করলে এই তথ্য জানা যায়। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা (সুদ ব্যতীত) হয়েছে ২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২৬ পয়সা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫ লাখ টাকা এবং ০১ পয়সা। উল্লেখ্য, গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ’১৪) কোম্পানির মুনাফা (সুদ ব্যতীত) হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় ১৪ পয়সা। তবে কোম্পানিটি আগের বছর একই সময়ে লোকসান করেছিল ১ কোটি ৮ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ১০ পয়সা।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ  
View All
Latest DSE News
  • ISLAMIINS

    The Company has informed that it has credited the bonus shares for the year ended on December 31, 2013 to the respective shareholders' BO Account on July 22, 2014.

  • JAMUNABANK

    Sirajul Islam, one of the Sponsors/Directors of the Company, has expressed his intention to buy 1,26,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange within next 30 working days.

  • LAFSURCEML

    (H/Y): As per un-audited half yearly accounts as on 30.06.2014 (Jan'14 to June'14), the Company has reported consolidated profit after tax (excluding non-controlling interests) of Tk. 1,402.27 million with consolidated EPS of Tk. 1.21 as against Tk. 1,062.02 million and Tk. 0.91 respectively for the same period of the previous year. Whereas consolidated profit after tax (excluding non-controlling interests) was Tk. 774.36 million with consolidated EPS of Tk. 0.67 for the period of 3 months (Apr'14 to June'14) ended on 30.06.2014 as against Tk. 361.67 million and Tk. 0.31 respectively for the same period of the previous year. Consolidated accumulated profit/(loss) of the Company was Tk. (122.54) million as on 30.06.2014.

  • BAYLEASING

    (H/Y): As per un-audited half yearly accounts as on 30.06.2014 (Jan'14 to June'14), the Company has reported consolidated profit after tax (excluding non-controlling interests) of Tk. 152.23 million with consolidated EPS of Tk. 1.16 as against Tk. 115.93 million and Tk. 0.89 respectively for the same period of the previous year. Whereas consolidated profit after tax (excluding non-controlling interests) was Tk. 104.86 million with consolidated EPS of Tk. 0.80 for the period of 3 months (Apr'14 to June'14) ended on 30.06.2014 as against Tk. 85.84 million and Tk. 0.66 respectively for the same period of the previous year.

  • BATASHOE

    (H/Y): As per un-audited half yearly accounts as on 30.06.2014 (Jan'14 to June'14), the Company has reported profit after tax of Tk. 278.73 million with EPS of Tk. 20.37 as against Tk. 243.37 million and Tk. 17.79 respectively for the same period of the previous year. Whereas profit after tax was Tk. 114.21 million with EPS of Tk. 8.35 for the period of 3 months (Apr'14 to June'14) ended on 30.06.2014 as against Tk. 96.68 million and Tk. 7.07 respectively for the same period of the previous year.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SAPORTL 25.70 23.40 2.30 9.83
SPCL 56.60 52.00 4.60 8.85
BGIC 23.90 22.00 1.90 8.64
AFCAGRO 50.90 47.60 3.30 6.93
ISLAMIINS 24.30 22.80 1.50 6.58
GHCL 41.20 38.80 2.40 6.19
GOLDENSON 45.00 42.40 2.60 6.13
ACTIVEFINE 63.90 60.30 3.60 5.97
STYLECRAFT 998.40 950.00 48.40 5.09
SPPCL 44.70 42.70 2.00 4.68

OUR SERVICE

 

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297