Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
RAHIMAFOOD 44.7 36.3 8.40 23.14
UCBL 27.6 23.6 4.00 16.95
1STICB 1068.2 917 151.20 16.49
SOUTHEASTB 21.5 18.5 3.00 16.22
AGNISYSL 22.8 19.8 3.00 15.15
MAKSONSPIN 15.7 13.7 2.00 14.60
DHAKABANK 21.4 18.7 2.70 14.44
BAYLEASING 34 29.9 4.10 13.71
MJLBD 79.1 70.2 8.90 12.68
METROSPIN 17.6 15.7 1.90 12.10

Contest SB2014_Apr

1st
blank_person
NAYEM_OPU
2nd
blank_person
ROCKRAMPAGE
3rd
blank_person
ASHRAFUL_BASICBANK
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 265.2 251.6 36.13028 2018600.00
BATBC 2519.6 2478.5 4.85171 2700.00
RENATA 1109.3 1044.1 4.52849 100250.00
PRIMEBANK 22.9 21.4 3.03778 289500.00
HEIDELBCEM 595.1 567.9 3.02376 413200.00
Negative impact
SQUARETEXT 110.6 114.5 -1.03141 362500.00
ICB 1777.25 1789 -0.97527 5900.00
ISLAMIBANK 27.3 27.6 -0.86388 595500.00
PUBALIBANK 30.2 30.6 -0.69283 240550.00
EBL 27.5 28 -0.60123 109200.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
GP 265.2 266 251.3 5.41% 528.17
MPETROLEUM 313.3 315 309.6 1.49% 376.42
OLYMPIC 244.7 246.7 240.6 2.47% 280.78
LAFSURCEML 64.9 67 63.9 -3.28% 257.43
HEIDELBCEM 595.1 598 569 4.79% 243.12
PADMAOIL 350 354.9 347 1.10% 213.15
SQURPHARMA 281.9 284.4 280.1 0.75% 187.80
SOUTHEASTB 21.5 21.7 20.8 1.90% 183.94
JAMUNAOIL 231.1 233.2 230.6 -0.47% 117.26
UCBL 27.6 28 26.4 2.22% 117.11

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 23 Apr 2014

101315
TOTAL TRADE
105.9353
TOTAL VOLUME(Mn)
5473.14
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • জিবিবি পাওয়ারের বোনাস শেয়ার বিওতে
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড কোম্পানি ঘোষিত বোনাস শেয়ার  বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে। বুধবার ডিএসই  সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত বছরের জন্য ঘোষিত বোনাস শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে। এর আগে কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করে। ২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় এই কোম্পানি। বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি হিসেবে লেনদেন করছে এই কোম্পানি। এই কোম্পানি বর্তমান মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও রয়েছে ১২ দশমিক।
  • ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন
    স্টাফ রিপোর্টার : দেশের উভয় পুঁজিবাজারে বুধবার দিনের শুরু থেকে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। মূল্য সূচকে উত্থানের গতি অন্যান্য দিনের মতো থাকলেও লেনদেন তুলনামুলক বেশি লক্ষ করা গেছে। দিনে প্রথম ঘণ্টায় দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় ১২৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। সকাল সাড়ে ১১টায় ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪৬৮৪ পয়েন্টে। আলোচ্য সময়ে লেনদেন হওয়া ২৫৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৭টির, কমেছে ৮৯টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ১২৪ কোটি ৬১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। মঙ্গলবার ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৪৬৫৯ পয়েন্টে। এদিন লেনদেন হয় ৩৯১ কোটি ৩২ লাখ ১৪ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে গ্রামীণফোনের। আলোচ্য সময়ে এ কোম্পানির ৮ লাখ ২৫ হাজার ৮০০টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টাকার অংকে যা ২১ কোটি ৩২ লাখ ৩৮ হাজার ১০০ টাকা। সকাল সাড়ে ১১টায় অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯০১২ পয়েন্টে। আলোচ্য সময়ে লেনদেন হওয়া ১১৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৫২টির, কমেছে ৪৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার পরিমাণে মোট লেনদেন হয়েছে ৬ কোটি ১১ লাখ টাকা।
  • যমুনার আর্থিক প্রতিবেদন বুধবার
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে জ্বালানি-বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি যমুনা অয়েল লিমিটেডের তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বুধবার। মঙ্গলবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে আলোচিত প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র অনুসারে আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ৪ টাকার একটু বেশি। গত বছর তৃতীয় প্রান্তিকে প্রকৃত ইপিএস ছিল ৫ টাকা ৩ পয়সা। ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ বিবেচনায় নিলে (ডাইলুটেড) গত বছরের ইপিএস দাঁড়ায় ৪ টাকা ৫০ পয়সা। তিন প্রান্তিক মিলিয়ে ৯ মাসে যমুনা অয়েলের ইপিএস দাঁড়াতে পারে সাড়ে ১২ টাকা। গত বছরের প্রথম ৯ মাসে ডাইলুটেড ইপিএস ছিল ১১ টাকা ৯০ পয়সা। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৯ টাকা ২৯ পয়সা। এদিকে আগামি সপ্তাহে প্রকাশিত হতে পারে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের আর্থিক প্রতিবেদন। কোম্পানি সূত্র জানা গেছে, ২৭ এপ্রিল রোববার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে অনুমোদন পাবে জানুয়ারি-মার্চ সময়ের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন। জানা গেছে, এ কোম্পানিরও ৯ মাসের ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেশি হতে পারে বলে জানা গেছে। তবে পদ্মা অয়েল সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায় নি। উল্লেখ, তিনটি তেল বিপণনকারী কোম্পানির ব্যবসার ধরণ এক হলেও তাদের মুনাফায় যথেষ্ট ভিন্নতা আছে।
  • মারুবেনি-ইতোচু’র সঙ্গে নিপ্পন স্টিলের চুক্তি
    স্টাফ রিপোর্টার : জাপানের বিখ্যাত নিপ্পন স্টিল করপোরেশন (এনএসসি) ও মারুবেনি-ইতোচু স্টিল করপোরেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নবায়ন করেছে দেশের অন্যতম বৃহত্ ঢেউটিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড। সম্প্রতি অ্যাপোলো ইস্পাতের একটি ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি দল জাপান সফরকালে এ চুক্তি নবায়ন করে। চুক্তির আওতায় অ্যাপোলো ইস্পাতকে হট রোল্ড কয়েল সরবরাহ করে আসছে জাপানের বৃহত্তম স্টীল মিল এনএসসি। চুক্তি নবায়নের ফলে তা অব্যাহত থাকবে। অ্যাপোলোর রানী ব্র্যান্ডের ঢেউটিনসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয় এই কয়েল। জাপান সফরকালে অ্যাপোলোর কর্মকর্তারা এনএসসি ও মারুবেনির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরালো করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
  • ফারইস্ট ফাইন্যান্সের শাস্তি ‘জেড’ ক্যাটাগরি
    স্টাফ রিপোর্টার : আর্থিক খাতের ফারইস্ট ফাইন্যান্স সর্বশেষ অর্থ বছরে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দেয়নি। মঙ্গলবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থ বছরের জন্য ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করা হয়েছে। লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে এ কোম্পানির ক্যাটাগরি অবনমন হয়েছে। পরিচালকদের সিদ্ধান্তে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে আগামী ১৭ জুন সকাল ১০টায় বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে ৮ মে। এদিকে ২৪ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার স্পট মার্কেটে শুরু হচ্ছে এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন। শেয়ারগুলোর লেনদেন আট দিন স্পট মার্কেটে ব্লক/অডলটে হবে। ২৪ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার থেকে আগামি ৭ মে, বুধবার পর্যন্ত এই লেনদেন চলবে। আর কোম্পানির রেকর্ড ডেট থাকায় আগামি ৮ মে, বৃহস্পতিবার শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। অথচ এর আগে ফারইস্ট ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার দর সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। এদিন কোম্পানির প্রতি শেয়ারের দর বাড়ে ১ টাকা ১০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ। দিনভর এর শেয়ার দর ১২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠা-নামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১২ টাকা ৯০ পয়সায়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।শেষ হওয়া অর্থ বছরে ফারইস্ট ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ০.৫১ টাকা, শেয়ারপ্রতি সম্পদ হয়েছে ১৩.৩৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ঋণাত্মক ৩.২৪ টাকা। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া প্রথম প্রান্তিকে (জানু’১৪-মার্চ’১৪) ফারইস্ট ফাইন্যান্সের কর পরবর্তী আয় হয়েছে ৪২ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ০.০৩ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৫১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ০.০৩ টাকা। ৩১ মার্চ ২০১৪ তারিখ পর্যন্ত এ কোম্পানির পুঞ্জীভূত লোকসান ৪ কোটি ১৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এদিকে, লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ(ডিএসই) কোম্পানিটিকে ‘এন’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দিয়েছে। যা আগামী ২৪ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, ফারইস্ট ফাইন্যান্স গত বছর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
  • ‘বাজার স্ট্রং আপট্রেন্ড ধরে রাখবে’
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জর (ডিএসই) এক্স ইনডেক্স মঙ্গলবার দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতাই লক্ষ্য করা গেছে। দিনশেষে পুনরায় ক্রয়চাপ বৃদ্ধির ফলে ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতাই লেনদেন শেষ হয়ে সূচক ১১.২৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই এক্স ইনডেক্সে বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক লক্ষ্য করা যায়। বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক দ্বারা সাধারণত বাজারের আপ ট্রেন্ডের সম্ভাবনা প্রকাশ পেয়ে থাকে। একই সঙ্গে আশা কারা যাচ্ছে এমএসিডি লাইন মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের উপরে অবস্থান করছে। যে কারণে বাজার তার স্ট্রং আপ ট্রেন্ড ধরে রাখবে। এমন কথা বলেন পুঁজিবাজার বিষয়ক এ্যানালিস্টরা। আপট্রেন্ডের ব্যাখ্যায় তারা তুলে ধরেন, বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৪৪৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার বাজারে এমএফআই এর মান ছিল ৬০.৫০, আরএসআই এর মান ছিল ৫৯.৫১। বলা যায় আরএসআই ও এমএফআই এর মান এখন বুলিশ জোনে অবস্থান করছে। তারা আরো বলেন, এমএসিডি লাইন সিগনাল লাইনটিকে ক্রস করে উপরদিকে উঠতে শুরু করছে। আশা কারা যাচ্ছে যদি এম.এ.সি.ডি লাইন তার অবস্থান মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের উপরে অবস্থান নিতে থাকে তাহলে বাজার তার স্ট্রং আপ ট্রেন্ড ধরে রাখবে। মঙ্গলবার সিগনাল লাইনের মান ছিল -৭.৮৫ এবং এম.এ.সি.ডি লাইনটি সিগনাল লাইনের উপরে অবস্থান করছে। ক্যান্ডেলস্টিক বলিঞ্জার ব্যান্ডের উপরের ব্যান্ডের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং বলিঞ্জার ব্যান্ডের উপরের ব্যান্ড এখন উপরের দিকে প্রসারিত করে চলছে। ১০ দিনের এস.এম.এ এখন ২৫ দিনের এস.এম.এ এর উপরে অবস্থান করছে।
  • গ্ল্যাক্সো’র শেয়ারহোল্ডাররা ৫২ হাজার কোটি টাকা ফেরত পাচ্ছেন
    এসবি ডেস্ক : চিকিৎসক, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগের চাপ এখনও সামলে উঠতে পারেনি ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে)। এরই মধ্যে নিজেদের ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আর এর অংশ হিসেবে আরেক ওষুধ প্রস্তুতকারক নোভারটিজের সাথে সম্পদ বিনিময় করতে যাচ্ছে তারা। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে পরস্পর চুক্তিতে সই করেছে  প্রতিষ্ঠানটি। খবর বিবিসির। আলোচিত চুক্তির আওতায় একে অপরের ওষুধ প্রস্তুত ইউনিট অধিগ্রহণ করবে কোম্পানি দুটি। এর প্রভাব পড়বে কোম্পানি দুটির শেয়ার কাঠামোতেও। চুক্তির ফলে গ্ল্যাক্সোর শেয়ারহোল্ডাররা ৪শ কোটি পাউন্ড ফেরত পাবেন। বাংলাদেশী মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা। এ চুক্তি অনুযায়ী, নোভারটিজ ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলারে অধিগ্রহণ করবে জিএসকের ক্যান্সার নিরাময়কারী ওষুধের ব্যবসা। অন্যদিকে নোভারটিজের কাছ থেকে ৭১০ কোটি ডলারে তাদের ফ্লুজাতীয় রোগের ভ্যাকসিন ব্যবসা কিনে নেবে জিএসকে। এছাড়া উভয় কোম্পানিই তাদের অভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) ইউনিটকে একীভুত করবে বলে উল্লেখ করা হয় চুক্তিতে। জিএসকের প্রধান নির্বাহী  অ্যান্ড্রু জানান, দুই কোম্পানির মধ্যে সম্পদ বিনিময় ও ভোক্তা স্বাস্থ্য ইউনিট একীভুত করা অনেকটা দুর্লভ হলেও এই  লেনদেনের ফলে উভয় কোম্পানিই  তাদের  শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনতে পারবে। এছাড়া সামগ্রিকভাবে উভয় কোম্পানির আয় বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, নতুন এই চুক্তির ফলে ৪’শ কোটি পাউন্ড ফেরত পাচ্ছেন গ্ল্যাক্সো শেয়ারহোল্ডাররা। এর মাধ্যমে তারা যৌথভাবে বছরে ৬৫০ কোটি পাউন্ড আয় করতে পারবে বলে জানান অ্যান্ড্রু।  এদিকে জিএসকে ছাড়াও আরেকটি ওষুধ কোম্পানি লিলির সাথে একটি চুক্তি করেছে  নোভারটিজ। ওই চুক্তি অনুযায়ী  ৫৪০ কোটি ডলারে  লিলির কাছে তাদের পশু স্বাস্থ্য বিভাগটি বিক্রি করছে নোভারটিজ। নোভারটিজের প্রধান নির্বাহী জোসেফ জিমনেজ বলেন, এর মাধ্যমে উভয় কোম্পানিই তাদের পুঁজিকে আরও শক্তিশালী করতে পারবে। এতে করে তাদের  উৎপাদনকে আরও ত্বরাণ্বিত করতে পারবে বলে জানান তিনি।
  • আয় বাড়লেও সম্পদ কমেছে ব্র্যাক ব্যাংকের
    স্টাফ রিপোর্টার : ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো গত বছর কঠিন সময় পার করেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছিল সব ধরণের ব্যবসা বাণিজ্যকে। এর মধ্যেও আয় বেড়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের। আয় বাড়ার কারণে তুলনামুলক বেশি লভ্যাংশ পেয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। তবে আগের বছরের চেয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের সম্পদ কমেছে। গত বছর ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.২০ টাকা। যা আগের বছর অর্থাৎ ২০১২ সালে ছিল ১.৮২ টাকা। ২০১২ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারপ্র্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) ‍২৯.৮০ টাকা থাকলেও গত বছর তা কিছুটা কমে ২৯.৩৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে। মূলত: ২০১২ ও ১৩ সালে বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার কারণে শেয়ারপ্রতি সম্পদ কমেছে। ব্র্যাক ব্যাংক ২০১৩ সালের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয়। আগের বছর ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল। ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির মূলধন ছিল ৩৮৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। যা বর্তমানে ৪৮৭ কোটি ৬০ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। মূলত: বিগত দুই বছর বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার কারণে মূলধন বেড়েছে। ২০১২ সাল শেষে ব্র্যাক ব্যাংকের বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকা। একই বছরে প্রদত্ত ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। আর অন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গৃহীত ঋণের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা।
  • ৭ টি কোম্পানির বোর্ড সভা ঘোষণা
     স্টাফ রিপোর্টার : স্টক এক্সচেঞ্জের লিস্টিং রেগুলেশন-৩০ অনুযায়ী  ৫টি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভা আহ্বান করেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- অ্যাডভান্স কেমিক্যাল কোম্পানি (এসিআই), এসিআই ফরমুলেশন, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, আরামিট কোম্পানি ও জিকিউ বলপেন। মঙ্গলবার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এসিআই : ওষুধ ও রসায়ন খাতের অ্যাডভান্স কেমিক্যাল কোম্পানি (এসিআই)। ২৯ এপ্রিল, মঙ্গলবার বিকেল চারটায় এ কোম্পানির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে বলে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আগের বছর এসিআই ৮০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল। এসিআই ফরমুলেশন : সভা আহ্বান করেছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের এসিআই ফরমুলেশন। ২৯ এপ্রিল, মঙ্গলবার বিকেল তিনটায় এ কোম্পানির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে বলে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আগের বছর এসিআই ফরমুলেশন ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স : সভা আহ্বান করেছে বীমা খাতের ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স। আগামী  ২৮ এপ্রিল, সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটায় এ কোম্পানির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে বলে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আগের বছর ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স : সভা আহ্বান করেছে বীমা খাতের স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স। আগামী ২৯ এপ্রিল, মঙ্গলবার বিকেল তিনটায় এ কোম্পানির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে বলে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আগের বছর স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল। প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স :  সভা আহ্বান করেছে বীমা খাতের প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স। আগামী  ২৮ এপ্রিল, সোমবার বিকেল ৪টায় এ কোম্পানির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে বলে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আগের বছর প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। আরামিট : বিবিধ খাতের কোম্পানি আরামিটের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকের দিন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামি ২৬ এপ্রিল, শনিবার অনুষ্ঠিত হবে এই বৈঠক। বৈঠকে কোম্পানির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। একই বৈঠক থেকে এই কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা আসতে পারে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) এই কোম্পানি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৮ টাকা ৬৫ পয়সা। ২০১২ সালে এই কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদেরকে ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল।  একই বছরে কোম্পানি শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস করেছিল ১৬ টাকা ০৭ পয়সা। আর নয় মাসে ইপিএস ছিল ১২ টাকা ৮১ পয়সা। কোম্পানিটি ১৯৮৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে এই কোম্পানি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি হিসেবে শেয়ার লেনদেন করে। এই কোম্পানির বর্তমান মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও রয়েছে ২৭ দশমিক ৩৪। জি কিউ বল পেন : বিবিধ খাতের কোম্পানি জি কিউ বল পেনের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকের দিন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামি ২৪ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে কোম্পানির ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। একই সাথে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা আসতে পারে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে কোম্পানি নয় (জানুয়ারি-সেপ্টম্বর) মাসে শেয়ার প্রতি লোকসান করেছে ৩ টাকা ০১ পয়সা। ২০১২ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদেরকে ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। একই বছরে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ৭ টাকা ৮৬ পয়সা। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ১৯৮৬ সালে। ‘এ’ ক্যাটাগরির বর্তমানে এই কোম্পানির পিই রেশিও রয়েছে ৩৭ দশমিক ৪।
  • ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে
    মোঃ আশফাতুল আলমঃ  আজ মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসইএক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতা দেখা যায় এবং দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবনতাই লক্ষ্য করা যায় এবং দিনশেষে পুনরায় ক্রয়চাপ বৃদ্ধির ফলে ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতাই লেনদেন শেষ হয়ে সূচক ১১.২৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। ডি.এস.ই এক্স ইনডেক্সে আজ বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক দ্বারা  সাধারণত বাজারের আপ ট্রেন্ডের সম্ভাবনা প্রকাশ পেয়ে থাকে। ডিএসই এক্স ইনডেক্স  আজ ১১.২৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬৫৯.৯৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.২৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৪৪৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৬০.৫০ এবং আর.এস.আই এর মান ছিল  ৫৯.৫১ অর্থাৎ আর.এস.আই ও এম.এফ.আই এর মান এখন বুলিশ জোনে অবস্থান করছে। এম.এ.সি.ডি লাইন সিগনাল লাইনটিকে ক্রস করে উপরদিকে উঠতে শুরু করছে। আশা কারা যাচ্ছে যদি এম.এ.সি.ডি লাইন তার অবস্থান মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের উপরে অবস্থান নিতে থাকে তাহলে বাজার তার স্ট্রং আপ ট্রেন্ড ধরে রাখবে। এম.এ.সি.ডি লাইনটি এখন এর মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের থেকে উপরে অবস্থান করছে। আজ এম.এ.সি.ডি লাইনের মান ছিল ৫.৪৭ এবং সিগনাল লাইনটি এখন এর মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের থেকে নিচে অবস্থান করছে। আজ সিগনাল লাইনের মান ছিল -৭.৮৫ এবং এম.এ.সি.ডি লাইনটি সিগনাল লাইনের উপরে অবস্থান করছে। ক্যান্ডেলস্টিক বলিঞ্জার ব্যান্ডের উপরের ব্যান্ডের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং বলিঞ্জার ব্যান্ডের উপরের ব্যান্ড এখন উপরের দিকে প্রসারিত করে চলছে। ১০ দিনের এস.এম.এ এখন ২৫ দিনের এস.এম.এ এর উপরে অবস্থান করছে। আজ ডিএসইতে ৯ কোটি ১৬ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৮ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৩৯১.৩২ কোটি টাকা। গতকালের তুলনায় আজ ডিএসইতে লেনদেন ৭০ কোটি  টাকা হ্রাস পেয়েছে। আজ ঢাকা শেয়ারবাজারে ২৯০ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯০ টির, কমেছে ৬৬ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল  ৩৪ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের দর ও লেনদেনে অগ্রগতি
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের দর ও লেনদেনে অগ্রগতি হয়েছে। এদিন এর ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ শেয়ার ১ হাজার ৪১৫ বারে লেনদেন হয়; যার বাজারদর ছিল ২২ কোটি ৮২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বা ৭ টাকা ২০ পয়সা। দিনভর দর ২৩১ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ২৪১ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৪০ টাকায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ২৩৮ টাকা ৮০ পয়সায়। গত এক মাসে এ শেয়ারের সর্বনিম্ন দর ছিল ২০৪ টাকা ৯০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৪২ টাকা ৫০ পয়সা।  কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের আয়ের অধিকাংশই আসে বিস্কুটসহ খাদ্যপণ্য বিক্রি করে। পাশাপাশি ছোট পরিসরে প্রকৌশল পণ্য তৈরি ও বাজারজাত করে থাকে। তবে আয় খাদ্যপণ্য নির্ভর হওয়ায় খাত পরিবর্তন করা হয়েছে কোম্পানিটির। ২০১৩ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পক্ষ থেকে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দেয়া হয়েছে। এ সময় এর মুনাফা হয়েছে ৬১ কোটি ৫৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৭ টাকা ৮৫ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ২২ টাকা ১০ পয়সা। এর আগের তিন হিসাব বছরের জন্যও কোম্পানিটি একই হারে লভ্যাংশ দিয়ে এসেছে। ১৯৮৯ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৫৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। বাজারে মোট শেয়ার ১১ কোটি ৭৫ লাখ ৪১ হাজার ৯৬৮টি; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৩১ দশমিক ৪৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৩০ দশমিক ৩১, বিদেশী বিনিয়োগকারী ১০ দশমিক ৭৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে ২৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এর প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও ৫০০টিতে মার্কেট লট। সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৪৫ দশমিক ৫৭।     Source : বণিক বার্তা
  • লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে আনলেও সুফল মিলছে না
    লেনদেন নিষ্পত্তিতে সময় কমিয়ে আনার সুফল নেই পুঁজিবাজারে। শেয়ারবাজারে ‘জেড ক্যাটাগরী’ ব্যতিত অপর ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার নিষ্পত্তির জন্য টি প্লাস থ্রির পরিবর্তে টি প্লাস টু কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে আগের তুলনায় শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে একদিন সময় কমেছে। সময় কমে যাওয়ার ফলে বাজারে লেনদেনের পরিমান বাড়বে বলে ধারণা করেছিলেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু তাদের এ ধারণা সত্যি বলে প্রমাণীত হয়নি। কারণ লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে আনা হলেও বাজারে লেনদেনের পরিমান বাড়েনি। বরং অনেকটা যেন পাল্লা দিয়ে কমছে বাজারের লেনদেনের পরিমান। গত ১৬ এপ্রিল থেকে ডিএসইতে লেনদেন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে টি প্লাস টু কার্যকর হয়েছে। বাজার পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, ১৬ এপ্রিল ডিএসইতে ৫০০ কোটি টাকার বেশি (৫৩০ কোটি টাকা) লেনদেন হলেও এরপর একদিনও লেনদেন ৫০০ কোটি টাকা ছাড়াতে পারেনি। উল্টো লেনদেন নেমে গেছে ৪০০ কোটি টাকারও নিচে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মাত্র ৩৯১ কোটি টাকা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আস্থাহীনতার কারণে বিনিয়োগকারীরা লেনদেনে অংশ নিচ্ছেন না। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও হাত গুটিয়ে নেয়ার কারণে শেয়ার নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে আনার পরও লেনদেনে উন্নতি নেই। লেনদেনে গতি ফিয়ে আনতে ২০১১ সালের পর থেকে নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও তার কোনোটিরই সুফল মিলেনি। সর্বশেষ লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে এনেও পরিস্থিতি আগের অবস্থাতেই রয়ে গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজারের প্রকৃত সমস্যাগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত না করেই নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ কারণে বাজারে সেগুলোর সুফল নেই। এদিকে বেশিরভাগ কোম্পানির দরবৃদ্ধিতে গতকাল প্রধান বাজার ঢাকা স্টক একচেঞ্জের সূচক বেড়েছে মোট ১১ পয়েন্ট। একইভাবে অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সব ধরনের সূচকই বেড়েছে। সেখানেও আগের দিনের চেয়ে লেনদেন কমেছে আশঙ্কাজনক হারে। দেখা গেছে, গতকাল মঙ্গলবারে ডিএসইতে ৩৯১ কোটি টাকা শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ৭০ কোটি টাকা কম। সোমবারে সেখানে মোট ৪৬১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৯০টির দর বেড়েছে, কমেছে ৬৬টির এবং ৩৪টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, আগের ধারাবাহিকতায় সূচকের বৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। বেশিরভাগ ছোট মূলধনী কোম্পানির বাড়লেও বড় কোম্পানিগুলোর দর বেড়েছে। বিশেষ করে বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলো অন্যদের তুলনায় ভালো করেছে। ব্যাংক খাতের মিশ্রাবস্থা থাকলেও আর্থিক কোম্পানি ও বিমা কোম্পানিগুলোর দর বাড়তে থাকে। দিনশেষে ডিএসইর সার্বিক সূচকটি আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬৫৯ পয়েন্ট। তবে সেখানকার শরীয়াহ সূচকটি আগের মতোই কমেছে। বাছাই তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর দর কিছুটা বাড়ার কারণে ডিএসই-৩০ সূচকটি ৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৭শ ৪ পয়েন্ট। কিছুটা মূল্য সংশোধন হলেও দিনটিতে খাতওয়ারি লেনদেনের শীর্ষে ছিল ব্যাংক খাতের কোম্পানিগুলো। ব্যাংকগুলোর মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭৩ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের প্রায় ১৯ ভাগ। লেনদেনের দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল জ্বালানি ও শক্তি খাতের কোম্পানিগুলো। খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫০ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৩ ভাগ। সিমেন্ট খাতের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৮ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের প্রায় ১২ ভাগ। আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টের বাজার পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, বড় মূলধনের কোম্পানিগুলোর দর হারানোর দিনেও অন্যান্য কোম্পানিগুলোর দর বাড়ার কারণে ডিএসইর সার্বিক সূচক ইতিবাচক ছিল। তবে খাত ও কোম্পানি পরিবর্তনের ড়্গেত্রে বিনিয়োগকারীদের গত কিছুদিন ধরে দর কমতে থাকায় আকর্ষণীয় পর্যায়ে চলে আসায় সেগুলোর প্রতি আগ্রহ হয়েছে। দিনটিতে বস্ত্র খাতের মোট ২ দশমিক ০৯ শতাংশ দর বেড়েছে। এছাড়া ডিএসইতে ২৯০টি কোম্পানির মধ্যে প্রথম ৬৯টির ৩ শতাংশের বেশি দর বেড়েছে। সার্বিকভাবে ডিএসইতে আগের দিনের চেয়ে ১৫ দশমিক ১৫ শতাংশ দর হারিয়েছে। ডিএসইতে লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, অলিম্পিক, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, হিডেলবার্গ সিমেন্ট, স্কয়ার ফার্মা, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, গ্রামীণ ফোন,পদ্মা ওয়েল, স্কয়ার টেক্সটাইল ও লঙ্কা বাংলা ফাইনান্স।   Source : আমার দেশ
  • ডিএসই'র লেনদেন কমেছে ১৫ ভাগ
    শেয়ারবাজারে সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৩৯১ কোটি টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৫ ভাগ কম। এদিকে বেশিরভাগ কোম্পানির দর বাড়ায় সূচক বাড়লেও বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর দর সংশোধন হয়েছে। খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বস্ত্র খাতের শেয়ারের দাম বেড়েছে ২ শতাংশেরও বেশি।   তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই'র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ১১ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৬৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৯১ কোটি ৩২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৬৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৯০টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯০টির, কমেছে ৬৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টি কোম্পানির শেয়ারের।   এদিকে পুঁজিবাজার সংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ভবন ভাড়ার ব্যয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) সাময়িকভাবে নিজস্ব খাত থেকে বরাদ্দের নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বিএসইসিতে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আগামী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে আইন ও বিচার বিভাগের বাজেটে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল পরিচালনার ব্যয় বাবদ অর্থ বরাদ্দ রাখা হলে তখন বিএসইসিকে এ ভাড়া বহন করবে হবে না। এর আগে বিএসইসির পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবকে অর্থ বরাদ্দের উত্স জানতে চেয়ে চিঠি দেয়া হয়।   Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দাবি রিহ্যাবের
    অপ্রদর্শিত অর্থ আবাসন খাতে আগামী ৫ বছরের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছে এ খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট এন্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। গত বাজেটে এ খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হয়েছিল।   গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রাক-বাজেট আলোচনায় উপস্থিত হয়ে সংগঠনের সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ভুঁইয়া এ দাবি জানান।   রিহ্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হয় ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের বাজেটে। তবে ২০১৩ সালে সহিংসতা রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় আবাসন খাত এ সুযোগ নিতে পারেনি। তাই আগামী পাঁচ বছরের জন্য এ সুযোগ দেয়ার কোনো বিকল্প নেই।   অবশ্য অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগেনি বলে এ খাতের ব্যবসায়ীদের স্মরণ করিয়ে দেন এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন। তিনি বলেন, আমরা জনগণকে উপকৃত করতে এ খাতে এ সুযোগ দিয়েছিলাম। যাতে সাধারণ মানুষও একটি ছোট বাড়ির মালিক হতে পারে। কিন্তু এ সুযোগে কোনো ফল পাওয়া যায়নি। কেন এ ফল পাওয়া যায়নি তা গবেষণার বিষয়।   আগামী জুনের শুরুতে অর্থমন্ত্রী সংসদে পরবর্তী অর্থবছরের জন্য জাতীয় বাজেট ঘোষণা করবেন। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে পরামর্শমূলক আলোচনার অংশ হিসেবে প্রাক বাজেট আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এনবিআর। এরই অংশ হিসেবে গতকাল দুই দফায় আবাসন খাতের প্রতিনিধি ও নির্মাণ শিল্পের (ইট, বালু, সিমেন্ট, লোহা, স্যানিটারি, সিরামিকস ও হার্ডওয়্যার) প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসে এনবিআর।   রিহ্যাবের পক্ষ থেকে জমি রেজিস্ট্রেশনের ফি ও কর হরাস করা প্রস্তাব করে বলা হয়, সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশে ফ্ল্যাট ও প্লট রেজিস্ট্রেশন ব্যয় উচ্চ থাকায় অধিকাংশ ক্রেতা রেজিস্ট্রেশনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। ফলে এ খাত থেকে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। রেজিস্ট্রেশন ফি ২ শতাংশ, মূল্য সংযোজন কর ১ দশমিক ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেন।   এছাড়া আবাসন শিল্পের জন্য ৬ দশমিক ৫ শতাংশ হারে রেজিস্ট্রেশন ফি কর নির্ধারণ করে সেকেন্ডারি মার্কেট চালু করা, গৃহায়ণ ও নির্মাণশিল্পে ব্যবহূত বিভিন্ন রিকন্ডিশনড যন্ত্রপাতি, ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আমদানিতে ১ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করার প্রস্তাব দেয়া হয়।   এ সময় এনবিআরের বাজেট সংশ্লিষ্ট সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।     Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • ৯ কোম্পানির বোর্ডসভা আহ্বান
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয়টি কোম্পানিটির বোর্ডসভা আহ্বান করা হয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো— বাটা সু, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, স্কয়ার টেক্সটাইল, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, বিডি ওয়েল্ডিং অ্যান্ড ইলেকট্রোডস ও কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স। এ সভায় কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদ ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট তথ্য পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ সুপারিশ করতে পারেন। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। বাটা সু: কেম্পানিটির বোর্ডসভা ২৪ এপ্রিল বেলা আড়াইটায়। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ বা ৩৬ টাকা ৯০ পয়সা। দিনভর দর ১ হাজার ২৫ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ হাজার ৬৪ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১ হাজার ৫০ টাকায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ১ হাজার ৩৮ টাকা ৯০ পয়সায়। এদিন ২৫০ বারে ২৮ হাজার ৫০০ শেয়ার লেনদেন হয়। ২০১২ সালের জন্য কোম্পানিটি ২৭৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই হিসাব বছরে এর কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৬৭ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৪৯ টাকা ১২ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৩৫ টাকা ৫৩ পয়সা।  কনফিডেন্স সিমেন্ট: কেম্পানিটির বোর্ডসভা ২৭ এপ্রিল বেলা ৩টায়। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ২ শতাংশ বা ২ টাকা ৯০ পয়সা। দিনভর দর ১৪১ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ১৪৭ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৪২ টাকা ১০ পয়সায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ১৪২ টাকা ৩০ পয়সায়। এদিন ১ হাজার ৭৪ বারে ২ লাখ ২৩ হাজার ১০০ শেয়ার লেনদেন হয়। ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স: কেম্পানিটির বোর্ডসভা ২৭ এপ্রিল বেলা সোয়া ৩টায়। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে দশমিক ৩৫ শতাংশ বা ১০ পয়সা। দিনভর দর ২৮ টাকা ২০ পয়সা থেকে ২৯ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৮ টাকা ৬০ পয়সায়, যা দিন শেষে একই ছিল। এদিন ২২৫ বারে ১ লাখ ২৫ হাজার ১০০ শেয়ার লেনদেন হয়। স্কয়ার টেক্সটাইল: কেম্পানিটির বোর্ডসভা ২৭ এপ্রিল বেলা সাড়ে ৩টায়। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ১ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ১ টাকা ৪০ পয়সা। দিনভর দর ১০৯ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১১২ টাকা ৯০ পয়সায় মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১১০ টাকায়, যা দিন শেষে একই ছিল। এদিন ৭৪৪ বারে ২ লাখ ৭০ হাজার ৮০০ শেয়ার লেনদেন হয়। সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স: কেম্পানিটির বোর্ডসভা ২৮ এপ্রিল বেলা ৩টায়। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে দশমিক ৪৫ শতাংশ বা ১০ পয়সা। দিনভর দর ২২ থেকে ২২ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২২ টাকা ৩০ পয়সায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ২২ টাকা ৪০ পয়সায়। এদিন ১১ বারে সাড়ে ৮ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। পিপলস ইন্স্যুরেন্স: কেম্পানিটির বোর্ডসভা ২৭ এপ্রিল বেলা ৩টায়। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে ১ দশমিক ৮ শতাংশ বা ৫০ পয়সা। দিনভর দর ২৭ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ২৮ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৮ টাকা ৩০ পয়সায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ২৮ টাকায়। এদিন ৫৫ বারে ১৩ হাজার ১০০ শেয়ার লেনদেন হয়। প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স: কোম্পানিটির বোর্ডসভা ২৮ এপ্রিল বিকাল ৪টায়। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে দশমিক ৯৭ শতাংশ বা ২০ পয়সা। দিনভর দর ২০ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ২১ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২০ টাকা ৮০ পয়সায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ২০ টাকা ৭০ পয়সায়। এদিন ৫২ বারে সাড়ে ৩৯ হাজার ৫০০ শেয়ার লেনদেন হয়। ২০১২ সালের জন্য কোম্পানিটি ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই হিসাব বছরে এর কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৫১ লাখ ১০ হাজার টাকা, ইপিএস ১ টাকা ৩২ পয়সা ও এনএভি ১৩ টাকা ৬৯ পয়সা। বিডি ওয়েল্ডিং অ্যান্ড ইলেকট্রোডস: কেম্পানিটির বোর্ডসভা ২৭ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৪টায়। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ বা ৯০ পয়সা। দিনভর দর ১৮ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১৯ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৮ টাকা ৮০ পয়সায়, যা দিন শেষে একই ছিল। এদিন ১৬৩ বারে ১ লাখ  ৬২ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। ২০১২ সালের জন্য কোম্পানিটি ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই হিসাব বছরে এর কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ইপিএস ৩৫ পয়সা ও এনএভি ১৭ টাকা ৬৬ পয়সা। কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স: কেম্পানিটির বোর্ডসভা ২৮ এপ্রিল বিকাল ৪টায়। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে দশমিক ৪৪ শতাংশ বা ১০ পয়সা। দিনভর দর ২২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ২৩ টাকা ১০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৩ টাকায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ২২ টাকা ৯০ পয়সায়। এদিন ৮২ বারে সাড়ে ৪১ হাজার ২০০ শেয়ার লেনদেন হয়। ২০১২ সালের জন্য কোম্পানিটি সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই হিসাব বছরে এর কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৭৬ লাখ ২০ হাজার টাকা, ইপিএস ১ টাকা ৫৬ পয়সা ও এনএভি ১৯ টাকা ৪২ পয়সা।   Source : বণিক বার্তা
  • মবিল যমুনার ২৫% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা
    বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানি মবিল যমুনা বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ২০১৩ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯৩ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ৩২ টাকা ৬৩ পয়সা। আগামী ২৮ জুন বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের বোট ক্লাবে এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট ৮ মে। গতকাল ডিএসই সূত্রে আরো জানা যায়, চট্টগ্রামের হালিশহরে ১০ তলাবিশিষ্ট একটি বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। এক্ষেত্রে কোম্পানির ব্যয় হবে ১৫ কোটি ১২ লাখ টাকা। ডিএসইতে গতকাল মবিল যমুনার শেয়ারের দর কমে ১ দশমিক ২২ শতাংশ বা ৯০ পয়সা। দিনভর দর ৭০ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৭৩ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৭২ টাকা ৭০ পয়সায়, যা দিন শেষে একই ছিল। এদিন ৫১৩ বারে মোট ২ লাখ ৬৮ হাজার ৩০০ শেয়ার লেনদেন হয়।     Source : বণিক বার্তা
  • দর অনুকূলে থাকায় আকর্ষণ ব্যাংকিং খাতের শেয়ারে
    বিপর্যয়ে পড়ায় গত দুই বছরে ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীর আগ্রহ কমে যায়। খেলাপি সমস্যা, ঋণ বিতরণে অনিয়ম, রাজনৈতিক অস্থিরতায় ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ঋণ বিতরণে ব্যর্থতা, সর্বোপরি কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক নতুন নতুন আইন প্রণয়ন ব্যাংকিং খাতের মুনাফায় বড় ধরনের আঘাত হানে। এতে এ খাতের শেয়ারদর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। ফলে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হওয়ায় এ খাতের শেয়ারের চাহিদা বেড়েছে। গতকাল দেশের শেয়ারবাজারে এমন চিত্র প্রতিফলিত হয়। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ব্যাংকিং খাতের শেয়ারদর গড়ে সাড়ে ৩ শতাংশের বেশি বাড়ে। একই সঙ্গে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদরও বাড়ে। এদিন ডিএসইর দরবৃদ্ধিতে এগিয়ে থাকা ১০ কোম্পানির মধ্যে আটটিই ছিল ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি লেনদেনের শীর্ষস্থানেও উঠে এসেছে ব্যাংকিং খাত। গতকাল ব্যাংকসহ অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচকে ৩২ পয়েন্ট যোগ হয়। অবশ্য অন্যান্য বড় মূলধনি ও অধিকাংশ বহুজাতিক কোম্পানির শেয়ার থেকে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এতে ডিএসই-৩০ সূচকে সামান্য পয়েন্ট যোগ হয়। এদিন দেশের অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সব ধরনের সূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী। জানা গেছে, গত দুই বছরের বিপর্যয়ের পর ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ফিরছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নমনীয়তায় শেষ পর্যন্ত ব্যাংকগুলো শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পেরেছে। যদিও লভ্যাংশ ঘোষণার পরও ব্যাংকিং খাত বিনিয়োগকারীর মনোযোগ আকর্ষণে ব্যর্থ হয়। এতে ব্যাংকের শেয়ারদর ক্রমাগত নিচে নামতে থাকে। বর্তমানে ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ১৭টিরই শেয়ারদর ২০ টাকার নিচে। এর মধ্যে অভিহিত মূল্যের কাছাকাছি রয়েছে ১০টি ব্যাংকের শেয়ারদর। মূলত শেয়ারদর সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকায় ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ফিরছে। গতকাল ডিএসইতে এ খাতের ৩০ কোম্পানির মধ্যে ২৭টির দর বাড়ে। আর এ খাতে মোট লেনদেন হয় ৮৬ কোাট টাকা, যা ডিএসইর লেনদেনের প্রায় ১৯ শতাংশ। গতকাল সূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা বাড়ে। ডিএসইতে লেনদেন হয় ৪৬১ কোটি ১৮ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৬২ কোটি ২ লাখ টাকা বেশি। সিএসইতে কেনাবেচা হয় ৪৩ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড, যা আগের দিনের চেয়ে ১২ কোটি ১১ লাখ টাকা বেশি।   ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৯০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বাড়ে ১৬৮টির, কমে ১০৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৯টির। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২২৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বাড়ে ১০৭টির, কমে ৯৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৭টির। ডিএসইতে টাকার ভিত্তিতে লেনদেনে এগিয়ে থাকা ১০ কোম্পানি হলো— মেঘনা পেট্রোলিয়াম, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, গ্রামীণফোন, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, পদ্মা অয়েল, স্কয়ার ফার্মা, ইউসিবিএল, এবি ব্যাংক ও ফ্যামিলিটেক্স। দরবৃদ্ধিতে এগিয়ে থাকা ১০ কোম্পানি হলো— অগ্নি সিস্টেমস, বিডি ফিন্যান্স, বিডি ওয়েল্ডিং, আনলিমা ইয়ার্ন, ন্যাশনাল হাউজিং, অ্যাম্বি ফার্মা, এমারাল্ড অয়েল, অ্যাপোলো ইস্পাত, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুওরেন্স ও ইউনিক হোটেল। অন্যদিকে বেশি দরপতন হওয়া ১০ কোম্পানি হলো— ফিনিক্স ফিন্যান্স, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, ডেল্টা লাইফ, বিচ হ্যাচারি, এলআর গ্লোবাল মি. ফা., অ্যাকটিভ ফাইন, পদ্মা লাইফ, শ্যামপুর সুগার, বিএসসি ও শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক।   Source : বণিক বার্তা
  • নতুন এডিপি তৈরিতে বিশেষ কৌশল ধীর গতির প্রকল্পের বরাদ্দ কেটে নেয়া হবে
    আগামী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জন্য নতুন এডিপি তৈরিতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করছে পরিকল্পনা কমিশন। শতভাগ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতেই এ সতর্কতা বলে জানা গেছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ধীরগতির প্রকল্পে বরাদ্দ করা অর্থ কেটে নেয়ার কৌশল করা হয়েছে। যে সব প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি দ্রুত সেগুলোতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে। আগামী অর্থবছর থেকেই এ নয়া কৌশল বাস্তবায়ন করবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। নতুন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি) প্রণয়নে ইতোমধ্যেই এ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করা হয়েছে। নতুন এডিপিতে বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট ও সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে পরিকল্পনা সচিব ভূঁইয়া সফিকুল ইসলাম বলেন, উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দারিদ্র্য নিরসন ও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা। বাংলাদেশের উন্নয়ন ‘রূপকল্প-২০২১’ এর অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হিসেবে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২০২১) এবং মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা হিসেবে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এ সব পরিকল্পনার উন্নয়ন কৌশলের আলোকে গৃহীত অর্থনৈতিক খাতভিত্তিক উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যসমূহ অর্জনের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি)। সরকারের গৃহীত এ সব পরিকল্পনা ও বিভিন্ন খাতে বিদ্যমান নীতিমালার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশ গড়ার লক্ষ্য সামনে রেখে আগামী অর্থবছরের জন্য নতুন এডিপি তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। এতে অন্তর্ভুক্তিযোগ্য প্রকল্প এবং বরাদ্দের ক্ষেত্রে জারিকৃত নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। আগামী অর্থবছরের নতুন এডিপিতে প্রকল্পভিত্তিক অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, চলতি প্রকল্পসমূহের অনুমোদিত প্রকল্প দলিলে উল্লেখিত প্রাক্কলিত ব্যয় এবং এ পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত অগ্রগতির ভিত্তিতে সম্ভাব্য যৌক্তিক ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে নতুন এডিপিতে ব্যয়ের প্রস্তাব করতে হবে। প্রকল্প সাহায্য বরাদ্দের ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী দেশ বা সংস্থার সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তির মেয়াদের বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে। বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পের ক্ষেত্রে আগামী অর্থবছরে প্রাপ্য বৈদেশিক সাহায্য ব্যবহারের জন্য পরিপূরক স্থানীয় মুদ্রা (ম্যাচিং ফান্ড) বরাদ্দের দাবি অগ্রাধিকার পাবে। এলাকা বা অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে এডিপিতে গৃহীত প্রকল্পসমূহের বরাদ্দ প্রদানও নিশ্চিত করতে হবে। আগামী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের এডিপিতে নতুন প্রকল্প অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে নীতিমালায় বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের এডিপি বা এডিপিভুক্ত স্থগিত বা শূন্য বরাদ্দ দেয়া অথবা বরাদ্দহীনভাবে সংযুক্ত অননুমোদিত প্রকল্পসমূহ আগামী অর্থবছরের এডিপিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত হবে না। তবে বিশেষ যৌক্তিকতা (যদি থাকে) সাপেক্ষে নতুন প্রকল্প হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য তা প্রস্তাব করা যাবে। সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে একান্ত অপরিহার্য এবং উচ্চ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত না হলে সরকারী অর্থায়নে সম্পূর্ণ নতুন প্রকল্প এডিপিতে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব পরিহার করতে হবে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের আগামী অর্থবছরে সমাপ্য প্রকল্প সংখ্যা, এডিপি বাস্তবায়নের দক্ষতা ও সংশ্লিষ্ট সেক্টরের প্রবেশাধিকারের সঙ্গে নতুন প্রকল্প সংখ্যা সঙ্গতিপূর্ণ হতে হবে। ক্ষুদ্র প্রকল্প পৃথকভাবে প্রণয়ন না করে একটি গুচ্ছ প্রকল্পের আওতায় এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ ছাড়া সরকারী-বেসরকারী অংশীদারিত্বের (পিপিপি) সহায়ক নতুন প্রকল্প অগ্রাধিকার পাবে। বেসরকারী উদ্যোগে বাস্তবায়নের সম্ভাবনা রয়েছে এমন প্রকল্প এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব পরিহার করতে হবে। যে সব প্রকল্প ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ বা পরিকল্পনা কমিশনে প্রক্রিয়াকরণ করার জন্য বিবেচিত হয়নি সে সব প্রকল্প পুনরায় অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব পরিহার করতে হবে।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • বস্ত্র ও শিল্প খাতে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ছে প্রয়োজন অবকাঠামো উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
    গত বছরজুড়ে চলা রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে নিবন্ধিত বিনিয়োগের পরিমাণ কমলেও নতুন বছরে এসে আবারও বাড়ছে (স্থানীয়, যৌথ ও বিদেশী) বিনিয়োগ। চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) দেশে ৪৩২টি প্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত হয়েছে, যাতে প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সময়ে সবচেয়ে বেশি বিদেশী বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে বস্ত্র ও শিল্প খাতে, যা মোট প্রস্তাবিত বিনিয়োগের ২৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ আগ্রহ ধরে রাখতে প্রয়োজন সুশাসন। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রয়োজন অবকাঠামো উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। বিনিয়োগ বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরের জানুয়ারি-মার্চ সময়ে নিবন্ধিত ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ১৫ হাজার ৪৯৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা, যা আগের প্রান্তিকের (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর) চেয়ে এক হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা বা ১২ শতাংশ বেশি। দ্বিতীয় প্রান্তিকে নিবন্ধিত ২৪৮টি শিল্প প্রতিষ্ঠানে প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১৩ হাজার ২৮৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে ৮৪ হাজার ১২৮ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৯২টি স্থানীয়, ২২টি বিদেশী এবং ১৮টি যৌথ বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় তৃতীয় প্রান্তিকে প্রস্তাবিত দেশী বিনিয়োগ প্রায় ১০ শতাংশ, যৌথ বিনিয়োগ শতভাগ এবং বিদেশী বিনিয়োগ ৪৮ শতাংশ বেড়েছে। তৃতীয় প্রান্তিকে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে বস্ত্র শিল্প খাতে, যা মোট প্রস্তাবিত বিনিয়োগের ২৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এর মধ্যে ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ প্রকৌশল শিল্পে, সেবা খাতে ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ, রসায়ন শিল্পে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ, কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতে ১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং অন্যান্য শিল্প খাতে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে। বিনিয়োগ বোর্ডে নিবন্ধিত ৪৩২টি শিল্প আলোর মুখ দেখলে ৮৪ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করেন বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী সদস্য নাভাস চন্দ্র ম-ল। তিনি জনকণ্ঠকে বলেন, দুই-তিন বছর ধরে যৌথ ও বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ছে। তবে গত এক বছরের বেশি সময় ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ অনেক কমে গিয়েছিল। নতুন বছরে এসে আবারও বাড়ছে নিবন্ধিত বিদেশী বিনিয়োগ। বিনিয়োগ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সব ধরনের বিনিয়োগে নিবন্ধিত প্রকল্পের সংখ্যাও ২০১৩ সালে কমেছে। গত বছর নিবন্ধিত প্রকল্প ছিল ১ হাজার ৩৭৮টি। এসব প্রকল্পে কর্মসংস্থান দেখানো হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৬৯৫ জনের। পক্ষান্তরে ২০১২ সালে সব ধরনের বিনিয়োগে প্রকল্প নিবন্ধিত হয় ১ হাজার ৮৫৭টি, যেখানে কর্মসংস্থান দেখানো হয় ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩০ জনের। দেশের শিল্পোদ্যোক্তারা বলছেন, সরকারের মেয়াদের শেষ বছর হওয়ায় ২০১৩ সালে বিনিয়োগ নিবন্ধনের বিষয়ে সতর্ক ছিলেন ব্যবসায়ীরা। দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বছরজুড়েই ছিল অস্থিতিশীল। এসব কারণেই গত বছর আগ্রহে কিছুটা ভাটা পড়ে বিনিয়োগকারীদের। দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদেশী বিনিয়োগ কমবে এমন আশঙ্কা আগেই ছিল। এ প্রসঙ্গে এফবিসিসিআইএ’র সাবেক সভাপতি আনিসুল হক বলেন, গত বছরটি ছিল সামগ্রিক বিচারে অস্থিতিশীল। এ কারণে বিনিয়োগকারীরা কোন ঝুঁকি নিতে চাননি, যার প্রভাব পড়েছিল বিনিয়োগ নিবন্ধনে। নতুন বছরে এসে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ছে বলে মনে হচ্ছে। বিদেশী বিনিয়োগ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ম্যানুফ্যাকচারিং ও সেবা খাতে সম্প্রতি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান দশকে, বাংলাদেশে খাত ও দেশভিত্তিক বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রবাহে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। এটি আমদানি বিকল্প খাতের পরিবর্তে ম্যানুফ্যাকচারিং রফতানির দিকে পরিবর্তিত হয়েছে। বাংলাদেশে বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল ৩৬টি দেশ বিনিয়োগ করছে। মোট বৈদেশিক বিনিয়োগের ৭০ শতাংশ আসে ১১টি দেশ, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো থেকে। সরকার বাংলাদেশে বৈদেশিক বাণিজ্য ২৪ শতাংশ থেকে ৩২ শতাংশে উন্নীত করার কথা ঘোষণা দিয়েছে। বিনিয়োগ বোর্ডের তালিকায় বাংলাদেশে সম্ভাব্য বিদেশী বিনিয়োগকারী হিসেবে যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের শেভরন, কোকাকোলা, সুইজারল্যান্ডের লজিটেক, জাপানের মিজুহো ফিন্যান্সিয়াল গ্রুপ, ভারতের সিয়াট, লাভা মোবাইলস ও পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক। বেশকিছু প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে কার্যক্রম শুরুও করেছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক ড. জায়েদ বখত বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ আগ্রহ ধরে রাখতে প্রয়োজন সুশাসন। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রয়োজন অবকাঠামো উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • হিরো ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল উৎপাদনে চুক্তি
    বাংলাদেশে হিরো ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল (টু-হুইলার) উৎপাদনের লক্ষ্যে যৌথ বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দেশীয় উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান নিটল-নিলয় গ্র“প এবং ভারতীয় অটোমোবাইল কোম্পানি হিরো মটোকর্পোরেশন। সোমবার রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। নিটল-নিলয় গ্র“পের পক্ষে চেয়ারম্যান আবদুল মাতলুব আহমাদ এবং হিরো মটোকর্পোরেশনের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক পবন মুনজাল চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিটল-নিলয় গ্র“পের চেয়ারম্যান আবদুল মাতলুব আহমাদ, হিরো মটোকর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পবন মুনজাল, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার সন্দ্বীপ চক্রবর্তী বক্তব্য রাখেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী ভারতীয় কোম্পানির বাংলাদেশে বিনিয়োগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, এর ফলে দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের যানবাহন উৎপাদন শিল্পে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির প্রসার ঘটবে।   Source : যুগান্তর
  • আইপিও সহজীকরণ প্রক্রিয়ার খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত
    কোম্পানির সংক্ষিপ্ত প্রসপেক্টাস প্রকাশের ২৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিধান রেখে আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণে একটি খসড়া গাইডলাইন চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এরই মধ্যে কমিশন সভায় খসড়াটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে খসড়া গাইডলাইনের বিষয়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের মতামতের ভিত্তিতে তা চূড়ান্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। মতামত দেয়ার জন্য বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারকে চিঠি দেয়া হয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে মতামত দেয়ার জন্য চিঠিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসির একজন কমিশনার বলেন, ‘আমরা গত ৫১৫তম কমিশন সভায় খসড়া গাইডলাইনটির অনুমোদন দিয়েছি। এ বিষয়ে মতামত দেয়ার জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি), অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি), রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (আরজেএসসি) ও বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে তাদের এ সংক্রান্ত মতামত দিতে বলা হয়েছে। তাদের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে গাইডলাইনটি চূড়ান্ত করা হবে।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আগামী মাসে আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণের বিষয়ে একটি পাইলট প্রজেক্ট চালু করা হবে। এজন্য উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে প্রথম সারির ব্রোকারদের তালিকা দিতে বলা হয়েছে। খসড়া গাইডলাইনে আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণের বিষয়ে ৪টি ধাপে ৯টি দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিবিধ বিষয় সংযুক্ত করা হয়েছে। খসড়া গাইডলাইনে বলা হয়েছে, প্রথমত ‘পাবলিক ইস্যু অ্যাপ্লিকেশন অ্যাকাউন্ট’ নামে একটি পৃথক ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করতে হবে মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকারকে। আইপিও আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর আবেদনকৃত লটের বিপরীতে সমপরিমাণ অর্থ ব্লক করে রাখবে মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকাররা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা পড়া সব আবেদনের বিপরীতে সমপরিমাণ অর্থ পাবলিক ইস্যু অ্যাপ্লিকেশন অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হবে। যে ব্যাংকে ওই হিসাব খোলা হয়েছে সেই ব্যাংককে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ওই অর্থ ব্লক (উত্তোলন বন্ধ) রাখার নির্দেশনাপূর্বক একটি সনদ (সার্টিফিকেট) নিতে হবে। তবে স্টক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংক নিজ পোর্টফোলিওর বিপরীতে আবেদন করলে আইপিও প্রক্রিয়া চলাকালীন নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সমপরিমাণ অর্থ ব্লক রাখতে হবে। ব্যাংক এ উপলক্ষে নিশ্চয়তা প্রদানপূর্বক একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করবে। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকাররা জমা পড়া আবেদনগুলো ক্যাটাগরি অনুযায়ী পৃথকভাবে বাছাই করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাংকের সার্টিফিকেটসহ ইস্যুয়ার কোম্পানিতে কাগজে ছাপানো ও ইলেকট্রনিক ফরমের সফটকপিসহ সরবরাহ করবে। দ্বিতীয়ত প্রস্তাবিত কাগুজে বা ইলেকট্রনিক ফরম বা টেলিফোনের মাধ্যমে লিখিত নিশ্চয়তার মাধ্যমে শেয়ার কেনার আদেশ দিতে হবে। যেখানে গ্রাহকের কাস্টমার আইডি, নাম, বিও অ্যাকাউন্ট নম্বর, গ্রাহকের ক্যাটাগরি ও আবেদনের পরিমাণ উল্লেখ থাকবে। একই সঙ্গে বিও হিসেবে আবেদনের বিপরীতে প্রয়োজনীয় অর্থ রয়েছে মর্মে নিশ্চয়তা দিতে হবে। তবে এ উপলক্ষে কোনো প্রকার মার্জিন লোন, অগ্রিম কিংবা বাকিতে অর্থ প্রদান গ্রহণযোগ্য হবে না। আইপিওর শেয়ার কেনার তথ্য মার্চেন্ট ব্যাংক/স্টক ব্রোকার সংরক্ষণ করবে পরবর্তী তিন মাস পর্যন্ত, যতদিন না কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। তৃতীয়ত শেয়ার কিনতে ইচ্ছুক স্থানীয়, প্রবাসী ও বিদেশি প্রার্থীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবধারী হতে হবে। প্রবাসী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ব্যাংকের অনুমোদিত শাখার (অথরাইজড ডিলার) মাধ্যম বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব (ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্ট) ব্যবহার করতে হবে। চতুর্থত প্রবাসী বাংলাদেশী এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে কাস্টোডিয়ান ব্যাংক পৃথক সাময়িক স্থগিতযোগ্য হিসাব বা ‘সাসপেন্স অ্যাকাউন্ট’ পরিচালনা করবে। আবেদন যাচাই-বাছাইপূর্বক সমপরিমাণ অর্থ সাসপেন্স অ্যাকাউন্টে জমা রাখবে। এরপর নাম, বিও অ্যাকাউন্ট নম্বর, আবেদনের পরিমাণ, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য ও বিনিয়োগকারীর ক্যাটাগরি অনুযায়ী তালিকা প্রস্তুত করে তা ইলেকট্রনিক ফরমে ব্যাংকের প্রধান শাখায় পাঠিয়ে দেবে। ব্যাংকের প্রধান শাখা অথরাইজড ডিলার (এডি) শাখাগুলো থেকে নির্ধারিত সময়ে প্রাপ্ত সব আবেদন যোগ করে একটি সমষ্টিগত তালিকা প্রস্তুত করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে সাসপেন্স অ্যাকাউন্টের সার্টিফিকেটসহ কাগজে ছাপানো ও ইলেকট্রনিক ফরমে ইস্যুয়ার কোম্পানির কাছে পাঠাবে। এখানে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করতে হবে যে, আবেদনের জন্য যে অর্থ জমা পড়েছে তার বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষিত আছে। পঞ্চমত সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) বিনিয়োগকারীর নাম, বিও অ্যাকাউন্ট নম্বর, ঠিকানা, পিতা-মাতার নাম ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত হালনাগাদ তথ্য সব ইস্যুয়ার কোম্পানিকে সরবরাহ করবে। ইস্যুয়ার মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী যোগ্য আবেদনপত্র বাছাইপূর্বক চূড়ান্ত তালিকা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে পাঠাবে। কমিশন যদি কোনো পর্যবেক্ষণ না দেয় তবে পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে ইস্যুয়ার এবং ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানি আইপিও লটারি সম্পন্ন করবে। লটারি সম্পন্ন হওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে ইস্যুয়ার কোম্পানি ফলাফল নিজ ওয়েবসাইটে এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিএসইসি ও স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশের ব্যবস্থা করবে। পরবর্তী দুই কার্যদিবসের মধ্যে ইস্যুয়ার কোম্পানি মার্চেন্ট ব্যাংক/স্টক ব্রোকার এবং ব্যাংককে আইপিও বিজয়ী কিংবা বিজিতদের তালিকা ছাপানো ও ইলেকট্রনিক ফরমে সরবরাহ করবে। যাতে বিজিতদের অর্থ ফেরত দিতে এবং বিজয়ীদের অর্থ আইপিওর জন্য খোলা ‘পাবলিক ইস্যু অ্যাপ্লিকেশন অ্যাকাউন্ট’ হিসাব থেকে ইস্যুয়ারের এসক্রো/এফসি অ্যাকাউন্টে ছাড়ের জন্য আবেদন করবে। এরপর ইস্যুয়ার বিজয়ীদের জন্য ইলেকট্রনিক ফরমে ডিজিটাল স্বাক্ষরসহ অ্যালটমেন্ট ইস্যুপূর্বক তা সিডিবিএল, স্টক ব্রোকার/মার্চেন্ট ব্যাংক/ব্যাংকে পাঠাবে। ইস্যুয়ার কোম্পানির কাছ থেকে তালিকা পাওয়ার পরদিন মার্চেন্ট ব্যাংক/স্টক ব্রোকার ‘পাবলিক ইস্যু অ্যাপ্লিকেশন অ্যাকাউন্ট’ থেকে বিজিতদের অর্থ ফেরত পাঠানো এবং বিজয়ীদের অর্থ ইস্যুয়ারের এসক্রো/এফসি অ্যাকাউন্টে ছাড়ের জন্য ব্যাংককে অনুরোধ জানাবে। একই সঙ্গে ‘পাবলিক ইস্যু অ্যাপ্লিকেশন অ্যাকাউন্ট’ খুলে দেবে এবং বিজয়ীদের অ্যালটমেন্ট লেটার সংগ্রহের আবেদন জানাবে। পাশাপাশি বিজিতদের হিসাব খুলে দেয়া হয়েছে বলে অবহিত করবে। ইস্যুয়ার কোম্পানির কাছ থেকে তালিকা পাওয়ার পর বিদেশি বিনিয়োগকারীর অর্থ ফেরত দেবে এবং বিজয়ীদের অর্থ ইস্যুয়ার কোম্পানির এসক্রো হিসাবে ছাড় করবে এবং এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের অবহিত করবে। মার্চেন্ট ব্যাংক/স্টক ব্রোকাররা এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য তাদের ব্যাক অফিস সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে পারবে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের সব দায়িত্ব ইস্যু ম্যানেজারকে পালন করতে হবে। বিজয়ী বিনিয়োগকারীদের আবেদনের মোট অর্থের ০.০৫ শতাংশ আবেদন প্রস্তুতকরণ ফি হিসেবে মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ব্রোকাররা পাবে। যা ইস্যুয়ার কোম্পানি পরিশোধ করবে।   Source : আমার দেশ
  • ব্যাংকিং খাত ঘিরে ডিএসইর লেনদেন
    গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনও বেড়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ব্যাংকিং খাত ঘিরে। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ৮৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। যা বাজারের মোট লেনদেনের প্রায় ১৯ শতাংশ। এছাড়া ব্যাংকিং খাতের প্রায় বেশিরভাগ শেয়ারের দামও বেড়েছে। এ খাতের কোম্পানিগুলোর দাম বেড়েছে সাড়ে তিন শতাংশের বেশি।   তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৩২ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৬৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭০০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লনদেন হয়েছে ৪৬১ কোটি ১৮ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৬২ কোটি ২ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৯০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৮টির, কমেছে ১০৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের।   এদিকে কোম্পানির চাহিদার ২০ গুণ আবেদন জমা পড়েছে শাহজিবাজার পাওয়ারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও)। জানা গেছে, কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে পুঁজিবাজার থেকে ৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এর বিপরীতে মোট ৬৩৯ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। যা কোম্পানির চাহিদার ২০ গুণ। এর আগে গত ৬ এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন জমা নেয়া হয়। প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পান। ফেসভ্যালু ১০ টাকার সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ছিল ২৫ টাকা। সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি মূলত ঋণ পরিশোধ করবে। ২০১৩ সালের ৩১ মার্চে শেষ হওয়া অর্থ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ দশমিক ৫৪ টাকা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৫৮ টাকা।   Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • মার্চে সব দেশ থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে
    রেমিট্যান্স প্রেরণকারী সব দেশ থেকেই ফেব্রুয়ারির তুলনায় মার্চে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এতে সার্বিকভাবে মার্চের রেমিট্যান্সের পরিমাণ আগের মাসের তুলনায় বেড়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরের নয় মাস (জুলাই-মার্চ) পর্যন্ত দেশে মোট এক হাজার ৪৯ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেশভিত্তিক রেমিট্যান্সের হিসেবে এ তথ্য উঠে এসেছে।   দেশভিত্তিক রেমিট্যান্সের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরে একক মাস হিসেবে ফেব্রুয়ারিতে যেখানে মোট ১১৭ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল সেখানে মার্চে এসেছে ১২৮ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। এ মাসে আগের মাসের তুলনায় সব দেশ থেকেই রেমিট্যান্স বেড়েছে। রেমিট্যান্স প্রেরণকারী শীর্ষ দেশ সৌদি আরব থেকে মার্চে ২৮ কোটি ৩২ লাখ ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। আর ফেব্রুয়ারিতে এসেছিল ২৬ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স।   এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেব্রুয়ারিতে এসেছিল ১৯ কোটি ২৩ লাখ ডলার আর মার্চে এসেছে ২১ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। একইভাবে অন্যান্য সব দেশ থেকে মার্চে রেমিট্যান্স বেড়েছে।     Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
View All
Latest DSE News
  • FASFIN

    Md. Sirajul Islam, Mahmudul Hoque Shamim and Enamul Haque Monju, all are Sponsors of the Company, have further reported that they have completed sale of their entire holdings of 2,42,870 shares, 2,70,719 shares and 2,42,870 shares respectively at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • MERCANBANK

    Md. Shahabuddin Alam, one of the Sponsors/Directors of the Company, has further reported that he has completed his transfer of 12,00,000 shares of the Company to his son Sahariar Arefin Alam by way of gift outside the trading system of the Exchange as announced earlier.

  • MERCANBANK

    M.Amanullah, one of the Sponsors/Directors of the Company, has further reported that he has completed his transfer of 70,00,000 shares of the Company to his son Tahsin Aman by way of gift outside the trading system of the Exchange as announced earlier.

  • MARICO

    As per Regulation 30 of DSE Listing Regulations, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on April 27, 2014 at 3:30 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on March 31, 2014.

  • FIRSTSBANK

    Emerging Credit Rating Limited (ECRL) has assigned the surveillance rating of the Company as &quot;A+&quot; in the long term and ECRL-2 in the short term along with a stable outlook to the Company based on financials of the Company up to December 31, 2013 and other relevant quantitative and qualitative information up to the date of rating.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
NORTHERN 112.20 102.00 10.20 10.00
ARAMIT 342.80 315.30 27.50 8.72
KOHINOOR 370.80 343.30 27.50 8.01
PRIMEBANK 22.90 21.40 1.50 7.01
MITHUNKNIT 92.20 86.30 5.90 6.84
1STICB 1068.20 1005.40 62.80 6.25
RENATA 1109.30 1044.10 65.20 6.24
GLAXOSMITH 1698.10 1598.30 99.80 6.24
CITYBANK 18.00 17.00 1.00 5.88
EHL 58.40 55.20 3.20 5.80

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297