Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
NHFIL 44.9 33.8 11.10 32.84
GSPFINANCE 18.6 14.2 4.40 30.99
RENWICKJA 759 602.2 156.80 26.04
EBLNRBMF 5.5 4.6 0.90 19.57
DBH1STMF 7.2 6.3 0.90 14.29
TRUSTB1MF 5.1 4.5 0.60 13.33
PUBALIBANK 23.8 21.1 2.70 12.80
ABB1STMF 5.3 4.7 0.60 12.77
RDFOOD 13.9 12.4 1.50 12.10
EXIM1STMF 7.5 6.7 0.80 11.94

Contest SB2016_Sep

1st
blank_person
IMRANKSL
2nd
blank_person
CCHANDAN
3rd
blank_person
STYLISHG@MBLER
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
ZAHINTEX 19.4 19 -4,680.31000 503117.00
ZAHEENSPIN 16.7 16.2 -4,680.31000 1041790.00
YPL 40.8 37.1 -4,680.31000 6146950.00
WATACHEM 164.1 164 -4,680.31000 8998.00
UTTARAFIN 56.9 57.7 -4,680.31000 72537.00
Negative impact
AAMRATECH 23.4 23.5 -4,680.31000 301593.00
ABBANK 17.2 17.5 -4,680.31000 1010750.00
ACI 435.4 434.9 -4,680.31000 20898.00
ACIFORMULA 163.5 164.3 -4,680.31000 136185.00
ACMELAB 105.3 106.6 -4,680.31000 806465.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
YPL 40.8 40.8 35.6 9.97% 233.33
MJLBD 115.4 115.7 113.6 1.50% 150.85
UPGDCL 153.6 155.2 152.5 0.39% 139.12
GSPFINANCE 18.6 18.9 17.7 1.64% 110.24
LANKABAFIN 31.4 32 30.9 -1.26% 108.02
NHFIL 44.9 46.4 43.3 3.22% 86.59
NBL 9.3 9.4 9.2 0.00% 86.49
ACMELAB 105.3 107.1 105 -1.22% 85.34
SQURPHARMA 268.1 270.7 266.7 -0.67% 81.15
BSC 455.1 467 450 -0.68% 77.53

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 25 Sep 2016

123629
TOTAL TRADE
217.0597
TOTAL VOLUME(Mn)
5765.50
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • শাশা ডেনিম লভ্যাংশ পাঠিয়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : শাশা ডেনিম সমাপ্ত হিসাব বছরের লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে পাঠিয়েছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, কোম্পানিটি ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের নগদ লভ্যাংশ বাংলাদেশ ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্কের (বিইএফটিএন) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে পাঠিয়েছে। উল্লেখ্য, সমাপ্ত হিসাব বছরে শাশা ডেনিম ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।
  • অ্যাপেক্স স্পিনিং দরপতনের শীর্ষে
    স্টাফ রিপোর্টার : অ্যাপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস রোববার টপটেন লুজার বা দরপতনের শীর্ষে রয়েছে। রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) শেয়ারটির দর ৩ টাকা ৩০ পয়সা বা ২ দশমিক ৮৯ শতাংশ কমেছে। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, শেয়ারটি রোববার সর্বশেষ লেনদেন হয় ১১১ টাকা দরে। এদিন কোম্পানিটি ৪৫১ বারে ৯৫ হাজার ৭৫৫টি শেয়ার লেনদেন করে। লুজার তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ৩০ পয়সা বা ৩ দশমিক ৩ শতাংশ দর কমেছে।  রোববার শেয়ারটি ৯ টাকা ৬০ পয়সা দরে লেনদেন হয়। এদিন কোম্পানিটি ২১৫ বারে ৭ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৯টি শেয়ার লেনদেন করে। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা প্রভাতি ইন্স্যুরেন্সের ৬০ পয়সা বা ৪ দশমিক ৭২ শতাংশ দর কমেছে। লুজার তালিকার অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- বে-লিজিং, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা সিমেন্ট, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স ও প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্স।
  • বস্ত্র খাতের আধিপত্য
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) টপটেন গেইনারে বস্ত্র খাতের আধিপত্য রয়েছে। গেইনার তালিকার ১০ কোম্পানির মধ্যে ৭টিই রয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানি। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গেইনার তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইভিন্স টেক্সটাইল। এই শেয়ারটির দর ১ টাকা ১০ পয়সা বা ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়েছে। শেয়ারটি রোববার সর্বশেষ ১৬ টাকা ৫০ পয়সা দরে লেনদেন হয়। এদিন কোম্পানিটি ৯২৬ বারে ৩১ লাখ ১২ হাজার ৯৯২টি শেয়ার লেনদেন করে। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা সাফকো স্পিনিংয়ের ৫০ পয়সা বা ৪ দশমিক ২৭ শতাংশ দর বেড়েছে। এদিন শেয়ারটি সর্বশেষ ১২ টাকা ২০ পয়সা দরে লেনদেন হয়। এদিন কোম্পানিটি ৩৬৩ বারে ৬ লাখ ৪৩ হাজার ২৪৩টি শেয়ার লেনদেন করে। তালিকার চতুর্থ স্থানে থাকা ড্রাগন সোয়েটারের ৬০ পয়সা বা ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ দর বেড়েছে। গেইনার তালিকায় থাকা মোজাফফর হোসেন স্পিনিংয়ের ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, সিএমসি কামালের ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ, জেনারেশন নেক্সটের ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ ও ডেল্টা স্পিনার্সের ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ দর বেড়েছে।
  • ‘বিনিয়োগকারীরা এখন হুজুগে বিনিয়োগ করে না’
    মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান : বর্তমানে পুঁজিবাজার একটি সুন্দর অবস্থায় রয়েছে। সূচক উর্ধোমুখী। বিনিয়োগকারীরা এখন বাজারে চোখ-কান খোলা রেখে বিনিয়োগ করতে পারে। তবে বর্তমানে ক্যাপিটাল মার্কেটের ভালো অবস্থার মধ্যে অসংখ্য নিচুমানের কোম্পানিও রয়েছে। যারা যেকোন সময় সুযোগ নিতে পারে। তাদের খপ্পরে যাতে না পড়তে হয় সে ব্যাপারে বিনিয়োগকারীদের সজাগ থাকতে হবে। রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী শহিদুজ্জামান স্টক বাংলাদেশকে এসব কথা বলেন। শহিদুজ্জামান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত হতে হতে বিনিয়োগকারীরা এখন অনেক চালাক হয়েছে। অর্জন করেছে অভিজ্ঞতাও। আগের মতো বিনিয়োগকারীরা হুজুগে বিনিয়োগ করে না। দেখে-শুনে ও বুঝে বিনিয়োগ করে। ফলে আগের মতো এখন আর বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না। এটা পুঁজিবাজারের জন্য অত্যন্ত ভালো দিক। তিনি আরও বলেন, সরকার বিগত কয়েক মাসে ক্যাপিটাল মার্কেটের উন্নয়নে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। যা বাস্তবায়নও হচ্ছে। যে কারণে ক্যাপিটাল মার্কেট দিনকে দিন ভালোর দিকে যাচ্ছে। তবে মার্কেটকে আরও ভালো করতে হবে। লেনদেন হাজার কোটি টাকার উপরে নিয়ে যেতে হবে। ভলিউম আরও বাড়াতে হবে। ওটিসি মার্কেটে যেসব শেয়ার রয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে মালিকপক্ষের কোন দায়বদ্ধতা নেই। সব দায় বিনিয়োগকারীদের। যেকারণে ওটিসি মার্কেটের শেয়ার নিয়ে কোম্পানিগুলো ভাবে না। তাই সেসব শেয়ার নিয়েও যাতে কোম্পানিগুলোর দায়বদ্ধতা থাকে সে ব্যাপারে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানান তিনি। ক্ষুদ্র এই বিনিয়োগকারী আরও বলেন, ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ার কিনতে ম্যাচুইট ফান্ড লাগে। একটি শেয়ার কিনলে ৮ টি ওয়ার্কিং ডে’র আগে সেই শেয়ার বিক্রি করা যায় না। এটা বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ৮টি ওয়াকিং ডে’র সময় কমানো গেলে বাজার আরও উন্নত হবে বলে জানান তিনি।
  • এ্যাপোলো ইস্পাতের ‘উৎপাদন ৮৪ শতাংশ বাড়ছে’
    সিনিয়র রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে পুঁজিবাজার উত্তোলিত টাকা এবং রাষ্ট্রায়ত্ব একটি ব্যাংকের ঋণের টাকায় এ্যাপোলো ইস্পাত লিমিটেড কর্তৃপক্ষ ‘দ্বিতীয় ফেস’ আগামী নভেম্বর মাসে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করবে। দ্বিতীয় ধাপে উৎপাদন শুরু হলে কোম্পানির বর্তমান বাৎসরিক মোট উৎপাদনের চেয়ে আরো ৮৪ শতাংশ বাড়বে। এ্যাপোলো ইস্পাত লিমিটেড কোম্পানির কর্তৃপক্ষ স্টক বাংলাদেশের কাছে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইস্পাত কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী নভেম্বর মাসে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। গত আগস্ট মাস থেকে চীনের ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল কোম্পানির কারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধি ও মেশিন স্থাপনের কাজ করছে। চীনের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি প্রাথমিক উৎপাদনের সামগ্রীক কাজ অক্টোবর মধ্যবর্তী সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করবে। নভেম্বরে উৎপাদন শুরুর সম্ভাবনার এমন তথ্য নিশ্চিত করেন এ্যাপোলো ইস্পাতের নির্বাহী পরিচালক শেখ আবুল হাসান। উৎপাদন সম্পর্কে ‘সংবেদনশীল তথ্য’ উল্লেখ করে কোম্পানির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) হাসান সাজ্জাদ হান্নান বলেন, পরিবেশ বান্ধব উপায়ে আমরা উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের বর্তমান উৎপাদনের চেয়ে প্রায় ডাবল উৎপাদন করা হবে। চাহিদার ভিত্তিতে আপাতত দেশীয় বাজারে পণ্য বিক্রিকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন প্রকল্প কর্মকর্তা হাসান সাজ্জাদ হান্নান। আইপিও প্রসপেক্টাস থেকে জানা যায়, অ্যাপোলো ইস্পাত কোম্পানি ২০১৩ সালে ২২০ কোটি টাকা পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহ করেছে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ব একটি ব্যাংকের ৪০০ কোটি ঋণের টাকায় কোম্পানি উৎপাদন বৃদ্ধি করেছ। বাজার ও উৎপাদন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে কোম্পানির এ্যাসিসটেন্ট জেনারেল ম্যানেজার (এজিএম) হায়দার মাহমুদ বলেন, আমাদের পণ্যের লোকাল ডিমান্ডটাই অনেক বেশি। তারপরেও ভারতের কিছু অংশকে আমাদের পণ্যের বাজারজাত করণের তালিকায় রেখেছি। তারা আমাদের পণ্যের ভালো দর দিলে অবশ্যই রপ্তানী করবো। উৎপাদন সম্পর্কে হায়দার মাহমুদ বলেন, বর্তমানে আমাদের বাৎসরিক উৎপাদন ১লাখ ৮০ হাজার টন। তার ওপর দ্বিতীয় ফেস চালু হলে আরো উৎপাদন বাড়বে লাখ টনের বেশি। তবুও প্রাথমিক হিসাবে রয়েছে ১ লাখ টন। নতুন লক্ষামাত্রা নির্ধারণে কোম্পানিতে কর্তা ও কর্মীর সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে বলে একাধিক সূত্র এমন তথ্য নিশ্চিত করে। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে এ্যাপোলো ইস্পাতের কারখানায় নতুন প্রকল্পের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ২০১৩ সালে আমদানি করা হয়। আমাদানী ও লোকবল সম্পর্কে এ্যাপোলো ইস্পাত লিমিটেড কোম্পানির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সুমন স্টক বাংলাদেশকে বলেন, উৎপাদনের জন্য আমাদের সামগ্রীক প্রস্তুতি রয়েছে। চীনের ১০ জন ইতোমধ্যে কাজ করছে। তবে ‘সংবেদনশীল তথ্য’ হওয়ায় তিনি কোম্পানির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজারের (জিএম) ও প্রকল্প কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। একইসঙ্গে কোম্পানিতে নতুন কর্তা ও কর্মী নিয়োগ সম্পর্কে তথ্য নিশ্চিত করেন শেয়ার ডিভিশনের ইনচার্য মাহামুদুল হাসান জুয়েল। পেছনের খবর : নভেম্বরে ‘উৎপাদন বৃদ্ধি’ করছে এপোলো ইস্পাত
  • পরিবেশ ছাড়পত্র পেলো ডরিন, বিএসআরএম ও জিপিএইচ ইস্পাত
    ডেস্ক রিপোর্ট : পরিবেশগত ছাড়পত্র পেয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিন কোম্পানি। কোম্পানিগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানি ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেম, প্রকৌশল খাতের বিএসআরএম স্টিল ও জিপিএইচ ইস্পাত। পরিবেশ অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, গত ২২, ২৩ ও ২৮ এবং ৪ সেপ্টেম্বর পরিবেশগত ছাড়পত্র বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহবায়ক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা) ড. সুলতান আহমেদ। সভায় ১৩টি ক্যাটারিতে মোট ১৯০টি প্রতিষ্ঠানকে ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে ৭৪টি প্রকল্পের জন্য নতুন ছাড়পত্র, ৬টির পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়ন,ইআইএ অনুমোদন ১৪টি, ইটিপি বা এসটিপির ডিজাইন অনুমোদন ৬টির ,ইআইএ কার্যপরিধি ১০টির,অবস্থানগত ছাড়পত্র ৩০টির, জিরো ডিসচার্জ প্ল্যান অনুমোদন দেওয়া হয় ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে। সভায় চট্টগ্রামে মিরসরাইয়ের সোনাপাহাড় এলাকায় নির্মাণাধীন বিএসআরএম স্টীল মিলসের নতুন ইউনিটের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এই ইউনিটে কোম্পানিটি আয়রন বিলেট উৎপাদন করবে। অন্যদিকে ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমের মানিকগঞ্জের ৫৫ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্রের ছাড়পত্র পেয়েছে। এই কেন্দ্রটির নাম ঢাকা নর্দার্ন পাওয়ার জেনারেশন। জিপিএইচ ইস্পাতের সীতাকুন্ড ইউনিটের  ইআইএ অনুমোদন দিয়েছে পরিবেশগত ছাড়পত্র কমিটি। এই ইউনটে বিলেট, রড ও বার উৎপাদন করা হয়। এই প্রকল্পের সম্প্রসারণের জন্য ইতোমধ্যে রাইটের মাধ্যমে টাকা তুলেছে কোম্পানিটি। ২০১৮ সালের মধ্যে কোম্পানিটি সম্প্রসারিত ইউনিটের বাণিজ্যিক উৎপাদর শুরু করতে চায়। পরিবেশ ছাড়পত্রের বিষয়ে কোম্পানি তিনটি দায়িত্বশীলরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সূত্র : অর্থসূচক।
  • আইপিওতে কারচুপি ‘অসম্ভব’
    সিনিয়র রিপোর্টার : হাজারো আইপিও আবেদনকারী লটারি ড্র সম্পাদন ও কারচুপি সম্পর্কে তাদের পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করেন। তাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন, অসম্ভব এবং উদ্দেশ্য হাসিলে ব্যর্থতার প্রলাপ। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারি ড্র নিয়ে অনিয়মের যে অভিযোগ করা হয়েছে তার কোন ভিত্তি নেই। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ডিন প্রফেসর ড. এম কায়কোবাদ এসব কথা বলেন। তিনি স্টক বাংলাদেশকে বলেন, বুয়েট প্রথমে ডিজিট বেছে নেয়। এরপরে দৈবচয়ন অর্থাৎ Random পদ্ধতিতে লটারি সম্পন্ন করা হয়। এ সময়  বুয়েট থেকে আমরা ছাড়াও সিডিবিএল, ডিএসই ও সিএসই’র কর্মকর্তারা থাকেন। তাদের দৃষ্টির ওপর আইপিও লটারি Random পদ্ধতিতে হয়। একানে অনিয়ম করার কোন সুয়োগ নাই; অসম্ভব। বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন করেও তারা অনেকে আইপিও পেয়েছেন। এখন সহজ পদ্ধতিতে আবেদন করেও আইপিওতে শেয়ার প্রাপ্তির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। না পাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে ড. এম কায়কোবাদ বলেন, তাদের অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হবে এভাবে- আইপিওতে কোটা ভিত্তিক মোট বরাদ্দ শেয়ারের কমেছে, না বাড়ছে। যদি না কমে, তবে নির্দিষ্ট বরাদ্দের (কোটা) শেয়ার কেউ পেয়েছেন। আর যিনি পাননি তিনিই অভিযোগ করছেন। অন্যদিকে, একটি বিও একাউন্টের বিপরিতে অধিক আবেদন করাও সুযোগ নেই। তবে একই ব্যাক্তির একাধিক একাউন্ট থাকতে পাবে। তবে তাও বিধি সম্মত নয়। কারচুপি সম্পর্কে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটালের লিমিটেডের সিইও মাহবুব এইচ মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষ প্রতিষ্ঠান বুয়েট লটারি সম্পন্ন করছে। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লটারি সম্পন্ন হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কারচুপির যে অভিযোগ তা ভুয়া।
  • ঝুলে আছে তিতাসের বিতরণ চার্জ বাড়ানোর উদ্যোগ
    ডেস্ক রিপোর্ট : তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের আয়ের মূল উত্স আলাদা হিসাবে নেয়ার বিষয়টি এক বছর আগে কার্যকর হয়েছে। কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই তালিকাভুক্ত একটি কোম্পানির আয়ের প্রধান উত্স আলাদা হিসাবে নিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্দেশনা নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে নির্দেশনা পর্যালোচনা করতে কমিটি করা হয়। এর পর আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। ঝুলে গেছে কোম্পানিটির আয় কাটছাঁটে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ। সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি তিতাস গ্যাসের আয়ের ৬০ শতাংশ আসে বিতরণ চার্জ থেকে। গত বছরের ২৭ আগস্ট ভোক্তাপর্যায়ে গ্যাসের মূল্য ও তিতাস গ্যাসের বিতরণ চার্জ পুনর্নির্ধারণ করে বিইআরসি। একই সঙ্গে বিতরণ চার্জ বাবদ প্রাপ্ত আয় আলাদা হিসাবে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়। বিতরণ চার্জ থেকে প্রাপ্ত আয় কোম্পানির আয়-ব্যয়ের হিসাবে না নেয়ার কথা বলে দেয়া হয়। এর নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায় কোম্পানিটির নিট আয় ও মুনাফায়। আয় কমে যাওয়ায় স্টক এক্সচেঞ্জে বড় দরপতনে পড়ে তিতাস গ্যাস। বিদেশী ও স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ কোম্পানিটির শেয়ার ছেড়ে দেয়। ফলে এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর প্রায় ৩৭ শতাংশ কমে যায়। এতে বাজার মূলধনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকা থেকেও ছিটকে পড়ে জ্বালানি খাতের কোম্পানিটি। বিতরণ চার্জ কমানোর পর তা পুনর্বিবেচনার জন্য বিইআরসির কাছে আবেদন করে তিতাস গ্যাস। আর বিএসইসির সঙ্গে আলোচনা না করে তালিকাভুক্ত কোম্পানির বিষয়ে কোনো মূল্যসংবেদনশীল সিদ্ধান্ত নেয়া আইনসিদ্ধ নয় মনে করে বিইআরসিকে লিগ্যাল নোটিস পাঠান তিতাস গ্যাসের শেয়ারহোল্ডার ফেরদৌস আহমেদ। তার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ নওশাদ জামির বিইআরসিকে নোটিস দেন। সেখানে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বিতরণ চার্জ কমানো হলেও বিইআরসি তা প্রকাশ করে ২৭ অক্টোবর। কোম্পানির মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার দুই মাস পর জানানো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটা বিএসইসির সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ বিধিমালা, ১৯৯৫-এর সাংঘর্ষিক এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লিস্টিং রেগুলেশন, ২০১৫-এর ৩৩ বিধির লঙ্ঘন। তিতাস গ্যাসের আবেদন ও একজন শেয়ারহোল্ডারের লিগ্যাল নোটিসের পর সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাটি পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি করে বিইআরসি। তবে কমিটি গঠনের পর ছয় মাসেরও বেশি সময় পার হলেও কোম্পানির প্রধান আয়ের উত্স আলাদা হিসাবে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশনাটি পর্যালোচনার বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। বিষয়টি নিয়ে বিইআরসির কোনো শীর্ষ কর্মকর্তাই মন্তব্য করতে রাজি হননি। কমিশনের চেয়ারম্যান মাকসুদুল হকও ফাইল না দেখে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। আর তিতাস গ্যাসের উপমহাব্যবস্থাপক (ফিন্যান্স) মো. শাহজাহান বলেন, বিতরণ চার্জ কমিয়ে দেয়ায় আমরা তা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছি। পরবর্তীতে কমিটি গঠন ও শুনানি হয়েছে। তবে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানতে পারিনি। উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিতরণে তিতাস গ্যাসের আয় হয় ৯৭ পয়সা। এর মধ্যে ৫৫ পয়সা আসে বিতরণ চার্জ থেকে। এছাড়া গ্যাস ট্রান্সমিশন চার্জ ও অন্যান্য আয় থেকে আসে বাকি ৪২ পয়সা। গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর জারি করা আদেশে বিতরণ চার্জ কমানোর যুক্তি হিসেবে বিইআরসি জানায়, তিতাস গ্যাসের বিতরণ রাজস্ব চাহিদা মেটাতে প্রতি ঘনমিটারে গড়ে ২৯ পয়সা প্রয়োজন হয়। বিদ্যমান অন্যান্য আয় (গ্যাস ট্রান্সমিশন চার্জ, সুদ ও বিবিধ আয়) বাবদ ৪২ পয়সা প্রাপ্তি বিবেচনায় তিতাস গ্যাস কোম্পানির বিতরণ চার্জ বাবদ আর কোনো আয়ের প্রয়োজনই হয় না। এ অবস্থায় তিতাসের বিতরণ রাজস্ব চাহিদা মেটাতে অন্যান্য আয় যথেষ্ট হওয়ায় বিতরণ চার্জ বাবদ অর্জিত অর্থ পৃথক ব্যাংক হিসাবে জমা করার নির্দেশ দেয় বিইআরসি। কমিশনের অনুমোদন ছাড়া এ অর্থ ব্যয় না করারও নির্দেশ দেয়া হয়। বিইআরসির নির্দেশনা অনুসারে, গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে তিতাস গ্যাসের বিতরণ চার্জ থেকে আয় আলাদা হিসাবে নেয়ার বিষয়টি কার্যকর হয়েছে। কোম্পানির প্রান্তিক প্রতিবেদনে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। চলতি তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত তিতাস গ্যাসের নিট মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫৪ শতাংশ কমে যায়। মুনাফা কমে যাওয়ায় ২০১৪-১৫ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশও কমিয়ে দেয় কোম্পানিটি। ২০১৫ সালের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দেয় তিতাস গ্যাস, যা কোম্পানির বিগত আট বছরের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। ২০১৩-১৪ হিসাব বছরেও কোম্পানিটি ৩৮ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল।
  • রেসিসটেন্স লাইনের উপর আজ ইনডেস্কের বেয়ারিশ ক্যান্ডেল হল,মার্কেট নিউজ টুইটস : ২.৩০ মিনিট
    গতকাল রেসিসটেন্স লাইন  ৪৬৬৫ ভেঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী ছিল ইনডেস্ক। আজ ঠিক একই স্থানে অর্থাৎ রেসিসটেন্স লাইনের উপর সেল পেশারে আজ বেয়ারিশ ক্যান্ডেল আসল ইনডেস্কে। এর ফলে ইন ডেস্কে এখন সাইড ওয়ার্কের দিকে ধাবিত হল। YPL এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩৫ মিনিট ঠিক ১.৩৫ টায় YPL এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( 81 TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 2197000 TK। হঠাৎ বড় ভলিয়মে ইনডেস্কের স্থিরতা,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১২.৪০ মিনিট মাঝে কিছু বড় ভলিয়ম থাকলেও এখন ধীরে ধীরে তা কমে যাচ্ছে। যেসব শেয়ারগুলো টপ টেনে থেকে লিড দিচ্ছে ,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১২.০০ মিনিট বাজারে যা কিছুটা কারেকশন থাকলেও অনেক কোম্পানির দর ৫-১০% বেড়ে গিয়েছে। যেসব শেয়ারগুলো টপ টেনে থেকে লিড দিচ্ছে তার একটি তালিকা কারেকশন মুডে ইনডেস্ক,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১১.৩০ মিনিট সকাল থেকে ইন ডেস্কের মান বাড়তে থাকলেও বেলা ১০.৫০ মিনিটের পর থেকে ইন ডেস্কের মান ব্যাপক ভাবে পড়তে দেখা যায়। মুলত সেল পেশার বেড়ে যাওয়ায় এ অবস্থা হয়েছে। ইনডেস্কের মান আজ রেসিসটেন্স লাইনের দিকে চলে যেতে পারে,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১০.৩০ মিনিট ( ২৫.০৯.২০১৬) ইনডেস্কের  ঊর্ধ্বমুখী  অবস্থার কারনে আজ বাজার রেসিসটেন্স লাইনের দিকে চলে যেতে পারে । ইনডেস্কের পরবর্তী রেসিসটেন্স ৪৭১৩ তে অবস্থান করছে । তবে বাজারে যদি আজ হঠাৎ করে সেল পেশার এসে পরে তবে তা সাপোর্ট লাইন ৪৬৬৫ তে চলে আসতে পারে। পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস চার্জ সিঙ্গেল ডিজিট করার দাবি জিপিএইচ ইস্পাতের ৯ কোটি ৪৮ লাখ ডলার ঋণ অনুমোদন রেনেটা ও স্টাইল ক্র্যাফটের লভ্যাংশ ঘোষণা ৬ কারণে বাড়ছে বাজার টিএসসি নয়, ‘ইউনাইটেড এয়ারই উড়বে’: এমডি এক নজরে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর এনএভির অবস্থা ‘বাজার ঊর্ধ্বমুখীতার করণে সংশ্লিষ্টরা নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে’ : বিনিয়োগকারী [ভিডিও সহ] ‘জেমিনি সি ফুডের কাছে অতিরিক্ত বোনাস রয়েছে’ (ভিডিও সহ) ‘সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ধারাবাহিকভাবে সফলতা অর্জন করে আসছে’ [ভিডিও সহ] পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • ২৬ সেপ্টেম্বর ন্যাশনাল লাইফের এজিএম
    স্টাফ রিপোর্টার : ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় রাজধানীর কারওয়ানবাজারে এনএলআই টাওয়ারের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি ২০ শতাংশ ক্যাশ ও ২০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা ও রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন
    এবার ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি ও ব্যাংক অ্যাকউন্ট খোলার ক্ষেত্রে ‘ বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন’-এর সুপারিশ করা হয়েছে। মূলত অবৈধ লেনদেন ও উগ্রবাদী অর্থায়ন ঠেকাতেই ব্যাংকিং পরিসেবায় জাতীয় পরিচয়পত্রের পাশাপাশি বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন চালু করা যায় কিনা তা বিবেচনার করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে সুপারিশ করেছে সরকারের একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা। প্রস্তাবটি নিয়ে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে ব্যাংকিং বিভাগে একটি বৈঠক হবে বলে সংশ্লিষ্ট এক সূত্র জানিয়েছে।গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্যাংকিং বিভাগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রতিবেদনে বলা হয়েছেÑ প্রবাসে অবস্থানকারী বাংলাদেশীরা তাদের রেমিট্যান্স বা প্রবাস আয় সাধারণত ‘ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন মানি অ্যাক্সচেঞ্জ, বিএ এক্সপ্রেস, আরআইএ, মানিগ্রাম ইত্যাদি এজেন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রেরণ করেন। সম্প্রতি উগ্রবাদী অর্থায়ন বন্ধ করার লক্ষ্যে বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের উৎস ও গন্তব্যস্থল সঠিকভাবে শনাক্তকরণ বিশেষভাবে জরুরি হয়ে পড়েছে। সন্ত্রাসীরা ইচ্ছে করে টাকার গন্তব্যস্থল গোপন রাখতে চায়। এজন্য তারা নিরীহ অপরিচিত মানুষের নামে গ্রাহকের অজ্ঞাতসারে বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স গ্রহণের একটি পদ্ধতি অবলম্বন করছে বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে প্রতিবেদনে টাকা পাঠানোর বিভিন্ন পদ্ধতি ও অবৈধ বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছেÑ প্রবাস থেকে টাকা পাঠানোর পর বিভিন্ন রেমিট্যান্স এজেন্টের মাধ্যমে প্রাপ্ত টাকা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে উত্তোলনের সময় সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি প্রদর্শন বা জমা করতে হয়। এ ছাড়া বিদেশ থেকে পাঠানো সিকিউরিটি কোড সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে প্রদান করতে হয়।গুরুতর অভিযোগ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছেÑ রেমিট্যান্সের টাকার গন্তব্যস্থল গোপন রাখার জন্য দুষ্কৃতকারীরা সাধারণত অন্য কোনো নিরীহ ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র নকল করে তা জমা করে। অপর দিকে দুষ্কৃতকারীর কাছ থেকে বিদেশ থেকে প্রেরক সরাসরি সিকিউরিটি কোডটি ই-মেইল বা এসএমএসের (ক্ষুদে বার্তা) মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন।টাকা গ্রহণকালে যখন কোনো গ্রাহক তার জাতীয় পরিচয়পত্র (যা অন্য কোনো ব্যক্তির নামে তৈরি নকল পরিচয়পত্র) এবং সঠিক সিকিউরিটি কোড সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কাছে উপস্থাপন করেন তখন ওই ব্যাংকটি ওই গ্রাহকের কাছে বিনা দ্বিধায় অর্থ প্রদান করে। এর ফলে টাকার প্রকৃত গন্তব্যস্থল গোপন রাখা সম্ভব হয়।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়Ñ জাতীয় পরিচয়পত্রের সঠিকতা যাচাই করার জন্য সব ব্যাংকের নিকট নির্বাচন কমিশন থেকে একটি সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু সরেজমিন যাচাইকালে দেখা যায়, ওই সংযোগ ব্যাংকগুলোর প্রধান শাখা কিংবা দুই-একটি নির্ধারিত শাখায় সীমাবদ্ধ রয়েছে। ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ব্যাংকগুলোর শত শত জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করা এই পদ্ধতি সহজলভ্য নয়।জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করার পদ্ধতি সহজলভ্য না থাকায় দুষ্কৃতকারী কর্তৃক বেনামে ব্যাংক অ্যাকউন্ট করার সুযোগ থেকে যায়। ফলে বেনামী অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন অবৈধ অর্থ লেনদেনের অনেক উদাহরণ রয়েছে। এ বিষয়ে একটি কেস স্টাডিও প্রতিবেদনে জুড়ে দেয়া হয়েছে। এখানে একজন ভুয়া পরিচয়পত্র দিয়ে অর্থ লেনদেন করেছে। ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে ব্যাংকগুলোতে অসংখ্য লেনদেন হচ্ছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে অবৈধ অর্থ লেনদেন, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসীদের অর্থ জোগান বন্ধে আরো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইনে ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা জরুরি হয়ে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এ বিষয়ে তিন দফা সুপারিশও করা হয়েছে। এগুলো মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের সব ব্যাংকের শাখাগুলোতে অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করার পদ্ধতি চালু করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া যেতে পারে। বর্তমানে ন্যাশনাল ডাটাবেজে (জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে) দেশের সব প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকদের বায়োমেট্রিক সংরক্ষিত। তাই ব্যাংকগুলোতে জাতীয় পরিচয়পত্র ভেরিফিকেশনের পাশাপাশি বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন (ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানারের মাধ্যমে) করার বিষয়টি পর্যায়ক্রমে বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে।সর্বশেষ, ব্যাংক অ্যাকউন্ট খোলা ও রেমিট্যান্স গ্রহণের ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ এবং ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নির্দেশনা দেয়া যেতে পারে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্যাংকিং বিভাগের এক শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা প্রতিবেদন প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইনে যাচাই আরো নিখুঁত করা যায় কিনা তা আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। পাশাপাশি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র শনাক্তকরণে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হবে। তবে রেমিট্যন্সের ক্ষেত্রে যদি ভুয়া জাতীয়পত্রের ব্যবহার চূড়ান্ত আকার ধারণ করে তবে সে ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। এই বিষয় নিয়ে আগামী মাসের প্রথম দিকে নির্বাচন কমিশন, বিভিন্ন ব্যাংক ও গোয়েন্দা সংস্থার সাথে বৈঠকের আয়োজন করা হবে। ’ source : Noyadigonto
  • রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের অনলাইন শাখা দ্রুত বাড়ছে
    সারাদেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর শাখা রয়েছে তিন হাজার ৭১৫টি। এর মধ্যে দুই হাজার ৬২৪ শাখা বা প্রায় ৭১ শতাংশ এখন অনলাইনের আওতায়। তিন মাস আগেও অনলাইন সেবা দিত ৬৫ শতাংশ শাখা। এক বছর আগে মাত্র ২৪ শতাংশ শাখায় ছিল অনলাইন সেবা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা জানান, বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে রাষ্ট্রীয় ব্যাংগুলো দ্রুত সব শাখায় অনলাইন চালু করার চেষ্টা করছে। যদিও এসব ব্যাংক খেলাপি ঋণ ও লোকসানি শাখা, ঋণ আদায় এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সন্তোষজনক পর্যায়ে আনতে পারেনি। তবে অনলাইন সেবায় এসব ব্যাংকের অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলোর সঙ্গে স্বাক্ষরিত এমওইউর অগ্রগতি নিয়ে গত মে মাসে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ বৈঠকে এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস-উল ইসলাম সমকালকে বলেন, আধুনিক ব্যাংকিং সেবা দিতে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের সব শাখা দ্রুত অনলাইনের আওতায় আনা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে অগ্রণী ব্যাংক এরই মধ্যে প্রায় শতভাগ শাখায় রিয়েল টাইম অনলাইন সেবা চালু করতে সক্ষম হয়েছে। সারাদেশে ব্যাংকটির ৯৩৬টি শাখার মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সব শাখা এখন চলছে অনলাইনে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে হওয়ায় নেটওয়ার্কিং সমস্যার কারণে একটি শাখায় এখনও অনলাইন সেবা দেওয়া সম্ভব হয়নি।বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্যমতে গত জুন পর্যন্ত ব্যাংক খাতে মোট ৯ হাজার ৫৪৩ শাখার মধ্যে অনলাইনের আওতায় রয়েছে সাত হাজার ১৬৭টি, যা ৭৫ দশমিক ১০ শতাংশ। ওই সময়ে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর চার হাজার ৩৪৩টির মধ্যে দুটি ছাড়া বাকি সব ছিল অনলাইনে। আর বিদেশি ব্যাংকগুলোর ৭৫ শাখার সবই অনলাইনে। এর তিন মাস আগে মোট ৯ হাজার ৪৯৪টি শাখার ৭২ দশমিক ৬৯ শতাংশ ছিল অনলাইনের আওতায়। source : somokal
  • আর্থিক খাতের শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সূচকে
    দেশের শেয়ারবাজারে গতকাল শনিবার সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এই দিন ১৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৮০ পয়েন্টে। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচকটি ৬৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৩৯৩ পয়েন্টে।সাধারণত শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকে। কিন্তু সরকারি নির্দেশে গতকাল সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল হওয়ায় শেয়ারবাজারে লেনদেনও সচল ছিল। ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১১ সেপ্টেম্বর এক দিন বাড়তি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তার পরিবর্তে গতকালের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়।ডিএসইতে গতকাল লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫২৩ কোটি টাকা, যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৩২ কোটি টাকা কম।গত বৃহস্পতিবার থেকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইয়াকিন পলিমারের লেনদেন শুরু হয়। গতকাল কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৬ টাকা বা প্রায় ১৯ শতাংশ বেড়েছে। এ দিন ডিএসইতে কোম্পানিটির ৯ কোটি টাকার সমমূল্যের শেয়ার লেনদেন হয়।গত কয়েক দিনে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে উঠে আসে লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স। এ দিন কোম্পানিটির প্রায় ১৮ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ব্যাংক ও আর্থিক খাতের বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় সূচকও বেড়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ১৭টির এবং আর্থিক খাতের ২৩টি কোম্পানির মধ্যে ১৮টির দাম বেড়েছে।চট্টগ্রামের বাজারে গতকাল লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৩ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৮ কোটি টাকা কম। এ দিন সিএসইতে ২৪৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। source : prothm-alo
  • ন্যাশনাল লাইফের এজিএম আগামীকাল
    আগামীকাল বেলা ১১টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এনএলআই টাওয়ারে শেয়ারহোল্ডারদের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করবে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। সভার রেকর্ড ডেট ছিল ১০ আগস্ট। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে জীবন বীমা খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। ২০১৪ হিসাব বছরের জন্য ন্যাশনাল লাইফ ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। ২০১৩ সালে দেয় ২০ শতাংশ নগদ ও ৩৮ শতাংশ বোনাস শেয়ার।সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) ন্যাশনাল লাইফের সমন্বিত লাইফ রেভিনিউ অ্যাকাউন্ট ১৩ কোটি ৫২ লাখ ২০ হাজার টাকা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ১৪৮ কোটি ৯২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে তহবিলটি ৮৩ কোটি ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা বেড়েছিল।ডিএসইতে গতকাল ন্যাশনাল লাইফ শেয়ারের সর্বশেষ দর ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১৭৫ টাকা। লেনদেন শেষে সমাপনী দর দাঁড়ায় ১৭৪ টাকা ৪০ পয়সা, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১৬৯ টাকা ৪০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ২৫২ ও সর্বনিম্ন ১৫৮ টাকা।১৯৯৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৫৪ দশমিক ৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৩৯ দশমিক ৭১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার। source : bonik barta
  • ডিএসইতে টানা ১৩ দিন মূল্যবৃদ্ধি
    ঈদের ছুটি নিবিঘ্ন করতে বাড়তি এক দিন বন্ধ ছিল দেশের শেয়ারবাজার। সরকারের ঘোষণার সঙ্গে রেখে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও চালু ছিল পুঁজিবাজার। বাড়তি দিনেও দুই বাজারে ইতিবাচক প্রভাবে লেনদেন শেষ হয়েছে। প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টানা ১৩ দিনের মতো সূচক বেড়েছে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন কিছুটা কমলেও সূচক বেড়েছে। গতকাল শনিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫২২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। আর মূল্যসূচক বেড়েছে ১৫ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৫৫৫ কোটি ২১ লাখ টাকা। আর মূল্যসূচক বেড়েছিল ৫ পয়েন্ট।আরেক বাজার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। আর মূল্যসূচক বেড়েছে ৩৭ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৪১ কোটি তিন লাখ টাকা। আর মূল্যসূচক বেড়েছিল ১৬ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২৪৮টি কম্পানির মধ্যে বেড়েছে ১৫৩টি, কমেছে ৭২টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টি কম্পানির শেয়ারের দাম। source : kalar kontho
  • বেঙ্গল উইন্ডসরের একীভূতকরণ জানতে চেয়েছে ডিএসই
    সামিট পাওয়ারের একীভূতকরণে জটিলতার কারণে বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিক লিমিটেডের একীভূতকরণ বিষয়ে জানতে প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) বিএসইসি’র কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। কিভাবে এই একীভূতকরণ হবে সেটিই জানাই ডিএসইর প্রধান উদ্দেশ্য।সম্প্রতি ডিএসই’র চীফ রেগুলেটরি অফিসার (সিআরও) একেএম জিয়াউল হাসান খান বেঙ্গল উইন্ডসর একীভূতকরণ বিষয়ে জানতে চেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ (বিএসইসি)-এর কাছে চিঠি দিয়েছেন। এই চিঠিতে বলা হয়েছে, কোম্পানির একীভূত বা মার্জার নিয়ে দেশে বিদ্যমান কোন আইন নেই। তাই চিঠিতে এ কোম্পানির মার্জার কিভাবে সম্পন্ন করা হবে বিএসইসি’র কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে।জানা যায়, গত ১৮ আগস্ট বেঙ্গল উইন্ডসরের পর্ষদ বেঙ্গল পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ও সিনথেটিক টেক্সটাইল লিমিটেডের সঙ্গে একীভূতের সিদ্ধান্ত নেয়। ২৯ আগস্ট বেঙ্গল উইন্ডসরের পর্ষদ মার্জারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে গেলে আদালত ৫ সেপ্টেম্বর তারিখে মার্জারের অনুমোদন দেয়। এর ভিত্তিতে কোম্পানিটি শেয়ার হোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য আগামী ৩০ অক্টোবর বিশেষ সাধারণ সভা করবে। এর জন্য ২ অক্টোবর রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানিটির এমন ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই’র রেগুলেটরি অফিসার এ বিষয়ে করণীয় জানতে চেয়েছে।এর আগে সামিট পাওয়ার ও সামিট পূর্বাঞ্চলের একীভূত আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী করা হয়নি বলে ডিএসই ও সিএসই’র বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিএসইসি। বিএসইসি’র অভিযোগে বলা হয়, শেয়ার হোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে বুঝিয়ে না দিয়েই সামিট পূর্বাঞ্চলকে তালিকাচ্যুত করা হয়েছে এবং সামিট পাওয়ারের লেনদেন চালু করা হয়েছে। তাই এ বিষয়ে ডিএসই ও সিএসই’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। পাশাপাশি সামিট পাওয়ারের লেনদেন পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব অবহেলার জন্য সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে এবং সামিট পাওয়ারের লেনদেন বন্ধ রেখেছে। source : jonokontho
  • সুদ হার বাড়ানোর চিন্তা ফেডারেল রিজার্ভের
    চলতি বছরের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ। সেপ্টেম্বর মাসের বৈঠকে সংখ্যাগরিষ্ঠ নীতিনির্ধারকরা এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন। সুদ হার ০.২৫ থেকে ০.৫ শতাংশের মধ্যে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। অবশ্য তিনজন কর্মকর্তা এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের পর ফেডের কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবারই এতো বেশি কর্মকর্তা দাঁড়ালেন।ফেড বলছে, জাতীয় তহবিল শক্তিশালী হয়েছে। তবে অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হতে আরও কিছু তথ্যপ্রমাণ পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন তারা।দ্য ফেডারেল ন্যাশনাল মর্টগেজ অ্যাসোসিয়েশনের (ঋধহহরব গধব) প্রধান অর্থনীতিবিদ ডজ ডানকান বলেছেন, যদিও বেশ বড় সংখ্যায় বিরোধী আছেন। মনে হচ্ছে এই হার নির্ধারণের জন্য আরও বড় পরিসরে আলোচনার দরকার হবে। পরিস্থিতির যদি অবনতি না হয় তাহলে মনে হয় তারা ডিসেম্বরে সুদ হার বাড়াবেন। ফেড বলছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মার্কিন অর্থনৈতিক কর্মকা-ে গতি বেড়েছে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হারও স্থিতিশীল। স্বল্পমেয়াদে কোনো ঝুঁঁকির সম্ভাবনা 'মোটামুটি ভারসাম্যপূর্ণই' থাকবে। খুব সম্প্রতি সুদ হার বাড়ালেও গত বছরের শেষ নাগাদের পর অর্থনীতির জন্য এমন কোনো ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করেনি ফেড।এদিকে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি বলছে, তারা আশা করছেন সামনের সময়গুলোতে মূল্যস্ফীতি কম থাকবে। জ্বালানি তেলের দাম পড়ে যাওয়া এর একটা কারণ হবে। তবে এটি ফেডের মধ্য মেয়াদের লক্ষ্যমাত্রা (২%) ছাড়িয়ে যেতে পারে। জানা গেছে, আবারও সুদ হার বাড়ানোর বিষয়ে নীতিনির্ধারকরা বিভক্ত কারণ, অস্থিতিশীল শেয়ারমার্কেট, চীনা অর্থনীতির শ্লথ প্রবৃদ্ধি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়া (ব্রেক্সিট) নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।    source : jaijai din
  • সময় লাগলেও পুরো অর্থ ফেরত পাওয়া সম্ভব
    জন গোমেজআদালতের নির্দেশে ৮ কোটি ১০ ডলারের মধ্যে ১ কোটি ৫২ লাখ ডলার ফেরত পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাকি অর্থ কবে পাওয়া যাবে বা আদৌ পাওয়া যাবে কি না, এ নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। এ জন্য বাংলাদেশের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে। এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন ফিলিপাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ। টেলিফোনে সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন শাকিলা হকপ্রশ্ন: আমরা জেনেছি যে ফিলিপাইনের আদালত বাংলাদেশকে চুরি যাওয়া অর্থের একটি অংশ ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। কবে নাগাদ এই ১ কোটি ৫২ লাখ ডলার ফেরত আসবে?জন গোমেজ: গত ফেব্রুয়ারিতে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের আট কোটি ডলার হ্যাক করে সরিয়ে নেয় সাইবার অপরাধীরা। এই অর্থ যায় রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) মাকাতি শহরের জুপিটার স্ট্রিট শাখার চারটি হিসাবে। সেখান থেকে এই অর্থ চলে যায় বিভিন্ন জুয়া খেলার আসরে (ক্যাসিনো)। আমরা বলেছি, চুরি হওয়া ওই অর্থ আরসিবিসি থেকে ক্যাসিনো হয়ে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ফিলিপাইনের তদন্তকারীরা বলেছেন, আরসিবিসির পদ্ধতিগত ব্যর্থতার কারণে এমনটি ঘটেছে।গত সপ্তাহে, সোমবার রিজার্ভের চুরি হওয়া অংশের দেড় কোটি মার্কিন ডলার (১২০ কোটি টাকা) বাংলাদেশকে ফেরত দিতে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত। ফিলিপাইনের ব্যবসায়ী কিম অং চুরির এ অর্থ জমা দিয়েছিলেন। এটি ফেরত পাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ফিলিপাইনের পক্ষ থেকে আমাকে বলা হয়েছিল নগদ (ক্যাশ) নিতে। কিন্তু নগদ অর্থ বাংলাদেশে কীভাবে পাঠানো সম্ভব। পরে আলোচনার পর আমরা একটা সিদ্ধান্তে আসি। কোনো একটি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক অথবা নিউইয়র্কের রিজার্ভে জমা করে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে এখন ফিলিপাইনে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেডের সঙ্গে আলোচনা চলছে।প্রশ্ন: এটা তো চুরি যাওয়া অর্থের একটা অংশ। বাকি অর্থের ভবিষ্যৎ কী?জন গোমেজ: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে বাংলাদেশের চুরি যাওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে যে অংশ ফেরত পাওয়া যাবে না, তা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) কাছে দাবি করা যাবে। ফেব্রুয়ারিতে রিজার্ভ চুরির পর ফিলিপাইনে অর্থ উদ্ধারের পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থেকে বলতে পারি, চুরির পুরো টাকা ফেরত পাওয়ার বিষয়ে আমি আশাবাদী। সাইবার হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে আরসিবিসিতে যে পুরো অর্থ গিয়েছিল, তার প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। প্রমাণ ফিলিপাইন সরকারের কাছেও আছে। তাই এই অর্থ দাবি করা সম্ভব।প্রশ্ন: চুরি যাওয়া বাকি অর্থ কোথায় আছে?জন গোমেজ: চুরি যাওয়া অর্থের বড় অংশের হদিস আমাদের কাছে আছে। অনেক জায়গায় বলা হচ্ছে, কোনো হদিস নেই—এমনটি নয়। মামলা চলছে বেশ কিছু। এসব মামলার মাধ্যমে সময় লাগলেও চুরির পুরো অর্থ আমরা ফেরত পাব বলে আমি আশাবাদী। এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৭ লাখ ডলার আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পাওয়া যাবে। এই অর্থ সোলায়ার রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনোতে বাজেয়াপ্ত করে রাখা আছে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে শুক্রবার ফিলিপাইন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করব আমরা। তারপরই সিদ্ধান্ত হবে ফেরত পেতে পরের পদক্ষেপ কী হবে।প্রশ্ন: ফিলিপাইনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কি বাংলাদেশকে অর্থ ফেরত দিতে আগ্রহী?জন গোমেজ: তদন্তের শুনানির একপর্যায়ে ব্যবসায়ী কিম অংয়ের কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ ডলার ক্যাসিনো সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেন ফিলিপাইনের সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই টাকা বাংলাদেশের নয় বলে আপিল করা হয় ফিলিপাইনের পক্ষ থেকে। আমরা বলেছি, কেন এই টাকা বাংলাদেশের হবে না। এই ব্যবসায়ী চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত। আমরা জোরালোভাবে বিশ্বাস করি, এই অর্থ রিজার্ভ চুরির অর্থ। আর এটা পেতে আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়া এখন আমাদের তৃতীয় পদক্ষেপ হবে। আমরা কিম অংয়ের বাজেয়াপ্ত এই অর্থ ফেরত পেতে কাজ করব। আমার ধারণা, এই অর্থের কিছু অংশ আমরা পাব।.অর্থ উদ্ধারে সিনেটের যে শুনানি হয়, মুদ্রা বিনিময়কারী প্রতিষ্ঠান ফিলরেম সার্ভিস করপোরেশনের কাছে ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার আছে বলে কিম অং যে দাবি করেছিলেন; তা অস্বীকার করেছিলেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক বাতিস্তা দম্পতি। পরে চলতি বছরের এপ্রিলে ফিলরেমের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে মামলা করে ফিলিপাইনের মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ সংস্থা (এএমসিএল)। এটাও আমরা দাবি করতে পারি।প্রশ্ন: ফিলিপাইনে তো নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। নতুন প্রেসিডেন্টের মনোভাব কী?জন গোমেজ: সবচেয়ে আশার দিক হচ্ছে, ফিলিপাইনের নতুন সরকার বাংলাদেশকে এই অর্থ ফেরত দিতে খুবই আগ্রহী। ফিলিপাইনের নির্বাচনের পর সরকার পরিবর্তন হয়েছে। নতুন প্রেসিডেন্ট হয়েছেন মাভেরিক রদ্রিগো দুতের্তে। তাঁর পক্ষ থেকে আমাদের সহায়তা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রশ্ন: ফিলিপাইনে সামগ্রিক প্রতিক্রিয়াটি কেমন?জন গোমেজ: এই ঘটনাকে ফিলিপাইনে খুবই গুরুত্বসহকারে নেওয়া হয়েছে। ওদের ইতিহাসে এত বড় জরিমানার ঘটনা ঘটেনি। আপনারা জানেন, আরসিবিসি ব্যাংকে ১ বিলিয়ন পেসো জরিমানা করে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যার এক কিস্তি ইতিমধ্যেই শোধ করেছে তারা। বিষয়টি আমাদের মাথায় আছে।প্রশ্ন: বাংলাদেশ থেকে আর কী করার আছে?জন গোমেজ: আগামী মাসে বাংলাদেশের সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি বড় প্রতিনিধিদল ফিলিপাইনে আসবে। প্রতিনিধিদলে থাকবেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির ও আইনসচিবও আসবেন। তাঁরা রিজার্ভ চুরির বাকি ৬ কোটি ৫৮ লাখ ডলার ফেরতের বিষয়ে ফিলিপাইন নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবেন। source : prothom Alo
  • ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহতি পাচ্ছে ব্যাংক-বীমা-এনবিএফআই
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) এবং তাদের সাবসিডিয়ারিকে হিসাব বিবরণী প্রস্তুত ও প্রকাশের ক্ষেত্রে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিকিউরিটিজ আইন পরিপালনের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। হিসাব বছর গণনায় অর্থ আইন ২০১৫ ও ২০১৬ বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।গত বৃহস্পতিবার বিএসইসির ৫৮৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছেন কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান। কমিশন সভা শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থ আইন ২০১৫ এবং অর্থ আইন ২০১৬ অনুযায়ী আয়কর প্রদানকারী তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং তাদের সাবসিডিয়ারিকে একই আয় বছর অনুসরণের জন্য জানুয়ারি-ডিসেম্বর হিসাব বছর ধরে আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করতে হবে। এ আইন পরিপালনে প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং তাদের সাবসিডিয়ারিকে সংশ্লিষ্ট কিছু সিকিউরিটিজ আইন পরিপালনের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। শিগগিরই এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করবে কমিশন।এ প্রসঙ্গে সাইফুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক হিসাব বিবরণী প্রকাশের ক্ষেত্রে কিছু আইনি বাধ্যবাধকতায় ছাড় দেয়া হয়েছে। সিকিউরিটিজ আইনের কোন কোন অংশে তারা বিশেষ ছাড় পাবে, তা শিগগিরই নির্দেশনার মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, একই ইস্যুতে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোম্পানিগুলোকে দেয়া বিএসইসির নির্দেশনা এক্ষেত্রেও দেয়া হবে।ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং তাদের সাবসিডিয়ারিকে সিকিউরিটিজ আইন পরিপালনের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেয়ার ফলে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রান্তিক ও অর্ধবার্ষিক হিসাব বিবরণী প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিএসইসির কোনো বাধ্যবাধকতা থাকছে না। অর্থাত্ এ সময়ে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও স্টক এক্সচেঞ্জে প্রান্তিক প্রতিবেদন জমা দিতে হবে না। তবে এসব প্রতিষ্ঠান অন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অধীনে থাকলে সেখানে এ অব্যাহতি প্রযোজ্য নাও হতে পারে।সংশোধিত সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী, জীবন বীমা কোম্পানি ছাড়া অন্য সব সিকিউরিটিজের ইস্যুয়ারকে প্রথম প্রান্তিক শেষ হওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রান্তিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হয়, তা নিরীক্ষিতই হোক আর অনিরীক্ষিতই হোক। দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকের ক্ষেত্রে তারা সর্বোচ্চ এক মাস সময় পায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিএসইসির কাছে এ প্রতিবেদন দাখিলের পাশাপাশি কমপক্ষে দুটি বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিকে (একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি) তা প্রকাশ করতেও বলা হয়েছে। এদিকে জীবন বীমা কোম্পানিগুলো প্রথম প্রান্তিকের প্রতিবেদনের জন্য ৯০ দিন এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকের জন্য এক মাস সময় পায়। তাদেরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একই পদ্ধতিতে প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হয়।এর আগে সার্বজনীন হিসাব বছর পরিপালনে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য সব কোম্পানিকে গত ৩০ জুন পর্যন্ত এ আইন পরিপালনের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল বিএসইসি। অর্থ আইন ২০১৫ অনুযায়ী ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি এবং তাদের সাবসিডিয়ারি ছাড়া অন্য কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩০ জুন হিসাব বছর শেষ করার বাধ্যবাধকতা ছিল। ১ জুলাই থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের সার্বজনীন হিসাব বছর শুরু হওয়ায় তাদের ক্ষেত্রে পুনরায় সিকিউরিটিজ আইন পরিপালন বাধ্যতামূলক করে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে অর্থ আইন ২০১৬তে ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বহুজাতিক কোম্পানির সাবসিডিয়ারি ও মূল প্রতিষ্ঠানকে একই নিয়মে হিসাব বছর অর্থাত্ জানুয়ারি-ডিসেম্বর গণনা করতে বলা হয়েছে। সে হিসাবে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর সার্বজনীন হিসাব বছর শেষ করতে হবে এসব প্রতিষ্ঠানকে। এক্ষেত্রে সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক হিসাব বিবরণী প্রস্তুতে কিছুটা জটিলতা থাকায় সিকিউরিটিজ আইন পরিপালনের শর্ত থেকে অব্যাহতি চায় ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।প্রসঙ্গত, অর্থ আইন ২০১৫ ও অর্থ আইন ২০১৬ অনুযায়ী ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বহুজাতিক কোম্পানি এবং তাদের সাবসিডিয়ারি ছাড়া অন্য সব কোম্পানিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) করবর্ষের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জুন-জুলাই হিসাব বছর গণনা করতে হবে। ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বহুজাতিক কোম্পানি এবং তাদের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান জানুয়ারি-ডিসেম্বর হিসাব বছর গণনা করবে।   source : bonok barta
  • ৮০ শতাংশের শেয়ারদর ইস্যু মূল্যের নিচে
    গত ৬ বছরে (২০১১ সাল থেকে বর্তমান) ৫টি কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে এনেছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস। এর মধ্যে ৪টি বা শতকরা ৮০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দাম ইস্যু মূল্যের নিচে নেমে এসেছে। আইডিএলসির মাধ্যমে শেয়ারবাজারে আসা কোম্পানিগুলো হলো জিবিবি পাওয়ার, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, ফারইস্ট নিটিং এন্ড ডাইং, মতিন স্পিনিং মিলস ও তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ। এ কোম্পানিগুলোর সব কটিই উচ্চ প্রিমিয়াম নিয়ে শেয়ারবাজারে এসেছে। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে কোম্পানিগুলো শেয়ারবাজার থেকে ৪২৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রিমিয়াম নিয়েছে জিবিবি পাওয়ার। আইপিওতে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার পেতে বিনিয়োগকারীদের শেয়ারপ্রতি ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৪০ টাকা খরচ করতে হয়েছে। অথচ এই কোম্পানির বর্তমান শেয়ার দাম নেমে এসেছে প্রায় ১৪ টাকায়, যা ইস্যু মূল্যের থেকে ২৬ টাকা কম। অর্থাৎ জিবিবি পাওয়ারের শেয়ারের দাম ইস্যু মূল্যের থেকে ৬৪.৫ শতাংশ কমে এসেছে।এ ছাড়া আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের মাধ্যমে আসা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে ইস্যু মূল্য থেকে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ৩৯.৬৪ শতাংশ, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের ২৩.০৮ শতাংশ এবং ফারইস্ট নিটিং এন্ড ডাইংয়ের ২.৫৯ শতাংশ দাম কমেছে। আর একমাত্র মতিন স্পিনিং মিলসের শেয়ারের দাম ইস্যু মূল্যের উপরে রয়েছে। কোম্পানির শেয়ারের বর্তমান দাম ৪০ টাকা, যা ইস্যু মূল্য থেকে ৩ টাকা বা ৯.১৯ শতাংশ বেশি।শেয়ার দামে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার পাশাপাশি আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে আসা অধিকাংশ কোম্পানির আয়েও নেতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আইপিওতে আসার পর ৩টি বা ৬০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমে গেছে। শেয়ারের দামের মতো ইপিএসে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার দিক থেকেও শীর্ষে রয়েছে জিবিবি পাওয়ার। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় মাত্র ৮৮ পয়সা। অথচ শেয়ারবাজার থেকে টাকা তুলতে কোম্পানি শেয়ারপ্রতি আয় দেখিয়ে ছিল আড়াই টাকার উপরে। অর্থাৎ তালিকাভুক্তির পর জিবিবি পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি আয় প্রায় ২ টাকা বা ৬৫.৭৬ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ৪৮.৯৯ শতাংশ ও ফারইস্ট নিটিং এন্ড ডাইংয়ের ৬.৩০ শতাংশ ইপিএস কমেছে। অপরদিকে তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের ১৪.৭৭ শতাংশ ও মতিন স্পিনিং মিলসের ৭.৫৬ শতাংশ ইপিএস বেড়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কোম্পানির শেয়ার যে দাম পাওয়ার যোগ্য, আইপিওতে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে তার চেয়ে বেশি দাম নিচ্ছে। যে কারণে শেয়ারের দাম ইস্যু মূল্যের নিচে নেমে যাচ্ছে। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। source : vorar kagoj
  • ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ
    ঈদুল আজহার পরের সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সব ধরনের মূল্য সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন। আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, আলোচ্য লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৫৬০ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ২ হাজার ৩৬১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার শেয়ার। সেই হিসাবে আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ১৯৯ কোটি ১১ লাখ টাকা। উল্লেখ্য, ঈদুল আজহার পুরো সপ্তাহজুড়ে স্টক এক্সচেঞ্জে ছুটি থাকায় কোনো লেনদেন হয়নি।সমাপ্ত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮৭ দশমিক ০৫ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে দশমিক ৮৪ শতাংশ। ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৪০ শতাংশ বা ৬৪ দশমিক ২৬ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই৩০ সূচক বেড়েছে দশমিক ৬৫ শতাংশ বা ১১ দশমিক ৩৬ পয়েন্ট। অপরদিকে শরিয়াহ বা ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ০৭ শতাংশ বা ১১ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩৩০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯২টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১০১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির। আর লেনদেন হয়নি ৩টি কোম্পানির শেয়ার। এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ১৬৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার। তবে সার্বিক সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ২৪ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ২৮৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৬৮টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ৯০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির। source : vorar kagoj
  • দেড় কোটি ডলার ফেরত দিতে বলেছে ফিলিপাইনি আদালত
    বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের মধ্যে উদ্ধার হওয়া দেড় কোটি মার্কিন ডলার বাংলাদেশকে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ফিলিপাইনের আদালত। গতকাল এ রায় দেওয়া হয়েছে বলে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমেও এ খবর বেরিয়েছে।গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র এফএম মোকাম্মেল হক বলেন, ফিলিপাইনের রিজিওনাল ট্রায়াল কোর্ট শুনানি শেষে ইতোপূর্বে বাজেয়াপ্তকৃত ও ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রক্ষিত ৪৬ লাখ মার্কিন ডলার ও ৪৮ কোটি ৮২ লাখ ফিলিপাইন পেসো বাংলাদেশের অনুকূলে অবমুক্ত করার আদেশ জারি করেছে। ফিলিপাইন সরকার বনাম কিম ওয়ংয়ের মামলায় বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে ফিলিপাইনের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস। তিনি আরও বলেন, অবশিষ্ট অর্থ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আশা করা যায় খুব শিগগির চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হবে।সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্সি ইউনিটের (বিএফআইইউ) মহাব্যবস্থাপক দেবপ্রসাদ দেবনাথ ও সরকারি মুখপাত্র আনোয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।দেবপ্রসাদ দেবনাথ বলেন, ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে এক কোটি ৫২ লাখ ডলার কম মনে হতে পারে। তবে এ রায়ের মূল তাত্পর্য হচ্ছে চুরি হওয়া অর্থের দাবিদার বাংলাদেশ এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন অবশিষ্ট অর্থ ফেরত পাওয়ার পথ সুগম হলো। তিনি বলেন, আদালতের রায় প্রকাশ হওয়ার পর ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থ ফেরত দেবে বাংলাদেশ ব্যাংককে। ব্যাংকিং চ্যানেলেই এ অর্থ ফেরত আসবে। টাকা ফেরত পেতে রায় হাতে পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।এদিকে গতকাল রয়টার্সের খবরে বলা হয় ফিলিপাইনের বিচার বিভাগের চিফ স্টেট কাউন্সেল রিকার্ডো পারাস বলেন, উদ্ধার হওয়া দেড় কোটি ডলার ফেরত পাওয়ার পূর্ণ অধিকার বাংলাদেশের আছে বলে আদালত রায় দিয়েছে।রয়টার্সের খবরে আরও বলা হয়, গত মে মাসে ফিলিপাইনের সিনেট কমিটির তদন্তের সময় ‘ক্যাসিনো জাংকেট’ কিম ওয়ং এই দেড় কোটি ডলার ফেরত দেন। যদিও তার জুয়ার আখড়ায় বাংলাদেশের রিজার্ভের সাড়ে ৩ কোটি ডলার গিয়েছিল বলে মনে করা হয়। ফিলিপাইনের সরকার জুয়ার আখড়ার আরও আড়াই কোটি ডলার জব্দ করেছে, ওই অর্থের দাবি বাংলাদেশ করলেও তার সুরাহা এখনও হয়নি। এ ছাড়া বাকি অর্থ কোথায় আছে তার কোনো হদিস এখনও মেলেনি। source : ittafaq
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্বাহী পরিচালক
    কারেন্সী ম্যানেজ-মেন্ট ডিপার্টমেন্টের মহাব্যবস্থাপক মো. হুমায়ূন কবীরকে সম্প্রতি নির্বাহী পরিচালক হিসাবে পদোন্নতি দিয়ে  বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বহাল করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসহ স্নাতক শেষ করে ১৯৮৪ সনে ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তা হিসাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক-এ যোগদান করেন তিনি। — প্রেস বিজ্ঞপ্তি
View All
Latest DSE News
  • SANDHANINS

    The Company has informed that it has credited the bonus shares for the year ended on December 31, 2015 to the respective shareholders' BO Accounts on September 25, 2016.

  • ATCSLGF

    The Asset Manager of the Fund has informed that it has disbursed Cash Dividend for the year ended on June 30, 2016 to the respective unit holders' Bank Accounts through BEFTN System. Accounts payee cheques will be issued whose Accounts could not be credited through BEFTN.

  • STYLECRAFT

    The Company has further informed that the 33rd AGM will be held on November 05, 2016 for the year ended on June 30, 2016. Other information of the AGM shall remain unchanged.

  • SHASHADNIM

    The Company has informed that it has disbursed Cash dividend for the year ended on June 30, 2016 to the respective shareholders' BO Account through BEFTN.

  • EXCH

    Today's (25.09.2016) Total Trades: 123,629; Volume: 217,059,723 and Turnover: Tk. 5,765.50 million.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
YPL 40.80 37.10 3.70 9.97
ZEALBANGLA 19.90 18.10 1.80 9.94
SHYAMPSUG 15.40 14.10 1.30 9.22
MODERNDYE 243.70 224.10 19.60 8.75
ETL 16.50 15.40 1.10 7.14
RDFOOD 13.90 13.20 0.70 5.30
SAFKOSPINN 12.30 11.70 0.60 5.13
DSSL 10.70 10.20 0.50 4.90
MHSML 19.50 18.60 0.90 4.84
CMCKAMAL 15.90 15.20 0.70 4.61

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297