Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
GSPFINANCE 30.1 25.2 4.90 19.44
RNSPIN 28.1 23.8 4.30 18.07
MIDASFIN 15.6 13.6 2.00 14.71
FAREASTFIN 14.3 13 1.30 10.00
MONNOSTAF 326.1 306.5 19.60 6.39
FASFIN 20.1 19.1 1.00 5.24
BEACONPHAR 14.8 14.1 0.70 4.96
STANDARINS 28.3 27 1.30 4.81
KAY&QUE 13.1 12.5 0.60 4.80
UCBL 28.7 27.6 1.10 3.99

Contest SB2014_Nov

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
ITSLITON
3rd
blank_person
JEWELROY91
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
OLYMPIC 287.8 281.4 1.39435 258000.00
RUPALIBANK 59.9 57.4 0.96719 100.00
MARICO 1089.1 1075.7 0.78237 650.00
GLAXOSMITH 1460 1440 0.44657 50.00
FAMILYTEX 22.4 21.9 0.25776 2163000.00
Negative impact
GP 312.9 315.6 -6.75761 236400.00
SPCL 232.4 254.6 -5.21753 244600.00
ICB 1402.5 1451.25 -3.81204 6300.00
TITASGAS 78.5 79.6 -2.01691 421500.00
BEXIMCO 38.7 40.3 -1.78241 1724900.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
WMSHIPYARD 57.2 62.5 56.7 -6.99% 123.42
JAMUNAOIL 246.9 252.6 246.1 -1.28% 109.64
LAFSURCEML 110.5 119 109.9 -2.13% 106.72
MEGHNACEM 131.7 135.7 129 3.13% 104.36
KEYACOSMET 27.9 28.5 27.6 2.20% 93.48
KBPPWBIL 52 57.2 51.7 -8.77% 92.12
GSPFINANCE 30.1 31.5 29.7 0.67% 91.52
GP 312.9 318.5 312.4 -0.86% 74.22
OLYMPIC 287.8 291 283.6 2.27% 74.02
BXPHARMA 61.2 63.6 61 -2.24% 71.92

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 26 Nov 2014

74666
TOTAL TRADE
74.7070
TOTAL VOLUME(Mn)
3127.09
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • পরবর্তী সাপোর্টের কাছাকাছি ডিএসই এক্স ইনডেক্স
    মেহেদী আরাফাত : বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসই এক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে বিক্রয়চাপের ফলে নিন্মমুখি প্রবনতা নিয়ে হ্রাস পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে পুনরায় বিক্রয়চাপের ফলে দিনশেষে ডিএসই এক্স ইনডেক্স  আবারো নিন্মমুখি হতে থাকে এবং ৪৭.৮৩ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক  তৈরি করে।  ডিএসই এক্স ইনডেক্স ৪৭.৮৩ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪৭৫৬.৬১ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.৯৯% হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৭৪৮ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৫০০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল  ৩০.৩৪ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ১৭.৭০ । এম.এফ.আই এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর নিন্মমুখি আবস্থান করছে । ডিএসইতে ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৭ হাজার ৪৩  টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৩১২.৭০ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন হ্রাস  পেয়েছে ৩৪ কোটি টাকা।ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০৪ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১০১ টির, কমেছে ১৬৮ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজ বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ২০-৫০, ১০০-৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৫৪.৫২% এবং ৩.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে হ্রাস পেয়েছে ০-২০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের  যা আগেরদিনের তুলনায় ১০.৫% কম। অন্যদিকে ৫০-১০০ এবং ৩০০ কোটি টাকার ওপরে পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় যথাক্রমে আজ ১.১৯% এবং ৩৭.৪% হ্রাস পেয়েছে। পিই রেশিও ২০-৪০ এর  মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায়  ২২.০৮% হ্রাস পেয়েছে। হ্রাস পেয়েছে  পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন যার পরিমান আগের দিনের তুলনায়  ৩.৪৪% কম ছিল। অন্যদিকে পিই রেশিও  ৪০ এর ওপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন  আগের দিনের তুলনায়  ৮.১৯% হ্রাস পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ পিছিয়ে ছিল ‘এন’ এবং ‘জেড’ ‘ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ২০.৮৬% এবং ৬.১৭% কম ছিল। আজ হ্রাস পেয়েছে ‘এ’, বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ৭.৬৭% এবং ১.৫% কম ছিল।
  • নেতিবাচক প্রভাবের সিদ্ধান্ত নেবে না মার্চেন্ট ব্যাংক
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি তানজিল চৌধুরী বলেছেন, পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। বুধবার হোটেল পূর্বাণীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।সম্প্রতি মার্জিন ঋণখেলাপীদের তালিকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোতে (সিআইবি) অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বিএমবিএ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে প্রাথমিক প্রস্তাব দেয়। এর ফলে সম্প্রতি পুঁজিবাজারে নেতিবাচক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন মহলে আলোচনা সমালোচনা করেছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে বিএমবিএ। তানজিল চৌধুরী বলেন, মার্জিন ঋণখেলাপীদের তথ্য সিআিইবি রিপোর্টে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে, অনেকে বলেছেন এ কারণে মার্কেটে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কিন্তু বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মার্চেন্ট ব্যাংক এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবটা শুধুমাত্র আলোচনার জন্য বিএসইসি’র কাছে দেওয়া হয়েছে। মার্কেটে প্রভাব ফেলার জন্য দেওয়া হয়নি। সিআইবিতে মার্জিন ঋণখেলাপীদের তথ্য অন্তর্ভুক্তির কথা বলা হয়েছে যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবে নয়। এটা আসলে মার্চেন্ট ব্যাংকের স্বচ্ছতার জন্য। এই প্রস্তাব ইসি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেই দেওয়া হয়েছে। আর এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হবে না। এটা নিয়ে বিএসইসির সঙ্গে বিষদ আলোচনা করা হবে। নমনীয়ভাবে যে সিদ্ধান্ত আসে সেটাই করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে বিএমবিএর দ্বিতীয় সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান বলেন, আমার মতে, এটার কারণে বাজারে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। সিআইবি এর বিষয়ে একেক জন একেকটা মনে করতে পারেন। হোটেল পূর্বাণীতে সকাল ১০টায় সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমবিএ’র মহাসচিব ও আইসিবি ক্যাপিটালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মশিউর রহমান ও বিএমবিএর সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ এ হাফিজ।
  • ব্যাংকে আইপিও প্রাথীদের ভিড় লক্ষ্যনীয়
    হোসাইন আকমল : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করছে ইফাদ অটোস লিমিটেড। গত ২৩ নভেম্বর রোববার থেকে শরু হয়ে ২৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওর আবেদনপত্র জমা দানের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটির আইপিও টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। অন্য আইপিওর চেয়ে ইফাদ অটোর আইপিওতে অনেকটা সাড়া পড়েছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মতিঝিলের কয়েকটি ব্যাংকের র্দীঘ লাইন ও অনেক সিকিউরিটিসে খোঁজ নিয়ে এমন তথ্য জানা গেছে। তবে সিকিউরিটিজ হাউসের তুলনায় ব্যাংকে আইপিও প্রাথীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কারওয়ান বাজার শাখার মার্কেনটাইল ব্যাংকে বুধবার দুপুরে এপর্যন্ত জেনারেল ২ হাজার ১৩টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৩০১ টি আবেদন জমা পড়ে। ঢাকা ব্যাংকে জেনারেল ৪০০টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৫৭ টি, সাউথইস্ট ব্যাংকে জেনারেল ২ হাজার ৩০০টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় ২৫০টি আবেদন জমা পড়ে। কারওয়ানবাজারে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে কথা হয় আইপিও আবেদনকারী আশরাফের সঙ্গে। তিনি বলেন, অন্য কোম্পানিগুলোর তুলনায় এ কোম্পানি খুব ভালো করবে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, কোম্পানির বেশ সুনাম রয়েছে। সিকিউরিটজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন না করে দীর্ঘ লাইনে কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেক আগে থেকে চালু হলেও আমি এখনো শুরু করিনি। তবে আগামীতে শুরু করবো । মতিঝিলের মার্কেন্টাইল ব্যাংকের এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, এমন অবস্থা হয়েছিল বিএসআরএম কোম্পানির আইপিওতে। ইফাদ অটোতে একই অবস্থা রয়েছে। তবে কোম্পানি অনেক ভালো করবে বলে তিনি অনেক আশাবাদী। [caption id="attachment_20862" align="aligncenter" width="384"] কারওয়ানবাজারে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে দীর্ঘ লাইন[/caption] এ বিষয়ে ইফাদ অটোস লিমিটেডের সিএফও আবু সাঈদ আহমেদ বলেন, আইপিও নিয়ে আমরা অনেক আশাবাদী। আগাম কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫২৭তম সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। ইফাদ অটোস পুঁজিবাজার থেকে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহিত অর্থ দিয়ে কোম্পানির এসেম্বিং প্লান্ট, গাড়ির বডি বিল্ডিং ইউনিট নির্মাণ এবং প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা হবে। ইফাদ গ্রুপের ইফাদসহ রয়েছে মোট ৮টি প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে ৬টি কোম্পানি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বেশ ভালোভাবেই পরিচালনা করছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইফাদ অটোস লিমিটেড, ইফাদ এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, ইফাদ অটোমোবাইলস লিমিটেড, ইফাদ এগ্রো কমপ্লেক্স লিমিটেড, ইফাদ মাল্টি প্রডাক্টস লিমিটেড ও ইফাদ মাল্টি এন্ড ক্যামিকেলস লিমিটেড। সব প্রতিষ্ঠানে রয়েছে অভিজ্ঞ পরিচালক মণ্ডলী। তার মধ্যে শুধুমাত্র ইফাদ অটোস পুঁজিবাজারে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো পুঁজিবাজারে আওতাভুক্ত হয়নি। তবে প্রতিষ্ঠানগুলো ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলছে। ইফাদ গ্রুপের ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি ফেস ভ্যালু নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। এর সঙ্গে বাড়তি ২০ টাকা প্রিমিয়াম মিলে শেয়ারপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। কোম্পানিটির ২০১২ সালে ইপিএস ছিল ২.৯৬ টাকা। ২০১৩ সালে তা বেড়ে হয়েছে ২.৯৮ টাকা এবং এরপরে ২০১৪ সালে ইপএিস প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৫.১৬ টাকায় দাঁড়ায়।
  • শাশা ডেনিমসের ‘আমলনামা’, দ্বিতীয় পর্ব
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা তোলার অনুমোদন পেয়েছে শাশা ডেনিমস কোম্পানি লিমিটেড। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে অনুমোদন দেয়া হয়। আগামী ১৪ থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিও আবেদনপত্র জমা দানের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য সুযোগ থাকবে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি আইপিও টাকা উত্তোলন করবে বলে জানানো হয়। রাজধানীর বিজয়নগরে কোম্পানির বিশেষ এক কার্যালয়ে সোমবার কথা হয় শাশা ডেনিমস কোম্পানি লিমিটেডের সিএফও আহসানুল হক সোহেল ও ফাইন্যান্স ম্যানেজার আলী ইমাম জুয়েলের সঙ্গে। কোম্পানির আইপিও নিয়ে আলাপ চারিতায় উঠে আসে নানা প্রসঙ্গ। তবে কোম্পানির ওডিট রিপোর্ট নিয়ে কথা বলতে চাইলে তারা আপত্তি তোলেন। কারণ, এবিষয়ে তারা আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। ‘আইপিও বিষয়ে বিভিন্ন জনে কাজ বন্টন করে নেয়া হয়েছে। আপনার অন্য কোন বিষয় থাকলে ফাইন্যান্স ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন’ বলে ধুম্রজাল সৃষ্টি করেন কোম্পানির সিএফও আহসানুল হক সোহেল। আইপিও’র ওডিট রিপোর্ট নিয়ে পরবর্তীতে তারা আলোচনার জন্য বিশেষ ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে বলেন। তিনি হলেন- কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার এ এফ সি ক্যাপিটালের উদ্যোক্তা মো. সাইদুর রহমান। রাজধানীর মতিঝিলে মঙ্গলবার দুপুরে কথা হয় তার সঙ্গে। স্টক বাংলাদেশ -এর প্রচেষ্টায় পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো চুম্বক কিছু অংশ। সাক্ষাতকার গ্রহণ করেছেন- শাহীনুর ইসলাম। কোম্পানির ২০১০ সালে ইপিএস ছিল ১.৬৯টাকা। ২০১১সালে ২.৩৭ টাকা এবং তা বেড়ে ২০১২ সালে হয়েছে ২.৫৭ টাকা। এরপরে ২০১৪ সালে তা আরো বেড়ে হয়েছে ৪.২৫টাকা। হঠাৎ ইপিএস বাড়লো কিভাবে? উত্তরে সাইদুর রহমান বলেন, কোম্পানির ওডিট রিপোর্টে দেখুন। ধারাবাহিকভাবেই কোম্পানির ইপিএস ও ন্যাভ বেড়েছে। ফান্ডামেন্টাল হিসেবে কিছু কোম্পানি ভালো করেছে। ২০১২ এবং ২০১৩ সালে রাজনীতিক উত্তাপ ছিল বেশি, দেশের অর্থনীতি ঝিমিয়ে পড়েছিল। এমন সময়ে হঠাৎ কোম্পানির ইপিএস প্রায় দ্বিগুণ। কীভাবে সম্ভব? সাইদুর রহমান বলেন, সঠিক। তবে সেক্টর অনুযায়ী অর্থনীতি এই ফল্ট বেশি করেছে। এরমধ্যে কিছু কোম্পানি টিকেও ছিল, বেশ ভালোও করেছে। প্রফিট প্যাটার্ন তুলে ধরে উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কোম্পানি ২০০৯ সালে ৪ কোটি, ২০১০ সালে ৮ কোটি, ২০১১ সালে ১১ কোটি ২০১২ সালে ১২ কোটি এবং ২০১৩ সালে ২০ কোম্পানি ২০ কোটি টাকা প্রফিট করেছে। ‘প্রফিট করেছে’ তাহলে কোম্পানি লভ্যাংশ কেন দিলো না -এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি হেসে বলেন, এটা ওনাররা আসলে কিভাবে দেবে, না দেবে -তারাই নির্ধারণ করেন। আর ২০১৩ সালের লভ্যাংশ দিতে আইনগত অনুমোদন লাগবে। সাবসিডিয়ারি কোম্পানি ইঞ্জিনিয়ারিং পাওয়ার করপোরেশন পরিচালনার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা কোম্পানির দায়ভার। কোম্পানির যেভাবে চাইবে সেভাবেই পরিচালিত হবে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৭৫ কোটি  টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম মিলে মোট ৩৫ টাকা মূল্যে কোম্পানিটি শেয়ার ইস্যু করবে। আগের সপ্তাহে এক সাক্ষাতকারে শাশা ডেনিমস লিমিটেডের ফাইন্যান্স ম্যানেজার আলী ইমাম জুয়েলের সঙ্গে কোম্পানির প্রিমিয়াম নিয়ে আলোচনা হয়। ‘প্রিমিয়ামের স্রোতে’ গা ভাসানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন-  কোম্পানির ইপিএস ও ন্যাভ ভালো। তাছাড়া ভালো কোম্পানি ভালো প্রিমিয়াম নিয়ে আসবে এটাই স্বাভাবিক। বাজারে আমাদের যে সুনাম রয়েছে প্রিমিয়াম দিয়ে তার মূল্যায়ন করা হয়েছে। কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ৬ মাস পার হতে না হতেই রাইট শেয়ার ছাড়তে প্রস্তুতি নেয়। রাইট নিয়ে আগাম কোন চিন্তা এবং আইপিওর টাকায় ঋণ পরিশোধ সম্পর্কিত আলোচনা করতে তিনি রাজী হননি। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৭৩ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ৫২ টাকা ৯৫ পয়সা । কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা টাকা কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যংক ঋণ পরিশোধে ব্যয় হবে। ইউরোপ ও আমেরিকায় রপ্তানিমুখী কোম্পানিটি প্রতিমাসে ১.৮ মিলিয়ন ইয়ার্ডস পণ্য তৈরি করে। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এ এফ সি ক্যাপিটাল ও ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড। পেছনের খবর :  (প্রথম পর্ব) শাশা ডেনিমসের ‘আমলনামা’ আরো খবর : ১৪ ডিসেম্বর থেকে শাশা ডেনিমসের আইপিও আবেদন
  • পোশাক শিল্প ২০২১ : ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
    স্টাফ রিপোর্টার : 'বাংলাদেশ পোশাক শিল্প ২০২১ : ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাংলাদেশের ৫০ তম জন্মবার্ষিকীতে’। প্রতিপাদ্যের আলোকে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের প্রসার এবং ভাবমুর্তি বাড়াতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ এবং বাংলাদেশ ব্রান্ড ফোরাম রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘ঢাকা এপারেল সামিট’। আগামী ৭ ডিসেম্বর শুরু হবে এই সামিট। শেষ হবে ৯ ডিসেম্বর। এ বিষয়ে মঙ্গলবার বিকেলে বিজিএমইএ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই এপারেল সামিটের উদ্বোধন করবেন। এ ছাড়া দুই দিনের ৯টি সেমিনারে যোগ দিতে আসছেন বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিরা, যার মধ্যে রয়েছেন লি ফাং লিমিটেডের গ্রুপ চেয়ারম্যান ড. ইউলিয়াম কে ফাং, হার্ভার্ড ল স্কুলের অধ্যাপক আর্নল্ড এম জ্যাক, ইয়াংওয়ান করপোরেশনের চেয়ারম্যান ও সিইও খাক সাংগ, আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড নিটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনের (এএএফএ) ভাইস প্রেসিডেন্ট নেইট হারম্যানসহ ৫০ জন বক্তা। সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ,র সভাপতি আতিকুল ইসলাম জানান, ২০২১ সালে ৫০ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য নিয়ে ৫০ তম বার্ষিকী আয়োজন করবে বিজিএমইএ। এই জন্য আমাদের মার্কেট শেয়ার ৫ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হবে। আর এটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে বিজিএমইএ।তিনি বলেন, তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন সেমিনারে নিরাপদ, ঝুঁকিমুক্তভাবে কিভাবে গার্মেন্টস সেক্টরকে এগিয়ে নেওয়া যাবে তা দেখানো হবে। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর দেশের গার্মেন্টস সেক্টর নিয়ে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে যে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। তা কাটানোর জন্য এই সামিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরো বলেন, কারখানাগুলোতে সুষ্ঠ, নিরাপদ এবং ঝুঁকিমুক্ত পরিবেশ বজায় রয়েছে তা পরিদর্শনের জন্য আগত বিদেশি ক্রেতাদের ১১টি হ্যালিকপ্টারের মাধ্যমে গার্মেন্টসগুলোতে সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে। এর মাধ্যমে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি মনে করেন।
  • মুনাফা বেড়েছে মেঘনার
    ডেস্ক রিপোর্ট: জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়ামের মুনাফা বেড়েছে। বুধবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে দেয়া মেঘনার প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। প্রতিবেদনে জানা গেছে, কোম্পানিটির জুলাই, ১৪ থেকে সেপ্টেম্বর, ১৪ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৬৩ কোটি ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ৬ টাকা ৪৫ পয়সা। এর আগের বছর একই সময় মুনাফা হয়েছিল ৬১ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং প্রতি শেয়ারে আয় হয়ছিল ৬ টাকা ২৭ পয়সা। সে হিসাবে আগের তুলনায় কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকেই মুনাফা বেড়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। অন্যদিকে, বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণার পর কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৮৬ পয়সা। এর আগের বছর একই সময় ইপিএস ছিল ৫ টাকা ৭০ পয়সা।
  • ন্যাশনাল ফিডের আইপিও লটারি বৃহস্পতিবার
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা তুলেছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ন্যাশনাল ফিড। কোম্পানিটির আইপিও লটারির ড্র হবে বৃহস্পতিবার। রাজধানীর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটে সকাল ১০টায়  ড্র অনুষ্ঠিত হবে।  কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, কোম্পানিটির আইপিওতে ৪৫ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটি ১৮ কোটি টাকার শেয়ার ইস্যুর জন্য আবেদন আহ্বান করেছিল। এর বিপরীতে ৮১৩ কোটি ২৫ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। আইপিওতে ১ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন পেয়েছে ন্যাশনাল ফিড। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে কোম্পানিটি বাজারে শেয়ার ছেড়েছে। আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ১৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে তারা। কিন্তু এর বিপরীতে জমা পড়েছে ৮১৩ কোটি ২৫ টাকার আবেদন। এ হিসাবে কোম্পানিটির আইপিওতে ৪৫ দশমিক ১৮ গুণ আবেদন পড়েছে। জানা গেছে, ব্যাংকের মাধ্যমে ৬২৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা এবং মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ও ট্রেকহোল্ডারের মাধ্যমে ১৮১ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এর আগে গত ২৬ অক্টোবর রোববার থেকে ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন জমা শুরু হয়। আবেদনের শেষ সময় ছিল গত ৩০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার। তবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আবেদন পৌঁছানোর জন্য ৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময় পেয়েছেন। গত ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়। গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮৫ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য বা এনএভি ১৪ টাকা ৫৫ পয়সা। প্রতিষ্ঠানটি পোল্ট্রি, ডেইরি ফার্ম ও ফিশারিজ খামারের জন্য খাদ্য উৎপাদন করে। পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহের পর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াবে কোম্পানিটি। এছাড়া সংগৃহীত অর্থের একটি অংশ দিয়ে মেয়াদী ও চলতি মূলধনের চাহিদা মেটানো হবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।
  • ঐক্য পরিষদের ১১ দফা দাবি পেশ
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) স্মারকলিপি দাখিল করেছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ। ওই স্মারকলিপিতে বাজারে স্থিতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় বিএসইসির কার্যালয়ে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে স্মারকলিপিটি দাখিল করা হয়েছে। স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেছেন বিএসইসির চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী মো. আলম। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রাজ্জাক দ্য রিপোর্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।ঐক্য পরিষদ ১১ দফা দাবিগুলো হল— প্রণোদনা প্যাকেজ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা, দ্রুত বাইব্যাক আইন পাস করা। এক্ষেত্রে ইস্যু মূল্য বা নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) এবং ৫ শতাংশ মূল্যের মধ্যে যেটা বেশি সেই মূল্যে কোম্পানিগুলোকে শেয়ার বাইব্যাক করতে হবে, স্বল্পমূলধনী কোম্পানিগুলোর গণহারে আইপিও অনুমোদন বন্ধ রাখা। শূন্য লভ্যাংশ দেওয়া কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, বাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বুক বিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখা, বাংলাদেশ ব্যাংকের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করা, বিভিন্ন দেশে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের শাখা খোলা, অডিট ফার্মগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা, ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের মার্জিন লোনের সুদ মওকুফ করা, ইব্রাহীম খালেদের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারবাজার লুণ্ঠনকারীদের আইনের আওতায় আনা, সর্বশেষ ঐক্য পরিষদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা।
  • বছরের সর্বোচ্চ দামে ডলার
    ডেস্ক রিপোর্ট : এক বছরের মধ্যে ডলারের দাম মঙ্গলবার সর্বোচ্চ পৌঁছেছে। মঙ্গলবার আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি ডলার ৭৮ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত বছরের এই সময় ডলারের বিপরীতে টাকা ৭৮ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন হয়েছিল। এ ছাড়া আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ৭৮ টাকা লেনদেন হয়েছে। যা গত এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত বছরের ২৩ নভেম্বর প্রতি ডলার ৭৭ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। এদিকে অনেকটা আকস্মিকভাবে ডলারের দর বাড়ার কারণে বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকরা। হঠাৎ করে মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে দুই বছর পাঁচ মাস পর ৪৫ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ছাড়া টাকার বিপরীতে ডলারের মান বাড়ায় কয়েকটি এক্সচেঞ্জ হাউস ডলার সংগ্রহ শুরু করে। ফলে বাজারে সৃষ্টি হয় সংকট। তবে বিনিয়োগ পরিবেশ ফিরে আসায় আমদানি বেড়েছে- এ কারণে ডলারের চাহিদা বেড়েছে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন্স রিজার্ভ এ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, এলসি খোলার পেমেন্টের সময়সীমা সাধারণত ১২০ দিন লাগে। বিনিয়োগ বেড়ে যাওয়ায়, ঋণপত্র খোলার হারও বেড়েছে। এ কারণে ডলারের চাহিদা তৈরি হয়েছে এবং মূল্য কিছুটা বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার ছাড়া শুরু করায় সংকট কেটে গেছে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি মুলধনি যন্ত্রপাতি আমদানিসহ ঋণপত্র খোলার হার বেড়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনও ঋণপত্র খুলছে। জাহাজ ভাঙা শিল্পের মালিকরা পুরনো জাহাজ ও স্ক্র্যাপ আমদানি শুরু করেছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের বিদেশী ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে। এ কারণে দীর্ঘদিন পর ডলারের চাহিদা তৈরি হয়েছে। ফলে কিছুটা মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, চলতি বছরের আগস্ট থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর ডলার ক্রয়মূল্য ছিল ৭৭ টাকা ৪০ পয়সা। ১১ নভেম্বর তা ৭৭ টাকা ৪৪ পয়সা হয়, ১২ নভেম্বর ৭৭ টাকা ৪৮, ১৩ নভেম্বর ৭৭ টাকা ৪৮, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর ৭৭ টাকা ৫১, ১৭ নভেম্বর ৭৭ টাকা ৫৪, ১৮ নভেম্বর ৭৭ টাকা ৫৫, ১৯ ও ২০ নভেম্বর ৭৭ টাকা ৫৭, ২৩ নভেম্বর ৭৭ টাকা ৬০ ও ২৪ নভেম্বর ছিল ৭৭ টাকা ৬৩ পয়সা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০১২ সালের ২০ জুন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সর্বশেষ ১০ মিলিয়ন ডলার বাজারে বিক্রি করে। এর পর থেকে গত সপ্তাহ পর্যন্ত ১১ বিলিয়ন ডলার ক্রয় করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নভেম্বরে দাঁড়ায় ২১ হাজার ৪৬৯ মিলিয়ন ডলারে।
  • বিএমবিএ’র সংবাদ সম্মেলন বুধবার
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংক্যার্স  অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) -এর সংবাদ সম্মেলন বুধবার সকাল ১০ টায় রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে অনুষ্ঠিত হবে। বিএমবিএ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ও গত সপ্তাহে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) বিএমবিএ’র দেওয়া প্রস্তাবগুলো সংবাদ সম্মলনে  তুলে ধরা হবে। সংবাদ সম্মেলনে বিএমবিএ’র সভাপতি তানজিল চৌধুরী, প্রথম সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন সান্নামাত, দ্বিতীয় সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বিএমবিএ’র সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে চার মাসেই
    চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ৯ হাজার ৭৭ কোটি টাকা নিট বিনিয়োগ এসেছে সঞ্চয়পত্রে। যা পুরো অর্থবছরের বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রার ১১ কোটি টাকা বা শূন্য দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি। পুরো অর্থবছরের নিট বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৫৬ কোটি টাকা। জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত অক্টোবরে সঞ্চয়পত্রে নিট বিনিয়োগ এসেছে দুই হাজার ২৫৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বরে ছিল দুই হাজার ৪৯২ কোটি ৫১ লাখ টাকা, আগস্টে দুই হাজার ৪৭০ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং জুলাইয়ে ছিল এক হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে চার মাসে সঞ্চয়পত্রে নিট বিনিয়োগ হয়েছে ৯ হাজার ৭৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সঞ্চয় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে আগে কখনোই সঞ্চয়পত্র থেকে এত বেশি বিনিয়োগ আসেনি। কোনো ধরনের ঝুঁকি না থাকায় এবং বেশি মুনাফার জন্য অনেকেই এ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে বলে তাঁদের ধারণা। তা ছাড়া আমানতের সুদহার কমে যাওয়া, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নানা ধরনের জাল-জালিয়াতির ঘটনায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ বাড়ছে বলেও মনে করেন তাঁরা। আকর্ষণীয় মুনাফা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ বাড়ার প্রধান কারণ বলে মনে করেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'ব্যাংকের আমানতের সুদের হার কমে যাচ্ছে। কিন্তু সঞ্চয়পত্রের মুনাফা এখনো আকর্ষণীয় রয়ে গেছে। যে কারণে অনেকেই বিনিয়োগের প্রধান খাত হিসেবে সঞ্চয়পত্রকে বেছে নিচ্ছে।' আহসান মনসুর আরো বলেন, 'সরকার এখন চাইলে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা এক থেকে দুই শতাংশ কমিয়ে আনতে পারে। কেননা এ খাতে ঋণের সুদ ব্যয় অনেক বেশি। যেহেতু এখন ব্যাংকের সুদের হার কমে যাচ্ছে, সেহেতু সরকারও অনায়াসেই সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমিয়ে আনতে পারে। এতে সরকারের কিছু পয়সা বেঁচে যাবে।' বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখত বলেন, 'সঞ্চয়পত্র বিক্রি বাড়ায় ব্যাংক ঋণ কমে যাচ্ছে। এটা বাজেটের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কেননা সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়া ঋণের মুনাফা বেশি হওয়ায় সুদ ব্যয় বেশি হবে এবং এই ব্যয় মেটাতে গিয়ে আগামী অর্থবছরের রাজস্বের একটি বড় অংশ ব্যয় হয়ে যাবে।' জানা গেছে, বাজেট ঘাটতি মেটাতে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে ৯ হাজার ৫৬ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে সরকার, যা মাত্র চার মাসেই ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল চার হাজার ৯৭১ কোটি টাকা। পরে সংশোধিত বাজেটে তা প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে আট হাজার কোটি টাকা করা হয়। ওই অর্থবছরে নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিল ১১ হাজার ৭০৭ কোটি টাকা। তবে এর আগের (২০১২-১৩) অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে তেমন সাড়া ছিল না। ওই অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ছিল সাত হাজার ৪০০ কোটি টাকা। তবে বিক্রি হয়েছিল মাত্র ৭৭২ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে চলতি অর্থবছরে সরকার ৩১ হাজার ২২১ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ দাঁড়িয়েছে আট হাজার ৯৮০ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৯ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা। তবে আলোচ্য সময়ে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ দুই হাজার ৯৫২ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে নিট ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ছিল পাঁচ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১০-১১ অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকার নিট ২০ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা ঋণ নেয়। ২০১১-১২ অর্থবছরে নেওয়া হয় ২১ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা। ২০১২-১৩ অর্থবছরে তা আরো বেড়ে হয় ২৪ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ২৫ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা ধরা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ৩০ হাজার কোটি টাকা করা হয়। যদিও মাত্র সাত হাজার ৯৫০ কোটি ৯২ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে অর্থবছর শেষ হয়েছে।   Source : কালের কণ্ঠ
  • কর দেওয়ার সুবিধার্থে শনিবার ব্যাংকের কিছু শাখা খোলা
    করদাতাদের কর দেওয়ার সুবিধার্থে আগামী ২৯ নভেম্বর শনিবার ছুটির দিনে দেশে কার্যরত ব্যাংকগুলোর সব বিভাগীয় এবং জেলার প্রধান প্রধান শাখা খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল মঙ্গলবার এ নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব আহরণের স্বার্থে করদাতাদের আয়কর জমা দেওয়ার সুবিধার্থে চালান ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে আয়কর গ্রহণের জন্য সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোর সব বিভাগীয় ও জেলার প্রধান প্রধান শাখা ২৯ নভেম্বর শনিবার খোলা থাকবে। শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় ওই দিন অফিসের কাজে যোগদানকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মানজনক যুক্তিসঙ্গত ভাতা দেওয়ার জন্যও বাংলাদেশ ব্যাংক পরামর্শ দিয়েছে সার্কুলারে। ব্যক্তি শ্রেণির করদাতারা ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়কর বিবরণী (রিটার্ন) দাখিল করতে পারবে। ঈদ ও পূজার ছুটি এবং হজের কারণে করদাতাদের রিটার্ন জমা দিতে সমস্যা হওয়ায় দ্বিতীয় দফায় এক মাস সময় বাড়ানো হয়। মূলত ৩০ সেপ্টেম্বর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এরপর ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে এক মাস ৩১ অক্টোবর, পরে দ্বিতীয় দফায় আরো এক মাস বাড়ানো হয়। তবে ২৯ ও ৩০ নভেম্বর শুক্র ও শনিবার হওয়ায় ১ ডিসেম্বর রবিবারও রিটার্ন জমা নেওয়া হবে। ই-টিআইএন চালু করা নিয়ে জটিলতাও রিটার্ন জমার সময় বাড়ানোর অন্যতম কারণ বলে রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে ওই সময় জানানো হয়।   Source : কালের কণ্ঠ
  • হঠাৎ বেড়েছে ডলারের চাহিদা
    বাজারে ডলারের চাহিদা ও দাম বেড়েছে। প্রায় দুই বছর পর এমন ঘটনা দেখা গেল। গতকাল মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ৭৭ টাকা ৬৫ পয়সা দরে ডলার কিনেছে, বিক্রি করেছে ৭৭ টাকা ৬৫ পয়সা দরে। গতকাল বিক্রি হয়েছে এক কোটি ডলার। এর আগের দিন অর্থাৎ সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনেছে ৭৭ টাকা ৬২ পয়সা দরে, বিক্রি করেছে ৭৭ টাকা ৬৩ পয়সা দরে। ওই দিন বিক্রি করে সাড়ে চার কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ৫ নভেম্বর থেকে ডলারের দর বাড়তে শুরু করে। ওই দিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৭৭ টাকা ৪০ পয়সা দরে ডলার কেনে। বিক্রি করে ৭৭ টাকা ৪১ পয়সা দরে। অথচ গত ৩ নভেম্বর ডলারের কেনাবেচার দর একই ছিল। ওই দিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৭৭ টাকা ৪০ পয়সা দরে ডলার কেনে, বিক্রিও করে ৭৭ টাকা ৪০ পয়সা দরে। জানা গেছে, হঠাৎ করে ডলারের দর বাড়ার কারণে বাজারে এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় আড়াই বছর পর সাড়ে পাঁচ কোটি ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান সংবাদিকদের বলেন, সম্প্রতি মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানিসহ ঋণপত্র খোলার হার বেড়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনও ঋণপত্র খুলছে। জাহাজ ভাঙা শিল্পের মালিকরা পুরনো জাহাজ ও স্ক্র্যাপ আমদানি শুরু করেছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে। এ কারণে দীর্ঘদিন পর ডলারের চাহিদা তৈরি হয়েছে। ফলে কিছুটা মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার ছাড়া শুরু করায় সংকট কেটে গেছে বলে জানান তিনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০১২ সালের ২০ জুন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সর্বশেষ এক কোটি ডলার বাজারে বিক্রি করে। এরপর থেকে গত সপ্তাহ পর্যন্ত এক হাজার ১০০ ডলার ক্রয় করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নভেম্বরে দাঁড়ায় দুই হাজার ১৪৬ কোটি ডলারে। ২০১২ সালের ডিসেম্বর থেকে ডলারের দর পড়তে শুরু করে। ওই বছরের ৯ ডিসেম্বর ডলারের দর ৮১ টাকা থেকে কমে ৮০ টাকা ৯৫ পয়সায় নামে। এরপর থেকে ক্রমাগতভাবে ডলারের দর কমে চলতি বছরের ৩ নভেম্বর ৭৭ টাকা ৪০ পয়সায় নামে। এরপর থেকে আবারও বাড়তে শুরু করে ডলারের দর।   Source : কালের কণ্ঠ
  • ২০২১ সালে তৈরি পোশাক রপ্তানি ৫০ বিলিয়ন ডলার!
    বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বা ৫০ বছর উদ্যাপন হবে আগামী ২০২১ সালে। ওই বছরই দেশবাসীকে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ৫০ বিলিয়ন বা পাঁচ হাজার কোটি মার্কিন ডলার উপহার দিতে চায় পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে পোশাকশিল্পের চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত এবং এগিয়ে যাওয়ার কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করতে বিজিএমইএ প্রথমবারের মতো আয়োজন করছে ‘ঢাকা অ্যাপারেল সামিট’। ব্র্যান্ড ফোরামের সহযোগিতায় ৭-৯ ডিসেম্বর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।গত অর্থবছর তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ছিল দুই হাজার ৪৪৯ কোটি ডলার। পাঁচ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছতে হলে রপ্তানি আয় বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি করতে হবে। তবে বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলামের ভাষ্য, ‘এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অসম্ভব নয়। কারণ, ২০২১ সালে বিশ্বে পোশাকশিল্পের বাজার বেড়ে দাঁড়াবে ৬৫ হাজার কোটি ডলারে। বর্তমানে আছে ৪৫ হাজার কোটি ডলারের বাজার। এর মধ্যে বাংলাদেশের হিস্যা মাত্র ৫ শতাংশ। এটি ৮ শতাংশে নিয়ে যেতে পারলেই আমরা লক্ষ্য অর্জনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাব।’বিজিএমইএ কার্যালয়ে গতকাল মঙ্গলবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাপারেল সামিটের বিষয়ে বিস্তারিত জানান আতিকুল ইসলাম। এই সামিটে বিভিন্ন বিষয়ে নয়টি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে পাঁচটিতে থাকবেন পাঁচজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। একটিতে থাকবেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, পোশাকশিল্পের বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক, শ্রম অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিসহ দেড় শ জন বিদেশি অতিথি সামিটে অংশ নেবেন। এঁদের মধ্যে বক্তব্যে দেবেন ৭৫ জন।গত অর্থবছর পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ছিল ১৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এই প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে এমনিতেই রপ্তানি পাঁচ হাজার কোটি ডলার হয়ে যাওয়ার কথা। তাহলে এই সামিট আয়োজনের প্রয়োজন কেন—এক সাংবাদিক এমন প্রশ্ন করলে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘এমনি এমনি কিছু হয় না। সামিটে উঠে আসা সমস্ত পর্যবেক্ষণ, সুপারিশ ও কর্মপরিকল্পনা প্রতিবেদন আকারে সরকারের নীতিনির্ধারণীসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দেওয়া হবে।’সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিদেশি এই অতিথিদের একটি বড় অংশকে ১১টি হেলিকপ্টারে করে বিভিন্ন পোশাক কারখানায় নিয়ে যাওয়া হবে। শ্রমিক কর্মপরিবেশসহ তাঁদের সবকিছু ঘুরিয়ে দেখানো হবে। এ বিষয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তাঁদের দেখাতেচাই, রানা প্লাজাই বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের প্রতীক নয়।’ পরে সামিট আয়োজনে কত টাকা ব্যয় হচ্ছে জানতে চাইলে বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম জানান, ১০-১২ কোটি টাকা খরচ হবে। তবে পুরো টাকাই দিচ্ছে স্পন্সররা।জানতে চাইলে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রথম আলোকে বলেন, লক্ষ্য অর্জনে প্রতিবছর গড়ে ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রয়োজন হবে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে একধরনের চাপ আছে। তবে প্রবৃদ্ধির এই উচ্চহার অর্জন অসম্ভব নয়। তবে এ ধরনের অর্জনের চেয়ে অন্য দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে মোয়াজ্জেম বলেন, আগামী সাত বছরে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে। মজুরি বাড়বে। মালিকদের উচ্চ ব্যয় ও উচ্চ আয় এই কাঠামোর মধ্যে প্রবেশ করতে হবে। সে জন্য বর্তমানে কম মূল্যের পণ্যের চেয়ে বেশি মূল্যের পণ্য তৈরি ও রপ্তানির দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার। এসবের জন্য কারখানাগুলোর পর্যাপ্ত প্রস্তুতি আছে কি না, সেটাই বেশি জরুরি।সামিটের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না জানতে চাইলে সিপিডির এই গবেষক বলেন, পোশাকশিল্পে একধরনের সংকট চলছে। রানা প্লাজা ধসের পর কারখানাগুলো সংস্কারকাজের মধ্যে আছে। এখন বায়ারদের যদি কারখানাগুলোর অগ্রগতি দেখানো যায়, তবে তা ইতিবাচক হবে। এ ছাড়া সেমিনার থেকে বিজিএমইএ যদি বিদেশিদের কাছ থেকে ভবিষ্যৎ কৌশল ও বার্তা নিতে পারে, তবে সেটি শিল্পের জন্য কার্যকর হতে পারে।অ্যাপারেল সামিটের সময় সম্মেলন প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী ভবন ও অগ্নিনিরাপত্তাবিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি এই প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। এ ছাড়া মানসম্মত কারখানাগুলোর মধ্য থেকে সেরাদের সোশ্যাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট এক্সসেলন্স অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে ৯ ডিসেম্বর। ওই দিনই আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন (এএএফএ) আন্তর্জাতিক পণ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশ নিয়ে সেমিনার করবে। তার আগের দিন পোশাকশ্রমিকদের নিয়ে গানের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান গর্ব-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে।গতকালের সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএর চার সহসভাপতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এইচএসবিসি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফ্রঁসওয়া দ্য ম্যারিকো, আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম সরোয়ার, গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা চৌধুরী প্রমুখ। এইচএসবিসি ব্যাংক অ্যাপারেল সামিটের মূল স্পন্সর। এ ছাড়া স্পন্সর হিসেবে আছে ২০টি প্রতিষ্ঠান।প্রথমবারের মতো অ্যাপারেল সামিট আয়োজন করছে বিজিএমইএ। ৭-৯ ডিসেম্বর সামিট চলাকালে ভবন ও অগ্নিনিরাপত্তাবিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী হবে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সামিটে অংশ নিতে ঢাকায় আসবেন বিশ্বের বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিশেষজ্ঞরা সামিটের নয়টি সেমিনারে পোশাকশিল্পের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে   Source : প্রথম আলো 
  • দরবৃদ্ধিতে সংবেদনশীল তথ্য নেই আরএন স্পিনিংয়ের
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি আরএন স্পিনিংয়ের দর ও লেনদেন বৃদ্ধিতে সংবেদনশীল কোনো তথ্য নেই। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষ গত ২৩ নভেম্বর কোম্পানিকে এ শেয়ারের দর ও লেনদেন অস্বাভিবক হারে বৃদ্ধির বিষয়ে নোটিস পাঠায়। জবাবে কোম্পানির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত তিন কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারের দর অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এ সময় এর দর ২৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকায়। অর্থাত্ দর বাড়ে ১৮ শতাংশ। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ বা ২ টাকা ৫০ পয়সা। দিনভর এর দর ২৫ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ২৮ টাকা ১০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৮ টাকা ১০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ২৮ টাকায়। এদিন মোট ৩০ লাখ ৭৪ হাজার ২৫০টি শেয়ার লেনদেন হয়।সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির ২৪৪ কোটি ৮২ লাখ ৭০ হাজার টার্নওভারের বিপরীতে মুনাফা হয়েছে ৪০ কোটি ৬৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • বিএসইসিতে ঐক্যপরিষদের ১১ দফা দাবি পেশ
    পুঁজিবাজারে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) স্মারকলিপি দাখিল করেছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্যপরিষদ। ওই স্মারকলিপিতে বাজারে স্থিতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। গতকাল বিএসইসি’র কার্যালয়ে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবদুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে স্মারকলিপিটি দাখিল করা হয়েছে। স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেছেন বিএসইসি’র চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী মো. আলম। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবদুর রাজ্জাক দ্য রিপোর্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঐক্যপরিষদের ১১ দফা দাবি হলো- প্রণোদনা প্যাকেজ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা। দ্রুত বাইব্যাক আইন পাস করা। এক্ষেত্রে ইস্যু মূল্য বা নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) এবং ৫ শতাংশ মূল্যের মধ্যে যেটা বেশি সেই মূল্যে কোম্পানিগুলোকে শেয়ার বাইব্যাক করতে হবে। স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলোর গণহারে আইপিও অনুমোদন বন্ধ রাখা। শূন্য লভ্যাংশ দেয়া কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। বাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বুক বিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখা। বাংলাদেশ ব্যাংকের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করা। বিভিন্ন দেশে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের শাখা খোলা। অডিট ফার্মগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা। ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের মার্জিন লোনের সুদ মওকুফ করা। ইব্রাহীম খালেদের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারবাজার লুণ্ঠনকারীদের আইনের আওতায় আনা। সর্বশেষ ঐক্যপরিষদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা।   Source : মানব জমিন
  • মার্জিন ঋণধারীদের তালিকা সিআইবিতে যাচ্ছে না
    পুঁজিবাজারে এক কোটি টাকার বেশি মার্জিন ঋণধারী বিনিয়োগকারীদের তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবিতে যাচ্ছে না। বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংর্কাস এ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) ওই তালিকা সিআইবিতে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। গত সপ্তাহে বিএমবিএ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রস্তাব করেছিল। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, এ প্রস্তাবে তাঁরা সাড়া না দেয়ার কথা ভাবছেন। রবিবারে বিএমবিএর এ প্রস্তাবের কারণে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিকসূচক কমে যায় ৬৯ পয়েন্ট। তবে সোমবারে এ প্রস্তাব গ্রহণ করা হচ্ছে না, এমন আভাস ছড়িয়ে পড়ার পড়ে সোমবারে বাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা দেখা দেয়।জানা গেছে, বিএমবিএর প্রস্তাব এবং বাজারে তার প্রভাব নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতিনির্ধারকদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনা হয়। তাঁরা বিএমবিএর প্রস্তাবটিকে অসময়োচিত বলে মনে করছেন।তবে কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কমিশন বিএমবিএর প্রস্তাবটিতে বিবেচনার আগেই বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে এমন কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না, যাতে বাজারে প্রভাব পড়ে। আগামীতেও এমন সিদ্ধান্ত নেয়া থেকে কমিশন বিরত থাকবে। কমিশন মনে করেন, অনেক পরিশ্রমের পর বাজারে আস্থা ফিরে এসেছে তা বিনষ্ট হতে দেয়া যাবে না।এসব কারণে বিএমবিএর প্রস্তাবটি নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। যদিও বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ আতঙ্ক অনেকটাই অযৌক্তিক। এটি শুধুই প্রস্তাব পর্যায়ে আছে। বিএসইসি সেটি গ্রহণ করবে কি-না তা স্পষ্ট নয়। তাছাড়া ১ কোটি টাকার বেশি মার্জিন ঋণধারীর সংখ্যা খুব বেশি নয়।বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংর্কাস এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) চিঠিতে বলা হয়েছে, বড় ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে ঋণ আদায়ে আর কোন বিকল্প উপায় নেই তাঁদের। কিন্তু তাঁদের কাছ থেকে ওই ঋণ আদায় করা বেশ জরুরী। কারণ বিপুল পরিমাণ মার্জিন ঋণে বেশিরভাগ মার্চেন্ট ব্যাংকের অবস্থা বেশ নাজুক। চিঠিতে নিজস্ব পত্রকোষে (পোর্টফোলিও) বিনিয়োগের লোকসান এবং অনাদায়ী মার্জিন ঋণের বিপরীতে সঞ্চিতি রাখার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ছাড়ের মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়। এর জন্য বেশ কয়েকটি প্রস্তাব করা হয় ওই চিঠিতে।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) দেশের সব ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) ঋণগ্রহীতাদের তথ্য সংরক্ষণ করে। যে কোন ব্যাংক বা এনবিএফআইকে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেয়ার আগে বিআইবি থেকে ওই গ্রাহক সম্পর্কে তথ্য নিতে হয়। কোন গ্রাহক ঋণ খেলাপি হলে তাঁকে আর নতুন ঋণ দেয়া যায় না।মার্জিন ঋণ খেলাপি ব্যক্তির নাম সিআইবিতে অন্তর্ভুক্ত হলে তিনি ওই ঋণ শোধ না করা পর্যন্ত দেশের কোন ব্যাংক বা এনবিএফআই থেকে ঋণ নিতে পারবেন না। ওই বিনিয়োগকারী কোন কোম্পানির পরিচালক হয়ে থাকলে সে প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে আসার অনুমতি পাবে না।   Source : জনকণ্ঠ
  • পুঁজিবাজারে পতন থামলেও কমেছে লেনদেন
    অবশেষে পতন থেমেছে পুঁজিবাজারের। গতকাল দেশের দুই বাজারেই সূচকের উন্নতি হয়েছে। এর আগে টানা দু’দিন বড় মাত্রায় পতন হয় দুই পুঁজিবাজারে। সেই দু’দিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচক হারায় ১৩০ পয়েন্টের বেশি। গতকাল তা থেকে ৩৫ পয়েন্ট ফিরে পায় পুঁজিবাজারটি। সূচকের উন্নতি ঘটে চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারেও। সেখানে সার্বিক মূল্যসূচক ও সিএসসিএক্স সূচকের উন্নতি ঘটে যথাক্রমে ৮৮ দশমিক ৬০ ও ২৭ দশমিক ১২ পয়েন্ট। সূচকে গতকালের উন্নতি যথেষ্ট না হলেও তা বিনিয়োগকারীদের কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে। কারণ দুই সপ্তাহ ধরে পুঁজিবাজার সূচকের টানা অবনতিতে বাজারে সৃষ্টি হয় ক্ষোভ। বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের মতো কর্মসূচিও দিতে দেখা যায় বিনিয়োগকারীদের। সে তুলনায় গতকাল বাজার ছিল অপেক্ষাকৃত শান্ত। ব্রোকার হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের ট্রেডিং ফোরগুলোতে আগের মতো বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি দেখা না গেলেও যারা উপস্থিত ছিলেন তারা লেনদেনে কমবেশি অংশ নিয়েছেন। তবে কয়েকজন বিনিয়োগকারী অভিযোগ করেন, ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মতো বড় মূলধনী খাতগুলোর নামমাত্র মূল্যবৃদ্ধিই সূচকের উন্নতি ধরে রেখেছে। বাজারের টানা পতন থামাতে বরাবরই এ ধরনের কৌশল অবলম্বন করা হয় বলেই জানালেন কয়েকজন বিনিয়োগকারী। তাদের মতে, এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের ক্ষোভ সাময়িকভাবে প্রশমিত হলেও তাতে সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে মনে করার কোনো কারণ নেই। তাদের এ মনোভাবের পেছনে দায়ী বাজারটিতে লেনদেনের অবনতি। দু’দিন বড় দরপতনের পর সূচকের উন্নতি ঘটলেও কমেছে ডিএসইর লেনদেন। সোমবারের ৩৫৪ কোটি টাকা থেকে গতকাল আবার ডিএসইর লেনদেন নেমে আসে ৩৪৭ কোটিতে। বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের কারণেই লেনদেনের অবনতি ঘটেছে বলে মনে করেন পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্টরা। এ দিকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া হামিদ ফেব্রিক্স লিমিটেডকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ডিএসইর বোর্ড সভায় কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হয়। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে গত ৩০ অক্টোবর হামিদ ফেব্রিক্সের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানিটির আইপিওতে ১০৫ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে আবেদনকারীদের কাছ থেকে ৮৯১ কোটি টাকা বা সাড়ে ৮ গুণ আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে সাধারণ, তিগ্রস্ত ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ৮৪৬ কোটি ১৪ লাখ চার হাজার টাকা এবং প্রবাসীদের কাছ থেকে ৪৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে তিন কোটি শেয়ার ছেড়ে ১০৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩৫ টাকা। মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয় ২০০টি শেয়ারে। কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করে ঋণ পরিশোধ, ব্যবসায় সম্প্রসারণ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫.৫৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৪৬.৭৮ টাকা। ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই বাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টা এ প্রবণতা ধরে রাখে বাজারগুলো। তবে দিনের শেষভাগে ফের বিক্রয়চাপের শিকার হয়। এতে শুরুতে বৃদ্ধি পাওয়া সূচকের পুরোটা ধরে রাখা যায়নি। ঢাকায় আগের দিন লেনদেন শেষ করা ডিএসই সূচকের চার হাজার ৭৬৮ দশমিক ৯০ পয়েন্ট থেকে লেনদেন শুরু করলেও বেলা সাড়ে বারটার দিকে সূচকটি পৌঁছে যায় চার হাজার ৮৩৭ পয়েন্টে। অর্থাৎ দুই ঘণ্টায় ডিএসই সূচকের উন্নতি ঘটে প্রায় ৭০ পয়েন্ট। এর পরপরই বিক্রয়চাপের মুখে পড়ে বাজারটি। দিনের বাকি দুই ঘণ্টা এ চাপ অব্যাহত থাকলে প্রধান সূচকটির ৩৫ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট উন্নতি ধরে রেখে লেনদেন শেষ করে ডিএসই। বাজারটির অন্য দুই সূচক ডিএসই-৩০ ও শরিয়াহ সূচকের উন্নতি ঘটে যঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক থাক্রমে ১৮ দশমিক ৪৪ ও ৯ দশমিক ১৩ পয়েন্ট। ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মিউচুয়াল ফান্ডের মতো বড় মূলধনী খাতগুলোতে গতকাল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। বড় মূলধনী হওয়ার সুবাদে মূল্যবৃদ্ধির হার তেমন আশাব্যঞ্জক না হলেও তা দিনের সূচককে এগিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এর বাইরে অন্যান্য খাতগুলোতে গতকালও বিরাজ করে মিশ্র আচরণ। তবে দিনের মূল্যবৃদ্ধিতে এগিয়ে যায় কয়েকটি স্বল্প মূলধনী কোম্পানি। এদের মধ্যে ছিল ন্যাশনাল টি, মুন্নু স্টাফলার, জেমিনি সি ফুড, সমতা লেদারের মতো কোম্পানিগুলো। নিয়ন্ত্রক সংস্থার চাপে কয়েক দিন টানা সার্কিট ব্রেকারের সর্বনি¤œ পর্যায়ে লেনদেন হলেও গতকাল শাহজিবাজার পাওয়ার আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসে। লেনদেন শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ দরে পৌঁছে যায় কোম্পানিটি। সোমবার দিনের সার্কিট ব্রেকারের সর্বনি¤œ ২৩৫ টাকা দরে শেয়ারের কোনো ক্রেতা না থাকায় সারা দিনে মাত্র দুই হাজার শেয়ার লেনদেন করে কোম্পানিটি। এ দরে বিক্রেতা ছিল লাখের বেশি শেয়ার। অথচ গতকাল একই শেয়ার ২৫৫ টাকায় কিনতে চেয়েও অনেকে শেয়ার পাননি। বিক্রেতার অভাবে দিনের বেশির ভাগ সময় বন্ধ ছিল লেনদেন।   Source : নয়া দিগন্ত
  • হামিদ ফ্যাব্রিকসের তালিকাভুক্তির অনুমোদন
    শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করা বস্ত্র খাতের কোম্পানি হামিদ ফ্যাব্রিকস লিমিটেডকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। গতকাল ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানির আইপিওতে পাওয়া শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে আসার পর ডিএসইর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ হামিদ ফ্যাব্রিকসের লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করবে।গত ১২ জুলাই প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পায় হামিদ ফ্যাব্রিকস লিমিটেড। কোম্পানিটি তিন কোটি শেয়ার ছেড়ে ১০৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। কোম্পানির প্রতিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে শেয়ারের বিপরীতে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামের অনুমোদন দেয় শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এতে প্রতিটির শেয়ারের ইস্যুমূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩৫ টাকা।আইপিও সংগৃহীত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটির ঋণ পরিশোধ, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও আইপিওর খরচ খাতে ব্যয় করা হবে। হামিদ ফ্যাব্রিকসের ২০১৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৯৭ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ৪১ টাকা ১৪ পয়সা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বেছিল আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।   Source : বনিক বার্তা
  • আইপিওতে কোটা চায় ব্রোকারেজ হাউস
    মিউচুয়াল ফান্ডের মতো কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) বিশেষ কোটা সংরক্ষণ সুবিধা চায় ব্রোকার ডিলার প্রতিষ্ঠান। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সঙ্গে বৈঠকে শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউসগুলোর কর্মকর্তারা এ দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া শেয়ারদর বৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগসীমা সমন্বয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা, ডিএসইর নতুন ট্রেডিং সুবিধা, আর্থিক সমন্বয় সুবিধাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি ও নতুন ট্রেডিং প্লাটফর্ম প্রবর্তন বিষয়ে আলোচনার জন্য লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ৩০ ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে গতকাল এ বৈঠক ডাকে ডিএসই। বৈঠকে ডিএসইর পক্ষে ছিলেন ডিএসইর চেয়ারম্যান বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া, পরিচালক শাকিল রিজভী, ব্যবস্থাপনা পরিচালনা অধ্যাপক স্বপন কুমার বালাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। শীর্ষ ব্রোকারদের মধ্যে আইসিবি, লংকাবাংলা, আইডিএলসি, ব্র্যাক ইপিএল, ডিবিএল, এআইবিএল, এমটিবি, সিটি, এসইএস, রয়েল, ভিশন, পিএফআই সিকিউরিটিজসহ অন্যান্য ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।বৈঠকে শীর্ষস্থানীয় ব্রোকার ডিলারদের কয়েকজন প্রতিনিধি বলেন, মিউচুয়াল ফান্ডগুলো আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দ পেলেও ওইসব কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি ঠেকাতে কোনো ভূমিকা রাখে না। এমনকি প্রয়োজনের সময়ে বাজারে সহযোগিতাও করে না। ব্রোকার ডিলার প্রতিষ্ঠান যদি মিউচুয়াল ফান্ডের মতো আইপিওর কোটা পায়, তাহলে শেয়ারের দরবৃদ্ধির প্রবণতা রোধ করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারত বলে মত দেন তারা। পাশাপাশি এ কোটা সুবিধা ব্রোকার ডিলারদের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করবে, যা বাজারে ভূমিকা রাখতে সহায়তা করবে।সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ারের দরপতনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপেরও প্রভাব রয়েছে বলে মনে করে ব্রোকাররা। তারা বলে, নতুন করে বিনিয়োগ না করলেও কেবল শেয়ারদর বাড়ার কারণে ব্যাংক এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের আগের পোর্টফোলিও মূল্য স্বাভাবিক কারণেই বেড়ে যায়। কিন্তু এ বিষয় বিবেচনা না করেই পোর্টফোলিও মূল্য বাড়ায় শেয়ার বিক্রি করে বিনিয়োগসীমা সমন্বয়ের জন্য চাপ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে বিক্রির চাপ বেড়ে যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ প্রবণতা দীর্ঘদিন ধরে চলায় শেয়ারবাজার কোনোভাবেই স্থিতিশীলতা পাচ্ছে না।বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি শেয়ারবাজার অস্থিতিশীলতার জন্য নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিকে দায়ী করেন শীর্ষ ব্রোকার প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা বলেন, কিছু শেয়ারের মৌলভিত্তি তুলনামূলক ভালো হলেও কারসাজিকারীরা এসব কোম্পানির মূল্য সংবেদনশীল তথ্য আগে জেনে শেয়ার কেনেন। আর ওইসব তথ্যকে অতিরঞ্জিত করে বাজারে গুজব ছড়িয়ে অস্বাভাবিক হারে দর বাড়ান। পরে মুনাফা নিয়ে বের হয়ে গেলে ওইসব শেয়ারের দর কমতেও দেখা গেছে। এছাড়া অভিহিত মূল্যে তালিকাভুক্ত হওয়া কিছু শেয়ারের দরও অযৌক্তিক হারে বাড়ছে। এভাবে দরবৃদ্ধি প্রতিরোধে বিএসইসির ভূমিকা আরো জোরালো হওয়া উচিত বলেও মত দেন তারা।বৈঠক সূত্রে আরো জানা যায়, মার্চেন্ট ব্যাংকের ন্যায় মার্জিন ঋণ নেয়া গ্রাহকদের নগদ লভ্যাংশ ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে বিতরণের দাবি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এছাড়া বিনিয়োগ লোকসানের বিপরীতে প্রভিশনিংয়ের জন্য আরো এক বছরের ছাড় দাবি করে তারা।   Source : বনিক বার্তা
  • স্পট ও ব্লক মার্কেটে তিন কোম্পানি
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিন কোম্পানির আজ ও আগামীকাল স্পট ও ব্লক মার্কেটে লেনদেন হবে। কোম্পানিগুলো হলো— এটলাস বাংলাদেশ, শাহজিবাজার পাওয়ার ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ। ২৭ নভেম্বর রেকর্ড ডেটের কারণে এসব কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এটলাস বাংলাদেশ: কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সালের ৩০ জুন হিসাব বছরের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ১১ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৫ টাকা ৬ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ২১০ টাকা ৯৪ পয়সা।অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ১৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে নেট মুনাফা হয় ৩ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ২৯ পয়সা।শাহজিবাজার পাওয়ার: কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে। এ হিসাব বছরে এর কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৪৭ কোটি ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা, ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ১৩ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি এনএভি ২৮ টাকা ১৭ পয়সা। আগামী বছরের ২৯ জানুয়ারি বেলা ১১টায় হবিগঞ্জের মাধবপুরে কারখানা প্রাঙ্গণে এর এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ২৩ কোটি ৫৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ২ টাকা ১ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এর মুনাফা হয় ১৮ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৫৮ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • ম্যারিকো গ্রুপের চেয়ারম্যান আজ ঢাকায় আসছেন
    ম্যারিকো গ্রুপের চেয়ারম্যান হার্শ সি. মারিওয়ালা আজ এক সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় আসছেন। তিনি ঢাকায় ম্যারিকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পর্ষদ ও বোর্ড সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন। তিন যুগেরও বেশি সময়জুড়ে হার্শ মারিওয়ালার নেতৃত্বে ম্যারিকো সৌন্দর্য ও সেবার পরিসরে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে ম্যারিকো বাংলাদেশসহ এশিয়া ও আফ্রিকার দ্রুত বর্ধনশীল ২৫টিরও বেশি দেশে বহুমাত্রিক ব্র্যান্ড ক্যাটাগরিতে তার অবস্থান সমুন্নত করেছে। ম্যারিকোর ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে বিশেষ কয়েকটি হলো : প্যারাসুট, প্যারাসুট অ্যাডভান্সড, স্যাফোলা, সেটওয়েট, নিহার, লিভন অ্যান্ড হেয়ার কোড। বিশ্বব্যাপী ম্যারিকো ৭৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার ব্যবসা করে এবং গত পাঁচ বছরে ম্যারিকোর বার্ষিক টার্নওভারে সিএজিআর শতকরা ১৬ ভাগ এবং শতকরা ২০ ভাগ মুনাফা অর্জন করেছে। হার্শ সি. মারিওয়ালা ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং সিআইআইর সভাপতি ছিলেন। তিনি একাধারে এফএমসিজি কমিটির চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইয়াং প্রেসিডেন্ট অর্গানাইজেশন এবং ওয়ার্ল্ড প্রেসিডেন্টস অর্গানাইজেশনের অংশীদার।   Source : কালের কণ্ঠ
  • সরকারি প্রতিষ্ঠান তথ্য দেয় না
    বছরের পর বছর অনিয়ম করে যাচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। নিরীক্ষায় তা ধরাও পড়ছে। কিন্তু প্রতিকার মিলছে না। আপত্তির কিছু কিছু আদায় হলেও প্রতিবছরই অনাদায়ি থেকে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ টাকা।মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মাসুদ আহমেদ নিজেই বলেছেন, নিরীক্ষার সুপারিশ অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে না সংশ্লিষ্ট নির্বাহীরা। বিষয়টি সুশাসন ও সুষ্ঠু নিরীক্ষার পথে প্রধান অন্তরায়। তিনি আরও বলেন, নিরীক্ষার ক্ষেত্রে অডিট অধিদপ্তর তথা নিরীক্ষা দলকে এমনকি তথ্য দিয়েও সহযোগিতা করে না সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা নিরীক্ষা পর্যবেক্ষণের জবাব দেয় না এবং সময়মতো নথিপত্র সরবরাহ করে না।মাসুদ আহমেদ গতকাল সোমবার নিজ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। সুষ্ঠু নিরীক্ষার জন্য বিষয়গুলোকে সিএজি কার্যালয়ের চ্যালেঞ্জ বলেও মনে করেন তিনি।বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ওপর করা ১৭টি নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ২৭৪টি আপত্তি এবং এগুলোর বিপরীতে ছয় হাজার ১৯৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা আদায়ের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯২ দশমিক ৮৫ শতাংশ অর্থই অর্থ মন্ত্রণালয় এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জড়িত। গত জুনে রাষ্ট্রপতির কাছে দাখিলের পর গতকাল সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সিএজি কার্যালয়।যোগাযোগ করলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল অব বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘সিএজি কার্যালয় যেহেতু একটি সাংবিধানিক সংস্থা, তাই এর নিরীক্ষা কার্যক্রমে অসহযোগিতা করা সংবিধানেরই লঙ্ঘন।’ অসহযোগিতার কথা সিএজি মাসুদ আহমেদ যে সাহস করে বলছেন, এ জন্য বরং তাঁকে অভিবাদন জানান ইফতেখারুজ্জামান।ভারতে বোফর্স কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়েছিল নিরীক্ষা প্রতিবেদন থেকে। ১৭টি প্রতিবেদনের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে কত টাকার অনিয়ম হয়েছে—উল্লেখ করা হয়নি কেন—জানতে চাইলে মাসুদ আহমেদ জানান, ‘প্রতিরক্ষা খাতে অত বড় কেনাকাটা নেই। তবে উচ্চপদস্থ একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা শাস্তি পেয়েছেন এবং তাঁর কাছ থেকে অর্থও আদায় হয়েছে।’নিরীক্ষা কার্যালয় শুধু অনিয়ম দেখে, কিন্তু অনিয়ম দেখতে গিয়ে অনেক সময় নিজেরাই জড়িয়ে পড়ে দুর্নীতিতে। গত মার্চে নারায়ণগঞ্জে একটি নিরীক্ষা দল ঘুষ নিয়ে আবার তা ফেরতও দেয়। এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নেওয়া হলো—জানতে চাইলে সিএজি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা সজাগ আছি। আইনের আওতায় এনে শাস্তিযোগ্য করতে একটু সময় লাগছে শুধু।’প্রতিবেদন: প্রতিবেদনগুলো করা হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ; বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি); স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, বাংলাদেশ রেলওয়ে; বিদ্যুৎ বিভাগ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড; শুল্ক, রেয়াত ও প্রত্যর্পণ পরিদপ্তর; ২২টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ৩৮টি শাখা, স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর।এর মধ্যে একক সংস্থা হিসেবে সবচেয়ে বেশি দুই হাজার ৬২৮ কোটি ২৮ লাখ টাকার ২১টি আপত্তি উঠেছে বিটিআরসির বিরুদ্ধে। ওয়ারিদ ইন্টারন্যাশনালকে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম করেছে বিটিআরসি এবং চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করা সত্ত্বেও সংস্থাটি ওয়ারিদের পারফরম্যান্স গ্যারান্টি বাজেয়াপ্ত করেনি।বক্তব্য নেওয়ার জন্য বিটিআরসির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোসকে ফোনে পাওয়া যায়নি। বিষয় উল্লেখ করে খুদে বার্তা পাঠালেও কোনো জবাব দেননি তিনি।প্রতিবেদন অনুযায়ী রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী, রূপালী, জনতা, অগ্রণী, বেসিক, রাকাব, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) কাছ থেকে আদায়যোগ্য অর্থের পরিমাণ তিন হাজার ১২৪ কোটি টাকা।ঋণ পুনঃ তফসিল ও সুদ মওকুফ বিষয়ে জনতা ও রূপালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৮৮০ কোটি ৫৩ লাখ টাকার ২৮টি আপত্তি উঠেছে। একই বিষয়ে অগ্রণী ব্যাংকের বিরুদ্ধে রয়েছে ২৪ আপত্তিতে ৭১৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা ও সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২২ আপত্তিতে ৬৬৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা।জনতা ব্যাংকের এমডি আবদুস সালাম সম্প্রতি এই ব্যাংকে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, এত আগের বিষয় না দেখে তিনি কোনো মন্তব্য করতে পারছেন না।   Source : প্রথম আলো 
View All
Latest DSE News
  • RAHIMTEXT

    Credit Rating Information and Services Limited (CRISL) has rated the Company as &quot;A&quot; in the long term and &quot;ST-3&quot; in the short term along with a stable outlook based on audited financial statements of the Company up to June 30, 2014, unaudited financials up to September 30, 2014 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • DSE NEWS

    Today's (26.11.2014) Total Trades: 74,666; Volume: 74,707,043 and Turnover: Tk. 3,127.09 million.

  • Market - End of Day

  • OLYMPIC

    Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 27.11.2014.

  • ATLASBANG

    Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 27.11.2014.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
FAREASTFIN 14.30 13.20 1.10 8.33
HAKKANIPUL 29.80 28.20 1.60 5.67
ALLTEX 21.00 19.90 1.10 5.53
RUPALIBANK 59.90 57.40 2.50 4.36
SONARGAON 9.90 9.50 0.40 4.21
MIDASFIN 15.60 15.00 0.60 4.00
GLOBALINS 18.90 18.30 0.60 3.28
MEGHNACEM 131.70 127.70 4.00 3.13
DHAKAINS 27.40 26.60 0.80 3.01
MODERNDYE 83.80 81.50 2.30 2.82

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297