Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SAMATALETH 52.6 39.5 13.10 33.16
BBSCABLES 136.1 105.8 30.30 28.64
MONNOSTAF 839.6 662.7 176.90 26.69
MONNOCERA 51.4 41.5 9.90 23.86
KAY&QUE 98.7 82.7 16.00 19.35
AZIZPIPES 124.1 107.7 16.40 15.23
JMISMDL 210.5 183.1 27.40 14.96
FINEFOODS 48.9 42.7 6.20 14.52
UTTARABANK 31.7 28.1 3.60 12.81
BDAUTOCA 115.2 103.6 11.60 11.20

Contest SB2017_Aug

1st
blank_person
RAHAZANI
2nd
blank_person
GAMBLERBD
3rd
blank_person
BDSTOCKGAMBLER@GMAIL.COM
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
ACI 526.8 512.2 1.11203 340305.00
BBSCABLES 136.1 130.8 1.10546 4425610.00
BXPHARMA 107.6 106.1 1.05737 377027.00
BSRMLTD 138.1 135.2 0.98341 236405.00
ACMELAB 120.8 118.8 0.73559 1600300.00
Negative impact
ISLAMIBANK 32.7 33.9 -3.35807 2303900.00
PUBALIBANK 26.4 28.2 -2.97474 2630500.00
ICB 181.6 183.6 -2.19984 167614.00
LAFSURCEML 59.1 60 -1.81677 699369.00
BRACBANK 81.5 82.7 -1.78377 360229.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BBSCABLES 136.1 137.7 127 4.05% 591.02
IFADAUTOS 156.8 161.2 156.4 -2.73% 244.79
ACTIVEFINE 49.8 50.7 48.4 3.75% 234.29
ACMELAB 120.8 122 118.8 1.68% 193.52
ACI 526.8 528.8 515 2.85% 178.39
CITYBANK 40.9 42.3 40.7 -2.62% 142.63
CNATEX 12.7 13.5 12.6 -3.05% 140.10
RSRMSTEEL 81.2 81.8 77.5 6.28% 135.29
IFIC 19.2 19.9 19 -2.54% 114.16
LANKABAFIN 55 55.4 54.3 0.73% 107.77

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 20 Aug 2017

132688
TOTAL TRADE
213.0898
TOTAL VOLUME(Mn)
7689.25
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ব্লক মার্কেটে ফ্যামিলিটেক্সের দুই কোটি শেয়ার লেনদেন
     স্টাফ রিপোর্টার : ব্লক মার্কেটে আজ ৫টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে FAMILYTEX। এই কোম্পানি ১ লটেই ২০০০০০০০টি শেয়ার লেনদেন করেছে। ভেলুর দিক থেকে ও আজ সবচেয়ে বেশী লেনদেন হয়েছে FAMILYTEX। আর দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ‍EBL, তৃতীয় অবস্থানে আছে PUBALIBANK। সূত্র ডিএসই। এছাড়া BANKASIA,NURANI কোম্পানির ব্লকে লেনদেন হয়।
  • জেএমআই সিরিঞ্জের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : জেএমআই সিরিঞ্জের অস্বাভাবিক শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। কোম্পানির শেয়ারে অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চাইলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এমনটাই জানায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই)। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই গত ১৭ আগস্ট নোটিস পাঠায়। এর জবাবে কোম্পানিটি জানায়, কোনো রকম অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ার দর বাড়ছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ৭ আগস্ট থেকে জেএমআই সিরিঞ্জের শেয়ার দর টানা বেড়ে চলেছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারটির দর ১৮০ টাকা ২০ পয়সা থেকে বেড়ে সর্বশেষ ২১৭ টাকা ৫০ পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। আর শেয়ারটির এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন ডিএসই কর্তৃপক্ষ।
  • জিকিউ বলপেনের তথ্য নেই, তবুও দর বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার :  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাত কার্যদিবসের ব্যবধানে জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ১৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষের চিঠির জবাবে কোম্পানিটি জানিয়েছে, এর নেপথ্যে কোনো অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে ৭ আগস্ট জিকিউ বলপেনের শেয়ারদর ছিল ৯৫ টাকা ২০ পয়সা। ১৭ আগস্ট তা ১১৪ টাকায় উন্নীত হয়। ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১৮ মাসে সমাপ্ত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে জিকিউ বলপেন। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১৮ মাসে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৬ পয়সা। ৩০ জুন এর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায়  ১৫২ টাকা। সদ্যসমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই, ২০১৬-মার্চ, ২০১৭) শেয়ারপ্রতি ১ টাকা ১০ পয়সা আয় (ইপিএস) দেখিয়েছে কোম্পানিটি। যেখানে আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৯৯ পয়সা। ৩১ মার্চ এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৫৭ টাকা ৮৪ পয়সায়। এর আগে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন। ডিএসইতে এ শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ১১০ টাকা ৭০ পয়সা। গত এক বছরের শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ১১৫ টাকা ও সর্বনিম্ন ৬০ টাকা। সর্বশেষ অনিরীক্ষিত মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত ৭৭ দশমিক ৭৩।
  • জাহিন স্পিনিংয়ের লভ্যাংশ ও রাইট ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার :  জাহিন স্পিনিংয়ের পরিচালনা পর্ষদ জুন, ২০১৭ অর্থ  বছরের জন্য ১৫% স্টক ডিভিডেন্ট ঘোষণা করেছে। এছাড়া ১:১ অনুপাতে রাইট শেয়ার ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিচালনা পর্ষদ।  ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি ১০টাকা ইস্যু মূল্য  রাইটের মাধ্যমে ৯ কোটি ৮৫ লাখ ৫২ হাজার ৭০০  শেয়ার ছাড়ে  ৯৮ কোটি ৫৫ লাখ ২৭ হাজার টাকা উত্তোলন করবে। জাহিন স্পিনিং রাইট শেয়ারের মাধ্যমে উত্তোলিত টাকা যথাক্রমে ৭৬ কোটি ৬ লাখ ২৭ হাজার  ও  ১৫ কোটি টাকা বিদ্যমান প্রকল্প প্রসারে ও  ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসেবে ব্যয় করা হবে। বাকী  ৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে মেয়াদী ঋণ পরিশোধে। এছাড়া রাইটের কাজে ব্যয় করার জন্য ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। উল্লেখ্য, রাইট শেয়ার ইস্যুর বিষয়টি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষ।
  • বেয়ারিশ ক্যান্ডেলে শেষ হল মার্কেট, মার্কেট নিউজ টুইটস : ২.৩০ মিনিট
      মার্কেটে বিক্রয় চাপ থাকায় আজকে আগের দিনের চেয়ে নিচে অবস্থান করছে সূচক। বেয়ারিশ ক্যান্ডেল দেখা গেছে বাজারে। LAFSURGE  এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন, মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩০ মিনিট ঠিক ১.৩০ টায় LAFSURGE এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( 60 TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 2483000 TK। নিম্নমুখী গতিতে এগোচ্ছে মার্কেট, মার্কেট নিউজ টুইটস : ১২.৩০ মিনিট মার্কেট নিম্নমুখী অবস্থায় আছে। সেল প্রেশার যাচ্ছে অনেক। মার্কেট দোটানায় চলছে, মার্কেট নিউজ টুইটস : ১১.৩০ মিনিট মার্কেটে শুরুতে উপরে থাকলেও একটু সেল প্রেশার দেখা যাচ্ছে। আপাতত দোটানায় চলছে মার্কেট। মার্কেটে বিক্রয় চাপ থাকতে পারে, মার্কেট নিউজ টুইটস : ১০.৩০ মিনিট মার্কেটে হালকা সেল প্রেশার থাকতে পারে। গত দিন মার্কেট সাপোর্টের নিচে শেষ হয়েছিল। ফলে মার্কেটে আজকে বিক্রয় চাপ থাকতে পারে।   পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে সাবমেরিন কেবলের দ্বিগুণ মুনাফা বৃদ্ধি সম্ভাবনা ঘোষণার অপেক্ষায় ২টি কোম্পানি ফারইস্ট ইসলামী লাইফের লভ্যাংশ ঘোষণা আয় বৃদ্ধির শীর্ষে বাটা শু, সর্বনিম্নে হাইডেলবার্গ এপেক্স ট্যানারির লভ্যাংশ ঘোষণা উল্লেখযোগ্য কিছু বিভাগসমুহ এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ব্রোকারেজ হাউজ সম্পর্কে জানুন পুজিবাজার শিক্ষা টিউটোরিয়াল কর্নার এক্সুসিভ সাক্ষাৎকার সমূহ পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সাবমেরিন কেবলের দ্বিগুণ মুনাফা বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : ভারতের বাজারে ব্যান্ডউইডথ রফতানি, স্থানীয় কোম্পানিতে আইপিএলসি (ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিজ সার্কিট) ভাড়া বৃদ্ধি ও আইপি ট্রানজিট সার্ভিসে সফলতা পাওয়ায় সর্বশেষ হিসাব বছরে আগের বছরের তুলনায় মুনাফা প্রায় দ্বিগুণে উন্নীত হয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল)। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে প্রায় ৩৩ কোটি টাকার করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ কোম্পানিটির, আগের বছর যা ছিল ১৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকায়। গতকাল বিএসসিসিএলের পরিচালনা পর্ষদের সভায় সর্বশেষ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ কথা জানিয়েছে কোম্পানিটি। সভায় সর্বশেষ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার সুপারিশ করেছে এর পর্ষদ। কোম্পানির কর্মকর্তারা বলছেন, সাবমেরিন কেবলে টেকনিক্যাল সমস্যা হলে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় একটা সময় স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আমদানিনির্ভর ছিল। এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসায় স্থানীয় পর্যায়ে আইপিএলসি বিক্রি বেড়েছে। পাশাপাশি ভারতের বাজারে ব্যান্ডউইডথ রফতানি শুরু হওয়ায় মুনাফা বেড়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল চালু হওয়ায় কোম্পানির মোট বিক্রিতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ হিসাব বছরে সাবমেরিন কেবলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৩ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১ টাকা। ৩০ জুন শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ৩৬ টাকা ৪৪ পয়সা, ২০১৬ সালের ৩০ জুন যা ছিল ৩৩ টাকা ৯৫ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট নগদ প্রবাহ (এনওসিএফ) দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ২০ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১ টাকা ৭৬ পয়সা। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডা  অনুমোদনে আগামী ৭ অক্টোবর পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় অবস্থিত দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের ল্যান্ডিং স্টেশনে বার্ষিক সাধারণ সভা (্এজিএম) আয়োজন করবে কোম্পানিটি। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারিত হয়েছে ২০ সেপ্টেম্বর। এদিকে ভারতে রফতানি শুরু করার পর মিয়ানমার, ভুটান ও কম্বোডিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একাধিক দেশে  ব্যান্ডউইডথ রফতানির জন্য অবকাঠামো উন্নয়নে সম্প্রতি সিঙ্গাপুরভিত্তিক ব্লুবেরি টেলিকম প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একটি কোম্পানি গঠন করেছে বিএসসিসিএল। কোম্পানিটির ১০ শতাংশ মালিকানা থাকবে সরকারের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানটির হাতে। কোম্পানিটি আশা করছে, এ অবকাঠামো থেকে বিএসসিসিএল বছরে প্রায় ৫ কোটি টাকা আয় করতে পারবে। এর বাইরে ব্যান্ডউইডথ রফতানি করে বছরে অন্তত ১২ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব হবে। অবকাঠামো প্রকল্প সম্পর্কে তারা জানান, ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ সাবমেরিন কেবল লাইনটি কক্সবাজার থেকে মিয়ানমারের বন্দরনগরী সিত্তি পর্যন্ত যাবে। এতে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয় ধরা হয়েছে। কেবল স্থাপনের কাজটি শেষ হতে অন্তত ছয়মাস সময় লাগবে। এ কেবলের মাধ্যমে ১০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ রফতানি কিনবে মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও ভুটান। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে মিয়ানমারই চুক্তিকৃত ১০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ আমাদের কাছ থেকে ক্রয় করবে। পরবর্তীতে তা  মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া মিলে ব্যবহার করবে। উল্লেখ্য, দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের সুবাদে বিএসসিসিএলের সক্ষমতা ২০০ থেকে প্রায় দেড় হাজার জিবিপিএসে উন্নীত হয়েছে। বর্তমান বাস্তবতায় স্থানীয় বাজারে প্রথম সাবমেরিন কেবলের পূর্ণ সক্ষমতারও সদ্ব্যবহার করতে পারছে না কোম্পানিটি। ভবিষ্যত্ চাহিদার কথা মাথায় রেখে সংযোজিত অতিরিক্ত ব্যান্ডউইডথ রফতানির মাধ্যমে কোম্পানির আয় বাড়ানোর নীতিগত অবস্থান নিয়েছে সরকারের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি। বিএসসিসিএল ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বাজারে ১০জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ রফতানি করছে, যেখান থেকে বছরে প্রায় ১০ কোটি টাকা আয় হচ্ছে। ডিএসইতে সর্বশেষ ১১৮ টাকা ৩০ পয়সায় বিএসসিসিএলের শেয়ার হাতবদল হয়। গত একবছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১০৭ টাকা ও সর্বোচ্চ দর ছিল ১৩৫ টাকা ৯০ পয়সা। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল বিএসসিসিএল। ২০১২ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিএসসিসিএলের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৬৪ কোটি ৯০ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানির রিজার্ভ আছে ৩২২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। মোট  শেয়ার ১৬ কোটি ৪৯ লাখ ৫ হাজার ৫১০টি। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের কাছে ৭৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১২ দশমিক ২০, বিদেশী বিনিয়োগকারী ২ দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ১১ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ার।
  • সম্ভাবনা ঘোষণার অপেক্ষায় ২টি কোম্পানি
    স্টাফ রিপোর্টার : চলতি সপ্তাহে আরএসআরএম স্টিল, রিলায়েন্স ওয়ান ফান্ড বোর্ড  সবার ঘোষণা দিয়েছে। সভায় ৩০ জুন, ২০১৭ পর্যন্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগাকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। আরএসআরএম স্টিলের বোর্ড সভা ২৪ আগস্ট, বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা পর্যালোচনা করে বিনিয়োগাকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। রিলায়েন্স ওয়ান ফান্ডের ট্রাস্টি সভা ২৪ আগস্ট, দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগাকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • জাহিন স্পিনিং ও সাবমেরিন ক্যাবলসের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : জাহিন স্পিনিং মিলস লিমিটেড ও বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল লিমিটেড (বিএসসিসিএল) বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় শনিবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জাহিন স্পিনিং মিলস লিমিটেড : বস্ত্র খাতের কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩৯ টাকা ও শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৪.০৭ টাকা। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৫ অক্টোবর এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল লিমিটেড : পরিচালনা পর্ষদ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৩ পয়সা, আগের বছরে ছিল ১ টাকা। আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৬ টাকা ৪৪ পয়সা এবং ২০১৬ সালের ৩০ জুন যা ছিল ৩৩ টাকা ৯৫ পয়সা। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৭ অক্টোবর এবং রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে ২০ সেপ্টেম্বর। ভারতের বাজারে ব্যান্ডউইডথ রফতানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পাওয়ায় সর্বশেষ হিসাব বছরে আগের বছরের তুলনায় মুনাফা প্রায় দ্বিগুণে উন্নীত হয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে প্রায় ৩৩ কোটি টাকার করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ কোম্পানিটির, আগের বছর যা ছিল ১৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
  • তিনটি দেশ সাবমেরিন ক্যাবলসের ব্যান্ডউইথ কিনতে আগ্রহী
    ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১০০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ নিতে চায় মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া। এজন্য একটি লিংক তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। ওই তিনটি দেশ সি-মি-উই-ফোর সাবমেরিন ক্যাবল থেকে সরাসরি ব্যান্ডউইথ নিতে আগ্রহী বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে প্রধান লিংক গ্রহণকারী দেশ হতে চায় মিয়ানমার বলে জানিয়েছেন বাংলদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার আমাদের কাছ থেকে ১০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ নিতে চায়। ওই পরিমাণ ব্যান্ডউইথ মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া মিলে ব্যবহার করবে। তিনি জানান, সি-মি-উই-ফোর সাবমেরিন ক্যাবল থেকে লিংক তৈরির কাজ চলছে। সাবমেরিন ক্যাবল থেকে মিয়ানমার কাছে হওয়ায় লিংক তৈরির কাজ সহজ হবে। এই লিংক সরাসরি মিয়ানমারকে যুক্ত করবে। মিয়ানমার থেকে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া ব্যান্ডউইথ নেবে। তিনি মনে করেন, এই লিংক তৈরি করে ব্যান্ডউইথ দেওয়া হলে মিয়ানমার, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া হবে বাংলাদেশের ব্যান্ডউইথের সবচেয়ে বড় বাজার। এদিকে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল তথা সি-মি-উই-ফাইভের সঙ্গে যুক্ত হলে শিগগিরই ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পাবে। ব্যাংকলিংক তৈরির কাজ শেষ না হওয়ায় সি-মি-উই-ফাইভের ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করতে পারছে না বাংলাদেশ। ভুটানের প্রস্তাবিত ২.৫ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ রফতানির উদ্যোগও এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এজন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম শিগগিরই কলকাতা যাচ্ছেন। তিনি সেখানে পাওয়ার গ্রিড করপোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড (পিজিসিআইএল) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে বিএসসিসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পিজিসিআইএল-এর ভুটান পর্যন্ত ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সংযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ চাইবে ওই ক্যাবল ব্যবহার করে ভুটানে ব্যান্ডউইথ পৌঁছতে। এখন দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ভুটান ২.৫ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ নিয়ে আমদানি শুরু করতে চায়। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী তা বাড়তেও পারে। জানা গেছে, ভুটানে ব্যান্ডউইথ রফতানির জন্য দু’টি পথ (ব্যান্ডউইথ পরিবহনের জন্য) প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। একটি পথ হলো পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা হয়ে, অন্যটি রংপুর হয়ে। পিজিসিআইএল-এর সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত হলে পথ নির্বাচনও চূড়ান্ত হবে। বিএসসিসিএল সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশকে ব্যান্ডউেইথের দাম কমাতে বলেছে ভারত। বাংলাদেশ ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ভারতে রফতানি করে জিবিপিএস প্রতি আয় করে ১০ হাজার ডলার। ভারত এই দাম ৯ হাজার ডলারের নিচে করার প্রস্তাব দিয়েছে। ভারতের রাষ্ট্রীয় টেলিযোগাযোগ কোম্পানি বিএসএনএল (ভারতীয় সঞ্চার নিগম লিমিটেড) বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যান্ডউইথ রফতানি চুক্তির বিষয়টি রিভিউ করতে বলেছে বলে জানিয়েছেন মো. মনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে এই চুক্তি হয়েছিল ৩ বছরের জন্য। এরই মধ্যে প্রায় দেড় বছর পার হয়েছে। চুক্তিতে ছিল প্রতি বছর ব্যান্ডউইথের দাম রিভিউ করা হবে। যেহেতু দেড় বছরের মতো সময় পার হয়েছে ফলে এই প্রসঙ্গটি উঠে এসেছে। মনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা মূল্য না কমিয়ে ব্যান্ডউইথের সরবরাহ বাড়িয়ে বর্তমান আয়ের পরিমাণ ধরে রাখতে চাই। এই প্রস্তাব আমরা বিএসএনএল-কে দেবো। তারা রাজি হলে পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হওয়া যাবে। তবে কী পরিমাণ ব্যান্ডউইথ বাড়ানো হবে সে বিষয়ে তিনি এখনই কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর ভারত সফরে এ বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে মো. মনোয়ার হোসেন ইঙ্গিত দেন। উল্লেখ্য, সি-মি-উই-ফোর সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে এখন বাংলাদেশ পাচ্ছে ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ। এর মধ্যে ব্যবহার হচ্ছে ২২০ জিবিপিএস, যা সরবরাহ করছে বিএসসিসিএল। তবে দেশে মোট ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের পরিমাণ ৪৪০ জিবিপিএস। বাকি ২২০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করছে দেশের ৬টি আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল) প্রতিষ্ঠান যার পুরোটাই আমদানি নির্ভর। এই পরিমাণ ব্যান্ডউইথ ৬টি আইটিসি ভারত থেকে আমদানি করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরায় ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডইউথ রফতানি করছে।
  • ফারইস্ট ইসলামী লাইফের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ২০ শতাংশ স্টক এবং ১৫ শতাংশ নগদসহ মোট ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় সমাপ্ত অর্থ বছরের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায়, তোপখানা রোডে ফারইস্ট টাওয়ারে এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • আয়কর তথ্য কোথায় কী খরচ করেন জানাতে হবে
    আপনি বেশি আয় করেন। স্বাভাবিকভাবেই আপনি বেশি খরচ করবেন। তাই আপনার সার্বিক জীবনযাত্রার ব্যয়ও অনেক বেশি হবে। এই জীবনযাত্রার ব্যয়বিবরণী দেখেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আপনার আয়, সামাজিক মর্যাদা—এসব সম্পর্কে ধারণা পায়। এ জন্য প্রতিবছর আয়কর বিবরণী জমার সময় জীবনযাত্রার ব্যয়বিবরণীও দিতে হয়। একজন করদাতার আয় ও খরচের চিত্র পাওয়া যায় এখান থেকেই। হয়তো করদাতা ছোট চাকরি করেন, বেতন-ভাতাও কম। কিন্তু বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। ব্যয়বিবরণীতে এসব ধরা পড়ে। গত দুই অর্থবছর ধরে এনবিআর কর ফাঁকিবাজ ধরার কৌশল বদলে ফেলেছে। আগে সব করদাতার সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। গত মৌসুম থেকে ২০ লাখ টাকার কম সম্পদ থাকলে সম্পদ বিবরণী জমা বাধ্যতামূলক নয়। এবার তা বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। এনবিআর এখন সম্পদের চেয়ে ব্যয়বিবরণীর দিকে বেশি নজর দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। বার্ষিক খরচের বিবরণীতে তথ্য দিতে এক পৃষ্ঠার একটি  নির্দিষ্ট ফরম আছে। ওই ফরমের প্রথমেই করদাতার খাদ্য, বস্ত্র ও অন্য নিত্যপণ্যে ১২ মাসে খরচ কত হলো, সেটা লিখতে হবে। বাড়ি-গাড়ি আপনি যদি ভাড়া থাকেন, তবে এক বছরে বাসাভাড়া কত দিলেন, তা-ও উল্লেখ করতে হবে। কোনো করদাতা যদি কম বেতনের চাকরি করেন; কিন্তু গুলশান, বনানী, ধানমন্ডির মতো অভিজাত এলাকায় লাখ টাকার ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। তাহলে ওই করদাতার আয় নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। একইভাবে করদাতার গাড়ি থাকলে গাড়ির চালকের বেতন, জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণসহ যাবতীয় খরচের হিসাব দিতে হবে। অনেক বড় ব্যবসায়ী নিজের সম্পদ ও ব্যয়বিবরণীতে গাড়ি দেখান না। কর এড়ানোর কৌশল হিসেবে বড় বড় ব্যবসায়ী নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নামে গাড়ি দেখান। এমনকি চালকের বেতন ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচও প্রতিষ্ঠানের নামে দেখান। গৃহস্থালি গৃহস্থালি ও সেবা বাবদ খরচও আপনাকে বার্ষিক ব্যয়বিবরণীতে জমা দিতে হবে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, পয়োনিষ্কাশন, দৈনন্দিন বর্জ্য অপসারণ, টেলিফোন বিল এই খাতে দেখাতে হয়। এমনকি ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখার জন্য মাসিক বিলও এই খাতে হয়। এ ছাড়া গৃহস্থালির কাজ করার জন্য গৃহকর্মীকে মাস শেষে যে টাকা দেওয়া হয়, তা-ও এর আওতাভুক্ত। শিক্ষা সন্তানদের শিক্ষাব্যয়ের তথ্যও ব্যয়বিবরণীতে দিতে হয়। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল কিংবা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্তানকে পড়ালে এর টিউশন ফি বাবদ খরচও দেখাতে হবে। এতে কোনো করদাতার বৈধ আয়ের সঙ্গে সন্তানের পড়াশোনার ব্যয়ের মধ্যে অসংগতি থাকলে তা উঠে আসবে। বিনোদন আপনি যদি নিয়মিত দেশের অভ্যন্তরে কিংবা বিদেশে নিয়মিত যাতায়াত করেন কিংবা দেশের বাইরে ঘুরতে যান, সেই খরচও দেখাতে হবে। উৎসব, পার্টি কিংবা অন্য কোনো আয়োজন করলে এর খরচ বিবরণী দিতে হবে। আবার কাউকে মানবিক সাহায্য করলেন কিংবা স্কুল-কলেজ ও অন্য দাতব্য প্রতিষ্ঠানে অনুদানের খরচও এই খাতের অন্তর্ভুক্ত। কর করদাতার দেওয়া করও একধরনের খরচ। কোনো করদাতা যদি উৎসে কর দেন, তা-ও খরচ বিবরণীতে দেখাতে হবে। যেমন স্থায়ী আমানতের সুদের বিপরীতে কাটা উৎসে কর। বছর শেষে যে আয়কর দেন, সেটাও খরচ। বার্ষিক মোট ব্যয় ও কর মিলিয়েই খরচ বিবরণী তৈরি করতে হয়। Source: আপনি বেশি আয় করেন। স্বাভাবিকভাবেই আপনি বেশি খরচ করবেন। তাই আপনার সার্বিক জীবনযাত্রার ব্যয়ও অনেক বেশি হবে। এই জীবনযাত্রার ব্যয়বিবরণী দেখেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আপনার আয়, সামাজিক মর্যাদা—এসব সম্পর্কে ধারণা পায়। এ জন্য প্রতিবছর আয়কর বিবরণী জমার সময় জীবনযাত্রার ব্যয়বিবরণীও দিতে হয়। একজন করদাতার আয় ও খরচের চিত্র পাওয়া যায় এখান থেকেই। হয়তো করদাতা ছোট চাকরি করেন, বেতন-ভাতাও কম। কিন্তু বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। ব্যয়বিবরণীতে এসব ধরা পড়ে। গত দুই অর্থবছর ধরে এনবিআর কর ফাঁকিবাজ ধরার কৌশল বদলে ফেলেছে। আগে সব করদাতার সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। গত মৌসুম থেকে ২০ লাখ টাকার কম সম্পদ থাকলে সম্পদ বিবরণী জমা বাধ্যতামূলক নয়। এবার তা বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। এনবিআর এখন সম্পদের চেয়ে ব্যয়বিবরণীর দিকে বেশি নজর দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। বার্ষিক খরচের বিবরণীতে তথ্য দিতে এক পৃষ্ঠার একটি  নির্দিষ্ট ফরম আছে। ওই ফরমের প্রথমেই করদাতার খাদ্য, বস্ত্র ও অন্য নিত্যপণ্যে ১২ মাসে খরচ কত হলো, সেটা লিখতে হবে। বাড়ি-গাড়ি আপনি যদি ভাড়া থাকেন, তবে এক বছরে বাসাভাড়া কত দিলেন, তা-ও উল্লেখ করতে হবে। কোনো করদাতা যদি কম বেতনের চাকরি করেন; কিন্তু গুলশান, বনানী, ধানমন্ডির মতো অভিজাত এলাকায় লাখ টাকার ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। তাহলে ওই করদাতার আয় নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। একইভাবে করদাতার গাড়ি থাকলে গাড়ির চালকের বেতন, জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণসহ যাবতীয় খরচের হিসাব দিতে হবে। অনেক বড় ব্যবসায়ী নিজের সম্পদ ও ব্যয়বিবরণীতে গাড়ি দেখান না। কর এড়ানোর কৌশল হিসেবে বড় বড় ব্যবসায়ী নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নামে গাড়ি দেখান। এমনকি চালকের বেতন ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচও প্রতিষ্ঠানের নামে দেখান। গৃহস্থালি গৃহস্থালি ও সেবা বাবদ খরচও আপনাকে বার্ষিক ব্যয়বিবরণীতে জমা দিতে হবে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, পয়োনিষ্কাশন, দৈনন্দিন বর্জ্য অপসারণ, টেলিফোন বিল এই খাতে দেখাতে হয়। এমনকি ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখার জন্য মাসিক বিলও এই খাতে হয়। এ ছাড়া গৃহস্থালির কাজ করার জন্য গৃহকর্মীকে মাস শেষে যে টাকা দেওয়া হয়, তা-ও এর আওতাভুক্ত। শিক্ষা সন্তানদের শিক্ষাব্যয়ের তথ্যও ব্যয়বিবরণীতে দিতে হয়। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল কিংবা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্তানকে পড়ালে এর টিউশন ফি বাবদ খরচও দেখাতে হবে। এতে কোনো করদাতার বৈধ আয়ের সঙ্গে সন্তানের পড়াশোনার ব্যয়ের মধ্যে অসংগতি থাকলে তা উঠে আসবে। বিনোদন আপনি যদি নিয়মিত দেশের অভ্যন্তরে কিংবা বিদেশে নিয়মিত যাতায়াত করেন কিংবা দেশের বাইরে ঘুরতে যান, সেই খরচও দেখাতে হবে। উৎসব, পার্টি কিংবা অন্য কোনো আয়োজন করলে এর খরচ বিবরণী দিতে হবে। আবার কাউকে মানবিক সাহায্য করলেন কিংবা স্কুল-কলেজ ও অন্য দাতব্য প্রতিষ্ঠানে অনুদানের খরচও এই খাতের অন্তর্ভুক্ত। কর করদাতার দেওয়া করও একধরনের খরচ। কোনো করদাতা যদি উৎসে কর দেন, তা-ও খরচ বিবরণীতে দেখাতে হবে। যেমন স্থায়ী আমানতের সুদের বিপরীতে কাটা উৎসে কর। বছর শেষে যে আয়কর দেন, সেটাও খরচ। বার্ষিক মোট ব্যয় ও কর মিলিয়েই খরচ বিবরণী তৈরি করতে হয়।Source: prothom-alo   
  • বাণিজ্য ঘাটতি ছয় বছরে সর্বোচ্চ
      ২০ আগস্ট ২০১৭, ০১:৩৪ প্রিন্ট সংস্করণ     দেশের পণ্য ও সেবা উভয় বাণিজ্যেই ঘাটতির পরিমাণ বেড়েছে। তাই সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতি ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থায় পৌঁছেছে। মূলত রপ্তানির বিপরীতে গেল অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ পাঁচ গুণ বেশি হওয়ায় বড় ধরনের বাণিজ্য ঘাটতির মুখে পড়েছে দেশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গেল অর্থবছরে আমদানি ৯ শতাংশ এবং রপ্তানি ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়েছে। অর্থের হিসাবে ৪ হাজার ৩৫০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি হয়। বিপরীতে পণ্য রপ্তানি হয় ৩ হাজার ৪০১ কোটি ডলারের। ফলে সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৯৪৭ কোটি ডলার। তার আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৬৪৬ কোটি ডলার। সেই হিসাবে গেল অর্থবছরে ঘাটতি ৪৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেড়েছে। বিদায়ী অর্থবছরের ৯৪৭ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি গত ছয় অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে এটি চলতি দশকের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ঘাটতি। তার আগে ২০১০-১১ অর্থবছরে ৯৯৩ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছিল। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান গত রাতে বলেন, ‘সব সময়ই আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি থাকে। গত অর্থবছরে সেটি বেড়ে গেছে। এতে করে আমাদের বহিঃখাত কিছুটা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এ জন্য বৈদেশিক মুদ্রার দর ও রিজার্ভের ওপর চাপ বাড়বে।’ অবশ্য এক বছরের পরিসংখ্যান দিয়েই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না বলে মনে করেন মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, রপ্তানিতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হবে। রেমিট্যান্সকে অপ্রাতিষ্ঠানিক থেকে প্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়ে আসার কাজে হাত দিতে হবে। এদিকে বিদায়ী অর্থবছরে সেবা খাতে ৩২৮ কোটি ডলার ঘাটতি হয়েছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সেবা খাতের ঘাটতি ছিল ২৭০ কোটি ডলার। সেই হিসাবে গত অর্থবছরে সেবা খাতের ঘাটতি বেড়েছে সাড়ে ২১ শতাংশ। তবে গত অর্থবছরে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ২৯৮ কোটি ডলার, যা তার আগের অর্থবছরে ছিল ২৫০ কোটি ডলার। অন্যদিকে প্রবাসী আয় কমে যাওয়ায় চলতি হিসাব ভারসাম্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৪৮ কোটি ডলার। তার আগের অর্থবছরে এই হিসাবে ৪২৬ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত ছিল। সাধারণভাবে চলতি হিসাবের মাধ্যমে দেশের নিয়মিত বৈদেশিক লেনদেন পরিস্থিতি বোঝানো হয়। আমদানি-রপ্তানিসহ অন্যান্য নিয়মিত আয়-ব্যয় এতে অন্তর্ভুক্ত থাকে। এখানে উদ্বৃত্ত হলে চলতি লেনদেনের জন্য দেশকে ঋণ করতে হয় না।  Source: prothom-alo
  • বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ ব্যাংক মূলধনের ২৫ ভাগের বেশি ঋণ প্রস্তাব নাকচ
    প্রিন্টঅঅ-অ+ বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ ব্যাংক মূলধনের ২৫ ভাগের বেশি ঋণ প্রস্তাব নাকচ ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন সংক্রান্ত কমিটির রিপোর্ট * সরকারের গ্যারান্টি থাকলে ঋণের পরিমাণ বাড়তে পারে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের জন্য ব্যাংকের মোট মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি ঋণ নিতে পারবেন না কোনো উদ্যোক্তা। এ বিষয়ে যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল তা নাকচ করে দিয়েছে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন সংক্রান্ত কমিটি। তবে সরকারের গ্যারান্টি থাকলে আইন মেনে ২৫ শতাংশের বেশি ঋণ দেয়া যেতে পারে।এক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের প্রয়োজন হবে না। বিদ্যুৎ খাতে বড় ঋণ দেয়ার ব্যাপারে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনে সরকার গঠিত কমিটি সম্প্রতি এ রিপোর্ট দিয়েছে। বিদ্যুৎ খাতে বড় ঋণ পেতে ব্যাংক কোম্পানি আইন কোনো বাধা সৃষ্টি করবে কিনা, তা যাচাইয়ে একটি কমিটি করেছিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এ তথ্য।কমিটির প্রধান অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জালাল আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের প্রয়োজন হবে না। সরকারের গ্যারান্টি থাকলে বিদ্যুৎ খাতে একক কোনো উদ্যোক্তা বড় অঙ্কের ঋণ নিতে পারবেন। তা ব্যাংক মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশিও হতে পারে। এছাড়া সিন্ডিকেশনের মাধ্যমে ঋণ নিতে পারবেন উদ্যোক্তারা। তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগে ব্যাংক কোম্পানি আইন বাধা সৃষ্টি করছে- এ ধরনের কোনো অভিযোগও করেননি কেউ।জানা গেছে, বর্তমানে ব্যাংক মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি ঋণ না দেয়ার নিয়ম বহাল রয়েছে। সরকারের গঠিত কমিটি নতুন কোনো সংশোধন করেনি। আগের নিয়ম বহাল রেখেই সরকারকে রিপোর্ট দিয়েছে।ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ (২০১৩ পর্যন্ত সংশোধিত)-এর ২৬(খ)১ ধারা অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপকে একটি ব্যাংকের মূলধনের মোট ২৫ শতাংশের সমান অর্থ এককভাবে একজন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপ কোম্পানিকে ঋণ দিতে পারে। তবে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিশেষ করে সরকারের কার্যাদেশের বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ প্রকল্পের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশের বেশি ঋণ দেয়ার বিধান রয়েছে। এ ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে অবশ্যই বহুজাতিক বা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যাংক এবং সরকারের গ্যারান্টি ঋণ গ্রহীতার পক্ষে থাকতে হবে। বিদ্যুৎ খাতের উদ্যোক্তারাও সেই অনুযায়ী ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকেন।জানা গেছে, বিদ্যুৎ খাতের উদ্যোক্তাদের কেউ কেউ একটি ব্যাংকের কাছেই বড় অঙ্কের ঋণ চাইছেন। চলতি বছরের শুরুতে একাধিক উদ্যোক্তা একক হিসেবে ব্যাংকে মোট মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি ঋণ চেয়েছেন।সম্প্রতি ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের নিয়ে সভা করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।ওই সভায় প্রতিমন্ত্রী জানিয়ে দেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে হবে। এ সময় ব্যাংকের নির্বাহীরা জানান, এ পরিমাণ ঋণ দিতে হলে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি ঋণ দিতে হবে। কারণ রাষ্ট্রায়ত্ত সব ব্যাংকের একসঙ্গে মোট মূলধনের ২৫ শতাংশের পরিমাণ ২০ হাজার কোটি টাকা হবে না। ফলে আইন অনুযায়ী এ পরিমাণ ঋণ দেয়ার সুযোগ নেই। এ ঋণ দিতে হলে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করে একক ব্যক্তি ঋণ দেয়ার পরিমাণ ব্যাংকের মোট মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি নির্ধারণ করতে হবে।এরপর ৪ জুলাই ব্যাংক কোম্পানি আইনের পর্যালোচনার জন্য কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ খাতে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগের সুবিধার্থে ব্যাংক কোম্পানি আইন কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে কিনা, তা পরীক্ষা করে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দাখিলের জন্য কমিটি গঠন করা হল। কমিটির প্রধান করা হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জালাল আহমেদকে। কমিটিতে সংশ্লিষ্ট সব নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে সদস্য করা হয়েছে। এ কমিটি কয়েকটি বৈঠক করেছে। এরপর বর্তমান বিধান বহাল রেখেই কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের ব্যাপারে মতামত সম্প্রতি পাঠানো হয়েছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে। সেখানে বলা হয়, গ্রাহকের কাছ থেকে চুক্তিভিত্তিক আমানত গ্রহণ করে ব্যাংকগুলো। এরপর লোকসান হলেও পূর্বনির্ধারিত হারেই সুদ পরিশোধ করতে হয়। ফলে ব্যাংকের যে কোনো বিনিয়োগ চুক্তিভিত্তিক হওয়া উচিত। সেখানে আরও বলা হয়, ব্যাংকিং খাতে একই সময়ে কোম্পানিকে ঋণ দেয়ার পাশাপাশি ওই কোম্পানি শেয়ার ধারণ করলে ভবিষ্যতে কোম্পানির সব ধরনের ঝুঁকি ব্যাংকের ওপর বর্তাবে।কারণ ঋণগ্রহীতা যদি কোনো কারণে দেউলিয়া হন, তাহলে যেমন ব্যাংক ঋণ আদায় অনিশ্চিত হবে; পাশাপাশি অবশিষ্টাংশ মূলধন হিসেবে ব্যাংক ফেরত পাবে। এ ধরনের ঝুঁকি নেয়া ব্যাংক গ্রাহকের স্বার্থানুকূল হবে না। আর কোনো কোম্পানির মালিকানায় অংশগ্রহণ বাণিজ্যিক ব্যাংকিংয়ের উদ্দেশ্য নয়। ব্যাংকগুলো এ ধরনের কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় জড়িত হলে ব্যাংকিং সেবা পরিচালনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।জানা গেছে, এর আগে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের জন্য মতামত চাওয়া হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের মতামতে বলেছে, নির্ধারিত ২৫ শতাংশের ওপর এক ব্যক্তিকে ঋণ দেয়া হলে ব্যাংকের সম্পদ ঋণগ্রহীতার কাছে কেন্দ্রীভূত হবে। এতে ব্যাংকের ঝুঁকি বাড়বে। কারণ বড় ঋণগ্রহীতা কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যাংকের ওপর বড় ধরনের বিরূপ প্রভাব পড়বে।একই যুক্তিতে কোনো একটি খাতে ব্যাংকের বিনিয়োগ কেন্দ্রীভূত করা কাম্য নয়। এছাড়া কোনো প্রকল্পে বড় ঋণের প্রয়োজন হলে সেক্ষেত্রে সিন্ডিকেট ঋণের ব্যবস্থা রয়েছে। কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে এ ধরনের ঋণ দিতে পারে। আর জাতীয় অগ্রাধিকার প্রকল্পে বড় ঋণের সুযোগ করে দিতে বর্তমান ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৬খ(৩) ধারায় ব্যবস্থা রয়েছে। ওই ধারা অনুযায়ী অগ্রাধিকার বিবেচনায় যে কোনো ঋণে সরকার গ্যারান্টি দিলেই ঋণ মিলবে।জানা গেছে, দেশে সর্বস্তরে বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে ২০২১ সালের মধ্যে ৩ হাজার কোটি মার্কিন ডলার (২ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা) বিনিয়োগের প্রয়োজন। একইভাবে ২০৪১ সালে এ খাতে বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে ৮ হাজার ৫০০ কোটি ডলার (৬ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা)। এ অর্থ সংগ্রহ করতেই সম্প্রতি সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।সেখানে বিদ্যুৎ খাতে বড় প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য ব্যাংকগুলোকে সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যাতে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ খাতে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগ করতে পারে।পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘ইসলামী ডেভেলপমেন্ট ফান্ডে’ জমা সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বন্ড আকারে আনার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়।তবে ওই বৈঠকে নেয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বর্তমান ব্যাংক কোম্পানি আইনে কোনো বাধা আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছিল গঠিত কমিটিকে। Source: jugantor
  • অর্থ পাচারের ঝুঁকি সূচকে বড় অগ্রগতি বাংলাদেশেরঅর্থ পাচারের ঝুঁকি সূচকে বড় অগ্রগতি বাংলাদেশে
    অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের ঝুঁকি সূচকে বাংলাদেশের বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। ২০১৭ সালের বার্ষিক সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৮২তম, যেটি গত বছরের তুলনায় ২৮ ধাপ এগিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। গত বছরে ঝুঁকির দিক দিয়ে তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৫৪তম। শুক্রবার সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান দ্য বাসিল ইন্সটিটিউট অব গভর্ন্যান্স ২০১৭ সালের বার্ষিক অ্যান্টি মানি লন্ডারিং (এএমএল) সূচক প্রকাশ করেছে। এ সূচকে বিশ্বের ১৪৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮২তম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দুর্নীতি দমনে কাজ করে থাকে বাসিল ইন্সটিটিউট।সূচকে দেখা গেছে, অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নে ঝুঁকির তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে ইরান। গত বছরও দেশটি এক নম্বরে ছিল। ইরানের পরেই রয়েছে আফগানিস্তান, গিনি বিসাউ, তাজিকস্তান ও লাওসের নাম।অর্থাৎ এসব দেশ সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও অর্থ পাচারের সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। অন্যদিকে গত বছরের মতো অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে কম ঝুঁকিতে থাকা দেশের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে ফিনল্যান্ড।দেশটির পরেই রয়েছে লিথুনিয়া, এস্তোনিয়া, বুলগেরিয়া ও নিউজিল্যান্ড। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বাধিক ঝুঁকিতে রয়েছে মিয়ানমার (১৩তম), নেপাল (১৪তম), শ্রীলংকা (২৫তম), পাকিস্তান (৪৬তম) এবং চীন (৫১তম)। বাংলাদেশের একটু পরের অবস্থানে রয়েছে ভারত (৮৮তম)। ঝুঁকির দিক দিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়া ৬৪তম, কানাডা ১০৩তম, যুক্তরাষ্ট্র ১১৬তম ও যুক্তরাজ্য ১১৮তম অবস্থানে রয়েছে।রিপোর্টে বলা হয়েছে, অর্থ পাচার এবং সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের ঝুঁকির এ সূচক দেশগুলোর কাছ থেকে পাওয়া সূত্রের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে। যেসব দেশের কাছ থেকে যথাযথ তথ্য পাওয়া যায়নি সেসব দেশে অর্থ পাচারের কর্মকাণ্ড এবং অবৈধ অর্থের উৎস নেই বলেই ধরে নেয়া হয়েছে।এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই অর্থ পাচার ও জঙ্গিবাদে অর্থায়নে কোন দেশ কতটুকু ঝুঁকিতে রয়েছে তা পরিমাপ করা হয়েছে। Source: jugantor
  • আয়কর বাড়াতে নতুন আইন ব্যবসাবান্ধব চায় সংশ্লিষ্টরা
      নতুন আয়কর আইনে দৈবচয়ন ও পুনর্মূল্যায়নের নামে হয়রানি বন্ধ করার পদক্ষেপ নিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে আয়কর বাড়ানোর তাগাদা দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে এনবিআর আয়োজিত ‘নতুন আয়কর আইন : জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এই অভিমত দিয়ে নতুন আয়কর আইনকে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন ব্যবসায়ী, শিল্পোদ্যোক্তা, আইনজীবীরা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন আইনটি ১৯৮৪ সাল থেকে এত দিন ধরে ‘অধ্যাদেশ’ হিসেবে থাকায় হতাশা প্রকাশ করেন। গণতান্ত্রিক একটি রাষ্ট্রের অর্থ জোগানদাতা হিসেবে ‘অধ্যাদেশ’ নয়, ‘আইন’ হিসেবে এটিকে পরিচিত করতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান তিনি। প্রস্তাবিত আইনটি বাংলায় প্রণয়ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণভাবে তা প্রণয়নের জন্য পরামর্শ দেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, দেশে তিন কোটি ব্যবসায়ী আছেন, যার মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেন মাত্র ১২ লাখ ব্যবসায়ী। উচ্চ করহার বজায় রাখা মানে যে ব্যবসায়ী একবার আয়কর দিতে গিয়ে নাম লিখিয়েছে, তাঁকে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত করা। রাজস্ব সংগ্রহ যাতে বাড়ে সে জন্য নতুন আইনকে ব্যবসাবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, আয়কর আইনে যেসব হয়রানি হয় সেটা দূর করতে হবে নতুন আইনে। মনে রাখতে হবে আমরা কেউ কারো প্রতিপক্ষ নই। আরো উপস্থিত ছিলেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রউফ, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার শংকর রঞ্জন সাহা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার, ইউএসটিসির উপাচার্য অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি এস এম মনিরুজ্জামান প্রমুখ। Source: kalerkantho  
  • নেতিবাচক বিও অ্যাকাউন্টে লেনদেনের সময় বাড়ল কৃত্রিমভাবে শেয়ারবাজার চাঙ্গা রাখার উদ্যোগ
    কৃত্রিমভাবে আবারও শেয়ারবাজার চাঙ্গা রাখার উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এরই অংশ হিসেবে নেতিবাচক বিও অ্যাকাউন্টে শেয়ার লেনদেন আরও এক বছর চার মাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এসব হিসাবে লেনদেন করা যাবে। দুই-একদিনের মধ্যেই এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কমিশন সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), ডিএসই ব্রোকারেস অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) প্রতিনিধিরা রোববার সময় বাড়ানোর আবেদন করে। এই আবেদনের প্রেক্ষিতেই সময় বাড়ানো হল। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর মুনাফা লুটে নেবে হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, বাজারকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিতে হবে। কারণ কৃত্রিমভাবে বাজার বাড়ানো হলে তা টেকসই হয় না। তিনি বলেন, বিএসইসিকে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। বাজারে কোনো অনিয়ম হলে তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।জানা গেছে, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মার্জিন রুলস, ১৯৯৯ এর ৩ (৫) এর কার্যকারিতা স্থগিত করতে সম্প্রতি তিন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করে বিএসইসি। বৈঠকে বাজার পরিস্থিতি তুলে ধরে নেতিবাচক অ্যাকাউন্টে শেয়ার লেনদেন চালুর যুক্তি তুলে ধরা হয়। এরপরই সিদ্ধান্ত নেয়া হল। মার্জিন রুলসের এই ধারায় উল্লেখ আছে ঋণাত্মক মূলধনধারী অ্যাকাউন্টে গ্রাহক নিজে শেয়ার লেনদেন করতে পারবে না। কেবল ঋণদাতা ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক এই ধরনের অ্যাকাউন্টে শেয়ার বিক্রি করে তার ঋণ সমন্বয় করতে পারবে। ২০১০ সালের ধসের পর বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় বিএসইসি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাটির কার্যকারিতা স্থগিত করে। এরপর কয়েক দফায় স্থগিত আদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়। স্থগিতাদেশের সর্বশেষ মেয়াদ আগামীকাল শেষ হওয়ার কথা। ‘১৯৯৯ সালের মার্জিন রুলসের ৩ (৫) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো বিনিয়োগকারীর ডেবিট ব্যালেন্স ১৫০ শতাংশের নিচে নামলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান তার কাছে নতুন করে মার্জিন চাইবে। এই মার্জিনের পরিমাণ এমন হবে, যাতে তার ডেবিট ব্যালেন্স ১৫০ শতাংশের উপরে থাকে। নোটিশ দেয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে পর্যাপ্ত মার্জিন জমা দেয়া না হলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে নতুন কোনো লেনদেনের অনুমতি দিতে পারবে না ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান।জানা গেছে, টানা মাস দুই শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক উত্থান হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাতে আবার দরপতন শুরু হয়। এই পতন ঠেকাতে কৃত্রিমভাবে বাজার চাঙ্গা রাখার উদ্যোগ নেয়া হল।বুধবার সূচক কমেছে : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বুধবার গত কার্যদিবসের চেয়ে প্রধান সূচক কমেছে। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ৩৮ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট কমেছে এবং সিএসইর প্রধান সূচক ৬৮ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট কমেছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন গত কার্যদিবসের তুলনায় বাড়লেও কমেছে সিএসইতে। বুধবার উভয় পুঁজিবাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ৮৭৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত রোববার লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ১৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে মোট লেনদেন হয়েছে ৮৩৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। গত রোববার লেনদেন হয়েছিল ৭৭৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা। সুতরাং এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে বেড়েছে ৫৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৮ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৮৮৩ পয়েন্টে, ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ৭ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩০৩ পয়েন্টে এবং ১৩ দশমিক ৭০ পয়েন্ট কমে ডিএসই-৩০ সূচক দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ১১২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। Source: jugantor
  • এশিয়ায় ভোক্তা আস্থা সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি
      অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, কর্মসংস্থান ও শেয়ারবাজারে ইতিবাচক অগ্রগতির মধ্য দিয়ে এশিয়ায় ভোক্তা আস্থা সূচকে কিছুটা এগিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল বুধবার আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান মাস্টারকার্ড প্রকাশিত ‘মাস্টারকার্ড ভোক্তা আস্থা সূচক’ শীর্ষক এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এতে সবচেয়ে বেশি আশাবাদী দেশ হিসেবে শীর্ষ পাঁচে রয়েছে বাংলাদেশ। জরিপে সবচেয়ে বেশি আস্থা বা আশাবাদ দেখা গেছে কম্বোডিয়ার ভোক্তাদের মধ্যে। বদৌলতে দেশটির ভোক্তা আস্থা সূচক দাঁড়িয়েছে ৯৩ দশমিক ১ পয়েন্ট। এবারের জরিপে এটিই কোনো দেশের সর্বোচ্চ স্কোর। কম্বোডিয়ার পরের চারটি স্থানে অর্থাৎ শীর্ষ পাঁচে রয়েছে ভিয়েতনাম (স্কোর ৯০ দশমিক ৮ পয়েন্ট), বাংলাদেশ (৮৯ দশমিক ৪ পয়েন্ট), ফিলিপাইন (৮৮ দশমিক ৮ পয়েন্ট) ও চীন (৮৮ দশমিক ২ পয়েন্ট)।
  • প্রাণ ডেইরির খামারিদের ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক
    সিরিজ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ঢাকার ৫টি মামলা রায়ের অপেক্ষায় ( ১৬ আগস্ট, ২০১৭ ২২:১৪ ) ‘হিজবুল মুজাহিদীন’কে জঙ্গিদল ঘোষণা করল আমেরিকা ( ১৭ আগস্ট, ২০১৭ ০৫:০৫ ) PreviousPauseNext হোম   আজকের পত্রিকা শিল্প বাণিজ্য  প্রাণ ডেইরির খামারিদের ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক প্রাণ ডেইরির খামারিদের ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৭ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০ শেয়ারমন্তব্য()প্রিন্ট সোনালী ব্যাংক ও প্রাণ ডেইরির মধ্যে গতকাল সমঝোতা স্মারক সই হয় অ- অ অ+ উন্নত জাতের গাভি পালন ও দুগ্ধজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে প্রাণ ডেইরির চুক্তিবদ্ধ খামারিদের কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক। তবে জামানত দিলে তিন লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে ব্যাংকটি। ৯ শতাংশ সুদে এ ঋণ পরিশোধের জন্য খামারিরা সময় পাবেন তিন থেকে পাঁচ বছর। গতকাল বুধবার রাজধানীর পূর্বাণী হোটেলে সোনালী ব্যাংক ও প্রাণ ডেইরির মধ্যে এ বিষয়ে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। এতে স্বাক্ষর করেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) উজমা চৌধুরী এবং সোনালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে দেশে বন্যা পরিস্থিতির কারণে খাদ্য সংকট হবে না উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘তবে সাময়িক একটি ক্ষতি হয়েছে, এ ক্ষতি আমরা অতিক্রম করব। এর জন্য অতিরিক্ত অর্থ খরচের প্রয়োজন হবে, সে সামর্থ্যও আমাদের আছে। সে জন্য আমি বলছি, আমাদের কোনো খাদ্য সংকট নেই এবং সামনেও খাদ্য সংকট হবে না। ’ অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে চাল আমদানি অনেক বেড়েছে। দেশে-বিদেশে চালের দামও বেশ বেড়েছে। কিন্তু আমাদের চাল আনতেই হবে। কেননা, দেশের মানুষের সুখের জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন অভাব দূর করা। ’   পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে যমুনা, তিস্তা, ধরলা, আত্রাইসহ সব প্রধান নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এতে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এতে খাদ্যশস্য ও গবাদি পশুসহ জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। তবে সরকার অতি সহজেই এই সংকট মোকাবেলা করতে পারবে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি এ বিষয়ে কোনো ধরনের চিন্তা না করতে পরামর্শ দেন তিনি। অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘দুগ্ধ উৎপাদনে সোনালী ব্যাংক কৃষকদের ঋণ দেওয়ার যে কাজ করছে এতে আমরা খুশি। এ ধরনের কাজই সোনালী ব্যাংক করে থাকে। ’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, প্রাণ-আরএফএল কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবসায় ভালো করছে, যা প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি প্রাণ ডেইরির কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা দুগ্ধ খামারিদের বায়োগ্যাস প্লান্ট করতে উদ্বুদ্ধ করবেন। এতে পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি সংকট নিরসনে সহায়ক হবে। ’ অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, ‘দেশের কৃষিভিত্তিক শিল্পসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে সোনালী ব্যাংক ঋণ সহায়তা প্রদান করে থাকে। দুগ্ধশিল্পের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে যেসব কাজ চলছে প্রাণ ডেইরি তাদের মধ্যে অন্যতম। এ ঋণ প্রদানের উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের দুগ্ধশিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে অপুষ্টি দূরীকরণসহ যুবক ও যুব মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। ’ অনুষ্ঠানে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী বলেন, ‘প্রাণের চুক্তিবদ্ধ খামারিদের গাভি ক্রয়, শেড স্থাপন, মিল্কিং মেশিন, চপার মেশিন, দুধ বহনের অ্যালুমিনিয়াম ক্যানসহ খামার ব্যবস্থাপনার আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ে এ ঋণ দেওয়া হবে। ’ অনুষ্ঠানে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনুসুর রহমান, সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল মকবুল উপস্থিত ছিলেন। Source: kalerkantho
  • বিশ্ববাজারে চিনির দাম নিম্নমুখী
    আন্তর্জাতিক বাজারে নিম্নমুখী ধারায় রয়েছে চিনির দাম। লন্ডন ও নিউইয়র্কের বাজারে পরিশোধিত চিনির দাম কমেছে। মূলত ইউরোপের দেশগুলোয় পণ্যটির সম্মিলিত উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনার খবরে মঙ্গলবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) পণ্যটির দাম কমেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার। আইসিইতে এদিন অক্টোবরে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি পাউন্ড অপরিশোধিত চিনি বিক্রি হয় ১৩ দশমিক ৫৬ সেন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় দশমিক শূন্য ৮ সেন্ট বা দশমিক ৫৯ শতাংশ কম। গত ১৩ জুলাইয়ের পর আইসিইতে এটাই অপরিশোধিত চিনির সর্বনিম্ন দাম।অন্যদিকে পরিশোধিত চিনির দামও কমেছে আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৪২ শতাংশ। এদিন আইসিইতে অক্টোবরে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি টন পরিশোধিত চিনি বিক্রি হয় ৩৭৬ ডলার ৩০ সেন্ট বা ৩০ হাজার ১০৪ টাকায় (প্রতি ডলার ৮০ টাকা ধরে), যা আগের দিনের তুলনায় ১ ডলার ৬০ সেন্ট কম।গত বছরের ফেব্রুয়ারির পর এটা পণ্যটির দামের সর্বনিম্নের কাছাকাছি অবস্থান। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (্ইইউ) দেশগুলোয় চলতি মৌসুমে আখ উৎপাদনের সম্মিলিত পরিমাণ আগের মৌসুমের তুলনায় ২০ শতাংশ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন (ইসি)। এর জের ধরে এসব দেশে চিনির উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় বাড়তে পারে।এ খবরের জের ধরে বাজারে বাড়তি সরবরাহের সম্ভাবনায় পণ্যটির দাম নিম্নমুখী হয়েছে।এদিকে আইসিইতে আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৭০ সেন্ট কমেছে অ্যারাবিকা কফির দাম। এদিন সেপ্টেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি পাউন্ড অ্যারাবিকা কফি বিক্রি হয় ১ হাজার ৪১৯ ডলারে, যা আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৪৯ শতাংশ কম। সেপ্টেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি টন রোবাস্তা কফির দাম কমেছে ৩ ডলার।এদিন পণ্যটি প্রতি টন বিক্রি হয় ২ হাজার ১৩৩ ডলার বা ১ লাখ ৭০ হাজার ৬৪০ টাকায়, যা আগের দিনের তুলনায় দশমিক ১৪ শতাংশ কম। Source: jugantor  0 0000
  • দুর্যোগ মোকাবেলা দুই হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
    বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বন্যা-ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি) মোকাবেলায় বাজেট সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। যার পরিমাণ হবে ২৫ কোটি ডলার, যা (স্থানীয় মুদ্রায় প্রতি ডলার ৮০ টাকা ধরে) প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। ২৩ জুলাই বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে বাজেট সহায়তার এ ঋণ প্রস্তাব নিয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কর্মকর্তাদের সামনে একটি উপস্থাপনা দেয়া হয়। বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে এ ঋণ পাওয়া যাবে। আইডিএ থেকে নিয়মিত যে ঋণ বাংলাদেশ পায়, এ ঋণ সহায়তা তার বাইরে। ইআরডি সূত্র জানায়, বন্যা, পাহাড় ধস, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ-পরবর্তী ত্রাণ ও পুনর্বাসনে বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ দিতে চায় সংস্থাটি। দুর্যোগ-পরবর্তী তাৎক্ষণিকভাবে ওষুধ ও খাদ্য আমদানি, অবকাঠামো নির্মাণসহ যে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজন থাকে, তা মেটাতে বিশ্বব্যাংকের এ তহবিল ব্যবহার করা যাবে।বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকিসূচক অনুযায়ী, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান সারা বিশ্বে ষষ্ঠ। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে বাংলাদেশে প্রতিবছর ৩২০ কোটি ডলার বা ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ দশমিক ২ শতাংশ। ২০০০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশে যত প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়েছে, তাতে সব মিলিয়ে ১ হাজার কোটি ডলার বা প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু ত্রাণ, পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণে এ সময়ে তহবিল মিলেছে মাত্র ২০০ কোটি ডলার।ঋণটি নিতে বাংলাদেশ রাজি থাকলে আগামী তিন বছর দেশে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে তাৎক্ষণিকভাবে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যেমন অর্থ পাওয়া যাবে, পাওয়া যাবে পুনর্বাসন প্রকল্পের জন্যও।বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে প্রস্তাবটি পাওয়ার পরপরই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে মতামত দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছে ইআরডি। কোন কোন দুর্যোগে বিশ্বব্যাংকের এ তহবিলের অর্থ ব্যয় করা যাবে, তা ঠিক করতে শিগগির আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকও ডাকা হবে বলে জানা গেছে।ইআরডি সূত্র জানায়, প্রতি তিন বছরের জন্য আইডিএ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ সহজ শর্তের ঋণ পায় বাংলাদেশ। ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত আইডিএতে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪৩০ কোটি ডলার। আগামী তিন বছরেও একই পরিমাণ বরাদ্দ থাকবে বলে জানা গেছে। তবে এ ঋণ নির্দিষ্ট প্রকল্পের বিপরীতে পায় বাংলাদেশ। এর পাশাপাশি আরও ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তাহিসেবে দিতে চায় বিশ্বব্যাংক। Source: jugantor  1.56K 0000
  • চীন-ভারত বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু ৯৩টি চীনা পণ্যের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ দিল্লির, বেইজিংয়ের কড়া
    ডোকলাম নিয়ে চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা এবার বাণিজ্য যুদ্ধের দিকে গড়াচ্ছে। গত সপ্তাহে ৯৩টি চীনা পণ্যের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক (অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি) বসিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সোমবার চীনের সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমসে এ নিয়ে ভারতকে হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে। ভারতের এ ধরনের ‘দুর্বল সিদ্ধান্তের’ জন্য দেশটিকে ভয়াবহ ফল ভোগ করতে প্রস্তুত থাকতে বলেছে চীন।এছাড়া চীনা কোম্পানিগুলোকেও এখন ভারতে বিনিয়োগের ব্যাপারে দ্বিতীয়বার ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও ইকোনমিক টাইমসের। কমিউনিস্ট সরকারের মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘দিল্লির এ পদক্ষেপের জবাব অনায়াসে দিতে পারে তারা। পাল্টা দেয়াল তুলতে পারে ভারতীয় রফতানির সামনে।ভারত যদি সত্যিই চীনের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তবে বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে ঠিকই; কিন্তু এর জন্য দিল্লিকে অবশ্যই চরম মূল্য দিতে হবে।’ যেসব চীনা কোম্পানি ভারতের মাটিতে কিংবা ভারতীয় কোম্পানিতে লগ্নি করেছে বা করতে উদ্যোগী, তাদেরও সাবধান করেছে বেইজিং।এ বিষয়ে ঝুঁকি খতিয়ে দেখতে পরামর্শ দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে এভাবে দেয়াল তুললে ভারতীয় অর্থনীতিরই ক্ষতি হবে। উদাহরণ হিসেবে চীনা মোবাইল ফোন সংস্থার কথা তুলে ধরে বলা হয়েছে, ভারত যদি চীনা মোবাইল ফোন ভারতে ঢুকতে না দেয় কিংবা চীনা কোম্পানির কারখানায় তৈরি মোবাইল ফোন বিক্রির পথে বাধা দেয়, তবে ভুগতে হবে এ দেশের অর্থনীতিকেই। কাজ খোয়াবেন ভারতীয় কর্মীরা।এর আগেও বিভিন্ন সময়ে উৎপাদন খরচ থেকেও কম দামে পণ্য সরবরাহের অভিযোগে ইস্পাতসহ বিভিন্ন চীনা পণ্যের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক চাপিয়েছে ভারত। কিন্তু তখন বেইজিং উষ্মা প্রকাশ করলেও এত কড়া সুরে হুশিয়ারি দেয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডোকলামে দুই প্রতিবেশীর সামরিক উত্তেজনার কারণেই সুর এত চড়া।ভারতীয় অর্থনীতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভারতের পণ্য রফতানি ১২.৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৭৫ কোটি ডলার। অথচ শুধু চীন থেকেই ভারতের আমদানি ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, চীন ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ভারতের তুলনায় চীনের রফতানি প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কোটি ডলার বেশি। ফলে যুদ্ধের জিগিরে ভারতের এ বিপুল সম্ভাবনাময় বাজার কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চায় না চীন। তাদের তরফে আগাম হুশিয়ারি কিছুটা সেই কারণেও।ডোকলামে বৃষ্টিতে কমেছে দুই দেশের সেনা : চীন, ভারত ও ভুটানের সংযোগস্থল ডোকলামে টানা তিন দিনের প্রবল বর্ষণে কমেছে বেইজিং ও দিল্লির সেনা সদস্য। ভারতীয় প্রতিরক্ষা সূত্রের দাবি, ডোকলামে বিতর্কিত এলাকা থেকে ভারত এবং চীন অধিকাংশ সেনা সরিয়ে নিয়েছে। উভয় পক্ষেরই ১০-১২ জন করে সেনা সেখানে রয়েছেন।আশপাশের বাঙ্কারে আরও কিছু সেনা আশ্রয় নিয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা। বৃষ্টি, ঠাণ্ডা হাওয়া এবং তুষারপাতের মধ্যে জওয়ানরা তিন-চার ঘণ্টার বেশি দাঁড়িয়ে থাকতে পারছেন না।উভয়পক্ষই বারবার সেনা বদলে শুধু বিতর্কিত এলাকায় নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখছে বলে সেনা সূত্রে জানা গেছে। একসময় উভয়পক্ষেরই চারশ’র কাছাকাছি জওয়ান সেখানে ছিলেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে চীনা ফৌজ বিতর্কিত এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হলেও পুরোপুরি সরে গেছে বলে মনে করছেন না ভারতীয় সেনা কর্মকর্তারা।তাদের মতে, কাছাকাছি কোথাও নিরাপদ আশ্রয়ে লুকিয়ে রয়েছে চীনা বাহিনীর বড় অংশ। আবহাওয়ার উন্নতি হলে ফের তারা আবার ফিরবেন বলে মনে করছেন সেনা কর্মকর্তারা। এক সেনা কর্মকর্তার দাবি, ‘যদি আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার পরও চিনা বাহিনী সেনার সংখ্যা না বাড়ায় তবে তা ইতিবাচক পদক্ষেপ। ভারতও সেক্ষেত্রে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।’শান্তি নয়, যুদ্ধ চান রামদেব : চীন ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি শান্তির মাধ্যমে নয়, বরং যুদ্ধের মাধ্যমে সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন ভারতের আরএসএস ঘনিষ্ঠ যোগগুরু বাবা রামদেব। সোমবার টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ভারত বারবার শান্তির বার্তা দিয়ে এসেছে, কিন্তু চীন যুদ্ধের হুমকি দিয়ে এসেছে। চীন শান্তির ভাষা বোঝে না।যে যেরকম করে, তাকে সেই ভাষাতেই জবাব দেয়া উচিত।’ চীনা পণ্য বয়কট করার আহ্বান জানিয়ে রামদেব বলেন, ‘প্রত্যেক ভারতীয় চান, শিগগিরই চীনের পণ্য বয়কট করা হোক। তাহলে আমরা খুব সহজেই চীনের চেয়ে এগিয়ে যেতে পারি এবং ‘সুপার পাওয়ার’ হতে পারি।’যুদ্ধে কেউ জিততে পারবে না -দালাইলামা : ভারত ও চীন যুদ্ধে জড়ালে কোনো পক্ষই জিততে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিব্বতীয় ধর্মগুরু দালাইলামা। সোমবার ভারতের মুম্বাইয়ের এক কর্মসূচিতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় এ মন্তব্য করেন তিনি। দালাইলামা বলেন, ‘বর্তমানে সীমান্তের যা পরিস্থিতি, তাতে ভারত বা চীন কেউই কাউকে হারাতে পারবে না।দুই দেশই সামরিকভাবে শক্তিশালী।’ পরামর্শ দিয়ে তিনি আরও বলেন, সীমান্তে ছোটখাটো ঘটনা ঘটতেই পারে, হয়তো গোলাগুলিও চলতে পারে, কিন্তু তার জন্য পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা উচিত হবে না এ দুই বৃহৎ শক্তির। দালাইলামা বলেন, ধর্মের বন্ধনেই এ দুই দেশ পরস্পরের সঙ্গে আবদ্ধ।আমাদের বুঝতে হবে, চীনের বৌদ্ধরা আসলে সেই ভারতীয় বৌদ্ধ ধর্মকেই অনুসরণ করছেন, যে ধর্ম নালন্দা থেকে এবং সংস্কৃত থেকে এসেছে। তিনি বলেন, ভারতের উচিত চীনের মানুষের জন্য তীর্থযাত্রার ব্যবস্থা করা। এতে তারা মানসিকভাবে ভারতের আরও কাছাকাছি আসতে পারে। Source: jugantor
  • ক্ষুদ্রঋণ পাবে উপবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীর মায়েরা ১০ লাখ নারী উদ্যোক্তা তৈরি করবে রূপালী ব্যা
    বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের দৌড়ে মেসি-রোনালদো-বুফোঁ ( ১৬ আগস্ট, ২০১৭ ০২:২৭ ) PreviousPauseNext হোম   আজকের পত্রিকা শিল্প বাণিজ্য  ১০ লাখ নারী উদ্যোক্তা তৈরি করবে রূপালী ব্যাংক ক্ষুদ্রঋণ পাবে উপবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীর মায়েরা ১০ লাখ নারী উদ্যোক্তা তৈরি করবে রূপালী ব্যাংক শেখ শাফায়াত হোসেন    ১৬ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০ শেয়ারমন্তব্য()প্রিন্ট     অ- অ অ+ উপবৃত্তি পাওয়া প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মায়েদের মধ্য থেকে ১০ লাখ মাকে ক্ষুদ্র ঋণ দিয়ে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার সংকল্পের কথা জানিয়েছেন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আতাউর রহমান প্রধান। সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে দিয়ে আমরা এই সেবা সম্পর্কে গ্রামে-গঞ্জে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। এখন আমরা চিন্তা করছি, এই এক কোটি মায়ের মধ্য থেকে ১০ লাখ মাকে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলব। যেসব মায়ের পক্ষে ঘরে বসে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বা যেকোনো ধরনের ব্যবসায় উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ আছে সে ধরনের উদ্যোগে আমরা ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা করে ক্ষুদ্র ঋণ দেব। ঋণের টাকাও তাদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কিস্তিও পরিশোধ করবে তারা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে। ব্যাংকে আসতে হবে না। ’ তিনি আরো বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ইতিবাচক সাড়া পেলেই আমরা বাকি কার্যক্রম শুরু করব। ’ আতাউর রহমান প্রধান বলেন, মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা বিতরণের ফলে মায়েরা ঘরে বসে তাদের সন্তানদের উপবৃত্তির টাকা পেয়ে যাচ্ছেন। এটা তাঁদের আর্থিক উন্নয়নে অবদান রাখছে। আগে এই টাকা পেতে মায়েদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হতো।   বর্তমানে দেশব্যাপী ষাট হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় এক কোটি ৩২ লাখ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা তাদের মায়েদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠিয়ে দিচ্ছে সরকার। এ উপবৃত্তি তুলতে কোনো সার্ভিস চার্জ নেই অর্থাৎ মায়েরা নির্ধারিত পুরো টাকাই পাচ্ছেন। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণ বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বড় পেমেন্ট ডিজিটালাইজেশন প্রকল্প। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, রূপালী ব্যাংক এবং শিওরক্যাশ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মা একটি করে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব খুলতে পারছেন, যা উপবৃত্তির টাকা পাওয়া ছাড়াও টাকা পাঠানো, জমানো, গ্রহণ, মোবাইল রিচার্জ ও বিল দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১ মার্চ ‘মায়ের হাসি’ নামক এ প্রকল্প উদ্বোধন করার সময় বলেন, ‘আমরা এখন ১ ক্লিকে সারা দেশে ১ কোটি মায়ের ফোনে উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে দিচ্ছি। গ্রামের মায়েরাও এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা পাচ্ছেন। ’ এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করার কারণে উপবৃত্তি বিতরণ এখন অনেক সহজ হয়েছে। তা ছাড়া বৃত্তি বিতরণের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বেড়েছে। ’ শিওরক্যাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শাহাদাত খান বলেন, ‘শিওরক্যাশ পেমেন্ট সিস্টেমে ব্যবহৃত সব সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশে প্রস্তুত করা। এই দেশের তরুণ-তরুণীরা তৈরি করেছে বিশ্বমানের সফটওয়্যার। ’ প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি প্রকল্প বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো, উপস্থিতি ধরে রাখা এবং শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সারা দেশে প্রায় ৬০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থী এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত। কোনো কোনো পরিবারের একাধিক ছেলেমেয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ছে, যে কারণে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ কোটি ৩২ লাখ হলেও মায়েদের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে প্রায় এক কোটিতে। এই উপবৃত্তি সাধারণত তিন মাস পর পর ছাত্র-ছাত্রীর মায়েদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। আগে যেখানে ১৫০০০ কেন্দ্র ব্যবহার করে নির্দিষ্ট দিনে উপবৃত্তি দেওয়া হতো, এখন সেখানে লক্ষাধিক এজেন্ট থেকে যেকোনো সময়ে এ টাকা তোলা যাচ্ছে। Source: kalerkantho  
  • ব্লক মার্কেটে গতকালও শত কোটি টাকার লেঅতিবৃষ্টিতে চা উৎপাদন কমার আশঙ্কা এ বছর
    ১৬ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০ শেয়ারমন্তব্য()প্রিন্ট   ফটিকছড়ির হালদা ভ্যালি চা-বাগানে কাজ করছেন শ্রমিকরা অ- অ অ+   গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত এবং অপর্যাপ্ত রোদ না থাকায় এবার চা উৎপাদন ২০ শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন মৌলভীবাজার জেলার ৯১টি চা বাগানের ব্যবস্থাপক ও অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃপক্ষ। গত বছরের রেকর্ডসংখ্যক ৮৫ মিলিয়ন কেজি চা পাতার উৎপাদন হয়েছিল। তারা আশঙ্কা করছেন, এবার সেটা কমে গিয়ে যে উৎপাদন হবে তাতে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদাই পূরণ হবে না। তবে আগামী মাসগুলোতে যদি নিয়মিত বৃষ্টিপাত ও প্রয়োজনীয় রোদ পাওয়া যায় তাহলে এই সমস্যা থেকে উত্তরণের সম্ভাবনা রয়েছে। বাগান কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন সূত্র জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাগান এলাকায় মোট ৮৮ ইঞ্চি (২৩৯৬ মিলিমিটার) বৃষ্টিপাত হয়েছে। ২০১৬ সালে যার পরিমাণ ছিল মাত্র ৪৮ ইঞ্চি এবং ২০১৫ সালে ৩৬ ইঞ্চি। এই হিসাবে গত দুই বছরের চেয়ে চলতি বছর বৃষ্টিপাত দ্বিগুণ হয়েছে। এর ফলে চাগাছ জল শোষণ করতে পারেনি এবং গাছের গোড়া থেকে মাটিও সরে গেছে। এ ছাড়া আকাশ মেঘলা থাকায় প্রয়োজনীয় রোদও পায়নি চাগাছ। ফলে চাগাছের পাতায় পোকার আক্রমণ হয়েছে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অবজারভার হারুন অর রশীদ জানান, ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ২৩৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এই বৃষ্টিপাত অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ হয়েছে। শুধু জুনে ৯২৫ মিলিমিটার ও জুলাইয়ে ২৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।   হামিদিয়া চা বাগানের জেনারেল ম্যানেজার মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, এবার আমরা চেয়েছিলাম গতবারের চেয়ে বেশি উৎপাদন করব। কিন্তু অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে চা উৎপাদন অনেক কমে যাবে। বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট শাখার চেয়ারম্যান গোলাম মো. শিবলী জানান, চা উৎপাদনের জন্য বৃষ্টিপাত ও রোদ প্রয়োজন। এ বছর অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় চাগাছের গোড়ার মাটি সরে যাওয়াসহ পাতার পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে গত বছরের চেয়ে ২০ শতাংশ উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত যদি বাগানগুলো প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত ও রোদ পায় তাহলে গত বছরের সমান উৎপাদন নাহলেও আশানুরূপ উৎপাদন হতে পারে। Source: kalerkantho
View All
Latest DSE News
  • SQUARETEXT

    The Company has informed that a total of 11,47,063 shares of late Sponsor Dr. Kazi Harunar Rashid has been transmitted to his legal heirs according to the succession certificate issued by the Honorable Court: i) 5,73,531 shares to Mr. Kazi Iqbal Harun (son; Sponsor of the Company), ii) 2,86,766 shares to Mrs. Nilufar Ferdous (daughter) and iii) 2,86,766 shares to Mrs. Nargis Ferdous (daughter).

  • SQURPHARMA

    The Company has informed that a total of 2,62,47,368 shares of late Sponsor Dr. Kazi Harunar Rashid has been transmitted to his legal heirs according to the succession certificate issued by the Honorable Court: i) 1,31,23,684 shares to Mr. Kazi Iqbal Harun (son, Director of the Company), ii) 65,61,842 shares to Mrs. Nilufar Ferdous (daughter) and iii) 65,61,842 shares to Mrs. Nargis Ferdous (daughter).

  • IDLC

    Mercantile Bank Limited, one of the Nominated Director of the Company, has expressed intention to sell 37,70,508 shares out of its total holding of 2,82,78,807 shares of the Company at prevailing market price (In the Public/Block Market) through Stock Exchange within next 30 working days.

  • PREMIERCEM

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on August 27, 2017 at 4:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2017.

  • BERGERPBL

    The Company has informed that it has disbursed Final Cash Dividend for the year ended on March 31, 2017 to the respective shareholders' Bank Accounts through BEFTN.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
MONNOCERA 51.40 46.80 4.60 9.83
SUNLIFEINS 22.80 21.10 1.70 8.06
SINOBANGLA 62.40 57.80 4.60 7.96
MONNOSTAF 839.60 781.10 58.50 7.49
GEMINISEA 640.60 597.50 43.10 7.21
JUTESPINN 91.20 85.60 5.60 6.54
RSRMSTEEL 81.20 76.40 4.80 6.28
FAREASTLIF 76.50 72.00 4.50 6.25
SHURWID 15.60 14.70 0.90 6.12
LIBRAINFU 619.60 586.10 33.50 5.72

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297