Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Flower Indicator for Amibroker AFL 28-Jul
KPBB htrsystem for Amibroker AFL 09-Jul
POLYNOMIAL Amibroker AFL 29-Jun
15 DAYS WMA VOLUME ANALYSIS AFL 22-Jun
Price Break Out Detection Afl 22-Jun

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
BDLAMPS 154.4 108.3 46.10 42.57
PRAGATILIF 102.8 78.6 24.20 30.79
ISLAMIBANK 22.5 17.3 5.20 30.06
FBFIF 8.4 6.7 1.70 25.37
BSRMLTD 96.1 76.7 19.40 25.29
ZAHEENSPIN 25 20.3 4.70 23.15
PLFSL 17.8 15 2.80 18.67
RENATA 1258.8 1080 178.80 16.56
SHASHADNIM 43.7 37.5 6.20 16.53
PRIMEBANK 19 16.4 2.60 15.85

Contest SB2015_Jul

1st
blank_person
ASHOKCHY
2nd
blank_person
MEHEDIARAFAT82
3rd
blank_person
TIGERSHARK
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
SQURPHARMA 273.8 268.9 4.66236 1316930.00
GP 339.2 337.4 4.17223 588526.00
UPGDCL 167.1 162.1 3.11513 1371590.00
LAFSURCEML 124 122.5 2.99039 2542040.00
BXPHARMA 67.9 65.5 1.59125 2738870.00
Negative impact
RENATA 1258.8 1285 -2.38156 46735.00
TITASGAS 72.6 73.8 -2.03770 879363.00
SPCL 190.1 194.7 -1.05129 668819.00
BSRMSTEEL 83 84.1 -0.64535 627153.00
OLYMPIC 275.1 277.4 -0.62650 227046.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
SQURPHARMA 273.8 274.9 267.6 1.82% 359.27
LAFSURCEML 124 124.5 121.8 1.22% 314.08
UPGDCL 167.1 168 163 3.08% 228.53
BEXIMCO 34 34.2 32.9 2.41% 215.44
KPCL 77.4 79 77 -0.64% 213.34
GP 339.2 339.9 337 0.53% 199.33
BXPHARMA 67.9 68 65 3.66% 183.28
RAKCERAMIC 77.5 79.7 77.2 -0.77% 173.25
OAL 63.3 65.5 62 1.77% 167.90
IDLC 60.9 62.5 60.6 1.00% 163.09

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 28 Jul 2015

147176
TOTAL TRADE
188.9194
TOTAL VOLUME(Mn)
7201.25
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইপিএস কমেছে
    স্টাফ রিপোর্টার : মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড হিসাব বছরের প্রথ‌ম ৬ মাসে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস করেছে  ৫০ পয়সা। যা আগের বছরের তুলনায় ১৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ কম। আগের বছর একই সময় ব্যাংকটির ইপিএস ছিল ৫৮ পয়সা। ব্যাংকটির অর্ধবার্ষিকী প্রান্তিকের (জানুয়ারি, ১৫ – জুন, ১৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। সিএসই সূত্রে জানা গেছে, আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির কর পরবর্তী মুনাফা করেছে  ৩৭ কোটি ১৭ লাখ ৭০ হাজার  টাকা। আগের বছর একই সময়ে ব্যাংকটি  মুনাফা করেছিল ৪৩ কোটি ৪ লাখ টাকা। উল্লেখ্য, হিসাব বছরের প্রথম তিন মাসে (এপ্রিল,১৫-জুন,১৫) ব্যাংকটির কর পরবর্তী মুনাফা করেছে ৩৪ কোটি ৯০ হাজার  টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় করেছে ৪৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ব্যাংকটি মুনাফা করেছিল ২১ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ২৯ পয়সা।
  • এক ঝাঁক তরুণের সমন্বয়ে শেষ হল পুঁজিবাজার ভিত্তিক টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ
    স্টাফ রিপোর্টার : এক ঝাঁক তরুণের সমন্বয়ে শেষ হল পুঁজিবাজার ভিত্তিক টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ । স্টক বাংলাদেশ বর্তমান পুঁজিবাজার বিবেচনা করে  বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন টেকনিক্যাল কোর্সের উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি Basic Technical Analysis  Course of Stock Market-এর ৩৪ তম কোর্স-এর প্রশিক্ষণমূলক কর্মশালা সম্পাদন করেছে স্টক বাংলাদেশ। ২০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি ২৬ জুন, শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়ে ২৫ই জুলাই,শনিবার শেষ হয়। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ৯৯, কাজী নজরুল ইসলাম এভিন্যুয়ের ঢাকা ট্রেড সেন্টারের ১৫ তলায় অবস্থিত স্টক বাংলাদেশের অফিস কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। স্টক বাংলাদেশের সহকারী ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন- স্টক বাংলাদেশ এর রিচার্স এণ্ড ডেভলপমেন্টের কর্মকর্তারা। প্রশিক্ষণ সাড়ে ৯টা থেকে চলে ১২.৩০ পর্যন্ত। প্রশিক্ষণে ICB Capital Management limited, IDLC Securities limited, Apex Investment limited , Royal Capital limited, Securities limited সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীরা বলেন, ব্যাপক আগ্রহের ভিত্তিতে  বেসিক টেকনিক্যাল এ্যানালাইসেস কোর্সের উপর প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলাম । সফলতার সঙ্গে কোর্সটি সম্পন্ন করেছি। এ বিষয়ে আমরা আরো উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতেও আগ্রহি । বিনিয়োগকারীদের কথা ভেবে আরো নতুন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে পারে স্টক বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে তাদের সফলতার পথ আরো সুগম হবে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীরা এ ধরণের কর্মশালা তাদের জন্য খবই সহায়ক বলে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজার সম্পর্কে আরো অধিক ধারণা পাবেন। ভবিষ্যতেও এ ধরণের কোর্সের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা। প্রশাসনিক কর্মকর্তা (স্টক বাংলাদেশ) তৌফিকুল আরিফ বলেন, পুঁজিবাজারে সবাই চায় সফলতা। এ সাফল্যের জন্য প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। বিনিয়োগকারীদের চাহিদার আলোকে স্টক বাংলাদেশ পুঁজিবাজারে ট্রেডিংয়ের টেকনিক্যাল বিষয়ে এন্যালাইসেসভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। প্রশিক্ষণের এ কর্মশালাটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এতে আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে সুযোগ দেয়া হয় বিনিয়োগকারীদের। আগামীতে বিনিয়োগকারীদের সাফল্যের ধারা ধরে রাখতে প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি অব্যহত রাখবে স্টক বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, স্টক বাংলাদেশ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ পুঁজিবাজার বিষয়ে আগ্রহী বা বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রায়ই ফ্রি টেকনিক্যাল কোর্স সম্পন্ন করে থাকে। একইসঙ্গে বাজার বিশ্লেষণ করে  সাধারণ  বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে- Advance Technical Analysis of Stock Market, Advance Usage of Ami Broker, Fusion Analysis of Stock Market, Basic Fundamental Analysis of Stocks Market, Professional Fundamental Analysis of Stocks Market, Mechanical Trading Method. এসব কোর্সের বাইরেও স্টক বাংলাদেশ ভ্যাট বা মুসক সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। স্টক বাংলাদেশ মনে করে, এ ধরণের কর্মশালা সচেতনতা বাড়াতে যথার্থ ভূমিকা রাখতে সহায়ক। রেজিস্ট্রেশনের জন্য : http://www.stockbangladesh.com/courses
  • সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস ৪৫ পয়সা
    স্টাফ রিপোর্টার : সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট চলতি হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ৪৫ টাকা। জানুয়ারি ’১৫ থেকে জুন ’১৫ এর অনিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটি আয় করেছে। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির এ আয়ের পরিমাণ ছিল ৪৩ পয়সা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অপরদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল ’১৫ থেকে জুন ’১৫) অনিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয়ের পরিমাণ ছিল ১৯ পয়সা। এছাড়া ২০১৫ সালের ৩০ জুনে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩২.৩৬ টাকা। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর এর পরিমাণ ছিল ৪২.২৮ টাকা।
  • মার্কেট ড্রপ করলেও ‘গ্রাহক লসে থাকবে না’
    ‘মার্কেট যদি ১০ পার্সেন্ট ড্রপ করে, সেখানেও আশা করি আমাদের গ্রাহক লসে থাকবে না। ধরে নিই, মার্কেট ২০০% পড়ে গেছে, এরপরেও যদি আমি আমার কাস্টমারের আগ্রহ ধরে রাখতে পারি, সে সেটাই হবে আমার সফলতা’। পুঁজিবাজারের একাল-সেকাল নিয়ে কথা প্রসঙ্গে ‘প্রচুর আত্মবিশ্বাস নিয়ে’ এসব কথা বলেন শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেডের সিইও মঈনউদ্দিন। ‘মার্কেট যদি ১০ পার্সেন্ট ড্রপ করে, সেখানেও আশা করি আমাদের গ্রাহক লসে থাকবে না’ -এমন কথার সূত্র ধরেই এগিয়ে চলে কথা। রাজধানীর মতিঝিলে শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেডের অফিসে সম্প্রতি একান্তে কথা হয় তার সঙ্গে। নতুন-পুরনো বিনিয়োগকারীর লেনদেন, মার্জিন ঋণ, ব্যবসায়িক কৌশল ও তাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো। সাক্ষাতকার নিয়েছেন- শাহীনুর ইসলাম। স্টক বাংলাদেশ : পুঁজিবারে সেকাল এবং একালের লেনদেন নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা- মঈন উদ্দিন : আমাদের দেশে বিনিয়োগকারীরা স্ক্রিনের এখনো সামনে এসে ট্রেড করেন। এটাতে তারা বেশ কমফোর্ট ফিল করেন। কারণ, শেয়ার কেনার পরে দাম-বাড়ছে, না কমছে এটা দেখতে আমাদের বিনিয়োগকারী অভ্যাস্ত। আমাদের মানসিকতায় এখনো সে রকম আসেনি যে, ট্রেড বিট না দেখে আমরা ট্রেড করবো। তবে বিগত দিনের তুলনায় আমাদের সে ধারণা এবং অভ্যাস অনেকটা বদলেছে। যে কারণে আমরা সচেতন বিনিয়োগকারী পাচ্ছি -এটা পুঁজিবাজারে অনেক বড় সফলতা। তুলনামূলক মানুষ এখন অনেক সচেতন, আগের মতো বিট দেখে অনেকেই আর লেনদেন করেনা। শুধুমাত্র এই কারণেই বাজার ভালোর দিকেই থাকার সম্ভাবনা। অন্যদিকে প্রথম সারির কোম্পানিগুলোর প্রতি এই মানুষগুলোর বেশ ঝোঁক রয়েছে। তাই বলা যায়, সচেতন বিনিয়োগকারীরাই এখন মাঠে। তারা ভালো করবে বলেই এখনো টিকে আছে। স্টক বাংলাদেশ : অন্য ব্রোকারেজ হাউসের সঙ্গে আপনার হাউজের গুণগত বৈশিষ্ঠের পার্থক্য কি, যা একজন বিনিয়োগকারীকে আকর্ষণ করবে? মঈন উদ্দিন : শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেডের বয়স মাত্র ১ বছর। গত  ১ বছরে আমরা অনেক অর্জন করেছি। তার মধ্যে কর্ম ও দক্ষতায় ইতোমধ্যে আমরা টপ টেনে অবস্থান নিয়েছি। আমাদের অর্জনের পেছনে আমরা তিনটি বিষয়কে বেশি গুরুত্ত্ব থাকি- বিনিয়োগকারীর আগ্রহ (ইনভেস্টর ইন্টারেস্ট), ইনভেস্টমেন্ট প্রটেক্ট এবং গাইড লাইন। আমাদের সম্মানিত অনেক ইনভেস্টর আছেন; যারা সশিক্ষিত। তারা অনেক ভালো বোঝেন, তবু সে বোঝার মধ্যে কিছুটা গরমিল থাকে। যা আমাদের দেশের বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে অমিল। যেমন- ফান্ডামেন্টালি চারপিতে হওয়ার কথা, তবে তা হচ্ছে না। তাই পাবলিক ইন্টারেস্টকে আমাদের বেশ গুরুত্ত্ব দিয়ে চলতে হয়। আমরা তাদের বিভিন্ন ইন্টারেস্টকে প্রটেক্ট করি। আমাদের একটি রিচার্স টিম রয়েছে, তারা মার্কেটের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সবসময় রিচার্স করছে। টিম আমাদের আপগ্রেড তথ্য দিচ্ছে, সে অনুযায়ী আমরা ইনভেস্টমেন্ট প্রটেক্ট করার চেষ্টা করছি। এর ফলে আমাদের কাস্টমাররা খুব বেশি প্রফিট করতে না পারলেও একবারে লস করবেন, তা নয়। মার্কেট যদি ১০ পার্সেন্ট ড্রপ করে, সেখানেও আশা করি আমাদের গ্রাহক লসে থাকবে না। ধরে নিই, মার্কেট ২০০% পড়ে গেছে, এরপরেও যদি আমি আমার কাস্টমারের আগ্রহ ধরে রাখতে পারি, সে সেটাই হবে আমার সফলতা। সবচেয়ে বড়কথা এবং অন্য হাউসে যা হয়- কাস্টমার অর্ডার দিল তাৎক্ষণিকভাবে তা করা হলো না। তবে করা হলো পরে- ট্রেডার আগে বিগ ভলিউমে শেয়ার কিনলো, তারপরে কাস্টমারকে দিলেন। অন্যদিকে আমাদের হাউসে প্রডাক্ট কেনার তথ্য বাইরে প্রকাশের সুযোগ নেই। একই সঙ্গে রিটার্ন পলিসি গ্রাহকদের আমরা জানিয়ে দেই। যে কারণে বছরের মধ্যে আমাদের অবস্থানগত পার্থক্য এখন চোখে পড়ার মতো। স্টক বাংলাদেশ : আপনার দৃষ্টিতে একজন গ্রহীতার মার্জিন ঋণ গ্রাহণের আগে ও পরে মূল্যায়ন কিভাবে- মঈন উদ্দিন : মার্জিন ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্য হলো ব্যবসায় সফলতা অর্জন। তবে অর্জন করতে গিয়ে অনেকেই ব্যর্থ হয়েছেন, হচ্ছেন। ব্যর্থতা থাকবে, তবে যিনি দিচ্ছেন তার গাইড লাইন জরুরি। ব্যর্থতার জন্য গাইড লাইনের অভাব ছিল। তবে আমাদের ইনভেস্টরদের ইনভেস্টমেন্ট প্রটেক্ট করার কারণে তারা অনেক দূর এগিয়ে আছেন। স্টক বাংলাদেশ : কোম্পানির আইপিও গ্রহণ সম্পর্কে ও বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে আপনার পরামর্শ- মঈন উদ্দিন : কোম্পানিগুলোকে আগে স্বচ্ছ হতে হবে। একই সঙ্গে যারা এই স্বচ্ছতার মূল্যায়নপত্র দিচ্ছেন তাদেরও স্বচ্ছ হওয়া দরকার। কেননা, আমাদের কাছের যখন ইনভেস্টররা বলেন, অমুক কোম্পানিটা বেশ ভালো মনে করলাম- এখন দেখি...। তাদের মুখে আফসোস... বাণী ভালো শোনায় না। তবে এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে ফিন্যানন্সিয়াল এ্যাক্ট প্রয়োজন। আশা করি তখন বেশ ভালো হবে। বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ হলো- তথ্য গ্রহণ করুণ এবং গাইড লাইন নিয়ে এগিয়ে যান। সফলতা আসবেই। ধন্যবাদ।
  • এনসিসি ব্যাংকে নতুন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান
    এনসিসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এস এম আবু মহসীন ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং সোহেলা হোসেন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আবু মহসীন একজন সফল ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা। তিনি কন্টিনেন্টাল ইনসুরেন্সের সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান। তিনি সেন্ট্রাল হাসপাতালের একজন পরিচালক। তাঁর অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- ফুড অ্যান্ড অ্যাকোমোডেশন কম্পানি, ব্রাদার্স অক্সিজেন ইত্যাদি। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম সিনিয়র্স ক্লাবের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ভাইস চেয়ারম্যান সোহেলা হোসেন একজন শিক্ষাবিদ ও গবেষক। তিনি মীর আকতার হোসেন, মীর সিমেন্ট, মীর কনক্রিট এবং মীর রিয়েল এস্টেটসহ আরো কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিজ্ঞপ্তি।
  • ১০টি প্রতিষ্ঠানের অর্ধবার্ষিকী ফলাফল
    স্টাফ রিপোর্টার : ১০টি কোম্পানি তাদের অর্ধবার্ষিক অনিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় পাঁচটি কোম্পানির ব্যবসায়ে উন্নতি লক্ষ করা গেছে, অন্য ৫টির অবনতি। তুলনায় ব্যবসায় ভালো করেছে- রেকিট বেনকিজার, শাহজালাল ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, আরএকে সিরামিক ও এনসিসি ব্যাংক। অন্যদিকে অবনতি দেখা যাচ্ছে- মেঘনা সিমেন্ট, গ্ল্যাক্সো স্মিথক্লাইন, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, ইউনিক হোটেল, প্রাইম লাইফের ব্যবসায়। ডাচ্-বাংলা ব্যাংক : জানুয়ারি-জুন সময়ে ১১ কোটি ৫৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা মুনাফা করেছে বাণিজ্যিক ব্যাংকটি। এক বছর আগে যা ছিল ৯২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এদিকে দ্বিতীয় (এপ্রিল-জুন) প্রান্তিকে এর নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৬৯ কোটি ৫৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা, ২০১৪ সালের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৫৯ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। প্রথমার্ধে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৫৮ পয়সা। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক : আগের বছরের প্রথমার্ধে ৫৯ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকা লোকসান করলেও গেল অর্ধবার্ষিকে ৫৭ কোটি ২২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মুনাফা দেখিয়েছে ব্যাংকটি। এদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকে এক বছর আগে ৪৩ কোটি ৪২ লাখ ৭০ হাজার টাকা লোকসান করলেও এবার ৩৮ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা মুনাফা করেছে তারা। প্রথমার্ধে এ ব্যাংকের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৩ পয়সা। এনসিসি ব্যাংক : প্রথমার্ধে মুনাফা এক বছর আগের তুলনায় ১৩ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বেড়ে ৪৮ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে। তবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকটির মুনাফা ৪৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২২ কোটি ৪৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। প্রথমার্ধে ইপিএস ৫৫ পয়সা। রেকিট বেনকিজার : ২০১৪ সালের প্রথমার্ধে বহুজাতিক কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ১৮ টাকা ১৮ পয়সা, গেল প্রান্তিকে যা বেড়ে হয়েছে ২৯ টাকা ১০ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ৩৫ পয়সা বেড়ে ১১ টাকা ৯৫ পয়সায় উন্নীত হয়। প্রথমার্ধের ফলাফল বিবেচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫০০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। আরএকে সিরামিক : অর্ধবার্ষিক ইপিএস ৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা, এক বছর আগে যা ছিল ২৯ কোটি ৭৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকেও মুনাফা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে ১৮ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে। প্রথমার্ধের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ২৫ পয়সা। মেঘনা সিমেন্ট : অর্ধবার্ষিক মুনাফা ১০ কোটি ২৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা থেকে ৮ কোটি ২০ লাখ ৪০ হাজারে নেমে এসেছে। এদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফা এক বছর আগের তুলনায় অর্ধেকের বেশি কমে ৩ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজারে নেমে এসেছে। গ্ল্যাক্সো স্মিথক্লাইন : প্রথমার্ধে মুনাফা এক বছর আগের তুলনায় প্রায় ৪ কোটি টাকা কমে ৩৭ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজারে নেমে এসেছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকেও ৩ কোটি টাকার বেশি কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ৭৯ লাখ ৯০ হাজার টাকায়। অর্ধবার্ষিক ইপিএস ৩০ টাকা ৮৩ পয়সা। ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স : অর্ধবার্ষিকে মুনাফা প্রায় ৭০ লাখ টাকা কমে ৭ কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার টাকায় নেমে এসেছে। এদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফা প্রায় ৮০ লাখ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৮১ লাখ ২০ হাজার টাকা। অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১ টাকা ৯৮ পয়সা। ইউনিক হোটেল : আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৫ লাখ টাকা কমে কোম্পানিটির অর্ধবার্ষিক মুনাফা ৪৩ কোটি ১২ লাখ ১০ হাজার টাকায় নেমে এসেছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে মুনাফা ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২০ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার টাকায়। অর্ধবার্ষিকে ইপিএস ১ টাকা ৪৬ পয়সা। প্রাইম লাইফ : এক বছর আগের তুলনায় লাইফ রেভিনিউ অ্যাকাউন্ট ২০ কোটি টাকারও বেশি কমেছে, আগের বছর একই সময়ে যেখানে বেড়েছিল ২ কোটি ২০ লাখ ২০ হাজার টাকা। তবে গত জুনে জীবন বীমা কোম্পানিটির নিট বীমা তহবিলের আকার এক বছর আগের তুলনায় প্রায় ৬৮ কোটি টাকা বেড়ে ৬৯১ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে।
  • চীনে ৮ বছরের সর্বোচ্চ পতন
    বিবিসি : চীনের পুঁজিবাজারে ৮ বছরের মধ্যে সূচকের সর্বোচ্চ পতন হয়েছে। শিল্পখাতে মুনাফা অর্জনের পরিমাণ আগের বছরের জুনের তুলনায় ০.৩ শতাংশ কমে যাওয়ার খবরে বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটে। সোমবার দিন শেষে দেশটির প্রধান শেয়ারবাজার সাংহাই কম্পোজিটে সূচকের পতন ঘটে ৮.৫ শতাংশ। ফলে এটি ৩৫২৫.৫৬ পয়েন্টে নেমে আসে। ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পর এটিই এক দিনে সূচকের সর্বোচ্চ পতন। সোমবার লেনদেন শেষে দেশটির সাংহাই ও সেনজেন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ১৫০০ কোম্পানির শেয়ারের দর ১০ শতাংশ কমেছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশটির শেয়ারবাজারে গত জুন মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ধস নামতে শুরু করে। তিন সপ্তাহের মধ্যে দেশটির শেয়ারবাজারের সূচক ৩০ শতাংশে নেমে আসে। ফলে ৩ ট্রিলিয়ন ডলার হারায় কোম্পানিগুলো। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৯ কোটি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী। সরকার ও বাজার সংশ্লিষ্টদের নানা উদ্যোগের ফলে সে ধস থেকে বাজারের উত্তরণ ঘটে। ১৪০০ কোম্পানির লেনদেন স্থগিতের অনুমতি, সুদের হার কমান, বড় বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ, নতুন আইপিও অনুমোদন বন্ধ, শেয়ারক্রয়ে মার্জিন লোন সুবিধার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৪৮০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নসহ নানা উদ্যোগের কারণে ধস থেকে বের হতে সক্ষম হয় দেশটির শেয়ারবাজার। জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে নেওয়া এ সব উদ্যোগের ফলে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে বাজার। হারান সূচকের ১৬ শতাংশের পুনরুদ্ধার ঘটে। বাজারে এক ধরনের স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। তবে সোমবার দেশটির পরিসংখ্যান ব্যুরো শিল্পখাতে মুনাফা কমে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করে। আর এমন খবরে দেশটির শেয়ারবাজারে বড় ধরনের আঘাত পরিলক্ষিত হয়। এদিকে বাজার ধস ঠেকাতে সরকারের উদ্যোগের সমালোচনা করেছে আন্তজার্তিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফের এক শীর্ষ কর্তাব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাজারকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেওয়া উচিৎ। কোম্পানির শেয়ারের দর কি হবে বাজার-ই তা নির্ধারণ করবে। আইএমএফ কর্মকর্তার এমন বক্তব্যে শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে যে সব সুবিধা দেওয়া হয়েছে সেগুলো প্রত্যাহার করা হতে পারে— এমন আশংকা দেখা দিয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। ডেল্টা এশিয়া সিকিউরিটিজের পরামর্শক চাই ইয়াং বলেন, যদি ওই সুযোগ প্রত্যাহার করা হয় তাহলে বাজারের পক্ষে কোনো ধরনের সাপোর্ট দেওয়া সম্ভব হবে না। চীন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারে সরকারের পদক্ষেপ সাময়িক। একদিকে শিল্পখাতে মুনাফা কমে যাওয়া অন্যদিকে সরকারের সহায়তা প্রত্যাহারের আশংকায় দেশটির শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধস নেমে এসেছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে। আর এ আতংকের কারণে তারা শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন।
  • অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : অ্যাপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সোমবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কোম্পানি সূত্রে সোমবার বিকালে এ তথ্য জানা যায়। কোম্পানিটি ৩১ মার্চ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করে। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এবং রেকর্ড ডেট ১৮ আগস্ট।
  • ইপিএস কমের প্রভাব মেঘনা সিমেন্টে
    সিনিয়র রিপোর্টার : মেঘনা সিমেন্ট হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৬৫ পয়সা। যা আগের বছরের তুলনায় ১৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ কম। ডিএসইতে সোমবার ইপিএস কমের তথ্য প্রকাশিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে সেই প্রভাব পড়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি দর ও লেনদেনে। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৫৫ পয়সা। ইপিএস কমের প্রভারে ডিএসইতে সোমবার মেঘনা সিমেন্ট লুজারের শীর্ষে অবস্থান নিয়েছে। টপটেন লুজার তালিকায় শেয়ারপ্রতি দর কমে ১২ টাকা ৭০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১১৪ টাকা ৬০ পয়সা দরে। কোম্পানির ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৫৭টি শেয়ার লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ছিল ২ কোটি ৭১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির অর্ধবার্ষিকী প্রান্তিকের (জানুয়ারি, ১৫ – জুন, ১৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা করেছে ৮ কোটি ২০  লাখ ৪০ হাজার  টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি মুনাফা করেছিল ১০ কোটি  ২৪  লাখ ৭০ হাজার  টাকা। গত ৩ মাসে (এপ্রিল,১৫ – জুন,১৫) কোম্পানিটি কর পরবর্তী  মুনাফা করেছে ৩ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আর  শেয়ার প্রতি আয় করেছে ১ টাকা ৩৫  পয়সা। আগের বছর একই সময়ে  কোম্পানিটি  মুনাফা করেছিল ৬ কোটি ৩০ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি  আয় করেছিল ২ টাকা ৮০ পয়সা।
  • রেজিটেন্স লেভেলে ধাক্কা খেলো ডিএসইএক্স ইনডেক্স
    মেহেদী আরাফাত : টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী সোমবার ঢাকা শেয়ার বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়- ডিএসইএক্স ইনডেক্স লেনদেনের শুরু থেকেই হ্রাস পেতে থাকে। দিনের শুরুতে কিছুটা ক্রয়চাপ থাকলেও কিছু সময় পর বিক্রয় চাপের ফলে সূচক বেশ নিম্নমুখী হয়ে যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিক্রয় চাপ আরও প্রবল হতে থাকে এবং দিনশেষে সূচক ১১.২৭ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। সূচকের এ দরপতনের ফলে আজকের ক্যান্ডেলস্টিক একটি বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক ছিল। ডিএসই এক্স ইনডেক্স ১১.২৭ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪৭৭৫.২৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.২৩% হ্রাস পেয়েছে। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায় টানা নয় দিন পর গতকাল ইনডেক্স হ্রাস পেয়েছে। ইনডেক্স তার রেজিটেন্স লেভেল ৪৮০০ কে ভাঙতে পারেনি। TA বিশ্লেষকদের মতে এই লেভেল কে ক্রস করতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। তাছারা বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিগুলির ইপিএস দেখে বিনিয়োগ করতে চাচ্ছে। এই সপ্তাহে প্রায় সবগুলি কম্পানির ইপিএস চলে আসবে। আশা করা যায় সামনের সপ্তাহে বাজার আগের গতিতে চলতে শুরু করবে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৬৮০ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৪৮৫০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৭৯.১৬ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৬৬.৬২। এম.এফ.আই কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে। ডিএসইতে ১৪ কোটি ৯৪ লাখ ৭৮ হাজার ৮৭৮ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৬৪৮.২৩ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ১০৬ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০৪ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৯ টির, কমেছে ১৪৯ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪০ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা বেশী ছিল ০-২০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৪.২৮% বেড়েছে। অন্যদিকে হ্রাস পেয়েছে ২০-৫০ এবং ৫০-১০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ১৯.৯৫% এবং ২৭.৩৫% কম। অন্যদিকে ৩০০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় ১৩.১৮% কমেছে। পিই রেশিও ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১৬.৩৯% কমেছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১৮.৮৫% কমেছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে এগিয়ে ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ১৪.১৩% বেশী ছিল। কমেছে ‘এন’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ১.৯৯% এবং ১২.৪১% কম ছিল। গত এক মাসে লেনদেন এ শীর্ষে থাকা কম্পানির তালিকা নিচে দেওয়া হোল -
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ইউনাইটেড পাওয়ার
    লভ্যাংশ বিতরণ সম্পন্ন করায় শেয়ারবাজারে ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে বিদ্যুত্ খাতের কোম্পানি ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ইউপিজিডিসিএল)। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা যায়, ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ ও ২০১৪ সালের জন্য ৩০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উঠে এসেছে এ বছর শেয়ারবাজারে আসা কোম্পানিটি।২০১৪ সালে কোম্পানির সমন্বয়-পরবর্তী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ১৫ পয়সা।এদিকে প্রথম প্রান্তিকে এর সমন্বয়-পরবর্তী ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ১৫ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা।এদিকে ডিএসইতে গতকাল ইউপিজিডিসিএল শেয়ারের দর ১ দশমিক ৩১ শতাংশ বা ২ টাকা ১০ পয়সা কমেছে। দিনভর দর ১৫৭ টাকা থেকে ১৬৪ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৫৭ টাকা ৯০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সমাপনী দর ছিল ১৫৭ টাকা ৪০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ১৬০ টাকা। এদিন ২ হাজার ৭৮৯ বারে কোম্পানিটির মোট ৬ লাখ ১৫ হাজার ৭২টি শেয়ারের লেনদেন হয়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত তিন কার্যদিবস ধরে কমছে এর দর। এক মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ১৫০ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৬৭ টাকা ৯০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ১২৮ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২২৫ টাকা ৮০ পয়সা।প্রসঙ্গত, জুনে ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে দুটি গ্যাসচালিত বিদ্যুেকন্দ্র অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। অধিগ্রহণ শেষে ইউনাইটেড পাওয়ারের বিদ্যুত্ উত্পাদন ক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়বে।নিজস্ব অর্থে ৫৩ মেগাওয়াট সক্ষমতার ইউনাইটেড আশুগঞ্জ পাওয়ার লিমিটেড ও ২৮ মেগাওয়াটের শাহজাহানুল্লাহ পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি নামের প্রতিষ্ঠান দুটি অধিগ্রহণ করবে ইউনাইটেড পাওয়ার। এজন্য নতুন কোনো শেয়ার ইস্যু করা হবে না। ঘোষণার পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা ছিল কোম্পানির।ইউপিজিডিসিএলের অনুমোদিত মূলধন ৮০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৬২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৬১৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৯০ শতাংশই এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং বাকি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।সর্বশেষ নিরীক্ষিত প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত ২৩ দশমিক ১৮, প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ১৮ দশমিক ৩-এ নেমে এসেছে।   Source : বনিক বার্তা
  • বিনিয়োগকারীর লেনদেন স্থগিত করেছে দুই ব্রোকারেজ হাউস
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে এক বিনিয়োগকারীর শেয়ার লেনদেন স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে ডিএসইর সদস্যভুক্ত দুই ব্রোকারেজ হাউস। প্রতিষ্ঠান দুটি হল এডি হোল্ডিংস লিমিটেড ও ইত্তেহাদ সিকিউরিটিজ লিমিটেড। এতে করে বিনিয়োগকারী কপিল চন্দ্র বোস গত দুই দিন ধরে তার পোর্টফোলিওতে থাকা কোনো শেয়ার কেনাবেচা করতে পারছেন না। ডিএসইর এই নিয়ম-বহির্ভূত হস্তক্ষেপে চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন উল্লিখিত বিনিয়োগকারী।এ ব্যাপারে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান সকালের খবরকে বলেন, সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন না করলে কোনো বিনিয়োগকারীর শেয়ার লেনদেন স্টক এক্সচেঞ্জ স্থগিত করতে পারে না। কারণ কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী বলা যায় না।সূত্র জানায়, বিনিয়োগকারী কপিল চন্দ্র বোস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠান এডি হোল্ডিংস লিমিটেড ও ইত্তেহাদ সিকিউরিটিজ লিমিটেডে দুটি পৃথক বিও হিসাব খোলে শেয়ার লেনদেন করেন। প্রতিষ্ঠান দুটিতে ওই বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব নম্বর যথাক্রমে ১২০৫০৩০০৫৮৪০৪৩৬৯ ও ১২০৩৮১০০৫২৬০৮৫১০। কিন্তু গত ২৩ জুলাই ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) স্বপন কুমার বালার বরাত দিয়ে তার পিএস মো. মিলন মিয়া উল্লিখিত ব্রোকারেজ হাউস দুটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোন করে কপিল চন্দ্র বোসের শেয়ার লেনদেন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন। ফলে ব্রোকারেজ হাউস দুটি ওইদিনই কপিল চন্দ্র বোসের শেয়ার লেনদেন স্থগিত করে দেয়।সূত্র জানায়, বিনিয়োগকারী কপিল চন্দ্র বোস ও সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস পরস্পর বন্ধু। কিন্তু সম্প্রতি তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হলে সমরেন্দ্র বিশ্বাস ডিএসইর এমডি স্বপন কুমার বালার মাধ্যমে প্রভাব খাটিয়ে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কপিলের বিও হিসাব স্থগিত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন না করলে অথবা আদালত কিংবা এনবিআর কিংবা দুদক অথবা অন্য কোনো সংস্থার আইনি নির্দেশ ছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জ কোনো বিনিয়োগকারীর লেনদেন স্থগিত করতে পারে না। তা সত্ত্বেও ডিএসইর এমডি ক্ষমতার অপব্যবহার করে কপিলের লেনদেন স্থগিত করেছেন বলে বড় ধরনের অভিযোগ উঠেছে।এ ব্যাপারে এডি হোল্ডিংস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এমএ বারী সকালের খবরকে বলেন, ডিএসইর এমডির নির্দেশে আমরা বিনিয়োগকারীর বিও হিসাব স্থগিত করেছি। ডিএসই নির্দেশ দিলে পুনরায় চালু করে দেব।অন্যদিকে ইত্তেহাদ সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জুবের আহমেদ সকালের খবরকে বলেন, ডিএসইর এমডির পিএস আমাকে ফোন করে বলেছেন, কপিলের শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখতে। কিন্তু আমি এ ব্যাপারে ডিএসইর লিখিত নির্দেশ চাইলেও দেওয়া হয়নি। বরং বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারী যাতে এমডির পিএসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।এ বিষয়ে ডিএসইর এমডি দেশে না থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এমডির পিএস মিলন মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিনিয়োগকারীর বন্ধু আমাদের এমডি স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। আমি এমডি স্যারের নির্দেশে কপিল চন্দ্রের লেনদের স্থগিত রাখতে  ব্রোকারেজ হাউসকে অনুরোধ করেছি এবং ওই বিনিয়োগকারীকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতেও বলি।বিনিয়োগকারী কপিল চন্দ্র বোস বলেন, মানুষের সঙ্গে মানুষের শত্রুতা কিংবা লেনদেন থাকতেই পারে। কিন্তু আইনিভাবে আমার বিও হিসাব কেউ স্থগিত করতে পারে না। ডিএসই এটা আমার প্রতি অন্যায় আচরণ করেছে।   Source : সকালের খবর
  • পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন কমেছে
    টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের পতন ঘটেছে। এর আগে নয় দিনের উর্ধগতির পরে রবিবার থেকেই বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার প্রবণতা বেড়ে যায়, যার কারণেই সূচকের সঙ্গে লেনদেনেও কিছুটা ভাটা পড়ে। এছাড়া ঈদের দীর্ঘ ছুটির পর তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে শুরু করেছে। এই প্রতিবেদনের প্রভাবেও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর দর ওঠানামা করছে। ফলে বাজারে এক ধরনের উত্থান-পতন চলছে। আর বাজারে বড় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ, বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা আর্থিক প্রতিবেদনগুলোর ওপর নজর রাখছেন। বিভিন্ন কোম্পানিগুলোর প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করেই প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগে আসছেন, ফলে বাজারে এক ধরনের স্থিতাবস্থা দেখা গেছে। এরই অংশ হিসেবে বাজারে কিছুটা লেনদেন কমেছে বলে বাজার সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন।বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সোমবার সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্সের পতন হয়েছে ১১.২১ পয়েন্ট। দিনশেষে সূচক গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭৭৫.২৭ পয়েন্টে। আগের দিনে সূচক কমেছিল ২১.৯০ পয়েন্ট।এদিকে ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি শেষে শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেও চলতি সপ্তাহে তাতে ছন্দপতন ঘটছে। সপ্তাহের প্রথম দিন রবিবার সাড়ে ৭০০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হলেও সোমবার এটি ৬০০ কোটি টাকার ঘরে নেমে এসেছে। দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ৬৪৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। রবিবারের তুলনায় লেনদেন কমেছে ১০৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। লেনদেন কমার এ হার ১৪.১২ শতাংশ। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবারে লেনদেন হয়েছিল ৮১৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ২০.৩৫ শতাংশ।ডিএসইতে দিনটিতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৩১৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২৯টির, কমেছে ১৪৯টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টির দর। সোমবারে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। দিনশেষে কোম্পানিটির ৩৫ কোটি ৬২ লাখ ৩৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আর এ কে সিরামিকসের লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ২৬ কোটি ২৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ডেসকো। লেনদেনে এরপর রয়েছে যথাক্রমে- স্কয়ার ফার্মা, শাহজিবাজার পাওয়ার, এসিআই, বিএসআরএম, গ্রামীণফোন, অলিম্পিক এক্সেসরিজ, খুলনা পাওয়ার।ডিএসইর দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : হাক্কানী পাল্প, রূপালী ব্যাংক, বিডি ল্যাম্পস, বিএসআরএম লিমিটেড, পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড, জাহিন স্পিনিং, জেমিনি সী ফুড, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক। দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : মেঘনা সিমেন্ট, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, ডাচ বাংলা ব্যাংক, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, কে এ্যান্ড কিউ, সিএমসি কামাল, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, সায়হাম কটন ও বিজিআইসি।এদিকে ঢাকার মতো দেশের অপর পুুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সব ধরনের সূচক কমেছে। সেখানেও তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদনের প্রভাব পড়তে দেখা গেছে। সকালে ইতিবাচকভাবে লেনদেন শুরুর পর সিএসইর সার্বিক সূচক বা সিএসসিএক্স ২৬.৮৩ পয়েন্ট কমে দিনশেষে ৮ হাজার ৯০৪.৯৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সেখানে পুরো দিনে লেনদেন হয়েছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৮৫টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টির দর।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, ওলিম্পিক এক্সেসরিজ, বিএসআরএম লিমিটেড, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড, বেক্সিমকো, স্কয়ার ফার্মা, মবিল যমুনা বাংলাদেশ, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও বেক্সিমকো ফার্মা।   Source : জনকণ্ঠ
  • সাত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সাত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো : ইউনিক হোটেল, গ্লাক্সোমিথক্লাইন, মেঘনা সিমেন্ট, এনসিসি ব্যাংক, শাহজালাল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, ফনিক্স ইন্স্যুরেন্স। এর মধ্যে চারটির আয় বেড়েছে আর বাকি তিনটি কোম্পানির আয় কমেছে। শুধুমাত্র ব্যাংকিং খাতের তিনটি কোম্পানির মুনাফা বা আয় আগের তুলনায় বেড়েছে।ডাচ্্-বাংলা ব্যাংক ॥ হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস করেছে ৫ টাকা ৫৮ পয়সা। যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ২৬ শতাংশ বেশি। আগের বছর একই সময় ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৬৪ পয়সা। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির কর পরবর্তী মুনাফা করেছে ১১১ কোটি ৫৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি মুনাফা করেছিল ৯২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।এনসিসি ব্যাংক ॥ কোম্পানি ন্যাশনাল ক্রেডিট এ্যান্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেড (এনসিসি) হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসে শেয়ারপ্রতি কনসোলিডেটেড আয় বা ইপিএস করেছে ৫৫ পয়সা। যা আগের বছরের তুলনায় ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। আগের বছর একই সময় ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি ইপিএস ছিল ৪০ পয়সা। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির কর পরবর্তী কনসোলিডেটেড মুনাফা করেছে ৪৮ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি কনসোলিডেটেড মুনাফা করেছিল ৩৪ কোটি ৯৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা।শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ॥ শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসে শেয়ারপ্রতি কনসুলেটেড আয় বা ইপিএস করেছে ৭৮ পয়সা। আগের বছর একই সময় ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি কনসুলেটেড লোকসান ছিল ৮১ পয়সা। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির কর পরবর্তী কনসুলেটেড মুনাফা করেছে ৫৭ কোটি ৪৭ লাখ ৭০ হাজার ৫২৭ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি কনসুলেটেড লোকসান করেছিল ৫৯ কোটি ৩৫ লাখ ৮১ হাজার ৮৭৪ টাকা।ইউনিক হোটেল ॥ ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্টের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৬ টাকা। চলতি হিসাব বছরের অর্ধবর্ষে কোম্পানিটি এ আয় করেছে। চলতি হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসের (জানুয়ারি ’১৫ থেকে জুন ’১৫) অনিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটি করপরবর্তী মুনাফা করেছে ৪৩ কোটি ১২ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১.৪৬ টাকা। আগের বছরে একই সময়ে কোম্পানিটির করপরবর্তী মুনাফার পরিমাণ ছিল ৪৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয়ের পরিমাণ ছিল ১.৪৯ টাকা। সে হিসাবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে ২ শতাংশ।গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন ॥ হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসে গ্লাক্সোমিথক্লাইনের শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস করেছে ৩০ টাকা ৮৩ পয়সা। যা আগের বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ কম। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস ছিল ৩৪ টাকা ৮ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির করপরবর্তী মুনাফা করেছে ৩৭ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি মুনাফা করেছিল ৪১ কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা।মেঘনা সিমেন্ট ॥ হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস করেছে ৩ টাকা ৬৫ পয়সা। যা আগের বছরের তুলনায় ১৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ কম। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৫৫ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা করেছে ৮ কোটি ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি মুনাফা করেছিল ১০ কোটি ২৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা।ফনিক্স ইন্স্যুরেন্স ॥ হিসাব বছরের প্রথম ৬ মাসে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস করেছে ১ টাকা ৯৮ পয়সা। যা আগের বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ কম। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস ছিল ২ টাকা ১৫ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির করপরবর্তী মুনাফা করেছে ৭ কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি মুনাফা করেছিল ৮ কোটি ৬৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। গত ৩ মাসে (এপ্রিল ’১৫-জুন ’১৫) কোম্পানিটি করপরবর্তী মুনাফা করেছে ৪ কোটি ৮১ লাখ ২০ হাজার টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১ টাকা ১৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি মুনাফা করেছিল ৫ কোটি ৬০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় করেছিল ১ টাকা ৩৯ পয়সা।   Source : জনকণ্ঠ
  • ইকোনমিস্টের ৫০ ভাগ শেয়ার বিক্রি হচ্ছে
    লন্ডনের প্রভাবশালী ইকোনমিস্ট ম্যাগাজিনের ৫০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করতে যাচ্ছে প্রকাশনা সংস্থা পিয়ারসন। কয়েক দিন আগে এ সংস্থার পত্রিকা দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জাপানের নিক্কেই’র কাছে ১৩০ কোটি ডলারে বিক্রি করে দেয়ার পর এবার এ ঘোষণা দেয়া হয়েছে। শেয়ার বিক্রির বিষয়ে ইকোনমিস্ট গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদ ও ট্রাস্টির মধ্যে আলোচনা চলছে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রকাশনা ব্যবসা থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে পিয়ারসন। এ খবর দিয়েছে ব্লুমবার্গ। খবরে বলা হয়েছে, ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের পর ইকোনমিস্ট গ্রুপের শেয়ার বিক্রি করে দিলে পিয়ারসনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জন ফ্যালোনের হাতে শিক্ষা ব্যবসায় বেশি বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে। সংস্থাটির আয়ের বিশাল অংশই আসে শিক্ষা খাত থেকে। পিয়ারসন আবার বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ শিক্ষা বিষয়ক কোম্পানি। ইকোনমিস্টের শেয়ার বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দু’ ব্যক্তি জানিয়েছেন, ইকোনমিস্ট গ্রুপে পিয়ারসনের ৫০ শতাংশ শেয়ারের মূল্যমান প্রায় ৬২ কোটি ডলার। এছাড়া ক্যাডবুরি, রথচাইল্ড ও স্ক্রোডার্সের মতো পারিবারিক শেয়ারহোল্ডাররা এ শেয়ার কিনতে পিয়ারসনের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। এছাড়া ইতালির গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফিয়াটের প্রতিষ্ঠাতা আগনেল্লি পরিবারও ইকোনমিস্টে থাকা নিজেদের শেয়ারের পরিমাণ বাড়াতে আগ্রহী।বর্তমানে ইকোনমিস্টে ৪.৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে আগনেল্লি পরিবারের। ১৮৪৩ সালে লন্ডনে সম্পাাদিত হওয়া দ্য ইকোনমিস্ট বিশ্বব্যাপী বহু রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতারা পড়েন। বর্তমানে ম্যাগাজিনটির ১৬ লাখ পাঠক রয়েছে।   Source : মানব জমিন
  • সূচক লেনদেন দুটোই কমেছে পুঁজিবাজারে
    টানা দ্বিতীয় দিনের মতো নেতিবাচক ছিল দেশের পুঁজিবাজার গতকাল। সপ্তাহের এই দ্বিতীয় কর্মদিবসেও অবনতি ঘটে দুই পুঁজিবাজার সূচকের। বরাবরের মতো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় দিন শুরু করলেও বাজারগুলো দিনের বেশির ভাগ সময় পার করে সূচকের ওঠানামার মধ্য দিয়ে। দিনশেষে অবনতি ঘটে সূচকের।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচকটি গতকাল ১১ দশমিক ২১ পয়েন্ট হ্রাস পায়। ডিএসই-৩০ ও শরিয়াহ সূচকের অবনতি ঘটে যথাক্রমে ৭ দশমিক ৬৪ ও ৪ দশমিক ১২ পয়েন্ট। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ও সিএসসিএক্স সূচক হারায় যথাক্রমে ৩৭ দশমিক ৪১ ও ২৫ দশমিক ০৭ পয়েন্ট। সেখানে শরিয়াহ সূচকের অবনতি ঘটে ৫ দশমিক ২৭ পয়েন্ট।সূচকের পাশাপাশি কমেছে দুই পুঁজিবাজারের লেনদেনও। ঢাকা শেয়ারবাজারে গতকাল লেনদেন হয়েছে ৬৪৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। রোববার এখানে লেনদেন ছিল ৭৫৪ কোটি টাকা। লেনদেনের অবনতি ঘটে চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারেও। সেখানে ৫৩ কোটি টাকা থেকে ৪৬ কোটিতে নামে লেনদেন। গতকাল দিনভর কাটে দুই বাজার সূচকের ওঠানামায়। সকালে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শুরু হলেও দিনের বিভিন্ন পর্যায়ে বিক্রয়চাপের সম্মুখীন হয় বাজারগুলো। তবে একই সাথে ক্রয়চাপ সক্রিয় থাকায় কোনো পর্যায়েই সূচকের বড় ধরনের অবনতি ঘটতে পারেনি।এ দিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামি ব্যাংকগুলোর মুনাফা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যাংকগুলোর প্রকাশিত অর্ধবার্ষিক হিসাব পর্যালোচনায় এ তথ্য পাওয়া যায়। গতকাল পর্যন্ত দু’টি ইসলামি ব্যাংকের অর্ধবার্ষিক হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে। এগুলো হলো ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক। ডিএসইর ওয়েবসাইটে পাওয়া তথ্যানুসারে দু’টি ব্যাংকই গত ছয় মাসে উল্লেখযোগ্য মুনাফা করে।এদের মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের মুনাফায় বড় ধরনের উত্থান হয়েছে। হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটির কনসুলেটেড মুনাফা বেড়েছে ২৪২ কোটি ১১ লাখ টাকা বা ২৪৯ শতাংশ।ব্যাংকটির অর্ধবার্ষিকী প্রান্তিকের (জানুয়ারি, ১৫ থেকে জুন, ১৫) অনিরীতি আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির কর-পরবর্তী কনসুলেটেড মুনাফা করেছে ৩৩৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা। আর কনসুলেটেড শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ২ টাকা ১১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ব্যাংকটি মুনাফা করেছিল ৯৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। একই বছরে ব্যাংকটির ইপিএস ছিল ৬১ পয়সা।গত তিন মাসে (এপ্রিল, ১৫ থেকে জুন, ১৫) ব্যাংকটি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ২৯৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। আর কনসুলেটেড শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ব্যাংকটি মুনাফা করেছিল ৫৯ কোটি টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় করেছিল ৩৭ পয়সা।একইভাবে মুনাফায় ফিরেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক। ২০১৪ সালের হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটি শেয়ারপ্রতি ৮১ পয়সা লোকসান গুনলেও চলতি ২০১৫ সালে একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ৭৮ পয়সা।চলতি হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসের (জানুয়ারি ’১৫ থেকে জুন ’১৫) অনিরীতি হিসাব অনুযায়ী ব্যাংকটি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৫৭ কোটি ২২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ৭৮ পয়সা। আগের বছরে একই সময়ে কোম্পানিটি লোকসান করেছিল ৫৯ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি লোকসানের পরিমাণ ছিল ৮১ পয়সা। সে হিসাবে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ১৯৬.২৯ শতাংশ।অন্য দিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল ’১৫ থেকে জুন ’১৫) অনিরীতি হিসাব অনুযায়ী শাহজালাল ব্যাংকের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩৮ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৫৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে একই সময়ে কোম্পানিটির লোকসানের পরিমাণ ছিল ৪৩ কোটি ৪২ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি লোকসানের পরিমাণ ছিল ৫৯ পয়সা।গতকাল দুই বাজারেই সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু শুরু হতে না হতেই বিক্রয়চাপে পড়ে দুই বাজার। ঢাকায় ডিএসইএক্স সূচকের ৪ হাজার ৭৮৬ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট থেকে লেনদেন শুরু করে প্রথমে সূচকটি ৪ হাজার ৭৯৩ পয়েন্টে উঠলেও পরক্ষণেই বিক্রয়চাপে পড়ে নেমে আসে ৪ হাজার ৭৬৭ পয়েন্টে। দিনের বাকি সময় পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি ঘটেনি। দিনভর ওঠানামায় পার করে দিনশেষে ১১ দশমিক ২১ পয়েন্ট হারিয়ে ৪ হাজার ৭৭৫ দশমিক ২৭ পয়েন্টে স্থির হয় সূচকটি।গতকাল ব্যাংক, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রকৌশল ও সিরামিকস খাত কিছুটা ভালো অবস্থানে থাকলেও অন্যান্য খাতে ছিল মিশ্র আচরণ। আবার সিমেন্ট, জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বেশিরভাগ কোম্পানিই দরপতনের শিকার হয়। ঢাকায় লেনদেন হওয়া ৩১৮টি সিকিউরিটিজের মধ্যে ১১১টির মূল্যবৃদ্ধির বিপরীতে দর হারায় ১৬১টি। অপরিবর্তিত ছিল ৪৬টির দর। অন্য দিকে চট্টগ্রামে লেনদেন হওয়া ২৪৩টি সিকিইরিটিজের মধ্যে ৮৩টির দাম বাড়ে, ১৩১টির কমে এবং ২৯টির দাম অপরিবর্তিত থাকে।   Source : নয়া দিগন্ত
  • চীনের শেয়ারবাজারে দর ৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পতন
    চীনের শেয়ারবাজারে আট বছরের মধ্যে সূচকের সর্বোচ্চ পতন হয়েছে। শিল্পখাতে মুনাফা অর্জনের পরিমাণ আগের বছরের জুনের তুলনায় ০.৩ শতাংশ কমে যাওয়ার খবরে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটে।সোমবার দিন শেষে দেশটির প্রধান শেয়ারবাজার সাংহাই কম্পোজিটে সূচকের পতন ঘটে ৮.৫ শতাংশ। ফলে এটি ৩৫২৫.৫৬ পয়েন্টে নেমে আসে। ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পর এটিই এক দিনে সূচকের সর্বোচ্চ পতন। সোমবার লেনদেন শেষে দেশটির সাংহাই ও সেনজেন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ১৫০০ কোম্পানির শেয়ারের দর ১০ শতাংশ কমেছে।বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতির দেশটির শেয়ারবাজারে গত জুন মাসের মাঝা মাঝি সময় থেকে ধস নামতে শুরু করে। তিন সপ্তাহের মধ্যে দেশটির শেয়ারবাজারের সূচক ৩০ শতাংশে নেমে আসে। ফলে ৩ ট্রিলিয়ন ডলার হারায় কোম্পানিগুলো। তিগ্রস্ত হয় ৯ কোটি ুদ্র বিনিয়োগকারী। সরকার ও বাজার-সংশ্লিষ্টদের নানা উদ্যোগের ফলে সে ধস থেকে বাজারের উত্তরণ ঘটে। ১৪০০ কোম্পানির লেনদেন স্থগিতের অনুমতি, সুদের হার কমান, বড় বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ, নতুন আইপিও অনুমোদন বন্ধ, শেয়ারক্রয়ে মার্জিন লোন সুবিধার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৪৮০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নসহ নানা উদ্যোগের কারণে ধস থেকে বের হতে সম হয় দেশটির শেয়ারবাজার। জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে নেয়া এসব উদ্যোগের ফলে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে বাজার। হারান সূচকের ১৬ শতাংশের পুনরুদ্ধার ঘটে। বাজারে এক ধরনের স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। তবে সোমবার দেশটির পরিসংখ্যান ব্যুরো শিল্পখাতে মুনাফা কমে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করে। আর এমন খবরে দেশটির শেয়ারবাজারে বড় ধরনের আঘাত পরিলতি হয়।এ দিকে বাজার ধস ঠেকাতে সরকারের উদ্যোগের সমালোচনা করেছে আন্তজার্তিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফের এক শীর্ষ কর্তাব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাজারকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দেয়া উচিত। কোম্পানির শেয়ারের দর কী হবে বাজারই তা নির্ধারণ করবে। আইএমএফ কর্মকর্তার এমন বক্তব্যে শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের প থেকে যেসব সুবিধা দেয়া হয়েছে সেগুলো প্রত্যাহার করা হতে পারে এমন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। ডেল্টা এশিয়া সিকিউরিটিজের পরামর্শক চাই ইয়াং বলেন, যদি ওই সুযোগ প্রত্যাহার করা হয় তাহলে বাজারের পে কোনো ধরনের সাপোর্ট দেওয়া সম্ভব হবে না। চীন সরকারের প থেকে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারে সরকারের পদপে সাময়িক। এক দিকে শিল্পখাতে মুনাফা কমে যাওয়া, অন্য দিকে সরকারের সহায়তা প্রত্যাহারের আশঙ্কায় দেশটির শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধস নেমে এসেছে। Source : নয়া দিগন্ত  
  • চীনের শেয়ারবাজার থেকে অর্থ তুলে নিচ্ছেন বিদেশিরা
    বেইজিংয়ের হস্তক্ষেপের কারণে অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী চীনের শেয়ারবাজার থেকে নিজেদের অর্থ তুলে নিতে শুরু করেছেন। গত শুক্রবার পর্যন্ত হংকং স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিদেশিদের নিট শেয়ার বিক্রি দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইউয়ান (৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার)। এখনই এ হার মাসভিত্তিতে সর্বোচ্চ অথচ জুলাই শেষ হতে আরো কয়েক দিন বাকি রয়েছে।গত বছরের নভেম্বরে হংকং ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জকে একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ নিয়মের মাধ্যমে হংকং শেয়ারবাজার থেকেই সাংহাইয়ে শেয়ার কেনাবেচা করা যাবে। সাংহাইয়ের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। এ নিয়ম চালু হওয়ার পর হংকং স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিদেশিরা সাংহাই শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত শেয়ার বেশি করে কিনতে শুরু করেন। কিন্তু গত জুনের মাঝামাঝি সময় থেকে এ প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন ঘটে। ওই সময় সাংহাইয়ের ইনডেক্স ৫ হাজার পয়েন্টের ওপরে উঠে থেমে যায় এবং ক্রমাগত নেমে প্রায় ৩ হাজার পয়েন্টের কাছাকাছি চলে আসে। সাংহাই শেয়ারবাজারের দর বাড়াতে গিয়ে চলতি মাসের শুরুতে আইপিও কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখাসহ বেইজিং বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। পিপলস ব্যাংক অব চায়না সরকারি বিভিন্ন সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঢালে। এসব উদ্যোগের কারণে ইনডেক্স বেড়ে প্রায় ৪ হাজার পয়েন্টে দাঁড়ায়।কিন্তু চীন সরকারের এ ধরনের হস্তক্ষেপ পছন্দ হয়নি অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারীর। ৬ জুলাই থেকে শুরু করে টানা ৯ দিন বিদেশিদের কর্তৃক নিট বিক্রির পরিমাণ নিট ক্রয়কে ছাড়িয়ে যায়। এ ৯ দিনের প্রথম দিনে নিট বিক্রির পরিমাণ দাঁড়ায় রেকর্ড ১৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ইউয়ানে। এ ছাড়া চীন সরকার সন্দেহজনক শর্ট সেলিং (কম মূল্যে ধারকৃত শেয়ার) বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।   Source : ভোরের কাগজ
  • শেয়ারবাজারে মূল্য সংশোধন অব্যাহত
    শেয়ারবাজারে আরও দরপতন হয়েছে। সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনেও সোমবার দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। ফলে কমেছে মূল্যসূচক ও বাজারমূলধন। এর মধ্যে ডিএসইর সূচক কমেছে ১১ পয়েন্ট এবং সিএসইর সূচক কমেছে ৩৭ পয়েন্ট। এছাড়া উভয় শেয়ারবাজারে সোমবার লেনদেনও কমেছে। খাতভিত্তিক বিবেচনায় সিমেন্ট খাতের শেয়ারের দাম বেশি কমেছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে সোমবার ৩১৮টি প্রতিষ্ঠানের ১৪ কোটি ৯৪ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ৬৪৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে যা ১০৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা কম। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ১৬১টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। ডিএসইর ব্রড সূচক আগের দিনের চেয়ে ১১ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৭৭৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮৬৯ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসই শরীয়াহ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৮২ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে কমে ৩ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে।সিএসই : চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সোমবার ২৪৩টি প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ২১ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ১৩১টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইর সাবিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৭ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৬২৬ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সিএসই ৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৯ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৯৭ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে কমে ২ লাখ ৬৯ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে।সোমবার ডিএসইতে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বেশি লেনদেন হয়েছে সেগুলো হল- লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, আরএকে সিরামিক, ডেসকো লিমিটেড, স্কয়ার ফার্মা, শাহাজীবাজার পাওয়ার, এসিআই, বিএসআরএম লিমিটেড, গ্রামীণফোন, অলিম্পিক এক্সেসরিজ এবং খুলনা পাওয়ার কোম্পানি।ডিএসইতে সোমবার যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি বেড়েছে সেগুলো হল- হাক্কানী পাল্প, রূপালী ব্যাংক, বিডি ল্যাম্পস, বিএসআরএম লিমিটেড, পিএলএফএসএল, জাহিন স্পিনিং, জেমিনী সি ফুড, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, এফবিএফআইএফ এবং স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক।অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি কমেছে সেগুলো হল- মেঘনা সিমেন্ট, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, কে অ্যান্ড কিউ, সিএমসি কামাল, আইএফআইএল ইসলামি মিউচুয়াল ফান্ড, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, সায়হাম কটন এবং বিজিআইসি। Source : যুগান্তর  
  • বিওতে তিন কোম্পানির বোনাস শেয়ার
    শেয়ারহোল্ডারদের বিও হিসাবে স্টক লভ্যাংশ পাঠানোর খবর দিয়েছে তিন তালিকাভুক্ত কোম্পানি গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, জেনারেশন নেক্সট ও জিবিবি পাওয়ার। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স: ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৪ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে সাধারণ বীমা কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ১৫ পয়সা, বোনাস শেয়ার সমন্বয় শেষে যা ১ টাকা ৫ পয়সায় নেমে এসেছে। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৮৮ পয়সা।এদিকে প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বয়-পরবর্তী ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ পয়সায়।গতকাল ডিএসইতে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স শেয়ারের দর ২ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ কমে ১৪ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে আসে। গত এক বছরে এর দর ১১ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ২২ টাকা ৯০ পয়সায় নেমে আসে।সর্বশেষ নিরীক্ষিত মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১৩ দশমিক ৮১, প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ৫ দশমিক ৩৩-এ নেমে এসেছে।জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস লিমিটেড: ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৪ হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর ইপিএস ছিল ১ টাকা ৭৬ পয়সা, বোনাস শেয়ার সমন্বয় শেষে যা ১ টাকা ৫৪ পয়সায় নেমে এসেছে। এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৪ পয়সা।এদিকে প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বয়-পরবর্তী ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ পয়সায়।গতকাল ডিএসইতে এ কোম্পানির শেয়ারের দর ১২ টাকায় অপরিবর্তিত ছিল। গত এক বছরে এর দর ১০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১৮ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে আসে।সর্বশেষ নিরীক্ষিত মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের পিই অনুপাত ৮ দশমিক ৮৮, প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ৬ দশমিক ৬১-এ নেমে এসেছে।জিবিবি পাওয়ার: ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৪ হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫৫ পয়সা, বোনাস শেয়ার সমন্বয় শেষে যা ১ টাকা ৩৫ পয়সায় নেমে এসেছে। এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৭২ পয়সায়।প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বয়-পরবর্তী ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ পয়সায়।গতকাল ডিএসইতে জিবিবি পাওয়ারের শেয়ারদর ১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ কমে ১৮ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে আসে।   Source : বনিক বার্তা
  • মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই জাহিন স্পিনিংয়ের
    শেয়ারের দরবৃদ্ধির নেপথ্যে অপ্রকাশিত কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই জাহিন স্পিনিং লিমিটেডের। জানা গেছে, এক কার্যদিবসে সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিত্রে এর কারণ জানতে চেয়ে কোম্পানিটিকে চিঠি দেয় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষ। এর জবাবেই কোম্পানি এ তথ্য দেয়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, কয়েক কার্যদিবসে দরহ্রাসের পর গত রোববার হঠাৎ করে কোম্পানিটির শেয়ারের দর দিনের সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সীমার কাছাকাছি উঠে যায়। সেদিন এর দর ২০ টাকা ৬০ পয়সা থেকে বেড়ে ২২ টাকা ৬০ পয়সায় গিয়ে তা অনুমোদিত সর্বোচ্চ সীমার কাছাকাছি দরে কেনাবেচা হয়। গতকাল সোমবার কোম্পানি কর্তৃক কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই জানানোর পরও দিনের সর্বোচ্চ দরে এ শেয়ারের কেনাবেচা হয়েছে। দিন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের দর ২২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে বেড়ে ২৪ টাকা ৫০ পয়সায় উন্নীত হয়েছে।বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কোম্পানির উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির খবরে এ শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কিছুটা বাড়ছে।প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২২ জুন কোম্পানিটি জানিয়েছিল, ১৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকায় ১৫ হাজার ৪৮০টি স্পিন্ডল স্থাপনের কারণে তাদের দৈনিক সুতা উৎপাদন ৪ হাজার ৪২০ কেজি বাড়াবে। এতে তাদের নিট মুনাফা ৪ কোটি টাকা বা ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।   Source : বনিক বার্তা
  • ডিএসইতে গড় লেনদেন বেড়েছে দেড়শ’ কোটি টাকা
    ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছয় দিন বন্ধ থাকার পর গত সপ্তাহে (১৯-২৩ জুলাই) মঙ্গলবার থেকে লেনদেন শুরু হয়েছে পুঁজিবাজারে। গত সপ্তাহে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজারে মাত্র তিন কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে। তা সত্ত্বেও দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে। গেল সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম দিন ৫০০ কোটি টাকার কম বেচাকেনা হলেও পরের দুই দিন লেনদেন হয়েছে যথাক্রমে ৭০০ ও ৮০০ কোটি টাকারও বেশি। ফলে গত সপ্তাহে ডিএসইতে তার আগের সপ্তাহের (১২-১৬ জুলাই) তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ২৮.৮৮ শতাংশ।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ২১ কোটি ৭৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। গড় হিসাবে দৈনিক লেনদেন হয়েছে ৬৭৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা। বিপরীতে আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৫২২ কোটি ৯১ লাখ টাকা। ফলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে গড় লেনদেন বেড়েছে ১৫১ কোটি টাকা বা ২৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ।গত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯২.৫২ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ১.৩১ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৫.৮০ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে ০.৩৭ শতাংশ। এর মধ্যে লেনদেনের শীর্ষে ছিল লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। আগের সপ্তাহের তুলনায় ৯.৫২ শতাংশ লেনদেন বেড়ে ১৩৮ কোটি ৭৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে এ কোম্পানির।গত সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৬.৮৬ শতাংশই হয়েছে এ কোম্পানিটির। অপরদিকে স্পট মার্কেট থেকে মূল মার্কেটে ফিরেই লেনদেনে চমক দেখিয়েছে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি। গত সপ্তাহেই মূল মার্কেটে লেনদেনের ছাড়পত্র পেয়েছে বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতের এ কোম্পানিটি। আগের সপ্তাহের তুলনায় কোম্পানিটির লেনদেন বেড়েছে ১৭.৫৫ শতাংশ। ফলে গত সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৪.৬২ শতাংশ দখল করে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে শাহজিবাজার পাওয়ার। ৩.৪০ শতাংশ লেনদেনের মধ্য দিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এসিআই।এদিকে লেনদেনের পাশাপাশি মূল্যসূচকেরও বড় ধরনের উত্থান হয়েছে গত সপ্তাহে। আগের সপ্তাহের তুলনায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৫২.২৬ পয়েন্ট। সূচক বাড়ার এ হার ৩.২৭ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসই সূচক ফের ৪ হাজার ৮০০ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। সপ্তাহের শুরুতে সূচক ৪ হাজার ৬৫৬ পয়েন্ট হলেও সপ্তাহ শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮০৮ পয়েন্ট। গত সপ্তাহের তিন কার্যদিবসেই সূচক বেড়েছে। শুধু তাই নয়, টানা ৯ কার্যদিবসেই সূচকের বৃদ্ধি দিয়ে শেষ হয়েছে লেনদেন। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ৩২৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২০৮টির। আর দর কমেছে ৮৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির। লেনদেন হয়নি তিনটি কোম্পানির শেয়ার।   Source : সকালের খবর
  • ব্লক মার্কেটে লেনদেন কমেছে
    সমাপ্ত সপ্তাহে (১৯ থেকে ২১ জুলাই) পুঁজিবাজারে ব্লক মার্কেটে ২ কোম্পানির ৮৩ লাখ ১৫ হাজার ৬১৮টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ছিল ৩৭ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এর আগের সপ্তাহে (১২ থেকে ১৬ জুলাই) ৬টি কোম্পানির ১১ কোটি ১০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। তবে গত সপ্তাহে লেনদেন কমার প্রধান কারণ হল-ঈদের কারণে সপ্তাহের প্রথম তিন দিন লেনদেন বন্ধ ছিল। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। ব্লক মার্কেটে লেনদেন হওয়া কোম্পানি দুটি হল ব্র্যাক ব্যাংক ও স্কয়ার ফার্মা লিমিটেড।সমাপ্ত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছিল ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ার। কোম্পানিটি গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ৪১ টাকা দরে তিনবারে ৮১ লাখ ৪৩ হাজার ১৪২টি শেয়ার লেনদেন করে।যার আর্থিক মূল্য ছিল ৩৩ কোটি ৩৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ব্লক মার্কেটে অপর কোম্পানি স্কয়ার ফার্মার ১ লাখ ৭২ হাজার ৪৭৬টি শেয়ারের লেনদেন হয়েছিল। এই কোম্পানির শেয়ার ২৬৪ টাকা ৩০ পয়সা দরে একবার লেনদেন হয়। যার আর্থিক মূল্য ছিল ৪ কোটি ৫৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা।   Source : সকালের খবর
View All
Latest DSE News
  • MERCANBANK

    (Q2 Un-audited): Consolidated EPS for Jan-June, 2015 was Tk. 0.50 as against Tk. 0.58 for Jan-June, 2014, consolidated EPS for April-June, 2015 was Tk. 0.46 as against Tk. 0.29 for April-June, 2014. Consolidated NOCFPS was Tk. 4.09 for Jan-June, 2015 as against Tk. 8.95 for Jan-June, 2014. Consolidated NAV per share was Tk. 17.91 as of June 30, 2015 and Tk. 18.34 as of December 31, 2014.

  • TSL

    Withdrawal of Authorized Representative: Times Securities Limited, DSE TREC No. 166, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Md. Abdus Salam, with immediate effect.

  • DBL

    Withdrawal of Authorized Representative: DBL Securities Limited, DSE TREC No. 193, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Mohammed Ishrat Jamil Majumder, with immediate effect.

  • DRA

    Withdrawal of Authorized Representative: Dragon Securities Limited, DSE TREC No. 119, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Md. Shaiful Alom, with immediate effect.

  • BDFINANCE

    The Company has informed that the cash dividend for the year 2014 has been disbursed to the respective shareholders' Bank Accounts through BEFTN System on July 28, 2015.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
STANCERAM 47.30 43.00 4.30 10.00
MONNOCERA 33.30 30.30 3.00 9.90
ISNLTD 11.20 10.20 1.00 9.80
ICBIBANK 4.60 4.20 0.40 9.52
ISLAMICFIN 13.90 12.70 1.20 9.45
ATCSLGF 9.50 8.70 0.80 9.20
FBFIF 8.40 7.70 0.70 9.09
BDWELDING 24.20 22.20 2.00 9.01
ARAMITCEM 37.60 34.60 3.00 8.67
PHPMF1 5.10 4.70 0.40 8.51

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297