Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ISLAMIBANK 46.9 35.4 11.50 32.49
CITYBANK 38 29 9.00 31.03
EXIMBANK 16.3 13.5 2.80 20.74
MERCANBANK 19.8 16.4 3.40 20.73
PHOENIXFIN 34.4 28.5 5.90 20.70
ICBIBANK 6 5 1.00 20.00
MTB 29.7 24.8 4.90 19.76
NPOLYMAR 95.5 79.8 15.70 19.67
ALARABANK 21.1 17.7 3.40 19.21
LANKABAFIN 52.9 44.5 8.40 18.88

Contest SB2017_Jan

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
FARUK6468
3rd
blank_person
CCHANDAN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
ZAHINTEX 22 20 -5,669.80000 6951550.00
ZAHEENSPIN 23.8 25.2 -5,669.80000 4401200.00
YPL 32 32.2 -5,669.80000 1252870.00
WATACHEM 168.8 169.2 -5,669.80000 23787.00
UTTARAFIN 71.2 71 -5,669.80000 558785.00
Negative impact
AAMRATECH 36.8 38.6 -5,669.80000 2381400.00
ABBANK 26.2 25.4 -5,669.80000 12077800.00
ACI 427.1 432.8 -5,669.80000 164589.00
ACIFORMULA 163.8 166.3 -5,669.80000 128882.00
ACMELAB 112.4 115 -5,669.80000 935528.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
ISLAMIBANK 46.9 46.9 42.7 9.84% 730.97
BEXIMCO 34.6 36 34.2 -3.35% 634.97
SUMITPOWER 45.6 46.5 43.8 4.83% 610.48
CITYBANK 38 38.8 35.1 6.74% 499.62
NBL 15.9 16 15.3 1.27% 399.79
LANKABAFIN 52.9 53.3 50.1 2.12% 390.07
BARKAPOWER 45.9 49.5 45.2 -4.77% 359.29
EXIMBANK 16.3 16.5 14.9 7.24% 348.22
ABBANK 26.2 26.6 24.9 3.15% 313.66
RAKCERAMIC 67.4 71 66.9 1.66% 312.54

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 24 Jan 2017

275536
TOTAL TRADE
682.8246
TOTAL VOLUME(Mn)
20134.50
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • শমরিতা হাসপাতালের ইপিএস ১ টাকা ৫ পয়সা
    স্টাফ রিপোর্টার :  শমরিতা হাসপাতাল দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল (রিস্টেটেড) ১ টাকা ৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ১ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে এটি ছিল ৪৯ টাকা ৮৯ পয়সা।
  • শিল্প খাতে ৫৮ জন সিআইপি নির্বাচিত
    সিনিয়র রিপোর্টার : বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি-শিল্প) হিসেবে ৫৮ জনকে নির্বাচিত করেছে সরকার। পদাধিকার বলে সিআইপি ৮ জন, বৃহৎ শিল্প খাতে সিআইপি ২০ জন, বৃহৎ শিল্প (সেবা) খাতে ৫ জন, মাঝারি শিল্প (উৎপাদন) খাতে ১২ জন, মাঝারি শিল্প (সেবা) খাতে ৩ জন ক্ষুদ্র শিল্প খাতে ৫ জন, ক্ষুদ্র শিল্প (সেবা) খাতে ১ জন, মাইক্রো শিল্প খাতে ২ জন এবং কুটিরশিল্প খাতে ২ জন। গত ১৯ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্রমতে, ২০১৫ সালের দেশের বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, পণ্য, উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জাতীয় আয় বৃদ্ধিসহ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ‘সিআইপি (শিল্প) নির্বাচন নীতিমালা, ২০১৪’ অনুযায়ী ৫টি ক্যাটাগরিতে এ ব্যক্তিদের নির্বাচন করা হয়েছে। আগামী ৭ মে সকাল ১১টায় রাজধানীর পূর্বাণী হোটেলে নির্বাচিত সিআইপিদের কার্ড বিতরণ করা হবে। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু  সভায় উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। নীতিমালা অনুযায়ী সিআইপিরা শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে ১ বছরের জন্য একটি পরিচয়পত্র পাবেন। এ পরিচয়পত্র দিয়ে তারা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। তারা বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে এবং সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন। সিআইপিরা ব্যবসা সংক্রান্ত ভ্রমণের সময় বিমান, রেলপথ, সড়ক ও জলপথে সরকারি যানবাহনে আসন সংরক্ষণে অগ্রাধিকার পাবেন। ভিসা প্রাপ্তির সুবিধার্থে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে ‘লেটার অব ইন্ট্রডাকশন’ দেবে। স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও নিজের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার ও বিমান বন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহারের সুবিধা পাবেন তারা। মেয়াদকালীন সময়ে সরকার শিল্পবিষয়ক নীতি-নির্ধারণী কোনো কমিটিতে সিআইপিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। পদাধিকার বলে সিআইপি ৮ জন : পদাধিকার (২০১৫ সালে পদে থাকা) বলে ৮ জন সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ফেডারেশন অব চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি এ কে আজাদ, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম। তালিকায় আছেন- বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান, ফরেন ইনভেস্টর্স চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফআইসিসিআই) প্রেসিডেন্ট রূপালী হক চৌধুরী, বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি সেলিমা আহমাদ, এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিএফএ) সভাপতি তপন চৌধুরী ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশনের সভাপতি তপন চৌধুরী। [caption id="attachment_51182" align="aligncenter" width="730"] ছবি : সংগৃহিত[/caption] বৃহৎ শিল্প খাতে সিআইপি ২০ জন : ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম, ইসলাম রি-রোলিং মিলস (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আজহারুল ইসলাম, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোবারক আলী, এসিআই লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ দৌলা, কামাল ইয়ার্ন লিমিটেডের পরিচালক কামাল উদ্দিন আহমেদ, সুপার রিফাইনারি (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আহমেদ। তালিকায় রয়েছেন- বেঙ্গল পলি এন্ড পেপার স্যাক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজ আলম, বাদশা টেক্সটাইল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. বাদশা মিয়া, বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. পারভেজ রহমান, বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমের আলী হোসাইন, আবদুল মোনেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মোনেম, ইউনিভার্সেল জিন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাছির উদ্দিন, পাহাড়তলী টেক্সটাইল এন্ড হোসিয়ারি মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা সালমান ইস্পাহানি। তালিকায় রয়েছেন- প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেডের মনোনীত পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, শোর টু শোর (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাজি ইউনুছ আহমদ, এসিআই ফরমুলেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম আনিস উদ দৌলা, স্কয়ার ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, কসমোপলিটন ইন্ডাস্ট্রিজ (প্রা.) লিমিটেডের পরিচালক তানভীর আহমেদ, এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন আহমেদ এবং জেএমআই সিরিঞ্জেস এন্ড মেডিকেল ডিভাইসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক। বৃহৎ শিল্প (সেবা) খাতে ৫ জন : এসটিএস হোল্ডিংস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার মনির উদ্দীন, জিএমই এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী হাসান মাহমুদ, মীর আকতার হোসেন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা অংশীদার মাহবুবা নাসির, শেলটেক (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তৌফিক এম সেরাজ ও নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম। মাঝারি শিল্প (উৎপাদন) খাতে ১২ জন : আরএফএল প্লাস্টিকস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসান খান চৌধুরী, অকো-টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সোবহান, ফু-ওয়াং ফুডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ আহমেদ চৌধুরী, বসুমতি ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেডএম গোলাম নবী, মেসার্স জজ ভূঁঁঞা টেক্সটাইল মিলসের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফায়জুর রহমান ভূঁঞা। তালিকায় আছেন- মেসার্স সিটাডেল এপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহিদুল ইসলাম খান, কারমো ফোম অ্যান্ড অ্যাডহেসিভ ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. মফিজুর রহমান, অ্যাকোয়া মিনারেল টারপেন্টাইন অ্যান্ড সলভেন্টস প্লান্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রামজুল সিরাজ, মোনেম বিজনেস ডিস্ট্রিক্টের ঈগলু ফুডস লিমিটেডের পরিচালক এএসএম মঈনউদ্দিন মোনেম, বিআরবি পলিমার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান, জেমিনি সি ফুডস লিমিটেডের পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদ এবং বেলি ইয়ার্ন ডাইং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাসুদ জামান। মাঝারি শিল্প (সেবা) খাতে ৩ জন : স্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান খান মো. আফতাব উদ্দিন, শান্তা প্রপার্টিজ লিমিটেডের পরিচালক জেসমিন সুলতানা ও কিউএনএস কনটেইনার সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুরুল কাইয়ুম খান। ক্ষুদ্র শিল্প খাতে ৫ জন : রানার ব্রিকস লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন, অন্বেষা স্টাইল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউএম আশেক, আরএমএম লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিন, কিয়াম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজবার রহমান এবং ফুডবেড ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনিরুদ্ধ কুমার রায়। ক্ষুদ্র শিল্প (সেবা) খাতে একজন : ক্ষুদ্র শিল্প (সেবা) খাতে স্পেক্ট্রা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খালিদ হোসেন খান সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন। মাইক্রো শিল্প খাতে ২ জন : টেকনোমিডিয়া লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক যশোদা জীবন দেবনাথ ও মেসার্স সান পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. লুৎফুল কবির। কুটিরশিল্প খাতে ২ জন : কুটিরশিল্প খাতে এবি ফ্যাশন মেকারের স্বত্বাধিকারী সানাউল হক বাবুল ও জননী উইভিং ফ্যাক্টরির স্বত্বাধিকারী মো. রফিকুল ইসলাম (পরান) সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন।
  • ৮টি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৮ প্রতিষ্ঠান অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এগুলো হলো- কেয়া কসমেটিকস, এমবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এআইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, রিলায়েন্স ওয়ান, এলআর গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান, গ্রীন ডেল্টা মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান। কেয়া কসমেটিকস: প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর’১৬) শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৪০ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ০.৬১ টাকা এবং এনএভিপিএস ছিল ১৭.২৯ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ০.১৮ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ০.৩৩ টাকা (নেগেটিভ)। এমবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড: তৃতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-ডিসেম্বর’১৬) ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.১৭৪৯ টাকা এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.৪০ টাকা (নেগেটিভ)। যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ১.৬২০৯ টাকা এবং এনওসিএফপিইউ হয়েছে ০.৩৯ টাকা। আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৮৭ টাকা যা ৩১ মার্চ, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.০৩ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী  ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১১.২১ টাকা যা ৩১ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.৩৯ টাকা। এছাড়া গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৫) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.১০৯৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.০৫২৬ টাকা। এআইবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড: তৃতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০২১৭ টাকা এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.০৮ টাকা (নেগেটিভ)। যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ১.৫৩৯৫ টাকা এবং এনওসিএফপিইউ হয়েছে ০.৪৯ টাকা। আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৯৩ টাকা যা ৩১ মার্চ, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.৫২ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী  ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১১.২৪ টাকা যা ৩১ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.৬১ টাকা। এছাড়া গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৫) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০৩৪৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.১০৮৩ টাকা। রিলায়েন্স ওয়ান: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.৩৭ টাকা এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.২৪ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ০.১২ টাকা এবং এনওসিএফপিইউ হয়েছে ০.১৭ টাকা। আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১২.৬৯ টাকা যা ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১২.০৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১১.০১ টাকা যা ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.৬৫ টাকা। এছাড়া গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৫) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.২৯ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.০৩ টাকা। গ্রীন ডেল্টা মিউচ্যুয়াল ফান্ড: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.১০৫ টাকা (নেগেটিভ) এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.৫৭ টাকা (নেগেটিভ)। যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ০.৩০৩ টাকা এবং এনওসিএফপিইউ হয়েছে ০.৯৫ টাকা। আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৫৮ টাকা যা ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৬৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১১.০২ টাকা যা ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৬৩ টাকা। এছাড়া গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৫) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০২৩৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.২০২ টাকা (নেগেটিভ)। ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০৭৭৫ টাকা (নেগেটিভ) এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.৪০ টাকা(নেগেটিভ)। যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ০.২৫৮৬ টাকা এবং এনওসিএফপিইউ হয়েছে ০.০১ টাকা (নেগেটিভ)। আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ (এনএভি) হয়েছে ১০.৫২ টাকা যা ৩০ জুন, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৬০ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১০.০৩ টাকা যা ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৮৩ টাকা। এছাড়া গত তিন মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৫) ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ০.০৩৭ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.২২১৬ টাকা (নেগেটিভ)। এলআর গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান: প্রথম প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ০.০৫৪৮ টাকা এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.৪২ টাকা (নেগেটিভ)।  যা আগের বছর একই সময় ইপিইউ ছিল ০.২০৮৩ (নেগেটিভ) এবং এনওসিএফপিইউ ০.১৬ টাকা। আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৩১ টাকা যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৫৬ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী  ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ৯.৯৮ টাকা যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১০.৫৪ টাকা। ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান: প্রথম প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর’১৬) এ ফান্ডের ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) ০.০৮ টাকা এবং ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিইউ) হয়েছে ০.১০ টাকা। আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১০.৭৫ টাকা যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.১৭ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী  ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১১.৬১ টাকা যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.২৮ টাকা।
  • শাশা ডেনিমসের লভ্যাংশ ঘোষণা, ইপিএস বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : শাশা ডেনিমস শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২.৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ শেষে অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ ঘোষণা করা হয়েছে। শাশা ডেনিমস ৬ মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। জুলাই-ডিসেম্বর, ২০১৬ মেয়াদে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৬৩ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৪৯ পয়সা। এ হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১৪ পয়সা বা ৫.৬২ শতাংশ। ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ৯৯ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে এটি ছিল ৪২ টাকা ৩৫ পয়সা। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭
  • ইফাদ অটোসের ইপিএস বেড়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : ইফাদ অটোমোবাইল লিমিটেড ৬ মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। জুলাই- ডিসেম্বর, ২০১৬ মেয়াদে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৪ পয়সা। মঙ্গলবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। গত বছরের একই সময়ে ছিল রিস্টেটেডের ইপিএস ছিল ২ টাকা ৬৫ পয়সা। এ হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ৩৯ পয়সা বা ১৪ দশমিক ৭১ শতাংশ কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ৩ মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০১৬) কোম্পানিটির ইপিএস ২ টাকা ৫ পয়সা। এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল রিস্টেটেড ইপিএস ছিল ১ টাকা ৪০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ শেষে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৯৬ পয়সা।
  • বেক্সিমকোর মালয়েশিয়ায় উৎপাদন শুরু
    ডেস্ক রিপোর্ট : মালয়েশিয়ায় বেক্সিমকোর বিনিয়োগ করা প্রতিষ্ঠান বায়োকেয়ার ম্যানুফ্যাকচারিং প্রাইভেট লিমিটেডের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়েছে। যৌথ মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির ওষুধ উৎপাদনে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। এই সহায়তার কারণে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিটির ৩০ শতাংশ মালিকানা পাবে। যৌথ মালিকানায় মালয়েশিয়ার সেরি ইস্কান্দার ফার্মাসিউটিক্যাল পার্কে আধুনিক এই কারখানা গড়ে তুলার সব ব্যয় বহন করছে বায়োকেয়ার ম্যানুফ্যাকচারিং প্রাইভেট লিমিটেড। দেশের বাইরে এটিই বেক্সিমকো ফার্মার প্রথম ম্যানুফ্যাকচারিং কোলাবরেশন বা সহযোগিতামূলক উদ্যোগ। এই উদ্যোগের প্রথম পর্যায়ে একটি আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন মিটার ডোজ ইনহেলার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। যা ইতোমধ্যে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রদত্ত গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস সনদ লাভ করেছে। জয়েন্ট ভেঞ্চার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত ওষুধ ২০১৭ সালের মধ্যেই বাজারজাত করা সম্ভব হবে। বায়োকেয়ার ম্যানুফ্যাকচারিং প্রাইভেট লিমিটেডের মূল অংশীদারত্বে রয়েছে বায়োকেয়ার গ্রুপ। যা ২০০৩ সালে মালয়েশিয়াতে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৫ সালে পুরোপুরি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। গ্রুপটি বিভিন্ন শ্রেণীর ওষুধ বিপননের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্যসেবায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। এ প্রসঙ্গে বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান বলেন, ম্যানুফ্যাকচারিং বা উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেশের বাইরে এটিই আমাদের প্রথম কোলাবরেশন। তিনি আরও বলেন, বায়োকেয়ার এবং বেক্সিমকোর এই যৌথ প্রয়াস ওষুধের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার ওষুধ শিল্পের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে।
  • বার্জার পেইন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা, ইপিএস ৮২ টাকা ১৭ পয়সা
    স্টাফ রিপোর্টার : বার্জার পেইন্টসের লিমিটেড অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ ও অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৭৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। জানুয়ারি-ডিসেম্বর, ২০১৬ মেয়াদে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছ ৮২ টাকা ১৭ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে ছিল ৬৪ টাকা ৩৭ পয়সা। কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ৩ মাসে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০১৬) কোম্পানিটির ইপিএস ১৯ টাকা ৬৬ পয়সা। এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৯ টাকা ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ শেষে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) দাড়িয়েছে ২৪১ টাকা ৫৯ পয়সা।  এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৮৬ টাকা ৪২ পয়সা।
  • আইপিওতে আসছে সামিট কমিউনিকেশনস
    বিশেষ প্রতিনিধি : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করতে চায় সামিট গ্রুপের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি সামিট কমিউনিকেশনস। আইপিওতে আসতে ‘নো অবজেকশন’ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআর) থেকে সম্প্রতি গ্রীণ সিগনাল পেয়েছে সামিট কমিউনিকেশনস। ইতোমধ্যে কোম্পানিকে আইপিতে আসতে বিটিআর ‘নো অবজেকশন’ সার্টিফিকেট প্রদান করেছে। কোম্পানির একধিক সূত্র মঙ্গলবার স্টক বাংলাদেশের কাছে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে। সামিট কমিউনিকেশনস পুঁজিবাজার থেকে ৪০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদনের জন্য বিভিন্ন কর্ম সম্পাদন করছে কোম্পানিটি। তবে ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে কোন মার্চেন্ট ব্যাংক থাকছে তা এখনি প্রকাশ করছে না সামিট কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে দেশে টেলিকম ট্রান্সমিশন সার্ভিসের কাজ শুরু করে সামিট কমিউনিকেশনস। কোম্পানিটি দেশের ৬৪টি জেলায়, ৩৪০ উপজেলায়, ৩ হাজার ৬৫০টির বেশি সরকারি অফিসে, ৩৩ হাজার কিলোমিটার অপটিক ফাইবার নেটওয়ার্ক ছড়িয়েছে। এছাড়া মেট্রো ও রুরাল এরিয়ার ২ হাজার ৪০০টিরও বেশি স্টেশনে টেলিকম ট্রান্সমিশনে প্রভাব বিস্তার করছে সামিট কমিউনিকেশন।
  • আরএকে সিরামিকসের লভ্যাংশ সুপারিশ
    স্টাফ রিপোর্টার : ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। গেল হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৭২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২৫ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, ৩১ ডিসেম্বর এর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৮ টাকা ১৪ পয়সা। লভ্যাংশ, নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য এজেন্ডা অনুমোদনের জন্য ২৯ মার্চ বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করবে আরএকে সিরামিকস। এজিএমের সময় ও স্থান পরে জানিয়ে দেয়া হবে। রেকর্ড ডেট ১৪ ফেব্রুয়ারি। ২০১৫ হিসাব বছরে ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পায় আরএকে সিরামিকসের শেয়ারহোল্ডাররা। ডিএসইতে  সর্বশেষ ৬৮ টাকায় কোম্পানিটির শেয়ার হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৫ টাকা ২০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৭৪ টাকা ৯০ পয়সা। সর্বশেষ বার্ষিক মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ২০ দশমিক ৪, হালনাগাদ অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ২৭ দশমিক ৭৮।
  • জাহাজ কিনবে এমআই সিমেন্ট
    স্টাফ রিপোর্টার : পণ্যবাহী জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। সমুদ্রপথে পণ্য বহনের জন্য কোম্পানিটির দুটি পণ্যবাহী জাহাজ আছে, আরো একটি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে মঙ্গলবার জানা গেছে, এম.ভি. ওমিক্রন প্রাইড নামের জাহাজটি কিনতে এমআই সিমেন্টের খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৫৮ লাখ ডলার। ২০০১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাপানে বাল্ক ক্যারিয়ার ধাঁচে তৈরি করা এ জাহাজের ধারণ ক্ষমতা ২৮ হাজার ৬৪৭ টন। এর এনআরটি ১৭ হাজার ৫৬৯ টন এবং ডিডব্লিউটি ৫০ হাজার ৯১৩ টন। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি। বছর শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ১ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ৪ টাকা ৩৭ পয়সা। সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৮২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৯৮ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ৪৬ টাকা ১২ পয়সা। ডিএসইতে  সর্বশেষ ৮৬ টাকা ৬০ পয়সায় এমআই সিমেন্টের শেয়ার হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ৭২ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৮৮ টাকা ৭০ পয়সা। সর্বশেষ বার্ষিক মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১৭ দশমিক ১৯, হালনাগাদ অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ২৬ দশমিক ২৫।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • বাজারে হস্তক্ষেপ করতে চায় না নিয়ন্ত্রক সংস্থা - বিএসইসি চেয়ারম্যান
    সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা গৃহীত বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপের সুফল দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে। অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের অবদান বাড়াতে আগামী দিনগুলোয় বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে হবে। এজন্য শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট প্রতিটি পক্ষকে কমপ্লায়েন্স মেনে চলতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোনোভাবেই বাজারে হস্তক্ষেপ করতে চায় না। গতকাল দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কমিশন চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন এসব কথা বলেন।বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ২০১০ সালের ধসের আগে ডিএসইর বাজার মূলধন জিডিপির অর্ধেকের বেশি ছিল। পরবর্তী সময়গুলোয় জিডিপির আকার বাড়লেও বাজার মূলধন সে গতিতে বাড়েনি। বর্তমানে বাজার মূলধন রেকর্ড উচ্চতায় থাকলেও সেটি জিডিপির ২২ শতাংশের কম। প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের চিত্র বিবেচনা করলে আমাদের জিডিপি ও বাজার মূলধনের অনুপাত অন্তত ৫০ শতাংশে উন্নীত করা উচিত। তবে এক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করলে সেটি টেকসই হবে না। বিএসইসি এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করছে।অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে ড. খায়রুল হোসেনও বলেন, ২০২০ সাল নাগাদ দেশের পুঁজিবাজার একটি কাঙ্ক্ষিত ভিতের ওপর দাঁড়াবে, যেখান থেকে ম্যানুফ্যাকচারিং ও সেবা খাতের বেসরকারি কোম্পানিগুলো তাদের প্রয়োজনীয় মূলধন উত্তোলন করতে পারবে। আবার সরকার ও বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোও পুঁজি সংগ্রহ করতে পারবে। এছাড়া দেশের বড় বড় প্রকল্পেও প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান দিতে সক্ষম হবে আমাদের শেয়ারবাজার।কমপ্লায়েন্স ও দায়িত্বশীলতা প্রসঙ্গে বাজার-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, স্বল্পমেয়াদি মুনাফার লোভে কেউ যেন এ বাজারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ভুলে না যায়।হস্তক্ষেপ প্রশ্নে তার বক্তব্য, মার্জিনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পিই অনুপাত কমিশন চাইলে ১৫তেও নামিয়ে আনতে পারে। কিন্তু আমরা নিত্যনতুন হস্তক্ষেপ ছাড়াই এ বাজারকে এগিয়ে নিতে চাই।ডিএসইর চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়ার সভাপতিত্বে ‘অগ্রগতির অভিযাত্রায় ডিএসই’ শীর্ষক ৬০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএএম মাজেদুর রহমান। সাবেক সভাপতি হিসেবে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন কাজী ফিরোজ রশিদ, রকিবুর রহমান, আহসানুল ইসলাম টিটু। source : Bonik Barta
  • আর্থিক খাতে ভর করে এগোচ্ছে পুঁজিবাজার
    আর্থিক খাতকে (ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান) ভিত্তি করে এগিয়ে চলছে দেশের পুঁজিবাজার। দীর্ঘদিন তলানিতে পড়ে থাকা ব্যাংক খাতের শেয়ারে বিনিয়োগকারীর আগ্রহ বেড়েছে।২০১০ সালে ধসের পর থেকে ব্যাংকের শেয়ারের দাম কমতে কমতে তলানিতে নেমে আসে। কয়েকটি ব্যাংকের শেয়ার কমতে কমতে অভিহিত মূল্য ১০ টাকার নিচে নেমে যায়। তবে দীর্ঘদিন পড়ে থাকার পর ঊর্ধ্বমুখী বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে ব্যাংকের শেয়ার। আর ব্যাংক ও আর্থিক খাতের শেয়ারে ভর করে দিনশেষে বড় লেনদেনও হচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা বলছে, জানুয়ারি-ডিসেম্বর সময়ে ব্যাংকের আর্থিক বছর শেষ হয়েছে। হিসাব-নিকাশ শেষে খুব শিগগির পরিচালনা পর্ষদের সভা লভ্যাংশ ঘোষণা করবে। ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বৃদ্ধিতে পুঁজিবাজারের লেনদেন আবারও দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছে, ব্যাংকিং খাতের কম্পানিগুলো মৌলভিত্তিসম্পন্ন। ব্যাংক আমানতে সুদের হার কমে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ আসছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো ‘এ’ ক্যাটাগরির হওয়ায় ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দিতে হয়। আর সরাসরি আমানত হিসেবে জমা রাখলে এক ডিজিটে লভ্যাংশ পাওয়া যায়।তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় তলানিতে থাকা কম্পানির শেয়ারের দাম বাড়তে শুরু করেছে। অভিহিত মূল্যের নিচে থাকা কিছু কম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক গতিতে বৃদ্ধি পেয়ে ওপরে উঠে এসেছে। ব্যাংক খাতের কম্পানির শেয়ারের দামও ধীরে ধীরে বেড়েছে।গতকাল ব্যাংক খাতের ৩০টি কম্পানির মধ্যে বেড়েছে ২৮টি। একটি ব্যাংকের শেয়ারের দাম কমেছে আর একটির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০টির দাম বেড়েছে। একটির লেনদেন হয়নি আর অন্য দুটির শেয়ারের দাম কমেছে।পুঁজিবাজারের ঊর্ধ্বমুখিতায় বড় লেনদেনে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের ভূমিকা রয়েছে। মৌলভিত্তির কম্পানি হিসেবে বিনিয়োগকারীরা ক্রমাগতভাবেই বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। সোমবারের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট লেনদেনের ৩১.৬২ শতাংশ লেনদেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের। যার মধ্যে ব্যাংকের অবদান ২৩.৬৫ শতাংশ। যা আগের দিন ছিল ১৪.৬১ শতাংশ। সেই হিসাবে ব্যাংক খাতে লেনদেন বেড়েছে ৯ শতাংশ। আর আর্থিক খাতের অবদান ৭.৯৭ শতাংশ। আগের দিন এই হিসাব ছিল ৯.৯৩ শতাংশে।রবিবার ব্যাংক খাতে লেনদেন হয় ২৪৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। তবে সোমবার এই লেনদেন বেড়ে দাঁড়ায় ৫০৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। সেই হিসাবে ২৬১ কোটির বেশি লেনদেন হয়েছে। শতকরা হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ১০৭ শতাংশের বেশি। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছিল ১৬৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা আর গতকাল লেনদেন হয় ১৬৯ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। ডিএসই সূত্রে জানা যায়, সোমবার ৩২৮টি কম্পানির শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। যার মধ্যে বেড়েছে ১৫৯টি, কমেছে ১৪২টি আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টির কম্পানির শেয়ারের দাম। মৌলভিত্তির ‘এ’ ক্যাটাগরির, যারা ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দিয়ে থাকে এমন ২৬৪টি কম্পানির মধ্যে ১৩৫টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ১০৯টির দাম নিম্নমুখী হলেও ২০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ১৬টি কম্পানির মধ্যে বেড়েছে আটটি ও কমেছে আটটি। ‘এন‘ ক্যাটাগরিতে থাকা নতুন তালিকাভুক্ত দুই কম্পানির শেয়ারের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। আর দুর্বল ভিত্তির লভ্যাংশ না দেওয়া ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে থাকা ৪৬টি কম্পানির মধ্যে বেড়েছে ১৪টি, কমেছে ২৫টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে সাতটি কম্পানির শেয়ারের দাম। এ ছাড়া তালিকাভুক্ত ৩৫টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২১টির দাম বেড়েছে।গতকালের বাজার : ছয় বছরের মধ্যে শীর্ষে উঠেছে ডিএসইর লেনদেন। সোমবার ৩২৮টি কম্পানির ৭০ কোটি ৩৪ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। লেনদেনের পরিমাণ দুই হাজার ১৮০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১১৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আর মূল্যসূচক বেড়েছে ১৪০ পয়েন্ট।  source : kalar kontho
  • বুকবিল্ডিংয়ের মক টেস্ট শুরু হচ্ছে আজ
    বুকবিল্ডিং সিস্টেমে বিডিংয়ের মাধ্যমে শেয়ার কিনতে মক টেস্ট হিসেবে আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেডের নিলাম শুরু হচ্ছে আজ। চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। এদিকে বিডিংয়ে অংশ নিতে হলে হতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী। এজন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের তথ্যও হালনাগাদ করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য হালনাগাদ না করলে কোনো প্রতিষ্ঠান বিডিংয়ে অংশ নিতে পারবে না। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ তথ্য জানিয়েছে। আমরা নেটওয়ার্কস হচ্ছে ২০১৫ সালে সংশোধিত পাবলিক ইস্যু রুলসের আওতায় বিডিংয়ের জন্য অনুমোদন পাওয়া প্রথম কোম্পানি।এদিকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসছে তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের  কোম্পানি আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড। এই পদ্ধতি অনুযায়ী প্রথমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে নিলামের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি করা হবে। যে দামে তাদের জন্য সংরক্ষিত শেয়ার বিক্রি শেষ হবে;  সেই দামে (কাট অফ প্রাইস) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব করা হবে। ওই দাম থেকে ১০ শতাংশ ছাড়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে আইপিওর মাধ্যমে শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব করা হবে। আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় এই মক টেস্ট শুরু হবে। চলবে ২৬ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। বিডিংয়ের সময় হলো— আজ দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ২৬ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। আর সাবমিশন পিরিয়ড হবে বুধবার ২৫ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ৪টা থেকে ২৬ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।গত মাসের শেষ দিকে আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেডকে নিলামের মাধ্যমে কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণের অনুমতি দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির অনুমোদনের ফলে আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড শেয়ারের কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণ করার জন্য বিডিং করতে পারবে। নিলামে ১২টি ক্যাটাগরির প্রায় আড়াইশ প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে। পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি ৫৬  কোটি ২৫ লাখ টাকা উত্তোলন করবে। এই টাকা দিয়ে কোম্পানির ডাটা সেন্টার প্রতিষ্ঠা, দেশের বিভিন্ন স্থানে ওয়াই-ফাই হটস্পট প্রতিষ্ঠা করা, আইপিওর কাজ ও ঋণ পরিশোধ করবে।প্রসঙ্গত, পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে ২০১১ সালের ২০ জানুযারি বুকবিল্ডিং পদ্ধতির আইপিও অনুমোদন বন্ধ করে। পরে দেশীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে পদ্ধতিটি সংশোধন করে। source : Ittafaq
  • পুঁজিবাজারে তিন মাসে বিও বেড়েছে ২৯ হাজার
    পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ছে। এরই প্রতিফলন ঘটেছে বেনিফিসিয়ারি অনার্স বা বিও এ্যাকাউন্ট খোলার প্রবণতায়। এক মাসের ব্যবধানে বাজারে নতুন বিও খোলা হয়েছে ১০ হাজারের বেশি। আর গত তিন মাসে মোট বিও বেড়েছে ২৯ হাজারের বেশি। ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে শেয়ার সংরক্ষণকারী কোম্পানি সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ খবর জানা গেছে। সিডিবিএলের তথ্য মতে, সোমবার পর্যন্ত মোট বিও রয়েছে ২৯ লাখ ৪৯ হাজার ৬৫২টি। এক মাস আগে যার সংখ্যা ছিল ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫১টি। আর গত নবেম্বরে বিও সংখ্যা ছিল ২৯ লাখ ২০ হাজার ২৯টি। অর্থাৎ তিন মাসে বাজারে বিও বেড়েছে ২৯ হাজার ৬৩টি। বর্তমানে যে বিও রয়েছে এর মধ্যে পুরুষ এ্যাকাউন্টধারীর সংখ্যা ২১ লাখ ৪২ হাজার ৫২টি। অন্যদিকে নারী বিও সংখ্যা রয়েছে ৭ লাখ ৯৫ হাজার ৯১৮টি। আর বর্তমানে কোম্পানির বিও সংখ্যা রয়েছে ১১ হাজার ১২২টি।গত কিছুদিন আগেও বিও এ্যাকাউন্ট খোলার প্রবণতায় কিছুটা ভাটা ছিল। ২০১০ সালের পর থেকে মূলত বিনিয়োগকারী এবং সাধারণ জনগণের পুঁজিবাজারের প্রতি অনাগ্রহ তৈরি হয়। যার ফলে বাজার ছাড়াতে শুরু করেন বিনিয়োগকারীরা। অপরদিকে সাধারণ জনগণও পুঁজিবাজারমুখী হননি। যে কারণে একেবারে থমকে যায় বিও খোলা। কোন কোন হাউসে দিনে একটি বিও খোলা হয়নি এমন নজিরও রয়েছে। এর পর ২০১২ সাল থেকে ধীরে ধীরে বিও বাড়তে থাকে। তবে বর্তমানে বাজার ভাল থাকায় আবারও নতুন এ্যাকাউন্ট খোলার পরিমাণ বাড়ছে। এ প্রসঙ্গে মিডওয়ে সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, পুঁজিবাজার ভাল না হলে এখানে বিনিয়োগকারীরা আসবেন না। এটা খুবই স্বাভাবিক। এখন পুঁজিবাজারের সার্বিক অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন এটা পুঁজিবাজারের ভাল লক্ষণ। আর এটা দেখে পুরাতন বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও পুঁজিবাজারে ফিরে আসছেন। একই প্রসঙ্গে জয়তুন সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, বাজারের সার্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে বিও এ্যাকাউন্ট খোলার বিষয়টি জড়িত। বাজারে ভাল থাকলেই এ্যাকাউন্ট সংখ্যা। এর আগে সময় মতো বিও ফি না দেয়ায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ২ লাখের বেশি বিও হিসাব। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রধানত দুই কারণে এবার অসংখ্য বিও বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে দীর্ঘদিন থেকে বাজারের মন্দা পরিস্থিতি অন্যটি প্রাইমারি মার্কেট থেকে বিনিয়োগকারীদের সুবিধা না পাওয়া। যে কারণে বিনিয়োগকারীরা ৫০০ টাকা দিয়ে বিও নবায়ন করেননি। যার ফলে এসব এ্যাকাউন্ট বাতিল হয়ে গেছে।সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ডিপোজিটরি (ব্যবহারিক) প্রবিধানমালা, ২০০৩ এর তফসিল-৪ অনুযায়ী, বিও হিসাব পরিচালনার জন্য ডিপোজিটরি অংশগ্রহণকারী বা বিনিয়োগকারীকে নির্ধারিত হারে বার্ষিক হিসাব রক্ষণ ফি দিয়ে হিসাব নবায়ন করতে হয়। এর আগে পঞ্জিকা বর্ষ হিসেবে প্রতি বছর ডিসেম্বরে এই ফি জমা নেয়া হতো। তবে ২০১০ সালের জুন মাসে বিএসইসি বিও হিসাব নবায়নের সময় পরিবর্তন করে বার্ষিক ফি প্রদানের সময় জুন মাস নির্ধারণ করে। এ সময়ে বিও নবায়ন ফি ৩০০ থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়। এরপর বিএসইসির জারি করা ২০১১ সালের ১৮ এপ্রিল এক সার্কুলারে ৩০ জুনের মধ্যে বিও হিসাব নবায়নের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। না হলে তা বাতিল করা হবে বলে ওই সার্কুলারে বলা হয়েছিল। source : jonokontho
  • বেক্সিমকোর চার কোম্পানির পর্ষদ সভা
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো গ্রুপের ৪ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভা আগামী ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- বেক্সিমকো ফার্মা, বেক্সিমকো, শাইনপুকুর সিরামিকস ও বেক্সিমকো সিনথেটিকস।সূত্র জানায়, কোম্পানিগুলোর পর্ষদ সভা যথাক্রমে বিকাল সাড়ে ৩টা, ৪টা, সাড়ে ৪টা ও ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানিগুলোর দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। সভা থেকে কোম্পানিগুলোর দ্বিতীয় প্রান্তিকের তথ্য জানা যাবে। source : jayjaydin
  • ‘পুঁজিবাজার দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে’
    বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন বলেছেন, পুঁজিবাজার দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। সরকার ইতোমধ্যে এ বাজারের জন্য অনেক সংস্কার করেছে। এ বাজার নিয়ে অর্থমন্ত্রী যে স্বপ্নের কথা জানিয়েছেন, আমরাও তার মতো আশাবাদী। তার মতো আমরাও মনে করি, ২০২০ সালে এ বাজার একটি শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে। গতকাল সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে এক বৈঠকের পর বিএসইসি চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।তিনি বলেন, এ বৈঠকটি ছিল অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বিএসইসির নিয়মিত বৈঠক। বৈঠকে অর্থমন্ত্রীর কাছে পুঁজিবাজারের সার্বিক অবস্থা তুলে ধরা হয়। খায়রুল হোসেন আরও জানান, বৈঠকে অর্থমন্ত্রী পুঁজিবাজার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। source : sokalr khobor
  • আইপিওর টাকা ব্যবহার না করেই মূলধন বাড়াচ্ছে কোম্পানি
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ ব্যবহার না হতেই বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে নতুন করে মূলধন বাড়াচ্ছে কোম্পানিগুলো। বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে পাওয়া মূলধন কোন্ ধরনের কাজে ব্যবহার করা হবে সে বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীদের স্পষ্ট কিছু জানানোও হচ্ছে না। প্রতি বছর ধারাবাহিকভাবে এ কাজ করে আসছে নতুন তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিগুলো।সাধারণত ব্যবসায়িক কর্মকা বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ বা আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য নতুন করে অর্থের প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো পুনঃগণপ্রস্তাব (আরপিও), রাইট শেয়ার, ডিবেঞ্চার বা বন্ডের মাধ্যমে বাজার থেকে নতুন করে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে। কিন্তু এসব পদ্ধতিতে মূলধন বাড়াতে হলে নানা ধরনের আইনী পদ্ধতি পরিপালন ও কোম্পানিকে জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হয়। কিন্তু বোনাস শেয়ারের মাধ্যমে মূলধন বাড়ানোর ক্ষেত্রে কোন ধরনের জবাবদিহিতা না থাকায় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানি যৌক্তিক কারণ ছাড়াই বোনাস শেয়ার ইস্যু করে মূলধন বাড়াচ্ছে।আগের বছরগুলোর মতো ২০১৬ সালেও শেয়ারবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেছে এমন কোম্পানিগুলোর তথ্য বিশ্লেষণে এ প্রবণতা দেখা গেছে। আইপিওর অর্থ ব্যয় না হতেই কোম্পানিগুলো বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন বাড়াচ্ছে। বোনাস শেয়ারের মাধ্যমে মূলধন বাড়ানো হলে কোম্পানি থেকে কোন ধরনের ক্যাশ আউটফ্লো হয় না। কিন্তু নগদ লভ্যাংশ দেয়া হলে ক্যাশ আউটফ্লো হয়। মূলত সমুদয় আয়ই কোম্পানিতে রেখে দেয়ার কৌশল হিসেবে বোনাস শেয়ার ইস্যু করছে কোম্পানিগুলো। এতে কোম্পানির মূলধন বাড়লেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, সে হারে কোম্পানিগুলোর আয়ের প্রবৃদ্ধি হয় না। এতে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় ও সম্পদমূল্য কমে যায় এবং কোম্পানির লভ্যাংশ দেয়ার সক্ষমতাও কমে যায়।২০১৬ সালে আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করার পর বোনাস শেয়ার ইস্যু করে যেসব কোম্পানি মূলধন বাড়িয়েছে তার মধ্যে রয়েছেÑ ইয়াকিন পলিমার, ইভিন্স টেক্সটাইলস ও ড্রাগন সোয়েটার এ্যান্ড স্পিনিং।ইয়াকিন পলিমার ॥ কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আইপিওর মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে দুই কোটি শেয়ার ইস্যু করে। আর ব্যবহারের জন্য ২০১৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটি এ টাকা পায়। প্রসপেক্টাস অনুযায়ী কোম্পানিটির এ টাকা ব্যবহার করতে প্রায় ১২ মাস লাগবে। তবে কোম্পানিটি সে টাকা ব্যবহার না করতেই এক মাসের মাথায় ৩০ অক্টোবর ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ইস্যুর ঘোষণা দেয়।ইভিন্স টেক্সটাইলস ॥ কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আইপিওর মাধ্যমে ১৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ার ১০ টাকা মূল্যে এক কোটি ৭০ লাখ শেয়ার ইস্যু করে। কোম্পানিটি ব্যবহারের জন্য ২০১৬ সালের ১৭ জুলাই এ টাকা পায়, যা ব্যবহারে প্রায় ১৮ মাস সময় লাগবে বলে প্রসপেক্টাসে তথ্য প্রকাশ করা হয়। তবে কোম্পানিটি এ টাকা ব্যবহার না করতেই আড়াই মাসের মাথায় ৪ অক্টোবর ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ইস্যু ঘোষণা দেয়।ড্রাগন সোয়েটার এ্যান্ড স্পিনিং ॥ কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে চার কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে আইপিওতে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ টাকা ব্যবহার করার জন্য ২০১৬ সালের ২৩ মার্চ হাতে পায়, যা ব্যবহারে প্রায় ১১ মাস সময় লাগবে বলে প্রসপেক্টাসে জানানো হয়। তবে কোম্পানিটি সে টাকা ব্যবহার না করতেই দুই মাসের মধ্যেই ১২ মে ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ইস্যুর ঘোষণা দেয়।আইপিওর অর্থ ব্যবহার না হতেই বোনাস শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ইয়াকিন পলিমারের সচিব মোঃ আক্তারুজ্জামান জানান, আইপিওতে টাকা উত্তোলনের পরে তা ব্যবহার না করতেই লভ্যাংশ দিতে হচ্ছে। না দিলে আবার ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে যেতে হবে। কিন্তু নগদ টাকা নেই। তাই বাধ্য হয়ে বোনাস শেয়ার দিয়েছি। source : jonokontho
  • আইসক্রিমে গোল্ডেন হারভেস্টের বিক্রয় প্রবৃদ্ধি ২১৪ শতাংশ
    বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর দুই বছরের মধ্যে আইসক্রিমের বাজারে ব্যাপক সফলতা দেখিয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের  তালিকাভুক্ত কোম্পানি গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ব্লুপ ব্র্যান্ড নিয়ে দেশের আইসক্রিমের বাজারের বর্তমানে ৮ শতাংশ দখলে নিয়েছে কোম্পানিটি। সর্বশেষ হিসাব বছরে তাদের মোট বিক্রির ৫৬ শতাংশই ছিল আইসক্রিমে। বার্ষিক বিক্রয় প্রবৃদ্ধি ছিল ২১৪ শতাংশ।কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, মূল প্রতিষ্ঠান গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ৯৯ শতাংশ মালিকানায় প্রতিষ্ঠার পর ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাণিজ্যিক উত্পাদন শুরু করে গোল্ডেন হারভেস্ট আইসক্রিম লিমিটেড। এর পর মাত্র দুই বছরের মধ্যে সাবসিডিয়ারিটির বার্ষিক বিক্রি ৮০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। সর্বশেষ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, গেল হিসাব বছরে কোম্পানির মোট বিক্রির ৫৬ শতাংশই আইসক্রিম থেকে এসেছে। ফ্রোজেন ফুড ও ডেইরি পণ্যের তুলনায় বিক্রয় প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি হওয়ায় ভবিষ্যতে আইসক্রিমে মনোযোগ বাড়ানোর ইঙ্গিত রয়েছে কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদনে।২০১৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের প্রতিবেদনে কোম্পানি বলে, জীবনযাত্রার ধরনে পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসছে। গতানুগতিক খাবারের বাইরে তাদের মধ্যে প্রক্রিয়াজাত খাবারের চাহিদা বাড়ছে। চাহিদায় এ পরিবর্তনের কথা চিন্তা করেই আইসক্রিম শিল্পে নামে গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো। ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশে আইসক্রিমের বাজার সম্ভাবনা বেশ ভালো। পণ্যের গুণগত মান, ভিন্নতা ও দক্ষ বিপণন ব্যবস্থার কারণে আইসক্রিমে এরই মধ্যে ভালো সফলতা দেখেছে কোম্পানি।আইসক্রিমের মতো না হলেও ফ্রোজেন ফুড ও ডেইরি পণ্যেও কোম্পানিটিকে মোটামুটি সফল বলা যায়। সর্বশেষ বছরে আইসক্রিম পণ্যে উত্পাদন সক্ষমতার ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ ব্যবহার করেছে তারা। অন্যদিকে ফ্রোজেন স্ন্যাকসে সক্ষমতার ৪৭ দশমিক ৮ শতাংশ, ভেজিটেবলসে ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ ও ডেইরি পণ্যে উত্পাদন সক্ষমতার মাত্র ১ শতাংশ ব্যবহার করেছে কোম্পানিটি।কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৫-১৬ হিসাব বছরে দুটি সাবসিডিয়ারিসহ মোট ১৪২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি করে গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, যা আগের বছরের তুলনায় ৮৪ শতাংশ বেশি। আগের বছরগুলোয় কোম্পানির সমন্বিত বিক্রিতে গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ২৪ শতাংশ। মূলত আইসক্রিম সাবসিডিয়ারির সুবাদেই কোম্পানির সার্বিক বিক্রয় প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। ২০১৫-১৬ হিসাব বছরে আইসক্রিম পণ্যে কোম্পানির বিক্রি ২৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ কোটি ২১ লাখে উন্নীত হয়েছে। প্রবৃদ্ধির হার ২১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ। এ সময়ে আগের বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ফ্রোজেন ফুডের বিক্রি দাঁড়িয়েছে ৪৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৪০ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। একই সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির ডেইরি ফুডপণ্যের বিক্রি প্রায় ৮০ শতাংশ বেড়ে ১৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে, আগের বছর যা ছিল ১১ কোটি ১৬ লাখে।বিক্রয় প্রবৃদ্ধির প্রতিফলন দেখা গেছে গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রোর মুনাফায়ও। সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানিটির নিট মুনাফা দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। ২০১৫-১৬ হিসাব বছরে তাদের সমন্বিত কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, আগের বছর যা ছিল ৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।এদিকে শেয়ারদরেও কোম্পানিটির ব্যবসায়িক সফলতার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তিন মাসের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রোর শেয়ারদর প্রায় দ্বিগুণে উন্নীত হয়েছে। ডিএসইতে গতকাল শেয়ারটির সমাপনী দর ছিল ৫০ টাকা ৪০ পয়সা, অক্টোবরের শেষ দিকে যা ছিল ২৫ টাকার ঘরে।জানা গেছে, দেশে বর্তমানে আইসক্রিমের আনুষ্ঠানিক বাজার ১ হাজার কোটি টাকার বেশি। ৩৮ শতাংশ বাজার শেয়ার নিয়ে সবার উপরে ঈগলু, ২৮ শতাংশ বাজার শেয়ার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে পোলার আইসক্রিম। এছাড়া জান জির দখলে রয়েছে ১৩ শতাংশ, কোয়ালিটির ১১ শতাংশ ও অন্যদের দখলে রয়েছে ২ শতাংশ।   source : bonik barta
  • পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক আচরণ কি স্বাভাবিক
    ছয় বছর পার করে আবারো আলোচনায় উঠে এসেছে দেশের পুঁজিবাজার। গত দেড় মাসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচকটির উন্নতি ঘটেছে ৭০০ পয়েন্টের বেশি। এ সময়ে পুঁজিবাজারটির লেনদেন ৮০০ কোটি টাকা থেকে পৌঁছে গেছে দুই হাজার কোটি টাকায়। পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক এ আচরণ কি স্বাভাবিক? বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক আচরণ নিয়ে ইতোমধ্যে পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকে এর পেছনে বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ও পুঁজিবাজার কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যকেও দায়ী মনে করছেন।১৯৯৬ সালের ১৪ বছর পর ২০১০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দেশের পুঁজিবাজার। তখনো বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল এটি। বিপর্যয় পরবর্তী বাজারকে স্বাভাবিক করে তুলতে এবার লেগেছে ছয় বছর। সরকারের শীর্ষপর্যায় থেকে শুরু করে সবার প্রচেষ্টায় গত বছরের শেষ দিকে এসে স্বাভাবিক হতে শুরু করে পুঁজিবাজারগুলো। কিন্তু স্থিতিশীলতার দিকে ক্রমান্বয়ে এগিয়ে না গিয়ে হঠাৎ করে বাজারে এ ধরনের উল্লম্ফন ঘটল কেন?পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করেন, হঠাৎ করে পুঁজিবাজারের এ উল্লম্ফনের পেছনে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও পুঁজিবাজার কর্তৃপক্ষের শীর্ষপর্যায়ের কিছু বক্তব্যই বড় ভূমিকা রেখেছে। গত ডিসেম্বরের শুরুতে রাজধানীতে পুঁজিবাজার মেলা উদ্বোধন উপলক্ষে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. খায়রুল হোসেন বলেন, বাজারে গত চার বছরে যেসব সংস্কার করা হয়েছে তাতে এখন ডিএসই সূচক ১০ হাজার পয়েন্টে পৌঁছলেও চিন্তার কিছু নেই। সে দিন থেকে বাজারে আর বড় কোনো সংশোধন ঘটেনি। ১ ডিসেম্বর থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৩৪ কর্মদিবসের মধ্যে ডিএসই সূচক হারায় মাত্র সাত দিন।পরবর্তীতে গত ৯ জানুয়ারি সরকার ঘোষিত তিন দিন দেশব্যাপী উন্নয়ন মেলায় পুঁজিবাজারের অংশগ্রহণ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম মাজেদুর রহমান বলেন, ২০১৯ সালের মধ্যে ডিএসইর বাজার মূলধন জিডিপির ৫০ শতাংশে পৌঁছানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। এর আগে ১০ দিন ডিএসই সূচকের উন্নতি ঘটে। তার এ বক্তব্যের পর হতে শুরু হয় ডিএসই সূচকের অস্বাভাবিক উল্লম্ফন। প্রতিদিনই সূচক বাড়তে থাকে ৫০ পয়েন্টের বেশি। সে দিন এ বক্তব্য সাংবাদিকদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়।পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের অন্য একটি অংশ মনে করেন ব্যাংকে প্রচুর অলস অর্থের বিপরীতে বিনিয়োগ খরা, সরকারের শীর্ষপর্যায়ে পুঁজিবাজার নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব ও বাজার সংস্কারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ পুঁজবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ দিন লোকসানে থাকা বিনিয়োগকারীরা এত দিন সাইড লাইনে থাকলেও সম্প্রতি এদের অনেকে বাজারমুখী হচ্ছেন। তবে এসব কারণে অতি স্বল্প সময়ে বাজার সূচক ও লেনদেনের এত দ্রুত উন্নতিকে অনেকে সন্দেহের চোখে দেখছেন। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, একপ্রকার তলানি থেকে যে বাজার উঠে আসছে তাতে সাম্প্রতিক এ আচরণকে কিছুটা অস্বাভাবিক লাগতেই পারে।সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. মির্জা এ বি এম আজিজুল ইসলাম নয়া দিগন্তকে বলেন, পুঁজিবাজার এখন অনেকটা স্বাভাবিক বলা যায়। তবে যে হারে প্রতিদিন সূচক বাড়ছে তাকে স্বাভাবিক বলা যায়। বাজারে যে হারে সূচক বাড়বে যথাসময়ে স্বাভাবিক নিয়মেই তার সংশোধন ঘটতে হবে। তা না হলে বাজারে ঝুঁকির মাত্রা বেড়ে যাবে।তিনি আরো বলেন, ভালো কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লে দুশ্চিন্তার খুব বেশি কারণ নেই। কিন্তু একই সঙ্গে যেভাবে মৌলভিত্তিহীন কোম্পানির শেয়ারের দামও বাড়ছে তা নিয়ে আমি শঙ্কিত। বিনিয়োগকারীদের উচিত এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ না করে ভালো শেয়ারে যাওয়া। তাতে তাদের বিনিয়োগ ঝুঁকিমুক্ত থাকবে। তার মতে বাজারের এ সময় নিয়ন্ত্রক সংস্থাকেও বাজার মনিটরিংয়ে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।বিশিষ্ট পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুসা মনে করেন, পুঁজিবাজার এখনো স্বাভাবিক আছে ঠিকই। কিন্তু বারবার এ ধরনের স্বাভাবিক অবস্থা থেকেই অস্বাভাবিক অবস্থায় চলে যায়। ১৯৯৬ সাল ও ২০১০ সালকে ভুললে চলবে না। এটা ঠিক দীর্ঘ দিন বাজারে দরপতনের কারণে বড় মূলধনের বেশির ভাগ কোম্পানি যেমন ব্যাংক, বীমা, আর্থিকপ্রতিষ্ঠানসহ বেশির ভাগ খাত অনেক কম মূল্যস্তরে ছিল। এখন সে সব শেয়ারের দাম বাড়লে ক্ষতি নেই। কিন্তু এ সময়কে পুঁজি করেই বাজার খেলোয়াড়রা নিজেদের কারসাজি চালায়। এ অতীতের বিপর্যয় মাথায় রেখে এখন থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থাও পুঁজিবাজার কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে হবে।সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও পুঁজিবাজার কর্তৃপক্ষের দু’টি বক্তব্য নিয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ড. মুসা বলেন, ওনারা যে চেয়ারে বসে আছেন সেখান থেকে এ ধরনের বক্তব্য দেয়া উচিত নয়। এ ধরনের বক্তব্য থেকে বাজারে খারাপ বার্তা যেতে পারে। আবারো বিপর্যয়ের দিকে যেতে পারে।তবে তিনি মনে করেন, বাজারের এখন যে অবস্থা তাতে বিনিয়োগকারীরা বুঝে শুনে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকিমুক্ত থাকা সম্ভব। কারণ এখনো বাজারে ভালো অনেক কোম্পানির মূল্যস্তর বিনিয়োগ উপযোগী রয়েছে। কিন্তু বরাবর যা হয়ে থাকে তা হলো কিছু কিছু কোম্পানি বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য বাজারে ছড়িয়ে দিয়ে ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। আর হুজুগ আর গুজবে তাড়িত হয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তাদের খপ্পরে পড়ে। এসব বিষয় থেকে বিনিয়োগকারীদের সাবধান থাকতে হবে। source : noyadigonto
  • এক সপ্তাহে ১৯১ পয়েন্ট সূচক বাড়ল ডিএসইর
    মাত্র এক সপ্তাহে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচকটির উন্নতি ঘটে ১৯১ দশমিক ১৯ পয়েন্ট। তবে সপ্তাহের মোট পাঁচ কর্মদিবসের প্রথম তিনটিতেই ডিএসই সূচকের উন্নতি ঘটে ২৩২ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট। সপ্তাহের চতুর্থ দিনে ৪১ পয়েন্ট হারায় বাজারটি। শেষ দিন সূচক ছিল অনেকটা স্থির। এভাবে মাত্র তিন দিনে ডিএসই সূচকের এ হারে উন্নতি সংশ্লিষ্টদের মনে বিভিন্ন প্রশ্নের উদ্রেক করে। বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করা হলে সপ্তাহের শেষ দিন বাজার পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে দেশের শীর্ষ এ পুঁজিবাজার। তাতে বাজারকে স্বাভাবিক বললেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়।রোববার ৫ হাজার ৩৪২ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট থেকে লেনদেন শুরু করা ডিএসইএক্স সূচকটি বৃহস্পতিবার দিনশেষে ৫ হাজার ৫৩৪ দশমিক ০৭ পয়েন্টে স্থির হয়। ডিএসইর অপর দু’টি সূচক ডিএসই-৩০ ও শরিয়াহ সূূচকের এ সময় উন্নতি ঘটে যথাক্রমে ৭৩ দশমিক ২০ ও ৩২ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট। দেশের দ্বিতীয় পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান দুই সূচকের মধ্যে সার্বিক মূল্যসূচক ও সিএসসিএক্স সূচকের এ সময় উন্নতি ঘটে যথাক্রমে ৫৬০ দশমিক ৭৭ ও ৩৩৭ দশমিক ০২ পয়েন্ট।এ দিকে সূচকের বড় ধরনের উন্নতি বাড়িয়ে দেয় পুঁজিবাজারটির মূল্য-আয় অনুপাত (পিই)। আগের সপ্তাহের ১৫ দশমিক ২১ থেকে ৩ দশমিক ০৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে গত সপ্তাহ শেষে ডিএসইর পিই দাঁড়ায় ১৫ দশমিক ৬৮। সাধারণত পুঁজিবাজারে ১৫ পিইকেই ঝুঁকিমুক্ত মনে করা হয়। তবে ডিএসই ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্যানুসারে এখনো বাজারের প্রধান খাতগুলোর মধ্যে ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেক্সটাইল, জ্বালানি, রসায়ন ও বিবিধ খাত এ ঝুঁকির বাইরে অবস্থান করছে। অন্য দিকে সিরামিকস, সেবা, আইটি, প্রকৌশলসহ কয়েকটি খাত ক্রমেই ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে। এসব খাতের কোনো কোনোটির গড় পিই ৩০ পয়েন্টেরও বেশি।সূচকের উন্নতির কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে ডিএসইর বাজার মূলধনও। গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট বাজার দাঁড়ায় তিন লাখ ৬৮ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা। এটি পুঁজিবাজারটির এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ বাজার মূলধন। এর আগে সর্বশেষ ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল তিন লাখ ৬৮ হাজার ৭১ কোটি টাকা।গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেন ছিল আট হাজার ৯৭৮ কোটি ৬৩ লাখ ৫১ হাজার টাকা, যা আগের সপ্তাহ অপেক্ষা ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি। আগের সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেন ছিল সাত হাজার ১৪০ কোটি ২৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। একই হারে বেড়েছে ডিএসইর সাপ্তাহিক গড় লেনদেনও। গত সপ্তাহে ডিএসইর গড় লেনদেন দাঁড়ায় এক হাজার ৭৯৫ কোটি ৭২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আগের সপ্তাহে গড় লেনদেন ছিল এক হাজার ৪২৮ কোটি পাঁচ লাখ ১৫ হাজার টাকা, যা ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি।লেনদেন বৃদ্ধির কারণে গত সপ্তাহে বেড়েছে ডিএসইর লেনদেন হওয়া শেয়ারসংখ্যাও। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২৯৮ কোটি ৩৯ লাখ ৯৪ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়, যা আগের সপ্তাহ অপেক্ষা ৩৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২২১ কোটি ৯৪ লাখ ১৩ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়। একই কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে ডিএসইর হাওলা সংখ্যাও। আগের সপ্তাহ থেকে ১৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট হাওলা হয় ১৩ লাখ ১২ হাজার ৫১১টি। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে মোট হাওলা ছিল ১১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৭৫টি।তবে এ সময় লেনদেন হওয়া মোট শেয়ারের বেশির ভাগই ছিল মৌলভিত্তিসম্পন্ন ‘এ’ ক্যাটাগরির। লেনদেনের ৯৬ দশমিক ২৫ শতাংশ তথা আট হাজার ৬৪২ কোটি পাঁচ লাখ সাত হাজার টাকার শেয়ার ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরির। ‘বি’ ক্যাটাগরির লেনদেন ছিল দুই দশমিক ০৪ শতাংশ, যা টাকার অঙ্কে দাঁড়ায় ১৮৩ কোটি ২৯ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। এর বাইরে ‘এন’ ও ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন ছিল যথাক্রমে ৩৯ কোটি ও ১১৩ কোটি টাকার।গত সপ্তাহে ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষস্থানটি দখলে রাখে বেক্সিমকো লি.। ৩৯৬ কোটি ৭৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকায় কোম্পানিটির ১০ কোটি ৭৮ লাখ ৮৫ হাজার শেয়ার হাতবদল হয়, যা ছিল ডিএসইর সাপ্তাহিক লেনদেনের ৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। ২৬৬ কোটি ৩৮ লাখ ২৬ হাজার টাকা লেনদেন করে সাপ্তাহিক লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে ছিল বারাকা পাওয়ার। ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে আরো ছিল যথাক্রমে লঙ্কা বাংলা ফিন্যান্স, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস, ইফাদ অটোস, অ্যাপোলো ইস্পাত, ন্যাশনাল ব্যাংক, আরএকে সিরামিকস, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ও কেয়া কসমেটিকস।সাপ্তাহিক মূূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল বারাকা পাওয়ার। এক সপ্তাহে ২৬ দশমিক ৪০ শতাংশ দাম বাড়ে বেসরকারি এ বিদ্যুৎ কোম্পানির। এ ছাড়া ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ২৩.২৫, সেন্ট্রাল ফার্মা ২২.৪২, সিটি ব্যাংক ২০.৮৬ ও ন্যাশনাল পলিমারের ২০.০৫ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। অন্য দিকে এ সপ্তাহে সর্বোচ্চ দরপতনের শিকার হয় ইমাম বাটন। ১১ দশমিক ৪৮ শতাংশ দর হারায় কোম্পানিটি। এ ছাড়া ন্যাশনাল টি কোম্পানি ১০.০৪, আরএসআরএম ৯.৯৮, এমারেল্ড অয়েল ৯.৭২ ও দুলামিয়া কটন ৮.৪২ শতাংশ দর হারায়।
  • বিদেশী বিনিয়োগের প্রভাব পুঁজিবাজারে
    সরকারের নানামুখী উদ্যোগ এবং বিএসইসির আইন সংস্কারসহ বিভিন্ন পদক্ষেপে স্বাভাবিক ধারায় ফিরেছে পুঁজিবাজার। এছাড়া পুঁজিবাজার উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরছে। পাশাপাশি সক্রিয় বিদেশী বিনিয়োগকারীরাও। ফলে প্রতিনিয়তই বাড়ছে সূচক ও লেনদেন। আর তাই সপ্তাহ শেষে ডিএসইতে গড় লেনদেন প্রায় ২৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ছুইছুই করছে। তবে বেশ কিছুদিন ধরে বাজারের এমন আচরণে কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন বিনিয়োগকারীরা। তাদের এমন ধারণাকে উড়িয়ে দিয়ে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলেই অভিহিত করেছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্রে সুদহার কমানোর ফলে বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছেন। আর দক্ষ এ বিনিয়োগকারী তালিকাভুক্ত মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোকে বেছে নেয়। যার সুবাধে ব্যাংক, ফাইন্যান্স, জ্বালানি খাতসহ বড় বড় পরিশোধিত মূলধনের শেয়ার যখন মুভ করে তখন সূচকে প্রভাব পড়ে। যে সূচকগুলো নিচে পড়ে ছিল সে সূচকগুলোতে রাতারাতি প্রভাব পড়েছে বলে ‘তরতর’ করে সূচক বাড়ছিল। ২০০৯-১০ সালের শেষের দিকেও ব্যাংকের শেয়ারের দাম যখন বেড়েছিল তখন সূচকে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল। তখনকার সেই হিসাবে এখনকার পুঁজিবাজারে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ বা চিন্তার কিছু নেই। কেননা বাজারে লেনদেনের যে গতি রয়েছে তা সামলানোর দক্ষতা ও সক্ষমতা নিয়ন্ত্রকদের রয়েছে। এটা জেনেই সা¤প্রতিক সময়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আমাদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। ২০১০ সালে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে ৮ হাজার ৭০০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ২১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তার একটা স্বাভাবিক প্রভাব পুঁজিবাজারে দেখা যাচ্ছে বলেও মনে করছেন তারা।বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাপ্তাহিক ব্যবধানে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। সূচকের পাশাপাশি গড় লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে একদিন কারেকশন হলেও ৪ কার্যদিবসই বেড়েছে সূচক। আর সূচক বাড়ার মাত্রা ৩ দিনই খুব বেশি ছিল। সপ্তাহিক ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৯১ পয়েন্ট বা ৩.৫৮ শতাংশ বেড়েছে। আর ডিএসইএক্স শরিয়াহ সূচক বেড়েছে ৩২ পয়েন্ট বা ২.৬২ শতাংশ ও ডিএসই ৩০ সূচক বেড়েছে ৭৩ পয়েন্ট বা ৩.৮৩ শতাংশ। আর সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৩১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২০৩টি, কমেছে ১১৭টি, অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টি এবং লেনদেন হয়নি ২টি কোম্পানির। আর এসব কোম্পানির ওপর ভর করে সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ৮ হাজার ৯৭৮ কোটি ৬৩ লাখ ৫১ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে। দৈনিক গড় হিসাবে লেনদেন ১ হাজার ৭৯৫ কোটি ৭২ লাখ ৭০ হাজার ৩০৭ টাকা। যা আগের সপ্তাহে ছিল ১ হাজার ৪২৮ কোটি ৫ লাখ ১৫ হাজার ৬৩৫ টাকা। সে হিসেবে আগের সপ্তাহের তুলনায় ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে ২৫.৭৫ শতাংশ।মোট লেনদেনের ৯৬.২৫ শতাংশ এ ক্যাটাগরিভুক্ত, ২.০৪ শতাংশ বি ক্যাটাগরিভুক্ত, ০.৪৪ শতাংশ এন ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ১.২৭ শতাংশ জেড ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ২৯৮ কোটি ৩৯ লাখ ৯৪ হাজার ৪৩২টি শেয়ার মোট ১৩ লাখ ১২ হাজার ৫১১ বাজার হাতবদল হয়েছে। আর সপ্তাহশেষে ডিএসইর বাজার মূলধন ২.৬১ শতাংশ বেড়ে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৬৬২ কোটি ৮৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকায় অবস্থান করছে। এদিকে, দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ২৯৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৮টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ৯৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টির। আর সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৩৩ কোটি ১৩ লাখ ৫১ হাজার ১৬০ টাকার শেয়ার। এর আগের সপ্তাহে সিএসইর সার্বিক সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আর সিএসইতে টাকার অংকে মোট লেনদেন হয়েছিল ২৮২ কোটি ২৩ লাখ ৪৭ হাজার ১৮৪টাকা। source : Inkilab
  • ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে লেনদেন
    বিভিন্ন শ্রেণীর বিনিয়োগকারীর ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। ছয় বছরেরও বেশি সময় পর গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কেনাবেচা ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জটির প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স প্রায় ১০০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫০০ পয়েন্টের উপরে অবস্থান করছে।বাজার-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সামষ্টিক অর্থনীতি নিয়ে আসতে থাকা সুসংবাদ, শেয়ারবাজার নিয়ে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা গৃহীত বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ ও বক্তব্য এবং ধসপরবর্তী সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে বাজারের ঘুরে দাঁড়ানো— সব মিলিয়ে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও আশাবাদ বাড়ছে। দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের জন্য বেছে বেছে শেয়ার কিনছেন অনেকেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে স্পেকুলেটিভ ক্রয়চাপ। সব মিলিয়ে সূচকের এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা।পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই ঊর্ধ্বমুখী ছিল শেয়ারবাজারের সব সূচক। দুপুর ১২টা বাজার আগেই ডিএসইএক্স সাড়ে ৫ হাজারের মনস্তাত্ত্বিক বাধা অতিক্রম করে এবং দিনের শেষ ভাগ পর্যন্ত এ সীমার উপরে অবস্থান করে। দিন শেষে ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়ে সূচকটি ৫ হাজার ৫৭৫ দশমিক ৪৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়। গতকাল ২ শতাংশের উপরে বেড়েছে ঢাকার বাজারের ব্লু-চিপ সূচক ডিএস-৩০। দিন শেষে ২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৯৮৪ পয়েন্টে উন্নীত হয় ডিএসইর নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর এ সূচক। ১ দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়েছে শরিয়া সূচক ডিএসইএস।এদিকে লেনদেন বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় গতকাল ছয় বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম ২ হাজার কোটি টাকার বেশি কেনাবেচা হয়েছে ঢাকার বাজারে। গতকাল ডিএসইতে মোট ৭০ কোটি ১২ লাখ ২৩ হাজার ৮৫৫টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট হাতবদল হয়, যার বাজারদর ছিল ২ হাজার ৬৪ কোটি ৯৬ লাখ ৫৭ হাজার ২৬৮ টাকা। আগের দিন ডিএসইতে ১ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকার কম লেনদেন হয়।দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল ১১৪ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। ১ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেড়ে ১০ হাজার ৩৭৯ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে সেখানকার ব্রড ইনডেক্স সিএসসিএক্স। ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেড়ে ১৪ হাজার ৮৪ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে সিএসইর নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সূচক সিএসই ৩০।ডিএসইতে লেনদেনকৃত কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে গতকাল দর বেড়েছে ২২৪টির, কমেছে ৮৬টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১৮টির বাজারদর। সিএসইতে ১৮৬টির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দিন শেষে কমেছে ৭৪টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১৬টির বাজারদর।খাতভিত্তিক চিত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের বাজার মূলধন সবচেয়ে বেশি বেড়েছে; ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ। এরপর বেড়েছে যথাক্রমে মিউচুয়াল ফান্ড ৪ দশমিক শূন্য ৩, বিদ্যুত্-জ্বালানি ৩ দশমিক ৫২ ও বস্ত্র ৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ।বিপরীতে দর হারিয়েছে কেবল কাগজ মুদ্রণ, পাট, তথ্যপ্রযুক্তি ও জীবন বীমা খাতের কোম্পানিগুলো।লেনদেনের ভিত্তিতে ডিএসইতে সবার উপরে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড, বারাকা পাওয়ার, যমুনা অয়েল, লংকাবাংলা ফিন্যান্স, এমজেএল বিডি, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, কেয়া কসমেটিকস, সামিট পাওয়ার, ইসলামী ব্যাংক ও ডেসকো লিমিটেড।দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে পদ্মা অয়েল, আইসিবি, প্রাইম ১ আইসিইবিএ, ১জনতা মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি ৩য় এনআরবি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, বিডি ফিন্যান্স, ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, ইবনে সিনা ও আইসিবি সোনালী।অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে ছিল— ইমাম বাটন, সিএপিএম বিডিবিএল, ন্যাশনাল টিউবস, জিল বাংলা সুগার, বিডি আটোকারস, ড্যাফোডিল কম্পিউটার, এমারাল্ড অয়েল, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফিন্যান্স মিউচুয়াল ফান্ড ও সমতা লেদার। source : Bonik Barta
  • পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেনের রেকর্ড
    দেশের পুঁজিবাজারে মঙ্গলবার মূল্যসূচকের সঙ্গে লেনদেনেও রেকর্ড হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৯৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৭৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ২০১৩ সালে সূচকটি চালু হওয়ার পর এটিই সর্বোচ্চ অবস্থান। এদিকে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ২ হাজারের ঘর অতিক্রম করে রেকর্ড গড়েছে। এদিন ডিএসইতে দুই হাজার ৬৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে; যা গত ৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১০ সালের ৭ ডিসেম্বর ডিএসইতে দুই হাজার ৫০ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। মঙ্গলবার ডিএসইতে আগের দিনে তুলনায় ২০৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বেশি লেনদেন হয়েছে। সোমবার ডিএসইতে এক হাজার ৮৫৬ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩২৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২২৪টির, কমেছে ৮৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির শেয়ার দর। এদিকে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৭৬ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪ পয়েন্টে।ডিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : বেক্সিমকো, বারাকা পাওয়ার, যমুনা ওয়েল, লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স, মবিল যমুনা বিডি, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, কেয়া কসমেটিকস, সামিট পাওয়ার, ইসলামী ব্যাংক ও ডেসকো।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : পদ্মা ওয়েল, আইসিবি, প্রাইম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, ১ম জনতা মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি ৩য় এনআরবি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, বিডি ফাইন্যান্স, ইবিএলএনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, ইবনে সিনা ও আইসিবি সোনালী মিউচুয়াল ফান্ড।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ইমাম বাটন, সিপিএম মিউচুয়াল ফান্ড, ন্যাশনাল টিউবস, ঝিল বাংলা সুগার, বিডি অটোকারস, ডেফোডিল কম্পিউটার, এমারেল্ড ওয়েল, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স ও সামাতা লেদার।অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক ও লেনদেন রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। সিএসইতে ১১৪ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৯৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ১৬৪ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৭৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৩টির, কমেছে ৭৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : বেক্সিমকো, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, ন্যাশনাল ব্যাংক, কেয়া কসমেটিকস, এ্যাপোলো ইস্পাত, এক্সিম ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, এবি ব্যাংক, লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স ও বিএসআরএম স্টিল। sourece : Jonokontho
View All
Latest DSE News
  • KPCL

    As per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on January 30, 2017 at 6:00 PM to consider, among others, un-audited financial statements of the Company for the Second Quarter (Q2) period ended on December 31, 2016.

  • RELIANCE1

    (Q2 Un-audited): EPU was Tk. 0.29 for October-December, 2016 as against Tk. 0.03 for October-December, 2015; EPU was Tk. 0.37 for July-December, 2016 as against Tk. 0.12 for July-December, 2015. NOCFPU was Tk. 0.24 for July- December, 2016 as against Tk. 0.17 for July- December, 2015. NAV per unit at market price was Tk. 12.69 as of December 31, 2016 and Tk. 12.06 as of June 30, 2016. NAV per unit at cost price was Tk. 11.01 as of December 31, 2016 and Tk. 11.65 as of June 30, 2016.

  • GBBPOWER

    Mrs. Rezina Akbar, one of the Directors of the Company, has further reporter that she has completed transfer of 15,45,464 shares of the Company to her daughter Mrs. Morziana Hasan, by way of gift outside the trading system of the Exchange as announced earlier.

  • FUWANGCER

    As per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on January 30, 2017 at 3:30 PM to consider, among others, un-audited financial statements of the Company for the Second Quarter (Q2) period ended on December 31, 2016.

  • BDCOM

    As per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on January 30, 2017 at 3:00 PM to consider, among others, un-audited financial statements of the Company for the Second Quarter (Q2) period ended on December 31, 2016.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ZAHINTEX 22.00 20.00 2.00 10.00
ISLAMIBANK 46.90 42.70 4.20 9.84
SIBL 21.60 19.70 1.90 9.64
RAHIMAFOOD 116.00 106.20 9.80 9.23
ICBIBANK 6.00 5.50 0.50 9.09
PHOENIXFIN 34.40 31.60 2.80 8.86
PUBALIBANK 30.30 27.90 2.40 8.60
SOUTHEASTB 23.40 21.80 1.60 7.34
EXIMBANK 16.30 15.20 1.10 7.24
CITYBANK 38.00 35.60 2.40 6.74

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297