Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Any Solution to assist you to My own Life inside 20 Yrs Composition 23-Jun
Notice of Purpose Themes Three Packages 14-Apr
Do You Know The Way Ahead For THE Produced Training books During The Virtual Years? 26-Feb
Hello world 19-Jun
Research Issues to get a Report on Drugs 25-May

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
CVOPRL 262.4 209.1 53.30 25.49
BDWELDING 20.8 16.7 4.10 24.55
NURANI 23.4 19.5 3.90 20.00
KPPL 10.8 9.1 1.70 18.68
BEACHHATCH 20.3 17.2 3.10 18.02
SINOBANGLA 44.2 37.8 6.40 16.93
MODERNDYE 241.6 208.4 33.20 15.93
NTLTUBES 121.6 105.4 16.20 15.37
AZIZPIPES 77.7 68.9 8.80 12.77
LEGACYFOOT 26.3 23.4 2.90 12.39

Contest SB2017_Jun

1st
blank_person
SHOPNO_GHURI
2nd
blank_person
RAMIMUK
3rd
blank_person
NAZRULAMIN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 339.9 338.2 4.04412 342336.00
PRIMEBANK 22.4 21.1 2.35749 13151900.00
ISLAMIBANK 32.4 31.8 1.70184 1984390.00
BATBC 2801.9 2790 1.25789 7197.00
SQURPHARMA 289.7 288.8 1.08762 535345.00
Negative impact
ICB 176.5 178.2 -1.89526 282147.00
BXPHARMA 113.8 114.4 -0.42869 776861.00
DESCO 49.8 50.3 -0.35021 230192.00
TITASGAS 50.2 50.4 -0.34855 191477.00
ORIONPHARM 50.4 51.1 -0.28857 354629.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
LANKABAFIN 55.6 55.8 54.3 2.21% 317.05
REGENTTEX 31 33.2 30.6 -2.21% 298.86
PRIMEBANK 22.4 22.5 21.1 6.16% 291.46
SQURPHARMA 289.7 290 289 0.31% 155.06
RSRMSTEEL 83.2 83.8 81.3 1.71% 152.82
BRACBANK 79.4 79.7 78.5 0.63% 152.75
AAMRATECH 42.5 43.7 42.3 -1.16% 150.20
IFADAUTOS 136.4 136.6 134.3 0.66% 148.38
CVOPRL 262.4 262.4 255 8.74% 141.61
GP 339.9 341 338.8 0.50% 116.46

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 22 Jun 2017

104014
TOTAL TRADE
216.5090
TOTAL VOLUME(Mn)
7441.26
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ঈদের পরে ভাল মার্কেটের প্রত্যাশা
    ইমরান হোসেন : ঈদের আগে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিরাজ করছে। ট্রেডিংয়ের ক্ষেত্রে সূচকের ওঠা-নামা স্বাভাবিক হওয়ায় লাভজনক অবস্থায় রয়েছে ক্যাপিটাল মার্কেট। তবে ঈদ-পরবর্তী বাজারের অবস্থা আরো ভাল হবে- এমনটাই মনে করছেন ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীরা। লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী আবদুল্লাহ বলেন, কয়েকটি কারণে ঈদের পর বাজারে বিনিয়োগ আরো বাড়তে পারে। প্রথমতঃ সূচকের ভাল অবস্থায় আছে, দ্বিতীয়তঃ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রয়েছে, তৃতীয়তঃ নতুন অর্থবছরের শুরু ,সূদের হার এক ডিজিটে এবং সঞ্চয় পত্রের সূদের হার ঈদের পর কমান হবে বলে পত্র-পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে এসব কারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা লাভের মুখ দেখছে এবং লেনদেন বৃদ্ধি পাচ্ছে । রাজধানীর কারওয়ানবাজারে হ্যাক সিকিউরিটিজের অথোরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভ সুমন বলেন, প্রত্যাশা অনেক বেশি হলেও ঈদের আগে বাজারে লেনদেনের অবস্থা বেশ ভাল। ঈদের পর মার্কেট আরো ভালোর দিকে যাবে বলে আমার মনে হয়। লেনদেনের চিত্র ভাল। অনেকেই প্রফিট করতে পেরেছে। তবে ঈদের পর লেনদেন আরো বাড়বে বলে তিনি আশা করেন। বাজার পরিস্থিতি নিয়ে জয়তুন ইর্ন্টান্যাশনাল সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী মোশাররফ হোসেন বলেন, মার্কেটের সার্বিক অবস্থা ভাল। বাজারে এমন অবস্থা বিরাজ করলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ে। ফলে লেনদেন বৃদ্ধি পায় এবং মার্কেটের সার্বিক অবস্থা আরও ভাল হয়। তিনি বলেন, ঈদের পর বাজারে বিনিয়োগ আরো বাড়বে। কারণ, বিনিয়োগকারীরা এখন ঘরমুখো; ঈদের কেনা-কাটায় ব্যস্ত। ঈদ-খরচার জন্য ক্যাপিটাল মার্কেট থেকে টাকা  ‍তুলে নিয়েছে অনেক বিনিয়োগকারী। ঈদের পর তারা আবার ফিরে আসবে বিনিয়োগে। নতুন বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে সিনিয়র ট্রেডার ও বিনিয়োগকারীরা বলেন, গুজব, পত্রিকার খবর বা দর ওঠা-নামা দেখে বিনিয়োগ করা উচিৎ নয়। তারা বলেন, প্রত্যেক ব্যবসাতেই অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। তাই বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ নেয়া, কোম্পানির সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করাসহ এ্যানালাইসেসের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা ভাল। এ ক্ষেত্রে ভাল কোন প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নেয়া যেতে পারে।
  • ক্রেডিট কার্ডের সুদহারে আসছে পরিবর্তন
    স্টাফ রিপোর্টার : ব্যাংকগুলোর ক্রেডিট কার্ডে সুদহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরোপিত সর্বোচ্চ সীমায় পরিবর্তন চায় ব্যাংকগুলো। ক্রেডিট কার্ডের সুদহার নির্ধারণে অন্যান্য ভোক্তা ঋণের সঙ্গে তুলনা না করে অন্য যে কোনো ঋণের চেয়ে ৫ শতাংশ বেশি সুদ ধরে সীমা আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে ব্যাংকগুলো। আর নীতিমালা বাস্তবায়ন আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে নেওয়ার দাবি এসেছে। এসব দাবি নিয়ে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির একটি প্রতিনিধি দল সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠক থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না জানিয়ে বলা হয়েছে, এবিবির দাবি পর্যালোচনা করে পরে জানানো হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান আনিস এ খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি সোহেল আরকে হোসাইন, ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি আলী রেজা ইফতেখার ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। মূলত ক্রেডিট কার্ডের ব্যবসায় এই ব্যাংকগুলো এগিয়ে রয়েছে। বেশিরভাগ ব্যাংক অন্য ঋণের তুলনায় ক্রেডিট কার্ডে দ্বিগুণ সুদ নেয়। যেমন, গত মে মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানার জনতা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডে সুদহার নির্ধারিত ছিল ২৪ শতাংশ। অথচ অন্য ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ সুদ ছিল। অধিকাংশ ব্যাংকের চিত্র এ রকম। এমন পরিস্থিতিতে গত মে মাসে প্রথমবারের মতো ক্রেডিট কার্ডের একটি নীতিমালা করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালা অনুযায়ী, যে কোনো ব্যাংকে অন্যান্য ভোক্তা ঋণের সর্বোচ্চ যে সুদহার রয়েছে, তার চেয়ে ক্রেডিট কার্ডে ৫ শতাংশের বেশি নিতে পারবে না। অর্থাৎ গাড়ি, ফ্ল্যাট, টিভি-ফ্রিজ কেনা, বিয়ে বা যে কোনো ব্যক্তিগত ঋণে যদি কোনো ব্যাংকের সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ সুদ নির্ধারিত থাকে, ওই ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডে সর্বোচ্চ ১৮ শতাংশ সুদ নিতে পারবে।
  • রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে
    স্টাফ রিপোর্টার : দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক শূন্য ১৮ বিলিয়ন ডলার। দেশের ইতিহাসে এটি সর্বোচ্চ। এ পরিমাণ অর্থ দিয়ে প্রায় ৯ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। রফতানিতে প্রবৃদ্ধি, বিদেশি ঋণ ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বজায় থাকায় রিজার্ভ বাড়ছে। গত বছরের নভেম্বরে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ প্রথমবারের মতো ৩২ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। এরপর থেকে তা কয়েকবার ওঠানামা করে। আর পরে রিজার্ভ হ্রাস-বৃদ্ধি গতকাল ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়ায়। গত বছরের একই দিনে রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৯৮৭ কোটি ডলার। এ হিসাবে গত এক বছরে রিজার্ভ বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) দেশে তিন হাজার ১৭৯ কোটি ডলারের রফতানি আয় এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১১৩ কোটি ডলার বা ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি। আর এপ্রিল পর্যন্ত আমদানি বেড়েছে ১১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। রফতানির তুলনায় আমদানি ব্যয় বাড়লে রিজার্ভ কমার কথা। তবে আমদানি দায়ের উল্লেখযোগ্য অংশ এখন মেটানো হচ্ছে বিদেশ থেকে ঋণ নিয়ে। এর বাইরে প্রবাসী আয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে যুক্ত হয়ে রিজার্ভ বাড়ছে। অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয়ে নেতিবাচক প্রবাহ না থাকলে রিজার্ভ আরও দ্রুত বাড়ত। গত মে পর্যন্ত ১১ মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১ হাজার ১৫৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। এ পরিমাণ অর্থ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ দশমিক ১৯ শতাংশ কম। অবশ্য গত এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসে রেমিট্যান্সে আরও বেশি নেতিবাচক প্রবাহ ছিল। গত মে মাসে আগের চেয়ে বেশ কিছুটা বেড়ে ১২৬ কোটি ৭৬ লাখ ডলার আসায় সে ব্যবধান কিছুটা কমে।
  • খারাপ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ
    স্টাফ রিপোর্টার : শ্রমিক স্বার্থ বিবেচনায় বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ ১০ দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক শ্রম অধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে ভিয়েনাভিত্তিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন (আইটিইউসি) এমন তথ্য দিয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়া এ তালিকার বাকি দেশগুলো হলো_ কাতার, ইউনাইটেড আরব আমিরাত (ইউএই), মিসর, ফিলিপাইন, কলম্বিয়া, কাজাখস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক ও গুয়াতেমালা। 'আইটিইউসি গ্গ্নোবাল রাইটস ইনডেক্স'-২০১৭ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রেড ইউনিয়ন করা শ্রমিকদের ওপর সরকার ও নিয়োগদাতার চাপিয়ে দেওয়া ভোগান্তির কারণে বাংলাদেশ ১ থেকে ৫ রেটিংয়ের মধ্যে ৫ রেটিং পেয়েছে। এমন রেটিং পাওয়া দেশের সংখ্যা ৩৫। সংগঠনটির রেটিং অনুযায়ী এর অর্থ_ এ দেশে শ্রমিকদের অধিকারের কোনো নিশ্চয়তা নেই। প্রতিবেদনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, পুলিশের বর্বরতা, গণগ্রেফতার ও বৈষম্যের ঘটনা বাংলাদেশের অহরহ ঘটে। এর উদাহরণ দিতে গিয়ে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে আশুলিয়ার পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে সরকার ও মালিকপক্ষের প্রতিক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। ওই ঘটনায় ৩৫ ট্রেড ইউনিয়ন নেতা ও শ্রমিক অধিকার কর্মীকে গ্রেফতার করা হয় এবং এক হাজারের বেশি শ্রমিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়। অবশ্য শ্রম অধিকার প্রাপ্তির অনিশ্চয়তার দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ রেটিং ৫+ পেয়েছে ১১ দেশ। এখানে কম রেটিং শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করার দিক থেকে সবচেয়ে ভালো। রেটিং বেশি হলে তা খারাপ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশের মতো ৫ রেটিং পেয়েছে সার্কভুক্ত ভারত ও পাকিস্তান। প্রতিবেশী মিয়ানমারের রেটিংও একই। তবে নেপাল ও শ্রীলংকার রেটিং ৩। অর্থাৎ এই দুই দেশের শ্রমিকরা তুলনামূলক বেশি অধিকার ভোগ করেন। আইটিইউসির প্রতিবেদনে শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করার দিক থেকে বিশ্বকে পাঁচটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট পেয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ইউরোপ। ৪ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট পেয়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা।
  • সংকট কাটাতে অটো-গ্যাস চালুর উদ্যোগ
    স্টাফ রিপোর্টার : চলমান গ্যাস সংকট কাটাতে সরকার যানবাহনে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস বা সিএনজির পরিবর্তে অটো-গ্যাস চালুর জোরালো উদ্যোগ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা উপায়ে সিএনজি ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করা হবে। এমনকি এক পর্যায়ে যানবাহনে সিএনজি ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার সিএনজির পরিবর্তে অটো-গ্যাস প্রচলনের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরও জানান, সরকার ইতোমধ্যে রি-ফুয়েলিং স্টেশন ও রূপান্তর ওয়ার্কশপ স্থাপন, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ নীতিমালা-২০১৬ জারি করেছে। এর আওতায় চারটি প্রতিষ্ঠানকে অটো-গ্যাসের রিফুয়েলিং স্টেশন স্থাপনের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠান চারটি হচ্ছে-ওমেরা, বসুন্ধরা, ওরিয়ন ও বেক্সিমকো। রি-ফুয়েলিং স্টেশন ও রূপান্তর ওয়ার্কশপ স্থাপন, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ নীতিমালা-২০১৬ এ বলা হয়েছে, যানবাহনে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেলের পরিবর্তে অটো গ্যাস একটি পরিবেশবান্ধব বিকল্প জ্বালানি হিসেবে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করছে। যানবাহনে অটো গ্যাস ব্যবহারের ব্যয় তরল জীবাশ্ম জ্বালানির তুলনায় কম। নীতিমালা অনুসারে, সরকার অটো-গ্যাসের মূল্য ঠিক করে দেবে। উল্লেখ্য, অটো-গ্যাস হচ্ছে লিকুফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলজিপির একটি বিশেষ ধরণ। এলপিজি সাধারণত দুটি কাজে ব্যবহার করা হয়; গৃহস্থালী বা রান্না-বান্নার কাজে, অন্যটি হচ্ছে যানবাহন চালনা। গৃহস্থালী-এলপিজি ও অটো-এলপিজি (অটো-গ্যাস) এর মধ্যে উপাদানগত কিছু পার্থক্য আছে। দুটিরই প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বুটান। গৃহস্থালী-এলপিজিতে সালফার বা ওই জাতীয় অন্য কোনো উপাদন মেশানো হয় গ্যাসে কটু গন্ধ সৃষ্টি করার জন্য, যাতে পাইপলাইনে কোনো ছিদ্র বা অন্য কোনো উপায়ে গ্যাস বের হলে টের পাওয়া যায়। রান্নাঘরে আগুন লাগার ঝুঁকি কমাতে এটি করা হয়। অটো-গ্যাসকে বিশ্বব্যাপী সবুজ জ্বালানি (Clean Fuel) হিসেবে অভিহিত করা হয়। এই জ্বালানিতে পেট্রোল ও ডিজেলের তুলনায় ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কম কার্বনডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়। অন্যদিকে অকটেনের তুলনায় অটো-গ্যাস মূল্যের দিক থেকে সাশ্রয়ী। অটো-গ্যাস ব্যবহারে জ্বালানি ব্যয় ১০ শতাংশের মতো কম হয়। উইকিপিডিয়া থেকে জানা যায়, অটো-গ্যাস ব্যবহারে বিশ্বে শীর্ষ পাঁচটি দেশ হচ্ছে- তুরস্ক, দক্ষিণ কোরিয়া, পোল্যান্ড, ইটালি ও অস্ট্রেলিয়া। ভারত ২০০ সালে অটো-গ্যাস ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। তবে দেশটিতে এখনো অটো-গ্যাস জনপ্রিয় হতে পারেনি। এর কারণ ভারতে বেশীরভাগ গাড়ি ডিজেলে চলে। অটো-গ্যাসের খরচ ডিজেলের চেয়ে বেশ বেশি।
  • দর পতনের শীর্ষে ন্যাশনাল টি
    স্টাফ রিপোর্টার : সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টপটেন লুজার বা দর পতনের শীর্ষে অবস্থান করছে ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির শেয়ারের দর কমেছে ১২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ডিএসই সূত্র জানায়, প্রতিদিন গড়ে কোম্পানিটির ২ কোটি ৯৬ লাখ ১৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।পুরো সপ্তাহে কোম্পানিটির মোট ১৪ কোটি ৮০ লাখ ৬৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লুজারের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড। এই কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। গড়ে প্রতিদিন কোম্পানিটির ২ লাখ ৯১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। পুরো সপ্তাহে কোম্পানিটির মোট ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এ কোম্পানির শেয়ার দর ৫ শতাংশ কমেছে। গড়ে প্রতিদিন কোম্পানিটির ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। পুরো সপ্তাহে কোম্পানিটির মোট ৮ লাখ ১৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এছাড়া লুজারে শীর্ষে থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ, সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ, স্টাইল ক্রাফট লিমিটেড ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ, অ্যাপেক্স ফুটওয়ার লিমিটেড ২ দশমিক ৮৪ শতাংশ, সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ২ দশমিক ৪৭ শতাংশ দর কমেছে।
  • ঈদের আগে বেড়েছে মসলা, মুরগি ও ডিমের দাম
    স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার উদ্যাপন হবে ঈদ। এই উৎসব আয়োজনকে কেন্দ্র করে গতকাল শেষ শুক্রবারে রাজধানীর বাজারে বেড়েছে নানা পণ্যের বেচাকেনা। এবার ঈদ আপ্যায়নের অন্যতম অনুষঙ্গ সেমাইয়ের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে বেড়েছে সেমাই রান্নার উপকরণ তরল দুধ, কিশমিশ, দারুচিনি ও এলাচের দাম। চিনির দামেও আছে অস্থিরতা। এ ছাড়া মুরগি ও ডিমের দামও বেড়েছে। কাঁচামরিচ ও টমেটোর দাম দ্বিগুণ হয়েছে। একই সঙ্গে শসা ও গাজরের দামও বেড়ে গেছে। ঈদের ছুটিতে রাজধানীর কাঁচাবাজারে ক্রেতা সমাগম কম থাকায় পণ্যের বেচাকেনা কমেছে। কিন্তু ঈদে বেশি চাহিদা থাকা নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের দাম এরই মধ্যে বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ঈদের আগে সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারিতে দাম বেড়েছে। এর প্রভাবে খুচরায় মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। ছোট আকারের ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা এবং বড় আকারের ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিরপুর শাহ আলী বাজারে ব্রয়লার মুরগির শুধু মাংস আলাদাভাবে ২২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি। এ ছাড়া সোনালি মুরগি প্রতিটি ১৭০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের হালিতে ২ টাকা বেড়ে ২৮ থেকে ৩০ টাকা। ডিমের ডজনে ১০ টাকা বেড়ে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা হয়েছে। গরুর মাংস আগের চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। রোজার মাসজুড়ে সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত ৪৭০ টাকা বিক্রি হয়নি। গতকাল খুচরা বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা ও খাসির মাংস ৭৩০ থেকে ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে সুপারশপে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৪৫০ থেকে ৪৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। কারওয়ান বাজারের বিক্রেতা জিয়াউল হক বলছেন, ঈদের বাড়তি চাহিদার কারণে পাইকারি বাজারে মুরগির দাম বেশি। এ কারণে খুচরায় বাধ্য হয়ে তারা বেশি দামে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, এখন ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও শনিবার এ দামে বিক্রি সম্ভব হবে না। পাইকাররা মুরগি চাহিদামতো সরবরাহ করতে পারছেন না। এ কারণে আরও দাম বাড়বে বলে দাবি করেন তিনি। খুচরা বাজারে খোলা সাধারণ সেমাইয়ের কেজি ৬০ টাকা, লাচ্ছা সেমাই ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা সুগন্ধি চাল প্রতি কেজি ৯০ টাকা এবং প্যাকেটজাত চাল ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেমাইয়ের দাম না বাড়লেও এর রান্না উপকরণ কিশমিশের দাম বেড়েছে। ১০০ গ্রাম কিশমিশ দু'দিন আগেও ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গতকাল তা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। চিনির দামেও চলছে অস্থিরতা। বাজার ও দোকান ভেদে প্রতি কেজি চিনি ৬৫ থেকে ৭২ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ঈদের বাজারে বেশি চাহিদার মসলা খুচরায় জিরার দাম কেজিতে গড়ে ৫০ টাকা বেড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা হয়েছে। এলাচ কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দারুচিনি কেজিতে ৬০ টাকা বেড়ে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা হয়েছে। আলু বোখারা একই হারে বেড়ে কেজি ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগে তরল দুধের সরবরাহ সংকটের কারণে দাম বেড়ে গেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। গতকাল মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ধানমণ্ডি, মালিবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সমবায় প্রতিষ্ঠান মিল্ক ভিটার দুধ সরবরাহ করেনি। এমনকি আগের দিনেও বাড়তি দুধ সরবরাহ করেনি। এ কারণে হঠাৎ সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আড়ং সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। এতে দোকানগুলোতে প্যাকেটের গায়ে খুচরা মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি লিটার তরল দুধের দাম ৮ থেকে ১০ টাকা বেড়ে ৭০ থেকে ৭৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আধা লিটার বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪৫ টাকায়। বাড়তি চাহিদায় কাঁচামরিচ ও টমেটোর দাম দ্বিগুণ হয়েছে। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ও টমেটো ১০০ থেকে ১২০ টাকা। শসা ও গাজর কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। অন্যান্য শাকসবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এদিকে কমেছে রসুনের দাম। কেজিতে ২০ টাকা কমে চীনা রসুন দেড়শ' থেকে ১৬০ টাকা ও দেশি রসুন ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ২২ থেকে ২৫ টাকা। এ ছাড়া চাল, ডাল, ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য পণ্যের দাম অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে।
  • হাক্কানি পাল্পের বিক্রির বাড়লেও লোকসান
    স্টাফ রিপোর্টার : চট্টগ্রামভিত্তিক হাক্কানি গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস লিমিটেড প্রিন্টিং পেপার, নিউজপ্রিন্ট এবং ফ্লুটিং মিডিয়া পেপার উৎপাদন ও বাজারজাত করে থাকে। চলতি হিসাব বছরের প্রথম ৯ মাসে কোম্পানিটির পণ্য বিক্রির পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ৪৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়েছে। কিন্তু পণ্যের দাম কমায় এর সুফল পায়নি কোম্পানিটি। প্রথম তিন প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির লোকসান আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১৪৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি হিসাব বছরে হাক্কানি পাল্পের বিক্রি আগের তুলনায় বেড়েছে। তবে পণ্যের মূল্য কমে যাওয়ায় এর সুফল পায়নি কোম্পানি। এতে প্রথম তিন প্রান্তিকে লোকসান বেড়েছে। ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকের (জুলাই-১৬ থেকে মার্চ-১৭)  অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, হিসাব বছরের প্রথম ৯ মাসে কোম্পানিটির বিক্রি আগের তুলনায় ৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বেড়ে ৩০ কোটি ৪৯ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ফলে এ সময়ে গ্রস মুনাফা ১৫ লাখ ৬৮ হাজার টাকা বেড়ে হয়েছে ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। এদিকে প্রথম ৯ মাসে কোম্পানিটির পরিচালন ব্যয় ৮৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা বা ৩৪ দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়ে ৩ কোটি ২৭ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এতে পরিচালন লোকসান আগের তুলনায় ৬৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা বা ১১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা। ফলে হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে ১৮ লাখ টাকা কর পরিশোধের পর কোম্পানির নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এর নিট লোকসানের পরিমাণ ছিল  ৫৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির নিট লোকসান বেড়েছে ৮১ লাখ ৭ হাজার টাকা। প্রথম তিন প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় ৭২ পয়সা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩০ পয়সা। ৩১ মার্চ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ২৮ টাকা ৫৪ পয়সা, সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া যা ১১ টাকা ৯৩ পয়সা। অন্যদিকে, চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) হাক্কানি পাল্পের বিক্রি ৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা বেড়ে ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তবে পণ্য উত্পাদনে ব্যয় বাড়ায় এ সময়ে গ্রস মুনাফা কমেছে ৪৬ লাখ টাকা বা ৬৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ। তাছাড়া এ সময়ে পরিচালন ব্যয় আগের তুলনায় ২৮ লাখ টাকা বা ৩০ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়েছে। এতে পরিচালন লোকসান বেড়েছে ৭৫ লাখ টাকা বা ৩৬৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ। তৃতীয় প্রান্তিকে কর পরিশোধের পরে কোম্পানির নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ টাকা। যেখানে আগের বছরের একই সময়ে লোকসান ছিল ২০ লাখ ৯২ হাজার টাকা। এক বছরের ব্যবধানে লোকসান বেড়েছে ৮৩ লাখ টাকা বা ৩৯৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় ৫৫ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১১ পয়সা। এদিকে বাজারে কোম্পানিটির পাওনা অর্থের পরিমাণ হিসাব বছরের ৯ মাসে ৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা বা ২১৭ দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়ে ১১ কোটি ৬ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। পাওনা বাড়ায় আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহও (এনওসিএফএস) কমেছে। ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে কোম্পানির এনওসিএফএস হয়েছে মাইনাস ৩ টাকা ২৮ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল মাইনাস ২ টাকা ৮৬ পয়সা। ২০১৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে হাক্কানি পাল্প। ওই বছর শেয়ারপ্রতি তাদের লোকসান হয় ৭২ পয়সা। ২০১৫ হিসাব বছরেও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পান কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। তখন শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৪৫ পয়সা। ২০০১ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হাক্কানি পাল্পের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১৯ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৬ কোটি ১২ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৯০ লাখ। এ শেয়ারের ৫৫ দশমিক ৫২ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৩৬ দশমিক ১৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। ডিএসইতে বৃহস্পতিবার হাক্কানি পাল্প শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ৫২ টাকা ৩০ পয়সা। গত এক বছরে এ শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ছিল ৬৪ টাকা ৯০ পয়সা ও সর্বনিম্ন ৪১ টাকা ৭০ পয়সা।
  • গ্যাম্বেলারদের ফাঁদে পা দেই না
    ইমরান হোসেন: মোঃ আল-আমিন সরকার, একজন সাধারণ বিনিয়োগকারী। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করছেন ২০১০ সাল থেকে। শেয়ার বাজারের উত্থান-পতনটা দেখেছেন কাছ থেকে। কখনো বিনিয়োগ করে লাভ করেছেন- আবার লসও দিয়েছেন,পুনঃরায় সে লস কাভার করতে সক্ষমও হয়েছেন। স্টক বাংলাদেশের বিনিয়োগকারী সাক্ষাৎকার বিভাগে জানালেন তাঁর অভিঙ্গতা। গল্প শুনতাম শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে দ্রুত বড়লোক হওয়া যায়। সেই আকর্ষণ থেকে শেয়ার বাজারে জড়িয়ে পড়া। বিশেষ করে আমার এক ঘনিষ্ট বন্ধু কথায় এ পথে পা বাড়াই। প্রথম দিকে আইপিও করতাম কারণ বন্ধুটি বলত আগে আইপিও করে হাত পাকা, তার পরে সেকেন্ডারি মার্কেটে নামিস। আইপিও করতে করতে আর মানুষের শেয়ার বাজার থেকে টাকা কামানোর গল্প শুনতে শুনতে একটা সময় প্রলুব্ধ হলাম , মনে হলো বড় লোক হতে হলে রিস্ক আমাকে নিতেই হবে। ঢুকে পড়লাম সেকেন্ডারি মার্কেটে। তখন শেয়ার মার্কেটের রমরমা অবস্থা। শেয়ার কিলেই লাভ। আর কেউ একটু চালাক চতুর হলেই অনেক টাকা প্রফিট করতে পারত। এমনও হয়েছে কোম্পানি কোথায় ? কী উৎপাদন করে কিছুই জানি না । কিন্তু অন্যের কথায়,ঐ কোম্পানির শেয়ার কিনেছি । আবার লাভও হয়েছে। কিন্তু ঐ লাভের, লোভে যে একদিন মূলধণ ক্ষয় হবে কে জানতো। দেখতে দেখতে ৬ বছর সময় পার করলাম শেয়ার মার্কেটে। শেয়ার বাজারের উত্থান-পতনটা দেখেছি কাছ থেকে। প্রথমে বেশ লাভ করলেও ,ধ্বসের সময় চোখের সামনে মূলধন ক্ষয় হতে থাকে। আশায় বুকবাধি ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু আর ঠিক হয় না বরং লচের পাল্লা বাড়তে থাকায় রাগে, ক্ষোভে, দুঃখে শেয়ার বিরাট লচে সেল করে বের হয়ে আসি। কিন্তু শেয়ার মার্কেট ছেড়ে যাইনি। হারান টাকা তুলতে হবে ,বড় ক্ষতির অভিঙ্গতা কাজে লাগিয়ে । সেই ইচ্ছা থেকে শুরু করি শেয়ার মার্কেট নিয়ে কিছু পড়াশুনা ,বুঝার চেস্টা করি মার্কেটের গতি। ধারণা নেই টেকনিক্যাল ও ফান্ডামেন্টাল এ্যানালাইসিসের । ফলে গ্যাম্বেলার দের ফাঁদে পা দেই না। আর লস দিতে হয় না ,তাদের ফাঁদে পড়ে। যে কোম্পানির ব্যবসা ভাল না ,ব্যালেন্স শীটের অবস্থা খারাপ ,সেই কোম্পানির শেয়ারের দাম কিভাবে, কেন বাড়ে বুঝতে সমস্যা হয় না। একটা সময় লক্ষ্য করলাম শেয়ার মার্কেটে আমার নির্ভরতা চলে আসে । এখন আমি শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করছি, অনেক কিছু ভেবে চিনতে কোম্পানির ব্যবসা, ব্যাবস্থাপনা কর্তৃপক্ষে কারা আছেন,পরিচালনা পর্ষদে কারা আছেন? ইপিএস, পিই, ন্যাভ, ডিভিডেন্ড ঈল্ড,ইত্যাদি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে বিশ্লেষণ করে ।
  • শেয়ার বিক্রিতে আরও ৬ মাস পেল ডিএসই
    স্টাফ রিপোর্টার : স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টর বা কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পেতে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা ও কারিগরি দিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারবে, শুধু এমন প্রতিষ্ঠানের কাছেই এ শেয়ার বিক্রি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিদেশি স্বনামখ্যাত প্রতিষ্ঠানকেই প্রাধান্য দিতে হবে। দেশি কোনো কোম্পানির এমন যোগ্যতা না থাকলে সেগুলো যত দরই প্রস্তাব করুক তাদের কাছে শেয়ার বিক্রি করা যাবে না। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদের একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে গেলে এ সময়সীমা বাড়ানোর কথা জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। একই সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টর নির্বাচনের বিষয়ে অবস্থান পরিষ্কার করেছে কমিশন। এ সময় ডিএসইর পক্ষ থেকে এখনই স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার বিক্রির জন্য আইপিওতে যাওয়ার প্রস্তাব করা হয়। তবে বিএসইসি স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টর নেওয়ার পরই আইপিওতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। বৈঠকে বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন, কমিশনার অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী, আমজাদ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ডিএসইর প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হাশেম। সঙ্গে ছিলেন পরিচালক সিদ্দিকুর রহমান মিঞা, রকিবুর রহমান, শাকিল রিজভী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাজেদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ২০১৩ সালে মালিকানা বিভাগ থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগকে পৃথক করতে ডিমিউচুয়ালাইজড স্টক এক্সচেঞ্জের আইন পাস হয় সংসদে। এই আইন অনুযায়ী স্টক এক্সচেঞ্জ অলাভজনক প্রতিষ্ঠান থেকে মুনাফাকেন্দ্রিক কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়। এতে স্টক এক্সচেঞ্জের মোট শেয়ারের ২৫ শতাংশ স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টরদের জন্য সংরক্ষণে রাখতে বলা হয়। আইন অনুযায়ী ২০১৫ সালের শেষে পরবর্তী এক বছরের মধ্যে স্ট্র্যাটেজিক শেয়ার বিক্রির নির্দেশ দেয় বিএসইসি। ওই সময়সীমা গত বছরের ডিসেম্বরে শেষ হয়। এরপর স্টক এক্সচেঞ্জের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় মাস সময় বাড়িয়ে দিয়েছিল বিএসইসি। গত চলতি জুনে তা শেষ হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার বৈঠকে স্ট্র্যাটেজিক শেয়ার বিক্রির বিষয়ে ডিএসইর পদক্ষেপ কমিশন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়। স্টক এক্সচেঞ্জটির পক্ষ থেকে বলা হয়, দুই দফা চেষ্টা করেও স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টর হতে পারে এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ভালো প্রস্তাব পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় ডিএসইর পর্ষদ স্ট্র্যাটেজিক শেয়ার এখনই বিক্রি করতে রাজি হয়নি। এ সময় ডিএসইর পর্ষদ জানায়, স্ট্র্যাটেজিক শেয়ারহোল্ডার হতে আগ্রহপত্র আহ্বান করার পর কিছু দেশীয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান একাধিক গ্রুপে দরপ্রস্তাব করে। এর মধ্যে লংকাবাংলা ও ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স গ্রুপটি ডিএসইর ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের জন্য সর্বোচ্চ সাড়ে ৩৩ টাকা দরে দরপ্রস্তাব করেছে। নরডিক দেশগুলোর ব্যবসায়ীদের সমন্বিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ব্র্রামার্স অ্যান্ড পার্টনার্সের নেতৃত্বাধীন একটি বিদেশি গ্রুপ ডিএসইর স্ট্র্যাটেজিক শেয়ার কিনতে আগ্রহ দেখালেও দরপ্রস্তাব করেছে মাত্র ১২ টাকা হারে। সূত্র জানায়, ডিএসইর যুক্তি আমলে নিয়েছে বিএসইসি। সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্ট্র্যাটেজিক শেয়ার ইনস্টিটিউশনাল শেয়ার নয়। তাই যত বেশিই দরপ্রস্তাব করুক না কেন দেশীয় এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে স্ট্র্যাটেজিক শেয়ার বিক্রি করা যাবে না, যারা স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে না। জানতে চাইলে ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, স্ট্র্যাটেজিক শেয়ার বিক্রির চেষ্টা চলবে। তবে ভালো প্রস্তাব পাওয়া যায়নি। কমিশনকে এটা অবহিত করা হয়েছে। সব শুনে বিএসইসি ভালো স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টর খুঁজে পেতে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়ার কথা বলেছেন। এর আগে ক্লিয়ারিং করপোরেশন, স্মলক্যাপ মার্কেট প্রতিষ্ঠান ও ইটিএফ চালুর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। নতুন সময়সীমার মধ্যে স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টর পাওয়া না গেলে কি হবে- এমন প্রশ্নে রকিবুর রহমান বলেন, 'ডিএসই সাধ্যমতো চেষ্টা করবে। না পাওয়া গেলে নিশ্চয়ই কমিশন তা বিবেচনা করবে।'
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • হঠাৎ বেশ সরব শেয়ারবাজারের ‘ব্লক মার্কেট’
    হঠাৎ করে শেয়ারবাজারে ‘ব্লক মার্কেট’ বেশ সরব হয়ে উঠেছে। কয়েক দিন ধরে এ মার্কেটে লেনদেন বেড়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিন শেষে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে ২৯ কোম্পানির প্রায় ৯৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়। আগের দিন সোমবারও ডিএসইতে ব্লক মার্কেটে ২১ কোম্পানির প্রায় ১০৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। সাধারণ বাজারের চেয়ে ব্লক মার্কেটের মধ্যে তফাত হলো, ব্লক মার্কেটে ক্রেতা-বিক্রেতা আগে থেকেই ঠিক করা থাকে। এমনকি ক্রেতা-বিক্রেতা মিলে শেয়ারের দামও আগে থেকে ঠিক করে নেন। হঠাৎ করে ব্লক মার্কেটে লেনদেন বেড়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, বেশ কিছু প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী নিজেদের মধ্যে শেয়ারের হাতবদল করছে। জুন মাসে আর্থিক বছর শেষে প্রতিষ্ঠানের ফান্ডের আয় বা মুনাফা বাড়িয়ে দেখাতে এ কৌশলের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। জানতে চাইলে ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী প্রথম আলোকে বলেন, জুন মাসে অনেক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর আর্থিক বছর শেষ হবে। বছর শেষে যাতে প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো আয় ও মুনাফা দেখাতে পারে, সে জন্য নিজেদের মধ্যে শেয়ারের হাতবদল করে থাকে। অতীতে দেখেছি এক মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার অন্য মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে লেনদেন করা হয়। ক্রেতা-বিক্রেতা দুই ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান থাকে একই। শাকিল রিজভী বলেন, সাধারণত ব্লক মার্কেটে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ থাকে না। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাই এ মার্কেটে বেশি লেনদেন করে থাকে। জুন মাস ও ঈদের ছুটি মিলিয়ে আর মাত্র দুই দিন লেনদেন বাকি। এ কারণে শেষ দিকে এসে ব্লক মার্কেটে লেনদেন বেড়েছে। এদিকে শেয়ারবাজারের লেনদেন ও সূচক গতকাল দিন শেষেও ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৮ পয়েন্ট বেড়ে আবারও সাড়ে ৫ হাজার পয়েন্ট ছাড়িয়েছে। গত ৮ মের পর এটিই ডিএসইএক্সের সর্বোচ্চ অবস্থান। সূচকের পাশাপাশি গতকাল লেনদেনও বেড়েছে ঢাকার বাজারে। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬৪৫ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১০৪ কোটি টাকা বেশি। ১৭ মের পর এটিই ঢাকার বাজারে সর্বোচ্চ লেনদেন। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচকটি গতকাল ১২১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭ হাজার ৭৯ পয়েন্টে। দিন শেষে সেখানকার বাজারে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪৮ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৩ কোটি টাকা কম। source : prothom-alo
  • সঞ্চয়পত্র নিয়ে টানাহেঁচড়া ও মধ্যবিত্ত
    ‘চঞ্চল টাকা অঞ্চলে বেঁধো না’। এটা তিন দশক আগের একটি সরকারি প্রচারণা ছিল। সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, এমনকি ব্যাংক পত্রপত্রিকায় সঞ্চয়-সংক্রান্ত প্রণোদনা দিতে এ স্লোগান রাখত তাদের বিজ্ঞাপনের শিরোনামে। এটা করতে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হতো নিয়মিত। উদ্বুদ্ধকরণ সভাও হতো জেলা সদরসহ গুরুত্বপূর্ণ জনপদে। সেসব সভায় সঞ্চয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছাড়াও থাকতেন জনপ্রতিনিধি ও সরকারের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। সভাগুলোতে স্বাভাবিকভাবেই সঞ্চয় কীভাবে রাষ্ট্রের পাশাপাশি জনজীবনে সহায়ক হতে পারে, তা আলোচনা হতো। অকুস্থলে বিক্রয়ের ব্যবস্থা ছিল বেশ কিছু ধরনের সঞ্চয়পত্র। ধীরে ধীরে সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়তে থাকে জনগণের মধ্যে। দেশের অর্থনীতির আকৃতি হয় বড়। সঞ্চয়ের সনাতনী দপ্তর ছিল ডাকঘর। এরপর আসে জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরোর কিছু অফিস। তারাও আবার রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিল। পরবর্তী সময়ে সে ব্যাংকের কিছু কিছু শাখাকেও দেওয়া হয় ক্রয়-বিক্রয়ের দায়িত্ব। এখন বাংলাদেশ ব্যাংকও বিক্রি করছে কিছু। এ ছাড়া মেয়াদি আমানত হিসেবে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকে টাকা রাখার বেশুমার সুযোগ রয়েছে। আর তা রাখে ব্যাংক ছাড়াও নন–ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান। আশা করা হয়েছিল, ব্যাংকের এসব আমানত বেসরকারি শিল্প ও বাণিজ্য খাতে ঋণদানে কাজে লাগবে। সরকারও প্রয়োজনে ধার নিতে পারবে। আর সরকারি সঞ্চয়পত্রগুলো বিক্রির টাকা বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য ব্যবহৃত হবে ধার হিসেবে। তা-ই হচ্ছিল। অবশ্য সে সময়টিতে সরকারি সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য একতরফা কোনো চাপ ছিল না। আর এখন! বলা হয় নগদ টাকায় ব্যাংকগুলোর ভান্ডার পরিপূর্ণ। বিনিয়োগের সুযোগ পাচ্ছে না। তাই তারা কমিয়ে দিয়েছে মেয়াদি-সঞ্চয়ীসহ সব আমানতের সুদের হার। আমানতকারীদের বিষয়ে তারা নিরুৎসাহী। জানা যায়, বর্তমানে ব্যাংক আমানতের গড় সুদের হার ৪.৯৭ শতাংশ। এর মধ্যে আবার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ আয়কর দিতে হয়। আর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যানুসারে গত মার্চে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫.৩৯ শতাংশ। তাই খালি চোখে সবাই দেখছেন মেয়াদি বা সঞ্চয়ী আমানতে ব্যাংকে রাখা টাকা কমে যাচ্ছে। আর ব্যাংক ও সরকারের বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর নির্ভরশীল এ দেশের লাখ লাখ মানুষ। বছর দুই আগে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হারও কমানো হয়েছে গড়ে শতকরা ২ শতাংশ। তবু সংসার চালানোর একমাত্র অবলম্বন হিসেবে সেদিকেই ছুটছেন সরকারি পেনশনার, বেসরকারি অবসরপ্রাপ্ত, অসহায় নারী, প্রতিবন্ধী ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা। এ সঞ্চয়পত্রগুলো একদিকে সরকারের বাজেট ঘাটতি মেটানোর নীরব প্রক্রিয়া, অন্যদিকে অনেকটা সামাজিক নিরাপত্তাবলয়। আর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমিয়ে দিলে এর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিরা যাবেনই-বা কোথায়? সাধারণত তাঁদের আর কোনো উৎস থেকে তেমন কোনো আয় আসে না। এটাকেই নেড়েচেড়ে চলে যাচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া গেল। অর্থমন্ত্রী স্বয়ং বলেছেন, বাজেটের পর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানো হবে। এমনিতেই বাজেটে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক ইত্যাদি বৃদ্ধির চাপ এ শ্রেণিকে একইভাবে অতিরিক্ত ব্যয়ের দিকে ঠেলে দেবে। অন্যদিকে ঝুঁকি রয়েছে আয় কমে যাওয়ার। তাহলে দেখার দরকার কেন এমনটা হয় আর এর বিহিতই-বা কী? ব্যাংকঋণের সুদের হার এক অঙ্কে আনার জন্য এ দেশের ধনিক সম্প্রদায়ের চাপ ছিল গত অর্ধদশক থেকেই। তাদের যুক্তি ছিল এত বেশি সুদে ঋণ নিয়ে শিল্প স্থাপন বা ব্যবসা পরিচালনা করা যায় না। এ তত্ত্বটি ভুল নয়। আর তাই সেদিকে নজর দেওয়া হয়। প্রকৃতপক্ষে আমাদের দেশে ব্যাংকমালিক ও শিল্প উদ্যোক্তা বা বড় ব্যবসার মালিক একই শ্রেণির। ব্যাংকগুলোতে তাঁদের নিয়ন্ত্রণ একরূপ নিরঙ্কুশ। আর সাম্প্রতিক একটি আইনি সংশোধনে তা দৃঢ় হয়েছে। ব্যাংক এ তত্ত্ব বাস্তবায়নে নেমে পড়ে। আমানতকারীদের সুদের হার ক্রমান্বয়ে কমে দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন পর্যায়ে আছে। ঋণের সুদও সে শ্রেণির চাহিদা অনুসারে কমেছে। তবে বিনিয়োগ বেড়েছে কি আশানুরূপ? বরং ব্যাংকগুলো অলস টাকার ওপর বসে আছে বলে হামেশাই শোনা যায়। কমেছে কি খেলাপি ঋণ? তা-ও নয়। বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর এ সংস্কৃতি সরকারি ব্যাংক ব্যবস্থাকে কাবু করে বেসরকারি ব্যাংকের দিকে প্রসারিত হচ্ছে। তাহলে এ ব্যবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত কে বা কারা হলো? বিনিয়োগকারীরা সস্তায় মূলধন বা চলতি ঋণ পাচ্ছেন। ব্যাংক স্প্রেড পর্যাপ্ত। তদুপরি প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে কেটে নিচ্ছে বিভিন্ন চার্জ। সেগুলোও বর্তমান বাজেটে অর্থমন্ত্রী প্রস্তাবিত আবগারি শুল্কের চেয়ে নেহাত কম নয়। সুতরাং তারাও লাভে আছে। একমাত্র নাকাল আমানতকারী। সুতরাং ব্যাংককে কেন্দ্র করে যে আমানতকারীরা ছিলেন, তাঁরাও ছুটছেন বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রের দিকে। সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার গড়ে ১১ শতাংশের কাছাকাছি। তবে আয়কর ইত্যাদি বাদ দিলে মূল্যস্ফীতি থেকে একটু বেশি। সুদের হার আরও কমলে এ নিরাপত্তাবলয়ে যাঁরা আছেন, তাঁরা যাবেন কোথায়, সে প্রশ্নের জবাব নেই। বলা হচ্ছে, সরকারের চাহিদার অনেক বেশি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হচ্ছে। এটা সরকারের ঋণ। বেশি সুদে শোধ করতে হয়। কিন্তু যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা থেকে উত্তরণের সহজ কোনো পন্থা নেই। সরকারকেও ধার নিতে হবে। আগামী অর্থবছরে তা নিতে হবে ১ লাখ ১২ হাজার ৭৬ কোটি টাকা। তার মধ্যে ৪৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা আসবে বৈদেশিক ঋণ থেকে। অবশিষ্ট ৬৫ হাজার ৬৫৫ কোটির জোগান দেবে স্থানীয় উৎস। ব্যাংক কিংবা সঞ্চয়পত্র বিক্রির টাকা থেকে। কম সুদে ঋণ পাওয়ার বাসনায় ব্যাংক খাত থেকে এ পরিমাণ টাকা নেওয়া হলে বেসরকারি আমানতকারীদের সেখান থেকে ধার পাওয়া কষ্টকর হতে পারে। অন্যদিকে এ বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ৪২ হাজার কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। হইচই হচ্ছে এটা নিয়ে। তবু সরকারকে ব্যাংক থেকে কিছু ঋণ নিতে হবে। আর সঞ্চয়পত্র খাত থেকে যাবে বড় অংশ। এটার সুদের হার নিরুত্সাহজনক করা হলে মধ্যবিত্তের দুর্দশা বৃদ্ধির পাশাপাশি আমানতে ভাটা পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। নিকট অতীতেও এমনটা হয়েছিল। শেয়ারবাজারে ছুটেছিলেন সব। সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেকে। কেউ কোনোরকমে ফিরে এসেছেন স্বস্থানে। এ মধ্যবিত্ত শ্রেণিটির কার্যত একমাত্র নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে দিয়ে সঞ্চয়পত্রের সুদের হার আরও কমানো সব বিবেচনায় অযৌক্তিক হবে। কিছু অর্থনীতিবিদ ‘এত বেশি’ সুদে সরকার টাকা ধার করুক, এমনটা চান না। তত্ত্বগতভাবে তাঁরা ভুল নন, এটা স্বীকার করব। তবে বৃত্তের বাইরে গিয়ে সমাজব্যবস্থার জটিলতা কিছু ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও (আইএমএফ) বাজেটের টাকা জোগানোর জন্য সঞ্চয়পত্রের বিকল্প খোঁজার পরামর্শ দিয়েছে। তাদের মতে, এ ধরনের উচ্চ সুদে সঞ্চয়পত্র থেকে বাজেটের অর্থ আহরণের বিষয়টি আর্থিক খাত আধুনিকায়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের মতে, বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য সঞ্চয়পত্র প্রবর্তন করা হয়নি। আইএমএফ আমাদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় সংস্থা। তাদের উপদেশও যতটা সম্ভব মেনে চলতে হবে। বাজেট ঘাটতি মেটাতে এ সংস্থা কিছু টাকাও ঋণ দেয়। তবে তাদের মতামত প্রণয়নে দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষকে কতটা বিবেচনায় নেওয়া হয়, সে প্রশ্ন অনেকের। ভর্তুকি বন্ধ করতে তাদের জেদ ধরা অবস্থানের বিপরীতে আমাদের সরকার না দাঁড়ালে আজকে কৃষির যে সমৃদ্ধি, তা আসত না বলে জনগণের রাজস্ব থেকে তো ঋণখেলাপিদের দায়ও বহন করতে হচ্ছে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তের জন্য এমন কিছুটা হলে বেশি কোনো ক্ষতি হবে না। বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য এ স্কিম প্রবর্তন করা হয়নি বলে আইএমএফের দাবি ধোপে টেকে না। বরাবরই ঘাটতি মেটানোর জন্য একটি বড় উৎস ছিল সঞ্চয়পত্র। এটা ঠিক, সঞ্চয়পত্র খাতে সুযোগটির অপব্যবহার করছে কিছু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান। এ খাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের অনুমতি কেন দেওয়া হবে, তা বোধগম্য নয়। আর অধিক আয়ের কিছু লোক একাধিক স্থান থেকে এটা সীমাতিরিক্ত ক্রয় করে মুনাফা লুটছে। ক্রেতার সর্বোচ্চ সীমা যাচাইয়ের সক্ষমতা অধিদপ্তরটির নেই। ডিজিটাল পদ্ধতি প্রবর্তন খুব ব্যয়বহুল বা সময়সাপেক্ষ নয়। অথচ এ-জাতীয় একটি প্রস্তাব দীর্ঘদিন ঝুলে আছে। সেটা দ্রুত বিবেচনায় নেওয়া দরকার। একটি জনবান্ধব কর্মসূচিতে সরকারের কিছু অতিরিক্ত ব্যয় হলেও সব দিক বিবেচনায় একে টিকিয়ে রাখা দরকার। আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব। source : prothom-alo
  • ক্লিয়ারিং কোম্পানিতে স্টক একচেঞ্জের মালিকানা ৬৫ ভাগ
    ক্লিয়ারিং এ্যান্ড সেটলমেন্ট কোম্পানি গঠন ও পরিচালনার চূড়ান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ যৌথভাবে কোম্পানিটির সর্বোচ্চ ৬৫ শতাংশ মালিকানায় থাকতে পারবে। তবে মালিকানায় ব্যাংক থাকতে পারলেও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বীমা কোম্পানিকে বাদ দেয়া হয়েছে। এর আগে গত ৯ মে ৬০৪তম কমিশন সভায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বাজার সৃষ্টিকারী) বিধিমালা, ২০১৭ কিছু পরিবর্তন করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। বিধিমালাটির খসড়া অনুমোদন হয় কমিশনের ৬০০তম সভায়।খসড়া বিধিমালায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য ক্লিয়ারিং ও সেটলমেন্ট কোম্পানির মালিকানার সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ রাখার প্রস্তাব হয়েছিল। গেজেটেড বিধিমালায় অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি এবং কৌশলগত বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ শেয়ার যৌথভাবে অথবা এককভাবে ধারণ করতে পারবে। তাছাড়া সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শেয়ার ব্যাংকগুলো যৌথভাবে ধারণ করতে পারবে। তবে এককভাবে কোনো ব্যাংক ২ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারবে না। খসড়ায় ব্যাংকের সর্বোচ্চ শেয়ার ধারণে সীমা ছিল ১০ শতাংশ।তাছাড়া খসড়া বিধিমালায় ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বীমা কোম্পানির শেয়ার ধারণে সুযোগ থাকলেও চূড়ান্ত বিধিমালায় স্টেক হোল্ডারদের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে।বিধিমালায় বলা হয়েছে, সেন্ট্রাল কাউন্টার পার্টি ডিমিউচুয়ালাইজড আকারে গঠন করা হবে অর্থাৎ এর মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা আলাদা থাকবে। এ কোম্পানির ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৩০০ কোটি টাকা, যেটি খসড়ায় ৫০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ডিএসই তাদের মতামতে পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি করার প্রস্তাব দিয়েছিল। ক্লিয়ারিং এ্যান্ড সেটলমেন্ট কোম্পানির পর্ষদে ১৪ জন পরিচালক থাকবেন, খসড়ায় ১১ জন পরিচালকের কথা বলা হয়েছিল। এর মধ্যে সাতজন হবেন স্বতন্ত্র পরিচালক; আগে ছয়জন স্বতন্ত্র পরিচালক থাকার কথা বলা হয়েছিল। স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে খসড়া বিধিমালায় দুজন পরিচালকের কথা বলা হলেও চূড়ান্ত বিধিমালায় তিনজনের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ডিপোজিটরি থেকে একজন, ব্যাংক থেকে একজন এবং কৌশলগত বিনিয়োগকারী থেকে একজন পরিচালক মনোনীত হবেন। source : jonokontho
  • ১৬ ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৬ ব্যাংকের শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে, কমেছে ১২ ব্যাংকে। অপরদিকে ১০ ব্যাংকে বিদেশী বিনিয়োগ বেড়েছে, কমেছে ৭ ব্যাংকে। চলতি বছরের মে মাসে ব্যাংকগুলোর শেয়ারে বিনিয়োগের তথ্য পর্যালোচনায় এমন তথ্য জানা গেছে। ডিএসই সূত্রে জানা যায়, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ইসলামী ব্যাংকে। এপ্রিল মাসে ব্যাংকটির শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৫.১৯ শতাংশ। মে মাসে বিনিয়োগ ৩.৭৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৯৩ শতাংশে। অপরদিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি কমেছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে। এপ্রিল মাসে ব্যাংকটির শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। মে মাসে বিনিয়োগ ৩.৪৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৮.৮৯ শতাংশে।মে মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে এমন ব্যাংকগুলো হলো- আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে ০.৬১ শতাংশ বেড়ে ১৬.৭৭ শতাংশ; ব্র্যাক ব্যাংকে ০.১৯ শতাংশ বেড়ে ৭.৭০ শতাংশ; ঢাকা ব্যাংকে ০.১৪ শতাংশ বেড়ে ২৩.৯৩ শতাংশ; ডাচবাংলা ব্যাংকে ০.০১ শতাংশ বেড়ে ৬.৩৬ শতাংশ; ইস্টার্ন ব্যাংকে ০.৩১ শতাংশ বেড়ে ৪৩.৯৯ শতাংশ; ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ১.০১ শতাংশ বেড়ে ১৫.৫৮ শতাংশ; আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকে ০.২৬ শতাংশ বেড়ে ১৫.৮৫ শতাংশ; যমুনা ব্যাংকে ০.৫৫ শতাংশ বেড়ে ১০.৬৯ শতাংশ; মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ০.০৫ শতাংশ বেড়ে ৭.০৯ শতাংশ; মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে ০.১৬ শতাংশ বেড়ে ২০.০২ শতাংশ; এনসিসি ব্যাংকে ১.০৪ শতাংশ বেড়ে ১৭.৪০ শতাংশ; প্রিমিয়ার ব্যাংকে ০.৪৬ শতাংশ বেড়ে ১৭.২৬ শতাংশ; পূবালী ব্যাংকে ০.৩৩ শতাংশ বেড়ে ২৪.৮০ শতাংশ; শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে ০.৩৬ শতাংশ বেড়ে ৩৩.৬৭ শতাংশ; সাউথইস্ট ব্যাংকে ০.০৮ শতাংশ বেড়ে ২৯.৪১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ হয়েছে।অপরদিকে মে মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে এমন ব্যাংকগুলো হলো- এবি ব্যাংকে ০.২৬ শতাংশ কমে ২৮.১৬ শতাংশ; ব্যাংক এশিয়ায় ০.০৯ শতাংশ কমে ৩৫.৬৩ শতাংশ; সিটি ব্যাংকে ০.০৬ শতাংশ কমে ১৭.২০ শতাংশ; এক্সিম ব্যাংকে ০.৭৮ শতাংশ কমে ১৬.৮৬ শতাংশ; আইএফআইসি ব্যাংকে ০.০২ শতাংশ কমে ২২.৭০ শতাংশ; ন্যাশনাল ব্যাংকে ১.৩৬ শতাংশ কমে ১৯.১১ শতাংশ; ওয়ান ব্যাংকে ০.৫৫ শতাংশ কমে ১৭.৬৬ শতাংশ; প্রাইম ব্যাংকে ১.৬৫ শতাংশ কমে ২৫.৩০ শতাংশ; স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে ০.২৫ শতাংশ কমে ১.৯০ শতাংশ; ট্রাস্ট ব্যাংকে ০.১০ শতাংশ কমে ১৮.২৩ শতাংশ এবং ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংকে ০.১১ শতাংশ কমে ১২.৬১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ হয়েছে।এছাড়া রূপালী ব্যাংক এবং উত্তরা ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ অপরিবর্তীত রয়েছে। ব্যাংকগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ যথাক্রমে ২.৯৪ শতাংশ এবং ২৫.৫৫ শতাংশ। এদিকে বিদেশী বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে প্রাইম ব্যাংকে। এপ্রিল মাসে ব্যাংকটির শেয়ারে বিদেশীদের বিনিয়োগ ছিল ০.৫৮ শতাংশ। মে মাসে বিনিয়োগ ১.৫৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.১২ শতাংশে। অপরদিকে বিদেশী বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি কমেছে ইসলামী ব্যাংকে। এপ্রিল মাসে ব্যাংকটির শেয়ারে বিদেশীদের বিনিয়োগ ছিল ৪২.১৭ শতাংশ। মে মাসে বিনিয়োগ ৯.৯৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩২.২৩ শতাংশে।মে মাসে বিদেশী বিনিয়োগ বেড়েছে এমন ব্যাংকগুলো হলো- এবি ব্যাংকে ০.০৫ শতাংশ বেড়ে ২.৩৫ শতাংশ; আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে ০.২৬ শতাংশ বেড়ে ৩.০৪ শতাংশ; ব্র্যাক ব্যাংকে ০.৩৩ শতাংশ বেড়ে ৪১.৮৭ শতাংশ; সিটি ব্যাংকে ০.১০ শতাংশ বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ; এক্সিম ব্যাংকে ০.১৭ শতাংশ বেড়ে ৩.৮৯ শতাংশ; আইএফআইসি ব্যাংকে ০.৫৯ শতাংশ বেড়ে ২.৩৪ শতাংশ; মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ০.০৪ শতাংশ বেড়ে ২.০৪ শতাংশ; ন্যাশনাল ব্যাংকে ০.১৭ শতাংশ বেড়ে ৩.৫২ শতাংশ এবং ওয়ান ব্যাংকে ০.২৩ শতাংশ বেড়ে ৬.৭৯ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগ হয়েছে।অপরদিকে মে মাসে বিদেশী বিনিয়োগ কমেছে এমন ব্যাংকগুলো হলো- ডাচবাংলা ব্যাংকে ০.১৮ শতাংশ কমে ০.৩০ শতাংশ; ইস্টার্ন ব্যাংকে ০.০১ শতাংশ কমে ০.৫২ শতাংশ; এনসিসি ব্যাংকে ০.০৪ শতাংশ কমে ০.৮৮ শতাংশ; সাউথইস্ট ব্যাংকে ০.৩৪ শতাংশ কমে ৬.২৬ শতাংশ; ট্রাস্ট ব্যাংকে ০.১০ শতাংশ কমে ১.৮৩ শতাংশ এবং উত্তরা ব্যাংকে ০.০৫ শতাংশ কমে ১.৮৬ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগ হয়েছে। এছাড়া ৭ ব্যাংকে বিদেশী বিনিয়োগ অপরিবর্তিত রয়েছে। এদের মধ্যে ব্যাংক এশিয়ায় ০.৩২ শতাংশ; ঢাকা ব্যাংকে ০.১৫ শতাংশ; ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ৪.৯৫ শতাংশ; মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে ২.৬৮ শতাংশ; পূবালী ব্যাংকে ১.০৬ শতাংশ; এসআইবিএলে ১.৪৩ শতাংশ এবং ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংকে বিদেশী বিনিয়োগ রয়েছে ০.০১ শতাংশ।তবে ৬ ব্যাংকে কোন বিদেশী বিনিয়োগ নেই। ব্যাংকগুলো হলো: আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক। source : jonokontho
  • রফতানি খাতে ভর্তুকির ১১০০ কোটি টাকা ছাড়
    রফতানি বাণিজ্যকে উত্সাহ দিতে প্রতি অর্থবছর রফতানির বিপরীতে ভর্তুকি বা নগদ সহায়তার ঘোষণা দেয় সরকার। চলতি অর্থবছরের মোট বরাদ্দ থেকে এ বাবদ চতুর্থ কিস্তির ১ হাজার ১০০ কোটি টাকাও এরই মধ্যে ছাড় করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়ের নির্দেশনাও ব্যাংকগুলোয় পৌঁছে। ফলে চাইলেই এখন এ সুবিধা নিতে পারছেন রফতানিকারকরা।জানা গেছে, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে ভর্তুকির অর্থ ছাড়ের নির্দেশনা জারি করা হয়। এতে রফতানিমুখী দেশী বস্ত্র, হিমায়িত চিংড়ি ও মাছ, চামড়াজাত দ্রব্য, পাট ও পাটজাত দ্রব্যসহ অন্যান্য খাতে রফতানির বিপরীতে দেয়া নগদ সহায়তা বা ভর্তুকি পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে অর্থছাড়ের কথা বলা হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী রফতানি ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে পাটজাত দ্রব্যে ভর্তুকির পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকা। বাকি ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে অন্যান্য খাতের জন্য।চার কিস্তিতে ছাড় করার বরাদ্দের শেষ কিস্তিতে মোট ছাড়ের পরিমাণ ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১০০ কোটি টাকা রয়েছে পাটজাত দ্রব্য রফতানির জন্য। অন্যান্য দ্রব্য রফতানিতে ভর্তুকি রয়েছে বাকি ১ হাজার কোটি টাকার। চলতি অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন ২০১৭) হিসাবে এ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুকূলে ছাড় করা হয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী বিভিন্ন রফতানিমুখী খাত ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা পাচ্ছে ২-২০ শতাংশ হারে। এর মধ্যে দেশী বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা হিসেবে দেয়া হচ্ছে ৪ শতাংশ। বস্ত্র খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে নগদ সহায়তার হার ৪ শতাংশ। ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতের রফতানিকারকদের বিদ্যমান ৪ শতাংশের বাইরে অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা হিসেবে দেয়া হচ্ছে আরো ২ শতাংশ। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইইউর বাইরের দেশগুলোয় বস্ত্র খাতের নতুন বাজার সম্প্রসারণে দেয়া সহায়তার হার ৩ শতাংশ।শাকসবজি, ফলমূলের মতো কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রফতানির ক্ষেত্রে ভর্তুকি বা সহায়তা দেয়া হচ্ছে ২০ শতাংশ হারে। শস্য ও শাকসবজির বীজের ক্ষেত্রেও এর হার সমান। এছাড়া শতভাগ হালাল মাংস রফতানিতেও ভর্তুকির হার ২০ শতাংশ। হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া দিয়ে হাতে তৈরি পণ্য রফতানিতে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে ১৫ শতাংশ। হালকা প্রকৌশল পণ্যের ক্ষেত্রেও এ হার ১৫ শতাংশ। এছাড়া হিমায়িত চিংড়ি ও মাছ রফতানি খাতে সহায়তার হার ২-১০ শতাংশ।অন্যদিকে চামড়াজাত দ্রব্য রফতানি খাতে নগদ সহায়তার হার ১৫ শতাংশ। জাহাজ রফতানির ক্ষেত্রে এ হার ১০ শতাংশ। আলু, পেট বোতল-ফ্লেক্স, ফার্নিচার, প্লাস্টিক দ্রব্য রফতানির ক্ষেত্রে নগদ সহায়তার হার যথাক্রমে ১০, ১০, ১০, ১৫ ও ১০ শতাংশ। এছাড়া বৈচিত্র্যময় পাটজাত পণ্য, পাটজাত চূড়ান্ত পণ্য হেসিয়ান, সেকিং ও সিবিসি এবং পাটজাত সুতার ভর্তুকির হার যথাক্রমে ২০, ৭ দশমিক ৫ ও ৫ শতাংশ।       সাভারে চামড়া শিল্পনগরীতে স্থানান্তরিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার রফতানির বিপরীতে ভর্তুকির হার ৫ শতাংশ। গরু-মহিষের নাড়ি, ভুঁড়ি, শিং ও রগ রফতানির বিপরীতে ভর্তুকির হার ১০ শতাংশ। এছাড়া পাটকাঠি থেকে উত্পাদিত কার্বন রফতানিতে ভর্তুকির হার ২০ শতাংশ।এ বিষয়ে বেসরকারি পাটকল মালিকদের সংগঠন বিজেএমএর সচিব এ. বারিক খান বলেন, চলতি মাসের শুরুতে দেয়া অর্থছাড়ের নির্দেশনা এরই মধ্যে ব্যাংক পর্যায়ে চলে এসেছে। রফতানিকারকরা চাইলে এ সুবিধা নিতে পারছেন।এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বিষয়টি নিয়ে বণিক বার্তাকে বলেন, ঈদ উপলক্ষে নগদ সহায়তার অর্থ ছাড়ের বিষয়টি খুব ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। source : bonik barta
  • ৩০ জুলাই রিজার্ভ চুরির প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ
    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ৩০ জুলাইয়ে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (ডিআইডি) এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম এ কে এম মঈনউদ্দিন সিদ্দিকী এ দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে ১৪ দফা প্রতিবেদন দাখিলের সময় দেওয়া হলো। প্রসঙ্গত, রিজার্ভ চুরির পর মতিঝিল থানায় একটি মামলা করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। গত বছরের ১৫ মার্চ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ৪-সহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এর ৫৪ ধারায় ও ৩৭৯ ধারায় এ মামলা করা হয়। ওই মামলার তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে। সিআইডি তদন্তের জন্য কয়েকদফা শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইনে যায়। ঘটনার পর প্রায় দেড় বছর হলেও তারা এখনো তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়নি। গতকাল ওই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। এ দিনে মামলায় সিআইডির পক্ষ থেকে সময় বৃদ্ধির আবেদন করা হলে আদালত নতুন দিন ধার্য করে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার সরিয়ে নেয় সাইবার অপরাধীরা। পরে ওই টাকা ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) মাধ্যমে চলে ফিলিপাইনের কয়েকটি ক্যাসিনোতে। ফিলিপাইনের সিনেটে এই ঘটনার তদন্ত হয়। এখন পর্যন্ত দেড় কোটি ডলার ফেরত পেয়েছে বাংলাদেশ।  source : bangladesh protidin
  • সুদহারের সীমায় পরিবর্তন চায় ব্যাংক
    ব্যাংকগুলোর ক্রেডিট কার্ডে সুদহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরোপিত সর্বোচ্চ সীমায় পরিবর্তন চায় ব্যাংকগুলো। ক্রেডিট কার্ডের সুদহার নির্ধারণে অন্যান্য ভোক্তা ঋণের সঙ্গে তুলনা না করে অন্য যে কোনো ঋণের চেয়ে ৫ শতাংশ বেশি সুদ ধরে সীমা আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে ব্যাংকগুলো। আর নীতিমালা বাস্তবায়ন আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে নেওয়ার দাবি এসেছে। এসব দাবি নিয়ে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির একটি প্রতিনিধি দল গতকাল সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠক থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না জানিয়ে বলা হয়েছে, এবিবির দাবি পর্যালোচনা করে পরে জানানো হবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান আনিস এ খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি সোহেল আরকে হোসাইন, ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি আলী রেজা ইফতেখার ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। মূলত ক্রেডিট কার্ডের ব্যবসায় এই ব্যাংকগুলো এগিয়ে রয়েছে। বেশিরভাগ ব্যাংক অন্য ঋণের তুলনায় ক্রেডিট কার্ডে দ্বিগুণ সুদ নেয়। যেমন, গত মে মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানার জনতা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডে সুদহার নির্ধারিত ছিল ২৪ শতাংশ। অথচ অন্য ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ সুদ ছিল। অধিকাংশ ব্যাংকের চিত্র এ রকম। এমন পরিস্থিতিতে গত মে মাসে প্রথমবারের মতো ক্রেডিট কার্ডের একটি নীতিমালা করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালা অনুযায়ী, যে কোনো ব্যাংকে অন্যান্য ভোক্তা ঋণের সর্বোচ্চ যে সুদহার রয়েছে, তার চেয়ে ক্রেডিট কার্ডে ৫ শতাংশের বেশি নিতে পারবে না। অর্থাৎ গাড়ি, ফ্ল্যাট, টিভি-ফ্রিজ কেনা, বিয়ে বা যে কোনো ব্যক্তিগত ঋণে যদি কোনো ব্যাংকের সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ সুদ নির্ধারিত থাকে, ওই ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডে সর্বোচ্চ ১৮ শতাংশ সুদ নিতে পারবে। source : somokal
  • পুঁজিবাজারে লেনদেনের শীর্ষে বস্ত্র খাত
    গত সপ্তাহে টানা তিনদিন সূচক বাড়ার পর গতকাল রবিবার কিছুটা কমেছে। মার্চেন্ট ব্যাংকাররা বলছেন, বাজারে এখন বেশিরভাগ লেনদেন করছেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। ব্যাক্তি বিনিয়োগকারীদের লেনদেনের পরিমাণ কম। রমজান মাস হওয়ায় ব্যাক্তি বিনিয়োগকারীরা বাজারে কম আসছেন। ফলে তাদের বিনিয়োগও কম হচ্ছে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় রয়েছেন। ডিএসইর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গতকাল বাজারে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বস্ত্র খাত ঘিরে। এ খাতের কোম্পানিগুলোতে লেনদেন হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় সাড়ে ২৭ শতাংশ। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয়েছে ৪৭ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১১ শতাংশ। ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিগুলোতে লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি টাকা।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৬২ পয়েন্টে। যা বৃহস্পতিবার ৯ পয়েন্ট, বুধবার ৫ পয়েন্ট ও মঙ্গলবার ৫ পয়েন্ট বেড়েছিল। গতকাল ডিএসইতে ৪৭৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট  লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিন হয়েছিল ৫৩০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এ হিসাবে লেনদেন কমেছে ৫৬  কোটি ৭৬ লাখ টাকা বা ১১ শতাংশ। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২৮টি কোম্পানির মধ্যে ১০১টি বা ৩১ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে দাম কমেছে ১৭৬টি বা ৫৪ শতাংশ কোম্পানির। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার। এ দিন কোম্পানিটির শেয়ারে ২৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। আরগন ডেনিমসের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৮ লাখ টাকা।আর রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। গতকাল অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স মূল্যসূচক ৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ২৪২ পয়েন্টে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা। আগের কর্মদিবসে লেনদেন হয়েছিল ২৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে ওঠানামা থাকবেই। গত সপ্তাহে তিনদিন সূচক বাড়ায় এখন কিছুটা কমেছে। এটা বাজারের স্বাভাবিক গতি। তাছাড়া রমজান মাসে এমনিতেই বাজারে একটু পতনমুখী প্রবণতা থাকে। ঈদের পরই বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে। source : ittfaq
  • ক্লিয়ারিং কোম্পানিতে স্টক একচেঞ্জের মালিকানা ৬৫ ভাগ
    ক্লিয়ারিং এ্যান্ড সেটলমেন্ট কোম্পানি গঠন ও পরিচালনার চূড়ান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ যৌথভাবে কোম্পানিটির সর্বোচ্চ ৬৫ শতাংশ মালিকানায় থাকতে পারবে। তবে মালিকানায় ব্যাংক থাকতে পারলেও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বীমা কোম্পানিকে বাদ দেয়া হয়েছে। এর আগে গত ৯ মে ৬০৪তম কমিশন সভায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বাজার সৃষ্টিকারী) বিধিমালা, ২০১৭ কিছু পরিবর্তন করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। বিধিমালাটির খসড়া অনুমোদন হয় কমিশনের ৬০০তম সভায়।খসড়া বিধিমালায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের জন্য ক্লিয়ারিং ও সেটলমেন্ট কোম্পানির মালিকানার সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ রাখার প্রস্তাব হয়েছিল। গেজেটেড বিধিমালায় অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি এবং কৌশলগত বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ শেয়ার যৌথভাবে অথবা এককভাবে ধারণ করতে পারবে। তাছাড়া সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শেয়ার ব্যাংকগুলো যৌথভাবে ধারণ করতে পারবে। তবে এককভাবে কোনো ব্যাংক ২ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারবে না। খসড়ায় ব্যাংকের সর্বোচ্চ শেয়ার ধারণে সীমা ছিল ১০ শতাংশ।তাছাড়া খসড়া বিধিমালায় ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বীমা কোম্পানির শেয়ার ধারণে সুযোগ থাকলেও চূড়ান্ত বিধিমালায় স্টেক হোল্ডারদের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে।বিধিমালায় বলা হয়েছে, সেন্ট্রাল কাউন্টার পার্টি ডিমিউচুয়ালাইজড আকারে গঠন করা হবে অর্থাৎ এর মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা আলাদা থাকবে। এ কোম্পানির ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৩০০ কোটি টাকা, যেটি খসড়ায় ৫০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ডিএসই তাদের মতামতে পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি করার প্রস্তাব দিয়েছিল। ক্লিয়ারিং এ্যান্ড সেটলমেন্ট কোম্পানির পর্ষদে ১৪ জন পরিচালক থাকবেন, খসড়ায় ১১ জন পরিচালকের কথা বলা হয়েছিল। এর মধ্যে সাতজন হবেন স্বতন্ত্র পরিচালক; আগে ছয়জন স্বতন্ত্র পরিচালক থাকার কথা বলা হয়েছিল। স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে খসড়া বিধিমালায় দুজন পরিচালকের কথা বলা হলেও চূড়ান্ত বিধিমালায় তিনজনের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া ডিপোজিটরি থেকে একজন, ব্যাংক থেকে একজন এবং কৌশলগত বিনিয়োগকারী থেকে একজন পরিচালক মনোনীত হবেন। source : jonokontho
  • ১৬ ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৬ ব্যাংকের শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে, কমেছে ১২ ব্যাংকে। অপরদিকে ১০ ব্যাংকে বিদেশী বিনিয়োগ বেড়েছে, কমেছে ৭ ব্যাংকে। চলতি বছরের মে মাসে ব্যাংকগুলোর শেয়ারে বিনিয়োগের তথ্য পর্যালোচনায় এমন তথ্য জানা গেছে। ডিএসই সূত্রে জানা যায়, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ইসলামী ব্যাংকে। এপ্রিল মাসে ব্যাংকটির শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৫.১৯ শতাংশ। মে মাসে বিনিয়োগ ৩.৭৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৯৩ শতাংশে। অপরদিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি কমেছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে। এপ্রিল মাসে ব্যাংকটির শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩২.৩৫ শতাংশ। মে মাসে বিনিয়োগ ৩.৪৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৮.৮৯ শতাংশে।মে মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে এমন ব্যাংকগুলো হলো- আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে ০.৬১ শতাংশ বেড়ে ১৬.৭৭ শতাংশ; ব্র্যাক ব্যাংকে ০.১৯ শতাংশ বেড়ে ৭.৭০ শতাংশ; ঢাকা ব্যাংকে ০.১৪ শতাংশ বেড়ে ২৩.৯৩ শতাংশ; ডাচবাংলা ব্যাংকে ০.০১ শতাংশ বেড়ে ৬.৩৬ শতাংশ; ইস্টার্ন ব্যাংকে ০.৩১ শতাংশ বেড়ে ৪৩.৯৯ শতাংশ; ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ১.০১ শতাংশ বেড়ে ১৫.৫৮ শতাংশ; আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকে ০.২৬ শতাংশ বেড়ে ১৫.৮৫ শতাংশ; যমুনা ব্যাংকে ০.৫৫ শতাংশ বেড়ে ১০.৬৯ শতাংশ; মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ০.০৫ শতাংশ বেড়ে ৭.০৯ শতাংশ; মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে ০.১৬ শতাংশ বেড়ে ২০.০২ শতাংশ; এনসিসি ব্যাংকে ১.০৪ শতাংশ বেড়ে ১৭.৪০ শতাংশ; প্রিমিয়ার ব্যাংকে ০.৪৬ শতাংশ বেড়ে ১৭.২৬ শতাংশ; পূবালী ব্যাংকে ০.৩৩ শতাংশ বেড়ে ২৪.৮০ শতাংশ; শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকে ০.৩৬ শতাংশ বেড়ে ৩৩.৬৭ শতাংশ; সাউথইস্ট ব্যাংকে ০.০৮ শতাংশ বেড়ে ২৯.৪১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ হয়েছে।অপরদিকে মে মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে এমন ব্যাংকগুলো হলো- এবি ব্যাংকে ০.২৬ শতাংশ কমে ২৮.১৬ শতাংশ; ব্যাংক এশিয়ায় ০.০৯ শতাংশ কমে ৩৫.৬৩ শতাংশ; সিটি ব্যাংকে ০.০৬ শতাংশ কমে ১৭.২০ শতাংশ; এক্সিম ব্যাংকে ০.৭৮ শতাংশ কমে ১৬.৮৬ শতাংশ; আইএফআইসি ব্যাংকে ০.০২ শতাংশ কমে ২২.৭০ শতাংশ; ন্যাশনাল ব্যাংকে ১.৩৬ শতাংশ কমে ১৯.১১ শতাংশ; ওয়ান ব্যাংকে ০.৫৫ শতাংশ কমে ১৭.৬৬ শতাংশ; প্রাইম ব্যাংকে ১.৬৫ শতাংশ কমে ২৫.৩০ শতাংশ; স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে ০.২৫ শতাংশ কমে ১.৯০ শতাংশ; ট্রাস্ট ব্যাংকে ০.১০ শতাংশ কমে ১৮.২৩ শতাংশ এবং ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংকে ০.১১ শতাংশ কমে ১২.৬১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ হয়েছে।এছাড়া রূপালী ব্যাংক এবং উত্তরা ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ অপরিবর্তীত রয়েছে। ব্যাংকগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ যথাক্রমে ২.৯৪ শতাংশ এবং ২৫.৫৫ শতাংশ। এদিকে বিদেশী বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে প্রাইম ব্যাংকে। এপ্রিল মাসে ব্যাংকটির শেয়ারে বিদেশীদের বিনিয়োগ ছিল ০.৫৮ শতাংশ। মে মাসে বিনিয়োগ ১.৫৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.১২ শতাংশে। অপরদিকে বিদেশী বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি কমেছে ইসলামী ব্যাংকে। এপ্রিল মাসে ব্যাংকটির শেয়ারে বিদেশীদের বিনিয়োগ ছিল ৪২.১৭ শতাংশ। মে মাসে বিনিয়োগ ৯.৯৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩২.২৩ শতাংশে।মে মাসে বিদেশী বিনিয়োগ বেড়েছে এমন ব্যাংকগুলো হলো- এবি ব্যাংকে ০.০৫ শতাংশ বেড়ে ২.৩৫ শতাংশ; আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে ০.২৬ শতাংশ বেড়ে ৩.০৪ শতাংশ; ব্র্যাক ব্যাংকে ০.৩৩ শতাংশ বেড়ে ৪১.৮৭ শতাংশ; সিটি ব্যাংকে ০.১০ শতাংশ বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ; এক্সিম ব্যাংকে ০.১৭ শতাংশ বেড়ে ৩.৮৯ শতাংশ; আইএফআইসি ব্যাংকে ০.৫৯ শতাংশ বেড়ে ২.৩৪ শতাংশ; মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ০.০৪ শতাংশ বেড়ে ২.০৪ শতাংশ; ন্যাশনাল ব্যাংকে ০.১৭ শতাংশ বেড়ে ৩.৫২ শতাংশ এবং ওয়ান ব্যাংকে ০.২৩ শতাংশ বেড়ে ৬.৭৯ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগ হয়েছে।অপরদিকে মে মাসে বিদেশী বিনিয়োগ কমেছে এমন ব্যাংকগুলো হলো- ডাচবাংলা ব্যাংকে ০.১৮ শতাংশ কমে ০.৩০ শতাংশ; ইস্টার্ন ব্যাংকে ০.০১ শতাংশ কমে ০.৫২ শতাংশ; এনসিসি ব্যাংকে ০.০৪ শতাংশ কমে ০.৮৮ শতাংশ; সাউথইস্ট ব্যাংকে ০.৩৪ শতাংশ কমে ৬.২৬ শতাংশ; ট্রাস্ট ব্যাংকে ০.১০ শতাংশ কমে ১.৮৩ শতাংশ এবং উত্তরা ব্যাংকে ০.০৫ শতাংশ কমে ১.৮৬ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগ হয়েছে। এছাড়া ৭ ব্যাংকে বিদেশী বিনিয়োগ অপরিবর্তিত রয়েছে। এদের মধ্যে ব্যাংক এশিয়ায় ০.৩২ শতাংশ; ঢাকা ব্যাংকে ০.১৫ শতাংশ; ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে ৪.৯৫ শতাংশ; মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে ২.৬৮ শতাংশ; পূবালী ব্যাংকে ১.০৬ শতাংশ; এসআইবিএলে ১.৪৩ শতাংশ এবং ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংকে বিদেশী বিনিয়োগ রয়েছে ০.০১ শতাংশ।তবে ৬ ব্যাংকে কোন বিদেশী বিনিয়োগ নেই। ব্যাংকগুলো হলো: আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক। source : jonokontho
  • বিআইবিএমের গবেষণা প্রতিবেদন
    বৈদেশিক বাণিজ্যে আধিপত্য হারাচ্ছে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। ২০১১ সালে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আমদানি ব্যয় মেটানো হয় ২৭ শতাংশ। ২০১৬ সালে তা ৭ শতাংশে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, ২০১১ সালে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রপ্তানি আয় এসেছে ১৮ শতাংশ। সেখানে ২০১৬ সালে কমে ঠেকেছে ১০ শতাংশ। অথচ ২০১১ সালে স্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ৬৪ শতাংশ আমদানি ব্যয় মিটিয়েছে। ২০১৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চার কৌশলে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ওভার এন্ড আন্ডার ইনভয়েসিং, ওভার এন্ড আন্ডার শিপমেন্ট, পণ্যের মিথ্যা বর্ণনা এবং একাধিক ইনভেয়েসিংয়ের মাধ্যমে বড় ধরণের অর্থপাচার হচ্ছে। অর্থপাচার প্রতিরোধের নীতিমালাগুলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হলেও এগুলো আরো উন্নতির সুযোগ রয়েছে। স্বীকৃত ব্যাংকগুলোকে আমদানি-রপ্তানি মূল্যের ক্ষেত্রে আরো বেশি সচেতন হতে হবে, যাতে এই উপায়ে অর্থপাচার না হতে পারে। যদিও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও তাদের নীতিনির্ধারকের মাধ্যমে অর্থপাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ছে।গতকাল রোববার রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ট্রেড সার্ভিস অপারেশনস অব ব্যাংকস শীর্ষক রিভিউ কর্মশালায় এই গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী। বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধূরীর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী, এনআরবি ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো. মেহমুদ হোসাইন, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের (এনসিসি) সাবেক উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএমের অনুষদ সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ বারিকুল্লাহ এবং ইসলামী ব্যাংকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব উল আলম। কর্মশালায় গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. শাহ মোহাম্মদ আহসান হাবীব।প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ট্রেড সার্ভিসের মাধ্যমে কেউ যেন ঋণ খেলাপি হতে না পারে সেজন্য যথাপোযুক্ত তথ্য সরবরাহ করতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর উচিত হবে অধিক স্বচ্ছতা নির্ধারণের জন্য এসব তথ্য যাচাই করা। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আরো আধুনিক নীতিমালার প্রয়োজন।কর্মশালায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর বলেন, বাণিজ্যকেন্দ্রিক অর্থপাচার ক্রমেই উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু অর্থপাচার নয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে অন্যান্য আর্থিক অপরাধগুলোও ঘটছে। এসব দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উপরে কড়া নজরদারি করছে। প্রতিদিনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের লেনদেন তদারকি করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধূরী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সেবা আরো উন্নতির সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক নীতিমালার ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন করেছে। আরো পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে অর্থপাচারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সরকারি ব্যাংকগুলো বেসরকারি ব্যাংকগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। ওভার ইনভয়েসিং এবং আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং বন্ধ করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সেবায় আরো গতিশীলতা আনতে ব্যাংকগুলোকে প্রশিক্ষণের উপর জোর দিতে হবে।ইসলামী ব্যাংকের ডিএমডি মাহবুব উল আলম বলেন, আমাদের এখানে ব্যাংকিং সিস্টেম এখনও উন্নত হয়নি। তাই আন্তর্জাতিক ট্রেড সিস্টেমেও অনেকে পিছিয়ে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে বাংলাদেশ ব্যাংককে এগিয়ে আসতে হবে।   source : vorer kagoj
  • মোটরসাইকেল উৎপাদনে শুল্ক না বাড়ানোর পরামর্শ
    বাংলাদেশে মোটরসাইকেল উৎপাদন শিল্পে সম্পূরক শুল্ক না বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওয়াতানাবে। গতকাল রোববার শিল্প মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সঙ্গে বৈঠককালে রাষ্ট্রদূত এ পরামর্শ দেন। বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জাপান দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।মাসাতো ওয়াতানাবে বলেন, গত অর্থবছর জারিকৃত এসআরওতে শিল্পবান্ধব শুল্ক কাঠামো নির্ধারণের ফলে বাংলদেশে মোটরসাইকেল উৎপাদন শিল্প ক্রমেই বিকশিত হচ্ছে। তিনি বলেন, শতকরা ২০ ভাগ সম্পূরক শুল্ক থাকায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশে মোটরসাইকেল ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পের প্রসার এবং এ খাতে কর্মসংস্থান বেড়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে এই খাত দ্রুত প্রগ্রেসিভ ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পখাত হিসেবে বিকশিত হবে। এ সময় রাষ্ট্রদূত শতকরা ৪৫ ভাগ সম্পূরক শুল্কারোপ করে গত ১ জুন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের কথা তুলে ধরেন। এর ফলে বাংলাদেশে ম্যানুফ্যাকচারিং মোটরসাইকেল শিল্প বিকাশ ব্যাহত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বৈঠককালে ওয়াতানাবে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের স্বার্থে মোটরসাইকেল উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পে শতকরা ২০ ভাগ সম্পূরক শুল্ক অব্যাহত রাখতে শিল্পমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ ছাড়া বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের শিল্পখাতে জাপানের সহযোগিতার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। বৈঠকে রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে বলেন, জাপান সব সময় বাংলাদেশের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। বাংলাদেশে গুণগত শিল্পায়নের ধারা জোরদারে জাপানের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। শিল্পমন্ত্রী জাপানকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে জাতির জনক বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের টোকিও সফরের মাধ্যমে দুদেশের মধ্যে অর্থবহ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সম্পর্কের সূচনা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মাণ এবং পদ্মা সেতুর প্রাক-সমীক্ষার কাজ সম্পন্ন হয়।এছাড়া তিনি উৎপাদনমুখী মোটরসাইকেল শিল্পের প্রসারে সহায়ক শুল্ক কাঠামো নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে রাষ্ট্রদূতকে জানান। source : vorer kagoj
  • এখন পর্যন্ত ৫ লাখ আয়কর বিবরণী অনলাইনে আপলোড করেছে এনবিআর
    এখন পর্যন্ত ৬৪৯টি কর সার্কেল অফিস থেকে ৫ লাখ ৪ হাজার ৫৫০ রিটার্ন বা আয়কর বিবরণী অনলাইনে আপলোড করা হয়েছে। যেসব করদাতা রিটার্ন দাখিল করেছেন সেসব তথ্যসহ রিটার্ন অনলাইনে আপলোড করা হচ্ছে। প্রতিটি রিটার্নের সঙ্গে করদাতার দেওয়া অনেক প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত আপলোড হচ্ছে। পর্যাক্রমে সব রিটার্ন আপলোড করা হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানায়, পদ্ধতিটি আয়ত্তে আনতে ১ হাজার ৮০০ আয়কর কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলতি করবর্ষে প্রায় ১২ লাখ রিটার্ন দাখিল হয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়াও কেউ বিশেষ এ কম্পিউটারে এ তথ্য আপলোড করতে পারবে না। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, একটি অটোমেটেড সিস্টেমে যা যা থাকা দরকার এতে সব রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে আয়কর বিভাগের সব কাজ অটোমেটেড করা হচ্ছে। অফিসার বা স্টাফরা এতদিন পেপার ওয়ার্ক করে অভ্যস্ত। যখন অনলাইনে পুরো অভ্যস্ত হয়ে যাবে তখন পুরো অটোমেশনের সুফল পাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।সূত্র জানায়, রিটার্ন হারিয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট করদাতা ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে নিজের রিটার্ন দেখতে পারবেন। করদাতা সারাজীবনে যত রিটার্ন ও তথ্য আপলোড করবেন তার সবই যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে দেখতে পারবেন। source : sokalr khobor
View All
Latest DSE News
  • EXCH

    Dhaka Stock Exchange Ltd. wishes a happy &quot;Eid Mubarak&quot;; on the occasion of &quot;Eid-ul-Fitr&quot; to all TREC Holders, Regulators, Investors and Well Wishers of Capital Market of Bangladesh.

  • IFIC

    The Company has informed that following branches of the Company will remain open for Rights subscription from 23 to 25 June, 2017 with transaction time: 9:30 AM to 12:30 PM: Agrabad, Chittagong (open on 23-25 June, 2017). Tongi, Gulshan, Ashulia and Principal Branch, Gazipur, Savar, Khatunganj, CTG, Narayanganj and Uttara Branch (open on 23-24 June, 2017) and Sylhet main branch, Ambar Khana, Moulvi Bazar (dist.), Hobigonj branch, Sylhet Uposhohor branch and Cox's bazaar branch (open on 24th June, 2017).

  • DSM

    Dynamic Stock Management Limited (DSE TREC No. 212) has been issued Stock-Broker Registration Certificate No. Reg.-3.1/DSE-212/2017/548, dated January 18, 2017 vide BSEC letter No. BSEC/Reg-123/DSE-212/2016/13 dated January 17, 2017. The three digits ID of Dynamic Stock Management Limited (DSE TREC No. 212) is DSM.

  • PIS

    Withdrawal of Authorized Representative: Prime Islami Securities Ltd. (DSE TREC No. 104) has withdrawn one of its Authorized Representatives, Ms. Jannat Ara Mukta, with immediate effect.

  • JAMUNABANK

    (Correction): Credit Rating Agency of Bangladesh Limited (CRAB) has announced the rating of the Company as &quot;AA2&quot; in the long term and &quot;ST-2&quot; in the short term along with a stable outlook based on audited financial statements of the Company up to December 31, 2016 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SAMATALETH 30.30 27.70 2.60 9.39
CVOPRL 262.40 241.30 21.10 8.74
KPPL 10.80 10.10 0.70 6.93
GREENDELT 61.10 57.20 3.90 6.82
PRIMEBANK 22.40 21.10 1.30 6.16
DULAMIACOT 9.00 8.50 0.50 5.88
MITHUNKNIT 42.30 40.00 2.30 5.75
BANGAS 129.60 123.00 6.60 5.37
DAFODILCOM 41.60 39.50 2.10 5.32
IFILISLMF1 9.00 8.60 0.40 4.65

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297