Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

POLYNOMIAL Amibroker AFL 29-Jun
15 DAYS WMA VOLUME ANALYSIS AFL 22-Jun
Price Break Out Detection Afl 22-Jun
KRISHNA HARMONIC PATTERNS DYNAMIC LEVELS AFL 18-Jun
Keltner Bands for Amibroker AFL 14-Jun

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
HAKKANIPUL 61 38.5 22.50 58.44
BDAUTOCA 25.7 18.8 6.90 36.70
ANLIMAYARN 22.5 18.4 4.10 22.28
ICB 124.8 107.3 17.50 16.31
JUTESPINN 52 45 7.00 15.56
AIMS1STMF 28.9 25.1 3.80 15.14
STYLECRAFT 1043 907.1 135.90 14.98
GEMINISEA 262 229.7 32.30 14.06
DUTCHBANGL 90.8 80.7 10.10 12.52
4THICB 225 200 25.00 12.50

Contest SB2015_Jun

1st
blank_person
SSHIMANTO
2nd
blank_person
DHAKA1205
3rd
blank_person
GAINLOSS
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
LAFSURCEML 117.6 116.1 3.00366 481459.00
UPGDCL 158.8 154.2 2.87863 257701.00
DUTCHBANGL 90.8 86.1 1.62075 135469.00
GP 325.8 325.3 1.16409 47337.00
OAL 58.9 53.6 1.06835 625953.00
Negative impact
RENATA 988.2 993.9 -0.52042 13947.00
BANKASIA 14.5 14.8 -0.43413 6247.00
PRIMEBANK 17 17.2 -0.35496 10312.00
JAMUNABANK 10.3 10.5 -0.21177 134248.00
ICB 124.8 127.7 -0.21094 58835.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
UNITEDAIR 10.2 10.2 9.5 8.51% 80.52
APOLOISPAT 19.9 20.5 19.1 4.74% 77.64
TOSRIFA 35.1 35.1 32.2 9.69% 70.37
LAFSURCEML 117.6 118.8 116.3 1.29% 56.57
BSRMLTD 75.8 76.9 74.4 2.85% 50.55
UPGDCL 158.8 160 155.1 2.98% 40.74
ACI 520 523 516.6 0.81% 40.53
SAPORTL 62.8 62.8 61.6 2.78% 38.89
OAL 58.9 58.9 55.5 9.89% 36.65
BXPHARMA 62.9 64.5 62.7 0.32% 33.56

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 30 Jun 2015

30759
TOTAL TRADE
38.2744
TOTAL VOLUME(Mn)
1256.07
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • যেসব খাতে বাজেট প্রস্তাবে সংশোধনী
    ডেস্ক রিপোর্ট : ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে এ ধরনের কিছু সংশোধনী এনে সোমবার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অর্থবিল ২০১৫ পাস হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমাপনী ভাষণে প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কিছু প্রস্তাবে পরিবর্তন আনতে অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। এর মধ্যে মৎস্য ও পোলট্রি খাত উল্লেখযোগ্য। এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী সংসদকে জানান, প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর মোট ২১৯ জন সংসদ সদস্য ৫৭ ঘণ্টা আলোচনা করেছেন। বাজেট প্রস্তাবে সংশোধনী : চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে তৈরি পোশাক খাতের রফতানি মূল্যের ওপর শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ এবং অন্যান্য পণ্যে শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখা হতো। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে রফতানির ওপর ১ শতাংশ উৎসে কর কর্তনের কথা বলা হয়। বাজেট আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তা কমিয়ে সব ক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। অন্যদিকে এতদিন ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের ক্ষেত্রে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য ছিল। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এবং বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ওপর ভ্যাট ছিল না। এবার বাজেটে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও ১০ শতাংশ মূসক নির্ধারণের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়া সামুদ্রিক সম্পদের ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ খাতে গবেষণা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়ার সুপারিশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ক্যান্সারের ওষুধ তৈরির কাঁচামাল আমদানিতে সব ধরনের আমদানি শুল্কসহ সব শুল্ক-কর প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের প্রতিষেধক, ভেষজ ও হারবাল ওষুধের কাঁচামালে ছাড় দেয়ার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, পোলট্রি ও মৎস্য শিল্প দেশে আমিষের চাহিদা মেটাতে অবদান রাখছে। কিন্তু অর্থমন্ত্রী পোলট্রি শিল্পের আয় থেকে কর কাটার প্রস্তাব করেছেন। আমি অনুরোধ করব ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়কে করমুক্ত করা হোক। এরপর ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে ১০ শতাংশ করা হোক। মৎস্য শিল্পের আয়কেও একইভাবে বিবেচনা করার অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী তা মেনে নিয়ে অর্থবিলে সংশোধনী আনেন। নতুন ব্যাংকের কর কমল : ২০১৩ সালে সরকার অনুমোদিত ৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্পোরেট কর হার ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ করা হয়েছে। নতুন অর্থবছর থেকে নতুন ব্যাংকগুলো এ সুবিধা পাবে। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে শুধু শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংককে এ সুবিধা দেয়া হয়েছিল। তবে কর্পোরেট কর হার কমছে না বিদেশী ও নন-লিস্টেড ব্যাংকগুলোর। ন্যূনতম কর : প্রস্তাবিত বাজেটে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনসহ অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকার করদাতাদের জন্য ন্যূনতম কর ৪ হাজার টাকা করা হয়েছিল। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে সোমবার অর্থবিলে সংশোধন করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকার করদাতাদের ন্যূনতম কর ৫ হাজার টাকা, অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকার করদাতাদের জন্য ৪ হাজার টাকা এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরের স্থানের করদাতাদের জন্য ন্যূনতম কর তিন হাজার টাকা করা হয়েছে। নিত্যপণ্য আমদানিতে এআইটি প্রত্যাহার : আমদানি পর্যায়ে নিত্যপণ্য ভোজ্যতেল, তেলবীজ, গম, চালের খুদ এবং চিনির ওপর অগ্রিম আয়কর (এআইটি) প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে এসব পণ্যে ২ শতাংশ এআইটি আরোপ করা হয়েছিল। ইন্টারনেট ব্যবহারে শুল্ক কমল : ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী বলেন, ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে। এরপর বাজেটে ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্তরায়। তাই সম্পূরক শুল্ক কমিয়ে ৩ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করছি। এছাড়াও তিনি ই-কমার্সে প্রস্তাবিত ৪ শতাংশ কর প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এছাড়া ঝাড়বাতিসহ উন্নতমানের গৃহসজ্জা লাইটের ওপর প্রস্তাবিত বাজেটে আরোপ করা ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।
  • আফতাব অটোর ইপিএস বৃদ্ধি
    ডেস্ক রিপোর্ট : প্রকৌশল খাতের কোম্পানি আফতাব অটোমোবাইলসের শেয়ার প্রতি কনসোলিডেটেড আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৩ পয়সা। যা আগের বছরের তুলনায় ৫৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটির কনসোলিডেটেড ইপিএস ছিল ৪১ পয়সা। কোম্পানিটির তৃতীয় প্রান্তিকের (মার্চ, ১৫ – মে, ১৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, হিসাব বছরের প্রথম ৩ মাসে কোম্পানিটির কর পরবর্তী কনসোলিডেটেড মুনাফা করেছে ৬ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি কনসোলিডেটেড মুনাফা করেছিল ৪ কোটি ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। উল্লেখ্য, গত ৯ মাসে (সেপ্টেম্বর, ১৪ – মে, ১৫) কোম্পানিটি কর পরবর্তী কনসোলিডেটেড মুনাফা করেছে ১৭ কোটি ৭২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি কনসোলিডেটেড আয় করেছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা করেছিল ১৮ কোটি ৯৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি কনসোলিডেটেড আয় করেছিল ১ টাকা ৯৬ পয়সা।
  • প্রস্তাবিত বাজেটে তৈরি পোশাক রফতানিতে উৎসে কর কমল
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রস্তাবিত বাজেটে তৈরি পোশাক খাতসহ সব ধরনের পণ্যের রফতানি মূল্যের আরোপিত উৎসে কর ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ৬০ শতাংশ করা হয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে এ সংশোধনী আনা হয়। এতে ১ জুলাই থেকে ১ লাখ টাকার পণ্য রফতানি করলে ৬০০ টাকা উৎস কর দিতে হবে। উল্লেখ্য যে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে এ ধরনের কিছু সংশোধনী এনে সোমবার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অর্থবিল ২০১৫ পাস হয়েছে।
  • বাড়ছে শেয়ারদর, ডিএসইর নোটিশ
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিডি অটোকারস লিমিটেডের শেয়ারদর বাড়ছে। অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ২৯ জুন নোটিশ দেয় বিডি অটোকারসকে। সোমবারের নোটিশের জবাবে দর বাড়ার অপ্রকাশিত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে সিএসইকে জানিয়েছে কোম্পানিটি। কোম্পানিটি নোটিশ পাওয়ার পরও শেয়ারদর সংশোধন না করে দর বৃদ্ধি যথারীতি অব্যাহত রেখেছে। ফলশ্রুতিতে ৩০ জুন, ডিএসইর ওয়েবসাইটে নোটিশ প্রকাশের পরও মঙ্গলবার সকালে শেয়ারটির দর ২ টাকা ৩০ পয়সা বেড়ে যায়। এদিন ২৫ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শুরু হয়ে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ২৫ টাকা ৭০ পয়সায়। আগেরদিনের সর্বশেষ লেনদেন ছিল ২৩ টাকা ৪০ পয়সা। শেয়ারটির দর বাড়ার ফলে পরিবর্তন হয়েছে ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। -যা সার্কিট ব্রেকারের খুবই কাছে অবস্থান করছে। চিত্র- বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে,  চলতি মাসের ২৩ তারিখ থেকে শেয়ারটির দর বাড়া শুরু হয়েছে। ২৯ তারিখ পর্যন্ত শেয়ারটির দর প্রায় ৪ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে প্রায় ১৮.৯০ টাকা থেকে ২৩.৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে ২৮ ও ২৯ জুন দর বাড়ার হার ছিল অস্বাভাবিক। এ সময় প্রতি কার্যদিবসে প্রায় ২ টাকা করে বেড়েছে শেয়ারটির দর। এছাড়া নোটিশ পরবর্তী ৩০ জুন শেয়ারটির দর বাড়ার হার অস্বাভাবিক।
  • বিডি সার্ভিসের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের কোম্পানি বাংলাদেশ সার্ভিস লিমিটেডের (বিডি সার্ভিস) ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে ২০১৩ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ বোনাস  লভ্যাংশ দিয়েছিল।
  • সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার মঙ্গলবার বিওতে
    স্টাফ রিপোর্টার : সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশের বোনাস শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে মঙ্গলবার জমা হয়েছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি সমাপ্ত হিসাব বছরে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ৭ শতাংশ নগদ ও ৮ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) গত  ২৩ জুন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোম্পানির রেকর্ড ডেট ছিল ৭ মে।
  • প্রাইম লাইফের লভ্যাংশ এবং অন্যান্য
    স্টাফ রিপোর্টার : জীবন বীমা কোম্পানি প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ লভ্যাংশ বোনাস। আগামী ৩১ আগস্ট রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে অবস্থিত পুলিশ কনভেনশন হলে এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ জুলাই। সর্বশেষ প্রকাশিত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ সালের জানুয়ারি-মার্চ সময়ে প্রাইম লাইফের মোট জীবন বীমা তহবিল ৩ কোটি ২৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা কমে ৬১৮ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার টাকায় ঠেকে। আগের বছর একই সময়ে তা ৬ কোটি ৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৫৪০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।
  • কেলেঙ্কারিতে জড়িতরা ‘পালিয়ে গেলেও রেহাই পাবে না’
    সংসদ প্রতিবেদক : শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে জড়িতরা দেশের বাইরে পালিয়ে গেলেও রেহাই পাবে না। তাদের পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে।জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের পাওয়া মাত্র ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ বিদেশে পালিয়ে থাকলেও রেহাই পাবে না। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শেয়ারবাজারকে আরও গতিশীল করতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারের পদক্ষেপের কারণে শেয়ারবাজার এখন স্থিতিশীল। তবে মাঝেমধ্যে কিছু খেলার চেষ্টা করা হয়। তখন আমরা সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেই। শেখ হাসিনা বলেন, পুঁজিবাজারের সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নয়। অনেকেই হয়তো দেশে নেই, দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। যে মুহূর্তে আমরা তাদের পাবো তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীদের শেয়ারবাজার সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য ফিন্যান্সিয়াল লিটারেচারি প্রোগ্রাম চালু করা হচ্ছে। যাতে এখানে যারাই যাবে, তারা জেনে বুঝে বিনিয়োগ করতে পারে। শেয়ার লেনদেনে নতুন নতুন উপাদান যুক্ত করা হচ্ছে। ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট প্রণয়নসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
  • হেপাটাইটিস সির নতুন ওষুধ আনল বেক্সিমকো
    ডেস্ক রিপোর্ট : হেপাটাইটিস সি রোগের ওষুধ বাজারে এনেছে দেশের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। সোফোভির-সি ব্র্যান্ড নামে বাজারে ছাড়া হয়েছে ওষুধটি। এর জেনেরিক নাম সোফোসবুভির। কোম্পানি সূত্রে সোমবার এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পনি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত হেপাটাইটিস সি রোগের সবচেয়ে কার্যকর ওষুধ। সাফল্যের হার শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশি। ট্যাবলেট আকারে এই ওষুধ পাওয়া যায়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও ইনজেকটেবল থেরাপির চেয়ে অনেক কম। এটা বিশ্বের দামী ওষুধগুলোর মধ্যে একটি। উন্নত বিশ্বে প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম ৮০ হাজার টাকা। নতুন এই ওষুধ সম্পর্কে বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান বলেন, বেক্সিমকো ফার্মা সবসময়ই রোগীদের জন্য সুলভ মূল্যে নতুন নতুন থেরাপি আনতে বদ্ধপরিকর। আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, পৃথিবীর সর্বনিম্ম দামে হেপাটাইটিস সি রোগের ওষুধ বাজারে এনেছি। বাংলাদেশে প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম ধরা হয়েছে ৬০০ টাকা। অর্থাৎ মাত্র ৫০ হাজার ৪০০ টাকায় ১২ সপ্তাহের এই কোর্স পূর্ণ করা যাবে। যেখানে উন্নত দেশগুলোতে পূর্ণ কোর্স সমাপ্ত করতে খরচ হয় ৬৭ লাখ টাকা পর্যন্ত। পৃথিবীর প্রায় ৩ শতাংশ (১৭-১৮.৫ কোটি) মানুষ হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্ত বলে অনুমান করা হয়। হেপাটাইটিস সি রোগের চিকিৎসা না করালে লিভার সিরোসিস, লিভার ফেইলিওর, লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থাকে। বাংলাদেশেও হেপাটাইটিস সি একটি অন্যতম স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। আমাদের দেশে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। বেক্সিমকো ফার্মা দেশের নেতৃস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক ও রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি প্রথম বাংলাদেশী কোম্পানি হিসেবে ইউএস এফডিএ’র অনুমোদন লাভ করেছে বেক্সিমকো ফার্মা।
  • ইউসিবিএলের বন্ড অনুমোদন
    স্টাফ রিপোর্টার : ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) ৫০০ কোটি টাকার সেকেন্ড সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৫০তম কমিশন সভায় সোমবার এ অনুমোদন দেয়া হয়। ‘ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক সেকেন্ড সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড’ নামে বন্ডের মেয়াদ হবে ইস্যু তারিখ থেকে ৭ বছর। তবে বৈশিষ্ট হচ্ছে- নন-কনভারটেবল, আনলিস্টেড, অনিরাপদ, সম্পূর্ণ অবসায়নযোগ্য ও ফ্লোটিং রেটেড। বন্ডটি শুধুমাত্র ব্যাংক, স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, কর্পোরেট বডি, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি, মার্চেন্ট ব্যাংক এবং উচ্চ সম্পদধারী ব্যক্তিরাই প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে কিনতে পারবেন। বন্ডটির ইস্যু করা অর্থ দিয়ে ইউসিবিএল ব্যাসেল থ্রি এর শর্ত পূরণ, টায়ার টু মূলধন বাড়ানোর কাজ করবে। প্রতি বন্ডের অভিহিত মূল্য হবে ১০ লাখ টাকা। বন্ডের ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেড। আর ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করছে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ২৫% লভ্যাংশ দেবে প্রাইম ইসলামী লাইফ
    তালিকাভুক্ত জীবন বীমা কোম্পানি প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ ও বাকি ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়া হবে বোনাস শেয়ার আকারে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।আগামী ৩১ আগস্ট রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে অবস্থিত পুলিশ কনভেনশন হলে এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ জুলাই।   Source : বনিক বার্তা
  • পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগে নীতিমালা শিথিল
    পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগে নীতিমালা শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মিউচুয়াল ফান্ডে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বাজারমূল্যের ৯৫ ভাগে নেমে গেলে লোকসানির বিপরীতে সঞ্চিতি (প্রভিশন) সংরক্ষণের প্রয়োজন হবে না। আগে বাজারমূল্যের ৮৫ ভাগ নেমে গেলে প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজন হতো না। সমপ্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করে তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠিয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, অব্যাহত দরপতনের ফলে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের বাজারমূল্য ২৩ হাজার কোটি টাকায় নেমে গেছে। নতুন ও বিদেশী ব্যাংক বাদে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকৃত সব ব্যাংকেরই বাজারমূল্য এখন ২৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে। পর্যায়ক্রমে ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ ২৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে হবে। সে ক্ষেত্রে নতুন করে বিনিয়োগ করার কোন সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সংশোধিত ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারের অতিরিক্ত বিনিয়োগ নির্ধারিত সীমার মধ্যে অর্থাৎ ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। সংশোধিত ব্যাংক  কোম্পানি আইন অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে তফসিলি ব্যাংকগুলোর একক ও সামষ্টিক বিনিয়োগ ২০১৬ সালের ২১শে জুলাইয়ের মধ্যে নির্ধারিত সীমার মধ্যে নামিয়ে আনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। গেজেট প্রকাশ হয়েছে ২০১৩ সালের ২২শে জুলাই। এর ফলে আগে ব্যাংকগুলো তার মোট দায়ের ১০ শতাংশ সমপরিমাণ অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বা শেয়ার ধারণ করতে পারতো। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ব্যাংকগুলোতে ৫ লাখ কোটি টাকার মোট সম্পদ রয়েছে। সে হিসেবে ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে শেয়ার ধারণ করতে পারতো ৫০ হাজার কোটি টাকার। জানা গেছে, বাজারে ৪০টি মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে। এগুলোর ফেইস ভ্যালু (অভিহিত মূল্য) প্রায় ৪৪৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ রয়েছে ১১২৫ কোটি টাকা। পুঁজিবাজারের অন্যান্য শেয়ারের মতো মিউচুয়াল ফান্ডের মূল্য পতনের কারণে প্রকৃত মূল্য অর্ধেকের নিচে নেমে গেছে। যা প্রায় ৬০ ভাগ কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোন ব্যাংক কোন শেয়ার কিনলে আর ওই শেয়ারের বাজারমূল্য কমে গেলে যে পরিমাণ লোকসান হয় তা প্রভিশনের মাধ্যমে সমন্বয় করতে হয়। যেমন কোন শেয়ারের ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে ও বাজার মূল্য ৮০ টাকা হলে ২০ টাকা প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে। আর ব্যাংক প্রভিশন সংরক্ষণ করে তার আয় থেকে অর্থ আনে। প্রভিশনের অংশ আয় হিসেবে দেখাতে পারে না ব্যাংক। বেশি হারে প্রভিশন সংরক্ষণ করার ফলে বছর শেষে নিট আয় কমে যায় ব্যাংকের। দরপতনের কারণে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করছে না ব্যাংক। এতে একদিকে ব্যাংকের মূলধন হারাচ্ছে, পাশাপাশি মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ স্থবিরতা দেখা দিচ্ছে। পুঁজিবাজারে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাংকগুলোর অনুরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রভিশনের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেয়া হচ্ছে। গত ১২ই মার্চের পর সমপ্রতি মিউচুয়াল ফান্ডের ওপর নীতিমালা আরেক দফা শিথিল করা হয়। পুঁজিবাজারে মিউচুয়াল ফান্ডে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বাজারমূল্যের ৯৫ ভাগে নেমে গেলে লোকসানির বিপরীতে সঞ্চিতি (প্রভিশন) সংরক্ষণের প্রয়োজন হবে না। সমপ্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করে তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিপত্রে বলা হয়েছে, মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের গড় ক্রয়মূল্য ওই সময়ে ওই ইউনিটের বাজারমূল্য অথবা চলতি বাজারমূল্যে নির্ণীত নিট সম্পদ মূল্যের শতকরা ৯৫ ভাগের যে কোন একটি অপেক্ষা কম বা তার সমান হয়, সে ক্ষেত্রে প্রভিশন সংরক্ষণের কোন প্রয়োজন হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক পুঁজিবাজারের পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যাংক কোম্পানির ধারণকৃত মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের মূল্য হ্রাসজনিত ক্ষতির বিপরীতে ব্যাংক-কোম্পানি আইনের ৩৮ ধারার প্রথম তফসিল অনুসারে প্রভিশন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত পরিবর্তনে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে এখন থেকে ইউনিটের গড়মূল্য বা ক্রয়মূল্য তার বাজারমূল্য বা নিট সম্পদ মূল্যের যে কোন একটির চেয়ে ৯৫ শতাংশের বেশি কমে গেলে ব্যাংকগুলোকে সঞ্চিতি রাখতে হবে না। কিন্তু ক্রয়মূল্য এর চেয়ে কম থাকলে প্রযোজ্য হারে সঞ্চিতি রাখতে হবে। সঞ্চিতির ক্ষেত্রে ঘোষিত ছাড় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভূত সব মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।    Source : মানব জমিন
  • পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখতে বিএসইসির তিন উদ্যোগ
    পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল রাখতে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন তিন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গতকাল কমিশনের নিয়মিত সভায় এ উদ্যোগ নেয়া হয়। উদ্যোগগুলো হচ্ছে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে প্রভিশনিংয়ের ক্ষেত্রে ছাড়, মার্জিন ঋণের কারণে যেসব গ্রাহকের ইক্যুয়িটি ঋণাত্মক হয়ে গেছে তারা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাজারে লেনদেন করার সুবিধা এবং আইসিবির ৮টি মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অবসায়নের সময়সীমা বেঁধে দেয়া।জানা গেছে, শেয়ারবাজারে মন্দা অব্যাহত থাকায় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলো বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে। মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের কারণে আয়ের একটি বড় অংশই চলে যাচ্ছে প্রভিশিনিং করতে গিয়ে। এ কারণে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলো মুনাফার মুখ দেখছে না। অবশেষে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলোকে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগজনিত ক্ষতির কারণে প্রভিশনিংয়ের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে বিএসইসি। এগুলো হচ্ছে ইউনিটির গড় ক্রয়মূল্য থেকে চলতি বাজার দামে ফান্ডের ইউনিটের সম্পদমূল্যের ৮৫ শতাংশ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অংশ প্রভিশনিং করতে হবে। ধরা যাক কোনো একটি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গড়ে ১২০ টাকার মেয়াদি ফান্ড ক্রয় করেছে। এখন বাজার  দামে ফান্ডটির সম্পদমূল্য ১০০ টাকায় নেমে এসেছে। সেক্ষেত্রে প্রভিশনিং রাখতে হবে [১২০-(১০০এর ৮৫শতাংশ)] টাকা =(১২০-৮৫) টাকা ৩৫ টাকা। আর বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের গড় ক্রয় মূল্য থেকে বে-মেয়াদি ইউনিটের পুনঃক্রয়মূল্য বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অংশ প্রভিশনিং করতে হবে। মার্জিন ঋণের কারণে যেসব গ্রাহকের ইক্যুয়িটি ঋণাত্মক হয়ে গেছে তারা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাজারে লেনদেন করতে পারবেন। চলতি ৩০ জুন পর্যন্ত মার্জিন গ্রাহকদের জন্য এ সুবিধা দেয়া হয়েছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং পুঁজিবাজারের স্বার্থ তথা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিশন মার্জিন রুলস, ১৯৯৯ এর রুল ৩ (৫) এর কার্যকারিতা ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত বর্ধিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে বলা হয়, কোনো বিনিয়োগকারীর ডেবিট ব্যালেন্স ১৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান তার কাছে নতুন করে মার্জিন চাইবে। আর এ মার্জিনের পরিমাণ এমন হতে হবে যাতে তার ডেবিট ব্যালেন্স ১৫০ শতাংশের উপরে থাকে। নতুন মার্জিন নগদ টাকা অথবা লেনদেনযোগ্য শেয়ার বা বন্ডে দেয়া যাবে। মার্জিন জমা না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীর হিসাবে কোনো লেনদেন করা যাবে না।ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ৮টি মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অবসায়নের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে বিএসইসি। বেঁধে দেয়া সময়সীমার মধ্যে ফান্ডগুলোকে অবসায়ন করতে হবে না হলে নিয়ম অনুসরণ করে বে-মেয়াদি ফান্ডে রূপান্তর করতে হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রূপান্তর বা অবসায়নের জন্য প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ২য় ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি, ৩য় ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি, ৪র্থ ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ, ৫ম ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল, ষষ্ঠ ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩০ জুন, ৭ম ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ও ৮ম ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। এদিকে এইমস পরিচালিত ফার্স্ট গ্যারান্টিড মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান এবং গ্রামীণ ওয়ান : ফার্স্ট স্কিম অব দ্য গ্রামীণ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রূপান্তর বা অবসায়নের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কমিশন।   Source : মানব কণ্ঠ
  • পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখতে বিএসইসির তিন উদ্যোগ
    পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল রাখতে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন তিন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গতকাল কমিশনের নিয়মিত সভায় এ উদ্যোগ নেয়া হয়। উদ্যোগগুলো হচ্ছে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে প্রভিশনিংয়ের ক্ষেত্রে ছাড়, মার্জিন ঋণের কারণে যেসব গ্রাহকের ইক্যুয়িটি ঋণাত্মক হয়ে গেছে তারা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাজারে লেনদেন করার সুবিধা এবং আইসিবির ৮টি মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অবসায়নের সময়সীমা বেঁধে দেয়া।জানা গেছে, শেয়ারবাজারে মন্দা অব্যাহত থাকায় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলো বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে। মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের কারণে আয়ের একটি বড় অংশই চলে যাচ্ছে প্রভিশিনিং করতে গিয়ে। এ কারণে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলো মুনাফার মুখ দেখছে না। অবশেষে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলোকে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগজনিত ক্ষতির কারণে প্রভিশনিংয়ের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে বিএসইসি। এগুলো হচ্ছে ইউনিটির গড় ক্রয়মূল্য থেকে চলতি বাজার দামে ফান্ডের ইউনিটের সম্পদমূল্যের ৮৫ শতাংশ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অংশ প্রভিশনিং করতে হবে। ধরা যাক কোনো একটি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গড়ে ১২০ টাকার মেয়াদি ফান্ড ক্রয় করেছে। এখন বাজার  দামে ফান্ডটির সম্পদমূল্য ১০০ টাকায় নেমে এসেছে। সেক্ষেত্রে প্রভিশনিং রাখতে হবে [১২০-(১০০এর ৮৫শতাংশ)] টাকা =(১২০-৮৫) টাকা ৩৫ টাকা। আর বে-মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের গড় ক্রয় মূল্য থেকে বে-মেয়াদি ইউনিটের পুনঃক্রয়মূল্য বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অংশ প্রভিশনিং করতে হবে। মার্জিন ঋণের কারণে যেসব গ্রাহকের ইক্যুয়িটি ঋণাত্মক হয়ে গেছে তারা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাজারে লেনদেন করতে পারবেন। চলতি ৩০ জুন পর্যন্ত মার্জিন গ্রাহকদের জন্য এ সুবিধা দেয়া হয়েছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং পুঁজিবাজারের স্বার্থ তথা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিশন মার্জিন রুলস, ১৯৯৯ এর রুল ৩ (৫) এর কার্যকারিতা ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত বর্ধিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে বলা হয়, কোনো বিনিয়োগকারীর ডেবিট ব্যালেন্স ১৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান তার কাছে নতুন করে মার্জিন চাইবে। আর এ মার্জিনের পরিমাণ এমন হতে হবে যাতে তার ডেবিট ব্যালেন্স ১৫০ শতাংশের উপরে থাকে। নতুন মার্জিন নগদ টাকা অথবা লেনদেনযোগ্য শেয়ার বা বন্ডে দেয়া যাবে। মার্জিন জমা না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীর হিসাবে কোনো লেনদেন করা যাবে না।ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ৮টি মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অবসায়নের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে বিএসইসি। বেঁধে দেয়া সময়সীমার মধ্যে ফান্ডগুলোকে অবসায়ন করতে হবে না হলে নিয়ম অনুসরণ করে বে-মেয়াদি ফান্ডে রূপান্তর করতে হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রূপান্তর বা অবসায়নের জন্য প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ২য় ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি, ৩য় ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি, ৪র্থ ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ, ৫ম ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল, ষষ্ঠ ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩০ জুন, ৭ম ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ও ৮ম ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। এদিকে এইমস পরিচালিত ফার্স্ট গ্যারান্টিড মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান এবং গ্রামীণ ওয়ান : ফার্স্ট স্কিম অব দ্য গ্রামীণ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ানকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রূপান্তর বা অবসায়নের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কমিশন।   Source : মানব কণ্ঠ
  • আইসিবির আট ফান্ড অবসায়নের সীমা নির্ধারণ
    ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ৮টি মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের অবসায়নের সময় সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বেঁধে দেয়া সময়সীমার মধ্যে ফান্ডগুলোকে অবসায়ন করতে হবে না হলে নিয়ম অনুসরণ করে  বে-মেয়াদি ফান্ডে রূপান্তর করতে হবে। এ ছাড়া বেসরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি এইমস পরিচালিত দুটি  মেয়াদি ফান্ডেরও অবসায়নের সময় বেঁধে দিয়েছে কমিশন। গতকাল সোমবার বিএসইসির ৫৫০তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত  নেয়া হয়েছে। এছাড়াও সভায় বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।বিএসইসি জানিয়েছে, রূপান্তর বা অবসায়নের জন্য প্রথম মিউচুয়াল ফান্ডের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ২য় ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি, ৩য় ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি, ৪র্থ ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ, ৫ম ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল, ৬ষ্ঠ ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩০ জুন, ৭ম ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এবং ৮ম ফান্ডের জন্য ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। আর এইমস পরিচালিত ফার্স্ট গ্যারান্টেড মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান এবং গ্রামীণ ওয়ান: ফার্স্ট স্কিম অব দ্য গ্রামীণ মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রূপান্তর বা অবসায়নের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। এছাড়া মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড থেকে বে-মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডে রূপান্তরের জন্য বিদ্যমান ‘কনভারশন গাইডলাইন’ এ কিছু সংশোধন আনা হয়েছে। যা শিগগির নির্দেশনা আকারে প্রকাশ করা হবে।বিএসইসি আরো জানিয়েছে, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার থেকে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটির অর্থ সংগ্রহের কথা ছিল। জানা গেছে, আইপিও অনুমোদন দেয়ার পর মূলধন বাড়ানোর ইস্যুতে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) অনুমোদন না নেয়ার প্রেক্ষিতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এদিকে পুঁজিবাজারে চলমান মন্দার কারণে মার্জিন ঋণ বিধিমালার কিছু শর্ত শিথিলের সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৯৯৯ সালের মার্জিন ঋণ বিধিমালার ৩(৫) ধারার কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়েছে। এতে ঋণাত্মক ইক্যুইটির হিসাবেও শেয়ার লেনদেনের সুযোগ থাকবে। আগের ঘোষণা অনুসারে আজ থেকে শর্ত শিথিলের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অনেক মার্জিন একাউন্ট পুরোপুরি ব্লক হয়ে যেত।   Source : ইত্তেফাক
  • ট্রিপল এ ঋণমান পেল বিএটিবি
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্রিটিশ আমেরিকান ট্যোবাকো বাংলাদেশ (বিএটিবি) সর্বোচ্চ ঋণমান ‘ট্রিপল এ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’ প্রথমবারের মত অর্জন করেছে। কোম্পানির ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও হালনাগাদ অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে সম্প্রতি এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)। সর্বোচ্চ নিরাপদ উচ্চ ঋণমান ও স্বল্প ব্যবসায়ী ঝুঁকির জন্য ‘ট্রিপল এ’ এবং শেয়ারহোল্ডারদের নিয়মিত ও নিরাপদে অর্থপ্রদানের নিশ্চয়তা এবং কম সময়ে তারল্য সুবিধা প্রদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘এসটি-১’ মর্যাদা পেল বিএটিবি।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি Source : ইত্তেফাক  
  • গ্রিস সংকটের প্রভাব বিশ্ব শেয়ারবাজারে
    দীর্ঘ অর্থনৈতিক সংকটে ভেঙে পড়েছে গ্রিসের অর্থনীতি। এ অবস্থায় ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি) থেকে জরুরি তহবিল পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রভাব ফেলেছে দেশটির ব্যাংকব্যবস্থায়ও। ইউরোপীয় এ দেশটির দেউলিয়া হওয়া ও ইউরোজোন থেকে বের হওয়ার আশঙ্কা উদ্বেগ ছড়াচ্ছে বিশ্বজুড়ে। এর ফলে গতকাল সোমবার ইউরোপ ও এশিয়াসহ বিশ্বের প্রায় সব শেয়ারবাজারেই বড় দরপতন ঘটেছে।অর্থনৈতিক সংকটের জের ধরে গ্রিস ইউরোজোন থেকে বের হয়ে যাবে এমন আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা অর্থ তুলে নিচ্ছে। এতে গতকাল ফ্রাংকফুর্ট ও প্যারিস শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে ৪ শতাংশ। বড় দরপতন ঘটেছে এশিয়ার শেয়ারবাজারে। ভারতের শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে ২ শতাংশ। চীনের বেঞ্চমার্ক সাংহাই কম্পোজিট সূচক পড়েছে ৭.৩৫ শতাংশ। চীনের দ্বিতীয় বৃহৎ শেয়ারবাজার শেনজেন কম্পোজিট সূচক পড়েছে ৭.৬৩ শতাংশ। হংকং শেয়ারবাজারে সূচক পড়েছে ৩.৬৩ শতাংশ। টোকিও শেয়ারবাজারে সূচকের পতন হয়েছে ২ শতংশের বেশি এবং অস্ট্রেলিয়ার শেয়ারবাজারে দর পড়েছে ২.২৩ শতাংশ।গত রবিবার গ্রিস সরকার এক আদেশে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত সব ব্যাংক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। তারল্য সংকটের মধ্যে দেশের আর্থিক খাতকে সুরক্ষা দিতে গ্রিস সরকার এই আদেশ জারি করে। একই সঙ্গে শেয়ারবাজারও বন্ধ রাখা হয়েছে। ব্যাংকগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি বুথ থেকেও ৬০ ইউরোর বেশি অর্থ তুলতে না পারার সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়। এর ফলে অসহায়ত্বের মুখে পড়েছে দেশটির জনগণ। মানুষ ব্যাংক থেকে অর্থ তুলতে না পেরে এটিএম বুথগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। কিন্তু সেখানেও পাওয়া যাচ্ছে না প্রয়োজনীয় অর্থ। গ্রিসের ব্যাংকিং সূত্র জানায়, মাত্র ৪০ শতাংশ ক্যাশ মেশিনে গত রবিবার পর্যন্ত অর্থ ছিল। এখন তাও নেই। ফলে জরুরি প্রয়োজনে অর্থ তুলতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ছে অনেক মানুষ। ৩২ বছর বয়সী নারী জুয়ে ক্যালিস বলেন, 'আমি সত্যিই হতাশ। কী হবে জানি না। তবে বুঝতে পারছি গ্রিসের ব্যাংকব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে। আমার একটি শিশু আছে, অর্থ তুলতে না পারলে তাকে কী খাওয়াব জানি না।'আইএমএফ কাছ থেকে নেওয়া ঋণের ১.৭ বিলিয়ন ডলার মঙ্গলবারের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে গ্রিসকে। তা না হলে ঋণখেলাপি হবে দেশটি। এর ফলে দেশটিকে ১৯ সদস্যের ইউরোজোন ছাড়তে হতে পারে বলে জানা যায়। একই দিন গ্রিসের বেইল আউটের (আর্থিক পুনর্গঠনের শর্তে সহায়তা) সুবিধাও শেষ হবে। এর আগে বেইল আউট প্রস্তাব নিয়ে ইউরোজোনের দেশগুলোর সঙ্গে গ্রিসের আলোচনা কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়। এর পরপরই ইউরোজোনের ওই পুনর্গঠন প্রস্তাব নিয়ে গণভোটের ডাক দেন প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সি সিপ্রাস। ৫ জুলাই গণভোট। এএফপি, রয়টার্স।   Source : কালের কণ্ঠ
  • শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত
    চলতি সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। আগের দিনের ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবারও দুই স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ারের মূল্যসূচক বেড়েছে।এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি লেনদেনও বেড়েছে। তবে অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন সামান্য কমেছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতকাল লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিন রোববারের চেয়ে ২৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৩১ পয়েন্টে। সেই সঙ্গে ডিএসইএস সূচক প্রায় ৭ পয়েন্ট ও ডিএস ৩০ সূচক প্রায় ১৩ পয়েন্ট বেড়েছে।গতকাল সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১০৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৩ হাজার ৯১৬ পয়েন্টে।সপ্তাহের প্রথম দিনে ডিএসইর ডিএসইএক্স সূচক ৪৭ পয়েন্ট বেড়েছিল। আর সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক বেড়েছিল ১০১ পয়েন্ট।ডিএসইতে এদিন ৩১৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে আগের তুলনায় শেয়ারের দাম বেড়েছে ১৯৭টির, কমেছে ৮৮টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি প্রতিষ্ঠানের। ঢাকার বাজারে গতকাল মোট ৪২৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ৬৬ কোটি টাকা বেশি। রোববার এই স্টক এক্সচেঞ্জে ৩৬২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।অন্যদিকে সিএসইতে গতকাল ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে আগের চেয়ে শেয়ারের দাম বেড়েছে ১৫১টির, কমেছে ৬১টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টি প্রতিষ্ঠানের। চট্টগ্রামের বাজারে এদিন ৪৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ৪ কোটি টাকা কম। রোববার সিএসইতে ৪৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল।ডিএসইতে এদিন লেনদেনের শীর্ষ অবস্থানে ছিল অলিম্পিক অ্যাকসেসরিজ। প্রতিষ্ঠানটির ২০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।   Source : প্রথম আলো 
  • আরও দুই কোম্পানির ক্যাটাগরি পরিবর্তন
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আরও দুই কোম্পানির ক্যাটাগরি পরিবর্তন হয়েছে। কোম্পানি দুটি হচ্ছে- ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড কোম্পানি সমাপ্ত অর্থবছরে ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়ে 'এন' থেকে 'এ' ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। আগামীকাল ৩০ জুন থেকে কোম্পানিটি 'এ' ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে পুঁজিবাজারে।২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হওয়া বছরে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ার হোল্ডরদের ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়ার প্রস্তাব করে। প্রস্তাবটিতে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) সাধারণ শেয়ার হোল্ডাররা সম্মতি দান করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শেয়ার হোল্ডারদের বিও অ্যাকাউন্টে বোনাস লভ্যাংশ ক্রেডিট করেছে কোম্পানি। এছাড়া, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড সমাপ্ত অর্থবছরে ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়ে 'এ' থেকে 'বি' ক্যাটাগরিতে নেমে গেছে। এই কোম্পানি আগামীকাল ৩০ জুন থেকে কোম্পানিটি 'জেড' ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে পুঁজিবাজারে। প্রসঙ্গত, কোন কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার সময় 'এন' ক্যাটাগরিভুক্ত হয়। এরপর যদি কোম্পানিটি ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ ঘোষণা করে তাহলে পরবর্তী অর্থবছরের জন্য 'এ' ক্যাটাগরিভুক্ত হয়। যদি ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেয় তাহলে 'বি' ক্যাটাগরিভুক্ত হয়। আর যদি কোন লভ্যাংশ ঘোষণা না করে তাহলে 'জেড' ক্যাটাগরিভুক্ত হয়।   Source : সংবাদ
  • ওরিয়ন ফার্মার ৫০তম এজিএম অনুষ্ঠিত
    ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেডের ৫০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) গত রবিবার নারায়ণগঞ্জের ওরিয়ন ফার্মার কারখানা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। কোম্পানির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওবায়দুল করিমের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমান ওবায়দুল করিম, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. গোলাম মহিউদ্দিন এবং লে. কর্নেল কামাল আহমেদ, পিএসসি (অব.), কোম্পানি সচিব মো. ফেরদাউস জামান প্রমুখ।   Source : বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • তিন খাতের শতভাগ কোম্পানির দর বেড়েছে
    সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তিন খাতের শতভাগ কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে। খাত তিনটি হলো : কাগজ ও মুদ্রণ, টেলিকমিউনিকেশন এবং ভ্রমণ ও অবকাশ। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।কাগজ ও মুদ্রণ ॥ রবিবারে কাগজ ও মুদ্রণ খাতে থাকা ২টি কোম্পানির মধ্যে হাক্কানী পাল্পের শেয়ার দর বেড়েছে ৯.৮৩ শতাংশ বা ৪.৭০ টাকা। হাক্কানী পাল্পের শেয়ার দর ৪৭.১০ টাকা থেকে ৫২.৫০ টাকায় ওঠানামা করে সর্বশেষ ৫২.৫০ টাকায় লেনদেন হয়। এছাড়া খুলনা প্রিন্টিংয়ের দর বেড়েছে ৩.২৩ শতাংশ বা ০.৬০ টাকা। এ দিন কোম্পানিটির শেয়ার দর ১৮.৮০ টাকা থেকে ১৯.২০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে সর্বশেষ ১৯.২০ টাকায় লেনদেন হয়।টেলিকমিউনিকেশন ॥ এই খাতের দুটি কোম্পানির মধ্যে বাংলাদেশ সাবমেরিক কেবলের শেয়ার দর বেড়েছে ৭.৭০ টাকা। দিনটিতে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১২৬ টাকা থেকে ১৩২.৯০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে সর্বশেষ ১৩২.৯০ টাকায় লেনদেন হয়।অন্যদিকে গ্রামীণফোনের শেয়ার দর বৃদ্ধি পেয়েছে ০.৯০ টাকা। এ দিন কোম্পানির শেয়ার দর ৩২৪.২০ টাকা থেকে ৩২৭. ৪০ টাকায় ওঠানামা করে সর্বশেষ ৩২৫ টাকায় লেনদেন হয়।ভ্রমণ ও অবকাশ ॥ এই খাতের চারটি কোম্পানির মধ্যে পেনিনসুলার দর বেড়েছে ০.১০ টাকা। এ কোম্পানির শেয়ার দর ১৯.২০ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে সর্বশেষ ১৯.৬০ টাকায় লেনদেন হয়। ইউনিক হোটেলের শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে ১.৫০ টাকা। যার দর ৫১.৩০ টাকা থেকে ৫২.৯০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে সর্বশেষ ৫২.২০ টাকায় লেনদেন হয়। ইউনাইটেড এয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে ০.২০ টাকা। এর দর ৯.১০ টাকা থেকে ৯.৫০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে সর্বশেষ ৯.৪০ টাকায় লেনদেন হয়। তবে এ খাতে থাকা বিডি সার্ভিসের শেয়ার লেনদেনে কোনো পরিবর্তন হয়নি।   Source : জনকণ্ঠ
  • আইনী জটিলতায় ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স আইপিও প্রক্রিয়া
    আইনী জটিলতায় পড়েছে কোম্পানি বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনপত্র ও চাঁদা জমা নেয়ার প্রক্রিয়া। আগামী ৩০ জুন মঙ্গলবার থেকে কোম্পানিটির আইপিওর আবেদন জমা দেয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।সূত্র জানিয়েছে, কাল-পরশু নাগাদ কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে আবেদন স্থগিত করার আবেদন জানাতে পারে।বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) অনুমোদন ছাড়াই পরিশোধিত মূলধন বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ উঠায় আইপিও নিয়ে বেকায়দায় পড়েছে ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কর্তৃপক্ষ। আর এ কারণেই আইপিওর আবেদন গ্রহণ স্থগিত, এমনকি আইপিওটি প্রত্যাহার করার আবেদন করতে হতে পারে।দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী মেঘনা গ্রুপ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের প্রধান উদ্যোক্তা। কোম্পানিটিকে আইপিওতে নিয়ে আসার জন্য ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে প্রাইম ফিন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।এর আগে গত ১২ মে বিএসইসির ৫৪৩তম সভায় ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের আইপিওর অনুমোদন দেয়। এর ভিত্তিতে কোম্পানিটি গত ৪ জুন আবেদনপত্র ও চাঁদার টাকা জমা নেয়ার সময়সূচী ঘোষণা করে। ঘোষণা অনুসারে ৩০ জুন চাঁদা জমা নেয়া শুরু হয়ে ৯ জুলাই পর্যন্ত চলার কথা। আইপিওর মাধ্যমে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৭৭ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূলধন সংগ্রহ করার কথা।জানা গেছে, আইন অনুসারে কোন বীমা কোম্পানি অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন পরিবর্তন করতে চাইলে তার জন্য আইডিআরএ’র অনুমোদন প্রয়োজন। কিন্তু ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স তা করেনি। এই কারণেই সংস্থাটি তীব্র আপত্তি জানিয়েছে কমিশনের কাছে।যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মস পরিদফতর (আরজেএসি) জানা গেছে, তাদের কাছে রক্ষিত নথি অনুসারে ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি টাকা। কোম্পানিটির লাইসেন্স নেয়ার সময়ে বিদ্যমান আইন অনুসারে পরিশোধিত মূলধন হওয়ার কথা ১৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে হবে আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে।ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স আইপিও অনুমোদনের জন্য জমা দেয়া নথিপত্রে অনুমোদিত মূলধন দেখিয়েছে ১০০ কোটি টাকা। কোম্পানির সংঘস্মারক এবং সংঘবিধিতে পরিশোধিত মূলধনও ১০০ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে। এতে উদ্যোক্তাদের অংশ ৬০ কোটি টাকা আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্যদিকে আইপিওর প্রসপেক্টাসে পরিশোধিত মূলধন দেখানো হয়েছে ২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। আইপিওর মাধ্যমে ১৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হলে পরিশোধিত মূলধন ৪৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।এ ক্ষেত্রে সংঘস্মারক ও প্রসপেক্টাসে উল্লেখ করা পরিশোধিত মূলধনের তথ্য অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তাছাড়া মূলধন বাড়ানোর ক্ষেত্রে আইডিআরএ থেকে নেয়া হয়নি আগাম অনুমোদন।আইনের এমন লংঘনে প্রচ- ক্ষুব্ধ আইডিআরএ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বিএসইসি এবং আরজেএসসিকে চিঠি দিয়েছে। বিএসইসির কাছে জানতে চাওয়া হয়, তারা ওই অসঙ্গতি থাকা সত্ত্বেও ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের আইপিও অনুমোদন কেন দিয়েছে। উত্তরে বিএসইসি বলেছে, কোম্পানিটি আরজেএসসির সত্যায়িত করা সংঘস্মারক ও সংঘবিধির কপি দেখেই আইপিওর অনুমোদন দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানি বীমা আইনের কোন ধারা লংঘন করে থাকলে তারা (আইডিআরএ)-এর বিরুদ্ধে যে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেন। এ বিষয়ে বিএসইসির কোন করণীয় নেই।বিএসইসির চিঠির উত্তরে আইডিআরএ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সকে আইপিওর চাঁদা গ্রহণ স্থগিত রাখতে নির্দেশ দেয়। নইলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়ে দেয়া হয় কোম্পানিটিকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটি বিএসইসির কাছে আইপিওর চাঁদা গ্রহণ স্থগিত করার অনুরোধ জানাতে যাচ্ছে।বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রধান উদ্যোক্তা মেঘনা গ্রুপের কর্ণধার মোস্তফা কামাল ও ও তার পরিবারের সদস্যরা। প্রসপেক্টাসে দেয়া তথ্য অনুসারে, মোস্তফা কামাল কোম্পানিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে আছেন তার স্ত্রী বিউটি আক্তার, মেয়ে তাহমিনা বিনতে মোস্তফা, তানজিমা বিনতে মোস্তফা, ছেলে তানভির আহমেদ মোস্তফা এবং জামাতা তায়িফ বিন ইউসুফ। মোস্তফা কামাল ও তার পরিবার যৌথভাবে কোম্পানিটির ৩৬ শতাংশ শেয়ারের মালিক।   Source : জনকণ্ঠ
  • ঊর্ধ্বমুখী ধারায় পুঁজিবাজার
    বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে রোববার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন চলছে। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির প্রভাবে লেনদেনের শুরু থেকেই বাজার মূল্য সূচকগুলোও ঊর্ধ্বমুখী ধারাতে রয়েছে। লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরবৃদ্ধি পেয়ে লেনদেন হচ্ছিলো ১৩৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। বিপরীতে দর হারিয়ে লেনদেন হচ্ছিলো ৯২টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৮টির দর। উল্লেখিত সময় পর্যন্ত ডিএসই-এক্স সূচকটি ২৭.০৮ পয়েন্ট বেড়ে ৪৪৮২.৩৬ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইতে ১০০.৩৪ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়। এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রথম ঘণ্টার লেনদেন শেষে দরবৃদ্ধি পেয়ে লেনদেন হচ্ছিলো ৮৩টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। বিপরীতে দর হারিয়ে লেনদেন হচ্ছিলো ৫৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৬টির দর। প্রথম ঘণ্টার লেনদেন শেষে সিএসইর সিএসসিএক্স সূচক ৩৬.৩১ পয়েন্ট বেড়ে ৮৩৮৬.১৬ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। সিএসইতে প্রথম ঘণ্টায় ৯.২১ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। সকাল ১১টায় ডিএসইতে ব্যাংক, সিমেন্ট এবং মিউচুয়াল ফান্ড খাত ছাড়া অন্য সবগুলো খাতের সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ার দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিলো। প্রথম ঘণ্টার লেনদেন শেষে ডিএসইতে দরবৃদ্ধির শীর্ষে অবস্থান করছিল হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার। গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় ৬.৬৯ শতাংশ দর বেড়ে ফান্ডটি ৫১ টাকা দরে কেনাবেচা হচ্ছিলো। দরবৃদ্ধিতে এরপরের অবস্থানে ছিল অলিম্পিক এক্সেসরিজ (৫১.৫০ টাকা/৬.৪০%), আজিজ পাইপস (২১.৫০ টাকা/৫.৯১%), আইসিবি (১১৫.৫০ টাকা/৫.১৯%), বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানি (১৩১.৩০ টাকা/৪.৮২%)। খাতওয়ারি লেনদেনে ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় এ খাতের ২৩ কোম্পানির ২৬.৬৯ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়। খাতওয়ারি লেনদেনে এরপরের অবস্থানে ছিল প্রকৌশল (১৭.১৩ কোটি টাকা), জ্বালানি ও বিদ্যুৎ (১১.০৬ কোটি টাকা), সেবা ও নির্মাণ (৮.০২ কোটি টাকা), বস্ত্র খাত (৭.৬৭ কোটি টাকা)। একক কোম্পানি হিসেবে সকাল সাড়ে ১১টায় ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। লেনদেনের প্রথম ঘণ্টা পর্যন্ত এ কোম্পানির ৯.৩৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়। শেয়ারটি কেনাবেচা হচ্ছিলো ৬২.২০ টাকা দরে। এরপরের অবস্থানে ছিল সাইফ পাওয়ারটেক (মোট লেনদেন ৭ কোটি টাকা/বাজার মূল্য ৮৫.১০ টাকা), অলিম্পিক এক্সেসরিজ (৬.৮৪ কোটি টাকা/৫১.৭০ টাকা), স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস (৬.৪৮ কোটি টাকা/২৬১.৪০ টাকা), লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট (৪.৫৯ কোটি টাকা/১১২ টাকা)।   Source : সমকাল
View All
Latest DSE News
  • ARGONDENIM

    The Company has informed that, Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) has considered their appeal and decided to reduce the earlier restriction on the Company for raising of capital for 2 (two) years instead of 3 (three) years.

  • AFTABAUTO

    (Q3-Unaudited): Consolidated Net Profit after tax (excluding non-controlling interests) from Mar'15 to May'15 was Tk. 61.43 million with consolidated EPS of Tk. 0.63 as against Tk. 40.57 million and Tk. 0.41 respectively for the same period of the previous year. Whereas consolidated Net Profit after tax from Sep'14 to May'15 was Tk. 177.27 million with consolidated EPS of Tk. 1.86 as against Tk. 189.37 million and Tk. 1.96 respectively for the same period of the previous year.

  • UCBL

    (Continuation news of UCBL): The features of the bond are for raising Tier-II capital bearing nature unsecured, Non-convertible, Non-listed and redeemable for 7 years tenure with interest of Benchmark Rate plus 2.50% margin subject to coupon floor rate of 10% and coupon Ceiling rate of 13.50%. (end)

  • UCBL

    (Continuation news of UCBL): through issuance of coupon bearing subordinated bond of Tk. 500.00 crore through private placement to other than existing shareholders of the company. The consent has been accorded subject to the condition that the company shall comply with the relevant laws and regulatory requirements and also shall adhere to the conditions imposed under Section-2CC of the Securities and Exchange ordinance, 1969. (cont. 2)

  • UCBL

    The Company has informed that the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) has given consent under the provisions of the Securities and Exchange Commission (Issue of Capital) rules, 2001 and Securities and Exchange Commission (Private Placement) Rules, 2012 for raising of capital by UCBL (cont. 1)

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SAMATALETH 22.00 20.00 2.00 10.00
OAL 58.90 53.60 5.30 9.89
BDAUTOCA 25.70 23.40 2.30 9.83
TOSRIFA 35.10 32.00 3.10 9.69
STANCERAM 38.20 35.20 3.00 8.52
UNITEDAIR 10.20 9.40 0.80 8.51
RUPALIINS 17.60 16.30 1.30 7.98
RNSPIN 25.90 24.00 1.90 7.92
HAKKANIPUL 61.00 57.70 3.30 5.72
DUTCHBANGL 90.80 86.10 4.70 5.46

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297