Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
RNSPIN 28.1 23.8 4.30 18.07
MIDASFIN 15.9 13.9 2.00 14.39
GSPFINANCE 30.4 27.6 2.80 10.14
FAREASTFIN 14 12.9 1.10 8.53
MONNOSTAF 326 306.5 19.50 6.36
ICBIBANK 5.2 4.9 0.30 6.12
DBH 71.5 67.6 3.90 5.77
MEGHNAPET 5.7 5.4 0.30 5.56
BEACONPHAR 14.8 14.1 0.70 4.96
NITOLINS 31.5 30.1 1.40 4.65

Contest SB2014_Nov

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
JEWELROY91
3rd
blank_person
ITSLITON
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BATBC 2710 2585 13.92523 1200.00
SAPORTL 68.7 64.9 1.15415 1090000.00
DBH 71.5 66.2 1.14198 124000.00
BEXIMCO 39.7 38.7 1.11591 2387500.00
ACI 382.1 367.2 0.95151 96650.00
Negative impact
TITASGAS 77.7 78.5 -1.46935 186000.00
ICB 1390 1402.5 -0.97912 3050.00
SUMITPOWER 38.5 39.2 -0.88414 430900.00
SQURPHARMA 252 252.6 -0.61750 215860.00
ALARABANK 14.7 15 -0.52746 289500.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BEXIMCO 39.7 40.2 39.1 2.58% 95.10
WMSHIPYARD 58 59.2 56.5 1.40% 74.36
SAPORTL 68.7 69.2 65.4 5.86% 74.08
UCBL 29.1 29.6 28.1 1.39% 68.33
KBPPWBIL 48.8 53.2 48.3 -6.15% 65.36
KEYACOSMET 28.7 28.7 28.1 2.87% 65.12
BXPHARMA 61.9 63.3 61.6 1.14% 57.02
SQURPHARMA 252 253.8 250.7 -0.24% 54.40
JAMUNAOIL 250.3 251.9 246.2 1.38% 46.78
GP 312.8 316.9 312.8 -0.03% 40.89

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 27 Nov 2014

47223
TOTAL TRADE
45.7521
TOTAL VOLUME(Mn)
1811.80
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ন্যাশনাল ফিডের আইপিও লটারির ফলাফল
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দিতে লটারির ফলাফল প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ফিড মিলস। স্টক বাংলাদেশ -এর বিশেষ উদ্যোগে লটারির ফলাফল প্রকাশ করা হলো। ক. সাধারণ বিনিয়োগকারী  ক্লিক করুন খ. ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী  ক্লিক করুন গ. প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের  ক্লিক করুন ঘ. মিউচুয়াল ফান্ড কোটা  ক্লিক করুন ঙ. ব্যাংক কোড  ক্লিক করুন চ. রিফান্ড ও এলোটমেন্ট ক্লিক করুন   রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে লটারির ড্র অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখতার হোসেন বাদল। উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম, স্বতন্ত্র পরিচালক নুরুল আমিন, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ফিরোজ আলম ও কোম্পানি সচিব আরিফুর রহমান। এছাড়াও ইস্যু ম্যানেজার আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও সিডিবিএলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ১৮ কোটি টাকার শেয়ার ইস্যু করবে। এর বিপরীতে ৮১৩ কোটি ২৫ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। ফলে লটারির মাধ্যমে আবেদনকারীদের শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হবে। গত ২৬ অক্টোবর রবিবার থেকে ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেডের আইপিও আবেদন নেওয়া জমা শুরু হয়। স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ৩০ অক্টোবর এবং প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ৮ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সময় পেয়েছেন।
  • কারণ নেই, তবু আরএন স্পিনিংয়ের দর বাড়ছে
    ডেস্ক রিপোর্ট : বস্ত্র খাতের আরএন স্পিনিংয়ের শেয়ার দর বাড়ার কোনো কারণ নেই। শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চাইলে কোম্পানি কতৃপক্ষ এমনটাই জানায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই)। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে বুধবার ডিএসই নোটিশ পাঠায়। এর জবাবে কোম্পানিটি জানায়, কোন রকম মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারটির দর বাড়ছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ৫ কার্যদিবসের মধ্যে মাত্র ১ দিন শেয়ারটির দর সংশোধন হয়েছে। এ সময়ে শেয়ারটির দর বেড়েছে ২৩ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ২৮ টাকা ১০ পয়সা পর্যন্ত। অর্থ্যাৎ  শেয়ারটির দর বেড়েছে ৪ টাকা ৬০ পয়সা বা ২০ শতাংশ। আর শেয়ারটির এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন ডিএসই কতৃপক্ষ। এদিকে গত ৫২ সপ্তাহে শেয়ারটির দর বেড়েছে ২২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৪১ টাকা পর্যন্ত। উল্লেখ্য, ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
  • সংকটে আইপিও বিনিয়োগকারী, লেনদেনে ভয়
    শাহীনুর ইসলাম : পুঁজিবাজারে ঢুকে পড়ছে দুর্বল কোম্পানি। মৌলভিত্তি কোম্পানির তুলনায় দুর্বল কোম্পানিগুলোর মুনাফা বাড়িয়ে আইপিওর মাধ্যমে বাজারে তালিকাভুক্তি করা হয়েছে। এসব কোম্পানির ব্যবসায়িক অবস্থান  ধীরে ধীরে কমছে। প্রিমিয়ামসহ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মূল্য বাড়িয়ে নেয়া হলেও তা পরবর্তীতে লেনদেনের সময় সেই মূল্য আর থাকছে না। ফলে আইপিওতে বিনিয়োগকারীরা থাকছেন পুঁজি ফেরানোর মানসিক সংকটে। তবে বাজার বিশ্লেষক অনেকে এমনটা মনে করেন। এমন সংকট দুর করতে ‘ডিসক্লেজার’ ভিত্তিক আইপিও অনুমোদন না দিয়ে বিশ্বের অন্য পুঁজিবাজারের মতো ‘মেরিট’ ভিত্তিক আইপিও অনুমোদন দেয়া প্রয়োজন। এতে কিছুটা হলেও বাজারে পুঁজি হারানোর মানসিক সংকট কিছুটা কমবে। আইপিওর মাধ্যমে নতুন তালিকাভুক্ত কিছু কোম্পানির চিত্র নীচে তুলে ধরলে পরিস্কার হয়। গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের আথির্ক প্রতিবেদন ও বাজারে শেয়ার লেনদেন চিত্র অনুযায়ী দুবর্ল কোম্পানিগুলোর অবস্থান নড়বড়ে। আথির্ক প্রতিবেদন অনুযায়ী অনেক কোম্পানি ভালো করতে পারেনি। ফলে বিনিয়োগকারীর আশঙ্কা, বিনিয়োগকরা টাকা কি ফেরত আসবে? খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ লিমিটেড : সম্প্রতি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আসা খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন গতকাল ১৮ নভেম্বর, মঙ্গলকার থেকে  ‘এন’ ক্যাটাগরীতে শুরু হয়েছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে দেখা যায় কোম্পানিটির দর বাড়তে থাকে। লেনদেন শুরু হওয়া মাত্রই কোম্পানিটির দর ৪৭ টাকা দিয়ে শুরু হয় এবং ৭৬.৬০ টাকায় দিন শেষে তা শেষ হয়। প্রাপ্ততথ্যে দেখা গেছে, ১০ টাকার শেয়ার কিনতে হচ্ছে ৭৬ টাকায়। আর সাধারণ বিনিয়োগকারী কেনই বা  কিনছেন? লেনদেন শুরুর আগে  চলতি অর্থ বছরে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটিতে নীট মুনাফা ৭ কোটি ৪৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১.৭১ টাকা হয়েছে। এ ছাড়া শেয়ারপ্রতি সম্পদ হয়েছে (এনএভিপিএস) ১৫.৮৫ টাকা। বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ ক্যাশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। গত বছরগুলোতে কোন লভ্যাংশ দেয়নি। উঠে আসে চাঞ্চল্যকর আরো তথ্য। আইপিওতে আসা প্রতিটি কোম্পানিই ১০ টাকার শেয়ার থাকে ১০০ টাকার উপরে। এখানে আপনার যতো স্টক থাকবে ততো লাভ। ক্যাশ টাকা লভ্যাংশ ঘোষণা করলে তা পাবেন ১০ টাকার ভিত্তিতে। প্রশ্ন আসে- কোম্পানি এ সময় স্টক লভ্যাংশ  দিবে না ? স্টক লভ্যাংশ কারা পাচ্ছে ? যারা আগে থেকে বেশী শেয়ার (Placement) কিনে রেখেছে তারাই পাচ্ছেন বেশী। তাহলে লাভবান কারা? খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ লিমিটেডের  আইপিও পরবর্তী  ইপিএস হয়েছে ০.৩৪ পয়সা। কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের (Q1) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদেনে এ তথ্য বেরিয়ে আছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ হয়েছে ২৪.১৩ টাকা। শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস করেছে ০.৩৪ টাকা । যা আগের বছর একই সময়ে শেয়ারপ্রতি সম্পদ ছিল ২৪.১৩ এবং ইপিএস ছিল ০.৫৫ টাকা । অর্থাৎ গত বছরের সাথে তুলনা করলে দেখা যায় শেয়ার প্রতি আয় -০.২১ এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ -২.৩২ কমেছে। খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ লিমিটেডের ব্যবসায়িকভাবে গত দুই বছর ধরে নিম্নমুখী ধারায় রয়েছে। ফার কেমিক্যাল : পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা গেছে, ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের আথির্ক প্রতিবেদন অনুযায়ী ফার কেমিক্যালের মুনাফা কমেছে। খান ব্রাদার্স পিপি ওভেনের মতেই বলা যেতে পারে। গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ২.৯০ টাকা । এ সময় কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ২৩ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। যা তালিকাভুক্তির আগের বছরের তুলনায় ১৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এদিকে কোম্পানির সর্বশেষ প্রান্তিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ০.৪৪ টাকা। যদিও গত বছর একই সময় কোম্পানির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছিল ৭ কোটি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ০.৮৯ টাকা। অর্থাৎ চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকেও কোম্পানির মুনাফা কমেছে প্রায় অর্ধেকের বেশি। সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড : কর পরিশোধের পর মুনাফা কমেছে সর্বশেষ প্রান্তিকে। এসময় কোম্পানির কর পরিশোধের পর মুনাফা কমেছে প্রায় ৭৮ লাখ ৬০ হাজার। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৯৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ২০১১, ২০১২ ও ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির মুনাফা রয়েছে নিম্নমুখী ধারায়। এদিকে তালিকাভুক্তির পর বাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর অধিকাংশের ডিভিডেন্ডও রয়েছে নিম্নমুখী।
  • ন্যাশনাল ফিডের আইপিও লটারির ড্র চলছে
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা তুলেছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ন্যাশনাল ফিড। কোম্পানিটির আইপিও লটারির ড্র হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। রাজধানীর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটে  ড্র অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে অনুষ্ঠানে  কোম্পানি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত আছেন। সূত্র জানায়, কোম্পানিটির আইপিওতে ৪৫ গুণ বেশি আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটি ১৮ কোটি টাকার শেয়ার ইস্যুর জন্য আবেদন আহ্বান করেছিল। এর বিপরীতে ৮১৩ কোটি ২৫ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে। আইপিওতে ১ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন পেয়েছে ন্যাশনাল ফিড। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে কোম্পানিটি বাজারে শেয়ার ছেড়েছে। আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ১৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে তারা। কিন্তু এর বিপরীতে জমা পড়েছে ৮১৩ কোটি ২৫ টাকার আবেদন। এ হিসাবে কোম্পানিটির আইপিওতে ৪৫ দশমিক ১৮ গুণ আবেদন পড়েছে। জানা গেছে, ব্যাংকের মাধ্যমে ৬২৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা এবং মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে ৫ কোটি ও ট্রেকহোল্ডারের মাধ্যমে ১৮১ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এর আগে গত ২৬ অক্টোবর রোববার থেকে ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন জমা শুরু হয়। আবেদনের শেষ সময় ছিল গত ৩০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার। তবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আবেদন পৌঁছানোর জন্য ৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময় পেয়েছেন। গত ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়। গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮৫ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য বা এনএভি ১৪ টাকা ৫৫ পয়সা। প্রতিষ্ঠানটি পোল্ট্রি, ডেইরি ফার্ম ও ফিশারিজ খামারের জন্য খাদ্য উৎপাদন করে। পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহের পর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াবে কোম্পানিটি। এছাড়া সংগৃহীত অর্থের একটি অংশ দিয়ে মেয়াদী ও চলতি মূলধনের চাহিদা মেটানো হবে। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট।
  • ৩ ডিসেম্বর আরএন স্পিনিং মামলার শুনানী
    ডেস্ক রিপোর্ট : আরএন স্পিনিংয়ের উদ্যোক্তাদের শেয়ার জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলার রিট শুনানীর দিন ধার্য করেছে আদালত। আগামী ৩ ডিসেম্বর ওই শুনানী অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী এবং মোঃ খসরুজ্জামানের বেঞ্চ মামলাটি শুনানীর জন্য দিন ধার্য করে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। রাইট শেয়ার নিয়ে জালিয়াতি করায় ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আরএন স্পিনিংয়ের উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বিক্রি, হস্তান্তর, বন্ধক ও উপহার দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। একই সঙ্গে কমিশনে দাখিল করা রাইট শেয়ার সংক্রান্ত কাগজপত্রে জালিয়াতির দায়ে কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির মামলা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। হাইকোর্ট ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিএসইসির নির্দেশনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এখন পর্যন্ত তিন দফা ওই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। উল্লেখ্য, মামলার কারণে ২০১১ সালের পর আর কোনো বছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটি।
  • বৃহস্পতিবার ৪ কোম্পানির লেনদেন বন্ধ
    ডেস্ক রিপোর্ট : রেকর্ড ডেটের কারণে আগামীকাল বৃহস্পতিবার তালিকাভুক্ত ৪ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, অ্যাটলাস বাংলাদেশ, দুলামিয়া কটন ও শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। উল্লেখ্য, কোম্পানিগুলোর শেয়ার বুধবার স্পট মার্কেটে লেনদেন শেষ হয়েছে।
  • পরবর্তী সাপোর্টের কাছাকাছি ডিএসই এক্স ইনডেক্স
    মেহেদী আরাফাত : বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসই এক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে বিক্রয়চাপের ফলে নিন্মমুখি প্রবনতা নিয়ে হ্রাস পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে পুনরায় বিক্রয়চাপের ফলে দিনশেষে ডিএসই এক্স ইনডেক্স  আবারো নিন্মমুখি হতে থাকে এবং ৪৭.৮৩ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক  তৈরি করে।  ডিএসই এক্স ইনডেক্স ৪৭.৮৩ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪৭৫৬.৬১ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.৯৯% হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৭৪৮ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৫০০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল  ৩০.৩৪ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ১৭.৭০ । এম.এফ.আই এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর নিন্মমুখি আবস্থান করছে । ডিএসইতে ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৭ হাজার ৪৩  টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৩১২.৭০ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন হ্রাস  পেয়েছে ৩৪ কোটি টাকা।ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০৪ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১০১ টির, কমেছে ১৬৮ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজ বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ২০-৫০, ১০০-৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৫৪.৫২% এবং ৩.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে হ্রাস পেয়েছে ০-২০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের  যা আগেরদিনের তুলনায় ১০.৫% কম। অন্যদিকে ৫০-১০০ এবং ৩০০ কোটি টাকার ওপরে পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় যথাক্রমে আজ ১.১৯% এবং ৩৭.৪% হ্রাস পেয়েছে। পিই রেশিও ২০-৪০ এর  মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায়  ২২.০৮% হ্রাস পেয়েছে। হ্রাস পেয়েছে  পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন যার পরিমান আগের দিনের তুলনায়  ৩.৪৪% কম ছিল। অন্যদিকে পিই রেশিও  ৪০ এর ওপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন  আগের দিনের তুলনায়  ৮.১৯% হ্রাস পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ পিছিয়ে ছিল ‘এন’ এবং ‘জেড’ ‘ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ২০.৮৬% এবং ৬.১৭% কম ছিল। আজ হ্রাস পেয়েছে ‘এ’, বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ৭.৬৭% এবং ১.৫% কম ছিল।
  • নেতিবাচক প্রভাবের সিদ্ধান্ত নেবে না মার্চেন্ট ব্যাংক
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি তানজিল চৌধুরী বলেছেন, পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। বুধবার হোটেল পূর্বাণীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।সম্প্রতি মার্জিন ঋণখেলাপীদের তালিকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোতে (সিআইবি) অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বিএমবিএ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে প্রাথমিক প্রস্তাব দেয়। এর ফলে সম্প্রতি পুঁজিবাজারে নেতিবাচক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন মহলে আলোচনা সমালোচনা করেছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে বিএমবিএ। তানজিল চৌধুরী বলেন, মার্জিন ঋণখেলাপীদের তথ্য সিআিইবি রিপোর্টে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে, অনেকে বলেছেন এ কারণে মার্কেটে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কিন্তু বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মার্চেন্ট ব্যাংক এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবটা শুধুমাত্র আলোচনার জন্য বিএসইসি’র কাছে দেওয়া হয়েছে। মার্কেটে প্রভাব ফেলার জন্য দেওয়া হয়নি। সিআইবিতে মার্জিন ঋণখেলাপীদের তথ্য অন্তর্ভুক্তির কথা বলা হয়েছে যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবে নয়। এটা আসলে মার্চেন্ট ব্যাংকের স্বচ্ছতার জন্য। এই প্রস্তাব ইসি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেই দেওয়া হয়েছে। আর এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হবে না। এটা নিয়ে বিএসইসির সঙ্গে বিষদ আলোচনা করা হবে। নমনীয়ভাবে যে সিদ্ধান্ত আসে সেটাই করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে বিএমবিএর দ্বিতীয় সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান বলেন, আমার মতে, এটার কারণে বাজারে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। সিআইবি এর বিষয়ে একেক জন একেকটা মনে করতে পারেন। হোটেল পূর্বাণীতে সকাল ১০টায় সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমবিএ’র মহাসচিব ও আইসিবি ক্যাপিটালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মশিউর রহমান ও বিএমবিএর সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ এ হাফিজ।
  • ব্যাংকে আইপিও প্রাথীদের ভিড় লক্ষণীয়
    হোসাইন আকমল : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করছে ইফাদ অটোস লিমিটেড। গত ২৩ নভেম্বর রোববার থেকে শরু হয়ে ২৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওর আবেদনপত্র জমা দানের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটির আইপিও টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। অন্য আইপিওর চেয়ে ইফাদ অটোর আইপিওতে অনেকটা সাড়া পড়েছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মতিঝিলের কয়েকটি ব্যাংকের র্দীঘ লাইন ও অনেক সিকিউরিটিসে খোঁজ নিয়ে এমন তথ্য জানা গেছে। তবে সিকিউরিটিজ হাউসের তুলনায় ব্যাংকে আইপিও প্রাথীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। কারওয়ান বাজার শাখার মার্কেনটাইল ব্যাংকে বুধবার দুপুরে এপর্যন্ত জেনারেল ২ হাজার ১৩টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৩০১ টি আবেদন জমা পড়ে। ঢাকা ব্যাংকে জেনারেল ৪০০টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৫৭ টি, সাউথইস্ট ব্যাংকে জেনারেল ২ হাজার ৩০০টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় ২৫০টি আবেদন জমা পড়ে। কারওয়ানবাজারে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে কথা হয় আইপিও আবেদনকারী আশরাফের সঙ্গে। তিনি বলেন, অন্য কোম্পানিগুলোর তুলনায় এ কোম্পানি খুব ভালো করবে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, কোম্পানির বেশ সুনাম রয়েছে। সিকিউরিটজ হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন না করে দীর্ঘ লাইনে কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেক আগে থেকে চালু হলেও আমি এখনো শুরু করিনি। তবে আগামীতে শুরু করবো । মতিঝিলের মার্কেন্টাইল ব্যাংকের এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, এমন অবস্থা হয়েছিল বিএসআরএম কোম্পানির আইপিওতে। ইফাদ অটোতে একই অবস্থা রয়েছে। তবে কোম্পানি অনেক ভালো করবে বলে তিনি অনেক আশাবাদী। [caption id="attachment_20862" align="aligncenter" width="489"] কারওয়ানবাজারে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে দীর্ঘ লাইন[/caption] এ বিষয়ে ইফাদ অটোস লিমিটেডের সিএফও আবু সাঈদ আহমেদ বলেন, আইপিও নিয়ে আমরা অনেক আশাবাদী। আগাম কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫২৭তম সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। ইফাদ অটোস পুঁজিবাজার থেকে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহিত অর্থ দিয়ে কোম্পানির এসেম্বিং প্লান্ট, গাড়ির বডি বিল্ডিং ইউনিট নির্মাণ এবং প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা হবে। ইফাদ গ্রুপের ইফাদসহ রয়েছে মোট ৮টি প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে ৬টি কোম্পানি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বেশ ভালোভাবেই পরিচালনা করছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইফাদ অটোস লিমিটেড, ইফাদ এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, ইফাদ অটোমোবাইলস লিমিটেড, ইফাদ এগ্রো কমপ্লেক্স লিমিটেড, ইফাদ মাল্টি প্রডাক্টস লিমিটেড ও ইফাদ মাল্টি এন্ড ক্যামিকেলস লিমিটেড। সব প্রতিষ্ঠানে রয়েছে অভিজ্ঞ পরিচালক মণ্ডলী। তার মধ্যে শুধুমাত্র ইফাদ অটোস পুঁজিবাজারে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো পুঁজিবাজারে আওতাভুক্ত হয়নি। তবে প্রতিষ্ঠানগুলো ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলছে। ইফাদ গ্রুপের ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি ফেস ভ্যালু নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। এর সঙ্গে বাড়তি ২০ টাকা প্রিমিয়াম মিলে শেয়ারপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। কোম্পানিটির ২০১২ সালে ইপিএস ছিল ২.৯৬ টাকা। ২০১৩ সালে তা বেড়ে হয়েছে ২.৯৮ টাকা এবং এরপরে ২০১৪ সালে ইপএিস প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৫.১৬ টাকায় দাঁড়ায়।
  • শাশা ডেনিমসের ‘আমলনামা’, দ্বিতীয় পর্ব
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা তোলার অনুমোদন পেয়েছে শাশা ডেনিমস কোম্পানি লিমিটেড। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে অনুমোদন দেয়া হয়। আগামী ১৪ থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিও আবেদনপত্র জমা দানের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য সুযোগ থাকবে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি আইপিও টাকা উত্তোলন করবে বলে জানানো হয়। রাজধানীর বিজয়নগরে কোম্পানির বিশেষ এক কার্যালয়ে সোমবার কথা হয় শাশা ডেনিমস কোম্পানি লিমিটেডের সিএফও আহসানুল হক সোহেল ও ফাইন্যান্স ম্যানেজার আলী ইমাম জুয়েলের সঙ্গে। কোম্পানির আইপিও নিয়ে আলাপ চারিতায় উঠে আসে নানা প্রসঙ্গ। তবে কোম্পানির ওডিট রিপোর্ট নিয়ে কথা বলতে চাইলে তারা আপত্তি তোলেন। কারণ, এবিষয়ে তারা আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। ‘আইপিও বিষয়ে বিভিন্ন জনে কাজ বন্টন করে নেয়া হয়েছে। আপনার অন্য কোন বিষয় থাকলে ফাইন্যান্স ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন’ বলে ধুম্রজাল সৃষ্টি করেন কোম্পানির সিএফও আহসানুল হক সোহেল। আইপিও’র ওডিট রিপোর্ট নিয়ে পরবর্তীতে তারা আলোচনার জন্য বিশেষ ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে বলেন। তিনি হলেন- কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার এ এফ সি ক্যাপিটালের উদ্যোক্তা মো. সাইদুর রহমান। রাজধানীর মতিঝিলে মঙ্গলবার দুপুরে কথা হয় তার সঙ্গে। স্টক বাংলাদেশ -এর প্রচেষ্টায় পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো চুম্বক কিছু অংশ। সাক্ষাতকার গ্রহণ করেছেন- শাহীনুর ইসলাম। কোম্পানির ২০১০ সালে ইপিএস ছিল ১.৬৯টাকা। ২০১১সালে ২.৩৭ টাকা এবং তা বেড়ে ২০১২ সালে হয়েছে ২.৫৭ টাকা। এরপরে ২০১৪ সালে তা আরো বেড়ে হয়েছে ৪.২৫টাকা। হঠাৎ ইপিএস বাড়লো কিভাবে? উত্তরে সাইদুর রহমান বলেন, কোম্পানির ওডিট রিপোর্টে দেখুন। ধারাবাহিকভাবেই কোম্পানির ইপিএস ও ন্যাভ বেড়েছে। ফান্ডামেন্টাল হিসেবে কিছু কোম্পানি ভালো করেছে। ২০১২ এবং ২০১৩ সালে রাজনীতিক উত্তাপ ছিল বেশি, দেশের অর্থনীতি ঝিমিয়ে পড়েছিল। এমন সময়ে হঠাৎ কোম্পানির ইপিএস প্রায় দ্বিগুণ। কীভাবে সম্ভব? সাইদুর রহমান বলেন, সঠিক। তবে সেক্টর অনুযায়ী অর্থনীতি এই ফল্ট বেশি করেছে। এরমধ্যে কিছু কোম্পানি টিকেও ছিল, বেশ ভালোও করেছে। প্রফিট প্যাটার্ন তুলে ধরে উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কোম্পানি ২০০৯ সালে ৪ কোটি, ২০১০ সালে ৮ কোটি, ২০১১ সালে ১১ কোটি ২০১২ সালে ১২ কোটি এবং ২০১৩ সালে ২০ কোম্পানি ২০ কোটি টাকা প্রফিট করেছে। ‘প্রফিট করেছে’ তাহলে কোম্পানি লভ্যাংশ কেন দিলো না -এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি হেসে বলেন, এটা ওনাররা আসলে কিভাবে দেবে, না দেবে -তারাই নির্ধারণ করেন। আর ২০১৩ সালের লভ্যাংশ দিতে আইনগত অনুমোদন লাগবে। সাবসিডিয়ারি কোম্পানি ইঞ্জিনিয়ারিং পাওয়ার করপোরেশন পরিচালনার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা কোম্পানির দায়ভার। কোম্পানির যেভাবে চাইবে সেভাবেই পরিচালিত হবে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৭৫ কোটি  টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম মিলে মোট ৩৫ টাকা মূল্যে কোম্পানিটি শেয়ার ইস্যু করবে। আগের সপ্তাহে এক সাক্ষাতকারে শাশা ডেনিমস লিমিটেডের ফাইন্যান্স ম্যানেজার আলী ইমাম জুয়েলের সঙ্গে কোম্পানির প্রিমিয়াম নিয়ে আলোচনা হয়। ‘প্রিমিয়ামের স্রোতে’ গা ভাসানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন-  কোম্পানির ইপিএস ও ন্যাভ ভালো। তাছাড়া ভালো কোম্পানি ভালো প্রিমিয়াম নিয়ে আসবে এটাই স্বাভাবিক। বাজারে আমাদের যে সুনাম রয়েছে প্রিমিয়াম দিয়ে তার মূল্যায়ন করা হয়েছে। কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ৬ মাস পার হতে না হতেই রাইট শেয়ার ছাড়তে প্রস্তুতি নেয়। রাইট নিয়ে আগাম কোন চিন্তা এবং আইপিওর টাকায় ঋণ পরিশোধ সম্পর্কিত আলোচনা করতে তিনি রাজী হননি। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৭৩ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ৫২ টাকা ৯৫ পয়সা । কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা টাকা কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যংক ঋণ পরিশোধে ব্যয় হবে। ইউরোপ ও আমেরিকায় রপ্তানিমুখী কোম্পানিটি প্রতিমাসে ১.৮ মিলিয়ন ইয়ার্ডস পণ্য তৈরি করে। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এ এফ সি ক্যাপিটাল ও ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড। পেছনের খবর :  (প্রথম পর্ব) শাশা ডেনিমসের ‘আমলনামা’ আরো খবর : ১৪ ডিসেম্বর থেকে শাশা ডেনিমসের আইপিও আবেদন
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • বিশ্ববাজারে তেলের দাম নির্ধারণ হবে
    তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেকের বৈঠক আজ ভিয়েনায় বসছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ বা ওপেকের এই বৈঠকে পরোক্ষভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম নির্ধারণ হতে পারে। অর্থাৎ ওই দেশগুলো তাদের তেল উৎপাদন কমানো বা বৃদ্ধির উপর বিশ্ববাজারে তেলের দাম নির্ধারিত হয়ে থাকে। জুন থেকে বিশ্বের বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের (ব্রেন্ট ক্রুড) দাম ৩৪ শতাংশ পড়ে ১৪ নভেম্বর ৭৬.৭৬ ডলারে দাঁড়ায়। এরপরেও ওপেক অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো তাদের তেল উৎপাদনের পরিমাণ দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেল কমানোর বিষয়ে সহমত না হলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরো কমে যাবে বলেই কমোডিটি ফান্ড ম্যানেজাররা বলেছেন। লুপসা আলফা কমোডিটি ইনভেস্ট ফান্ডের ড্যানিয়েল বাথ বলেন, 'আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ক্রমাগত কমতে থাকায় শঙ্কিত হয়ে তেলে লগি্নকারীরা তা বিক্রি করতে শুরু করলে তেলের দাম আরো পড়তে পারে। ওপেক দেশগুলোর তেল উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি আমেরিকার শেল অয়েলের পর্যাপ্ত জোগানের ফলে চলতি বর্ষের এপ্রিল-জুন মাস থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ক্রমাগত পড়ছে। ইউরোপ ও এশিয়ার দুর্বল চাহিদাও এর অন্যতম কারণ। এর ফলে, উৎপাদন দৈনিক ৫০ হাজার ব্যারেল কমলেও পরিস্থিতি খুব একটা পাল্টাবে না বলেই বিনিয়োগকারীদের ধারণা। আরসিএমএ ক্যাপিটালের চিফ ইনভেস্টমেন্ট অফিসার ডগ কিং বলেন, 'তেলের দৈনিক উৎপাদন ১০ লাখ ব্যারেল কমলেও প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ৭০ ডলারে চলে আসবে। ওপেক দেশগুলো উৎপাদন কমানোর বিষয়টি নিয়ে সহমত না হলে তা দ্রুত কমে ব্যারেল প্রতি ৬০ ডলার হতে পারে'। অন্যদিকে, ২০০৮ সালের মতো এবার তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী করতে তেলের উৎপাদন কমানোর পথে যেতে চাচ্ছে না সৌদি আরব। আমেরিকাতেও তেলের উৎপাদন বেড়েই চলেছে। ইউএস এনার্জি ইনফর্মেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, নভেম্বর নাগাদ মার্কিন মুলুকে শেল অয়েলের উৎপাদন বেড়ে দৈনিক ১.০৬ লাখ ব্যারেলে পৌঁছবে। বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ক্রমাগত কমতে থাকলেও সৌদি আরবের মতো বিশ্বের মূল তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর উৎপাদন না কমানোর মানসিকতায় বিশেষ ইঙ্গিত লক্ষ্য করছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। পত্রিকাটির সন্দেহ, তেল নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক রাজনীতি শুরু হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব যেভাবে উৎপাদন ও জোগান বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ফেলে দিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন দ্রুততর করেছিল, এবারো রাশিয়া-ইরানকে বাগে আনতে একই কৌশল নেয়া হচ্ছে বলে পত্রিকাটিতে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।    Source : যায়ে যায়ে দিন 
  • আর্থিক সঙ্কটে মার্চেন্ট ব্যাংক
    তথ্য গোপন করে ঋণ নেয়ায় অনেক মার্চেন্ট ব্যাংকই আর্থিক সঙ্কটে পড়েছে। এই সঙ্কট থেকে উত্তরণের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। বুধবার হোটেল পূর্বাণীতে অনুষ্ঠিত বিএমবিএর সাধারণ সভায় (জিএম) এমন অভিমত ব্যক্ত করেন অধিকাংশ মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধিরা। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, সাধারণ ব্যাংকিংয়ের মতো মার্চেন্ট ব্যাংকের ঋণের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বিএমবিএ'র সভাপতি তানজিল চৌধুরী মহাসচিব, আইসিবি ক্যাপিটালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মশিউর রহমান, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ এ হাফিজ। এছাড়া সম্প্রতি এ দাবিতে বিএসইসির কাছে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব দিয়ে চিঠি দেয় সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবিতে ব্যাংকিং ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতাদের তথ্য সংরক্ষিত থাকে। কিন্তু মার্চেন্ট ব্যাংকে যারা মার্জিন ঋণখেলাপি, তাদের তথ্য সিআইবিতে সংরক্ষিত থাকে না। ফলে মার্জিন ঋণখেলাপি গ্রাহক একাধিক মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারেন তথ্য গোপন করে। এ প্রবণতা ঠেকাতে এবং বর্তমানে বিপুল পরিমাণ বকেয়া মার্জিন ঋণের চাপে বিপর্যস্ত মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বাধ্য হয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। ঋণখেলাপিরা পরবর্তী সময়ে নতুন করে ঋণের আবেদন করতে গেলে তাদের সিআইবি ছাড়পত্র লাগবে। সিআইবি ছাড়পত্রে কেউ ঋণখেলাপি থাকলে তিনি নতুন করে মার্জিন ঋণ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে ঋণখেলাপি ব্যক্তি দেশের কোনো ব্যাংক বা নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিতে পারবেন না। ঋণখেলাপি বিনিয়োগকারী কোনো কোম্পানির পরিচালক হলে তার প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে আসার অনুমতি পাবে না। তিনি তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালক হলে ওই কোম্পানি পুনঃগণপ্রস্তাব (আরপিও) বা রাইট শেয়ার ছাড়তে পারবে না। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি তানজিল চৌধুরী বলেন, সিআইবি রিপোর্ট মার্চেন্ট ব্যাংকের স্বচ্ছতার জন্য। শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না।    Source : যায়ে যায়ে দিন 
  • বেসরকারি বিদেশি ঋণে বাড়তি সতর্কতা
    বেসরকারি খাতের কোনো কোনো উদ্যোক্তা এক খাতের নামে ঋণ নিয়ে তা ব্যবহার করছেন অন্য খাতে। স্বল্প সুদের বিদেশি ঋণ এনে দেশীয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের ঘটনাও ঘটছে। অপব্যবহারের কারণে বিদেশি ঋণ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় এখন লাগাম টানার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিনিয়োগ বোর্ড। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবর পর্যন্ত আমদানির জন্য স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণের স্থিতি (বায়ার্স ক্রেডিট) কিছুটা কমে ৩১৯ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে গঠিত বিনিয়োগ বোর্ডের বাছাই কমিটিও এখন বিদেশি ঋণ অনুমোদনে বাড়তি সতর্কতা দেখাচ্ছে। বিনিয়োগ বোর্ড অনুমোদিত ঋণ এবং বায়ার্স ক্রেডিট মিলিয়ে বর্তমানে বেসরকারি খাতে ৮০০ কোটি ডলার বা ৬৫ হাজার কোটি টাকার মতো বিদেশি ঋণ রয়েছে। মূলধনী যন্ত্রপাতি ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানির জন্য বায়ার্স ক্রেডিটের মাধ্যমে এক বছরের কম সময়ের জন্য বিদেশি ঋণ নেওয়া যায়। এক বছরের বেশি মেয়াদে ঋণ নিতে হলে আবেদন করতে হয় বিনিয়োগ বোর্ডের কাছে। তবে অনেক প্রতিষ্ঠান স্বল্প মেয়াদে ঋণ এনে পরে তা দীর্ঘমেয়াদি ঋণে পরিণত করছে। এ ছাড়া কাঁচামাল আমদানির জন্য ঋণ নিয়ে ভোগ্যপণ্য, উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন পণ্য নিয়ে আসার ঘটনা ঘটেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ সমকালকে বলেন, বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভালোভাবে দেখে-শুনে দেওয়ার কথা বেশ আগ থেকেই তিনি বলে আসছেন। কেননা, রফতানি আয় থেকে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা নেই এমন প্রতিষ্ঠান ঋণ পেলে পরে পরিশোধ করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি মনে করেন, কিছু উদ্যোক্তা আছেন, যারা সব সময়ই এক খাতের নামে ঋণ নিয়ে অন্য খাতে ব্যবহারের চেষ্টা করেন। তবে শুরু থেকে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি জোরদার হলে বিদেশি ঋণ অপব্যবহারের সুযোগ থাকত না।বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন ও বিনিয়োগ বোর্ডের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এ নিয়ে সমকালে দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। গত ৪ জুন 'শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ঋণে আসছে ভোগ্যপণ্য' এবং ২৪ সেপ্টেম্বর 'বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণও খেলাপি হচ্ছে, মেয়াদ বাড়ানোর হিড়িক' শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া গবেষকরাও বিদেশি ঋণ বাড়ায় উদ্বেগ জানিয়ে আসছেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদেশি ঋণ নিরুৎসাহিত করতে এক বছরের মধ্যে গ্রাহকের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা যাচাই করে বায়ার্স ক্রেডিটের বিপরীতে এলসি খোলার বিষয়ে ১১ নভেম্বর একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত আগস্টের এক নির্দেশনায় এ ধরনের ঋণ বাড়তে থাকায় পরিশোধের ঝুঁকি বিবেচনায় ছয় মাস অতিক্রম হওয়ার পর থেকে কিছু ক্ষেত্রে ত্রৈমাসিক ভিত্তিকে ঋণ পরিশোধ করতে বলা হয়।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, স্বল্পমেয়াদি ঋণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রেও আগের চেয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এতদিন কোনো গ্রাহক বিনিয়োগ বোর্ডের কাছে আবেদন করলে খুব একটা যাচাই-বাছাই না করে শুধু ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বিচারে ঋণের অনুমোদন দেওয়া হতো। তবে টেলিকম খাতের অন্যতম প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক তাদের অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন কাজে সম্প্রতি ৫৮ লাখ ডলার ঋণের আবেদন করলে প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে যাচাইয়ের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন বিভাগে পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট বিভাগ পরিদর্শন করে সর্বোচ্চ ৩৮ লাখ ডলার ঋণ অনুমোদনের সুপারিশ করে। পরে এই সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে। এই ঘটনার পর আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানের ঋণের প্রয়োজনীয়তা যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে ওই বিভাগে।প্রাপ্ত তথ্যমতে, চলতি বছরের শুরু থেকে এ সময় পর্যন্ত বিনিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে ১১০ কোটি ডলার ঋণ এসেছে। বছরের শুরুতে যেভাবে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছিল শেষ দিকে এসে দেওয়া হচ্ছে কম। এর আগে গত বছর বিনিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে এসেছিল ১৮২ কোটি ডলার। ২০১২ সালে ১০৪ কোটি ডলার, ২০১১ সালে ৮২ কোটি ডলার এবং তার আগের বছর এসেছিল ৩০ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে বিনিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে আনা ঋণের পরিমাণ এখন ৫০০ কোটি ডলারের বেশি রয়েছে। আর গত অক্টোবরে এলসি খুলে বায়ার্স ক্রেডিটের বিপরীতে বিদেশি ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৩১৯ কোটি ডলার। অর্থবছরের প্রথম মাস গত জুলাইয়ে যা ৩৩৫ কোটি ডলার ছিল। এতে চার মাসে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ কমেছে প্রায় ১৬ কোটি ডলার। এর আগে প্রায় প্রতি মাসেই তার আগের মাসের তুলনায় ঋণ বাড়ার প্রবণতা ছিল। বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে বায়ার্স ক্রেডিট ছিল ২৯৫ কোটি ডলার। অস্বাভাবিক হারে ঋণ বাড়া ও এক খাতের ঋণ অন্য খাতে ব্যবহারের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে বিদেশি ঋণের লাগাম টানার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।রফতানি ও রেমিট্যান্সের পাশাপাশি এসব ঋণের প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হু হু করে বাড়ছিল। গত আগস্টে রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করার পর অক্টোবরেও তা ২২ বিলিয়ন ডলারের উপরে ছিল। তবে বর্তমানে রিজার্ভ ২১ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে এসেছে। ঠিক এক বছর আগে গত বছরের নভেম্বরে রিজার্ভ ১৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরে ছিল। তার আগের একই সময়ে ছিল ১২ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। দীর্ঘ সময় পর গত অক্টোবরে রফতানি কমেছে ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং প্রবাসী আয় ১৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ কমেছে। আর সেপ্টেম্বরে আমদানি বেড়েছে ২৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এর প্রভাবে দীর্ঘ তিন বছর পর গত সেপ্টেম্বর শেষে দেশের চলতি হিসাবে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। প্রায় তিন বছর পর বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা মেটাতে গত সোমবার পাঁচটি ব্যাংকের কাছে চার কোটি ৫০ লাখ ডলার বিক্রি করতে হয়েছে। অথচ গত তিন বছরে বাজার থেকে ১১০২ ডলার কিনতে হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। এ পরিস্থিতিও বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করেছে। কেননা এসব ঋণ আবার বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ করতে হবে।   Source : সমকাল
  • গ্যাস-বিদ্যুতের দাম না বাড়াতে চট্টগ্রাম চেম্বারের আহ্বান
    চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি না করতে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানী বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরীর প্রতি গতকাল বুধবার এক জরুরি পত্রের মাধ্যমে আহ্বান জানান। বিতরণ কোম্পানি ও সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) দেয়া প্রস্তাবনানুযায়ী জানুয়ারির মধ্যে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা হবে বলে সম্প্রতি কমিশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে জানানোর প্রেক্ষিতে তিনি এ আহ্বান জানিয়েছেন। পত্রে চেম্বার সভাপতি বলেন, গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকা- স্থবির হয়ে পড়েছিল। বর্তমান সরকার নতুন করে ক্ষমতাগ্রহণের পর সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় সাধারণ মানুষ ধীরে ধীরে আর্থিক দুরবস্থা কাটিয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পসহ নি¤œ ও নি¤œ-মধ্যবিত্তদের জীবিকা নির্বাহ অত্যন্ত চাপের মুখে পড়বে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ প্রসঙ্গে মাহবুবুল আলম বলেন, সরকারের গত মেয়াদে ৬ দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। তাই বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সমীচীন হবে না। তবে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ আরো হ্রাস করার পাশাপাশি নি¤œ ও নি¤œ-মধ্যবিত্তদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনাপূর্বক আবাসিকখাতে প্রতি চুলা সর্বোচ্চ ৫৫০ টাকা এবং দুই চুলা সর্বোচ্চ ৬৫০ টাকা নির্ধারণ করা হলে তা সব দিক দিয়ে গ্রহণযোগ্য হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।    Source : ইনকিলাব
  • বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার মতো সিদ্ধান্ত নিবে না বিএমবিএ
    পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিবে না বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। গতকাল বুধবার বিএমবিএ সভাপতি তানজিল চৌধুরী বলেছেন, আমরা বাজার ইতিবাচক হওয়ার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা কেন পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার মতো সিদ্ধান্ত নেবো। বিএসইসির কাছে বিএমবিএ যেসব প্রস্তাব দিয়েছে সেগুলো প্রয়োজনের নিরিখেই দেয়া হয়েছে। বিএসইসি সেগুলো বিচার-বিবেচনা করার পরই বাস্তবায়নের বিষয় আসবে। গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি  হোটেলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় বিএমবিএর সহ-সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান ও সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ এ হাফিজসহ বিএমবিএর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।মার্জিন ঋণ ব্যবস্থাপনায় সম্প্রতি বিএসইসির কাছে বেশ কিছু সুপারিশ করেছে বিএমবিএ। কেউ কেউ এসব প্রস্তাবের ফলে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে ধারণা করছেন। এরই প্রেক্ষিতে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে তানজিল চৌধুরী বলেন, মার্জিন ঋণ খেলাপীদের তথ্য সিআইবি রিপোর্টে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে, অনেকে বলেছেন এ কারণে মার্কেটে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কিন্তু বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মার্চেন্ট ব্যাংক এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিবে না। তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত প্রস্তাব শুধু আলোচনার জন্য বিএসইসির কাছে দেয়া হয়েছে। মার্কেটে প্রভাব ফেলার জন্য দেয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, এটা আসলে মার্চেন্ট ব্যাংকের স্বচ্ছতার জন্য ইসি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেই দেয়া হয়েছে। এটা নিয়ে বিএসইসির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে বিএসইসি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবে। আলোচনাশেষে যে সিদ্ধান্ত হয় তাই মানা হবে।সংবাদ সম্মেলনে বিএমবিএর সহ-সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা শুধু সিআইবির বিষয়ে প্রস্তাব করিনি। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মূলধন বাড়ানোর ব্যাপারেও বলেছি। বাজারের ইতিবাচক দিক বিবেচনা করেই এসব প্রস্তাব করা হয়েছে। এখন  বিনিয়োগকারী ও বাজারের সব দিক বিবেচনা করে বিএসইসি সিদ্ধান্ত নিবে। জানা গেছে, মার্চেন্ট ব্যাংকে যারা মার্জিন ঋণ খেলাপী তাদের তথ্য সিআইবিতে সংরক্ষিত থাকে না। ফলে মার্জিন ঋণ খেলাপী গ্রাহক একাধিক মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারেন তথ্য গোপন করে। এ প্রবণতা ঠেকাতে এবং বর্তমানে বিপুল পরিমাণ বকেয়া মার্জিন ঋণের চাপে বিপর্যস্ত মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বাধ্য হয়ে এমন প্রস্তাব করেছে। প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন করা হলে ঋণ খেলাপীরা নতুন ঋণ আবেদন করতে সিআইবি ছাড়পত্র লাগবে। ছাড়পত্রে কেউ ঋণ খেলাপী থাকলে তিনি নতুন করে মার্জিন ঋণ নিতে পারবেন না। এছাড়া প্রস্তাবনায় রয়েছে ঋণাত্মক ইক্যুইটির হিসাবে সুদ আরোপ বন্ধ ivLv Ges IB my`‡K Avq-e¨q wnmv‡e অন্তর্ভুক্ত না করা।   Source : ইত্তেফাক
  • ডিএসইতে চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন
    একদিন দর বাড়ার পর গতকাল বুধবার ফের পতন হয়েছে উভয় শেয়ারবাজারে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক কমার পাশাপাশি লেনদেন নেমে এসেছে ৩১২ কোটি টাকায়। যা গত ২১ জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন। অর্থাত্ চার মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে ডিএসই’র সর্বনিম্ন লেনদেন হলো গতকাল। এদিকে টানা তিনদিন দর পতনের পর একদিন বাড়লেও ফের দরপতনের বৃত্তে চলে এসেছে শেয়ারবাজার। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে সূচক কমলেও চিন্তার বিষয় হলো লেনদেন অনেক কমে গেছে।তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪৭ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৭৫৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৫২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৩৫ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩০৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১০১টির, কমেছে ১৬৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪০ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৬৬১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ৩ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২১৮টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৩টির কমেছে ১৫৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির শেয়ারের।এদিকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শেষে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ  দেয়ার জন্য ন্যাশনাল ফিড মিলের লটারির ড্র আজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইনষ্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স (আইইবি) এর সেমিনার হলে সকাল সাড়ে ১০টায় ড্র অনুষ্ঠিত হবে। ন্যাশনাল ফিড শেয়ারবাজার থেকে ১৮ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।   Source : ইত্তেফাক
  • নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির দর সংশোধন
    নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারদরে বড় ধরনের সংশোধন হয়েছে গতকাল। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এদিন ‘এন’ ক্যাটাগরির একটি কোম্পানি বাদে সব শেয়ারের দরই কমে। পতনপ্রবণ বাজারে পোর্টফোলিও লোকসান কমাতে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। আর নতুন কোম্পানির শেয়ারদর নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি আরোপ হওয়ায় বিক্রির চাপ বাড়ায় বাজার নিম্নগামী ধারায় রয়েছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।ডিএসইতে গতকাল ব্রড ইনডেক্স কমে ৪৮ পয়েন্ট। অন্যদিকে লেনদেন কমে দাঁড়ায় ৩১৩ কোটি টাকায়। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এদিন সার্বিক সূচক কমে ৮৮ পয়েন্ট। এ বাজারের লেনদেন দাঁড়ায় ২৫ কোটি টাকায়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গতকাল নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ওয়েস্টার্ন মেরিন, শাহজিবাজার পাওয়ার, সাইফ পাওয়ারটেক, খান ব্রাদার্স, খুলনা প্রিন্টিংয়ের শেয়ারের দর উল্লেখযোগ্য হারে কমে। এর মধ্যে শাহজিবাজারের লেনদেন শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কঠোর নজরদারির মধ্যে রয়েছে। বেশির ভাগ সময় শেয়ারটির ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না, এতে ধারাবাহিক হারে শেয়ারটি দর হারাচ্ছে। এ কোম্পানির প্রভাবে অন্য নতুন কোম্পানির শেয়ারের দরও কমছে। গতকাল ‘এন’ ক্যাটাগরির শুধু ফারইস্ট নিটিংয়ের শেয়ারের দর কিছুটা বাড়ে।বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, বিনিয়োগসীমা সমন্বয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা, বিশ্বব্যাংকের উদ্বেগ, নির্দিষ্ট শেয়ারে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার নজরদারিসহ বিভিন্ন কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে বাজারে বিক্রির চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে নিয়মিতভাবে বড় ব্যবধানে সূচক কমছে।গত আগস্টে বাজারে ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেখা দেয়। ওই সময় ডিএসইতে লেনদেন ৫০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। টানা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ২৫ সেপ্টেম্বর ডিএসইএক্স সূচক ৫ হাজার পয়েন্ট ছাড়ায়। আর ডিএসইর সূচকের ৫ হাজার পয়েন্টের অবস্থান ঘিরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও বাজার নিয়ে আস্থা তৈরি হয়। পরের মাসে এ সূচক ৫৩৩৪ পয়েন্ট পর্যন্ত ওঠে। সূচকের উত্থানে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক। এছাড়া শেয়ারদর বৃদ্ধিতে পোর্টফোলিও মূল্য বেড়ে গেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও তা সমন্বয়ে ব্যাংকগুলোকে চাপ দিতে থাকে। আর ব্যাংকগুলো বিনিয়োগসীমা সমন্বয় শুরু করায় বাজারেও বিক্রির চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে নিম্নগামী ধারায় ফেরে বাজার।এদিকে চলতি মাসের শুরু থেকেই শেয়ারবাজারে মন্দাভাব দেখা যায়। একটি নির্দিষ্ট শেয়ারের লেনদেন ঘিরে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার কঠোর তদারকি ও দর রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়। এতে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণীর বিনিয়োগকারীদের অনেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। এ কারণে লেনদেন অঙ্ক সংকুচিত হয়ে পড়ে।ডিএসইতে গতকাল ৩০৪টি কোম্পানির ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৭ হাজার ৪৩টি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়। এসব সিকিউরিটিজের বাজারদর ছিল ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ৯১ হাজার টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা কম। ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৪৭.৮৪ পয়েন্ট কমে ৪৭৫৬.৬১ পয়েন্ট, ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ১৯.৪০ পয়েন্ট কমে ১৭৫২.০৮ পয়েন্ট এবং ডিএসইএক্স শরিয়াহ্ সূচক ১১.০২ পয়েন্ট কমে ১১০৮.৭০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে বাড়ে ১০১টির, কমে ১৬৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৫টির।সিএসইতে গতকাল ২১৮টি কোম্পানির ৮১ লাখ ৬৫ হাজার ২২০টি সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়, যার বাজারদর ছিল ২৪ কোটি ৯০ লাখ ৯২ হাজার টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর কমে ১৫২টির, বাড়ে ৪৪টির ও অপরিবর্তিত ছিল ২২টির।টাকার ভিত্তিতে ডিএসইতে গতকাল সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলো হলো— ওয়েস্টার্ন মেরিন, যমুনা অয়েল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, মেঘনা সিমেন্ট, কেয়া কসমেটিকস, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, জিএইচপি ফিন্যান্স, গ্রামীণফোন, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ও বেক্সিমকো ফার্মা।ডিএসইতে দরবৃদ্ধিতে এগিয়ে থাকা কোম্পানিগুলো হলো— হাক্কানী পাল্প, রূপালী ব্যাংক, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা সিমেন্ট, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, প্রথম আইসিবি, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, ফ্যামিলিটেক্স, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ও প্রাইম ১ আইসিবিএ।অন্যদিকে বেশি দর হারানো কোম্পানিগুলো হলো— কোহিনূর কেমিক্যালস, কেপিপিএল, ঢাকা ডায়িং, আইসিবি ১ম এনআরবি, এলআর গ্লোবাল মিউচুয়াল ফান্ড-১, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, শাহজিবাজার পাওয়ার, সমতা লেদার ও সাইফ পাওয়ারটেক।   Source : বনিক বার্তা
  • ফারইস্ট ফিন্যান্সের দরে উল্লম্ফন
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল সবচেয়ে বেশি শেয়ারদর বেড়েছে আর্থিক খাতের কোম্পানি ফারইস্ট ফিন্যান্সের। তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটি মুনাফায় ফেরায় এ শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।বজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তিন কার্যদিবস টানা এ শেয়ারের  দর বেড়েছে। গতকাল এর দর বাড়ে ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বা ১ টাকা ৩০ পয়সা। দিনভর দর ১৩ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ১৪ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৪ টাকা ৫০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ১৪ টাকা ৩০ পয়সায়।  এদিন ৭৩৩ বারে মোট ১৪ লাখ ৬ হাজার ৫০০ শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ১২ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৪ টাকা ৩০ পয়সা।এদিকে সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৬৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৪২ পয়সা। তবে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এর কর-পরবর্তী লোকসান ছিল ১১ কোটি ১০ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ৬৯ পয়সা। অন্যদিকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১২ কোটি ৯৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৮১ পয়সা। অন্যদিকে আগের বছরের একই সময়ে এর কর-পরবর্তী লোকসান ছিল ৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ৬০ পয়সা।এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১৬০ কোটি ১০ লাখ টাকা। এর রিজার্ভের পরিমাণ ১৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারসংখ্যা ১৬ কোটি ৬১ হাজার ৭৮৬; যার মধ্যে ৭১ দশমিক ৮৯ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ৩ দশমিক ৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ২৪ দশমিক ৭১ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীর কছে। এর প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত দর ১০ টাকা ও মার্কেট লট ৫০০টিতে। সর্বশেষ প্রান্তিক ও বাজারদরের ভিত্তিতে এর দর আয় অনুপাত ১৩ দশমিক ২৪।   Source : বনিক বার্তা
  • মেঘনা পেট্রোলিয়ামের মুনাফা বেড়েছে ৩%
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়ামের চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মুনাফা বেড়েছে ৩ শতাংশ।  গতকাল কোম্পানিটির এ প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণে এমনটি দেখা গেছে।প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৬৩ কোটি ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময় ছিল ৬১ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৪৫ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৬ টাকা ২৭ পয়সা।এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল এ শেয়ারের দর কমেছে দশমিক ৫৯ শতাংশ বা ১ টাকা ৫০ পয়সা। দিনভর এর দর ২৫১ থেকে ২৫৫ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ২৫১ টাকা ২০ পয়সায় এর লেনদেন হয়, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ২৫২ টাকা ২০ পয়সায়। এদিন মোট ১ লাখ ৯ হাজার ২০০ শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসের মধ্যে এ শেয়ারের সর্বনিম্ন দর ছিল ২৫১ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৬৯ টাকা ১০ পয়সা।২০১৪ সালের জন্য পরিচালনা পর্ষদ ৯৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার সুপারিশ করেছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ২৩৫ কোটি ৯৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২৩ টাকা ৯৯ পয়সা।আগামী বছরের ১৬ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রামে গুপ্তখালে কোম্পানির প্রধান ইনস্টলেশনে এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ ডিসেম্বর। কোম্পানিটি ২০১৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৭০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। এ সময় এর কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ১৮৬ কোটি ৪৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ইপিএস ২৫ টাকা ৬১ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ৭০ টাকা ৫৪ পয়সা।২০০৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৪০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৯৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৪১৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার ৯ কোটি ৮৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৮০টি; যার মধ্যে সরকার ৫৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়াগকারী ২৩ দশমিক ৯৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ১৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত দর ১০ টাকা ও ১০০টিতে মার্কেট লট।   Source : বনিক বার্তা
  • যমুনা অয়েলের লেনদেন কমেছে
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টানা তিন কার্যদিবস রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান যমুনা অয়েলের লেনদেন কমেছে। গতকাল ৬৭৪ বারে ৪ লাখ ৪১ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। তবে লেনদেনে এগিয়ে থাকা কোম্পানির তালিকায় এটি ছিল দ্বিতীয়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ১ দশমিক ২৪ শতাংশ বা ৩ টাকা ১০ পয়সা। দিনভর দর ২৪৬ টাকা ১০ পয়সা থেকে ২৫২ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৪৭ টাকায়, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ২৪৬ টাকা ৯০ পয়সায়।অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এ কোম্পানির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৭১ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৭ টাকা ৯ পয়সা। তবে এর আগের হিসাব বছরের এ তিন মাসে মুনাফা ছিল ৫১ কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৫ টাকা ১০ পয়সা।২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৯০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে। এ হিসাব বছরে এর মুনাফা হয়েছে ২৩১ কোটি ৬৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ইপিএস ২৩ টাকা ৮ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি এনএভি ১১৮ টাকা ৫৩ পয়সা।কোম্পানিটি ২০১৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার। সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ১৯৯ কোটি ৬০ হাজার টাকা, ইপিএস ২১ টাকা ৮১ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) ৭২ টাকা ৫ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • পুঁজিবাজারে ফের নেতিবাচক প্রবণতা
    একদিন ভালো কাটানোর পর ফের নেতিবাচক প্রবণতার শিকার হয়েছে পুুঁজিবাজার। মঙ্গলবার দুই বাজার সূচকের যতখানি উন্নতি ঘটে গতকাল তার চেয়ে বেশি সূচক হারায় বাজারগুলো। দিনের শুরুটা ভালো হলেও তার স্থায়িত্ব ছিল এক ঘণ্টারও কম। দিনের বাকি সময় বাজারগুলো পার করে দরপতনের মধ্য দিয়ে। কমেছে বাজারগুলোর লেনদেনও। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচকটি গতকাল ৪৭ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট হ্রাস পায়। অন্য দুই সূচক ডিএসই-৩০ ও শরিয়াহ সূচকের অবনতি ঘটে যথাক্রমে ১৯ দশমিক ৪০ ও ১১ দশমিক ০২ পয়েন্ট। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ও সিএসসিএক্স সূচকের অবনতি ঘটে যথাক্রমে ১৪৪ দশমিক ৭৫ ও ৮৭ দশমিক ৬০ পয়েন্ট। এখানে সিএসই-৫০ সূচক কমে যায় ১০ দশমিক ০৫ পয়েন্ট। সূচকের পাশাপাশি অবনতি ঘটে দুই পুঁজিবাজারের লেনদেনেও। ঢাকায় গতকাল লেনদেন নেমে আসে ৩১২ কোটি টাকায়, যা আগের দিন অপেক্ষা ৩৫ কোটি টাকা কম। মঙ্গলবার বাজারটির লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৪৭ কোটি টাকা। চট্টগ্রামে ২৭ কোটি থেকে ২৪ কোটিতে নেমে আসে লেনদেন। এ দিকে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে আশ্বস্ত করে, সংগঠনটি পুঁজিবাজার নিয়ে যথেষ্ট সচেতন রয়েছে। সংগঠনটি এমন কোনো অবস্থান নেবে না যা পুঁজিবাজার তথা বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। গতকাল স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি তানজিল চৌধুরী এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই আরো অনেক প্রস্তাবের সাথে বড় ঋণখেলাপিদের সিআইবির অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এর মানে এই নয় যে এটা কার্যকর করা হচ্ছে। গত ২৩ নভেম্বর সংগঠনটি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেয়। চিঠিতে বলা হয় মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে যেসব গ্রাহক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে এক কোটি টাকার বেশি ঋণ খেলাপি হয়েছে তাদের নাম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবিতে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। তা না হলে এ ধরনের খেলাপি গ্রাহকেরা অন্য মার্চেন্ট ব্যাংকে পুনরায় ঋণসুবিধা পেতে কোনো বাধা থাকবে না। আর এর ফলে ঝুঁকিতে পড়বে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো। পরদিন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এ খবর প্রকাশিত হলে পুঁজিবাজারগুলোতে বড় ধরনের দরপতন ঘটে।  কোনো কোনো মহল থেকে বাজারের নেতিবাচক আচরণের কারণ হিসেবে বিএসইসিকে বিএমবিএর দেয়া এ চিঠিকেই দায়ী করা হয়। এ কারণে বিষয়টি ব্যাখ্যা করার জন্য সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএমবিএ। সংবাদ সম্মেলনে বিএমবিএ সভাপতি তানজিল চৌধুরী আরো বলেন, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তা ছাড়া বিএসইসি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেবে এমনো মনে করার কারণ নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিএসইসি যদি এটি যৌক্তিক মনে করে তাহলেই কেবল তা চূড়ান্ত করা হবে। তিনি বলেন, বিএমবিএর নতুন কমিটি গঠনের পর বিএসইসিতে বেশ কিছু প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। এ প্রস্তাবটিও তাতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তা ছাড়া পুঁজিবাজারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত সংগঠনটি এমন কিছু করবে না যাতে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ সময় সংগঠনের অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এ দিকে বিএমবিএর এ ঘোষণাও গতকাল দুই পুঁজিবাজারের পতন ঠেকাতে পারেনি। লেনদেনের শুরুর এক ঘণ্টারও কম সময়ে বিক্রয় চাপের মুখে পড়ে দুই বাজার। ঢাকায় আগের দিন লেনদেন শেষ করা ডিএসইর প্রধান সূচকটির ৪ হাজার ৮০৪ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট থেকে লেনদেন শুরু করে প্রথম দিকে সূচকটি পৌঁছে যায় ৪ হাজার ৮৩৭ দশমিক ৫৮ পয়েন্টে। লেনদেনের এ পর্যায়েই শুরু হয় বিক্রয়চাপ। দিনের বাকি সময় এ চাপ সামলে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাজারগুলো। দিনশেষে ৪৭ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট হারিয়ে ৪ হাজার ৭৫৬ দশমিক ৬১ পয়েন্টে স্থির হয় ডিএসই সূচক। দিনের সূচকের অবনতিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল ব্যাংক, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও জ্বালানি খাতের। সবচেয়ে বেশি দর হারায় জ্বালানি খাত। এ খাতের শতভাগ কোম্পানির দরপতন ঘটে। দিনটি মিশ্র প্রবণতার মধ্য দিয়ে পার করে মিউচুয়াল ফান্ড, টেক্সটাইল ও বীমা খাত। প্রধান প্রধান খাতগুলোর দরপতন ঘটলে দুই বাজারের বেশির ভাগ কোম্পানি চলে আসে পতনের তালিকায়। ঢাকায় লেনদেন হওয়া ৩০৪টি সিকিউরিটিজের মধ্যে ১০১টির মূল্যবৃদ্ধি ঘটলেও দর হারায় ১৬৮টি। ৩৫টি সিকিউরিটিজের দর ছিল অপরিবর্তিত। অপর দিকে চট্টগ্রামে লেনদেন হওয়া ২১৮টি সিকিউরিটিজের মধ্যে ৪৪টির দাম বাড়ে, ১৫২টির কমে এবং ২২টির দর অপরিবর্তিত থাকে। ঢাকায় গতকালও লেনদেনের শীর্ষে ছিল ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকায় ২০ লাখ ৮৩ হাজার শেয়ার হাতবদল হয় কোম্পানিটির। ১০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা লেনদেন করে দিনের দ্বিতীয় কোম্পানি ছিল যমুনা অয়েল। ডিএসইর লেনদেনে শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আরো ছিল লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, মেঘনা সিমেন্ট, কেয়া কসমেটিকস, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, জিএসপি ফিন্যান্স, গ্রামীণফোন, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। Source : নয়া দিগন্ত  
  • অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে চার মাসেই
    চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ৯ হাজার ৭৭ কোটি টাকা নিট বিনিয়োগ এসেছে সঞ্চয়পত্রে। যা পুরো অর্থবছরের বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রার ১১ কোটি টাকা বা শূন্য দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি। পুরো অর্থবছরের নিট বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৫৬ কোটি টাকা। জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত অক্টোবরে সঞ্চয়পত্রে নিট বিনিয়োগ এসেছে দুই হাজার ২৫৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বরে ছিল দুই হাজার ৪৯২ কোটি ৫১ লাখ টাকা, আগস্টে দুই হাজার ৪৭০ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং জুলাইয়ে ছিল এক হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে চার মাসে সঞ্চয়পত্রে নিট বিনিয়োগ হয়েছে ৯ হাজার ৭৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সঞ্চয় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে আগে কখনোই সঞ্চয়পত্র থেকে এত বেশি বিনিয়োগ আসেনি। কোনো ধরনের ঝুঁকি না থাকায় এবং বেশি মুনাফার জন্য অনেকেই এ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে বলে তাঁদের ধারণা। তা ছাড়া আমানতের সুদহার কমে যাওয়া, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নানা ধরনের জাল-জালিয়াতির ঘটনায় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ বাড়ছে বলেও মনে করেন তাঁরা। আকর্ষণীয় মুনাফা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ বাড়ার প্রধান কারণ বলে মনে করেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'ব্যাংকের আমানতের সুদের হার কমে যাচ্ছে। কিন্তু সঞ্চয়পত্রের মুনাফা এখনো আকর্ষণীয় রয়ে গেছে। যে কারণে অনেকেই বিনিয়োগের প্রধান খাত হিসেবে সঞ্চয়পত্রকে বেছে নিচ্ছে।' আহসান মনসুর আরো বলেন, 'সরকার এখন চাইলে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা এক থেকে দুই শতাংশ কমিয়ে আনতে পারে। কেননা এ খাতে ঋণের সুদ ব্যয় অনেক বেশি। যেহেতু এখন ব্যাংকের সুদের হার কমে যাচ্ছে, সেহেতু সরকারও অনায়াসেই সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমিয়ে আনতে পারে। এতে সরকারের কিছু পয়সা বেঁচে যাবে।' বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখত বলেন, 'সঞ্চয়পত্র বিক্রি বাড়ায় ব্যাংক ঋণ কমে যাচ্ছে। এটা বাজেটের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কেননা সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়া ঋণের মুনাফা বেশি হওয়ায় সুদ ব্যয় বেশি হবে এবং এই ব্যয় মেটাতে গিয়ে আগামী অর্থবছরের রাজস্বের একটি বড় অংশ ব্যয় হয়ে যাবে।' জানা গেছে, বাজেট ঘাটতি মেটাতে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র থেকে ৯ হাজার ৫৬ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে সরকার, যা মাত্র চার মাসেই ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল চার হাজার ৯৭১ কোটি টাকা। পরে সংশোধিত বাজেটে তা প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে আট হাজার কোটি টাকা করা হয়। ওই অর্থবছরে নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিল ১১ হাজার ৭০৭ কোটি টাকা। তবে এর আগের (২০১২-১৩) অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে তেমন সাড়া ছিল না। ওই অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ছিল সাত হাজার ৪০০ কোটি টাকা। তবে বিক্রি হয়েছিল মাত্র ৭৭২ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি পূরণে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে চলতি অর্থবছরে সরকার ৩১ হাজার ২২১ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ দাঁড়িয়েছে আট হাজার ৯৮০ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৯ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা। তবে আলোচ্য সময়ে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ দুই হাজার ৯৫২ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে নিট ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ছিল পাঁচ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১০-১১ অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকার নিট ২০ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা ঋণ নেয়। ২০১১-১২ অর্থবছরে নেওয়া হয় ২১ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা। ২০১২-১৩ অর্থবছরে তা আরো বেড়ে হয় ২৪ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ২৫ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা ধরা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ৩০ হাজার কোটি টাকা করা হয়। যদিও মাত্র সাত হাজার ৯৫০ কোটি ৯২ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে অর্থবছর শেষ হয়েছে।   Source : কালের কণ্ঠ
  • কর দেওয়ার সুবিধার্থে শনিবার ব্যাংকের কিছু শাখা খোলা
    করদাতাদের কর দেওয়ার সুবিধার্থে আগামী ২৯ নভেম্বর শনিবার ছুটির দিনে দেশে কার্যরত ব্যাংকগুলোর সব বিভাগীয় এবং জেলার প্রধান প্রধান শাখা খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল মঙ্গলবার এ নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব আহরণের স্বার্থে করদাতাদের আয়কর জমা দেওয়ার সুবিধার্থে চালান ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে আয়কর গ্রহণের জন্য সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোর সব বিভাগীয় ও জেলার প্রধান প্রধান শাখা ২৯ নভেম্বর শনিবার খোলা থাকবে। শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় ওই দিন অফিসের কাজে যোগদানকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মানজনক যুক্তিসঙ্গত ভাতা দেওয়ার জন্যও বাংলাদেশ ব্যাংক পরামর্শ দিয়েছে সার্কুলারে। ব্যক্তি শ্রেণির করদাতারা ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়কর বিবরণী (রিটার্ন) দাখিল করতে পারবে। ঈদ ও পূজার ছুটি এবং হজের কারণে করদাতাদের রিটার্ন জমা দিতে সমস্যা হওয়ায় দ্বিতীয় দফায় এক মাস সময় বাড়ানো হয়। মূলত ৩০ সেপ্টেম্বর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এরপর ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে এক মাস ৩১ অক্টোবর, পরে দ্বিতীয় দফায় আরো এক মাস বাড়ানো হয়। তবে ২৯ ও ৩০ নভেম্বর শুক্র ও শনিবার হওয়ায় ১ ডিসেম্বর রবিবারও রিটার্ন জমা নেওয়া হবে। ই-টিআইএন চালু করা নিয়ে জটিলতাও রিটার্ন জমার সময় বাড়ানোর অন্যতম কারণ বলে রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে ওই সময় জানানো হয়।   Source : কালের কণ্ঠ
View All
Latest DSE News
  • MONNOSTAF

    In response to a DSE query, the Company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the Company for recent unusual price hike.

  • BENGALWTL

    Trading of the shares of the Company will be allowed only in the Spot Market and Block/Odd lot transactions will also be settled as per Spot settlement cycle with cum benefit from 30.11.2014 to 01.12.2014. Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 02.12.2014.

  • ENVOYTEX

    Trading of the shares of the Company will be allowed only in the Spot Market and Block/Odd lot transactions will also be settled as per Spot settlement cycle with cum benefit from 30.11.2014 to 01.12.2014. Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 02.12.2014.

  • PHARMAID

    Trading of the shares of the Company will be allowed only in the Spot Market and Block/Odd lot transactions will also be settled as per Spot settlement cycle with cum benefit from 30.11.2014 to 01.12.2014. Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 02.12.2014.

  • AFTABAUTO

    Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 30.11.2014.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
KOHINOOR 356.00 327.40 28.60 8.74
DBH 71.50 66.20 5.30 8.01
PROVATIINS 20.50 19.30 1.20 6.22
NITOLINS 31.50 29.70 1.80 6.06
SAPORTL 68.70 64.90 3.80 5.86
ACIFORMULA 123.60 117.70 5.90 5.01
BATBC 2710.00 2585.00 125.00 4.84
UNITEDAIR 9.20 8.80 0.40 4.55
PARAMOUNT 17.20 16.50 0.70 4.24
SHYAMPSUG 7.50 7.20 0.30 4.17

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297