Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ICB 193.4 163.1 30.30 18.58
ABBANK 27.1 23.2 3.90 16.81
PRIME1ICBA 8.4 7.3 1.10 15.07
TUNGHAI 17.1 14.9 2.20 14.77
NFML 27.3 24 3.30 13.75
IFIC 31.7 28 3.70 13.21
BRACBANK 87.4 77.4 10.00 12.92
CITYBANK 41.4 36.8 4.60 12.50
ICBAMCL2ND 11 9.8 1.20 12.24
SALVOCHEM 26.2 23.5 2.70 11.49

Contest SB2017_Mar

1st
blank_person
HOSSAINANWAR36
2nd
blank_person
KHORSHEDCTG
3rd
blank_person
RAHAZANI
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BRACBANK 87.4 81 8.17676 2539950.00
GP 319.2 317.4 4.35725 261848.00
CITYBANK 41.4 38.9 3.92513 15330800.00
ICB 193.4 190.6 3.17646 1137940.00
DBH 120.5 109.6 2.38105 1591450.00
Negative impact
LAFSURCEML 71.6 72.1 -1.04100 1128820.00
OLYMPIC 288.7 291.5 -1.00361 176929.00
IFADAUTOS 124.4 126.5 -0.58533 478469.00
BEXIMCO 35.3 35.6 -0.42748 8130450.00
NATLIFEINS 180.9 183.6 -0.39719 5972.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
CITYBANK 41.4 41.9 38.7 6.43% 616.82
LANKABAFIN 66.2 66.4 64.7 3.12% 433.44
ABBANK 27.1 27.3 25.6 4.63% 303.56
BEXIMCO 35.3 35.9 35.2 -0.84% 288.47
RSRMSTEEL 89.4 92.3 88.8 -1.97% 248.57
BXPHARMA 109.9 110.1 108.6 1.29% 230.02
ICB 193.4 198.3 190.8 1.47% 221.34
BRACBANK 87.4 89 81.1 7.90% 217.66
ISLAMICFIN 27.8 28.3 26.6 5.30% 192.77
DBH 120.5 120.5 110 9.95% 186.71

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 28 Mar 2017

139516
TOTAL TRADE
296.8022
TOTAL VOLUME(Mn)
9959.39
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • মঙ্গলবার হাইডেলবার্গ সিমেন্টের লেনদেন বন্ধ
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার, রেকর্ড ডেটের কারণে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
  • ডলারের বিপরীতে কমছে টাকার আরো মান
    সিনিয়র রিপোর্টার : মার্কিন ডলারের বিপরীতে ধীরে ধীরে দুর্বল হচ্ছে টাকা। দর বাড়ছে ডলারের। গত এক বছরে প্রতি ডলারের দর এক দশমিক ৫৩ শতাংশ বেড়ে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে এখন ৭৯ টাকা ৬৩ পয়সা। ডলারের দরবৃদ্ধি রফতানিকারক ও রেমিট্যান্স গ্রহীতাদের জন্য খুশির খবর হলেও কিছুটা চাপে পড়েন আমদানিকারকরা। কেননা, তাদের পণ্য আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়। চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ কম থাকায় ডলারের এ শক্তিশালী অবস্থান। ডলারের বাড়তি চাহিদা মেটাতে দীর্ঘসময় পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৮০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। রফতানিকারকদের সংগঠন এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, অনেক দেশ রফতানিকারকদের প্রতিযোগীর সক্ষম করতে ডলারের বিপরীতে নিজেদের মুদ্রার অবমূল্যায়ন করেছে। পার্শ্ববর্তী ভারত ৪০ শতাংশ এবং তুরস্ক ৬৯ শতাংশ অবমূল্যায়ন করেছে। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন এ ধরনের দাবি থাকলেও তা করা হয়নি। এখন বাজার চাহিদার প্রেক্ষাপটে ডলারের দর বৃদ্ধিটা রফতানিকারকদের জন্য ইতিবাচক। তিনি বলেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশের রফতানি বাড়ছে। নীতি সহায়তার মাধ্যমে রফতানি আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, তা ভাবতে হবে। বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। অভ্যন্তরীণ চাহিদার ফলে দীর্ঘ সময় পর গত অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে ৮০ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। অবশ্য একই সময়ে বাজার থেকে কিনেছে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আগের ত্রৈমাসিকে বাজার থেকে ১৫১ লাখ ডলার কিনলেও কোনো ডলার বিক্রির প্রয়োজন পড়েনি। এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছর ৪১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার কেনে বাংলাদেশ ব্যাংক। তার আগের অর্থবছর কেনা হয় ৩৪০ কোটি ডলার। বিপুল পরিমাণের এ ডলার কিনলেও আগের দুই অর্থবছরে বাজারে কোনো বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে চলতি মাসের শুরুর দিকে প্রতি ডলার বিক্রি হয়েছিল ৭৯ টাকা ৩৯ পয়সা দরে। তবে প্রায় প্রতিদিনই একটু একটু বেড়ে গত বৃহস্পতিবার দর ওঠে ৭৯ টাকা ৬৩ পয়সায়। আগের মাসের ঠিক একই দিন প্রতি ডলার বিক্রি হয় ৭৯ টাকা ৩০ পয়সায়। মূলত গত ৯ জানুয়ারির পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই দু-এক পয়সা করে ডলারের দর বাড়ছে। ওইদিন প্রতি ডলার ৭৮ টাকা ৭০ পয়সা দরে বিক্রি হয়। এর আগে দীর্ঘ সময় ধরে দর ওঠানামার মধ্যে ছিল। আমদানি, রফতানি, বিল কালেকশন ও রেমিটাররা আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে বিদ্যমান দরের কাছাকাছি দামে ডলার পেলেও ক্যাশ বা নগদ বেচাকেনায় বেশ পার্থক্য থাকে। বেসরকারি খাতের ব্যাংক এশিয়ার এমডি আরফান আলী বলেন, ডলারের বিপরীতে বিশ্বের অনেক দেশের মুদ্রামান কমলেও দীর্ঘদিন ধরে টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। এখন ধীরে ধীরে টাকার বিপরীতে ডলার শক্তিশালী হওয়াটা ভালো। এতে রফতানিকারকরা সুবিধা পাবেন। যদিও অনেক সময় এ ধরনের প্রবণতা আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি করে। তবে বর্তমানে বিশ্ববাজারে তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশিরভাগ পণ্যের দাম সহনীয় রয়েছে। ফলে সে ধরনের আশঙ্কা আপাতত নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে মুদ্রা ও মুদ্রা বিনিময় হার-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সম্প্রতি গত অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকের তথ্যের আলোকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রফতানি প্রবৃদ্ধি মন্থর হওয়ার পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবাহ নিন্মগামী হওয়ায় এবং আমদানি বেশ বেড়ে যাওয়ায় বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থেকে ডিসেম্বরে ঘাটতিতে পড়েছে। টাকার ওপর যা অতিমূল্যায়ন চাপ উপশম করে রফতানিকারকদের সামর্থ্য বৃদ্ধির জন্য সহায়ক হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) প্রবাসীরা ৮১১ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৬৬ কোটি ডলার কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরেও রেমিট্যান্স কমেছিল ৩৯ কোটি ডলার। একই সময়ে রফতানি আয় হয়েছে দুই হাজার ২৮৪ কোটি ডলার। আগের বছরের চেয়ে যা মাত্র ৭১ কোটি ডলার বেশি। গত জানুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে আমদানি বেড়েছে ৯ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে, রফতানি বেড়েছে ৩ শতাংশ। এ সময় রেমিট্যান্স কমেছে ১৭ শতাংশ। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে, ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে তার চেয়ে বেশি। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে নেওয়া প্রচুর বিদেশি ঋণ পরিশোধে ডলারের বাজারে কিছুটা চাপ তৈরি হওয়ায় দাম বাড়ছে। বাজার থেকে ডলার কিনলে স্বাভাবিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বা রিজার্ভ বাড়ে। তবে বেশ কিছুদিন ধরে ডলার কেনার প্রবণতা কমে যাওয়ায় রিজার্ভ আগের মতো বাড়ছে না। গত নভেম্বর থেকে রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারে স্থিতিশীল হয়ে আছে। গত বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। আগের মাসের একই দিন শেষে যা ৩২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার ছিল।
  • নূরানী ডায়িংয়ের আইপিও আবেদন রোববার, ৫০০ শেয়ার লট
    স্টাফ রিপোর্টার : নূরানী ডায়িং অ্যান্ড সোয়েটার লিমিটেডের আগামী ২ এপ্রিল, রোববার থেকে থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন শুরু হয়ে চলবে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত। আবেদনে ৫০০ শেয়ারে আইপিওর লট নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা। তবে আইপিও থেকে সংগৃহিত ৪৩ কোটি টাকা মিলে কোম্পানির মোট ৮৩ টাকা মূলধন হবে। আইপিওর মাধ্যমে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ৪ কোটি ৩০ লাখ শেয়ার ইস্যু করতে পারবে কোম্পানিটি। এর মাধ্যমে সংগৃহীতব্য ৪৩ কোটি টাকা কোম্পানির আংশিক ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে বিনিয়োগ করার ঘোষণা দেয়। ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে তারা কারখানার ইস্পাত কাঠামো ও নির্মাণকাজ করবে। কেনা হবে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। ২০১৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ১৪ টাকা ৩৭ পয়সা। বিগত পাঁচটি আর্থিক বিবরণীতে গড় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৭৯ পয়সা। নূরানী ডায়িংয়ের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড ও সিএপিএম অ্যাডভাইজরি লিমিটেড। কোম্পানির খসড়া প্রসপেক্টাস থেকে জানা গেছে, নূরানী ডায়িং ২০০৫ সালে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে যাত্রা করে। বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয় ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এর পর ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে তারা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত হয়। কোম্পানিটি নিজ কারখানায় আমদানি করা সুতা রঙ করে তা থেকে সোয়েটার বোনে। রঙ করা সে সুতা রফতানিমুখী বন্ডেড পোশাক কারখানাগুলোতে বিক্রি করে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ নূরানী ডায়িংয়ের কারখানা ফেনীর ফতেহপুরে। নিবন্ধিত অফিস চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে। রাজধানীর বাংলামোটরে তাদের করপোরেট অফিস। বর্তমানে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা, আইপিওর পর যা ৮৩ কোটিতে উন্নীত হবে।
  • বুলিশ এনঙ্গালফিংয়ে ইনডেস্ক,মার্কেট নিউজ টুইটস : ২.৩০ মিনিট
    সকাল থেকে ভাল বাই পেশার এবং ফাইন্যান্স খাতের ঊর্ধ্বমুখীতায় ইনডেস্কের মান বাড়তে থাকে। যার ফলে দিন শেষে  ইনডেস্কে বুলিশ এনঙ্গালফিং ক্যান্ডেলের আবির্ভাব ঘটে। DELTASPINN এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩০ মিনিট ঠিক ১.৩০ টায় DELTASPINN উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( 45 TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 2705000 TK। বুলিশ ক্যান্ডেলে ইনডেস্ক,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১২.৪০ মিনিট ফাইন্যান্স খাতের ঊর্ধ্বমুখীতায় এখন পর্যন্ত  বুলিশ ক্যান্ডেলে অবস্থান করছে ইনডেস্ক। এসময় ছোট পেউড আপের কোম্পানির শেয়ার দর ও বাড়তে দেখা যায়। ফাইন্যান্স খাতে ঝোক বেশী আজ,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১১.৩০ মিনিট সকাল থেকেই আজ বিনিয়োগকারীরা ফাইন্যান্স খাতে ঝোক বেশী । ডাউন ট্রেন্ডের জানান দিচ্ছে বাজার,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১০.৩০ মিনিট [২৮.০৩.২০১৭] রেজিসটেন্সের উপর কিছুদিন থেকে গতকালের ক্যান্ডেল ও সেল পেশার ডাউন ট্রেন্ডের জানান দিচ্ছে বাজার। উল্লেখ যোগ্য বাইয়ার কিছুদিনের মধ্যে না আসলে লং টাইমের জন্য বাজার ডাউন ট্রেন্ডে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে আইপিওতে ফের বুক বিল্ডিং আইন সংশোধনের প্রস্তাব বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগ আসলে কত? ইনডেক্সে বেয়ারিশ ক্যান্ডেলের আবির্ভাব, মার্কেটে নিম্নমুখী ট্রেন্ড হওয়ার প্রবনতা এক নজরে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর এনএভির অবস্থা প্রাইম ব্যাংকের নিট মুনাফা বৃদ্ধি প্রিমিয়ার লিজিংয়ের সোমবার সার্কিট ব্রেকার নেই ‘প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা পর্যবেক্ষণে’ চলতি সপ্তাহে এজিএম সম্পন্নের অপেক্ষায় ১০টি কোম্পানি উল্লেখযোগ্য কিছু এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ‘সকলের প্রচেষ্টায় বাজার আরও ভালো হবে’ [ ভিডিও সহ ] এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৪০ কোটি টাকা তুলবে ইনডেক্স এগ্রো [ ভিডিও সহ] রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব আসছে রানার- আইপিও মাধ্যমে তুলবে ১শ’ কোটি টাকা [ভিডিও সহ] খুব তাড়াতাড়ি লেনদেন এক হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে [ভিডিও সহ] বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাকের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব ‘বিনিয়োগ করেন সবাই লাভবান হবো’ [ভিডিও সহ] ডেল্টা হসপিটালের সম্প্রসারণ প্রয়োজন : চেয়ারম্যান [ ভিডিও সহ ] দেখে নিন,জেনে নিন,বুঝে নিন [ভিডিওসহ] – DHL রোডশোর প্রশ্নসমূহ ‘প্রতিকূলতার মাঝেও ন্যাশনাল লাইফ ভালো ব্যবসা করেছে’ : চেয়ারম্যান [ ভিডিও… “এক বছরের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে ভালো অবস্থনে রয়েছে মার্কেট” | জামাল.. ‘বাজার ঊর্ধ্বমুখীতার করণে সংশ্লিষ্টরা নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে’ : বিনিয়োগকারী [ভিডিও সহ] ‘জেমিনি সি ফুডের কাছে অতিরিক্ত বোনাস রয়েছে’ (ভিডিও সহ) ‘সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ধারাবাহিকভাবে সফলতা অর্জন করে আসছে’ [ভিডিও সহ] পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • আইপিওতে ফের বুক বিল্ডিং আইন সংশোধনের প্রস্তাব
    ডেস্ক রিপোর্ট : প্রিমিয়ামে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে ইস্যুয়ার ও বিনিয়োগকারী সবার জন্য একটি যুগোপযোগী বিধান করতে ২০১৫ সালের শেষ দিকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) বুক বিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কার করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর আওতায় একটি কোম্পানির তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া চলছে। তবে বিদ্যমান আইনেও যোগসাজশ ও কারসাজির মাধ্যমে প্রাথমিক শেয়ারের দর বাড়ানোর সুযোগ রয়ে গেছে বলে মনে করছেন বাজার-সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি বুক বিল্ডিংয়ে বিডিংয়ের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রেও কিছু জটিলতা ও অসন্তোষ রয়েছে। সবার স্বার্থরক্ষায় বুক বিল্ডিং পদ্ধতি আরো কার্যকর করতে সম্প্রতি নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে আবারো পাবলিক ইস্যু রুলস সংশোধনের দাবি জানিয়েছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। আইনের সর্বশেষ সংশোধনীর পরও বুক বিল্ডিং পদ্ধতির কিছু দুর্বলতা রয়েছে স্বীকার করে বিএসইসির কমিশনার স্বপন কুমার বালা ডিএসই আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, আইনের কিছু সমস্যার বিষয়ে কমিশন অবগত। নতুন আইনে অন্তত একটি কোম্পানির আইপিও আসুক। অভিজ্ঞতার আলোকে প্রয়োজনে আবারো আইনটি সংশোধন করা হবে। এক্ষেত্রে বিতর্ক এড়াতে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারদর নির্ধারণে ‘ডাচ-অকশন পদ্ধতি’ কিংবা ‘অ্যাঙ্কর ইনভেস্টর’ পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে। ডাচ-অ্যাকশন পদ্ধতিতে কোনো বিনিয়োগকারীকে তার প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার ক্রয় করতে হয়। তখন নিজেদের স্বার্থ বিবেচনায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা দর প্রস্তাবে আরো দায়িত্বশীল হন। অন্যদিকে ‘অ্যাঙ্কর ইনভেস্টর’ পদ্ধতিতে চূড়ান্ত শেয়ার কাট অফ প্রাইস নির্ধারণের আগেই অ্যাঙ্কর ইনভেস্টর গ্রুপ নির্দিষ্ট দরে শেয়ার কিনতে পারে। একটি দরে কোনো বড় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনে নিলে তখন সে আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ে। এদিকে বিদ্যমান বুক বিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন করে ন্যূনতম ৫০টি যোগ্য প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবের ভিত্তিতে শেয়ারের কাট অফ প্রাইস নির্ধারণ এবং কোনো একক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর জন্য সর্বোচ্চ ২ শতাংশ শেয়ার কেনার সুযোগ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তবে আইপিওর আকার বড় হলে তা ১ শতাংশে নামিয়ে আনা যেতে পারে বলেও মত তাদের। এ বিষয়ে একাধিক ইস্যু ব্যবস্থাপক বলেন, বড় আইপিও হলে বিডিংয়ে ৫০টি যোগ্য প্রতিষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা গ্রহণযোগ্য হতে পারে। তবে ছোট ও মাঝারি আকারের কোম্পানির বিডিংয়ে সংখ্যা ২০-এর বেশি হওয়া কোনোভাবেই যৌক্তিক হবে না। এর বাইরে কাট অফ প্রাইস নির্ধারণ হয়ে যাওয়ার পর কম দর প্রস্তাবকারীদের আবারো কাট অফ প্রাইসে শেয়ার কেনার সুযোগ দেয়ার বিপক্ষে তারা। পাশাপাশি একটি প্রতিষ্ঠানকে তার জন্য বরাদ্দকৃত সর্বোচ্চ আবেদনসীমার অন্তত ৩০ শতাংশ শেয়ার কেনার আবেদনে বাধ্য করারও দাবি তাদের। তারা মনে করছেন, এতে দর প্রস্তাবে বিডাররা শুরু থেকেই আরো দায়িত্বশীল হবেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) পক্ষ থেকেও কিছু পয়েন্ট উত্থাপন করা হয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জটির কর্মকর্তারা জানান, মিউচুয়াল ফান্ড ও কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত ‘অন্যান্য’ এ দুই ক্যাটাগরি বাদ দিলে বর্তমান আইন অনুসারে বিডিংয়ে মোট ১০ ক্যাটাগরির যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ সম্ভব। বর্তমানে ক্যাটাগরিভেদে তাদের মধ্যে সমানসংখ্যক (শতকরা হিসাবে) শেয়ার বরাদ্দের বিধান রয়েছে। কার্যত দেখা যায়, একটি ক্যাটাগরি থেকে অনেক বেশি শেয়ার কেনার আবেদন আসছে, বিপরীতে অন্য ক্যাটাগরির বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে তুলনামূলক কম আবেদন আসছে। এক্ষেত্রে যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দে অভ্যন্তরীণ কোটা বিন্যাসটি তুলে দেয়া যেতে পারে বলে মত দিয়েছে সিএসই। এছাড়া বিদ্যমান বুক বিল্ডিং আইনে কাট অফ প্রাইস নির্ধারণের পদ্ধতি আরো কার্যকর ও বাস্তবসম্মত করা প্রয়োজন বলেও মনে করে সিএসই। বুক বিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান বলেন, আইনের অপব্যবহার রোধ করতেই সময়ে সময়ে সংশোধনের মাধ্যমে সেটি যুগোপযোগী করা হয়ে থাকে। সর্বশেষ সংশোধিত আইনেও বুক বিল্ডিং পদ্ধতির উল্লেখযোগ্য সংস্কার করা হয়েছে। কমিশন যদি আবারো প্রয়োজন মনে করে, তাহলে সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হবে। আইন সংশোধনের জন্য ডিএসই ও সিএসইর প্রস্তাবের বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কমিশন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। এক্ষেতে হয়তো আইনের সংশ্লিষ্ট কিছু ধারা সংশোধন করা হতে পারে। তবে যদি ব্যাপক আকারে সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তাহলে প্রয়োজনে কমিটি গঠন করা হতে পারে।
  • বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগ আসলে কত?
    দেশে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রতি বছরই বাড়ছে। তা সে অর্থবছরের (জুলাই-জুন) হিসাবে হোক আর পঞ্জিকা বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) হিসাবেই হোক, বিগত কয়েক বছরে বিদেশী বিনিয়োগের ধারা ঊর্ধ্বমুখীই রয়েছে। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরেও তা বজায় থাকবে বলে আভাস মিলেছে, যদিও ২০১৬ সালে বিদেশী বিনিয়োগের পরিস্থিতিটা কী, তা এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। আর এই না জানার মূল কারণ হলো, বিনিয়োগ পরিসংখ্যানের সংশোধন। আরো ভেঙে বললে, বিদেশী বিনিয়োগের মূল্যমান নির্ধারণের পদ্ধতি হালনাগাদ করায় সবকিছু নতুনভাবে হিসাব কষতে হচ্ছে। মানে চলতি বিনিয়োগ পরিস্থিতি তো বটেই, অতীতের বিনিয়োগ পরিসংখ্যানকে নতুনভাবে সমন্বয় করতে হচ্ছে। বিদেশী বিনিয়োগের দুটি দিক। একটি হলো মোট বিনিয়োগ, অন্যটি নিট বা প্রকৃত বিনিয়োগ। সাধারণত মোট বিনিয়োগ থেকে অবিনিয়োগ (ডিজইনভেস্টমেন্ট) বাদ দিলে পাওয়া যায় প্রকৃত বিনিয়োগের প্রবাহ। এই অবিনিয়োগের হিসাব কষতে গিয়েই কিছু গোলযোগ দেখা দিচ্ছে। অবিনিয়োগের মধ্যে কী কী উপাদান থাকবে, তা এত দিন যেভাবে নির্ধারিত ছিল, এবার তাতে পরিবর্তন এসেছে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংক এ পরিবর্তন এনেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালান্স অব পেমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়ালের (বিপিএম) ষষ্ঠ সংস্করণ অনুসরণ করতে গিয়ে। এত দিন পঞ্চম ম্যানুয়াল অনুসরণ করা হচ্ছিল। চলতি অর্থবছর থেকে নতুনতর সংস্করণ অনুসরণ করা হচ্ছে বিদেশী বিনিয়োগের হিসাব প্রাক্কলনের জন্য। নতুন হিসাব পদ্ধতি মেনে গত তিন বছরের বিনিয়োগ পরিসংখ্যান সংশোধনও করা হয়েছে। যেমন: ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মোট বিদেশী বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে ১৪৭ কোটি ৪০ লাখ আর নিট বিনিয়োগ ১০৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মোট ও নিট বিদেশী বিনিয়োগ যথাক্রমে ১৮৩ কোটি ও ১১৭ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট ও নিট বিদেশী বিনিয়োগ যথাক্রমে ২০০ কোটি ৩০ লাখ ও ১২৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার। মুশকিলটা হলো, হিসাব পদ্ধতি হালনাগাদের পর এখন যেটাকে মোট বিদেশী বিনিয়োগ হিসেবে দেখানো হচ্ছে, কিছুদিন আগে সেটাই আবার ছিল নিট বা প্রকৃত বিদেশী বিনিয়োগ। যেমন— ২০১৫-১৬ অর্থবছরের মোট বিদেশী বিনিয়োগ ছিল ২৫০ কোটি ২০ লাখ ডলার। তা থেকে অবিনিয়োগ বাবদ ৪৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার বাদ দিয়ে নিট বিদেশী বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছিল ২০০ কোটি ৩০ লাখ ডলার। কিন্তু আইএমএফের ষষ্ঠ বিপিএম অনুসারে হিসাব কষতে গিয়ে এই ২০০ কোটি ৩০ লাখ ডলারকেই এখন মোট বিনিয়োগ দেখানো হচ্ছে। আর নতুন পদ্ধতিতে অবিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৭১ কোটি ডলার। তাহলে আগের যেটা মোট বিনিয়োগ (২৫০ কোটি ২০ লাখ ডলার), সেটা কোথায় গেল? বা সেটির কী হবে? এসব প্রশ্নের কোনো জবাব এখনো পাওয়া যায়নি। আবার বিদেশী বিনিয়োগের তিনটি মূল উপাদান রয়েছে। এগুলো হলো— সমমূলধন (ইকুইটি ক্যাপিটাল), পুনর্বিনিয়োগকৃত আয় (রিইনভেস্টেড আর্নিংস) এবং অন্তঃপ্রতিষ্ঠান ঋণ (ইনট্রা কোম্পানি লোন)। হালনাগাদ করার কারণে এসব উপাদানের মূল্যমানে কী পরিবর্তন আসবে— তা দেখার বিষয়। এত দিন পর্যন্ত অবিনিয়োগ নির্ধারণে বিবেচনায় নেয়া হতো কোনো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের পুঁজি প্রত্যাহার এবং আন্তঃকোম্পানি ঋণ পরিশোধের মূল্যমানকে। অর্থাত্ বাংলাদেশে কোনো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এক বছরে মোট যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে থাকে, তা থেকে ওই সময়কালে কিছু পুঁজি তুলে নিলে এবং মূল প্রতিষ্ঠান বা সহযোগী অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে নেয়া ঋণ ফেরত দিলে এগুলো আর প্রকৃত বিনিয়োগের অংশ বিবেচিত হয় না। ফলে এগুলো মোট বিনিয়োগ থেকে বাদ দিতে হয়। ষষ্ঠ বিপিএম অনুসারে, এগুলোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান কোনো লোকসান গুনলে তাও মোট বিনিয়োগ থেকে বাদ দিতে হয়। সন্দেহ নেই, নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করায় বাংলাদেশের বিদেশী বিনিয়োগের চিত্র অধিকতর স্বচ্ছ হয়েছে এবং বিশ্বমানের আরো কাছে গেছে। পাশাপাশি এ প্রশ্নও করা যেতে পারে যে, কেন এত দিন পরে আইএমএফের ষষ্ঠ বিপিএম অনুসরণ শুরু হলো। এটি তো আইএমএফ ২০০৮ সালেই প্রবর্তন করেছে। তাহলে প্রায় নয় বছর দেরিতে এর দিকনির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছে। এটা ঠিক যে, বিপিএম অনুসরণে লেনদেনের ভারসাম্যের হিসাব-নিকাশ করা সময়সাপেক্ষ বিষয়, বিশেষত বাংলাদেশে যেখানে হালনাগাদ ও বিস্তারিত তথ্য-উপাত্তের যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। তাই ধাপে ধাপে কাজটি করতে হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংককে। মূলত ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বিপিএম ষষ্ঠ সংস্করণ অনুসরণ শুরু করে বিওপির হিসাবরক্ষণের জন্য। আবার এটাও জানা গেছে যে, নতুন পদ্ধতিতে বিদেশী বিনিয়োগের হিসাব কষার ক্ষেত্রে মাত্র তিন বছরের পরিসংখ্যান সংশোধন করা গেছে, যা কিনা ২০১৩-১৪ অর্থবছর পর্যন্ত। তার আগের বছরগুলোর ক্ষেত্রে পঞ্চম বিপিএম অনুসারে যে হিসাব কষা হতো, সেটিই থেকে যাচ্ছে। কেননা বিগত বছরগুলোর পরিসংখ্যান হালনাগাদ করার জন্য যে পরিমাণ তথ্য-উপাত্ত প্রয়োজন, তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পুরোপুরি নেই। এতে বিদেশী বিনিয়োগের প্রবণতা ও তুলনামূলক পর্যালোচনার সুযোগটি সীমিত হয়ে পড়ল। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন পর্যন্ত পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা প্রদান করেনি। তবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত (এফডিআই কার্ভস ডাউন, সাবসটেনশিয়ালি-ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, জানুয়ারি ২২, ২০১৭) প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, পরিসংখ্যান সংশোধন ও হালনাগাদ করার ক্ষেত্রে যতটুকু পুরনো হিসাব নির্ণয় করা যায়, ততটুকু নির্ণয়ের চেষ্টা করা হবে যেন আগের হিসাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকে। ২. বিদেশী বিনিয়োগের পরিসংখ্যান হালনাগাদ ও যুগোপযোগী করার কাজটি অবশ্য একেবারে নতুন কোনো চর্চা নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক এর আগে ২০০৪-০৫ অর্থবছর থেকে আইএমএফের দিকনির্দেশনা অনুসারে বিদেশী বিনিয়োগসহ গোটা লেনদেনের ভারসাম্য হিসাবের পদ্ধতিটি হালনাগাদ করেছিল। ওই বছর থেকে দেশে ব্যবসারত বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর অর্ধবার্ষিক জরিপের ভিত্তিতে বিদেশী বিনিয়োগের পরিসংখ্যান হালনাগাদের কাজ শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এ কাজ শুরু করার পরিপ্রেক্ষিতটা ছিল বিদেশী বিনিয়োগের পরিসংখ্যান নিয়ে সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তুমুল বিতর্ক, যা পরিণতিতে একপর্যায়ে উচ্চ আদালতে গড়িয়েছিল। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল বিদেশী বিনিয়োগের তথ্যের যথার্থতা ও নির্ভুলতাকে প্রশ্ন করা নিয়েই। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) ২০০৩ সালে বিদেশী বিনিয়োগের তথ্যগত বিভ্রান্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলে। বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি তৎকালীন বিনিয়োগ বোর্ড, বিশেষত এর তত্কালীন নির্বাহী চেয়ারম্যান। যদিও তিনি বিনিয়োগ বোর্ডের দায়িত্বভার গ্রহণের পর বোর্ডের কার্যক্রমে বিভিন্ন ধরনের সংস্কার করেন। এরই অংশ হিসেবে ২০০২ সাল থেকে প্রথম বিদেশী বিনিয়োগের প্রবাহ জরিপ শুরু করা হয়। দেশে ব্যবসারত বিভিন্ন বিদেশী ও যৌথ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে বিনিয়োগের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তারপর সেগুলো সন্নিবেশন করে ছয় মাসের বা এক বছরের তথ্য প্রদান করা হয়। বিনিয়োগ বোর্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকও অর্ধবার্ষিক ভিত্তিতে বিদেশী বিনিয়োগ-বিষয়ক জরিপ শুরু করে ২০০২ সাল থেকে। মূলত বিনিয়োগ বোর্ডের অনুরোধে এবং বৈদেশিক লেনদেনের হিসাবে বিদেশী বিনিয়োগের তথ্য সঠিকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে কিনা, তা যাচাই করতে এ জরিপ শুরু করা হয়। বিনিয়োগ বোর্ড ও বাংলাদেশ ব্যাংকের জরিপ থেকে যে ফল বেরিয়ে আসে, তাতে দেখা যায়— বিদেশী বিনিয়োগের তথ্য এত দিন সঠিকভাবে সংগ্রহ করা হয়নি। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেয় যে, লেনদেনের হিসাবে (ব্যালান্স অব পেমেন্ট) জরিপকৃত তথ্য-পরিসংখ্যান আইএমএফ প্রবর্তিত আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী সমন্বয় করা হবে। এবং ২০০১-০২ অর্থবছর থেকে তা করা শুরু হয়। তার পরও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব জরিপ ও লেনদেনের ভারসাম্যের হিসাবে কিছুটা গরমিল থেকে যায়। যেমন— ২০০৫ সালে বিওপি অনুসারে দেশে বিদেশী বিনিয়োগের প্রবাহ ছিল ৭৫ দশমিক ৪ কোটি ডলার, যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের জরিপের হিসাবে দেখা গিয়েছিল, এটি ৮৪ দশমিক ৫৩ কোটি ডলার। প্রায় ১০ কোটি ডলারের গরমিল ছিল তখন। অন্যদিকে বিনিয়োগ বোর্ড তাদের জরিপ থেকে প্রাপ্ত তথ্যকেই সঠিক তথ্য হিসেবে দাবি করেছিল তিন বছর ধরে। তবে ২০০৫ সালের বিদেশী বিনিয়োগের পরিসংখ্যান হিসেবে বোর্ড বাংলাদেশ ব্যাংকের জরিপের প্রাপ্ত তথ্যকেই একমাত্র তথ্য হিসেবে গ্রহণ ও ব্যবহার শুরু করে। সিপিডি দুই ধরনের জরিপের প্রশ্নপত্র ও পদ্ধতির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে বলেছিল যে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুসৃত তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি বিনিয়োগ বোর্ডের অনুসৃত পদ্ধতি অপেক্ষা বেশি গ্রহণযোগ্য। সিপিডির ভাষ্য ছিল এ রকম: “বিনিয়োগ বোর্ড কর্তৃক অনুসৃত প্রশ্নপত্রে বিদেশী কোম্পানির মোট আগত বিনিয়োগ সম্পর্কেই শুধু তথ্য নেয়া হয়, অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক উপরোক্ত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন, দাবি ও দায়গুলো, পরিচালন মুনাফা ও নিট আয়, মোট বিনিয়োগ মজুদ ইত্যাদি তথ্য পরীক্ষা করে। আবার জরিপ কাজে ভিন্ন ভিন্ন একক (বাংলাদেশ ব্যাংক একক হিসেবে ‘হাজার টাকা’ এবং বিনিয়োগ বোর্ড একক হিসেবে ‘মিলিয়ন ডলার’) ব্যবহারের ফলেও প্রকৃত বিনিয়োগের তথ্যে গরমিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অধিকন্তু, ভিন্ন ভিন্ন সময়কাল (বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে জুলাই-জুন এবং বিনিয়োগ বোর্ডের হিসাবে জানুয়ারি-ডিসেম্বর) ব্যবহারও তথ্য বিভ্রান্তির কারণ হতে পারে। বৈদেশিক বিনিয়োগের জরিপ ও তথ্য সংগ্রহের কাজ উপরোক্ত কোন প্রতিষ্ঠানের অধীনে হবে— এটা পরিষ্কার নয়। কারণ বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ বোর্ডকে আইনগতভাবে বিনিয়োগের তথ্য দিতে বাধ্য নয়। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২-এর আর্টিকেল ৬৯-এর অধীনে শুধু তথ্য প্রদানের জন্য অনুরোধ করতে পারে। বস্তুত দুটি আলাদা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জরিপের ফলে বৈদেশিক বিনিয়োগ পরিস্থিতি সম্পর্কে আগের চেয়ে ভালো জানা গেলেও তথ্য বিভ্রান্তি নিরসনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে জরিপ পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করে বিনিয়োগ বোর্ডের লজিস্টিক সহায়তা নিয়ে একটি মাত্র জরিপ পরিচালিত হওয়া দরকার।” (বিস্তারিত: অর্থনীতির খণ্ডিত পাঠ-আসজাদুল কিবরিয়া; জাগৃতি প্রকাশনী, ঢাকা; ২০০৮; পৃ:৩২-৩৬) বিদেশী বিনিয়োগ নিয়ে বিতর্কের বিষয়টি অবশ্য জলঘোলা হয়ে তিক্ততার চরমে ওঠে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য এ বিতর্কের একটি ইতিবাচক পরিসমাপ্তি হয়। আর তা হলো, বিনিয়োগ পরিসংখ্যানকে হালনাগাদ করা। এক যুগ পরে আবার তা সময়ের প্রয়োজনে হালনাগাদ করতে হচ্ছে। আর তাই বাংলাদেশ ব্যাংকের দিক থেকে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট করে একটি ব্যাখ্যা প্রদান করা যেতে পারে। আর তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে জুড়ে দেয়া দরকার, যেন সবাই জানতে ও বুঝতে পারে। ৩. বিশ্বজুড়ে বিদেশী বিনিয়োগ পরিস্থিতির দিকে একটু তাকানো যাক।  জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (আঙ্কটাড) গত মাসেই গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট ট্রেন্ডস মনিটর প্রকাশ করেছে। এতে গত বছরের বৈশ্বিক বিদেশী বিনিয়োগ পরিস্থিতির ওপর প্রাথমিক আলোকপাত করা হয়েছে অসম্পন্ন তথ্য-পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে। এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে বৈশ্বিক বিদেশী বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় ১৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার কোটি ডলারে (১.৫২ ট্রিলিয়ন)। ২০১৫ সালে যেখানে বিদেশী বিনিয়োগের প্রবাহ ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজার কোটি (১.৭৫ ট্রিলিয়ন) ডলার। বিশ্ব অর্থনীতির দুর্বল প্রবৃদ্ধি ও বিশ্ববাণিজ্যের শ্লথগতির প্রভাবে বিদেশী বিনিয়োগের প্রবাহ নিম্নমুখী হয়েছে। আঙ্কটাডের এ প্রাক্কলন একেবারে প্রাথমিক, যা আবার পরবর্তীতে হালনাগাদ করা হবে এবং এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন (গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট রিপোর্ট) প্রকাশ করার পর বিস্তারিত ও পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে। তবে গেল বছরের বিদেশী বিনিয়োগ পরিস্থিতি বুঝতে বর্তমান সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনটি যথেষ্ট সহায়ক। আঙ্কটাড দেখাচ্ছে যে, সার্বিকভাবে উন্নত দেশগুলোয় বিদেশী বিনিয়োগের প্রবাহ কমেছে ৯ শতাংশ। ২০১৫ সালে ছিল ৯৬ হাজার ৩০০ কোটি ডলার, যা ২০১৬ সালে হয়েছে ৮৭ হাজার ২০০ কোটি ডলার। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোয় সমন্বিতভাবে বিদেশী বিনিয়োগের প্রবাহ কমেছে ১৮ শতাংশ, যেখানে উত্তর আমেরিকায় তা বেড়েছে ৬ শতাংশ। অন্যদিকে ২০১৫ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোয় ৭৪ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বিদেশী বিনিয়োগ ছিল, যা প্রায় ২০ শতাংশ কমে হয়েছে ৬০ কোটি ডলার। এর মধ্যে এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোয় বিদেশী বিনিয়োগের প্রবাহ কমেছে ২২ শতাংশ। আঙ্কটাড বলছে, বিশ্ব অর্থনীতির দুর্বল প্রবৃদ্ধি ও বিশ্ব পণ্যবাজারের দরপতন উন্নয়নশীল দেশগুলোয় বিদেশী বিনিয়োগের প্রবাহ নিম্নমুখী করেছে। বিশ্ব বিদেশী বিনিয়োগ পরিস্থিতির এ ধারায় বাংলাদেশে যদি বিদেশী বিনিয়োগের প্রবাহ ধাক্কা খায়, তাহলে শঙ্কিত হওয়ার যেমন কিছু নেই, তেমনি বিনিয়োগের প্রবাহ যদি ঊর্ধ্বমুখী থাকে, তাহলেও বিস্ময়ের কিছু নেই। কেননা বৈশ্বিক মোট বিদেশী বিনিয়োগ প্রবাহের তুলনায় বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগ এখনো খুবই কম। তদুপরি হিসাব পদ্ধতি হালনাগাদ করায় বিদেশী বিনিয়োগের চিত্র কিছুটা পাল্টে গেছে। তানিম আসজাদ, অর্থনৈতিক সাংবাদিক।
  • ইনডেক্সে বেয়ারিশ ক্যান্ডেলের আবির্ভাব, মার্কেটে নিম্নমুখী ট্রেন্ড হওয়ার প্রবনতা
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসসি) ইনডেক্সে ২৭ মার্চ, সোমবার লেনদেন শেষে বেয়ারিশ ক্যান্ডেলের আবির্ভাব ঘটে। তিন দিন ছুটির পর গত ট্রেডিং ডের মতই বেয়ারিশ ক্যান্ডেল দেখা দিল মার্কেট ইনডেক্সে। দিনের প্রথম দিক থেকেই ভাল রকম সেল পেশার ছিল বাজারে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী মার্কেটে এই সেল পেশারের কারণে ধীরে ধীরে বেশীর ভাগ শেয়ারের দর পতন হয়। ফলে পুর মার্কেতেই এর প্রভাব পরে। আর সেই কারণে বেয়ারিশ ক্যান্ডেলের আবির্ভাব ঘটে। এমতাবস্থায় বলা যেতে পারে যে মার্কেটে নিম্নমুখী ট্রেন্ড হওয়ার প্রবনতা বেশী। অবশ্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাইয়ার মার্কেটে চলে আসলে গতিবিধি পরিবর্তন হতে পারে। ডিএসই সাধারন সূচক আগের দিনের চেয়ে কিছু পয়েন্ট কমে শেষ হয়েছে। ট্রেড শেষে আজ ডিএসই সাধারন সূচক মাত্র ২৮.৩ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। সোমবার সাধারণ সূচক বিগত দিনের ৫৭২৬.২৩ পয়েন্ট থেকে কমে ৫৬৯৭.৯৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে যা আগের দিনের তুলনায় .৪৯% কম। আজ বাজারে সর্বমোট ৩২৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে যার মধে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ৯৭ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এর, হ্রাস পেয়েছে ১৮৯টির আর অপরিবর্তিত আছে ৩৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। আজকের মোট লেনদেনের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৭৭৭.১ কোটি টাকায় আর মোট লেনদেন হয়েছে ১লাখ ২১হাজার ৩৭২ টি শেয়ার। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজকে বাজারে সব শেয়ারের দাম কমেছে । দেখা যাচ্ছে ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকার শেয়ার কমেছে ১৭.৫৫% । সেই সাথে ১০০ থেকে ৩০০ কোটি  মূলধনী প্রতিষ্ঠানেরও দাম কমেছে ১৪.৬৩% এবং  ২০ থেকে ৫০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৩০.৯% বেড়েছে । অন্যদিকে ৩০০ কোটি টাকার ওপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে ৩৩.২১%।  পিই রেশিওর ভিত্তিতে দেখলে দেখা যায় যে এখানে কিছু মানের শেয়ারের দাম কমেছে আবার কিছু বেড়েছে । ০-২০ এবং ২০-৪০ পিই রেশিওর শেয়ারের দর যথাক্রমে কমেছে ৩০.২৫% এবং ২১.৯৬। অন্যদিকে ৪০এর অধিক পিই রেশিওর শেয়ারের দর যথাক্রমে বেড়েছে  ১.৯%। ক্যাটাগরির দিক থেকে একই চিত্র দেখা যায়। এ ক্যাটাগরিও হ্রাস পেয়েছে ২৫.৯৩ শতাংশ। তবে  বি বেড়েছে ১৬.৯ শতাংশ, জেড বেড়েছে ০.৫৫ শতাংশ । অন্যদিকে এন ক্যাটাগরিও কমেছে ৪৫.০৭ শতাংশ।
  • বিনিয়োগ কমলেও, ব্যাংকিং খাতেই সর্বাধিক লেনদেন
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ২৭ মার্চ, সোমবার লেনদেন শেষে ব্যাংকিং খাতে সবচেয়ে বিনিয়োগ দেখা গেছে। তবে গত দিনের তুলনায় এই খাতে বিনিয়োগ যথেষ্ট পরিমান হ্রাস পেয়েছে । মার্কেট ট্রেন্ড বেয়ারিশ থাকায় সব খাতেই তুলনা মুলক ভাবে কম ট্রেড হয়েছে। তবুও ব্যাংকিং খাতে অন্যান্য খাতের চেয়ে বেশী ক্যাশ ফ্লো হয়েছে। বেশীর ভাগ খাতেই আজকে গত দিনের তুলনায় বিনিয়োগ কম ছিল। সেই সাথে ক্যাশের ফ্লো ও কম ছিল। ফলে বোঝা যায় যে অন্যান্য খাত থেকে অর্থের প্রবাহ ব্যাংকিং খাতে চলে এসেছে। আজকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে রয়েছে টেক্সটাইল ও ফাইন্যান্স খাত। টেক্সটাইল খাতে আগের চেয়ে কম ট্রেড হলেও, ফাইন্যান্স খাতে অনেক বেশী বিনিয়োগ দেখা গেছে দিন শেষে। সুতরাং বলা জেতেই পারে যে বিনিয়োগকারীরা এসব খাতেই আস্থা রাখছে শেয়ার ক্রয় করার। ব্যাংকিং খাত লেনদেনের ভিত্তিতে আজ সবচেয়ে ভাল অবস্থানে ছিল ব্যাংকিং খাত। আজকে মোট  লেনদেনের পরিমান ছিল ১৬০ কোটি টাকা যা আগে দিনের তুলনায় ১১৩ কোটি টাকা কম। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে ৪০%। লেনদেন হওয়া ৩০ টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ২টির কমেছে ২৪ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪ টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল এসআইবিএলের যা দিন শেষে ২৩.১ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে। আগের দিনের তুলনায় কোম্পানিটির দাম ০.৮৭% বেশী। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল এবি ব্যাংক যা ৩% হ্রাস পেয়ে ২৫.৯ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করেছে। টেক্সটাইল খাত লেনদেনের ভিত্তিতে টেক্সটাইল খাত আজকে দ্বিতীয় অবস্থানে দিন শেষ করেছে । টেক্সটাইল খাতে মোট লেনদেনের পরিমান ছিল ১২০ কোটি টাকার মত যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৩৭ কোটি টাকার মত কম। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে ২৩.৫৭%। আজ এই খাতে লেনদেন হওয়া ৪৭ টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ২৩ টি, কমেছে ১৭ টি কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এই খাতে সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল ইটিএল । এই শেয়ারটি ২৪.৩ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ৪.২৯% বেশী। অন্যদিকে আজ এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল তস্রিফা যা ২৮.১ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ৩.৪৪% কম। ফাইন্যান্স খাত লেনদেনের ভিত্তিতে সোমবার তৃতীয় অবস্থানে ছিল ফাইন্যান্স খাত। এই  খাতে আজকে মোট  লেনদেনের পরিমান ছিল ১১৭.৮ কোটি টাকা যা আগের দিনের তুলনায় ২৫ কোটি টাকা বেশী। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ২৭%। এই খাতে লেনদেন হওয়া ২৩ টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ৭ টি কমেছে ১৫ টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ১ টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল প্রিমিয়ার লিজিং যা আজকে ২০.৩ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৭.৪১% বেশী। অন্যদিকে আজ এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল ফার ইস্ট ফাইন্যান্স যা আজকে ১৫ টাকায় লেনদেন শেষ করে যা আগের দিনের তুলনায় ৩.৮৫% কম ।
  • এক নজরে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর এনএভির অবস্থা
    মোহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান : ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) পরিচালিত মিউচুয়াল ফান্ডের নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। একই সাথে অনান্য বাকী মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি), প্রকাশ করা হয়েছে ।
  • প্রাইম ব্যাংকের নিট মুনাফা বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের নিট মুনাফা বেড়েছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর ও প্রভিশন পরবর্তী মোট নিট মুনাফা হয়েছে ২৮৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সে হিসেবে আলোচ্য বছরে নিট মুনাফার পরিমাণ বেড়েছে ৪৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বা ২১.১২ শতাংশ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। ব্যাংকটির কর ও প্রভিশন পূর্ববর্তী মুনাফা হয়েছে ৬২২ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এই মুনাফার মধ্যে ব্যাংকটি খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চতি) সংরক্ষণ করেছে ৩২৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা। আয় কর পরিশোধ করেছে ১০ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে প্রাইম ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা হয় ৬২৫ কোটি টাকা। ২০১৫ সালে ব্যাংকটির কর ও প্রভিশন পূর্ববর্তী মুনাফা ছিল ৫৯৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ওই বছর ব্যাংকটি খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চিতি) সংরক্ষণ করে ২৮৪ কোটি ৮৯ টাকা। আয় কর পরিশোধ করে ৮০ কোটি টাকা। ব্যাংকটির সম্পদের ওপর আয়ের হার (রিটার্ন অন অ্যাসেটস) বৃদ্ধি পেয়েছে ১.১১ শতাংশ। আর মূলধন আয়ের ওপর হার (রিটার্ন অন ইক্যুইটি) বৃদ্ধি পেয়েছে ৮.৮০ শতাংশ। ব্যাংকের বর্তমান সম্পদ মূল্য দেখানো হয়েছে ২৫ হাজার ৬৭৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে প্রাইম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। এসময়ে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয় ২ টাকা ১১ পয়সা। শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২৫ টাকা ৭৫ পয়সা। কোম্পানিটির বর্তমান রিজার্ভ রয়েছে ১ হাজার ৩৯৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা; পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ২৯ কোটি ৩৫ টাকা। বর্তমানে ব্যাংকটির ১০২ কোটি ৯৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৬টি শেয়ার রয়েছে। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩৮.৮২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকের কাছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৭.০৯ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৩.৭২ শতাংশ শেয়ার।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • বহুজাতিক ও বিদেশি কোম্পানি বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ
    বিদেশি কোম্পানিগুলোকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ব্যবসা পরিচালনা করতে সে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হয়। অথচ বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী বিদেশি ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে আসার ব্যাপারে উদাসীন। এ জন্য বহুজাতিক কোম্পাানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক করতে চায় অর্থ মন্ত্রণালয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিদেশি এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় মতামত চেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে বহুজাতিক এসব কোম্পানির পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির বিধানগুলোর ব্যাপারে অবহিত করতে বলেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, বিদেশি এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে নমনীয় নীতিতে ব্যবসা করার সুযোগ পাচ্ছে। শর্ত না থাকায় বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকভুক্ত করা যাচ্ছে না। এ কোম্পনিগুলোকে লাইসেন্স দেওয়ার আগে পুঁজিবাজারে আসার কোনো জোরালো শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়নি। এ কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের পুঁজিবাজারে অনেক বহুজাতিক কোম্পানির তালিকাভুক্ত শেয়ার থাকলেও বাংলাদেশে এ ব্যাপারে তেমন অগ্রগতি নেই। অথচ এ দেশের বেশিরভাগ লাভজনক ব্যবসাই পরিচালনা করছে বিদেশি ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো।এদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য দেশীয় কোম্পানিগুলোর ওপর নানা ধরনের শর্ত থাকলেও বিদেশি কোম্পানির ওপর নেই। ফলে বড় বড় বিদেশি ও বহুজাতিক কোম্পানি হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যবসা করলেও বাংলাদেশের জনগণ এর অংশীদারিত্ব পাচ্ছে না। অথচ বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রসাধন, গ্যাস, ইন্স্যুরেন্স, ব্যাংকসহ অনেক বহুজাতিক কোম্পানিই অন্যান্য দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী দেশীয় কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন নির্দিষ্টসীমা অতিক্রম করলেই এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু বিদেশি কোম্পানির জন্য এ ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই। অবশ্য মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোকে লাভজনক হওয়ার পর পুঁজিবাজারে আসার শর্ত রয়েছে।জানা গেছে, ঢাকার শেয়ারবাজারে ২৯৬টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১১টি বহুজাতি কোম্পানি। যা বাজার মূলধনের মাত্র ৭ শতাংশ। অথচ বাংলাদেশে প্রায় ৪১টি বহুজাতিক কোম্পানি রয়েছে। এসব কোম্পানি কোনো জবাবদিহিতা ছাড়াই ব্যবসা করছে। শেয়ারবাজারকে এগিয়ে নিতে এসব কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতসহ অনেক দেশেই বিদেশি কোম্পানি ব্যবসা পরিচালনা করতে ওই দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এমন শর্ত না থাকায় বিদেশি কোম্পানিগুলো ব্যবসা করে টাকা নিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য নীতিমালা প্রণয়নের সময় এসেছে। এখন থেকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়া বাধ্যতামূলক করা দরকার। এ ছাড়া পুঁজিবাজারে সরকারি বেসরকারিসহ বহুজাতিক ও বিদেশি যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাতে জনগণের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করার পরামর্শও দেন তারা।ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকতার হোসেন সান্নামাত বলেন, বিদেশি কোম্পানিগুলো ভালো লভ্যাংশ দিয়েছে। এসব কোম্পানির শেয়ার সংখ্যাও কম। উৎপাদিত পণ্যও ভালো। এজন্য মন্দা বাজারেও ভালো করছে। তবে শর্ত না থাকায় বেশিরভাগ বিদেশি কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসছে না। এ ছাড়া আমাদের আইপিও প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কারণেও অনেক কোম্পানি আসতে চায় না। এ জন্য আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণ করা দরকার। এ ছাড়া সরকারি উদ্যোগ বাড়াতে হবে।অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিএসইসি এ বিষয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। সেখানে বহুজাতিক কোম্পানির তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বিশেষ কর সুবিধার সুপারিশ করেছে। এ ছাড়া তালিকাভুক্তি না হলে নতুন করে কর আরোপের কথা বলা হয়েছে। বিএসইসির সুপারিশে বলা হয়েছে, যেসব বিদেশি কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয়; তাদের নগদ লভ্যাংশের ওপর বর্ধিত কর হার আরোপ করা যেতে পারে। এ ছাড়া বিদেশি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে ব্যবসা করার জন্য আরজেএসসি থেকে নিবন্ধন সনদ নিতে হয়। এ নিবন্ধনের সময়ে বিদেশি কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির শর্তারোপ করা যেতে পারে।এ ব্যাপারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএএম মাজেদুর রহমান বলেন, বহুজাতিক কোম্পানির তালিকাভুক্তির বিষয়ে যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মগুলোর নিবন্ধকের কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় আইন করতে পারে। এ ছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে। source : amader somoy
  • জিপিএইচ ইস্পাতের ঋণ চুক্তিতে জার্মান বিএইচএফ ব্যাংকের সম্মতি
    প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি জিপিএইচ ইস্পাতের বার্ষিক উৎপাদন পাঁচ গুণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্পের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ১০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে জার্মান বিএইচএফ ব্যাংক। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) অনুমোদনক্রমে অস্ট্রিয়ার কভার্ড এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সি (ইসিএ) থেকে এ ঋণ নেবে কোম্পানিটি।বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) জিপিএইচ ইস্পাত জানিয়েছে, জার্মান বিএইচএফ ব্যাংক এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের নেতৃত্বে পাঁচ বাংলাদেশী ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে এরই মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। আর সম্প্রতি জার্মান বিএইচএফ ব্যাংক যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্রাইমেটালস টেকনোলজিস অস্ট্রিয়া জিএমবিএইচের অনুকূলে যন্ত্রপাতির ক্রয়মূল্য বাবদ ৮ কোটি ৩৫ লাখ ডলার এবং এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সির প্রিমিয়াম বাবদ ১ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার পরিশোধের বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেছে। ফলে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের মাধ্যমে ২০১৮ সালের জানুয়ারির মধ্যেই উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে।কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, সাড়ে ১২ বছর মেয়াদি এ ঋণের বিপরীতে ছয় মাসের লাইবর এবং এর সঙ্গে ১ দশমিক ৪০ শতাংশ হারে সুদ নির্ধারণ করা হয়েছে। তাছাড়া দশমিক ৫৫ শতাংশ হারে এককালীন ব্যবস্থাপনা ফি এবং অবিতরণকৃত ঋণের প্রতিশ্রুতি ফি বাবদ পরিশোধ করতে হবে। অস্ট্রিয়ার প্রাইমেটালস টেকনোলজিস জিএমবিএইচ এ ঋণের ডেফার্ড পেমেন্টের সুবিধা প্রদান করবে।জিপিএইচ ইস্পাত বলছে, নতুন প্রকল্পের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণের পাশাপাশি রাইট শেয়ারের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে নেয়া ২৬১ কোটি ৯৫ লাখ ৪০ হাজার টাকাও এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় করা হবে। এজন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছ থেকে ১০ টাকা ফেসভ্যালু এবং ৪ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১৪ টাকা ইস্যুমূল্যে বিদ্যমান দুটি শেয়ারের বিপরীতে তিনটি করে রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১৮ কোটি ৭১ লাখ ১০ হাজার টাকা মূলধন উত্তোলনও করে কোম্পানিটি।জানতে চাইলে জিপিএইচ ইস্পাতের কোম্পানি সচিব আরাফাত কামাল বণিক বার্তাকে বলেন, ঋণচুক্তি আরো আগে স্বাক্ষরিত হলেও বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন পেতে কিছুটা সময় লেগেছে। তবে এখন চূড়ান্ত অনুমোদন হয়ে যাওয়ার কারণে আশা করছি, প্রকল্পের কাজ ২০১৮ সালের মধ্যেই শেষ করতে পারব।উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতে জিপিএইচ ইস্পাতের পর্ষদ কোম্পানির বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা পাঁচ গুণ বৃদ্ধি করতে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটি সম্প্রসারিত প্রকল্পে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য অস্ট্রিয়াভিত্তিক প্রাইমেটালস টেকনোলজিস জিএমবিএইচের সঙ্গে চুক্তি করে। প্রাইমেটালস টেকনোলজিস হচ্ছে জার্মান সিমেন্স, জাপানি মিত্সুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ ও আরো কয়েকটি ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগ। চুক্তি অনুসারে জিপিএইচ ইস্পাতকে অত্যাধুনিক লং স্টিল প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি সরবরাহ করবে প্রাইমেটালস। দুই ধাপে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের মাধ্যমে কোম্পানিটির বিদ্যমান বার্ষিক ১ লাখ ৬৮ হাজার টন এমএস বিলেট উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে ১০ লাখ টনে দাঁড়াবে।তাছাড়া এমএস রড ও মাঝারি ক্যাটাগরির পণ্যের ক্ষেত্রেও বিদ্যমান সক্ষমতা বর্তমান ১ লাখ ২০ হাজার টন থেকে উন্নীত হয়ে ৭ লাখ ৬০ হাজার টনে দাঁড়াবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরে কোম্পানির বার্ষিক কর-পরবর্তী মুনাফা গড়ে ১৪০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বাড়বে।জিপিএইচের নতুন প্লান্টে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহূত হচ্ছে। তাছাড়া মেক্সিকো ও ইতালির পরে এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারকারী তৃতীয় দেশ হবে বাংলাদেশ। নতুন প্লান্টের ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্টের জন্য ভারতের এমএন দস্তুর লিমিটেড এবং প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও আর্গন উৎপাদনের জন্য চীনের সিচুয়ান এয়ার সেপারেশন প্লান্টের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। প্রকল্পের জন্য অত্যাধুনিক ২৩০/৩৩/৬৬ কেভি পাওয়ার সাবস্টেশন নির্মাণেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের ফলে সংশ্লিষ্ট খাতে দূষণের মাত্রা হ্রাসের পাশাপাশি ৫০ শতাংশ গ্যাস ও বিদ্যুত্ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে জিপিএইচ ইস্পাত। এ সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ২ টাকা ৬৫ পয়সা ও এনএভিপিএস ১৫ টাকা ৪৫ পয়সা।এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ কোম্পানির অনিরীক্ষিত ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮২ পয়সা। source : bonik barta
  • ওষুধ কোম্পানিগুলোর অনেকেই পুঁজিবাজারে আসেনি
    পুঁজিবাজারে আসেনি দেশের প্রধান ওষুধ কোম্পানিগুলো। এ খাতের কোম্পানিগুলো প্রতি বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এ খাতের শীর্ষ ২০ কোম্পানির মধ্যে ১৫টিই এখনও বাজারে আসেনি।ওষুধ খাতের তথ্যসেবা ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএমএসের তথ্য অনুসারে, দেশের শীর্ষ পাঁচ ওষুধ কোম্পানির মধ্যে তিনটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। কোম্পানি তিনটি হচ্ছে- স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ও রেনাটা লিমিটেড। পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত হয়নি ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস ও অপসোনিন ফার্মা। আর শীর্ষ ২০ কোম্পানির মধ্যে বাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে ৫টি। আইএমএসের তথ্যানুসারে, গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে সবচেয়ে বেশি ওষুধ বিক্রি করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। দেশের ওষুধের বাজারে স্কয়ারের অংশ ১৭ দশমিক ৯৯ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের অংশ ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ। আর বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের অংশ ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ, অপসোনিন ফার্মার ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং রেনেটা লিমিটেড বাজারের ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ ওষুধ বিক্রি করে। এর বাইরে এসকে অ্যান্ড এফ, এরিস্টো ফার্মা, হেলথকেয়ার ফার্মা, এসিআই লিমিটেড, একমি ল্যাবরেটরিজ, জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালস, সনোফি-এভেন্টিস বাংলাদেশ লিমিটেড, রেডিয়েন্ট ফার্মা, পপুলার ফার্মা, নভোনরডিস্ক, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল, ইউনিমেড অ্যান্ড ইউনিহেলথ, নুভিস্তা ফার্মা, নোভারটিস ফার্মা এবং সান ফার্মা বাংলাদেশের বাজারে শীর্ষ ওষুধ বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে। এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে মাত্র পাঁচটি কোম্পানি। এছাড়া একটি কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওষুধ খাতের কোম্পানিগুলোর ব্যাপারে শেয়ার বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ অনেক বেশি। তাই এ খাতের কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনতে পারলে পুঁজিবাজারের জন্য তা ইতিবাচক হবে।   source : jayjay din
  • পুঁজিবাজারে লেনদেন কমেছে ১০ শতাংশ
    সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন। আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ৯ দশমিক ৭৪ বা ১০ শতাংশ। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, গত সপ্তাহে ৫ হাজার ৬৯৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার। যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৫ হাজার ১৮৮ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার। সেই হিসাবে আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৫০৫ কোটি টাকা বা ৯.৭৪ শতাংশ। সমাপ্ত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ১৬ শতাংশ।ডিএসইর সার্বিক সূচক বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে দশমিক ৪৪ শতাংশ বা ২৪.৯৬ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই৩০ সূচক বেড়েছে দশমিক ৮৩ শতাংশ বা ১৭.০৪ পয়েন্ট। অপরদিকে, শরিয়াহ বা ডিএসইএস সূচক কমেছে দশমিক ৭৩ শতাংশ বা ৯.৬০ পয়েন্টে।সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩৩৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৮টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১৮৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির। আর লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির শেয়ার।সাপ্তাহিক লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : সিটি ব্যাংক, এবি ব্যাংক, বে´িমকো, লঙ্কা বাংলা ফিন্যান্স, আরএসআরএম স্টিল, আইএফআইসি, ন্যাশনাল ব্যাংক, বে´িমকো ফার্মা, ইসলামী ব্যাংক ও বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : এবি ব্যাংক, আইসিবি এএমসিএল ২য় মিউচুয়াল ফান্ড, তুং হাই নিটিং, এমআই সিমেন্ট, আই্এফআইসি, প্রাইম ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি, ন্যাশনাল ফিড মিল, আইসিবি এএমসিএল ৩য় এনআরবি ও ইভিন্স টেক্সটাইল।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ইউনাইটেড ফিন্যান্স, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, জুটস স্পিনার্স, বিজিআইসি, সিঙ্গার বিডি, পেনিনসুলা চট্টগ্রাম, সেন্ট্রাল ফার্মা ও দেশবন্ধু পলিমার।এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ৩৭২ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার। তবে সার্বিক সূচক বেড়েছে দশমিক ২৯ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ২৯০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২০টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১৫৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টির। source : jonokontho
  • সরকারি ব্যাংকে ডিএমডি হওয়ার যোগ্য ৪২ জিএম
    রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৪২ জন মহাব্যবস্থাপক (জিএম) রয়েছেন, যারা উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদে পদোন্নতি পাওয়ার যোগ্য। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ওয়েবসাইটে সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, কৃষি, বিডিবিএল, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ও হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে কর্মরত এসব জিএমের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।তালিকায় সোনালী ব্যাংকের আট, জনতা ব্যাংকের আট, রূপালী ব্যাংকের আট, অগ্রণী ব্যাংকের ছয়, কৃষি ব্যাংকের ছয়, বিডিবিএলের তিন, হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের দুই এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের একজন মহাব্যবস্থাপক রয়েছেন। জনপ্রশাসনের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি বিধিমালা-২০১১-এর ৭(৩) বিধি অনুযায়ী এই সমন্বিত জ্যেষ্ঠতার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।এ তালিকায় জিএম পদে দায়িত্বপালনে কার্যকাল হিসেবে সবার শীর্ষে রয়েছেন অগ্রণী ব্যাংকের মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া। আগামী ৩০ জুন তার চার বছর চার মাসের দায়িত্ব পালন শেষ হবে। সবার শেষে রয়েছেন কৃষি ব্যাংকের জিএম কামরুন নাহার। ওই সময়ে তার দায়িত্ব পালনের কার্যকাল হবে দুই বছর এক মাস।জ্যেষ্ঠতা-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জিএম, ডিএমডি ও এমডি পদে পদোন্নতির জন্য জ্যেষ্ঠতা-সংশ্লিষ্ট পদে তাদের নিয়মিতভাবে পদোন্নতি দেওয়ার তারিখ থেকে ধরা হবে। জ্যেষ্ঠতার যেসব বিষয় প্রজ্ঞাপনের ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়নি, সেসব বিষয়ে সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে জারি করা নির্দেশনা অনুসরণ করা হবে। পদোন্নতি বিধিমালা ২০১১-এ বলা হয়েছে, দুই বা তার বেশি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নিম্নপদে ধারাবাহিক নিয়োগের তারিখ একই হলে এবং নিম্নপদে তাদের পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের সুনির্দিষ্ট বিধান না থাকলে বয়সের ভিত্তিতে তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হবে। source : somokal
  • ৪৬ বছরে শূন্য থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের অর্থনীতি
    রাজকোষ ছিল প্রায় শূন্য। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও ছিল শূন্যের কোটায়। সচল ছিল না কোনো শিল্পকারখানা। ৪৬ বছর আগে প্রায় খালি হাতেই যাত্রা শুরু হয়েছিল স্বাধীন বাংলার অর্থনীতির। তবে এক সময়ের তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের বিস্ময়। যদিও সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্য এখনো কাক্সিক্ষত মাত্রায় কমেনি মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো, অভাব-অনটনে জর্জরিত সাড়ে সাত কোটি মানুষের অর্থনীতি যাত্রা শুরু করে ৮০ ভাগ মানুষের কৃষি নির্ভরতার গল্প দিয়ে। কৃষক-শ্রমিকের নিরলস শ্রম আর উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতায় সেই গল্পের ৪৬ বছরে বিস্ময়ের নাম বাংলাদেশ।৭৮৬ কোটি টাকায় শুরু হওয়া বাজেটের আকার এখন সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকা। বাজেটের ৯০ ভাগের যোগান হচ্ছে নিজস্ব অর্থায়নে। ষোল কোটি মানুষের খাদ্যের জোগান দিতে সাড়ে চার দশকে উৎপাদন বেড়েছে তিনগুণের বেশি। তৈরি পোশাকের ওপর ভর করে রপ্তানি আয় বেড়েছে একশ গুণ। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দিনে দিনে বেড়েছে রিজার্ভ। আর মাথাপিছু আয় পৌঁছেছে ১৪শ ৬৫ ডলারে। শিল্পের পথে হাঁটা অর্থনীতি এখনো বহন করছে প্রায় তিন কোটি দরিদ্র মানুষ। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অর্জনে দরিদ্রতার সূচক থেকে বের হবার লক্ষ্যে ছুটছে দেশ। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এলেও বৈষম্য রয়ে গেছে শ্রম খাতে নারী-পুরুষের সম অধিকারেরও। পদ্মা সেতুসহ যোগাযোগ ও জ্বালানি খাতের মেগা প্রকল্পগুলো সময়মতো শেষ করা গেলে আট ভাগ প্রবৃদ্ধি অজর্নের পাশাপাশি শক্ত ভীতের ওপর দাঁড়াবে দেশের অর্থনীতি। সেই স্বপ্নের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। source : vorer kagoj
  • বাজেটে বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি কমছে
    সরকার বিভিন্ন খাত থেকে ভর্তুকি ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার চিন্তা করছে। এরই অংশ হিসেবে চলতি ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বাজেটের ভর্তুকি খাত থেকে দুই হাজার ৯০৩ কোটি টাকা কমানো হয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি খাতে বরাদ্দ ছিল ২৬ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা।অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত বাজেট থেকে ভর্তুকি কমিয়ে ২৩ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা করা হয়েছে। শতকরা হিসেবে যা ১১ শতাংশ। কৃষি খাতে ভর্তুকি কমানোর কারণে ভর্তুকির পরিমাণ কমেছে।সূত্র আরও জানায়, চলতি অর্থবছরের বাজেটে খাদ্য খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ৯ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ছয় হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। একইভাবে পিডিবির খাত থেকে কমানো হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। এ খাতে ভর্তুকি ছিল ছয় হাজার কোটি টাকা। এখন তা কমিয়ে করা হয়েছে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। তবে কিছু খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কিছুটা বেড়েছেও। যেমন মূল বাজেটে খাদ্য খাতে ভর্তুকি রয়েছে দুই হাজার ৮২০ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে তিন হাজার ৭১৭ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে পাট ও আর্থিক সহায়তা খাতে ভর্তুকি নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। গ্যাস খাতে রাখা হয়েছে এক হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে বিবিধ খাতে ভর্তুকি রাখা হয়েছে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) খাতে এবার কোন ভর্তুকি রাখা হয়নি। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কম দামে জ্বালানি তেল কিনে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বেশি দামে বিক্রি করার কারণে বিপিসির কোন ভর্তুকির প্রয়োজন হচ্ছে না। গত দুই অর্থবছর থেকে সরকারী এই প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে কোন ভর্তুকির অর্থ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে না বলে অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়।অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, সংশোধিত বাজেটে গ্যাস খাতে ভর্তুকি দেয়া হয়েছে এক হাজার কোটি টাকা। তবে আগামী অর্থবছর তা বাড়বে। এখানে আরও দেড় হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হতে পারে। সূত্র জানায়, ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কমিয়ে আনছে সরকার। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ২৭ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা। পরের অর্থবছর, অর্থাৎ ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে তা কমিয়ে করা হয় ২৫ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা এবং ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে তা আরও কমিয়ে ২৩ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা করা হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তিন বছরের ব্যবধানে ভর্তুকির পরিমাণ কমানো হয়েছে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। শতকরা হিসেবে যা ১৬ শতাংশ। আগামী অর্থবছরেও ভর্তুকির পরিমাণ কমবে। কারণ, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে আগামী অর্থবছরে পিডিবি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কমে যাবে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক সব সময় ভর্তুকি কমানোর জন্য সরকারকে পরামর্শ দেয়। বিশেষ করে বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরেই বলা হচ্ছে, বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতে যেন ভর্তুকি কমিয়ে আনা হয়। কারণ, এ খাতে ভর্তুকির অর্থে গরিবদের পাশাপাশি ধনীরাও সুবিধা পাচ্ছে। তাই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে ভর্তুকি দেয়া উচিত, যাতে সমাজের সুবিধা বঞ্চিতরাই যেন এর উপকার পান। source : jonokontho
  • এডিবির ঋণ ফেরত দিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার
    বাজেটে বৈদেশিক ঋণের বোঝা না বাড়াতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্কের (এডিবি)। ঋণের টাকা ফিরিয়ে দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থনীতি বিষয়ক দফতর। এদিকে কেন্দ্র সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ২৩০০ কোটি রুপী ঋণ থেকে বঞ্চিত হলো বাংলা রাজ্য।রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা মতো বিভিন্ন দফতর বা অধিগৃহীত প্রতিষ্ঠানে উদ্বৃত্ত কর্মীদের স্বেচ্ছাবসর, বিভিন্ন বিভাগের পরিকাঠামোয় বদল এবং সরকারী ব্যবস্থায় আর্থিক শৃঙ্খলা আনার মতো সংস্কার কর্মসূচীর জন্য এই ঋণ দিতে রাজি হয় এডিবি। তবে ভারতের আইনে কোন রাজ্যকে বিদেশী সংস্থার ঋণ বা অনুদান পেতে হলে কেন্দ্রীয় অর্থনীতি বিষয়ক দফতরের ছাড়পত্র পেতে হয়। কিন্তু এডিবির এই ঋণ পাওয়ার বিষয়ে ছাড়পত্র দেয়নি কেন্দ্র। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বিদেশী ঋণ পাওয়ার জন্য তারা যেসব ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার তালিকায় রেখেছে সেগুলো কেন্দ্রের অগ্রাধিকারের সঙ্গে মিলছে না। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো, বাজেটে নির্দিষ্ট বিদেশী ঋণের বহর বাড়াতে চায়নি কেন্দ্র সরকার। দেশটির অর্থ দফতরের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, বছরে কত টাকা বিদেশী সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নেয়া হবে, তা নির্দিষ্ট করা থাকে কেন্দ্রীয় বাজেটে। তাই পশ্চিমবঙ্গকে সেই অনুমতি দিয়ে দিল্লী বিদেশী ঋণের বহর বাড়াতে চায়নি। source : jonokontho
  • ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিতে পারবে বিদেশি কোম্পানি
    এখন থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি মালিকানাধীন অথবা নিয়ন্ত্রিত কোম্পানি কমার্শিয়াল পেপার (সিপি) বা বাণিজ্যিকপত্র ইস্যু করে যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে চলতি মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এক সার্কুলার জারি করে বিদেশি মালিকানাধীন বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে টাকায় এ ধরনের মূলধন সংগ্রহের সুবিধা দিয়েছে। এতদিন কমার্শিয়াল পেপারের বিপরীতে শুধু ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ নিতে পারত বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো।কমার্শিয়াল পেপার হলো এক ধরনের বাণিজ্যিক দলিল। যার মাধ্যমে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকেও স্বল্প মেয়াদে ঋণ নেওয়া যায়। ধরা যাক 'ক' একটি প্রতিষ্ঠান, যার ১০০ টাকার চলতি মূলধন দরকার। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এ অর্থ নিতে চায় না। তখন ওই প্রতিষ্ঠান চাইলে কমার্শিয়াল পেপার ইস্যু করে চলতি মূলধন সংগ্রহ করতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানকে একটি ইস্যুয়িং এজেন্টের মাধ্যমে তা করতে হয়। ইস্যুয়িং এজেন্ট (ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা মার্চেন্ট ব্যাংক) বিভিন্ন মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে জানায় যে, 'ক' নামের প্রতিষ্ঠান কমার্শিয়াল পেপার ইস্যু করে অর্থ নিতে চায়। ঘোষণায় কি পরিমাণ অর্থ কতদিনের মেয়াদে নেবে এবং তার সুদহার কত হবে তা ঘোষণা করা হয়। এরপর আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের মাধ্যমে কমার্শিয়াল পেপার কিনতে পারে। তবে কোনো ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কমার্শিয়াল পেপার ইস্যু করতে পারে না।এর আগে গত বছর সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এক সার্কুলার জারি করে কমার্শিয়াল পেপার ইস্যুর একটি নীতিমালা জারি করে। ওই নীতিমালায় বলা হয়েছে, কমার্শিয়াল পেপারের মাধ্যমে নূ্যনতম সাত দিন থেকে সর্বোচ্চ এক বছর মেয়াদে অর্থ সংগ্রহ করা যাবে। এ উপায়ে প্রতিষ্ঠানের মোট মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি অর্থ সংগ্রহ করা যাবে না।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা বাংলাদেশের ব্যাংক থেকে অর্থ নিতে চায় না। তারা বিদেশ থেকে অথবা অন্য বিদেশি কোম্পানি থেকে ঋণ নিয়ে থাকে। এতদিন কমার্শিয়াল পেপার ইস্যু করে অর্থ নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু অস্পষ্টতা ছিল, এই সার্কুলার দিয়ে তা দূর করা হলো। source : somokal
  • বিএসসির ১২ শতাংশ শেয়ার ঘোষণা
    বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে তার শেয়ার হোল্ডারদের জন্য প্রতি একশ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের ওপর ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরের মুন্সি ফজলুর রহমান অডিটোরিয়ামে বিএসসির ৩৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডারগণ সর্বসম্মতিক্রমে এ লভ্যাংশ অনুমোদন করেন। নৌপরিবহন মন্ত্রী এবং বিএসসির বোর্ড অব ডিরেক্টর’স এর সভাপতি শাজাহান খান সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভার শুরুতে বিএসসির এমডি কমোডর হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া করপোরেশনের ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন তুলে ধরেন।প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএসসি এ বছর ৬ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা নীট মুনাফা অর্জন করেছে যা গত বছর ছিল ৫ কোটি ৩৩ লক্ষ। এতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন আইন ১৯৭২ এর সংশোধন জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয়েছে। এর ফলে বিএসসির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার ১০ টাকায় রূপান্তরিত হবে। গেজেট প্রাপ্তির পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করা হবে। source : ittafaq
  • পুঁজিবাজারে লেনদেনের ৪২ শতাংশই ব্যাংক খাতের
    সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার শেয়ারবাজারে একচেটিয়া দাপট দেখিয়েছে ব্যাংকিং খাতের কোম্পানির শেয়ার। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের ৪২ শতাংশই ব্যাংকের শেয়ার। এ নিয়ে টানা দুই কার্যদিবস একচেটিয়া রাজত্ব ধরে রাখল ব্যাংকিং খাত। বুধবার ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০টিই ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি। দাম বাড়ার শীর্ষ দশে রয়েছে পাঁচটি ব্যাংক।মঙ্গলবারও লেনদেনের শীর্ষ ২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যাংক ছিল ১৪টি এবং দাম বাড়ার শীর্ষ দশে ছিল পাঁচটি ব্যাংক। ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিগুলোর দাপটের কারণেই বুধবারের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী থেকেছে (সিএসই)।উভয় পুঁজিবাজারে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩৭১ কোটি ৪৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৩৫৭ কোটি ৬ লাখ টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গত কার্যদিবসের চেয়ে সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের কার্যক্রম। তবে এদিন ডিএসইতে লেনদেন বাড়লেও কমেছে সিএসইর লেনদেন।ডিএসইর প্রধান সূচক ১১ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক ২৫ দশমিক ৮০ পয়েন্ট বেড়েছে। ডিএসইতে টাকার অঙ্কে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৯০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। গত মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ২৬৩ কোটি টাকা। সুতরাং এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ২৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১১ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৩৬ পয়েন্টে, ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক বেড়ে ১ হাজার ৩০১ পয়েন্টে এবং ১১ দশমিক ২১ পয়েন্ট বেড়ে ডিএসই-৩০ সূচক দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪১টির, কমেছে ১৩৯টির এবং কোনো পরিবর্তন হয়নি ৪৯টি কোম্পানির শেয়ার দর। ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো লিমিটেড, এবি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, আরএসআরএম স্টিল, বেক্সফার্মা, আইএফআইসি ব্যাংক এবং ইউসিবি ব্যাংক। অপরদিকে দাম বাড়ার শীর্ষ দশে স্থান করে নেয়া ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- এবি ব্যাংক, আইএফআইসি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক এবং ইউসিবি। এ ৫টি ব্যাংক আগের দিন মঙ্গলবারও লেনদেনের শীর্ষ দশে ছিল।সিএসইতে মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমান ৮১ কোটি ৫ লাখ টাকা। গত মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ৯৪ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার। সুতরাং সিএসইতে গত কার্যদিবসের চেয়ে শেয়ার লেনেদেন বেড়েছে ১৩ কোটি ১ লাখ টাকার বেশি।সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ২৫ দশমিক ৮০ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৭৯১ পয়েন্টে, সিএএসপিআই সূচক ৪১ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৮০৯ পয়েন্টে, সিএসই-৫০ সূচক ৫ দশমিক ৬০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩১৪ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ৩৭ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৪৮০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩০টির, কমেছে ১০৬টির এবং কোনো পরিবর্তন হয়নি ৩১টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার অঙ্কে সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- বেক্সফার্মা, ইস্টার্ন ব্যাংক, এবি ব্যাংক, বেক্সিমকো লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ইউসিবি ব্যাংক, ডেল্টা স্পিনিং, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট এবং এক্সিম ব্যাংক। source : Inkilab
  • পুঁজিবাজারে মূলধন ও মূল্যসূচকে রেকর্ড
    ২০১০ সালে ধসের পর দীর্ঘ ছয় বছর মন্দাবস্থায় থাকার পর চলতি বছর থেকে গতিতে ফিরতে শুরু করেছে পুঁজিবাজার। বাড়ছে নতুন নতুন বিনিয়োগকারী। মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে লেনদেন। বাজারের পরিধি বৃদ্ধিতে মূলধন অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূলধন দাঁড়িয়েছে গতকাল বুধবার। একই সঙ্গে মূল্যসূচকও অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নানামুখী সংস্কারের পর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আইন-কানুন পরিবর্তনে বিনিয়োগকারীর আস্থা ফিরেছে। ব্যাংকে আমানতের বিপরীতে সুদের হার এক ডিজিটে হওয়ায় পুঁজিবাজারমুখী হয়েছে বিনিয়োগকারী। কারণ বাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির কম্পানিতে বিনিয়োগ করলে বছর শেষে ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ পাওয়া যায়। এ ছাড়া দিনে শেয়ার লেনদেনেও মুনাফা কিংবা ক্ষতি হয়। বছর শেষে নগদ কিংবা বোনাস হিসেবে ১০ শতাংশ বেশি লভ্যাংশ আসে। সংশ্লিষ্টরা আরো জানায়, একটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকায় কম্পানিগুলো ভালো মুনাফা করছে। আর সেই মুনাফার অংশ শেয়ার গ্রাহকদের দেওয়ায় গতিশীল হচ্ছে বাজার। পুঁজিবাজারে বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ। ডিএসই সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বমুখিতার সময় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছিল। পরে চলতি বছরের শুরুতে আবারও নতুন গতি পায় বাজার। ছয় বছর মন্দাবস্থায় থাকার পর একটানা ঊর্ধ্বমুখী হয় পুঁজিবাজার। ২০১০ সালের পর ২০১৭ সালের শুরুতে পুঁজিবাজারে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়। বাজার মূলধন সর্বোচ্চ হয়।২০১০ সালে ধস নামার আগে ৫ ডিসেম্বর ডিএসইতে বাজার ছিল তিন লাখ ৬৮ হাজার ৭১ লাখ ৪১ হাজার টাকা, যা পরবর্তী ছয় বছর অব্যাহতভাবেই কমেছে। তবে ২০১৭ সালে নতুন গতি ফিরে পাওয়ার পর ২৪ জানুয়ারি লেনদেন ও বাজার মূলধন সর্বোচ্চ দাঁড়ায়। গত ছয় বছরে সর্বোচ্চ লেনদেন দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। আর বাজার মূলধন দাঁড়ায় তিন লাখ ৭৭ হাজার ১৭২ কোটি ১৭ লাখ টাকা।তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেনে ঊর্ধ্বমুখিতা থাকলেও ফেব্রুয়ারি মাসে নিম্নমুখী হয় বাজার। শেয়ার হাতবদলের সংখ্যা কমার সঙ্গে সঙ্গে কমে যায় দৈনিক লেনদেন ও শেয়ার হাতবদল। তবে মার্চ মাসে আবারও গতিতে ফিরেছে বাজার। গতকাল বুধবার বাজারে সর্বোচ্চ বাজার মূলধন দাঁড়ায়। এ দিন ডিএসইতে মূলধন দাঁড়ায় তিন লাখ ৭৮ হাজার ৪২৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আর প্রধান সূচক দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ৭৩৬ পয়েন্ট।পুঁজিবাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক চালু হয় ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি। আগের প্রধান সূচক ডিজেনের (ডিএসই জেনারেল ইনডেক্স) বদলে এটি চালু করা হয়। ওই সূচকের গণনা পদ্ধতি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ও বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্তি এড়াতে ডিজেনের সঙ্গে মিল রেখে ৪০৫০ পয়েন্ট থেকে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল।সপ্তাহের চতুর্থ দিনে দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচক ও লেনদেন বেড়েছে। তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন। আর ডিএসইতে সূচক বেড়েছে ১১ পয়েন্ট আর সিএসইতে সূচক বেড়েছে ২৫ পয়েন্ট। এদিকে টানা ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় রয়েছে ব্যাংক। অষ্টম দিনের মতো এই খাত নেতৃত্বস্থানে রয়েছে। ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে এই ঊর্ধ্বমুখী বলছেন সংশ্লিষ্টরা।আইডিএলসির বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ উৎসাহমূলক। ডিএসইর মোট লেনদেনে ব্যাংক খাতের বড় আধিপত্যই বজায় রয়েছে। মোট লেনদেনে ৩২.৫ শতাংশই এই খাতে। এ ছাড়া নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১.৮ শতাংশ, যার মধ্যে আইসিবির বেড়েছে সর্বোচ্চ ৪.৭ শতাংশ।বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৯০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে ১১ পয়েন্ট। সূচক দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৭৩৬ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে দুই হাজার ৭৭ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ্ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৩০১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।অপরবাজার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮১ কোটি পাঁচ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে ২৫ পয়েন্ট। source : kalar kontho
  • বাজেটে মার্চেন্ট ব্যাংকারদের ছয় প্রস্তাব
    শেয়ারবাজারকে গতিশীল করা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বাজারকে কাজে লাগাতে আসন্ন ২০১৭-১৮ বাজেটে কিছু নীতিসহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন দেশের মার্চেন্ট ব্যাংকাররা। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দেয়া এক চিঠিতে বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ও সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি মোট ছয়টি প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। এগুলো হলো— তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর ও ভ্যাট সুবিধা, ইন্টারমিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলোর করপোরেট করহ্রাস, ঋণাত্মক ইকুইটির মার্জিন হিসাবের বিপরীতে ধার্য অনাদায়ী সুদ আয়ে কর মওকুফ, বিনিয়োগকারীর মূলধনি মুনাফার ওপর করহ্রাস এবং শেয়ারবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ।সংগঠনের সভাপতি মো. ছায়েদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে বিএমবিএ বলে, ২০১০ সালের বিপর্যয়ের পর টানা একটি নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল দেশের শেয়ারবাজার। অল্প সময়ের ব্যবধানে বেশকিছু রেগুলেটরি সীমাবদ্ধতা চলে আসায় বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়, যার প্রভাবে অন্য বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ও অংশগ্রহণও কমে যায়। দীর্ঘ মন্দার পর সাম্প্রতিক সময় আমরা পুঁজিবাজারে কিছু গতি দেখতে পেয়েছি। তা ধরে রেখে পুঁজিবাজারকে শিল্পায়ন, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান তথা অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। আমরা মনে করি, এজন্য কিছু নীতিগত সহায়তা দরকার।আসন্ন ২০১৭-১৮ বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে আমরা নিম্নলিখিত সমর্থনগুলোর প্রস্তাব করছি। প্রথমত. বিনা শর্তে পুঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ। আমাদের অর্থনীতিতে অনেক অপ্রদর্শিত অর্থ আছে, যেগুলো করের আওতাবহির্ভূত। অপ্রদর্শিত হওয়ায় মালিকরা এ অর্থ কোনো উত্পাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না করে বিভিন্ন অনুত্পাদনশীল বা আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করছেন। কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত না হলে তারা যদি এ অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেন, বিপুল অংকের এ টাকা অর্থনীতির মূল ধারায় ফিরে আসবে, শেষ পর্যন্ত যা উত্পাদনশীল খাতে কাজে লাগানো সম্ভব। বিষয়টি একদিকে অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে ভূমিকা রাখবে, অন্যদিকে সরকারের জন্যও রাজস্ব বাড়াবে।দ্বিতীয়ত. ঋণাত্মক ইকুইটির বিওতে মার্জিন ঋণের বিপরীতে ব্রোকার-মার্চেন্ট ব্যাংকের অনাদায়ী সুদের ওপর কর মওকুফ। চিঠিতে বিএমবিএ বলে, ঋণাত্মক ইকুইটির বিও হিসাবের বিপরীতে অনেক ব্রোকার-মার্চেন্ট ব্যাংকের পাওনা সুদ অনাদায়ী রয়েছে। এগুলো হিসাবভুক্ত করা হলেও পরিস্থিতির কারণে তা আদায় করা যাচ্ছে না। কিন্তু কর কর্তৃপক্ষ সেসব পাওনাকে আয় ধরে তার ওপর কর ধার্য করছে। এছাড়া সরকারের প্রণোদনা স্কিমের আওতায় অনেক ব্রোকার-মার্চেন্ট ব্যাংক সুদ বাবদ সেসব নিট পাওনায় ছাড় দিয়েছে। সেগুলোকেও আয় ধরে তার ওপর করারোপ করা হচ্ছে, যা প্রতিকূল সময়ে ইন্টারমিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আর্থিক চাপ আরো বাড়াচ্ছে। প্রায় আদায় অযোগ্য আয়ের ওপর এ করারোপ থেকে অব্যাহতি দেয়া দরকার।তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর করপোরেট করে সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাবে বিএমবিএ বলে, বর্তমানে তালিকাভুক্তির সুবাদে শেয়ারবাজারের কোম্পানিগুলো ১০ শতাংশ কর সুবিধা পায়। বাজারে আরো ভালো কোম্পানি আনতে তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির করপোরেট করের ব্যবধান অন্তত ১৫ শতাংশ হওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি। কারণ তালিকাভুক্ত কোম্পানির হিসাব তুলনামূলক স্বচ্ছ এবং তাদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় সরকারের জন্য তুলনামূলক সহজ। তাদের কর সুবিধা বাড়ালে বিনিয়োগকারীরাও উপকৃত হবেন।এছাড়া বর্তমানে তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভূত কোম্পানিকে একই হারে ভ্যাট দিতে হচ্ছে। আমরা মনে করি, হিসাবের স্বচ্ছতার কারণে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে সরকার প্রকৃত অর্থে তুলনামূলক বেশি হারে কর ও ভ্যাট পায়। এসব কোম্পানির জন্য ৪০ শতাংশ ভ্যাট মওকুফ তালিকাভুক্তি উত্সাহিত করে শেষ পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের জন্যও যেমন সুবিধা বয়ে আনবে, তেমনি সরকারের জন্যও রাজস্ব আহরণ বাড়াবে।সব ইন্টারমিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের জন্য একই হারে করপোরেট করের প্রস্তাব করেছেন মার্চেন্ট ব্যাংকাররা। বিএমবিএর চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে শুধু সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলো সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ হারে করপোরেট করের সুবিধা ভোগ করছে। অন্যদিকে মার্চেন্ট ব্যাংককে ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ ও ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ৩৫ শতাংশ হারে করপোরেট কর দিতে হয়। ব্যবসায় সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর করহারও ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা উচিত। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উত্সাহিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মূলধনি মুনাফার ওপর আরোপিত কর ১০ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা উচিত বলেও মনে করে বিএমবিএ।এ প্রসঙ্গে মো. ছায়েদুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ২০১০ সালের ধসের পর দেশের শেয়ারবাজারে এখনো পুরোপুরি গতি ফেরেনি। নানা কারণে এখনো অনেক সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বাজারবিমুখ। দীর্ঘদিন ধরেই লোকসান গুনছে শেয়ারবাজারে ইন্টারমিডিয়ারি  প্রতিষ্ঠানগুলো। আমরা মনে করি, অর্থনীতির অন্য সূচকের সমান্তরালে শেয়ারবাজারকে এগিয়ে নিতে এখানে নীতিগত সহায়তা দরকার। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগকারী ও শেয়ারবাজারের স্বার্থে মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন আগামী বাজেটের জন্য কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। নতুন বাজেটে এসব প্রস্তাব বিবেচনায় নিলে পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হতে পারবে, যা বাজারকে গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবে।   source : bonik barta
View All
Latest DSE News
  • SHAHJABANK

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on April 05, 2017 at 5:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2016.

  • LAN

    Withdrawal of Authorized Representative: LankaBangla Securities Ltd. (DSE TREC No. 132), has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Md. Ajhahrul Islam Bhuiyan, with immediate effect.

  • ASIAINS

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on April 06, 2017 at 3:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2016.

  • KOHINOOR

    Credit Rating Information and Services Limited (CRISL) has rated the Company as &quot;A+&quot; in the long term and &quot;ST-3&quot; in the short term along with a stable outlook based on audited financial statements of the Company up to June 30, 2016, un-audited financials up to December 31, 2016 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • EXCH

    Today's (28.03.2017) Total Trades: 139,516; Volume: 296,802,246 and Turnover: Tk. 9,959.39 million.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
DBH 120.50 109.60 10.90 9.95
BRACBANK 87.40 81.00 6.40 7.90
SAVAREFR 58.80 54.50 4.30 7.89
NHFIL 54.90 51.30 3.60 7.02
SALVOCHEM 26.20 24.60 1.60 6.50
CITYBANK 41.40 38.90 2.50 6.43
NTC 686.60 651.60 35.00 5.37
IDLC 67.30 63.90 3.40 5.32
ISLAMICFIN 27.80 26.40 1.40 5.30
CENTRALPHL 32.50 30.90 1.60 5.18

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297