Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
RUPALIBANK 69.9 54.6 15.30 28.02
SAFKOSPINN 19.7 17 2.70 15.88
UTTARABANK 36.5 32.3 4.20 13.00
ZEALBANGLA 67 59.5 7.50 12.61
KPPL 12.5 11.2 1.30 11.61
NBL 15.5 13.9 1.60 11.51
SAIHAMTEX 22.2 20.1 2.10 10.45
MARICO 1155 1055.7 99.30 9.41
FIRSTSBANK 17.6 16.1 1.50 9.32
STANDBANKL 16 14.9 1.10 7.38

Contest SB2017_Sep

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
DRREZA312
3rd
blank_person
RAHAZANI
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
SHAHJABANK 24.3 23 1.76240 19104300.00
BRACBANK 84.7 83.8 1.35264 240705.00
EXIMBANK 17.1 16.6 1.24094 13391000.00
UTTARABANK 36.5 35.3 0.84372 6163260.00
PUBALIBANK 30.4 29.9 0.83547 2782880.00
Negative impact
GP 411.2 413.7 -5.93251 101732.00
SUMITPOWER 43.9 44.7 -1.50134 4891700.00
KPCL 65.5 67.8 -1.46031 1344770.00
IFADAUTOS 152.6 157.2 -1.25690 970682.00
BBSCABLES 115.2 120.8 -1.18097 777185.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
NBL 15.5 15.7 15.1 1.31% 474.61
SHAHJABANK 24.3 24.5 23 5.65% 455.73
IFIC 21.1 21.4 20.7 0.00% 249.23
EXIMBANK 17.1 17.4 16.5 3.01% 228.07
UTTARABANK 36.5 36.9 35 3.40% 222.73
SUMITPOWER 43.9 45 43.7 -1.79% 215.59
FIRSTSBANK 17.6 17.8 16.9 2.92% 193.74
RUPALIBANK 69.9 74.9 69 -2.37% 163.93
IFADAUTOS 152.6 157.4 151.8 -2.93% 149.06
LANKABAFIN 61.6 62.6 61.3 -1.28% 131.88

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 21 Sep 2017

123499
TOTAL TRADE
292.4360
TOTAL VOLUME(Mn)
7805.70
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ৬টি কোম্পানির বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৬ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। এগুলো হলো- এপেক্স ফুটওয়্যার, পদ্মা লাইফ, ইবনে সিনা, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ, ডেসকো এবং  লিগ্যাসি ফুটওয়্যার লিমিটেড। এপেক্স ফুটওয়্যারের বোর্ড  সভা ২৪ সেপ্টেম্বর, বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ১ জানুয়ারি, ২০১৬ থেকে ৩০ জুন, ২০১৭ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৮ মাসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে। পদ্মা লাইফের বোর্ড সভা ২৪ সেপ্টেম্বর, দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত এবং  এক সাথে দুই প্রান্তিক অর্থাৎ ৩১ মার্চ, ২০১৭ প্রথম প্রান্তিক, ৩০ জুন ২০১৭ দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। ইবনে সিনার বোর্ড ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন, ২০১৭ সমাপ্ত বছরের নীরিক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হবে। ফারইস্ট ইসলামী লাইফের বোর্ড সভা ২৫ সেপ্টেম্বর, বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানটি এক সাথে দুই প্রান্তিক অর্থাৎ ৩১ মার্চ, ২০১৭ প্রথম প্রান্তিক, ৩০ জুন ২০১৭ দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। ডেসকোর বোর্ড সভা আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর, সন্ধা ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন, ২০১৭ সমাপ্ত অর্থবছরে নীরিক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে। লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের বোর্ড সভা ২৭ সেপ্টেম্বর, বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা আসতে পারে বলে জানা গেছে।
  • ডেসকোর লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা ২৮ সেপ্টেম্বর
    স্টাফ রিপোর্টার : ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ ও বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় পরিচালনা পর্ষদের সভা আহ্বান করেছে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা। ৩০ জুন শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ৩৭ টাকা ৪ পয়সায়। সে সময় শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় প্রতিষ্ঠানটি। এর আগে ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পান ডেসকোর শেয়ারহোল্ডাররা। বোনাস শেয়ার সমন্বয়ের পর সে হিসাব বছরে কোম্পানির ইপিএস দাঁড়ায় ৪ টাকা ১১ পয়সায়। সদ্যসমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই, ২০১৬-মার্চ, ২০১৭) ৯৪ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে ডেসকো। আগের বছর একই সময়ে তা ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা। ৩১ মার্চ এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৭ টাকা ৪৯ পয়সায়। ডিএসইতে সর্বশেষ ৪৯ টাকা ১০ পয়সায় ডেসকোর শেয়ার লেনদেন হয়। সমাপনী দর ছিল ৪৯ টাকা ৩০ পয়সা, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৪৯ টাকা ৬০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ৬২ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বনিম্ন ৪৫ টাকা ৯০ পয়সা। ২০০৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ডেসকোর অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৩৯৭ কোটি ৫৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভ রয়েছে ১ হাজার ৬৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৯ কোটি ৭৫ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৪টি। এর মধ্যে সরকারের কাছে ৬৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২০ দশমিক ২৫ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে দশমিক ৫৬ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ১১ দশমিক ৫৬ শতাংশ শেয়ার।
  • লোকসানে বিডি ফিন্যান্স
    স্টাফ রিপোর্টার : ধারাবাহিকভাবে মুনাফায় থাকলেও চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে লোকসানে পড়েছে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (বিডি ফিন্যান্স)। এপ্রিল-জুন সময়ে কর-পরবর্তী ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে কোম্পানিটির। যদিও আগের বছর একই সময়ে কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা। কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুদহার কমে যাওয়া, পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি ও খেলাপি ঋণের বিপরীতে বর্ধিত হারে সঞ্চিতি রাখায় গেল প্রান্তিকে লোকসানে পড়েছে বিডি ফিন্যান্স। তবে বছর শেষে মুনাফা ধরে রাখায় আশাবাদী তারা। বিডি ফিন্যান্সের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি হিসাব বছরের এপ্রিল-জুন সময়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, যা ২০১৬ সালের একই সময়ে ছিল ১৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে পরিচালন মুনাফা কমেছে ৩৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ। মূলত ঋণের সুদ বাবদ আয় কমে যাওয়ায় পরিচালন মুনাফা কমেছে কোম্পানিটির। দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিডি ফিন্যান্সের সুদ বাবদ আয় হয়েছে ৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে সুদ আয়ও কমেছে ৩৪ শতাংশ। পরিচালন মুনাফা কমলেও দ্বিতীয় প্রান্তিকে পরিচালন ব্যয় ২৬ শতাংশ বেড়েছে বিডি ফিন্যান্সের। এপ্রিল-জুনে কোম্পানিটি পরিচালন ব্যয় দেখিয়েছে ৬ কোটি ১১ লাখ টাকা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এর পাশাপাশি ২০১৬ সালে খেলাপি ঋণের বিপরীতে মাত্র ১ কোটি ১৮ লাখ টাকার সঞ্চিতি রাখলে চলতি বছর তা ৪৬৫ শতাংশ বেড়ে ৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে বিডি ফিন্যান্সের। এর বাইরে আলোচ্য সময়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে ১ কোটি ২১ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে কোম্পানিটিকে। যেখানে আগের বছর একই সময়ে ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় ছিল তাদের। ফলে গত বছরের একই সময়ে মুনাফায় থাকলেও এবার লোকসানে পড়তে হয়েছে কোম্পানিটিকে। এদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকে লোকসানে থাকলেও প্রথম প্রান্তিকে ৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা মুনাফার সুবাদে চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা মুনাফায় রয়েছে বিডি ফিন্যান্স। ৩০ জুন পর্যন্ত প্রথমার্ধে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৫ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪৫ পয়সা। ৩০ জুন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৫ টাকা ৪ পয়সায়। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে এ কোম্পানি। সর্বশেষ হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৬ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩২ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১ টাকা ৫৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৫ টাকা ৯৪ পয়সায়। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্যও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি।
  • নাহি অ্যালুমিনিয়ামের আইপিও আবেদন রোববার থেকে
    সিনিয়র রিপোর্টার : জুলাই মাসে নাহি অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল লিমিটেডকে অভিহিত মূল্যে শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৫ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামীকাল থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদাগ্রহণ শুরু করবে কোম্পানিটি। চলবে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ৬০৮তম কমিশন সভা শেষে বিএসইসি জানায়, নাহি অ্যালুমিনিয়াম ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে মোট দেড় কোটি শেয়ার ইস্যু করে ১৫ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলন করতে পারবে। নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি আরো জানায়, আইপিও থেকে পাওয়া অর্থ কোম্পানিটি কিছু ঋণ পরিশোধের পাশাপাশি কারখানায় নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ভবন নির্মাণে ব্যবহার করবে। ২০১৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে নাহি অ্যালুমিনিয়ামের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ২ টাকা ৩৩ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল ১২ টাকা ৭৮ পয়সা। বিবিএস গ্রুপের কোম্পানি নাহি অ্যালুমিনিয়াম বিভিন্ন ধরনের অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল তৈরি করে। গাজীপুরের শ্রীপুরে তাদের কারখানাটির আয়তন ৩০ হাজার বর্গমিটার। প্রকল্পের মূল্য ৬০ কোটি টাকা। নাহি অ্যালুমিনিয়ামের আর্থিক প্রতিবেদন নিরীক্ষার দায়িত্বে রয়েছে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্ম জোহা জামান কবির রশিদ অ্যান্ড কোম্পানি। প্রসপেক্টাস অনুসারে, ২০১৬ হিসাব বছরে নাহি অ্যালুমিনিয়ামের বিক্রি ছিল ৪০ কোটি ৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকা, আগের বছর যা ছিল ৩৫ কোটি ৫৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৩৩ কোটি টাকা, আইপিওর পর যা ৪৮ কোটিতে উন্নীত হবে। ২০১০ সালে প্রাইভেট কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নাহি অ্যালুমিনিয়াম ২০১৪ সালের ১ মার্চ বাণিজ্যিক উত্পাদনে যায়। একই বছর ২৪ জুলাই তারা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বাংকো ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। ২০১০ সালে প্রাইভেট কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নাহি অ্যালুমিনিয়াম ২০১৪ সালের ১ মার্চ বাণিজ্যিক উত্পাদনে যায়। একই বছর ২৪ জুলাই তারা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর হয়। কোম্পানির আইপিও প্রসপেক্টাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, উত্পাদন শুরুর পর গত তিন বছরে নাহি অ্যালুমিনিয়ামের বিক্রি ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০১৪ সালে কোম্পানির নিট বিক্রি ছিল ৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। দুই বছরের ব্যবধানে বেড়ে ২০১৬ সালে নিট বিক্রি ৪০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। ধারাবাহিক বিক্রয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি তিন বছরে করপরবর্তী মুনাফায়ও প্রবৃদ্ধিতে রয়েছে নাহি অ্যালুমিনিয়াম। ২০১৪ সালে ২৭ লাখ টাকা করপরবর্তী মুনাফা থেকে ২০১৫ সালে তা ৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৬ সালে মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা। তিন বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে ১৭৯৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। সর্বশেষ ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের জুলাই-মার্চ সময়ে তিন প্রান্তিকে ৩৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি করেছে নাহি অ্যালুমিনিয়াম। এ সময়ে করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৬ লাখ টাকা, আগের বছর যা ছিল ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। তিন প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮৪ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ১৬ পয়সা।
  • ধামরাইয়ে বিডি ওয়েল্ডিং কারখানার নির্মাণকাজ শুরু
    সিনিয়র রিপোর্টার : ঢাকার ধামরাইয়ে প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডস লিমিটেডের নতুন কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে ভূমি উন্নয়ন ও স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে। চট্টগ্রামের কারখানার যন্ত্রপাতিও সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। অবকাঠামো নির্মাণ শেষে সেগুলো স্থাপনের কাজ শুরু হবে। সব মিলিয়ে ৬-১২ মাসের মধ্যেই বাণিজ্যিক উত্পাদনে যাওয়ার আশা করছেন কোম্পানির কর্মকর্তারা। পরবর্তী পর্ষদ সভার আগে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাতে রাজি হননি কোম্পানির কোনো কর্মকর্তা। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাদের একজন বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় কারখানা স্থানান্তরের জন্য এরই মধ্যে সাভারের ধামরাইয়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে কোম্পানির নামে ২০৯ দশমিক ৬৫ ডেসিমল জমি কেনা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ভূমি উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। চট্টগ্রামের কারখানা থেকে সব যন্ত্রপাতি এনে এ প্লটে রাখা হয়েছে। নির্মাণকাজ শেষ হলেই যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজ শুরু হবে। কারখানা চালু করতে কতদিন সময় লাগবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আশা করছি, ৬-১২ মাসের মধ্যেই বাণিজ্যিক উত্পাদনে যেতে পারব। প্রসঙ্গত, লোকসান ও ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার একটি দুষ্টচক্রে আটকে গিয়েছিল ওয়েল্ডিং  ইলেকট্রোড রড ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস উৎপাদক বিডি ওয়েল্ডিং। ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোয় (সিআইবি) ঋণখেলাপি হিসেবে কোম্পানিটির নাম উঠে আসে। এ কারণে অন্য কোনো ব্যাংকের কাছ থেকেও ঋণ পাচ্ছিল না তারা। একসময় কাঁচামাল আমদানি করলেও ব্যাংকের সমর্থন না পাওয়ায় একপর্যায়ে স্থানীয় আমদানিকারকদের কাছ থেকে উচ্চমূল্যে কাঁচামাল কিনে উত্পাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছিল বিডি ওয়েল্ডিং। বছরের পর বছর প্রতিযোগীদের কাছে বাজার হারিয়ে ২০১৫ সালে এসে লোকসানে পড়ে তারা। ২০১৬ সালে ব্যাংকঋণ পরিশোধের জন্য চট্টগ্রামস্থ কারখানার ২৪৯ ডেসিমল বন্ধকি জমি বিক্রির করার সিদ্ধান্ত নেয় কোম্পানির পর্ষদ। চলতি বছরের জুনে বিএসআরএম গ্রুপের কাছে জমিটি ৪২ কোটি টাকায় বিক্রি করে কোম্পানি। জমি বিক্রির টাকা থেকে সাউথইস্ট ব্যাংকের ২২ কোটি টাকার ঋণ পরিশোধ করা হয়। অবশিষ্ট টাকা জমি ক্রয় ও সেখানে কারখানা স্থাপনে ব্যয়ের ঘোষণা দেয় কোম্পানি। এদিকে জমি বিক্রির মাধ্যমে ব্যাংকঋণ পরিশোধ, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় কারখানা স্থানান্তরে নতুন জমি নির্বাচন, ক্রয়, কারখানা স্থাপনসহ সার্বিক বিষয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) বিডি ওয়েল্ডিংকে সহায়তা করেছে। কোম্পানিটিতে আইসিবির উল্লেখযোগ্য শেয়ার রয়েছে ও পর্ষদে তাদের প্রতিনিধিও রয়েছে। আইসিবির মহাব্যবস্থাপক ও বিডি ওয়েল্ডিংয়ের পর্ষদ সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ধামরাইয়ের বিডি ওয়েল্ডিংয়ের নতুন কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কোম্পানিটির পরবর্তী পর্ষদ সভায় এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। লোকসানের কারণে ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য কোনো লভ্যাংশ দেয়নি বিডি ওয়েল্ডিং। জুন ক্লোজিংয়ের বাধ্যবাধকতায় সেবার ১৮ মাসে হিসাব বছর গণনা করে কোম্পানিটি। সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১৮ মাসে বিডি ওয়েল্ডিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় ৩ টাকা ৫০ পয়সা। ২০১৬ সালের ৩০ জুন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১২ টাকা ৮৭ পয়সা। তবে ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের মার্চ (প্রথম তিন প্রান্তিক) পর্যন্ত সময়ে বিডি ওয়েল্ডিংয়ের লোকসান আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। এ সময়ে কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৭২ পয়সা,  যেখানে আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ২ টাকা ৫৮ পয়সা। ৩১ মার্চ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১২ টাকা ১৬ পয়সা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সর্বশেষ ১৭ টাকা ৬০ পয়সায় বিডি ওয়েল্ডিংয়ের শেয়ার হাতবদল হয়। গত এক বছরে এর সর্বোচ্চ দর ছিল ২৪ টাকা ও সর্বনিম্ন ৮ টাকা ২০ পয়সা।
  • পদ্মা অয়েলের সাবেক এমডি গ্রেফতার
    স্টাফ রিপোর্টার : দুটি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আবুল খায়েরকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার গভীর রাতে গুলশানের নিজ বাসা থেকে দুদকের পরিচালক একেএম জায়েদ হোসেন খানের নেতৃত্বে তাকে গ্রেফতার করা হয়। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য সাংবাদিকদের জানান, আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে একটি প্রকল্পের ২ কোটি ৭৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬২২ ও আরেকটি প্রকল্পের ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ৯৬১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সদরঘাট থানায় গত ৬ এপ্রিল দুটি মামলা করা হয়। সেই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুদক যে দুটি মামলা করেছে, তাতে আসামি হিসেবে আরো রয়েছেন ম্যাক্স ওয়েল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ লিমিটেডের এমডি মো. ফাহিম জামান পাঠান, পদ্মা অয়েল কোম্পানির প্রকল্প পরিচালক মো. আলী হোসেন ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। দুদকের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ‘এক্সটেনশন অব এভিয়েশন ফুয়েল (জেট এ-১) হাইড্র্যান্ট সিস্টেম অ্যাট হযরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, ঢাকার অধীনে প্যাকেজ-১ সাপ্লাই, ইনস্টলেশন, টেস্টিং অ্যান্ড কমিশনিং অব এভিয়েশন’ প্রকল্পে কাজ না করে মিথ্যা তথ্য লিপিবদ্ধ করে ২ কোটি ৭৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬২২ টাকা আত্মসাত্ করা হয়। একই সঙ্গে পরস্পর যোগসাজশে খুলনার দৌলতপুরে পদ্মা অয়েলের ডিপোয় তিন তলাবিশিষ্ট অফিস ভবন নির্মাণ প্রকল্পে কাজ কম করে ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ৯৬১ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
  • ডোজি ক্যান্ডেলে শেষ হল সপ্তাহ
    স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সুচকে ডোজি ক্যান্ডেল দেখা যায়। এই ডোজি ক্যান্ডেল সাপোর্ট লেবেলের উপর অবস্থান করছে। আজ সকাল থেকেই ইনডেস্কের মান ও বাজারে লেনদেন কমতে দেখা যায়। সারাদিন ব্যাপক উঠানামার মধ্যে ইনডেস্কের মান ও ভলিওম উঠানামা করতে থাকে। দিনের শেষ ভাগে এসে কিছুটা ভলিওম পেলে ইনডেস্কে ডোজি ক্যান্ডেল দেখা যায়। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী, ডিএসইএক্সে গেল দুদিন ডোজি ক্যান্ডেল পর বেয়ারিশ ক্যান্ডেল দেখা যায়। যার ফলে সামনের দিনগুলোতে বেয়ারিশ ক্যান্ডেলে ডাউন ট্রেন্ডের সম্ভাবনা দেখা যায়। আজ বাজারে শেষ দিকে কিছুটা বাই পেশার আসায় সেল পেশারকে কিছুটা রহিত করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও সাপোর্ট লেবেলের উপর ইনডেস্কের মান কিছুদিন  থাকতে পারে। এদিকে ইনডেস্কের সাপোর্ট লেবেল বর্তমানে ৬১৭৫ এ অবস্থান করছে। আর ইনডেস্কের আর এস আই [RSI 14] এখন ৬৬.৭০ এ অবস্থান করছে। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৭৮০ কোটি ৫৭  লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের তুলনায় ৩০১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কম। আগের দিন এ বাজারে এক হাজার ৮২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। আজ ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩২৮টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৮৯টির, কমেছে ২০৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টির শেয়ার দর। এদিকে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ২ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ১৭০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৩৬১ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ১৯৭ পয়েন্টে।
  • ব্লক মার্কেটে র্শীষ লেনদেনে বিডিকম
    স্টাফ রিপোর্টারঃ  ব্লক মার্কেটে আজ ৬টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে BDCOM । এই কোম্পানি ৬ লটেই ৩০০০০০০০টি শেয়ার লেনদেন করেছে। ভেলুর দিক থেকে ও আজ সবচেয়ে বেশী লেনদেন হয়েছে SIBL। আর দ্বিতীয় অবস্থানে আছেDHAKAINS, তৃতীয় অবস্থানে আছে IDLC। সূত্র ডিএসই।  
  • স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের পরিচালকের শেয়ার ক্রয়ের ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার: স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের পরিচালক অশোক কুমার সাহা আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বর্তমান বাজার দরে ৫ লাখ শেয়ার ক্রয়ে ঘোষণা দিয়েছেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বর্তমানে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শেযার হোল্ডিং চিত্র।  
  • সিটি ব্যাংক উদ্যোক্তাদের শেয়ার কেনার ধারাবাহিকতায় সম্ভাবনার আভাস
    সিনিয়র রিপোর্টার : সিটি ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক হোসাইন মাহামুদ হোসাইন মাহামুদ ৬৫ হাজার শেয়ার কিনবেন। এই পরিচালক আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বর্তমান বাজার দরে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার কিনতে পারবেন। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। ডিএসই তথ্য অনযায়ী, একই পরিচালক অকাধিকবার ঘোষণা দিয়ে শেয়ার কিনেছেন এবং কিনছেন। বিক্রির প্রভাব থেকে বেরিয়ে এসে ব্যাংকের অনেক পরিচালক শুধু শেয়ার ধারণ করছেন। তাদের শেয়ার সংগ্রহের কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে, শিগগিরই কোম্পানির শেয়ার দরে বিশেষ পরিবর্তন আসবে। [caption id="attachment_69989" align="aligncenter" width="971"] বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএসইতে শেয়ারে লেনদেনের চিত্র প্রকাশ[/caption] প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে- ব্যাংকের পক্ষে থেকে আসছে বিশেষ কোন ঘোষণা। সেই ঘোষণার আগে উদ্যোক্তারা শেয়ার ধারণ করেছেন এবং করছেন। (নিচের চিত্রে দেখুন) [caption id="attachment_69984" align="aligncenter" width="791"] শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের চিত্র প্রকাশ[/caption] এর দুদিন আগে ১৯ সেপ্টেম্বর আরেক পরিচালক হোসাইন খালেদ ৫০ হাজার শেয়ার কেনার ঘোষণা দেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ার কিনবেন। তিনি এর আগেও আরো ৫০ হাজার করে শেয়ার কিনেছেন। এরপরে শেয়ার কোনার তালিকায় ঘোষণায় রয়েছে আরো কয়েকজন পরিচালক। [caption id="attachment_69985" align="aligncenter" width="800"] শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের চিত্র প্রকাশ[/caption] কয়েকদিক দিন আগে ২২ আগস্ট সাঈদা শাহরীন আজীজ ৮ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার কেনেন। পরিচালকদের শেয়ার কেনার কারণে ধারণা করা হচ্ছে- ব্যাংকে বিশেষ কোন সুবাতাস আসছে। উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার কেনা সম্পন্ন হলে তা প্রকাশ পাবে। [caption id="attachment_69986" align="aligncenter" width="801"] শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের চিত্র প্রকাশ[/caption] উল্লেখ্য, সিটি ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ৩১.৬২ শতাংশ শেয়ার আছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৯.৪ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ১০.৩৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৯ শতাংশ শেয়ার আছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ৯ বছর পর মালয়েশিয়ায় কর্মী রপ্তানিতে গতি
    বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী রপ্তানিতে নতুন গতি পেয়েছে। ২০০৯ সালে কর্মী রপ্তানিতে ধস নামার পর গত আগস্ট মাসে সর্বোচ্চসংখ্যক কর্মী সেই দেশে গেছে। চলতি বছরের জুলাই মাসে কর্মী গিয়েছিল ৭ হাজার ৫০০ জন, সেখানে আগস্টে গেছে প্রায় ১৫ হাজার জন। শুধু তাই নয়, ৯ বছর পর কর্মী রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে উঠেছে বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার মালয়েশিয়া।ধারণা করা হচ্ছে, জনশক্তি রপ্তানির এই ধারা অব্যাহত থাকলে কর্মী রপ্তানির শীর্ষে থাকা সৌদি আরবের সঙ্গে ব্যবধান কমতে বেশি সময় লাগবে না। কিন্তু মালয়েশিয়ায় দালালের সংখ্যা এত বেশি থাকায় লক্ষ্য অর্জন প্রতিবারই হোঁচট খাচ্ছে।জানতে চাইলে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিচালক (ইমিগ্রেশন) আতিকুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে অনলাইনে ভিসা যাচাই-বাছাই করা খুব সহজ এবং নির্ভেজাল। এতে প্রতারণার হারটাও কমে গেছে, চাকরির নিশ্চয়তাও আছে। ফলে দ্রুত আমরা অনুমোদন দিতে পারছি। ’তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর মাসে প্রতিদিন মালয়েশিয়ায় ৭০০ থেকে ৮০০ ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে। এটি অব্যাহত থাকলে মাস শেষে আগস্টের চেয়েও বড় অগ্রগতি হবে।আতিকুর রহমান আরো বলেন, ওমান এবং কাতারেও কর্মী রপ্তানি বাড়াতে নতুন সিদ্ধান্ত হয়েছে।জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো জানায়, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে মোট কর্মী গেছে ৯৩ হাজার ৩৪১ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৭ শতাংশ গেছে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবে। দ্বিতীয় স্থানে আছে মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ ওমান সাড়ে ৯ শতাংশ, আর কাতার সোয়া ৯ শতাংশ কর্মী রপ্তানি করে তৃতীয় স্থানে আছে। আর মালয়েশিয়া ৫.৩৫ শতাংশ কর্মী রপ্তানি করে চতুর্থ শতাংশ।পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত এ কর্মী রপ্তানিতে সৌদি আরব, ওমান ও কাতার-তিন দেশ শীর্ষে থাকলেও জুলাই মাস থেকে চিত্র পাল্টাতে থাকে। জুলাই মাসে সাড়ে সাত হাজার কর্মী রপ্তানি করে সবাইকে তাক লাগিয়ে সৌদি আরবের পরেই স্থান করে নেয় মালয়েশিয়া। আগস্ট মাসে কর্মী রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থান ঠিক থাকলেও এক মাসেই কর্মী যায় প্রায় ১৫ হাজার জন, যা জুলাই মাসের দ্বিগুণ। এতে করে সৌদি আরবের সঙ্গে মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়ার ব্যবধানও কমেছে।জনশক্তি রপ্তানিকারকরা জানান, গত ২০০৮ সাল পর্যন্ত জনশক্তি রপ্তানির বড় বাজার ছিল মালয়েশিয়া। বেতন-ভাতা ভালো, মুসলিম দেশ ও পরিবেশ ভালো থাকায় বাংলাদেশের কর্মীদের মালয়েশিয়া যাওয়ার আগ্রহ ছিল শীর্ষে। কিন্তু ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন জটিলতায় এই বাজারে ধস নেমে কর্মী যাওয়া প্রায় বন্ধই হয়ে যায়। ২০০৮ সালে যেখানে কর্মী গিয়েছিল এক লাখ ৩১ হাজার সেখানে ২০১০ সালে ৯০০ জনে নেমে আসে। পরে আরো কমে ২০১২ সালে ৮০০ জনে নেমে আসে।আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যাপক কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ২০১৫ সালে মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়ার দুয়ার খোলে। কিন্তু কর্মী প্রেরণকারী এজেন্সিগুলোর প্রতারণার কারণে সুফল মেলেনি। এই কারণে সরকারি উদ্যোগে কম খরচে কর্মী যাওয়ার সুফল ভোগ করতে পারেনি মালয়েশিয়াগামী কর্মীরা। এরপর সরকার আবারও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে সেটি চালুর উদ্যোগ নেয়।এতে ২০১৫ সালে এক বছরে যেখানে কর্মী গিয়েছিল ৩০ হাজার ৫০০ জন, ২০১৬ সালে সেটি বেড়ে ৪০ হাজার জনে উন্নীত হয়। আর ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে মালয়েশিয়ায় কর্মী গেছে প্রায় ৩৭ হাজার জন, যা মোট কর্মী রপ্তানির ৫.৩৫ শতাংশ। source : kalar kontho
  • দূতাবাসের সত্যায়ন ছাড়া বহির্গমন ছাড়পত্র নয়
    সৌদি আরব, কাতার, কুয়েতসহ যেকোনো দেশে পাড়ি জমানো কর্মীদের একক ভিসার ছাড়পত্রে এখন থেকে দূতাবাসের সত্যায়ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যাদের ভিসায় দূতাবাসের সত্যায়ন থাকবে না, তাদের বহির্গমন ছাড়পত্র দেয়া হবে না। গতকাল মঙ্গলবার জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালকের দফতর থেকে এমন নির্দেশনাই পাঠানো হয়েছে ব্যুরোর বহির্গমন শাখায়।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর বহির্গমন শাখায় প্রতিদিন ব্রুনাই, ওমান, দুবাই, কুয়েত, কাতার, মালদ্বীপ ও সৌদি আরবগামী কর্মীদের বহির্গমন ছাড়পত্র নিতে রিক্রুটিং এজেন্সির মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদন জমা পড়ছে। পরে আবেদনগুলো ব্যুরোর বহির্গমন শাখার সহকারী পরিচালক (এডি), উপপরিচালক (ডিডি) ও পরিচালকরা (বহির্গমন) যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্তভাবে ছাড়পত্র দিচ্ছেন।সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবগামী একক ভিসার কিছু বিচ্ছিন্ন ফাইলের আবেদনে দূতাবাসের সত্যায়ন ছিল না। তারপরও ওই সব ভিসার বিপরীতে বহির্গমন ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক সেলিম রেজার নজরে আসে। তিনি বিষয়টি নিয়ে কয়েক দিন অনুসন্ধান করেন। গত সোমবারও তিনি বহির্গমন শাখায় অবস্থান করেছেন বলে দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে। ওই দিনই তার দফতর থেকে একক ভিসায়ও বহির্গমন ছাড়পত্র নিতে প্রত্যেক দেশে থাকা দূতাবাসের সত্যায়ন বাধ্যতামূলক উল্লেখ করে একটি সার্কুলার জারি করে সেটি নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেয়া হয়। যার দরুন গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত একক ভিসায় (ব্যক্তিগত) জনশক্তি ব্যুরোর পুট-আপ সেকশনে যত আবেদন জমা পড়ে তার একটিতেও বহির্গমন ছাড়পত্র দেয়া হয়নি।গতকাল জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একক ভিসার ক্ষেত্রেও দূতাবাসের সত্যায়ন বাধ্যতামূলক করার কথা স্বীকার করে নয়া দিগন্তকে বলেন, এখন থেকে দূতাবাসের সত্যায়ন ছাড়া কোনো ভিসার বিপরীতে আমরা বহির্গমন ছাড়পত্র দেবো না। তিনি বলেন, শুধু সৌদি আরবের ক্ষেত্রেই নয়, অন্যান্য যেসব দেশের ক্ষেত্রে ব্যুরোতে আবেদন জমা পড়ছে সেগুলোর ক্ষেত্রেও দূতাবাসের সত্যায়ন লাগবে। এতে শ্রমিক রফতানিতে আরো স্বচ্ছতা ফিরে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।গতকাল জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রার এক নেতা নাম না প্রকাশের শর্তে নয়া দিগন্তকে তার ব্যক্তিগত মতামত দিয়ে বলেন, যেসব ভিসা সৌদি আরব থেকে ইতোমধ্যে ইস্যু হয়ে স্ট্যাম্পিং হয়েছে সেই সব হাজার হাজার একক ভিসার কী হবে? স্ট্যাম্পিং হওয়া ভিসায় কিভাবে দূতাবাসের সত্যায়ন আনব?তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বা জনশক্তি কর্মসংস্থান ব্যুরো যদি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেধে দিতেন তাহলে মনে হয় ভালো হতো। এখন এসব ভিসার কী হবে তা নিয়েই তো আমরা শঙ্কায় আছি। অনেক এজেন্সির নামে আসা ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিসংখ্যান ঘেঁটে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বহির্গমন ছাড়পত্র নিয়ে শ্রমিক বিদেশে গেছে ছয় লাখ ৯০ হাজার ৪৬ জন। এর মধ্যে শুধু সৌদি আরবেই গেছেন তিন লাখ ৯২ হাজার ৬০২ জন। এর বাইরে সেপ্টেম্বর মাসের ১৯ তারিখ পর্যন্ত আরো ৩০ হাজারের বেশি কর্মী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিয়েছেন। ওই হিসাবে সাড়ে আট মাসে সাত লাখ শ্রমিক বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।   siurce : noyadigonto
  • পুঁজিবাজার উন্নয়নে আরও সহায়তা দেবে সরকার ॥ অর্থ প্রতিমন্ত্রী
    দেশের পুঁজিবাজারের উন্নতি ও গতিশীল করতে সরকার আরও সহায়তা দিতে প্রস্তুত। বাজারের জন্য যদি কোন আইনী সহায়তা প্রয়োজন হয়, সেটিও করবে সরকার। বাজার বিকাশে কোন আইনী প্রতিবন্ধকতা থাকলে সেগুলোও দূর করা হবে। অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এ কথা বলেছেন। বুধবার সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) ও পুঁজিবাজার সাংবাদিকদের নিয়ে এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। প্রতিমন্ত্রী এম এম মান্নান বলেন, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল ও গতিশীল করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সঙ্গে স্টেকহোল্ডাররা কাজ করে যাচ্ছে। যেখানে সরকার আইনী সহায়তার মাধ্যমে ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, এই বাজারের মঙ্গলের জন্য যেসব আইন বাধার সৃষ্টি করছে; সেগুলো সরিয়ে দেয়া উচিত। তাহলে পুঁজিবাজারের উন্নতি সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি। অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এ সময় পুঁজিবাজারের উন্নতির জন্য আর্থিক জ্ঞানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিএমবিএ সভাপতি ছায়েদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএসইসি চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন। source : jonkontho
  • পুঁজিবাজার উন্নয়নে আইনি বাধা দূর করা হবে
    অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, এমপি বলেছেন, দেশের পুঁজিবাজারকে উন্নত ও গতিশীল করতে সরকার যে কোনো সহায়তা দিতে প্রস্তুত। বাজারের জন্য যদি কোনো আইনি সহায়তা প্রয়োজন হয়, সেটিও করবে সরকার। বাজার বিকাশে কোনো আইনী প্রতিবন্ধকতা থাকলে সেগুলোও দূর করা হবে। গতকাল বুধবার রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) ও পুঁজিবাজার সাংবাদিকদের নিয়ে এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে।এম এম মান্নান বলেন, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল ও গতিশীল করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সঙ্গে  স্টেকহোল্ডাররা কাজ করে যাচ্ছে। সরকার আইনি সহায়তার মাধ্যমে ভূমিকা রাখছে। এ বাজারের মঙ্গলের জন্য যেসব আইন বাধার সৃষ্টি করছে; সেগুলো সরিয়ে দেওয়া উচিত। তাহলে পুঁজিবাজারের উন্নতি সম্ভব হবে। আর পুঁজিবাজার খুবই সংবেদনশীল জায়গা। তাই পুঁজিবাজারের প্রয়োজনে বিএসইসিকে আরও ক্ষমতা দেওয়ার হলেও সরকার তা করবে। তবে বাজারে বিনিয়োগের জন্য বিনিয়োগকারীদের আর্থিক জ্ঞান ও সতর্কতা খুব বেশি থাকা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম. খায়রুল হোসেন বলেন, সমৃদ্ধ পুঁজিবাজারের জন্য বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা দরকার। বিনিয়োগকারীরা সচেতন না হলে কোনো সংস্কারই কাজে লাগবে না। তিনি বলেন, বর্তমানে পুঁজিবাজারে সংস্কারের ফলে দেশি- বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। এখন বাজারের লেনদেনে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অবদান বেড়েছে। তবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যেন যে কোনো সময় মুনাফা করে বিনিয়োগ সরিয়ে নিয়ে বাজারে প্রভাব সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। বিএসইসির চেয়ারম্যান আরও বলেন, আসাতের অর্থনীতির উন্নয়নের যে লক্ষ্য রয়েছে তা পূরণ করতে হলে অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের অবদান বাড়াতে হবে। বর্তমানে আমাদের অর্থনীতির তুলনায় পুঁবািজারের মার্কেট ক্যাপ (বাজার মূলধন) অনেক কম। যা পাশ্ববর্তী দেশগুলোতে অনেক বেশি। আমাদেরকেও পুঁজিবাজারের অবদান বাড়াতে হবে।বিএমবিএর সভাপতি সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান এবং সিএমজেএফ-র সভাপতি হাসান ইমাম রুবেলসহ আরও অনেকে। source : ittfaq
  • পুঁজিবাজারে বড় দরপতন
    টানা কয়েক দিন সূচক ও লেনদেন বাড়ার পর পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস গতকাল বুধবার ব্যাংক খাতে বড় সংশোধন হয়েছে। এর আগে টানা কয়েক দিন ব্যাংকে ভর করেই হু হু করেই এগোচ্ছিল বাজার। ব্যাংক শেয়ারে সংশোধন হলেও ডিএসইতে লেনদেনের ৪৭ শতাংশই এ খাতের। আর সিএসইতে সূচক কমার সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও।সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস গতকাল বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৮২ কোটি টাকা। আর সূচক কমেছে ৬৩.৬৭ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৫০৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। সেই হিসাবে লেনদেন কমেছে ৪০০ কোটি টাকার বেশি।আইডিএলসির বাজার পর্যবেক্ষণ বলছে, ব্যাংক খাতের কম্পানির শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়ায় বাজার সংশোধন হয়েছে। ডিএসইর প্রধান সূচকে ১ শতাংশ বা ৬৩ পয়েন্ট কমেছে।মাত্র দুটি ব্যতীত সব ব্যাংকের শেয়ারের দাম কমেছে। এই খাত ২.৩ শতাংশ দর হারিয়েছে। তবে ব্যাংক খাতের সর্বমোট লেনদেন ৫০০ কোটির বেশি, যা আগেরদিন ছিল সাড়ে ৭০০ কোটির ওপরে।বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর থেকেই সূচক নিম্নমুখী হয়। পরে সূচক সামান্য বাড়লেও পরে ধারাবাহিকভাবে কমেছে। দিনশেষে সূচক দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ১৭২ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১৫ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ১৯৮ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহসূচক ৯ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৩৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩৩০ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৬টির, কমেছে ২০৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮ কম্পানির শেয়ারের দাম।লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড। এদিন কম্পানিটির লেনদেন হয়েছে ৬৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। শেয়ারের দাম কমেছে ০.২ টাকা বা ১.২৯ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সামিট পাওয়ারের লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এদিন কম্পানিটির শেয়ারের দাম কমেছে ১.৬ টাকা বা ৩.৭২ শতাংশ। আর তৃতীয় স্থানে থাকা আইএফআইসি ব্যাংকের লেনদেন হয়েছে ৩৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এদিন কম্পানিটির শেয়ারের দাম কমেছে ০.৪ টাকা বা ১.৮৬ শতাংশ। অন্যান্য শীর্ষ কম্পানি হচ্ছে এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ইফাদ অটোস, সিটি ব্যাংক লিমিটেড ও উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড।দাম বৃদ্ধির শীর্ষে রয়েছে সাফকো স্পিনিং, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, জিবিবি পাওয়ার, এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মি. ফা., হাক্কানী পাল্প, সামিট পাওয়ার, ডরিন পাওয়ার, এস আলম কোল্ড রোল্ড, বারাকা পাওয়ার ও খুলনা পাওয়ার।সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ১৩৩ পয়েন্ট। আগেরদিন সূচক ও লেনদেন উভয়ই কমেছিল। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৭৮ কোটি ১ লাখ টাকা। সে হিসাবে বুধবার লেনদেন কমেছে ২৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২৪১ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৭০টির, দাম কমেছে ১৪৪টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭ কম্পানির শেয়ারের দাম। source : kalar kontho
  • ‘অর্থনীতিতে পুঁজিবাজার গুরুত্বপূর্ণ হলেও পরিসর সেভাবে বাড়েনি’
    বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন বলেছেন, ‘একটি দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে পুঁজিবাজারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, তবে আমাদের পুঁজিবাজার সেভাবে এগোয়নি। যে দেশের পুঁজিবাজার বেশি উন্নত, সেই দেশ ও দেশের অর্থনীতি ততই শক্তিশালী। কাজেই আমাদের পুঁজিবাজার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ’গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরাম (সিএমজেএফ) ও বিএমবিএর উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।বিএমবিএ সভাপতি ছায়েদুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান, সিএমজেএফ সভাপতি হাসান ইমাম রুবেল, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান ও সিএমজেএফ সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন প্রমুখ।পুঁজিবাজারের বিভিন্ন সংস্কার ও কার্যক্রম তুলে ধরে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যেভাবে হয়েছে, পুঁজিবাজারের প্রবৃদ্ধি তেমন হয়নি। যে দেশের পুঁজিবাজার যত বড় সে দেশের অর্থনীতিও তত বড়। উন্নত দেশের অর্থনীতির জিডিপিতে পুঁজিবাজারের অবদান অনেক বেশি। একটি সমৃদ্ধ পুঁজিবাজার উন্নত অর্থনীতির পূর্বশর্ত। ’অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, দেশের পুঁজিবাজারের উন্নতি ও গতিশীল করতে সরকার আরো সহায়তা দিতে প্রস্তুত।বাজারে কোনো আইনি সহায়তা প্রয়োজন হলে সরকার সেটি দেবে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজার বিকাশে কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা থাকলে সেগুলোও দূরও করা হবে। ’ source : kalar konto
  • জলবায়ু তহবিলের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি
    জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কল্যাণে প্রয়োজনীয় জলবায়ু তহবিল প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে তাঁরা এই তহবিলের অর্থ ব্যবহারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, নাগরিক অংশগ্রহণ ও শুদ্ধাচার নিশ্চিতের দাবি জানান। দক্ষিণ এশিয়ার সংশ্লিষ্ট সরকারগুলোকে জরুরিভাবে সামষ্টিক পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা। জার্মানভিত্তিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত দুই দিনের জলবায়ুবিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সংলাপের শেষ দিন মঙ্গলবার বিশেষজ্ঞরা আরো বলেন, দক্ষিণ এশীয় দেশগুলো প্রশমন অপেক্ষা অভিযোজনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করছে। তাই এ অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলোর বৈচিত্র্যপূর্ণ প্রয়োজন পূরণে সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মসূচির মূলধারায়ও অভিযোজনকে সন্নিবেশ করতে হবে।বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গত সোমবার ‘জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজন তহবিল ২ : জলবায়ু অর্থায়ন ও সুশাসন বিষয়ে ইন্টিগ্রিটি ডায়ালগ’ শীর্ষক দুই দিনের এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে ভারত, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, মালদ্বীপ, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। সংলাপে মূল উদ্দেশ্য ছিল তিনটি। তা হচ্ছে—জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা, সুশাসনের আলোকে এসডিজি-১৩ (টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট) ও প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নে আঞ্চলিক প্রচেষ্টার সম্ভাব্য ক্ষেত্র ও উপায় অনুসন্ধান।মঙ্গলবার সংলাপের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের উপমহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (জ্যেষ্ঠ) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।ধন্যবাদ জানান টিআইবির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের। সম্মানিত অতিথি বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যের সংস্থা ডিএফআইডির বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ সুশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ও সুশাসন বিষয়ক দলনেতা আইসলিন বেকার। ইকবাল হোসেন অনুষ্ঠানে জানান, সম্প্রতি জাতীয় সংসদে জলবায়ু তহবিলের ওপর ছয়টি অডিট প্রতিবেদন আলোচিত হয়েছে এবং আরো কয়েকটি প্রকল্পের অডিট বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন। ড. ইফতেখারুজ্জামান জলবায়ু তহবিল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও শুদ্ধাচার নিশ্চিতে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং এ খাতে তহবিল প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন।আইসলিন বেকার বলেন, জলবায়ু বিবর্তনের সংকট মোকাবেলায় বৈশ্বিক অঙ্গীকারের প্রতি যুক্তরাজ্য শ্রদ্ধাশীল হয়ে ২০১৬-২০২১ পর্যন্ত ৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে। বাংলাদেশের জলবায়ু তহবিলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়ে যুক্তরাজ্য উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে উল্লেখ করে তিনি জলবায়ু অর্থায়নের স্বচ্ছতাবিষয়ক আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অর্জনে সম্মিলিত প্রয়াসের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এর আগে টিআইবির উদ্যোগে গত বছরের মার্চে জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসন বিষয়ে প্রথম ‘ঢাকা ইন্টিগ্রিটি ডায়ালগ’ অনুষ্ঠিত হয়। source : kalar kontho
  • চার মাসে ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১৮৪ শতাংশ পর্যন্ত
    দেশে লাভজনক সঞ্চয়ের সুযোগ কমে আসায় অনেকে গত কয়েক মাস ধরে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন। নতুন এ বিনিয়োগের বড় অংশই যাচ্ছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারে। এতে এ খাতের কোম্পানিগুলোতে শেয়ারের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। গত চার মাসে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের শেয়ারের দাম ২৩ থেকে ১৮৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এ সময়ে পুঁজিবাজারের লেনদেনেও দেখা যাচ্ছে ব্যাংকিং খাতের প্রাধান্য। গত কয়েকদিন ধরে বাজারে মোট লেনদেনের প্রায় অর্ধেকই হচ্ছে ব্যাংকিং খাত ঘিরে।ব্যাংকের শেয়ারের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস্ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, এটা ঠিক যে, বাজারে কিছু ব্যাংকের শেয়ারের দাম আয়ের তুলনায় অবমূল্যায়িত ছিল। তাছাড়া খাত হিসেবেও ব্যাংকিং খাতের পিই রেশিও (দাম-আয় অনুপাত) কম ছিল। তাই ব্যাংকের শেয়ারের দাম কিছুটা বাড়া যৌক্তিক ছিল। কিন্তু সব ব্যাংকের পরিস্থিতি এক রকম নয়। কিছু ব্যাংকের শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে অনেক বেড়ে গেছে। এর  কারণ ব্যাখ্যা করে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, যারা নতুনভাবে বিনিয়োগ করতে এসেছেন তাদের মধ্যে কম দামে শেয়ার কেনার প্রবণতা রয়েছে। আর বাজারে সবচেয়ে কম দামে ছিল দুর্বল মৌলভিত্তির ব্যাংকের শেয়ার। ফলে এ ব্যাংকগুলোর শেয়ারের দাম অনেক বেড়ে গেছে। তাছাড়া বাজারে যে ব্যাংকগুলোর শেয়ার কম রয়েছে এ ব্যাংকগুলোর শেয়ারের দামও বেশি বেড়ে গেছে।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত চার মাসে বাজারে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে রূপালী ব্যাংকের শেয়ারের। এ কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ১৮৪ শতাংশ। এছাড়া মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শেয়ারের দাম প্রায় ৯১ শতাংশ বেড়েছে। প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৭৮ শতাংশ। এক্সিম ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৭৪ শতাংশ। আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে প্রায় ৬৯ শতাংশ। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৬৫ শতাংশ। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৬২ শতাংশ। সিটি ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত। এছাড়া ৫০ শতাংশের বেশি দাম বেড়েছে ব্যাংক এশিয়া (৫৭ শতাংশ), শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক (৫৭ শতাংশ), ট্রাস্ট ব্যাংক (৫৭ শতাংশ), উত্তরা ব্যাংক (৫৬ শতাংশ), ইস্টার্ন ব্যাংক (৫৩ শতাংশ), এনসিসি ব্যাংক (৫৩ শতাংশ) এবং ন্যাশনাল ব্যাংকের (৫০ শতাংশ) শেয়ারের। ৪০ শতাংশের বেশি দাম বেড়েছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (৪৬ শতাংশ), প্রাইম ব্যাংক (৪৫ শতাংশ), ডাচ্-বাংলা ব্যাংক (৪৩ শতাংশ), যমুনা ব্যাংক (৪২ শতাংশ) এবং পূবালী ব্যাংকের (৪১ শতাংশ) শেয়ারের। এর বাইরে এবি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক এবং সাউথ ইস্ট ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে ২৩ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত।সম্পদ ব্যবস্থাপকরা বলছেন, বাজারে যখনই নতুন বিনিয়োগকারীদের আগমন ঘটে তখনই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারে ঊর্ধ্বগতি দেখা দেয়। এর কারণ হলো— ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তুলনামূলকভাবে বেশি। ফলে তারা বাজারে এসেই এসব কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করেন। ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, গেল আগস্ট মাসে ব্যাংকের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৬০ কোটি টাকা। যা জুলাই মাসে ছিল ৩ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা। এ হিসেবে আগস্ট মাসে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৫৫ শতাংশ। তাছাড়া বর্তমানে বাজারে লেনদেনের প্রায় অর্ধেকই হচ্ছে ব্যাংকিং খাতের শেয়ারে। গতকাল মঙ্গলবার ডিএসইতে ব্যাংকিং খাতের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ৭৪২ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ৫২ শতাংশ। এদিকে আগস্ট শেষে ব্যাংকিং খাতের পিই রেশিও দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ১১। যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৫৮।মার্চেন্ট ব্যাংকাররা বলছেন, বাজারের জন্য ইতিবাচক দিক হলো— এখানে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকছেন। এতে বাজার গতিশীল হয়ে উঠেছে। তবে শুধু একটি খাতে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকলে তা বাজারের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ এ খাতটিতে দর সংশোধন হলে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়তে পারেন। তাই বিনিয়োগকারীদের উচিত বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করা। source : ittfaq
  • সাভারে ট্যানারির উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণ বৃদ্ধি
    কোরবানি ঈদের কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে সাভার শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারে নতুন দুটি মডিউল চালু করা করা হয়েছে। এর ফলে আগের দুটিসহ মোট চারটি মডিউলে দৈনিক ২৫ হাজার ঘনমিটার তরল বর্জ্য পরিশোধন করা সম্ভব। ইতোমধ্যে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রথম ধাপ অর্থাৎ ওয়েট ব্লু চামড়া তৈরির লক্ষ্যে ৭৮টি ট্যানারি চালু করা হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ৯১টি ট্যানারি পুরোপুরি শতভাগ চামড়া উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্যে অবকাঠামোর কাজ শেষ পর্যায়ে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। হাজারীবাগের তুলনায় সাভার চামড়া শিল্পনগরীর প্রতিটি ট্যানারিতে উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণ বা তিনগুণ বেড়েছে। কোরবানির চামড়া নষ্ট কিংবা পাচার যাতে নয়, সে লক্ষ্যে উৎপাদনক্ষম ট্যানারিগুলো সারাক্ষণ চালু রাখছেন উদ্যোক্তারা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য। জানা গেছে, কাঁচা চামড়া থেকে পরিশোধনের প্রথম পর্ব বা ওয়েট ব্লু চামড়া উৎপাদনই হচ্ছে ট্যানারিগুলো মূল কাজ। ওয়েট ব্লু চামড়া বানানোর পর বিদেশী ক্রেতাদের অর্ডার মতো ফিনিশড চামড়া তৈরি করা হয়ে থাকে। আবার অনেক সময় ক্রেতাদের চাহিদা মতো ট্যানারি মালিকরা সরাসরি ওয়েট ব্লু চামড়া রফতানি করে থাকেন। ইতোমধ্যে কোরবানির সময় সংগৃহীত কাঁচা চামড়াগুলোর প্রক্রিয়াজাতকরণ শুরু করা হয়েছে।এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর ডেপুটি চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবু বকর সিদ্দিক জনকণ্ঠকে বলেন, কোরবানির চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে বাকি দুটো মডিউল অস্থায়ী ভিত্তিতে চালু করে দেয়া হয়েছে। এর ফলে দৈনিক ২৫ হাজার ঘনমিটার বর্জ্য পরিশোধন করা সম্ভব হচ্ছে। তিনি বলেন, ৭১টি ট্যানারি থেকে যে বর্জ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে সার্বক্ষণিক চারটি মডিউল চালু রাখার প্রয়োজন হয় না। তবে ১৫৪টি ট্যানারি চালু হলে চারটি মডিউল চালু রাখতে হবে। এবার কোরবানি ঈদে যেসব চামড়া সংগৃহীত হয়েছে তা সাভারের প্রক্রিয়াজাতকরণ করা সম্ভব। এ কারণে চামড়া নষ্ট হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই। তিনি আরও জানান, হাজারীবাগের তুলনায় সাভারে প্রতিটি ট্যানারির উৎপাদন ক্ষমতা কয়েকগুণ পর্যন্ত বেড়েছে।জানা গেছে, গত বছর কোরবানিতে জবাইযোগ্য পশু ছিল প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ। এর মধ্যে গরু ও মহিষ ছিল প্রায় ৩৩ লাখ। বাকিটা ছাগল, খাসি, ভেড়াসহ অন্যান্য পশু। এবার এই সংখ্যা কিছুটা বাড়তে পারে। হাজারীবাগের ২০৫টি ট্যানারির মধ্যে ১৫৫টি ট্যানারি নতুন চামড়াশিল্প নগরে জমি পেয়েছে। তবে বরাদ্দ বাতিল ও দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ায় সাভারে স্থানান্তর হওয়ার কথা মূলত ১৫১টি ট্যানারির। এর মধ্যে ৭১টি ট্যানারি ইতিমধ্যে উৎপাদন শুরু করেছে। এসব ট্যানারির উৎপাদনক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেশি। এ প্রসঙ্গে মদিনা লেদার কমপ্লেক্সের এক কর্মকর্তা জানান, হাজারীবাগে তাদের তিনটি ড্রামে দিনে ৩০০ চামড়ার ওয়েট ব্লু করা যেত। আর এখানে আটটি ড্রামে দিনে ৭০০ চামড়া প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব হচ্ছে।জানা গেছে, গরু জবাইয়ের পর চামড়া ছাড়িয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাতে লবণ দিতে হয়। এসব লবণযুক্ত চামড়া ট্যানারিতে কেটে একটি আকার দেয়া হয়। এ পর্যায়ে লেজ, মাথা ও পায়ের অংশ কেটে ফেলা হয়। এরপর প্রায় ৩০ ধরনের রাসায়নিক দিয়ে ট্যানিং ড্রামে চামড়ার প্রক্রিয়া করা হয়। এতে পশম দূর হয়ে যায়। ড্রাম থেকে চামড়া বের করে ঝিল্লি ও চর্বি অপসারণ করে ওয়েট ব্লু চামড়া উৎপাদিত হয়। এরপর ক্রাস্ট লেদার উৎপাদনে প্রায় ৫০ রকম রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। এ পর্যায়ে ক্রেতাদের চাহিদামতো চামড়া রং করা হয়। সর্বশেষ চামড়ার সাজসজ্জা করা হয়। এতেও ১৫ ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। একে বলে ফিনিশড পর্যায়। এই চামড়া দিয়ে বিভিন্ন পণ্য তৈরি হয় কারখানায়।প্রসঙ্গত, গত ২০০৩-০৫ সাল মেয়াদী বিসিক চামড়া শিল্পনগরী প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয় ১৭৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে। নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় প্রথমে ২০১০ সাল পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করে ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ৫৪৫ কোটি। ওই সময়ের মধ্যেও নির্মাণ সম্পন্ন না হওয়ায় সর্বশেষ ২০১৬ পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করে ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৭৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বুয়েটের তত্ত্বাবধানে চীনা কারিগরি সহায়তায় সিইটিপি বা কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ করে আনা হয়েছে। গত গত ৮ এপ্রিল পরিবেশ অধিদফতরের অভিযানে হাজারীবাগের ট্যনারিগুলোর বিদ্যুত, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। এর পরের দিন ৯ এপ্রিল রবিবার মহামান্য আদালত ১৫ দিনের মধ্যে সাভারের শিল্পনগরীতে সব ধরনের সংযোগ দেয়ার নির্দেশ দেয়। ওই নির্দেশ পাওয়ার পর ট্যানারিগুলো সাভারে সরে যেতে শুরু করে। source : jonokonhto
  • ওটিসি থেকে বাদ পড়বে ৩৪ কোম্পানি
    অস্তিত্ব নেই বা স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে কোন যোগাযোগ রাখে না ওভার দ্য কাউন্টার বা ওটিসিভুক্ত এমন সব কোম্পানিকে বাদ দিয়ে এই বাজারকে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ওটিসিকে পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে গত রবিবার একটি কমিটি করেছে। কমিটিকে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে বিদ্যমান নিয়মকানুনের প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিবর্তনসহ পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।বর্তমানে ডিএসইর ওটিসিতে ৬৬ কোম্পানি তালিকাভুক্ত আছে। স্টক এক্সচেঞ্জের একটি সূত্র জানিয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ৩২টি বিদ্যমান আইন অনুসরণ করে। এই ৩২ টিকেই শুধু ওটিসিতে রেখে বাজার পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ওটিসি থেকে ৩৪ কোম্পানি বাদ পড়ে যাবে, যেগুলোর বড় অংশেরই কোন অস্তিত্ব নেই।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওভার দ্য কাউন্টার বা ওটিসি বাজারকে কার্যকর করতে বিদ্যমান আইনের সংশোধনের জন্য ‘ডেভেলপমেন্ট ওটিসি মার্কেট অব বাংলাদেশ’ নামে একটি কমিটি করা হয়েছে। তিন সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক বিএসইসির পরিচালক মোঃ মনসুর রহমান। অপর দুই সদস্য হলেনÑ উপপরিচালক শেখ মোঃ লুৎফর কবীর ও মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।গত মার্চে ওটিসি বাজারকে কার্যকর করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে বিদ্যমান আইনের সংশোধন প্রস্তাব দিয়েছিল ডিএসই। এর পর কমিশনও ওটিসিকে পুনর্গঠনে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। কমিশন সূত্র জানিয়েছে, নতুন রূপে ওটিসি বাজারকে সাজানো হবে। এতে মূল শেয়ারবাজারের মতো ওয়েববেজড ইলেকট্রনিক ব্যবস্থায় লেনদেনের সুযোগ দেয়া হবে। এই বাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া ও বিধিবিধান তুলনামূলক সহজ হবে।সূত্র আরও জানায়, বাজারকে কার্যকর করতে ওপেন এ্যান্ড বা বেমেয়াদী মিউচুয়াল ফান্ডও এ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে কেনাবেচার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। বর্তমানে এ ধরনের ২৬ ফান্ডের আকার অন্তত নয় হাজার কোটি টাকা। এখন ফান্ডগুলোর সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানি বা এদের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় থেকে সরাসরি কেনাবেচা করতে হয়, যা বেশ জটিল। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিনিয়োগকারীরা এ ফান্ডে বিনিয়োগের সুযোগ পান না। নতুন ব্যবস্থা বেমেয়াদী ফান্ডকে জনপ্রিয় করবে। এ ছাড়া তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোম্পানির উদ্যোক্তা, পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডাররা ১১৭ ফরম পূরণ করে যে প্রক্রিয়ায় শেয়ার বিক্রি বা হস্তান্তর করেন, সেটিও ওটিসিতে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে। এসব কোম্পানিকেও শেয়ারবাজারমুখী করতে এ ধরনের শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ ওটিসিতে রাখার প্রস্তাব করেছে ডিএসই।ডিএসইর কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের কোম্পানির মালিকানা বা শেয়ার কেনাবেচায় স্ট্যাম্প ফি বাবদ (দেড় শতাংশ) যে অর্থ খরচ হয়, ওটিসির মাধ্যমে লেনদেন হলে তা এক-তৃতীয়াংশে নেমে আসবে। শুধু ব্রোকারেজ কমিশন (প্রতি ১০০ টাকায় সর্বোচ্চ ৫০ পয়সা) দিয়েই শেয়ার কেনাবেচা করতে পারবেন তারা। তবে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ওটিসিতে তালিকাভুক্ত হতে হবে। এ জন্য আনুষঙ্গিক খরচ কম রাখা হবে।সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে নিবন্ধিত যেসব কোম্পানি এখনই মূল শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে চায় না, তবে বিশেষ প্রয়োজনে শেয়ার বিক্রি করে মূলধন সংগ্রহ করতে চায় বা কেউ নিজের শেয়ার বেচে দিতে চায়, তাদেরও শেয়ারবাজার ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হবে। source : jonokontho
  • সিঙ্গার বিডির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ৩০ শতাংশ শেয়ার ছেড়ে দিয়েছে
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশের উদ্যোক্তা রিটেইল হোল্ডিংস বিহোল্ড বি.ভি. তাদের হাতে থাকা শেয়ারের একটি বড় অংশ বাজারে ছেড়ে দিয়েছে। গত দুই বছরে সিঙ্গার বাংলাদেশের এ উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানটি তাদের কাছে থাকা প্রায় ৩০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে। তবে কী কারণে প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা তাদের শেয়ার ছেড়ে দিচ্ছে তার কারণ জানতে চেয়েও জানা যায়নি।জানা গেছে, ২০১০-১১ সালে দেশের একটি ব্যবসায়ী গ্রুপ সিঙ্গার বাংলাদেশ কেনার জন্য প্রস্তাব দেয়। সে সময় সিঙ্গারের উদ্যোক্তা নেদারল্যান্ডের সিঙ্গার বিহোল্ড বি.ভি.র সঙ্গে প্রতি শেয়ার বাজার মূল্যের দেড়শত টাকা কমে ৫৫০ টাকায় কেনার জন্য একটি চুক্তিও হয়। বিষয়টি শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। তবে বিএসইসির অনুমোদনের আগেই চুক্তি থেকে পিছিয়ে আসে সিঙ্গার বাংলাদেশের উদ্যোক্তা সিঙ্গার বিহোল্ড বি.ভি.। পরবর্তীতে সিঙ্গার বিহোল্ড বি.ভি. নাম পরিবর্তন করে দাঁড়ায় রিটেইল হোল্ডিংস বিহোল্ড বি.ভি.তে।কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডিং পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০১২ সালে সিঙ্গার বাংলাদেশের মোট শেয়ারের ৭৫ শতাংশ ছিল উদ্যোক্তা সিঙ্গার বিহোল্ড বি.ভি.র কাছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ শেয়ার ছিল ব্লকড হিসাবে। এরপর ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর ৪ কোটি ২১ লাখ ৮১ হাজার ৯৭১টি শেয়ার ছিল রিটেইল হোল্ডিংস বিহোল্ড বি.ভি.র নামে। সেদিন কোম্পানিটি ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৩০টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেয়। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর ও  অক্টোবর মাসে তিনটি ঘোষণার মাধ্যমে কোম্পানিটি আরো ২০ লাখ ৪৮ হাজার ১১০টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেয়। এসব শেয়ার বিক্রি শেষে সিঙ্গার বাংলাদেশে উদ্যোক্তার শেয়ার দাঁড়ায় ৩ কোটি ৬৩ লাখ ৭৫ হাজার ৮৩১টিতে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আরো ৫০ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার বিক্রি করে। আর গত ১০ সেপ্টেম্বর (৩০ কর্মদিবসের মধ্যে) আরো ৩০ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর তাদের কাছে শেয়ার ছিল ৩ কোটি ২৩ লাখ ৭৩ হাজার ৯৪১টি। ঘোষণা অনুযায়ী শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন হলে কোম্পানিতে উদ্যোক্তার শেয়ার সংখ্যা কমে গিয়ে দাঁড়াবে ২ কোটি ৯৩ লাখ ৭৩ হাজার ৯৪১টি। এ হিসেবে গত দুই বছরে সিঙ্গার বাংলাদেশের উদ্যোক্তা রিটেইল হোল্ডিংস বিহোল্ড বি.ভি.র শেয়ারহোল্ডিং কমবে ৩০ শতাংশ।এদিকে ডিএসইর তথ্য বলছে, রিটেইল হোল্ডিংস বি.ভি.র বিক্রি করে দেওয়া শেয়ার বেশিরভাগই কিনছে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডিং ছিল মোট শেয়ারের ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ। যা গেল ৩১ আগস্টে বেড়ে ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আর ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ারহোল্ডিং ছিল মোট শেয়ারের ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। যা গেল ৩১ আগস্টে ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।রিটেইল হোল্ডিংস বিহোল্ড বি.ভি.র শেয়ার ছেড়ে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে এ বিষয়ে সিঙ্গার বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, আমরা কোম্পানির ব্যবস্থাপনার দিকটি দেখি। মালিকানার বিষয়টি আমরা দেখি না। এ বিষয়ে সিঙ্গার এশিয়া লিমিটেড ভালো বলতে পারবে। সিঙ্গার এশিয়ার কাছে এ বিষয়ে জানতে চেয়ে ইমেইল করলেও তাদের কাছ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।জানা গেছে, ১৯০৫ সাল থেকে বহুজাতিক কোম্পানি সিঙ্গার বাংলাদেশে ব্যবসা করছে। বর্তমানে সিঙ্গার বাংলাদেশের পরিশোধিত মূলধন হচ্ছে ৭৬ কোটি ৬৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বর্তমানে কোম্পানির রিজার্ভ রয়েছে ১০১ কোটি টাকা। ২০১৪ সাল পর্যন্ত নগদ লভ্যাংশের পাশাপাশি বোনাস শেয়ার ঘোষণা করে সিঙ্গার। তবে গত দুই বছর শুধু নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করছে কোম্পানিটি। গতকাল ডিএসইতে সিঙ্গার বাংলাদেশের প্রতিটি শেয়ারের সমাপনী মূল্য ছিল ১৯৪ টাকা।   source : Ittafaq
  • গুজবের ফাঁদে বিনিয়োগকারী
    ‘ক’ নামক কম্পানি নতুন প্লান্টে উৎপাদনে যাবে। বিগত বছরে ক্ষতিতে থাকলেও এবার ভালো মুনাফা করবে, শেয়ারপ্রতি আয় এবার (ইপিএস) বাড়বেই। কম্পানির মালিকানা পরিবর্তন হচ্ছে, এতে পরিধি বাড়বে। কম্পানি সম্পর্কিত এমন গুজব কিংবা মিথ্যা তথ্য ভর করেছে পুঁজিবাজারে। কম্পানি সম্পর্কিত কোনো নতুন তথ্য ‘মূল্য সংবেদনশীল’ হিসেবে প্রকাশ করে কম্পানি। তবে কম্পানি ঘোষিত তথ্যে নির্ভর না করে অসমর্থিত সূত্রের গুজবে ঠকছে বিনিয়োগকারীরা। গুজব কিংবা অসমর্থিত তথ্যের সঠিকতা যাচাই না করেই ক্ষতির মুখে পড়ছে অনেকেই।সম্প্রতি বিবিএস ক্যাবলস লিমিটেড, তুংহাই নিটিং ও সিঅ্যান্ডএ টেক্স লিমিটেড কম্পানি নিয়ে বাজারে গুজব ছড়ানো হয়। বিবিএস ক্যাবলস ইউনিট-২ লিমিটেড কম্পানি বিদেশি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে চুক্তি করে ১৮ আগস্ট। পৃথক কম্পানি হওয়া সত্ত্বেও বিবিএস ক্যাবলসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে গুজব ছড়ানো হলে শেয়ার দাম আকাশচুম্বী হয়। তুংহাই নিটিং ও সিঅ্যান্ডএ টেক্সের মালিকানা পরিবর্তন হচ্ছে—এমন গুজবে বাড়ে শেয়ারের দাম।যদিও আসলে কম্পানি দুটির মালিকানায় কোনো পরিবর্তন হয়নি। এ ছাড়া লোকসানে থাকা কম্পানির বিষয়ে গুজব ছড়িয়ে শেয়ার দাম প্রভাবিত করছে কারসাজি চক্র।সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত কম্পানির আর্থিক সক্ষমতা বা হিসাব বিবরণী ও কম্পানির তথ্যে কান না দিয়ে গুজবের ফাঁদে পড়ছে বিনিয়োগকারীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা ব্রোকারেজ হাউসে কারসাজি চক্রের কৌশলে ছড়ানো গুজবে পুঁজি হারাচ্ছে অনেকেই। কারসাজি চক্র নিজেরা আগে শেয়ার কিনে রেখে ক্ষতিতে থাকা, উৎপাদন বন্ধ কিংবা লভ্যাংশ দিতে না পারা কম্পানি বিষয়ে গুজব ছাড়িয়ে শেয়ার দাম বাড়াচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আগের দিন রাতেও কম্পানি সম্পর্কে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকে নিরাপদ করতে বিনিয়োগ শিক্ষা কর্মসূচি চালু ও আইন-কানুনে পরিবর্তন এনেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিনা মূল্যে আর্থিক সাক্ষরতার প্রশিক্ষণের পাশাপাশি জেনেশুনে বিনিয়োগ শিক্ষা দিচ্ছে। বিনিয়োগকারীর সুবিধার্থেই কম্পানির সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশে বাধ্যবাধকতা করা হয়েছে, যা অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে হয়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের অফিসার পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা ১৪৭ টাকা দরে বিবিএস ক্যাবলসের চার হাজার শেয়ার কেনেন। বাজার ভালো না বুঝলেও ব্রোকারেজ হাউসের তথ্যে তিনি এই শেয়ার কেনেন। শেয়ার কেনার পর এক কার্যদিবস দুই-তিন টাকা বাড়লেও পরদিন কমে যায় ১০ টাকারও বেশি। তবুও তিনি শেয়ার বিক্রি করেননি আরো বাড়তে পারে এই ভেবে। বর্তমানে ওই কর্মকর্তার শেয়ারপ্রতি লোকসান ২০ টাকারও বেশি।কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে আলাপকালে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘বিবিএস ক্যাবলস বাজারে আসার পর সবার মুখেই এই কম্পানির নাম শুনি। ব্রোকারেজ হাউসে কথা বলে শেয়ার কিনি। কম্পানিটি ভালো করবে—এমন আশা থেকেই শেয়ার কেনা, কিন্তু ফল উল্টো হয়েছে। শেয়ারপ্রতি লোকসান ২০ টাকারও বেশি। ক্ষতিতে শেয়ার বিক্রি করবেন কি না সেটা নিয়েও মনস্তাত্ত্বিক চাপে তিনি।পুঁজিবাজারে সদ্য তালিকাভুক্ত বিবিএস ক্যাবলস লিমিটেডের লোগো ব্যবহার করে ১৮ আগস্ট বিদেশি বিনিয়োগকারীর সঙ্গে চুক্তি করে বিবিএস ক্যাবলস ইউনিট-২ লিমিটেড কম্পানি। কম্পানিটি ২২০ কেভি ভোল্টেজের তার উৎপাদন করছে ও মেশিনারিজ রপ্তানিতে চুক্তির বিষয়টি নজরে এলে হুমড়ি খেয়ে পড়ে বিনিয়োগকারীরা। বিবিএস ক্যাবলস ইউনিট-২ পৃথক কম্পানি হলেও একই কম্পানির ভেবে বিবিএস ক্যাবলসের শেয়ার দাম আকাশচুম্বী হয়। ১০ টাকার শেয়ার দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ১৫ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। সঠিক তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর নিম্নমুখী হয়েছে কম্পানিটির শেয়ার দাম। ঊর্ধ্বমুখিতার সময় সর্বশেষ কেনা ব্যক্তির শেয়ার দাম কমে যাওয়ায় ক্ষতিতে পড়েছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। আর কারসাজি চক্র বেশি মুনাফা তুলে শেয়ার বিক্রি করে সটকে পড়েছে। অল্প সময়ে শেয়ার দাম বহু গুণ বৃদ্ধি পাওয়াকে অস্বাভাবিক মনে করে তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিএসইসি।বিবিএস ক্যাবলসের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘চুক্তি হওয়া কম্পানিটি আমাদের পৃথক কম্পানি। বিবিএস ক্যাবলসের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। বিজ্ঞাপনের স্বার্থে বিবিএস ক্যাবলসের লোগো ব্যবহার করা হয়েছে। এখন এই তথ্য দেখে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনলে আমরা কী করতে পারি। কেবল লোগোটিই ব্যবহার করা হয়েছে। ’বিএসইসি সূত্র বলছে, পুঁজিবাজারে ৩০ লাখ বিনিয়োগকারীর মধ্যে বেশির ভাগই ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী, যথাযথ বিনিয়োগ শিক্ষায় শিক্ষিত নয়। কম্পানির আর্থিক বিবরণী ও তথ্যাদি সঠিকভাবে বিশ্লেষণে অক্ষম হওয়ায় গুজব, ধারণা ও আবেগের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করে। বড় বিনিয়োগকারীকে অনুসরণ করে বিনিয়োগ করে। এতে কারসাজির সম্ভাবনা বহু গুণে বাড়ে।চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে সিঅ্যান্ডএ টেক্সের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে গুজব চাউর হয়। মালিকানা পরিবর্তনের ‘অসত্য’ তথ্যে শেয়ার কিনতে চাপ বেশি থাকায় অস্বাভাবিকভাবে শেয়ার দাম বৃদ্ধি পায়। এদিকে জানুয়ারি-মার্চ তৃতীয় প্রান্তিকে কম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় কমলেও ৪ জুলাই দাম বাড়ার বিষয়ে জানতে চায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। জবাবে কম্পানি জানায়, দাম বাড়ার বিষয়ে অপ্রকাশিত কোনো সংবেদনশীল তথ্য নেই। এদিকে বস্ত্র খাতের তুংহাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেডের মালিকানা পরিবর্তন নিয়েও গুজব ছড়ায় বাজারে। ব্রোকারেজ হাউস থেকে বিনিয়োগকারী পর্যন্ত এই তথ্য ছড়িয়ে যায়। এতে বিনিয়োগকারী শেয়ার কেনা শুরু করে। তথ্য সঠিক না হলেও শেয়ার দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছে, কারসাজি চক্র কৌশলে গুজব ছড়িয়ে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করে। একটি কম্পানির মালিকানা বদল কিংবা ম্যানেজমেন্ট পরিবর্তনে শেয়ার দামে কোনো প্রভাব পড়ার কথা নয়, তবুও হুজুগেই শেয়ার দাম বাড়তে থাকে। বাজার বিশ্লেষক আবু আহমেদ বলেন, ‘আর্থিক হিসাব বিবরণীই একটি কম্পানির ভিত্তি। বছর শেষে শেয়ারপ্রতি আয় দেখেই শেয়ার কিনতে হবে। গুজব কিংবা অসমর্থিত তথ্যে প্রভাবিত হলে পুঁজি হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিনিয়োগকারীর উচিত কম্পানির সক্ষমতা ও সঠিক তথ্য জেনেই কম্পানিতে বিনিয়োগ করা। তবে আমাদের বাজারে সব বিনিয়োগকারী আর্থিক হিসাব বিবরণী পর্যালোচনা না করেই গুজবে নির্ভর করে শেয়ার কেনে। ’বিএসইসির এক কর্মকর্তা বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কমিশন বিনিয়োগকারীকে আর্থিক স্বাক্ষর করতে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন বিনিয়োগকারী কম্পানির ফান্ডামেন্টালস বা কম্পানির আর্থিক বিষয়াদি বিশ্লেষণ ও জানতে পারে।ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, ‘বিনিয়োগকারীকে নিজেই পুঁজি টিকিয়ে রাখতে হবে। কোন কম্পানিতে বিনিয়োগ করলে মুনাফা আসবে কিংবা কম্পানির আর্থিক সক্ষমতা কেমন, সেটি দেখেই বিনিয়োগ করতে হবে। গুজব কিংবা মিথ্যা তথ্যে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা উচিত নয়।   source : kalarkontho
  • পুঁজিবাজারে আট মাসে সর্বোচ্চ লেনদেন
    আট মাস পর আবারও দেড় হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন। চলতি বছরের শুরুতে পুঁজিবাজারে লেনদেন ঊর্ধ্বমুখী হয়। চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি ডিএসইতে দেড় হাজার কোটি লেনদেন হয়।সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন। আর ডিএসইতে সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে। সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হয় এক হাজার ৫২৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ৪ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ২০৮ কোটি তিন লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছিল ৩৬ পয়েন্ট।বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর থেকে সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়। সকাল পৌনে ১১টা পর্যন্ত সূচক বৃদ্ধির পর কমে সূচক।এতে লেনদেন শেষ হওয়া পর্যন্ত সূচক কমে। দিন শেষে সূচক দাঁড়ায় ছয় হাজার ২৩৫ পয়েন্ট। ডিএসইএস সূচক ১১ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় এক হাজার ৩৮০ পয়েন্ট আর ডিএস-৩০ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ২১৭ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ৩৩১ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০১টির, কমেছে ১৯০টির আর অপরিবর্তিত ৪০ কম্পানির শেয়ার দাম।এদিকে ব্যাংক খাতের লেনদেন হয়েছে সবচেয়ে বেশি। লেনদেন হওয়া ৩৩ শতাংশ কম্পানির শেয়ার দাম কমেছে। আর ৭৩ শতাংশ কম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। আগের দিনও ৯০ শতাংশের বেশি কম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছিল। সোমবার সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে রূপালী ব্যাংকের। ব্যাংকটির শেয়ার দাম বেড়েছে ৬.৪০ টাকা। উত্তরা ব্যাংকের বেড়েছে ১.৩০ টাকা, ট্রাস্ট বাংকের ১.১০ টাকা এবং স্টান্ডার্ড ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার দাম বেড়েছে ১ টাকা করে।এ ছাড়া এবি ব্যাংকের বেড়েছে ০.৪০ টাকা, ব্যাংক এশিয়ার ০.৬০ টাকা, ঢাকা ব্যাংকের ০.৪০ টাকা, এক্সিম ব্যাংকের ০.৪০ টাকা, আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের ০.১০ টাকা, আইএফআইসির ০.৩০ টাকা, ইসলামী ব্যাংকের ০.২০ টাকা, যমুনা ব্যাংকের ০.৬০ টাকা, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ০.৫০ টাকা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ০.৩০ টাকা, ন্যাশনাল ব্যাংকের ০.৯০ টাকা, ওয়ান ব্যাংকের ০.৮০ টাকা, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ০.৫০ টাকা, পূবালী ব্যাংকের ০.৫০ টাকা, সাউথইস্ট ব্যাংকের ০.২০ টাকা এবং ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংকের ০.৫০ টাকা  শেয়ার দাম বেড়েছে।সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে ১০ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১৮৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছিল ৫৮ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২৬৭ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৫টির, কমেছে ১৪৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬ কম্পানির শেয়ার দাম। source : kalar kontho
View All
Latest DSE News
  • DESCO

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on September 28, 2017 at 7:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2017.

  • EXCH

    Today's (21.09.2017) Total Trades: 123,499; Volume: 292,436,017 and Turnover: Tk. 7,805.701 million.

  • CMCKAMAL

    Trading of the shares of the Company will resume on 24.09.2017 after record date for EGM.

  • PREMIERCEM

    Trading of the shares of the Company will resume on 24.09.2017 after record date.

  • FAREASTLIF

    Trading of the shares of the Company will resume on 24.09.2017 after record date.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SEMLIBBLSF 9.30 8.60 0.70 8.14
SHAHJABANK 24.30 23.00 1.30 5.65
DELTASPINN 11.90 11.40 0.50 4.39
ASIAPACINS 24.90 24.00 0.90 3.75
MEGHNACEM 111.10 107.30 3.80 3.54
UTTARABANK 36.50 35.30 1.20 3.40
UNITEDAIR 6.30 6.10 0.20 3.28
TOSRIFA 30.00 29.10 0.90 3.09
EXIMBANK 17.10 16.60 0.50 3.01
DELTALIFE 109.50 106.30 3.20 3.01

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297