Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
JUTESPINN 92.5 71.1 21.40 30.10
SAMATALETH 39.6 32.5 7.10 21.85
PLFSL 14.1 12.2 1.90 15.57
IMAMBUTTON 20.1 18.1 2.00 11.05
MONNOSTAF 584.7 529.7 55.00 10.38
HAKKANIPUL 61.9 56.5 5.40 9.56
LEGACYFOOT 29.5 27 2.50 9.26
FIRSTFIN 13.3 12.2 1.10 9.02
SINOBANGLA 59.9 55.1 4.80 8.71
MONNOCERA 42.1 38.8 3.30 8.51

Contest SB2017_Jul

1st
blank_person
GAMBLERBD
2nd
blank_person
BDSTOCKGAMBLER@GMAIL.COM
3rd
blank_person
SHOPNO_GHURI
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 370.5 368.1 5.67567 221654.00
CITYBANK 38.1 37.5 0.92030 6379600.00
IFIC 18.5 18.1 0.83736 5912820.00
IDLC 73.9 73 0.59432 1014000.00
MERCANBANK 23.5 23.1 0.54370 7217220.00
Negative impact
IFADAUTOS 146.9 150.1 -0.87137 1634530.00
BRACBANK 91 91.5 -0.74889 677795.00
RENATA 1127.5 1133.5 -0.63991 3810.00
SQURPHARMA 282.2 282.7 -0.60067 368502.00
LINDEBD 1273.1 1294.5 -0.57037 8978.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
CITYBANK 38.1 38.4 37.3 1.60% 242.33
IFADAUTOS 146.9 151.4 146.6 -2.13% 241.71
LANKABAFIN 56.8 57.7 56.5 -0.35% 208.04
SPCL 149.4 153.5 149 -1.32% 195.20
FUWANGFOOD 23 23.5 22.2 0.44% 194.08
GENNEXT 11.6 11.9 11.5 1.75% 174.61
MERCANBANK 23.5 23.7 23.2 1.73% 169.19
KEYACOSMET 16.9 17.3 16.8 0.60% 163.30
ONEBANKLTD 23.3 23.4 22.9 1.30% 151.60
PRIMEBANK 24.5 24.6 24.2 1.24% 146.02

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 25 Jul 2017

98955
TOTAL TRADE
211.4442
TOTAL VOLUME(Mn)
6561.52
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ব্লক মার্কেটে ১১ টি কোম্পানির লেনদেন
    স্টাফ রিপোর্টার : ব্লক মার্কেটে  আজ ১১ টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ASIAINS। এই কোম্পানি ১ লটেই ১০০০০০০টি শেয়ার লেনদেন করেছে। ভেলুর দিক থেকে ও আজ সবচেয়ে বেশী লেনদেন হয়েছে BATBC। আর দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ‍SQURPHARMA, তৃতীয় অবস্থানে আছে BRACBANK। এছাড়া PEXFOOT,BANKASIA,BATASHOE,CENTRALINS,IFADAUTOS,NAVANACNG,PRIMEINSUR,  কোম্পানির ব্লকে লেনদেন হয়।
  • মঙ্গলবার ব্যাপক ওঠা নামার মধ্যে মার্কেটে ডজি ক্যান্ডেল স্টিক
    স্টাফ রিপোর্টার :  মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই মার্কেটে ডজি ক্যান্ডেল দেখা গেছে। মার্কেটে শুরুতে পজিটিভ অবস্থায় শুরু হয়েছিল। তবে ধীরে ধীরে বিক্রয় চাপ বাড়তে থাকে। এক সময় মার্কেট অপেন প্রাইসের খুব কাছাকাছি চলে আসে। এই অবস্থাতেই মার্কেট শেষ পর্যন্ত আগের দিনের চেয়ে ৪ পয়েন্টের মত উপরে অবস্থান করছে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী ডিএসইএক্স ইনডেক্সে আজকে শুরু থেকেই ওঠা নামার মধ্যে থাকে মার্কেট। তবে মার্কেটে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সংখ্যা প্রায় একই থাকার কারণে কোন দিকেই অগ্রগতি হয় নি। পরবর্তীতে অপেন পয়েন্টের খুব কাছে শেষ হয় মার্কেট। তাই আজকে ডজি ক্যান্ডেল তৈরি করেছে বাজার। পরবর্তী দিনের উপর নির্ভর করছে বাজার। তবে মার্কেট কিঞ্চিৎ উপরে শেষ হওয়াতে কিছুটা সম্ভাবনা আছে সূচক বৃদ্ধি পাওয়ার। ডিএসই সাধারন সূচক দিন শেষে আগের চেয়ে কিছু পয়েন্ট উপরে আছে। দিন শেষে ইনডেক্স গত দিনের চেয়ে ৩.৭৮ পয়েন্ট উপরে অবস্থান করছে। ইন্ডেক্স বিগত দিনের ৫৭৯৮.১১ পয়েন্ট থেকে শুরু করে ৫৮০১.৮৯ পয়েন্টে শেষ হয় যা আগের দিনের তুলনায় ০.০৬৫২% বেশি। বাজারে সর্বমোট ৩৩০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে যার মধ্যে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১৩৮ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এর, হ্রাস পেয়েছে ১৩১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৬১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। আজকের মোট লেনদেনের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৬৫৬.১ কোটি টাকায় আর মোট লেনদেন হয়েছে      ৯৮ হাজার ৯৫৫টি শেয়ার। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বেশিরভাগ শেয়ারের লেনদেন বেড়েছে। দেখা যাচ্ছে ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ১০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকার বেশি মূলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেন বেড়েছে ১২.০১% এবং ৬.৮৯%। তবে ২০ থেকে ৫০ মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কমেছে ২৫.২২%। আবার ৩০০ কোটি অধিক টাকা পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের ট্রেড বেড়েছে ৭.৯৬%। পিই রেশিওর ভিত্তিতে দেখলে দেখা যায় ট্রেড বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। দেখা যাচ্ছে ০-২০ পিই রেশিওর শেয়ারের লেনদেন বেড়েছে ৬.১৪%। সেই সাথে ৪০ এর বেশি পিই রেশিওর শেয়ারের ট্রেড বেড়েছে ১১.২৪% এবং ২০-৪০ পিই রেশিওর শেয়ারের লেনদেন বেড়েছে ৪.৭৭%। ক্যাটাগরির দিক থেকে দেখা যায় লেনদেন বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। এ এবং বি  ক্যাটাগরি লেনদেন বেড়েছে ৪.৩৯ এবং ২.৬৬ শতাংশ। সেই সাথে জেড ক্যাটাগরির লেনদেন বেড়েছে ৯৩.৭৩ শতাংশ। সেই সাথে এন ক্যাটাগরির লেনদেন বেড়েছে ২৩.২৪ শতাংশ।
  • ৫টি কোম্পানির বিরুদ্ধে বিএসইসির তদন্ত কমিটি
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অস্বাভাবিক শেয়ার দর ও লেনদেন বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে ৫ কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে । কোম্পানিগুলো হলো- বিডি ওয়েল্ডিং, বিচ হ্যাচারি, খুলনা প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং, আজিজ পাইপস এবং ফুওয়াং ফুডস। শেয়ার দর এবং লেনদেন অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে বিএসইসি’র পরিচালক জাহাঙ্গির আলমকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের উপ-ব্যবস্থাপক মো. একরাম হোসেন এবং সহকারি এক্সিকিউটিভ বদরুল ইসলাম শাওন। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিডি ওয়েল্ডিংয়ের শেয়ার দর জুন মাসে ১৩ টাকা থেকে ২৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আজিজ পাইপস জুলাই মাসে ৮৬.৮০ টাকা থেকে ১১৪.১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিচ হ্যাচারির শেয়ার দর এপ্রিল মাসের শুরুতে ১০.৩০ টাকা ছিল। যা জুলাই মাসের শুরুতে ২২.৯০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছিল। খুলনা প্রিন্টিং এর শেয়ার দর মে ২৩ তারিখে ৭.৯০ টাকা থেকে জুলাই মাসের শুরুতে ১২.৯০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। ফুওয়াং ফুডের শেয়ার দর জুনের ২০ তারিখে ১৫.২০ টাকা থেকে ২৪.৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
  • ধামরাইয়ে নতুন কারখানা করতে চায় বিডি ওয়েল্ডিং
    ডেস্ক রিপোর্ট : চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার ধামরাইয়ে কারখানা স্থানান্তর করবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডস লিমিটেড। বর্তমানে উৎপাদনে না থাকা কোম্পানিটির উৎপাদন ঢাকায় এসে শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিডি ওয়েল্ডিংয়ের একজন পরিচালক বলেন, কোম্পানির কারখানা ঢাকায় স্থানান্তর হবে। তাই কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট কারখানার জন্য ধামরাইয়ে ২০০ ডেসিমল জমি নির্বাচন করেছে। জমি কিনতে অন্তত দুই মাস সময় লাগবে। আশা করছি, এর মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত খবরাখবর আনুষ্ঠানিকভাবে বিনিয়োগকারীদের জানানো সম্ভব হবে। আর এ খরচের একটা অংশ মেটানো হবে বিএসআরএমের কাছে জমি বিক্রির টাকা দিয়ে। দেশের একটি বড় কোম্পানির সঙ্গে বিডি ওয়েল্ডিং এর ব্যবসায়িক চুক্তি হচ্ছে এমন গুজবে শেয়ারটির দাম জুন মাসে বেড়ে যায়। কিন্তু এ বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে কোম্পানিটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। বড় কোম্পানির সঙ্গে ব্যবসা করবে কী? আইসিবি’র পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে লোকসানি কোম্পানিটিকে মুনাফায় আনার জন্য। তাই ব্যবস্থাপনার স্বার্থে কোম্পানিটির কারখানা ঢাকায় স্থানান্তর হচ্ছে। আপাতত কোম্পানিটিকে উৎপাদনে ফেরানোই প্রধান লক্ষ্য। আর শেয়ার দরের বিষয়ে বলেন, আমাকেও অনেকে ফোন করেছিল পরামর্শের জন্য। কিন্তু শেয়ারবাজার তো গুজবে কান দিয়ে বিনিয়োগের জায়গা নয়। উল্লেখ্য, জুন মাসে কোম্পানিটির শেয়ার দর ১৩ টাকা থেকে ২৩ পর্যন্ত বেড়েছিল। তবে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনি মূল্য ১৭.৫০ টাকা।
  • ৮টি কোম্পানির প্রতিবেদন প্রকাশ
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৮ কোম্পানি দ্বিতীয় প্রান্তিক এবং তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কোম্পানিগুলো হলো- লিন্ডে বাংলাদেশ, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, ইউনাইটেড ফাইন্যান্স, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, বিডি ফাইন্যান্স, ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেড: অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৮.২৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩১.৮৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ৩.৬১ টাকা বা ১১.৩২ শতাংশ। এছাড়া সর্বশেষ তিন মাসে (এপ্রিল’১৭-জুন’১৭) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১২.১০ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৫.১৪ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৯.০৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২৫.৬৬ টাকা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ২২৭.২০ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২০৩ টাকা। ইউনাইটেড ফাইন্যান্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬৮ টাকা। আগের বছর একই সময় ছিল ০.৮৬ টাকা। এছাড়া আলোচিত সময়ে কোম্পানির  শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.১৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি  কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ০.২৮ টাকা (নেগেটিভ)। যা আগের বছরে একই সময়ে এনএভিপিএস ছিল ১৬.৪৭ টাকা এবং এনওসিএফপিএস ছিল ৩.৪১ টাকা (নেগেটিভ)। রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৪৯ টাকা। আগের বছর একই সময় ছিল ২.০৪ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির আয় বেড়েছে ০.৪৫ টাকা বা ১৮.০৭ শতাংশ। এছাড়া আলোচিত সময়ে কোম্পানির  শেয়ার প্রতি  কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২.০২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫৭.৮৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে এনওসিএফপিএস ছিল ০.২৪ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৬, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৪৭.৫১ টাকা। এদিকে গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ১.২১ টাকা। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-জুন ১৭) স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৪৬ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ৪.৯০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৫.৮৩ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৩৮ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ২.২৭ টাকা এবং ৩০ জুন ২০১৬, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৪.৮৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.০৮ টাকা। এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.১৭ টাকা। প্রগতি ইন্স্যুরেন্স: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-জুন ১৭) প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.১৯ টাকা, শেয়ার প্রতি কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ১.১৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৬৩.২২ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ০.৭৫ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ১.৫২ টাকা এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ৫৫.০৯ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ০.৪৪ টাকা বা ৫৮.৬৭ শতাংশ। এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৯ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৩০ টাকা। বিডি ফাইন্যান্স: বিডি ফাইন্যান্স দ্বিতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’১৭-জুন’১৭) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। অর্ধবার্ষিকে (জানুয়ারি থেকে জুন) কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ০.৫৫ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৫ টাকা। এছাড়া সর্বশেষ তিনমাসের কোম্পানিটি লোকসান গুনেছে। এসময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.০৮ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ০.২৬ টাকা ছিল। আলোচিত সময়ে প্রতিষ্ঠানটির কনসলিডেটেড শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৫.০৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৫.২৭ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে এনএভি ছিল ১৫.৯৪ টাকা এবং এনওসিএফপিএস ছিল (৬.৪৭) টাকা। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক: দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-জুন ১৭) ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৭ টাকা, শেয়ার প্রতি সমন্বিত কার্যকারী নগদ প্রবাহের পরিমাণ হয়েছে (এনওসিএফপিএস) ২৫.০৯ টাকা নেগেটিভ এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬.৭০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১.০৪ টাকা, এনওসিএফপিএস ছিল ৬.৯২ টাকা নেগেটিভ এবং ৩০ জুন ২০১৬, সমাপ্ত অর্থবছরে এনএভিপিএস ছিল ১৪.৮২ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ০.১৭ টাকা বা ১৯.৫৪ শতাংশ। এছাড়া গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৭) এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৬ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে আয় ছিল ০.৬৪ টাকা। ভ্যানগার্ড এএমএল বিডি ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওয়ান: তৃতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর ‘১৬-জুন‘১৭)  ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ০.৬৬ টাকা, ইউনিট প্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ০.১৫ টাকা। আর বাজার মূল্য অনুযায়ী ফান্ডটির ৩০ জুন, ২০১৭ পর্যন্ত ইউনিট প্রতি সম্পদ হয়েছে ১১.৮৮ টাকা যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.১৭ টাকা এবং ক্রয়মূল্য অনুযায়ী ৩০ জুন, ২০১৭ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ১১.০৯ টাকা যা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ পর্যন্ত ছিলো ১১.২৮ টাকা। এদিকে গত তিন মাসে (এপ্রিল-জুন ১৭) এ ফান্ডটির ইউনিট প্রতি আয় হয়েছে ০.২০ টাকা। যা আগের বছরে একই সময়ে ছিলো ০.৩৩ টাকা।
  • লিন্ডে বিডির লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেড চলতি অর্থবছরের জন্য ২০০ শতাংশ অন্তবর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগকারীরা ২০ টাকা করে পাবেন। অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৮.২৭ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩১.৮৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ৩.৬১ টাকা বা ১১.৩২ শতাংশ। এছাড়া সর্বশেষ তিন মাসে (এপ্রিল’১৭-জুন’১৭) কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১২.১০ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৫.১৪ টাকা। এছাড়া অর্ধবার্ষিকে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৯.০৪ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২৫.৬৬ টাকা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ২২৭.২০ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২০৩ টাকা।
  • মঙ্গলবার ১১টি প্রতিষ্ঠানের বোর্ডসভা
    স্টাফ রিপোর্টার : ১১ প্রতিষ্ঠান টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। সভায় সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। বিএটিবিসি, আরএকে সিরামিকস, সিঙ্গার বিডি, সাউথইস্ট ব্যাংক, ইউসিবি, প্রগতি লাইফ, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট ও পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। একই সঙ্গে পিপলস লিজিং, এনএলআই ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও সাউথইস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সভা করা হবে।
  • ডোজি ক্যান্ডেলে শেষ হল মার্কেট, মার্কেট নিউজ টুইটস : ২.৩০ মিনিট
      ব্যাপক ওঠা নামার মধ্যে ডজি ক্যান্ডেলে শেষ হল মার্কেট। গত দিনের চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে অবস্থান করছে সূচক। SQURPHARMA উল্লেখযোগ্য লেনদেন, মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩০ মিনিট ঠিক ১.৩০ টায় SQURPHARMA উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( 25 TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 2835000  TK। উপরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সূচক, মার্কেট নিউজ টুইটস : ১২.৩০ মিনিট হালকা সেল পেশার থাকলেও পজিটিভেই আছে বাজার। আপ ট্রেন্ডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মার্কেট। আপ ট্রেন্ডে যাচ্ছে বাজার, মার্কেট নিউজ টুইটস : ১১.৩০ মিনিট [২৫.০৭.২০১৭] মার্কেট আপ ট্রেন্ডে যাচ্ছে, ট্রেড ভলিউম বাড়ছে ধীরে ধীরে। বাজার কিছুটা পজিটিভ থাকতে পারে, মার্কেট নিউজ টুইটস : ১০.৩০ মিনিট [২৫.০৭.২০১৭] মার্কেট আজকে কিছুটা পজিটিভ থাকতে পারে। গত দিনের বুলিশ ক্যান্ডেলের পর আজকে বাই পেশার ভাল থাকার সম্ভাবনা। পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স লিমিটেড – দ্বিতীয় প্রান্তিকের - মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ব্লক মার্কেটে ৫টি কোম্পানির লেনদেন সোমবার শেষ ঘণ্টার ক্রয় চাপে ইনডেএক্স বুলিশ ক্যান্ডেল গ্রাহক সেবার সর্বাধুনিক সুবিধা নিয়ে আলী সিকিউরিটিজ ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স উদ্যোক্তা শেয়ার ক্রয় করবেন  উল্লেখযোগ্য কিছু বিভাগসমুহ এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ব্রোকারেজ হাউজ সম্পর্কে জানুন পুজিবাজার শিক্ষা টিউটোরিয়াল কর্নার এক্সুসিভ সাক্ষাৎকার সমূহ পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • ব্লক মার্কেটে ১২টি কোম্পানির লেনদেন
    স্টাফ রিপোর্টার : ব্লক মার্কেটে আজ ১২টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে EASTLAND। এই কোম্পানি ১ লটেই ২০০০০০০টি শেয়ার লেনদেন করেছে। ভেলুর দিক থেকে ও আজ সবচেয়ে বেশী লেনদেন হয়েছে OLYMPIC। আর দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ‍IDLC, তৃতীয় অবস্থানে আছে EASTLAND। সূত্র ডিএসই। এছাড়া BEACONPHAR,BEXIMCO.BRACBANK,EBL,IPDC,KDSALTD,MERCANBANK,PRAGATIINS,RUPALIINS কোম্পানির ব্লকে লেনদেন হয়।
  • রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স লিমিটেড – দ্বিতীয় প্রান্তিকের -মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স  লিমিটেডের দ্বিতীয় প্রান্তিকের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (PRICE SENSITIVE INFORMATION ) কোম্পানির পক্ষ থেকে নিচে প্রকাশ করা হল।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • অডিট রিপোর্টে সরকারি প্রতিষ্ঠানের চিত্র সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার অনিয়ম
    দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। এর মধ্যে ৯ হাজার কোটি টাকার অনিয়ম হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকে। সরকারি নিরীক্ষার সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি-কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল) নিরীক্ষায় চিহ্নিত হয়েছে এ অনিয়ম। সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যমান বিধিবিধান ভেঙে এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থায় ঘটেছে। এর জন্য অভ্যন্তরীণ মনিটরিং ও নিরীক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাও অনেকটা দায়ী। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে সম্প্রতি সিএজির প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। শিগগিরই এসব প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে জাতীয় সংসদে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।সূত্র মতে, ২০১১-১২ থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছর পর্যন্ত কয়েকটি মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও বিভাগের ওপর নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে খাদ্য, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ, স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন, অর্থ, রেল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন, বস্ত্র ও পাট, কৃষি, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, শিল্প, ডাক টেলিযোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পররাষ্ট্র, পনিসম্পদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় রয়েছে। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মধ্যে সোনালী, বেসিক, অগ্রণী, রূপালী, বাংলাদেশ কৃষি ও রাজশাহী কৃষি ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকও রয়েছে। এসব মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ওপর মোট ৩২টি অডিট রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি রিপোর্ট হচ্ছে সরকারের হিসাব সম্পর্কিত ও ৫টি বিশেষ রিপোর্ট। বাকি ২৩টি রিপোর্টে এসব আর্থিক অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে।এ বছর সবচেয়ে বেশি প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার অনিয়ম পাওয়া গেছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকার অনিয়ম ধরা পড়ে সোনালী ব্যাংকে। সিএজির নিরীক্ষা বিভাগ ২৪টি রিপোর্টের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের অনিয়ম শনাক্ত করেছে। বহুল আলোচিত বেসিক ব্যাংকের অনিয়ম ধরা পড়েছে ১ হাজার ১১ কোটি টাকার। ৩৫টি অনিয়মের মাধ্যমে এ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। একইভাবে অগ্রণী ব্যাংকের আর্থিক অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা। ২২টি ঘটনায় বিপুল পরিমাণ এ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। এছাড়া ২ হাজার ৩৭২ কোটি টাকার অনিয়ম মিলেছে যৌথভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে।ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম প্রসঙ্গে সিএজির প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানে ঋণ দিয়েছে। পরে টাকা ফেরত পায়নি ব্যাংক। এছাড়া ভুয়া রফতানি বিল কেনা, ভুয়া ভেজাল সম্পত্তি জামানত রেখে ঋণ নেয়ার ঘটনা আছে। বন্ধকি সম্পত্তি প্রকৃত মূল্যায়ন না করে ঋণ ইস্যু, জামানতের চেয়ে বেশি ঋণ দেয়া, প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশ অমান্য করে শাখা থেকে ঋণ মঞ্জুর, খেলাপিকে পুনরায় ঋণ ইস্যুসহ নানা কৌশলে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ হয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোর ওপর দায় বেড়েছে।সিএজির প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব অনিয়মের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিদ্যমান আর্থিক বিধিবিধান এবং সরকারের বিভিন্ন সময়ে জারি করা আদেশ ও নির্দেশ অনুসরণ করা হয়নি। এছাড়া ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কার্যক্রমের দুর্বলতাকেও দায়ী করা হয়।এদিকে বিদ্যুৎ বিভাগে ৩৫৩ কোটি টাকার অনিয়ম উদঘাটন করেছে সিএজির নিরীক্ষা বিভাগ। অনিয়মের কৌশল প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজার দর যাচাই না করেই সিডিউলের বাইরের পণ্য কেনা হয়। এছাড়া রেকর্ড গায়েব করে সম্পত্তি অবৈধ দখলদারের কাছে হস্তান্তর হয়েছে। প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত ও বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে মালামাল কেনার মাধ্যমেও টাকা আত্মসাৎ করা হয়। একই সময়ে একই অফিসে কাজ করে দুটি পৃথক সরকারি অফিস থেকে বেতন নিয়ে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবিড় পর্যবেক্ষণের অভাব ছিল। যে কারণে এসব অনিয়ম করতে পেরেছেন সংশ্লিষ্টরা।অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে ৪২৮ কোটি টাকার অনিয়ম শনাক্ত করেছে সিএজি কার্যালয়। সেখানে রাজস্ব ফাঁকি দিতে কম উৎপাদন দেখানো, অনুমোদনের চেয়ে পণ্যের উপকরণ ব্যবহার বেশি দেখিয়ে রেয়াত সুবিধা নেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন হিসাবের ওপর এক্সসাইজ শুল্ক কম দেয়া, কম হারে ভ্যাট কাটাসহ নানা কৌশলে এসব অনিয়ম সংঘটিত হয়। সিএজির প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব অনিয়মের ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিভিন্ন সময়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন, এসআরও অনুসরণ করা হয়নি।এদিকে পেট্রোবাংলার অধীন বিপিসির অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৪৮ কোটি টাকার অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে। নিন্মমানের কেসিং পাইপ কেনা, অতিরিক্ত বিল পরিশোধসহ নানা কৌশলে এ অনিয়ম হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অন্য একটি ঘটনায় দরপত্র ছাড়া ভূমি ইজারা দেয়া হয় হোটেল নির্মাণের জন্য। এরপর ভূমি ইজারা গ্রহণকারীর কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়নি। এভাবে নানা কৌশলে বিমানের ২৮০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে সিএজির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।এছাড়া সিএজির প্রতিবেদনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতি ধরা পড়েছে। রিপোর্টে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে প্রায় ২১৪ কোটি টাকার। এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, সঠিকভাবে ডাম্পিং কাজ শেষ করার আগেই ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা হয়। এছাড়া অন্য একটি কাজের দরপত্র গ্রহণ করা হয়েছে সঠিক যাচাই-বাছাই ছাড়াই। ওই কাজের বিলও পরিশোধ করা হয়। একইভাবে ড্রেজার মেরামতের নামে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলে সেখানে বলা হয়। সিএজির রিপোর্ট ছাড়াও বাঁধ নির্মাণের দুর্নীতির কারণে সম্প্রতি সিলেট হাওর অঞ্চলে কয়েকটি উপজেলায় অকাল বন্যা হয়। এ বাঁধ নির্মাণ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।উল্লেখিত অনিয়ম ছাড়াও বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পে ১৮০ কোটি টাকা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে প্রায় ১০৫ কোটি টাকা, এছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রায় ২৬৯ কোটি টাকা, রেলওয়ে প্রায় ৫৭ কোটি টাকা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রায় ৪২ কোটি টাকা, পর্যটন ও কৃষি কর্পোরেশনে ৫ কোটি টাকা, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৬৭ কোটি টাকা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে ১৬ কোটি টাকা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম ওয়াসায় প্রায় ৩৩ কোটি টাকার অনিয়ম শনাক্ত হয়। এছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ৯৩ কোটি টাকা ও অন্যান্য খাতে প্রায় ২৪ কোটি টাকার অনিয়ম চিহ্নিত হয়েছে।বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল মাসুদ আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, যথানিয়মে রাষ্ট্রপতির কাছে সর্বশেষ অডিট রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। এ বছর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর অডিট রিপোর্টে অনেক অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে। অডিট আপত্তির অর্থ সমন্বয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অর্থ সমন্বয় হচ্ছে। তবে অডিট আপত্তির আকারের তুলনায় কম। কারণ নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী এক মাসে তিনটির বেশি অডিট রিপোর্ট নিয়ে সরকারের হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করা যায় না। source: jugantor
  • ১১ ব্যাংকের আগ্রাসী বিনিয়োগ
    দেশে বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যেও বেশকিছু ব্যাংকের ঋণ ও আমানতের হার অনেক বেশি (এডিআর)। অর্থাৎ এসব ব্যাংক আগ্রাসী বিনিয়োগ করছে। বিপরীতে বিনিয়োগ খরায় আছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক। ব্যাংকটি গত মে মাসে মোট আমানতের মাত্র ৩৮ দশমিক ৬০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পেরেছে। এদিকে আগ্রাসী বিনিয়োগ করা ১১টি ব্যাংকের তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যাংকগুলো হল- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক (ইসলামী উইং), ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ঢাকা ব্যাংক (ইসলামী উইং), প্রাইম ব্যাংক (ইসলামী উইং), প্রিমিয়ার ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এবি ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংক।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের আগ্রাসী বিনিয়োগ ব্যাংক খাতের জন্য অশনি সংকেত। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি বাড়ানোর আহ্বান জানান তারা। জানতে চাইলে ব্যাংক নির্বাহীদের শীর্ষ সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান ও মেঘনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ নুরুল আমিন যুগান্তরকে বলেন, জেনারেল ব্যাংকগুলো আমানতের ৮৫ ভাগ বিনিয়োগ করতে পারে।আর ইসলামী ব্যাংক বা উইংগুলো আমানতের ৯০ ভাগ বিনিয়োগ করতে পারে। এর বাইরে কিছু ঘটলে সেটা ব্যাংকের জন্য ভালো নয়। সীমা অতিক্রম করলে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে সরকারি বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক আমানতের ১০৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ বিনিয়োগ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকটি আমানতের সর্বোচ্চ ৮২ থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ করার সুযোগ ছিল।এতে সরকারি বিশেষায়িত ব্যাংকটি সাড়ে ২০ শতাংশ বেশি বিনিয়োগ করেছে, যা পুরোপুরি আগ্রাসী বিনিয়োগ। একইভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক আমানতের প্রায় ৯২ শতাংশ বিনিয়োগ করেছে, যা সীমার চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি। অগ্রণী ব্যাংকের ইসলামী উইং বিনিয়োগ করেছে ৯৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকটি নির্ধারিত সীমার চেয়ে ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ আমানত বেশি বিনিয়োগ করেছে।অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, জেনারেল ব্যাংকিংয়ে বিনিয়োগ অনেক কম। তবে ইসলামী উইংয়ে কিছুটা বেড়ে গেছে। অবশ্যই যে ঋণ গেছে তাতে কোনো ঝুঁকি নেই। তবুও সীমায় ফিরিয়ে আনা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংকের ইসলামী উইংয়ে ৫টি শাখা রয়েছে।এছাড়া এবি ব্যাংক ৮৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ, ঢাকা ব্যাংক ৮৫ দশমিক ৭২ শতাংশ, আইএফআইসি ব্যাংক ৮৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ, ওয়ান ব্যাংক ৮৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ, প্রিমিয়ার ব্যাংক ৮৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ, প্রাইম ব্যাংক ইসলামী উইং ৯১ দশমিক ২৯ শতাংশ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ৮৫ দশমিক ১০ শতাংশ এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান আমানতের ৮৭ দশমিক ২৫ শতাংশ বিনিয়োগ করেছে, যা পুরোপুরি আগ্রাসী বিনিয়োগ। source: jugantor
  • বিআইডিএসের সমীক্ষা তৈরি পোশাকসহ নয় খাতে দক্ষ কর্মীর সংকট
    দেশে দক্ষ শ্রমিকের ঘাটতি রয়েছে। এর মধ্যে পৌনে দু’লাখ দক্ষ শ্রমিকের সংকট রয়েছে পোশাক শিল্পে। নির্মাণ খাতে রয়েছে ২ লাখ অভিজ্ঞ কর্মীর অভাব। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা খাতেও নার্সিং ও মেডিকেল টেকনিশিয়ান মিলে দক্ষ কর্মীর ঘাটতির পরিমাণ হচ্ছে পৌনে দু’লাখ। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা পরিষদের (বিআইডিএস) যৌথ সমীক্ষা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। রোববার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে রিপোর্টটি হস্তান্তর করেন বিআইডিএসের মহাপরিচালক কেএস মুর্শেদী। ২৬৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে কৃষিজাত পণ্য খাতসহ নয়টি খাতের দক্ষ কর্মীর সংকটের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। সেখানে বলা হয়, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৮৮ হাজার, হালকা প্রকৌশল খাতে প্রায় ৩৬ শতাংশ দক্ষ কর্মীর অভাব রয়েছে। এছাড়া কৃষিজাত পণ্যে সার্বিকভাবে ৭৬ শতাংশ দক্ষ কর্মীর সংকট রয়েছে। এর মধ্যে পুরোপুরি দক্ষ কর্মীর সংকট হচ্ছে ৭৭ শতাংশ, আধাদক্ষ ৭৫ শতাংশ এবং অদক্ষ ৭৫ শতাংশ। হসপিটালিটি ও পর্যটন খাতে আধাদক্ষ ৬২ হাজার, অদক্ষ ১ লাখ ২৬ হাজার এবং দক্ষ ৩৭ হাজার কর্মীর অভাব রয়েছে।আগামীতে তৈরি পোশাকসহ ৯টি খাতে কর্মী ও দক্ষ কর্মীর চাহিদা, বর্তমান অবস্থাসহ নানা বিষয় নিয়ে গবেষণার পর ‘স্কিল গ্যাপ এনালিসিস ইন ডিফরান্ট সেক্টর’ নামের প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। বাকি খাতগুলো হল- কৃষিজাত পণ্য, নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন, তথ্যপ্রযুক্তি, হালকা প্রকৌশল, চামড়া ও জাহাজ শিল্প।২০২০ সালে দেশের তৈরি পোশাকসহ ১০টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে ৭ কোটি ৩০ লাখ কর্মীর প্রয়োজন হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ্য করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬০ লাখ কর্মীর প্রয়োজন হবে পোশাক খাতে। পাশাপাশি কৃষিজাত পণ্য খাতে কর্মীর প্রয়োজন হবে ২৯ লাখ। কিন্তু বর্তমানে এসব খাতে বড় ধরনের দক্ষ কর্মীর সংকট রয়েছে। সংকট মেটাতে ২০২১ সালের মধ্যে কমপক্ষে ৪০ লাখ কর্মীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তুলতে হবে। এটা করা গেলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরে রাখা সম্ভব হবে।তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দেশে বিনিয়োগ নেই। এজন্য কর্মসংস্থানও হচ্ছে না। বিনিয়োগ হলে কর্মসংস্থানের পরিমাণ আরও বাড়বে। দক্ষ ও অদক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হবে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘দক্ষ কর্মীর অভাব আগে থেকেই ছিল। প্রতিটি বাজেট বক্তব্যে আমি এ বিষয়টি আনার চেষ্টা করেছি। আজকের এই গবেষণা প্রতিবেদনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, কৃষিজাত পণ্যে উৎপাদনে দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন রয়েছে। জাহাজ শিল্পে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। ইতিমধ্যে সরকার ৫ লাখ কর্মী প্রশিক্ষণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। উন্নয়নশীল দেশের জন্য দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন। কারণ যে পরিমাণ উন্নয়ন হচ্ছে এর জন্য দক্ষ শ্রমিক খুবই প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, শুধু বিদেশে দক্ষ শ্রমিক রফতানির জন্য নয়, অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে এর প্রয়োজন রয়েছে।বিআইডিএসের মহাপরিচালক কেএস মুশের্দী অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুনসহ মন্ত্রণালয় ও বিআইডিএসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।২৬৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে কৃষিজাত পণ্য খাতসহ নয়টি খাতের দক্ষ কর্মীর সংকটের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, কৃষিজাত পণ্যে সার্বিকভাবে ৭৬ শতাংশ দক্ষ কর্মীর সংকট রয়েছে। এর মধ্যে পুরোপুরি দক্ষ কর্মীর সংকট হচ্ছে ৭৭ শতাংশ, আধা দক্ষ ৭৫ শতাংশ এবং অদক্ষ ৭৫ শতাংশ। নির্মাণ খাতে ২ লাখ অভিজ্ঞ কর্মীর সংকট রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে নার্সিং পেশায় ৯৬ হাজার এবং মেডিকেল টেকনিশিয়ান ৮২ হাজার কর্মী কম আছে। হসপিটালিটি ও পর্যটন খাতে আধা দক্ষ ৬২ হাজার, অদক্ষ ১ লাখ ২৬ হাজার এবং দক্ষ ৩৭ হাজার কর্মীর অভাব রয়েছে।প্রতিবেদনে দেখানো হয়, তৈরি পোশাক শিল্পে এ মুহূর্তে পৌনে ২ লাখ, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৮৮ হাজার, হালকা প্রকৌশল খাতে প্রায় ৩৬ শতাংশ দক্ষ কর্মীর অভাব রয়েছে।বিআইডিএসের গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘আগামী ২০২০ সাল নাগাদ কৃষিজাত পণ্য খাতে দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হবে ২৯ লাখ। একই সময়ে পোশাক শিল্পে প্রয়োজন হবে ৬০ লাখ। স্বাস্থ্য সেবা খাতে ১২ লাখ ৯০ হাজার, চামড়া খাতে ১৮ হাজার, আইটি খাতে ২০ হাজার, নির্মাণ খাতে ৪৪ লাখ, হালকা প্রকৌশল খাতে ৬৮ হাজার, জাহাজ শিল্প খাতে ৭ হাজার দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন রয়েছে।এ সংকট পূরণে ২০২১ সালের মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্পে ১৫ লাখ কর্মীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। বাকি ৮টি খাতে আরও ৪০ লাখ কর্মীকে দক্ষ করে গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা খাতে নার্সিং ও মেডিকেল টেকনিশিয়ানের প্রকৃত ঘাটতির ব্যাপারে নীতিগত স্বীকৃতি দিয়ে তা পূরণে দ্রুত গুণগত প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।একইভাবে কৃষিজাত পণ্য খাতে গুণগত মান নিশ্চিত করতে ফুড টেকনোলজিস্ট এবং ফুড প্রকৌশলী গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি পোশাক শিল্পে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন কর্মী গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়। source: jugantor
  • বিনিয়োগ সম্মেলন এবার বেইজিংয়ে
      আগস্টে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হবে চীন–বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম। ঢাকায় গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকেরা এই ফোরামের বিস্তারিত তুলে ধরেন l ছবিটি দি সিটি ব্যাংকের সৌজন্যেবিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে এবার বিনিয়োগ সম্মেলন হবে চীনের বেইজিংয়ে। ২১ আগস্ট বেইজিংয়ের ওয়েস্টিন ফিন্যান্সিয়াল স্ট্রিটে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হবে চীন-বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম। ইউরোমানি ইনস্টিটিউশনাল ইনভেস্টর গ্রুপের আয়োজনে সম্মেলনটি পৃষ্ঠপোষকতা করছে দি সিটি ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, বাংলাদেশ। এর আগেও ব্যাংক দুটির পৃষ্ঠপোষকতায় সিঙ্গাপুর, হংকং ও লন্ডনে বিনিয়োগ সম্মেলন হয়। রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ব্যাংক দুটির প্রধান নির্বাহী। এ সময় চীনা দূতাবাসের অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক কাউন্সিলর লি গুয়ানজুন এবং চায়নিজ চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট লিন ওইকিয়াং উপস্থিত ছিলেন। সিটি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল আর কে হুসেইন বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন দ্রুত প্রবৃদ্ধির দেশগুলোর একটি। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে চাই। এ জন্য বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। চীন হতে পারে আমাদের বড় বিনিয়োগকারী দেশ। তারা অবকাঠামো, জ্বালানি, সমুদ্রবন্দর ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ করতে পারে। দেশে বিনিয়োগের যে সুযোগগুলো আছে, এই সম্মেলনে তা তুলে ধরা হবে।’ স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবরার এ আনোয়ার বলেন, ‘দেশে চীনের বেসরকারি বিনিয়োগ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বাংলাদেশ চীনের “ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড” উদ্যোগে যুক্ত হওয়ায় সম্মেলনটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে ১১২ বছর ও চীনে ১৫০ বছর ধরে কাজ করছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। দেশে চীনের বিনিয়োগ বাড়াতে সেতু হিসেবে কাজ করতে পারি আমরা।’ চীনা দূতাবাসের লি গুয়ানজুন বলেন, বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে অনুমোদন নিয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করতে হয়। এ জন্য অনেক সময় চলে যায়। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) একটি ওয়ানস্টপ সার্ভিস তৈরির ঘোষণা দিয়েছে, তা ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। এ ছাড়া সস্তা শ্রম থাকলেও দক্ষ কর্মীর অভাব রয়েছে। তবে সরকার বিনিয়োগকারীদের ব্যাপারে আন্তরিক। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ বিনিয়োগ সম্মেলনে দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি তুলে ধরবেন। সরকারি-বেসরকারি ছাড়াও দেশের ৩০০ ব্যবসায়ী সম্মেলনে অংশ নেবেন। চীনের ১৩৭টি ছোট-বড় প্রতিষ্ঠান সম্মেলনে অংশ নিতে ইতিমধ্যে নিবন্ধন করেছে বলে জানানো হয়। source: prothom alo
  • আইএমএফের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক আপডেট চলতি বছর উদীয়মান এশিয়ার প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৫ শতাংশ
      চলতি বছরসহ আগামী ২০১৮ সালে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৩ শতাংশের আশপাশে থাকবে বলে ধারণা করছে বহুজাতিক সংস্থাটি। আইএমএফ প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক ২০১৭’-এর সর্বশেষ সংস্করণে এই পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে।  আইএমএফ গত জুনে এক পূর্বাভাসে বলেছিল, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের কাছাকাছি হবে। আর গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল সংস্থাটি। যদিও সরকারের হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতি চীনের বিষয়ে আইএমএফ বলছে, চলতি বছর দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি গত বছরের মতোই ৬ দশমিক ৭ শতাংশ হবে। তবে আগামী বছর সেটি কিছুটা কমে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ হবে। এই অঞ্চলের আরেক উদীয়মান অর্থনীতির দেশ ভারতের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নোটবন্দীর মতো আর্থিক সংস্কারের ধাক্কা সামলে আগামী দুই বছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাড়বে দেশটির। চলতি বছর দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ২ শতাংশ, ২০১৮ সালে তা আরও বেড়ে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ হবে। মূলত ব্যাপক অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির কারণে ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক ধারায় থাকবে বলে মনে করে আইএমএফ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রবৃদ্ধি চলতি বছর কমে যাবে বলে আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রবৃদ্ধিও চলতি বছর কমে যাবে বলে আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এ বছর দেশটির প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ, যা গত বছর ছিল ১ দশমিক ৮ শতাংশ। সংস্থাটি মনে করছে, ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়া বা ব্রেক্সিটের সিদ্ধান্ত দেশটির অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। আইএমএফের মুখ্য অর্থনীতিবিদ মরিস অবসফেল্ড বলেন, ব্রেক্সিটের সিদ্ধান্ত যে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, সেটা এই বছরের প্রথম ছয় মাসের তথ্যের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে। source:prothom alo
  • ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা পাওয়া ব্যবসায়ী অর্ধেকই নতুন করে খেলাপি
        পুনর্গঠন সুবিধা নিয়েও ব্যবসায়ীদের বড় অংশ কিস্তি পরিশোধ করছেন না। বিশেষ সুবিধা পাওয়া এই বড় ব্যবসায়ীরা নতুন করে খেলাপি হয়ে পড়েছেন। ঋণ তো পরিশোধ করছেনই না, বরং তাঁরা আরও নতুন ঋণ ও সুদ মওকুফ চাইলেন। রাজনৈতিক অস্থিরতার অজুহাতে ২০১৫ সালে ১০ শিল্প গ্রুপের প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠন হয়। এর মধ্যে ৫টি গ্রুপই ইতিমধ্যে খেলাপি হয়ে পড়েছে। তবে খেলাপি হওয়া ব্যবসায়ীরা আদালতের আশ্রয় নেওয়ায় ব্যাংকগুলো কোনো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারছে না। ফলে আদায়ও হচ্ছে না এসব ঋণ। ২০১৫ সালে ঋণ পুনর্গঠন হলেও এসব ঋণের প্রথম কিস্তি পরিশোধ শুরু হয় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে। প্রতি ত্রৈমাসিকে এক কিস্তি হওয়ায় ইতিমধ্যে সবার তিন কিস্তি পরিশোধের সময় শেষ হয়েছে। আইন অনুযায়ী দুই কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলেই খেলাপি হয়ে যায়। ব্যাংকগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেক্সিমকো গ্রুপ, নারায়ণগঞ্জের এমআর গ্রুপ, চট্টগ্রামভিত্তিক এসএ গ্রুপ, রতনপুর গ্রুপ, কেয়া গ্রুপ কিস্তি পরিশোধ করছে না। ফলে এসব গ্রুপের নাম নতুন করে খেলাপির তালিকায় উঠেছে। এর মধ্যে অনেকেই নতুন করে সুবিধা নেওয়ারও চেষ্টা চালাচ্ছে। মূলত আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বেসরকারি উন্নয়নবিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানের প্রস্তাব মেনেই ঋণ পুনর্গঠনের এই সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। তিনিই ২০১৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে গ্রুপের সব ঋণ নতুন করে পুনর্গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কারণ, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ব্যবসা চালানো যায়নি। প্রস্তাব অনুযায়ী, এসব ঋণ পরিশোধের শুরু হবে আড়াই বছর পর, ঋণ পরিশোধ শেষ হবে ২০২৬ সালে। এ ছাড়া সুদের হার হবে ১০ শতাংশ। এরপর অন্য ব্যবসায়ীরাও একই দাবি জানান। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৫ সালের ২৯ জানুয়ারি ঋণ পুনর্গঠনের নীতিমালা জারি করে। শুধু ৫০০ কোটি টাকার বেশি ঋণগ্রহীতাদের জন্য এ সুযোগ দেওয়া হয়। ঋণখেলাপিদের সাধারণত ঋণ পুনঃ তফসিল করা হয়। তবে এ জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হয়। তবে ব্যবসায়ীরা শর্ত মেনে পুনঃ তফসিলে আগ্রহী ছিলেন না। এ কারণে ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা দেওয়া হয়, যাতে করে নগদ টাকা জমা দেওয়ার চাপ কমে আসে। সালমান এফ রহমানের প্রস্তাব অনুযায়ী ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা দেওয়া হলেও এখন তাঁর গ্রুপই ঋণ ফেরত দিচ্ছে না। অবশ্য ব্যাংকিং সূত্রগুলো বলছে, আশির দশক থেকে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত বারবার তাঁকে সু্বিধা দেওয়া হলেও তিনি বারবারই খেলাপি হয়ে যান।  বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ এ নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক তো আর স্বাধীন প্রতিষ্ঠান নয়। এ জন্য সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একজন ব্যবসায়ীর চাপে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সুবিধা দিতে বাধ্য হয়েছিল। আমরা তখনই বলেছিলাম এসব টাকা আদায় করা যাবে না। এখন তাই প্রমাণ হচ্ছে।’ পুনর্গঠন সুবিধা দেওয়া ব্যাংকগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৯২৮ কোটি টাকা ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা পাওয়া এস এ গ্রুপ এবং ৫৭২ কোটি টাকা পুনর্গঠন সুবিধা পাওয়া এমআর গ্রুপ কিস্তির টাকা শোধ করেনি। ৫ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা পুনর্গঠন সুবিধা নেওয়া বেক্সিমকো গ্রুপও এই দলে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অগ্রণী ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি সিদ্ধান্ত দিয়েছে, বেক্সিমকো গ্রুপকে চূড়ান্ত নোটিশ দিতে হবে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির বন্ধকি জামানত ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যাংকের পাওনা ৪১০ কোটি টাকা। অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামস-উল-ইসলাম এ নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি কিছু সিদ্ধান্ত দিয়েছে, এটা সত্যি। তবে পুনর্গঠন সুবিধা নেওয়া সবার সঙ্গে আমি আলাদাভাবে কথা বলেছি। সবাই ঋণ শোধ করতে চায়, তবে বিভিন্ন সুবিধা চায়। কেউ সুদ মওকুফ চায়, কেউ নতুন ঋণ চায়।’ এদিকে পাওনা ১৮৪ কোটি টাকার কিস্তি আদায় না হওয়ায় এমআর গ্রুপের প্রতিষ্ঠান জুলিয়া সোয়েটার এবং এমআর সোয়েটারকে আইনি বা লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছে অগ্রণী ব্যাংক। এখন প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠান কেয়া ইয়ার্নের কাছে ব্যাংকের পাওনা ৩৬ কোটি টাকা। কিস্তি পরিশোধ না করায় তাকেও লিগ্যাল নোটিশ দেবে ব্যাংকটি। অগ্রণী ব্যাংক থেকে এস এ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান এস এ অয়েল ও সামান্নাজ সুপার অয়েল ১১৫ কোটি টাকা পুনর্গঠন সুবিধা নেয়। তবে শর্ত পূরণ না করায় পুনর্গঠন সুবিধা কার্যকর হয়নি। আবার গ্রুপটির ১১৩ কোটি টাকা ঋণ পুনর্গঠন করে জনতা ব্যাংক। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে এ সুবিধার পর এখন পর্যন্ত কিস্তির কোনো টাকা দেয়নি গ্রুপটি। তিন কিস্তি বকেয়া হওয়ায় ঋণটি ইতিমধ্যে খেলাপি হয়ে গেছে। এসএ গ্রুপের কর্ণধার ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালক সাহাবুদ্দিন আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুধু পুনর্গঠন সুবিধা দিলেই তো হবে না। নতুন ঋণসুবিধা দিতে হবে, তাহলেই প্রতিষ্ঠানগুলো চলবে। ঋণসুবিধা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়েছি। নতুন ঋণ না পেলে পুনর্গঠন সুবিধা নেওয়া ১৫ হাজার কোটি টাকা আদায় হবে না।’ নারায়ণগঞ্জের এমআর গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বিআর স্পিনিংয়ের ৩৭৮ কোটি টাকা এবং রতনপুর গ্রুপের প্রতিষ্ঠান মডার্ন স্টিলের ৪৮০ কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠন করে জনতা ব্যাংক। তবে গ্রুপ দুটি এখনো কিস্তির টাকা পরিশোধ করেনি। এ বিষয়ে জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আবদুস সালাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুনর্গঠন সুবিধা নিয়ে অনেকেই কিস্তি পরিশোধ করছে না। তারা নতুন সুবিধা নিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যোগাযোগ করছে।’ ব্যাংকগুলো সূত্রে জানা গেছে, এসএ গ্রুপের এসএ অয়েল রিফাইনারি এবং সামান্নাজের পক্ষে ৯২৮ কোটি টাকা পুনর্গঠন করে দেশের ৬টি ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে সর্বোচ্চ ২৯৯ কোটি টাকা পুনর্গঠন করে ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক। এ ছাড়া ব্যাংক এশিয়া ২৫৫ কোটি টাকা ও জনতা ব্যাংক ১১৪ কোটি টাকা ঋণ পুনর্গঠন করে। কিস্তি পরিশোধের কথা থাকলেও তা করছে না। তারাও আবার ঋণসুবিধা চেয়ে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দিচ্ছে। জানা গেছে, রতনপুর গ্রুপের পক্ষে তিন ব্যাংকে পুনর্গঠন হয় ৮১২ কোটি টাকার ঋণ। এর মধ্যে জনতা ব্যাংকের ৪৮০ কোটি টাকা ও সোনালী ব্যাংকের ২৭৫ কোটি টাকা। খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, নীতিমালায় ছিল দুই কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে খেলাপি হয়ে যাবে। দেউলিয়া আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে। ব্যাংকগুলোর এখন সেই পথেই যাওয়া উচিত। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত হবে ব্যাংকগুলোকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে বাধ্য করা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০টির মতো প্রতিষ্ঠান আবেদন করলেও ১০ গ্রুপের ১৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনের অনুমোদন দেয়। সুবিধা পাওয়া অন্য গ্রুপগুলো হলো যমুনা, থার্মেক্স, শিকদার, আবদুল মোনেম ও এননটেক্স। এসব গ্রুপ এখন পর্যন্ত কিস্তির টাকা নিয়মিত শোধ করছে। prothom alo  
  • চট্টগ্রাম বন্দরের সমস্যা সমাধানে ২০ সিদ্ধান্ত
    চট্টগ্রাম বন্দরে এখন জেটি দরকার কমপক্ষে ৭০টি। গত ৪৫ বছরে হয়েছে মাত্র ৩০টি। ৩৭ একর জায়গা পড়ে থাকার পরও এতদিনে নির্মিত হয়নি ওভার ফ্লো ইয়ার্ড। জনবল সংকট নিরসনে কেন মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগে? গত এক বছরেই ৫৫টি যন্ত্রপাতি কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে। অথচ ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সাত বছরে কেন যন্ত্রপাতি কেনা হলো মাত্র ৪৫টি। কারা এ সমস্যা জিইয়ে রেখেছেন? তাদের চি?িহ্নত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সরকারদলীয় এমপি ও চিটাগাং চেম্বারের সাবেক প্রেসিডেন্ট এমএ লতিফ। একই রকম দাবি জানান ব্যবসায়ী নেতারা।   গতকাল সোমবার সংশ্লিষ্টদের নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এমন ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। সভায় বন্দর ও কাস্টমসের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজিএমইএ, শিপিং এজেন্ট, বার্থ অপারেটর, ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিরা। চার ঘণ্টা আলোচনা শেষে নেওয়া হয় ২০টি সিদ্ধান্ত। এসব সিদ্ধান্তের অগ্রগতি প্রতি দুই মাস পরপর মনিটর করারও ঘোষণা দেওয়া হয়।   বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এমএ লতিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন নৌ মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায়। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এনবিআরের সদস্য (কাস্টম) লুৎফর রহমান, কাস্টম কমিশনার এএফএম আবদুল্লাহ খান, সদস্য (প্রকৌশল) কমডোর জুলফিকার আজিজ, সদস্য (হারবার অ্যান্ড মেরিন) কমডোর শাহীন আলম।   আমদানি-রফতানি কার্যক্রম সহজীকরণ এবং ২৪ ঘণ্টা বন্দর-কাস্টমস চালু রাখার বিষয়ে ব্যবহারকারীদের নিয়ে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। বৈঠকে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বন্দরের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) জাফর আলম।   ২০ সিদ্ধান্ত :জেটি সংকট নিরসন করতে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের নির্মাণকাজ ২০১৯ সালের মধ্যে শেষ করতে হবে। কর্ণফুলী কনটেইনার টার্মিনাল ও লালদিয়া টার্মিনালের নির্মাণকাজ ২০২০ সালে, বে-কনটেইনার টার্মিনালের প্রথম পর্যায়ের নির্মাণকাজ ২০২১ সালের মধ্যে শেষ করা হবে। বেসরকারি আইসিডির সক্ষমতা বাড়িয়ে সেখানে ৩৭ ধরনের বাইরে আরও কিছু পণ্যের খালাস কাজ সম্পন্ন করা যায় কি-না তা নিয়ে এনবিআরসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা। ২৪ ঘণ্টার সেবা ফলপ্রসূ করতে সংশ্লিষ্টদের অফিস খোলা রাখা, এলসিএল (এক কনটেইনারে বিভিন্ন আমদানিকারকের পণ্য) কনটেইনার জাহাজ থেকে নামানোর দু'দিনের মধ্যে আনস্টাফিংয়ের ব্যবস্থা করা, এফসিএল (পুরো কনটেইনারে এক আমদানিকারকের পণ্য) কনটেইনার দিনে দিনে ডেলিভারি দেওয়ার ব্যবস্থা করা। ৫৫টি যন্ত্রপাতির মধ্যে যেগুলো এখনও এসে পেঁৗছেনি সেগুলো দ্রুততম সময়ে আনা নিশ্চিত করা, ছয়টি কি গ্যান্ট্রি ক্রেন সংগ্রহের কার্যক্রম আরও জোরালো করা, পণ্য পরীক্ষার জন্য স্বতন্ত্র একটি শেড নির্মাণ প্রক্রিয়া দু'দিনের মধ্যে গ্রহণ করা, ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু করে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে লাইটারেজ জেটি উদ্বোধন করা। বিএসটিআই-ব্যাংক-কোয়ারান্টাইম-ফুড-নৌবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট যেসব দপ্তর থেকে ছাড়পত্র নিতে হয় সেগুলো বন্ধের দিনও চালু রাখা, এফসিএল কনটেইনার চার দিনের ফ্রি অব টাইমের মধ্যে শতভাগ খালাস করতে বিজিএমইএকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করার সিদ্ধান্ত হয়।   এ ছাড়া বন্দরের গেটে আইএসপিআর কোড মেনে নিরাপত্তারক্ষী আরও বাড়ানো, সারচার্জস হ বিভিন্ন বিষয়ে শিপিং এজেন্টসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা আরও জোরালো করা, প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করে নিলাম কাজ এক মাসে অন্তত দুইবার সম্পন্ন করা, বন্দরের প্রতিটি গেটে স্ক্যানার বসাতে কার্যক্রম গ্রহণ করা। বেসরকারি অফডককেও লাইসেন্স নীতিমালা মেনে স্ক্যানার সংগ্রহ করতে হবে। রফতানি পণ্য জাহাজীকরণে 'কাট অব টাইম' যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে বিজিএমইএকে আরও উদ্যোগী হওয়া, বন্দর ব্যবহারকারীদের নিয়ে একটি কো-অর্ডিনেশন কমিটি গঠন করে সভার সিদ্ধান্ত ও প্রতি দুই মাস পর পর তা পর্যালোচনা করা, বন্দরের যে কোনো প্রস্তাব দুই থেকে সাত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত দিতে নৌ মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা, প্রতিদিন চার হাজার কনটেইনার ডেলিভারি দিতে বন্দরের যাবতীয় প্রস্তুতি থাকা এবং বন্দরের যে কোনো সমস্যা দ্রুততম সময়ে জানতে ২৪ ঘণ্টার কলসেন্টার কিংবা মোবাইল অ্যাপস চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।     সভা শেষে নৌ সচিব বলেন, মন্ত্রণালয়ে আসা বন্দরের যে কোনো প্রস্তাবনা দুই থেকে সাত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। তবে অন্য মন্ত্রণালয় যুক্ত থাকলে ভিন্ন কথা। ২৪ ঘণ্টা বন্দর-কাস্টমস সেবা চালু করার বিষয়টি আগস্টের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন বলেও জানান তিনি।   বন্দর চেয়ারম্যানের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মঈনুদ্দিন আহমেদ বলেন, ৫০ বিলিয়ন ডলারের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কতটা জেটি দরকার, কতগুলো যন্ত্রপাতি দরকার তা এখনই চূড়ান্ত করতে হবে।   বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'বন্দর ও কাস্টমসের সংকট যদি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এখনই ঠিক করা না হয়, তাহলে ভয়াবহ সংকটে পড়বে দেশের পোশাক খাত। আমরা আর কোনো প্রতিশ্রুতি শুনতে চাই না। এখনই স্পষ্ট ঘোষণা চাই কোন অবকাঠামো কখন নির্মিত হবে। নতুন যন্ত্রপাতি কবে আসবে, নতুন জেটির কাজ কবে শেষ হবে।'   চিটাগাং চেম্বারের পরিচালক অঞ্জন শেখর রায় বলেন, 'নতুন জেটি নির্মাণের ঘোষণা শুনতে চাই এ সভা থেকেই। কেন গত ১০ বছরে নতুন জেটি হয়নি তার কারণও জানতে চাই।' মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি খলিলুর রহমান বলেন, 'স্ক্যানারের সংখ্যা কেন বাড়ছে না? যন্ত্রপাতির সমস্যা কারা জিইয়ে রাখল তাদেরও চি?িহ্নত করে শাস্তি দেওয়া দরকার।' এ ক্রান্তিকালে শাটআউট করে রফতানি কনটেইনার ফেলে রেখে যদি কোনো জাহাজ চলে যায় তবে পোশাক খাতের সংকট আরও ভয়াবহ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।   বিজিএমইএর বক্তব্যের জবাবে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, 'দৈনিক চার-পাঁচ হাজার ট্রাক ঢুকছে বন্দরে। কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের যন্ত্রপাতিও নাড়াতে পারি না ইয়ার্ডে। পৃথিবীর আধুনিক কোনো বন্দরে এভাবে পণ্য খালাস হয় না। তাই বিজিএমইএকে অনুরোধ করব, চার দিনের ফ্রি অব টাইমের মধ্যে অন্তত ৮০ শতাংশ মালপত্র বন্দর ইয়ার্ড থেকে নিয়ে যেতে। এখন গড়ে ৬৫ শতাংশ পণ্য ফ্রি অব টাইমে নিয়ে যাচ্ছেন তারা।'   সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম আকতার হোসেন বলেন, 'যেদিন শুল্ক দেওয়া হচ্ছে, সেদিনই পণ্যের ডেলিভারি চান তারা। এখন শুল্ক দেওয়ার পর পণ্য ডেলিভারি দিতে আরও দু-একদিন বাড়তি সময় যায় বন্দরে। বৃষ্টি হলে বন্ধ করে রাখতে হচ্ছে পণ্য পরীক্ষার কাজ। কারণ চট্টগ্রাম বন্দরে নেই পণ্য পরীক্ষার কোনো শেড। আবার ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়ার কথা বলা হলেও নৌবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে শুক্র ও শনিবার সেবা পাওয়া যাচ্ছে না।' এর জবাবে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, 'পণ্য পরীক্ষার জন্য স্বতন্ত্র একটি শেড নির্মাণ করা হবে। দু'দিনের মধ্যে বন্দর এ প্রক্রিয়া শেষ করবে। কাজ শেষ করব ছয় মাসের মধ্যে।'   বেসরকারি আইসিডি মালিকদের সংগঠন বিকডার সভাপতি নুরুল কাইয়ুম খান বলেন, '৩৭ ধরনের পণ্যের সঙ্গে কম শুল্কের আরও অন্তত ১০টি পণ্য আইসিডিতে খালাসের অনুমতি দিলে আমাদের কোনো অসুবিধা হবে না। অফডকে পণ্য নিতে বার্থ অপারেটরদের আরও সক্রিয় হতে হবে।' বার্থ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফজলে একরাম চৌধুরী বলেন, 'জাহাজজট কমাতে ১৩, ১০ ও ১১ নম্বর জেটিতে বিশেষ ব্যবস্থায় জাহাজ নোঙর করার সুবিধা দেওয়া যেতে পারে। ২৪ ঘণ্টার সেবা পেতে হলে সন্ধ্যার পরও ব্যাংক খোলা রাখতে হবে।' জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক মো. হুমায়ুন কবির বলেন, 'বন্দর-কাস্টমসে ২৪ ঘণ্টার সেবা নিশ্চিত করতে হলে ব্যাংক থেকে কী কী সাপোর্ট দরকার তা আমাদের লিখিত দিন। আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।'   শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক সাহেদ সারওয়ার বলেন, 'বন্দরে পণ্য আনতে বিদেশি কোনো শিপিং মালিক সারচার্জ আরোপ করেনি। এ ব্যাপারে কারও কাছে তথ্য থাকলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। শাটআপ করে রফতানি কনটেইনার না নিয়ে কোনো জাহাজ চলে গেলে চলমান সংকট আরও বাড়বে। শিফট পাল্টানোর আগে-পরে এক ঘণ্টা শ্রমিক-কর্মচারীদের পাওয়া যায় না। বন্দরকে এ বিষয়টি মনিটর করতে হবে।' source: samakal
  • মূলধন বিবেচনায় বিদেশি বিনিয়োগে বেশি প্রবৃদ্ধি
    দেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও বিনিয়োগ ক্রমেই বাড়ছে। তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ও বাজার মূলধন বৃদ্ধির হারের সঙ্গে তুলনাতেও বিদেশিদের বিনিয়োগ সাম্প্রতিক সময়ে বেশি বেড়েছে।ডিএসইর প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পরিশোধিত মূলধন বিবেচনায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোতে বিদেশিদের অংশ প্রায় ৬৪ শতাংশ বেড়ে মোটের ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। গত জুন শেষে তালিকাভুক্ত ১২৩ কোম্পানিতে বিদেশিদের ধারণ করা শেয়ার মূল্য ছিল (অভিহিত মূল্য বিবেচনায়) ২ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। একই সময়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ২৯৭ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার ২৩১ কোটি টাকা বেড়ে ৫৬ হাজার ২৬৬ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে ও বৃদ্ধির হার ৪ দশমিক ১৩ শতাংশ।   অন্যদিকে বাজার মূলধনে বিদেশিদের অংশ গত ছয় মাসে ৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা বা ৩৭ শতাংশ বেড়ে ২৩ হাজার ২৩০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। বাজার মূলধনে বিদেশিদের অংশ ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ। একই সময়ে বাজার মূলধন ৩৮ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা বেড়ে ৩ লাখ ১৯ হাজার ৫১০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে ও বৃদ্ধির হার ১৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ। শুধু গত মে মাসের তুলনায় জুনে পরিশোধিত মূলধন বিবেচনায় বিদেশিদের ধারণ করা শেয়ারের মূল্য বেড়েছে ৬৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বা ২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। যেখানে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির মূলধন বেড়েছে ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। একইভাবে বাজার মূলধন এক মাসের ব্যবধানে ১২ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা বা ৪ শতাংশ বেড়েছে। যেখানে টাকার অঙ্কে বিদেশিদের ধারণ করা শেয়ারের বাজার মূল্য বেড়েছে ১ হাজার ২১৬ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ।জুনে হ্রাস-বৃদ্ধির শীর্ষে :তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত জুনে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টে বিদেশিদের বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। কোম্পানিটির মোট শেয়ারে বিদেশিদের অংশ ৩ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে ৩ দশমিক ৮৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এ ছাড়া ব্র্যাক ব্যাংক, সিঙ্গার, ডিবিএইচ, আইডিএলসি, আইএফআইসি, এক্মি ল্যাব, বার্জার পেইন্টস কোম্পানিতেও বিদেশি বিনিয়োগ বেশি বেড়েছে। এসব কোম্পানি মোট শেয়ারে বিদেশিদের অংশ শূন্য দশমিক ৭৯ শতাংশ থেকে শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ বেড়েছে। গত মাসে মোট ৩৬টি কোম্পানিতে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে। বাজার মূলধনের হিসাবে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির শীর্ষে ছিল স্কয়ার ফার্মা, ব্র্যাক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, গ্রামীণফোন, বেক্সিমকো ফার্মা, রেনেটা, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, ইসলামী, সিটি ও আইএফআইসি ব্যাংক। এসব কোম্পানিতে বিদেশিদের ধারণ করা শেয়ারমূল্য ৪০ কোটি টাকা থেকে প্রায় ১৯৭ কোটি টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত মাসে যেসব কোম্পানি থেকে বিদেশিদের শেয়ার সর্বাধিক কমেছে সেগুলো হলো- এপেক্স ফুড, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, বাটা সু, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, শাশা ডেনিম, বিডি থাই, এবি ব্যাংক, ম্যারিকো, হেইডেলবার্গ সিমেন্ট, আল-আরাফাহ্ ব্যাংক প্রভৃতি। source: samakal
  • প্রবাসী বাংলাদেশিদের গৃহঋণ সুবিধা বাড়ল
    বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য বাড়ি নির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয়ে ঋণ সুবিধা বিদ্যমান ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখন থেকে বাড়ি নির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে মোট দামের ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণসুবিধা পাবেন।রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে দেশের অন্যান্য ব্যাংকগুলোতে পাঠিয়েছে।এতে বলা হয়, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের গৃহায়নে অর্থায়ন বাড়াতেই গৃহঋণ সুবিধা বিদ্যামন ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলদেশিদের গৃহঋণ সুবিধা অনুমোদন করে। ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত গৃহঋণ সুবিধা পান। বাকি অর্থ ইক্যুয়িটি বা নিজস্ব পুঁজি থেকে তাদের বহন করতে হয়। এক্ষেত্রে বাকি অর্থ তারা রেমিটেন্স বা বিদেশ থেকে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন। source : somokal
  • আমানতের সুদ কমলেও ঋণে কমছে না
      আমানতের সুদ হার কমিয়ে ব্যয়ের হ্রাস টানলেও চাহিদামতো ঋণের সুদ হার কমাচ্ছে না কয়েকটি ব্যাংক। মূলত মুনাফার পাল্লা ভারী রাখতেই এ কৌশল বেছে নিয়েছে কয়েকটি ব্যাংক। ফলে এসব ব্যাংকের আমানত ও সুদ হারের (স্প্রেড) ব্যবধান ৫ শতাংশের ওপরেই থাকছে। বারবার নির্দেশনা দেওয়ার পরও ব্যাংকগুলো সুদ হারের ব্যবধান ৫ শতাংশের নিচে নামাচ্ছে না।  ভোক্তা ঋণ ও ক্রেডিট কার্ডের সুদ হার বাদ দিয়েই এ হিসাব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যাতে দেখা যাচ্ছে, গত মে মাসে বেসরকারি খাতের ৬ ব্যাংকের সুদ হারের ব্যবধান ৫ শতাংশের ওপরে ছিল। বেশির ভাগ বিদেশি ব্যাংকের ব্যবধান ছিল আরও বেশি।  এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ প্রথম আলোকে বলেন, ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের দিকে নজর রাখছে না। এ জন্য প্রতিনিয়ত আমানতের সুদ হার কমিয়ে ফেলছে। বিকল্প বিনিয়োগের সুযোগ না থাকায় গ্রাহকেরাও ব্যাংকে বাধ্য হয়ে টাকা রাখছেন। অপরদিকে সরকারি ব্যাংকগুলো ফতুর হয়ে পড়ায় বড় গ্রাহকেরা এসব ব্যাংকের দিকে নজর দিয়েছেন। ব্যাংক মালিক ও ব্যবসায়ী নিজেদের মধ্যে লেনদেন করছেন। মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই, তবে চাপে রাখতে পারে।  বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেয় যে ঋণের সুদ হার যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণের লক্ষ্যে ক্রেডিট কার্ড ও ভোক্তাঋণ ছাড়া অন্যান্য খাতে ঋণ এবং আমানতের সুদ হারের ব্যবধান নিম্নতর এক অঙ্ক পর্যায়ে সীমিত রাখতে হবে। নিম্নতর এক অঙ্ক বলতে অনূর্ধ্ব ৫ শতাংশকে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ ক্রেডিট কার্ড ও ভোক্তাঋণ ছাড়া অন্যান্য খাতে ঋণ এবং আমানতের সুদ হারের ব্যবধান ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে।  কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র বলছে, ঋণের মন্দাবস্থার কারণে ২০১৬ সাল থেকে ব্যাংকগুলো আমানতের সুদ হার কমাতে শুরু করে। ২০১৬ সালের জুনে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে আমানতে গড় সুদ হার ছিল ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ ও ঋণে ছিল ১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আমানতে গড় সুদ হার কমে হয় ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ ও ঋণে সুদ হার দাঁড়ায় ১০ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। আর গত মে মাসে আমানতে সুদ হার হয় ৫ দশমিক ২১ শতাংশ এবং ঋণে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ।  কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মে মাসে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের গড় আমানত হার ছিল ২ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ব্র্যাক ব্যাংকের ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ, উত্তরা ব্যাংকের ৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ, আইএফআইসি ব্যাংকের ৫ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ ও ইউনিয়ন ব্যাংকের ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। বেসরকারি এ ব্যাংক ছয়টির ঋণ-আমানতের সুদ হারের ব্যবধান ছিল ৫ শতাংশের ওপরে।  আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম সারওয়ার এ নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে আমরা সুদ হারের ব্যবধান কমিয়ে আনার চেষ্টা করছি। তবে ব্যবধান গণনাপদ্ধতি নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন আছে। এটা পর্যালোচনা করার সুযোগ আছে।’  যোগাযোগ করা হলে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হুসেইন গত রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে তো কোনো নির্দেশনা নেই, একটা পরামর্শ রয়েছে। তবে ঋণ সুদের হার আর কমানোর সুযোগ নেই। আর কম সুদেও জনগণ আমাদের ব্যাংকে টাকা রাখছে। তার মানে ব্যাংকের রেটিং ভালো, সেবা ভালো। এ কারণেই আমরা আমানত সংগ্রহ করতে পারছি। স্প্রেড বেশি মানেই তো খারাপ না। গত ১০ বছরে ব্র্যাক ব্যাংক যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তা ঈর্ষণীয়।’ source : prothom-alo
  • সুদহারের সীমায় পরিবর্তন চায় ব্যাংক
    ব্যাংকগুলোর ক্রেডিট কার্ডে সুদহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরোপিত সর্বোচ্চ সীমায় পরিবর্তন চায় ব্যাংকগুলো। ক্রেডিট কার্ডের সুদহার নির্ধারণে অন্যান্য ভোক্তা ঋণের সঙ্গে তুলনা না করে অন্য যে কোনো ঋণের চেয়ে ৫ শতাংশ বেশি সুদ ধরে সীমা আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে ব্যাংকগুলো। আর নীতিমালা বাস্তবায়ন আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে নেওয়ার দাবি এসেছে। এসব দাবি নিয়ে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির একটি প্রতিনিধি দল গতকাল সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠক থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না জানিয়ে বলা হয়েছে, এবিবির দাবি পর্যালোচনা করে পরে জানানো হবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান আনিস এ খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি সোহেল আরকে হোসাইন, ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি আলী রেজা ইফতেখার ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান। মূলত ক্রেডিট কার্ডের ব্যবসায় এই ব্যাংকগুলো এগিয়ে রয়েছে। বেশিরভাগ ব্যাংক অন্য ঋণের তুলনায় ক্রেডিট কার্ডে দ্বিগুণ সুদ নেয়। যেমন, গত মে মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানার জনতা ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডে সুদহার নির্ধারিত ছিল ২৪ শতাংশ। অথচ অন্য ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ সুদ ছিল। অধিকাংশ ব্যাংকের চিত্র এ রকম। এমন পরিস্থিতিতে গত মে মাসে প্রথমবারের মতো ক্রেডিট কার্ডের একটি নীতিমালা করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালা অনুযায়ী, যে কোনো ব্যাংকে অন্যান্য ভোক্তা ঋণের সর্বোচ্চ যে সুদহার রয়েছে, তার চেয়ে ক্রেডিট কার্ডে ৫ শতাংশের বেশি নিতে পারবে না। অর্থাৎ গাড়ি, ফ্ল্যাট, টিভি-ফ্রিজ কেনা, বিয়ে বা যে কোনো ব্যক্তিগত ঋণে যদি কোনো ব্যাংকের সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ সুদ নির্ধারিত থাকে, ওই ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডে সর্বোচ্চ ১৮ শতাংশ সুদ নিতে পারবে। source : somokal
  • বহুজাতিক কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনতে শিগগির অর্থমন্ত্রীর বৈঠক
    পুঁজিবাজারে রাষ্ট্রীয় ও বহুজাতিক বিভিন্ন কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করার তাগিদ দাবি দীর্ঘদিনের। পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা বাজারে ভালো শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানোর অংশ হিসেবে এ দাবি করে আসছেন। সম্প্রতি এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এরই অংশ হিসেবে শিগগির অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৈঠক করবেন। বৈঠকে কীভাবে এসব কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করা যায়,  সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে। বৈঠকে এসব কোম্পানি, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি (বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।অর্থমন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। তাই অনেকেই বাজারে আসছেন। এ সময়ে শেয়ার সরবরাহ বাড়ানো হলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।  বহুজাতিক অনেক কোম্পানি এ দেশে ব্যবসা করলেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে না। অন্য দেশে এসব কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। তাই এ কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এদিকে রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোর শেয়ার বাজারে ছাড়তে বেশ কয়েকবার নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু কোম্পানিগুলো নানা কারণ দেখিয়ে শেয়ারবাজারে আসেনি। এ ক্ষেত্রে যুক্তি দেখানো হয়, কোম্পানি  লোকসানে আছে বা সম্পদের মূল্যায়ন বা পুনর্মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়নি। আবার কখনও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি ইত্যাদি।প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সরকারি ৩৪ কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে ওই সময় সে উদ্যোগ বেশি দূর এগোয়নি।   source : ittfaq
  • ডিএসই'র পিই রেশিও কমেছে দশমিক ৪৯ শতাংশ
    দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক (১৬-২০ জুলাই) লেনদেনে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে ০.৪৯ শতাংশ। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বর্তমানে ডিএসইর পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৬.১৬ পয়েন্টে, যা গত সপ্তাহের শুরুতে ছিল ১৬.২৪ পয়েন্ট। অর্থাৎ পিই কমেছে ০.০৮ পয়েন্ট বা ০.৪৯ শতাংশ। বর্তমানে খাতভিত্তিক হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ১০.৩২ পয়েন্টে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ২০.৩৮, প্রকৌশল খাতে ২৩.৪৭, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ২৩.৩৭, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১৪.০৫, বস্ত্র খাতে ২০.০২, ওষুধ ও রসায়ন খাতে ১৯.৯৪, ভ্রমণ ও অবকাশ খাত ৩১.০০, সেবা ও আবাসন খাতে ১৪.০২, সিমেন্ট খাতে ৩১.৩৬, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ৩০.২৩, ট্যানারি খাতে ২৫.৬৬, সিরামিকস খাতে ২৮.৬৯, বীমা খাতে ১৫.৫৬, বিবিধ খাতে ২৯.০৫ ও টেলিযোগাযোগ খাতে ১৭.৬৫ পয়েন্টে রয়েছে। উল্লেখ্য, খাতভিত্তিক পিই হিসাব করা হয়েছে 'জেড' ক্যাটাগরি, ওটিসি শেয়ার এবং যেসব শেয়ার দীর্ঘদিন লেনদেন হয় না সেগুলোর হিসাব বাদ দিয়ে। source : sonbad
View All
Latest DSE News
  • BIFC

    (Continuation news of BIFC): capital of the company is Tk. 1,006,799,440.00 indicates doubtful as a going concern entity and there cast a doubt to see company as going concern in the foreseeable future. 2. Out of total outstanding amount of Tk. 8,773,730,633.00 an amount of Tk. 7,533,878,259.00 is classified as bad/loss as on 31 December 2016 which is 85.87% of total outstanding amount. As a result, all the related financial indicators of this company suffered serious setback. (end)

  • BIFC

    (Continuation news of BIFC): Tk. 316,716,841.00 which is 60.75% of total equity. 8. As per Bangladesh Bank DFIM Circular no-13, Dated 26 October 2011; Every Financial Institution has to conduct minimum four (04) audit committee meetings in a financial year. But during the year the company did not follow such instruction of DFIM circular-13 by Bangladesh Bank. Emphasis of Matters: 1. As on 31 December 2016 retained earnings of the company stands at negative Taka 1,258,587,039.00 whereas paid-up (cont. 9)

  • BIFC

    (Continuation news of BIFC): institution. Provided that any financial institution may subject to its application and on consent of Bangladesh Bank, expend or use up to 50% of its paid-up capital and reserves for the acquisition and holding of the above mentioned kind of shares. But the company did not follow any of the above said section of Financial Institution Act-1993. As on 31 December 2016 total investment in quoted shares amount Tk. 192,413,639.00 whereas total equity stands at (cont. 8)

  • BIFC

    (Continuation news of BIFC): in FID circular No-6, dated 06 November 2003 and FID Circular-2, Dated: 10 November 2004 as on 2,3,4,5,7,9,10,11,12,14 November 2016. 7. Violation of Financial Institution Act-1993. As per Financial Institution Act-1993, Section-16; No Financial Institution shall expend or use more than 25% of its paid-up capital and reserves for the acquisition or holding of any kind of shares of financial, commercial, agricultural or industrial institutions or of any similar (cont. 7)

  • BIFC

    (Continuation news of BIFC): basis of their total term deposit for the month of November 2016 (1st two weeks, 2nd two weeks) and December 2016 (1st two weeks, 2nd two weeks) with a provision of minimum 2.0% on daily basis of the same total term deposit as on 24, 27 and 28 September as well as 30 and 31 October. 6. Deficit of Statutory Liquidity Requirement (SLR): The company did not maintain SLR at the rate of 5% of average of total liability as prescribed by Bangladesh Bank circular (cont. 6)

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PLFSL 14.10 12.90 1.20 9.30
SAMATALETH 39.60 36.30 3.30 9.09
FIRSTFIN 13.30 12.30 1.00 8.13
LEGACYFOOT 29.50 27.90 1.60 5.73
SINOBANGLA 59.90 56.90 3.00 5.27
ZEALBANGLA 44.60 42.60 2.00 4.69
GHCL 41.60 39.90 1.70 4.26
PRIMEFIN 13.90 13.40 0.50 3.73
BDFINANCE 19.40 18.80 0.60 3.19
CMCKAMAL 26.10 25.30 0.80 3.16

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297