Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)

Contest SB2017_Oct

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
SHOPNO_GHURI
3rd
blank_person
NAZRULAMIN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
Negative impact

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 23 Oct 2017

0
TOTAL TRADE
0.0000
TOTAL VOLUME(Mn)
0.00
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • সাইড ওয়াকে থেকে ইনডেস্কের পরবর্তী মুভম্যান্টের অপেক্ষা
    স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ রোববার , ২২ই অক্টোবর, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সুচকে ইনভ্যারটেড ডোজি ক্যান্ডেল দেখা যায়। সকাল থেকেই আজ বাজারে ইন ডেস্কের কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী অবস্থা থাকলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। এছাড়াও আজ বাজারে তেমন লেনদেন লক্ষ্য করা যায়নি। প্রায় একই জায়গায় থেকে ইনডেস্কের উথামানা লক্ষ্য করা যায়। দিন শেষে ইনডেস্কে কিছুটা ভলিওম আসলে ইনডেস্কে ডোজি ক্যান্ডেল দেখা যায়। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী, ডিএসইএক্সে আজ হডোজি ক্যান্ডেল দেখা যায় আসায় তা এখন সাইড ওয়াক করছে। সাইড ওয়াক কিছুদিন থেকে এর পরবর্তী মুভম্যান্টে নির্ধারিত হতে পারে। এদিকে বর্তমানে ইনডেস্কের সাপোর্ট লেবেল ৫৯৬৬ তে অবস্থান করছে। ইনডেস্কের আর এস আই [RSI 14] এর মান ৪৩.৮৮ তে অবস্থান করছে যেখানে আগের দিন ছিল ৪৩.৫৮ । রোববার ডিএসইতে ৫৪৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের তুলনায় ৫৭ কোটি ৪ লাখ টাকা কম। আগের দিন এ বাজারে ৬০০ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। আজ ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩৩১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৯টির, কমেছে ১৮১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টির শেয়ার দর। ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৪১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৩৩২ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক দশমিক ৯৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ১৮৯ পয়েন্টে।  
  • রহিম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের – লভ্যাংশ ঘোষণা – মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রহিম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (PRICE SENSITIVE INFORMATION ) কোম্পানির পক্ষ থেকে নিচে প্রকাশ করা হল।
  • মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেডের – লভ্যাংশ ঘোষণা – মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (PRICE SENSITIVE INFORMATION ) কোম্পানির পক্ষ থেকে নিচে প্রকাশ করা হল।
  • জুন ক্লোজিং ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে লেনদেন বৃদ্ধি ৬.০৮ %
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে  রবিবার, ২২ অক্টোবর বিভিন্ন খাতের লেনদেন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে ব্যাংকিং খাতের কমে যাওয়া লেনদেন জুন ক্লোজিং অন্যান্য খাতের কোম্পানিতে যাচ্ছে। বিশেষ করে রবিবার গত কর্ম দিবসের তুলনায় ৬.০৮% লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে। যদিও ২৭.৪৮% লেনদেন হয়েছে ব্যাংকিং খাতে তবে ব্যাংকিং খাতে লেনদেন গত কয়েক দিনে বেশ কমেছে। মার্কেটে শুরুতে ব্যাপক বাই পেশার দেখা দিলেও সেটা কিছুটা কমে আসে ১২টার দিকে, সারা দিন মার্কেট উঠানামার মধ্যে থাকে। দিনশেষে ইনডেক্স ১.৬৪  পয়েন্ট যোগ হয়। লেনদেনের ভিত্তিতে দেখলে আজকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল ফাইনানসিয়াল ইস্টিটিউট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং খাত। তুলনামুলক ভাবে মার্কেটের বাকি খাতগুলোর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে উভয় খাতেই। বলা যেতে পারে যে বিনিয়োগকারীরা এই খাতগুলোতে ট্রেড বেশি করছে। ইঞ্জিনিয়ারিং খাত  : লেনদেনের ভিত্তিতে ইঞ্জিনিয়ারিং খাত  তৃতীয়  কিন্তু লেনদেন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রথমে অবস্থানে আছে। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ১৬.৭৬% যা গত কর্ম  দিবসে ছিল ১০.৬৪% মানে ইঞ্জিনিয়ারিং খাত লেনদেন বৃদ্ধি ৬.০৮ % । লেনদেন হওয়া ৩৪টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ১১টি ,কমেছে ২০টি কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। ব্যাংকিং খাত : লেনদেনের ভিত্তিতে ব্যাংকিং খাত সবচেয়ে বেশি লেনদেনে দিন শেষ করেছে। ১৯টি ব্যাংকের দাম কমেছে, ৬ ব্যাংকের দাম বেড়েছে এবং ৫ টি অপরির্বতিত আছে। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ২৭.৪৮%। ফাইন্যান্স খাত  :  ফাইন্যান্স খাত আজকে  দ্বিতীয় অবস্থানে দিন শেষ করেছে। মোট লেনদেনে  খাতের অবদান ছিল ১২.৭০%। এই খাতে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ১০টি, কমেছে ১১টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।  
  • রবিবার ব্লক মার্কেটে এক্সিম ব্যাংক শীর্ষে
    স্টাফ রিপোর্টার :  ব্লক মার্কেটে রবিবার, ২২ অক্টোবর ৫টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে  এক্সিম ব্যাংকের শেয়ার । এই কোম্পানির ২ লটে ১৭ লাখ ৫৮ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। নিচে চিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হলো- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। ডিএসই জানায়, মূল্যমানের(ভ্যালূর) দিক থেকে সবচেয়ে বেশী লেনদেন হয়েছে এক্সিম ব্যাংক-এর শেয়ার। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে আইডিএলসি এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে িএমবিএল ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ড-এর শেয়ার। এছাড়া ওরিয়ন ফার্মা ও আইসিবির শেয়ার ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়।
  • কেপিসিএলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার: খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (কেপিসিএল) পরিচালনা পর্ষদের সভা আগামী ২৯ অক্টোবর বিকেল ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সভা থেকে বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশের ঘোষণা আসতে পারে। সভায় কোম্পানির ৩০ জুন, ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।
  • গ্রীনডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার:  গ্রীনডেল্টা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা আগামী ২৫ অক্টোবর দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।  ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সভায় কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।
  • মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর সাপ্তাহিক এনএভি [২২.১০.২০১৭]
    মোহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান : ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) পরিচালিত মিউচুয়াল ফান্ডের নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। একই সাথে অনান্য বাকী মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি), প্রকাশ করা হয়েছে ।
  • "প্রফিট টেক করার মত লস টেকে প্রস্তুতি থাকতে হবে"
    শ্যামল রায়: মিজানুর রহমান সুজয়। একজন বিনিয়োগকারী। তিনি শেয়ার বাজারে প্রবেশ করেন ২০০৯ সালে। ঢাকা একচেঞ্জে বিনিয়োগ করার পাশাপাশি দেশের বাহীরের শেয়ার মার্কেট নিয়ে তার আগ্রহ জন্মাতে থাকে। এরপর একসময় তিনি ফরেক্সে নিয়মিত ট্রেড করতে থাকেন। দেশের শেয়ার বাজারে তার ব্রোকারেজ হাউজ আইডি এলসি। তার দৃষ্টিতে বাংলাদেশের শেয়ার বাজার এবং বাহিরের শেয়ার মার্কেটের মধ্যে পার্থক্য কোথায়। এছাড়া আমাদের শেয়ার বাজারের সার্বিক অবস্থা নিয়ে কথা বললেন স্টক বাংলাদেশের সাথে। স্টক বাংলাদেশ: বাংলাদেশের শেয়ার বাজার এবং ফরেক্সে ট্রেড করার মধ্যে সুবিধা এবং অসুবিধা কি? মিজানুর রহমান সুজয়: বাংলাদেশের শেয়ার বাজার ভাল তবে আমার দৃষ্টিতে কিছু কিছু সমস্য আছে বলে মনে হয়। যেমন বাহিরের ক্ষেত্রে তারা টেকনিক্যালি অনেক হাই। আবার আমাদের কোম্পানির সংখ্যাও অনেক কম। তাছাড়া ম্যাক্সিমাম কোম্পানিগুলোই ছোট ক্যাপিটালের ফলে অল্পতেই গ্যাম্বলিং করা সম্ভব। কিন্তু ফরেক্সে এটা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। কারন তাদের পেইড আপ হিউজ। এদিক থেকে তারা আমাদের থেকে যোজন যোজন পথ এগিয়ে। স্টক বাংলাদেশ: ট্রেডিং টাইম এবং কেনার পর ম্যাচিউর হওয়ার জন্য যে দুদিন সময় লাগে তা নিয়ে আপনার মতামত কি? মিজানুর রহমান সুজয়: আমার দৃষ্টিতে এটা একটা মারাত্মক সমস্যা। কারণ সময় বদলেছে। তাছাড়া অনেকেই এখন শেয়ার বাজারে ক্যারিয়ার গড়ছে। যেখানে এতগুলো লিকুইড মানির কেনা বেচা সেখানে ট্রেডিং টাইম মাত্র ৪/৫ ঘন্টা। এটা কি করে হয়। সকালে প্রস্তুতি নিতে নিতেই ১ ঘন্টা চলে যায়। এছাড়া শেয়ার কেনার পর বিক্রির জন্য T+2 যে নিয়মটি চালু আছে, তাও বাহিরের সাথে একেবারে সাংঘর্ষিক কারণ এটা শেয়ার বাজার এখানে দুই দিনে অনেক কিছুই ঘটে যাওয়া সম্ভব। এছাড়া যদি কোন কোম্পানির প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসে, যেটা বাংলাদেশে অহরহই হয়ে থাকে। যেমন- কোম্পানি আগুনে পুড়ে যাওয়া, হরতালে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া। তাহলে বিনিয়োগকারীদের T+2 এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে এবং নিশ্চিত ভাবেই লস গুনতে হবে। কিন্তু ফরেক্সে তা নয়। আপনি কেনার পরই যদি মনে হয় আপনার ভুল সিদ্ধান্ত হয়েছে, তৎক্ষনাৎ তা বেঁচে দিতে পারবেন। স্টক বাংলাদেশ: আমাদের মার্কেটে বড় বড় কোম্পানিগুলো তেমন ভাবে আসছে না। এটা নিয়ে আপনার অভিমত কি? মিজানুর রহমান সুজয়: আমি মনে করি এটা সরকারেরই ব্যর্থতা। বিদেশি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিগুলো আমাদের দেশে প্রচুর ব্যবসা করে লাভ নিয়ে যাচ্ছে, অথচ তাদের কোন কন্ট্রিবিউশন নেই আমাদের শেয়ার বাজারে। কিন্তু বিদেশে এটা কোনভাবেই সম্ভব নয়। যদি এরকমটা বলা থাকত যে হয় তুমি আমাদে স্টক একচেঞ্জের সাথে থাক নইলে তোমার প্রফিটের এত পার্সেন্ট লভ্যাংশ আমাদের দিয়ে দাও। এরকম বাধ্য বাধকতা থাকলে তারা এমনিতেই আমাদের শেয়ার মার্কেটে আসবে। স্টক বাংলাদেশঃ কিছুদিন ধরে বাজারে ব্যাংকের আধিপত্য দেখা গেল, কোন কারেকশন কি আশা করা যায়। মিজানুর রহমান সুজয়: আমি মূলত: জেনারেল খাতেই বিনিয়োগ করি সব সময়। এক্ষেত্রে ছোট পেইড আপ কোম্পানি শেয়ার আমার বেশী পছন্দ। কারণ এগুলো মুভ করে দ্রুত। এছাড়া ফুড সেক্টর এ আমার অনেক পছন্দের। তাছাড়া অন্যখাতগুলোতে এখন একটু দেখেশুনে এগোচ্ছি। বস্ত্র ক্ষাতে আমি ধরা খেয়ে আছি। আমি লস টেক করি নাই। এটার জন্য আমার আরও আগে প্রিপায়ারড হওয় দরকার ছিল। প্রফিট টেক করার মত লস টেক করার জন্য প্রস্তুতি থাকতে হবে শেয়ার বাজারে।  
  • ডোজি ক্যান্ডেলে সাইড ওয়াকে ইনডেস্ক ,মার্কেট নিউজ টুইটস : ২.৩০ মিনিট
    পুঁজিবাজার যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে ইউনাইটেড এয়ারে বিদেশীদের বিনিয়োগের আহ্বাবান জানালেন এমডি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে সিলেটে এনআরবি গ্লোবাল বিজনেস কনভেনশন শুরু ২২ অক্টোবর থেকে বিবিএস ক্যাবলস ডিএসইএক্স সূচকে যুক্ত হামিদ ফেব্রিকসের লভ্যাংশ ঘোষণা রেনেটার লভ্যাংশ ঘোষণায় চমক ১৯টি দেশের ৫ হাজার বাংলাদেশির মহাসম্মেলন শনিবার শুরু সপ্তাহে ১০ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা                          মার্কেট নিউজ টুইটস: ২.৩০ মিনিট আবার ও ডোজি ক্যান্ডেলে সাইড ওয়াকে রইল ইনডেস্ক। আজ সকাল থেকেই বাজারে লেনদেনের পরিমান কমতে দেখা যায়। যে কারনে ইনডেস্কে আজ তেমন বড় কোন উঠানামা লক্ষ্য করা যায়নি। একই জায়গায় থেকে বাজারে আজ বেশীর ভাগ লেনেদেন হতে দেখা যায়। FORTUNE  এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩০ মিনিট ঠিক ১.৩০ টায় FORTUNE উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( 20 TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে  972000 TK। দিন শেষে ডোজি ক্যান্ডেল হতে পারে, মার্কেট নিউজ টুইটস: ১২.৩০ মিনিট আজ ইনডেস্কে ডোজি ক্যান্ডেলে হওয়ার সম্ভাবনা বেশী। বাজারে বেশী লেনদেন না থাকায় ইনডেস্কের তেমন মুভম্যান্ট দেখা যাচ্ছে না। ঘন্টায় লেনদেনে ভাটা পড়েছে , মার্কেট নিউজ টুইটস: ১১.৩০ মিনিট আজ সকাল থেকে ইনডেস্কের মান পজেটিভে থাকলেও লেনদেনে ভাটা পড়েছে। এক ঘন্টায় মাত্র ১২৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। বাজারে ইপিএসের প্রভাব থাকতে পারে , মার্কেট নিউজ টুইটস: ১০.৩০ মিনিট [২২.১০.২০১৭] এ সপ্তাহে বাজারে ইপিএসের প্রভাব থাকতে পারে ।                                                                                                উল্লেখযোগ্য কিছু বিভাগসমুহ এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ব্রোকারেজ হাউজ সম্পর্কে জানুন পুজিবাজার শিক্ষা টিউটোরিয়াল কর্নার এক্সুসিভ সাক্ষাৎকার সমূহ                                                                                পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • দারিদ্র্যের হার নেমে ২৪.৩ শতাংশে: বিবিএস
    ২০১৬ এর চালানো খানা আয়-ব্যয় জরিপে ছয় বছরে দারিদ্র্যের হার ৬ শতাংশ কমে আসার এই তথ্য উঠে আসে।   মঙ্গলবার বিবিএস সম্মেলন কক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে বিবিএসের সর্বশেষ জরিপের প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ২০১৬ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৭ সালের মার্চ পর্যন্ত এই খানা জরিপ চালায় বিবিএস; তার আগের জরিপটি চালানো হয়েছিল ২০১০ সালে। সর্বশেষ জরিপের ফল বলছে, দেশের দারিদ্র্যহার এখন ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। অতি দারিদ্র্যের হার ১২ দশমিক ৯ শতাংশ। গ্রামাঞ্চলের দারিদ্র্যহার ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ এবং শহরের দারিদ্র্যহার ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০১০ সালের জরিপে দারিদ্র্যের হার ছিল ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ। অতি দারিদ্র্যের হার ছিল ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ। তখন গ্রামীণ এলাকায় দারিদ্র্যের হার ছিল ৩৫ দশমিক ২ শতাংশ এবং শহরাঞ্চলে ২১ দশমিক ৩ শতাংশ। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বিশ্ব ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রতিনিধি রাজশ্রী এস পারালকার দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, “গত ১৬ বছরে বাংলাদেশের দরিদ্র্য মানুষ ৫০ ভাগ কমেছে।” অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মুস্তফা কামাল বলেন, “দারিদ্র্যের হার আগে যে হারে কমেছিল, এখন সেই গতিতে কমবে না। কারণ এখন দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমে আসছে।”     নিজেদের নানা উদ্যোগে দারিদ্র্য ঘোচাচ্ছেন বাংলাদেশের মানুষ; গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বাজে তেলকুপি গ্রামের এই ফুয়ারা বেগম স্বাবলম্বী হয়েছেন কেঁচো চাষের মাধ্যমে (ফাইল ছবি)   ‘হাউজ হোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেনডিচার সার্ভে ২০১৬’ প্রকল্পের পরিচালক দিপঙ্কর রায় নতুন জরিপের প্রাথমিক তথ্য উপস্থাপন করেন। জরিপে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মানুষের খাদ্য বহির্ভূত ব্যয় বেড়ে যাওয়ার চিত্র তুলে ধরে দিপঙ্কর বলেন, এটি ‘উন্নয়নের একটি অন্যতম দিক নির্দেশক’। ২০১৬ সালে খাদ্য বহির্ভূত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ৩০ শতাংশে, যা ২০১০ সালে ছিল ৪৫ দশমিক ১৯ শতাংশ। সর্বশেষ জরিপের তথ্য অনুযায়ী দেশে খানা প্রতি মাসিক আয় দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৯৪৫ টাকা। এটি গ্রামাঞ্চলে ১৩ হাজার ৩৫৩ টাকা এবং শহরাঞ্চলে ২২ হাজার ৫৬৫ টাকা। ২০১০ সালে খানা প্রতি মাসিক আয় ছিল ১১ হাজার ৪৭৯ টাকা। এখন প্রতিটি খানার মাসিক ব্যয় ১৫ হাজার ৯১৫ টাকা। গ্রামাঞ্চলে ১৪ হাজার ১৫৬ টাকা এবং শহরাঞ্চলে ১৯ হাজার ৬৯৭ টাকা। ২০১০ সালে খানা প্রতি মাসিক ব্যয় ছিল ১১ হাজার ২০০ টাকা। অন্যান্য সূচক >> সর্বশেষ জরিপের তথ্য অনুযায়ী ২০১৬ সালে দেশে ৩০ দশমিক ৫ শতাংশ পাকা বাড়ি; যা ২০১০ সালে ছিল ২৫ দশমিক ১২ শতাংশ। >> ২০১০ সালে  টিন ও কাঠের বাড়ি ছিল ৩৮ দশমিক ৪৬ ভাগ; ২০১৬ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৪৯ দশমিক ১২ ভাগ। >> ২০১০ সালে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে এমন পরিবার ছিল ৫৫ দশমিক ২৬ ভাগ। ২০১৬ সালে বিদ্যুতের এই হার ৭৫ দশমিক ৯২ ভাগে উন্নীত হয়েছে। >> ২০১০ সালে স্বাক্ষরতার হার ছিল ৫৭ দশমিক ৯ ভাগ; ২০১৬ সালে এই হার  বেড়ে হয়েছে ৬৫ দশমিক ৬ ভাগ। >> সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচিতে উপকারভোগী ২০১০ সালে ছিল ২৪ দশমিক ৬ ভাগ; ২০১৬ সালে তা ২৮ দশমিক ৭ ভাগে উন্নীত হয়েছে। >> ২০১০ সালে দেশে অক্ষম লোকের হার ছিল ৯ দশমিক ০৭ শতাংশ, যা ২০১৬ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশে। >> ২০১০ সালে ৩২ শতাংশ মানুষ ছিল ঋণগ্রস্ত; ২০১৬ সালে এ হার কমে দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৭০ শতাংশে। কমেছে খাদ্যগ্রহণ ২০১৬ সালের জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষের মোট খাদ্য গ্রহণের হার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। ২০১০ সালে দৈনিক খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ ছিল এক হাজার গ্রাম, যা ২০১৬ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৯৭৬ গ্রাম। নতুন জরিপে চাল ও আটা গ্রহণের হার কমলেও ডাল, শাক-সবজি, মাংস ও ডিম খাওয়ার পরিমাণ বেড়েছে। ২০১০ সালে চাল ও আটা গ্রহণের পরিমাণ ছিল দৈনিক ৪১৬ দশমিক ০১ গ্রাম ও ২৬ দশমিক ০৯ গ্রাম;  ২০১৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৬৭ দশমিক ১৯ গ্রাম ও ১৯ দশমিক ৮৩ গ্রাম। পরিকল্পনামন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, “দেশের মানুষের ভাত, আটা খাওয়ার পরিমাণ কমেছে, এটা ভালো খবর।” ২০১০ সালে দৈনিক ২ হাজার ৩১৮ কিলো ক্যালরি গ্রহণ করা হলেও ২০১৬ সালে গ্রহণ করা হচ্ছে ২ হাজার ২১০ কিলো ক্যালরি। প্রোটিন গ্রহণের হার ২০১০ সালে ছিল ৬৬ দশমিক ২৬ গ্রাম এবং ২০১৬ সালে কমে হয়েছে ৬৩ দশমিক ৮০ গ্রাম। source : BDNEWS24 
  • জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল, প্রভাব নেই বাংলাদেশে
    বিশ্ববাজারে অশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৫০ ডলারের মধ্যে ঘুরপাক খেলেও বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম এখনো কমেনি। আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সমন্বয় করার প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা আজও কার্যকর হয়নি। ফলে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে তার কোন প্রভাব পড়েনি।সূত্র জানায়, গত বছররের পুরোটা সময় এবং চলতি বছরের বর্তমান সময় পর্যন্ত বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তেল নিয়ে গবেষণা করে এমন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও পূর্বাভাস দিয়েছে চলতি বছর জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৫৫ ডলারের ওপরে যাবে না। এই পূর্বাভাস সত্ত্বেও বাংলাদেশে তেলের দাম কমানো হচ্ছে না।সূত্র জানায়, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের চেয়ে বাংলাদেশে অনেক বেশি দামে ক্রেতাদের তেল কিনতে হচ্ছে। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু জ্বালানি মন্ত্রণালয় তাতে কর্ণপাত করেনি।  অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে- বিভিন্ন ধরণের জ্বালানি তেলের দাম ৫ থেকে ৮ ভাগ কমানোর সুযোগ রয়েছে। এই পরিমান দাম কমালেও তেল বিপণনকারী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) বছরে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা মুনাফা করবে।  এরপরও কমানো হচ্ছে না তেলের দাম। এ নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে রয়েছে মতভেদ।এর আগে চলতি বছরের শুরুতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চার ধরণের তেলের দাম কমানোর সুপারিশ করা হয়। এগুলো হচ্ছে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেন। লিটার প্রতি ডিজেল ও কেরোসিন ৮ ভাগ এবং পেট্রোল ও অকটেনের দাম ৫ ভাগ কমানোর কথা বলা হয়। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম কমানোর কোনো প্রস্তাব দেয়া হয়নি। কারণ, বিগত দিনে এই তেলের দাম লিটার প্রতি ৩০ ভাগ হ্রাস করা হয়েছিল। সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ অনুযায়ী প্রতি লিটার অকটেন বিদ্যমান ৮৯ টাকা থেকে কমিয়ে ৮৪ দশমিক ৫৫ টাকা, পেট্রোল ৮৬ টাকা থেকে ৮১ দশমিক ৭০ টাকা, ডিজেল ও কেরোসিন ৬৫ টাকা থেকে কমিয়ে ৬০ টাকার করার কথা সুপারিশ করা হয়। তবে বিমানের জন্য জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের মূল্য কমানোর কোনো প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে না। এগুলো বিদ্যমান দামে বিক্রি হবে। এখন এই দুটি জ্বালানি লিটার প্রতি বিক্রি হচ্ছে জেট ফুয়েল ৬৩ টাকা এবং ফার্নেস ওয়েল ৪২ টাকা করে।চার ধরণের তেলের দাম কমানোর সুপারিশ করা হলেও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এগুলো বিক্রি করে লাভ করবে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রস্তাব অনুযায়ী তেলের দাম কমানো হলেও বিপিসি লিটার প্রতি অকটেনে মুনাফা করবে ৬ টাকা ৯ পয়সা, কেরোসিনে ১০ টাকা ৫৬ পয়সা, ডিজেলে ৩ টাকা ২২ পয়সা এবং পেট্রোলে মুনাফা হবে ৫ টাকা ৮ পয়সা। আর বছরে এই চার পণ্য বিক্রিতে বিপিসি’র মুনাফা দাঁড়াবে মোট এক হাজার ৮৫৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা।সূত্র জানায়, গত বছরের এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের দাম একদফা কমানো হয়েছিল। তখন লিটার প্রতি অকটেন ৯৯ টাকা থেকে ৮৯ টাকা, কেরোসিন ৬৮ টাকা থেকে ৬৫ টাকা, ডিজেল ৬৮ টাকা থেকে ৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ৯৬ টাকা থেকে ৮৬ টাকায় নামিয়ে আনা হয়।ফার্নেস অয়েলের দাম না কমানোর পেছনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হচ্ছে-ইতিপূর্বে ফার্নেস অয়েলের দাম লিটার প্রতি ৩০ ভাগ কমানো হয়েছে। ফলে এর দাম লিটার প্রতি ৬০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ৪২ টাকা। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপানকারীরা লাভ করছে। এবং জনগণও এর সুফল ভোগ করছে। তবে দাম কমানোর পরও বিপিসি এই পণ্যটি বিক্রি করে লিটার প্রতি মুনাফা করছে ২ টাকা ৪৬ পয়সা। যেহেতু আগে ফার্নেস অয়েলের মূল্য ৩০ ভাগ কমানো হয়েছে তাই এ পর্যায়ে এটির দাম আরও কমানো যুক্তিযুক্ত হবে না বলে মতামত দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, তবে তেলের দাম কমানোর সুপারিশ আমলে নিচ্ছে না জ্বালানি মন্ত্রণালয়। তাদের যুক্তি হচ্ছে, বিপিসি এর আগে তেল বিক্রি করে লোকসান গুণেছে। এখন বেশ কয়েক বছর ধরে তারা লাভে রয়েছে। তাই এই মুনাফা কমানো উচিত হবে না। source : risingbd
  • আমানতের চেয়ে ঋণের প্রবৃদ্ধি দ্বিগুণ
      নতুন করে যে পরিমাণ আমানত আসছে, কয়েকটি ব্যাংক তার দ্বিগুণ ঋণ বিতরণ করছে। ফলে ঋণ আমানত অনুপাতের সীমা অতিক্রম করছে ওই ব্যাংকগুলো। এভাবে আগ্রাসী ব্যাংকিং করায় গ্রাহকদের আমানত ঝুঁকিতে পড়ছে। এতে পুরো ব্যাংক খাতে আমানতের চেয়ে ঋণ দ্বিগুণ হয়ে গেছে। অর্থাৎ ৫০ টাকা আমানত এলে ব্যাংকগুলো ঠিক ওই সময়ে ১০০ টাকা ঋণ বিতরণ করছে। ঋণের অর্থ জোগান দিতে অনেক ব্যাংক বিভিন্ন বিল ও বন্ডে থাকা বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। সংকটে থাকা কয়েকটি ব্যাংক অন্য ব্যাংক থেকে ধার করে ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছে।এদিকে আমানতের সুদ হার কমে যাওয়ায় অনেকটা ব্যাংকবিমুখ হয়ে পড়ছেন গ্রাহকেরা। সঞ্চিত অর্থ বিনিয়োগে সবাই সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকছেন। ঝুঁকি নিয়ে অনেকে শেয়ারবাজার ও সমবায় সমিতিতেও অর্থ বিনিয়োগ করছেন। আমানতের চেয়ে ঋণ বিতরণ বেশি হওয়ায় কয়েকটি ব্যাংক তারল্য-সংকটে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঋণের চাপ বাড়ায় ইতিমধ্যে কলমানিতেও সুদের হার বেড়ে গেছে।সুদ হার কমায় দুই বছর ধরেই আমানতের প্রবৃদ্ধি কমে গেছে। ঋণের চাহিদা না থাকায় ব্যাংকগুলোও আমানতের দিকে নজর দেয়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ঋণ বিতরণ অনেক বেড়েছে। যদিও চাহিদানুযায়ী আমানত বাড়েনি। ফলে আবারও সুদ হার বাড়াতে শুরু করেছে ব্যাংকগুলো।ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সুদ কম হওয়ায় গ্রাহকেরা সঞ্চয়পত্র ও শেয়ারবাজারে ঝুঁকেছেন। এ কারণে আমানতের প্রবৃদ্ধি কমে গেছে। এরপরও কয়েকটি ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্রে আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। সামনে সরকারি ও জ্বালানি খাতে ঋণের চাহিদা বাড়বে। এ কারণে ব্যাংকগুলোর ভেবেচিন্তে বিনিয়োগে যাওয়া উচিত হবে।স্বাভাবিকভাবে আমানতের চেয়ে ঋণের প্রবৃদ্ধি কম হওয়ার কথা। আমানত ও ঋণের প্রবৃদ্ধি ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ছিল যথাক্রমে ১৬ দশমিক ৬৮ ও ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আর গত আগস্টে আমানতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ। ওই সময়ে ঋণের প্রবৃদ্ধি বেড়ে হয়েছে ১৫ দশমিক ৭ শতাংশ।বেসরকারি খাতের প্রিমিয়ার ব্যাংকে গত আগস্টে আমানতের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৬ দশমিক ৮১ শতাংশ। তবে ওই সময়ে ব্যাংকটির ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩০ দশমিক ২৯ শতাংশ। এর ফলে ঋণ আমানত অনুপাত হয়েছে ৯০ শতাংশ। যদিও প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর জন্য ওই সীমা ৮৫ শতাংশ ও ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোর জন্য ৯০ শতাংশ।বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংকে আমানতের প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক হয়ে পড়েছে। আমানতের প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ৯ শতাংশ হলেও ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৫ শতাংশ। ইসলামী ব্যাংকের আমানতের প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ হলেও ঋণের প্রবৃদ্ধি প্রায় ১৮ শতাংশ। ফারমার্স ব্যাংকের আমানতের প্রবৃদ্ধি ২৭ শতাংশ হলেও ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৫ শতাংশ। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া ঋণ আমানত অনুপাতের সীমা অতিক্রম করেছে ব্যাংকটি।এনসিসি ব্যাংকের আমানত ও ঋণের প্রবৃদ্ধি যথাক্রমে ১৪ ও ২১ শতাংশ। ফলে ঋণ আমানত অনুপাত বেড়ে হয়েছে ৯০ শতাংশ। ওয়ান ব্যাংকের আমানত ও ঋণের প্রবৃদ্ধি যথাক্রমে ১৭ ও ৩০ শতাংশ। ব্যাংকটির ঋণ আমানত অনুপাত বেড়ে হয়েছে ৯০ শতাংশ। নতুন প্রজন্মের ইউনিয়ন ব্যাংকেরও ঋণ আমানত অনুপাত ৯০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। বেসিক ব্যাংকও আবার আগ্রাসী ব্যাংকিং শুরু করেছে। ফলে ব্যাংকটির ঋণ আমানত অনুপাত ৯৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে ব্যাংকগুলোর আমানত দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। এই সময়ে ব্যাংকগুলোর ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৪৭০ কোটি টাকা। একটি ব্যাংক আমানতের ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দিতে পারে। ইসলামি ব্যাংকগুলো পারে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত।এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান বলেন, ‘মুনাফার হার কমায় আগের মতো আমানত মিলছে না। এ জন্য আমরা বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে আমানত সংগ্রহ করেছি। বন্ডে থাকা বিনিয়োগও প্রত্যাহার করা হচ্ছে।’সঞ্চয়পত্রে টাকা খাটিয়ে ব্যাংক আমানতের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি মুনাফা পাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি বেড়েছে ব্যাপক। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে ৯ হাজার ২৯ কোটি টাকা নিয়েছে সরকার। এতে সঞ্চয়পত্রে সরকারের মোট ঋণ ২ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অধিক মুনাফার আশায় শেয়ারবাজারেও যাচ্ছেন মানুষ। ২০১৬ সালেও দেশের দুই বাজারে গড় লেনদেন ছিল ৫০০ কোটি টাকার আশপাশে। তবে চলতি বছরের শুরু থেকেই লেনদেন বাড়তে শুরু করে। বাজেট ঘোষণার পর গড় লেনদেন হাজার কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যায়। source : prothom-alo
  • গাড়ি আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয় ক্রমাগত বাড়ছে
        গাড়ি আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ার সুবাদে কয়েক বছর ধরে মোংলা বন্দর কাস্টমস হাউসের রাজস্ব আয় ধারাবাহিকভাবে বেড়ে চলেছে। সর্বশেষ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি হয়েছে ১৫ হাজার ৯০৭টি। এর বিপরীতে মোংলা কাস্টমস হাউস রাজস্ব আদায় করেছে ৩ হাজার ৩৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এই আয় আগের অর্থবছরের তুলনায় ২ দশমিক ১৯ শতাংশ বেশি। মোংলা কাস্টমস হাউস সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী গাড়ি আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এই বন্দরের কাস্টমস হাউস কখনো কখনো লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হয়েছে। যেমন ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১ হাজার ৮১৩ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছিল ১ হাজার ৯৩৭ কোটি ১০ লাখ টাকা। আগের বছরের তুলনায় ওই বছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৩২ দশমিক ২৭ শতাংশ। ২০১৪-১৫ বছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ২২৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা, আদায় হয়েছিল ২ হাজার ৪১৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা। তখন প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ। ২০১৫-১৬ বছরে ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছিল ২ হাজার ৯৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার কোটি টাকা, আদায় হয়েছিল ৩ হাজার ৩৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। তবে এ বছরে প্রবৃদ্ধির হার কমে ২ দশমিক ১৯ শতাংশে নেমে আসে। এদিকে চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ৭২১ কোটি ১৩ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। এই সময়ে আমদানি হয়েছে ৩ হাজার ২১২টি গাড়ি। মোংলা বন্দরের ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩ জুন প্রথম ঢাকার গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হক’স বে অটোমোবাইলস জাপান থেকে ২৫৫টি নতুন ও রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি করে। পরবর্তী ২০০৯-১০ অর্থবছরে এই বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি ব্যাপক হারে বেড়ে ৩ হাজার ১১৯টিতে উন্নীত হয়। এই ধারা পরের বছরগুলোতে অব্যাহত থাকে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আমদানি হয় ১৪ হাজার ৯৬৯টি গাড়ি, যা পরবর্তী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৯০৭টিতে। মোংলা কাস্টমস হাউসের উপকমিশনার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাজস্ব আয়ের অধিকাংশই আসছে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায়। এই বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানির প্রথম বছর ২০০৯-১০ সালে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৩৪৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, যা গত অর্থবছরে বেড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এ ছাড়া পদ্মা সেতু নির্মাণ, এলপিজি প্ল্যান্ট এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায়ও মোংলা বন্দরের রাজস্ব আয় বেড়েছে। মোংলা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মারগুব আহমদ বলেন, ‘আমদানি করা পণ্যের সঠিক শুল্কায়ন হওয়া ও ব্যবসায়ীদের সহায়তামূলক মনোভাবের ফলে এই বন্দরের রাজস্ব আয় বাড়ছে। দামি গাড়িগুলোর শুল্কায়নের ক্ষেত্রে আমরা সব সময়ই আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য যাচাই করে থাকি, যাতে শুল্কায়ন সঠিক ও নির্ভুল হয়।’ মারগুব আহমদ আরও বলেন, কাস্টমস শুধু শুল্কই আদায় করে না, সেই সঙ্গে অবৈধ বা দেশের জন্য ক্ষতিকারক পণ্য যাতে ঢুকতে না পারে, সে ব্যাপারেও সচেষ্ট থাকে। পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলে ভবিষ্যতে ব্যবসায়ীরা আরও বেশি করে মোংলা বন্দরমুখী হবেন এবং কাস্টমসের আয়ও তখন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।   source :prothom-alo
  • চামড়ার ব্যবসা ভালো যায়নি এ মৌসুমে
    দেশের সবচেয়ে বড় চামড়ার বাজার নাটোরের চকবৈদ্যনাথে এবার ঈদুল আজহাকে ঘিরে বেচাকেনা ভালো হয়নি। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঢাকার ট্যানারি মালিকেরা রীতি অনুযায়ী এ বছর ঈদের আগে টাকা পরিশোধ করেননি। তাই পুঁজির অভাবে তাঁরা কোরবানির চামড়া কিনতে পারেননি। অনেকে ধারকর্জ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ফড়িয়াদের কাছ থেকে যে অল্পসংখ্যক চামড়া কিনেছেন, তা-ই বাজারে কেনাবেচা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এ বছর ট্যানারি মালিকেরা এ বাজার থেকে চামড়া কেনা শুরু করতেও কমপক্ষে দুই সপ্তাহ দেরি করেছেন। এবার কাঁচা চামড়ার দাম অন্যাবারের চেয়ে তুলনামূলক কম ছিল। নাটোর চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চকবৈদ্যনাথে প্রায় আড়াই শ ব্যবসায়ী রয়েছেন। দেশের উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের ১৬টি জেলার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চকবৈদ্যনাথ চামড়া বাজারে কাঁচা চামড়া বিক্রি করেন। ঈদুল আজহা ঘিরে এ বাজারে চামড়া বেচাকেনা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়। ট্যানারি মালিকেরা গিয়ে সেখানকার আড়তদারদের মাধ্যমে এসব চামড়া কিনে ঢাকায় আনেন। ঈদের পর এক মাস পর্যন্ত এ বাজার জমজমাট থাকে। সাধারণত প্রথম সপ্তাহে কাঁচা চামড়া কেনেন আড়তদারেরা। পরের তিন সপ্তাহ ধরে ট্রাকে করে চামড়া ঢাকায় পাঠানো হয়। দেরি করলেও গত মাসের শেষ দিক থেকে ট্যানারি মালিকেরা চামড়া কিনতে শুরু করেছেন। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে। কিন্তু চামড়ার বেচাকেনা আগের মতো জমেনি। ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, গত কোরবানির মৌসুমে চামড়া বিক্রি বাবদ তিনি ঢাকার কয়েকজন ট্যানারি মালিকের কাছ থেকে দুই কোটি টাকারও বেশি পাবেন। ব্যবসায়িক রীতি অনুযায়ী এই বকেয়া টাকা কোরবানির ঈদের আগের সপ্তাহে পরিশোধ করার কথা। কিন্তু তাঁরা টাকা পরিশোধ করেননি। ফলে গতবারের তুলনায় তিনি এবার অর্ধেক পরিমাণ চামড়া কিনতে পেরেছেন। বাজারের ফড়িয়া ব্যবসায়ী রমজান আলী বলেন, তিনি স্থানীয় একজন আড়তদারের কাছে ২০ লাখ টাকা পাবেন। ওই আড়তদার জানিয়েছেন, ট্যানারি মালিক বকেয়া পরিশোধ করেননি, তাই আড়তদারও তাঁর টাকা পরিশোধ করতে পারবেন না। বকেয়া আদায় না হওয়ায় এবং ব্যবসায় মন্দা দেখা দেওয়ায় চামড়া ব্যবসায়ীদের অনেকেই অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। নাটোর চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সদস্য বাবু ইসলাম বলেন, ‘আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। দুই বছর ধরে আমার ২০ লাখ টাকা বকেয়া পড়ে আছে। রাগ করে এবার চামড়া কেনাবেচা করিনি। যা পুঁজি ছিল, তা দিয়ে একটা পুরোনো প্রাইভেট কার কিনে নিজেই ভাড়ায় চালাচ্ছি। কোনো রকমে সংসার চলে যাচ্ছে।’ সংগঠনটির সহসভাপতি লুৎফর রহমান বলেন, সারা দেশে যে পরিমাণ চামড়া বাজারে আসে, তার ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ বেচাকেনা হয় চকবৈদ্যনাথে। অথচ এখানকার ব্যবসায়ীদের প্রতি কেউ নজর দেন না। তিনি বলেন, ‘সরকার কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কাঁচা চামড়া কেনার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে ঢাকার ট্যানারি মালিকদের ঋণ দেয়। সেই টাকা দিয়ে নগদে আমাদের কাছ থেকে চামড়া কেনার কথা। কিন্তু তাঁরা চামড়ার দাম বাকি রাখেন বছরের পর বছর। এ সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের মাঠ পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের সরাসরি ঋণ দেওয়া উচিত।’ সংগঠনের সভাপতি শরিফুল ইসলামও একই দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি মানা না হলে চামড়া ব্যবসা টিকবে না। আমরা চামড়ার ব্যবসা ছেড়ে অন্য ব্যবসায় চলে যেতে বাধ্য হব।’ source : prothom-alo
  • ইসলামী ব্যাংক ছাড়ছেন বিদেশি মালিকেরা
      মালিকানা পরিবর্তনের পর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। এর আমানতের প্রবৃদ্ধি কমেছে, কিন্তু বেড়েছে ঋণ দেওয়া। বেড়েছে খেলাপি ঋণও।আবার ইসলামী ব্যাংক ছেড়ে যাচ্ছেন বিদেশি মালিকেরাও। প্রতিষ্ঠাকালীন (১৯৮৩) দেশের সবচেয়ে বড় এই ব্যাংকের ৭০ শতাংশ পুঁজি জোগান দিয়েছিলেন বিদেশিরা। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের শেয়ার কমে হয়েছে ৩২ শতাংশ।২০১৩ সালে ইসলামী বাংক নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হওয়ার পরই ব্যাংকটি ছাড়তে শুরু করেন বিদেশিরা। গত ৫ জানুয়ারি ব্যাংকটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় হঠাৎ পরিবর্তনের পর তা প্রকট হয়েছে। বিদেশিদের ছেড়ে দেওয়া শেয়ার বিভিন্ন নামে ২ শতাংশ করে কিনছে চট্টগ্রামভিত্তিক একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। গত এক বছরে নতুন নতুন দেশীয় কোম্পানির নামে ব্যাংকটির ২৫ শতাংশ শেয়ার কেনা হয়েছে। পর্ষদে বড় ধরনের পরিবর্তনের পর গত ২৪ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে উদ্বেগ জানিয়ে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইডিবি) প্রেসিডেন্ট বন্দর এম এইচ হাজ্জার লিখেছিলেন, আইডিবিসহ সৌদি আরব, কুয়েতের উদ্যোক্তাদের ৫২ শতাংশ শেয়ার থাকার পরও ব্যাংকটির সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তারা কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। তবে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিদেশিরা শুরুর দিকে ব্যাংকে এসেছিলেন। তাই অনেকেই চলে যাচ্ছেন। আবার অনেকে নতুন করে আসার আগ্রহও দেখাচ্ছেন। এটা নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।’ আরাস্তু খান আরও বলেন, ‘এটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ইসলামী ব্যাংক। দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাংক। তাই এই ব্যাংক নিয়ে সবার আগ্রহ বাড়ছে। বর্তমানে ব্যাংকে স্বাভাবিক কার্যক্রম ভালো চলছে, আমানতও বাড়ছে।’ ছেড়ে যাচ্ছেন বিদেশিরা বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক সূত্র জানায়, ১৯৮৩ সালে ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ১৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছিল ৭০ শতাংশ। বাকি অর্থের জোগান দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার এবং কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। তবে ধীরে ধীরে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ার ছাড়তে শুরু করে। ২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হলে ইসলামী ব্যাংকের বেশ কিছু শাখা ও এটিএম বুথে ভাঙচুর হয়। ব্যাংকটির সঙ্গে জামায়াতের রাজনীতির যোগসূত্র থাকার অভিযোগ ওঠে। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া মীর কাসেম আলী ব্যাংকটির সাবেক পরিচালক। ২০১৩ সালে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন জামায়াতের নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ আবদুজ জাহের। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার ত্বরান্বিত হলে তিনিও দেশ ছেড়ে চলে যান। ২০১৫ সালের জুনে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হন মুস্তাফা আনোয়ার। ইসলামী ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন উদ্যোক্তা বাহরাইন ইসলামিক ব্যাংক তাদের হাতে থাকা পুরো শেয়ার বিক্রি করে চলে যায়। ২০১৫ সালে আরেক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান দুবাই ইসলামিক ব্যাংকও সব শেয়ার বিক্রি করে দেয়। ২০১৬ সালে দেশীয় ইউনাইটেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠান হজরত শাহজালাল (রহ.) ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি লিমিটেড ব্যাংকটির ৩ কোটি ২৫ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৫টি শেয়ার কেনে। ওই বছরই ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তাদের পক্ষে পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ২১ জুলাই ব্যাংকটির পর্ষদ সভায় গ্রুপটির পক্ষে পরিচালক প্রত্যাহার করা হলে তাদের সব শেয়ার কিনে নেয় গ্র্যান্ড বিজনেস নামের চট্টগ্রামভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান। মূলত এটাই ছিল ব্যাংকটির মালিকানা বদলের শুরু। ওই বছরই বিভিন্ন খাতের আরও আটজনকে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যাঁরা ব্যাংকটি পরিচালনায় মূল ভূমিকা রাখতে শুরু করেন। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে আরমাডা স্পিনিং মিলস নামের একটি প্রতিষ্ঠান ব্যাংকটির শেয়ার কেনে এবং সাবেক সচিব আরাস্তু খানকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়। এরপর গত ৫ জানুয়ারি ব্যাংকটির পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসে। আরাস্তু খান নতুন চেয়ারম্যান হন। বড় এই পরিবর্তনের পর ইসলামী ব্যাংকের ৮ কোটি ৬৯ লাখ শেয়ার বিক্রি করে দেয় উদ্যোক্তা পরিচালক আইডিবি। গত মে মাসে প্রতিটি শেয়ার ৩১ টাকা ৫০ পয়সা দামে ২৭৪ কোটি টাকায় এসব শেয়ার কেনে বাংলাদেশেরই চার প্রতিষ্ঠান। আইডিবির ছেড়ে দেওয়া সিংহভাগ শেয়ার কিনেছে এক্সেল ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বদরুন নেসা আলম চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের প্রধান সাইফুল আলমের বোন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর কুয়েতের সরকারি ব্যাংক কুয়েত ফাইন্যান্স হাউস চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে প্রায় আড়াই শ কোটি টাকায় সব শেয়ার বিক্রি করে দেয়। প্রতিষ্ঠানটির কাছে ইসলামী ব্যাংকের সোয়া ৫ শতাংশ শেয়ার ছিল। তবে এখনো কুয়েত সরকারের আরেক প্রতিষ্ঠান দ্য পাবলিক ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল সিকিউরিটির নামে ১০ কোটি ৪০ লাখ ৪৪ হাজার ৯৪১ শেয়ার রয়েছে, যা ব্যাংকটির মোট শেয়ারের প্রায় সাড়ে ৬ শতাংশ। ব্যাংকটিতে কুয়েতের তিন প্রতিষ্ঠানের ১৫ শতাংশ শেয়ার ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক জেপি মরগানের একজন গ্রাহক ২০১৫ সালের শেষ দিকে ইসলামী ব্যাংকের ৪ দশমিক ১৬ শতাংশ শেয়ার কেনে। সম্প্রতি শেয়ার ছেড়ে দেওয়ায় তাদের অংশীদার কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৬৮ শতাংশ। ব্যাংকের অবনতি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তনের পর বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। একদিকে ব্যাংকটিতে আমানত আসা কমে গেছে, পাশাপাশি কমেছে আয়ও। অন্যদিকে বেড়ে গেছে ঋণ বিতরণ। খেলাপি ঋণও বেড়ে গেছে। তাই নগদ অর্থের সংকট তৈরি হয়েছে ব্যাংকটিতে। গত ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণ ছিল ২ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা, গত জুনে তা বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ, ৬ মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা।গত চার বছরের সঙ্গে তুলনা করলে ব্যাংকটিতে সবচেয়ে কম আমানত এসেছে চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে। এই সময়ে আমানত এসেছে ২ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা। অথচ গত বছরের প্রথম ছয় মাসে আমানত এসেছিল ৩ হাজার ৩১০ কোটি টাকা। আর ২০১৫ সালের প্রথমার্ধে আমানত আসে ৩ হাজার ৫৯৯ কোটি এবং ২০১৪ সালের একই সময়ে ছিল ৫ হাজার ২০৯ কোটি টাকা।আমানতপ্রবাহ কমলেও এই ছয় মাসে ব্যাংকটির ঋণ বিতরণ অবশ্য গত চার বছরের তুলনায় বেশি হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটি ৫ হাজার ৩১ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৫২১ কোটি টাকা। ২০১৫ ও ২০১৪ সালের প্রথম ছয় মাসে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ২ হাজার ৬৯৫ ও ২ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা।কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো সর্বশেষ হিসাবে, ব্যাংকটির আমানতের প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ। তবে ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। ফলে ঋণ আমানত অনুপাত বেড়ে হয়েছে ৮৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ। ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোর জন্য এই সীমা সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ। source : prothom-alo
  • খাদ্যে খরচ কমেছে, পোশাক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বেড়েছে
    গত ছয় বছরে এ দেশের মানুষের খাবারের অভ্যাসের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ আগের চেয়ে কম খাচ্ছে। তারা এখন ভাত কম খায়। ফলমূল, দুধ, চিনি খাওয়াও কমিয়ে দিয়েছে। তবে মাছ-মাংস, শাকসবজি, ডিম, তেল ও মসলাজাতীয় খাবার বেশি খায়। সার্বিকভাবে খাবারের চেয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যাতায়াত, বিনোদনসহ অন্য খাতেই বেশি খরচ করে তারা।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ খানার আয় ও ব্যয় নির্ধারণ জরিপ–২০১৬তে এই চিত্র পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।জরিপ অনুযায়ী, সার্বিকভাবে খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ কমে গেছে। এখন দিনে একজন মানুষ গড়ে ৯৭৬ গ্রাম খাবার খায়। ২০১০ সালে এর পরিমাণ ছিল ১ কেজি বা ১ হাজার গ্রাম।খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের ফলে খরচের খাতগুলোও বদলে গেছে। বিবিএস বলছে, আগে মোট খরচের ৫৪ শতাংশই খাবার কেনায় যেত। এখন তা কমে ৪৭ শতাংশে নেমে এসেছে। একটি পরিবার মাসে গড়ে ১৫ হাজার ৮৯৩ টাকা আয় করে। এর মধ্যে ৭ হাজার ৩৫৪ টাকা খাবার কিনতে খরচ করে। গ্রামের একটি পরিবার খাবারের পেছনে মাসে খরচ করে ৭ হাজার টাকা। শহরে এর পরিমাণ ৮ হাজার ২৫৫ টাকা।এই বিষয়ে জরিপটির প্রকল্প পরিচালক দীপঙ্কর রায় প্রথম আলোকে বলেন, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন উন্নয়নের নির্দেশক। আয় বেশি হলে মানুষ খাবারের পাশাপাশি খাদ্যবহির্ভূত খাতেও খরচ করে। কেননা, ইচ্ছে করলেই তারা বেশি খেতে পারবে না। ফলে তারা পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, পোশাক-আশাক, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে খরচ করে বা খরচ বাড়িয়ে দেয়। ভাতআগের চেয়ে ভাত খাওয়া কমেছে। ২০১০ সালে একজন মানুষ দিনে গড়ে ৪১৬ গ্রাম চাল বা ভাত খেত। ২০১৬ সালের জরিপে দেখা গেছে, এখন তারা দিনে গড়ে ৩৬৭ গ্রাম ভাত খায়। তবে গ্রামের চেয়ে শহরের মানুষের মধ্যে ভাত খাওয়ার প্রবণতা কম। শহরের মানুষ দৈনিক গড়ে ৩১৬ গ্রাম ভাত খায়। আর গ্রামের মানুষ সেখানে ৩৮৬ গ্রাম ভাত খায়। ছয় বছরের ব্যবধানে গ্রাম-শহরনির্বিশেষে ভাত খাওয়া কমেছে। মাংসগরু ও খাসির মাংস খাওয়ার প্রবণতা কমলেও মুরগি খাওয়া বেড়েছে। গত ছয় বছরে গরু ও খাসির মাংসের দাম তুলনামূলক বেশি বেড়েছে। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম সেই তুলনায় কম বেড়েছে। বিবিএসের জরিপ অনুযায়ী, এখন একজন মানুষ দিনে গড়ে ৭ দশমিক ৫৪ গ্রাম মাংস খায়। খাসির মাংস খায় গড়ে আধা গ্রাম। গ্রাম-শহরনির্বিশেষে গরু ও খাসির মাংস খাওয়া কমেছে। অন্যদিকে একজন মানুষ মুরগির মাংস খায় দিনে গড়ে ১৭ দশমিক ৩৩ গ্রাম। ছয় বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ১১ দশমিক ১১ গ্রাম। মাছমাছ খাওয়া ব্যাপক হারে বেড়েছে। এখন একজন মানুষ দিনে গড়ে যেখানে ৬২ দশমিক ৫৮ গ্রাম মাছ খায়, আগে তারা খেত সাড়ে ৪৯ গ্রাম। তবে গ্রামের চেয়ে শহরের মানুষ বেশি মাছ খায়। শহরের একজন নাগরিক দৈনিক প্রায় ৬৮ গ্রাম মাছ খায়, গ্রামের মানুষ ৬০ গ্রাম। দুধ-ডিমডিম খাওয়া বাড়লেও দুধ খাওয়া কমেছে। আগের চেয়ে দ্বিগুণ ডিম খায় এ দেশের মানুষেরা। মানুষ দিনে গড়ে ১৩ দশমিক ৫৮ গ্রাম ডিম খায়। আর দুধ ও দুগ্ধজাতীয় খাদ্য খায় দিনে গড়ে ২৭ দশমিক ৩১ গ্রাম। আগে দৈনিক প্রায় ৩৪ গ্রাম দুধ ও দুগ্ধজাতীয় খাবার খেত তারা। শাকসবজি-ফলমূলছয় বছরের ব্যবধানে শাকসবজি খাওয়া খুব বেশি বাড়েনি। এখন গ্রাম-শহরনির্বিশেষে একজন মানুষ গড়ে ১৬৭ গ্রাম সবজি খায়, যা আগের চেয়ে মাত্র ১ গ্রাম বেশি। তবে ছয় বছরের ব্যবধানে ফল খাওয়া বেশ কমেছে। একজন মানুষ দৈনিক গড়ে ৩৫ গ্রাম ফল খায়, আগে ছিল ৪৫ গ্রাম। বিশেষ করে গ্রামে ফল খাওয়া বেশ কমেছে।মৌলিক চাহিদার ব্যয় পদ্ধতির মাধ্যমে দারিদ্র্য পরিস্থিতি পরিমাপ করে বিবিএস। জরিপ করে খানা বা পরিবারের আয়-ব্যয়, ভোগ, পুষ্টিমান, জীবনযাত্রা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ইত্যাদির তথ্য নেওয়া হয়। কোনো ব্যক্তি দিনে ২ হাজার ১২২ কিলোক্যালরির খাবার কেনার সামর্থ্যের পরও কিছু টাকা খাদ্যবহির্ভূত পণ্যেও খরচ করতে পারে, তারা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। যাদের দৈনিক মোট খরচ করার সামর্থ্য ২ হাজার ১২২ কিলোক্যালরি খাদ্য কেনার সমান, তারা হতোদরিদ্র। source : prothom-alo
  • বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী
    বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। সোমবারও এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা লক্ষ্য করা গেছে। এর আগে গত শুক্রবার তেলের দাম চলতি মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে। খবর- রয়টার্সের। মূলত পারমাণবিক চুক্তির জের ধরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা এবং চীনে তেল আমদানি বৃদ্ধির খবরে গত শুক্রবার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পায়। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রাসী নীতি গ্রহণের সম্ভাবনায় ওইদিন যুক্তরাষ্ট্রে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়ে যায়। তবে স্থিতিশীল ছিল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম। ওইদিন যুক্তরাষ্ট্রে ডব্লিউটিআইয়ের দাম আগের দিনের তুলনায় ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেড়েছিল। এ ছাড়া অক্টোবরে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি ব্যারল ডব্লিউটিআই বিক্রি হয় ৫১ ডলার ৪২ সেন্টে, যা আগের দিনের তুলনায় ৮২ সেন্ট বেশি। দিনের শুরুতে তেলের ব্যারলপ্রতি ৫১ ডলার ৪৫ সেন্টে বিক্রি হয়। source : the reportar
  • জিএসপি পর্যালোচনা চায় ৫ ট্রেড ইউনিয়ন
    বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে অব্যাহতভাবে শ্রম অধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার অভিযোগ এনেছে শ্রম অধিকার নিয়ে কাজ করা পাঁচটি আন্তর্জাতিক জোট। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তারা পণ্য রপ্তানিতে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা বা জিএসপি পুনর্বিবেচনার জন্য বাংলাদেশে একটি তদন্ত দল প্রেরণ করতে ইউরোপীয় কমিশনের (ইসি) কাছে দাবি করেছে। বাংলাদেশের জিএসপি পুনর্বিবেচনার দাবি করা পাঁচ জোট হচ্ছে ক্লিন ক্লথ ক্যাম্পেইন, ইন্ডাস্ট্রিঅল গ্লোবাল ইউনিয়ন, দ্য ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন, দ্য ইউরোপিয়ান ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন ও ইউএনআই গ্লোবাল ইউনিয়ন। তারা শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণ করতে গতকাল বুধবার ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশের পোশাকশিল্প: সাসটেইনেবল কমপ্যাক্টের ব্যর্থতা’ নামে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে। শ্বেতপত্রে শ্রম আইন সংশোধন, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার, ইউনিয়ন নিবন্ধনের উন্নতি এবং ইউনিয়নবিরোধী কার্যক্রম বন্ধ না হওয়াকে গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এসব ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। শ্বেতপত্রে কয়েকটি কারখানার শ্রমিক নির্যাতনের তথ্যও তুলে ধরা হয়। শ্বেতপত্রটি ইউরোপিয়ান কমিশনে পাঠিয়েছে পাঁচ জোট। বিবৃতি দিয়ে তারা বলেছে, বাংলাদেশ সরকার সাসটেইনটেবল কমপ্যাক্ট অমান্য করছে। ক্লিন ক্লথ ক্যাম্পেইনের বেন ভ্যানপিপিরাস্ট্রিই এক বিবৃতিতে বলেছেন, শ্রম আইন সংশোধনে সামান্যতম অগ্রগতি হয়নি। ইপিজেডে শ্রম সংঘ নিশ্চিত করার বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সেটি পরিষ্কার না। ইউনিয়ন করতে গিয়ে অনেক কারখানার শ্রমিকেরা নির্যাতিত হওয়ার তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। কিন্তু শ্রম অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ চার বছর সময় পেয়েছে। ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের পর পোশাকশিল্পের কর্মপরিবেশ উন্নতি ও শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতে চারপক্ষীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওই বছরের জুলাই মাসে জেনেভায় বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ ও আইএলওর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা এক বৈঠকে যোগ দিয়ে ‘স্টেইং এনগেইজড অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি কমপ্যাক্ট উইথ বাংলাদেশ’ নামের উদ্যোগের ঘোষণা দেয়। সংক্ষেপে এটি কমপ্যাক্ট নামে পরিচিত। পরে এই উদ্যোগের সঙ্গে কানাডা যুক্ত হয়। গত মে মাসে ঢাকায় কমপ্যাক্টের তৃতীয় পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শ্রমিকের স্বার্থ সুরক্ষায় যৌথ দর-কষাকষির অভিন্ন অধিকার চালু করতে দেশের ইপিজেড আইন সংশোধনের জন্য বাড়তি সময় পায় বাংলাদেশ। দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চেয়েছিল ইইউসহ বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদারেরা। তবে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ইইউ জিএসপি অব্যাহত রাখা নিয়ে তদন্ত দলও গঠন করা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন কমপ্যাক্ট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা। এদিকে, গত বছরের জুনে আন্তর্জাতিক লেবার কনফারেন্সে (আইএলসি) বাংলাদেশ-সম্পর্কিত বিশেষ অনুচ্ছেদ যুক্ত হয়। এতে বলা হয়, শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে পদক্ষেপের ঘাটতি ও ব্যর্থতা অত্যন্ত উদ্বেগের। এ ক্ষেত্রে শ্রম আইন, ২০১৩তে সংশোধনী আনা, ইপিজেড আইনে সংগঠিত হওয়ার অধিকার পুরোপুরি নিশ্চিত করা, ট্রেড ইউনিয়নবিরোধী বৈষম্যের তদন্ত করা এবং ইউনিয়নের নিবন্ধন স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে করার মতো চারটি প্রসঙ্গ ওই অনুচ্ছেদে এসেছে। এসব কারণেই বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়টি যাচাই করতে চাইছে ইইউ। অবশ্য গত জুনে জেনেভায় আইএলসিতে শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ট্রেড ইউনিয়নবিরোধী বৈষম্যমূলক আচরণ ও সহিংসতা বন্ধের জন্য আগামী নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশকে সময় বেঁধে দেওয়া হয়। জানতে চাইলে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শ্রম অধিকার নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক জোটগুলোর অভিযোগ বানোয়াট। রানা প্লাজা ধসের পরপরই শ্রম আইন সংশোধন করা হয়েছে। পরের বছর শ্রম বিধিমালা করা হয়। তারপর আবারও শ্রম ও ইপিজেড আইন সংশোধনে সরকার কাজ করছে। এ জন্য নভেম্বর পর্যন্ত সময় আছে। তিনি আরও বলেন, ‘আইএলওর কনভেনশন অনুযায়ী আমরা শ্রম অধিকার নিশ্চিতে করছি।’জানতে চাইলে বিজিএমইএর সহসভাপতি মাহমুদ হাসান খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার ইতিমধ্যে শ্রম আইন ও ইপিজেড আইন সংশোধনের খসড়া আইএলওর কাছে পাঠিয়েছে। আমরা শুনেছি, শ্রম আইনের সংশোধনের খসড়ায় ইউনিয়ন করার জন্য ৩০ শতাংশ শ্রমিকের যে স্বাক্ষর নেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল সেটি কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। তবে একটি কারখানায় একটি ইউনিয়ন করার শর্ত যুক্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া ইপিজেডে ইউনিয়ন করার অধিকার দেওয়া হচ্ছে। source : prothom-alo
  • মিয়ানমারের কারণে বাজেটে পরিবর্তন আনতে হবে
      মিয়ানমারের কারণে চলতি অর্থবছরের বাজেট এদিক-ওদিক করতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। লাখ লাখ মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া মিয়ানমারের হামলা বলেও মনে করেন তিনি।যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে গত রোববার বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের বিকল্প নির্বাহী পরিচালকের কার্যালয়ে বসে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তার আগে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বার্ষিক সাধারণ সভায় ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল কমিটির একটি অধিবেশনে যোগ দেন তিনি।অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করবে মিয়ানমার। মিয়ানমারের কারণে এবার দেশে ফিরেই তাঁকে বাজেট পরিবর্তনে হাত দিতে হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারের ঠেলে দেওয়া জনগণের জন্য বাংলাদেশের বিশাল অঙ্কের টাকা খরচ করতে হবে। এটা আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। বাজেট এদিক-ওদিক করতে হবে ওই কারণেই।’বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সভায় যোগ দিয়ে অর্থমন্ত্রী বুঝেছেন যে রোহিঙ্গা সংকট মেটাতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশকে সহায়তা করবে। তারপরও অর্থমন্ত্রী মনে করেন এই লাখ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা সামলানো বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের ধাক্কা। মুহিত বলেন, বিশ্বব্যাংক এই ধাক্কা সামলাতে অনুদান ও ঋণ দুটোই দেবে।বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বাংলাদেশ কেন রোহিঙ্গাদের জন্য টাকা খরচ করবে? এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কথাটা ঠিক। কেন ঋণের টাকা তাদের জন্য খরচ করব?’অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সংবেদনশীল মানুষ। অত্যন্ত মানবিক মানুষ। মিয়ানমারের অসহায় মানুষদের জন্য শুরু থেকেই তিনি দরজা খুলে দিয়েছেন। বিশ্ববাসী এ জন্য তাঁকে ধন্যবাদও জানিয়েছে। আরও কারণ হচ্ছে, আমরা নিজেরাও ১৯৭১ সালে এমন অবস্থায় পড়েছিলাম। আমরা বুঝি, শরণার্থী হওয়ার যন্ত্রণা কী? ’বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ কী রকম সহায়তা করতে পারে? জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের সাহায্যের এখন আর মনে হয় ৬০ হাজার কোটি ডলার হাতে আছে। এ থেকে একটা অঙ্ক পাওয়া যাবে।’মিয়ানমার যে কাজ করেছে, তার জন্য আন্তর্জাতিক মহল থেকে দেশটির ওপর আরও চাপ আসা উচিত বলে মনে করেন মুহিত। বলেন, সবাই মিলে দেশটির ওপর অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক অবরোধ করা উচিত। কিন্তু বড় দেশগুলোর মধ্যে চীন-রাশিয়া কিছুই করছে না।অর্থমন্ত্রী কথা বলার সময় বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন ভুইয়া এবং সভায় যোগ দিতে আসা অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন দলের সদস্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব কাজী শফিকুল আজম, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য শামসুল আলম উপস্থিত ছিলেন।বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের ১১ থেকে ১৬ অক্টোবর চলাকালীন সভা শেষে অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরবেন ২১ অক্টোবর। source : prothom-alo
  • ভুল হিসাবের ভিত্তিতে জরিমানা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক?
    শেয়ারবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ কত, সে হিসাব কষতে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ভুল করছে বলে অভিযোগ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর। তাদের দাবি, এই ভুল হিসাবের ভিত্তিতে সাত বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রত্যেককে ১৭ লাখ থেকে সাড়ে ১৭ লাখ টাকা করে আর্থিক জরিমানা দিতে হয়েছে। আরও কয়েকটি ব্যাংককে একই কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক জরিমানা করতে যাচ্ছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা এমন অভিযোগ করেছেন। যেসব ব্যাংককে জরিমানা করা হয়েছে, তাদের অন্যতম হলো- মিউচুয়াল ট্রাস্ট, আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী, দি সিটি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) ইত্যাদি। আরও চারটি ব্যাংককে একই কারণে জরিমানা করা হয়েছে বলে কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোর কারণে অনেক বাণিজ্যিক ব্যাংক শেয়ার বিক্রি করে বিনিয়োগ কমাচ্ছে বলে সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন। বিশেষায়িত ব্যাংক বিডিবিএল জানিয়েছে, গত তিন সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানটি একাই প্রায় সোয়াশ' কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। অন্য অনেক ব্যাংকও এভাবে শেয়ার বিক্রি করেছে। এ কারণে দুই সপ্তাহ ধরে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। ক্রমাগত কমছে শেয়ারদর। বাজার সূচকের পতন হয়েছে প্রায় ৪ শতাংশ। লেনদেন নেমেছে প্রায় এক-তৃতীয়াংশে। কিন্তু ভুল হিসাবের ভিত্তিতে ব্যাংককে জরিমানা করা বা বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগ অস্বীকার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, বিদ্যমান আইন ও আন্তর্জাতিক হিসাব মান অনুসরণ করেই ব্যাংকগুলোর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ (শেয়ারবাজার এক্সপোজার) হিসাব করা হয়। জরিমানা করার আগে আইন ও বিধিবিধান লঙ্ঘনের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেয়েই জরিমানা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এস এম রবিউল হাসান সমকালকে বলেন, এক্সপোজার গণনা বিষয়ে কারও কোনো আপত্তি থাকলে তা যথাযথভাবে জানালে বাংলাদেশ ব্যাংক অবশ্যই পর্যালোচনা করবে। ভুল হলে তা সংশোধনে আপত্তি নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন এ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক কখনই শেয়ারবাজারের অগ্রগতিতে বাধা হতে চায় না। কোনো কোনো মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলাদেশ ব্যাংককে শেয়ারবাজারের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে বলে উল্টো অভিযোগ তার। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ কঠোর অবস্থান নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও শেয়ারবাজার-সংশ্নিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। তাদের দাবি, শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ বিষয়ে খুবই রক্ষণশীল নীতি অবলম্বন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শেয়ারবাজার সূচক বাড়লেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ক্ষেত্রে নজরদারি জোরদার করে। এতে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। জানা গেছে, প্রতি ১৫ দিন অন্তর ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি শেয়ারবাজারের ঊর্ধ্বমুখী ধারা সৃষ্টির পরই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এমনকি সরাসরি ব্যাংকগুলোতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গত রোববার সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ও গত সোমবার গিয়েছিল সাউথইস্ট ব্যাংকে, যা বাজারে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ডিসেম্বরে শেয়ারবাজারে ধস নামার পর আমানতকারীদের সুরক্ষার স্বার্থে ২০১৩ সালে আইন সংশোধন করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সীমা বহুলাংশে কমানো হয়। এ ছাড়া যেসব ব্যাংক সরাসরি ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসা পরিচালনা করত, তাদের পৃথক সহযোগী কোম্পানির অধীনে ওই ব্যবসা পরিচালনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোর অভিযোগ, কোনো ব্যাংক অন্য কোনো ব্যাংকের শেয়ারবাজার-সংশ্নিষ্ট সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিলে তা দুই ব্যাংকের এক্সপোজার হিসেবে গণ্য করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। উদাহরণস্বরূপ, 'এক্স' ব্যাংক 'ওয়াই' ব্যাংকের ব্রোকারেজ হাউসকে ১০০ কোটি টাকা ঋণ দেয়, তবে তা প্রথমত এক্স ব্যাংকের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ (সলো বেসিস) হিসেবে গণ্য হয়। আবার ওয়াই ব্যাংকের সমন্বিত বিনিয়োগ (কনস্যুলেটেড বেসিস) হিসেবেও গণ্য হয়। অর্থাৎ ১০০ কোটি টাকার ঝুঁকিকে ২০০ কোটি টাকার ঝুঁকি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এতে একটি ব্যাংক অন্তত ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের সুযোগ হারাচ্ছে। ঋণগ্রহীতা কোনো ব্যাংকের সহযোগী না হলে তার ক্ষেত্রে ঝুঁকি ১০০ কোটি টাকা হিসাব করা হয়। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের যুক্তি, আন্তর্জাতিক হিসাব মান অনুযায়ী এ হিসাব করা হচ্ছে। আবার সহযোগী কোম্পানিতে কোনো ব্যাংকের মূলধনী বিনিয়োগ শেয়ারবাজার এক্সপোজার থেকে বাদ দিয়ে ২০১৫ সালের ২০ ডিসেম্বর সার্কুলার জারি করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু সহযোগী কোম্পানি ওই মূলধন থেকে অবকাঠামোসহ প্রশাসনিক কাজের বাইরে যে অংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে, তাও সংশ্নিষ্ট ব্যাংকের সমন্বিত বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করা হয়। এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব সার্কুলারেরই ব্যত্যয়। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের যুক্তি, এ ক্ষেত্রেও হিসাব মান অনুসরণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া সহযোগী কোম্পানি মূল কোম্পানি (ব্যাংক) থেকে ঋণ নিয়ে একটি অংশ ব্যাংকে আমানত হিসেবে জমা রাখলেও, অর্থাৎ পুরো অর্থ বিনিয়োগ না করলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক গৃহীত ঋণের পুরোটাই শেয়ারবাজার এক্সপোজার হিসেবে গণ্য করে। উপরন্তু সহযোগী কোম্পানিকে দেওয়া ঋণ বা ঋণসীমার মধ্যে যেটি বেশি, তা ওই ব্যাংকের শেয়ারবাজার এক্সপোজার হিসেবে গণ্য করে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যা হলো, ঋণের সীমা কম করে দেখালে এ সমস্যা থাকে না। কোন ব্যাংকগুলো বাড়তি সীমা দিয়ে রাখছে, তাও খতিয়ে দেখতে হবে। তা ছাড়া এ ক্ষেত্রেও হিসাব মান অনুসরণ করা হচ্ছে। তা ছাড়া বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য বিবেচনায় না নিয়ে সর্বশেষ বাজারমূল্য বিবেচনায় নেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ কোনো ব্যাংক ১০০ টাকার শেয়ার ক্রয়ের পর তা বাজারমূল্য ২০০ টাকা হলেও এ ক্ষেত্রে ঝুঁকি মাত্র ১০০ টাকা। প্রতিবেশী ভারতসহ অন্য দেশে ক্রয়মূল্যকে (১০০ টাকা) এক্সপোজার হিসাব গণ্য করে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের জবাব হলো, শেয়ারবাজারের চাহিদা ও জোগানের ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে অনেক দেশে বাজারমূল্যভিত্তিক এক্সপোজারও গণনা করে। দেশজ প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এ নীতি অনুসরণ করে। ভারতে ব্যাংকগুলোর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ খুবই কম। এমনকি বাংলাদেশের মতো সহযোগী কোম্পানি গঠন করে শেয়ারবাজার কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পায় না। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর আরও অভিযোগ হলো, ব্যাংকের সহযোগী মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকারেজ হাউস থেকে মার্জিন ঋণ গ্রাহকদের শেয়ার কেনাবেচার ক্ষেত্রে শুধু ক্রয়ের হিসাব নেওয়া হচ্ছে, বিক্রির হিসাব নয়। প্রতিষ্ঠানগুলো দিনের কেনাবেচা নিট হিসাব দিতে চাইলেও তা নিতে নারাজ কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পর বিশেষায়িত ব্যাংক বিডিবিএল শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ আইনি সীমায় নামিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নিজস্ব ৮০০ কোটি টাকার পোর্টফোলিও থেকে মূলধন জোগান হিসেবে ৫৭০ কোটি টাকার শেয়ার সহযোগী দুই কোম্পানিকে দিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকেরও অনুমোদন রয়েছে। তারপরও বিশেষায়িত এ ব্যাংককে সাড়ে ১৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুর আহমেদ সমকালকে বলেন, তারা আইন পরিপালন করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতে চান। বিনিয়োগ আইনি সীমা অতিক্রম করায় আইনের মধ্যে থেকেই তা সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনের পর পরবর্তী ধাপে আছে। এ অবস্থায় জরিমানা করায় প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ব্যাংকগুলোর এমন অভিযোগের বিষয়ে সহমত পোষণ করে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। সংস্থাটির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান সমকালকে বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সমন্বয় সভায় বহুবার বিষয়টি তোলা হয়েছে। গুটিকয় ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনলেও প্রকৃত সমস্যা সমাধানে কখনই বাংলাদেশ ব্যাংকের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। সাইফুর রহমান বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ২০১১ সালে জারি করা একটি সার্কুলারে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারে প্রভাব ফেলতে পারে এমন যে কোনো উদ্যোগ, পদক্ষেপ বা ব্যবস্থা গ্রহণের আগে সংশ্নিষ্ট বিষয়ে বিএসইসির সঙ্গে পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ করতে হবে বা অবহিত করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে কখনই বিএসইসিকে কিছু জানায় না। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, অনেকে এমন অভিযোগ করলেও কখনই লিখিতভাবে তাদের সমস্যার কথা বাংলাদেশ ব্যাংককে জানায় না। জানালে তা বিবেচনায় নেওয়ার বিষয়টি ভাবা যেত। তা ছাড়া ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভায় বিএসইসির প্রস্তাব আলোচনা হয়। আইনে তিন বছরের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তারা তা ব্যর্থ হওয়ায় ২০১৬ সালে সহযোগী কোম্পানিকে মূলধন জোগানের অংশ হিসেবে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব বিনিয়োগকৃত শেয়ার দিয়ে এক্সপোজার কমানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সব সময়ই শেয়ারবাজার বিষয়ে নমনীয় ও আন্তরিক।   source : somokal
  • বৃষ্টি-বন্যায় চড়া মূল্যস্ফীতির হার
    সারা দেশে বন্যা-অতিবৃষ্টির ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর পাশাপাশি সড়ক অবকাঠামো বেহাল হওয়ার কারণে সারা দেশে পণ্য সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটে। এর প্রভাবে চড়া হয়েছে মূল্যস্ফীতির হার।   বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, ডাল, চিনি, মুড়ি, মাছ, মাংস, ব্রয়লার মুরগি, শাক-সবজি, ফল, মসলা, তামাক, দগ্ধজাতীয় দ্রব্যাদি এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর মূল্য বিবেচনা করে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম কোয়ার্টারে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার হয়েছে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ, গত বছরের একই সময়ে যা ছিলো ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলনে কক্ষে মিট দ্য প্রেসে বিবিএস এর দেওয়া অক্টোবর মাসের ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) সর্বশেষ হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ তথ্য প্রকাশ করেন। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বৃষ্টি-বন্যার কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এক দিকে ফসলের ক্ষতি হয়েছে অন্যদিকে যোগাযোগ ব্যবস্থায় সমস্যা হয়েছে যে কারণে সঠিকভাবে পণ্য সরবরাহ হয়নি। তবে এখন বৃষ্টি-বন্যা কমেছে আবারও স্বাভাবিক হবে মূল্যস্ফীতির হার।’ তবে জ্বালানি ও আলো, প্রসাধনী, জুতা, পরিধেয় বস্ত্র, বাড়িভাড়া, আসবাবপত্র, গৃহস্থালি, চিকিৎসাসেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণ এবং বিবিধ সেবা খাতের মূল্যস্ফীতির হার নিম্নমুখী হয়েছে। গ্রামীণ পর্যায়েও মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। চলতি বছরের প্রথম কোয়ার্টারে পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে গ্রামীণ পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ, গত বছরে যা ছিল ৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ। তবে শহরে কমেছে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার। শহর পর্যায়ে পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ, গত বছরের প্রথম কোয়ার্টারে যা ছিল ৭ দশমিক ১২ শতাংশ। source : bangla news 24
  • বাণিজ্য বাড়াতে জোটগুলো শক্তিশালী করতে হবে
    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে সাফটা, বিমস্টেক, আশিয়ানের মতো বাণিজ্যিক জোটগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে।এজন্য ভারত মহাসাগরের তীরবর্তী দেশগুলো প্রিফারেন্সিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ)-এর কথা চিন্তা করতে পারে। পূর্বের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন সমুদ্রপথে বাণিজ্য অনেক নিরাপদ ও সম্ভাবনাময়। এজন্য পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোয় বাংলাদেশ, শ্রীলংকা ও সিঙ্গাপুরের থিংকট্যাংকসমূহের পার্টনারশিপে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘সেকেন্ড ইন্ডিয়া ওশান কনফারেন্স ২০১৭’-এর প্রথম স্পেশাল প্লেনারি সেশনে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন। ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন এই কর্মসূচির আয়োজন করে।রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফ বকসি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।তোফায়েল আহমেদ বলেন, এ অঞ্চলের মানুষের টেকসই উন্নয়নের জন্য ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষের সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। আমার বিশ্বাস, সম্মিলিতভাবে কাজ করলে ভারত মহাসাগরের তীরবর্তী দেশগুলোর নিরাপত্তা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব।তিনি বলেন, ভারত মহাসাগর বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম। এ পথ দিয়ে বিশ্বের অর্ধেক কনটেইনারবাহী শিপ, তিন ভাগের এক ভাগ কার্গো ট্রাফিক, তিন ভাগের দুই ভাগ তেলবাহী জাহাজ চলাচল করে। বাণিজ্যিক দিক থেকে এ অঞ্চল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ অঞ্চলের নিরাপত্তা, পাইরেসিরোধী অবস্থান  এবং সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।মন্ত্রী বলেন, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের দারিদ্র্যদূরীকরণ, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য বহুমুখী বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এজন্য প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, বাণিজ্য জাহাজের নিরাপদ চলাচলের মাধ্যমে বাণিজ্য উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হবে।তিনি বলেন, বিশ্বের মহাসাগরের মধ্যে সবচেয়ে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হলো ভারত মহাসাগর। বিশ্বের প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে যে মানবিক বির্পযয় ঘটে, তার ৭০ ভাগই হয় এ অঞ্চলে। সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ায় বন্যায় বাংলাদেশ, ভারত, নেপালে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটেছে। সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিবেশের ভারসাম্য না থাকায় কৃষি এবং খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে নিরপেক্ষ বাণিজ্য, মানবকল্যাণ, অন্যান্য দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা সম্ভব। এর সুফল সংশ্লিষ্ট সবাই ভোগ করতে পারে উল্লেখ করেন তোফায়েল আহমেদ।ভারতের ইনস্টিটিউট অব চাইনিজ স্টাডিজের পরিচালক এবং সাবেক রাষ্ট্রদূত অশোক কান্থার সভাপতিত্বে সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী রানিল উইকরেমিসিং। এতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুশমা সরাজ, সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাক্রিশানান, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিশনা বাহাদুর মাহারা, মরিশাসের ওশান ইকোনমি, মিনারেল রিসোর্সেস ও ফিশারিজ অ্যান্ড শিপিং বিষয়ক মন্ত্রী প্রেমদূত কনজো, শ্রীলংকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিলক মারাপানা, জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক পার্লামেন্টারি ভাইস-মিনিস্টার আইওয়া হোরি বক্তব্য রাখেন।তিন দিনব্যাপী ‘সেকেন্ড ইন্ডিয়া ওশান কনফারেন্স ২০১৭’-এ ২৯টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।এবারের কনফারেন্সের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল পিস, প্রোগ্রেস অ্যান্ড প্রসপারেটি। প্রথম সম্মেলন ২০১৬ সালে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হয়। source : raisingbd
View All
Latest DSE News
  • GLAXOSMITH

    (Q3 Un-audited): EPS was Tk. 20.50 for July-September, 2017 as against Tk. 11.45 for July-September, 2016; EPS was Tk. 39.78 for January-September, 2017 as against Tk. 36.77 for January-September, 2016. NOCFPS was Tk. 94.74 for January-September, 2017 as against Tk. 34.25 for January-September, 2016. NAV per share was Tk. 204.43 as of September 30, 2017 and Tk. 183.16 as of September 30, 2016.

  • CONFIDCEM

    As per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 29, 2017 at 3:00 PM to consider, among others, un-audited financial statements of the Company for the First Quarter (Q1) period ended on September 30, 2017.

  • PHENIXINS

    As per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 26, 2017 at 5:00 PM to consider, among others, un-audited financial statements of the Company for the Third Quarter (Q3) period ended on September 30, 2017.

  • PARAMOUNT

    As per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 31, 2017 at 3:30 PM to consider, among others, un-audited financial statements of the Company for the Third Quarter (Q3) period ended on September 30, 2017.

  • GQBALLPEN

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 28, 2017 at 3:30 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2017.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297