Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
YPL 40.3 31.8 8.50 26.73
MIRACLEIND 36.8 29.3 7.50 25.60
GSPFINANCE 20.9 16.7 4.20 25.15
ZEALBANGLA 21.7 17.5 4.20 24.00
ETL 18.2 15.3 2.90 18.95
APEXSPINN 124.9 106.9 18.00 16.84
PRIMETEX 23.9 20.5 3.40 16.59
BNICL 15 12.9 2.10 16.28
DAFODILCOM 26.2 22.9 3.30 14.41
FEDERALINS 11.9 10.5 1.40 13.33

Contest SB2016_Sep

1st
blank_person
IMRANKSL
2nd
blank_person
SANTABANTAO007
3rd
blank_person
STYLISHG@MBLER
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
CITYBANK 24.4 23.4 1.52651 6691880.00
ICB 105.9 104.7 1.32358 12581.00
BERGERPBL 2299 2271.3 1.11958 264.00
LAFSURCEML 80 79.5 1.01213 1021290.00
BRACBANK 60 59.2 0.99063 74617.00
Negative impact
RENATA 1105.1 1110.9 -0.53533 1226.00
SPCL 166.1 168.1 -0.47804 182521.00
BANKASIA 18.7 19 -0.46081 56867.00
GLAXOSMITH 1600 1617.9 -0.37584 535.00
BEXIMCO 23.3 23.6 -0.36141 756442.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
CITYBANK 24.4 24.5 23.5 4.27% 161.49
BATBC 2520 2520 2500 0.11% 151.40
BBS 38.7 39.4 38.6 0.78% 133.92
LANKABAFIN 33.4 34.1 33.1 1.21% 127.43
DOREENPWR 70.8 73 70.5 0.57% 125.78
MJLBD 114.7 114.9 113.9 0.61% 98.75
LAFSURCEML 80 80.6 79.8 0.63% 81.95
YPL 40.3 40.9 37.5 3.87% 76.15
ACIFORMULA 167.8 170.7 167.8 -0.12% 64.63
PTL 19.3 19.3 17.9 7.82% 59.78

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 29 Sep 2016

61708
TOTAL TRADE
100.8559
TOTAL VOLUME(Mn)
3720.52
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • সামিট পাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
    স্টাফ রিপোর্টার : সামিট পাওয়ার নিয়ে দৈনিক স্টক বাংলাদেশ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ‘এমন কোন অপরাধ করা হয়নি যে ফাঁসি হয়ে যাবে’ শিরোনামে কোম্পানির কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎকার নিয়ে সংবেদনশীল প্রতিবেদেনটি প্রকাশ করেছে স্টক বাংলাদেশ। সাংবাদটি প্রকাশিত হলে সামিট গ্রুপ অব কোম্পানির কর্তৃপক্ষ এর আপত্তি ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। প্রকাশিত রিপোর্ট সম্পর্কে সামিট গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজার (পিআর এন্ড মিডিয়া) মাশরুর নূর আফসার স্বাক্ষরিত চিঠিতে বুধবার এ প্রতিবাদ জানিয়েছেন। প্রতিবাদ লিপিতে প্রকাশ করা হয়- আমাদের বক্তব্য কে ভুল উপস্থাপন করা হয়েছে। সামিট সম্পর্কে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। “আমরা কোন অপরাধ করেছি কিনা”, আমরা এরকম কোন বক্তব্য দেইনি। “খুব শিগগিরই এ ব্যাপারে একটি পসিটিভ রেসাল্ট হবে”, এরকম কোন বক্তব্য আমরা দেইনি। [caption id="attachment_52832" align="aligncenter" width="634"] ছবিতে সামিট গ্রুপের পাঠানো প্রতিবাদ লিপির একাংশ[/caption]
  • আজ বেশীর ভাগ ইনসুরেন্স কোম্পানির শেয়ার দর বাড়ছে,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১২.২০ মিনিট
    আজ বেশীর ভাগ ইনসুরেন্স কোম্পানির শেয়ার দর বাড়ছে। ইনসুরেন্স সেক্টরের অনেকগুলো কোম্পানি আজ টপ রয়েছে। বুলিশ ক্যান্ডেলে ইনডেস্ক,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১২.০০ মিনিট সকাল থেকেই বাই পেশারে বুলিশ অবস্থায় রয়েছে ইনডেস্ক। আজ ইনডেস্কের মান বাড়ায় তা পরবর্তী রেসিসটেন্স লাইনের কাছে চলে এসেছে। আজ ভলিয়ম পাচ্ছে ইনডেস্ক,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১১.২০ মিনিট আজ সকাল থেকেই ভলিয়ম পাচ্ছে ইনডেস্ক। দোটানার মধ্যে চলছে বাজার,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১০.৩০ মিনিট শেষ কয়েকদিন ধরে ইনডেস্ক রেসিসটেন্স লাইনের উপর সাইড ওয়াক করার ফলে দোটানার মধ্যে চলছে বাজার। আজও এর ব্যাতিক্রম নাও হতে পারে। পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে পেনশন ফান্ডে সঞ্চয়পত্র কিনলেও মুনাফায় কর বাধ্যতামূলক পিপলস লিজিংয়ের ৭৭৬ কোটি টাকা উধাও! মার্কিন পুঁজিবাজারের চাঙ্গাভাব, হিলারির জয়ের বার্তা কেডিএসের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু সিঙ্গারবিডির কর্পোরেট উদ্যোক্তা শেয়ার বেচবে ‘প্রতিকূলতার মাঝেও ন্যাশনাল লাইফ ভালো ব্যবসা করেছে’ : চেয়ারম্যান [ ভিডিও… “এক বছরের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে ভালো অবস্থনে রয়েছে মার্কেট” | জামাল.. ‘বাজার ঊর্ধ্বমুখীতার করণে সংশ্লিষ্টরা নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে’ : বিনিয়োগকারী [ভিডিও সহ] ‘জেমিনি সি ফুডের কাছে অতিরিক্ত বোনাস রয়েছে’ (ভিডিও সহ) ‘সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ধারাবাহিকভাবে সফলতা অর্জন করে আসছে’ [ভিডিও সহ] পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • মোটরসাইকেল উৎপাদনে ইউএম গ্রুপের সঙ্গে রানারের চুক্তি
    স্টাফ রিপোর্টার : দেশি মোটরসাইকেল নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রানার অটোমোবাইলস দেশে আমেরিকান প্রযুক্তির ইউএম-রানার ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল নির্মাণ করতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে রানার অটোমোবাইলস আমেরিকান কোম্পানি ইউএম ইন্টারন্যাশনাল এলএলসির সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বুধবার তেজগাঁয়ের রানারের হেড অফিসে রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান ও ইউএম বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জুয়ান ভিলেগাস নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিতে দুদেশের সহযোগিতার মাধ্যমে রানার ময়মনসিংহের ভালুকায় অবস্থিত তাদের নিজস্ব আধুনিক উচ্চ প্রযুক্তির কারখানায় বাংলাদেশে চলার উপযোগী ইউএম-রানার ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল নির্মাণ করবে। আর আমেরিকান কোম্পানি ইউ এম ইন্টারন্যাশনাল এলএলসি কারিগরি এবং প্রকৌশলীতে জ উ (রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট) আর আন্তর্জাতিক সোর্সিং সহযোগিতা দেবে। এর ফলে রানার ভবিষ্যতে ইউএম ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের আন্তর্জাতিক বাজার তথা ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ইত্যাদি দেশের বাজারের জন্য মোটরসাইকেল নির্মাণ করবে। ইউএম (ইউএসএ) মোটরসাইকেল বর্তমানে বিশ্বের ২৫টি দেশে বাজারজাত হচ্ছে এবং ২০১৩ সাল হতে এশিয়াতে তাদের বাজার সম্প্রসারণ করেছে আর স্থাপন করেছে সহযোগিতা এবং নির্মাণ সুবিধা।
  • ৬ মাসের কিস্তিতে ইয়াঙ্গুনের টিকেট দিচ্ছে নভোএয়ার
    স্টাফ রিপোর্টার : মাসে ৩ হাজার ৭১১ টাকা হিসেবে ৬ মাসের কিস্তিতে মায়ানমারের ইয়াঙ্গুন ভ্রমণের সুবিধা দিয়ে অফার ঘোষণা করেছে দেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার। সংস্থাটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ৮টি ব্যাংকের গ্রাহকরা বিনা সুদে এই সুবিধা পাবেন। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানায় নভোএয়ার কর্তৃপক্ষ। এতে বলা হয়, এরইমধ্যে ইস্টার্ন ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ট চার্টার্ড ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও মেঘনা ব্যাংকের সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, এসব ব্যাংকের গ্রাহক বিনা সুদে ৬ মাসের সহজ কিস্তিতে নভোএয়ারের ইয়াঙ্গুনের টিকেট কিনতে পারবেন। এছাড়া মায়ানমার ভ্রমণের জন্য প্যাকেজ ও ভিসা সুবিধাও দিচ্ছে নভোএয়ার। নভোএয়ার প্রতি রবি, মঙ্গল ও শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় জেট উড়োজাহাজ দিয়ে একটি করে ফাইট পরিচালনা করছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
  • ডিবিএ নির্বাচনে ২১ প্রার্থীর মনোনয়ন সংগ্রহ
    সিনিয়র রিপোর্টার : আগামী ২০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) প্রথম নির্বাচন। বুধবার শেষ হওয়া সময়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী ২১ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রোকার হাউজের মালিকদের সংগঠনের নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীদের বৃহস্পতিবারের (২৯ সেপ্টেম্বর) মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৩ অক্টোবর প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ও ১৮ অক্টোবর চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ হবে। ‍ প্রার্থীদের মধ্য থেকে ১৫ জন সংগঠনের কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচত হবেন। নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ২৪১ জন। ডিএসই ভবনে ২০ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের কথা রয়েছে। এতে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালন করবেন তিন সদস্যের র্বোড। নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন হারুন সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশিদ। অন্য দুই সদস্য হলেন- মার্চেন্ট সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম কামাল উদ্দিন ও এম অ্যান্ড জেড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ। নির্বাচনে ডিএসইর সাবেক সভাপতি, সিনিয়র সহ সভাপতি, পরিচালকের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
  • উৎপাদনের অনুমোদন পেলো ডরিন পাওয়ারের সহযোগী প্রতিষ্ঠান
    স্টাফ রিপোর্টার : ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ঢাকা নর্দান পাওয়ার জেনারেশন বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি পেয়েছে। বুধবার কোম্পানির পক্ষ থেকে অনুমোদনের কথা জানানো হয়। জানা গেছে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উৎপাদন বোর্ডের (বিপিডিপি) সাথে কোম্পানিটির ১৫ বছরের চুক্তি হয়েছে। যা ১৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আলোচ্য সময় পর্যন্ত বিপিডিপি বিদ্যুৎ কিনবে। মানিকগঞ্জে অবস্থিত সহযোগী প্রতিষ্ঠানটির ৯৮ দশমিক ৫২ শতাংশের মালিক তালিকাভুক্ত কোম্পানি ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড। এই চুক্তি অনুযায়ী নর্দান পাওয়ার জেনারেশন ৫৫ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। প্রতি বছর এই প্রতিষ্ঠান থেকে ৩১৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা আয় হবে।
  • আইপিওতে আসছে ইনডেক্স এগ্রো, রোড শো ১৮ অক্টোবর
    স্টাফ রিপোর্টার : বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে আসতে রোড শোর আয়োজন করেছে ইনডেক্স এগ্রো ইন্ড্রাস্টিজ লিমিটেড। আগামী ১৮ অক্টোবর এই রোড শো অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি সূত্রে  জানা গেছে, রাজধানীর ট্রাস্ট মিলনায়তনে ওইদিন সন্ধা ৭টা ১৫ মিনিটে এই রোড শো অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটিকে আইপিওতে আনতে ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব নিয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড ও ইবিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। রেজিস্ট্রার টু দি ইস্যুর দায়িত্বে রয়েছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড। রোড শোতে অংশ নেবে মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যান্ড পোর্টফোলিও ম্যানেজার, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, স্টক ডিলারস, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ম্যানেজার, অলটারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড,  রিকগনাইজ  পেনশন অ্যান্ড প্রভিডেন্ড ফান্ড এবং কমিশনের অনুমোদিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠান সমূহ।
  • এসইএমএল লেকচার ম্যানেজমেন্ট ফান্ড লভ্যাংশ পাঠিয়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : এসইএমএল লেকচার ইক্যুয়িটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ড সমাপ্ত হিসাব বছরের লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়েছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, ফান্ডটি বাংলাদেশ ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) সিস্টেমের মাধ্যমে গত ২২ সেপ্টেম্বর নগদ লভ্যাংশ ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়েছে। উল্লেখ্য, ৩০ জুন সমপ্ত হিসাব বছরে ফান্ডটি ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২ কোম্পানির লেনদেন বন্ধ
    স্টাফ রিপোর্টার : সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও ডেল্টা ব্রাক হাউজিং ফিন্যান্স কর্পোরেশন লিমিটেডের লেনদেন রেকর্ড ডেটের কারণে  আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, এর আগে কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন স্পট মার্কেটে এবং ব্লক/অডলটে শুরু করেছিল; যা আজকে বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সম্পন্ন হবে । আগামী ২ অক্টোবর থেকে কোম্পানিটি আবার স্বাভাবিক লেনদেন শুরু করবে পুঁজিবাজারে।
  • পূবালী ব্যাংকের মূলধন বৃদ্ধির পরিকল্পনা অনুমোদন
    সিনিয়র রিপোর্টার : কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শ ও অনুমোদনক্রমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগসীমা সমন্বয়ের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে সাবসিডিয়ারি পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের মূলধন বাড়ানোর আবেদন করেছিল পূবালী ব্যাংক। সোমবার এক চিঠিতে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এতে অনুমোদন দেয়। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ নিজস্ব মালিকানাধীন ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানটির পরিশোধিত মূলধন মোট ৫০০ কোটি টাকা বাড়াবে পূবালী ব্যাংক। এর মধ্যে ২০০ কোটি টাকার সাধারণ শেয়ার এবং ৩০০ কোটি টাকার অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যু করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফর্মুলা অনুসারে মূলত সাবসিডিয়ারিকে দেয়া ঋণই এর পরিশোধিত মূলধনে রূপান্তর করা হচ্ছে। নতুন শেয়ারগুলোর মালিক হবে পূবালী ব্যাংক। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে পূবালী ব্যাংক। সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, গেল হিসাব বছরে ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৩৪ পয়সা। ২০১৪ সালের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা। তখন ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৫৪ পয়সা। এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) পূবালী ব্যাংক ৮৫ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে; আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৪২ পয়সা। ৩০ জুন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ২৭ টাকা ১২ পয়সা। পূবালী ব্যাংক শেয়ারবাজারে আসে ১৯৮৪ সালে। বর্তমানে এর অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮৮০ কোটি ৩৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে আছে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ২৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রতিষ্ঠান ২৩ দশমিক ২২, বিদেশী ১ দশমিক ১৫ ও বাকি ৪৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ব্যাংক বস্ত্র বীমা ও জ্বালানি খাতের লেনদেন কমেছে
    দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার আগের দিনের তুলনায় সূচক ও লেনদেন কমেছে। একই সঙ্গে খাতওয়ারি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, লেনদেন কমেছে ব্যাংকিং খাতের, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের। তবে লেনদেন বেড়েছে প্রকৌশল, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ৩২৩টি কোম্পানির ১৪ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২১৪টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মূল্য ৪৯২ কোটি ৯ লাখ ৬৯ হাজার ৪৫৬ টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৪টির, কমেছে ১৩৪ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৫টির।বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে ভালো অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাত। এদিন এ খাতের মোট লেনদেন হয়েছে ১০৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, যা আগের দিন মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ৮০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। ফলে ১ দিনের ব্যবধানে প্রকৌশল খাতের লেনদেন বেড়েছে ২৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা। বাজার মূলধনেও এ খাতের অবদান আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে ৫.৬১ শতাংশ। খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের লেনদেন বেড়েছে ৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। মঙ্গলবার এ খাতের মোট লেনদেন হয়েছিল ১৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। আর বুধবার লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি ৬ লাখ টাকা। ভ্রমণ ও বিনোদন খাতের লেনদেন ও বেড়েছে ৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। মঙ্গলবার এ খাতের মোট লেনদেন হয়েছিল ৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা, বুধবার তা বেড়ে হয়েছে ১১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। বুধবার আগের দিনের তুলনায় সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে প্রযুক্তি খাতের। মঙ্গলবার প্রযুক্তি খাতের মোট লেনদেন হয়েছিল ৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। বুধবার তা বেড়ে হয়েছে ২২ কোটি ৯২ লাখ টাকা। ফলে ১ দিনের ব্যবধানে প্রযুক্তি খাতের লেনদেন বেড়েছে ১৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।আগের দিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে ব্যাংকিং খাতের। মঙ্গলবার ব্যাংকিং খাতের মোট লেনদেন হয়েছিল ৪৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। বুধবার লেনদেন হয়েছে ৩৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। আগের দিনের তুলনায় ব্যাংকিং খাতের লেনদেন কমেছে ৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। বাজার মূলধনেও এ খাতের অবদান কমেছে ১.৪৯ শতাংশ। এছাড়া নন-ব্যাংক আর্থিক খাতের লেনদেন মঙ্গলবারের ৫৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকা থেকে কমে বুধবার লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা কম। মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে ৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ১৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা। ১ দিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা।বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের লেনদেন কমেছে ১৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। মঙ্গলবার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের লেনদেন হয়েছিল ৬২ কোটি টাকা। বুধবার তা কমে হয়েছে ৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। বস্ত্র খাতের লেনদেনও কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। আগের দিনের তুলনায় বস্ত্র খাতের লেনদেন কমেছে ১৮ কোটি ৬ লাখ টাকা। মঙ্গলবার বস্ত্র খাতের লেনদেন হয়েছিল ৭৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। বুধবার লেনদেন হয়েছে ৫৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। বাজার মূলধনেও বস্ত্র খাতের অবদান বুধবার আগের দিনের তুলনায় কমেছে। মঙ্গলবার বাজার মূলধনে এ খাতের অবদান ছিল ১৪.০৩ শতাংশ। বুধবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ১১.১১ শতাংশে। এতে ১ দিনের ব্যবধানে বাজার মূলধনে বস্ত্র খাতের অবদান কমেছে ২.৯২ শতাংশ। আগের দিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে ওষুধ খাতের ১০ কোটি ৬৭ লাখ টাক, সিমেন্ট খাতের ১ কোটি ৯২ লাখ, বীমা খাতের ৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা।বুধবারের বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের ১২.৯৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৯০.৬৩ পয়েন্টে। ডিএস-৩০ ইনডেক্স ৪.৩৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৭৭৯.৪০ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়া ইনডেক্স (ডিএসইএস) ৩.৭০ পয়েন্ট বেড়ে ১১২৬.১০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, ইয়াকিন পলিমার, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, সিঙ্গার বিডি, ন্যাশনাল টিউবস, জিএসপি ফাইন্যান্স, মবিল যমুনা বাংলাদেশ, স্কয়ার ফার্মা, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস ও বেক্সিমকো ফার্মা।অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, ইয়াকিন পলিমার, জিলবাংলা সুগার, এপেক্স স্পিনিং, নিটল ইন্স্যুরেন্স, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্স ইনকাম ফান্ড, মার্কেন্টাইল ব্যাংক প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফু-ওয়াং ফুড ও ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড। source : alokito bangladesh
  • ব্যাংক-বীমার আধিপত্য
    চলতি সপ্তাহের মাঝের দুই দিন কিছুটা দর সংশোধনের পর গতকাল বুধবার দেশের দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া ব্যাংক, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক এবং বীমা খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে এ তিন খাতের তালিকাভুক্ত ১০০ কোম্পানির মধ্যে ৬২টির দর বেড়েছে, কমেছে ২৩টির, বাকি ১৫টির দর অপরিবর্তিত থেকেছে। অবশ্য এর মধ্যে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের ২৩ কোম্পানির মধ্যে ২১টিরই দর বেড়েছে।এদিকে আর্থিক ও বীমা খাতের অধিকাংশ শেয়ার দর বাড়লেও সার্বিক লেনদেনে ছিল মিশ্রাবস্থা। ডিএসইতে ১৩৪ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ১৩৪টির দর কমেছে। অপরিবর্তিত ছিল ৫৫টির দর। অবশ্য ব্যাংক খাতের শেয়ারদর বৃদ্ধির ওপর ভর করে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ৪৬৯০ পয়েন্টে উঠেছে। অপর শেয়ারবাজার সিএসইতে ৯৫ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধি পায়, কমে ১১৮টি, অপরিবর্তিত থাকে ৩২টি। তারপরও এ বাজারের প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৮৭৬২ পয়েন্টে উঠেছে।ডিএসইর খাতওয়ারী লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আর্থিক ও বীমা খাতের পাশাপাশি খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, সিমেন্ট, পাট খাতের বেশিরভাগ শেয়ারের দর বেড়েছে। প্রকৌশল খাতেরও কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেখা গেছে। তবে কমেছে বস্ত্র এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দর। একই ধারায় ছিল মিউচুয়াল ফান্ড খাত। অন্য খাতগুলোতে ছিল মিশ্রাবস্থা।ডিএসইর সার্বিক লেনদেন পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, লেনদেনের শীর্ষে থাকা বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। লেনদেনের শীর্ষে থাকা ৫০ কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৩১টির, কমেছে ১৮টির। অন্যদিকে ১ কোটি টাকার বেশি মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হওয়া ১১০ কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে ৬৪টির দর বেড়েছে, কমেছে ৪২টির।গতকাল ডিএসইতে ৪৯২ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার ও ফান্ড ইউনিট কেনাবেচা হয়, যা আগের দিনের তুলনায় ৪২ কোটি ১১ লাখ টাকা কম। source : somokal
  • পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এপিজির মূল্যায়নে
    মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সক্ষমতা অর্জন করায় পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজি হাসান। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ কার্যক্রমের ওপর এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিংয়ের (এপিজি) মূল্যায়ন প্রতিবেদন বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলন তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।আবু হেনা মোহাম্মদ রাজি হাসান বলেন, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ কার্যক্রমে বাংলাদেশ সফলতা অর্জন করেছে। এপিজির তৃতীয় পর্বের মিউচ্যুয়াল ইভাল্যুয়েশন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) ও পুঁজিবাজারে পোর্টফোলিও বিনিয়োগ আসার ক্ষেত্রে এই প্রতিবেদন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। source : sokalr khobor
  • পানামা কেলেঙ্কারিতে ৪৩ বাংলাদেশি
    পানামা পেপারস কেলেঙ্কারির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অর্থ পাচারের যে তথ্য বেরিয়ে এসেছে, তাতে অন্তত ৪৩ জন বাংলাদেশির নাম পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৩৯ জন ব্যক্তি ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হিসাব চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশে বেনামি প্রতিষ্ঠান গড়ার প্রমাণ মিলেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফইইউ) যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রাথমিকভাবে এই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম চিহ্নিত করেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকায় অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ করতে চাইছে না বিএফইইউ। এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, বিদেশে অর্থ পাচারে যেসব ব্যক্তির নাম এসেছে তার মধ্যে ৩৭ জন করদাতা বলে তথ্য পাওয়া গেছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সম্প্রতি এসব তথ্য উপস্থাপন করে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআর। গত ১১ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের কার্যবিবরণী সম্প্রতি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস (আইসিআইজে)-এর দেশভিত্তিক তালিকা থেকে জানা যায়, বাংলাদেশি ৫০ জনের বেশি প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাগুজে বা ভুয়া কোম্পানি আছে। চলতি বছরের এপ্রিলে মোস্যাক ফনসেকার প্রায় ১১ মিলিয়ন নথিপত্র ফাঁস হয়। আর এরপরই বের হয়ে আসে বিশ্বজুড়ে ক্ষমতাধরদের অর্থ কেলেঙ্কারির ভয়াবহ তথ্য। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধনী ও ক্ষমতাবান ব্যক্তি থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা পর্যন্ত কীভাবে কর ফাঁকি দিয়ে সম্পদ গোপন করেন এবং কীভাবে অর্থ পাচার করেন; তা উন্মোচিত হয়েছে নথিগুলো ফাঁস হওয়ার পর। মোস্যাক ফনসেকা নামক আইনি প্রতিষ্ঠানটি নির্দিষ্ট ফি নেওয়ার মাধ্যমে মক্কেলদের বেনামে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। এর মাধ্যমে তারা সম্পদ গোপন এবং কর ফাঁকি দিয়ে ওই অপ্রদর্শিত আয়কে বৈধ উপায়ে ব্যবহারের সুযোগ পান। এরই মধ্যে ফাঁস হওয়া নথিগুলোর তথ্য নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নথি ফাঁস হওয়ার পর পানামা পেপারস-এ থাকা বাংলাদেশিদের তথ্য যাচাই-বাছাই করতে একযোগে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অর্থ পাচার প্রতিরোধে সরকারি সংস্থাগুলোর এসব কাজের অগ্রগতি জানতে স্থায়ী কমিটির গত মাসের বৈঠকে ওই সংস্থার প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।ওই বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিএফইইউ-এর মহাব্যবস্থাপক দেবপ্রসাদ দেবনাথ জানান, পানামা পেপারস যাচাই-বাছাইয়ের পর ৪৩ জনের (বাংলাদেশি) নাম পাওয়া গেছে। বিএফআইএইউ-এর অভ্যন্তরীণ ডাটাবেইজ অনুসন্ধানে এর মধ্যে ৩৯ জন ব্যক্তি এবং তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হিসাব প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অভিযুক্তদের নাম জানতে চাওয়া হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই কর্মকর্তা জানান, তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করা এ মুহূর্তে ঠিক হবে না। এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান ওই বৈঠকে জানান, বিদেশে অর্থ পাচারের ক্ষেত্রে যেসব পাচারকারীর নাম এসেছে তার মধ্যে ৩৭ জন করদাতা। এদের একজন ৩৪ কোটি ৬৬ লাখ এবং আরেকজন ১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা দেশের বাইরে পাচার করে দিয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।অর্থ পাচারের সঙ্গে তৈরি পোশাক ব্যবসায়ীরাও জড়িত বলে বৈঠকে আলোচনা হয়। এ প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, একজন গার্মেন্ট ব্যবসায়ী ২৯৭ কনটেইনার পণ্য রপ্তানি করেছেন, কিন্তু তার বিপরীতে এক ডলারও বাংলাদেশে আসেনি। এসব তথ্য জানার পর অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বৈঠকে বলেন, মানি লন্ডারিংয়ের পরিমাণ প্রতিবছরই পর্যায়ক্রমে বাড়ছে। অনেকেই মালয়েশিয়া, দুবাই ও কানাডায় সেকেন্ড হোম করেছে। অনুসন্ধানে চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একসঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়, তবে এই তিনটি দেশ (মালয়েশিয়া, দুবাই ও কানাডা) অন্ততপক্ষে ৩/৪ জন করে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। প্রসঙ্গত, আইসিআইজের তালিকায় যেসব ব্যক্তির নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন— কফিল এইচএস মুইদ, রুডি বেঞ্জামিন, ইউসুফ রাইহান রেজা, ইশরাক আহমেদ, নভেরা চৌধুরী, ফরহাদ গনি মোহাম্মদ, মেহবুব চৌধুরী, বিলকিস ফাতিমা জেসমিন, রজার বার্ব, মো. আবুল বাশার, জাইন ওমর, বেনজির আহমেদ, আফজালুর রহমান, মুল্লিক সুধীর, সরকার জীবন কুমার, নিজাম এম সেলিম, মোহাম্মদ, মোকসেদুল ইসলাম, মোতাজ্জারুল ইসলাম, এম সেলিমুজ্জামান, আফজালুর রহমান, সৈয়দ সিরাজুল হক, এফ এম জুবাইদুল হক, মোহাম্মদ আমিনুল হক, নাজিম একরামুল হক, ক্যাপ্টেন এম এ জাউল, কাজী রাইহান জাফর, মোহাম্মদ শাহেদ মাসুদ, সালমা হক, খাজা শাহদাত উল্লাহ, সৈয়দা, সামিনা মির্জা, দিলীপ কুমার মোদি, মোহাম্মদ ফয়সাল করিম খান, জাফরুল্লাহ কাজী এবং জাফরুল্লাহ নিলুফার, জুলফিকার হায়দার, উম্মে রুবানা, আজমত মঈন, মির্জা এম ইয়াহিয়া, মিস্টার নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, জাফের উম্মেদ খান, নিলুফার জাফরুল্লাহ, এ এম জুবায়দুল হক এবং আসমা মঈন, এএফএম রহমতুল বারী, এএসএম মুহিউদ্দিন মোনেম, মাহতাবুদ্দিন চৌধুরী। এর মধ্যে রুডি বেঞ্জামিন ও রজার বার্ব নামে দুজন বিদেশির নামও বাংলাদেশের নামের তালিকায় রয়েছে। এ ছাড়া তালিকায় থাকা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দ্য বেয়ারার, পেসিনা স্টেফানে ও বাংলা ট্রাক লিমিটেড নামে তিনটি কোম্পানির নাম জানা গেছে। source : bangladesh protidin
  • অর্থ ফিরে পেতে ফিলিপাইনের আদালতে মামলা হবে
    ফিলিপাইনের আদালত স্বীকৃতি দিলেও অর্থ হাতে পেতে হলে সেখানকার আদালতে জারি মামলা (এক্সিকিউশন স্যুট) করতে হবে বাংলাদেশকে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। এর জন্য সপ্তাহ দুয়েক সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান।গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাজী হাসান এ তথ্য জানান। সম্প্রতি সানদিয়াগোতে অনুষ্ঠিত এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিংয়ের (এপিজি) বার্ষিক সাধারণ সভায় বাংলাদেশের মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়নসংক্রান্ত ঝুঁকি নির্ণয়ের উদ্দেশ্যে করা তৃতীয় ‘মিউচ্যুয়াল ইভাল্যুশন’ প্রতিবেদন অনুমোদনের সাফল্য নিয়ে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সংবাদ সম্মেলনের আগে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে একই বিষয়ে একটি বৈঠক করে সংস্থাটি।সংবাদ সম্মেলনে রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধার বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান বলেন, ‘ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে জমা থাকা রিজার্ভের এক কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ডলার বাংলাদেশের বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন সে দেশের আদালত। কিন্তু ওই দেশের একটি নিয়ম আছে, আদালতের স্বীকৃতি থাকলেও অর্থ হাতে পেতে একটি এক্সিকিউশন স্যুট বা জারি মামলাকরতে হয়। তাই এখন আমরা সেই মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ বিষয়ে সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কোথায় কোথায় কী কী করা দরকার, তা করা হবে। মামলার পর আদালতের নির্দেশনা পেলে ওই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের যে ব্যাংক হিসাব আছে সেখানে জমা করে দেবে। আশা করছি খুব দ্রুতই আমরা ওই টাকা পেয়ে যাব।’গত ১৯ সেপ্টেম্বর ফিলিপাইনের আদালত ক্যাসিনো জ্যাঙ্কেট অপারেটর কিম অংয়ের জমা দেওয়া এক কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ডলার বাংলাদেশের বলে স্বীকৃতি দেয়। গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে আট কোটি ১০ লাখ ডলার হ্যাকড হয়ে ফিলিপাইনের একটি ব্যাংকের মাধ্যমে সে দেশে চলে যায়। ওই অর্থের একটি বড় অংশ আবার সেখানকার কয়েকটি জুয়ার আসরে খরচ করে হ্যাকাররা। তেমনই একটি ক্যাসিনোর জ্যাঙ্কেট অপারেটর কিম অং সে দেশের সিনেট কমিটির শুনানিতে জানান, তাঁর কাছে এমন কিছু অর্থ আছে, যা তিনি জমা দিতে চান। পরে তিনি ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার ও ৪৮ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার পেসো জমা দেন। ডলারে রূপান্তর করলে যার পরিমাণ দাঁড়ায় এক কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ডলার।গত ৪ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সানদিয়াগোয় অনুষ্ঠিত এপিজির বার্ষিক সাধারণ সভায় বাংলাদেশ মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়নসংক্রান্ত ঝুঁকি নিরসনে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হয়েছে। সম্প্রতি গুলশান ও শোলাকিয়াসহ বেশ কয়েকটি জঙ্গি হামলা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনার পরও এমন ভালো রেটিং পাওয়ার কী কারণ থাকতে পারে সে বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রাজী হাসান বলেন, তৃতীয় পর্বের এ মূল্যায়নটি হয়েছে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে। এবারের মূল্যায়নে এসব বিষয়ের কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে এপিজির বার্ষিক সভায় সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার পর সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ এবং এ কারণে কয়েকটি হামলার পরিকল্পনা প্রতিহত করতে পারায় বাংলাদেশ বেশ প্রশংসিত হয়েছে।অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অর্থ পাচার প্রতিরোধে বিভিন্ন এজেন্সির দায়দায়িত্ব ভাগ করা আছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দুদক কাজ করছে। আর সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত সব টাকা পাচার হয়ে গেছে বিষয়টি তেমন না। দেশের বাইরে বৈধভাবে বাস করেন এমন অনেক বাংলাদেশির টাকা সেখানে রয়েছে।এপিজি ও এর সদস্য ৪১টি রাষ্ট্র বাংলাদেশের ঝুঁকির মান আন্তর্জাতিকমানের স্বীকৃতি দেওয়ায় এলসি বা ঋণপত্র খোলা, বিদেশি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সুবিধা পাবে। এপিজির এ প্রতিবেদন দেখে সবাই এখানে বিনিয়োগকে ঝুঁকিমুক্ত হিসেবে দেখবেন।কিছু ক্ষেত্রে নিম্নমানের রেটিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যৌথ মূলধনী কম্পানির নিবন্ধকের কার্যালয়ের (আরজেএসসি) নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে এপিজির কিছু প্রশ্ন রয়েছে। আর ব্যাংক খাতের তদারক ব্যবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও আর্থিক খাতের সার্বিক তদারকি, বিশেষ করে বীমা ও পুঁজিবাজারের তদারকিব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এপিজির। এ ছাড়া ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়েও আপত্তি রয়েছে তাদের। source : kalar kontho
  • প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
    বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। ১৩৮টি দেশের মধ্যে এবার বাংলাদেশ ১০৬তম স্থানে উঠে এসেছে। গত বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৭তম। গতকাল বুধবার ‘বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা প্রতিবেদন ২০১৬-১৭’ প্রকাশ করে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডাব্লিউইএফ)। বিশ্বের ১৩৮টি দেশ থেকে একযোগে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বাংলাদেশ সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলেছে, নানা সীমাবদ্ধতার পরও অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। এর একটি কারণ হতে পারে, প্রতিযোগী দেশগুলোর আরো বেশি খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে বাংলাদেশ এগিয়ে এসেছে। ১২টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে ৮৯টি মাঝারি ও বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মতামত নিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।মূল প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ড. খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান। গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এগোনোর ক্ষেত্রে যে গতি থাকা দরকার তা নেই। ‘আমরা হাঁটছি আর অন্যরা দৌড়াচ্ছে’। মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা এখন নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় আছি। আমাদের লক্ষ্য হলো উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া। এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়াতে হবে।’ ২০০১ সাল থেকে বাংলাদেশকে নিয়ে সক্ষমতা সূচক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে ডাব্লিউইএফ। সিপিডি ফোরামের সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছে।প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সিপিডি বলেছে, দেশের অর্থনীতিতে ১৬টি মৌলিক সমস্যা রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান সমস্যা হলো আর্থিক খাতে সুশাসনের অভাব এবং অবকাঠামো দুর্বলতা। সাম্প্রতিক সময়ে অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়লেও তা এখনো ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য পর্যাপ্ত নয়। ব্যবসার ক্ষেত্রে পুঁজির সহজলভ্যতা নেই। এ ক্ষেত্রে ঋণের উচ্চ সুদ এবং বিভিন্ন উপখাতে ব্যবসার ব্যয় বেড়েছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত হারে বিনিয়োগ বাড়ছে না। বড় কয়েকটি গ্রুপের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য। সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেছে সিপিডি।বৈশ্বিক সক্ষমতা সূচক প্রতিবেদন তৈরি করতে গিয়ে একটি দেশের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, পণ্য বাজারে দক্ষতা, শ্রমবাজারে দক্ষতা, আর্থিক খাতের উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত উন্নতি, বাজারের আকার; বাজারের সংবেদনশীলতা এবং নতুনত্ব—এই ১২টি সূচক বিবেচনায় নেওয়া হয়। প্রতিবেদন অনুসারে, ১৩৮টি দেশের মধ্যে ২০১৬ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৬তম। আগের বছর অর্থাৎ ২০১৫ সালে এই অবস্থান ছিল ১০৭তম। সাত স্কোরের মধ্যে সব মিলিয়ে বাংলাদেশের স্কোর হয়েছে ৩ দশমিক ৮। আগের বছর স্কোর ছিল ৩ দশমিক ৭।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক শিক্ষায় সন্তোষজনক অগ্রগতি নেই। এ ছাড়া সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিবেশ এবং বাজারের আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়েছে। কিছুটা অগ্রগতি হলেও এখনো যেসব বিষয়ের ওপর নজর দিতে হবে, সেগুলো হলো—প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, বিচার বিভাগ, শ্রমবাজারের দক্ষতা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি। প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় এবারও প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে সুইজারল্যান্ড। তাদের স্কোর সাতের মধ্যে ৫ দশমিক ৮। আর সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে আছে ইয়ামেন।প্রতিযোগিতা সক্ষমতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মোট ১৬টি সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। জরিপে মতামত দেওয়া ৮৯ জন ব্যবসায়ীর মধ্যে ৮০ শতাংশ ব্যবসায়ী মনে করেন বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য প্রধান সমস্যা অবকাঠামো দুর্বলতা। ব্যবসায়ীদের মতে, ঘুষ-দুর্নীতি কিছুটা কমেছে। তবে এখনো প্রতিযোগী দেশের তুলনায় দুর্নীতি অনেক বেশি। ৬২ শতাংশ ব্যবসায়ী মনে করেন ব্যাংকঋণ পেতে ঘুষ দিতে হয়। গত বছর যা ছিল ৮৯ শতাংশ। বিভিন্ন কম্পানির কর প্রদানের ক্ষেত্রে রসিদ ছাড়া টাকা দিতে হয়। অর্থাৎ ঘুষ ছাড়া কর দেওয়া যায় না। ৬১ শতাংশ ব্যবসায়ীর মত হলো—বিচার বিভাগে সরকার হস্তক্ষেপ করছে। এতে ব্যক্তিগতভাবে এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিচার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ৬৩ শতাংশ ব্যবসায়ী মনে করেন সরকার ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রভাব সৃষ্টি করছে। ৫৩ শতাংশ ব্যবসায়ী মনে করছে, দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সীমিত। গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বাড়াতে হবে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের অন্যতম সমস্যা হলো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা। এখানে পুঁজির সহজলভ্যতা নেই। ব্যাংকে অলস টাকার পাহাড় জমা হলেও এখনো সুদের হার সেভাবে কমেনি। সংস্থাটির বিবেচনায় অন্যান্য সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে—নীতিনির্ধারণে অস্থিতিশীলতা, প্রশিক্ষিত জনশক্তির অভাব, উচ্চ কর হার, করের বিভিন্ন আইনে জটিলতা, বৈদেশিক মুদ্রার পরিচালনায় কার্যকর নীতির অভাব, মূল্যস্ফীতি, নৈতিকতার অভাব, উদ্ভাবনী ক্ষমতার অভাব, শ্রম আইনের সীমাবদ্ধতা এবং জনস্বাস্থ্য।প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ব্যবসায়ীরা প্রথম প্রতিবন্ধকতা হিসেবে অবকাঠামো দুর্বলতাকে উল্লেখ করেছেন। এবারও দুর্নীতিকে দ্বিতীয় বড় বাধা আকারে দেখছেন ব্যবসায়ীরা। তিনি বলেন, মানসম্পন্ন শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনবল গড়ে তোলার বিষয়ে তেমন অগ্রগতি হয়নি, সুশাসন পরিস্থিতিও সবচেয়ে দুর্বল। মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদানের ক্ষেত্রে বেশি পরিবর্তন আসেনি, এ ক্ষেত্রে দুর্বলতা রয়ে গেছে। তবে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা এবং পরিবেশের মান বজায় রাখতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। দেশের ৬০ শতাংশ ব্যবসায়ী মনে করে, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হলে এ খাতে বিনিয়োগ বাড়বে।প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবসায়ীরা বলেছে, বেশ কিছু কারণে বাংলাদেশ থেকে দেশের বাইরে টাকা পাচার হচ্ছে। এর মধ্যে প্রথম কারণ হলো রাজনৈতিক অস্থিরতা। এ ছাড়া রয়েছে ব্যবসায়িক পরিবেশের অভাব, দুর্নীতি, কালো টাকা, উচ্চ কর, দুর্বল শেয়ারবাজার, সহিংসতা এবং সরকারের নজরদারির অভাব। ব্যবসায়ীদের মতে, আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে উচ্চ জ্বালানি মূল্য। এ ছাড়া সুশাসন, অবকাঠামো, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিকল্পিত নগরায়ণের অভাব এবং অভ্যন্তরীণ সহিংসতাকেও দায়ী করেছেন ব্যবসায়ীরা।এবারের প্রতিবেদনে শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে যথাক্রমে রয়েছে সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, সুইডেন, যুক্তরাজ্য, জাপান এবং ফিনল্যান্ড। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তাইওয়ান ১৪তম অবস্থানে আছে। এ ছাড়া মালয়েশিয়া রয়েছে ২৫তম স্থানে। এরপর চীন ২৮, সৌদি আরব ২৯, থাইল্যান্ড ৩৪ এবং কুয়েত ৩৮তম। তবে এবার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে ভারতের। গত বছর দেশটির অবস্থান ছিল ৫৫। এবার ১৬ ধাপ এগিয়ে ৩৯তম স্থানে উঠে এসেছে। এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান ৪১, রাশিয়া ৪২, ভিয়েতনাম ৬০, শ্রীলঙ্কা ৭১, ভুটান ৯৭, নেপাল ৯৮ এবং পাকিস্তান ১২৬ থেকে ১২২তম অবস্থানে উন্নীত হয়েছে।প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে বেশ কিছু সুপারিশ করেছে সিপিডি। এর মধ্যে রয়েছে বিনিয়োগের জন্য ব্যবসায়ীদের আস্থা বাড়ানোর উদ্যোগ, সংবাদপত্রকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া, দুর্নীতি প্রতিরোধে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং আর্থিক খাতসহ বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার।জানা যায়, ১৯৭৯ সাল থেকে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম। ২০০১ সালে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ হিসাবে বাংলাদেশের জন্য বুধবারের প্রতিবেদনটি ছিল ১৬তম। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সদস্য দেশগুলোর মোট ১৪ হাজার শীর্ষ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীরা ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মতামত দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মোট ৮৯ জন ব্যবসায়ীর মতামত নেওয়া হয়েছে। আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ৫৬ জন। এসব ব্যবসায়ীর মালিকানাধীন ব্যবসায়ীদের অবস্থান ঢাকা ও চট্টগ্রামে। প্রতিটি কম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকার ওপরে। ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট একটি ফরমেটে ১২টি বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। source : kalar kontho
  • আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দর বেড়েছে
    আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ফিরেছে স্বর্ণের দর। এর আগে দুর্বল ডলার ও স্টক মার্কেটে চাহিদা কমে যাওয়ায় নিম্নমুখী প্রবণতায় ছিল ধাতুটি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এসব কারণের পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের সোমবারের বিতর্ক মূল্যবান এ ধাতুর দরবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।আন্তর্জাতিক বাজারে ডিসেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ২ দশমিক ৪ ডলার বেড়েছে। এদিন শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৩৪৪ দশমিক ১০ ডলারে।গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ হয়। এর প্রভাবে সে সময় স্বর্ণের দাম বেড়ে দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চে চলে আসে। তবে পরবর্তীতে ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) বৈঠকে সুদহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত পণ্যটিকে সেখান থেকে নিম্নমুখী প্রবণতায় নিয়ে আসে।বিশ্লেষকরা বলছেন, ডিসেম্বরের আগে ফেডের সুদহার বাড়ার সম্ভাবনা নেই। এ কারণে স্বর্ণসহ ডলার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কয়েকটি পণ্যের দাম কমে আসে সে সময়।বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, ডিসেম্বরের আগে স্বর্ণের দাম তেমন বাড়বে না। এ সময় পণ্যটি আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৩৫০ ডলারের মধ্যে লেনদেন হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের ফলাফল স্বর্ণের দরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন তারা। বিশ্লেষকদের ধারণা, 'নির্বাচনে যদি ট্রাম্প জয়লাভ করেন, তবে স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চে চলে আসবে'।স্বর্ণের দাম বাড়লেও সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে রুপার দাম কমেছে। এদিন প্রতি আউন্স রুপার দাম ২১ দশমিক ৪ সেন্ট কমেছে। অক্টোবরে সরবরাহ চুক্তিতে ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স রুপা বিক্রি হয়েছে ১৯ দশমিক ৫৯৬ ডলারে।ডিসেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে পাউন্ডে আধা সেন্ট কমেছে তামার দাম। এদিন প্রতি পাউন্ড তামা বিক্রি হয়েছে ২ দশমিক ১৯৯ ডলারে। সোমবার দাম কমলেও গত সপ্তাহের চেয়ে পণ্যটির দর এখনো ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি রয়েছে।অন্যদিকে জানুয়ারিতে সরবরাহ চুক্তিতে প্লাটিনামের দাম আউন্সে ১৪ দশমিক ২০ ডলার কমেছে। সোমবার ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি পাউন্ড প্লাটিনাম বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৪৬ দশমিক ৭০ ডলারে। একই দিন ডিসেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে প্যালাডিয়ামের দাম। এদিন ১০ দশমিক ২৫ ডলার কমে প্রতি আউন্স প্যালাডিয়াম বিক্রি হয়েছে ৬৯৬ দশমিক ১৫ ডলারে। source : sanbad
  • ২০১৮ সালে চলাচল করবে বোয়িং ৭৭৭
    পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সাথে আকাশ পথে সারা বিশ্বের যোগাযোগ ব্যবস্থা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নির্মাণ হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। প্রায় ১২শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক এ বিমানবন্দরটি। সিভিল এভিয়েশনের তত্ত্বাবধানে আগামী ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সুপরিসর বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ সরাসরি এ বিমানবন্দরে উঠানামা করতে পাaরবে। অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের এ বিমানবন্দরটি নির্মাণ করতে ইতোমধ্যে ৬৮২ একর সরকারি জমি বন্দোবস্ত নিয়েছে বেসামরিক বিমান মন্ত্রণালয়।দেশের পর্যটন শিল্প বিকাশে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের আকাশ পথে যাতায়াতে সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার এ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করছে। বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকতের উপকূল ঘেঁষে এ বিমান বন্দরটি নির্মিত হলে পুরো পর্যটন নগরীর সৌন্দর্য বেড়ে যাবে। দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক অপরূপ সুন্দরতম পর্যটন নগরী কক্সবাজার বিশ্বের পর্যটকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠবে বিমান বন্দরটির কারণে। এছাড়া বিমান বন্দরের আলোকসজ্জার কারণে রাতের দৃশ্য হবে আরো আকর্ষণীয়। এমনটি জানিয়েছেন প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সরেজমিনে দেখা গেছে, দিনে রাতে চলছে নির্মাণ কাজ। ফলে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উন্নয়ন কাজ। মাটি ভরাট, ভূমি উন্নয়ন এবং ড্রেজিংয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়। চলছে রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজও। গত বছরের ২ জুলাই গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যে ৩০ শতাংশ শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ ২০১৮ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার আশা করছেন বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ আমিনুল হাসিব।প্রকল্প পরিচালক আমিনুল হাসিব জানান, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টায় রানওয়ের লাইট সরিয়ে সারারাত উন্নয়নের কাজ করা হয়। পরের দিন সকাল ৬ টায় আবার স্থাপন করা হয়।সূত্র মতে, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার আওতায় প্রথম পর্যায়ে বিমানবন্দরের রানওয়ে বর্ধিতকরণ ও প্রশস্ত করণের পুরো কাজ শেষ হতে সময় লাগবে ৩০ মাস। পুনর্বাসন কাজের জন্য ব্রীজ নির্মাণ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধসহ প্রথম ধাপের উন্নয়ন কাজে সর্বমোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৯৫ কোটি টাকা।প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী অরুপ কুমার সাহা ইনকিলাবকে জানান, বোয়িং ৭৭৭ জাতীয় বড় ধরনের বিমান চলাচলের উপযোগী করে কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণের প্রথম পর্যায়ের কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলমান এই সম্প্রসারণের কাজ শেষ হলে ২০১৮ সালের মধ্যেই। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরিত হবে কক্সবাজার বিমানবন্দর। তখন এ বিমান বন্দরে নামবে বোয়িং ৭৭৭-এর মতো সুপরিসর বিমান।এয়ারফিল্ড লাইটিং সিস্টেম, ফায়ার ফাইটিংয়ের যন্ত্রপাতি ক্রয়, আইএলএস এবং ডিভিওআরসহ প্রায় ৫০ শতাংশ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এর আগে রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য মাটি ভরাট ও ড্রেজিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়।বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করা, সমুদ্রসীমা রক্ষা, কক্সবাজারের উন্নয়নসহ দেশী-বিদেশী পর্যটকদের সুবিধার্থে সুপরিসর বিমান চলাচল নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর। পাশাপাশি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আকাশপথে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনায় রেখে এ প্রকল্পের কাজ করা হচ্ছে। পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ানোর পাশাপাশি বাণিজ্যিক গুরুত্বের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।প্রকল্প পরিচালক আমিনুল হাসিব জানান, ২০০৯ সালের অক্টোবরে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের ‘কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্প’ যাত্রা শুরু হয়। প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ ২০১৩ সালের জুন মাসে সমাপ্তির কথা ছিল। পরবর্তীতে এ কাজের জন্য মেয়াদ বাড়ানো হয়। কোরিয়ান একটি ঠিকাদারী কোম্পানীকে এ কাজ দেয়া হয়েছে। যা আগামী ২০১৮ সালের জুনে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।দেশীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মীর আকতার হোসাইন লিমিটেড-এর নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী মানিক কুমার বিশ্বাস বলেন, কাজের মানের ব্যাপারে কোন আপস নাই। আন্তর্জাতিক মান রক্ষা করেই বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ চলছে।উল্লেখ্য, পর্যটন শিল্প বিকাশে বর্তমান সরকার কক্সবাজারে ২৫টি মেগা উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়। এর মধ্যে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল এ বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করা। source : Inkilab
  • পোশাক কারখানা পাবে ৬ শতাংশ সুদে ঋণ
    পোশাক কারখানার উন্নয়নে ৬ শতাংশ সুদে ঋণ পাওয়া যাবে। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রামের পোশাক কারখানার মালিক ও ভবনের মালিকেরা এ ঋণ পাবেন। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ‘আরবান বিল্ডিং সেফটি প্রজেক্ট’-এর অধীনে মিলবে এ ঋণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।তবে এ ঋণ পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন। ব্যাংকগুলো এ ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তির পরই ঋণের আবেদন করা যাবে। এ জন্য ব্যাংকগুলোর কাছে আবেদন আহ্বান করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর জেলা এবং চট্টগ্রাম সিটির তৈরি পোশাক কারখানার ভবন নিরাপদ করতে ‘আরবান বিল্ডিং সেফটি প্রজেক্ট’-এর স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন করা হবে। এতে সহায়তা করছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।কারিগরি সহায়তা উপাদানসহ প্রকল্পের তহবিলের মোট আকার ৪২৪ কোটি জাপানি ইয়েন। আর ঋণ তহবিলের আকার ৪১২ কোটি ৯০ লাখ জাপানি ইয়েন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২৯৮ কোটি টাকা। পোশাক কারখানার ভবন পুনর্নির্মাণ, স্থানান্তর, সংযোজন বা রেট্রোফিটিং, চলতি মূলধন এবং অগ্নিনিরাপত্তার জন্য তহবিল থেকে ঋণসুবিধা দেওয়া হবে। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিজিএপিএমইএর সদস্য এমন তৈরি পোশাক খাতের ভবনমালিক অথবা কারখানার মালিকেরা এ ঋণসুবিধা পাবেন। ঋণের সর্বোচ্চ সুদ হার হবে ৬ শতাংশ।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্স নিয়ে কমপক্ষে তিন বছর কার্যক্রম চালানোব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আবেদন করার যোগ্য হবে। তবে কোনো ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের বেশি হলে ওই ব্যাংক আবেদনের যোগ্য হবে না।ওই নির্দেশনায় আরও জানানো হয়েছে, পুনঃ অর্থায়ন তহবিল থেকে সাব-লোন হিসেবে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৩৫ কোটি টাকা ঋণসুবিধা পাবেন। সংযোজন এবং অগ্নিনিরাপত্তার বিপরীতে নেওয়া ঋণ পরিশোধের মেয়াদ দুই বছর বাড়তি সময়সহ সর্বোচ্চ ১০ বছর। আর ভবন পুনর্নির্মাণ এবং স্থানান্তরের ক্ষেত্রে তিন বছর বাড়তি সময়সহ ঋণ পরিশোধের সময় ১৫ বছর। ভূমিকম্প প্রতিরোধক ভবন নির্মাণকালীন কাজ বন্ধ থাকা কারখানাগুলো পুনঃ অর্থায়ন তহবিল থেকে চলতি মূলধনের জন্য ঋণ সহায়তা পাবে। source : prothom-alo
  • মেঘনা লাইফের এজিএম কাল
    আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত মেঘনা-কর্ণফুলী বীমা ভবনে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে তালিকাভুক্ত জীবন বীমা কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। এজিএমের রেকর্ড ডেট ছিল ৫ সেপ্টেম্বর। ২০১৪ হিসাব বছরে ১৩ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) মেঘনা লাইফের নিট বীমা তহবিল ৩৮ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার টাকা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪১৫ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।ডিএসইতে গতকাল মেঘনা লাইফ শেয়ারের সর্বশেষ দর দশমিক ৩৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৫১ টাকা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ৬৭ টাকা ৫০ পয়সা ও সর্বনিম্ন ৪৪ টাকা ৫০ পয়সা।২০০৫ সালে তালিকাভুক্ত মেঘনা লাইফের অনুমোদিত মূলধন ৬০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ৪ লাখ ৫ হাজার ৩৬৪টি। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ১৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৩৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার। source : bonik barta
  • বিনিয়োগকারীদের ভুল তথ্য দিচ্ছে কোম্পানি
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কাছে তালিকাভুক্ত কয়েকটি কোম্পানি আর্থিক হিসাবে নিয়ে ভুল তথ্য দিয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীরা বিভ্রান্ত হচ্ছে। ফলে ক্ষতির মুখে পড়ছে তাদের বিনিয়োগ। তাই পুঁজিবাজারের স্বার্থে ভুল তথ্য দেয়া প্রতিষ্ঠাগুলোকে সিকিউরিটিজ আইনের আওতায় আনা দরকার বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানি তাদের আর্থিক হিসাবে মুনাফা, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ইত্যাদি নিয়ে ভুল তথ্য প্রদান করছে। যা ডিএসইর ওয়েবসাইটে ভুল বলে ‘লাল চিহ্নিত’ করে দেখানো হয়েছে। দেখা গেছে, একটি কোম্পানি প্রথম ৩ প্রান্তিকে আর্থিক হিসাব নিয়ে ডিএসইতে যে হিসাব দিয়েছে, তা মোট ৯ মাসের হিসাবের সঙ্গে মিলছে না। যেমন একটি কোম্পানি প্রথম প্রান্তিকে ২ টাকা, ২য় প্রান্তিকে ১ টাকা ও ৩য় প্রান্তিকে ২ টাকা ইপিএস দেখিয়েছে। এ হিসাবে ৯ মাসে ইপিএস হয় ৫ টাকা। কিন্তু কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ৯ মাসে ইপিএস দেখাচ্ছে ৫ টাকার বেশি বা কম। আর কোম্পানিগুলোর প্রদত্ত এমন তথ্যকে ডিএসই ভুল হিসাবে লাল চিহ্নিত করে দেখিয়েছে।অনুসন্ধানে উঠে আসা ভুল তথ্য প্রদান করা কয়েকটি কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- ফারইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডাইং, এএমসিএল (প্রাণ), প্রিমিয়ার সিমেন্ট ও সায়হাম কটন। এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য উপস্থাপনকারী কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব বিএসইসির। আশা করি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে তারা বিষয়টিতে নজর দেবেন।একই বিষয়ে ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি প্রসঙ্গে আমার জানা নেই। তবে কোম্পানি যদি ভুল তথ্য উপস্থাপন করে, তবে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। কারণ বিনিয়োগকারীরা কোম্পানি সম্পর্কে ধারণা পায় তাদের প্রকাশিত সংবেদনশীল তথ্য থেকে। ফলে এখানে কোন ধরনের ভুল করা চলবে না।ফারইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডাইং ৯ মাসের (জুন ২০১৫-মার্চ ২০১৬) হিসাবে মূল ব্যবসায় থেকে মুনাফা, করপরবর্তী নিট মুনাফা, মোট কমপ্রিহেনসিভ ইনকাম ও বেসিক ইপিএস হিসাবে ভুল তথ্য প্রদান করেছে। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ৯ মাসে যে হিসাব দেখিয়েছে, তা ৩টি প্রান্তিকের যোগফলের সঙ্গে মিলছে না। ফারইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডাইং কোম্পানি মূল ব্যবসায় মুনাফা, মোট কমপ্রিহেনসিভ ইনকাম ও করপরবর্তী নিট মুনাফা করে ২৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। কিন্তু কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ভুলভাবে ২৪ কোটি ৬ লাখ টাকা দেখিয়েছে। এছাড়া ১.৬৯ টাকার বেসিক ইপিএসকে ১.৬৪ টাকা দেখিয়েছে। source : janokontho
  • ঋণে পাঁচ শর্তের বেড়াজাল
    চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত হবে দেশের প্রথম টানেল। কিন্তু চীনের দেয়া কঠিন শর্তের বেড়াজালে পড়েছে এ প্রকল্পের ঋণ সহায়তা। এতে ২ শতাংশ সুদসহ পাঁচ ধরনের শর্ত দিয়েছে দেশটি। তবে এসব শর্ত নিয়ে আপত্তি সংশ্লিষ্টদের। এ অবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। আগামী ১৪-১৫ অক্টোবর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ এ প্রকল্পের নির্মাণকাজ উদ্বোধনের কথা রয়েছে। এ অবস্থায় দ্রুত ঋণসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে বৈঠকে বসছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং চীনের এক্সিম ব্যাংক। কাল বৃহস্পতিবার ইআরডিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ইআরডির এশিয়া উইংয়ের প্রধান অতিরিক্ত সচিব মনসুর মোহাম্মদ ফায়জুল্লাহ। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।এ প্রসঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘তাদের সব শর্ত মেনে নেয়ার কোনো কারণ নেই। আশা করছি, বৈঠকের মধ্য দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘চীনের দেয়া সহজ শর্তের এবং বায়ার্স ক্রেডিটের ঋণের মধ্যে একটু পার্থক্য রয়েছে। সহজ শর্তের ঋণ পরিশোধ করতে হবে চীনের টাকায় এবং একসময় এ ঋণ হয়তো মাফও করা হতে পারে। তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সে সম্ভাবনা নেই। কেননা আমরা এখন মধ্যম আয়ের দেশের দিকে যাচ্ছি। আর কঠিন শর্তের ঋণ মার্কিন ডলারে পরিশোধ করতে হয় এবং এ ঋণ কখনোই মাফ পাওয়া যায় না।’সূত্র জানায়, প্রকল্পটিতে চীনের ঋণ সহায়তা ৭০ কোটি ৫৮ লাখ মার্কিন ডলার। এ ঋণ দুটি ভাগে বিভক্ত। একটি হচ্ছে চাইনিজ গভর্নমেন্ট কনসেশনাল লোন (সিজিসিএল)। এর পরিমাণ ৩০ কোটি মার্কিন ডলার। এ ছাড়া বায়ার্স ক্রেডিট হিসেবে দেয়া হবে ৪০ কোটি ৫৮ লাখ মার্কিন ডলার।সম্প্রতি চীন থেকে পাঠানো দুটি খসড়া ঋণ চুক্তির প্রস্তাবে যেসব শর্ত দেয়া হয়েছে সেগুলো হল : উভয় ঋণের ক্ষেত্রেই সুদের হার হবে ২ শতাংশ। ঋণ পরিশোধের মেয়াদ হচ্ছে ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ (এ সময়ে শুধু সুদ পরিশোধ করতে হয়) ২০ বছর। ম্যানেজমেন্ট ফি দিতে হবে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ। কমিটমেন্ট ফি দিতে হবে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ এবং চুক্তি কার্যকর হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ম্যানেজমেন্ট ফি বাবদ ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার প্রদান করতে হবে।অন্যান্য দাতা সংস্থা ও দেশের ঋণ শর্ত পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিডের (এলওসি) ক্ষেত্রে ঋণের সুদের হার ১ শতাংশ। এর সঙ্গে কোনো কমিটমেন্ট ফি বা ম্যানেজমেন্ট ফি নেই। বিশ্বব্যাংকের ঋণে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সাভিস চার্জ দিতে হয়। কোনো কমিটমেন্ট ফি নেই। অন্যদিকে ঋণ পরিশোধের সময়ও পাওয়া যায় বেশি। অর্থাৎ ৬ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩৮ বছরে এ ঋণ পরিশোধ করতে হয়। এ ছাড়া এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (এডিএফ) সহজ শর্তের ঋণে সুদের হার ২ শতাংশ হলেও কোনো কমিটমেন্ট ফি নেই। অরডিনারি ক্যাপিটাল রিসোর্সেস (ওসিআর) কঠিন শর্তের ঋণে সুদের হার লন্ডন ইন্টার ব্যাংক অফার রেটের (লাইবর) সঙ্গে ১ দশমিক ৫ শতাংশ। সঙ্গে কমিটমেন্ট ফি অব্যয়িত অর্থের ওপর শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ। উভয় ঋণই ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ২৫ বছরে পরিশোধযোগ্য। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীনের ঋণে সরকারের দায় অনেক বাড়বে।এ প্রসঙ্গে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, ঋণ পরিশোধে হয়তো সমস্যা হবে না। কিন্তু কথা হচ্ছে, বিশ্বব্যাংক বা এডিবির মতো উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ পেলে ভালো হতো। তবে চীনের ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হারের সঙ্গে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট নিলে সে দেশের ঠিকাদার বা সে দেশ থেকে পণ্য কিনতে হয়। এতে প্রতিযোগিতা থাকে না। এটি একটি বড় বিষয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পাইপলাইনে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার জমে আছে। বৈদেশিক অর্থের ব্যবহার না বাড়িয়ে এত শর্তযুক্ত ঋণ নেয়ার দরকার কি?’সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত হবে দেশের প্রথম টানেল। প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এ টানেল নির্মিত হলে কর্ণফুলী নদীর দুই পাড়ের মধ্যে অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, চট্টগ্রামকে মূলত চীনের সাংহাইয়ের আদলে ওয়ান সিটি টু টাউন গড়ার পরিকল্পনা থেকে টানেলটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন করেছে। একাধিক লেনের সড়কবিশিষ্ট প্রকল্পটি নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা এবং চীন সরকারের ঋণ থেকে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। আশা করা হচ্ছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের জাতীয় মহাসড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। সেইসঙ্গে আঞ্চলিক কানেকটিভিটি বিশেষ করে এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন হবে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।চীনের প্রস্তাব পাওয়ার পর এ খসড়া ঋণ প্রস্তাবের ওপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মতামত নিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর ইআরডিতে অনুষ্ঠিত হয় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন ইআরডির যুগ্ম সচিব (এশিয়া) মো. মতিয়ার রহমান। সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে চীন এ ঋণ দিতে সম্মত হয়। এ ঋণ পেতে প্রথমে দু’দেশের সরকারের মধ্যে ঋণের জন্য একটি ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হবে। পরবর্তী সময়ে এর আলোকে মূল ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ বিষয়ে ব্যাপক আলোচনার পর শর্ত শিথিলের বিষয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের জুনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীন সফরকালে জি টু জি ভিত্তিতে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের জন্য চীনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে চীন সরকার চায়না কমিউনিকেশন কনসট্রাকশন কোম্পানিকে (সিসিসিসি) টানেল নির্মাণে মনোনীত করে। পরে সিসিসিসি এবং অভি অরূপ অ্যান্ড পার্টনারস হংকং লিমিটেড যৌথভাবে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের কারিগরি এবং অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে বলে জানা গেছে।   source : jugantor
  • শুরুতেই পরিবেশ দূষণ সাভার ট্যানারি পল্লীর
    শুরুতেই পরিবেশ দূষণ সাভার ট্যানারি পল্লীরএসএম আলমগীর, সাভার থেকে ফিরে: পরিবেশ দূষণের মাধ্যমে শুরু হয়েছে সাভারের ট্যানারি পল্লীর চামড়া প্রক্রিয়াকরণ কাজ। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও চালু হয়নি ট্যানারি পল্লীর কাজ। তবুও যে কয়েকটি ট্যানারিতে এবার কোরবানির পশুর চামড়া তোলা হয়েছে সেসব ট্যানারির বর্জ্য ফেলা হচ্ছে খোলা জায়গায়। ফলে রাজধানীর হাজারীবাগের মতোই দুর্গন্ধ সাভারের ট্যানারি পল্লীর বাতাসে। চামড়ার ফেলে দেওয়া টুকরো কাক ও কুকুর নিয়ে ফেলছে আশপাশের আরও অনেক জায়গায়। এলাকাবাসী প্রতিবাদ করায় ট্যানারি পল্লীর লোকেরা উল্টো তাদের হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া ট্যানারিপল্লীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বংশী নদীর তীরেও ফেলা হচ্ছে চামড়ার বর্জ্য এবং সেগুলো গড়িয়ে পড়ছে নদীর পানিতে। এতে বংশীও কি বুড়িগঙ্গার ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছে-এ প্রশ্ন চলে আসছে সামনে। গতকাল সাভারের ট্যানারি পল্লীতে সরেজমিন ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।সাভারের হেমায়েতপুরে ১৯৯ দশমিক ৪০ একর জমির এই ট্যানারিপল্লীর মোট ২০৫টি শিল্প প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয় ১৫৫ ট্যানারি মালিককে। এর মধ্যে গত কোরবানির ঈদের আগে ও পরে মিলে এখনও পর্যন্ত ১৫টির মতো ট্যানারিতে কাঁচা চামড়া তোলা হয়েছে। এই কারখানাগুলো ইতোমধ্যেই চামড়া প্রক্রিয়াকরণ শুরু হয়েছে। আর এসব ট্যানারির বর্জ্যই ফেলা হচ্ছে খোলা জায়গায়। মূলত সলিড বর্জ্য ফেলার জন্য ডাম্পিং স্টেশন এখনও তৈরি না হওয়ায় খোলা জায়গাতেই ফেলা হচ্ছে এসব বর্জ্য।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্যানারিপল্লীর প্রকল্প পরিচালক মো. আবদুল কাইউম কোনো কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ট্যানারিপল্লীর বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। শিল্পমন্ত্রী আমাকে কথা বলতে নিষেধ করেছেন, তিনি আমাকে মুখ বন্ধ রাখতে বলেছেন। আপনারা নিজে গিয়ে দেখে আসুন এবং যা মনে চায় লিখে দিন।’ পরে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।সরকার পক্ষের কেউ এ বিষয়ে মুখ না খুললেও পরিবেশবিদরা বিষয়টি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়ার আবু নাসের সকালের খবরকে বলেন, দু’দিন আগে পবার পক্ষ থেকেও আমরা সাভারের ট্যানারিপল্লীতে সরেজমিন গিয়েছিলাম। এখনও সেখানে ট্যানারি কারখানা পুরোদমে চালু না হওয়ায় আমরা হতাশ। তার চেয়েও বড় উদ্বেগের বিষয়, যে কয়েকটি ট্যানারি চালু হয়েছে সেসব ট্যানারি বর্জ্য খোলা জায়গায় ফেলা হচ্ছে। এতে আশপাশের এলাকার পরিবেশ দূষণ করছে। সরকার ডাম্পিং স্টেশন তৈরি না করায় এ অবস্থা হচ্ছে। আমরা যতটা জানতে পেরেছি, আগামী ৬ মাসের আগে ডাম্পিং স্টেশন তৈরি করা হচ্ছে না। সুতরাং তার আগ পর্যন্ত খোলা জায়গাতেই ফেলা হবে বর্জ্য। সুতরাং পরিবেশ আরও খারাপ হবে-এটা নিশ্চিত। আশা করব সরকার এ বিষয়ে দ্রুত কোনো পদক্ষেপ নেবে।গতকাল সাভারের ট্যানারিপল্লীতে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পল্লীর উত্তর ও দক্ষিণ পাশের সীমানা ঘেঁষে ফেলা হচ্ছে ট্যানারি বর্জ্য। ট্যানারিপল্লীর একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে সীমানার পরই রয়েছে জমজম সিটি। এখানে রয়েছে একটি জমজম সিটি মাদ্রাস, মসজিদ এবং গ্রাম। জমজম সিটির সীমানা প্রাচীর ঘেঁষেই ফেলা হচ্ছে বর্জ্য। এখানে ট্যানারিপল্লীর জন্য ডাম্পিং স্টেশন তৈরির জায়গা রাখা হয়েছে। কিন্তু সেটি এখন অনেকটা পুকুরের মতো। এই পাশে সলিড বর্জ্য এবং ঝিল্লির অংশ ফেলায় সেগুলো গড়িয়ে পড়ছে পানিতে। আবার এখান থেকে বর্জ্যের টুকরো কুকুর ও কাকে নিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন স্থানে। ফলে আশপাশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে এসব বর্জ্য। জমজম সিটি মাদ্রাসার শতাধিক ছাত্র এবং মসজিদের মুসল্লিদের সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয়েছে। বর্জ্যের দুর্গন্ধে তাদের এখন চলাচলই দায় হয়ে পড়েছে।জমজম সিটি মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা মো. ইউসুফ জানান, গত প্রায় ২০-২২ দিন ধরে এখানে চামড়ার বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এতে করে মাদ্রাসার ছাত্র থেকে শুরু করে আমাদের সবারই খুব কষ্ট হচ্ছে। আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং নিষেধ করেছি এখানে চামড়া না ফেলতে। কিন্তু আমাদের নিষেধ তো মানেইনি, উল্টো আমাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে, যাতে আমরা কোনো কথা না বলি। কারা হুমকি দিয়েছে-জানতে চাইলে তিনি বলেন, ট্যানারিতে যারা কাজ করছে তারাই হুমকি দিয়েছে। এই মাদ্রাসার বাবুর্চি আবুল খায়ের বলেন, দুর্গন্ধের কারণে কিছু বর্জ্য আমরা ৫০০ টাকা লেবার খরচ দিয়ে মাটিচাপা দিয়েছি, কিন্তু আরও অনেক বর্জ্য থাকায় দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পাচ্ছি না। ওই এলাকার আরেক বাসিন্দা করিমন বেওয়া বলেন, জন্মের পর থেকে এখানে বসবাস করছি। কিন্তু এখন মনে হয় বাপ-দাদার ভিটে ছেড়ে পালাতে হবে। কারণ শুরুতেই যেভাবে দুর্গন্ধ ছড়ানো হচ্ছে সব ট্যানারি এলে তো আর এখানে টেকা যাবে না।ট্যানারিপল্লীর উত্তর পাশে বেশ কিছুটা দূরে একেবারে বংশী নদীর পাড় ঘেঁষেও ফেলা হচ্ছে ট্যানারির কঠিন বর্জ্য। ট্যানারির বিভিন্ন কেমিক্যাল মিশ্রিত এসব বর্জ্য গিয়ে পড়ছে বংশী নদীর পানিতে। ফলে নদীর পানিও দূষিত হচ্ছে।সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, সাভারের ট্যানারিপল্লীর যে কয়েকটি কাখানায় লবণ মিশ্রিত কাঁচা চামড়া আনা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হচ্ছে অ্যাপেক্স ট্যানারি, নবারণ ট্যানারি, মদিনা লেদার, রিলায়েন্স ট্যানারি ও মারসন্স ট্যানারি। অ্যাপেক্স ট্যানারির কারখানার ভেতরে ঘুরে দেখা গেছে, এখানে দুটি ট্রাক থেকে নামানো হচ্ছে কাঁচা চামড়া। সেগুলো ট্রাক থেকে নামিয়ে তোলা হচ্ছে ড্রামে। ড্রামে চামড়া প্রক্রিয়াকরণ শেষে কঠিন ও তরল বর্জ্য আলাদা করা হচ্ছে। ডাম্পিং স্টেশন না হওয়ায় এই কারখানার কঠিন বর্জ্য ও ঝিল্লি ফেলা হচ্ছে ওই খোলা জায়গায়। আর তরল বর্জ্য বা ক্রম-পানি ধরে রাখা হচ্ছে কারখানাটির নিজস্ব খোলা ড্রেনে। এই ক্রম-পানিগুলো শোধন করা হবে মূলত কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারে। কিন্তু সিইটিপি চালু না হওয়ায় তরল বর্জ্য ধরে রাখা হচ্ছে। খোলা ড্রেনে ধরে রাখায় এখান থেকেও দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।অ্যাপেক্স ট্যানারির প্রধান প্রকৌশলী জিএম শহিদুন্নবী বলেন, আমরা অন্য ট্যানারির খবর বলতে পারব না। কিন্তু আমরা আমাদের ট্যানারি পুরোদমে চালু করার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু বিসিক সময়মতো সিইটিপিসহ অন্যান্য অংশের কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় আমাদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। আমাদের কারখানায় এ মুহূর্তে ৩২টি ড্রাম চালু করার মতো অবস্থায় আছে। কিন্তু আমরা চালু করতে পেরেছি মাত্র চারটি। কারণ বর্জ্য ও ক্রম-পানি জায়গামতো ফেলতে পারছি না। কিন্তু আমরা ক্রম-পানি কত দিন ধরে রাখব। আমাদের ড্রেন ভরে গেলে তখন এই দূষিত পানি ফেলতেই হবে-কোনো উপায় থাকবে না। কঠিন বর্জ্যের চেয়ে এই ক্রম-পানি হচ্ছে সবচেয়ে বিষাক্ত। এই পানি যদি খোলা জায়গায় ফেলা হয় তাহলে পরিবেশের জন্য সেটি আরও খারাপ হবে। আমরা আশা করব তার আগেই সরকার সিইটিপি চালু করার উদ্যোগ নেবে।তবে সিইটিপির দুটি মডিউল চালু করার মতো অবস্থায় এলেও প্রয়োজনীয় বর্জ্যের অভাবে চালু করা যাচ্ছে না। সিইটিপির অংশে ঘুরে দেখা গেছে, ওই দুটি মডিউলের ভেতর বেশ কিছু ট্যানারির ক্রম-পানি জমা করে রাখা হয়েছে। কিন্তু এই দুটি মডিউল পুরোদমে চালু করতে হলে কমপক্ষে ৪৮টি ট্যানারির বর্জ্যের দরকার। সহসা এতগুলো ট্যানারি চালু করা সম্ভব হবে না। ফলে কবে নাগাদ পুরোদমে সাভারের ট্যানারিপল্লীর কারখানা চালু হবে তার সঠিক তথ্য কারও জানা নেই। source : sokaler kobor
View All
Latest DSE News
  • MIDASFIN

    (Continuation news of MIDASFIN): to call, hold and conduct its next AGM in 2017 instead of 2016 (which is under process). Accordingly, financial statements of 18 months shall be considered in the Board Meeting after closing of financial year on December 31, 2016 and shall be placed for approval of shareholders in the AGM to be held pursuant to the order of the Court. (end)

  • MIDASFIN

    (Continuation news of MIDASFIN): The Company has also informed that an application was filed to the Honorable High Court division of Supreme Court under section 85(3) of the Companies Act 1994 for an order directing MIDAS Financing Ltd. (cont. 2)

  • MIDASFIN

    The Company has informed that the Board of Directors has decided, according to the Companies Act, 1994 and the Directive issued by the BSEC dated September 28, 2016, to extend the Financial Year (FY) 2015-2016 of the Company by an additional period of 6 months comprising to 18 months period commencing on July 01, 2015 and ending on December 31, 2016 to comply with the uniform income year from January to December as per provision of the Finance Act, 2015. (cont. 1)

  • DOREENPWR

    (continuation news of DOREENPWR): As per Power Purchase Agreement, BPDB will purchase the power from the plant for 15 years from the date of COD. Dhaka Northern Power Generations Limited will generate approximately Tk. 313.74 crore as revenue per year. As 98.52% shareholding owner, Doreen Power Generations and Systems Limited will be benefited from the above mentioned revenue proportionality. (end)

  • DOREENPWR

    The Company has informed that Bangladesh power Development Board (BPDB) has approved the Commercial Operation (COD) of 55MW Power Plant at Manikganj of Dhaka Northern Power Generations Limited with effect from 17.08.2016. The plant has been successfully completed the COD procedure with its full (100%) dependable capacity of 55MW. (cont.)

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
UNIONCAP 13.60 12.50 1.10 8.80
STANDARINS 13.70 12.60 1.10 8.73
PTL 19.30 17.90 1.40 7.82
ETL 18.20 17.00 1.20 7.06
MIRACLEIND 36.80 34.40 2.40 6.98
ZEALBANGLA 21.70 20.30 1.40 6.90
REPUBLIC 14.60 13.80 0.80 5.80
BNICL 15.00 14.20 0.80 5.63
NITOLINS 22.30 21.20 1.10 5.19
PRIMEINSUR 17.00 16.20 0.80 4.94

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297