Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
RAHIMTEXT 382.8 330 52.80 16.00
POPULARLIF 235.3 204.9 30.40 14.84
SAMATALETH 24.2 21.5 2.70 12.56
SAIFPOWER 63.7 56.6 7.10 12.54
SHURWID 41.8 38.6 3.20 8.29
ALLTEX 8 7.4 0.60 8.11
EASTRNLUB 447.9 417.3 30.60 7.33
PHARMAID 194.4 181.3 13.10 7.23
SONALIANSH 127.6 119.5 8.10 6.78
RSRMSTEEL 84.1 78.8 5.30 6.73

Contest SB2014_Oct

1st
blank_person
DHAKA1205
2nd
blank_person
XMAN
3rd
blank_person
FERDOUSFIN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
SPCL 118.6 107.9 2.52097 47200.00
BATBC 2754 2732.3 2.41926 100.00
ICB 1460.75 1445 1.23463 14500.00
KPCL 66 64.4 1.07409 5081900.00
MICEMENT 91.4 88.7 0.74501 637100.00
Negative impact
GP 370.8 373.6 -7.02521 411800.00
TITASGAS 91.2 93.4 -4.04378 2697500.00
SQURPHARMA 276.9 279.9 -3.08985 793460.00
BSRMSTEEL 103.1 107.4 -2.73074 663500.00
HEIDELBCEM 537.5 559.9 -2.35177 328450.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
RSRMSTEEL 84.1 88 82.5 2.31% 418.30
KPCL 66 68 63.5 2.48% 335.59
MJLBD 145.2 150 144.8 -1.76% 309.98
TITASGAS 91.2 94.5 90.2 -2.36% 248.03
SQURPHARMA 276.9 284 276 -1.07% 221.03
HEIDELBCEM 537.5 546.9 521 -4.00% 174.76
BXPHARMA 67.5 70.3 67 -1.75% 170.21
GP 370.8 375 369.1 -0.75% 153.06
BEXIMCO 41.6 43 41.4 -0.95% 148.38
GOLDENSON 52 53 51.8 0.78% 146.21

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 22 Oct 2014

140268
TOTAL TRADE
162.8031
TOTAL VOLUME(Mn)
7225.57
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • কোম্পানির প্রান্তিকের আয় বুঝে বিনিয়োগ পুনর্বিন্যাসের প্রবণতা
    টানা ঊর্ধ্বগতির পর সংশোধনের ধারায় পড়েছে শেয়ারবাজার। আর বাজারের উত্থান নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তাব্যক্তিদের উদ্বেগে সংশয় দেখা দিয়েছে বিনিয়োগকারীর মধ্যে। তবে সতর্ক অনেকে কোম্পানির প্রান্তিকের আয়ের দিকে খেয়াল রেখে পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যাসের চেষ্টা চালাচ্ছেন। ফলে টানা তিন কার্যদিবস নিম্নগামী থাকার পর মঙ্গলবার মূলসূচকের উত্থান দেখা গেলেও গতকাল আবারো পতন হয়। এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনে ব্রড ইনডেক্স ৬৩ পয়েন্ট কমে। এছাড়া অন্যান্য সূচকও ছিল নিম্নগামী। তবে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে বাড়ে। দেশের অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল সব ধরনের সূচকের পরিমাণ কমে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ  প্রকাশ করেছেন বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন। তার মতে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক উত্থান যৌক্তিক নয়। গত মঙ্গলবার তিনি এমন মন্তব্য করেন। গতকাল দেশের শেয়ারবাজারে তার এ মন্তব্যের কিছুটা প্রভাব ছিল। বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে প্রধান মূল্যসূচকের সামান্য উত্থান দেখা দিলেও পরবর্তী সময়ে বিক্রয় চাপ সামাল দিতে না পেরে নিম্নগামী হয়। এর পর বেলা ১১টার পর কিছুটা ক্রয়াদেশ আসে, যা সূচক বাড়াতে সহায়তা করে। কিন্তু বেলা পৌনে ১টা থেকে বিক্রির পরিমাণ তীব্র হওয়ায় সূচক পতনও প্রকট হয়ে ওঠে। সূচক পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়। এদিকে বাজার সংশোধনের ধারায় থাকায় বিনিয়োগকারীরা অংশগ্রহণ কমিয়ে দিয়েছেন। ঈদের পর ১৪ অক্টোবর ডিএসইতে কেনাবেচা হয় ১০৯৭ কোটি টাকা। পরদিন ৮১৪ কোটি টাকা। কেনাবেচায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা না থাকায় গতকাল ৭২২ কোটি টাকায় নেমে এসেছে, তবে তা আগের দিনের চেয়ে ২৮ কোটি টাকা বেশি। ডিএসইতে গতকাল লেনদেনকৃত ৩০২টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দাম বাড়ে ৭৬টির, কমে ২০৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২১টির দর। অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হয় ৫০ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ। এ বাজারে লেনদেনকৃত মোট ২২৮টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দাম বাড়ে ৫৭টির, কমে ১৫৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১২টির। গতকাল ডিএসইতে কেনাবেচা হওয়া প্রায় ৬৮ শতাংশ শেয়ারের দরপতন হওয়ায় ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের ৬৩.৬৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫১৭০.১৫ পয়েন্টে। ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ২৩.০৫ পয়েন্ট কমে ১৯৪৮.৯৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়। অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতে কেনাবেচা হওয়া অধিকাংশ শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় সার্বিক মূল্যসূচক ১৪৮ পয়েন্ট হারায়। এছাড়া সদ্য চালু হওয়া সিএসই-৫০ বেঞ্চমার্ক সূচক কমে মাত্র ১৪ পয়েন্ট। খাতওয়ারি পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যাসের প্রবণতা ছিল। গতকাল জ্বালানি ও ওষুধ খাতে লেনদেন কমে। একক কোম্পানি হিসেবে লেনদেনে নেতৃত্ব দেয় প্রোকৌশল খাতের কোম্পানি রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস। ডিএসইর মোট লেনদেনের ২.৩ শতাংশ ছিল এর। এছাড়া খুলনা পাওয়ার কোম্পানির লেনদেনও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বাড়ে। ডিএসইতে লেনদেনে টাকার পরিমাণে এগিয়ে থাকা ১০ কোম্পানি হলো— রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, মবিল যমুনা, তিতাস গ্যাস, স্কয়ার ফার্মা, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, বেক্সিমকো ফার্মা, গ্রামীণফোন, বেক্সিমকো লিমিটেড ও গোল্ডেন সন। ‘জেড’ ক্যাটাগরি ছাড়া দরবৃদ্ধিতে এগিয়ে থাকা ১০ কোম্পানি হলো— শাহজিবাজার পাওয়ার, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, রহিমা ফুড, রহিমা টেক্সটাইল, এপেক্স ট্যানারি, সমতা লেদার, বিডি ল্যাম্পস, এপেক্স ফুড, এমআই সিমেন্ট ও মতিন স্পিনিং।
  • ঋণমানে দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি+’ অ্যারামিট সিমেন্ট
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অ্যারামিট সিমেন্টের ঋণমানে দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি+’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। অর্থাৎ কোম্পানিটি ঋণ পরিশোধ সক্ষমতায় মাঝারি অবস্থানে রয়েছে। কোম্পানিটির ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)। এদিকে অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩৪ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এর মুনাফা ছিল ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৮৬ পয়সা। অন্যদিকে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এর মুনাফা হয়েছে ৭৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ২২ পয়সা। আগের বছর এ তিন মাসে মুনাফা ছিল ২ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজা টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ২৯ পয়সা। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫৬ পয়সা, শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৬ টাকা ২২ পয়সা। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে দশমিক ২২ শতাংশ বা ১০ পয়সা। দিনভর দর ৪৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৪৬ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৪৪ টাকা ৬০ পয়সায়, যা দিন শেষে একই ছিল। এদিন ১১৭ বারে এর মোট ৯৮ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়।
  • আইডিএলসির আয় বেড়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : আর্থিক খাতের কোম্পানি আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেডের মুনাফা বেড়েছে ১৬৫ শতাংশ। কোম্পানিটি তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’১৪) ৪২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা নিট মুনাফা করেছে।  আগের বছর একই সময়ে মুনাফার পরিমাণ ছিল ১৬ কোটি ১১ লাখ টাকা।  এক বছরের ব্যবধানে মুনাফা বেড়েছে ২৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। গত বছরের একই সময়ের পাশাপাশি চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের চেয়েও মুনাফা বেড়েছে। দ্বিতীয় প্রান্তিক তথা এপ্রিল-জুন সময়ে কোম্পানির ইপিএস ছিল ৩৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা। তৃতীয় প্রান্তিকের মুনাফা তারচেয়ে ৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা বেশি। তৃতীয় প্রান্তিকে আইডিএলসির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে তা ছিল ১ টাকা। আর চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে তা ১ টাকা ৭৫ পয়সা ছিল।
  • আলিবাবার আইপিও, আগামী সপ্তাহে রোড শো
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজার থেকে আইপিও’র মাধ্যমে ২ হাজার ৪৩০ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহ করবে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা গ্রুপ। এমনটি হলে আলিবাবাই হতে যাচ্ছে পুঁজিবাজার থেকে সবচেয়ে বেশি মূলধন সংগ্রহকারী অনলাইন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। শুক্রবার বিশেষ এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। বিবিসি জানায়, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে আলিবাবা। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে তথা বিশ্ব পুঁজিবাজারে অন্তর্ভূক্ত হতে যাচ্ছে এই কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটির ধারণা, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে শেয়ারের দাম হতে পারে ৬০ থেকে ৬৬ মার্কিন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক রোড শো শেষে আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত শেয়ারমূল্য নির্ধারণ করা হবে। আইপিওতে প্রতিষ্ঠানটির মোট ৩২ কোটি এক লাখ শেয়ারের মধ্যে ১২ কোটি ৩১ লাখ শেয়ার ছাড়া হবে। তবে অনুমিত মূল্যেই আলিবাবাবা হতে যাচ্ছে বিশ্ব পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বেশি অর্থ সংগ্রহকারী প্রযুক্তি কোম্পানি। এ সম্পর্কে আলিবাবার নির্বাহী চেয়ারম্যান জ্যাক মা বলেন, শুরু থেকেই আমাদের উদ্যোক্তাদের আশা ছিল কোম্পানিটির ভিত গড়ে তুলবে চীনা জনগণ, তবে এটি হবে সারা বিশ্বের মানুষের। এর আগে ২০১২ সালে ফেসবুক এক হাজার ৬০০ কোটি ডলার মূল্যের শেয়ার ছেড়েছিল। বর্তমানে ফেসবুকের বাজারমূল্য ১০ হাজার কোটি মার্কিনডলারের বেশি। আইপিও ছাড়ার পর আলিবাবার বাজারমূল্য ১৬ হাজার ২০০ কোটিতে পৌঁছাতে পারে। প্রসঙ্গত, আলিবাবা চীনের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি কোম্পানি। দেশটির ৮০ শতাংশ অনলাইন বেচা-কেনাই এর মাধ্যমে হয়ে থাকে। পেছনের খবর : আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারে আইপিওভুক্ত হচ্ছে আলিবাবা
  • আমরা টেকনোলজিসের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে আমরা টেকনোলজিস। বুধবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা টেকনোলজিসের কোম্পানি সচিব মো. এনামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শেয়ারহোল্ডার বাছাইয়ের জন্য আগামী ১২ নভেম্বর রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে আগামী ২৪ ডিসেম্বর, সকাল ১০টায় স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। শেষ হওয়া অর্থবছরে আমরা টেকনোলজিসের প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১.৫২ টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ২০.৯৭ টাকা।
  • রহিম টেক্সটাইলের ২৬ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা
    ডেস্ক রিপোর্ট : লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে রহিম টেক্সটাইল। বুধবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের জন্য ২৬ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। শেয়ারহোল্ডার বাছাইয়ের জন্য আগামী ১৩ নভেম্বর রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে আগামী ১৮ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় ট্রাস্ট মিলনায়তন, ৫৪৫ পুরাতন বিমানবন্দর সড়ক, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। শেষ হওয়া অর্থ বছরে রহিম টেক্সটাইলের প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ৮.২৪ টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ৬৫.১০ টাকা ও প্রতি শেয়ারে নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ২০.১৩ টাকা।
  • ডি.এস.ই.এক্স ইনডেক্স এ বিয়ারিশ ক্যান্ডেল
    দিনের শেষ ভাগে বিক্রয় চাপ বেশি থাকার ফলে সূচক ৬৩.৬৬  পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে বিয়ারিশ ক্যান্ডেল তৈরি করেছে ডিএসই দিনের শেষ ভাগে বিক্রয়চাপ বেশি থাকায় সূচক নিন্মমুখি, ইনডেক্সে সাইড ওয়াকিং  । মেহেদী আরাফাত : টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী সপ্তাহের চতুর্থ  বুধবার ঢাকা শেয়ার বাজার ডিএসই বিশ্লেষণে দেখা যায়- ডিএসই Index শুরুতেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নিয়ে দিন শুরু করে এবং  ইনডেক্স ছোট্ট একটি বিয়ারিশ ক্যান্ডেল তৈরি করে।  কিছুক্ষণ পরই অব্যাহত বিক্রয় চাপের ফলে ইনডেক্স আবার হ্রাস পেতে থাকে এবং বিয়ারিশ ক্যান্ডেল টি বিয়ারিশ ক্যান্ডেল এ রূপান্তরিত হয়। দুপুর ১১:০৫ মিনিট পর্যন্ত সেই  ধারা অব্যাহত থাকে কিন্তু লেনদের গতি আগের দিনের তুলনায় কিছুটা কমে যায়। বেলা ১২.৪০ মিনিটে ডিএসইএক্স অবস্থান করে ৫২২০  পয়েন্টে। এরপর থেকেই ইনডেক্স হ্রাস পেতে থাকে এবং বেলা ০২:২৫ মিনিটে ইনডেক্স অবস্থান করে ৫১৭৮ পয়েন্টে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী আজ ঢাকা শেয়ার বাজার দিনের শুরু থেকে নামতে  থাকে,  কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে এক্স সূচক এবং লেনদেন উভয়ই কমতে থাকে এবং দিন শেষে আজ ডিএসই সাধারন সূচক ৬৩:৬৬ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে  বিয়ারিশ ক্যান্ডেল তৈরি  করে । আজকের RSI 60.67 এবং MACD 127.80 ।
  • বরকতুল্লাহ ও আরএসআরএমের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বরকতুল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিক ও আরএসআরএম স্টিলস। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সভায় বরকতুল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিকের পরিচালনা পর্ষদ ১৭ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও আরএসআরএমের পরিচালনা পর্ষদ ২০ শতাংশ বোনাস ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছেন। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। উভয় কোম্পানির সচিব দ্য রিপোর্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া সভায় বরকতুল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিকের পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে বারাকা পাওয়ার লিমিটেড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শেয়ারহোল্ডার বাছাইয়ের জন্য উভয় কোম্পানি আগামী ৬ নভেম্বর রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি ও কোম্পানির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত অনুমোদনের জন্য বরকতুল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিক আগামী ১১ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে। এ ছাড়া আরএসআরএম স্টিলস আগামী ৩০ নভেম্বর সকাল ১১টায় এজিএম আহ্বান করেছে। শেষ হওয়া অর্থবছরে বরকতুল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিকের প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৯০ টাকা ও প্রতি শেয়ারে সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৯.৪৫ টাকা। কোম্পানিটি আগের বছর শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছিল। এ ছাড়া আরএসআরএমের ইপিএস হয়েছে ৫.২৪ টাকা ও প্রতি শেয়ারে এনএভি হয়েছে ৫৮.৯৩ টাকা।
  • ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট পাস হবে আগামী অধিবেশনে
    সিনিয়র রিপোর্টার : ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট পাস হলে পুঁজিবাজারে সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। সরকার সব সময় রেগুলেটারি প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এ প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কোনো ব্যাঘাত হবে না। এজন্য আগামী সংসদ অধিবেশনেই ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট পাস হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। বুধবার রাজধানীর ইন্সস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে (আইডিইবি) আয়োজিত এক মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ‘সিএসই ইন্টারনেট ট্রেড ফেয়ার-২০১৪’ শিরোনামে এ মেলার আয়োজন করেছে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে এ মেলা শুরু হয়েছে। মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত।এখানে বিনিয়োগকারীরা কীভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেন করা যায় সেসব বিষয়ে সব তথ্য জানতে পারবেন।  এ সময় মন্ত্রী বলেন, দেশে এখন সার্বিক পরিবর্তন হয়েছে। যেখানে যাচ্ছি শুধু জয়জয়কার। দেশের মানুষও এমন স্থিতিশীল পরিবেশ দেখতে চায়। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমরা এখন উদীয়মান অর্থনৈতিক দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাজিদ হোসেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. স্বপন কুমার বালা, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন আব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান প্রমুখ।
  • চতুর্থবার বাড়লো আরএন স্পিনিংয়ের স্থগিতাদেশের মেয়াদ
    ডেস্ক রিপোর্ট : আরএন স্পিনিংয়ের উদ্যোক্তা-পরিচালকের শেয়ার বিক্রি, হস্তান্তর, বন্ধক ও উপহার দেওয়ার নিষেধাজ্ঞার ওপর স্থগিতাদেশের মেয়াদ চতুর্থ দফায় আরও ছয় মাস বাড়ান হয়েছে। অর্থাৎ পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত এ কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকরা শেয়ার লেনদেন ও হস্তান্তর করতে পারবেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। রাইট শেয়ার নিয়ে জালিয়াতি করায় ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আরএন স্পিনিংয়ের উদ্যোক্তা-পরিচালকের শেয়ার বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। একই সঙ্গে রাইট শেয়ার সংক্রান্ত দাখিল করা কাগজপত্র জাল হওয়ায় আরএন স্পিনিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির মামলা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। এরই জবাবে চতুর্থবারের মতো বিএসইসির নিষেধাজ্ঞার ওপর স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ান হয়েছে। গত ১০ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে কমিশনের ৪১৫তম সভায় আরএন স্পিনিংকে ১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার ছেড়ে মূলধন বাড়ানোর অনুমতি দেয় বিএসইসি। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোম্পানিটি ১৩ কোটি ৯১ লাখ ৪১ হাজার ২৩০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে রাইট শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ২৭৮ কোটি ২৮ লাখ ২৪ হাজার ৬০০ টাকা উত্তোলন করবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে এ কোম্পানির পরিচালকরা নিজ কোটায় রাইট শেয়ারের অর্থ জমা দিতে না পারায় বিএসইসি’র পক্ষ থেকে রাইটের আকার কমিয়ে ১২০ কোটি টাকা করতে বলা হয়। এ ছাড়া টাকা জমা দিতে না পারার কারণে কোম্পানিকে ১০ লাখ টাকা, পরিচালক শিরিন ফারুককে ২৫ লাখ টাকা এবং কোম্পানির বাকি পরিচালকদের প্রত্যেককে ৫০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। দায়িত্বে অবহেলার কারণে এ কোম্পানির সচিবকে বরখাস্ত করা হয় এবং পরবর্তী ৫ বছর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানিতে চাকরিতে যোগদানের বিষয়ে তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এ ছাড়া ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত আরএন স্পিনিংয়ের উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিএসইসি। একই সঙ্গে ব্যাংক হিসাবে কোম্পানির রাইট শেয়ারের ২৭৮ কোটি টাকার জাল কাগজপত্র দাখিলের অভিযোগে ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর আরএন স্পিনিংয়ের চেয়ারম্যান, পরিচালকসহ মোট সাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করে বিএসইসি। পরবর্তী সময়ে রাইট শেয়ারের আকার কমানোর নির্দেশনা বিএসইসি’র আইনবর্হিভূত সিদ্ধান্ত মনে করায় কোম্পানির পক্ষ থেকে গত বছরের ১০ মার্চ উচ্চ আদালতে রিট করা হয়। এতে ১৯৬৯ সালের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অধ্যাদেশ এর ২৬ (২) উপ-ধারা অনুযায়ী বিএসইসি’র গত ১৪ জানুয়ারির (শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা) সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করার আবেদন জানান হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বছরের ২০ জুন বিএসইসি’র বিরুদ্ধে ৪ (চার) সপ্তাহের রুল জারি করেন উচ্চ আদালত। এতে আরএন স্পিনিংয়ের শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা কেন প্রত্যাহার করা হবে না তার কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়। একই সঙ্গে বিএসইসির জারি করা নিষেধাজ্ঞা প্রথমবারের মতো পরবর্তী ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। এরপর চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি দ্বিতীয় বারের মতো, ২ জুন তৃতীয়বারের মতো এবং বুধবার ডিএসইতে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী চতুর্থবারের মতো বিএসইসির নিষেধাজ্ঞা আরও ছয় মাস স্থগিত করা হয়েছে। জানা গেছে, আরএন স্পিনিংয়ের পরিচালক ও অবলেখক শেয়ার সাবস্ক্রাইব করতে ব্যর্থ হয়। তবে কোম্পানিটির তিন পরিচালক শিরিন ফারুক, কিম জুং সুক ও এমএল ডায়িং সাবস্ক্রিপশন তারিখ পার হয়ে যাওয়ার পর রাইট শেয়ারের টাকা জমা দেন। রাইট শেয়ারের জন্য অবলেখক ছিল এএএ কনসালট্যান্ট, বানকো ফিন্যান্স, বাংলাদেশ মিউচুয়াল সিকিউরিটিজ ও আলফা ক্যাপিট্যাল ম্যানেজমেন্ট। সব প্রতিষ্ঠানই রাইট শেয়ারের অর্থ জমা দিতে ব্যর্থ হয়।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • কোম্পানির নাম বদলাবে বারাকাতউল্লাহ ইলেকট্রো
    শেয়ারধারীদের জন্য ১৭ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বারাকাতউল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিকস। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় গত মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সভায় কোম্পানিটির নাম বদলে বারাকা পাওয়ার লিমিটেড করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। তালিকাভুক্তির নিয়ম অনুযায়ী, গতকাল বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, গত জুনে সমাপ্ত আর্থিক বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে এক টাকা ৯০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল এক টাকা ৪৩ পয়সা। গত বছর কোম্পানিটি নগদ ও বোনাস মিলিয়ে শেয়ারধারীদের ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল।   Source : প্রথম আলো
  • ৩৬টি প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ৬০০ কোটি ডলার
    বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের ৩৬টি প্রকল্পে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থসহায়তা দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থসহায়তায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর মধ্যে অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, কৃষি ও শিক্ষা, পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা ও ক্ষমতা গড়ে তোলার প্রকল্প রয়েছে। ৬০০ কোটি ডলারের অর্থসহায়তার মধ্যে পল্লি বিদ্যুতায়ন, ট্রান্সমিশন ও বিতরণ প্রকল্প সর্বাধিক পরিমাণ অর্থসহায়তা পেয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও স্থানীয় সরকার অর্থসহায়তার একটি বড় অংশ পেয়েছে। বিশ্বব্যাংক বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছে। বাসস   Source : প্রথম আলো 
  • ডিএসইতে সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন
    পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ার একদিন পরই ফের দর পতন হয়েছে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে। তবে সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। প্রান্তিকের ফলাফলের প্রত্যাশার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন শেয়ারের দর উঠানামা করছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ৩০২টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ১২ টি কোম্পানির দর বেড়েছে ৩ শতাংশের বেশি। গতকাল জ্বালানি খাতে লেনদেন হয়েছে ১৩৯ কোটি টাকা। আর ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে লেনদেন হয়েছে ১১৩ কোটি টাকা। এ দুই খাত মিলে লেনদেন হয়েছে ২৫২ কোটি টাকা। যা ডিএসই’র মোট লেনদেনের ৩৫ ভাগ।তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৬৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৪৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৬টির, কমেছে ২০৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮৪ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫০ কোটি ১২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৬ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২২৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫২টির, কমেছে ১৬০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টি কোম্পানির শেয়ারের।ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্রখাতের আরএন স্পিনিংয়ের উদ্যোক্তা-পরিচালকের শেয়ার বিক্রি, হস্তান্তর, বন্ধক ও উপহার দেয়ার নিষেধাজ্ঞার ওপর স্থগিতাদেশ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। অর্থাত্ পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত এ কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকরা শেয়ার লেনদেন ও হস্তান্তর করতে পারবেন। এ নিয়ে এ স্থগিতাদেশ চারবার বাড়ানো হলো। জানা গেছে, রাইট  শেয়ার নিয়ে জালিয়াতি করায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির উদ্যোক্তা-পরিচালকের শেয়ার বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। একই সঙ্গে রাইট শেয়ার সংক্রান্ত দাখিল করা কাগজপত্র জাল হওয়ায় আরএন স্পিনিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে বিএসইসি। বিএসইসির মামলা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। এরই জবাবে চতুর্থ বারের মতো বিএসইসির নিষেধাজ্ঞার উপর স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।   Source : ইত্তেফাক
  • ইস্টার্ন ব্যাংকের ট্যাক্স পকেট গাইড প্রকাশ
    গ্রাহকদের ব্যক্তিগত ট্যাক্স হিসাব সহজীকরণ ও ট্যাক্স প্রদান সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করার ল্েয ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) একটি ট্যাক্স পকেট গাইড প্রকাশ করেছে। ৩২ পৃষ্ঠার পুস্তিকাটিতে অর্থ আইন ২০১৪ পর্যন্ত সংশোধিত আয়কর অর্ডিন্যান্স ১৯৮৪-র গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো সঙ্কলিত হয়েছে। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল    পুস্তিকাটির আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো: গোলাম হোসেন এবং ইবিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আলী রেজা ইফতেখার। প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম ও ইস্টার্ন ব্যাংকের হেড অব কমিউনিকেশন জিয়াউল করিমও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। ইবিএল পকেট ট্যাক্স গাইডটি ব্যাংকের সব গ্রাহক ও আগ্রহীদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। বিজ্ঞপ্তি   Source : নয়া দিগন্ত
  • সরকারের ব্যাংকঋণ নির্ভরতা বেড়েছে
    ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণগ্রহণের প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি অর্থবছরের তিন মাস নয় দিনে ব্যাংকিং খাত থেকে সরকার ঋণ নিয়েছে ৪ হাজার ৬৩২ কোটি ২৫ লাখ টাকা, যা গত অর্থবছরের একই সময় ছিল ১ হাজার ২৫২ কোটি ২০ লাখ টাকা। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরে সরকারের ব্যাংক ঋণ ২৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগের ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে গৃহীত সরকারের ঋণ পরিস্থিতির হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।   অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকারের রাজস্ব সংগ্রহে বেশ মন্থরগতি লক্ষ করা যায়। এরই মধ্যে মুসলমানদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উত্সব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারকে চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা ও বোনাস পরিশোধে বড় অঙ্কের ব্যয় করতে হয়। এ অবস্থায় দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে সরকার পুরোপুরি ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এতে ব্যাংকগুলোতে থেকে ঋণগ্রহণের হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলো এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নিতে পারে। এতে ১ জুলাই থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত তফসিলি ব্যাংকগুলো থেকে সরকার ৭ হাজার ১৯২ কোটি ৩৩ লাখ টাকার ঋণ নিয়েছে। তবে এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে কোনো প্রকার ঋণ গ্রহণ করেনি, বরং ২ হাজার ৫৬০ কোটি আট লাখ টাকা আগের ঋণ পরিশোধ করেছে। এতে নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৩২ কোটি ২৫ লাখ টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরের শুরুতে সরকারের ব্যাংকঋণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগে দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে অনেকটাই হিমশিম খাচ্ছে সরকার। তবে সরকারের ব্যাংক ঋণের পরিমাণ বাড়লেও অর্থনীতিতে কোনো অসুবিধা হবে না। কেননা দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের হারও সীমিত। এতে ব্যাংকগুলোর কাছে বিপুল পরিমাণের তারল্য পড়ে রয়েছে। এ অবস্থায় সরকারকে ঋণ দিয়ে হলেও কিছু আয় করতে চাচ্ছে ব্যাংকগুলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৩-১৪   অর্থবছরে সরকারের ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণগ্রহণের হার ৬৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ছিল। অথচ এর আগের অর্থবছরে ঋণ বেড়েছিল ১৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। গত অর্থবছরে রাজনৈতিক অস্থিরতায় সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ না হওয়ায় ব্যাংকঋণের পরিমাণ কমেছিল। তবে চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩১ হাজার ২২১ কোটি টাকা, যা ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ছিল ২৯ হাজার ৯৮২ কোটি টাকা। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরে ব্যাংকঋণ লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণ বেড়েছে ১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। সূত্র জানায়, দেশের ব্যাংকগুলোর কাছে বর্তমানে পর্যাপ্ত তারল্য উদ্বৃত্ত রয়েছে। আর বিনিয়োগ মন্দা পরিস্থিতিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এ অর্থ সরকারের ট্রেজারিতে বিনিয়োগ করেছে। আগে ব্যাংকগুলো সরকারকে ঋণ দিতে অনীহা দেখালেও বর্তমানে রীতিমতো প্রতিযোগিতা লেগে গেছে। আর আমানতের সুদহার কমে যাওয়ায় জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিক্রির পরিমাণও কয়েক গুণ বেড়েছে। তারপরও সরকারের প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান ব্যাংকগুলোকেই করতে হচ্ছে। কেননা অর্থবছরের শুরুতে সরকারের রাজস্ব আয় তেমন একটা বাড়ছে না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের দু’মাসে ১৬ হাজার ৮৭২ কোটি ৬০ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। সেই হিসেবে দু’মাসে ১১ শতাংশ রাজস্ব আয় হয়েছে। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকার বেশি পরিমাণ ঋণ নিলেও তাতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। কেননা বেসরকারি খাতে ঋণ চাহিদা কম রয়েছে এবং ব্যাংকগুলোর কাছে পর্যাপ্ত তারল্য রয়েছে। ব্যাংকগুলো মূলত সরকারকে ঋণ দিয়ে মুনাফা করার সুযোগ পাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সকালের খবরকে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার প্রবণতা কমলে মূল্যস্ফীতি কমাতে সাহায্য করে। কেননা ঋণের জোগান দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে নতুন নোট ছাপিয়ে সরকারকে সরবরাহ করতে হয়, যা সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতির পরিপন্থী। তিনি বলেন, সরকারের চাহিদা মাফিক ঋণের ৬০ শতাংশ পিডি ব্যাংক পূরণ করার পর বাকি ৪০ শতাংশ নন-পিডিদের ঋণ দিতে হয়। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ওপর সরকারের ঋণের অধিকাংশ চাপানোর এ সুযোগটা কাজে লাগাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। শেয়ার   Source : সকালের খবর
  • আগামী সংসদেই ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট
    অর্থনৈতিক রিপোর্টার : আগামী সংসদ অধিবেশনেই ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট (এফআরএ) উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান। তিনি বলেন, ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট পাস হলে পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। সরকার সবসময় রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এ প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কোনো ব্যাঘাত হবে না। গতকাল রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে চট্টগ্রাম একচেঞ্জ স্টক (সিএসই) আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ইন্টারনেট মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) স্বাধীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট যেসব আইনকানুন আছে, সেগুলো সবাই মেনে চলবে তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এর বাইরে সরকার পুঁজিবাজারে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করতে চায় না। কোনো ধরনের অভিপ্রায়ও সরকারের নেই। তিনি বলেন, সরকার বিশ্বাস করে ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান স্বাধীনভাবে কাজ করবে। দেশে যে আইন আছে তা মানলেই তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। পুঁজিবাজারের স্বার্থে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সরকারের নিকট অনেক সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে। এখন ফ্রিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট সকলের দাবি। আশা করি, আগামী সংসদে তা পাস করে দিতে পারব। এমএ মান্নান জানান, চীনের নেতৃত্বে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের আদলে নতুন যে অবকাঠামো ব্যাংক গঠিত হতে যাচ্ছে তাতে প্রাথমিক সদস্য পদ নেবে বাংলাদেশ। এ জন্য একটি সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে আজই তিনি চীনের বেইজিংয়ে যাচ্ছেন। ২৪ অক্টোবর সমঝোতা চুক্তিতে বাংলাদেশ সই করবে বলেও অনুষ্ঠানে জানানো হয়। প্রসঙ্গত; ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় প্রথম ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয় এবং এ সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। পরে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে অধ্যাদেশটিকে ‘ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট-২০০৯’ শীর্ষক আইনে পরিণত করার উদ্যোগ নেয়। গত বছরের ১৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্টের খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। জাতীয় সংসদে পাঠানোর আগে চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তা পাঠানো হয় আইন মন্ত্রণালয়ে। কিন্তু খসড়া অনুমোদনের পর দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস বাংলাদেশ (আইসিএবি) এবং দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং ম্যানেজমেন্ট বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এ আইনের বিরুদ্ধে ঘোর বিরোধিতা করে। তাই তাদের আপত্তির মুখে বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয় ওই খসড়ায়। উল্লেখ্য, তথ্য গোপন করে প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক রিপোর্ট তৈরির অপরাধে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল ও ১ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দ-ে দ-িত করার বিধান রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত খসড়ায়। পাশাপাশি আইনটি বাস্তবায়নে একটি কাউন্সিল গঠন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। অনুষ্ঠানে বিএসইসির চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেন বলেন, দেশের পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল বলে উল্লেখ করে বলেন, সিএসইর ইন্টারনেট ট্রেডিং মেলার মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহী করে তুলবে। এতে করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্রোকারেজ হাউজ খোলার চাহিদা কমবে। সেই সঙ্গে সিএসইর টার্নওভার আরো বাড়বে। এর ফলে সিএসইতে রাজস্ব আয় বেশি হবে। ফলে সিএসই এখন যে স্ট্যাটিজিক পার্টনার খুঁজছে তারা তা সহজে পেয়ে যাবে। তিনি বলেন, যে দেশের পুঁজিবাজার যত বেশি উন্নত সে দেশের জিডিপি তত বেশি, সে দেশের উন্নয়ন তত বেশি তরান্বিত হয়। আশা করি, আমাদের দেশের পুঁজিবাজার দেশের উন্নয়নে আরো বেশি ভূমিকা রাখবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিএসইসির চেয়ারম্যান মো. আবদুল মজিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাজিদ হোসেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. স্বপন কুমার বালা, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান প্রমুখ। এ সময় ডিএসই ও সিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মেলায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য র‌্যাফল ড্রয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। র‌্যাফেল ড্রয়ের পুরস্কার হিসেবে আকর্ষণীয় সব পুরস্কার দেবে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে এ মেলা। « পূর্ববর্তী সংবাদ পরবর্তী সংবাদ »   Source : ইনকিলাব
  • পুঁজিবাজারে শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে আমরা টেকনোলজিস
    গতকাল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় বছরের প্রথমার্ধের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। আমরা টেকনোলজিসের কোম্পানি সচিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘোষণা অনুসারে ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। শেয়ার হোল্ডার বাছাইয়ের জন্য আগামী ১২ নভেম্বর রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে আগামী ২৪ ডিসেম্বর, সকাল ১০টায় স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। শেষ হওয়া অর্থবছরে আমরা টেকনোলজিসের প্রতি শেয়ারে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৫২ টাকা, প্রতি শেয়ারে সম্পদ হয়েছে ২০ দশমিক ৯৭ টাকা।   Source : ইনকিলাব
  • ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থার শ্রেষ্ঠত্ব ও সাফল্য’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
    ইসলামী ব্যাংকের ২৮৮তম শাখা হিসেবে হাজিরহাট শাখা উদ্বোধন উপলক্ষে ‘ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থার শ্রেষ্ঠত্ব ও সাফল্য’ শীর্ষক সেমিনার গতকাল বুধবার লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট বাজারে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ আবুল বাশার সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নোয়াখালী জোন প্রধান মোহাম্মদ উল্লাহ। প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন ব্যাংকের শরী’আহ সুপারভাইজরি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি ছাঈদ আহমদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দীন খান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আলেকজান্ডার আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ওমর ফারুক আল মাদানী, হাজিরহাট হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাহেদ হোসাইন ফারুকী, লক্ষ্মীপুর মাদরাসা-ই-আলিয়ার উপাধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসমাইল। এ সময় কমলনগর উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট সৈয়দ মুহাম্মদ শামসুল আলম উপস্থিত ছিলেন।   Source : সংগ্রাম
  • কৃষি শিল্প: ২৪৭০৯ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ
    গত অর্থবছরে (২০১৩-১৪) ব্যাংকগুলো কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতে ২৪,৭০৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করেছে, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল ২১,০৯১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। সে হিসেবে গত অর্থবছরে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ১৭.১৫%। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গত অর্থবছরে কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণের সিংহভাগ বিতরণ হয়েছে চলতি মূলধন খাতে এবং সামান্য পরিমাণের ঋণমেয়াদি ঋণ খাতে বিতরণ হয়েছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি মূলধনে ব্যাংকগুলো ২১,৫৭৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আর মেয়াদি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ১৩২ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এতে গত অর্থবছরে চলতি মূলধনে ১৮.১৪% ও মেয়াদি ঋণ ১০.৭৬% প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিতরণকৃত ঋণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ৫.১৯%, বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো ৭২.৩১%, বিদেশী খাতের ব্যাংকগুলো ১৯.৪৯% ও রাষ্ট্রীয় বিশেষায়িত খাতের ব্যাংকগুলো ৩% ঋণ বিতরণ করেছে। গত অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় খাতের ব্যাংকগুলো ১২৮২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ করেছে, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল ১১২০ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। সে হিসেবে রাষ্ট্রীয় খাতের ব্যাংকগুলোতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ১৬১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো ১৭,৮৬৭ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে, যা এর আগের অর্থবছরে ছিল ১৪,৬৩২ কোটি ২৬ লাখ টাকা। কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত তালিকার ৩৬ ক্যাটাগরির মধ্যে খাদ্যজাত ক্যাটাগরিতে রয়েছে ২০টি পণ্য। আর খাদ্যবহির্ভূত ক্যাটাগরিতের রয়েছে ১৬টি পণ্য। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সবজি ও বিভিন্ন ধরনের ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ, আলু থেকে নানা ধরনের খাদ্য প্রস্তুত, হারবাল ও ইউনানি ওযুধ প্রস্তুত, কৃষির যন্ত্রাংশ তৈরি, চা প্রক্রিয়াকরণ, ফুল সংরক্ষণ, হাঁস, মুরগি ও গবাদি পশু পালন, পাটজাত দ্রব্য প্রস্তুত, জৈব সার তৈরি, মৌমাছি, মাশরুম ও রেশম চাষ, কাঠ, বাস ও বেতের আসবাবপত্র তৈরি, গুঁড়ো মসলা উৎপাদন, দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ প্রভৃতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত অর্থবছরে কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতে বকেয়া ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ২৭,৩০০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, যা ২০১২-১৩ অর্থবছরে ছিল ২৪,০৯০ কোটি ৫১ লাখ টাকা। সে হিসেবে গত অর্থবছরে বকেয়া স্থিতি বেড়েছে ২৩.৭৫%। আর বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে আদায় হয়েছে ২২,৩৬৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৭.১৭% বেশি। পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, কৃষিভিত্তিক শিল্প খাতে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০৪৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২১৩৮ কোটি ৯ লাখ টাকা। সে হিসেবে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমেছে ৪.২২%। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণের বিতরণ, আদায় ও বকেয়া স্থিতির প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক। এ ছাড়াও শ্রেণী বিন্যাসিত ঋণের পরিমাণ গত অর্থবছরের তুলনায় ইতিবাচক পর্যায়ে রয়েছে। তবে কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণের সিংহ ভাগই চলতি মূলধন ঋণে বিতরণ হচ্ছে। মেয়াদি ঋণ খাতে বিতরণ কমায় নতুন শিল্প গড়ে উঠছে না।   Source : মানব জমিন
  • অর্থনীতির সন্ধিক্ষণে শেয়ারবাজার :বিএসইসি
    পতনের বৃত্তে আবর্তিত দেশের শেয়ারবাজার। ঢাকায় প্রধান সূচক কমেছে ৬৩ পয়েন্ট। চট্টগ্রামে ১০২ পয়েন্ট। উভয় বাজারে প্রায় সব শেয়ারের দাম কমেছে। শেয়ারবাজারের অধঃমুখী গ্রাফ বিগত কয়েকদিন লাগাতার চলছে। শেয়ারবাজারে নতজানু এই সূচকে হতাশ নন নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল হোসেন। গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ইন্টারনেট ট্রেড ফেয়ার-২০১৪-এর উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, অর্থনীতির এক সন্ধিক্ষণে শেয়ারবাজার যেভাবে চলছে তাতে স্থিতিশীল বলা যায়। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেন বলেন, দেশের শিল্পায়নের জন্য পুঁজিবাজারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। কারণ ব্যাংক থেকে ১৭/১৮ শতাংশ হারে ঋণ নিয়ে দেশের শিল্পায়ন সম্ভব নয়। গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক ৬৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৭০ পয়েন্টে অবস্থান করে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৬টির, কমেছে ২০৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির দাম। লেনদেন হয়েছে মোট ৭২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সিএসইর সিএসসিএক্স সূচক ১০২ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৭০৪ পয়েন্টে অবস্থান করে। ২২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৫১টির, কমেছে ১৬২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টির দাম। লেনদেন হয় মোট ৫০ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আরএন স্পিনিংয়ের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের মেয়াদ চতুর্থ দফা বাড়ল : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আরএন স্পিনিং কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বিক্রি, হস্তান্তর, বন্ধক ও উপহার দেয়ার নিষেধাজ্ঞার স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরো বেড়েছে। এ নিয়ে চতুর্থ দফায় এই মেয়াদ বাড়ানো হলো। ফলে পরবর্তী ৬ মাস নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। উল্লেখ্য, রাইট শেয়ার নিয়ে জালিয়াতি করায় ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আরএন স্পিনিংয়ের উদ্যোক্তা-পরিচালকের শেয়ার বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিএসইসি।   Source : যায়ে যায়ে দিন
  • খুলনা পাওয়ারকে নোটিশ
    শেয়ার দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডকে (কেপিসিএল) নোটিশ দিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। জবাবে কোম্পানি জানিয়েছে, দর বাড়ার জন্য কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য তাদের কাছে নেই। বুধবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়। গত তিন কার্যদিবস কোম্পানির শেয়ার দর অস্বাভাবিক বাড়ে। গত এক মাসে এ কোম্পানির শেয়ার দর ৫০ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৬৬ টাকায় লেনদেন হয়।   Source : যায়ে যায়ে দিন
  • বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার তাগিদ আইসিসিবির
    প্রতিষ্ঠার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার: এশীয় পরিপ্রেক্ষিত’ বিষয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স, বাংলাদেশ (আইসিসিবি)। তাদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশের অবস্থান আরো শক্তিশালী করতে হবে। আর আসন্ন সম্মেলনে সে পদক্ষেপ কী হবে তার দিকনির্দেশনা বেরিয়ে আসবে। ২৫ অক্টোবর শুরু হতে যাওয়া দুই দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষে গতকাল মেট্রোপলিটন চেম্বার মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ও বিনিয়োগ বাড়াতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার চেয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিভিন্ন ধরনের সেবার মানোন্নয়ন বেশি জরুরি। আর স্থিতিশীল পরিবেশ শুধু ব্যবসার জন্য নয়, সবকিছুর জন্যই প্রয়োজন। তবে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার চেয়েও বেশি প্রয়োজন অবকাঠামো এবং বিভিন্ন সেবার মান আরো শক্তিশালী করা। তিনি বলেন, ‘বিশ্বমন্দার মধ্যেও দক্ষিণ এশিয়া বিশেষ করে বাংলাদেশ আক্রান্ত হয়নি। তবে এ সময়ে বাংলাদেশ আরো ভালো করতে পারত। বাংলাদেশ যে মন্দায় আক্রান্ত হয়নি তার বড় কারণ হলো, আমরা লো-এন্ডে রফতানি (তুলনামূলক কম দামি পণ্য) করি। যদি হাই অ্যান্ড পণ্য (উচ্চমূল্যের পণ্য) রফতানি করতাম, তাহলে আক্রান্ত হতাম।’ একই বিষয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম বলেন, ‘আইসিসিবির জ্বালানিবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সুপারিশ করা হয়েছিল তা সরকার বাস্তবায়ন করেছিল। এরই সুফল আমরা এখন পাচ্ছি। হয়তো ভবিষ্যতে দেশের রাজস্ব ও মুদ্রানীতি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা উঠে আসবে এ সম্মেলন থেকে। এর আগে সম্মেলনের নানা দিক তুলে ধরেন আসিফ ইব্রাহীম। এ সময় তিনি জানান, সম্মেলনে অংশ নেয়ার জন্য অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়। এরই মধ্যে ৫০০ জনের মতো দেশী-বিদেশী ব্যক্তি নিবন্ধন করেছে। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৫ অক্টোবর আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। পর দিন সোনারগাঁও হোটেলে কয়েকটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের মূল বিষয় তুলে ধরতে ব্যবসা-বাণিজ্যকেন্দ্রিক কমর্-অধিবেশনকে চারটি পর্বে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে— ‘বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার: সমসাময়িক বাস্তবতা’, ‘এশীয় প্রবৃদ্ধি: বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জসমূহ’, ‘বাণিজ্য: বালি’র ফলাফল কি ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি ধরে রাখতে পারবে?’ এবং এশিয়ায় বিনিয়োগ উত্সাহিতকরণ। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুইদিনের এ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আঙ্কটাডের মহাসচিব মুখিসা কিতুয়ি ও আইসিসির ভাইস চেয়ারম্যান সুনীল ভারতী মিত্তালসহ ভুটান, নেপাল, শ্রীলংকা, মিয়ানমারের কয়েকজন মন্ত্রীও উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা এতে উপস্থিত থাকবেন। সম্মেলনে সহ-আয়োজক হিসেবে আছে ডিসিসিআই, এমসিসিআই, সিসিসিআই, এফআইসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিআইএ, আইসিএবি ও এনসিসিআই। প্রিমিয়াম পার্টনারসদের মধ্যে আছে ইসলামী ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে একে খান গ্রুপ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, হা-মিম গ্রুপ, কাফকো, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ট্রান্সকম এবং ইয়াঙ্গুন করপোরেশন। সহযোগী পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে আছে এবি ব্যাংক, ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স, এনভয় টেক্সটাইল, ইস্ট কোস্ট গ্রুপ, গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, মীর আখতার হোসেন, ন্যাশনাল হাউজিং, নাভানা, প্রাইম ব্যাংক, প্রগতী ইন্স্যুরেন্স, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, সাধারণ বীমা করপোরেশন, সিঙ্গার বাংলাদেশ এবং দ্য মার্চেন্টস।   Source : বনিক বার্তা
  • আইপিডিসির মুনাফা বেড়েছে ৩ গুণ
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (আইপিডিসি) চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রায় ৩ গুণ মুনাফা বেড়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৪১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ও ইপিএস ১৫ পয়সা। অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৮৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ৭ কোটি ১২ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৬২ পয়সা। এদিকে ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ বা ৭০ পয়সা। দিনভর দর ১৭ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১৮ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৭ টাকা ৯০ পয়সায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ১৮ টাকায়। এদিন এর ২ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ শেয়ার ১৬৬ বারে লেনদেন হয়। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।   Source : বনিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • PROVATIINS

    Pradip Kumar Das, one of the Directors (Public Director) of the Company, has further reported that he has completed his buy of 30,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • ALARABANK

    Dr. Bahauddin Mohammad Yousuf, one of the Sponsors of the Company, has further reported that he has completed his sale of 1,00,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • SUNLIFEINS

    Chitta Ranjan Mazumder, Shabbir Hossain and Alhaj Mofizur Rahman; all are Sponsors/Directors of the Company, have further reported that they have completed their sale of 72,500 shares, 29,500 shares and 66,500 shares respectively at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • GREENDELT

    Syed Bazlur Rahman and Khurshida Chowdhury, both are Sponsors of the Company, have further reported that they have completed their sale/buy of 1,08,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • CITYBANK

    Rajibul Huq Chowdhury, one of the Directors of the Company, has further reported that he has completed his buy of 2,00,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SPCL 118.60 107.90 10.70 9.92
KPPL 27.70 25.30 2.40 9.49
RAHIMTEXT 382.80 353.30 29.50 8.35
RAHIMAFOOD 47.10 44.00 3.10 7.05
PRAGATILIF 104.60 98.90 5.70 5.76
APEXTANRY 168.90 160.90 8.00 4.97
BDLAMPS 127.50 122.20 5.30 4.34
PRIMELIFE 89.50 86.10 3.40 3.95
SAMATALETH 24.20 23.30 0.90 3.86
APEXFOODS 106.90 103.50 3.40 3.29

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297