Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ZEALBANGLA 41.7 34.3 7.40 21.57
AGNISYSL 28.1 24.3 3.80 15.64
ASIAINS 22.2 19.6 2.60 13.27
BDCOM 40.1 35.6 4.50 12.64
ICB3RDNRB 7.8 7 0.80 11.43
BDAUTOCA 82 73.7 8.30 11.26
SHYAMPSUG 22.8 20.6 2.20 10.68
SHURWID 9.5 8.6 0.90 10.47
ICBSONALI1 8.7 7.9 0.80 10.13
BEACHHATCH 15 13.7 1.30 9.49

Contest SB2017_May

1st
blank_person
NAZRUL
2nd
blank_person
GAMBLERBD
3rd
blank_person
KHORSHEDCTG
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
ICB 183.9 180.3 3.98729 114571.00
BATBC 2624.1 2599.9 2.54136 2335.00
BXPHARMA 109.7 107.1 1.84555 731470.00
PRIMEBANK 21.3 20.5 1.44129 948842.00
OLYMPIC 274.3 271 1.15481 162514.00
Negative impact
IFADAUTOS 135.1 137.9 -0.76196 1933860.00
BERGERPBL 2100 2114 -0.56821 1164.00
DOREENPWR 138.7 141.6 -0.48727 639155.00
NCCBANK 12.8 13.1 -0.46376 1028140.00
BRACBANK 74 74.3 -0.44905 735698.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
IFADAUTOS 135.1 138.6 134.6 -2.03% 262.58
BARKAPOWER 44.5 44.7 42.9 4.22% 231.95
BEXIMCO 33.4 33.6 32.6 2.45% 215.81
PTL 34.8 35 33.1 5.14% 214.20
AGNISYSL 28.1 28.8 27.6 1.08% 204.17
MJLBD 120.9 124.9 120 0.92% 194.11
BDCOM 40.1 40.8 38.9 3.35% 157.52
UPGDCL 177.2 178.3 175.5 0.34% 149.43
BSC 621.3 634 619 -0.59% 146.07
LANKABAFIN 48.4 50.2 48.1 -1.22% 123.91

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 24 May 2017

94485
TOTAL TRADE
164.0897
TOTAL VOLUME(Mn)
5444.40
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • বার্জার পেইন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বুধবার কোম্পানির পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। কোম্পানিটি এর আগে ১৭৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ দিয়েছিল। সব মিলে ১৫ মাসের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ৬০০ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েয়ে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ।
  • ইন্ডেক্সে আবারও বুলিশ ক্যান্ডেল, ধীরে ধীরে উপরে উঠছে মার্কেট
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ইনডেক্স বুধবার, ২৪ মে দিন শেষ করেছে বুলিশ ক্যান্ডেলে। দিনের শুরু থেকেই বাজারে বাইয়ারদের প্রভাব হালকা বেশি ছিল। ফলে শেয়ারের দর দাম আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই কারণে সূচক আগের দিনের চেয়ে কয়েক পয়েন্ট উপরে অবস্থান করছে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী আজকে মার্কেট শুরু থেকে শেষ হয়েছে বেশি পয়েন্টে। জেই পয়েন্ট থেকে সূচক শুরু হয়েছিল তার থেকে নিচে যায় নি মার্কেট। সেই কারণে ক্যান্ডেলের নিচে অর্থাৎ লোয়ার শেডও দেখা যায় নি। তবে মার্কেট প্রায় ৩০ পয়েন্টেরও বেশি ওঠে এক সময়। পরবর্তীতে কয়েক পয়েন্ট নেমে আসে। আগের দিনের থেকে উপরে অবস্থান করছে সূচক। ফলে বেয়ারিশ ক্যান্ডেল তৈরি করেছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এই সপ্তাহ ধরেই মার্কেট পজিটিভেই আছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে সূচক আরও উপরে জাবে বলেই ধারনা করা হচ্ছে। পরবর্তী দিনের বাই এবং সেল পেশারের উপর নির্ভর করেই দিক নিবে মার্কেটের গতি। ডিএসই সাধারন সূচক দিনের শুরু থেকেই উপরে অবস্থান করেছে। দিন শেষে ইনডেক্স গত দিনের চেয়ে ১৭.৬৪ পয়েন্ট উপরে অবস্থান করছে। ইন্ডেক্স বিগত দিনের ৫৩৯৪.৮২ পয়েন্ট থেকে শুরু করে ৫৪১২.৬৮ পয়েন্টে শেষ হয় যা আগের দিনের তুলনায় ০.৩৩% বেশি। বাজারে সর্বমোট ৩২৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে যার মধ্যে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১২৯ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এর, হ্রাস পেয়েছে ১৪৩টির আর অপরিবর্তিত ছিল  ৫২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। আজকের মোট লেনদেনের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৫৪৪.৪ কোটি টাকায় আর মোট লেনদেন হয়েছে   ৯৪ হাজার ৪৮৫টি শেয়ার। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বেশিরভাগ মানের কোম্পানির ট্রেড আগের চেয়ে কমেছে। দেখা যাচ্ছে ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ১০০ থেকে ৩০০ কোটি মূলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেন কমেছে ২১.৫৭% এবং ১.৫১%। সেই সাথে ৩০০ কোটি টাকা কোটি টাকার ওপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কমেছে ১৫.৬৭%। আর ২০ থেকে ৫০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের ট্রেড কমেছে ২.৪২%। পিই রেশিওর ভিত্তিতে দেখলে দেখা যায় বেশিভাগ মানের শেয়ার লেনদেন কমেছে। দেখা যাচ্ছে ০-২০ পিই রেশিওর শেয়ারের লেনদেন কমেছে ২১.১৭% এবং ৪০ এর বেশী পিই রেশিওর শেয়ারের লেনদেন কমেছে ১৪.৮৫%। অন্যদিকে ২০-৪০ পিই রেশিওর শেয়ারের ট্রেড বেড়েছে ১১.৫৪%। ক্যাটাগরির দিক থেকেও দেখা যায় বেশিরভাগ মানের শেয়ারের লেনদেন আগের ছেয়ে কমেছে। জেড ক্যাটাগরির লেনদেন কমেছে  ১০.০৭ শতাংশ এবং বি ক্যাটাগরি কমেছে  ৫.২৩ শতাংশ। অন্যদিকে জেড ক্যাটাগরি কমেছে ০.৩২ শতাংশ। সেই সাথে এন ক্যাটাগরি কমেছে ৪৫ শতাংশ।
  • বুধবার লেনদেনের শীর্ষে থাকলো জ্বালানি খাত
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বুধবার, ২৪ মে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে জ্বালানি খাতে। মার্কেট আগের দিনের চেয়ে পজিটিভ অবস্থায় শেষ হয়েছে। তাই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক কোম্পানির। সেই সাথে খাতগুলোতেও লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে। তুলনামুলকভাবে জ্বালানি খাতে সবচেয়ে বেশি ট্রেড হয়েছে। বলা যেতে পারে যে অন্য খাতগুলো থেকে ক্যাশ ফ্লো এই খাতে বেশি হয়েছে। তবে আগের দিনের থেকে ট্রেড ভলিউম বাড়ে নি। লেনদেনের ভিত্তিতে দেখলে আজকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল টেক্সটাইল খাত এবং প্রকৌশল খাত । তবে অন্য দিনের তুলনায় কোন খাতেই লেনদেন বেশি হয় নি। কিন্তু তুলনামুলক ভাবে মার্কেটের বাকি খাতগুলোর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে উভয় খাতেই। বিনিয়োগকারীরা এই খাতগুলোতে ট্রেড বেশি করছে। জ্বালানি খাত :  লেনদেনের ভিত্তিতে সবচেয়ে ভাল অবস্থানে ছিল জ্বালানি খাত। এই  খাতে আজকে মোট  লেনদেনের পরিমান ছিল ৮০.৪ কোটি টাকা যা আগের দিনের তুলনায় ৩০.৭ কোটি টাকার মত কম। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে লেনদেন কমেছে ৩১.৫২%। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ১৫.১০%। এই খাতে লেনদেন হওয়া ১৮ টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ৭ টির ,কমেছে ৮ টি কোম্পানির শেয়ারের দাম এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩ টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল বারকা পাওয়ার লিমিটেডের যা আজকে ৪৪.৫ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে। আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৪.২২% বেশি। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল দরিন পাওয়ার কোম্পানির যা আজকে ১৩৮.৭  টাকায় লেনদেন শেষ করে। আগের দিনের তুলনায় প্রায় ২.০৫% কম। টেক্সটাইল খাত  :  লেনদেনের ভিত্তিতে টেক্সটাইল খাত দ্বিতীয় অবস্থানে দিন শেষ করেছে। টেক্সটাইল খাতে মোট লেনদেনের পরিমান ছিল ৭৫.৪ কোটি টাকার মত যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১৪.৪ কোটি টাকার মত কম। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে বিনিয়োগ কমেছে ১৫.৯৪%। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ১৪.১১%। লেনদেন হওয়া ৪৬টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ১৬টি, কমেছে ১৮ টি কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত  ছিল ১২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের। এই শেয়ারটি ৩৪.৮ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৫.১৪% বেশি। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল জাহিন টেক্সটাইল কোম্পানির যা ১৮.৯ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ১.৫৬% কম। প্রকৌশল খাত : প্রকৌশল খাত বুধবার তৃতীয় অবস্থানে দিন শেষ করেছে। প্রকৌশল খাতে মোট লেনদেনের পরিমান ছিল ৬১.১ কোটি টাকার মত যা আগের দিনের তুলনায় ২৬.৮০ কোটি টাকা কম। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে ৩০.৪৯%। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ১১.২২%। এই খাতে লেনদেন হওয়া ৩৩ টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ১০টি, কমেছে ২০ টি কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩ টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এই খাতে সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল সুহৃদ লিমিটেডের। এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি ৯.৫ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ৫.৫৬% বেশি। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল কায় এন্ড কিউ প্রতিষ্ঠানের যা ৫৪ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে  যা আগের দিনের তুলনায় ২.৭% কম।
  • কস্ট অডিট কর্মশালার উদ্বোধন
    কস্ট অডিট ও অর্থনীতিতে -এর বেনিফিট নিয়ে ৪দিনব্যাপী এক কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়েছে। রাজধানীর নীলক্ষেতে দি ইন্স্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্ট্যান্টস্ অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) -এর আয়োজনে মঙ্গলবার রুহুল কুদ্দুস অডিটরিয়াম কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান প্রধান অতিথি হিসেবে কস্ট অডিট কর্মশালার উদ্বোধন করেন। সেমিনারে ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত প্রধান উপদেষ্টা (কস্ট) ভারত ভুষণ গয়াল মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইসিএমএবি -এর সভাপতি জামাল আহমেদ চৌধুরী এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের সাবেক সভাপতি ও কস্ট অডিট কমিটির চেয়ারম্যান এম আবুল কালাম মজুমদার। সেমিনারের বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কস্ট অডিটের সুবিধা নিয়ে মূল প্রবন্ধের উপর মতামত দেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার প্রফেসর ডক্টর স্বপন কুমার বালা। ইন্স্টিটিউটের সচিব মো. আবদুর রহমান খান ধন্যবাদ বক্তব্য প্রদান করেন। ৪দিন ব্যাপী কর্মশালায় ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত প্রধান উপদেষ্টা (কস্ট) ভারত ভুষণ গয়াল, আইসিএ ইন্ডিয়ার কাউন্সিল সদস্য রাজু ইয়ার পিচুমানি ও নিরন্জন মিশ্র কস্ট অডিট বিষয়ে টেকনিক্যাল পেপার উপস্থাপন করেন। বিজ্ঞপ্তি।
  • পুঁজিবাজারের জন্য থাকা বিশেষ সংকেত : প্রাক্–বাজেট আলোচনা
    স্টাফ রিপোর্টার ঃ আসছে ২০১৭-১৮ সালের জন্য একটি বড় বাজেট। ইতিমধ্যেই অর্থমন্ত্রী প্রাক্–বাজেট আলোচনা করছেন বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সাথে। বিভিন্ন আলোচনায় উঠে আসছে বিভিন্ন তথ্য যা শেয়ার বাজারের জন্য রয়েছে বিশেষ সংকেত। এরই ধারাবাহিকতায় তুলে ধরে হল সমসাময়িক সময়ে উঠে আসা বিভিন্ন তথ্য। তথ্যগুলো দেশের বিভিন্ন পত্রিকা হতে নেওয়া। তথ্যগুলো হতে জেনে নিন শেয়ার বাজারের জন্য থাকা বিশেষ সংকেত। ২৩ মে ২০১৭ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট হার ১৫ শতাংশ থেকে কমছে। এতে রাজস্ব আহরণে যে ক্ষতি হবে, তা পুষিয়ে নেওয়ার উপায় খুঁজছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ লক্ষ্যে তেল ও গ্যাস, সিগারেট, সিমেন্ট ও মোবাইল ফোন সেবা—ভ্যাট আদায়ের এসব বড় খাতে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। ২৩ মে ২০১৭ এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, মোট ভ্যাটের ২০ শতাংশই আসে তেল ও গ্যাস, সিগারেট, সিমেন্ট ও মোবাইল ফোন সেবা থেকে। এই চারটি খাতেই বর্তমানে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আদায় হয়। গত অর্থবছরে এই চারটি খাত থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি ভ্যাট আদায় হয়েছে। বেশির ভাগ কমিশনারেটের ভ্যাট আদায়ের তালিকায় ওই চারটি খাতই বরাবরের মতো শীর্ষে ছিল। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, সিগারেট ও তামাকজাতীয় পণ্য এবং মোবাইল ফোন সেবায় সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করা হতে পারে। এর মধ্যে সিগারেট ও তামাকজাতীয় পণ্যের ওপর মানভেদে বর্তমানে ৩২ থেকে ৬৪ শতাংশের মতো সম্পূরক শুল্ক আরোপ আছে। এই হার ৪ শতাংশ বাড়িয়ে দেওয়া হতে পারে। মোবাইল ফোন সেবার ওপরে ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক রয়েছে। এই হারও বাড়তে পারে। সিমেন্ট এবং তেল-গ্যাস খাতের ওপর সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করা হবে কি না, তা নিয়ে অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সিমেন্টে বর্তমানে সম্পূরক শুল্ক আরোপ নেই। আর গ্যাসে ৯৬ শতাংশের বেশি সম্পূরক শুল্ক আছে। ২২ মে ২০১৭ অর্থমন্ত্রী সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, ‘পেনশনধারীদের কথা চিন্তা করে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়। তবে ব্যাংকের সুদের হার যেখানে ৭ শতাংশ, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার সেখানে ১১ শতাংশ। পার্থক্য ১ থেকে ২ শতাংশ থাকতে পারে।’ ২২ মে ২০১৭ বিমা কোম্পানির নবায়ন ফি প্রত্যাহারের উদ্যোগও নেবেন বলে জানান অর্থমন্ত্রী। ২২ মে ২০১৭ ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে বার্ষিক আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কোনো কর দিতে হয় না। আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে এই সীমা বাড়িয়ে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা হতে পারে। ২২ মে ২০১৭ এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, পৌনে তিন লাখ টাকা করমুক্ত আয়সীমা হলে আনুপাতিক হারে আগের মতোই কর হার বসবে। পৌনে ৩ লাখ টাকার পরের ৪ লাখ টাকা আয়ের জন্য ১০ শতাংশ, তার পরের ৫ লাখ টাকার জন্য ১৫ শতাংশ, পরের ৬ লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ, এরপরের ৩০ লাখ টাকার জন্য ২৫ শতাংশ এবং অবশিষ্টাংশের জন্য ৩০ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে। ১৫ মে ২০১৭ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়াল। আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের মূল এডিপির আকার ঠিক করা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা। আর স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ব্যয় হবে আরও ১০ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে এডিপির আকার দাঁড়াচ্ছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৪ কোটি টাকা। ১৫ মে ২০১৭ মেগা প্রকল্পগুলোর জন্য এডিপিতে বিশাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে আগামী অর্থবছর ৫ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া পিপিপিতে নির্মাণাধীন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের জন্য ৮০৫ কোটি টাকা; কর্ণফুলী নদীর তলদেশে সড়ক টানেল নির্মাণের জন্য ১ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা। আর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) জন্য ৮৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ৫ হাজার ৮৭ কোটি টাকার এই প্রকল্পে গত ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ৪ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। আগামী অর্থবছরে প্রকল্পটি শেষ হবে। ১৫ মে ২০১৭ আগামী এডিপিতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এই বিভাগটি পেয়েছে মোট ২১ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিদ্যুৎ বিভাগ ১৮ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা এবং তৃতীয় স্থানে থাকা সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ১৬ হাজার ৮২০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। ১৪ মে ২০১৭ পুঁজিবাজার আগে ফাটকা বাজার ছিল—এমন মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ বাজারে আইনকানুন তেমন ছিল না আর এখনকার বাজারও ফাটকা বাজার না। বহুজাতিক কোম্পানি ও সরকারি লাভজনক কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্ত হওয়ার ব্যাপারে জোর দেওয়ার সময় এসেছে।’  ১৪ মে ২০১৭ নতুন মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আইনে এমএস রডের ওপর ১৫ শতাংশ মূসক বা ভ্যাট বসলে নির্মাণশিল্পে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করছে আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। ১৪ মে ২০১৭ আগামী অর্থবছরে ৪ লাখ ২৫০ কোটি টাকার বাজেট দেওয়া হবে। এনবিআরকে ২ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্য দেওয়া হতে পারে। আবার জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৭ দশমিক ৪ শতাংশ ধরা হয়েছে। আগামী অর্থবছরের গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৮ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। ১৪ মে ২০১৭ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চলতি অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধির সাময়িক হিসাবের খসড়া তৈরি করেছে। এ বছর প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশের মতো হয়েছে বলে জানা গেছে। ১০ মে ২০১৭ সরকার আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও ঋণ খাতে বরাদ্দ কমাতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কম থাকার কারণেই নেওয়া হচ্ছে এমন সিদ্ধান্ত। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ১০ মে ২০১৭ একক হিসেবে মোট ভর্তুকির মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়ে থাকে কৃষি খাত। কৃষকের সার, বিদ্যুৎ, কৃষি উপকরণ, উন্নত মানের বীজ কেনা বাবদ এই ভর্তুকি ব্যয় হয়। চলতি অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতের জন্য ৯ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি রাখা হলেও সংশোধিত বাজেটে ৩ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়। তবে আগামী বাজেটেও ৯ হাজার কোটি টাকাই বরাদ্দ রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ০১ মে ২০১৭ আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ঠিক করে দিতে চান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ‘আমি করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ করার প্রস্তাবটি এখনো গ্রহণ করিনি। একটা সিদ্ধান্ত এবার দেব, যা ৫০-১০০ বছরের জন্য একই থাকবে।’ উল্লেখ্য, উপরের বিভিন্ন তথ্য মুল বাজেটে পরিবর্তন ও সংযোজন হতে পারে।
  • ট্রেন্ড লাইনের উপর ইনডেস্কের অবস্থান ,মার্কেট নিউজ টুইটস : ২.৩০ মিনিট
    আজ সকাল থেকে ভাল বাই পেশারে ইনডেস্কের মান বাড়তে দেখা যায় যা দিনের শেষ ভাগ পর্যন্তও ধরে রাখে। এর ফলে ইনডেস্কে আজ বুলিশ ক্যান্ডেলের আবির্ভাব ঘটে। আজকের বুলিশ ক্যান্ডেল ইনডেস্কের ট্রেন্ড লাইনের উপর অবস্থান নিশ্চিত করে । আগামীকাল ভাল বাই পেশার থাকলে ব্রেক আউট সম্ভাবনা রয়েছে। CENTRALPHL এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩০ মিনিট ঠিক ১.৩০ টায় CENTRALPHL উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( 31 TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 1882000 TK। বুলিশ অবস্থানে ইনডেস্ক,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১২.৪৫ মিনিট সকাল থেকেই ভাল বাই পেশারে এই মুহূর্তে বুলিশ অবস্থানে রয়েছে ইনডেস্ক। ইনডেস্কে ভলিওম কমে যাচ্ছে ,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১১.৩০ মিনিট ইনডেস্কে ভলিওম কমে যাচ্ছে আজ। কিন্তু া সময় ইনডেস্কের মান বাড়তে দেখা যাচ্ছে। আজ বাজারে ডোজি হওয়ার সম্ভাবনা বেশী,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১০.৩০ মিনিট [২৪.০৫.২০১৭] বাজারে আজ ডোজি হওয়ার সম্ভাবনা বেশী। তবে তা নির্ভর করছে বাইয়ার ও সেলার এর উপর। বাজারে বাইয়ার বেশী থাকলে ইন ডেস্কের মান ঊর্ধ্বমুখী হবার সম্ভাবনা বেশী। পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে “পুঁজিবাজারে বাজেটের প্রভাব পড়বেই” বুধবার ৩টি কোম্পানির লেনদেন বন্ধ বার্জার পেইন্টসের সম্ভাবনার ঘোষণা বুধবার বিকালে বুধবার ৫টি কোম্পানির এজিএম গ্যাস সংকটে বন্ধ আরো ৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘ব্যাংকঋণের সহজলভ্যতায়’ ক্ষতিগ্রস্থ বন্ড মার্কেট আইডিএলসির প্রথম মিউচুয়াল ফান্ডের যাত্রা শুরু ইন্ডেক্সে ইনভ্যারটেড হ্যামার ক্যান্ডেল, মার্কেটে কিছুটা আপ ট্রেন্ডের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্য কিছু এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ‘সকলের প্রচেষ্টায় বাজার আরও ভালো হবে’ [ ভিডিও সহ ] এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৪০ কোটি টাকা তুলবে ইনডেক্স এগ্রো [ ভিডিও সহ] রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব আসছে রানার- আইপিও মাধ্যমে তুলবে ১শ’ কোটি টাকা [ভিডিও সহ] খুব তাড়াতাড়ি লেনদেন এক হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে [ভিডিও সহ] বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাকের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব ‘বিনিয়োগ করেন সবাই লাভবান হবো’ [ভিডিও সহ] ডেল্টা হসপিটালের সম্প্রসারণ প্রয়োজন : চেয়ারম্যান [ ভিডিও সহ ] দেখে নিন,জেনে নিন,বুঝে নিন [ভিডিওসহ] – DHL রোডশোর প্রশ্নসমূহ ‘প্রতিকূলতার মাঝেও ন্যাশনাল লাইফ ভালো ব্যবসা করেছে’ : চেয়ারম্যান [ ভিডিও… “এক বছরের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে ভালো অবস্থনে রয়েছে মার্কেট” | জামাল.. ‘বাজার ঊর্ধ্বমুখীতার করণে সংশ্লিষ্টরা নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে’ : বিনিয়োগকারী [ভিডিও সহ] ‘জেমিনি সি ফুডের কাছে অতিরিক্ত বোনাস রয়েছে’ (ভিডিও সহ) ‘সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ধারাবাহিকভাবে সফলতা অর্জন করে আসছে’ [ভিডিও সহ] পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • বুধবার ৩টি কোম্পানির লেনদেন বন্ধ
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ২৪ মে, বুধবার ৩টি কোম্পানির লেনদেন রেকর্ড ডেটের কারণে বন্ধ থাকবে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- কর্ণফুলী ইনস্যুরেন্স লিমিটেড, রেকিট বেঙ্কিজার এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
  • হল্টেড ইউনাইটেড এয়ার
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিক্রেতা শুণ্য হয়ে পড়েছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বিডি লিমিটেড। বুধবার সকালে ৫.৪০ টাকায় শেয়ারপ্রতি লেনদেন শুরু হলে সকাল সাড়ে ১১ এগাটায় তা বিক্রেতা শুণ্য হয়ে পড়ে। সকালে ৫.৪০ টাকায় দর শুরু হয়ে ৫.৯০ টাকায় হল্টেড হয়েছে। ৯.২৬ শতাংশ দৃর বৃদ্ধিতে সাড়ে ১১টা নাগাদ ৭ হাজার ৭৮৯ টি শেয়ার ক্রয়ের আগ্রহ প্রকাশ করা হলেও কোন বিক্রেতা ছিল না। [caption id="attachment_65392" align="aligncenter" width="971"] ডিএসইতে ইউনাটেড এয়ারের বুধবার সকালে শেয়ার দর বৃদ্ধির চিত্র প্রকাশ[/caption] তবে কি কারণে হঠাৎ শেয়ারের এমন চাহিদা বৃদ্ধি পেল তা জানা যায়নি। দুপুর নাগাদ ডিএসইতে শেয়ার ক্রয়ের আগ্রহের পরিমাণ আরো বাড়তে দেখা যায়। দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানির শেয়ার দরে পতনের পরে বুধবার এমন ঊর্ধ্বগতির কারণে বিস্ময় প্রকাশ করেন অনেক বিনিয়োগকারী। তাদের অনেক বলেন, হঠাৎ এমন ঊদ্বগতির কারণে অনেকে আশান্বিত হচ্ছেন। অনেকে নতুন করে শেয়ার সংগ্রহ করতে ইচ্ছা পোষন করেন। [caption id="attachment_65396" align="aligncenter" width="701"] ডিএসইতে দুপুরে ইউনাইটেড এয়ারের শেয়ার ক্রয়ের অর্ডার চিত্র[/caption]
  • বার্জার পেইন্টসের সম্ভাবনার ঘোষণা বুধবার বিকালে
    স্টাফ রিপোর্টার : বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের (আজ) বুধবার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে বোর্ড সভা। সভা থেকে বিনিয়োগকারীদের জন্য আসতে পারে বিভিন্ন সম্ভাবনার ঘোষণা। সূত্র মতে, সভায় ১লা জানুয়ারি, ২০১৬ থেকে ৩১ মার্চ, ২০১৭ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। এরপরে কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ মাসের আয়ের ওপরে লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারেন।
  • গ্যাস সংকটে বন্ধ আরো ৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র
    স্টাফ রিপোর্টার : গ্যাস সংকট ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গত কয়েক দিনে একে একে বন্ধ হচ্ছে বিদ্যুৎকেন্দ্র। রোববার ১৬টি কেন্দ্র বন্ধ ছিল। এতে সারা দেশে প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়। এর পরের দিন মঙ্গলবার তালিকায় যুক্ত হয়েছে আরও চারটি কেন্দ্র। ফলে মঙ্গলবার ২০ কেন্দ্র থেকে মেলেনি বিদ্যুৎ। এতে লোডশেডিংয়ের চাপ আরও বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস সংকটে ১১টি কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া পুরোনো কয়েকটি কেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণ শেষে চালু হলেও নতুন কয়েকটির ইঞ্জিন বিকল হয়। এতে ৯ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট চাহিদা থাকলেও গতকাল আট হাজার ৬১৫ মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদন সম্ভব নয় বলে মনে করছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। সংস্থাটির তথ্যমতে, ঘোড়াশালে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) পাঁচটি কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৬২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রোববার বন্ধ ছিল তিনটি কেন্দ্র। গতকাল একটি কেন্দ্র চালু হয়। তবে ২১০ মেগাওয়াটের দুটি কেন্দ্র এখনও বন্ধ আছে। আবার গ্যাস সংকটে বন্ধ হয়ে আছে টঙ্গীতে অবস্থিত পিডিবির ১০৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। কেন্দ্রটি কবে চালু হবে, তা নিশ্চিত নয়। একই অবস্থা বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র সামিট মেঘনাঘাট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্টের। ৪৫০ মেগাওয়াটের ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারটি (আইপিপি) গত কয়েক দিন ধরে বন্ধ আছে। রক্ষণাবেক্ষণের যুক্তিতে বন্ধ থাকলেও গ্যাস সংকটে কবে এটির উৎপাদন শুরু হবে তা অনিশ্চিত। এছাড়া গ্যাস সংকটে গতকাল বন্ধ হয়েছে হরিপুরের কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লাটের একটি ইউনিট। এতে ৭৩ মেগাওয়াট উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। একইভাবে বন্ধ হয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের ১৪৮ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট। এদিকে বিদ্যুৎ সংকটে গত কয়েক দিন ধরে বন্ধ রয়েছে পিডিবির চট্টগ্রামের দুটি কেন্দ্রটি। এগুলোর সক্ষমতা ৩৬০ মেগাওয়াট। এছাড়া পর্যাপ্ত পানি না থাকায় গতকাল কাপ্তাই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ ছিল। এতে ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎবঞ্চিত হয় চট্টগ্রামবাসী। এর বাইরে শিকলবাহায় পিডিবির দুটি কেন্দ্রে গ্যাস সংকটে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এগুলোর সক্ষমতা ১৯০ মেগাওয়াট। যদিও আগের দিন এগুলোর একটি ইউনিট চালু ছিল। এতে ১১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। এছাড়া ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় হাটহাজারীর ৯৮ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়। একই কারণে বন্ধ হয় আশুগঞ্জের ৭৫ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট। এছাড়া আশুগঞ্জ দক্ষিণের ৩৬০ মেগাওয়াটের আরেকটি কেন্দ্র গতকাল বন্ধ হয়ে গেছে। একইভাবে গ্যাস সংকটে বন্ধ রয়েছে চাঁদপুরের ৮৯ ও গাজীপুরের আরপিসিএলের ৯৮ মেগাওয়াটের কেন্দ্র দুটি বন্ধ হয়ে যায়। তবে এগুলো আগের দিনও আংশিক চালু ছিল। বাঘাবাড়ির ১১ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি চালু হলেও সিলেটের ৭৩ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি গ্যাস সংকটে গতকালও বন্ধ ছিল। আর রক্ষণাবেক্ষণের যুক্তিতে বন্ধ রাখা হয়েছে সামিট বিবিয়ানা-২-এর ৩৪১ ও খুলনা আরপিসিএলের ৭২ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট। তবে পিডিবির বাঘাবাড়ি দ্বিতীয় ইউনিট ও নওজোপাডিকোর সিরাজগঞ্জের কেন্দ্র দুটি গতকাল চালু করা হয়।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • আগামী অর্থবছরের বাজেট হবে ব্যবসাবান্ধব
    উন্নত ও মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। আগামী অর্থবছরের বাজেট হবে ব্যবসাবান্ধব, জনকল্যাণমুখী। এখানে সাধারণ মানুষের আশার প্রতিফলন হবে।    আমাদের প্রয়োজনীয় অর্থ নিজস্ব সম্পদ থেকে আয় করতে হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কল-কারখানায় উত্পাদন থেকে অর্থাৎ অভ্যন্তরীণ উত্পাদন থেকে দেশ ও মানুষের উন্নয়নে সহনীয়ভাবে রাজস্ব আহরণ করতে হবে। ব্যবসা বাড়লে রাজস্ব আদায়ও বাড়বে। এম এ মান্নানপ্রতিমন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা source : kalarkontho
  • জানুয়ারি থেকে বৃদ্ধি পাচ্ছে মূল্যস্ফীতি
    রেমিট্যান্স, রপ্তানি আর মূল্যস্ফীতি এই তিন সূচকের নেতিবাচক প্রবণতায় দেশের অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় মন্দা অর্থনীতির প্রভাব পড়েছে রেমিট্যান্স আয়ে। লক্ষ্য অনুযায়ী রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও হচ্ছে না। আবার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বাড়ছে বাণিজ্য ঘাটতি। হাওরে অকালবন্যায় কৃষি উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চালের দাম বেড়েছে। ফলে গত জানুয়ারি থেকে বৃদ্ধি পাচ্ছে মূল্যস্ফীতি। চাল, লবণ, চিনির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন-যাপনে ব্যয় বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক চিফ ইকোনমিস্ট এম কে মুজেরী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, অর্থনীতিতে যে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে সেই প্রবণতা বেশ কয়েক মাস ধরেই স্পষ্ট হচ্ছিল। রেমিট্যান্স আয় গত অর্থবছর থেকেই নিম্নমুখী। সাম্প্রতিক তথ্যে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কম ও মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। হাওরের বন্যায় কৃষি খাতেও উৎপাদন কিছুটা কমবে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক এই মহাপরিচালক আরও বলেন, অর্থনীতির এই সূচকগুলোর নেতিবাচক প্রবণতা অর্থনীতিতে দুর্যোগ বয়ে আনছে তা নয়, তবে এই প্রবণতা সামনের দিনগুলোয় অব্যাহত থাকলে তা সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করবে। অর্থনীতিতে চাপ বাড়ার প্রবণতা বিশ্বব্যাংকের গবেষণায়ও দেখা গেছে। এ মাসের মাঝামাঝি প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’-এ বলা হয়েছে, মূলত রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কমায় এবং রেমিট্যান্সের পতনের কারণে গত বছরের তুলনায় এবার বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কম হবে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) যেখানে বাংলাদেশ রপ্তানিতে ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পেয়েছিল, এবার একই সময়ে সেখানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ শতাংশ। আর ওই সময়ে গত অর্থবছরে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স কমেছিল ২ দশমিক ৫ শতাংশ; এবার কমেছে প্রায় ১৬ শতাংশ। শুধু যে রপ্তানি, রেমিট্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব তাই নয়, আগের বছরের তুলনায় কম হলেও চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক তথ্যে দেখা যায়, এ বছর জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ১৫ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে হয় ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং মার্চে গিয়ে দাঁড়ায় ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশে। আগের বছরের প্রথম তিন মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল যথাক্রমে ৬ দশমিক ০৭, ৫ দশমিক ৬২ ও ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির এই প্রবণতা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছে বিশ্বব্যাংক। কারণ, অকালবন্যায় হাওরাঞ্চলের কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ প্রকাশ করতে গিয়ে সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের চিফ ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, চালের দাম বাড়ায় খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। হাওরাঞ্চলে বন্যার কারণে ধানের ফলনের ক্ষতি হওয়ায় চালের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সার্বিক মূল্যস্ফীতিও বাড়বে। এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে। ফলে চলতি হিসাবের ভারসাম্যেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে পণ্য বাণিজ্যে সামগ্রিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০৩ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরে একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৪৭৯ কোটি ডলার। বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ায় বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যেও (ব্যালান্স অব পেমেন্ট) বড় ঘাটতি দেখা দিয়েছে। প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে প্রায় ১৩৮ কোটি ডলারের ঘাটতি (ঋণাত্মক) দেখা দিয়েছে। source : bangldesh protidin
  • ইরানের সঙ্গে ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ ব্যাংকের 'না'
    ইরানের ওপর থেকে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলেও এখনই বাংলাদেশে ব্যাংক শাখা খোলার প্রস্তাব নাকচ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের উচ্চ ঝুঁকির ফলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াতে বিকল্প পরিশোধ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মাধ্যমে পরিশোধ পদ্ধতি চালু করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আকুতে বিদ্যমান ডলার ও ইউরোর পাশাপাশি জাপানি মুদ্রা ইয়েন সংযোজন করে এ পরিশোধ পদ্ধতি চালু হবে।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সমস্যা নিরসনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক প্রস্তাবের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এমন মতামত তুলে ধরেছে। ইরান-বাংলাদেশের যৌথ কমিশনের আগামী বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হবে।প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির সঙ্গে আমদানি ও রফতানির পরিমাণ খুব কম। বর্তমানে বছরে দুই কোটি ৪০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ আমদানি ও ছয় কোটি ৭২ লাখ ডলারের রফতানি হচ্ছে। এ বাণিজ্য বাড়াতে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে ঢাকায় ইরানের রাষ্ট্রদূত বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে ব্যাংকিং লেনদেনের বিদ্যমান সমস্যা নিয়ে আলোচনা উঠলে তা সহজীকরণের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দেন। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গেও ইরানি রাষ্ট্রদূত আলোচনা করেন। এসব আলোচনার পর ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান উভয় দেশের যৌথ উদ্যোগে নতুন ব্যাংক বা দুই দেশে বিদ্যমান ব্যাংকের শাখা খোলার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেন। পরে এ বিষয়ে মতামতের জন্য তা পাঠানো হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে।বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইরানের ওপর এ মুহূর্তে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাহী নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সর্বশেষ গত ৩ ফেব্রুয়ারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে কোনো ব্যাংক এ নিয়ম ভেঙে ডলারে লেনদেন করলে বিশাল অঙ্কের জরিমানার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের ক্ষেত্রে দেশটির অবস্থান এখনও সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে ইরানের সঙ্গে লেনদেনের ক্ষেত্রে অধিকতর সতর্কতার জন্য মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্সেরও নির্দেশনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতামতে আরও বলা হয়েছে, এফবিসিসিআইও এক চিঠিতে উভয় দেশের মধ্যে ব্যাংকিং লেনদেনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি স্পষ্টীকরণের অনুরোধ করা হয়।বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যাংকে ইউএস ডলার হিসাব (নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট) খুলতে হলে ওই দেশের সব আইন বা বিধিমালা মেনে চলতে হবে মর্মে অঙ্গীকার দিতে হয়। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো ইরানের সঙ্গে কোনো লেনদেন করলে তা ইউএস ডলারে সমন্বয় করা যাবে না বরং অন্য কোনো মুদ্রায় সমন্বয় করতে হবে। এ কারণে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো ইরানের সঙ্গে সরাসরি লেনদেনে আগ্রহী হয় না। তবে এখন বিকল্প উপায়ে লেনদেনের জন্য ডলার ও ইউরোর পাশাপাশি আকুতে জাপানি ইয়েন সংযোজন করা হবে। এ বিষয়ে আকু পর্ষদের সদস্য হিসাবে এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সম্মতি দিয়েছেন। আগামী ১৩ জুলাই কলম্বোতে অনুষ্ঠেয় আকুর পর্ষদের ৪৬তম সভায় এ বিষয়ে অধিকতর পর্যালোচনাপূর্বক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। source : somokal
  • ঘোষণার দিনই বিক্রি হলো ইসলামী ব্যাংকের ২৭৪ কোটি টাকার শেয়ার
    ঘোষণার দিনই বিক্রি হয়ে গেল ইসলামিক ডেভেলপমেন্টের (আইডিবি) হাতে থাকা ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জের মাধ্যমে আইডিবির শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে। দিনটিতে সেখানে ইসলামী ব্যাংকের ২৭৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকার মোট ৮ কোটি ৭২ লাখ শেয়ার হস্তান্তর হয়েছে। দেশের বৃহৎ একটি শিল্প গোষ্ঠী আইডিবির হাতে থাকা শেয়ার কিনেছে বলে সিএসই সূত্রে জানা গেছে। ব্যাংকের প্রতিটি শেয়ার ৩২.৫০ টাকায় কিনেছে প্রতিষ্ঠানটি।এর আগে সরকারকে চিঠি দিয়ে আইডিবির হাতে থাকা ইসলামী ব্যাংকের ১২ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৮ কোটি ৬৯ লাখের বেশি শেয়ার বেচে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তাদের শেয়ার বিক্রির আবেদন অনুমোদন করে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এই ঘোষণা দেয়ার দিনই শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন হয়েছে।জানা যায়, সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মুস্তাফা আনোয়ারের প্রায় সব শেয়ার ছাড়ার পর এবার ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা প্রকাশ করল আইডিবি। ইসলামী ব্যাংকে আইডিবির ১২ কোটি ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৮৫টি শেয়ার রয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৭২ ভাগ তথা ৮ কোটি ৬৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৬০টি শেয়ার অর্থাৎ প্রায় ২৮১ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে দিচ্ছে জেদ্দাভিত্তিক এ ব্যাংকটি। যা আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। তবে একটি পরিচালক পদ ধরে রাখতে ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার রাখছে আইডিবি।এর আগে ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মুস্তাফা আনোয়ার তার শেয়ারের সিংহভাগ ছেড়ে দেন। ব্যাংকে তার ৪২ লাখ ২৬ হাজার ৩৩২টি শেয়ার ছিল। এর মধ্যে বাজার দরে ৪০ লাখ শেয়ার বিক্রি করেন তিনি।প্রাপ্ত তথ্য মতে, ইসলামী ব্যাংকের বিদেশী শেয়ারহোল্ডারদের ধারণকৃত ৫২ শতাংশ শেয়ারের মধ্যে আইডিবি এককভাবে সাড়ে ৭ শতাংশ শেয়ার ধরে রেখে ছিল। নিয়মানুসারে কোন ব্যাংকে পরিচালক পদ রাখতে ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার থাকতে হয়। এমতাবস্থায় আইডিবি একজন পরিচালকের প্রয়োজনীয় শেয়ার রেখে বাকি অংশ বাজার মূল্যে বিক্রি করে দিচ্ছে। এদিকে মঙ্গলবারে এক্সেল ডাইং এবং প্রিন্টিং লিমিটেড নামের ব্যাংকটির আরও এক উদ্যোক্তা পরিচালক আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ৩ কোটি ২০ লাখ ৩৮ হাজার ৮১৪টি শেয়ার ব্লক বা পাবলিক মার্কেটে কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে আইডিবির শেয়ার হস্তান্তরে দিনে ডিএসইতে ব্যাংকটির ডিএসইতে দর বেড়েছে ১ টাকা ৬০ পয়সা। আগের দিনের তুলনায় সেখানে দর বেড়েছে ৫.১৩ শতাংশ। সারাদিনে ব্যাংকটির সেখানে মোট ৮ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। দিনশেষে সিএসইর সমাপনী মূল্য ছিল ৩২.৭০ টাকা। source : jonokontho
  • ডিএসইর এমডি সেফের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব এক্সচেঞ্জের (সেফ) ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ২৮ সদস্যের এ ফোরাম এশিয়াভুক্ত দেশগুলোর পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কাজ করছে। এ ফোরামের মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর এক্সচেঞ্জের প্রযুক্তি ব্যবহার, আন্তর্জাতিক হিসাব মান, ক্রস বর্ডার লিস্টিংকে উৎসাহিতকরণ, পুঁজিবাজারে সর্বোত্তম লেনদেন ব্যবস্থা প্রচলন, মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করছে। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে ফোরামটির ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সভায় ২০১৭-১৯ সালের জন্য বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশিষ চৌহানকে নতুন চেয়ারম্যান এবং কে এ এম মাজেদুর রহমান ও রাজিভা বন্দরনায়েককে নতুন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। সম্মেলনে মিউচুয়াল ফান্ড, সমষ্টিগত বিনিয়োগ প্রকল্প, বেসরকারি ইকুইটি বিনিয়োগ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, বিনিয়োগ ট্রাস্টসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ডিএসইর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ মাসুদুর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল মনসুর মোঃ আশরাফ খান, কে এ এম মাজেদুর রহমান অংশ নেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • ১ কোটি ২৮ লাখ শেয়ার কিনেছেন প্রিমিয়ার ব্যাংক উদ্যোক্তা
    পূর্বঘোষণা অনুসারে ব্লক মার্কেটে নিজ কোম্পানির ১ কোটি ২৮ লাখ ৩৫ হাজার ২৬৮টি শেয়ার ক্রয় সম্পন্ন করেছেন প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোক্তা জামাল জি আহমেদ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। গেল হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩৫ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১ টাকা ৪১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৪৭ পয়সায়।নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডা অনুমোদনের জন্য ২৭ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করবে প্রতিষ্ঠানটি। রেকর্ড ডেট ২৫ মে।এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুযারি-মার্চ) ৪৩ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে প্রিমিয়ার ব্যাংক। আগের বছর একই সময় যা ছিল ১৬ পয়সা। ৩১ মার্চ এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৮৮ পয়সা।২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।ডিএসইতে এ শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ১১ টাকা ৭০ পয়সা। সমাপনী দরও ছিল ১১ টাকা ৭০ পয়সা, আগের কার্যদিবসেও যা ছিল ১১ টাকা ৭০ পয়সা। গত এক বছরে এ শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ছিল ১৪ টাকা ৯০ পয়সা ও সর্বনিম্ন ৬ টাকা ৭০ পয়সা।২০০৭ সালে তালিকাভুক্ত প্রিমিয়ার ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬৮২ কোটি ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভ ৩৪২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। ব্যাংকের মোট শেয়ারের ৩৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৬ দশমিক ৮ ও বাকি ৪৯ দশমিক ২৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।বোনাস শেয়ার সমন্বয়ের পর সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৮ দশমিক ৩, হালনাগাদ অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ৬ দশমিক ৮।   source : bonik barta
  • মুনাফা বেড়েছে দুই-তৃতীয়াংশ সাধারণ বীমা কোম্পানির
    হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সাধারণ বীমা কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে মূল ভূমিকা রেখেছে ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণ।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৫টি সাধারণ বীমা কোম্পানি থেকে ৩০টি কোম্পানি এরই মধ্যে তাদের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত ফলাফল প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যায়, ১৯টি কোম্পানির ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে, কমেছে ১০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল একটি কোম্পানির ইপিএস।খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, বীমা খাতের ব্যবস্থাপনা ব্যয় কমিয়ে আনতে ২০১১ সাল থেকেই নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। মূলত এ চাপেই ব্যবস্থাপনা ব্যয় কমাতে তত্পরতা বাড়িয়েছে কোম্পানিগুলো।কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, ব্যবসা আগের তুলনায় খুব একটা না বাড়লেও সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ বীমা কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে। কারণ এখন অধিকাংশ কোম্পানিই তাদের ব্যবস্থাপনা ব্যয় কমিয়ে আনতে সচেষ্ট। আইডিআরএর তত্পরতায় এ খাতে কমিশন-বাণিজ্যও কমে আসছে। কোম্পানিগুলো যদি এভাবে তাদের ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে, তাহলে আগামী দিনগুলোয় ইপিএস আরো বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।ইপিএস বেড়েছে যেসব কোম্পানিরপ্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ সময়ে রূপালী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬৩ পয়সা। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৩ টাকা ২৬ পয়সা।গেল প্রান্তিকে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪১ পয়সা। এ সময় কোম্পানিটির এনওসিএফপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬ পয়সা ও এনএভি হয়েছে ১৬ টাকা ৯ পয়সা।এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির আয় ৮৫ শতাংশ বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত এ কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৬১ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩৩ পয়সা।প্রথম প্রান্তিকে কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা, এনওসিএফপিএস ১৬ পয়সা এবং এনএভিপিএস হয়েছে ১৯ টাকা ৮৮ পয়সা। আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩৬ পয়সা, এনওসিএফপিএস ছিল ২ পয়সা এবং এনএভিপিএস ছিল ১৮ টাকা ২৩ পয়সা। নিটল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬২ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫৮ পয়সা।অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারের চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৫১ পয়সা, যা এর আগের বছর ছিল ৩১ পয়সা। এদিকে পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস বেড়েছে ৩০০ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৮০ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ২০ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৩৯ পয়সা, যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ৩৪ পয়সা। ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত এ কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৭৫ পয়সা, গত বছর একই সময়ে যা ছিল ৬৩ পয়সা। সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা, যা আগের বছরে একই সময়ে ৬৪ পয়সা। রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের প্রান্তিক ইপিএস হয়েছে ৫৫ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ৪৮ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা, গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫৬ পয়সা। বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৮৯ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ৮৩ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৩৬ পয়সা, যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ৩৫ পয়সা। তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৫০ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩০ পয়সা।চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) প্রাইম ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ইপিএস বেড়েছে ১৪৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭৬ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৩১ পয়সা। এ বিষয়ে প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদী খানম বণিক বার্তাকে বলেন, দুই বছর ধরে প্রতিষ্ঠানের ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। এছাড়া আমাদের ব্যবসাও আগের থেকে বেড়েছে। এসবের ইতিবাচক প্রভাবই আমাদের আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে।এদিকে প্রথম প্রান্তিকে পিপলস ইন্স্যুরেন্স ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৮ পয়সায়, গত বছর একই সময়ে যা ছিল ৩৭ পয়সা। প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৬১ পয়সায়, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪৫ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৯ পয়সায়, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৯ পয়সা।যেসব কোম্পানির ইপিএস কমেছেফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তাদের ইপিএস হয়েছে ৬১ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬৯ পয়সা। কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬১ পয়সা, এর আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৭০ পয়সা। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৪৪ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬০ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৪৫ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬০ পয়সা। ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৭২ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৮৩ পয়সা।এদিকে প্রথম প্রান্তিকে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৪৫ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪৯ পয়সা। এর বাইরে ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, পাইওনিয়ার, প্রভাতি ও জনতা ইন্স্যুরেন্সেরও ইপিএস কমেছে।অপরিবর্তিতএদিকে প্রথম প্রান্তিকে অপরিবর্তিত আছে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে উভয় বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস ১৯ পয়সা। source : bonik barta
  • পুঁজিবাজারের সূচক ও লেনদেনে ঊর্ধ্বগতি
    পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ফিরে এসেছে। গতকাল দেশের উভয় বাজারে সার্বিক মূল্য সূচক বেড়েছে। সূচক বাড়ার পাশাপাশি বাজারে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা ছিল। এতে অনেক কোম্পানির শেয়ারের দাম অনেক নিচে চলে এসেছে। তাই অনেক বিনিয়োগকারী এখন বিনিয়োগে উদ্যোগী হচ্ছেন।ডিএসইর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গতকাল বাজারে জ্বালানি খাত ছিল লেনদেনের শীর্ষে। দর বৃদ্ধির শীর্ষেও ছিল জ্বালানি খাত। গতকাল জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোতে ৮৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের সাড়ে ১৫ শতাংশ। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয়েছে ৭১ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ১৩ শতাংশ। আর বস্ত্র খাতে লেনদেন হয়েছে ৭০ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের সাড়ে ১২ শতাংশ। গতকাল বাজারে সূচক বাড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান ছিল জ্বালানি খাতের। এ খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম গড়ে প্রায় দেড় শতাংশ বেড়েছে।তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩৮৫ পয়েন্টে। যা এর আগে রবিবার ৩৬ পয়েন্ট, বৃহস্পতিবার ৩০ পয়েন্ট ও বুধবার ৬ পয়েন্ট কমেছিল। গতকাল ডিএসইতে ৫৬০ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিন হয়েছিল ৪৫৮ কোটি ২৪ লাখ টাকার। এ হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ১০২ কোটি ১৮ লাখ টাকা বা ২২ শতাংশ। এদিকে, ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২১টি কোম্পানির মধ্যে ১৬৯টি বা ৫৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে, দাম কমেছে ১১২টি বা ৩৫ শতাংশ  কোম্পানির। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইফাদ অটোসের শেয়ার। এ দিন  কোম্পানির ৪১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। অগ্নি সিস্টেমসের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। আর ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ২৬  কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এ দিন অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স মূল্যসূচক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৯৮ পয়েন্টে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা। source : ittfaq
  • আজ শুরু বিবিএস ক্যাবলসের আইপিও আবেদন
    পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য আজ মঙ্গলবার থেকে বিবিএস ক্যাবলসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। চলবে ৪ জুন পর্যন্ত। এর আগে ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেয়। বিবিএস ক্যাবলস ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ২ কোটি শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। যা প্লান্ট ও মেশিনারিজ ক্রয়, বিল্ডিং নির্মাণ, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও’র খরচ খাতে ব্যবহার করা হবে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২ দশমিক ৪৬ টাকা। আর ২০১৬ সালের ৩০ জুনে শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬ দশমিক ৮৭ টাকা। source : ittafaq
  • ৬৩ ভাগ সাধারণ বীমার মুনাফা বেড়েছে
    প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৬৩.৩৩ ভাগ সাধারণ বীমা কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৫টি সাধারণ বীমা কোম্পানি থেকে ৩০টি কোম্পানি এরই মধ্যে তাদের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত ফলাফল প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যায়, ১৯টি কোম্পানির ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে, কমেছে ১০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল একটি কোম্পানির ইপিএস।ইপিএস বেড়েছে যেসব কোম্পানির ॥ প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ সময়ে রূপালী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬৩ পয়সা। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ২৩ টাকা ২৬ পয়সা।গত প্রান্তিকে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪১ পয়সা। এ সময় কোম্পানিটির এনওসিএফপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬ পয়সা ও এনএভি হয়েছে ১৬ টাকা ৯ পয়সা।এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির আয় ৮৫ শতাংশ বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত এ কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৬১ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩৩ পয়সা।প্রথম প্রান্তিকে কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা, এনওসিএফপিএস ১৬ পয়সা এবং এনএভিপিএস হয়েছে ১৯ টাকা ৮৮ পয়সা। আগের বছরে একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩৬ পয়সা, এনওসিএফপিএস ছিল ২ পয়সা এবং এনএভিপিএস ছিল ১৮ টাকা ২৩ পয়সা। নিটল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬২ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৫৮ পয়সা।অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারের চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৫১ পয়সা, যা এর আগের বছর ছিল ৩১ পয়সা। এদিকে পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস বেড়েছে ৩০০ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৮০ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ২০ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৩৯ পয়সা, যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ৩৪ পয়সা। ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত এ কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৭৫ পয়সা, গত বছর একই সময়ে যা ছিল ৬৩ পয়সা। সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা, যা আগের বছরে একই সময়ে ৬৪ পয়সা। রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের প্রান্তিক ইপিএস হয়েছে ৫৫ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ৪৮ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা, গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫৬ পয়সা। বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৮৯ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ৮৩ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৩৬ পয়সা, যা আগের বছরে একই সময়ে ছিল ৩৫ পয়সা। তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৫০ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩০ পয়সা।চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) প্রাইম ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ইপিএস বেড়েছে ১৪৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭৬ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৩১ পয়সা।এদিকে প্রথম প্রান্তিকে পিপলস ইন্স্যুরেন্স ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৮ পয়সায়, গত বছর একই সময়ে যা ছিল ৩৭ পয়সা। প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৬১ পয়সায়, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪৫ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৯ পয়সায়, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৯ পয়সা।যেসব কোম্পানির ইপিএস কমেছে ॥ ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তাদের ইপিএস হয়েছে ৬১ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬৯ পয়সা। কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৬১ পয়সা, এর আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৭০ পয়সা। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ৪৪ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬০ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৪৫ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬০ পয়সা। ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৭২ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৮৩ পয়সা।এদিকে প্রথম প্রান্তিকে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৪৫ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪৯ পয়সা। এর বাইরে ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, পাইওনিয়ার, প্রভাতি ও জনতা ইন্স্যুরেন্সেরও ইপিএস কমেছে।এদিকে প্রথম প্রান্তিকে অপরিবর্তিত আছে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে উভয় বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস ১৯ পয়সা। source : jonokontho
  • আবাসন ব্যবসায় বিশেষ ঋণ সুবিধা জরুরি
    আবাসন খাতের সবচেয়ে বড় মেলা ‘রিহ্যাব ফেয়ার ২০১৬’ শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলানগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামীনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আবাসন একটি মৌলিক অধিকার। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করার কথা বলা আছে। সরকার নিয়ন্ত্রিত হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে আপাতত ঋণ দেওয়া বন্ধ রয়েছে। কারণ সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে এই মুহূর্তে কোনো অর্থের জোগান দিচ্ছে না। ’মন্ত্রী মুহিত বলেন, ‘আবাসনক্ষেত্রে একজন ভূমি মালিক, একজন ব্যবস্থাপনা বা ভবন নির্মাণকারী আর একজন ক্রেতার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এই তিন পক্ষকে নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। প্রত্যেকের আবাসন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাই একটি বিশেষ আলোচনা ও ঋণ ব্যবস্থাপনা খুবই প্রয়োজন। আমাদের সরকার ২০২১ সালের মধ্যে সবার আবাসন নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ’অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা যখন সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থা নিয়ে কথা বলি তখন আবাসনব্যবস্থার বিষয়টিও চলে আসে। আবাসন সেক্টরে সরকার কাজ করার চিন্তা-ভাবনা করছে। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেলে সুবিধা হয়। শহরের বস্তিগুলো নিয়ে সমস্যার অনেক কথা শোনা যায়। এসব বস্তিবাসীর জন্যও থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। ’আবাসন ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্দেশ করে নসরুল হামিদ বলেন, ‘আপনারা সব চাচ্ছেন; কিন্তু সরকারকে কী দিয়েছেন? সময়মতো হস্তান্তর, নির্মাণ আইন মেনে কি ভবন নির্মাণ করতে পেরেছেন? আমরা এখন হাউজিং সেক্টর আইন মেনে চলছি না। আপনারা কখনো পাঁচ হাজার কোটি, আবার কখনো ১৫ হাজার কোটি টাকা চাচ্ছেন। কী লাভ হবে এ টাকা দিয়ে? টাকা কাকে দেব? আপনাদের আরো চিন্তা-ভাবনা করে কাজ করতে হবে। ’ তিনি বলেন, সরকার হাজার হাজার অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি করছে। কিন্তু রিহ্যাবের অবিক্রীত ফ্ল্যাটগুলো রয়ে গেছে। তা কেন সরকার কিনে নেয় না। আপনারা এগুলো কেনার প্রস্তাব দিন। পৃথিবীর সব দেশে হাউজিং সেক্টরকে বিশেষভাবে দেখা হয়। এখানেও একটি বিশেষ ফান্ড দরকার। তবে আবাসন ব্যবসায়ীদের আরো সুনাম অর্জন করা উচিত।নসরুল হামিদ বলেন, ‘আবাসন খাতে আমরা গ্যাস দেব না। সিলিন্ডার ব্যবহার করতে হবে। আমি থাকা অবস্থায় লাইন থেকে গ্যাস পাবেন না। আগামী সাত-আট বছরের মধ্যে আমাদের গ্যাস শেষ হয়ে যাবে। ’রিহ্যাবের সিনিয়র সহসভাপতি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন বলেন, ‘রিহ্যাব আবাসন তৈরি ছাড়াও জনকল্যাণমূলক অনেক কাজ করে থাকে। আমরা বন্যাদুর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৬৫টি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছি। এ ঘরগুলোর মধ্যে আপনি (জ্বলানি প্রতিমন্ত্রী) বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করে দিন। ’শাওন বলেন, ‘আবাসন খাতের সঙ্গে ২৬৯টি লিংকেজ শিল্প জড়িত। সেখানে প্রায় ৩০ লাখ শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এ খাতে মন্দা ভাব কাটাতে রি-ফিন্যান্সিং স্কিম চালু করা দরকার। অন্তত পাঁচ হাজার কোটি টাকা সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ দিতে হবে। নতুন করে গ্যাস সংযোগ আমরা চাই না। তবে যেসব প্লট ও ভবনে আগে থেকে গ্যাসের লাইন রয়েছে তা সম্প্রসারণ করতে হবে। ’প্রথম দিনেই মেলায় ক্রেতা-দর্শনার্থীর ভিড় : রিহ্যাব মেলায় এবার মোট ১৭৫টি স্টল থাকছে। এর মধ্যে ৩০টি বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস ও অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানকে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছে রিহ্যাব। এবারের মেলায় কো-স্পন্সর হিসেবে অংশগ্রহণ করছে ২৪টি প্রতিষ্ঠান। গতকাল বিকেলে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগে থেকেই মেলায় ভিড় জমায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ক্রেতা-দর্শনার্থী। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলায় প্রবেশ করা যাবে। মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্লট ও ফ্ল্যাটে মূল্যছাড়, উপহারসহ নানা সুবিধা দিচ্ছে।মেলায় অংশগ্রহণ করা ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের স্টলে দেখা গেছে ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপচে পড়া ভিড়। স্টলে দায়িত্বরত ডেপুটি ম্যানেজার মাহবুব হাসান জানান, রাজউক অনুমোদিত বারিধারা প্রকল্পের জি, এইচ, আই, জে, কে ও এল ব্লকে রেডি প্লট বিক্রি হচ্ছে। এখানে দুই কাঠা থেকে এক বিঘা পর্যন্ত প্লট রয়েছে। কাঠাপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ লাখ থেকে এক কোটি টাকা।আমিন মোহাম্মদ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন জানান, মতিঝিল-কমলাপুরসংলগ্ন গ্রিন মডেল টাউনে আড়াই কাঠা থেকে ১০ কাঠা পর্যন্ত রেডি প্লট রয়েছে। সেখানে কাঠাপ্রতি ৩৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত দরে প্লট কিনতে পারবে ক্রেতারা। পাঁচ থেকে সাত বছরের কিস্তিতেও প্লট কেনার সুযোগ রয়েছে এখানে।কনকর্ড গ্রুপের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ শফিকুল ইসলাম কনক বলেন, ‘গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরাসহ রাজধানীর বেশ কিছু স্থানে আমাদের ফ্ল্যাট রয়েছে। গুলশানে দুই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট রয়েছে। মেলা উপলক্ষে আলোচনা সাপেক্ষে ক্রেতাদের কিছু ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ’এ ছাড়া গতকাল সন্ধ্যার পর অ্যাসেট, রূপায়ণ হাউজিং, শেলটেক, নাভানা, আনোয়ার ল্যান্ডমার্ক ও রাকিনের স্টলে ক্রেতা-দর্শনার্থীর ভিড় দেখা গেছে।রিহ্যাব জানিয়েছে, প্রতিবছরের মতো এবারও মেলায় প্রবেশের জন্য দুই ধরনের টিকিট থাকছে। সিঙ্গেল এন্ট্রি টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং মাল্টিপল এন্ট্রি টিকিট ১০০ টাকা। মাল্টিপল এন্ট্রি টিকিট দিয়ে একজন দর্শনার্থী সর্বোচ্চ পাঁচবার মেলায় প্রবেশ করতে পারবে। এন্ট্রি টিকিটের র‌্যাফেল ড্রতে প্রতিদিন থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। মেলা চলাকালে প্রতিদিন রাত ৯টায় র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হবে। আর টিকিট বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করা হবে দুস্থদের সাহায্যার্থে।  source : kalar kontho
  • ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ থাকছে না :অর্থমন্ত্রী
    অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ভ্যাট হার ১৫ শতাংশ থাকছে না এটা নিশ্চিত। তবে কত কমছে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। ঋণের সুদ কমাতে উদ্যোক্তারা সঞ্চয়পত্র ও আমানতের সুদ হার কমানোর কথা উঠেছে, তবে আগামী বাজেটে সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানো হচ্ছে না। বাজেট ঘোষণার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা হতে পারে। ভ্যটের হার কত কমছে তা চূড়ান্ত করা হবে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে। তখন গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১ জুলাই থেকে ভ্যাট আইন কার্যকর করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।গতকাল সচিবালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) প্রতিনিধিদের সাথে প্রাক বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাসেম খানের নেতৃত্বে চেম্বারের প্রতিনিধিদের পক্ষে আসন্ন ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটের জন্য প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়। অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় ও বিদেশী বিনিয়োগকে উত্সাহিত করার জন্য দেশের সকল বন্দরসমূহে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ খালাস প্রক্রিয়া আরোও সহজীকরণ করা হবে। তিনি বলেন, রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারাকে বাড়ানোর লক্ষ্যে রেমিট্যান্স পাঠানোর সকল ধরনের চার্জ উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হবে। বাংলাদেশে ২৮ লাখ মানুষের টিআইএন রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট রয়েছে কিন্তু কর দিচ্ছেন মাত্র ১৬ লাখ। সরকার সঞ্চয় পত্রের সুদ হার কমানোর বিষয়টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা রয়েছে, তবে তা বিদ্যমান বাজারদরের চেয়ে কম হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।আসন্ন বাজেট নিয়ে প্রস্তাবনায় আবুল কাসেম খান উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে ৮ বছরে বিশেষত জ্বালানি ও বিদ্যুত্খাতে বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে, তবে ঢাকা চেম্বার মনে করে, ডাবল ডিজিট প্রবৃদ্ধি অর্জন করার জন্য অবকাঠামোখাত উন্নয়নে বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবকাঠামোগত উন্নয়ন পূর্বশর্ত, কিন্তু বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ব্যবসার পরিপূর্ণ সুযোগ কাজে লাগানো যাচ্ছে না। আধুনিক অবকাঠামো, প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রম গতিশীলকরণ এবং ভূমি বিরোধ ও ভূমি আইনের আধুনিকায়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, বর্তমানে অবকাঠামো খাতে আমাদের বিনিয়োগ জিডিপির ২ দশমিক ৮ শতাংশ, যেখানে ভিয়েতনামের বিনিয়োগ ১০শতাংশ, চীনের ৯ শতাংশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার ও ফিলিপাইনের ৫ শতাংশ হারে বিনিয়োগ করছে। তিনি প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির বর্তমান করসীমা আড়াই লাখ থেকে বাড়িয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো প্রস্তাব করেন। সেইসাথে কর্পোরেট আয়কর-পাবলিক ট্রেডেড কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ২৫ শতাংশ, নন পাবলিক ট্রেডেড কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করার প্রস্তাব করেন।ডিসিসিআই সভাপতি কর্পোরেট লভ্যাংশ শিল্পখাতে পুনঃবিনিয়োগের ক্ষেত্রে লভ্যাংশ ২০ শতাংশের পরিবর্তে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করেন। বিদ্যমান ট্যাক্স কার্ড কে স্মাট কার্ডে রূপান্তর এবং ভ্যাট স্মাট কার্ড প্রবর্তনের প্রস্তাব করেন। নতুন ভ্যাট আইনে ভ্যাট ১৫ শতাংশ করলে নির্দিষ্ট পণ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা এটি  হ্রাস করার প্রস্তাব করেছিলাম। তাই আমরা ভ্যাটের হার এমন পর্যায়ে রাখার প্রস্তাব করছি, যাতে করে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি না পায়। পিপিপির আওতায় উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম মনিটরিং-এর জন্য ‘ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাক্চার ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং অ্যাডভাইজরি অথরিটি’ নামে একটি প্লাটফর্ম গঠন করা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। source : ittafaq
  • রফতানি শিল্পে প্রণোদনাসহ ২৫ দফা সুপারিশ
    আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে রফতানি শিল্পকে প্রণোদনা প্যাকেজ দেয়াসহ ২৫ দফা সুপারিশের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশন। সম্প্রতি এ প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে দেয়া হয়েছে। পোশাক শিল্পের জন্য কর্পোরেট ট্যাক্স হ্রাস, নগদ সহায়তার ওপর অগ্রিম আয়কর ৫ শতাংশ কর্তন বন্ধের প্রস্তাব করা হয় এতে।বাংলাদেশ রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী যুগান্তরকে বলেন, রফতানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য ২৫ দফা সুপারিশ করা হয়েছে। আগামী বাজেটে এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন যৌক্তিক হবে। আশা করি, বাস্তবতার নিরিখে সরকার এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করবে।প্রস্তাবে বলা হয়, ইউরোপের বাজারসহ অন্য দেশের ক্রেতারাও পণ্যের মূল্য ক্রমাগতভাবে হ্রাস করছে। পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান বেড়েছে ৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ। পরিবহন ব্যয়সহ অন্যান্য খরচ ও শ্রমিকদের গত ৫ বছরে দুই দফায় ২১৯ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধির ফলে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় ১৭ দশকি ১১ শতাংশ বেড়েছে। ফলে পোশাক শিল্প চাপের মধ্যে রয়েছে। এ অবস্থায় আগামী বাজেটে এ শিল্পের কর্পোরেট ট্যাক্স হার ২০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ১০ শতাংশ, উৎসে কর শূন্য ৭ শতাংশের পরিবর্তে শূন্য করতে হবে। কর্পোরেট ট্যাক্স আগামী ৫ বছর এবং উৎস কর ২ বছরের জন্য কার্যকর করতে হবে।এছাড়া আগামী ৫ বছরের জন্য হোমটেক্সটাইলে আয়কর হার ১০ শতাংশ ও উৎসে আয়কর কর্তন হার শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ, ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির ক্ষেত্রে উৎসে কর কর্তন প্রক্রিয়া অব্যাহতি, নগদ প্রণোদনাকে করমুক্ত রাখার কথা বলা হয়। সেখানে আরও বলা হয়, এ শিল্পে আয়কর অধ্যাদেশে প্রায় ৩৫টি শিল্প খাতকে কর অবকাশ সুবিধা দিচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যে হোমটেক্সটাইল ও টেরিটাওয়েল অন্তর্ভুক্ত নয়। আগামী বাজেটে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ অন্যান্য জেলায় প্রতিষ্ঠিত হোমটেক্সটাইল এবং টেরিটাওয়েল শিল্পকে কর অবকাশ সুবিধা দেয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি এ শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন, সম্প্রসারণ কাজে রেয়াতি শুল্কায়নের মাধ্যমে আমদানির জন্য তালিকাভুক্ত সব যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশের ওপর শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর রহিত করা দরকার।এছাড়া গার্মেন্ট এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং শিল্পে কর্পোরেট কর ৩৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ১৫ শতাংশ, শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামালের ওপর আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ অগ্রিম আয়কর কর্তন নির্ধারণের প্রস্তাব দেয়া হয়।এছাড়া ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা আড়াই লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে সোয়া ৩ লাখ টাকা ধার্য করার প্রস্তাব দেয়া হয়। আর রফতানি সংশ্লিষ্ট স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত সব পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ভ্যাট মওকুফসহ মূসক-১৯ দাখিল থেকে অব্যাহতি প্রদান, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির ওপর প্রদত্ত মূসক প্রত্যর্পণে জটিলতা দূরীকরণের লক্ষ্যে ১০০ শতাংশ মূসক অব্যাহতি, কটন ওয়েস্ট টেরিটাওয়েল শিল্পের কাঁচামাল আমদানি এবং রফতানি পর্যায়ের বর্তমান শুল্ক হার অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া তৈরি পোশাকসহ সব রফতানিমুখী শিল্পের জন্য আমদানিকৃত অগ্নিনিরাপত্তা সংক্রান্ত সব যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা এবং রেয়াতি হারে শুল্কায়নের মাধ্যমে খালাস প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রস্তাবে বলা হয়, পোশাক শিল্পের অগ্নিনিরাপত্তা ও কমপ্লায়েন্ট নিশ্চিতকরণে এসব যন্ত্রপাতি বিপুল পরিমাণে আমদানি করতে হচ্ছে। এতে প্রচুর অর্থ এ খাতে বিনিয়োগ করতে হচ্ছে। ফলে রফতানির বৃহত্তর স্বার্থে এবং এ শিল্পকে অগ্নিনিরাপত্তা প্রদানের জন্য এসব পণ্য আমদানি শুল্কমুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।পোশাক শিল্পের অধীনে আমদানিকৃত পণ্যগুলোর বিপরীতে দাখিলকৃত অঙ্গীকারনামা আগের মতো বিজিএমইএ হতে জারিকৃত প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে অবমুক্ত করা এবং কাস্টম বন্ড কমিশনারেট হতে প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করার বিধানটি বাতিল করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া পোশাক শিল্পের অডিট কার্যক্রমের জন্য দলিলাদি দাখিলের সময়সীমা ৬ মাস নির্ধারণ, রফতানিমুখী প্যাকেজিং অ্যান্ড এক্সেসরিজ শিল্পটি ‘কাস্টমস অ্যাক্ট’ ১৯৬৯ এর ধারা-৯১’ সংশোধন করার কথা বলা হয়। সর্বশেষ হিমায়িত খাদ্যের নমুনার জীবাণু ও রাসায়নিক পরীক্ষা, ইসি ও অতিরিক্ত সনদ এবং লাইসেন্স গ্রহণ, খাদ্যের ওপর প্যাকিং ম্যাটেরিয়ালস, ফুয়েল অ্যান্ড লুব্রিকেন্ট, রিপেয়ার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্সের ওপর মূসক ও ভ্যাট আদায় অব্যাহতি দান, বিভিন্ন কলকব্জা ও যন্ত্রপাতির রিপেয়ার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্সের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ মূসক প্রত্যাহার, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা শিল্প খাতের জন্য বর্ধিত বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা ও কাঁকড়া-কুঁচে রফতানিতে প্রণোদনা প্রদানের সুপারিশ করা হয়।   source : jugantor
View All
Latest DSE News
  • IFI

    Withdrawal of Authorized Representatives: IFIC Securities Ltd., DSE TREC No. 192, has withdrawn two of its Authorized Representatives, Mr. Aftab Uddin Biswas and Mr. Md. Toiub Ulla Chowdhury, with immediate effect.

  • ASIAINS

    The Company has informed that the Head office and Registered office of the Company has been shifted to Rupayan Trade Centre (14th floor), 114-115 Kazi Nazrul Islam Avenue, Bangla Motor, Dhaka-1000.

  • LANKABAFIN

    The Company has informed that Mr. Khwaja Sahriar has joined as the Managing Director of the Company with effect from May 21, 2017.

  • GLAXOSMITH

    The Company has informed that it has disbursed cash dividend for the year ended on December 31, 2016 to the respective shareholders' Bank Account through EFT system for shareholder who maintain their share in BO Account.

  • RELIANCINS

    The Company has informed that it has credited the bonus shares for the year ended on December 31, 2016 to the respective shareholders' BO Accounts on May 24, 2017. The Company has also requested the concerned shareholders to collect their Cash Dividend Warrants for the year 2016 from Head Office of the Company during Office hours from 25.05.2017 to 28.05.2017. Amount against fractional stock dividend warrants will be distributed soon.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PENINSULA 26.10 23.80 2.30 9.66
UNITEDAIR 5.90 5.40 0.50 9.26
SHURWID 9.50 9.00 0.50 5.56
ICB3RDNRB 7.80 7.40 0.40 5.41
PTL 34.80 33.10 1.70 5.14
GHAIL 45.20 43.00 2.20 5.12
PARAMOUNT 20.00 19.10 0.90 4.71
EMERALDOIL 24.10 23.10 1.00 4.33
BARKAPOWER 44.50 42.70 1.80 4.22
PRIMEBANK 21.30 20.50 0.80 3.90

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297