Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Parabolic Sar Intraday System AFL 24-May
Guppy Multiple Moving Average Afl 20-May
Automatic Buy Sell Signal Afl 19-May
Stoch RSI Afl 17-May
Bollinger Band Fibonacci Ratio and Heikin Ashi 17-May

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)

Contest SB2015_May

1st
blank_person
IMRANKSL
2nd
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
3rd
blank_person
HOSSAINANWAR36
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
Negative impact

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 25 May 2015

0
TOTAL TRADE
0.0000
TOTAL VOLUME(Mn)
0.00
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ‘পুঁজিবাজার এখন ভাল চলছে, স্থিতিশীল রয়েছে’
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সচিবালয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক রোববার ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বিও একাউন্ট মেইন্ট্যানেন্স ফি বাবদ প্রদত্ত সরকারি অংশ প্রদানকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন অর্থমন্ত্রীর হাতে ৮১ কোটি ২১ লাখ টাকার চেক তুলে দেন। সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের পুঁজিবাজার এখন ভাল চলছে, স্থিতিশীল রয়েছে। সুতরাং এখন পুঁজিবাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই। বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন বলেন, গত বছর বিও একাউন্ট মেইন্ট্যানেন্স ফি বাবদ আমরা সরকারকে ৬৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা দিয়েছি। এ বছর এর পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেত। কিন্তু তিন মাসের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পুঁজিবাজার তখন ভালভাবে চলতে পারেনি। এ কারণে আয় কম হয়েছে। চেক হস্তান্তর শেষে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেশের পুঁজিবাজারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করেন বিএসইসি’র কর্মকর্তারা। বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপকালে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, অর্থমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, পুঁজিবাজারে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ এর জন্য কমিশনই রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬ প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসার কথা ছিল, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না— জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাজেটের পর এটা নিয়ে আলোচনা হবে। গত বাজেটে বিএসইসি’র উপর আরোপিত কর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পৃথিবীর কোথাও কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার উপর কর নেই। বিএসইসি’র কর্মকর্তাদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে সংস্থার প্রস্তাব প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খায়রুল হোসেন বলেন, নিজেদের বেতন বাড়ানোর কোনো প্রস্তাব আমরা কখনো দেইনি। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। কোনো চিঠিও আমি এ পর্যন্ত পাইনি। সরকারই এ বিষয়ে চিঠি চালাচালি করছে। সম্প্রতি পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনে বিএসইসির চেয়ারম্যান পদত্যাগ করতে পারেন— এমন গুজবের সত্যতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।
  • ডিএসই'র কাছে কারিগরি ত্রুটির ব্যাখ্যা চেয়েছে বিএসইসি
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কারিগরি ত্রুটির বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ডিএসইকে (আজ) রোববারের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপত্র সাইফুর রহমান বলেন, আমরা কারিগরি ত্রুটির বিষয়টি ডিএসইর কাছ থেকে জানতে চেয়েছি। আজকের (রোববার) মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। কারিগরি ত্রুটির কারণে রোববার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু করা সম্ভব হয়নি। নির্ধারিত সময়ের ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট পর বেলা ২ টা ২০ মিনিটে লেনদেন শুরু হয় এবং শেষ হয় বেলা ৪ টায়। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ২ ঘণ্টা ২০ মিনিট কম লেনদেন হয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জটিতে। তবে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) স্বাভাবিক সময়ে লেনদেন শুরু ও শেষ হয়েছে। তবে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সকাল সাড়ে ১০ টায় লেনদেন শুরু ও শেষ হয় বেলা আড়াইটায়। জানা গেছে, রোববার লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইর অনেক ট্রেকহোল্ডার তাদের ব্যাক অফিস ফাইল আপলোড করতে পারছিলেন না। কারিগরি এ ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০ টায় লেনদেন শুরু করতে ব্যর্থ হয় ডিএসই। কারিগরি এ সমস্যা বেলা ২টার দিকে সমাধান করতে সমর্থ হয় ডিএসই। নির্ধারিত সময়ে লেনদেন শুরু ও শেষ করতে না পারার কারণে বিনিয়োগকারীদের নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে। এদিকে, ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে ডিএসইতে লেনদন হয়েছে ৩৪৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা। কম সময় লেনদেনের প্রভাব পড়েছে বাজারে। আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৫৬ শতাংশ কম লেনদেন হয়েছে। বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল ৭৭৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। সম্প্রতি শেয়ারবাজারে লেনদেন বৃদ্ধির যে ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে কারিগরি ত্রুটির কারণে তাতে ছন্দপতন ঘটেছে। তবে সূচকেরও সামান্য বৃদ্ধি হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় ১.৩৪ পয়েন্ট বেড়ে দিনশেষে ডিএসইএক্স গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪৮৪.৬২ পয়েন্টে। লেনদেনে অংশ নেওয়া ইস্যুগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৩ টির, কমেছে ১৩৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১ টির দর।
  • লেনদেন বিলম্বে ডিএসইর দুঃখ প্রকাশ
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। সার্ভারের ত্রুটির কারণে রোববার লেনদেন শুরু হতে বিলম্ব হওয়া ও কম সময় লেনদেন হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করা হয়। ডিএসইর পক্ষ থেকে উপ-মহাব্যবস্থাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দুঃখ প্রকাশ করেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কারিগরি ত্রুটির কারণে ডিএসইর লেনদেন ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট দেরিতে শুরু হয়। এ কারণে রোববার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট স্বাভাবিক লেনদেন কার্যক্রম চালানো হয়েছে। তবে সোমবার থেকে নির্ধারিত সময় সকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরু হবে বলেও জানানো হয়েছে।
  • ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি করলো ডিএসইএক্স ইনডেক্স
    মেহেদী আরাফাত : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসই এক্স ইনডেক্স রবিবার দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখি প্রবনতা নিয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে পুনরায় ক্রয়চাপের ফলে দিনশেষে ডিএসই এক্স ইনডেক্স ঊর্ধ্বমুখি হতে থাকে এবং ১.৩৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি করে। ডিএসই এক্স ইনডেক্স ১.৩৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৪৪৮৪.৬২ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.০২% বৃদ্ধি পেয়েছে। TA বিশ্লেষকদের মতে ডোজি ক্যান্ডেলস্টিক রিভারসেলের ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। উনাদের মতে আগামীকালের ক্যান্ডেলস্টিক এজন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আগামীকালের ক্যান্ডেলস্টিক যদি বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক হয় তাহলে মার্কেট ভাল হতে পারে, আর যদি বেয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক হয় তাহলে মার্কেট খারাপ হতে পারে। TA বিশ্লেষকরা মনে করেন গত কয়েকদিন ধরে লেনদেনের পরিমান বাড়ছে। এই হিসাবে উনারা ধারনা করছেন বাজার ভাল হওয়ার সম্বভনাই বেশী। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৩৯৭৫ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৪৫৮১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৮১.৬৯ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৫৪.৭৩। এম.এফ.আই কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে। ডিএসইতে ৮ কোটি ৫৮ লাখ ৭৭ হাজার ৫৯৩ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৩৪৩.১৭ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৪৩৬ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০০ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৩ টির, কমেছে ১৩৬ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩১ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা কম ছিল ৩০০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৮.৮৪% কমেছে। অন্যদিকে কমেছে ০-২০ এবং ২০-৫০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ২১.৪০% এবং ২০.০৬% কম। অন্যদিকে ৫০-১০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় ৬.৬৫% কমেছে। পিই রেশিও ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ২৩.২৩% কমেছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১.৮৬% কমেছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে পিছিয়ে ছিল ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৫২.৮৭% কম ছিল। কমেছে ‘এন’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৪.২৮% কম ছিল।
  • দর কমছে কেন মেঘনা সিমেন্টের
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মেঘনা সিমেন্টের দর ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমেছে। ফলে কোম্পানিটি সাপ্তাহিক দরপতনের সপ্তম স্থানে চলে আসে। সপ্তাহজুড়ে এর মোট ৬ কোটি ৫২ লাখ ২৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। আগের দুই সপ্তাহে দর প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ার পর গত সপ্তাহে কোম্পনিটির দর কমেছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সিমেন্ট কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ২০ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৩১ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময় ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ১ টাকা ৭৫ পয়সা। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, টানা দরপতনের শেষ দিকে মেঘনা সিমেন্ট শেয়ারের দর ৬০ টাকার ঘরে নেমে যায়। সেখান থেকে টানা প্রায় দুই সপ্তাহ বেড়ে এর দর ১১৫ টাকা ছাড়িয়ে যায়। মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় গত সপ্তাহে সামান্য দর সংশোধন দেখা গেছে। ডিএসইতে বৃহস্পতিবার অবশ্য এ শেয়ারের সর্বশেষ দর ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ১ টাকা ৪০ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ১০৭ টাকা। এক মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ৬৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১১৫ টাকা ৫০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৬৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৩১ টাকা ৭০ পয়সা। নীচে এক মাসের চিত্র দেয়া হলো- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৪৮ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৩৬ টাকা ১০ পয়সা। ৩০ মে বাগেরহাটে অবস্থিত কারখানা প্রাঙ্গণে এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। রেকর্ড ডেট ছিল ১২ মে। ২০১৩ সালে কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। সে সময় ইপিএস হয় ৫ টাকা ২৩ পয়সা, এনএভিপিএস ৩৬ টাকা ৫৪ পয়সা ও কর-পরবর্তী মুনাফা ১১ কোটি ৭৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মেঘনা সিমেন্টের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৫৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। সর্বশেষ অনুমোদিত বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এর মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ২০ দশমিক ৩৪।
  • ডিএসইতে ২:২০ থেকে ৪টা পর্যন্ত লেনদেন
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু হয়নি। তবে রোববার টেকনিক্যাল কিছু সমস্যার কারণে বন্ধ থাকা লেনদেন বেলা ২:২০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে রোববার দুপুরে এ তথ্য জানা গেছে। সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। লেনদেনে টেকনিক্যাল কিছু সমস্যা হয় বলে ডিএসই কর্তৃপক্ষ জানায়। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন যথারীতি চলছে। ডিএসইর ওয়েরসাইটে বেলা ২:৩৪ মিনিটে দেখা গেছে লেনদেন, শেয়ার লেনদেন চলছে। এদিকে যেসব ট্রেকহোল্ডাররা এখনও ফাইল আপলোড করেনি, তাদের ব্যাক অফিসের মাধ্যমে ফাইল আপলোড করতে বলা হয়েছে। আর যারা ইতোমধ্যে ফাইল আপলোড করেছেন, তাদের আর ফাইল আপলোড করার প্রয়োজন নেই।
  • ঢাকা ব্যাংকের বোনাস শেয়ার বিওতে
    স্টাফ রিপোর্টার : ব্যাংকিং খাতের তালিকাভূক্ত প্রতিষ্ঠান ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ (বোনাস শেয়ার) ২৪ মে, রোববার বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে পাঠিয়েছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ঢাকা ব্যাংক ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছর বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৪ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ১৪ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস (স্টক) লভ্যাংশ। গত ৮ এপ্রিল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ ঘোষণা করা হয়েছে।
  • ডিএসইতে রোববার লেনদেন শুরু হয়নি
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু হয়নি। সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা এখনো হয়নি। লেনদেনে টেকনিক্যাল কিছু সমস্যা হচ্ছে বলে ডিএসই কর্তৃপক্ষ জানায়। ডিএসই জানায়, দ্রুত তারা এই সমস্যা কাটিয়ে উঠবেন। তবে সমস্যা কাটিয়ে লেনদেন কখন শুরু হবে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারেনি। বেলা সাড়ে ১১টার দিকেও দেখা যায়, ডিএসই লেনদেন শুরু করতে পারেনি। না পারার কারণ হিসেবে কারিগরী ত্রুটির কথা বলা হলেও অনেক বিনিয়োগকারী বলছেন, মোবাইলে লেনদেন শুরু করতে ডিএসই ট্রেডিং প্লাটফর্মের যে পদক্ষেপ নিয়েছে সেকারণেও প্রাথমিক সমস্যা হতে পারে। পেছনের খবর : ডিএসইতে ২:২০ থেকে ৪টা পর্যন্ত লেনদেন
  • ফ্যামিলি টেক্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : ফ্যামিলি টেক্স (বিডি) লিমিটেড ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। শনিবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়। সমাপ্ত বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ৩টা ২৮ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ১৪ পয়সা। ফ্যামিলি টেক্সের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৭ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০ টা এবং রেকর্ড ডেট ৯ জুলাই । একই দিনে কোম্পানিটি বিশেষ সাধারণ সভাও (ইজিএম) আহ্বান করেছে। ইজিএমে অনুমোদিত মূলধন ২৮০ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৩১০ কোটি টাকায় উন্নীত করা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইজিএমের রেকর্ড তারিখও ৯ জুলাই।
  • মার্কেন্টাইল ব্যাংকের রোববার এজিএম
    স্টাফ রিপোর্টার : মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ২৪ মে, রোববার সকাল ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভা  (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সি ব্লক, উম্মে কুলসুম রোডে বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের পুষ্পাঞ্জলীতে এ সভা আহ্বান করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এজিএমে বিনিয়োগকারীদের সমন্বয়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য এজেন্ডার অনুমোদন নেয়া হবে। গত ২২ এপ্রিল পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। লভ্যাংশ ঘোষণার পর কোম্পানির ইপিএস হয়েছে ১.৫৯ টাকা এবং এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৮.৩৫ টাকায়।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ব্রাজিলে বুধবার থেকে বাংলাদেশি পোশাক প্রদর্শনী
    তৈরি পোশাকের রপ্তানি বাড়াতে একসঙ্গে কাজ করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৭ মে থেকে ২৯ মে ব্রাজিলের সাও পাওলোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনের পোশাক প্রদর্শনী। এতে বাংলাদেশের অর্ধশতাধিক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। সূত্র জানায়, ইপিবি এবং ব্রাজিলে বাংলাদেশ দূতাবাস 'ব্রাজিল ইন্টারন্যাশনাল অ্যাপারেল সোর্সিং শো-২০১৫' নামে যৌথভাবে তৈরি পোশাকশিল্পের এই প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের অবস্থা তুলে ধরতে বিজিএমইএ একই সময়ে ব্রাজিলিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব রিটেইল টেক্সটাইলের (এবিভিটেক্স) সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় মতবিনিময় সভায় মিলিত হবে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিজিএমইএ সহসভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম কালের কণ্ঠকে জানান, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক একটি ব্র্যান্ড হিসেবে সারা বিশ্বে সমাদৃত। এ ছাড়া ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির একটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নতুন নতুন বাজার তৈরি নিয়ে কাজ করছে বিজিএমইএ। তিনি আরো বলেন, 'আমরা আশা করছি ব্রাজিলের এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের ফলে আমাদের বাজার প্রসারিত হবে, একই সঙ্গে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে।' মেলার পাশাপাশি বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানি প্রসারে আর কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে শহীদুল্লাহ আজিম বলেন, বিজিএমইএ শুধুই ওই প্রদর্শনীতেই অংশগ্রহণ করবে না, একই সঙ্গে ব্রাজিলে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। এ সময় বাংলাদেশের পোশাককে ব্রাজিলিয়ান ব্যবসায়ীদের মাঝে তুলে ধরা হবে।   Source : কালের কণ্ঠ
  • গাড়ি তৈরির কারখানা হচ্ছে রাজশাহীতে
    রাজশাহীতে ব্যাটারিচালিত অটোকার তৈরির কারখানা হচ্ছে। এই গাড়ি রপ্তানি হবে ইউরোপ ও আমেরিকায়। এ জন্য কোরিয়ার তিনটি মোটরযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে বাংলাদেশের এনা গ্রুপ।রাজশাহী চেম্বার মিলনায়তনে গতকাল এক মতবিনিময় সভায় এ ঘোষণা দেন এনা গ্রুপের চেয়ারম্যান এনামুল হক। তিনি জানান, রাজশাহীতে অটোকার তৈরির কারখানা স্থাপনের জন্য গত মার্চে দক্ষিণ কোরিয়ার মোটরযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জিনওয়া, বিএমজি ও কেআরডব্লিউর সঙ্গে এনার চুক্তি হয়েছে।সভায় জানানো হয়, রাজশাহী বিসিক এলাকায় কারখানাটি স্থাপন করা হবে। এতে বিনিয়োগ হচ্ছে ৩০ কোটি মার্কিন ডলার।সভায় বক্তব্য দেন রাজশাহী চেম্বারের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও আবু বাক্কার আলী, কোরিয়ার বিএমজির প্রেসিডেন্ট কিম কানুসাব মোর, কেআরডব্লিউর চেয়ারম্যান চিও সুনজওন। এতে সভাপতিত্ব করেন চেম্বারের সভাপতি মনিরুজ্জামান।   Source : প্রথম আলো 
  • বিও সংরক্ষণ বাবদ বিএসইসির ৮১ কোটি টাকা হস্তান্তর
    বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) একাউন্ট সংরক্ষণ বাবদ ৮১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা হস্তান্তর করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল রবিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের হাতে এ অর্থ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় বিএসইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অর্থমন্ত্রীর হাতে এ সংক্রান্ত চেক তুলে দেন। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের বিও একাউন্ট সংরক্ষণ বাবদ এ অর্থ সরকার পাওনা হয়েছে। তাই এ অর্থের চেক বিএসইসির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানানো হয়েছে। Source : ইত্তেফাক  
  • পুঁজিবাজারে বিপর্যয় সারা দিনে ১ ঘণ্টা লেনদেন
    পুঁজিবাজারে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে শুধু বিনিয়োগকারীরা। দীর্ঘ সময় ধরেই একই ধরনের সমস্যা চলে আসছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসইর ট্রেডিং সফটওয়ারে। কিন্তু সমাধান হচ্ছে না। পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বিষয়টি নিয়ে তদন্তও করে। ওই তদন্তে বেশকিছু অনিয়ম চিহ্নিত করা হয়। সন্ধান পাওয়া যায় আর্থিক অনিয়মেরও। তবে সমাধান করা হয়নি। ফলে বারবার ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের। গতকালও মাত্র দেড় ঘণ্টা লেনদেন হয়েছে।শুধু বিএসইসি নয়, ডিএসইর পক্ষ থেকেও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি করা হয়। ওই কমিটি তদন্ত করে একটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালাও দিয়েছিল। ওই সুপারিশমালা অনুসারে নেওয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ। এতে বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। গতকাল ঘটে পুঁজিবাজারে মহাবিপর্যয়। সকাল থেকেই ট্রেডিং বন্ধ থাকে। শেষ মুহূর্তে লেনদেন চালু হলেও ততক্ষণে অনেকে বাড়ি চলে যান। সরেজমিন দেখা গেছে, ব্রোকারেজ হাউসগুলোয় বিনিয়োগকারী শূন্য হয়ে পড়ে। যদিও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সহায়তায় দিনশেষে ডিএসইতে ৩৪৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। ডিএসইর ট্রেডিং সফটওয়ার এমএসএ পাস চালুর পর থেকেই সমস্যা দেখা দেয়। এরপর নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির সময় দেখা দেয় গোলযোগ। সাময়িকভাবে সমস্যা সমাধান হলেও শেষ হয়নি।ডিএসইর উপ মহাব্যবস্থাপক শফিকুর রহমান জানান, প্রতিদিন সকালে ব্রোকাররা ম্যাচিউরড শেয়ার ও টাকার লেনদেনের তথ্য মূল সার্ভারে পাঠান। গতকাল সকালে সার্ভার ওই তথ্য সমন্বয় করতে না পারায় লেনদেন বন্ধ থাকে। যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে সকাল সাড়ে ১০টার পরিবর্তে দুপুর ২টা ২০ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত লেনদেন হয়।ডিএসইর আইটি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে সর্বাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের ট্রেডিং সফটওয়্যার সংযোজন করেও নির্বিঘেœ লেনদেন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না ডিএসই। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তড়িঘড়ি করে সিস্টেমটি চালু করা হয়েছে। ফলে টিউনিংয়ে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এ বিষয়ে ডিএসইর সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ রশিদ লালী বলেন, সিস্টেমটি তড়িঘড়ি করে চালু করা হয়েছে, যা কোনোভাবেই ঠিক হয়নি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বহু পয়সা খরচ করে সিস্টেমটি চালু করা হয়েছে। এরআগে নতুন কোম্পানির লেনদেন শুরু হওয়ার লোড নিতে পারছিল না। এছাড়া গত কয়েকদিন আগে যখন ৮০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল তখন সেল বাই অর্ডার নিতে পারছিল না। এটি বিনিয়োগকারীবান্ধব নয়।আগেও বহুবার এ ধরনের সমস্যায় পড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। কিন্তু স্থায়ীভাবে বিষয়টির সুরাহা হয়নি। ফলে ক্ষোভ রয়েছে খোদ ট্রেকহোল্ডারদের। একই সঙ্গে তাদের ক্ষোভ এত বড় একটি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরেই প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা (সিটিও) পদ খালি রয়েছে। ফলে অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটিকে। বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনাবেচা করতে না পারায় ক্ষুব্ধ ও হতাশ হন। তাদের কেউ কেউ ব্রোকার হাউসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাগারাগি করেন। যদিও সমস্যাটি তাদের নয়। ডিএসইর সমস্যার কারণে লেনদেনে সমস্যা হলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নাকাল অবস্থায় পড়তে হয় ব্রোকারহাউসগুলোকে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি ব্রোকার হাউসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমনিতেই নতুন সফটওয়্যার নিয়ে কিছু জটিলতা চলছে। নতুন এ সফটওয়্যারের বিষয়ে ডিএসই কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট যতœবান নয় বলে মন্তব্য করেন তারা।২০১৪ সালের ১০ ডিসেম্বর ডিএসই ‘নেক্সট জেনারেশন’ নামে নতুন টেডিং সফটওয়্যারের উদ্বোধন করে। এ সফটওয়্যার ব্যয়ে খরচ হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা। এটি সরবরাহ করেছে সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নাসডাক।কারিগরি ত্রুটির ব্যাখ্যা চেয়েছে বিএসইসি : ডিএসই কারিগরি ত্রুটির বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে বিএসইসি। গতকালের মধ্যেই তা কমিশনকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, আমরা কারিগরি ত্রুটির বিষয়টি ডিএসইর কাছ থেকে জানতে চেয়েছি। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, গতকালই কারিগরি ত্রুটি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আজ থেকে স্বাভাবিক লেনদেন হবে বলে ডিএসই সূত্র জানায়। ইতোমধ্যে তা বিএসইসিকে অবহিত করেছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। তবে এ বিষয়ে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বপন কুমার বালার সঙ্গে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।   Source : আমার দেশ
  • ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
    ন্যাশনাল ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান খান শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। এই পরিচালক ৩৬ হাজার ১৩৩ শেয়ার বেচবেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। উল্লিখিত পরিমাণ শেয়ার আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বর্তমান বাজার দরে বিক্রি করতে পারবেন তিনি। উল্লেখ্য, রবিবার এই ব্যাংকের শেয়ার ১১ টাকা ৭০ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে।   Source : জনকণ্ঠ
  • সমন্বয় ছিল না দুই স্টক এক্সচেঞ্জেও
    বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে সর্বাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের ট্রেডিং সফটওয়্যার সংযোজন করেও নির্বিঘ্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে পারছে না ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। কারিগরি ত্রুটির কারণে বারবার বিঘি্নত হচ্ছে ডিএসইর লেনদেন। সর্বশেষ গতকাল রবিবার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেও কারিগরি ত্রুটির জন্য নির্ধারিত সময়ে ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট পরে লেনদেন শুরু করতে হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক লেনদেন সময় চার ঘণ্টার পরিবর্তে গতকাল ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট লেনদেন হয়েছে দেশের প্রধান এই পুঁজিবাজারে। অথচ একই সময়ে দেশের অন্য পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) স্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে।ডিএসইর ট্রেডিং সফটওয়্যারে বারবার ত্রুটির কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নানা ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ডিএসই সার্ভারে সমস্যার কারণে যখন লেনদেন বন্ধ ছিল, সেই সময় স্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে সিএসইতে। সিএসই লেনদেন শেষ হওয়ার ঠিক ১০ মিনিট আগে ডিএসইর সার্ভার ত্রুটি সারিয়ে লেনদেন শুরু হওয়ায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারদরে তারতম্যের আশঙ্কাও দেখা দেয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।ডিএসই সূত্র জানায়, সার্ভারে ত্রুটির কারণে গতকাল লেনদেন শুরুর নির্ধারিত সময় সকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরু করা যায়নি ডিএসইতে। এ সময় বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে শেয়ার কেনাবেচার অর্ডার দিতে থাকলেও ডিএসই সার্ভার তা গ্রহণ করতে পারছিল না। এ নিয়ে ব্রোকারেজ হাউস এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরে ডিএসইর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা সার্ভারে ত্রুটির কথা স্বীকার করে। তবে কখন সার্ভারটি ত্রুটি সারিয়ে ফের চালু করা যাবে, সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট করে বলতে পারেনি। পরবর্তী সময়ে সার্ভারের সমস্যা সমাধান করে দুপুর ২টা ২০ মিনিটে লেনদেন চালু করতে সমর্থ হয় ডিএসই কারিগরি টিম। ডিএসই কর্তৃপক্ষ বিকেল ৪টা পর্যন্ত লেনদেনের ঘোষণা দেয়। নির্ধারিত ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে ডিএসইতে ৩৪৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। এ সময় সাধারণ সূচক ১ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে চার হাজার ৪৮৪ পয়েন্টে উন্নীত হয়। তবে আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে ৭৭৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।এদিকে গতকাল সিএসইতে গতকাল ৮১ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের লেনদেনের তুলনায় প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি টাকা বেশি। সকাল থেকেই ডিএসই লেনদেন বন্ধ থাকার কারণে গতকাল সিএসইর লেনদেনে কিছুটা বাড়তি চাপ ছিল বলে ব্রোকারেজ হাউস সূত্রে জানা যায়।সমন্বয় ছিল না দুই স্টক এক্সচেঞ্জে : সার্ভারে ত্রুটির কারণে গতকাল ডিএসইতে লেনদেন বন্ধ থাকলে সচল ছিল সিএসই। এ সময় অনেক বিনিয়োগকারী দুই স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারদরে তারতম্য নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে। তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, প্রধান শেয়ারবাজারে যেহেতু বড় ধরনের ত্রুটি দেখা দিয়েছে, তাই দুই স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ আলোচনার ভিত্তিতে গতকালের লেনদেনটি বন্ধ রাখতে পারত। অতীতেও এ ধরনের ইস্যুতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারি মাত্র ৬ মিনিটের লেনদেনে বিপর্যয়কর ধস নামায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে লেনদেন বন্ধ ঘোষণা করে।এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালি-উল-মারুফ মতিন কালের কণ্ঠকে বলেন, 'লেনদেন স্থগিতের ব্যাপারে ডিএসইর কাছ থেকে কোনো সাড়া পাইনি। তা ছাড়া ডিএসই কখন লেনদেন চালু করতে পারবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল না। আসলে সেভাবে বোঝাপড়ার সুযোগ হয়নি।' একই প্রসঙ্গে ডিএসইর উপব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শফিকুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, 'টেকনিক্যাল কারণে কখনো দুই স্টক এক্সচেঞ্জে একসঙ্গে লেনদেন বন্ধ হয়নি। সেগুলো ছিল ভিন্ন ইস্যু।'ব্যাখ্যা চেয়েছে বিএসইসি : ডিএসই কারিগরি ত্রুটির বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। আজ সোমবারের মধ্যে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য ডিএসইকে নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।ডিএসইর দুঃখ প্রকাশ : সার্ভারে ত্রুটির কারণে বিলম্বের লেনদেন শুরুর ব্যাখ্যা দিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া আগামীকাল যথাসময়ে, অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন চালু করা হবে বলে ডিএসইর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।ডিএসইর পক্ষ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ মে ২০১৫ তারিখে টেকনিক্যাল ইস্যুর কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু করতে ৩ ঘণ্টা ৫০ মিনিট দেরি হয়েছে। স্বাভাবিক লেনদেনের সময় ৪ ঘণ্টার তুলনায় মাত্র ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের এই ত্রুটি-বিচ্যুতির জন্য বাজারের সঙ্গে জড়িত সব ট্রেডহোল্ডারকে সমস্যা তৈরি হয়েছে, যে কারণে ডিএসই দুঃখ প্রকাশ করছে। লেনদেন বিলম্ব হওয়ার পেছনে যে টেকনিক্যাল ইস্যু রয়েছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : সমন্বিত লেনদেন সিস্টেমে কিছু সিকিউরিটিজ হাউস তাদের লেনদেনের তথ্য দিতে দেরি করায় ডিএসইর লেনদেন চালু করতে বিলম্ব হয়েছে। এতে অন্যান্য সিকিউরিটিজ হাউসগুলোকে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। যদি সাড়ে ১০টায় লেনদেন চালু করা হতো তাহলে মাত্র ১৫ জন ব্রোকার লেনদেন করতে পারত।নতুন সফটওয়্যারেও কাটছে না সমস্যা : লেনদেন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে ২০১৪ সালের ১০ ডিসেম্বর ডিএসই 'নেক্সট জেনারেশন' নামে নতুন ট্রেডিং সফটওয়্যারের উদ্বোধন করে। নতুন এ সফটওয়্যারে কারিগরি কোনো ত্রুটি নেই বলে দাবি করেছিলেন ডিএসই কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ৬ মাস না যেতেই কারিগরি ত্রুটির কবলে পড়েছে ডিএসই। এ সফটওয়্যার ব্যয়ে খরচ হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা। এটি সরবরাহ করেছে সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নাসডাক।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি লেনদেন বেড়ে যাওয়ার পর থেকে ডিএসইর নতুন সফটওয়্যারে কিছু সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। বিশেষ করে লেনদেনের শেষ ১৫ থেকে ২০ মিনিটে সফটওয়্যারটি ধীর হয়ে পড়ে। লেনদেন নিষ্পত্তিতে বিপত্তি দেখা দেয়। নিটিং করতে গিয়ে অনেক ব্রোকারেজ হাউস বিপাকে পড়ে।২০১২ সালের জুন মাসে 'এমএসএ প্লাস' নামে নতুন ট্রেডিং সফটওয়্যার চালু করেছিল ডিএসই।   Source : কালের কণ্ঠ
  • ডেল্টা লাইফ ও ফ্যামিলি টেক্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
    গতকাল ২০১৪ হিসাব বছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানি ডেল্টা লাইফ ও ফ্যামিলি টেক্স বাংলাদেশ লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স: ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে জীবন বীমা খাতের কোম্পানিটি। এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে ২১ জুন, সকাল সাড়ে ১০টায়। রেকর্ড ডেট ২ জুন। গতকাল ডিএসইতে ডেল্টা লাইফ শেয়ারের দর ৪ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ কমে ১১২ টাকায় নেমে আসে। গত এক বছরে এর দর ১০৪ থেকে ২১৫ টাকায় ওঠানামা করে। ২০১৩ সালে কোম্পানিটি ১১ শতাংশ নগদ ও ২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল।ফ্যামিলি টেক্স বাংলাদেশ লিমিটেড: বস্ত্র খাতের এ কোম্পানি ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেবে। এছাড়া কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২৮০ কোটি টাকা থেকে ৩১০ কোটি টাকায় উন্নীত করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে এর পরিচালনা পর্ষদ। বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের অনুমতি পাওয়ার পর প্রস্তাবটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।আগামী ৭ আগস্ট সকাল ১০টা ও সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম বন্দর রিপাবলিক ক্লাবে যথাক্রমে এ কোম্পানির ইজিএম ও এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। রেকর্ড ডেট ৯ জুলাই।   Source : বনিক বার্তা
  • বিদেশি বিনিয়োগের প্রভাব শেয়ারবাজারে
    দেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগের প্রভাব পড়ছে। কোনো মাসে বিদেশি বিনিয়োগ বেশি হলে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা যায়। আবার বিদেশি বিনিয়োগ কমে গেলে বাজারেও তার প্রভাব দেখা যায়। গত এক বছরের বাজার বিশ্লেষণে এ চিত্র দেখা গেছে।বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে। পাশাপাশি বাজারেও নিম্নগতি প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। ওই সময় বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ কম ছিল। অন্যদিকে গত বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে বাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বেশি থাকায় ওই সময়ে বাজারও ভালো ছিল। লেনদেনেও গতি ছিল। তাই বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা বিদেশি বিনিয়োগ দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।বাজার-বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গড়ে প্রতিদিন ২৭৮ কোটি টাকা করে লেনদেন হয়েছে। এ সময়ে ডিএসইতে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে ২২৮ কোটি টাকা। এ মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ৩৬৫ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। আর বিক্রি করেছেন ১৩৬ কোটি টাকার শেয়ার। সব মিলিয়ে প্রায় ৫০২ কোটি টাকার শেয়ার কেনা-বেচা করেছেন তাঁরা।চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ডিএসইতে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছে মাত্র ৩১ কোটি টাকা। এ মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ২৫০ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। বিক্রি করেছেন ২১৯ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ৪৭০ কোটি টাকার শেয়ার কেনা-বেচা করেছেন তাঁরা।ফেব্রুয়ারিতে ডিএসইতে গড়ে প্রতিদিন ২৬৮ কোটি টাকা করে লেনদেন হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি ওই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন ১৮৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়। আর মার্চ মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনার চেয়ে বিক্রির পরিমাণ বেশি ছিল। এ মাসে ৩২ কোটি টাকার অতিরিক্ত শেয়ার বিক্রি করেছেন তাঁরা। এমনকি গত এপ্রিলেও ডিএসইতে বিদেশি বিনিয়োগ ঋণাত্মক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা যায়। তবে এ বিষয়ে ডিএসইর কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত জানাতে রাজি হয়নি।অন্যদিকে, এক বছরের মধ্যে গত বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ডিএসইতে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। সেপ্টেম্বরে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ কোটি টাকা করে লেনদেন হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর ওই মাসের সর্বোচ্চ লেনদেন ছিল ১ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা লেনদেন হয়। সেপ্টেম্বরে ডিএসইতে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ৪২৬ কোটি টাকা। ওই মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ৫৮৯ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। বিক্রি করেছেন ১৬৩ কোটি টাকার।আবার অক্টোবরে ডিএসইতে গড়ে প্রতিদিন ৭৫০ কোটি টাকা করে লেনদেন হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ৫০৬ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। বিক্রি করেছেন ২৯৯ কোটি টাকার। ওই মাসে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ২০৭ কোটি টাকা।বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এম এ হাফিজ বলেন, ‘নতুন বিনিয়োগ বাজারে গতি সঞ্চার করে। এটা বিদেশি হোক বা দেশি হোক। বাজারে নতুন টাকা ঢুকলে বাজারে গতি আসবে। বর্তমানে বাজারে অভ্যন্তরীণ ফান্ড ঢুকছে না। যে কারণে বাজার কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতায় রয়েছে। এ অবস্থায় বিদেশি বিনিয়োগও আসছে না। কেননা প্রথমে দেশি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই বিদেশিরাও উৎসাহিত হবেন।’চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাবেক সভাপতি ফখরউদ্দিন আলী আহমেদ অবশ্য বাজারের বর্তমান নিম্নমুখী প্রবণতার জন্য দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে দায়ী করছেন। তাঁর মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সবাই শঙ্কিত। দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মনস্তাত্ত্বিক চাপে আছেন। সামগ্রিক বিনিয়োগ প্রবণতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও শেয়ার বিক্রির প্রবণতা রয়েছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমাদের বাজারটা খুবই ছোট। নতুন বিনিয়োগ এলেই এখানে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। তেমনি বিনিয়োগ বের হলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। আর এ কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে সক্রিয় থাকলে বাজারেও তার ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা যায়।’মিজানুর রহমান আরও বলেন, বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করা এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। একজন বিনিয়োগকারী যখন নিশ্চিত হবেন যে, তাঁর বিনিয়োগ নিরাপদ থাকবে এবং তিনি নিরাপদে তার মুনাফা পাবেন, তখন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যেমন আকৃষ্ট হবেন, তেমনি বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও আকৃষ্ট হবেন।   Source : প্রথম আলো 
  • পুঁজিবাজারে লেনদেন বেড়েছে ২৯ শতাংশ
    গত সপ্তাহে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের সঙ্গে বেড়েছে সব ধরনের মূল্যসূচক। আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ২৮ দশমিক ৭৬ বা প্রায় ২৯ শতাংশ। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, গত কিছুদিন ধরে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা কমে গেছে। যার কারণে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ ফিরে এসেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বেশ কিছু কোম্পানির দর অনেক কমে যায়। যার কারণে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি পর্র্যায়ের এক শ্রেণীর বিনিয়োগকারী বাজারে সক্রিয় হয়েছেন। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো হারানো দর ফিরে পেতে শুরু করেছে। এরই প্রভাব পড়েছে সার্বিক বাজারে।জানা গেছে, আগের সপ্তাহের চেয়ে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৮৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকার। আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৮৩৬ কোটি ৩ লাখ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৯৭৯ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার।সমাপ্ত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯ দশমিক ৯০ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ২৩ শতাংশ।এদিকে, ডিএসই ব্রড ইনডেক্স বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৯০ শতাংশ বা ১৬৮ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএস৩০ সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ বা ৫৯ দশমিক ৭২ পয়েন্ট। অপরদিকে শরীয়াহ বা ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ বা ৩৬ দশমিক ৪৫ পয়েন্টে।সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩২৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৩৭টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টির। আর লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির শেয়ার।ডিএসইতে সাপ্তাহিক লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি, আরএকে সিরামিক, সাইফ পাওয়ার টেক, এসিআই ফর্মুলেশন, বারাকাত পাওয়ার, মবিল যমুনা বাংলাদেশ, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও সামিট এলায়েন্স পোর্ট লিমিটেড।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, এএফসি আগ্রো, ইউনাইটেড এয়ার, বিজিআইসি, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, ইউনিক হোটেল রিসোর্ট লিমিটেড, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল ও ন্যাশনাল হাউজিং এ্যান্ড ফাইনান্স লিমিটেড।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ওয়াটা কেমিক্যাল, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এ্যান্ড ফাইনান্স লিমিটেড, বিডি থাই, ইনটেক অনলাইন, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, স্কয়ার টেক্সটাইল, মেঘনা সিমেন্ট, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, সাফকো স্পিনিং ও প্রিমিয়ার ব্যাংক।   Source : জনকণ্ঠ
  • ইউনিক হোটেলের দর বেড়েছে ১৮.৭১%
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গত সপ্তাহে ভ্রমণ-অবকাশ খাতের কোম্পানি ইউনিক হোটেলের দর ১৮ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়েছে। ফলে কোম্পানিটি সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির অষ্টম স্থানে উঠে আসে। সপ্তাহজুড়ে এর মোট ৫৯ কোটি ৬১ লাখ ৬৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৪ হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ২৭ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৮৭ টাকা ৭৪ পয়সা। ২৫ জুন রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত ইউনিক ট্রেড সেন্টারে এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত এ কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২২ কোটি ৫০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৭৬ পয়সা; যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২০ কোটি ৮০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ৭১ পয়সা।ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ইউনিক হোটেল শেয়ারের দর ৫ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৬২ টাকা ৮০ পয়সা। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৪৩ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৬২ টাকা ৮০ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • লেনদেনে শীর্ষে খুলনা পাওয়ার
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষে ছিল বিদ্যুত্ খাতের প্রতিষ্ঠান খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশই ছিল এ কোম্পানির দখলে। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির মোট ২০৮ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।জানা গেছে, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৮১ পয়সা। ২৫ জুন রাজধানীর খামারবাড়ি রোডে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ মে।ডিএসইতে বৃহস্পতিবার এ শেয়ারের দর কমে দশমিক ২৮ শতাংশ বা ২০ পয়সা। সারা দিন দর ৭০ টাকা থেকে ৭৪ টাকা ৫০ পয়সায় ওঠানামা করে। সর্বশেষ এ শেয়ারের লেনদেন হয় ৭০ টাকা ৫০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে ছিল ৭০ টাকা ৭০ পয়সা। আগের কার্যদিবসে এর সমাপনী দর ছিল ৭০ টাকা ৭০ পয়সা। এদিন ৫ হাজার ১৪৯ বারে এর মোট ৬৩ লাখ ৭ হাজার ৬৩৯টি শেয়ার লেনদেন হয়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত এক মাসে এ শেয়ারের সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৭ টাকা ও সর্বোচ্চ ৭০ টাকা ৭০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৪ টাকা ৩০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৭০ টাকা ৭০ পয়সা।কোম্পানিটি ২০১৩ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ওই হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৯৩ কোটি ৫১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৫ টাকা ৬২ পয়সা।২০১০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৭০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৩৬১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৩৩৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৬ কোটি ১২ লাখ ৮৪ হাজার ৭১০টি; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৭০ দশমিক ৫৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৬ দশমিক ২৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ১৩ দশমিক ১২ শতাংশ।উল্লেখ্য, মার্চে সাবসিডিয়ারি খুলনা পাওয়ার কোম্পানি ইউনিট ২ লিমিটেড ও খানজাহান আলী পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডকে মূল কোম্পানির সঙ্গে একীভূত করার প্রস্তাব আদালতের অনুমতি পেয়েছে। এতে বিলুপ্ত হতে যাওয়া কোম্পানি দুটোর ব্যবসা, আয়, সম্পদ ও দায়দেনা সবই খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের অন্তর্ভুক্ত হবে।   Source : বনিক বার্তা
  • মেঘনা সিমেন্টের দর কমেছে
    আগের দুই সপ্তাহে দর প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ার পর গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মেঘনা সিমেন্টের দর ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমেছে। ফলে কোম্পানিটি সাপ্তাহিক দরপতনের সপ্তম স্থানে চলে আসে। সপ্তাহজুড়ে এর মোট ৬ কোটি ৫২ লাখ ২৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।এদিকে অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সিমেন্ট কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ২০ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৩১ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময় ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ১ টাকা ৭৫ পয়সা।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, টানা দরপতনের শেষ দিকে মেঘনা সিমেন্ট শেয়ারের দর ৬০ টাকার ঘরে নেমে যায়। সেখান থেকে টানা প্রায় দুই সপ্তাহ বেড়ে এর দর ১১৫ টাকা ছাড়িয়ে যায়। মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় গত সপ্তাহে সামান্য দর সংশোধন দেখা গেছে।ডিএসইতে বৃহস্পতিবার অবশ্য এ শেয়ারের সর্বশেষ দর ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ১ টাকা ৪০ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ১০৭ টাকা। এক মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ৬৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১১৫ টাকা ৫০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৬৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৩১ টাকা ৭০ পয়সা।৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৪৮ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ৩৬ টাকা ১০ পয়সা। ৩০ মে বাগেরহাটে অবস্থিত কারখানা প্রাঙ্গণে এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। রেকর্ড ডেট ছিল ১২ মে।২০১৩ সালে কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। সে সময় ইপিএস হয় ৫ টাকা ২৩ পয়সা, এনএভিপিএস ৩৬ টাকা ৫৪ পয়সা ও কর-পরবর্তী মুনাফা ১১ কোটি ৭৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।মেঘনা সিমেন্টের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৫৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। সর্বশেষ অনুমোদিত বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এর মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ২০ দশমিক ৩৪।   Source : বনিক বার্তা
  • রাইট শেয়ার ইস্যু করবে বিডি থাই
    রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের পরিচালনা পর্ষদ। এছাড়া শেয়ারহোল্ডার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনক্রমে অনুমোদিত মূলধনও বাড়াতে চায় কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে সম্প্রতি এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, বিদ্যমান একটি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার ইস্যু করবে কোম্পানিটি। প্রতিটি রাইট শেয়ার ইস্যুমূল্য হবে ২৫ টাকা। অর্থাত্ রাইট শেয়ারের জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে আরো ১৫ টাকা প্রিমিয়াম গুনতে হবে শেয়ারহোল্ডারদের।এদিকে পরিচালনা পর্ষদের সর্বশেষ সভায় কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা থেকে ২০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এজন্য কোম্পানির সংঘস্মারক ও সংঘবিধিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনতে শেয়ারহোল্ডারদের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটি। ইজিএমে অনুমোদনের পর প্রতিটি সিদ্ধান্তই নিয়ন্ত্রক সংস্থায় পাঠানো হবে।আগামী ২২ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ট্রাস্ট মিলনায়তনে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য ২৮ মে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়া গেলে রাইট শেয়ারের জন্য নতুন রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে।ডিএসইতে বৃহস্পতিবার বিডি থাই শেয়ারের দর ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৩৮ টাকা ৯০ পয়সা। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৩২ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৪৩ টাকা ৯০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ৩০ টাকা ৫০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৫২ টাকা ৯০ পয়সা।এদিকে ২০১৪ সালের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এ কোম্পানি। ইজিএমের দিন বেলা সাড়ে ১১টায় একই ভেনুতে এর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৪ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৬৩ পয়সা।২০১৩ সালের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। সে সময় এর নিট লোকসান ছিল ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকা।   Source : বনিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • EXCH

    DSE NEWS: Today's (May 25, 2015) trading start timing (10:30 AM) is being delayed due to technical problems. Trading start time will be communicated later once the technical problem is resolved.

  • FEDERALINS

    Md. Lokman Chowdhury and Nurul Alam, both are Sponsors of the Company, have further reported that they have completed their transfers of 10,50,000 shares each to their sons Towfiqul Islam Chowdhury and Towhidul Alam, by way of gift outside the trading system of the Exchange as announced earlier.

  • SOUTHEASTB

    Rizwana K. Riza and Begum Rahima Khatun Ahad, both are Sponsors of the Company, have further reported that they have completed their sale of 12,25,000 and 1,25,000 shares of the Company respectively, while Alamgir Kabir FCA, one of the Sponsors/Directors of the Company, has reported that he has completed his buy of (12,25,000+1,25,000) shares i.e total 13,50,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • SAIFPOWER

    In response to a DSE query dated May 24, 2015, the Company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the Company for recent unusual price hike.

  • SUMITPOWER

    The Company has further informed that due to unavoidable circumstances the Venue of the 18th AGM of the Company has been shifted from Police Convention Hall, Eskaton Garden Road, Ramna, Dhaka-1000 to Krishibid Institution Complex Bangladesh (KIB), Krishi Khamar Sarak, (Khamarbari) Farmgate, Dhaka 1215. Other information of the AGM will remain unchanged.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297