Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PROGRESLIF 76.3 55.6 20.70 37.23
DULAMIACOT 33.1 25.1 8.00 31.87
MEGHNAPET 20.3 16.3 4.00 24.54
FINEFOODS 40 32.6 7.40 22.70
SINOBANGLA 57.8 47.5 10.30 21.68
DESHBANDHU 23.9 19.7 4.20 21.32
MAKSONSPIN 10.8 9 1.80 20.00
SONARGAON 16.5 13.9 2.60 18.71
METROSPIN 12.2 10.3 1.90 18.45
MIDASFIN 45.8 38.9 6.90 17.74

Contest SB2017_Dec

1st
blank_person
RAMIMUK
2nd
blank_person
DRREZA312
3rd
blank_person
NAZRUL
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 467 465.8 2.79794 35480.00
UPGDCL 183.9 181.8 1.31609 544377.00
ACI 473 464.1 0.67343 11845.00
CITYBANK 53 52.7 0.47756 587490.00
AAMRANET 94.5 89.6 0.44878 782937.00
Negative impact
LAFSURCEML 52.9 54 -2.20593 850238.00
EBL 51.5 52.5 -1.27433 350056.00
BSRMLTD 102 105.1 -1.14877 309801.00
ISLAMIBANK 34 34.4 -1.11201 467147.00
SIBL 23.9 24.5 -0.76491 265422.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
PTL 41.1 42.6 40.3 -3.29% 102.89
UPGDCL 183.9 183.9 178.6 1.16% 98.33
PHARMAID 432.5 435 403.6 6.58% 85.81
SHAHJABANK 32.2 32.5 31.7 -0.31% 73.01
AAMRANET 94.5 95.2 88.8 5.47% 72.80
RDFOOD 18.8 19.2 18.6 1.08% 61.93
RAKCERAMIC 61.2 62.2 61 -0.49% 51.87
WATACHEM 268.5 272.9 255.4 6.84% 47.87
LANKABAFIN 50 50.5 49.9 -0.20% 47.23
LAFSURCEML 52.9 54.2 52.8 -2.04% 45.23

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 17 Dec 2017

73333
TOTAL TRADE
81.4865
TOTAL VOLUME(Mn)
2776.97
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • রেকর্ড ডেটের কারণে সিএমসি কামালের লেনদেন বন্ধ
    স্টাফ রিপোর্টার : সিএমসি কামাল টেক্সটাইল মিলসের শেয়ার লেনদেন রেকর্ড ডেটের কারণে রবিবার স্থগিত রয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর, সোমবার পুনরায় কোম্পানিটির লেনদেন চালু হবে। এদিকে কোম্পানিটি আগামীকাল থেকে আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড নামে লেনদেন শুরু করবে।
  • কেয়া কসমেটিকসের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ সভা আগামী ১৯ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকের (সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৭) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
  • ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন
    স্টাফ রিপোর্টার: ক্রেডিট রেটিং ইনফর্মেশন এন্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (সিআরআইএসএল) ক্রেডিট রেটিং অনুযায়ী ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড দীর্ঘ মেয়াদে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-৩’ পেয়েছে। ৩০ জুন, ২০১৭ সালের নিরীক্ষিত এবং সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৭ সালের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ মান নির্ধারণ করেছে সিআরআইএসএল।
  • চলতি সপ্তাহে ৩৭টি কোম্পানির এজিএম সম্পন্ন হবে
    স্টাফ রিপোর্টারঃ চলতি সপ্তাহে অর্থাৎ ১৭ থেকে ২১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখ পর্যন্ত পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৭ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- রেনউইক যঞ্জেশ্বর অ্যান্ড কোং (বিডি) লিমিটেড, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন, জুট স্পিনার্স, এসিআই লিমিটেড, এসিআই ফরমুলেশন, জেমিনি  সী ফুড, ফু-ওয়াং সিরামিক,  ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোড,  আনলিমা ইয়ার্ন ডাইং, লিবরা ইনফিউশন, সাইফ পাওয়ারটেক, ফার কেমিক্যাল, ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং,  ড্যাফোডিল কম্পিউটার, এ্যাপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং, দেশবন্ধু পলিমার, এবি ব্যাংক, এটলাস বাংলাদেশ, মেট্রো স্পিনিং, ন্যাশনাল পলিমার, তিতাস গ্যাস, ইয়াকিন পলিমার, অ্যাম্বি ফার্মা, ন্যাশনাল টি, আমরা টেকনোলজি, আলহাজ্ব টেক্সটাইল, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, দুলামিয়া কটন, ওয়াটা কেমিক্যাল, এ্যাপেক্স ফুডস, শমরিতা হসপিটাল, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল, দেশ গার্মেন্টস, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, আমরা নেটওর্য়াকস, রিজেন্ট টেক্সটাইল এবং জিলবাংলা সুগার মিলস লিমিটেড।
  • একীভূত হবে স্কয়ার টেক্সটাইলস, চাপের মূখে কমেছে মুনাফা
    সিনিয়র রিপোর্টার : বিভিন্ন খাতে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বিক্রি কমায় চাপের মুখে রয়েছে স্কয়ার টেক্সটাইলস লিমিটেড। কোম্পানিটির নিট মুনাফা এক বছর আগের তুলনায় কমেছে ৪৪ শতাংশ। অবশ্য প্রবৃদ্ধি বাড়াতে বড় সম্প্রসারণ প্রকল্পের পাশাপাশি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ইয়ার্নসকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে কোম্পানিটি। একইসঙ্গে গাজীপুরের কাশিমপুরে অবস্থিত বর্তমান কারখানায় ১১৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে তাদের সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। উৎপাদনে ফিরতে দ্রুত গতিতে কাজ এগিয়ে নিচ্ছে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ। কোম্পানির কর্মকর্তারা বলছেন, সুলভ মূল্যে কাঁচা তুলার অপ্রাপ্যতা, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি মূল্য, বিদেশী ক্রেতাদের শর্তানুসারে কারখানার আধুনিকায়ন ও বেতন-ভাতা বৃদ্ধির চাপে স্কয়ার টেক্সটাইলসের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। এর প্রভাবে কমেছে নিট মুনাফা। তবে বস্ত্র খাতের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে কোম্পানির পর্ষদ বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সম্প্রসারণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। পাশাপাশি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ইয়ার্নসকে একীভূত করারও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে দীর্ঘমেয়াদে কোম্পানি উপকৃত হবে বলে মনে করছেন তারা। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, সম্প্রসারণ প্রকল্পের কারণে ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে স্কয়ার টেক্সটাইলসের আর্থিক ব্যয় ১৩৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়েছে। ফুয়েল, পেট্রল ও ডিজেল বাবদ ব্যয় ১৬১ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি বাবদ ব্যয় বেড়েছে ২৪ দশমিক ৩২ শতাংশ। এসবের প্রভাবে বছর শেষে ফ্যাক্টরি ওভারহেড বেড়েছে ১৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এদিকে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরে স্কয়ার টেক্সটাইলসের বিক্রি আগের বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ কমে ৭৭৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে গ্রস মুনাফা ৩২ দশমিক ৭৬ ও পরিচালন মুনাফা ৪১ দশমিক ৪৭ শতাংশ কমেছে। কর-পরবর্তী মুনাফা আগের বছরের তুলনায় ৪৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ কমে ৪১ কোটি ৩৭ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগের বছরে ছিল ৪ টাকা ১৪ পয়সা। কোম্পানিটির সম্প্রসারণ প্রকল্পের বিষয়ে জানা গেছে, গাজীপুরের কাশিমপুরে অবস্থিত বর্তমান কারখানায় ১১৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে তাদের সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে কোম্পানির বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতা ৪ হাজার ৫১০ টন বেড়ে ৩৯ হাজার ৪৪৪ টনে দাঁড়াবে। বার্ষিক বিক্রি বাড়বে ৯৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকায়। সেই সঙ্গে মুনাফা হবে টার্নওভারের ৮ দশমিক ১১ শতাংশ। ২০১৮ সালের মের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে। তাছাড়া সম্প্রসারণ প্রকল্পের পাশাপাশি কারখানার নিয়মিত সংস্কার ও আধুনিকায়নে চলতি বছর বিএমআরই ও জমি কেনা বাদ আরো ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করবে কোম্পানিটি। অন্যদিকে ব্যয় নিয়ন্ত্রণের জন্য স্কয়ার টেক্সটাইলস তাদের সাবসিডিয়ারি স্কয়ার ইয়ার্নস লিমিটেডকে একীভূত করবে। একই ধরনের পণ্য সুতা উৎপাদনের কারণে স্কয়ার টেক্সটাইলসের সঙ্গে স্কয়ার ইয়ার্নসকে একীভূতকরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কোম্পানিটিতে স্কয়ার টেক্সটাইলসের ৯৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। একীভূতকরণ স্কিমের আওতায় স্কয়ার টেক্সটাইলস স্কয়ার ইয়ার্নসের অবশিষ্ট দশমিক ৫২ শতাংশ শেয়ার কিনে সব শেয়ার বিলুপ্ত করে দেবে। এ কারণে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির শেয়ারসংখ্যা বাড়বে না। এরই মধ্যে ৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় একীভূতকরণ স্কিম অনুমোদন করেছেন স্কয়ার টেক্সটাইলস শেয়ারহোল্ডাররা। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের অনুমোদন পেলেই একীভূতকরণ স্কিম কার্যকর করবে কোম্পানিটি। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ  ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে স্কয়ার টেক্সটাইলস। ২০০২ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৮৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৫৪৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৬১ দশমিক ৮৩ শতাংশ এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রতিষ্ঠান ১৯ দশমিক ৪৯, বিদেশী ৬ দশমিক ৭৩ ও বাকি ১১ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
  • ৩টি কোম্পানির এজিএম রোববার
    স্টাফ রিপোর্টার : ৩ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) রোববার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- রেনউইক যঞ্জেশ্বর অ্যান্ড কোং (বিডি) লিমিটেড, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন ও জুট স্পিনার্স লিমিটেড। রেনউইক যঞ্জেশ্বর: প্রকৌশল খাতের এ কোম্পানির এজিএম ১৭ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় কোম্পানি ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গন, কুষ্টিয়া অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে। যা এজিএমে অনুমোদন করবে শেয়ারহোল্ডাররা। জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন: বস্ত্র খাতের এ কোম্পানির এজিএম ১৭ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় কোম্পানি ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গন, আশুলিয়া, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে। যা এজিএমে অনুমোদন করবে শেয়ারহোল্ডাররা। জুট স্পিনার্স: জুট খাতের এ কোম্পানির এজিএম আগামী ১৭ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় কনফারেন্স রুম অফ জুট ডিভারসিকেশন প্রমোশন সেন্টার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোন ডিভিডেন্ড দেয়নি।
  • JAMUNABANK এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩০ মিনিট
    পুঁজিবাজার যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে ৩টি কোম্পানির এজিএম সোমবার ডজন কোম্পানির মালিকানা পরিবর্তনের গুঞ্জন প্রাইম ব্যাংকের এমডি হলেন রাহেল আহমেদ ঘোষণা দিলেও আইপিওর টাকা অব্যবহৃত ৬টি কোম্পানির কোহিনুর ক্যামিকেলসের লভ্যাংশ অনুমোদন আমানত সঙ্কটে ১৫টি ব্যাংক ডিএসইর নজরদারিতে ৫ কোম্পানি                         মার্কেট নিউজ টুইটস: ১.৩০ মিনিট ঠিক ১.৩০ টায় JAMUNABANK উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( ১২ TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 899000 TK ইনডেস্কের নেগেটিভে অবস্থান, মার্কেট নিউজ টুইটস: ১.০০ মিনিট বাজারে আজ লেনদেন বেশী না হওয়ায় ইনডেস্ক এখন নেগেটিভে অবস্থান করছে। ঘন্টায় ৬৯ কোটি টাকার লেনদেন,ধীর গতিতে ইনডেস্ক, মার্কেট নিউজ টুইটস: ১১.৩০ মিনিট পুজিবাজারে লেনদেনের গতি কমে গিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে ইনডেস্কের মানের পরিবর্তনে। এক ঘন্টায় লেনদেন হয়েছে মাত্র ৬৯ কোটি টাকা। এ হিসেবে দিন শেষে বাজারে ২৮০ কোটি টাকার লেনদেন হতে পারে আজ।   রেজিস্টেন্সের উপরই ইনডেস্কের সাইড ওয়ার্ক অব্যহত থাকতে পারে, মার্কেট নিউজ টুইটস: ১০.৩০ মিনিট রেজিস্টেন্সের উপরই ইনডেস্কের সাইড ওয়ার্ক অব্যহত থাকতে পারে ।                                                                                     উল্লেখযোগ্য কিছু বিভাগসমুহ এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ব্রোকারেজ হাউজ সম্পর্কে জানুন পুজিবাজার শিক্ষা টিউটোরিয়াল কর্নার এক্সুসিভ সাক্ষাৎকার সমূহ                                                                              পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।    
  • আইসিবি ও স্টক বাংলাদেশের টেকনিক্যাল এনালাইসিস কোর্স সম্পন্ন
    স্টাফ রিপোর্টার : বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ কৌশল এবং লভ্যাংশ উত্তোলন সহ পুঁজিবাজার সম্পর্কে সঠিক দিক-নির্দেশনামূলক টেকনিক্যাল ও ফান্ডামেন্টাল বিষয়ে বিভিন্ন কোর্সের ওপর প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে স্টক বাংলাদেশ। এরই ধারাবিাহিকতায় চলতি মাসে ১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর (৩ দিনব্যাপী) রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বেসিক টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস কোর্স সম্পন্ন হয়। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আইসিবির বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। আইসিবির কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত ‘বেসিক টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস কর্মশালা’ শেষে তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তারা জানান, টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে বিনিয়োগ ঝুঁকি কমানো যায়। প্রফিট টেকের সময় জ্ঞান এবং বাজার বিশ্লেষণী ক্ষমতা বাড়ে। প্রশিক্ষণে যে কনফিডেন্স অর্জন হয়, তা থেকে পেশাগত এবং ব্যক্তি জীবনেও দারুণ কাজে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। [caption id="attachment_74306" align="alignnone" width="1920"] কর্মশালায় (বাম থেকে) স্টক বাংলাদেশের চিফ এডমিন অফিসার কাওসার আলম, আইসিবির উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. জাকির হোসেন খান, আইসিবির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মল্লিক রওশন, স্টক বাংলাদেশের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্টের প্রধান গবেষক মো. মুশফিকুর রহমান ও গবেষক ইমরান হোসেন।[/caption] প্রশিক্ষণ প্রদান করেন স্টক বাংলাদেশের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্টের প্রধান গবেষক মো. মুশফিকুর রহমান, ও ইমরান হোসেন। কোর্স কো-অডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মাদ রিজভী হাসান। [caption id="attachment_74316" align="alignnone" width="1920"] ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীদের একাংশ[/caption] প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন আইসিবির সহকারী ব্যবস্থাপক মো. শরিফুল আলম, মো. হাবিবুর রহমান, মো. আবু বকর সিদ্দিক, মো. জহিরুল ইসলাম খান, মো. সোহেল আহমেদ, তোরাব আহম্মদ খান চেীধুরী। কর্মশালায় আরো ছিলেন- আইসিবির সিনিয়ার প্রিন্সিপাল অফিসার মো. রওশন কবীর, বিপ্লব কুমার শাহা, মো. আশরাফুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর হোসেন। প্রিন্সিপাল অফিসার  সোয়েল আহমেদ, আইরিন পারভেজ বিনতে ফারুক, মো. রবিইল শেখ, মীর আবু হাসান মুহাম্মদ জুন্নুন, এস এম সাইফুল আলম, সাইফুল হক সরকার, মো. রফিকুল আলম, মো. গোলাম মোস্তফা, আহসান উদ্দীন, সিনিয়ার এক্সিকিউটিভ অফিসার স্বপ্না রায়, মো. খায়রুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান, মো. আব্দুল হাকিম, কে এম ইসমাইল হোসেন, মো. ইলিয়াস মিয়া, মিসেস জামিলা ফেরদৌসী, মো. ইখতিয়ার খান। এক্সিকিউটিভ অফিসার শেখ রিজওয়ান রাশেদ, মো. শাহরিয়ার ঈমাম। প্রোগ্রামার মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ, মো. জাহিদুল রহমান ও মুহাম্মদ আরিফ খান। [caption id="attachment_74311" align="alignnone" width="1920"] ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ(আইসিবি) কর্মকর্তা ও প্রশিণার্থীদের একাংশ[/caption] সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার বিপ্লব কুমার শাহা বলেন, বাজার বিশ্লেষণে এ প্রশিক্ষণ আমাদের খুবই সাহায্য করবে। স্টক মার্কেটের আচরণ বিশ্নেষণ করতে এখন থেকে আরো সহজ মনে হবে। আইসিবির এক্সিক্টেউভ অফিসার মুহাম্মদ আরিফ খান কোর্স শেষে স্টক বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কোর্সটি ক্যাপিটাল মার্কেট সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করেছে। আশা করছি, এ জ্ঞান আইসিবি ও আইসিবি সাবসিডারি ইমপ্লয়েজদের উপকৃত করবে। উল্লেখ্য, স্টক বাংলাদেশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য যেসব প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে, নিচে তার তালিকা প্রকাশ করা হলো- Basic Technical Analysis of Stock Market, Advance Technical Analysis of Stock Market, Advance Usage of Ami Broker, Fusion Analysis of Stock Market, Basic Fundamental Analysis of Stocks Market, Professional Fundamental Analysis of Stocks Market, Mechanical Trading Method.
  • প্রাইম ব্যাংকের এমডি হলেন রাহেল আহমেদ
    স্টাফ রিপোর্টার : বেসরকারি প্রাইম ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে বৃহস্পতিবার যোগদান করেছেন রাহেল আহমেদ। ব্যাংটির পরিচালনা পর্ষদ তাকে এই পদে নিযুক্ত করেছে। এর আগে তিনি প্রাইম ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাংকটি ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জনসংযোগ প্রধান মো. মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। [caption id="attachment_74274" align="alignleft" width="400"] রাহেল আহমেদ[/caption] এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও হোলসেল ব্যাংকিং-এ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাংকার রাহেল আহমেদ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দুবাইয়ে সাতবছর দু’টি বৃহত্তম রিজিওনাল ব্যাংক এমিরেটস এনবিডি ব্যাংকিং গ্রুপ এবং ফার্স্ট গালফ ব্যাংকয়ের ইসলামী ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। বিগত প্রায় তিনবছর তিনি প্রাইম ব্যাংকের বিজনেস মডেল পুনর্গঠনে ও সেন্ট্রালাইজেশনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।  তিনি নেদারল্যান্ডের ম্যাস্ট্রিক্ট স্কুল অব বিজনেস থেকে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসের ওপর এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়া তিনি বিশ্বখ্যাত যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওমেগা প্রদত্ত ‘ক্রেডিট প্রফেশনাল’ এবং স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড গ্রুপ ও আইসিসি প্রদত্ত ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড স্কীল অ্যাসেসমেন্ট প্রোগামের সনদপ্রাপ্ত। বিভিন্ন কাজে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক’ এবং ‘ফার্স্ট গালফ ব্যাংক’ তাকে প্রধান নির্বাহীর পদকে পুরস্কৃত করেন। পেশাগত জীবনে বিগত প্রায় ২৩ বছর  ব্যাংকিং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর দেশে ও বিদেশে বহু প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং বিভিন্ন সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
  • ঘোষণা দিলেও আইপিওর টাকা অব্যবহৃত ৬টি কোম্পানির
    সিনিয়র রিপোর্টার : চলতি ২০১৭ সালের মধ্যে আইপিওর প্রস্তাবিত প্রকল্পে উত্তোলিত টাকা টাকা ব্যয় করবে বলে ১২টি কোম্পানি। কোম্পানিগুলো প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) এবং রাইট শেয়ারের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে ব্যবহার করা ঘোষণা দিলেও ৬টি কোম্পানি করেনি। কোম্পানিগুলো ২০১৪, ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে আইপিও এবং রাইট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে এক হাজার কোটি টাকার বেশি তুলে নিয়েছে। শুরুতে তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো- ২০১৭ সালের বিভিন্ন সময়ে এই টাকা নির্ধারিত খাতে বিনিয়োগ করা হবে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রতিশ্রুতি অনুসারে মাত্র ৫টি কোম্পানি নির্ধারিত সময়ে আইপিওর টাকা ব্যয় করেছে। এগুলো হলো- বিএসআরএম লিমিটেড, মতিন স্পিনিং মিলস, ইভেন্সি টেক্সটাইলস, তসরিফা ইন্ডাস্টিজ এবং ইউনাইটেড পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। এ ছাড়াও রাইট শেয়ারের টাকা ব্যয় করেছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। আইপিও ও রাইট শেয়ারের মাধ্যমে ছয় কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫০৪ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে। প্রসপেক্টাসে ঘোষণা দিলেও আজো ব্যবহার করেনি। কোম্পানিগুলো হলো- আমান ফিড, রিজেন্ট টেক্সটাইলস, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, শাশা ডেনিমস এবং ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড। এসব কোম্পানি নির্ধারিত সময়ে আইপিও’র ১৭ থেকে ৯৪ শতাংশ অর্থ ব্যয় করেনি। এছাড়াও রাইট শেয়ার ছেড়ে বিপুল টাকা তুলে ব্যয় করেনি বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড। সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ: প্রতিষ্ঠানটি ২০১৫ সালে আইপিও’র মাধ্যমে ৬০ কোটি টাকা তুলে নেয়। কথা ছিলো, চলতি বছরের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে আইপিও’র সব অর্থ উপযুক্ত খাতে ব্যয় করবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পরেও কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ১৭ কোটি ৭ লাখ ২হাজার ৭৯৪ টাকা ব্যয় করেনি। যা শতাংশের হিসাবে মোট অর্থের ২৮ শতাংশ। টাকা এখন ব্যাংকে আমানত রেখে সুদ নিচ্ছে কোম্পানিটি। শুধু তাই নয়, নিজেদের দোষ ডাকতে কৌশলে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) নতুন করে সময় বাড়িয়ে নিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। একই অবস্থা বাকি ৫টি কোম্পানিরও। শাশা ডেনিমস: ১৭৫ কোটি টাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে ২০১৪ সালে বস্ত্রখাতে তালিকাভুক্ত হয় কোম্পানিটি। কথা ছিলো ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আইপিও’র সব অর্থ ব্যয় করবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পরেও কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগকারীদের ২৯ কোটি ৬৭ লাখ ৬ হাজার ১০৯ টাকা ব্যয় করেনি। যা শতাংশের হিসাবে ১৭ শতাংশ। বরং বিনিয়োগকারীদের টাকা ব্যাংকে রেখে সুদনিচ্ছে। আমান ফিড লিমিটেড: ব্যবসা সম্প্রসারণ ও আইপিও’র খরচ বাবদ ব্যয়সহ বিভিন্ন খাত দেখিয়ে ২০১৫ সালে পুঁজিবাজার থেকে ৭২ কোটি টাকা উত্তোলন করে প্রতিষ্ঠানটি। কথা ছিলো, চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে এই টাকা ব্যয় করবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পরও ১৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেনি। ইয়াকিন পলিমার: তিনটি খাতে ব্যয়ের জন্য ২০১৬ সালে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করে প্রতিষ্ঠানটি। কথা ছিলো, চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেই টাকা ব্যয় করবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের পরেও কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগকারীদের ৪ কোটি ৪৩লাখ ৮৯ হাজার ১৮০ টাকা ব্যয় করেনি। যা শতাংশের হিসাবে মোট টাকার ২২ দশমিক ১৯ শতাংশ। রিজেন্ট টেক্সটাইলস: আধুনিকায়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি একটি কারখানা তৈরি করবে বলে পুঁজিবাজার থেকে ২০১৫ সালে ১২৫ কোটি টাকা উত্তোলন করে। কথা ছিলো ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আইপিওর সব টাকা বিনিয়োগ করবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে মাত্র ৬ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। যা শতাংশের হিসাবে ৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ। বিডিথাই: রাইট শেয়ারের মাধ্যমে নয় খাতে ব্যয় করতে বিডি থাই ৫২ কোটি ৩৩ লাখ ৫০ হাজার ২৮০ টাকা উত্তোলন করে। এর মধ্যে ৪০ কোটি ৩৯ লাখ ১ হাজার ২৪০ টাকা ব্যয় করেছি। তবে এখনো ব্যয় করেনি ১১কোটি ৯৪ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪৫ টাকা। শতাংশের হিসাবে যা মোট অর্থের ২২ দশমকি ৮২ শতাংশ।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • লেনদেন ভারসাম্য: ৪ মাসে ঘাটতি সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার
    বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাব ভারসাম্যে (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট) অর্থবছরের প্রথম চার মাসেই বড় ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-অক্টোবর সময়ে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩৩১ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের পুরো সময়ের ঘাটতির ১২৪ শতাংশ বেশি। আর গত অর্থবছরের একই সময়ের (জুলাই-অক্টোবর) তুলনায় ৭৪২৫ শতাংশ বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশের লেনদেন ভারসাম্যে ৪ কোটি ৪ লাখ ডলারের ঘাটতি ছিল। আর অর্থবছর শেষ হয়েছিল ১৪৮ কোটি ডলারের ঘাটতি নিয়ে। আমদানি বাড়তে থাকায় এ অর্থবছরের বাকি সময়েও ঘাটতির এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করছেন অর্থনীতির গবেষক জায়েদ বখত। তবে পর্যাপ্ত রিজার্ভ থাকায় উদ্বিগ্ন হওয়ার খুব বেশি কারণ তিনি দেখছেন না। নিয়মিত আমদানি-রপ্তানিসহ অন্যান্য আয়-ব্যয় চলতি হিসাবের অন্তর্ভুক্ত। এই হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার অর্থ হল, নিয়মিত লেনদেনে দেশকে কোনো ঋণ করতে হচ্ছে না। আর ঘাটতি থাকলে সরকারকে ঋণ নিয়ে তা পূরণ করতে হয়। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, জ্বালানি তেল, খাদ্যপণ্য, মূলধনী যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামালসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি বাড়ায় আমদানি খাতে ব্যয় বেড়েছে। সে তুলনায় রপ্তানি আয় খুব একটা বাড়েনি। ফলে অর্থবছরের শুরুতেই লেনদেন ভারসাম্যে এই বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। “বেশ কিছু দিন বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কম থাকায় আমদানি খরচ কম হচ্ছিল। কিন্তু বছর খানেক ধরে তেলের দাম বাড়ায় পরিস্থিতি বদলেছে।” ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল (প্রায় ১৫৯ লিটার) অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছিল ৩০ থেকে ৩৫ ডলার। এখন তা ৬০ ডলার ছাঁড়িয়েছে। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে জ্বালানি তেল আমদানিতে খরচ বেড়েছে ৪১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর খাদ্যপণ্য (চাল ও গম) আমদানিতে ব্যয় বেড়েছে ২৪০ দশমিক ৫ শতাংশ। পাশাপাশি পদ্মা সেতুসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পের কাজ চলায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানিতেও ব্যয় বেড়েছে। মূলধনী যন্ত্রপাতি এবং শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে খরচ বেড়েছে যথাক্রমে ২৮ শতাংশ এবং ১৬ দশমিক ২৩ শতাংশ।       কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে আমদানি ব্যয় যেখানে ২৮ দশমিক ৭০ শতাংশ বেড়েছে, সেখানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এই ঘাটতিতে এখনই বিচলিত হওয়ার কারণ নেই মন্তব্য করে জায়েদ বখত বলেন, “মূলধনী যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি বৃদ্ধি মানে দেশে বিনিয়োগ বাড়া, অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হওয়া। সেটাই হচ্ছে।” বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে যেহেতু প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ আছে, সেহেতু আমদানি ব্যয় মেটাতে তেমন কোনো সমস্যা হবে বলে মনে করেন না জায়েদ বখত। আমদানি ব্যয় বাড়ায় জুলাই-অক্টোবর সময়ে পণ্য বাণিজ্যে সার্বিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৭৯ কোটি ১০ লাখ (৫.৮ বিলিয়ন) ডলার; যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। এই চার মাসে ১ হাজার ৭১৪ কোটি ১০ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। আর বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে এক হাজার ১৩৫ কোটি ডলার। source : bdnews24
  • জিএসপি ফিরে পেতে ডব্লিউটিও’তে লড়াই করবে বাংলাদেশ
    বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) দেশগুলোর মন্ত্রী পর্যায়ের একাদশ সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রফতানি পণ্যের শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত (জিএসপি) সুবিধা আদায়ের বিষয়ে সর্বোচ্চ দর কষাকষি করবে বাংলাদেশ। আগের সম্মেলনের প্রতিশ্রুতি অনুসারে সেবাখাতে সার্ভিস ওয়েভার সুবিধা কার্যকর ও কৃষি-মৎস্যখাতে অভ্যন্তরীণ ভর্তুকি প্রদানে নীতিমালার বিষয়েও জোরালো অবস্থান নেবে।   আগামী ১০ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্সে এ সম্মেলন শুরু হবে। এ উপলক্ষে সোমবার (০৪ ডিসেম্বর) বিকালে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সংবাদ সম্মেলনের সভাপতি বাণিজ্যমন্ত্রী এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান ও চাওয়া-পাওয়া নিয়ে বক্তব্য দেন। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সর্বোচ্চ বৈঠকে অংশ নিতে যাওয়া সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের বুয়েন্স আয়ার্স সম্মেলনে রুলস্‌ অব অরিজিন ও স্পেশাল অ্যান্ড ডিফারেন্সিয়াল ট্রিটমেন্টের সুবিধা বাস্তবায়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রেখে ই-কমার্স সক্ষমতা বাড়ানো এবং ডব্লিউটিও’র প্রতিশ্রুতি অনুসারে এলডিসি’র দেশগুলোর জন্য সব সুবিধা কার্যকর করার বিষয়েও বাংলাদেশের বক্তব্য থাকবে। দুই বছর পর ডব্লিউটিও’র মন্ত্রী পর্যায়ের এ সম্মেলন বসতে যাচ্ছে আগামী ১০-১৩ ডিসেম্বর। সম্মেলনে যোগ দিতে বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ২৫ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ০৯ ডিসেম্বর ঢাকা ছাড়ছেন। ‘ডব্লিউটিও'র সম্মেলনে বাংলাদেশ নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব দাবিগুলোই জোরালোভাবে তুলে ধরবে। তবে এবারের সম্মেলন থেকে বাংলাদেশসহ অন্যান্য এলডিসিভুক্ত দেশ কতোটা সুফল পাবে- তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কারণ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে ডব্লিউটিএ থেকে বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। সারা বিশ্ব সংস্থাটির ঘোষণা অনুসারে বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা দিলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ শতাংশ শুল্ক দিয়ে পণ্য পাঠাতে হয়। আমরা এ বিষয়ে জোরালো বক্তব্য রাখবো’- বলেন তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ডব্লিউটিও এখন আগের মতো কার্যকর অবস্থায় নেই। অনেক দেশ ডব্লিউটিও'র বিকল্প প্লাটফর্ম হিসেবে আঞ্চলিক ও বাইলেটারাল সম্পর্ক গড়ে তুলছে। তারা আঞ্চলিক, বহুপাক্ষিক ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ওপর বেশি জোর দিচ্ছে। ফলে অনেক দেশের অবস্থান ডব্লিউটিও'র বিষয়ে নেতিবাচক অবস্থায় দেখা যাচ্ছে।   বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ডব্লিউটিও'র সদস্য হিসাবে সংস্থাটির প্রদেয় সব রকম সুবিধা ভোগ করছি। এ সংস্থার কাছ থেকে আমাদের প্রাপ্তি অনেক। তবে বিশ্বের প্রায় সব দেশ আমাদেরকে ডব্লিউটিও'র বিধান অনুসারে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দিলেও একমাত্র যুক্তরাষ্ট্র আমাদেরকে এ সুবিধা দেয় না। যেটা একেবারেই অপ্রত্যাশিত ও ডব্লিউটিও'র নীতি বিবর্জিত। আর্জেন্টিনায় ডব্লিউটিও'র সম্মেলনে আমরা এ ইস্যুতে জোরালো ফাইট করবো’। এক প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ২০২১ সাল নাগাদ উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশ করলে এবং এর গ্রেস পিরিয়ড সুবিধাসহ ২০২৪ সাল পার হলে আমরা আর ডব্লিউটিও থেকে এলডিসি’র সুবিধা পাবো না। তখন আমাদেরকেও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের মতো বিকল্প চিন্তা  করতে হবে। এজন্য আমরা নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। তখন ইউরোপসহ বিশ্বের অনেক দেশে আমরা জিএসপি প্লাস সুবিধায় প্রবেশ করবো’। ‘এছাড়া বাংলাদেশও তখন আঞ্চলিক, বহুপাক্ষিক ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ওপর গুরুত্ব দেবে। যার প্রস্তুতি আমরা শুরুও করেছি। সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সেই সক্ষমতায় বাংলাদেশ অনেকটাই পৌঁছে যাবে’। চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়েও কথা বলেন তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, সারা বিশ্ব এখন বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়ে প্রশংসা করছে। সর্বশেষ পোপ ফ্রান্সিসও বাংলাদেশে এসে প্রশংসা করেছেন। তখনও একটি দল দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে। বিএনপির মির্জা আব্বাস বলেছেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে নাকি আওয়ামী লীগের লোকও আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন না। এর জবাবে তোফাযেল আহমেদ প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘তাহলে তোমরা কেন নির্বাচনে আসছো না? তোমরা তো জানো, আওয়ামী লীগের লোকরাও আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন না। এসব মায়াকান্না করে কোনো লাভ নেই, নির্বাচন হবেই। বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানেই নির্বাচন হবে’।   অন্যদিকে বিএনপি নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উদ্ধৃতি টেনে তিনি বলেন, আইনের মাধ্যমে যদি খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়, তাহলে নির্বাচন তো হবেই না, আওয়ামী লীগকে চড়া মূল্য দিয়ে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে। এ বক্তব্য খণ্ডন করে তিনি বলেন, ‘আইনের মাধ্যমেই যদি সাজা হয়, তাহলে সেটা তো দেবেন বিচার বিভাগ। সেখানে আওয়ামী লীগকে কেন চড়া মূল্য দিতে হবে?’ source : prothom-alo
  • আন্তর্জাতিক কল কমছে, বাড়ছে সরকারের ক্ষতি
    বিদেশ থেকে বৈধ পথে আন্তর্জাতিক কল আসার হার এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে। বর্তমানে দেশে আন্তর্জাতিক কলের সংখ্যা দৈনিক ৬ কোটি মিনিটের নিচে চলে এসেছে। অথচ দুই বছর আগে প্রতিদিন সাড়ে ১০ কোটি থেকে ১১ কোটি মিনিট কল আসত। অর্থাৎ দুই বছরে আন্তর্জাতিক কলের সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে।  টেলিযোগাযোগ খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আন্তর্জাতিক কল আনার এ ব্যবসায় স্বচ্ছতার অভাবে কলের পরিমাণ দিন দিন কমছে। তাতে এ খাত থেকে সরকারের আয়ও পাল্লা দিয়ে কমছে। আন্তর্জাতিক গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) অপারেটররা ১ টাকা ৬০ পয়সা দরে কল আনলেও সরকারকে আয়ের ভাগ দিচ্ছে ১ টাকা ২০ পয়সা দরে। কলরেট ও আয় ভাগাভাগি নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় গত দুই বছরে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি ইতিমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। আর্থিক ক্ষতি কমাতে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সুপারিশও বাস্তবায়িত হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক কল থেকে সরকারের আয় বাড়াতে সর্বশেষ আট মাস আগে এপ্রিলে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তৈরি করেছিল বিটিআরসি। এসব প্রস্তাবের একটি ছিল আন্তর্জাতিক কল ব্যবসা থেকে সরকারের আয়ের ভাগ ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪৩ শতাংশ করা। আরেকটি প্রস্তাব ছিল বিদেশ থেকে কল আনার সর্বোচ্চ মূল্য ২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে কমিয়ে ১ টাকা ২৮ পয়সায় নামিয়ে আনা। আবার যে মূল্যে কল আসবে সেই অনুপাতেই সরকারসহ অন্য পক্ষের সঙ্গে আয় ভাগাভাগি করার সুপারিশও রাখা হয়েছিল। আইজিডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও এর কোনোটিই এখন পর্যন্ত কার্যকর হয়নি।এসব সুপারিশ তৈরিতে বিটিআরসি ১৩ সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করেছিল। এই কমিটিতে বিটিআরসি ছাড়াও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রতিনিধিও রাখা হয়। বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, আগের কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন না করে এখন আবার সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।জানতে চাইলে বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, আন্তর্জাতিক কল কমে যাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে বের করতে বিটিআরসি বিস্তারিত গবেষণার উদ্যোগ নিয়েছে। গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমানে বিদেশ থেকে আসা প্রতি এক মিনিট কল থেকে যে আয় হয় তার ৪০ শতাংশ বিটিআরসি, ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ আইসিএক্স, ২২ দশমিক ৫ শতাংশ মোবাইল অপারেটর আর বাকি ২০ শতাংশ আইজিডব্লিউ কোম্পানিগুলো পেয়ে থাকে। খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ২০১৫ সালের ২৪ জুন থেকে আন্তর্জাতিক কল ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্ব আইওএফ (আইজিডব্লিউ অপারেটর ফোরাম) নামের বেসরকারি একটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পর থেকে কলের সংখ্যা কমতে শুরু করে। আইওএফ গঠনের তিন মাস পর কল রেট ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১ টাকা ৬০ পয়সা করা হয়। কল রেট বাড়লেও বাড়তি আয় হওয়া ৪০ পয়সা পাচ্ছে শুধু আইজিডব্লিউ অপারেটররা। অভিযোগ আছে, আইওএফের সঙ্গে একটি প্রভাবশালী পক্ষ জড়িত থাকায় কল রেট ও আয় ভাগাভাগি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নিতে পারছে না। মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) টিআইএম নুরুল কবীর বলেন, আন্তর্জাতিক কল ব্যবসা পরিচালনায় সরকারের তদারকির দুর্বলতা ও স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে কোনো একটি গোষ্ঠী যাতে বাড়তি সুবিধা নিতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। source : prothom-alo
  • ২১ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে রিহ্যাব ফেয়ার
      আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে পাঁচ দিনব্যাপী রিহ্যাব ফেয়ার। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে রিহ্যাব ফেয়ার ২০১৭। পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলা চলবে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ পাবেন দর্শনার্থীরা। রিহ্যাব সূত্রে জানা গেছে, ২১ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রিহ্যাব ফেয়ারের উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। রিহ্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নুরুন্নবী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। এরই মধ্যে রিহ্যাব ফেয়ার ২০১৭ তে অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিষ্ঠানের (রিহ্যাব সদস্য, ব্যাংক, অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল) মধ্যে স্টল বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। এ বছর রিহ্যাব ফেয়ারে মোট ২০২টি স্টল থাকছে। প্রতিবছরের মতো এবারও রিহ্যাব ফেয়ারে প্রবেশ টিকিটের র‌্যাফেল ড্র তে থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার ১টি প্রাইভেট কার, দ্বিতীয় পুরস্কার ১টি ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল, তৃতীয় পুরস্কার ১টি ফ্রিজ, ৪র্থ পুরস্কার ৪২ ইঞ্চি এলইডি টেলিভিশন, ৫ম পুরস্কার একটি ওয়াশিং মেশিন। এ ছাড়াও থাকছে ৫টি আকর্ষণীয় মোবাইল ফোন। মেলার শেষ দিন ২৫ ডিসেম্বর রাত ৯টায় র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হবে। source : prothom-alo
  • ‘ভ্যাট আইন বাস্তবায়নে বাধা দিচ্ছে এফবিসিসিআই
    রাজস্ব আয় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, আমরা ভ্যাট আইন করেছি, এখনো বাস্তবায়ন করতে পারিনি। অহেতুক এটি পেছানো হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নে প্রচণ্ড রকম বাধা দিচ্ছে।   রোববার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মিলনায়তনে জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ-২০১৭ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এফবিসিসিআই সভাপতিকে উদ্দেশ্য করে এভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাবেক মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক ও এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন। এফবিসিসিআই’কে উদ্দেশ্য করে ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের রাজস্ব খাতে যে অর্জন সেটি আরো বেশি হতে পারতো। জিডিপির সঙ্গে রাজস্ব আহরণের যে হার তা আকাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। এতদিন রাজস্ব আহরণের হার ছিল ৬, ৭, ৮ যা এখন ১১ শতাংশ। আরো কীভাবে বাড়ানো যায় সেজন্য ভ্যাটের প্রয়োজন। তিনি বলেন, ভ্যাটের আওতা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি আইন করেছি, ভ্যাট আইন। যেটি এখনো বাস্তবায়ন করতে পারিনি। আজ ভ্যাট দিবসে শপথ হওয়া উচিত যদি আইনটি সংশোধন, পরিমার্জন করতে হয় তাও যেন বাস্তবায়ন করা যায়। আজ ভ্যাট দিবসে ঠিক করা দরকার এই ভ্যাট আইন কবে বাস্তবায়ন করতে পারবো। তিনি আরও বলেন, অহেতুক কারণে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন পেছানো হয়েছে। কেনো পেছাচ্ছে কারণগুলো চিহ্নিত করতে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। এখানে এফবিসিসিআই সভাপতি আছেন, তারা বিভিন্ন ফোরামে প্রচণ্ডভাবে বাধা দিয়েছেন যেন ভ্যাট আইনটি বাস্তবায়ন না হয়। এনবিআর চেয়ারম্যানের উদ্দেশে ড. রাজ্জাক বলেন, তারা (ব্যবসায়ী নেতারা) কিছু যুক্তি তুলে ধরেছেন, তারা বলেছেন আইনে ইসিআর মেশিনের মাধ্যমে ভ্যাট আদায় নেই, নতুন আইন কীভাবে বাস্তবায়ন করব? তারা এও বলেছেন, ইসিআর মেশিনে ভ্যাট আদায়ে ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ নেই। এনবিআরকে বলবো, চলমান আইনেও ইসিআর-এর প্রয়োজন রয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা সচেতনতা বৃদ্ধির কথা বলেছেন। আমরা কি সেই সচেতনতা অব্যাহত রেখে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন করতে পারি না?   source : bangla news24
  • মোবাইল ইন্টারনেটে পিছিয়ে বাংলাদেশ
    বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ বা ৩৩ শতাংশ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। সেই হিসাবে ১৬ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন পাঁচ কোটির বেশি। মোবাইল ফোন অপারেটরদের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএ এমন হিসাব দিয়ে বলছে, মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যায় দক্ষিণ এশিয়ার গড় মান থেকে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। সংগঠনটির হিসাবে, দক্ষিণ এশিয়ায় মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের গড় হার বর্তমানে ৩৮ শতাংশ। বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সার্বিক অবস্থা নিয়ে জিএসএমএর করা এক গবেষণায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এ প্রতিবেদনটির নাম ‘বাংলাদেশ: ড্রাইভিং মোবাইল এনঅ্যাবেলড ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন’। প্রতিবেদনে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে টেলিযোগাযোগ খাত বাংলাদেশে কী ভূমিকা রাখতে পারে, সেসব বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা নির্ধারণে জিএসএমএ নিজস্ব পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে গত জুন পর্যন্ত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা পাঁচ কোটির বেশি। যদিও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাব অনুযায়ী, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় আট কোটি। এর মধ্যে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ৭ কোটি ৪৩ লাখ। জিএসএমএর প্রতিবেদনে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে পাঁচটি বিষয়কে মূল সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো নেটওয়ার্কের মান, তরঙ্গের স্বল্পতা, উচ্চ করহার, সেবা কেনার সক্ষমতা, মৌলিক জ্ঞান ও স্থানীয় বিষয়বস্তুর অভাব। নেটওয়ার্কের মান ও তরঙ্গস্বল্পতার বিষয়ে বলা হয়েছে, তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) টেলিযোগাযোগ সেবা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে মোবাইল ফোন অপারেটরদের হাতে রয়েছে মাত্র ৩৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ। সমপরিমাণ গ্রাহককে সেবা দেওয়ার জন্য ইন্দোনেশিয়ার অপারেটরদের কাছে আছে ১৫০ মেগাহার্টজ। কম তরঙ্গের পাশাপাশি ডিজিটাল সেবার জন্য সবচেয়ে উপযোগী ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের তরঙ্গ বাংলাদেশে এখনো ব্যবহার করা হয় না। আবার যেকোনো ব্যান্ডের তরঙ্গে যেকোনো প্রযুক্তির সেবা দেওয়ার সুবিধাও বাংলাদেশে নেই। বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সেবায় তরঙ্গস্বল্পতার বিষয়টি নিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটররা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে। সম্প্রতি বিটিআরসিকে দেওয়া গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের এক যৌথ চিঠিতে এ বিষয়ে বলা হয়, এখন সব মিলিয়ে দেশে যে পরিমাণ তরঙ্গ আছে, তার সব ব্যবহার করেও ২০ এমবিপিএস (মেগা বিটস পার সেকেন্ড) গতির ফোরজি দেওয়া সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, বিটিআরসি প্রকাশিত নীতিমালায় দেশে ফোরজি প্রযুক্তির ইন্টারনেটের ন্যূনতম গতি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ এমবিপিএস। বাংলাদেশে উচ্চ কর হারের বিষয়ে জিএসএমএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে কর বাবদ মোবাইল ফোন অপারেটররা সরকারকে দিয়েছে ১০০ কোটি ডলার বা ৮ হাজার কোটি টাকা। টেলিযোগাযোগ খাতের করের পরিমাণ অন্যান্য খাতের তুলনায় বেশি হওয়ায় অবকাঠামো উন্নয়নে মোবাইল ফোন অপারেটররা যথেষ্ট বিনিয়োগ করতে পারে না। বাংলাদেশে মোবাইল ফোনভিত্তিক সেবা তুলনামূলক কম ব্যবহার করেন এমন একজনকে গড়ে ১০০ টাকা ব্যবহারের জন্য ৩০ টাকা কর দিতে হয়। যাঁরা তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যবহার করেন, তাঁদের গড়ে কর দিতে হয় ২০ টাকা। টেলিযোগাযোগ সেবা সহজলভ্য করতে বাংলাদেশের জন্য কিছু পরামর্শও দিয়েছে জিএসএমএ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তরঙ্গের দাম কমানো, মোবাইল ফোন সেবা ব্যবহারে গ্রাহকের ওপর থেকে কর তুলে নেওয়া, মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক কমানো এবং বাংলা ভাষায় ডিজিটাল বিষয়বস্তু বাড়ানো। source : prothom-alo
  • ‘বেসিক ব্যাংককে দেউলিয়া ঘোষণা করা উচিত’
    বেসিক ব্যাংককে দেউলিয়া ঘোষণা করা উচিত বলে মনে করেন সরকারদলীয় সাংসদ শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, মূলধন ঘাটতি পূরণে বেসিক ব্যাংককে ৩ হাজার কোটি টাকা দিয়ে জনগণের অর্থের অপচয় করা হয়েছে। ব্যাংকটি যে সমস্যায় পড়েছে, তা থেকে আগামী ১৫ বছরেও উত্তরণ ঘটার সম্ভাবনা নেই। অনুমিত হিসাব–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চতুর্দশ বৈঠকে ফজলে নূর তাপস এসব কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ বৈঠকের সংশোধিত কার্যবিবরণী ৪ ডিসেম্বর বেসিক ব্যাংকে পাঠিয়েছে। কার্যবিবরণী বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৈঠকে উপস্থাপিত বেসিক ব্যাংকের অসম্পূর্ণ প্রতিবেদন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কয়েকজন সাংসদ। কমিটির সদস্য আবদুর রাজ্জাক বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, প্রতিবেদনে তা না থাকার সমালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে যাতে এ রকম অসম্পূর্ণ প্রতিবেদন না থাকে, সে জন্য সতর্ক করেন। জানতে চাইলে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন এ মজিদ  বলেন, ব্যাংককে সাধারণত দেউলিয়া ঘোষণা করা যায় না। দেউলিয়া হয় ব্যক্তি বা কোম্পানি। ব্যাংক পুনর্গঠিত হতে পারে, একীভূত হতে পারে বা বিলুপ্ত হতে পারে। একীভূত হওয়ার ফলও খুব ভালো হয় বলে মনে করেন না আলাউদ্দিন এ মজিদ। তিনি বলেন, দেখা গেছে এমন এক ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করা হলো, তখন ওই ব্যাংককে নিয়েই আবার নতুন করে ডুবল। আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক দায়িত্ব নেওয়ার পর বেসিক ব্যাংক থেকে যেসব কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান ঋণ নিয়েছিল, সেগুলোর উল্লেখসহ আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় কমিটির বৈঠকে যথাযথ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। কমিটির সদস্য সাংসদ আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, বেসিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া ৫৭টি ভুয়া কোম্পানির তালিকা এবং ঋণ বিতরণকারী শাখার নাম উল্লেখ করে জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। জবাবে বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জানান, ২০১০ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বেসিক ব্যাংকে সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং বিভিন্ন আর্থিক সূচকে চরম অবনতি ঘটে। বেসিক ব্যাংকের এমডি আরও জানান, কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি, নতুন শাখা খোলা, পরিচালন ব্যয়, ব্যাংকের নিজস্ব ভবন কেনা, অফিস ভাড়া নেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় ব্যাংকের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়। বেসিক ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৬২৮টি খেলাপি প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের পাওনা ৬ হাজার ৫৩৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১০০ কোটি ও তার চেয়ে বেশি ঋণের গ্রাহক আছেন ১১ জন। তাঁদের কাছে ব্যাংকের পাওনা ১ হাজার ২৫৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে বেসিক ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৫১৬ কোটি ১১ লাখ টাকা। ২০১৭ সালের জুন শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২১০ কোটি ২৪ লাখ টাকা। জাতীয় পার্টির সাবেক সাংসদ কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত শেখ আবদুল হাই বাচ্চুকে ২০০৯ সালে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই ব্যাংকটির অবস্থা খারাপ হতে থাকে এবং ঋণের নামে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে আত্মসাৎ করা হয়। বিপুল এই অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় কিছু গ্রাহক এবং ব্যাংকারের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কিন্তু মামলার বাইরে থেকে যান আবদুল হাই বাচ্চুসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের নোটিশ দেওয়া হয় এবং শুনানি করছে দুদক। সংস্থাটি আবদুল হাই বাচ্চুকেও দুই দফা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বেসিক ব্যাংক বিষয়ে গত বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, একটা সেরা ব্যাংক কয়েক বছরের মধ্যে কীভাবে একটা নিকৃষ্ট ব্যাংকে পরিণত হলো, তার বড় উদাহরণ হচ্ছে বেসিক ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত হবে প্রয়োজনে আবারও তদন্ত করা এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষসহ দায়ীদের খুঁজে বের করে শাস্তির সুপারিশ করা। source : prothom-alo
  • এনআরবি কমার্শিয়ালের চেয়ারম্যান-এমডি পদে পরিবর্তন
      এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে পরিবর্তন এসেছে। এ ছাড়া ব্যাংকটির সব কমিটির চেয়ারম্যানও পদত্যাগ করেছেন। আজ রোববার রাতে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি পর্ষদ সভায় এসব পরিবর্তন হয়। ওই সভাতে পদত্যাগ করা পর্ষদ ও নতুন পর্ষদের বেশির ভাগ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ফরাছত আলীকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন তমাল এস এম পারভেজ। ভাইস চেয়ারম্যান তৌফিক রহমান চৌধুরী, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম, নিরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান নুরুন নবী ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুনসেফ আলীকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমডি দেওয়ান মুজিবর রহমানকে তিন মাসের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। এ পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডিএমডি কাজী মো. তালহাকে। নতুন চেয়ারম্যান তমাল এস এম পারভেজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ব্যাংকের ভাবমূর্তি রক্ষায় এ পরিবর্তন এসেছে। আমরা ব্যাংকটিকে ভালো করতে চাই, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহযোগিতা ছাড়া এটা সম্ভব নয়।’ সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে ২০১৬ সালে এনআরবিসির ৭০১ কোটি টাকা ঋণে গুরুতর অনিয়মের তথ্য বেরিয়ে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকটিতে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের ২০ মার্চ ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও এমডির কাছে পাঠানো পৃথক নোটিশে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, আমানতকারীদের স্বার্থে ও জনস্বার্থে এনআরবিসি ব্যাংক চালাতে ব্যর্থ হয়েছে ফরাছত আলীর নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ। আর এমডি ব্যর্থ হয়েছেন ব্যাংকটিতে যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে। এমনকি তাঁরা গুরুতর প্রতারণা ও জালিয়াতি করেছেন, যা ফৌজদারি আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয়। ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৬ ধারা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার রাতে গভর্নর ফজলে কবির এমডি দেওয়ান মুজিবর রহমানকে অপসারণ করেন । ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৬ ধারায় কাউকে অপসারণ করা হলে ওই অপসারিত ব্যক্তির ক্ষতিপূরণ চাওয়ার কোনো অধিকার থাকে না। এমনকি এ ধারার কোনো আদেশের বিষয়ে কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কোনো প্রশ্ন তুলতে পারবে না। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে আবেদন করতে পারবেন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি। যদিও এ আইনকে পাস কাটিয়ে উচ্চ আদালতে যান দেওয়ান মুজিব। এ কারণেই ব্যাংকটিতে পরিবর্তন আনতে অনানুষ্ঠানিক চাপ তৈরি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। source : prothom-alo
  • ‘ইসলামী ব্যবস্থায় পরিচালিত ব্যাংকগুলোর অবস্থা ভালো’
    গতানুগতিক ধারায় চলা অন্য ব্যাংকগুলোর তুলনায় ইসলামী ধারায় পরিচালিত ব্যাংকগুলোর  অবস্থা ভালো বলে মন্তব্য করেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান।    শনিবার (০৯ ডিসেম্বর) সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসআইবিএল) ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত গ্রাহক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।  ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এসআইবিএল।  দেশের ব্যাংক খাতে বড় সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে আহমেদ আকবর সোবহান তার বক্তব্যে বলেন-  ‘শুধু পুরনো নয় নতুন ব্যাংকগুলোর মধ্যেও তিন-চারটির অবস্থা খুবই নাজুক। তবে এর মধ্যেও যেসব ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকিং করছে সেগুলোর অবস্থা এখনো ভালো। ইসলামী ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের হার সবচেয়ে কম। ’ এসআইবিএলের নতুন পর্ষদকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে যারা ব্যাংকটির দায়িত্ব নিয়েছেন এবং পর্ষদে আছেন, তারা সুপ্রতিষ্ঠিত। আশা করি, এই ম্যানেজমেন্ট ভালো কাজ করবে। তবে মনে রাখতে হবে, প্রতিষ্ঠার সময়ে কয়েকজন উদ্যোক্তা মিলে ব্যাংকটি গড়ে তুললেও ব্যাংকের সব টাকাই জনগণের। সুতরাং তাদের আরো ভালো সেবা দেওয়ার কথা সব সময় ভাবতে হবে। ’ দেশের অন্যতম বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের কর্ণধার আহমেদ আকবর সোবহান এসআইবিএলের ব্যাংকিং কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, ব্যাংকটি শুধু সুদিনে নয়, দুর্দিনেও গ্রাহকের পাশে থাকে। তিনি নিজেও একসময় ব্যাংকটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন এবং ব্যাংকটির একটি খারাপ অবস্থা থেকে তুলে আনতে কাজ করেছেন বলে জানান। অনুষ্ঠানে এসআইবিএলের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম আরিফ বলেন, ‘দেশে অনেকগুলো বেসরকারি ব্যাংক রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো করছে ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো। আকারের দিক থেকে যদি বলি সবচেয়ে বড় ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। আমরা গ্রাহকদের আস্থা নিয়ে ভবিষ্যতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের পাশাপাশি অবস্থানে যেতে চাই। আমরা সব সময় আমাদের গ্রাহকদের প্রাধান্য দিয়ে ব্যাংক পরিচালনা করে আসছি।ভবিষ্যতেও করতে চাই।  আল-আরাফা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ লাবু তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা সুদমুক্ত একটি ব্যাংক ব্যবস্থা গড়ে তুলে দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন সাধন করতে চাই। এই ধারাতেই ইসলামী ব্যাংকগুলো কাজ করে যাচ্ছে। যে কারণে এতো সমস্যার মধ্যেও ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো ভালো করছে। ’    এসআইবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ওসমান আলী তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা ত্রিমুখী ব্যাংকিং করে যাচ্ছি, একই সঙ্গে ফরমাল, নন-ফরমাল ও ভলানটিয়ার ব্যাংকিং। আমরা আমাদের গ্রাহকদের একটি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকব্যবস্থা উপহার দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।   অনুষ্ঠানে কেক কেটে এসআইবিএলের ২২ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, এসআইবিএলের পরিচালনা পর্ষদ সদস্যরা, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং গ্রহকরা মিলে কেক কাটেন। source : bangla news24
  • সরকারি টাকা রাখা যাবে লিজিং কোম্পানিতে
      সরকারি বা আধা সরকারি সংস্থাগুলোর তহবিল ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও (লিজিং কোম্পানি) জমা রাখা যাবে। তবে সব লিজিং কোম্পানিতে এ টাকা রাখা যাবে না। যেসব কোম্পানির আর্থিক সূচক ভালো, রাখা যাবে শুধু সেগুলোতেই।অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। লিজিং কোম্পানিগুলোকে এ সুযোগ দিয়ে দুই বছর আগে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, এবারের প্রজ্ঞাপনটি তারই ধারাবাহিকতার অংশ।আগেরবার ১৩টি লিজিং কোম্পানিতে টাকা রাখার সুযোগ দেওয়া হলেও এবার একটি কোম্পানি বাড়িয়ে ১৪টি করা হয়েছে। আবার আগেরবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ৩টি কোম্পানিকে। আর নতুন করে যুক্ত হয়েছে ৪টি কোম্পানি। আগের প্রজ্ঞাপন দুই বছরের জন্য হলেও এবারেরটি করা হয়েছে এক বছরের জন্য। সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলো সব সময় সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে তাদের তহবিল জমা রেখে আসছিল। যোগাযোগ করলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আর্থিক সূচকের চিত্র নেওয়ার পরই সরকারি, আধা সরকারি সংস্থার টাকা রাখার জন্য লিজিং কোম্পানি চিহ্নিত করা হয়েছে সূচকের মধ্যে বিবেচনা করা হয়েছে, খেলাপি ঋণের হার কম থাকা, আয় প্রবৃদ্ধি বা মূলধন পর্যাপ্ততা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ইত্যাদি।  প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলো তাদের নিজস্ব তহবিলের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ অর্থ বেসরকারি ব্যাংক বা লিজিং কোম্পানি অথবা উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠানে রাখতে পারবে। এসব সংস্থার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় থাকা প্রকল্পের জন্য সরকার যে অর্থ দেয় তার সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংক বা লিজিং কোম্পানি অথবা উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে জমা রাখতে পারবে। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকে এসব সংস্থা তাদের নিজস্ব তহবিল ও এডিপি তহবিলের কত অংশ জমা রাখতে পারবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা নেই প্রজ্ঞাপনে। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানির অংশ বাদ দিয়ে যা বাকি থাকবে, তা তারা জমা রাখবে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোতে। সে হিসেবে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ভাগে পড়বে সংস্থাগুলোর নিজস্ব তহবিলের ৭৫ শতাংশ এবং এডিপি তহবিলের ৮০ শতাংশ। দেশে বর্তমানে ৩২টি লিজিং কোম্পানি রয়েছে। ব্যাংকের মতো এই কোম্পানিগুলোরও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকারি আমানত জমা রাখার জন্য এবারও লিজিং কোম্পানিকে বিবেচনা করায় সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিএলএফসিএ)। তবে সমিতিটি নতুন দাবিও তুলেছে। যোগাযোগ করলে বিএলএফসিএ চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম সব লিজিং কোম্পানির জন্যই নিয়মটি প্রযোজ্য হোক। অর্থ মন্ত্রণালয়কে আমাদের দাবির কথা জানিয়েছি। বলেছি, সব ব্যাংক আমানত পেলে লিজিং কোম্পানি কেন পাবে না?’ আমানত পাবে ১৪ কোম্পানি: আমানত রাখার জন্য যে ১৪টি লিজিং কোম্পানি চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, মাইডাস ফাইন্যান্সিং, ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, ইউনাইটেড ফাইন্যান্স, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। আগেরবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ফার্স্ট ফাইন্যান্স এবং ন্যাশনাল ফিন্যান্সকে। নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে মাইডাস ফাইন্যান্সিং, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স এবং মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে। আর্থিক খাতের বিশ্লেষকেরা জানান, যেসব সূচক বিবেচনার কথা বলে লিজিং কোম্পানি চিহ্নিত করা হয়েছে, তা যথাযথ নয়। এ ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব বা তদবির কাজ করেছে। মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট নামক দুটি কোম্পানির দুই বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণেই তার প্রমাণ পাওয়া যাবে। কোম্পানি দুটির বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৪ সালে লাইসেন্স পাওয়া নতুন কোম্পানি মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট। ব্যবসায় শুরুর বয়স দুই বছরও হয়নি। কোম্পানি হিসেবে এর শক্তি বিবেচনায় নেওয়ার সময়ই হয়নি এখনো। ২০১৫ সালে এই কোম্পানির ইপিএস ছিল ৪ পয়সা, ২০১৬ সালে এসে তা দাঁড়ায় ৪২ পয়সা। আবার ১৪ কোম্পানির তালিকার বাইরের ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ইপিএস ২০১৫ সালে ছিল ১ টাকা ২৫ পয়সা এবং ২০১৬ সালে ছিল ৬৩ পয়সা। বিএলএফসিএ চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান আরও বলেন, ‘বার্ষিক প্রতিবেদনে সব কোম্পানির তথ্যই রয়েছে। সরকারের সংস্থাগুলোই সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে কোন কোম্পানিতে তারা টাকা রাখবে বা কোনটিতে রাখবে না। সরকার যেহেতু সিদ্ধান্ত নিয়েছেই, আমরা মনে করি কোনো কোম্পানির নাম ঠিক করে দেওয়ার দরকার নেই।’ তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা মনে করেন, সরকার বুঝেশুনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, ‘একসময় তো অব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সরকারি, আধা সরকারি সংস্থাগুলোর টাকা রাখারই অনুমোদন ছিল না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মতামত দেওয়ার পরই তা হয়েছে। ভবিষ্যতে পুরো খাতের জন্যই নিয়মটি চালু হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই তাদের আর্থিক সূচকের উন্নতি করতে হবে।’    source : prothom-alo
  • টাকা জমা দিচ্ছেন না পোশাক মালিকেরা
    চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে কারখানা করার জন্য জমি বরাদ্দ নিতে পোশাকশিল্প মালিকদের আগ্রহ কম। ৫০০ একর জমির মধ্যে গত দুই মাসে ৪১৯ একর বরাদ্দ পেতে আবেদন করেছে ১৩২ পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। বাকি ৮১ একর জমি বরাদ্দ নিতে কোনো আবেদন পড়েনি। যাঁরা জমি বরাদ্দের জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের মধ্যে ‘বুকিং মানি’ পরিশোধকারীর সংখ্যা খুবই কম।মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ওষুধ, পোশাক এবং কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ—এই তিন খাতের জন্য আলাদা জমি চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। এর মধ্যে পোশাক খাতে দেওয়া হবে ৫০০ একর। বেজা গত ১২ অক্টোবর তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সদস্যদের উদ্দেশে চিঠি দিয়ে সাত দিনের মধ্যে প্লট বরাদ্দ পেতে আগ্রহীদের আবেদন করতে বলে। চিঠিতে বলা হয়, প্রতি একর জমির ৫০ বছরের ইজারা মূল্য হবে এক কোটি টাকা। প্লট বুকিং দিতে ২৫ শতাংশ অর্থ জমা দিতে হবে, যা অফেরতযোগ্য। পরের মাসের মাঝামাঝিতে বিজিএমইএ আরেক চিঠিতে সদস্যদের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্লটের ১৫ শতাংশ অর্থসহ আবেদন করতে বলে। বাকি ১০ শতাংশ ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দিতে বলা হয়। বিজিএমইএর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ঢাকার ৬৪ ও চট্টগ্রামের ৬৮ পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কারখানা করার জন্য মিরসরাইয়ে প্লট চেয়ে আবেদন করেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের কাট্টলি টেক্সটাইল সর্বোচ্চ ৫০ একর জমি বরাদ্দ চেয়েছে। এ ছাড়া ঢাকার ডিবিএল গ্রুপ ২৫ একর, কোরস বাংলাদেশ ২০ একর, চট্টগ্রামের আজিম গ্রুপ ২০ একর, ঢাকার এপিক অ্যাপারেলস ১০ একর, ইউনিগিয়ারস ১০ একর, এসকিউ সেলসিয়াস ১০ একর জমি বরাদ্দ পেতে আবেদন করেছে। তবে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্লটের জন্য আবেদন করা ১৩২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৩টি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বুকিং মানি হিসেবে বিজিএমইএ দপ্তরে ২৩ কোটি ৪৫ টাকা জমা দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের জমির পরিমাণ ১০২ একর। তার মানে ৩১৭ একর জমির জন্য কোনো অর্থই জমা পড়েনি। আবেদন করেও প্লট বরাদ্দ নিতে মালিকদের আগ্রহ কম কেন—জানতে চাইলে গতকাল মঙ্গলবার বিজিএমইএর দুজন সহসভাপতি ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেন। সহসভাপতি এস এম মান্নান বলেন, ‘অবশ্যই মালিকদের আগ্রহ আছে। তবে হয়তো মুন্সিগঞ্জের বাউশিয়ায় পোশাকশিল্প করার পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় অনেক মালিক একটু ধীরগতিতে এগোচ্ছেন। খোঁজখবর নিচ্ছেন।’ তিনি বলেন, ‘মিরসরাইয়ে গ্যাস-বিদ্যুৎ, কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগারসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে। চট্টগ্রাম বন্দর খুব কাছে হবে। জমির দামও তুলনামূলক কম। তাই শেষ পর্যন্ত মালিকদের আগ্রহ না দেখানোর কারণ নেই।’ আরেক সহসভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘প্লটের জন্য ২৫ শতাংশ অর্থ দিতে হবে এবং সেটি অফেরতযোগ্য—এ নিয়েই হয়তো মালিকেরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছেন যে প্লট না পেলে টাকাও ফেরত মিলবে না। আসল ঘটনা হচ্ছে, প্লট পেয়েও কেউ যদি নিতে না চান, তাহলেই কেবলমাত্র টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। আমরা সবকিছু পরিষ্কার করতে আবেদনকারীদের সঙ্গে বসব।’ তিনি আরও বলেন, অর্থ পরিশোধের জন্য সময় বাড়ানো হবে। দুই যুগ ধরে পোশাক শিল্পপার্ক স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে বিজিএমইএ। ২০১৩ সালে পোশাকশিল্প পার্কের জন্য মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার বাউশিয়া এলাকায় ৫৩১ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমতি দিয়েছিল ভূমি মন্ত্রণালয়। সেখানে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ মোট ৫৭৭টি প্লটের পরিকল্পনা ছিল। তবে প্লটের জন্য আবেদন করেছিল ৪৫০ প্রতিষ্ঠান। পরে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রকল্পটি ভেস্তে যায়। এদিক মিরসরাইয়ে জমি উন্নয়নের পাশাপাশি গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের কাজ করছে বেজা। সেখানে গ্যাস সরবরাহের জন্য ২৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে পাইপলাইন বসাচ্ছে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে আরপিসিএল। আরও ৪০০ মেগাওয়াটের জন্য জমি চেয়েছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বেজা সূত্র জানিয়েছে, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের কারখানাগুলোয় পানি সরবরাহের জন্য দুই একরের জলাধার তৈরি করা হবে। পাশাপাশি ফেনী নদীর পানি ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংকে (আইডব্লিউএম) নিয়োগ করার প্রক্রিয়া চলছে। এই অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য আলাদা একটি বন্দর থাকবে। চার লেনের একটি সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। এ সড়কের নির্মাণকাজও উদ্বোধন করা হয়েছে। জানতে চাইলে মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘আমাদের পোশাকশিল্প মূলত ঢাকার আশপাশের এলাকায় গড়ে উঠেছে। সে জন্য মিরসরাইয়ে চট্টগ্রামের উদ্যোক্তারাই বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তবে কম-বেশি যতগুলো প্রতিষ্ঠানই সেখানে যাক না কেন, সেটি অবশ্যই বিরাট কাজ হবে।’ source : prothom-alo
  • করসেবা পেতে বেশি সময় লাগে বাংলাদেশে
    করসংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় লাগে বাংলাদেশে। এ দেশে একটি প্রতিষ্ঠানকে কর–বিষয়ক কার্যক্রম শেষ করতে গড়ে ৪৩৫ ঘণ্টা ব্যয় করতে হয়। সার্বিকভাবে করবান্ধব বা কর প্রদান সূচকে বিশ্বের ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম। আগের বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫১তম। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বিশ্বব্যাংক ও বহুজাতিক নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারসের (পিডব্লিউসি) ‘পেয়িং ট্যাক্স ২০১৮’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। একটি দেশে নতুন বছরে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে কর হার কতটা সহায়ক হলো, তার একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরতেই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে একটি দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে ও কোনো প্রক্রিয়ায় কর দেয়, এ নিয়ে সূচক প্রকাশ করা হয়েছে। তা ছাড়া এতে বিভিন্ন দেশের গড় কর হার, কত ধরনের কর দিতে হয় ইত্যাদি তথ্যও সংযোজিত হয়েছে। সার্বিকভাবে ব্যবসা করার পরিবেশ কতটা করবান্ধব, তা নিয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে তুলনা করা হয়েছে প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনটি সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে কর হার সূচকে বাংলাদেশ চতুর্থ। বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক বা করপোরেট কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)সহ সব মিলিয়ে গড় কর হার ৩৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এর মধ্যে মুনাফায় কর গড়ে ৩১ শতাংশ; বাকিটা মূল্য সংযোজন কর। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি কর হার আফগানিস্তানে, ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় কর হার গড়ে ৫৫ শতাংশ। ভারতে করপোরেট কর হার গড়ে সাড়ে ২৩ শতাংশ হলেও ২০ শতাংশ শ্রম কর বা লেবার ট্যাক্স ও ১১ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) দিতে হয়। প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একটি করদাতা প্রতিষ্ঠানের কর-সংক্রান্ত বিবরণ জমা থেকে শুরু করে করের টাকা পরিশোধে কত সময় লাগে, তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশে এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গড়ে ৪৩৫ ঘণ্টা সময় লাগে। সবচেয়ে কম সময় লাগে ভুটানে; ৮৫ ঘণ্টা। করসংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করতে ভারতে ২১৪ ঘণ্টা, পাকিস্তানে ৩১২ ঘণ্টা ও শ্রীলঙ্কায় ১৬৮ ঘণ্টা করে সময় লাগে। তবে যেসব দেশ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করতে পেরেছে, সেসব দেশে তুলনামূলক কম সময় লাগে। সূচকে শীর্ষে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাতে করসংক্রান্ত কাজ শেষ করতে সময় লাগে মাত্র ১২ ঘণ্টা। বিশ্বব্যাংক ও পিডব্লিউসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে একজন করদাতার ওপর ৩৩ ধরনের কর আরোপ আছে। তবে এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কিছুটা ভালো। এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে বেশি বা ৪৭ ধরনের কর আরোপ হয়। ভারতে ১৩ ধরনের কর আছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছে মাত্র ৪ ধরনের কর। সেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানের মুনাফার ওপর কর দিতে হয় না। করবান্ধব দেশ হিসেবে তালিকার প্রথম তিনটি দেশই এশিয়ার। শীর্ষ স্থানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আছে কাতার। তৃতীয় স্থানে আছে হংকং। শীর্ষ দশে থাকা পরের দেশগুলো হলো যথাক্রমে আয়ারল্যান্ড, বাহরাইন, কুয়েত, সিঙ্গাপুর, ডেনমার্ক, নিউজিল্যান্ড ও মরিশাস। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এ সূচকে ৩৬তম। যুক্তরাষ্ট্রে সব মিলিয়ে কর হার গড়ে ৪৪ শতাংশ। এর মধ্যে করপোরেট কর বা মুনাফায় করের হার গড়ে ২৮ শতাংশ। সূচকে এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ চীনের অবস্থান ১৩০তম। দেশটিতে সব মিলিয়ে কর হার গড়ে ৬৭ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে দেশটিতে করপোরেট কর হার তুলনামূলক কম, ১১ শতাংশ। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রথম সচিব (শুল্কসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও চুক্তি) এহতেশামুল হক প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের অবস্থানের উন্নতি করতে স্বয়ংক্রিয় কর প্রদান ব্যবস্থা চালুসহ বেশ কিছু সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে কর সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানের দৃশ্যমান উন্নতি হবে। source : prothom-alo
  • ২০১৮ সালে ২৪ দিন ব্যাংক বন্ধ
    ২০১৮ সালে ২২দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে ২৪ দিন। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।   সরকার ঘোষিত ২২দিন সাধারণ ছুটির সঙ্গে ১ জুলাই ও ৩১ ডিসেম্বর ‘ব্যাংক হলিডে’ ছুটি যুক্ত হবে। অন্য সাধারণ ছুটির মধ্যে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস, ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মদিন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ২৯ এপ্রিল বৌদ্ধ পূর্ণিমা, মে দিবস ১ মে, ১৫ জুন পবিত্র জুমাতুল বিদা, ১৬ জুন ঈদ-উল ফিতর, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ২২ আগস্ট ঈদ-উল আযহা, ২ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ১৯ অক্টোবর দুর্গাপূজা, ২১ নভেম্বর ঈদ-ই মিলাদুন্নবী, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন।  এছাড়া ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ২ মে শব-ই-বরাত, ১২ জুন শব-ই-কদর, ১৫ ও ১৭ জুন ঈদ-উল ফিতরের আগে ও পরের দিন, ২১ ও ২৩ আগস্ট ঈদ-উল আযহার আগে ও পরের দিন এবং আশুরায় ২১ সেপ্টেম্বর নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। source : bangla news 24
View All
Latest DSE News
  • PROGRESLIF

    (Repeat News): In response to a DSE query dated December 13, 2017, the Company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the Company for recent unusual price hike of shares.

  • CMCKAMAL

    Trading of the shares of the Company will resume on 18.12.2017 after record date.

  • PADMAOIL

    Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 18.12.2017.

  • SONALIANSH

    Trading of the shares of the Company will be allowed only in the Spot Market and Block transactions will also be settled as per Spot settlement cycle with cum benefit from 18.12.2017 to 19.12.2017. Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 20.12.2017.

  • CONFIDCEM

    Trading of the shares of the Company will be allowed only in the Spot Market and Block transactions will also be settled as per Spot settlement cycle from 18.12.2017 to 19.12.2017. Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 20.12.2017 for EGM.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
MEGHNAPET 20.30 18.80 1.50 7.98
BEACHHATCH 18.70 17.50 1.20 6.86
WATACHEM 268.50 251.30 17.20 6.84
BIFC 11.10 10.40 0.70 6.73
PHARMAID 432.50 405.80 26.70 6.58
CNATEX 8.90 8.40 0.50 5.95
FINEFOODS 40.00 37.80 2.20 5.82
MEGCONMILK 24.00 22.70 1.30 5.73
SONALIANSH 247.90 235.00 12.90 5.49
AAMRANET 94.50 89.60 4.90 5.47

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297