Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ACIFORMULA 169.2 124.6 44.60 35.79
NAVANACNG 71.5 55.2 16.30 29.53
DELTALIFE 169.2 131.5 37.70 28.67
MJLBD 144.2 115.9 28.30 24.42
BXPHARMA 67.6 55.2 12.40 22.46
SAPORTL 37.7 30.8 6.90 22.40
BSRMSTEEL 113.2 93.5 19.70 21.07
ORIONPHARM 56.3 46.6 9.70 20.82
ACI 463.9 384.5 79.40 20.65
ANLIMAYARN 28.9 24.1 4.80 19.92

Contest SB2014_Sep

1st
blank_person
FERDOUSFIN
2nd
blank_person
ASHOKCHY
3rd
blank_person
XMAN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 365.1 353.6 28.51148 938000.00
BATBC 2804.7 2757 5.25486 12450.00
BSRMSTEEL 113.2 106.6 4.14167 4906000.00
RAKCERAMIC 49.5 45 2.78318 2093600.00
BXPHARMA 67.6 64.4 2.16130 7001800.00
Negative impact
SINGERBD 226.1 242.3 -1.82499 864750.00
BERGERPBL 1090.7 1132.7 -1.78822 4300.00
CVOPRL 674.2 709.6 -1.28695 53100.00
HEIDELBCEM 540.6 552.5 -1.23457 193350.00
DELTALIFE 169.2 173.8 -1.04519 1140850.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
MJLBD 144.2 148.3 142.9 3.52% 563.14
BSRMSTEEL 113.2 114.9 107.8 6.19% 550.31
BXPHARMA 67.6 68.9 64.8 4.97% 465.89
ACTIVEFINE 76.5 77.3 72 8.66% 414.40
BEXIMCO 43.2 44.4 43 -0.46% 380.80
GP 365.1 367.3 354.9 3.25% 341.70
ORIONPHARM 56.3 56.6 51.7 9.32% 340.22
GOLDENSON 51.4 51.8 49.8 3.42% 278.17
LAFSURCEML 138.8 143.4 138.5 -1.35% 230.46
BRACBANK 32 32.4 30.9 3.90% 216.16

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 18 Sep 2014

196174
TOTAL TRADE
255.5850
TOTAL VOLUME(Mn)
12885.50
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • অনালিমা ইয়ার্নের আয় কমেছে
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি অনালিমা ইয়ার্নের আয় কমেছে ৩৯ শতাংশ। কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক (জানুয়ারী,১৪- মার্চ,১৪) অনিরীক্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এই তথ্য জানা যায়। আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানিটি মুনাফা করেছে ৩৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস করেছে ২০ পয়সা। কোম্পানি আগের বছর একই সময়ে মুনাফা করেছিল  ৫৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস করেছিল ৩৩ পয়সা। গত তিন মাসে কোম্পানিটি মুনাফা করেছে ১ কোটি টাকা এবং ইপিএস করেছে  ৬০ পয়সা যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ৯২ পয়সা।
  • আজ ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের লভ্যাংশ কি আসবে ?
    মোহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান : ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকের দিন ঘোষণা করা হয়েছে। আজ ১৮ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এই বৈঠক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। বৈঠকে কোম্পানির ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত বছরের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। একই সাথে বৈঠকে আসতে পারে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ। সবার মনে একটাই প্রশ্ন ? কেমন হতে পারে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের লভ্যাংশ  ? কেউ কেউ বলছে গত বছর হতে ভাল আসবে এবার কেউ বলছে ভাল নাও আসতে পারে। আসলে কেউই বলতে পারছে না কেমন হতে পারে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের লভ্যাংশ । কেউ কেউ আবার বাজারে থাকা  কোম্পানির বাজার মুল্যের খারাপ অবস্থাকে প্রধান্য দিচ্ছেন। এরই মধ্যে বিনিয়োগকারীরা স্টক বাংলাদেশ- এর অফিসে ফোন করে এ সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। তাই বিনিয়োগকারীদের কথা বিবেচনা করে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের কিছু তথ্য তুলে ধরা হল । এসব তথ্য কোম্পানির বিগত বাৎসরিক প্রতিবেদন হতে সংগ্রহীত। তথ্য হতে আপনিই বিবেচনা করে নিন কেমন হতে পারে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের লভ্যাংশ । ২০১৩ সমাপ্ত বছরে কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদেরকে ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। একই বছর শেষে শেয়ার প্রতি আয় দাঁড়িয়েছিল ১ টাকা ১০ পয়সা। কিন্থু ডাইলুতেউ করার পর তা কমে ধাড়ায় ০.৯৮ টাকা। এদিকে ইউনাইটেড এয়ার কর্তৃপক্ষ তাদের বকেয়া ঋণ  ঋণের ৭৭ কোটি টাকার মধ্যে মাত্র ৪০ কোটি টাকা সারচার্জ ছাড়া কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে হবে বলে জানিয়ে ছিলেন ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের এজিএম ওলিউর রহমান। সুতারং তাদের আয়ের একটি বড় অংশ এ বছর চলে যাচ্ছে । কোম্পানির বিগত বাৎসরিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্লেষনে করলে দেখা যায়, কোম্পানির ট্যাক্স পরবর্তী লাভ (M) নিট লাভ ২০১১-১২ সালের তুলনাই ২০১২-১৩ অর্থবছরে  কমেছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্তপূর্ণ বিষয় হচ্ছে নিট লাভ কমা শর্তেও ইউনাইটেড এয়ার  ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ যেখানে আগের বছর অর্থাৎ ২০১১-১২ সালে কোম্পানি দিয়েছিল ১৫ শতাংশ বোনাস (তথ্যঃ কোম্পানির বাৎসরিক প্রতিবেদন) । সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১০ পয়সা। এছাড়াও কোম্পানির বাৎসরিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্লেষনে করলে দেখা যায়, ক্রমাগত ভাবে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় একবার বাড়ছে একবার কমেছে। আর অন্যদিকে শেয়ার প্রতি মোট সম্পদ মূল্য ২০১১-১২ সালে যেখানে ছিল ১৪.০৭ টাকা সেখানে ২০১২-১৩ অর্থবছরে দাঁড়িয়েছে ১২.৮৭ টাকা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্রমাগত ভাবে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় এবং মোট সম্পদ মূল্য কমা কোম্পানির পরিচালনার দুর্বলতার বহিরপ্রকাশ। অন্যদিকে নয় মাসে (জুলাই,১৩-মার্চ,১৪) পর্যন্ত কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ৩২৮.৩৯ মিলিয়ন টাকা। আর ইপিএস ০.৫৮ টাকা । যা আগের বছর একই সময় ছিল ৮৯২.৩১ মিলিয়ন টাকা। আর ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা। বিশ্লেষণে দেখা যায় কোম্পানির মুনাফা ও ইপিএস উভয়ই উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে । বিশ্লেষণে আরও দেখা যায় নয় মাসের হিসেবে  বাৎসরিক ইপিএস আসে ০.৭৭ টাকা। ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির বর্তমান বাজার মূল্য ১১.৮০ টাকা। এছাড়াও কোম্পানিটির তথ্য অনুযায়ী ফাইনাশীয়াল রেশিওগুলো নিম্নরূপ
  • সিএসআর নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ
    ডেস্ক রিপোর্ট : কর্পোরেট সোশাল রেসপনসিবিলিটি'র (সিএসআর) অর্থ ব্যয়ের নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গ্রিন ব্যাংকিং অ্যান্ড সিএসআর ডিপার্টমেন্ট সংশোধিত নীতিমালার একটি খসড়া প্রস্তাব গভর্নর বরাবর পাঠিয়েছে। অনুমোদন পেলেই তা জারি করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। নিউজ বিডিমেইল২৪ এর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র ম. মাহফুজুর রহমান বলেন, সময়ের বিবর্তনে সবকিছুর পরিবর্তন হচ্ছে। পাশাপাশি সিএসআরের টাকা ব্যয় করতে ব্যাংক পর্ষদ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ খোঁজে। তাই কোন ধরনের না দূর্বলতা না রেখে সিএসআর নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর সালেহ উদ্দিন আহমেদও মনে করেন নীতিমারঅর সংশোধন করা জরুরি। তিনি বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদ বিপুল পরিমাণ টাকা ব্যয় করছে। তার যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না। নীতিমালা সংশোধন করা হলে টাকার শতভাগ ববহার করা যাবে। সংশোধিত নীতিমালায় সিএসআরের অর্থ ব্যয়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাখাতে ৩০শতাংশের কম ব্যয় করা যাবে না। কমিউনিটি হেলথের জন্য ব্যয় সর্বোচ্চ ২০শতাংশ হতে পারে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য দুরীকরণের প্রস্তাব করেছে নীতিমালা সংশোধন কমিটি। রয়েছে সিএসআরের আওতাভুক্ত কোন একক খাতের জন্য ৫০শতাংশের বেশি অর্থ বিতরণ না করার নির্দেশও। সিএসআরের টাকায় গণমাধ্যম, উৎসবের সাময়িকীতে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের বিল এবং কোন প্রকার চাঁদার টাকা পরিশোধ করা যাবে না। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালনা পর্ষদের কোন সদস্য কাউকে কোন প্রকার আর্থিক সহায়তা করলে তা সিএসআরের আওতায় পড়বে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্পোরেট সোশ্যাল রিসপনসিবিলি বিভাগের তত্বাবধানে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পনেরটি বিভাগের অভিজ্ঞ শিক্ষক এবং ব্যাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) কর্তৃপক্ষ ও ম্যানেজমেন্ট রিসোর্স ডেভলপমেন্ট ইনশিয়েটিভ (এমআরডিআই'র) বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে সংশোধিত নীতিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে। কয়েকটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সিএসআরের নামে ব্যাপক অর্থ ব্যয় করছে। এতে ব্যাংকের মুলধন পর্যাপ্ততায় ব্যপক প্রভাব ও ব্যাংকের নিরাপত্তা সঞ্চিতির উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। এ আশঙ্কায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ শাখা চলতি বছরের ২৮ আগস্ট সিএসআর বিতরণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। সিএসআর নিয়ে ২০০৮ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছিল। সিএসআর নীতিমালাকে আরও কার্যকরী ও যুগোপযোগী করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিমালাটি সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।
  • ঈদে নতুন টাকা ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে
    স্টাফ রিপোর্টার : আসন্ন কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে ২৪ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট ছাড়বে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এ নতুন নোট সংগ্রহ করা যাবে। বিতরণ চলবে ২ অক্টোবর পর্যন্ত। একজন নিতে পারবেন সর্বোচ্চ বিভিন্ন মানের ৫ হাজার টাকা। আগের মতোই রাজধানীর বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের ২০টি এবং বিভাগীয় শহরগুলোর ২৭টি শাখায় এ নতুন টাকা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে নতুন টাকা বিতরণের জন্য ৪টি কাউন্টার খোলা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি থাকবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সরকারি চাকরিজীবী, বৃদ্ধিজীবী, মুক্তিযোদ্ধা এবং বয়স্কদের জন্য। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কারেন্সি অফিসার (মহাব্যবস্থাপক) জানান, ঈদে নতুন নোটের চাহিদা মেটাতে ২৪ হাজার কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন নোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এজন্য রাজধানীতে ২০টি এবং বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে ২৭টি ব্যাংকের শাখায় বিশেষ ব্যবস্থায় নোট বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব শাখায় প্রতিদিন ১১ লাখ নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে বলে জানান তিনি।রোজার ঈদে যেসব শাখায় নতুন টাকা সরবরাহ করা হয়েছে, এবারো সেসব শাখায় নতুন টাকা পাওয়া যাবে। এর ফলে গ্রাহকের ভোগান্তি কমবে বলে মনে করেন তিনি। জালনোটের প্রচলন প্রতিরোধে প্রতিটি নোট যাচাই করে গ্রাহকদের দেয়ার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
  • আয়কর মেলার দু’দিনে আদায় ৬১২ কোটি টাকা
    ডেস্ক রিপোর্ট :  গতবারের মেলায় সবমিলিয়ে এক হাজার ১১৮ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছিল। এবার প্রথম দুই দিনেই ৬১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। বুধবার রাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মু’নেম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর বেইলী রোডে অফিসার্স ক্লাবে সপ্তাহব্যাপী মেলার উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরগুলোতেও একইদিনে মেলা শুরু হয়েছে। প্রতিবারের মতো এবার এনবিআর এ মেলার আয়োজন করেছে। ঢাকায় বেইলী রোডের মেলায় ১২৪ টি বুথ রয়েছে। এসব বুথে বার্ষিক আয়কর বিবরনী গ্রহণ, ই-টিআইএন নিবন্ধন ও পুন:নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিত কর পরিশোধ বা ই-পেমেন্টের ব্যবস্থাও রয়েছে। অন্যদিকে কর পরিশোধের জন্য গ্রাহকদের সুবিধার্থে সোনালী ও জনতা ব্যাংকের বুথও রয়েছে। বিকেলে মেলা পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, উপচে পড়া ভিড়। রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে করদাতারা মেলায় এসেছেন। প্রায় সবগুলো বুথেই ছিল লম্বা লাইন। ই-টিআইএন’র বুথগুলোকে তুলনামূলক বেশি ভিড় ছিল। আয়কর রিটার্ন জমা দিতে মেলায় আসা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ফাহাদ ফেরদৌস বলেন, “রিটার্ন ফরম পূরণ করা খুবই ঝামেলা। মেলায় এসেছি। কর কর্মকর্তারাই সব করে দিয়েছেন। মেলায় ভিড় দেখে মনে হচ্ছে করদাতাদের মধ্যে কর দেওয়ার আগ্রহ বেড়েছে।” মতিঝিলে অফিস থেকে বের হয়েই মেলায় আসেন নুরে আলম। তিনি প্রতিবছর কর দেন, এবার দেবেন। কিন্তু গতবার পুরোনো কর শনাক্তকারী নম্বর (টিআইএন) দিয়ে কর দিয়েছেন। কিন্তু এবার কর দিতে ই-টিআইএন লাগবে। কর অফিসে যাওয়ার সময় না পাওয়া এবং বাসায় ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-টিআইএন নম্বর নিতে পারছিলেন না বলেই মেলায় এসেছেন বলে  জানালেন নুরে আলম।  তিনি বলেন, “বাসায় চেষ্টা করে পারিনি, তাই কর মেলায় এসেছি। এখানে সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তারাই সব করে দিয়েছেন।” এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলার দ্বিতীয় দিনে করদাতাদের ব্যাপক সাড়া পরিলক্ষিত হয়েছে। দ্বিতীয় দিনে সারাদেশে ৯২ হাজার ১৬ জন করদাতাকে সেবা দেয়া হয়েছে। নতুন করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন  ২ হাজার ৩৮৩ জন। ই-টিআইএন পুন:নিবন্ধন করেছেন ১ হাজার ১৪১ জন। মেলায় আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে ১৬ হাজার ৫৯৩ টি। আয়কর আদায় হয়েছে ৪৭৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বুধবার দ্বিতীয় দিন পর্যন্ত আয়কর মেলায় সারাদেশে ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৩৯ জন করদাতাকে সেবা দেয়া হয়েছে। নতুন করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন  ৪ হাজার ২১৪ জন। ই-টিআইএন পুন:নিবন্ধন করেছেন ২ হাজার ১৩৭ জন। মেলায় আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে ৩১ হাজার ৪৪ টি। আয়কর আদায় হয়েছে ৬১২ কোটি ৩৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৫৯ টাকা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আয়কর মেলা যথারীতি চলবে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেলায় করদাতারা তাদের ২০১৪-১৫ কর বর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা, মেলায় অবস্থিত ব্যাংক বুথের মাধ্যমে আয়কর জমা, ই-টিআইএন গ্রহণ, ই-টিআইএন পুন:নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়া মেলায় করদাতাদেরকে কর বিষয়ক পরামর্শও দেয়া হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
  • এক নজরে যেসব কোম্পানি ইনডেক্সে স্থান পেয়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পারফমেন্স পর্যালোচনা করে বছরে দুইবার সিএসইএ-৩০ ইডেক্সভুক্ত কোম্পানি পরিবর্তিত হয়। সম্প্রতি সিএসই-৩০ ইনডেক্স চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা বাজারে কার্যকর রয়েছে। এই সূচকে স্থান পাওয়া ৩০টি কোম্পানি হলো- ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, স্কয়ার টেক্সটাইলস লি:, স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস লি:, অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লি;, বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস্ লি:, অরিয়ন ফার্মা লি:,  এগরিকালচারাল মার্কেটিং কোম্পানি লি:, অলিম্পিক ইন্ডাস্টিজ লি:, কনফিডেন্স সিমেন্ট,  হেইডেলবার্গ সিমেন্ট,  মেঘনা সিমেন্ট মিলস্ লি:, আফতাব অটোমোবাইলস লি:, সিংগার বাংলাদেশ লি:, এ্যপেক্স টেনারি লি:, এ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লি:, বাটা সু কোম্পানি (বিডি) লি:, ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্ট লি:, পদ্মা অয়েল কোম্পানি লি:, যমুনা অয়েল কোম্পানি লি:, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লি:, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি: , লিনডে বাংলাদেশ লি: , এবি ব্যাংক লি:, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি:, উত্তরা ব্যাংক লি:, ইর্স্টান ব্যাংক লি:, আইডিএলসি ফাইন্যান্স লি:, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লি: এবং লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লি:। সিএসই-৩০ সূচকে নতুন করে যুক্ত হয়েছে- ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লি:, অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লি;, অরিয়ন ফার্মা লি:, বাটা সু কোম্পানি (বিডি) লি:, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লি:, লিনডে বাংলাদেশ লি: ও  লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লি:।   এই সূচকে বাদপড়া কোম্পানিগুলো হলো বিডি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি,  ঢাকা ব্যাংক লি:, সাউথইস্ট ব্যাংক লি:, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লি:,  অ্যারামিট লি:, বেক্সিমকো লি: ও জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লি:।
  • খান ব্রাদার্সের আইপিও লটারি বৃহস্পতিবার
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) মাধ্যমে খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ লিমিটেডে আবেদনকারীদের শেয়ার বরাদ্দের জন্য লটারির ড্র হবে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতিতে ড্র অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫২১তম সভায় কোম্পানিটির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। এ কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) মোট ৮৩৩ কোটি ৭৮ লাখ ২০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ৮৩০ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার আবেদন করেছেন। এছাড়া গত ২৮ আগস্ট পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ৩ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকার আবেদন করেছেন। স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা ২৪ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত এবং প্রবাসীরা ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ কোম্পানির আইপিওতে আবেদন করার সুযোগ পান। কোম্পানিটি অভিহিত মূল্যে পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সে অনুযায়ি কোম্পানিটির আইপিওতে ৪১.৬৯ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি মেশিনারিজ কেনা, বিল্ডিং নির্মাণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ ও চলতি মূলধন বাড়াবে। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং সিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। তবে প্রিমিয়াম ছাড়া পুঁজিবাজারে আসায় এ কোম্পানিটি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মাঝে নানা ধরনের সন্দেহ সংশয় দেখা দিয়েছে। স্টক বাংলাদেশের সঙ্গে আলাপকালে একাধিক বিনিয়োগকারী জানিয়েছেন, প্রিমিয়াম ছাড়া কোন ভাল কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসার নজির খুবই কম। এছাড়া প্রসেপেক্টাসে এ কোম্পানি কর্তৃপক্ষ যেসকল সম্পত্তির বর্ননা দিয়েছে সেসব সম্পত্তির মালিকানা নিয়েও নানা জটিলতা রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানতে চাইলে খান ব্রাদার্সের কোম্পানি সচিব তপন কুমার স্টক বাংলাদেশকে বলেন, বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থেই আমরা প্রিমিয়াম ছাড়া বাজারে আসছি। এছাড়া জায়গা সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে কোন জটিলতা নাই বলেও জানান তিনি।
  • প্লাস্টিক খাতে ঋণসীমা দ্বিগুণ, পুজিবাজারে সম্ভাবনা
    স্টাফ রিপোর্টার :  প্লাস্টিক খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) ঋণের সীমা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের এক সার্কুলারে বলা হয়েছে, এখন থেকে বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির সদস্য কারখানাগুলো ইডিএফ থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ ডলার ঋণ নিতে পারবে। আগে এই ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ছিল ৫ লাখ ডলার। দেশের রপ্তানি খাতের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের এই তহবিলের পরিমাণ সমপ্রতি বাড়িয়ে ১৫০ কোটি ডলার করা হয়েছে। বিশেষ সুদ হারে রপ্তানিকারকদের এই তহবিল থেকে ঋণ দেয়া হয়। বর্তমানে লাইবরের (লন্ডন ইন্টারব্যাংক অফার রেট) সঙ্গে ২ দশমিক ৫০ শতাংশ যোগ করে সুদ নেয়া হচ্ছে। এতে মোট সুদ হার ৩ শতাংশের মধ্যে থাকে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইডিএফ থেকে ঋণের সীমা বাড়ানোর বিষয়টি ছিল প্লাস্টিক খাতের ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি। ব্যবসায়ীদের যুক্তি হচ্ছে- এ খাতে চাহিদার সঙ্গে কাঁচামালের দামও বেড়েছে। এ কারণে ৫ লাখ ডলারে উদ্যোক্তাদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। ঋণের সীমা বাড়ানোকে স্বাগত জানিয়ে প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মো. জসিমউদ্দিন বলেন, এটি প্লাস্টিক খাতের জন্য সুখবর। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তের ফলে প্লাস্টিক খাতের রপ্তানি বাড়বে, বাড়বে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা। সমিতিতে তিন হাজারের বেশি সদস্য থাকলেও তাদের মধ্যে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা পাঁচশর মতো।
  • ইন্টারনেট ট্রেডিং মেলা করবে সিএসই
    স্টাফ রিপোর্টার : ইন্টারনেট ট্রেডিং মেলার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) পরিচালনা পর্ষদ।  বিনিয়োগকারীদের ঘরে বসে আইফোনের মাধ্যমে স্বাচ্ছন্দ্যে লেনদেন করার জন্য সিএসই এ মেলা করবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ সাজিদ হোসেন।সোমবার সিএসইর ঢাকা অফিসে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাজিদ হোসেন এ তথ্য জনান। সিএসইর এমডি বলেন, ‘অক্টোবর মাসের শেষের দিকে এ মেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিএসই। তবে মেলার ভেন্যু এখনো নির্ধারণ হয় নি। ভেন্যু নির্ধারণেরে কার্যক্রম চলছে।’  সাজিদ হোসেন বলেন, ‘মেলায় দর্শনার্থীরা স্মার্ট ফোন, আইপ্যাড অথবা ল্যাপটপের মাধ্যমে সিএসইসির টিম আইটিএস ট্রেডিং হাতে-কলমে দেখতে পারবেন। আইটিএস মেলায় সিএসইর ট্রেকহোল্ডার, বিভিন্ন আইটি কোম্পানি ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের স্টল থাকবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘পুঁজিবাজার সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বাড়াতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। দেশব্যাপী এ প্রচারণা ছড়িয়ে দিতে হবে। এতে শেয়ারবাজার সম্পর্কে সবাই জানতে পারবেন। সৈয়দ সাজিদ বলেন, খুব শিগগিরই পুঁজিবাজারে তিনটি নতুন সূচক চালু করবে সিএসই।এগুলো হচ্ছে-বেঞ্চমার্ক সূচক, আইপিও সূচক এবং শরীয়াহ সূচক।
  • আইপিও থেকে বাদ পড়ল ২০ কোম্পানি
    সিনিয়র রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনে নানা অসঙ্গতি বাড়ছে। পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণে তা ধরাও পড়ছে। যে কারণে আইপিও প্রক্রিয়া থেকে ২০টিকোম্পানিকে বাদ দিয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে কোম্পানিগুলোর আইপিও আবেদন ফেরত দেয়ার পাশাপাশি আর্থিক জরিমানাও করা হয়েছে।  তবে এখনো প্রায় ৪৫টি আইপিও প্রস্তাব কমিশনে জমা রয়েছে। নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আইপিও আবেদন ফেরত দেয়া হয়েছে বা অনুমোদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়েছে সেগুলো হলো— এলএসআই ইন্ডাস্ট্রিজ, এমএল ডায়িং, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, কেয়া কটন, কেয়া স্পিনিং মিলস, বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট, রয়েল ডেনিম, কমার্স ব্যাংক, সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং, আমান কটন ফেব্রিয়াস, এরিয়ান কেমিক্যালস, রিলায়েন্স ফিন্যান্স, সামিট শিপিং কোম্পানি, ইয়াকিন পলিমার, এনার্জি প্রিমা, আইটি কনসালট্যান্টস ও রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট। এছাড়া মেট্রোসেম সিমেন্ট ও করিম স্পিনিং মিলস কর্তৃপক্ষ নিজে থেকেই আইপিও প্রস্তাব ফিরিয়ে নিয়েছে। আর একই সঙ্গে প্লেসমেন্ট ও আইপিও আবেদন করায় দি একমি ল্যাবরেটরিজ কর্তৃপক্ষ প্রস্তাবটি ফিরিয়ে নেয়। এদিকে কমিশন থেকে আইপিও প্রস্তাব ফেরত দেয়া হলেও অধিকাংশ কোম্পানি পুনরায় সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিয়েছে। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাবে কোম্পানির জমিজমাসংক্রান্ত তথ্যে গরমিল, জাল দলিল, পরিচালকদের ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন অসঙ্গতির কারণে কোম্পানির আইপিও আবেদন ফেরত দিয়েছে বিএসইসি। এছাড়া দুর্বল মৌলভিত্তি ও পুরনো আর্থিক প্রতিবেদন দাখিলের কারণেও একাধিক কোম্পানির আইপিও প্রস্তাব ফেরত দেয়া হয়েছে। চাহিদামাফিক তথ্য প্রদানের ব্যর্থতার কারণেও কয়েকটি আইপিও আবেদন বিবেচনায় নেয়নি কমিশন। আবার তিনটি কোম্পানি নিজে থেকেই আইপিও প্রস্তাব ফেরত নিয়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং এবং আমান কটন কোম্পানি দুটি তাদের প্রদত্ত স্থায়ী সম্পদের তালিকার একটি অংশের  জাল দলিল প্রদান করে। এজন্য কমিশন উভয় কোম্পানিকে আর্থিক জরিমানাও করেছে। এছাড়া এই দুই কোম্পানির আইপিও প্রস্তাব ফেরত দেয়ার পাশাপাশি ইস্যু ম্যানেজার, সম্পদ পুনর্মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান এবং আর্থিক নিরীক্ষককেও আর্থিক জরিমানা করা হয়। ফাইবার সাইন নামক কোম্পানিটি আইপিও আবেদন জমা দেয়ার পর নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোম্পানিটির কাছে অতিরিক্ত তথ্য চেয়ে চিঠি দিলে কোম্পানিটি কোনো উত্তর দেয়নি। এ কারণে এর আইপিও আবেদন বাতিল করা হয়েছে। সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির দুই পরিচালক ঋণখেলাপি থাকায় তাদের বাদ দিয়ে নতুন করে আইপিও আবেদন করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু কোম্পানিটি নতুন করে আইপিও আবেদন জমা দিতে পারেনি। আর্থিক অস্বচ্ছতার কারণে রয়েল ডেনিম নামক কোম্পানির আইপিও আবেদন ফেরত দিয়েছে। কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্লান্ট হওয়ায় এনার্জি প্রিমা কোম্পানির আইপিও আবেদন বাতিল করা হয়েছে। কোম্পানিকে আরো অন্তত নয় বছরের জন্য বিদ্যুেকন্দ্র চালানো এবং সরকার বিদ্যুৎ কিনবে এমন চুক্তিপত্র আনার শর্ত দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কোম্পানিটি এ শর্ত পূরণ করতে পারেনি। বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের মালিকানা নিয়ে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিরোধ এবং এ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা থাকায় বিএসইসি এ কোম্পানির আবেদন বিবেচনায় নেয়নি। পরিশোধিত মূলধন স্বল্পতায় ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিটির আইপিও আটকে গেছে। এদিকে আইপিও প্রস্তাবে বিভিন্ন অসঙ্গতির দায়ে জরিমানা করা হলেও পরবর্তী সময়ে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিলে তিনটি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে কমিশন। এর মধ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন দাখিল করা প্রসপেক্টাসে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) সঠিকভাবে গণনা না করায় গত বছর সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডকে জরিমানা করে বিএসইসি। পরে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিলে কমিশন অর্থ সংগ্রহে কোম্পানিটির প্রস্তাবে সম্মতি দেয়। এর আগে জমাকৃত প্রতিবেদনে নানা অসঙ্গতি ও অসত্য তথ্য দেয়ায় এপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেডকে জরিমানা করা হলেও পরবর্তী সময়ে এর আইপিও প্রস্তাবে সম্মতি দেয় কমিশন। যদিও এর পর অর্থমন্ত্রীর পরামর্শে কিছু দিনের জন্য ওই আইপিও চাঁদা সংগ্রহ স্থগিত রাখা হয়। এছাড়া জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমিটেডের আইপিওর ক্ষেত্রেও প্রস্তাব ফেরত দেয়ার এক বছর পর শেয়ার ছেড়ে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান বলেন, বিভিন্ন অসঙ্গতির জন্য কোম্পানিগুলোর আইপিও প্রস্তাব কমিশন বিবেচনা করেনি। তবে অসঙ্গতি দূর হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সংশোধিত প্রসপেক্টাস জমা দেয়ার সুযোগ রয়েছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ফার কেমিক্যালে ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের ঘটনা ঘটেছে
     ফার কেমিক্যালের শেয়ারের দর অস্বাভাবিকহারে দরবৃদ্ধির ঘটনায় কারসাজির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে কারসাজি না হলেও কিছুটা ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের মতো বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটির তদন্ত কমিটি। কমিটির প্রতিবেদনে কয়েক ব্যক্তি বিনিয়োগকারী ও কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংক শেয়ারটি প্রচুর পরিমাণ লেনদেন করলেও তদন্তে সুনির্দিষ্ট কারসাজি পাওয়া যায়নি।তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৮ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত ফার কেমিক্যালের শেয়ার দর ৪৩ টাকা থেকে ৫৯.৪০ টাকায় উন্নীত হয়। এ স্বল্প সময়ে শেয়ারটির দর ৩৮.১৪ শতাংশ বেড়েছে। যা সন্দেহজনক বলে মনে করে বিএসইসি। ওই সময় পর্যন্ত স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যভুক্ত কয়েকটি স্টক ব্রোকার বা স্টক ডিলারদের কাছ থেকে ফার কেমিক্যালের লেনদেনে তথ্য নেয় তদন্ত কমিটি। ব্রোকার প্রতিষ্ঠানের নামগুলো হলো- প্রাইম ইসলামী সিকিউরিটিজ লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, আইডিএলসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আকিজ সিকিউরিটিজ লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, আইএফআইসি সিকিউরিটিজ লিমিটেড, সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড, তোবারক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ লিমিটেড, বিডিবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এনবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এমডি. ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও সালাম এ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড।তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মোহাম্মদ আবদুল হাই, গেটকো টেলিকমিউনিকেশন, এলএল ট্রেডিং কোম্পানি, গোলাম মোস্তফা, এটিএম হাফিজুল ইসলাম, খালেদ শামসুদ্দিন, মোঃ তারিকুল আলম ও মোঃ সাইফ আলী মামুন প্রচুর পরিমাণ (বাল্ক কোয়ান্টেটি) ফার কেমিক্যালের শেয়ার লেনদেন করেছেন। তবে এ সব ক্লায়েন্টের একে অপরের সঙ্গে কোন ধরনের সম্পৃক্ততা বা আন্তঃসংযোগ পাওয়া যায়নি। এরপরও শেয়ারটির দর অস্বাভাবিকহারে বেড়েছে। ফার কেমিক্যালের শেয়ার লেনদেনে কোন ধরনের কারসাজি পাওয়া না গেলেও, দর বাড়াতে শীর্ষ ক্রেতা-বিক্রেতাদের প্রচুর পরিমাণের লেনদেন বা কর্মকা ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের মতো বলে মনে করে তদন্ত কমিটি।প্রসঙ্গত, ৮ জুলাই উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে ফার কেমিক্যালের শেয়ারের লেনদেন ৪৫ টাকায় চালু হয়। দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ার ৫২.৬০ টাকায় লেনদেন হয়। ওই দিন ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। এরপর ৯ থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত শেয়ারটির দর ৪৯ থেকে ৫২ টাকায় লেনদেন হয়। পরবর্তী সময়ে ৩ আগস্ট শেয়ারটির দর ৫৯.৪০ টাকায় অবস্থান নেয়। ফলে শেয়ারটির দর ৩৮.১৪ শতাংশ বেড়ে যায়। এ সময়ের মধ্যে শেয়ারটি ন্যূনতম ৪৩ টাকা দরে লেনদেন হয়। কোন কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিক হারে শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছিল না। যা অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় ৩ আগস্ট শেয়ার দর বাড়ার কারণ অনুসন্ধানে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করে বিএসইসি। গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন- পরিচালক মোঃ আবুল কালাম ও সহকারী পরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • আরএসআরএমের শেয়ার বিওতে জমা
    সম্প্রতি আইপিওতে আসা রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিল লিমিটেডের (আরএসআরএম) শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে। বুধবার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।জানা যায়, কোম্পানিটি শেয়ার বিও হিসাবে জমার বিষয়টি ডিএসইকে নিশ্চিত করলে ম্যানেজমেন্ট লেনদেনের তারিখ নির্ধারণ করবে। সেক্ষেত্রে আগামী সপ্তাহে শেয়ারটির লেনদেন শুরু হতে পারে। এর আগে আইপিওতে রতনপুর স্টিলের ৫৮৯ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়ে। যা মোট আবেদনের প্রায় ছয়গুণ। কোম্পানিটির আইপিওতে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করার কথা ছিল।গত ১৩ জুলাই থেকে কোম্পানিটির আইপিওর আবেদন জমা নেয়া শুরু হয়। নিবাসী বিনিয়োগকারীরা ১৭ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করেন। আর অনিবাসী বাংলাদেশীরা তাদের আবেদন পৌঁছানোর জন্য ২৬ জুলাই পর্যন্ত সময় ছিল।গত ৬ মে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আরএসআরএমের আইপিও অনুমোদন দেয়। আইপিওতে কোম্পানিটি আড়াই কোটি শেয়ার ছাড়ে। প্রতি শেয়ারে ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ নেয়া হয় ৪০ টাকা। উত্তোলিত টাকা দিয়ে কোম্পানিটি চলতি মূলধন অর্থায়ন, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর খরচে ব্যয় করবে।এই কোম্পানির ইস্যুয়ার হিসেবে কাজ করছে জনতা ক্যাপিটাল এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং ট্রাস্ট ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • ২০ কোম্পানির আইপিও আবেদন ফেরত দিয়েছে বিএসইসি
    শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে বিভিন্ন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনে অসঙ্গতি বাড়ছে। এতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর আইপিও আবেদন ফেরত দেয়ার পাশাপাশি আর্থিক জরিমানাও করছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আইপিও আবেদনে বিভিন্ন ধরনের অসঙ্গতি থাকায় গত দুই বছরে প্রায় ২০টি কোম্পানির অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাবে অসম্মতি জানিয়েছে কমিশন। তবে পরে অসঙ্গতি দূর করে নতুন করে প্রস্তাব দেয়ার পর কোনো কোনো কোম্পানির আইপিও অনুমোদনও হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৪৫টি আইপিও প্রস্তাব কমিশনে জমা রয়েছে। নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাবে কোম্পানির জমিজমাসংক্রান্ত তথ্যে গরমিল, জাল দলিল, পরিচালকদের ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন অসঙ্গতির কারণে কোম্পানির আইপিও আবেদন ফেরত দিয়েছে বিএসইসি। এছাড়া দুর্বল মৌলভিত্তি ও পুরনো আর্থিক প্রতিবেদন দাখিলের কারণেও একাধিক কোম্পানির আইপিও প্রস্তাব ফেরত দেয়া হয়েছে। চাহিদামাফিক তথ্য প্রদানের ব্যর্থতার কারণেও কয়েকটি আইপিও আবেদন বিবেচনায় নেয়নি কমিশন। আবার তিনটি কোম্পানি নিজে থেকেই আইপিও প্রস্তাব ফেরত নিয়েছে।   প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত দুই বছরে যেসব কোম্পানির আইপিও আবেদন ফেরত দেয়া হয়েছে বা অনুমোদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়েছেম সেগুলো হলো— এলএসআই ইন্ডাস্ট্রিজ, এমএল ডায়িং, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, কেয়া কটন, কেয়া স্পিনিং মিলস, বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট, রয়েল ডেনিম, কমার্স ব্যাংক, সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং, আমান কটন ফেব্রিয়াস, এরিয়ান কেমিক্যালস, রিলায়েন্স ফিন্যান্স, সামিট শিপিং কোম্পানি, ইয়াকিন পলিমার, এনার্জি প্রিমা, আইটি কনসালট্যান্টস ও রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট। এছাড়া মেট্রোসেম সিমেন্ট ও করিম স্পিনিং মিলস কর্তৃপক্ষ নিজে থেকেই আইপিও প্রস্তাব ফিরিয়ে নিয়েছে। আর একই সঙ্গে প্লেসমেন্ট ও আইপিও আবেদন করায় দি একমি ল্যাবরেটরিজ কর্তৃপক্ষ প্রস্তাবটি ফিরিয়ে নেয়। এদিকে কমিশন থেকে আইপিও প্রস্তাব ফেরত দেয়া হলেও অধিকাংশ কোম্পানি পুনরায় সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিয়েছে।   কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং এবং আমান কটন কোম্পানি দুটি তাদের প্রদত্ত স্থায়ী সম্পদের তালিকার একটি অংশের জাল দলিল প্রদান করে। এজন্য কমিশন উভয় কোম্পানিকে আর্থিক জরিমানাও করেছে। এছাড়া এই দুই কোম্পানির আইপিও প্রস্তাব ফেরত দেয়ার পাশাপাশি ইস্যু ম্যানেজার, সম্পদ পুনর্মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান এবং আর্থিক নিরীক্ষককেও আর্থিক জরিমানা করা হয়। ফাইবার সাইন নামক কোম্পানিটি আইপিও আবেদন জমা দেয়ার পর নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোম্পানিটির কাছে অতিরিক্ত তথ্য চেয়ে চিঠি দিলে কোম্পানিটি কোনো উত্তর দেয়নি। এ কারণে এর আইপিও আবেদন বাতিল করা হয়েছে। সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির দুই পরিচালক ঋণখেলাপি থাকায় তাদের বাদ দিয়ে নতুন করে আইপিও আবেদন করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু কোম্পানিটি নতুন করে আইপিও আবেদন জমা দিতে পারেনি।   আর্থিক অস্বচ্ছতার কারণে রয়েল ডেনিম নামক কোম্পানির আইপিও আবেদন ফেরত দিয়েছে। কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্লান্ট হওয়ায় এনার্জি প্রিমা কোম্পানির আইপিও আবেদন বাতিল করা হয়েছে। কোম্পানিকে আরো অন্তত নয় বছরের জন্য বিদ্যুেকন্দ্র চালানো এবং সরকার বিদ্যুৎ কিনবে এমন চুক্তিপত্র আনার শর্ত দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কোম্পানিটি এ শর্ত পূরণ করতে পারেনি। বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের মালিকানা নিয়ে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিরোধ এবং এ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা থাকায় বিএসইসি এ কোম্পানির আবেদন বিবেচনায় নেয়নি। পরিশোধিত মূলধন স্বল্পতায় ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিটির আইপিও আটকে গেছে।   এদিকে আইপিও প্রস্তাবে বিভিন্ন অসঙ্গতির দায়ে জরিমানা করা হলেও পরবর্তী সময়ে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিলে তিনটি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে কমিশন। এর মধ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন দাখিল করা প্রসপেক্টাসে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) সঠিকভাবে গণনা না করায় গত বছর সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডকে জরিমানা করে বিএসইসি। পরে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিলে কমিশন অর্থ সংগ্রহে কোম্পানিটির প্রস্তাবে সম্মতি দেয়। এর আগে জমাকৃত প্রতিবেদনে নানা অসঙ্গতি ও অসত্য তথ্য দেয়ায় এপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেডকে জরিমানা করা হলেও পরবর্তী সময়ে এর আইপিও প্রস্তাবে সম্মতি দেয় কমিশন। যদিও এর পর অর্থমন্ত্রীর পরামর্শে কিছু দিনের জন্য ওই আইপিও চাঁদা সংগ্রহ স্থগিত রাখা হয়। এছাড়া জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমিটেডের আইপিওর ক্ষেত্রেও প্রস্তাব ফেরত দেয়ার এক বছর পর শেয়ার ছেড়ে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান বলেন, বিভিন্ন অসঙ্গতির জন্য কোম্পানিগুলোর আইপিও প্রস্তাব কমিশন বিবেচনা করেনি। তবে অসঙ্গতি দূর হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সংশোধিত প্রসপেক্টাস জমা দেয়ার সুযোগ রয়েছে।     Source : বণিক বার্তা
  • ডিএসইতে ১৪ মাসে সর্বোচ্চ লেনদেন
    দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। এদিন ডিএসইর লেনদেন আগের দিনের চেয়ে ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। আর অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (ডিএসই) গতকাল আগের দিনের চেয়ে অনেকটা লেনদেন বেড়েছে।   বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি এসেছে। এছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতের নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এতে গতকাল দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ অনেকটা শান্ত ছিল, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার করে। ফলে তারা লেনদেন বাড়িয়েছেন বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।    অন্যদিকে সতর্ক বিনিয়োগকারীরা দর অনুকূল পেয়ে শেয়ার কেনার পরিমাণ বাড়িয়েছেন। অবশ্য এক্ষেত্রে তারা ব্যাংকের শেয়ারে ঝুঁকেছেন। গতকাল ব্যাংকিং খাতের ৩০ কোম্পানির মধ্যে তিনটির কমেছে, সাতটির অপরিবর্তিত ছিল ও বাকিগুলোর দর বেড়েছে। তবে আগের দিনের মতো লেনদেনে বেশি অবদান ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের। তবে গতকালও ডিএসইতে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির দর কমেছে। মূলত একটি খাত ঘিরে নয়, বিভিন্ন খাতের ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির দিকেই বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ তৈরি হয়েছে। এতে গত সাত কার্যদিবসের মধ্যে মাত্র একদিন দর সংশোধন হয়েছে বাজারে।    বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক লেনদেনের শুরু থেকেই ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ সূচক বৃদ্ধি পায়। ডিএসইএক্স মূল্যসূচক ৩৮.৯৯ পয়েন্ট বেড়ে দিন শেষে দাঁড়ায় ৪৭৯৮.৩৯ পয়েন্টে, যা গত সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ডিএস-৩০ সূচক বাড়ে ২০.৮৯ পয়েন্ট ও শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস বাড়ে ১০ পয়েন্ট। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক ১২২ পয়েন্ট বেড়ে ১৪৮২০ পয়েন্টে ওঠে। সেরা কোম্পানি নিয়ে তৈরি সূচক সিএসই-৩০ বাড়ে ৬০ পয়েন্ট।   ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হওয়া ৩০০টি সিকিউরিটিজের মধ্যে বাড়ে ১৩১টির, কমে ১৩৩টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৩৬টির। লেনদেন হওয়া ১৯ কোটি ৫৩ লাখ ৭১ হাজার ৪১৭টি সিকিউরিটিজের বাজারদর ছিল ৯৬৬ কোটি ৪২ লাখ ৬১ হাজার টাকা। এদিকে সিএসইতে ২২৭টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দর বাড়ে ৯৫টির, কমে ৯৫টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৩৭টির। মোট ৬০ কোটি ৭৯ লাখ টাকার সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়।   ডিএসইতে লেনদেনে এগিয়ে থাকা ১০ কোম্পানি হলো— গ্রামীণফোন, মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট, বেক্সিমকো ফার্মা, বিএসআরএম স্টিল, লাফার্জ সুরমা, বেক্সিমকো লিমিটেড, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এসিআই ফর্মুলেশনস, গোল্ডেন সন ও ইউনিক হোটেল।দরবৃদ্ধিতে এগিয়ে থাকা ১০ কোম্পানি হলো— এসিআই ফর্মুলেশনস, মডার্ন ডায়িং, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, আনলিমা ইয়ার্ন, অ্যাক্টিভ ফাইন, এসিআই লিমিটেড, জিপিএইচ ইস্পাত, ব্র্যাক ব্যাংক, দ্বিতীয় আইসিবি মি ফা. ও ইউনিক হোটেল। বেশি দর হারানো ১০ কোম্পানি হলো— মোজাফফর হুসাইন স্পিনিং, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা পিইটি, আইসিবি ইসলামিক, সুহূদ, বিডি অটোকারস, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড, প্রাইম লাইফ, লিবরা ইনফিউশন ও সিভিও পিআরএল।     Source : বণিক বার্তা
  • আইসিবি এএমসিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড - মেয়াদ শেষ ২৮ ডিসেম্বর
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আইসিবি এএমসিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২৮ ডিসেম্বর। ২৯ ডিসেম্বর থেকে শেয়ারবাজারে ফান্ডটির লেনদেন বন্ধ হয়ে যাবে। তবে ফান্ডটিকে বে-মেয়াদি ফান্ড থেকে তালিকাচ্যুত করে মেয়াদি ফান্ডে রূপান্তর করা হতে পারে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।এদিকে ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটি বিএসইসির অনুমতিসাপেক্ষে বে-মেয়াদি ফান্ডকে মেয়াদি ফান্ডে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ কারণে কমিটি তিন-চতুর্থাংশ ইউনিটহোল্ডারের সম্মতির জন্য অতিরিক্ত সাধারণ সভা করবে। তবে সভার সময়, তারিখ এবং স্থান এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।   এদিকে ডিএসইতে গতকাল আইসিবি এএমসিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের দর কমেছে ৭ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বা ১ টাকা ১০ পয়সা। দিনভর দর ১৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১৫ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৪ টাকা ৫০ পয়সায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ১৪ টাকা ৬০ পয়সা। এদিন ১১৮ বারে ফান্ডটির মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ইউনিট লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ১৪ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৮ টাকা ৬০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ১৪ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২২ টাকা ৮০ পয়সা।এ ফান্ডের পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকা আর ইউনিটসংখ্যা ১ কোটি। প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও মার্কেট লট ৫০০ ইউনিটে। মোট ইউনিটের মধ্যে ১ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক ও ৯৯ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে। এর রিজার্ভের পরিমাণ ৩ কোটি ১ লাখ টাকা।       Source : বণিক বার্তা
  • সাফকো স্পিনিংসের রাইট শেয়ারের আবেদন নাকচ
      সাফকো স্পিনিংসের রাইট শেয়ার ইস্যুর আবেদন নাকচ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় হিসাবমান উপেক্ষা করে আর্থিক প্রতিবেদন তৈরির করায় কোম্পানিটিকে রাইট শেয়ার ছেড়ে মূলধন বাড়াতে সম্মতি দেয়নি বিএসইসি। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।এর আগে গত ১০ মার্চ দুটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে তিনটি রাইট শেয়ার ছাড়ার ঘোষণা দেয় কোম্পানিটি। প্রতিটি রাইট শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১০ টাকা। রাইট শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে গত ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নেয়া হয়। কিন্তু রাইট শেয়ারের জন্য প্রস্তুতকৃত আর্থিক প্রতিবেদন যথানিয়মে তৈরি করা হয়নি বলে বিএসইসি আবেদন নাকচ করে দিয়েছে।   বিএসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোম্পানিটি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (রাইট ইস্যু) রুলস ২০০৬-এর ৩(ই) ধারা পরিপালনে ব্যর্থ হয়েছে। রাইট ইস্যু রুলসের ৩(ই) ধারায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক হিসাবমান (আইএএস) ও আন্তর্জাতিক নিরীক্ষামান (আইএসএ) অনুযায়ী আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। অন্যথায় ইস্যুয়ার (কোম্পানি) রাইট শেয়ার ছাড়তে পারবে না।   এদিকে ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে ১ দশমিক ৬১ শতাংশ বা ৫০ পয়সা। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৩১ টাকা ৫০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সর্বশেষ দর ছিল ৩১ টাকা ১০ পয়সা। এদিন ৪৮৩ বারে এ কোম্পানির মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫০০ শেয়ার লেনদেন হয়।   সর্বশেষ প্রকাশিত অর্ধবার্ষিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৫৩ পয়সা। এর আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ১ কোটি ১২ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৪৬ পয়সা। অন্যদিকে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।         Source : বণিক বার্তা
  • ‘জেড’ ক্যাটাগরির মডার্ন ডায়িংয়ের দর ঊর্ধ্বমুখী
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানি মডার্ন ডায়িংয়ের শেয়ারের দর গতকাল বেড়েছে ৯ দশমিক ৯১ শতাংশ। কোম্পানিটির অবস্থান ছিল দরবৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয়। দুর্বল মৌলভিত্তির এ শেয়ারের দরবৃদ্ধির পেছনে কোনো কারণ খুঁজে পাননি বাজারসংশ্লিষ্টরা।   ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর ৮০ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৮১ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৮১ টাকায়, দিন শেষে দাঁড়ায় ৮০ টাকা ৯০ পয়সায়। এদিন পাঁচবারে এ কোম্পানির মোট ৩০০ শেয়ার লেনদেন হয়। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ৮৫ টাকা ৩০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ৯৪ টাকা ৬০ পয়সা।   জানা গেছে, কোম্পানিটির কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে কারখানা ভাড়ার মাধ্যমে চলছে এর খরচ। ভাড়া থেকেই কোম্পানিটির মুনাফা হচ্ছে। সর্বশেষ প্রকাশিত কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কর-পরবর্তী নেট মুনাফার পরিমাণ ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ২১ পয়সা।ভাড়ার টাকা থেকেই কোম্পানিটি ২০১৩ সালে ৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করে। তবে উৎপাদন বন্ধ থাকায় ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। ২০১৩ সালে কোম্পানিটির নেট মুনাফা হয় ৯ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ২৫ পয়সা।     Source : বণিক বার্তা
  • সিভিও পেট্রোর কাছ থেকে তেল কিনবে পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ৩০ হাজার টন পেট্রোল ও ডিজেল কিনবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। এজন্য উভয়পক্ষের মধ্যে সোমবার বিপিসির বোর্ড রুমে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিতে বিপিসির পক্ষে স্বাক্ষর করেন কোম্পানির সচিব দীপক চক্রবর্তী এবং সিভিওর পক্ষে কোম্পানির চেয়ারম্যান শামসুল আলম শামীম।বিপিসির চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান বলেন, দেশে বছরে পেট্রোল ও জ্বালানি তেলের চাহিদা ৫২ লাখ থেকে ৫৪ লাখ টন। সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ৩০ হাজার টন পেট্রোল ও ডিজেল কেনার চুক্তি হচ্ছে। তাদের কাছে থেকে ৮৫ টাকা লিটারে পেট্রোল কেনা হবে। সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেডের চেয়ারম্যান শামসুল আলম শামীম বলেন, আমাদের কোম্পানির অর্ধেক মালিকানা সাধারণ জনগণ (শেয়ারহোল্ডার)। গুণগতমানের দিকে আমরা সবসময় গুরুত্ব দিয়ে থাকি। জানা গেছে, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল প্রতিবছর ৫০ হাজার এবং প্রতিদিন ১৫০ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন কনডেনসেট (গ্যাস ফিল্ডের নির্গত তরল) ফ্লাকশনেশন প্ল্যান্ট স্থাপন করে গত বছরের নবেম্বর মাসে। উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত চিটাগাং ভেজিটেবল অয়েল (সিভিও) ২০১০ সালে সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি লিমিটেডে রূপান্তরিত হয়। এর আগে চিটাগাং ভেজিটেবল অয়েল ফুলকপি সয়াবিন তেল, গোল্ড কাপ ঘিসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করত।   Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • পুঁজিবাজারে একদিনে লেনদেন বেড়েছে ২৫ শতাংশ
    দরপতনের একদিনের ব্যবধানেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। সোমবারে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার প্রবণতা থাকলেও পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন কমলেও মঙ্গলবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই উর্ধমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর চাহিদা ও লেনদেন বৃদ্ধির দিনটিতে প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন বেড়েছে ২৫ শতাংশ। সেখানকার প্রধান সূচকটি বেড়েছে ১ শতাংশের বেশি। তবে সেই তুলনায় বাছাই তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর চাহিদা বেশি থাকায় বাছাই সূচকটি বেশি বেড়েছে। মূলত বড় কোম্পানির দর বাড়ার কারণে একদিনে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেশিরভাগ কোম্পানির দর কমলেও বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর দরবৃদ্ধির কারণে সকাল থেকেই লেনদেন চাঙ্গাভাব দেখা দেয়। সারাদিনে ডিএসইতে ৮৩৬ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর আগের দিন এ বাজারে লেনদেন হয়েছিল ৬৬৮ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ১৬৭ কোটি টাকার শেয়ার।সকালে সূচকের ইতিবাচক প্রবণতা দিয়ে লেনদেন শুরুর পরে মঙ্গলবার ডিএসই প্রধান মূল্যসূচক বা ডিএসইএক্স সূচক ৪৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৭৫৯ পয়েন্টে। আর ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ১৫ পয়েন্ট অবস্থান করছে এক হাজার ১২৬ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৫৮ পয়েন্টে।দিনটিতে ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩০১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৪টি কোম্পানির, আর দর কমেছে ১৩৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫০টির। বড় ধরনের কোম্পানিগুলোর দরবৃদ্ধি বাজারের গভীরতা বাড়িয়েছে দিনটিতে। মঙ্গলবারে ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা। সোমবারে ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা।বেক্সিমকো ফার্মার প্রাধান্যের দিনে ডিএসইতে ওষুধ এবং রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলোর বেশি লেনদেন হয়েছে। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৬৪ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের প্রায় ২০ ভাগ। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাতের কোম্পানি। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৪৪ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৭ দশমিক ৩৭ ভাগ। এরপর তৃতীয় অবস্থানে ছিল জ্বালানি এবং শক্তি খাতের কোম্পানিগুলো। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৩ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ২৪ ভাগ।ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো- বেক্সিমকো ফার্মা, বিএসআরএম স্টিল, মবিল যমুনা বিডি, বেক্সিমকো, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এসিআই, এসিআই ফরমুলেশন, গ্রামীণফোন এবং আইডিএলসি।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো- এসিআই ফর্মূলেশন, আনলিমা ইয়ার্ন, ডেলটা লাইফ, আরডি ফুড, বেক্সিমকো ফার্মা, জিপিএইচ ইস্পাত, মবিল যমুনা বিডি, এসিআই, সামিট পোর্ট এলায়েন্স ও বিএসআরএম স্টিল।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো- বিডি বিল্ডিং সিস্টেম, ইস্টার্ন হাউজিং, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস লিমিটেড, আইএসএন, আইসিবি সোনালী ১ মিউচুয়াল ফান্ড, মেঘনা কনডেনম্স মিল্ক, খুলনা প্রিন্টিং এ্যান্ড প্যাকেজিং মিলস লিমিটেড, ডেফোডিল কম্পিউটার, সাফকো স্পিনিং এবং ফার কেমিক্যাল।ঢাকার মতো দেশের অপর বাজার চট্টগ্রামেও বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখা গেছে। দিনটিতে আগের বেশিরভাগ কোম্পানি দরও বেড়েছে। সারাদিন সূচকের ওঠানামা শেষে সিএসইর সার্বিক সূচক ১৫৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ৬৯৭ পয়েন্টে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৩৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ১৩৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো- বেক্সিমকো, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সিমকো ফার্মা, ইউনাইটেড এয়ার, ডেল্টা লাইফ, গ্রামীণফোন, মবিল যমুনা বিডি, সুহৃদ ইন্ডাস্টিজ এবং স্কয়ার ফার্মা।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • কারসাজির প্রমাণ মেলেনি শাহজিবাজার পাওয়ারের লেনদেনে
     শীঘ্রই চালু হচ্ছে অস্বাভাবিকভাবে দরবৃদ্ধির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির লেনদেন। তবে কবে কোম্পানিটির লেনদেনের ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হবে তা সঠিকভাবে জানা যায়নি। এর আগে বাজার নিয়ন্ত্রক বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে পাওয়ারের দর অস্বাভাবিকহারে বাড়ার পেছনে কারসাজি প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এতে বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীরা আইনের মধ্য থেকেই কোম্পানিটির শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করেছেন।জানা গেছে, কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) ০.৭১ টাকা বেড়ে যাওয়ার কারণে শেয়ারটির চাহিদা বেড়েছে। যা দর বাড়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে বলে এই সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি।তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার দর ৯৫.৬২ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ের মধ্যে শেয়ারটির শীর্ষ ক্রেতাদের তালিকায় রয়েছেন শাহেদ সিকিউরিটিজের আলেয়া বেগম। তিনি ৬ লাখ ৫০ হাজার ২০০ শেয়ার কিনে প্রথম অবস্থানে রয়েছেন। এছাড়া শার্প সিকিউরিটিজের মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া, শাহেদ সিকিউরিটিজের আলী আকবর, প্রাইম ইসলামী সিকিউরিটিজের গেটকো টেলিকমিউনিকেশন, এআইবিএল ক্যাপিটাল মার্কেট সার্ভিসেসের গোলাম মোস্তফা, পপুলার ইক্যুইটিস লিমিটেডের মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া ও নার্গিস আক্তার, সিটি ব্রোকারেজের মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেডের হাবিবুর রহমান, আইএফআইসি সিকিউরিটিজের ইয়াকুব আলী খন্দকার ও ম ল সিকিউরিটিজের ম ল ফেব্রিক্স লিমিটেড ক্রমানুযায়ী স্থান দখল করেছে। একইভাবে একই শেয়ারের শীর্ষ বিক্রেতার তালিকায় রয়েছেন শাহেদ সিকিউরিটিজের আলেয়া বেগম, শার্প সিকিউরিটিজের মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া, শাহেদ সিকিউরিটিজের আলী আকবর, রেমন্স ইনভেস্টমেন্ট এ্যান্ড সিকিউরিটিজের দেলোয়ার হোসেন, ম ল সিকিউরিটিজের ম ল ফেব্রিক্স লিমিটেড, আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের বাংলাদেশ ফান্ড, এআরসি সিকিউরিটিজের সুজন আহমেদ খান, পপুলার ইক্যুইটিস লিমিটেডের মোজাম্মেল হক ও নার্গিস আক্তার, শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেডের হাবিবুর রহমান বিক্রির শীর্ষে ছিলেন। তবে এই শীর্ষ ক্রেতা-বিক্রেতার নিজেদের মধ্যে কোন যোগাযোগ বা যোগসূত্র তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসেনি।তবে শার্প সিকিউরিটিজ লিমিটেডের পরিচালক হওয়া সত্ত্বেও শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার কিনতে মোজাম্মেল হক ভূঁইয়াকে অনৈতিক ঋণ সুবিধা দেয়া হয়েছে। সিকিউরিটিজ আইনানুসারে, ব্রোকারেজ হাউসের কোন পরিচালক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ সুবিধা নিতে পারেন না। কিন্তু গত ১৫ জুলাই ৫ লাখ ২০০টি শেয়ার কিনতে তাকে ঋণ সুবিধা দিয়েছে শার্প সিকিউরিটিজ। ফলে বিএসইসির ২০১০ সালের ২২ জুলাইয়ের নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত শাহজিবাজার পাওয়ারের উদ্যোক্তা বা পরিচালকরা কোন ধরনের শেয়ার লেনদেন করেনি বলে বিএসইসির তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। এ ছাড়া গত ১৫ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত কোম্পানিটির অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোরও কোন ধরনের শেয়ার কেনাবেচার ঘোষণা পায়নি বিএসইসি।শাহজিবাজার পাওয়ারের কর্মকর্তাদের ধারণ করা শেয়ার লেনদেনের তথ্য পর্যবেক্ষণ করেছে বিএসইসির গঠিত তদন্তর কমিটি। গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তাদের ধারণ করা শেয়ার অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে।এ ছাড়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) গঠিত তদন্ত কমিটি শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে বিএসইসিকে জানিয়েছে, তদন্ত কার্যক্রম চলাকালীন কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেনে সক্রিয় ছিলেন বৃহৎ সংখ্যক বিনিয়োগকারী। তাঁদের শেয়ার লেনদেনে কোন ধরনের কারসাজি পরিলক্ষিত হয়নি। তবে ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত প্রতিবেদনে ইপিএস বেশি আসার কারণে শেয়ারটির চাহিদা বেড়েছে। যা দর বাড়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি গত ৮ জুলাই শাহজিবাজার পাওয়ারকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয় ডিএসই। পরবর্তী সময়ে ১৫ জুলাই সেকেন্ডারি মার্কেটে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন চালু করে। ডিএসইতে তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটির জনসম্মুখে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে কোন ধরনের ব্যত্যয় ঘটেনি।উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই সেকেন্ডারি মার্কেটে শাহজিবাজার পাওয়ারের লেনদেন চালু হয়। ওই সময় থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারের দর ৩৬.৫০ টাকা থেকে ৫৮.৭০ টাকায় উন্নীত হয়। এ সময়ের মধ্যে শেয়ারটির দর প্রায় ৭০ শতাংশ বেড়েছে। পরবর্তী সময়ে ৫ আগস্ট পর্যন্ত শেয়ারটির দর প্রায় ৯৬ শতাংশ বাড়ে। কোন কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিক হারে শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছিল না। যা অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় গত ৩ আগস্ট শেয়ার দর বাড়ার কারণ অনুসন্ধানে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করে বিএসইসি। গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন- উপ-পরিচালক মোঃ ইউসুফ ভূঁইয়া ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রকিবুর রহমান।দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে ১১ আগস্ট শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে ডিএসইকে জানায় শাহজিবাজার পাওয়ার। ওই দিনই তদন্তের স্বার্থে এ শেয়ারের লেনদেন বন্ধ করে দেয় ডিএসই। পরবর্তী সময়ে সার্বিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করে ২৫ আগস্ট কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করে। তবে এখন পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছে।এ বিষয়ে বিএসইসির দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মোঃ সাইফুর রহমান বলেন, তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করেছে। কমিশন বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। তদন্ত কার্যক্রম এখনও প্রক্রিয়াধীন থাকায় কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন স্থগিত রেখেছে ডিএসই।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • লেনদেন ৯০০ কোটি টাকার কাছাকাছি
    টানা তৃতীয় দিনে গতকাল মঙ্গলবারও দেশের উভয় শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। যদিও অন্যান্য দিনের মতো গতকালও লেনদেন শুরু হয়েছিল বেশিরভাগ শেয়ারের দরবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে।   এদিকে বেশিরভাগ শেয়ারের দর কমলেও সোমবারের মতো গতকালও উভয় শেয়ারবাজারের মূল্যসূচক ও শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণ বেড়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক (ডিএসই-এক্স) ১ শতাংশ বা ৪৯ পয়েন্ট বেড়ে ৪৭৫৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর প্রধান মূল্যসূচক (নির্বাচিত খাত) প্রায় পৌনে এক শতাংশ বা ৬৩ পয়েন্ট বেড়ে ৮৮৬৩ পয়েন্টে উঠেছে।   উভয় শেয়ারবাজারে এদিন সর্বমোট ৮৮৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়, যা সোমবারের তুলনায় ১৭৯ কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে ডিএসইতে আজ ৮৩৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা মূল্যের এবং সিএসইতে ৫৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়েছে।   প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩০১ কোম্পানির শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে ১১৪টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৩৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫০টির দর। আর অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩৩ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৭০টির দর বেড়েছে। বিপরীতে ১৩৩টির দর কমেছে এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩০টির দর। ডিএসইর খাতওয়ারি লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রায় সব খাতেই শেয়ারদর ওঠানামায় মিশ্রাবস্থা দেখা গেছে। কেবল ব্যাংক, প্রকৌশল, ওষুধ ও রসায়ন খাতের দরহ্রাস পাওয়া কোম্পানির শেয়ার সংখ্যার তুলনায় দরবৃদ্ধি পাওয়া শেয়ারের সংখ্যা ছিল কিছুটা বেশি। এই তিন খাতের ৩৯ কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে ২৭টির দর কমেছে। অন্য সব খাতেই দরহ্রাস পাওয়া শেয়ার সংখ্যা ছিল বেশি। বিশেষত বস্ত্র খাতের ৭ কোম্পানির শেয়ারের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ২৩টিরই দর কমেছে।   সার্বিকভাবে নেতিবাচক প্রবণতা সত্ত্বেও ডিএসইতে এসিআই ফর্মুলেশন, আনলিমা ইয়ার্ন, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, জিপিএইচ ইস্পাত, রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুডস এবং ডেলটা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির শেয়ার দিনের সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ দরে কেনাবেচা হয়েছে। এসব শেয়ারের ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে।   সর্বাধিক ৭ শতাংশ দর হারিয়ে রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স ছিল দরপতনের শীর্ষে। গতকাল কোম্পানিটির সর্বশেষ শেয়ার লেনদেন হয় ৬২ টাকা দরে। দরপতনে এর পরের অবস্থানে ছিল মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, ইনফরমেশন সার্ভিসেস, সাফকো স্পিনিং, মোজাফফর হোসেইন স্পিনিং মিলস। এসব শেয়ারের দর সোয়া ৫ শতাংশ থেকে প্রায় পৌনে ৭ শতাংশ কমেছে।   এ ছাড়া গতকাল ডিএসইতে খাতওয়ারি লেনদেনের শীর্ষে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। খাতটির লেনদেন হওয়া ২৬ কোম্পানির সর্বাধিক প্রায় ১৬ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়। এর পরের অবস্থানে প্রকৌশল খাতের ২৬ কোম্পানির ১৪৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ১৬ কোম্পানির ৯৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার লেনদেন ছিল উল্লেখযোগ্য।   একক কোম্পানি হিসেবে লেনদেনের শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। আজ ডিএসইতে এ কোম্পানির ৫৬ কোটি ৫ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়। লেনদেনে এর পরের অবস্থানে ছিল_ বিএসআরএম স্টিল (৫৪.৫৭ কোটি টাকা), মবিল যমুনা বাংলাদেশ (৪৫.৫২ কোটি টাকা), বেক্সিমকো লিমিটেড (৪৫.১৮ কোটি টাকা), লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট (৩৪.১৩ কোটি টাকা)।       Source :  সমকাল রিপোর্ট
  • ১০০ টাকার শেয়ার ১০ টাকা মূল্য রেখে বিল পাস
    ১০০ টাকার শেয়ারকে ১০ টাকায় রূপান্তরের সুযোগ রেখে সংসদে পাস করা হলো ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) বিল-২০১৪। গতকাল জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলটির ওপর জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়। চলতি অধিবেশনের প্রথম দিন পহেলা সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। উত্থাপনের পর বিলটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।    বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সংসদে বিলের ওপর প্রতিবেদন উত্থাপন করেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. আবদুর রাজ্জাক। পাস হওয়া বিলের ১৮ দফায় বলা হয়েছে, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)-এর অনুমোদিত শেয়ার মূলধন হবে এক হাজার কোটি টাকা, যা প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের ১০০ কোটি সাধারণ শেয়ারে বিভক্ত থাকবে। তবে সরকার সময়ে সময়ে শেয়ার মূলধন বাড়াতে পারবে। করপোরেশনের পরিশোধিত মূলধন হবে ৪২১ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা সময়ে সময়ে সরকারের অনুমোদন নিয়ে বাড়ানো যাবে।    করপোরেশনের শেয়ার মূলধন সরকারিভাবে ২৭ শতাংশ, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ২৪ শতাংশ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি ও জনসাধারণ কর্তৃক ৪৯ শতাংশ হারে সংগৃহীত হবে। বিলে বলা হয়েছে, সরকার মনোনীত একজন চেয়ারম্যান, একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাতজন পরিচালক নিয়ে করপোরেশনের বোর্ড গঠন করা হবে। চেয়ারম্যান ও তিনজন পরিচালককে সরকার মনোনীত করবে। চারজন পরিচালক শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। আরও বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি নিজের নামে বা যে প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তিনি প্রতিনিধিত্ব করেন ওই প্রতিষ্ঠানের নামে করপোরেশনের কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা অভিহিত মূল্যের দায়মুক্ত শেয়ার ধারণ না করেন, তাহলে তিনি পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হতে পারবেন না বা পরিচালক হিসেবে নির্বাচনের যোগ্য বিবেচিত হবেন না।    বিলের ১৬ দফায় বলা হয়েছে, করপোরেশন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩ এবং ডিপোজিটরি আইন ১৯৯৯ অনুযায়ী ব্যবসা, লেনদেন ও কাজ পরিচালনা করতে পারবে। ১৭ দফায় বলা আছে, করপোরেশন সব অথবা অধিকাংশ শেয়ার ধারণ করে অধীনস্থ কোম্পানি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন করতে পারবে এবং এ কোম্পানির নিজস্ব পরিচালনা বোর্ড থাকবে। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৬ সালে ইংরেজিতে প্রণীত আইসিবি অধ্যাদেশটি বাংলা ভাষায় রূপান্তরপূর্বক যুযোপযোগী করে এ আইনটি প্রণয়নের ফলে প্রজাতন্ত্রের কর্মের ধারাবাহিকতা, আইনের শাসন এবং জনগণের আইনানুগ অধিকারসমূহ জনস্বার্থে বহাল ও অক্ষুণ্ন থাকবে। এ ছাড়া স্টক এঙচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিফর্ম অভিহিত মূল্য অর্থাৎ টাকা মূল্য চালুকরণে আইসিবি কমিশনের আদেশ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।     Source : মানবব্জমিন
  • বাজার সৃষ্টিকারীকে বৈধ শর্টসেলের সুযোগ দিতে সিএসইর প্রস্তাব
    বাজার সৃষ্টিকারী বা মার্কেট মেকারকে বৈধ শর্টসেলের সুযোগ দিয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বাজার সৃষ্টিকারী) বিধিমালা, ২০০০ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। সম্প্রতি শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) এ-সংক্রান্ত একটি সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।   চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেডিং রেগুলেশন, ২০০৫ অনুসারে স্টক ব্রোকার ও ডিলার প্রয়োজনে শর্টসেল করতে পারে। আর এ ধরনের শর্টসেল মূলত একটি লেন্ডিং-বোরিং এগ্রিমেন্ট। আর পূর্বানুমতি নিয়েই এ শর্টসেল করা যায়। সিএসইর বর্তমান নীতিমালা অনুসারে স্টক ব্রোকার ও ডিলার নিজস্ব এবং ক্লায়েন্ট হিসাব থেকে এ ধরনের শর্টসেল করতে পারে।বাজার সৃষ্টিকারী মূলত শেয়ারদরের বড় উত্থান-পতন ঠেকাতে কাজ করবে। বাজারে অত্যধিক ক্রয়চাপ ও বিক্রয়চাপ সামাল দিয়ে বাজারে ভারসাম্য রক্ষা করবে। মুনাফা করার উদ্দেশ্য থেকে বাজার সৃষ্টিকারী শর্টসেল করতে পারবে না। এক্ষেত্রে সিএসইর নীতিমালা অনুসারে বাজার সৃষ্টিকারীর জন্য শর্টসেল বৈধ করা যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।বাজার সৃষ্টিকারী নীতিমালা সংশোধনের ক্ষেত্রে বাজার সৃষ্টিকারী যেন বৈধভাবে শর্টসেল করতে পারে— এমন বিধান অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশে আরো বলা হয়, প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশে বাজার সৃষ্টিকারীদের জন্য এ ধরনের শর্টসেলের বৈধতা রয়েছে।   এছাড়া মালয়েশিয়ার প্রেক্ষাপট অনুসারে বিদেশী সিকিউরিটিজ ও ডেরিভেটিভস ব্রোকারদের বাজার সৃষ্টিকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করার অনুমতি দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে মার্চেন্ট ব্যাংক, তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার হিসেবে সনদপ্রাপ্ত কোম্পানি বাজার সৃষ্টিকারী হিসেবে কাজ করতে পারে।বাজার সৃষ্টিকারীর ন্যূনতম ক্রয়-বিক্রয় আদেশ ১ লাখে উন্নীত করতে সুপারিশ করা হয়েছে। বিদ্যমান আইনে এর পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা। মূলত সংশ্লিষ্ট আইনটি ২০০০ সালের। এতে বর্তমান বাজার প্রেক্ষাপট চিন্তা করে আদেশের পরিমাণ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে সিএসই।   বিদ্যমান আইন অনুসারে, বাজার সৃষ্টিকারী কমিশনের নির্ধারিত সমপরিমাণ টাকার সিকিউরিটিজ প্রতিদিন লেনদেন করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে ধারাটি সংশোধন করে নির্ধারিত অঙ্ক ৩০ লাখ টাকায় নির্ধারণ করতে সুপারিশ করেছে সিএসই।বাজার সৃষ্টিকারী স্টক এক্সচেঞ্জে সময়মতো লেনদেন ফিস প্রদান করবে। এক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে বিশেষ ফিস আংশিক ছাড় দিতে পারবে। এমন একটি নতুন বিধান যুক্ত করতে সুপারিশ করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাজার সৃষ্টিকারীকে উত্সাহী করতে স্টক এক্সচেঞ্জ প্রণোদনা দিয়ে থাকে। তাই বাজারের স্বার্থে এ ধরনের বিধান সংযুক্ত করা যেতে পারে।বাজার সৃষ্টিকারীর ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ১০ লাখ টাকার সুপারিশ করেছে সিএসই। এছাড়া ন্যূনতম নেট মূলধন ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। বাজারের তারল্য বজায় রাখতে এ সুপারিশ করছে সিএসই। এছাড়া বাজারে প্রতিটি সিকিউরিটিজের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচজন বাজার সৃষ্টিকারী থাকতে পারবেন, এমন একটি নির্দেশনা জারি করতেও সুপারিশ করছে সিএসই।   বাজার সৃষ্টিকারীর অন্যান্য কার্যক্রম ও মার্কেট মেকার কার্যক্রম আলাদা রাখার সুপারিশ করেছে সিএসই। এক্ষেত্রে বাজার সৃষ্টিকারীর আলাদা আইডি নম্বর, আলাদা লেজার হিসাব সংরক্ষণ, আলাদা ক্লিয়ারিং হিসাব খোলা ও ব্যবস্থাপনা করতে হবে। এছাড়া বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় ‘এ’ ও ‘এন’ ক্যাটাগরির শেয়ারে বাজার সৃষ্টিকারী কার্যক্রম চলতে পারে বলে সিএসইসি সুপারিশ করেছে।   প্রসঙ্গত, বাজারের স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে বাজারে সৃষ্টিকারী ভূমিকা পালন করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অস্বাভাবিক পতন ও উত্থান রোধে বাজারে সৃষ্টিকারী রয়েছে। বর্তমান আইন অনুসারে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে নির্ধারিত পৃথক ট্রেডিং ব্যবস্থার মাধ্যমে বাজার সৃষ্টির জন্য কোনো অনুমোদিত সিকিউরিটি ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে। বিএসইসি স্টক এক্সচেঞ্জ বা বাজার সৃষ্টিকারী নিজ উদ্যোগে তালিকা তৈরি করবে। তবে বিএসইসির অনুমোদন নিতে হবে।এদিকে বর্তমানে এ বিষয়ে আইন থাকলেও বাজার সৃষ্টিকারী নেই। শেয়ারবাজারের মন্দা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ও বড় ধস ঠেকাতে যাচাই-বাছাই করে মার্কেট মেকার তৈরি করা দরকার বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।     Source : বণিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • DSE NEWS

    Withdrawal of Authorized Representative: ICB Securities Trading Company Limited, DSE TREC No. 129, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Mohammad Saidul Islam, with immediate effect.

  • DSE NEWS

    Withdrawal of Authorized Representative: IDLC Securities Ltd., DSE TREC No. 58, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Saif Uddin Ansary, with immediate effect.

  • DSE NEWS

    Withdrawal of Authorized Representatives: Bank Asia Securities Limited, DSE TREC No. 237, has withdrawn three of its Authorized Representatives, Mr. Rokonuzzaman Molla, Mr. Abdul Ahad and Mr. Md. Kamrul Hasan, with immediate effect.

  • DSE NEWS

    Withdrawal of Authorized Representative: SIBL Securities Ltd., DSE TREC No. 94, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. K.M. Newaz Billah, with immediate effect.

  • DELTASPINN

    The Company has informed that it has credited the Rights shares to the respective shareholders' BO Account on September 18, 2014.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
RAKCERAMIC 49.50 45.00 4.50 10.00
PLFSL 17.70 16.10 1.60 9.94
ORIONINFU 55.70 50.70 5.00 9.86
AIMS1STMF 27.20 24.80 2.40 9.68
NAVANACNG 71.50 65.20 6.30 9.66
ORIONPHARM 56.30 51.50 4.80 9.32
ACTIVEFINE 76.50 70.40 6.10 8.66
MATINSPINN 46.20 42.90 3.30 7.69
CITYBANK 17.30 16.10 1.20 7.45
GRAMEEN1 30.50 28.70 1.80 6.27

OUR SERVICE

 

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297