Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ICBAMCL2ND 11.1 9.5 1.60 16.84
ICB 190.6 163.8 26.80 16.36
TUNGHAI 17.1 14.8 2.30 15.54
PRIME1ICBA 8.2 7.1 1.10 15.49
ETL 24.3 21.2 3.10 14.62
PREMIERLEA 20.3 17.8 2.50 14.04
MAKSONSPIN 10.6 9.3 1.30 13.98
PRAGATIINS 37.7 33.4 4.30 12.87
MICEMENT 101 89.7 11.30 12.60
SEMLLECMF 10.2 9.1 1.10 12.09

Contest SB2017_Mar

1st
blank_person
HOSSAINANWAR36
2nd
blank_person
RAHAZANI
3rd
blank_person
JJYOTI
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
ICB 190.6 182.4 9.32850 1141150.00
LANKABAFIN 64.2 62.1 1.04475 6785920.00
BSRMLTD 135.9 134.2 0.59624 51461.00
DELTALIFE 117.2 114.8 0.53392 1274300.00
BXPHARMA 108.5 107.9 0.43745 1634870.00
Negative impact
LAFSURCEML 72.1 73.4 -2.71418 1359230.00
ISLAMIBANK 43.1 43.9 -2.31545 2264620.00
PUBALIBANK 24 24.7 -1.10787 1035730.00
GLAXOSMITH 1522 1572.6 -1.09580 749.00
NBL 15.5 15.8 -1.06535 8930440.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
LANKABAFIN 64.2 64.6 61.4 3.38% 426.93
BEXIMCO 35.6 36.2 35.4 -1.39% 240.01
ICB 190.6 193.4 180 4.50% 215.16
RSRMSTEEL 91.2 94.6 90 -2.88% 204.89
ABBANK 25.9 26.9 25.6 -3.00% 197.16
CITYBANK 38.9 39.8 38.5 -0.26% 188.48
BXPHARMA 108.5 109.8 106 0.56% 175.91
NFML 26.8 28.2 26.5 -0.37% 151.54
PREMIERLEA 20.3 20.7 19.2 7.41% 150.44
DELTALIFE 117.2 119.3 115 2.09% 150.43

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 27 Mar 2017

121372
TOTAL TRADE
249.4953
TOTAL VOLUME(Mn)
7771.54
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • এক নজরে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর এনএভির অবস্থা
    মোহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান : ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) পরিচালিত মিউচুয়াল ফান্ডের নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। একই সাথে অনান্য বাকী মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি), প্রকাশ করা হয়েছে ।
  • প্রাইম ব্যাংকের নিট মুনাফা বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের নিট মুনাফা বেড়েছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর ও প্রভিশন পরবর্তী মোট নিট মুনাফা হয়েছে ২৮৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। এর আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৩৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সে হিসেবে আলোচ্য বছরে নিট মুনাফার পরিমাণ বেড়েছে ৪৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বা ২১.১২ শতাংশ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। ব্যাংকটির কর ও প্রভিশন পূর্ববর্তী মুনাফা হয়েছে ৬২২ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এই মুনাফার মধ্যে ব্যাংকটি খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চতি) সংরক্ষণ করেছে ৩২৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা। আয় কর পরিশোধ করেছে ১০ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে প্রাইম ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা হয় ৬২৫ কোটি টাকা। ২০১৫ সালে ব্যাংকটির কর ও প্রভিশন পূর্ববর্তী মুনাফা ছিল ৫৯৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ওই বছর ব্যাংকটি খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চিতি) সংরক্ষণ করে ২৮৪ কোটি ৮৯ টাকা। আয় কর পরিশোধ করে ৮০ কোটি টাকা। ব্যাংকটির সম্পদের ওপর আয়ের হার (রিটার্ন অন অ্যাসেটস) বৃদ্ধি পেয়েছে ১.১১ শতাংশ। আর মূলধন আয়ের ওপর হার (রিটার্ন অন ইক্যুইটি) বৃদ্ধি পেয়েছে ৮.৮০ শতাংশ। ব্যাংকের বর্তমান সম্পদ মূল্য দেখানো হয়েছে ২৫ হাজার ৬৭৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে প্রাইম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। এসময়ে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয় ২ টাকা ১১ পয়সা। শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২৫ টাকা ৭৫ পয়সা। কোম্পানিটির বর্তমান রিজার্ভ রয়েছে ১ হাজার ৩৯৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা; পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ২৯ কোটি ৩৫ টাকা। বর্তমানে ব্যাংকটির ১০২ কোটি ৯৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৬টি শেয়ার রয়েছে। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩৮.৮২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকের কাছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ২৭.০৯ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৩.৭২ শতাংশ শেয়ার।
  • 'প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা পর্যবেক্ষণে'
    শ্যামল রায়ঃ 'বর্তমান পুঁজিবাজার অনেকটাই বিনিয়োগ সহায়ক। এখন চাইলেই যে কেউ বাজারে সহজে বিনিয়োগ করতে পারবেন। কারণ বাজার এখন সব দিক দিয়েই ভালো অবস্থানে রয়েছে। আর যে সমস্ত বিনিয়োগকারী দেখে বুঝে-শুনে বিনিয়োগ করছেন, তারা নিঃসন্দেহে লাভবান হচ্ছেন। এই বাজার থেকে যদি কোন বিনিয়োগকারী প্রফিট করতে না পারে, আমার মনে হয় শেয়ার বাজারে তার থাকার কোন প্রয়োজন নেই।' বর্তমান শেয়ার বাজারে সার্বিক দিক নিয়ে বলছিলেন ইমরান হোসেন সোহান। ইমরান হোসেন সোহান একজন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী। শাহ্‌জালাল ইসলামি ব্যাংক সিকিউরিটিজ’এ বিনিয়োগ করছেন দীর্ঘদিন ধরেই। বর্তমান শেয়ার বাজার নিয়ে তার নিজস্ব কথা বললেন স্টক বাংলাদেশের সাথে। তার একান্ত কথাগুলো তুলে ধরা হল। আমি মনে করি এই মুহুর্তে বাজার পুরোপুরি বিনিয়োগ বান্ধব। আপনি খেয়াল করলেই দেখবেন, ভাল ফান্ডামেন্টাল যে শেয়ারগুলো সেগুলোর দিকে ক্রেতারা এখন বেশ মনোযোগী। এর একটাই কারন বায়াররা এখন আর মিস গাইডেড হচ্ছেন না। তারা খোজ খবর নিয়ে কোম্পানির বাছবিচার করে, তারপর ঐ কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করছেন। পাশাপাশি সরকারের দিক থেকেও বোধ হয় একটু বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এর ফলে নতুন যারা বাজারে প্রবেশ করছেন তারাও সহজে বাজারের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারছেন।  এর ফলে প্রতিনিয়তই আমাদের বাজারে বেশ কিছু নতুন বিনিয়োগকারী প্রবেশ করছে। আরও একটা পজেটিভ ব্যাপার হলো এই নতুন বিনিয়োগকারীদের বেশীরভাগই তরুন। তারা শিক্ষিত এবং জেনে-শুনে বিনিয়োগ করছেন। আপনি দেখবেন- আমাদের মার্কেটে ব্যাংকগুলোর তো একটা বিরাট ভূমিকা রয়েছেই।  তারা বাজারকে গতিশীল করতে বেশ সচেষ্ট রয়েছে। বিদিশী বিনিয়োগও সম্প্রতি বেড়েছে। বাজারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বড় বড় ধ্বসগুলোতে যারা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলেন যারা এতদিন বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন তারাও আবার বাজারে ফিরে আসছেন। সবচেয়ে আশার কথা হলো তারা পুরোনো লস কিছু কিছু করে কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। তবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বোধহয় এই মুহুর্তে একটু পর্যবেক্ষনে রয়েছেন। যে কারণে বাজারের সূচকের বড় ধরনের কোন নেতিবাচক প্রভাব পরেনি।  সপ্তাহ জুড়েই দেশের উভয় স্টক একচেঞ্জে উর্দ্ধমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। গত সপ্তাহেই ডিএসইতে গড় লেনদেন হয়েছে প্রায় এক হাজার এক শত চল্লিশ কোটি টাকার  মত। আর লেনদেন বেড়েছে নয় দশমিক সাত চার (৯.৭৪) শতাংশ। এটা নিশ্চয়ই ভালো সাইন। বিশ্লেষকরা বারবার আশাবাদ ব্যাক্ত করছেন, “সামনে বাজার আরও ভালো হবে”, কারণ বাজার যে ভালো হবে তার সবগুলো লক্ষনই বিদ্যমান। এছাড়াও ডিএসই’র কিছু বিধিনিষেধ এর কারনে অতিতে বিনিয়োগ সহায়ক পরিবেশ ছিলো না বলে মনে করেন বিনিয়োগকারীরা। সেই সমস্ত নিয়ম-কানুন ডিএসই এবং সিএসই উঠিয়ে নিয়েছে। তাছাড়া মার্কেটের ক্রমাগত চাপের কারণে মার্কেট টাইম বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে। এইগুলোতো ভালো বাজারেরই লক্ষণ, তাই নয় কি? কাজেই আমরা আশাবাদি সামনে বাজার অনেক ভালো হবে। এই মুহুর্তে ইন্টেলিজেন্ট ইনভেস্টররা জাংক শেয়ারগুলোর প্রতি মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। এছাড়া ছোট ছোট বিনিয়োগকারীরাও খেটে খুটে প্রফিট নিতে পারছেন। বিনিয়োগকারীরা বাজার করার মতই দেখে শুনে-বুঝে ভালো কোম্পানির শেয়ারই কিনছেন।
  • প্রিমিয়ার লিজিংয়ের সোমবার সার্কিট ব্রেকার নেই
    স্টাফ রিপোর্টার : লভ্যাংশ সংক্রান্ত ঘোষণা দেয়ার কারণে নিয়মানুযায়ী প্রিমিয়ার লিজিংয়ের শেয়ার লেনদেনে সোমবার কোনো সার্কিট ব্রেকার দেয়া হয়নি। প্রিমিয়ার লিজিং ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। আলোচ্য বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় করেছে ১ টাকা ৩০ পয়সা।
  • চলতি সপ্তাহে এজিএম সম্পন্নের অপেক্ষায় ১০টি কোম্পানি
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১০টি কোম্পানির চলতি সপ্তাহে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিগুলো হলো- আরএকে সিরামিক, গ্রীণডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যন্ড ইনভেস্টমেন্ট, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আরএন স্পিনিং মিলস এবং মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড। আরএকে সিরামিক : কোম্পানির এজিএম আগামী ২৯ মার্চ সকাল ১০টায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরা, পূবাচল লিংক রোড, খিলক্ষেত, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২০ শতাংশ ক্যাশ এবং ৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ২৫ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা দিয়েছে। যা এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। গ্রীণডেল্টা ইন্স্যুরেন্স : বিমা খাতের কোম্পানির এজিএম আগামী ৩০ মার্চ সকাল ১০ টায় স্পেক্টা কনভেনশন সেন্টার, হাউজ ১৯, রোড ৭, গুলশান-১, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা দিয়েছে। যা এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। লংকাবাংলা ফাইন্যান্স : আর্থিক খাতের কোম্পানিটির এজিএম আগামী ৩০ মার্চ সকাল ১১ টায়, মাইডাস সেন্টার (১২ তলা), হাউজ ৫, রোড ১৬ (নতুন), ২৭ পুরাতন ধানমন্ডি, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১৫ শতাংশ ক্যাশ এবং ১৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ৩০ শতংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা দিয়েছে। যা এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যন্ড ইনভেস্টমেন্ট : আর্থিক খাতের কোম্পানিটির এজিএম আগামী ৩০ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় পিএসসি কনভেনশন হল, পুলিশ স্টাফ কলেজ, বাংলাদেশ, মিরপুর-১৪, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য নো ডিভিডেন্ড ঘোষণা দিয়েছে। প্রাইম ইন্স্যুরেন্স : বিমা খাতের কোম্পানির এজিএম আগামী ৩০ মার্চ সকাল ১১ বাংলাদেশ ইন্সটিউশন অফ অ্যান্ডমিনিস্ট্রেশন এবং ম্যানেজমেন্ট (বিআইএএম), ৫৩ নতুন ইস্কাটন, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১৩ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা দিয়েছে। যা এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আইডিএলসি ফাইন্যান্স : আর্থিক খাতের কোম্পানির এজিএম আগামী ৩০ মার্চ সকাল ১০ টায়, উৎসব, রেডিশন বু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন, এয়ারপোর্ট রোড, ঢাকা ক্যান্টমেন্ট, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৩০ শতংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা দিয়েছে। যা এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক : ব্যাংকিং খাতের কোম্পানির এজিএম আগামী ৩০ মার্চ সকাল ১০ টায়, রাজদর্শন হল-৩, ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা, কুড়িল বিশ্ব রোড, ৩০০ ফিড, পূবাচল এক্সপেক্স হাইওয়ে, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড ঘোষণা দিয়েছে। যা এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ডাচ-বাংলা ব্যাংক: ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিটির এজিএম আগামী ৩০ মার্চ সকাল ১০ টায়, কনভেনশন হল (গ্রাউন্ড ফ্লোর) অফ সেনামালানচো, ঢাকা ক্যান্টমেন্ট, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৩০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা দিয়েছে। যা এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। মার্কেন্টাইল ব্যাংক : ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠানটির এজিএম আগামী ৩০ মার্চ সকাল ১১ টায়, ফার হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, ২১২, বিজয় নগর, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১৫ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ২০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা দিয়েছে। যা এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আরএন স্পিনিং মিলস : বস্ত্র খাতের এ কোম্পনির ৪ বছরের এজিএম এক সাথে অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির এজিএম আগামী ৩০ মার্চ সকাল ১১ টায়, শালবন মাল্টিপারপাস হল, কুমিল্লার বিজিবিতে অনুষ্ঠিত হবে। যা এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আরএন স্পিনিং বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ জুন, ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে ২০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আর গত তিন বছরের অর্থাৎ (২০১২, ২০১৩ এবং ২০১৪) জন্য কোন প্রকার ডিভিডেন্ড দেয়নি কোম্পানিটি। ঘোষিত ডিভিডেন্ড বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের পাশাপাশি ৪ বছরের অর্থাৎ ৯ম, ১০ম, ১১তম ও ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৩০ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু করে ১৫মিনিট ব্যবধানে ৪টি এজিএম শুরু হবে।
  • ওয়ান ব্যাংকের লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা বৃহস্পতিবার
    স্টাফ রিপোর্টার : ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য লভ্যাংশ নির্ধারণে ৩০ মার্চ পরিচালনা পর্ষদের সভা আহ্বান করেছে। সভা শেষে কোম্পানির আর্থিক ফলাফল প্রকাশের পাশাপাশি বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও রেকর্ড ডেটের তারিখ ঘোষণা করা হবে। ২০১৫ সালে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় ওয়ান ব্যাংক। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৫ হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ১৭ পয়সা। ২০১৪ সালেও ব্যাংকটি একই হারে লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটি। এদিকে সর্বশেষ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ওয়ান ব্যাংকের ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৯৯ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৭৩ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৮ পয়সা। ডিএসইতে বৃহস্পতিবার ওয়ান ব্যাংকের শেয়ারদর ১ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে সর্বশেষ ২৩ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়। দিন শেষে দর দাঁড়ায় ২৩ টাকা ৬০ পয়সা। দিনভর দর ২৩ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ২৪ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। এদিন ১ হাজার ৪৭৬ বারে এ ব্যাংকের মোট ৮৩ লাখ ২০ হাজার ৯৯টি শেয়ারের লেনদেন হয়। গত এক বছরে এর দর ১১ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ২৪ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। ২০০৩ সালে শেয়ারবাজারে আসা ওয়ান ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬৬৩ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভ রয়েছে ৬৬৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩০ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, ২০ দশমিক ৪৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, বিদেশী দশমিক ১৫ ও বাকি ৪৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
  • জিপিএইচ ইস্পাতের ১০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে জার্মান ব্যাংক
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি জিপিএইচ ইস্পাতের বার্ষিক উৎপাদন পাঁচ গুণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্পের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ১০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে জার্মান বিএইচএফ ব্যাংক। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) অনুমোদনক্রমে অস্ট্রিয়ার কভার্ড এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সি (ইসিএ) থেকে এ ঋণ নেবে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) জিপিএইচ ইস্পাত জানিয়েছে, জার্মান বিএইচএফ ব্যাংক এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের নেতৃত্বে পাঁচ বাংলাদেশী ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে এরই মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। সম্প্রতি জার্মান বিএইচএফ ব্যাংক যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্রাইমেটালস টেকনোলজিস অস্ট্রিয়া জিএমবিএইচের অনুকূলে যন্ত্রপাতির ক্রয়মূল্য বাবদ ৮ কোটি ৩৫ লাখ ডলার এবং এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সির প্রিমিয়াম বাবদ ১ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার পরিশোধের বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেছে। ফলে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের মাধ্যমে ২০১৮ সালের জানুয়ারির মধ্যেই উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে। কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, সাড়ে ১২ বছর মেয়াদি এ ঋণের বিপরীতে ছয় মাসের লাইবর এবং এর সঙ্গে ১ দশমিক ৪০ শতাংশ হারে সুদ নির্ধারণ করা হয়েছে। তাছাড়া দশমিক ৫৫ শতাংশ হারে এককালীন ব্যবস্থাপনা ফি এবং অবিতরণকৃত ঋণের প্রতিশ্রুতি ফি বাবদ পরিশোধ করতে হবে। অস্ট্রিয়ার প্রাইমেটালস টেকনোলজিস জিএমবিএইচ এ ঋণের ডেফার্ড পেমেন্টের সুবিধা প্রদান করবে। জিপিএইচ ইস্পাত বলছে, নতুন প্রকল্পের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণের পাশাপাশি রাইট শেয়ারের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে নেয়া ২৬১ কোটি ৯৫ লাখ ৪০ হাজার টাকাও এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় করা হবে। এজন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছ থেকে ১০ টাকা ফেসভ্যালু এবং ৪ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১৪ টাকা ইস্যুমূল্যে বিদ্যমান দুটি শেয়ারের বিপরীতে তিনটি করে রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১৮ কোটি ৭১ লাখ ১০ হাজার টাকা মূলধন উত্তোলনও করে কোম্পানিটি। জানতে চাইলে জিপিএইচ ইস্পাতের কোম্পানি সচিব আরাফাত কামাল বলেন, ঋণচুক্তি আরো আগে স্বাক্ষরিত হলেও বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন পেতে কিছুটা সময় লেগেছে। তবে এখন চূড়ান্ত অনুমোদন হয়ে যাওয়ার কারণে আশা করছি, প্রকল্পের কাজ ২০১৮ সালের মধ্যেই শেষ করতে পারব। উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতে জিপিএইচ ইস্পাতের পর্ষদ কোম্পানির বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা পাঁচ গুণ বৃদ্ধি করতে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটি সম্প্রসারিত প্রকল্পে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য অস্ট্রিয়াভিত্তিক প্রাইমেটালস টেকনোলজিস জিএমবিএইচের সঙ্গে চুক্তি করে। প্রাইমেটালস টেকনোলজিস হচ্ছে জার্মান সিমেন্স, জাপানি মিত্সুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ ও আরো কয়েকটি ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগ। চুক্তি অনুসারে জিপিএইচ ইস্পাতকে অত্যাধুনিক লং স্টিল প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি সরবরাহ করবে প্রাইমেটালস। দুই ধাপে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের মাধ্যমে কোম্পানিটির বিদ্যমান বার্ষিক ১ লাখ ৬৮ হাজার টন এমএস বিলেট উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে ১০ লাখ টনে দাঁড়াবে। তাছাড়া এমএস রড ও মাঝারি ক্যাটাগরির পণ্যের ক্ষেত্রেও বিদ্যমান সক্ষমতা বর্তমান ১ লাখ ২০ হাজার টন থেকে উন্নীত হয়ে ৭ লাখ ৬০ হাজার টনে দাঁড়াবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরে কোম্পানির বার্ষিক কর-পরবর্তী মুনাফা গড়ে ১৪০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বাড়বে। জিপিএইচের নতুন প্লান্টে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহূত হচ্ছে। তাছাড়া মেক্সিকো ও ইতালির পরে এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারকারী তৃতীয় দেশ হবে বাংলাদেশ। নতুন প্লান্টের ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্টের জন্য ভারতের এমএন দস্তুর লিমিটেড এবং প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও আর্গন উৎপাদনের জন্য চীনের সিচুয়ান এয়ার সেপারেশন প্লান্টের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। প্রকল্পের জন্য অত্যাধুনিক ২৩০/৩৩/৬৬ কেভি পাওয়ার সাবস্টেশন নির্মাণেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের ফলে সংশ্লিষ্ট খাতে দূষণের মাত্রা হ্রাসের পাশাপাশি ৫০ শতাংশ গ্যাস ও বিদ্যুত্ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে জিপিএইচ ইস্পাত। এ সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ২ টাকা ৬৫ পয়সা ও এনএভিপিএস ১৫ টাকা ৪৫ পয়সা। এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ কোম্পানির অনিরীক্ষিত ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮২ পয়সা।
  • বেয়ারিশ ক্যান্ডেলে শেষ হল বাজার,মার্কেট নিউজ টুইটস : ২.৩০ মিনিট
    সকাল থেকে ভাল সেল পেশারে ইনডেস্ক আজ বেয়ারিশ ক্যান্ডেলের আবির্ভাব ঘটে। সেল পেশারের ফলে ইনডেস্ক তার পূর্ববর্তী রেজিসটেন্স ভাঙতে সক্ষম হল না। LANKABAFIN এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩০ মিনিট ঠিক ১.৩০ টায় LANKABAFIN উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( ৪৩ TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 7394000 TK। সেল পেশার বাড়ছে বাজারে,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.০৫ মিনিট সকাল থেকে উঠানামার মধ্যে বাজার থাকলেও বেল বাড়ার সাথে সাথে  বাজারে সেল পেশার বাড়ছে। ইনডেস্কের মান একই জায়গায় উঠানামা করছে,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১২.০০ মিনিট সকাল থেকেই ইনডেস্কের মান একই জায়গায় থেকে উঠানামা করছে। এসময় ইনডেস্ক নেগেটিভ অবস্থানে দেখা যায়।   রেজিসটেন্সের উপর কিছুদিন থাকতে পারে ইনডেস্ক,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১০.৩০ মিনিট [২৭.০৩.২০১৭] রেজিসটেন্সের উপর কিছুদিন থাকতে পারে ইনডেস্ক। ভাল বাইয়ার থাকলে যেকোন দিন  রেজিসটেন্স ভেঙ্গে ফেলতে পারে। পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে ওয়ান ব্যাংকের লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা বৃহস্পতিবার জিপিএইচ ইস্পাতের ১০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে জার্মান ব্যাংক নতুন রূপে আসছে ওটিসি বাজার ‘আজিজ কো-অপারেটিভ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই’ কনফিডেন্স সিমেন্ট, শাশা ডেনিমস ও ডরিন পাওয়ার পাচ্ছে ৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র ২৭ ও ২৮ মার্চ ১০টি কোম্পানির ঘোষণা চিনি উৎপাদনে শীর্ষ ১০টি দেশ ডিএসইর ডিভিডেন্ড অনুমোদন উল্লেখযোগ্য কিছু এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ‘সকলের প্রচেষ্টায় বাজার আরও ভালো হবে’ [ ভিডিও সহ ] এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৪০ কোটি টাকা তুলবে ইনডেক্স এগ্রো [ ভিডিও সহ] রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব আসছে রানার- আইপিও মাধ্যমে তুলবে ১শ’ কোটি টাকা [ভিডিও সহ] খুব তাড়াতাড়ি লেনদেন এক হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে [ভিডিও সহ] বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাকের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব ‘বিনিয়োগ করেন সবাই লাভবান হবো’ [ভিডিও সহ] ডেল্টা হসপিটালের সম্প্রসারণ প্রয়োজন : চেয়ারম্যান [ ভিডিও সহ ] দেখে নিন,জেনে নিন,বুঝে নিন [ভিডিওসহ] – DHL রোডশোর প্রশ্নসমূহ ‘প্রতিকূলতার মাঝেও ন্যাশনাল লাইফ ভালো ব্যবসা করেছে’ : চেয়ারম্যান [ ভিডিও… “এক বছরের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে ভালো অবস্থনে রয়েছে মার্কেট” | জামাল.. ‘বাজার ঊর্ধ্বমুখীতার করণে সংশ্লিষ্টরা নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে’ : বিনিয়োগকারী [ভিডিও সহ] ‘জেমিনি সি ফুডের কাছে অতিরিক্ত বোনাস রয়েছে’ (ভিডিও সহ) ‘সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ধারাবাহিকভাবে সফলতা অর্জন করে আসছে’ [ভিডিও সহ] পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • নতুন রূপে আসছে ওটিসি বাজার
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির উদ্যোক্তা, পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানি আইনের মাধ্যমে ১১৭ ফরম পূরণ করে শেয়ার বিক্রি বা হস্তান্তর করেন। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) চায় এই লেনদেন ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বাজারের মাধ্যমে হোক। এ জন্য শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির কাছে ওটিসি আইনের সংশোধন প্রস্তাব পাঠিয়েছে ডিএসই। ডিএসইর কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের কোম্পানির মালিকানা বা শেয়ার কেনাবেচায় স্টাম্প ফি বাবদ (দেড় শতাংশ) অর্থ খরচ হয়, ওটিসির মাধ্যমে লেনদেন হলে তা এক-তৃতীয়াংশে নেমে আসবে। এ ক্ষেত্রে কেবল ব্রোকারেজ কমিশন (প্রতি ১০০ টাকায় সর্বোচ্চ ৫০ পয়সা) দিয়েই শেয়ার কেনাবেচা করতে পারবেন তারা। এ ছাড়া বেমেয়াদি বা ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড ওটিসি বাজারের মাধ্যমে কেনাবেচার সুযোগ রাখা হবে। দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে বিনিয়োগকারীরা এ ধরনের ফান্ডে বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন। বর্তমানে সম্পদ ব্যবস্থাপক কোম্পানিগুলোর নির্ধারিত অফিসেই কেবল এ ফান্ড কেনাবেচা হয়। শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির কর্মকর্তারা জানান, প্রস্তাবটি তারা ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছেন। ডিএসই বিদ্যমান ওটিসি আইনের সংশোধন চেয়েছে। তবে কমিশন বিদ্যমান আইনটি বাতিল করে ডিএসইর প্রস্তাবকে কিছুটা সংশোধন করে নতুন আইন কার্যকর করার চিন্তা করছে। এদিকে যৌথ মূলধনি কোম্পানিগুলোর নিবন্ধক সংস্থা আরজেএসসি সূত্রে জানা গেছে, দেশে নিবন্ধিত কোম্পানির সংখ্যা দেড় লাখেরও বেশি। প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০টি কোম্পানির উদ্যোক্তা বা পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডাররা ১১৭ নামক ফরম পূরণ করে নিজেদের শেয়ার হস্তান্তর বা বিক্রি করেন। ডিএসই সূত্র জানিয়েছে, ওটিসিতে বর্তমানে ৬৬ কোম্পানি আছে। এর মধ্যে বেশ কিছু কোম্পানি আছে, যেগুলোর অস্তিত্ব নেই বা কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম নেই। এ ধরনের কোম্পানি বাদে মাত্র ৩২টি কোম্পানি নতুন ওটিসিতে তালিকাভুক্ত হবে। বাকিগুলোকে বাদ না দিয়ে পৃথক করে রাখা হবে। ডিএসইর ব্যবস্থাপক পরিচালক মাজেদুর রহমান বলেন, যারা এখনই মূল শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে চায় না, তবে বিশেষ প্রয়োজনে শেয়ার বিক্রি করে মূলধন সংগ্রহ করতে চায় বা কেউ নিজের শেয়ার বেচে দিতে চায়, তাদেরও শেয়ারবাজার ব্যবহারের সুযোগ করতে দিতে চায় ডিএসই। মাজেদুর রহমান বলেন, এ ক্ষেত্রে কোম্পানিটি কত বড় বা ছোট, তা বিবেচনা করা হবে না। তিনি বলেন, এখানে মূল বাজারের মতো আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ বা মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের খুব বেশি কড়াকড়ি থাকবে না। যিনি শেয়ার বিক্রি করবেন এবং যিনি কিনবেন, তারা উভয়ই জেনেবুঝেই এ লেনদেন করবেন। ডিএসইর এমডি বলেন, আরজেএসসিতে গিয়ে ১১৭ ফরম পূরণ করে যারা শেয়ার কেনাবেচা করেন, তারা পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করেন। এখানে ক্রেতা ও বিক্রেতা কম থাকায় দর কষাকষির যথেষ্ট সুযোগ থাকে না। ডিএসই এ ধরনের শেয়ারের ক্রেতা ও বিক্রেতার জন্য এমন প্লাটফর্ম করে দেবে, যেখানে তারা তাদের শেয়ারের সবচেয়ে ভালো মূল্য পাবে। বিক্রেতা তার শেয়ারের জন্য নির্দিষ্ট দর চাইতে পারবে। আবার নির্দিষ্ট দরের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দরের একটি সীমাও প্রকাশ করতে পারবে। অথবা পারস্পরিক দর কষাকষির মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ পাবে। অবশ্য এ দর কষাকষি ব্রোকারের মাধ্যমে হতে হবে। ডিএসই কর্মকর্তারা জানান, ওটিসি বাজারকে কার্যকর করতে এর শেয়ার লেনদেন প্রক্রিয়া আরও সহজ এবং ব্যবহারকারীবান্ধব করা হবে। মূল বাজারের মতো এ বাজারেও ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ে তাদের শেয়ার ক্রয় বা নির্দিষ্ট কোনো শেয়ার ক্রয়ের আদেশ দিতে পারবেন। ওটিসি বাজারকেও মূল শেয়ারবাজারের মতো ইলেট্রনিক প্লাটফর্মে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এখন কেবল বিক্রেতা তাদের আদেশ প্রকাশ করতে পারেন। ওই বিক্রির আদেশ দেখে সমমূল্যে এবং সমুদয় শেয়ার কেনার আগ্রহ প্রকাশ করতে পারেন কেউ। প্রসঙ্গত মূল শেয়ারবাজারে অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ রাখতেই ওটিসি বাজার করা হয়েছিল। তবে কোনো কোম্পানি এখন পর্যন্ত এখানে নিজে থেকে শেয়ার কেনাবেচার জন্য আসেনি। মূল শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত থাকার যোগ্যতা হারানো কোম্পানিগুলোকে ২০০৯-১০ সালে একাধিক দফায় নির্দেশনা দিয়ে তালিকাচ্যুত এবং ওটিসিতে পাঠানো হয়েছিল। বিদ্যমান আইনে এ বাজারে লেনদেন প্রক্রিয়া বেশ জটিল এবং বিক্রেতানির্ভর বাজার। কেবল বিক্রেতার দেওয়া আদেশের বিপরীতে ক্রেতারা ক্রয় আদেশ দিতে পারেন। লেনদেন হয় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে। এ কারণে গুটিকয় কোম্পানির শেয়ার ছাড়া এ বাজারে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয় না।
  • ‘আজিজ কো-অপারেটিভ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই’
    সিনিয়র রিপোর্টার : মহান স্বাধীনতা দিবসে আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ক্রেডিট সোসাইটি লিমিটেডের আলোচনা সভায় প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এম তাজুল ইসলাম আমানতকারীর আমানত নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সব বাধা পেরিয়ে ছোট্ট এই নৌকা (আজিজ কো-অপারেটিভ) একদিন টাইটিনিক জাহাজে পরিণত হওয়ার কথাও জানান তিনি। সভায় তাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যারা অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন, সে সম্পর্কে আমাদের অবস্থান বাংলাদেশ ব্যাংকে স্পষ্ট করেছি। অহেতুক অভিযোগ, তাই আজিজ কো-অপারেটিভ সোসাইটিতে আমানতকারীর আমানত নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর পল্টনে রোববার সকালে সমিতির আঞ্চলিক ব্যবস্থাপকদের সঙ্গে আলোচনা সভা করা হয়েছে। সভায় চেয়ারম্যান বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং আমাদের আইনজীবীসহ এক বৈঠক করা হয়। আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তার বিপরীতে আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিয়ে তা খণ্ডণ করেছি। আজিজ কো-অপারেটিভে কোন অস্বচ্চতা নেই, কাজেই আমাদের আমানতকারী আতঙ্কিত হওয়ারও কোন কারণ নেই। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহজাহান মিয়াজীর সভাপতিত্বে সভায় চেয়ারম্যান বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী সমিতির আর্থিক লেনদেন অডিট করা হয়। আমাদের প্রতিবেদনে স্বচ্ছতা রয়েছে। যে কারণে ২৫ বছর ধরে একটি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীদের নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কাজ করছে। ‘ছোট্ট এই নৌকা একদিন টাইটিনিক জাহাজে পরিণত হওয়ার’ কথা উল্লেখ করে অর্থনীতিবিদ এম তাজুল ইসলাম বলেন, আজিজ কো-অপারেটিভ কমার্সের নতুন ভবন স্থাপন করা হবে। আমরা সে লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের দাবির প্রেক্ষিতে রিস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হবে। মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের স্মরণ করে চেয়ারম্যান এম তাজুল ইসলাম আরো বলেন, ৬০ কোটি টাকার একটি প্রজেক্ট শুরু হবে, সেখান থেকেই আমরা দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য কিছু অর্থ বরাদ্দ রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। চলতি মাসে বিদেশ থেকে আমাদের ফান্ডে আরো ২০ কোটি টাকা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সভায় বক্তব্য রাখেন সোসাইটির সেক্রেটারি হারুন-অর রশীদ মজুমদার, পরিচালক গাজী মো. বায়েজীদ, এমরান উদ্দীন পাটোয়ারী, সিরাজুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান, এডভোকেট আরিফ রেজা। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ফজলুর রহমান প্রমুখ।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • বহুজাতিক ও বিদেশি কোম্পানি বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ
    বিদেশি কোম্পানিগুলোকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ব্যবসা পরিচালনা করতে সে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হয়। অথচ বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী বিদেশি ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে আসার ব্যাপারে উদাসীন। এ জন্য বহুজাতিক কোম্পাানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক করতে চায় অর্থ মন্ত্রণালয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিদেশি এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় মতামত চেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে বহুজাতিক এসব কোম্পানির পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির বিধানগুলোর ব্যাপারে অবহিত করতে বলেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, বিদেশি এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে নমনীয় নীতিতে ব্যবসা করার সুযোগ পাচ্ছে। শর্ত না থাকায় বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকভুক্ত করা যাচ্ছে না। এ কোম্পনিগুলোকে লাইসেন্স দেওয়ার আগে পুঁজিবাজারে আসার কোনো জোরালো শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়নি। এ কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের পুঁজিবাজারে অনেক বহুজাতিক কোম্পানির তালিকাভুক্ত শেয়ার থাকলেও বাংলাদেশে এ ব্যাপারে তেমন অগ্রগতি নেই। অথচ এ দেশের বেশিরভাগ লাভজনক ব্যবসাই পরিচালনা করছে বিদেশি ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো।এদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য দেশীয় কোম্পানিগুলোর ওপর নানা ধরনের শর্ত থাকলেও বিদেশি কোম্পানির ওপর নেই। ফলে বড় বড় বিদেশি ও বহুজাতিক কোম্পানি হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যবসা করলেও বাংলাদেশের জনগণ এর অংশীদারিত্ব পাচ্ছে না। অথচ বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রসাধন, গ্যাস, ইন্স্যুরেন্স, ব্যাংকসহ অনেক বহুজাতিক কোম্পানিই অন্যান্য দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী দেশীয় কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন নির্দিষ্টসীমা অতিক্রম করলেই এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু বিদেশি কোম্পানির জন্য এ ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই। অবশ্য মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোকে লাভজনক হওয়ার পর পুঁজিবাজারে আসার শর্ত রয়েছে।জানা গেছে, ঢাকার শেয়ারবাজারে ২৯৬টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১১টি বহুজাতি কোম্পানি। যা বাজার মূলধনের মাত্র ৭ শতাংশ। অথচ বাংলাদেশে প্রায় ৪১টি বহুজাতিক কোম্পানি রয়েছে। এসব কোম্পানি কোনো জবাবদিহিতা ছাড়াই ব্যবসা করছে। শেয়ারবাজারকে এগিয়ে নিতে এসব কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতসহ অনেক দেশেই বিদেশি কোম্পানি ব্যবসা পরিচালনা করতে ওই দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এমন শর্ত না থাকায় বিদেশি কোম্পানিগুলো ব্যবসা করে টাকা নিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য নীতিমালা প্রণয়নের সময় এসেছে। এখন থেকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়া বাধ্যতামূলক করা দরকার। এ ছাড়া পুঁজিবাজারে সরকারি বেসরকারিসহ বহুজাতিক ও বিদেশি যেসব প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাতে জনগণের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করার পরামর্শও দেন তারা।ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকতার হোসেন সান্নামাত বলেন, বিদেশি কোম্পানিগুলো ভালো লভ্যাংশ দিয়েছে। এসব কোম্পানির শেয়ার সংখ্যাও কম। উৎপাদিত পণ্যও ভালো। এজন্য মন্দা বাজারেও ভালো করছে। তবে শর্ত না থাকায় বেশিরভাগ বিদেশি কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসছে না। এ ছাড়া আমাদের আইপিও প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কারণেও অনেক কোম্পানি আসতে চায় না। এ জন্য আইপিও প্রক্রিয়া সহজীকরণ করা দরকার। এ ছাড়া সরকারি উদ্যোগ বাড়াতে হবে।অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিএসইসি এ বিষয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। সেখানে বহুজাতিক কোম্পানির তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বিশেষ কর সুবিধার সুপারিশ করেছে। এ ছাড়া তালিকাভুক্তি না হলে নতুন করে কর আরোপের কথা বলা হয়েছে। বিএসইসির সুপারিশে বলা হয়েছে, যেসব বিদেশি কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয়; তাদের নগদ লভ্যাংশের ওপর বর্ধিত কর হার আরোপ করা যেতে পারে। এ ছাড়া বিদেশি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে ব্যবসা করার জন্য আরজেএসসি থেকে নিবন্ধন সনদ নিতে হয়। এ নিবন্ধনের সময়ে বিদেশি কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির শর্তারোপ করা যেতে পারে।এ ব্যাপারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএএম মাজেদুর রহমান বলেন, বহুজাতিক কোম্পানির তালিকাভুক্তির বিষয়ে যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মগুলোর নিবন্ধকের কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় আইন করতে পারে। এ ছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে। source : amader somoy
  • জিপিএইচ ইস্পাতের ঋণ চুক্তিতে জার্মান বিএইচএফ ব্যাংকের সম্মতি
    প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি জিপিএইচ ইস্পাতের বার্ষিক উৎপাদন পাঁচ গুণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্পের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য ১০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে জার্মান বিএইচএফ ব্যাংক। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) অনুমোদনক্রমে অস্ট্রিয়ার কভার্ড এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সি (ইসিএ) থেকে এ ঋণ নেবে কোম্পানিটি।বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) জিপিএইচ ইস্পাত জানিয়েছে, জার্মান বিএইচএফ ব্যাংক এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের নেতৃত্বে পাঁচ বাংলাদেশী ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে এরই মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। আর সম্প্রতি জার্মান বিএইচএফ ব্যাংক যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্রাইমেটালস টেকনোলজিস অস্ট্রিয়া জিএমবিএইচের অনুকূলে যন্ত্রপাতির ক্রয়মূল্য বাবদ ৮ কোটি ৩৫ লাখ ডলার এবং এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সির প্রিমিয়াম বাবদ ১ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার পরিশোধের বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেছে। ফলে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের মাধ্যমে ২০১৮ সালের জানুয়ারির মধ্যেই উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে।কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, সাড়ে ১২ বছর মেয়াদি এ ঋণের বিপরীতে ছয় মাসের লাইবর এবং এর সঙ্গে ১ দশমিক ৪০ শতাংশ হারে সুদ নির্ধারণ করা হয়েছে। তাছাড়া দশমিক ৫৫ শতাংশ হারে এককালীন ব্যবস্থাপনা ফি এবং অবিতরণকৃত ঋণের প্রতিশ্রুতি ফি বাবদ পরিশোধ করতে হবে। অস্ট্রিয়ার প্রাইমেটালস টেকনোলজিস জিএমবিএইচ এ ঋণের ডেফার্ড পেমেন্টের সুবিধা প্রদান করবে।জিপিএইচ ইস্পাত বলছে, নতুন প্রকল্পের জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণের পাশাপাশি রাইট শেয়ারের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে নেয়া ২৬১ কোটি ৯৫ লাখ ৪০ হাজার টাকাও এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় করা হবে। এজন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছ থেকে ১০ টাকা ফেসভ্যালু এবং ৪ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১৪ টাকা ইস্যুমূল্যে বিদ্যমান দুটি শেয়ারের বিপরীতে তিনটি করে রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১৮ কোটি ৭১ লাখ ১০ হাজার টাকা মূলধন উত্তোলনও করে কোম্পানিটি।জানতে চাইলে জিপিএইচ ইস্পাতের কোম্পানি সচিব আরাফাত কামাল বণিক বার্তাকে বলেন, ঋণচুক্তি আরো আগে স্বাক্ষরিত হলেও বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন পেতে কিছুটা সময় লেগেছে। তবে এখন চূড়ান্ত অনুমোদন হয়ে যাওয়ার কারণে আশা করছি, প্রকল্পের কাজ ২০১৮ সালের মধ্যেই শেষ করতে পারব।উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতে জিপিএইচ ইস্পাতের পর্ষদ কোম্পানির বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা পাঁচ গুণ বৃদ্ধি করতে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটি সম্প্রসারিত প্রকল্পে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি সরবরাহের জন্য অস্ট্রিয়াভিত্তিক প্রাইমেটালস টেকনোলজিস জিএমবিএইচের সঙ্গে চুক্তি করে। প্রাইমেটালস টেকনোলজিস হচ্ছে জার্মান সিমেন্স, জাপানি মিত্সুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ ও আরো কয়েকটি ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগ। চুক্তি অনুসারে জিপিএইচ ইস্পাতকে অত্যাধুনিক লং স্টিল প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি সরবরাহ করবে প্রাইমেটালস। দুই ধাপে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের মাধ্যমে কোম্পানিটির বিদ্যমান বার্ষিক ১ লাখ ৬৮ হাজার টন এমএস বিলেট উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে ১০ লাখ টনে দাঁড়াবে।তাছাড়া এমএস রড ও মাঝারি ক্যাটাগরির পণ্যের ক্ষেত্রেও বিদ্যমান সক্ষমতা বর্তমান ১ লাখ ২০ হাজার টন থেকে উন্নীত হয়ে ৭ লাখ ৬০ হাজার টনে দাঁড়াবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরে কোম্পানির বার্ষিক কর-পরবর্তী মুনাফা গড়ে ১৪০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বাড়বে।জিপিএইচের নতুন প্লান্টে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহূত হচ্ছে। তাছাড়া মেক্সিকো ও ইতালির পরে এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারকারী তৃতীয় দেশ হবে বাংলাদেশ। নতুন প্লান্টের ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্টের জন্য ভারতের এমএন দস্তুর লিমিটেড এবং প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও আর্গন উৎপাদনের জন্য চীনের সিচুয়ান এয়ার সেপারেশন প্লান্টের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। প্রকল্পের জন্য অত্যাধুনিক ২৩০/৩৩/৬৬ কেভি পাওয়ার সাবস্টেশন নির্মাণেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের ফলে সংশ্লিষ্ট খাতে দূষণের মাত্রা হ্রাসের পাশাপাশি ৫০ শতাংশ গ্যাস ও বিদ্যুত্ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে জিপিএইচ ইস্পাত। এ সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ২ টাকা ৬৫ পয়সা ও এনএভিপিএস ১৫ টাকা ৪৫ পয়সা।এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ কোম্পানির অনিরীক্ষিত ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮২ পয়সা। source : bonik barta
  • ওষুধ কোম্পানিগুলোর অনেকেই পুঁজিবাজারে আসেনি
    পুঁজিবাজারে আসেনি দেশের প্রধান ওষুধ কোম্পানিগুলো। এ খাতের কোম্পানিগুলো প্রতি বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এ খাতের শীর্ষ ২০ কোম্পানির মধ্যে ১৫টিই এখনও বাজারে আসেনি।ওষুধ খাতের তথ্যসেবা ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএমএসের তথ্য অনুসারে, দেশের শীর্ষ পাঁচ ওষুধ কোম্পানির মধ্যে তিনটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। কোম্পানি তিনটি হচ্ছে- স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ও রেনাটা লিমিটেড। পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত হয়নি ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস ও অপসোনিন ফার্মা। আর শীর্ষ ২০ কোম্পানির মধ্যে বাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে ৫টি। আইএমএসের তথ্যানুসারে, গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে সবচেয়ে বেশি ওষুধ বিক্রি করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। দেশের ওষুধের বাজারে স্কয়ারের অংশ ১৭ দশমিক ৯৯ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের অংশ ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ। আর বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের অংশ ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ, অপসোনিন ফার্মার ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং রেনেটা লিমিটেড বাজারের ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ ওষুধ বিক্রি করে। এর বাইরে এসকে অ্যান্ড এফ, এরিস্টো ফার্মা, হেলথকেয়ার ফার্মা, এসিআই লিমিটেড, একমি ল্যাবরেটরিজ, জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালস, সনোফি-এভেন্টিস বাংলাদেশ লিমিটেড, রেডিয়েন্ট ফার্মা, পপুলার ফার্মা, নভোনরডিস্ক, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল, ইউনিমেড অ্যান্ড ইউনিহেলথ, নুভিস্তা ফার্মা, নোভারটিস ফার্মা এবং সান ফার্মা বাংলাদেশের বাজারে শীর্ষ ওষুধ বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে। এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে মাত্র পাঁচটি কোম্পানি। এছাড়া একটি কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওষুধ খাতের কোম্পানিগুলোর ব্যাপারে শেয়ার বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ অনেক বেশি। তাই এ খাতের কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনতে পারলে পুঁজিবাজারের জন্য তা ইতিবাচক হবে।   source : jayjay din
  • পুঁজিবাজারে লেনদেন কমেছে ১০ শতাংশ
    সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন। আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ৯ দশমিক ৭৪ বা ১০ শতাংশ। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, গত সপ্তাহে ৫ হাজার ৬৯৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার। যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৫ হাজার ১৮৮ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার। সেই হিসাবে আলোচ্য সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৫০৫ কোটি টাকা বা ৯.৭৪ শতাংশ। সমাপ্ত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ। ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ১৬ শতাংশ।ডিএসইর সার্বিক সূচক বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে দশমিক ৪৪ শতাংশ বা ২৪.৯৬ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই৩০ সূচক বেড়েছে দশমিক ৮৩ শতাংশ বা ১৭.০৪ পয়েন্ট। অপরদিকে, শরিয়াহ বা ডিএসইএস সূচক কমেছে দশমিক ৭৩ শতাংশ বা ৯.৬০ পয়েন্টে।সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ৩৩৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৮টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১৮৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির। আর লেনদেন হয়নি ১টি কোম্পানির শেয়ার।সাপ্তাহিক লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : সিটি ব্যাংক, এবি ব্যাংক, বে´িমকো, লঙ্কা বাংলা ফিন্যান্স, আরএসআরএম স্টিল, আইএফআইসি, ন্যাশনাল ব্যাংক, বে´িমকো ফার্মা, ইসলামী ব্যাংক ও বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : এবি ব্যাংক, আইসিবি এএমসিএল ২য় মিউচুয়াল ফান্ড, তুং হাই নিটিং, এমআই সিমেন্ট, আই্এফআইসি, প্রাইম ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি, ন্যাশনাল ফিড মিল, আইসিবি এএমসিএল ৩য় এনআরবি ও ইভিন্স টেক্সটাইল।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ইউনাইটেড ফিন্যান্স, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, জুটস স্পিনার্স, বিজিআইসি, সিঙ্গার বিডি, পেনিনসুলা চট্টগ্রাম, সেন্ট্রাল ফার্মা ও দেশবন্ধু পলিমার।এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ৩৭২ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার। তবে সার্বিক সূচক বেড়েছে দশমিক ২৯ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে তালিকাভুক্ত মোট ২৯০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২০টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১৫৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টির। source : jonokontho
  • সরকারি ব্যাংকে ডিএমডি হওয়ার যোগ্য ৪২ জিএম
    রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৪২ জন মহাব্যবস্থাপক (জিএম) রয়েছেন, যারা উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদে পদোন্নতি পাওয়ার যোগ্য। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ওয়েবসাইটে সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, কৃষি, বিডিবিএল, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ও হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে কর্মরত এসব জিএমের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।তালিকায় সোনালী ব্যাংকের আট, জনতা ব্যাংকের আট, রূপালী ব্যাংকের আট, অগ্রণী ব্যাংকের ছয়, কৃষি ব্যাংকের ছয়, বিডিবিএলের তিন, হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের দুই এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের একজন মহাব্যবস্থাপক রয়েছেন। জনপ্রশাসনের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি বিধিমালা-২০১১-এর ৭(৩) বিধি অনুযায়ী এই সমন্বিত জ্যেষ্ঠতার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।এ তালিকায় জিএম পদে দায়িত্বপালনে কার্যকাল হিসেবে সবার শীর্ষে রয়েছেন অগ্রণী ব্যাংকের মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া। আগামী ৩০ জুন তার চার বছর চার মাসের দায়িত্ব পালন শেষ হবে। সবার শেষে রয়েছেন কৃষি ব্যাংকের জিএম কামরুন নাহার। ওই সময়ে তার দায়িত্ব পালনের কার্যকাল হবে দুই বছর এক মাস।জ্যেষ্ঠতা-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জিএম, ডিএমডি ও এমডি পদে পদোন্নতির জন্য জ্যেষ্ঠতা-সংশ্লিষ্ট পদে তাদের নিয়মিতভাবে পদোন্নতি দেওয়ার তারিখ থেকে ধরা হবে। জ্যেষ্ঠতার যেসব বিষয় প্রজ্ঞাপনের ১৩ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়নি, সেসব বিষয়ে সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে জারি করা নির্দেশনা অনুসরণ করা হবে। পদোন্নতি বিধিমালা ২০১১-এ বলা হয়েছে, দুই বা তার বেশি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নিম্নপদে ধারাবাহিক নিয়োগের তারিখ একই হলে এবং নিম্নপদে তাদের পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের সুনির্দিষ্ট বিধান না থাকলে বয়সের ভিত্তিতে তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হবে। source : somokal
  • ৪৬ বছরে শূন্য থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের অর্থনীতি
    রাজকোষ ছিল প্রায় শূন্য। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও ছিল শূন্যের কোটায়। সচল ছিল না কোনো শিল্পকারখানা। ৪৬ বছর আগে প্রায় খালি হাতেই যাত্রা শুরু হয়েছিল স্বাধীন বাংলার অর্থনীতির। তবে এক সময়ের তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের বিস্ময়। যদিও সমাজের অর্থনৈতিক বৈষম্য এখনো কাক্সিক্ষত মাত্রায় কমেনি মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো, অভাব-অনটনে জর্জরিত সাড়ে সাত কোটি মানুষের অর্থনীতি যাত্রা শুরু করে ৮০ ভাগ মানুষের কৃষি নির্ভরতার গল্প দিয়ে। কৃষক-শ্রমিকের নিরলস শ্রম আর উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতায় সেই গল্পের ৪৬ বছরে বিস্ময়ের নাম বাংলাদেশ।৭৮৬ কোটি টাকায় শুরু হওয়া বাজেটের আকার এখন সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকা। বাজেটের ৯০ ভাগের যোগান হচ্ছে নিজস্ব অর্থায়নে। ষোল কোটি মানুষের খাদ্যের জোগান দিতে সাড়ে চার দশকে উৎপাদন বেড়েছে তিনগুণের বেশি। তৈরি পোশাকের ওপর ভর করে রপ্তানি আয় বেড়েছে একশ গুণ। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দিনে দিনে বেড়েছে রিজার্ভ। আর মাথাপিছু আয় পৌঁছেছে ১৪শ ৬৫ ডলারে। শিল্পের পথে হাঁটা অর্থনীতি এখনো বহন করছে প্রায় তিন কোটি দরিদ্র মানুষ। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অর্জনে দরিদ্রতার সূচক থেকে বের হবার লক্ষ্যে ছুটছে দেশ। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এলেও বৈষম্য রয়ে গেছে শ্রম খাতে নারী-পুরুষের সম অধিকারেরও। পদ্মা সেতুসহ যোগাযোগ ও জ্বালানি খাতের মেগা প্রকল্পগুলো সময়মতো শেষ করা গেলে আট ভাগ প্রবৃদ্ধি অজর্নের পাশাপাশি শক্ত ভীতের ওপর দাঁড়াবে দেশের অর্থনীতি। সেই স্বপ্নের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। source : vorer kagoj
  • বাজেটে বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি কমছে
    সরকার বিভিন্ন খাত থেকে ভর্তুকি ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার চিন্তা করছে। এরই অংশ হিসেবে চলতি ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বাজেটের ভর্তুকি খাত থেকে দুই হাজার ৯০৩ কোটি টাকা কমানো হয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি খাতে বরাদ্দ ছিল ২৬ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা।অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত বাজেট থেকে ভর্তুকি কমিয়ে ২৩ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা করা হয়েছে। শতকরা হিসেবে যা ১১ শতাংশ। কৃষি খাতে ভর্তুকি কমানোর কারণে ভর্তুকির পরিমাণ কমেছে।সূত্র আরও জানায়, চলতি অর্থবছরের বাজেটে খাদ্য খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ৯ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ছয় হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। একইভাবে পিডিবির খাত থেকে কমানো হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। এ খাতে ভর্তুকি ছিল ছয় হাজার কোটি টাকা। এখন তা কমিয়ে করা হয়েছে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। তবে কিছু খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কিছুটা বেড়েছেও। যেমন মূল বাজেটে খাদ্য খাতে ভর্তুকি রয়েছে দুই হাজার ৮২০ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে তিন হাজার ৭১৭ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে পাট ও আর্থিক সহায়তা খাতে ভর্তুকি নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। গ্যাস খাতে রাখা হয়েছে এক হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে বিবিধ খাতে ভর্তুকি রাখা হয়েছে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) খাতে এবার কোন ভর্তুকি রাখা হয়নি। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কম দামে জ্বালানি তেল কিনে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে বেশি দামে বিক্রি করার কারণে বিপিসির কোন ভর্তুকির প্রয়োজন হচ্ছে না। গত দুই অর্থবছর থেকে সরকারী এই প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে কোন ভর্তুকির অর্থ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে না বলে অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়।অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, সংশোধিত বাজেটে গ্যাস খাতে ভর্তুকি দেয়া হয়েছে এক হাজার কোটি টাকা। তবে আগামী অর্থবছর তা বাড়বে। এখানে আরও দেড় হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হতে পারে। সূত্র জানায়, ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কমিয়ে আনছে সরকার। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ২৭ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা। পরের অর্থবছর, অর্থাৎ ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে তা কমিয়ে করা হয় ২৫ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা এবং ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে তা আরও কমিয়ে ২৩ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা করা হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তিন বছরের ব্যবধানে ভর্তুকির পরিমাণ কমানো হয়েছে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। শতকরা হিসেবে যা ১৬ শতাংশ। আগামী অর্থবছরেও ভর্তুকির পরিমাণ কমবে। কারণ, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে আগামী অর্থবছরে পিডিবি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কমে যাবে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক সব সময় ভর্তুকি কমানোর জন্য সরকারকে পরামর্শ দেয়। বিশেষ করে বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরেই বলা হচ্ছে, বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতে যেন ভর্তুকি কমিয়ে আনা হয়। কারণ, এ খাতে ভর্তুকির অর্থে গরিবদের পাশাপাশি ধনীরাও সুবিধা পাচ্ছে। তাই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে ভর্তুকি দেয়া উচিত, যাতে সমাজের সুবিধা বঞ্চিতরাই যেন এর উপকার পান। source : jonokontho
  • এডিবির ঋণ ফেরত দিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার
    বাজেটে বৈদেশিক ঋণের বোঝা না বাড়াতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্কের (এডিবি)। ঋণের টাকা ফিরিয়ে দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থনীতি বিষয়ক দফতর। এদিকে কেন্দ্র সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ২৩০০ কোটি রুপী ঋণ থেকে বঞ্চিত হলো বাংলা রাজ্য।রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা মতো বিভিন্ন দফতর বা অধিগৃহীত প্রতিষ্ঠানে উদ্বৃত্ত কর্মীদের স্বেচ্ছাবসর, বিভিন্ন বিভাগের পরিকাঠামোয় বদল এবং সরকারী ব্যবস্থায় আর্থিক শৃঙ্খলা আনার মতো সংস্কার কর্মসূচীর জন্য এই ঋণ দিতে রাজি হয় এডিবি। তবে ভারতের আইনে কোন রাজ্যকে বিদেশী সংস্থার ঋণ বা অনুদান পেতে হলে কেন্দ্রীয় অর্থনীতি বিষয়ক দফতরের ছাড়পত্র পেতে হয়। কিন্তু এডিবির এই ঋণ পাওয়ার বিষয়ে ছাড়পত্র দেয়নি কেন্দ্র। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, বিদেশী ঋণ পাওয়ার জন্য তারা যেসব ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার তালিকায় রেখেছে সেগুলো কেন্দ্রের অগ্রাধিকারের সঙ্গে মিলছে না। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো, বাজেটে নির্দিষ্ট বিদেশী ঋণের বহর বাড়াতে চায়নি কেন্দ্র সরকার। দেশটির অর্থ দফতরের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, বছরে কত টাকা বিদেশী সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নেয়া হবে, তা নির্দিষ্ট করা থাকে কেন্দ্রীয় বাজেটে। তাই পশ্চিমবঙ্গকে সেই অনুমতি দিয়ে দিল্লী বিদেশী ঋণের বহর বাড়াতে চায়নি। source : jonokontho
  • ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিতে পারবে বিদেশি কোম্পানি
    এখন থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি মালিকানাধীন অথবা নিয়ন্ত্রিত কোম্পানি কমার্শিয়াল পেপার (সিপি) বা বাণিজ্যিকপত্র ইস্যু করে যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে চলতি মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এক সার্কুলার জারি করে বিদেশি মালিকানাধীন বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে টাকায় এ ধরনের মূলধন সংগ্রহের সুবিধা দিয়েছে। এতদিন কমার্শিয়াল পেপারের বিপরীতে শুধু ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ নিতে পারত বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো।কমার্শিয়াল পেপার হলো এক ধরনের বাণিজ্যিক দলিল। যার মাধ্যমে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকেও স্বল্প মেয়াদে ঋণ নেওয়া যায়। ধরা যাক 'ক' একটি প্রতিষ্ঠান, যার ১০০ টাকার চলতি মূলধন দরকার। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এ অর্থ নিতে চায় না। তখন ওই প্রতিষ্ঠান চাইলে কমার্শিয়াল পেপার ইস্যু করে চলতি মূলধন সংগ্রহ করতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানকে একটি ইস্যুয়িং এজেন্টের মাধ্যমে তা করতে হয়। ইস্যুয়িং এজেন্ট (ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা মার্চেন্ট ব্যাংক) বিভিন্ন মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে জানায় যে, 'ক' নামের প্রতিষ্ঠান কমার্শিয়াল পেপার ইস্যু করে অর্থ নিতে চায়। ঘোষণায় কি পরিমাণ অর্থ কতদিনের মেয়াদে নেবে এবং তার সুদহার কত হবে তা ঘোষণা করা হয়। এরপর আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের মাধ্যমে কমার্শিয়াল পেপার কিনতে পারে। তবে কোনো ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কমার্শিয়াল পেপার ইস্যু করতে পারে না।এর আগে গত বছর সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এক সার্কুলার জারি করে কমার্শিয়াল পেপার ইস্যুর একটি নীতিমালা জারি করে। ওই নীতিমালায় বলা হয়েছে, কমার্শিয়াল পেপারের মাধ্যমে নূ্যনতম সাত দিন থেকে সর্বোচ্চ এক বছর মেয়াদে অর্থ সংগ্রহ করা যাবে। এ উপায়ে প্রতিষ্ঠানের মোট মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি অর্থ সংগ্রহ করা যাবে না।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা বাংলাদেশের ব্যাংক থেকে অর্থ নিতে চায় না। তারা বিদেশ থেকে অথবা অন্য বিদেশি কোম্পানি থেকে ঋণ নিয়ে থাকে। এতদিন কমার্শিয়াল পেপার ইস্যু করে অর্থ নেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু অস্পষ্টতা ছিল, এই সার্কুলার দিয়ে তা দূর করা হলো। source : somokal
  • বিএসসির ১২ শতাংশ শেয়ার ঘোষণা
    বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে তার শেয়ার হোল্ডারদের জন্য প্রতি একশ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের ওপর ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরের মুন্সি ফজলুর রহমান অডিটোরিয়ামে বিএসসির ৩৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারহোল্ডারগণ সর্বসম্মতিক্রমে এ লভ্যাংশ অনুমোদন করেন। নৌপরিবহন মন্ত্রী এবং বিএসসির বোর্ড অব ডিরেক্টর’স এর সভাপতি শাজাহান খান সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভার শুরুতে বিএসসির এমডি কমোডর হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া করপোরেশনের ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের আর্থিক প্রতিবেদন তুলে ধরেন।প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএসসি এ বছর ৬ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা নীট মুনাফা অর্জন করেছে যা গত বছর ছিল ৫ কোটি ৩৩ লক্ষ। এতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন আইন ১৯৭২ এর সংশোধন জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয়েছে। এর ফলে বিএসসির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার ১০ টাকায় রূপান্তরিত হবে। গেজেট প্রাপ্তির পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করা হবে। source : ittafaq
  • পুঁজিবাজারে লেনদেনের ৪২ শতাংশই ব্যাংক খাতের
    সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার শেয়ারবাজারে একচেটিয়া দাপট দেখিয়েছে ব্যাংকিং খাতের কোম্পানির শেয়ার। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের ৪২ শতাংশই ব্যাংকের শেয়ার। এ নিয়ে টানা দুই কার্যদিবস একচেটিয়া রাজত্ব ধরে রাখল ব্যাংকিং খাত। বুধবার ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০টিই ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি। দাম বাড়ার শীর্ষ দশে রয়েছে পাঁচটি ব্যাংক।মঙ্গলবারও লেনদেনের শীর্ষ ২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যাংক ছিল ১৪টি এবং দাম বাড়ার শীর্ষ দশে ছিল পাঁচটি ব্যাংক। ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিগুলোর দাপটের কারণেই বুধবারের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী থেকেছে (সিএসই)।উভয় পুঁজিবাজারে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩৭১ কোটি ৪৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৩৫৭ কোটি ৬ লাখ টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গত কার্যদিবসের চেয়ে সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের কার্যক্রম। তবে এদিন ডিএসইতে লেনদেন বাড়লেও কমেছে সিএসইর লেনদেন।ডিএসইর প্রধান সূচক ১১ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক ২৫ দশমিক ৮০ পয়েন্ট বেড়েছে। ডিএসইতে টাকার অঙ্কে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৯০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। গত মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ২৬৩ কোটি টাকা। সুতরাং এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ২৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১১ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৩৬ পয়েন্টে, ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক বেড়ে ১ হাজার ৩০১ পয়েন্টে এবং ১১ দশমিক ২১ পয়েন্ট বেড়ে ডিএসই-৩০ সূচক দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩২৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪১টির, কমেছে ১৩৯টির এবং কোনো পরিবর্তন হয়নি ৪৯টি কোম্পানির শেয়ার দর। ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো লিমিটেড, এবি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, আরএসআরএম স্টিল, বেক্সফার্মা, আইএফআইসি ব্যাংক এবং ইউসিবি ব্যাংক। অপরদিকে দাম বাড়ার শীর্ষ দশে স্থান করে নেয়া ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- এবি ব্যাংক, আইএফআইসি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক এবং ইউসিবি। এ ৫টি ব্যাংক আগের দিন মঙ্গলবারও লেনদেনের শীর্ষ দশে ছিল।সিএসইতে মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমান ৮১ কোটি ৫ লাখ টাকা। গত মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ৯৪ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার। সুতরাং সিএসইতে গত কার্যদিবসের চেয়ে শেয়ার লেনেদেন বেড়েছে ১৩ কোটি ১ লাখ টাকার বেশি।সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স ২৫ দশমিক ৮০ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৭৯১ পয়েন্টে, সিএএসপিআই সূচক ৪১ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৮০৯ পয়েন্টে, সিএসই-৫০ সূচক ৫ দশমিক ৬০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩১৪ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ৩৭ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৪৮০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩০টির, কমেছে ১০৬টির এবং কোনো পরিবর্তন হয়নি ৩১টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার অঙ্কে সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- বেক্সফার্মা, ইস্টার্ন ব্যাংক, এবি ব্যাংক, বেক্সিমকো লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ইউসিবি ব্যাংক, ডেল্টা স্পিনিং, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট এবং এক্সিম ব্যাংক। source : Inkilab
  • পুঁজিবাজারে মূলধন ও মূল্যসূচকে রেকর্ড
    ২০১০ সালে ধসের পর দীর্ঘ ছয় বছর মন্দাবস্থায় থাকার পর চলতি বছর থেকে গতিতে ফিরতে শুরু করেছে পুঁজিবাজার। বাড়ছে নতুন নতুন বিনিয়োগকারী। মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে লেনদেন। বাজারের পরিধি বৃদ্ধিতে মূলধন অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূলধন দাঁড়িয়েছে গতকাল বুধবার। একই সঙ্গে মূল্যসূচকও অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নানামুখী সংস্কারের পর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আইন-কানুন পরিবর্তনে বিনিয়োগকারীর আস্থা ফিরেছে। ব্যাংকে আমানতের বিপরীতে সুদের হার এক ডিজিটে হওয়ায় পুঁজিবাজারমুখী হয়েছে বিনিয়োগকারী। কারণ বাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির কম্পানিতে বিনিয়োগ করলে বছর শেষে ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ পাওয়া যায়। এ ছাড়া দিনে শেয়ার লেনদেনেও মুনাফা কিংবা ক্ষতি হয়। বছর শেষে নগদ কিংবা বোনাস হিসেবে ১০ শতাংশ বেশি লভ্যাংশ আসে। সংশ্লিষ্টরা আরো জানায়, একটি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকায় কম্পানিগুলো ভালো মুনাফা করছে। আর সেই মুনাফার অংশ শেয়ার গ্রাহকদের দেওয়ায় গতিশীল হচ্ছে বাজার। পুঁজিবাজারে বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ। ডিএসই সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বমুখিতার সময় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছিল। পরে চলতি বছরের শুরুতে আবারও নতুন গতি পায় বাজার। ছয় বছর মন্দাবস্থায় থাকার পর একটানা ঊর্ধ্বমুখী হয় পুঁজিবাজার। ২০১০ সালের পর ২০১৭ সালের শুরুতে পুঁজিবাজারে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়। বাজার মূলধন সর্বোচ্চ হয়।২০১০ সালে ধস নামার আগে ৫ ডিসেম্বর ডিএসইতে বাজার ছিল তিন লাখ ৬৮ হাজার ৭১ লাখ ৪১ হাজার টাকা, যা পরবর্তী ছয় বছর অব্যাহতভাবেই কমেছে। তবে ২০১৭ সালে নতুন গতি ফিরে পাওয়ার পর ২৪ জানুয়ারি লেনদেন ও বাজার মূলধন সর্বোচ্চ দাঁড়ায়। গত ছয় বছরে সর্বোচ্চ লেনদেন দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। আর বাজার মূলধন দাঁড়ায় তিন লাখ ৭৭ হাজার ১৭২ কোটি ১৭ লাখ টাকা।তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেনে ঊর্ধ্বমুখিতা থাকলেও ফেব্রুয়ারি মাসে নিম্নমুখী হয় বাজার। শেয়ার হাতবদলের সংখ্যা কমার সঙ্গে সঙ্গে কমে যায় দৈনিক লেনদেন ও শেয়ার হাতবদল। তবে মার্চ মাসে আবারও গতিতে ফিরেছে বাজার। গতকাল বুধবার বাজারে সর্বোচ্চ বাজার মূলধন দাঁড়ায়। এ দিন ডিএসইতে মূলধন দাঁড়ায় তিন লাখ ৭৮ হাজার ৪২৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আর প্রধান সূচক দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ৭৩৬ পয়েন্ট।পুঁজিবাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক চালু হয় ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি। আগের প্রধান সূচক ডিজেনের (ডিএসই জেনারেল ইনডেক্স) বদলে এটি চালু করা হয়। ওই সূচকের গণনা পদ্ধতি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ও বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্তি এড়াতে ডিজেনের সঙ্গে মিল রেখে ৪০৫০ পয়েন্ট থেকে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল।সপ্তাহের চতুর্থ দিনে দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচক ও লেনদেন বেড়েছে। তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন। আর ডিএসইতে সূচক বেড়েছে ১১ পয়েন্ট আর সিএসইতে সূচক বেড়েছে ২৫ পয়েন্ট। এদিকে টানা ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় রয়েছে ব্যাংক। অষ্টম দিনের মতো এই খাত নেতৃত্বস্থানে রয়েছে। ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে এই ঊর্ধ্বমুখী বলছেন সংশ্লিষ্টরা।আইডিএলসির বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ উৎসাহমূলক। ডিএসইর মোট লেনদেনে ব্যাংক খাতের বড় আধিপত্যই বজায় রয়েছে। মোট লেনদেনে ৩২.৫ শতাংশই এই খাতে। এ ছাড়া নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১.৮ শতাংশ, যার মধ্যে আইসিবির বেড়েছে সর্বোচ্চ ৪.৭ শতাংশ।বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৯০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে ১১ পয়েন্ট। সূচক দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৭৩৬ পয়েন্ট। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে দুই হাজার ৭৭ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়াহ্ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৩০১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।অপরবাজার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮১ কোটি পাঁচ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে ২৫ পয়েন্ট। source : kalar kontho
  • বাজেটে মার্চেন্ট ব্যাংকারদের ছয় প্রস্তাব
    শেয়ারবাজারকে গতিশীল করা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বাজারকে কাজে লাগাতে আসন্ন ২০১৭-১৮ বাজেটে কিছু নীতিসহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন দেশের মার্চেন্ট ব্যাংকাররা। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দেয়া এক চিঠিতে বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ও সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি মোট ছয়টি প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। এগুলো হলো— তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর ও ভ্যাট সুবিধা, ইন্টারমিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলোর করপোরেট করহ্রাস, ঋণাত্মক ইকুইটির মার্জিন হিসাবের বিপরীতে ধার্য অনাদায়ী সুদ আয়ে কর মওকুফ, বিনিয়োগকারীর মূলধনি মুনাফার ওপর করহ্রাস এবং শেয়ারবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ।সংগঠনের সভাপতি মো. ছায়েদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক পত্রে বিএমবিএ বলে, ২০১০ সালের বিপর্যয়ের পর টানা একটি নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল দেশের শেয়ারবাজার। অল্প সময়ের ব্যবধানে বেশকিছু রেগুলেটরি সীমাবদ্ধতা চলে আসায় বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়, যার প্রভাবে অন্য বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ও অংশগ্রহণও কমে যায়। দীর্ঘ মন্দার পর সাম্প্রতিক সময় আমরা পুঁজিবাজারে কিছু গতি দেখতে পেয়েছি। তা ধরে রেখে পুঁজিবাজারকে শিল্পায়ন, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান তথা অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। আমরা মনে করি, এজন্য কিছু নীতিগত সহায়তা দরকার।আসন্ন ২০১৭-১৮ বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে আমরা নিম্নলিখিত সমর্থনগুলোর প্রস্তাব করছি। প্রথমত. বিনা শর্তে পুঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ। আমাদের অর্থনীতিতে অনেক অপ্রদর্শিত অর্থ আছে, যেগুলো করের আওতাবহির্ভূত। অপ্রদর্শিত হওয়ায় মালিকরা এ অর্থ কোনো উত্পাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না করে বিভিন্ন অনুত্পাদনশীল বা আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করছেন। কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত না হলে তারা যদি এ অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেন, বিপুল অংকের এ টাকা অর্থনীতির মূল ধারায় ফিরে আসবে, শেষ পর্যন্ত যা উত্পাদনশীল খাতে কাজে লাগানো সম্ভব। বিষয়টি একদিকে অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে ভূমিকা রাখবে, অন্যদিকে সরকারের জন্যও রাজস্ব বাড়াবে।দ্বিতীয়ত. ঋণাত্মক ইকুইটির বিওতে মার্জিন ঋণের বিপরীতে ব্রোকার-মার্চেন্ট ব্যাংকের অনাদায়ী সুদের ওপর কর মওকুফ। চিঠিতে বিএমবিএ বলে, ঋণাত্মক ইকুইটির বিও হিসাবের বিপরীতে অনেক ব্রোকার-মার্চেন্ট ব্যাংকের পাওনা সুদ অনাদায়ী রয়েছে। এগুলো হিসাবভুক্ত করা হলেও পরিস্থিতির কারণে তা আদায় করা যাচ্ছে না। কিন্তু কর কর্তৃপক্ষ সেসব পাওনাকে আয় ধরে তার ওপর কর ধার্য করছে। এছাড়া সরকারের প্রণোদনা স্কিমের আওতায় অনেক ব্রোকার-মার্চেন্ট ব্যাংক সুদ বাবদ সেসব নিট পাওনায় ছাড় দিয়েছে। সেগুলোকেও আয় ধরে তার ওপর করারোপ করা হচ্ছে, যা প্রতিকূল সময়ে ইন্টারমিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আর্থিক চাপ আরো বাড়াচ্ছে। প্রায় আদায় অযোগ্য আয়ের ওপর এ করারোপ থেকে অব্যাহতি দেয়া দরকার।তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর করপোরেট করে সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাবে বিএমবিএ বলে, বর্তমানে তালিকাভুক্তির সুবাদে শেয়ারবাজারের কোম্পানিগুলো ১০ শতাংশ কর সুবিধা পায়। বাজারে আরো ভালো কোম্পানি আনতে তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির করপোরেট করের ব্যবধান অন্তত ১৫ শতাংশ হওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি। কারণ তালিকাভুক্ত কোম্পানির হিসাব তুলনামূলক স্বচ্ছ এবং তাদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় সরকারের জন্য তুলনামূলক সহজ। তাদের কর সুবিধা বাড়ালে বিনিয়োগকারীরাও উপকৃত হবেন।এছাড়া বর্তমানে তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভূত কোম্পানিকে একই হারে ভ্যাট দিতে হচ্ছে। আমরা মনে করি, হিসাবের স্বচ্ছতার কারণে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে সরকার প্রকৃত অর্থে তুলনামূলক বেশি হারে কর ও ভ্যাট পায়। এসব কোম্পানির জন্য ৪০ শতাংশ ভ্যাট মওকুফ তালিকাভুক্তি উত্সাহিত করে শেষ পর্যন্ত বিনিয়োগকারীদের জন্যও যেমন সুবিধা বয়ে আনবে, তেমনি সরকারের জন্যও রাজস্ব আহরণ বাড়াবে।সব ইন্টারমিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের জন্য একই হারে করপোরেট করের প্রস্তাব করেছেন মার্চেন্ট ব্যাংকাররা। বিএমবিএর চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে শুধু সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলো সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ হারে করপোরেট করের সুবিধা ভোগ করছে। অন্যদিকে মার্চেন্ট ব্যাংককে ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ ও ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ৩৫ শতাংশ হারে করপোরেট কর দিতে হয়। ব্যবসায় সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর করহারও ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা উচিত। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উত্সাহিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মূলধনি মুনাফার ওপর আরোপিত কর ১০ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা উচিত বলেও মনে করে বিএমবিএ।এ প্রসঙ্গে মো. ছায়েদুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ২০১০ সালের ধসের পর দেশের শেয়ারবাজারে এখনো পুরোপুরি গতি ফেরেনি। নানা কারণে এখনো অনেক সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বাজারবিমুখ। দীর্ঘদিন ধরেই লোকসান গুনছে শেয়ারবাজারে ইন্টারমিডিয়ারি  প্রতিষ্ঠানগুলো। আমরা মনে করি, অর্থনীতির অন্য সূচকের সমান্তরালে শেয়ারবাজারকে এগিয়ে নিতে এখানে নীতিগত সহায়তা দরকার। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগকারী ও শেয়ারবাজারের স্বার্থে মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন আগামী বাজেটের জন্য কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। নতুন বাজেটে এসব প্রস্তাব বিবেচনায় নিলে পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হতে পারবে, যা বাজারকে গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবে।   source : bonik barta
View All
Latest DSE News
  • NHFIL

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on April 04, 2017 at 4:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2016.

  • SIBL

    Prof. Dr. M. A. Mannan, one of the Sponsors of the Company, has further reported that he has completed his sale of 2,00,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • RSRMSTEEL

    Mr. Md. Younus Bhuiyan and Mrs. Shamsun Nahar Rahman, both are Sponsors/Directors of the Company, have further reported that they have completed their sale of 13,00,000 shares and 8,00,000 shares respectively at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • EXCH

    Today's (27.03.2017) Total Trades: 121,372; Volume: 249,495,299 and Turnover: Tk. 7,771.536 million.

  • HEIDELBCEM

    Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 28.03.2017.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PREMIERLEA 20.30 18.90 1.40 7.41
MIDASFIN 31.60 30.20 1.40 4.64
ICB 190.60 182.40 8.20 4.50
ETL 24.30 23.30 1.00 4.29
ANLIMAYARN 35.00 33.60 1.40 4.17
BRACSCBOND 1035.00 1000.00 35.00 3.50
LANKABAFIN 64.20 62.10 2.10 3.38
REGENTTEX 21.80 21.10 0.70 3.32
PRAGATIINS 37.70 36.60 1.10 3.01
MAKSONSPIN 10.60 10.30 0.30 2.91

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297