Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
AMBEEPHA 361 298.5 62.50 20.94
PHARMAID 290.2 244.7 45.50 18.59
ACIFORMULA 160.4 138.1 22.30 16.15
JMISMDL 191.9 167.6 24.30 14.50
POPULARLIF 166.6 148.2 18.40 12.42
SIBL 14.5 12.9 1.60 12.40
ACI 511.5 457.3 54.20 11.85
RENWICKJA 261 234.6 26.40 11.25
MARICO 1450.4 1311.1 139.30 10.62
KOHINOOR 368.5 335.7 32.80 9.77

Contest SB2015_Mar

1st
blank_person
IMDADCU
2nd
blank_person
TIGERSHARK
3rd
blank_person
SSHIMANTO
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 344.7 337.2 17.89855 730363.00
ZAHEENSPIN 24.3 0 2.78296 3945210.00
SPCL 194.6 185.5 2.14126 504286.00
SQURPHARMA 257.5 255.9 1.56744 442753.00
OLYMPIC 223.5 219.6 1.09375 98170.00
Negative impact
MARICO 1450.4 1468.8 -1.02437 7848.00
BATBC 3110.8 3118.4 -0.80592 715.00
HEIDELBCEM 451.2 457.7 -0.64911 44486.00
UCBL 21.1 21.4 -0.44358 322481.00
CITYBANK 17.5 17.8 -0.44224 505420.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
ACI 511.5 518 501 3.19% 264.10
GP 344.7 345.7 338 2.22% 250.72
SHASHADNIM 38.5 38.8 36.8 4.62% 164.30
ACIFORMULA 160.4 165 158 2.04% 128.43
LAFSURCEML 119.8 122.9 119.6 -1.07% 119.19
SQURPHARMA 257.5 259 255.7 0.63% 113.72
ZAHEENSPIN 24.3 27 23.2 0.00% 98.62
SPCL 194.6 196.4 182.1 4.91% 95.40
PHARMAID 290.2 292.5 274 6.07% 86.84
MJLBD 123.7 124.5 119.9 2.74% 77.44

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 25 Mar 2015

95309
TOTAL TRADE
68.1523
TOTAL VOLUME(Mn)
3507.97
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • সর্বোচ্চ দরপতনে নাসডাক
    এসবি ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার নাসডাকে এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দর পতন হয়েছে। বুধবার এ পতন হয়, যা গত বছরের ১০ এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। এদিন প্রধান সূচক নাসদাক ২ দশমিক ৪ শতাংশ বা ১১৮ পয়েন্ট কমে ৪৮৭৬ পয়েন্টে নেমে আসে। সেমি কন্ডাক্টর ও বায়োটেক কোম্পানিগুলোর শেয়ারের বড় দরপতন সামগ্রিক বাজারকে এতোটা নিম্নমুখী করে। ক্রাফ্ট ফুডস এর শেয়ারের দর ৩৫ শতাংশের বেশি বাড়লেও তা সামগ্রিক বাজারের পতন রোধ করতে পারেনি। খাদ্য খাতের কোম্পাপনি হেইঞ্জ এর সঙ্গে একীভুত হওয়ার খবরে ক্রাফট ফুডসের শেয়ারের দাম এতটা বাড়ে। কোম্পানি দুটি একীভুত হওয়ার ফলে এটি যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম খাদ্য কোম্পানিতে পরিণত হবে। এদিন মাইক্রোচিপ উৎপাদনকারী কোম্পানি এএমডির শেয়ারের ৫ দশমিক ৭ শতাংশ দরপতন হয়েছে। অন্যদিকে ওরামিড ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারের দাম কমেছে ১৯ শতাংশ। এদিন ডাওজোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়্যাল সূচক ২৯২ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬২ শতাংশ কমে নেমে আসে ১৭ হাজার ৭১৮ পয়েন্টে। আর এস অ্যান্ড পি ৫০০ সূচক ৩০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫০ শতাংশ কমে ২ হাজার ৭৬ পয়েন্টে শেষ হয়েছে। আর মুদ্রাবাজারে ইউরোর বিপরীতে ডলার দশমিক ৫ শতাংশ পতন হয়েছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে টেকসই পণ্যের অর্ডার ১ দশমিক ৪ শতাংশ দর পতন হয়েছে যা বিগত ৪ মাসের মধ্যে তৃতীয় দরপতন
  • বাজার উন্নয়নে সমন্বয় কমিটির সভা সোমবার
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারের স্বার্থে প্রথম বারের মত বাজার সংশ্লিষ্ঠ অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বয় সভা করবে। ডিএসই’র বোর্ড রুমে আগামী  ৩০ মার্চ, সোমবার সভা অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসইর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ, ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী তথা পুঁজিবাজারের স্বার্থে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন এবং অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং পুঁজিবাজারের উন্নয়নে মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের জন্য একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।
  • টিআইএন হালনাগাদের আহ্বান
    স্টাফ রিপোর্টার : অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড বিনিয়োগকারীদের ১২ ডিজিটের ট্যাক্স  আইডিন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) হালনাগাদ করার আহ্বান জানিয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, কোম্পানিটিকে রেকর্ড ডেটের আগে টিআইএন হালনাগাদ করতে হবে। এসময় কোনো বিনিয়োগকারী টিআইএন হালনাগাদ করতে ব্যর্থ হলে, নগদ লভ্যাংশের ওপর ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে। আর টিআইএন থাকলে নগদ লভ্যাংশের ওপর ১০ শতাংশ কর কাটা হবে। উল্লেখ্য, এই কোম্পানির লভ্যাংশ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট আগামী ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার। এই কোম্পানি ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ  লভ্যাংশ।
  • ৩০ মার্চ কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার :  পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স বোর্ড সভা আহ্বান করেছে। আগামী ৩০ মার্চ, মঙ্গলবার বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠেয় সভায় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হতে পারে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আগের বছর কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ২০০৮ সালে কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
  • ইসলামিক ফাইন্যান্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৮ শতাংশ নগদ এবং বাকী  ৪ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বুধবার অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে লভ্যাংশের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আলোচিত বছরে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ১ টাকা ৬৬ পয়সা। আর নেট অ্যাসেট ভ্যালু  (এনএভি) হয়েছে  ১২ টাকা ৬৬ পয়সা। ইসলামিক ফাইন্যান্সের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১৪ মে অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৯ এপ্রিল।
  • বে-মেয়াদিতে আইসিবি ইসলামিক ফান্ড রূপান্তর
    স্টাফ রিপোর্টার : আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি পরিচালিত মেয়াদি (ক্লোজ এন্ড) আইসিবি এএমসিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডকে বে-মেয়াদি (ওপেন এন্ড) ফান্ডে রূপান্তরের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বুধবার অনুষ্ঠিত পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় বে-মেয়াদি ফান্ড হিসাবে ‘আইসিবি এএমসিএল ইসলামিক ইউনিক ফান্ড’-এর প্রসপেক্টাস অনুমোদন দেয়া হয়েছে।কমিশনের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রসপেক্টাস অনুযায়ী, আইসিবি এএমসিএল ইসলামিক ইউনিট ফান্ডের টার্গেট সাইজ ২০ কোটি টাকা। যার মধ্যে ১৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা পাবে পূর্বের ইউনিট হোল্ডারগণ। আর বাকি ২ কোটি ১৩ লাখ টাকা জনগণের কাছ থেকে চাঁদার মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হওয়া হিসাব অনুযায়ী, আইসিবি এএমসিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের নিট সম্পদ মূল্য ১৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বা ইউনিট প্রতি ১৭.৮৭ টাকা। ফান্ডটির রূপান্তর নিয়ে সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসাবে কাজ করছে আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। কমিশন সভায় আইসিবি এএমসিএল ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মেয়াদ আরও ২ মাস অর্থাৎ ৩১ মে ২০১৫ পর্য বাড়ানো হয়েছে।
  • জাহিন স্পিনিংয়ের শেয়ার দরে নেই প্রত্যাশ‍ার প্রতিফলন
    স্টাফ রিপোর্টার : শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর প্রথম দিনে ১৪৩ শতাংশ দর বেড়েছে জাহিন স্পিনিংয়ের। ১০ টাকা দরের এ কোম্পানিটির শেয়ারের দর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার দিনশেষে ২৪.৩ টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ারের দর অভিহিত মুল্যের তুলনায় বেড়েছে ১৪.৩ টাকা। শতকরা হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ারের দরবৃদ্ধির হার ১৪৩ শতাংশ।লেনদেন শুরুর প্রথমদিনে বড় ধরনের দরবৃদ্ধি না হওয়ায় আইপিওতে শেয়ার বরাদ্ধ পাওয়া অনেক বিনিয়োগকারীরই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে তারা এ জন্য খুব বেশী হতাশও নন। বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশার প্রতিফলন পড়েনি। সম্প্রতি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া শাশা ডেনিমসের লেনদেন শুরুর প্রথমদিন দর বেড়েছিল মাত্র ৫ শতাংশ। লেনদেন শুরুর প্রথম দিন শেয়ারের এ ধরনের দরবৃদ্ধিতে বড় ধরনের হতাশা তৈরী হয়েছিল কোম্পানিটির আইপিও শেয়ারহোল্ডারদের।এ কারণে জাহিন স্পিনিং মিলসের দর ১৪৩ শতাংশ দর বাড়ার কারণে খুব বেশী হতাশ নন বিনিয়োগকারীরা। বুধবার লেনদেন শুরুর প্রথম দিনে জাহিন স্পিনিংয়ের আইপিওতে ইস্যু করা ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মধ্যে লেনদেন হয়েছে ৩৯ লাখ ৪৫ হাজার বা ৩২.৮৮ শতাংশ। ৮ হাজার ৯৪৮ হাওলায় এ শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। লেনদেনকৃত শেয়ারের মূল্য হচ্ছে ৯ কোটি ৮৬ লাখ ১৯ হাজার টাকা। লেনদেনে সর্বোচ্চ দর ছিল ২৭ টাকা ও সর্বনিম্ন ২৩.২০ টাকা। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের শেয়ার দর লেনদেনের প্রথম দিনে ১২০ শতাংশ, ন্যাশনাল ফিডের ৩২৫ শতাংশ, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেনের ব্যাগের ৬৬৬ শতাংশ, সুহৃদ ইন্ডাষ্ট্রিজের ৩০০ শতাংশ ও তুং হাই নিটিং এর শেয়ার হয় ১০৭ শতাংশ দর বেড়েছিল। এদিকে সর্বশেষ ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা বরাদ্দমূল্যে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হওয়া শাশা ডেনিমসের দর প্রথমদিন বাড়ে মাত্র ১.৯ টাকা বা ৫.৪৩ শতাংশ। জাহিন স্পিনিং মিলস ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে (ফেসভ্যালু) ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এদিকে লেনেদেন শুরুর আগে তৃতীয় প্রান্তিকের(জানুয়ারি’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) অনিরিক্ষীত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাহিন স্পিনিং । হিসাব অনুযায়ি, তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস ) করেছে ৯৯ পয়সা। এই ইপিএস কোম্পানির আইপিও পরবর্তী ৬ কোটি ৪৮ লাখ শেয়ার হিসাবে হয়েছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত প্রান্তিকে এই কোম্পানি কর পরবর্তী মুনাফা করেছে ৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। আর ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২২ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ৬৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আর ইপিএস ছিল ১৩ পয়সা। এই ইপিএস কোম্পানির আইপিও পূর্ববর্তী ৫ কোটি ২৮ লাখ শেয়ার বিবেচনায় হয়েছে। এদিকে গত ৩ মাসে (জুলাই’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ১২ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় করেছে ২১ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটি মুনাফা করেছিল ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় করেছিল ৩ পয়সা। এই ইপিএস কোম্পানির আইপিও পূর্ববর্তী ৫ কোটি ২৮ লাখ শেয়ার বিবেচনায় হয়েছে।আর আইপিও পরবর্তী ৬ কোটি ৪৮ লাখ শেয়ার বিবেচনা করলে আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির ইপিএস হতো ১৭ পয়সা।
  • ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি
    মেহেদী আরাফাত : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসই এক্স ইনডেক্স বুধবার দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখি প্রবনতা নিয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে পুনরায় ক্রয়চাপের ফলে দিনশেষে ডিএসই এক্স ইনডেক্স ঊর্ধ্বমুখি হতে থাকে এবং ১৫.৮৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি করে। ডিএসই এক্স ইনডেক্স ১৫.৮৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৪৫০৯.৩০ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.৩৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, নতুন একটি শেয়ারের লেনদেন আজ শুরু হয়েছে। এজন্য সবাই ভয়ে ছিল যে ইনডেক্স নেগেটিভ হয় নাকি। ইনডেক্স এর উপর এর  প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। TA বিস্লেশকদের মতে অনেক বিনিয়োগকারী আছে যারা ‘MACD’ দেখে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। এদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা বেশী। ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর ‘MACD’ দেখলে দেখা যায়ে, ‘MACD’ আগামীকাল ক্রস করতে পারে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৩৯২ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৪৮৫১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ২৭.৪২ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৪১.৭৮। এম.এফ.আই কিছুটা ঊর্ধ্বমুখি আবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর কিছুটা ঊর্ধ্বমুখি আবস্থান করছে। ডিএসইতে ৬ কোটি ৮১ লাখ ৫২ হাজার ২৫২ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৩৫০.৭৯ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে ৯৫ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩১৪ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৫ টির, কমেছে ১৪২ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৭ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ০-২০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৯৭.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে বৃদ্ধি পেয়েছে ৫০-১০০ এবং ১০০-৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৫৫.৭ এবং ১৬.৩৩% বেশী। অন্যদিকে ২০-৫০ এবং ১০০-৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় ১৫.৩২% এবং ২.৯৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। পিই রেশিও ২০-৪০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৫৮.৭৮% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ০-২০ এবং ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ২.৮১% এবং ১৫.৭৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে এগিয়ে ছিল ‘এন’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ১১০.২৩% বেশী ছিল। হ্রাস পেয়েছে ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ২৩.৩১% কম ছিল।
  • তথ্য ছাড়াই দর বেড়েছে এ্যামবী ফার্মার
    স্টাফ রিপোর্টার : সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে ঔষধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি এ্যামবী ফার্মা। দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে ২৫ মার্চ, বুধবার কোম্পানিটির পক্ষ থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) এ কথা জানানো হয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে,  চলতি মাসের ১৯ তারিখ থেকে শেয়ারটির দর বাড়া শুরু হয়েছে। শেয়ারটির দরবৃদ্ধির এ ধারা ২৫ মার্চ পর্যন্ত অব্যহত ছিল। ১৯ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত ৫ কার্যদিবসে শেয়ারটির দর প্রায় ৬৩ টাকা বেড়ে প্রায় ২৯৮ টাকা থেকে ৩৬১ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসেও শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই নোটিশ প্রদান করে এ্যামবী ফার্মাকে। সে সময়ও দর বাড়ার কারণ জানা নেই বলে গতানুগতিক একই কথা জানিয়েছিল কোম্পানিটি। সে সময় ১৯ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪ দিনে শেয়ারটির দর প্রায় ৩১ টাকা ৭০ পয়সা বেড়ে প্রায় ২৬৫ টাকা থেকে ২৯৬.৭০ টাকায় দাঁড়ায়। প্রসঙ্গত,  গত ১৯ ফেব্রুয়ারির মতো  ১৯ মার্চ থেকেও কাকতালীয়ভাবে শেয়ারটির দর বাড়া শুরু হয়েছে। এমন হওয়ার পেছনে শেয়ারটিতে কোন কারসাজির ঈঙ্গিত রয়েছে কি-না, সংশ্লিষ্ট মহলের তা ক্ষতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা।
  • বরকতউল্যাহ ৭ এপ্রিল থেকে বারাকা পাওয়ার
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বরকতউল্যাহ ইলেক্ট্রো ডায়নামিকস লিমিটেড নাম ও ট্রেডিং কোড পরিবর্তন করতে যাচ্ছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি, বুধবার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই জানায়, কোম্পানিটি ‘বরকতউল্যাহ ইলেক্ট্রো ডায়নামিকস লিমিটেড’ -এর পরিবর্তে ‘বারাকা পাওয়ার লিমিটেড’ নামে অভিহিত হবে। ডিএসই’র অধীনে এর ট্রেডিং কোড  ''BEDL'' এর পরিবর্তে ''BARKAPOWER'' হবে। কোম্পানির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন এ নাম ও ট্রেডিং কোড করা হয়েছে। অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তীত থাকবে। ৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার থেকে তাদের এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ৬ এপ্রিল, সোমবার।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ১২০৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
    বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ ১,২০৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। গতকাল পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব প্রকল্প ব্যয়ের ১,১৭০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা আসবে সরকারি খাত (জিওবি) থেকে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজ নিজ তহবিল থেকে আসবে ৩৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। এ সময় পরিকল্পনা বিভাগের সচিব সফিকুল আজম, ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য আরাস্তু খানসহ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, রাজশাহী জোনে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ২ লাখ নতুন গ্রাহককে বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়া যাবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্ভরতা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণ, বিদ্যুতের ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে বিদ্যমান পাওয়ার সিস্টেমের গুণগতমান এবং বিতরণ ব্যবস্থা উন্নতকরণ, আবাসিক ও শিল্পকারখানায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান, বিদ্যুতের প্রতিবন্ধক ও ফ্রিকোয়েন্সি ভেরিয়েশন হ্রাসকরণ এবং উন্নত লাইন ও সাব স্টেশন নির্মাণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিতরণ সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা সহজেই সম্ভব হবে। একনেক অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হচ্ছে- জামালপুর টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্প, এটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসারদের জন্য শহীদ শেখ রাসেল আবাসিক টাওয়ার ভবন নির্মাণ, এটি বাস্তবায়নের ব্যয় ৮৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। পানি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তি সমপ্রসারণ ও বিস্তার এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প, এটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯ কোটি ২ লাখ টাকা এবং বরিশাল বিভাগ ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্প, এটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১০১ কোটি ১৮ লাখ টাকা। রাজশাহী জোনে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের বিস্তারিত হচ্ছে, এটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯১৮ কোটি ৯৮ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রাজশাহী বিদ্যুৎ বিতরণ জোন রাজশাহী বিভাগের আট জেলার ৬০টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ জোনের আয়তন প্রায় ১৬,৪৯৩ বর্গকিলোমিটার এবং লোক সংখ্যা প্রায় ২১.৭ মিলিয়ন। এ এলাকা কৃষি এবং শিল্পভিত্তিক। কৃষি কার্যক্রমে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ জোনে সামপ্রতিক সময়ে নতুন নতুন রাইচ মিল, কোল্ড স্টোরেজ, পোলট্রি ফার্ম এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে উঠছে। এছাড়া বড় বড় শপিংমল, ব্যবসা কেন্দ্র ও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। পাবনায় একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা স্থাপন করা হয়েছে। দেশী-বিদেশী অনেক কোম্পানি সেখানে শিল্পকারখানা স্থাপন করছে। এ কারণে দিন দিন বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। রাজশাহী অঞ্চলে কয়েকটি পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট, ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট ও রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধীন। ওইসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিদ্যমান বিতরণ লাইনের মাধ্যমে বিতরণ করা সম্ভব নয়। এছাড়া সরকারের ভিশন অনুযায়ী ২০২১ সালে সকলের জন্য বিদ্যুৎ প্রদানের লক্ষ্যে রাজশাহী জোনে বিদ্যমান দুর্বল বিতরণ অবকাঠামোর উন্নয়ন করা প্রয়োজন। এজন্য প্রকল্পটি হাতে নেয়া হচ্ছে। বরিশাল বিভাগ ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের বিস্তারিত হচ্ছে- ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের কাজ শেষ করবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ৩৩টি উপজেলায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।   Source : মানব জমিন
  • রপ্তানি বাড়াতে পাঁচ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেবে সরকার
    রপ্তানি আয় বাড়াতে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি আরও পাঁচটি খাতকে সরকার গুরুত্ব দেবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। খাতগুলো হচ্ছে ওষুধ, চামড়া, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটিঘ), জাহাজনির্মাণ ও আসবাবপত্র। এরই ধারাবাহিকতায় আসবাবশিল্পকে নগদ সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে বলে জানান মন্ত্রী।গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বারিধারা এলাকায় যমুনা ফিউচার পার্কে ফার্নিচার ও গৃহসজ্জার পণ্যসামগ্রীর তিন দিনব্যাপী এক প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮১ শতাংশ আসে পোশাকশিল্প খাত থেকে। এই খাতটিকে অনেক সুবিধা দিয়েছি এবং দিয়ে যাব। তবে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় রপ্তানি আয় বাড়াতে পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের কথা বলা হয়েছে। সে জন্যই আমরা পাঁচটি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি।’আন্তর্জাতিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আকৃষ্ট করতে ‘বাংলাদেশ ফার্নিচার অ্যান্ড ইনটেরিয়র ডেকর’ (বিএফআইডি) শীর্ষক এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। এটির আয়োজন করে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি), বাংলাদেশ ফার্নিচার রপ্তানিকারক সমিতি, ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি, বাংলাদেশ হস্তশিল্প রপ্তানিকারক সমিতি (বাংলাক্রাফট) এবং বাংলাদেশ জুট ডাইভার্সিফাইড প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএএফআইওএ)। এতে সহায়তা করছে জুট ডাইভার্সিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেসিপিসি)।অনুষ্ঠানে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশীষ বসু বলেন, রাবার কাঠ থেকে প্রথম শ্রেণির আসবাবপত্র তৈরি হয়। তবে রপ্তানির নীতিতে আছে, রাবার কাঠ রপ্তানি করা নিষিদ্ধ। অবশ্য অনুমতি পাওয়া গেলে ফার্নিচার তৈরিতে রাবার কাঠ ব্যবহার করে প্রচ্ছন্ন রপ্তানি করা যায়। এ বিষয়ে তিনি বাণিজ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।শুভাশীষ বসু ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, পারটেক্স বোর্ড তৈরিতে রাবার গাছের শাখা-প্রশাখা ব্যবহার করতে পারেন। ইতিমধ্যে পারটেক্স বোর্ড ভারতে রপ্তানি শুরু হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহ্মদ বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হচ্ছে আসবাবপত্র। আর এই খাতের শ্রমিকদের বড় অংশই বাংলাদেশি। সারা বিশ্বে আসবাবপত্রের ৩৫ হাজার কোটি ডলারের বাজার আছে। তাই পোশাকের পর আসবাবপত্রেও আমাদের ভালো করার সুযোগ আছে। কারণ এই খাতটিও শ্রমনিবিড়।’ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, বাণিজ্যসচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, ফার্নিচার রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি কে এম আক্তারুজ্জামান, ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতির চেয়ারম্যান সেলিম এইচ রহমান, বিএএফআইওএর সভাপতি শাহেদুল ইসলাম, বাংলাক্রাফটের সহসভাপতি মালেকা খান।প্রদর্শনীটি আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। প্রদর্শনীতে ৫১টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে আসবাবপত্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের স্টল ১৫টি এবং হোমটেক্সটাইল, হস্তশিল্প, মৃৎশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্যের স্টল ৩৬টি।প্রসঙ্গ রাজনীতি: অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ দেশের সাম্প্রতিক রাজনীতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, রাস্তায় জানজট। কিন্তু বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট হরতাল দিয়েছে। হরতাল কি হচ্ছে? হরতালকে ভোঁতা করে দিয়েছে বিএনপি। রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের একটি অস্ত্র হচ্ছে হরতাল। তবে হরতাল-অবরোধের মধ্যেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট হচ্ছে। আসলে মানুষ হরতাল-অবরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, ‘বিএনপিকে বলব, সিটি করপোরেশন নির্বাচন হচ্ছে। মানুষ সন্ত্রাস, নাশকতা ও সহিংসতা পছন্দ করে না। বিএনপি এখন এখান থেকে সরার পথ খুঁজছে। সেটি ছিল সংলাপ। তবে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ যারা করে, তাদের সঙ্গে সংলাপ হয় না। একটি পথ আমরা খুলে দিয়েছি। এই নির্বাচনে বিএনপি আসুক এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের বিরত রাখুক। তাতে এখান থেকে ফিরে আসার একটি পথ তারা পেল।’   Source : প্রথম আলো 
  • ইউনাইটেড এয়ারের গ্রীষ্মকালীন মূল্যছাড়
    দেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ গ্রীষ্ম মৌসুম উপলক্ষে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গন্তব্যে মূল্যছাড় ঘোষণা করেছে। এসব গন্তব্যে একমুখী ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম ৩,৮০০ টাকা, ঢাকা-কক্সবাজার ৫,০০০, ঢাকা-সিলেট ৩,৭৫০, ঢাকা-যশোর ৩,৫০০ এবং ঢাকা-সৈয়দপুর ৪,৫০০ টাকা। আর দ্বিমুখী ভাড়া হচ্ছে যথাক্রমে ঢাকা-চট্টগ্রাম ৭,০০০ টাকা, ঢাকা-কক্সবাজার ১০,০০০, ঢাকা-সিলেট ৭,৫০০, ঢাকা-যশোর ৭,০০০ এবং ঢাকা-সৈয়দপুর ৯,০০০ টাকা। ভাড়ার সঙ্গেই সব ধরনের কর ও সারচার্জ অন্তর্ভুক্ত। গতকাল মঙ্গলবার থেকে সংস্থার নতুন ভাড়া কার্যকর হয়েছে। ইউনাইটেড এয়ার বর্তমানে ঢাকা থেকে জেদ্দা, দুবাই, মাসকাট, দোহা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, কাঠমান্ডু ও কলকাতা এবং চট্টগ্রাম থেকে কলকাতা প্রভৃতি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট বা উড্ডয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ সংস্থার বহরে এখন মোট ১১টি এয়ারক্রাফট রয়েছে।বিজ্ঞপ্তি   Source : প্রথম আলো 
  • পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন কমেছে
    টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের পতন দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। বেশিরভাগ কোম্পানির দরপতনের দিনে প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের সঙ্গে লেনদেনও কমেছে। বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার কারণে ডিএসইর লেনদেন আড়াই শ’ কোটি টাকার নিচে নেমে গেল। এদিন ডিএসইতে আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১৯ শতাংশ লেনদেন কমেছে। ডিএসইর মোট ৬৩ ভাগ কোম্পানির দর কমার দিনে সার্বিক সূচক কমেছে সামান্যই। অপর দিকে দেশের অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে।বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সকালে সূচকের বৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শুরুর পর দিনশেষে তা আর অব্যাহত থাকেনি। সারাদিন সূচকের ওঠানামা শেষে ডিএসইর সার্বিক সূচক বা ডিএসইএক্স সূচক ১৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৪৯৩ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯০ পয়েন্টে। ডিএস ৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৭০৭ পয়েন্টে। সারাদিনে ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩০৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭৯টির, কমেছে ১৯১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির শেয়ার দর।বেশিরভাগ কোম্পানির দর কমলেও তালিকাভুক্ত ওষুধ এবং রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলোর দর ও চাহিদা বেড়েছে। সারাদিনে খাতটির মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৩ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের প্রায় ২৫ ভাগ। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল জ্বালানি এবং শক্তি খাতের কোম্পানিগুলো। সারাদিনে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৪ কোটি টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৩৯ ভাগ। তৃতীয় অবস্থানে ছিল ব্যাংকের খাতের লেনদেনের পরিমাণ। সারাদিনে মোট লেনদেন করেছে ৩৪ কোটি টাকার, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ভাগ।ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হচ্ছেÑ এসিআই লিমিটেড, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, এসিআই ফরমুলেশনস, শাহজিবাজার পাওয়ার, গ্রামীণফোন, ব্র্যাক ব্যাংক, এমজেএল বাংলাদেশ, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মা এবং শাশা ডেনিমস।ডিএসইর দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ফার্মা এইড, শাহজালাল ব্যাংক লিমিটেড, ১ম জনতা মিউচুয়াল ফান্ড, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, উত্তরা ব্যাংক, ম্যারিকো, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, এ্যামবে ফার্মা, এসিআই এবং এসিআই ফর্মূলেশন।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : দুলামিয়া কটন, জনতা ইন্স্যুরেন্স, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, শাইনপুকুর সিরামিকস, ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড, আরামিট সিমেন্ট, ফু-ওয়াং ফুড, সায়হাম কটন ও আরএন স্পিনিং।এদিকে অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রামে বেশিরভাগ কোম্পানির দর কমার কারণে সব ধরনের সূচক কমেছে। তবে সূচক কমলেও সিএসইতে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। সকালে উর্ধগতি দিয়ে লেনদেন শুরুর পরে ডিএসইতে মোট ২৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৫৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৭২৭ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২২১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৪টির, কমেছে ১৪৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির।   Source : জনকণ্ঠ
  • জাহিন স্পিনিংয়ের লেনদেন শুরু আজ
    সম্প্রতি প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) সম্পন্ন করা জাহিন স্পিনিং লিমিটেডের লেনদেন আজ বুধবার শুরু হবে। ওইদিন দুই স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটি ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানায়, ডিএসইতে জাহিন স্পিনিংয়ের ট্রেডিং কোড হবে তঅঐঊঊঘঝচওঘ। আর কোম্পানি কোড নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭৪৬৭।প্রসঙ্গত, সোমবার জাহিন স্পিনিংয়ের লটারিতে বরাদ্দপ্রাপ্ত শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসেবে জমা হয়েছে। কোম্পানিটি ১১ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি সিএসইতে তালিকাভুক্ত হয়।জানা গেছে, জাহিন স্পিনিং গত ২ ফেব্রুয়ারি লটারির ড্র সম্পন্ন করেছে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছাড়ে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে কোম্পানিটি শেয়ার ইস্যু করে। ১২ কোটি টাকার বিপরীতে প্রায় ৮৮৭ কোটি ১৬ লাখ টাকার বা ৭৩ দশমিক ৯৩ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। এর আগে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত এই কোম্পানির আবেদন জমা দেয়ার সুযোগ ছিল। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত।   Source : জনকণ্ঠ
  • সি এ্যান্ড এ টেক্সটাইল ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সি এ্যান্ড এ টেক্সটাইল কোম্পানি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। এই কোম্পানি সমাপ্ত অর্থবছরে ১১ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়ে ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার থেকে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে পুঁজিবাজারে। এই কোম্পানি ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১১ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। উল্লেখ্য, সি এ্যান্ড এ টেক্সটাইল সোমবার বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসেবে বোনাস লভ্যাংশ পাঠিয়েছে।   Source : জনকণ্ঠ
  • কাশেম ড্রাইসেলের উদ্যোক্তার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
    প্রকৌশল খাতের কোম্পানি কাশেম ড্রাইসেলের উদ্যোক্তা পরিচালক শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। সেলিনা বেগম নামে কোম্পানির এক উদ্যোক্তা পরিচালক ২৯ হাজার ৫১২ শেয়ার বেচবেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, তার কাছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৯৪ শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে থেকে তিনি উল্লিখিত পরিমাণ শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বর্তমান বাজার দরে শেয়ার বিক্রি করতে পারবেন। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার কোম্পানিটির সর্বশেষ শেয়ার ৫৭ টাকা ২০ পয়সা দরে লেনদেন হয়েছে।   Source : মানব জমিন
  • ফেব্রুয়ারিতে এলসি খোলা কমেছে
    গেল ফেব্রুয়ারিতে এসে কমে গেছে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলা ও নিষ্পত্তির হার। টানা হরতাল-অবরোধ এবং জ্বালানি তেলের দাম কমার প্রভাবে এমনটি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ঋণপত্র খোলার হার কমেছে ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ। আর নিষ্পত্তি কমেছে ৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ৩০৫ কোটি ডলারের ঋণপত্র খোলা হয়েছে। আগের বছরের একই মাসে খোলা হয় ৩৩৭ কোটি ডলারের এলসি। আর আগের মাস জানুয়ারির তুলনায় কমেছে ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ। আলোচ্য মাসে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ২৭১ কোটি ডলারের। আগের বছরের একই মাসে নিষ্পত্তির পরিমাণ ছিল ২৮৫ কোটি ডলার। গত জানুয়ারি মাসে নিষ্পত্তি হয় ৩০৪ কোটি ডলারের এলসি। এ হিসেবে আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং জানুয়ারির তুলনায় ১০ দশমিক ৯১ শতাংশ নিষ্পত্তি কম হয়েছে। একক মাস হিসেবে গত ফেব্রুয়ারিতে ঋণপত্র খোলা ও নিষ্পত্তি কমার প্রভাবে সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিও কমেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মোট দুই হাজার ৭৮৪ কোটি ডলার সমপরিমাণের ঋণপত্র খোলা হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেশি। এর আগে গত জানুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে খোলা দুই হাজার ৪৭৯ কোটি ডলারের ঋণপত্র ছিল তার আগের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি।   Source : সমকাল
  • ড. ইউনূসকে এনবিআর এ তলব
    প্রায় ১৪ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের জন্য নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ডেকেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআরের কর অঞ্চল-৬ এর ১১৪ নম্বর সার্কেল থেকে সম্প্রতি ইউনূসকে একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে আগামী ২৯ মার্চ তাকে কর কমিশনারের সাথে আলোচনায় বসতে অনুরোধ করা হয়েছে।গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন ড. ইউনূস। অবসরের বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে ২০১১ সালের মার্চে তাকে অব্যাহতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আদালতে গেলেও ওই পদে তিনি আর ফিরতে পারেননি।সূত্র জানায়, দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন সময়ে পুরস্কার বা সম্মানী বাবদ তিনি যে অর্থ পেয়েছেন তার ওপর ১১ থেকে ১২ কোটি টাকা কর বাকী আছে। এই কর আদায়ে গত তিন অর্থবছর ধরে তাকে তাগাদা দিয়ে আসছে এনবিআর। কিন্তু তিনি ওই টাকার ওপর কর দিতে চান না। এনবিআর তার আবেদন নাকচ করায় তিনি আদালতেও গিয়েছেন।জানতে চাইলে কর অঞ্চল-৬ এর কমিশনার মেফতাহ উদ্দিন নয়াদিগন্তকে বলেন, বছর শেষে যাদের কাছে পাওনা আছেন তাদেরকে চিঠি দেয়া আমাদের রুটিন ওয়ার্ক। বিশেষ কিছু নয়। উনি একজন সম্মানিত করদাতা। উনার কিছু কর বকেয়া রয়েছে। এ নিয়ে উনি আদালতেও গেছেন। আমরা চাচ্ছি আলোচনা করে সমাধান করতে। সেজন্যই উনাকে দাওয়াত করা হয়েছে।    Source : নয়া দিগন্ত
  • পোশাকের দর ও রপ্তানি বাড়াতে রাজি কানাডার ক্রেতারা
    বাংলাদেশ থেকে বাড়তি তৈরি পোশাক ক্রয় এবং বাড়তি দাম দিতেও কানাডার ক্রেতারা রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন কানাডার হাইকমিশনার বেনওয়ে পিয়েরে ল্যারোমি। তবে এ জন্য কমপ্লায়েন্স এবং শ্রমিক অধিকারের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। গতকাল সোমবার রাজধানীতে বিজিএমইএ ভবনে সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। কমপ্লায়েন্সের শর্ত প্রতিপালনে চলমান সংস্কার চালিয়ে যাওয়া এবং সরকার-মালিক-শ্রমিকের মধ্যে কার্যকর সংলাপেরও পরমর্শ দেন তিনি। পোশাক খাতের উন্নয়নে চলমান সংস্কার কাজের প্রশংসা করলেও আরো অনেক সংস্কার বাকি রয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এ সময় বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের পোশাকের গুণগত মানের প্রশংসা করে গত কয়েক বছরে কানাডায় বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়টি উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের পোশাকখাত প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ হতে পোশাক খাতের অবদানই হবে গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৯-১০ অর্থবছরের ৬০ লাখ ডলার থেকে গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে কানাডায় রপ্তানি হয়েছে ১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। এর মধ্যে পোশাক পণ্যই ছিল ৯৬ শতাংশ। বাংলাদেশের পোশাক খাতকে সহযোগিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,  বাংলাদেশের পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে কানাডা। কানাডা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এদেশের পোশাক খাতের উন্নয়নে কাজ চলছে। আইএলও’র মাধ্যমে সরকারের পোশাক খাত সংস্কার কর্মসূচিতে নেদারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ৮০ লাখ ডলার অর্থ সহায়তা দিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় শ্রমিক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণেও সহায়তা দিচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে শুল্কমুক্ত সুবিধা না পেলেও বাজার ধরে রাখতে এখনই বাংলাদেশের নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা নেয়া প্রয়োজন।  বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি রানা প্লাজা ধসের পর এ খাতের উন্নয়নে নেয়া বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি জানান, কানাডায় রপ্তানিতে চীনের অংশ এখন ৬০ শতাংশেরও বেশি। অথচ বাংলাদেশের অংশ ১১ শতাংশেরও কম। গত আট মাসে পোশাক রপ্তানি আরও কমেছে। এ সময় চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, পোশাক খাতের সংস্কার কার্যক্রমে ব্যয় এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের সংকটের কথাও তুলে ধরেন। বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি এস এম মান্নান কচি, রিয়াজ বিন মাহমুদ, সাবেক সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, ফারুক হাসান প্রমুখ। Source : ইত্তেফাক
  • মিয়ানমারে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা চায় বাংলাদেশ
    বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে মিয়ানমারের সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) করতে চায় সরকার। প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে পিটিএ করতে পারলে সে দেশে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হবে- এমন আশা করছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা। এই চুক্তির আওতায় সেখান থেকে বিনা শুল্কে পণ্য আমদানি করা যাবে। এতে দুই দেশই লাভবান হবে। মিয়ানমারের সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি করার আগে এরই মধ্যে প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ চুক্তির আওতায় কোন কোন পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে সে বিষয়ে মতামত নিতে বিভিন্ন অংশীজনের কথা বৈঠকে বসার উদ্যোগ নিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। পিটিএ হলো এমন এক চুক্তি, যার মাধ্যমে উভয় দেশ তাদের নির্ধারিত কয়েকটি পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। দুই দেশের নীতিনির্ধারকরা একসঙ্গে বৈঠকে বসে ঠিক করবেন তাঁরা কোন কোন পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করবেন। সমঝোতার মাধ্যমে এটি নির্ধারিত হবে। নির্ধারিত ওই পণ্যটি আরেক দেশে ঢুকলে সে জন্য কোনো ধরনের শুল্ক দিতে হবে না। আর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) হলো সব পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা। অর্থাৎ যে দুই দেশের মধ্যে এফটিএ হবে, উভয় দেশেই অবাধে পণ্য ঢুকতে পারবে; সে ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শুল্ক দিতে হবে না।   বাংলাদেশের সঙ্গে এখন পর্যন্ত কোনো দেশের সঙ্গে এফটিএ হয়নি। ইরানের সঙ্গে একমাত্র পিটিএ হলেও সেটির এখন কোনো কার্যকারিতা নেই। জানা যায়, মিয়ানমারের সঙ্গে পিটিএ চুক্তি করলে এর লাভ-ক্ষতি কী হতে পারে সে বিষয়ে গবেষণা করতে কয়েক মাস আগে ট্যারিফ কমিশনকে নির্দেশ দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে এ বিষয়ে গবেষণা করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে ট্যারিফ কমিশন। কমিশন বলছে, এ চুক্তি হলে বাংলাদেশের জন্য অনেক ইতিবাচক বিষয় রয়েছে। নেতিবাচক বিষয়ও রয়েছে। তবে লাভবান হওয়ার সুযোগ বেশি। প্রতিবেদনটি এরই মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। জানতে চাইলে ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, 'বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে আমরা এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমরা বলেছি, দেশটির সঙ্গে পিটিএ করা যেতে পারে। এতে করে বাংলাদেশ উপকৃত হবে।' তিনি বলেন, এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে বৈঠকে বসবে। সবার মতামত নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা শুরু হবে বলে জানান তিনি। ট্যারিফ কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। দুই দেশের মধ্যে অটুট রয়েছে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। কিন্তু সে আলোকে বাড়েনি আমদানি-রপ্তানি। বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানির হার খুবই নগণ্য। যদিও মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ অনেক বেশি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ তথ্য বলছে, গত অর্থবছরে মিয়ানমারে ১৮ মিলিয়ন বা এক কোটি ৮০ লাখ ডলার সমপরিমাণ পণ্য রপ্তানি হয়েছে। একই সময়ে দেশটি থেকে আমদানি হয়েছে ৯ কোটি ২০ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থের পণ্য। সরকার আশা করছে, পিটিএ চুক্তি হলে একদিকে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমবে অন্যদিকে পণ্যের রপ্তানিও বাড়বে। ট্যারিফ কমিশন সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে সবচেয়ে বেশি পণ্য রপ্তানি হয় ওষুধ। গত অর্থবছরে দেশটিতে যে এক কোটি ৮০ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থের পণ্য রপ্তানি হয়েছে তার মধ্যে ওষুধ রপ্তানি হয়েছে এক কোটি ২০ লাখ ডলার। আর বাকি ৬০ লাখ ডলার রপ্তানি হয়েছে অন্যান্য পণ্য। মিয়ানমারে রপ্তানি পণ্যের তালিকায় রয়েছে সিমেন্ট, তৈরি পোশাক, টি-শার্ট, অ্যালুমিনিয়াম সামগ্রী, প্রসাধন সামগ্রী ইত্যাদি। আর দেশটি থেকে বেশি পণ্য আমদানি হয় কাঠ। এরপরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও মাছ। ট্যারিফ কমিশনের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন ঘটেনি। তবে দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের বিশাল বাজার রয়েছে। একই সঙ্গে প্রচুর চাহিদাও রয়েছে। বিশেষ করে প্লাস্টিক পণ্য, লেদার, নিটওয়্যার, ওভেন, ওষুধ ও পাদুকার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ভৌগোলিকভাব দুই দেশ কাছাকাছি হওয়ায় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কম দামে পণ্য আনা-নেওয়া যাবে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, মিয়ানমারের অর্থনীতির আকার বাংলাদেশের চেয়েও ছোট হলেও দেশটিতে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে নানা সংস্কারের কারণে দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। তাই মিয়ানমারের ওই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দেশটির সঙ্গে পিটিএ করা যেতে পারে বলে মত দিয়েছে ট্যারিফ কমিশন। তবে প্রতিবেদনের শেষ ভাগে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের বাণিজ্যের প্রবাহে দুর্বলতার কারণে পিটিএ করে সেখান থেকে লাভবান না হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। ইপিবির হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের বাণিজ্য হয়েছে ১১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের। এর আগের বছর হয়েছে ৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ২০১১-১২ অর্থবছরে হয়েছে সাত কোটি ৮০ লাখ ডলার। সে হিসাবে প্রতিবছরই উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ছে। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ হওয়ার সুবাধে যে হারে বাণিজ্য বাড়ার কথা, সে হারে বাড়ছে না বলে মন্তব্য করেছেন কর্মকর্তারা। বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই) ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা আবিদ খান কালের কণ্ঠকে বলেন, মিয়ানমারে বাংলাদেশি ওষুধের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। পিটিএ চুক্তি করতে পারলে বিনা শুল্কে ওষুধ রপ্তানি করা যাবে। তা ছাড়া দেশটি থেকে প্রচুর কাঠ আমদানি করে বাংলাদেশ। এ চুক্তি করলে বিনা শুল্কে কাঠ আনা যাবে। এতে উভয় দেশই লাভবান হবে বলে জানান তিনি।   Source : কালের কণ্ঠ
  • ব্যাংকের বিনিয়োগ সমন্বয়ের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব
    পুঁজিবাজারে ব্যাংকের মাত্রাতিরিক্ত বিনিয়োগ ও একক গ্রাহক ঋণসীমা সমন্বয়ের সময় আরও দুই বছর বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলো। গতকাল সোমবার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সভায় এ মত দেওয়া হয়।অবশ্য স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথক বা ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পর ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে ট্রেক (ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট) হোল্ডার বলা হয়।সার্বিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ডিএসইর পর্ষদ গতকাল শীর্ষ ৫০ ব্রোকারেজ বা ট্রেকহোল্ডার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ বৈঠকের আয়োজন করেছিল। এ ছাড়া বৈঠকে ডিএসইর কয়েকজন সাবেক নেতাও উপস্থিত ছিলেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০১৬ সালের মধ্যে ব্যাংকের বিনিয়োগ ও একক গ্রাহক ঋণসীমা সমন্বয় করতে হবে। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে এ সময়সীমা আরও দুই বছর বাড়িয়ে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করার পক্ষে মত দেওয়া হয়।এ ছাড়া শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য পুনঃ ক্রয় বা বাই ব্যাক আইন ও শেয়ারবাজারের জন্য বিশেষ পুনরুদ্ধার বা বেইল আউট তহবিল গঠনেরও সুপারিশ উঠে আসে এ বৈঠকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পুঁজিবাজারে ধস নামার পর সেটি মোকাবিলায় পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ ধরনের তহবিল গঠনের নজির আছে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের জন্য এ ধরনের একটি তহবিল গঠনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানানোর কথা বলেন ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মকর্তারা।জানতে চাইলে ডিএসইর একজন কর্মকর্তা বলেন, আলোচনায় যেসব সুপারিশ উঠে এসেছে তার মধ্যে ডিএসইর পক্ষ থেকে করণীয় কিছু সুপারিশ রয়েছে। এ ছাড়া বেশির ভাগ সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকারের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন রয়েছে। তাই এসব সুপারিশ ডিএসইর পক্ষ থেকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই এসব সুপারিশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।জানা গেছে, শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাংক, বিমা, তালিকাভুক্ত কোম্পানি, মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের একটি সমন্বিত বৈঠক অনুষ্ঠানের বিষয়ে গতকাল সিদ্ধান্ত হয়। আগামী সোমবার ডিএসইতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।   Source : প্রথম আলো 
  • ডায়িং ইউনিট করবে তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ
    শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থে পরিবেশবান্ধব ডায়িং ইউনিট স্থাপন করবে তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ডায়িং ইউনিটটি স্থাপনের পর প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ব্যয় কমবে। এছাড়া সুইং ক্যাপাসিটি বাড়াতেও প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) কিছু অর্থ ব্যবহার করা হবে। এতে নির্ধারিত সময়ে পোশাক সরবরাহের পাশাপাশি সার্বিক মুনাফা বৃদ্ধির ব্যাপারেও আশাবাদী কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের শ্রীপুরে নতুন পরিবেশবান্ধব ডায়িং ইউনিটটি স্থাপন করা হবে, যার দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা হবে ১৫ টন। জ্বালানি সাশ্রয়ী ইউনিটটি কার্বন নিঃসরণ অনেক কমাবে।নতুন ইউনিটের পেছনে প্রায় ১৬৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে আইপিও থেকে ৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা জোগান দেয়া হবে। বাকি অর্থের মধ্যে প্লেসমেন্টের মাধ্যমে মূলধন উত্তোলন থেকে ৬ কোটি ও ব্যাংকঋণ থেকে ৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা জোগান দেয়া হবে।উল্লেখ্য, তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড একটি শতভাগ রফতানিমুখী তৈরি পোশাক কোম্পানি। গত ১০ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটিকে আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দেয় শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।আইপিও প্রসপেক্টাস অনুসারে, কোম্পানিটি মোট ২ কোটি ৪৫ লাখ ৬৬ হাজার ২০০ শেয়ার ছেড়ে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৬৩ কোটি ৮৭ লাখ ২১ হাজার ২০০ টাকা সংগ্রহ করবে। বর্তমানে কোম্পানিটির কেবল নিটিং ও সুইং ইউনিট রয়েছে। এখন আইপিওর অর্থ দিয়ে ডায়িং ইউনিট স্থাপন করা হবে, যা তৈরি পোশাক শিল্পে কোম্পানির অবস্থান আরো শক্ত হবে।কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিম হাসান বলেন, ‘অত্যাধুনিক প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব ডায়িং ইউনিট গড়ে তুলব আমরা। এতে জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি দূষণের মাত্রাও সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার ব্যবস্থা থাকবে।’তিনি আরো বলেন, ডায়িং ইউনিট পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে গেলে বর্তমান সাব-কন্ট্রাক্টনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে কোম্পানি। এতে কোম্পানির মুনাফা মার্জিন বাড়বে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে তৈরি পোশাক খাতের বাজারে তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে। এ বিনিয়োগ সামাজিক ও পরিবেশ-সংক্রান্ত মান উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘমেয়াদি মূল্যসংযোজন করবে।প্রসপেক্টাসে দেয়া তথ্যানুযায়ী, ডায়িং ইউনিটে কোল্ড প্যাড ব্যাচ প্রযুক্তি ব্যবহার করবে তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ। এতে প্রচলিত ডায়িং মেশিনের চেয়ে ৪৫ শতাংশ কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। পানিও অনেক কম খরচ হয়। এছাড়া ডায়িং কারখানার সার্বিক নকশাও জ্বালানি সাশ্রয় উপযোগী করা হচ্ছে।ডায়িং ইউনিট স্থাপনের পাশাপাশি আইপিওর অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি আরো ৫০০ সেলাই মেশিন স্থাপন করবে, যা কোম্পানির উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াবে। অবশ্য গত বছর কোম্পানিটি তাদের উৎপাদনক্ষমতার মধ্যে নিটিংয়ে ৭৬ ও সুইংয়ে ৫৮ শতাংশ পর্যন্ত ব্যবহার করতে পেরেছে।আইপিওতে তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ টাকা (১৬ টাকা প্রিমিয়ামসহ)। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৪৯ পয়সা ও সমন্বয় শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৪১ পয়সায়। কোম্পানির আইপিওর ইস্যু ব্যবস্থাপক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড।নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ ২০১৩ সালে ৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা মুনাফা করেছে। আগের বছরও ৮ কোটি টাকার বেশি মুনাফা করে কোম্পানিটি। মুনাফার এ ধারাবাহিকতা আইপিও-পরবর্তী সময়েও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।২০১৩ সালে ৯৪ কোটি টাকার বিপরীতে ২০১৪ সালে বিক্রি দাঁড়িয়েছে ১৪০ কোটি টাকায়। কোম্পানিটি বর্তমানে ডায়িং, প্রিন্টিং ও এমব্রয়ডারির কাজ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে করিয়ে থাকে (আউটসোর্স)। বর্তমানে তশরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের বিভিন্ন বিভাগে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ জন শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠানটি মূলত নিটওয়্যার তৈরি পোশাক যেমন—পলো শার্ট, টি-শার্ট, ট্যাঙ্ক টপ ইত্যাদি রফতানি করে।   Source : বনিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • ACI

    In response to a DSE query, the Company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the Company for recent unusual price hike.

  • MOR

    Withdrawal of Authorized Representative: Moshihor Securities Ltd. (DSE TREC No. 134), has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Md. Khairul Alam, with immediate effect.

  • CONTININS

    As per Regulation 30 of DSE Listing Regulations, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on March 30, 2015 at 03:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2014.

  • ACIFORMULA

    In response to a DSE query, the Company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the Company for recent unusual price hike.

  • AZIZPIPES

    In response to a DSE query, the Company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the Company for recent unusual price hike.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
DULAMIACOT 7.80 7.10 0.70 9.86
JMISMDL 191.90 174.80 17.10 9.78
AZIZPIPES 19.30 17.80 1.50 8.43
LIBRAINFU 394.20 364.80 29.40 8.06
POPULARLIF 166.60 155.60 11.00 7.07
MIDASFIN 11.90 11.20 0.70 6.25
BRACSCBOND 1130.00 1065.00 65.00 6.10
PHARMAID 290.20 273.60 16.60 6.07
KOHINOOR 368.50 347.80 20.70 5.95
RENWICKJA 261.00 246.80 14.20 5.75

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297