Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar
Parallel Trend Lines 2 Amibroker AFL 11-Feb

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
RENWICKJA 527.5 319.2 208.30 65.26
SHYAMPSUG 9.3 6.8 2.50 36.76
EXIM1STMF 8.2 6.2 2.00 32.26
ECABLES 177.8 138.8 39.00 28.10
ZEALBANGLA 12.4 9.7 2.70 27.84
NTLTUBES 101.6 81.8 19.80 24.21
SAVAREFR 48.5 40 8.50 21.25
USMANIAGL 93.5 80.1 13.40 16.73
BSC 388 338.6 49.40 14.59
HAKKANIPUL 50.2 44.4 5.80 13.06

Contest SB2016_Jul

1st
blank_person
CCHANDAN
2nd
blank_person
IMRANKSL
3rd
blank_person
RUHAN363
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 284.7 279.7 11.62341 1382130.00
ICB 108.9 105.7 3.48625 110742.00
BRACBANK 58.9 57.7 1.46771 1671320.00
BSRMLTD 163.1 159.5 1.20917 745173.00
SINGERBD 164.4 157.3 0.93747 803521.00
Negative impact
OLYMPIC 330.6 339.4 -2.88485 273282.00
ISLAMIBANK 31.1 31.8 -1.94024 4697080.00
UPGDCL 148.8 151.9 -1.93703 347951.00
BERGERPBL 2153.2 2201.1 -1.91227 963.00
TITASGAS 49 49.5 -0.85152 564045.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
GP 284.7 286 278 1.79% 390.29
SQURPHARMA 265.5 266 264.8 0.26% 167.92
ISLAMIBANK 31.1 31.8 30.8 -2.20% 146.10
SINGERBD 164.4 169 163 4.51% 133.29
ACMELAB 115.4 117 115.1 -0.94% 122.36
BSRMLTD 163.1 164.4 160 2.26% 120.91
BRACBANK 58.9 59.2 57.2 2.08% 97.99
OLYMPIC 330.6 340 329.9 -2.59% 90.74
DBH 112 114.6 111 -2.10% 85.99
CVOPRL 272.5 275 263.9 3.53% 84.11

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 27 Jul 2016

99568
TOTAL TRADE
87.7562
TOTAL VOLUME(Mn)
4052.21
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক শেয়ার কিনবেন
    স্টাফ রিপোর্টার : অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক মাহমুদুল হক শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, মাহমুদুল হক ৭ হাজার শেয়ার কিনবেন। এই উদ্যোক্তা পরিচালক আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বর্তমান বাজার দরে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার কিনতে পারবেন।
  • ২৮ জুলাই থেকে সপ্তম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন বন্ধ
    স্টাফ রিপোর্টার : সপ্তম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) থেকে অনিদৃষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে ফান্ডটি বে-মেয়াদী ফান্ড হিসাবে তালিকাভুক্ত ছিল। ফান্ডটিকে বে-মেয়াদী থেকে মেয়াদী ফান্ডে রূপান্তরের জন্য৮ আগস্ট ইউনিট হোল্ডারদের সম্মতি নেওয়া হবে। এরপরে ফান্ডটির লেনদেনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
  • ২৮ জুলাই পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লেনদেন বন্ধ
    স্টাফ রিপোর্টার : রেকর্ড ডেটের কারণে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের লেনদেন বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, এর আগে কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন স্পট মার্কেটে এবং ব্লক/অডলটে শুরু করেছিল; যা বুধবার (২৭ জুলাই) সম্পন্ন হবে । আগামী ৩১ জুলাই থেকে কোম্পানিটি আবার স্বাভাবিক লেনদেন শুরু করবে পুঁজিবাজারে।
  • লংকাবাংলা ফিন্যান্স কমার্শিয়াল পেপার ইস্যু করবে
    স্টাফ রিপোর্টার : লংকাবাংলা ফিন্যান্স লিমিটেড কমার্শিয়াল পেপার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি ১৫০ কোটি টাকার কমার্শিয়াল পেপার ইস্যু করবে। ডিএসই সূত্রে  জানা গেছে। সূত্র আরও জানায়, লংকাবাংলা ফিন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ ৩০০ কোটি টাকা থেকে ১ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত অনুমোদিত মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নিতে আগামী ১০ অক্টোবর সকাল ১০টায় বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) আয়োজন করেছে। এ জন্য কোম্পানিটি আগামী ২৩ আগস্ট রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করেছে। আর কোম্পানিটি ইজিএমের ভেন্যু পরে জানাবে। উল্লেখ্য, কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডার ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন পেলেই মূলধন বাড়াতে পারবে।
  • ৪৪ গুণের বেশি আবেদন ইয়াকিন পলিমারের আইপিওতে
    স্টাফ রিপোর্টার : ইয়াকিন পলিমার লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) ৪৪ গুণের বেশি আবেদন পড়েছে। পোস্ট ইস্যু ম্যানেজার ইউনাইটেড করপোরেট অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস (ইউকাস) লিমিটেড সূত্রে জানা গেছে। তবে কোন ক্যাটাগরিতে কী সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে তা জানা যায়নি। প্রাপ্ত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর সেটি বিস্তারিত বলতে পারবে বলে জানিয়েছে ইউকাস। আর সেটি জানাতে আরও দুই তিন দিন সময় লাগতে পারে। ইতোমধ্যে ইয়াকিনের আইপিওর লটারির সম্ভাব্য দিন ঠিক করা হয়েছে। ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ লটারি অনুষ্ঠিত হবে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে লটারি করা হবে। গত ১০ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ইয়াকিনের আইপিওর আবেদন জমা নেওয়া হয়। কোম্পানিটি ২ কোটি শেয়ার ইস্যুর জন্য আবেদন আহ্বান করে। প্রতি ৫০০ শেয়ারে এর লট। এই হিসেবে আইপিওতে বরাদ্দযোগ্য লট আছে ৪ লাখ। আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে ব্যবসা সম্প্রসারণ করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির আইপিওর ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ফাস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
  • ২৮ জুলাই লাফার্জ সুরমার সভা
    স্টাফ রিপোর্টার : লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের বোর্ডসভা বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, সভায় কোম্পানির স্থগিত ১৮তম বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে। এর আগে কোম্পানিটি গত ১৬ জুন এজিএম করার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু অর্থবিল ২০১৫ ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা পরিপালনের লক্ষ্যে কোম্পানিটির এজিএম স্থগিত করা হয়েছিল। উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল বিএসইসির ৫৭০তম সভায় ব্যাংক-বিমা- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাদে সকল তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে একই অর্থ বছর অনুসরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। অর্থাৎ জুলাই থেকে জুন আর্থিক বছর অনুসরণ করতে হবে; যা গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।
  • রূপালী ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক শেয়ার বেচবেন
    স্টাফ রিপোর্টার :  রূপালী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক মো. জিন্নাত আলী মিয়া শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। সিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, জিন্নাত আলী রূপালী ইন্স্যুরেন্সের ৫০ হাজার শেয়ার বিক্রি করবেন। এই ইন্ডিপেন্ডেন্ট পরিচালেকর কাছে কোম্পানির মোট ৩ লাখ ৪৩ হাজার ২০৪টি শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে থেকে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিক্রি করা যাবে।
  • বেয়ারিশে যাচ্ছে বাজার, মার্কেট নিউজ টুইটস : ২.৩০ মিনিট
    বেয়ারিশ ক্যান্ডেল দিয়ে শেষ হল বাজার। ডোজির পর বেয়ারিশ ক্যান্ডেল আসায় সেলারের প্রভাব প্রকাশ পাচ্ছে। ইনডেস্কের মান কমছে, মার্কেট নিউজ টুইটস : ২.১০ মিনিট ভলিয়ম তেমন না থাকায় ইনডেস্কের মান কমছে। DBH এর উল্লেখযোগ্য  লেনদেন , মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩০ মিনিট ঠিক ১.৩০ টায় DBH  এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( 21 TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 952000 TK। ধীরে ধীরে কমছে ইনডেস্কের ভলিয়ম , মার্কেট নিউজ টুইটস: ১২.২০ মিনিট বেলা বাড়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে কমছে ইনডেস্কের ভলিয়ম। ভাল অবস্থানে আছে SINGERBD CVOPRL BSC, মার্কেট নিউজ টুইটস: ১১.৩০ মিনিট ভাল অবস্থানে আছে SINGERBD CVOPRL BSC । এরা লেনদেনের শীর্ষ ১০ এ অবস্থান করছে পাশাপাশি দামও বেড়েছে।   লেনদেনে ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টর এগিয়ে , মার্কেট নিউজ টুইটস : ১১.০০ মিনিট সকাল থেকে লেনদেনে এগিয়ে আছে ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টর। এই সেক্টরে থাকা কোম্পনিগুলোর দর বাড়তে দেখা যায়। মুদ্রানীতির প্রভাব পড়তে পারে আজ , মার্কেট নিউজ টুইটস : ১০.৩০ মিনিট (২৭.০৭.২০১৬) পুজিবাজারে আজ মুদ্রানীতির প্রভাব পড়তে পারে। মুদ্রানীতিতে পুজিবাজারের জন্য তেমন কোন কিছু না থাকলেও রপ্তানি খাতের কোম্পানির জন্য ভাল কিছু থাকায় সেসব কোম্পানিতে শেয়ারের প্রভাব থাকতে পারে আজ। পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের আইপিও ব্যয় কমানোর পরামর্শ বিএটিবিসির ইপিএস বৃদ্ধি সতর্ক ও সংকুলানমুখী মুদ্রানীতি ঘোষণা জঙ্গিদের ব্যাংক সুবিধা বন্ধ করা হবে: গভর্নর বেসরকারি খাতে পেনশন সঞ্চয় প্রকল্প চালু হচ্ছে আমান কটন ‘৪৯ কোটি টাকা আধুনিক মেশিন স্থাপনে ব্যয় করবে’ পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • সিঙ্গারের নিজস্ব কারখানায় রেফ্রিজারেটর উৎপাদন শুরু
    স্টাফ রিপোর্টার : নিজস্ব কারখানায় রেফ্রিজারেটর উৎপাদন শুরু করেছে সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল অ্যাপ্লায়েন্সেস লিমিটেড। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সাভারে অবস্থিত কারখানাটিতে উৎপাদন শুরু হয়। রেফ্রিজারেটর কারখানাটি উদ্বোধন করেন সিঙ্গার এশিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান গ্যাভিন ওয়াকার। এ সময় ইন্টারন্যাশনাল অ্যাপ্লায়েন্সেস লিমিটেডের অপর অংশীদার সাংহাই সনলু সাংলিং এন্টারপ্রাইজ গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান চ্যান কুয়ান মিয়াও এবং সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাপ্লায়েন্সেস লিমিটেড হলো সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড এবং সাংহাই সনলু সাংলিং এন্টারপ্রাইজ গ্রুপের যৌথমালিকাধীন একটি কোম্পানি।এ কোম্পানির ৪০ শতাংশ শেয়ারের মালিক সিঙ্গার। জানুয়ারি-জুন সময়ে সিঙ্গার বাংলাদেশের পণ্য বিক্রি বেড়েছে প্রায় ৪২ শতাংশ, আর ১৫৩ শতাংশ বেড়েছে নিট মুনাফা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাপ্লায়েন্সেস লিমিটেডের কারখানায় রেফ্রিজারেটর, ডিপ ফ্রিজসহ বিভিন্ন ধরনের গৃহস্থালী পণ্য (Home Appliance) উৎপাদন করা হবে। ।
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের আইপিও ব্যয় কমানোর পরামর্শ
    স্টাফ রিপোর্টার : শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ তথা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) ব্যয় কমানোর পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঘোষিত মুদ্রানীতিতে এই পরামর্শ দেয়া হয়। গভর্নর ফজলে কবির মঙ্গলবার সকালে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) জন্য এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। করপোরেট তথা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে সহজে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে সে বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরও বেশি সহায়ক ভূমিকা পালনের জন্যেও পরামর্শ দেয়া হয় মুদ্রানীতিতে। মুদ্রানীতিতে পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক নেতিবাচক ধারার কিছু পরিসংখ্যান উল্লেখ করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) বিপরীতে পুঁজিবাজারের মূলধনের (Market Capitalization) অনুপাত ছিল ১৫ দশমিক ০৪ শতাংশ, যা মে মাসে ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশে নেমে আসে। একই সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্য-আয় অনুপাত (PE Ratio) ১৫ দশমিক ২২ থেকে ১৪ দশমিক ৩৩ এ নেমে আসে। তবে বেশ আশার কথাও শুনিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, সরকার বেসরকারি খাতে পেনশন চালুর জন্য দীর্ঘ মেয়াদি পেনশন সঞ্চয় প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে। এর জন্য একটি পেনশন ফান্ড রেগুলেটর গঠন করা হবে। এটি সফলভাবে চালু হলে তা মুদ্রা ও পুঁজিবাজারকে সহায়তা করবে। দীর্ঘ মেয়াদী সঞ্চয় থেকে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে অর্থায়ন করা যাবে সহজেই।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • পাঁচ দিন পর পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ল
    টানা পাঁচ কার্যদিবস পতনের পর মঙ্গলবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক (ডিএসই) ১ পয়েন্ট বেড়েছে। একই সঙ্গে এদিন আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।গত ১৯ জুলাই থেকে ডিএসইতে মূল্যসূচকের পতন শুরু হয়। এরপর পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইএক্স কমে ২২.৬৩ পয়েন্ট, যা গড়ে প্রতিদিন ৪.৬৩ পয়েন্ট কমে। তবে মঙ্গলবার ০.৯৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৫০.১৬ পয়েন্টে।মঙ্গলবার ডিএসইতে ৪৪৮ কোটি ১৬ লাখ টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ সোমবার ছিল ৩৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার। এদিন ডিএসইতে ৩২৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১১৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১৪৬টির দর কমেছে, ও ৬৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার। কোম্পানিটির ২৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা গ্রামীণফোনের ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লিন্ডে বিডি। লেনদেনে এরপর রয়েছে : ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, একমি ল্যাবরেটরিজ, বিএসআরএম লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, স্কয়ার ফার্মা, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, ব্র্যাক ব্যাংক।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পারিগুলো হলো : হাক্কানী পাল্প, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর, এটলাস বাংলাদেশ, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, উসমানিয়া গ্লাস, এক্সিম ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, লিগ্যাসি ফুটওয়ার ও ৭ম আইসিবি।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ইভিন্স টেক্সটাইল, প্রগতি লাইফ, সামাতা লেদার, ফাস্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড, ন্যাশনাল পলিমার, ইস্টার্ন ক্যাবলস, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ, রিজেন্ট টেক্সটাইল, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ও ন্যাশনাল ফিড মিলস লিমিটেড।এদিকে মঙ্গলবার অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স মূল্যসূচক ২.৬৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫২০.৬৮ পয়েন্টে, যা আগের দিন ০.১৪ পয়েন্ট বেড়েছিল।এদিন সিএসইতে আর্থিক লেনদেন হয়েছে ২৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার। যার পরিমাণ আগের দিন ছিল ১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৮টি ইস্যুর মধ্যে দর বেড়েছে ৯৮টির, কমেছে ১১১টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ইসলামী ব্যাংক, একমি ল্যাবরেটরিজ, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড, বিএসআরএম লিমিটেড, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, গ্রামীণফোন, তিতাস গ্যাস, বেক্সিমকো ও বেক্সিমকো ফার্মা।   Source : জনকণ্ঠ
  • আইপিও ব্যয় কমানোর পরামর্শ
    শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ তথা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) ব্যয় কমানোর পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার ঘোষিত মুদ্রানীতিতে এ পরামর্শ দেয়া হয়। গবর্নর ফজলে কবির সকালে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর’১৬) জন্য এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।কর্পোরেট তথা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে সহজে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে সে বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরও বেশি সহায়ক ভূমিকা পালনের জন্যও পরামর্শ দেয়া হয় মুদ্রানীতিতে। মুদ্রানীতিতে পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক নেতিবাচক ধারার কিছু পরিসংখ্যান উল্লেখ করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) বিপরীতে পুঁজিবাজারের মূলধনের অনুপাত ছিল ১৫ দশমিক ০৪ শতাংশ, যা মে মাসে ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশে নেমে আসে। একই সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্য-আয় অনুপাত ১৫ দশমিক ২২ থেকে ১৪ দশমিক ৩৩ এ নেমে আসে।তবে বেশ আশার কথাও শুনিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, সরকার বেসরকারী খাতে পেনশন চালুর জন্য দীর্ঘমেয়াদী পেনশন সঞ্চয় প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছে। এর জন্য একটি পেনশন ফান্ড রেগুলেটর গঠন করা হবে। এটি সফলভাবে চালু হলে তা মুদ্রা ও পুঁজিবাজারকে সহায়তা করবে। দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় থেকে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে অর্থায়ন করা যাবে সহজেই। মুদ্রানীতি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য সরাসরি পুঁজিবাজার নিয়ে কোন কথা বলেননি গবর্নর ফজলে কবির বা কোন ডেপুটি গবর্নর। প্রশ্নোত্তর পর্বেও এ নিয়ে কোন প্রশ্ন ছিল না। তাই পুঁজিবাজার সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর কী কী ভাবনা আছে, তা জানা যায়নি।   Source : জনকণ্ঠ
  • মুদ্রানীতির পর ডিএসইর সূচক বেড়েছে ১ পয়েন্ট
    আগামী ছয় মাসের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। তবে মুদ্রানীতির ফলে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা আশান্বিত হতে পারেননি। ফলে সূচকে তেমন কোন উন্নতি হয়নি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক বেড়েছে প্রায় ১ পয়েন্ট। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক হবে এমন কোন কিছু নেই মুদ্রানীতিতে। ফলে বাজারে তেমন কোন প্রভাবও পড়েনি। তবে পুঁজিবাজারের জন্য মুদ্রানীতির চেয়েও এখানে আস্থা বাড়ানোই বেশি জরুরী বলে মনে করেন তারা।একাধিক মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে এখন বড় সমস্যা হলো আস্থার সংকট। তাই আস্থার সংকট কাটাতে হবে। এজন্য তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর হিসাবায়নে স্বচ্ছতা আনা এবং লভ্যাংশ দেয়ার প্রবণতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ভালো কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে নিয়ে আসতে হবে। আর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ দিতে হবে।ডিএসইর তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক শূন্য দশমিক ৯৮ পয়েন্ট বেড়েছে। আর লেনদেন হয়েছে ৪৪৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা। যা আগেরদিন ছিল ৩৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এদিন ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার। কোম্পানিটির ২৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা গ্রামীণফোনের শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। াার তৃতীয় স্থানে থাকা লিন্ডে বিডির শেয়ারে লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। লেনদেনে এরপর রয়েছে ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, একমি ল্যাবরেটরিজ, বিএসআরএম লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, স্কয়ার ফার্মা, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন এবং ব্র্যাক ব্যাংক। এদিন অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স মূল্যসূচক ২ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫২০ পয়েন্টে।   Source : ইত্তেফাক
  • ডিএসইতে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে
    টানা পাঁচ কার্যদিবস পতনের পরে গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ০.৯৮ পয়েন্ট বেড়েছে। একইসঙ্গে এদিন আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। ডিএসই'র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।গত ১৯ জুলাই থেকে ডিএসইতে মূল্যসূচকের পতন শুরু হয়। এরপরে পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইএক্স কমে ২২.৬৩ পয়েন্ট। যা গড়ে প্রতিদিন ৪.৬৩ পয়েন্ট কমে। তবে গতকাল ০.৯৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৫০.১৬ পয়েন্টে। গত সোমবার (২৫ জুলাই) ১.৮৯ পয়েন্ট, রোববার (২৪ জুলাই) ১.৮৫ পয়েন্ট, বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) ০.৭৭ পয়েন্ট, বুধবার (২০ জুলাই) ২.৩৮ পয়েন্ট ও মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) ১৪.৮৩ পয়েন্ট কমেছিল।এর আগের কার্যদিবসে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের মিশ্র প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন উভয় বাজারে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দরপতন হয়েছে। দিন শেষে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন বাড়লেও অন্য বাজার সিএসইতে তা কমেছে। এ নিয়ে ডিএসইতে টানা পঞ্চম দিন মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। এ সময় ডিএসই'র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ২২.৬৩ পয়েন্ট। যা ৫ দিনের গড়ে প্রতিদিন ৪.৬৩ পয়েন্ট কমেছে। গত ১৯ জুলাই থেকে ডিএসইতে মূল্যসূচকের পতন শুরু হয়েছে। ওইদিন লেনদেনের শুরুতে ডিএসই'র মূল্যসূচক ছিল ৪৫৭১.৮১ পয়েন্ট। যা গতকাল ১.৮৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৫৪৯.১৮ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে ৩৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ রোববার ছিল ৩৩৮ কোটি ৮৪ লাখ টাকার। এদিন ডিএসইতে ৩২৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১১৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১৫১টির দর কমেছে ও ৬২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।গতকাল ডিএসইতে ৪৪৮ কোটি ১৬ লাখ টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ সোমবার ছিল ৩৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার। এদিন ডিএসইতে ৩২৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১১৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১৪৬টির দর কমেছে ও ৬৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার। কোম্পানিটির ২৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা গ্রামীণফোনের ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লিন্ডে বিডি। লেনদেনে এরপর রয়েছে ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, একমি ল্যাবরেটরিজ, বিএসআরএম লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, স্কয়ার ফার্মা, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, ব্র্যাক ব্যাংক।এদিকে গতকাল অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স মূল্যসূচক ২.৬৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫২০.৬৮ পয়েন্টে। যা আগের দিন ০.১৪ পয়েন্ট বেড়েছিল। এদিন সিএসইতে আর্থিক লেনদেন হয়েছে ২৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার।   Source : সংবাদ
  • লেনদেন স্থগিত, সপ্তম আইসিবির আজ
    আজ বুধবার লেনদেন স্থগিত রাখবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচ্যুয়াল ফান্ডখাতের কোম্পানি সপ্তম আইসিবি মিউচ্যুয়ালফান্ড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র মতে, আজ সপ্তম আইসিবির বে-মেয়াদে রূপান্তরসংক্রান্ত রেকর্ড ডেট। আর এ কারণে লেনদেন স্থগিত রাখবে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে এ কোম্পানির লেনদেন যথানিয়মে চলবে।   Source : ভোরের কাগজ
  • ১১ কোম্পানির বোর্ডসভার তারিখ ঘোষণা
    বোর্ডসভার তারিখ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১১ কোম্পানি। এগুলো হলো উত্তরা ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স, প্রিমিয়াম ব্যাংক, এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স, ফাস্ট ফাইন্যান্স, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স এবং ঢাকা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিগুলো ঢাকা স্টক একচঞ্জে লিস্টিং রেগুলেশন ১৬(১) ধারা অনুযায়ী বোর্ডসভাটি করবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।উত্তরা ফাইন্যান্স : আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স : আগামী ৩১ জুলাই রোববার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স : আগামী ৩০ জুলাই শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।প্রিমিয়াম ব্যাংক : আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স : আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল : আগামী ২৯ জুলাই শুক্রবার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স : আগামী ৩০ জুলাই শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স : আগামী ৩০ জুলাই শনিবার বিকেল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।ফাস্ট ফাইন্যান্স : আগামী ৩১ জুলাই রোববার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স : আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।ঢাকা ইন্স্যুরেন্স : আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির বোর্ডসভা।সভায় কোম্পানিগুলো ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি প্রকাশ করবে।   Source : ভোরের কাগজ
  • বড় মূলধনি কোম্পানির মূল্য বৃদ্ধি
    দেশের শেয়ারবাজারে গতকাল মঙ্গলবার লেনদেন বেড়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এদিন লেনদেন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৪৮ কোটি টাকা। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ কোটি টাকা। তবে দুই বাজারে গতকাল সূচকের বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হয়নি।ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স মঙ্গলবার দিন শেষে ১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৫০ পয়েন্টে। টানা পাঁচ কার্যদিবস সূচক কমার পর গতকাল ডিএসইএক্স ১ পয়েন্ট বেড়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচকটি এদিন ১২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৭ পয়েন্টে।মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাজারে বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। যার কারণে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন সত্ত্বেও সূচক সামান্য বেড়েছে।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বাজারে গতকাল লেনদেনের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল গ্রামীণফোন। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একমাত্র মুঠোফোন কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম এদিন সাড়ে ৩ শতাংশ বা ৯ টাকা ৩০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮০ টাকায়। এদিন ডিএসইতে এককভাবে কোম্পানিটির প্রায় ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। লেনদেনের দিক থেকে গতকাল ডিএসইতে শীর্ষ অবস্থানে ছিল বেক্সিমকো ফার্মা। এককভাবে এদিন কোম্পানিটির প্রায় ২৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার সমমূল্যের শেয়ার লেনদেন হয়। তবে দিন শেষে বেক্সিমকো ফার্মার প্রতিটি শেয়ারের দাম ৭০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭ টাকা ৩০ পয়সায়।ঢাকার বাজারে গতকাল ৩২৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৪৬টির দাম কমেছে, বেড়েছে ১১৫টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৬৪টির দাম। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন আগের দিনের চেয়ে ৫৩ কোটি টাকা বেড়েছে।   Source : প্রথম আলো 
  • ৩০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে আইপিডিসি
    কোম্পানির আর্থিক চাহিদা মেটাতে ৩০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টিবল জিরো কুপন বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি (আইপিডিসি) অব বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ বছর মেয়াদি এ বন্ডের সব ইউনিট প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। এ পরিকল্পনায় সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনুমোদন প্রয়োজন হবে।৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৫ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে আইপিডিসি। নিরীক্ষিত প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৫ সালে আইপিডিসির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৬০ পয়সা। ২০১৪ সালের জন্য কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়। তখন সমন্বয়-পরবর্তী ইপিএস ছিল ১ টাকা ৩১ পয়সা।এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-মার্চ) আইপিডিসি ১ টাকা ১৯ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে; আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৫৫ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৫২ পয়সা।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, প্রায় চার মাস দর সংশোধনের পর এপ্রিলের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আইপিডিসির শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ডিএসইতে সর্বশেষ ২৭ টাকা ৩০ পয়সায় আইপিডিসির শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১৫ টাকা ৮০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৩৩ টাকা।ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে আসে ২০০৬ সালে। এর অনুমোদিত মূলধন ৪০০ কোটি, পরিশোধিত মূলধন ১৫১ কোটি ৫০ লাখ ও রিজার্ভ ৭৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা। উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে বর্তমানে কোম্পানির ৫১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ শেয়ার, সরকারের হাতে ২১ দশমিক ৮৮, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১১ দশমিক ৩২ ও বাকি ১৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে।সর্বশেষ নিরীক্ষিত মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে আইপিডিসি শেয়ারের মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত ১৭ দশমিক ৩; হালনাগাদ অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ১৭ দশমিক ১৯।উল্লেখ্য, গত বছর কোম্পানিটির মালিকানা কাঠামোয় বড় পরিবর্তন এসেছে। প্রতিষ্ঠাকালীন বিদেশী উদ্যোক্তা আগা খান ফান্ড ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টের কাছ থেকে এ প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ শেয়ার কিনে নেয় স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক, আয়েশা আবেদ ফাউন্ডেশন ও আরএসএ ক্যাপিটাল। এ পরিবর্তন কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য পূরণে সহায়ক হবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।   source : Bonik Barta
  • পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত শিথিল হচ্ছে
    তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত শিথিল হচ্ছে। বর্তমান বিধি অনুযায়ী, উদ্যোক্তা পরিচালকদের এককভাবে কোম্পানির ন্যূনতম ২ শতাংশ এবং সম্মিলিতভাবে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে হয়। জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে মূলত বড় মূলধনি কোম্পানির জন্য বিধিটি শিথিল করতে যাচ্ছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আকারের ভিত্তিতে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত আরোপের কথা বলা হয়েছে। সুপারিশ অনুসারে, ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণে আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে। অর্থাত্ এসব কোম্পানির প্রত্যেক পরিচালককে সর্বনিম্ন ২ শতাংশ এবং উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে হবে।আর ২০০ কোটি থেকে ৪৯৯ কোটি টাকা পর্যন্ত পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির পরিচালকদের জন্য এককভাবে ন্যূনতম ১ দশমিক ৫ শতাংশ ও সম্মিলিতভাবে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ২০ শতাংশ শেয়ার ধারণের বাধ্যবাধকতা প্রস্তাব করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ অনুযায়ী, ৫০০ কোটি থেকে ৯৯৯ কোটি টাকা পর্যন্ত পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির পরিচালকদের এককভাবে ন্যূনতম ১ শতাংশ ও উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে অন্তত ১৫ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে হবে। আর হাজার কোটি অথবা এর বেশি পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির পরিচালকদের ন্যূনতম দশমিক ৫ শতাংশ ও উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ন্যূনতম ১০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে হবে।নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিএসইসি এখন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করছে। এরই মধ্যে খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। সেখানেও স্বতন্ত্র (ইনডিপেনডেন্ট) ও পদাধিকারবলে নিযুক্ত (এক্স অফিসিও) পরিচালকদের ক্ষেত্রে এ বাধ্যবাধকতা থাকছে না। তবে মনোনীত পরিচালকদের ক্ষেত্রে তিনি যে প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করছেন, এর হাতের কোম্পানির ন্যূনতম শেয়ার থাকতে হবে। কোনো মালিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে যদি দুজন পরিচালক মনোনয়ন দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হাতে কোম্পানির আবশ্যক শেয়ারের দ্বিগুণ শেয়ার ধারণ করতে হবে।কমিশন সূত্র আরো জানায়, শেয়ার ধারণের শর্তে পরিবর্তন আনতে এরই মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেলের মতামত চেয়েছে বিএসইসি। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের মতামত পেলেই তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্তে পরিবর্তন এনে নতুন নির্দেশনা জারি করবে বিএসইসি।প্রসঙ্গত, ২০০৯ ও ২০১০ সালে চাঙ্গা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির অনেক উদ্যোক্তা-পরিচালক হাজার হাজার কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করে দেন। ধস-পরবর্তী সময়ে দরপতন দীর্ঘায়িত হয়। এ সময়ও স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রায় প্রতিদিনই উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা আসতে থাকে। এ অবস্থায় বিক্রয়চাপ প্রশমনে কমিশন তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বিক্রি রোধে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিএসইসি। সে সময় অর্থ মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির বৈঠকেও পরিচালকদের শেয়ার বিক্রিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপের সুপারিশ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১১ সালের ২২ নভেম্বর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত বেঁধে দিয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নির্দেশনা জারি করে বিএসইসি। পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের জন্য ছয় মাস সময় বেঁধে দেয়া হয়।২০১১ সালে নির্দেশনাটি জারির পর থেকেই বিভিন্ন কোম্পানি, বিশেষ করে ব্যাংকের পরিচালকরা ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত থেকে ব্যাংকগুলোকে অব্যাহতি দেয়ার দাবি জানান। পরিশোধিত মূলধন তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ব্যাংকগুলোকে অব্যাহতি দেয়ার দাবি ছিল তাদের। এমনকি সে সময় কয়েকটি ব্যাংকের পরিচালকরা বিএসইসির বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলাও করেন। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় হেরে গিয়ে পর্ষদের সদস্যপদ ছাড়তে হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পরিচালকদের।বাজার-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ন্যূনতম শেয়ার ধারণ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি যে সুপারিশ করা হয়েছে, তাতে ব্যাংক পরিচালকরা বেশি লাভবান হবেন। বর্তমানে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ বাণিজ্যিক ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৮০০ কোটি টাকার বেশি। এটি কার্যকর হলে দশমিক ৫ থেকে ১ শতাংশ শেয়ার থাকলেই কোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালক পদের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।এ প্রসঙ্গে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণে আন্তর্জাতিক কোনো মানদণ্ড নেই। যদিও আমাদের দেশে এটি করা হয়েছিল। এখন যদি শেয়ার ধারণের শর্তে পরিবর্তন আনা হয়, তাহলে যারা আগে এ শর্তের কারণে পরিচালক পদ হারিয়েছিলেন তারা বিএসইসির বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন। এতে বিএসইসি নতুন করে জটিলতায় পড়তে পারে। আমি মনে করি, উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার ধারণে ন্যূনতম সীমা বেঁধে দেয়ার চেয়ে কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও স্বচ্ছতা আনতে বিএসইসির বেশি মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। কারণ বিশ্বে এমন অনেক খ্যাতনামা কোম্পানি রয়েছে, যেগুলোয় উদ্যোক্তা পরিচালকদের নামমাত্র শেয়ার রয়েছে। তবে স্বচ্ছতা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে সেসব কোম্পানি ভালো মুনাফা করছে।উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ২১ মে ন্যূনতম শেয়ার ধারণের প্রজ্ঞাপনটির কার্যকারিতা শুরু হয়। এর প্রায় চার মাস পর ২০ সেপ্টেম্বর ন্যূনতম শেয়ার ধারণের শর্ত পূরণে ব্যর্থ পরিচালকদের পদ শূন্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। সে সময় ২০৯টি কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার ধারণ-সম্পর্কিত দেয়া তথ্য থেকে দেখা যায়, এসব কোম্পানিতে মোট পরিচালকের সংখ্যা ২ হাজার ৯৬। এর মধ্যে ৮৫০ জনই স্বতন্ত্র বা মনোনীত কিংবা পদাধিকারবলে পরিচালক। আর ৯১১ জন পরিচালকের নিজ কোম্পানির ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার ছিল। এছাড়া তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর অন্তত ৩৩৫ জন পরিচালকের ২ শতাংশ শেয়ার না থাকায় পদ ধারণ করা বেআইনি হয়ে পড়ে। এর মধ্যে অন্তত ৩০০ জন পরিচালককে পরবর্তী সময়ে পদ ছাড়তে হয়েছিল। এছাড়া ন্যূনতম শেয়ার ধারণের ব্যর্থতায় পরিচালক-স্বল্পতায় সে সময় ১৪টি কোম্পানি কোরাম সংকটে পড়ে।সে নির্দেশনার কারণে অনেক উদ্যোক্তা শেয়ার বিক্রি করতে পারেননি। বিশেষ করে যেসব কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের সম্মিলিত শেয়ার ৩০ শতাংশের নিচে ছিল, সেসব কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকরা কোনো শেয়ার বিক্রি করতে পারেননি, যা এখনো বহাল রয়েছে। সেসব কোম্পানির ক্ষেত্রে রাইট শেয়ার ইস্যু কিংবা রিপিট পাবলিক অফারের (আরপিও) মাধ্যমে পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোতেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। source : bonik barta
  • বন্ধ ৭০ হাজার বিও হিসাব
    বেঁধে দেয়া সময়ে নবায়ন ফি জমা না দেয়ায় শেয়ারবাজারে ৭০ হাজার বেনিফিশারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্ট (হিসাব) বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ তালিকায় বিভিন্ন কোম্পানির ৬১টি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের (এনআরবি) ২ হাজার ৮৫১টি হিসাব রয়েছে। বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের সুপারিশে এ সিদ্ধান্ত নেয় ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে শেয়ার সংরক্ষণকারী কোম্পানি সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিও নবায়নের শেষ সময় ছিল ৩০ জুন। তবে ব্রোকারেজ হাউসগুলো বিনিয়োগকারীদের ২৫ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল। এরপরই হাউসগুলো থেকে বিও হিসাব বন্ধের তালিকা পাঠানো শুরু হয়। আর সর্বশেষ হিসাবে দেশের শেয়ারবাজারে মোট বিও হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ লাখ ৪৮ হাজার। সিডিবিএল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজারের স্বচ্ছতায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত ইতিবাচক।সূত্র জানায়, বর্তমানে বিও অ্যাকাউন্ট নবায়ন করতে ৫০০ টাকা লাগে। এর মধ্যে সিডিবিএল ১৫০ টাকা, হিসাব পরিচালনাকারী ব্রোকারেজ হাউস ১০০ টাকা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কমিশন (বিএসইসি) ৫০ টাকা এবং বিএসইসির মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ২০০ টাকা জমা হয়। আর এ খাত থেকে গত বছর সরকারকে ৮১ কোটি টাকা দিয়েছিল বিএসইসি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিডিবিএলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ব্রোকারেজ হাউস থেকে বন্ধের তালিকা পাঠানো হয়। এটি চলমান প্রক্রিয়া। এখানে সিডিবিএলের খুব বেশি কিছু করার নেই। তিনি আরও বলেন, যেসব বিও হিসাবে শেয়ার রয়েছে সেসব হিসাবের ট্রেড সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিও নবায়ন ফি জমা দিলেই হিসাবধারী ট্রেড করতে পারবেন। এজন্য তাকে কোনো জরিমানা দিতে হবে না। আর যেসব হিসাবে কোনো শেয়ার নেই সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।প্রতিবছর ৩০ জুনের মধ্যে এই ফি সিডিবিএলে জমা দিতে হয়। এ বছর ব্রোকারেজ হাউসগুলো বিনিয়োগকারীদের ২৫ জুন পর্যন্ত সময় দিয়েছিল। এরপরই নবায়ন ফি দিতে ব্যর্থ হওয়ায় অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করা শুরু হয়। আর ২৫ জুনের আগে শেয়ারবাজারে মোট বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ৩২ লাখ ১৮ হাজার। বর্তমানে তা ৩১ লাখ ৪৮ হাজার ২৩৪টি নেমে এসেছে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারী ২৯ লাখ ৮১ হাজার ৭১৬টি, প্রবাসী বাংলাদেশিদের ১ লাখ ৫৫ হাজার ৭৫২টি এবং বিভিন্ন কোম্পানি ১০ হাজার ৭৬৬টি। তবে সিডিবিএল সূত্র বলছে, ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দেয়া হলেও অলিখিতভাবে আরও কিছুদিন সময় রয়েছে। ফলে অ্যাকাউন্ট বাতিলের সংখ্যা আরও বাড়বে। গত বছর এ প্রক্রিয়ায় তারা ১ লাখ ৭২ হাজার বিও অ্যাকাউন্ট বাতিল করেছিল। তবে যেসব অ্যাকাউন্টে শেয়ার আছে, অথবা টাকা জমা আছে, ওই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেয়া হয়। এছাড়া বেশকিছু হাউস অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য সিকিউরিটি ডিপোজিট বা জামানত জমা দিয়েছে। ওসব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়নি। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ডিপোজিটরি (ব্যবহারিক) প্রবিধানমালা-২০০৩ এর তফসিল-৪ অনুযায়ী, বিও হিসাব পরিচালনার জন্য ডিপোজিটরি অংশগ্রহণকারী বা বিনিয়োগকারীকে নির্ধারিত হারে বার্ষিক হিসাবরক্ষণ ফি দিয়ে হিসাব নবায়ন করতে হয়। এর আগে পঞ্জিকা বর্ষ হিসেবে প্রতিবছর ডিসেম্বরে এই ফি জমা নেয়া হতো। তবে ২০১০ সালের জুন মাসে বিএসইসি বিও হিসাব নবায়নের সময় পরিবর্তন করে বার্ষিক ফি প্রদানের সময় জুন মাস নির্ধারণ করে। এ সময়ে বিও নবায়ন ফি ৩০০ থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়। এরপর বিএসইসির জারি করা ২০১১ সালের ১৮ এপ্রিল এক সার্কুলারে ৩০ জুনের মধ্যে বিও হিসাব নবায়নের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়। না হলে তা বাতিল করা হবে বলে ওই সার্কুলারে বলা হয়েছিল।সিডিবিএলের তথ্য অনুসারে, সারাদেশে ৩১ লাখ ৪৮ হাজার ২৩৪টি বিও হিসাবের মধ্যে ঢাকায় ২৪ লাখ এবং ঢাকার বাইরে ৭ লাখ। কিন্তু গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ লাখ ৯১ হাজার ৫১৮টি সক্রিয় বিও পাওয়া গেছে। এগুলোতে শেয়ার আছে এবং এগুলো থেকে নিয়মিত লেনদেন হয়। এছাড়া ১১ লাখ ২৫ হাজার ২৩৩টি বিওতে কখনো কখনো শেয়ার থাকলেও গত বছরের জানুয়ারি থেকে তা শূন্য হয়ে যায়। ৪ লাখ ৮৪ হাজার ১০১টি বিও অ্যাকাউন্টে কখনই শেয়ার ছিল না। এসব বিও অ্যাকাউন্ট সাধারণত আইপিওর জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। লটারিতে কোনো শেয়ার বরাদ্দ পায়নি বলে এসব অ্যাকাউন্টে কোনো শেয়ার নেই। অন্যদিকে ঢাকায় বিও অ্যাকাউন্টের জন্য মেশিন রিডেবল হিসাব ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে।কিন্তু ঢাকায় ২৪ লাখ অ্যাকাউন্টের মধ্যে বেশকিছু অ্যাকাউন্টে মেশিন রিডেবল হিসাব নেই। সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারে আইপিও আবেদনের জন্য নামে-বেনামে প্রচুর বিও হিসাব খোলা হয়। একই ব্যক্তি এক থেকে দেড় শ' পর্যন্ত বিও হিসাব পরিচালনা করে। আর এসব বিওতে শুধু আইপিও আবেদন করা হয়। ২০০৯ সালের জুন পর্যন্ত বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ। কিন্তু ২০১০ সাল শেষে তা ৩৩ লাখ ছাড়িয়ে যায়। আর এ প্রবণতা রোধে বিও অ্যাকাউন্ট খুলতে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়।   source : Jai jai din
  • ডিএসইতে গত সপ্তাহে ১৯৩টি কোম্পানির দর কমেছে
    গত সপ্তাহের লেনদেনে দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫৯ শতাংশ বা ১৯৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে ডিএসইতে ৩২৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৫ শতাংশ বা ১১৪টি’র ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৭ শতাংশ বা ২২টি’র।ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৫ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৫৩ দশমিক ৭৮ পয়েন্টে। এছাড়া গত সপ্তাহে ডিএসই-৩০ সূচক ০ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট বেড়েছে ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট কমেছে। গত সপ্তাহের ৬ কার্যদিবসে ডিএসইতে ২ হাজার ৩৯৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। দৈনিক গড় হিসাবে এ লেনদেনের পরিমাণ ৩৯৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকার। মোট লেনদেনের ৮৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ০ দশমিক ৯০ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ১০ দশমিক ০৪ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ০ দশমিক ৪৮ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে লেনদেন হয়েছে।গত সপ্তাহের লেনদেনে ডিএসই’র মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত বেড়েছে ০ দশমিক ০৭ পয়েন্ট বা সপ্তাহের শুরুতে পিই ছিল ১৪ দশমিক ৮২, যা বর্তমানে রয়েছে ১৪ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে। এ সময়ে বাজার মূলধন বেড়েছে ০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সপ্তাহের শুরুতে ডিএসই’র বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ১৯ হাজার ৮১২ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২১ হাজার ২৮৪ কোটি টাকায়।গত সপ্তাহে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বিএসআরএম লিমিটেডের শেয়ার। এ সময়ে কোম্পানির ১১৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গত সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা একমি ল্যাবরেটরিজের লেনদেন হয়েছে ১১৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ। ১০৬ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। লেনদেনে এরপর রয়েছে যথাক্রমে-ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, শাহজিবাজার পাওয়ার, এজেএল বাংলাদেশ, বেক্সিমকো ফার্মা, স্কয়ার ফার্মা, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, গ্রামীণফোন।গত সপ্তাহে ব্যাংক খাতে ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে ১ দশমিক ৮১ শতাংশ, জ্বালানি-বিদ্যৎ খাতে দশমিক ৩৪ শতাংশ, পাট খাতে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাতে দশমিক ৫৪ শতাংশ, কাগজ খাতে ২ দশমিক ৯ শতাংশ, ট্যানারি খাতে দশমিক ৮০ শতাংশ, টেলিযোগাযোগ খাতে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ ও টেক্সটাইল খাতে দশমিক ৬৭ শতাংশ দর বেড়েছে।অন্যদিকে, সিমেন্ট খাতে দশমিক ৯৩ শতাংশ, সিরামিক খাতে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ, খাদ্য খাতে ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ, সাধারণ বিমা খাতে দশমিক ৫২ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে দশমিক ৪৪ শতাংশ, বিবিধ খাতে দশমিক ৬১ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ, ওষুধ-রসায়ন খাতে দশমিক ৯৪ শতাংশ, সেবা-আবাসন খাতে ২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ভ্রমণ-অবকাশ খাতে ৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ দর কমেছে।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহের সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের শেয়ারের। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারের দর বেড়েছে ৩০ দশমিক ৭২ শতাংশ। সপ্তাহ জুড়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় কোম্পানির এ দর বেড়েছে। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গত সপ্তাহে গড়ে প্রতিদিন রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের ২৫ লাখ ৩৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা অপর কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে- নর্দার্ন জুট ম্যানুফ্যাকচারিং-এর ১৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের ১৪ দশমিক ৯১ শতাংশ, ইস্টার্ন ক্যাবলসের ১২ দশমিক ৩৭ শতাংশ, বিএসআরএম লিমিটেডের ১১ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ওয়াটা কেমিক্যালের ১১ দশমিক ০৯ শতাংশ, এপেক্স ট্যানারির ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ, ন্যাশনাল টিউবসের ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ, অ্যাম্বি ফার্মার ৯ দশমিক ৮০ শতাংশ, আনলিমা আর্ন ডাইং-এর ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ দর বেড়েছে।এদিকে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহের সবচেয়ে বেশি দর কমেছে ন্যাশনাল ফিড মিলের শেয়ারের। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারের দর কমেছে ১২ দশমিক ২৪ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় কোম্পানিটির এ দর কমেছে। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। লুজারের শীর্ষে থাকা অপর কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে-এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজম্যান্ট ফান্ডের ১২ দশমিক ১৭ শতাংশ, রিল্যায়েন্স ওয়ান দি ফার্স্ট স্কিম অব রিল্যায়েন্স ইন্স্যুরেন্স মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ১১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ, ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং-এর ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ, এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের ৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং-এর ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ দর কমেছে। source : Incilab
  • ডিএসইর পিই রেশিও বেড়েছে
    সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় পিই রেশিও বেড়েছে দশমিক ৭ পয়েন্ট বা দশমিক ৫০ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৪ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১৪ দশমিক ৮২ পয়েন্ট। বিশ্লেষকদের মতে, পিই রেশিও যতদিন ১৫ এর ঘরে থাকে ততদিন বিনিয়োগ নিরাপদ থাকে। সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক ট্রেইলিং পিই রেশিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৬ দশমিক ৯ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ২৫ দশমিক ২ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২০ দশমিক ২ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ১৬ দশমিক ৪ পয়েন্টে, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ৩৩ পয়েন্টে, জ্বালানি ও বিদ্যুত খাতে ১৩ দশমিক ৫ পয়েন্টে, সাধারণ বীমা খাতে ১০ দশমিক ৩ পয়েন্টে দাড়িয়েছে।    Source : জনকণ্ঠ
  • ব্লক মার্কেটে ৩১ কোটি টাকা লেনদেন
    সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ১৫টি কোম্পানি ও দুই মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার বা ইউনিট লেনদেন হয়েছে। কোম্পানি ও ফান্ড মিলে মোট ১ কোটি ২ লাখ ৮৭ হাজার ১৭টি শেয়ার বা ইউনিট লেনদেন করেছে। যার আর্থিক মূল্য ৩১ কোটি ৩ লাখ টাকা।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, আলোচিত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন করেছে মালেক স্পিনিং লিমিটেড। এই কোম্পানি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার লেনদেন করেছে। যার আর্থিক মূল্য ৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।ম্যাকসন স্পিনিং ২৫ লাখ শেয়ার লেনদেন করে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। কোম্পানিটি মোট ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে। ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড ও এনভয় টেক্সটাইল ১০ লাখ শেয়ার লেনদেন করে যৌথভাবে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে।ব্লক মার্কেটে লেনদেন করা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিক, ন্যাশনাল পলিমার, তিতাস গ্যাস, গ্রামীণফোন, ব্র্যাক ব্যাংক, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, রেনেটা, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা, জনতা ইন্স্যুরেন্স মিউচুয়াল ফান্ড ও এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।   Source : জনকণ্ঠ
View All
Latest DSE News
  • SIBL

    Mr. Abdul Awal Patwary, one of the Sponsors/Directors of the Company, has further reported that he has completed his receipt of total 6,44,221 shares (1,72,994 shares +3,55,119 shares+10,020 shares+1,06,088 shares respectively) from his wife Mrs. Fatema Begum (Sponsor), Son Mr. Md. Faysal Ahmed Patwary, Daughters Ms. Asma Akhtar and Ms. Nusrat Ara; by way of gift outside the trading system of the Exchange as announced earlier.

  • EXCH

    Today's (27.07.2016) Total Trades: 99,568; Volume: 87,756,165 and Turnover: Tk. 4,052.21 million.

  • MERCANBANK

    The Company has further informed that as per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the meeting of the Board of Directors of the Company will now be held on July 30, 2016 at 2:00 PM instead of July 28, 2016 to consider, among others, un-audited financial statements of the Company for the Second Quarter (Q2) period ended on June 30, 2016.

  • AGRANINS

    Mr. Mahmudul Hoque, one of the Directors of the Company, has expressed his intention to buy 7,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange within next 30 working days.

  • 7THICB

    As per Clause 3 and 7 of the BSEC Conversion Guidelines, Directive No. SEC/CMRRCD/2009-193/175/admin/62, dated July 08, 2015; Trading of the units of the Fund shall remain suspended from the Effective Date (i.e. 28.07.2016) until further notice.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
EXIM1STMF 8.20 7.50 0.70 9.33
RENWICKJA 527.50 485.10 42.40 8.74
ARAMITCEM 34.50 32.00 2.50 7.81
HRTEX 23.70 22.20 1.50 6.76
JUTESPINN 59.80 56.70 3.10 5.47
NTLTUBES 101.60 96.50 5.10 5.28
SAVAREFR 48.50 46.10 2.40 5.21
SONALIANSH 137.40 131.40 6.00 4.57
SINGERBD 164.40 157.30 7.10 4.51
ZEALBANGLA 12.40 11.90 0.50 4.20

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297