Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ZEALBANGLA 27.3 18 9.30 51.67
SHYAMPSUG 16 12.1 3.90 32.23
RAHIMAFOOD 123.3 100.3 23.00 22.93
FINEFOODS 23.2 18.9 4.30 22.75
KAY&QUE 31.8 26.6 5.20 19.55
PREMIERLEA 12.9 10.9 2.00 18.35
SHURWID 11.2 9.5 1.70 17.89
REGENTTEX 15.5 13.2 2.30 17.42
LEGACYFOOT 21.5 18.5 3.00 16.22
SALAMCRST 32.6 28.2 4.40 15.60

Contest SB2016_Dec

1st
blank_person
DRREZA31
2nd
blank_person
DRREZA312
3rd
blank_person
SANTABANTAO007
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
SUMITPOWER 37 36.4 1.12163 2120370.00
ENVOYTEX 40.5 36.9 0.95824 888594.00
UNIQUEHRL 46.5 44.7 0.92766 2783090.00
BEXIMCO 24.8 24.2 0.72596 6956310.00
GPHISPAT 30.8 29.5 0.70969 1682110.00
Negative impact
BERGERPBL 2355.5 2416.4 -2.47215 449.00
LAFSURCEML 78.7 79.9 -2.43966 2627980.00
BATBC 2538.2 2550.5 -1.29191 737.00
POWERGRID 55 56.6 -1.29097 729328.00
BSRMSTEEL 93.4 95.1 -1.01711 488645.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BBS 45.1 45.5 43.7 4.40% 347.06
NTLTUBES 132.4 146.9 131.3 -9.19% 212.78
LAFSURCEML 78.7 81.6 78 -1.50% 210.47
IFADAUTOS 85.3 86.7 83.5 2.77% 193.24
SHASHADNIM 67.2 69 66.2 1.82% 186.93
RSRMSTEEL 51.2 51.8 49.6 3.43% 185.94
OAL 22.8 23 22 3.17% 176.71
BEXIMCO 24.8 25.2 24.2 2.48% 172.40
QSMDRYCELL 97.9 102.2 97.5 -2.59% 142.08
CONFIDCEM 118.1 122.7 117.3 -0.84% 134.23

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 04 Dec 2016

156795
TOTAL TRADE
227.5905
TOTAL VOLUME(Mn)
7334.00
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা
    স্টাফ রিপোর্টার : দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নভেম্বর (২০১৬) মাসে বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এর কারণ হিসেবে ডিবিএ নির্বাচন, জুন ক্লোজিংয়ের পর নতুন বছরের জন্য প্রস্তুতি এবং বিনিয়োগবান্ধব প্রাইস আর্নিং রেশিও’কে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। উল্লেখ্য, গত ১ নভেম্বর ২০১৬ বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ২৪ হাজার ১৮ কোটি ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, যা ৩০ নভেম্বর ২০১৬তে এসে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৮১ কোটি ৪০ লাখ ২৬ হাজার টাকায়। সেই হিসেবে এ মাসে ডিএসই’র বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার ১২৯ কোটি ৩৭ লাখ ১৭ হাজার টাকা। এ বিষয়ে বেশ কয়েকজন বাজার সংশ্লিষ্টের সাথে কথা বললে তারা জানায়, ডিবিএ’র নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার কম। ২০ নভেম্বর ডিবিএ নির্বাচন হয় আর ২১ নভেম্বর তার ফলাফল বাজারে বিনিয়োগকারীদের মাঝে ছড়িয়ে যায়। যার ফলে বাজার মূলধন ২২ নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার ওপরে অবস্থান করছে। তাছাড়া অনেকে মনে করছেন জুন ক্লোজিংয়ের পর কোম্পানিগুলো প্রথম প্রান্তিক প্রকাশের পরপরই বাজারে আবার ইন্টারিম বা নতুন একটা অর্থ বছরের প্রতি আগ্রহ তৈরী হয়। ডিএসই’তে বিনিয়োগবান্ধব প্রাইস আর্নিং রেশিও (পিই) থাকায় বাজারে নতুন টাকা আসছে, ফলে বাড়ছে বাজার মূলধন। নভেম্বর মাসের মধ্যে ১ নভেম্বর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকা, ২ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৬ হাজার কোটি, ৩ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৮ হাজার কোটি, ৬ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৮ হাজার কোটি, ৭ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৮ হাজার কোটি, ৮ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৯ হাজার কোটি, ৯ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৮ হাজার কোটি, ১০ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৮ হাজার কোটি, ১৩ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৭ হাজার কোটি, ১৪ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৬ হাজার কোটি, ১৫ নভেম্বর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা। ১৬ নভেম্বর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ২৭ হাজার কোটি, ১৭ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৮ হাজার কোটি, ২০ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৯ হাজার কোটি, ২১ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ২৯ হাজার কোটি, ২২ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ৩১ হাজার কোটি, ২৩ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ৩১ হাজার কোটি, ২৪ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ৩২ হাজার কোটি, ২৭ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ৩২ হাজার কোটি, ২৮ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ৩২ হাজার কোটি, ২৯ নভেম্বর ছিল ৩ লাখ ৩২ হাজার কোটি এবং ৩০ নভেম্বর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা।
  • ৫ ডিসেম্বর আল-হাজ্ব টেক্সটাইল স্পটে যাচ্ছে
    স্টাফ রিপোর্টার : আল-হাজ্ব টেক্সটাইলের শেয়ার রেকর্ড ডেটের আগে আগামীকাল ৫ ডিসেম্বর, সোমবার থেকে স্পট মার্কেটে লেনদেন হবে। চলবে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। কোম্পানিটির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৭ ডিসেম্বর। রেকর্ড ডেটের দিন কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। এর অংশ হিসেবেই স্পট মার্কেটে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হবে
  • ২ কোম্পানি লভ্যাংশ পাঠিয়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানি সমাপ্ত হিসাব বছরের লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে পাঠিছে। কোম্পানি দুইটি হচ্ছে- এএফসি অ্যাগ্রো বায়োটেক লিমিটেড ও অ্যাক্টিভ ফাইন লিমিটেড। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, কোম্পানি দুইটি রোববার, ৪ নভেম্বর সিডিবিএলের মাধ্যমে লভ্যাংশের বোনাস শেয়ার বিও হিসাবে পাঠিয়েছে। উল্লেখ্য, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে এএফসি অ্যাগ্রো ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। একই বছরে অ্যাক্টিভ ফাইন ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ।
  • ‘তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে এমজেএল বাংলাদেশ’
    স্টাফ রিপোর্টার : তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্বেও এগিয়ে চলেছে এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড। ২০১৬ সালের জুন মাস মেয়াদে কোম্পানির আর্থিক পরিস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। বৈশ্বিক অচলাবস্থার কারণে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে কোম্পানিকে। এরপরেও এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড অনেক ভালো ব্যবসা করেছে। রাজধানীর ফার্মগেটে কেআইবি কমপ্লেক্সে এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের ১৮ তম বার্ষিক সাধারণ সভায় সম্প্রতি কোম্পানির চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন চৌধুরী এসব কথা বলেন। চেয়ারম্যান বলেন, এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের জুন মেয়াদে ব্যয় ১১ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমিয়ে এনেছে। কোম্পানির কর পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ২ হাজার ৩শ’ ৭৮ মিলিয়ন টাকা। মূলত বাজারে গ্রাহকের চাহিদার কাছাকাছি থাকা ও মান সম্পন্ন পণ্য সরবরাহের কারণেই সাফল্য হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের কোম্পানি ৪৪ দশমিক ৫২ শতাংশ আয় আসে ম্যানুফ্যাকচারিং খাত থেকে।১১ দশমিক ৪০ শতাংশ আসে অয়েল ট্যাংকার খাত থেকে। কোম্পানির সাফল্য অর্জনের পথে অব্যাহত সমর্থন দেয়ার জন্য শেয়ারহোল্ডার ও স্টেকহোল্ডারদের ধন্যবাদ জানান তিনি। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজম চৌধুরী, পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান, আব্দুল মুঈদ চৌধুরী, মো. তানজিল চৌধুরী, কোম্পানি সেক্রেটারী মো. রকিবুল কবির ও সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা। উল্লেখ্য, এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড ১৮ মাস মেয়াদে ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ১০ শতাংশ  বোনাস লভ্যাংশ প্রদান করেছে।
  • হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপারের ব্যয় বেড়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার লিমিটেডের টিস্যু পেপার প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে। শনিবার, ৩ ডিসেম্বর কোম্পানির বোর্ডসভায় এ সংক্রান্ত সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, বৈদ্যতিক সাবস্টেশন স্থাপন ও বেসামরিক ভিত্তি কাজের জন্য প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে। কোম্পানির টিস্যু পেপার প্রকল্পের ব্যয় ২২ কোটি ৪৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা থেকে ৩১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা বেড়েছে। অর্থাৎ প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে ৯ কোটি ২৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। হাক্কানি পাল্প ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে এই অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় মেটাবে।
  • জেনারেশন নেক্সট অনুমোদিত মূলধন বাড়াবে
    স্টাফ রিপোর্টার : জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটি ৪শ’ কোটি টাকা থেকে ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধন বাড়াবে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, একইসাথে কোম্পানিটি রাইট ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ ব্যবহারের সময়সীমা বাড়িয়েছে। ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ সময় বাড়ানো হয়েছে। এ জন্য কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি নিতে আগামী ২২ ডিসেম্বর বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে। ওইদিন সকাল ১১টায় কোম্পানির ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গন আশুলিয়ার ইরাপুরে ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে।
  • নতুন হোটেল খুলবে ইউনিক হোটেল
    স্টাফ রিপোর্টার : ওয়েস্টিন টু নামে নতুন একটি হোটেল খুলতে যাচ্ছে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড। আন্তর্জাতিক হোটেল চেইন হায়াত হোটেল ও ওয়েস্টিন যৌথভাবে হোটেলটি পরিচালনা করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। নতুন হোটেলের জন্য গুলশানে এক্রোপলিস প্রজেক্টে প্রায় ২ লাখ বর্গফুট জায়গা কিনছে কোম্পানিটি। প্রতি বর্গফুটের দাম ২৫ হাজার টাকা। জায়গা কেনা বাবদ ব্যয় হবে প্রায় ৫শ কোটি টাকা। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সংগৃহীত টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান দেওয়া হবে। আগামী ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় ইউনিক হোটেলের বার্ষিক সাধারণ সভায় এ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। এদিকে ডিসিসি ইউনিক প্রজেক্টের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পিছিয়ে ২০১৮ সালে জুলাই মাসে চলে যাচ্ছে। আগামী বছরের ১ আগস্ট এর বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা ছিল।
  • নজরদারিতে ৩টি কোম্পানি
    স্টাফ রিপার্টার : বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সেচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নজরদারিতে রয়েছে ৩টি কোম্পানি। অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণে কোম্পানিগুলোর প্রতি নজরদারী করা হচ্ছে বলে বিএসইসি সূত্র জানিয়েছে। নজরদারিতে থাকা কোম্পানিগুলো হলো- মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, ঝিলবাংলা সুগার মিলস এবং ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেড। শেয়ার দরে অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পেছনে কারসাজি বা বিধি বহির্ভুতভাবে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ হয়েছে কিনা জানতে চেয়ে কোম্পানিগুলোকে গত সপ্তাহে (২৭ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর) শোকজ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। কিন্তু কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানানো হয়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার দর বেড়েছে ৫১.৯০ শতাংশ, ঝিলবাংলা সুগারের ৩৫.০০ শতাংশ এবং ড্রাগন সোয়েটারের শেয়ার দর বেড়েছে ৭২.২৮ শতাংশ। মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড: কোম্পানির শেয়ার দর গত কয়েক কার্যদিবস ধরে বাড়ছে। গত ১৭ নভেম্বর কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ৩৭.৭০ টাকা।  আর ৩০ নভেম্বর লেনদেন হয়েছে ৫১.৯০ টাকায়। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ১৪.২০ টাকা বা ৩৭.৬৭ শতাংশ। যা অস্বাভাবিক মনে করছে ডিএসই। ঝিলবাংলা সুগার মিলস লিমিটেড: কোম্পানির শেয়ার দর গত কয়েক কার্যদিবস ধরে টানা বাড়ছে। গত ২২ নভেম্বর  কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১৬.০০ টাকা। আর ২৮ নভেম্বর লেনদেন হয়েছে ২১.৬০ টাকায়। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ৫.৬০ টাকা বা ৩৫.০০ শতাংশ। ড্রাগন সোয়েটার : কোম্পানির শেয়ার দর গত কয়েক কার্যদিবস ধরে বাড়ছে। গত ১৫ নভেম্বর কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১৫.৪০ টাকা। আর ২৭ নভেম্বর লেনদেন হয়েছে ১৬.১০ টাকায়। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ৬.৭০ টাকা বা ৭২.২৮ শতাংশ। যা অস্বাভাবিক মনে করছে ডিএসই এবং বিএসইসি।
  • ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের সিইও অবৈধ!
    সিনিয়র রিপোর্টার : বীমা খাতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ, নবায়ন ও অপসারণের বিষয়ে অনুমোদন নিতে হয় বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কাছ থেকে। তবে এ ধরনের কোনো অনুমোদন নেয়নি ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স। অনুমোদন ছাড়াই কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ হারুন পাটওয়ারিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিষয়টি নজরে পড়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থার। জানা যায়, ঘটনায় কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদকে ডেকে ব্যাখ্যা চেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, কোম্পানির বিদ্যমান প্রধান নির্বাহীকে অনুমোদন দিয়েছে তৎকালীন বীমা অধিদপ্তর। পরবর্তীতে আইডিআরএ গঠিত হওয়ার পর এজন্য আর কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। আইডিআরএ বলছে, নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে যোগদান করা বীমা আইন ২০১০-এর ৮০ ধারা এবং বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা ২০১২-এর পরিপন্থী। আইনটি পাশ হওয়ার পর একাধিকবার নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ থেকে প্রধান নির্বাহীদের অনুমোদন নেয়ার বিষয়ে কোম্পানিগুলোকে জানানো হয়েছে। কিন্তু এর পরও নির্দেশনা মানেনি ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স। আইন অনুযায়ী, আইডিআরএর অনুমোদন ছাড়া কেউ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতে পারবেন না, বেতন-ভাতাও নিতে পারবেন না। তবে কোনো কোম্পানিতে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকলে ওই পদের অব্যবহিত নিম্ন পদের কোনো কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কোম্পানিতে তিন মাস পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। যোগাযোগ করলে আইডিআরএর সদস্য সুলতান উল আবেদীন মোল্লা বলেন, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের প্রধান নির্বাহীর অনুমোদন আমাদের কাছ থেকে নেয়া হয়নি। আমরা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদকে তা জানিয়েছি। বীমা আইন অনুযায়ী কোম্পানিটির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। জানা গেছে, এর আগে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা লঙ্ঘন করায় পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ প্রত্যেক সদস্যকে ব্যক্তিগতভাবে মোট ২০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। আইন লঙ্ঘন করে প্রধান নির্বাহী নিয়োগ দেয়ায় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধেও। এ প্রসঙ্গে ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন পাটওয়ারি বলেন, পূর্বের বীমা অধিদপ্তর থেকে আমার এ প্রতিষ্ঠানের এমডি হিসেবে অনুমোদন নেয়া আছে। পরবর্তীতে আইডিআরএ গঠিত হওয়ার পর এ-সংক্রান্ত অনুমোদন নেয়া হয়নি। এখন আইডিআরএ বলছে, তাদের কাছ থেকেও অনুমোদন নিতে হবে। আমরা এরই মধ্যে আবেদন জানিয়েছি। দেখা যাক কি হয়! জানা যায়, বীমা খাতের কোম্পানিটি ১৯৯৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত হয়। এর অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৭৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার ৪ কোটি ৩১ লাখ ১০ হাজার ১৪৪। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৫২ দশমিক ০৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২২ দশমিক ৪৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ২৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ার। সর্বশেষ ২০১৫ সালে ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় এ কোম্পানি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭০ পয়সা, এনএভি ৩৫ টাকা ৯৭ পয়সা ও নিট মুনাফা ১১ কোটি ৬২ লাখ টাকা। ২০১৪ সালেও ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। ওই সময় ইপিএস ছিল ২ টাকা ৫২ পয়সা, এনএভি ৩৫ টাকা ২৭ পয়সা ও নিট মুনাফা ১০ কোটি ৮৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে বৃহস্পতিবার এ শেয়ারের সর্বশেষ দর ১.৫৪ শতাংশ বা ৪০ পয়সা কমে দাঁড়ায় ২৫ টাকা ৫০ পয়সায়। দিনভর দর ২৫ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ২৫ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সমাপনী দর ছিল ২৫ টাকা ৬০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ২৫ টাকা ৯০ পয়সা। এদিন ৪৭ বারে কোম্পানিটির মোট ৪৩ হাজার ৪৩৯টি শেয়ারের লেনদেন হয়।
  • প্যাসিফিক ডেনিমসের আইপিও আবেদন শুরু ১১ ডিসেম্বর
    স্টাফ রিপোর্টার : প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেডের ১১ ডিসেম্বর থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদাগ্রহণ শুরু হবে। চলবে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। অভিহিত মূল্যে সাড়ে সাত কোটি শেয়ার ইস্যু করে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে বস্ত্র খাতের কোম্পানিটি। প্রাথমিক শেয়ারের লট নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ শেয়ারে। অর্থাত্ একজন বিনিয়োগকারীকে আইপিও আবেদনের সঙ্গে সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। প্রসপেক্টাস অনুসারে, শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত ৭৫ কোটি টাকা কোম্পানিটি আংশিক ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যয় করবে। সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ২৫ কোটি টাকায় দুটি ব্যাংক ও তিনটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধ করবে। ব্যবসা সম্প্রসারণে ৪৭ কোটি ৯৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয় হবে। বাকি অর্থ ব্যয় হবে আইপিও প্রক্রিয়ার খরচ মেটাতে। আইপিওর অর্থ পাওয়ার দুই বছরের মধ্যে ব্যবসা সম্প্রসারণের কাজ শেষ করবে কোম্পানিটি। প্যাসিফিক ডেনিমসের অনুমোদিত মূলধন ১২০ কোটি টাকা। বর্তমানে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৩৮ কোটি টাকা, যা আইপিওর পর ১১৩ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। আইপিওর পর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে কোম্পানির ৩৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ শেয়ার থাকবে। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৬৩ পয়সা। আইপিও-পরবর্তী শেয়ার সংখ্যা বিবেচনায় নিলে তা নেমে আসবে ৮৮ পয়সায়। সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া শেয়ারপ্রতি কোম্পানির নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ২২ টাকা ৫৯ পয়সা। পুনর্মূল্যায়নজনিত উদ্বৃত্ত বিবেচনায় নিলে তা ২৬ টাকা ৪৩ পয়সায় উন্নীত হয়। প্যাসিফিক ডেনিমসের খসড়া প্রসপেক্টাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১১ সালে কোম্পানির টার্নওভার ছিল ১৪১ কোটি টাকা, যা ২০১৫ সাল শেষে ১৬৮ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। ২০১২ সালে কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা। চার বছরের ব্যবধানে নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ৯৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। প্যাসিফিক ডেনিমসের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড। নিরীক্ষক মাফেল হক অ্যান্ড কোং।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ডিএসইতে লেনদেনের ২.১% বেক্সিমকো লিমিটেডের
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গেল সপ্তাহে মোট লেনদেনের ২ দশমিক ১ শতাংশ ছিল বেক্সিমকো লিমিটেডের দখলে। পাঁচ কার্যদিবসে বিবিধ খাতের কোম্পানিটির মোট ৮৩ কোটি ৬৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকার শেয়ার হাতবদল হয়। এতে ডিএসইর সাপ্তাহিক লেনদেন তালিকায় দুই নম্বরে জায়গা করে নেয় বেক্সিমকো লিমিটেড। সপ্তাহ শেষে শেয়ারদর বেড়েছে ১১ দশমিক ২১ শতাংশ।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের নিম্নমুখী প্রবণতার পর চলতি মাসের শুরু থেকে বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারদর বাড়তে শুরু করে। তিন সপ্তাহে শেয়ারটির দর ২০ থেকে ২৪ টাকার ঘরে উন্নীত হয়। বৃহস্পতিবার সর্বশেষ দর ছিল ২৪ টাকা ৮০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ২০ টাকা ৮০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৩২ টাকা ৪০ পয়সা।জুন ক্লোজিংয়ের বাধ্যবাধকতায় এবার ১৮ মাসে হিসাব বছর গণনা করেছে বেক্সিমকো লিমিটেড। এ সময়ের জন্য ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ, সাম্প্রতিক বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) যা অনুমোদন করেছেন শেয়ারহোল্ডাররা। রেকর্ড ডেট ছিল ১২ মে। ৩০ জুন পর্যন্ত ১৮ মাসে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৬২ পয়সা।এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রান্তিকে বেক্সিমকো লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ৩৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮৪ টাকা ৭২ পয়সা।সর্বশেষ ঋণমান প্রতিবেদন অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদে কোম্পানিটির অবস্থান ‘ডাবল বি প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘ইসিআরএল-ফোর’। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও হালনাগাদ অন্যান্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গত মাসে এ ঋণমান নির্ধারণ করে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। source : Bonik Barta
  • মৌলভিত্তির কোম্পানিতে বেশি আগ্রহ
    দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে ভাল ও মৌলভিত্তি কোম্পানির শেয়ারের প্রতি সবচেয়ে বেশি আগ্রহ বেড়েছে বিনিয়োগকারীদের। আর তারই ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে শেয়ার লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৩১.৪৯ শতাংশ। এর প্রভাবে সার্বিক বাজার মূলধনের পরিমাণও বেড়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে ভাল ও মৌলভিত্তি কোম্পানির শেয়ার হিসেবে ‘এ’ ক্যাটাগরিকে বিবেচনা করা হয়। আর ডিএসইতে ‘এ’ ক্যাটাগরিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন বৃদ্ধি পাওয়াকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।সূত্র মতে, গত সপ্তাহে ‘এ’ ক্যাটাগরির লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬২৪ কোটি ৯২ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৪ টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ২ হাজার ৭৫৬ কোটি ৬৬ লাখ ১০ হাজার ৫৬৬ টাকা। সে হিসেবে এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন বেড়েছে ৮৬৮ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ২৬৮ টাকা বা ৩১.৪৯ শতাংশ।এদিকে গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) যে পরিমাণ লেনদেন হয়েছে তার ৯১.১৪ শতাংশ অবদান রেখেছে ‘এ’ ক্যাটাগরি। এর ফলে বিদায়ী সপ্তাহে টার্নওভার বেড়েছে ১৭৭ কোটি ৩০ লাখ ৪৩ হাজার ৪৫৪ টাকা।এ বিষয়ে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেন, দেশের পুঁজিবাজার মহাধসের পর নানা সংকট থেকে বেরিয়ে ছন্দে ফিরে আসছে। গত কয়েক মাসের বাজারচিত্র এমন ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন। কেননা দু-একদিন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মুনাফা তুলে নেয়ার ঝোঁক থাকলেও পরে ঠিকই ঘুরে দাঁড়ায় বাজার। তাছাড়া অতীতে দুর্বল কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেকে বিনিয়োগকারী। তাই বর্তমানে তারা বুঝে শুনে ভাল ও মৌলভিত্তি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করছে। তাই বাজারে মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের।বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ২৬২টি কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন, এবি ব্যাংক, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, আমরা টেকনোলজি, পেনিনসুলা চিটাগাং, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো লিমিটেড, গ্রামীণফোন এবং স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালের গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে। এছাড়া সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধি এবং লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় থাকা প্রায় সকল কোম্পানি ‘এ’ ক্যাটাগরির। source : Jonokontho
  • আইটিসির এজিএম আজ
    নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডা অনুমোদনের জন্য আজ সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন হলে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজন করবে ইনফরমেশন টেকনোলজি কনসালট্যান্টস (আইটিসি) লিমিটেড। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, সভার রেকর্ড ডেট ছিল ৮ নভেম্বর।৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় ১২১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়েছে।চলতি বছরের জানুয়ারিতে শেয়ারবাজারে আসার পর এবারই প্রথম বার্ষিক ফলাফল ও লভ্যাংশ ঘোষণা করল আইটিসি। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, গেল হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৩ পয়সা, ২০১৫ হিসাব বছরে যা ছিল ৪২ পয়সা। ৩০ জুন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৩৭ পয়সা।এদিকে আগের বছর জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি ৬ পয়সা লোকসান দেখালেও চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে ১২ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে আইটিসি।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বশেষ ৪৮ টাকা ১০ পয়সায় আইটিসির শেয়ার হাতবদল হয়, যা আগের দিনের চেয়ে ১ দশমিক ২৩ শতাংশ কম। তালিকাভুক্তির পর কোম্পানিটির শেয়ারদর ৮৩ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৩৫ টাকা ১০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ দিকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১২ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করেছে আইটিসি। এর আগে ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৫৪তম সভায় তাদের আইপিও অনুমোদন হয়। এর পর অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ইস্যু করে তারা। এতে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৮৭ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। প্রসপেক্টাস অনুসারে, কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে সংগ্রহ করা অর্থে ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও আইপিও প্রক্রিয়ার ব্যয় নির্বাহ করে। আইটিসির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল বেটাওয়ান ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং নিরীক্ষক হুদাভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোং।আইটিসি লিমিটেডের মূল ব্যবসা এটিএম ও ইলেকট্রনিক পেমেন্টসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার বিক্রি এবং সংশ্লিষ্ট রক্ষণাবেক্ষণ সেবা। বর্তমানে কোম্পানির ৫১ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ শেয়ার এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২২ দশমিক ৩২ এবং বাকি ২৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে।সর্বশেষ নিরীক্ষিত মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১১৪ দশমিক ৭৬, হালনাগাদ প্রান্তিক মুনাফার ভিত্তিতে যা ১০০ দশমিক ৪২।   source : Bonik barta
  • আইসিবির পোর্টফোলিওতে সব কোম্পানির শেয়ার!
    দেশের শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। সর্বশেষ প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় মালিকানার এ বিনিয়োগ সংস্থার মোট বিনিয়োগ প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা। বিশাল আকারের এ পোর্টফোলিওতে তালিকাভুক্ত প্রায় সব কোম্পানিরই শেয়ার রয়েছে। এতে মৌল ভিত্তির কোম্পানির পাশাপাশি দুর্বল আর্থিক ভিত্তির অনেক কোম্পানির শেয়ারও ঠাঁই পেয়েছে। আছে ওভার দ্য কাউন্টারভুক্ত (ওটিসি) ১৮ কোম্পানির শেয়ার।সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুুযায়ী, আইসিবির পোর্টফোলিওতে থাকা শেয়ার ও ফান্ড সংখ্যা ৩৫৪টি। এর মধ্যে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয়, এমন ৪৪ কোম্পানির শেয়ারও রয়েছে। পোর্টফোলিওতে থাকা সব শেয়ারের মধ্যে ১১৯টির বাজারমূল্য ক্রয়মূল্যের তুলনায় বেশি। অর্থাৎ এগুলোতে মুনাফা রয়েছে। এর মধ্যে আবার ১৮টি ওভার দ্য কাউন্টার বাজারভুক্ত। বাকি ২৩৫ কোম্পানির শেয়ারের বাজারমূল্য কেনা দামের তুলনায় কম। অর্থাৎ, পোর্টফোলিওতে থাকা দুই-তৃতীয়াংশ শেয়ারেই লোকসান রয়েছে।  দেশের শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড সংখ্যা বর্তমানে ৩৩০টি। দেশের অন্যতম প্রধান বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা ও বিনিয়োগ বিশ্লেষকরা মনে করেন, দেশের বেশিরভাগ প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে পেশাদারি আচরণ দেখায় না। মিউচুয়াল ফান্ডগুলোও সব শেয়ারে বিনিয়োগ করে। সরকারি মালিকানার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও একই চিত্র। আইসিবি তার ব্যতিক্রম নয়।আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইফতেখার-উজ-জামান বলেন, পোর্টফোলিওতে এত বেশি শেয়ার থাকা নিয়ে কেউ সমালোচনা করতেই পারে। তবে আইসিবির ক্ষেত্রে বিশেষটা ভিন্নভাবে দেখতে হবে। কারণ, প্রতিষ্ঠানটি শুধু মুনাফার জন্য পরিচালিত হয় না। শেয়ারবাজারকে স্থিতিশীল রাখা ও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বও পালন করছে। মুনাফার বিবেচনায় ভালো না হলেও বাজারের সার্বিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখার স্বার্থে অনেক শেয়ার রাখতে হচ্ছে। তবে এর মধ্যে খারাপ শেয়ারের সংখ্যা খুবই কম। ধীরে ধীরে তা কমিয়ে আনা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।আইসিবির প্রধান কার্যালয়ের পোর্টফোলিও বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এতে তালিকাভুক্ত ২০ খাতের শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে আটটিতে মুনাফা রয়েছে। বাকি ১২টিতে লোকসান। ব্যাংক খাতে আইসিবির মোট বিনিয়োগ ছিল ৭৪৮ কোটি টাকা। বার্ষিক প্রতিবেদন তৈরির সময় এর বাজারমূল্য ছিল ৬২৮ কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে লোকসান ছিল ১২০ কোটি টাকা বা ১৬ শতাংশ। প্রকৌশল খাতের ২৫ কোম্পানিতে আইসিবির ক্রয়মূল্যে বিনিয়োগ ছিল ৩৩০ কোটি টাকা, যার বাজারমূল্য কমে দাঁড়িয়েছিল ২৯৫ কোটি টাকা ও লোকসান ছিল পৌনে ১১ শতাংশ। বীমা খাতের ১৮৯ কোটি টাকার বিনিয়োগ করা শেয়ারের মূল্য কমে দাঁড়ায় ১১৯ কোটি টাকা ও লোকসান ছিল ৩৭ শতাংশ। একইভাবে সিরামিক খাতে ১১ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৪৭, বিবিধ খাতে ৪৩, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতে সাড়ে ২১, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের প্রায় ৩৪ শতাংশ লোকসান ছিল উল্লেখযোগ্য।অন্যতম প্রধান মার্চেন্ট ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টের এমডি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, শেয়ারবাজারকে আজকের অবস্থানে আসতে যে ক'টি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রয়েছে, তার মধ্যে আইসিবির ভূমিকাই সর্বাধিক। তবে এক সময়ের 'মুরবি্ব'র ভূমিকায় থাকা এ প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ আচরণ এখন আর অনুকরণীয় নয়। তার মতে, প্রতিষ্ঠানটির পোর্টফোলিও দেখে যে কেউ এর পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন। এখানে লোকসানি কোম্পানির শেয়ার ও ওটিসিভুক্ত কোম্পানির শেয়ার থাকা ভালো দেখায় না। তিনি বলেন, একজন বিনিয়োগ ব্যবস্থাপক খুব ভালো কোম্পানির শেয়ার যখন অতি মূল্যায়িত থাকে, তখন তা কেনেন না। আবার খারাপ কোম্পানির শেয়ার যত নিচেই নামুক না কেন, তাও কেনেন না। আইসিবির বিনিয়োগ এমনটাই হওয়া উচিত।অর্থনীতি ও শেয়ারবাজার বিশ্লেষক আবু আহমেদ অবশ্য মনে করেন, শেয়ারবাজারের স্বার্থে আইসিবি যদি সব শেয়ার ধারণ করতে চায়, তা করতে কোনো বাধা নেই। তবে নিজেও একটি তালিকাভুক্ত কোম্পানি হওয়ায় মুনাফার বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে। খারাপ বিনিয়োগ প্রত্যাহার না করে আইসিবি ঠিক করছে না বলেও মনে করেন তিনি। আইসিবিকে মনে রাখা উচিত তার বিনিয়োগ পোর্টফোলিও অনেকে অনুসরণ করেন। তাই বিনিয়োগে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। আইসিবির এমডি বলেন, আইসিবির বিনিয়োগ কার্যক্রম আগের তুলনায় এখন অনেক গবেষণানির্ভর। তিনি জানান, এখন স্টক অ্যানালাইসিস ও শেয়ার রিসার্স বিভাগের পরামর্শ নিয়ে পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্ট বিভাগ শেয়ার কেনাবেচা করে। source : Somokal
  • ডিএসই ব্রোকারেজ অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি
    নতুন কমিটি নির্বাচন করেছে ডিএসই ব্রোকারেজ অ্যাসোসিয়েশন। এতে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আহমেদ রশিদ লালী। জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হয়েছেন মোস্তাক আহমেদ সাদেক ও সহসভাপতি হয়েছেন খুজিস্তা নূর-ই-নাহরীন। গতকাল বুধবার নবনির্বাচিত পরিষদের এক সভায় তাঁদের নির্বাচিত করা হয়। আহমেদ রশীদ লালী ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ডিএসইর সদস্য হিসেবে পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িত। তিনি ডিএসইর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কাউন্সিলর এবং আঞ্চলিক স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর সংগঠন সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব এক্সচেঞ্জেসের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মোস্তাক আহমেদ সাদেক বর্তমানে ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন সার্ভিসেস লিমিটেডের এমডি হিসেবে কর্মরত আছেন। খুজিস্তা নূর-ই-নাহরীন ব্রোকারেজ হাউসের এমডি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। source : kalar kontho
  • কেপিসিএলের ব্লক ট্রেডে ডিএসইতে পাঁচ বছরে সর্বোচ্চ লেনদেন
    পুঁজিবাজারে গতকাল বুধবার ব্লক ট্রেডের (মূল মার্কেটের বাইরে উদ্যোক্তা বা স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার লেনদেন) উপর নির্ভর করে গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। গতকাল কেপিসিএলের (খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড) শেয়ারে বড় অংকের লেনদেন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) জানিয়েছে, কেপিএসএলের করপোরেট উদ্যোক্তা ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড কোং প্রতিটি শেয়ার ৬৫ টাকা দরে ১২ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার বিক্রয় করেছে। এতে ব্লক মার্কেটে কোম্পানিটির ৮২৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকার  শেয়ার লেনদেন হয়েছে। শেয়ার ক্রয় করেছে শাহজাহান উল্লাহ পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড। এদিকে ব্লক মার্কেটের লেনদেনের উপর ভিত্তি করে গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৪৭৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা। যা ২০১১ সালের ৩১ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ লেনদেন।পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্লক মার্কেটে অনেক সময়ই বড় অঙ্কের লেনদেন হয়। এ লেনদেন মূল বাজারের লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত হয়। তবে এর কোনো প্রভাব সূচকে পড়ে না। এটা বাজারের স্বাভাবিক ঘটনা। তবে এমনিতেই বাজারে গত বেশ কিছুদিন ধরে ভালো লেনদেন হচ্ছে। প্রতিদিনই পাঁচশ থেকে ছয়শ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে। এ ধরনের প্রবণতা বাজারের জন্য ভালো। লেনদেনের সঙ্গে বাড়ছে সার্বিক মূল্য সূচকও।এদিকে গতকাল বাজারে লেনদেন বাড়ার পাশাপাশি সূচকও বেড়েছে। গতকাল ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট বেড়ে চার হাজার ৭৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। যা গত ১৩ মাস বা ২০১৫ সালের ১৪ অক্টোবরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ডিএসইতে ৩২১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৬১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১২০টি কোম্পানির দর কমেছে এবং ৪০টি  কোম্পানির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ন্যাশনাল টিউবসের শেয়ার। এদিন কোম্পানিটির ১৭ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা এবি ব্যাংকের ১৬ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো। লেনদেনে এরপর রয়েছে- ডরিন পাওয়ার জেনারেশন, গোল্ডেন হার্ভেস্ট অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালস, সিটি ব্যাংক, কাশেম ড্রাইসেল, ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং ও কেয়া কসমেটিকস। আর গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক ৩৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট হাজার ৯২৯ পয়েন্টে। সিএসইতে ৪৮ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগের দিন ছিল ৩৬ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।এদিকে গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের অনেক সময় ধরে জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন ও সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজের কোনো বিক্রেতাই ছিল না (হল্টেড)। এতে কোম্পানি দুটির শেয়ার হল্টেড হয়ে মূল্য স্পর্শ করছে সার্কিট ব্রেকারে। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ১২টা ৫ মিনিট পর্যন্ত জেনারেশন নেক্সটের স্ক্রিনে সর্বশেষ ৩৫ লাখ ৫০ হাজার ৫৩৭টি শেয়ার কেনার প্রস্তাব ছিল। কিন্তু বিক্রেতার ঘরে কোনো  শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব ছিল না। হল্টেডের আগে সর্বশেষ লেনদেন হয় সাত টাকা ৯০ পয়সা দরে। আগেরদিন শেয়ারের দাম ছিল সাত টাকা ২০ পয়সা। অন্যদিকে সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজের স্ক্রিনে সর্বশেষ এক লাখ ৩৭  হাজার ৮৯৭টি শেয়ার কেনার প্রস্তাব দেখাচ্ছিল। কিন্তু বিক্রেতার ঘরে কোনো শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব ছিল না। হল্টেডের আগে সর্বশেষ লেনদেন হয় ৯ টাকা ৪০ পয়সা দরে। আগেরদিন এ শেয়ারের লেনদেন হয় আট টাকা ৬০ পয়সায়।   source : Ittafaq
  • ডিএসইর অ্যাপে সাড়া নেই বিনিয়োগকারীদের
    ‘ডিএসই ইনফো’ নামে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপলিকেশন (অ্যাপস)। চালু করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে মোবাইল অ্যাপটি চালু হলেও তেমন সাড়া পায়নি বলে জানান পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা। আর এ অ্যাপ ব্যবহারে সিকিউরিটিজ হাউসগুলো বাধা দিচ্ছে বলে বিনিয়োগকারীরা জানান। এ নিয়ে ডিএসইও রয়েছে বিপাকে। তবে এ অ্যাপের প্রচার করা হলে এর ব্যবহারকারী আরো বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা। প্রাথমিকভাবে এক লাখ বিনিয়োগকারীর সুবিধা দিতে ডিএসই এ অ্যাপটি চালু করেছিল গত বছরের শেষ দিকে। এর মাধ্যমে শেয়ার লেনদেন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি। তারপর থেকে প্রায় ১১ মাস তথ্য সরবরাহ এবং শেয়ার লেনদেন কার্যক্রম ৮ মাস সময় অতিবাহিত হলেও ৫ শতাংশ বিনিয়োগকারীকে আকৃষ্ট করতে পারেনি ডিএসই।এ প্রসঙ্গে বিনিয়োগকারীরা জানান, তাদের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন আছে। তারা ডিএসই মোবাইল অ্যাপ সুবিধা নিতে চাইলেও হাউসগুলো থেকে বাধা দেয়া হচ্ছে বিভিন্নভাবে। হাউসগুলো থেকে বিনিয়োগকারীদের বলা হচ্ছে- সব বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিএসই মোবাইল অ্যাপ সুবিধা নয়। এ সুবিধা গ্রহণ করলে ডিএসই নানাভাবে তাদের হয়রানি করবে। এমনকি কাক্সিক্ষত আয় না করলেও কর দিতে হবে। তাদের সম্পদে ডিএসই ও সরকার নজরদারি বাড়বে। আর এ ভয়ে অ্যাপ ব্যবহারে বিরত থাকছে বিনিয়োগকারীরা। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিকিউরিটিজ হাউস কর্তৃপক্ষ। ডিএসইর মার্কেটিং ডেভেলপমেন্টের ডিজিএম নিজাম উদ্দিন বলেন, ডিএসইর মোবাইল অ্যাপে ১ লাখ বিনিয়োগকারীকে সেবা দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে। এ অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার বিনিয়োগকারী ট্রেড করছেন। গত ৭ মাসে প্রায় ৪ হাজার বিনিয়োগকারী এই সুবিধার অধীনে এসেছে। তবে প্রতিদিনই এর সংখ্যা বাড়ছে। এ বাড়ার গতি হতে পারে কম। কারণ আমরা এখনও প্রচারে নামিনি। তবে এ অ্যাপের প্রচার করা হলে এর ব্যবহারকারী আরো বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন এ কর্মকর্তা।জানা যায়, এ মোবাইল অ্যাপ সুবিধা নিলে বিনিয়োগকারীরা সরাসরি পুঁজিবাজারের অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবেন। এটি ব্যবহার করলে অন্য কেউ ব্যবহারকারীর ব্রাউজার ব্যবহার করতে পারবে না। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজারের কোম্পানিগুলোর শেয়ার সরাসরি ট্রেড করা যাবে। লেনদেন চালু হলে গ্রাহক যেখানেই থাকুক তিনি অ্যাপের মাধ্যমে ট্রেডিং প্রক্রিয়ায় লেনদেন করতে পারবেন।এ ছাড়াও ঘরে বা অফিসে বসেই ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে শেয়ার লেনদেন করা যাবে এ অ্যাপের মাধ্যমে। ডিএসইর এ ইন্টারনেট ট্রেডিং প্রক্রিয়ায় লেনদেন সম্পন্ন করতে ৩৮ জন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রকৌশলী নিযুক্ত রয়েছে। এদের সহযোগিতার জন্য আরো প্রায় ২৫ জন কর্মকর্তা রয়েছে। source : vorer kagoj
  • দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশে দারিদ্র্যের প্রকোপ বেশি
    সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো (এমডিজি) অর্জনে সফলতা দেখিয়েছে বাংলাদেশে। তবে দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমলেও এখনও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশেই দারিদ্র্যের প্রকোপ বেশি। এখনও ৩ কোটি ৭৬ লাখ মানুষ দরিদ্র। এর মধ্যে ১ কোটি ৯৪ লাখ মানুষ হতদরিদ্র। ফলে দারিদ্র্য বিমোচনসহ ক্ষুধা-দারিদ্র্য নিরসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) আরও জোর দিতে হবে। এ ছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী হার বৃদ্ধি এবং বয়স্কদের মধ্যে স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি ও শিক্ষার গুণগতমান অর্জন, নারীদের পরিমিত মজুরি সম্পন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষ স্বাস্থ্য কর্মীর মাধ্যমে সন্তান প্রসব, বনায়ন বৃদ্ধি এখনও বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করা হয়েছে এমডিজির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে।আগামীকাল শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে এমডিজির এ চূড়ান্ত প্রতিবেদটি প্রকাশ করা হবে। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০০০ সালে ২০১৫ সাল মেয়াদি আটটি উন্নয়ন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। ক্ষুধা ও দারিদ্র্য বিমোচন, সার্বজনীন শিক্ষা, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুমৃত্যুর হার কমানো, লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন, সংক্রামক রোগ, বৈশ্বিক সহযোগিতা এবং টেকসই পরিবেশ-এ আটটি বিষয় অর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়। আর ভিত্তি বছর ধরা হয়েছে ১৯৯০-৯১ অর্থবছরকে। এসডিজির শেষ হওয়া জাতিসংঘ নতুন করে বিশ্বব্যাপী এসডিজি (২০১৬-২০৩০) বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে।লক্ষ্য-১ : প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র্য নির্মূলে প্রশংসনীয় অগ্রগতি সাধন করেছে। বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি নিয়মিতভাবেই ৬ শতাংশের ওপরে রয়েছে, যা দারিদ্র্য হ্রাসের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। এমডিজির ১৫ বছরে দারিদ্র্যের হার ৫৬ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ২৪ দশমিক ৮ শতাংশে নেমেছে।লক্ষ্য-২ : প্রাথমিক শিক্ষা : শিক্ষায় ন্যায়সঙ্গত প্রবেশাধিকার, ঝরে পড়ার হার কমানো, শিক্ষা চক্র সমাপ্তির ক্ষেত্রে উন্নতি সাধন এবং শিক্ষায় গুণগতমান বৃদ্ধি হয়েছে। এখন ৯৮ শতংশ শিশুই প্রাথমিক শিক্ষায় প্রবেশ করছে। প্রতিবেশী দেশ ভারত ও নেপাল ছাড়া আঞ্চলিক সব দেশ থেকে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। স্বাক্ষরতার হার সূচকে ২০১৫ সালের মধ্যে ১০০ শতাংশ অর্জনের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে বাংলাদেশের অর্জন ৭৫ দশমিক ৪ শতাংশ। তবে এক্ষেত্রে ভারত, পাকিস্তান থেকে এগিয়ে থাকলেও শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের চেয়ে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে রয়েছে।লক্ষ্য-৩ : লিঙ্গ সমতা : প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষা উভয় ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ নারী-পুরুষের সমতা অর্জনে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষায় লিঙ্গ সমতা অর্জনে বাংলাদেশ মালদ্বীপ, ভুটান, নেপালকে  পেছনে ফেলেছে।লক্ষ্য-৪ : (শিশুমৃত্যু হার কমানো) : ১৯৯০ সালে ১০০০ শিশুর (পাঁচ বছরের কম) মধ্যে জীবিত থাকত ১৪৬। বর্তমানে শিশুমৃত্যুর হার ৩৬-এ নেমে এসেছে। শিশুমৃত্যুর হার সূচকে বাংলাদেশ ভারত এবং পাকিস্তানের চেয়ে ভালো। এক বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে।লক্ষ্য-৫ : মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন-মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়নে বাংলাদেশ রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ১৯৯০ সালে মাতৃমৃত্যুর হার ছিল ৫৭৪, যা ২০১৬ সালে হয়েছে ১৮১। সামগ্রিকভাবে প্রজনন বয়সে নারীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার বিগত বছরগুলোতে বছরে ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়েছে।সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে ১৫-৪৯ বছর বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে দক্ষ স্বাস্থ্য কর্মীর কাছে সেবা গ্রহণের বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ দশমকি ১ শতাংশে। দক্ষ স্বাস্থ্য কর্মীর মাধ্যমে শিশু জন্মের হার বাড়ছে, তবে এক্ষেত্রে আরও জোর দিতে হবে।এমডিজি-৬ : এইচআইভি/এইডস, ম্যালেরিয়া এবং অন্যান্য রোগব্যাধি দমন : প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত থেকে দেখা যায়, দেশে এইচআইভির প্রাদুর্ভাব এখনও অনেক কম (শতকরা শূন্য দশমিক ১ ভাগেরও কম), যা মহামারি সীমার নিচেই রয়েছে।লক্ষ্য-৭ : (পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ) : ১৯৯০ সালে বনাচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণ ৯ শতাংশ, যা ২০১৬ সালে ১৩ দশমিক ৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এ সময় ‘ওজোন’ ক্ষয়কারী পদার্থের পরিমাণ কমে ৬৪ দশমিক ৮৮ হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী আর্সেনিক দূষণ বিবেচনায় না নিলে দেশের জনসংখ্যার ৯৭ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ উন্নত পানীয় জলের উত্স ব্যবহার করে এবং ৭৩ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ উন্নত স্যানিটেশন ব্যবহার করে।লক্ষ্য-৮ : (সার্বিক উন্নয়নে বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা) :গত দু’দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে গড় বার্ষিক বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তার পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের মোট দেশজ উত্পাদনের তুলনায় বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তার পরিমাণ ১৯৯০-৯১-এর ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ থেকে ২০১২-১৩ তে এসে ১ দশমিক ৫৬ শতাংশে নেমে এসেছে। source : sokalr khobor
  • একনেকে ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন
    ২০২১ সালের মধ্যে সমগ্র দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুত্ চাহিদা পূরণ করার লক্ষ্যে ১৩ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা ব্যয়ে পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্ট আন্ডার পিজিসিবি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ১০০ কি.মি. ৪০০ কেভি নতুন সঞ্চালন লাইন নির্মাণ, ৩৩০ কি.মি. ২৩০ কেভি নতুন সঞ্চালন লাইন নির্মাণ, ৩৩৪ কি.মি. ১৩২ কেভি নতুন সঞ্চালন লাইন নির্মাণ, বিদ্যমান সঞ্চালন লাইন সংস্কার ও ৪১টি নতুন বিদ্যুত্ উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। চলতি বছর শুরু হয়ে ২০২১ সালের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্পে চীনের কাছ থেকে ৯ হাজার ৭০৭ কোটি টাকা জি-টু-জি ভিত্তিতে পাওয়া যাবে।শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের প্রকল্পগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত অবহিত করেন। তিনি বলেন,  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে সরকার দেশের বিদ্যুত্ ব্যবস্থার উন্নয়নে যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। ইতিমধ্যে দেশের শতকরা ৭৮ভাগ জনগোষ্ঠী বিদ্যুতের আওতায় চলে এসেছে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশের ঘরে ঘরে বিদ্যুত্ পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা ২০১৯ সালের মধ্যেই সম্ভব হবে। সভায় প্রধানমন্ত্রী ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা রক্ষায় ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।গতকাল অনুষ্ঠিত সভায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি ৩১ লাখ টাকার প্রাক্কলিত ব্যয়ে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে। সভায় ৩ হাজার ৪০৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে বিতরণ ব্যবস্থার ক্ষমতাবর্ধন, পুনর্বাসন ও নিবিড়করণ (ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ) প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া সভায় ৩ হাজার ৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বিতরণ ব্যবস্থার ক্ষমতাবর্ধন, পুনর্বাসন ও নিবিড়করণ (রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগ) প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।এ দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে গ্রাম এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি বাড়বে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে পুরাতন জরাজীর্ণ বিতরণ লাইনের উন্নত করা হবে। ফলে সিস্টেম লস আরো কমে আসবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সভায় ৬২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সিরাজগঞ্জে বিসিক শিল্প পার্ক এর ২য় সংশোধনী অনুমোদন করা হয়েছে। এ প্রকল্পটিতে চলতি বছর জুন পর্যন্ত ১০২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ২০১৯ সালের মধ্যে ৮২০টি শিল্প প্লটের উন্নয়ন এবং প্রায় ১ লাখ কর্মসংস্থান হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়েছে। সভায় ৫১৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয়ে গ্যাস ট্রান্সমিশন ক্যাপাসিটি এক্সপানশন-আশুগঞ্জ টু বাখরাবাদ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আশুগঞ্জ হতে বাখরাবাদ পর্যন্ত ৩০ ইঞ্চি ব্যাস বিশিষ্ট ৬১ কি.মি. গ্যাস সঞ্চালন পাইপ লাইন স্থাপনের মাধ্যমে দৈনিক আরও অতিরিক্ত ২০০-৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ঢাকা ও চট্টগ্রাম এলাকায় অর্থাত্ তিতাস অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকা এবং বাখরাবাদ অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার মধ্যে সঞ্চালন করা সম্ভব হবে। সভায় ৬৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রামের মুরাদপুর ২নং গেট ও জিইসি ফ্লাইওভার নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। রাজধানীতে সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন সমস্যা দূর করতে ৩৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকার গুলশান, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে ২০টি পরিত্যক্ত বাড়িতে ৩৯৮টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ২০১৯ সালের মধ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত বিভাগ এটি বাস্তবায়ন করবে। প্রায় ৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে টঙ্গী-কালিগঞ্জ-ঘোড়াশাল-পাঁচদোনা আঞ্চলিক মহাসড়কের (আর-৩০১) শহীদ ময়েজউদ্দিন সেতু হতে পাঁচদোনা পর্যন্ত অংশ জাতীয় মহাসড়ক মানে উন্নীতকরণ প্রকল্প, ২০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার জেলার বাঁকখালী নদী বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, সেচ ও ড্রেজিং প্রকল্প (১ম পর্যায়), ২০০ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অপারেশন সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ৩শ’ মোটর সাইকেল, ২০টি মিনিবাস, ৫০টি মিনি ট্রাক, ৫০টি ট্রাক, ৫০টি বাস, ২০টি প্রিজন ভ্যান, ১০টি জিপসহ বিভিন্ন যানবাহন সংগ্রহ করা হবে। source : Ittafaq
  • রপ্তানিকারকদের স্বস্তি বাংলাদেশে
    ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (টিপিপি) চুক্তি বাতিলের ঘোষণা নির্বাচনী প্রচারের সময়ই দিয়ে রেখেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গত সোমবার এক ভিডিওবার্তায় তিনি সেই ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসার প্রথম দিনই তিনি এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহার করে নেবেন। আর যুক্তরাষ্ট্র না থাকলে এই চুক্তির কোনো কার্যকারিতা থাকবে না বলে মনে করছেন টিপিপিভুক্ত অন্য ১১ দেশের নেতারা।পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামসহ ১২ জাতির চুক্তিটি নিয়ে ট্রাম্পের এ ঘোষণায় স্বস্তি দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের মধ্যে। কারণ টিপিপি বাতিল হলে যুক্তরাষ্ট্রসহ জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার মতো তৈরি পোশাকের বড় বাজারে ভিয়েতনামের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে না বাংলাদেশকে। তবে বাণিজ্য বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, টিপিপি বাতিলের ফলে বাংলাদেশ স্বল্পমেয়াদে স্বস্তি পেলেও ট্রাম্প প্রশাসনের সংরক্ষণমূলক নীতির কারণে ভবিষ্যতে বাংলাদেশসহ বাকি বিশ্বের বাণিজ্য ব্যবস্থায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ আসতে পারে।আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চীনকে কোণঠাসা করতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আলোচনার পর গত বছর টিপিপি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে স্বাক্ষর করা অন্য দেশগুলো হলো ভিয়েতনাম, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, ব্রুনেই, কানাডা, চিলি, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, পেরু ও সিঙ্গাপুর। এই চুক্তির আওতায় দেশগুলো নিজেদের মধ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা বা কম শুল্কে পণ্য রপ্তানির সুযোগ পাবে। তবে চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে এখনো অনুসমর্থন পায়নি।ভিয়েতনাম তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। চুক্তিটি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রসহ জাপান ও কানাডায় শুল্কমুক্ত সুবিধায় পোশাক রপ্তানির সুযোগ পাবে দেশটি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে গড়ে ১৫ শতাংশ হারে শুল্ক দিয়ে বাংলাদেশকে পোশাক রপ্তানি করতে হয়। জাপান ও কানাডায় বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। এ দুটি দেশে পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামকে শুল্ক দিতে হচ্ছে। টিপিপি কার্যকর হলে ভিয়েতনামকেও আর ওই দুই দেশকে শুল্ক দিতে হবে না। টিপিপি স্বাক্ষরের পর ভারত, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের শিল্প মালিকরা ভিয়েতনামে বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ শুরু করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানও ভিয়েতনামের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির তুলনায় ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানিতে অনেক বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে।অ্যামচেম ভিয়েতনামের এক প্রতিবেদনে আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট নাতে হেরমান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দীর্ঘদিন ধরে চালকের আসনে ছিল চীন ও বাংলাদেশ। এখন ওই স্টিয়ারিং ভিয়েতনামের হাতে।যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি পোশাকের বাজার ও তাতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের অংশীদারি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে ২০১৩ সালে একটি রূপরেখা প্রণয়ন করে অ্যামচেম ভিয়েতনাম। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র মোট ১০৪ বিলিয়ন ডলারের পোশাক কিনবে। এর মধ্যে চীনের ৪০ বিলিয়ন, ভিয়েতনামের ১০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ও বাংলাদেশের ৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের পণ্য থাকবে। ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র কিনবে ১০৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক। এর মধ্যে চীন ৩৯ দশমিক ২ বিলিয়ন, ভিয়েতনাম ১২ দশমিক ৫ ও বাংলাদেশ ৬ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করবে। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ১০৭ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাকের বাজারে চীনের ৩৮ দশমিক ৭, ভিয়েতনামের ১৪ দশমিক ৩ ও বাংলাদেশের হিস্যা হবে ৭ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। এভাবে যুক্তরাষ্ট্রে চীনের পোশাক রপ্তানি কমবে, বাংলাদেশের শ্লথ হবে আর ভিয়েতনামের রপ্তানি বাড়তে থাকবে। অ্যামচেম ভিয়েতনামের প্রতিবেদন মতে, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি পোশাকের বাজার হবে ১১১ বিলিয়ন ডলারের, যেখানে চীন ৩৬ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার, ভিয়েতনাম ১৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার ও বাংলাদেশ ৯ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির সুযোগ পাবে।টিপিপিকে ভিত্তি ধরে এমন হিসাব-নিকাশের মধ্যে ট্রাম্প মঙ্গলবার এক ভিডিওবার্তায় চুক্তিটি থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানালেন। আগামী ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসছেন ট্রাম্প। ওই দিনই টিপিপি বাতিল করার ঘোষণা দিয়ে ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, ‘এ চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় দুর্যোগ ডেকে আনবে। এর বদলে আমরা নতুন করে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা করব, যা যুক্তরাষ্ট্রে আবারও কর্মসংস্থান ও শিল্প ফিরিয়ে আনবে।’যুক্তরাষ্ট্র টিপিপি থেকে বের হয়ে গেলে এর আর কোনো কার্যকারিতা থাকবে না বলে মনে করছেন এতে স্বাক্ষরকারী অন্য দেশগুলোর নেতারা। জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া টিপিপি চুক্তি অর্থহীন। টিপিপিভুক্ত দেশের নেতারা শনিবার লিমায় বৈঠকে বসলেও সেখানে চুক্তিটি কার্যকর করার বিষয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি।জাপানের এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ইনস্টিটিউটের রিসার্চ ইকোনমিস্ট মাথিয়াস হেলবলের মতে, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলা কঠোর দরকষাকষি ও আলোচনা ভেস্তে যাচ্ছে। একমাত্র আশার কথা এই যে ট্রাম্প বাণিজ্য উদারীকরণের ধারণাটি পুরোপুরি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেননি।টিপিপি চুক্তি বাতিলে বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর প্রভাব সম্পর্কে জানতে চাইলে পোশাক মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ রপ্তানিকারক সমিতির (ইএবি) সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যবসায়ী থেকে প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন। তাই তাঁর কাছ থেকে বাণিজ্যের বাধাগুলো দূর করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী। বিশেষ করে স্থগিত হওয়া জিএসপি পুনর্বহাল এবং সব পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতে চাই আমরা।’আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, ভিয়েতনাম পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী কোথাও বাড়তি সুবিধা পেলে তা অন্য প্রতিযোগীদের বেকায়দায় ফেলে। তাই টিপিপি হলে ভিয়েতনামের কারণে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ত। চুক্তিটি বাতিল হলে সেই আশঙ্কা থাকবে না। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এ ব্যাপারে কালের কণ্ঠকে বলেন, ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র আগামী দিনে বহুমুখী আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে যাওয়ার কথা বলছে। অর্থাৎ ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও বাণিজ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি গ্রহণ করছে। দেশের শ্রমস্বার্থও তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তা রক্ষার জন্য তারা বাইরের বিশ্বের জন্য বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত পরিবেশ, শ্রম অধিকারসহ অন্যান্য বিষয়ও বিবেচনা করতে পারে। এসব নীতি কার্যকর হলে বাংলাদেশসহ বহির্বিশ্ব যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য করতে পারছে তা সংকুচিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ক্ষেত্রে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কাও রয়েছে।আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এই বিশ্লেষক আরো বলেন, মার্কিন প্রশাসন সংরক্ষণমূলক নীতিতে এগোতে থাকলে শ্রমস্বার্থ রক্ষায় পরিবেশ, সুশাসন, শ্রমিক অধিকারসহ নানা বিষয়ে বিশ্বব্যাপী প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। তবে বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়। তাই বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচিত হবে আগামী এক বছর যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নেওয়া বিভিন্ন নীতি-পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া।   source : kalar kontho
  • হ্যাক সিকিউরিটিজকে ২ লাখ টাকা জরিমানা
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য প্রতিষ্ঠান হ্যাক সিকিউরিটিজ লিমিটেডকে আইন ভঙ্গের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে কমিশন। কতিপয় বিনিয়োগকারীর দাখিলকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এই জরিমানার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ইক্যুইটি ও ঋণ অনুপাত ১২৫% এর ওপর থাকা সত্ত্বেও ফোর্স সেল করে গ্রাহকের ঋণ হিসাব সমন্বয় করার মাধ্যমে মার্জিন রুলস ১৯৯৯ এর রুলস ৩ এবং সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বিধিমালা ২০০০ এর বিধি ১১ লঙ্ঘন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া গ্রাহকের হিসাবের প্রি-আইপিও শেয়ার কমিশন ও স্টক এক্সচেঞ্জকে অবহিত না করে বিক্রি করার মাধ্যমে কমিশনের নির্দেশনা নং-এসইসি/ সিএমআরআরসিডি/ ২০০৯-১৯৩/৪৯ /এ্যাডমিন/ ০৩-৪৮ তারিখ ১৪/০৭/২০১০ এর লঙ্ঘন করেছে হ্যাক সিকিউরিটিজ লিমিটেড। এসব আইন ভঙ্গের কারণে কমিশন প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। source : Jonokontho
  • মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন
    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডকে ৫০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টিবল সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।৫৯০তম কমিশন সভা শেষে গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানায়, বন্ডটির মেয়াদ হবে সাত বছর। রূপান্তর-অযোগ্য কুপন বিয়ারিং বন্ডটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হবে না। শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উচ্চ সম্পদধারী ব্যক্তিরাই প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে এ বন্ড ক্রয় করতে পারবেন। বন্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১ কোটি টাকা। ম্যান্ডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার হিসেবে কাজ করবে আরএসএ ক্যাপিটাল এবং ট্রাস্টি হিসেবে থাকছে আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেড।বন্ড ইস্যুর অর্থে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক টিয়ার টু রেগুলেটরি মূলধন বাড়াবে। দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকটির ঋণমান ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-টু’। সর্বশেষ নিরীক্ষিত-অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও হালনাগাদ অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে মে মাসে এ প্রত্যয়ন করে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড।২০১৫ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক। সমাপ্ত হিসাব বছরে ব্যাংকটির মুনাফা আগের বছরের তুলনায় ৪২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৫ হিসাব বছরে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৭০ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ২ টাকা ৬০ পয়সা।চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকটির ইপিএস আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ২ টাকা ১৮ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২০ টাকা ৯৬ পয়সা। ২০০৩ সালে তালিকাভুক্ত এ ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৪৪৩ কোটি ১৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। source : bonik barta
  • ফ্রি এসএমএসে লেনদেনের তথ্য পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের
    সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি প্রতিষ্ঠান সিডিবিএল শেয়ারবাজারে দৈনন্দিন শেয়ার কেনাবেচার তথ্য গ্রাহকদের জানানোর উদ্যোগ বাস্তবে রূপ দিতে যাচ্ছে। শুরুতে বিনামূল্যেই এ সেবা পাবেন বিও অ্যাকাউন্টধারীরা। সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএইচ সামাদ জানান, অনেক আগে থেকেই এককালীন ২০০ টাকা ফি দিয়ে বিনিয়োগকারীরা তাদের শেয়ার লেনদেনের তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে পাচ্ছেন। অর্থাৎ শেয়ার কেনা বা বিক্রির পর বিও হিসাবে শেয়ার সংখ্যার পরিবর্তন হলেই সংশ্লিষ্ট বিও হিসাবধারীর মোবাইলে এসএমএস অ্যালার্ট যায়। তবে এখন থেকে এমন অ্যালার্ট পেতে কোনো অর্থ দিতে হবে না। এ জন্য নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন জমা দিতে হবে। ফর্মটি সিডিবিএলের ওয়েবসাইটে (িি.িপফনষ.পড়স.নফ) পাওয়া যাবে। শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশের পর প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগকারীদের এ সেবা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এমএইচ সামাদ বলেন, সিডিবিএলের ওয়েবসাইটে একটি নির্ধারিত ফরম দেয়া আছে। এটি পূরণ করে স্বাক্ষর ও ছবিসহ নিজ ব্রোকারেজ হাউস/ডিপিতে জমা দিতে হবে। এর ২/৩ দিনের মধ্যেই বিনিয়োগকারীরা ফ্রি এসএমএস অ্যালার্ট সেবা পাবেন। একটি এসএমএসে সর্বোচ্চ পাঁচটি লেনদেনের তথ্য থাকবে। লেনদেন সংখ্যা এর বেশি হলে একাধিক এসএমএস যাবে। সিডিবিএলের ফরমে বলা হয়েছে, নিবন্ধনের পর গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল ও বাংলালিংক মোবাইল অপারেটরের সিম ব্যবহারকারীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসএমএস অ্যালার্ট পাবেন। আর টেলিটক ও সিটিসেলের গ্রাহকদের পুশ-পুল পদ্ধতি ব্যবহার করে লেনদেনের তথ্য নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে তাদের সিডিবিএল লিখে ৪৬৩৬ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। ফিরতি এসএমএসে তথ্য পাওয়া যাবে। source : Inkilab
View All
Latest DSE News
  • LEGACYFOOT

    The Company has informed that they have revised quarterly report of the company from July-September 2016. They have further informed that the comparative figures shown in the previously submitted report of July-September 2016 quarter was wrong due to clerical errors. EPS from July-September 2015 was Tk. 0.01 which was earlier mistakenly stated as Tk. 0.11. Other information of the previous disclosure will remain unchanged.

  • DSSL

    DSE NEWS: The Stock Brokers and Merchant Bankers are requested to abstain from providing loan facilities to purchase any security of Dragon Sweater and Spinning Ltd. in between 1st to 30th trading day after change of categorization, starting from December 05, 2016 as per BSEC Directive No. SEC/CMRRCD/2009-193/177 and BSEC Order No. SEC/CMRRCD/2009-193/178 dated October 27, 2015.

  • DSSL

    The Company will be placed in 'A' category from existing 'N' category with effect from December 05, 2016 as the Company has reported disbursement of 15% stock dividend for the year ended on June 30, 2016.

  • LAFSURCEML

    The Company has informed that it has dispatched Interim Cash Dividend for the year ending on December 31, 2016 to the respective shareholders' Bank Accounts through BEFTN, Bank Transfer, Remittance and Warrants.

  • EXCH

    Today's (04.12.2016) Total Trades: 156,795; Volume: 227,590,520 and Turnover: Tk. 7,334.00 million.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
RAHIMAFOOD 123.30 112.10 11.20 9.99
ENVOYTEX 40.50 36.90 3.60 9.76
ZEALBANGLA 27.30 24.90 2.40 9.64
BDAUTOCA 81.10 74.20 6.90 9.30
SHYAMPSUG 16.00 14.70 1.30 8.84
RAHIMTEXT 263.60 242.60 21.00 8.66
ARGONDENIM 29.10 26.80 2.30 8.58
EXIM1STMF 7.70 7.20 0.50 6.94
ETL 18.30 17.20 1.10 6.40
DAFODILCOM 37.20 35.00 2.20 6.29

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297