Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Parallel Trend Lines 2 Amibroker AFL 11-Feb
Support Resistance Amibroker Afl 03-Feb
T3 buy sell update for Amibroker AFL 24-Jan
NIRMALA PATTERN for Amibroker AFL 21-Jan
KAMA System Complete for Amibroker AFL 19-Jan

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
LIBRAINFU 538.9 392 146.90 37.47
GEMINISEA 564.9 415.3 149.60 36.02
BSRMLTD 146.3 117.8 28.50 24.19
FUWANGCER 16.5 14 2.50 17.86
CMCKAMAL 17.2 14.6 2.60 17.81
PRIMELIFE 53.1 45.1 8.00 17.74
BEACONPHAR 19.4 17 2.40 14.12
STYLECRAFT 1047.8 934 113.80 12.18
NORTHERN 243.7 220 23.70 10.77
KAY&QUE 22 20 2.00 10.00

Contest SB2016_Feb

1st
blank_person
IMDADCU
2nd
blank_person
IMRANKSL
3rd
blank_person
MEHEDIARAFAT82
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BSRMLTD 146.3 116.4 9.40129 4056450.00
LAFSURCEML 74.7 72.4 4.73540 1417250.00
BSRMSTEEL 93.3 86.3 4.24126 1648700.00
OLYMPIC 295.6 286.9 2.93686 257362.00
UPGDCL 161.8 157.3 2.89541 1030510.00
Negative impact
GP 255.6 258 -5.74511 113260.00
ISLAMIBANK 23.1 24.1 -2.85417 1124380.00
TITASGAS 44.2 44.8 -1.05221 403985.00
ICB 103.9 104.8 -1.00966 73597.00
CITYBANK 22.1 22.7 -0.93156 3012620.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BSRMLTD 146.3 150 125 25.69% 565.64
BXPHARMA 94.4 96 93.5 0.96% 278.96
UPGDCL 161.8 162.5 156 2.86% 163.59
BSRMSTEEL 93.3 93.9 88.1 8.11% 151.86
AL-HAJTEX 107.3 108.4 101.4 6.13% 117.84
LAFSURCEML 74.7 75 72.3 3.18% 105.14
HEIDELBCEM 604.1 605 588.6 3.25% 98.55
IFADAUTOS 94.5 95.1 93.8 0.64% 95.14
ALLTEX 28.8 29.3 27.2 3.23% 86.93
QSMDRYCELL 129.3 134 128 0.62% 84.58

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 11 Feb 2016

120947
TOTAL TRADE
118.4997
TOTAL VOLUME(Mn)
5056.61
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • জেমিনি সি ফুডের ইপিএস বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতের কোম্পানি জেমিনি সি ফুডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ৫৪ পয়সা। এর আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৬ টাকা ৮৯ পয়সা। কোম্পানিটির প্রথম প্রান্তিকের (অক্টোবর, ১৫ – ডিসেম্বর, ১৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে।
  • স্মার্ট শেয়ার অ্যান্ড সিকিউরিটিজের বৃহস্পতিবার যাত্রা
    স্টাফ রিপোর্টার : স্মার্ট শেয়ার অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ট্রেকহোল্ডার হিসেবে যাত্রা করল। নগরীর আগ্রাবাদে সিকিউরিটিজ হাউসটির অফিস উদ্বোধন করেন সিএসইর চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. আব্দুল মজিদ বলেন, স্মার্ট শেয়ার অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড বাজারে এসেই নতুন মাইলফলক উন্মোচন করল। সাধারণত, শেয়ার কোম্পানিগুলো বাজারে ট্রেডিং, ওনারশিপ, ম্যানেজার এই ৩টি সেক্টর নিয়ে একসাথে কাজ করে। কিন্তু আমি জেনেছি, এই সিকিউরিটিজ অফিস শুধু ট্রেড নিয়ে কাজ করবে। সেটা খুবই ভালো সংবাদ। আব্দুল মজিদ বলেন, কোনও ধরনের ট্রেনিং ছাড়াই বাংলাদেশের ক্যাপিটাল মার্কেট শুরু হয়েছে। ফলে অধিকাংশই শেয়ারবাজার সম্পর্কে না জেনেই এখানে বিনিয়োগ করেন। তাদের শেয়ারবাজার সম্পর্কে জানতে হবে। শেয়ারবাজারের রিস্ক সম্পর্কে জানতে হবে। এ সময় শেয়ারবাজারের নিয়ম- কানুন জেনে তারপরই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বাজারে আসার পরামর্শও দেন তিনি। স্মার্ট শেয়ার অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী পরিচালক নূর মোহাম্মাদ বাবু বলেন, আমরা এই বাজারে এসেছি মূলত ট্রেড নিয়ে। যারা বিও অ্যাকাউন্ট খুলে আমাদের সিকিউরিটিজ অফিসের সাথে যুক্ত হবেন তাদের প্রত্যেককেই আমরা শেয়ারবাজার, লেনদেনসহ অন্যান্য বিষয়ে পরামর্শ দেব। যাতে বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজির সঠিক ব্যবহার করতে পারেন।
  • ডরিণের আইপিও বন্ধে বিএসইসির নির্দেশ
    স্টাফ রিপোর্টার : আদালতের নির্দেশ প্রদানের পর বৃহস্পতিবার ডরিণ পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের আইপিও আবেদন বন্ধ করতে দেশের উভয় পুঁজিবাজারকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এবং ইস্যু ম্যানেজার বরাবর এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। সূত্র জানিয়েছে, ডরিণ পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের আইপিও আবেদন জমা না নিতে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে চিঠি দিয়েছে বিএসইসি। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কোম্পানির আইপিও আবেদনের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে অ্যালায়েন্স ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। আদালত সূত্র জানায়, আইনজীবী মো. তৌফিকুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের এনএক্স ভবনের ১৪ নং কোর্টে মামলার শুনানি হয়। কোম্পানির বিরুদ্ধে শুননিতে আদালত আগামী ৬ মাসের জন্য আইপিও স্থগিত করার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি জোবায়ের রহমান চৌধুরী এবং মো. খশরুজ জামানের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পেছনের খবর : ডরিণ পাওয়ারের ‘আমলনামা’ আরো খবর : ডরিণ পাওয়ারের আইপিও স্থগিত নির্দেশ আরো খবর : ‘আইপিও আবেদনের টাকা তুলে নিতে পারেন’
  • গ্রীন ডেল্টার লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কোম্পানি সূত্রে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা যায়। সূত্র জানায়, কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২.৮৫ টাকা এবং এনএভি হয়েছে ৭০.৫৪ টাকা। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৩১ মার্চ এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৬ মার্চ।
  • ডিএসইর এজিএম ২৪ মার্চ
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ৫৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার ডিএসই’র ৮২০তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই জানায়, আগামী ২৪ মার্চ, বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর খিলখেতে লা মেরিডিয়ান হোটেলে ডিএসই’র ৫৪তম এজিএম এবং আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • ডিএসইএক্স ইনডেক্সের সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি
    মেহেদী আরাফাত : মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসইএক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে বেশ কিছুটা উদ্ধমুখি প্রবনতা দেখা যায় এবং দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবনতাই লক্ষ্য করা যায় এবং দিনশেষে ৭.৯২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। ডি.এস.ই এক্স ইনডেক্সে আজ DOJI কাছাকাছি ক্যান্ডেলস্টিক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাজারের লেনদেনের পরিমান অনেক বেড়েছে, যা বাজারের জন্য দরকার ছিল। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৫০৮ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৪৭২৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৩৪.১৯ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৩৯.২৩। এম.এফ.আই কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর কিছুটা উদ্ধমুখি অবস্থান করছে। ডিএসইতে ১১ কোটি ৮৪ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬৫ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৫০৫ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১৪৩ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩২০ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৪ টির, কমেছে ১৭৭ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৯ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা বেশী ছিল ৩০০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৩৯.২৯% বেড়েছে। অন্যদিকে কমেছে ০-২০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ২.৩৭% কম। অন্যদিকে ২০-৫০ এবং ৫০-১০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় ২৮.৭৮% এবং ২৫.৩৯% বেড়েছে। পিই রেশিও ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৪২.৬৮% বেড়েছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ২০-৪০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৪৮.৩৬% বেড়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে এগিয়ে ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৩৫.৪২% বেশী ছিল। কমেছে ‘বি’  ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৪.১% কম ছিল।
  • সিএসই এমডির পদত্যাগপত্র গ্রহণ, সিআরওকে বরখাস্তের নির্দেশ
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সম্প্রতি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওয়ালি-উল মারুফ মতিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে। একইসঙ্গে চিফ রেগুলেটরি অফিসার (সিআরও) আহমেদ দাউদকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সিএসই’র চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মাজিদ বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এমডি’র পদত্যাগের বিষয়টি গৃহিত হয়েছে বলে কমিশন চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছে। এ ছাড়া সিআরও’কে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছে। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিএসইসির কমিশন সভায় পূর্ব নির্ধারিত আলোচ্যসূচি অনুযায়ী সিএসই এমডি’র পদত্যাগের বিষয়টি উঠে আসে। সে দিন কমিশন চেয়ারম্যান ড. এম. খায়রুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে সিএসইর এমডি ওয়ালি-উল মারুফ মতিনের পদত্যাগপত্র অনুমোদন হয়। এ ছাড়া দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা ও এখতিয়ারের বাইরে কাজ করার দায়ে স্টক এক্সচেঞ্জটির সিআরও আহমেদ দাউদকে বরখাস্তেরও নির্দেশ দেয় কমিশন। এদিকে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সেজন্য সিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সতর্ক করেছেন কমিশন। বুধবার সিএসইর পরিচালনা পর্ষদকে এসব বিষয়ে চিঠি দেয় বিএসইসি। উল্লেখ্য, গত ৩০ নভেম্বর পদত্যাগপত্র জমা দেন সিএসইর এমডি ওয়ালি-উল মারুফ মতিন। সিএসইর পরিচালনা পর্ষদের অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে স্বাধীনভাবে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারছেন না- এমন কারণ উল্লেখ করে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরবর্তীতে তিনি নতুন করে আরও একটি পদত্যাগপত্র জমা দেন। এতে ‘ব্যক্তিগত’ কারণে পদত্যাগ করেছেন বলে উল্লেখ করেন। তার এ পদত্যাগপত্র সিএসইর বিশেষ জরুরি বৈঠকে গৃহীতও হয়। কিন্তু দুই ধরনের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে কমিশন। অবশেষে তদন্তের আলোকে এমডির পদত্যাগপত্র গ্রহণের পাশাপাশি সিএসইর সিআরওকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। সিএসই এমডির পদত্যাগ
  • রাষ্ট্রায়ত্ত ১২ প্রতিষ্ঠানের ১৫৪ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি
    চট্টগ্রাম ব্যুরো : ২০১১ সালে কাস্টমস প্রসিডিউর কোড (সিপিসি) সুবিধার আওতায় ৯০ কোটি টাকা মূল্যের দুই টন টান্সফর্মার আমদানি করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (পিডিবি)। কিন্তু আমদানিকৃত পণ্য খালাসের সময় ভিন্ন সিপিসি প্রদর্শন করে প্রতিষ্ঠানটি। এতে প্রায় ৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয় পিডিবি। রাজস্ব ফাঁকি দেয়া রাষ্ট্রায়ত্ত এসব প্রতিষ্ঠান হচ্ছে— বিডিবি, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রজেক্ট, বিপিডিবি রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন, ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোর ডিপার্টমেন্ট, আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন, ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ও ঢাকা ওয়াসা। একইভাবে গত পাঁচ বছরে মোট নয়টি চালানে ১৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একাধিকবার দাবিনামা জারি করেও ফাঁকি দেয়া এসব রাজস্ব আদায় করতে পারেনি চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, শুধু পিডিবি নয়, সিপিসি সুবিধার অপব্যবহারের মাধ্যমে গত পাঁচ বছরে প্রায় ১৫৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ১২টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ফাঁকি দেয়া ৩৮ কোটি ৩২ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় করতে পারলেও বাকি সাতটি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১১৫ কোটি ২১ লাখ টাকার রাজস্ব অনাদায়ী রয়ে গেছে। রাজস্ব আদায়ে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একাধিকবার দাবিনামা জারি করেও সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানান চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার রেজাউল হক বলেন, সিপিসি সুবিধার অপব্যবহার করে রাজস্ব ফাঁকি দেয়া প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান। ফাঁকি দেয়া রাজস্ব আদায়ে কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে বেশ কয়েকবার দাবিনামা জারি করা হয়েছে। তিনবার চিঠি দেয়ার পরও সাড়া না দিলে আইন অনুযায়ী বিআইএন (বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার) স্থগিত করার পাশাপাশি অন্যান্য শাস্তির বিধান রয়েছে। সব প্রতিষ্ঠানের কাছে চিঠি দিয়ে বিষয়টি অবহিত করেছি।’ আমদানি নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের নভেম্বরে সিপিসি সুবিধার অপব্যবহার করে ‘পটেনশিয়াল টান্সফর্মার’ (বি/ই নং-১০২৭১) আমদানির মাধ্যমে ৪ কোটি ১৪ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয় পিডিবি। একই বছরের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠানটি ভুল এইচএস কোড ব্যবহার করে ‘সিঙ্গেল ফেইজ কারেন্ট টান্সমিটার’ আমদানির মাধ্যমে (বি/ই-১৪৭০৮) ৪ কোটি ৫ হাজার টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয়। গত পাঁচ বছরে রাষ্ট্রায়ত্ত এ প্রতিষ্ঠান সিপিসি ও ভুল এইচএস কোড ব্যবহার করে মোট নয়টি চালানে ১৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। নয়টি চালানের আগামপত্র বা বিল অব এন্ট্রি হচ্ছে— ১০২৭১, ১৪৭০৮, ৮৮১৮৫, ৭৮৩৩৭, ৭৭৯৭৩, ৮০৯৩৭, ৭৯১৬৪, ৭৭৮৪২ ও ৫৯২৭২। প্রতিষ্ঠানটির চালান খালাসের দায়িত্বে ছিলেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ‘মেসার্স ন্যাশনাল এজেন্সি’। ফাঁকি দেয়া রাজস্ব পরিশোধে প্রতিষ্ঠানটির কাছে গত ১০ নভেম্বরসহ মোট দুবার দাবিনামা জারি করে চিঠি দেয় চট্টগ্রাম কাস্টমস। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানান শুল্ক কর্মকর্তারা। একইভাবে সিপিসি সুবিধার অপব্যবহার করে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ ১০টি চালানে মোট ২১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয়। ১০টি চালানের আগামপত্র নম্বর হলো— ১২৫১৫৬, ৫৮২৯, ১৫০৪২১, ১৫৪৯৪৩, ৮২৭৭০, ১২৯৫৭৪, ১৫৮৫০১, ৯১০৯৮, ৬০৩৩ ও ১২২৯৭৬৯। এসব চালানে প্রতিষ্ঠানটি ‘স্টিল টাওয়ার’ ও ‘স্টিল স্ট্রাকচার’ আমদানি করে। আমদানিকৃত এসব পণ্য নিয়ম অনুযায়ী ‘সিপিসি-১৭৩’ থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি ‘সিপিসি-৬০২’ ঘোষণা করে ২১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয়। এসব চালান খালাসের দায়িত্বে ছিল সিঅ্যান্ডএফ ‘মেসার্স ম্যাক ইন্টারন্যাশনাল’। ফাঁকি দেয়া রাজস্ব আদায়ে চট্টগ্রাম কাস্টমস মোট চারবার প্রতিষ্ঠানটি বরাবর দাবিনামা জারি করেও কোনো সাড়া পায়নি। সর্বশেষ গত ৩১ ডিসেম্বর চিঠি দেয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। এ বিষয়ে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘২০১১ ও ২০১২ সালে একটি প্রকল্পের আওতায় ‘স্টিল টাওয়ার’ ও ‘স্টিল স্টাকচার’-এর ১০টি চালান আমদানি করা হয়। আমদানি নথিতে ভুল এইচএস কোড দেয়ায় মোট ২১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার বাড়তি শুল্ক দাবি করে কাস্টমস। প্রকল্পের মেয়াদ ও অর্থ শেষ হয়ে যাওয়ায় এ প্রকল্পের জন্য নতুন করে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে না। তাছাড়া বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বরত কর্মকর্তাও এ বিষয়ে নজর দিচ্ছেন না।’ সদিচ্ছা থাকলে কাস্টমসের দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করা সম্ভব বলে জানান তিনি। আমদানি নথির তথ্যমতে, সিলেটের শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রজেক্ট ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে চীন থেকে ৭৫ কোটি টাকা মূল্যের আড়াই টন কৃষিপণ্যের একটি চালান (বি/ই-১৩৫৩৫) আমদানি করে। এতে প্রতিষ্ঠানটি পণ্যের এইচএস কোড পরিবর্তন করে ২০ কোটি ৪২ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয়। তিন বছরে রাষ্ট্রায়ত্ত এ প্রতিষ্ঠান মোট চারটি চালানের (বি/ই-৭৫৫৫৫, ৫৩৬৭৯২, ১৩৫৩৫ ও ১৫০৮৮) মাধ্যমে ৪০ কোটি ৮১ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। এসব চালান আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে খালাসের দায়িত্বে ছিল সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান ‘সি কোস্ট শিপিং অ্যান্ড ট্রেডিং’। গত ১০ নভেম্বর ফাঁকি দেয়া রাজস্ব আদায়ে দাবিনামা জারি করে চিঠি দিয়েছে কাস্টমস। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ভিয়েতনাম থেকে ১৪ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যের মশারি আমদানি করে চট্টগ্রামের ডিরেক্টর জেনারেল সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোর ডিপার্টমেন্ট। আমদানিকৃত পণ্যের এইচএস কোড পরিবর্তন করে ৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয় প্রতিষ্ঠানটি। গত ১০ নভেম্বর দাবিনামা জারি করে চট্টগ্রাম কাস্টমসের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে চিঠি দেয়া হয়েছে। একইভাবে সিপিসি সুবিধার অপব্যবহার করে বিপিডিবি রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড একটি চালানে (বি/ই-২৭৬৬৪) ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে। এছাড়া একইভাবে নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (বি/ই-১০৭৯৯) ১ কোটি ৪৫ লাখ, বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বি/ই-১২৪৮৭৩৫) ৩ কোটি ৮ লাখ, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বি/ই-৯২৩৩৮১ ও ১৩১৫৯২৮) ২০১৫ সালে পাওয়ার টান্সফর্মার ও কেবল আমদানির মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ২৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা ফাঁকি দিয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের ক্রয় শাখার প্রধান মো. হারিস মিয়া বলেন, আমরা গত বছর কারখানার জন্য মেশিন ও মেশিনের কিছু যন্ত্রাংশ আমদানি করে নির্ধারিত ১ শতাংশ হারে শুল্ক প্রদান করেছি। কিন্তু কাস্টমস কর্মকর্তারা যন্ত্রাংশকে মেশিনের এইচএস কোডভুক্ত না ধরে ভিন্ন এইচএস কোডে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। সে হিসাবে আমাদের কাছে আরো ৩ কোটি ৮ লাখ টাকার বাড়তি শুল্ক দাবি করছেন তারা। এ বিষয়ে আমরা রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করেছি। শিগগিরই বিষয়টির সুরাহা হবে। কাস্টমসের তথ্যমতে, গত বছর সিপিসি সুবিধার অপব্যবহার এবং এইচএস কোড পরিবর্তন করে ফাঁকি দেয়া ১৫৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকার মধ্যে ৩৮ কোটি ৩২ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় করতে পেরেছেন সংশ্লিষ্ট শাখার রাজস্ব কর্মকর্তারা। তার মধ্যে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনের ৮ কোটি ৫৪ লাখ, ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের ২ কোটি ৮০ লাখ, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ২৪ কোটি ৭০ লাখ, ঢাকা ওয়াসার ২ কোটি ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের ২৮ লাখ টাকা আদায় হয়েছে।
  • ভারত থেকে আসছে ১২০টি রেলকোচ
    দ্য ইকোনমিক টাইমস : ভারতের রেলওয়ে থেকে ১২০টি লিংকে হফম্যান বুশ (এলএইচবি) কোচ আনছে বাংলাদেশ। এতে ব্যয় হচ্ছে ৩৬৭ কোটি রুপি, যা বর্তমান মূল্যমানে দাঁড়ায় ৪২৬ কোটি টাকায়। আগামী মার্চে ভারত থেকে প্রথম চালানে পাঠানো হবে ৪০টি কোচ। এটিই ভারতের রেলওয়ের এলএইচবি কোচের সবচেয়ে বড় রফতানি। দেশটির রেল মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ভারতের রেলওয়ে থেকে আমদানি করা এসব এলএইচবি কোচে থাকবে ১৭টি প্রথম শ্রেণীর এসি, ১৭টি এসি, মালগাড়িসহ ৩৪টি নন-এসি চেয়ার ও প্রার্থনা কক্ষসহ ৩৩টি নন-এসি চেয়ারকোচ। ভারতের রেল মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান,  আগামী মাসের শেষ নাগাদ প্রথম চালানটি প্রেরণ করা হবে। এতে থাকবে ৪০টি এলএইচবি কোচ। বাকি কোচগুলো আগামী বছরের মার্চের মধ্যে পাঠানো হবে। জানা গেছে, বাংলাদেশের জন্য স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি এলএইচবি কোচগুলো বর্তমানে ভারতের কাপুরথালার রেলকোচ কারখানায় নির্মাণাধীন। এ কোচগুলো ব্রডগেজ লাইনের জন্য নির্মিত হচ্ছে। কাপুরথালার এ রেলকোচ নির্মাণ কারখানাটি বর্তমানে রফতানি বাজারে বেশ দৃঢ় অবস্থান তৈরি করতে সমর্থ হয়েছে। এর আগেও এ কারখানার নির্মিত কোচ দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় ও আফ্রিকান বিভিন্ন দেশে রফতানি হয়েছে। সেসব দেশে রফতানিকৃত কোচগুলো ছিল মিটারগেজ লাইনের জন্য নির্মিত। রেলকোচের মিটারগেজ বাজারে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম অনেক আগে থেকেই। দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে কারখানাটির নির্মিত মিটারগেজ কোচগুলো বিশ্বে বেশ সমাদৃত। ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী কোচগুলোয় কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিকতম প্রযুক্তি। পাশাপাশি কোচের ভেতর ও বাইরের নান্দনিক উত্কর্ষের জন্যও কাজ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের দেয়া চাহিদা অনুযায়ী কোচগুলোয় রঙ করা হবে বলেও জানান তিনি। জানা গেছে, ভারতের রেল মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রাইটস (আরআইটিইএস) লিমিটেডের মাধ্যমে বাংলাদেশে রেলকোচ রফতানির এ চুক্তি হয়। বাংলাদেশের পক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ রেলওয়ে। গত বছরের ২১ জানুয়ারি হওয়া ওই চুক্তির ধারাবাহিকতায় একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ভারতের কাপুরথালার রেলকোচ নির্মাণ কারখানার সঙ্গে চুক্তি করে রাইটস। চুক্তি মোতাবেকই কাপুরথালায় নির্মিত হচ্ছে এ এলএইচবি কোচগুলো। পরে গত মাসে বাংলাদেশ ও ভারতের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কাপুরথালার কারখানাটি পরিদর্শন করেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রেল মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. ফিরোজ সালাউদ্দিন। তারা প্রথম চালানের কোচগুলোর গুণগত মান যাচাই করেন। বাংলাদেশ-ভারত রেলসংযোগ প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ ঘোষণার পর পরই ভারতের পক্ষ থেকে রেলকোচের প্রথম চালান ছাড়করণ-সম্পর্কিত এ তথ্য এল। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার উভয় দেশের মধ্যে নতুন রেলসংযোগ প্রকল্পের জন্য দেশটি  তহবিল বরাদ্দ দেয়।
  • ২৫টাকার শেয়ার ১৯টাকায় বিক্রি
    স্টাফ রিপোর্টার : রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড তার প্রতিটি শেয়ারের দর ধরে রাখতে পারেনি। কোম্পানিটি ১৫ টাকা প্রিমিয়াম এবং ১০ টাকা শেয়ারের অভিহিত মূল্য মিলে ২৫ টাকায় আইপিওতে আসে।  প্রথম লেনদেনে .৫০ টাকা বাড়লেও এরপরে অভিহিত মূল্যের নিচে অবস্থান করছে কোম্পানিটির শেয়ার দর। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে দেখা যায়, রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের শেয়ার ১১টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত ১৮ টাকা ৯০ পয়সায় সর্বশেষ লেনদেন হয়। এ সময় পর্যন্ত কোম্পানিটির ৯ হাজার ৫১১টি শেয়ার ৮৭ বারে লেনদেন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে,  ২৫টাকা মূল্য নিয়ে আইপিওতে আসা কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রথম দিনে .৫০পয়সা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এরপর আর বৃদ্ধি পায়নি, পালে হাওয়া লেগে নামতে থাকে। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৭টাকা ৯০ পয়সা কমে বৃহস্পতিবার দুপুরে ১৮টাকা ৯০পয়সায় লেনদেন হচ্ছে। যা বিস্ময়! এদিকে গতকাল বুধবার কোম্পানিটির ক্লোজিং প্রাইজ ছিল ১৯ টাকা ১পয়সা। পেছনের খবর : রিজেন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস কমেছে, সোমবার লেনদেন
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ডিএসইর মোবাইল অ্যাপস উদ্বোধন ২৫ ফেব্রুয়ারি
    দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোবাইল অ্যাপস আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করা হ?বে। মঙ্গলবার ডিএসইর বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানায়, অ্যাপসটি উদ্বোধন হলে এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজার সংক্রান্ত তথ্য সহজেই পাবেন। পুঁজিবাজারে লেনদেন আরও সহজ ও ত্বরান্বিত হবে। এছাড়াও তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক তথ্যবিবরণী সহজে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক অ্যাপসটির উদ্বোধন করবেন।এদিকে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) নবনির্বাচিত কমিটি সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ডিএসইর সঙ্গে পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিএমবিএ কাজ করতে চায় বলে জানান বিএমবিএর নেতারা।বাংলালিংক-ব্যাংকক এয়ারওয়েজ চুক্তি সইবাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক এবং এয়ার গ্যালাক্সি লিমিটেড, জিএসএ-ব্যাংকক এয়ারওয়েজ পিসিএল গতকাল একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলালিংক প্রিয়জন গ্রাহকরা ২৪ মার্চ, ২০১৬ পর্যন্ত ব্যাংকক এয়ারওয়েজ-এর বেজ ফেয়ারের ওপর ১০ শতাংশ ডিসকাউন্ট পাবেন। চুক্তিটি ঢাকায় বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় টাইগার্স ডেনে স্বাক্ষরিত হয়। ডিসকাউন্টটি পেতে বাংলালিংক প্রিয়জন গ্রাহকদের ্তু<নধহমশড়শধরৎধিুং><ংঢ়ধপব><নধংব ভধৎব ধসড়ঁহঃ>্থ লিখে ২০১২ শর্টকোড নম্বরে পাঠাতে হবে। ডিসকাউন্টটি ব্যাংকক এয়ারওয়েজ পরিচালিত ফ্লাইটগুলোর বিজনেস এবং ইকোনোমি ক্লাসের জন্য প্রযোজ্য হবে। বাংলালিংকের হেড অফ সিবিএম-বিটুসি, মার্কেটিং মো. মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বিশ্বাস করেন এই নতুন অফারটির মাধ্যমে বাংলালিংক প্রিয়জন গ্রাহকরা তাদের সামপ্রতিক ভ্রমণগুলোয় উপকৃত হবেন। ব্যাংকক এয়ারওয়েজের জিএসএ এয়ার গ্যালাক্সি লিমিটেডের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার রেজাউল আমিন বলেন যে, তারা সব সময় সেরাদের সেরার সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে আগ্রহী, এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় পক্ষই লাভবান হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। Source : সংবাদ  
  • সিএসইর পর্ষদকে সতর্কীকরণ সিআরওকে বরখাস্তের নির্দেশ
    চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওয়ালি-উল মারূফ মতিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তার পদত্যাগ ইস্যুতে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্টক এক্সচেঞ্জটির পরিচালনা পর্ষদকে সতর্ক করার পাশাপাশি আত্মপক্ষ সমর্থনপূর্বক চিফ রেগুলেটরি অফিসারকে (সিআরও) বরখাস্তেরও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও স্টক এক্সচেঞ্জ কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার কমিশন চেয়ারম্যান ড. এম. খায়রুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে সিএসইর এমডি ওয়ালি-উল মারূফ মতিনের পদত্যাগপত্র অনুমোদন হয়। এছাড়া দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা ও এখতিয়ারের বাইরে কাজ করার দায়ে স্টক এক্সচেঞ্জটির সিআরও আহমেদ দাউদকে বরখাস্তেরও নির্দেশ দেয় কমিশন। এর বাইরে উদ্ভূত পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে নিজ দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সতর্ক করা হয় সিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের। গতকাল সিএসইর পরিচালনা পর্ষদকে এসব বিষয়ে চিঠি দেয় বিএসইসি।প্রসঙ্গত, গত ২৯ নভেম্বর মেয়াদ পূর্তির দুই বছর আগেই পদত্যাগপত্র জমা দেন সিএসইর এমডি ওয়ালি-উল মারূফ মতিন। কারণ হিসেবে প্রথমে তিনি প্রতিষ্ঠানে কিছু অযাচিত হস্তক্ষেপকারী ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেও পরবর্তীতে আরেকটি চিঠিতে তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে অব্যাহতি চান। গত ৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় চিঠিটি গ্রহণ করে সিএসইর পর্ষদ।এ বিষয়ে ৯ ডিসেম্বর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিএসইসি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে গতকাল কমিশন সূত্র জানায়, পুরো বিষয়টিতেই কিছু অস্বাভাবিকতা ছিল। এদিকে ওয়ালি-উল মারূফ মতিনও তার দায়িত্ব পালনে সফল ছিলেন না। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও পদত্যাগপত্রের ভিত্তিতে মারূফ মতিনের অব্যাহতির আবেদন গ্রহণ করে কমিশন।সূত্র জানায়, কমিশনের কাছে স্পষ্ট হয়, সিআরও আহমেদ দাউদ তার দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে তিনি বিভিন্ন কাজে সম্পৃক্ত হন, যা স্টক এক্সচেঞ্জ বিন্যস্তকরণ বিধির পরিপন্থী। এ কারণে তাকে বরখাস্তের নির্দেশ দেয়া হয়। অবশ্য বিধি মোতাবেক তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে সিএসই পর্ষদকে।চিঠিতে বিএসইসি বলে, সিএসইর পর্ষদ প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার দৈনন্দিন কাজ প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে, যা ডিমিউচুয়ালাইজেশনের ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এছাড়া ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে সঠিক নির্দেশনা প্রদান ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণেও ব্যর্থ হয়েছে পর্ষদ, যা স্টক এক্সচেঞ্জটিতে বিশৃঙ্খলার জন্ম দেয়। এ ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধে পর্ষদকে সতর্ক করেছে কমিশন।উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ধসের পর শেয়ারবাজার সংস্কারের অংশ হিসেবে স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা থেকে এর ব্যবস্থাপনাকে আলাদা করার (ডিমিউচুয়ালাইজেশন) উদ্যোগ নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জের সার্ভিল্যান্স, মনিটরিং, লিস্টিংসহ স্পর্শকাতর কিছু বিভাগ নিয়ে রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ডিভিশন (আরএডি) গঠন করা হয়, সিআরও যার প্রধান।২০১৩ সালের ২৯ এপ্রিল ডিমিউচুয়ালাইজেশন অ্যাক্ট-২০১৩ প্রণয়ন করে সরকার। এর অংশ হিসেবে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের ১৩ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের সিংহভাগ সদস্য এর মালিকদের বাইরে থেকে নিয়োগ দেয়ার বাধ্যবাধকতা আসে। এর মধ্যে স্বাধীন পরিচালক পদ সাতটি, চারটি পদ শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের, একটি এমডির এবং আরেকটি কৌশলগত বিনিয়োগকারীর প্রতিনিধির জন্য নির্ধারণ করা হয়। চলতি বছরের মধ্যেই তাদের কৌশলগত বিনিয়োগকারী নেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।   Source : মানব কণ্ঠ
  • জাপানের পুঁজিবাজারে বড় দরপতন
    বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের শেয়ারবাজারে বর্তমানে নিম্নমুখী প্রবণতা চলছে। এরমধ্যে চীনে দফায় দফায় ধস অব্যাহত রয়েছে। এখন শুরু হয়েছে জাপানে। গত কয়েকদিন ধরেই জাপানের শেয়ারবাজারে দরপতন শুরু হয়। তবে এখন তা তীব্র আকার ধারণ করেছে। গত দুইদিনে জাপানের শেয়ারবাজারের মূল্য সূচক কমেছে ৭ শতাংশেরও বেশি। টোকিওর নিক্কিই ২২৫ সূচক কমেছে প্রায় আড়াই শতাংশ। যা গতকাল কমেছে প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ। গত ৪ মাসে এ সূচক কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। অর্থাত্ এ কয়েক মাস ধরেই বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়। যা বর্তমানে ধসে রূপ নিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী পুঁজিবাজারে ধসের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কা রয়েছে। এজন্যই বাজারে নিম্নমুখী পতন শুরু হয়েছে। তার উপর ইয়েন শক্তিশালী হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের অনাস্থা আরও বেড়েছে। কারণ এতে করে দেশটির রপ্তানি আয় কমে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। দেশটির আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান এবং জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর সাম্প্রতিক পারফর্ম্যান্স কিছুটা নিম্নমুখী। এজন্য এ খাতগুলোর শেয়ারে বেশি দরপতন হচ্ছে। খবর বিবিসি। Source : ইত্তেফাক  
  • পুঁজিবাজারের গতিশীলতায় করণীয় সব কাজ করবে আইসিবি
    রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবির (ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) নব নিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার উজ জামান বলেছেন, পুঁজিবাজারের বর্তমান যে অবস্থান সেটিকে গতিশীল করার জন্য আইসিবির অনেক কিছু করণীয় রয়েছে। পুঁজিবাজারের গতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য যা যা করা প্রয়োজন আইসিবি তা করবে।গতকাল বুধবার ডিএসইর পক্ষ থেকে নব নিযুক্ত এমডিকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ডিএসইর চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া  ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা, ডিএসইর পরিচালক মো. রুহুল আমিন, অধ্যাপক ড. এম কায়কোবাদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মজিবুর রহমান, মো. শাকিল রিজভী, মোহাম্মদ শাহজাহান, খাজা গোলাম রসূল এবং শরীফ আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।   Source : ইত্তেফাক
  • না বুঝে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ নয়
    পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হলে ঝুঝে-শুনে করতে হবে। যারা পুঁজিবাজার সম্পর্কে বোঝে না তাদের এখানে বিনিয়োগ না করা ভালো।গতকাল বুধবার শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএর) নতুন নেতৃবৃন্দ মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন।  বৈঠকে পরিকল্পনা সচিবসহ বিএমবিএ নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মো. ছায়েদুর রহমান ও অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে লম্বা সময় টিকে থাকতে হয়, এটা কাঁচাবাজারের মতো ক্ষণস্থায়ী বাজার নয়। তাই না বুঝে জমিজমা বিক্রি করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা উচিত নয়। তবে আমাদের অর্থনীতি যে জায়গায় দাঁড়িয়েছে সেখান থেকে পুঁজিবাজারের দিকে তাকালে পুঁজিবাজারের অবস্থা ভলো বোঝা যায়। আমাদের দেশের অর্থনীতি অনেক ভালো, তাই এ বাজার আর নিচে নামবে না। তিনি আরও বলেন, পুঁজিবাজার সম্পর্কিত যে সব সমস্যা রয়েছে সেগুলোর সমাধান করতে হবে। বিএসইসি, ডিএসই, সিএসই, বিএমবিএসহ পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেসব প্রতিষ্ঠান ও ট্রেকহোল্ডার রয়েছে তাদের উচিত- এ ব্যাপারে সরকারকে একটি যথোপযুক্ত সুপারিশ দেয়া। এরপর সরকার সে অনুযায়ী পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটাবে। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে সবাই লাভের উদ্দেশ্যে আসে; কেউ অর্থ খোয়াতে আসে না। তাই এ বাজার নিয়ে সবার কথা বলা উচিত না। কোনো ধরনের নেতিবাচক কথা ছড়ালে বাজারে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই এ ব্যাপারে সবাইকে সংযত হওয়া উচিত। Source : ইত্তেফাক  
  • টপটেন গেইনারে বিমা খাতের আধিপত্য
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল বুধবার টপটেন গেইনারে আধিপত্য বিস্তার করেছে বিমা খাত। এ দিন গেইনারে ১০ কোম্পানির মধ্যে ৫টিই বিমা খাতের। গতকাল এ খাতের নেতৃত্বে ছিল প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গেইনার তালিকায় থাকা প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের দর বেড়েছে ৪ টাকা ৭ পয়সা বা ১০ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন করে ৫১ টাকা ৭০ পয়সা দরে। এদিন ৮১৯ বারে কোম্পানিটির লেনদেন হয়েছে ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৫৬৮টি শেয়ার। গেইনারের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এদিন কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা বা ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গতকাল কোম্পানিটির সর্বশেষ লেনদেন ১৬ টাকা ৯০ পয়সা দরে। এদিন ২৬ বারে কোম্পানিটির ১০ হাজার ৯২৪টি শেয়ার লেনদেন হয়। গেইনারের তৃতীয় স্থানে রয়েছে এ খাতের প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এদিন শেয়ারটির দর বেড়েছে ১ টাকা ১ পয়সা বা ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। কোম্পানিটি সর্বশেষ লেনদেন করে ১৩ টাকা ৪০ পয়সা দরে। এদিন ৮৫ বারে কোম্পানির ৯১ হাজার ৮৯৪টি শেয়ার লেনদেন করে। গেইনারের চতুর্থ স্থানে রয়েছে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এদিন শেয়ারটির দর বেড়েছে ২ টাকা বা ৬ দশমিক ৪১ শতাংশ। কোম্পানিটি সর্বশেষ লেনদেন করে ৩৩ টাকা ২০ পয়সা দরে। এদিন ৩২৩ বারে কোম্পানির ২ লাখ ৯ হাজার ২৫০টি শেয়ার লেনদেন করে। এ ছাড়া গেইনারে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে জেমিনি সি ফুড, লিবরা ইনফিউশনস লিমিটেড, সিএমসি কামাল, দেশ গার্মেন্টস, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং কাশেম ড্রাইসেলস।নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে পাওয়ার গ্রিড : পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড সমাপ্ত হিসাব বছরের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্কের (বিএফটিএন) মাধ্যমে এ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে কোম্পানিটি। প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ।কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯০ পয়সা। শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৬৮ টাকা ১২ পয়সা।   Source : ভোরের কাগজ
  • লভ্যাংশ পাঠাল পাওয়ার গ্রীড
    পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড সমাপ্ত হিসাব বছরের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্কের (বিএফটিএন) মাধ্যমে এই লভ্যাংশ পাঠিয়েছে কোম্পানিটি।প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুন ২০১৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতের পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯০ পয়সা। শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৬৮ টাকা ১২ পয়সা। -অর্থনৈতিক রিপোটার   Source : জনকণ্ঠ
  • পুঁজিবাজার ফটকা বাজার নয় ॥ পরিকল্পনামন্ত্রী
    পুঁজিবাজারে যারা বিনিয়োগ করতে আসবেন তাদের জ্ঞানার্জনের পরামর্শ দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন পুঁজিবাজার এখন আর ফটকা বাজার নয়, এ বাজার বৈজ্ঞানিক ও অর্থনীতির ওপর নির্ভর করে। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হলে বুঝে শুনে করতে হবে। যারা পুঁজিবাজার সম্পর্কে বোঝে না তাদের এখানে বিনিয়োগ না করা ভাল।বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে তার অফিসের সম্মেলন কক্ষে মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। এ সময় বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংক এ্যাসোসিশেয়নের সভাপতি সাইয়েদুর রহমান, লংকা বাংলা ফাইন্যান্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার কায়েস হাসান, প্রাইম ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশারফ হোসেনসহ অন্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।বৈঠক শেষে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে লম্বা সময় ধরে বিনিয়োগকারীদের টিকে থাকতে হয় এটা কাঁচা বাজারের মতো ক্ষণস্থায়ী বাজার নয়। না বুঝে, না শুনে জমিজমা বিক্রি করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা উচিত নয়। পুঁজিবাজার সম্পর্কে বুঝেই এই বাজারে আসতে হবে। তবে আমাদের অর্থনীতি যে জায়গায় দাঁড়িয়েছে সেখান থেকে পুঁজিবাজারের দিকে তাকালে পুঁজিবাজারের অবস্থা ভাল বোঝা যায়। আমাদের দেশের অর্থনীতি অনেক ভাল এই বাজার আর নিচে নামবে না। বাজার নিজেই তার পথ খুঁজে নেবে। মন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে দান খয়রা করতে আসেন না বিনিয়োগকারীরা। এখানে মুনাফা অর্জনের জন্যই আসেন। কে কত টাকা বাজার থেকে মুনাফা করেছে- সে বিষয়টি খুব বেশি আলোচনা হওয়া উচিত নয়। আপডেট তথ্য ও কৌশল জানার ওপরে নির্ভর করে এ বাজার থেকে বিনিয়োগকারীরা মুনাফা অর্জন। তাই ব্যবসার পরিবেশ বজায় রাখতে এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের জ্ঞানার্জন করা প্রয়োজন।পুঁজিবাজার রিলেটেড যত সংস্থা রয়েছে, যেমন বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয় ও সিকিউরিটি এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ইত্যাদি যে যার অবস্থান থেকে কাজ করলে কোন সমস্যা হবে না। তার পরও কোন সমস্যা দেখা দিলে সবাইকে এক সঙ্গে বসতে হবে। যেগুলো সমস্যা আছে সেগুলোর সমাধান করতে হবে। পুঁজিবাজার উন্নয়নে দরকার দীর্ঘমেয়াদী একটি পরিকল্পনা। কিভাবে বাজারকে আমরা দেখতে চাই। সেই পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।মন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে পলিসি দিয়ে মার্কেটকে সাপোর্ট দেয়া যায়, কিন্তু মার্কেট টেকসই হয় না। এর আগে বৈঠকের সময় তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতির স্বাস্থ্য ভাল হলেও সে তুলনায় পুঁজিবাজারের সহায়ক কিছু হচ্ছে না। এর কারণ হচ্ছে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাসের অভাব। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত দায়িত্বশীলদের বলেন, পুঁজিবাজারে সাফার সার্ভিস চালু করা দরকার। যাতে করে ক্ষতিগ্রস্তরা কিছুটা সুফল পায়। বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকারের বিরুদ্ধে কথা আসবেই। বাজার অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। এ বাজারে দীর্ঘমেয়াদী একটা পরিকল্পনা দরকার, কিভাবে পুঁজিবাজারকে দেখতে চাই। অনেকে চাইবে ১০ টাকা থেকে ১০০ টাকা করতে। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী প্ল্যান দরকার ।তিনি বলেন, কোন দেশের অর্থনীতি পুঁজিবাজার বাদ দিয়ে চলতে পারে না। এ বাজারের আরও উন্নয়ন করতে হবে। বাজারের রেগুলেশন ও আইন আরও শক্তিশালী করতে হবে। দেশের পুঁজিবাজার আগামীতে আরও শক্তিশালী হবে। কারণ, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক ভাল।   Source : জনকণ্ঠ
  • পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন বেড়েছে
    দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন বেড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে দরপতন অব্যাহত থাকলেও বুধবার উত্থানে শেষ হয়েছে লেনদেন। তবে মঙ্গলবারের তুলনায় লেনদেন প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক একচেঞ্জে (ডিএসই) বাড়লেও কমেছে চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জে (সিএসই)। তবে দীর্ঘদিন ধরে দর হারাতে থাকা বীমা খাতের কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। দিনটিতে খাতটির বেশিরভাগ কোম্পানির দরবৃদ্ধির পাশাপাশি শীর্ষ তালিকাতেও স্থান করে নিয়েছে।ডিএসইর বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৬২ কোটি টাকার শেয়ার। যা আগের দিনের তুলনায় ২৫ কোটি টাকা বা ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। আগের দিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩৩৬ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয় ৩২৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৭টির, কমেছে ১৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টির শেয়ার দর।সকালে ইতিবাচক প্রবণতা দিয়ে শুরুর পরে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৫৭৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ১১৩ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৪৯ পয়েন্টে।দিনটিতে ডিএসইতে দরবৃদ্ধিতে আধিপত্য বিস্তার করছে বীমা খাত। এদিন দরবৃদ্ধির তালিকার কোম্পানির মধ্যে ৫টিই বীমা খাতের। এ খাতের নেতৃত্বে ছিল প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো ফার্মা, স্কয়ার ফার্মা, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, আইটিসি, ইফাদ অটোস, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, ইউপিজিডিসিএল, লিন্ডে বিডি, কাশেম ড্রাইসেলস এবং সিএমসি কামাল। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ২২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসই সার্বিক সূচক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ১১১ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৪টির, কমেছে ৮৬টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির।   Source : জনকণ্ঠ
  • ৫ কোম্পানির পরিচালকদের জরিমানা
    আর্থিক প্রতিবেদনে জমা না দেয়া ও প্রতিবেদনে অসত্য তথ্য দেয়ায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাঁচটি কোম্পানির পরিচালকদের জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। মঙ্গলবার বিএসইসির নিয়মিত সভায় জরিমানা করার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। খাজা মোজাইক টাইলস অ্যান্ড স্টোন ইন্ডাস্ট্রিজ লি., সালেহ কার্পেট মিলস লি., ফনিক্স ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লি., জাগো কর্পোরেশন লি. এবং এম হোসাইন গার্মেন্ট ওয়াশিং অ্যান্ড ডায়িং লি.- এই ৫ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ প্রত্যেক পরিচালককে এই জরিমানা করা হয়। তবে কোম্পানিগুলোর ‘স্বতন্ত্র পরিচালকদের’ এই জরিমানার বাইরে রাখা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানায় বিএসইসি। এতে বলা হয়, ৫ কোম্পানির মধ্যে খাজা মোজাইক টাইলস অ্যান্ড স্টোন ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ প্রত্যেক পরিচালককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। সালেহ কার্পেট মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ প্রত্যেক পরিচালককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। ফনিক্স ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ প্রত্যেক পরিচালককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে বিএসইসি। জাগো করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ প্রত্যেক পরিচালককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এম হোসাইন গার্মেন্ট ওয়াশিং অ্যান্ড ডায়িংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ প্রত্যেক পরিচালককেও দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। এই কোম্পানি বিভিন্ন প্রান্তিকে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিএসইসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। Source : মানব জমিন  
  • ডোরিন পাওয়ারের আইপিও স্থগিত
    ডোরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) সংক্রান্ত সব কার্যক্রম আগামী ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও মো. খসরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।গত রোববার থেকে কোম্পানিটি আইপিও প্রক্রিয়ায় ১৯ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৯ টাকা দরে শেয়ার বিক্রির জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের থেকে আবেদন ও চাঁদা সংগ্রহ শুরু করেছিল। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চাঁদা সংগ্রহ করার কথা ছিল। আদালত সূত্রে জানা গেছে, সরকার পক্ষ আজ বুধবার এ আদেশের ওপর স্থগিত চেয়ে আপিল করবে।গত ৪ ফেব্রুয়ারি এসকে এনামুল কবিরসহ বেশ কয়েকজন বিনিয়োগকারী এ আইপিও স্থগিত চেয়ে রিট করেন। তাদের অভিযোগ, কোম্পানিটি আর্থিক বিবরণীতে ভুল তথ্য দিয়েছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত প্রিমিয়ামে কোম্পানিটিকে শেয়ার বিক্রির অনুমতি দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তারা।   Source : সমকাল
  • উভয় বাজারে বেড়েছে সূচক
    সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের উত্থান ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর।বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার দিনশেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪৫৭০ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১১১২ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৭৪৮ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৬৮টির, কমেছে ১০৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার দর। আজ ডিএসইতে মোট ৩৩৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।এর আগে সোমবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ১৯ দশমিক ৭২ পয়েন্ট অর্থাৎ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে অবস্থান করছে ৪৫৬০ দশমিক ৭৬ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ দশমিক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১১০৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৫ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭৪১ দশমিক ৯২ পয়েন্টে। আর ওইদিন লেনদেন হয়েছলি ৩৪০ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এদিকে, ডিএসইতে সূচক বাড়ার জেরে প্রকৌশল, বস্ত্র, ওষুধ ও রসায়ন এবং খাদ্য আনুষঙ্গিক খাতের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে। এদিন দিনশেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ১৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৮৫৫৫ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৪৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৮৩টির, কমেছে ১২৮টির ও দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির। যা টাকায় লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর আগে সিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ১৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ৮৫৫৮ পয়েন্ট। ওইদিন লেনদেন হয়েছিল ২০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।   Source : ভোরের কাগজ
  • পুঁজিবাজার বিষয়ে সিএসইর ৩ দিনের প্রশিক্ষণ
    পুঁজিবাজার বিষয়ে আগ্রহীদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। সিএসইর অথরাইজড রিপ্রেজেটেনটিভ, বিনিয়োগকারী ও পেশাজীবীরা এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারবে।সিএসইর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ২০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে, ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ও ২৯ ফেব্রুয়ারি সিলেটে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণসহ শেয়ারবাজারের বুনিয়াদি বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে এতে। এ ছাড়া খাতভিত্তিক কোম্পানিতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও ঝুঁকি বিষয়েও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করবেন আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের রিসার্চ টিমের প্রধান শেখ মালিক আল-রাজী, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ লিমিটেডের রিসার্চ বিভাগের প্রধান মো. মাহফুজুর রহমান ও লন্ডনভিত্তিক বুটিক ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের ইকুয়িটি এনালিস্ট ও বাংলাদেশি অংশীদার আসিফ খান।প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে রেজিস্ট্রেশনসহ প্রশিক্ষণের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সিএসইর ওয়েব সাইট ভিজিট করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।   Source : ভোরের কাগজ
View All
Latest DSE News
  • GQU

    Withdrawal of Authorized Representative: Sheltech Brokerage Limited, DSE TREC No. 120, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Manna Shome, with immediate effect.

  • IDLC

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on February 18, 2016 at 4:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2015.

  • LANKABAFIN

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on February 22, 2016 at 3:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2015.

  • PRIMEFIN

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on February 18, 2016 at 4:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2015.

  • RIZ

    Withdrawal of Authorized Representative: Shakil Rizvi Stock Limited, DSE TREC No. 149, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Murad Ali, with immediate effect.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
BSRMLTD 146.30 116.40 29.90 25.69
SAVAREFR 48.70 44.30 4.40 9.93
AIMS1STMF 19.70 18.10 1.60 8.84
4THICB 234.40 215.60 18.80 8.72
GRAMEEN1 18.90 17.40 1.50 8.62
BSRMSTEEL 93.30 86.30 7.00 8.11
AGRANINS 18.20 17.00 1.20 7.06
AL-HAJTEX 107.30 101.10 6.20 6.13
SAPORTL 47.00 44.40 2.60 5.86
ZAHEENSPIN 21.60 20.50 1.10 5.37

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297