Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
STYLECRAFT 2286.6 1621.8 664.80 40.99
METROSPIN 10.2 8.1 2.10 25.93
EASTRNLUB 1069.1 881.4 187.70 21.30
BRACBANK 102.4 88 14.40 16.36
IMAMBUTTON 23.3 20.7 2.60 12.56
RAHIMTEXT 334.5 303 31.50 10.40
SINOBANGLA 66 60.5 5.50 9.09
DSHGARME 355 327 28.00 8.56
DESHBANDHU 20.4 18.9 1.50 7.94
MEGCONMILK 16.5 15.3 1.20 7.84

Contest SB2017_Oct

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
SHOPNO_GHURI
3rd
blank_person
NAZRULAMIN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BATBC 2844.5 2807.3 3.88159 57.00
MTB 33.1 31.8 1.15222 3601670.00
NBL 13.4 13.1 1.12038 5091680.00
EXIMBANK 16.8 16.4 0.98240 8614650.00
DHAKABANK 22.1 21.4 0.87928 3048930.00
Negative impact
GP 426.4 428.7 -5.40099 159957.00
RENATA 1166.7 1198.6 -3.37830 11328.00
SQURPHARMA 297 299.4 -2.86296 240478.00
BRACBANK 102.4 104.1 -2.52835 1677350.00
IFADAUTOS 156.4 160.9 -1.21675 826138.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
UTTARABANK 41 41.7 40.6 0.49% 272.25
CITYBANK 48 48.6 47.7 0.84% 228.26
BRACBANK 102.4 105.5 101.6 -1.63% 172.82
SHAHJABANK 26.5 26.9 26 0.00% 144.40
EXIMBANK 16.8 17.1 15.9 2.44% 142.58
CONFIDCEM 155.8 157 153 1.83% 142.11
AAMRANET 102.6 111.8 101 -4.29% 135.27
IFADAUTOS 156.4 161.3 156 -2.80% 130.54
MTB 33.1 33.3 31.8 4.09% 118.50
LANKABAFIN 62.6 63.3 62.3 0.00% 116.25

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 16 Oct 2017

94871
TOTAL TRADE
140.8619
TOTAL VOLUME(Mn)
5029.65
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • সিঙ্গারের ইপিএস বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর, ১৭) ৯ মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ৯১ পয়সা। কোম্পানি সূত্রে সোমবার জানা গেছে, গত বছরের একই সময়ে কোম্পানির ইপিএস ছিল ৬ টাকা ৭৪ পয়সা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ২ টাকা ১৭ পয়সা বা ৩২ দশমিক ১৯ শতাংশ। আর ৩ মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ১৭) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৬৮ পয়সা। যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ টাকা ৩০ পয়সা। কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২৭ টাকা ৩২ পয়সা।
  • উৎপাদন বাড়াবে স্কয়ার প্রুপ
    স্টাফ রিপোর্টার : সুতা উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে নতুন সম্প্রসারণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানি স্কয়ার টেক্সটাইলস লিমিটেড। এজন্য গাজীপুরের কারখানায় ১১৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে কোম্পানিটি। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে কোম্পানির বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতা আরো ৪ হাজার ৫১০ টন বেড়ে ৩৯ হাজার ৪৪৪ টনে দাঁড়াবে। ২০১৮ সালের মে মাসে প্রকল্পের কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে। পর্ষদ সভায় ৩০ জুন ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন ও বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার পাশপাশি নতুন এ সম্প্রসারণ প্রকল্পের ঘোষণা দেয় স্কয়ার টেক্সটাইলস। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে কোম্পানির বার্ষিক বিক্রি ৯৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বাড়বে। সেই সঙ্গে মুনাফা হবে টার্নওভারের ৮ দশমিক ১১ শতাংশ। এদিকে নতুন সম্প্রসারণ প্রকল্পের পাশাপাশি কারখানার নিয়মিত সংস্কার ও আধুনিকায়নে বিএমআরই ও জমি কেনায় আরো ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করবে কোম্পানিটি। স্কয়ার টেক্সটাইলের কোম্পানি সচিব খন্দকার হাবিবুজ্জামান এ বিষয়ে বলেন, উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর জন্য নতুন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ভূমি উন্নয়নের কাজ শেষ হয়েছে। নতুন প্রকল্পটি ছাড়াও চলতি বছর বিএমআরএই ও জমি ক্রয়ে আরো ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অবশ্য প্রতি বছরই কারখানার সংস্কার ও আধুনিকায়নে অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। সর্বশেষ সমাপ্ত ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে স্কয়ার টেক্সটাইলসের পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগে ছিল ৪ টাকা ১৪ পয়সা। এক বছরের ব্যবধানে ইপিএস কমেছে ৪৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ। ৩০ জুন ২০১৭ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৪১ টাকা ৫ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডা অনুমোদনের জন্য আগামী ৪ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) আয়োজন করা হয়েছে। রেকর্ড ডেট ৮ নভেম্বর। বিএমআরই, মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি ও জমি কিনতে ২০২ কোটি টাকা ব্যয় করবে স্কয়ার ফার্মা: ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের পর্ষদ ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি চলতি বছর কারখানার সংস্কার ও আধুনিকায়নে (বিএমআরই), বিদেশ থেকে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি এবং জমি কিনতে ২০২ কোটি টাকা ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটি। গতকাল অনুষ্ঠিত পর্ষদ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গেল বছরে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১৫ টাকা ৫১ পয়সা, যা আগের বছরে ছিল ১৩ টাকা ৪১ পয়সা। এক বছরের ব্যবধানে ইপিএস বেড়েছে ১৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ৩০ জুন কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭১ টাকা ৪৭ পয়সা। আগামী ৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে এজিএম আয়োজন করা হয়েছে। রেকর্ড ডেট ৮ নভেম্বর।
  • মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইপিএস প্রায় দ্বিগুণ, সহযোগী প্রতিষ্ঠান করবে ৩টি
    স্টাফ রিপোর্টার : মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর, ১৭) ৯ মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯১ পয়সা। একই সঙ্গে ৩টি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি করার সোমবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির অনুমতি সাপেক্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করবে। কোম্পানিগুলো হলো- এমবিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, এমবিএল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং এমবিএল ইনভেস্টমেন্ট। (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর, ১৭) ৯ মাসে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯১ পয়সা।  গত বছরের একই সময়ে কোম্পানির ইপিএস ছিল ১ টাকা ৬৭ পয়সা। সেই হিসেবে কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ২৪ পয়সা বা ৭৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২২ টাকা। এমবিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড মার্চেন্ট ব্যাংকিংয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এমবিএল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের সেবা প্রদান করবে। আর এমবিএল ইনভেস্টমেন্টের আওতায় ব্যাংকটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফাইন্যান্সের জন্য একটি প্রতিষ্ঠান করবে।
  • আইডিএলসির ইপিএস বেড়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেডের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২০১৭, জুলাই-সেপ্টেম্বর’২০১৭) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমম্বিত আয় বেড়ে হয়েছে ৪ টাকা ৯০ পয়সা। ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পরিষদের সভায় সোমবার এই তথ্য উঠে আসে। কোম্পানি সূত্রে  জানা গেছে, (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর’২০১৭) সময়ে ৯ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৯০ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে এটি ছিল ৪ টাকা ১৪ পয়সা। অন্যদিকে সর্বশেষ প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর’২০১৭) আইডিএলসির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৩ পয়সা। যা গত বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৪২ পয়সা। ৩০ জুলাই তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে (এনএভি) ৩২ টাকা ১৭ পয়সা।
  • আমরা নেটওয়ার্কস ও আমরা টেকনোলজির লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড ও আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড কোম্পানি দুটি মোট ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সোমবার কোম্পানি দুটির পর্ষদ এ ঘোষণা করে। আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড : পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ২২ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ২২ টাকা ৮৮ পয়সা। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২১ ডিসেম্বর এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ নভেম্বর। আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড : বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৫২ টাকা। আর কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২.৬২ টাকা। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২১ ডিসেম্বর এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ নভেম্বর।
  • স্কয়ার টেক্সটাইল ও স্কয়ার ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : স্কয়ার টেক্সটাইল ও স্কয়্যার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের পর্ষদ সভায় সোমবার  লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। স্কয়ার টেক্সটাইল : ২০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস মিলে মোট ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৩০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৪১.০৫ টাকা। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৪ ডিসেম্বর এবং রেকর্ড ডেট ৮ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড : ৩৫ শতাংশ নগদ ও ৭.৫০ শতাংশ বোনাস মিলে মোট সাড়ে ৪২ শতাংশ লভ্যাশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৫.৫১ টাকা এবং এককভাবে ইপিএস হয়েছে ১১.৩৬ টাকা। যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১৩.৪১ টাকা ও ১০.৯৫ টাকা। এছাড়া আলোচিত সময়ে সমন্বিত এনএভি হয়েছে ৭১.৪৭ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সমন্বিত নগদ কার্যকর প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৩.৯২ টাকা। কোম্পানির সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৪ ডিসেম্বর ঢাকা ক্লাবে এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ হয়েছে ৮ নভেম্বর।
  • বসুন্ধরা পেপারের ৮৬ টাকায় শুরু
    স্টাফ রিপোর্টার : বসুন্ধরা পেপার মিলসের শেয়ারপ্রতি দর ৮৬ টাকায় সোমবার বিকালে বিডিং শুরু হয়। শুরুতে এক বিনিয়োগকারী ৮৬ টাকা দরে ২ লাখ ৯০ হাজার ৬০০টি শেয়ার কেনার জন্য বিডিং করেন। বসুন্ধরা পেপারসের বিডিং শুরু হয়েছে ১৬ অক্টোবর, সোমবার বিকাল ৫টায় শুরু হয়ে চলবে ১৯ অক্টোবর বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এক্ষেত্রে ইলিজিবল ইনভেস্টর বা যোগ্য বিনিয়োগকারীরা অংশ নেবেন। কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ২০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এরমধ্যে ১২৫ কোটি টাকার জন্য বিডিং সম্পাদিত হবে।
  • ব্লক মার্কেটে মাত্র দুই কোম্পানির লেনদেন
    স্টাফ রিপোর্টঃ বাজার কমার সাথে সাথে ব্লক মার্কেট লেনদেন কমে গিয়েছে । এতদিন ব্লক মার্কেটে ব্যাপক হারে লেনদেন হলেও  আজ মাত্র দুই কোম্পানির লেনদেন হয়েছে।  ব্লক মার্কেটে দুই কোম্পানির লেনদেনের চিত্র নিচে দেওয়া হল।
  • ডোজি ক্যান্ডেল ইনডেস্ককে কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে
    স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ সোমবার , ১৬ই অক্টোবর, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সুচকে ডোজি ক্যান্ডেল দেখা যায়। সকাল থেকেই আজ বাজারে ব্যাপক হারে উঠানামা লক্ষ্য করা যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ইনডেস্কের মান বাড়তে দেখা যায়। কিন্তু বেলা ১২.৪৫ মিনিটের পর থেকে তা আবারও পড়তে থাকে। এভাবে উঠানামার মধ্যে থেকে দিন শেষে বাজার কিছুটা ভলিওম পেলে ইনডেস্ক ডোজি ক্যান্ডেলের আবির্ভাব ঘটে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী, ডিএসইএক্সে আজ ডাউন ট্রেন্ডের নীচে ডোজি ক্যান্ডেল আসে যা কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। এর জন্য আগামীকালের ক্যান্ডেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ । বিশ্লেষনে দেখা যায়, ইনডেস্ক আজ তাঁর সাপোর্ট লেবেলের কাছাকাছি অবস্থান করছে। বাই পেশার চলে আসলে ইনডেস্কের মান রিভার্স হতে পারে। তবে বাজারে সেল পেশার অব্যহত থাকলে ইনডেস্ক তাঁর ডাউন ট্রেন্ড অব্যহত রাখতে পারে। এদিকে বর্তমানে ইনডেস্কের সাপোর্ট লেবেল ৫৯৬৬ তে অবস্থান করছে। ইনডেস্কের আর এস আই [RSI 14] এর মান ৩৯.০৩ তে অবস্থান করছে । সোমবার ডিএসইতে ৫০২ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের তুলনায় ১১৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা কম। আগের দিন এ বাজারে ৬২০ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। আজ ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩৩০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৪টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টির শেয়ার দর। ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ১৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৩১৮ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ১৮৯ পয়েন্টে। এছাড়ও আজ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৩২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৮ হাজার ৬৬৮ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৩৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২২টির, কমেছে ৯৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ার।
  • বসুন্ধরা পেপার মিলসের বিডিং ১৬ থেকে ১৯
    স্টাফ রিপোর্টার : বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্যে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রস্তাবিত শেয়ারদরের ভিত্তিতে কাট অফ প্রাইস নির্ধারণে সোমবার থেকে বিডিং প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেডের। বিকাল ৫টা থেকে শুরু হয়ে ১৯ অক্টোবর বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিডিং চলবে। বিডিংয়ে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক যোগ্য বিনিয়োগকারীদের (ইলিজিবল ইনভেস্টর) ৫ হাজার টাকা বিডিং ফি এবং বিডিং অ্যামাউন্টের ২০ শতাংশ ডিপোজিট করতে হবে, যা ১৫ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে ১৯ অক্টোবর বেলা ২টার মধ্যে দিতে হবে। ১৯ অক্টোবর বিকাল ৫টার পর বিডিং বন্ধ হয়ে যাবে। বিডিং পিরিয়ডের পর অফার পিরিয়ড শুরু হবে ২২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ২৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত। বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়ম অনুসারে, ইলেকট্রনিক বিডিংয়ের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এ কোম্পানির আইপিওতে তাদের জন্য নির্ধারিত শেয়ারের দরপ্রস্তাব করবে। সর্বশেষ যে দরে নির্ধারিত শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব আসবে, তাই হবে কাট অফ প্রাইস। যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সে দরেই কোম্পানির শেয়ার কিনবেন। তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে তা ১০ শতাংশ কম দামে শেয়ার বিক্রি করতে হবে কোম্পানিকে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনক্রমে তখন নতুন করে চাঁদাগ্রহণ করবে বসুন্ধরা পেপারস। বসুন্ধরা পেপার আইপিওর মাধ্যমে মোট ২০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের ফেসভ্যালু ১০ টাকা। এ ২০০ কোটি টাকার মধ্যে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এ অর্থের সর্বোচ্চ ২ শতাংশ একজন যোগ্য বিনিয়োগকারী আবেদন করতে পারবেন। তবে তা আড়াই কোটির বেশি হবে না। তাছাড়া একজন যোগ্য বিনিয়োগকারী একবার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বিডিং প্রাইস বাড়ানোর সুযোগ পাবেন। কোম্পানিটির ১০০টি শেয়ারে একটি লট নির্ধারণ করা হয়েছে। যেসব যোগ্য বিনিয়োগকারীর কাছে শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হবে, তাদের লকইন পিরিয়ড হচ্ছে প্রসপেক্টাস ইস্যুর পর ২৫ শতাংশ শেয়ারের ক্ষেত্রে প্রথম ছয় মাস এবং পরবর্তী ২৫ শতাংশ শেয়ারের ক্ষেত্রে পরবর্তী নয় মাস। প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬১০তম কমিশন সভায় বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২০০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পায় বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থের বড় অংশই কারখানার আধুনিকায়ন ও যন্ত্রপাতি আমদানিতে ব্যয় করবে কোম্পানিটি। এ খাতে কারখানার অবকাঠামো উন্নয়ন, যন্ত্রপাতি ক্রয়, স্থাপন ও ভূমি উন্নয়ন বাবদ ব্যয় ধরেছে ১৩৫ কোটি টাকা। আইপিওতে উত্তোলিত অর্থ থেকে ৬০ কোটি টাকা ব্যয় হবে ঋণ পরিশোধ ও বাকি ৫ কোটি টাকা আইপিও প্রক্রিয়ার ব্যয়নির্বাহে খবর করবে কোম্পানিটি। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ট্রিপল এ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও রেজিস্টার টু দ্য ইস্যু হিসেবে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়বে না, শেষ দিন ৩০ নভেম্বর
    বিগত বছরের ধারাবাহিকতায় আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আর বাড়নো হচ্ছে না। কোম্পানি ব্যতীত অন্যান্য সব করদাতার জন্য ২০১৭-১৮ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর।জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ এ মু’মেন রাইজিংবিডিকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, বিগত বছরের ধারাবাহিকতায় রিটার্ন দাখিলের সময় আর বাড়বে না। শেষদিকে রিটার্ন দাখিলে অনেক ভিড় হয়, ফলে করসেবা পেতেও অসুবিধা হয়। ভিড় এড়ানোর জন্য আগেভাগেই করদাতাদের বলব রিটার্ন দাখিল করে সঙ্গে সঙ্গে রিটার্নের প্রাপ্তি স্বীকারপত্রটি বুঝে নিতে।এ বিষয়ে এনবিআর থেকে আরো জানানো হয়েছে, দেশের উন্নয়নের জন্য যে রাজস্ব প্রয়োজন তার বড় অংশ আসে আয়কর থেকে। সে হিসেবে একজন করদাতা দেশের উন্নয়নের গর্বিত অংশীদার। কোম্পানি ব্যতীত অন্য সব করদাতার জন্য এ বছরের আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর । বিগত বছরের ধারাবাহিকতায় রিটার্ন দাখিলের সময় আর বাড়বে না।৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে জরিমানা ও বিলম্ব সুদ আরোপযোগ্য হবে। রিটার্ন দাখিলে আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে এমন কেউ রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হলে কর আইন ভঙ্গ হবে।১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশ ১২৪ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো করদাতা যদি কোনো কারণ ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়ে রিটার্ন দাখিল না করেন, আবার এজন্য অনুমোদনও না নেন, সেজন্য তার পূর্ববর্তী বছর প্রদেয় করের ১০ শতাংশ বা ১ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বড় অংক- ওই পরিমাণ অর্থ জরিমানা হবে। সেই সঙ্গে যতদিন দেরি হবে, প্রতিদিনের জন্য ৫০ টাকা হারে বাড়তি জারিমানা গুনতে হবে। এমনকি এক বছর পর্যন্ত জেল অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তির বিধান রয়েছে।এনবিআরের সর্বশেষ হিসেবে ইলেক্ট্রনিক কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (ই-টিআইএন) করদাতার সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে গেছে। যার মধ্যে মাত্র ১২ লাখ করদাতা আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন। source : rasingbd
  • ‘রোহিঙ্গা সমস্যা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি’
    : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বর্বরোচিত অত্যাচারের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি। এজন্য দেশটির বর্বর সেনাসমর্থিত সরকার দায়ী।তিনি বলেছেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অত্যাচারের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সামলানো বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। মিয়ানমার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে অর্থমন্ত্রী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থান করছেন। শনিবার ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল কমিটির (আইএমএফসি) বৈঠক শেষে রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রীর সফরসঙ্গী এবং জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা শাহেদুর রহমান।বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের সার্বিক অবস্থা দেখার জন্য কক্সবাজারের উখিয়ায় বেশ কয়েকটি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দোভাষীর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচারের বর্ণনা শুনে অবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সেদিন তিনি মিয়ানমার সরকারের অত্যাচারের কথা বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদস্য দেশগুলোর সামনে তুলে ধরার কথা বলেছিলেন।অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এবারের সম্মেলনের প্রত্যেকটি বৈঠকেই আমি মিয়ানমারে অত্যাচারিত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিয়ে কথা বলেছি। তাদের ওপর কীভাবে মিয়ানমার সেনাবাহিনী অত্যাচার করেছে তা তুলে ধরেছি। তারা সবাই সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। বিশ্বব্যাংকও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা অনুদান ও ঋণ দুটোই দিতে চেয়েছে।আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে সহায়তা পাওয়া যাবে। তবে এটা ঠিক যে, বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থাগুলোর কাছ থেকে  থেকে বড় ধরনের সহায়তা পাওয়া গেলেও আমাদের অর্থনীতির ওপর বড় ধাক্কা আসবে। গত দেড় মাসে পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে, যেখানে এই জনগোষ্ঠীর আরো চার লাখের মতো মানুষ আগে থেকেই এ দেশে আছে।মিয়ানমারের তীব্র সমালোচনা করে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, মিয়ানমার একটা ব্লাডি কান্ট্রি। মিয়ানমার একটা বদমায়েশ দেশ। এই মিয়ানমার দেশটি এ বছর বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করবে। এটা বাংলাদেশের জন্য রিয়েল ক্রাইসিস, এটা বাংলাদেশের ওপর হামলার শামিল।তিনি বলেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বিশ্বে একমাত্র জনবিচ্ছিন্ন সেনাবাহিনী। সম্পূর্ণ সম্পদ সেনাবাহিনীর পেছনে খরচ হয়।বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে রোহিঙ্গাদের পেছনে কেন খরচ করা হবে, এ প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মানবিক। আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রথম থেকেই তাদের জন্য গেট খুলে দিয়েছেন। তিনি মানবিক বলেই এ কাজটি করেছেন। বিশ্ববাসী তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।’তবে রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা বন্ধ এবং তাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর ঠিকমতো চাপ দেওয়া হচ্ছে না বলে মনে করছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত।তিনি বলেন, ‘আসলেই তেমন চাপ দেওয়া হচ্ছে না। চীন-রাশিয়া তো কিছুই করছে না। সম্মিলিতভাবে সবাই মিলে মিয়ানমারের ওপর অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিকসহ নানা বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।’রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতির কী ধরনের ক্ষতি হবে, এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আমাদের বিশাল অংকের টাকা খরচ করতে হবে। এটা আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। দেশে গিয়েই বাজেট বরাদ্দ কাটছাট করতে হবে। source : rasingbd
  • খাদ্য আমদানি : অর্থনীতিতে নতুন চ্যালেঞ্জ
    চলতি বছরে বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাপক ফসলহানি ঘটেছে। যার ফলে অপ্রত্যাশিতভাবে খাদ্য উত্পাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দেশের মোট চাহিদার তুলনায় খাদ্য উত্পাদনের পরিমাণ অনেক কম হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সময়ে বিদেশে থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্য আমদানির বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে বেশ আলোচনা হচ্ছে। তবে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদেশ থেকে খাদ্য শস্য আমদানি না করে আর কোনো বিকল্প উপায় ছিল না। এ বছর হাওর এলাকায় আকস্মিক বন্যায় বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে খাদ্যশস্যের মোট উত্পাদনের বিষয়টি জানা প্রয়োজন। ২০০৮-০৯ থেকে ২০১৫-১৬ বছরে আউশ, আমন, বোরোসহ গমের উত্পাদন ছিল তিন কোটি ৩১ লাখ থেকে তিন কোটি ৬০ লাখ মেট্রিক টন। এ ক্ষেত্রে গমের মোট উত্পাদন ১৩ লাখ ৪৮ হাজার মেট্রিক টন, আউশ দুই লাখ টনের কিছু বেশি। আমন এক কোটি ৩৬ লাখ মেট্রিক টন। এতে দেখা যায়, বোরোসহ আমনের উত্পাদনই সর্বাধিক। এই ফসলই এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত।অন্যান্য বছরের মত এ বছরও বিদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারিভাবে খাদ্য আমদানি শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা প্রয়োজন, ১৯৯২-৯৩ বছরের আগে বিদেশ থেকে বেসরকারি খাতে খাদ্যশস্য আমদানি করা নিষিদ্ধ ছিল। ১৯৯২ সালের পর খাদ্যনীতির আমূল সংস্কারের কারণে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা রহিত করা হয়। এর সুফলও দৃশ্যমান ছিল। এখনো আছে। ১৯৯২-৯৩ সাল পরবর্তী সময়ে বেসরকারি খাতের খাদ্য শস্য আমদানির পরিমাণ  সরকারি খাতের চেয়ে বেশি। বন্যাসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের বছরেও একই চিত্র লক্ষণীয়। ১৯৯২-৯৩ থেকে ২০০১-০২ বছর                  পর্যন্ত সরকারি খাতে মোট খাদ্যশস্য আমদানি করা হয় ২ দশমিক ৪৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন, বেসরকারি খাতে এই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ১১ দশমিক ৫৮ মিলিয়ন  মেট্রিক টন। বেসকারি খাতে অধিকতর আমদানির কারণে সরকারের মোট ৩ দশমিক ২২ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হয়েছে। ১৯৯৮-৯৯ সালের প্রলয়ঙ্করি বন্যার সময় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল অত্যন্ত সফলভাবে। বন্যা পরবর্তী সময়ে ফসল উত্পাদনের পরিমাণ ছিল অন্যান্য বারের তুলনায় বেশি। অন্যদিকে বেসরকারি খাতে মোট আমদানির পরিমাণ ছিল ৩ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন। ফলে সরকারি খাতে অধিক পরিমাণ খাদ্য আমদানির প্রয়োজন ততটা অনুভূত হয়নি সে সময়ে। দুই লাখ টন চাল আমদানির জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়। কিন্তু কয়েকদিনের ব্যবধানেই বাংলাদেশ একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে পড়ে যায়। হাওরের বন্যা শেষ হতে না হতেই ঘূর্ণিঝড় মোরায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় উপকূলীয় অঞ্চল। এরপর আসে ভয়ঙ্কর পাহাড় ধস। আগাম বন্যার পর আসে বড় আকারের বন্যা। এ সবের সঙ্গে যোগ হয়েছিল ধানে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ।বন্যা ও নানা কারণে এ বছর দেশে ১০ লাখ টন ফসল নষ্ট হয়েছে। এদিকে একের পর এক দুর্যোগের কারণে ত্রাণ দিতে গিয়ে সরকারের ত্রাণ ভাণ্ডার প্রায় শূন্য হয়ে যায়। যেখানে নিরাপদ খাদ্য মজুদ কমপক্ষে ১০ লাখ টন হওয়ার কথা সেখানে সরকারের মজুদ এক লাখ টনের নিচে নেমে আসে। এখনো এই অবস্থা কাটিয়ে উঠতে না পারলেও ক্রমশ খাদ্য পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। খাদ্য মজুদের নাজুক অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার জন্য সরকার বেসরকারি আমদানির ওপর আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। চালের আমদানি নিরুত্সাহ করতে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে শুল্ক হার ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়। এর সঙ্গে ৩ শতাংশ যোগ হয় রেগুলেটরি ডিউটি (আরডি)। ফলে ব্যবসায়ীদের ২৮ শতাংশ শুল্ক গুনতে হতো। এতে দেড় বছর ধরে চাল আমদানি প্রায় বন্ধ ছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে গত ২০ জুন ২৮ শতাংশ থেকে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশে নামিয়ে আনে সরকার। ১৮ আগস্ট সেই শুল্ক আরো কমিয়ে ২ শতাংশ নির্ধারণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। শুল্ক হার কমানোর পর দেশে বেসরকারি পর্যায়ে চালের আমদানি বাড়তে শুরু করেছে। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানি করা হয়েছে ৫ লাখ ২০ হাজার টন। ইতোমধ্যে আরো প্রায় ২০ লাখ টন চাল আমদানির এলসি (ঋণপত্র) খোলা হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে গোটা বছরে চাল আমদানির পরিমাণ অনেক বাড়বে বলে ধারণা করা যায়। আর গত পুরো অর্থবছরে মাত্র ১ লাখ ৩৩ হাজার টন চাল আমদানি করা হয়েছিল। বর্তমান খাদ্য সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বেশ কয়েকটি বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী দীর্ঘ সময়ের পর আবার চাল আমদানি শুরু করেছে। ইতোমধ্যে তেমনি কয়েকটি বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থাইল্যান্ড, মিয়ানমার ও ভারত থেকে চাল আমদানির এলসি খুলেছে। বাজারে চাহিদা না থাকায় এতদিন সেভাবে চাল আমদানি করেননি তারা। এখন যেহেতু চালের চাহিদা বেড়েছে সে কারণে দীর্ঘদিন পর তারা চাল আমদানি শুরু করেছেন বলে জানা যায়।দেশের বড় শিল্প ব্যবসায়ী গ্রুপগুলো চাল আমদানিতে যুক্ত হওয়ায় দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে বলে আশা করা যায়। খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন দেশ থেকে চাল ও গম আমদানির উদ্যোগ সবাইকে আশ্ব্বস্ত করেছে। ইতোমধ্যে চালের দাম কমতে শুরু করেছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবে চাল ও গম আমদানির জোরালো তত্পরতা চাল ও আটার বাজারকে স্থিতিশীল করবে আশা করা যায়। তবে চাল গম আমদানির ক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ে নিম্নমানের খাবার অযোগ্য চাল অথবা গম যেন আমদানি না করা হয়। চাল গম আমদানি জনমনে স্বস্তি এনে দিলেও গোটা অর্থনীতিকে নতুন এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে, একথা অস্বীকার করার     উপায় নেই। কারণ, মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা দেশের শিল্পায়ন এবং অবকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন উপকরণ ও যন্ত্রপাতি আমদানিতে ব্যবহূত হতে পারত। কিন্তু খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটা তার চেয়ে জরুরি হয়ে পড়ায় বিদেশ থেকে খাদ্যশস্য আমদানিতে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হচ্ছে। source : ittfaq
  • রাখাইন পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের গভীর উদ্বেগ
    মিয়ানমারের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এ বিষয়ে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে সংস্থাটি। শুক্রবার ওয়াশিংটন থেকে এটি প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বৈষম্যহীন, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং সবার জন্য অর্থনৈতিক সুযোগের মূলনীতিতে উৎসর্গকৃত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, ধ্বংসযজ্ঞ এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’বিশ্বব্যাংক বলছে, চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে সংস্থাটি দীর্ঘ মেয়াদে প্রভাব বিস্তারকারী প্রকল্পগুলোতে অংশগ্রহণের বিষয়ে পর্যালোচনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ কর্মসূচিতে বিশেষ করে রাখাইন রাজ্যের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ, গ্রামীণ সড়ক এবং সব জাতিগোষ্ঠী ও ধর্মসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি সম্প্রতি অনুমোদিত উন্নয়ন নীতির শর্তগুলো মূল্যায়ন করেছে এবং ঋণ কার্যকর করার জন্য আরও সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছে।সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাংক রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে জাতিসংঘ এবং বৃহৎ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে। একই সঙ্গে মিয়ানমার সরকারকে এই বৃহৎ মানবিক বিপর্যয় অমান্য না করে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আহবান জানিয়েছে। পাশাপাশি শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তন এবং অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে তাদের বসতিতে ফেরানোর পথ তৈরি করার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে।বিশ্বব্যাংকের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গতকাল বাংলাদেশ হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মোকাবেলা করার জন্য বিশ্বব্যাংককে সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছিল। বাংলাদেশ সরকার, স্থানীয় বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং শরণার্থীদের জন্য একটি কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।বিশ্বব্যাংক অপর এক বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার, দারিদ্র্য বিমোচনে সংগ্রামরত অবস্থায় রোহিঙ্গাদের সহায়তার লক্ষ্যে নেয়া বাংলাদেশের উদ্যোগের প্রশংসা করেছে। সংস্থাটি এ বিষয়ে অর্থ সহায়তা দিতে প্রাথমিকভাবে সম্মত হয়েছে। তবে সহায়তার পরিমাণ এখনও নির্ধারিত হয়নি। তবে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানি, স্যানিটেশন ও সড়ক অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করবে বিশ্বব্যাংক।এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় শরণার্থীদের জন্য নতুন করে গঠন করা তহবিল থেকে সহায়তা পেতে পারে। এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যানেট ডিক্সন বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন ও সমৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ কাজ করছে। এ অবস্থায় রোহিঙ্গাদের জন্য দেশটির উদ্যোগের প্রশংসা করছে বিশ্বব্যাংক। রোহিঙ্গারা দ্রুত তাদের দেশে ফিরে যেতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সহায়তা দিচ্ছে। তাদের সহায়তার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক সম্ভাব্য সবকিছু করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। সূত্র জানায়, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঋণ বা অনুদান হিসেবে ৪০ কোটি ডলার সহায়তার সম্ভাবনার কথা আগেই জানিয়েছিল বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়। রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে বিশ্বব্যাংক থেকে বাংলাদেশ বড় অঙ্কের আর্থিক সহায়তা পেতে পারে বলে সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী অভিবাসন সমস্যা মোকাবেলায় বিশ্বব্যাংকের ২০০ কোটি ডলারের তহবিল রয়েছে। একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সেই তহবিল থেকে ৪০ কোটি ডলার পেতে পারে। ঋণ বা অনুদান বাবদ এ অর্থ পেতে পারে বাংলাদেশ। এ সহায়তা অনুদানে রূপান্তর করতে হলে এ খাতে কী প্রকল্প নেয়া হচ্ছে, তা বিবেচনা করা হবে। অবশ্য বিশ্বব্যাংক থেকে অনুদান হিসেবেই এ অর্থ চাইবে বলে জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। source : jugantor
  • চামড়া খাতে রপ্তানি আয় আড়াই হাজার কোটি টাকা
    ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩২ কোটি ৪৬ লাখ মার্কিন ডলার বা ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১.০৬ শতাংশ কম। তবে আগের অর্থবছরের (২০১৬-১৭) একই সময়ের তুলনায়ও ১.৭৪ শতাংশ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা দেশে এসেছে খাতটির পণ্য রপ্তানি থেকে।বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন বু্যরোর (ইপিবি) জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, তিন মাসে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২ কোটি ৮১ লাখ ডলার। এর মধ্যে চামড়া পণ্য ও চামড়ার পাদুকা রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি থাকলেও কাঁচা চামড়ায় প্রায় ধস নেমেছে। তাই এ খাতের প্রবৃদ্ধিও খুব আশাব্যঞ্জক নয়।খাত সংশিস্নষ্টরা বলছেন, সরকার চামড় খাতকে এগিয়ে নিতে এটিতে প্রোডাক্ট অব দ্যা ইয়ার ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে খাতটি থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বছরে ৫০০ কোটি ডলারে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু খাতটি সেভাবে এগুচ্ছে না। বিশেষ করে রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সাভারের চামড়া শিল্পনগরে সরিয়ে নেয়া ট্যানারিগুলো পুরো প্রস্তুত না হওয়া এবং শিল্পনগরীর পুরো কার্যক্রম চালু না হওয়ায় খাতটি থমকে আছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত রপ্তানি আসছে না। তবে চামড়া উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে অভ্যন্ত্মরীণ বাজার চাহিদা নির্ধারণ, পরিবেশসম্মত কারখানা পরিচালনাসহ রপ্তানির বিকল্প বাজারের সন্ধানের কথা বলছেন তারা। তাহলেই আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশের চামড়া ও পাদুকাসহ চামড়াজাত পণ্য বিশ্বে অন্যতম প্রতিযোগী পণ্যে পরিণত হবে।এদিকে চামড়া পণ্য রপ্তানিতে সরকার ২০ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দিচ্ছে। বর্তমানে দেশব্যাপী প্রায় আড়াইশ কারখানায় জুতা, ব্যাগ, বেল্ট ও দর্শনীয় উপকরণ তৈরি ও তা রপ্তানি হচ্ছে।ইপিবি সূত্র মতে, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের পুরো সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১২৩ কোটি ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত রয়েছে ১৩৮ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে বছরের মোট লক্ষ্যমাত্রার সাড়ে ২৩ শতাংশ আয় এসেছে।চলতি জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ২ মাসে কাঁচা চামড়া রপ্তানিতে ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮.৫৯ শতাংশ কম। একই সঙ্গে গত অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরের চেয়ে ৩০.৭৪ শতাংশ কমেছে। ওই সময়ে কাঁচা চামড়ায় আয় হয়েছিল ৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার।আবার গত তিন মাসে বিভিন্ন চামড়ার তৈরি পণ্য রপ্তানিতে ১২ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয়েছে ১১ কোটি ১৬ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ শতাংশ কম হলেও গত অর্থবছরের (২০১৬-১৭) একই সময়ের চেয়ে ১৯.২৭ শতাংশ বেশি। ওই সময় আয় হয়ে ছিল ৯ কোটি ৩৬ লাখ ডলার।এদিকে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে চামড়ার জুতা রপ্তানিতে ১৪ কোটি ২৬ লাখ ডলারের আয়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও আয় হয়েছে ১৬ কোটি ৬১ লাখ ডলার। যা একই সঙ্গে এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪.৪৫ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৪.৮৯ শতাংশ বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এ উপখাতে আয় ছিল ১৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলার। source : jayjaydin
  • দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক ঋণ দিতে ব্যাংক প্রস্তুত নয়
    প্রথম আলো: ৪১ বছর পূর্ণ করল আইএফআইসি ব্যাংক। এই সময়ে ব্যবসায় ক্ষেত্রে কোন মডেলকে অনুসরণ করছে ব্যাংক?শাহ আলম সারওয়ার: আমাদের ব্যবসার মডেল হলো ঝুঁকি বিকেন্দ্রীকরণ করে বেশি মানুষের কাছে সেবা পৌঁছানো। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি হবে এসএমই ও মর্টগেজ-ভিত্তিক অর্থায়নের ওপর। ঋণের ঝুঁকিকে বৈচিত্র্যকরণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া বড় আমানতের চেয়ে ছোট ছোট আমানতের দিকে লক্ষ রেখে ব্যাংক এগোচ্ছে। ব্যাংক পরিচালনায় মডেল হলো কম স্বাচ্ছন্দ্যে ও কম সময়ে সেবা পৌঁছানো। দেশের বেশির ভাগ গ্রাহক ছোট সেবা নেয়। কম খরচে বেশি মানুষের সেবা পৌঁছানোই এখন প্রধান লক্ষ্য। এ জন্য আমরা বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছি।প্রথম আলো: সহজে সেবা দিতে কী ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছেন?শাহ সারওয়ার: ব্যাংকের কাঠামো ঠিক করা হচ্ছে। প্রতিটি কাজকে লক্ষ রেখে যোগ্য ব্যক্তিকে পদায়ন করা হচ্ছে। ব্যাংকে নতুন জনবল নিয়োগে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখা, আগের কর্মীদের সর্বোচ্চ প্রশিক্ষণ দেওয়া আমাদের লক্ষ্য। এর সঙ্গে প্রতিটি পদের জবাবদিহি কী, তা ঠিক করা হচ্ছে। যাঁরা ভালো করছেন, তাঁদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। আমরা ব্যাংকের প্রতিটি সেবাকে মূল্যায়ন করে গ্রাহকবান্ধব ও ঝুঁকিমুক্ত করেছি। সেবা ও সর্বোচ্চ মানের প্রযুক্তিকে একত্র করে সেবা দেওয়া হচ্ছে। একজন গ্রাহককে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কত স্বাচ্ছন্দ্যে ও কম সময়ে সেবা দেওয়া যায়, সেদিকে লক্ষ রাখা হচ্ছে।প্রথম আলো: এ জন্য নতুন কী ধরনের সেবা ও পণ্য চালু করা হয়েছে?শাহ সারওয়ার: কম সুদে গৃহঋণ বা হোম লোন প্রকল্পে আমরাই পথিকৃৎ। এরপর অন্য ব্যাংকগুলো ওদিকে ঝুঁকেছে। এ খাতে আমরা ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছি। সব শাখা ব্যবস্থাপনাকে এমনভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে সহজেই এ সেবা দেওয়া যায়। একজন গ্রাহক সাধারণত ২১ ধরনের সেবা নিতে ব্যাংকে আসেন। আমরা ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করেছি। ব্যাংকের যেকোনো কর্মকর্তা যাতে ওই ২১ ধরনের সেবা দিতে পারেন, তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত বছর আড়াই হাজার কর্মকর্তার জন্য পাঁচ হাজার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান করা হয়েছে। ৫০ জনকে বিদেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সবাইকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এখন সাধারণ সেবা, ঋণপত্র খোলা সেবা একজন কর্মকর্তাই দিতে পারেন। পৃথক ব্যক্তির কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।ব্যাংকগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে কয়েকটি হিসাব খুলতে হয়। আইএফআইসি ব্যাংক ‘আমার অ্যাকাউন্ট’ নামে একটা নতুন সেবা চালু করেছে। ওই হিসাবে সব ধরনের সেবা পাওয়া যাচ্ছে। আমানত, ঋণ, কার্ড সেবা—সবই মিলবে এ হিসাবে। এক বছরে আমার অ্যাকাউন্ট হিসাব খুলেছেন ৭২ হাজার ব্যক্তি। ব্যাংকের প্রথম ৩৬ বছরে হিসাব ছিল দেড় লাখ, আর এক বছরেই ৭২ হাজার হিসাব খোলা হয়েছে। সব মিলিয়ে আমাদের গ্রাহক ৬ লাখ। ৫ বছরে ব্যাংকের গ্রাহক বেড়েছে তিন গুণ। এর মাধ্যমেই বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে।প্রথম আলো: আপনি বলছেন, আইএফআইসি ব্যাংক ভালো চলছে, আরও উন্নয়নে নতুন অনেক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলো দুর্বল হয়ে পড়ছে?শাহ সারওয়ার: ঋণ খারাপ হয়ে যাওয়া আলাদা একটা বিষয়। এ জন্য কোনো পক্ষকে এককভাবে দায়ী করা যাবে না। ঋণ খারাপের জন্য অনেকগুলো বিষয় দায়ী। আমাদের দেশে ঋণদাতা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষা নেই। শুধু আইনি সুরক্ষা পাচ্ছি না, তা নয়। একটি পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় যে প্রক্রিয়ায় ঋণগ্রহীতা বাছাই করা হয়, তার শুরু পর্যন্ত বাংলাদেশে হয়নি। ক্রেডিট রেটিং, বিশ্বাসযোগ্য আর্থিক প্রতিবেদন, আগের ঋণের হিসাব, আনুষ্ঠানিক টিআইএন নম্বর—এর কোনোটাই বাংলাদেশে নেই। আমরা যারা ঋণের যাচাই করি, তাতেই বড় গলদ থাকছে। ঋণ ব্যবস্থাপনার মধ্যে শৃঙ্খলার অভাব দেখা যাচ্ছে। গ্রাহকেরা ঋণ অন্য খাতে ব্যবহার করছেন, সেটা ফিরিয়ে আনার মতো কোনো ব্যবস্থা নেই। এ কারণে ঋণ খারাপ হলে তা আদায় করার ব্যবস্থা দেশে নেই। দেশে যথাযথ দেউলিয়া আইন আছে কি না, এটা বড় প্রশ্ন।প্রথম আলো: তার মানে ব্যাংকগুলো কি প্রকল্প ঋণের জন্য প্রস্তুত নয়।শাহ সারওয়ার: চাহিদা অনুযায়ী দেশে আর্থিক খাতের উন্নয়ন হয়নি। দীর্ঘমেয়াদি কোনো প্রকল্পে অর্থায়ন করতে হলে তার পুঁজি আসতে হয় পুঁজিবাজার অথবা ব্যক্তি থেকে। বাংলাদেশে এ দুই জায়গাতেই বড় ঘাটতি রয়েছে। ফলে একজন গ্রাহককে ঋণ দেওয়ার শুরু থেকেই নানা ঘাটতি থাকে, অনেকের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজস্ব পুঁজি থাকে না। দেশে অর্থায়নের ক্ষেত্রে কাঠামোগত সমস্যা আছে। আমরা হলাম বাণিজ্যিক ব্যাংক, অথচ সবার প্রত্যাশা আমরা সব ধরনের ঋণ দেব। দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক ঋণ দেওয়ার জন্য কিন্তু আমরা প্রস্তুত নয়। কারণ, আমরা গ্রাহক থেকে সঞ্চয়ী আমানত নিয়ে থাকি। আমাদের তো দীর্ঘমেয়াদি আমানত নেই। এক-দুই বছর মেয়াদি আমানত নিয়ে ১০ বছর মেয়াদি ঋণ দিতে হয়। এর চেয়ে কম সময়ে কোনো প্রকল্প দাঁড়াতে পারে না।এর সমাধান হলো ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান, গ্রহীতা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা মিলে সামগ্রিক সমন্বয় করতে হবে। সমস্যাগুলো এক অপরের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান আনতে হবে। না হলে একজন অন্যকে দায়ী করতে থাকবে, কোনো সুরাহা হবে না।প্রথম আলো: ব্যাংকগুলো মানবসম্পদ উন্নয়ন করছে না। প্রায়ই কর্মী নিয়ে টানাটানি করতে দেখা যাচ্ছে। এর সুরাহা কী?শাহ সারওয়ার: যেকোনো প্রতিষ্ঠান যদি নিজেকে বড় করতে চায়, ভালো রাখতে চায়, তবে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে উন্নত করতে হবে। স্বচ্ছ নিয়োগ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ—এসব থাকতে হবে। তাহলেই যেকোনো প্রতিষ্ঠান ভালো হয়ে উঠবে। না হলে স্থায়ী রূপ দেওয়া সম্ভব হবে না। কোনো ব্যাংক যদি অন্য ব্যাংক থেকে এক শ কর্মী নিয়ে যায়, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। কারণ, আগের কর্মীদের সঙ্গে হঠাৎ যোগ দেওয়া কর্মীদের একটা সমস্যা দেখা দেবে। এটা সামলাতে সামলাতে দিন চলে যাবে। এ ধরনের চর্চা বন্ধ হওয়া উচিত। আইএফআইসি ব্যাংক ৪১ বছরের প্রতিষ্ঠান। পুরোনো আমলের কর্মী নিয়েও আমাদের চলতে হচ্ছে। তাঁদের প্রশিক্ষণের মধ্যে রাখা হচ্ছে।প্রথম আলো: আমদানি বাড়ছে অথচ রপ্তানি ও প্রবাসী আয় কমে যাচ্ছে। প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার কারণটা কী?শাহ সারওয়ার: বাংলাদেশের কর্মীরা যেসব দেশে কাজ করেন, ওই কাজ অন্য দেশের কর্মী দিয়ে করানো কঠিন। আমার মনে হয়, বৈধ পথের চেয়ে অবৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার আশঙ্কা আছে। যেসব ব্যাংক মধ্যপ্রাচ্য থেকে অল্প অল্প রেমিট্যান্স আনত, তা-ও কমে গেছে। আমাদের ওমানের রেমিট্যান্স হাউসও একই সমস্যায় পড়েছে। প্রবাসীদের আয় যেভাবে কমার কথা বলা হচ্ছে, সেভাবে কমেনি। অন্য মাধ্যমে তাঁরা টাকা পাঠাচ্ছেন। আগে হুন্ডি করতে বাড়িতে বাড়িতে টাকা নিয়ে যেতে হতো, এখন তা লাগছে না। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহজেই তা পৌঁছে যাচ্ছে।   source : prothom-alo
  • রাজধানীতে গৃহায়ণ অর্থায়ন মেলা ১৯-২১ অক্টোবর
    দেশে প্রথমবারের মতো গৃহায়ন অর্থায়ন মেলার আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন (বিএইচবিএফসি)। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে তিন দিনব্যাপী এ মেলা আগামী ১৯ অক্টোবর শুরু হয়ে চলবে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত। মেলার সার্বিক সহযোগিতা করছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। বুধবার রাজধানীর পল্টনে বিএইচবিএফসি সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বিএইচবিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ চক্রবর্তী বলেন, গৃহায়ন খাতের সঙ্গে সংশিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে এক ছাদের নিচে এনে আবাসন খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ সৃষ্টি করাই গৃহায়ন অর্থায়ন মেলার মূল উদ্দেশ্য। এখানে একজন গ্রাহক তার পছন্দের ফ্লাট কিনতে পারবেন। একই সঙ্গে আবাসন খাতের বিভিন্ন ঋণ সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। বিএইচবিএফসির এমডি জানান, কর্পোরেশনের ফান্ড বাড়াতে ইতোমধ্যে আইডিবির সঙ্গে ৮৫০ কোটি টাকা ঋণ চুক্তি হয়েছে। এ অর্থ দিয়ে ৭ হাজার ৯৭৬টি হাউজিং ইউনিট নির্মাণ করা সম্ভব। যেখানে ৪৭ হাজার ৮৫৬ জন আবাসন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব এর পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরেন সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নুরুন্নবী চৌধুরী (শাওন) এমপি। তিনি বলেন, গৃহায়ন অর্থায়ন মেলা এই সেক্টরে ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। তবে গৃহায়ন ঋণের সুদের হার সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাবের  সহ-সভাপতি (প্রথম) লিয়াকত আলী ভূইয়া, পরিচালক কামাল মাহমুদ ও শাকিল কামাল চৌধুরী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। source : biniyog barta
  • ভারত থেকে ৫০ লাখ মেট্রিক টন তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন
    ভারত থেকে ১৫ বছর মেয়াদে জ্বালানি তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশটির উত্তরাঞ্চলে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের শিলিগুডি মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে ইন্দো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর ডিপোতে এ তেল আসবে। এ রুটে ৫০ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আসবে বাংলাদেশে। বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বৈঠকে ভারত থেকে ১৫ বছর মেয়াদে ৫০ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ব্যারেল প্রতি প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে ৫.৯২ মার্কিন ডলার। এতে সরকারের ব্যয় হবে ১ হাজার ৮০৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। ভারতের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন স্থাপন হচ্ছে। ২০১৫ সালে এ নিয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন এবং নূমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সই হয়। প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের নামকরণ হবে ‘ইন্দো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’।এ পাইপলাইনে তেল আমদানি খরচ ও সময় দুটোই সাশ্রয় হবে। এর আগে আমদানিকৃত জ্বালানি তেল নৌপথে ভারতের আসাম রাজ্যের শিলঘাট থেকে বাংলাদেশের বাঘাবাড়ী ডিপোতে জ্বালানি তেল পরিবহন করা হত। তেলের একেকটি চালান বাংলাদেশে পৌঁছাতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগত। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জটিলতার কারণে নৌপথে ভারত থেকে জ্বালানি তেল আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। source : beniyog barta
  • শিল্পখাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে
    শিল্প ঋণ বিতরণ আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-জুন সময়ে শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ হয় প্রায় দুই লাখ ৬৪ হাজার ৮৮৮ কোটি টাকা। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ে ঋণ বিতরণ বেড়ে হয়েছে তিন লাখ ৬৭২ কোটি টাকা। অর্থাত্ ঋণ বিতরণ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫১ শতাংশ।বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অর্থবছরের (২০১৬-১৭) জুলাই-জুন সময়ে শিল্প ঋণে খেলাপির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, এর আগের অর্থবছরের (২০১৫-১৬) একই সময়ে যা ছিল প্রায় ২৫ হাজার ৬৮ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৫ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা বা ২১ দশমিক ৮৯ শতাংশ।অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান ও মেঘনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, সব খাতে খেলাপি হচ্ছে। তবে শিল্প খাতে একটু বেশি।প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিল্প খাতে মোট খেলাপির মধ্যে মেয়াদি শিল্প ঋণ খাতে খেলাপি ১৫ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা এবং চলতি মূলধন ঋণ খাতে খেলাপি হয়েছে ৯ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা। উল্লেখিত খেলাপির যথাক্রমে বৃহত্ শিল্পে ৫৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ, মাঝারি শিল্পে ৩০ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র শিল্পে খেলাপি ১২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, শিল্প ঋণে সব চেয়ে বেশি খেলাপি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের। মোট খেলাপির ৪০ দশমিক ৪৫ শতাংশ হলো সরকারি ৬টি ব্যাংকের। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ৪৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ, বিশেষায়িত ব্যাংকে ২ দশমিক ৪৯ শতাংশ, নন ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং বিদেশী ব্যাংকগুলোর শিল্প খাতে খেলাপি ঋণ ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ।বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের (জানুয়ারি-মার্চ) সময়ে শিল্প খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ২৭ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা। সর্বশেষ চলতি বছরের এপ্রিল-জুনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকায়। অর্থাত্ তিন মাসের ব্যবধানে খাতটিতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ।কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকগুলোকে খেলাপি ঋণ কমাতে হবে। এজন্য ঋণের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব কমানো জরুরী। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাবে বেশি ঋণ যায় বলেই এ ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণে পরিমাণও বেশি। তাছাড়া ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক হতে হবে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোকে সব সময়ই নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের জন্য শিল্প খাতকে পুঁজিবাজারে যেতে হবে। এতে পুঁজিবাজার ও ব্যাংকিং খাত উভয়ের জন্যই ভালো হবে। source : ittfaq
  • ৭০ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি করবে এসএমই ফাউন্ডেশন
    বৃহৎ শিল্পের পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে প্রায় ৭০ হাজার ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) তৈরি করবে এসএমই ফাউন্ডেশন। দেশের প্রান্তিক ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি এরই মধ্যে সারা দেশকে ১৭৭টি ক্লাস্টারে ভাগ করে উন্নয়ন পরিকল্পনা শুরু করেছে।এসব ক্লাস্টারে তৈরি হবে ৬৯ হাজার ৯০২ নতুন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা। এতে উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি ১৯ লাখের বেশি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষাভাবে সুবিধা পাবে।সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, ফাউন্ডেশনের পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চাহিদা থাকলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন ও উদ্যোক্তাদের সহায়তায় সরকারের কাছে আরো ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে ফাউন্ডেশন। সম্প্রতি এসংক্রান্ত একটি চিঠি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে দিয়েছে এসএমই ফাউন্ডেশন।দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে এগিয়ে নিতে ২০০৭ সালে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গঠন করা হয় এসএমই ফাউন্ডেশন। ২০০ কোটি টাকা বিশেষ ফান্ড নিয়ে যাত্রা শুরু করে এটি। এই ফান্ডের টাকা ফিক্সড ডিপোজিট হিসাবে ব্যাংকে অর্জিত মুনাফা থেকে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ফাউন্ডেশন উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণ, দক্ষতা বৃদ্ধি ও পেশাগত প্রশিক্ষণ, এসএমই পণ্যের প্রসার ও বাজার সম্প্রসারণ, পরামর্শ, সেবাকেন্দ্রের মাধ্যমে নতুন ব্যবসা সৃষ্টি ও পরিচালনায় দিকনির্দেশনা প্রদান করছে।২০১২ সাল থেকে আমানতে (ফিক্সড ডিপোজিট) সুদের হার কমে যাওয়ায় আয় কমতে থাকে এসএমই ফাউন্ডেশনের। সুদের হার বেশি থাকায় ২০০৭ সাল থেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জমানো টাকা খরচ করতে হচ্ছে। আর্থিক সংকটে সংকুচিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম। সুদের হার একডিজিটে প্রায় ৫ শতাংশে নেমে আসায় মুনাফা অর্ধেকের বেশি কমেছে। ঋণের চাহিদা থাকলেও উদ্যোক্তাদের দিতে পারায় প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সরকারের কাছে আরো ৫০০ কোটি বরাদ্দ চেয়েছে।সূত্র জানায়, ক্রমাগত সুদের হার কমতে থাকায় ফাউন্ডেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৪ সালে এন্ডাউমেন্ট ফান্ডে আরো ৫০০ কোটি টাকা দিতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়, ২০০৭ সালে এসএমই ফাউন্ডেশন গঠনের সময় সরকার ফাউন্ডেশনে ২০০ কোটি এন্ডাউমেন্ট ফান্ড বরাদ্দ দেয়, যা ফাউন্ডেশনের একমাত্র মূলধন। এ খাতে অর্জিত সুদ থেকে ব্যবস্থাপন ব্যয় নির্বাহের পর অবশিষ্ট চার কোটি টাকা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক কল্যাণে একেবারেই কম বিবেচনায় ফাউন্ডেশনের কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতে ওই ফান্ডে আরো ৫০০ কোটি টাকা প্রদানে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পত্র দেওয়া হয়েছে বলে ফাউন্ডেশনকে জানানো হয়। তবে তিন বছর পার হলেও এখনো সেই টাকা পায়নি ফাউন্ডেশন। চলতি বছরের মে মাসে এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কে এম হাবিব উল্লাহ অর্থমন্ত্রী বরাবর আবারও একটি চিঠিতে পাঠিয়েছেন। ওই চিঠিতে অর্থ সংকট ও কার্যক্রম সংকোচনের বিষয় অবগত করার পাশাপাশি আরো ৫০০ কোটি বরাদ্দ চেয়েছেন তিনি। এ ছাড়া এসএমই ফাউন্ডেশনকে করমুক্ত সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি জাতীয় বাজেটের আওতায় বার্ষিক ২০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দও চেয়েছে সংস্থাটি।অর্থমন্ত্রীকে প্রেরিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাকালে সরকারের দেওয়া ২০০ কোটি টাকায় অর্জিত মুনাফা থেকেই যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বিজনেস সাপোর্ট সার্ভিস, ট্রেনিং, পলিসি অ্যাডভোকেসি, রিসার্চ, আইসিটি ও টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও ক্রেডিট সার্ভিস সেবা প্রদান করা হয়। নিজস্ব কোনো অফিস ভবন না থাকায় ভাড়া ও আনুষঙ্গিক খাতে বছরে দুই কোটি টাকা খরচ হয়। বিগত ২০১২ সাল থেকে ব্যাংকের সুদের হার কমতে থাকায় ফাউন্ডেশনের আয় অর্ধেকে নেমেছে। ফলে উদ্যোক্তা উন্নয়নে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও নতুন কর্মসূচি গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না আবার চলমান কার্যক্রম সংকোচন করার উপলক্ষ দেখা দিয়ছে। এন্ডাউমেন্ট ফান্ডের সুদ ছাড়া ফাউন্ডেশনের আর কোনো আয় নেই। ’ চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, ২০০৮ সাল থেকে আয়কর অব্যাহতির সুবিধার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে আবেদন করলেও অদ্যাবধি পাওয়া যায়নি। সরকার এরই মধ্যে একই ধরনের অলাভজনক প্রতিষ্ঠান পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনকে করমুক্ত সুবিধা প্রদান করেছে। এসএমই ফাউন্ডেশনকেও করমুক্ত সুবিধা প্রদানে অর্থমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান চিঠিতে উল্লেখ করেন, ২০১২ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের সহায়তা করতে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে আরো সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।এসএমই ফাউন্ডেশন সূত্র বলছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়নে ৬৪ জেলায় ১৭৭টি ক্লাস্টারে ভাগ করা হয়েছে। যার মধ্যে ১২৯টি সম্ভাবনাময় ক্লাস্টার। সহজ শর্তে ঋণ সরবরাহ করতে পারলে উদ্যোক্তারা নিজেদের উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও বড় ভূমিকা রাখবে। আর এসব ক্লাস্টারে ১৯ লাখ ৩৭ হাজার ৮০৯ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষাভাবে জড়িত।ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কে এম হাবিব উল্লাহ বলেন, ‘সুদের হার কমে যাওয়ায় ফিক্সড ডিপোজিট থেকে মুনাফা কমেছে। এতে আগের জমানো টাকা বা মূলধন থেকে খরচ করতে হচ্ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়নে হাজার হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হলেও আমরা দিতে পারছি খুবই কম। যদিও অন্যান্য ব্যাংক কিংবা প্রতিষ্ঠান থেকে সহজে ঋণ পাচ্ছে না ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। বড় বড় ব্যাংকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে খেলাপি হলেও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সহজেই ঋণ ফিরিয়ে দিচ্ছে। ’ তিনি বলেন, ৯ শতাংশ সুদে উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়া হয়। তবে এই সরাসরি দিতে না পারায় ব্যাংক ৫ শতাংশ আর এসএমই ফাউন্ডেশন পায় ৪ শতাংশ। এই ঋণে কোনো খেলাপি নেই, শতভাগ ঋণ ফিরে পাওয়া যায়। ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে এগিয়ে নিতে হলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতকে গুরুত্ব দিতে হবে। ফাউন্ডেশনের কাজে গতিশীলতা আনতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। source : kalar kontho
  • চীনের ১১ হাজার কোটি টাকা ঋণ : শর্ত নিয়ে জটিলতা
    হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত প্রায় ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হচ্ছে। ট্রাফিক সিগন্যাল ছাড়াই সর্বোচ্চ গতিতে যান চলাচলের জন্য এ এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯০১ কোটি ৩২ লাখ ২১ হাজার টাকা। সরকারের আশা, এ ব্যয়ের একটি বড় অংশ আসবে চীন সরকারের কাছ থেকে। গত বছর চীনের প্রেসিডেন্টের ঢাকা সফরকালে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। কিন্তু সমস্যা দেখা দিয়েছে এ ঋণের শর্ত নিয়ে। মোট ঋণের কত শতাংশ সহজ শর্তে এবং কঠিন শর্তের আওতায় থাকবে তা নিয়ে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ৪ মাস আগে লেটার অব ইন্টারেস্ট পাঠানো হলেও কোনো জবাব দেয়নি চীন। এ অবস্থায় প্রকল্পের বাস্তবায়ন বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে প্রকল্পের ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষ করেছে পরিকল্পনা কমিশন, যা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আগামী বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে। অনুমোদনের পরই চীনকে নেগোসিয়েশনের (আলোচনা) চাপ দেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় চীন সরকারের সম্ভাব্য ঋণ থেকে ১০ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রাক্কলন করা হয়েছে। সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে ৫ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা। জানতে চাইলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (্্্ইআরডি) চীন ডেস্কের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা উপসচিব কেএম মতিউর রহমান যুগান্তরকে জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ১৫ শতাংশ গভারমেন্ট কনসেশনাল ঋণ (সহজ শর্তের ঋণ) এবং ৮৫ শতাংশ প্রিফারেনশিয়ার বায়ার্স ক্রেডিট (কিছুটা কঠিন শর্তের ঋণ) প্রদানের জন্য চীন সরকারের কাছে ১ জুন লেটার অব ইন্টারেস্ট পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এর সরাসরি জবাব দেয়নি চীন। তবে এটা কোনো বিষয় নয়। কেননা ইতিমধ্যেই চীন প্রকল্পটি বাস্তবায়নে একটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দিয়েছে। তিনি জানান, একনেক ডিপিপি অনুমোদন হলে ঋণ নেগোসিয়েশনের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা হবে।সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু হয়ে আবদুল্লাহপুর-আশুলিয়া-বাইপাইল হয়ে নবীনগর মোড় এবং ইপিজেড হয়ে চন্দ্রা মোড় পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এশিয়ান হাইওয়ে এলাইনমেন্টের মধ্যে অবস্থিত প্রস্তাবিত ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়েটি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার সঙ্গে ৩০টি জেলার সংযোগ স্থাপনকারী আবদুল্লাহপুর-আশুলিয়া-বাইপাইল-চন্দ্রা করিডরে যানজট কমে আসবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে ২০১৩ সালে বুয়েট প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে। প্রাক-সম্ভাব্যতা অনুযায়ী এলাইনমেন্ট ছিল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আবদুল্লাপুর-আশুলিয়া-বাইপাইল হয়ে নবীনগর মোড় এবং ইপিজেড হয়ে চন্দ্রা পর্যন্ত মোট ৩৫ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। পরবর্তীকালে ২০১৬ সালের আগষ্ট মাসে আবারও সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হয়। এই সমীক্ষায় এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য ১১ কিলোমিটার কমিয়ে ২৪ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু এর সঙ্গে যুক্ত করা হয় ১০ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার র‌্যাম্প এবং ১৪ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সড়ক (২ লেন প্লাস ২ লেন সার্ভিস রোড)।ইআরডি সূত্র জানায়, এ প্রকল্পটিতে অর্থায়ন চুক্তি (ফাইনান্সিং এগ্রিমেন্ট) এবং কারিগরি চুক্তি (ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট) কি হবে তা নেগোসিয়েশনের সময় চূড়ান্ত করা হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি সরকার টু সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের জন্য চীন সরকারের মনোনীত প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশনের (সিএমসি) সঙ্গে ২০১৫ সালের ২২ জানুয়ারি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে নেগোসিয়েশনের পরই বাণিজ্যিক চুক্তি হবে। বাণিজ্যিক চুক্তির বিষয়টি ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে। তবে চীনের সহযোগিতা এবং সাড়া পেতে দেরি হলে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন বিলম্বিত হতে পারে। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, বিভিন্ন জটিলতার কারণে ২০১৭ সালে চীন সরকারের অর্থায়ন পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। কেননা চলতি বছর চীনের ৮টি অগ্রাধিকার প্রকল্পের তালিকায় এ প্রকল্পটি নেই। তাই ২০১৮ সালের আগে অর্থায়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, চলমান সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন ডেভেলপমেন্ট স্ট্র্যাটেজিতে শহরের যানজট নিরসন এবং যথাযথ পরিবহন ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারি উদ্যোগ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে (পিপিপি) বাস্তবায়নের বিষয়টি উল্লেখ ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে চীনের সঙ্গে জিটুজি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে, ৪০ দশমিক ৮৯ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন, ২৪ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, ১০ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার র‌্যাম্প, এক দশমিক ৯২ কিলোমিটার নবীনগর ফ্লাইওভার, ১৪ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সড়ক পুনর্নির্মাণ, দুই দশমিক ৭২ কিলোমিটার দুই লেনের সেতু নির্মাণ, ৫০০ মিটার ফ্লাইওভার বা ওভারপাস, ১৮ কিলোমিটার ইউটিলিটির জন্য ড্রেন তৈরি, পাঁচটি টোল প্লাজা নির্মাণ ও যানবাহন ক্রয়সহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।   source : jugantor
  • চলতি বছর বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে ৩.৬ শতাংশ
    চলতি বছর বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। ২০১৮ সালে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে ধারণা করছে বহুজাতিক সংস্থাটি। অপরদিকে চলতি বছরসহ আগামী ২০১৮ সালে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার আইএমএফ প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক ২০১৭’-এর সর্বশেষ সংস্করণে এ পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে।আইএমএফ গত জুনে এক পূর্বাভাসে বলেছিল, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের কাছাকাছি হবে। আর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল সংস্থাটি।এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতি চীনের বিষয়ে আইএমএফ বলছে, চলতি বছর দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি গত বছরের মতোই ৬ দশমিক ৭ শতাংশ হবে। তবে আগামী বছর সেটি কিছুটা কমে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ হবে। এ অঞ্চলের আরেক উদীয়মান অর্থনীতির দেশ ভারতের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নোট বাতিলের মতো আর্থিক সংস্কারের ধাক্কা সামলে আগামী দুই বছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাড়বে দেশটির। চলতি বছর দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ২ শতাংশ, ২০১৮ সালে তা আরও বেড়ে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ হবে। মূলত ব্যাপক অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির কারণে ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক ধারায় থাকবে বলে মনে করে আইএমএফ।বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রবৃদ্ধি চলতি বছর কমে যাবে বলে আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রবৃদ্ধিও চলতি বছর কমে যাবে বলে আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এ বছর দেশটির প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ, যা গত বছর ছিল ১ দশমিক ৮ শতাংশ।   source : jugantor
  • ৭০%ব্যবসায়ীর লাইসেন্স নেই
    সরকার চলতি মাসের মধ্যে চাল-গম ব্যবসায়ীদের খাদ্য অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নেয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের তাতে তেমন সাড়া নেই। বিশেষ করে যারা তেল-চিনি-ডালসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রীর সঙ্গে চাল-গম বিক্রি করছেন এ ধরনের সাধারণ ব্যবসায়ীরা প্রায় কেউই 'ফুড গ্রেইন' লাইসেন্স নিতে চাচ্ছেন না। এছাড়া হাওর অঞ্চলসহ বন্যাকবলিত এলাকার অধিকাংশ চাতালমালিক, মজুদদার ও ব্যবসায়ীরা চালের সংকটময় এ মুহূর্তে তাদের ঘাড়ে এ ধরনের নির্দেশনা চাপিয়ে দেয়ায় তার ঘোর বিরোধিতা করেছেন।সাধারণ ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, বড় আমদানিকারক, মজুদদার, চাতালমালিক ও ব্যবসায়ীদের কার গুদামে কতটা বিশাল মজুদ রয়েছে তা স্থানীয় খাদ্য কর্মকর্তাদের নখদপর্ণে। তারা তাদের কাছ থেকে নিয়মিত অবৈধ সুযোগ-সুবিধা পাওয়ায় তাদের মজুদের পাক্ষিক হিসাব দূরে থাক, বছরান্ত্মেও কোনো প্রতিবেদন নেন না। অথচ চাল সংকটের চরম দুঃসময়ে এখন সরকার প্রকৃত মজুদ তথ্য সংগ্রহের কথা বলে সব শ্রেণির ব্যবসায়ীদের ফুড গ্রেইন লাইসেন্স নিতে বলছে। যা স্রেফ কালক্ষেপণের ষড়যন্ত্র। সর্বস্ত্মরের ব্যবসায়ীদের লাইসেন্সভুক্ত করার পর তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন নিয়ে দেশের চালের মজুদের হিসাব বের করতে হলে কয়েক মাস সময় লাগবে। আর এ সুযোগে মূল হোতারা চুটিয়ে তাদের ব্যবসা করে নেবে বলে মনে করেন তারা।এদিকে দেশের বিভিন্ন জেলার মাঠ পর্যায়ের খাদ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বড় চাতালমালিক, মজুদদার ও আমদানিকাররা প্রায় সবারই ফুড গ্রেইন লাইসেন্স থাকলেও মাঝারি পর্যায়ে ২৫ শতাংশের এ লাইসেন্স নেই। আবার যারা লাইসেন্স করেছেন তাদের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ নিয়মিত তা নবায়ন করেন না। আর দেড়-দু'টন চাল মজুদকারী ব্যবসায়ীদের ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশেরই ফুড গ্রেইন লাইসেন্স নেই। এমনকি এ বিষয়টিও তাদের অনেকেরই অজানা।মাঠ পর্যায়ের খাদ্য কর্মকর্তাদের ভাষ্য, সরকার এখন যে পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করেছে, তাদেরকে হিসাবের আওতায় আনলে লাইসেন্সহীন ব্যবসায়ীর সংখ্যা ৭০ শতাংশেরও বেশি হবে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (সরবরাহ, বণ্টন ও বিপণন) কাজী নূরম্নল ইসলাম যায়যায়দিনকে বলেন, দেশে মাত্র ৩৯ হাজার চাল ব্যবসায়ীর লাইসেন্স আছে। আর এক লাখ চাল ব্যবসায়ীর কোনো লাইসেন্স নেই। এখন তাদের লাইসেন্সের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, কৃষকদের স্বার্থে এতদিন চাল ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স এর আওতায় আনার কোনো আগ্রহ ছিল না। এখন দুই দফা বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর চালের মজুদ তলানিতে নেমে আসায় এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।মন্ত্রীর নির্দেশনার পর দৈনিক কতজন লাইসেন্স নিচ্ছে তা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, 'দৈনিক হিসাব করা হয় না। তবে মাস শেষে হিসাব করা হবে। এরপর জানা যাবে কতজন নতুন লাইসেন্স করল।'এদিকে বড় চাতালমালিক ও মজুদদারদের লাইসেন্স গ্রহণের বেহাল দশার কথাও সংশিস্নষ্টরা নিঃসংকোচে স্বীকার করেছেন। জেলা পর্যায়ের চালকল মালিক সমিতি ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের বক্তব্য, এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কখনো কোনো চাপ দেয়া হয়নি। এমনকি এ ব্যাপারে খাদ্য কর্মকর্তারাও কখনো ব্যবসায়ীকে উদ্বুদ্ধ করেননি। তাই শুরম্ন থেকেই গোটা বিষয়টি গোঁজামিলের মধ্যেই রয়ে গেছে। লোকবল সংকটের দোহাই দিয়ে চাতালমালিক ও মজুদদারদের কাছ থেকে পাক্ষিক মজুদ প্রতিবেদন সংগ্রহ করা না হলেও তাদের কাছ থেকে নিয়মিত উৎকোচ আদায়ে খাদ্য কর্মকর্তাদের কোনো গাফিলতি নেই বলেও অভিযোগ করেন তারা।কুষ্টিয়া চাল মিল মালিক সংগঠনের একজন দায়িত্বশীল নেতা জানান, সেখানে সাড়ে চারশ' চালের মিল ও সাতশ' পাইকারি ব্যবসায়ী আছেন। এর মধ্যে ফুড গ্রেইন লাইসেন্স রয়েছে মাত্র পাঁচশ' ব্যবসায়ীর। আর খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে হাতেগোনা দু'চারজন এ লাইসেন্স নিয়েছেন। লাইসেন্সবিহীন এ ধরনের ব্যবসায়ীর সংখ্যা অর্ধসহস্রাধিক বলে মনে করেন ওই নেতা।বিষয়টি পরোক্ষভাবে মেনে নিয়ে কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ তানভীর রহমান বলেন, আইন সম্পর্কে ধারণা না থাকায় ব্যবসায়ীরা নিজেদের পছন্দমতো খাদ্যশস্য মজুদ রাখছেন। এতে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তার ধারণা, ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স গ্রহণের বিষয়টি সরকারিভাবে মনিটরিং করা হলে এতে সফলতা আসবে। এ অবস্থায় ফুড গ্রেইন লাইসেন্সের জন্য ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, ব্যবসায়ীদের সাত দিন সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে, এর মধ্যে ফুড গ্রেইন লাইসেন্স না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।এদিকে একই সুরে লাইসেন্সবিহীন চাল ব্যবসায়ীদের বিরম্নদ্ধে নির্ধারিত সময়ের পর ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি দিয়েছেন খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলা পর্যায়ের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা।তবে এ বিষয়টিতে এখনি ততটা পাত্তা দিতে চাননি হাওর অঞ্চল ও বন্যাকবলিত এলাকার মিল মালিকরা। সুনামগঞ্জের মাঠপর্যায়ের একজন খাদ্য কর্মকর্তা জানান, সেখানকার অধিকাংশ মিলই এখন ধান-চাল শূন্য। এসব প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ মালিকই এখন তাদের মিলে তালা দিয়ে বিকল্প কর্মসংস্থানের খোঁজ করছেন।নতুন ফসল ঘরে ওঠার আগে তাদের মিল চালুর কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ফুড গ্রেইন লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়নের চাপ দেয়া হলে তাতে সাড়া পাওয়া যাবে কি-না তা নিয়ে সন্দিহানে ওই খাদ্য কর্মকর্তা।পাশাপাশি তিনি মনে করেন, পাইকারি ও খুচরা চাল ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের চাপের মুখে নতুন লাইসেন্স গ্রহণ কিংবা নবায়ন করতে বাধ্য হলে এর প্রভাব স্থানীয় ক্রেতাদের ওপর পড়বে।এদিকে উত্তরাঞ্চলের বন্যাকবলিত এলাকার মিলমালিক সমিতির এক নেতা বলেন, বন্যায় ফসল নষ্ট হওয়ায় কৃষকের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত্ম। ব্যবসা বাণিজ্যে মন্দাভাব বিরাজ করছে। খাদ্য বিভাগের লাইসেন্স নবায়ন করায় খুচরা ব্যবসায়ীরা চাপের মুখে পড়বেন। এতে চালের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।'সেখানকার এক চাল ব্যবসায়ীর ভাষ্য, 'বিভিন্ন জায়গা থেকে চাল সংগ্রহ করে কোনও রকমে দোকান চালু রেখেছি। লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে বাড়তি চাপ পড়বে। সরকার বেশি চাপাচাপি করলে অনেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেবে।' বন্যাকবলিত এলাকার বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর সেখানকার ব্যবসায়িদের লাইসেন্স গ্রহণের সুযোগ দেয়া উচিত বলে মন্ত্মব্য করেন তিনি।এদিকে বড় আমদানিকারক, চাতালমালিক ও মজুদদারের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ফুড গ্রেইন লাইসেন্স করিয়ে বিশেষ কোনো লাভ হবে কি-না তা নিয়ে সন্দিহান খোদ খাদ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও।নাম প্রকাশ না করার শর্তে পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা যায়যায়দিনকে বলেন, সিন্ডিকেট ভাঙতে গত জুলাই মাসে ১৬ হাজার চাল মজুদদারের কালো তালিকা তৈরি করে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান খাদ্যমন্ত্রী। কিন্তু ওই মজুদদার কারা, তাদের বিরম্নদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা খোদ খাদ্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারাই জানেন না। এ জালে রাঘব বোয়াল ছাড় দিয়ে চুনোপুটিদের ফাঁসিয়ে দেয়ায় ওই তালিকা প্রকাশ করা হয়নি বলে মনে করেন ওই খাদ্য কর্মকর্তা।খাদ্য অধিদপ্তরের অপর একজন কর্মকর্তা জানান, চালের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে 'সিন্ডিকেটকারীদের' চিহ্নিত করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিট তদন্ত্ম করে একটি প্রতিবেদন তৈরির কাজে হাত দেয়। তবে বড় বড় মিল মালিকদের সঙ্গে সরকারি দলের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের 'সখ্য' থাকায় এ কাজও গতি হারিয়েছে বলে ইঙ্গিত করেন তিনি।যদিও খাদ্যসচিব মো. কায়কোবাদ এ অভিযোগ মেনে নেননি। তার ভাষ্য, 'সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। যারা সরকারি গুদামে চাল দিয়েছে তাদের লিস্ট আছে, যারা চাল দেয়নি তাদেরও লিস্ট আছে।' তবে সিন্ডিকেটকারীদের ধরার চেয়ে সরকার বাজার পরিস্থিতি সহনীয় করার উপরই বেশি জোর দিচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. বদরম্নল হাসান জানান, গত ১৩ জুলাইয়ের পর নতুন করে কোনো চাল ব্যবসায়ীকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়নি।এদিকে 'বড় বড় ব্যবসায়ীর বিপুল পরিমাণ চাল বিভিন্ন গোডাউনে ছিল, এখনও আছে। আমি তাদের নাম বলতে চাই না। এরাই বিভিন্ন সময়ে সিন্ডিকেট করে তেলের দাম, চিনির দাম বাড়ায়।' খোদ খাদ্যমন্ত্রী কামরম্নল ইসলাম এমন বক্তব্য দেয়ার পর দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযানে তাদের কেউ কেন ধরা পড়েনি- এর কোনো সদুত্তোর খাদ্য কর্মকর্তারা কেউ দিতে পারেননি। বরং বিষয়টি মন্ত্রীই ভালো বলতে পারবেন বলে এমন বক্তব্য দিয়ে সবাই তা এড়িয়ে গেছেন। source : jayjaydin
View All
Latest DSE News
  • NCCBANK

    Mr. Minhaz Kamal Khan, one of the Sponsors of the Company, has further reported that he has completed his sale of 50,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • PIS

    Withdrawal of Authorized Representative: Prime Islami Securities Ltd. (DSE TREC No. 104) has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Gautam Kumar Datta Majumder, with immediate effect.

  • FER

    Withdrawal of Authorized Representatives: Eminent Securities Ltd. (DSE TREC No. 191) has withdrawn two of its Authorized Representatives, Mr. Mohammed Jakir Hossain and Ms. Nargis Akter, with immediate effect.

  • PTL

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 25, 2017 at 5:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2017.

  • FORTUNE

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on October 26, 2017 at 4:30 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2017.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ASIAPACINS 26.00 23.80 2.20 9.24
BEACHHATCH 14.30 13.20 1.10 8.33
SONARGAON 13.40 12.50 0.90 7.20
DULAMIACOT 16.70 15.60 1.10 7.05
PROGRESLIF 53.90 50.60 3.30 6.52
LEGACYFOOT 52.60 49.50 3.10 6.26
EASTRNLUB 1069.10 1006.30 62.80 6.24
RAHIMTEXT 334.50 315.40 19.10 6.06
ICBEPMF1S1 7.80 7.40 0.40 5.41
ILFSL 22.10 21.10 1.00 4.74

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297