Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Automatic Support Resistance Channel AFL 23-Apr
Support & Resistance Modified for Amibroker (AFL) 22-Apr
Zig Zag Indicator with Valid Entry and Exit Points 21-Apr
MACD BUY AND SELL SIGNAL AFL 20-Apr
USING COLOR FULL RSI AFL 15-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SONARGAON 12.3 9.3 3.00 32.26
GEMINISEA 207.3 168 39.30 23.39
FARCHEM 30.4 26.4 4.00 15.15
PREMIERLEA 8.4 7.3 1.10 15.07
PIONEERINS 37.6 33.2 4.40 13.25
ZAHINTEX 13.8 12.2 1.60 13.11
ALLTEX 26 23.1 2.90 12.55
BSCCL 125.8 114.7 11.10 9.68
AFCAGRO 44.5 40.7 3.80 9.34
MEGHNAPET 6 5.5 0.50 9.09

Contest SB2015_Apr

1st
blank_person
GAINLOSS
2nd
blank_person
IMRANKSL
3rd
blank_person
FAIZUB
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
CITYBANK 17.5 16.7 1.13541 893058.00
BATBC 2992.7 2986.1 0.67382 663.00
RECKITTBEN 1387.5 1305.9 0.65606 1934.00
SPCL 165.3 163 0.52105 344606.00
TITASGAS 67.3 67.1 0.33664 208000.00
Negative impact
GP 324.8 329.3 -10.33930 236356.00
UPGDCL 198.2 210.7 -7.01788 2265760.00
BSCCL 125.8 136.4 -2.70394 1998460.00
MARICO 1240.9 1290.8 -2.67460 11186.00
KPCL 64.5 67.9 -2.09015 2965180.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
UPGDCL 198.2 221 196 -5.93% 470.76
BSCCL 125.8 150 124.9 -7.77% 273.45
KPCL 64.5 68.9 64 -5.01% 197.65
WMSHIPYARD 50.6 53 50.4 -4.71% 131.65
MHSML 36.5 37.3 35.2 2.82% 111.60
ACI 528.7 547 522.1 -1.14% 109.30
SAPORTL 54 58.7 53.2 -6.57% 104.56
IFADAUTOS 79.5 83.7 78.6 -5.13% 98.81
SQURPHARMA 251 255.2 248.7 -0.52% 90.90
SAIFPOWER 73.6 78 73 -5.76% 86.95

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 23 Apr 2015

99223
TOTAL TRADE
81.5682
TOTAL VOLUME(Mn)
3776.76
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • বিএসসির লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। 'এ' ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সমাপ্ত বছরে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ২ টাকা ৪৭ পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য ৬১৯ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৬ জুন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ মে। ২০১৩ সালে ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
  • ইসলামী ব্যাংকের স্বর্ণপদক লাভ
    স্টাফ রিপোর্টার : ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড প্রবাসী রেমিট্যান্স আহরণে সর্বোচ্চ অবদানের জন্য স্বর্ণপদক লাভ করেছে। রাজধানীর একটি হোটেলে শনিবার এ পদক প্রদান করা হয়েছে। পদক প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এইচটি ইমাম ও গওহর রিজভী। অনুষ্ঠানে তাদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান সেন্টার ফর এনআরবির পক্ষে ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং উইংয়ের প্রধান আবদুস সাদেক ভূঁইয়ার হাতে পদক তুলে দেন। সেন্টার ফর এনআরবির সভাপতি এস এম শেকিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রেড ক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান হাফিজ আহমেদ মজুমদার, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের চিফ অব ইকোনমিক ও কমার্শিয়াল ডেনিয়েল কিন, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
  • ওয়েস্টার্ন মেরিনের সঙ্গে জিন্দালের ৪৮০ কোটি টাকার চুক্তি
    স্টাফ রিপোর্টার : ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড ১০টি পণ্যবাহী জাহাজ নির্মাণ করবে ভারতীয় কোম্পানি জিন্দাল গ্রুপের জন্য। জাহাজ নির্মাণ নিয়ে ৫ মার্চ দিল্লীতে প্রতিষ্ঠান দুইটির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। রাজধানীর একটি হোটেলে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে একথা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাখাওয়াত হোসেন, ১০টি জাহাজের নির্মাণ ব্যয় হবে ৪৮০ কোটি টাকা (৬১ দশমিক ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। অর্থের পরিমাণ বিবেচনায় এই চুক্তি সই দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড এই সিরিজের প্রথম দুটি জাহাজ নির্মাণের আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে। চুক্তি অনুযায়ী ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড ভারতীয় প্রতিষ্ঠান জিন্দাল স্টিল ওয়ার্কস লিমিটেডকে ১০টি ৮০০০ডিডাব্লিউটি মিনি বাল্ক কেরিয়ার সরবরাহ করবে। প্রথম পর্যায়ে ৬টি জাহাজ নির্মাণ করে ১৮ থেকে ২১ মাসের মধ্যে ভ‍ারতের জিন্দালের কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রথম পর্বের জাহাজ নির্মাণ ও হস্তান্তরের অবস্থা দেখে দ্বিতীয় পর্যায়ের আরো ৪টি জাহাজ নির্মাণ করা হবে বলে জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার, কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. সায়ফুল ইসলাম ও প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা। সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জাহাজগুলো ভারতীয় শিপিং রেজিস্টার (আইআরএস) ক্লাসের তত্ত্বাবধানে নির্মিত হবে। এগুলো আরএসভি-৪ (রিভার সি-৪) নীতিমালা অনুসরণ করে নির্মাণ করা হবে। যা ভারতীয় সমুদ্র পরিবহণ অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় নৌযান চলাচলে প্রধান পালনীয় বিধি। জাহাজগুলো জিন্দাল গ্রুপের পাওয়ার প্লান্ট ও কারখানায় লৌহ ও আকরিক, কয়লা ও উৎপাদিত পণ্য স্টিল কয়েল পরিবহণ করবে। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, প্রথমবারের মতো আমরা ভারতের জন্য জাহাজ তৈরি করছি। জাহাজ নির্মাণ করতে প্রায় ২৫ হাজার টন স্টিল ও আনুমানিক ৭৫ লাখ শ্রম ঘণ্টা সময় লাগবে। ওয়েস্টার্ন মেরিন বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড, কেনিয়াম, উগান্ডার জন্য জাহাজ নির্মাণ করেছে।
  • সিটি ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : সিটি ব্যাংক লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। শনিবার অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ব্যাংকটির কর্তৃপক্ষ জানায়, শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা কর‍া হয়েছে। আলোচিত বছরে ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৬৫ পয়সা। বছর শেষে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৭ টাকা।  রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১০ মে।
  • তসরিফার আইপিও লটারি বুধবার
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যম আবেদন শেষে তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লটারি ড্র ২৯শে এপ্রিল, বুধবার অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সকাল ১০টায় শুরু হবে। পোস্ট ইস্যু ম্যানেজার সূত্রে জানা গেছে, এর আগে ২৮শে এপ্রিল, মঙ্গলবার লটারীর ড্র হওয়ার কথা ছিল। তবে রাজধানীর দুটিতে সিটি নিবার্চন হওয়ার কারণে স্থগিত করা হয়। পরে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনায় ২৯শে এপ্রিল, বৃধবার অনুষ্ঠিত হবে। পেছনের খবর : তসরিফার আইপিও লটারী এপ্রিলের শেষে
  • ব্যাংক এশিয়ার লভ্যাংশ বিওতে
    স্টাফ রিপোর্টার : ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের লভ্যাংশের বোনাস শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিল বুধবার এ ব্যাংকের লভ্যাংশের শেয়ার বিও (বেনিফিশীয়ারি ওনার্স) হিসাবে জমা হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি ব্যাংক এশিয়া শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ বোনাস এবং ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ রয়েছে। ব্যাংক এশিয়া বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) গত ৩১ মার্চ সম্পন্ন করেছে।
  • ৯ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৯টি কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ন্যাশনাল টি, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, ইবনে সিনা, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, বিএসসি এবং ম্যারিকো বাংলাদেশ। ন্যাশনাল টি : খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি ন্যাশনাল টি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম : প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ বোনাস ঘোষণা করেছে। পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স : পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য  ৩০  শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ২৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স : বিমা খাতের কোম্পানি প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য  ১২  শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ইবনে সিনা : ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ইবনে সিনা শেয়ারহোল্ডারদের জন্য  ৩৫  শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ নগদ ও ৫ লভ্যাংশ বোনাস লভ্যাংশ। অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স : বিমা খাতের কোম্পানি অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য  ১০  শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। মার্কেন্টাইল ব্যাংক : মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বিএসসি : বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল (বিএসসি) শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ম্যারিকো বাংলাদেশ : ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫০ শতাংশ নগদ চূড়ান্ত লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর আগে কোম্পানিটি ৩৭৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। চূড়ান্ত লভ্যাংশের ফলে মোট লভ্যাংশ দাঁড়িয়েছে ৪২৫ শতাংশ।
  • অক্টোবরে পদ্মা সেতুর মূল অবকাঠামো নির্মাণ শুরু
    ডেস্ক রিপোর্ট : পদ্মা সেতুর মূল অবকাঠামো নির্মাণ কাজ আগামী অক্টোবর মাসে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আসন্ন বর্ষা ও ঈদ উপলক্ষে সড়ক সংস্কারে গঠিত মনিটরিং টিমগুলোর কার্যক্রমের অগ্রগতি ও দফতর প্রধানদের সঙ্গে সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। মন্ত্রী জানান, সেতুর পাইলিংয়ের জন্য প্রায় আড়াই হাজার টন ওজনের হ্যামার তৈরির কাজ ইতোমধ্যে জার্মানিতে শেষ হয়েছে। ১৫ মে তা মংলা বন্দরে এসে পৌঁছাবে। পদ্মা সেতুর টেস্ট পাইলিংয়ের কাজ চলছে। মূল নদী শাসন কাজের ড্রেজারসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি চলে এসেছে। ব্লক তৈরির প্লান্ট স্থাপন করা হয়েছে। পরীক্ষামূলক ব্লক তৈরির কাজও চলছে। প্রকৌশলীসহ নদী শাসন কাজের টেকনিক্যাল টিম জাজিরা প্রান্তে অবস্থান করছে। অ্যাপ্রোচ সড়কের জাজিরা প্রান্তে অগ্রগতি ৪১ শতাংশ এবং মাওয়া প্রান্তে ৪৩ শতাংশ শেষ হয়েছে। সার্ভিস এরিয়া-১ এবং ৩ এর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, সার্ভিস এরিয়া-২ এর কাজ শেষ হয়েছে ৩২ শতাংশ। পদ্মাসেতু ছাড়াও চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেন সেতুমন্ত্রী। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৯২ কিলোমিটারের মধ্যে ১২৮ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ সম্পন্ন হয়েছে। ১৪টি বাইপাসের ৩২ কিলোমিটারের মধ্যে ২৪ কিলোমিটারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ২৩টি সেতুর মধ্যে ২০টি সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। ২৩৬টি কালভার্টের শতভাগ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, চলতি বছরই এসব প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এয়ারপোর্ট থেকে গাজীপুর পর্যন্ত বাস ৠাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) গাজীপুরে বাস ডিপো নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি আরও জানান, আগামী ১১ মে দরপত্র খোলা হবে। বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। এয়ারপোর্ট থেকে ঝিলমিল পর্যন্ত বিআরটি রুটের চূড়ান্ত নকশা প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে এর কাজ শুরু হবে। জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প আগামী জুন মাসের মধ্যে শেষ হবে বলে জানান মন্ত্রী।  তিনি বলেন, দ্বিতীয় কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী সেতু নির্মাণের বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ শেষে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ২৭ মে দরপত্র গ্রহণের শেষ দিন। নভেম্বরে সেতু তিনটির নির্মাণকাজ শুরু হবে। মহাসড়ক ও জেলা সড়কে ফাটল ও বড় বড় গর্ত যেন না থাকে সে জন্য বর্ষার আগেই মেরামতের কঠোর নির্দেশ দেন মন্ত্রী। ‍নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে খালেদা জিয়ার ওপর হামলার সঙ্গে সরকারি দলের লোকজনের নাম আসছে- এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে কোনো জবাব দেননি ওবায়দুল কাদের। তবে তিনি বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে সব দায়-দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন যদি আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কিছু লক্ষ্য করে থাকে, তবে তারা তদন্ত করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলতে পারে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানে সরকার সব রকম সহায়তা দেবে। সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের (সওজ) প্রধান প্রকৌশলী ফিরোজ ইকবাল, মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন দফতর ও মনিটরিং টিমের প্রধানরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
  • বিএসআরএমের শেয়ার বিওতে জমা
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের (বিএসআরএম) আইপিওর শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে শেয়ার জমার কাজ সম্পন্ন হয়। সোমবার ডিএসই কোম্পানির লেনদেনের বিষয়টি চূড়ান্ত করবে বলে জানা গেছে। সিডিবিএল জানায়, শেয়ার জমার বিষয়টি ডিএসই কর্তৃপক্ষকে কোম্পানির পক্ষ থেকে চিঠির মাধমে জানানো হয়েছে। তবে এর আগে ১৫ এপ্রিল কোম্পানিটিকে ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদ তালিকাভুক্ত করার অনুমোদন দেয়। আইপিওতে এক হাজার ২৩২ কোটি ৩৮ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়ে। যা কোম্পানির চাহিদার তুলনায় ২০ দশমিক ১২ গুণ বেশি। কোম্পানি পুঁজিবাজারে ১ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার ছাড়ে ৬১ কোটি ২৫ লাখ টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকায় কোম্পানিটিকে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দেয় বিএসইসি। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিএসআরএমের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৬ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে  ৫২ টাকা ৯ পয়সা । কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে অ্যালায়েন্স ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড।
  • ৫টি দেশ নিয়ে নতুন স্টক এক্সচেঞ্জ গঠনের উদ্যোগ
    সিনিয়র রিপোর্টার : দক্ষিণ এশিয়ার ৫টি দেশ নিয়ে প্যান এশিয়া স্টক এক্সচেঞ্জ গঠনের কাজ চলছে। মূল উদ্যোক্তা চিন হলেও দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচটি দেশ নতুন স্টক এক্সচেঞ্জে অংশ নেবে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা গেছে। নতুন স্টক এক্সচেঞ্জ বৈঠক নিয়ে ব্রোকারস ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের আহবায়ক আল মারুফ খান বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংঙ্কা ও চীনকে নিয়ে স্টক এক্সচেঞ্জ গঠন করা হবে। এক্সচেঞ্জটি হবে একটি লিমিটেড কোম্পানির মতো। এখানে শেয়ার নেয়ার জন্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে আহবান করা হচ্ছে। চাইলে আমাদের দেশের স্টক এক্সচেঞ্জ দুটি শেয়ার নিতে পারবে। স্টক এক্সচেঞ্জ গঠনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ইন্টারন্যাশনাল লজিস্টিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্স অ্যাসোসিয়েশন (ইলফা)। এ বিষয়ে মতবিনিময় করেন সিএসই’র চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আবদুল মজিদ এবং ইন্টারন্যাশনাল লজিস্টিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এবং ব্রোকারস ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের আহবায়ক আল মারুফ খান। জানা গেছে, এ লক্ষ্যে আগামী ২৮ এপ্রিল ১০ সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল আসছে ঢাকায়। বর্তমানে প্রতিনিধি দলটি পাকিস্তানে অবস্থান করছে। দলটি শ্রীলংকা হয়ে বাংলাদেশে আসবে। মতবিনিময় সভায় প্রতিনিধি দলের আসন্ন বাংলাদেশ সফর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে প্রতিনিধি দলটি বিসিআইএম-ইসি (বাংলাদেশ, চীন, ভারত, মায়ানমার-ইকোনমিক করিডর) করার প্রস্তাবও দিবে। সিল্ক রোড অবকাঠামো নির্মাণে দেশীয় স্টক এক্সচেঞ্জগুলো কিভাবে অর্থায়নে সাহায্য করতে পারে, সে ব্যাপারে আলোচনা করতে আগ্রহী। সূত্র জানিয়েছে, ডিএসই ও সিএসই’তে ক্রস বর্ডার লিস্টিং ও ক্রস বর্ডার ট্রেডিং; চায়না কুনমিং লজিস্টিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্স (আইএলএফএ) ও সাউথ এশিয়া ফেডারেশন অব এক্সচেঞ্জ (সেফ) গঠনে সিএসই ও ডিএসই’র ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হবে। বিসিআইএম ইকোনমিক করিডর অবকাঠামো নির্মাণে সহযোগিতা ও তথ্য আদান প্রদান বিষয়ে আলোচনা করবে। এদিকে, ইকোনমিক করিডর বাস্তবায়নের জন্য প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে সাউথ এশিয়া এক্সপোতে কমিশনের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ নিয়ে কথা বলবে। এছাড়াও প্রতিনিধি দলটির বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল এ্যান্ড স্ট্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এর সাথেও দেখা করার কথা রয়েছে। এই সফরকে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে তারা বলেন, এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং এটা করা গেলে গোটা দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক অর্থনৈতি চিত্র পাল্টে যাবে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • এখনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি এক ডজন ক্রেতা প্রতিষ্ঠান
    সাভারের রানা প্লাজা দুর্ঘটনার দুই বছর হতে চলেছে। অথচ এখনো থামেনি ভয়াবহ সেই দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কান্না, আহতদের আর্তচিৎকার। এখনো পঙ্গুত্ববরণ করে ঘরে পড়ে আছে অনেক শ্রমিক, আবার অনেকে সেরে উঠলেও পায়নি চাকরি। অনাহারে দিন কাটছে এসব পরিবারের। রানা প্লাজা দুর্ঘটনা নিয়ে ব্রিটেনের ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকার এক প্রতিবেদনে শ্রমিকদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে বলা হয়, অভিশপ্ত ওই ভবনের কারখানাগুলোতে যেসব বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পোশাক তৈরি হতো, তাদের মধ্যে প্রায় এক ডজন প্রতিষ্ঠান এখনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। রানা প্লাজা ভবনের সঙ্গে ৩২ বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক ছিল। যারা প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে ওই ভবনের কারখানাগুলো থেকে পোশাক সংগ্রহ করত। কিন্তু সেসব প্রতিষ্ঠানের এক-তৃতীয়াংশ এখনো সহায়তা দেয়নি। এমনকি অনেকেই ওই ভবনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টিও অস্বীকার করেছে।   আন্তর্জাতিক প্রচারকর্মীরা বলছে, প্রায় এক ডজন পোশাক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এক পয়সাও দেয়নি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় গঠিত রানা প্লাজা ট্রাস্ট তহবিলে। ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা সাড়া দেয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, যেসব প্রতিষ্ঠান এখনো সহায়তার অর্থ দেয়নি তাদের বেশির ভাগই ইউরোপ বা আমেরিকার। দ্বিতীয় বছর পূর্তিকে সামনে রেখে এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপ বাড়ছে। ঢাকার অদূরে আটতলা ওই ভবনটিতে ছিল একাধিক পোশাক কারখানা। ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনায় সেদিন এক হাজার এক শরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান। আহত হন দুই হাজারের বেশি। প্রাইমার্কসহ ওই ভবনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কয়েকটি দ্রুত আহত-নিহত ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দিলেও অনেকেই এখন পর্যন্ত দেয়নি। এদিকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা তহবিলে অর্থ প্রদানে চাপ সৃষ্টি করার জন্য লন্ডনে গ্রিন পার্টির জঁ ল্যামবার্ত কম্পানিগুলোর কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন সহায়তার অর্থ চেয়ে। তিনি দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সভাপতি। ল্যামবার্ত বলেন, ক্ষতিপূরণ তহবিলে এখনো এক-তৃতীয়াংশ অর্থ সংগৃহীত হয়নি। এতে অনেক শ্রমিকের কষ্ট লাঘব হবে না বরং বাড়বে। যদিও ইতিমধ্যে বেনেটন সহায়তার অর্থ দ্বিগুণ করে দিয়েছে। ইতালির এ পোশাক জায়ান্ট গত সপ্তাহে জানিয়েছে, তারা ১১ লাখ ডলার অনুদান দেবে। এর আগে রানা প্লাজা ট্রাস্ট তহবিল গঠনের আগে তারা পাঁচ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছিল। তার পরও মানবাধিকারকর্মীরা দাবি জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটির আকার ও সক্ষমতার বিচারে তাদের ৫০ লাখ ডলার সহায়তা দেওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তত্ত্বাবধানে গঠিত রানা প্লাজা তহবিলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় তিন কোটি ডলার। কিন্তু এখন পর্যন্ত তহবিলে জমা হয়েছে দুই কোটি ৩০ লাখ ডলার। ৭০ লাখ ডলার ঘাটতি থাকায় দুর্ঘটনার শিকার হাজারো মানুষ এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত সহায়তা থেকে বঞ্চিত। ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য পাঁচ হাজার মানুষ তাঁদের প্রত্যাশার ৭০ শতাংশ ক্ষতিপূরণ পাবেন। ট্রেড ইউনিয়ন অ্যাডভাইজরি কমিটির বিফ্রিংয়ে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলো হয় প্রয়োজনের তুলনায় অল্প সহায়তা দিয়েছে বা একেবারেই সহায়তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। লেবার বিহাইন্ড দ্য লেবেলের প্রচারণা পরিচালক ইলেনা কেলি বলেন, 'এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক যে, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার দুই বছর পার হয়ে গেলেও ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য আমাদের এখনো প্রচারণা চালাতে হচ্ছে। এমনকি অনেক ব্র্যান্ড এখন পর্যন্ত এক পয়সাও দেয়নি।' পিডাব্লিউটি জানিয়েছে, ভবন ধসের সময় তাদের কোনো কাজ সেখানে চলছিল না। যদিও এর আগে সেখানে কারখানায় তারা কাজ করিয়েছে।   Source : কালের কণ্ঠ
  • জাহাজ নির্মাণশিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ চেক ব্যবসায়ীদের
    দেশের জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুনরুৎপাদন শিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে চেক প্রজাতন্ত্রের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। তাঁরা এ দেশে জ্বালানি, ইস্পাত, অবকাঠামো, তেল-গ্যাস-কয়লা উত্তোলন, তেলজাত রাসায়নিক (পেট্রো-কেমিক্যাল), ইউরিয়া সার উৎপাদন শিল্পে বিশ্বমানের প্রযুক্তি সরবরাহের প্রস্তাবও দিয়েছেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত চেক রাষ্ট্রদূত মিলোস্লাভ স্টেসেকের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল গতকাল বুধবার শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সঙ্গে বৈঠক করে এ আগ্রহের কথা জানান। মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়।চেক রাষ্ট্রদূত বলেন, টানা ৬ শতাংশের বেশি ধারাবাহিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশকে বৈদেশিক বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ দেশে পরিণত করেছে।   Source : প্রথম আলো 
  • গ্রামীণফোনের ১৬০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন
    গ্রামীণফোন ২০১৪ সালের শেয়ারধারীদের জন্য শেয়ারপ্রতি ১৬ টাকা বা ১৬০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালে ৯৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ প্রদান করা হয়, আর বাকি ৬৫ শতাংশ লভ্যাংশ নগদে দেওয়া হবে। ঢাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত গ্রামীণফোনের ১৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়েছে। এতে কোম্পানির চেয়ারম্যান সিগভে ব্রেক্কে, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাজিব শেঠি, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা, কোম্পানি সচিব হোসেন সাদাত এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গ্রামীণফোন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর এটি হলো ষষ্ঠ এজিএম। কোম্পানিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।সভায় গ্রামীণফোনের চেয়ারম্যান প্রস্তাবিত স্পেকট্রাম বা তরঙ্গ নিলাম সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আসন্ন ১৮০০ মেগাহার্জ স্পেকট্রাম নিলাম প্রযুক্তি নিরপেক্ষ হবে এবং নিলাম নীতিমালার যে শর্ত গ্রামীণফোনের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করছে তা বাতিল করে আমাদের নিলামে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।’সিগভে ব্রেক্কে আরও জানান, সিম প্রতিস্থাপন-সংক্রান্ত কর সমস্যার সমাধান ও জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতি নবায়ন না হওয়া এবং প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা বজায় না থাকা এসব সমস্যার সমাধান না হলে গ্রামীণফোন তরঙ্গ নিলামে অংশ নেবে না। Source : প্রথম আলো 
  • সাইফ পাওয়ার টেক উদ্যোক্তার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
    নিজ কোম্পানির শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন সাইফ পাওয়ার টেকের উদ্যোক্তা তরফদার মো. রাহুল আমিন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল জানা গেছে, কোম্পানিটির এ উদ্যোক্তা আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ৯ লাখ বোনাস শেয়ার বিক্রি করবেন।এদিকে ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে ২ দশমিক ৮২ শতাংশ বা ২ টাকা ১০ পয়সা। দিনভর দর ৭৪ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৭৯ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৭৬ টাকা ৫০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সর্বশেষ দর ছিল ৭৮ টাকা ১০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ৭৪ টাকা ৪০ পয়সা। এদিন ৩ হাজার ২৭৪ বারে এ কোম্পানির মোট ২৯ লাখ ১৩ হাজার ৭৬৩টি শেয়ার লেনদেন হয়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ৬২ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৭৮ টাকা ১০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ৬০ টাকা ৮০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৯৬ টাকা ৬০ পয়সা।২০১৪ সালে ২৭ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয় এ কোম্পানি। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ২ টাকা ৫৪ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • ঢাকা ব্যাংকের সার্ভিলেন্স রেটিং ‘ডাবল এ মাইনাস’
    দীর্ঘমেয়াদে ঢাকা ব্যাংকের সার্ভিলেন্স রেটিং ‘ডাবল এ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘ইসিআরএল-২’। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে আগেই জানা গেছে, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরে ১৪ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ব্যাংকিং খাতের এ তালিকাভুক্ত কোম্পানি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৬৯ পয়সা, শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ২২ টাকা ৮২ পয়সা। আগামী ১৩ মে রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে এ ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।রেকর্ড ডেট-পরবর্তী দর সমন্বয়ের কারণে ডিএসইতে গতকাল ঢাকা ব্যাংক শেয়ারের দর কমে ১৮ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বা ৩ টাকা ৫০ পয়সা। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৫ টাকা ৯০ পয়সায়।   Source : বনিক বার্তা
  • টানা ২ দিন দরবৃদ্ধির শীর্ষে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দরবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল টেলিযোগাযোগ খাতের সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। মঙ্গলবার ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ বৃদ্ধির পর গতকালও এর দর ১০ শতাংশ বাড়ে। এখন পর্যন্ত এ উল্লম্ফনের নেপথ্যে কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের খবর দেয়নি কোম্পানিটি। বাজারসংশ্লিষ্টরা অবশ্য মনে করছেন, অব্যবহূত ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ ভারতে রফতানির সরকারি সিদ্ধান্ত এ কোম্পানির আয় নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আশাবাদ বাড়িয়েছে।মঙ্গলবার ডিএসইতে বিএসসিসিএল শেয়ারের দর বাড়ে ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ বা ১১ টাকা ২০ পয়সা। এর পর গতকাল এ দর আরো ১০ শতাংশ বেড়ে ১৩৬ টাকা ৪০ পয়সায় উন্নীত হয়। সারা দিন দরবৃদ্ধির অনুমোদিত সীমার সর্বোচ্চ ১৩৬ টাকা ৪০ পয়সাতেই সব শেয়ার কেনাবেচা হয়। এদিন ৪৯৯ বারে এ কোম্পানির ২ লাখ ৬৬ হাজার ১০৬টি শেয়ারের লেনদেন হয়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত এক মাসে এ শেয়ারের সর্বনিম্ন দর ছিল ১০৯ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৩৬ টাকা ৪০ পয়সা। ছয় মাসে সর্বনিম্ন দর ৯১ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৪৫ টাকা।সর্বশেষ প্রকাশিত অর্ধবার্ষিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএসসিসিএলের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৭২ লাখ ২০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩৮ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে তা ছিল যথাক্রমে ২৪ কোটি ৬২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ১ টাকা ৬৪ পয়সা।অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে (দ্বিতীয় প্রান্তিক) কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১৪ পয়সা, যা এর আগের হিসাব বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১০ কোটি ৪০ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ৬৯ পয়সা।কোম্পানিটি ২০১৩-১৪ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সে হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ২ টাকা ৪২ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য (এনএভি) ২৭ টাকা ৫ পয়সা। ২০১৩ সালে ২০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় এ কোম্পানি। সে সময় ইপিএস ছিল ৬ টাকা ৬৯ পয়সা ও এনএভি ৩০ টাকা ৩৩ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • সিডিবিএলের মাধ্যমে বিওর আয়কর হিসাবের প্রস্তাব
    স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য ব্রোকারেজ হাউজগুলোর সংগঠন স্টক ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাজেট-পূর্ববর্তী প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে বিও হিসাবের আয়কর ব্রোকারেজ হাউজের পরিবর্তে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে হিসাব-নিকাশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।সংগঠনটির মতে, বিও হিসাব থাকে ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্টদের (ডিপি) অধীনে। অন্যদিকে ডিপি থাকে সিডিবিএলের অধীনে। এ কারণে বিও হিসাবের প্রক্রিয়াগত ব্যবস্থাপনা মূলত সিডিবিএলের কাছে, ব্রোকারেজ হাউজের কাছে নয়। স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেকহোল্ডারা শুধু বিও হিসাবে থাকা শেয়ার কেনাবেচা করে। তারা পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনাও করে না। এজন্য বিও হিসাবের শেয়ারের লাভ-লোকসান ব্রোকারেজ হাউজের পক্ষে হিসাব করা সম্ভব নয়।‘যৌক্তিক কারণেই’ সিডিবিএলের মাধ্যমে বিওর লাভ-লোকসান হিসাব করা ও বিনিয়োগকারীদের প্রদেয় আয়কর নিরূপণের দাবি সংগঠনটির। কারণ এ-সংক্রান্ত সব তথ্য সিডিবিএল সংরক্ষণ করে। ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আহসানুল হক টিটু বণিক বার্তাকে বলেন, ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে একটি বাজেট প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। সম্প্রতি গঠিত বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল মার্কেট ফোরামভুক্ত অন্যান্য সংগঠন থেকেও একই ধরনের প্রস্তাবনা তৈরি করা হচ্ছে। পরবর্তীতে সব সংগঠনের মতামত একত্র করে একটি অভিন্ন প্রস্তাব পাঠানো হবে।সংগঠনটির বাজেট প্রস্তাবনায় ব্রোকারেজ হাউজের কর হার দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক শূন্য ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ডিলার হিসাবের ১০ শতাংশ কর থেকেও অব্যাহতি চাওয়া হয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির মধ্যে কর হারের ব্যবধান ন্যূনতম ১০ শতাংশ করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি। লভ্যাংশ আয়কে দ্বৈত কর থেকে শতভাগ অব্যাহতি দেয়ার দীর্ঘদিনের দাবিও এবারের প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত থাকছে।এদিকে স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পর এখন প্রায় ৬০ শতাংশ শেয়ার বিভিন্ন ব্লকড হিসাবে রয়েছে, যা যখন তখন বিক্রয়যোগ্য নয়। সেসব শেয়ারের ওপর কোনো মূলধনি করারোপ না করার জন্য দাবি জানিয়েছে ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন। অন্যদিকে তালিকাভুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের কর অবকাশ সুবিধা অব্যাহত রাখতেও সুপারিশ করা হয়েছে।   Source : বনিক বার্তা
  • বড় লেনদেনে কমিশন কমাচ্ছে সিএসই
    ব্লক মার্কেটের শেয়ার লেনদেনে কমিশন চার্জ কমিয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। একদিনে ৫০ লাখ টাকা বা এর বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রতি হাজার টাকা লেনদেনে লাগা চার্জ বা কমিশন ফি ৬ পয়সায় নামিয়ে আনা হয়েছে। আগামী ২ মে থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। বর্তমানে ব্লক মার্কেটে ৫০ লাখ টাকা বা এর বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রতি হাজারে ১২ দশমিক ৫ পয়সা হারে কমিশন নেয়া হয়। জানা গেছে, বড় বিনিয়োগকারীদের লেনদেনে আগ্রহী করতে স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে কমিশন চার্জ কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এদিকে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় শেয়ার কেনাবেচায় লটবিহীন পদ্ধতি প্রচলনের পর সিএসই কর্তৃপক্ষ হাওলা চার্জ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। অবশ্য পরে তা পুনর্বহালও করলেও কমিয়ে দেয়া হয়েছে লাগা চার্জ। সিএসইতে বর্তমানে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের ক্ষেত্রে শতকরা ১ দশমিক ৮ পয়সা, ৫ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের ক্ষেত্রে ১ দশমিক ৫ পয়সা ও ১০ কোটি টাকার বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে শতকরা ১ দশমিক ৩ পয়সা হারে লাগা চার্জ দিতে হয়।   Source : ইত্তেফাক
  • ডিএসইতে সূচক কমলেওলেনদেন ৫২৫ কোটি টাকা
    পুঁজিবাজারে সূচকের পতন থামছেই না। গতকাল বুধবার টানা তৃতীয় দিনের মতো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক কমেছে। তবে সূচক কমলেও লেনদেন হয়েছে ৫২৫ কোটি টাকা। আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাজারের সূচক কমতে কমতে ১৬ মাস আগের অবস্থানে চলে এসেছে। অনেক কোম্পানির শেয়ারদর তলানিতে নেমে এসেছে। তবে গতকালও লেনদেন বেড়েছে। গতকাল ডিএসইর লেনদেন বেড়েছে ১৪ শতাংশ। লেনদেন বাড়ার ক্ষেত্রে বড় অবদান রেখেছে শাশা ডেনিমস ও সাইফ পাওয়ার টেকনোলজি। কোম্পানি দুটির লেনদেন আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১৪৬ শতাংশ বেড়েছে। লেনদেন বাড়ার সাথে সাথে কোম্পানি দুটির শেয়ারদরও বেড়েছে। খাত ভিত্তিক লেনদেন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গতকাল লেনদেনের শীর্ষে ছিল জ্বালানি খাত। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ১৬৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ৩২ শতাংশ।তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৩০ পয়েন্ট কমেছে। ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬২১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫২৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৫২৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩০৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৩টির, কমেছে ১৯২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৩৫ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪২ কোটি ৫ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ৫ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৩৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ১৪৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারের।   Source : ইত্তেফাক
  • সঙ্কটের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি
    বিশ্ব অর্থনীতিতে সঙ্কট যেন কাটছেই না। প্রতিনিয়ত সঙ্কটের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতির নতুন সঙ্কট হচ্ছে সরকারী প্রতিটি সংস্থা, ব্যাংক কুঋণের ভারে জর্জরিত। বিগত পাঁচ বছরের তুলনায় ব্যাংক কুঋণের হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক সঙ্কট যদি না কাটে অথবা হ্রাস না পায় তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলো। সারাবিশ্বে রফতানি আয় কমে যাবে। চীনে সরকারের ব্যাংক ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সে দেশের রফতানি আয় কমেছে, শুধু তাই নয়, দেশটির প্রবৃদ্ধি বিগত ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঠেকেছে। বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান যে ক্রান্তিকাল তা যদি আগামী ৫ বছর অব্যাহত থাকে তাহলে বহু আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে। এর অর্থ একটাই, বহু লোক বেকার হয়ে পড়বে।বিশ্ব অর্থনীতির চালিকাশক্তি হচ্ছে পুঁজিবাজার। বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করে বিশ্ব অর্থনীতি। কিন্তু কোন অবস্থাতেই যেন বাজারে গতিশীলতা আসছে না। দু’দিন ভাল থাকলে তিনদিন নিম্নমুখী। বিনিয়োগকারীরা সঙ্কটে ভুগছে। সারাবিশ্বের অর্থনীতিতে কোন সুসংবাদ নেই। গ্রীসের ব্যাংক কুঋণের পরিমাণ বেড়েই চলেছে, একই সঙ্গে বিশ্ববাণিজ্যে মন্থর গতি সারা পৃথিবীর মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থা মনে করছে ২০০৮ সালের মতো আবারও মন্দা হতে পারে। সেটা কি পরিমাণ হবে তা এখনই হিসাব-নিকাশ করে বলা সম্ভব নয়।বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবির) মতে, প্রতিটি দেশের সরকার উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যাংকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থঋণ করছে, কিন্তু উন্নয়ন হচ্ছে ধীরগতিতে। ঋণের পরিমাণ বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বাধিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঋণের পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি। এর পেছনে মৌলিক কারণ হচ্ছে বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে, সেসব খরচ মেটাতে গিয়ে তাকে ব্যাংক ঋণ করতে হচ্ছে। উপরন্তু অপরিশোধিত তেলের মূল্য কমে যাওয়ায় রফতানি বাণিজ্যে প্রবলাকারে ধস নেমেছে, যা বিগত পাঁচ বছরে এটাই বড় ধরনের পতন। ব্যাংক কুঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। অপরিশোধিত তেলের বাজার স্থিতিশীল না হলে বিশ্ব অর্থনীতির পরাশক্তির দেশগুলোর অবস্থা ভাল হওয়ার কোন আশাই নেই।অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সুসংবাদ, কিন্তু এটাও সম্পূর্ণ সত্য নয়, তেলের মূল্য যদি স্বাভাবিক পর্যায়ে না আসে, তাহলে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যয় হ্রাস করবে, কর্মী ছাঁটাই করবে, ব্যাংক ঋণ মেটাতে সুদ মওকুফ করতে বলবে অথবা হ্রাস করতে বলবে। তেলের মূল্য পতনের এ ক্ষতি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতেই নয়, সারাবিশ্বে এর প্রভাব পড়েছে। তেলের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় যে ক্ষতি হয়েছে তার সংক্ষিপ্ত চিত্র দেয়া যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রেই শিল্প উৎপাদন শতকরা শূন্য দশমিক ৩০ ভাগ হ্রাস পেয়েছে।   Source : জনকণ্ঠ
  • সাবমেরিন কেবলের বিক্রেতা উধাও
    ব্যান্ডউইথ রফতানির খবরে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) মঙ্গলবার লেনদেনের আধা ঘণ্টার মধ্যে বিক্রেতা উধাও হয়ে গেছে। এতে শেয়ারটি হল্টেড হয়ে মূল্য স্পর্শ করছে সার্কিট ব্রেকারে।প্রসঙ্গত, সোমবার ভারতে ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইথ রফতানির অনুমোদন পেয়েছে বিএসসিসিএল। চুক্তি অনুসারে প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ গিগাবাইট (জিবি) ব্যান্ডউইথ রফতানি করা হবে। তবে রফতানির পরিমাণ ৪০ জিবি পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ থাকবে। আর এমন খবরেই মঙ্গলবার শেয়ারটির দরে প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ লেনদেনের আধা ঘণ্টায় বিএসসিসিএলের দর বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। সামনে এই শেয়ারের দর আরও বাড়ার আশায় বিনিয়োগকারীরা এখনই শেয়ার বিক্রি করছেন না।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিনশেষেও ডিএসইর স্ক্রিনে সর্বশেষ ৮ লাখ ৫০ হাজার ৩৭২টি শেয়ার কেনার প্রস্তাব দেখাচ্ছিল। কিন্তু বিক্রেতার ঘরে কোন শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব ছিল না। হল্ডেট হওয়ার আগে সর্বশেষ লেনদেনটি হয় ১২৪ টাকা পয়সায়। মঙ্গলবার এই শেয়ারের সমাপনী দর ছিল ১১২ টাকা ৮০ পয়সা। দিনটিতে মোট ৩ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। পুরো দিনে সেখানে মোট ২ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৮টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে।ব্যাংক খাতের ৬৭ ভাগ কোম্পানির দরপতনঅর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার ব্যাংক খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দরপতন হয়েছে। এদিন এ খাতে ৬৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর পতন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতের ৩০টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৫টি কোম্পানির দর বেড়েছে, ২০টির দর কমেছে, ৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে এবং লেনদেন হয়নি ১টির। মঙ্গলবার ব্যাংক খাতে দরপতনের শীর্ষে রয়েছে এবি ব্যাংক। শেয়ারটির দর ৮০ পয়সা বা ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমেছে। এদিন শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় ২০ টাকা ৫০ পয়সা দরে। কোম্পানির ৯ লাখ ২০ হাজার ১৫টি শেয়ার ৪৬১ বার লেনদেন হয়। রূপালী ব্যাংক ৬০ পয়সা বা ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ দর কমে ব্যাংক খাতে দরপতনের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এদিন শেয়ারটি সর্বশেষ ৪১ টাকা ১০ পয়সা দরে লেনদেন হয়। কোম্পানির ১ হাজার শেয়ার ৩ বারে লেনদেন হয়। সিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক এবং প্রাইম ব্যাংক প্রত্যেকে ব্যাংক খাতে দরপতনের তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এদিন শেয়ারটির দর কমেছে ৫০ পয়সা করে।   Source : জনকণ্ঠ
  • ব্যাংক খাতে ৬৭% কোম্পানির দরপতন
      ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল ব্যাংক খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারে দরপতন হয়েছে। এদিন এ খাতে ৬৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর পতন হয়েছে। ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতের ৩০টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৫টি কোম্পানির দর বেড়েছে, ২০টির দর কমেছে, ৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে এবং লেনদেন হয়নি ১টির। ব্যাংক খাতে দরপতনের শীর্ষে রয়েছে এবি ব্যাংক। শেয়ারটির দর ৮০ পয়সা বা ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমেছে। এদিন শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় ২০ টাকা ৫০ পয়সা দরে। কোম্পানির ৯ লাখ ২০ হাজার ১৫টি শেয়ার ৪৬১ বার লেনদেন হয়। রূপালী ব্যাংক ৬০ পয়সা বা ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ দর কমে ব্যাংক খাতে দরপতনের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এদিন শেয়ারটি সর্বশেষ ৪১ টাকা ১০ পয়সা দরে লেনদেন হয়। কোম্পানির ১ হাজার শেয়ার ৩ বারে লেনদেন হয়। Source : সংবাদ  
  • আজ তিন কোম্পানির রেকর্ড ডেট
    রেকর্ড ডেটের কারণে আজ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিন সাধারণ বীমা কোম্পানি সিটি জেনারেল, নর্দার্ন ও মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এ কোম্পানি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৯ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৬ টাকা ১০ পয়সা। আগামী ১৫ জুন রাজধানীর বিসিআইসি অডিটোরিয়ামে এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের সর্বশেষ দর ৬ দশমিক ৭২ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ১২ টাকা ৫০ পয়সায়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ১২ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৪ টাকা ৮০ পয়সা। ছয় মাসে সর্বনিম্ন দর ১২ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২১ টাকা ২০ পয়সা।নর্দার্ন ইন্স্যুরেন্স: ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি এনএভি ২০ টাকা ৭০ পয়সা। ১৩ জুন রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে এর এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর ১৭ টাকা ৬০ পয়সায় অপরিবর্তিত ছিল।মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স: ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর ইপিএস হয়ছে ১ টাকা ৫১ পয়সা, শেয়ারপ্রতি এনএভি ১৬ টাকা ১৫ পয়সা। ৯ জুন রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে এর এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর ১ দশমিক ৫২ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ১৩ টাকায়।   Source : বনিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • PHOENIXFIN

    (Correction News): Please disregard the news under the trading code PHENIXFIN regarding the Board meeting schedule under LR30, disseminated mistakenly today (23.04.15). The said Board Meeting schedule is for Phoenix Insurance Company Ltd. (PHENIXINS) instead of Phoenix Finance and Investments Ltd. (PHOENIXFIN).

  • PHENIXINS

    As per Regulation 30 of DSE Listing Regulations, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on April 27, 2015 at 5:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2014.

  • AAL

    A N W Securities Ltd. (DSE TREC No. 240) has been issued Stock-Dealer Registration Certificate No. REG.-3.1/DSE-240/2014/523 dated March 06, 2014 vide BSEC letter no. BSEC/Reg-107/ DSE-240/2014/29 dated March 06, 2014. The six digits ID of ANW Securities Ltd. (DSE TREC No. 240) is DLRAAL (numerically: 200240).

  • AGRANINS

    Trading of the shares of the Company will be allowed only in the Spot Market and Block/Odd lot transactions will also be settled as per Spot settlement cycle with cum benefit from 26.04.2015 to 27.04.2015. Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 29.04.2015.

  • SOUTHEASTB

    Begum Rahima Khatun Ahad, one of the Sponsors of the Company, has further reported that she has completed her sale of 6,19,147 shares of the Company while Azim Uddin Ahmed, Yussuf Abdullah Harun and M. A. Kashem, all are Sponsors/Directors of the Company, have completed their buy of 1,25,000 shares, 3,69,147 shares and 1,25,000 shares respectively at prevailing market through Stock Exchange as announced earlier.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
BXSYNTH 10.10 9.20 0.90 9.78
DULAMIACOT 7.90 7.20 0.70 9.72
GEMINISEA 207.30 189.80 17.50 9.22
PREMIERLEA 8.40 7.70 0.70 9.09
ILFSL 12.80 12.00 0.80 6.67
RECKITTBEN 1387.50 1305.90 81.60 6.25
CITYBANK 17.50 16.70 0.80 4.79
EASTRNLUB 379.00 362.40 16.60 4.58
UNIONCAP 13.80 13.20 0.60 4.55
SPCERAMICS 11.60 11.10 0.50 4.50

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297