Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SAPORTL 52.7 41.6 11.10 26.68
EBLNRBMF 6.3 5 1.30 26.00
POPULARLIF 183.4 148.3 35.10 23.67
PLFSL 26 21.2 4.80 22.64
BANKASIA 22.2 18.3 3.90 21.31
RAKCERAMIC 66.4 56.1 10.30 18.36
NHFIL 33.3 28.2 5.10 18.09
IDLC 74.9 64.8 10.10 15.59
DELTALIFE 188.3 164 24.30 14.82
FUWANGFOOD 26.3 23.3 3.00 12.88

Contest SB2014_Sep

1st
blank_person
FERDOUSFIN
2nd
blank_person
MDSHOAIB
3rd
blank_person
RAYHAN_HOT
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BATBC 2798 2692.4 11.64378 19150.00
TITASGAS 88.6 85.6 5.45373 5277500.00
ICB 1423.25 1386.75 2.82980 12600.00
OLYMPIC 246.7 235.3 2.46250 1311500.00
BANKASIA 22.2 20.5 2.38369 880000.00
Negative impact
GP 381.9 392.2 -25.55914 1966600.00
SQURPHARMA 260.6 264.6 -4.07458 1015360.00
BSCCL 147.3 152.8 -1.51525 385900.00
BEXIMCO 44.9 45.8 -0.99405 6057400.00
MPETROLEUM 271.8 277.1 -0.95819 296600.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
GP 381.9 394 378.3 -2.63% 752.01
TITASGAS 88.6 88.9 86.4 3.50% 465.95
MJLBD 151.8 153.9 143 1.00% 419.65
JAMUNAOIL 254.2 257 248.5 1.36% 361.20
OLYMPIC 246.7 248 236.3 4.84% 318.85
GOLDENSON 53.1 56.3 52.8 -0.56% 280.96
BEXIMCO 44.9 47.2 44.6 -1.97% 276.68
SQURPHARMA 260.6 264.9 255.2 -1.51% 263.11
BXPHARMA 69.9 73.1 69.7 -1.13% 256.48
DELTALIFE 188.3 193.2 183 3.12% 224.83

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 30 Sep 2014

150588
TOTAL TRADE
158.3165
TOTAL VOLUME(Mn)
8797.68
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ফারইস্ট লাইফের প্রথম প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ
    ডেস্ক রিপোর্ট : প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স। ২০১৪ সালের ৩১ মার্চ শেষ হওয়া প্রথম প্রান্তিকের (জানু ’১৪-মার্চ ’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্সের জীবনবীমা তহবিল বেড়েছে ২৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে কোম্পানিটির মোট জীবনবীমা তহবিল দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৪৮ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এ কোম্পানির জীবনবীমা তহবিল ছিল ৩৭ কোটি ৭৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। ওই সময়ে জীবনবীমা তহবিল ছিল ২ হাজার ১১৮ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
  • জিএসএল এক্সপোর্ট বুধবার থেকে উৎপাদনমুখী
    স্টাফ রিপোর্টার : পরীক্ষামূলক উৎপাদন কর্মকাণ্ড শেষ হওয়ায় আনুষ্ঠানিক উৎপাদন শুরু করতে যাচ্ছে গোল্ডেন সনের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান জিএসএল এক্সপোর্ট লিমিটেড। আগামী ১ অক্টোবর, বুধবার থেকে কোম্পানিটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জিএসএল এক্সপোর্ট লিমিটেড শতভাগ রফতানিমুখী প্রতিষ্ঠান। প্রাথমিকভাগে কোম্পানিটি নরম ও মোলায়েম খেলনা প্রস্তুত করবে। যা আন্তর্জাতিক বাজারে রফাতানি করা হবে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন এ কোম্পানিতে ৭ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। পরবর্তী তিন বছরে বিনিয়োগের পরিমাণ ৪০ কোটিতে উন্নীত হবে বলে গোল্ডেন সনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রথম বছরে জিএসএলের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ কোটি টাকা। এতে করে কোম্পানিটি প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মূদ্রা আয় করবে। এজন্য গোল্ডেন সন ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে জিএসএলে ২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এছাড়া একই সময়ে জিএসএলের মূলধনী যন্ত্রপাতি এবং কারখানা ভবন নির্মানের জন্য ৬০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। মেশিনগুলো স্থাপনের পর ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জিএসএল বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে। এর ফলে কোম্পানির উৎপাদন ও বিক্রি ৫০ শতাংশ বাড়বে বলে গোল্ডেন সনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এর আগে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর জিএসএল এক্সপোর্ট লিমিটেড জার্মানীর ব্যবসায়ী স্টিফেন ক্রিস্টেনসনের সঙ্গে শতভাগ রফতানিমুখী খেলনা প্রস্তত করার জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। মোট বিনিয়োগের মধ্যে ক্রিস্টেনসন ৫০ শতাংশ, গোল্ডেন সন ৪০ শতাংশ এবং বেলাল আহমেদ নামের এক ব্যবসায়ী ১০ শতাংশ বিনিয়োগের বিষয়ে সম্মত হয়।
  • ঢাকা-কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জ সমঝোতা স্মারক সই
    ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার দুই দেশের স্টক এক্সেঞ্জের মধ্যে  নিয়মিত পুঁজিবাজার সম্পর্কিত জ্ঞান চর্চা বিনিময় নিয়ে স্মারক সই হয়। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এই সমঝোতা স্মারকে ডিএসইর পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা এবং কলকতা স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বি. মাধব রেড্ডি। এ সময় ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. স্বপন কুমার বালা বলেন, নিকটতম আন্তর্জাতিক স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জের শতাব্দী প্রাচীন অভিজ্ঞতা ও চর্চা আন্তঃবিনিময়ের মাধ্যমে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ উপকৃত হবে বলে প্রত্যাশা করছে। মূলত সহযোগিতার মাধ্যমে পারষ্পরিক সুবিধার স্বার্থে এই সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে, বিশেষ করে প্রশিক্ষণ এবং পারষ্পরিক সুবিধার ক্ষেত্রে। তিনি আরও বলেন, এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে ডিএসই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ সেন্টার অব এক্সিলেন্সি ইন ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটস এর সাথে কাজ করার সুযোগ তৈরী হয়েছে। যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ক্যাপিটাল মার্কেটের উন্নয়নের ক্ষেত্রে জ্ঞানলব্ধ রিসার্চ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশেষ ভুমিকা রাখবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মায়ানমার ইকোনমিক কানেকটিভিটি ফোরামের অংশ হিসেবে এই দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক লজিস্টিক অ্যান্ড ফিন্যান্স অ্যাসোসিয়েশন গঠন করা হয়েছে। এই অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম লক্ষ্য হলো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারকে একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বি মাধব রেড্ডি বলেন, যদিও উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ স্ব স্ব দেশের আইন দ্বারা পরিচালিত, কিন্তু উভয় দেশের অভিন্ন ইতিহাস এবং উদ্দেশ্য এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে আবারও একসঙ্গে নতুন সম্পর্কে আবদ্ধ করেছে। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবসা বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় এক্সচেঞ্জের জ্ঞান, তথ্য এবং পুঁজিবাজারের দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের ব্যাপারে উভয় পক্ষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবে। উভয় এক্সচেঞ্জের উন্নয়নের লক্ষে স্ব স্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমতি স্বাপেক্ষে এই সমঝোতা স্মারকের আওতা বৃদ্ধি করা যাবে বলে উভয় এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় অনারারী কন্সাল-রিপাবলিক অব পর্তুগাল রবি পোদ্দার, কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রাক্তন পরিচালক সুরেশ কুমার কৌশিক, মহাব্যবস্থাপক এম. এ. ভি. রাজু,  উপ-মহাব্যবস্থাপক ধিরাজ চক্রবর্তী, এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক, বোর্ড অ্যান্ড কর্পোরেট এ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের উপ-মহাব্যবস্থাপক  মোহাম্মদ আসাদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
  • ৯টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ বিওতে
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৯ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ঘোষিত লভ্যাংশ ইউনিটহোল্ডারদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে। ফান্ডগুলো হচ্ছে- পিএইচপি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওযান, পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইবিএল এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড, জনতা ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এক্সিম ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং ট্রাস্ট ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। ফান্ডগুলোর ট্রাস্টির বৈঠকে এর আগে গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ডে ১২.৫০%, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ৯%, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডে ১০%, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে ১০%, ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে ৭%, পিএইচপি মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ১০%, ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডে ১০%, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ১০%, পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে ১২% এবং এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ১২% লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য, ফান্ডগুলো রেস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট দ্বারা পরিচালিত।
  • এটলাস বাংলাদেশের মুনাফা নিয়ে শঙ্কা
    স্টাফ রিপোর্টার : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এটলাস বাংলাদেশের ২০১৩-১৪ হিসাব বছরে নেট মুনাফা কমেছে ৭৮ শতাংশ। বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি) সূত্রে পাওয়া তথ্য থেকে এমনই দেখা গেছে। তবে এখনো কোম্পানিটি নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে লভ্যাংশ ঘোষণা দেয়নি। এদিকে কোম্পানিটির মুনাফা সংকোচেনের কারণে ২০১৩-১৪ হিসাব বছরে লভ্যাংশের হার কমে আসতে পারে। যদিও কোম্পানিটির ৪৫২ কোটি ২৯ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত মুনাফা রয়েছে। এতে কোম্পানির লভ্যাংশের হার আগের বছরের মতো দিতে হলে রিজার্ভ ভাঙতে হবে। হিরো হোন্ডার সঙ্গে চুক্তি বাতিলের পর থেকে সংকটে রয়েছে এটলাস বাংলাদেশ। আর চীনা দুটি মোটরবাইক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও তা করতে ব্যর্থ হয়েছে এটলাস। এতে কোম্পানির ভবিষ্যৎ আয় আরো বড় অঙ্কে সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে কোম্পানির মোটরবাইক সংযোজন বন্ধ রয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে লোকসানে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানটি। বিএসইসির এক প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, ২০১৩-১৪ হিসাব বছরের অনিরীক্ষিত হিসাবে এটলাস বাংলাদেশের মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ২৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। সংশ্লিষ্ট বছরে কোম্পানিটির বিক্রির পরিমাণ ছিল ২০৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৪৪৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। হোন্ডার সঙ্গে চুক্তি বাতিলের পর কোম্পানির ভবিষ্যৎ ব্যবসা প্রসঙ্গে এটলাস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবুল কাশেম বলেন, ‘চীনা প্রতিষ্ঠান দুটির সঙ্গে চুক্তির চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বর্তমানে কোম্পানির মোটরবাইক সংযোজন বন্ধ রয়েছে, আগের স্টক বিক্রি থেকেই কোম্পানির আয় হচ্ছে। এর মাধ্যমে সর্বশেষ হিসাব বছর কিছুটা মুনাফা হয়েছে।’ হিরো হোন্ডার পর নতুন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আগের মতো বিক্রি ও আয় বাড়াতে পারবে কিনা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটলাস বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি ডিলার নেটওয়ার্ক। প্রতিষ্ঠানটির বেশির ভাগ পুরনো ডিলারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে। আর আন্তর্জাতিক মানের ভালো কোনো ব্র্যান্ডের সঙ্গেই এটলাস চুক্তিবদ্ধ হবে। নতুন প্রযুক্তি ও ডিজাইনের মোটরবাইক বাজারে ছাড়তে পারলে ভালো মুনাফায় ফেরা সম্ভব। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি চেষ্টাও রয়েছে। বিএসইসির তথ্যানুসারে, ২০০৮-০৯ হিসাব বছরে ২৯ কোটি ৭৫ লাখ, ২০০৯-১০ হিসাব বছরে ৩৮ কোটি ২৪ লাখ, ২০১০-১১ হিসাব বছরে ৩৯ কোটি ৬১ লাখ ও ২০১১-১২ হিসাব বছরে ৩৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা মুনাফা হয়েছে। অন্যদিকে ২০০৮-০৯ হিসাব বছরে বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪২৯ কোটি ৩ লাখ, ২০০৯-১০ হিসাব বছরে ৫০২ কোটি ৮ লাখ, ২০১০-১১ হিসাব বছরে ৫৮০ কোটি ৫৯ লাখ ও ২০১১-১২ হিসাব বছরে ৪৯১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দুই কার্যদিবস ধরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদরের বড় উত্থান দেখা গেছে। সোমবার ডিএসইতে এর দর বাড়ে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ বা ৮ টাকা ৩০ পয়সা। দিন শেষে দর ছিল ১৬৯ টাকা ৩০ পয়সা। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে হিরো হোন্ডার সঙ্গে চুক্তি বাতিল হয়েছে কোম্পানিটির। ২০১২ সাল পর্যন্ত পুরনো কিছু বাইক সংযোজন করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে সম্পূর্ণ কার্যক্রমহীন রয়েছে এ কোম্পানি। যদিও চীনের একাধিক কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে এটলাস কর্তৃপক্ষ। শেষ মুহূর্তে নানা জটিলতায় ভেস্তে যাচ্ছে। জানা গেছে, নানা আলোচনার পরে এ বছরের মার্চে চীনের জিয়ানসি মোটরবাইক কোম্পানির ব্র্যান্ড জিয়ানসি ও সিম মোটরসের সিম ব্র্যান্ডের যে কোনোটির সঙ্গে এটলাসের চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। সে কারণে কোম্পানি দুটি তাদের নমুনা বাইকও পাঠায়। সব পর্যবেক্ষণের পড়ে এ কোম্পানির ঊর্ধ্বতনরা জিয়ানসি ব্র্যান্ডের বাইক বাজারজাতকরণের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে গত মাসে সে চুক্তিও সম্ভব হয়নি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ ৪৬ বছর জাপানের হোন্ডা মোটরসাইকেল সংযোজন, উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল এটলাস। ২০১১ সালে জাপান হোন্ডা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল বন্ধ করে দেয়। হোন্ডার সঙ্গে ভারতের হিরো কোম্পানির ব্যবসা বন্ধ হওয়ার পর বাংলাদেশে হোন্ডা নিজেই সংযোজন কারখানা তৈরি করে। পরবর্তী সময়ে ভারতের হিরোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা ছিল এটলাসের। কিন্তু হঠাৎ ভারতের হিরো বাংলাদেশের নিটল মোটরসকে আমদানিকারক মনোনীত করে। ১৯৮৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এটলাসের ২৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের ২ কোটি ৩৭ লাখ ৩ হাজর ৭০২টি শেয়ার রয়েছে। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে ৫১ শতাংশ সরকার, ১১ দশমিক ৪৬ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ৩৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে।
  • ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মামলা দায়ের
    স্টাফ রিপোর্টার  : বেসরকারি বিমান কোম্পানি ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ মামলা করেছে ৭ যাত্রী। সোমবার ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ফজলে এলাহী ভুঁইয়ার আদালতে এ মামলা করেন যাত্রীরা। টিকিট কেটে গন্তব্যে যেতে না পেরে ব্যবসায়িক ক্ষতি হওয়ায় ইউনাইটেডের এমডি ও চেয়ারম্যানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ৭ যাত্রী। যেসব যাত্রীরা মামলা করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন- আবু বকর সিদ্দিক, রফিকুল ইসলাম, নাসরিন আক্তার, মকবুল হোসেন এবং সোহানুর রহমান। তবে অন্য দুজনের নাম জানা যায়নি। মামলায় বিবাদী করা হয়েছে ইউনাইটেড এয়ারের এমডি, চেয়ারম্যান, ব্যাবস্থাপক (প্রশাসন), ব্যাবস্থাপক (অপারেশন) এবং এয়ার স্টার ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে। তবে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। মামলায় বলা হয়েছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়িক কাজে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য গত ২১ সেপ্টেম্বর টিকিট কাটে ওই ৫ যাত্রী। কিন্তু ইউনাইটেডের ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় তারা সেখানে যেতে পারেনি। ফলে তাদের এ বিপুল পরিমাণ অর্থ ক্ষতি হয়েছে। মামলায় ৫০ হাজার টাকা কোর্ট ফি দাখিল করার সাপেক্ষে আদেশের দিনধার্য করবেন আদালত।
  • সাইফ পাওয়ারটেকের ১৩৯ শতাংশ দর বৃদ্ধি
    ডেস্ক রিপোর্ট : সোমবার লেনদেনের প্রথম দিনে ১৩৯ শতাংশ বা ৪১.৮ টাকা দর বেড়েছে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের। কোম্পানিটির ৪৫ লাখ ৬০ হাজার ৮০০টি শেয়ার ৩৩ কোটি ৫৯ লাখ ৩৩ হাজার ২০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে।লেনদেনে এসে প্রথম দিনে দর বাড়া অন্য সব কোম্পানির ন্যায় সাইফ পাওয়ারটেকেও একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। সাধারণত লেনদেনের প্রথম দিনে আইপিও বিজয়ীদের অধিকাংশ শেয়ার বিক্রয় হয়ে যায়। প্রথম দিনে শেয়ারটির প্রাথমিক দর ছিল ৩০ টাকা এবং দিনশেষে দর দাঁড়ায় ৭১.৪ টাকা। এ দিন ৬০.১ টাকা থেকে ৮০ টাকার মধ্যে এ শেয়ারের দর ওঠানামা করে। কোম্পানি শেয়ারবাজার থেকে মোট ৩৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করার অনুমোদন পায়। অভিহিত মূল্য ১০ টাকার সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৩০ টাকা ও মার্কেট লট ২০০ শেয়ারে। কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ দিয়ে নতুন ব্যাটারি প্রকল্পে ৩৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ও আইপিও খাতে ১ কোটি ৩১ কোটি টাকা খরচ করার জন্য পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করে।
  • একই অবস্থানে বাজার - স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন
    মোঃ আশফাতুল আলমঃ আজ  মঙ্গলবার স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসইএক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে থেকেই ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতা দেখা যায় এবং দিনভর ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতাই লক্ষ্য করা যায় এবং দিনশেষে পুনরায় ক্রয়চাপ বৃদ্ধির ফলে ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতাই লেনদেন শেষ হয়ে সূচক ২৩.৮৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। ডি.এস.ই এক্স ইনডেক্সে আজ স্পিনিং টপ ক্যান্ডেলস্টিক লক্ষ্য করা স্পিনিং টপ ক্যান্ডেলস্টিক  দ্বারা সাধারণত বাজারের সিদ্ধান্তহীনতা প্রকাশ পেয়ে থাকে। সাধারণত এমন ক্যান্ডেলস্টিক আর পর মার্কেট যে কোন দিকে যেতে পারে।   পূর্বের আশা অনুযায়ী ডিএসইএক্স ইনডেক্স রেজিটেন্স লাইন ব্রেকআউট করে স্ট্রংআপ ট্রেন্ড নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।ডেইলি আনালিসিস অনুযায়ী ক্যান্ডেলস্টিক স্ট্রং বুলিশ এবং সাপ্তাহিক আনালিসিসে স্ট্রং বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক লক্ষ কারা যাচ্ছে। সুতারং মার্কেট আশা কারা যাচ্ছে ক্রমাগত ভালই হচ্ছে। আজ ইতি পূর্বের রেজিটেন্স লাইনকে ব্রেকআউট এর মাধ্যমে রেজিটেন্স লাইনের উপরে অবস্থান করছে ইনডেক্স। এখন  ইনডেক্সের সামনে আর  কোন  রেজিটেন্স  নাই ।   ডিএসই এক্স ইনডেক্স  আজ ২৩.৯৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে  ৫০৭৪.৩০  পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.৪৭  বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪২০৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৯৩.৬৩ এবং আর.এস.আই এর মান ছিল  ৮৬.১৮ অর্থাৎ আর.এস.আই ও এম.এফ.আই এর মান এখন বুলিশ জোনের উপরে অবস্থান করছে। এম.এ.সি.ডি লাইনটি এবং সিগনাল লাইনটি এখন এর মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের থেকে উপরে অবস্থান করছে। আজ এম.এ.সি.ডি লাইনের মান ছিল ১৩০.৪০ এবং সিগনাল লাইনের মান ছিল ১০৭.২০ এবং এম.এ.সি.ডি লাইনটি সিগনাল লাইনের উপরে অবস্থান করছে। ক্যান্ডেলস্টিক বলিঞ্জার ব্যান্ডের উপরের ব্যান্ডের কাছাকাছি আবস্থান করছে এবং উপরের দিকে উঠার চেষ্টা করছে। ১০ দিনের এস.এম.এ এখন ২৫ দিনের এস.এম.এ এর উপরে অবস্থান করছে। আজ ডিএসইতে ১৫ কোটি ৮৩ লাখ ১৬ হাজার ৪৫৩ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৮৭৯.৭৬ কোটি টাকা। গতকালের তুলনায় আজ ডিএসইতে লেনদেন ২৩ কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে। আজ ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০০ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৭ টির, কমেছে ১২৩ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল  ৪০ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
  • স্পট মার্কেটে মঙ্গলবার ২ কোম্পানি
    ডেস্ক রিপোর্ট : রেকর্ড ডেটের আগে মঙ্গলবার স্পট মার্কেটে যাচ্ছে তালিকাভুক্ত ২ কোম্পানির শেয়ার। কোম্পানি দুটি হচ্ছে, ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড ও মতিন স্পিনিং মিলস। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। জানা যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার এবং ১ অক্টোবর বুধবার এই ২ কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন স্পট মার্কেটে এবং ব্লক/অডলটে হবে। কোম্পানি ২টির রেকর্ড ডেট আগামী ২ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার। আর রেকর্ড ডেটের কারণে ওই দিন শেয়ার ২টির লেনদেন বন্ধ থাকবে।
  • মতিন স্পিনিংয়ের আয় বেড়েছে ২৬ শতাংশ
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত মতিন স্পিনিং মিলসের শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে ২৬ শতাংশ। কোম্পানির ৩০ জুন,২০১৪ সমাপ্ত অর্থ বছরের  নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদেনে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ২৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ২৫ কোটি ১৮ লাখ  টাকা এবং ইপিএস ছিল  ২ টাকা ৫৮ পয়সা।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ৯ দিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজার
    কোরবানির ঈদ, দুর্গাপূজা এবং সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ৯ দিনের জন্য বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজার। ৩ অক্টোবর থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত লেনদেন বন্ধ এবং অফিসিয়াল কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে। ১২ অক্টোবর থেকে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।জানা গেছে, ৩ ও ৪ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি, এরপর ৫ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি ছুটি, পরে ২ দিন লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। এরপর আবারও ২ দিন সাপ্তাহিক ছুটির কারণে লেনদেন বন্ধ থাকবে। সব মিলিয়ে ৯ বন্ধের পর ১২ অক্টোবর থেকে নিয়মিত লেনদেন শুরু হবে। এছাড়া রমজানের ঈদেও শেয়ারবাজার ৯ দিন বন্ধ ছিল।  Source : যুগান্তর
  • ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বিষয় তদন্তে কমিটি গঠন
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বিএসইসির পরিচালক আবুল কালামকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কমিশন। প্রতিষ্ঠানটির পুরো ব্যবসায়িক কার্যক্রম তদন্ত করবে এ কমিটি। প্রতিষ্ঠানটির ফ্লাইট কার্যক্রম বন্ধ হওয়া, নতুন পরিচালনা পর্ষদ, আবার ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ফিরে আসা এবং বর্তমানে পুঁজিবাজারে লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি। আগামী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এদিকে ফ্লাইট পরিচালনায় অর্থাভাবের কারণে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইউনাইটেডে এয়ারওয়েজের সব ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দুই দিন পর শনিবারে আবারও প্রতিষ্ঠানটির ফ্লাইট কার্যক্রম চালু হয়। কোম্পানিটির কাছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ৮৪ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে।এছাড়া জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ ও লিজ ভাড়া বাবদ ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের আরো প্রায় ৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন। অব্যবস্থাপনার অভিযোগে গত ২২ সেপ্টেম্বর পরিচালকদের চাপের মুখে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরী পদত্যাগ করেন। Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • ডিএসইতে টানা ৯ দিনে সূচক বেড়েছে ৩৬৩ পয়েন্ট
    শেয়ারবাজারে টানা নয় কার্যদিবস ধরে সূচক বাড়ছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নয় দিনে সূচক বেড়েছে ৩৬৩ পয়েন্ট। এতে ডিএসইর প্রধান সূচক ৫ হাজার পয়েন্ট ছাড়িয়ে গেছে। এ সময়ে লেনদেনও হচ্ছে হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। লেনদেন হচ্ছে মূলত বড় মূলধনী কোম্পানিগুলো ঘিরে। লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো মবিল যমুনা, স্কয়ার ফার্মা, ডেল্টা লাইফ, বেক্সিমকো ফার্মা, গ্রামীণ ফোন এবং বেক্সিমকো। তথ্যে দেখা গেছে, রবিবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৯৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১০১ কোটি ২৯ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩০১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৮টির, কমেছে ১০৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ারের। অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০১ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৭১৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৭১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ১ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৩৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৩টির কমেছে ৯৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টি কোম্পানির শেয়ারের। ডিএসই জানিয়েছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি ও বিদ্যুত্ খাতের কোম্পানি বরকতউল্লাহ ডায়নামিকস লিমিটেডের শেয়ার দর সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক হারে বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। দর বৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে ডিএসইর দেয়া নোটিসের প্রেক্ষিতে কোম্পানিটি এ তথ্য জানিয়েছে। এ ছাড়া, প্রকৌশল খাতের কোম্পানি কে অ্যান্ড কিউ লিমিটেডের শেয়ারদর সাম্প্র্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক হারে বাড়ার পেছনেও কোনো কারণ নেই। ডিএসইকে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • শেয়ারবাজারে দর সংশোধন
    শেয়ারবাজারে টানা নয় কার্যদিবস সূচক বাড়ার পর গতকাল সোমবার কিছুটা দর সংশোধন হয়েছে। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার সোমবার দর কমার পাশাপাশি কমেছে মোট লেনদেনও। মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতার কারণেই বাজারে দর পতন হয়েছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানিগুলোর দর কমেছে গড়ে ১ দশমিক ৪ শতাংশ। ঈদ উল আযহাকে কেন্দ্র করে বাজার থেকে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতাও বাজারে দর পতনের একটি কারণ বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৯৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৯০২ কোটি ৬২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৯৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বা প্রায় ১৮ শতাংশ কম। লেনদেনকৃত ৩০১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৭টির, কমেছে ১৭৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৮০ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৬৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৬৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৬ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২২৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬২টির কমেছে ১৪৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭৩টি কোম্পানির শেয়ারের।এদিকে লেনদেনের প্রথম দিনে ১৩৯ শতাংশ বা ৪১ দশমিক ৮ টাকা দর বেড়েছে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের। কোম্পানিটির ৪৫ লাখ ৬০ হাজার ৮০০টি শেয়ার ৩৩ কোটি ৫৯ লাখ ৩৩ হাজার ২০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজার থেকে মোট ৩৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। অভিহিত মূল্য ১০ টাকার সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৩০ টাকা।ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ১২টায় সিলেটের দোপাদিঘিরপাড়ে অবস্থিত হাজী কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটির এজিএমে ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদন হতে পারে। এর আগে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে। Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • ৫০ কোটি টাকার মামলা খেলো ইউনাইটেড এয়ার
    ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, এর কর্মকর্তা ও এক সচিবসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কারা হয়েছে। সোমবার ডিসিসিআই এর সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক ৫ জন বাদী হয়ে ঢাকার প্রথম যুগ্ম-জেলা জজ আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অপর বাদীরা হলেন রফিকুল ইসলাম, নারগিস আক্তার, মকবুল হোসেন, সোহানুর রহমান সেলিম।মামলার বিবাদীরাহলেন, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ লিঃ, ব্যাস্থাপনা পরিচালক, চেয়ারম্যান, ব্যাবস্থাপক (সেলস এডমিন), ম্যানেজার অপারেশন, এয়ার ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরিস্টস এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের সচিব ও সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান।মামলার অভিযোগে জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বিমানযোগে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য ২১ সেপ্টেম্বর ৫টি টিকেট ক্রয় করে। ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানীর সাথে জমি ক্রয় সঙ্ক্রান্তে একটি চুক্তি হওয়ার কথা ছিল।গত ২৪ সেপ্টেম্বর যাওয়ার উদ্দেশ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে বোর্ডিং পাশ সংগ্রহ করার পরে বাদী জানতে পারে যে, ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়েছে। এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের তথ্য প্রদান না করেই ফ্লাইটটি বাতিল করায় তারা মালয়েশিয় কোম্পানীর সাথে চুক্তি করতে না পারায় তাদের ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।তবে মামলাটিতে প্রয়োজনীয কোর্ট ফি দাখিল না করায় ওই আদালতের বিচারক মো. ফজলে এলাহী আগামি ১৬ অক্টোবর প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেছেন। অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম বাদীপক্ষে মামলাটি দায়ের করেন। Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • সাইফ পাওয়ারটেকের দর বাড়ল ১৩৯.৩৩%
    তালিকাভুক্তির পর প্রথম কার্যদিবসে গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের শেয়ারদর বাড়ে ১৩৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ। নতুন তালিকাভুক্ত হওয়ায় সেবা ও আবাসন খাতের এ কোম্পানির শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।   বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গতকাল ২১ হাজার ৯৯৮ বারে এর ৪৫ লাখ ৬০ হাজার ৮০০ শেয়ার লেনদেন হয়; যার বাজারদর ছিল ৩৩ কোটি ৫৯ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। এদিন এর দর বাড়ে ১৩৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ৪১ টাকা ৮০ পয়সা। দিনভর দর ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৭১ টাকা ৮০ পয়সায়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ৭১ টাকা ৪০ পয়সায়।   এদিকে চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির মুনাফা ৬০ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৫৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে মুনাফা হয়েছিল ১ কোটি ৫৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৩৫ পয়সা। কোম্পানির ইপিএস আইপিও-পূর্ববর্তী পরিশোধিত শেয়ারের ওপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়েছে। গত বছরের জুলাই থেকে চলতি হিসাব বছরের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে কোম্পানি কর-পরবর্তী সমন্বিত মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৮২ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৫৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে মুনাফা হয় ৬ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৪২ পয়সা।   কোম্পানিটির আইপিওতে ৩৪০ কোটি ৬২ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়ে, যা সংগৃহীত অর্থের চেয়ে ৯ দশমিক ৪৬ গুণ। কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৩৬ কোটি টাকা উত্তোলন করে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৩০ টাকা। বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫১৫তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়।বর্তমানে এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধনের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৫৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। Source : বণিক বার্তা
  • ৯ কার্যদিবস পর সংশোধন
    টানা নয় কার্যদিবসে ঊর্ধ্বগতিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ৩৬২ পয়েন্ট বাড়ে। তবে গতকাল সামান্য সংশোধন হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনের পাশাপাশি লেনদেনও সামান্য কমেছে। বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারের দরে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেলেও মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা ছিল স্বল্প মূলধনি কোম্পানিতে। এতে সূচক সংশোধন তুলনামূলক কম হয়েছে।   বাজারচিত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়লেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রির চাপ বাড়তে থাকে। এতে সূচকের নিম্নগামী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়। অধিকাংশ শেয়ারে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় দর কমতে থাকলে বেলা পৌনে ১টায় মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৫৮ পয়েন্ট কমে যায়। তবে লেনদেনের শেষ পর্যায়ে ক্রয়াদেশ বাড়তে থাকায় সূচকের হারানো পয়েন্ট অনেকটা পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়।   গতকাল ডিএসইতে কেনাবেচা হওয়া ৫৮ শতাংশ শেয়ারের দরপতনে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের ২১ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট কমে ৫০৫০ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ৮ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট কমে ১৯৫৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কিছুটা মিশ্র প্রবণতা দেখা যায়। সিএসইতে গতকাল লেনদেন হওয়া ৬৫ শতাংশ শেয়ারের দরপতনে সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৮০ পয়েন্ট কমে। তবে সিএসইর সেরা কোম্পানি নিয়ে তৈরি সূচক ৭৩ পয়েন্ট বাড়ে।   খাতওয়ারি পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল ব্যাংকিং, ট্যানারি ও সিমেন্ট ছাড়া অন্য সব খাতের শেয়ারের বাজার মূলধন কমে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দর হারায় সেবা খাত। এ খাতের সদ্য তালিকাভুক্ত কোম্পানি সাইফ পাওয়ারটেক ছাড়া সব শেয়ারের দর কমে। এতে এ খাতের বাজার মূলধন কমে প্রায় ৪ শতাংশ। এছাড়া প্রকৌশল, সিরামিক, ভ্রমণ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, বিবিধ, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অধিকাংশ শেয়ারে মুনাফা তুলে নেয়ায় দর কমে।ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হওয়া ৩০১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বাড়ে ৮৭টির, কমে ১৭৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৮টির। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২২৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বাড়ে ৬২টির, কমে ১৪৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৭টির।এদিকে মূল্য সংশোধনের প্রভাবে গতকাল উভয় শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯০২ কোটি ৬২ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১৯৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা কম। সিএসইতে কেনাবেচা হয় ৬৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড, যা আগের দিনের চেয়ে ৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা কম।ডিএসইতে লেনদেনে এগিয়ে থাকা ১০ কোম্পানি হলো— যমুনা অয়েল, স্কয়ার ফার্মা, এমজেএল বিডি, সাইফ পাওয়ারটেক, পদ্মা অয়েল, বেক্সিমকো লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, বেক্সিমকো ফার্মা, গ্রামীণফোন ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম।‘জেড’ ক্যাটাগরি ছাড়া বেশি দর বৃদ্ধি পাওয়া ১০ কোম্পানি হলো— সাইফ পাওয়ারটেক, আলহাজ টেক্সটাইল, ব্যাংক এশিয়া, দেশ গার্মেন্টস, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, এনভয় টেক্সটাইলস, পপুলার লাইফ, স্কয়ার ফার্মা ও এটলাস বাংলা।   অন্যদিকে বেশি দর হারানো ১০ কোম্পানি হলো— স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস, এসিআই লিমিটেড, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, অষ্টম আইসিবি, বারাকাতউল্লাহ ইলেকট্রো, ন্যাশনাল হাউজিং, এস আলম কোল্ড, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, এনসিসিবি মিউচুয়াল ফান্ড-১ ও বিডি ফিন্যান্স। Source : বণিক বার্তা
  • ঋণমানে দীর্ঘমেয়াদে ইস্টার্ন হাউজিং ‘এএ’
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড ঋণমানে দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। আর ঋণমানে আনলিমা ইয়ার্ন ডায়িং লিমিটেড দীর্ঘমেয়াদে ‘এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’ হিসেবে বিবেচিত। কোম্পানিগুলোর ২০১৩ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (এনসিআর)। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।ইস্টার্ন হাউজিং: ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ১ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ৭০ পয়সা। সর্বশেষ এর লেনদেন হয় ৫৫ টাকায়, যা সমন্বয় শেষে একই ছিল। এদিন ৬ লাখ ৩০ হাজার ৮০০ শেয়ার ৫৮৮ বারে লেনদেন হয়; যার বাজারদর দাঁড়ায় ৩ কোটি ৪৯ লাখ ৫৩ হাজার ৬০০ টাকা। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৪ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৫৮ টাকা ১০ পয়সা।   ২০১৩ সালে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিতে সমর্থ হয়। ১৯৯৪ সালে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৮০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৬৮ কোটি টাকা।   আনলিমা ইয়ার্ন: তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী (জানু-মার্চ) কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয় ৩৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২০ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এর মুনাফা ছিল ৫৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৩৩ পয়সা।   ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ২ দশমিক ৮ শতাংশ বা ৭০ পয়সা। সর্বশেষ এর লেনদেন হয় ২৪ টাকা ৩০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ২৪ টাকায়। এদিন ১৪১ বারে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ শেয়ার লেনদেন হয়; যার বাজারদর ৪০ লাখ ২৪ হাজার টাকা।   ‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানি ১৯৯৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৪৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১১ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৪২ শতাংশ। Source : বণিক বার্তা
  • এটলাস বাংলাদেশের মুনাফা কমেছে ৭৮%
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এটলাস বাংলাদেশের ২০১৩-১৪ হিসাব বছরে নেট মুনাফা কমেছে ৭৮ শতাংশ। বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি) সূত্রে পাওয়া তথ্য থেকে এমনই দেখা গেছে। তবে এখনো কোম্পানিটি নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে লভ্যাংশ ঘোষণা দেয়নি।   এদিকে কোম্পানিটির মুনাফা সংকোচেনের কারণে ২০১৩-১৪ হিসাব বছরে লভ্যাংশের হার কমে আসতে পারে। যদিও কোম্পানিটির ৪৫২ কোটি ২৯ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত মুনাফা রয়েছে। এতে কোম্পানির লভ্যাংশের হার আগের বছরের মতো দিতে হলে রিজার্ভ ভাঙতে হবে।   হিরো হোন্ডার সঙ্গে চুক্তি বাতিলের পর থেকে সংকটে রয়েছে এটলাস বাংলাদেশ। আর চীনা দুটি মোটরবাইক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও তা করতে ব্যর্থ হয়েছে এটলাস। এতে কোম্পানির ভবিষ্যৎ আয় আরো বড় অঙ্কে সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে কোম্পানির মোটরবাইক সংযোজন বন্ধ রয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে লোকসানে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানটি।   বিএসইসির এক প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, ২০১৩-১৪ হিসাব বছরের অনিরীক্ষিত হিসাবে এটলাস বাংলাদেশের মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ২৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। সংশ্লিষ্ট বছরে কোম্পানিটির বিক্রির পরিমাণ ছিল ২০৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৪৪৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।হোন্ডার সঙ্গে চুক্তি বাতিলের পর কোম্পানির ভবিষ্যৎ ব্যবসা প্রসঙ্গে এটলাস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবুল কাশেম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘চীনা প্রতিষ্ঠান দুটির সঙ্গে চুক্তির চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বর্তমানে কোম্পানির মোটরবাইক সংযোজন বন্ধ রয়েছে, আগের স্টক বিক্রি থেকেই কোম্পানির আয় হচ্ছে। এর মাধ্যমে সর্বশেষ হিসাব বছর কিছুটা মুনাফা হয়েছে।’   হিরো হোন্ডার পর নতুন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আগের মতো বিক্রি ও আয় বাড়াতে পারবে কিনা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটলাস বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি ডিলার নেটওয়ার্ক। প্রতিষ্ঠানটির বেশির ভাগ পুরনো ডিলারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে। আর আন্তর্জাতিক মানের ভালো কোনো ব্র্যান্ডের সঙ্গেই এটলাস চুক্তিবদ্ধ হবে। নতুন প্রযুক্তি ও ডিজাইনের মোটরবাইক বাজারে ছাড়তে পারলে ভালো মুনাফায় ফেরা সম্ভব। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি চেষ্টাও রয়েছে।   বিএসইসির তথ্যানুসারে, ২০০৮-০৯ হিসাব বছরে ২৯ কোটি ৭৫ লাখ, ২০০৯-১০ হিসাব বছরে ৩৮ কোটি ২৪ লাখ, ২০১০-১১ হিসাব বছরে ৩৯ কোটি ৬১ লাখ ও ২০১১-১২ হিসাব বছরে ৩৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা মুনাফা হয়েছে।অন্যদিকে ২০০৮-০৯ হিসাব বছরে বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪২৯ কোটি ৩ লাখ, ২০০৯-১০ হিসাব বছরে ৫০২ কোটি ৮ লাখ, ২০১০-১১ হিসাব বছরে ৫৮০ কোটি ৫৯ লাখ ও ২০১১-১২ হিসাব বছরে ৪৯১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দুই কার্যদিবস ধরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদরের বড় উত্থান দেখা গেছে। গতকাল ডিএসইতে এর দর বাড়ে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ বা ৮ টাকা ৩০ পয়সা। দিন শেষে দর ছিল ১৬৯ টাকা ৩০ পয়সা। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে হিরো হোন্ডার সঙ্গে চুক্তি বাতিল হয়েছে কোম্পানিটির। ২০১২ সাল পর্যন্ত পুরনো কিছু বাইক সংযোজন করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে সম্পূর্ণ কার্যক্রমহীন রয়েছে এ কোম্পানি।    যদিও চীনের একাধিক কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে এটলাস কর্তৃপক্ষ। শেষ মুহূর্তে নানা জটিলতায় ভেস্তে যাচ্ছে। জানা গেছে, নানা আলোচনার পরে এ বছরের মার্চে চীনের জিয়ানসি মোটরবাইক কোম্পানির ব্র্যান্ড জিয়ানসি ও সিম মোটরসের সিম ব্র্যান্ডের যে কোনোটির সঙ্গে এটলাসের চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। সে কারণে কোম্পানি দুটি তাদের নমুনা বাইকও পাঠায়। সব পর্যবেক্ষণের পড়ে এ কোম্পানির ঊর্ধ্বতনরা জিয়ানসি ব্র্যান্ডের বাইক বাজারজাতকরণের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে গত মাসে সে চুক্তিও সম্ভব হয়নি।   প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ ৪৬ বছর জাপানের হোন্ডা মোটরসাইকেল সংযোজন, উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল এটলাস। ২০১১ সালে জাপান হোন্ডা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল বন্ধ করে দেয়। হোন্ডার সঙ্গে ভারতের হিরো কোম্পানির ব্যবসা বন্ধ হওয়ার পর বাংলাদেশে হোন্ডা নিজেই সংযোজন কারখানা তৈরি করে। পরবর্তী সময়ে ভারতের হিরোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা ছিল এটলাসের। কিন্তু হঠাৎ ভারতের হিরো বাংলাদেশের নিটল মোটরসকে আমদানিকারক মনোনীত করে।   ১৯৮৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এটলাসের ২৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের ২ কোটি ৩৭ লাখ ৩ হাজর ৭০২টি শেয়ার রয়েছে। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে ৫১ শতাংশ সরকার, ১১ দশমিক ৪৬ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ৩৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে। Source : বণিক বার্তা
  • ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জের সাথে কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড ও কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করছেন ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. স্বপন কুমার বালা ও কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বি. মাধব বেড্ডি Source : নয়াদিগন্ত  রিপোর্ট
  • আগের চেয়ে সাইফ পাওয়ারের মুনাফা বেড়েছে
    এদিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুসারে জানুয়ারি থেকে মার্চ এ তিন মাসে কোম্পানিটির কর পরবর্তী কনসোলডিটেড মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৫৬ টাকা, আগের বছর একই সময়ে কনসোলডিটেডে মুনাফা হয়েছিল ১ কোটি ৫৫ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ইপিএস হয়েছিল ০.৩৫ টাকা। অর্থাৎ আগের বছর একই সময় থেকে কোম্পানির কনসোলডিটেডে মুনাফা বেড়েছে ৯২ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ইপিএস বেড়েছে ০.২১ টাকা। কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় ওয়েটেড এভারেজ আইপিও-পূর্ববর্তী পরিশোধিত শেয়ারের ওপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়েছে যা ২০১৩ এবং ২০১৪ উভয় সালে ছিল ৪৩,৮৯৪,০০০ সংখ্যক শেয়ার। অবশ্য, ৩১ মার্চ ২০১৪ তারিখে সমাপ্ত ৩ মাস সময়ের জন্য আইপিও-পরবর্তী ৫৫,৮৯৪,০০০ সংখ্যক শেয়ারের ওপর ভিত্তি করে বেসিক ইপিএস হবে ০.৪৪ টাকা।এদিকে জুলাই ’১৩ থেকে মার্চ ’১৪ পর্যন্ত নয় মাসে কোম্পানি কর পরবর্তী কনসোলডিটেডে মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৮২ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৫৫ টাকা, আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির কনসোলডিটেডে মুনাফা হয়েছিল ৬ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ইপিএস হয়েছিল ১.৪২ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ের চেয়ে মুনাফা বেড়েছে ৫৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং ইপিএস বেড়েছে ০.১৩ টাকা। কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় ওয়েটেড এভারেজ আইপিও-পূর্ববর্তী পরিশোধিত শেয়ারের ওপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়েছে যা ২০১৩ এবং ২০১৪ উভয় সালে ছিল ৪৩,৮৯৪,০০০ সংখ্যক শেয়ার। অপরদিকে, ৩১ মার্চ ২০১৪ তারিখে (জুলাই ২০১৩-মার্চ ২০১৪) আইপিও-পরবর্তী ৫৫,৮৯৪,০০০ সংখ্যক শেয়ারের ওপর ভিত্তি করে শেয়ারপ্রতি আয় ১.২২ টাকা এবং ৩১ মার্চ ২০১৪ তারিখে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হবে ২৬.৭৫ টাকা। Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • সাইফ পাওয়ারের লেনদেন শুরু আজ
     সম্প্রতি আইপিওতে আসা সাইফ পাওয়ারটেকের লেনদেন শুরু হবে আজ সোমবার। দিনটিতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটি একসঙ্গে লেনদেন শুরু করবে। এদিকে লেনদেন শুরুর আগের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ‘এন’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করবে। সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের ডিএসই ট্রেডিং কোড নির্ধারণ করা হয়েছে ঝঅওঋচঙডঊজ। আর ডিএসই কোম্পানি কোড হবে ২০৬২৩।এদিকে সিএসইতে কোম্পানিটির স্ক্রিপ কোড হবে ঝঅওঋচঙডঊজ। আর সিএসই স্ক্রিপ আইডি হবে ১৮০১০। কোম্পানিটির ২০০ শেয়ারে মার্কেট লট। আর প্রতি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা।প্রসঙ্গত, এর আগে সাইফ পাওয়ারটেক ১০ সেপ্টেম্বর ডিএসইতে এবং ১৭ সেপ্টেম্বর সিএসইতে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পায়। Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • পুঁজিবাজারে টানা নয় দিন সূচক উর্ধমুখী
     টানা নয় দিন সূচকের উর্ধমুখী প্রবণতা দিয়ে রবিবার দেশের উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার কারণে দিনশেষে উভয় বাজারেই মূল্যসূচক বেড়েছে। তবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন সামান্য কিছুটা কমেছে। তবুও সেখানে আগের দিনের মতো ১১শ’ কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়েছে। জ্বালানি এবং শক্তি খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো ছাড়াও অন্য কিছু বড় মূলধনী কোম্পানির দর বেড়েছে। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্য সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও বেড়েছে।সকালে সূচকের উত্থান দিয়ে শুরুর পরে দিনশেষে ডিএসইর সার্বিক সূচকটি আগের দিনের চেয়ে ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৭২ পয়েন্টে। বৃহস্পতিবার ডিএসইর সার্বিক সূচকের অবস্থান ছিল ৫ হাজার ২৬ পয়েন্টে। রবিবারে দিনভর লেনদেন হওয়া ৩০২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৬৮টির, কমেছে ১০৫টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির। সেখানে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ১০১ কোটি ২৯ লাখ ৭৮ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এর আগে বৃহস্পতিবার সেখানে মোট লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ১০৩ কোটি ৬৪ লাখ ১২ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের। সেই হিসেবে রবিবার ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ২ কোটি ৩৪ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। রবিবার ডিএসইর লেনদেনের সেরা তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলোর মোট ৫৪৯ কোটি ৬৮ লাখ ২৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪৯.৯১ শতাংশ। এই দিন সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে এমজেএলবিডির। দিনভর এ কোম্পানির ৩৪ লাখ ৯৩ হাজার ২০০টি শেয়ার ৫৪ কোটি ১৪ লাখ ৫২ হাজার ১০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। এছাড়া স্কয়ার ফার্মার ৩৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, বেক্সিমকো ফার্মার ৩৮ কোটি ৯ লাখ টাকা, ডেল্টা লাইফের ৩৬ কোটি ১১ লাখ, বেক্সিমকো লিমিটেডের ৩৫ কোটি ১৫ লাখ, গ্রামীণফোনের ৩৪ কোটি ৬১ লাখ, একটিভ ফাইনের ২৮ কোটি ৫৫ লাখ, তিতাস গ্যাসের ২৮ কোটি ৫২ লাখ, আরএসআরএম স্টিলসের ২৭ কোটি ৯৮ লাখ ও বিএসআরএম স্টিলের ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।ডিএসইর দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ফু-য়াং ফুড, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, স্কয়ার ফার্মা, সিঙ্গার বিডি, সামিট পোর্ট এলায়েন্স, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, স্টান্ডার্ড সিরামিক, আরডি ফুড, কেয়া কসমেটিকস ও ইউনাইটেড এয়ার।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস লিমিটেড, আরএসআরএম স্টিল, সুহৃদ ইন্ড্রাস্টিজ, রহিমা ফুড, আরকে সিরামিক, নাভানা সিএনজি, জিপিএইচ ইস্পাত, এসিআই ফর্মূলেশন, আইপিডিসি ও বিডি ফাইন্যান্স।তবে চাঙ্গাভাবের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের অপর পুঁজিবাজারেও। ঢাকার মতো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ৭৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯৫১৫ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৩৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১০৮টির, কমেছে ১০৮টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি কোম্পানির শেয়ার দর। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার। বৃহস্পতিবার সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৭০ কোটি ৪৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সে হিসেবে বৃহস্পতিবার সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৮৯ লাখ টাকা।সিএসইতে লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : বেক্সিমকো, স্কয়ার ফার্মা, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, আরএসআরএম স্টিল মিলস, মবিল যমুনা বিডি, সিঙ্গার বিডি, ফ্যামিলি টেক্স, ইউনাইটেড এয়ার, সামিট পাওয়ার এবং বেক্সিমকো ফার্মা। Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
View All
Latest DSE News
  • DSE NEWS

    Withdrawal of Authorized Representative: Sinha Securities Limited, DSE TREC No. 67, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Abul Kalam Azad, with immediate effect.

  • Instrument BANGAS resumed - By the Stock Exchange Authorities

  • Instrument MITHUNKNIT resumed - By the Stock Exchange Authorities

  • Instrument BDBUILDING resumed - By the Stock Exchange Authorities

  • DSE NEWS

    Today's (30.09.2014) Total Trades: 150,588; Volume: 158,316,453 and Turnover: Tk. 8,797.68 million.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
POPULARLIF 183.40 166.80 16.60 9.95
AGNISYSL 32.90 30.00 2.90 9.67
BANKASIA 22.20 20.50 1.70 8.29
INTECH 15.90 14.80 1.10 7.43
BDFINANCE 16.00 14.90 1.10 7.38
PLFSL 26.00 24.40 1.60 6.56
FAREASTLIF 93.60 88.00 5.60 6.36
RAKCERAMIC 66.40 62.80 3.60 5.73
ASIAPACINS 22.20 21.00 1.20 5.71
APEXTANRY 170.90 161.80 9.10 5.62

OUR SERVICE

 

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297