Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Parabolic Sar Intraday System AFL 24-May
Guppy Multiple Moving Average Afl 20-May
Automatic Buy Sell Signal Afl 19-May
Stoch RSI Afl 17-May
Bollinger Band Fibonacci Ratio and Heikin Ashi 17-May

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
BSRMLTD 75.4 58 17.40 30.00
ACIFORMULA 236.1 187.7 48.40 25.79
POWERGRID 42.5 34.2 8.30 24.27
RAHIMAFOOD 38.9 31.6 7.30 23.10
BDWELDING 20.4 16.8 3.60 21.43
LANKABAFIN 30.7 25.7 5.00 19.46
KPCL 84.4 70.7 13.70 19.38
AFCAGRO 65.4 56.1 9.30 16.58
FINEFOODS 10 8.7 1.30 14.94
KEYACOSMET 20.9 18.2 2.70 14.84

Contest SB2015_May

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
IMRANKSL
3rd
blank_person
FAISAL126
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
RAKCERAMIC 78.2 72.8 3.16443 4260380.00
UNIQUEHRL 63 59.2 1.94619 2973410.00
WMSHIPYARD 48.9 45.4 0.73374 5133860.00
SPCL 171.5 168.4 0.71800 201172.00
APOLOISPAT 18 16.7 0.65020 8242060.00
Negative impact
BATBC 2912.4 2949.1 -3.83073 4152.00
TITASGAS 69.6 71.8 -3.78600 618997.00
SQURPHARMA 245.3 249 -3.56788 552531.00
UPGDCL 186.1 191.7 -3.21440 1379660.00
GP 323.2 324.3 -2.58397 1072860.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
KPCL 84.4 86.9 83.5 -0.82% 680.56
GP 323.2 327.9 320.9 -0.34% 346.11
RAKCERAMIC 78.2 79.2 73.7 7.42% 329.71
SPPCL 62.9 65 62 2.28% 291.74
BEXIMCO 34.3 36 34.1 -2.00% 277.80
UPGDCL 186.1 196.1 185.2 -2.92% 261.59
WMSHIPYARD 48.9 49.9 45.5 7.71% 250.39
ACIFORMULA 236.1 246 225 -0.04% 248.82
AFCAGRO 65.4 67.9 63 4.14% 232.47
SAPORTL 67 69.8 66.7 0.75% 226.27

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 28 May 2015

176897
TOTAL TRADE
191.7740
TOTAL VOLUME(Mn)
8588.13
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • আয় কমেছে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন হাউজিংয়ের আয় কমেছে ৪৬ শতাংশ। আগের বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির এ আয় কমেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অন্যদিকে, কোম্পানির প্রথম প্রান্তিকে (আগস্ট, ১৪ – অক্টোবর, ১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে ৬২ শতাংশ। গত ৩ মাসে কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। আর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে  ৬০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল  ৩ কোটি ১৩ লাখ  টাকা। আর ইপিএস ছিল ৩৭ পয়সা। তবে তৃতীয় প্রান্তিকের (ফেব্রুয়ারি, ১৫ থেকে এপ্রিল, ১৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইস্টার্ন হাউজিংয়ের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফার পরিমাণ ছিল ১২ কোটি ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ ছিল ১.৪৩ টাকা। সে হিসাবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কোম্পানিটির আয় কমেছে ৪৬ শতাংশ। অপরদিকে প্রথম ৯ মাসের (আগষ্ট ‘১৪ থেকে এপ্রিল ’১৫) অনিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী ইস্টার্ন হাউজিংয়ের কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৪ কোটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১.৬৭ টাকা। আগের অর্থবছরে একই সময়ে কোম্পানিটির কর পরবর্তী মুনাফা ও শেয়ার প্রতি আয়ের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১৯ কোটি ২৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ২.২৭ টাকা।
  • সপ্তাহে ফ্যামিলিটেক্স ও ডেল্টা লাইফের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে গত সপ্তাহে ২টি কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানি দুটি হলো- ফ্যামিলিটেক্স (বিডি) ও ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। ফ্যামিলিটেক্স (বিডি) : বস্ত্র খাতের কোম্পানি ফ্যামিলিটেক্স (বিডি) সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ৩টা ২৮ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ১৪ পয়সা। ফ্যামিলি টেক্সের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৭ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০ টা এবং রেকর্ড ডেট ৯ জুলাই । একই দিনে কোম্পানিটি বিশেষ সাধারণ সভাও (ইজিএম) আহ্বান করেছে। ইজিএমে অনুমোদিত মূলধন ২৮০ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৩১০ কোটি টাকায় উন্নীত করা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইজিএমের রেকর্ড তারিখও ৯ জুলাই। ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স : বিমা খাতের কোম্পানি ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২১ জুলাই ও রেকর্ড ডেট ২ জুন নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • বাজেটে ভর্তুকি কমছে না কৃষি-জ্বালানি খাতে
    স্টাফ রিপোর্টার : আসন্ন বাজেটে ভর্তুকির পরিমাণ কমছে না। কৃষি, বিদ্যুৎ-জ্বালানিসহ প্রায় সব খাতে ভর্তুকি অব্যাহত থাকছে বলে অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানিয়েছে, ২০১৫-১৬ সালের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে ভর্তুকি খাতে ২৬ থেকে ২৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হতে পারে। চলতি বাজেটে এ খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ২৬ হাজার কোটি টাকা। যদিও বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ভর্তুকি কমানোর জন্য সরকারকে চাপ দিয়ে আসছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি শূন্যে নামিয়ে আনার পরামর্শ দিচ্ছে তারা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ১৯ ও ২০ মে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় আসন্ন বাজেট নিয়ে আলোচনা হয়। সে সময় প্রধানমন্ত্রী কৃষিসহ অন্যান্য খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ভর্তুকি তুলে নিলে গরীব মানুষ বিশেষ করে কৃকষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সূত্র জানিয়েছে, কৃষি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ভর্তুকি রাখা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ভর্তুকি কমিয়ে আনা হচ্ছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমার ফলে সংস্থাটির লোকসান কমায় সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি অর্থবছরের (২০১৪-১৫) বাজেটে বিপিসির জন্য ভর্তুকি আছে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এবার তা থেকে ৮০০ কোটি টাকা কমানো হচ্ছে।
  • পুঁজিবাজার এখন ফটকাবাজমুক্ত
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজার এখন প্রকৃত বিনিয়োগকারীদের বাজারে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বৃহস্পতিবার সচিবালয় ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) লভ্যাংশ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। আইসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান অর্থমন্ত্রীর কাছে ৫১ কোটি ২০ লাখ টাকার একটি চেক হস্তান্তর করেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘এক সময়ে পুঁজিবাজার ছিল ফটকাবাজদের বাজার। বর্তমানে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার বিধিবিধানের ফলে আস্থার উন্নতি হয়েছে। তাই এখন আর পুঁজিবাজারে বড় ধরনের উল্টাপাল্টা হওয়ার সম্ভবনা নেই।’ মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত ব্যবসা করে না। অনেক প্রতিষ্ঠান লোকসান দেয়, তবে এর ব্যতিক্রমও রয়েছে।’
  • নোটিশে কমল বিএসআরএম স্টিলের শেয়ারদর
    স্টাফ রিপোর্টার : কোন কারণ ছাড়াই বেড়েছে বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেডের শেয়ারদর। প্রকৌশল খাতের এ কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চাইলে কোম্পানি-কর্তৃপক্ষ এমনটাই জানায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই)। নোটিশ প্রাপ্তির পর ২৮ মে শেয়ারটির দর পড়েছে। শেয়ারদর ১ কার্যদিবসেই ২ টাকা কমেছে। জানা গেছে, কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই ২৭ মে, বুধবার নোটিশ পাঠায়। এর জবাবে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারের দর বাড়ছে বলে কোম্পানিটি জানায়। বিশ্লেষণে দেখা যায়, সামান্য কারেকশন ছাড়া গত ২৫ মে ও ২৭ মে শেয়ারটির দর বেড়েছে। এ সময় শেয়ারটির দর প্রায় ১০ টাকা বেড়ে প্রায় ৬৬ টাকা  থেকে ৭৬ টাকায় দাঁড়িয়েছে। আর কোম্পানির এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করেছেন ডিএসই কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত ৫ মে থেকে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে শেয়ারটির দর। ৫ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত প্রায় ১৪ টাকা বেড়ে শেয়ারদর প্রায় ৫৪ টাকা থেকে ৬৮ টাকার বেশি হয়েছে। এদিকে, ২৮ মে শেয়ারটির দর কমেছে। আগের দিনের তুলনায় এ দিন শেয়ারদর ২ টাকা কমে সর্বশেষ ৭৪ টাকায় লেনদেন হয়েছে। আগেরদিন সর্বশেষ লেনদেন ছিল ৭৬ টাকা। এর ফলে শেয়ারদরের পরিবর্তন হয়েছে মাইনাস ২.৬৩ শতাংশ।
  • মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বিষয়ে ভাবছে বাংলাদেশ ব্যাংক
    স্টাফ রিপোর্টার : সংশোধিত মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা অনুযায়ী বে-মেয়াদি (ওপেন-এন্ড) মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীট সম্পদ মূল্য থেকে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ ডিসকাউন্টে রি-পারচেজ প্রাইস বা পুন:ক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়। সেই ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী বিক্রয়মূল্য নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। আর এর জন্য প্রাইস ব্যালেন্সিং হচ্ছে না। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সকলকেই ক্ষতির সম্মখীন হতে হচ্ছে। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের (ওপেন অ্যান্ড ক্লোজিং) বিষয়ে একটি চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংককের কাছে গিয়েছে। গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় আলোচিত বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। এই বিষয়ে জানতে চাইলে বৈঠক শেষে এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেন,  মিউচ্যুয়াল ফান্ডের (ওপেন অ্যান্ড ক্লোজিং) বিষয়ে একটি চিঠির ব্যাপারে ব্যাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বাংলাদেশ ব্যাংক আইন অনুযায়ী সব ধরণের সুবিধা দেবে।
  • তোয়াক্কা নেই নোটিশে, বাড়ছে শেয়ারদর
    স্টাফ রিপোর্টার : ঔষধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি এসিআই ফর্মুলেশনস লিমিটেডের শেয়ারদর বাড়ছে। অস্বাভাবিক দর বাড়ায় কারণ জানতে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ২৭ মে, নোটিশ দেয় এসিআই ফর্মুলেশনসকে। বুধবারের নোটিশের জবাবে দর বাড়ার অপ্রকাশিত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে সিএসইকে জানিয়েছে কোম্পানিটি। কোম্পানিটি নোটিশের প্রতি তোয়াক্কা না করে দর বৃদ্ধি যথারীতি অব্যাহত রেখেছে। ফলশ্রুতিতে ২৮ মে, বৃহস্পতিবার লেনদেনের শুরুতেই শেয়ারটির দর ১৫ টাকা ৬০ পয়সা বেড়ে যায়। এদিন ২২০.১০ টাকায় লেনদেন শুরু হয়ে সকালে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ২৩৫ টাকা ৭০ পয়সায়। আগেরদিনের সর্বশেষ লেনদেন ছিল ২২০ টাকা ১০ পয়সা।   বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২১ মে থেকে শেয়ারটির দর বাড়তে শুরু করেছে। সামান্য কারেকশন ছাড়া ২৭ মে পর্যন্ত ৪ কার্যদিবসে শেয়ারটির দর বেড়েছে প্রায় ৪৮ টাকা। এ সময় শেয়ারটির দর প্রায় ১৮৮ টাকা  থেকে ২৩৬.২০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে ২১, ২৬ ও২৭ মে দর বাড়ার হার ছিল অস্বাভাবিক। এ সময় প্রতি কার্যদিবসে গড়ে প্রায় ১৭ টাকা করে বেড়েছে শেয়ারটির দর। আর কোম্পানির এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করেছেন সিএসই কর্তৃপক্ষ। চিত্র- এর আগে কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই গত ১০ ফেব্রুয়ারি ও ২৫ মার্চ নোটিশ পাঠায়। এর জবাবে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারের দর বাড়ছে বলে কোম্পানিটি জানায়।  
  • ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপোজার ২০২৪ পর্যন্ত বাড়তে পারে
    মোহাম্মদ মুশফিকুর রহমানঃ পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপোজার লিমিট।বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় আছে। এমন সময়কে লক্ষ্য রেখে ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে। বিগত সময়ে পুঁজিবাজারে দর সংশোধনের পিছেনে এটি প্রধান করন বলে মনে করছেন অনেকে। পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের বাধা অপসারণের লক্ষ্যে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের আলোচনায় বসতে আপত্তি নেই বাংলাদেশ ব্যাংকের। সংস্থাটি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাথে আলোচনা চালিয়ে যেতেও আগ্রহী। বুধবার বিকেলে আর্থিক খাতের রেগুলেটরদের সমন্বয় সভায় এমন অবস্থানের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বৈঠকে বিএসইসির পক্ষ থেকে ব্যাংক এক্সপোজারের সংজ্ঞা সংশোধনের প্রস্তাব তোলা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ওই বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় আছে। এখনই তা বাড়ানো বা কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু নেই। তাছাড়া মাত্র তিনটি ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমার বাইরে আছে। তারা এসব ব্যাংককে মৌখিকভাবে বা লিখিতভাবে কোনো চাপই দিচ্ছেন না। বৈঠকে ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেন, সরকার যদি মনে করে তবে আইন সংশোধন করে এর মেয়াদ ২০২৪ সাল পর্যন্তও করতে পারে। সরকার আইন পাশ করলে বাংলাদেশ ব্যাংক তা পালন করবে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ), রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (আরজেসি) এবং মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
  • বোনাস শেয়ার বিওতে ইসলামিক ফাইন্যান্সের
    স্টাফ রিপোর্টার : আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ (বোনাস শেয়ার) ২৮ মে, বৃহস্পতিবার বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে পাঠিয়েছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ইসলামিক ফাইন্যান্স ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছর বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ শতাংশ লভ্যাংশের ঘোষণা দিয়েছে। এরমধ্যে নগদ ৮ শতাংশ ও স্টক (বোনাস) লভ্যাংশ ৪ শতাংশ। গত ২৫ মার্চ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে।
  • সর্বনিম্ম ২ লাখ ২০ হাজার টাকার উপরেই কর হচ্ছে
    ডেস্ক রিপোর্ট : : আগামী অর্থবছর থেকে ব্যক্তি শ্রেণির কর হার সর্বনিম্ম ৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে অঞ্চলভিত্তিক কর হার পরিহার করে সারাদেশের করদাতাদের করের হার একই রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অর্থসূচক হতে জানা যায়, আসন্ন ২০১৫-১৬ অর্থবছরের অর্থমন্ত্রীর বাজেট প্রস্তাবনায় এ সংক্রান্ত ঘোষণা থাকবে বলে নিশ্চিত করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআর সূত্র জানায়, বর্তমানে সাধারণ করদাতাদের ২ লাখ ২০ হাজার টাকার ওপরে ও ৫ লাখ ২০ হাজার টাকার কম বাৎসরিক আয়ে করের সর্বনিম্ম হার প্রদাণ করতে হয়। সেক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারী করদাতাদের ৩ হাজার টাকা, জেলা সদর ও পৌরসভায় বসবাসকারী করদাতাদের ২ হাজার টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় বসবাসকারী করদাতাদের ১ হাজার টাকা আয়কর দিতে হয়। অঞ্চলভিত্তিক করের এ হারটি এ বছরের বাজেটের পর আর থাকছে না। দেশের যেকোনো স্থানের বসবাসকারী করদাতাদের একই হারে আয়কর প্রদান করতে হবে। আর এর সর্বনিম্ম হার হবে ৪ হাজার টাকা। এনবিআরের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, আগামী অর্থবছর থেকে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এর বেশি ও ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম আয়কারীকে দিতে হবে করের সর্বনিম্ম হার ৪ হাজার টাকা। আর করদাতার আয় যদি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা হয় তবে তাকে ১০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে। এরপর পরবর্তী ৪ লাখ টাকায় ১৫ শতাংশ, পরবর্তী  ৫ লাখ টাকায় ২০ শতাংশ, পরবর্তী ৩০ লাখ টাকায় ২৫ শতাংশ ও অবশিষ্ট আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে করদাতাকে। এনবিআর সূত্র মতে বর্তমানে ১৮ লাখ কর সনাক্তকারী নম্বর (ইটিআইএন) ধারী রয়েছেন। এর মধ্যে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবনা অনুযায়ী ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম আয়কারীর জন্য করের হার থাকবে শূন্য। পরবর্তী আয়ের জন্য ওপরের স্লাব কার্যকর হবে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • পুঁজিবাজারে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় সূচক কমেছে
    পুঁজিবাজারে টানা চার কর্মদিবস সূচক বাড়ার পর গতকাল বুধবার কিছুটা কমেছে। চার কর্মদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক ১৭২ পয়েন্ট বাড়ার পর গতকাল মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় সূচক কমেছে ১১ পয়েন্ট। তবে সূচক কমলেও ডিএসইর লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে।তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) পয়েন্ট ১১ কমে ৪ হাজার ৬১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৮৪২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩১১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৩টির, কমেছে ২১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ২৭৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৭৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা। লেনদেনকৃত ২৪৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৮টির কমেছে ১৭৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির শেয়ারের।   Source : ইত্তেফাক
  • ডিএসইর যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিনিয়োগকারীর মনোবলে চিড়
    আগামী সপ্তাহে ঘোষিত হতে যাওয়া বাজেটকে ঘিরে বিনিয়োগকারীদের নতুন আশা জাগলেও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিনিয়োগকারীদের মনোবলে কিছুটা চিড় ধরছে। চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই দিনে লেনদেন চালুতে বিঘœ হলেও সোম ও মঙ্গলবারে অসম্ভব ধীর গতিতে লেনদেন হয়েছে। ফলে সেটেলমেন্টসহ নানা জটিলতা তৈরি হয়েছে। ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাদের সকাল সাড়ে আটটা থেকে অফিস করতেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ?বুধবারেও কারিগরি ত্রুটি থাকার কারণে সারাদিন লেনদেন হয় ধীরে। হাউস মালিক ও বিনিয়োগকারীদের সীমাহীন বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। এমনকি কোন কোন হাউসে সেটেলমেন্টে ত্রুটি থাকার লেনদেনের তথ্যে গড়মিল আসারও অভিযোগ উঠেছে।অধিকাংশ সিকিউরিটিজ হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মঙ্গল ও বুধবার সারাদিনই সফটওয়ারে কোন না কোন সমস্যা ছিল। লেনদেন পুরোপুরি বন্ধ না হলেও ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে হাউস মালিকদের। আর বিনিয়োগকারীরা লেনদেনের সময় সেটেলমেন্ট সম্পর্কেও নিশ্চিত হতে পারছিলেন না।সম্প্রতি আসন্ন বাজেটকে কেন্দ্র করে বিনিয়োগকারীরা আবার আশাবাদী হয়ে উঠছেন। আর বাজেটকে কেন্দ্র করে বছরের সর্বোচ্চ লেনদেনও হয়েছে গত সোমবার। বিগত মাসে ডিএসই’র সার্বিক সূচকের বড় ধরনের পতন আসলেও গত কিছু দিনে বাজার অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছে। যদিও বুধবারে কিছুটা সূচক কমেছে। তবে লেনদেন আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।অন্যদিকে লেনদেনে এমন বিভ্রাট চলতে থাকলে বাজারের উর্ধমুখী প্রবণতার মধ্যেও বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীন করে তুলবে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সিকিউরিটিজ হাউসের নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সারাদিন প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। কিন্তু বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত আমার কাছে সেটেলমেন্ট এসেছে মাত্র দেড় কোটি টাকার। সারাদিন বিনিয়োগকারীরা যে লেনদেন করেছে তার জন্য ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। এত টাকা খরচ করে নতুন সফটওয়ার আনার লাভটা কি হলো। এর চাইতে তো আগের ‘এমএসএ+’ ভাল ছিল।মার্চেন্ট ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা জানান, লেনদেন বেশি এবং দ্রুত করার জন্যই অনেক টাকা খরচ করে এই সফটওয়ার চালু করা হয়েছে। কিন্তু এখন উল্টোটা ঘটছে। আমরা কি করব। প্রতিনিয়তই বিনিয়োগকারীদের কাছে জবাবদিহি করতে হচ্ছে। নানা ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। Source : জনকণ্ঠ  
  • ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক খাতে বেশির ভাগ কোম্পানির দরপতন
    ঢাকা-চট্টগ্রাম উভয় শেয়ারবাজারেই গতকাল দরপতন হয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংক, বীমা ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলোর বেশির ভাগই গতকাল দর হারিয়েছে। দরপতনের মুখে পড়ে এ খাতের ৮৩ শতাংশ কোম্পানিই। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।সূত্র জানায়, ডিএসইতে গতকাল ৮৪২ কোটি ৪৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ছয় কোটি ৭৮ লাখ টাকা কম। ডিএসইতে এ দিন লেনদেনে অংশ নেয় ৩১১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭৩টির, কমেছে ২১৯টির ও অপরিবর্তিত থাকে ১৯টির শেয়ার দর।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১১ পয়েন্ট কমে বর্তমানে চার হাজার ৬১৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১১০ পয়েন্টে। তবে বেড়েছে ডিএস৩০ সূচক। এই মূল্যসূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৬০ পয়েন্টে।ডিএসইতে টাকার অঙ্কে গতকাল লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি ছিল খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, বেক্সিমকো, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, এসিআই, সামিট অ্যালায়ে পোর্ট লিমিটিড, সাইফ পাওয়ারটেক, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি, এসিআই ফরমুলেশনস ও গ্রামীণফোন।চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল ৭৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এ দিন সিএসই সার্বিক সূচক ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ২৭৩ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৭টির, কমেছে ১৭১টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির।আর্থিক খাতে বিপর্যয়বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতনে গতকাল ব্যাংক, বীমা ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের কোম্পানির ওপর বিপর্যয় নেমে আসে। দরপতন হয়েছে লেনদেনে অংশ নেয়া ব্যাংক খাতের প্রায় ৮৩ শতাংশ কোম্পানির।ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের ৯১ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়েছে এ দিনে। এই খাতের ডেল্টা-ব্র্যাক হাউজিংয়ের দর কমেছে ১ টাকা ৯০ পয়সা বা ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ। শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় ৭৮ টাকা ৫০ পয়সা দরে। এ দিন কোম্পানির ৪০ হাজার ৪৭৫টি শেয়ার ৭৩ বার লেনদেন হয়। বীমা খাতের প্রায় ৮৫ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়েছে এ দিন। এই খাতের সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ও প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের।লাভের শীর্ষে বিএসআরএমঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল বুধবার সবচেয়ে বেশি লাভ করেছে বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড (বিএসআরএম)। এ দিন শেয়ারটির দর বেড়েছে ৬ টাকা ৮০ পয়সা বা ১০ শতাংশ। শেয়ারটি গতকাল সর্বশেষ লেনদেন হয় ৭৪ টাকা ৮০ পয়সা দরে। এ দিন কোম্পানির ২০ লাখ ৩৫ হাজার ২৬৬টি শেয়ার তিন হাজার ৯১৫ বার লেনদেন হয়। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইম্পোর্ট কোম্পানি লিমিটেড (বেক্সিমকো)। শেয়ারটি গতকাল সর্বশেষ লেনদেন হয় ৩৫ টাকা দরে। দর বেড়েছে ২ টাকা ৭০ পয়সা বা ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এ দিন কোম্পানির এক কোটি ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ৩৩৬টি শেয়ার ছয় হাজার ৮৭৬ বার লেনদেন হয়। লাভের তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা বিএসআরএম স্টিলের দর বেড়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা বা ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ গেইনার তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে খুলনা পাওয়ার কোম্পানির ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ, ইফাদ অটোসের ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ, নর্দার্ন জুট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ৭ দশমিক ৩২ শতাংশ, এসিআই ফরমুলেশনের ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানির ৬ দশমিক ২২ শতাংশ এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানির শেয়ারদর ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেড়েছে।লোকসানের শীর্ষে দুলামিয়াঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল লোকসানের শীর্ষে অবস্থান ছিল দুলামিয়া কটন মিলস। এ দিন কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে ৮০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। শেয়ারটি গতকাল ৭ টাকা ৬০ পয়সা দরে সর্বশেষ লেনদেন হয়। এ দিন কোম্পানির এক হাজার ১৪৫টি শেয়ার চারবারে লেনদেন হয়। লোকসানের দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কে অ্যান্ড কিউ। এ দিন কোম্পানির শেয়ার দর এক টাকা বা ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমেছে। পাঁচবারে কোম্পানির দুই হাজার ৫০০টি শেয়ার লেনদেন হয়। আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডের এক টাকা ৬০ পয়সা বা ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ দর হারিয়ে লোকসানের তৃতীয় অবস্থানে। এ ছাড়া লুজারে থাকা অন্য কোম্পানির মধ্যে আজিজ পাইপসের ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ফার্স্ট ফিন্যান্সের ৬ দশমিক ৮ শতাংশ, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স কোম্পানির ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের ৫ দশমিক ৮ শতাংশ, এইমস ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ, তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িংয়ের ৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারদর ৪ দশমিক ৭৬ শতাশং কমেছে।   Source : নয়া দিগন্ত
  • আইপিও খসড়া প্রস্তাবে মতামত দেয়ার ক্ষমতা পেল স্টক এক্সচেঞ্জ
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তিতে ইচ্ছুক কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) আবেদন পর্যালোচনা শেষে সুপারিশের ক্ষমতা পেয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ। পাশাপাশি শর্তসাপেক্ষে ওটিসিভুক্ত (ওভার দ্য কাউন্টার) কোম্পানির জন্য স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বাজারে পুনরায় তালিকাভুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জ দুটির তালিকাভুক্তি প্রবিধানমালা ২০১৫ (লিস্টিং রেগুলেশনস) অনুমোদনের মাধ্যমে এ ক্ষমতা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কমিশনের নিয়মিত সভায় গতকাল এ অনুমোদন দেয়া হয়।কমিশনের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন। এ বিষয়ে স্টক এক্সচেঞ্জ দুটির দেয়া প্রস্তাবনায় কিছু পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন ও সংশোধন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড (লিস্টিং) রেগুলেশনস, ২০১৫ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড (লিস্টিং) রেগুলেশনস, ২০১৫ অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। গেজেট প্রকাশের পর থেকে এটি কার্যকর হবে। এ প্রবিধানমালায় আইপিও অনুমোদন চাওয়া কোম্পানির বিষয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের পর্যালোচনা বা অভিমত প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইপিওর খসড়া প্রস্তাবের ওপর পর্যালোচনা প্রতিবেদন বা সুপারিশ প্রদান এত দিন ঐচ্ছিক ছিল।জানা গেছে, আইপিওর আবেদন করা কোম্পানির জন্য স্টক এক্সচেঞ্জের অনাপত্তিপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলকের বিষয়টি এ প্রবিধানমালার সংশোধনীতে রাখার প্রস্তাবটি বিবেচনা করেনি কমিশন। তবে পাবলিক ইস্যু বিধিমালার সংশোধনীতে অনাপত্তিপত্র গ্রহণের বিষয়টি রাখা হবে বলে স্টক এক্সচেঞ্জকে জানিয়েছে কমিশন।বিএসইসি ও স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্তি প্রবিধানমালা সংশোধনীতে স্টক এক্সচেঞ্জকে আইপিও আবেদনকারী কোম্পানির কার্যালয় ও কারখানা (যদি থাকে) তা পরিদর্শন করার ক্ষমতা দেয়া হয়নি। ফলে শুধু কোম্পানি প্রদত্ত তথ্যের ওপর নির্ভর করেই মতামত দিতে হবে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ডিসক্লোজার বেসড তথ্যের ওপর নির্ভর করে বিএসইসি আইপিও অনুমোদন করে থাকে। প্রি-লিস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কোম্পানি পরিদর্শনের বিষয়টি এ পদ্ধতির সঙ্গে যায় না। এ কারণে তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানি পরিদর্শনের অনুমোদন দেয়া হয়নি।অবশ্য নতুন প্রবিধানমালায় তালিকাভুক্তির পর বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে স্টক এক্সচেঞ্জকে কোম্পানির কার্যালয় বা কারখানা সরেজমিন পরিদর্শনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তবে এজন্য আগেই কমিশনকে অবহিত করতে হবে বা অনুমোদন দিতে হবে। বর্তমান প্রবিধানমালায় এ বিধান নেই।কমিশন সূত্র জানিয়েছে, নতুন তালিকাভুক্তি প্রবিধানমালা অনুুযায়ী, স্টক এক্সচেঞ্জে আইপিও আবেদন-সংক্রান্ত নথি প্রদানের ২০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রাথমিক অভিমত দিতে হবে। পরবর্তীতে স্টক এক্সচেঞ্জদ্বয় সংশ্লিষ্ট কোম্পানি, কোম্পানির পরিচালক বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নিরীক্ষক, সম্পদ পুনর্মূল্যায়নকারী, ইস্যু ব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা তলব করতে পারবে। প্রাপ্ত ব্যাখ্যা পাওয়ার সাত কার্যদিবসের মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জের চূড়ান্ত মতামত পর্যবেক্ষণসহ কমিশনে দাখিল করতে হবে। এক্ষেত্রে আইপিও অনুমোদনের বিষয়ে ইতিবাচক মতামত দিলে তা তালিকাভুক্তির বিষয়েও অনাপত্তি প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।নতুন তালিকাভুক্তি প্রবিধানমালায় কোম্পানিকে স্বপ্রণোদিত হয়ে তালিকাচ্যুতির বিধান রাখা হয়েছে। টানা এক বছর কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন না হলে এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে ৯০ শতাংশ শেয়ার থাকা সাপেক্ষে তালিকাচ্যুতির আবেদন করতে পারবে। তবে এজন্য এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব এজিএমে তিন-চতুর্থাংশ শেয়ারহোল্ডার কর্তৃক অনুমোদন হতে হবে। এছাড়া উদ্যোক্তা-পরিচালকদের বাইরে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারের কাছে থাকা শেয়ার কিনে নিতে একটি পৃথক ব্যাংক হিসাব সংরক্ষণ করতে হবে। শেয়ারের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ হবে সর্বশেষ লেনদেন মূল্য বা সর্বশেষ লেনদেনের আগের ছয় মাসের ওয়েটেড এভারেজ দরের ভিত্তিতে।নতুন তালিকাভুক্তি প্রবিধানমালায় সরাসরি তালিকাভুক্তি এবং পুনঃতালিকাভুক্তি নীতিমালা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ৩০ কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনবিশিষ্ট কোনো কোম্পানি এ সুবিধা নিতে পারবে না। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সর্বশেষ বছরে মুনাফা থাকাসহ সর্বশেষ পাঁচ বছরের মধ্যে অন্তত তিন বছর লাভজনক থাকতে হবে। নতুন এ বিধানের ফলে পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকার ওপর উন্নীত না করলে এবং লাভজনকভাবে পরিচালিত না হলে ওটিসিভুক্ত কোনো কোম্পানি আর মূল শেয়ারবাজারে পুনরায় তালিকাভুক্তির সুযোগ পাবে না।এছাড়া তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালক ও উদ্যোক্তাদের মাসিক শেয়ার স্থিতি, ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদন, অর্ধবার্ষিক এবং নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন স্টক এক্সচেঞ্জকে প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত কোনো তথ্যের বিষয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের অতিরিক্ত কোনো তথ্যের প্রয়োজন হলে তা তলব করতে পারবে।বিএসইসি সূত্র জানায়, পূর্বের তালিকাভুক্ত প্রবিধানমালায় স্টক এক্সচেঞ্জ পরিশোধিত মূলধনের ভিত্তিতে তালিকাভুক্তি ফি নেয়ার বিধান ছিল। তবে স্টক এক্সচেঞ্জ এত দিন আইপিও আকারের ওপরই তালিকাভুক্তি ফি নিয়ে আসছিল। নতুন প্রবিধানমালায় আইপিও আকারের ওপর ফি নির্ধারণের বিধান করা হয়েছে।   Source : বনিক বার্তা
  • আইনি বাধ্যবাধকতায় ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা
      শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ সমন্বয়ের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়টি ব্যাংক কোম্পানি আইন দ্বারা নির্দেশিত। একইভাবে ওই আইন অনুযায়ী শেয়ারবাজারে ব্যাংক কোম্পানির বিনিয়োগ গণনা করা হয়। এ অবস্থায় ব্যাংকের বিনিয়োগ সমন্বয়ের সময়সীমা বাড়ানো কিংবা বিনিয়োগ গণনার রীতি পুনর্মূূল্যায়ন করতে হলে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করতে হবে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত ছয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার সমন্বয় সভায় এমন অভিমত ব্যক্ত করেন গভর্নর ড. আতিউর রহমান।ব্যাংক কোম্পানি আইন (সংশোধিত), ২০১৩ অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ২০১৬ সালের মধ্যে নির্দেশিত সীমায় নামিয়ে আনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্টরা এ সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং এদের সহযোগী মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার ডিলারদের বিনিয়োগ হিসাব গণনা পদ্ধতি পুনঃমূল্যায়নের দাবিও রয়েছে। গতকাল অর্থ ও শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সমন্বয় সভায় বিএসইসি এ বিষয়টি উত্থাপন করলে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।সভা শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আন্তরিকতার ঘাটতি নেই। সমন্বয় সভায় ব্যাংকের বিনিয়োগের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের করণীয় বেশি কিছু নেই। ব্যাংকের বিনিয়োগ সমন্বয়ের সময়সীমা বাড়ানো কিংবা বিনিয়োগ গণনার রীতি পুনঃমূল্যায়ন করতে হলে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করতে হবে। এটি সরকারের হাতে।তবে শেয়ারবাজারের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, সে সুবিধা দিতে কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন এস কে সুর চৌধুরী। এরই মধ্যেই মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগজনিত লোকসানের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণে ছাড় দেয়া হয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলোর ৭০০-৮০০ কোটি টাকা কম প্রভিশন করতে হচ্ছে।শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির পক্ষ থেকে স্টেকহোল্ডারদের উদ্বেগের বিষয়টি উপস্থাপন করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন। তিনি শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতার স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ শেয়ারবাজার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের কথা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নজরে আনেন।বৈঠক সূত্র জানায়, গতকালের সভায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি তদারক ও তদন্তের প্রয়োজন হলে ‘সমন্বিত সুপারভিশন’ করার বিষয়ে সব নিয়ন্ত্রক সংস্থা একমত পোষণ করেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ধারণাপত্র উপস্থাপন করে, যা অনুমোদন করেছে সব পক্ষ।অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থ ও শেয়ারবাজারকে পরিচালিত করার স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি, আইডিআরএ এবং আরজেএসসি প্রতি মাসে সমন্বয় সভা করে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। Source : বনিক বার্তা  
  • অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণ নেই লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের
    অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির পেছনে যৌক্তিক কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছে লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষের চিঠির জবাবে এ তথ্য দেয় কোম্পানিটি।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে তিন কার্যদিবস ধরে টানা বাড়ছে এর দর। গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে ১ দশমিক ১২ শতাংশ বা ১ টাকা ৩০ পয়সা। দিনভর দর ১১৫ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১২০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১১৬ টাকা ৯০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সর্বশেষ দর ছিল ১১৬ টাকা ৫০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ১১৫ টাকা ৬০ পয়সা। এদিন ২ হাজার ৩২৯ বারে এ কোম্পানির মোট ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৩৩০টি শেয়ার লেনদেন হয়।গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ১০২ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১১৬ টাকা ৫০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ১০২ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৩৬ টাকা ৩০ পয়সা।সর্বশেষ প্রকাশিত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫৮ কোটি ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৫০ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬২ কোটি ৭৯ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ৫৪ পয়সা।বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে ২০০৩ সালে একমাত্র গ্রিনফিল্ড কোম্পানি হিসেবে তালিকাভুক্ত হয় লাফার্জ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেড। পরে মেঘালয় থেকে চুনাপাথর উত্তোলন নিয়ে ভারতে আইনি জটিলতায় পড়ে কোম্পানিটি। কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এতে বড় অঙ্কের পুঞ্জীভূত লোকসানে পড়ে কোম্পানি। একসময় আদালতের রায়ে পাথর উত্তোলনের অনুমোদন পেয়ে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করে তারা। ২০১২ সালে মুনাফায় ফিরে আসে কোম্পানিটি। তবে বড় অঙ্কের পুঞ্জীভূত লোকসান থাকায় ২০১৩ সাল পর্যন্ত কোনো লভ্যাংশ পাননি শেয়ারহোল্ডাররা।শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর প্রথমবারের মতো লভ্যাংশ দিচ্ছে লাফার্জ সুরমা। সম্প্রতি কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। এর আগে একই হিসাব বছরে ৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। ২০১৪ সালের জন্য সব মিলিয়ে ১০ শতাংশ পেতে যাচ্ছেন লাফার্জ সুরমা শেয়ারহোল্ডাররা। সুপারিশকৃত এ লভ্যাংশ বিতরণ শেষে ডিএসইতে প্রথমবারের মতো ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হতে যাচ্ছে কোম্পানিটি।নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, গেল হিসাব বছরে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৪৩ পয়সা। একই সময়ে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৪১ পয়সা। আগামী ১১ জুন কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট ছিল ৭ এপ্রিল।   Source : বনিক বার্তা
  • বাড়ছে বিএসআরএম লিমিটেডের দর
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চার কার্যদিবস ধরে বাড়ছে বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস (বিএসআরএম) লিমিটেডের দর। গতকাল কোম্পানিটি ছিল দরবৃদ্ধির শীর্ষে। এদিকে প্রথম প্রান্তিকে এ কোম্পানির মুনাফা কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে।অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্তর এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১৮ পয়সা; যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪ কোটি ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ২৬ পয়সা।২০১৪ সালের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে সম্প্রতি তালিকাভুক্ত হওয়া প্রকৌশল খাতের এ কোম্পানি। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৪ পয়সা; যা আগের বছরের তুলনায় অস্বাভাবিক রকম কম। বর্তমানে এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ৫৪ টাকা ৯৫ পয়সা। আগামী ১৫ জুন বেলা ৩টায় চট্টগ্রামের ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।ডিএসই সূত্রে আগেই জানা গেছে, বন্ডধারীদের শেয়ার ইস্যু করার ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদনসাপেক্ষে নতুন এসব শেয়ার ইস্যু করা হবে। ঘোষণা অনুযায়ী কোম্পানিটি ১৫ কোটি ২৪ লাখ টাকার ১২ শতাংশ কনভার্টিবল বন্ডের বিপরীতে ৪০ লাখ ১০ হাজার ৫২৩টি শেয়ার ইস্যু করবে। ২৮ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৮ টাকায় প্রতিটি শেয়ার ইস্যু করা হবে।ডিএসইতে গতকাল বিএসআরএম লিমিটেড শেয়ারের দর বাড়ে ১০ শতাংশ বা ৬ টাকা ৮০ পয়সা। দিনভর এর দর ৬৭ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৭৪ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ৭৪ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয়। সমাপনী দর দাঁড়ায় ৭৪ টাকা ৮০ পয়সা; যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৬৮ টাকা। এদিন ৩ হাজার ৯১৫ বারে এ কোম্পানির মোট ২০ লাখ ৩৫ হাজার ২৬৬টি শেয়ার হাতবদল হয়।প্রকৌশল খাতের কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ১ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৬১ কোটি ২৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দমূল্য ছিল ৩৫ টাকা।আইপিওতে মোট ১ হাজার ২৩২ কোটি ৩৮ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়ে; যা মোট ইস্যু মূল্যের তুলনায় প্রায় ২০ গুণ। শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ৫ মার্চ লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়।গত ১-৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিএসআরএম লিমিটেডের আইপিও আবেদন জমা নেয়া হয়। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।বিএসআরএম লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা। আইপিওর পর পরিশোধিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ১৭৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৬৫৬ কোটি ২ লাখ টাকা।২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ৭৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। সমন্বয়-পরবর্তী ইপিএস ৪ টাকা ৫৫ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ৫০ টাকা ৩৭ পয়সা।বর্তমানে এ কোম্পানির ৫৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ শেয়ার এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারী ৩১ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং বাকি ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে।উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারে বিএসআরএম গ্রুপের বিএসআরএম স্টিলস নামে আরেকটি কোম্পানি তালিকাভুক্ত আছে।   Source : বনিক বার্তা
  • বিডি থাইয়ের লেনদেন বন্ধ আজ
    রেকর্ড ডেটের কারণে আজ বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিডি থাইয়ের লেনদেন। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রকৌশল খাতের এ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। এছাড়া শেয়ারহোল্ডার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনক্রমে অনুমোদিত মূলধনও বাড়াতে চায় কোম্পানিটি।জানা গেছে, বিদ্যমান একটি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার ইস্যু করবে কোম্পানিটি। প্রতিটি রাইট শেয়ার ইস্যু মূল্য হবে ২৫ টাকা। অর্থাৎ রাইট শেয়ারের জন্য ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে আরো ১৫ টাকা প্রিমিয়াম গুনতে হবে শেয়ারহোল্ডারদের।এদিকে পরিচালনা পর্ষদের সর্বশেষ সভায় কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি থেকে ২০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এজন্য কোম্পানির সংঘস্মারক ও সংঘবিধিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনতে শেয়ারহোল্ডারদের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানি। ইজিএমে অনুমোদনের পর প্রতিটি সিদ্ধান্তই নিয়ন্ত্রক সংস্থায় পাঠানো হবে। আগামী ২২ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ট্রাস্ট মিলনায়তনে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য আজ রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়া গেলে রাইট শেয়ারের জন্য নতুন রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ বা ১ টাকা ৩০ পয়সা। দিনভর দর ৩৭ টাকা থেকে ৩৯ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৩৯ টাকায়। Source : বনিক বার্তা  
  • অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালসের এজিএম আজ
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালস লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আজ অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি ৬ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় এর ইপিএস ছিল ৪ টাকা ২৬ পয়সা ও এনএভি ২৭ টাকা ৯ পয়সা। ২৮ মে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে এর এজিএম অনুষ্ঠিত হয়।এদিকে প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩১ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত অ্যাকটিভ ফাইনের মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ১১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৯৯ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭ কোটি ৬৯ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ৭৫ পয়সা।ডিএসইতে গতকাল অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালস শেয়ারের দর কমে ২ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ১ টাকা ৪০ পয়সা। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৬০ টাকা ৬০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ৬০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ৬২ টাকা। দিনভর দর ৬০ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৬৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। ১ হাজার ২৬০ বারে এদিন কোম্পানিটির ১২ লাখ ৫৫ হাজার ১৯০টি শেয়ার হাতবদল হয়। Source : বনিক বার্তা  
  • এনসিসি ব্যাংক উদ্যোক্তার শেয়ার কেনার ঘোষণা
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোক্তা খন্দকার জাকারিয়া মাহমুদ নিজ কোম্পানির শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। কোম্পানিটির এ উদ্যোক্তা ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার কিনবেন বলে জানা গেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে।গতকাল ডিএসইতে এনসিসি ব্যাংক শেয়ারের দর বাড়ে ১ দশমিক ৯০ শতাংশ বা ২০ পয়সা। দিনভর দর ১০ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ১০ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১০ টাকা ৭০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সমাপনী দর ছিল ১০ টাকা ৬০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ১০ টাকা ৫০ পয়সা। এদিন ৪৫০ বারে এ কোম্পানির মোট ৩০ লাখ ৪ হাজার ৮৯৯টি শেয়ার লেনদেন হয়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, তিন কার্যদিবস ধরে বাড়ছে এর দর। এক মাসে এ শেয়ারের সর্বনিম্ন সমাপনী দর ছিল ৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১১ টাকা ১০ পয়সা। ছয় মাসে সর্বনিম্ন ৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১১ টাকা ৬০ পয়সা।সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ ব্যাংকের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২০ কোটি ৮০ লাখ টাকা ও ইপিএস ২৬ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময় ছিল ১০ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১৩ পয়সা। অন্যদিকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৫৫ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৬৯ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে ৩৮ কোটি ৫২ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ৪৮ পয়সা।৮০২ কোটি ৯০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের এ কোম্পানির রিজার্ভ ৫২৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা।   Source : বনিক বার্তা
  • 'পুঁজিবাজারের বড় দুর্বলতা জানার অভাব'
    পুঁজিবাজারের বড় দুর্বলতা হলো বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকসহ সংশ্লিষ্টদের আর্থিক জ্ঞানের অভাব। আর্থিক প্রতিবেদন বিবেচনা না করে অনেকেই গুজবের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করে। বিনিয়োগ করেই স্বল্প সময়ের মধ্যে মুনাফা করতে চায়। এ ধরনের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেন।গত সোমবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এবং বণিক বার্তার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশের অর্থনীতি ও পুঁজিবাজারের সমৃদ্ধি বিষয়ক সম্মেলন ২০১৫-তে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. এম খায়রুল হোসেন এসব কথা বলেন।বণিক বার্তার সম্পাদক হানিফ মাহমুদের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। আলোচক হিসেবে ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী, আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মসিহ মালিক চৌধুরী। প্যানেল আলোচক হিসেবে ছিলেন ডিএসইর এমডি ও সিইও ড. স্বপন কুমার বালা এবং আইসিবির এমডি মো. ফায়েকুজ্জামান। সমাপনী বক্তব্য দেন সিএসইর চেয়ারম্যান ড. আবদুল মজিদ।ড. এম খায়রুল হোসেন বলেন, অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের অবদান বাড়াতে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। এ জন্য বাজারে স্বচ্ছতা ও ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন প্রয়োজন ছিল। তা করা হয়েছে। আরো বেশ কিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির জনবল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। তবে বিনিয়োগ নিরাপদ রাখতে বিনিয়োগকারীদের সচেতন হতে হবে।ড. মসিউর রহমান বলেন, শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ হঠাৎ করে কমানো ঠিক হবে না। ধীরে ধীরে সমন্বয় করতে হরে। ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, বর্তমানে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করা উত্তম। কিন্তু মানুষ স্বল্প মেয়াদে বিনিয়োগ করে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও দৈনিক ভিত্তিতে বিনিয়োগ করছে। কারণ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সক্ষমতার অভাব রয়েছে। এ ছাড়া মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ব্যবস্থাপনায় অদক্ষতাও এর একটি কারণ।মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানই বাজার থেকে মূলধন তুলে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করে। ফলে বিনিয়োগ না করায় কম্পানিগুলোর মুনাফা বাড়ে না। বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশও দিতে পারে না। এ বিষয়ে বিএসইসির নজর দেওয়া প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, অনেক কম্পানিরই আর্থিক প্রতিবেদনে ভুল থাকে। এ বিষয়টি বন্ধ করতে বিএসইসি ভূমিকা রাখতে পারে। এ ছাড়া তিনি লাভজনক সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে শেয়ারবাজারে আনার পরামর্শ দেন।সিএসইর এমডি ওয়ালি উল মারুফ মতিন প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বলেন, বর্তমানে অর্থনীতির প্রগতির তুলনায় লেনদেন আরো বেশি হওয়া দরকার। আর বাজারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে আস্থাহীনতা দূর করতে হবে।   Source : কালের কণ্ঠ
  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিএসইসির যূথবদ্ধতা দরকার
    বণিক বার্তা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ আয়োজিত সোমবারের সম্মিলনে শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞরা নানা অভিযোগ, প্রশ্ন ও পরামর্শ তুলে ধরেছেন। বিনিয়োগকারীদের আস্থা প্রতিষ্ঠায় কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সত্য। এতে কিছু অগ্রগতি হলেও আস্থা অর্জনের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে এখনো। নানা ত্রুটি ও নিয়ম-কানুনের সীমাবদ্ধতার কথাও উঠে এসেছে বিশেষজ্ঞদের আলোচনায়। সুদূরপ্রসারী বিনিয়োগ ভাবনা না থাকলে স্থায়ী ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি শেয়ারবাজারকে চাঙ্গা করতে সংস্কারমূলক আরো পদক্ষেপ নেয়ার সময় এসেছে। এ কথা সত্য, দীর্ঘ মন্দার পর বাজার একটি স্বাভাবিক অবস্থানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তবে তার গতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এবং সরকারের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান কার্যকর ভূমিকা রাখছে না; যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। এ অবস্থায় শেয়ারবাজার নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বর্তমান সরকারের ওপর প্রত্যাশা একটু বেশিই। এ অবস্থায় সবকিছু বিবেচনা করে সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাজারের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, অডিট ব্যবস্থা আরো জোরদার, দক্ষ জনবল তৈরি, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ নিতে হবে দ্রুত। আইপিওর মাধ্যমে যেসব কোম্পানি বাজারে আসছে, সেগুলোর অধিকাংশ দুর্বল। অনেক ক্ষেত্রে মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে এসব কোম্পানি বাজারে আসছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। আর বাজারে আসার পর কিছুদিন এসব শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। আবার কিছুদিন যেতে না যেতেই সেগুলো আইপিও মূল্যের নিচে নেমে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার পরামর্শও আসছে।এ মুহূর্তে চ্যালেঞ্জ হলো— নিয়ন্ত্রক সংস্থা, স্টেকহোল্ডার, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা। বাজারে ট্রেড ভলিউম কমে গেলে বিনিয়োগকারীসহ সবার মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়। বাজার সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য প্রকাশ হওয়ার আগে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা করা জরুরি। বিনিয়োগকারীদের আস্থা না ফেরারও অনেক কারণ রয়েছে। বড় একটি ধসের পর বাজারের প্রতি আবারো বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার মূল দায়িত্ব সরকারের। তারা সেটি যথাযথভাবে করেছে, সে দাবি করা যাবে না। তবে কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বড় ধরনের সুফল পেতে হলে আরো কাজ করতে হবে।২০১০ সালের ধসের পেছনে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতাও একটি কারণ ছিল। এ কারণে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলো আইন লঙ্ঘন করে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত বিনিয়োগ করেছে। অথচ আইন লঙ্ঘনকারী ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তার ওপর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে বাধা দেয়া হচ্ছে ব্যাংকগুলোকে। ধসের পর এ সমন্বয়হীনতা দূর করার বিষয়ে সরকার ও বিভিন্ন পক্ষ থেকে নানা প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। তবে অবস্থার খুব বেশি উন্নতি হয়নি। আগে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে নিয়মিত সমন্বয় সভা হতো। এখন সেটা অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। শেয়ারবাজার উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও আরো বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারে। এক্ষেত্রে শেয়ারবাজারের প্রয়োজনেই বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে বিএসইসিকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হব Source : বনিক বার্তা        
  • জেনারেশন নেক্সটের এজিএম পিছিয়েছে
    বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ পিছিয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস লিমিটেড। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।পরিবর্তিত ঘোষণা অনুসারে আগামী ২৭ জুন বেলা ১১টায় পূর্বনির্ধারিত স্থানেই কোম্পানির ১১তম এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ১৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় আশুলিয়ার ধনাইদে অবস্থিত কারখানা প্রাঙ্গণে এজিএম আহ্বান করেছিল।৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৪ হিসাব বছরে জেনারেশন নেক্সট ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এ সময় কোম্পানিটির সমন্বয়-পরবর্তী শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয় ১ টাকা ৫৪ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৪ পয়সা। রেকর্ড ডেট ছিল ১১ মে।এদিকে প্রস্তাবিত বোনাস শেয়ারের সঙ্গে সমন্বয় করে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৫ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ৩২ পয়সা।২০১৩ হিসাব বছরেও কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়। সে বছর ইপিএস ছিল ২ টাকা ১৫ পয়সা। শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ ছিল ১ টাকা ৬৪ পয়সা, ২০১৪ সালে যা মাত্র ৯ পয়সায় নেমে এসেছে।ডিএসইতে গতকাল জেনারেশন নেক্সট শেয়ারের দর দশমিক ৭৬ শতাংশ কমে ১৩ টাকা ১০ পয়সায় নেমে এসেছে। গত এক মাসে এ শেয়ারের দর ১০ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১৩ টাকা ৪০ পয়সায় ওঠানামা করে।ছয় মাসে সর্বোচ্চ দর ছিল ১৬ টাকা ও সর্বনিম্ন ১০ টাকা ৯০ পয়সা। এক বছরে দরের এ সীমা ছিল ১০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১৯ টাকা২০ পয়সা।২০১২ সালে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৪০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৩২৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৫৬ কোটি ১ লাখ টাকা।কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩০ দশমিক ৮১ শতাংশ এর উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং বাকি ৪৫ দশমিক ৩৫শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।সর্বশেষ ২০১৩ সালের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ১১ দশমিক ৪৩, প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা আরো কমে ৭ দশমিক ১১ এ নেমে এসেছে।   Source : বনিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • REPUBLIC

    Naheem Hossain Chowdhury, one of the Sponsors of the Company, has further reported that he has completed his buy of 36,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • BRACBANK

    Credit Rating Agency of Bangladesh Limited (CRAB) has announced the rating of the Company as AA2 in the long term and ST-2 in the short term along with a stable outlook based on audited financial statements of the Company up to December 31, 2014 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • EXCH

    Today's (28.05.2015) Total Trades: 176,897; Volume: 191,773,964 and Turnover: Tk. 8,588.13 million.

  • WATACHEM

    Md. Abdur Rob Jomadder and Jobeda Nahar, both are Sponsors of the Company, have expressed their intention to sell 5,000 shares each out of their total holding of 15,600 shares and 23,400 shares respectively of the Company at prevailing market price through Stock Exchange within next 30 working days.

  • APOLOISPAT

    In response to a DSE query, the Company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the Company for recent unusual price hike.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
AZIZPIPES 17.60 16.10 1.50 9.32
APEXSPINN 74.20 68.60 5.60 8.16
APOLOISPAT 18.00 16.70 1.30 7.78
WMSHIPYARD 48.90 45.40 3.50 7.71
RAKCERAMIC 78.20 72.80 5.40 7.42
UNIQUEHRL 63.00 59.20 3.80 6.42
INTECH 13.40 12.60 0.80 6.35
RDFOOD 10.40 9.80 0.60 6.12
AAMRATECH 37.80 35.70 2.10 5.88
SAMATALETH 20.20 19.10 1.10 5.76

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297