Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SHURWID 10.7 8.9 1.80 20.22
BEACHHATCH 16.1 14 2.10 15.00
SEMLIBBLSF 10.6 9.3 1.30 13.98
ICB3RDNRB 7.9 7 0.90 12.86
PENINSULA 25.2 22.8 2.40 10.53
TOSRIFA 27.7 25.2 2.50 9.92
KPPL 8.7 8 0.70 8.75
PDL 23.2 21.8 1.40 6.42
ICBSONALI1 8.8 8.3 0.50 6.02
NORTHRNINS 23.4 22.1 1.30 5.88

Contest SB2017_May

1st
blank_person
NAZRUL
2nd
blank_person
GAMBLERBD
3rd
blank_person
T.TANVIR
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BANKASIA 15.6 15.3 0.46226 202079.00
DESCO 49.5 49 0.34757 3150.00
IDLC 69.7 69.2 0.32963 64567.00
RENATA 1102 1099 0.31943 307.00
PDL 23.2 21.6 0.31613 3726790.00
Negative impact
GP 330.7 331.7 -2.36097 18803.00
UPGDCL 174.2 176.8 -1.64996 168902.00
DUTCHBANGL 99 100.4 -0.48957 4160.00
SIBL 21.7 21.9 -0.25818 167734.00
SHAHJABANK 15.1 15.3 -0.25692 100477.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
PDL 23.2 23.7 21.8 7.41% 85.21
BSC 605.8 609 600 0.66% 56.17
PTL 32.7 33.3 32.6 0.62% 37.71
TOSRIFA 27.7 28.2 27.6 0.73% 34.10
UPGDCL 174.2 178.8 174.2 -1.47% 29.75
ETL 22.7 22.9 22.5 0.00% 29.48
AGNISYSL 27.1 27.6 26.7 -1.45% 27.52
REGENTTEX 29.3 29.7 28.7 2.45% 23.98
RSRMSTEEL 83.6 84 82.5 1.46% 20.98
MHSML 30.5 31.5 30.5 -1.61% 20.66

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 30 May 2017

20761
TOTAL TRADE
38.8977
TOTAL VOLUME(Mn)
988.60
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • স্বপ্নের দিন-রাত ও দুর্ভাবনার পুঁজিবাজার!
    রাহেল আহমেদ শানু : পুঁজিবাজার নিয়ে বছরের প্রথম দিকে স্বপ্ন বোনা শুরু। সেই স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত। নতুন পুরোনো অনেক বিনিয়োগকারী এখন দিশাহারা, বাজার নিয়ে তারা বেশ চিন্তিত। প্রতিদিন কমছে শেয়ারপ্রতি দর, সূচক ও লেনদেন। এখন আমরা সবাই বেশ চিন্তিত -এমনটাই উঠে এসেছে বিশিষ্ট দুজন ব্যক্তির মন্তব্যে। বেসরকারি একটি টেলিভিশনে খুজিস্তা নূর-ই-নাহারীনের সঞ্চালনায় এক অনুষ্ঠানে সম্প্রতি উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান এবং অর্থনীতিবিদ আহমেদ আল কবীর। বর্তমান বাজার সম্পর্কে করণীয় এবং কেন এমন বিপরিত চিত্র ফুটে উঠছে, তার সম্ভাব্য চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেন। পুঁজিবাজার সম্পর্কে মো. মিজানুর রহমান বলেন, গত দেড় মাস থেকে আমাদের পুঁজিবাজার নিম্নমুখী প্রবণতায় রয়েছে। আমরা জানি, অর্থনীতির যেসব প্যারামিটার আছে তা সামগ্রিকভাবে খারাপ বলার কোনো সুযোগ নেই। তারপরও কেন বাজারের এ অবস্থা, তা নিয়ে আমরা সবাই বেশ চিন্তিত। তিনি বলেন, আসন্ন বাজেটে আমাদের ব্যবসায়িক কমিউনিটির বেশ কিছু দাবি-দাওয়ার বিষয় আছে। হয়তো তারা অপেক্ষা করছেন, বাজেটে তাদের জন্য ইতিবাচক বা নেতিবাচক কি আছে। যে কারণে আমার মনে হয় তারই একটি প্রভাব পড়েছে বাজারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান বলেন, তাছাড়া কিছু দিন আগে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় দেখেছি, ২০০৫ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত একটি মোটা অঙ্কের টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। শুধু ২০১৪ সালেই ৭৩ হাজার কোটি টাকার মতো পাচার হয়েছে, যা কিনা এ বছরের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জালানি, বিদ্যুৎ এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন খাতের যে বাজেট তার সমান। কাজেই এসব ঘটনার একটি মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব বাজারের ওপর থাকতে পারে। তাছাড়া বাজারের ওপর মানুষের আস্থা কেবল ফিরছিল। ২০১০-১১ সালের পর থেকে বর্তমানে বাজারের অবস্থা বেশ ভালো। কিন্তু ইদানীং মনে হচ্ছে কিছুটা আস্থার ঘাটতি আছে। তবে এটি থাকার কথা নয়। কারণ আমাদের অর্থনীতি সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। যদিও গত দশ মাসে রফতানি আয়ে আমরা কিছুটা ভাটা দেখেছি। সব মিলিয়ে আমাদের ক্যাপিটাল মার্কেট যেখানে আছে সেখানে থাকার কোনো সুযোগই নেই। আমি মনে করি খুব দ্রুতই পুঁজিবাজার তার প্রকৃত জায়গায় চলে যাবে। তাছাড়া সরকার এ বাজেটে ব্যবসায়িক কমিউনিটির কিছু দাবি বিবেচনায় আনলে আমাদের পুঁজিবাজারের জন্য তা সুফল বয়ে আনবে। এ ছাড়া সরকার যদি বড় মাপের পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাতে দেশি-বিদেশি ভালো কোম্পানিগুলোকে বাজারে আসতে উৎসাহিত হয় তাহলে আমার ধারণা বাজার দীর্ঘ সময়ের জন্য ভালো হবে। পাশাপাশি বাজারের খারাপ সময়ে সরকারের দেখা দরকার কেন খারাপ হচ্ছে। অনুষ্ঠানে আহমেদ আল কবীর বাজেট সম্পর্কে বলেন, আসন্ন বাজেট নিয়ে অনেক কিছুই শোনা যাচ্ছে। কিন্তু বাজেট এখনও প্রকাশ হয়নি। কাজেই বাজেট সম্পর্কে যা বলা হবে তার সবই গুজব। তবে বাজেট নিয়ে আলোচনা করার দরকার আছে। তিনি বলেন, বাজেটে করপোরেট ট্যাক্স কমানোর দরকার আছে। করপোরেট ট্যাক্স ১৫ শতাংশের আইন হয়েছে অনেক আগে। কিন্তু ২০১১-১২ সালের এ আইন বাস্তবায়িত না হওয়ায় আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। আর এ বাস্তবায়ন নিয়ে এতদিন কোনো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছিল না। কিন্তু সম্প্রতিক সময়ে যখন এটি বাস্তবায়নে একটি চূড়ান্ত রূপ পেতে যাচ্ছে তখনই এসব প্রশ্ন আসছে। তাছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানিগুলোর মধ্যে করপোরেট ট্যাক্সের একটি সমন্বয় থাকা উচিত। বাজেট নিয়ে বেশ কিছুদিন যাবৎ অনেক কথা হয়েছে। এখন আসলে দেখার বিষয় আসন্ন বাজেটে কী থাকে না থাকে।
  • কমছে আমানতের সুদহার, বাজেটে দ্বিগুণ হচ্ছে কর
    সিনিয়র রিপোর্টার : ব্যাংকে আমানতের সুদহার ধারাবাহিকভাবে কমছে। মেয়াদি আমানত রেখে এখন ৫ শতাংশের মতো সুদ মিলছে। এর ওপর রয়েছে সুদের ওপর কর। রয়েছে নানা সার্ভিস চার্জ। আমানতকারীদের এমন দুঃসময়ের মধ্যেই কয়েক দিন আগে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, কিছুদিনের মধ্যে কমবে সঞ্চয়পত্রের সুদহার। আগামী বাজেটে প্রতিটি পর্যায়ে এ কর দ্বিগুণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে আমানতের সুদহার ধারাবাহিকভাবে কমছে। নতুনভাবে কোনো করারোপের বিষয়ে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও বেসরকারি খাতের মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি আনিস এ খান বলেন, আবগারি শুল্ক বাড়ানো হলে আমানতকারীদের ওপর চাপ আরও বাড়বে। এ রকম সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকারকে আরও ভাবতে হবে। নতুনভাবে কোনো কর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, আমানতকারীরা এত ঠকতে থাকলে সঞ্চয় অপ্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেলে চলে যাবে। ফলে এ নিয়ে সরকারকে আরও ভাবতে হবে। আবার নতুন বাজেটে ব্যাংকে জমানো টাকার ওপর আবগারি শুল্ক বাড়ানো হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। এসব খবরে আগে থেকেই দুশ্চিন্তায় থাকা আমানতকারীরা আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে সঞ্চয়ের টাকায় চলেন এমন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অসহায় বোধ করছেন। তাদের প্রশ্ন, সব চাপ কি শুধু আমানতকারীর ওপর? বারবার সঞ্চয় নিরুৎসাহিত করার সিদ্ধান্ত হলে তারা যাবেন কোথায়? সংসার চালাবেন কীভাবে? এদিকে, উদ্বিগ্ন সঞ্চয়কারীদের একটি অংশ এখন সুদহার বাড়ানোর আগেই সাধ্যমতো সঞ্চয়পত্র কিনছেন। কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকে সঞ্চয়পত্র কেনার দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। বিক্রির চাপ সামলাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিসের কর্মকর্তারা হিমশিম খাচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মার্চভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ৫৭টি ব্যাংকে আমানত হিসাবের সংখ্যা প্রায় আট কোটি। আর আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে নয় লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর অর্ধেকের বেশি মেয়াদি আমানত। সঞ্চয়ী আমানত রয়েছে ২০ শতাংশের মতো। মোট আমানতের মধ্যে বেসরকারি খাতের অংশ ৮৩ শতাংশ। বাকিটা সরকার ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের। গ্রাহকের আমানত থেকে যে মুনাফা আসে, তার ওপর ১০ শতাংশ কর নেয় সরকার। আর টিআইএন না থাকলে কাটা হয় ১৫ শতাংশ। এর পাশাপাশি আমানত ও ঋণ উভয় হিসাব থেকে বছরে একবার আবগারি শুল্ক বা এক্সাইজ ডিউটি কাটা হয়। ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্থিতির ওপর কোনো আবগারি শুল্ক নেই। ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ওপর বছরে কর দিতে হয় ১৫০ টাকা। এক লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির জন্য দিতে হয় ৫০০ টাকা। ১০ লাখ থেকে এক কোটি পর্যন্ত টাকা থাকলে আবগারি শুল্ক এক হাজার ৫০০ টাকা। এরপর এক কোটি থেকে পাঁচ কোটি পর্যন্ত সাত হাজার ৫০০ টাকা এবং পাঁচ কোটি টাকার বেশি হলে ১৫ হাজার টাকা কর দিতে হয়। ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির সাবেক চেয়ারম্যান ও বেসরকারি খাতের মেঘনা ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ নূরুল আমিনল বলেন, আশানুরূপ বিনিয়োগ চাহিদা না থাকায় এমনিতেই ব্যাংকগুলো আমানতের সুদহার অনেক কমিয়ে এনেছে। এখন আবগারি শুল্ক বাড়ানো হলে আমানতকারীরা মনোস্তাত্তি্বক চাপে পড়বেন। এক ধরনের আতঙ্ক থেকে অনেকে ব্যাংকবিমুখ হবেন। ফলে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়াটা ঠিক হবে না। দীর্ঘদিনের সরকারি চাকরি শেষে ২০১৫ সালের মার্চে চূড়ান্ত অবসরে যান ঢাকার মানিকনগরের বাসিন্দা আফসার উদ্দিন। পেনশন হিসাবে যে ৪৩ লাখ টাকা পান, তার মধ্যে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কেনেন। ব্যাংকে মেয়াদি আমানত হিসেবে রেখেছেন ১৫ লাখ টাকা। বাকি আট লাখ টাকার একটি অংশ নিজের সঞ্চয়ী হিসাবে রেখেছিলেন আপৎকালীন নগদ খরচ মেটাতে। ব্যাংকের সুদহার অনেক কমে যাওয়ায় বেশ বিপাকে পড়েছেন তিনি। আফসার উদ্দিন বলেন, যখন ব্যাংকে আমানত রেখেছিলেন, তখনকার তুলনায় সুদহার অনেক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংকগুলো এমনিতেই শুল্ক ও বিভিন্ন চার্জের নামে প্রতিবছর সুদের একটি অংশ কেটে নেয়। এখন আবগারি শুল্ক বাড়ানো হলে তার ওপর চাপ বাড়বে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারি ব্যাংকগুলো এখন সাড়ে ৪ থেকে ৫ শতাংশ সুদে মেয়াদি আমানত নিচ্ছে। বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর বেশিরভাগ সঞ্চয় স্কিমেও সুদহার নেমে এসেছে একই পর্যায়ে। অনেক ব্যাংকের সুদহার ৫ শতাংশের কম। আর কোনো কোনো ব্যাংকের মেয়াদি আমানতের কিছু স্কিমে ৬ থেকে ৭ শতাংশ সুদহার ঘোষিত থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ওই সব স্কিমে টাকা রাখতে গেলে ফিরিয়ে দিচ্ছেন ব্যাংকাররা। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে অনেক অভিযোগও এসেছে। আর ব্যাংকগুলোতে সঞ্চয়ী হিসাবে টাকা রাখলে এখন নামমাত্র সুদ পাওয়া যাচ্ছে। গত মার্চে ব্যাংকগুলোর আমানতের গড় সুদহার কমে ৫ দশমিক শূন্য ১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে গড় মূল্যস্ফীতি রয়েছে ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ, অর্থাৎ এখন ব্যাংকে টাকা রেখে প্রকৃতপক্ষে কোনো মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে না। দুই বছর আগেও আমানতে ব্যাংকগুলোর গড় সুদহার ছিল ৭ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। পাঁচ বছর আগে ছিল ৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ব্যাংক আমানতে সুদহারের এ পরিস্থিতি এবং শেয়ারবাজারের প্রতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে ১১ দশমিক শূন্য ৪ থেকে ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ সুদ পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক বছর ধরে সঞ্চয়পত্র বিক্রি অনেক বেড়েছে। গত ২১ মে ঢাকা চেম্বারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সঞ্চয়পত্রে সুদহার কমানোর ঘোষণা দেন। এর পর থেকে সঞ্চয়পত্র বিক্রি ব্যাপক হারে বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি হয়েছে ৪২ হাজার ৯৮ কোটি টাকা। অথচ সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে বাজেটে ১৯ হাজার ৬১০ কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়। গত অর্থবছরের মূল বাজেটে ১৫ হাজার কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও পরে তা বাড়িয়ে ২৮ হাজার কোটি টাকা করা হয়। তবে অর্থবছর শেষে বিক্রি দাঁড়ায় ৩৩ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা। মূলত ব্যাংকের বিকল্প হিসেবে শেয়ারবাজারকে বেছে নিতে না পারায় এ রকম হয়েছে। ২০১০ সালে ব্যাপক ধসের ফলে ওই সময় অনেকেই পুঁজি হারানোর পর শেয়ারবাজারকে আস্থায় নিতে পারছেন না। আমানতের সুদহারের নিম্নমুখী প্রবণতা রোধ করার পরামর্শ দিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে একটি সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ওই সার্কুলারে বলা হয়, আমানতের সুদের অত্যধিক হ্রাস সঞ্চয় প্রবণতাকে ক্ষুণ্ন করছে এবং সঞ্চয়ের বদলে অপচয়মূলক ভোগ ও অন্যান্য অনুৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের প্রবণতার ঝুঁকি বাড়ছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে দায় সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হতে পারে, যা বাঞ্ছনীয় নয়। এমন প্রেক্ষাপটে ঋণের সুদ নিম্নগামী ধারায় রাখার জন্য ঋণ ও আমানতের মধ্যকার সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ছাড়া খেলাপি ঋণ আদায়সহ ব্যবস্থাপনা দক্ষতার বিভিন্ন দিকে নজর রেখে স্প্রেড কমাতে বলা হয়। তবে এ পরামর্শ তেমন কোনো কাজে আসেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সুদহার কমে যাওয়ায় আমানতে প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে কমছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় গত মার্চে ব্যাংক খাতে আমানত বেড়েছে ১২ দশমিক ২১ শতাংশ; তিন মাস আগে গত ডিসেম্বরে যা ১৩ দশমিক ১৩ ছিল। গত সেপ্টেম্বরে আমানত প্রবৃদ্ধি ছিল ১৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আর গত জুনে আমানত প্রবৃদ্ধি ছিল ১৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।
  • লেনদেনে ভাটা-ঘন্টায় ৭৪ কোটি টাকা ,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১১.১০ মিনিট
    সকাল থেকে ইন ডেস্কের মানের কিছুটা উন্নতি হলেও লেনদেনে ভাটা পড়েছে। এক ঘন্টায় লেনদেন হয়েছে মাত্র ৭৪ কোটি টাকা। গতকালের চিত্র বাজারের আজও থাকতে পারে,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১০.০০ মিনিট [৩০.০৫.২০১৭] গতকাল ইনডেস্কে বেয়ারিশ ক্যন্ডেলে বাজারে পতন দেখা যায়। সেল পেশারে বাজারের এই পতন দেখা যাচ্ছে। ঈদকে সামনে রেখে এই সেল পেশার আসছে বলে অনেকে ধারনা করছেন। আজও বাজারে থাকতে পারে একই চিত্র। পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে মঙ্গলবার পিপলস ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের এজিএম অস্ট্রিয়ার দিল্লি দূতাবাস কর্মকর্তার জিপিএইচ কারখানা পরিদর্শন সোমবার ইন্ডেক্সে বেয়ারিশ ক্যান্ডেল, ডাউন ট্রেন্ডে যাচ্ছে মার্কেট সোমবার টেক্সটাইল খাত লেনদেনের শীর্ষে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক শেয়ার কিনবেন খুলনা পাওয়ারের দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ বৃদ্ধি, ২৩ কোটি পাওনা টাকা আদায় ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা ইসলামী ব্যাংকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার হস্তক্ষেপ প্রয়োজন দেশে পুনরায় রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়ছে উল্লেখযোগ্য কিছু এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ‘সকলের প্রচেষ্টায় বাজার আরও ভালো হবে’ [ ভিডিও সহ ] এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৪০ কোটি টাকা তুলবে ইনডেক্স এগ্রো [ ভিডিও সহ] রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব আসছে রানার- আইপিও মাধ্যমে তুলবে ১শ’ কোটি টাকা [ভিডিও সহ] খুব তাড়াতাড়ি লেনদেন এক হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে [ভিডিও সহ] বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাকের [ভিডিওসহ] রোডশোর এক্সুসিভ প্রশ্নওোর পর্ব ‘বিনিয়োগ করেন সবাই লাভবান হবো’ [ভিডিও সহ] ডেল্টা হসপিটালের সম্প্রসারণ প্রয়োজন : চেয়ারম্যান [ ভিডিও সহ ] দেখে নিন,জেনে নিন,বুঝে নিন [ভিডিওসহ] – DHL রোডশোর প্রশ্নসমূহ ‘প্রতিকূলতার মাঝেও ন্যাশনাল লাইফ ভালো ব্যবসা করেছে’ : চেয়ারম্যান [ ভিডিও… “এক বছরের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে ভালো অবস্থনে রয়েছে মার্কেট” | জামাল.. ‘বাজার ঊর্ধ্বমুখীতার করণে সংশ্লিষ্টরা নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে’ : বিনিয়োগকারী [ভিডিও সহ] ‘জেমিনি সি ফুডের কাছে অতিরিক্ত বোনাস রয়েছে’ (ভিডিও সহ) ‘সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ধারাবাহিকভাবে সফলতা অর্জন করে আসছে’ [ভিডিও সহ] পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • মঙ্গলবার পিপলস ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের এজিএম
    স্টাফ রিপোর্টার : পিপলস ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৩০ মে, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। বিনিয়োগকারীদের সমন্বয়ে লভ্যাংশ, সমাপ্ত অর্থবছরে আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য এজেন্ডার অনুমোদন নেয়ার জন্য এ সভা আহ্বান করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
  • অস্ট্রিয়ার দিল্লি দূতাবাস কর্মকর্তার জিপিএইচ কারখানা পরিদর্শন
    স্টাফ রিপোর্টার : চট্টগ্রামের কুমিরায় অবস্থিত জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের কারখানা সম্প্রতি পরিদর্শন করেন অস্ট্রিয়ার দিল্লি দূতাবাস কর্মকর্তা অ্যাটাশে সিগফ্রায়েড ওয়েডলিচ। এ সময় জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলমাস শিমুল দূতাবাসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে কারখানা পরিদর্শনে স্বাগত জানান। কারখানা পরিদর্শন শেষে ওয়েডলিচ বলেন, অস্ট্রিয়ার প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরবরাহকৃত প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি দিয়ে জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড কুমিরায় যে সম্প্রসারিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে তা ইস্পাত শিল্পের ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, প্রতিবছর অস্ট্রিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ছে। তাছাড়া অস্ট্রিয়া বিনিয়োগের স্থান হিসেবে চট্টগ্রামকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। জিপিএইচ ইস্পাতসহ অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান যাতে সহজে অস্ট্রিয়ার ভিসা পায় সে আশ্বাস দিচ্ছি। তিনি বলেন, ২০১৬ সালে জিপিএইচ অস্ট্রিয়ার প্রাইমেটাল টেকনোলজিস অব অস্ট্রিয়া জিএমবিএইচ -এর সঙ্গে চুক্তি সই করে। অতি সাম্প্রতি ভিয়েনা সফরের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি আরও বলেন, অস্ট্রিয়া বিভিন্ন শিল্পখাতে প্রভূত উন্নয়ন সাধন করেছে। তাদের সহায়তায় জিপিএইচ তথা বাংলাদেশও ইস্পাত খাতে দ্রুত উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আলোচনা ও কারখানা পরিদর্শনের সময় নির্বাহী পরিচালক (প্ল্যান্ট) মাদানি এম. ইমতিয়াজ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। তাছাড়া সিনিয়র জিএম ও সিএফও কামরুল ইসলাম এফসিএ প্রাইমেটাল্স এর সঙ্গে জিপিএইচ এর সংযুক্তির বিশদ বর্ণনা দেন। এছাড়া হেড অব প্রজেক্ট ড. এ এস এম সুমন সমন্বিত প্রকল্প ও বিভিন্ন নির্মাণাধীন ইউনিটের একটি মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন দেন। এ সময় জিপিএইচের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
  • সোমবার ইন্ডেক্সে বেয়ারিশ ক্যান্ডেল, ডাউন ট্রেন্ডে যাচ্ছে মার্কেট
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ইনডেক্স সোমবার, ২৯ মে ব্যাপক সেল পেশারের পর দিন শেষে বেয়ারিশ ক্যান্ডেল দেখা গেছে। দিনের শুরু থেকেই বাজারে ব্যাপক ওঠা নামা চলে। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে সেল পেশার বাড়তে থাকে। সেই সাথে পড়তে থাকে কোম্পানির দাম দর। শেষ পর্যন্ত গত দিনের মত মার্কেট কিছু পয়েন্ট কমে লাল বর্ণের বেয়ারিশ ক্যান্ডেল তৈরি করেছে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী আজকে মার্কেট প্রচুর সেল পেশার ছিল। মার্কেট শুরু হয়েছিল একটু নিচ থেকে। ধীরে ধীরে আরও সেল পেশার বাড়তে থাকে। সেল পেশারে আরও ফল করেছে শেয়ারের দাম। মার্কেট ডাউন ট্রেন্ড ধারাতে যাচ্ছে আপাতত। এই ধারা অপরিবর্তিত থাকলে মার্কেট আরও পড়বে এই সপ্তাহের মধ্যেই। তবে যদি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বাইয়ার চলে আশে তাহলে দিক পরিবর্তন হতে পারে। ডিএসই সাধারন সূচক শেষ পর্যন্ত অপেন প্রাইজের থেকে কিছুটা নিচে শেষ হয়েছে। দিন শেষে ইনডেক্স গত দিনের চেয়ে ১২.১২ পয়েন্ট নিচে অবস্থান করছে। ইন্ডেক্স বিগত দিনের ৫৩৬৮.৭ পয়েন্ট থেকে শুরু করে ৫৩৫৬.৫৮ পয়েন্টে শেষ হয় যা আগের দিনের তুলনায় ০.২৩% কম। বাজারে সর্বমোট ৩২২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে যার মধ্যে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ৯৪ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এর, হ্রাস পেয়েছে ১৭৮টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৫০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। আজকের মোট লেনদেনের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩৪২.০ কোটি টাকায় আর মোট লেনদেন হয়েছে   ৬৬ হাজার ৮৩১টি শেয়ার। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, সব মানের কোম্পানির ট্রেড আগের চেয়ে কমেছে। দেখা যাচ্ছে ২০ থেকে ৫০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ১০০ থেকে ৩০০ কোটি মূলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেন কমেছে ১৮.১% এবং ১৪.৬%। সেই সাথে ৩০০ কোটি টাকা কোটি টাকার ওপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কমেছে ০.১২%। আর ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের ট্রেড কমেছে ১.৩১%। পিই রেশিওর ভিত্তিতে দেখলে দেখা যায় সব মানের শেয়ারের ট্রেড কমেছে। দেখা যাচ্ছে ০-২০ পিই রেশিওর শেয়ারের লেনদেন কমেছে ১০.৪২%।  ৪০ এর বেশী পিই রেশিওর শেয়ারের লেনদেন কমেছে ৩.৩৬% এবং ২০-৪০ পিই রেশিওর শেয়ারের ট্রেড কমেছে ৬.২৫%। ক্যাটাগরির দিক থেকেও দেখা যায় বেশির ভাগ মানের শেয়ারের লেনদেন কমেছে।  এ এবং বি ক্যাটাগরির লেনদেন কমেছে  ৭.৯২ শতাংশ এবং  ৭.০ শতাংশ। সেই সাথে এন ক্যাটাগরি কমেছে ২৩.২৯ শতাংশ। অন্যদিকে জেড ক্যাটাগরির লেনদেন বেড়েছে ১২.৬৭ শতাংশ।
  • সোমবার টেক্সটাইল খাত লেনদেনের শীর্ষে
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সোমবার, ২৯ মে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে টেক্সটাইল খাতে। মার্কেট আজকেও কিছুটা নিচে থাকায় অনেক কোম্পানির দাম কমেছে। সারাদিন ব্যাপক সেল পেশারে বাজারে লেনদেন আগের চেয়ে কম হয়েছে। সেই সাথে কমেছে ট্রেড ভলিউইমও। তুলনামুলকভাবে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে টেক্সটাইল খাতে। অন্যান্য খাতের থেকে বেশি ক্যাশ ফ্লো দেখা গেছে। অন্তরভুক্ত কোম্পানি গুলোর দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। লেনদেনের ভিত্তিতে দেখলে আজকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাত এবং ব্যাংকিং খাত। ব্যাংকিং খাতে আগের দিনের তুলনায় ভাল পরিমাণ ট্রেড বেড়েছে। তুলনামুলক ভাবে মার্কেটের বাকি খাতগুলোর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে উভয় খাতেই। বিনিয়োগকারীরা এই খাতগুলোতে ট্রেড বেশি করছে। টেক্সটাইল খাত  :  লেনদেনের ভিত্তিতে টেক্সটাইল খাত সবচেয়ে ভাল অবস্থানে দিন শেষ করেছে। টেক্সটাইল খাতে মোট লেনদেনের পরিমান ছিল ৭২.৭ কোটি টাকার মত যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১.৩৯ কোটি টাকার মত কম। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে বিনিয়োগ কমেছে ১.৮৮%। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ২২.৪%। লেনদেন হওয়া ৪৬টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ১৫টি, কমেছে ২৪ টি কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত  ছিল ৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল তশ্রিফা লিমিটেডের। এই শেয়ারটি ২৭.৫ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৩% বেশি। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল পিটিএলের যা ৩২.৫ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ৪.৯৭% কম। প্রকৌশল খাত :  প্রকৌশল খাত আজকে দ্বিতীয় অবস্থানে দিন শেষ করেছে। প্রকৌশল খাতে মোট লেনদেনের পরিমান ছিল ৩৮.৯ কোটি টাকার মত যা আগের দিনের তুলনায় ৩০ লক্ষ টাকা কম। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে ০.৭৭%। মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ১১.৬৪%। এই খাতে লেনদেন হওয়া ৩৩ টি কোম্পানির মধ্যে বেড়েছে ৭টি, কমেছে ২৪ টি কোম্পানির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২ টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এই খাতে সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল সুহৃদ লিমিটেডের। এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি ১০.১  টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ৬.৩২% বেশি। অন্যদিকে এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল বিডি অটোকার্স প্রতিষ্ঠানের যা ৮০.৬ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে  যা আগের দিনের তুলনায় ২.৬৬% কম। ফারমাসিউটিক্যাল খাত :  লেনদেনের ভিত্তিতে ফারমাসিউটিকাল খাত আজকে  তৃতীয় অবস্থানে দিন শেষ করেছে। এই খাতে মোট লেনদেনের পরিমান ছিল  ৩১৪.২ কোটি টাকার মত যা আগের দিনের তুলনায় প্রায়  ১৭.৩০ কোটি টাকার মত কম। বিগত দিনের চেয়ে আজকে এই খাতে বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে ৫.২২% মত।  মোট লেনদেনে এই খাতের অবদান ছিল ৯.৯৭%। এই খাতে লেনদেন হওয়া ২৮ টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২ টি ,কমেছে ১৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২ টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সর্বাধিক বৃদ্ধি পাওয়া শেয়ার ছিল এসিআই । এই শেয়ারটি ৫১৮.৬ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ০.৬৬% বেশি। এই খাতে সর্বাধিক হ্রাস পাওয়া শেয়ার ছিল এমবি ফার্মা লিমিটেডের যা ৩৮৯.৪ টাকায় লেনদেন সমাপ্ত করে যা আগের দিনের তুলনায় ১.৪৭% কম।
  • আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক শেয়ার কিনবেন
    স্টাফ রিপোর্টার : ১৭ লাখ শেয়ার ক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ।সূত্র ডিএসই ।  আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বর্তমান বাজার দরে উল্লেখিত পরিমান শেয়ার কিনবেন।  
  • ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের কর্পোরেট পরিচালক এক্সেল ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং লিমিটেড  ৯৬ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে।কোম্পানির অন্যতম কর্পোরেট পরিচালক এক্সেল ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং লিমিটেডের কাছে মোট ৬ কোটি ৪৩ লাখ ৫৩ হাজার ৯১৪টি শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে ৯৬ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার বিক্রি করবে। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বর্তমান বাজার দরে উল্লেখিত পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করা হবে। কর্পোরেট পরিচালক এক্সেল ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং লিমিটেড শেয়ারগুলো পাবলিক এবং ব্লক মার্কেটে বিক্রি করতে পারবে।  
  • খুলনা পাওয়ারের দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ বৃদ্ধি, ২৩ কোটি পাওনা টাকা আদায়
    সিনিয়র রিপোর্টার : খুলনা পাওয়ার লিমিটেডের (কেপিসিএল) দুই ইউনিটের আরো ৫ বছর মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন করে সময় বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে (বিপিডিবি) আবেদন করলে বিদ্যুৎ ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভার কমিটি তা অনুমোদন করেছে। একই সঙ্গে বিপিডিবির কাছে ২৩ কোটি ১২ লাখ পাওনা টাকা কেপিসিএল কর্তৃপক্ষকে সম্প্রতি প্রদান করা হয়েছে। ফার্নেস অয়েলভিত্তিক ৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫ বছর মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার। একইসঙ্গে ভাড়াভিত্তিক এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন করে ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয়েছে। মেয়াদ বৃদ্ধির করা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো হলো- মেসার্স খুলনা পাওয়ার ইউনিট কোম্পানি-২ লিমিটেড, সামিট নারায়ণগঞ্জ পাওয়ার লিমিটেড, মেসার্স ওরিয়ন পাওয়ার মেঘনা ঘাট লিমিটেড, ডাচ্-বাংলা পাওয়ার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েট লিমিটেড, মেসার্স এক্রোন ইনফ্রাস্ট্রাকচার সার্ভিস লিমিটেড এবং মেসার্স খানজাহান আলী পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। বিপিডিবির বিশেষ একটি সূত্র এমন তথ্য সোমবার এমন নিশ্চিত করেছে। তবে বিপিডিবির কাছ থেকে ২৩ কোটি ১২ লাখ পাওনা টাকা সম্পর্কে কেপিসিএল কোম্পানির সিএফও সোহরাব আলী খান ‘মূল্য সংবেদনশীল তথ্য’ হওয়ায় স্টক বাংলাদেশের কাছে কোন ‘মন্তব্য করতে সম্মত হননি’। নতুনভাবে মেয়াদ বৃদ্ধি ও কেপিসিএল ইউনিট-২ এর প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের ট্যারিফ হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ টাকা ৩৩ পয়সা। যা আগে ছিল ১৫ টাকা ৮৭ পয়সা। মেয়াদ ও আয় বৃদ্ধি সম্পর্কে খুলনা পাওয়ারের চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ রাজা বলেন, মেয়াদ শেষে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি নবায়ন করা হয়েছে। হতাশ হওয়ার আর কিছু নেই, কারণ কোম্পানির কোন দায় বা ঋণ নেই। তিনি বলেন, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা  ব্যয় সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা হয়েছে। তাই কোম্পানির মুনাফা তুলনামূলকভাবে বাড়বে বলে আশা করছি। খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (কেপিসিএল) ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১৮ মাসের জন্য মোট ৭৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে খুলনা পাওয়ার। এর মধ্যে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরের জন্য ৪০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিদ্যুৎখাতের কোম্পানিটি। তবে চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমে হয়েছে হয়েছে ১ টাকা ৪০ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৬০ পয়সা। ২০১০ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন হচ্ছে ৩৬১ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ও অনুমোদিত মূলধন ৭০০ কোটি টাকা। রিজার্ভ ৫২৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৭০ দশমিক ৫৯ শতাংশ কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৫ দশমিক ৭৩, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৯৫ ও বাকি ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে সর্বশেষ ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর,২০১৬) শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫২ পয়সা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ আয় কমেছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • পুঁজিবাজারে বিদেশীদের বিনিয়োগ সাড়ে ৬ শতাংশ কোম্পানিতে
    বিদেশীদের চোখে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে শক্ত মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির সংখ্যা তুলনামূলক কম। সে কারণে তাদের লেনদেন সীমাবদ্ধ হয়ে আছে গুটিকয়েক কোম্পানিতে। অন্য যে কোন সময়রে চেয়ে বর্তমানে বিদেশী বিনিয়োগ বেশি থাকলেও তাদের পছন্দের কোম্পানির সংখ্যা বাড়ছে না। বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মাত্র সাড়ে ৬ শতাংশ বা ২২ কোম্পানিতে বিদেশীদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিনিয়োগ রয়েছে। তাদের বিনিয়োগ আরও বাড়াতে হলে পুঁজিবাজার ভালমানের কোম্পানির বাজারে আনতে হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তাদের মতে, গ্রামীণফোনের মতো আরও কিছু ভাল কোম্পানি বাজারে আসলে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়বে।ডিএসইর তথ্যমতে, বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত ৩৩৩ কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে মাত্র ২২টিতে বা সাড়ে ৬ শতাংশ কোম্পানিতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ রয়েছে। ২২৩টি বা ৬৭ শতাংশ কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডে তাদের কোন বিনিয়োগই নেই। এক পরিসংখ্যনে দেখা যায়, তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিদেশী বিনিয়োগ রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকে। এই কোম্পানিতে বিদেশীদের বিনিয়োগ রয়েছে প্রায় ৪৩ শতাংশ। পরের অবস্থানে থাকা অলিম্পিক ইন্ড্রাস্টিজে বিদেশীদের বিনিয়োগের পরিমাণ ৩৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা। এই প্রতিষ্ঠানে তাদের বিনিয়োগ রয়েছে ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ। এছাড়া ডিবিএইচে ৩১ দশমিক ২, বিএসআরএম স্টিলে ৩০ দশমিক ৬, নদার্ন জুটে ৩০, শেফার্ড ইন্ড্রাস্টিজে ২৭ দশমিক ৫, রেনেটায় ২১ দশমিক ৮, স্কয়ার ফার্মায় ১৫ দশমিক ৭, ইসলামী ব্যাংকে ১৫ দশমিক ২, বিট্রিশ আমেরিকায় ট্যোবাকোয় ১৪ দশমিক ৪ এবং বেক্সিমকোতে ৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে সিনো বাংলার ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ, রিলায়েন্সের ৯ শতাংশ, সিটি ব্যাংকের ৮ দশমিক ৭ শতাংশ, গ্রীন ডেলটায় ৮ দশমিক ২৫, এনভয় টেক্সটাইলে ৭, স্কয়ার টেক্সটাইলে ৬ দশমিক ৭, সাউথইস্ট ব্যাংকে ৬ দশমিক ৬, লিগাসি ফুডে ৬ দশমিক ১, মেরিকোতে ৬ ও রহিমাফুডে ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। তবে এর বাইরে এপ্রিল মাসে ওয়ান ব্যাংকের বিদেশী বিনিয়োগ বেড়েছে। এছাড়া আরও কিছু ব্যাংকের শেয়ার বিদেশী পোর্টফলিওতে যোগ হচ্ছে।উল্লিখিত কোম্পানিগুলোর মোট শেয়ারের অন্তত ৫ শতাংশ শেয়ার বিদেশী বিনিয়োগকারীরা কিনে রেখেছেন। ১৪ কোম্পানির মোট শেয়ারের অন্তত ৩ শতাংশ শেয়ার কিনেছেন বিদেশী বিনিয়োগকারীরা। এর বাইরে অল্প কয়েকটি কোম্পানিতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কিছুটা বিনিয়োগ রয়েছে। আর ২২৩টি অর্থাৎ প্রায় ৬৭ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা কোন বিনিয়োগই করেননি। এছাড়া তালিকাভুক্ত আরও ৭৮টি কোম্পানিতে বিদেশীদের বিনিয়োগ রয়েছে। তবে তা খুবই কম।বিষয়টি নিয়ে আলাপ করলে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেন, বিদেশী বিনিয়োগকারীরা সাধারণত কোম্পানির মৌলভিত্তি ও আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে শেয়ার কেনেন। তাদের বিশ্লেষণও আন্তর্জাতিক মানের। যে কারণে আমাদের দেশের বাজারে তাদের দৃষ্টকোন থেকে ভাল মানের কোম্পানির সংখ্যা কম। তারা বলেন, পুঁজিবাজারে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে পারলে তা পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক হবে। কিন্তু বিদেশী শেয়ার বিনিয়োগকারীরা এখানে আসার ক্ষেত্রে ভাল কোম্পানির অভাবের কথা বলেন। পাশাপাশি যেসব কোম্পানি বাজারে রয়েছে তাদের আর্থিক প্রতিবেদেনর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন করেন বিদেশী বিনিয়োগকারীরা। তাই পুঁজিবাজারের গতিশীলতা বাড়াতে ভাল মৌলভিত্তির কোম্পানির সংখ্যা সংখ্যা বাড়াতে হবে।এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, আমাদের দেশের কোম্পানিতে বিদেশীদের বিশ্বাস কম। যে কারণে তারা এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে চান না। তাছাড়া আমাদের পুঁজিবাজারে ভালমানের কোম্পানির অভাব রয়েছে। বিদেশীদের বিনিয়োগ না করার এটা একটি বড় কারণ হতে পারে। এখানে বিনিয়োগযোগ্য কোম্পানির সংখ্যা খুবই কম। বিদেশী বিনিয়োগকারীরা মৌলভিত্তি সম্পন্ন এসব কোম্পানির বাইরে বিনিয়োগ করেন না। এই সমস্যা সমাধানের জন্য ভালমানের কোম্পানি তারিকাভুক্তির বিকল্প হতে পারে না। সেই জন্য পুঁজিবাজারে বহুজাতিক ভাল ভাল কোম্পানি পুঁজিবাজারে নিয়ে আসতে হবে।   source : jonokontho
  • শেয়ার ছেড়ে দেওয়ায় সূচক কমছে
    নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার প্রাক্কালে পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রির চাপ অব্যাহত রয়েছে। বিনিয়োগকারীর অব্যাহতভাবে শেয়ার ছেড়ে দেওয়ায় সূচক ও লেনদেন কমছে। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সূচক কমার সঙ্গে সঙ্গে লেনদেনও সাড়ে ৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।গতকাল সোমবার সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের দুই পুঁজিবাজারে সূচক কমেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন কমলেও আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)। তবে দুই বাজারেই বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে।গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৪২ কোটি ১ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ১২ পয়েন্ট। আগের দিন সূচক কমেছিল ৪৫ পয়েন্ট, আর লেনদেন ছিল ৩৬৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা।সিএসইতে সূচক কমলেও লেনদেন আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ৩৮ পয়েন্ট। যদিও আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ২০ কোটি ৬২ লাখ টাকা আর সূচক কমেছিল ৭১ পয়েন্ট। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩৮ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫২টির, কমেছে ১৪৪টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২ কম্পানির শেয়ারের দাম। দিনশেষে ডিএসইএক্স সূচক দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৩৫৬ পয়েন্ট।ডিএস-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯৮৯ পয়েন্ট আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৪৮ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ৩২২ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৪টির, কমেছে ১৭৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৫০ কম্পানির শেয়ারের দাম।লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড। কম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আরএসআরএম স্টিলের লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ১ লাখ টাকা। তৃতীয় স্থানে থাকা রিজেস্ট টেক্সটাইলের লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ১৪ লাখ টাকা।অন্যান্য শীর্ষ কম্পানি হচ্ছে— ইফাদ অটোস।  source : kalar kontho
  • করের টাকা যাচ্ছে সরকারি ব্যাংকে
    বাজেট ২০১৭–১৮মানুষের করের টাকা রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোকে দিয়ে দিচ্ছে সরকার। সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা বাড়িয়ে বাড়তি রাজস্ব আদায় করে সরকার। আর এর একটি অংশ সরকারই দিয়ে দিচ্ছে সরকারি ব্যাংকগুলোকে।একের পর এক আর্থিক কেলেঙ্কারি ও ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণের কারণে বড় ধরনের মূলধন ঘাটতিতে আছে সরকারি ব্যাংকগুলো। এসব ব্যাংক টিকিয়ে রাখতে হচ্ছে এখন বাজেট বরাদ্দ দিয়ে। প্রতিবছরের বাজেটেই ব্যাংকগুলোকে টাকা দেওয়ার জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আগামী ১ জুন ২০১৭-১৮ অর্থবছরের যে বাজেট পেশ করতে যাচ্ছেন, তাতেও ব্যাংকগুলোকে দেওয়ার জন্য রাখা হচ্ছে ২ হাজার কোটি টাকা।বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এ নিয়ে একটি গবেষণা করেছে। সিপিডি বলেছে, ২০০৮-০৯ থেকে ২০১৫-১৬ পর্যন্ত (২০১৬-১৭ অর্থবছর বাদে) আট বছরের ক্রমবর্ধমান রাজস্ব আয় থেকে সরকার গড়ে ১০ দশমিক ৮ শতাংশ অর্থ দিয়ে দিচ্ছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মূলধন জোগানে।সিপিডি অঙ্ক করে দেখিয়েছে, ৮ বছরের মোট রাজস্ব আয় ৮ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকা এবং মোট ক্রমবর্ধমান (এক বছর থেকে আরেক বছরে যত টাকা বেশি) রাজস্ব আয় ১ লাখ ৮ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা। এই ৮ বছরের মধ্যে ৭ বছরই পুনর্মূলধনের নামে ব্যাংকগুলোকে দেওয়া হয়েছে ১১ হাজার ৭০৫ কোটি টাকা, যা ক্রমবর্ধমান রাজস্ব আয়ের ১০ দশমিক ৮ শতাংশ। অর্থাৎ রাজস্ব আয়ের ভালো একটা অংশ চলে যাচ্ছে ব্যাংকগুলোর জন্য।সিপিডি বলছে, সম্পদ ঘাটতির বাংলাদেশে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোকে যেভাবে টাকা দেওয়া হচ্ছে, তা দিতে না হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য তথা সামাজিক খাতে টাকাগুলো খরচ করা যেত। এতে দেশও অনেক বেশি উপকৃত হতো।অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের আর্থিক বিবৃতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এমন কোনো বছর নেই, যে বছর মূলধন বাবদ ব্যাংকগুলোকে টাকা দিতে হয়নি। ২০০৯-১০ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত ৮ বছরে দেওয়া হয়েছে ১৪ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা।চলতি অর্থবছরের জন্য রাখা হয়েছিল ২ হাজার কোটি টাকা, যা থেকে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এরই মধ্যে বেসিক, সোনালী, রূপালী—এসব ব্যাংককে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।কিন্তু কয়েক বছর ধরেই বাজেট বক্তব্যে এ বিষয়ে কোনো যুক্তি তুলে ধরছেন না অর্থমন্ত্রী। তিনি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ব্যাংক খাতের কার্যক্রম মূল্যায়নে একটি কমিশন গঠন করবেন। দুই বছর পার হতে চলেছে, তা-ও করেননি তিনি। বরং উদ্যোক্তাদের চাপে বেসরকারি ব্যাংকে আইন শিথিল করে ‘পরিবারতন্ত্র’ কায়েমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক পরিবারের চারজন এখন পরিচালক হতে পারবেন আর তাঁরা থাকবেন নয় বছর। এর ফলে বেসরকারি ব্যাংকে সুশাসনের ঘাটতি হবে বলে আশঙ্কা করছেন সাবেক ব্যাংকার ও বিশেষজ্ঞরা। যদিও সোনালী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে গত ৬ ফেব্রুয়ারি অবশ্য অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে তিনি ব্যাংক কমিশন করবেন।ব্যাংকগুলোকে অর্থ মন্ত্রণালয় টাকা দেওয়ার সময় প্রতিবারই বলে দিচ্ছে যে খেলাপি ঋণ আদায়ে তাদের মনোযোগী হতে হবে। বাস্তবে খেলাপি ঋণ আরও বাড়ছে। ২০১৬ সালেই খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা।ব্যাংক সূত্রগুলো বলছে, ঋণের নামে সাধারণ মানুষের আমানতের টাকা আত্মসাতের কারণে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোয় মূলধনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। চলমান অনিয়ম-দুর্নীতির পাশাপাশি অগ্রণী ব্যাংকে মুন গ্রুপ কেলেঙ্কারি, রূপালী ব্যাংকে ‘গোল্ড আনোয়ার’সহ আরও কেলেঙ্কারি হয়েছে নতুন করে।এর আগে সোনালী ব্যাংকে হল-মার্ক কেলেঙ্কারি, জনতা ব্যাংকে বিসমিল্লাহ গ্রুপ জালিয়াতি ও বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চুর নেতৃত্বে পুরো বেসিক ব্যাংকেই বড় ধরনের আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটে। ব্যাংকগুলো সূত্রে জানা গেছে, অন্তত এক হাজার কোটি টাকারও বেশি আত্মসাৎ হয়েছে সরকারি ব্যাংকগুলো থেকেই।সরকার এ ঘটনাগুলোর নায়কদের বিচার করতে পারেনি, উল্টো বাজেটে বরাদ্দ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে আসছে। বাজেট সংক্ষিপ্তসারের অনুন্নয়ন ব্যয়ের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ অংশে ব্যাংকগুলোর জন্য রাখা বরাদ্দকে দেখিয়ে আসছে ‘মূলধন পুনর্গঠনে বিনিয়োগ’ নামে।আবদুল হাইকে চলে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়ে সরকার ২০১৪ সালে ব্যাংকটিতে চেয়ারম্যান নিয়োগ করে আলাউদ্দিন এ মজিদকে, বেসিক ব্যাংক ভালো থাকাকালীন যিনি এর এমডি ছিলেন। জানতে চাইলে গতকাল মুঠোফোনে তিনি অকপটে বলেন, ‘ব্যাংক খাতে অনিয়ম-দুর্নীতির বড় কারণ হচ্ছে শীর্ষ কর্মকর্তাদের ঘুষ খাওয়া। তবে কিছু ক্ষেত্রে চাপও থাকে।’তবে যৌক্তিক কারণেই রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয় বলে মনে করেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. ইউনুসুর রহমান। গতকাল প্রথম আলোকে তিনি বলেন, এ ব্যাংকগুলো মানুষকে যে সেবা দেয়, তার মূল্যকেও খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। বেশি অনিয়ম-দুর্নীতি হওয়া ব্যাংকগুলোকেই তো বেশি টাকা দিতে হচ্ছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনুসুর রহমান বলেন, অনিয়ম-দুর্নীতির পরিণতি যে ভালো নয়, ব্যাংকগুলো তা দেখতেই পাচ্ছে। তবে এটা ঠিক, খেলাপি ঋণ আদায়ে তাদের মনোযোগী হতে হবে। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে ঋণ বিতরণের সময় যাতে কোনো অনিয়ম না হয়। কারণ, ঋণ বিতরণের অনিয়মই খেলাপি ঋণ বাড়ায়।উল্লেখ্য, সরকারি খাতের সোনালী, রূপালী, বেসিক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি) ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) বড় ধরনের মূলধন ঘাটতি নিয়ে চলছে। গত বছর শেষে সোনালী ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা। এ ছাড়া বেসিক ব্যাংকে ২ হাজার ৬৮৪ কোটি, রূপালী ব্যাংকে ৭১৪ কোটি, বিকেবি ৭ হাজার ৮৩ কোটি ও রাকাবের মূলধন ঘাটতি এখন ৭৪২ কোটি টাকা।সামগ্রিক বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ প্রথম আলোকে বলেন, দুর্নীতিপরায়ণ চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ দেওয়ার কারণেই ব্যাংকগুলোকে প্রতিবছর মূলধন জোগান দিতে হচ্ছে। এ অর্থে বলা যায়, সরকার দুর্নীতিকে পোষণ করছে। অথচ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারকে এসব ব্যাংক মুনাফা দেওয়ার কথা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালকদের অপসারণ করতে পারলেও সরকারি ব্যাংকের পরিচালকদের পারে না—এ নিয়ম তুলে দিলে ব্যাংক খাতে দুর্নীতি কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করেন ইব্রাহিম খালেদ। source : prothm-alo
  • ঢালাও সম্পূরক শুল্কের বিপক্ষে ট্যারিফ কমিশন
    দেশে উৎপাদন না হওয়া পণ্যের ওপর থেকে সম্পূরক শুল্ক তুলে নেওয়ার সুপারিশ, সক্ষম শিল্পের ক্ষেত্রে হার কমানোর পরামর্শ দেশে যেসব পণ্য উৎপাদিত হয় না, সেই সব পণ্য আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক তুলে নেওয়ার সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন (বিটিসি)। এতে বাজারে এসব পণ্যের দাম কমবে বলে মনে করে বিটিসি।এ ছাড়া সংস্থাটি বলেছে, যেসব পণ্য দেশে উৎপাদিত হয়, সেসব পণ্য আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক তুলে নেওয়া হলে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করে সুরক্ষা দেওয়া দরকার। অবশ্য সংস্থাটি যেসব দেশীয় শিল্প খাত প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করেছে, তাদের ক্ষেত্রে শুল্ক হার কিছুটা কমানোর সুপারিশ করেছে।ট্যারিফ কমিশন বলছে, আঙুর, আপেল, নাশপাতি ইত্যাদি ফল দেশে উৎপাদিত হয় না। এসব ফলের ওপর থেকে এখনকার ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক তুলে নেওয়া হোক। অন্যদিকে আম দেশে উৎপাদিত হয়। তাই সম্পূরক শুল্ক তুলে নেওয়া হলেও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করে দেশি আমকে সুরক্ষা দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।ট্যারিফ কমিশন বিভিন্ন পণ্যের আলাদা শুল্ক হার বিশ্লেষণ করে তৈরি করা সুপারিশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) পাঠিয়েছে। সংস্থাটি এ সুপারিশ তৈরিও করেছে এনবিআরে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকের পরিপ্রেক্ষিতে। কমিশনের সদস্য আবদুল কাইয়ুম প্রথম আলোকে বলেন, সম্পূরক শুল্ক দিয়ে দীর্ঘদিন সুরক্ষা দেওয়া যাবে না। এটা তুলে নিতে হবে। এরপর যদি দেখা যায়, দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তখন অ্যান্টি-ডাম্পিংসহ অন্যান্য শুল্ক আরোপ করে সুরক্ষা দেওয়া যায়।সরকার আগামী অর্থবছর থেকে নতুন মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ বাস্তবায়ন করবে। এতে মোটামুটি ১৭০টি পণ্যে রেখে বাকি প্রায় ১ হাজার ২০০ পণ্যে সম্পূরক শুল্ক তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এতে কিছু শিল্প খাতের সুরক্ষা কমে যাবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে ব্যবসায়ীদের সংগঠনগুলো। ব্যবসায়ীদের দাবি ও রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে এনবিআর সম্পূরক শুল্কের ক্ষেত্রে আগের কাঠামো বজায় রাখতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে আবার নাখোশ হয়েছে ভোক্তাদের সংগঠন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংগঠনটির সভাপতি গোলাম রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এভাবে ঢালাও সম্পূরক শুল্কের কারণে ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অযথা সম্পূরক শুল্ক ভোক্তার স্বার্থের পরিপন্থী।অন্যদিকে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ ঠিকই আছে। যেসব পণ্য দেশে উৎপাদিত হয় না, সেখানে সুরক্ষার প্রয়োজন নেই। আবার যে শিল্প যথেষ্ট ম্যাচিউরড (সক্ষম), সেখানে সম্পূরক শুল্ক কমিয়ে দিতে হবে।’ তিনি বলেন, উচ্চ শুল্কের কারণে পণ্যের দাম বেশি হলে মানুষ দেশের বাইরে গিয়ে সেগুলো কেনে। এতে সরকার রাজস্বও পায় না।ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশে লবঙ্গ, এলাচি, জিরার মতো মসলা, এক বছর পর্যন্ত বয়সী শিশুদের খাদ্য, জ্যাম-জেলি, ফলের রস, মিনারেল ওয়াটার, জ্বালানি তেল, গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম পণ্য, শিশুর খাবার খাওয়ার বোতল বা ফিডার, রেজর, চার স্ট্রোকবিশিষ্ট অটোরিকশা ইত্যাদি কিছু পণ্যে সম্পূরক শুল্ক পুরোপুরি তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।সংস্থাটি যেসব পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে বলেছে, তার মধ্যে আছে বিস্কুট, চিপস, পেইন্ট বা রং, প্লাস্টিকের টিউব, পাইপ, প্লাস্টিকের স্যানিটারি ওয়্যার, বিভিন্ন তৈজসপত্র, মোটরগাড়ির টায়ার, টিস্যু, ব্লেড, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, টেলিভিশন, বৈদ্যুতিক প্লাগ ও সকেট, বিযুক্ত মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল ইত্যাদি।ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশে লবণের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে আমদানি উন্মুক্ত করে দিতে বলা হয়েছে। বিভিন্ন প্রসাধনসামগ্রীকে বিলাসপণ্য হিসেবে উল্লেখ করে সম্পূরক শুল্ক বাড়াতে বলেছে কমিশন। তবে সাবান ও ডিটারজেন্টে শুল্ক হার বজায় রাখা বা নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ, বিভিন্ন ধরনের বস্ত্র, পোশাক ও পাদুকাশিল্পের সুরক্ষায় শুল্ককাঠামো একই রকম রাখা, সিরামিকের ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক কিছুটা কমিয়ে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে। একই কথা বলা হয়েছে কাচের ক্ষেত্রে।তবে উচ্চ হারে শিল্পের সুরক্ষা অনির্দিষ্টকাল থাকা উচিত নয় বলে মনে করেন গোলাম রহমান। অন্যদিকে আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, উচ্চ মাত্রায় সুরক্ষা দেশীয় শিল্পকে অদক্ষ করে রাখে এবং ভোক্তার কাছ থেকে উচ্চ মূল্য আদায়ের সুযোগ করে দেয়। source : prothom-alo
  • ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৮৭,৮৮৭ কোটি টাকা
    নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়িত হলে রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটবে বলে আশা করা হলেও আগামী অর্থবছরে এ খাত থেকে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা খুব একটা বাড়ছে না। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর বাবদ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৮৭ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা। এটি চলতি অর্থবছরের মূল লক্ষ্যমাত্রা থেকে ১৫ হাজার ১২৩ কোটি টাকা বেশি। আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার হচ্ছে চার লাখ কোটি টাকারও বেশি অঙ্কের।মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর বড় অংশই কার্যকর হবে আগামী ১ জুন সংসদে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনের দিনই। বাজেট ঘোষণায় বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো ও কমানোর যে প্রস্তাব করা হবে, তা ওই দিন থেকেই কার্যকর হবে। এ ছাড়া ‘দি এক্সাইজ অ্যান্ড সল্ট অ্যাক্ট, ১৯৪৪’-এর আওতায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে থাকা ঋণ ও আমানতের ব্যালান্সের (স্থিতি) ওপর আরোপিত আবগারি শুল্ক এবং বিমানের টিকিটের ওপর নির্ধারিত শুল্কহারও ১ জুন থেকেই কার্যকর হবে। তবে নতুন আইনে সাতটি মৌলিক খাতে বিভিন্ন পণ্য ও সেবাকে যে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, তা কার্যকর হবে নতুন অর্থবছরের প্রথম দিন বা আগামী ১ জুলাই। ফলে বাজেট ঘোষণায় নতুন করে যেসব পণ্য ও সেবার ওপর ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হবে, তা ভোক্তাদের দিতে হবে ১ জুলাই থেকে।  জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ভ্যাট আইনের দ্বিতীয় তফসিল এবং এক্সাইজ অ্যান্ড সল্ট অ্যাক্টের প্রস্তাবগুলো ‘দ্য প্রভিশনাল কালেকশন অব ট্যাক্সেস অ্যাক্ট, ১৯৩১’ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের তারিখ থেকেই কার্যকর করা হবে।এক্সাইজ ও সল্ট অ্যাক্টের আওতায় ঋণ ও আমানতের ব্যালান্সের ওপর আবগারি শুল্ক আদায় করে এনবিআর। এবার তা দ্বিগুণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া এই আইনের আওতায় বিমানের টিকিটের ওপর থাকা আবগারি শুল্কও দ্বিগুণ হচ্ছে।এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক, আবগারি শুল্ক ও টার্নওভার কর বাবদ ৭২ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় রাজস্ব আদায় না হওয়ায় সংশোধিত বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ৬৬ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংস্থাটির সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, গত এপ্রিল শেষে অর্থবছরের ১০ মাসে এ খাত থেকে আদায় হয়েছে ৫২ হাজার ৮৪২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আগের অর্থবছরে একই সময়ে এ খাতে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪ হাজার ৬৩১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক, আবগারি শুল্ক ও টার্নওভার কর থেকে ৮৭ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা আদায়ের যে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে, তা চলতি অর্থবছরের মূল লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় মাত্র ১২ শতাংশ বেশি। তবে নতুন লক্ষ্যমাত্রা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৩৩.১৬ শতাংশ বেশি। source : kalar kontho
  • বাড়ছে করমুক্ত আয়সীমা
    আসন্ন ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতারা কিছুটা রেহাই পাচ্ছেন। বাড়ছে তাদের করমুক্ত আয়সীমা। বর্তমানে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় থাকলে তাকে কর দিতে হয় না। আসন্ন ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে এ সীমা বাড়িয়ে দুই লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ২৫ হাজার টাকা বাড়ানো হচ্ছে। এর ফলে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।অব্যাহতভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়াসহ মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নিয়ে এবার করমুক্ত আয়সীমা দুই লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা হচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা যায়, টানা দুই অর্থবছর এ অবস্থা শেষে এবার তাতে পরিবর্তন আসছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়।এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, করমুক্ত আয়সীমা না বাড়ালে মধ্যবিত্তের ওপর নতুন করে চাপ বাড়বে। একই সঙ্গে আরও নিম্ন আয়ের মানুষ করের আওতায় আসবে। তাই করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হলে সেটা সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে যৌক্তিক হবে। এছাড়া বাজেটে সাধারণ মানুষের কথা আরও যতœসহকারে বিবেচনা করা উচিত বলেও মনে করেন তারা।এ বিষয়ে এনবিআরের করনীতি বিভাগের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, মূল্যস্ফীতির কথা বিবেচনা করেই করমুক্ত আয়সীমা আরও ২৫ হাজার টাকা বাড়ানোর বিষয়ে চিন্তা করা হচ্ছে। এর ফলে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ে সামান্য নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে এবং সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।এ সম্পর্কে জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের আবাসিক মিশনের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় আনা উচিত। বছর বছর না বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির সূচকভিত্তিক স্থায়ী পদ্ধতির মাধ্যমে এ সীমা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা গেলে ভাল হয়। এতে অল্প আয়ের মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাবেন।এ অর্থনীতিবিদের মতে, অল্প আয়ের মানুষের কাছ থেকে কর আহরণ করতে যে খরচ হয় এবং যে কর পাওয়া যায়, তাতে সরকারের পোষায় না। করমুক্ত আয়সীমা দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত রাখলে বেশি লোক করজালে ঢুকে পড়েন। কেননা মানুষের আয় বাড়লে তারা করের আওতায় চলে আসবেন। যে কোন দেশের কর প্রশাসন চায়, করমুক্ত আয়সীমা যেন বেশি দিন স্থির রাখা যায়। অবশ্য এতে সমস্যাও আছে। যেমন বেশি লোক করের আওতায় ঢুকে পড়লে কর ব্যবস্থাপনায় বেশি জনবল দরকার হয়। এতে খরচ বাড়ে। আবার করমুক্ত আয়সীমার কিছুটা ওপরে থাকা করদাতাদের কাছ থেকে খুব বেশি করও পাওয়া যায় না। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তি দুই লাখ ৭৫ হাজার টাকা করমুক্ত আয়সীমা হলে আনুপাতিক হারে আগের মতোই করহার বসবে। পৌনে তিন লাখ টাকার পরের চার লাখ টাকা আয়ের জন্য ১০ শতাংশ, তার পরের পাঁচ লাখ টাকার জন্য ১৫ শতাংশ, পরের ছয় লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ, এরপরের ৩০ লাখ টাকার জন্য ২৫ শতাংশ এবং অবশিষ্টাংশের জন্য ৩০ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।তবে এবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট বক্তৃতায় ভবিষ্যতে করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির একটি স্থায়ী রূপরেখা দিতে পারেন বলেও জানা গেছে। সম্প্রতি বাজেট-সংক্রান্ত পরামর্শক সভায় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে করমুক্ত আয়সীমা বছরে ১০ হাজার ডলার। বহু বছর তিনি এ স্তরের মধ্যেই কর দিয়েছেন। তিনি আগামী বাজেটে এমন একটি করমুক্ত সীমা নির্ধারণ করে দিতে চান, যাতে বহু বছর তা বহাল থাকে। source : jonokontho
  • তিন খাতেই ব্যয় ১ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা
    আগামী অর্থবছরের বাজেটের একটি বড় অংশই চলে যাবে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ভর্তুকি ও ঋণের সুদ পরিশোধে। ৪ লাখ কোটি টাকার বিশাল বাজেটের ১ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে এ তিন খাতে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ তিন খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। সে হিসেবে এ তিন খাতে বরাদ্দ বাড়ছে ১৬ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানায়, আসন্ন ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে পারে ৪ লাখ ২৭০ কোটি টাকা। বিশাল ব্যয়ের এ বাজেটে অনুন্নয়নসহ অন্যান্য ব্যয় খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের বা জিডিপির ১১ দশমিক ১ শতাংশ। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যয় হবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা পরিশোধে। এ খাতে ব্যয় হবে জিডিপির ২ দশমিক ৪ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয় হবে দেশি ও বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ। এ খাতে ব্যয় হবে জিডিপির ১ দশমিক ৯ শতাংশ। আর ভর্তুকি ও প্রণোদনা খাতে ব্যয় হবে জিডিপির ১ দশমিক ২ শতাংশ। এ তিন খাতে আগামী অর্থবছরের বাজেটের প্রায় ৩১ শতাংশ ব্যয় হবে। আগামী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরবেন।সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা : আগামী অর্থবছরের বাজেটে সরকারি সাড়ে ১২ লাখ চাকরিজীবীর বেতন-ভাতা পরিশোধে ৫২ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে যা ৪৯ হাজার ৭৫১ কোটি টাকা রয়েছে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ বাড়ছে ২ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকা। শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের পহেলা বৈশাখ ভাতা দেয়ার সিদ্ধান্তের কারণে আসন্ন বাজেটে এ ব্যয় বাড়ছে। এছাড়া বাজেটে ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের প্রতিস্থাপনের সুযোগ দেয়ার ঘোষণা আসতে পারে।সুদ পরিশোধ : আগামী অর্থবছরের বাজেট শুধু আকারের দিক থেকে নয়, ঘাটতির দিক থেকেও অতীতের রেকর্ড ভাঙবে। আসন্ন বাজেটে ঘাটতি ধরা হতে পারে ১ লাখ ২৯ হাজার ১০ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। চলতি বাজেটে যা ছিল ৯৭ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা। ঘাটতি মেটাতে বিদেশি উৎস থেকে (নিট) নেয়া হতে পারে ৫৪ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নেয়া হতে পারে ৪৮ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা। এছাড়া ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে ২৫ হাজার ৮২০ কোটি টাকা ঋণ নেয়া হতে পারে। বছর শেষে এসব ঋণের সুদ বাবদ খরচ হবে ৪২ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এ ঋণের সুদ বাবদ পরিশোধ করার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২ হাজার ৮৬৩ কোটি টাকা।ভর্তুকি ও প্রণোদনা : আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি ও প্রণোদনা খাতে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ হয়েছে ২৩ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা। এ হিসেবে ভর্তুকি প্রণোদনা ও নগদ ঋণ বাড়ছে ৩ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা। আসন্ন বাজেটে খাদ্যে ভর্তুকি বাবদ ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। এছাড়া খাদ্যবহির্ভূত অন্যান্য খাতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ভর্তুকি রাখা হচ্ছে। আর প্রণোদনা বাবদ বাজেটে কৃষি খাতে ৯ হাজার কোটি টাকা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) অনুকূলে ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। রফতানিতে ৪ হাজার কোটি টাকা ও পাটজাত দ্রব্যে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য খাতে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ থাকছে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) জন্য কোনো ভর্তুকি রাখা হচ্ছে না। বিশ্ববাজারের তুলনায় অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলে লাভ থাকায় এ খাতে কোনো ভর্তুকি রাখছে না সরকার। source : alaokito bangladesh
  • বাড়ছে উৎসে করের হার
    আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে সব ধরনের রপ্তানিতে উৎসে কর হার দশমিক ৭০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করা হচ্ছে। যদিও বিদ্যমান হারই কমানোর দাবি ছিল গার্মেন্টস শিল্পমালিকদের। তাদের দাবি, উৎসে কর বন্ধ করা উচিত। তা না হলে অন্তত ২ বছরের জন্য এটি বন্ধ করা উচিত। অবশ্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে দেওয়া প্রস্তাবনায় উৎসে কর দশমিক ৫ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।জানা গেছে, দেশের মোট রপ্তানির ৮২ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। ফলে এ খাতের ব্যবসায়ীরা প্রতিবছরই করহার কমানো ও প্রণোদনার জন্য তদবির করেন। সফলও হন। তবে সরকার একটি পণ্যের ওপর নির্ভর না করে রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এ জন্য আগামী বাজেটে সাড়ে ৩শ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি তহবিল গঠন করতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের নীতিনির্ধারকরাও অর্থমন্ত্রীকে রপ্তানি খাতে বৈচিত্র্য আনার পরামর্শ দিয়েছেন।বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম বলেন, শুধু রপ্তানিই নয়, পুরো অর্থনীতিরই বৈচিত্র্যকরণ দরকার। আমাদের শুধু রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ নেই। আমদানি-রপ্তানির পাশাপাশি কৃষি ও প্রক্রিয়াজাতকরণের দিকেও জোর দিতে হবে।জানা গেছে, গত বছরের বাজেটে রপ্তানি কর দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ৫ শতাংশের প্রস্তাব করেছিলেন অর্থমন্ত্রী। পরবর্তী সময়ে গার্মেন্টস উদ্যোক্তাসহ রপ্তানিকারকদের জোর তদবিরে তা দশমিক ৭০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। আগামী অর্থবছরেও এ করহার যেন বাড়ানো না হয়, সে জন্য তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।প্রসঙ্গত, রপ্তানির মূল্যের ওপর (এফওবি) উৎসে কর ধার্য করা হয়ে থাকে। বর্তমানে রপ্তানি ছাড়াও দেশের অভ্যন্তরে মোট প্রায় ৬০টি খাত থেকে উৎসে কর কর্তন করা হয়ে থাকে। তা ছাড়া মোট আহরিত করের ৫৭ শতাংশ আসে উৎসে কর্তনের মাধ্যমে।বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী আমাদের সময়কে বলেন, বর্তমানে রপ্তানির গতিধারা অনুসারে উৎসে কর বাড়ানো কোনোভাবে সময়োপযোগী নয়। গত বছর রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এ ছাড়া আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলোর সক্ষমতা বাড়ছে। তাদের দেশের নীতি তাদের সহায়তা দিয়েছে। আমাদেরও নীতি-সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, বিজিএমইএ উৎসে কর শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে। তা না হলে অন্তত দুই বছরের জন্য উৎসে কর বাদ দেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের চাহিদা কমেছে। গত ১০ বছরে পোশাক রপ্তানির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ শতাংশ। এখন সেটি ২ শতাংশে নেমে এসেছে। এ জন্য উৎসে কর কোনোভাবেই বাড়ানো ঠিক হবে না।জানা গেছে, বর্তমানে ৩৮টি সেবা খাতে উৎসে ভ্যাট আদায় করা হয়। এর মধ্যে জমি উন্নয়নে ৩ শতাংশ উৎসে ভ্যাট পরিশোধ করতে হয়। এটিকে ৫ শতাংশ করা হতে পারে। ফলে বাজেটের পর ফ্ল্যাটের দামে প্রভাব পড়বে। আসবাবপত্র কেনার সময় ৪ শতাংশ উৎসে ভ্যাট পরিশোধ করতে হয়। এটি ৫ শতাংশ করা হলে আসবাবপত্রের দাম বাড়বে।অন্যদিকে আয়কর আদায়েও সবচেয়ে বড় খাত হচ্ছে উৎসে কর। মোট আয়করের ৫৭ শতাংশই আসে এ খাত থেকে। বর্তমানে ব্যাংকিংয়ে প্রায় সব ধরনের সেবার ওপর কর আরোপিত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সব ধরনের হিসাবে লেনদেনের বিপরীতে আবগারি কর সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা। ৫ লাখ টাকার বেশি লেনদেন হলে আরও বেশি কর দিতে হয়। মুনাফার ওপর রয়েছে উৎসে কর। টিআইএন নম্বর থাকলে ১০ শতাংশ এবং না থাকলে ১৫ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। এ ছাড়া সব ধরনের ব্যাংকিং সেবার ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপিত রয়েছে। এসব করের টাকা সরকার সব সময়ই পেয়ে থাকে। সরকারি সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর আরোপিত রয়েছে। এ ছাড়া সব খাতে টাকা জমা রেখে মুনাফা পেলে তার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর আরোপিত রয়েছে।এ ছাড়া উৎসে কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ কম। এতে একদিকে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব আহরণ বাড়ে। অন্যদিকে বছরজুড়েই সরকার কর পেতেই থাকে। এসব কারণে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে সরকারের নজর এখন উৎসে আয়করের দিকে।   source : amader somoy
  • ল্যান্ডফোনের গ্রাহক কমেছে ৪০ শতাংশ
    বছরের পর বছর গ্রাহক ভোগান্তি, অন্যদিকে মোবাইল ফোনের সহজলভ্যতা ও আধুনিক সার্ভিস ডেলিভারির কারণে সাধারণ মানুষ ল্যান্ডফোন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। ফলে ল্যান্ডফোনের গ্রাহকসংখ্যা দিন দিনই কমছে। সরকারের বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লি. (বিটিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, দেশে ল্যান্ডফোন ব্যবস্থা অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়েছে। এক সময় ল্যান্ডফোনের গ্রাহক ছিল প্রায় ১০ লাখ। নানা সমস্যার কারণে এখন ল্যান্ডফোনের সংখ্যা কমে সাড়ে ৬ লাখ হয়েছে। প্রতিদিনই গ্রাহকসংখ্যা কমছে। অনেকে স্ব-ইচ্ছায় বাড়ির ল্যান্ডফোন বিটিসিএলের কাছে সমর্পণ করে দিচ্ছে।তবে গ্রাহককে ভালো সার্ভিস দিতে না পারার কারণ হিসেবে বিটিসিএল সরকারের বিভিন্ন সংস্থার অপরিকল্পিত রাস্তা খোঁড়াখুঁড়িকে দায়ী করছে। তাদের মতে ওয়াসা, সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিনিয়ত বিভিন্ন স্থানে অপরিকল্পিতভাবে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করতে গিয়ে ল্যান্ডফোনের তার কেটে ফেলছে। ফলে বিভিন্ন এলাকার টেলিফোন বিকল হয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যার কারনে টেলিফোন গ্রাহকগণ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এ নিয়ে টেলিফোন কর্তৃপক্ষও চরম দুশ্চিন্তায় আছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, টেলিফোন ক্যাবল কাটা, নষ্ট হওয়াসহ নানা কারণে বিটিসিএল ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়ন। বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ কপার ক্যাবল, অপটিক্যাল ফাইবার ও ক্যাবল নেটওয়ার্ক রক্ষায় সবার সহায়তা চেয়েছেন। এ নিয়ে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ আছে দুশ্চিন্তায়ও। তারা সেবার মান বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিলেও মাঠ পর্যায়ে ভোগান্তি লেগেই আছে। লাইন ঠিক করতে ঘাটে ঘাটে তদবির করে অতিষ্ঠ গ্রাহক। মাসের পর মাস টেলিফোন লাইন নষ্ট থাকছে। নষ্ট টেলিফোনের বিল দেয়াসহ নানাভাবে টেলিফোন কর্তৃপক্ষের ওপর যারপরনাই ক্ষ্যাপা। মানুষ এখন আর বিটিসিএল (টিএন্ডটি) ফোন ব্যবহার করতে চায় না। আবার চাঁদাবাজরা টিএন্ডটি ফোনের বিলের ঠিকানা ধরে বাসায় টেলিফোন করে চাঁদা দাবি করছে। যার কারণে মিরপুরে টিএন্ডটি ফোন ব্যবহার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আবার অনেকেই নম্বর বন্ধ করে দেয়ার জন্য আবেদন করছে। জামানতের টাকা নিতে কষ্ট করতে হবে, তাই ওই টাকা আর আনতে চাচ্ছে না এমন অভিযোগ রয়েছে।বিটিসিএল থেকে জানা গেছে, সিটি করপোরেশন ও ওয়াসা, তিতাস গ্যাসসহ বিভিন্ন সংস্থা বিভিন্ন সময় রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কারণে প্রায় সময় বিটিসিএলের ভূগর্ভস্থ ক্যাবল কাটা পড়ে। একবার কাটা পড়লে তা মেরামত করতে কয়েক সপ্তাহ লাগে। এজন্য লাইনম্যানদের পেছনে পেছনে ঘুরতে হয়, দিতে হয় বখশিশ। আবার অনেক সময় সংঘবদ্ধ চোরদল ভূগর্ভস্থ ক্যাবল চুরি করে নিয়ে যায়। ওইসব মোটা ক্যাবলের ভেতরের তামার তার খুলে চোর দল ঢাকার বাইরে ধামরাই, সাভার এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে। রাজধানীতে এসব ঘটনা অহরহ ঘটছে। শুধু রাজধানীই নয়, দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে টেলিফোনের তার কাটা ও চুরি নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। চুরি ঠেকানো যাচ্ছে না। কোন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক সাধারণ মানুষের সেবা পাওয়া কঠিন। এসব চুরি ঠেকাতে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ অবশ্য পুলিশের উচ্চপর্যায়ে লিখিত অভিযোগ করেছে।শুধু ভূগর্ভস্থ ক্যাবলই নয়, এখন সব ক্যাবল চুরি হচ্ছে। টেলিফোনে কেবিন বঙ্গুলো এখন ডাস্টবিন রাখা, ফুটপাতের চা দোকান, পান দোকান দেয়ার স্থানে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিটিসিএলের স্থাপনার পাশে ছোটখাট দোকান বসছে।১৬৫ শান্তিনগর স্কাইভিউ পার্কসিটির এক ফ্ল্যাটের মালিক এই প্রতিবেদককে জানান, গত তিন মাস ধরে তার বাসার টেলিফোন নষ্ট। তিনি বারবার চেষ্টা করেও লাইনটি সচল করতে পারেননি। তার মতে, বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ তার কাছ থেকে টেলিফোন লাইন রেন্ট নিচ্ছে। তা নেয়া বন্ধ না রাখলে কেন তিনমাস বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ ফোন সচল করছে না। একই ভবনের অন্যান্য ফ্ল্যাটে নষ্ট টেলিফোন লাইনম্যান রাজিব ঠিক করে দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, যারা লাইনম্যানের হাতে ৫শ থেকে ১ হাজার টাকা বসশিশ দেয় তাদের ফোন দ্রুত সচল হয়। কিন্তু তার ফোনটি ৩ মাস অচল। আর কত মাস অচল থাকার পর সচল হবে তা নিশ্চিত কেউ বলতে পারেনি। তিনি টেলিফোনটি সচল করার জন্য তদবির করছেন। কিন্তু তদবিরে কাজ হচ্ছে না। আগামী দিনে টিএন্ডটি ফোন রাখবেন কি না তা নিয়ে ভাবছেন। তার মতে বহু গ্রাহক এখন ফোন ভোগান্তিতে আছেন।এদিকে চলতি মাসে কয়েকবার বিটিসিএল ইস্কাটনস্থ প্রধান কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ওয়াসা কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কারণে রাজধানীর খিলগাঁও, মগবাজার, কাকরাইল, মৌচাক, মালিবাগ, ফকিরাপুল, ডিআইটি এক্্রটেনশন রোড, নয়াটোলা, রামপুরাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিটিসিএলের ভূগর্ভস্থ ক্যাবল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিপুল পরিমাণ টেলিফোন বিকল হয়ে পড়ছে। ওয়াসার ড্রেন নির্মাণ কাজের ফলে খিলগাঁও চৌরাস্তা এলাকায় ৫০০ টেলিফোন, বনশ্রী এলাকায় ১১০টি, গোড়ান এলাকায় ৬০টি টেলিফোন বিকল হয়ে আছে। আবার কাকরাইল এলাকায় ড্রেন নির্মাণ কাজের ফলে কাকরাইন কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, সার্কিট হাউস এলাকার ৪০টি, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগ, মৌচাক, শান্তিনগরে ৭৬০টি, রাজারবাগ, চামলীবাগে ৩২০টিসহ বিভিন্ন স্থানে কয়েক হাজার টেলিফোন বিকল হয়ে পড়ে। এসব লাইন কত দিনে মেরামতের কাজ শেষ হবে তা বিটিসিএল কর্তৃপক্ষই জানে না।এ সম্পর্কে বিটিসিএলের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, প্রায় সময় নানা কারণে সমস্যা হচ্ছে। যার জন্য গ্রাহকসংখ্যা ১০ লাখ থেকে কমে সাড়ে ৬ লাখ হয়েছে। এই সংখ্যা আরও কমতে পারে। অনেকেই অতিষ্ঠ হয়ে ফোন ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে। এখন শুধু ঢাকায় গ্রাহকসংখ্যা বেশি আছে। গ্রাহক ধরে রাখার জন্য সেবার মান বাড়াতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নানাভাবে চেষ্টা করছেন।বিটিসিএলের এক তথ্যে বলা হয়েছে, সরকার জণগণের অর্থে স্থাপিত মহামূল্যবান ক্যাবল ডাক্ট, কপার ক্যাবল, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল, ডিপি পোল, কেবিনেট ইত্যাদি ধ্বংস করা বন্ধ না হলে বিটিসিএল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে। তখন আর গ্রাহকদেরকে সেবা দেয়া সম্ভব হবে না। তাই বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ হাজার হাজার কোটি টাকার জাতীয় সম্পদ রক্ষায় দ্রুত সবার সহযোগিতা ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। source : sonbad
  • নিলামে উঠছে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয়
    দেশের প্রথম মুঠোফোন অপারেটর প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম বা সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় নিলামে তুলেছে ন্যাশনাল ব্যাংক। ৪৫০ কোটি টাকার বকেয়া ঋণ আদায়ে ঢাকার মহাখালীতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকটি। আগামী ১৮ জুন এ নিলাম অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। মহাখালীতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় যে ভবনে অবস্থিত, সেটির নাম প্যাসিফিক সেন্টার। প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান। সিটিসেল সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে দুই দফায় মোট ৬০০ কোটি টাকা ঋণ নেয় প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ নেওয়া ঋণের টাকা দিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ২৫০ কোটি টাকা বকেয়া পরিশোধ করে সিটিসেল। ঋণের জামানত হিসেবে প্রধান কার্যালয় বন্ধক রাখা হয়। প্রথম দফায় নেওয়া ৩৫০ কোটি টাকার ঋণ সুদে-আসলে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৪ কোটি টাকা। বকেয়া এই অর্থ আদায়ে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে ত্রয়োদশ তলা পর্যন্ত আটটি ফ্লোর নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। প্রতিটি ফ্লোরের আয়তন ৪ হাজার ৮৫০ বর্গফুট। জানতে চাইলে ন্যাশনাল ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম বুলবুল প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অর্থ আদায়ে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এ ক্ষেত্রে তা-ই করা হয়েছে।’ বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় গত বছরের ২০ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ বরাদ্দ বাতিল করে এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় বিটিআরসি। সিটিসেলের কাছে সংস্থার বকেয়া ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। তবে বিটিআরসির হিসাবকে চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের অক্টোবরে আদালতে মামলা করে সিটিসেল। আপিল বিভাগের নির্দেশে গত ৬ নভেম্বর সিটিসেলের কার্যক্রম আবার চালু হয়। বর্তমানে অপারেটরটির কোনো গ্রাহক নেই। বকেয়া নিয়ে বিটিআরসি ও সিটিসেলের দ্বন্দ্ব দূর করতে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি কমিটি করার নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। জানতে চাইলে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, খুব শিগগির এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। ন্যাশনাল ব্যাংক ছাড়াও দেশি-বিদেশি ২৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে সিটিসেলের ঋণ তিন হাজার কোটি টাকা। বিদেশি চায়না ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কাছে প্রতিষ্ঠানটির ঋণের পরিমাণ ২৯৩ কোটি টাকা। জানতে চাইলে সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব চৌধুরী থাইল্যান্ড থেকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি এখন দেশের বাইরে আছি। ঢাকায় ফিরলে বুঝতে পারব কী হয়েছে।’ source : prothom-alo
  • ভারতে ৫০ কোটি টাকা মূলধন বাড়াবে সোনালী ব্যাংক
    ভারতে থাকা দুটি শাখার মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক। ব্যাংকটি ভারতে কার্যক্রম বাড়াতে ৫০ কোটি টাকা মূলধন জোগান দেবে। দেশটির ব্যবসায়ীদের বড় অঙ্কের ঋণ দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন পেলেই মূলধন জোগান সম্পন্ন করবে সোনালী ব্যাংক। ভারতের কলকাতা ও শিলিগুড়িতে শাখা রয়েছে ব্যাংকটির।সোনালী ব্যাংক সূত্র জানায়, গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার এ-সংক্রান্ত স্মারকে উল্লেখ করা হয়, মূলধন কম হওয়ার কারণে ভারতের বড় ব্যবসায়ীদের ঋণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ ছাড়া বড় ব্যাংক গ্যারান্টি, বড় অঙ্কের ঋণপত্রও খোলা যাচ্ছে না। এতে ব্যাংকটির দুটি শাখা বড় ধরনের ব্যবসা হারাচ্ছে। ভারতের স্থানীয় ব্যাংকগুলোর সঙ্গেও প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। এ কারণে ভারতের দুটি শাখা পরিচালনা করতে ৫০ কোটি টাকা মূলধন জোগান দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।যোগাযোগ করা হলে সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আশরাফুল মকবুল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ভারতের দুটি শাখার মূলধন কম হওয়ায় বড় ব্যবসা করা যাচ্ছে না। ফলে ভারতের ব্যাংকগুলোর সঙ্গে পেরে ওঠা কঠিন হয়ে পড়েছে। মূলধন বাড়ানো গেলে দেশটির ব্যবসায়ীদের বড় ঋণ দেওয়া যাবে। শাখা দুটি ভালো মুনাফাও করতে পারবে।জানা গেছে, গত পাঁচ বছরে মুনাফা করে শাখা দুটি। তবে কোনো মুনাফা দেশে আনতে পারেনি। ভারতের ২০১১-১২ অর্থবছরে শাখা দুটি মুনাফা করে ৯৩ লাখ রুপি, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১ কোটি ৭৫ লাখ রুপি, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৭৭ লাখ রুপি, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১ কোটি ৭ লাখ রুপি এবং ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ কোটি ৬২ লাখ রুপি।ব্যাংকটি বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে মেসার্স ক্যানন ডানকার্লি নামের একটি প্রতিষ্ঠান ৫০ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ব্যাংক গ্যারান্টির জন্য আসে। তবে মূলধন কম থাকায় ওই সেবা দিতে পারেনি ব্যাংক। এ ছাড়া আরও ভারতীয় ব্যবসায়ী বড় ঋণের জন্য এলেও দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে শাখা দুটি বড় কোনো মুনাফাও করতে পারছে না।ব্যাংকটির সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক পদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, ব্যাংকটি মূল ব্যবসায় লোকসান গুনছে। সরকারের মূলধন জোগানের ওপর নির্ভর করছে ব্যাংকটির পথচলা। আর ভারতের সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও শাখা দুটি কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না। এমন অবস্থায় ভারতের ব্যবসায়ীদের ঋণ দিতে নতুন করে মূলধন নেওয়া ঠিক হবে না।সোনালী ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সাল শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ ছিল ৮ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে গত বছরে ব্যাংকটি ৮১১ কোটি টাকা ঋণ আদায় করে, সুদ মওকুফ করে ৮৮ কোটি টাকা, পুনঃ তফসিল ও পুনর্গঠন করে ৩৮৬ কোটি টাকার ঋণ। এর ফলে খেলাপি ঋণ কমে এলেও গত বছরে নতুন করে খেলাপি হয় ২ হাজার ৮৫০ কোটি টাকার ঋণ। এতে ২০১৬ সাল শেষে খেলাপি ঋণ দাঁড়ায় ১০ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। ব্যাংকটির লোকসানি শাখা গত বছর শেষে হয়েছে ২৩৩টি, আগের বছর শেষে যা ছিল ১২৬টি।২০১৬ সালের আর্থিক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করতে সোনালী ব্যাংকের ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সঞ্চিতি সংরক্ষণের প্রয়োজন হয়। তবে ব্যাংকটিকে চলতি বছরে ৪০ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৪০ শতাংশ ও ২০১৯ সালে ২০ শতাংশ সঞ্চিতি সংরক্ষণের বিশেষ সুযোগ দেওয়া হয়। এর ফলে ২০১৬ সালে ১৫০ কোটি টাকা মুনাফা দেখানোর সুযোগ পায়। source : prothom-alo
  • জানুয়ারি-মার্চ : ফারইস্ট ফিন্যান্সের লোকসান বেড়েছে ৩৮৫%
    খেলাপি ঋণের বিপরীতে সঞ্চিতি রাখতে গিয়ে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে লোকসান বেড়েছে ফারইস্ট ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে নিট লোকসান ৩৮৫ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়েছে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির। আলোচ্য সময়ে খেলাপি ঋণের বিপরীতে ৪৬ কোটি টাকা সঞ্চিতি রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯০৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেশি।প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী খেলাপি ঋণের বিপরীতে সঞ্চিতি সংরক্ষণ করেছে ফারইস্ট ফিন্যান্স। এর ফলে প্রথম প্রান্তিকে লোকসান বাড়লেও পরবর্তীতে তা পুষিয়ে আনতে পারবে প্রতিষ্ঠানটি।জানতে চাইলে ফারইস্ট ফিন্যান্সের কোম্পানি সচিব শেখ খালেদ জহির বণিক বার্তাকে জানান, চলতি হিসাব বছরের শুরুতে আমাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। এর ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে এসব ঋণের বিপরীতে সঞ্চিতি সংরক্ষণ করতে হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই লোকসান বেড়েছে।২০১৭ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, জানুয়ারি-মার্চ সময়ে ঋণ, অগ্রিম ও লিজ থেকে ১০ কোটি ২৮ লাখ টাকা সুদ বাবদ আয় করেছে ফারইস্ট ফিন্যান্স। এর বিপরীতে ২৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ঋণ ও আমানতের সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। সুদ আয়ের তুলনায় সুদ ব্যয় বেশি হওয়ার ফলে কোম্পানিটির ঋণাত্মক নিট সুদ আয় দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৪ লাখ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে ঋণাত্মক নিট সুদ আয় ছিল ৬ কোটি ২২ লাখ টাকা।চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির মোট ঋণ, অগ্রিম ও লিজের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৯৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। আলোচ্য সময় বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও এজেন্টের কাছ থেকে নেয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৪৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪৪১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আর বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে গ্রাহকের আমানতের পরিমাণ ৬৭৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। গত বছরের একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির কাছে গ্রাহকের ৬৩১ কোটি ৩০ লাখ টাকার আমানত গচ্ছিত ছিল।জানুয়ারি-মার্চ সময়ে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন লোকসান হয়েছে ১৪ কোটি ১২ লাখ টাকা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৫ কোটি ৯২ লাখ টাকা। অর্থাত্ এক বছরের ব্যবধানে পরিচালন লোকসান বেড়েছে ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা বা ১৩৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এদিকে হিসাব বছরের প্রথম তিন মাসে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন ব্যয় ১৫ লাখ টাকা বা ৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এর বিপরীতে প্রথম প্রান্তিকে ঋণ, অগ্রিম, লিজ ও শেয়ারের বিপরীতে ৪৬ কোটি টাকা সঞ্চিতি সংরক্ষণ করেছে কোম্পানিটি। যদিও আগের বছরের একই সময়ে সঞ্চিতির পরিমাণ ছিল মাত্র ৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে সঞ্চিতি বেড়েছে ৪১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বা ৯০৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ।খেলাপি ঋণের বিপরীতে আগের তুলনায় অনেক বেশি প্রভিশন সংরক্ষণ করায় চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন মাসে ফারইস্ট ফিন্যান্সের নিট লোকসান ৪৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ কোটি ৭২ লাখ টাকা।অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে লোকসান বাড়লেও ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরে কোম্পানিটি ১০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা নিট মুনাফা করতে সক্ষম হয়েছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৩ পয়সা।দীর্ঘমেয়াদে ফারইস্ট ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ঋণমান ‘এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘ইসিআরএল-টু’। সর্বশেষ নিরীক্ষিত-অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও হালনাগাদ অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।ডিএসইতে সর্বশেষ ৯ টাকা ৭০ পয়সায় ফারইস্ট ফিন্যান্সের শেয়ার লেনদেন হয়। সমাপনী দর ছিল ৯ টাকা ৬০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ছিল ১৬ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বনিম্ন ৭ টাকা ৫০ পয়সা।ফারইস্ট ফিন্যান্স ২০১৩ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ২০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে বর্তমানে এর পরিশোধিত মূলধন ১৬৪ কোটি ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভ ৪৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬ কোটি ৪০ লাখ ৬৩ হাজার ৩৩০। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে ৪৮ দশমিক ১৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৩ দশমিক ৪৭, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ১৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ৩৮ দশমিক ২১ শতাংশ শেয়ার।   source : bonik barta
  • ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ঋণমান ‘ডাবল এ প্লাস’ ও ‘এসটি-ওয়ান’
    দীর্ঘমেয়াদে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেডের ঋণমান ‘ডাবল এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সম্প্রতি এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)।এদিকে বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) রেকর্ড ডেটকে কেন্দ্র করে আজ ও আগামীকাল স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটির শেয়ার শুধু স্পট ও ব্লক মার্কেটে কেনাবেচা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, রেকর্ড ডেটের কারণে ৩১ মে এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে।৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের পরিচালনা পর্ষদ। গেল হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৪ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১ টাকা ৩১ পয়সা (বোনাস শেয়ার সমন্বয়ের পর)। ৩১ ডিসেম্বর এর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৮০ পয়সায়।নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডা অনুমোদনের জন্য আগামী ১৫ জুন বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টার লিমিটেডে এজিএম আয়োজন করবে প্রতিষ্ঠানটি।চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ৫১ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল। আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১৯ পয়সা। ৩১ মার্চ এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৬১ পয়সায়।২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় ইউনিয়ন ক্যাপিটাল। ২০১৪ সালের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন এ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা। বোনাস শেয়ার সমন্বয়ের পর তখন ইপিএস ছিল ১ টাকা ৫০ পয়সা।গতকাল ডিএসইতে সর্বশেষ ২৭ টাকায় ইউনিয়ন ক্যাপিটালের শেয়ার হাতবদল হয়। সমাপনী দর ছিল ২৬ টাকা ৬০ পয়সা, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ২৭ টাকা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দর ছিল ১০ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৩৩ টাকা ১০ পয়সা।২০০৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১৪২ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা। রিজার্ভ ১০৭ কোটি ৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৬০৩টি। এর মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৪৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ, প্রতিষ্ঠান ১২ দশমিক ৪৮, বিদেশী দশমিক ১৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ৪১ দশমিক ৪ শতাংশ শেয়ার।বোনাস শেয়ার সমন্বয়ের পর সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত ২০ দশমিক ৩১, হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে যা ১৩ দশমিক শূন্য ৪। source : bonik barta
View All
Latest DSE News
  • EXCH

    Training Program on Compliance and Associated Issues: Due to unavoidable circumstance the program has been rescheduled to be held on June 11-15 , 2017 at 2:30 pm-5:00 pm instead of May 21-25, 2017 For registration and information, interested participants are requested to contact DSE Training Academy, 9/G Building (5th floor), Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone 9564601, 9576210-18, Ext. nos. 157, 158 or Email at training@dse.com.bd. N.B. Those who are already registered need not to register further.

  • EXCH

    (Repeat): While making investment decision in the Capital Market, INVESTORS should not rely on any information obtained from an unauthorized source such as facebook etc.

  • REGL

    (Continuation of BSEC News - Awareness Message for Investors ) 3. Do not pay any heed to rumors at the time of trading shares; it may cause loss to you. Even spreading rumor is legally prohibited. (Ref.: SEC letter no. SEC/SRMIC/2010/726 dated November 23, 2010).(end)

  • REGL

    Investors are requested to consider the following facts at the time of making investment decision in the Capital Market: 1. Without acquiring proper knowledge, information and experience regarding different aspects and matters of Capital Market, one should not invest in the Capital Market. 2. The gain or loss, whichever comes from the investment, it belongs to you. So, well - thought of investment decision based on knowledge and fundamentals of the securities may be real assistance to you. (cont.)

  • EXCH

    Honorable Investors, Good morning! Please make your investment decision based on company fundamentals, technical analysis, price level and disclosed information. Avoid rumor-based speculations.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PDL 23.20 21.60 1.60 7.41
KPPL 8.70 8.20 0.50 6.10
SEMLIBBLSF 10.60 10.00 0.60 6.00
SHURWID 10.70 10.10 0.60 5.94
SHEPHERD 39.50 38.20 1.30 3.40
PARAMOUNT 20.10 19.50 0.60 3.08
PRAGATIINS 30.40 29.60 0.80 2.70
POPULARLIF 68.70 66.90 1.80 2.69
EBL1STMF 7.80 7.60 0.20 2.63
REGENTTEX 29.30 28.60 0.70 2.45

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297