Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar
Parallel Trend Lines 2 Amibroker AFL 11-Feb

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ANLIMAYARN 31 24.1 6.90 28.63
LINDEBD 1387 1130.7 256.30 22.67
PRIMETEX 16.7 14.9 1.80 12.08
TRUSTBANK 18.1 16.2 1.90 11.73
BDAUTOCA 32.1 29 3.10 10.69
EASTRNLUB 1357.1 1232.1 125.00 10.15
NHFIL 30.1 27.5 2.60 9.45
EXIM1STMF 5.9 5.4 0.50 9.26
EMERALDOIL 49.3 45.5 3.80 8.35
UTTARABANK 18.5 17.1 1.40 8.19

Contest SB2016_May

1st
blank_person
IMDADCU
2nd
blank_person
IMRANKSL
3rd
blank_person
DIDAR12
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
MARICO 1316.4 1261.9 2.98781 1801.00
BSRMLTD 150.9 142.9 2.71637 2562910.00
OLYMPIC 310.6 302.9 2.55179 220710.00
LINDEBD 1387 1305.5 2.15859 146556.00
RENATA 1248.9 1226.7 2.04594 12632.00
Negative impact
GP 245.9 248 -4.93510 128925.00
RAKCERAMIC 59 62.3 -1.93463 491049.00
TITASGAS 44 45.1 -1.89379 513433.00
UPGDCL 156.5 159.3 -1.76866 665674.00
JAMUNAOIL 184.5 193.1 -1.65276 344140.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BSRMLTD 150.9 155.9 143.4 5.60% 380.18
LINDEBD 1387 1387 1309 6.24% 200.27
BSRMSTEEL 97 97.5 94 3.52% 129.27
MJLBD 104.3 107.3 104 -2.43% 114.19
BXPHARMA 84.5 85.1 82 0.60% 107.24
UPGDCL 156.5 160.8 155.6 -1.76% 104.98
SQURPHARMA 259 259.6 256.4 0.35% 100.14
FEKDIL 22.7 23 21.2 7.08% 76.06
LANKABAFIN 33.2 33.5 32.7 1.84% 73.50
DOREENPWR 52.6 54.3 50.8 3.34% 70.48

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 04 May 2016

94673
TOTAL TRADE
104.4714
TOTAL VOLUME(Mn)
4007.65
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ফের ব‍াড়ল সোনার দাম
    স্টাফ রিপোর্টার : ফের বেড়েছে সোনার দাম। এ নিয়ে চলতি বছরে পাঁচ দফায় প্রতি ভরিতে মোট দাম বাড়ল ৬ হাজার ১২৫ টাকা। এবার বাড়ছে ভরিতে এক হাজার ২২৫ টাকা। এতে প্রতি ভরি ভালো মানের সোনার দাম দাঁড়ালো ৪৬ হাজার ১৮৯ টাকা। আর প্রতি গ্রামের দাম ৩ হাজার ৯৬০ টাকা। অন্যান্য মানের সোনার দরও বেড়েছে একই হারে। রূপার দর বেড়েছে ভরিতে ৫৮ টাকা। ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রামে এক ভরি। শুক্রবার থেকে নতুন দর কার্যকর হবে বলে বুধবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক খান। সর্বশেষ গত ৭ মার্চ  সব ধরনের সোনার দামও ভরিতে এক হাজার ২২৫ টাকা করে বাড়ানো হয়। বর্তমানে প্রতি ভরি ভালো মানের সোনা ৪৬ হাজার ১৮৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঘন ঘন দাম বাড়ানোর কারণ জানতে চাইলে বাজুস সাধারণ সম্পাদক এনামুল বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে তা সমন্বয় করা হচ্ছে। আজ (বুধবার) বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মত মতামতের ভিত্তিতে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। চলতি বছর এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো বাংলাদেশের বাজারে সোনা-রূপার দাম বাড়ানো হলো। এর আগে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর ভরিতে সোনার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা কমানো হয়েছিল। তার আগে ৯ নভেম্বর সব ধরনের সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ২২৫ টাকা করে কমিয়েছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। গত বছরের শেষ দিকে দুই দফা দাম কমানোর আগে ১৭ অক্টোবর ভরিতে দেড় হাজার টাকা বেড়েছিল সোনার দাম। ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ, ২১ ক্যারেটে ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ, ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা থাকে। সনাতন পদ্ধতির সোনা পুরোনো স্বর্ণালংকার গলিয়ে তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে কত শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা মিলবে, তার কোনো মানদণ্ড নেই। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট সোনা ৪৭ হাজার ৪১৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৫ হাজার ৩১৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম হবে ৩৮ হাজার ৬৬৭ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি হবে ২৭ হাজার ৫৮৬ টাকা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনা ৪৬ হাজার ১৯০ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৪ হাজার ৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ৩৭ হাজার ৪৪২ টাকায় বিক্রি হবে। আর সনাতন পদ্ধতির সোনা ২৬ হাজার ৩৬১ টাকায় বিক্রি হবে। রূপার দরও বাড়ছে : রুপার দামও ভরিতে ৫৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ১৬৫ টাকা হচ্ছে। তবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রুপা ১ হাজার ১০৮ টাকা দরে পাওয়া যাবে।
  • ভিশন ক্যাপিটালকে জরিমানা
    স্টাফ রিপোর্টার : ভিশন ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টকে সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করায় ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে কমিশন। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, ভিশন ক্যাপিটাল ম্যানেজমন্টে তার ২ গ্রাহকের কাছ থেকে ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার চেক গ্রহণ করে অন্য গ্রহীতার একাউন্টে জমা করে। যে কারণে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে কমিশন আদায়কৃত অর্থ ফেরত প্রদানের নির্দেশ প্রদান করে কমিশন।
  • ‘অসৎ কর্মকাণ্ডেই বীমা খাতের বেহাল দশা’
    মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান : সরকারীভাবে প্রচার-প্রচারণার অভাব ও কিছু কোম্পানির অসৎ কর্মকাণ্ডের কারণেই বীমা খাতের আজ বেহাল দশা। তবে এটি একটি সম্ভাবনাময় খাত। সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারলে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বীমা খাতের জনপ্রিয়তা বাড়বে। বুধবার সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অজিত চন্দ্র আইচ একান্ত সাক্ষাৎকারে স্টক বাংলাদেশকে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পাশ্ববর্তীদেশ ভারতে বীমা খাতের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। এর মূল কারণ হচ্ছে সেখানে সরকারী-বেসরকারীভাবে বীমার প্রচার প্রচারণা ব্যাপক। বীমা খাত থেকে সেদেশের সরকার বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করছে। আমাদের দেশেও সরকার বীমা খাত থেকে অর্থ উপার্জন করছে। কিন্তু পৃষ্ঠপোষকতা করছে না। অথচ এই খাত নিয়ে সরকারের তরফ থেকে যদি মিশিল, মিটিং, শ্লোগান, ব্যানার, ফ্যাস্টুন টাঙ্গানো হতো তবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা বাড়তো বীমা খাতের। তিনি আরও বলেন, দেশ স্বাধীনের পর থকে জীবন বীমা কর্পোরেশনের কিছু অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীর অসৎ কর্মকাণ্ডের কারণে বীমার গ্রাহকরা ঠিকভাবে সেবা পায়নি। যেকারণে এই খাত সর্ম্পকে মানুষের অনিহা শুরু থেকেই। এছাড়াও ২০০১ সালে যে ১১টি বীমা কোম্পানি কার্যক্রম শুরু করে তার মধ্যে ২/৩টি ছাড়া বাকি সবগুলো কোম্পানি গ্রাহক সেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। মূলত সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার অভাব ও কিছু বীমা কোম্পানির অসৎ কর্মকাণ্ডের কারণে বীমা খাত নিয়ে সাধারণ মানুষ চরম হতাশ। তবে উচ্চ বিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর কাছে জনপ্রিয় না হলেও স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে এখনও বীমার প্রয়োজনীয়তা এখনও রয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ১ আগষ্ট থেকে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কার্যক্রম শুরু করে। শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি সফলতার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। দেশের মোট ১৬টি জেলায় এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি ১৫টি বীমা নিয়ে কাজ করছে। যেসব বীমা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে-পেনশন বীমা, মাসিক সঞ্চয়ী বীমা, তাকাফুল বীমা, ব্যাংক এসুওরেন্স, শিশু নিরাপত্তা, শিশু শিক্ষা ও মেয়াদী বীমা। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য বীমা কোম্পানির মতো মানুষ বা কাগজের মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে আমরা লেনদেন করি না। শুরু থেকেই আমরা ১০০ শতাংশ ইনটিগ্রিটেড সফটওয়্যারের মাধ্যমে গ্রাহকদের সার্ভিস দিয়ে আসছে। সর্ম্পূণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে গ্রাহকরা লেনদেন করে থাকে আমাদের সাথে। গ্রাহকরা তাদের বীমার টাকা বিকাশ বা ব্যাংকের মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠানে জমা দেয়ার সাথে সাথেই তাদের মোবাইলে ম্যাসেজ চলে যায়। ম্যাসেজের মাধ্যমে গ্রাহকদের টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স। পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকরা নিজ নিজ বীমার অবস্থা সর্ম্পকে জানতে পারবে। অজিত চন্দ্রা আইচ আরও বলেন, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার। ২০১৫ সালের একক বীমা থেকে ৬ কোটি টাকা, গ্রুপ বীমা থেকে ১৫ কোটি টাকা ও নবায়ন প্রিমিয়াম থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা আয় করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আর ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি আইপিওতে আসবে বলে জানান তিনি। পরিশেষে তিনি বীমা খাতের উন্নয়নে কিছু পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বলেন, বীমার উন্নয়নে সরকারী-বেসরকারীভাবে শ্লোগান, মিছিল, মিটিং করতে হবে। প্রশিক্ষণ দিয়ে নতুন নতুন কর্মী নিয়োগ দিতে হবে বীমা কোম্পানিগুলোকে। বিভিন্ন জেলা, উপজেলায় বীমা কোম্পানীরগুলোর শাখা খুলতে হবে। সকল প্রকার জালিয়াতি, প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বাদ দিয়ে গ্রাহকদের সঠিকভাবে সেবা দিতে হবে। তবেই এখাতের উন্নয়ন সম্ভব বলে জানান তিনি।
  • স্টার ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি করে ডিএসই এক্স ইনডেক্স
    মেহেদী আরাফাত : বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর ডিএসইএক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে বিক্রয়চাপের ফলে নিন্মমুখি প্রবনতা নিয়ে হ্রাস পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে দিনভর মিশ্র প্রবনতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে পুনরায় বিক্রয় চাপের ফলে ডিএসইএক্স ইনডেক্স পুনরায় নিন্মমুখি হতে থাকে এবং ১৩.৯৭ পয়েন্ট  হ্রাস পেয়ে স্টার ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি করে। ডিএসই এক্স ইনডেক্স ১৩.৯৭ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪২৫৮.২০ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় -০.৩২% হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪১৫০ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৪৩০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ১৪.১১ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৪১.৩৯। এম.এফ.আই কিছুটা নিম্নমুখী অবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর কিছুটা নিম্নমুখী অবস্থান করছে। ডিএসইতে ১০ কোটি ৪৪ লাখ ৭১ হাজার ৩৫৪ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৪০০ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ৪ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩১৮ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৪ টির,  কমেছে ১৯৮ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৬ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজ বাজারে চাহিদা কম ছিল ৩০০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৪৬% কম। অন্যদিকে কমেছে ২০-৫০ কোটি টাকার  মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ২৪.৬% কম। অন্যদিকে ০-২০ এবং ৫০-১০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় আজ ১৯.০৫% এবং ৩৩.৮৩% কম। পিই রেশিও ২০-৪০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৩৮.৬৮% কমেছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ২৯.৬৩% কম। বেড়েছে ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন যা আগের দিনের তুলনায় ২০.৩২% বেশী। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ পিছিয়ে ছিল ‘এন’  ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৬২.০১% কম ছিল। বেড়েছে ‘জেড’  ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৬২.৪০% বেশী ছিল।
  • বিএসসির আয় প্রায় দ্বিগুন বৃদ্ধি
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) গত বছরের তুলনায় বেড়ে হয়েছে ২.৯১ টাকা। গত বছরের কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ১.৬৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানির আয় বেড়েছে প্রায় ৭৫ শতাংশ বা ১.২৫ টাকা। ডিএসই বুধবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে। কোম্পানিটির প্রথম প্র‍ান্তিকে (জুলাই-১৫ সেপ্টেম্বর-১৫) হিসেবে এই আয় প্রকাশ করা হয়। কোম্পানিটির এনএভি হয়েছে ৬১০ টাকা এবং আগের বছরে একই সময়ে এনএভি ছিল ৬০৩ টাকা।
  • ‘শেয়ারের বিনিময়ে’ দুটি বিমান পাবে ইউনাইটেড এয়ার
    সিনিয়র রিপোর্টার : ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের বহরে যুক্ত হবে নতুন দুটি বিমান। ‘সিঙ্গাপুরের দুটি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারা কোম্পানির ৪০০ কোটি টাকার অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিনিময়ে একটি বোয়িং-৭৭৭ ও একটি এটিআর-৭২-৫০০ নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ দেবে।’ বলেন ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরী। বহরে নতুন দুটি বিমান সংযোজন ও পুরনো বিমান রক্ষণাবেক্ষণ করতে প্রাইভেট প্লেসমেন্টে শেয়ার বিক্রি করে ৪০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ২২৪ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করবে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। মূলধন সংগ্রহের বিষয়ে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরী বলেন, ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য মূলধন সংগ্রহ করা হচ্ছে। মূলধনের উল্লেখযোগ্য অংশই আসবে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে। তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরের দুটি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারা কোম্পানির ৪০০ কোটি টাকার অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিনিময়ে একটি বোয়িং-৭৭৭ ও একটি এটিআর-৭২-৫০০ নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ সরবরাহ করবে। এছাড়া মূলধন ২২৪ কোটি টাকা দিয়ে পুরনো বিমানগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। ফলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে ফ্লাইট সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট চালু করার কথাও বলেন এমডি। বিদেশ থেকে ফিরেই তিনি ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ফ্লাইট চালু করতে। রাজধানীর মতিঝিল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার অফিস বিএসইসি নিয়ে ব্যস্থ সময় পারছেন। ৬২০ কোটি টাকার জন্য ‘কমিশনে আবেদন করেছি, কমিশন আমাদের যাচাই-বাছাই করেই তো অনুমোদন দেবে। তবে আমরা আশা করছি শিগগিরই এটা হবে।’ স্টক বাংলাদেশকে এসব কথা বলেন ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শাহাবুদ্দিন। পেছনের খবর : ‘সম্ভাবনা-শঙ্কা’ নিয়ে ইউনাইটেড এয়ারে ‘আসছে ৬২০ কোটি টাকা’
  • অলিম্পিক ইন্ড্রাস্ট্রিজ নতুন লাইন স্থাপন করবে
    স্টাফ রিপোর্টার : অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানির কর্তৃপক্ষ নতুন লাইন স্থাপন করতে ইতালি ও ভারত থেকে নতুন যন্ত্র আনবে। ডিএসই সূত্রে বুধবার এমন তথ্য প্রকাশ করে। নতুন মেশিন আমদানি করতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
  • ‘সম্ভাবনা-শঙ্কা’ নিয়ে ইউনাইটেড এয়ারে ‘আসছে ৬২০ কোটি টাকা’
    শাহীনুর ইসলাম : ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ লিমিটেড অনেক ‘সম্ভাবনা-শঙ্কা’ নিয়ে ৬২০ কোটি টাকার অনুমোদন পাচ্ছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) ইতোমধ্যে আবেদন করেছে ফ্লাইট বন্ধ কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ। ৬২০ কোটি টাকা উত্তোলন সম্পর্কে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার শাহাবুদ্দিন বলেন, এমডি বর্তমানে দেশে আছেন। আমরা কমিশনে আবেদন করেছি। আশা করি, আগামী দু-এক সপ্তাহের মধ্যে অনুমোদন পেতে পারি। তিনি বলেন, আমাদের সম্ভাবনা আছে। যে কারণে আমার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কমিশনে আবেদন করেছি, কমিশন আমাদের যাচাই-বাছাই করেই তো অনুমোদন দেবে। তবে আমরা আশা করছি শিগগিরই এটা হবে। বিমান উড্ডয়ন সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, কোটি শেয়ার হোল্ডারের কোম্পানি এটা। আশঙ্কার কিছু নেই। দু-চার সপ্তাহের মধ্যে বিমান উড়বে। বহরে নতুন দুটি বিমান সংযোজন ও পুরনো বিমান রক্ষণাবেক্ষণ করতে প্রাইভেট প্লেসমেন্টে শেয়ার বিক্রি করে ৪০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে ২২৪ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করবে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। গত বছরের অক্টোবর মাসের শেষে সিঙ্গাপুরের দুটি কোম্পানির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনাও করা হয়। উড়োজাহাজ সরবরাহের বিনিময়ে বিদেশী কোম্পানি দুটি ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ থেকে ৪০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার গ্রহণ করবে। বাকি ২২৪ কোটি টাকা বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে মূলধন হিসেবে সংগ্রহ করবে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে গত বছরের অক্টোবরে নিয়োগ দিয়েছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ। এদিকে, গত ৫ মার্চ থেকে কোম্পানির ১১ টি বিমান পুরাতন হওয়ায় উড্ডয়ন উপযোগীতা হায়ায়। যে কারণে অনেকের আশঙ্কা, কোম্পানির কর্তৃপক্ষ নতুন বিমান উড্ডয়ন করলে কতোটা ভালো করতে পারবে। কেননা ইতোপূর্বে কোম্পানি আরো ৫২০ কোটি টাকা পুঁজিবাজার থেকে তুলে নেয়। মূলধন সংগ্রহের বিষয়ে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরী বলেন, ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য মূলধন সংগ্রহ করা হচ্ছে। মূলধনের উল্লেখযোগ্য অংশই আসবে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে। তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরের দুটি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারা কোম্পানির ৪০০ কোটি টাকার অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিনিময়ে একটি বোয়িং-৭৭৭ ও একটি এটিআর-৭২-৫০০ নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ সরবরাহ করবে। এছাড়া মূলধন ২২৪ কোটি টাকা দিয়ে পুরনো বিমানগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। ফলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে ফ্লাইট সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট চালু করার কথাও বলেন এমডি। বিদেশ থেকে ফিরেই তিনি ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ফ্লাইট চালু করতে। মতিঝিল আর কমিশন (বিএসইসি) নিয়ে ব্যস্থ সময় পারছেন। ২০১০ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৭১ দশমিক ৯৪ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। বিমানের ফ্লাইট বন্ধ হওয়ায় ইতোমধ্যে শেয়ারের দর নেমে এসেছে তলানীতে। বিপুল পরিমাণ শেয়ার সাধারণ বিনেয়াগকারীদের হাতে থাকায় নতুন ‘৬২০ কোটি টাকা কোম্পানির সম্ভাবনার না আশঙ্কার সৃষ্টি করবে’ -এ বিষয়ে দেশের শীর্ষ দুটি মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তা কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি। পেছনের খবর : ইউনাইটেড এয়ার ‘চালু করতে ব্যস্ত’ এমডি আরো খবর : ‘আকাশে উড়বে ইউনাইটেড এয়ার’
  • বাজার চাঙ্গা করতে ‘পলিসি সাপোর্টে’ সন্তোষ্ট নয় বিশ্বব্যাংক
    স্টাফ রিপোর্টার : ২০১০ সালের ধসের পর থেকে বাজার চাঙ্গা করতে বাংলাদেশ সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের সুফল যথেষ্ট নয় বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট, এপ্রিল-২০১৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ মন্তব্য করেছে সংস্থাটি। সর্বশেষ বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৫ সালে সঞ্চয়পত্রে সুদের হার ও তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হ্রাসের মতো নীতি সহায়তার সুফলও টেকসই ছিল না। প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলে, সময়ে সময়ে কিছু ঊর্ধ্বগতি দেখা গেলেও প্রায় ৯ মাস ধরে নিম্নমুখী প্রবণতা রয়েছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার। ২০১৫ সালের জুন-জুলাইয়ে বাজারে চাঙ্গাভাব দেখা যায়। এর মূলে ছিল তালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট কর হ্রাস, সরকারি সঞ্চয়পত্রের সুদের হার শতকরা ২ পয়েন্ট কমানো ও জাতীয় বাজেটের নথিপত্রে সামষ্টিক অর্থনীতির একটি ইতিবাচক চিত্র। আগস্ট-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চিত্রটি ভালোই ছিল। তবে অক্টোবর থেকে উত্থান-পতনের একটি ধারার মধ্য দিয়ে নিম্নমুখী প্রবণতার শুরু। এ সময়ে শেয়ারবাজারে লেনদেনও কমে যায়, যা বিনিয়োগকারীদের সতর্কতারই প্রতিফলন। সে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরুর আগে আগস্টে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪ হাজার ৮৭৪ পয়েন্টে উন্নীত হয়। এর পর তিন মাসের ব্যবধানে সূচকটি প্রায় ৫০০ পয়েন্ট কমে যায়। ১১ নভেম্বর ডিএসইএক্স ৪ হাজার ৩৭২ পয়েন্টে নেমে আসে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের নিম্নমুখী প্রবণতার বিষয়টি স্পষ্ট হয়। বছর শেষে দেখা যায়, ডিএসইর বাজার মূলধন ১২ মাস আগের তুলনায় ৪ শতাংশ কমে যায়। অথচ এ সময়ের ব্যবধানে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের সংখ্যা ৫৪৬ থেকে ৫৫৯-এ উন্নীত হয়। তুলনামূলক স্থিতিশীল ও ইতিবাচক সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে হিসাব বছর শেষে ভালো করপোরেট ঘোষণা ও পুঁজিবাজারবান্ধব মুদ্রানীতির প্রত্যাশায় ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে শেয়ারবাজারে আবারো ঊর্ধ্বমুখিতা দেখা যায়, যা প্রায় এক মাস অব্যাহত ছিল। বিনিয়োগ বাড়াতে জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের সুদের হার দশমিক ৫০ পয়েন্ট কমানোর পরও ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ারের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিবেশের ওপর যথেষ্ট আস্থার অভাবেই ইতিবাচক মুদ্রানীতি প্রতিবেদনটি তখন বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে পারেনি। ফোর্বসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশের বিবেচনায় দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ। এ কারণে এখানে দীর্ঘমেয়াদে ইকুইটি বিনিয়োগে আগ্রহ কম থাকবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করে সাময়িকীটি। ২০১০ সালের বাজার ধসের পর থেকে বিভিন্ন নীতি সহায়তার সুফল সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজার চাঙ্গা করতে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিভিন্ন প্রচেষ্টা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে কমই সফল হয়েছে। ২০১৫ সালে শেয়ারবাজারে নিট বিদেশী বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ কমে যায়। বিদেশী পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরা গেল বছর (বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকে) প্রচুর শেয়ার বিক্রি করে। আগের দুই বছরে এসব শেয়ারে তাদের ভালো মুনাফা হয়।
  • শেষ মুহূর্তে চাপ সামলাচ্ছে ইনডেস্ক, মার্কেট নিউজ টুইটস: ২:২৭ মিনিট
    শেষ মুহূর্তে চাপ সামলাচ্ছে ইনডেস্ক। ভাল ভলিয়মে বাই/সেল হলেও ইনডেস্কের মান কিছুটা ঠিক রাখা হয়।   UNITEDAIR হল্ট, মার্কেট নিউজ টুইটস: ২:০০ মিনিট UNITEDAIR এর কোনও বিক্রেতা নাই। মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় বাজার , মার্কেট নিউজ টুইটস: ১:৩৫ মিনিট মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় বাজারে কম্পানিগুল দর উঠানামা করছে। বেলা ১.৩৫ মিনিট পর্যন্ত দেখা যায়, বেশীর ভাগ কোম্পানির শেয়ারারে দর কখন পড়ছে আবার কখন বাড়ছে। NHFIL হল্ট, মার্কেট নিউজ টুইটস: ১:০০ মিনিট NHFIL এর কোনও বিক্রেতা নাই। বাজার ধরে রাখতে পারছে না বাইয়ার, মার্কেট নিউজ টুইটস: ১২.৩০ মিনিট দিন বাড়ার সাথে সাথে ইনডেস্কের মান কমছে। গতকালে ইনডেস্কের মান ১০০+ বাড়ায় অনেকে আজ হাতে থাকা শেয়ার ছেড়ে দিচ্ছেন বলে অনেকে মনে করেন। এর কারন হচ্ছে গতকাল যারা শেয়ার কিনেছে তারা আগামীকাল সেল দিতে পারবে। ভাল অবস্থানে আছে LINDEBD DOREENPWR, মার্কেট নিউজ টুইটস: ১২.০০ মিনিট ভাল অবস্থানে আছে LINDEBD DOREENPWR । এরা লেনদেনের শীর্ষ ১০ এ অবস্থান করছে পাশাপাশি দামও বেড়েছে।   বাইয়ার-সেলারের মধ্যে দ্বন্দ্ব, মার্কেট নিউজ টুইটস: ১১.৩০ মিনিট বেলা ১১.৩০ মিনিট পর্যন্ত দেখা যায়, ভাল ভলিয়মে বাজার উঠানামা করছে। তবে বাইয়ার সেলারের মধ্যে দেখা যাচ্ছে দ্বন্দ্ব। একবার বাইয়ারের কারনে বাজার উঠছে, আবার সেলারের কারনে দেখা যাচ্ছে বাজার নামছে। দিনের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরের দিকে, মার্কেট নিউজ টুইটস: ১১.০০ মিনিট মার্কেট ফ্রেম দেখলে দেখা যায় দিনের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরের দিকে। গতকালের প্রভাব আজও থাকতে পারে,মার্কেট টুইটস : ১০.৩০ মিনিট ( ০৪.০৫.২০১৬) পুজিবাজারের তালিকাভুক্ত প্রায় সবগুলোর কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয়ের প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘নীতি সহায়তা’ ‘ইতিবাচক’ ও আস্থা ফেরাতে ‘চার ইস্যুর’ বৈঠক সম্পন্ন (বিএসইসি) এর পদক্ষেপের কারনে বাজার ঊর্ধ্বমুখী। ধারাবাহিক পতনের পর বিএসই ও বাংলাদেশ ব্যাংক আলাদা সভায় উঠে আশা সকল উদ্যোগের  প্রভাব আজও বাজারে থাকতে পারে। পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে …….. আইপিওতে আসা একমি ল্যাবরেটরিজের মুনাফা বৃদ্ধি অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের – উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াবে পুঁজিবাজারের সম্মানিত বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • একদিনে সূচক বাড়ল ১০০ পয়েন্ট
    টানা সাত কার্যদিবসের দরপতনের পর শেয়ারবাজারে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। শেয়ারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিসহায়তা ঘোষণার পরদিন এ চিত্র দেখা গেছে। এতে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচকটি ১০০ পয়েন্টের বেশি বেড়েছে, শতকরা হিসাবে যা ২ দশমিক ৪২ ভাগ। দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই চিত্র দেখা গেছে।সোমবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, শেয়ারবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয় করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোনো শেয়ার বিক্রি করতে হবে না। শেয়ারে বর্তমানে ১০টি ব্যাংকের বিনিয়োগ নির্ধারিত সীমার চেয়ে সামান্য বেশি। তা আইনি সীমায় নামিয়ে আনতে কোনো শেয়ার বিক্রি ছাড়াই কেস টু কেস ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরদিনই এ ঘোষণার ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায় শেয়ারবাজারে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩১৬ কোম্পানির মধ্যে ২৬৩টির শেয়ারের দর বেড়েছে। এর মধ্যে ৪ থেকে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত দর বেড়েছে ১০৫টি কোম্পানির।পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই সূচকের ঊর্ধ্বগতি স্পষ্ট ছিল। বাজার-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এর আগের টানা দরপতনে অধিকাংশ শেয়ারের দর বিনিয়োগ অনুকূল স্তরে নেমে আসে। এছাড়া ডিসেম্বর হিসাব বছর শেষ হওয়া কোম্পানিগুলোর বার্ষিক ফলাফল ও লভ্যাংশ ঘোষণা হচ্ছে। এ সময় প্রান্তিক প্রতিবেদনেও অধিকাংশ কোম্পানির আর্থিক অবস্থা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ভালো দেখা যাচ্ছে। এমনই একসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিসহায়তা ঘোষণা আসে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাংকের পোর্টফোলিও থেকে শেয়ার বিক্রির আশঙ্কা দূর হওয়াই গতকালের উত্থানে মূল ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।গতকাল শেয়ারের ক্রয়াদেশ বাড়ায় সব খাতের বাজার মূলধন বেড়েছে। লেনদেন হওয়া ৮৩ শতাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে একদিনে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৫ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। দরবৃদ্ধির শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে কাগজ ও মুদ্রণ খাত। গতকাল এ খাতের দুই কোম্পানির বাজার মূলধন গড়ে সাড়ে ৭ শতাংশ হারে বেড়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিবিধ খাত। এ খাতের বাজার মূলধন বেড়েছে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। এছাড়া সিরামিক, ভ্রমণ-অবকাশ, প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, সিমেন্ট ও বস্ত্র খাতের শেয়ারদর ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরু থেকে গতকাল পর্যন্ত জ্বালানি, বিবিধ ও টেলিযোগাযোগ ছাড়া অন্য সব খাতে ২ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত লোকসান করেছেন বিনিয়োগকারীরা।গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১০০ দশমিক ৭৭ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ২৭২ দশমিক ১৮ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। গত এক বছরের মধ্যে একদিনে সূচকের সর্বোচ্চ উত্থান এটি। নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসই ৩০ দিন শেষে ২ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেড়েছে।এদিকে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ৩০৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ১২৮ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। সেখানকার সেরা কোম্পানিগুলোর সূচক সিএসই ৩০ বেড়েছে ২৪০ পয়েন্ট।সূচকে উল্লম্ফন দেখা দিলেও লেনদেন পরিস্থিতিতে উন্নতি হয়নি। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪০৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৫৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা কম। সিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ২৩ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড, যা আগের দিনের চেয়ে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা কম।ডিএসইতে লেনদেনকৃত ৩১৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৬৩টির, কমেছে ২৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৪টি কোম্পানির শেয়ারদর। সিএসইতে লেনদেনকৃত ২৪০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯২টির, কমেছে ৩৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৫টির বাজারদর।গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) সবচেয়ে এগিয়ে ছিল এমজেএল বিডি, কেয়া কসমেটিকস, বিএসআরএম লি., লিন্ডে বিডি, ইউনাইটেড পাওয়ার, স্কয়ার ফার্মা, ইবনে সিনা, বেক্সিমকো ফার্মা, এমারেল্ড অয়েল ও লংকাবাংলা ফিন্যান্স।দরবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল ইস্টার্ন কেবলস, হাক্কানী পাল্প, ফারইস্ট নিটিং, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, এইচআর টেক্স, বিডি থাই, খান ব্রাদার্স, তাল্লু স্পিনিং, সেন্ট্রাল ফার্মা ও তসরীফা ইন্ডা.।অন্যদিকে দাম সবচেয়ে বেশি কমেছে বিডি ওয়েল্ডিং, এসআইবিএল, আইএসএন লি., অগ্রণী ইন্স্যু., ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যু., লিব্রা ইনফিউশন, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, ইবিএল এনআরবি মি. ফা. ও গ্রীন ডেল্টা মি. ফান্ডের।   Source : বনিক বার্তা
  • শেয়ারবাজারে নীতি সহায়তার সুফল যথেষ্ট নয়: বিশ্বব্যাংক
    ২০১০ সালের ধসের পর থেকে বাজার চাঙ্গা করতে বাংলাদেশ সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের সুফল যথেষ্ট নয় বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট, এপ্রিল-২০১৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।সর্বশেষ বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৫ সালে সঞ্চয়পত্রে সুদের হার ও তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হ্রাসের মতো নীতি সহায়তার সুফলও টেকসই ছিল না।প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলে, সময়ে সময়ে কিছু ঊর্ধ্বগতি দেখা গেলেও প্রায় ৯ মাস ধরে নিম্নমুখী প্রবণতা রয়েছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার। ২০১৫ সালের জুন-জুলাইয়ে বাজারে চাঙ্গাভাব দেখা যায়। এর মূলে ছিল তালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট কর হ্রাস, সরকারি সঞ্চয়পত্রের সুদের হার শতকরা ২ পয়েন্ট কমানো ও জাতীয় বাজেটের নথিপত্রে সামষ্টিক অর্থনীতির একটি ইতিবাচক চিত্র। আগস্ট-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চিত্রটি ভালোই ছিল।তবে অক্টোবর থেকে উত্থান-পতনের একটি ধারার মধ্য দিয়ে নিম্নমুখী প্রবণতার শুরু। এ সময়ে শেয়ারবাজারে লেনদেনও কমে যায়, যা বিনিয়োগকারীদের সতর্কতারই প্রতিফলন। সে নিম্নমুখী প্রবণতা শুরুর আগে আগস্টে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪ হাজার ৮৭৪ পয়েন্টে উন্নীত হয়। এর পর তিন মাসের ব্যবধানে সূচকটি প্রায় ৫০০ পয়েন্ট কমে যায়। ১১ নভেম্বর ডিএসইএক্স ৪ হাজার ৩৭২ পয়েন্টে নেমে আসে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের নিম্নমুখী প্রবণতার বিষয়টি স্পষ্ট হয়। বছর শেষে দেখা যায়, ডিএসইর বাজার মূলধন ১২ মাস আগের তুলনায় ৪ শতাংশ কমে যায়। অথচ এ সময়ের ব্যবধানে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের সংখ্যা ৫৪৬ থেকে ৫৫৯-এ উন্নীত হয়।তুলনামূলক স্থিতিশীল ও ইতিবাচক সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে হিসাব বছর শেষে ভালো করপোরেট ঘোষণা ও পুঁজিবাজারবান্ধব মুদ্রানীতির প্রত্যাশায় ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে শেয়ারবাজারে আবারো ঊর্ধ্বমুখিতা দেখা যায়, যা প্রায় এক মাস অব্যাহত ছিল। বিনিয়োগ বাড়াতে জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের সুদের হার দশমিক ৫০ পয়েন্ট কমানোর পরও ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ারের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিবেশের ওপর যথেষ্ট আস্থার অভাবেই ইতিবাচক মুদ্রানীতি প্রতিবেদনটি তখন বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে পারেনি। ফোর্বসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশের বিবেচনায় দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ। এ কারণে এখানে দীর্ঘমেয়াদে ইকুইটি বিনিয়োগে আগ্রহ কম থাকবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করে সাময়িকীটি।২০১০ সালের বাজার ধসের পর থেকে বিভিন্ন নীতি সহায়তার সুফল সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজার চাঙ্গা করতে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিভিন্ন প্রচেষ্টা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে কমই সফল হয়েছে। ২০১৫ সালে শেয়ারবাজারে নিট বিদেশী বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ কমে যায়। বিদেশী পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরা গেল বছর (বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকে) প্রচুর শেয়ার বিক্রি করে। আগের দুই বছরে এসব শেয়ারে তাদের ভালো মুনাফা হয়।   Source : বনিক বার্তা
  • গেইনারের শীর্ষে ইস্টার্ন ক্যাবলস
    গতকাল মঙ্গলবারের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে ইস্টার্ন ক্যাবলসের শেয়ারের। এদিন কোম্পানিটির শেয়ারের দর বেড়েছে ৯.৯৬ শতাংশ। সোমবারের সমাপনী মূল্যের (ক্লোজিং প্রাইস) সঙ্গে মঙ্গলবারের সমাপনী মূল্যের পার্থক্য হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ারের এ দর বৃদ্ধি হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।গত সোমবার ইস্টার্ন ক্যাবলসের শেয়ারের সমাপনী মূল্য ছিল ১৩১.৫ টাকা।মঙ্গলবার দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী মূল্য গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৪.৬ টাকায়। দিনের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ারের দরসীমা ছিল ১৩৫.৪ টাকা থেকে ১৪৪.৬ টাকা।দর বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা অপর ইস্যুগুলোর মধ্যে হাক্কানি পাল্পের ৯.৯২ শতাংশ, ফারইস্ট নিটিং এন্ড ডাইংয়ের ৯.৮৪ শতাংশ, লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের ৯.৮৩ শতাংশ, এইচআর টেক্সটাইলের ৯.৫৮ শতাংশ, বিডি থাইয়ের ৯.৫৭ শতাংশ, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের ৯.৫২ শতাংশ, তাল্লু স্পিনিংয়ের ৯.৪৯ শতাংশ, সেন্ট্রাল ফার্মার ৯.৪৯ শতাংশ, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের ৯.৩৫ শতাংশ দর বেড়েছে।দর বৃদ্ধির এ তালিকায় ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানিগুলোকে বিবেচনায় নেয়া হয়নি।   Source : ভোরের কাগজ
  • কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তে ইতিবাচক পুঁজিবাজার
    কোনো ধরনের শেয়ার বিক্রি না করে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ (সিঙ্গেল বরোয়ার এক্সপোজার লিমিট) সমন্বয়ের নীতিগত সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে টানা সাত দিন দরপতনের পর অবশেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের পুঁজিবাজার।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক্সপোজার না বাড়ালে পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রির চাপ বেড়ে যাবে বেশ কিছুদিন ধরে এমন গুণীজন ছিল বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক্সপোজার সমন্বয়ের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেয়। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে দ্বিধাদ্ব›দ্ব ছিল তা কেটে গেছে। ফলে বাজার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, শেয়ারবাজারে বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংককে কোনো শেয়ার বিক্রি করতে হবে না। শেয়ারবাজারে বর্তমানে নির্ধারিত সীমার চেয়ে সামান্য বেশি বিনিয়োগ রয়েছে ১০টি ব্যাংকের। তা আইনি সীমায় নামিয়ে আনতে তাদের জন্য কেস টু কেস ভিত্তিতে সমাধান দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।এদিকে গতকাল মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরুর প্রথম দেড় ঘণ্টা পর দুপুর ১২টা ১৮ মিনিটে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ২৪৫ পয়েন্টে এবং শরিয়া সূচক ডিএসইএস ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৭ পয়েন্ট ও ডিএস৩০ সূচক ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৬৩২ পয়েন্টে। আর টাকায় লেনদেন হয়েছে ২১৮ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।এ সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠান ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৪৯টির, কমেছে ২৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার।অন্যদিকে একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএসসিএক্স ১২৫ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৯২০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসইতে মোট ১৮১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৪৩টির, কমেছে ২৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির শেয়ার। টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি টাকা।বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক এবং মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান বলেন, এক্সপোজার লিমিটের সময় না বাড়িয়ে সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মূলধন বাড়ানোর মাধ্যমে সমন্বয়ের যে নীতি বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রহণ করেছে তা বাজারের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে। এতে বাজারে সেল প্রেসার থাকবে না। তিনি বলেন, নীতিগত সহায়তায় অস্পষ্টতা থাকায় আজকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার ব্যাখ্যা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পুঁজিবাজারে সেল প্রেসার কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন উদ্যোগ বর্তমান বাজারের জন্য ইতিবাচক হবে।তিনি আরো বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারের প্রতি আগের চেয়ে অনেক নমনীয় অবস্থানে এসেছে। এতে বাজারের প্রতি সংশ্লিষ্টদের অহেতুক ভীতি দূর হবে।   Source : ভোরের কাগজ
  • দরবৃদ্ধির শীর্ষে ইস্টার্ন কেবলস
    মঙ্গলবারের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে ইস্টার্ন কেবলসের শেয়ারের। এদিন কোম্পানিটির শেয়ারের দর বেড়েছে ৯.৯৬ শতাংশ। সোমবারের সমাপনী মূল্যের (ক্লোজিং প্রাইস) সঙ্গে মঙ্গলবারের সমাপনী মূল্যের পার্থক্য হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ারের এ দর বৃদ্ধি হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সোমবার ইস্টার্ন কেবলসের শেয়ারের সমাপনী মূল্য ছিল ১৩১.৫ টাকা। মঙ্গলবার দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী মূল্য গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৪.৬ টাকায়। দিনের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ারের দরসীমা ছিল ১৩৫.৪ থেকে ১৪৪.৬ টাকা। দরবৃদ্ধির শীর্ষে থাকা অপর ইস্যুগুলোর মধ্যে হাক্কানি পাল্পের ৯.৯২ শতাংশ, ফারইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডাইংয়ের ৯.৮৪ শতাংশ, লীগাসি ফুটওয়্যারের ৯.৮৩ শতাংশ, এইচআর টেক্সটাইলের ৯.৫৮ শতাংশ, বিডি থাইয়ের ৯.৫৭ শতাংশ, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের ৯.৫২ শতাংশ, তাল্লু স্পিনিংয়ের ৯.৪৯ শতাংশ, সেন্ট্রাল ফার্মার ৯.৪৯ শতাংশ, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের ৯.৩৫ শতাংশ দর বেড়েছে। দরবৃদ্ধির এ তালিকায় ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানিগুলোকে বিবেচনায় নেয়া হয়নি।   Source : জনকণ্ঠ
  • ব্যবস্থাপনা পরিচালক খুঁজে পাচ্ছে না ডিএসই
    ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খুঁজে পাচ্ছে না দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। আগের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের চাকরির মেয়াদ শেষে বিজ্ঞপ্তি দেয়ার পর প্রায় এক মাস পেরিয়ে গেলেও লোকবল না পেয়ে দ্বিতীয় দফায় আবার একই পদের জন্য আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে সংস্থাটি। নতুন এমডি নিয়োগে স্টক এক্সচেঞ্জের নিজস্ব ওয়েবসাইট ও পত্রিকায় এ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে।জানা গেছে, মেয়াদ শেষে স্বপন কুমার বালা পদ ছেড়ে দেয়ায় প্রতিষ্ঠানটির এমডি পদটি খালি হয় চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল। এর আগে স্বপন কুমার বালা ২০১৩ সালের ১৫ এপ্রিল তিন বছরের জন্য সিইও (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা) হিসেবে ডিএসইতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সুযোগ থাকলেও মেয়াদ শেষে পুনরায় এমডি হওয়ার বিষয়ে তার অনীহা থাকায় ডিএসই এপ্রিল মাসের শুরুতে একই পদের জন্য আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। তিনি বর্তমানে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) কমিশনার পদে যোগ দিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে আগ্রহী প্রার্থীদের ১৭ এপ্রিলের মধ্যে দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবির সঙ্গে জীবনবৃত্তান্তসহ ডিএসইর চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করতে বলা হয়। ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, প্রথম ধাপের বিজ্ঞপ্তিতে ১৬-১৭ জন আবেদন করেছিল। দ্বিতীয় ধাপের বিজ্ঞপ্তিতে আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১৫ মে’র মধ্যে দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবির সঙ্গে জীবনবৃত্তান্তসহ ডিএসইর চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করতে বলা হয়েছে। এদিকে ডিএসইর এমডি পদে নিয়োগ লাভের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাদারি দক্ষতার ২টি শর্তের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে যে কোন একটি শর্ত পূরণ করলেই হবে।প্রথম শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনায় কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসহ অর্থনীতি, ব্যবসায়, পরিসংখ্যান, গণিত অথবা আইন বিষয়ে স্নাতক থাকতে হবে। ২য় শর্তে বলা হয়েছে ন্যূনতম ১০ বছরের পেশাদারিত্বের অভিজ্ঞতাসহ সিএফএ, সিএ, সিএমএ, সিএস, সিপিএ ইত্যাদি পেশাদারি পদবি থাকতে হবে। তবে পুঁজিবাজার বা সম্পর্কিত ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে নিয়োগ লাভে প্রথম দুটি শর্ত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সম্মতিতে শিথিল করা যেতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। এদিকে অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এমডি পদটিও খালি রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিভিন্ন আবেদনকারীদের মধ্যে এখন দুইজন স্বল্প তালিকায় রয়েছেন। এর মধ্যে একজন ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক নিজাম উদ্দিন ও মিনহার সিকিউরিটিজের এমডি সাইফুল ইসলাম মজুমদার।   Source : জনকণ্ঠ
  • তৃতীয় প্রান্তিকে লোকসানে ডরিন পাওয়ার
    পুঁজিবাজারে সমপ্রতি তালিকাভুক্ত ডরিন পাওয়ার তৃতীয় প্রান্তিকে (২০১৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ) লোকসান করেছে। এ সময়ে কোম্পানিটি প্রতিটি শেয়ারে (সমন্বিত) ০.০৯ টাকা লোকসান করেছে। যা আগের বছরের একই সময়ে প্রতিটি শেয়ারে মুনাফা করেছিল ০.৪৮ টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।তৃতীয় প্রান্তিকে লোকসান করলেও ডরিন পাওয়ার নয় মাস (জুলাই ২০১৫-মার্চ ২০১৬) সময়ে প্রতিটি শেয়ারে মুনাফা করেছে (সমন্বিত) ০.৫৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১.৭৯ টাকা।এদিকে ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারে সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে (সমন্বিত) ৩৪.৪৬ টাকা।   Source : সংবাদ
  • আরএফএলের নগদ ২৩ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের প্রতিষ্ঠান রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেড (আরএফএল) শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ (ক্যাশ ডিভিডেন্ড) ঘোষণা করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ গত ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত অর্থবছরের আরএফএলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৫৯ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৩৯ পয়সা। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৩ জুন।   Source : ভোরের কাগজ
  • এক বছর আগের অবস্থানে ডিএসইর মূল্যসূচক
    টানা সপ্তমদিন গড়াল দেশের পুঁজিবাজারে দরপতন। ধারাবাহিক দরপতনে অস্থির অবস্থায় বিরাজ করেছে পুঁজিবাজারে। আর অব্যাহত দরপতনে দিশেহারা হয়ে পড়ছে বিনিয়োগকারীরা।গতকাল সোমবার এক বছর আগের অবস্থানে ফিরে গেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক। এদিন মূল্যসূচকের পতনের মাধ্যমে ডিএসইর মূল্যসূচক এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে চলে আসে। এ ছাড়া টানা সপ্তমদিনের মতো মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। শেয়ারবাজারে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ে সময়সীমা বাড়ানো নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় এই পতন হচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে বেশ কিছু দিন ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বাজারের প্রতি আস্থা হারাচ্ছেন। বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন অনেকে। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণে প্রথম কাজ হলো পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগের সমন্বয়ের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়া।স¤প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সার্কুলার জারি করেনি। এ কারণে এখনো দ্বিধাদ্ব›েদ্ব রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।ফলে বাজারে ধারাবাহিক দরপতন চলছে বলে মনে করেন বাজার বিশ্লষকরা। এদিকে দরপতন ঠেকাতে সোমবার বিকালে জরুরি বৈঠক ডাকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। Source : ভোরের কাগজ  
  • একমি ল্যাবরেটরিজের আইপিও লটারির তারিখ নির্ধারণ
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) চাঁদা সংগ্রহ করা ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের আইপিও লটারির ড্রয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ১৫ মে সকাল ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে এ কোম্পানির আইপিও লটারির ড্র। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা যায়, বিএসইসির ৫৬৭তম কমিশন সভায় দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। ইলিজিবল ইনভেস্টররা এ কোম্পানির প্রতিটি শেয়ার ৮৫.২০ টাকায় (৭৫.২০ টাকা প্রিমিয়াম) পাবে। এছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী এবং নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীরা প্রতিটি শেয়ার কাট-অফ মূল্যের ১০ শতাংশ কমে ৭৭ টাকায় আইপিও আবেদন করেন। আর এ আবেদন ১১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত চলে। একমি ল্যাবরেটরিজ ৫ কোটি সাধারণ শেয়ারের মধ্যে ১০ শতাংশ অর্থাৎ ২ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (ইলিজিবল ইনস্টিটিউশন ইনভেস্টরস) জন্য এবং ১০ শতাংশ অর্থাৎ ৫০ লাখ শেয়ার মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য যার প্রতিটি শেয়ার কাট-অফ মূল্যে অর্থাৎ ৮৫.২০ টাকায় সংরক্ষিত।   Source : জনকণ্ঠ
  • পুঁজিবাজারে টানা ১০ দিন দরপতন
    টানা পতনে প্রতিদিনই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ বাড়ছে। শুধু তাই নয়, গত কয়েক দিনের পতনে দুই-তিন বছর আগে বাজারে নতুন বিনিয়োগকারীকেও লোকসানে পড়তে হচ্ছে। ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগসীমা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের কথা ও কাজে সমন্বয়হীনতা পতকে আরও দীর্ঘায়িত করছে। প্রতিদিনই মূল্য সূচক সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে যাচ্ছে। আগের দিনের ধারাবাহিকতায় সোমবারও মূল্য সূচকের বড় পতনেই লেনদেন শেষ হয়েছে। আর এই ১০ দিনের টানা দরপতনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স নেমে গেছে ৪ হাজার ১৭১ পয়েন্টে। দিনশেষে বেশিরভাগ কোম্পানির দর কমার কারণে ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ২৪ পয়েন্ট।উল্লেখ্য, গত মাসের ১৭ তারিখ থেকে পুঁজিবাজারে দরপতন শুরু হয়। ওইদিন ডিএসইএক্স সূচকের অবস্থান ছিল ৪ হাজার ৩৯৩ পয়েন্টে। এর দুই দিন পর ২০ এপ্রিল সূচকের সামান্য উত্থান হলেও পরের সাত দিনে বড় দরপতনে লেনদেন শেষ হয় পুঁজিবাজারে। তবে লেনদেন কিছুটা বাড়ছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সকালে প্রথম মিনিটে সূচকে ৬ পয়েন্ট উর্ধগতিতে লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু পরক্ষণেই দরপতনে চলে বাজার। পরবর্তীতে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি পুঁজিবাজার। দিনশেষে ডিএসইতে ৪৬১ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা বা ৪ শতাংশ বেশি। গত বৃহস্পতিবার এ বাজারে লেনদেন হয়েছিল ৪৪২ কোটি ২২ লাখ টাকা।ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩১৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭৫টির, কমেছে ২০৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির শেয়ার দর। এদিকে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ১৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৫৯৯ পয়েন্টে।ডিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : মবিল যমুনা বিডি, লিন্ডে বিডি, ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ডরিন পাওয়ার, ইউনাইটেড পাওয়ার, ইবনে সিনা, স্কয়ার ফার্মা, বিএসআরএম লিমিটেড ও এসিআই।দিনটিতে ঢাকার বাজারের মতো অপর বাজারের সব ধরনের সূচকই কমেছে। পুরোদিনে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ২৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৮২৯ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২২২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৬৫টির, কমেছে ১৩৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ইসলামী ব্যাংক, ডরিন পাওয়ার, বিএসআরএম লিমিটেড, কেয়া কসমেটিকস, কনফিডেন্স সিমেন্ট, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, মবিল যমুনা, ইউনাইটেড পাওয়ার, ইফাদ অটোস ও বেক্সিমকো। Source : জনকণ্ঠ  
  • পুঁজিবাজার নিয়ে ইতিবাচক থাকতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ
    পুঁজিবাজার নিয়ে ইতিবাচক থাকতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর প্রতি নির্দেশ দিয়েছে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সেই সঙ্গে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে ইতিবাচক ধারণা দেয়ার আহ্বানও জানানো হয়। সোমবার শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংর্কাসদের সঙ্গে বৈঠকে এই নিদের্শ দেয়া হয়। এ ছাড়াও বাজারে কিভাবে লেনদেন বাড়ানো যায় তা নিয়েও আলোচনা করা হয়। এছাড়া সম্পর্কের ভিত্তিতে নতুন ফান্ড আনার কথাও বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের এটি নিয়ে আলোচনা করা কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে আপাতত আইপিও বন্ধ রাখা, কোম্পানির স্পন্সরদের শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা ও ডিলার এ্যাকাউন্টের সক্ষমতা বাড়ানোর কথাও বলা হয়। অন্যদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ সীমা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত নীতিকে শেয়ারবাজারের জন্য যথাযথ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি সায়েদুর রহমান। সোমবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) শীর্ষ ব্রোকারস ও মার্চেন্ট ব্যাংকার্সদের মধ্যে নিয়মিত বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। ব্যাংকের ধারণ করা শেয়ার ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানিকে দেয়া ঋণ সাবসিডিয়ারির মূলধনে রূপান্তরের সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানায়। এতে একদিকে সাবসিডিয়ারির মূলধন বাড়বে, অপরদিকে তাদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সীমা কমে আইনী সীমার মধ্যে নেমে আসবে। এভাবে সকল ব্যাংকই আইনী সীমার মধ্যে চলে আসবে।এ প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য কোন শেয়ার বিক্রি করতে হবে না। সায়েদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য সময় বাড়ানোর পরিবর্তে যে নীতি গ্রহণ করেছে তা যথাযথ। যদি নীতি গ্রহণ না করে সমন্বয়ের জন্য দুই বছর সময় বাড়ানো হতো, তাহলে দুই বছর পরে আবার শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ত। এই নীতি গ্রহণের ফলে এখন ব্যাংকগুলোকে শেয়ার বিক্রয় করতে হবে না। এতে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। Source : জনকণ্ঠ  
  • শেয়ার বিক্রি করে সমন্বয় করতে হবে না
    পুঁজিবাজারে ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ (এক্সপোজার) সমন্বয়ে নীতি সহায়তার কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার এক জরুরী সংবাদ সম্মেলেনে মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা এ কথা জানান। তিনি আরও জানান, এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে দুটি ব্যাংক তাদের ধারণকৃত শেয়ার ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানিতে প্রদত্ত ঋণ সাবসিডিয়ারি ক্যাপিটালে রূপান্তরের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শুভঙ্কর সাহা বলেন, পুঁজিবাজারে ব্যাংকসমূহের সোলো ও কনসোলিটেড উভয় ভিত্তিতে অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত নীতি সহায়তার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে দুটি ব্যাংক তাদের ধারণকৃত শেয়ার ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানিতে প্রদত্ত ঋণ সাবসিডিয়ারি ক্যাপিটালে রূপান্তরের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট আবেদন জানিয়েছে। তাদের এ আবেদন দ্রুত বিবেচনা করার প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়েছে। অন্য যে দশটি ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ রয়েছে সেসব ব্যাংককে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট আবেদনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।তিনি বলেন, তবে ব্যাংক থেকে সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধি সংক্রান্ত আবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণের পূর্বে তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনের প্রয়োজন থাকায় এই আবেদন ব্যাংক থেকে আসতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। ফলে অনুমোদন প্রদানে কিছুটা সময় লাগছে। ব্যাংকসমূহের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তার প্রদানের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ত্বরিত অনাপত্তি প্রদান করা হবে। এ ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে একদিকে ব্যাংকগুলোর সাবসিডিয়ারি মূলধন বৃদ্ধি পাবে, অপরদিকে তাদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সীমা কমে আইনী সীমার মধ্যে নেমে আসছে। এভাবেই সকল ব্যাংকই আইনী সীমার মধ্যে চলে আসবে। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সকলকে আশ্বস্ত করছে যে, এ প্রক্রিয়ায় কোন ব্যাংকই তার অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য কোন শেয়ার বিক্রি করতে হবে না। অধিকন্তু ব্যাংকগুলোর সমস্যার ধরন ভিন্ন বিধায় পৃথক পৃথকভাবে তাদের নীতি সহায়তা প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। আর অধিকতর বিবেচনার দ্বার উন্মুক্ত রাখার জন্যই এ বিষয়ে এ মুহূর্তে কোন সাধারণ সার্কুলার প্রদানের প্রয়োজন নেই। কোন কোন ব্যাংক এক্সপোজার সমন্বয়ে আবেদন করেছে জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দেননি।   Source : জনকণ্ঠ
View All
Latest DSE News
  • BSC

    (Correction): (Q1 Un-audited): EPS for July-September, 2015 was Tk. 2.91 as against Tk. 1.66 for July-September, 2014. NAV per share was Tk. 610.00 as of September 30, 2015 and Tk. 603.00 as of June 30, 2015.

  • SAPORTL

    The Company has informed that the Corporate Office of the Company has been shifted to the new address at The Alliance Building (8th Floor), 63 Pragati Sharani, Baridhara, Dhaka-1212.

  • ASIAPACINS

    Alpha Credit Rating Limited (AlphaRating) has rated the Company as &quot;A+&quot; in the long term and &quot;AR-2&quot; in the short term along with a stable outlook based on audited financial statements of the Company up to December 31, 2015 and relevant qualitative information up to May 03, 2016.

  • ILFSL

    The Company has informed that the Head Office will be shifted to the new address at DR Tower (13th Floor), 65/2/2, Bir Protik Gazi Golam Dostogir Road, Purana Paltan, Dhaka - 1000 from Printers Building (14th floor),5 Rajuk Avenue, Dhaka-1000 with effect from May 04, 2016.

  • MON

    Withdrawal of Authorized Representative: Mondol Securities Ltd., DSE TREC No. 209, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Abir Al Imran, with immediate effect.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PRAGATILIF 154.50 140.50 14.00 9.96
NHFIL 30.10 27.40 2.70 9.85
AZIZPIPES 50.30 45.80 4.50 9.83
PRIMETEX 16.70 15.40 1.30 8.44
UNITEDAIR 5.20 4.80 0.40 8.33
FEKDIL 22.70 21.20 1.50 7.08
EBLNRBMF 4.60 4.30 0.30 6.98
SAPORTL 42.90 40.20 2.70 6.72
SAMATALETH 25.40 23.90 1.50 6.28
LINDEBD 1387.00 1305.50 81.50 6.24

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297