Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Target Achiever for Amibroker AFL 12-Aug
HOLY GRAIL for Amibroker AFL 03-Aug
Flower Indicator for Amibroker AFL 28-Jul
KPBB htrsystem for Amibroker AFL 09-Jul
POLYNOMIAL Amibroker AFL 29-Jun

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
JUTESPINN 71.9 59.6 12.30 20.64
NHFIL 28.2 23.4 4.80 20.51
SINOBANGLA 27 22.6 4.40 19.47
AIBL1STIMF 5.6 4.7 0.90 19.15
SAVAREFR 51.9 43.6 8.30 19.04
ANWARGALV 57.7 48.7 9.00 18.48
LEGACYFOOT 30.9 26.3 4.60 17.49
LRGLOBMF1 5 4.3 0.70 16.28
IPDC 20.8 17.9 2.90 16.20
STANCERAM 51.1 44.3 6.80 15.35

Contest SB2015_Sep

1st
blank_person
SANTABANTAO007
2nd
blank_person
TIGERSHARK
3rd
blank_person
ASHOKCHY
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
LAFSURCEML 113.4 111 4.81022 656211.00
BATBC 2963.8 2922.4 4.28680 305.00
GP 315.5 314.7 1.86424 141790.00
BERGERPBL 2018.4 1972.4 1.84086 201.00
TITASGAS 74.1 73.3 1.36573 336377.00
Negative impact
AMANFEED 85.3 98.2 -1.78099 1820400.00
ISLAMIBANK 28.3 28.7 -1.11139 1669650.00
NBL 9.9 10.1 -0.53898 1942700.00
BSCCL 119.9 121.7 -0.46569 212708.00
PRIMEBANK 19.3 19.5 -0.35528 356260.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
AMANFEED 85.3 113 83 -13.14% 172.17
SQURPHARMA 254.4 255 252 0.51% 162.91
EMERALDOIL 46.5 46.7 44.5 4.73% 91.32
KBPPWBIL 28.3 28.8 27.9 1.80% 78.61
UPGDCL 150.2 152.3 149.8 0.07% 76.86
SPCL 189.6 191.8 188.6 0.74% 76.56
LAFSURCEML 113.4 114 111.1 2.16% 73.91
KEYACOSMET 18.4 18.5 17.5 3.95% 65.48
ACI 558.1 558.9 541.7 2.91% 59.95
IBNSINA 142.3 144.7 135.8 6.59% 58.10

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 02 Sep 2015

99110
TOTAL TRADE
90.9300
TOTAL VOLUME(Mn)
3488.23
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • আমান ফিডের লেনদেন তদন্তে চিঠি
    সিনিয়র রিপোর্টার : আমান ফিড লিমিটেডের শেয়ারের দর বৃদ্ধির ‘যৌক্তিক কারণ নেই’। তাই তদন্তের দাবি করে বুধবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ। বিনিয়োগকারীদের পক্ষে সংগঠনটির সভাপতি একেএম মিজানুর রশিদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আবদুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত চিঠি বিএসইসির চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, ২০১০ সালের মহাধ্বসের ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। বাজার মাঝে মাঝে স্বাভাবিক আচরণ করলেও বেশীরভাগ সময়ে থাকে নিম্নমুখী। পতনের বাজারে অযৌক্তিক হার প্রিমিয়াম বিএসইসির নজর দারির অভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রথম দিনেই আমান ফিডের শেয়ার দর ১০৫ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। কোম্পানির পেইড আপ কেপিট্যাল মাত্র ৮০ কোটি টাকা। প্রথম দিনের লেনদেন অনুযায়ী মার্কেট ভ্যালু দাঁড়ায় ৮০০ কোটি টাকা। প্রথম দিনে শেয়ার কারসাজি করে মূল্য বাড়িয়েছে কোম্পানিটি। কারা বেশী পরিমাণে শেয়ার ক্রয় করেছে তাদের খুঁজে বের করা জরুরী। সাধারণ বিনিয়োগকারী কতো শেয়ার ক্রয় করেছে তা বের করাও জরুরী। চিঠিতে আরও বলা হয়, অতীতে অনেক কোম্পানি বিশেষ করে হামিদ ফেব্রিক্স, খান ব্রাদ্রার্স, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, পেনিসুলা, তসরিফা, ফারইস্ট নিটিংসহ আরও অনেক কোম্পানির লেনদেন শুরুর প্রথমদিনে উচ্চমূল্যে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করেছে। এসব কোম্পানির শেয়ার কিনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এদিকে আমান ফিডের কারণে পুরোবাজারের শৃঙ্খলা নষ্ট হয়েছে। কারসাজি ও কৃত্রিমভাবে মূল্য বৃদ্ধি করে বাজারকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। তাই আমান ফিডের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে তদন্ত চাই আমরা। সঠিক তদন্ত না হলে সংগঠনটি আইনের আশ্রয় গ্রহণ করবে বলে চিঠিতে জানানো হয়।
  • আইল্যান্ড সিকিউরিটিজকে জরিমানা
    স্টাফ রিপোর্টার : আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড কোম্পানিকে সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গের কারণে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। শর্ট সেল ও নন মার্জিনেবল শেয়ারে মার্জিন প্রদান করায় জরিমানা করা হয়। বিএসইসির ৫৫৩তম সভায় বুধবার জরিমানা করা হয়। বিএসইসি সূত্র জানিয়েছে, সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গের কারণে কোম্পানিটিকে জরিমানা করা হয়েছে। যে সব আইন ভঙ্গ করেছে সেগুলো হলো- মার্জিন ঋণের চুক্তি ছাড়া ক্যাশ হিসাবে ঋণ প্রদানের মাধ্যমে মার্জিন রুলস ১৯৯৯ এর রুলস ৩ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস ১৯৮৭ এর ৮ (১) (সিসিসি) এর লঙ্ঘন। কিছু শেয়ার শর্ট সেল করার মাধ্যমে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ রেগুলেশেন ২০০৫ এর রেগুলেশন (৪)১ এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বিধিমালা ২০০০ এর বিধি ১১ লঙ্ঘন।
  • দুটি প্রতিষ্ঠানকে বিএসইসির সতর্কতা
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আইন ভঙ্গের দায়ে পিএফআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেডকে সর্তক করেছে। শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির (এসপিসিএল) শেয়ার ক্রয়ের পরিমাণের বিষয়ে মিথ্যা ও অসত্য তথ্য প্রদান করেছে। তাই সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করায় কমিশন পিএফআই সিকিউরিটিজ লিমিটেডকে সর্তকপত্র ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএসইসি সূত্রে বুধবার এই তথ্য জানা গেছে। একই সঙ্গে মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড রাইট শেয়ারের চাঁদা গ্রহণের ২১ দিনের পরিবর্তে ৩১ দিন পর বিনিয়োগকারীদের হিসাবে জমা দেয়ায় শর্ত লঙ্ঘন করেছে। তাই সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করায় কমিশন মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেডকে সর্তকপত্র ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
  • আইডিএলসির বন্ড অনুমোদন
    স্টাফ রিপোর্টার : আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেডের ৫০০ কোটি টাকার বন্ডের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির ৫৫৩ তম সভায় বুধবার এই অনুমোদন দেয়া হয়। বিএসইসি জানায়, বন্ডের মেয়াদ হবে ৫ বছর। বন্ডটি হবে ফুলি রিডিমেবল, ইনফ্রাসস্ট্রাকচার অ্যান্ড এসএমই জিরো কুপন বন্ড। এটি ৫ বছরে সম্পূর্ণ মুক্ত হবে। যা ব্যাংক, করপোরেট হাউজ, বিমা কোম্পানি, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, মার্চেন্ট ব্যাংক ও উচ্চ সম্পদধারী ব্যক্তিগণের মধ্যে শুধুমাত্র প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে। বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেড চলতি প্রবৃদ্ধির কাজে ব্যয় করবে। ইনফ্রাসস্ট্রাকচার অ্যান্ড এসএমই জিরো কুপন বন্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ লাখ টাকা। বন্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করছে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড।
  • সিমটেক্সের আইপিও আবেদন ৬ সেপ্টেম্বর থেকে
    স্টাফ রিপোর্টার : স্থগিত হওয়া সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের আবেদন আগামী ৬ সেপ্টেম্বর, রোববার থেকে শুরু হয়ে চলবে ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার পর্যন্ত। দেশি ও প্রবাসী সব বিনিয়োগকারীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। বিএসইসি সূত্রে বুধবার এ তথ্য জানা গেছে। ২৪ আগস্ট থেকে কোম্পানিটির আবেদন জমা নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনিবার্য কারণে আবেদন জমা নেয়‍া স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয় বিএসইসি। বুধবার কমিশনের বৈঠকে স্থগিতাদেশ তুলে নেয়া হয়। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৬০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২০ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
  • প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজের মামলার রায় ১৩ সেপ্টেম্বর
    স্টাফ রিপোর্টার : ১৯৯৬ সালের প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজ লিমিটেডের শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলার রায় ১৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করেছেন পুঁজিবাজার সংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (বিএইচবিএফসি) ভবনে বুধবার বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) হুমায়ুন কবীর রায়ের দিন ধার্য করেন। আসামিরা পলাতক থাকায় যুক্তিতর্ক ছাড়াই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর আদালত রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেছেন। মামলায় আসামিরা হল- প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান এম এ রউফ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান, পরিচালক সৈয়দ এইচ চৌধুরী ও অনু জাগিরদার। মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামিরা প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজের নামে ১৯৯৬ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করেছেন। এ সময়ে তারা মিতা টেক্সটাইল, প্রাইম টেক্সটাইল, বাটা সুজ ও বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার লেনদেন করেন। প্রতিষ্ঠানটি ওই সময়ে মোট ১২৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা লেনদেন করে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি শুধু ফরেন ডেলিভারি ভার্সেস পেমেন্টের (ডিভিপি) মাধ্যমে ৮৫ লাখ টাকা লেনদেন করে। এ সময়ে ১ নম্বর আসামি প্রিমিয়াম সিকিউরিটিজ ওই সময়ে ২১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৩টি শেয়ার বিক্রি করে, যার মূল্য ছিল ৬৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা। স্টক এক্সচেঞ্জের রেকর্ড মোতাবেক আসামিরা এসিআই লিমিটেডের ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১৯টি শেয়ার বিক্রি করেন। অথচ ব্যাংক রেকর্ড অনুযায়ী শেয়ার বিক্রির পরিমাণ ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৮টি। যার মধ্যে ফরেন ডিভিপি মাধ্যমে লেনদেন অনিষ্পত্তি হওয়া শেয়ারের পরিমাণ ছিল ৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। একইভাবে আসামিরা ডিভিপির মাধ্যম ছাড়াও স্থানীয়ভাবে শেয়ারের অন্যতম ক্রেতা-বিক্রেতা ছিলেন। আসামিরা ওই সময়ের মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মার ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৯৫টি শেয়ার বিক্রি করেন। এর মধ্যে ডিভিপির মাধ্যমে ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭০০টি শেয়ার বিক্রি করেন। আর এখানেও অনিষ্পত্তি হওয়া শেয়ার ছিল ১ লাখ ১ হাজার ৫০০টি। এইসব ফরেন ডিভিপি মাধ্যমে লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য প্রতিষ্ঠানটি স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক ও ইন্দোসুয়েজ ব্যাংক ব্যবহার করত। আসামিদের এ ধরণের কার্যকলাপ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি, অপকার ও অনিষ্ট করেছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ২১ ধারা বলে গঠিত তদন্ত কমিটি ১৯৯৭ সালের ২৭ মার্চ একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে আসামিরা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ১৭ ধারার ই(২) বিধান লংঘন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। আর সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ এর ২৪ ধারার অধীনে আসামিদের শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। এ বিষয়ে বিএসইসি’র প্যানেল আইনজীবী মাসুদ রানা খান বলেন, আসামিরা ১৯৯৬ সালে প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করেছেন। যা তদন্ত প্রতিবেদনের উল্লেখ রয়েছে। এর ফলে ওই সময়ে অনেক বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আজ (বুধবার) আমরা পর্যালোচনা, আইনগত দিক ও আইন লঙ্ঘনের সকল তথ্য উপাত্ত আদালতে দাখিল করেছি। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত এ মামলার রায় ১৩ সেপ্টেম্বর ঘোষণার নির্দেশ দেন। এই মামলার সাক্ষী ছিলেন- বিএসইসির সাবেক নির্বাহী পরিচালক এমএ রশিদ খান (বাদী), বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর জহুরুল হক, প্রফেসর আমিরুল ইসলাম চৌধুরী।
  • ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং বিল সংসদে উত্থাপন
    স্টাফ রিপোর্টার : ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং বিল ফের জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক মঙ্গলবার বিলটি উত্থাপন করেন। সংসদের চলতি অধিবেশনে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং বিলটি পাস হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংসদের বাজেট অধিবেশনে এর আগে ১ জুন মো. আব্দুর রাজ্জাক বিলটি উত্থাপন করেছিলেন। বিলটি ৭ জুলাই অধিবেশনে পাস হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিলটি অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। ১ জুন সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর থেকে ইনস্টিটিউট অব চাটার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) বিলের বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আপত্তি তোলে। বিলের বেশকিছু ধারাকে অযৌক্তিক, অসঙ্গতিপূর্ণ এবং অসম্পূর্ণ বলে অভিযোগ করে। অভিযোগের কারণে সময় অধিকতর যাচাইয়ে বিলটি সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।
  • মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ও সুহৃদের দর বাড়ার তথ্য নেই
    স্টাফ রিপোর্টার : সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার দর বাড়ার পেছনে কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) যথাক্রমে ২৭ ও ৩০ আগষ্ট (বুধবার) দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে  কোম্পানিদ্বয় ডিএসইকে এ কথা জানায়। ডিএসইর ওয়েবসাইটে ২রা সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এ সংক্রান্ত তথ্য- সুহৃদ : শেয়ারটির গত ১মাসের বাজারদর- বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে,  শেয়ারটির দর গত ৪ঠা আগষ্ট থেকে পতনে থাকলেও ২৭শে আগষ্ট হঠাৎ অস্বাভাবিক উল্লম্ফন ঘটে। ১ কার্যদিবসেই শেয়ারটির দর প্রায় ১ টাকা ৭০ পয়সা বেড়ে প্রায় ২২ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়ায়। ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের পরও দর বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে- শেয়ারটির ওপেন প্রাইস ২১ টাকা ২০ পয়সা। লাস্ট ট্রেড প্রাইস ২১ টাকা ৮০ পয়সা। গতকাল ক্লোজ প্রাইস ছিল ২১ টাকা ১০ পয়সা। শেয়ারদর ৭০ পয়সা বেড়েছে। এর ফলে পরিবর্তন হয়েছে ৩ দশমিক ৩২ শতাংশ। মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক : গত ১মাসের বাজারদর- শেয়ারটির দর গত ২৩শে আগষ্ট থেকে বাড়তে শুরু করেছে। ৩০শে আগষ্ট পর্যন্ত শেয়ারদর প্রায় ২ টাকা বেড়ে ৯ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়। এরমধ্যে ২ কার্যদিবস (২৭ও ৩০শে আগষ্ট) অস্বাভাবিকহারে বাড়ে শেয়ারটির দর। এ সময় শেয়ারদর প্রায় ১ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে প্রায় ৭ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৯ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়। -যা প্রতি কার্যদিবসে গড়ে প্রায় ৭৫ পয়সার সমান।
  • বিওতে ফ্যামিলি টেক্সের লভ্যাংশ
    স্টাফ রিপোর্টার : ফ্যামিলি টেক্স (বিডি) লিমিটেড ঘোষিত লভ্যাংশ মঙ্গলবার (২রা সেপ্টেম্বর) বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছর বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। চলতি বছরের ২৩শে মে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। লভ্যাংশ বিতরণ বিষয়ে কোম্পানিদ্বয়ের পক্ষ হতে সন্মানিত শেয়ারহোল্ডারদের ডিপিএসের আপডেট ব্যালান্স চেক করতে বলা হয়েছে।
  • জাহাজ ক্রয় করছে এমআই সিমেন্ট
    স্টাফ রিপোর্টার : এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে একটি বড় জাহাজ (Mother Vessel) কেনার সিন্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সাগরে পণ্য পরিবহন উপযোগী দক্ষিণ কোরিয়ার বুল্ক ক্যারিয়ার টাইপের জাহাজটির ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪১লাখ ৮০হাজার ইউএস ডলার।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • পোশাক খাতে সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান
    রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে গতকাল সোমবার ‘ষষ্ঠ এইচএসবিসি এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স পুরস্কার’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা l ছবি: এইচএসবিসিতৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি ২০২১ সালের মধ্যে পাঁচ হাজার কোটি ডলারে নিয়ে যেতে হলে বাংলাদেশের তুলনামূলক সুবিধাকে প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় রূপান্তর করতে হবে। একই সঙ্গে এ খাতের দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। আর এসব পরিবর্তন দ্রুততার সঙ্গে করতে না পারলে আফ্রিকাসহ উদীয়মান দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে।বহুজাতিক বাণিজ্যিক ব্যাংক দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) আয়োজনে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এমন মতামত দিয়েছেন তৈরি পোশাক ব্যবসায়ীসহ বিশেষজ্ঞরা। ‘ষষ্ঠ এইচএসবিসি এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স পুরস্কার’ উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে গতকাল সোমবার তিন পর্বের আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব আয়োজিত হয়। গতকালের আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ‘তৈরি পোশাক রপ্তানির টেকসই উন্নয়ন-অগ্রাধিকার ও সামনে এগোনোর উপায়’।আলোচনায় বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বিভিন্ন নীতিমালা খুব দ্রুত ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্য আমাদের স্মার্ট নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।’মোস্তাফিজুর রহমান পণ্য রপ্তানিতে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) শুল্কমুক্ত সুবিধা ১০ বছরে অর্জন করতে না পারাকে বাংলাদেশের বড় ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।বিজিএমইএর সহসভাপতি রিয়াজ-বিন-মাহমুদ বলেন, শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়াতে আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। এ জন্য সরকারের সহযোগিতার পাশাপাশি ক্রেতারা যাতে পোশাকের ন্যায্যমূল্য দেন সেটি নিশ্চিত করতে হবে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জালাল আহমেদ বলেন, আগামী সাত বছরে এ খাতের আরও ১৫ লাখ লোককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, ‘অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্স তিন হাজারের বেশি কারখানা পরিদর্শন করে যে ছাড়পত্র দিয়েছে, সেটা কাজে লাগিয়ে আমাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হবে।’আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য দেন এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফ্রান্সওঁয়া দ্য ম্যারিকো। এ ছাড়া ভিয়েলাটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম রেজাউল হাসনাত, ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইল স্টার-এর বাণিজ্য সম্পাদক অরুণ দেবনাথ, দুলাল ব্রাদার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জব্বার, এইচএসবিসি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভুবনেশ খান্না প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।     source : Prothom alo
  • ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে গত অর্থবছরে ৩৯৩১ অভিযোগ
    সেবা নিতে গিয়ে প্রায়ই ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়েন। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে ৩ হাজার ৯৩১ অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। এই অভিযোগের সংখ্যা আগের অর্থবছরের তুলনায় কমেছে ৫৪৫টি। এছাড়া এবার শতভাগ অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। অভিযোগের শীর্ষে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৯৩১টি অভিযোগ আসে। এবারই প্রথম আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০১৪-১৫ অর্থবছরে অভিযোগের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। এর আগের অর্থবছরে অভিযোগ এসেছিল ৪ হাজার ৪৭৬টি। হিসাব অনুযায়ী এক বছরের ব্যবধানে অভিযোগ ৫৪৫টি বা ১২ দশমিক ২০ শতাংশ কমেছে। গত অর্থবছরে অভিযোগ নিষ্পত্তির হারও অনেক ভালো। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে ৩ হাজার ৯৩০টি। নিষ্পত্তির এই হার আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৪ হাজার ২৯১টি বা ৯৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছিল।বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রাহকদের অভিযোগের শীর্ষ সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২৫৬টি অভিযোগ এসেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের বিরুদ্ধে মোট ১৭৫টি অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। এছাড়া রূপালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৪৯, অগ্রণী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৪০, ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১২৩, জনতা ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১০৬, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৮২, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৭৯টি অভিযোগ এসেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয় থেকে জানানো হয়, ২০১৫ সালের জুলাইয়ে ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট গত অর্থবছরে ই-মেইল, ফ্যাক্স, ওয়েবসাইট ও ডাকযোগে ১৭৭টি এবং টেলিফোনে ২৬৬টি সর্বমোট ৪৪৩টি অভিযোগ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ৪৪২টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়। অভিযোগ নিষ্পত্তির হার ছিল ৯৯.৭৭ শতাংশ। প্রাপ্ত অভিযোগগুলোর মধ্যে সাধারণ ব্যাংকিং সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা ছিল ১৫৬, ঋণ ও অগ্রিম সংক্রান্ত ৮২, আমদানি বিল পরিশোধ না করা সংক্রান্ত ৫৩ (অভ্যন্তরীণ ৩০ ও বৈদেশিক ২৩টি), কার্ড সংক্রান্ত ৩৪টি, মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত ২৭টি, রেমিট্যান্স সংক্রান্ত ২৩টি ও ব্যাংক গ্যারান্টি সংক্রান্ত ১০টি। এছাড়া অন্য অভিযোগ ছিল ৫৮টি। সর্বোচ্চ অভিযোগ ছিল সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে। এ দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক এবং তৃতীয় অবস্থানে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান আমাদের সময়কে বলেন, গত বছর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রতিটি ব্যাংকেই আলাদা গ্রাহক অভিযোগ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ছোটখাটো অভিযোগগুলো সেখানেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। যদি কোনো গ্রাহক সুনির্দিষ্ট ব্যাংকে তার অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে না পারেন তখন পুনরায় বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ করতে পারবেন বলেও নির্দেশনা ছিল। এসব কারণেই বিদায়ী অর্থবছরে অভিযোগের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। তবে এবার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎপরতায় শতভাগ অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।  অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের পরিসর অনেক বড়। এর গ্রাহক অনেক বেশি। গ্রাহক অনুযায়ী অভিযোগের আনুপাতিক হার বের করলে সেটি খুবই নগণ্য   source : Amader Somoy
  • একদিনেই বাজার মূলধন কমেছে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি
    সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় শেষ হয় লেনদেন। এর ফলে টানা ২য় দিনের মতো পতনে বিরাজ করছে বাজার। গতকাল সোমবার শুরু থেকেই ধীরে ধীরে পড়তে থাকে সূচক। এদিন সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। তবে টাকার অঙ্কে উভয় বাজারে আগের অবস্থানে রয়েছে লেনদেন। এদিকে গতকাল সোমবার বাজার মূলধন কমেছে ১ হাজার কোটি টাকারও বেশি।দেশের শেয়ারবাজারে কয়েক সপ্তাহ ধরে শুরুর দিকে পতন লক্ষ্য করা যায়। অর্থাৎ সপ্তাহের প্রথম ২-৩ কার্যদিবস পতন ঘটেছে। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই এখন সব ধরনের শেয়ারের দরপতন হয়েছে। এ ছাড়াও সামনে রয়েছে ডিভিডেন্ডের মৌসুম। আর এ সময়ে এমন চিত্রে হতাশ বিনিয়োগকারীরা। বাজার বর্তমানে যে পর্যায়ে নেমে এসেছে, তাতে এ ধরনের অস্বাভাবিক আচরণের যৌক্তিক কোনো ভিত্তি নেই বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।গতকাল দিনশেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৭৬৮ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৭৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ১ হাজার ৮২৬ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩১৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৭২টির, কমেছে ২০৫টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টি কোম্পানির শেয়ার দর। যা টাকায় লেনদেন হয়েছে ৩৫১ কোটি ১৬ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এদিকে গতকাল ডিএসইর বাজার মূলধন অবস্থান করছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৫২৩ কোটি ৯ লাখ ১৪ হাজার টাকায়। গত রোববার যার অবস্থান ছিল ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪৯ কোটি ৩১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। সে হিসেবে গতকাল বাজার মূলধন কমেছে ১ হাজার ২৬ কোটি ২২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা বা ০.৩১ শতাংশ।   source : Voreer kagoj
  • ৯৬ এর শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলায় দুইজনের কারাদণ্ড
    ১৯৯৬ সালে কারসাজির মাধ্যমে চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দর বাড়ানোর মামলায় কোম্পানির দুই পরিচালককে চার বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন পুঁজিবাজার সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধ না করলে আরও ছয় মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আসামিরা হলেন চিক টেক্সটাইলের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. মাকসুদুর রসূল এবং ইফতেখার মোহাম্মদ। গতকাল সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হুমায়ুন কবীর। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা অনুপস্থিত ছিলেন। রায়ে বলা হয়েছে, বাদি পক্ষের আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাই আসামিরা শাস্তি পাবে। জরিমানার অর্থ সরকার ইচ্ছা করলে ঘটনার সময় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের স্বার্থে ব্যয় করতে পারবে। আর অভিযুক্তরা গ্রেফতার বা আত্মসমর্পণ করার তারিখ থেকে তাদের শাস্তির মেয়াদ গণনা করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রায়ের অনুলিপি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পুলিশ কমিশনার ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠানো হয়েছে। রায়ের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাসুদ রানা খান জানিয়েছেন, চিক টেক্সটাইলের মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র ও যুক্তিতর্ক আদালতের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সব কিছু প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। তাই বিজ্ঞ আদালত সার্বিক দিক বিবেচনা করে এ রায় ঘোষণা দেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আসামিরা চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দর বাড়ানোর লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালের ২৭ মার্চ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ২১ ধারা অনুযায়ী একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরে ১৯৯৭ সালের ২ এপ্রিল বিএসইসির ওই সময়ের নির্বাহী পরিচালক এম এ রশীদ খান বাদি হয়ে তদন্তের সকল প্রমাণাদিসহ আসামিদের বিরুদ্ধে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। এদিকে মামলার বিচার কার্যক্রম বিশেষ আদালতে মামলা শুরু হলেও আসামিদের কেউই আদালতে হাজির ছিলেন না, কিংবা তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবীও আদালতে ছিলেন না। তাই গত ২৮ জুন গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।     source : Ittafac
  • লেনদেন কমেছে ব্যাংক বিদ্যুৎ ও ওষুধ খাতের
    বুধবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক বেড়েছে। তবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে লেনদেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাজারের উল্লেখযোগ্য খাতগুলোর লেনদেনও কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট খাতের। আর লেনদেন বেড়েছে বীমা ও বস্ত্র খাতের। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বুধবার ব্যাংকিং খাতের লেনদেন কমেছে ৬ কোটি ৩ লাখ টাকা। এ খাতের লেনদেন ৪৮ কোটি টাকা থেকে নেমে এসেছে ৪২ কোটি টাকায়। ওষুধ খাতের লেনদেন কমেছে ৩ কোটি টাকা। বুধবার লেনদেন ৬৮ কোটি টাকা থেকে নেমে এসেছে ৬৫ কোটি টাকায়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের লেনদেন মঙ্গলবার ছিল ৬৭ কোটি টাকা। বুধবার তা কমে হয়েছে ৫৭ কোটি টাকা। একদিনের ব্যবধানে এ খাতের লেনদেন কমেছে ১০ কোটি টাকা। আর সিমেন্ট খাতের লেনদেন কমেছে ১৭ কোটি টাকা। একদিনের ব্যবধানে সিমেন্ট খাতের লেনদেন ২৭ কোটি টাকা থেকে নেমে এসেছে ১০ কোটি টাকায়। তবে লেনদেন বেড়েছে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের। বুধবার এ খাতের লেনদেন বেড়েছে ১ কোটি টাকা আর বস্ত্র খাতের লেনদেন বেড়েছে ২ কোটি টাকা। বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ১০ কোটি ৯৯ লাখ ২৯ হাজার ২৩০টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ৪৩১ কোটি ৭৫ লাখ ৪১ হাজার ৩৪১ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ২৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা কম। ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১২.৭২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮০৫.৬৬ পয়েন্টে। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৫.০৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৮৩৭.৯৭ পয়েন্ট ও ডিএসইএস শরিয়া সূচক (ডিএসইএস) পয়েন্ট ৫.৩৬ বেড়ে ১১৮৩.৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ৩১৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৬টির, কমেছে ১১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৯টি কোম্পানির শেয়ার। লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) ডিএসইর প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো স্কয়ার ফার্মা, ইসলামী ব্যাংক, শাহাজীবাজার পাওয়ার, আলহাজটেক্স, ইফাদ অটোস, অ্যাপেক্স ট্যানারি, ফার কেমিক্যাল, ইউনাইটেড পাওয়ার, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ও ন্যাশনাল ফিডস।দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, ন্যাশনাল হাউজিং, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, হাক্কানী পাল্প, জেমিনি সী ফুডস, মুন্নু স্টাফলার, রংপুর ফাউন্ড্রি, এএমসিএল (প্রাণ) ও মুন্নু সিরামিকস। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো এফবিএফআইএফ, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, এনসিসিবি মিউচুয়াল ফান্ড-১, আইসিবি তৃতীয় এনআরবি, বিডি ওয়েল্ডিং, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আরডি ফুড, কাশেম ড্রাইসেল, সমতা লেদার ও সেন্ট্রাল ফার্মা। source : Alokito Bangladesh
  • গেইনারের তালিকায় যেসব কোম্পানি
    সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অ্যাপেক্স ফুডস টপটেন গেইনারের নেতৃত্বে রয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে ইবনে সিনা, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, শমরিতা হাসপাতাল, অ্যাপেক্স ট্যানারি, আইসিবি, এফবিএফআইএফ, প্রাইম ১ম আইসিবিএ, সাফকো স্পিনিং ও কাশেম ড্রাই সেল।ডিএসই ওয়েব সূত্রে জানা যায়, অ্যাপেক্স ফুডসের দর বেড়েছে ১৪ টাকা ৩০ পয়সা বা ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। দিন শেষে শেয়ারটি লেনদেন হয় ১৭১ টাকা ৫০ পয়সা দরে। কোম্পানির ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৩৫টি শেয়ার ১ হাজার ৬৫০ বারে লেনদেন হয়।গেইনার তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইবনে সিনা। শেয়ারটির দর বেড়েছে ৮ টাকা ৯০ পয়সা বা ৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ।   source : Voraer kagoj
  • সোনালী ব্যাংকের আরও টাকা কেটে নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
    দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় পর পরিশোধ করা হচ্ছে সোনালী ব্যাংকের দেয়া স্বীকৃত বিলের পাওনা। দীর্ঘ এ সময়ে স্বীকৃত বিলের অর্থ পরিশোধ থেকে বিরত থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের হিসাব থেকে এসব টাকা কেটে অন্য ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ১ হাজার ৫৭৯টি অভ্যন্তরীণ বিলের পাওনা পরিশোধ করা হবে। এ কারণে সোনালী ব্যাংকের ফরেন কারেন্সি (এফসি) ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ সংরক্ষিত রাখতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক চিঠি পাঠিয়ে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, গত বছরের জুলাইতে অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক হাজার ৫৭৯টি স্বীকৃত বিলমূল্যে পরিশোধে কয়েক দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত সেগুলো পরিশোধ করা হয়নি। এ বিষয়ে সর্বশেষ গত ৬ মে সোনালী ব্যাংক একটি ব্যাখ্যা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ওই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় প্রথম ধাপের ৩১৭টি ও দ্বিতীয় ধাপের ৬০৫টি বিলমূল্যে অন্য ব্যাংকে পরিশোধ করা হয়। এর আগে সোনালীর পর্ষদের অনাপত্তি দেয়া ৫৮৬টি বিলমূল্যে কেটে নিয়ে অন্য ব্যাংককে পরিশোধ করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত শনিবার যুগান্তরকে বলেন, আমাদের বোর্ড যেহেতু সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংক সঠিক কাজটিই করছে। তিনি বলেন, অনিয়ম বা জালিয়াতি না থাকলে বিল পরিশোধ করাই ভালো। তবে এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আমাদের কাছ থেকে বিভিন্ন কোম্পানির ব্যাপারে তথ্যের জন্য চিঠি দিয়েছে। পাশাপাশি ফরেন কারেন্সি (এফসি) ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ সংরক্ষিত রাখতে নির্দেশ দিয়েছে। আমরা সে নির্দেশ মতো অর্থ জমা রেখেছি।উল্লেখ্য, এক হাজার ৫৭৯টি স্বীকৃত বিলের বিপরীতে বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকের এক হাজার ১৬৬ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. আহসানউল্লাহ বলেন, বিল আটকে থাকায় ব্যাংক খাতে অনেক জটিলতাও হচ্ছে। সার্বিক বিবেচনায় আমরা তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নিয়ে পরিশোধ করার ব্যবস্থা করেছি। কোনো মামলা-মোকদ্দমা ও জাল-জালিয়াতি নেই। সোনালী ব্যাংকের স্বীকৃতি দেয়া সব বিল পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে আমরা ৫৮৬টি বিলের পাওনা পরিশোধ করেছি।বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে এসব বিলের মধ্যে ৫৮৬টি বিলে কোনো অনিয়ম না পাওয়ায় গত বছরের ডিসেম্বরে এসব বিলের অর্থ সোনালী ব্যাংকের হিসাব থেকে কেটে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে ১৫৮টি বিলের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ ডলার পরিশোধ করেছে। এছাড়া সোনালী ব্যাংক নিজেও ২২২টি বিল পরিশোধ করেছে। বাকি বিলগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক পরিশোধ করবে।উল্লেখ্য, হল-মার্কসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সোনালী ব্যাংকের শেরাটন শাখা থেকে ২৩৩২টি অভ্যন্তরীণ বিলে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ওই সময় সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে হলমার্কসহ ছয়টি প্রতিষ্ঠান জালিয়াতির মাধ্যমে তিন হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এদিকে দীর্ঘদিন স্বীকৃত বিলের অর্থ পরিশোধ থেকে সোনালী ব্যাংক বিরত থাকায় চরম খেসারত দিতে হয়েছে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের। এ ঘটনায় শিল্প উদ্যোক্তারা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন।জানা গেছে, হলমার্ক কেলেংকারির ঘটনায় ২০১২ সালের মে পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকের শেরাটন হোটেল কর্পোরেট শাখায় সৃষ্ট স্থানীয় আমদানি-রফতানির বিপরীতে সোনালী ব্যাংকের স্বীকৃতি দেয়া বিলের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩৪২টি। এর বিপরীতে ৪১টি ব্যাংকের এক হাজার ৩১৬ কোটি টাকা পাওনা ছিল। এই টাকা পরবর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করার কথা থাকলেও সোনালী ব্যাংক বিলগুলো আটকে দেয়। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিলগুলো পরিশোধে মধ্যস্থতা করলেও সোনালী ব্যাংকের আপত্তির কারণে তা পরিশোধ হয়নি। এ ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৫৪টি মামলা করে দেশের ১১টি ব্যাংক। এর মধ্যে জনতা ব্যাংক করেছে ৭টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক করেছে ১টি, যমুনা ব্যাংক করেছে ৩টি, আইএফআইসি ব্যাংক করেছে ২টি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক করেছে ৬টি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক করেছে ২টি, ন্যাশনাল ব্যাংক করেছে ৮টি, উত্তরা ব্যাংক করেছে ৫টি, অগ্রণী ব্যাংক করেছে ১৬টি, সাউথইস্ট ব্যাংক ১টি এবং প্রাইম ব্যাংক করেছে ২টি মামলা। অবশেষে ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভায় সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ কেটে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।উল্লেখ্য, আমদানিকারকের ব্যাংকের স্বীকৃতি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে কমিশনের বিনিময়ে রফতানিকারকের বিল কেনে ব্যাংক। এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিয়ম। এর মাধ্যমে আমদানিকারকের দায় সৃষ্টি হয়। তবে এ প্রক্রিয়ায় কিছু ব্যবসায়ী ভুয়া স্বীকৃত বিল তৈরি করে অন্য ব্যাংক থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়। source : Juganthor
  • বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি : যে আইনে শাস্তি নিশ্চিত হবে সে আইনেরই প্রয়োগ
    শতভাগ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বেসিক ব্যাংক লুটের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনে দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় হতবাক হয়েছে সংসদীয় কমিটি। কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় তহবিলের হেনস্থাকারী এসব দুর্নীতিবাজরা যাতে পার পেয়ে যেতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থেকে যে আইনে তাদের দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি নিশ্চিত করা যায় সেই আইনেরই প্রয়োগ করার তাগিদ দেয়া হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে।জাতীয় সংসদ ভবনে গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে তৎকালীন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শাস্তি এখনো নিশ্চিত করতে না পারায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। এই অনিয়মের সঙ্গে ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এবং এমডিসহ বোর্ডের কর্মকর্তারা কে কতটুকু জড়িত ছিলেন তার সুনির্দিষ্ট করে বিস্তারিত তথ্য প্রমাণাদি পরবর্তী সভায় উপস্থাপনের নির্দেশনা দিয়েছে কমিটি। পাশাপাশি দেশের প্রচলিত আইন এবং ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায় তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া যায় সে বিষয়েও একটি প্রতিবেদন উপস্থাপনের কথা বলা হয়েছে।কমিটির সভাপতি ড. মো. আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, নাজমুল হাসান, টিপু মুন্শি, ফরহাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এবং মো. শওকত চৌধুরী অংশ নেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব, বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।সংসদীয় কমিটিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই ব্যাংকটিকে ধ্বংস ও ফতুর করে দিতে অনিয়ম, দুর্নীতি আর জালিয়তির সব ধরনের প্রক্রিয়াই প্রয়োগ করেছেন ব্যাংকটির অর্থলোভী পরিচালনা পর্ষদ ও সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। একটি কিংবা দুটি শাখা নয়, রাজধানীর প্রায় প্রতিটি শাখাতেই প্রতিষ্ঠানটির হর্তাকর্তাদের নির্দেশে গঠিত কর্মকর্তাদের সিন্ডিকেট ঋণের নামে বিলিয়ে দিয়েছেন হাজার হাজার কোটি টাকা। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শুধু রিলেশনশিপের ভিত্তিতে কোনো ধরনের কাগজপত্র কিংবা জামানত ছাড়াই মাত্র একদিনে অনুমোদন দেয়া হয়েছে মেগা অঙ্কের এসব ঋণ। ঋণ আবেদন পত্রের সঙ্গে সিকিউরিটি ফরমের ব্যবহার বাধ্যতামূলক থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ফরম আংশিক পূরণকৃত কোনো কোনো ক্ষেত্রে একদম ফাঁকাই রাখা হয়েছে। অনেক ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে আবেদনপত্র গ্রহণ না করারও নজির রয়েছে। জামানত দেখানোর ক্ষেত্রে জাল দলিল অনেক ক্ষেত্রে আগে ঋণ উত্তোলন করে সেই টাকায় জমি কিনে তা বন্ধক রাখার ঘটনাও ঘটেছে। মূলত প্রতিষ্ঠানটি লুটপাটে এমন কোনো জালিয়াতি নেই যা করা হয়নি।   Source : Manob kontho
  • হজভিসা পেয়েছে ৮০ হাজার বাংলাদেশি
    এ বছর ৮০ হাজার বাংলাদেশিকে সৌদি আরব হজভিসা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির নতুন রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ এইচএম আল মুতাইরি।বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে দেখা করে সামগ্রিক বিষয়ে তাদের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন তিনি।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দিতে গত ২৬ জুলাই বাংলাদেশে আসেন আল মুতাইরি। পরে ১৯ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন।এর আগে আব্দুল্লাহ এইচএম আল মুতাইরি সৌদি সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক ছিলেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান সম্পর্ক আরো জোরদার এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সৌদি রাষ্ট্রদূতকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ঢাকার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। source : jayjay din
  • বাংলাদেশি শ্রমিকে মালয়েশিয়ার প্রাদেশিক সরকারের ‘না’
    মালয়েশিয়ার কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার ঘোষণা দিলেও সাবাহ প্রাদেশিক সরকার এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। গতকাল বুধবার সাবাহর তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী সিরিনগান গুবাত জানান, তাঁরা কোনো খাতে বাংলাদেশি শ্রমিক মেনে নেবেন না। গুবাত জানান, প্রাদেশিক মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে কোনো শ্রমিক নেওয়া হবে না। তবে কেন নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে মন্ত্রী কিছু জানাননি। তিনি বলেন, সেবামূলক খাত ছাড়া অন্য যেকোনো খাতে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, নেপাল কিংবা কম্বোডিয়া থেকে শ্রমিক নেওয়া যাবে। সেবামূলক খাতে কেবল ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের শ্রমিক নেওয়া হবে। গত জুনে অবশ্য দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ ঘোষণা দেন, আগামী তিন বছরে বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ শ্রমিক নেওয়া হবে। কৃষি, অবকাঠামো নির্মাণ, পণ্য বাজারজাতকরণ ও সেবামূলক খাতে এই শ্রমিক নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। সূত্র : মালয়মেইল।
  • আইন অমান্য করায় একাধিক প্রতিষ্ঠানকে বিএসইসির জরিমানা
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইল। গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৫২তম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া সিকিউরিটিজ আইন অমান্য করায় একাধিক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।বিএসইসি জানিয়েছে, রিজেন্ট টেক্সটাইল পুঁজিবাজারে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১২৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে মূলধনী বিনিয়োগ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন অর্থায়ন ও আইপিওর কাজে ব্যয় করবে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী রিজেন্ট টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৯২ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ৩৩ টাকা ১৭ পয়সা।এদিকে সভায় এবি ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার নন কনভার্টিবল বন্ড ছাড়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। যার মেয়াদ ৭ বছর। বন্ডের প্রতি ইউনিটের মূল্য ১০ লাখ টাকা। এছাড়া মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকার সাব-অর্ডিনেটেড ফ্লোটিং রেট বন্ড অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ বন্ডের প্রতি ইউনিটের মূল্য এক কোটি টাকা। এসব বন্ড শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ আর্থিক সঙ্গতি সম্পন্ন বিনিয়োগকারীরাই প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ক্রয় করতে পারবেন।বিএসইসির কমিশন সভায় চিকটেক্স লিমিটেডের এমডি সহ প্রত্যেক পরিচালককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। কোম্পানির অর্ধ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল না করায় এ জরিমানা করা হয়। এছাড়া তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক বিবরণীতে যথাযথ ব্যাখ্যামূলক নোট প্রদান না করায় আশরাফ টেক্সটাইল মিলসের এমডিসহ প্রত্যেক পরিচালককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আর তমিজুদ্দিন টেক্সটাইল মিলসের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে স্থায়ী সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন হিসাব সঠিকভাবে না দেখিয়ে নীট মুনাফা ও ইপিএস বেশি দেখানো হয়েছে। এতে কোম্পানিটির এমডিসহ প্রত্যেক পরিচালককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। বিএসইসি আরও জানিয়েছে, সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজের আর্থিক বিবরণীতে নানাভাবে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। এতে কোম্পানিটির এমডিসহ প্রত্যেক পরিচালককে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আর অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে সুদ বাবদ খরচ না দেখিয়ে কোম্পানির নীট ক্ষতিকে নীট মুনাফা দেখানো হয়েছে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক বিবরণী তলব করলেও তা প্রেরণ করেনি। এসবের প্রেক্ষিতে কোম্পানিটির এমডি সহ প্রত্যেক পরিচালককে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।   Source : ইত্তেফাক
  • রিজেন্ট টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন
    প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের অনুমতি পেয়েছে রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। সোমবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৫২তম সভায় কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়ার অনুমোদন দেয়া হয়। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানিয়েছে, কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১২৫ কোটি টাকা তুলবে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। উত্তোলিত টাকা রিজেন্ট টেক্সটাইল মূলধনী বিনিয়োগ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন অর্থায়ন ও আইপিওর কাজে ব্যয় করবে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৯২ পয়সা। Source : যায়ে যায়ে দিন   
  • কারসাজির সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি পাচ্ছে পুঁজিবাজার
    ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে মহাধসে বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িত নায়কদের বিচার শুরু করেছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। এর আগে কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারের দাম বৃদ্ধি ও ফেসবুকে তথ্য পাচারের দায়ে ২ মামলার রায় হয়েছে। এতে সুবাতাস বইতে শুরু করেছে পুঁজিবাজারে। আর স্বস্তিতে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরাও। অপরদিকে কারসাজি চক্রের নায়কদের সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি পাচ্ছে শেয়ারবাজার। সর্বশেষ রায় ঘোষণার পর টানা তিনদিন পুঁজিবাজারে উত্থান হয়েছে। বেড়েছে সূচক ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জ, ব্রোকারেজ হাউস এবং শেয়ারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উৎসবমুখর উপস্থিতি দেখা দিয়েছে।১৫ লাখ টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে ২০১০ সালের মহাধসে সর্বস্ব হারিয়েছেন সাদ সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী মহিউদ্দিন। তিনি মানবকণ্ঠকে বলেন, হারানো টাকা হয়তো আর ফিরে পাব না। কিন্তু এই খলনায়কদের বিচার হলেই খুশি। এদের বিচার আরো আগেই হওয়া উচিত ছিল। আর যেন দেরি না হয়। সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মতে, পুঁজিবাজারে মোট বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ৩০ লাখ ৬৫ হাজার ২৩৪ জন। তারা সবাই খুশি। কারসাজিকারকদের কারণে দুই দফা ধসে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেন, অনেকে আত্মহত্যা করেছেন। সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছেন বলে অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের।বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গঠিত এই বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ১৫ মামলার বিচার কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এসব মামলার বাদী বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এসব মামলার মধ্যে ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারির ২টি মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে ট্রাইব্যুনালে। কোম্পানি দুটি হলো চিক টেক্সটাইল ও চিটাগাং সিমেন্ট। চিটাগাং সিমেন্টের শেয়ার কারসাজির দায়ে মামলার অভিযুক্তরা হলেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান, বুলবুল সিকিউরিটিজের মালিক এএস শহিদুল হক বুলবুল এবং ব্যবসায়ী মো. আবু তৈয়ব। বর্তমানে অভিযুক্তদের সবাই জামিনে রয়েছেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্তরা ১৯৯৬ সালে চিটাগাং সিমেন্টের পরিচালক ছিলেন। ভারতীয় ও ইরানি বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির শেয়ার কিনবেন বলে অভিযুক্তরা মূল্যসংবেদনশীল তথ্য ছড়িয়ে শেয়ার মূল্য প্রভাবিত করেন। এ ব্যাপারে পরে চিটাগাং সিমেন্টের পক্ষ থেকে সন্তোষজনক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। এরপর কোম্পানির এক পরিচালক বড় অঙ্কের শেয়ার হস্তান্তরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এছাড়া বিএসইসির নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রকিবুর রহমান ও এএস শহিদুল হক বুলবুল পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেননি। আগামী ৩০ আগস্ট সর্বশেষ সাক্ষীর শুনানি হবে।আর কৃত্রিমভাবে চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম বাড়িয়ে কারসাজির দায়ে অভিযুক্তরা হলেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদুর রসূল ও পরিচালক ইফতেখার মোহাম্মদ। পরস্পর যোগসাজশে কৃত্রিমভাবে কোম্পানিটির শেয়ারটির দাম বাড়িয়ে বাজার থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ১৯৯৭ সালে ২ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে বিএসইসি। কিন্তু বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর থেকে তারা অনুপস্থিত রয়েছেন। এ জন্য গত ২৮ জুন তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। বিবাদীপক্ষের কেউ না থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-এর বি (২) ধারা অনুযায়ী এ মামলার চার্জ গঠন করেন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন আহমেদ এ মামলার সাক্ষ্য দেন। এর আগে ৬ জুলাই একই মামলার বাদী হিসেবে প্রথম সাক্ষ্য দেন বিএসইসির সাবেক নির্বাহী পরিচালক এমএ রশীদ খান।মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আসামিরা চিক টেক্সটাইলের শেয়ারের দাম বাড়ানোর লক্ষ্যে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। কারসাজির মাধ্যমে মুনাফা করার উদ্দেশ্যে ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদুর রসূল ৮ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৪টি ও পরিচালক ইফতেখার মোহাম্মদ ৮ লাখ ৩৫ হাজার শেয়ার অপারেট করেন। মামলাদ্বয়ে রাষ্ট্রপক্ষে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আইনজীবী হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. মাসুদ রানা খান ও হাসিবুর রহমান দিদার আর বিবাদীপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।আর ২০১০ সালে সিরাজউদ্দৌল্লাহ্ ও তার স্ত্রী রাশেদা আক্তার মায়া এবং মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোড়ল নামের তিন বিনিয়োগকারীর বিরুদ্ধে কৃত্রিমভাবে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারের দাম বাড়ানোর অভিযোগ করা হয়েছে।  ২০১১ সালের ২১ আগস্ট এ বিষয়ে মামলা দায়ের করে বিএসইসি। বিএসইসির পরিচালক শেখ মাহবুবুর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটির বিচার শুরু হয়েছে ১০ আগস্ট। এখন শুনানি চলছে। বিবাদীপক্ষের আইনজীবী বাকী মো. মর্তুজা। সরকার পক্ষের আইনজীবী হলেন ড. মো. মাহবুব আলম ভূঁইয়া মিলন ও মো. রেজাউল করিম রেজা।এসইসির  অভিযোগনামায় বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা ২০১০ সালের ৩০ জুন থেকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে সংঘবদ্ধ ও কৃত্রিম লেনদেনের মাধ্যমে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়িয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন কার্যদিবসে সৈয়দ সিরাজউদ্দৌল্লাহ্ পিপলস লিজিংয়ের ২ লাখ ২২ হাজার ৭০০ শেয়ার বিভিন্ন মূল্যে ক্রয় করেন। ওই সময়ে শেয়ারটির দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। পরবর্তী সময়ে শেয়ারটির অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা থেকে ১০ টাকায় রূপান্তরের পর ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩০০ শেয়ার বিক্রি করেন। আবার ৪ আগস্ট থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত পিপলস লিজিংয়ের ৮ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ শেয়ার ক্রয় করেন। একই সময়ে ৯ লাখ ১৭ হাজার ২০০ শেয়ার বিক্রি করেন। অভিযোগনামায় আরো বলা হয়, সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রী রাশেদা আক্তার মায়া ১০ আগস্ট থেকে ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পিপলস লিজিংয়ের ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ শেয়ার ক্রয় করেন। একই সময়ে তিনি ৩ লাখ ৩১ হাজার ৯০০ শেয়ার বিক্রি করেন। অপর অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান একই সময়কালে পিপলস লিজিংয়ের ৭৫ হাজার শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করেন।এছাড়াও ২০১০ সালে প্লেসমেন্টের নামে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে দায়ের করা কমিশনের আরেকটি মামলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত বুধবার বিএসইসির সহকারী পরিচালক জহুরুল হকের সাক্ষ্যদানের মাধ্যমে এ মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। বিএসইসির উপপরিচালক এএসএম মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযুক্তরা হলেনÑ গ্রীন বাংলা কমিউনিকেশন কোম্পানিসহ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রয়াত নবীউল্লাহ নবী ও সাত্তারুজ্জামান শামীম। মামলার সাক্ষী জহুরুল হক আদালতকে জানান, ২০১০ সালে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ পায় কমিশন। কমিশনের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-৩ সরেজমিন তদন্তে নামে। র‌্যাব-৩ এর কয়েক সদস্য বিনিয়োগকারী সেজে প্লেসমেন্টে প্রতারণায় নবী উল্লাহ নবী ও সাত্তারুজ্জামান শাহীন নামে ২ জনকে শনাক্ত করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সাক্ষীকে জেরা করেন বিবাদীপক্ষের আইনজীবী আমিনুল হক ভুঁইয়া। পরে মামলাটির পরবর্তী বিচার কার্যক্রম ২৪ আগস্ট দিন ধার্য করেন আদালতের বিচারক হুমায়ুন কবীর।গত বুধবার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে মাসুদ রানা খান, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিএসইসির উপপরিচালক এএসএম মাহমুদুল হাসান, আসামি সাত্তারুজ্জামান শামীম ও তার আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজার ধসের কারসাজির জন্য ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে মোট ১৫টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ৮টি মামলা উচ্চ আদালতে স্থগিত রয়েছে। ৩টি মামলা উচ্চ আদালত খারিজ করে দিয়েছে। ১টি মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে। আর ৩টি মামলার বিচারকাজ শিগগিরই শুরু হবে। অপরদিকে ২০১০ সালে করা ২টি মামলার মধ্যে ১টির বিচারকাজ শুরু হয়েছে। অপরটিও শিগগিরই শুরু হবে।এ বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমের অধ্যাপক মিজানুর রহমান মনবকণ্ঠকে বলেন, ট্রাইব্যুনাল যদি সব রুলস অনুয়ায়ী বিচারকাজ সম্পন্ন করেন, তবে বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে। নতুন করে বিনিয়োগকারীরাও বাজারের প্রতি আকৃষ্ট হবেন।তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজার কারসাজির রায়কে আমি ইতিবাচকভাবে দেখছি। এটি পুঁজিবাজারের জন্য পরিষ্কার বার্তা। এর মাধ্যমে জানান দেয়া হলো, ভবিষ্যতে এ ধরনের কারসাজি করলে শাস্তি পেতে হবে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনের জন্য এ ধরনের বার্তা জরুরি ছিল।প্রসঙ্গত, এর আগে গত সোমবার কারসাজির মাধ্যমে বিডি ওয়েল্ডিং কোম্পানির শেয়ারের দাম ৬১৬ গুণ বাড়ানোর দায়ে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম নূরুল ইসলাম এবং ডেইলি ইন্ডাস্ট্রি পত্রিকার সম্পাদক এনায়েত করিমকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাদের ২০ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া, গত ৩ আগস্ট ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর দায়ে মাহাবুব সারোয়ার নামে ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।   Source : মানব কণ্ঠ
View All
Latest DSE News
  • REGL

    BSEC NEWS: BSEC has permitted to re-open the subscription schedule of IPO of Simtex Industries Limited from September 06, 2015 to September 14, 2015.

  • GAT

    Withdrawal of Authorized Representative: Gateway Equity Resources Ltd., DSE TREC No. 157, has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Chanchal Kumar Saha, with immediate effect.

  • NITOLINS

    Credit Rating Information and Services Limited (CRISL) has announced the CPA (Claim Paying Ability) Rating of the Company as &quot;A+&quot; along with a stable outlook in consideration of audited financials of the Company up to December 31, 2014, unaudited financials up to June 30, 2015 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • EXCH

    Today's (02.09.2015) Total Trades: 99,110; Volume: 90,929,998 and Turnover: Tk. 3,488.23 million.

  • ICB1STNRB

    Normal trading of the units of the fund will resume on 03.09.2015 after record date.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
BDWELDING 24.00 22.30 1.70 7.62
NHFIL 28.20 26.40 1.80 6.82
GEMINISEA 426.70 400.20 26.50 6.62
ZAHEENSPIN 29.10 27.30 1.80 6.59
IBNSINA 142.30 133.50 8.80 6.59
LRGLOBMF1 5.00 4.70 0.30 6.38
DACCADYE 16.90 15.90 1.00 6.29
ARAMITCEM 37.50 35.30 2.20 6.23
IPDC 20.80 19.60 1.20 6.12
AMBEEPHA 286.10 269.90 16.20 6.00

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297