Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
JUTESPINN 64.2 47.6 16.60 34.87
SHYAMPSUG 11.2 9.4 1.80 19.15
AGNISYSL 33.9 29.1 4.80 16.49
RAKCERAMIC 63.7 56.1 7.60 13.55
FUWANGFOOD 27.1 23.9 3.20 13.39
TUNGHAI 21.4 19.2 2.20 11.46
DESHBANDHU 23.5 21.2 2.30 10.85
FAREASTFIN 17.4 15.7 1.70 10.83
RUPALILIFE 54.9 50 4.90 9.80
SAVAREFR 54.8 50.4 4.40 8.73

Contest SB2014_Dec

1st
blank_person
GAINLOSS
2nd
blank_person
SANTABANTAO007
3rd
blank_person
JEWELROY91
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 351.5 350.8 1.73538 127531.00
DUTCHBANGL 99.9 96.1 1.39534 62545.00
BERGERPBL 1330.7 1300.8 1.27297 1160.00
MARICO 1113.7 1091.9 1.26076 1441.00
RAKCERAMIC 63.7 62.1 0.98952 959137.00
Negative impact
SPCL 230.2 241.9 -2.72373 26169.00
OLYMPIC 233.7 240.7 -1.51063 119019.00
ISLAMIBANK 24.1 24.5 -1.18236 164251.00
SQURPHARMA 253.3 254.3 -1.01768 183851.00
UCBL 29 29.5 -0.76800 274009.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
SAPORTL 83.1 85.2 79.7 -1.54% 83.26
AGNISYSL 33.9 34.9 33.4 2.42% 78.71
BXPHARMA 62.6 63.3 62.3 -0.48% 77.35
FUWANGFOOD 27.1 28.2 26.8 -1.45% 70.74
RAKCERAMIC 63.7 64.3 60.6 2.58% 59.79
LAFSURCEML 118.1 119.5 115 2.70% 53.37
TUNGHAI 21.4 21.9 20.6 0.47% 49.07
DESHBANDHU 23.5 24 23.1 3.07% 47.84
SQURPHARMA 253.3 255 251.5 -0.39% 46.53
GP 351.5 355.5 350.3 0.20% 44.95

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 21 Dec 2014

78849
TOTAL TRADE
65.4091
TOTAL VOLUME(Mn)
2378.81
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • লভ্যাংশ সমন্বয় করেছে ডিবিএইচ
    ডেস্ক রিপোর্ট : আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (ডিবিএইচ) শেয়ারহোল্ডারদের ব্যাংকহিসাবে লভ্যাংশ সমন্বয় করেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রমতে, বাংলাদেশ ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক সিস্টেমের (বিইএফটিএন) মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যাদের ব্যাংক হিসাব বিবরণী অসম্পুর্ণ এবং প্রবাসি বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে এ সেবা প্রদান করা হবে।
  • তথ্য ছাড়াই দর বাড়ছে অগ্নি সিস্টেমসের
    ডেস্ক রিপোর্ট : তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ার দর বাড়ার কোনো কারণ নেই। শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে রোববার ডিএসই’র নোটিশের জবাবে শেয়ারদর বাড়ার পেছনে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে কোম্পানিটি জানায়। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটির গত ১ মাসের গ্রাফ অনুযায়ী চলতি মাসের ৯ তারিখ হতে ১৪ তারিখ পর্যন্ত টানা ৪ কার্য দিবস এবং ১৭ ও ২১ তারিখে অব্যহত  দর বাড়ে। এ সময় প্রায় ৬ টাকা ৩০ পয়সা বেড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ২৭.৬০ (প্রায়) টাকা থেকে ৩৩.৯০ (প্রায়) টাকায় পৌঁছায়। এর আগে ২৭ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ কার্য দিবস অব্যহত দর বাড়ে। এ সময় প্রায় ৩ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ২৫ টাকা থেকে ২৮.৫০ (প্রায়) টাকায় পৌঁছায়। এদিকে, গত ৬ মাসের গ্রাফ অনুযায়ী আগষ্ট মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সামান্য কারেকশন ছা্ড়া কোম্পানিটির অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি অব্যহত ছিল। এ সময় প্রায় ১৫ টাকা ৬০ পয়সা বেড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ২০.১০ (প্রায়) টাকা থেকে ৩৫.৭০ টাকায় পৌঁছায়।
  • ইফাদ অটোতে আবেদন ১৬.০৫ গুন
    বিশেষ প্রতিনিধি : ইফাদ অটোতে আবেদন ১৬.৫ গুন জমা পড়েছে। CSE News তা নিশ্চিত করেছে। রোববার CSE এর website থেকে এ তথ্য জানা যায়। এদিকে, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে (আইপিও) বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বরাদ্দ দিতে ইফাদ অটোস লিমিটেডর লটারি হবে আগামী ২৪ ডিসেম্বর, বুধবার। রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। ইফাদ অটোস লিমিটেডের সিএফও আবু সাঈদ আহমেদ রোববার মুঠোফোনে এতথ্য জানান। দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৩ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির আইপিওর আবেদনপত্র জমা দানের দিনক্ষণ নির্ধারিত ছিল। বিদেশেী বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তারিখ নির্ধারিত করা হয়। নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি আইপিও টাকা উত্তোলন করে বলে জানানো হয়। ইফাদ গ্রুপের ইফাদসহ রয়েছে মোট ৮টি প্রতিষ্টান। এরমধ্যে ৬টি কোম্পানি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বেশ ভালেভাবেই পরিচালনা করেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইফাদ অটোস লিমিটেড, ইফাদ এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, ইফাদ অটোমোবাইলস লিমিটেড, ইফাদ এগ্রো কমপ্লেক্স লিমিটেড, ইফাদ মাল্টি প্রডাক্টস লিমিটেড ও ইফাদ মাল্টি এন্ড ক্যামিকেলস লিমিটেড। ইফাদ অটোস পুঁজিবাজারে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। ইফাদ গ্রুপের ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি ফেস ভ্যালু নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। এর সঙ্গে বাড়তি ২০ টাকা প্রিমিয়াম মিলে শেয়ারপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। কোম্পানিটির ২০১২ সালে ইপিএস ছিল ২.৯৬ টাকা। ২০১৩ সালে তা বেড়ে হয়েছে ২.৯৮ টাকা এবং এরপরে ২০১৪ সালে ইপএিস প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৫.১৬ টাকায় দাঁড়ায়। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ১৬ পয়সা। নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ৪৪ টাকা ১২ পয়সা।কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ব্যানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
  • শেষমুহুর্তে ব্যাংকে আইপিও জমার হিড়িক
    হোসাইন আকমল : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করছে শাশা ডেনিমস। গত ১৪ ডিসেম্বর রোববার থেকে শরু হয়ে ২১ ডিসেম্বর, রোববার পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওর আবেদনপত্র জমা দানের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রবাসি বাংলাদেশিদের জন্য এ সুযোগ ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত রয়েছে। নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটির আইপিও টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। শাশা ডেনিমসের আইপিওতে অনেকটা সাড়া পড়েছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মতিঝিলের কয়েকটি ব্যাংকের র্দীঘ লাইন ও অনেক সিকিউরিটিসে খোঁজ নিয়ে এমন তথ্য জানা গেছে। তবে সিকিউরিটিজ হাউসের তুলনায় ব্যাংকে আইপিও প্রাথীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। [caption id="attachment_21945" align="aligncenter" width="796"] কারওয়ানবাজারের কয়েকটি ব্যাংকে শাশা ডেনিমসের আইপিও আবেদন জমাদানের দৃশ্য[/caption] কারওয়ান বাজার শাখার সাউথঈস্ট ব্যাংকে রোববার দুপুরে এপর্যন্ত জেনারেল ও ক্ষতিগ্রস্ত মিলে ১৭৫৪ টি আবেদন জমা পড়ে। যার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। ন্যাশনাল ব্যাংকে জেনারেল ৫৭৭৬টি ও ক্ষতিগ্রস্ত ৬০৪টি আবেদন জমা পড়ে। যার মূল্য ৪ কোটি ৪৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। ওয়ান ব্যাংকে জেনারেল ও ক্ষতিগস্ত মিলে এ পযয়ন্ত প্রায় ৬০ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়ে। কারওয়ানবাজারে সাউথঈস্ট ব্যাংকে কথা হয় আইপিও আবেদনকারী সুমনের সঙ্গে। তিনি বলেন, সাধারণত নতুন আইপিওতে বিনিয়োগ মুনাফাজনক। কোন কোম্পানি আইপিওতে এসেই লোকসান করেনা। সে বিবেচনায় মুনাফার আশায় শাশা ডেনিমসের আইপিওতে আবেদন করছি। এ বিষয়ে শাশা ডেনিমসের এক কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে নাম না প্রকাশ করার শর্তে তিনি বলেন, আইপিও নিয়ে আমরা অনেক আশাবাদী। আগাম কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫২৭তম সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। শাশা ডেনিমস পুঁজিবাজার থেকে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহিত অর্থ দিয়ে কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণে ১৫৪ কোটি টাকা, ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ১৮ কোটি ২২ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং আইপিও খরচ বাবদ ২ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যয় করবে। শাশা ডেনিমসের শেয়ারপ্রতি ফেস ভ্যালু নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। এর সঙ্গে বাড়তি ২৫ টাকা প্রিমিয়াম মিলে শেয়ারপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। কোম্পানিটির ২০১৩ সালে ইপিএস ছিল ৩.১০ টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড ও ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড। অডিটরের দায়িত্বে পিনাকি এ্যান্ড কোম্পানি।
  • তথ্য গোপন করেছে শাশা ডেনিমস
    মূল্য সংবেদনশীল তথ্য গোপন করে পুঁজিবাজার থেকে ১৭৫ কোটি টাকা উত্তোলন করছে শাশা ডেনিমস। আর এ টাকা তুলতে গিয়ে ৭৭ কোটি টাকার সম্পদ বা মালিকানা হারাচ্ছেন উদ্যোক্তা পরিচালকরা। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরে শাশা ডেনিমসের প্রকৃত শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) ছিল ৭৯.৬৫ টাকা। আর ওই অর্থবছরের জন্য বোনাস শেয়ার দেওয়ায় রিস্টেট (পুনর্মূল্যায়নসহ) এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৬৬.৩৭ টাকা। কিন্তু কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য প্রকাশ করেনি। ৬৬.৩৭ টাকা এনএভিপিএসের শাশা ডেনিমস প্রতি শেয়ারে ৩৫ টাকা মূল্যে টাকা উত্তোলন শুরু করেছে। এতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) পরবর্তী এনএভিপিএস দাঁড়াবে ৫০.৩৮ টাকা। যেখানে আইপিও পূর্ববর্তীদের প্রতি শেয়ারে লোকসান হবে ১৬ টাকা। আর আইপিও বিজয়ীরা প্রতি শেয়ারে লাভবান ১৫.৩৮ টাকা করে। আইপিও পূর্ববর্তী শেয়ারহোল্ডারদের মোট সম্পদের পরিমাণ আছে ৩১৯ কোটি ১২ লাখ ৮২ হাজার টাকার। তবে ৩৫ টাকা মূল্যে পূঁজিবাজারে আসার কারণে তাদের এই সম্পদের পরিমাণ কমে যাবে ২৪২ কোটি ২০ লাখ ৬২ হাজার টাকা। যেখানে উদ্যোক্তা পরিচালকদের বা আইপিও পূর্ববর্তী শেয়ারহোল্ডারদের ৭৬ কোটি ৯২ লাখ ১৯ হাজার টাকার লোকসান হবে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আইপিও পূর্ববর্তী কোম্পানিটিতে মোট শেয়ার সংখ্যা আছে সাড়ে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৬ হাজার ২০০টি। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত ৫ কোটি নিয়ে যোগ হয়ে মোট দাঁড়াবে ৯ কোটি ৮০ লাখ ৬ হাজার ২০০টি। আইপিও পূর্ববর্তী প্রতি শেয়ারে শাশা ডেনিমসের সম্পদ মূল্য আছে ৬৬.৩৭ টাকা। আর আইপিওতে ৫ কোটি শেয়ার যোগ হলেও পূর্বের মতো সম্পদ যোগ হচ্ছে না। কিন্তু আইপিওতে আসা নতুন শেয়ারহোল্ডাররাও শেয়ার সংখ্যা অনুপাতে কোম্পানির মোট সম্পদের ওপর সমান অধিকার পাবেন, যাতে বিদ্যমান উদ্যোক্তা পরিচালকদের বিপুল পরিমাণ ছাড় দিতে হচ্ছে। প্রসপেক্টাসে প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী কোম্পানিটির সম্পদের ন্যায় ব্যবসায়িক সফলতাও উল্লেখ করার মতো। যেখানে সর্বশেষ অর্থবছরে ইপিএস হয়েছে ৩.৭৩ টাকা করে। তারপরও কোম্পানিটি সম্পদ মূল্য থেকে অনেক কম দরে পুঁজিবাজারে আসছে। কোম্পানিটিতে মূলধনের তুলনায় সম্পদ অনেক হলেও ফলাফল নাজুক। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানিটিতে মূলধন ৪০ কোটি টাকা হলেও শেয়ারহোল্ডারদের মোট ইক্যুইটির পরিমাণ (রিভ্যালুয়েশন সারপ্লাসসহ) ৩১৯ কোটি ১২ লাখ টাকা। ব্যবসায় এই টাকার সম্পদ ব্যবহার করা হলেও ইপিএস গণনা করা হয় পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা দিয়ে। এক্ষেত্রে ২০১৩ সালে ইপিএস হয়েছে ৩০.৭৩ শতাংশ। কিন্তু ৩১৯ কোটি টাকা দিয়ে গণনা করে রিটার্ন অন ইক্যুইটি হয় ৪.৬৮ শতাংশ, যা সম্পদ বা ইক্যুইটি ব্যবহারের তুলনায় কোম্পানিটির পারফরম্যান্স শোচনীয়। কিন্তু কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বাড়িয়ে ৭ শতাংশ দেখিয়েছে। কোনো সুযোগ নিতে চাননি বলে পুনর্মূল্যায়নসহ এনএভিপিএস দেখানো হয়নি বলে জানান কোম্পানিটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) আহসানুল হক। না দেখিয়ে প্রকৃত তথ্য গোপন করেছেন কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তা হয়নি। প্রসপেক্টাসে পুনর্মূল্যায়নজনিত সম্পদের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। আর বর্তমান বাজারের অবস্থা ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের কথা ভেবে কম দরে পুঁজিবাজারে আসছেন বলে জানান তিনি।
  • তুংহাই এখন ‘এ’ ক্যাটাগরিতে
    ডেস্ক রিপোর্ট : বস্ত্র খাতের তুংহাই নিটিং কোম্পানি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রমতে, নতুন তালিকাভূক্ত ‘এন’ ক্যাটাগরির তুংহাই নিটিং ২০১৩ সালের সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করায় ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত হয়েছে। ২০১৪ সালে তালিকাভূক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৮৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
  • ইফাদ অটোসের বুধবার লটারি
    বিশেষ প্রতিনিধি : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে (আইপিও) বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বরাদ্দ দিতে ইফাদ অটোস লিমিটেডর লটারি হবে আগামী ২৪ ডিসেম্বর, বুধবার। রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। ইফাদ অটোস লিমিটেডের সিএফও আবু সাঈদ আহমেদ রোববার মুঠোফোনে এতথ্য জানান। সূত্র জানায়, ইফাদ অটোস লিমিটেডে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে (আইপিও) বিনিয়োগকারীদের ১ হাজার ২৩ কোটি টাকার আবেদনপত্র জমা হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা ব্রোকারেজ হাউস, মাচের্ন্ট ব্যাংক ও ব্যাংকিং শাখার মাধ্যমে এসব আবেদন করেন। রোববার কোম্পানির বিশেষ একটি সূত্র এ তথ্য জানায়। সূত্র জানায়, ইফাদ অটোসের আইপিওতে ব্যাংকিং মাধ্যমে ৬৯৫ কোটি ৫২ লাখ ৭৪ হাজার টাকার আবেদনপত্র জমা পড়েছে। সিকিউরিটিজ হাউস ও মাচের্ন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ২৭০ কোটি ৯৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা ২২৬ কোটি ৬০ লাখ ৬৮ হাজার টাকার আবেদন করা হয়। বিদেশী বিনিয়োগ হয়েছে ৫৬ কোটি ৮৮ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। অন্যমাধ্যমেও আবেদন করা হয়েছে। সবমিলে ইফাদ অটোসে ১ হাজার ২৩ কোটি ৩৭ লাখ ৭৪ হাজার টাকার আইপিও আবেদন জমা হয়। তবে কোম্পানিটি ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে বলে তাদের আইপিও চাহিদাপত্রে উল্লেখ করেছে। দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৩ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির আইপিওর আবেদনপত্র জমা দানের দিনক্ষণ নির্ধারিত ছিল। বিদেশেী বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তারিখ নির্ধারিত করা হয়। নতুন ও পুরাতন উভয় পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে কোম্পানিটি আইপিও টাকা উত্তোলন করে বলে জানানো হয়। ইফাদ গ্রুপের ইফাদসহ রয়েছে মোট ৮টি প্রতিষ্টান। এরমধ্যে ৬টি কোম্পানি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বেশ ভালেভাবেই পরিচালনা করেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ইফাদ অটোস লিমিটেড, ইফাদ এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, ইফাদ অটোমোবাইলস লিমিটেড, ইফাদ এগ্রো কমপ্লেক্স লিমিটেড, ইফাদ মাল্টি প্রডাক্টস লিমিটেড ও ইফাদ মাল্টি এন্ড ক্যামিকেলস লিমিটেড। ইফাদ অটোস পুঁজিবাজারে ২ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। ইফাদ গ্রুপের ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি ফেস ভ্যালু নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। এর সঙ্গে বাড়তি ২০ টাকা প্রিমিয়াম মিলে শেয়ারপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। কোম্পানিটির ২০১২ সালে ইপিএস ছিল ২.৯৬ টাকা। ২০১৩ সালে তা বেড়ে হয়েছে ২.৯৮ টাকা এবং এরপরে ২০১৪ সালে ইপএিস প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৫.১৬ টাকায় দাঁড়ায়। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইফাদ অটোসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ১৬ পয়সা। নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ৪৪ টাকা ১২ পয়সা। কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ব্যানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং আলফা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। পেছনের খবর : ব্যাংকে আইপিও প্রাথীদের ভিড় লক্ষণীয় আরো খবর : আইপিওভুক্ত ইফাদ অটোসের ‘আমলনামা’ আরো খবর : ইফাদ অটোসে ৬৫১ কোটি টাকার আবেদন
  • সংকট না কাটলে ধাক্কা খাবে ইমাম বাটন
    ডেস্ক রিপোর্ট : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ইমাম বাটনের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান। নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ইমাম বাটন সম্পর্কে বলা হয়, চলমান সংকট কাটাতে না পারলে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানিটির কার্যক্রম ভবিষ্যতে ধাক্কা খেতে পারে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে সোমবার কোম্পানিটি সম্পর্কে নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান আনিসুর রহমান অ্যান্ড কোম্পানির এ পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএসইতে প্রকাশিত নিরীক্ষকের মতামত অনুযায়ী, কোম্পানিটির উৎপাদন ক্ষমতা কমে গেছে। চলতি বছরের ৩০ জুন সমাপ্ত আর্থিক বছরে কোম্পানিটি তাদের উৎপাদন ক্ষমতার মাত্র ২১ শতাংশ ব্যবহার করতে পেরেছে। উৎপাদন যন্ত্রপাতির কারিগরি সমস্যা, পণ্যের বাজার চাহিদা ও ক্রমাগত বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণেই মূলত বছরজুড়ে এটির উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এ অবস্থায় কোম্পানিটি টেকসই করতে হলে এটির উৎপাদন ক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশ ব্যবহার করতে হবে। নিরীক্ষকের হিসাবে কোম্পানিটির বর্তমান পরিচালন ক্ষতি বা লোকসানের পরিমাণ প্রায় এক কোটি ৩৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির অবকাঠামোগত ও পরিচালন সমস্যার সমাধান এবং আর্থিক অবস্থা ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো না হলে ভবিষ্যতে এটির চলমান কার্যক্রম ধাক্কা খেতে বা অনিশ্চয়তায় পড়তে পারে। নিরীক্ষকের এসব পর্যবেক্ষণের বিষয়ে কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে ও খুদে বার্তায় যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। চট্টগ্রামভিত্তিক বোতাম উৎপাদনকারী এ কোম্পানিটি ১৯৯৬ সালে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ২০১১ সাল থেকে কোম্পানিটি শেয়ারধারীদের কোনো ধরনের লভ্যাংশ দেয়নি। এ কারণে নিয়ম অনুযায়ী স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ কোম্পানিটিকে দুর্বল মৌলভিত্তির ‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত করেছে। সাত কোটি ৭০ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধনের এ কোম্পানিটির মোট শেয়ারের সংখ্যা ৭৭ লাখ। যার মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশ শেয়ারই রয়েছে সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে। কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৩৫ শতাংশ শেয়ার।
  • সুহৃদের পরিচালনা পর্ষদে রদবদল
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রকৌশল খাতের সুহৃদ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। কোম্পানির বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম)  ও এজিএমের মাধ্যমে এ পরিবর্তন হয়েছে। পরিবতির্ত পষর্দে কোম্পানির চেয়ারম্যান হিসেবে  মো. তুহিন রেজা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার মো. মাহমুদুল হাসান, পরিচালক হিসেবে মো. দেলোয়ার হোসেন টিটু, মাহফুজ হাসান ও স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে এনামুল কবির নির্বাচিত হয়েছেন। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রে জানা যায়,  গাজীপুরের বাইমাইল, কোনাবাড়ী কারখানা প্রাঙ্গণে ২০ ডিসেম্বর শনিবার সকালে ইজিএম ও এজিএমে কোম্পানির শেযারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নেয়া  হয়েছে। মাহমুদুল হাসান  বলেন, শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে সুহৃদ ইন্ডাষ্ট্রিজের নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। জাহিদুল হকের স্থলে আমি এমডি হিসেবে মনোনীত হয়েছি। পাশাপাশি নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে তুহিন রেজা নির্বাচিত হয়েছেন। ইজিএমে কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি থেকে ১০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে। এ ছাড়া একজন স্বতন্ত্র পরিচালককে মনোনায়ন দেওয়া হয়েছে। নতুন এমডি আরও বলেন, এজিএম শেষে আমরা পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদ প্রথম বোর্ড সভা করেছি। বোর্ড সভায় ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছি। এদিকে, সুহৃদ ইন্ডাষ্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে জাহেদুল হক দীর্ঘ ১০ বছর অবৈধভাবে স্বপদে বহাল থেকেছেন বলে জানা গেছে। এ জন্য গত ১৮ অক্টোবর লিগ্যাল এ্যাডভাইজার এ এম আমিন উদ্দিন কোম্পানি বরাবর চিঠি দিয়ে জাহেদুল হকের দায়িত্ব পালন অবৈধ বলে মত দেন অবৈধভাবে ক্ষমতায় থেকে বিশেষ সাধারণ সভা করার কোনো উদ্যোগ নেননি জাহেদুল হক। গত জুনে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলেও আইপিও প্রসপেক্টাসে এ সব বিষয় লুকানো হয়। এ বিষয়ে শেয়ারহোল্ডাররা একাধিকবার অভিযোগ করলেও তিনি জোরপূর্বক পরিচালকদের দমিয়ে রেখে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। গত ২৯ নভেম্বর অর্থমন্ত্রী ও বিএসইসির কাছে সুহৃদ ইন্ডাষ্ট্রিজের শেয়ারহোল্ডার নোমান রশিদ চৌধুরী জাহেদুল হকের বিরুদ্ধে  অভিযোগ করেন। এর ফলে গত ১৫ ডিসেম্বর বিএসইসি  তিন কার্যদিবসের মধ্যে জাহেদুল হককে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেয় । এরপর, নির্ধারিত সময়ের আগেই গত ১৮ ডিসেম্বর ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এজিএমে শেয়ারহোল্ডাররা জাহেদুল হককে অপসারণ করে নতুন এমডি হিসেবে মাহমুদুল হাসানকে মনোনীত করেন।
  • বিআইএফসির রাইট শেয়ার বিওতে
    স্টাফ রিপোর্টার : বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবে রাইট শেয়ার পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি)। বৃহস্পতিবার শেয়ার পাঠানোর কথা কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। গত ৯ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এ কোম্পানির রাইট শেয়ারের টাকা জমা নেওয়া হয়। কোম্পানিটি ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৫৯ হাজার ৯৮১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে রাইট শেয়ার ছাড়ে। বিনিয়োগকারীদের ২টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বিআইএফসি পুঁজিবাজার থেকে ৩৩ কোটি ৫৫ লাখ ৯৯ হাজার ৮১০ টাকা সংগ্রহ করেছে। এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাইট শেয়ারের আবেদন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদন দেয় বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে সংবাদ পরিবেশন করা হয়।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • সুন্দরবনের পাশে ফার্নেস তেলের বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে!
    সুন্দরবনে সাড়ে তিন লাখ লিটার তেল ছড়িয়ে পড়ায় যখন দেশের মানুষ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন ঠিক তখনই আবার সুন্দরবনের পাশে মংলায় ফার্নেস অয়েলভিত্তিক ১৫০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র করার অনুমতি দিতে যাচ্ছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এ কেন্দ্রটি নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সাউদার্ন পাওয়ারকে। দরপত্র আহ্বান ছাড়াই জরুরি বিদ্যুৎ আইনে এ কেন্দ্রটি করা হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সেখানে ফার্নেস তেলের ডিপোও করা হবে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এদিকে ফার্নেস অয়েলের এ বিদ্যুৎকেন্দ্র্রটি হলে সুন্দরবন আরো বিপন্ন হবে বলে মনে করছেন পরিবেশ আন্দোলনকর্মীরা। তাঁরা বলছেন, সরকার সুন্দরবন রক্ষায় মনোযোগী না হওয়ায় একে রক্ষার ব্যাপারে তাঁদের কোনো পরিকল্পনা নেই। বরং সরকার এমন সব পরিকল্পনা করছে যাতে সুন্দরবন উজাড় হয়ে যাবে।বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সাউদার্ন পাওয়ার মংলায় ১৪০ থেকে ১৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র করার পরিকল্পনা জমা দিয়েছে পিডিবিতে। এ কেন্দ্রটি ভারী জ্বালানি তেল ফার্নেস অয়েল দিয়ে পরিচালনা করা হবে। কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম হবে প্রায় ১৭ টাকা ৭৫ পয়সা (২২ দশমিক ১৮৫৬ মার্কিন সেন্ট)। এখানে তৈরি হবে দুই কোটি লিটার তেল রাখার একটি ডিপো। কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হবে ইপিসি কনট্রাক্টের মাধ্যমে।সূত্র মতে, সাউদার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবটি পিডিবির সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্বে) আবদুল হালিম গত ৮ ডিসেম্বর বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমতির জন্য পাঠান বিদ্যুৎসচিবের কাছে। ওই চিঠিতে তিনি বলেন, 'সাউদার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবটি যদি সরকার অনুমতির জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় তবে কেন্দ্রের জন্য প্রতিষ্ঠানটির জমি, ইপিসি কনট্রাক্টের বিস্তারিতসহ অন্যান্য ব্যাপারে জানতে চাওয়া হবে।'এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, 'এ রকম বহু প্রস্তাব প্রতিদিন পিডিবিতে জমা পড়ে। পিডিবি এসব প্রস্তাব মন্ত্রণালয় পাঠায় না। যেসব প্রস্তাব আসলে বাস্তবে রূপ নেবে বা সরকার অনুমতি দেবে কেবল সেসব প্রস্তাবই পাঠানো হয়।'জানা গেছে, ফার্নেস তেলভিত্তিক এই কেন্দ্র তৈরি হলে সেখানে যে পরিমাণ জ্বালানির প্রয়োজন হবে তা আনতে হবে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে। যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার পরিণতি হবে শ্যালা নদীতে সম্প্রতি ডুবে যাওয়া ট্যাংকারের চেয়ে ভয়াবহ।প্রস্তাবিত কেন্দ্রে কী পরিমাণ তেল লাগতে পারে জানতে চাইলে পিডিবির এক কর্মকর্তা বলেন, 'একটি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সাধারণত ৬০ থেকে ৭০ ভাগ সময় চালানো হয়। এ হিসাবে কেন্দ্রটি গড়ে সারা মাসে ২০ দিন চলবে। ১৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্র চালাতে প্রতিদিন সাড়ে ১০ লাখ লিটার তেলের প্রয়োজন হয়। যদি ১৫ থেকে ২০ দিনের মজুদ রাখতে হয় তাহলে কম করে হলেও দুই কোটি লিটারের একটি রিজার্ভার বানাতে হবে। শ্যালা নদীতে সাড়ে তিন লাখ লিটার তেল নিয়ে যে ট্যাংকারটি ডুবে গেছে, এ রকম ক্ষমতার ট্যাংকার ১৫০ মেগাওয়াটের একটি কেন্দ্রের জন্য প্রতিদিন তিনটি করে লাগবে।'এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সদস্য সচিব স্থপতি ইকবাল হাবিব ক্ষুব্ধ কণ্ঠে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে বলেন, 'সেখানে রামপালসহ কয়লাভিত্তিক দুটি কেন্দ্র করা হচ্ছে, সাইলো হচ্ছে। এর মধ্যে আবার ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হবে। আসলে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বঞ্চিত করছি।' তিনি আরো বলেন, 'বাংলাদেশ বাঁচাতে হলে সুন্দরবনের পাশে এসব তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।'এ বিষয়ে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আনু মুহাম্মদ বলেন, 'সরকার হাতে ধরে, পরিকল্পনা করে নিজেদের সম্পদ ধ্বংস করছে। এমনিতেই সুন্দরবনের মহাপ্রাণ আজ মহাসংকটে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ও কেন্দ্রের ফার্নেস অয়েলের তেলের ডিপো হলে সুন্দরবন আরো সংকটের মধ্যে চলে যাবে। এমনকি মংলা বন্দরও সংকটে থাকবে।' তিনি আরো বলেন, 'দেশের যেখানে শক্তি ও সম্ভাবনা আছে সরকার সেদিকে না তাকিয়ে কতিপয় দলীয় লোককে সুবিধা দেওয়ার জন্যই বিদ্যুৎ খাতে এসব ভ্রান্তনীতি নিচ্ছে। এতে বিদ্যুৎ সংকটের কোনো সমাধান হবে না।'   সুত্র -কালের কণ্ঠ 
  • ব্যাংক ঋণের চাহিদা বাড়ছে না
    রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলেও ব্যাংক ঋণের চাহিদা বাড়ছে না। এতে ব্যাংকগুলোতে বিপুল অংকের অলস টাকা পড়ে আছে। বিদেশী উৎস থেকে ঋণ গ্রহণও ব্যাংক ঋণের চাহিদা না বাড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে নতুন শিল্প স্থাপনের জন্য জ্বালানি ও অবকাঠামোসহ প্রয়োজনীয় পরিবেশের ঘাটতি থাকায় উদ্যোক্তারা বিনিয়োগের জন্য ঋণ নিতে আগ্রহী হচ্ছেন না। আমানত ও ঋণ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, পুরো ব্যাংকিং খাত বাজার থেকে যতো আমানত সংগ্রহ করেছে তার ৭১ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে পেরেছে। বিধি অনুযায়ী, আমানতের ৮১ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে পারে ব্যাংক। সেই হিসেবে আমানতের ১০ শতাংশের বেশি অর্থ অলস পড়ে আছে। ১৫ অক্টোবর শেষে ব্যাংকিং খাতে মোট আমানত (আন্তঃব্যাংক বাদে) ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা। এসময়ে ব্যাংকিং খাতে ঋণ বিতরণ হয়েছে ৫ লাখ ৩ হাজার ৪ কোটি টাকা, যা মোট আমানতের ৭০ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এই সময়ে গত বছরের তুলনায় আমানতে ১৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও ঋণ বিতরণে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ। সংঘাতময় বছর পেরিয়ে নির্বাচনের পর রাজনীতিতে স্বস্তি এলেও সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে তার প্রভাব দেখা যায়নি। চলতি চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) ২১ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়িত হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার এবং নির্বাচনের আগে ব্যাপক সংঘাতময় থাকলেও গত অর্থবছরের ওই পাঁচ মাসে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ২০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্র্যাক, শাহজালাল ইসলামী, প্রাইম ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের ঋণ বিতরণ গত বছরের একই সময়ের চেয়ে কমেছে। এছাড়া বিদেশী ব্যাংকগুলোর মধ্যে ঋণ বিতরণে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি রয়েছে সাতটি ব্যাংকের। এগুলো হচ্ছে- স্টান্ডার্ড চার্টার্ড, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, সিটি ব্যাংক এনএ, ওরি ব্যাংক ও আল ফালাহ ব্যাংক। এছাড়া বেশকিছু সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক রয়েছে, যাদের ঋণ বিতরণের হার ৬০ শতাংশের নিচে।   সুত্রঃ  ইন কিলাব
  • ৬০ শতাংশ অ্যাকাউন্ট সুপ্ত
    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে চমৎকার একটি তথ্য উঠে এসেছে। দেখা গেছে, দেশের ব্যাংকগুলোতে যত অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে, তার ৬০ শতাংশই সুপ্ত। অর্থাৎ, এসব অ্যাকাউন্টে কোনো লেনদেন হয় না। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি বছর ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের ব্যাংকগুলোতে হিসাবের সর্বমোট সংখ্যা ৬ কোটি ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৯৭৩টি। এই হিসাবে জমার পরিমাণ ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪০ কোটি ২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জমা রয়েছে_ এমন হিসাবের সংখ্যা ৩ কোটি ৮২ লাখ ১৭ হাজার ৪৫৩টি, যা মোট হিসাবের প্রায় ৬০ শতাংশ। আর এই ৬০ শতাংশ হিসাবে জমা রয়েছে মাত্র ২ হাজার ১১৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। হিসাব অনুযায়ী, গড়ে প্রতিটি হিসাবে জমা মাত্র ৫৫৪ টাকা, যা মোট আমানতের শূন্য দশমিক ৩২ শতাংশ।তথ্য অনুযায়ী, বাকি ৪০ শতাংশ হিসাবে জমা রয়েছে ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৩২১ কোটি ৩ লাখ টাকা, যা মোট জমার ৯৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সুত্র - যায়যায় দিন
  • ব্যাংক খাতে আমানত বাড়লেও কমছে ঋণ বিতরণ
    ব্যাংক খাতে একদিকে বাড়ছে গ্রাহকদের জমা করা আমানত, অন্যদিকে কমছে ঋণ বিতরণ। ফলে ব্যাংকে বাড়ছে অলস টাকার পরিমাণ। বিনিয়োগ মন্দায় ৯টি ব্যাংকের ঋণ বিতরণ প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক পর্যায়ে রয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে সামগ্রিক ব্যাংক খাতে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমানত বেড়েছে ১৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। আর ঋণ বেড়েছে মাত্র ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বিধি অনুযায়ী, কোনো ব্যাংক ১০০ টাকা আমানত সংগ্রহ করলে তা থেকে ৮১ টাকা ঋণ বিতরণ করে বাকি ১৯ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে বিধিবদ্ধ জমা হিসাবে রাখতে হয়। কিন্তু আমানত ও ঋণ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা যায়, পুরো ব্যাংকিং খাত বাজার থেকে যত আমানত সংগ্রহ করেছে তার মাত্র ৭০ দশমিক ৯৮ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে পেরেছে। অর্থাৎ ব্যাংক খাতে বিতরণযোগ্য ঋণ অলস পড়ে থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকগুলো তা বিনিয়োগ করতে পারছে না। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন কারণে গত বছর ব্যাংকগুলোতে আমানতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও দেশে বিনিয়োগ শূন্যতার কারণে ব্যাংকগুলো বিতরণ করতে পারেনি। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে ঘটে যাওয়া অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ব্যাংকগুলোও ঋণ বিতরণে বেশি সতর্ক ছিল। সব মিলিয়ে ব্যাংকগুলোতে প্রচুর পরিমাণে অলস টাকা জমতে শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, উদ্যোক্তাদের মধ্যে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। এ কারণে পরিকল্পনা থাকলেও ঝুঁকি নিয়ে অনেকেই বিনিয়োগ করতে চাইছেন না। এ ছাড়া হলমার্ক, বিসমিল্লাহসহ বেশ কিছু বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির তথ্য ফাঁস হওয়ার পর স্বীকৃত বিল বেচাকেনার ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ভৌত অবকাঠামো দুর্বলতার কারণে বিনিয়োগ চাহিদা কম রয়েছে। এতে করে ব্যাংকের ঋণ বিতরণ কমেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে ব্যাংকগুলোর আমানতের পরিমাণ ছয় লাখ ৭৬ হাজার ৯৮৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। একই সময়ে ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের পরিমাণ পাঁচ লাখ তিন হাজার চার কোটি ২৭ লাখ টাকা। ফলে ঋণ ও আমানতের গড় অনুপাত (এডিআর) দাঁড়িয়েছে ৭০ দশমিক ৯৮ শতাংশ। রাষ্ট্রীয় মালিকানার সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালীর মোট আমানত এক লাখ ৭০ হাজার ৮৯৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ঋণ বিতরণের পরিমাণ ৯৬ হাজার ৫৬৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। সামগ্রিকভাবে এ সময়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণ বেড়েছে চার দশমিক ৬৪ শতাংশ। আর আমানত বেড়েছে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ। রাষ্ট্রীয় মালিকানার ব্যাংকগুলোর মধ্যে একমাত্র সোনালী ব্যাংকে ঋণ বিতরণের পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ২৩ শতাংশ কমেছে। এ সময়ে বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর ঋণ বেড়েছে ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আর আমানত বেড়েছে ১৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে ৪টি বেসরকারি খাতের ব্যাংকের ঋণ বিতরণ কমলেও সামগ্রিকভাবে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। আর আমানতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এ সময়ে আইসিবি ইসলামিক, প্রাইম, শাহজালাল ইসলামী ও ব্র্যাক ব্যাংকের ঋণ বিতরণ প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে ঋণ বিতরণে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি রয়েছে সাতটি ব্যাংকের। এগুলো হচ্ছে স্টান্ডার্ড চার্টার্ড, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, সিটি ব্যাংক এনএ, ওরি ব্যাংক, এইচএসবিসি ব্যাংক ও আল ফালাহ ব্যাংক। সুত্র -মানব কণ্ঠ 
  • সাড়ে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আশা করছে ভারত
    আগামী ২০১৫ সালের মার্চ মাসে চলতি অর্থবছর শেষে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ হবে বলে আশা করছে ভারত। টাইম অব ইন্ডিয়া এবং রয়টার্সে গত ১৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রবৃদ্ধির ব্যাপারে এই আশাবাদ ব্যক্ত করে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় শুক্রবার ভারতীয় আইনসভায় একটি পূর্বাভাস প্রতিবেদন পেশ করেছে। যদি পূর্বাভাসটি বাস্তবে রূপ লাভ করে, তাহলে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারায় উন্নতি ঘটবে। কেননা, গত দুই অর্থবছর ধরে ভারতের প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। সুত্র - যায়যায় দিন
  • বাংলাদেশের সক্ষমতা হারানোর আশংকা বিশ্বব্যাংকের
    তৈরি পোশাক খাতে কমপ্লায়েন্স (নিরাপদ কর্ম পরিবেশ) ইস্যুতে দীর্ঘ মেয়াদি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সক্ষমতা হারাতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের বাজারে রফতানিতে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হলেও কমছে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে। যেখানে প্রতিযোগী দেশগুলোর রফতানি প্রবৃদ্ধি ক্রমেই বাড়ছে। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ভারত শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলে বাংলাদেশকে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করাসহ পোশাকখাতের উন্নয়নে সরকার ও বিজিএমইএ’কে আরও উদ্যোগী হতে হবে। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ওপর সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে এসব বিষয়।বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছর অর্থাৎ ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রফতানি বাড়বে। তবে এজন্য শ্রমিক অধিকার ও নিরাপদ কাজের পরিবেশ তথা কমপ্লায়েন্স ঘাটতি দ্রুত উন্নতি করতে হবে। নতুবা দীর্ঘ মেয়াদে বহির্বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা হারাতে পারে। তবে পোশাক খাত নিয়ে বেশ কিছু আশার কথাও বলা হয়েছে প্রতিবেদনে। দাতা সংস্থাটি বলছে, চীনের পর বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ক্রেতাদের কাছে এখনও বাংলাদেশ পছন্দের জায়গা। এর কারণ হিসেবে শ্রম মজুরি অপেক্ষাকৃত কম, শ্রমিক সংখ্যা পর্যাপ্ত, কর্মদক্ষতা ও পণ্যের ভালো মানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাকের রফতানি বেড়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রফতানি প্রবৃদ্ধি কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রফতানি প্রবৃদ্ধি কমে মোট রফতানি হয়েছে ৫১৪ কোটি ডলার। নিট এবং ওভেন উপখাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ ও ২ শতাংশ। সার্বিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রফতানি বেড়েছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ।যা আগের বছর একই সময়ে এর হার ছিল বেশি।বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া একটা সর্তক বার্তা। ২০১২-১৩ অর্থবছরে প্রথম ৬ মাসে প্রবৃদ্ধি ছিল আগের বছরের তুলনায় ১৩ দশমিক ২ শতাংশ। কিন্তু পরের বছরে একই সময়ে এই বাজারে প্রবৃদ্ধির হার কমেছে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মোট রফতানিতে বাংলাদেশের অংশও কমেছে। এর কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রানা প্লাজার দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশের কমপ্লায়েন্স ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বায়াররা। শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে তারা শঙ্কিত। এজন্য প্রবৃদ্ধি হ্রাসের ধারাবাহিকতা চলতি অর্থবছরেও অব্যাহত রয়েছে। কেননা চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে তার আগের বছরের তুলনায় রফতানি হার ৮ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনামের রফতানির হার বেড়েছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে ভিয়েতনামের রফতানির হার ছিল সাড়ে ৯ শতাংশ। পরের বছরে এ হার দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৬ শতাংশে।এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন যুগান্তরকে বলেছেন, তৈরি পোশাক রফতানিতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সরকার, মালিক পক্ষ ও বায়ারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। কমপ্লায়েন্স ইস্যুতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় এখনই পিছিয়ে যাচ্ছে বলা যাবে না। তবে দীর্ঘ মেয়াদে এই ইস্যু ঝুলিয়ে রাখলে সক্ষমতা হারানোর আশংকাটি বাস্তবে রুপ নিতে পারে।বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পোশাক ক্রয়ে এখনও চীনের পরে বাংলাদেশকেই আমলে আনে ক্রেতারা। অর্থাৎ চীনের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশকেই ভাবছে তারা। রানা প্লাজার দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানির পর গার্মেন্টে ৭৭ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও প্রতিযোগী দেশের তুলনায় শ্রম মজুরি এখনও কম। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিযোগী ১০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের মজুরি এখন দ্বিতীয় সর্বনিু, মাসিক ৬৮ মার্কিন ডলার প্রায়। শুধু মিয়ানমারের শ্রমিকরা এর চেয়ে কম মজুরি পায় (মাসে ৫০ থেকে ৬০ ডলার)। তবে তৈরি পোশাক রফতানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। এক্ষেত্রে প্রথম চীন। চীনের শ্রমিকদের মাসিক মজুরি হচ্ছে ১৩৪ দশমিক ৫ থেকে ২৯৩ ডলার।এদিকে মিয়ানমারে শ্রমিকদের নিু মজুরির কারণে অনেক পোশাক ক্রেতা আগ্রহী হলেও তা এখনই বাংলাদেশের পর্যায়ে আসতে পারবে না বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে। এর কারণ মজুরি কম হলেও অবকাঠামো খাতে দেশটি এখনও অনেক পিছিয়ে আছে। অন্যদিকে পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভিয়েতনামেও মজুরি দিন দিন বাড়ছে। দেশটিতে বতর্মানে নিুতম মজুরি ৮৮ দশমিক ৭ থেকে ১২৬ ডলার, যা বাংলাদেশ থেকে অনেক বেশি। ২০১৫ সালে এই মজুরি আরও ১৪ থেকে ১৮ ডলার বাড়বে।পোশাক রফতানিকারক আরেক দেশ কম্বোডিয়ার পরিস্থিতিও সুবিধাজনক নয়। দেশটিতে মজুরি বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষ চলছে। বর্তমানে কম্বোডিয়ার শ্রমিকরা সর্বনিু ১০০ ডলার মজুরি পান। দাবি বাস্তবায়িত হলে মজুরি ১৬০ ডলারে দাঁডাবে। সুত্র -যুগান্তর  রিপোর্ট
  • বন্ধ হচ্ছে ছোট পোশাক কারখানা
    ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিদেশি ক্রেতাদের সংগঠন একর্ড ও অ্যালায়েন্সের নিরীক্ষায় গত ছয় মাসে শুধু চট্টগ্রামে একে একে বন্ধ হয়ে গেছে ৮০টির বেশি পোশাক কারখানা। কমপ্লাইয়েন্স দুর্বলতা এবং অর্ডার না পেয়ে সারা দেশে প্রায় অনেক ছোট কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। অথচ একই সময়ে অতিরিক্ত অর্ডারের চাপ সামলাতে কারখানা সম্প্রসারণ করছে বড় নামি প্রতিষ্ঠানগুলো।চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশের হিসাবে, জুন মাসের পর থেকে এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৪০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। আর পোশাক শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের হিসাবে বন্ধ হওয়া কারখানার পরিমাণ ৮০টির বেশি। এই কারখানাগুলোর বেশির ভাগ বন্ধ হয়েছে কমপ্লাইয়েন্সগত কারণে অর্ডার না পেয়ে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম ইপিজেডে অবস্থিত ইয়াংওয়ান গ্রুপ, প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেড, রিজেন্সি, কেনপার্ক, ইউনিভোগ, মুডিস্ট এবং ইপিজেডের বাইরে ফোর এইচ গ্রুপ তাদের কারখানা সম্প্রসারণ করছে অতিরিক্ত অর্ডার সামাল দিতে। কারণ বিদেশি বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো কমপ্লাইয়েন্সের ব্যাপারে ছাড় দিতে রাজি নয়। বায়ারদের এই মনোভাব বুঝতে পেরে সম্প্রসারণে মনোযোগী হয়েছে বড় পোশাক কারখানাগুলো।চট্টগ্রাম ইপিজেডে দুটি পুরনো প্রতিষ্ঠান কিনে সেখানে কারখানা সম্প্রসারণ করছে প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপ। এনএইচটি ফ্যাশন নামের কারখানাটি চালু হলে প্যাসিফিকের উৎপাদন ক্ষমতা আরো ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বাড়বে।প্যাসিফিক জিন্সের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, 'বর্তমানে তাঁদের দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা এক লাখ জিন্স। নতুন কারখানাটি চালু হলে উৎপাদন তা এক লাখ ২৫ হাজারে উন্নীত হবে।' একই ইপিজেডে অবস্থিত শ্রীলঙ্কান মালিকানার রিজেন্সি ও ইউনিভোগ বহুতল ভবন তৈরি করছে।বন্ধ হচ্ছে ছোট পোশাক কারখানাফোর এইচ গ্রুপের একজন কর্মকর্তা জানান, চাপ সামলাতে আমরা আগে কিছু সাব-কন্ট্রাকে কিছু কাজ করাতাম। কিন্তু ক্রেতাদের চাহিদার কারণে এগুলো বন্ধ করে দিয়েছি। ফলে স্বাভাবিকভাবে আমাদের নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। এ কারণেও নতুন কর্তৃপক্ষ নতুন কারখানার দিকে মনোযোগ দিয়েছে।চট্টগ্রামের মতো একই অবস্থা ঢাকায়। এ দেশে গার্মেন্টশিল্পের গত ৩০ বছরের ইতিহাসে এবারই গার্মেন্টের সংখ্যা না বেড়ে উল্টো কমেছে। বিজিএমইএর হিসাবে, ১৯৮৪-৮৫ অর্থবছরে দেশে গার্মেন্টের সংখ্যা ছিল ৩৮৪টি এবং এতে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ ২০ হাজার। এরপর ধারাবাহিকভাবেই গার্মেন্ট এবং শ্রমিকের সংখ্যা বেড়েছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরেও দেশে বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত কারখানার সংখ্যা ছিল পাঁচ হাজার ৬০০টি। কিন্তু ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এই কারখানার পরিমাণ কমে এসে দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৫৩৬টি। গার্মেন্টশিল্পের ইতিহাসে এবারই প্রথম কারখানা কমার ঘটনা ঘটল। এর বেশির ভাগই ঢাকাকেন্দ্রিক।ঢাকার স্ক্যানডেক্স নিটওয়্যার লিমিটেডের গ্রুপ মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ, প্রশাসন এবং কমপ্লাইয়েন্স) মোহাম্মদ ইউসুফ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'একর্ড ও অ্যালায়েন্সভুক্ত সব ক্রেতা অগ্নি, ভবন ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা যাচাই-বাছাই করে। ছোট কারখানাগুলো ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সব নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। এ ছাড়া চাহিদা অনুযায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিতে যে বিপুল পরিমাণ টাকার প্রয়োজন সেটার সংস্থান করাও ছোট কারখানার মালিকদের পক্ষে সম্ভব হয় না। আর ঝুঁকি নিতে চায় না বলে বড় বায়াররাও কমপ্লাইয়েন্স কারখানায় অর্ডার সরিয়ে নিচ্ছে। ফলে সাব-কন্ট্রাকের কিংবা ছোট কারখানাগুলোর টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।আন্তর্জাতিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান গ্যাপের একজন মার্চেন্ডাইজার নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, 'রানা প্লাজা ও তাজরীন ট্র্যাজেডির পর আমাদের প্রতিষ্ঠান কমপ্লাইয়েন্সকে খুবই গুরুত্ব দিচ্ছে। এ কারণে আগে কিছু ছোট ফ্যাক্টরিকে কাজ দিলেও এখন সে ব্যাপারে আমরা খুবই সতর্ক। তা ছাড়া আমরা এখন কারখানার সক্ষমতাও যাচাই করি। এসব বিচারে অনেক সময় ছোট কারখানাগুলো বাদ পড়ে যায়।'কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে প্রচুর অর্ডার থাকা সত্ত্বেও তা ধরে রাখা যাচ্ছে না বলে জানান বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি ও ইনডিপেনডেন্ট অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম আবু তৈয়ব। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'দুঃসময়টা মনে হচ্ছে আমরা কাটিয়ে উঠেছি। একর্ড ও অ্যালায়েন্স তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ভালো কারখানা ছাড়া তারা অর্ডার দেবে না। জানুয়ারি মৌসুমের জন্য প্রচুর অর্ডার পাচ্ছি। কিন্তু অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৪০ শতাংশ কমে গেছে। এ কারণে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় প্রচুর অর্ডার চলে যাচ্ছে। এ কারণে মনে হচ্ছে চলতি অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাত বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারবে না।' সুত্র -সমকাল
  • ভারতে পেট্রল ও ডিজেলের দর ২ রুপি কমল
    আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমাগত জ্বালানি তেলের দাম পড়তে থাকায় দেশীয় বাজারেও দাম কমাল ভারত। দেশটিতে পেট্রল ও ডিজেলের দর লিটারপ্রতি দুই রুপি করে কমানো হয়েছে। গত সোমবার ভারতে জ্বালানির খুচরা ব্যবসায় সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন দাম কমানোর এ ঘোষণা দেয়। এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে গত আগস্ট মাস থেকে টানা অষ্টমবার পেট্রলের দাম কমানো হলো এবং অক্টোবর থেকে টানা চতুর্থবার কমল ডিজেলের দাম। নতুন দাম অনুযায়ী দিল্লিতে পেট্রলের দাম লিটারপ্রতি ৬৩.৩৩ রুপি থেকে কমে হয়েছে ৬১.৩৩ রুপি, যা ৪৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। ডিজেলের দাম ৫২.৫১ রুপি থেকে কমে হয়েছে ৫০.৫১ রুপি, যা ২০১৩ সালের জুলাইয়ের পর থেকে সর্বনিম্ন। দেশটিতে কর ও ভ্যাটের কারণে রাজ্যভেদে জ্বালানির দামও কমবেশি হয়। গত আগস্ট থেকে ভারতে পেট্রলের দাম লিটারপ্রতি ১২.২৭ রুপি কমানো হলো। অক্টোবর থেকে ডিজেলের দাম কমানো হলো ৮.৪৬ রুপি। প্রসঙ্গত, চলতি বছর বিশ্ববাজারে পড়তির দিকে রয়েছে জ্বালানি তেলের দর। শুধু গত জুন থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে প্রায় ৫০ শতাংশ। এতে ভারত সরকারও ক্রমান্বয়ে দেশীয় বাজারে দাম কমাচ্ছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া। Source : কালের কণ্ঠ
  • উন্নয়নশীল বিশ্ব থেকে এক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থপাচার
    বিশ্বব্যাপী অবৈধ আয় ও অর্থপাচার বাড়ছে। আর এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। সম্প্রতি দুর্নীতি প্রতিরোধ সংস্থা গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির (জিএফআই) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১২ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থপাচার হয়েছে, যা এ দেশগুলোতে রেকর্ড পরিমাণ দুর্নীতি, অর্থপাচার এবং অবৈধ বাণিজ্যের বিষয়টি স্পষ্ট করে। ওয়াশিংটনভিত্তিক এ সংস্থা জানায়, ২০০৩ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এক দশকে বিশ্বে প্রতিবছর অবৈধ অর্থপাচারে প্রবৃদ্ধি এসেছে ৯.৪ শতাংশ হারে, যা বিশ্বে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দ্বিগুণ। সবচেয়ে বেশি অর্থপাচার হয়েছে ওই সব দেশগুলো থেকে যাদের অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ দুর্বল। ২০১২ সালে উন্নয়নশীল যে দেশগুলো থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থপাচার হয় এতে শীর্ষ দশের মধ্যে- চীন থেকে পাচার হয় ২৪৯.৫৭ বিলিয়ন ডলার, রাশিয়া থেকে ১২২.৮৬ বিলিয়ন ডলার, ভারত থেকে ৯৪.৭৬ বিলিয়ন ডলার, মেক্সিকো থেকে ৫৯.৬৬ বিলিয়ন ডলার, মালয়েশিয়া থেকে ৪৮.৯৩ বিলিয়ন ডলার, সৌদি আরব থেকে ৪৬.৫৩ বিলিয়ন ডলার, থাইল্যান্ড থেকে ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার, ব্রাজিল থেকে ৩৩.৯৩ বিলিয়ন ডলার, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ২৯.১৩ বিলিয়ন ডলার এবং কোস্টারিকা থেকে ২১.৫৫ বিলিয়ন ডলার। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১২ সালে উন্নয়নশীল এবং উদীয়মান দেশগুলো থেকে মোট বহির্মুখী অবৈধ অর্থ প্রবাহ ছিল ৯৯১.২ বিলিয়ন ডলার, যা এ দেশগুলোর বিদেশি বিনিয়োগ ও সহায়তা আয়ের সমষ্টির চেয়েও বেশি। এ ছাড়া গত এক দশকে শুধু চীন থেকেই বছরে অর্থের বহির্মুখী প্রবাহ ছিল প্রায় ১২৫ বিলিয়ন ডলার করে। গবেষণার অন্যতম সহকারী অর্থনীতিবিদ জোশেফ স্পেঞ্জার্স বলেন, ২০১২ সালে উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে অর্থক্ষরণ হয়েছে ট্রিলিয়ন ডলার। যে অর্থ স্থানীয় ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা অথবা অবকাঠামোতে বিনিয়োগ হতে পারত। এ অর্থ সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারত এবং বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারত। প্রতিবেদনে বলা হয়, পুরো এক দশকে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে অর্থ পাচার হয়েছে ৬.৬ ট্রিলিয়ন ডলার, যা বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় ৪ শতাংশের সমান। অর্থপাচারের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা এবং সাবসাহারা আফ্রিকা অঞ্চল। দেশগুলো থেকে অর্থপাচারের মূল মাধ্যম ছিল বাণিজ্যিক লেনদেন। আমদানি বা রপ্তানির ছলে ব্যবসায়ীদের পক্ষে অর্থ বাইরে পাচার করা সম্ভব হয়েছে। জিএফআই এর মতে, প্রত্যেক দেশের আলাদা প্রচেষ্টার পাশাপাশি জাতিসংঘকে অবৈধ অর্থপাচার মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ তা না হলে বিশ্বে দারিদ্র্য কমানো যেমন কঠিন হবে তেমনি প্রবৃদ্ধি জোরালো করাও সহজ হবে না। জিএফআই প্রেসিডেন্ট রেমন্ড বেকার বলেন, 'এ সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে বিশ্বনেতারা যদি মুখোমুখি না বসেন তবে টেকসই বিশ্ব উন্নয়ন অর্জন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।' তিনি বলেন, 'জাতিসংঘের উচিত হবে ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট অবৈধ অর্থপ্রবাহ অর্ধেকে নামিয়ে আনতে আগামী বছরই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা। এটি করতে হবে টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডার অধীনে।   Source : কালের কণ্ঠ
  • এক লাফে রাশিয়ায় নীতি সুদের হার ১৭% হলো
    মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে আরেক দফা বাড়ল রাশিয়ার নীতিনির্ধারণী সুদের হার। রাশিয়ার মুদ্রা রুবলের অব্যাহত দরপতন ঠেকাতে এ পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক অব রাশিয়া।গত সোমবার মধ্যরাতে সুদের হার এক লাফে বাড়িয়ে ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে ১৭ শতাংশ করা হয়েছে। চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত দেশটির নীতি সুদের হার ছিল ৮ শতাংশ। অক্টোবর থেকে দুই দফা বাড়িয়ে তা গত সপ্তাহে সাড়ে ১০ শতাংশ করা হয়। ১৯৯৮ সালের পর রুবলের দরপতন চলতি সপ্তাহে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসার পর অনেকটা বাধ্য হয়েই এ ব্যবস্থা নিল ব্যাংক অব রাশিয়া।অর্থনীতির সাধারণ সূত্র অনুযায়ী, ব্যাংক সুদের হার বাড়লে তা বাজার অর্থনীতিতে মুদ্রার প্রবাহ কমিয়ে দেয়। এর ফলে মুদ্রার ভিত্তি শক্তিশালী হয়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও তা ভূমিকা রাখে। এ দুটো বিষয় নিয়ন্ত্রণেই মূলত উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।জ্বালানি তেলের অব্যাহত দরপতন ও পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞায় কঠিন সময় পার করছে রাশিয়ার অর্থনীতি। চলতি বছরই মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুবলের দাম পড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। সুদের হার বাড়ানোর ঘোষণার আগে এক ডলারের বিনিময় মূল্য ছিল ৬৭ রুবল। আর ঘোষণার পর পরই তা ৫৮ রুবলে নেমে আসে, যদিও দিন শেষে ওই বিনিময় মূল্য গিয়ে ঠেকে ৬২ রুবলে। প্রতি ডলারের বিপরীতে বিনিময় হার ৬০ রুবলের বেশি হলে সেটাকে দেশটির জাতীয় মুদ্রার জন্য খারাপ মনে করা হয়।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অগ্রসরমান অর্থনীতির দেশগুলোতে মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঠেকাতে সুদের হার বাড়ানোর এমন আগ্রাসী নীতির ব্যবহার আগেও দেখা গেছে। চলতি বছরের শুরুতে তুরস্ক তাদের মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঠেকাতে এ পদক্ষেপ নিয়েছিল। চলতি বছরের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী, ইউক্রেনের মুদ্রা রিভনিয়ার পর সবচেয়ে বাজে সময় পার করছে রুবল।সুদের হার বাড়ানোর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে রাশিয়ার পুঁজিবাজারে। দেশটির বৃহত্তম ব্যাংক বার ব্যাংকের শেয়ারের দাম কমেছে ৬ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর রাষ্ট্রায়ত্ত তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রজনেফত শেয়ারের দাম কমেছে চার দশমিক ৪০ শতাংশ। চলতি ডিসম্বেরে এখন পর্যন্ত রাশিয়ার পুঁজিবাজারের প্রধান সূচক ডলারের অর্থমূল্যে ২৬ শতাংশ কমে গেছে।   Source : প্রথম আলো 
  • বাংলাদেশ থেকে পাচার ১৪ হাজার কোটি টাকা
    বাংলাদেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচার এক বছরে প্রায় তিন গুণ বেড়ে গেছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) নতুন হিসাব অনুসারে, ২০১২ সালে বাংলাদেশ থেকে অন্তত ১৭৮ কোটি ডলার বা ১৩ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা অবৈধ পথে বিভিন্ন দেশে চলে গেছে। আর ২০১১ সালে পাচার হয়েছিল অন্তত ৬০ কোটি ডলার, যা টাকার অঙ্কে চার হাজার ৬৩০ কোটি।যে পরিমাণ অর্থ ২০১২ সালে অবৈধ পথে বাইরে চলে গেছে, তা বাংলাদেশের চলতি অর্থবছরের স্বাস্থ্য বাজেটের চেয়েও বেশি। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে ১১ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।জিএফআই ‘ইলিসিট ফাইন্যান্সিয়াল ফ্লোজ ফ্রম ডেভেলপিং কান্ট্রিজ: ২০০৩-১২’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি গতকাল মঙ্গলবার বিশ্বব্যাপী প্রকাশ করেছে। এতে বিশ্বের উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলো থেকে গত এক দশকে কী পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে বাইরে চলে গেছে, তার প্রাক্কলন করা হয়েছে।পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, নির্বাচনের সময় যখন ঘনিয়ে আসে, তখন আসন্ন অনিশ্চয়তার কারণে অর্থ পাচার বেড়ে যায়। এ কারণেই ২০০৫ ও ২০০৬ সালে বেড়েছে, আবার ২০১২ সালে বেড়েছে। যাঁরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অর্থসম্পদ গড়েন, তাঁরা টাকা পাচার করেন। এর পাশাপাশি সম্প্রতি দেশের বড় বড় শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী নিজেদের পরিবার এবং সন্তানদের নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তার জন্য বিভিন্নভাবে অর্থ বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা মনে করছেন, তাঁরা যেভাবে ব্যবসা, কারখানা ও সম্পদ এ দেশে গড়ে তুলেছেন, তাঁদের সন্তানেরা তা পারবে না।আইএমএফের এই সাবেক কর্মকর্তা মনে করেন, আগামী দিনেও এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। কোনো আইন করে এটা ঠেকানো যাবে না। কেননা, টাকা পাচারের বিষয়টি অনেকাংশে সুশাসনের সঙ্গে জড়িত।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে জিএফআই উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে ২০০২-২০১১ সময়কালের টাকা পাচারের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। বর্তমান প্রতিবেদনটি সেটিরই সংশোধিত ও হালনাগাদকৃত রূপ। হিসাবে কিছুটা সংশোধন হওয়ায় গতবারের থেকে এবারের হিসাবে বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচারের পরিমাণের ক্ষেত্রেও বেশ পরিবর্তন দেখা গেছে।যেমন, গতবারের হিসাব অনুসারে ২০১১ সালে বাংলাদেশ থেকে অন্তত ২৮০ কোটি ডলার পাচার হয়েছিল। হালনাগাদ হিসাবে এটি কমে হয়েছে মাত্র ৬০ কোটি ডলার। একইভাবে নতুন হিসাবে ২০১০ সালে পাচার হয়েছে ৬৭ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা গতবারের হিসাবে ছিল ২১৯ কোটি ডলার। আর ২০০৯ সালে পাচার হয়েছে ১০৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা আগের হিসাবে ছিল ১৪০ কোটি ৬০ লাখ ডলার। তবে ২০০৫ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত সময়কালে গতবারের প্রাক্কলনের সঙ্গে নতুন প্রাক্কলনে খুব বড় ব্যবধান নেই।অবৈধভাবে অর্থ বাইরে চলে যাওয়ার প্রাক্কলনে এক বছরের ব্যবধানে কেন এত বড় পার্থক্য দেখা দিল? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে চাওয়া হয়েছিল জিএফআইয়ের কাছে। ই-মেইল জবাবে জিএফআইয়ের যোগাযোগ পরিচালক ক্লার্ক গাসকোয়ান প্রথম আলোকে বলেন, ‘জিএফআই অর্থ পাচারের হিসাব নির্ণয় করে থাকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিভিন্ন পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে। আইএমএফ নিয়মিতই এসব পরিসংখ্যান সংশোধন ও হালনাগাদ করে। ফলে জিএফআইকেও হালনাগাদ পরিসংখ্যান ধরে অর্থ পাচারের প্রাক্কলন করতে হয়। আর তাই এক বছরের ব্যবধানে সর্বশেষ চার বছরের পাচার হয়ে যাওয়া টাকার পরিমাণে অনেক পার্থক্য দেখা দিয়েছে। তবে পুরোটাই রক্ষণশীল হিসাব। পাচার করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ আরও বেশি হবে।’জিএফআই ১৫১টি দেশের অর্থ পাচারের হিসাব প্রাক্কলন করেছে। এই তালিকায় বাংলাদেশর অবস্থান ৫১তম। নতুন প্রাক্কলন অনুসারে এক দশকে (২০০৩-২০১২) বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক হাজার ৩১৬ কোটি ডলার (এক লাখ কোটি টাকা) পাচার হয়েছে। তার মানে এই সময়কালে গড়ে প্রতিবছর পাচার হয়েছে ১৩১ কোটি ৬০ লাখ ডলার।আলোচ্য ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচার হয়েছে ২০০৬ সালে, যার পরিমাণ ২৬৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। টাকার অঙ্কে ২০ হাজার ৫৭৬ কোটি। তারপর ২০০৭ সালে পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ ২৪৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার (১৮ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা)।জিএফআইয়ের প্রধান অর্থনীতিবিদ ডেভ কার ও অর্থনীতিবিদ জোসেফ স্পানজারস উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে টাকা পাচারের হিসাব নির্ণয় করেছেন। ডেভ কার এর আগে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অর্থনীতিবিদ ছিলেন। তাঁরা বিভিন্ন দেশের লেনদেনের ভারসাম্য ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করেছেন। এসব পরিসংখ্যান নেওয়া হয়েছে আইএমএফের কাছ থেকে।জিএফআই বলছে, ট্রেড মিসইনভেয়সিং বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চালানের গরমিলের মাধ্যমেই বেশি পরিমাণ অর্থ উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ পণ্য আমদানি-রপ্তানির চালানে প্রকৃত মূল্য আড়াল করে কমবেশি দেখিয়ে একদিকে কর ফাঁকি দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে মোটা অঙ্কের অর্থ দেশে না এনে বাইরেই রেখে দেওয়া হয়েছে।যোগাযোগ করা হলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মূলধনি যন্ত্রপাতি ও খাদ্যপণ্য আমদানিতে কোনো শুল্ক নেই। কাজেই এসব পণ্য আমদানিতে বাড়তি মূল্য দেখিয়ে টাকা পাচার হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। আবার রপ্তানির অর্থ পুরোটা সঠিকভাবে দেশে না এনে অন্যত্র সরিয়ে ফেলার সুযোগ আছে। এটাও টাকা পাচার। জিএফআই যে ট্রেড মিসইনভয়েসিংয়ের কথা বলেছে, তা যথেষ্ট যৌক্তিক।বৈশ্বিক পরিস্থিতি: জিএফআই বলছে, ২০০৩-১২ সময়কালে উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে অন্তত ছয় লাখ ৬০ হাজার কোটি ডলার অবৈধ পথে বেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে ২০১২ সালেই বেরিয়ে গেছে ৯৯ হাজার ১২০ কোটি ডলার, যা কিনা আগের বছরের চেয়ে ৯ শতাংশ বেশি।জিএফআইয়ের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০০৩-২০১২ সময়কালে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচার হয়েছে চীন থেকে, যার পরিমাণ এক লাখ ২৫ হাজার কোটি ডলার। দ্বিতীয় স্থানে আছে রাশিয়া, ৯৭ হাজার ৩৮৬ কোটি ডলার। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে নাম রয়েছে যথাক্রমে মেক্সিকো (৫১ হাজার ৫২৬ কোটি ডলার) ও ভারত (৪৩ হাজার ৯৪৯ কোটি ডলার)। পঞ্চম স্থানে আছে মালয়েশিয়া (৩৯ হাজার ৪৮৭ কোটি ডলার)। আর ভারত থেকে ২০১২ সালে নয় হাজার ৪৭৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার অবৈধ পথে বাইরে চলে গেছে।   Source : প্রথম আলো 
  • লেনদেন বেড়েছে ওয়েস্টার্ন মেরিনের
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সোমবার বেড়েছে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়েস্টার্ন মেরিনের লেনদেন। এদিন ৪ হাজার ৩৪ বারে কোম্পানিটির মোট ২০ লাখ ৪১ হাজার ১২৩টি শেয়ার লেনদেন হয়। ফলে কোম্পানিটি উঠে আসে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে।এদিকে কোম্পানিটি ঋণমানে দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি+’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৪’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। অর্থাৎ ঋণ পরিশোধ সক্ষমতায় মাঝারি মানের কোম্পানি এটি। কোম্পানিটির ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড।চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টম্বর) এর মুনাফা বেড়েছে ৬৫ শতাংশ। প্রতিবেদন অনুসারে, হিসাব বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নেট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময় ছিল ৩ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ তিন মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৫১ পয়সা।ডিএসইতে সোমবার এ শেয়ারের দর বাড়ে ৬ দশমিক ৭২ শতাংশ বা ৩ টাকা ৫০ পয়সা । সর্বশেষ লেনদেন হয় ৫৫ টাকা ৬০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ৫৫ টাকা ৪০ পয়সায়। আগের কার্যদিবসে এর সর্বশেষ দর ছিল ৫২ টাকা ১০ পয়সা। এদিন ৪ হাজার ৩৪ বারে এ কোম্পানির মোট ২০ লাখ ৪১ হাজার ১২৩টি শেয়ার লেনদেন হয়।   Source : বনিক বার্তা
  • খুলনা পাওয়ারের ইজিএম আজ
    বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠান খুলনা পাওয়ারের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আজ অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর ট্রাস্ট মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা যায়, কোম্পানিটির দুই অঙ্গপ্রতিষ্ঠান একীভূত হতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হচ্ছে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি ইউনিট টু লিমিটেড ও খানজাহান আলী পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। একীভূতকরণের বিষয়ে অনুমোদন নিতে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২২৮ ও ২২৯ ধারা অনুযায়ী উচ্চ আদালতে আবেদন করেছে কোম্পানিটি। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি নিতে বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করেছে এর পরিচালনা পর্ষদ। কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, একীভূতকরণের ফলে অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক মুনাফা ও ব্যবসায়িক উন্নতি সম্ভব হবে।এদিকে ঋণমানে কোম্পানিটির অবস্থান দীর্ঘ মেয়াদে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-১’। যার অর্থ ঋণ ঝুঁকি সক্ষমতায় অনেক ভালো অবস্থানে আছে এটি। কোম্পানিটির ৩০ ডিসেম্বর ২০১৩ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গত সোমবার এ শেয়ারের দর বাড়ে ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ বা ৮০ পয়সা। সারা দিন দর ৫৬ টাকা ২০ পয়সা থেকে ৫৮ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৫৮ টাকা ৪০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে ৫৮ টাকা ৩০ পয়সা ছিল। আগের কার্যদিবসে এর সর্বশেষ দর ছিল ৫৭ টাকা ৬০ পয়সা। এদিন ৫৭১ বারে এর মোট ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৩টি শেয়ার লেনদেন হয়।কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৩ সালে ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দিতে সমর্থ হয়।   Source : বনিক বার্তা
View All
Latest DSE News
  • SAIFPOWER

    Credit Rating Agency of Bangladesh Limited (CRAB) has announced the entity rating of the Company as &quot;BBB1&quot; with negative outlook based on audited financial statements up to June 30, 2014; bank liability (December 18, 2014) and other relevant quantitative and qualitative information up to the date of rating declaration.

  • DBH

    The Company has informed that Cash dividend for the year ended on June 30, 2014 has been remitted to the respective shareholders' Bank Accounts through Bangladesh Electronic Fund Transfer Network (BEFTN) System. The dividend warrants of the NRB Shareholders and the Shareholders whose Bank details were incomplete, have been distributed through courier services.

  • EXCH

    Today (21.12.2014) Total Trades: 78,849; Volume: 65,409,054 and Turnover: Tk. 2,378.81 million.

  • AGNISYSL

    In response to a DSE query, the Company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the Company for recent unusual price hike.

  • CSD

    CDBL has informed the following: &quot;BO Accountholders can now register for CDBL's Internet Balance Enquiry portfolio valuation and SMS Alerts services at their DP house.&quot;

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
FUWANGCER 15.40 14.00 1.40 10.00
ALLTEX 26.20 24.10 2.10 8.71
NORTHERN 319.00 299.00 20.00 6.69
SALVOCHEM 21.80 20.60 1.20 5.83
PADMALIFE 40.30 38.10 2.20 5.77
RDFOOD 22.90 21.70 1.20 5.53
BEACHHATCH 26.60 25.30 1.30 5.14
NPOLYMAR 71.40 68.00 3.40 5.00
STYLECRAFT 893.50 851.10 42.40 4.98
KAY&QUE 14.80 14.10 0.70 4.96

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297