Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SPCL 240.1 196.7 43.40 22.06
BRACBANK 40.1 38 2.10 5.53
ICB 1396.4 1338.1 58.30 4.36
BATASHOE 1210 1172.2 37.80 3.22
EBL 28.6 27.8 0.80 2.88
NBL 11.8 11.5 0.30 2.61
PF1STMF 4.5 4.4 0.10 2.27
DBH1STMF 4.6 4.5 0.10 2.22
BENGALWTL 59.3 58.1 1.20 2.07
MARICO 1129.8 1108.3 21.50 1.94

Contest SB2015_Jan

1st
blank_person
MINHAZ8399
2nd
blank_person
JEWELROY91
3rd
blank_person
NURRAZU
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
SPCL 240.1 221.2 4.30462 187946.00
MARICO 1129.8 1087.8 2.37641 2834.00
ICB 1396.4 1377.2 1.45494 22891.00
BRACBANK 40.1 39.3 1.01923 2422860.00
DUTCHBANGL 97.8 95.1 0.96996 33970.00
Negative impact
GP 329.3 339.2 -24.01190 240344.00
DESCO 67.4 69.6 -1.49626 671740.00
MPETROLEUM 193.8 199.7 -1.14685 47021.00
DELTALIFE 135.9 139.5 -0.80022 36335.00
BEXIMCO 30.5 31.2 -0.75570 863752.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
CNATEX 24.7 27.5 24.4 -5.36% 171.33
BRACBANK 40.1 40.5 39.1 2.04% 97.13
GP 329.3 343 328 -2.92% 80.05
NFML 33 36.1 32.8 -4.35% 62.58
ALLTEX 32.1 33.5 31.7 -1.53% 55.48
LAFSURCEML 122.3 124.5 121.2 0.00% 47.79
DESCO 67.4 71 67 -3.16% 46.16
SAPORTL 62 63.2 59.8 3.33% 44.18
SPCL 240.1 240.6 225 8.54% 43.87
GSPFINANCE 31.8 33.9 30.3 -4.22% 40.32

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 26 Jan 2015

66857
TOTAL TRADE
60.8064
TOTAL VOLUME(Mn)
2043.64
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ৬টি নতুন জাহাজ পাচ্ছে বিএসসি
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জন্য চীন সরকারের আর্থিক সহায়তায় ৬টি নতুন জাহাজ কিনবে সরকার। সোমবার সচিবালয়ে ‘অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র বৈঠকে জাহাজ ক্রয়ের বিষয়টি নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৬টি নতুন জাহাজ ক্রয়ের বিষয়ে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ছয়টি জাহাজের মধ্যে তিনটি প্রোডাক্ট অয়েল ট্যাঙ্কার ও তিনটি বাল্ক ক্যারিয়ার। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। চীনা সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট এ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন’ (সিএমসি) এ জাহাজ সরবরাহ করবে। এলক্ষ্যে ২০১২ সালের ১৫ জুন বিএসসি ও সিএমসি’র মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। চীনের এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে চীনা সরকারের প্রিফারেনশিয়াল/কন্সেশনাল ঋণের আওতায় এ জাহাজ কেনা হবে বলে প্রস্তাবে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বৈঠকে চীনের এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়নে ‘চতুর্থ টিয়ের (Tier) ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার’ স্থাপনে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কনসোর্টিয়াম ‘জেডটিই হোল্ডিংস কোম্পানি লিমিটেড’ ও ‘জেডটিই করপোরেশন’-এর সঙ্গে চূড়ান্ত কমার্শিয়াল চুক্তি স্বাক্ষরের আরেকটি পৃথক প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ‘অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র বৈঠকে ৫টি বিষয় আলোচিত হয়েছে। এর মধ্যে উপরোক্ত দু’টি প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অপর তিনটি প্রস্তাব সম্পর্কে যুগ্ম-সচিব বলেন, এগুলো বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এগুলোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। প্রস্তাব তিনটি ছিল— তিতাস গ্যাস ফিল্ডের চারটি কূপ খননের জন্য চীনা প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন কোনো প্রতিষ্ঠান বিক্রি, বেসরকারিকরণ ও হস্তান্তরে একমাত্র প্রাইভেটাইজেন কমিশন কর্তৃক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ এবং বেসরকারিকরণের জন্য প্রাইভেটাইজেশন কমিশনে ন্যস্ত বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো বিক্রয়ের তালিকা থেকে প্রত্যাহার-পূর্বক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ফেরত প্রদান।
  • এশিয়ান টাইগার গ্রোথ ফান্ডের অশুভ সূচনা
    চাহিদার চেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডে। ফলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় থাকা প্রথম গ্রোথ ফান্ড আশার সঞ্চার করতে পারেনি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। মিউচুয়াল ফান্ড খাতের নাজুক অবস্থা এবং পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক মন্দাবস্থা আবেদন কম পড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ড পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এর বিপরীতে ৬১ কোটি টাকার (প্রায়) আবেদন জমা পড়েছে। তবে নিয়মানুযায়ী মোট আকারের ৫০ শতাংশ অর্থ যোগান হওয়ায় ফান্ডটির তালিকাভুক্তিতে বাধা থাকছে না।ফান্ডটিতে উদ্যোক্তা অংশ ২০ কোটি টাকা, প্লেসমেন্ট অংশ ২০ কোটি টাকা এবং বাকি ৬০ কোটি টাকা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। আইপিওর ৬০ কোটি টাকার মধ্যে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ ছিল ৬ কোটি টাকা, স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৬ কোটি টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ কোটি টাকা এবং মিউচুয়াল ফান্ড কোটার জন্য বরাদ্দ ছিল ৬ কোটি টাকা। স্থানীয় অধিবাসীদের কাছ থেকে এ ফান্ডের আইপিও আবেদন জমা নেওয়া শুরু হয় গত ১১ জানুয়ারি এবং শেষ হয় ১৫ জানুয়ারি। প্রবাসীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ে সাধারণ, ক্ষতিগ্রস্ত ও মিউচুয়াল ফান্ড কোটায় ২০ কোটি ৭২ লাখ ৪০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া গত ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা জমা দিয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার আবেদন। অর্থাৎ আইপিও কোটায় মোট জমা পড়েছে ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার আবেদন। এছাড়া উদ্যোক্তা অংশ ২০ কোটি ও প্লেসমেন্টের ২০ কোটি মিলিয়ে ফান্ডটিতে মোট জমা পড়েছে ৬০ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ফান্ডটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১০ কোটি ইউনিট ইস্যু করেছে। এর মার্কেট লট ৫০০টি ইউনিটে। ফান্ডটি ১০ বছর মেয়াদী। জানা গেছে, এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ ফান্ড পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাওয়া প্রথম গ্রোথ ফান্ড। গ্রোফফান্ডের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- যেসব কোম্পানির মুনাফা ও নগদান প্রবাহ অন্য কোম্পানির চেয়ে বেশি সেসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণীয় লভ্যাংশ দেওয়ার প্রচেষ্টা নিহিত থাকে। কিন্তু ফান্ডটি নির্ধারিত সীমার চেয়ে ৩৯ কোটি টাকা কম সংগ্রহ করতে পেরেছে। ফলে প্রথম গ্রোথ ফান্ডের সূচনা শুভ হলো না বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর অবস্থা খুব একটা ভালো না। অধিকাংশ ফান্ড লোকসানে রয়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনেকে পুঁজিবাজার বিমুখ। এ কারণে এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডে চাহিদার চেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে। এ ব্যাপারে সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান এশিয়ান টাইগার্স কেপিটাল পার্টনারসের কর্মকর্তা শামসুল হক বলেন, আবেদন কম হওয়ার পেছনে মূলত বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা দায়ী। তবে নিয়ম অনুযায়ী যে ৬১ কোটি টাকা জমা পড়েছে এটাই এখন ফান্ডটির টার্গেট সাইজে পরিণত হবে। নতুন করে আবেদনের সময় বাড়ানোর চেষ্টা করবেন কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ‘না’ সূচক উত্তর দেন। ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের প্রতি ইউনিটের নিট সম্পদমূল্য বাজারদর অনুযায়ী ১৪.১২ টাকা। ফান্ডটির উদ্যোক্তা সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং ট্রাস্টি বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিজিআইসি)। বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত বছরের ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের আইপিও অনুমোদন দেয়। এর আগে নির্ধারিত সময়ে প্রস্তাব জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় কমিশনের ৪৯৯তম সভায় এর নিবন্ধন বাতিল করা হয়। আর কমিশনের ৩৬২তম সভায় সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের নিবন্ধন দেওয়া হয়।
  • পদ্মা অয়েলের এজিএমের স্থান পরিবর্তন
    ডেস্ক রিপোর্ট : বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) স্থান পরিবর্তন করেছে পদ্মা অয়েল। আগামী  ১৪ ফেব্রুয়ারি এ কোম্পানির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসই সূত্রে তথ্য জানা গেছে। এজিএম অনুষ্ঠিত হবে চিটাগাং বোট ক্লাব (সিবিসি), সিসিএল কনভেনশন সেন্টার, ঘাট-১১, পতেঙ্গা, চিটাগাং। এর আগে গুপ্তখাল চট্টগ্রামে এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এজিএম সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এর আগে ১০ নভেম্বর পদ্মা অয়েল ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য ১০০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে।
  • ডিএসই এক্স ইনডেক্স সাত কার্যদিবসে ২৫০ পয়েন্ট হ্রাস
    মেহেদী আরাফাত : রাজনৈতিক পরিস্থিতির অচলাবস্থার কারণে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পতন চলছেই। ডিএসই এক্স ইনডেক্স সাত কার্যদিবসে ২৫০ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। টেকনিক্যাল এনালাইসিস অনুযায়ী বাজারের অনেক শেয়ার বছরের সর্বনিম্ন দামে আবস্থানে করছে। এসব শেয়ারে বিনিয়োগ করলে ক্ষতির পরিমান নেই বললেই চলে।  আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসই এক্স ইনডেক্স দিনের শুরু থেকেই কিছুটা মিশ্র প্রবণতা ছিলো । দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখি প্রবনতা নিয়ে ডিএসই এক্স ইনডেক্স বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং দিনের শেষভাগে পুনরায় বিক্রয় চাপের ফলে দিনশেষে ডিএসই এক্স ইনডেক্স নিন্মমুখি হতে থাকে এবং ৮.৪২ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক  তৈরি করে।  ডিএসই এক্স ইনডেক্স ৮.৪২ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪৭০৮.৩৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় .১৭% হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৩৬৫৮ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৫০০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ১৬.০৯ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ২৭.৮৪। এম.এফ.আই এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর  কিছুটা নিন্মমুখি আবস্থান করছে। ডিএসইতে ৬ কোটি ৮ লাখ ৬ হাজার ৩৫৫ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ২০৪.৩৬ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন হ্রাস পেয়েছে ১৮ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০৭ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৯ টির, কমেছে ১৩১ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৭ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ৩০০ কোটি টাকার ওপরে পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৮.০৮% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে হ্রাস পেয়েছে ২০-৫০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের  যা আগেরদিনের তুলনায় ২১.৪২% হ্রাস  পেয়েছে। অন্যদিকে ১০০-৩০০ এবং ৫০-১০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় যথাক্রমে আজ ১৮.১৫% এবং ১১.৭৩% হ্রাস পেয়েছে। ০-২০ কোটি টাকার পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় ৬.৬% হ্রাস পেয়েছে। পিই রেশিও ২০-৪০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায়  ৪.৫৪% হ্রাস পেয়েছে। হ্রাস পেয়েছে  পিই রেশিও ৪০ এর ওপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন যার পরিমান আগের দিনের তুলনায় ৩৭.০৬% কম ছিল। অন্যদিকে পিই রেশিও  ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন  আগের দিনের তুলনায়  ৪.৩২% হ্রাস পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ এগিয়ে ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ১.৬৩% কম ছিল। হ্রাস পেয়েছে ‘জেড’ ‘এন’ এবং ‘বি’    ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে  ৪৮.১১%, ১৭.৭১% এবং ১৭.০১% কম ছিল।
  • অর্ধবার্ষিকে পদ্মার মুনাফা কমেছে
    ডেস্ক রিপোর্ট : বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পদ্মা অয়েল কোম্পানির মুনাফা কমেছে। অর্ধবার্ষিক অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে আসে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮৮ কোটি ৪২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৯ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ১০১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় ১০ টাকা ৩৪ পয়সা। সে হিসেবে অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা। অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে। এ সময় এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪২ কোটি ২৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় ৪ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৩৪ কোটি ৫৬ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ৩ টাকা ৫২ পয়সা। এসময় কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে ৭ কোটি ৬৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ৭৮ পয়সা।
  • মুনাফা কমেছে ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টসের
    ডেস্ক রিপোর্ট : বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টসের মুনাফা কমেছে। অর্ধবার্ষিক অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে আসে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৫৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় ৩ টাকা ১ পয়সা। সে হিসেবে অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ১৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে ১ টাকা ৪৫ পয়সা। অন্যদিকে চলতি হিসাব বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় ১ টাকা ৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ১ টাকা ৭০ পয়সা। এসময় কোম্পানিটির মুনাফা কমেছে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে ৬৬ পয়সা। এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৫ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১ কোটি টাকা। কোম্পানির রিজার্ভ ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ লাখ ৯৪ হাজার; যার মধ্যে ৫১ শতাংশ সরকার, ৩০.৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ও ১৮.৫ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
  • হাওয়া ওয়েল টেক্সটাইলস ‘এ’ ক্যাটাগরিতে
    ডেস্ক রিপোর্ট : বস্ত্র খাতের কোম্পানি হাওয়া ওয়েল টেক্সটাইলস (বিডি) লিমিটেড ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে পুঁজিবাজারে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে,  হাওয়া ওয়েল টেক্সটাইলস গত ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থ বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আর এই লভ্যাংশ দিয়ে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে।
  • শঙ্কায় পোশাক খাত, কাঁচামালের মজুদ শেষ
    স্টাফ রিপোর্টার : ফুরিয়ে আসছে পোশাক খাতের কাঁচামালের মজুদ। যেকোনো সময়ে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে শতাধিক কারখানার। বন্দর থেকে পণ্য খালাস করতে না পারায় প্রতিদিন গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। নিত্য নতুন শঙ্কা নিয়ে গার্মেন্টস খাত চতুর্মুখী সংকটে পড়েছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। বিএনপি জোটের টানা অবরোধে নতুন সংকটে পড়েছে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা। সুতা, কাপড়, বোতাম, জিপার (চেইন), রঙ, তৈরি শার্টের জন্য কভার বক্স ও কাগজ, প্যাকেজিংয়ের কার্টুন উপকরণই হল রপ্তানিমুখী গার্মেন্টসের কাঁচামাল। গার্মেন্টস ভেদে এই উপকরণগুলো ১৫ থেকে ২০ দিনের মজুদ রাখা হয়। কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে সমস্যা হলে এখান থেকে চাহিদা মেটানো হয়। কিন্তু সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিরোধী দলের ডাকা অবরোধে ভেঙ্গে পড়েছে এই সরবরাহ লাইন। কাঁচামাল ফুরিয়ে যাওয়ায় সংকটে পড়তে যাচ্ছে পোশাক প্রস্তুতকারী গার্মেন্টসখাত। একটি উপকরণ সংকট হলেই ব্যাহত হচ্ছে পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়া। দু’একটি উপকরণের অভাবে উৎপাদন বন্ধ হওয়ার পথে শতাধিক কারখানা বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ করতে না পারলে অর্ডার বাতিল হওয়ার আশঙ্কার মধ্য দিয়ে দিন কাটছে ব্যবসায়ীদের। অবরোধে গার্মেন্টস খাতের সমস্যা বিষয়ে বিজিএমইএ’র এক পরিচালক বলেন, তাৎক্ষণিক ক্ষতি সামাল দেয়াই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তৈরি পোশাকের শিপমেন্ট (রফতানির জন্য জাহাজীকরণ) করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। একে তো কাভার্ড ভ্যান পাওয়া যাচ্ছে না। যে দু’একটি পাওয়া যাচ্ছে তার ভাড়াও দিতে হচ্ছে অনেক বেশি। তিনি আরো বলেন, আগে গাড়ির ভাড়া ছিল ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা। এখন দিতে হচ্ছে ২৫ থেকে ২৮ হাজার টাকা। তারপরেও প্রয়োজনীয় পরিবহন মিলছে না। ফলে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। লাভ কমে যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি হবে সবচেয়ে বেশি। বায়াররা অর্ডার বাতিল করা শুরু করে দিয়েছে। তবে পোশাকখাত বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবরোধ না থামা পর্যন্ত ক্রেতাদের নতুন করে অর্ডার দেওয়ার সম্ভাবনা নেই। ব্যবসায়ীরা ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে টাল-বাহানা করবে। অনেক ব্যবসায়ী নতুন করে ঋণ খেলাপি হবেন।
  • জাহিনটেক্সের লভ্যাংশ বিওতে
    ডেস্ক রিপোর্ট : শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ সমাপ্ত অর্থবছরে ঘোষিত বোনাস শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে পাঠিয়েছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সিডিবিএল জানায়, ২৫ জানুয়ারি, রোববার বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে কোম্পানিটির লভ্যাংশ সমন্বয় হয়েছে। উল্লেখ্য,  ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে।
  • ডেসকো’র বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব
    ডেস্ক রিপোর্ট : পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ও ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর গতকাল রোববার গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর কাওরান বাজারে টিসিবি অডিটোরিয়ামে এই শুনানি চলে। গণশুনানিতে মূল্যায়ন কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাক আহমেদ সুপারিশ করেন যে, পাইকারি মূল্য না বাড়ালে আরইবি’র খুচরা মূল্যবৃদ্ধির প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, কারিগরি মূল্যায়ন কমিটির প্রস্তাবিত পাইকারি ও সঞ্চালন মূল্যহার বৃদ্ধি বিবেচনায় ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিআরইবি’র মোট সুপারিশকৃত রাজস্ব চাহিদা থেকে মোট চলতি পরিচালনা রাজস্ব ২৬৮.৫২ মিলিয়ন টাকা কম। তাই ব্রেক ইভেন পরিচালনার জন্য আরইবির বিদ্যমান খুচরা বিদ্যুৎ মূল্যহার গড়ে ০.২৭ শতাংশ বৃদ্ধির প্রয়োজন হবে। বিদ্যমান পাইকারি এবং সঞ্চালন মূল্যহার বিবেচনায় আরইবির বিদ্যমান খুচরা মূল্যহার বৃদ্ধির প্রয়োজন নেই। কারণ বর্তমান পাইকারি, সঞ্চালন এবং খুচরা বিদ্যুৎ মূল্যহারে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিআরইবির আওতাধীন ৭২টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) নিট মার্জিন (মুনাফা) হবে প্রায় ৩ হাজার ৬৪৪.২২ মিলিয়ন টাকা। এর আগে বিআরইবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মঈনুদ্দীন ও কন্ট্রোলার অব ফাইন্যান্স ফরিদুল ইসলাম সংস্থাটির পল্লী অঞ্চলে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য গড়ে ১৫.৬০ শতাংশ হারে প্রতি ইউনিট ৮৭ পয়সা করে বৃদ্ধির প্রস্তাব দেন। প্রস্তাব অনুযায়ী বর্তমানের প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৫.৯৩ টাকার পরিবর্তে ৬.৮০ টাকায় কিনতে হবে গ্রাহককে। বিইআরসির চেয়ারম্যান এ আর খানের সভাপতিত্বে কমিশনের সদস্য ৪ সদস্য ড. সেলিম মাহমুদ, প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন ও মো. মাকসুদুল হক ও রহমান মুরশেদ গণশুনানি গ্রহণ করছেন। বিআরইবির গণশুনানি শেষে ডেসকো’র এর খুচরা মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গণশুনানিতে কনজ্যুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স, গণতান্ত্রিক বামমোর্চার সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকিসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বিপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আরইবির প্রস্তাবে জানা যায়, বর্তমানে তাদের মোট ৭২টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি রয়েছে। এ সমিতির মাধ্যমে বিআইবিমোট ৪৫৩টি উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। বিদ্যুতায়িত মোট গ্রামের সংখ্যা ৫১ হাজার ১৫৭টি। বিদ্যুৎ লাইনের পরিমাণ ২ লাখ ৭০ হাজার কিলোমিটার। গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ৭ লাখ ৮২ হাজার। এর মধ্যে আবাসিক গ্রাহক সংখ্যা ৯২ লাখ ১৮ হাজার, বাণিজ্যিক গ্রাহক ৯ লাখ ২৩ হাজার, শিল্প গ্রাহক সংখ্যা ১ লাখ ৪৭ হাজার, সেচ পাম্প গ্রাহক সংখ্যা ৩ লাখ এক হাজার, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ১ লাখ ৬৭ হাজার ও অন্যান্য গ্রাহক সংখ্যা ২৯ হাজার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বিআরইবির সিস্টেম লস ১৩.৭২ শতাংশ। গণশুনানিতে ডেসকো’র বিদ্যুতের খুচরা মূল্য ১৮ দশমিক ২৩ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হয়। ডেসকোর পক্ষে প্রস্তাব করেন প্রধান প্রকৌশলী এসএম হাবিবুর রহমান। এ সময় ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) সাঈদ সরোয়ার বক্তব্য রাখেন। প্রস্তাবে বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য ও সঞ্চালনা মূল্য যদি বৃদ্ধি করা হয়, তবে সে হারে ডেসকোর বিদ্যুতের খুচরা মূল্যবৃদ্ধির প্রয়োজন হবে বলা হয়।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ডেসকোর মুনাফা বেড়েছে ৩৪১%
    বিদ্যুত্ বিতরণ প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লিমিটেডের অর্ধবার্ষিক মুনাফা বেড়েছে ৩৪১ শতাংশ। এ কারণে তালিকাভুক্ত সরকারি কোম্পানিটির শেয়ারের দরেও রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত) ডেসকোর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮৪ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ২৪ পয়সা। এর আগের বছর একই সময়ে তা ছিল যথাক্রমে ১৯ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ৫১ পয়সা। অন্যদিকে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪৭ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ২৫ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল যথাক্রমে ১৭ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৪৬ পয়সা। ২০১৪ সালের জন্য ডেসকো লভ্যাংশ হিসেবে শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির নিট মুনাফা হয়েছে ৬৬ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৯৪ পয়সা। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে দশমিক ৭৩ শতাংশ বা ৫০ পয়সা। দিনভর দর ৬৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৭০ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৬৯ টাকায়। সমাপনী দর ছিল ৬৯ টাকা ৬০ পয়সা। আগের কার্যদিবসে এর সমাপনী দর ছিল ৬৮ টাকা ৫০ পয়সা। এদিন ১ হাজার ৫৯৪ বারে কোম্পানিটির মোট ১২ লাখ ৩১ হাজার ১৩৯টি শেয়ার হাতবদল হয়। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৬৮ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৭৪ টাকা ৬০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৫৪ টাকা ও সর্বোচ্চ ৭৮ টাকা ৪০ পয়সা। ২০০৬ সালে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৩৭৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। মোট রিজার্ভ ৭৪৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৭ কোটি ৮৬ লাখ ৩৭ হাজার ৯০৯; যার মধ্যে সরকার ৭৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২৬ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ রয়েছে। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এর মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ৩৯.৩২।   Source : বনিক বার্তা
  • জেমিনি সি ফুডের দর বেড়েছে সবচেয়ে বেশি
    ক্যাটাগরি পরিবর্তনের প্রভাবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি জেমিনি সি ফুডের শেয়ারদর বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। এদিন এর দর ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়ে গেলে কোম্পানিটি উঠে আসে দরবৃদ্ধির শীর্ষে। ৩০ জুন ২০১৪ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ায় সম্প্রতি কোম্পানিটিকে  ‘জেড’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করেছে ডিএসই। মূলত ক্যাটাগরি পরিবর্তনের কারণেই কোম্পানিটির শেয়ারদর বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, গেল হিসাব বছরে জেমিনি সি ফুডের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৩৯ পয়সা। তবে শেয়ারপ্রতি দায় রয়ে গেছে ৪ টাকা ৩১ পয়সা।   বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গতকাল জেমিনি সি ফুডের শেয়ারদর বাড়ে ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ বা ২১ টাকা ৮০ পয়সা। দিনভর দর ২৭০ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ২৭০ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২৭০ টাকা ৮০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে ২৭০ টাকা ৮০ পয়সাই ছিল। আগের কার্যদিবসে সমাপনী দর ছিল ২৪৯ টাকা। এদিন ৫৪ বারে কোম্পানির মোট ১০ হাজার ৬৪টি শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ২০৯ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৮১ টাকা ৭০ পয়সা। ছয় মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ১২৬ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৮১ টাকা ৭০ পয়সা। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে ৫০ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৬০ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী লোকসান হয়েছে ৪০ কোটি ৩০ হাজার টাকা ও শেযারপ্রতি লোকসান ৩ টাকা ৬৬ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীদের পর্যটন খাতে বিনিয়োগের আহবান
    যুক্তরাজ্যের ওয়েলস বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স (ডব্লিউবিসিসি) -এর সদস্যদেরকে পর্যটন এবং সমুদ্র বাণিজ্যে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ। গতকাল রবিবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে যুক্তরাজ্যে অবস্থিত ডব্লিউবিসিসি-এর প্রতিনিধি দলের সাথে এক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় স্থান। বর্তমান সরকারও বিদেশী বিনিয়োগে অনেক সুবিধা দিচ্ছে। এছাড়া পর্যটন শিল্প এবং সমুদ্র বাণিজ্য বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া চামড়া পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য এবং এগ্রো প্রসেস পণ্য উত্পাদনে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। Source : ইত্তেফাক
  • ২৪ দিনে ৬৫ লাখ টাকা ভ্যাট আদায়
    হরতাল-অবরোধের মধ্যেও শেষদিকে বাণিজ্য মেলায় ক্রেতা ও দর্শনার্থী সমাগম বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মেলার সময় ১০ দিন বাড়ানোয় আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে বাণিজ্য মেলা। মেলার সময় বাড়ানোর ফলে খুশি ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। জানা গেছে, গত বছর বাণিজ্য মেলায় ভ্যাট আদায় হয়েছিল এক কোটি ১৬ লাখ টাকা। এ বছর ২৪ দিনে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৬৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা। এর মধ্যে ওয়ালটন পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার টাকা ভ্যাট দিয়েছে, যা একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বোচ্চ। এ ছাড়া পাঁচ লাখ ৫০ হাজার টাকা ভ্যাট দিয়ে পরের অবস্থানে রয়েছে ফিট এলিগ্যান্স, দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকা ভ্যাট দিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে দিল্লি অ্যালুমিনিয়াম। মেলায় মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আদায়কারী সোনালী ব্যাংকের প্যাভিলিয়ন ম্যানেজার আবদুল কাদের বলেন, 'এ বছর রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মেলা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। ফলে সার্বিক বেচাবিক্রি প্রথম পর্যায়ে কম হলেও এখন বেচাকেনা বেড়েছে। ফলে শেষ পর্যন্ত রাজস্ব আদায় বাড়বে বলে আমরা আশা করছি।' Source : কালের কণ্ঠ
  • শেয়ারবাজারে আবারও বড় দরপতন
    সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে গতকাল রোববার দেশের শেয়ারবাজারে আবারও বড় ধরনের দরপতন ঘটেছে। এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৮১ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৭০ শতাংশ কমেছে।অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ২৮০ পয়েন্ট কমেছে। এ বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে এটিই দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের সর্বোচ্চ পতন। এর আগে গত বুধবার দুই বাজারে সূচকের বড় পতন হয়েছিল। বুধবার ডিএসইএক্স দেড় শতাংশ বা ৭৪ পয়েন্ট এবং সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ২১৬ পয়েন্ট কমেছিল। মাঝে এক কার্যদিবসের ব্যবধানে গতকাল আবারও দুই বাজারে বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটল।এ পতনের জন্য বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে দায়ী করেছেন।জানতে চাইলে বেসরকারি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বাণিজ্য অনুষদের ডিন মোহাম্মদ মূসা প্রথম আলোকে বলেন, দেশের চলমান যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে আর্থিকভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। বছর শেষে এ ক্ষতির দায় যোগ হবে কোম্পানির আয়-ব্যয়ের হিসাবে। তাতে হয়তো তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানির আয় কমে যেতে পারে। এ আশঙ্কা থেকে শেয়ারের দাম কমাটা স্বাভাবিক প্রবণতা। এ ছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবও এ ক্ষেত্রে রয়েছে।মোহাম্মদ মূসা আরও বলেন, বেশির ভাগ সাধারণ বিনিয়োগকারী যখন ভাবতে থাকেন রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হতে পারে, তখন তারা বিনিয়োগের আগ্রহ হারান। অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী যাদের আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তারাও নিজেদের স্বার্থে দাম কমতে থাকলে হাত গুটিয়ে বসে থাকে। এসবের সমন্বয়ে বাজারে বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটে।রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রলম্বিত হলে বাজারের এ মন্দাভাবও কি চলতে থাকবে? এ প্রশ্নের জবাবে মূসা বলেন, একটি পর্যায়ে গিয়ে হয়তো কোনো কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী সক্রিয় হবে। তাতে হয়তো বাজারে কিছুটা ইতিবাচক ধারা ফিরবে।ঢাকার বাজারে গতকাল ৩০৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ২৬১টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে মাত্র ২৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৯টির দাম। তবে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের মতোই ছিল। এদিনও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২২৩ কোটি টাকা।চট্টগ্রামের বাজারে এদিন ২৩৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন হয়। তার মধ্যে ১৮২টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ৩৬টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৫টির দাম। দিন শেষে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৪ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে দুই কোটি টাকা কম।   Source : প্রথম আলো 
  • সংলাপ চান ব্যবসায়ীরা
    ঢাকা চেম্বারের বর্তমান সভাপতি মো. হোসেন খালেদ। সম্প্রতি তিনি ব্যবসায়ীদের শীর্ষস্থানীয় এ সংগঠনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আনোয়ার গ্রুপের এই ব্যবস্থাপনা পরিচালক এর আগেও ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ছিলেন। চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিরাজ শামস হরতাল-অবরোধে বিপর্যস্ত অর্থনীতি সমকাল : দ্বিতীয় মেয়াদে সভাপতি হিসেবে ঢাকা চেম্বার নিয়ে আপনার পরিকল্পনার বিষয়ে বলুন?হোসেন খালেদ : ব্যবসায়ীদের শীর্ষস্থানীয় এ চেম্বারকে একটি গ্রিন চেম্বারে পরিণত করা হবে। এ জন্য বেশ কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে চেম্বারকে একটি কাগজবিহীন অফিস এবং একটি স্মার্ট বিল্ডিংয়ে রূপান্তরিত করা হবে। পরিবেশবান্ধব কার্যালয় গড়ে তুলতে সব ধরনের অপচয় কমানো হবে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য নানা উদাহরণ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।ঢাকা চেম্বার পরিচালিত প্রকল্পের মধ্যে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির প্রথম ধাপ কাজ গত বছর শেষ হয়েছে। এ কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চলবে। এটির আওতায় নূ্যনতম ১০০ কোম্পানি করা সম্ভব হলে ১ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। বিল্ড কার্যক্রম আরও বাড়ানো হবে। এর মাধ্যমে ব্যবসা উন্নত করার যে পন্থা রয়েছে সেগুলোকে কীভাবে ত্বরান্বিত করা যায় সে চেষ্টা করা হচ্ছে। এ প্রচেষ্টা ফলদায়ক হওয়ায় ব্যবসা প্রক্রিয়ায় ধাপগুলো অর্ধেকে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।       সমকাল : চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ কোন দিক যাচ্ছে?হোসেন খালেদ : অর্থনীতিই হচ্ছে দেশের চালিকাশক্তি। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থানের পেছনে বেসরকারি খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। এতদিন রাজনৈতিক অবস্থা যেমন থাকুক না কেন, ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো এর স্বীকৃতি কোনো সময়ই কোনো সরকার দেয়নি। এখন মনোভাব পরিবর্তনের সময় এসেছে। রাজনীতির এমন কর্মকাণ্ডের মধ্যে ব্যবসা- বাণিজ্য স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকবে সেটা ভাবা কঠিন।এমন পরিস্থিতিতেও দেশে ৬ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও হচ্ছে। তবে গত বছরে ব্যবসায় নতুন বিনিয়োগ কমেছে। এর পরেও প্রবৃদ্ধি ঠিক ছিল। সরকারের উচিত অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিকে ত্বরান্বিত করার জন্য নীতি সহায়তা দেওয়া। পাশাপাশি অবকাঠামোসহ ব্যবসার ভিতগুলো মজবুত করা। এগুলো সম্ভব হলে ৬ থেকে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।২০১৪ সালে শেষের দিকে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা যে সময়ে ক্ষতি কাটিয়ে উঠছিলেন, ঠিক সময়ে আবার ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক এ অস্থিরতা কারও জন্য কাম্য নয়। হরতালকে গণতান্ত্রিক অধিকার বলা হলেও ব্যবসায়ীরা এর সঙ্গে এক মত নন। হরতাল-অবরোধের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচি কখনও ভালো কিছু বয়ে আনতে পারেনি। সবার আশা, যত শিগগির সম্ভব সরকার ও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এর সুরাহা করবে। ব্যবসায়ীরা বিশ্বাস করেন- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংলাপের মাধ্যমে সঠিক সমাধান বেরিয়ে এসেছে। সমকাল : ব্যবসা-বাণিজ্যে বিপর্যস্ত এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠার উপায় কী?হোসেন খালেদ :গত বছর খুব অল্প বিনিয়োগ হয়েছে। এবার খুব খারাপ অবস্থা। এ বিনিয়োগ বাড়াতে সহযোগিতা জোরদার করা উচিত। ব্যবসায় পরিচালনা ব্যয় কমিয়ে আনা প্রয়োজন। দেশে প্রতি বছর ৩০ লাখ যুবক কর্মসংস্থানের জন্য আসছে। এর মধ্যে প্রত্যক্ষভাবে ১০ লাখ ও পরোক্ষভাবে ১০ লাখের ব্যবস্থা হচ্ছে। বাকি ১০ লাখ বেকার থাকছে। এদের কর্মসংস্থান করতে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন প্রয়োজন।বর্তমান বিপর্যস্ত অবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্য সংলাপের বিকল্প নেই। যে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সংকট আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। এ ছাড়া একটা নীতির মধ্যে থেকে গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করা উচিত। সমকাল : বাণিজ্যের কোন খাতগুলোকে আপনি সম্ভাবনাময় হিসেবে চিহ্নিত করবেন? এসব খাতের উন্নয়নে আপনার পরামর্শ কী?হোসেন খালেদ : ব্যবসার সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে পোশক খাত অন্যতম। পাশাপাশি ওষুধ, শিপবিল্ডিং, আবাসন ও সেবা খাতের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদের কথা বিবেচনায় তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) সম্ভাবনাও রয়েছে। এসব ব্যবসায় উন্নয়নে নীতি-সহায়তা দিতে হবে। সরকারকে এসব ব্যবসার সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ব্যবসায়ীরা এখন রাজনীতিতে আসছেন। তারা ব্যবসায়ীদের জন্য যে নীতিগুলো প্রয়োজন সেগুলোর ব্যবস্থা করবেন। সমকাল : রফতানি বাড়াতে কী কী করা প্রয়োজন বলে আপনি মনে করেন?হোসেন খালেদ : রফতানি বাড়াতে পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে। রফতানিতে নতুন পণ্য হিসেবে গৃহস্থালি পণ্য ও বৈদ্যুতিক পণ্যে জোর দেওয়া উচিত। রফতানিমুখী শিল্পের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন তা হুমকির মুখে পড়ে যাচ্ছে। সেগুলোকে সহযোগিতা করতে হবে। সমকাল :যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি ফিরে পাওয়া এবং শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার জন্য কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত?হোসেন খালেদ :দুর্ভাগ্যজনক হলো যুক্তরাষ্ট্র অগ্রাধিকার সুবিধা তো দিচ্ছে না, এদেশ থেকে পণ্য আমদানির ফলে তারা যে লাভবান হচ্ছে, সে কথাও বলছে না। দেশটি বাংলাদেশের পরিবর্তে আফ্রিকার দেশগুলোকে সুবিধা দিচ্ছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবহার করলে আগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা দিতে পারত। তবে আশার কথা হলো, এ সুবিধা ছাড়াও পোশাক খাত এগিয়ে চলছে। তবে রফতানি বাড়াতে দামি পণ্য তৈরি করতে হবে। সমকাল : আনোয়ার গ্রুপের ব্যবসার বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কে বলুন।হোসেন খালেদ :বর্তমান অস্থিরতায় গ্রুপের কার্যক্রমও বেশ ক্ষতির মুখে পড়েছে। উৎপাদিত পণ্য সরবরাহে সমস্যা হচ্ছে। বন্দরে পণ্য পড়ে আছে, রফতানি হচ্ছে না। আবার আমদানি পণ্যও কারখানায় আনা যাচ্ছে না। আনোয়ার গ্রুপে বর্তমানে ১২ হাজার কর্মসংস্থান রয়েছে। ভবিষ্যতে ২০২০ সালের মধ্যে ২০ হাজারে নিয়ে যেতে চাই। উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে গাড়ি সংযোজন কারখানা স্থাপন এবং টেক্সটাইল ও সিমেন্টসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসার পরিধি বাড়ানো হবে। নতুন পণ্য উৎপাদনের চেষ্টা চলছে।   Source : সমকাল
  • নতুন কোম্পানি আইন আগামী জুনের পর
    নতুন কোম্পানি আইন করতে আগামী জুন পর্যন্ত সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, আইনটি ব্যবসাবান্ধব করা হবে এবং বিবেচনায় থাকবে এর কোনো ধারা যাতে অন্য আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়।রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল শনিবার বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই) আয়োজিত ‘ব্যবসার পরিবেশ সহায়ক কোম্পানি আইন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।বিইআই সভাপতি ফারুক সোবহানের সঞ্চালনায় বৈঠকে বক্তব্য দেন বাণিজ্যসচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ম বাণিজ্যসচিব আবদুল মান্নান, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম, আইনজীবী নিহাদ কবির প্রমুখ। ব্যারিস্টার তানজিব-উল আলম এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।প্রবন্ধে নতুন কোম্পানি আইনে বাই-ব্যাক পদ্ধতি চালু করার পক্ষে মত দেওয়া হয়। বাই-ব্যাক হলো কোনো কোম্পানির বাজারে থাকা শেয়ার একটি নির্দিষ্ট দামে নেমে এলে ওই কোম্পানির উদ্যোক্তা কর্তৃক তা আবার কিনে নেওয়া।বেসরকারি কোম্পানির ক্ষেত্রে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এবং পর্ষদের ক্ষমতা, পরিচালকদের দায়িত্ব ইত্যাদি বিষয় সুনির্দিষ্ট করার কথাও উঠে আসে প্রবন্ধে।ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম বলেন, বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে বেসরকারি খাত। আইন করার সময় বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়।বহুস্তর বিপণন (এমএলএম) পদ্ধতির কোম্পানির কার্যক্রম প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, দেশের মানুষকে ভিখারিতে পরিণত করেছিল এই এমএলএম। এর পরও গত বছর পাঁচ এমএলএম কোম্পানির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।   Source : প্রথম আলো 
  • অস্বাভাবিক হারে দর বাড়ায় ৫ কোম্পানিকে নোটিশ
    অস্বাভাবিকহারে শেয়ার দর বাড়ার কারণে গত সপ্তাহে তালিকাভুক্ত পাঁচ কোম্পানিটি নোটিশ দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। কোম্পানি পাঁচটি হলো- ফার্মা এইডস, এপেক্স স্পিনিং, এনভয় টেক্সটাইল, অলটেক্স এবং ম্যাকসন্স স্পিনিং।ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।এর মধ্যে ডিএসই নোটিশ দিয়েছে ফার্মা এইডস ও এনভয় টেক্সটাইলকে এবং সিএসই এপেক্স স্পিনিং, অলটেক্স ও ম্যাকসন্স স্পিনিংকে নোটিশ দিয়েছে। জানা গেছে, এ কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর বেশ কয়েক দিন যাবত অস্বাভাবিকহারে বাড়তে থাকে। যা ডিএসই ও সিএসইর নজরে আসে।এরপর ডিএসই ও সিএসইর পক্ষ থেকে কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর অস্বাভাবিকহারে বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে কোম্পানিগুলো ডিএসই ও সিএসইকে জানিয়েছে, তাদের শেয়ার দর অস্বাভাবিক হারে বাড়ার পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই।   Source : ইনকিলাব
  • সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের দর
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারের দর। তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফা বাড়ায় ব্যাংকটির শেয়ারের চাহিদা বেড়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।গত সপ্তাহে দর ৫ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বাড়ায় কোম্পানিটি সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির পঞ্চম স্থানে উঠে আসে। সপ্তাহজুড়ে এর মোট ১৯ কোটি ৫৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্র্যাক ব্যাংকের কর-পরবর্তী সমন্বিত নিট মুনাফা হয়েছে ৭৫ কোটি ৫৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ মুনাফা ছিল ৩৯ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৮১ পয়সা।অন্যদিকে একই হিসাব বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে এর মুনাফা হয়েছে ১৭১ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ইপিএস ২ টাকা ৮৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ মুনাফা ছিল ১৩৬ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস ২ টাকা ৮০ পয়সা।২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য লভ্যাংশ হিসেবে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয় ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত সে হিসাব বছরে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয় ১৪১ কোটি ৯৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ইপিএস ৩ টাকা ২০ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য এনএভি ২৯ টাকা ৩৮ পয়সা।এদিকে সার্ভিলেন্স রেটিংয়ে কোম্পানিটি দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ ৩’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে কোম্পানিটি ভালো অবস্থানে রয়েছে। ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গত সাত কার্যদিবসের মধ্যে ছয় কার্যদিবসই বেড়েছে এ শেয়ারের দর। বৃহস্পতিবার দর বাড়ে ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বা ৪০ পয়সা। সর্বশেষ ৩৯ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন হয়, সমন্বয় শেষে যা ছিল ৩৯ টাকা ৫০ পয়সা। আগের কার্যদিবসে এর সমাপনী দর ছিল ৩৯ টাকা। এদিন ৪৫৫ বারে এর ১৩ লাখ ২৭ হাজার ১৮৭টি শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৩৬ টাকা ৯০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৩৯ টাকা ৫০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ২৬ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৩৯ টাকা ৫০ পয়সা।২০১২ সালের জন্য কোম্পানিটি লভ্যাংশ হিসেবে ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ওই হিসাব বছরে এর কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয় ৬৭ কোটি ২১ লাখ টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৭৪ পয়সা।২০০৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৭০৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৯৯ কোটি ৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার ৭০ কোটি ৯২ লাখ ৮৭ হাজার ৩২১টি; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৫০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৪ দশমিক ৪১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৪৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত ১৩ দশমিক ৫৭।   Source : বনিক বার্তা
  • লভ্যাংশ পাচ্ছেন না ডিএসইর ট্রেকহোল্ডাররা
    বিন্যস্তকরণের (ডিমিউচুয়ালাইজেশন) অংশ হিসেবে মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগ পৃথক হওয়ার পর প্রথম হিসাব বছরে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেকহোল্ডাররা লভ্যাংশ পাচ্ছেন না। মূলত রিজার্ভ বাড়িয়ে কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে কোম্পানির শেয়ারকে আরো আকর্ষণীয় করতেই এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ। তাই লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও প্রথম বছরের মুনাফা থেকে লভ্যাংশ পাচ্ছেন না ট্রেকহোল্ডাররা। এছাড়া নগদ লভ্যাংশ দেয়ার মতো পর্যাপ্ত পরিচালন আয়ও হয়নি ডিএসইর।জানা গেছে, ২০১৩ সালের নভেম্বরে স্টক এক্সচেঞ্জ বিন্যস্তকরণের পরবর্তী সাত মাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে ২০১৩-১৪ হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে ডিএসইর। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির মোট আয় হয়েছে ১৩৫ কোটি টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৪ পয়সায়। বাজার পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির আয়ের সিংহভাগই এসেছে সুদ আয় থেকে। বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকে স্টক এক্সচেঞ্জটির প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট) রয়েছে।বিন্যস্তকরণের পর লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় ডিএসইর পরিশোধিত মূলধন ৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৮০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়, যা দেশের সবচেয়ে বড় পরিশোধিত মূলধনি কোম্পানি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিরাট অঙ্কের পরিশোধিত মূলধনি কোম্পানিতে রূপান্তরিত হওয়ায় ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়াও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন কারণে শেয়ারবাজারের প্রতি আস্থাহীনতায় স্টক এক্সচেঞ্জটিতে শেয়ার লেনদেন অনেক কমে গেছে। এ পরিস্থিতিতে পরিচালন আয় থেকে ব্যয় নির্বাহ করে ট্রেকহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেয়াটা কঠিন হয়ে পড়ছে। ডিএসইর পরিশোধিত মূলধন হিসেবে ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে হলে ন্যূনতম ১৮০ কোটি টাকা প্রয়োজন, যা বর্তমান পরিচালন আয় থেকে নির্বাহ করা সম্ভব নয়।সর্বশেষ হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির মোট আয় জানা গেলেও পরিচালন আয় কত হয়েছে সেটি জানা যায়নি। যদিও আগের বছরে ডিএসইর পরিচালন ব্যয় ও সুদ আয় বাদ দিলে পরিচালন মুনাফা দাঁড়ায় মাত্র ৭ কোটি টাকায়। ডিমিউচুয়ালাইজেশনের স্কিমে দেয়া তথ্যানুযায়ী ২০১৩-১৪ হিসাব বছরে মুনাফার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮ শতাংশ। তবে গত বছর ব্যাংকে স্থায়ী আমানতের সুদ হার কমে যাওয়ায় মুনাফায় ১৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএসইর এক পরিচালক বণিক বার্তাকে বলেন, প্রথম বছরে আয় হলেও তা লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণের জন্য যথেষ্ট নয়। যদিও এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। তবে কৌশলগত বিনিয়োগকারীর কাছে স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার মূল্যকে আকর্ষণীয় করতে রিজার্ভ বড় রাখা প্রয়োজন। এটি হলে ভবিষ্যতে ট্রেকহোল্ডাররা অনেক বেশি লাভবান হবেন।জানা গেছে, বর্তমানে ডিএসইর সিংহভাগ আয় আসছে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকে ১ হাজার কোটি টাকা স্থায়ী আমানত থেকে। ডিএসইর আয়ের অন্যতম উত্স হচ্ছে লেনদেন থেকে প্রাপ্ত ফি। শেয়ারবাজারে লেনদেন বর্তমানে ১০০-২০০ কোটি টাকায় নেমে আসায় কমিশন আয় কমে গেছে ডিএসইর। এর বাইরে স্টক এক্সচেঞ্জটির অন্যতম আয়ের উত্স হচ্ছে কোম্পানির তালিকাভুক্তি ফি। এদিকে ডিএসইতে চালু হওয়া নতুন লেনদেন ব্যবস্থা চালুর পর হাওলা ফি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে লাগা চার্জও (লেনদেনের ওপর আরোপিত কমিশন) কমিয়ে আনা হয়েছে। শেয়ারের লেনদেন ফি দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ করা হয়। বন্ড মার্কেটের ক্ষেত্রে লেনদেন ফি ট্রেডপ্রতি ৫০ টাকা ধার্য করা হয়। দেশের অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জও (সিএসই) লেনদেনের খরচ কমিয়ে আনে।প্রসঙ্গত, স্টক এক্সচেঞ্জেস ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন ২০১৩-এর আলোকে সে বছরের ২৯ জুলাই দেশের উভয় শেয়ারবাজার কর্তৃপক্ষ ডিমিউচুয়ালাইজড স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানার ধরন, ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, নির্বাহীদের দায়িত্ব, সম্পদ বণ্টন বিষয়ক প্রস্তাব বা স্কিম জমা দেয়। একই বছরের সেপ্টেম্বরে মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথকীকরণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিমের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিন্যস্তকরণের মাধ্যমে স্টক এক্সচেঞ্জ অলাভজনক থেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়। রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক থেকে স্টক এক্সচেঞ্জের নিবন্ধন প্রাপ্তির পর নভেম্বরে স্টক এক্সচেঞ্জ গ্যারান্টি দ্বারা সীমাবদ্ধ পাবলিক কোম্পানি থেকে শেয়ার দ্বারা সীমাবদ্ধ পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তর হয়। এর পরই এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজড বলে গণ্য হয়।স্টক এক্সচেঞ্জ বিন্যস্তকরণের পর ভবিষ্যতে দেশে ডেরিভেটিভস, কমোডিটিজ, ফিউচার এবং অপশন মার্কেট চালু করার লক্ষে সর্বাধুনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যেই নাসডাক ওএমএক্স ও ফ্লেক্সট্রেড সিস্টেম কোম্পানির সহযোগিতায় স্বয়ংক্রিয় অত্যাধুনিক ট্রেডিং সফটওয়্যার ডিএসই এক্সস্ট্রিম আইনেট ম্যাচিং ইঞ্জিন এবং ডিএসই ফ্লেক্স-টিপি চালু হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সুবিধা সংবলিত নতুন লেনদেন ব্যবস্থা চালুর ফলে শেয়ারের লট প্রথা তুলে দেয়া সম্ভব হয়েছে। এতে অডলট-সংক্রান্ত সমস্যা দূর হয়েছে। নতুন সফটওয়্যার চালুর ফলে ভবিষ্যতে সহজেই ইটিএফ, সুকুকসহ অন্যান্য ইসলামিক সিকিউরিটিজ, ডেরিভেটিভস প্রডাক্টস চালুর উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে ডিমিউচুয়ালাইজড এক্সচেঞ্জের আয় আরো বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডিএসইর কর্মকর্তারা।   Source : বনিক বার্তা
  • তালিকাভুক্ত কোম্পানির উৎপাদন ব্যাহত
    টানা অবরোধ ও রাজনৈতিক সহিংসতায় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক কোম্পানির উৎপাদন অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। এতে এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীরা বড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। কোম্পানিগুলো বলছে- উৎপাদিত পণ্যের সরবরাহে সমস্যা, পণ্য বিক্রি না হওয়া, উৎপাদনের জন্য কাঁচামাল আনতে সমস্যা এবং দূরের শ্রমিকরা কাজে আসতে না পারায় তাদের উৎপাদন কমেছে। এর ফলে বছর শেষে কোম্পানিগুলোর আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দেয়ার সক্ষমতা হারানোরও আশংকা করা হচ্ছে।এর পাশাপাশি আয় কমলে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে সমস্যা হবে। ফলে ব্যাংকিং খাত সমস্যায় পড়তে পারে। তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মতে, এ অবস্থা আরও কিছুদিন চলতে থাকলে কোম্পানি চালানোই কষ্টকর হবে।এদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার নেতিবাচক প্রভাব সেকেন্ডারি মার্কেটেও পড়ছে। গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্যসূচক ও লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে উৎপাদন করে লাভ নেই। এতে কোম্পানির ক্ষতি। তাদের মতে, অচল অবস্থার কারণে শিল্প খাতে বহুমুখী সমস্যা হবে। তবে তাদের মতে, ক্ষতির দোহাই দিয়ে ঋণ পুনঃতফসিলসহ সরকারি সুযোগ-সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করবে বেশ কিছু দুর্বল প্রতিষ্ঠান।শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি বাটা সু। কোম্পানির মূল পণ্য জুতা। ১৩ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর বিনিয়োগকারীদের ভালো লভ্যাংশ দেয়। গত বছর দিয়েছে ৩০০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ। সাম্প্রতিক সময়ে টানা অবরোধের কারণে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রি অনেক কমেছে। কোম্পানি সচিব হাশিম রেজা যুগান্তরকে বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতায় আমাদের উৎপাদন অর্ধেকে নেমেছে। এতে কোম্পানির আয়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। কারণ আজকে যে পরিমাণ পণ্য বিক্রি হবে, পরে তা আর পুষিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, হরতাল-অবরোধের কারণে ডিলাররা দোকান খুলতে পারছে না। ফলে তাদের বেচাকেনা বন্ধ। আর ডিলাররা পণ্য না কেনায় আমাদের বেচাকেনাও বন্ধ। তিনি বলেন, এই অবস্থা আরও কিছুদিন চলতে থাকলে আমরা কোম্পানি চালাতে পারব কিনা সেটাই সন্দেহ।প্রাণ আরএফএল গ্রুপের দুটি কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত। গ্রুপের মার্কেটিং ডিরেক্টর কামরুজ্জামান কামাল বলেন, অবরোধের কারণে তারা বেশি পণ্য সরবরাহ করতে পারছেন না। ঢাকার আশপাশসহ বেশি সমস্যা হচ্ছে ঢাকার বাইরে। নোয়াখালী এবং উত্তরাঞ্চলে তাদের গাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন তাদের ৭শ ট্রাক পণ্য সরবরাহ করে। বর্তমানে তা একেবারে কমে গেছে। তারমতে, সরবরাহ না থাকায় পণ্যের উৎপাদন একেবারে কম। তবে তিনি মনে করেন, এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু এ অবস্থা আরও কয়েক দিন চললে, বছর শেষে তাদের আয় কমে যাবে। এছাড়াও ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কমবে। বাজারে তালিকাভুক্ত অন্যতম গ্র“প বেক্সিমকো। ওই গ্র“পের মিডিয়া ডিরেক্টর আলমগীর হোসেন বলেন, হরতাল-অবরোধের কারণে নির্ধারিত সময়ে কাঁচামাল আসছে না। এছাড়াও দূরের যেসব স্টাফ রয়েছে, তারা অফিসে আসতে পারছে না। ফলে উৎপাদনে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। আর বছরের শেষে কোম্পানির আয়ে তার প্রভাব পড়তে পারে। তার মতে, ১৮ দিন অবরোধের কারণে ব্যাংক পরিশোধেও কিছুটা সমস্যা হতে পারে। কারণ কোম্পানির আয় কমলে বাজারে এর প্রভাব পড়বে।বাজারে ভারি শিল্প হিসেবে পরিচিত অ্যাপোলো ইস্পাত। প্রতিষ্ঠানটির ডিএমডি আবদুর রহমান যুগান্তরকে অবরোধে বহুমুখী প্রভাব পড়েছে। পরিবহন সংকটের কারণে আমদানিতে সমস্যা। এছাড়া উৎপাদিত পণ্য বিপণন করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, অন্যান্য শিল্পের চেয়ে আমাদের সমস্যা বেশি। কারণ আমাদের প্রতিটি কয়েলের ওজন ২০ টনের বেশি। আর হরতাল-অবরোধের মধ্যে এই ধরনের ভারি কাঁচামাল পরিবহন সম্ভব নয়। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আর কোম্পানির ওপর এর প্রভাব পড়বে। তিনি বলেন, বছর শেষে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ অনেক ধরনের সমস্যার মুখোমুখী হতে হবে।সিরামিক খাতের বড় কোম্পানি আরএকে সিরামিকস। প্রতিষ্ঠানটির কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা আগে অর্ডার নিই। উৎপাদন করে পণ্য সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে আগের অর্ডারের পণ্যগুলোর উৎপাদন চলছে। কিন্তু পরিবহনের জন্য তা সরবরাহ করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, এই অবস্থা আরও কিছুদিন চললে, কোম্পানির আয়ে প্রভাব পড়বে। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, কোম্পানির উৎপাদন ব্যাহত হলে আয়ে প্রভাব পড়বে, এটি স্বাভাবিক ঘটনা। আর এ অবস্থায় নতুন বিনিয়োগও আসবে না। ফলে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, বাজারের মূল সংকট রাজনৈতিক। এই কারণে বিনিয়োগকারীদের মাঝে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। আর রাজনৈতিক অস্থিরতা না কাটলে বাজার ভালো হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।   Source : যুগান্তর
  • পিই কমেছে ৩.১৬ শতাংশ
    দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ৪ কার্যদিবস মূল্যসূচক কমেছে। বাকি এক কার্যদিবস সূচক সামান্য বেড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সপ্তাহ শেষে পিই কমেছে ৩.১৬%। ডিএসইর পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৭.৫৩ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহ শেষে অবস্থান করে ১৮.১০ পয়েন্টে। অর্থাৎ সপ্তাহ শেষে ডিএসইর পিই রেশিও কমেছে ০.৫৭ পয়েন্ট বা ৩.১৬%। খাতভিত্তিক পিইর হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ১০.২৯ পয়েন্টে, আর্থিক ১৪.৮৪ পয়েন্ট, প্রকৌশল ২০.৮৮, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক ৩০.৭৪, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ১১.৪৪, পাট খাতের ২১২.২৫, বস্ত্র ১১.৭৪, ওষুধ ও রসায়ন ২২.৮৩, সেবা ও আবাসন ৩৭.৮৫, সিমেন্ট খাতের ১৯.৭৬, তথ্যপ্রযুক্তি ২৩.২৯, চামড়া ২৩.৫০, সিরামিক ৩৩.৬৮, বীমা ১৯.৮৮, বিবিধ ৩১.২৭, পেপার ও প্রকাশনা ১০.২৪, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ১৫.০৮ পয়েন্টে।আগের সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক পিইর হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করে ১০.৩৪ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ১৫.৩৭ পয়েন্ট, প্রকৌশল খাতের ২১.৯৯, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ৩০.৪৩, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ১১.৯৭, পাট খাতের ২১২.০৫, বস্ত্র খাতের ১২.৭২, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২৩.০৬, সেবা ও আবাসন খাতের ৪৩.১৬, সিমেন্ট খাতের ২০.৭২, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ২৩.৮৮, চামড়া খাতের ২৩.১৯, সিরামিক খাতের ৩৬.২৮, বীমা খাতের ২১.০৫, বিবিধ খাতের ৩৩.২২, পেপার ও প্রকাশনা খাতের ১০.৭৫, টেলিযোগাযোগ খাতের ২৩.৮৮, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ১৬.০১ পয়েন্টে। সপ্তাহ শেষে ক্যাটাগরিভিত্তিক পিইর হিসাবে ‘এ’ ক্যাটাগরির পিই অবস্থান করছে ১৬.৪৩ পয়েন্টে, ‘বি’ ক্যাটাগরির ৩৪.৮৬, ‘জেড’ ক্যাটাগরির ৮৯.৬৪ এবং ‘এন’ ক্যাটাগরির পিই অবস্থান করছে ১৯.৮০ পয়েন্টে।   Source : মানব জমিন
  • বাজার মূলধন কমেছে ৭,৯৬৬ কোটি টাকা
    দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হওয়া ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ৪ কার্যদিবস মূল্যসূচক কমেছে। বাকি এক কার্যদিবস সূচক সামান্য বেড়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সপ্তাহ শেষে ডিএসইর ৩টি মূল্যসূচক ও টাকার অঙ্কে লেনদেন কমেছে। সপ্তাহ শেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স কমেছে ৩.১৯%। গত সপ্তাহে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেন কমেছে ৫৬৩ কোটি ৪০ লাখ ৩৭,১৮৭ টাকা। গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৭,৯৬৬ কোটি ৬৬ লাখ ৪৪,৭৪৮ টাকা। আগের সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছিল ১,০০০ কোটি ৮৮ লাখ ৬৬,৪৭৮ টাকা। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৩০,০৮০ কোটি ৯২ লাখ ১৭,৫৮২ টাকা এবং শেষ কার্যদিবসে বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ২২,১১৪ কোটি ২৫ লাখ ৭২,৮৩৪ টাকা। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১,২৮৮ কোটি ৭৫ লাখ ৮৪,১৭১ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সিএসই’র মূল্যসূচক কমেছে ২.৯৯%। সপ্তাহ শেষে সিএসইর সিএসসিএক্স মূল্যসূচক অবস্থান করছে ৮,৯২৪ পয়েন্টে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬৯টি কোম্পানি ও মিউ. ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৩১টির, কমেছে ২২৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি কোম্পানির শেয়ারদর।   Source : মানব জমিন
View All
Latest DSE News
  • PADMAOIL

    The Company has further informed that due to unavoidable circumstances the Venue of the 45th AGM of the Company has been re-fixed at Chittagong Boat Club(CBC), CCL Convention Center, Ghat-11, Patenga, Chittagong instead of its Main Installation, Guptakhal, Patenga, Chittagong. Other information of the AGM will remain unchanged.

  • 1STPRIMFMF

    As per regulation 30 of DSE Listing Regulations, ICB Asset Management Company Limited has informed that a Trustee meeting of the Fund will be held on January 28, 2015 at 3:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the fund for the year ended on December 31, 2014.

  • EXCH

    Today (26.01.2015) Total Trades: 66,857; Volume: 60,806,355 and Turnover: Tk. 2,043.64 million.

  • MARICO

    Trading of the shares of the Company will be allowed only in the Spot Market and Block/Odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from 27.01.2015 to 28.01.2015. Trading of the shares of the Company will remain suspended on record date i.e., 29.01.2015 for entitlement of interim dividend.

  • PADMAOIL

    (H/Y Un-audited): Net Profit after tax from July'14 to Dec'14 was Tk 884.26 million with EPS of Tk. 9.00 as against Tk. 1,015.30 million and Tk. 10.34 respectively for the same period of the previous year. Whereas net profit after tax from Oct'14 to Dec'14 was Tk. 422.39 million with EPS of Tk. 4.30 as against Tk. 345.61 million and Tk. 3.52 respectively for the same period of the previous year.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
EXIM1STMF 7.30 6.70 0.60 8.96
SPCL 240.10 221.20 18.90 8.54
ANWARGALV 37.00 34.50 2.50 7.25
FAREASTFIN 17.80 16.90 0.90 5.33
PF1STMF 4.50 4.30 0.20 4.65
DBH1STMF 4.60 4.40 0.20 4.55
EASTRNLUB 388.00 372.50 15.50 4.16
RECKITTBEN 1059.70 1018.80 40.90 4.01
MARICO 1129.80 1087.80 42.00 3.86
SAPORTL 62.00 60.00 2.00 3.33

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297