Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
LANKABAFIN 62.8 52.9 9.90 18.71
MALEKSPIN 23.4 19.9 3.50 17.59
IPDC 52.8 45.1 7.70 17.07
SALVOCHEM 21.4 18.5 2.90 15.68
AFCAGRO 63 55.2 7.80 14.13
BARKAPOWER 52 45.8 6.20 13.54
CMCKAMAL 27.8 24.9 2.90 11.65
PADMAOIL 264.2 236.7 27.50 11.62
SAIFPOWER 51.5 46.3 5.20 11.23
MATINSPINN 41.9 38 3.90 10.26

Contest SB2017_Feb

1st
blank_person
FARUK6468
2nd
blank_person
ABUBAKAR75
3rd
blank_person
KHORSHEDCTG
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
TITASGAS 59.2 56.8 4.20978 7059580.00
DESCO 61.7 59.4 1.62142 3207080.00
LANKABAFIN 62.8 59.8 1.47213 9078430.00
IPDC 52.8 48.3 1.20887 3587040.00
GPHISPAT 46.4 44.4 1.10594 5434960.00
Negative impact
GP 315.2 319.3 -9.81676 332720.00
DUTCHBANGL 109.7 119 -3.29812 247493.00
ISLAMIBANK 42 43 -2.85481 4092640.00
ICB 172 173.1 -1.23430 269503.00
SPCL 145.3 149.4 -1.02687 696278.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
LANKABAFIN 62.8 63.1 59.9 5.02% 560.46
BEXIMCO 34.5 34.7 33.9 2.07% 494.78
TITASGAS 59.2 59.5 56.2 4.23% 409.87
BARKAPOWER 52 53 51.3 -0.57% 407.39
RSRMSTEEL 81.8 82 77.9 5.82% 404.17
BBS 54.3 54.5 52.7 3.82% 342.73
APOLOISPAT 24.9 25 24.4 2.05% 315.47
ACTIVEFINE 48.3 48.5 47.3 2.11% 304.36
AFCAGRO 63 63.2 60.2 5.35% 273.95
IDLC 73 73.5 71.8 1.39% 264.18

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 23 Feb 2017

200030
TOTAL TRADE
340.2119
TOTAL VOLUME(Mn)
13331.50
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • সিএসইর চেয়ারম্যান হলেন ড. মোমেন
    স্টাফ রিপোর্টার : সাবেক আমলা ও কূটনীতিক ড. এ কে আবুল মোমেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ছোটো ভাই। সিএসইর এমডি এম. সাইফুর রহমান মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শনিবার পরিচালনা পর্ষদের সভায় তাকে সিএসইর চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। ড. এ কে আবুল মোমেন আজ থেকে তার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। ড. মোমেন ১৯৪৭ সালে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করেন। দীর্ঘদিন তিনি সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল পদে চাকরি করেন। তিনি ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ সালে ড. মোমেন জাতিসংঘের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউনেস্কো’র পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া জাতিসংঘের ৬৭তম সাধারণ অধিবেশনে তিনি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি জাতীয় চা বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।  
  • মার্কেন্টাইল ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য শনিবার ২০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস। ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৬ শেষ হওয়া হিসাববছরের জন্য এ লভ্যাংশ সুপারিশ করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ১ পয়সা। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ২২ টাকা ৮২ পয়সা। আর এককভাবে কোম্পানির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য হয়েছে ২২ টাকা ৭৪ পয়সা। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ মার্চ। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ মার্চ, ২০১৭।
  • লোকসানে ভারত ছাড়ছে টেলিনর
    রয়টার্স : প্রতিযোগিতার চাপে আর নানা দুর্বিপাকে ভারতী এয়ারটেলের কাছে ব‌্যবসা বিক্রি করে দিয়ে ভারত ছাড়ছে নরওয়ের টেলিনর গ্রুপ। ভারতের সবচেয়ে বড় টেলিকম অপারেটর ভারতী এয়ারটেল বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, এই হাতবদলের মধ‌্য দিয়ে ভারতের ছয়টি রাজ‌্যে টেলিনরের ব‌্যবসা অধিগ্রহণ করতে যাচ্ছে তারা। নরওয়ের টেলিনর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের ৫৫ দশমিক ৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক। গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা বর্তমানে সাড়ে পাঁচ কোটির বেশি, যা দেশের মোট মোবাইল ফোন সেবাগ্রহীতার প্রায় অর্ধেক। টেলিনরের একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই চুক্তির আওতায় ভারতী এয়ারটেল নগদ কোনো অর্থ দেবে না। লাইসেন্স ফি ও টাওয়ার নেটওয়ার্কের জন‌্য টেলিনরের যে দায়, তার দায়িত্ব তারা নেবে। পাশাপাশি টেলিনর ইন্ডিয়ার কর্মীদেরও আত্মীকরণ করা হবে। ভারতের ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, তরঙ্গ বাবদেই টেলিনরের দায়ের পরিমাণ এক হাজার ৬৫০ কোটি রুপির মত। এছাড়া রয়েছে টাওয়ার ইজারাসহ বিভিন্ন চুক্তিও রয়েছে। টেলিনরের ৪ কোটি ৪০ লাখ গ্রাহক মিলিয়ে ভারতীয় এয়ারটেলের গ্রাহক সংখ‌্যা দাঁড়াবে ৩০ কোটি। পাশাপাশি এই চুক্তির ফলে ভারতীর ফোর জি নেটওয়ার্ক ও বাজারের আওতা বাড়বে, যা ভারতের টেলিকম খাতের আরেক বড় অপারেটর রিলায়েন্স জিও ইনফোকমের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরও শক্ত ভিত্তি যোগাবে। অন‌্যদিকে এই চুক্তির ফলে চীনের পর বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেলিকম বাজার ভারতে টেলিনর অধ‌্যায়ের ইতি ঘটতে যাচ্ছে। রয়টার্স জানিয়েছে, ২০০৮ সালে ভারতে ব‌্যবসা শুরু করার পর থেকে গত নয় বছরে টেলিনরের লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২.৮৭ বিলিয়ন ডলার। ইউনিনরের ২২টি লাইসেন্স টেলিনর কিনে নেওয়ার পর দুর্নীতির অভিযোগে ভারতীয় আদালত সেগুলো বাতিল করে দিলে বড় বিপদে পরে নরওয়েজীয় কোম্পানিটি। অবলোপনের মাধ‌্যমে তারা গতবছর ভারতে তাদের সম্পদের পরিমাণ ৭৬ কোটি ডলারে নামিয়ে আনে। ভারতসহ বিশ্বের ১৩টি দেশে কার্যক্রম চালিয়ে আসা টেলিনরের গ্রাহক সংখ‌্যা ২১ কোটি ৪০ লাখ। এছাড়া টেলিনরের নিয়ন্ত্রণে থাকা ভিম্পেলকম কাজ করছে ১৪টি দেশে। টেলিনরের গ্লোবাল সিইও সিগভে ব্রেক্কে বৃহস্পতিবার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ভারত ছেড়ে যাওয়ার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না। বার বার পর্যালোচনা করে আমাদের মনে হয়েছে, ভারতে টেলিনরের ব‌্যবসা টিকিয়ে রাখতে এককভাবে যে বিপুল অংকের বিনিয়োগ আমাদের করতে হত, তা থেকে গ্রহণযোগ‌্য পর্যায়ে লাভ পাওয়া সম্ভব নয়। ভরতী এয়ারটেল ও টেলিনর জানিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ‌্যে তারা চুক্তির সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে পারবে বলে আশা করছে। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খণ্ড, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ (পূর্ব), উত্তরপ্রদেশ (পশ্চিম) ও আসামে সাতটি সার্কেলে টেলিনরের কার্যক্রম রয়েছে। এই সাতটি সার্কেল থেকেই এয়ারটেলের মোট আয়ের ৩৫ শতাংশ আসে। টেলিনর কিনে নেওয়ার খবরে বৃহস্পতিবার পূঁজি বাজারে ভারতী এয়ারটেলের শেয়ারের দাম ৫২ সপ্তাহের মধ‌্যে সর্বোচ্চ অবস্থায় পৌঁছায়।
  • ৩৩ কোটি টাকার লেনদেন ব্লক মার্কেটে
    স্টাফ রিপোর্টার : বিদায়ী সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ১২ কোম্পানি ও দুই মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার বা ইউনিট লেনদেন হয়েছে। কোম্পানি ও ফান্ড মিলে মোট এক কোটি ২২ লাখ  ৫৩ হাজার ২৬৯টি শেয়ার বা ইউনিট লেনদেন করেছে। যার আর্থিক মূল্য ৩৩  কোটি ২০ লাখ টাকা। লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ লিমিটেড সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, আলোচিত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন করেছে ডিবিএইচ মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এই ফান্ড ৪৩ লাখ ৮২ হাজার ৩০টি ইউনিট লেনদেন করেছে। যার আর্থিক মূল্য  ৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সাউথইস্ট ব্যাংক ৪০ লাখ শেয়ার লেনদেন করে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৮ লাখ ৬০ টাকা। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ২৪ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। ব্লকে লেনদেন করা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এসিআই ফরমুলেশন, অ্যাক্টিভ ফাইন, বিডি ফাইন্যান্স, বার্জার পেইন্টস, ব্রাক ব্যাংক, কনফিডেন্স সিমেন্ট, দেশ গার্মেন্টস, ড্রাগন সোয়েটার, গ্রীনডেল্টা মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইডিএলসি ও সাইফ পাওয়ারটেক।
  • ওষুধ-রসায়ন খাত লেনদেনের শীর্ষে
    স্টাফ রিপোর্টার : সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে ওষুধ-রসায়ন খাত। আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেনের ১৬ শতাংশ অবদান রয়েছে এই খাতে। লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ লিমিটেড সূত্রে  জানা গেছে। সূত্র জানায়, আলোচিত সপ্তাহে এ খাতে প্রতিদিন ১৬৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। প্রকৌশল খাতে ১৫ শতাংশ লেনদেন করে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এই খাতে প্রতিদিন ১৬২ কোটি ৯৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। বস্ত্র খাতে ১৩ শতাংশ লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এই খাতে প্রতিদিন ১৩৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তালিকায় থাকা অন্য খাতগুলোর মধ্যে আর্থিক খাতে ১১ শতাংশ, ব্যাংক খাতে ১০ শতাংশ, জ্বালানি-বিদ্যুৎ খাতে ১২ শতাংশ, বিবিধ খাতে ৫ শতাংশ, সেবা-আবাসন খাতে ৩ শতাংশ, সিমেন্ট, সিরামিক ও খাদ্য-আনুসঙ্গিক খাতে ২ শতাংশ করে লেনদেন হয়েছে। এছাড়া টেলিকমিউনিকেশন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও আইটি খাতে ১ শতাংশ করে লেনদেন হয়েছে।
  • দর কমেছে ১১ খাতে
    স্টাফ রিপোর্টার : বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দর (রিটার্ন) কমেছে ১১ খাতে। অন্যদিকে দর বেড়েছে ৯ খাতে। লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ লিমিটেড সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, বিদায়ী সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি দর কমেছে কাগজ খাতে। এই খাতে ৩ দশমিক ২০ শতাংশ দর কমেছে। এরপর পাট খাতে ২ দশমিক ১১ শতাংশ দর কমেছে। অন্য খাতগুলোর মধ্যে ব্যাংক খাতে দশমিক ৮০ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে দশমিক ৭৪ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে দশমিক ৮৩ শতাংশ, খাদ্য-খাতে ১ দশমিক ৭১ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে দশমিক ৭০ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে দশমিক ৯৬ শতাংশ, ট্যানারি খাতে দশমিক ৬০ শতাংশ, টেলিকমিউনিকেশন খাতে ১ দশমকি ৩২ শতাংশ ও বস্ত্র খাতে দশমিক ৩২ শতাংশ দর কমেছে। এদিকে দর বেড়েছে বাকী ৯ খাতে। আলোচিত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে সেবা-আবাসন খাতে। এই খাতে ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ দর বেড়েছে। অন্য খাতগুলোর মধ্যে জ্বালানি-বিদ্যুৎ খাতে ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ, আইটি খাতে দশমিক ৯৩ শতাংশ, বিবিধ খাতে ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ, আর্থিক খাতে ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ, ওষুধ খাতে দশমিক ৩৫ শতাংশ ও ভ্রমণ-অবকাশ খাতে ৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ দর বেড়েছে।
  • ১০ বছরে ওষুধ রফতানি হবে ১৭ বিলিয়ন ডলার
    স্টাফ রিপোর্টার : বিশ্বের ১২৭ দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে। এত দেশে রফতানি হলেও পরিমাণ খুবই কম। তবে আগামী ১০ বছরের মধ্যে বিশ্ববাজারের ওষুধ বাণিজ্যের ১০ শতাংশ দখল করা সম্ভব হবে। তখন এর পরিমাণ ১৭ বিলিয়ন ডলার হবে বলে আশা করছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। তারা জানান, এখন স্থানীয় চাহিদার বেশিরভাগ মেটাচ্ছে নিজেদের কোম্পানিগুলো।বৃহস্পতিবার ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী 'এশিয়া ফার্মা এক্সপো-২০১৭'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ওষুধ শিল্পোদ্যোক্তারা। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় বৃহস্পতিবার থেকে শুরু এ প্রদর্শনী  (আজ) শনিবার শেষ হবে। প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে। আয়োজকরা জানান, প্রদর্শনীতে বিশ্বের ৩৫ দেশের প্রায় ৫০০ কোম্পানি অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানি ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, পরীক্ষাগারের যন্ত্রপাতি, মান রক্ষার সরঞ্জাম, ওষুধ মোড়কীকরণের যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম এবং ওষুধ খাতের বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তারা বলেন, দেশে ওষুধের বাজার এখন বছরে ১৬ হাজার কোটি টাকার। মোট চাহিদার ৯৮ শতাংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। কোম্পানিগুলো এখন ভ্যাকসিন, ক্যানসারের ওষুধ, ইনসুলিনসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ওষুধ তৈরি করছে। এমন পরিস্থিতিতে রফতানির বাজার ধরতে উদ্যোক্তারা ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা চেয়েছেন। পাশাপাশি দেশে ওষুধ ও কাঁচামাল উৎপাদন বাড়াতে উদ্যোগের কথাও বলেন তারা। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট (এপিআই) শিল্প পার্কে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ছাড় দাবি করেন তারা।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ওষুধ শিল্পে ১৭ বছর মেধাস্বত্বে ছাড় পেয়েছে। যদিও উদ্যোক্তারা পাঁচ বছরের এ সুবিধা প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে সরকারের প্রচেষ্টায় তা হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের ওষুধ শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকার উদ্যোক্তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে। এ শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর দাবি যৌক্তিক বলে মনে করেন তিনি। এ দাবি পূরণে উদ্যোক্তাদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন, যাতে তারা ভালো মানের ওষুধ তৈরি করে রফতানি করতে পারেন। বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান বলেন, দেশের ওষুধ শিল্প সবদিক দিয়ে পরিপকস্ফতা অর্জন করেছে। মান বৃদ্ধির সঙ্গে সরকারের নিয়ন্ত্রণও উন্নত হয়েছে। এখন এ শিল্প অনেক বেশি রফতানি করার মতো পর্যায়ে এসেছে। তিনি বলেন, ওষুধ অন্যসব পণ্যের মতো নয় যে ক্রেতা পেলাম, আর বিক্রি করলাম। ওষুধ রফতানিতে আগে একটি ভিত্তি তৈরি করতে হয়। সংশ্লিষ্ট দেশে আলাদা নিবন্ধন নিতে হয়। ইতিমধ্যে ১০ থেকে ১২ কোম্পানি বিভিন্ন দেশে নিবন্ধন পেয়েছে। বেক্সিমকো ফার্মার এ উদ্যোক্তা বলেন, বিশ্বে ওষুধের রফতানি বাজার ১৭০ বিলিয়ন ডলারের। এর ১০ শতাংশ ধরা গেলে রফতানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার হবে। ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব এসএম শফিউজ্জামান এপিআই শিল্প পার্কে দ্রুত গ্যাস সংযোগের দাবি করেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও গ্গ্নোব ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বক্তব্য রাখেন। এ ছাড়া ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মুক্তাদিরসহ ওষুধ শিল্প সমিতির নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
  • বাড়ছে না তিতাস গ্যাসের মার্জিন বিতরণ
    সিনিয়র রিপোর্টার : তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের আয়ের প্রধান উৎস বিতরণ মার্জিন বাড়ানোর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বৃহস্পতিবার গ্রাহকপর্যায়ে সব ধরনের গ্যাসের দাম বাড়ালেও তিতাসের বর্তমান বিতরণ মার্জিনই বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি। বিতরণ চার্জ পুনর্নির্ধারণ-সংক্রান্ত বিষয়ে বিইআরসি জানিয়েছে, বিদ্যমান মূল্যহার অনুযায়ী তিতাস লাভজনক অবস্থানে রয়েছে। এক বছর আগে বিতরণ চার্জ কমানো হলেও বর্তমান মূল্যহারে সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানি পরিচালনায় অতিরিক্ত অর্থ ছাড়ের প্রয়োজন হয়নি। প্রাক্কলন অনুযায়ী চলতি ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে পরিচালন খরচ বাদে তিতাসের ৩৬০ কোটি টাকার মতো মুনাফা থাকবে। ফলে বিতরণ মার্জিন বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না তিতাসের। জানতে চাইলে তিতাসের কোম্পানি সচিব মোশতাক আহমেদ বলেন, বিইআরসি থেকে যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তাতে আমরা আশাহত। কোম্পানির আয়ের প্রধান উত্স বিতরণ মার্জিন কমিয়ে দেয়ায় তিতাসের মুনাফা অনেক কমেছে। আগের সিদ্ধান্তের পরই তা পুনর্নির্ধারণের আমরা আবেদন করেছিলাম। তবে শুনানি শেষে বিইআরসি আমাদের আবেদন নাকচ করে দেয়ার বিষয়টি কাঙ্ক্ষিত নয়। এ বিষয়ে ভবিষ্যৎকরণীয় নিয়ে রোববার সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এর আগে গত বছরের ২৯ মার্চ গ্রাহকপর্যায়ে গ্যাসের মূলহার ও কোম্পানির বিতরণ চার্জ পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়ে বিইআরসির কাছে আবেদন করে তিতাস গ্যাস। আবেদনে তিতাসের বিতরণ চার্জ দশমিক ২২৬৮ থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ০৩৮৮ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়। তিতাসের প্রস্তাবের ওপর গত বছরের ৮ আগস্ট নিয়ম অনুযায়ী গণশুনানির আয়োজন করে জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি। শুনানিতে জানানো হয়, তিতাস গ্যাসের বিতরণ রাজস্ব চাহিদা মেটাতে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসে ভারিত গড়ে শূন্য দশমিক ৪০২৯ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে ঘনমিটারপ্রতি কোম্পানির আয় শূন্য দশমিক ৫৫৭৫ টাকা। কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, তিতাসের আয়ের ৬০ শতাংশ আসে বিতরণ চার্জ থেকে। ২০১৫ সালের আগস্টে ভোক্তাপর্যায়ে গ্যাসের মূল্য ও তিতাস গ্যাসের বিতরণ চার্জ পুনর্নির্ধারণ করে বিইআরসি। ওই সময় তিতাসকে বিতরণ চার্জ বাবদ প্রাপ্ত আয় আলাদা হিসাবে নেয়ার নির্দেশনা দিয়ে তা ২২ পয়সা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়া এমন সিদ্ধান্তের পর বাজারে তিতাসের শেয়ারদর কমে যাওয়ার পাশাপাশি নিট মুনাফা অনেক কমে যায় কোম্পানিটির। উল্লেখ্য, আগের হিসাবে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিক্রিতে তিতাস গ্যাসের আয় হতো ৯৭ পয়সা। এর মধ্যে ৫৫ পয়সা আসত বিতরণ মার্জিন থেকে। আর গ্যাস ট্রান্সমিশন চার্জ, সুদ ও বিবিধ আয় থেকে আসত বাকি ৪২ পয়সা। ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর জারি করা আদেশে বিতরণ চার্জ ৫৫ পয়সা থেকে কমিয়ে ২৯ পয়সায় নামিয়ে দেয় বিইআরসি। কমানোর যুক্তি হিসেবে তারা জানায়, তিতাস গ্যাসের বিতরণ রাজস্ব চাহিদা মেটাতে প্রতি ঘনমিটারে গড়ে ২৯ পয়সা প্রয়োজন হয়। আর বিদ্যমান অন্যান্য আয় (গ্যাস ট্রান্সমিশন চার্জ, সুদ ও বিবিধ আয়) বাবদ ৪২ পয়সা প্রাপ্তি বিবেচনায় তিতাস গ্যাস কোম্পানির বিতরণ চার্জ বাবদ আর কোনো আয়ের প্রয়োজনই হয় না। তবে বিষয়টিতে ভিন্ন মত দিয়ে চার্জ পুনর্নির্ধারণে বিইআরসির কাছে আবেদনপত্র দেয় তিতাস। তবে এক বছরের বেশি সময় পর তিতাসের বিতরণ মার্জিন পুনর্নির্ধারণের প্রয়োজন নেই বলে জানায় বিইআরসি। এদিকে বিতরণ মার্জিন কমানোর পর প্রথমবারের মতো চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে আগের বছরের একই সময়ের মুনাফা বেড়েছে তিতাসের। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে তিতাসের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯১ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৮৯ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিক (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৮২ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৩২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা ৫৫ পয়সা। ২০০৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় তিতাস গ্যাস। বর্তমানে এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৯৮৯ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে আছে ৫ হাজার ২০০ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ারসংখ্যা ৯৮ কোটি ৯২ লাখ ২১ হাজার ৮৩১টি; বর্তমানে যার ৭৫ শতাংশ রয়েছে সরকারের হাতে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৪ দশমিক ১১, বিদেশী ১ দশমিক ৮৩ ও বাকি ৯ দশমিক শূন্য শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বশেষ ৫৯ টাকা ৩০ পয়সায় তিতাস গ্যাসের শেয়ার হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ৫৯ টাকা ৫০ পয়সা ও সর্বনিম্ন ৪১ টাকা ৪০ পয়সা। সর্বশেষ নিরীক্ষিত মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে তিতাস গ্যাস শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৮ দশমিক শূন্য ৩, হালনাগাদ প্রান্তিক মুনাফার ভিত্তিতে যা ১৫ দশমিক ৫।
  • বিনিয়োগ উন্নয়ন চেয়ারম্যানের সঙ্গে আইসিএমএবি’র সাক্ষাৎ
    দি ইন্স্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্ট্যান্টস্ অব বাংলাদেশের (আইসিএমএবি) প্রেসিডেন্ট জামাল আহমেদ চৌধুরী এফসিএমএ -এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী মো. আমিনুল ইসলামের সাথে তার কার্য্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। আইসিএমএবি’র প্রেসিডেন্ট কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টিং পেশার উন্নয়নে ইনস্টিটিউটের চলমান কর্মকান্ড এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার ব্যাপারে সিএমএ পেশার ভূমিকা সম্পর্কে নির্বাহী চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন। তিনি আরও বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন কোম্পানীতে কস্ট অডিট বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানসমূহ উপকৃত হতে পারে। চেয়ারম্যান দেশে কষ্ট একাউন্টিং পেশা ও আইসিএমএ -এর সার্বিক উন্নয়ন এবং কস্ট অডিট বাস্তবায়নসহ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে যথাযথ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। প্রতিনিধি দলের সদস্য ইন্স্টিটিউটের সচিব মো. আবদুর রহমান খান এফসিএমএ, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. স্বপন কুমার বালা এফসিএমএ, সাবেক প্রেসিডেন্ট ও কাউন্সিল সদস্য মোহাম্মদ সেলিম এফসিএমএ ও আরিফ খান এফসিএমএ এবং আইসিএমএবি এর নির্বাহী পরিচালক মো: মাহ্বুব উল আলম এফসিএমএ এ সময় উপস্থিত ছিলেন । বিজ্ঞপ্তি।
  • অভিজ্ঞতা বিনিময় করলো ডিএসই ও কোরিয়া এক্সচেঞ্জ
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ ও কোরিয়া উভয় দেশের পুঁজিবাজারের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সেন্ট্রাল কাউন্টার পার্টির (সিসিপি) বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো জোরদার করতে ২২-২৩ ফেব্রুয়ারি ডিএসই বোর্ডরুমে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও কোরিয়া এক্সচেঞ্জের মধ্যে দুই দিনব্যাপী যৌথ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কোরিয়া এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্যাং ইউকে পার্ক, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (হেড অব ইএম বিজনেস), প্রজেক্ট লিডার, সিপিপি অপারেশনস, সুং জুন লি, সিনিয়র ম্যানেজার, সি/এস আইটি সিস্টেম, মার্কেট সার্ভিল্যান্স; জুং সুক হান, সিনিয়র ম্যানেজার, এক্সচেঞ্জ বিজনেস, ডেরিভেটিভস মার্কেট। কর্মশালার প্রথম দিন ২২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএএম মাজেদুর রহমান কোরিয়া এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়ে ডিএসইর বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় ডিএসইর বাজার ও ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা, কোরিয়া এক্সচেঞ্জ বাজার এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব, কোরিয়া এক্সচেঞ্জের ডেরিভেটিভস মার্কেট ও এসএমই মার্কেট, কোরিয়া এক্সচেঞ্জের সার্ভিল্যান্স সিস্টেম ইত্যাদি বিষয় উপস্থাপিত হয় এবং পরবর্তীতে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ওইদিন কোরিয়া এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধিরা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্ করেন। কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে কোরিয়া এক্সচেঞ্জের সিসিপি অপারেশন অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, কোরিয়া এক্সচেঞ্জের আইটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড এসবিএল সিস্টেম, সিসিপির উন্নয়নে বাংলাদেশের পরিকল্পনা এবং পরবর্তী পদক্ষেপ ইত্যাদি বিষয় উপস্থাপিত হয় এবং পরবর্তীতে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শেষে উভয় এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধিরা পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। ওয়ার্কশপে ডিএসইর পক্ষে বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • অর্থ ফেরতে আরও সময় চায় ফিলিপাইন
    নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেম (ফেড) থেকে চুরি হওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ ফেরতের বিষয়ে আরও সময় চেয়েছে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটি এ ঘটনার জন্য দায়ী সে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংক আরসিবিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অবশ্য এরই মধ্যে ফিলিপাইন থেকে এখন পর্যন্ত ফেরত এসেছে মাত্র দেড় কোটি ডলার। বাকি আরও সাড়ে ৬ কোটি ডলার (৫১০ কোটি টাকা) ফেরতের ব্যাপারে কিছুটা সময় প্রয়োজন বলে অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংককে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ইতিমধ্যে এই রিজার্ভ চুরির ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেছে। গত বছর ৪ ফেব্রুয়ারি ফেডারেল রিজার্ভ সিস্টেমে গচ্ছিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার (প্রায় ৮০০ কোটি টাকা) হাতিয়ে নেয় একটি হ্যাকার চক্র। এদিকে ফেডারেল রিজার্ভ, ফিলিপাইন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও আরসিবিসির বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে ব্যাপারে এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ (এপিজি) এবং আন্তর্জাতিক অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিলের (এএমএলসি) সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশ ফিনানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সূত্র জানায়, তদন্ত এবং টাকা ফেরতের মাঝপথে সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও এখন আবার আশার সঞ্চার হচ্ছে। ফিলিপাইন কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে। এর আগে আরসিবিসি বলেছিল, অর্থ ফেরত দিতে তাদের কোনো পরিকল্পনা নেই। ব্যাংকটির ওই বক্তব্যের ব্যাপারে ফিলিপাইন কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের অবস্থান কিছুটা পাল্টে বাংলাদেশকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছে বলে জানা গেছে।অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, আইন মন্ত্রণালয় অর্থমন্ত্রীকে জানিয়েছে, ফেডারেল রিজার্ভ কিংবা রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে। তবে তা হবে দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তবে আন্তর্জাতিক মানি লন্ডারিং আইন অনুযায়ী এ টাকা ফেরত দিতে আরসিবিসি বাধ্য। এ ক্ষেত্রে ফেডের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংককে পরামর্শ দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। শুধু তা-ই নয়, এ ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগকৃত আইনজীবী। তবে এ ব্যাপারে দু-একজন আন্তর্জাতিক লবিস্ট নিয়োগ করা যেতে পারে বলে মত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। এ ধরনের সমস্যার সমাধানে আন্তর্জাতিক লবিস্ট খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র দেবপ্রসাদ দেবনাথ এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে যে অর্থ জমা ছিল তা ফেরত এসেছে। এখন বাকি অর্থ ফেরতের বিষয়ে আইনি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফিলিপাইন কেন্দ্রীয় ব্যাংকও এখন আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চুরি হওয়া অর্থ ফেরত আনা সময়সাপেক্ষ। তবে ফিলিপাইন আন্তরিক হলে দ্রুত ফেরত আনা যেতে পারে। ফিলিপাইন কেন্দ্রীয় ব্যাংক আর ফেডারেল রিজার্ভ চাইলে আরসিবিসিকে অর্থ ফেরত দিতে বাধ্য করতে পারে বলে তিনি মনে করেন। কেননা আন্তর্জাতিক অ্যান্টি মানি লন্ডারিং আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, দেশ বা প্রতিষ্ঠান ফেডারেল রিজার্ভ ব্যবহার করে এক ডলার মানি লন্ডারিং করলে তার কাছ থেকে দ্বিগুণ হারে জরিমানা আদায় করা হবে। তবে তা তদন্ত ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এদিকে চুরি হওয়া অর্থ আদায়ের অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হলেও এ ঘটনার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। কিছু প্রক্রিয়ার পরিবর্তন আনা হয়েছে। নিরাপত্তাব্যবস্থাও উন্নত করা হচ্ছে। আগামী মাস থেকেই নতুন সফটওয়্যার যুক্ত হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাইবার নিরাপত্তায়। এ ছাড়া দেশের অন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোরও সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তদারকিও বাড়ানো হয়েছে ব্যাংকগুলোর ওপর। বাংলাদেশ ব্যাংকের সব কর্মকর্তাকে সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ করতে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার কাজ শুরু হয়েছে।  source : bangladesh prothidin
  • ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঋণ বিতরণ ক্ষমতা বাড়ছে
    ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঋণ বিতরণ ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। এ জন্য তারল্য সঞ্চিতি ও সংরক্ষিত তহবিল রক্ষণাবেক্ষণে বর্তমানের তুলনায় কমানোর বিষয়ে একমত হয়েছে ক্ষুদ্রঋণ খাতের সমন্বয় কমিটি। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র উদ্যোগে ঋণের অংশ এবং মেয়াদি আমানত নেওয়ার হার বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিটি।ক্ষুদ্রঋণ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অর্থরিটি (এমআরএ), ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর নেটওয়ার্কিং প্রতিষ্ঠান ক্রেডিট ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ), বড় বড় ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি এ খাতের ওপর নীতিগত প্রস্তাব দিয়ে থাকে। কমিটির এ প্রস্তাব চলতি মাসেই এমআরএ পরিচালনা পর্ষদে উঠবে। এমআরএ পর্ষদ প্রস্তাবে সম্মতি দিলে তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে।এসব প্রস্তাব বাস্তবায়ন করতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি বিধিমালা-২০১০ সংশোধন করতে হবে বলে সমকালকে জানিয়েছেন এমআরএর পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে ঋণ সরবরাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে এসব প্রস্তাব করেছে সমন্বয় কমিটি। এসব প্রস্তাব অনুমোদন পেলে আর্থিক খাতে ক্ষুদ্রঋণের অন্তর্ভুক্তি আরও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এমআরএ বিধিমালা ২০১০-এর ২০ ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে উদ্বৃত্ত তহবিলের ১০ শতাংশ দিয়ে একটি সংরক্ষিত তহবিল গঠন করতে হয়। উদ্বৃত্ত তহবিলের বাকি অর্থ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমে ব্যবহার করতে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। সমন্বয় কমিটি সংরক্ষিত তহবিল গঠনের এ হার কমিয়ে ৭ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে। ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ক্রমপুঞ্জীভূত উদ্বৃত্ত বা মুনাফা দিয়ে উদ্বৃত্ত তহবিল গঠন করা হয়। বিধিমালার ৩৪ ধারায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের মোট আমানতের ১৫ শতাংশ বাধ্যতামূলক তারল্য সঞ্চিতি হিসেবে শাখা কার্যালয়ের নিকটস্থ ব্যাংকে রাখতে হবে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ এবং বাকি ১০ শতাংশ মেয়াদি সঞ্চয় হিসেবে রাখতে হয়। বর্তমানে এই হার কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে সমন্বয় কমিটি। কমিটির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বাধ্যতামূলক তারল্য সঞ্চিতির ৩ শতাংশ হবে নগদ আর বাকি ৭ শতাংশ হবে মেয়াদি আমানত। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঋণ বিতরণের জন্য নিজস্ব তহবিল বড় হয়ে সক্ষমতা বাড়বে বলে মনে করেন সাজ্জাদ হোসেন।বিধিমালার ২৮(ঙ) ও ২৯(ঙ) ধারা অনুযায়ী ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান যে আমানত সংগ্রহ করে তার মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ নিতে পারে স্বেচ্ছা ও মেয়াদি আমানত। সমন্বয় কমিটি এ হার বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে। সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এই প্রস্তাব অনুমোদন হলে দরিদ্রদের সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়বে। আর প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব উৎস থেকে বেশি আমানত নিতে পারবে। ২৪(৩) ধারায় বলা হয়েছে, ক্ষুদ্র উদ্যোগ ঋণের পরিমাণ যে কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মোট ঋণ পোর্টফোলিওর অর্ধেক বা ৫০ শতাংশের বেশি হবে না। সমন্বয় কমিটি এই পরিমাণ ৬০ শতাংশে উন্নীত করতে একমত হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে গ্রামাঞ্চলে নতুন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি হবে বলে মনে করেন দেশের অন্যতম ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান আশার এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাইজুর রহমান। তিনি সমকালকে বলেন, বর্তমানে ক্ষুদ্রঋণ খাতের তহবিলের জন্য ব্যাংকের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এসব প্রস্তাব কার্যকর করা হলে এ নির্ভরতা কিছুটা হলেও কমবে। সিডিএফের নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুল আউয়াল সমকালকে বলেন, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের তহবিল সরবরাহ বাড়বে। অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করা সম্ভব হতে। ফলে অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে। যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়াবে।বর্তমানে এমআরএ সনদ নিয়ে সারাদেশে ৬৯৭টি প্রতিষ্ঠান ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করছে। এ ছাড়া আরও কিছু প্রতিষ্ঠান শর্তসাপেক্ষে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সারাদেশে প্রায় তিন কোটি গ্রাহক রয়েছে। যাদের মধ্যে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। আর সঞ্চয়ের পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। source : somokal
  • সিলেটের ট্রেকধারীদের প্রশিক্ষণ দিল সিএসই
    সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং চট্রগ্রাম ষ্টক এক্সচেঞ্জ লিঃ এর যৌথ উদ্দ্যোগে সিলেটভিত্তিক ট্রেক হোল্ডারদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে দেশব্যাপী বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত ধারণা দিতে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এর নির্বাহী পরিচালক এবং বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম এর টেকনিক্যাল কমিটির আহবায়ক মোঃ মাহবুবুল আলম। উক্ত কর্মশালায় মুখ্য প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মশালাটি পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এর উপ-মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মনিরুল হক। source : jonokontho
  • পুুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে
    দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার মূল্যসূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে এদিন ডিএসইতে আগের দিনের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১ শতাংশ। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ও লেনদেন বেড়েছে। উভয় বাজারেই দিনটিতে আধিপত্য বিস্তার করেছে জ্বালানি এবং শক্তি খাতটি। ডিএসইতে খাতটি সার্বিক লেনদেনের মোট ১৯.৩০ শতাংশ দখল করেছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বুধবার ডিএসইতে এক হাজার ৩০৯ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে; যা আগের দিনের তুলনায় ১১ কোটি ২১ লাখ টাকা বেশি। সোমবার ডিএসইতে এক হাজার ২৯৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩২৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৯টির, কমেছে ১৩৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫২টির শেয়ার দর।আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টের বাজার পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, বুধবারে বড় ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানির ওপর ভর করে সূচক বেড়েছে মোট ২০ পয়েন্ট। বড় মূলধনী কোম্পানির দশমিক ৪০ শতাংশ ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানির দর বেড়েছে .৩০ শতাংশ। তবে দিনটিতে সমান কোম্পানির বেড়েছে ও কমেছে। দিনটিতে লভ্যাংশ ঘোষণা করা কোম্পানিগুলোর প্রভাব পড়েছে বাজারে। জ্বালানি এবং শক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর দর বেড়েছে ১.৪০ শতাংশ।এদিকে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্যসূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬২৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক দশমিক ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩১৩ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে দুই হাজার ৩৩ পয়েন্টে।ডিএসই বুধবার লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে বারাকা পাওয়ার লিমিটেড। লেনদেনে সেরা ১০ কোম্পানির তালিকার শীর্ষে থাকা কোম্পানিটি ৫৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে। কোম্পানিটি ৪ হাজার ২৮০ বারে এক কোটি ৮ লাখ ৫৪ হাজার ২৯৫টি শেয়ার হাতবদল করেছে। এ তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লংকাবাংলা ফিন্যান্স লিমিটেড। কোম্পানিটির ৩ হাজার ৮৫৮ বারে ৮৯ লাখ ২৫ হাজার ৫৯৬টি শেয়ার হাতবদল হয়। যার বাজার মূল্য ৫২ কোটি ৪২ লাখ টাকা। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা আইডিএলসি ফিন্যান্স ২ হাজার ৯৫৬ বারে ৪০ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে। তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেক্সিমকো ৩৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা, একমি ল্যাব ৩৮ কোটি ৮ লাখ টাকা, পদ্মা অয়েল ৩৬ কোটি ৩ লাখ টাকা, এ্যাপোলো ইস্পাত ৩১ কোটি ৮ লাখ টাকা, ইফাদ অটোস ৩০ কোটি ৯১ লাখ টাকা, জিপিএইচ ইস্পাত ২৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ও তিতাস গ্যাস ২৮ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে।অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। সিএসইতে ৮০ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৪৩৪ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৫৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৪টির, কমেছে ১০৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : গ্রীন ডেল্ট্রা, বেক্সিমকো, পদ্মা অয়েল, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, একমি ল্যাবরেটরিজ, জিবিবি পাওয়ার, এ্যাপোলো ইস্পাত, বারাকা পাওয়ার, সামিট পাওয়ার ও আরএন স্পিনিং। source : jonokontho
  • বন্ধ হচ্ছে আইসিবি ফার্স্ট এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজম্যান্ট কোম্পানি ফান্ডটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র জানায়, আগামী ২০ মার্চ ফান্ডটির মেয়াদ ১০ বছর পূর্ণ হবে। তাই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমতি নিয়ে মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা ২০০১ অনুযায়ী ফান্ডটি অবলুপ্ত করা হবে।উল্লেখ্য, ফান্ডটি ২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এই ফান্ডের পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকা। বাজারে ফান্ডটির মোট এক কোটি ইউনিট রয়েছে। source : jayjaydin
  • ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার মূল্য সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে এদিন ডিএসইতে আগের দিনের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ও লেনদেন বেড়েছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বুধবার ডিএসইতে এক হাজার ৩০৯ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় ১১ কোটি ২১ লাখ টাকা বেশি। আগের দিন ডিএসইতে এক হাজার ২৯৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩২৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৯টির, কমেছে ১৩৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫২টির শেয়ার দর।এদিকে, ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার ৬২৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক দশমিক ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩১৩ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে দুই হাজার ৩৩ পয়েন্টে। source : jayjaydin
  • লেনদেনের শীর্ষে সেই বারাকা ও লংকাবাংলা
    শেয়ারবাজারের লেনদেনে দাপুটে আধিপত্য ধরে রেখেছে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি বারাকা পাওয়ার ও আর্থিক খাতের কোম্পানি লংকাবাংলা ফিন্যান্স। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে গতকাল রোববারও প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল যথাক্রমে বারাকা ও লংকাবাংলা।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, কয়েক দিন ধরে কোম্পানি দুটি লেনদেন ও মূল্যবৃদ্ধিতে বেশ দাপুটে অবস্থানে রয়েছে। ডিএসইতে গতকাল এই দুই কোম্পানির সম্মিলিত লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ১০৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে এককভাবে বারাকা পাওয়ারের প্রায় ৬৫ কোটি ও লংকাবাংলার ৪৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। তবে মূল্যবৃদ্ধিতে বারাকা পাওয়ারের চেয়ে লংকাবাংলা কিছুটা পিছিয়ে ছিল এদিন।দিন শেষে গতকাল বারাকা পাওয়ারের প্রতিটি শেয়ারের দাম ৩ শতাংশ বা দেড় টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকায়। আর লংকাবাংলার প্রতিটি শেয়ারের দাম ১০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ২০ পয়সায়। তবে গতকাল মূল্যবৃদ্ধিতে হঠাৎ করেই শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানি সিএমসি কামাল। কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম এদিন প্রায় ৭ শতাংশ বা ১ টাকা ৭০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৭ টাকায়।এদিকে সপ্তাহের প্রথম দিনে ঢাকার বাজারে লেনদেন বাড়লেও সূচক সামান্য কমেছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৮৩ পয়েন্টে। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৩৩ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১৭০ কোটি টাকা কম।অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচকটি এদিন ৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৩১৮ পয়েন্টে। দিন শেষে সেখানকার বাজারে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬৬ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে আড়াই কোটি টাকা বেশি।মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের প্রতিবেদনে গতকালের বাজার সম্পর্কে বলা হয়েছে, ব্যাংকসহ স্বল্প মূলধনি কোম্পানির শেয়ারের মূল্য সংশোধন হয়েছে বাজারে। তার বিপরীতে আর্থিক খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। এই খাতের লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম দিন শেষে গড়ে ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। আর্থিক খাতের মধ্যে এককভাবে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে আইসিবির। লেনদেনে আধিপত্য ছিল প্রকৌশল খাতের। ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশই ছিল এই খাতের লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর। source : prothom-alo
  • উভয় পুঁজিবাজারে সূচকে মিশ্র প্রবণতা : বেড়েছে লেনদেন
    সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) গত কার্যদিবসের চেয়ে সূচকে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে এদিন উভয় এঙ্চেঞ্জে লেনদেন গত কার্যদিবসের চেয়ে বেড়েছে। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএঙ্ ৭ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট কমেছে। তবে সিএসইতে প্রধান সূচক সিএসসিএঙ্ ৭ দশমিক ৪৮ পয়েন্ট বেড়েছে। এদিন উভয় পুঁজিবাজারে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৯৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ১২৬ কোটি ২৬ লাখ।ডিএসই : এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৩২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। গত বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৬১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। সুতরাং এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএঙ্ ৭ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৮৩ পয়েন্টে, ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ২ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩০৮ পয়েন্টে এবং ৭ দশমিক ২৫ পয়েন্ট কমে ডিএসই-৩০ সূচক দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩১টির, কমেছে ১৬২টির এবং কোন পরিবর্তন হয়নি ৩৭টি কোম্পানির শেয়ার দর।সিএসই : অন্যদিকে এদিন সিএসইতে মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ৬৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। গত বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছিল ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা টাকার শেয়ার। সুতরাং সিএসইতে গত কার্যদিবসের চেয়ে শেয়ার লেনেদেন বেড়েছে ২ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি। এদিন সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএঙ্ ৭ দশমিক ৪৮ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৪৯৬ পয়েন্টে, সিএএসপিআই সূচক ৮ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৩১৭ পয়েন্টে, সিএসই-৫০ সূচক ৩ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৬৩ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ১৭ দশমিক ৩২ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৮৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১২০টির, কমেছে ১০৭টির এবং কোনও পরিবর্তন হয়নি ২৯টি কোম্পানির শেয়ার দর। source : sonbad
  • পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াল আইসিবি
    পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে পুঁজিবাজারে ১২০০ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ বাড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ডিসেম্বর মাসের পর বিনিয়োগের হার কিছুটা কমেছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ বাড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে আইসিবি ও এর সাবসিডিয়ারিগুলোর বিনিয়োগ প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। তবে বাজারে উর্ধগতির লাগাম টানতে ডিসেম্বর মাসের পর থেকে কিছুটা বিনিয়োগ কমানো হয়েছে।প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) পুঁজিবাজারে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ও এর সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে বেড়েছে ১ হাজার ২৩১ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ফান্ডে ২৫ কোটি ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মাধ্যমে নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ৪৫ কোটি টাকা। এদিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় গেল অর্ধবার্ষিকে পুঁজিবাজারে আইসিবির সমন্বিত নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ৩১৯ কোটি টাকা। গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুঁজিবাজারে সরকারের বিনিয়োগ অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির নিট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৪১ কোটি ৫৮ লাখ ৭৯ হাজার ১৯০ টাকা।আইসিবির আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধ শেষে (৩১ ডিসেম্বর) শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত নিট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৪১ কোটি ৫৮ লাখ ৭৯ হাজার ১৯০ টাকা, যা ২০১৬ সালের ৩০ জুন ছিল ৯ হাজার ৮৫ কোটি ১৩ লাখ ৯২ হাজার ১৩১ টাকা। ছয় মাসের ব্যবধানে নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯ টাকা। এদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৯৩৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮২ হাজার ২৯৪ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ৩১৯ কোটি ৭৬ লাখ ৪ হাজার ৭৬৫ টাকা।গত ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৬৪ কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার ৯৮৩ টাকা, ছয় মাস আগে যা ছিল ৮ হাজার ৩৩২ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ৯২৪ টাকা। অর্থাৎ গেল অর্ধবার্ষিকীতে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবি ও তার সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৩১ কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯ টাকা।অন্যদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৮৮৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৯০ টাকা। এ হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ৩৪৪ কোটি ৭৬ লাখ ৪ হাজার ৬৬৯ টাকা।বাংলাদেশ ফান্ডে ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর আইসিবির সমন্বিত মোট বিনিয়োগ দাঁড়ায় ৭৩০ কোটি ৯৯ লাখ ১১ হাজার ৬৯৮ টাকা, যা ২০১৬ সালের ৩০ জুন ছিল ৭০৫ কোটি ৯৯ লাখ ১১ হাজার ৬৯৮ টাকা। এর মানে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ২৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৪৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ কমেছে ২৪ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।উল্লেখ্য, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি অনুসারে, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আইসিবি পুঁজিবাজারে ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে প্রথম ছয় মাসে বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। source : jonokontho
  • বস্ত্র খাতের ১৮ কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে
    মুনাফা বেড়েছে বেড়েছে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতে থাকা ১৮ কোম্পানির। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদনে দেখানে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) অনুযায়ী এসব কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে আলহাজ্ব টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ০.৭৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৬৬ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৯ টাকা বা ১৩.৬৪ শতাংশ।আনলিমা ইয়ার্নের ইপিএস হয়েছে ০.৫১ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৫ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৬ টাকা বা ১৩.৩৩ শতাংশ।আর্গন ডেনিমসের ইপিএস হয়েছে ১.৭২ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৬১ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১১ টাকা বা ৬.৮৩ শতাংশ।সিএমসি কামালের ইপিএস হয়েছে ০.৯৬ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৭৮ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৮ টাকা বা ২৩.০৮ শতাংশ।দেশ গার্মেন্টসের ইপিএস হয়েছে ৪.০১ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৯৮ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ২.০৩ টাকা বা ১০২.৫৩ শতাংশ।ড্রাগন সোয়েটারের ইপিএস হয়েছে ১.০২ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৮৬ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৬ টাকা বা ১৮.৬০ শতাংশ।ইভিন্স টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ০.৭৮ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৭৫ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৩ টাকা বা ৪ শতাংশ।জেনারেশন নেক্সটের ইপিএস হয়েছে ০.২৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.১৮ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৫ টাকা বা ২৭.৭৮ শতাংশ।হামিদ ফেব্রিক্সের ইপিএস হয়েছে ০.৬০ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৫৮ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০২ টাকা বা ১.৮৪ শতাংশ।ম্যাকসন্স স্পিনিংয়ের ইপিএস হয়েছে ০.১৭ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.১৩ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৪ টাকা বা ৩০.৭৭ শতাংশ।রহিম টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৪.৪৯ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩.১২ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ১.৩৭ টাকা বা ৪৩.৯১ শতাংশ।রিজেন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ০.৫১ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩৭ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৭ টাকা বা ৪৫.৯৫ শতাংশ।সায়হাম টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ০.৫৪ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৩৭ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৭ টাকা বা ৪৫.৯৫ শতাংশ।শাশা ডেনিমসের ইপিএস হয়েছে ৩.৬৩ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২.৪৯ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.১৪ টাকা বা ৫.৬২ শতাংশ।সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ১.১৫ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৯৫ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.২০ টাকা বা ২.১১ শতাংশ।জাহিন স্পিনিংয়ের ইপিএস হয়েছে ০.৮৮ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪০ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.৪৪ টাকা বা ১১০ শতাংশ।জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ০.৫২ টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ০.৪৭ টাকা। সেই হিসেবে এ কোম্পানির ইপিএস বেড়েছে ০.০৫ টাকা বা ১০.৬৪ শতাংশ।   source : jonokontho
  • প্রতিষ্ঠার দুই যুগ পর নিজ ভবনে বিএসইসি
    প্রতিষ্ঠার ২৪ বছর পর স্থায়ী ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলের জীবন বীমা টাউয়ার থেকে আগারগাঁওয়ে নতুন ঠিকানা পেয়েছে এক্সচেঞ্জ কমিশন। ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হলেও অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের এক মাস পর অফিস সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাহ্যিক কাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা সম্পূর্ণ না হওয়ায় পর্যায়ক্রমে সংস্থাটির সব বিভাগ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ইতিমধ্যে সংস্থার কয়েকটি বিভাগ নতুন ভবনে সরিয়ে আনা হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই অন্য সব বিভাগও সরিয়ে নেওয়া হবে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগকারীর স্বার্থরক্ষা, সিকিউরিটিজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং আইনের সঠিক পরিপালন দেখাশোনা করতে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন-১৯৯৩-এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত এই কমিশনের নাম ছিল সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর আইনে সংশোধন এনে নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নতুন ভবনে স্থানান্তরের আগে দিলকুশায় জীবন বীমা টাওয়ারের ১৪, ১৫, ১৬ ও ২০ তলাজুড়ে ছিল সংস্থাটির অফিস। বর্তমানে সংস্থাটির কার্যালয় ই-৬সি শেরেবাংলানগরের আগারগাঁওয়ে। ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের এক মাস পরে মতিঝিল থেকে অফিস সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভবন নির্মাণ শেষ হলেও অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা না হওয়ায় সরতে সময় লেগেছে বলে জানান কর্মকর্তারা। এর আগে ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর এই ভবন নির্মাণে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়। বিএসইসির নিজস্ব অর্থায়নে ভবনটি নির্মাণে ব্যয় প্রায় ৪৪ কোটি টাকা। ভবনের নকশা করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর এবং বাস্তবায়ন করেছে বিএসইসি ও গণপূর্ত অধিদপ্তর। বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নতুন ভবনে অফিস সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অফিস সরিয়ে নেওয়া হবে। ’ খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আগারগাঁওয়ে বিএসইসি ভবনটি ০.৩৩ একর জমির ওপর একতলা বেজমেন্টসহ ১০ তলাবিশিষ্ট। আয়তন এক লাখ বর্গফুট। বিজয় সরণি দিয়ে সংসদ ভবন পার হয়ে আগারগাঁও মোড় থেকে বাম পাশে গেলেই রাস্তার পাশে বিএসইসি ভবন। এই ভবনের উত্তর পাশে পাসপোর্ট অফিস। দৃষ্টিনন্দন ১০ তলা ভবনে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত অফিসের পাশাপাশি রয়েছে মাল্টিপারপাস হল, ট্রেনিং সেন্টার, ডে-কেয়ার সেন্টার, রুপটপ গার্ডেন, সোলার সিস্টেম, ৩০০ কেভিএ জেনারেটর ও ১২৫০ কেভিএ সাবস্টেশন। আগারগাঁও ভবনটি ঘুর দেখা যায়, বাহ্যিক অবয়ব সম্পূর্ণ হলেও ভেতরের সাজসজ্জার কাজ চলছে। ১০ তলা ভবনের দুটি ফ্লোর নিচতলা ও পঞ্চম তলার সাজসজ্জার কাজ শেষ। পঞ্চম তলায় কমিশনের চেয়ারম্যান ও নিচতলা প্রশাসনিক (অ্যাডমিন) বিভাগ কার্যক্রম শুরু করেছে। সার্ভেইল্যান্স বিভাগও নতুন ভবনে নেওয়া হয়েছে। অন্যান্য ফ্লোরের সাজসজ্জার কাজও চলছে। ফ্লোরের সাজসজ্জার কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অফিস সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। চলতি সপ্তাহে আরো দু-একটি বিভাগ নতুন ভবনে আসবে। পর্যায়ক্রমেই চলতি মাসের মধ্যেই কমিশনের সব অফিস নতুন ভবনে নেওয়া হবে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএসইসি নিজস্ব কোনো ভবন পায়নি। দীর্ঘদিন থেকেই মতিঝিলের জীবন বীমা টাওয়ারে কার্যক্রম চলছিল। আগারগাঁওয়ে সরকারের দেওয়া জমিতে নিজস্ব ভবন নির্মাণে স্থায়ী স্থান হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অফিস সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অফিসিয়াল কাজে ব্যাঘাত না ঘটিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিন অফিস সরানোর কাজ চলছে। আগামী মার্চ মাস থেকে পুরোদমে পূর্ণাঙ্গরূপেই কার্যক্রম শুরু করবে সংস্থাটি। মতিঝিলের জীবন বীমা টাওয়ারে গিয়ে দেখা গেছে, কমিশনের অফিসে বিদায়ের সুর। প্রতিটি বিভাগ নিজ নিজ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরানোর প্রক্রিয়া করছে। ফাইলপত্র গোছানো থেকে শুরু করে নেওয়ার প্রক্রিয়া করা হচ্ছে। সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত কমিশনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী। কাজের ফাঁকে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকেই এখানে চাকরি করছি। পরিচিত এই জায়গা ছেড়ে চলে যেতে কষ্টও লাগছে। তবু নিজেদের ভবনে যাওয়ার আনন্দ অন্যরকম। ’ source : kalar kontho
  • পুঁজিবাজারে আইসিবির বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা
    ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) পুঁজিবাজারে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ও এর সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে বেড়েছে ১ হাজার ২৩১ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ফান্ডে ২৫ কোটি ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মাধ্যমে নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ৪৫ কোটি টাকা। এদিকে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় গেল অর্ধবার্ষিকে পুঁজিবাজারে আইসিবির সমন্বিত নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ৩১৯ কোটি টাকা। গত ৩১ ডিসেম্বর পুঁজিবাজারে সরকারের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটির নিট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৪১ কোটি ৫৮ লাখ ৭৯ হাজার ১৯০ টাকা। কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে আসে।আইসিবির আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধ শেষে (৩১ ডিসেম্বর) শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত নিট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৪১ কোটি ৫৮ লাখ ৭৯ হাজার ১৯০ টাকা, যা ২০১৬ সালের ৩০ জুন ছিল ৯ হাজার ৮৫ কোটি ১৩ লাখ ৯২ হাজার ১৩১ টাকা। ছয় মাসের ব্যবধানে নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯ টাকা। এদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৯৩৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮২ হাজার ২৯৪ টাকা। অর্থাত্ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ার ও ডিবেঞ্চার, বাংলাদেশ ফান্ড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ৩১৯ কোটি ৭৬ লাখ ৪ হাজার ৭৬৫ টাকা।গত ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৬৪ কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার ৯৮৩ টাকা, ছয় মাস আগে যা ছিল ৮ হাজার ৩৩২ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ৯২৪ টাকা। অর্থাত্ গেল অর্ধবার্ষিকীতে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবি ও তার সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ বেড়েছে ১ হাজার ২৩১ কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯ টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৮৮৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৯০ টাকা। এ হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে শেয়ার ও ডিবেঞ্চারে সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ৩৪৪ কোটি ৭৬ লাখ ৪ হাজার ৬৬৯ টাকা।বাংলাদেশ ফান্ডে ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর আইসিবির সমন্বিত মোট বিনিয়োগ দাঁড়ায় ৭৩০ কোটি ৯৯ লাখ ১১ হাজার ৬৯৮ টাকা, যা ২০১৬ সালের ৩০ জুন ছিল ৭০৫ কোটি ৯৯ লাখ ১১ হাজার ৬৯৮ টাকা। এর মানে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ বেড়েছে ২৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ ছিল ৪৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। অর্থাত্ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে বাংলাদেশ ফান্ডে আইসিবির সমন্বিত বিনিয়োগ কমেছে ২৪ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।এ বিষয়ে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইফতেখার-উজ-জামান বণিক বার্তাকে বলেন, পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করার জন্যই আমরা ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ বাড়িয়েছি। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হাজার কোটি টাকার বেশি বাড়ানোর পাশাপাশি আমি ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ শুরুর পর পুঁজিবাজারে আইসিবি ও এর সাবসিডিয়ারিগুলোর বিনিয়োগ প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। এ বিনিয়োগ পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে ভূমিকা রেখেছে। তবে বাজার মোটামুটি একটি ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে যাওয়ায় ডিসেম্বরের পর আমরা বিনিয়োগ কিছুটা কমিয়ে এনেছি। এছাড়া ঋণাত্মক ইকুইটির বিও হিসাবধারী গ্রাহকদের সুদ মওকুফও বাজারকে সমর্থন দিয়েছে বলে মনে করেন তিনি। গত বছর আইসিবি ঋণাত্মক ইকুইটির বিওধারীদের মার্জিন ঋণের বিপরীতে পাঁচ বছরের সুদ মওকুফ করেছে। এতে প্রায় ৩০ হাজার বিনিয়োগকারীর ঋণের বোঝা হালকা হয়েছে এবং তারা নতুন উদ্যমে বিনিয়োগে আগ্রহী হয়েছেন।প্রসঙ্গত, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি অনুসারে, চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আইসিবি পুঁজিবাজারে ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে প্রথম ছয় মাসে বেড়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। source : bonik barta
  • প্রথমার্ধে মুনাফায় ওটিসির ১৩ কোম্পানি
    দুর্বল মৌল ভিত্তি ও সিকিউরিটিজ আইন পরিপালন না করায় দীর্ঘদিন ধরেই ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে তালিকাভুক্ত রয়েছে বিভিন্ন খাতের ৬৬টি কোম্পানি। এর মধ্যে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা কোম্পানির ৪৩ শতাংশই চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে মুনাফায় দেখাতে সক্ষম হয়েছে।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যমতে, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধের অনিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব বিবরণী প্রকাশ করেছে ৩০টি কোম্পানি। এর মধ্যে মুনাফায় রয়েছে ১৩টি কোম্পানি ও লোকসানে রয়েছে ১৭টি।ডিএসইর তথ্যমতে, আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা কোম্পানিগুলোর মধ্যে মুনাফায় রয়েছে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের প্রথমার্ধে কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এ সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭২ পয়সা। হিমাদ্রী লিমিটেডের কর-পরবর্তী মুনাফা ৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ও ইপিএস হয়েছে ৬৩ টাকা ৬১ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে মডার্ন ইন্ডাস্ট্রিজের কর-পরবর্তী মুনাফা ৭৮ লাখ টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৩ টাকা ৬১ পয়সা। এ সময়ে কর-পরবর্তী ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা মুনাফা দেখিয়েছে মোনা ফেব্রিকস। কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩০ পয়সা।পেপার প্রসেসিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এর ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪১ পয়সা। ফনিক্স লেদার কমপ্লেক্সের মুনাফা হয়েছে ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা। প্রথমার্ধে কর পরিশোধের পর ওয়ান্ডার টয়েসের মুনাফা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ইপিএস দাঁড়িয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ২ টাকা। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল শূন্য দশমিক শূন্য ১ টাকা। ৩১ ডিসেম্বর এ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৫৯ পয়সা। এ সময়ে তমিজ উদ্দিন টেক্সটাইল মিলসের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭ হাজার ও ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা। কর পরিশোধের পর সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলের মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা ও ইপিএস হয়েছে ৯৩ পয়সা।এর বাইরে ম্যাক এন্টারপ্রাইজের কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ৪৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৯৫ টাকা। আগের বছর একই সময়ে এ কোম্পানির মুনাফা ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ইপিএস ছিল ১১ পয়সা। এ সময়ে কর পরিশোধের পর ম্যাক পেপারসের মুনাফা হয়েছে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৫৪ পয়সা। আর লেক্সকো লিমিটেডের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৯৪ পয়সা। এ ছাড়া বাংলাদেশ হোটেলের নিট মুনাফা ৭৭ লাখ টাকা ও ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ১০ পয়সা এবং রহমান কেমিক্যালসের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা।এদিকে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও লোকসান থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি ওটিসি মার্কেটের ২২টি কোম্পানি। এর মধ্যে কয়েকটি কোম্পানির লোকসান কমলেও বেড়েছে অনেক কোম্পানির। চলতি হিসাব-বছরের প্রথমার্ধে লোকসানে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে আলফা টোব্যাকোর নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ৪২ লাখ টাকা। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি ১ টাকা ৪৯ পয়সা লোকসান দেখিয়েছে কোম্পানিটি। এপেক্স ওয়েভিংয়ের কর-পরবর্তী নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ১ টাকা ২৫ পয়সা। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি ৩ টাকা ৮০ পয়সা লোকসান দেখিয়েছে আরবি টেক্সটাইলস। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে কোম্পানিটির নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে লোকসানে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে আল-আমিন কেমিক্যালের কর পরিশোধের পর লোকসান দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ইউসুফ ফ্লাওয়ার মিলসের নিট লোকসান ১ লাখ ১০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ১৯ পয়সা। বিডি ডাইংয়ের কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ৩৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। বিডি জিপারের কর-পরবর্তী নিট লোকসান ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ৮৫ পয়সা। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের নিট লোকসান ২১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা ও বাংলাদেশ লাগেজ ইন্ডাস্ট্রিজের নিট লোকসান হয়েছে ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি লোকসান ১ টাকা ২০ পয়সা।চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে ঈগল স্টার টেক্সটাইলস মিলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৮৪ পয়সা ও কোম্পানিটির মোট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। লোকসানে থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে মোনা ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান ৭ টাকা ৫৬ পয়সা, নিলয় সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি লোকসান ১ টাকা ৫০ পয়সা, পদ্মা প্রিন্টিং অ্যান্ড কালারের শেয়ারপ্রতি লোকসান ১১ পয়সা। source : jaijai din
View All
Latest DSE News
  • SAIHAMCOT

    Credit Rating Agency of Bangladesh Limited (CRAB) has announced the entity rating (surveillance) of the Company as &quot;A2&quot; along with a stable outlook based on audited financial statements up to June 30, 2016, un-audited financial statements up to December 31, 2016; business data up to September 30, 2016; bank liability position as on December 31, 2016 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • ICBIBANK

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on March 2, 2017 at 2:35 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2016.

  • GLAXOSMITH

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on March 2, 2017 at 4:30 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2016.

  • EXCH

    Today's (23.02.2017) Total Trades: 200,030; Volume: 340,211,949 and Turnover: Tk. 13,331.52 million.

  • TRUSTBANK

    The Company has further informed that, due to unavoidable circumstances, the Board meeting under LR 19(1) scheduled to be held on February 26, 2016 at 2:45 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2016, has been postponed. New date and time of the meeting will be notified in due course.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PRIMEFIN 10.30 9.40 0.90 9.57
IPDC 52.80 48.30 4.50 9.32
SAVAREFR 59.00 54.30 4.70 8.66
GSPFINANCE 29.80 27.50 2.30 8.36
AL-HAJTEX 102.60 94.80 7.80 8.23
UNIONCAP 26.50 24.60 1.90 7.72
GLOBALINS 19.80 18.40 1.40 7.61
SALAMCRST 41.50 38.80 2.70 6.96
ASIAPACINS 21.80 20.60 1.20 5.83
RSRMSTEEL 81.80 77.30 4.50 5.82

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297