Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
RUPALIBANK 67.5 50.4 17.10 33.93
FIRSTSBANK 18.2 15.3 2.90 18.95
PUBALIBANK 31.6 26.7 4.90 18.35
ZEALBANGLA 68.8 59 9.80 16.61
UTTARABANK 36.4 31.7 4.70 14.83
KPPL 12.9 11.3 1.60 14.16
MARICO 1193.7 1050.3 143.40 13.65
SAIHAMTEX 23.5 20.7 2.80 13.53
ALARABANK 26.6 23.5 3.10 13.19
NBL 15.5 13.7 1.80 13.14

Contest SB2017_Sep

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
RAHAZANI
3rd
blank_person
GAMBLERBD
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
GP 413.1 408.4 11.19212 274081.00
PUBALIBANK 31.6 29.4 3.68891 6722010.00
NBL 15.5 14.8 2.65101 56253300.00
UTTARABANK 36.4 33.7 1.90500 11668000.00
IFIC 21.5 20.7 1.68637 33451900.00
Negative impact
UPGDCL 170.7 174.2 -2.24023 215563.00
RUPALIBANK 67.5 71.3 -2.03484 1510850.00
CITYBANK 47.1 48.3 -1.85340 8081170.00
BXPHARMA 108.9 111 -1.50195 625811.00
RENATA 1156.2 1170 -1.48203 2108.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
NBL 15.5 16 14.7 4.73% 866.68
IFIC 21.5 21.9 20.5 3.86% 712.55
ALARABANK 26.6 27.7 26.2 -0.75% 459.08
IFADAUTOS 161.1 165.7 160.5 -0.06% 450.38
UTTARABANK 36.4 37 33.3 8.01% 420.37
CITYBANK 47.1 48.7 46.8 -2.48% 384.88
FIRSTSBANK 18.2 18.6 17.8 -1.62% 379.36
UCB 24.8 25.2 23.9 2.90% 361.76
EXIMBANK 17.4 17.8 16.9 1.16% 344.71
ABBANK 23.9 24.7 23.5 0.84% 343.79

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 19 Sep 2017

186677
TOTAL TRADE
532.6936
TOTAL VOLUME(Mn)
15087.40
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ঊর্ধ্বমুখী বাজারে কারেকশন হচ্ছে যেসব কোম্পানির শেয়ার দর
    স্টাফ রিপোর্টারঃ গত কয়েক মাস ধরেই বাজার ঊর্ধ্বমুখী। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন খাতের কোম্পানিগুলো শেয়ার দর বাড়তে দেখা যায়। এখনও বাজার সে অবস্থান ধরে রেখেছে। তবে এরই মধ্যে অনেক কোম্পানির শেয়ার দর কারেকশন হতে শুরু করেছে। গত এক মাস ধরে কমতে থাকা এমনি একটি তালিকা প্রকাশ করা হল  
  • ব্যাংকিং খাতে ভর করে ইনডেস্কে ডোজি ক্যান্ডেল
    স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ মঙ্গলবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সুচকে ডোজি ক্যান্ডেল দেখা যায়। মার্কেটে আজ শুরু থেকে ভাল বাই পেশার পেলেও শেষ পর্যন্তও তা ধরে রাখাতে পেরেনি। দিন বাড়ার সাথে  ভলিওম ও ইনডেস্কের মান কমতে দেখা যায়। দিন শেষে কিছুটা ভলিওম পেলে ইনডেস্কে ডোজি ক্যান্ডেলের আবির্ভাব ঘটে। টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী, ডিএসইএক্সে আজ ডোজি ক্যান্ডেল দেখা যায়। এ নিয়ে পর পর দুদিন ইনডেস্কে ডোজি ক্যান্ডেল হওয়ায় সেলারদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে। তবে খাত অনুসারে ইনডেস্কের উঠানামায় থাকায় ইনডেস্কের মান ধরে রাখা যাচ্ছে। এদিকে বর্তমানে আর এস আইের [RSI(14)] মান রয়েছে ৮১.৭৩ এ এবং সাপোর্ট রয়েছে ৬১১৪ পয়েন্টে। মঙ্গলবার ডিএসইতে এক হাজার  ৫০৮ কোটি  ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের তুলনায় ১৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা কম। আগের দিন এ বাজারে এক হাজার ৫২৮ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। আজ ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩৩০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ২৩০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির শেয়ার দর। এদিকে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ২৩৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৩৭৫ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ২১৪ পয়েন্টে। অন্যদিকে আজ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৭৮ কোটি ০১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৯ হাজার ৩৭২ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৫২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৪টির, কমেছে ১৬৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ার।
  • ব্লক মার্কেটে লেনদেনে এক্সিম ব্যাংকের আধিপত্য
    স্টাফ রিপোর্টারঃ ব্লক মার্কেটে আজ ১৩টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে EXIMBANK । এই কোম্পানি ১ লটেই ১০০০০০০০টি শেয়ার লেনদেন করেছে। ভেলুর দিক থেকে ও আজ সবচেয়ে বেশী লেনদেন হয়েছে BATBC। আর দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ‍EXIMBANK, তৃতীয় অবস্থানে আছে GP। সূত্র ডিএসই।  
  • সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই বাড়ছে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক
    স্টাফ রিপোর্টার : শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের শেয়ার দর বাড়ার কোনো কারণ নেই। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর,  ডিএসই নোটিস পাঠায়। জবাবে ব্যাংকটি জানায়, মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ার দর বাড়ছে। প্রাইজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২০ আগস্ট থেকে ব্যাংকটির শেয়ার দর ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এ সময়ে শেয়ারটির দর ১৮ টাকা ১০ পয়সা থেকে বেড়ে ২৩  টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত হয়।  
  • ঋণের ভারে ডুবছে আরএসআরএম, ভরসা আসছে রাইটের টাকা!
    সিনিয়র রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিাবাজার থেকে উত্তোলিত টাকা দিয়ে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা হলেও ঋণ আরো বেড়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকে নতুন ঋণের জন্য আবেদন করা হলেও খেলাপি হওয়ায় ঋণ মেলেনি। যে কারণে আবারো নতুন করে রাইট শেয়ারের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করতে যাচ্ছে আরএসআরএম স্টিল (রতনপুর স্টিল রি-রোলিং  মিলস) কোম্পানি লিমিটেড। আরএসআরএম স্টিল ঋণের কিস্তি পরিশোধে এখন দিশেহারা। তারল্য সংকট এমন পর্যায়ে ঠেকেছে যে একে একে কোম্পানিটির সব ঋণ খেলাপি হয়ে যাচ্ছে। কোম্পানির স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখাই দায় হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় রাইট শেয়ারের মাধ্যমে  আবারও পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে আরএসআরএম স্টিল। কাগজে-কলমে ব্যবসা সম্প্রসারণের কথা বলা হলেও উত্তোলিত অর্থে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করবে বলে বাজারে জোর প্রচারণা রয়েছে। ২০১৪ সালে ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ আড়াই কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে আরএসআরএম গ্রুপের কোম্পানি আরএসআরএম স্টিল। এবারে তিনটি শেয়ারের বিপরীতে ২টি রাইট ছাড়তে চায়। এ জন্য কোম্পানিটি ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ। প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১৪ সালে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা তুলেছে আরএসআরএম স্টিল। প্রকৌশল খাতের কোম্পানিটি মূলধন জোগানো ও ব্যাংক ঋণ পরিশোধের জন্য ওই অর্থ নিয়েছে। কিন্তু তিন বছর পরও আরএসআরএমের ঋণের বোঝা কমেনি। কাটেনি মূলধন সংকটও। এদিকে ঋণের তথ্য গোপন, অর্থ ভিন্ন খাতে ব্যয় ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আরএসআরএম স্টিলের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে কোম্পানিটির পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, আমি এসব বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। আপনি কোম্পানি সচিবের সঙ্গে কথা বলেন। আরএসআরএমের কোম্পানি সচিব জাফর আলম বলেন, তালিকাভুক্তির পর কোম্পানির অবস্থার উন্নতি হয়েছে, আয়-মুনাফা বেড়েছে। মূলত ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য পুঁজিবাজার থেকে রাইটের মাধ্যমে টাকা তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ সাধারণ সভায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদনের পরই বিএসইসির কাছে অনুমতি চাওয়া হবে। রাইটের অনুমোদন নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওপর নির্ভর করছে। যথাসময়ে বিষয়টি জানানো হবে। আইপিও’র অর্থ ভিন্ন খাতে ব্যবহারের অভিযোগ সত্য নয়। টাকা কীভাবে ব্যয় হয়েছে, কোথায় কত ঋণ আছে সব তথ্য বার্ষিক প্রতিবেদনে আছে, এর বাইরে বলার কিছু নেই। আইপিও প্রসপেক্টাসের তথ্যানুযায়ী, ২০১৪ সালে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে আরএসআরএম স্টিলের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি মিলিয়ে মোট বকেয়া ছিল ১৪৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে আইপিও’র অর্থে ৭৫ কোটি টাকা পরিশোধ করার পর কোম্পানিটির মোট ঋণ অর্ধেক কমার কথা। কিন্তু আইপিও’র অর্থ ‘ভিন্ন খাতে’ ব্যয় ও নতুন করে ঋণ নেওয়ার কারণে এর পরিমাণ কমেনি, বরং তিন বছরে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা বেড়েছে। অভিযোগ রয়েছে আইপিও ও ব্যাংক ঋণের অর্থ ভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও বিদেশে পাচারের কারণেই কোম্পানিটি এ সমস্যায় পড়েছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ২০১৫-১৬ আর্থিক বছরে আরএসআরএম স্টিলের কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের তিন ধরনের ঋণের বিপরীতে প্রায় ১৩৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা স্বল্পমেয়াদি ঋণ রয়েছে। পরিচালকের ব্যক্তিগত নিশ্চয়তা ও বিদ্যমান জমি-সম্পদ-কাঁচামাল বন্ধক দিয়ে সোনালী ব্যাংক থেকে স্বল্পমেয়াদি ওই ঋণ নিয়েছিল আরএসআরএম স্টিল। সেইসঙ্গে লিজ হিসেবে বেসরকারি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ফাইন্যান্সের কাছে প্রায় তিন কোটি ১৪ লাখ টাকা ও আইআইডিএফসির কাছে প্রায় ৫২ লাখ টাকা ঋণ রয়েছে। ২০১৬ সালের জুনশেষে আরএসআরএম স্টিলের কাছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণ প্রায় ১৪২ কোটি ২১ টাকা বলে দাবি করছে কোম্পানিটি, যদিও এ হিসাবের সঙ্গে ব্যাংকগুলোর তথ্যের মিল নেই। সোনালী ব্যাংকের হিসেবে, আরএসআরএম স্টিলের কাছে ব্যাংকটির পাওনা ১৫৫ কোটি টাকা। অথচ নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ বকেয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় ১৭ কোটি টাকা কম দেখিয়েছে আরএসআরএম স্টিল। একইভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ঋণের তথ্যও গোপন করেছে কোম্পানিটি। অর্থাৎ প্রদর্শিত ও অপ্রদর্শিত মিলিয়ে আরএসআরএম স্টিলের ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। তবে কোম্পানির লিজ ও স্বল্পমেয়াদি ঋণ বিষয়ে ডিএসইকে স্পষ্টভাবে কিছু জানায়নি কোম্পানিটি। নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যানুযায়ী, আরএসআরএম স্টিলের ৫০০ কোটি টাকাসহ আরএসআরএম গ্রুপের দুটি কোম্পানি ঋণের পরিমাণ প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। গ্রুপের অন্য কোম্পানি মডার্ন স্টিলের কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের ৩০৬ কোটি ২৯ লাখ টাকা ও জনতা ব্যাংকের ৪০৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে। বিদেশে অর্থ পাচারের কারণে গ্রুপটির বেশিরভাগ ঋণ খেলাপি হয়ে যাচ্ছে। খেলাপি ঋণ আদায়ে মডার্ন স্টিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালকদের বিরুদ্ধে অর্থঋণ আদালতে গত মাসে মামলাও করেছে জনতা ব্যাংক। ঋণ পুনর্গঠনের পর সোনালী ব্যাংকের কাছে কোম্পানিটির পাওনা দাঁড়িয়েছে আরও ২৭৫ কোটি টাকা। খেলাপির কারণে নতুন কোনো ঋণ না পাওয়ায় আরএসআরএম গ্রুপ তারল্য সংকটে বিপাকে পড়েছে। আর সংকট কাটিয়ে উঠতে আরএসআরএম স্টিলের রাইটের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে দেড়শ কোটি টাকা তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। আইপিও’র অর্থে ‘ঋণ পরিশোধের’ পর এবার ‘ব্যবসা সম্প্রসারণ’ করার কথা বলছে আরএসআরএম স্টিল। ঘোষণা অনুযায়ী, তিনটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে দুটি রাইট শেয়ার ছাড়তে চায় আরএসআরএম স্টিল। এজন্য ফেসভ্যালুর সঙ্গে ১৫ টাকা প্রিমিয়াম চাইবে কোম্পানিটি। আর রাইটের মাধ্যমে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা তুলবে বিতর্কিত আরএসআরএম স্টিল। এজন্য আগামী ১২ অক্টোবর বিশেষ সাধারণ সভার ঘোষণা দিয়েছে। ইজিএমের পর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে রাইট ইস্যুর অনুমোদন চাইবে। তবে গত ২৪ আগস্ট রাইটের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে সোমবার পর্যন্ত আরএসআরএম স্টিলের শেয়ারদর চার টাকা ৮০ পয়সা কমেছে। গতকাল কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ার ডিএসইতে ৭৯ টাকা ৩০ পয়সা দরে লেনদেন হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ আড়াই কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে আরএসআরএম গ্রুপের কোম্পানি আরএসআরএম স্টিল। পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থে ঋণ পরিশোধের ঘোষণা দিয়ে বিতর্কের মধ্যে পড়ে ‘পরিবারনিয়ন্ত্রিত’ ওই কোম্পানিটি। বর্তমানে আরএসআরএম স্টিলের মোট প্রায় আট কোটি ৬৪ লাখ শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে ৩৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।  আরএসআরএমের লভ্যাংশ ও রাইট ঘোষণা
  • ডোজি ক্যান্ডেলে ইনডেস্কের মান একই জায়গায় রইল ,মার্কেট নিউজ টুইটস : ২.৩০ মিনিট
    আজ দিনের শুরুতে ইনডেস্কের মান ব্যাপক হারে ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও দিন বাড়ার সাথে সাথে সেল পেশারে ইনডেস্কের মান হ্রাস পেতে থাকে। দিন শেষে ১৫০০ কোটি টাকার উপর লেনদেন হলেও ইনডেস্কের মান একই জায়গায় অবস্থান নেয়। এর ফলে ইনডেস্কে আজ ডোজি ক্যান্ডেল হয়। POWERGRID  এর উল্লেখযোগ্য লেনদেন,মার্কেট নিউজ টুইটস : ১.৩০ মিনিট ঠিক ১.৩০ টায় POWERGRID  উল্লেখযোগ্য লেনদেন ( 40 TRADES ) মোট লেনদেন হয়েছে 5053000 TK। আড়াই ঘন্টায় ১০০০ কোটি টাকার উপর লেনদেন , মার্কেট নিউজ টুইটস: ১.০০ মিনিট আড়াই ঘন্টায় ১০০০ কোটি টাকার উপর লেনদেন সম্পন্ন হল বাজারে। এ সময় ইনডেস্কের মান কিছুটা কমতে করতে দেখা যায়। এছাড়াও এ সময় বেশীর ভাগ কোম্পানির শেয়ার কমতে দেখা যায়। ব্যাংকিং খাতের আধিপত্য অব্যহত  , মার্কেট নিউজ টুইটস: ১২.২৭ মিনিট হঠাৎ করেই আবার ও ব্যাংকিং খাতের আধিপত্য বিরাজ করেছে। যার ফলে ইনডেস্কের মান যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে লেনদেনের পরিমান। এই মুহূর্তে ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিগুলো টপে অবস্থান করছে। ঘন্টায় ৪৮৪ কোটি টাকার লেনদেন , মার্কেট নিউজ টুইটস: ১১.৩০ মিনিট আজ সকাল থেকেই বাই পেশারে ইনডেস্কের মান বাড়তে দেখা যায়। এক ঘন্টায় ৪৮৪ কোটি টাকার লেনদেন হতে দেখা যায়। এরকম চলতে থাকলে দিন শেষে আজ ২০০০ কোটি টাকার কাছাকাছি লেনদেন দেখা যেতে পারে।   যেকোনো সময় ইনডেস্কের ট্রেন্ড পরিবর্তন হতে পারে আজ , মার্কেট নিউজ টুইটস: ১০.৩০ মিনিট [১৯.০৯.২০১৭] গতকাল ইনডেস্কের ব্যাপক উঠানামার ফলে শেষ পর্যন্তও ইন ডেস্কে ডজি ক্যান্ডেল দেখা যায়। এর ফলে বাজারে সেলারদের আনাগোনা বাড়ছে বলে ধারনা করা হয়। আজ যদি সেল পেশার আরও বেড়ে যায় তবে যেকোনো সময় ইনডেস্কের ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে।                                                           পুঁজিবাজার আজ যেসব কার্যক্রম নিয়ে লেনদেন শুরু করতে যাচ্ছে লাফার্জ সুরমা-হোলসিম অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ট্রিপল বি প্লাস’ হলো সাফকো স্পিনিংয়ের ঋণমান ৮২ কোটি টাকার মেশিন আমদানী করবে রিজেন্ট টেক্সটাইল কেডিএস অ্যাক্সেসরিজের লভ্যাংশ ঘোষণা রিভ্যরস্যাল সিগ্ন্যালে ইনডেস্ক – সেলারদের শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাংকিং খাতে থাকা যেসব কোম্পানির শেয়ার দর বাড়ছে ওয়ান স্টপ সেবা দিতে বিএসইসির নির্দেশ সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ছাড়ছে ইউনাইটেড গ্রুপ, আসছে এস আলম                                                                                                   উল্লেখযোগ্য কিছু বিভাগসমুহ এক্সুসিভ নিউজ [ ভিডিও সহ ] ব্রোকারেজ হাউজ সম্পর্কে জানুন পুজিবাজার শিক্ষা টিউটোরিয়াল কর্নার এক্সুসিভ সাক্ষাৎকার সমূহ                                                                                পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ দৈনিক স্টক বাংলাদেশ সম্প্রতি মার্কেট নিউজ টুইটস নামে একটি বিভাগ চালু করেছে যেখানে থাকবে প্রতিদিনের মার্কেটের উপর রিয়েল টাইম বিশ্লেষণ। এই বিশ্লেষণে আপনিও অংশগ্রহণ করুন। মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়ে দিন প্রতিদিনের মার্কেটে থাকা বিভিন্ন বিশ্লেষণ/দিক, যা কেবল মাত্র আপনার চোখে ধরা পড়ছে। আপনার বিশ্লেষণ গ্রহণযোগ্য হলে সাথে সাথে আমরা তা প্রকাশ করব।
  • ‘ট্রিপল বি প্লাস’ হলো সাফকো স্পিনিংয়ের ঋণমান
    স্টাফ রিপোর্টার : সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স রেটিং অনুসারে সাফকো স্পিনিং মিলস লিমিটেডের ঋণমান ‘ট্রিপল বি প্লাস’। ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)। ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১৮ মাসে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে সাফকো স্পিনিং। সে সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৬ পয়সা। ২০১৬ সালের ৩০ জুন এর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৮ টাকা ৬৪ পয়সায়। এদিকে সদ্যসমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ২০ পয়সা। ৩১ মার্চ এর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৮ টাকা ৩০ পয়সায়। ডিএসইতে সাফকো স্পিনিং শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল ১৯ টাকা ৬০ পয়সা। সমাপনী দরও ছিল ১৯ টাকা ৬০ পয়সা, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১৭ টাকা ৯০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ১৯ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বনিম্ন ১০ টাকা ১০ পয়সা। ২০০০ সালে শেয়ারবাজারে আসা সাফকো স্পিনিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৭ কোটি ৯৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভ ২২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৩০ শতাংশ এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রতিষ্ঠান ১ দশমিক ৩৮ ও বাকি ৬৮ দশমিক ৬২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে। বোনাস শেয়ার সমন্বয়ের পর সর্বশেষ নিরীক্ষিত মুনাফা ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ২৯ দশমিক ৭, হালনাগাদ অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ৭৩ দশমিক ৫।
  • ৮২ কোটি টাকার মেশিন আমদানী করবে রিজেন্ট টেক্সটাইল
    স্টাফ রিপোর্টার : রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড মেশিনারিজ আমদানি করবে। এজন্য কোম্পানিটি ইতোমধ্যে ৭১ লাখ ৪ হাজার ডলারের লেটার অব ক্রেডিট- এলসি খুলেছে। কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থ এই প্রকল্পে ব্যয় করা হচ্ছে। বিএমআরই এর আওতায় জার্মানি, নেদারল্যান্ড, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন থেকে এই মেশিনারিজ আমদানি হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই মেশিনারিজ আমদানি করতে খরচ পড়বে প্রায় ৮২ কোটি টাকা। কোম্পানির প্রসপেক্টাস অনুযায়ী বিএমআইতে ব্যয় করার কথা ছিল ৮২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। নতুন আরএমজি প্রকল্পের জন্য ব্যয় করার কথা ছিল ৪০ কোটি টাকা। ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটি ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১২৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(বিএসইসি)। বর্তমানে কোম্পানির পরিচালকদের কাছে মোট শেয়ারের ৫৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪১ দশমিক ৬৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
  • লাফার্জ সুরমা-হোলসিম অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
    স্টাফ রিপোর্টার : পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের পর বিশেষ সাধারণ সভায় ১১ কোটি ৭০ লাখ ডলারে (৯০০ কোটি টাকার বেশি) হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেডের শতভাগ শেয়ার কেনার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছিলেন লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডাররা। বিধি মোতাবেক তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির শেয়ার বিক্রির এ অর্থ বিদেশে বিক্রেতা কোম্পানির হেডকোয়ার্টারে পাঠাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি চেয়েছিল লাফার্জ সুরমা। বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি তাদের এ অধিগ্রহণ বাবদ ৫০৪ কোটি ৭৮ লাখ ১৯ হাজার ৯৪০ টাকা বিদেশে পাঠানোর অনুমোদন দেয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রকারান্তরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হোলসিম বাংলাদেশের ৮৮ হাজার ২৪৪টি (শতভাগ) শেয়ারের জন্য এ মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জ মারফত লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট জানায়, এ বিষয়ে তাদের অথরাইজড ডিলার স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংককে দেয়া এক চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ৬ কোটি ২৫ লাখ ২৭ হাজার ১৮৮ ডলারে (১৭ সেপ্টেম্বরের বিনিময় হারের ভিত্তিতে) হোলসিম বাংলাদেশের সব শেয়ার অধিগ্রহণ এবং সে অর্থ বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হোল্ডারফিন বি.ভির নামে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছে। এদিকে ক্রেতা ও বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ঐকমত্যের চেয়ে প্রায় ৪৬ শতাংশ কম দামে হোল্ডারফিন বি.ভি লাফার্জ সুরমার কাছে হোলসিম বাংলাদেশের সব শেয়ার বিক্রি করতে সম্মত হবে কিনা, সে বিষয়টি নিশ্চিত নয়। তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি জানিয়েছে, এ বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আবারো আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। এদিকে অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সামনে রেখে লাফার্জ সুরমা তাদের কোম্পানির নাম পরিবর্তন করে রাখে লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড। যদিও স্টক এক্সচেঞ্জে এখনো কোম্পানিটির পুরনো নামই ব্যবহার হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে গ্রুপ পর্যায়ে ফরাসি সিমেন্ট জায়ান্ট লাফার্জ ও সুইস হোলসিম একত্র হয়। এরপর ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী দুই গ্রুপের ব্যবসা একীভূত হয়ে আসে। বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের মুখ্য শেয়ারহোল্ডার লাফার্জ গ্রুপ। অন্যদিকে শেয়ারবাজারের বাইরে থাকা হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেডের ৭৪ শতাংশ শেয়ার ছিল হোলসিম গ্রুপ তথা হোল্ডারফিন বি.ভির হাতে। ২১ শতাংশ সিয়াম সিটি ও সিয়াম সিমেন্ট এবং বাকি ৫ শতাংশ ছিল স্থানীয় ট্রান্সকম গ্রুপের হাতে। একীভূতকরণ প্রক্রিয়া সহজ করতে হোল্ডারফিন বি.ভি দুই গ্রুপের হাতে থাকা ২৬ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয়। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, তখন হোলসিম বাংলাদেশের সব শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। একাধিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের ইকুইটি রিসার্চ টিমের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির হালনাগাদ তথ্য-উপাত্ত আমলে নিয়ে হোলসিম শেয়ারের ভ্যালুয়েশন করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় সিমেন্ট খাতের মুনাফায় নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। হোলসিম বাংলাদেশের পূর্ববর্তী ভ্যালুয়েশনগুলোর সময় সিমেন্ট খাতের চিত্রটি আরো ভালো ছিল। এ কারণেই অংশীদারদের মধ্যে শেয়ার হস্তান্তরে কোম্পানির ভ্যালুয়েশন হয় ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার, পরবর্তীতে আন্তঃগ্রুপ অধিগ্রহণে তা নেমে আসে ১১ কোটি ৭০ লাখ ডলারে এবং সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিবেচনায় তা সাড়ে ৬ কোটি ডলারেরও নিচে নেমে আসে।
  • কেডিএস অ্যাক্সেসরিজের লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : কেডিএস অ্যাক্সেসরিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক। সোমবার কোম্পানির পর্ষদ সভায় ৩০ জুন, ২০১৭ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ২০ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ২৪ টাকা ৮০ পয়সা। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৩১ অক্টোবর এবং রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১১ অক্টোবর।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • সিঙ্গার বিডির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ৩০ শতাংশ শেয়ার ছেড়ে দিয়েছে
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশের উদ্যোক্তা রিটেইল হোল্ডিংস বিহোল্ড বি.ভি. তাদের হাতে থাকা শেয়ারের একটি বড় অংশ বাজারে ছেড়ে দিয়েছে। গত দুই বছরে সিঙ্গার বাংলাদেশের এ উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানটি তাদের কাছে থাকা প্রায় ৩০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে। তবে কী কারণে প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা তাদের শেয়ার ছেড়ে দিচ্ছে তার কারণ জানতে চেয়েও জানা যায়নি।জানা গেছে, ২০১০-১১ সালে দেশের একটি ব্যবসায়ী গ্রুপ সিঙ্গার বাংলাদেশ কেনার জন্য প্রস্তাব দেয়। সে সময় সিঙ্গারের উদ্যোক্তা নেদারল্যান্ডের সিঙ্গার বিহোল্ড বি.ভি.র সঙ্গে প্রতি শেয়ার বাজার মূল্যের দেড়শত টাকা কমে ৫৫০ টাকায় কেনার জন্য একটি চুক্তিও হয়। বিষয়টি শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। তবে বিএসইসির অনুমোদনের আগেই চুক্তি থেকে পিছিয়ে আসে সিঙ্গার বাংলাদেশের উদ্যোক্তা সিঙ্গার বিহোল্ড বি.ভি.। পরবর্তীতে সিঙ্গার বিহোল্ড বি.ভি. নাম পরিবর্তন করে দাঁড়ায় রিটেইল হোল্ডিংস বিহোল্ড বি.ভি.তে।কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডিং পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০১২ সালে সিঙ্গার বাংলাদেশের মোট শেয়ারের ৭৫ শতাংশ ছিল উদ্যোক্তা সিঙ্গার বিহোল্ড বি.ভি.র কাছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ শেয়ার ছিল ব্লকড হিসাবে। এরপর ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর ৪ কোটি ২১ লাখ ৮১ হাজার ৯৭১টি শেয়ার ছিল রিটেইল হোল্ডিংস বিহোল্ড বি.ভি.র নামে। সেদিন কোম্পানিটি ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৩০টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেয়। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর ও  অক্টোবর মাসে তিনটি ঘোষণার মাধ্যমে কোম্পানিটি আরো ২০ লাখ ৪৮ হাজার ১১০টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেয়। এসব শেয়ার বিক্রি শেষে সিঙ্গার বাংলাদেশে উদ্যোক্তার শেয়ার দাঁড়ায় ৩ কোটি ৬৩ লাখ ৭৫ হাজার ৮৩১টিতে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আরো ৫০ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার বিক্রি করে। আর গত ১০ সেপ্টেম্বর (৩০ কর্মদিবসের মধ্যে) আরো ৩০ লাখ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর তাদের কাছে শেয়ার ছিল ৩ কোটি ২৩ লাখ ৭৩ হাজার ৯৪১টি। ঘোষণা অনুযায়ী শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন হলে কোম্পানিতে উদ্যোক্তার শেয়ার সংখ্যা কমে গিয়ে দাঁড়াবে ২ কোটি ৯৩ লাখ ৭৩ হাজার ৯৪১টি। এ হিসেবে গত দুই বছরে সিঙ্গার বাংলাদেশের উদ্যোক্তা রিটেইল হোল্ডিংস বিহোল্ড বি.ভি.র শেয়ারহোল্ডিং কমবে ৩০ শতাংশ।এদিকে ডিএসইর তথ্য বলছে, রিটেইল হোল্ডিংস বি.ভি.র বিক্রি করে দেওয়া শেয়ার বেশিরভাগই কিনছে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডিং ছিল মোট শেয়ারের ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ। যা গেল ৩১ আগস্টে বেড়ে ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আর ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ারহোল্ডিং ছিল মোট শেয়ারের ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। যা গেল ৩১ আগস্টে ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।রিটেইল হোল্ডিংস বিহোল্ড বি.ভি.র শেয়ার ছেড়ে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে এ বিষয়ে সিঙ্গার বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, আমরা কোম্পানির ব্যবস্থাপনার দিকটি দেখি। মালিকানার বিষয়টি আমরা দেখি না। এ বিষয়ে সিঙ্গার এশিয়া লিমিটেড ভালো বলতে পারবে। সিঙ্গার এশিয়ার কাছে এ বিষয়ে জানতে চেয়ে ইমেইল করলেও তাদের কাছ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।জানা গেছে, ১৯০৫ সাল থেকে বহুজাতিক কোম্পানি সিঙ্গার বাংলাদেশে ব্যবসা করছে। বর্তমানে সিঙ্গার বাংলাদেশের পরিশোধিত মূলধন হচ্ছে ৭৬ কোটি ৬৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বর্তমানে কোম্পানির রিজার্ভ রয়েছে ১০১ কোটি টাকা। ২০১৪ সাল পর্যন্ত নগদ লভ্যাংশের পাশাপাশি বোনাস শেয়ার ঘোষণা করে সিঙ্গার। তবে গত দুই বছর শুধু নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করছে কোম্পানিটি। গতকাল ডিএসইতে সিঙ্গার বাংলাদেশের প্রতিটি শেয়ারের সমাপনী মূল্য ছিল ১৯৪ টাকা।   source : Ittafaq
  • গুজবের ফাঁদে বিনিয়োগকারী
    ‘ক’ নামক কম্পানি নতুন প্লান্টে উৎপাদনে যাবে। বিগত বছরে ক্ষতিতে থাকলেও এবার ভালো মুনাফা করবে, শেয়ারপ্রতি আয় এবার (ইপিএস) বাড়বেই। কম্পানির মালিকানা পরিবর্তন হচ্ছে, এতে পরিধি বাড়বে। কম্পানি সম্পর্কিত এমন গুজব কিংবা মিথ্যা তথ্য ভর করেছে পুঁজিবাজারে। কম্পানি সম্পর্কিত কোনো নতুন তথ্য ‘মূল্য সংবেদনশীল’ হিসেবে প্রকাশ করে কম্পানি। তবে কম্পানি ঘোষিত তথ্যে নির্ভর না করে অসমর্থিত সূত্রের গুজবে ঠকছে বিনিয়োগকারীরা। গুজব কিংবা অসমর্থিত তথ্যের সঠিকতা যাচাই না করেই ক্ষতির মুখে পড়ছে অনেকেই।সম্প্রতি বিবিএস ক্যাবলস লিমিটেড, তুংহাই নিটিং ও সিঅ্যান্ডএ টেক্স লিমিটেড কম্পানি নিয়ে বাজারে গুজব ছড়ানো হয়। বিবিএস ক্যাবলস ইউনিট-২ লিমিটেড কম্পানি বিদেশি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে চুক্তি করে ১৮ আগস্ট। পৃথক কম্পানি হওয়া সত্ত্বেও বিবিএস ক্যাবলসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে গুজব ছড়ানো হলে শেয়ার দাম আকাশচুম্বী হয়। তুংহাই নিটিং ও সিঅ্যান্ডএ টেক্সের মালিকানা পরিবর্তন হচ্ছে—এমন গুজবে বাড়ে শেয়ারের দাম।যদিও আসলে কম্পানি দুটির মালিকানায় কোনো পরিবর্তন হয়নি। এ ছাড়া লোকসানে থাকা কম্পানির বিষয়ে গুজব ছড়িয়ে শেয়ার দাম প্রভাবিত করছে কারসাজি চক্র।সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত কম্পানির আর্থিক সক্ষমতা বা হিসাব বিবরণী ও কম্পানির তথ্যে কান না দিয়ে গুজবের ফাঁদে পড়ছে বিনিয়োগকারীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা ব্রোকারেজ হাউসে কারসাজি চক্রের কৌশলে ছড়ানো গুজবে পুঁজি হারাচ্ছে অনেকেই। কারসাজি চক্র নিজেরা আগে শেয়ার কিনে রেখে ক্ষতিতে থাকা, উৎপাদন বন্ধ কিংবা লভ্যাংশ দিতে না পারা কম্পানি বিষয়ে গুজব ছাড়িয়ে শেয়ার দাম বাড়াচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আগের দিন রাতেও কম্পানি সম্পর্কে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকে নিরাপদ করতে বিনিয়োগ শিক্ষা কর্মসূচি চালু ও আইন-কানুনে পরিবর্তন এনেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিনা মূল্যে আর্থিক সাক্ষরতার প্রশিক্ষণের পাশাপাশি জেনেশুনে বিনিয়োগ শিক্ষা দিচ্ছে। বিনিয়োগকারীর সুবিধার্থেই কম্পানির সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশে বাধ্যবাধকতা করা হয়েছে, যা অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে হয়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের অফিসার পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা ১৪৭ টাকা দরে বিবিএস ক্যাবলসের চার হাজার শেয়ার কেনেন। বাজার ভালো না বুঝলেও ব্রোকারেজ হাউসের তথ্যে তিনি এই শেয়ার কেনেন। শেয়ার কেনার পর এক কার্যদিবস দুই-তিন টাকা বাড়লেও পরদিন কমে যায় ১০ টাকারও বেশি। তবুও তিনি শেয়ার বিক্রি করেননি আরো বাড়তে পারে এই ভেবে। বর্তমানে ওই কর্মকর্তার শেয়ারপ্রতি লোকসান ২০ টাকারও বেশি।কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে আলাপকালে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘বিবিএস ক্যাবলস বাজারে আসার পর সবার মুখেই এই কম্পানির নাম শুনি। ব্রোকারেজ হাউসে কথা বলে শেয়ার কিনি। কম্পানিটি ভালো করবে—এমন আশা থেকেই শেয়ার কেনা, কিন্তু ফল উল্টো হয়েছে। শেয়ারপ্রতি লোকসান ২০ টাকারও বেশি। ক্ষতিতে শেয়ার বিক্রি করবেন কি না সেটা নিয়েও মনস্তাত্ত্বিক চাপে তিনি।পুঁজিবাজারে সদ্য তালিকাভুক্ত বিবিএস ক্যাবলস লিমিটেডের লোগো ব্যবহার করে ১৮ আগস্ট বিদেশি বিনিয়োগকারীর সঙ্গে চুক্তি করে বিবিএস ক্যাবলস ইউনিট-২ লিমিটেড কম্পানি। কম্পানিটি ২২০ কেভি ভোল্টেজের তার উৎপাদন করছে ও মেশিনারিজ রপ্তানিতে চুক্তির বিষয়টি নজরে এলে হুমড়ি খেয়ে পড়ে বিনিয়োগকারীরা। বিবিএস ক্যাবলস ইউনিট-২ পৃথক কম্পানি হলেও একই কম্পানির ভেবে বিবিএস ক্যাবলসের শেয়ার দাম আকাশচুম্বী হয়। ১০ টাকার শেয়ার দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ১৫ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। সঠিক তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর নিম্নমুখী হয়েছে কম্পানিটির শেয়ার দাম। ঊর্ধ্বমুখিতার সময় সর্বশেষ কেনা ব্যক্তির শেয়ার দাম কমে যাওয়ায় ক্ষতিতে পড়েছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। আর কারসাজি চক্র বেশি মুনাফা তুলে শেয়ার বিক্রি করে সটকে পড়েছে। অল্প সময়ে শেয়ার দাম বহু গুণ বৃদ্ধি পাওয়াকে অস্বাভাবিক মনে করে তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিএসইসি।বিবিএস ক্যাবলসের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘চুক্তি হওয়া কম্পানিটি আমাদের পৃথক কম্পানি। বিবিএস ক্যাবলসের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। বিজ্ঞাপনের স্বার্থে বিবিএস ক্যাবলসের লোগো ব্যবহার করা হয়েছে। এখন এই তথ্য দেখে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কিনলে আমরা কী করতে পারি। কেবল লোগোটিই ব্যবহার করা হয়েছে। ’বিএসইসি সূত্র বলছে, পুঁজিবাজারে ৩০ লাখ বিনিয়োগকারীর মধ্যে বেশির ভাগই ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী, যথাযথ বিনিয়োগ শিক্ষায় শিক্ষিত নয়। কম্পানির আর্থিক বিবরণী ও তথ্যাদি সঠিকভাবে বিশ্লেষণে অক্ষম হওয়ায় গুজব, ধারণা ও আবেগের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করে। বড় বিনিয়োগকারীকে অনুসরণ করে বিনিয়োগ করে। এতে কারসাজির সম্ভাবনা বহু গুণে বাড়ে।চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে সিঅ্যান্ডএ টেক্সের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে গুজব চাউর হয়। মালিকানা পরিবর্তনের ‘অসত্য’ তথ্যে শেয়ার কিনতে চাপ বেশি থাকায় অস্বাভাবিকভাবে শেয়ার দাম বৃদ্ধি পায়। এদিকে জানুয়ারি-মার্চ তৃতীয় প্রান্তিকে কম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় কমলেও ৪ জুলাই দাম বাড়ার বিষয়ে জানতে চায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। জবাবে কম্পানি জানায়, দাম বাড়ার বিষয়ে অপ্রকাশিত কোনো সংবেদনশীল তথ্য নেই। এদিকে বস্ত্র খাতের তুংহাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেডের মালিকানা পরিবর্তন নিয়েও গুজব ছড়ায় বাজারে। ব্রোকারেজ হাউস থেকে বিনিয়োগকারী পর্যন্ত এই তথ্য ছড়িয়ে যায়। এতে বিনিয়োগকারী শেয়ার কেনা শুরু করে। তথ্য সঠিক না হলেও শেয়ার দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছে, কারসাজি চক্র কৌশলে গুজব ছড়িয়ে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করে। একটি কম্পানির মালিকানা বদল কিংবা ম্যানেজমেন্ট পরিবর্তনে শেয়ার দামে কোনো প্রভাব পড়ার কথা নয়, তবুও হুজুগেই শেয়ার দাম বাড়তে থাকে। বাজার বিশ্লেষক আবু আহমেদ বলেন, ‘আর্থিক হিসাব বিবরণীই একটি কম্পানির ভিত্তি। বছর শেষে শেয়ারপ্রতি আয় দেখেই শেয়ার কিনতে হবে। গুজব কিংবা অসমর্থিত তথ্যে প্রভাবিত হলে পুঁজি হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিনিয়োগকারীর উচিত কম্পানির সক্ষমতা ও সঠিক তথ্য জেনেই কম্পানিতে বিনিয়োগ করা। তবে আমাদের বাজারে সব বিনিয়োগকারী আর্থিক হিসাব বিবরণী পর্যালোচনা না করেই গুজবে নির্ভর করে শেয়ার কেনে। ’বিএসইসির এক কর্মকর্তা বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে কমিশন বিনিয়োগকারীকে আর্থিক স্বাক্ষর করতে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন বিনিয়োগকারী কম্পানির ফান্ডামেন্টালস বা কম্পানির আর্থিক বিষয়াদি বিশ্লেষণ ও জানতে পারে।ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, ‘বিনিয়োগকারীকে নিজেই পুঁজি টিকিয়ে রাখতে হবে। কোন কম্পানিতে বিনিয়োগ করলে মুনাফা আসবে কিংবা কম্পানির আর্থিক সক্ষমতা কেমন, সেটি দেখেই বিনিয়োগ করতে হবে। গুজব কিংবা মিথ্যা তথ্যে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা উচিত নয়।   source : kalarkontho
  • পুঁজিবাজারে আট মাসে সর্বোচ্চ লেনদেন
    আট মাস পর আবারও দেড় হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন। চলতি বছরের শুরুতে পুঁজিবাজারে লেনদেন ঊর্ধ্বমুখী হয়। চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি ডিএসইতে দেড় হাজার কোটি লেনদেন হয়।সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন। আর ডিএসইতে সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে। সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হয় এক হাজার ৫২৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। আর সূচক কমেছে ৪ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ২০৮ কোটি তিন লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছিল ৩৬ পয়েন্ট।বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, লেনদেন শুরুর পর থেকে সূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়। সকাল পৌনে ১১টা পর্যন্ত সূচক বৃদ্ধির পর কমে সূচক।এতে লেনদেন শেষ হওয়া পর্যন্ত সূচক কমে। দিন শেষে সূচক দাঁড়ায় ছয় হাজার ২৩৫ পয়েন্ট। ডিএসইএস সূচক ১১ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় এক হাজার ৩৮০ পয়েন্ট আর ডিএস-৩০ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ২১৭ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ৩৩১ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০১টির, কমেছে ১৯০টির আর অপরিবর্তিত ৪০ কম্পানির শেয়ার দাম।এদিকে ব্যাংক খাতের লেনদেন হয়েছে সবচেয়ে বেশি। লেনদেন হওয়া ৩৩ শতাংশ কম্পানির শেয়ার দাম কমেছে। আর ৭৩ শতাংশ কম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। আগের দিনও ৯০ শতাংশের বেশি কম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছিল। সোমবার সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে রূপালী ব্যাংকের। ব্যাংকটির শেয়ার দাম বেড়েছে ৬.৪০ টাকা। উত্তরা ব্যাংকের বেড়েছে ১.৩০ টাকা, ট্রাস্ট বাংকের ১.১০ টাকা এবং স্টান্ডার্ড ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার দাম বেড়েছে ১ টাকা করে।এ ছাড়া এবি ব্যাংকের বেড়েছে ০.৪০ টাকা, ব্যাংক এশিয়ার ০.৬০ টাকা, ঢাকা ব্যাংকের ০.৪০ টাকা, এক্সিম ব্যাংকের ০.৪০ টাকা, আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের ০.১০ টাকা, আইএফআইসির ০.৩০ টাকা, ইসলামী ব্যাংকের ০.২০ টাকা, যমুনা ব্যাংকের ০.৬০ টাকা, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ০.৫০ টাকা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ০.৩০ টাকা, ন্যাশনাল ব্যাংকের ০.৯০ টাকা, ওয়ান ব্যাংকের ০.৮০ টাকা, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ০.৫০ টাকা, পূবালী ব্যাংকের ০.৫০ টাকা, সাউথইস্ট ব্যাংকের ০.২০ টাকা এবং ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংকের ০.৫০ টাকা  শেয়ার দাম বেড়েছে।সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছে ১০ পয়েন্ট। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১৮৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা। আর সূচক বেড়েছিল ৫৮ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২৬৭ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৫টির, কমেছে ১৪৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬ কম্পানির শেয়ার দাম। source : kalar kontho
  • উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার বেড়েছে ১৭ কোম্পানিতে
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ১৭ কোম্পানিতে গত মাসে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সম্মিলিত শেয়ার ধারণের হার বেড়েছে। এর বিপরীতে ১৮ কোম্পানিতে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের শেয়ার ধারণের হার কমেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত আগস্ট শেষে তালিকাভুক্ত ২৯৮ কোম্পানির শেয়ারে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিত শেয়ার ধারণের পরিমাণ ছিল মোট শেয়ারের ৩৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। গত জুলাইয়ের তুলনায় এর পরিমাণ শূন্য দশমিক ০৬ শতাংশ কম। অবশ্য এ হিসাবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানিতে সরকারের ধারণ করা শেয়ার অংশকে উদ্যোক্তা-পরিচালক হিসেবে দেখানো হলে এর পরিমাণ বাড়বে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এর পরিমাণ তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির মোট শেয়ারের ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বর্তমানে তালিকাভুক্ত ২৯৮ কোম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধন ৫৬ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা। এতে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের অংশ ২২ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা ও সরকারের অংশ দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকা। আগস্ট শেষে ২৯৮ কোম্পানির সব শেয়ারের বাজারমূল্য অর্থাৎ বাজার মূলধন ছিল তিন লাখ ৪১ হাজার ২২৫ কোটি টাকা। এতে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের অংশ এক লাখ ৮০ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা, যা মোটের ৫৩ দশমিক ০১ শতাংশ। বাজার মূলধনে সরকারি অংশ ১৯ হাজার ২০৫ কোটি টাকা বা মোটের ৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ। প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত মাসে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিত শেয়ার ধারণের হার ছয় শতাংশ বেড়ে ৩৭ শতাংশ ছাড়িয়েছে। এ ছাড়া তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সে উদ্যোক্তা শেয়ার প্রায় তিন শতাংশ বেড়ে ৪৩ দশমিক ৮৮ শতাংশে উম্নীত হয়েছে। প্রায় দুই শতাংশ হারে বেড়েছে ইস্টল্যান্ড ও সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সে। উভয় কোম্পানিতে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার যথাক্রমে মোটের প্রায় ৩২ শতাংশ ও পৌনে ৩২ শতাংশ হয়েছে। এ ছাড়া কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সে সোয়া এক শতাংশ বেড়ে প্রায় ২৭ শতাংশে, পূবালী ব্যাংকে ১ দশমিক ১৫ শতাংশ বেড়ে ৩০ শতাংশে, যমুনা ব্যাংকে শূন্য দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে সোয়া ৫০ শতাংশে, দি সিটি ব্যাংকে শূন্য দশমিক ৫৯ শতাংশ বেড়ে ৩১ দশমিক ৬২ শতাংশে, ঢাকা ব্যাংকে শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে ৩৯ দশমিক ৫২ শতাংশে, আরামিট সিমেন্টে শূন্য দশমিক ৩৬ শতাংশে উম্নীত হয়েছে। এ ছাড়া বিবিএস কেবলস, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, জ্ঞ্নোবাল ইন্স্যুরেন্স, ইসলামী ব্যাংক, পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স, ইসলামিক ইন্স্যুরেন্স ও এটলাস বাংলাদেশে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার ধারণের হার মোটের শূন্য দশমিক ০১ শতাংশ থেকে শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে জিএসপি ফাইন্যান্স থেকে সাড়ে ১৪ শতাংশেরও বেশি শেয়ার কমেছে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের। গত আগস্ট শেষে কোম্পানিটিতে তাদের সম্মিলিত শেয়ার ধারণের হার কমে দাঁড়িয়েছে মোটের ৪৩ দশমিক ৩৩ শতাংশে। এরপর সোনালী আঁশ থেকে ৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ কমে ৫৫ দশমিক ৮৬ শতাংশে, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসে ৫ শতাংশ কমে ২৯ দশমিক ৮৮ শতাংশে, মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে সাড়ে ৩৭ শতাংশে ও জিবিবি পাওয়ার থেকে ২ শতাংশ কমে ৩০ শতাংশে নেমেছে। প্রায় দুই শতাংশ হারে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার ধারণ কমেছে এপেক্স ট্যানারি ও স্কয়ার ফার্মার। দেড় শতাংশ কমেছে আরএকে সিরামিক। লংকাবাংলা ও আইডিএলসি ফাইন্যান্সের কমেছে এক শতাংশ হারে। এ ছাড়া প্রিমিয়ার লিজিং, স্কয়ার টেক্সটাইল, ইসলামিক ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজ ও আলহাজ টেক্সটাইল থেকে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিত শেয়ার ধারণের হার মোট শেয়ারের শূন্য দশমিক ০১ শতাংশ থেকে শূন্য দশমিক ৬৮ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।    source : somokal
  • শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা দিল সোনালী ব্যাংক
    নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১:৩০:০০ মিনিট, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭ Share 1        শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা দিল সোনালী ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা গতকাল অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করে ব্যাংকটি। তালিকা অনুযায়ী শীর্ষ এ ২০ খেলাপির কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটির পাওনা ৩ হাজার ২২৫ কোটি টাকা।   খেলাপি ঋণগ্রহীতার মধ্যে সোনালী ব্যাংকের সবচেয়ে বেশি পাওনা মেসার্স টিএন ব্রাদার্স গ্রুপের কাছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী হোটেল শেরাটন করপোরেট শাখার এ গ্রাহকের কাছে সোনালী ব্যাংকের পাওনার পরিমাণ ৪৮১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। সোনালী ব্যাংকের খেলাপি তালিকায় এরপর রয়েছে হল-মার্ক গ্রুপের নাম। আলোচিত এ গ্রুপের ১৬টি প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের পাওনা ৪৭৯ কোটি টাকা। তালিকার তৃতীয় অবস্থানে থাকা ফেয়ার ট্রেড ফ্যাব্রিকস লিমিটেডের কাছে ব্যাংকের পাওনা ৩১৬ কোটি টাকা। পাওনা আদায়ে উল্লিখিত তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেই মামলা করেছে সোনালী ব্যাংক। সোনালী ব্যাংকের খেলাপি তালিকায় চতুর্থ প্রতিষ্ঠান মেসার্স মুন্নু ফ্যাব্রিকস। স্থানীয় কার্যালয়ের এ গ্রাহকের কাছে ব্যাংকের পাওনা ২২৮ কোটি টাকা। স্থানীয় কার্যালয়ের আরেক গ্রাহক মেসার্স অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কাছে ব্যাংকের পাওনা ২১১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। স্থানীয় কার্যালয়ের আরেক খেলাপি গ্রাহক মেসার্স জিএমজি এয়ারলাইনসের কাছে ব্যাংকের পাওনা ১৪৮ কোটি টাকা। খেলাপি তালিকায় আরো রয়েছে সোনালী ব্যাংকের দিলকুশা করপোরেট শাখার গ্রাহক মেসার্স লীনা পেপার মিলস। প্রতিষ্ঠানটির দুটি ইউনিটের কাছে সোনালী ব্যাংকের পাওনা ১৩৭ কোটি টাকা। এছাড়া মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের কাছে ১৩০ কোটি ৭০ লাখ, মেসার্স এপেক্স উইভিং অ্যান্ড ফিনিশিংয়ের কাছে ১২৭ কোটি ৯৩ লাখ, মেসার্স সোনালী জুট মিলের কাছে ১২৬ কোটি ৮৫ লাখ, মেসার্স এ কে জুট ট্রেডিং লিমিটেডের কাছে ১১৬ কোটি ২২ লাখ, মেসার্স বিশ্বাস গার্মেন্টস ইউনিট-২-এর কাছে ১০৪ কোটি ৪৫ লাখ ও মেসার্স রেজা জুট লিমিটেডের কাছে সোনালী ব্যাংকের ৯৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এ কে জুট লিমিটেড ও রেজা জুট লিমিটেডের অনুকূলে চলতি বছর নতুন করে যথাক্রমে ৩ কোটি ৩৮ লাখ ও ২ কোটি ৮১ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে। পাট খাতের প্রতিষ্ঠান দুটি সোনালী ব্যাংকের দৌলতপুর করপোরেট শাখার গ্রাহক। একই শাখার আরেক গ্রাহক মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্সের কাছে ব্যাংকের পাওনা রয়েছে ৯২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।   এছাড়া দিলকুশা করপোরেট শাখার গ্রাহক মেসার্স সাইয়ান করপোরেশনের কাছে ৭৬ কোটি, স্থানীয় কার্যালয়ের গ্রাহক মেসার্স পদ্মা পলি কটনের কাছে ৭৫ কোটি ৯৩ লাখ, বৈদেশিক বাণিজ্য করপোরেট শাখার গ্রাহক মেসার্স এজাক্স জুট মিলস লিমিটেডের কাছে ৭২ কোটি, রমনা করপোরেট শাখার গ্রাহক মেসার্স ক্ল্যাসিক সাপ্লাইজ লিমিটেডের (ইউনিট-১ ও ২) কাছে ৬৮ কোটি ৭৯ লাখ, রমনা করপোরেট শাখার গ্রাহক মেসার্স নিউজ স্টাইলের কাছে ৬৬ কোটি ৫৫ লাখ ও চট্টগ্রামের লালদীঘি করপোরেট শাখার গ্রাহক মেসার্স কোস্টাল সি ফুডের কাছে ৬৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে সোনালী ব্যাংকের। অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির ১৪তম বৈঠকে সোনালী ব্যাংক গতকাল এসব তথ্য উপস্থাপন করে। নূর-ই-আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে  বৈঠকে মো. আব্দুর রাজ্জাক, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, এবি তাজুল ইসলাম, শেখ ফজলে নূর তাপস, শাহানারা বেগম, মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আব্দুল ওয়াহহাব ও ওয়াসিকা আয়শা খান বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে সংসদীয় কমিটি সোনালী ব্যাংকের শীর্ষ ২০ খেলাপি প্রতিষ্ঠানের নাম, মালিকের নাম ও পদবি পত্রিকায় প্রকাশের সুপারিশ করে। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পাওনা আদায়ে ব্যাংক যে ২০ জন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার নিয়োগ করেছে, তাদের নামও পত্রিকায় প্রকাশের সুপারিশ করা হয়। ২০১৬ সাল শেষে সোনালী ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৯১১ কোটি টাকা। একই সময়ে অবলোপনকৃত ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ২২১ কোটি টাকা। শ্রেণীকৃত ঋণ থেকে চলতি বছর ব্যাংকটির আদায় হয়েছে ৫৯৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। অবলোপনকৃত ঋণ থেকে আদায় হয়েছে ২৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, যা ব্যাংকটির ঋণ আদায়ের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার যথাক্রমে ৯ দশমিক ৮৯ ও ২ দশমিক ২০ শতাংশ। জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব আশরাফুল মকবুল বণিক বার্তাকে বলেন, সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ একটু বেশি। বিষয়টি নিয়ে আমরাও উদ্বিগ্ন। খেলাপি ঋণের কারণে প্রভিশন সংরক্ষণ করতে গিয়ে ব্যাংক লাভজনক পর্যায়ে পৌঁছতে পারছে না। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে। খেলাপি ঋণের লাগাম ধরে রাখতে না পারলে ব্যাংকটিকে লাভজনক পর্যায়ে ধরে রাখা সম্ভব হবে না। Source: bonikbarta
  • ৫০ ঋণখেলাপির খোঁজ মিলেছে
    সমকাল প্রতিবেদক   বহুল আলোচিত বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারিতে যুক্ত আরও ৫০টি প্রতিষ্ঠানের খোঁজ পাওয়া গেছে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খোন্দকার মো. ইকবাল। গত দেড় বছর অনুসন্ধান চালিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের নাম-পরিচয় মিলেছে। তবে আরও সাতটি প্রতিষ্ঠানের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও জানান, ওই সময় ৫৭টি প্রতিষ্ঠানকে পরিচয় গোপন রেখে ঋণ দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি ও বেসিক ব্যাংকের সর্বনিল্ফম্ন ৫০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি, এমন ৬২৮টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে সংসদীয় কমিটিতে। গতকাল রোববার সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এই দুই ব্যাংকের আর্থিক অনিয়ম নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি নূর-ই-আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য আবদুর রাজ্জাক, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, এ বি তাজুল ইসলাম, শেখ ফজলে নূর তাপস, শাহানারা বেগম, মে. জে. এ টি এম আবদুল ওয়াহহাব (অব.) এবং ওয়াসিকা আয়শা খান। বৈঠকে টানা পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে লোকসান গুনছে, সোনালী ব্যাংকের এমন সব শাখার একটি হালনাগাদ তালিকা কমিটিতে জমা দিতে বলা হয়েছে। এসব শাখা বন্ধ করে দিতে অথবা এসব শাখায় কর্মরতদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বন্ধের জন্য কমিটি সুপারিশ করেছে। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র জানায়, বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে কমিটি ক্ষোভ প্রকাশ করে। এ সময় ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খোন্দকার মো. ইকবাল কমিটিকে জানান, ওই সময় ৫৭টি প্রতিষ্ঠানকে পরিচয় গোপন রেখে ঋণ দেওয়া হয়েছিল। গত দেড় বছর ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে ৫০টি প্রতিষ্ঠানের পরিচয় পাওয়া গেলেও বাকি সাতটির হদিস এখনও পাওয়া যায়নি। সোনালী ব্যাংকের শীর্ষ ২০ খেলাপি :ব্যাংকের পক্ষ থেকে কমিটির কাছে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোনালী ব্যাংকের শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছে ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট তিন হাজার ২৩৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা পাওনা ছিল। চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে ওই প্রতিষ্ঠান ২০টির কাছে বকেয়া পাওনা তিন হাজার ২২৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে টি এন ব্রাদার্স গ্রুপ (পাওনা ৪৮১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা), হলমার্ক গ্রুপ (পাওনা ৪৭৯ কোটি ৯ লাখ টাকা), ফেয়ার ট্রেড ফেব্রিক্স লিমিটেড (পাওনা ৩১৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা), মুম্নু ফেব্রিক্স (পাওনা ২৩৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা)। অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (পাওনা ২১১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা), জিএমজি এয়ারলাইন্স (পাওনা ১৫৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা), লীনা পেপার মিলস -১ ও ২ (পাওনা ১৩৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা), মেঘনা কনডেন্স মিল্ক্ক (পাওনা ১৩০ কোটি ৭০ লাখ টাকা), এপেক্স উইভিং অ্যান্ড ফিনিশিং (পাওনা ১২৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা), খুলনার সোনালী জুট মিলস লিমিটেড (পাওনা ১২৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা), এ. কে. জুট ট্রেডিং লি. ( পাওনা ১১২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা), বিশ্বাস গার্মেন্টস ইউনিট-২ (পাওনা ১০৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা), রেজা জুট লি. (পাওনা ৯৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা), ইস্টার্ন ট্রেডার্স (পাওনা ৯২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা), সাইয়ান করপোরেশন (পাওনা ৭৬ কোটি সাত লাখ টাকা), পদ্মা পলি কটন (পাওনা ৭৫ কোটি ৯৩ লাখ টাকা), এজাক্স জুট মিলস লিমিটেড (পাওনা ৭৩ কোটি আট লাখ টাকা), ক্ল্যাসিক সাপ্লাইস লিমিটেড (পাওনা ৬৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা), মেসার্স নিউজ স্টাইল (পাওনা ৬৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা) ও চট্টগ্রামের কোস্টাল সি ফুড (পাওনা ৬৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা)। বেসিক ব্যাংকে ৬২৮টি খেলাপি প্রতিষ্ঠান :বেসিক ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৬২৮টি খেলাপি প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকটির পাওনা ছয় হাজার ৫৩৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১০০ কোটি বা তার চেয়ে বেশি পাওনা আছে এমন গ্রাহকের সংখ্যা ১১। তাদের কাছে পাওনা এক হাজার ২৫৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা। ৫০ কোটি থেকে ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত পাওনা রয়েছে, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩০টি। তাদের কাছে মোট পাওনা দুই হাজার ১০৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। বেসিক ব্যাংকের খেলাপি শীর্ষ প্রতিষ্ঠান দি ওয়েলটেক্স লিমিটেড। তাদের কাছে পাওনা ১২৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। শীর্ষ ১১টি খেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরও রয়েছে ডেল্কল্টা সিস্টেমস লিমিটেড (পাওনা ১২৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা), আইজি নেভিগেশন লিমিটেড (পাওনা ১১৯ কোটি ৯৫ লাখ), বে নেভিগেশন লিমিটেড (পাওনা ১১৬ কোটি ৩৮ লাখ), ক্রিস্টাল স্টিল অ্যান্ড শিপ ব্রেকিং লিমিটেড (১১৩ কোটি ৮৩ লাখ), ম্যাপ পেপার বোর্ড মিলস লিমিটেড (১১৩ কোটি ৪২ লাখ), প্রফিউশন টেক্সটাইল লিমিটেড (১১১ কোটি ৫৫ লাখ), মা টেক্স (১১১ কোটি ২২ লাখ), কনফিডেন্স সুজ লিমিটেড ( ১০৮ কোটি ২৯ লাখ), এ আর এস এস এন্টারপ্রাইজ ১০২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। নিউ অটো ডিফাইন (১০১ কোটি ৮৭ লাখ)। সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোনালী ব্যাংকের যেসব শাখা ধারাবাহিকভাবে পাঁচ বছর লোকসান দিচ্ছে, তাদের তালিকা হালানাগাদ করে প্রয়োজনে এসব শাখা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য কমিটি সুপারিশ করেছে। এ ছাড়া সোনালী ব্যংকের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের নাম, মালিকের নাম ও পদবি উল্লেখ করে এবং ঋণ আদায়ের জন্য নিয়োগ করা ২০ ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের নামসহ বেসিক ব্যাংকের ৫০ কোটি টাকার ওপর খেলাপিদের তালিকা পত্রিকায় প্রকাশের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।          Source: samakal
  • ওয়ান স্টপ সেবা দিতে স্টক এক্সচেঞ্জকে বিএসইসির নির্দেশ
    ইত্তেফাক রিপোর্ট দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে সাত দিনের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতার জন্য পরামর্শ ডেস্ক ও ওয়ান স্টপ সার্ভিস প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সরকারের ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ প্রকল্প বাস্তবায়নের আওতায় সংস্থাটি এ উদ্যোগ নিয়েছে। গত বুধবার এক চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ইজ অব ডুয়িং বিজনেস বিষয়ে কমিশনের কর্মপরিকল্পনায় বিনিয়োগকারীদের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে পরামর্শ ডেস্ক ও ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করতে নির্দেশ দেওয়া হলো। এদিকে প্রতিবছর বিশ্বব্যাংক ব্যবসায় পরিবেশ সূচকের (ডুয়িং বিজনেস ইনডেক্স) যে তালিকা তৈরি করে, সে তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১০০-এর নিচে নামিয়ে আনতে চায় সরকার। আগামী ২০২১ সালের মধ্যেই তা করার চেষ্টা করা হবে। বিশ্বব্যাংক গত বছর ব্যবসায় পরিবেশের যে তালিকা করেছে, তাতে ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৭৬তম। Source: ittefaq
  • দেশে বিনিয়োগ মন্দায় কমছে আইপিও, কমছে ব্যাংক ঋণ
    আহসান হাবীব রাসেল১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে মূলধন উত্তোলনের পরিমাণ গত কয়েক বছর ধরে কমে যাচ্ছে। কমছে ব্যাংকের শিল্প ঋণ বিতরণও। উদ্যোক্তারা বলছেন, দেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের অভাব তীব্র। তার উপর দফায় দফায় এর দাম বাড়ানো হচ্ছে। বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় জমিরও সংকট রয়েছে। এছাড়া দিন দিন ব্যবসায়ের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। ফলে এখানে বিনিয়োগ লাভজনক করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে। আর বিনিয়োগ কমায় ব্যাংকের শিল্প ঋণ ও পুঁজিবাজার থেকে মূলধন উত্তোলন কমে যাচ্ছে। তথ্যে দেখা গেছে, ২০১৪ সালে পুুঁজিবাজার থেকে ১৯টি কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে মূলধন উত্তোলন করেছে ১ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা। যা ২০১৫ সালে ব্যাপকভাবে কমে যায়। ২০১৫ সালে ১০টি কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে ৪৯২ কোটি টাকা উত্তোলন করে। ২০১৬ সালে ৬টি কোম্পানি ৫৬৩ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলন করে। আর চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫টি কোম্পানি ১৪৯ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলন করেছে। অবশিষ্ট সময়ে যে দুয়েকটি কোম্পানি মূলধন উত্তোলন করবে তার পরিমাণও বেশি নয়। এতে দেখা যাচ্ছে, ২০১৪ সালের পর থেকে আইপিওর মাধ্যমে বাজার থেকে মূলধন উত্তোলন কমে গেছে। এদিকে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন উত্তোলন কমার পাশাপাশি ব্যাংক থেকে শিল্প ঋণ প্রবাহও কমেছে। উদ্যোক্তারা ব্যাংক থেকে মেয়াদি ঋণ নিয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য বিনিয়োগ করেন। আর চলতি মূলধনী ঋণ নিয়ে কারখানা পরিচালনা করেন। শিল্প খাতে এই দুই ধরনের ঋণের প্রবাহই কমে যাচ্ছে। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সামগ্রিকভাবে শিল্প খাতে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ হয়েছে। গেল ২০১৬-১৭ অর্থবছরে (ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ পর্যন্ত) ঋণ বিতরণ হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মেয়াদি ঋণ বিতরণের পরিমাণ ৬৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা হলেও সেটি গেল অর্থবছরে (ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) ৩২ হাজার ৬২০ কোটি টাকায় নেমেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই ঋণ বিতরণ প্রায় ৫ শতাংশ কম। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দেশে বিনিয়োগের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে না পারলে সরকারের কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে না। তাই যে কোনো উপায়ে বিনিয়োগের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তবে উদ্যোক্তাদেরকে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন উত্তোলন করতে কিছু প্রণোদনা দেওয়া দরকার। কারণ পুঁজিবাজারে কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হলে এর নানাবিধ ইতিবাচক দিক রয়েছে। কোনো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হলে তার কর্পোরেট সুশাসন বাড়ে। কোম্পানির কার্যক্রম ও হিসাবায়নে বিনিয়োগকারী ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকি বাড়ে। ফলে কোম্পানির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আসে। এতে সরকারের রাজস্ব বিভাগের কাজ সহজ হয়ে যায়। তাই সরকারের উচিত যোগ্য কোম্পানিগুলোকে বাজারে তালিকাভুক্ত করার ব্যাপারে তাগিদ দেওয়া। বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনার মাধ্যমে কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসলে বাজারের জন্যও তা ইতিবাচক হবে। তাছাড়া আইপিও প্রক্রিয়ায় দ্রুততা নিশ্চিত করার ব্যাপারে কাজ করতে হবে। কারণ আইপিও প্রক্রিয়ায় অনেক দেরি হওয়ার কারণে উদ্যোক্তাদের যখন অর্থের প্রয়োজন তখন তারা অর্থ পান না। ফলে তারা পুঁজিবাজারে আসার আগ্রহই হারিয়ে ফেলেন। লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস্-এর সিইও খন্দকার কায়েস হাসান বলেন, আমাদের পুঁজিবাজারে কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার প্রবণতা খুব কম। ফলে কোনো কোম্পানি যখন আইপিওতে আসে বিনিয়োগকারীরা হুমড়ি খেয়ে পড়েন এসব কোম্পানির শেয়ার পাওয়ার জন্য। ফলে কোম্পানি ভালো না মন্দ তা বিবেচনা না করেই তারা আইপিও আবেদন করেন। এতে খারাপ কোম্পানি আসলেও আইপিওতে অনেক আবেদন পড়ে। তাছাড়া এসব কোম্পানির শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হলেও শেয়ারের দাম বেড়ে যায়। এদিকে বাংলাদেশে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন উত্তোলন কমলেও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে তা দিন দিন বাড়ছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৭৪টি কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে ২৩৭ কোটি ডলারের মূলধন উত্তোলন করেছে। আর পাকিস্তানে উত্তোলন করা হয়েছে ১১৫ কোটি ডলারের মূলধন। অথচ বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো গত পাঁচ বছরেও তাদের কাছাকাছি মূলধন উত্তোলন করেনি। ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো ৩৭ কোটি ডলারের মূলধন উত্তোলন করেছে। Source: ittefaq
  • চার কর্মদিবসে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা ঋণ
    g রেজাউল হক কৌশিক দীর্ঘ দিন ধরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নিচ্ছে না সরকার। মূলত, সঞ্চয়পত্র থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি অর্থের যোগান আসায় সরকার ব্যাংক ঋণের দিকে যায়নি। তবে হঠাত্ করেই ব্যাংকমুখি হয়েছে সরকার। মাত্র চার কর্মদিবসেই নিট ৭ হাজার ৮২০ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছে সরকার। ফলে ১ দিনে সরকারের গড় ঋণ নেওয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সরকারের ব্যাংকঋণ ঋণাত্মক ধারায় ছিল। কিন্তু ঈদের আগে ও পরের চার কার্যদিবসে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বড় অঙ্কের ঋণ করতে হয়েছে সরকারকে। তবে ঈদ-পরবর্তী তৃতীয় কার্যদিবস থেকে সরকারের ব্যাংক ঋণের চাহিদা আবার কমছে। চলতি অর্থবছরে ৩০ আগস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৩১৩ কোটি টাকা। আর দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ২৫২ কোটি টাকা। হিসাবে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার মোট ঋণ নিয়েছে ৯৭ হাজার ২৮১ কোটি, যা গত অর্থবছর শেষে ছিল ৮৯ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা। এ সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৪২ কোটি, যা গত অর্থবছরের জুন পর্যন্ত ছিল ১৫ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে, এ সময়ে তফসিলি ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের নেওয়া মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ২৪০ কোটি, যা গত অর্থবছরের জুন পর্যন্ত ছিল ৭৩ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা। ব্যাংকিং খাত থেকে পুরো অর্থবছরে কত টাকা ঋণ নেওয়া হবে সে বিষয়ে বাজেটে উল্লেখ থাকে। গত অর্থবছরে (২০১৬-১৭) ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৩৮ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে ব্যাংক থেকে এক টাকাও ঋণ নেয়নি সরকার। উল্টো বকেয়া পরিশোধ করেছিল। ওই অর্থবছরে আগের বকেয়া থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকার পরিশোধ করেছিল সরকার। ফলে অর্থবছর শেষে ব্যাংক ব্যবস্থায় সরকারের ঋণের স্থিতি ছিল ৯০ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সরকারের ঋণের পরিমাণ ছিল এক লাখ আট হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। প্রতি বছরই বড় অঙ্কের ঘাটতি রেখে বাজেট পেশ করে আসছে সরকার। এ ঘাটতি মেটানো হয় দুইটি উত্স থেকে। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক খাত। অভ্যন্তরীণ উেসর মধ্যে রয়েছে— ব্যাংক ব্যবস্থা ও সঞ্চয়পত্র খাত। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংকিং খাত থেকে ২৮ হাজার ২০৩ কোটি টাকা ঋণ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ব্যাংকের বাইরে সঞ্চয়পত্রসহ অন্যান্য উত্স থেকে সংগ্রহ করা হবে ৩২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের বাজেট ঘাটতির বড় অংশই জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে জোগান হচ্ছে। ব্যাংকের আমানতের চেয়ে সঞ্চয়পত্রে প্রায় দ্বিগুণ সুদ পাওয়ার কারণে বিনিয়োগকারীরা সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকছেন। এতে সরকারকে আর ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে না। তবে সঞ্চয়পত্র থেকে টাকা নিলে সরকারকে সুদ বাবদ দ্বিগুণ ব্যয় করতে হবে। এতে ভবিষ্যতে সরকারের উপর চাপ বাড়বে বলে আশঙ্কা তাদের। কারণ, সরকার ব্যাংক থেকে স্বল্পমেয়াদে ঋণ নিলে সেক্ষেত্রে সুদের হার দুই দশমিক ৮৩ শতাংশ। আর দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে তা ৭ শতাংশ। দেখা গেছে, দেশে কার্যরত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে স্থায়ী আমানত রাখলে গড়ে পাঁচ থেকে ৬ শতাংশ হারে সুদ পাওয়া যাচ্ছে, যা সঞ্চয়পত্রের সুদের তুলনায় অনেক কম। ২০১৫ সালের মে মাসে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদ বা মুনাফা গড়ে ২ শতাংশ হারে কমানোর পরও সব স্কিমের বিপরীতে এখনো ১১ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত সুদ পাওয়া যাচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে সঞ্চয়পত্রে একই সুদহার থাকলেও প্রতিনিয়ত কমছে ব্যাংকের আমানতের সুদের হার। ফলে ব্যাংক থেকে আমানত তুলে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করছে মানুষ। একইভাবে অন্যান্য জায়গা থেকেও বিনিয়োগ তুলে নিয়ে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ লাভজনক হওয়ার পরও সেখানে অনেক ঝুঁকিও আছে। তাই অনেকেই সেখানে না গিয়ে ঝুঁকিহীন ও নিশ্চিত লাভের ক্ষেত্র সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করছেন। ফলে সঞ্চয়পত্র থেকে প্রচুর অর্থ পাচ্ছে সরকার। এতে ব্যাংক থেকে আর ঋণ না করলেও চলছে। অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজেট ঘাটতি মেটাতে সঞ্চয়পত্রের নির্ভরতা কমিতে চাচ্ছে সরকার। তা করতে ভবিষ্যতে সঞ্চয়পত্রে ক্রয়ের অর্থের উত্স জানানো বাধ্যতামূলক করার চিন্তাভাবনা চলছে। Source: ittefaq
  • পদ্মা সেতু প্রকল্পের অগ্রগতি ৪৬ ভাগ
    ফাস্ট ট্র্যাকের বড় অগ্রগতি পদ্মা সেতুকে ঘিরে g আলাউদ্দিন চৌধুরী সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ফাস্ট ট্র্যাকভূক্ত প্রকল্পগুলোর মধ্যে পদ্মা সুেতরই অগ্রগতি বেশি লক্ষ্য করা গেছে। এপ্রোচ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়ার কাজ শেষ। তবে মূল সেতুর কাজ গেলো আগস্ট পর্যন্ত ৪৬ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে অগ্রগতি হলেও ফাস্ট ট্র্যাকের অনেক প্রকল্পে ধীর গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বেশ কয়েক বছর পার হয়েগেলেও গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এলএনজি টার্মিনান স্থাপনের কাজ এগুচ্ছে ধীরে। পদ্মা সেতু ছাড়াও সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া ফাস্ট ট্রাক প্রকল্পের তালিকায় রয়েছে মেট্রোরেল, রূপপপুর পরামানবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র, রামপাল বিদ্যুত্ কেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল, মাতারবাড়ি বিদ্যুত্ কেন্দ্র, সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্প, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ এবং দোহাজারী-রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু-মিয়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেল লাইন নির্মাণ প্রকল্প। সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ফাস্ট ট্র্যাকের প্রকল্পগুলোর সর্বশেষ করা অগ্রগতির তথ্যে দেখা গেছে গভীর সমুন্দ্র বন্দর, এলএনজি টার্মিনাল নির্মান প্রকল্প এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়ে গেছে। তবে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি হয়েছে পদ্মা সেতুকে ঘিরে। পদ্মা সেতু প্রকল্প: প্রকল্পটি ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৮ সালের শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। গেলো আগস্ট পর্যন্ত অগ্রগতির প্রতিবেদনে দেখা যায়, মূল সেতু নির্মাণ কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৪৬ ভাগ। এছাড়া জাজিরা প্রান্তে এপ্রোচ সড়ক, মাওয়া প্রাপ্তে এপ্রোচ সড়ক ও সার্ভির এরিয়া-২ এর কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। অন্যদিকে নদীশাসন কাজের অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৩৩ ভাগ। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৪৬ দশমিক ৫০ শতাংশ। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এডিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ৫ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা। চলতি বছর আগস্ট পর্যন্ত অর্থবছরের দুই মাসে ব্যয় হয়েছে এডিপির ৪১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। প্রকল্পের শুরু থেকে চলতি বছর আগস্ট পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে ১৪ হাজার ৯০ কোটি টাকা যা মোট বরাদ্দের ৪৮ দশমিক ৯৪ ভাগ। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ: প্রকল্পটি চীনা সরকারের অর্থায়নে জি-টু-জি পদ্ধতিতে ৩৪ হাজার ৯৮৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পের চীন সরকারের ঋণ রয়েছে ২৪ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এডিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ৭ হাজার ৬০৯ কোটি ৮১ লাখ টাকা। আগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পটির অগ্রগতি মাত্র সাড়ে ৭ শতাংশ। আর্থিক অগ্রগতি মাত্র ১ দশমিক ৯০ ভাগ। ঢাকা মাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প (মেট্রোরেল):  প্রকল্পটি ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১২ সাল থেকে ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। জাপান সরকার এতে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ঋণ দিচ্ছে। চলতি অর্থবছরে এডিপি বরাদ্দ ৩ হাজার ৪২৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আগস্ট পর্যন্ত দুই মাসে এডিপি বরাদ্দের ৮৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। প্রকল্পটি শুরু থেকে এ পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা। রূপপুর পানমানবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র: রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুেকন্দ্রের প্রথম পর্যায়ের প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে রাশিয়া সরকারের প্রকল্প সাহায্য ৪ হাজার কোটি টাকা ও সরকারি তহবিল ১ হাজার ৮৯ কোটি টাকাসহ মোট ৫ হাজার ৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৩ সালের মার্চ হতে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদিত হয়েছিলো। প্রথম পর্যায়ের কাজের দুটি চুক্তির কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। তৃতীয় ও চতুর্থ চুক্তির অধিকাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পটিতে গেলো আগস্ট পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা। রূপপূর পারমানবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনের দ্বিতীয় পর্যায়ে মূল প্রকল্প ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই ১১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এতে ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা রাশিয়া প্রকল্প সাহায্য আকারে দিচ্ছে। প্রকল্পটি শুরু থেকে আগস্ট পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ২৬১ কোটি টাকা। মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট (রামপাল): প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ নির্ধারণ রয়েছে। প্রকল্পটি শুরু থেকে জুন-১৭ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২৯৫ কোটি টাকা। আর্থিক অগ্রগতি ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি ২ দশমিক ৮১ শতাংশ। মাতারবাড়ি আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজেক্ট: প্রকল্পটি ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২৩ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্পের জাপান সরকারের অর্থায়নে রয়েছে ২৮ হাজার ৯২৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ে প্লান্ট এবং পোর্ট ফ্যসিলিটিস এর কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছর এডিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ৪ হাজার ৫২০ কোটি টাকা। আগস্ট পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে এডিপি বরাদ্দের ৭ কোটি টাকা টাকা। প্রকল্পটি শুরু থেকে গেলো আগস্ট পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ২১ কোটি টাকা যা মোট বরাদ্দের ২ দশমিক ৯১ ভাগ। দোহাজারি-রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু-মায়ানমারের নিকটে ঘুমধুম পর্যন্ত সিংগেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ: প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ রয়েছে ১৩ হাজার ১১৫ কোটি টাকা। প্রকল্পটি ২০২২ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। চলতি অর্থবছরের এডিপিতে প্রকল্পটি জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। জুলাই-আগস্ট এই দুই মাসে ব্যয় হয়েছে মাত্র ৩৭ লাখ টাকা। প্রকল্পটি শুরু থেকে এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ২৯০ কোটি টাকা। সার্বিক ভৌত অগ্রগতি মাত্র ৩ শতাংশ, আর্থিক অগ্রগতি ১২ দশমিক ৭০ ভাগ। পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর: পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর কার্যক্রমটি পরিচালনার জন্য ১ হাজার ১২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৫ সাল হলে ২০১৮ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়নের লক্ষ্য ছিলো এর আওতায় জমি অধিগ্রহণ, ওয়ার হাউস নির্মাণ সার্ভে বোর্ট, পাইলট ভেসেল ক্রয় করার লক্ষ্য ছিলো। চলতি অর্থবছরের এডিপিতে ৩৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। প্রকল্পটি সার্বিক ভাবে ৪০ ভাগ এবং আর্থিক ভাবে ৫১ ভাগ অগ্রগতি হয়েছে। গভীর সমুদ্র বন্দর: কক্সবাজার জেলার সোনাদিয়ায় একটি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের জন্য জাপানের একটি প্রতিষ্ঠান জরিপ করেছে। প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে পিপিপির ভিত্তিতে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত থাকলেও আগ্রহী বিনিয়োগকারী না পাওয়ায় জি-টু-জি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়। এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প: এর জিওটেকনিক্যাল সার্ভের কাজ শুরু হয়েছে। বাণিজ্যিক কাজ ২০১৮ সালের মার্চে সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে। Source: ittefaq
  • এবার ৬ হাজার ২০০ পয়েন্টের রেকর্ড উচ্চতায় ডিএসইর সূচক
      দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এবার ৬ হাজার ২০০ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএসইএক্স সূচকটি ১৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২০৪ পয়েন্টে। এর ফলে সূচকটি পৌঁছে গেছে রেকর্ড উচ্চতায়। ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি নতুন এ সূচক চালু হওয়ার পর গতকালই এটি সর্বোচ্চ উচ্চতায় উঠেছে। রেকর্ড হয়েছে বাজার মূলধন ও অপর দুই সূচকেও। ডিএসইর বাজার মূলধন গতকাল দিন শেষে বেড়ে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৮৯ কোটি টাকার রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। বাছাই করা ৩০ কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত ডিএস-৩০ সূচকটি এদিন ২ হাজার ২২৫ এবং শরিয়াভিত্তিক ডিএসইএস সূচকটি ১ হাজার ৩৮৫ পয়েন্টের রেকর্ড উচ্চতা ছুঁয়েছে। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল দিন শেষে লেনদেন আবারও দেড় শ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গত সাড়ে তিন মাস পর গতকালই সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ গত ৩১ মে সিএসইতে ১৭৩ কোটি টাকার সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছিল। আর গতকাল দিন শেষে চট্টগ্রামের বাজারে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৫৫ কোটি টাকা। বাজার-সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিদিন অল্প অল্প করে বাজারে নতুন বিনিয়োগ আসছে। আর এর বেশির ভাগ বিনিয়োগ আসছে পুরোনো বিনিয়োগকারীদের হাত ধরে। অনেক নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারী বাজারে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক অতিক্রম করার পর বাজারে প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে বলে জানান কর্মকর্তারা। মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সূচক ও সার্বিক বাজারের ওপর প্রভাব বিস্তারকারী ব্যাংক ও টেলিকম খাতে গতকাল কিছুটা মূল্য সংশোধন হয়েছে। তবে লেনদেনে শক্ত অবস্থান ছিল ব্যাংক খাতের। ব্যাংক ও টেলিকম খাতের শেয়ারের মূল্য সংশোধনের দিনে বিমা ও বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলো মূল্যবৃদ্ধিতে এগিয়ে ছিল। ডিএসইর ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বাজারে গতকাল লেনদেন হওয়া ৩০ ব্যাংকের মধ্যে মাত্র ৫টির দাম বেড়েছে। কমেছে ২১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪টির দাম। অন্যদিকে বিমা খাতের লেনদেন হওয়া ৪৭ কোম্পানির মধ্যে ৩৩টিরই দাম বেড়েছে। আর বস্ত্র খাতের লেনদেন হওয়া ৪৮ কোম্পানির মধ্যে ৪০টিরই দাম বেড়েছে। ঢাকার বাজারে গতকাল দিন শেষে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১২৪ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩০০ কোটি টাকা কম। সিএসইতে গতকাল দিন শেষে লেনদেন আগের দিনের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়েছে। এদিকে সিএসইর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাছাই করা ৫০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত স্টক এক্সচেঞ্জটির সিএসই-৫০ সূচকটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। সূচকটিতে নতুন করে দুটি কোম্পানি যুক্ত হচ্ছে আর বাদ পড়ছে দুটি। যে দুটি কোম্পানি এ সূচকে যুক্ত হচ্ছে সেগুলো হলো প্রাইম ব্যাংক ও হাইডেলবার্গ সিমেন্ট। ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এ সূচক থেকে বাদ পড়েছে পাওয়ার গ্রিড ও আফতাব অটোমোবাইলস। সিএসই জানিয়েছে, বছরে দুবার এ সূচকটি সমন্বয় করা হয় নির্ধারিত মাপকাঠির ভিত্তিতে। Source: prothom alo  
  • শেয়ারবাজারে স্বস্তি ফিরেছে
    শেয়ারবাজারে স্বস্তি ফিরেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে বিনিয়োগ বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে লেনদেনে। গত এক সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় ৬ হাজার ২শ’ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। এ হিসাবে গড় লেনদেন ১ হাজার ২৩২ কোটি টাকা। এছাড়া বাড়ছে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম। এর মধ্যে বেশিরভাগই শক্তিশালী মৌলভিত্তির কোম্পানি। আর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে মূল্যসূচক ও বাজারমূলধনে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকট কাটলে বাজার স্থিতিশীল হবে। জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে ইতিবাচক কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে লেনদেন। এছাড়াও ভালো কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ছে। তার মতে, বাজারের সবচেয়ে বড় সমস্যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকট। এই সংকট কাটলে বাজার ইতিবাচক হবে। জানা গেছে, বাজারের অবস্থা মূল্যায়নের অন্যতম নির্দেশক হল ডিএসইর ব্রড সূচক। বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লে এই সূচক বাড়ে। আর শেয়ারের দাম কমলে সূচক কমে যায়। এতদিন বাজারের একটি ধারণা ছিল সূচক ৫ হাজার ৫শ’ পয়েন্ট অতিক্রম করলেই আবার নিচের দিকে নামে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে সূচক ৬ হাজার পয়েন্টের মনস্তাত্ত্বিক সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া খাত ভিত্তিক বিবেচনায় বাজারে শক্ত মৌলভিত্তির কোম্পানি হল ব্যাংক। অন্যান্য খাতের তুলনায় এতদিন ব্যাংকের শেয়ারের দাম পিছিয়ে ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে। এছাড়া লেনদেনে এগিয়ে রয়েছে, এই খাত। গত এক সপ্তাহে যে ১০টি কোম্পানির শেয়ার বেশি লেনদেন হয়েছে, তার ৭টি ছিল ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোম্পানি। এছাড়া তিনটি কোম্পানিও শক্ত মৌলভিত্তির। এছাড়াও জ্বালানিখাত, সিমেন্ট এবং আর্থিকখাতের শেয়ারের দাম বাড়ায় বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। লেনদেন বৃদ্ধির ফলে সাম্প্রতিক সময়ে মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারের দাম বেড়েছে। এর মানে হল বিনিয়োগকারীরা ভালো কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করছে। বাজার ইতিবাচক হওয়ার আরেকটি নির্দেশক হল লেনদেন। গত এক সপ্তাহে ৬ হাজার ২শ’ কোটি লেনদেন হয়েছে। এতে গড় লেনদেন ১ হাজার ২শ’ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ডিএসইর বাজারমূলধন ৪ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ভালো লভ্যাংশ ঘোষণা করছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েছে। সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন হল বাজারে বিনিয়োগ বেড়েছে এবং বিনিয়োগকারীরা ভালো কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করছে। এটি স্থিতিশীলতার লক্ষণ। জানতে চাইলে ডিএসইর পরিচালক মো. রকিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাজার টেকসইভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সূচক ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে না। দুইদিন সূচক বাড়লে পরে আবার মূল্যসংশোধন হচ্ছে। একটি স্থিতিশীল বাজারের এটিই বৈশিষ্ট হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে যেসব কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, তা আগের বছরের চেয়ে তুলনামূলকভাবে ভালো। তবে এ অবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসতে হবে। তারা ট্রেডারের (দৈনন্দিন লেনদেন) মতো আচরণ করলে বাজার অস্থিতিশীল হবে না। তবে তিনি বলেন, বাজারের সামগ্রিকভাবে দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক। জানা গেছে ২০১০-১১ সালে শেয়ারবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকটে বাজারে ব্যাপক উত্থান-পতন হয়েছে। ওই সময় মূল সূচকটি ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক নামে অভিহিত ছিল। এরপর সূচক গণনা পদ্ধতি নিয়ে বহু সমালোচনার পর ২০১৪ সালের ২০ জানুয়ারি সূচক পরিবর্তন করে ডিএসই ব্রড সূচক নামে যাত্রা শুরু করে ডিএসইর মূল সূচক। ওইদিন এই সূচকটির ভিত্তি পয়েন্ট ছিল ৪ হাজার ৫৫০। এরপর গত তিন বছরে সূচক কখনও ৬ হাজার পয়েন্টের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেনি। কিন্তু ৩১ আগস্ট ৬ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করে সূচকের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়। এরপর বাজারের উত্থান অব্যাহত রয়েছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, শেয়ারবাজার স্পর্শকাতর জায়গা। বিশ্বের সব দেশেই রাজনৈতিক কারণে বাজার প্রভাবিত হয়। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা কমে আসায় বাজার ইতিবাচক হচ্ছে। এছাড়া মুদ্রানীতিতে শেয়ারবাজারের ব্যাপারে উস্কানিমূলক কোনো কথা বলা হয়নি। ফলে বাজারে নেতিবাচক কোনো প্রভাব পড়েনি। তাদের মতে, বাজারে মুদ্রা সরবরাহের ভঙ্গি বোঝাতে মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়। গত জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক ৬ মাসের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। সব সময়ে মুদ্রানীতিতে বাজারের ব্যাপারে নেতিবাচক কিছু কথা বলা হয়। এবার কোনো উস্কানিমূলক কথা বলা হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা কিছুটা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তবে এটি একেবারে সাময়িক। আর সরকার যদি বিরোধী দলকে আস্থায় নিয়ে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়, তবে বাজার আরও ভালো হবে। এছাড়া বিদায়ী বছরের জন্য কোম্পানিগুলো লভ্যাংশ ঘোষণা করবে, এমন প্রত্যাশা রয়েছে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। Source: jugantor
  • বিআইবিএমে কর্মশালায় বক্তারা উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক বর্তমান মুদ্রানীতি
    বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান মুদ্রানীতির (জুলাই-ডিসেম্বর) কারণে বেসরকারি খাতে বড় অঙ্কের ঋণ পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা এরই মধ্যে ঘোষিত মুদ্রানীতির এ বিশেষ সুযোগ নিতে শুরু করেছে। বেসরকারি খাতসহায়ক এমন মুদ্রানীতির কারণে ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে। এছাড়া বেশি সুদের সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের অধিক ঋণ গ্রহণ অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এ খাতে এখনই সংস্কার আনতে হবে। বুধবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মিলনায়তনে মুদ্রানীতি (জুলাই-ডিসেম্বর) শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তারা এ কথা বলেন। কর্মশালায় ঘোষিত মুদ্রানীতি বিষয়ে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. ফয়সল আহমেদ। বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধূরীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় সরকারি এবং বেসরকারি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালার সূচনা বক্তব্য রাখেন বিআইবিএমের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. শাহ মো. আহসান হাবীব। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. ফয়সল আহমেদ বলেন, উচ্চ প্রবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে। Source: jugantor
View All
Latest DSE News
  • PUBALIBANK

    Mr. Azizur Rahman, one of the Directors has further reported that he has completed his sale of 33,00,000 shares whereas That's IT Fashions Ltd., the Corporate Director and Mr. Abdur Razzak Mondol, another Director (nominated by That's IT Fashions Ltd.) of the Company have further reported that they have completed their buys of 30,00,000 shares &amp; 3,00,000 shares respectively at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • CITYBANK

    Mr. Hossain Khaled, one of the Directors of the Company, has further reported that he has completed his buy of 50,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • PIONEERINS

    Ms. Fahama Khan, one of the Directors of the Company (Alternative Director for Mrs. Shahana Rahmatullah) , has further reported that she has completed her buy of 2,00,000 shares of the Company at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

  • EXIMBANK

    Ms. Rabeya Khatoon, one of the Sponsors of the Company, has expressed her intention to sell 69,44,800 shares out of her total holdings of 1,69,44,782 shares of the Company at prevailing market price (In the Block Market) through Stock Exchange within October 31, 2017.

  • LEGACYFOOT

    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on September 27, 2017 at 4:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on June 30, 2017.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
UTTARABANK 36.40 33.70 2.70 8.01
PUBALIBANK 31.60 29.40 2.20 7.48
NBL 15.50 14.80 0.70 4.73
MTB 30.70 29.40 1.30 4.42
IFIC 21.50 20.70 0.80 3.86
GHCL 46.90 45.20 1.70 3.76
ASIAPACINS 24.90 24.00 0.90 3.75
NITOLINS 31.30 30.20 1.10 3.64
STANCERAM 108.30 105.00 3.30 3.14
RNSPIN 23.50 22.80 0.70 3.07

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297