Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events


LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar


Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all


PRIMEINSUR 21.1 16.5 4.60 27.88
FIRSTFIN 12 9.9 2.10 21.21
PREMIERLEA 19.2 15.9 3.30 20.75
BEACHHATCH 12 10.2 1.80 17.65
ILFSL 15.3 13.1 2.20 16.79
MERCANBANK 18.1 15.8 2.30 14.56
MODERNDYE 200.7 178.5 22.20 12.44
SPCERAMICS 11.8 10.5 1.30 12.38
AAMRATECH 36.6 32.9 3.70 11.25
SHYAMPSUG 22 19.8 2.20 11.11

Contest SB2017_May



Positive impact
OLYMPIC 277.2 271 2.18424 61315.00
BERGERPBL 2147.9 2099.2 1.98986 20.00
ACI 501.9 487.7 1.09642 220080.00
MERCANBANK 18.1 17.4 0.95727 9454270.00
GP 337.6 337.3 0.71378 71724.00
Negative impact
LAFSURCEML 65.3 67.9 -5.32056 1332490.00
ISLAMIBANK 32.2 33.7 -4.25527 1674510.00
SOUTHEASTB 18.2 20.2 -3.23138 1450660.00
NBL 13.8 14.7 -3.13260 6949720.00
CITYBANK 32.1 33.7 -2.46909 1499420.00


SAIFPOWER 43.6 44.2 43 3.56% 298.54
LANKABAFIN 53 54 52.7 -2.03% 224.37
BEXIMCO 34.2 34.7 33.8 1.48% 197.14
MERCANBANK 18.1 18.2 17.3 4.02% 169.15
UPGDCL 157.8 158.2 155.7 0.38% 164.28
SPCL 147.7 150.9 147 -0.20% 162.73
ISLAMICFIN 26.9 27.1 25.3 -2.18% 162.57
BDCOM 35.7 36.4 33.1 5.62% 144.12
AAMRATECH 36.6 37 34 4.87% 135.76
ACI 501.9 507 495 2.91% 110.50


Already a User! Sign in
New User? Register Now
Confirm Password


Daily Logo
  • এমজেএল লিমিটেডের তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় রেড়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : এমজেএল লিমিটেডের  তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৯ মাশে (জুলাই ২০১৬ – মার্চ ২০১৭) হয়েছে ৫ টাকা ১১ পয়শা। গত বছরের একই সময়ে যা  ছিল ৩ টাকা ৬৪ পয়শা। সর্বশেষ ৩ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৬ পয়শা।  গত বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৩৬ পয়সা। গত ৩১ মার্চ তারিখে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়ায় ৩২ টাকা ৮৭ পয়সা। গত বছরের ৩১ মার্চে এনএভি ছিল ৩০ টাকা ৫২ পয়সা। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
  • কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেডের তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেডের  তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৯ মাশে (জুলাই ২০১৬ – মার্চ ২০১৭) হয়েছে ৭ টাকা ৭১ পয়শা। গত বছরের একই সময়ে যা  ছিল ৭ টাকা ১০  পয়শা। সর্বশেষ ৩ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৬৫ পয়শা।  গত বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ২৪ পয়সা। এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৭৭ টাকা ৯৫ পয়সা। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
  • বিডি থাই লিমিটেডের তৃতীয় প্রান্তিকের ইপিএস ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : বিডি থাই লিমিটেডের  তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৯ মাশে (জুলাই ২০১৬ – মার্চ ২০১৭) হয়েছে ৬০ পয়শা। গত বছরের একই সময়ে যা  ছিল ৭১ পয়শা। সর্বশেষ ৩ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১১ পয়শা।  গত বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ২৬ পয়সা। এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৮ টাকা ৪৬ পয়সা।  গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৮ টাকা ৪৪ পয়সা। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
  • গোল্ডেন সন লিমিটেডের তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : গোল্ডেন সন লিমিটেডের  তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) জুলাই ২০১৬ – মার্চ ২০১৭ সময়ে হয়েছে (.৪৩)পয়শা। গত বছরের একই সময়ে যা  ছিল ৩৮ পয়শা। ৯ মাসে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ২৩ টাকা ৯১ পয়সা। গত বছর যা ছিল ২৪ টাকা ৬২ পয়সা। এককভাবে কোম্পানিটির এনএভি হয়েছে ২৩ টাকা ৯৩ পয়সা। গত বছর যা ছিল ২৪ টাকা ৬২ পয়সা।
  • ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালের তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালের তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে। জুলাই ২০১৬ – মার্চ ২০১৭ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩টাকা ২পয়শা। গত বছরের একই সময়ে যা  ছিল ২ টাকা ৩৩ পয়শা। সর্বশেষ ৩ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫৬ পয়শা।  গত বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩৩ পয়সা। এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৭১ টাকা ১৪ পয়সা।  গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬৯ টাকা ৯৯ পয়সা। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
  • বিচ হ্যাচারীর তৃতীয় প্রান্তিকের ইপিএস ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : বিচ হ্যাচারীর তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) কিছুটা কমেছে। জুলাই ২০১৬ – মার্চ ২০১৭ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে (০.৩৫) টাকা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল (০.০৯) টাকা। এছাড়া কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১০ টাকা ৯১ পয়সা। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
  • ইয়াকিন পলিমার লিমিটেডের – ৩য় প্রান্তিকের – মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইয়াকিন পলিমার লিমিটেডের ৩য় প্রান্তিকের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ৩য় প্রান্তিকের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (PRICE SENSITIVE INFORMATION) কোম্পানির পক্ষ থেকে নিচে প্রকাশ করা হল।
  • রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স প্রথম প্রান্তিকের ইপিএস ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স লিমিটেডের প্রথম প্রান্তিকের ৩ মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা। যা এর আগের বছর ছিল ৮৪ পয়সা। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ৫৮ টাকা ৫১ পয়সা। গত বছর যা ছিল ৫০ টাকা ৭৩ পয়সা। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
  • অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে
    স্টাফ রিপোর্টার : অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) কিছুটা বেড়েছে। জুলাই ২০১৬ – মার্চ ২০১৭ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯টাকা ৩৬ পয়শা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮টাকা ৯০ পয়শা। সর্বশেষ ৩ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে (৪.৮০) টাকা।  গত বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল (৭.৮৫) পয়সা । কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ২২৯ টাকা ৫৮ পয়সা।  
  • রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স লিমিটেড – প্রথম প্রান্তিকের -মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স  লিমিটেডের প্রথম প্রান্তিকের মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (PRICE SENSITIVE INFORMATION ) কোম্পানির পক্ষ থেকে নিচে প্রকাশ করা হল।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ফিক্সড প্রাইস মেথডে ন্যূনতম ৩০ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়তে হবে
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো কোম্পানি ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আসতে চাইলে কমপক্ষে ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে হবে। এ বিধান রেখে পাবলিক ইস্যু রুলস-২০১৫তে সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। যা জনমত জরিপের জন্য শিগগির দৈনিক পত্রিকা ও কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।সংশোধিত রুলস অনুযায়ী, ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে সর্বনিম্ন ৩০ কোটি টাকা ও বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে সর্বনিম্ন ৫০ কোটি টাকার শেয়ার ইস্যু করতে হবে। একইসঙ্গে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আসার ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন ১৫ কোটি টাকা ও বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ৩০ কোটি টাকা থাকতে হবে। এর আগে উভয় পদ্ধতিতে পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ সর্বনিম্ন ১৫ কোটি টাকা থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। আর সর্বনিম্ন ১৫ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন উত্তোলনের সুযোগ ছিল।এদিকে কোনো কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা, পরিচালক ও ১০ শতাংশের বেশি শেয়ারধারীদের শেয়ারের ক্ষেত্রে ৩ বছর লক ইন থাকবে। এর আগে উদ্যোক্তা, পরিচালক ও ৫ শতাংশের বেশি শেয়ারধারীদের ক্ষেত্রে ৩ বছর লক ইন প্রযোজ্য ছিল। নতুন রুলসে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা তাদের কোটার সর্বোচ্চ ২ শতাংশের জন্য আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রে এই বিনিয়োগকারীরা আবেদনের পরিমাণের ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে সিকিউরিটিজ বরাদ্দ করা হবে। এর আগে কোটার ১০ শতাংশ পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ ছিল। source : Ittafaq
  • ডিএসইতে পিই রেশিও অপরিবর্তিত
    সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) অপরিবর্তিত রয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইতে পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৫ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১৫ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট। বিশ্লেষকদের মতে, পিই রেশিও যতদিন ১৫ এর ঘরে থাকে, ততদিন বিনিয়োগ নিরাপদ থাকে।সপ্তাহ শেষে খাতভিত্তিক ট্রেইলিং পিই রেশিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৮.৭ পয়েন্টে, সিমেন্ট খাতের ২৬.৩ পয়েন্টে, সিরামিক খাতের ২৬.৯ পয়েন্টে, প্রকৌশল খাতের ২১.১ পয়েন্টে, খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতের ২৫.৩ পয়েন্টে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ১২.৯ পয়েন্টে, সাধারণ বীমা খাতে ১৩ পয়েন্টে, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে ২৫.৭ পয়েন্টে। এ ছাড়া পাট খাতের পিই রেশিও মাইনাস ১৭.৮ পয়েন্টে, বিবিধ খাতের ৩০.৯ পয়েন্টে, এনবিএফআই খাতে ২২.৪ পয়েন্টে, কাগজ খাতের মাইনাস ৮১.৫ পয়েন্টে, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৯.৮ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন খাতের ১৯.৪ পয়েন্টে, চামড়া খাতের ১৮.৮ পয়েন্টে, টলিযোগাযোগ খাতে ১৯.৪ পয়েন্টে, বস্ত্র খাতের ২৮ পয়েন্টে এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ৩০.১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। source : jayjaydin
  • টানা পতন শেষে ইতিবাচকতা
    প্রায় দুই সপ্তাহের টানা পতন কাটিয়ে আবার ইতিবাচক প্রবণতায় ফিরেছে দেশের শেয়ারবাজার। সপ্তাহের শেষ তিন কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে আগের সপ্তাহের তুলনায় ১২ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট বেড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স। তবে কেনাবেচা আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৬ শতাংশের বেশি কমে গেছে।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এপ্রিলের শুরুতে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের লভ্যাংশ ঘোষণার মৌসুমের শেষ ভাগে এসে দ্বিতীয় দফায় সংশোধন শুরু হয় শেয়ারবাজারে। অনেক বিনিয়োগকারী কিছু মুনাফা তুলে নেয়ার চেষ্টা করায় এর আগে টানা দুই সপ্তাহ পতনে ছিল শেয়ারবাজারের প্রধান সূচক। তবে জুলাই-জুন হিসাব বছর গণনা করা কোম্পানিগুলোর তৃতীয় প্রান্তিকের ফলাফলকে কেন্দ্র করে গেল সপ্তাহে আবার ইতিবাচক ধারায় ফেরে বাজার। এর আগে বছরের শুরুতে দৈনিক গড় লেনদেন হাজার কোটির ঘরে থাকলেও ব্যাংকিং খাতের প্রথম দফায় দর সংশোধনে ফেব্রুয়ারিতে তা ৬০০-৭০০ কোটি টাকার ঘরে নেমে আসে। বর্তমানে তা ৫০০ থেকে হাজার কোটির মধ্যে অবস্থান করছে।তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গেল সপ্তাহের প্রথম দিন নেতিবাচক প্রবণতায় শুরু হলেও শেষ তিন কার্যদিবসের ঊর্ধ্বমুখিতায় বেড়েছে ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স। মোট পাঁচ কার্যদিবসে আগের সপ্তাহের তুলনায় দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৫৩৪ পয়েন্টে উন্নীত হয় সূচকটি। আগের সপ্তাহে ৫ হাজার ৫২১ পয়েন্টে ছিল এ সূচক। তবে আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৫ দশমিক ৭২ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৩৪ পয়েন্টে নেমে যায় ব্লু-চিপ সূচক ডিএস ৩০। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ১ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২৭৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১ হাজার ২৭১ পয়েন্টে।এদিকে সূচক বাড়লেও গেল সপ্তাহে ডিএসইর দৈনিক গড় লেনদেন ও মোট লেনদেন কমেছে। পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৮৩১ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৩ হাজার ৪৩২ কোটি ৮২ লাখ টাকায়। গড় দৈনিক লেনদেন ১৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৫৭৬ কোটি টাকায়, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৬৮৬ কোটি টাকায়। লেনদেন হওয়া ৩৩৩টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে সপ্তাহ শেষে দর বেড়েছে ১২০টির, কমেছে ১৭২টির ও অপরিবর্তিত ছিল ২৮টি সিকিউরিটিজের বাজারদর।এদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএসই-এক্স সপ্তাহ শেষে দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১০ হাজার ৭৮৭ পয়েন্টে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১০ হাজার ৪০৭ পয়েন্টে। সিএসই-৩০ সূচক দশমিক ২৯ শতাংশ কমে ১৫ হাজার ২৫০ পয়েন্টে ও সিএসই-৫০ সূচক দশমিক ৪১ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৬৮ পয়েন্টে উন্নীত হয়। source : bonik barta
  • অর্থনীতির তুলনায় পুঁজিবাজারের আকার নগণ্য’
    অর্থনীতির তুলনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের আকার অত্যন্ত নগণ্য। টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য এ বাজারের বিকাশ খুবই জরুরি। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম গতকাল এক অনুষ্ঠানে একথা বলেন।রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস ফর ইকোনমিক রিপোর্টারস’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. মির্জ্জা আজিজুল বলেন, দেশে শিল্প-বাণিজ্যে অর্থসংস্থানে পুঁজিবাজারের অবদান মাত্র ১০ শতাংশ। বাকি ৯০ শতাংশ অর্থায়নই হয় ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে। অর্থনীতির জন্য এটি মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। ব্যাংকগুলো স্বল্পমেয়াদে আমানত নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করে, যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। উন্নত ও উন্নয়নশীল অন্য দেশগুলোয় বিনিয়োগের একটি বড় অংশই আসে পুঁজিবাজার থেকে।চার্টার্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট (সিএফএ) সোসাইটি বাংলাদেশ ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। সেখানে বিভিন্ন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সিএফএরা আর্থিক বিশ্লেষণের নানা খুঁটিনাটি দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বিএসইসির সাবেক কমিশনার ও আইডিএলসি ফিন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরিফ খান এবং ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বক্তব্য রাখেন। কর্মশালা পরিচালনা করেন সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ও পরিচালক আলী ইমাম।প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. মির্জ্জা আজিজুল আরো বলেন, আমাদের পুঁজিবাজারের অনেক কোম্পানিরই পারফরম্যান্স তেমন ভালো নয়। কোম্পানিগুলো হয় মুনাফা করতে ব্যর্থ হচ্ছে, নয় তো এদের ম্যানেজমেন্ট ও উদ্যোক্তারা কোম্পানিকে লোকসানি দেখিয়ে টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন। এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এছাড়া অনেক কোম্পানি আইপিওর এক-দুই বছর আগে থেকে কৃত্রিমভাবে মুনাফা বাড়িয়ে দেখায়। এ ধরনের প্রবণতা বন্ধে পাঁচ থেকে ১০ বছরের ব্যালান্স শিট পরীক্ষা করা প্রয়োজন। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্রমবর্ধমান হার ধরে রাখতে মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যে হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে, সে হারে মানবসম্পদের উন্নয়ন হচ্ছে না। এশিয়ার ১২টি দেশের মধ্যে মাধ্যমিক শিক্ষা অর্জনে পাকিস্তান ছাড়া সব দেশ থেকে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। উচশিক্ষায় আমরা শুধু পাকিস্তান ও কম্বোডিয়ার চেয়ে এগিয়ে।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আরিফ খান বলেন, অন্যান্য দেশে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে পুঁজিবাজারকে সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে তার ঠিক বিপরীত অবস্থা বিরাজ করছে। উন্নয়নযজ্ঞে অর্থসংস্থানের সঙ্গে সঙ্গে পুঁজিবাজারকেও বড় করার জন্য পেনশন ফান্ড, লাইফ ফান্ড ও বন্ড মার্কেটকে কাজে লাগানো যেতে পারে। সামষ্টিক অর্থনীতির অন্যান্য সূচকের সমান্তরালে পুঁজিবাজারকে এগিয়ে নিতে পারলে উন্নত বিশ্বের তালিকায় আমাদের নাম লেখাতে বেশি দিন লাগবে না।অতিথি বক্তা হিসেবে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ইউবিএস ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের শিক্ষক লুিফ সিদ্দিকী। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উপযুক্ত জ্ঞান ও সচেতনতার অভাবে আর্থিক বাজার অর্থনীতির জন্য বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে উল্লেখ করে তিনি বাজারসংশ্লিষ্টদের পেশাদারিত্ব ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক জ্ঞান প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সমাপনী বক্তব্যে ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, বিনিয়োগকারীদের সচেতনতাই হবে তাদের পুঁজির সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ। তারা সচেতন হলে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়তে বাধ্য।   source : bonik barta
  • ডিএসইতে ২০১টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে
    টানা দরপতনের পর দ্বিতীয় দিনের মতো ইতিবাচক ছিল শেয়ারবাজার। বুধবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২০১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) ১৫০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। ফলে মূল্যসূচক ও বাজারমূলধনে এর প্রভাব পড়েছে। আর দিনশেষে ডিএসইর সূচক বেড়েছে ৪৭ পয়েন্ট এবং সিএসইর সূচক বেড়েছে ১৪৫ পয়েন্ট। এ ছাড়া উভয় শেয়ারবাজারেই এদিন লেনদেনও বেড়েছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে বুধবার ৩২৮টি কোম্পানির ১৯ কোটি ৭১ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ৬৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আগের দিনের চেয়ে যা ১৭৭ কোটি টাকা বেশি।এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২০১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ৮৫টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। ডিএসইর ব্রডসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৭ দশমিক ৯০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫১৭ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ১২ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৩৮ দশমিক ৫৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২৬৮ দশমিক ৬৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। ডিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৩ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।সিএসই : চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ২৪০টি প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ৭৬ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার মোট মূল্য ৪৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের, কমেছে ৬৩টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৮৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। সিএসই-৩০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ২৪৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। সিএসইর বাজারমূলধন আগের দিনের চেয়ে বেড়ে ৩ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।শীর্ষ দশ কোম্পানি : ডিএসইতে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বেশি লেনদেন হয়েছে সেগুলো হল : লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, ইউনাইটেড পাওয়ার, আইডিএলসি, আইসিবি, প্রাইম ব্যাংক, আর্গন ডেনিমস, বেক্সিমকো লিমিটেড, আরএসআরএম স্টিল, ইসলামী ব্যাংক ও ডেসকো লিমিটেড। ডিএসইতে যেসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি বেড়েছে সেগুলো হল : লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, আর্গন ডেনিমস, ফাইন ফুডস, প্রিমিয়ার লিজিং, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল। source : jugantor
  • স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার পেতে সিএসইর রোড শো
    গত মঙ্গলবার রাজধানী একটি হোটেলে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বা স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার পেতে এ রোড শো আয়োজন করা হয়। এতে সিএসইর চেয়ারম্যান ড. এ কে আব্দুল মোমেন বক্তব্য রাখেন। সিএসইর ভবিষ্যত পরিকল্পনা এবং ব্যবসায়িক নানা বিষয়ে আলোকপাত করেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান রহমান মজুমদার। সিএসইর এমডি সভায় পুঁজিবাজারের নানা দিক তুলে ধরেন। সভাপতির বক্তব্যে ড. আব্দুল মোমেন বলেন, সিএসই আগামীতে নানা ধরনের প্রোডাক্ট নিয়ে আসছে। এক্ষেত্রে  স্ট্র্যাটেজিক পার্টনাররা বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি source : ittafaq
  • কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজতে সিএসইর রোড শো
    কৌশলগত বিনিয়োগকারীর খোঁজে রোড শো করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। গত ২৫ এপ্রিল ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হওয়া এ রোড শোতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংক, মার্চেন্ট ব্যাংক, বিভিন্ন দেশের এ্যাম্বাসেডর বা হাইকমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, ২০১৩ সালে সিএসই ডি-মিউচুয়ালাইজড এক্সচেঞ্জে পরিণত হয়। এতে সিএসই অলাভজনক থেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর হয়। ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইনানুযায়ী, সিএসইকে পরিশোধিত মূলধনের ২৫ শতাংশ শেয়ার স্ট্যাট্রেজিক ইনভেস্টরের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। সে লক্ষ্যে যোগ্য কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজতে রোড শোর আয়োজন করেছে সিএসই। রোড শোতে সিএসইর বিভিন্ন কারিগরি বিষয় উপস্থাপন করে স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার। এই সময়ে তিনি সিএসইর আর্থিক ভীত, ভবিষ্যত পরিকল্পনা, প্রজেক্ট ফিন্যান্সিয়াল এবং ভ্যালুয়েশনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন ফোরামের মাধ্যমে সিএসই আন্তর্জাতিক ও দেশী স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে। উল্লেখ্য, রোড শোতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিএসইর চেয়ারম্যান ড. এ কে আবদুল মোমেন। এছাড়া অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে সিএসই যোগ্য স্ট্যাট্রেজিক পার্টনার খুঁজছে। এর মাধ্যমে স্টক এক্সচেঞ্জে আসন্ন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হবে। source : jonokontho
  • পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে লেনদেন বেড়েছে
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বুধবার মূল্য সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। দুই বাজারেই লেনদেনে অংশ নেয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে ৬৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের তুলনায় ১৭৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা বেশি। মঙ্গলবার ডিএসইতে ৫০০ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩২৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২০১টির, কমেছে ৮৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২টির শেয়ার দর।এদিকে ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ৪৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ২৬৮ পয়েন্টে। আর ডিএস ৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ৩৮ পয়েন্টে।আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টের বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আগের দিনের ধারবাহিকতায় বুধ্বারও প্রধান বাজার ডিএসইতে সূচকের উর্ধমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ায় সেখানকার সার্বিক সূচকটি মোট ৪৭.৯০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৫১৭ পয়েন্টে। অর্থাৎ ডিএসইর সার্বিক সূচকটি আবারও সাড়ে ৫ হাজারের ওপর অবস্থান করল। ডিএসইতে দিনটিতে ২০১ কোম্পানির দর বেড়েছে, এর বিপরীতে কমেছে ৮৫টি কোম্পানির। এছাড়া সেখানে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে ৩৫.৫০ শতাংশ। দিনটিতে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাতের কোম্পানিগুলো লেনদেন ও দর বৃদ্ধির শীর্ষে ছিল। কারণ খাতটির আইসিবি ও আইডিএলসি ফাইন্যান্সের প্রথম প্রান্তিকের ঘোষণার পর দর বেড়েছে ২.১ ও ৩.৪ শতাংশ। সার্বিকভাবে খাতটির দর বেড়েছে ৩ শতাংশ করে। সার্বিকভাবে খাতটি মোট লেনদেনের ২৪.৩০ শতাংশ লেনদেন দখল করেছে। ব্যাংক খাতটি এই দিনে দর বৃদ্ধির দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।ডিএসইতে লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, ইউনাইটেড পাওয়ার, আইডিএলসি, আইসিবি, প্রাইম ব্্যাংক, আর্গন ডেনিম, বেক্সিমকো, আরএসআরএম স্টিল, ইসলামী ব্যাংক ও ডেসকো।দর বৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, আর্গন ডেনিম, ফাইন ফুড, প্রিমিয়ার লিজিং, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, সোসাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ইউসিবিএল, বিডিকম, রিলায়েন্স ১, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, পিপলস লিজিং, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, ডিবিএইচ মিউচুয়াল ফান্ড ও প্রাইম টেক্স।অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ৪৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৭ হাজার ৮৩ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৪০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫০টির, কমেছে ৬৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টি কোম্পানির শেয়ার।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, প্রাইম ব্যাংক, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, আর্গন ডেনিম, এক্সিম ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ইউনাইটেড পাওয়ার, ইসলামী ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক।   source : jonokontho
  • টাকা রাখতে এখনো ব্যাংকই ভরসা!
    কয়েক বছর ধরে ব্যাংকিং খাতে বড় বড় জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। শত শত কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে। আবার কমেছে সুদের হার। তারপরও ব্যাংকিং খাতের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা কমেনি; বরং বেড়েছে। গ্রাহকেরা এখন আগের চেয়ে বেশি টাকা ব্যাংকে রাখেন; ব্যাংক থেকে টাকা ধারও নেন বেশি। সরকারি ব্যাংকগুলোর প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ আরও একটু বেশি।  পাঁচ বছর আগে যেখানে একজন গ্রাহক গড়ে ৩৩ হাজার টাকা রাখতেন, সেখানে এখন রাখেন প্রায় ৫০ হাজার টাকা। অন্যদিকে একই সময়ের ব্যবধানে গ্রাহকপ্রতি গড় ঋণের পরিমাণ ৮ হাজার টাকা বেড়েছে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের ব্যাংকের শাখা বেড়েছে, লোকবল বেড়েছে, সার্বিকভাবে কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হয়েছে। মানুষ আগের চেয়ে বেশি ব্যাংকিং সেবা পাচ্ছেন।  পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) এক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সহায়তায় ‘ব্যাংকিং এটলাস’ শীর্ষক এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। প্রতিবেদনে ব্যাংকিং খাতে ২০১০ ও ২০১৫ সালের একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।  একটি উপজেলায় গড়ে ব্যাংকের কয়টা শাখা, প্রতি বর্গকিলোমিটারে শাখা, প্রতি এক লাখ জনগোষ্ঠীর জন্য কয়টা শাখা, গ্রাহকপ্রতি আমানত ও ঋণের পরিমাণ—এসব চিত্র উঠে এসেছে। একটি উপজেলায় অবস্থিত ব্যাংকগুলোর শাখায় যত আমানত ও ঋণ আছে, তা ওই উপজেলার সব ব্যাংক গ্রাহককে ভাগ করে দিয়ে গড় ঋণ ও আমানতের পরিমাণ গণনা করা হয়েছে। মোট আমানত ও ঋণের পরিমাণ বেড়ে গেলে গড় হিসাবপ্রতি আমানত ও ঋণও বেড়ে যায়। এভাবে হিসাব করা সব সূচকেই আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে।  এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘অর্থনীতি বড় হয়েছে, মানুষের আয়ও বেড়েছে। তাঁরা কোথাও না কোথাও টাকা রাখবেন; তাই তাঁরা ব্যাংকে রাখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। সরকারি ব্যাংকে টাকা রাখার প্রবণতা বেশি। কারণ, গ্রামের মানুষ মনে করেন, এটি সরকারের ব্যাংক। এ ছাড়া তাঁরা সরকারি ব্যাংকের জালিয়াতির ঘটনাগুলো সম্পর্কে এত বেশি জানেনও না। যাঁরা এই জালিয়াতিগুলো সম্পর্কে জানেন, তাঁরা হয়তো বেসরকারি ব্যাংকে টাকা সরিয়ে নিয়েছেন।’  আমানত ও ঋণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি ব্যাংকের একজন গ্রাহক তাঁর হিসাবে গড়ে ৪২ হাজার টাকার বেশি রাখেন। ২০১০ সালে প্রায় ২৫ হাজার টাকা রাখতেন। পাঁচ বছরে প্রতি হিসাবে আমানত বেড়েছে গড়ে ১৭ হাজার টাকা। সরকারি ব্যাংকে গ্রাহকের টাকা রাখার পরিমাণ ৬০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যাংকে গ্রাহকপ্রতি আমানত রাখার পরিমাণ ৪০ হাজার থেকে বেড়ে ৬০ হাজার টাকা হয়েছে। পাঁচ বছরের ব্যবধানে তা বেড়েছে ৫০ শতাংশ।  অন্যদিকে ঋণ দেওয়ায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে। গ্রাহকপ্রতি গড় ঋণ এখন ২৫ হাজার টাকা। সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে ৫০ শতাংশ করে ঋণ দেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে।  প্রতিবেদনে উপজেলা পর্যায়ে ব্যাংকিং খাতের কার্যক্রমের একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৫ সালের হিসাবে, একটি উপজেলায় গড়ে ১৬ দশমিক ৮০টি ব্যাংক শাখা আছে। ২০১০ সালে ছিল ১৪ দশমিক ২১টি। আশার কথা হলো, সরকারি ব্যাংকের চেয়ে বেসরকারি ব্যাংকের শাখা বাড়ানোর প্রবণতা বেশি। প্রতি উপজেলায় তাদের এখন গড়ে ৭ দশমিক ৪৯টি শাখা আছে; পাঁচ বছর আগে ছিল ৫ দশমিক ৩৮টি শাখা। অন্যদিকে সরকারি ব্যাংকের শাখা আছে প্রতি উপজেলায় গড়ে ৯ দশমিক ৩২টি; পাঁচ বছর আগে ছিল ৮ দশমিক ৮৩টি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশের অন্য এলাকার চেয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মধ্যে ব্যাংক হিসাব খোলার প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। আবার দেশে এমন কিছু অঞ্চল আছে যেখানে দ্রুত ব্যাংকের শাখা বাড়ছে। যেমন দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও যশোর।  সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদের মতে, ব্যাংকের শাখা, আমানত ও ঋণ কার্যক্রম বাড়লেও গ্রাহকসেবা বাড়েনি। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এখনো ব্যাংক থেকে সহজে ঋণ পান না। একটি ব্যাংকের শাখা থেকে একটি বড় প্রতিষ্ঠানকে বিশাল অঙ্কের ঋণ দিলেই ব্যাংক হিসাবপ্রতি গড় ঋণের পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই ব্যাংকিং খাতে যে গড় হিসাব করা হয়, তাতে শুভংকরের ফাঁকি আছে।  এই প্রতিবেদন তৈরির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক কাজী ইকবাল। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ ভালো করেছে। তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ অর্থনীতির সুফল পেয়েছে। তাই তাদের কাছে নগদ অর্থ গেছে। ব্যাংকিং খাতেরও সম্প্রসারণ হয়েছে। এই প্রতিবেদনে মাঠ পর্যায়ের প্রকৃত চিত্র উঠে এসেছে।   source : prothom-alo
  • অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে বাজেট ঘাটতি
    অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে চলতি অর্থবছরের (২০১৬-১৭) বাজেট ঘাটতির পরিমাণ। গত ৫ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) পাঁচ শতাংশ অতিক্রম করেছে এ ঘাটতি। বাজেট রীতি অনুযায়ী এর পরিমাণ পাঁচ শতাংশের মধ্যে থাকার কথা। রাজস্ব আদায়ে শ্লথ গতির কারণেই মূলত এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বাজেটে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ৯২ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। কিন্তু প্রস্তাবিত সংশোধিত বাজেটে তা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকা বেশি (জিডিপির ৫ দশমিক ৪ শতাংশ)।এর আগে পাঁচ শতাংশ করে ঘাটতি ছিল ২০১৫-১৬ এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে। আর ২০১৩-১৪ এবং ২০১২-১৩ বছরে এ ঘাটতির পরিমাণ ছিল যথক্রমে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ ও ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।আগামী অর্থবছরেও (২০১৭-১৮) এ বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৫ শতাংশ অতিক্রম করবে বলে আভাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।বাজেট ঘাটতি বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বাজেট) হাবিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, চলতি বাজেটে রাজস্ব আয় কমবে। কারণ এনবিআর রাজস্ব, এনবিআরবহির্ভূত রাজস্ব ও এনটিআরের আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আয় কমার পাশাপাশি ব্যয়ের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকলে, বাজেট ঘাটতি বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সংশোধিত বাজেটের মূল আকার কমছে। এরপরও ঘাটতি পরিমাণ বেশি দেখানো হচ্ছে। এর মূল কারণ হচ্ছে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় ঘাটতি বাজেটের পরিমাণ বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অতি উচ্চাভিলাষী, আগেও বলেছি। ফলে তা অর্জন সম্ভব হবে না।সূত্রমতে, চলতি বাজেটের মোট আকার হচ্ছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেট হচ্ছে ৩ লাখ ১৭ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ঘাটতির পরিমাণ হচ্ছে ৯২ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা। ঘাটতি পূরণ করতে বিদেশি ও অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয় সরকার।সূত্রমতে, ঘাটতি বাজেট নিয়ে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সম্পদ কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়। নতুন ভাবে ঘাটতি অর্থায়ন পূরণ করতে সেখানে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।ঘাটতি পূরণ যেভাবে-বিদেশ থেকে ঋণ : চলতি বাজেটে ঘাটতি পূরণে বিদেশ থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩৮ হাজার ৯৪৭ কোটি টাকা। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে তা কাটছাঁট করে ২৮ হাজার ৭৭০ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। ওই হিসাবে বিদেশ থেকে ঋণ পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা কমানো হয় ১০ হাজার ১৭৭ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিদেশ থেকে এ বছর চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাওয়ায় যায়নি। ফলে সরকার ঋণের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েছে।অভ্যন্তরীণ ঋণ : ঘাটতি অর্থায়নের জন্য একটি উৎস হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ঋণ। এ বছর এ ঋণের লক্ষ্য ধরা হয় ৬১ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা। কিন্তু বিদেশি ঋণ পর্যাপ্ত না পাওয়ায় চাপ বেড়ে যায় অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর। ফলে সংশোধিত বাজেটে এ ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি করে ৭৭ হাজার ৯শ’ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। ওই হিসাবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে সরকার ১৬ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা বেশি ঋণ গ্রহণ করতে যাচ্ছে।জানা গেছে, ঘাটতি বাজেটের অর্থায়নের জন্য অভ্যন্তরীণ ঋণ নেয়া হয় মূলত তিনটি খাত থেকে। এর মধ্যে ব্যাংকিং, ব্যাংকবহির্ভূত এবং সঞ্চয়পত্র খাত রয়েছে। ঘাটতি বেড়ে যাওয়ায় সংশোধিত বাজেটে এ তিন খাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ : ২০১৬-১৭ অর্থবছর বাজেটে ব্যাংকিং খাত থেকে ৩৮ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এটি জিডিপির ২ শতাংশ। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন করে এ লক্ষ্যমাত্রা ৪০ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, এ বছর সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এখন পর্যন্ত কম গ্রহণ করছে।ব্যাংকবহির্ভূত খাত : ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে ২২ হাজার ৬১০ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ৩৭ হাজার ৯শ’ কোটি টাকা নির্ধারণ হয়। ফলে এ খাত থেকে ১৫ হাজার ২৯০ কোটি টাকা বেশি নেয়া হচ্ছে।সঞ্চয়পত্র : ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকার সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ১৯ হাজার ৬১০ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে এ খাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণ করা হয়। সর্বশেষ হিসাবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকার এ খাত থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। তবে বেশি পরিমাণ এ খাত থেকে ঋণ নেয়া বাজেটের ওপর সুদ পরিশোধের চাপও বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। source : jugantor
  • পুঁজি লগ্নির বিপরীতে মুনাফার শীর্ষে বহুজাতিক কোম্পানিই
    কত পুঁজি বিনিয়োগ করে ব্যবসায় কী পরিমাণ মুনাফা হচ্ছে, তা বোঝার আর্থিক নির্দেশক রিটার্ন অন ইকুইটি (আরওই)। শেয়ারহোল্ডারদের নিট ইকুইটির বিপরীতে কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফায় বরাবরই বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এগিয়ে। দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৫-১৬ হিসাব বছরে আরওইতে শীর্ষ ১০ কোম্পানির আটটিই বহুজাতিক। দেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে এ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে শুধু অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ও রেনাটা।বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন দক্ষতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বহুজাতিক কোম্পানিগুলো মূলধন কাঠামোর ব্যাপারেও বিচক্ষণ নীতি গ্রহণ করে। এতে তাদের শেয়ারহোল্ডারদের অর্থের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার ও রিটার্ন নিশ্চিত হয়। দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া স্থানীয় কোম্পানিগুলো এদিক থেকে অনেক পিছিয়ে।চার্টার্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট (সিএফএ) সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, বহুজাতিক কোম্পানিগুলো সাধারণত শেয়ারহোল্ডারদের ভ্যালু সর্বোচ্চকরণের নীতিতে বিশ্বাসী। তাদের ম্যানেজমেন্টের জন্য এটিই সবচেয়ে বড় মূলমন্ত্র। এজন্য একদিকে তাদের ব্যবসায় সর্বোচ্চ দক্ষতা নিশ্চিত করতে হয়, অন্যদিকে তারা কোম্পানির মূলধন কাঠামোও এমন অবস্থানে রাখে, যাতে শেয়ারহোল্ডারদের অর্থের সর্বোচ্চ রিটার্ন দেয়া সম্ভব হয়।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদন ও লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের গবেষণা সেলের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ হিসাব বছরে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে আরওইতে সবার উপরে ছিল মুম্বাইভিত্তিক এফএমসিজি (ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুডস) কোম্পানি ম্যারিকোর বাংলাদেশ সাবসিডিয়ারি ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড। শেয়ারহোল্ডারদের নিট ইকুইটির বিপরীতে বছর শেষে ৮২ দশমিক ৭ শতাংশ মুনাফা করেছে কোম্পানিটি। ৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের সঙ্গে অবণ্টিত মুনাফা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মূলধন যোগ করে ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডার্স ইকুইটি ১৭০ কোটি টাকা ছাড়ায়। হিসাব বছরটিতে কোম্পানির বিক্রি ছিল ৭৩৪ কোটি টাকা। পরিচালন মুনাফা হয় ১৮১ কোটি টাকা। অন্যান্য আয়সহ কর-পূর্ব মুনাফা দাঁড়ায় ১৯২ কোটি টাকা। কর দেয়ার পর নিট মুনাফা হয় ১৪১ কোটি টাকা, যা তাদের শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটির ৮২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। বিক্রির বিপরীতে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বা নিট প্রফিট মার্জিন ছিল ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ।পূর্ববর্তী চার বছরেও ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের আরওই উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০১২ সালে কোম্পানির আরওই ছিল ২১ দশমিক ২০ শতাংশ। পরের বছরগুলোয় তা যথাক্রমে ৩০, ৫৭, ৭৮ ও ৮২ দশমিক ৬ শতাংশে উন্নীত হয়।ম্যারিকো বাংলাদেশের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ইকবাল চৌধুরী বলেন, ব্যবস্থাপনা ও কোম্পানির পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে রিটার্ন অন ইকুইটি। বহুজাতিক কোম্পানির দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও শতভাগ করপোরেট হওয়ায় স্থানীয় কোম্পানির চেয়ে আরওই ভালো। এছাড়া স্বচ্ছতার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা থাকায় আর্থিক প্রতিবেদনে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো কোনো কিছু লুকায় না।২০১৫ হিসাব বছরের আরওই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল বহুজাতিক সেলফোন অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেড। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানিটির নিট মুনাফা ছিল এর শেয়ারহোল্ডারদের ইকুইটির ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ। মোট রাজস্বের ১৯ শতাংশ নিট মুনাফা হিসেবে দেখাতে সক্ষম হয় কোম্পানিটি।এর পরই রয়েছে তামাক খাতের জায়ান্ট ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বাংলাদেশ) কোম্পানি। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে কোম্পানিটির আরওই ছিল ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ। সে বছর বিক্রির ১৭ দশমিক ৬ শতাংশ নিট মুনাফা হিসেবে প্রদর্শন করেছে কোম্পানিটি।ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর কোম্পানি সচিব মো. আজিজুর রহমান জানান, কোম্পানি হিসেবে বিএটি বাংলাদেশ বরাবরই সুশাসন ও ব্যবসায় উত্কর্ষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। শেয়ারহোল্ডারদের রিটার্নে আমাদের এগিয়ে থাকার এটিই মূল কারণ।তালিকায় কিছুটা ব্যতিক্রমভাবেই চার নম্বরে অবস্থান করছিল দেশীয় কোম্পানি অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। বিস্কুটের স্থানীয় বাজারে শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিটির আরওই ছিল ৪১ দশমিক ১ শতাংশ। নিট মুনাফার মার্জিন ছিল ১২ দশমিক ২ শতাংশ।পাঁচ নম্বরে আসে পেইন্টের বাজারে অপ্রতিদ্বন্দ্বী নাম বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে তাদের আরওই ছিল ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ। নিট মুনাফার মার্জিন ছিল ১১ দশমিক ৬ শতাংশ।বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি কিছুটা কমলেও রিটার্ন অন ইকুইটির তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল হেলথ ফুড ড্রিংকস ও ওষুধ কোম্পানি গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন বাংলাদেশ লিমিটেড। এ কোম্পানির আরওই ছিল ৩৪ দশমিক ২ শতাংশ ও মুনাফা মার্জিন ১২ দশমিক ৪ শতাংশ।বাটা সু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডও শেয়ারহোল্ডারদের অর্থের সদ্ব্যবহারে এগিয়ে আছে। ২০১৫ হিসাব বছরে ইকুইটির ৩০ শতাংশের সমান নিট মুনাফা দেখাতে সক্ষম হয় বহুজাতিক কোম্পানিটি। আরওই তালিকায় সপ্তম অবস্থানে ছিল বাটা সু। তাদের মুনাফা মার্জিন ছিল ৮ দশমিক ৭ শতাংশ।বাটা সুজের কোম্পানি সচিব মো. হাশিম রেজা বলেন, বাটাসহ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনা অনেক ভালো। আন্তর্জাতিক বাজারে সুনাম ধরে রাখতে বিনিয়োগের বিপরীতে মুনাফা অর্জনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে বহুজাতিক কোম্পানি। নতুন নতুন পণ্য এনে ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখায় বিনিয়োগের বিপরীতে আয়েও শীর্ষে থাকে এসব কোম্পানি। এছাড়া উত্পাদিত পণ্যের পরিমাণের চেয়ে গুণগত মানকে বেশি গুরুত্ব দেয়ায় ব্যবসায়ও এগিয়ে থাকে বহুজাতিকরা।প্রতিকূল সময়েও ২৫ শতাংশ আরওই নিয়ে তালিকায় অষ্টম স্থানে ইলেকট্রনিকস ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স জায়ান্ট সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড। ২০১৫ সালে কোম্পানিটির নিট মুনাফার মার্জিন ছিল ৫ দশমিক ৩ শতাংশ।মেডিকেল অক্সিজেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস ও ওয়েল্ডিং রডের বাজারে অন্যতম নাম লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেড। ২০১৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির আরওই ছিল ২৪ দশমিক ১ শতাংশ। আর মুনাফা মার্জিন ছিল ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ।রিটার্ন অন ইকুইটির শীর্ষ ১০ তালিকায় সর্বশেষ স্থানটি ওষুধ কোম্পানি রেনাটার দখলে। বিদেশী উদ্যোক্তারা আরো আগেই তাদের শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে চলে যাওয়ার পর স্থানীয়দের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় চলছে কোম্পানিটি। তবে এটিকে সোজাসাপ্টা স্থানীয় কোম্পানি বলতে নারাজ বিনিয়োগকারীরা। ২০১৫-১৬ হিসাব বছরে কোম্পানিটির আরওই ছিল ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ ও মুনাফা মার্জিন ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ।ব্যবসায় দক্ষতার পাশাপাশি পরিশোধিত মূলধন না বাড়ানোও বিভিন্ন আর্থিক নির্দেশকে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর এগিয়ে থাকার একটি বড় কারণ বলে মনে করেন অনেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ আবু আহমেদ বলেন, মূলধন বাড়ানোর পরিবর্তে অন্যান্য উত্স থেকে ব্যবসায় অর্থসংস্থানে বেশি আগ্রহী বহুজাতিক কোম্পানিগুলো। তাদের সমান ব্যবসা করতে হলে স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে তিন গুণ পুঁজি বিনিয়োগ করতে হচ্ছে। শেয়ার সংখ্যা ও নিট ইকুইটি অনেক কম থাকায় বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস), শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ও আরওই সবই অনেক বেশি থাকে। source : bonik barta
  • টানা দরপতন ও লেনদেন কমায় বিনিয়োগকারীরা হতাশ
    পুঁজিবাজারে গত দুই সপ্তাহ ধরে টানা দরপতনে হতাশ বিনিয়োগকারীরা। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে দরপতন হতেই পারে। গত দুই সপ্তাহ আগেও যেভাবে সূচক বেড়েছে সেখান থেকে এই দরপতন মূলত দর সংশোধন। তাই এ নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তবে একাধিক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে দুই সপ্তাহ ধরে একটানা দরপতনের কারণে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তা বাজারে লেনদেন কমে যাওয়ায়।এসব ব্যাপারে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, গত কয়েক মাসে বাজারে সূচক ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচকসহ সব সূচকই সর্বোচ্চ অবস্থানে চলে আসে। তবে সর্বোচ্চ অবস্থানে চলে আসলেও বাজার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়নি। বরং এখনও ডিএসইর পিই রেশিও (দাম-আয় অনুপাত) নীচের দিকেই আছে। পাশাপাশি তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আয় বেড়েছে। বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বেড়েছে। তাছাড়া এখনও বাজারে অনেক কোম্পানির শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম। তাই বাজার এখান থেকে আরও উপরে যাওয়াই স্বাভাবিক। তবে একটানা না গিয়ে ধীরে ধীরে যাওয়াই ভালো। এতে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনার সুযোগ পাবেন। আর লেনদেন কমে যাওয়া কিছুটা দুশ্চিন্তার বিষয়। বাজারে দরপতন হওয়ায় অনেকে অর্থ বিনিয়োগ না করে হাতে রাখছেন, বাজার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করলেই তারাও লেনদেনে ফিরবেন। তখন এ নিয়েও আর দুশ্চিন্তা থাকবে না।ডিএসইর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ১ নভেম্বর ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ছিল ৪ হাজার ৫৯৬ পয়েন্টে। যা ধীরে ধীরে বেড়ে গত ৪ এপ্রিল ৫ হাজার ৭৭৭ পয়েন্টে উঠে এসেছে। অর্থাত্ এ সময়ের মধ্যে ডিএসইএক্স বেড়েছে ১ হাজার ১৮১ পয়েন্ট। এ সময়ে বাজারের লেনদেনও চারশ কোটি টাকার ঘর থেকে এক হাজার কোটি টাকায় উঠে আসে। তবে এরপরই দরপতন হতে শুরু করে। গত দুই সপ্তাহে টানা দরপতনে ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ২১৫ পয়েন্ট, বা প্রায় চার শতাংশ। লেনদেনও নেমে এসেছে পাঁচশ কোটি টাকায়।ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বলছেন, পুঁজিবাজারের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে অনেক বেশি ডে ট্রেড (দৈনিক মুনাফার জন্য লেনদেন করা) করছেন। এ ধরনের লেনদেনের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বেশি করলে বাজার গতিশীল হবে। তাছাড়া বাজার যখন নিম্নমুখী হয় তখন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাজারের সম্ভাবনা বিচার করে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করতে থাকলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।ডিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে দ্রুত বাজারে নিয়ে আসার কার্যকরী পদক্ষেপ, আগামী বাজেটে পুঁজিবাজার নিয়ে নেতিবাচক কোনো কিছু যেন না থাকে সে নিশ্চয়তা চেয়েছেন শীর্ষ ব্রোকাররা। source : Ittfaq
  • ব্যাংকিং খাত ঘিরেই সর্বোচ্চ লেনদেন
    গেল সপ্তাহে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শীর্ষে ছিল ব্যাংকিং খাত। এ খাত ঘিরে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর আগে ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বাড়ায় এখন তা সংশোধন হচ্ছে। গত সপ্তাহে অনেক কোম্পানির শেয়ারের দাম সংশোধন হয়েছে। এতে ব্যাংকিং খাত ঘিরে লেনদেন শীর্ষ স্থানে অব্যাহত রয়েছে। এর আগে শেয়ারের দাম বাড়ার কারণে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাজারে লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে ব্যাংকিং খাত।তথ্যে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ব্যাংকিং খাতে প্রতিদিন ১৫৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ২২ শতাংশ। এরপর বস্ত্র খাতে লেনদেন হয়েছে ১১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ১৭ শতাংশ। ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাতে ১৩ শতাংশ লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এ খাতে প্রতিদিন ৯৪  কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তালিকায় থাকা অন্য খাতগুলোর মধ্যে প্রকৌশল খাতে ১১ শতাংশ, ওষুধ-রসায়ন খাতে ১১ শতাংশ, বিদ্যুত্ ও জ্বালানী খাতে ৬ শতাংশ, বিবিধ খাতে ৬ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ৩ শতাংশ, আবাসন ও সেবা খাতে ৩ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। এছাড়া অন্য খাতগুলোর মধ্যে খাদ্য-আনুষঙ্গিক খাত, সিমেন্ট খাতে ২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে। ১ শতাংশ           করে লেনদেন হয়েছে তথ্য প্রযুক্তি খাত, টেলিকমিউনিকেশন ও ভ্রমণ-অবকাশ খাতে। source : ittafaq
View All
Latest DSE News

    (Q3 Un-audited): EPS was Tk. (0.17) for January-March, 2017 as against Tk. (0.25) for January-March, 2016; EPS was Tk. (0.47) for July, 2016-March, 2017 as against Tk. 0.78 for July, 2015-March, 2016. NOCFPS was Tk. 0.67 for July, 2016-March, 2017 as against Tk. (0.41) for July, 2015-March, 2016. NAV per share was Tk. 22.29 as of March 31, 2017 and Tk. 22.76 as of June 30, 2016.


    (Q3 Un-audited): EPS was Tk. 0.57 for January-March 2017 as against Tk. 0.66 for January-March 2016; EPS was Tk. 1.49 for July 2016-March 2017 as against Tk. 1.59 for July'15-March'16. NOCFPS was Tk. 2.58 for July 2016-March 2017 as against Tk. 1.85 for July 2015-March 2016. NAV per share was Tk. 88.58 as of March 31, 2017 and Tk. 89.24 as of June 30, 2016.


    As per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on May 09, 2017 at 4:30 PM to consider, among others, un-audited financial statements of the Company for the First Quarter (Q1) period ended on March 31, 2017.


    (Q3 Un-audited): EPS was Tk. (0.15) for January-March, 2017 as against Tk. (0.07) for January-March, 2016; EPS was Tk. (0.70) for July, 2016-March, 2017 as against Tk. (0.76) for July, 2015-March, 2016. NOCFPS was Tk. 0.13 for July, 2016-March, 2017 as against Tk. (0.17) for July, 2015-March, 2016. NAV per share was Tk. 7.60 as of March 31, 2017 and Tk. 8.30 as of June 30, 2016.


    As per Regulation 19(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on May 08, 2017 at 4:00 PM to consider, among others, audited financial statements of the Company for the year ended on December 31, 2016.

View All


MODERNDYE 200.70 182.50 18.20 9.97
SPCERAMICS 11.80 10.80 1.00 9.26
FIRSTFIN 12.00 11.00 1.00 9.09
SAVAREFR 73.80 68.10 5.70 8.37
STANCERAM 61.70 57.00 4.70 8.25
MIDASFIN 31.50 29.50 2.00 6.78
DAFODILCOM 42.70 40.20 2.50 6.22
SINOBANGLA 37.60 35.50 2.10 5.92
RELIANCINS 46.80 44.30 2.50 5.64
BDCOM 35.70 33.80 1.90 5.62


Welcome to

Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.


+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297