Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Volume Histogram for Amibroker AFL 14-Aug
Bollinger Band ZigZag Indicator 4 for Amibroker AFL 25-Apr
WMA CROSS for Amibroker AFL 20-Apr
Intraday Profit generator using RSI and ADX for Amibroker AFL 19-Apr
DEMA Fan AFL for Amibroker AFL 07-Mar

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
DULAMIACOT 32.2 23 9.20 40.00
PROGRESLIF 72.7 52.9 19.80 37.43
DESHBANDHU 23.4 18.6 4.80 25.81
MEGHNAPET 18.8 15.2 3.60 23.68
FINEFOODS 37.8 31.2 6.60 21.15
SINOBANGLA 55.1 45.7 9.40 20.57
SONARGAON 16 13.4 2.60 19.40
LEGACYFOOT 59.9 50.6 9.30 18.38
MAKSONSPIN 10.5 9 1.50 16.67
MIDASFIN 44.2 38.9 5.30 13.62

Contest SB2017_Dec

1st
blank_person
RAMIMUK
2nd
blank_person
DRREZA312
3rd
blank_person
SHOPNO_GHURI
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
KPCL 60.1 58.9 0.74733 336007.00
PRIMEBANK 26.6 26.2 0.70975 832162.00
NATLIFEINS 156.7 153.6 0.50427 11796.00
MARICO 1122.3 1113.3 0.48869 203.00
EXIMBANK 17 16.8 0.48688 2367700.00
Negative impact
BATBC 3338.6 3402.9 -6.65037 1432.00
GP 465.8 468.4 -6.05184 189064.00
BSRMLTD 105.1 107.9 -1.03583 292244.00
BRACBANK 106.1 106.8 -1.03194 539490.00
LAFSURCEML 54 54.5 -1.00098 620534.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
CMCKAMAL 28.2 28.4 27.4 3.30% 180.85
ISLAMIBANK 34.4 34.7 34.2 0.00% 101.78
GP 465.8 472 465.1 -0.56% 88.39
SQURPHARMA 301.9 303.5 301.2 -0.13% 76.21
CONFIDCEM 162.1 164 161.7 -0.86% 69.09
BDTHAI 28.2 28.9 28.1 -2.76% 64.00
RAKCERAMIC 61.5 61.7 60.3 0.99% 59.01
NBL 12.5 12.7 12.5 -0.79% 58.43
BRACBANK 106.1 107.3 105.3 -0.66% 57.33
LEGACYFOOT 59.9 63.1 59.3 -3.23% 57.26

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 14 Dec 2017

88720
TOTAL TRADE
111.2996
TOTAL VOLUME(Mn)
4027.06
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • আমানত সঙ্কটে ১৫টি ব্যাংক
    সিনিয়র রিপোর্টার : দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দিন দিন বেড়েই চলছে। আর খেলাপি ঋণের পরিমাণ দুর্বার গতিতে বাড়ছে। এসব ঋণের সিংহভাগই পরিচালকাদের নিয়ন্ত্রণে থেকে খেলাপি হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ব্যাংক খাতে জুন পর্যন্ত মোট ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে পরিচালকরা যে ঋণ নিয়েছেন তা মোট ঋণ বিতরণের প্রায় ১৪ দশমিক ২২ শতাংশ। তবে পরিচালকদের ঋণের প্রকৃত হিসাব এর চেয়ে অনেক বেশি। এদিকে, ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিচালকদের কাছে ব্যাংক খাত পুরোপুরি জিম্মি। পরিচালকরাই ব্যাংক ঋণ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করেন। তারা ব্যাংকের আমানত পর্যন্ত খেয়ে ফেলছেন। যাদের নিজেদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান আছে, তাদের কাছে ব্যাংক কোনো সেবামূলক লাভজনক প্রতিষ্ঠান নয়, এটিকে তারা ধরে নিয়েছেন কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা হাতিয়ে নেয়ার মেশিন হিসেবে। ব্যাংকের পরিচালক বা মালিক বলতে এখন যা বোঝায় তা হল, সাধারণ মানুষ নিরাপত্তার প্রশ্নে ব্যাংকে তাদের আমানত রাখবেন, আর ঋণ দেখিয়ে সে টাকা নিজেরা ভাগাভাগি করে নেবেন। আবার ঋণ খেলাপি হয়ে তা একপর্যায়ে অবলোপন করে অদৃশ্য করা হবে। এসব কারণে বেশ কিছু ব্যাংকের ভেতরের অবস্থা খুবই নাজুক। তাদের আশঙ্কা, এক সময় ভেতরের খোলস বেরিয়ে এলে বহু আমানতকারীকে পথে বসতে হবে। আর ব্যাংকের পরিচালক হয়েও যারা ঋণ নিচ্ছেন তাদের কোনো চিন্তা নেই। পরিস্থিতি খারাপ দেখলে সপরিবারে বিদেশে সটকে পড়বেন। ভবিষ্যতে এমন আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে তাদের প্রত্যেকে বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে নিয়ে গেছেন। সেখানে তারা বাড়ি ও ফ্ল্যাট কেনা থেকে শুরু করে নানা খাতে বিপুল অংকের অর্থ বিনিয়োগ করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ব্যাংক খাতে মোট ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৩১ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ৬ হাজার ১৯৪ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছেন ব্যাংক মালিকরা, যা বিতরণকৃত ঋণের ১৪ দশমিক ২২ শতাংশ। প্রাপ্ত তথ্যে আরও দেখা যায়, এর মধ্যে শুধু এক ব্যাংকের পরিচালক অপর ব্যাংকের পরিচালকের সঙ্গে যোগসাজশ করে ঋণ নিয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা। যা ব্যাংকিং খাতে মোট ঋণ বিতরণের ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ। বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী গত জুন পর্যন্ত বেসরকারি খাতের প্রায় সবক’টি ব্যাংকের পরিচালকরা একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করে ঋণ দেয়া-নেয়া করেছেন। এর মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংক প্রায় ৬ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকা, এক্সিম ব্যাংক ৫ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা, ব্যাংক এশিয়া ৪ হাজার ৪৩ কোটি টাকা, যমুনা ব্যাংক ৪ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা, ঢাকা ব্যাংক ৪ হাজার ৬৪৭ কোটি টাকা, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ৪ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা, পূবালী ব্যাংক ৩ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা, এবি ব্যাংক ৩ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা, ইউসিবিএল ৩ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা, এমটিবিএল ৩ হাজার ৮২ কোটি টাকা, প্রাইম ব্যাংক ৩ হাজার ৪০ কোটি টাকা, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা, ব্র্যাক ব্যাংক ২ হাজার ১৪২ কোটি টাকা, প্রিমিয়ার ব্যাংক ২ হাজার ২৩ কোটি টাকা এবং আইএফআইসি ব্যাংকের ২ হাজার ৫ কোটি টাকা উল্লেখযোগ্য। এদিকে সরকার নিয়ন্ত্রিত ব্যাংকগুলোতেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। এসব ব্যাংকের পরিচালকরা সরাসরি ব্যাংকের মালিক না হলেও পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে যথারীতি ব্যাংক মালিকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। বাস্তবতা হল, তাদের ঋণ অনিয়ম করার সুযোগ বেশি। অন্যান্য ব্যাংকের পরিচালকরাও খুব সহজে তাদের কাছ থেকে ঋণ নিতে পেরেছেন। এছাড়া কেউ কেউ ঋণের গ্যারান্টার হয়েও ঋণ দিয়েছেন। তাই এমন চরিত্রের পরিচালকরা সরাসরি নিজেরা ঋণ না নিলেও স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বড় অংকের ঋণ দিয়ে গোপনে কমিশন ভাগাভাগি করে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়ে গেছেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ব্যাংক থেকে তুমি ঋণ নাও- দিতে হবে না আর, তোমার ব্যাংক থেকেও আমি ঋণ নেব; কিন্তু ফেরত দেব না। এ ধরনের যোগসাজশের ব্যাংকিং খুবই ভয়াবহ নজির।’ তিনি বলেন, ব্যাংক পরিচালকদের যোগসাজশের এ লেনদেন বন্ধ করতে হবে। তিনি মনে করেন, ‘কানেক্টিং’ বা যোগসাজশের লেনদেন বন্ধ করতে না পারলে আমানতকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এতে খেলাপি ঋণ আরও বাড়বে, যা ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এটা ব্যাংক খাতের জন্য অশনিসংকেত। কিন্তু বাস্তবতা হল, আইন করে বন্ধ করা যাবে না। তিনি বলেন, ব্যাংকের মালিকরা সৎ না হলে এটা বন্ধ হবে না। এভাবে খেলাপি ঋণ আরও বাড়বে।
  • ডিএসইর নজরদারিতে ৫ কোম্পানি
    স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ৫ কোম্পানিকে অস্বাভাবিক শেয়ার দর বৃদ্ধির জন্য শোকজ নোটিস পাঠিয়েছে। জবাবে দর বাড়ার পেছনে অপ্রকাশিত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানিগুলোর কর্তৃপক্ষ। কোম্পানিগুলো হল- প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ফাইন ফুডস, দেশবন্ধু পলিমার, মেট্রো স্পিনিং এবং পদ্মা ইসলামি লাইফ লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রে জানা যায়, বিনা কারণে অস্বাভাবিক শেয়ার দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। কোম্পানিগুলোর লেনেদেনের উপর ডিএসই নজরদারি বাড়াবে। প্রগ্রেসিভ লাইফ: গত কয়েক কার্যদিবস টানা বাড়ছে এ কোম্পানির শেয়ার দর। গত ৩ ডিসেম্বর এ শেয়ারের দর ছিল ৫২.৪০ টাকা এবং ১৩ ডিসেম্বর দর বেড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৬.১০ টাকা। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১৩.৭০ টাকা বা ২৬.১৫ শতাংশ। ফাইন ফুডস: গত কয়েক কার্যদিবস বেড়েই চলছে এ কোম্পানির শেয়ার দর। গত ৩ ডিসেম্বর এ শেয়ারের দর ছিল ৩০.৫০ টাকা এবং ১৩ ডিসেম্বর দর বেড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৯.১০ টাকা। এ সময়ে ফাইন ফুডসের শেয়ার দর বেড়েছে ৮.৬০ টাকা বা ২৮.২০ শতাংশ। দেশবন্ধু পলিমার: গত ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ১ দিন কমলেও ৬ কার্যদিবস বেড়েছে এ কোম্পানির শেয়ার দর। গত ৪ ডিসেম্বর এ শেয়ারের দর ছিলো ১৭.৯০ টাকা। আর ১৩ ডিসেম্বর এ শেয়ারের লেনদেন হয়েছে ২৩.৩০ টাকায়। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৫.৪০ টাকা বা ৩০.১৭ শতাংশ। মেট্রো স্পিনিং: গত ৪ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ১০.৩০ টাকা থেকে বেড়ে ১১.২০ টাকায় পৌঁছায়। অর্থাৎ এ সময়ে কোম্পানিটর শেয়ার দর ০.৯০ টাকা বা ৮.৭৩ শতাংশ বেড়েছে। পদ্মা ইসলামি লাইফ: গত ১১ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ার দর ছিল ৪৪.৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০.৮০ টাকায় পৌঁছায়। অর্থাৎ এ সময়ে কোম্পানিটর শেয়ার দর ৬ টাকা বা ১৩.৩৯ শতাংশ বেড়েছে।
  • দুই মার্চেন্ট ব্যাংককে সতর্ক করবে বিএসইসি
    স্টাফ রিপোর্টার : দুই মার্চেন্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে সতর্কপত্র ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বৃহস্পতিবার  ৬১৯তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। জানা গেছে, আইন অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধন ২৫ কোটি টাকায় উন্নীত করতে ব্যর্থ হয়েছে এনডিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড ও কসমোপলিটন ফিন্যান্স লিমিটেড। এরই মাধ্যমে মার্চেন্ট ব্যাংক দুটি কমিশনের এসইসি/সিএমআরআরসিডি/২০০১-৫০/১২৭/অ্যাডমিন/৪২, তারিখ এপ্রিল ১৬, ২০১২ নম্বর নোটিফিকেশন ভঙ্গ করেছে। এ আইন ভঙ্গের অপরাধে কমিশন সভায় মার্চেন্ট ব্যাংক দুটিকে সতর্কপত্র ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি।
  • কাশেম ড্রাইসেলের নাম হবে ‘কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’
    স্টাফ রিপোর্টার : কাশেম ড্রাইসেলস লিমিটেডের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম ‘কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ রাখার অনুমোদন দিয়েছে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা। এছাড়াও কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ঘোষিত ১৮ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ অনুমোদন দেয় শেয়ারহোল্ডাররা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর রাওয়া ক্লাবে অনুষ্ঠিত কোম্পানির ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এসব সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্ব করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন কাশেম ড্রাইসেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাসভীর উল ইসলাম, পরিচালক  ড. রেয়ান আনিস ইসলাম, নাফিসা কাশেম, সামিদ কাশেম ও তারিক আবুল আলাসহ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার হোল্ডার এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সভায় জানানো হয়, কাশেম ড্রাইসেলস লিমিটেড গত কয়েক দশকে ড্রাইসেল উৎপাদন ছাড়া আরও বেশ কিছু পণ্য ও সেবা উৎপাদন এবং সরবরাহ করে আসছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে প্রথম কম্প্রেসডটিনক্যান উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছে এবং এরোসল স্প্রে উৎপাদন কারখানায় পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়েছে। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসভীর উল ইসলাম সভায় ঘোষণা দেন যে কোম্পানির নাম পরিবর্তিত হয়ে এখন হবে ‘কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’। ৩৬তম বার্ষিক সভায় আগত শেয়ারহোল্ডার এবং অতিথিবৃন্দ এই ঘোষণাকে  স্বাগত জানান।
  • ইউসিবির বন্ড অনুমোদন
    স্টাফ রিপোর্টার : কুপন বিয়ারিং নন-কনভার্টেবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যু করে ৭০০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) লিমিটেড। বৃহস্পতিবার ৬১৯তম কমিশন সভায় এ বন্ড অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন (বিএসইসি)। টিয়ার-টু মূলধন ও মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাতের মাধ্যমে ব্যাসেল-থ্রির শর্ত পূরণে এ বন্ড ইস্যু করবে প্রতিষ্ঠানটি। পূর্ণ অবসায়নযোগ্য নন-কনভার্টেবল আনলিস্টেড সাবঅর্ডিনেটেড এ বন্ডের মেয়াদ হবে সাত বছর। ব্যাংক, স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি, করপোরেট বডি, সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান, মিউচুয়াল ফান্ড ও উচ্চসম্পদধারী বিনিয়োগকারীরাই প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বন্ডটির ইউনিট কিনতে পারবে। এ বন্ডের প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১ কোটি টাকা। এর ট্রাস্টি হিসাবে রয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
  • ইউনাইটেড এয়ারওয়েজকে সতর্কপত্র পাঠাবে বিএসইসি
    স্টাফ রিপোর্টার : মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ না করায় ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের বিরুদ্ধে সতর্কপত্র ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল ৬১৯তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। জানা গেছে, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ২০১৫ সালের ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় আর্থিক সংকট উত্তরণে কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বিদেশী বিনিয়োগের মাধ্যমে মূলধন বাড়ানোর ক্ষমতা অর্পণ করা হয়। আর কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য মূল্য সংবেদনশীল হিসাবে প্রকাশ না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালার ১৯৯৫-এর ৩ নম্বর বিধির উপবিধি (১) ও এসইসি/এসআরএমআইসি/২০০-৯৮৫/প্র-০২/১ নম্বর আদেশ ভঙ্গ করেছে। এ আইন ভঙ্গের জন্য কমিশন ইউনাইটেড এয়ারওয়েজকে সতর্কপত্র ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
  • বিডি অটোকারস ও দুই ব্রোকারেজের জরিমানা
    স্টাফ রিপোর্টার : বিডি অটোকারস লিমিটেডের পাঁচ পরিচালককে ১ লাখ করে মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে সাদ সিকিউরিটিজ লিমিটেড ও এএনএফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডকে ২০ লাখ করে মোট ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে কমিশন। গতকাল বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৬১৯তম কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিডি অটোকারস লিমিটেড তাদের ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড (বিএএস) অনুসারে প্রাথমিক ব্যয়, বিলম্বিত রাজস্ব ব্যয়, অবণ্টিত ব্যয় ও সম্পদের ওপর অর্ধবার্ষিক অবচয় যথাযথভাবে হিসাবভুক্ত করেনি। এছাড়া কোম্পানিটি ২০১৩ হিসাব বছরে ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার ৭৪ টাকা ব্যয়সংশ্লিষ্ট দায়, ৫২ লাখ ৩২ হাজার ৩৮৩ টাকা ব্যয়সংশ্লিষ্ট দায়ের তুলনামূলক স্থিতি এবং ২০১৪ হিসাব বছরের বিক্রি ও অন্যান্য আয় বাবদ ৭ কোটি ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৬১৫ টাকা আদায়ের তথ্য আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেনি। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯-এর সেকশন ১১ (২) লঙ্ঘন করেছে। এ কারণে স্বতন্ত্র পরিচালক বাদে বিডি অটোকারসের পাঁচজন পরিচালকের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে কমিশন। এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য সাদ সিকিউরিটিজ সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে ঘাটতি, পরিচালক ও তাদের পরিবারের সদস্য, অনুমোদিত প্রতিনিধিদের হিসাবে ঋণ প্রদান, পর্যাপ্ত ব্যালান্স না থাকা সত্ত্বেও অর্থ উত্তোলন এবং অনুমোদিত প্রতিনিধিদের নামে হিসাব পরিচালনার মতো অনিয়ম করেছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি নগদ হিসাবে ঋণ প্রদান ও ৫ লাখ টাকার ওপর নগদ লেনদেনও করেছে। এসব অনিয়মের কারণে ব্রোকারেজটিকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। ডিএসইর আরেক সদস্য এএনএফ ম্যানেজমেন্ট তাদের সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে ঘাটতি, ডিলার হিসাব, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, অনুমোদিত প্রতিনিধি ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ অন্য কর্মকর্তাদের নামে পরিচালিত হিসাবে ঋণ প্রদান, অনুমোদিত প্রতিনিধি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নামে হিসাব পরিচালনা, নগদ হিসাবে ঋণ প্রদান, ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারে বিনিয়োগকারীকে ঋণ প্রদানসহ ব্যাক অফিস স্টক রিপোর্ট ও ডিপি হোল্ডিং রিপোর্টের মধ্যে গরমিল খুঁজে পেয়েছে বিএসইসি। এসব কারণে কমিশন এএনএফ ম্যানেজমেন্টকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
  • ৭টি কোম্পানি ক্যাটাগরি পরিবর্তন প্রক্রিয়ায়
    স্টাফ রিপোর্টার : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৭ কোম্পানি ক্যাটাগরি পরিবর্তন প্রক্রিয়ায় রয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো- আজিজ পাইপস, দেশবন্ধু পলিমার, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার, ম্যাকসন স্পিনিং, মেট্রো স্পিনিং, সিনোবাংলা ইন্ডাষ্ট্রিজ এবং পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। আজিজ পাইপস ৩০ জুন,২০১৭ অর্থবছরের জন্য ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় আইডিইবি ভবন, কাকরাইল, ঢাকায় কোম্পানিটির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে লভ্যাংশ অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে লভ্যাংশ পৌছানোর পর আজিজ পাইপসকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হবে। দেশবন্ধু পলিমার ৩০ জুন,২০১৭ অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ২১ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় কোম্পানির ফ্যাক্টরী প্রাঙ্গন, নরসিংদী’তে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে লভ্যাংশ অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে লভ্যাংশ পৌছানোর পর দেশবন্ধু পলিমারকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হবে। লিগ্যাসি ফুটওয়্যার ৩০ জুন,২০১৭ অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। গত ১১ নভেম্বর বিকাল ৩টায় কোম্পানির ফ্যাক্টরী প্রাঙ্গন, মৌচাক, গাজীপুরে এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে লভ্যাংশ অনুমোদনের পর বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে লভ্যাংশ পৌছানোর পর লিগ্যাসিকে ইতোমধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়েছে। ম্যাকসন স্পিনিং মিলস ৩০ জুন, ২০১৭ অর্থবছরের জন্য ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ২১ জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯.৩০টায় কোম্পানির ফ্যাক্টরী প্রাঙ্গন, আশুলিয়া,সাভারে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে লভ্যাংশ অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে লভ্যাংশ পৌছানোর পর ম্যাকসনকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হবে। মেট্রো স্পিনিং ৩০ জুন, ২০১৭ অর্থবছরের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ২১ জানুয়ারি,২০১৮ সকাল ৯.৩০টায় কোম্পানির ফ্যাক্টরী প্রাঙ্গন, আশুলিয়া,সাভারে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে লভ্যাংশ অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে লভ্যাংশ পৌছানোর পর মেট্রো স্পিনিংকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হবে। সিনোবাংলা ইন্ডাষ্ট্রিজ ৩০ জুন, ২০১৭ অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি, ২০১৮ সকালপৌনে বারটায় কোম্পানির রেজিষ্টার্ড অফিস, গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে লভ্যাংশ অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে লভ্যাংশ পৌছানোর পর সিনোবাংলাকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হবে। পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। গত ৯ নভেম্বর পদ্মা লাইফ টাওয়ার, বাংলামটর, ঢাকায় কোম্পানিটির এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে লভ্যাংশ অনুমোদনের পর বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে লভ্যাংশ পৌছানোর পর পদ্মা লাইফকে ইতোমধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়েছে।
  • মালিকানা বদলের ‘গুজবে’ শেয়ার চাঙ্গা
    সিনিয়র রিপোর্টার : অস্বাস্থ্যকর কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধির জন্য মালিকানা বদলের খবর বিশাল টনিক হিসেবে কাজ করছে। যেসব কোম্পানির শেয়ার দর ছিল নিম্নমূখী, মালিকানা বদলের খবরে তা কয়েকগুণ বেড়ে বিনিয়োগকারীদের চমকে দিয়েছে। মালিকানা বদলের খবর কিংবা গুজব থেকে কোম্পানির শেয়ার দর বেড়ে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে। আরও ১২ থেকে ১৩ কোম্পানিতে এমন পরিবর্তন আসছে বলে গুজব। কোম্পানি বদলে চট্টগ্রামকেন্দ্রিক এস আলম গ্রুপ, ঢাকার সিটি, আলিফ ও ইউনাইটেড গ্রুপ এবং চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী শওকত আলী চৌধুরীর নাম বেশ আলোচিত। অনেক কোম্পানির অবশ্য মালিকানা বদলও হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে মালিকানায় বদল হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মূল্য কারসাজির উদ্দেশ্যেই গুজব ছড়ানো হচ্ছে। গত এক বছরে কয়েকটি বড় ব্যবসায়িক গ্রুপ বা তার কর্ণধাররা বাণিজ্যিক ৬টি ব্যাংকের শেয়ার কিনছেন। এছাড়া আরও ১২ থেকে ১৩ কোম্পানিতেও একই ধরনের পরিবর্তন আসছে বলে জোর গুজব আছে। যার প্রভাবও রয়েছে শেয়ারগুলোর দরে। ব্যবসায়িক গ্রুপগুলোর পর্ষদ শেয়ার কিনে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন এনেছে। ইসলামী ব্যাংকের মালিকানায় ব্যাপক রদবদল হয়েছে। ব্যাংকটি এখন আলোচিত ব্যবসায়ী গ্রুপ এস আলমের নিয়ন্ত্রণে। সম্প্রতি সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকেও একই রকম পরিবর্তন এসেছে। এস আলম গ্রুপ এই ব্যাংকটিরও নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। বছরের শুরুতে শেয়ার কেনার আগে দর ছিল ২২ থেকে ২৩ টাকা। এরপর ৫০ টাকায় ওঠে। গত এক বছরে আরও ছয় কোম্পানির ক্ষেত্রে মালিকানায় বড় পরিবর্তন হয়েছে। এগুলো হলো- রহিমা ফুড করপোরেশন, ফু-ওয়াং সিরামিক, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, ইস্টার্ন কেবলস ও আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ। রহিমা ফুড : করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আবদুর রউফ চৌধুরীর উত্তরাধিকারদের কাছে থাকা কোম্পানিটির ৫৩ শতাংশ শেয়ার কিনে এর মালিকানায় এসেছে ব্যবসায়িক গ্রুপ সিটি। ২০১৫ সালের জুনেও শেয়ারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকায় কেনাবেচা হয়েছে। সিটি গ্রুপ মালিকানায় আসছে গুঞ্জনে দর নয়গুণ বেড়ে গত আগস্টে ১৯২ টাকায় ওঠে। ফু-ওয়াং সিরামিক : নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে এসএস স্টিল নামের কোম্পানি। বস্ত্র তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনসের মালিক জাবেদ অপগেনহাপেন এসএস স্টিলেরও মালিক। এ ঘটনার আগে গত ডিসেম্বরের শুরুতে ফু-ওয়াং সিরামিকের শেয়ার ১২ টাকায় কেনাবেচা হয়েছে। জানুয়ারিতেই তা ১৮ টাকা এবং গত আগস্টে তা ২৭ টাকা ছাড়ায়। সম্প্রতি বন্ধ কোম্পানি সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইউরোদেশ গ্রুপের এক অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। ইস্টার্ন কেবলস : নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও এক পরিচালকের কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইস্টার্ন কেবলসের ২০ শতাংশেরও বেশি শেয়ার কিনেছে বেসরকারি কোম্পানি বিআরবি। শোনা যাচ্ছে, বিআরবির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ইস্টার্ন কেবলসের পরিচালক হতে যাচ্ছেন। এ খবরে শেয়ারটির দর ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। তবে সরকার কখনই এ কোম্পানির নিয়ন্ত্রণমূলক শেয়ার ছাড়বে না বলে জানা গেছে। সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস : কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ৩০ শতাংশ শেয়ার কিনতে সমঝোতা চুক্তি করে আলিফ গ্রুপ। কিন্তু নানা কারণে সম্প্রতি ওই চুক্তি থেকে সরে আসে কোম্পানিটি। কিন্তু এ খবরে শেয়ারটির দর ১৩ টাকা থেকে তিনগুণ বেড়ে প্রায় ৪০ টাকা হয়। এখন অন্য এক গ্রুপের কাছে কোম্পানিটি বিক্রি হচ্ছে বলে গুজব রয়েছে। সিএমসি কামাল : অবশ্য সেন্ট্রাল ফার্মার মালিকানায় না এলেও আলিফ গ্রুপ পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও তার পরিবারের সদস্যদের সব শেয়ার কিনে নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সিএমসি কামাল টেক্সটাইলের। অবশ্য এ ঘটনা কয়েক বছর আগের।
  • মূল মার্কেটে ফিরছে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ
    ডেস্ক রিপোর্ট : আট বছর ওভার দ্য কাউন্টার মার্কেটে (ওটিসি) থাকার পর এবার মূল বাজারে ফিরছে বস্ত্র খাতের কোম্পানি আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। মূল বাজারে ফেরার জন্য অত্যাবশ্যকীয় সব শর্ত এরই মধ্যে পরিপালন করেছে কোম্পানিটি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনাপত্তি পাওয়ার পর সর্বশেষ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের কাছ থেকেও মূল বাজারে ফেরার অনুমোদন পেয়েছে কোম্পানিটি। ১১ ডিসেম্বর পর্ষদ সভায় আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজকে পুনঃতালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হয় বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। জানতে চাইলে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান বলেন, প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করায় আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজকে ওটিসি থেকে মূল মার্কেটে ফিরে আসার অনুমোদন দিয়েছে ডিএসই। কোম্পানির পক্ষ থেকে লেনদেন শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হলে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে ডিএসই। দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা, নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) না করা ও বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দিতে না পারাসহ নানা অনিয়মের কারণে ‘জেড’ ক্যাটাগরির ৫১টি কোম্পানিকে নিয়ে ২০০৯ সালের ১ অক্টোবর ওটিসি মার্কেট চালু করে ডিএসই। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর আরো ২৯টি কোম্পানিকে ওটিসিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে আর্থিক অবস্থা পরিবর্তন ও সিকিউরিটিজ আইন পরিপালনের প্রতিবেদন জমা দেয়ায় ২০১১ সালের জুনে ১০টি ও পরবর্তীতে আরো দুটি কোম্পানিকে মূল বাজারে ফিরিয়ে আনে সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সর্বশেষ ২০১৪ সালে ওটিসি থেকে মূল বাজারে আসা ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের পর এবার মূল বাজারে আসছে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ। অবশ্য নাম পরিবর্তনের আগে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ সজিব নিটওয়্যার নামে পরিচিত ছিল। ২০০৯ সালে সজিব নিটওয়্যার মূল বাজার থেকে ওটিসিতে চলে যায়। ওটিসিতে যাওয়ার এক বছর পরেই ২০১০ সালে আলিফ গ্রুপ সজিব নিটওয়্যারের উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছ থেকে শেয়ার কিনে কোম্পানিটির মালিকানায় আসে। এরই ধারাবাহিকতায় সজিব নিটওয়্যার আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজে পরিণত হয়। দেশের বস্ত্র, তৈরি পোশাক, মার্চেন্ট ব্যাংক ও অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান, আবাসন, গণমাধ্যম, ক্রীড়া ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ রয়েছে আলিফ গ্রুপের। এরই মধ্যে গ্রুপটি মূল বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিএমসি কামাল টেক্সটাইলস মিলসকেও কিনে নিয়েছে। আলিফ গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন ব্যবসায়ী মো. আজিজুল ইসলাম। তাছাড়া ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন তার ছেলে মো. আজিমুল ইসলাম। সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৭ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ স্টক ও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৩৭ পয়সা, শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ২৪ টাকা ১৪ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদপ্রবাহ (এনওসিএফএস) ১ টাকা ২৩ পয়সায় দাঁড়ায়। কোম্পানিটি ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরে ৩১ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল। ১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটির ৩ কোটি ৭৭ হাজার ৬০০ শেয়ারের মধ্যে বর্তমান পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৭৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ শেয়ার। এর বাইরে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৩৩ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক ৮০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ওটিসিতে সর্বশেষ ১২৫ টাকায় আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার লেনদেন হয়।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ‘ভ্যাট আইন বাস্তবায়নে বাধা দিচ্ছে এফবিসিসিআই
    রাজস্ব আয় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, আমরা ভ্যাট আইন করেছি, এখনো বাস্তবায়ন করতে পারিনি। অহেতুক এটি পেছানো হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নে প্রচণ্ড রকম বাধা দিচ্ছে।   রোববার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মিলনায়তনে জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ-২০১৭ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এফবিসিসিআই সভাপতিকে উদ্দেশ্য করে এভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাবেক মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক ও এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন। এফবিসিসিআই’কে উদ্দেশ্য করে ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের রাজস্ব খাতে যে অর্জন সেটি আরো বেশি হতে পারতো। জিডিপির সঙ্গে রাজস্ব আহরণের যে হার তা আকাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি। এতদিন রাজস্ব আহরণের হার ছিল ৬, ৭, ৮ যা এখন ১১ শতাংশ। আরো কীভাবে বাড়ানো যায় সেজন্য ভ্যাটের প্রয়োজন। তিনি বলেন, ভ্যাটের আওতা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি আইন করেছি, ভ্যাট আইন। যেটি এখনো বাস্তবায়ন করতে পারিনি। আজ ভ্যাট দিবসে শপথ হওয়া উচিত যদি আইনটি সংশোধন, পরিমার্জন করতে হয় তাও যেন বাস্তবায়ন করা যায়। আজ ভ্যাট দিবসে ঠিক করা দরকার এই ভ্যাট আইন কবে বাস্তবায়ন করতে পারবো। তিনি আরও বলেন, অহেতুক কারণে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন পেছানো হয়েছে। কেনো পেছাচ্ছে কারণগুলো চিহ্নিত করতে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। এখানে এফবিসিসিআই সভাপতি আছেন, তারা বিভিন্ন ফোরামে প্রচণ্ডভাবে বাধা দিয়েছেন যেন ভ্যাট আইনটি বাস্তবায়ন না হয়। এনবিআর চেয়ারম্যানের উদ্দেশে ড. রাজ্জাক বলেন, তারা (ব্যবসায়ী নেতারা) কিছু যুক্তি তুলে ধরেছেন, তারা বলেছেন আইনে ইসিআর মেশিনের মাধ্যমে ভ্যাট আদায় নেই, নতুন আইন কীভাবে বাস্তবায়ন করব? তারা এও বলেছেন, ইসিআর মেশিনে ভ্যাট আদায়ে ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ নেই। এনবিআরকে বলবো, চলমান আইনেও ইসিআর-এর প্রয়োজন রয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা সচেতনতা বৃদ্ধির কথা বলেছেন। আমরা কি সেই সচেতনতা অব্যাহত রেখে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন করতে পারি না?   source : bangla news24
  • মোবাইল ইন্টারনেটে পিছিয়ে বাংলাদেশ
    বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ বা ৩৩ শতাংশ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। সেই হিসাবে ১৬ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন পাঁচ কোটির বেশি। মোবাইল ফোন অপারেটরদের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএ এমন হিসাব দিয়ে বলছে, মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যায় দক্ষিণ এশিয়ার গড় মান থেকে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। সংগঠনটির হিসাবে, দক্ষিণ এশিয়ায় মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের গড় হার বর্তমানে ৩৮ শতাংশ। বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সার্বিক অবস্থা নিয়ে জিএসএমএর করা এক গবেষণায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এ প্রতিবেদনটির নাম ‘বাংলাদেশ: ড্রাইভিং মোবাইল এনঅ্যাবেলড ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন’। প্রতিবেদনে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে টেলিযোগাযোগ খাত বাংলাদেশে কী ভূমিকা রাখতে পারে, সেসব বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা নির্ধারণে জিএসএমএ নিজস্ব পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে গত জুন পর্যন্ত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা পাঁচ কোটির বেশি। যদিও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাব অনুযায়ী, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় আট কোটি। এর মধ্যে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ৭ কোটি ৪৩ লাখ। জিএসএমএর প্রতিবেদনে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে পাঁচটি বিষয়কে মূল সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো নেটওয়ার্কের মান, তরঙ্গের স্বল্পতা, উচ্চ করহার, সেবা কেনার সক্ষমতা, মৌলিক জ্ঞান ও স্থানীয় বিষয়বস্তুর অভাব। নেটওয়ার্কের মান ও তরঙ্গস্বল্পতার বিষয়ে বলা হয়েছে, তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) টেলিযোগাযোগ সেবা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশে মোবাইল ফোন অপারেটরদের হাতে রয়েছে মাত্র ৩৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ। সমপরিমাণ গ্রাহককে সেবা দেওয়ার জন্য ইন্দোনেশিয়ার অপারেটরদের কাছে আছে ১৫০ মেগাহার্টজ। কম তরঙ্গের পাশাপাশি ডিজিটাল সেবার জন্য সবচেয়ে উপযোগী ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের তরঙ্গ বাংলাদেশে এখনো ব্যবহার করা হয় না। আবার যেকোনো ব্যান্ডের তরঙ্গে যেকোনো প্রযুক্তির সেবা দেওয়ার সুবিধাও বাংলাদেশে নেই। বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সেবায় তরঙ্গস্বল্পতার বিষয়টি নিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটররা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে। সম্প্রতি বিটিআরসিকে দেওয়া গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের এক যৌথ চিঠিতে এ বিষয়ে বলা হয়, এখন সব মিলিয়ে দেশে যে পরিমাণ তরঙ্গ আছে, তার সব ব্যবহার করেও ২০ এমবিপিএস (মেগা বিটস পার সেকেন্ড) গতির ফোরজি দেওয়া সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, বিটিআরসি প্রকাশিত নীতিমালায় দেশে ফোরজি প্রযুক্তির ইন্টারনেটের ন্যূনতম গতি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ এমবিপিএস। বাংলাদেশে উচ্চ কর হারের বিষয়ে জিএসএমএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে কর বাবদ মোবাইল ফোন অপারেটররা সরকারকে দিয়েছে ১০০ কোটি ডলার বা ৮ হাজার কোটি টাকা। টেলিযোগাযোগ খাতের করের পরিমাণ অন্যান্য খাতের তুলনায় বেশি হওয়ায় অবকাঠামো উন্নয়নে মোবাইল ফোন অপারেটররা যথেষ্ট বিনিয়োগ করতে পারে না। বাংলাদেশে মোবাইল ফোনভিত্তিক সেবা তুলনামূলক কম ব্যবহার করেন এমন একজনকে গড়ে ১০০ টাকা ব্যবহারের জন্য ৩০ টাকা কর দিতে হয়। যাঁরা তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যবহার করেন, তাঁদের গড়ে কর দিতে হয় ২০ টাকা। টেলিযোগাযোগ সেবা সহজলভ্য করতে বাংলাদেশের জন্য কিছু পরামর্শও দিয়েছে জিএসএমএ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তরঙ্গের দাম কমানো, মোবাইল ফোন সেবা ব্যবহারে গ্রাহকের ওপর থেকে কর তুলে নেওয়া, মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক কমানো এবং বাংলা ভাষায় ডিজিটাল বিষয়বস্তু বাড়ানো। source : prothom-alo
  • ‘বেসিক ব্যাংককে দেউলিয়া ঘোষণা করা উচিত’
    বেসিক ব্যাংককে দেউলিয়া ঘোষণা করা উচিত বলে মনে করেন সরকারদলীয় সাংসদ শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, মূলধন ঘাটতি পূরণে বেসিক ব্যাংককে ৩ হাজার কোটি টাকা দিয়ে জনগণের অর্থের অপচয় করা হয়েছে। ব্যাংকটি যে সমস্যায় পড়েছে, তা থেকে আগামী ১৫ বছরেও উত্তরণ ঘটার সম্ভাবনা নেই। অনুমিত হিসাব–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চতুর্দশ বৈঠকে ফজলে নূর তাপস এসব কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ বৈঠকের সংশোধিত কার্যবিবরণী ৪ ডিসেম্বর বেসিক ব্যাংকে পাঠিয়েছে। কার্যবিবরণী বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৈঠকে উপস্থাপিত বেসিক ব্যাংকের অসম্পূর্ণ প্রতিবেদন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কয়েকজন সাংসদ। কমিটির সদস্য আবদুর রাজ্জাক বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, প্রতিবেদনে তা না থাকার সমালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে যাতে এ রকম অসম্পূর্ণ প্রতিবেদন না থাকে, সে জন্য সতর্ক করেন। জানতে চাইলে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন এ মজিদ  বলেন, ব্যাংককে সাধারণত দেউলিয়া ঘোষণা করা যায় না। দেউলিয়া হয় ব্যক্তি বা কোম্পানি। ব্যাংক পুনর্গঠিত হতে পারে, একীভূত হতে পারে বা বিলুপ্ত হতে পারে। একীভূত হওয়ার ফলও খুব ভালো হয় বলে মনে করেন না আলাউদ্দিন এ মজিদ। তিনি বলেন, দেখা গেছে এমন এক ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করা হলো, তখন ওই ব্যাংককে নিয়েই আবার নতুন করে ডুবল। আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক দায়িত্ব নেওয়ার পর বেসিক ব্যাংক থেকে যেসব কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান ঋণ নিয়েছিল, সেগুলোর উল্লেখসহ আগামী জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় কমিটির বৈঠকে যথাযথ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। কমিটির সদস্য সাংসদ আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, বেসিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া ৫৭টি ভুয়া কোম্পানির তালিকা এবং ঋণ বিতরণকারী শাখার নাম উল্লেখ করে জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। জবাবে বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জানান, ২০১০ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বেসিক ব্যাংকে সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনা ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং বিভিন্ন আর্থিক সূচকে চরম অবনতি ঘটে। বেসিক ব্যাংকের এমডি আরও জানান, কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি, নতুন শাখা খোলা, পরিচালন ব্যয়, ব্যাংকের নিজস্ব ভবন কেনা, অফিস ভাড়া নেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় ব্যাংকের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়। বেসিক ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৬২৮টি খেলাপি প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের পাওনা ৬ হাজার ৫৩৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১০০ কোটি ও তার চেয়ে বেশি ঋণের গ্রাহক আছেন ১১ জন। তাঁদের কাছে ব্যাংকের পাওনা ১ হাজার ২৫৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে বেসিক ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৫১৬ কোটি ১১ লাখ টাকা। ২০১৭ সালের জুন শেষে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২১০ কোটি ২৪ লাখ টাকা। জাতীয় পার্টির সাবেক সাংসদ কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত শেখ আবদুল হাই বাচ্চুকে ২০০৯ সালে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই ব্যাংকটির অবস্থা খারাপ হতে থাকে এবং ঋণের নামে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে আত্মসাৎ করা হয়। বিপুল এই অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় কিছু গ্রাহক এবং ব্যাংকারের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কিন্তু মামলার বাইরে থেকে যান আবদুল হাই বাচ্চুসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের নোটিশ দেওয়া হয় এবং শুনানি করছে দুদক। সংস্থাটি আবদুল হাই বাচ্চুকেও দুই দফা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগের শিক্ষক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বেসিক ব্যাংক বিষয়ে গত বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, একটা সেরা ব্যাংক কয়েক বছরের মধ্যে কীভাবে একটা নিকৃষ্ট ব্যাংকে পরিণত হলো, তার বড় উদাহরণ হচ্ছে বেসিক ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত হবে প্রয়োজনে আবারও তদন্ত করা এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষসহ দায়ীদের খুঁজে বের করে শাস্তির সুপারিশ করা। source : prothom-alo
  • এনআরবি কমার্শিয়ালের চেয়ারম্যান-এমডি পদে পরিবর্তন
      এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে পরিবর্তন এসেছে। এ ছাড়া ব্যাংকটির সব কমিটির চেয়ারম্যানও পদত্যাগ করেছেন। আজ রোববার রাতে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি পর্ষদ সভায় এসব পরিবর্তন হয়। ওই সভাতে পদত্যাগ করা পর্ষদ ও নতুন পর্ষদের বেশির ভাগ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান ফরাছত আলীকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন তমাল এস এম পারভেজ। ভাইস চেয়ারম্যান তৌফিক রহমান চৌধুরী, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম, নিরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান নুরুন নবী ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুনসেফ আলীকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমডি দেওয়ান মুজিবর রহমানকে তিন মাসের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। এ পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডিএমডি কাজী মো. তালহাকে। নতুন চেয়ারম্যান তমাল এস এম পারভেজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ব্যাংকের ভাবমূর্তি রক্ষায় এ পরিবর্তন এসেছে। আমরা ব্যাংকটিকে ভালো করতে চাই, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহযোগিতা ছাড়া এটা সম্ভব নয়।’ সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে ২০১৬ সালে এনআরবিসির ৭০১ কোটি টাকা ঋণে গুরুতর অনিয়মের তথ্য বেরিয়ে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকটিতে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের ২০ মার্চ ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও এমডির কাছে পাঠানো পৃথক নোটিশে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, আমানতকারীদের স্বার্থে ও জনস্বার্থে এনআরবিসি ব্যাংক চালাতে ব্যর্থ হয়েছে ফরাছত আলীর নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ। আর এমডি ব্যর্থ হয়েছেন ব্যাংকটিতে যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে। এমনকি তাঁরা গুরুতর প্রতারণা ও জালিয়াতি করেছেন, যা ফৌজদারি আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয়। ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৬ ধারা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার রাতে গভর্নর ফজলে কবির এমডি দেওয়ান মুজিবর রহমানকে অপসারণ করেন । ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৬ ধারায় কাউকে অপসারণ করা হলে ওই অপসারিত ব্যক্তির ক্ষতিপূরণ চাওয়ার কোনো অধিকার থাকে না। এমনকি এ ধারার কোনো আদেশের বিষয়ে কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কোনো প্রশ্ন তুলতে পারবে না। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে আবেদন করতে পারবেন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি। যদিও এ আইনকে পাস কাটিয়ে উচ্চ আদালতে যান দেওয়ান মুজিব। এ কারণেই ব্যাংকটিতে পরিবর্তন আনতে অনানুষ্ঠানিক চাপ তৈরি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। source : prothom-alo
  • ‘ইসলামী ব্যবস্থায় পরিচালিত ব্যাংকগুলোর অবস্থা ভালো’
    গতানুগতিক ধারায় চলা অন্য ব্যাংকগুলোর তুলনায় ইসলামী ধারায় পরিচালিত ব্যাংকগুলোর  অবস্থা ভালো বলে মন্তব্য করেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান।    শনিবার (০৯ ডিসেম্বর) সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের (এসআইবিএল) ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত গ্রাহক সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।  ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এসআইবিএল।  দেশের ব্যাংক খাতে বড় সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে আহমেদ আকবর সোবহান তার বক্তব্যে বলেন-  ‘শুধু পুরনো নয় নতুন ব্যাংকগুলোর মধ্যেও তিন-চারটির অবস্থা খুবই নাজুক। তবে এর মধ্যেও যেসব ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকিং করছে সেগুলোর অবস্থা এখনো ভালো। ইসলামী ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের হার সবচেয়ে কম। ’ এসআইবিএলের নতুন পর্ষদকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে যারা ব্যাংকটির দায়িত্ব নিয়েছেন এবং পর্ষদে আছেন, তারা সুপ্রতিষ্ঠিত। আশা করি, এই ম্যানেজমেন্ট ভালো কাজ করবে। তবে মনে রাখতে হবে, প্রতিষ্ঠার সময়ে কয়েকজন উদ্যোক্তা মিলে ব্যাংকটি গড়ে তুললেও ব্যাংকের সব টাকাই জনগণের। সুতরাং তাদের আরো ভালো সেবা দেওয়ার কথা সব সময় ভাবতে হবে। ’ দেশের অন্যতম বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের কর্ণধার আহমেদ আকবর সোবহান এসআইবিএলের ব্যাংকিং কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, ব্যাংকটি শুধু সুদিনে নয়, দুর্দিনেও গ্রাহকের পাশে থাকে। তিনি নিজেও একসময় ব্যাংকটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন এবং ব্যাংকটির একটি খারাপ অবস্থা থেকে তুলে আনতে কাজ করেছেন বলে জানান। অনুষ্ঠানে এসআইবিএলের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম আরিফ বলেন, ‘দেশে অনেকগুলো বেসরকারি ব্যাংক রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো করছে ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো। আকারের দিক থেকে যদি বলি সবচেয়ে বড় ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। আমরা গ্রাহকদের আস্থা নিয়ে ভবিষ্যতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের পাশাপাশি অবস্থানে যেতে চাই। আমরা সব সময় আমাদের গ্রাহকদের প্রাধান্য দিয়ে ব্যাংক পরিচালনা করে আসছি।ভবিষ্যতেও করতে চাই।  আল-আরাফা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ লাবু তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা সুদমুক্ত একটি ব্যাংক ব্যবস্থা গড়ে তুলে দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন সাধন করতে চাই। এই ধারাতেই ইসলামী ব্যাংকগুলো কাজ করে যাচ্ছে। যে কারণে এতো সমস্যার মধ্যেও ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো ভালো করছে। ’    এসআইবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ওসমান আলী তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা ত্রিমুখী ব্যাংকিং করে যাচ্ছি, একই সঙ্গে ফরমাল, নন-ফরমাল ও ভলানটিয়ার ব্যাংকিং। আমরা আমাদের গ্রাহকদের একটি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকব্যবস্থা উপহার দেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।   অনুষ্ঠানে কেক কেটে এসআইবিএলের ২২ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, এসআইবিএলের পরিচালনা পর্ষদ সদস্যরা, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং গ্রহকরা মিলে কেক কাটেন। source : bangla news24
  • সরকারি টাকা রাখা যাবে লিজিং কোম্পানিতে
      সরকারি বা আধা সরকারি সংস্থাগুলোর তহবিল ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও (লিজিং কোম্পানি) জমা রাখা যাবে। তবে সব লিজিং কোম্পানিতে এ টাকা রাখা যাবে না। যেসব কোম্পানির আর্থিক সূচক ভালো, রাখা যাবে শুধু সেগুলোতেই।অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। লিজিং কোম্পানিগুলোকে এ সুযোগ দিয়ে দুই বছর আগে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, এবারের প্রজ্ঞাপনটি তারই ধারাবাহিকতার অংশ।আগেরবার ১৩টি লিজিং কোম্পানিতে টাকা রাখার সুযোগ দেওয়া হলেও এবার একটি কোম্পানি বাড়িয়ে ১৪টি করা হয়েছে। আবার আগেরবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ৩টি কোম্পানিকে। আর নতুন করে যুক্ত হয়েছে ৪টি কোম্পানি। আগের প্রজ্ঞাপন দুই বছরের জন্য হলেও এবারেরটি করা হয়েছে এক বছরের জন্য। সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলো সব সময় সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে তাদের তহবিল জমা রেখে আসছিল। যোগাযোগ করলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আর্থিক সূচকের চিত্র নেওয়ার পরই সরকারি, আধা সরকারি সংস্থার টাকা রাখার জন্য লিজিং কোম্পানি চিহ্নিত করা হয়েছে সূচকের মধ্যে বিবেচনা করা হয়েছে, খেলাপি ঋণের হার কম থাকা, আয় প্রবৃদ্ধি বা মূলধন পর্যাপ্ততা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ইত্যাদি।  প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলো তাদের নিজস্ব তহবিলের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ অর্থ বেসরকারি ব্যাংক বা লিজিং কোম্পানি অথবা উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠানে রাখতে পারবে। এসব সংস্থার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় থাকা প্রকল্পের জন্য সরকার যে অর্থ দেয় তার সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংক বা লিজিং কোম্পানি অথবা উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে জমা রাখতে পারবে। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকে এসব সংস্থা তাদের নিজস্ব তহবিল ও এডিপি তহবিলের কত অংশ জমা রাখতে পারবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা নেই প্রজ্ঞাপনে। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানির অংশ বাদ দিয়ে যা বাকি থাকবে, তা তারা জমা রাখবে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোতে। সে হিসেবে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ভাগে পড়বে সংস্থাগুলোর নিজস্ব তহবিলের ৭৫ শতাংশ এবং এডিপি তহবিলের ৮০ শতাংশ। দেশে বর্তমানে ৩২টি লিজিং কোম্পানি রয়েছে। ব্যাংকের মতো এই কোম্পানিগুলোরও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকারি আমানত জমা রাখার জন্য এবারও লিজিং কোম্পানিকে বিবেচনা করায় সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিএলএফসিএ)। তবে সমিতিটি নতুন দাবিও তুলেছে। যোগাযোগ করলে বিএলএফসিএ চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান গত বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম সব লিজিং কোম্পানির জন্যই নিয়মটি প্রযোজ্য হোক। অর্থ মন্ত্রণালয়কে আমাদের দাবির কথা জানিয়েছি। বলেছি, সব ব্যাংক আমানত পেলে লিজিং কোম্পানি কেন পাবে না?’ আমানত পাবে ১৪ কোম্পানি: আমানত রাখার জন্য যে ১৪টি লিজিং কোম্পানি চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, মাইডাস ফাইন্যান্সিং, ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, ইউনাইটেড ফাইন্যান্স, উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। আগেরবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ফার্স্ট ফাইন্যান্স এবং ন্যাশনাল ফিন্যান্সকে। নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে মাইডাস ফাইন্যান্সিং, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স এবং মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে। আর্থিক খাতের বিশ্লেষকেরা জানান, যেসব সূচক বিবেচনার কথা বলে লিজিং কোম্পানি চিহ্নিত করা হয়েছে, তা যথাযথ নয়। এ ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব বা তদবির কাজ করেছে। মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট নামক দুটি কোম্পানির দুই বছরের বার্ষিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণেই তার প্রমাণ পাওয়া যাবে। কোম্পানি দুটির বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৪ সালে লাইসেন্স পাওয়া নতুন কোম্পানি মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট। ব্যবসায় শুরুর বয়স দুই বছরও হয়নি। কোম্পানি হিসেবে এর শক্তি বিবেচনায় নেওয়ার সময়ই হয়নি এখনো। ২০১৫ সালে এই কোম্পানির ইপিএস ছিল ৪ পয়সা, ২০১৬ সালে এসে তা দাঁড়ায় ৪২ পয়সা। আবার ১৪ কোম্পানির তালিকার বাইরের ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ইপিএস ২০১৫ সালে ছিল ১ টাকা ২৫ পয়সা এবং ২০১৬ সালে ছিল ৬৩ পয়সা। বিএলএফসিএ চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান আরও বলেন, ‘বার্ষিক প্রতিবেদনে সব কোম্পানির তথ্যই রয়েছে। সরকারের সংস্থাগুলোই সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে কোন কোম্পানিতে তারা টাকা রাখবে বা কোনটিতে রাখবে না। সরকার যেহেতু সিদ্ধান্ত নিয়েছেই, আমরা মনে করি কোনো কোম্পানির নাম ঠিক করে দেওয়ার দরকার নেই।’ তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা মনে করেন, সরকার বুঝেশুনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, ‘একসময় তো অব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সরকারি, আধা সরকারি সংস্থাগুলোর টাকা রাখারই অনুমোদন ছিল না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মতামত দেওয়ার পরই তা হয়েছে। ভবিষ্যতে পুরো খাতের জন্যই নিয়মটি চালু হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই তাদের আর্থিক সূচকের উন্নতি করতে হবে।’    source : prothom-alo
  • টাকা জমা দিচ্ছেন না পোশাক মালিকেরা
    চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে কারখানা করার জন্য জমি বরাদ্দ নিতে পোশাকশিল্প মালিকদের আগ্রহ কম। ৫০০ একর জমির মধ্যে গত দুই মাসে ৪১৯ একর বরাদ্দ পেতে আবেদন করেছে ১৩২ পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান। বাকি ৮১ একর জমি বরাদ্দ নিতে কোনো আবেদন পড়েনি। যাঁরা জমি বরাদ্দের জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের মধ্যে ‘বুকিং মানি’ পরিশোধকারীর সংখ্যা খুবই কম।মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ওষুধ, পোশাক এবং কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ—এই তিন খাতের জন্য আলাদা জমি চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। এর মধ্যে পোশাক খাতে দেওয়া হবে ৫০০ একর। বেজা গত ১২ অক্টোবর তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সদস্যদের উদ্দেশে চিঠি দিয়ে সাত দিনের মধ্যে প্লট বরাদ্দ পেতে আগ্রহীদের আবেদন করতে বলে। চিঠিতে বলা হয়, প্রতি একর জমির ৫০ বছরের ইজারা মূল্য হবে এক কোটি টাকা। প্লট বুকিং দিতে ২৫ শতাংশ অর্থ জমা দিতে হবে, যা অফেরতযোগ্য। পরের মাসের মাঝামাঝিতে বিজিএমইএ আরেক চিঠিতে সদস্যদের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্লটের ১৫ শতাংশ অর্থসহ আবেদন করতে বলে। বাকি ১০ শতাংশ ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দিতে বলা হয়। বিজিএমইএর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ঢাকার ৬৪ ও চট্টগ্রামের ৬৮ পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কারখানা করার জন্য মিরসরাইয়ে প্লট চেয়ে আবেদন করেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের কাট্টলি টেক্সটাইল সর্বোচ্চ ৫০ একর জমি বরাদ্দ চেয়েছে। এ ছাড়া ঢাকার ডিবিএল গ্রুপ ২৫ একর, কোরস বাংলাদেশ ২০ একর, চট্টগ্রামের আজিম গ্রুপ ২০ একর, ঢাকার এপিক অ্যাপারেলস ১০ একর, ইউনিগিয়ারস ১০ একর, এসকিউ সেলসিয়াস ১০ একর জমি বরাদ্দ পেতে আবেদন করেছে। তবে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্লটের জন্য আবেদন করা ১৩২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৩টি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বুকিং মানি হিসেবে বিজিএমইএ দপ্তরে ২৩ কোটি ৪৫ টাকা জমা দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের জমির পরিমাণ ১০২ একর। তার মানে ৩১৭ একর জমির জন্য কোনো অর্থই জমা পড়েনি। আবেদন করেও প্লট বরাদ্দ নিতে মালিকদের আগ্রহ কম কেন—জানতে চাইলে গতকাল মঙ্গলবার বিজিএমইএর দুজন সহসভাপতি ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দেন। সহসভাপতি এস এম মান্নান বলেন, ‘অবশ্যই মালিকদের আগ্রহ আছে। তবে হয়তো মুন্সিগঞ্জের বাউশিয়ায় পোশাকশিল্প করার পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় অনেক মালিক একটু ধীরগতিতে এগোচ্ছেন। খোঁজখবর নিচ্ছেন।’ তিনি বলেন, ‘মিরসরাইয়ে গ্যাস-বিদ্যুৎ, কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগারসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে। চট্টগ্রাম বন্দর খুব কাছে হবে। জমির দামও তুলনামূলক কম। তাই শেষ পর্যন্ত মালিকদের আগ্রহ না দেখানোর কারণ নেই।’ আরেক সহসভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘প্লটের জন্য ২৫ শতাংশ অর্থ দিতে হবে এবং সেটি অফেরতযোগ্য—এ নিয়েই হয়তো মালিকেরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছেন যে প্লট না পেলে টাকাও ফেরত মিলবে না। আসল ঘটনা হচ্ছে, প্লট পেয়েও কেউ যদি নিতে না চান, তাহলেই কেবলমাত্র টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। আমরা সবকিছু পরিষ্কার করতে আবেদনকারীদের সঙ্গে বসব।’ তিনি আরও বলেন, অর্থ পরিশোধের জন্য সময় বাড়ানো হবে। দুই যুগ ধরে পোশাক শিল্পপার্ক স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে বিজিএমইএ। ২০১৩ সালে পোশাকশিল্প পার্কের জন্য মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার বাউশিয়া এলাকায় ৫৩১ একর জমি অধিগ্রহণের অনুমতি দিয়েছিল ভূমি মন্ত্রণালয়। সেখানে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ মোট ৫৭৭টি প্লটের পরিকল্পনা ছিল। তবে প্লটের জন্য আবেদন করেছিল ৪৫০ প্রতিষ্ঠান। পরে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রকল্পটি ভেস্তে যায়। এদিক মিরসরাইয়ে জমি উন্নয়নের পাশাপাশি গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের কাজ করছে বেজা। সেখানে গ্যাস সরবরাহের জন্য ২৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে পাইপলাইন বসাচ্ছে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে আরপিসিএল। আরও ৪০০ মেগাওয়াটের জন্য জমি চেয়েছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বেজা সূত্র জানিয়েছে, মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের কারখানাগুলোয় পানি সরবরাহের জন্য দুই একরের জলাধার তৈরি করা হবে। পাশাপাশি ফেনী নদীর পানি ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংকে (আইডব্লিউএম) নিয়োগ করার প্রক্রিয়া চলছে। এই অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য আলাদা একটি বন্দর থাকবে। চার লেনের একটি সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। এ সড়কের নির্মাণকাজও উদ্বোধন করা হয়েছে। জানতে চাইলে মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘আমাদের পোশাকশিল্প মূলত ঢাকার আশপাশের এলাকায় গড়ে উঠেছে। সে জন্য মিরসরাইয়ে চট্টগ্রামের উদ্যোক্তারাই বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তবে কম-বেশি যতগুলো প্রতিষ্ঠানই সেখানে যাক না কেন, সেটি অবশ্যই বিরাট কাজ হবে।’ source : prothom-alo
  • করসেবা পেতে বেশি সময় লাগে বাংলাদেশে
    করসংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় লাগে বাংলাদেশে। এ দেশে একটি প্রতিষ্ঠানকে কর–বিষয়ক কার্যক্রম শেষ করতে গড়ে ৪৩৫ ঘণ্টা ব্যয় করতে হয়। সার্বিকভাবে করবান্ধব বা কর প্রদান সূচকে বিশ্বের ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম। আগের বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫১তম। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বিশ্বব্যাংক ও বহুজাতিক নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারসের (পিডব্লিউসি) ‘পেয়িং ট্যাক্স ২০১৮’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। একটি দেশে নতুন বছরে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে কর হার কতটা সহায়ক হলো, তার একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরতেই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে একটি দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে ও কোনো প্রক্রিয়ায় কর দেয়, এ নিয়ে সূচক প্রকাশ করা হয়েছে। তা ছাড়া এতে বিভিন্ন দেশের গড় কর হার, কত ধরনের কর দিতে হয় ইত্যাদি তথ্যও সংযোজিত হয়েছে। সার্বিকভাবে ব্যবসা করার পরিবেশ কতটা করবান্ধব, তা নিয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে তুলনা করা হয়েছে প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনটি সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে কর হার সূচকে বাংলাদেশ চতুর্থ। বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক বা করপোরেট কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)সহ সব মিলিয়ে গড় কর হার ৩৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এর মধ্যে মুনাফায় কর গড়ে ৩১ শতাংশ; বাকিটা মূল্য সংযোজন কর। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি কর হার আফগানিস্তানে, ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় কর হার গড়ে ৫৫ শতাংশ। ভারতে করপোরেট কর হার গড়ে সাড়ে ২৩ শতাংশ হলেও ২০ শতাংশ শ্রম কর বা লেবার ট্যাক্স ও ১১ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) দিতে হয়। প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একটি করদাতা প্রতিষ্ঠানের কর-সংক্রান্ত বিবরণ জমা থেকে শুরু করে করের টাকা পরিশোধে কত সময় লাগে, তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশে এসব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গড়ে ৪৩৫ ঘণ্টা সময় লাগে। সবচেয়ে কম সময় লাগে ভুটানে; ৮৫ ঘণ্টা। করসংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করতে ভারতে ২১৪ ঘণ্টা, পাকিস্তানে ৩১২ ঘণ্টা ও শ্রীলঙ্কায় ১৬৮ ঘণ্টা করে সময় লাগে। তবে যেসব দেশ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করতে পেরেছে, সেসব দেশে তুলনামূলক কম সময় লাগে। সূচকে শীর্ষে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাতে করসংক্রান্ত কাজ শেষ করতে সময় লাগে মাত্র ১২ ঘণ্টা। বিশ্বব্যাংক ও পিডব্লিউসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে একজন করদাতার ওপর ৩৩ ধরনের কর আরোপ আছে। তবে এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কিছুটা ভালো। এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে বেশি বা ৪৭ ধরনের কর আরোপ হয়। ভারতে ১৩ ধরনের কর আছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছে মাত্র ৪ ধরনের কর। সেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানের মুনাফার ওপর কর দিতে হয় না। করবান্ধব দেশ হিসেবে তালিকার প্রথম তিনটি দেশই এশিয়ার। শীর্ষ স্থানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আছে কাতার। তৃতীয় স্থানে আছে হংকং। শীর্ষ দশে থাকা পরের দেশগুলো হলো যথাক্রমে আয়ারল্যান্ড, বাহরাইন, কুয়েত, সিঙ্গাপুর, ডেনমার্ক, নিউজিল্যান্ড ও মরিশাস। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এ সূচকে ৩৬তম। যুক্তরাষ্ট্রে সব মিলিয়ে কর হার গড়ে ৪৪ শতাংশ। এর মধ্যে করপোরেট কর বা মুনাফায় করের হার গড়ে ২৮ শতাংশ। সূচকে এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ চীনের অবস্থান ১৩০তম। দেশটিতে সব মিলিয়ে কর হার গড়ে ৬৭ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে দেশটিতে করপোরেট কর হার তুলনামূলক কম, ১১ শতাংশ। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রথম সচিব (শুল্কসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও চুক্তি) এহতেশামুল হক প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের অবস্থানের উন্নতি করতে স্বয়ংক্রিয় কর প্রদান ব্যবস্থা চালুসহ বেশ কিছু সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে কর সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানের দৃশ্যমান উন্নতি হবে। source : prothom-alo
  • ২০১৮ সালে ২৪ দিন ব্যাংক বন্ধ
    ২০১৮ সালে ২২দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সাধারণ ছুটি থাকবে ২৪ দিন। মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।   সরকার ঘোষিত ২২দিন সাধারণ ছুটির সঙ্গে ১ জুলাই ও ৩১ ডিসেম্বর ‘ব্যাংক হলিডে’ ছুটি যুক্ত হবে। অন্য সাধারণ ছুটির মধ্যে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস, ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মদিন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ২৯ এপ্রিল বৌদ্ধ পূর্ণিমা, মে দিবস ১ মে, ১৫ জুন পবিত্র জুমাতুল বিদা, ১৬ জুন ঈদ-উল ফিতর, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ২২ আগস্ট ঈদ-উল আযহা, ২ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ১৯ অক্টোবর দুর্গাপূজা, ২১ নভেম্বর ঈদ-ই মিলাদুন্নবী, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন।  এছাড়া ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ২ মে শব-ই-বরাত, ১২ জুন শব-ই-কদর, ১৫ ও ১৭ জুন ঈদ-উল ফিতরের আগে ও পরের দিন, ২১ ও ২৩ আগস্ট ঈদ-উল আযহার আগে ও পরের দিন এবং আশুরায় ২১ সেপ্টেম্বর নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। source : bangla news 24
  • পুঁজিবাজারে বিদেশিদের লেনদেন বেড়েছে দ্বিগুণ
    একমাস পর পুঁজিবাজারে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনা-বেচা বেড়েছে দ্বিগুণ। ফলে অক্টোবর মাসের তুলনায় নভেম্বর মাসে ডিএসইতে লেনদেনও বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। তবে কমেছে প্রকৃত বিনিয়োগ।   বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যৌক্তিমূল্যের চেয়ে কম দাম থাকা বহুজাতিক কোম্পানি, ব্যাংক এবং আর্থিক খাতসহ বেশকিছু খাতের শেয়ার কিনছেন বিদেশিরা। অন্যদিকে যৌক্তিমূল্যের চেয়ে বেশি দাম বাড়ায় দ্বিগুণ মুনাফায় শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন তারা। ফলে অক্টোবর মাসের চেয়ে নভেম্বর ‍মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লেনদেন বেড়েছে। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)র তথ্য মতে, নভেম্বর মাসে বিদেশি লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২৫৩ কোটি ৪৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৯ টাকার। এর আগের মাস অক্টোবরে লেনদেন হয়েছিলো ৬৪২ কোটি ২ হাজার ৭৩২ টাকার। যা আগের মাসের চেয়েছে ৬১১ কোটি ৩৪ লাখ ২৩ হাজার ৩৩৭ টাকা বেশি। তার আগের দুই মাস আগস্ট ও সেপ্টেম্বরেও লেনদেন বেড়েছে তারও আগের মাসের চেয়ে। লেনদেনের বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদায়ী এই মাসে নিট বিনিয়োগ হয়েছে ১৮ কোটি ৯৪ লাখ ৯৯ হাজার ১৫৯ টাকা। এর আগের মাসে নিট বিনিয়োগ হয়েছিলো ১৫১ কোটি ৭২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭৫ টাকার। নভেম্বর মাসের ১ হাজার ২৫৩ কোটি টাকার লেনদেনের মধ্যে বিদেশিরা নতুন করে শেয়ার কিনেছেন ৬৩৬ কোটি ১৯ লাখ ১২ হাজার ৬১৪ টাকার। তার বিপরীতে বিদেশিরা শেয়ার বিক্রি করেছেন ৬১৭ কোটি ২৪ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৫ টাকার। অর্থাৎ এই মাসে ডিএসইতে নিট বিনিয়োগ হয়েছে ১৮ কোটি ৯৪ লাখ ৯৯ হাজার ১৫৯ টাকা। শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ অক্টোবর মাসে বিদেশি লেনদেন হয়েছিলো ৬৪২ কোটি ২ হাজার ৭৩২ টাকার। এর মধ্যে বিদেশিরা শেয়ার বিক্রি করেছেন ৩৯৬ কোটি টাকার।  তার বিপরীতে ২৪৫ কোটি ১৩ লাখ ৬৪ হাজার ৬২৮ টাকার শেয়ার কিনেছিলেন। অর্থাৎ সেই মাসে ডিএসইতে নিট বিনিয়োগ হয়েছিলো ১৫১ কোটি ৭২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭৫ টাকার।  তার আগের মাস সেপ্টেম্বরে বিদেশি ও প্রবাসীদের মোট লেনদেন হয়েছিলো ৯৪৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার। এর মধ্যে ৫৬০ কোটি  ৫১ লাখ টাকার শেয়ার  কিনেছিলো। তার বিপরীতে ৩৮৬ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছিলো। তারও আগের মাস আগস্টে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন হয়েছিলো ৮৩২ কোটি ৯৪ লাখ টাকার। এর মধ্যে ৪৩২ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছিলো। আর সেই মাসে শেয়ার বিক্রি করেছিলো ৪০০ কোটি টাকার।  বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাইফুল ইসলাম মজুমদার বাংলানিউজকে বলেন, পুঁজিবাজারে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহন বাড়াতে ডিএসই ও সিএসই এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বেশ কিছু্ উদ্যোগ নিয়েছে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।   তিনি বলেন, বিদেশিদের অংশগ্রহন বাড়লে বাজারের প্রতি দেশি বিনিয়োগক‍ারীদেরও আস্থা বাড়ে। একই সঙ্গে নতুন করে বিনয়োগের জন্য উপযুক্ত কোম্পানি খুঁজছেন বলে মনে করেন তিনি। বাংলাদেশ সময়: ০৭০৭ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৭এমএফআই/বিএস   source : bangla news24
  • ফেব্রুয়ারিতেই ফোরজি!
    দেশে আগামী ফেব্রুয়ারি নাগাদ চালু হতে পারে চতুর্থ প্রজন্মের (ফোরজি) টেলিযোগাযোগ সেবা। এ জন্য ফোরজি নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সেখানে তরঙ্গ নিলামের জন্য আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য তরঙ্গ নিলাম নীতিমালাও চূড়ান্ত করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। তবে এই নীতিমালার কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে দেশের তিন প্রধান মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক। তিন অপারেটরের প্রধান নির্বাহীর সই করা এ চিঠিতে তরঙ্গের দাম, ফোরজির গতি, ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক, মূল্য সংযোজন করসহ কয়েকটি বিষয়ে আপত্তির কথা জানানো হয়েছে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদকে গতকাল লেখা এ চিঠিতে সই করেছেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাইকেল ফোলি, রবির সিইও ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাহতাব উদ্দিন আহমেদ এবং বাংলালিংকের এমডি ও সিইও এরিক অস। তিন অপারেটরের চিঠিতে বলা হয়েছে, নীতিমালায় এমন কিছু শর্ত রয়েছে, সেগুলো পরিবর্তন করা না হলে তা সবার জন্য বিব্রতকর এক পরিস্থিতি তৈরি করবে। তরঙ্গের যে ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে, সেটি অনেক বেশি। একইভাবে তরঙ্গ ব্যবহারে প্রযুক্তি নিরপেক্ষতার দামও বেশি। ফোরজির ন্যূনতম যে গতি নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটিও বাস্তবসম্মত নয়। এখন সব মিলিয়ে দেশে যে পরিমাণ তরঙ্গ আছে, তার সব ব্যবহার করেও এই গতির ফোরজি দেওয়া সম্ভব নয়। আর ফোরজির গতির সঙ্গে মোবাইল ফোন সেট, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন বিষয় যুক্ত আছে। নিরবচ্ছিন্ন ফোরজি-সেবার জন্য চিঠিতে অপারেটরদের নিজস্ব ফাইবার নেটওয়ার্ক তৈরির সুযোগ চাওয়া হয়েছে। মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় নিয়েও উদ্বেগ জানানো হয়েছে চিঠিতে। সব মিলিয়ে ফোরজিতে বিনিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।   ফোরজি কী ফোরজি হলো ইংরেজি শব্দ ফোর্থ জেনারেশনের সংক্ষিপ্ত রূপ, বাংলায় যা চতুর্থ প্রজন্ম নামে পরিচিত। ফোরজি হলো দ্রুততম সময়ে যোগাযোগে ব্যবহৃত মোবাইল টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির আরেক নাম লং টার্ম ইভল্যুশন বা এলটিই। এই প্রযুক্তি বর্তমানে বাংলাদেশে চালু থাকা টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি তৃতীয় প্রজন্ম বা থ্রিজির পরের ধাপ। ২০০৯ সালে নরওয়ে ও সুইডেনে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম ফোরজি প্রযুক্তি চালু করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের ১৭০টির বেশি দেশে এ প্রযুক্তির টেলিযোগাযোগসেবা চালু আছে। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দ্রুতগতির যানবাহন অর্থাৎ বাস বা ট্রেনে এই সেবার ইন্টারনেট গতি হবে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ এমবিপিএস (মেগা বিটস প্রতি সেকেন্ড)। এ ছাড়া আবাসিক ব্যবহারে বা স্থিরাবস্থায় ফোরজি নেটওয়ার্কের গতি হবে প্রতি সেকেন্ডে এক গিগাবাইট (গিগা বিট পার সেকেন্ড)। তবে সব দেশের ফোরজির গতি এই মানের হয় না। যেমন বাংলাদেশে ফোরজির নূ্যনতম গতি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ এমবিপিএস। এই গতি বর্তমানে চালু থাকা থ্রিজির ন্যূনতম ৫ এমবিপিএস গতির চেয়ে চার গুণ বেশি। জানতে চাইলে বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, নীতিমালা প্রকাশের মাধ্যমে দেশে ফোরজি-সেবা চালুর কাজ শুরু হয়ে গেল। এতে পুরোনোদের পাশাপাশি লাইসেন্স ও তরঙ্গ নিয়ে নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরের আসার সুযোগ রাখা হয়েছে। বিটিআরসির চূড়ান্ত নীতিমালা অনুযায়ী, ৯০০ ও ১ হাজার ৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের তরঙ্গের ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৩ কোটি মার্কিন ডলার বা ২৪০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮০ টাকা হিসাবে)। আর ২ হাজার ১০০ মেগাহার্টজ তরঙ্গের ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ২১৬ কোটি টাকা। ২ হাজার ১০০ মেগাহার্টজে ২৫ মেগাহার্টজ, ১ হাজার ৮০০ মেগাহার্টজে ১৮ মেগাহার্টজ ও ৯০০ মেগাহার্টজে ৩ দশমিক ৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বিক্রির জন্য নিলামে তুলবে বিটিআরসি। তরঙ্গের এই নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি। নিলামে যারা জয়ী হবে, তাদের বিষয়ে চূড়ান্ত অনুমোদনপত্র বা নোটিফিকেশন পরের দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে। যেকোনো তরঙ্গে যেকোনো প্রযুক্তির সেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা বা টেকনোলজি নিউট্রালিটির দামও ঠিক করা হয়েছে নীতিমালায়। এতে মেগাহার্টজ প্রতি তরঙ্গের দাম ধরা হয়েছে ৩২ কোটি টাকা, এটি এত দিন ছিল ৬০ কোটি টাকা। তবে এই দাম পেতে হলে একটি মোবাইল ফোন অপারেটরের কাছে যত তরঙ্গ আছে, তার সবটাই প্রযুক্তি নিরপেক্ষ করতে হবে। সব তরঙ্গ প্রযুক্তি নিরপেক্ষ না করলে মেগাহার্টজ প্রতি দাম ৬০ কোটি টাকাই দিতে হবে। বাংলাদেশে মুঠোফোন অপারেটররা বর্তমানে দ্বিতীয় (টুজি) ও তৃতীয় (থ্রিজি) প্রজন্মের সেবার জন্য তিনটি আলাদা ব্যান্ডের তরঙ্গ ব্যবহার করে। এই তিনটি ব্যান্ড হলো ৯০০, ১ হাজার ৮০০ ও ২ হাজার ১০০ মেগাহার্টজ। প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা পেলে এই তিনটি ব্যান্ডের তরঙ্গ দিয়েই টুজি, থ্রিজি ও ফোরজি সেবা দিতে পারবে মুঠোফোন অপারেটররা। source : prothom-alo
  • থামছে না ইস্টার্ন কেব্‌লসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি
      কিছুতেই থামছে না ইস্টার্ন কেব্‌লসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি। গতকাল মঙ্গলবার কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল। এদিন কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ১৪ টাকা ২০ পয়সা বা প্রায় সাড়ে ৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৪ টাকায়।ডিএসইর ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ কার্যদিবসে সরকারি মালিকানাধীন ইস্টার্ন কেব্‌লসের প্রতিটি শেয়ারের দাম প্রায় ১০০ টাকা বেড়েছে। গত ১৩ নভেম্বর কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের বাজারমূল্য ছিল ১৪০ টাকা ৫০ পয়সা। এরপর প্রায় একটানা বেড়েছে এই শেয়ারের দাম।বাজারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, কেব্‌লস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বেসরকারি খাতের বড় একটি শিল্প গ্রুপ সরকারি মালিকানাধীন এ কোম্পানির বিপুল পরিমাণ শেয়ার কিনেছে। এ খবরে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে কোম্পানিটির শেয়ারের।  অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে ইস্টার্নের শেয়ার বর্তমানে বাজারে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) গতকাল দিন শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৩৬-এ। পুঁজিবাজার বিশ্লেষকেরা বলেন, তালিকাভুক্ত যে কোম্পানির পিই রেশিও যত বেশি, ওই কোম্পানি বিনিয়োগের জন্য ততই ঝুঁকিপূর্ণ। সেই হিসাবে বর্তমানে ইস্টার্ন কেব্‌লস সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ার। কারণ ঢাকার বাজারে এটির পিই রেশিও সর্বাধিক। এদিকে দেশের দুই শেয়ারবাজারে মূল্যসূচক বেড়েছে। ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ২৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২৮৭ পয়েন্টে। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬৪৯ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৮ কোটি টাকা কম। ঢাকার বাজারে এদিন লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো। বহুদিন পর দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে বহুজাতিক কোনো কোম্পানি লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে। গতকাল ডিএসইতে এককভাবে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো প্রায় ৪৫ কোটি টাকার শেয়ারের হাতবদল হয়। দিন শেষে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ১৬৬ টাকা বা প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচকটি গতকাল দিন শেষে প্রায় ৭১ পয়েন্ট বেড়েছে। সেখানকার বাজারে গতকাল লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩২ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১ কোটি টাকা বেশি। মার্চেন্ট ব্যাংক আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টসের গতকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাতভিত্তিক মূল্যবৃদ্ধিতে এদিন শীর্ষে ছিল খাদ্য খাতের কোম্পানিগুলো। গতকাল এ খাতের প্রতিটি কোম্পানির শেয়ারের দাম গড়ে ৪ শতাংশ করে বেড়েছে। দুই প্রতিষ্ঠান ও এক ব্যক্তিকে জরিমানা পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট আইন ভঙ্গের দায়ে দুই ব্রোকারেজ হাউস ও এক ব্রোকারেজ হাউসের প্রধান নির্বাহীকে জরিমানা করা হয়েছে। গতকাল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় এ জরিমানা করা হয়। সভা শেষে বিএসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিএসইসি জানিয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠান মিরর ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি কিছু গ্রাহকের পত্রকোষ বা পোর্টফোলিও হিসাবে গরমিল করেছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও রেজাউল আলম তাঁর স্ত্রীর নামে পরিচালিত বিও (বেনিফিশারি ওনার্স) হিসাবে ঋণসুবিধা প্রদান করে আইন ভঙ্গ করেছেন। এ জন্য রেজাউল আলমকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিএসইসি। এর বাইরে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠান সোহেল সিকিউরিটিজকে আইন ভঙ্গের দায়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। source : prothom-alo
  • পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কাজ করতে চায় বিশ্বব্যাংক
    বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী বিশ্বব্যাংক। চলতি বছরের জুনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের আটটি উন্নয়নশীল দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে একটি যৌথ প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিশ্বব্যাংক ও তাদের অঙ্গ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)। এজন্য বিশ্বব্যাংক ও আইএফসির প্রতিনিধি দল গতকাল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পরবর্তীতে তারা এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গেও আলোচনা করবেন। বিএসইসি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, কেনিয়া, মরক্কো, পেরু, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও আর্জেন্টিনার মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর পুঁজিবাজার উন্নয়নে অবদান রাখতে আইএফসি-ওয়ার্ল্ড ব্যাংক জয়েন্ট ক্যাপিটাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (জেসিএপি) চালু হয়েছে। মূলত তিনটি উদ্দেশ্য সামনে রেখে এ প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক মিশন কাজ করছে। প্রথমত. ইকুইটি ও ডেটভিত্তিক সম্পদের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতা পর্যালোচনা করবে তারা। দ্বিতীয়ত. পুঁজিবাজার উন্নয়নে প্রকল্প পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা প্রদান। তৃতীয়ত. দীর্ঘমেয়াদি ডেট ইন্সট্রুমেন্ট, স্পেশাল পারপাস বন্ড, নন-সভেরিন বন্ড, বিভিন্ন সিকিউরিটাইজেশনসহ পুঁজিবাজারের অবকাঠামোগত প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক বা আইএফসির বিনিয়োগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কী করা যায়, সে বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হবে। বিএসইসি সূত্রে আরো জানা গেছে, দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক-আইএফসি সম্পৃক্ত হতে চাইলেও বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গেও আলোচনা করবে তারা। পরবর্তীতে সবকিছু পর্যালোচনা করে তাদের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দেয়া হবে। তাদের প্রস্তাবনা পেলে কমিশন সেটি পর্যালোচনা করে দেখবে কোন কোন বিষয়ে কাজ করা সম্ভব। বিশ্বব্যাংকের মিশন সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চায় বিশ্বব্যাংক। এক্ষেত্রে কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং কোন খাতে তাদের ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা নিতে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে তারা। ডেরিভেটিভস, বন্ড ও সেন্ট্রাল কাউন্টার পার্টি (সিসিপি) নিয়ে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে তারা। পাশাপাশি করপোরেট গভর্ন্যান্স গাইডলাইন নিয়েও কাজ করার কথা জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এছাড়া এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) সঙ্গেও যৌথভাবে কাজ করতে চায় আইএফসি-বিশ্বব্যাংক। উল্লেখ্য, দ্য ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইবিআরডি) সিনিয়র ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর স্পেশালিস্ট একেএম আব্দুল্লাহ ও আইএফসির সিনিয়র ইনভেস্টমেন্ট অফিসার মিরা নারায়ণস্বামীর যৌথ নেতৃত্বে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন— আইএফসির প্রিন্সিপাল ইনভেস্টমেন্ট অফিসার ক্রিস রিচার্ডস, আইবিআরডির লিড ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর ইকোনমিস্ট ইলিয়াস স্কেমনেলস ও আইএফসির প্রিন্সিপাল ইন্ডাস্ট্রি স্পেশালিস্ট ফারুক সাইদ জাফরি। বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের নেতৃত্বে বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন কমিশনার মো. আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক স্বপন কুমার বালা ও খোন্দকার কামালুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান ও মো. মাহবুবুল আলম। source : bonik barta  
View All
Latest DSE News
  • BEACHHATCH

    The Company has further informed that the 21st and 22nd AGM of the Company will be held on 31st December 2017 at 11:30 AM and 12:30 PM respectively in Uttara Community Centre, House-20, Road-13/D, Sector-6, Uttara Model Town, Dhaka-1230. The Hon'ble High Court Division of the Supreme Court of Bangladesh has allowed the Company to hold the 21st AGM within 31st December 2017. Other information of the AGM will remain unchanged.

  • EHL

    The Company has informed that it has disbursed cash dividend warrants for the year ended on June 30, 2017.

  • PIONEERINS

    Alpha Credit Rating Limited (AlphaRating) has rated the Company as &quot;AAA&quot; in the long term and &quot;ST-1&quot; in the short term along with a stable outlook based on audited financial statements of the Company as on December 31, 2016 and relevant qualitative information till December 13, 2017.

  • PRIMEBANK

    The Company has informed that Mr. Rahel Ahmed has been appointed as the Managing Director of the Company with effect from December 14, 2017.

  • EXCH

    Today's (14.12.2017) Total Trades: 88,720; Volume: 111,299,597 and Turnover: Tk. 4,027.058 million.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PROGRESLIF 72.70 66.10 6.60 9.98
DULAMIACOT 32.20 29.70 2.50 8.42
MEGHNAPET 18.80 17.60 1.20 6.82
YPL 24.00 22.50 1.50 6.67
PLFSL 13.30 12.50 0.80 6.40
PRIMEFIN 12.30 11.60 0.70 6.03
DACCADYE 9.30 8.80 0.50 5.68
RUPALILIFE 41.80 39.90 1.90 4.76
EASTERNINS 29.00 27.70 1.30 4.69
UNITEDINS 31.40 30.00 1.40 4.67

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297