Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SAPORTL 57.8 41.6 16.20 38.94
POPULARLIF 200.8 147.7 53.10 35.95
DELTALIFE 197.3 159 38.30 24.09
PLFSL 27.7 22.6 5.10 22.57
FUWANGFOOD 26.7 22.6 4.10 18.14
MEGHNALIFE 110.8 94.2 16.60 17.62
BANKASIA 22 18.8 3.20 17.02
PRAGATILIF 101 86.5 14.50 16.76
EBLNRBMF 6.3 5.4 0.90 16.67
IDLC 77.2 66.2 11.00 16.62

Contest SB2014_Oct

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
FAIZUB
3rd
blank_person
XMAN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
TITASGAS 92.8 88.6 7.65742 10425000.00
SQURPHARMA 267.4 260.6 6.94692 1496810.00
GP 384.2 381.9 5.72397 1079400.00
OLYMPIC 257.6 246.7 2.36134 1121000.00
BATBC 2818.4 2798 2.25591 21400.00
Negative impact
BSRMSTEEL 112.3 115.6 -2.07871 1347500.00
ACI 466.8 478.6 -0.74801 335200.00
SAIFPOWER 57.3 64.5 -0.74172 1869000.00
RSRMSTEEL 74.8 78.5 -0.37233 1645200.00
BANKASIA 22 22.2 -0.28125 316500.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
TITASGAS 92.8 95.1 88.7 4.74% 966.13
GP 384.2 390.1 380 0.60% 414.94
SQURPHARMA 267.4 271.9 256.3 2.61% 398.38
DELTALIFE 197.3 204 191.1 4.78% 372.47
MJLBD 150.4 157.4 149 -0.92% 295.54
JAMUNAOIL 259.2 260.9 256 1.97% 286.21
OLYMPIC 257.6 258.8 248.9 4.42% 285.14
BXPHARMA 70.1 72.9 69.9 0.29% 243.77
BEXIMCO 45 46.5 44.9 0.22% 205.11
PADMAOIL 345.2 351 342 0.67% 192.76

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 01 Oct 2014

158992
TOTAL TRADE
193.6523
TOTAL VOLUME(Mn)
9771.20
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • স্টক বাংলাদেশের ৫০ ঘণ্টার ফ্রি প্রশিক্ষণ আয়োজন
    স্টাফ রিপোর্টার : স্টক বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের জন্য  বর্তমান বাজার বিবেচনা করে, একটি ফ্রী টেকনিক্যাল এনাল্যইসিসের উপর ৫০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ মূলক কর্মশালার আয়েজন করতে যাচ্ছে। এই কর্মশালয় বিনিয়োগকারীদের টেকনিক্যাল এনাল্যইসিস সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে। ফ্রী টেকনিক্যাল এনাল্যইসিসের কর্মশালয় বিনিয়োগকারীদের যোগদানের জন্য আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে সুযোগ দেওয়া হবে। এখানে উল্লেখ্য যে স্টক বাংলাদেশ বাজার বিশ্লেষণ করে  সাধারন  বিনিয়োগকারীদের জন্য উপযোগী বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়েজন করে থাকে। তাঁর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-Basic Technical Analysis of Stock Market,Advance Technical Analysis of Stock Market,Advance Usage of Ami Broker,Fusion Analysis of Stock Market,Basic Fundamental Analysis of Stocks Market,Professional Fundamental Analysis of Stocks Market,Mechanical Trading Method। এছাড়াও স্টক বাংলাদেশ মুসক(ভ্যাট) সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়েজন করে থাকে। ফ্রী রেজিস্ট্রেশান এর জন্য :   http://www.coursebd.com/course/free-introductory-program-basic-technical-analysis/
  • ন্যাশনাল ফিডের আইপিও আবেদন ২৬ অক্টোবর
    সিনিয়র রিপোর্টার : ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেডকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন দিয়েছে। নতুন ও পুরণো দুটি পদ্ধতিতে আইপিও আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে। আবেদন চলতি মাসের ২৬ অক্টোবর শুরু হয়ে শেষ হবে ৩০ অক্টোবর। তবে দেশের বাইরের বিনিয়োগকারীদের জন্য ৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। ডিএসই বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। কোম্পানির তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ওয়েবসাইট অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেছে। গত সপ্তাহে কোম্পানির নিজস্ব ওয়েবসাইট নির্মাণ ও প্রকাশের জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেডের কোম্পানি সচিব আরিফুর রহমান। ওয়েবসইট বিষয়ে তিনি  কোন প্রকার তথ্য প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করে এক সপ্তাহের সময় চান। এরপূর্বে ‘ন্যাশনাল ফিডের আইপিও আবেদন অক্টোবরে’ শিরোনামে ওয়েবসাইট সম্পর্কে অনেক তথ্য প্রকাশ করা হয়। এরপরই নিজস্ব ওয়েবসাইট নির্মাণ ও প্রকাশ করে প্রতিষ্টানটি।  ইতোমধ্যে কোম্পানিটি ডিএসইতে প্রফাইল জমা দিয়েছে। সপ্তাহ শেষে আইপিওতে আসা কোম্পানিটি সম্পর্কে আরো নতুন তথ্য জানতে তাকে ফোন করা হয়। একধিকবার বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা তার মোবাইল ফোনে ফোন করলেও তিনি আর রিসিভ করেন না। তবে কেন ফোন রিসিভ করছেন না, এ বিষয়ে অনুসন্ধানেও কোন তথ্য মিলছে না। গত ১০দিন আগে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হলে আরিফুর রহমান বলেন, আজকে ব্যস্ত আছি। আপনি ইন্টারভিউয়ের জন্য আগামীকাল দুপুরে ফোন দিয়ে আসুন। পরদিন তাকে ফোন  দেয়া হলে তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহের প্রথমেই আসুন। এরপর থেকে তাকে একাধিকবার অনেক সংবাদকর্মী ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। কোম্পানিটি সম্পর্কে এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর সচিব আরিফুর রহমার টেলিফোনে এক সাক্ষাতকারে স্টক বাংলাদেশকে বলেন, ন্যাশনাল ফিডের আওতায় ৫টি কোম্পানি রয়েছে। মূল কোম্পানি হিসেবে কাজ করছে ন্যাশনাল ফিড। গাজীপুরের মাওনায় প্রতি ঘন্টায় ১৮ টন ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি কারখানা রয়েছে। উৎপাদিত এসব খাদ্য সারা দেশে ডিলারদের মধ্যে বিক্রি করা হয়। তার এসব বক্তব্যের সত্যতা নিশ্চিতে তিনি আর সুযোগ দেননি। আরিফ বলেন, আমাদের উৎপাদিত পণ্য সারা দেশে ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। বিদিশে বা দেশের বাইরে আমাদের কোন ক্রেতা নাই। এবং আমারাও রপ্তানী করি না। তবে ভবিষ্যতে করা হবে বলে তিনি জানান। তিনি জানান, ২০১৩ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ন্যাশনাল ফিডের প্রতি শেয়ারে আয় (ইপিএস) ১.৮৬ টাকা  এবং (ন্যাভ) সম্পদ ১৪.৫৫ টাকা রয়েছে। কোম্পানিটির প্লেসমেন্ট শেয়ার রয়েছে ১০কোটি এবং তা ১ বছরের জন্য লকিং করা ছিল। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড আইপিওর মাধ্যমে ১৮ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। উত্তোলিত অর্থে ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন বাড়ানো এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। ন্যাশনাল ফিড ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ১ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। টেলিফোনে আলাপচারিতায় আরিফুর রহমার জানান, কোম্পানি তার বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০১৩ সালে ১০ শতাংশ ক্যাশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। তবে পরের বছর ২০১২ সালে কোন লভ্যাংশ দিতে না পারলেও ২০১১সালে ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এর আগে ২০১০ সালে কোম্পানি ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। পেছনের খবর : ন্যাশনাল ফিডের আইপিও অনুমোদন
  • ১৫৫টি হাউস দিচ্ছে ‘ডি
    শাহীনুর ইসলাম : প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) নতুন পদ্ধতি ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই পদ্ধতি ‘পাইলট প্রজেক্ট’ আকারে শুরু হয়। এ প্রজেক্টে  ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ১৩৯ সিকিউরিটিজ ও ১৬ মার্চেন্ট ব্যাংক মিলে ১৫৫টি হাউস আইপিও সুবিধা গ্রহণ করছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আর ব্যাংকে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে না। ডিজিটাল সুবিধার আওতায় তারা থাকছেন। যে কারণে আইপিও আবেদন জমা, রিফান্ড ও অ্যালটমেন্ট পেতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি আর নেই। দেশের ১৫৫টি হাউজের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা আইপিও আবেদন জমা দিতে পারবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে এই ডিজিটাল পদ্ধতিটি চালু করা হয়। এর সাফল্য এবং ব্যর্থতা পর্যালোচনা করে তবেই আগামীতে অন্য কোম্পানির ক্ষেত্রে তা কার্যকর হবে। হামিদ ফেব্রিকস লিমিটেড দিয়েই শুরু এ প্রকল্পের শুভযাত্রা। ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওর আবেদনপত্র জমা দানের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এই সুযোগ থাকবে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের (ডিএসই) ৬৬টি ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের (সিএসই) ৭৩টি সিকিউরিটিজ হাউজ এবং ১৬টি মার্চেন্ট ব্যাংক অংশগ্রহণ করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের আওতাভুক্ত ৬৬ সিকিউরিটিজজের মধ্যে রয়েছে- এ. কে. খান সিকিউরিটিজ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ, ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ, এমএএইচ সিকিউরিটিজ, আদিল সিকিউরিটিজ, গ্রিনল্যান্ড ইক্যুইটিজ, রয়্যাল ক্যাপিটাল, ভিশন ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, ইটিবিএল সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ, দৌলতুন্নেসা ইক্যুইটিস, হাজী আহমদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজ, র‌্যাপিড সিকিউরিটিজ, এবি অ্যান্ড কোম্পানি। ডিএসইর তালিকার মধ্যে রয়েছে- এম সিকিউরিটিজ, সাকো সিকিউরিটিজ, ইমতিয়াজ হোসাইন সিকিউরিটিজ, মিঞা আব্দুর রশিদ সিকিউরিটিজ, শাহজাহান সিকিউরিটিজ, এসেঞ্জ সিকিউরিটিজ, পপুলার ইক্যুইটিস, মোহাম্মদ তালহা অ্যান্ড কোম্পানি, হ্যাক সিকিউরিটিজ, এশিয়া সিকিউরিটিজ, ইউনিরয়েল সিকিউরিটিজ, ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ, এসআইবিএল সিকিউরিটিজ, সালটা ক্যাপিটাল, জামাল আহমেদ সিকিউরিটিজ, হাওলাদার ইক্যুইটি সার্ভিসেস, ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ইত্তেহাদ সিকিউরিটিজ, এএনএফ ম্যানেজমেন্ট কোং, কে- সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কনসালট্যান্টস, রোজ সিকিউরিটিজ, ডাইনামিক সিকিউরিটিজ কনস্যালটেন্টস, লঙ্কা-বাংলা সিকিউরিটিজ, মশিউর সিকিউরিটিজ, কসমোপলিটন ট্রেডার্স (প্রা.)। ডিএসই তালিকায় আরো রয়েছে- জয়তুন সিকিউরিটিজ ইন্টারন্যাশনাল, শাকিল রিজভী স্টক, এমেন্স সিকিউরিটিজ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ট্রাস্টি সিকিউরিটিজ, মোনা ফাইন্যান্সিয়াল কনসালটেন্সি অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, তোবারক সিকিউরিটিজ, টি.এ. খান সিকিউরিটিজ, বিএলআই সিকিউরিটিজ, পিপলস ইক্যুইটিস, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ইউসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, রাজ্জাক সিকিউরিটিজ, ডেল্টা ক্যাপিটাল, জিএমএফ সিকিউরিটিজ, গ্লোব সিকিউরিটিজ, ইমিনেন্ট সিকিউরিটিজ, ডিবিএল সিকিউরিটিজ, পার্কওয়ে সিকিউরিটিজ, এমটিবি সিকিউরিটিজ, এডি হোল্ডিং, পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, মাইকা সিকিউরিটিজ, বিআরবি সিকিউরিটিজ, মডার্ন সিকিউরিটিজ, আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, এএনডব্লিউ সিকিউরিটিজ ও ওয়ান সিকিউরিটিজ। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ৭৩ সিকিউরিটিজ হাউজ তালিকায় রয়েছে। তা হলো- আলফা সিকিউরিটিজ, আইএসপিআই সিকিউরিটিজ, মিনহার সিকিউরিটিজ, সাউথ এশিয়া সিকিউরিটিজ, আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ, চিটাগাং ক্যাপিটাল, ছায়া সিকিউরিটিজ, ফার্স্ট ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ, ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ, ইউসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, আদমস সিকিউরিটিজ, নর্থ ওয়েস্ট সিকিউরিটিজ, ইবিএল সিকিউরিটিজ, সালতা ক্যাপিটাল, উত্তরা এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, বী রিচ লিমিটেড, আরএকে ক্যাপিটাল, পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, সিলনেট সিকিউরিটিজ। সিএসই তালিকায় রয়েছে- পাইওনিয়র শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, হিলিসিটি সিকিউরিটিজ, এসআর ক্যাপিটাল, রেমন্স ইনভেস্টমেন্ট, ইউনাইটেড ফাইন্যান্সিয়াল ট্রেডিং কোম্পানি, কিশওয়ার সিকিউরিটিজ ইনভেস্টমেন্ট, ইম্পেল শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, মিরপুর সিকিউরিটিজ, ই-সিকিউরিটিজ, রয়েল ক্যাপিটাল, প্রাইম ফাইন্যান্সিয়াল কনসালট্যান্ট, কবির সিকিউরিটিজ, ইস্টার্ন শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, রিলায়েন্স সিকিউরিটিজ কনসালট্যান্ট, সিএমএসএল সিকিউরিটিজ, প্রুডেনশিয়াল ক্যাপিটাল, অ্যাসোসিয়েটেড ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ, প্লাটিনাম সিকিউরিটিজ, টি.কে শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, আহমেদ সিকিউরিটিজ সার্ভিসেস, সোহেল সিকিউরিটিজ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ, ডিবিএল সিকিউরিটিজ, স্কাইস সিকিউরিটিজ, পূরবী সিকিউরিটিজ, ডিএন সিকিউরিটিজ, লঙ্কা-বাংলা সিকিউরিটিজ, স্কয়ার সিকিউরিটিজ ম্যানেজমেন্ট, হলিসিটি সিকিউরিটিজ। সিএসই তালিকায় রয়েছে- ইন্টার কন্টিনেন্টাল সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটিজ, মাল্টি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড সার্ভিসেস, মোনা ফাইন্যান্সিয়াল কনসালট্যান্সি অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, এনসি সিকিউরিটিজ, কর্ডিয়াল সিকিউরিটিজ, হাসান শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, হলমার্ক সিকিউরিটিজ, আইডিএলসি সিকিউরিটিজ, ওয়েস্টার্ন সিকিউরিটিজ ইনভেস্টমেন্ট, ফারইস্ট শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ, আমিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কনসালট্যান্টস, ফনিক্স সিকিউরিটিজ, এনসিসিবি সিকিউরিটিজ, সিটি ব্রোকারেজ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ, ফারইস্ট স্টকস অ্যান্ড বন্ডস লিমিটেড। তালিকায় আরো রয়েছে- এআইবিএল ক্যাপিটাল মার্কেট সার্ভিসেস লিমিটেড, এসআইবিএল সিকিউরিটিজ, ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ এবং ওয়ান সিকিউরিটিজ লিমিটেড। এদিকে যে ১৬ মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা আইপিও আবেদন করতে পারবেন সেগুলো হলো- আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট, এক্সিম ইসলামী ইনভেস্টমেন্ট, ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল, এএফসি ক্যাপিটাল, প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, ট্রাস্ট ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট, সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস, ইউনিক্যাপ ইনভেস্টমেন্টস, এসবিএল ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, যমুনা ব্যাংক ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, লঙ্কা-বাংলা ইনভেস্টমেন্টস, ইসি সিকিউরিটিজ, বিএলআই ক্যাপিটাল ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট। আইপিও আবেদন পদ্ধতি : আইপিও’র শেয়ারের জন্য আবেদন করতে আগ্রহী বিনিয়োগকারীকে সংশ্লিষ্ট হাউজের নিজ অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা জমা রাখতে হবে।  আইপিও’র লটারি না হওয়া পর্যন্ত তিনি ওই টাকায় অন্য কোনো শেয়ার কিনতে তা তুলতে পারবেন না। এরপর বিওতে তার আবেদনপত্র জমা দেবেন। লটারিতে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারী শেয়ার বরাদ্দ পেলে তার হিসাব থেকে কোম্পানির ব্যাংক হিসাবে টাকা স্থানান্তর করে দেয়া হবে। অন্যদিকে বিনিয়োগকারী অকৃতকার্য হলে তার গচ্ছিত টাকার ওপর থেকে ব্লক তুলে নেয়া হবে। তখন বিনিয়োগকারী চাইলে ওই টাকায় নতুন কোনো আইপিও’র আবেদন করতে পারবেন, অন্য কোনো কোম্পানির শেয়ার কিনতে পারবেন অথবা চাইলে তা তুলেও নিতে পারবেন। পেছনের খবর : হামিদ ফেব্রিকসের ‘ডিজিটাল’ আইপিও ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে আরো খবর :  হামিদ ফেব্রিকস দিয়ে শুরু হচ্ছে ‘ডিজিটাল’ আইপিও আরো খবর : বদলে যাচ্ছে বিএসইসির আইপিও অনুমোদন নীতি আরো খবর : নতুন আইপিও প্রক্রিয়ায় পাইলট প্রোজেক্ট শুরু Edit
  • ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আয় কমেছে
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়াম আয় কমেছে। কোম্পানিটির প্রথম প্রান্তিকে  অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এ তথ্য বেরিয়ে আসে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়, কোম্পানির প্রথম প্রান্তিক (জানুয়ারি,১৪-মার্চ,১৪) প্রিমিয়াম আয় পেয়েছে ২৩ কোটি  ৮৯ লাখ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির আয় কমেছে ১৩  কোটি ৮৯ লাখ টাকা বা ৩৭ শতাংশ। এদিকে ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানির তহবিলের পরিমাণ বেড়েছে  ২ হাজার ৫৪৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২ হাজার ১১৮ কোটি ২১ লাখ টাকা।
  • ফারইস্ট লাইফের প্রথম প্রান্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ
    ডেস্ক রিপোর্ট : প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স। ২০১৪ সালের ৩১ মার্চ শেষ হওয়া প্রথম প্রান্তিকের (জানু ’১৪-মার্চ ’১৪) আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্সের জীবনবীমা তহবিল বেড়েছে ২৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে কোম্পানিটির মোট জীবনবীমা তহবিল দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৪৮ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এ কোম্পানির জীবনবীমা তহবিল ছিল ৩৭ কোটি ৭৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। ওই সময়ে জীবনবীমা তহবিল ছিল ২ হাজার ১১৮ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
  • জিএসএল এক্সপোর্ট বুধবার থেকে উৎপাদনমুখী
    স্টাফ রিপোর্টার : পরীক্ষামূলক উৎপাদন কর্মকাণ্ড শেষ হওয়ায় আনুষ্ঠানিক উৎপাদন শুরু করতে যাচ্ছে গোল্ডেন সনের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান জিএসএল এক্সপোর্ট লিমিটেড। আগামী ১ অক্টোবর, বুধবার থেকে কোম্পানিটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জিএসএল এক্সপোর্ট লিমিটেড শতভাগ রফতানিমুখী প্রতিষ্ঠান। প্রাথমিকভাগে কোম্পানিটি নরম ও মোলায়েম খেলনা প্রস্তুত করবে। যা আন্তর্জাতিক বাজারে রফাতানি করা হবে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন এ কোম্পানিতে ৭ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। পরবর্তী তিন বছরে বিনিয়োগের পরিমাণ ৪০ কোটিতে উন্নীত হবে বলে গোল্ডেন সনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রথম বছরে জিএসএলের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ কোটি টাকা। এতে করে কোম্পানিটি প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মূদ্রা আয় করবে। এজন্য গোল্ডেন সন ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে জিএসএলে ২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এছাড়া একই সময়ে জিএসএলের মূলধনী যন্ত্রপাতি এবং কারখানা ভবন নির্মানের জন্য ৬০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। মেশিনগুলো স্থাপনের পর ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জিএসএল বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে। এর ফলে কোম্পানির উৎপাদন ও বিক্রি ৫০ শতাংশ বাড়বে বলে গোল্ডেন সনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এর আগে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর জিএসএল এক্সপোর্ট লিমিটেড জার্মানীর ব্যবসায়ী স্টিফেন ক্রিস্টেনসনের সঙ্গে শতভাগ রফতানিমুখী খেলনা প্রস্তত করার জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। মোট বিনিয়োগের মধ্যে ক্রিস্টেনসন ৫০ শতাংশ, গোল্ডেন সন ৪০ শতাংশ এবং বেলাল আহমেদ নামের এক ব্যবসায়ী ১০ শতাংশ বিনিয়োগের বিষয়ে সম্মত হয়।
  • ঢাকা-কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জ সমঝোতা স্মারক সই
    ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার দুই দেশের স্টক এক্সেঞ্জের মধ্যে  নিয়মিত পুঁজিবাজার সম্পর্কিত জ্ঞান চর্চা বিনিময় নিয়ে স্মারক সই হয়। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এই সমঝোতা স্মারকে ডিএসইর পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা এবং কলকতা স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বি. মাধব রেড্ডি। এ সময় ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. স্বপন কুমার বালা বলেন, নিকটতম আন্তর্জাতিক স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জের শতাব্দী প্রাচীন অভিজ্ঞতা ও চর্চা আন্তঃবিনিময়ের মাধ্যমে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ উপকৃত হবে বলে প্রত্যাশা করছে। মূলত সহযোগিতার মাধ্যমে পারষ্পরিক সুবিধার স্বার্থে এই সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে, বিশেষ করে প্রশিক্ষণ এবং পারষ্পরিক সুবিধার ক্ষেত্রে। তিনি আরও বলেন, এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে ডিএসই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ সেন্টার অব এক্সিলেন্সি ইন ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটস এর সাথে কাজ করার সুযোগ তৈরী হয়েছে। যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ক্যাপিটাল মার্কেটের উন্নয়নের ক্ষেত্রে জ্ঞানলব্ধ রিসার্চ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশেষ ভুমিকা রাখবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মায়ানমার ইকোনমিক কানেকটিভিটি ফোরামের অংশ হিসেবে এই দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক লজিস্টিক অ্যান্ড ফিন্যান্স অ্যাসোসিয়েশন গঠন করা হয়েছে। এই অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম লক্ষ্য হলো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারকে একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বি মাধব রেড্ডি বলেন, যদিও উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ স্ব স্ব দেশের আইন দ্বারা পরিচালিত, কিন্তু উভয় দেশের অভিন্ন ইতিহাস এবং উদ্দেশ্য এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে আবারও একসঙ্গে নতুন সম্পর্কে আবদ্ধ করেছে। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবসা বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় এক্সচেঞ্জের জ্ঞান, তথ্য এবং পুঁজিবাজারের দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের ব্যাপারে উভয় পক্ষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবে। উভয় এক্সচেঞ্জের উন্নয়নের লক্ষে স্ব স্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমতি স্বাপেক্ষে এই সমঝোতা স্মারকের আওতা বৃদ্ধি করা যাবে বলে উভয় এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় অনারারী কন্সাল-রিপাবলিক অব পর্তুগাল রবি পোদ্দার, কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রাক্তন পরিচালক সুরেশ কুমার কৌশিক, মহাব্যবস্থাপক এম. এ. ভি. রাজু,  উপ-মহাব্যবস্থাপক ধিরাজ চক্রবর্তী, এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক, বোর্ড অ্যান্ড কর্পোরেট এ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের উপ-মহাব্যবস্থাপক  মোহাম্মদ আসাদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
  • ৯টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ বিওতে
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৯ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ঘোষিত লভ্যাংশ ইউনিটহোল্ডারদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে। ফান্ডগুলো হচ্ছে- পিএইচপি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওযান, পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইবিএল এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড, জনতা ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এক্সিম ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং ট্রাস্ট ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। ফান্ডগুলোর ট্রাস্টির বৈঠকে এর আগে গত ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ডে ১২.৫০%, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ৯%, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডে ১০%, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে ১০%, ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে ৭%, পিএইচপি মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ১০%, ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডে ১০%, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ১০%, পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডে ১২% এবং এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ১২% লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য, ফান্ডগুলো রেস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট দ্বারা পরিচালিত।
  • এটলাস বাংলাদেশের মুনাফা নিয়ে শঙ্কা
    স্টাফ রিপোর্টার : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এটলাস বাংলাদেশের ২০১৩-১৪ হিসাব বছরে নেট মুনাফা কমেছে ৭৮ শতাংশ। বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি) সূত্রে পাওয়া তথ্য থেকে এমনই দেখা গেছে। তবে এখনো কোম্পানিটি নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে লভ্যাংশ ঘোষণা দেয়নি। এদিকে কোম্পানিটির মুনাফা সংকোচেনের কারণে ২০১৩-১৪ হিসাব বছরে লভ্যাংশের হার কমে আসতে পারে। যদিও কোম্পানিটির ৪৫২ কোটি ২৯ লাখ টাকা পুঞ্জীভূত মুনাফা রয়েছে। এতে কোম্পানির লভ্যাংশের হার আগের বছরের মতো দিতে হলে রিজার্ভ ভাঙতে হবে। হিরো হোন্ডার সঙ্গে চুক্তি বাতিলের পর থেকে সংকটে রয়েছে এটলাস বাংলাদেশ। আর চীনা দুটি মোটরবাইক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও তা করতে ব্যর্থ হয়েছে এটলাস। এতে কোম্পানির ভবিষ্যৎ আয় আরো বড় অঙ্কে সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে কোম্পানির মোটরবাইক সংযোজন বন্ধ রয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে লোকসানে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানটি। বিএসইসির এক প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, ২০১৩-১৪ হিসাব বছরের অনিরীক্ষিত হিসাবে এটলাস বাংলাদেশের মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ২৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। সংশ্লিষ্ট বছরে কোম্পানিটির বিক্রির পরিমাণ ছিল ২০৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৪৪৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। হোন্ডার সঙ্গে চুক্তি বাতিলের পর কোম্পানির ভবিষ্যৎ ব্যবসা প্রসঙ্গে এটলাস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আবুল কাশেম বলেন, ‘চীনা প্রতিষ্ঠান দুটির সঙ্গে চুক্তির চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বর্তমানে কোম্পানির মোটরবাইক সংযোজন বন্ধ রয়েছে, আগের স্টক বিক্রি থেকেই কোম্পানির আয় হচ্ছে। এর মাধ্যমে সর্বশেষ হিসাব বছর কিছুটা মুনাফা হয়েছে।’ হিরো হোন্ডার পর নতুন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আগের মতো বিক্রি ও আয় বাড়াতে পারবে কিনা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটলাস বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি ডিলার নেটওয়ার্ক। প্রতিষ্ঠানটির বেশির ভাগ পুরনো ডিলারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে। আর আন্তর্জাতিক মানের ভালো কোনো ব্র্যান্ডের সঙ্গেই এটলাস চুক্তিবদ্ধ হবে। নতুন প্রযুক্তি ও ডিজাইনের মোটরবাইক বাজারে ছাড়তে পারলে ভালো মুনাফায় ফেরা সম্ভব। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি চেষ্টাও রয়েছে। বিএসইসির তথ্যানুসারে, ২০০৮-০৯ হিসাব বছরে ২৯ কোটি ৭৫ লাখ, ২০০৯-১০ হিসাব বছরে ৩৮ কোটি ২৪ লাখ, ২০১০-১১ হিসাব বছরে ৩৯ কোটি ৬১ লাখ ও ২০১১-১২ হিসাব বছরে ৩৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা মুনাফা হয়েছে। অন্যদিকে ২০০৮-০৯ হিসাব বছরে বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪২৯ কোটি ৩ লাখ, ২০০৯-১০ হিসাব বছরে ৫০২ কোটি ৮ লাখ, ২০১০-১১ হিসাব বছরে ৫৮০ কোটি ৫৯ লাখ ও ২০১১-১২ হিসাব বছরে ৪৯১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দুই কার্যদিবস ধরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদরের বড় উত্থান দেখা গেছে। সোমবার ডিএসইতে এর দর বাড়ে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ বা ৮ টাকা ৩০ পয়সা। দিন শেষে দর ছিল ১৬৯ টাকা ৩০ পয়সা। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে হিরো হোন্ডার সঙ্গে চুক্তি বাতিল হয়েছে কোম্পানিটির। ২০১২ সাল পর্যন্ত পুরনো কিছু বাইক সংযোজন করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে সম্পূর্ণ কার্যক্রমহীন রয়েছে এ কোম্পানি। যদিও চীনের একাধিক কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে এটলাস কর্তৃপক্ষ। শেষ মুহূর্তে নানা জটিলতায় ভেস্তে যাচ্ছে। জানা গেছে, নানা আলোচনার পরে এ বছরের মার্চে চীনের জিয়ানসি মোটরবাইক কোম্পানির ব্র্যান্ড জিয়ানসি ও সিম মোটরসের সিম ব্র্যান্ডের যে কোনোটির সঙ্গে এটলাসের চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। সে কারণে কোম্পানি দুটি তাদের নমুনা বাইকও পাঠায়। সব পর্যবেক্ষণের পড়ে এ কোম্পানির ঊর্ধ্বতনরা জিয়ানসি ব্র্যান্ডের বাইক বাজারজাতকরণের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে গত মাসে সে চুক্তিও সম্ভব হয়নি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ ৪৬ বছর জাপানের হোন্ডা মোটরসাইকেল সংযোজন, উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল এটলাস। ২০১১ সালে জাপান হোন্ডা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল বন্ধ করে দেয়। হোন্ডার সঙ্গে ভারতের হিরো কোম্পানির ব্যবসা বন্ধ হওয়ার পর বাংলাদেশে হোন্ডা নিজেই সংযোজন কারখানা তৈরি করে। পরবর্তী সময়ে ভারতের হিরোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার কথা ছিল এটলাসের। কিন্তু হঠাৎ ভারতের হিরো বাংলাদেশের নিটল মোটরসকে আমদানিকারক মনোনীত করে। ১৯৮৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এটলাসের ২৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের ২ কোটি ৩৭ লাখ ৩ হাজর ৭০২টি শেয়ার রয়েছে। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে ৫১ শতাংশ সরকার, ১১ দশমিক ৪৬ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ৩৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে।
  • ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মামলা দায়ের
    স্টাফ রিপোর্টার  : বেসরকারি বিমান কোম্পানি ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ মামলা করেছে ৭ যাত্রী। সোমবার ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ফজলে এলাহী ভুঁইয়ার আদালতে এ মামলা করেন যাত্রীরা। টিকিট কেটে গন্তব্যে যেতে না পেরে ব্যবসায়িক ক্ষতি হওয়ায় ইউনাইটেডের এমডি ও চেয়ারম্যানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ৭ যাত্রী। যেসব যাত্রীরা মামলা করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন- আবু বকর সিদ্দিক, রফিকুল ইসলাম, নাসরিন আক্তার, মকবুল হোসেন এবং সোহানুর রহমান। তবে অন্য দুজনের নাম জানা যায়নি। মামলায় বিবাদী করা হয়েছে ইউনাইটেড এয়ারের এমডি, চেয়ারম্যান, ব্যাবস্থাপক (প্রশাসন), ব্যাবস্থাপক (অপারেশন) এবং এয়ার স্টার ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে। তবে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। মামলায় বলা হয়েছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়িক কাজে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য গত ২১ সেপ্টেম্বর টিকিট কাটে ওই ৫ যাত্রী। কিন্তু ইউনাইটেডের ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় তারা সেখানে যেতে পারেনি। ফলে তাদের এ বিপুল পরিমাণ অর্থ ক্ষতি হয়েছে। মামলায় ৫০ হাজার টাকা কোর্ট ফি দাখিল করার সাপেক্ষে আদেশের দিনধার্য করবেন আদালত।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • মুনাফা তোলার চাপে শেয়ারবাজারে দরপতন
    পুঁজিবাজারে মূল্য সংশোধন চলছে। গতকাল ঢাকা ও চট্টগ্রাম উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে কমেছে সূচক। টানা ৯ কার্যদিবস সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও গত সোমবার থেকে এর ব্যত্যয় হয়েছে। বিষয়টি স্বাভাবিক বলে মনে করেন বাজার-সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, পুঁজিবাজারে লাগাতার ঊর্ধ্বমুখী বা নিম্নমুখী কোনোটাই ভালো নয়। মাঝে মাঝে মূল্য সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। তাই চাঙ্গা পুঁজিবাজার থেকে মুনাফা তোলার চাপে গতকাল দরপতন হয়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচক বেড়েছে। তবে লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কমেছে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এদিন মূল্য সূচক ও লেনদেন কমেছে। দিন শেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৭৪ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩০০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৭টির, কমেছে ১২৩টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টি কোম্পানির। লেনদেন হয়েছে ৮৭৯ কোটি ৭৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। মঙ্গলবার ডিএসইর টপ-২০ তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলোর মোট ৫২২ কোটি ৬ লাখ ১১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এ দিন সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে গ্রামীণফোনের। দিনভর এই কোম্পানির ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ৬০০টি শেয়ার ৭৫ কোটি ২০ লাখ ৫ হাজার ৩০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। দিন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯ হজিরি ৪৬৩ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২২৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৯২টির, কমেছে ১০৬টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ার দর। লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। Source : যায়যায় দিন
  • পতনের একদিন পরেই ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার
    বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার কারণে একদিনে সূচকের সামান্য পতনের পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের পুঁজিবাজার। তবে প্রধান বাজারে সূচকের উর্ধগতি থাকলেও চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জে সূচকের পতন ঘটেছে। ঈদ-উল-আযহা এবং দুর্গাপুজোর আগের সাধারণ ছুটির তিন কার্র্যদিবস আগে বড় মূলধনী কিছু কোম্পানির দর কমলেও ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দর বাড়ার কারণে সূচকে বড় ধরনের প্রভাব ছিল। তবে ছুটির আগে বিনিয়োগকারীদের শেয়ারের ক্রয়াদেশ কম ছিল। বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সকালে বেশিরভাগ কোম্পানির দরবৃদ্ধির কারণে সূচকের ইতিবাচক প্রবণতা দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। তবে মাঝখানে কিছুটা সময় বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তোলার চাপ লক্ষ্য করা যায়। শেষ বিকেলে বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের প্রতি ঝোঁক বাড়তে থাকে। ফলে সূচকের তীর আবারও উপরের দিকে উঠতে থাকে। দিনশেষে ডিএসইর সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৫ হাজার ৭৪ পয়েন্টে। এর আগে সোমবার ডিএসইর সার্বিক সূচকের অবস্থান ছিল ৫ হাজার ৫০ পয়েন্টে। ওইদিন লেনদেন হয় ৯০২ কোটি ৬২ লাখ ৫৫ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সেই হিসাবে মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ২২ কোটি ৮৫ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। মঙ্গলবারে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩০০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৭টির, কমেছে ১২৩টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টি কোম্পানির। লেনদেন হয়েছে ৮৭৯ কোটি ৭৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।মঙ্গলবার ডিএসইর সেরা-২০ কোম্পানিগুলোর মোট ৫২২ কোটি ৬ লাখ ১১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫৯.৩৪ শতাংশ। এ দিন সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে গ্রামীণফোনের। দিনভর এ কোম্পানির ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ৬০০টি শেয়ার ৭৫ কোটি ২০ লাখ ৫ হাজার ৩০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। এছাড়া তিতাস গ্যাসের ৪৬ কোটি ৫৯ লাখ, এমজেএলবিডির ৪১ কোটি ৯৬ লাখ, যমুনা অয়েলের ৩৬ কোটি ১১ লাখ, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্র্রিজের ৩১ কোটি ৮৮ লাখ, গোন্ডেন সনের ২৮ কোটি ৯ লাখ, বেক্সিমকোর ২৭ কোটি ৬৬ লাখ, স্কয়ার ফার্মার ২৬ কোটি ৩১ লাখ, বেক্সিমকো ফার্মার ২৫ কোটি ৬৪ লাখ এবং ডেল্টা লাইফের ২২ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানিগুলো হলো : পপুলার লাইফ, অগ্নি সিস্টেম, ব্যাংক এশিয়া, ইনটেক, বিডি ফাইন্যান্স, পিএলএফএসএল, ফার ইস্ট লাইফ, আরকে সিরামিক, এশিয়া প্যাসিফিক ও অ্যাপেক্স ট্যানারি।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো : সেন্ট্রাল ফার্মা, সাইফ পাওয়ার টেক, জেমিনি সী ফুড, কে এ্যান্ড কিউ, দেশ গার্মেন্টস, অ্যাপোলো ইস্পাত, বরকতউল্লাহ ইলেক্টো ডায়নামিকস, কেয়া কসমেটিকস, সাভার রিফ্যাক্টরিজ ও রহিমা ফুড। দিনশেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯৪৬৩ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২২৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৯২টির, কমেছে ১০৬টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ার দর। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সোমবার সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৬৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। সে হিসাবে মঙ্গলবার সিএসইতে লেনদেন কমেছে ১১ কোটি ৩১ লাখ টাকা। সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানিগুলো হলো : ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, বেক্সিমকো, গোল্ডেন সন, মবিল যমুনা বিডি, গ্রামীণফোন, বিএসআরএম স্টিল, সাইফ পাওয়ার টেক, আরকে সিরামিক, স্কয়ার ফার্মা ও বেক্সিমকো ফার্মা। Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • মবিল যমুনার মোবাইল রিচার্জ অফার
    মবিল স্পেশাল যতবার-মোবাইল রিচার্জ ততবার’- এ স্লোগানকে সামনে রেখে বিশেষ টকটাইম সুবিধা চালু করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড। এখন মবিল স্পেশালের ৪ বা ৫ লিটারের ক্যান কিনলেই ক্রেতারা পাবেন সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত মোবাইল টকটাইম। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অফারের ঘোষণা দেন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মোহাম্মদ সানাউল হক। তিনি বলেন, অফারটি পেতে ক্রেতাদের ক্যানের গায়ে স্টিকারের কালো অংশ ঘষে ১৬ অঙ্কের কোডটি ‘৩৬৯০’ নম্বরে যে কোন মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করতে হবে। এরপর তিনি পাবেন নিশ্চিতকরণ এসএমএস। কোডটি সঠিকভাবে যাচাই হওয়ার পরই সেই নম্বরে ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত টকটাইম রিচার্জ পেয়ে যাবেন। তবে ৪ লিটারের ক্যানে ৪০ টাকা ও ৫ লিটারের ক্যানে দর বাড়ানো হয়েছে ৫০ টাকা। অফারটি চলবে চলতি আগামী ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত। Source : মানবব্জমিন
  • আজ থেকে উৎপাদনে যাচ্ছে জিএসএল এক্সপোর্ট
    গোল্ডেন সনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জিএসএল এক্সপোর্ট লিমিটেড আজ বুধবার থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। জানা যায়, জিএসএল এক্সপোর্ট ১০০ ভাগ রপ্তানিমুখী একটি কোম্পানি হবে। যা নরম এবং প্লাশ খেলনা তৈরি করে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করবে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মানের এ কোম্পানিতে ৭ কোটিরও বেশি টাকা ইনভেস্ট করা হয়েছে। আগামী ৩ বছরের মধ্যে কোম্পানির এই ইনভেস্ট ৪০ কোটিতে যাবে বলে জানা যায়। কোম্পানিটির প্রথম বছরের রপ্তানি টার্গেট ৪০ কোটি টাকার পণ্য। যা কোম্পানিকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং ব্যবসায় মুনাফা বাড়াতে সাহায্য করবে।   এদিকে গোল্ডেন সন এই সহযোগী প্রতিষ্ঠান নির্মাণে এবং মেশিনারি স্থাপন করতে গত ৯ মাসে (জানুয়ারি’১৪- সেপ্টেম্বর, ১৪) ২০ থেকে ৬০ কোটি টাকা ইনভেস্ট করেছে। এই মেশিনগুলো ইনস্টল করলে কোম্পানিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করবে। এতে কোম্পানির উৎপাদন এবং বিক্রয় ৫০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে। Source : ভোরের কাগজ
  • আজ ৩ কোম্পানির লেনদেন চালু
      পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩ কোম্পানির লেনদেন রেকর্ড ডেটের পর চালু হবে আজ বুধবার। কোম্পানি ৩টি হচ্ছেÑ বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস, বঙ্গজ এবং মিথুন নিটিং। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। গতকাল মঙ্গলবার রেকর্ড ডেটের কারণে এই শেয়ার ৩টির লেনদেন বন্ধ ছিল। রেকর্ড ডেটের আগে এই ৩ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্পট মার্কেটে হয়।   Source : ভোরের কাগজ
  • বিডি বিল্ডিং এখন থেকে ‘বিবিএস’
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি বিডি বিল্ডিংয়ের ট্রেডিং কোড পরিবর্তন হয়েছে। ১ অক্টোবর থেকে কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হবে ‘বিবিএস’। কোম্পানিটির অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।   ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৫ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ঘোষিত লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের সম্মতি পেতে ২৩ অক্টোবর কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। সমাপ্ত হিসাব বছরে এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা; শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৮ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৪ টাকা ৯০ পয়সা।এদিকে কোম্পানিটি পাঁচটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে দুটি রাইট শেয়ার ইস্যু করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি রাইট শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা। রাইট শেয়ার থেকে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, পণ্য উৎপাদন লাইন উন্নতকরণ ও কার্যকরী মূলধন বাড়াবে।   এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৭৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার ৭ কোটি ৩৬ লাখ; যার মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালক ৪৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৩০ দশমিক ৫২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে ১৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। Source : বণিক বার্তা
  • বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ার বিদেশে সস্তা দেশে দামি
    দেশের একমাত্র কোম্পানি হিসেবে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি। তবে দেশে ও বিদেশের শেয়ারবাজারে এর শেয়ারদরে বড় ধরনের ব্যবধান দেখা গেছে। দেশের শেয়ারবাজারে দামি হলেও বিদেশে সস্তায় কেনাবেচা হচ্ছে এ শেয়ার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল এ কোম্পানির শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয় ৭০ টাকায়। আর লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটে (এআইএম) ২৯ সেপ্টেম্বর এর শেয়ার সর্বশেষ কেনাবেচা হয় ১৮ দশমিক ৭৫ পেনিতে, যা দেশী মুদ্রায় ২৩ টাকা ৫০ পয়সা (১ ব্রিটিশ পেনি = ১ টাকা ২৫ পয়সা)। এ হিসাবে ডিএসইতে ১৯৮ শতাংশ বেশি দরে এ শেয়ার কেনাবেচা হচ্ছে। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের এআইএমে ২০০৫ সালের অক্টোবরে তালিকাভুক্ত হয় বেক্সিমকো ফার্মা। প্রথমে দুই কোটি সাধারণ শেয়ার ইস্যু করা হয়। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে প্রতি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য ছিল ৬০ পেনি। শুরুতে শেয়ারটি ৬৭ দশমিক ৫ পেনিতে লেনদেন হলেও পরে দর ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তালিকাভুক্তির পরের বছর এআইএমে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৩৩ পেনিতে নেমে আসে। আর বৈশ্বিক মন্দার কারণে ২০০৯ সালের ১৬ মার্চ সর্বনিম্ন দরে (২ দশমিক ৮৯ পেনি) কেনাবেচা হয় বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার; যা টাকার হিসাবে মাত্র ৩ টাকা ৬২ পয়সা। অবশ্য পরে শেয়ারদরে কিছুটা উন্নতি দেখা গেছে। ২০১১ সালের ১৩ জুন কোম্পানিটির শেয়ারদর সর্বোচ্চ ২৮ দশমিক ৬৪ পেনিতে লেনদেন হয়। এর পর আবার দর হারাতে শুরু করে। চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি নেমে আসে ১৩ দশমিক ১০ পেনিতে। আর গত সোমবার বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার ১৮ দশমিক ৭৫ পেনিতে সর্বশেষ কেনাবেচা হয়। লেনদেন হয় ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩২টি শেয়ার।এদিকে চলতি বছরের মে মাসে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার ডিএসইতে ৩৭ টাকা ৩০ পয়সায় নেমে আসে। তবে এর পর থেকে দেশের শেয়ারবাজারেও এ শেয়ারের চাহিদা বাড়তে দেখা গেছে। গত দুই মাসে এর দর প্রায় ৭০ শতাংশ বেড়ে সর্বশেষ গতকাল ৭০ টাকায় লেনদেন হয়। আর দেশের অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এদিন এ শেয়ার লেনদেন হয় ৬৯ টাকা ৮০ পয়সায়। দুই দেশের শেয়ারবাজারে একই কোম্পানির শেয়ারদরে বড় ব্যবধান প্রসঙ্গে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস অব বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াওয়ার সায়ীদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘শেয়ারের চাহিদা ও সরবরাহের কারণে শেয়ারের দরে তারতম্য হতে পারে। উন্নত দেশের বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির আয়, মৌল ভিত্তি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে প্রত্যাশিত আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হলেই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন। এ থেকে আমাদের দেশের বিনিয়োগকারীদের শিক্ষণীয় অনেক কিছুই রয়েছে।’ দেশী ওষুধ শিল্পের শীর্ষ পাঁচ কোম্পানির তালিকায় থাকা বেক্সিমকো ফার্মা ডিএসইতে ১৯৮৬ সালে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৩৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা। চলতি হিসাব বছরের অর্ধবার্ষিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭২ কোটি ৪২ লাখ টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৯৭ পয়সা।২০১২ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ডিএসইতে দেয়া হিসাব অনুযায়ী, বেক্সিমকো ফার্মার মোট শেয়ারের মধ্যে ১৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ২৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও ৪৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে। Source : বণিক বার্তা Source : বণিক বার্তা
  • হিসাব সচলের মেয়াদ বাড়ল আরো তিন মাস
    ঋণাত্মক পোর্টফোলিওতে থাকা গ্রাহকের হাজার হাজার কোটি টাকার শেয়ার লেনদেনে ফিরিয়ে আনতে মার্জিন ঋণ বিধিমালার একটি উপবিধির কার্যকারিতা স্থগিতাদেশের মেয়াদ চতুর্থবারের মতো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিনিয়োগকারীরা সুফল পাওয়ায় ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মার্জিন ঋণ বিধিমালা, ১৯৯৯-এর ৩(৫) উপধারার কার্যকারিতা আরো তিন মাস বাড়ানো হচ্ছে। গতকাল এর মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, তবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তা বহাল রাখা হচ্ছে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।   বাজারে ধসের পর বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট শেয়ারের দর কমে যায়। এ কারণে গ্রাহকের নিজস্ব ইকুইটি মার্জিন ঋণের ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। ফলে হাজার হাজার কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন অযোগ্য হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় ডিএসইর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল মার্জিন ঋণ বিধিমালা, ১৯৯৯-এর ৩(৫) উপধারা স্থগিতাদেশের মেয়াদ ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করে বিএসইসি। নিয়ন্ত্রক সংস্থার এ সিদ্ধান্তের ফলে মার্জিন ঋণ বিধিমালায় আটকে পড়া সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর পোর্টফোলিওতে থাকা শেয়ার লেনদেনযোগ্য হয়। বাজার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় ঋণাত্মক ইকুইটিতে থাকা বিনিয়োগকারীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ লোকসান কাটানোর সুযোগ পেয়েছে। পরবর্তী সময়ে বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় আরো দুই দফা সংশ্লিষ্ট উপধারাটি স্থগিত রাখে বিএসইসি। এ হিসাবে গতকাল (৩০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত স্থগিতাদেশের মেয়াদ ছিল। উপধারাটি স্থগিতাদেশের সুফল পাওয়ায় এবং বাজার পরিস্থিতির উন্নতিতে আরো ছয় মাস বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় ডিএসই। তবে বিএসইসি এ সুবিধা আরো তিন মাস অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে।মার্জিন ঋণ বিধিমালার ৩(৫) উপধারা অনুযায়ী, শেয়ারদর কমে যাওয়ার কারণে গ্রাহকের নিজস্ব ইকুইটি মার্জিন ঋণের ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমলে গ্রাহক নগদ অর্থ দিয়ে ঋণ সমন্বয় করবেন। সহজ ভাষায় গ্রাহকের পোর্টফোলিও (১:২ মার্জিন ঋণের ক্ষেত্রে) অর্ধেকে নেমে এলে ঋণ সমন্বয় করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট হিসাবে নতুন করে শেয়ার লেনদেন করা যাবে না।আইন থাকলেও ২০১০ ও ১১ সালের বাজার ধসের কারণে অধিকাংশ গ্রাহক নগদ অর্থ দিয়ে ঋণ সমন্বয় করতে ব্যর্থ হয়। আর সরকার ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার অনুরোধে সে সময়ে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থ আদায়ে ফোর্স করতে পারেনি। ফলে ফোর্সড সেল না করায় মার্জিন ঋণ নেয়া গ্রাহকের পোর্টফোলিও ঋণাত্মক হয়ে যাওয়ায় তা লেনদেন অযোগ্য হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় কয়েক হাজার কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন অযোগ্য হওয়ায় স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে কমে যায়। ডিএসইর দৈনিক লেনদেন নেমে আসে ১৫০ কোটি টাকার ঘরে। পরবর্তী সময়ে বিএসইসি মার্জিন ঋণ বিধিমালার সংশ্লিষ্ট উপবিধিটি স্থগিত করায় মার্জিন ঋণে আটকে পড়া বিনিয়োগকারীর হিসাব সচল হয়, যা বাজারের লেনদেনের গতি ও শেয়ারদর বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। ডিএসইর লেনদেন বর্তমানে হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।   প্রসঙ্গত, মার্জিন ঋণ বিধিমালা, ১৯৯৯-এর ৩(৬) উপধারায় গ্রাহকের নিজস্ব ইকুইটি মার্জিন ঋণের ১২৫ শতাংশ কমলে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে গ্রাহকের পোর্টফোলিও পরিচালনায় ডিস্ক্রিশনারি ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। আর ১৫০ শতাংশ দর হারানোর পর গ্রাহককে না জানিয়েই শেয়ার বিক্রির (ফোর্সড সেল) ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। ওই আইনে গ্রাহকের নিজস্ব ইকুইটি যদি মার্জিন ঋণের ১২৫ শতাংশ কমে, তবে ব্রোকারেজ হাউস ডিস্ক্রিশনারি ক্ষমতা পেতে পারে। তবে বিএসইসির নির্দেশনায় কোনো গ্রাহকের ইকুইটি ঋণাত্মক হলেই ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংক এ ক্ষমতা পাবে।নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ও শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সাল পর্যন্ত শেয়ারবাজারে ১৫ হাজার কোটি টাকা মার্জিন ঋণের প্রায় সবই দেয়া হয় দুই হাজার গ্রাহককে। মোট মার্জিন ঋণের প্রায় ৭০ শতাংশ বা ১০ হাজার কোটি টাকা নিয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৫০০ গ্রাহক। এছাড়া সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করে প্রায় ৫০ জন গ্রাহককে ৩০ থেকে ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেয়া হয়। শেয়ারদর কমে যাওয়ার কারণে গ্রাহকের পোর্টফোলিও মূল্য ঋণের ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ায় অধিকাংশ ঋণ গ্রহণকারী মার্জিন ঋণ বিধিমালা, ১৯৯৯-এর ৩(৫) উপধারার কারণে বর্তমানে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। যদিও বাজারের উত্থান পর্বের প্রতিদিনের লেনদেনে এ দুই হাজার গ্রাহকের বড় ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল।    উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ডিসেম্বরে শেয়ারবাজারে ধস নামা শুরু হলে তা ঠেকাতে অর্থমন্ত্রী ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসইসি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ফোর্সড সেল বন্ধ করতে অনুরোধ করে। তাদের সে অনুরোধ রাখতে গিয়ে একদিকে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর যেমন অর্থ আটকে গেছে, অন্যদিকে সময়মতো ফোর্সড সেল না করায় ঋণ গ্রহণকারী বিনিয়োগকারীর লোকসান আরো বেড়েছে। Source : বণিক বার্তা
  • ৯ দিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজার
    কোরবানির ঈদ, দুর্গাপূজা এবং সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ৯ দিনের জন্য বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজার। ৩ অক্টোবর থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত লেনদেন বন্ধ এবং অফিসিয়াল কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে। ১২ অক্টোবর থেকে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।জানা গেছে, ৩ ও ৪ অক্টোবর সাপ্তাহিক ছুটি, এরপর ৫ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি ছুটি, পরে ২ দিন লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। এরপর আবারও ২ দিন সাপ্তাহিক ছুটির কারণে লেনদেন বন্ধ থাকবে। সব মিলিয়ে ৯ বন্ধের পর ১২ অক্টোবর থেকে নিয়মিত লেনদেন শুরু হবে। এছাড়া রমজানের ঈদেও শেয়ারবাজার ৯ দিন বন্ধ ছিল।  Source : যুগান্তর
  • ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বিষয় তদন্তে কমিটি গঠন
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।বিএসইসির পরিচালক আবুল কালামকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কমিশন। প্রতিষ্ঠানটির পুরো ব্যবসায়িক কার্যক্রম তদন্ত করবে এ কমিটি। প্রতিষ্ঠানটির ফ্লাইট কার্যক্রম বন্ধ হওয়া, নতুন পরিচালনা পর্ষদ, আবার ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ফিরে আসা এবং বর্তমানে পুঁজিবাজারে লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি। আগামী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এদিকে ফ্লাইট পরিচালনায় অর্থাভাবের কারণে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইউনাইটেডে এয়ারওয়েজের সব ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দুই দিন পর শনিবারে আবারও প্রতিষ্ঠানটির ফ্লাইট কার্যক্রম চালু হয়। কোম্পানিটির কাছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ৮৪ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে।এছাড়া জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ ও লিজ ভাড়া বাবদ ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের আরো প্রায় ৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন। অব্যবস্থাপনার অভিযোগে গত ২২ সেপ্টেম্বর পরিচালকদের চাপের মুখে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরী পদত্যাগ করেন। Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • ডিএসইতে টানা ৯ দিনে সূচক বেড়েছে ৩৬৩ পয়েন্ট
    শেয়ারবাজারে টানা নয় কার্যদিবস ধরে সূচক বাড়ছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নয় দিনে সূচক বেড়েছে ৩৬৩ পয়েন্ট। এতে ডিএসইর প্রধান সূচক ৫ হাজার পয়েন্ট ছাড়িয়ে গেছে। এ সময়ে লেনদেনও হচ্ছে হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। লেনদেন হচ্ছে মূলত বড় মূলধনী কোম্পানিগুলো ঘিরে। লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো মবিল যমুনা, স্কয়ার ফার্মা, ডেল্টা লাইফ, বেক্সিমকো ফার্মা, গ্রামীণ ফোন এবং বেক্সিমকো। তথ্যে দেখা গেছে, রবিবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৯৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১০১ কোটি ২৯ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩০১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৮টির, কমেছে ১০৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টি কোম্পানির শেয়ারের। অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০১ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৭১৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৭১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ১ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৩৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৩টির কমেছে ৯৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টি কোম্পানির শেয়ারের। ডিএসই জানিয়েছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জ্বালানি ও বিদ্যুত্ খাতের কোম্পানি বরকতউল্লাহ ডায়নামিকস লিমিটেডের শেয়ার দর সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক হারে বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। দর বৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে ডিএসইর দেয়া নোটিসের প্রেক্ষিতে কোম্পানিটি এ তথ্য জানিয়েছে। এ ছাড়া, প্রকৌশল খাতের কোম্পানি কে অ্যান্ড কিউ লিমিটেডের শেয়ারদর সাম্প্র্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক হারে বাড়ার পেছনেও কোনো কারণ নেই। ডিএসইকে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • শেয়ারবাজারে দর সংশোধন
    শেয়ারবাজারে টানা নয় কার্যদিবস সূচক বাড়ার পর গতকাল সোমবার কিছুটা দর সংশোধন হয়েছে। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার সোমবার দর কমার পাশাপাশি কমেছে মোট লেনদেনও। মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতার কারণেই বাজারে দর পতন হয়েছে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ক্ষুদ্র মূলধনী কোম্পানিগুলোর দর কমেছে গড়ে ১ দশমিক ৪ শতাংশ। ঈদ উল আযহাকে কেন্দ্র করে বাজার থেকে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতাও বাজারে দর পতনের একটি কারণ বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৯৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৯০২ কোটি ৬২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৯৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বা প্রায় ১৮ শতাংশ কম। লেনদেনকৃত ৩০১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৭টির, কমেছে ১৭৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৮০ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৬৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৬৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৬ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২২৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬২টির কমেছে ১৪৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭৩টি কোম্পানির শেয়ারের।এদিকে লেনদেনের প্রথম দিনে ১৩৯ শতাংশ বা ৪১ দশমিক ৮ টাকা দর বেড়েছে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেডের। কোম্পানিটির ৪৫ লাখ ৬০ হাজার ৮০০টি শেয়ার ৩৩ কোটি ৫৯ লাখ ৩৩ হাজার ২০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজার থেকে মোট ৩৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। অভিহিত মূল্য ১০ টাকার সঙ্গে ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৩০ টাকা।ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ১২টায় সিলেটের দোপাদিঘিরপাড়ে অবস্থিত হাজী কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটির এজিএমে ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদন হতে পারে। এর আগে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে। Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • ৫০ কোটি টাকার মামলা খেলো ইউনাইটেড এয়ার
    ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, এর কর্মকর্তা ও এক সচিবসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কারা হয়েছে। সোমবার ডিসিসিআই এর সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক ৫ জন বাদী হয়ে ঢাকার প্রথম যুগ্ম-জেলা জজ আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অপর বাদীরা হলেন রফিকুল ইসলাম, নারগিস আক্তার, মকবুল হোসেন, সোহানুর রহমান সেলিম।মামলার বিবাদীরাহলেন, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ লিঃ, ব্যাস্থাপনা পরিচালক, চেয়ারম্যান, ব্যাবস্থাপক (সেলস এডমিন), ম্যানেজার অপারেশন, এয়ার ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরিস্টস এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের সচিব ও সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান।মামলার অভিযোগে জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বিমানযোগে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য ২১ সেপ্টেম্বর ৫টি টিকেট ক্রয় করে। ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানীর সাথে জমি ক্রয় সঙ্ক্রান্তে একটি চুক্তি হওয়ার কথা ছিল।গত ২৪ সেপ্টেম্বর যাওয়ার উদ্দেশ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে বোর্ডিং পাশ সংগ্রহ করার পরে বাদী জানতে পারে যে, ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়েছে। এয়ারওয়েজ কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের তথ্য প্রদান না করেই ফ্লাইটটি বাতিল করায় তারা মালয়েশিয় কোম্পানীর সাথে চুক্তি করতে না পারায় তাদের ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়।তবে মামলাটিতে প্রয়োজনীয কোর্ট ফি দাখিল না করায় ওই আদালতের বিচারক মো. ফজলে এলাহী আগামি ১৬ অক্টোবর প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেছেন। অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম বাদীপক্ষে মামলাটি দায়ের করেন। Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
View All
Latest DSE News
  • RUPALIINS

    Credit Rating Information and Services Limited (CRISL) has announced the CPA (Claim Paying Ability) Rating of the Company as &quot;AA&quot; along with a stable outlook in consideration of audited financials of the Company up to December 31, 2013, unaudited financial up to June 30, 2014 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to the date of rating declaration.

  • SANDHANINS

    The Company has informed that it has credited the bonus shares for the year ended on December 31, 2013 to the respective shareholders' BO Account on October 01, 2014.

  • DSE NEWS

    Today's (01.10.2014) Total Trades: 158,992; Volume: 193,652,317 and Turnover: Tk. 9,771.20 million.

  • Market - End of Day

  • SANDHANINS

    In response to a DSE query, the Company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the Company for recent unusual price hike.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
PRAGATILIF 101.00 92.00 9.00 9.78
SAPORTL 57.80 52.70 5.10 9.68
POPULARLIF 200.80 183.40 17.40 9.49
PROGRESLIF 100.80 92.60 8.20 8.86
SANDHANINS 71.30 65.70 5.60 8.52
MITHUNKNIT 97.20 90.70 6.50 7.17
RUPALILIFE 55.40 51.90 3.50 6.74
MEGHNALIFE 110.80 103.80 7.00 6.74
TAKAFULINS 28.90 27.10 1.80 6.64
PLFSL 27.70 26.00 1.70 6.54

OUR SERVICE

 

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297