Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
MJLBD 117.1 98.6 18.50 18.76
LAFSURCEML 112.8 96.8 16.00 16.53
BSRMSTEEL 97.5 84 13.50 16.07
BEXIMCO 39.2 34.5 4.70 13.62
AAMRATECH 35.5 31.5 4.00 12.70
BXPHARMA 47.4 42.4 5.00 11.79
PREMIERCEM 95.1 85.2 9.90 11.62
MATINSPINN 50.8 45.7 5.10 11.16
MAKSONSPIN 15.5 14 1.50 10.71
PROVATIINS 23 20.9 2.10 10.05

Contest SB2014_Aug

1st
blank_person
MEHEDIARAFAT82
2nd
blank_person
SOJAN00762
3rd
blank_person
SHIMUL
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
BSRMSTEEL 97.5 93 2.85850 3500500.00
BEXIMCO 39.2 37.5 1.89899 12413300.00
BXPHARMA 47.4 45.8 1.09390 1838750.00
IDLC 57.8 55.2 0.97176 1582400.00
HEIDELBCEM 511.2 504.2 0.73512 175050.00
Negative impact
GP 330.3 333.6 -8.28190 824400.00
SQURPHARMA 275.7 278 -2.06044 984390.00
BSCCL 170.5 173.8 -0.91948 725700.00
SUMITPOWER 36.2 36.8 -0.75861 1555200.00
TITASGAS 83 83.4 -0.73543 1169000.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
BEXIMCO 39.2 39.9 37.1 4.53% 483.14
MJLBD 117.1 118.5 108.6 7.93% 481.95
BSRMSTEEL 97.5 98 92.2 4.84% 336.15
KPPL 43.1 44.5 40.2 9.67% 314.12
GP 330.3 337.5 329 -0.99% 274.11
SQURPHARMA 275.7 279.4 273.7 -0.83% 271.74
ACI 341 344.9 335 2.28% 217.82
LAFSURCEML 112.8 114.6 110 -0.79% 207.86
BSC 622 629.5 609.5 1.72% 183.75
BSCCL 170.5 175.7 167.9 -1.90% 123.81

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 21 Aug 2014

127711
TOTAL TRADE
133.9678
TOTAL VOLUME(Mn)
6321.35
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • শাহজিবাজার ও ফার কেমিক্যালের দর বাড়ার কারণ তদন্তের সময় বাড়ল
    ডেস্ক রিপোর্ট : কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শাহজিবাজার পাওয়ার ও ফার কেমিক্যালের শেয়ার দর অস্বাভাবিকহারে বাড়ার কারণ তদন্তের সময় বাড়ানো হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনায় গঠিত তদন্ত কমিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বুধবার বিকেলে এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, গত ৩ আগস্ট শাহজিবাজার পাওয়ার ও ফার কেমিক্যালের শেয়ার দর অস্বাভাবিকহারে বাড়ার কারণ অনুসন্ধানে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করতে বলা হয়। সে হিসেবে গত ১৭ আগস্ট প্রতিবেদন দাখিলের শেষ সময় ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় কমিটি সময় বাড়ানোর আবেদন জানায়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন ফার কেমিক্যালের তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ২৪ আগস্ট ও শাহজিবাজার পাওয়ারের প্রতিবেদন ২৫ আগস্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে। প্রসঙ্গত, ফার কেমিক্যালের শেয়ারের দর অস্বাভাবিকহারে বাড়ার কারণ তদন্তের জন্য পরিচালক আবুল কালাম ও সহকারী পরিচালক ইকবাল হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ারের দর অস্বাভাবিকহারে বাড়ার কারণ উপ-পরিচালক ইউসুফ ভূঁইয়া ও সহকারী পরিচালক রাকিবুর রহমান তদন্ত করছেন। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯-এর ২১ ধারা, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩-এর ১৭(ক) ধারা ও সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ বিধিমালা, ১৯৯৫-এর বিধি ৬ অনুযায়ী, গঠিত তদন্ত কমিটি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত ফার কেমিক্যালের শেয়ার দর ১৪.৪ টাকা বা ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার দর বাড়ে ২৮ টাকা বা প্রায় ৭৭ শতাংশ, যা অস্বাভাবিক বলে মনে করে বিএসইসি।
  • পদ্মা অয়েল ও আইএবি’র সমঝোতা চুক্তি
    ডেস্ক রিপোর্ট : ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের (আইএবি) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে পদ্মা অয়েল। চুক্তি অনুযায়ী উন্মুক্ত স্থাপত্য নকশা প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে আইএবি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে পদ্মা অয়েলের ১২ তলা ভবনের নকশার জন্য। কোম্পানির নিজস্ব জমি প্লট নং ৭৯/এ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় এ ভবন নির্মাণ করা হবে
  • সপ্তাহ শেষে বেক্সিমকোর শেয়ারে চমক
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো গ্রুপের শেয়ার দরে চমক দেখা যায়। প্রায় প্রতিদিনই এই গ্রুপের শেয়ার লেনদেনের সেরা কোম্পানি এবং গেইনারে স্থান করে নিচ্ছে। একইভাবে বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বেক্সিমকোর দুই কোম্পানি গেইনারে উঠে এসেছে। কোম্পানি দুটি হচ্ছে- বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি (বেক্সিমকো) ও বেক্সিমকো ফার্মা। এছাড়া এ গ্রুপের বেক্সিমকো সিনথেটিকস এবং শাইনপুকুর সিরামিকেরও দর বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিবিধ খাতের বেক্সিমকো লেনদেনের শীর্ষ ও গেইনারের ৬ষ্ঠ স্থানে রয়েছে। এদিন শেরয়ারটির দর বেড়েছে ১ টাকা বা ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় ৩৯ টাকা ৪০ পয়সা দরে। কোম্পানির ১ কোটি ২৪ লাখ হাজার ১৩ শেয়ার ১ হাজার ১৫১ বার লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ছিল ৪৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা। বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার দর বেড়েছে ১ টাকা ৭০ পয়সা বা ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। এদিন কোম্পানির ১৮ লাখ ৩৮ হাজার শেয়ার ১ হাজার ৭৫০ বার লেনদেন হয়। যার বাজার মূল্য ছিল ৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এছাড়া বেক্সিমকো সিনথেটিক্সের ২ শতাংশ দর বেড়ে সর্বশেষ ১০ টাকা পয়সায় লেনদেন হচ্ছে। আর এই গ্রুপের শাইনপুকুর সিরামিকসের ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ দর বেড়ে ১২ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। প্রসঙ্গত, আলোচিত দুই কোম্পানি সমাপ্ত বছরে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেছে।
  • নতুন আইপিও প্রক্রিয়ায় পাইলট প্রোজেক্ট শুরু
    ডেস্ক রিপোর্ট : সেপ্টেম্বর মাসে থেকে নতুন প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়ার পাইলট প্রোজেক্ট শুরু হবে। এ লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার থেকেই মার্চেন্ট ব্যাংক, স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার ও বিনিয়োগকারীদের জন্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া ধারাবাহিকভাবে চলবে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সহযোগিতায় এ কর্মসূচি পরিচালতি হবে।সচেতনতামূলক এ কর্মসূচি আয়োজনের লক্ষ্যে গত ১৯ আগস্ট ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে (বিএমবিএ) চিঠি দিয়েছে বিএসইসি। জানা গেছে, সচেতনতামূলক কর্মসূচি কার্যক্রমের প্রথম দিন বৃস্পতিবার সকল মার্চেন্ট ব্যাংকে কর্মকর্তাদের ডাকা হয়েছে। এ দিন বিকেল ৫টায় বিএমবিএ কার্যলয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এর পর আগামী ২৪ আগস্ট ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যভুক্ত স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলারদের নিয়ে কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যভুক্ত স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলারদের নিয়ে কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। আর সব শেষে বিনিয়োগকারীদের নিয়ে এ কর্মসূচি চলবে। বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সফটওয়্যারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বিষয়ে ধারণা দেওয়া হবে। পোস্টিং ও পয়েন্টিং অবজেক্টের ওপর আলোচনা হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন কমপ্লায়েন্সের বিষয়ে ধারণা দেওয়া হবে। একইভাবে ডিএসই ও সিএসইর ব্রোকার ও স্টক ডিলারদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে এ সব বিষয়েও ধারণা দেওয়া হবে। এ সচেতনতা মূলক কার্যক্রম সেপ্টেম্বরের পরেও চলবে। আর নতুন আইপও প্রক্রিয়ার পাইলট প্রকল্প ২-৩ দফা পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বৃহস্পতিবার থেকেই নতুন আইপিও প্রক্রিয়ার পাইলট প্রকল্প চালুর বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে। প্রথমে আমরা মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে শুরু করবে। এভাবে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যভুক্ত স্টক ডিলার ও ব্রোকারদের নিয়েও এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য বিএসইসির পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিএমবিএর সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন সান্নামাত বলেন, নতুন আইপিও প্রক্রিয়ার পাইলট প্রকল্প চালুর বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি মার্চেন্ট ব্যাংকাদের দিয়ে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এ সংক্রান্ত কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। গত ১২ আগস্ট বিএসইসির ৫২৪তম সভায় সেপ্টেম্বর থেকে নতুন আইপিও প্রক্রিয়ার পাইলট প্রোজেক্ট শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়। বিএসইসির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, অনুমোদিত নতুন প্রাথমিক গণপ্র্রস্তাব (আইপিও) এর আবেদন পদ্ধতি আগামী সেপ্টেম্বর মাসে প্রথমে যে কোম্পানির চাঁদা গ্রহণ শুরু হবে তার মাধ্যমে পাইলট প্রোজেক্ট উদ্বোধন করা হবে। পাইলট প্রজেক্টে ডিএসই’র ৬৬টি ও সিএসই’র ৩৬টি ব্রোকার এবং ১৬টি মার্চেন্ট ব্যাংক অংশগ্রহণ করবে। সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জ, স্টক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংক বিয়ষটি তাদের গ্রাহকদের অবহিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। প্রসঙ্গত, গত ১৫ এপ্রিল বিএসইসির ৫১৫তম কমিশন সভায় নতুন আইপিও প্রক্রিয়ার খসড়া গাইডলাইনটির অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ১৬ এপ্রিল গাইডলাইনটির ওপর চূড়ান্ত মতামত জানাতে স্টেকহোল্ডারদের চিঠি দেওয়া হয়। ওই মতামতের ভিত্তিতে গাইডলাইনটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
  • রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এখন ‘বি’ ক্যাটাগরীতে
    ডেস্ক রিপোর্ট : বিমা খাতের কোম্পানি রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ‘বি’ ক্যাটাগরিতে নেমে গেছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ায় ক্যাটাগরি পরিবর্তন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। আগামী  ২৪ আগস্ট থেকে রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে পুঁজিবাজারে। উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর পর থেকে ২০০৯ সালে ১০ শতাংশ বোনাস, ২০১০ ও ২০১১ সালে ১৪ শতাংশ বোনাস এবং ২০১২ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল
  • অবশেষে অনেক আশার পর নতুন আইপিওর ব্রোকার হাউজ
    অবশেষে অনেক আশার পর আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) নতুন পদ্ধতির বাস্তবায়ন হচ্ছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী এরই মধ্যে যেসব ব্রোকারহাউজ ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট বা ডিপি প্রস্তুতি করেছে তাদেরকে নিয়েই শুরু হবে এ পদ্ধতি। পরবর্তীতে এটি সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে।গত ১২ আগস্ট বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫২৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিএসইর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে যে কোম্পানির চাঁদা গ্রহন করবে তার মাধ্যমে পাইলপ প্রজেক্ট শুরু হবে। নতুন এ পদ্ধতিতে অংশ নিবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ৬৬ টি, চট্টগ্রম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ৩৬ টি ট্রেকহোল্ডার প্রতিষ্ঠান ও ১৬টি মার্চেন্ট ব্যাংক। নতুন পদ্ধতি চালুর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জ, স্টক ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংককে তাদের গ্রাহকদেরকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বলেছে বিএসইসির ডিএসই ও সিএসই’র ব্রোকার হাউজগুলো হলো- এ.কে.খান সিকিউরিটিজ. ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ, ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ, এমএএইচ সিকিউরিটিজ, আদিল সিকিউরিটিজ, গ্রীনল্যান্ড ইক্যুইটিজ, রয়্যাল ক্যাপিটাল, ভিশন ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, ইটিবিএল সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ, দৌলতুন্নেসা ইক্যুইটিস, হাজী আহমদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজ, র‌্যাপিড সিকিউরিটিজ, এবি এন্ড কোম্পানি, এম-সিকিউরিটিজ, সাকো সিকিউরিটিজ, ইমতিয়াজ হোসাইন সিকিউরিটিজ, মিঞান আব্দুর রশিদ সিকিউরিটিজ, শাহজাহান সিকিউরিটিজ, এসেঞ্জ সিকিউরিটিজ, পপুলার ইকুইটিস, মোহাম্মদ তালহা অ্যান্ড কোম্পানি, হ্যাক সিকিউরিটিজ, এশিয়া সিকিউরিটিজ, ইউনিরয়েল সিকিউরিটিজ, ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ, এসআইবিএল সিকিউরিটিজ, সালটা ক্যাপিটাল, জামাল আহমেদ সিকিউরিটিজ, হাওলাদার ইকুইটি সার্ভিসেস, ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ইত্তেহাদ সিকিউরিটিজ, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোং, কে- সিকিউরিটিজ এন্ড কনসালট্যান্টস, রোজ সিকিউরিটিজ, ডাইনামিক সিকিউরিটিজ কনস্যালটেন্টস, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ, মশিউর সিকিউরিটিজ, কসমোপলিটন ট্রেডার্স (প্রা), জয়তুন সিকিউরিটিজ ইন্টারন্যাশনাল, শাকিল রিজভী স্টক, এমেস সিকিউরিটিজ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ট্রাষ্টি সিকিউরিটিজ, মোনা ফিনান্সিয়াল কনসালটেন্সি অ্যান্ড সিকিউরিটিজ তোবারক সিকিউরিটিজ, টি.এ. খান সিকিউরিটিজ, বিএলআই সিকিউরিটিজ, পিপলস ইকুইটিস, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেষ্টমেন্ট, ইউসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, রাজ্জাক সিকিউরিটিজ, ডেল্টা ক্যাপিটাল, জি এম এফ সিকিউরিটিজ, গ্লোব সিকিউরিটিজ, ইমিনেন্ট সিকিউরিটিজ, ডিবিএল সিকিউরিটিজ, পার্কওয়ে সিকিউরিটিজ, এমটিবি সিকিউরিটিজ, এডি হোল্ডিং, পূবালী ব্যাংক সিকিউরিটিজ, মাইকা সিকিউরিটিজ, বিআরবি সিকিউরিটিজ, মডার্ন সিকিউরিটিজ, আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজ, এ এন ডব্লিউ সিকিউরিটিজ ও ওয়ান সিকিউরিটিজ । মার্চেন্ট ব্যাংক হলো- আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট, এক্সিম ইসলামী ইনভেস্টমেন্ট, ইমপেরিয়াল ক্যাপিটাল, এএফসি ক্যাপিটাল, প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, ট্রাস্ট ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট, সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস, ইউনিক্যাপ ইনভেস্টমেন্টস, এসবিএল ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, যমুনা ব্যাংক ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস, ইসি সিকিউরিটিজ, বিএলআই ক্যাপিটাল ও প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট । উল্লেখ্য, নতুন পদ্ধতি কার্যকর হলে ব্যাংকের পরিবর্তে ডিপির মাধ্যমে আইপিওর আবেদন করতে হবে বিনিয়োগকারীদেরকে। এতে আইপিও আবেদনের ঝুঁকি অনেক কমে আসবে।
  • ডি.এস.ই এক্স ইনডেক্সে শুটিং স্টার ক্যান্ডেলস্টিক
    মোঃ আশফাতুল আলমঃ  আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসইএক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে থেকেই ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতা দেখা যায় এবং দিনভর মিশ্র প্রবনতাই লক্ষ্য করা যায় এবং দিনশেষে পুনরায় বিক্রয়চাপ বৃদ্ধির ফলে নিন্মমুখি প্রবনতাই লেনদেন শেষ হয়ে সূচক ৬.৮১ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। ডি.এস.ই এক্স ইনডেক্সে আজ শুটিং স্টার ক্যান্ডেলস্টিক  লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শুটিং স্টার ক্যান্ডেলস্টিক  দ্বারা সাধারণত বাজারের ট্রেন্ড পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রকাশ পেয়ে থাকে। ডিএসই এক্স ইনডেক্স  আজ ৬.৮১ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে  ৪৫৪৭.০৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.১৪% হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪২০৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৭৩.১৫ এবং আর.এস.আই এর মান ছিল  ৬২.৩৫ অর্থাৎ আর.এস.আই ও এম.এফ.আই এর মান এখন বুলিশ জোনের কাছাকাছি অবস্থান করছে। এম.এ.সি.ডি লাইনটি এবং সিগনাল লাইনটি এখন এর মধ্যবর্তী রেখা জিরো লাইনের থেকে উপরে অবস্থান করছে। আজ এম.এ.সি.ডি লাইনের মান ছিল ৪১.০৯ এবং সিগনাল লাইনের মান ছিল ৩৪.৫৭ এবং এম.এ.সি.ডি লাইনটি সিগনাল লাইনের উপরে অবস্থান করছে। ক্যান্ডেলস্টিক বলিঞ্জার ব্যান্ডের উপরের ব্যান্ডকে প্রসারিত করে উপরের দিকে উঠার চেষ্টা করছে। ১০ দিনের এস.এম.এ এখন ২৫ দিনের এস.এম.এ এর উপরে অবস্থান করছে। আজ ডিএসইতে ১৩ কোটি ৩৯ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৬ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৬৩২.১৩ কোটি টাকা। গতকালের তুলনায় আজ ডিএসইতে লেনদেন ১০ কোটি  টাকা হ্রাস পেয়েছে। আজ ঢাকা শেয়ারবাজারে ২৯৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৮ টির, কমেছে ১৬২ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল  ২৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজ বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ০-২০ কোটি, ২০-৫০ কোটি টাকার মধ্যেকার এবং ৩০০ কোটি টাকার উপরের পরিশোধিত মূলধনের শেয়ারের লেনদেন আগেরদিনের তুলনায় ০.১৩%, ০.৯৪%  এবং ০.৩৮% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে আজ ৫০-১০০ কোটি, ১০০-৩০০ কোটি টাকার মধ্যেকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায়  আজ ০.৫৩% এবং ০.৯৩%  হ্রাস পেয়েছে। পিই রেশিও ২০-৪০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন সবচাইতে বেশি ছিল যা আগের দিনের তুলনায় ২.৫৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে আজ পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা এবং পিই রেশিও ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ২.৪১% এবং ০.১৬%   হ্রাস পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ এগিয়ে ছিল ‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় বেশ খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে আজ ‘এন’ এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন খানিকটা হ্রাস পেয়েছে।
  • বিনিয়োগকারীর লভ্যাংশে ১৫ শতাংশ কর্তন
    ডেস্ক রিপোর্ট : কোনো বিনিয়োগকারীর কর সনাক্তকরণ নাম্বার (ট্যাক্স আইডেন্ডিফিকেশন নাম্বার -টিআইএন) না থাকলে নগদ লভ্যাংশের জন্য ১৫ শতাংশ উৎসে কর দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানি লভ্যাংশ বিতরণকালে এ কর কেটে রাখবে। তবে শুধু টিআইএন হলেই হবে না, তা হতে হবে ১২ ডিজিটের। যাদের পুরনো টিআইএন এখনও ১২ ডিজিটে রূপান্তরিত হয়নি,তাদেরকে ১২ ডিজিটে রূপান্তর করতে হবে। টিআইএন থাকলে কর কাটা হবে ১০ শতাংশ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআরএ) আয় কর আইন ১৯৯৪ অনুযায়ী এটি ধার্য করা হয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের অর্থবিলে তা উল্লেখ করা হয়েছে। জানা যায়, অর্থ বিল অনুযায়ী কোনো বিনিয়োগকারীর ট্যাক্স আইডেন্ডিফিকেশন নাম্বার (টিআইএন) না থাকলে নগদ লভ্যাংশের জন্য ১৫ শতাংশ কর কেটে রাখা হবে। আর যাদের টিআইএন নাম্বার থাকবে তাদের জন্য এ কর হবে ১০ শতাংশ হারে। যা ১৯৯৪ সালের আয় কর আইনের ৫৪ নং ধারার সাব-ক্লোজ ২ এর ক্লোজ-বি এর সেকশন ১ অনুযায়ী করা হবে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানি তার শেয়ারহোল্ডারদেরকে ১২ ডিজিটের টিআইএন দেওয়ার জন্য (থেকে থাকলে) নোটিস দিয়েছে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জও বিনিয়োগকারীদের এ বিষয়ে অনুরোধ জানিয়েছে বিনিয়োগকারীদের।
  • মার্কেট বাড়লেই,রাইট ছাড়ার হিড়িক
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে তালিকাভুক্তি ও রাইট শেয়ার ছেড়ে মূলধন সংগ্রহ ও বাড়ানোর বেলায় প্রিমিয়ামের হিড়িক পড়েছে।  নতুন করে শুরু হয়েছে প্রিমিয়াম বাণিজ্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইস্যু ম্যানেজারের ভিলিজেন্স সার্টিফিকেট দিয়ে এসব কোম্পানি প্রিমিয়ামে রাইট ছাড়ে। পুঁজিবারের সাধারণ বিনিয়োগকারী ও বাজার সংশ্লিষ্টদের অনেকেরই অভিযোগ যে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ইস্যু ম্যানেজারের যোগসাজশে এ প্রিমিয়াম বাণিজ্য শুরু হয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টদের তরফ থেকে জানা যায়, আর্থিক প্রতিবেদন ও অডিট রিপোর্টের দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চারটি কোম্পানি মোট ৯৮৭ কোটি ৬২ লাখ সাত হাজার ৫২০ টাকার প্রিমিয়াম নিয়ে রাইট শেয়ার ছেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে রাইট শেয়ার ছেড়ে পাঁচটি কোম্পানি পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করার অনুমোদন পেয়েছে। কোম্পানি পাঁচটি হচ্ছে- রূপালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, আরামিট সিমেন্ট, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস, মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ। সম্প্রতি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি ও রাইট শেয়ার ছেড়ে মূলধন বাড়ানোর সময় অনুৎপাদনশীল বা প্রিমিয়াম পাওয়ার অযোগ্য কোম্পানিকে প্রিমিয়ামসহ মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয় এবং কোম্পানিগুলোর এ অনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইস্যু ম্যানেজাররা সহযোগিতা করেন বলে অভিযোগ করেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সংগঠন। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সম্প্রতি বেশ কিছু কোম্পানি রাইট শেয়ার ইস্যু করে মূলধন বাড়ানোর সময় প্রিমিয়ামসহ টাকা উত্তোলনের অনুমতি পেয়েছে। আবার অনেক কোম্পানি অতিরিক্ত হারে প্রিমিয়াম নিয়ে তালিকাভুক্ত হচ্ছে কিংবা রাইট শেয়ার ইস্যু করছে। রাইট শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহকে উভয় সংকট বলে মনে করেন বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, বিএসইসির কাছে একটা কথাই বলার আছে। তা হলো পুঁজিবাজার ঝুঁকিপূর্ণ। বুঝে-শুনে অনুমোদন দিন। কারণ বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে নতুন করে রাইটের মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হলে তারল্যসংকট সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি কোনো কোনো কোম্পানি মূলধন উত্তোলনের নামে বাজার থেকে টাকা নিয়ে ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বাজার পুরোপুরি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত রাইট শেয়ার ইস্যুর বিষয়টি স্থগিত রাখার আহ্বান জানান তিনি। মিজানুর রহমান আরো বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের নিঃস্ব করে দেয়ার এটা এক ধরনের ব্যবস্থা। প্রিমিয়ামের মাধ্যমে রাইট ছাড়ায় মার্কেটে থাকা কোম্পানিগুলোর বেশির ভাগেরই নেট অ্যাসেট ভ্যালু কমেছে। আর এর সঙ্গে যুক্ত বিএসইসিসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেয়ার চিন্তা করছি।’ এ অভিযোগের ব্যাপারে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান বলেন, পাবলিক ইস্যু আইন পুরোপুরি পরিপূর্ণ হলেই আমরা মূলত প্রিমিয়াম নিয়ে রাইট ছাড়ার অনুমতি দেই। আর যারা যোগ্য কোম্পানি তাদের প্রিমিয়াম না দিলে তো তারা মার্কেটেই থাকবে না। কাজ করে যেতে হবে। প্রিমিয়ামসহ রাইট শেয়ারের অনুমোদনের অপেক্ষায় বিএসইসির হাতে আরো আটটি কোম্পানি রয়েছে বলে জানা যায়। ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বস্ত্র, ফার্মাসিউটিক্যালস ও বিবিধ খাতের এসব কোম্পানি হলো রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, আরগন ডেনিমস লিমিটেড, আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড, আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড, গোল্ডেনসন লিমিটেড, জেএমআই সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিক্যাল, তাল্লু স্পিনিং ও জিকিউ বলপেন লিমিটেড। প্রিমিয়াম ছাড়া রাইট ছাড়ার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে সাফকো স্পিনিং, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স ও বিচ হ্যাচারি লিমিটেড। এক বছর আগেও প্রায় ১৮টি কোম্পানির রাইট প্রস্তাব জমা ছিল বিএসইসির কাছে। বাজার মন্দার কারণে ২০১১ ও ২০১২ সালে রাইট অনুমোদনের ক্ষেত্রে ধীরগতিতে এগিয়েছে বিএসইসি। তবে গত এক বছরে প্রায় ১২টি কোম্পানির আবেদন নিষ্পন্ন করা হয়েছে। আইনের বিভিন্ন শর্ত পূরণ করতে না পারায় আনেকগুলো আবেদন নাকচ হয়ে যায়। পরে এর সঙ্গে আরো নতুন কিছু কোম্পানি যুক্ত হয়। জানা যায়, রাইট শেয়ার আইনের ৩ (এফ) ও ৪(২) ধারা সঠিকভাবে প্রতিপালন না করায় একাধিক কোম্পানি অনুমোদন পায়নি। মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সাবেক সভাপতি এম এ হাফিজ বলেন, ‘রাইট শেয়ার নিয়ে আমাদের পুঁজিবাজারে বরাবরই একটা ভুল ধারণা রয়েছে। যিনি মালিক তার কাছ থেকেই তো মূলত রাইট শেয়ারের মূলধন বাড়ানো হয়। রাইট শেয়ারের মূলধন জেনারেল মার্কেট থেকে ওঠে না। তাই এটাকে আমি বাণিজ্য বলে মনে করি না।’ এ প্রসঙ্গে চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাজিদ হোসেন বলেন, ‘আমি মনে করি না রাইট শেয়ারের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করলে মার্কেটে তারল্যসংকট সৃষ্টি হবে। জনগণের হাতে প্রচুর টাকা আছে। আমার মতে, ২০১০ সালে মার্কেট ধসের পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখনো আস্থা ফিরে আসেনি। এ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগনির্ভর আমাদের পুঁজিবাজার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীল। তবে বর্তমানে ব্যাংকের বিনিয়োগ কমিয়ে ফেলা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নজরদারি আরো বেশি পুঁজিবাজারে তারল্যসংকট সৃষ্টি করছে বলে আমার মনে হয়।’ অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা কোম্পানিগুলো প্রসঙ্গে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান বলেন, কোম্পানিগুলোকে রাইট ইস্যু করার জন্য বিভিন্ন শর্ত পূরণ করতে হয়। শর্তগুলো পূরণ করার জন্য নির্দিষ্ট সময় দেয়া হয়েছে। কোম্পানিগুলোর তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। শর্তগুলো পূরণ হলেই রাইট ইস্যুর জন্য উপযুক্ত কোম্পানিকেই অনুমোদন দেয়া হয় এবং হবে।
  • এনভয় স্পিনিং কোম্পানি মিল স্থাপন করবে
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেড কর্তৃপক্ষ তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ময়মনসিংহের ভালুকায় কোম্পানির কারখানায় স্পিনিং ইউনিট স্থাপন করা হবে। জার্মানি, জাপান ও সুইজারল্যান্ড থেকে আমদানি করা হবে মিলের মেশিন ও যন্ত্রাংশ। প্রতিষ্ঠানটি বার্ষিক ১৭ হাজার ৫০০ টন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি স্পিনিং মিল স্থাপন করবে। এ মিল স্থাপনে ব্যয় হবে ৩ কোটি ডলারের মতো (বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ২২০ কোটি টাকা)। বৃহস্পতিবার কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের প্রথমভাগে স্পিনিং মিলটি উৎপাদনে যাবে। এ মিলে উৎপাদিত সুতার বড় অংশ বিদ্যমান ডেনিম ফেব্রিকস কারখানায় ব্যবহৃত হবে। উৎপাদিত পণ্যের মূল্য দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫ কোটি ডলার। তাতে বছরে ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা মুনাফা হতে পারে। বুধবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোম্পানির এ মেগা প্রকল্পের জন্য ২ কোটি ডলার যোগান দেবে এইচএসবিসি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক। বাকী ১ কোটি কোম্পানির নিজস্ব তহবিল থেকে যোগান দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানি বর্তমানে ডেনিম ফেব্রিকস উৎপাদন করছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • প্রিমিয়ার সিমেন্টের দরবৃদ্ধির কারণ নেই
    পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত প্রিমিয়ার মিলস সিমেন্ট লিমিটেডের শেয়ার দর বাড়ার কোন কারণ নেই। শেয়ারটির অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চাইলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এমনটাই জানায় ডিএসইকে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, প্রিমিয়ার সিমেন্টের অস্বাভাবিক দর বাড়ার পেছনে কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই নোটিস পাঠায়। এর জবাবে কোম্পানিটি মঙ্গলবার ডিএসইকে জানায়, কোন রকম মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারটির দর বাড়ছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ৪ কার্যদিবস ধরে শেয়ারটির দর ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ৯৬ টাকা পর্যন্ত ওঠে। অর্থ্যাৎ এর মাঝে শেয়ারটির দর ১১ টাকা বা ১৩ শতাংশ বেড়েছে। আর কোম্পানির এই দর বাড়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই।   সায়হাম কটনের লভ্যাংশনির্ধারণী সভা আহ্বানঅর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ স্টক এক্সচেঞ্জের লিস্টিং রেগুলেশন-৩০ অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদের লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা আহ্বান করেছে সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড। বুধবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ২৮ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টায় এ কোম্পানির বোর্ডসভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।   রেকর্ড ডেট পরবর্তী ১০ ফান্ডের লেনদেন শুরু আজঅর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ রেকর্ড ডেটের পরে আজ বৃহস্পতিবার ১০ মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন চালু হবে। ফান্ডগুলো আগের মতো যথারীতি নিয়মে লেনদেন করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।প্রসঙ্গত, লভ্যাংশসংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের কারণে বুধবার ১০ মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন বন্ধ ছিল। ফান্ডগুলো হচ্ছে- আইসিবি সোনালী ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, আইএফআইএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি থার্ড এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, প্রাইম ফিন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, প্রাইম ব্যাংক ফার্স্ট আইসিবি এএমসিএল মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি সেকেন্ড এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি ফার্স্ট এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড এবং আইসিবি ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড।উল্লেখ্য, সমাপ্ত অর্থবছরে আলোচিত ফান্ডগুলো লভ্যাংশ দিয়েছে।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • বীমা কোম্পানির মুনাফায় চমক শেয়ার দরে প্রভাব নেই
    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ বীমা কোম্পানি চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে মুনাফায় চমক দেখিয়েছে। অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন) শেষে তালিকাভুক্ত ১৯টি বীমা কোম্পানি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। অনিরীক্ষিত এ প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৪টি কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে। বাকি পাঁচটি কোম্পানির মুনাফা আগের বছরের একই সময়ে তুলনায় কমেছে। তবে মুনাফায় চমক থাকলেও সেই অনুপাতে কোম্পানিগুলোর শেয়ার দরে প্রভাব নেই। উল্টো আগের তুলনায় কোম্পানিগুলো শেয়ার দর হারিয়েছে। মুনাফা বেড়ে যাওয়া কোম্পানিগুলো হলো : রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স ॥ ছয় মাস শেষে করপরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে চার কোটি নয় লাখ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৬৩ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল চার কোটি চার লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ১ দশমিক ৬১ টাকা। পুরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ॥ কোম্পানিটির আয় বেড়েছে এক কোটি ৫১ লাখ টাকা। মুনাফা হয়েছে এক কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আর ইপিএস হয়েছে দশমিক ৪৬ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৭ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল দশমিক ২০ টাকা। জনতা ইন্স্যুরেন্স ॥ চলতি বছরের ৩০ জুন (জানুয়ারি-জুন ’১৪) জনতা ইন্স্যুরেন্সের করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। আর ইপিএস হয়েছে দশমিক ৫০ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ০ দশমিক ৩৭ টাকা। অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স ॥ করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে দশমিক ৯৯ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২ কোটি ১৪ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল দশমিক ৮৫ টাকা। সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স ॥ মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১ দশমিক ৫৭ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ১ দশমিক ১৮ টাকা। ফনিক্স ইন্স্যুরেন্স ॥ অর্ধবার্ষিকে মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর ইপিএস হয়েছে ২ দশমিক ১৫ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৭ কোটি ৯ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ১ দশমিক ৭৫ টাকা। প্যারামাউন্ড ইন্স্যুরেন্স ॥ করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা। আর ইপিএস হয়েছে দশমিক ৬৫ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল দশমিক ৫৮ টাকা। ইসলামী ইন্স্যুরেন্স ॥ করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আর ইপিএস হয়েছে দশমিক ৯৮ টাকা। আগের বছর যা ছিল ১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল দশমিক ৮৮ টাকা। ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স ॥ জানুয়ারি-জুন শেষে নিট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আর ইপিএস ১ দশমিক ৪২ টাকা। আগের বছর যা ছিল ৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ১ দশমিক ২৮ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির আয় বেড়েছে ৫৩ লাখ টাকা। স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স ॥ কোম্পানিটির আয় বেড়েছে ৫৫ লাখ টাকা। করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। আর ইপিএস ১ দশমিক ৫০ টাকা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ১ দশমিক ৩০ টাকা। সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স ॥ কোম্পানিটির করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় দশমিক ৮৭ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা এবং ইপিএস দশমিক ৮০ টাকা।নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ॥ এ কোম্পানির আয় বেড়েছে ৭ লাখ টাকা। মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় ২ দশমিক ০৭ টাকা। আগের বছর ছিল ৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ২ দশমিক ০৪ টাকা। কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স ॥ করপরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৮৬ লাখ। আর ইপিএস ১ দশমিক ৫৫ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা এবং ইপিএস ১ দশমিক ৪৩ টাকা।রূপালী লাইফ ॥ জীবন বীমা তহবিল বেড়েছে ১১ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির মোট বীমা তহবিল দাঁড়িয়েছে ৩১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে ছিল বীমা তহবিল বেড়েছিল ২২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। তখন মোট বীমা তহবিল ছিল ২৯৭ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।মুনাফা কমে যাওয়া পাঁচটি কোম্পানি হচ্ছে- ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স ॥ অর্ধবার্ষিকে করপরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। আর ইপিএস হয়েছে ১ দশমিক ২১ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ১ দশমিক ৫৬ টাকা। সে হিসেবে কোম্পানিটির আয় কমেছে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।প্রাইম ইন্স্যুরেন্স ॥ কোম্পানির মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে দশমিক ৬৪ টাকা। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল দশমিক ৯৪ টাকা। প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স ॥ নিট মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। আর ইপিএস হয়েছে দশমিক ৭৬ টাকা। আগের বছর যা ছিল ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং ইপিএস ছিল ১ দশমিক ০২ টাকা। গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স ॥ করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। আর ইপিএস হয়েছে দশমিক ৮৩ টাকা। যা আগে ছিল ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং ইপিএস দশমিক ৯১ টাকা। মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স ॥ অর্ধবার্ষিকে করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা ও প্রতি শেয়ারে আয় ১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ও ১ দশমিক ০১ টাকা।     Source :  দৈনিক জনকণ্ঠ
  • টান লেগেছে লেনদেনে অভিষেকেই চমক খুলনা প্রিন্টিংয়ের
    দেশের পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন সামান্য কমেছে। বুধবার ডিএসইতে ডিএসইএক্সের সূচক ২২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৫৫৩ পয়েন্টে। ডিএসইতে ৬৪২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনে অংশ নিয়েছে ২৮৪টি কোম্পানির শেয়ার। দর বেড়েছে ৮৭টির, কমেছে ১৬৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক ৪২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ৫৮ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ২১৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এরমধ্যে দর বেড়েছে ৫২টির, কমেছে ১৩৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টির। এদিকে, পুঁজিবাজারে অভিষেক ঘটা খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের শেয়ারটি ২ টাকা ৮ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ দর বেড়ে গেইনারের শীর্ষে রয়েছে। শেয়ারটি লেনদেনের সেরা কোম্পানির তালিকায়ও স্থান করে নিয়েছে। কোনো প্রিমিয়াম না থাকায় বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক রয়েছে খুলনা প্রিন্টিংয়ের শেয়ারের দিকে।     Source : যায়যায় দিন
  • প্লাস্টিক খাতে দক্ষতা বাড়াতে যাত্রা শুরু বিআইপিইটির
    প্লাস্টিক খাতে দক্ষ জনবল তৈরি করতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বিআইপিইটি)। গতকাল রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে বিপিজিএমএই’র কার্যালয়ে এর উদ্বোধন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সংগঠনটি প্রথমে ইনজেকশন মোডিং মেশিন অপারেটর অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স কোর্স শুরু করবে। পর্যায়ক্রমে টেকনিশিয়ান কোর্সসহ এ বিষয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও করা হবে। মাসব্যাপী এই কোর্সে প্রথমে ২৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। এরপর শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।সংগঠনের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, দক্ষ জনবলের অভাবে বাংলাদেশের প্লাস্টিক সেক্টরে অগ্রগতি হচ্ছে না। এ খাতে ব্যাপক উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরেও পণ্য রফতানি করার যথেষ্ট সুযোগ আছে প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিতে।প্লাস্টিক খাত এখনও সুসজ্জিত। অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রি মুখ থুবড়ে পড়লেও ভালো ব্যবস্থাপনা থাকার কারণে এ খাতটি এখনও টিকে আছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, শুধু সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্লাস্টিক খাতের ওপর একটি সাবজেক্ট রয়েছে। এ ছাড়া আর কোথাও এর ওপর কোনো সাবজেক্ট নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ ধরনের সাবজেক্ট অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।জসিম উদ্দিন বলেন, এই প্রশিক্ষণের পর শিক্ষার্থীরা দক্ষ হয়ে উঠবে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের কাজের সুযোগ হবে। তবে এই ট্রেনিং সেন্টার যদি স্থানীয়ভাবে করা যেত তাহলে কর্মসংস্থানের আরও সুযোগ হতো বলে মনে করেন তিনি।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিপিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি মো. ইউসুফ আশরাফ, ফেরদৌস ওয়াহিদ, শামিম আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কেএম ইকবাল হোসেন প্রমুখ। -     Source : সকালের খবর 
  • উভয় বাজারে সূচক পতন
    গতকাল দেশের উভয় পুঁজিবাজারে মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। এ ছাড়া লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২২.৫০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৫৫৩.৮৬ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৮৪টি কোম্পানি ও মিউ. ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৮৭টির, কমেছে ১৬৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির। বুধবার ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেন হয়েছে ৬৪২ কোটি টাকা। যার পরিমাণ মঙ্গলবার ছিল ৭৪২ কোটি ৫৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার। সে হিসেবে বুধবার ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ১০০ কোটি টাকার। বুধবার সবচেয়ে বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেডের। এ দিন এ কোম্পানির ৯৮ লাখ ২৬,৯০০টি শেয়ার ৩৭ কোটি ২৬ লাখ ৮৭,৭০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক ২২.৬৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮৫৫৮.৭৪ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২১৬টি কোম্পানি ও মিউ. ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৫২টির, কমেছে ১৩৬টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টির। বুধবার টাকার পরিমাণে সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৯ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।      যার পরিমাণ মঙ্গলবার ছিল ৫৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। সে হিসেবে বুধবার ৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকার লেনদেন কম হয়েছে।        Source : মানবব্জমিন
  • ডিএসইতে লেনদেন কমেছে সাড়ে ১৩ ভাগ
    শেয়ার বাজারে গতকাল বুধবার লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কমে গেছে। একদিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন কমেছে ১০০ কোটি টাকারও বেশি। অর্থাত্ সাড়ে ১৩ ভাগ লেনদেন কমেছে ডিএসইতে। তবে এদিনও লেনদেনে প্রাধান্য দেখা গেছে চারটি খাতের। খাতগুলো হলো জ্বালানি, ওষুধ, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিবিধ খাত। সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে জ্বালানি খাতে। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ১০৬ কোটি টাকা। যা ডিএসই'র মোট লেনদেনের সাড়ে ১৬ শতাংশেরও বেশি।   তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই'র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২২ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৫৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭২৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৪২ কোটি ৮২ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১০০ কোটি ৫২ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৮৪টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৭টির, কমেছে ১৬৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ১০০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১০ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৩২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭২টির, কমেছে ১৪০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি কোম্পানির শেয়ারের।   ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, অস্বাভাবিক হারে শেয়ার দর বাড়ার কোনো কারণ নেই বলে ডিএসইকে জানিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রিমিয়ার সিমেন্ট লিমিটেড। শেয়ারের দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, কোন রকম মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারটির দর বাড়ছে। বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ৪ কার্যদিবস ধরে শেয়ারটির দর ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ৯৬ টাকা পর্যন্ত ওঠে।     Source : ইত্তেফাক রিপোর্ট
  • ৬৬% মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন অভিহিত মূল্যের নিচে
    আগের বছরের তুলনায় ভালো লভ্যাংশ ঘোষণা করলেও মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বিনিয়োগকারীর আগ্রহ হারাচ্ছে। বর্তমানে তালিকাভুক্ত ফান্ডের মধ্যে ৬৬শতাংশ লেনদেন হচ্ছে অভিহিত মূল্যের নিচে। এরমধ্যে কয়েকটি ফান্ডের লেনদেন অভিহিত মূল্যের অর্ধেকে নেমে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের দক্ষতার অভাবে খাতটির ওপর আস্থা হারাচ্ছে বিনিয়োগকারীরা।   এদিকে টানা দরবৃদ্ধির পর বিনিয়োগ নিরাপদ রাখতে মুনাফা তোলার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই সৃষ্ট বিক্রয় চাপের কারণে অধিকাংশ শেয়ারদর হারিয়েছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যাস অব্যাহত থাকায় বড় দরপতন হয়নি। গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচকটি কমেছে ২২ পয়েন্ট। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) একই পরিস্থিতি দেখা গেছে।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই মূল্য সংশোধনের প্রভাবে বেশির ভাগ শেয়ারদর হারায়। তবে অধিকাংশ শেয়ারদর হারালেও বড় মূলধনি কিছু শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে সূচক বাড়তে দেখা যায়। যদিও এ প্রবণতা আধ ঘণ্টাও স্থায়ী হয়নি। বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় বিক্রয় চাপ বাড়তে থাকায় বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচকও নিচে নামতে থাকে। তবে মুনাফার অর্থ পুনর্বিনিয়োগ করায় বিক্রয় চাপ তুলনামূলক কমে যায়। সিমেন্ট, টেলিযোগাযোগ, বস্ত্র, প্রকৌশলসহ কয়েকটি খাতের টানা ঊর্ধ্বগতির পর গতকাল সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর শেয়ারের মূল্য সংশোধন হয়েছে। এছাড়া হিসাব বছর শেষ হওয়ায় জ্বালানি খাতে বিনিয়োগকারীর ঝোঁক বৃদ্ধি পাচ্ছে।এরই মধ্যে দু-একটি বাদে প্রায় সব মিউচুয়াল ফান্ড লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে একমাত্র এলআর গ্লোবাল আ্য্যসেট ম্যানেজমেন্ট পরিচালিত একটি ফান্ড লভ্যাংশ ঘোষণা করতে ব্যর্থ হয়েছে। তবে লভ্যাংশ ঘোষণা করলেও খাতটির প্রতি বিনিয়োগকারীর আস্থা কমে যাওয়ায় অধিকাংশ ফান্ডই বাজার মূলধন হারিয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হচ্ছে সম্পদমূল্যের চেয়ে কম দরে। গতকাল পর্যন্ত ৪১টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৭টির লেনদেন হচ্ছে অভিহিত মূল্যের চেয়ে কম দরে। এমনকি ১৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হচ্ছে অভিহিত মূল্যের অর্ধেক মূল্যে। গতকাল মিউচুয়াল ফান্ড খাতে কেনাবেচা হয়েছে মাত্র ৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, যা ডিএসইর মোট কেনাবেচার মাত্র ১ দশমিক ৩৮ শতাংশ।   গতকাল ডিএসইতে ৫৮ শতাংশ শেয়ারের দরহ্রাসে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২২ দশমিক ৫০ পয়েন্ট কমে ৪৫৫৩ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট ও ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৬ দশমিক ১৮ পয়েন্ট কমে ১৭২৭ দশমিক ৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতে কেনাবেচা হওয়া ৬৪ শতাংশ শেয়ারদর হারিয়েছে। এতে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫০ পয়েন্ট কমলেও সেরা কোম্পানি নিয়ে তৈরি সিএসই-৩০ সূচকটি কমেছে মাত্র শূন্য দশমিক ৬৮ পয়েন্ট।   গতকাল বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় বেশির ভাগ খাত বাজার মূলধন হারালেও তথ্যপ্রযুক্তি, ট্যানারি, বিবিধ ও জ্বালানি খাতের শেয়ারের গড় মূল্য বেড়েছে। বিপরীতে সবচেয়ে বেশি মূল্য সংশোধন হয়েছে টেলিযোগাযোগ খাতে। গতকাল এ খাতটির বাজার মূলধন প্রায় দেড় শতাংশ কমেছে। এছাড়া ভ্রমণ ও অবকাশ, সিমেন্ট, সেবা ও বীমা খাত ১ শতাংশের বেশি দর হারিয়েছে।   শেয়ারবাজারে মূল্য সংশোধনের ধারা অব্যাহত থাকায় স্বাভাবিকভাবে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৬৪২ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১০০ কোটি ৫২ লাখ টাকা কম। অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ৪৯ কোটি ৩৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড, যা আগের দিনের চেয়ে ৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা কম। বুধবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৮৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৭টির, কমেছে ১৬৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টি কোম্পানির শেয়ারের। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২১৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৬টির, কমেছে ১৩৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ারের।     Source : বণিক বার্তা
  • ব্যাংক এশিয়া উদ্যোক্তার শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক এশিয়ার উদ্যোক্তা শাফিউদ্দীন চৌধুরী তার ধারণকৃত ৬৭ লাখ ১৩ হাজার ৯৬৪টি শেয়ারের মধ্যে ৬৪টি বাদে বাকি সব শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।   বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে দশমিক ৫৭ শতাংশ বা ১০ পয়সা। সারা দিন দর ১৭ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ১৭ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ ১৭ টাকা ৫০ পয়সায় এর লেনদেন হয়, যা দিন শেষে দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৪০ পয়সায়। আগের কার্যদিবসে এর সর্বশেষ দর ছিল ১৭ টাকা ৬০ পয়সা। এদিন ৪৮ বারে এর ৩ লাখ ৫০ হাজার ৫০০ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ১৭ টাকা ৪০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৮ টাকা ৪০ পয়সা। ছয় মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ১৭ টাকা ও সর্বোচ্চ দর ২০ টাকা ৭০ পয়সা।   ২০০৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক এশিয়ার অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও ৭৬৩ কোটি টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৬৯২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। বাজারে শেয়ারসংখ্যা ৭৬ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার ৫৯৪টি; যার মধ্যে ৪৭ দশমিক ৭১ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ২৯ দশমিক ২১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক ৩২ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও ২২ দশমিক ৭৬ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে।     Source : বণিক বার্তা
  • দুই কোম্পানির লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা আহ্বান
      শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানি তাদের লভ্যাংশ নির্ধারণী সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। ২৪ আগস্ট প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও সায়হাম কটনের লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা ২৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।   জানা গেছে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ ও সায়হাম কটনের পরিচালনা পর্ষদ ৩০ এপ্রিল ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনায় বসবে।   প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স: ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ২ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ৩ টাকা। দিনভর দর ১২৬ টাকা থেকে ১২৯ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১২৬ টাকায়। লেনদেন শেষে সর্বশেষ দর ছিল ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ১২৯ টাকা। গতকাল ২৩ বারে এ কোম্পানির মোট ১২ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়।   বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সাত কার্যদিবস ধরে কমছে এ শেয়ারের দর। এক মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ১১৫ টাকা ও সর্বোচ্চ ১৪৪ টাকা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ১১৫ টাকা ও সর্বোচ্চ ২৪০ টাকা।   ২০১২ সালে ৭ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয় কোম্পানি। ২০১১ সালে ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। ২০১০ সালে দেয় ১২ শতাংশ বোনাস।     সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড: ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে ৩ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ বা ৭০ পয়সা। সর্বশেষ লেনদেন হয় ২২ টাকা ১০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সর্বশেষ দর ছিল ২২ টাকা ৩০ পয়সা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ২২ টাকা ৮০ পয়সা। গতকাল ২৫৭ বারে এ কোম্পানির মোট ৩ লাখ ৫৪ হাজার ২৫০টি শেয়ার লেনদেন হয়।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দুই কার্যদিবস ধরে কমছে এ শেয়ারের দর। এর আগে টানা তিন কার্যদিবস শেয়ারটির দরে ছিল নিম্নমুখী প্রবণতা। এক মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ২১ টাকা ৯০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৩ টাকা ৬০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ২১ টাকা ১০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২৫ টাকা ১০ পয়সা।     Source : বণিক বার্তা
  • আজ থেকে স্পট মার্কেটে ২ মিউচুয়াল ফান্ড
    সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট পরিচালিত দুই ফান্ডের লেনদেন আজ স্পট ও ব্লক মার্কেটে শুরু হবে। চলবে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত। ফান্ড দুটি হলো এনএলআই ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ও এসইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। ২৫ আগস্ট রেকর্ড ডেটের কারণে এদের লেনদেন বন্ধ থাকবে গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে।   এনএলআই ফার্স্ট: ফান্ডটি ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেবে। ৩০ জুন ২০১৪ সালের সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কর-পরবর্তী নেট মুনাফা ৭ কোটি ৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা ও ইউনিটপ্রতি আয় ১ টাকা ৪১ পয়সা।   ডিএসইতে গতকাল এ ফান্ডের দর বেড়েছে ৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ বা ৩০ পয়সা। সর্বশেষ ৯ টাকা ২০ পয়সায় এ শেয়ারের লেনদেন হয়। দিন শেষে ফান্ডের দর দাঁড়ায় ৯ টাকা, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ৮ টাকা ৯০ পয়সা। এদিন মোট ২ লাখ ৯৪ হাজার ৫০০টি ইউনিট ৫৭ বারে লেনদেন হয়।   বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৮ টাকা ৯০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৯ টাকা ৪০ পয়সা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৮ টাকা ৭০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৯ টাকা ৪০ পয়সা।   এর পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। ফান্ডটির মোট ইউনিট সংখ্যা ৫ কোটি ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮০০টি। এর অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও মার্কেট লট ৫০০ ইউনিটে। মোট ইউনিটের মধ্যে ২১ দশমিক ৮৫ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ৪৯ দশমিক ১৭ প্রতিষ্ঠান এবং ২৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।এসইবিএল ফার্স্ট: ফান্ডটির ট্রাস্টি ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ২০১৪ সালে ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে ফান্ডটির নেট মুনাফা হয়েছে ১৪ কোটি ১২ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ইউনিটপ্রতি আয় ১ টাকা ২০ পয়সা।   এদিকে ডিএসইতে গতকাল দিনভর এর দর ৮ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৯ টাকা ১০ পয়সায় ওঠানামা করে। সর্বশেষ ৮ টাকা ৮০ পয়সায় এর লেনদেন হয়। দিন শেষে এ ফান্ডের দর ৮ টাকা ৯০ পয়সা ছিল, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ৮ টাকা ৮০ পয়সা। গত এক মাসে এর সর্বনিম্ন দর ছিল ৮ টাকা ৩০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৯ টাকা। ছয় মাসে এর সর্বনিম্ন দর ৭ টাকা ৯০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৯ টাকা।       Source : বণিক বার্তা
  • সঞ্চয় ছাড়িয়ে গেছে ৪০০ কোটি টাকা
    বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে ‘স্কুল ব্যাংকিং’ কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। চলতি বছরের ছয় মাস শেষে (জানুয়ারি-জুন) সঞ্চয়ের পরিমাণ ৪০৭ কোটি ২৯ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১২৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।   স্কুল ব্যাংকিংয়ে আমানতের পাশাপাশি হিসাবের সংখ্যাও বেড়েছে। ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত দেশে কার্যরত ৫৬টি ব্যাংক ছয় লাখ ৩৯ হাজার ৪৬৫টি স্কুল ব্যাংকিং হিসাব পরিচালনা করছে। ২০১৩ সালের জুন শেষে তফসিলি ব্যাংকগুলোর স্কুল ব্যাংকিংয়ের হিসাব সংখ্যা ছিল দুই লাখ ৯৫ হাজার ৮০২টি। এ হিসাবে এক বছরে হিসাব সংখ্যা বেড়েছে তিন লাখ ৩৩ হাজার ৬৬৩টি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে চালু করা স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো এগিয়ে আছে। এ খাতের ৩০টি ব্যাংকের হিসাবে সংখ্যা চার লাখ ২৯ হাজার ৯৯৫টি। আর হিসাবে মোট স্থিতি ৩৯৩ কোটি সাত লাখ টাকা।রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এক লাখ এক হাজার ৪৬৮টি, বিশেষায়িত খাতের ব্যাংকগুলো এক লাখ ছয় হাজার ৫০৩টি, বিদেশি ব্যাংকগুলো এক হাজার ২১০টি এবং নতুন ব্যাংকগুলো ২৮৯টি স্কুল ব্যাংকিংয়ের হিসাব খুলেছে।এ সময়ে রাষ্ট্রীয় চার ব্যাংকে পাঁচ কোটি চার লাখ টাকার আমানত স্থিতি রয়েছে। পাশাপাশি বিশেষায়িত খাতের চার ব্যাংকে ছয় কোটি ৯৮ লাখ, বিদেশি ব্যাংকে এক কোটি ৭৪ লাখ ও নতুন ব্যাংকগুলোতে ৪৬ লাখ টাকার আমানত রয়েছে।আলোচ্য সময়ে সর্বোচ্চ হিসাব খুলেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। এ ব্যাংকের মোট এক লাখ ৪৯ হাজার ৯৯৭টি হিসাব রয়েছে। আর স্থিতির শীর্ষে রয়েছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড। এ ব্যাংকের ১৪৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকার স্থিতি রয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, স্কুলের শিক্ষার্থীদের আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা ও প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করতে ২০১০ সালের ২ নভেম্বর এ সেবা চালু করা হয়। ছাত্রছাত্রীদের সঞ্চয়ের অভ্যাসে উৎসাহিত করাও এ ব্যাংকিং সেবার উদ্দেশ্য। ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, বিশেষায়িত ব্যাংক, বেসরকারি ব্যাংক এবং বিদেশি ব্যাংকের মোট ২৯ হাজার ৮০টি সঞ্চয়ী হিসাবে জমা হয় ৩০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ২০১২ সালের জুনে এ হিসাব সংখ্যা বেড়ে হয় এক লাখ ৩২ হাজার ৫৩৭। এসব হিসাবে জমা হয় ৯৬ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এর পরের বছর ২০১৩ সালের জুনে এ সংখ্যা হয় দুই লাখ ২৪ হাজার ৭১৯। এ সঞ্চয়ী হিসাবে শিক্ষার্থীরা জমা করে ১২৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ উদ্যোগকে আরো বেশি জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে গত বছরের ২০ এপ্রিল ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমিতে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় ব্যাংকিং কনফারেন্স। এরপর দেশজুড়ে এমন কনফারেন্সের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।   স্কুল ব্যাংকিংয়ের আওতায় হিসাব খোলা ও পরিচালনা খুবই সহজ। ছয় থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী আগ্রহী ছাত্রছাত্রীরা তাদের মা-বাবা অথবা বৈধ অভিভাবকের সঙ্গে যৌথ নামে হিসাব খুলতে পারে। মাত্র ১০০ টাকা প্রাথমিক জমা দিয়ে বাংলাদেশের বেশির ভাগ ব্যাংক শাখায় এই হিসাব খোলা যায়। এ হিসাবে কোনো চার্জ আরোপ করা হয় না। এমনকি ন্যূনতম স্থিতি রাখার বাধ্যবাধকতাও নেই। এ কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীরা স্কুলে বেতন-ফি জমা দিতে পারবে। বৃত্তি বা উপবৃত্তির অর্থ স্কুল ব্যাংকিংয়ের আওতায় শিক্ষার্থীদের হিসাবে জমা করা যায়। তবে সেক্ষেত্রে বৃত্তি প্রদানকারী সরকার, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত কিংবা বেসরকারি সংস্থাগুলোকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করতে হবে।   Source : বণিক বার্তা
  • ব্যাংকিং খাতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা
    দেশের ব্যাংকিং খাতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। বিনিয়োগ স্থবিরতার কারণে আমানতের অর্থ ব্যাংকের ওপর বোঝা হয়ে গেছে। এ কারণে ব্যাংক আমানতকারীদের নিরুৎসাহিত করতে সুদের হার কমিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে ব্যাংকের আমানত চলে যাচ্ছে সরকারের সঞ্চয়পত্রে ও বিভিন্ন খাতে। এতে আমানত কমে যাচ্ছে। আর আমানত কমে যাওয়ায় ব্যাংকের বিনিয়োগ সক্ষমতা কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে ব্যবসা-বাণিজ্য মন্দার কারণে ব্যবসায়ীরা ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না। এতে বেড়ে যাচ্ছে খেলাপি ঋণ। পাশাপাশি ঋণ কেলেঙ্কারিগুলোর অর্থ আদায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে নিয়ম রক্ষার জন্য এসব খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন রাখতে হচ্ছে। আর প্রভিশন রাখা হয় ব্যাংকের আয় থেকে। ফলে ব্যাংকের প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে। নীতিমালা শিথিল করার কারণে অনেকটা ডাউন পেমেন্ট ছাড়াই প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ নবায়ন করা হয়েছে। ফলে কাগজে-কলমে আদায় বেড়ে গেছে; অর্থাৎ প্রকৃতপক্ষে ঋণের টাকা আদায় না করেও কৃত্রিমভাবে আদায় দেখিয়ে মুনাফা স্ফীত করা হচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার হলমার্ক কেলেঙ্কারি, বিসমিল্লাহ নামক কোম্পানির এক হাজার ২০০ কোটি টাকার ঋণ কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে সর্বশেষ বেসিক ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার ঋণ কেলেঙ্কারির চিত্র বেরিয়ে আসার পর শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খাত-সংশ্লিষ্টরা। এদিকে, নানা কারণে ব্যাংকিং খাতের প্রকৃত আয় কমে গেছে। ব্যাংকগুলো সাধারণ আমানতকারীদের কাছ থেকে কম সুদে আমানত গ্রহণ করে অপেক্ষাকৃত বেশি সুদে গ্রাহকদের কাছে বিনিয়োগ করে থাকে। ঋণ ও আমানতের সুদের ব্যবধানই হলো ব্যাংকের মুনাফা। এ মুনাফা দিয়ে তার পরিচালনা ব্যয় অর্থাৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা, নানা ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করার পর সরকারের ট্যাক্স দিয়ে থাকে। সরকারের কর পরিশোধ করার পর শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ বিলি বণ্টন করা হয়। তা হলে দেখা যায়, ব্যাংক ঋণ দিয়ে যত বেশি আদায় করতে পারবে, তত বেশি বিনিয়োগ করতে পারবে। তত বেশি মুনাফা করতে পারবে। রিটেইন আর্নিং বাড়বে, বাড়বে মূলধন। ব্যাংকের ভিত্তি শক্তিশালী হবে। কিন্তু গত ডিসেম্বরের আগে বলা চলে কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই ঋণ নবায়নের সুযোগ দেয়া হয়। যুক্তি দেখানো হয়েছিল, গত বছরের বিরোধী দলের আন্দোলনের কারণে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ কারণে তারা ঋণ পরিশোধ করতে পারেননি। ঋণখেলাপি হয়েছেন। এ জন্যই এ সুযোগ দেয়া হলো। সুযোগ কার্যকর ছিল গত ৩০ জুন পর্যন্ত। এ সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিনের পুরনো খেলাপি ঋণও অনেকটা ডাউন পেমেন্ট ছাড়াই নবায়ন করা হয়। এক হিসাবে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ নবায়ন করা হয় কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী খেলাপি ঋণ নবায়ন করতে হলে, একটি নির্ধারিত পরিমাণ ডাউন পেমেন্ট অর্থাৎ আগাম খেলাপি ঋণের একটি অংশ পরিশোধ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক একটি নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দিতে পারত; অর্থাৎ এক বছর বা ছয় মাসের মধ্যে যারা ঋণখেলাপি হয়েছেন, তাদের ঋণ নবায়ন করার সুযোগ দেয়া হবে। কিন্তু নীতিমালা শিথিল করার সময় এ ধরনের কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়নি। এর ফলে ঢালাওভাবে খেলাপি ঋণ নবায়ন করা হয়। আর নবায়ন করার অনুমোদন দেয়া হয় যারা নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই বিভাগ থেকে। অথচ এতদিন বড় অঙ্কের ঋণ নবায়ন করার অনুমোদন দিত অন্য বিভাগ।  ব্যাংকাররা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সার্কুলারে ব্যাংকের প্রকৃত আদায় কমে গেছে। আদায় বেড়েছে কাগজে-কলমে। এর ফলে ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কমেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে খেলাপি ঋণ কমেনি। অথচ এ সুযোগে কিছুব্যাংক খেলাপি ঋণ কম দেখিয়ে তাদের আয়কে স্ফীত করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, ১০০ টাকা আয় করতে ব্যয় হয়ে যাচ্ছে ৭৮ টাকা, যেখানে ২০০৯ সালে ছিল সাড়ে ৭২ টাকা। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ব্যয় সর্বাধিক হচ্ছে। সরকারি মালিকানাধীন সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের গড় ব্যয় হচ্ছে ৮৪ টাকা ৭ পয়সা, আর বিশেষায়িত ব্যাংকের ব্যয় হচ্ছে ৯৫ টাকা। দেশীয় ব্যাংকগুলোর ব্যয় হচ্ছে ৭৮ টাকা। তবে বিদেশি ব্যাংকগুলোর ব্যয় ৫০ টাকা ৪০ পয়সা হওয়ায় সামগ্রিক গড় ব্যয় কমে  নেমেছে ৭৮ টাকা। এমনি পরিস্থিতিতে অর্থনীতিবিদরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন আগামী দিনের ব্যাংকখাত নিয়ে।     Source : দৈনিক ইনকিলাব
  • সন্দেহজনক ও কুঋণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে
    কুঋণ ও সন্দেহজনক ঋণ বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে ব্যাংকগুলোতে সন্দেহজনক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭শ কোটি টাকা। আর কুঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ৪শ কোটি টাকা। জানা গেছে, বর্তমানে মোট ঋণের প্রায় ১ শতাংশই সন্দেহজনক। নিয়মানুযায়ী, গ্রাহকের ঋণের কিস্তি পরিশোধের সীমা উত্তীর্ণ হওয়ার ৬ মাস পর তা খেলাপি ধরা হয়। এ খেলাপি ঋণকে ব্যাংকের ভাষায় সাব স্ট্যান্ডার্ড ঋণ বলা হয়। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে শতকরা ২৫ শতাংশ প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চিতি) রাখতে হয়। আর কিস্তি পরিশোধের সময় অতিক্রম হওয়ার ৯ মাস পর তা সন্দেহজনক ঋণ ধরা হয়। এ ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৫০ শতাংশ প্রভিশন রাখতে হয়। আবার ঋণের কিস্তি পরিশোধের সীমা উত্তীর্ণ হওয়ার পর ১ বছর পার হলে তা মন্দ ঋণ ধরা হয়। আর এর বিপরীতে ১০০ শতাংশ প্রভিশন রাখতে হয়। মন্দ ঋণের বিপরীতে ব্যাংকের অর্জন করা সুদ আয় খাতে না দেখিয়ে আলাদা হিসাবে স্থগিত রাখা হয়। যা আর কখনো বিনিয়োগ করা যাবে না। ওই হিসাবে জুন পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর মোট খেলাপি ঋণ ৫১ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা। এরমধ্যে সন্দেহজনক ঋণ ৪ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। এছাড়া কুঋণ ৩৯ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা। সরকারি চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মোট কুঋণ ১ হাজার ১৪ কোটি টাকা। এরমধ্যে সোনালী ব্যাংকের ৩৪৮ কোটি, জনতা ব্যাংকের ৪৪৩ কোটি, অগ্রণী ব্যাংকের ১৩৭ কোটি এবং রূপালী ব্যাংকের ৮৮ কোটি টাকা সন্দেহজনক ঋণ রয়েছে।   বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মোট সন্দেহজনক ঋণ ২ হাজার ১৮ কোটি টাকা। এরমধ্যে এবি ব্যাংকের ৬ কোটি, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ৯৯ কোটি, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ২ কোটি, ব্যাংক এশিয়া ৩৫ কোটি, ব্র্যাক ব্যাংক ১০০ কোটি, ঢাকা ব্যাংক ২৩ কোটি, ডাচ-বাংলা ব্যাংক ৬৩ কোটি, ইস্টার্ন ব্যাংক ৪০ কোটি, এক্সিম ব্যাংক ১৩ কোটি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ৬৩ কোটি, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ২৪ কোটি, আইএফআইসি ব্যাংক ৮০ কোটি, ইসলামী ব্যাংক ১৭০ কোটি, যমুনা ব্যাংক ১৯৬ কোটি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ২৫ কোটি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ১২ কোটি, ন্যাশনাল ব্যাংক ৪২ কোটি, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক ৭৪ কোটি, ওয়ান ব্যাংক ৫১ কোটি, প্রিমিয়ার ব্যাংক ৪৫ কোটি, প্রাইম ব্যাংক ১১০ কোটি, পূবালী ব্যাংক ১২৪ কোটি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ২৬ কোটি, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ৪৬ কোটি, সাইথইস্ট ব্যাংক ৩২ কোটি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ১২৩ কোটি, সিটি ব্যাংক ৫৯ কোটি, ট্রাস্ট ব্যাংক ৫৩ কোটি, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ২৯০ কোটি এবং উত্তরা ব্যাংকের ৬১ কোটি টাকা সন্দেহজনক ঋণ রয়েছে। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মোট সন্দেহজনক ঋণ ১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকা। এরমধ্যে বাংলাদেশ ডেভেলপম্যান্ট ব্যাংকের ৭ কোটি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ৫৭৬ কোটি, বেসিক ব্যাংক ৮৬২ কোটি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ১৮৩ কোটি টাকা সন্দেহজনক ঋণ রয়েছে। বিদেশি ৯ ব্যাংকের মোট ঋণ ৩৯ কোটি টাকা। এরমধ্যে ব্যাংক আল ফালাহর ২ কোটি, কমার্স ব্যাংক অব সিলোনের ৭ লাখ, হাবিব ব্যাংক ১১ কোটি, এইচএসবিসি ৭ কোটি, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ১৬ কোটি, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ৪৯ লাখ এবং উরি ব্যাংকের ৫৭ লাখ টাকা সন্দেহজনক ঋণ রয়েছে।       Source : দৈনিক ইনকিলাব
View All
Latest DSE News
  • SALAMCRST

    Alpha Credit Rating Limited (AlphaRating) has rated the Company as &quot;A+&quot; in the long term and &quot;AR-3&quot; in the short term along with a stable outlook based on audited financial information of the Company up to 30th September 2013 and half yearly unaudited management report of 31st March, 2014 and relevant qualitative information up to August 21, 2014.

  • BSRMSTEEL

    In response to a DSE query, the Company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the Company for recent unusual price hike.

  • BEXIMCO

    In response to a DSE query, the Company has informed that there is no undisclosed price sensitive information of the Company for recent unusual price hike.

  • AGRANINS

    Alpha Credit Rating Limited (AlphaRating) has rated the Company as &quot;A+&quot; in the long term and &quot;AR-2&quot; in the short term along with a stable outlook based on audited financial information of the Company up to 31st December 2013 and half yearly unaudited management report of 30th June, 2014 and relevant qualitative information up to August 21, 2014.

  • GP

    The Company has informed that it has completed the disbursement of interim Cash Dividend of 2014 of the Company by August 18-19, 2014 to the general shareholders (except to a few NRB shareholders who have given foreign addresses) through Online and BEFTN engaging 55 Banks. Physical distribution of Dividend Warrants from Grameenphone share office to the general shareholders has been completed on August 19, 2014. Handover of undistributed Dividend Warrants and Dividend Notices to Courier companies for onward distribution to general shareholders at their respective addresses have been completed on August 19, 2014.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
KPPL 43.10 39.30 3.80 9.67
MJLBD 117.10 108.50 8.60 7.93
BSRMSTEEL 97.50 93.00 4.50 4.84
AAMRATECH 35.50 33.90 1.60 4.72
IDLC 57.80 55.20 2.60 4.71
SHYAMPSUG 6.70 6.40 0.30 4.69
BEXIMCO 39.20 37.50 1.70 4.53
SPCERAMICS 12.50 12.00 0.50 4.17
ISLAMICFIN 13.10 12.60 0.50 3.97
HRTEX 32.40 31.20 1.20 3.85

OUR SERVICE

 

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297