Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
SPCL 227.2 172.3 54.90 31.86
PRAGATILIF 114.3 97.6 16.70 17.11
MITHUNKNIT 85.4 75.1 10.30 13.72
SIBL 15.9 14.2 1.70 11.97
SINOBANGLA 26.5 23.8 2.70 11.34
AL-HAJTEX 102.4 92.5 9.90 10.70
NTLTUBES 123.9 112.4 11.50 10.23
SONALIANSH 114.4 103.9 10.50 10.11
SAPORTL 65 59.5 5.50 9.24
NPOLYMAR 76.1 70.2 5.90 8.40

Contest SB2015_Mar

1st
blank_person
FAIZUB
2nd
blank_person
GAINLOSS
3rd
blank_person
FERDOUSFIN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
SHASHADNIM 37.1 0 6.50576 9176640.00
SPCL 227.2 218.4 2.09481 644315.00
BERGERPBL 1484.8 1472 0.53070 1154.00
DELTALIFE 153.3 151.3 0.44252 93393.00
RUPALIBANK 52.9 51.8 0.41051 2552.00
Negative impact
UCBL 22.9 25 -3.14126 2212650.00
GP 328.1 329.4 -3.13859 111926.00
SQURPHARMA 258.2 259.4 -1.18929 238752.00
BRACBANK 35.3 36 -0.88773 425833.00
ABBANK 26.8 27.7 -0.85682 1165710.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
SHASHADNIM 37.1 50 36.9 0.00% 358.63
SPCL 227.2 229.4 219 4.03% 145.10
LAFSURCEML 116.3 117 109.5 3.01% 138.80
SAPORTL 65 66.7 64 1.72% 93.15
SIBL 15.9 16 15.8 0.00% 73.17
SQURPHARMA 258.2 260.4 257.8 -0.46% 61.87
IFADAUTOS 54.6 55.4 53.2 3.41% 51.35
UCBL 22.9 23.6 22.7 -23.67% 51.15
MJLBD 122.5 123.2 121.5 0.57% 50.21
BSCCL 134.3 137.7 134 -1.68% 49.45

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 05 Mar 2015

105236
TOTAL TRADE
67.9443
TOTAL VOLUME(Mn)
2663.06
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • লাফার্জ সুরমার লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ৫ শতাংশ নগদ চূড়ান্ত লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে লভ্যাংশের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে কোম্পানিটি ৫ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ দিয়েছিল। চূড়ান্ত লভ্যাংশের ফলে মোট লভ্যাংশ দাঁড়িয়েছে ১০ শতাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৪৩ পয়সা। বছর শেষে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৪৩ পয়সা। লাফার্জ সুরমার বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী  ১১ জুন অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৭ এপ্রিল।
  • ‘RSI 30’ এর কাছাকাছি ডিএসইএক্স ইনডেক্স
    মেহেদী আরাফাত : টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস অনুযায়ী সপ্তাহের শেষ কার্জ দিবসে ঢাকা শেয়ার বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়- ডিএসইএক্স ইনডেক্স লেনদেনের শুরু থেকেই হ্রাস পেতে থাকে। দিনের শুরুতে কিছুটা ক্রয়চাপ থাকলেও কিছু সময় পর বিক্রয় চাপের ফলে সূচক বেশ নিম্নমুখী হয়ে যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিক্রয় চাপ আরও প্রবল হতে থাকে এবং দিনশেষে লেনদেন গতকালের তুলনায় বৃদ্ধি পেলেও সূচক ১৬.৬২ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে । সূচকের এ দরপতনের ফলে আজকের ক্যান্ডেলস্টিক একটি বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক ছিল। এই বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক বাজারের  বিক্রয় চাপ প্রকাশ করছে । TA বিস্লেশকদের কাছে ‘RSI’ একটি জনপ্রিয় ইনডিকেটর। ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর ‘RSI’ দেখলে দেখা যায়ে, ‘RSI’ এর মান এই পর্যন্ত ২১ পয়েন্ট এর নিচে নামে নাই। ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর ‘RSI’ ৩০ পয়েন্ট এর নিচে নেমেছিল এই পর্যন্ত মোট ৮ বার, তারপর খুব অল্প সময়ের মার্কেট ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। বর্তমানে ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর ‘RSI’ এর মান হচ্ছে ৩৫.৯৪। এই হিসাবে TA বিস্লেশকরা ধারনা করছেন মার্কেট আরও অল্প কিছু কারেকশন হয়ে, তার পরবর্তী সাপোর্ট কে ছুঁয়ে, সামনের সপ্তাহের শেষের দিকে অথবা তার পরের সপ্তাহে ভালভাবে ঘুরে দাড়াতে পারে। বর্তমানে ডিএসইএক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৫৮১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ২১.৮৯ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ২৭.৬০। এম.এফ.আই এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর উভয়েই নিম্নমুখী অবস্থায় ছিল। স্টচ আর.এস.আই এর মান এখন সর্বনিম্ন অর্থাৎ শুন্য যা বাজারের ওভার-সোল্ড অবস্থা প্রকাশ করছে। ডিএসইতে ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৪ হাজার ৩২৬ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ২৬৬.৩০ কোটি টাকা। আজ ডিএসইতে প্রায় ৪৪ কোটি টাকার লেনদেন বেড়েছে। আজ ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩০৩ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৩ টির, কমেছে ১৪৫ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, আজ বাজারে চাহিদা বেশী ছিল ৫০-১০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ১১৫.৩% বেশী ছিল। অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে ২০-৫০ এবং ১০০-৩০০ কোটি টাকার  পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৮.১৫% এবং ৩.২৯% কম। ০-২০ এবং ৩০০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় আজ ৮.৬৮% এবং ৫.১৯% বেশী। আজ পিই রেশিও ০-২০ মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১০.৩% বেড়েছে। আজ  পিই রেশিও ২০-৪০ এবং ৪০ এর ওপরে  থাকা শেয়ারের লেনদেন যার পরিমান আগের দিনের তুলনায় ৩১.৩৭% এবং ৭.৬৩% বেশী ছিল। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ এগিয়ে ছিল ‘এন’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৪০৩.২৩% বেশী ছিল। আজ কমেছে ‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় যথাক্রমে ০.৩৪% এবং ২৪.৬৩% কম ছিল। গত এক মাসে লেনদেন এ শীর্ষে থাকা কোম্পানির তালিকা নিচে দেওয়া হোল-
  • আইপিওর টাকা উত্তোলনের তারিখ ঘোষণা
    মোহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান : হতাশ বিনিয়োগকারীদের টাকা উত্তোলনের তারিখ ঘোষণা করেছে বিএসআরএম কোম্পানি লিমিটেডের । আইপিও লটারি শেষে কোম্পানির অ্যালটমেন্ট লেটার বা বরাদ্দপত্র ও রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ শুরু হবে  ৮.০৩.২০১৫  থেকে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানি সূত্র জানায়, ৮.০৩.২০১৫  থেকে ১২.০৩.২০১৫  পর্যন্ত কোম্পানির রিফান্ড বিতরণের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ব্যাংক রশিদের বিনিময়ে বরাদ্দপত্র এবং রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ করা হবে। এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে ও ঢাকা জেলা ক্রীড়া সংস্থায় বরাদ্দপত্র এবং রিফান্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ করা হবে । উল্লেখ্য, যারা নির্ধারিত তারিখের মধ্যে রিফান্ড ওয়ারেন্ট সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হবে, তাদের নিজ ঠিকানায় কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠানো হবে। তবে যেসব বিনিয়োগকারী এবি ব্যাংক লিমিটেড, আল-আরফা ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, আল-ফালাহ ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া  লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন পিএলসি, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, যমুনা ব্যাংক লিমিটেড, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, মিউচুয়্যাল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, দি সিটি ব্যাংক ট্রাস্ট ব্যাংক এবং ওরি ব্যাংকে যাদের অ্যাকাউন্ট আছে তাদের নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে রিফান্ড জমা হয়ে যাবে। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা এ সুযোগ পাবে না।
  • বিএসআরএম লটারির লটারির ফলাফল প্রকাশ
    মোহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান  : বিএসআরএম কোম্পানির আইপিও লটারির ড্র । চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টার, লাভ লেনে  লটারির ড্র আজ অনুষ্ঠিত হইয়েছে। অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন বিএসআরএমের চেয়ারম্যান আমির আলী হোসেন, কোম্পানির স্বতন্ত্র পরিচালক এম আর দে। দৈনিক স্টক বাংলাদেশ -এর বিশেষ উদ্যোগে লটারির ফলাফল প্রকাশ করা হলো। দেখতে ক্লিক করুন- ক.  সাধারণ বিনিয়োগকারী খ. ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী গ. প্রবাসী বিনিয়োগকারী ঘ. মিউচুয়াল ফান্ড ঙ. ব্যাংক কোড চ . রিফান্ড ও এলোটমেন্ট প্রসঙ্গত, বিএসআরএমের আইপিওতে এক হাজার ২৩২ কোটি ৩৮ লাখ টাকার আবেদন জমা হয়েছে। যা কোম্পানির চাহিদার তুলনায় ২০ দশমিক ১২ গুণ বেশি আবেদন। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৮৬১ কোটি ৫০ লাখ টাকার আবেদন জমা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ৯১ কোটি ৬২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ৫৮ কোটি ৮৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২২০ কোটি ৩৭ লাখ টাকার আবেদন জমা দেয়। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে অ্যালায়েন্স ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড।
  • বিএসআরএম লটারির ড্র চলছে
    স্টাফ রিপোর্টার : বিএসআরএম কোম্পানির আইপিও লটারির ড্র চলছে। চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় স্মরণিকা কমিউনিটি সেন্টার, লাভ লেনে  লটারির ড্র শুরু হয়। অনুষ্ঠানে  উপস্থিত আছেন বিএসআরএমের চেয়ারম্যান আমির আলী হোসেন, কোম্পানির স্বতন্ত্র পরিচালক এম আর দে। এছাড়া আছেন ইস্যু ব্যবস্থাপক তপন কে পোদ্দার ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সহকারী ব্যবস্থাপক মো. হাবিবুল্লাহ। প্রসঙ্গত, বিএসআরএমের আইপিওতে এক হাজার ২৩২ কোটি ৩৮ লাখ টাকার আবেদন জমা হয়েছে। যা কোম্পানির চাহিদার তুলনায় ২০ দশমিক ১২ গুণ বেশি আবেদন। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৮৬১ কোটি ৫০ লাখ টাকার আবেদন জমা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ৯১ কোটি ৬২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ৫৮ কোটি ৮৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ড ২২০ কোটি ৩৭ লাখ টাকার আবেদন জমা দেয়। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে অ্যালায়েন্স ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড।
  • কেপিসিএল’র সাথে একত্রিত হয়েছে ২ সহযোগী প্রতিষ্ঠান
    স্টাফ রিপোর্টার : বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (কেপিসিএল) ২ সহযোগী প্রতিষ্ঠান আদালতের রায়ে কেপিপিএল’র সাথে একত্রিত হয়েছে। ৫ মার্চ, বৃহস্পতিবার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই জানিয়েছে, খুলনা পাওয়ারের সহযোগী ২টি প্রতিষ্ঠান- খান জাহান আলী পাওয়ার কোম্পানি ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানি ইউনিট টু লিমিটেডকে মূল কোম্পানির (কেপিসিএল) সাথে সংযুক্ত করার জন্য উচ্চ আদালতে  আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৩ মার্চ আদালত এর অনুমোদন দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী,  প্রতিষ্ঠান ২টির সব লাইসেন্স, অনুমতি ও সম্পদের দায়ভার কেপিসিএলকে গ্রহণ করতে হবে।  
  • ছয়টি জাহাজ কিনছে শিপিং করপোরেশন
    স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জন্য চীন সরকারের আর্থিক সহায়তায় ছয়টি নতুন জাহাজ কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারের ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। চীনের আর্থিক সহায়তায় জাহাজগুলো কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮ কোটি ৪৫ লাখ ডলার বা এক হাজার ৪৩৯ কোটি টাকা। এ ছাড়া বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জন্য সরকারি পর্যায়ে ইতালির নৌবাহিনী থেকে চারটি জাহাজ কেনার প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে কমিটি। গতকাল সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকের পর এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মোস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জন্য সরকারি পর্যায়ে ইতালির নৌবাহিনী থেকে চারটি জাহাজ ক্রয়সহ ১৩টি দরপ্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়াও আজ ৫ মার্চ, ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কমিটি অভ্যন্তরীণ নৌপথের ৫৩টি রুটে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (প্রথম পর্যায় এবং একই প্রকল্পের ২৪টি নৌপথ) কাজের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এক লাখ টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন খাদ্যগুদাম নির্মাণ প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগের প্রস্তাবও অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে লাইন হার্ডওয়্যার ও ইনস্যুলেটর ক্রয়, টার্নকি ভিত্তিতে 'কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট ১ ও ২-এর পুনর্বাসন প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত (ভ্যারিয়েশন অর্ডার) কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বৈঠকে। ঈশ্বরদী থেকে পাবনা হয়ে ঢালারচর পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের একাংশের ঠিকাদার নিয়োগ, প্ল্যাটফর্ম লিংকসহ কার পার্কিং এলাকা, ফুটপাতসহ রাস্তা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বাউন্ডারি ওয়াল, স্যানিটারি ও প্লাম্বিং ওয়ার্কস, অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা ও সব বৈদ্যুতিক সংযোগসহ তিনতলা ফাউন্ডেশনের খুলনা রেলওয়ে স্টেশন ভবন নির্মাণের (প্যাকেজ ডাব্লিউডি-২) ঠিকাদার নিয়োগ, ঢাকা পরিবেশবান্ধব দীর্ঘমেয়াদি পানি সরবরাহ প্রকল্পের সরবরাহ নেটওয়ার্কের উন্নয়নে 'ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সুপারভিশন কনসালট্যান্ট' নিয়োগ এবং একই প্রকল্পের আওতায় সরবরাহ নেটওয়ার্কের উন্নয়নে (ডিএনআই কন্ট্যাক্ট নং আইসিবি ০২.৭) মেইনটেন্যান্স, অপারেশন, ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড সার্ভিসেস জোন-৬ এলাকা কাজের ঠিকাদার নিয়োগ। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন প্রকল্পের ভ্যারিয়েশন কার্যাদেশের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার স্থাপন ও রাজউকের ফ্ল্যাট নির্মাণ শীর্ষক দুটি দরপ্রস্তাব অধিক পর্যালোচনার জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছে।
  • ব্যবসার নতুন দিগন্তে এমআই সিমেন্ট
    স্টাফ রিপোর্টার : সিমেন্ট খাতের কোম্পানি এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড ব্যবসা বাড়াচ্ছে। ব্যবসায়িক সাফল্য ধরে রাখতে এর পরিবৃদ্ধির জন্য এ কোম্পানির সম্পূর্ণ মালিকানাধীন একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন করা হয়েছে ভারতে।৫ মার্চ, বৃহস্পতিবার ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে ডিএসই জানিয়েছে, এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরির পরিচালনা পষর্দের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারতে সাবসিডিয়ারি কোম্পনিটি স্থাপন করা হয়েছে। নতুন এ সাবসিডিয়ারি কোম্পনির প্রাথমিক অবস্থায় পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৫০ লাখ টাকা। ব্যবসার এ নতুন দিক উম্মোচিত হওয়ায় উত্তরোত্তর অধিক মুনাফা ও সমৃদ্ধি অর্জন করবে বলে আশা করছে এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি।
  • ভুয়া তথ্যে অ্যাকাউন্ট খুলে লেনদেন
    ডেস্ক রিপোর্ট : ভুয়া তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে ব্যাংকে লেনদেন হচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুইশর বেশি এ ধরনের সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে। এসব লেনদেন বাংলাদেশ ব্যাংক চিহ্নিত করলেও লেনদেনকারীদের অনেককে এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট খুলে লেনদেন করেছেন তারা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ভুয়া তথ্য দিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন তারা। সূত্র জানায়, সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট হিসাবধারীদের ব্যাপারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে তথ্য চায়। এর পর ব্যাংকগুলো ওই তথ্য যাচাই করতে গিয়ে দেখে সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টের বেশির ভাগ ব্যক্তির দেওয়া তথ্যে গরমিল রয়েছে। জানা গেছে, ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে হিসাব খুলতে দুই ক্ষেত্রেই ভোটার আইডি নম্বর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর এ ধরনের হিসাব খোলার ক্ষেত্রে অভিযুক্তরা নকল পরিচয়পত্র বা ভুয়া ভোটার আইডি ব্যবহার করেছেন। সে কারণে এখন অনুসন্ধানে নেমে সন্দেহজনক লেনদেনের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পারছে না ব্যাংকগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বর ও চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তিন শতাধিক সন্দেহজনক লেনদেন চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে শুধু জানুয়ারিতেই লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে প্রায় দুইশ। এসব লেনদেন কারা করেছেন তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মোবাইল ও অনলাইন ব্যাংকিং পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও চিঠি দিয়ে চিহ্নিত লেনদেনকারীদের সম্পর্কে জানাতে বলা হয়। তবে তদন্তকারী দল গত দুই সপ্তাহে প্রায় একশ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য খতিয়ে দেখে পেয়েছে এসব অ্যাকাউন্ট পরিচালনাকারীর ব্যক্তিগত তথ্য পুরোপুরি ভুয়া। অ্যাকাউন্টে যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে তারও কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। এসব অ্যাকাউন্টের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের সংখ্যাই বেশি। অনলাইন ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে একই চিত্র দেখা গেছে। ভুয়া ছবি, জাল আইডি কার্ড ব্যবহার করে অনলাইন অ্যাকাউন্ট খুলছেন অনেকে। ব্যাংকগুলোকে বার বার সতর্ক করার পরও থামেনি এ প্রবণতা। ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এজেন্ট বা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। অ্যাকাউন্ট খোলার পর গ্রাহকের বিস্তারিত তথ্য ব্যাংকগুলো সংগ্রহ করে। এসব তথ্য সবসময় যাচাই করা সম্ভব হয় না। এর সুযোগ নিচ্ছেন অনেকে। এর ফলে এসব ভুয়া অ্যাকাউন্ট গ্রাহককে ধরতে পারছে না ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, সন্দেহজনক লেনদেন ও লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার জন্য একটি পর্যবেক্ষণ দল গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কেন্দ্রীয় টাস্কফোর্সের মাধ্যমে সব লেনদেন যাচাই ও তদন্ত করে দেখছেন তারা। এ টাস্কফোর্সে বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এনবিআর, দুদকসহ একাধিক সংস্থা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, সন্দেহজনক লেনদেনের সংখ্যা আগের কয়েক মাসের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা উদ্বেগজনক। সম্প্রতি এ ধরনের কিছু অ্যাকাউন্টের তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, অনেক গ্রাহকের দেওয়া কেওয়াইসি (নো ইউর কাস্টমার) তথ্য ভুয়া। এ জন্য ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়া সব প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের লেনদেন সন্দেহ হলেই তারা যেন সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ ব্যাংককে সেটি অবহিত করে। এ ছাড়া যেসব অঞ্চলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেশি হয় সেগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • ইসলামি ব্যাংকের পুননির্ধারিত পর্ষদসভা শনিবার
    ডেস্ক রিপোর্ট : ডিএসই-৩০ রেগুলেশন অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদের সভা আহ্বান করেছে ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড। সংশোধিত সময়সূচী অনুযায়ী ২১ মার্চ, শনিবার দুপুর ৩টায় এ ব্যাংকের বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। ৫ মার্চ, ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সভায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনাপূর্বক বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা, বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হতে পারে বলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী
    আগামী ৫ বছরে দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।বুধবার বিকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলনকক্ষে ইন্টারন্যাশনাল মনিটরিং ফান্ডের (আইএমএফ) এশিয়া প্যাসিফিক ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ডিভিশন চিফ রদ্রিগো কিউবারোর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, এ বছরের শেষের দিকে পদ্মা সেতুর কাজ দৃশ্যমান হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কগুলোর কাজ দ্রুত শেষ হবে।তিনি বলেন, কুমিল্লা, ফরিদপুর, বগুড়া, চট্টগ্রামের মতো দেশের বড় বড় শহর রাজধানী ঢাকার মতো উন্নত করে গড়ে তোলা হবে। এছাড়া দেশের চলমান মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে জিডিপির প্রবৃদ্ধি দেড় থেকে দুই শতাংশ বেড়ে যাবে। ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়ার্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে বলেও জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।    Source : যায়ে যায়ে দিন 
  • আট মাসে রফতানি বেড়েছে সামান্য
    রফতানি আয় সামান্য বাড়লেও প্রবৃদ্ধি আগের চেয়ে কম হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) রফতানি আয় বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মাত্র ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে রফতানিতে প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ১৪ শতাংশ। রফতানিকারকরা বলছেন, আগে থেকেই রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ছিল। এর সঙ্গে নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে রফতানি আয় কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ হচ্ছে না। তাদের আশঙ্কা, গত দুই মাস ধরে লাগাতার অবরোধ এবং হরতালের প্রভাবে আগামী মাসগুলোতে রফতানি ঋণাত্মক ধারায় নেমে যেতে পারে। কয়েক মাস ধরে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে জানা গেছে, আট মাসে পণ্য রফতানি থেকে আয় হয়েছে দুই হাজার ৩১ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ। ২০১৩-১৪ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারিতে রফতানির পরিমাণ ছিল এক হাজার ৯৮৩ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধি ছিল ১৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। ২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে রফতানি আয় ছিল এক হাজার ৭৪০ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধি ছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। অন্যদিকে একক মাস হিসেবে গত ফেব্রুয়ারিতে রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫১ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের ফেব্রুয়ারিতে এ পরিমাণ ছিল ২৩৯ কোটি ডলার। ২০১৩ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসে রফতানির পরিমাণ ছিল ২২৫ কোটি ডলার। দেশের মোট রফতানির প্রায় ৮০ শতাংশ অবদান পোশাক খাতের। জানতে চাইলে এ খাতের উৎপাদক ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশ পিছিয়ে পড়েছে রফতানি। গত বছরও রফতানি আয় খুব ভালো ছিল না। তবে ২০১৩ সালের রাজনৈতিক সংকটের জের হিসেবে রফতানিতে একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল রফতানিকারকদের। তবে আশঙ্কা থেকে রফতানি পরিস্থিতি আরও খারাপ। বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, রাজনীতির কারণে সৃষ্ট আগের সেই দুর্দশা কিছুটা কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে যখন রফতানিকারকরা কাজ করছিলেন, ঠিক সে সময় আবারও অস্থিতিশীলতা শুরু হয়েছে। গত দুই মাস ধরে চলা এ সংকটে আগামী মাসগুলোতে রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ধারায় নেমে যাবে। কবে নাগাদ এ সংকট মিটবে কেউ জানে না। তিনি বলেন, রফতানি আয়ের হতাশাজনক চিত্রের চেয়েও বেশি ক্ষতি হচ্ছে দেশের ব্র্যান্ড ইমেজের। বিজিএমইএ আয়োজিত ঢাকা অ্যাপারেল সামিটে এ দেশের পোশাক খাতের সম্ভাবনা নিয়ে অনেক বিদেশি বিশেষজ্ঞ উচ্চাশা প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক সংকটে সে সম্ভাবনার সমাধি ঘটতে চলেছে। তিনি বলেন, গত দুই মাসে প্রায় ৪০ শতাংশ রফতানি আদেশ কম পেয়েছেন তারা। বাংলাদেশের রফতানি আদেশ এখন পাচ্ছে প্রতিযোগী দেশগুলো। ইপিবির তথ্য মতে, ছোট-বড় মিলে প্রায় ৭২০টি পণ্য পৃথিবীর ১৯২টি দেশে রফতানি হয়। রফতানি খাতে বড় পণ্যের মধ্যে রয়েছে পোশাক খাতের দুই পণ্য নিট এবং ওভেন, চিংড়ি এবং হিমায়িত খাদ্য, পাট এবং পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, ওষুধ, পাদুকা, টেরিটাওয়েল ইত্যাদি। একক রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পণ্যের বড় রফতানি বাজার। সম্মিলিত বড় বাজার হচ্ছে ২৮ জাতির ইউরোপীয় ইউনিয়ন।   Source : সমকাল
  • মার্চ থেকে নতুন পদ্ধতিতে ব্যাংকের মূলধন সংরক্ষণ
    চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক থেকে আন্তর্জাতিক নীতিমালা ব্যাসেল-৩ এর আলোকে ব্যাংকগুলোর মূলধন সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দিতে হবে। মার্চ ভিত্তিক প্রতিবেদন পাঠাতে হবে আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ থেকে নির্ধারিত ফর্ম অনুযায়ী অনলাইনের মাধ্যমে এ প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে। গতকাল এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাসেল-৩ পরিপালনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতিমধ্যে একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। সে অনুযায়ী, চলতি বছর থেকে নতুন নীতিমালার আলোকে ব্যাংকগুলোর মূলধন সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আরআইটি ওয়েব পোর্টাল ব্যবহার করে অনলাইনের মাধ্যমে এ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ২১ ডিসেম্বর ব্যাসেল-৩ বাস্তবায়ন নীতিমালা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নীতিমালা অনুযায়ী, ২০১৯ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ব্যাংকের মূলধন উন্নীত করতে হবে মোট ঝুঁকি ভিত্তিক সম্পদের সাড়ে ১২ শতাংশে। যদিও চলতি বছর বর্তমানের মতো মোট ঝুঁকি ভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ হারে মূলধন রাখতে হবে। তবে এ ১০ শতাংশের মধ্যে অন্তত সাড়ে ৪ শতাংশ হতে হবে উদ্যোক্তা মূলধন। আর ২০১৬ সাল থেকে আপত্কালীন সুরক্ষা সঞ্চয় (কনজারভেশন বাফার) হিসেবে ধীরে-ধীরে মূলধন বাড়িয়ে ২০১৯ সালে ঝুঁকি ভিত্তিক সম্পদের সাড়ে ১২ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। এ সাড়ে ১২ শতাংশে উন্নীত করতে বর্তমানের তুলনায় অতিরিক্তি হিসেবে ২০১৬ সালে রাখতে হবে শুন্য দশমিক ৬২৫ শতাংশ। পরবর্তী বছর এক দশমিক ২৫, তার পরের বছর এক দশমিক ৮৭ এবং ২০১৯ সালে ২ দশমিক ৫০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। Source : ইত্তেফাক
  • দেড় হাজার কোটি টাকায় ছয়টি জাহাজ কিনবে সরকার
    বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জন্য ছয়টি নতুন জাহাজ কিনবে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১৮ কোটি ৪৫ লাখ ডলার বা ১ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকা।সচিবালয়ে গতকাল বুধবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এতে আরও ১২টি প্রস্তাব অনুমোদন দেয় ক্রয় কমিটি। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বৈঠকে ‘অভ্যন্তরীণ নৌপথের ৫৩টি রুটে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (প্রথম পর্যায়: ২৪টি নৌপথ)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর একটি রুট হচ্ছে খুলনা-গাজীরহাট-বরদিয়া-মানিকধা, অন্যটি দিলালপুর-ঘোড়াদীঘা-চামড়াঘাট-নিকলী-নেত্রকোনা। এক লাখ টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন খাদ্যগুদাম নির্মাণ প্রকল্পের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয় বৈঠকে।অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে পল্লি বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থার আধুনিকায়নে লাইন-হার্ডওয়্যার ও ইনস্যুলেটর ক্রয়; টার্নকি ভিত্তিতে কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট ১ ও ২-এর পুনর্বাসন, স্পিলওয়ে ও ফোর-বে চ্যানেল কাজের ক্রয় প্রস্তাব; জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত কাজের অনুমোদন; তিনতলা ফাউন্ডেশন-বিশিষ্ট খুলনা রেলওয়ে স্টেশন ভবন নির্মাণের ঠিকাদার নিয়োগ; ঈশ্বরদী থেকে পাবনা হয়ে ঢালারচর পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মাঝগ্রাম-পাবনা সেকশনের শূন্য থেকে ২৫ কিলোমিটার এলাকায় প্যাকেজ ডব্লিউডি ৫-এর কনস্ট্রাকশন, ইনস্টলেশন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের ঠিকাদার নিয়োগ। অন্যগুলো হচ্ছে—‘ঢাকা পরিবেশবান্ধব দীর্ঘমেয়াদি পানি সরবরাহ’ প্রকল্পের সরবরাহ নেটওয়ার্কের উন্নয়নে ‘ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সুপারভিশন কনসালট্যান্ট’ নিয়োগ ও একই প্রকল্পের আওতায় সরবরাহ নেটওয়ার্কের উন্নয়নে রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালন, বিতরণ এবং সেবা অঞ্চল ৬-এর কাজের ঠিকাদার নিয়োগ এবং কোস্টগার্ডের জন্য ইতালির নৌবাহিনী থেকে চারটি জাহাজ কেনার প্রস্তাব।কালিয়াকৈরে ন্যাশনাল ডেটা সেন্টার স্থাপনে চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাড়ে ১৫ কোটি ডলারের চুক্তির প্রস্তাব বৈঠকে অনুমোদিত হয়নি। আর সরকারি পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে মালয়েশিয়া সরকারের সহায়তায় ‘ডিজাইন-বিল্ড-ট্রান্সফার’ পদ্ধতিতে রাজউকের উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের বি ও সি ব্লকে ১০০টি অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছে।   Source : প্রথম আলো 
  • ব্যাংক খাতে দরপতন
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার মূল্যসূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন হয়েছে। তবে এদিন ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে সামান্য। অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের মিশ্র প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্যসূচক ১৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে চার হাজার ৬৮১ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১১১ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৭৩৭ পয়েন্টে।এদিকে লভ্যাংশ ঘোষণার পরেও দরপতন হয়েছে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠানে। বুধবার এ খাতের প্রায় ৪৪ শতাংশ ব্যাংকের দরপতন হয়েছে। এদিন টপটেন লুজার তালিকায় ১০ কম্পানির মধ্যে তিনটি রয়েছে ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান। বুধবার পর্যন্ত লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ব্যাংক খাতের আট প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে গতকাল তিন ব্যাংক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আর এ তিনটি ব্যাংকেরই গতকাল দরপতন হয়েছে।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ৯০ পয়সা বা ৪.৮৯ শতাংশ দর কমে দরপতনের শীর্ষে ছিল ট্রাস্ট ব্যাংক। এদিন ট্রাস্ট ব্যাংকের শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ১৭ টাকা ৫০ পয়সা দরে।ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ৪ টাকা ৮০ পয়সা দর কমে দরপতনের ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। এদিন শেয়ারটি সর্বশেষ লেনদেন হয় ৯০ টাকা ৬০ পয়সা দরে। লুজার তালিকার দশম স্থানে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক।   Source : কালের কণ্ঠ
  • ৪ কার্যদিবসে টানা সংশোধন
    দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চলতি সপ্তাহে লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসেই পতনের ধারা লক্ষ করা গেছে। গতকাল অবশ্য সূচকের ওঠানামার মধ্য দিয়েই লেনদেন চলেছে। নিম্নমুখী বাজারে কমেছে এসেছে লেনদেনও। রাজনৈতিক ও অন্যান্য ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে প্রাতিষ্ঠানিক, বিদেশী ও ব্যক্তিশ্রেণীর বড় বিনিয়োগকারীদের অনেকেই দৈনন্দিন লেনদেনে সাইড লাইনে রয়েছেন। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানে বাজারে বাড়ছে বিক্রয় চাপ। দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দেখা গেছে একই চিত্র।গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স কমেছে ১৪ দশমিক ২৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে লেনদেন হয়েছে ২০০ কোটি টাকার কিছুটা বেশি, যা আগের দিনের মতোই। সিএসইতে সার্বিক সূচক কমেছে ২০ দশমিক ৭৮ পয়েন্ট। এ বাজারে লেনদেন অঙ্ক ছিল ২৩ কোটি টাকা।বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া গ্রেফতার হতে পারেন— এমন আশঙ্কায় বিনিয়োগের রাজনৈতিক ঝুঁকি নতুন মাত্রা পেয়েছে, যা বাজারে প্রভাব ফেলেছে। তবে গতকাল উভয় শেয়ারবাজারে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়। তবে বেশির ভাগ সূচক কমেছে।ডিএসইতে গতকাল ১৫৬ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ১০৪টির দর কমেছে। অপরিবর্তিত ছিল ৪৮টির দর। এর পরও ডিএসইএক্স সূচক ১৪ পয়েন্ট হারিয়ে ৪৬৮১ পয়েন্টে নেমেছে। সিএসইতে ১০৭ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দরবৃদ্ধি পায়। কমেছে ৮৯টির ও অপরিবর্তিত থেকেছে ৩২টির দর।উভয় শেয়ারবাজার মিলে গতকাল ২৪৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়েছে; যা মঙ্গলবারের তুলনায় ৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা বেশি। এর মধ্যে ডিএসইতে ২২১ কোটি ৮৫ লাখ টাকার এবং সিএসইতে ২২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ফান্ড কেনাবেচা হয়।বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, ভীতিকর রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ উত্কণ্ঠা তৈরি হয়েছে। এরই প্রতিফলন শেয়ারবাজারের লেনদেনে দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন কোম্পানি ভালো লভ্যাংশ ঘোষণা করলেও শেয়ারদরে এর প্রভাব পড়ছে না। অন্যদিকে সম্পদমূল্য কমে আসায় বিনিয়োগকারীদের অনেকেই পুঁজি হারাচ্ছেন। এ প্রবণতা দীর্ঘায়িত হওয়ায় তাদের অনেকেই নতুন করে বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন।গতকালের ডিএসইর লেনদেন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শেষ পর্যন্ত বেশির ভাগ শেয়ারের দরবৃদ্ধি পেলেও ছোট মূলধনি কয়েকটি কোম্পানি ছিল দরবৃদ্ধির শীর্ষে। তবে বরাবরের মতো বড় মূলধনি কোম্পানিগুলো ছিল লেনদেনের শীর্ষে। খাতওয়ারি লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বীমা, প্রকৌশল, ওষুধ ও রসায়ন, বস্ত্র এবং খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। বিপরীতে ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দর কমেছে। মিশ্রাবস্থা ছিল ছোট খাতগুলোয়। বড় মূলধনি কোম্পানি ও খাতের দরপতনে সূচকে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।গতকাল সূচকের পতন দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ১২ পয়েন্ট কমে হয় ৪ হাজর ৬৮৩ পয়েন্ট। পরবর্তী ২০ মিনিটে সূচক বেশ কিছুটা বাড়ে। এ সময় সূচক দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭০৭ পয়েন্টে। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সূচক কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬৮৭ পয়েন্টে। পরবর্তী ঘণ্টায় আবার বাড়তে থাকে সূচক। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে সূচক ছিল দিনের সর্বোচ্চ অবস্থানে ৪ হাজার ৭০৮ পয়েন্টে। এর পর থেকে নিম্নমুখী প্রবণতায় চলে আসে বাজার।ডিএসইতে গতকাল সবচেয়ে বেশি বাড়ে— লিব্রা ইনফিউশন, জিল বাংলা, প্রগতী লাইফ, সোনারগাঁও টেক্সটাইলস, সিনো বাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, এসপিসিএল, ফার কেমিক্যাল, বঙ্গজ, পঞ্চম আইসিবি ও বিডি থাইয়ের শেয়ারদর।অন্যদিকে ডিএসইতে গতকাল সবচেয়ে বেশি দর হারায়— সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স, তৃতীয় আইসিবি, ইমাম বাটন, ন্যাশনাল টি, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ব্র্যাক ব্যাংক, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ও রিলায়েন্স ওয়ান ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।একক কোম্পানি হিসেবে লেনদেনের শীর্ষে ছিল শাহজিবাজার পাওয়ার। লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার। এর পরের অবস্থানে ছিল লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, গ্রামীণফোন, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক। ৩৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকার লেনদেন নিয়ে খাতওয়ারি লেনদেনের শীর্ষে ছিল জ্বালানি ও বিদ্যুত্ খাত।   Source : বনিক বার্তা
  • ইউনাইটেড ফিন্যান্সের লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা আজ
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড ফিন্যান্সের লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা আজ অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ সুপারিশ করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সর্বশেষ প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ২০১৪ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৮৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৭৭ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময় ছিল ৭ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ৫১ পয়সা। অন্যদিকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৭৫ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময় ছিল ১৯ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ১ টাকা ৩৮ পয়সা।২০১৩ সালে ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় এ কোম্পানি। এ সময় ইপিএস হয় ২ টাকা ৯ পয়সা, শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৬ টাকা ৯৮ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • শেয়ার কিনবেন মতিন স্পিনিং পরিচালক
    মতিন স্পিনিংয়ের স্বাধীন পরিচালক ফাহাদ হুসাইন ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বাজার থেকে নিজ কোম্পানির ১০ হাজার শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।অর্ধবার্ষিকে বস্ত্র খাতের এ কোম্পানির মুনাফা প্রায় ৫২ শতাংশ বেড়েছে। চলতি হিসাব বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৯ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে তা ছিল যথাক্রমে ১২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ও ১ টাকা ৩২ পয়সা। অন্যদিকে তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৮৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৯১ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৭৭ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • পুঁজিবাজারে বড় মূলধনী কোম্পানির দরপতন
    দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের নেতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার মূল্য সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। ৫১ ভাগ কোম্পানির দর বাড়লেও মূলত বড় মূলধনী কোম্পানি দর কমার কারণে সূচকের পতন ঘটেছে। তবে সূচক কমলেও সেখানে লেনদেন বেড়েছে সামান্য। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের মিশ্র প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে।বাজার সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা- বিনিয়োগকারীদের দ্রুত মুনাফা তোলার প্রবণতার সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা সম্পর্কিত বিষয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় বাজারে কিছুটা বিভ্রান্তি রয়েছে।বিএনপি চেয়ারপার্সন গ্রেফতার হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে- এমন শঙ্কায় বাজারে বড় ধরনের ক্রয়াদেশ আসছে না। যে কারণে সামান্য সূচকের উত্থান-পতন থাকলেও লেনদেন বাড়ছে না। সবাই অপেক্ষা করছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসায়। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ব্যক্তিপর্যায়ের বড় বিনিয়োগকারীরাও যেন বাজার থেকে কিছুটা মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন।ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ডিএসইতে ২২১ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৮২ লাখ টাকা বেশি। আগের দিন এ বাজারে লেনদেন হয়েছিল ২২১ কোটি ২ লাখ টাকার শেয়ার। এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নেয় ৩০৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৬টির, কমেছে ১০৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৮টি শেয়ারের।সকালে সূচকের উত্থান দিয়ে লেনদেন শুরুর পর ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ৪ হাজার ৬৮১ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ্ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় এক হাজার ১১১ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে এক হাজার ৭৩৭ পয়েন্টে।ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশ কোম্পানি হচ্ছে- শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, গ্রামীণফোন, সামিট এ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, এমজেএল বিডি, স্কয়ার ফার্মা এবং এসিআই।দরবৃদ্ধির সেরা কোম্পানি হলো- লিব্রা ইনফিউশন, শাহজিবাজার পাওয়ার, সায়হাম কটন, সিনো বাংলা, ফার কেমিক্যাল, সপ্তম আইসিবি, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস, বিডি থাই, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম লিমিটেড ও বঙ্গজ।দর হারানোর সেরা কোম্পানিগুলো হলো- ট্রাস্ট ব্যাংক, তৃতীয় আইসিবি, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স, ইমাম বাটন, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, শ্যামপুর সুগার মিল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, ন্যাশনাল টি এবং ব্র্যাক ব্যাংক।ঢাকার বাজারের মতো বুধবারে চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জেও কিছুটা সূচকের পতন ঘটেছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার। সিএসইতে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২০ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৩১৬ পয়েন্টে। মোট লেনদেন হয়েছে ২২৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৭টির, কমেছে ৮৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টির।সিএসইর লেনদেনের সেরা কোম্পানি হলো- জিপিএইচ ইস্পাত, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, বেক্সিমকো লিমিটেড, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, সিঙ্গার বিডি, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, সালভো কেমিক্যাল, সামিট এলায়েন্স পোর্ট লিমিটেড ও মবিল যমুনা বিডি।   Source : জনকণ্ঠ
  • ফেব্রুয়ারিতে ডিএসইর রাজস্ব কমেছে
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে ফেব্রুয়ারি মাসেও সরকারের রাজস্ব আদায় কমেছে। গত মাসে ডিএসই থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।প্রাপ্ত তথ্যমতে, ফেব্রুয়ারি মাসে ডিএসই থেকে মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ৮ কোটি ৬৯ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। জানুয়ারি মাসে এই রাজস্বের পরিমাণ ছিল ৯ কোটি ৪৫ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এ হিসাবে ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারের রাজস্ব আদায় কমেছে ৭৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।সংশ্লিষ্টদের মতে, বছরের শুরু থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে দেশে। এতে গত ২ মাসে পুঁজিবাজার চরম মন্দাবস্থা পার করেছে। ফলে ডিএসইর রাজস্ব আদায়ে প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আলোচিত মাসে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ডিএসই ৫ কোটি ৩৬ লাখ ৩ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় করেছে, যা জানুয়ারিতে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ছিল। গত মাসে জানুয়ারির তুলনায় ৪ শতাংশ বা ২০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে।উদ্যোক্তা পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারধারীদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায়ও কমেছে। এই মাসে ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় করেছে ডিএসই, যা জানুয়ারি মাসের তুলনায় ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা ১৪ শতাংশ কম। জানুয়ারি মাসে ডিএসই উদ্যোক্তা পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারধারীদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় করেছিল ৩ কোটি ৮৮ লাখ ১৬ হাজার টাকা।আয়কর অধ্যাদেশ-১৯৮৪, ধারা ৫৩ এর আওতায় ডিএসই ২০১৪-১৫ হিসাব বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সদস্য ব্রোকারেজ হাউসের কাছ থেকে এ রাজস্ব আদায় হয়েছে।   Source : জনকণ্ঠ
  • শাশা ডেনিমসের ইপিএস ৯৮ পয়সা
    সম্প্রতি আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) প্রক্রিয়া শেষে আজ থেকে লেনদেন শুরু হতে থাকা শাশা ডেনিমস শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস করেছে ৯৮ পয়সা। এই ইপিএস কোম্পানির আইপিওপরবর্তী ৯ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার হিসাবে হয়েছে। কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিক (জানুয়ারি’১৪-সেপ্টেম্বর’১৪) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এ তথ্য পাওয়া যায়।ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত প্রান্তিকে এই কোম্পানি করপরবর্তী মুনাফা করেছে ৯ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। আর ইপিএস করেছে ২ টাকা ১ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ১০ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। আর ইপিএস ছিল ২ টাকা ২৪ পয়সা।উল্লেখ্য, এই ইপিএস কোম্পানির আইপিও পূর্ববর্তী ৪ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার বিবেচনায় হয়েছে। এদিকে, গত ৩ মাসে কোম্পানির করপরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১ টাকা ৮৫ পয়সা। আগের বছর একই সময় কোম্পানিটি লোকসান করেছিল ৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি লোকসান করেছিল ৮৮ পয়সা।উল্লেখ্য, এই ইপিএস কোম্পানির আইপিও পূর্ববর্তী ৪ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার বিবেচনায় হয়েছে। আর আইপিওপরবর্তী ৯ কোটি শেয়ার বিবেচনা করলে আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানির ইপিএস হতো ৯১ পয়সা।   Source : জনকণ্ঠ
  • টানা চার কর্মদিবস ডিএসইর সূচক নিম্নমুখী
    টানা চার কর্মদিবস ধরে পুঁজিবাজারে সূচক নিম্নমুখী প্রবণতায় রয়েছে। এ চারদিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক ৮১ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন নেমে এসেছে ২২১ কোটি টাকায়। এদিকে গতকাল বুধবার ডিএসইর লেনদেনে সর্বোচ্চ অবদান ছিল জ্বালানি খাতের। এছাড়া ব্যাংকিং ও ইঞ্জিনিয়ারিং খাতও লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে। এ তিন খাতে লেনদেন হয়েছে ৯৩ কোটি টাকা। যা বাজারের মোট লেনদেনের ৪৪ শতাংশ।তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ১৪ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৬৮১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২২১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৮২ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৮টির, কমেছে ১২০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫০টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২০ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৩১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ৩ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২২৮টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৭টির, কমেছে ৮৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কোম্পানির শেয়ারের।ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের তিন কোম্পানি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে সাউথইস্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৫ শতাংশ নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ৪০ শতাংশ নগদ এবং ট্রাস্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ডিএসই সূত্রে আরও জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। কোম্পানিটি সমাপ্ত অর্থবছরে ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়ায় ক্যাটাগরির উন্নতি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে কোম্পানিটির লেনদেন ‘এ’ ক্যাটাগরিতে হবে।এদিকে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের ১২ ডিজিটের ট্যাক্স আইডিন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) হালনাগাদ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। রেকর্ড ডেটের (১৫ মার্চ) আগেই টিআইএন নম্বর হালনাগাদ করতে হবে। কোনো বিনিয়োগকারী টিআইএন হালনাগাদ করতে ব্যর্থ হলে, লভ্যাংশের ওপর ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে। আর টিআইএন থাকলে লভ্যাংশের ওপর ১০ শতাংশ কর কাটা হবে। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।   Source : ইত্তেফাক
  • ২৫ ব্যাংক স্প্রেড মানছে না
    ২৫টি ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অমান্য করে কম সুদে আমানত সংগ্রহ করে বেশি সুদে ঋণ বিতরণ করেছে জানুয়ারিতে। ঋণ আমানতের সুদ হারের পার্থক্যকে স্প্রেড বলে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম এটি ৫ শতাংশের মধ্যে হতে হবে। অথচ অনেক ব্যাংক এটা মানছে না। বেসরকারী খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে বরাবরের মতোই ব্র্যাক ব্যাংকের স্প্রেড সবচেয়ে বেশি।এ ব্যাংকের ঋণ-আমানতের ব্যবধান ৯ দশমিক ১৭ শতাংশীয় পয়েন্ট। এরপরে ডাচ- বাংলার ৭ দশমিক ৭২ শতাংশ ও ওয়ান ব্যাংকের ঋণ-আমানতের ব্যবধান ৬ দশমিক ৭২ শতাংশীয় পয়েন্ট। এবি ব্যাংকের ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ, দ্য সিটি ৬ দশমিক ৪০, আইএফআইসি ৫ দশমিক ৮৩, পূবালী ৫ দশমিক ২৯, উত্তরা ৬ দশমিক ১০, ইষ্টার্ন ৫ দশমিক ১২, প্রাইম ৫ দশমিক ৫৪, ঢাকা ব্যাংকের ৫ দশমিক ০৫, স্যোসাল ইসলামী ৫ দশমিক ০৯, এক্সিম ৫ দশমিক ৩৯, প্রিমিয়ার ৬ দশমিক ০৬, ব্যাংক এশিয়ায় ৫ দশমিক ৪৬, ট্রাস্ট ব্যাংক ৫ দশমিক ৩৯, মিডল্যান্ড ৫ দশমিক ০৪, ইউনিয়ন ৫ দশমিক ১১, মধুমতি ৫ দশমিক ০৭ ও যমুনা ব্যাংকের ঋণ ও আমানতের ব্যবধান ৫ দশমিক ২৭ শতাংশীয় পয়েন্ট। আর বিদেশী মালিকানার ব্যাংকগুলোর মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের স্প্রেড ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ, সিটি ব্যাংক এনএর ৭ দশমিক ৯৩, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন ৬ দশমিক ৯৮, ওরি ব্যাংকের ৭ দশমিক ৮২ ও এইচএসবিসি ব্যাংকের স্প্রেড ৬ দশমিক ৯০ শতাংশীয় পয়েন্টের ওপরে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জানুয়ারিতে দেশের ৫৭টি ব্যাংকের ঋণের গড় সুদহার কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৩২ শতাংশ, যা ডিসেম্বরে ছিল ১২ দশমিক ৪৬ শতাংশ। সার্বিকভাবে ব্যাংকখাতে মোট স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ০৬ শতাংশীয় পয়েন্ট, যা ডিসেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ২১ শতাংশ।   Source : ভোরের কাগজ
View All
Latest DSE News
  • NBL

    Withdrawal of Authorized Representatives: NBL Securities Limited (DSE TREC No. 203), has withdrawn nine of its Authorized Representatives, namely, Mr. Md. Saniul Hoque, Mr. Md. Ismail Mohammed, Mr. F.M. Merazul Kabir, Mr. Kalyan Barman, Mr. Md. Aminul Islam, Mr. Fakir Rezaul Karim, Mr. Sharif Mohammad, Mr. Mohammad Shahjahan and Ms. Shakila Ayub, with immediate effect.

  • MAS

    Withdrawal of Authorized Representatives: Indicate Securities Consultants Ltd. (DSE TREC No. 154), has withdrawn four of its Authorized Representatives, namely, Mr. Rawnaqul Islam, Mr. Zamal Uddin, Mr. Md. Al Mamun and Mr. Muhammad Jahangir Alam, with immediate effect.

  • PHP

    Withdrawal of Authorized Representatives: PHP Stocks &amp; Securities Ltd. (DSE TREC No. 235), has withdrawn five of its Authorized Representatives, namely, Mr. Md. Anisuzzaman Bhuiya, Mr. Mohammad Mehedi Noman, Mr. Abul Fatah Md. Isha Khan, Mr. Sujon Barua and Mr. Md. Nazmul Haque, with immediate effect.

  • MFM

    Withdrawal of Authorized Representatives: Mirror Financial Management Ltd. (DSE TREC No. 223), has withdrawn two of its Authorized Representatives, namely, Mr. Ahamed Shahriar Hasan and Mr. A.H.M. Zakaria Milky, with immediate effect.

  • SAPORTL

    Alliance Holdings Limited and Summit Industrial &amp; Mercantile Corporation (Pvt.) Ltd. , both are Corporate Sponsors of the Company, have further reported that they have completed their sale of 7,88,700 shares and 8,85,000 shares respectively at prevailing market price through Stock Exchange as announced earlier.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
1STPRIMFMF 13.40 12.20 1.20 9.84
PROGRESLIF 74.80 69.10 5.70 8.25
PROVATIINS 17.20 16.50 0.70 4.24
PRAGATILIF 114.30 109.70 4.60 4.19
TUNGHAI 19.90 19.10 0.80 4.19
SPCL 227.20 218.40 8.80 4.03
EASTERNINS 29.60 28.60 1.00 3.50
STYLECRAFT 865.00 836.40 28.60 3.42
IFADAUTOS 54.60 52.80 1.80 3.41
MITHUNKNIT 85.40 82.70 2.70 3.26

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297