Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr
Volume Zone Oscillator (VZO) 25-Apr
Rules of Protection 08-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
NORTHERN 285 198.5 86.50 43.58
PHARMAID 273.3 190.6 82.70 43.39
GEMINISEA 212.6 149.8 62.80 41.92
JMISMDL 202.6 160.9 41.70 25.92
GSPFINANCE 29.7 23.9 5.80 24.27
SPCL 282.2 242.4 39.80 16.42
BDTHAI 48.2 41.6 6.60 15.87
HAKKANIPUL 31.9 28.3 3.60 12.72
CVOPRL 643 575.9 67.10 11.65
WATACHEM 237.3 214.5 22.80 10.63

Contest SB2014_Nov

1st
blank_person
RUBAIYAT_SHAWON
2nd
blank_person
GAINLOSS
3rd
blank_person
FERDOUSFIN
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
JAMUNAOIL 263.2 257 1.14162 1553500.00
MPETROLEUM 261.3 257.8 0.63157 512000.00
DBH 70.3 67.6 0.57473 193000.00
BRACBANK 37.6 37.2 0.52040 1118500.00
IDLC 70.4 69.3 0.40574 544400.00
Negative impact
GP 334 339 -12.38391 498200.00
SPCL 282.2 309.2 -6.27963 5400.00
BERGERPBL 1155.5 1200 -1.89277 100.00
MARICO 1075 1099.5 -1.41558 200.00
DESCO 70.2 72.4 -1.38903 1535000.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
JAMUNAOIL 263.2 266 260 2.41% 408.05
KBPPWBIL 58.8 63.5 56 -7.84% 244.22
GP 334 340.1 328.7 -1.47% 166.68
BEDL 39.3 40.9 38.9 -0.25% 147.96
MPETROLEUM 261.3 267 68 1.36% 132.96
DESCO 70.2 73 69.8 -3.04% 108.76
ABBANK 29.1 30.7 28.9 -3.64% 101.68
KEYACOSMET 27.5 28.5 26.9 -1.43% 100.19
SQURPHARMA 260.2 262 258.5 -0.12% 88.04
BXPHARMA 61.9 63.6 61.6 -1.12% 77.92

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 20 Nov 2014

95951
TOTAL TRADE
104.6260
TOTAL VOLUME(Mn)
4867.05
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ১০ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
    ডেস্ক রিপোর্ট : সমাপ্ত সপ্তাহে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১১ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক হয়েছে। এরমধ্যে ১০টি কোম্পানি তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আর একটি কোম্পানি শেয়ারহোল্ডাদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। কোম্পানি সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে। কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- বস্ত্র খাতের এনভয় টেক্সটাইল ও ঢাকা ডায়িং, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পদ্মা ও যমুনা  অয়েল, ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোহিনুর ক্যামিকেলস, অরিয়ন ইনফ্লোয়েশন, খাদ্য খাতের জেমি সী ফুড, রহিমা ফুড ও বিএটিবিসি, প্রকৌশল খাতের আফতাব অটোস এবং বিবিধ খাতের খান ব্রাদার্স লিমিটেড। গত সপ্তাহে কোম্পানিগুলোর ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে  লভ্যাংশ  ঘোষণা করে। এনভয় টেক্সটাইল : এনভয় টেক্সটাইলের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য  ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ নগদ এবং বাকী ৩ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে  ২ টাকা ২১ পয়সা। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে ২৪ ডিসেম্বর। এ জন্য রেকর্ড ডেট নিধারণ করা হয়েছে আগামী  ২ ডিসেম্বর। ঢাকা ডায়িং : বস্ত্র খাতের আরেকটি কোম্পানি ঢাকা ডায়িং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং এর পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই বোনাস লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ২ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ২৬ টাকা ৬৮ পয়সা। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজএম) অনুষ্ঠিত হবে ১২ ডিসেম্বর। এ জন্য রেকর্ড ডেট নিধারণ করা হয়েছে আগামী ২৫ ডিসেম্বর। মেঘনা পেট্রোলিয়াম : মেঘনা পেট্রোলিয়ামের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৩ টাকা ৯৯ পয়সা। আর কোম্পানিটির সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৭০ টাকা ৭৮  পয়সা। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে  ১৬ জানুয়ারি। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী  ৪ ডিসেম্বর। যমুনা অয়েল : যমুনা অয়েল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির ইপিএস) হয়েছে ২৩ টাকা ৮ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১১৮ টাকা ৫৩ পয়সা। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে ৭ ফেব্রুয়ারি। এ জন্য রেকর্ড ডেট নিধারণ করা হয়েছে আগামী ১১ ডিসেম্বর। কোহিনুর ক্যামিকেলস : কোহিনুর ক্যামিকেলসের পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত বছরে কোম্পানির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৩৩ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য ১৯ টাকা ৯৯ পয়সা। কোম্পানির এ সংক্রান্ত বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামি ১৭ ডিসেম্বর। এর জন্য রের্কড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৫ নভেম্বর। অরিয়ন ইনফ্লোয়েশন : অরিয়ন ইনফ্লোয়েশনের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৬৪ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য ৮ টাকা ১৫ পয়সা। এ সংক্রান্ত বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামি ২৮ ডিসেম্বর। এর জন্য রের্কড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৫ নভেম্বর। জেমিনি সি ফুড : জেমিনি সি ফুডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সাড়ে ৭ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে  ১ টাকা ৩৯ পয়সা। কোম্পানিটির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে ২২ ডিসেম্বর। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৮ ডিসেম্বর। রহিমা ফুড : রহিমা ফুডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৮০   পয়সা। কোম্পানিটির সম্পদ মূল্য হয়েছে ৩ টাকা ৬৫ পয়সা। কোম্পানির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে ২৪ ডিসেম্বর। এ জন্য কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ ডিসেম্বর। বৃটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকো : বৃটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকো শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ।  আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে সমাপ্ত বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত লভ্যাংশ প্রাপ্তির জন্য ৩ ডিসেম্বর রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আফতাব অটোমোবাইলস : প্রকৌশল খাতের আফতাব অটোমোবাইলসের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৭  শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ১ পয়সা। আর কোম্পানিটির সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৫৩ টাকা  ৩৫ পয়সা। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে ২৪ ডিসেম্বর। এ জন্য রেকর্ড ডেট নিধারণ করা হয়েছে আগামী ৩০ নভেম্বর। খান ব্রাদার্স : আর বিবিধ খাতের খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর পুরোটাই বোনাস লভ্যাংশ। আলোচিত বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১  টাকা ৭১ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য হয়েছে ১৫ টাকা ৮৫ পয়সা। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে  ২৯ ডিসেম্বর। এ জন্য রেকর্ড ডেট নিধারণ করা হয়েছে আগামী ৮  ডিসেম্বর।
  • বিএটিবিসির লভ্যাংশ ঘোষণা
    ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষাঙ্গিক খাতের কোম্পানি বৃটিশ অ্যামেরিকান টোব্যাকো শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ নগদ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। আগামী  ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে সমাপ্য বছরের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ঘোষিত লভ্যাংশ প্রাপ্তির জন্য ৩ ডিসেম্বর রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই তারিখ পর্যন্ত যার হাতে শেয়ার থাকবে তিনি ঘোষীত লভ্যাংশ পাওয়ার জন্য যোগ্য হবেন। এদিকে কোম্পানিটি তার শেয়ারহোল্ডারদের তাদের বিও হিসাব হালনাগাদ করার অনুরোধ জানিয়েছে। বলেছে তাদের ১২ ডিজিটের কর সনাক্তকরণ নাম্বারটি (টিআইএন) দেওয়ার জন্য। যেসব শেয়ারহোল্ডার এখনও তাদের এখনো বিও হিসাব খুলেননি তাদেরও টিআইএনের তথ্য দিতে বলা হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিও হালনাগাদ ও টিআইএন জমা দিতে হবে।
  • লুজারে বস্ত্র খাতের ২ কোম্পানি
    ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার লুজার তালিকায় উঠে এসেছে বস্ত্রখাতের দুই কোম্পানি। কোম্পানিদুটি হচ্ছে- অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেড। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দিন শেষে  অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার দর কমেছে ১৩ দশমিক ১৮ শতাংশ। আজ শেয়ারটি ২ টাকা ৯০ পয়সা দর কমে ১৮ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন শেষ হয়। এদিন কোম্পানিটি ৭ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ শেয়ার লেনদেন করে। মোট ৬০৩ বার হাত বদলে শেয়ারটির লেনদেন হয় ১০৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। মালেক স্পিনিং মিলসের শেয়ার দর কমেছে ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এ কোম্পানির শেয়ারটি ১টাকা ১০ পয়সা কমে ১৯ টাকায় ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই কোম্পানির ৭ লাখ ২৪ হাজার ৫০০ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানির এ শেয়ারটি ২২২ বার হাতবদলে ৩৯৮ কোটি ৮১ লাখ টাকার লেনদেন হয়। তবে শেষ কার্যদিবসে ১২ দশমিক ২৮ দর কমে লুজারে শীর্ষে রয়েছে প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ন্যাশনাল পলিমার। এ কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৯ টাকা ৬০ পয়সা কমে ৬৬ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে। এছাড়া দিনশেষে লুজারে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- শমরিতা হাসপাতাল, শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ, জেমিনি সি ফুড, সাইফ পাওয়ারটেক, অ্যাপেক্স ফুডস ও খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড।
  • লোকসান কমেছে রহিমা ফুডের
    স্টাফ রিপোর্টার: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের রহিমা ফুড কোম্পানির লোকসান গত বারের তুলনায় কমেছে। জুলাই, ১৪ থেকে সেপ্টেম্বর, ১৪ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ডিএসই বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে। ডিএসই জানায়, কোম্পানিটির করপরবর্তি ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে এবং প্রতি শেয়ারে লোকসান হয়েছে ০.১০ টাকা। গতবছর একই সময় কোম্পানিটির লোকসান হয়েছিল ৪৮ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং প্রতি শেয়ারে লোকসান হয়ছিল ০.২৪ টাকা। এর ফলে কোম্পানিটির পুঞ্জিভূত লোকসান দাঁড়ায় ১৩ কোটি ৯৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। উল্লেখ্য, গতবছরের তুলনায় সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির লোকসান কমেছে ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা।  
  • শাহজিবাজারকে মার্জিন ঋণ না দেয়ার নির্দেশ বিএসইসির
    ডেস্ক রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত জ্বালানি খাতের শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানির শেয়ারে মার্জিন ঋণ না দিতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই ও সিএসই) অফিসিয়ালি নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ডিএসই জানায়, গতকাল দুই স্টক এক্সচেঞ্জে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। পরে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে  বিএসইসির এ সিদ্ধান্ত নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। গত মঙ্গলবার বিএসইসির এক জরুরি বৈঠকে শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ারে কোনো ধরনের মার্জিন ঋণ না দেওয়া সহ বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী ১৯ নভেম্বর থেকে কোম্পানিটির শেয়ারে কোনো ধরনের মার্জিন ঋণ দেওয়া যাবে না। এছাড়া, ঐ দিন থেকে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন স্পট মার্কেটে হবে। বিএসইসি কর্তৃক পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। এদিকে, যে ব্রোকারেজ হাউজগুলো কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন সংক্রান্ত সিঙ্গেল এক্সপোজার লিমিট অতিক্রম করেছে, আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তা নির্ধারিত সীমায় নিয়ে আসতে হবে বলে বিএসইসি নির্দেশ দিয়েছে। যা ডিএসই ও সিএসই তদারকি করবে। আবার, বিএসইসি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রত্যেক ব্রোকারেজ হাউজ দৈনিক লেনদেন শেষে শাহজিবাজারের ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য স্ব স্ব স্টক এক্সচেঞ্জের নিকট পাঠাবে। আর, এরসার সংক্ষেপ পরের দিন কমিশনে জমা দিতে হবে।
  • ৬৬ কার্য দিবস এর মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন
    মেহেদী আরাফাত : সপ্তাহের শেষ কার্জ দিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসইএক্স ইনডেক্স দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে  ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতা নিয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে দিনভর বিক্রয়চাপ লক্ষ্য করা যায় এবং দিনের শেষভাগে পুনরায় বিক্রয় চাপের ফলে ডিএসইএক্স ইনডেক্স পুনরায় নিন্মমুখি  হতে থাকে এবং ২৬.৬৩ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি করে। বিয়ারিশ ক্যান্ডেলস্টিক   দ্বারা  সাধারণত বাজারের নিন্মমুখি প্রবনতাকেই বুঝানো হয়ে থাকে । ডিএসই এক্স ইনডেক্স  ২৬.৬৩ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪৮৯৯.৬৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.৫৪%  হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪৮৬২ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৫৩৬০  পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল  ২২.১০ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ২৮.২১। আজ এম.এফ.আই এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর কিছুটা নিম্নমুখি হতে চেষ্টা করছে । আজ ডিএসইতে ১০ কোটি ৪৬  লাখ ২৫ হাজার ৯৭৩  টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৪৮৬.৭০ কোটি টাকা। আজ ডিএসইতে লেনদেন হ্রাস পেয়েছে ৮৯ কোটি টাকা।  আজ ঢাকা শেয়ারবাজারে ২৯৫ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৪ টির, কমেছে ১৪৯ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩২ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা বেশি ছিল ৫০-১০০ এবং ১০০-৩০০  কোটি টাকার ওপরে পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায়  আজ ১০.৭৭% ও ১৩.২৫% হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে হ্রাস পেয়েছে ০-২০ এবং ২০-৫০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ৩৮.০৫% এবং  ১৩.৩৬% কম। অন্যদিকে ৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় আজ ১৬.২৯% হ্রাস পেয়েছে। আজ পিই রেশিও  ৪০ এর উপরে থাকা  শেয়ারের লেনদেন সবচাইতে কম ছিল যা আগের দিনের তুলনায় ২৩.৫৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ০-২০ এবং ২০-৪০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১০.৪৫% এবং ১৯.৮৩% হ্রাস পেয়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে আজ এগিয়ে ছিল ‘জেড’ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৬১.০৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে আজ ‘এ’ ‘এন’, ‘বি’ ‘ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন হ্রাস পেয়েছে।
  • ২ কোম্পানির লেনদেন বন্ধ রোববার
    ডেস্ক রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত ২টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন ২৩ নভেম্বর রবিবার বন্ধ থাকবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। লেনদেন বন্ধ থাকা কোম্পানি দু’টি হচ্ছে- সমতা লেদার কমপ্লেক্স এবং এমারেল্ড অয়েল। রেকর্ড ডেটের কারণে এসব কোম্পানির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে বলে ডিএসই জানায়।
  • রোববার ১২ কোম্পানির লেনদেন শুরু
    ডেস্ক রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত ১২টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন ২৩ নভেম্বর রোববার শুরু হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ওয়েস্টার্ন মেরিন শীপ ইয়ার্ড, প্রাইম লাইফ ইন্সুরেন্স, মিথুন নিটিং, ন্যাশনাল টিউবস, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স, জিলবাংলা, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর, মাইডাস ফাইন্যান্স, ফাস্র্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক, শ্যামপুর সুগার, উসমানিয়া গ্লাস এবং সুরিদ ইন্ডাস্ট্রিজ। রেকর্ড ডেট শেষ হওয়ায় এসব কোম্পানির শেয়ার লেনদেন আগামী রোববার আবার শুরু হচ্ছে।
  • রোববার স্পট মার্কেটে আট কোম্পানি
    ডেস্ক রিপোর্ট: পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত ৮টি কোম্পানির লেনদেন স্পট মার্কেটে শুরু হবে ২৩ নভেম্বর রোববার। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।ডিএসই জানায়, চলতি মাসের ২৩ ও ২৪ তারিখ রবিবার ও সোমবার কোহিনুর কেমিক্যালস, পাওয়ার গ্রীড, এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান, ওরিয়ন ইনফিউশন, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্ট, ঢাকা ডায়িং এবং খুলনা প্রিন্টিং এ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন স্পট মার্কেটে হবে। ২৫ নভেম্বর রেকর্ড ডেটের কারণে ঐ দিন এ কোম্পানিগুলো কোন লেনদেন করবে না। এছাড়া, রহিমা ফুড ২৩ নভেম্বর, রবিবার ও ৩ ডিসেম্বর, বুধবার স্পট মার্কেটে শেয়ার লেনদেন করবে। ৪ ডিসেম্বর রেকর্ড ডেটের কারণে ঐ দিন কোম্পানিটি কোন শেয়ার লেনদেন করবেনা।
  • রোববার ৭ কোম্পানি স্পট মার্কেটে
    ডেস্ক রিপোর্ট : রেকর্ড ডেটের আগে রোববার স্পট মার্কেটে যাচ্ছে তালিকাভুক্ত ৭ কোম্পানি ও ১ মিউচ্যুয়াল ফান্ড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কোম্পানি গুলো হচ্ছে- কোহিনুর কেমিক্যাল, পাওয়ার গ্রীড, ওরিয়ন ইনফিউশন, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, ঢাকা ডাইং, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কোম্পানি ও এলআর গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড। জানা যায়,  ২৩ নভেম্বর রোববার এবং ২৪  নভেম্বর সোমবার এই শেয়ারগুলোর লেনদেন স্পট মার্কেটে এবং ব্লক/অডলটে হবে। আর কোম্পানিগুলোর রেকর্ড ডেট আগামী  ২৫ নভেম্বর, মঙ্গলবার। রেকর্ড ডেটের কারণে ওই দিন শেয়ারগুলোর লেনদেন বন্ধ থাকবে। এছাড়া রহিমা ফুডের শেয়ার ২৩ নভেম্বর রোববার এবং ৩ ডিসেম্বর বুধবার  স্পট মার্কেটে এবং ব্লক/অডলটে লেনদেন হবে। আর এই কোম্পানির রেকর্ড ডেট আগামী ৪ ডিসেম্বর। রেকর্ড ডেটের কারণে ওই দিন শেয়ারটির লেনদেন বন্ধ থাকবে।
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • কনডেনসেট বরাদ্দ পাচ্ছে সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল
    কনডেনসেট (গ্যাস ফিল্ডের নির্গত তরল) বরাদ্দ পাচ্ছে সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল। এজন্য সিলেট গ্যাস ফিল্ডের সঙ্গে চুক্তি করেছে কোম্পানিটি। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।চুক্তি অনুযায়ী সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল প্রতি বছর ১৫ হাজার টন কনডেনসেট পাবে। আর কনডেনসেট থেকে জ্বালানি বিশেষ করে, ডিজেল ও পেট্রল উৎপাদন করবে কোম্পানিটি। এর আগে গত ৩০ অক্টোবর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সিভিও পেট্রোকেমিক্যালকে চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র দেয়া হয়।এদিকে ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর কমে দশমিক ৩৬ শতাংশ বা ২ টাকা ৪০ পয়সা। দিনভর দর ৬৫৫ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৬৯৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। সর্বশেষ লেনদেন হয় ৬৬০ টাকায়, যা সমন্বয় শেষে দাঁড়ায় ৬৬২ টাকা ২০ পয়সায়। এদিন ১ হাজার ৭৯ বারে কোম্পানিটির মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ২০০ শেয়ারের লেনদেন হয়।এদিকে উৎপাদন কার্যক্রমে পরিবর্তন আনা সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল অ্যান্ড রিফাইনারি লিমিটেড কর অব্যাহতির সুবিধা পাচ্ছে। দেশে পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে কর অব্যাহতির সুবিধার অংশ হিসেবে কোম্পানিটি আগামী পাঁচ বছরের জন্য এ সুযোগ পাচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ১৫ অক্টোবর এ বিষয়ে কোম্পানিটিকে একটি চিঠি দিয়েছে। চলতি বছরের ২ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল পর্যন্ত সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল কর অব্যাহতি সুবিধা পাবে। এছাড়া কোম্পানির উৎপাদিত পরিশোধিত পণ্য সরবরাহ ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো অগ্রিম আয়কর কাটা হবে না মর্মে ১৬ অক্টোবর এনবিআর সিভিওর অনুকূলে একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করেছে বলে জানা গেছে।নতুন পণ্য উৎপাদনের জন্য এরই মধ্যে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের। এর আগে উপজাত থেকে বহুমুখী পণ্য উৎপাদনের জন্য রিফাইনারি প্লান্টে ক্ষুদ্র পরিসরে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালু করে প্রতিষ্ঠানটি। যেখান থেকে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশও দেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ায় বড় অঙ্কের লোকসানের মুখে পড়ে কোম্পানিটি।জানা গেছে, প্রতি বছর ৫০ হাজার টন গ্যাস উপজাত উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন প্লান্ট স্থাপন করেছে কোম্পানিটি। এর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১৫০ টন। ২০১৩ সালে নভেম্বরে বুয়েট বিপিসি ও পেট্রোবাংলা টিম কারখানা পরিদর্শন করে। এ বিষয়ে ২০১১ সালে কোম্পানিটি অনাপত্তিপত্র পায়। এতে কোম্পানিটি বার্ষিক ৫০ হাজার টন উপজাত সরবরাহের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। মন্ত্রণালয় পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের জন্য বার্ষিক ৩ হাজার টন উপজাত সরবরাহের অনুমোদন দিয়েছে।কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, এরই মধ্যে সিলেট গ্যাস ফিল্ডের সঙ্গে একটি ক্রয়/বিক্রয় চুক্তি সম্পন্ন করেছে। পেট্রোবাংলার নির্দেশে মূলত এ চুক্তি করে সিলেট গ্যাস ফিল্ড। ১৬ মার্চ উভয় কোম্পানি চুক্তি স্বাক্ষর করে। আর অনাপত্তিপত্রের শর্তানুসারে কোম্পানিটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের তথ্য বিপিসি ও পেট্রোবাংলাকে অবগত করতে হবে। আর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষে কোম্পানি বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমোদন দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।২০১৩ সালের জন্য কোম্পানিটির ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দেয়া হয়েছে। ওই হিসাব বছরে মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ইপিএস ৫৮ পয়সা। Source : বনিক বার্তা  
  • বীমা খাতের মুনাফায় শ্লথ প্রবৃদ্ধি
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সাধারণ বীমা খাতের কোম্পানিগুলোর মুনাফায় ধীর প্রবৃদ্ধি লক্ষ করা গেছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে এ খাতের মুনাফায় প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক চিত্র ফুটে উঠেছে। এ সময় খাতটিতে সার্বিক মুনাফা কমেছে ২ শতাংশ। বীমা কোম্পানিগুলোর তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এমনটি দেখা গেছে।৩৪টি সাধারণ বীমা কোম্পানির নেট মুনাফার তথ্য পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ২০টির মুনাফা বেড়েছে, কমেছে ১৪টির। অধিকাংশ কোম্পানির মুনাফা বাড়লেও প্রবৃদ্ধি ছিল কম। দুই অঙ্ক প্রবৃদ্ধির উপরে ছিল মাত্র সাতটি প্রতিষ্ঠান।তৃতীয় প্রান্তিকের তথ্যানুসারে, সবচেয়ে বেশি মুনাফা কমেছে জনতা ইন্স্যুরেন্সের। এ প্রতিষ্ঠানের মুনাফা কমেছে ৪৪ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফা হয়েছে ৯৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা।প্রগতী ইন্স্যুরেন্সের নেট মুনাফা কমেছে ৩৮ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফার পরিমাণ ১০ কোটি ২৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১৬ কোটি ৬৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা।তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের নেট মুনাফার পরিমাণ হয়েছে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৫ কোটি ২৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফা কমেছে ৩৮ শতংশ।এছাড়া গ্রীন ডেল্টার মুনাফা কমেছে ২৮ শতাংশ। এ কোম্পানির নেট মুনাফার পরিমাণ ৯ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের নেট মুনাফা কমেছে ১৯ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফার পরিমাণ ছিল ৫ কোটি ২ লাখ ১০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৬ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার টাকা।এছাড়া প্যারামাউন্ট, গ্লোবাল, এশিয়া প্যাসিফিক, প্রিমিয়ার, ইস্টার্ন, রিলায়েন্স, রিপাবলিক, কন্টিনেন্টাল ও মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা আগের বছরের চেয়ে কমেছে।নয় মাসে সবচেয়ে বেশি মুনাফা বেড়েছে পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের। এ প্রতিষ্ঠানের মুনাফা বেড়েছে প্রায় ১৮৩ শতাংশ। নয় মাসে কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ৪ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১ কোটি ৭২ লাখ ১০ হাজার টাকা।এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ৪৭ শতাংশ। এ কোম্পানির নেট মুনাফা হয়েছে ৭ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৫ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ব্যবস্থাপনা ব্যয় আগের বছরের চেয়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। পাশাপাশি চলতি বছরের বীমা দাবি পরিশোধের অনুপাত কমেছে। এতে মুনাফার উন্নতি হয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি এ বছর কিছুটা স্থিতিশীল ছিল, যা এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।’ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের নেট মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৬ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে ২৯ শতাংশ।অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ২৩ শতাংশ। কোম্পানিটির নেট মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৩ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা।স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের নেট মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৫ কোটি ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০ শতাংশ।সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা হয়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ১০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ সময় কোম্পানিটির নেট মুনাফার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ শতাংশ।নিটল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৭ লাখ টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪ কোটি ৪৬ লাখ ২০ হাজার টাকা।রূপালী ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে ৭ শতাংশ। এ সময় কোম্পানির নেট মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৮১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১০ কোটি ১২ লাখ ৪০ হাজার টাকা।মুনাফা বৃদ্ধি পাওয়া অন্য কোম্পানিগুলো হলো— সোনার বাংলা, ইসলামিক ইন্স্যুরেন্স, সিটি জেনারেল, পিপলস, ইস্টল্যান্ড, ফিনিক্স, প্রভাতী, বিজিআইসি, ঢাকা, পাইওনিয়ার, নর্দার্ন ও কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স। তবে সব প্রতিষ্ঠানের মুনাফার প্রবৃদ্ধি ছিল দুই অঙ্কের নিচে। কোনোটির মুনাফা ১ শতাংশের চেয়ে কম বৃদ্ধি পেয়েছে।   Source : বনিক বার্তা
  • পুঁজিবাজারে কারসাজি থামছেই না : টার্গেট নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি
    পুঁজিবাজারে নতুন আসা কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজি থামছেই না। একটির পর একটি নতুন কোম্পানি বেছে নিচ্ছে তারা। মৌলভিত্তি দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে এসব কোম্পানির শেয়ারের দাম। চক্রটির সর্বশেষ শিকারে হলো গত মঙ্গলবার লেনদেনে আসা খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ কোম্পানি। লেনদেনের প্রথম দিনেই মঙ্গলবার কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ৬৬০ শতাংশ বা ৬৬ টাকা।পোস্ট আইপিও শেয়ারের আলোকে সর্বশেষ হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস ১ টাকা ১৭ পয়সা। এ হিসেবে শেয়ারের মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও দাঁড়িয়েছে ৭৫। এটি অনেক বিপজ্জনক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।তাদের আশঙ্কা, কারসাজিকারীদের পাতা ফাঁদে পা দিলেই বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তারা বলছেন, লেনদেনের প্রথম দিন থেকেই মার্জিন সুবিধা, সার্কিট ব্রেকার না থাকা, তালিকাভুক্ত নতুন কোম্পানির শেয়ারে ধারাবাহিকভাবে দাম বাড়া, কারসাজি ও বিনিয়োগকারীরা না বুঝে নতুন শেয়ারে বিনিয়োগ করার কাণে নতুন কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ে বলে মনে করেন তারা।এ বিষয়ে সিটিজেন সিকিউরিটিজ এন্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাহিদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, নতুন কোম্পানি বাজারে আসলেই হু হু করে দাম বাড়ে। ফলে বিনিয়োগকারীরা কিছু না বুঝেই সে শেয়ারে বিনিয়োগ করে। এতে করে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের উচিত ভালো কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করা। যাতে করে তারা দীর্ঘমেয়াদে ভালো কিছু পায়।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি মার্চেন্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, এক সময় নতুন কোম্পানির শেয়ারে কোনো মার্জিন ছিল না। এখন বিএসইসি আবার প্রথম দিন থেকেই মার্জিনের ব্যবস্থা করে রেখেছে। এতে করে মার্জিন নিয়ে তারা নতুন কোম্পানির শেয়ারের দিকে ঝুঁকে পড়ে। বিএসইসির উচিত মার্চেন্ট ব্যাংক বা ট্রেকহোল্ডারদের বলে দেয়া, যাতে তারা নতুন কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে মার্জিন ঋণ না দেয়।খাস ব্রাদার্সের দাম বাড়ার বিষয়ে ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আলি বলেন, প্রথম দিনেই খান ব্রার্দাসের শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়েছে। শেয়ার কম হওয়ার ফলে এ ঘটনা ঘটছে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, যদি কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৭৮ টাকা হওয়ার মতো হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ (বিএসইসি) তাদের প্রিমিয়াম দিয়ে বাজারে নিয়ে আসতো। এটি প্রিমিয়াম পাওয়ার যোগ্য না বলেই তাদের ফেইস ভ্যালুতে বাজারে এসেছে।এ বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু আহমেদ বলেন, প্রথম দিন লেনদেনে আসা নতুন কোম্পানিগুলোতে কারসাজি হয় এবং এ কারণে কিছু বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন। আর বর্তমান আইপিও বাজারের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে শুরু থেকেই সার্কিট ব্রেকার রাখা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।তিনি বলেন, এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার একটু নজর দেয়া উচিত। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের কারসাজির ফাঁদে পা না দেয়ার জন্য বলেন তিনি।পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস ইকোনমিক্সের অধ্যাপক মুহাম্মদ মূসা বলেন, নতুন কোম্পানির শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হলেই এক দল বিনিয়োগকারী কারসাজিতে মেতে ওঠে। এতে পা দেয় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এক সময় তারা সব হারিয়ে ফেলে। তিনি বলেন, এ মুহ‚র্তে এ ধরনের কোম্পানির শেয়ারের দিকে নজর না দিয়ে মৌলভিত্তিক কোম্পানির শেয়ারের দিকে নজর দেয়া উচিত। আর যদি দুর্বল কোম্পানির শেয়ারে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকে পড়ে তাহলে তাদের ধরা খাওয়া নিশ্চিত।এ বিষয়ে খান ব্রাদার্সের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, খান ব্রাদার্স গ্রুপের বাজারে একটি সুনাম আছে। ওই সুনামের কারণে বিনিয়োগকারীরা এ কোম্পানির শেয়ারের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে।তিনি বলেন, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের বিশ্বব্যাপী চাহিদা রয়েছে। এ চাহিদাকে সামনে রেখে সব কিছু ঠিক থাকলে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হবে। ইতোমধ্যে এ সক্ষমতা বেড়েছে। সামনে আমরা আরো সম্প্রসারণ করবো। আমাদের ব্যবসাটা দিন-দিন আরো এগিয়ে যাবে।এক প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিল কোম্পানির শেয়ারের দাম প্রথম দিনে ৪০ থেকে ৫০ টাকা হবে। বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের কোম্পানির সব কিছু প্রকাশ করা হয়েছে। সবই দেখে শুনে বিনিয়োগ করবেন।গত মঙ্গলবার দেশের উভয় পুঁজিবাজারে খান ব্রাদার্সের শেয়ার লেনদেন শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই ১০ টাকার শেয়ার সর্বশেষ ৭৬ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। এ দিন শেয়ারটির দর ৪৭ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। এ দিন ১৭ হাজার ৪২৮ বার হাতবদলের মাধ্যমে ৯৬ লাখ ২০ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৫৮ কোটি ৮৯ লাখ ৭৭ হাজার ২০০ টাকায়। Source : ভোরের কাগজ  
  • সরেজমিনে এসে পোশাক কারখানা দেখার আহ্বান
    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক নিয়ে যে অপপ্রচারে হচ্ছে, তাতে কান না দিয়ে সরেজমিনে কারখানা পরিদর্শন করতে অস্ট্রেলিয়ার ক্রেতাদের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।মন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের পোশাকশিল্প নিয়ে অনেকেই অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার পোশাকশিল্পে নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। অস্ট্রেলীয় সরকার ও ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ সরকারের এই অবস্থানের বিষয়টি বুঝবেন এবং অপপ্রচারে প্রভাবিত হবেন না।অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে পোশাকশিল্প নিয়ে আয়োজিত এক ফোরামে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ২০২১ সালে রপ্তানি পাঁচ হাজার কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার।অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট, সেন্টার ফর সাসটেইনেবল অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ওয়ার্কস অ্যান্ড দি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন সেন্টার এবং ক্যানবেরার বাংলাদেশ হাইকমিশন ও তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ যৌথভাবে এ ফোরামের আয়োজন করে। Source : প্রথম আলো 
  • ডিএসইর পাঁচ ব্রোকারেজ হাউসে চুরি হয়েছে
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য পাঁচ ব্রোকারেজ হাউস বা ট্রেক হোল্ডার কার্যালয়ে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে চুরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে টোটাল কমিউনিকেশনস, ঔষুধি সিকিউরিটিজ, খুরশিদ আলম সিকিউরিটিজ, কাইয়ূম সিকিউরিটিজ ও আল মুনতাহা সিকিউরিটিজ।রাজধানীর মতিঝিলের ডিএসই ভবনের উল্টো পাশে মধুমিতা ভবনের ছয় ও সাততলায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যালয়ের দরজা ভেঙে চুরি করা হয়েছে বলে একাধিক প্রতিষ্ঠানের মালিক জানিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা গতকাল সকালে কার্যালয়ে গিয়ে চুরির ঘটনা বুঝতে পারেন।এর মধ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠান ও ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যালয় থেকে নগদ টাকা, চেকসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র চুরি হয়েছে। ওই ভবনে এই পাঁচটি ছাড়া আরও অনেক ব্রোকারেজ হাউসের কার্যালয় রয়েছে।ডিএসইর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো ব্রোকারেজ হাউস নামে ব্যাপকভাবে পরিচিত। কিন্তু স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথক বা ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পর এসব প্রতিষ্ঠানের নামকরণ হয় ‘ট্রেক হোল্ডার’ (টিআরইসি-ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট বা লেনদেনের সনদধারী প্রতিষ্ঠান)।জানতে চাইলে আল মুনতাহা সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান আকবর কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের কার্যালয় থেকে সাড়ে পাঁচ লাখ থেকে ছয় লাখ টাকা চুরি হয়েছে।এ ছাড়া কার্যালয়ে বেশ কিছু আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ বিষয়ে মতিঝিল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, সকালে কর্মকর্তারা কার্যালয়ে গিয়ে এ ঘটনা জানতে পারেন। এরপরই তা ডিএসইকে অবহিত করা হয়।খুরশিদ আলম সিকিউরিটিজের মহাব্যবস্থাপক আবদুল বারী প্রথম আলোকে জানান, তাঁদের কার্যালয় থেকে নগদ ৩৫ হাজার টাকা চুরি হয়েছে। বেশ কিছু আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়েছে। Source : প্রথম আলো 
  • শাহজিবাজার ও খান ব্রাদার্সের শেয়ারের দরে নেতিবাচক প্রভাব
    ঋণসুবিধা বন্ধের প্রথম দিনে ধাক্কা খেল শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার। গতকাল বুধবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ২৯ টাকা ৬০ পয়সা বা পৌনে ৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩০৯ টাকা ২০ পয়সায়।অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির লাগাম টানতে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গতকাল থেকে কোম্পানিটির শেয়ারের বিপরীতে ঋণসুবিধা বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে লেনদেনের জন্য কোম্পানির শেয়ার স্পট মার্কেট বা নগদ লেনদেনের বাজারে স্থানান্তর করা হয়।বিএসইসির সিদ্ধান্তের পর গতকাল কোম্পানির শেয়ারের দামের পাশাপাশি লেনদেনের ওপরও বড় ধরনের প্রভাব দেখা গেছে। ডিএসইতে এদিন মাত্র পাঁচ হাজার ৮০০ শেয়ারের লেনদেন হয়। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল কোম্পানিটির কোনো শেয়ারেরই লেনদেন হয়নি। ডিএসইতেও কোম্পানিটির শেয়ারের ক্রেতা ছিল খুবই কম। এ কারণে খুব কমসংখ্যক শেয়ার লেনদেন হয়েছে।গত জুলাইয়ে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর থেকে শাহজিবাজারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটতে থাকে। এ কারণে মাঝে এক দফা কোম্পানিটির লেনদেন স্থগিত রাখা হয়। কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন বিশেষ নিরীক্ষা করায় বিএসইসি। হিসাব কারসাজির দায়ে জরিমানা করা হয় কোম্পানিটির পরিচালকদের।অন্যদিকে লেনদেন শুরুর প্রথম দিনে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পরের দিনেই বড় ধাক্কা খেল খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার। একদিনে ডিএসইতে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ১৪ টাকা ১০ পয়সা বা প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশ কমে হয়েছে ৬৩ টাকা ৮০ পয়সা।নিয়ম অনুযায়ী, নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রথম পাঁচ দিন কোনো ধরনের মূল্যস্তর বা সার্কিট ব্রেকার থাকে না। এ কারণে দামের উত্থান-পতনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। প্রথম পাঁচ দিনের লেনদেন শেষে স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে নিয়ম অনুযায়ী, শেয়ারের দামের উত্থান-পতনের ওপর মূল্যস্তর বা সার্কিট ব্রেকার আরোপ করা হয়।গত মঙ্গলবার লেনদেন শুরু হয় খান ব্রাদার্স পিপি ওভেনের শেয়ার। ওই দিন কোম্পানিটির ১০ টাকার শেয়ারের দাম উঠে ৭৮ টাকায়। যেটিকে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ও বিশ্লেষকেরা অস্বাভাবিক ও অপ্রত্যাশিত বলে অভিমত দেন। Source : প্রথম আলো 
  • সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় আগ্রহ নেই ব্যবসায়ীদের!
    সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হতে ব্যবসায়ীদের আগ্রহ নেই। অন্তত গতকাল পরিকল্পনা কমিশনের আমন্ত্রণে সাড়া দেওয়ার মাত্রা দেখে এমনটাই মনে করা যেতে পারে। ব্যবসায়ীদের মত নেওয়ার জন্য দেশের বড় বড় বাণিজ্য সংগঠনকে (অ্যাসোসিয়েশন) আমন্ত্রণ জানানো হলেও অধিকাংশ সমিতির প্রতিনিধি আসেননি।সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে গতকাল বুধবার এ মতবিনিময় সভায় অর্ধশতাধিক সমিতিকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানায় পরিকল্পনা কমিশন। কিন্তু গতকাল ৮-১০টি সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শামসুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা অর্ধশতাধিক সমিতিকে এই আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। তবে উপস্থিতি অনেক কম ছিল। সব সমিতির প্রতিনিধিরা এলে তাঁদের মতামত পাওয়া যেত। আর তাঁদের মতামত খসড়া পরিকল্পনার দলিলে অন্তর্ভুক্ত করা হতো।’যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি জাহাঙ্গীর আলামিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকার বাইরে থাকায় সভায় যেতে পারিনি। সমিতির শীর্ষনেতৃবৃন্দও ঢাকার বাইরে ছিল।’ তবে তিনি মনে করেন, এসব সভায় ব্যবসায়ীদের যাওয়া উচিত। কেননা আগামী দিনগুলোয় বাংলাদেশের মতো মুক্তবাজার অর্থনীতিতে শিল্পায়ন ও বাণিজ্য কেমন হবে, সে সম্পর্কে ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরাই ভালো বলতে পারবেন।এদিকে গতকালের সভাটিও ছিল অনেকটা দায়সারা গোছের। বেলা তিনটায় সভা শুরুর পর কয়েকজন বক্তব্য দেওয়ার পর পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল নিজেই জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিতে চলে যান। অবশ্য তিনি এ জন্য উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। এরপর শামসুল আলমের সভাপতিত্বে মাত্র দুজন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি বক্তব্য দেন।আলোচনা: এর আগেও এ ধরনের বেশ কয়েকটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়েছেন। সেসব সভার শুরুতে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার একটি উপস্থাপনা দেওয়া হতো। গতকালের সভায় কোনো উপস্থাপনা দেওয়া হয়নি।সভায় বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার অ্যান্ড লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু তাহের বলেন, বিশ্ববাজারে চামড়াশিল্পের ২২০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য রয়েছে। বাংলাদেশ মাত্র এক বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করে। তিনি জানান, বিদেশি ক্রেতারা শর্ত দিয়েছেন, হাজারীবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারিশিল্প স্থানান্তর না করলে তাঁরা চামড়া ও পাদুকা—কোনো কিছুই কিনবেন না। এই অবস্থায় সরকারি সহায়তা ছাড়া এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) যুগ্ম সম্পাদক মোস্তফা জামালের মতে, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হলো মানবসম্পদ। দেশে বছরে তিন লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক ডিগ্রি পাচ্ছেন। ২০১৮ সালের লক্ষ্য হলো, বছরে ১০ লাখ শিক্ষার্থী এ ডিগ্রি পাবেন। সফটওয়্যারের স্থানীয় বাজার উন্নয়নে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। এ জন্য সরকারি সহযোগিতা ও প্রণোদনা পেলে শিল্পটি দ্রুত এগিয়ে যাবে।বাংলাদেশ অ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ওবায়দুর রহমানের মতে, ‘রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণের দিকে নজর দিতে হবে। চীন এ শিল্পে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে। সরকার এ শিল্পে প্রণোদনা বাড়ালে আমরা চীনের পরেই যেতে পারি।’পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ৩০ বছর আগে সারা বিশ্বে শহরে বাস করত ৩০ ভাগ মানুষ, এখন তা ৫৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০৫০ সালে তা ৬৮ ভাগে দাঁড়াবে। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।মন্ত্রী মত দেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে গেলে দেশে বিদ্যমান ব্যাংকঋণের সুদহার কমাতে হবে। ঋণ ও আমানতের সুদের হারের পার্থক্য কিছুতেই ৩ শতাংশের বেশি হওয়া উচিত নয়। ব্যাংকঋণ নিয়ে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী খেলাপি হওয়ায় ব্যাংকগুলো এখন ঋণ বিতরণে আস্থা পাচ্ছে না। অন্যদিকে পুঁজিবাজার শক্তিশালী না হওয়ায় বিনিয়োগ পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে না।   Source : প্রথম আলো 
  • দরবৃদ্ধিতে সংবেদনশীল তথ্য নেই
    পাট খাতের কোম্পানি সোনালী আঁশের শেয়ারদর সম্প্রতি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। তবে এর দরবৃদ্ধিতে সংবেদনশীল কোনো তথ্য নেই। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষের চিঠির জবাবে কোম্পানির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। Source : বনিক বার্তা গত সাত কার্যদিবসের মধ্যে পাঁচ দিবসেই এ শেয়ারের দর বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। ডিএসইতে গতকাল এর দর বাড়ে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ বা ৬ টাকা ৯০ পয়সা। সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৫৬ টাকা ৪০ পয়সায়, যা সমন্বয় শেষে ১৫৮ টাকা ৪০ পয়সা ছিল।  
  • জিকিউ বলপেনের চাহিদা বৃদ্ধি
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল বিবিধ খাতের স্বল্প মূলধনি কোম্পানি জিকিউ বলপেনের লেনদেনে উল্লম্ফন দেখা যায়। এদিন দর সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করলে বিক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে শেয়ারটি। দর অনুকূল থাকায় এ শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সম্প্রতি এ শেয়ারের দর দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। এতে কয়েক দিন ধরে এর চাহিদা তৈরি হয়েছে। ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর বাড়ে ১০ শতাংশ বা ১০ টাকা ৮০ পয়সা। সর্বশেষ ১১৮ টাকা ৮০ পয়সায় এর লেনদেন হয়, যা সমন্বয় শেষে একই ছিল। এদিন ১ হাজার ৩১ বারে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৮৫০টি শেয়ার লেনদেন হয়। দুই বছরে এর সর্বনিম্ন দর ১০৬ টাকা ৬০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ১৭৬ টাকা ৮০ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • ঢাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ
    পরিবহন, বিদ্যুৎ, বস্ত্রসহ বিভিন্ন খাতের সাতটি উন্নয়ন প্রকল্প পাস করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্পে ব্যয় হবে এক হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে দেবে এক হাজার ১০২ কোটি টাকা। আর যেসব সংস্থা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করবে, তারা দেবে বাকি ২৫১ কোটি টাকা।একনেকের চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলনকক্ষে গতকাল মঙ্গলবার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় রাজধানীতে যথেষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অবকাঠামো নির্মাণে একটি প্রকল্প পাস হয়। এই প্রকল্পের আওতায় মূলত আশুগঞ্জ থেকে ভুলতা পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার ৪০০ কেভি দ্বৈত সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া ভুলতা থেকে ঢাকার রামপুরা পর্যন্ত নির্মাণ করা হবে তিন কিলোমিটার ২৩০ কেভি দ্বৈত সার্কিট লাইন। আশুগঞ্জে যে কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে, সেখান থেকে রাজধানীতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করাই এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য।প্রকল্পটিতে ব্যয় হবে ৮৫৩ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবিএল)। ২০১৪ সালের জুন মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্প শেষ হবে ২০১৭ সালের জুন মাসে। সাধারণত যেকোনো প্রকল্প পাস হওয়ার পরই মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু হয়।একনেকে পাস হওয়া অন্য প্রকল্পগুলো হলো ৩৮ কোটি টাকার তাঁতবস্ত্রের উন্নয়নে ফ্যাশন ডিজাইন, ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ও একটি বেসিক সেন্টার স্থাপন; ১০৪ কোটি টাকার মদন-খালিয়াজুড়ী সড়ক নির্মাণ এবং নেত্রকোনা-মদন-খালিয়াজুড়ী সড়কের ৩৭তম কিলোমিটারে বালাই নদীর ওপর পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ; ১৭৪ কোটি টাকার বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ বিভাগের জন্য ৬০টি তদন্তকেন্দ্র টাইপ প্ল্যান নির্মাণ; ৫৫ কোটি টাকার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি সংস্কার ও আধুনিকায়ন (২য় পর্যায়); ৫৫ কোটি টাকার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য হোস্টেল নির্মাণ; ৭২ কোটি টাকার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিপ্তর আধুনিকায়ন ও শক্তিশালীকরণ এবং নয়টি জেলা কার্যালয় স্থাপন।সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্পগুলো সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান।   Source : প্রথম আলো 
  • কর ফাঁকির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে
    বিশ্বমন্দা থেকে উত্তরণে কর ফাঁকি এবং করের স্বর্গরাজ্য গড়ে তোলার বিরুদ্ধে পুরো বিশ্বকে সম্মিলিতভাবে যুদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন গ্রিসের সাবেক মন্ত্রী লুকা টি কাটসেলি।এ বছরের এক গবেষণা অনুযায়ী, করের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত সুইজারল্যান্ড ও লুক্সেমবার্গের ব্যাংকগুলোতে বিভিন্ন দেশের মানুষের প্রায় সাত লাখ ৬০ হাজার কোটি ডলার জমা রয়েছে। এটা বিশ্বের মোট ব্যক্তিগত আর্থিক সম্পদের ৮ শতাংশ। অবৈধভাবে লুকিয়ে রাখা এই অর্থ যথাযথভাবে করের আওতায় আনা হলে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী কর আদায়ের পরিমাণ ২০ হাজার কোটি ডলার করে বাড়বে।এ গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে কাটসেলি বলেন, ‘মন্দা চলাকালে আর্থিক খাতের চাহিদা ও সীমাবদ্ধতা অনুযায়ী একটি দেশকে তার নিজস্ব পদ্ধতিতেই পদক্ষেপ নিতে হয়। তবে এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা, করের স্বর্গরাজ্য বিলুপ্ত করা, ব্যাংকের লুকোচুরি ও ট্রান্সফার প্রাইসিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার বিষয়ে আমাদের সোচ্চার হতে হবে এবং সহযোগিতা বাড়াতে হবে। বাংলাদেশকেও এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে।’বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বক্তৃতা-২০১৪-এর প্রধান বক্তা হিসেবে এসব কথা বলেন লুকা কাটসেলি। রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে গতকাল মঙ্গলবার এটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রসঙ্গত, বাংলাদেশিদের মধ্যেও সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে টাকা রাখার প্রবণতা রয়েছে। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) প্রকাশিত ‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড ২০১৩’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৩ সাল শেষে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের অন্তত ৩৭ কোটি ১৯ লাখ সুইস ফ্রাঁ গচ্ছিত রয়েছে, যা প্রায় ৪১ কোটি ৪০ লাখ ডলার বা তিন হাজার ১৬২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।কাটসেলি দুই দফায় গ্রিসের শ্রম ও সামাজিক নিরাপত্তা এবং অর্থনীতি, সক্ষমতা ও নৌপরিবহনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, কোনো একটি দেশের আর্থিক খাতের কারসাজিকারীদের সম্মিলিত অপচেষ্টা ওই দেশের সরকারের বড় ধরনের ক্ষতি করে ফেলতে পারে। তাঁর মতে, ‘মন্দাবস্থা কাটাতে গ্রিস আন্তর্জাতিক বাজারে বন্ড ছেড়েছিল। কিন্তু গ্রিক বন্ডের বিরুদ্ধে অপচেষ্টা চালিয়েছে কারসাজিকারীরা। আবার ফিচ, মুডিস, স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড পুওরের মতো সংস্থা ওই বন্ডের রেটিং কমিয়ে দেখায়। এর মধ্য দিয়ে একদিকে গ্রিস সরকারের কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে তা ইউরো অঞ্চলকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে।’যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ কিংবা পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে চলমান মন্দাবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করেন লুকা কাটসেলি। তাঁর মতে, বৈশ্বিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগসংক্রান্ত কার্যক্রমকে আলাদা করা না হলে এবং কারসাজির অপচেষ্টা ও মুদ্রার অবমূল্যায়নের মতো বিষয়গুলো দূর করার জন্য একটি সমন্বিত কিংবা পর্যবেক্ষণকারী কর্তৃপক্ষ না করা হলে এই মন্দাবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে।তবে এর একটি সমাধানও বাতলে দিয়েছেন গ্রিসের ন্যাশনাল অ্যান্ড কাপোডিডিস্ট্রিয়ান ইউনিভার্সিটি অব এথেন্সের অর্থনীতির এই অধ্যাপক। তিনি বলেন, জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতিমালাবিষয়ক কমিটি ১৯৯৮ সালে একটি বিশ্ব আর্থিক সংস্থা (ডব্লিউএফও) গঠনের প্রস্তাব করেছিল। সেটা এখনো হয়নি। এর অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে জাতিসংঘ কিংবা জি-২০-এর আওতায় ‘গ্লোবাল কাউন্সিল অব সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স’ নামে একটি সংস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে।মন্দা থেকে উত্তরণে গ্রিস সরকারের নেওয়া ব্যয় সংকোচন নীতির নেতিবাচক প্রভাবও তুলে ধরেন কাটসেলি। তিনি জানান, গ্রিসের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ২০০৭ সালের তুলনায় ২৫ শতাংশ কমে গেছে। দেশটির ২৬ শতাংশ মানুষ এখন বেকার। সরকারের ঋণের বোঝাও বেড়েছে। ব্যয় সংকোচনের কারণে চাকরিজীবীদের অনেক প্রণোদনা বাতিল করা হয়েছে। ফলে তাদের উৎপাদনশীলতাও কমে গেছে। তাঁর মতে, একদিকে ব্যয় কমানো এবং অন্যদিকে কর বাড়ানোর পদক্ষেপ ইউরোপের অর্থনীতিকে মন্দাকালীন সময়ের চেয়েও খারাপ অবস্থায় নিয়ে গেছে। এর মধ্য দিয়ে দেশগুলো ‘ব্যয় সংকোচনের ফাঁদ’-এ পড়েছে।বাংলাদেশের জন্যও পরামর্শ দিয়েছেন গ্রিসের সাবেক এই মন্ত্রী। তিনি বলেন, পোশাক খাতের বাইরে গিয়ে বাংলাদেশকে তার অর্থনীতির বৈচিত্র্য বাড়াতে হবে। কার্যকর শিল্পনীতি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব, ব্যবসা-বাণিজ্যকে উৎসাহিত করার দিকে জোর দিতে হবে।এক প্রশ্নের জবাবে কাটসেলি বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দাবি আদায়ে বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে সম্মিলিতভাবে সোচ্চার হতে হবে এবং নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে হবে।আরেক প্রশ্নের জবাবে সরকার অনেক ক্ষেত্রে অন্যের হাতের মুঠোয় চলে যায় বলে মন্তব্য করেন কাটসেলি। তিনি বলেন, ‘ইউরোপের বড় কয়েকটি কোম্পানি সব ধরনের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এমনকি খেলাও তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে। তারা অনেক প্রভাবশালী হয়।’ এর আগে বক্তৃতায় তিনি বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ভয় দেখানো কিংবা চাপে ফেলে সরকারের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে।অনুষ্ঠানে সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান বলেন, মন্দাবস্থা কাটাতে গ্রিস সরকার ২২ হাজার কোটি ইউরো ঋণ নেয়। কিন্তু এত বিশাল ঋণ নিয়েও তা দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন কিংবা ২৬ শতাংশ বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যয় করেনি। এটা মানবতার বিরুদ্ধে একধরনের যুদ্ধ।অনুষ্ঠানে সিপিডির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বক্তব্য দেন। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান।   Source : প্রথম আলো 
  • শাহজিবাজার পাওয়ারের ঋণসুবিধা বন্ধ করে দিল বিএসইসি
    অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির লাগাম টানতে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ারের বিপরীতে ঋণসুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গতকাল মঙ্গলবার এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।চলতি বছরের ১৫ জুলাই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর থেকে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ৩০০ টাকারও বেশি বেড়েছে। লেনদেনের প্রথম দিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এটির শেয়ারের সর্বনিম্ন দাম ছিল সাড়ে ৩৬ টাকা। আর গতকাল দিনের শেষে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩৩৯ টাকা।ঋণসুবিধা বন্ধের পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেনের জন্য স্পট মার্কেট বা নগদ লেনদেনের বাজারে স্থানান্তর করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিএসইসি জানায়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, কোম্পানিটির বিষয়ে নেওয়া এ দুটি সিদ্ধান্ত আজ বুধবার থেকেই কার্যকর হবে। অর্থাৎ আজ থেকে শাহজিবাজারের শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে কোনো বিনিয়োগকারী ঋণসুবিধা পাবেন না।বর্তমানে সাধারণ বাজারে একটি কোম্পানির শেয়ারের লেনদেন নিষ্পত্তি হতে তিন দিন (টি+২) সময় লাগে। কিন্তু স্পট মার্কেটে এক দিনে (টি+০) লেনদেন নিষ্পত্তি হয়। অর্থাৎ কোনো বিনিয়োগকারী আজ স্পট মার্কেট থেকে কোনো শেয়ার কিনলে আগামীকালই তা আবার বিক্রি করতে পারবেন। এর ফলে সেখানে শেয়ারের সরবরাহ বেড়ে যায়। অন্যদিকে ঋণসুবিধা বন্ধ থাকলে তাতে শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে টাকার প্রবাহ কমে যায়। তাই একদিকে টাকার প্রবাহ কমিয়ে অন্যদিকে শেয়ারের সরবরাহ বাড়িয়ে শাহজিবাজারের শেয়ারের অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির লাগাম টানার উদ্যোগ নিয়েছে বিএসইসি।তালিকাভুক্তির পর থেকে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশে ১১ আগস্ট থেকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটির লেনদেন স্থগিত করে দেয়। এ সময় অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে নিয়ন্ত্রক সংস্থা তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থার উদ্যোগে কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন বিশেষ নিরীক্ষা করানো হয়। তাতে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস (আর্নিং পার শেয়ার) কমে যায়।তদন্ত ও বিশেষ নিরীক্ষা শেষে গত ২০ অক্টোবর কোম্পানিটির লেনদেনের ওপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়। ২০ অক্টোবর থেকে সর্বশেষ গতকাল পর্যন্ত ২১ কার্যদিবসে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম বেড়েছে প্রায় ২৫০ টাকা। ২০ অক্টোবর প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৮৯ টাকা ২০ পয়সা।এদিকে হিসাব কারসাজির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার দায়ে শাহজিবাজারের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) পাঁচ পরিচালককে ৪৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে চার পরিচালকের প্রত্যেককে ১০ লাখ করে ৪০ লাখ টাকা এবং এমডিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ জরিমানা আদায় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।স্থগিতাদেশ শেষে পুনরায় লেনদেন শুরুর পরও এটিরও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে। এ কারণে দ্বিতীয় দফায় তদন্তের উদ্যোগ নেয় বিএসইসি, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। তদন্তের পাশাপাশি গতকাল এটির মূল্যবৃদ্ধির লাগাম টানতে ঋণ-সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়।এ ছাড়া কোনো ব্রোকারেজ হাউস কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেনে সীমার অতিরিক্ত ঋণ দিয়ে থাকলে তা তিন কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত সীমায় নামিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। পাশাপাশি ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে আজ থেকে লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য নিজ নিজ স্টক এক্সচেঞ্জে পাঠাতে বলা হয়েছে।   Source : প্রথম আলো 
  • প্রথম দিনেই খান ব্রাদার্সের ১০ টাকার শেয়ার ৭৮ টাকা
    শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর প্রথম দিনেই খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গতকাল মঙ্গলবার কোম্পানিটির ১০ টাকার শেয়ারের দাম উঠেছে ৭৮ টাকায়।বাজার-সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রথম দিনের এ মূল্যবৃদ্ধি কোনোভাবেই কোম্পানিটির আর্থিক ভিত্তির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এমনকি কোম্পানির উদ্যোক্তারাও প্রথম দিনের শেয়ারের দামকে ‘অস্বাভাবিক ও অপ্রত্যাশিত’ বলে মনে করছেন।জানতে চাইলে ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী প্রথম আলোকে বলেন, কোম্পানিটির আর্থিক সামর্থ্য ও মৌল ভিত্তি, বাজারের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় প্রথম দিনের দামটি কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। তা সত্ত্বেও একদল বিনিয়োগকারী হয়তো এ দামকেই যৌক্তিক মনে করে লাভের আশায় উচ্চমূল্যে শেয়ার কিনেছেন।কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোফায়েল কবির খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রথম দিনে বাজারে আমাদের কোম্পানির শেয়ারের যে দাম উঠেছে, তা আমাদের কাছেও অপ্রত্যাশিত। ব্যবসা, আর্থিক ভিত্তি ও সুনাম মিলিয়ে কোম্পানির যে মৌল ভিত্তি, তা বিবেচনায় এ দাম আমাদেরও ভাবনায় ছিল না।’ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গতকাল খান ব্রাদার্স পিপি ওভেনের প্রতিটি শেয়ারের দাম বেড়েছে ৬৮ টাকা বা ৬৮০ শতাংশ। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বা ফেস ভ্যালুতে এটির প্রতিটি শেয়ার বিক্রি করা হয়। অর্থাৎ আইপিওর শেয়ারে কোনো ধরনের অধিমূল্য বা প্রিমিয়াম ছিল না।সর্বশেষ কোম্পানিটি প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ’১৪) যে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাতে আইপিও পরবর্তী এটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস (আর্নিং পার শেয়ার) দাঁড়িয়েছে ৩৪ পয়সা। এতে বার্ষিক হিসাবে এ আয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় এক টাকা ৩৬ পয়সা। আর এ আয়ের সঙ্গে শেয়ারের গতকালের বাজার দামের তুলনা করলে তাতে মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও দাঁড়ায় ৫৭-তে।শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির পিই রেশিও ৪০-এর ওপরে চলে গেলে সেটির বিপরীতে ঋণসুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। অর্থাৎ ওই কোম্পানির শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা কোনো ধরনের ঋণসুবিধা পান না। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনায় এ বিধানটি চালু রয়েছে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের যে বার্তাটি দেওয়া হয়, সেটি হলো ওই শেয়ারে বিনিয়োগ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।পিই রেশিওর বিবেচনায় লেনদেনের প্রথম দিনেই ঋণসুবিধার বাইরে চলে গেছে খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের শেয়ার।বেসরকারি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের প্রধান মোহাম্মদ মূসা প্রথম আলোকে বলেন, যে কোম্পানির পিই রেশিও যত বেশি, ওই কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ ততটাই ঝুঁকিপূর্ণ। এসব জানার পরও কেউ যদি উচ্চমূল্যে কোম্পানিটির শেয়ার কেনেন, তাহলে তাঁকে সতর্ক করা ছাড়া কারোরই কিছু করার নেই। এ ক্ষেত্রে উচ্চমূল্যে শেয়ার কিনে যদি কোনো বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে তার জন্য কাউকে দায়ী করা যাবে না। এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা খতিয়ে দেখতে পারে কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এত উচ্চমূল্যে কোম্পানিটির শেয়ার কিনছেন। এ ক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের নিজেদের সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে আমরা এটির শেয়ারের লেনদেন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। যদি কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’আইপিওতে খান ব্রাদার্স দুই কোটি শেয়ার ছেড়েছিল। প্রথম দিনে গতকাল দুই স্টক এক্সচেঞ্জ মিলিয়ে এক কোটি ১৮ লাখের বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ডিএসইতে ৯৬ ও সিএসইতে ২২ লাখের বেশি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। অর্থাৎ আইপিওতে যাঁরা কোম্পানিটির শেয়ার পেয়েছিলেন, তাঁদের অধিকাংশই এদিন নিজেদের শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন।   Source : প্রথম আলো 
View All
Latest DSE News
  • POWERGRID

    (Continuation of News of POWERGRID): 5.As disclosed in Note # 20 to the financial statements, liabilities for other finance include an amount of Tk. 3,765,000 owed to BPDB, and as disclosed in Note # 20.4, liabilities for other finance include account current with corporations and other offices amounting to Tk. 110,512,421 comprising Tk. 112,434,988 and Tk. (2,422,567) on account of BPDB and Project-1 respectively as on 30 June 2014. As disclosed in Note # 13.3, Note # 13.4(A) and Note # 17 PGCBL owes to BPDB Tk. 8,003,670, Tk. 8,006,716,130 and Tk. 1,626,835,513 respectively. The balances could not be confirmed from BPDB. (cont. 7)

  • POWERGRID

    (Continuation of News of POWERGRID): Repair and maintenance charge receivable from DESA is Tk. 104,722,014 which is being carried forward from 2010. But the company is yet to provide provisions for the amounts according to the report. As for the other disputed amounts, in our opinion the company is very unlikely to receive the amounts in full. If provisions were provided for the above mentioned amounts the EPS for the year 2013-14 would have adversely been affected. (cont. 6)

  • POWERGRID

    (Continuation of News of POWERGRID): The company has been following the policy of capitalizing or deducting such exchange rate fluctuation loss /gain from Property, plant and equipment from the year 2010-2011 which is a non-compliance of the above provision of BAS-21. 4. As disclosed in Note # 8 to the financial statements, the Company has reported an amount of Tk. 1,420,770,057 as receivable from transmission/wheeling and optical fiber charge. It includes receivables from DPDC, DESCO and WZPDCL Tk. 464,799,716.24, 195,926,954 and Tk. 103,544,777 respectively carried forward since 2007 which includes disputed amount with the respective companies (disputed amount with DPDC Tk. 174,594,248.24, DESCO Tk. 3,480,438 and WZPDCL Tk. 973,755). (cont. 5)

  • POWERGRID

    (Continuation of News of POWERGRID):However, the company has hired the services of a firm of Chartered Accountants for the valuation in September 2011 which has now cancelled due to failure to complete the assignment in due time. 3. Exchange rate fluctuation loss amounting to Tk. 58,030,166.38 relating to the outstanding principal amount of loan for the year ended 30 June 2014 of the completed projects that are now in operation has been added to Property, plant and equipment instead of recognizing such loss in Profit and Loss Account. Para-28 of Bangladesh Accounting Standards (BASs-21) requires that the said exchange rate fluctuation loss shall be recognized in Profit and Loss account. (cont. 4)

  • POWERGRID

    (Continuation of News of POWERGRID): 2. As disclosed in Note # 7 to the financial statements, the Company has reported an amount of Tk. 864,243,630 as inventories. We have visited 8 GMD's out of 31 as per the TOR of appointment involving the inventories value amounting to Tk. 270,970,906 where we found that movement of inventories is not properly recorded in the accounts maintained. As a result, physical existence of inventory could not be verified. We had no other practical alternative auditing procedure that we could apply to authenticate the physical existence as well as the value thereof as on 30 June 2014. (cont. 3)

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
GSPFINANCE 29.70 27.60 2.10 7.61
NHFIL 31.30 29.30 2.00 6.83
BDTHAI 48.20 45.70 2.50 5.47
STANCERAM 46.90 44.70 2.20 4.92
ILFSL 13.80 13.20 0.60 4.55
MONNOCERA 30.10 28.80 1.30 4.51
DBH 70.30 67.60 2.70 3.99
MEGHNAPET 5.60 5.40 0.20 3.70
UNIONCAP 21.00 20.30 0.70 3.45
NORTHERN 285.00 276.10 8.90 3.22

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297