Company Quick Quote

COURSES [View All]

Certificates and Events

Article

LATEST POST IN BLOG       view blog

USING COLOUR FULL RSI AFL 15-Apr
Using Color MACD in Amibroker 08-Apr
Separate Bull and Bear AFL for Amibroker 03-Feb
Candlestick Recognition AFL 27-Aug
Interpretation of Volume Zone Oscillator (VZO) 30-Apr

MARKET TOOLS

Individual Return

The required rate of return is the minimum rate of return that an investor requires before investing capital. The degree of risk associated with an investment is reflected in the required rate of return.The Capital Asset Pricing Model (CAPM) is a method used in determining the required rate of return associated with an investment. See All

Beta Coefficient

Beta measures risk of particular security regarding overall market risk Click Here

Sector Beta (B)

If B < 0, The stock moves contrary to the market in an inverse relationship. As the market increases, the value of this stock is expected to decrease.

If B = 0, The stock’s returns are unrelated to market moves.

If 0 < B < 1, The stock is expected to move more slowly than the market.

If B = 1, The stock should move in a manner very similar to the market as a whole.

If B > 1, The stock has proven over time to be more volatile than the market.See all

Sector PE

A sector PE is a PE ratio for a whole sector rather than an individual company. A market PE is the same for an entire market See all

Category PE

Category P/E gives you individual P/E calculation of category basis like A, B, N and Z. By this tool you can easily to take decision what category of share investment is good or bad See all

Dividend Yield

Dividend yield is a market based investment ratio which explains how much a company pays in dividends each year relative to its share price. In other words, it is a way to measure the cash flow the investor is getting for their investment See all

WEEKLY TOP 10

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
UPGDCL 207.8 148.2 59.60 40.22
BDWELDING 16 13.2 2.80 21.21
KBPPWBIL 22.9 18.9 4.00 21.16
NORTHERN 216 178.3 37.70 21.14
WMSHIPYARD 49.2 40.7 8.50 20.88
BDTHAI 36.7 30.5 6.20 20.33
SALAMCRST 28.3 23.7 4.60 19.41
ZAHEENSPIN 20.4 17.1 3.30 19.30
CNATEX 20 16.8 3.20 19.05
UNIQUEHRL 53.3 45.1 8.20 18.18

Contest SB2015_Apr

1st
blank_person
GAINLOSS
2nd
blank_person
IMRANKSL
3rd
blank_person
FAIZUB
  • INDEX MOVER
  • MARKET MOVER
  • PORTFOLIO

INDEX MOVER

Company LTP YCP IND.CHG VOLUME
Positive impact
ZAHINTEX 13.4 12.2 -4,360.50000 68693.00
ZAHEENSPIN 20.4 19 -4,360.50000 1679430.00
WMSHIPYARD 49.2 48 -4,360.50000 4461790.00
WATACHEM 204.4 205.9 -4,360.50000 13277.00
UTTARAFIN 57.3 56.6 -4,360.50000 42550.00
Negative impact
AAMRATECH 34 34.9 -4,360.50000 926001.00
ABBANK 22.3 20.5 -4,360.50000 1025610.00
ACI 545.6 571 -4,360.50000 320476.00
ACIFORMULA 141.9 146.4 -4,360.50000 383509.00
ACTIVEFINE 61.8 62.3 -4,360.50000 220077.00

MARKET MOVERVALUE BASED

Company LTP HIGH LOW CHANGE(%) VALUE
UPGDCL 207.8 208.4 186.1 8.85% 526.54
SHASHADNIM 44.7 45 41.7 7.97% 358.08
MJLBD 131.3 136.2 130.1 -2.67% 287.81
WMSHIPYARD 49.2 50.4 47.1 2.50% 217.69
ACI 545.6 572 538 -4.45% 177.82
IFADAUTOS 75.5 78.7 74.2 -2.58% 153.95
KPCL 60.3 62.7 60 -2.58% 141.80
SAIFPOWER 74.5 74.9 71 0.81% 135.03
BEXIMCO 32.2 33.3 31.6 2.88% 121.30
SAPORTL 55.1 56.5 54 2.04% 94.77

PORTFOLIO

Already a User! Sign in
Username
Password
New User? Register Now
Username
Password
Confirm Password
Email

MARKET STATISTICS 16 Apr 2015

128010
TOTAL TRADE
115.2819
TOTAL VOLUME(Mn)
5385.23
TOTAL VALUE(Mn)
Daily StockBangladesh.com Logo
  • ‘নির্ভয়ে বিনিয়োগ করতে পারছিনা’
    হোসাইন আকমল : ‘বাজার কি আর ভাল হবেনা? কোম্পানির শেয়ার দর উঠবে না? নির্ভয়ে তো কোন খাতেই বিনিয়োগ করতে পারছিনা’ -এমন আক্ষেপ অনেক বিনিয়োগকারীর। কারণ গত ১ মাসে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর পড়েছে। এর মধ্যে বিবিধ এবং কাগজ ও মূদ্রণ খাতের শতভাগ কোম্পানির শেয়ারদরে পতন হয়েছে গত এক মাসে। এরপরে বীমা খাতের ৯৩.৪৭৮ শতাংশ, আর্থিক খাতের ৯১.৬৬৬ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ডের ৮৮.৬৩ শতাংশ, ব্যাংক ও চামড়া খাতের ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে গত ১ মাসে। চলমান বাজার পরিস্থিতিতে শোচনীয় অবস্থা বিরাজ করছে বিবিধ খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরে। এ খাতে শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত রয়েছে ১১টি কোম্পানি। ১১টি কোম্পানিরই শেয়ারদর কমতে শুরু করেছে। কোম্পানিগুলোর গত ১ মাসের  শেয়ারদরের চিত্র বিশ্লেষণে দরপতনের বিষয়টি বেরিয়ে এসেছে। দরপতনের ধারা অনুযায়ী বিবিধ খাতের শীর্ষে রয়েছে- বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি)। গত ১ মাসে এর শেয়ারদর কমেছে ১৪.০১ শতাংশ। এরপরে রয়েছে- সাভার রিফ্যাক্টরিজ ১৩.২৪ শতাংশ, ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড ১২.৬৯ শতাংশ, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড ৮.৫৩ শতাংশ, মির‌্যাকল ইন্ডাস্ট্রিজ ৭.৮৬ শতাংশ, জিকিউ বলপেন ৬.৮৩ শতাংশ, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ ৬.০৭ শতাংশ, উসমানিয়া গ্লাস ৫.০৬ শতাংশ, আরামিট ৪.০৫ শতাংশ, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ২.৯৭ শতাংশ ও বাংলাদেশ এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড ১.৮৩ শতাংশ। বিনিয়োগকারীদের অনেকেই মনে করছেন, অবরোধ না থাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নয়ন হলেও এখনো স্থিতিশীলতার অভাব রয়েছে। এমন পরিবেশে অর্থের নিরাপত্তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মাঝে এখনো পুরোপুরি বিশ্বাস ফিরে আসেনি। ফলে কেবল বিবিধ খাতের কোম্পানিই নয়, পুঁজিবাজারের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। তারা আরো বলেন, এ পরিস্থিতিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নতুন করে আর বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেনা । বিনিয়োগ-নিরাপত্তা অনকূলে না আসা পর্যন্ত তারা হয়তো বাজার-পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তবে তারা আশা করেন, বাজার-পরিস্থিতি ভাল হবে। বিবিধ খাতের মতো আরো যে খাতের দর কমতে শুরু করেছে- শীঘ্রই এমন দুর্যোগ থেকে তারা বেরিয়ে আসবেন। নাম-পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক উসমানিয়া গ্লাসের এক কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি অনেক কোম্পানি আইপিওতে এসেছে। ফলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ আইপিও’র দিকে চলে গেছে। সেকেন্ডারি মার্কেটে তুলনামূলক লোকসান হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা প্রাইমারি মার্কেট অর্থাৎ আইপিও’র দিকে ঝুঁকেছেন। এতে বিনিয়োগ কিছুটা কমেছে সেকেন্ডারি মার্কেটে (পূর্ব থেকে তালিকাভূক্ত কোম্পানি)। তাই অনেক কোম্পানির ক্ষেত্রে দরপতনের এমন অবস্থা বিরাজ করছে।
  • টেক্সটাইল খাতে ভরাডুবি, ইস্যুমূল্যের নীচে দর
    সিনিয়র রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে টেক্সটাইল খাতের ভরাডুবি চলছে। এই খাতের ৪৪টি কোম্পিানির বেশিরভাগের শেয়ার প্রতি দর কমেছে। ধারাবাহিকভাবে শেয়ার প্রতি দর আরো কমছে। অন্যদিকে অনেক কোম্পানির শেয়ার দর ইস্যু মূলের নীচে অবস্থান করছে। যে কারণে এই খাতের কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ নিয়ে বেশ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বাজার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, টেক্সটাইল খাতের ৪৪ টি কোম্পানির মধ্যে ৪ টি কোম্পানির লেনদেন হয়নি। অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশিরভাগের শেয়ারপ্রতি দর কমেছে। এরমধ্যে ইস্যুমূল্যের নীচে অবস্থান করছে ফারইস্ট নিটিং এন্ড ডাইং কোম্পানি, দুলামিয়া কটন, ম্যাকসন স্পিনিং, মেট্রো স্পিনিং, সোনারগাঁ স্পিনিং মিলস। প্রিমিয়ামসহ বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া আরো অনেক কোম্পানির শেয়ার দর নিয়ে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে ইস্যু মূল্যের নীচে ও ইস্যুমূল্যের কাছাকাছি অবস্থান করায় অনেক বিনিয়োগকারী তাদের অবস্থান থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন। ফারইস্ট নিটিংয়ের একটি চিত্র দেয়া হলো- কোম্পানির শেয়ার প্রতি দর বৃহস্পতিবার ছিল ১৯.৫০ টাকা। ধারাবাহিকভাবে কোম্পানির শেয়ার দর কমছে। গত বছর প্রতিষ্ঠানটি প্রিমিয়ামসহ ২৭টাকা ইস্যুমূল্যে তালিকাভুক্ত হয়। বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ার দর অবস্থান নেয় ১৯ টাকায়। ‘এ’ ক্যাটাগরির বস্ত্র খাতের কোম্পানি ফারইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ২০১৪ সালের সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ২০১৪ সালে তালিকাভূক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১৩৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। দুলামিয়া কটনের শেয়ার দর এখন অবস্থান করছে ৬.৯০ টাকা। কোম্পানিটির শেয়ার দর ধারবাহিকভাবে কমছে। নীচের চিত্র- নীচে এ খাতের অবস্খান সম্পর্কে একটি চিত্র প্রকাশ করা হলো-
  • অলিম্পিকের আইপিও আবেদন রোববার শুরু
    স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পাওয়া অলিম্পিক এক্সেসরিজ লিমিটেডের আবেদন শুরু হবে ১৯ এপ্রিল, রোববার। চলবে ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার  পর্যন্ত। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এই সুযোগ রয়েছে ২ই মে  শনিবার পর্যন্ত।  এ বিষয়ে পত্রিকায় কোম্পানির PROSPECTUS ছাপা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে । এর আগে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫৩৯তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, অলিম্পিক এক্সেসরিজ প্রিমিয়াম ছাড়াই আইপিওতে আসছে। প্রিমিয়াম না থাকায় কোম্পানিটি অভিহিত মূল্যে অর্থাৎ ১০ টাকা দরে  ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে শেয়ারবাজার থেকে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি নতুন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং তৈরি, মেশিনারিজ ক্রয় এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। ৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৪৩ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬.৩৪ টাকায়। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্ট এবং সিএপিএম এ্যাডভাইজরি লিমিটেড।
  • ইফাদ অটোস ডিএসই ব্রড ইনডেক্সে রোববার থেকে
    স্টাফ রিপোর্টার : সম্প্রতি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইফাদ অটোস লিমিটেডকে ডিএসই ব্রড ইনডেক্সে (ডিএসইএক্স) সংযোজন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ডিএসই কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯ এপ্রিল, রোববার থেকে ডিএসই ব্রড ইনডেক্সে লেনদেন করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) জানায়, বাংলাদেশ ইনডেক্স মেথযোলজি অনুযায়ী, যা এসঅ্যান্ডপি ডাও জোন্স ইনডিসেস দ্বারা পরিকল্পনা ও তৈরিকৃত এবং ডিএসই’র ইনডেক্স কমিটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং এসঅ্যান্ডপি এর মতামত অনুযায়ী ১(এক) টি কোম্পানি এপ্রিল, ২০১৫ অন্তবর্তীকালীন আইপিও অন্তর্ভূক্তিতে ডিএসই ব্রড ইনডেক্সে (ডিএসইএক্স) অন্তর্ভূক্ত হবার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করেছে। কোম্পানিটি হলো- ইফাদ অটোস লিমিটেড। যা ১৯ এপ্রিল, ২০১৫ তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
  • বিএসইসির ১০ কর্মকর্তার দায়িত্ব পুনর্বন্টন
    ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১০ কর্মকর্তার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। সোমবার বিএসইসির উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত দায়িত্ব পুনর্বণ্টন সংক্রান্ত এক অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। জারি করা আদেশ অনুযায়ী, বিএসইসির পরিচালক রেজাউল করিমকে ক্যাপিটাল ইস্যু এবং ক্যাপিটাল মার্কেট রেগুলেটরি রিফর্মস এ্যান্ড কমপ্লায়েন্স ডিপার্টমেন্ট (সিএমএমআরসি) থেকে শুধুমাত্র ক্যাপিটাল ইস্যু ডিপার্টমেন্টে, পরিচালক শফিউল আজমকে রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে সুপারভিশন এ্যান্ড রেগুলেশন অব ইন্টারমেডিয়ারিস (এসআরআই) ডিপার্টমেন্টে, পরিচালক জাহাঙ্গীর আলমকে সার্ভিল্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টে, পরিচালক প্রদীপ কুমার বসাককে ক্যাপিটাল ইস্যু ডিপার্টমেন্ট থেকে কর্পোরেট ফাইন্যান্স এবং ক্যাপিটাল ইস্যু (রাইট ইস্যু অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডিপার্টমেন্টে, পরিচালক আবুল কালামকে কর্পোরেট ফাইন্যান্স এবং ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টে, পরিচালক শেখ মাহবুবুর রহমানকে এডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে সার্ভিল্যান্স ডিপার্টমেন্টে। তালিকায় আরো আছেন- পরিচালক মাহমুদুল হককে এ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে মিউচুয়াল ফান্ড এবং স্পেশাল পারপাস ভিহেকল (এসপিভি) ডিপার্টমেন্টে, উপ-পরিচালক মোল্লা মো. মিরাসুজ সুন্নাহকে কর্পোরেট ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট থেকে কর্পোরেট ফাইন্যান্স ডিপার্টম্যান্ট এবং অতিরিক্তি দায়িত্ব হিসাবে ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টে, উপ-পরিচালক এমদাদুল হককে মিউচুয়াল ফান্ড এবং স্পেশাল পারপাস ভিহেকল (এসপিভি) থেকে সুপারভিশন এ্যান্ড রেগুলেশন অব ক্যাপিটাল মার্কেট এ্যান্ড ইস্যুয়ার কোম্পানিজ ডিপার্টমেন্টে এবং সহকারী পরিচালক আসিফ ইকবালকে সুপারভিশন এ্যান্ড রেগুলেশন অব ক্যাপিটাল মার্কেট এ্যান্ড ইস্যুয়ার কোম্পানিজ (এসআরএমআইসি) ডিপার্টমেন্ট থেকে এ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টে বদলি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, নিয়মিত কর্মকাণ্ডের অংশ হিসাবে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
  • ৮ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
    স্টাফ রিপোর্টার : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৮টি কোম্পানি তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। কোম্পানি সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে- পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স, শাশা ডেনিমস, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, নর্দার্ণ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, এবি ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংক। পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স : পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১১ জুন অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৩ এপ্রিল। শাশা ডেনিমস : কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স : সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য  ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ১ টাকা ৫৯ পয়সা। নর্দার্ণ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স : নর্দার্ণ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত বছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছে ২ টাকা ০২ পয়সা। বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স : বিমা খাতের কোম্পানি বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স : বিমা খাতের কোম্পানি মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এবি ব্যাংক : ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি এবি ব্যাংক শেয়ারহোল্ডারদের জন্য  ১২.৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আইএফআইসি ব্যাংক : আইএফআইসি ব্যাংক শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
  • এশিয়ান টাইগার এখন ৬ টাকায়!
    সিনিয়র রিপোর্টার : সম্প্রতি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এশিয়ান টাইগার সন্ধানী  গ্রোথ ফান্ডের ইউনিট প্রতি মূল্য হয়েছে ৬.১০ টাকা। ইস্যুমূল্য ১০ টাকার ফান্ডটি বৃহস্পতিবার ৫.৯০ টাকা থেকে ৬.২০ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। ডিএসই ওয়েবসাইট সূত্রে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানা যায়। বাজার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, তালিকাভুক্তির পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি দর কমেছে। ১০ টাকার ইউনিট প্রতি সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ৭.৪০ টাকা থেকে নেমে হয়েছে ৬.১০ টাকা। ফান্ডটির মূল্য কমায় বিনিয়োগকারীদের বেশ ভাবিয়ে তুলেছে। ‍অনেক বিনিয়োগকারী বলেন, বাজারের ভারসাম্য ধরে রাখে মিউচ্যুয়াল ফান্ড। সে ফান্ডের অবস্থান যদি ভরাডুবির মধ্যে থাকে তাহলে তা আশঙ্কাজনক। অনেক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের এই অবস্থা। ইস্যুমূল্যের নীচে এখন দর অবস্থান করছে। একই সঙ্গে অনেক কোম্পানির শেয়ার প্রতি দর ইস্যুমূলের অনেক কমে নেমে এসেছে। সম্প্রতি তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির লেনদেনের প্রথম দিন ও দ্বিতীয দিনে অভিহিত মূল্যের চেয়েও কম দামে লেনদেন হয়েছে। এশিয়ান টাইগার সন্ধানী লাইফ গ্রোথ ফান্ডের প্রতি ইউনিট প্রতি দ্বিতীয় দিন  ১ এপ্রিল প্রতিটি ইউনিট সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৬.৯০ টাকায়। প্রথম দিনে লেনদেন হয়েছে ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিট ৭ টাকা ৪০ পয়সায়। অথচ প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ছিল ১০ টাকা। মঙ্গলবার ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে ফান্ডটির ছয় কোটি ইউনিট সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রি করা হয়। ১০০ কোটি টাকার ফান্ডটি ১০ কোটি ইউনিটে বিভক্ত। এর মধ্যে দুই কোটি করে মোট চার কোটি ইউনিট ফান্ডটির উদ্যোক্তা ও প্রাক্-প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা প্রি-আইপিও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হয়। আইপিওতে ফান্ডটির প্রতিটি বাজারগুচ্ছ বা মার্কেট লট গঠিত হয় ৫০০টি ইউনিট নিয়ে। প্রতি লটের জন্য আবেদনে বিনিয়োগকারীদের খরচ হয় পাঁচ হাজার টাকা। গত ১১ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ফান্ডটি আইপিওর মাধ্যমে দেশি-বিদেশি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে। ফান্ডটির ১০০ কোটি টাকার মধ্যে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান সন্ধানী লাইফ ইনস্যুরেন্স দিয়েছে ২০ কোটি টাকা, ২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে প্রাক্-আইপিও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে। আর বাকি ৬০ কোটি টাকা জোগান দিয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। ১০ বছর মেয়াদি এ ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল পার্টনারস অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট।
  • ডিএসইতে ৫০০ কোটি টাকার উপরে লেনদেন
    মেহেদী আরাফাত : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এর – ডিএসই এক্স ইনডেক্স সপ্তাহের শেষ কর্জ দিবসে দিনের প্রথম ভাগে ক্রয়চাপের ফলে ঊর্ধ্বমুখি প্রবনতা নিয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে দিনভর কিছুটা মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের শেষভাগে পুনরায় ক্রয়চাপের ফলে দিনশেষে ডিএসই এক্স ইনডেক্স ঊর্ধ্বমুখি হতে থাকে এবং ১২.৮৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে বুলিশ ক্যান্ডেলস্টিক তৈরি করে। ডিএসই এক্স ইনডেক্স ১২.৮৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৪৩৭৩.৩৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা আগের দিনের তুলনায় ০.২৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ডিএসই এক্স ইনডেক্স এর পরবর্তী সাপোর্ট ৪২৭৮ পয়েন্টে এবং রেজিটেন্স ৪৩৯২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আজ বাজারে এম.এফ.আই এর মান ছিল ৪০.৬৯ এবং আল্টিমেট অক্সিলেটরের মান ছিল ৪১.৩৩। এম.এফ.আই কিছুটা ঊর্ধ্বমুখি অবস্থান করছে এবং আল্টিমেট অক্সিলেটর কিছুটা ঊর্ধ্বমুখি অবস্থান করছে। ডিএসইতে ১১ কোটি ৫২ লাখ ৮১ হাজার ৮৭৭ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যার মূল্য ছিল ৫৩৮.৫২ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৬৮ কোটি টাকা। ঢাকা শেয়ারবাজারে ৩১০ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪২ টির, কমেছে ১৩৬ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩২ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। পরিশোধিত মূলধনের দিক থেকে দেখা যায়, বাজারে চাহিদা বেশী ছিল ৫০-১০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ২০.৭৭% বেড়েছে। অন্যদিকে বেড়েছে ০-২০ এবং ১০০-৩০০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধনী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের যা আগেরদিনের তুলনায় ১.৯৭% এবং ১.৬২% বেশী। অন্যদিকে ২০-৫০ এবং ৩০০ কোটি টাকার উপরে পরিশোধিত মুলধনী প্রতিষ্ঠানের লেনদেনের পরিমান গতকালের তুলনায় ৭.৯৬% এবং ১.০৯% কম। পিই রেশিও ৪০ এর উপরে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ০.৭৭% কমেছে। অন্যদিকে পিই রেশিও ০-২০ এর মধ্যে থাকা শেয়ারের লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১২.২৩% বেড়েছে। ক্যাটাগরির দিক থেকে পিছিয়ে ছিল ‘বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ৫.৭৭% বেশী ছিল। কমেছে ‘এ’ এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারের লেনদেন যা আগেরদিনের তুলনায় ০.২৬% এবং ১৭.৯৬% কম ছিল।
  • পেনিনসুলা আতঙ্ক, ৩০ টাকার শেয়ার এখন ২০টাকা
    বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ ঘটা করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানির মধ্যে একটি কোম্পানি হলো দ্য পেনিনসুলা চিটিাগং লিমিটেড। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় গত বছরে। এরপর মাত্র কয়েকদিন PENINSULA শেয়ারপ্রতি দর উত্থানের ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা যায়। হোটেল কোম্পানি পেনিনসুলার এরপরেই শেয়ারে নামে ধস। ধীরে কমতে থাকে শেয়ার প্রতি দর। আর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দিনে দিনে বাড়ছে পেনিনসুলার প্রতি আতঙ্ক। বর্তমানে প্রতি শেয়ারে মুলধনের কমেছে প্রায় ১১ টাকা।   গত বছরের পেনিনসুলা চিটাগাং লিমিটেড ৫ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার থেকে সংগ্রহ করে ১৬৫ কোটি টাকা। টাকা সংগ্রহের জন্য বাংরাদেশ সিকিরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন প্রতিটি শেয়ারের দাম নির্ধারণ করে  ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩০ টাকা। বৃহস্পতিবার বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পেনিনসুলার শেয়ার প্রতি ১০ টাকা নেই। বিএসইসির ইস্যু মূল্যের নীচে নেমেছে দর। গত নভেম্বরে কোম্পানি তালিকাভুক্তির পরই সর্বোচ দর ছিল ৩৫ টাকা। এরপরই প্রতি দিবসে কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শেয়ার দর ছিল ১৯.৫০ টাকা। বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, বিএসইসি আমাদের টাকা জলে দিয়েছে। তালিকাভুক্তির ৬ মাস যে কোম্পানি তাদের শেয়ার দর বাজারে ধরে রাখতে পারেনা, তাদের কেন পুঁজিবাজারে নিয়ে এলো। শেয়ার প্রতি এখন ১১ টাকা নেই, এই দায় কে নেবে? বৃহস্পতিবার দুপুরে একজন বিনিয়োগকারী স্টক বাংলাদেশ অফিসে ফোন করে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে কোম্পাটির নাম আগেই শুনেছিলাম। যে কারণে দুলাখ টাকা বিনিয়োগ করি। এখন আসলের ৫০ হাজার টাকা নেই। হায়! হায়! কোম্পানি পেনিনসুলা আমাকে খেল।   সর্বশেষে ওই বিনিয়োগকারী কোম্পানিটি থেকে তার আসল টাকা কিভাবে তুলে নিতে পারেন, সে বিষয়ে পরামর্শ আশা করেন। গত বছরে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরীর কোম্পানিটির ডিরেক্টরদের শেয়ার রয়েছে ৫১.৩৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের রয়েছে ৪৩. ৬৭ শতাংশ শেয়ার। পেনিনসুলার ৩০ জুন ২০১৩ পর্যন্ত সময়ে সমাপ্ত অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ টাকা ৪৯ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ ৩২ টাকা ৭৩ টাকা। ২০১৪ সালে মাত্র ১বার ১০ শতাংশ ডেভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আরো অনেক কোম্পানির ইস্যূ মূল্যের নীচে শেয়ার প্রতি দর অবস্থান করছে। আইপিওর মাধ্যমে তোলা ১৬৫ কোটি টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি হোটেলের সম্প্রসারণ করবে এবং একটি নতুন হোটেল নির্মাণ করবে বলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে জানানো হয়েছে।
  • লিন্ডে বিডির এজিএম ৩০ এপ্রিল
    স্টাফ রিপোর্টার :  রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ৩০ এপ্রিল লিন্ডে বিডির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১১০ শতাংশ নগদ চূড়ান্ত লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। গেল হিসাব বছরে এরই মধ্যে অবশ্য ২০০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ প্রদান করেছে কোম্পানিটি। সব মিলিয়ে ২০১৪ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডাররা মোট ৩১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেতে যাচ্ছেন। গেল হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪০ টাকা ৭৫ পয়সা। ২০১৩ হিসাব বছর শেষে শেয়ারপ্রতি এ কোম্পানির নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ছিল ১১৬ টাকা ৭৪ টাকা
পত্রিকা হতে সংগৃহীত খবর
  • জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিতর্ক চলছেই
    চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার কত হবে তা নিয়ে আবারও শুরু হয়েছে তর্ক-বিতর্ক। বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলসহ (আইএমএফ) বেসরকারি গবেষণা সংস্থাগুলো বলছে, রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এ বছর জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে সাড়ে ৫ থেকে ৬ শতাংশ। কিন্তু বহুজাতিক সংস্থাগুলোর কঠোর সমালোচনা করে সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও এ বছর প্রবৃদ্ধির হার কিছুতেই সাড়ে ৬ শতাংশের কম হবে না। বরং তা ৭ শতাংশের কাছাকাছি যাবে। পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও দেশীয় সংস্থাগুলো অনুমান ও ধারণার ওপর ভিত্তি করে কথা বলে। অনুমান ও ধারণা দিয়ে এ ধরনের পূর্বাভাস দেওয়া উচিত নয়। সরকার যে পূর্বাভাস দিয়ে থাকে, সেটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে। বিবিএসের মতো অন্য কারো এ ধরনের জনবল ও সাংগঠনিক কাঠামো নেই। তাই বহুজাতিক সংস্থাগুলোকে প্রবৃদ্ধি নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য না করার অনুরোধ করেন তিনি।  গত ১২ এপ্রিল বিশ্বব্যাংক এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, চলতি অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৫.৬ শতাংশ। রাজনৈতিক অস্থিরতা না হলে এটি ৬.৬ শতাংশ হতো বলেও সংস্থাটির অভিমত। বিশ্বব্যাংকের ওই পূর্বাভাসের জবাব দিতে গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলন ডাকেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। রাজধানীর শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের ধারণা সঠিক নয়। বিবিএসের ৯ মাসের তথ্যে দেখা গেছে, প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৫ শতাংশ। তবে প্রকৃতভাবে প্রবৃদ্ধি কত হবে তা জানা যাবে পুরো বছরের তথ্য পাওয়া গেলে। এখন সেটি বলার সুযোগ নেই। এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের সমালোচনা করে বলেন, সংস্থাটি বলেছে গত তিন মাস সবকিছু বন্ধ ছিল। তাদের এই তথ্য ভুল। কারণ, এ সময়ে আমদানি-রপ্তানি বেড়েছে। কারখানাসহ সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা ছিল। কারখানা থেকে কোনো শ্রমিকের চাকরি যায়নি। ওই তিন মাসে সামষ্টিক অর্থনীতির কোনো সূচকে নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। তবে অভ্যন্তরীণ পণ্য আনা-নেওয়াতে খরচ কিছুটা বেড়েছে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব শফিকুল আযম, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফাতেমাসহ সরকারের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বব্যাংকের উদ্ধৃতি দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি বলেছে তিন মাসের হরতাল-অবরোধে জিডিপি ১ শতাংশ কম হবে। যদি ১২ মাসে হরতাল-অবরোধ হতো তাহলে জিডিপি ৪ শতাংশ কম হওয়ার কথা। কিন্তু বাংলাদেশ এখন আর আগের জায়গায় নেই যে, ৪ শতাংশ কমে বছর শেষে মাত্র ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে। এখন পর্যন্ত যে তথ্য আছে তাতে প্রবৃদ্ধি হওয়ার কথা ৬.৬ শতাংশ। আর বছর শেষে সেটি সাড়ে ৬ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে থাকবে বলে আশাবাদ পরিকল্পনামন্ত্রীর।   Source : কালের কণ্ঠ
  • সুদিনের আশায় পুঁজি ভেঙে খাচ্ছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা
    ২০১০ সালের মহাধসের পর পুঁজিবাজার যখন ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে তখন নতুন আশায় ব্যবসা শুরু করেছিলেন বাদশা আলমগীর। আগের সব হিসাব বাদ দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে শেয়ার কেনা- বেচা করে আসছিলেন তিনি। এই পাঁচ লাখ টাকাই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিনিয়োগ করে যে আয় হতো তা দিয়েই চলতো তার নিত্যদিনের ব্যয়। কিন্তু পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে এই ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী।বাদশা জানান, বাজারে বিনিয়োগ করে গত তিন মাসে মুনাফা না হওয়ায় তার মূল পুঁজি থেকেই যাচ্ছে জীবন যাত্রার যাবতীয় ব্যয়। ফলে বিনিয়োগ থেকে লাভ করে পুঁজিবাড়ানোর যে আশা তিনি করেছিলেন তা হয়নি। বরং পুঁজি থেকেই হারিয়ে গেছে ৩০ হাজার টাকা। এভাবে চলতে থাকলে তার পক্ষে বাজারে আর থাকা সম্ভব হবেনা বলে তিনি জানান।তবে এ চিত্র শুধু বাদশাহ আলমগীরের একার নয়। বাজারের ক্রমাগত মন্দায় পড়ে নিজের পুঁজি ভেঙ্গে চলতে হচ্ছে শত শত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর। উদ্বিগ্নতার সঙ্গে সঙ্গে তাদের মনে এখন বড় প্রশ্ন বাজারকি আর ভালো হবেনা কখনো?দেশের বড় বাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি অর্থবছর পুঁজিবাজার প্রায় মন্দার মধ্যেই পার করেছে। মাঝখানে কয়েকমাস ধসের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টায় ভালো অবস্থানেই ছিল। কিন্তু পুরনো সমস্যা রাজনৈতিক অস্থিরতা আবার শুরু হয় জানুয়ারি মাস থেকে। বিশ্লেষণে দেখা যায় বিগত এই সাড়ে তিন মাসে শুধু ডিএসই থেকেই মূলধন হারিয়ে গেছে ২০ হাজার কোটি টাকা। জানুয়ারিতে বাজারে লেনদেন চলছিল তিন লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা মূলধন নিয়ে। সেই মূলধন গত রোববার পর্যন্ত কমে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা। এই সময়ের মধ্যে বাজারটির সূচক কমেছে সাড়ে ৬শ পয়েন্ট। জানুয়ারির শুরুতে বাজারটি ৪ হাজার ৯৪১ পয়েন্ট নিয়ে লেনদেন করে। সর্বশেষ গত রোববার ৪০ পয়েন্ট কমে সূচক দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩০৩ পয়েন্টে।তবে শুধু রাজনৈতিক অস্থিরতাই বাজার মন্দার কারণ নয় বলে মনে করছেন অনেকে। তারা বলছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই। কিন্তু তাতে পুঁজিবাজারের উন্নতি হয়নি। এর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বাজারে না আসা বা কম আসা, তথ্য ফাঁস হওয়ার প্রবণতা একেবারেই শেষ না হওয়া, অভ্যন্তরিন মেন্যুপুলেটিং রয়ে যাওয়া এবং সর্বোপরি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে না আসাই কারণ। এছাড়া বিনিয়োগকারীদের সচেতনাতারও ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাজনৈতিক অস্থিরতা না থাকলেও চলতি এপ্রিল মাসের লেনদেন ও সূচক উভয়ই কমেছে ক্রমাগত। এসময় ডিএসইতে সূচক কমেছে ২০০ পয়েন্টের উপরে।এবিষয়ে সিপিডির খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জম হোসেন বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা যদি বাদ দিই তাহলে আমার মনে হয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কম আসায় বাজারে মন্দা চলছে। আর তাদের না আসার পিছনে কারণ অর্থনৈতিক মন্দা ও বাজারের প্রতি আস্থাহীনতা। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতার রেশ রয়ে গেছে বলেও মনে করছেন গোলাম মোয়াজ্জম হোসেন।বিনিয়োগকারীদের এখন দাবি বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক। এছাড়া যেসমস্ত সমস্যার কারণে বাজারে ক্রমাগত পতন হচ্ছে তার সমাধান করে ক্ষুদ্রবিনিয়োগকারীদের জন্য বাজারকে উপযুক্ত করে তোলা হোক। অন্যথায় ক্ষুদ্র এই বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে এক সময় হারিয়ে যাবে।   Source : সংবাদ
  • মেশিন কিনবে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস
    উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দুটি নতুন রোটর মেশিন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।জানা গেছে, ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে দুটি রোটর মেশিন কিনবে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের এ কোম্পানি। জুলাইয়ে নতুন মেশিন ব্যবহার করতে পারবে কোম্পানি, যা তাদের উৎপাদনক্ষমতা ৩০ শতাংশ বাড়াবে।এদিকে ডিএসইতে গতকাল মোজাফফর হোসেন স্পিনিং শেয়ারের সর্বশেষ দর ৩৫ টাকা ৭০ পয়সায় অপরিবর্তিত ছিল।অর্ধবার্ষিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৯৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৪১ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ৪ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও ৭৭ পয়সা। এদিকে ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়ায় মোজাফফর হুসেন স্পিনিংকে এরই মধ্যে ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করেছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। নিরীক্ষিত প্রতিবেদন অনুসারে, সে হিসাব বছরে ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬২ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ছিল ১৮ টাকা ২৩ পয়সা।   Source : বনিক বার্তা
  • সূচক ও লেনদেন বেড়েছে
    সাম্প্রতিক দরপতনের ধারা কাটিয়ে গতকাল দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সব কটি সূচক ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১ দশমিক ৬০ শতাংশের বেশি। লেনদেনও প্রায় ১৪ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ও সার্বিক সূচক ১ দশমিক ৩০ থেকে ১ দশমিক ৫১ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। লেনদেনও আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে।গতকাল ডিএসইতে মোট ৩০৩টি কোম্পানির ১০ কোটি ৩৭ লাখ ১৮ হাজার ৯৬২টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে গতকাল মোট লেনদেনের পরিমাণ ৪৬৯ কোটি ৭৪ লাখ ১৯ হাজার ৭৫৯ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৫৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বেশি।ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৬৮ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৩৬০ দশমিক ৫০ পয়েন্ট, ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১৭ দশমিক শূন্য ৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৭০ দশমিক ৭০ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস (শরিয়াহ সূচক) ১০ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৫ দশমিক ৩৯-এ দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ৩০৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩টির, কমেছে ৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টির।অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩২টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৭৮টির, কমেছে ৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টির। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৭২ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১৩ হাজার ৩৮১ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। সিএসই ব্রড ইনডেক্স সিএসসিএক্স আগের দিনের চেয়ে ১ দশমিক ৫১ শতাংশ বেড়ে ৮ হাজার ১৫০ দশমিক ২৬-এ উন্নীত হয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৬ লাখ টাকার বেশি, যা আগের দিন ছিল ৩৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকার কম। Source : বনিক বার্তা  
  • বাড়ছে জাহিন স্পিনিংয়ের দর
    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে দর ২১ দশমিক ৭০ শতাংশ কমে যাওয়ায় দরপতনের সাপ্তাহিক তালিকায় এক নম্বরে উঠে আসে বস্ত্র খাতের কোম্পানি জাহিন স্পিনিং। ২৫ মার্চ শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর পর থেকে টানা নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছিল এ শেয়ারের বাজারদরে। তবে এ সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবসে দর প্রায় ১৪ শতাংশ বেড়েছে।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তালিকাভুক্তির পর জাহিন স্পিনিংয়ের দর ২৭ টাকা থেকে কমতে কমতে একপর্যায়ে ১৬ টাকার ঘরে নেমে আসে। সেখান থেকে টানা তিন কার্যদিবসে বেড়ে তা ১৯ টাকা ১০ পয়সায় উন্নীত হয়।স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরুর সময়ে বাজারদরে প্রান্তিক মুনাফা বৃদ্ধির প্রভাব দেখা গেলেও সার্বিক পরিস্থিতিতে দর ধরে রাখতে পারছিল না বাজারে নতুন আসা এ শেয়ার। উল্লেখ্য, প্রথম দিনের লেনদেনে জাহিন স্পিনিংয়ের প্রতিটি শেয়ার ইস্যুমূল্যের ২ দশমিক ৪৩ গুণ দামে লেনদেন হয়। একই দিনে কোম্পানিটি প্রথম তিন প্রান্তিকে মুনাফা প্রায় ১০ গুণ বৃদ্ধির খবর দেয়।অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৪ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে (তৃতীয় প্রান্তিক) জাহিন স্পিনিংয়ের কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ১২ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। অর্থাৎ এ সময়ে কোম্পানির মুনাফা ৯৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা বা প্রায় ছয় গুণ বেড়েছে। আইপিও পরবর্তী শেয়ারসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ পয়সা।অন্যদিকে একই হিসাব বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা প্রায় ১০ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকায়। আইপিও-পরবর্তী শেয়ারসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এ সময়ে ইপিএস হয়েছে ৯৯ পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৩০ পয়সা।প্রসঙ্গত, শেয়ারবাজারে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১২ কোটি টাকা উত্তোলন করে জাহিন স্পিনিং। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের ইস্যুমূল্যও একই ছিল।আইপিও আবেদন গ্রহণ ২৮ ডিসেম্বর শুরু হয়ে শেষ হয় ৫ জানুয়ারি। তবে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। আইপিওতে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৮৮৭ কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে, যা মোট ইস্যুমূল্যের প্রায় ৭৪ গুণ।জাহিন স্পিনিং লিমিটেডের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ৬৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। রিজার্ভ ৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।মোট শেয়ারের ৪৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালকের কাছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৩৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং বাকি ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।২০১৩ সালের নিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে বর্তমানে জাহিন স্পিনিং শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৪২ দশমিক ২২, তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আয়ের ভিত্তিতে যা ১৪ দশমিক ৩৯-এ নেমে এসেছে।   Source : বনিক বার্তা
  • দুই পরিচালক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ প্রত্যাহার
    ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের (আইএলএফএসএল) দুই পরিচালক প্রতিষ্ঠান জেডএন এন্টারপ্রাইজ ও পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড তাদের হাতে থাকা তালিকাভুক্ত ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক কোম্পানিটির সব শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে ব্লক মার্কেটে এসব শেয়ার কিনে নেবে অন্য দুই প্রতিষ্ঠান এইচএএল ও বিআর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইএলএফএসএল জানিয়েছে, জেডএন এন্টারপ্রাইজের কাছে বর্তমানে কোম্পানির ৩৪ লাখ ২২ হাজার শেয়ার রয়েছে। পিএইচপি ফ্লোট গ্লাসের হাতে এর চেয়ে ৪৯টি শেয়ার বেশি আছে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ব্লক মার্কেটে এসব শেয়ার কিনে নেবে যথাক্রমে এইচএএল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও বিআর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।ক্রয়-বিক্রয় প্রক্রিয়া শেষে বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান দুটো আর কোম্পানির পরিচালক থাকবে না। অন্যদিকে ক্রেতা কোম্পানি দুটো নতুন পরিচালক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে।এদিকে আজ থেকে ডিএসইতে আইএলএফএসএলের শেয়ার লেনদেন শুধু স্পট ও ব্লক মার্কেটে অনুষ্ঠিত হবে। চলবে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত। সোমবার রেকর্ড ডেটের কারণে এ শেয়ারের লেনদেন বন্ধ থাকবে।   Source : বনিক বার্তা
  • চার কোম্পানির লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা আহ্বান
    লভ্যাংশ নির্ধারণী সভার তারিখ ঘোষণা করেছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— অগ্রণী, পাইওনিয়ার ও প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে সোমবার জানা গেছে, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে ১৮ এপ্রিল। অন্যদিকে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ ১৯ এপ্রিল লভ্যাংশ নির্ধারণী এ সভায় বসবেন। গতকাল ডিএসই জানিয়েছে, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ নির্ধারণী সভা ১৯ এপ্রিল ও বিএসসির সভা ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।সভাগুলোয় ২০১৪ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ সুপারিশ করবে সংশ্লিষ্ট পর্ষদ।অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স: আগামী শনিবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে পর্ষদ সভায় বসবেন কোম্পানির পরিচালকরা।কোম্পানিটি ২০১৩ সালে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদান করে। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ১ টাকা ৮৩ পয়সা ও নিট মুনাফার পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ৪১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ২০১৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ইপিএস ১ টাকা ৪৮ পয়সা।পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স: কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ রোববার বিকাল ৪টায় এ সভায় বসবেন।কোম্পানিটি ২০১৩ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদান করে। ওই সময়ের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে কোম্পানির কর-পরবর্তী নিট মুনাফার পরিমাণ ১২ কোটি ৮০ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ইপিএস ৩ টাকা ২ পয়সা।প্রথম তিন প্রান্তিকে এ কোম্পাানির নিট মুনাফা হয় ১৮ কোটি ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ইপিএস ৩ টাকা ৬২ পয়সা।প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স: রোববার বিকাল সোয়া ৪টায় এ কোম্পানির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের সর্বশেষ দর ২ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ টাকা।বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, টানা পাঁচ কার্যদিবস পতনের পর গতকাল এ শেয়ারের দর বেড়েছে। ২০১৩ সালে ১২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় এ কোম্পানি। সে হিসাব বছরে এর ইপিএস হয় ১ টাকা ৮৩ পয়সা, এনএভি ১৬ টাকা ১৩ পয়সা ও কর-পরবর্তী মুনাফা ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ২০১৪ সালের প্রথম তিন প্রান্তিকে মুনাফা হয়েছে ৩ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা।বিএসসি: ২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করতে আগামী বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সভায় বসবে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।ডিএসইতে গতকাল এ শেয়ারের দর ২ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪৫ টাকা ৩০ পয়সায়। গত এক মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ৩২৯ টাকা ৩০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৪২২ টাকা ৯০ পয়সা। ছয় মাসে সর্বনিম্ন দর ছিল ৩২৯ টাকা ৩০ পয়সা ও সর্বোচ্চ ৬০১ টাকা ২৫ পয়সা।২০১২-১৩ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় এ কোম্পানি। সে হিসাব বছরে এর ইপিএস হয় ১ টাকা ৯৭ পয়সা, এনএভি দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৫ টাকা ১১ পয়সা ও কর-পরবর্তী মুনাফা ১ কোটি ৬৩ লাখ ১০ হাজার টাকা।২০১৩-১৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে ২ কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা মুনাফা করলেও দ্বিতীয় প্রান্তিকে লোকসানের জেরে প্রথমার্ধে নিট ৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা লোকসান গুনেছে কোম্পানিটি।উল্লেখ্য, বিদেশী অর্থায়নে বিএসসিকে কয়েকটি জাহাজ কিনে দেয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার।সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে এর পিই অনুপাত ২৮৭ দশমিক ২৫।   Source : বনিক বার্তা
  • চ্যালেঞ্জ করতে পারে হুদাভাসি
    মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালনায় অনিয়মের দায়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক জরিমানার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করতে যাচ্ছে সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান এলআর গ্লোবাল ও নিরীক্ষক হুদাভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানি।কমিশনের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বিএসইসির কাছে জরিমানার আদেশের সার্টিফায়েড কপি চেয়েছে এলআর গ্লোবাল। অন্যদিকে বিধি অনুযায়ী, জরিমানার নির্দিষ্ট অংশ জমা দিয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।জানা গেছে, ১৩ এপ্রিল হুদাভাসির পক্ষ থেকে জরিমানার ১৫ শতাংশ বা ৭৫ হাজার টাকা বিএসইসিতে জমা দেয়া হয়েছে। নিয়মানুযায়ী, কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যেতে হলে কমিশন কর্তৃক ধার্য করা জরিমানার ১৫ শতাংশ বিএসইসিতে জমা দিতে হবে।এ বিষয়ে হুদাভাসির অন্যতম অংশীদার এ এফ নেসারউদ্দিন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমরা প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষার্থে যৌক্তিক ব্যাখ্যা নিয়ে আদালতে যেতে পারি। এজন্য নিয়ম অনুযায়ী জরিমানার ১৫ শতাংশ অর্থ জমা দেয়া হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর নির্ভর করে জরিমানার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, আমরা মনে করি তা পুনরায় পর্যালোচনা র সুযোগ আছে।’প্রসঙ্গত, নিরীক্ষককে জরিমানার বিষয়ে ফেব্রুয়ারিতে কমিশন উল্লেখ করে যে, এলআর গ্লোবাল পরিচালিত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর আর্থিক প্রতিবেদনে ‘অফিস ও প্রশাসনিক ব্যয়’ বাবদ সম্পদ ব্যবস্থাপক কতৃক অর্থ গ্রহণের আপত্তি না দিয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রদান করে হুদাভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানি। এছাড়া ‘অফিস ও প্রশাসনিক ব্যয়’ সম্পর্কিত বিধির ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। এ ধরনের পেশাদারি অসদাচরণ ও দায়িত্বহীনতার অভিযোগে তাদের ৫ লাখ টাকা জরিমানার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।পরিচালনাধীন ছয় মিউচুয়াল ফান্ডের অর্থ বিধিবহির্ভূতভাবে বিনিয়োগ ও অন্যান্য অনিয়মের দায়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ লিমিটেডকে জরিমানা করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এছাড়া অনিয়মের বিষয়ে নিরীক্ষিত প্রতিবেদনে আপত্তি না দেয়া ও ব্যয় সম্পর্কিত বিধির ‘ভুল ব্যাখ্যা প্রদান’ করায় কমিশন নিরীক্ষক হুদাভাসি অ্যান্ড কোম্পানিকেও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ড ছয়টির ট্রাস্টি বিজিআইসিকেও ২৫ লাখ টাকা জরিমানা করে কমিশন। এছাড়া ফান্ডগুলোর অর্থ নিরাপদ হেফাজতে না রাখার কারণে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংককে সতর্ক করা হয়।চারটি প্রাইভেট কোম্পানিতে বিধিবহির্ভূতভাবে বিনিয়োগ করা, অফিস ও প্রশাসনিক ব্যয় বাবদ বেআইনিভাবে অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করে কমিশন। একই সঙ্গে চার প্রাইভেট কোম্পানিতে বিধিবহির্ভূত বিনিয়োগ ৪৮ কোটি ৫৬ লাখ ৮০ হাজার ৫০০ টাকা আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ফান্ডগুলোয় ফিরিয়ে আনতে নির্দেশনা দেয়া হয় এলআর গ্লোবালকে। এছাড়া একই সময়ের মধ্যে নিজ পরিচালনাধীন ফান্ডগুলো থেকে ‘অফিস ও প্রশাসনিক ব্যয়’ ও ‘আইন-সংক্রান্ত খরচ’ বাবদ নেয়া মোট ৬ কোটি ২৫ লাখ ৬২ হাজার ৯১০ টাকাও সংশ্লিষ্ট ফান্ডে ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী, জরিমানার অর্থ ছাড়াও মোট ৫৪ কোটি ৪২ লাখ ৪৩ হাজার ৪১০ টাকা সংশ্লিষ্ট মিউচুয়াল ফান্ডগুলোয় ফিরিয়ে আনতে হবে সম্পদ ব্যবস্থাপককে।জানা গেছে, কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিনিয়োগকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনা অসম্ভব বলে মনে করছে এলআর গ্লোবাল। যদিও কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে যাবে কিনা, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তারা। দেড় মাসের বেশি সময় পার হলেও এখনো বিএসইসির নির্দেশনার সংশোধন কিংবা পর্যালোচনার আবেদনও জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর বিভিন্ন পর্যায়ে নিবিড় অনুসন্ধান শেষে ২০১৪ সালের জুনে এলআর গ্লোবালের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের এসব প্রমাণ পায় বিএসইসি। তদন্ত প্রতিবেদনে এলআর গ্লোবালের বিরুদ্ধে মোট আটটি অনিয়ম চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। বিধিবহির্ভূত বিনিয়োগ ও আত্মসাৎ করা অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং জরিমানার পাশাপাশি পরবর্তী এক বছর নতুন কোনো ফান্ড বা স্কিম গঠনে এলআর গ্লোবালের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত গ্রীন ডেল্টা, এআইবিএল প্রথম, এমবিএল প্রথম, এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ, এনসিসিবি প্রথম এবং ডিবিএইচ প্রথম নামের ছয়টি মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড পরিচালনা করছে। সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করে এসব মিউচুয়াল ফান্ড থেকে কয়েকটি প্রাইভেট কোম্পানিতে মোট ৯৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে। গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত চারটি প্রাইভেট কোম্পানি ইউনিকন ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রপার্টি ইনভেস্টরস, গার্ডিয়ান হেলথকেয়ার ও থাইরোকেয়ার বাংলাদেশে বিধিবহির্ভূত প্রক্রিয়ায় ৪৮ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করে এলআর গ্লোবাল, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করে বিএসইসি।জানা গেছে, এসব কোম্পানির উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন এলআর গ্লোবালের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।   Source : বনিক বার্তা
  • ডিএসইতে বছরের সর্বোচ্চ লেনদেন
    পুঁজিবাজারে বেশ কিছুদিন ধরে দরপতনের পর গতকাল বুধবার বেশিরভাগ শেয়ারের দাম বেড়েছে। আশার দিক হলো বাজারে গতকাল এ বছরের সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের ক্ষেত্রে অন্যদিনের মতোই জ্বালানি খাতের অবদান ছিল শীর্ষে। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ১২৭ কোটি টাকা। যা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মোট লেনদেনের ২৭ শতাংশ।তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৬৮ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৩৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৬৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৫৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩টির, কমেছে ৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৭২ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৩৮১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ৬ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ১ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৩২টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৮টির কমেছে ৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি কোম্পানির শেয়ারের।ডিএসই জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউটর কোম্পানির শেয়ারদর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার কোন কারণ নেই। সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার পেছনে কোন সংবেদনশীল কারণ রয়েছে কিনা তা জানতে চেয়ে পাঠানো নোটিসের প্রেক্ষিতে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ৫ এপ্রিল কোম্পানিটির লেনদেন শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই বেড়েছে। ৬২ টাকা প্রিমিয়ামসহ কোম্পানিটির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য ছিল ৭২ টাকা। সাতদিনেই তা প্রায় দ্বিগুণের চেয়েও বেশি বেড়ে যায়। গতকাল বুধবারও কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৬.১৫ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ারের এ ধরনের দরবৃদ্ধিকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। তাই দর বাড়ার পেছনে কোন সংবেদনশীল তথ্য রয়েছে কিনা তা জানতে চেয়ে নোটিস দেয় ডিএসই।   Source : ইত্তেফাক
  • ১৫ শতাংশ বিনিয়োগ কমল নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে
    বিশ্বব্যাপী নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়তে থাকলেও আবারও তা হোঁচট খেয়েছে তেলের দরপতনের ফলে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ ১৫ শতাংশ কমে হয়েছে ৫০.৫ বিলিয়ন ডলার। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্লুমবার্গ নিউ এনার্জি ফিন্যান্স এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০১৪ সালের প্রথম প্রান্তিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ ছিল ৫৯.৩ বিলিয়ন ডলার, যা এ বছরের প্রথম প্রান্তিকে হলো ৫০.৫ বিলিয়ন ডলার। এমনকি এটি ২০১৪ সালের চতুর্থ প্রান্তিকের বিনিয়োগ ৬৭.৬ বিলিয়ন ডলারের চেয়েও কম। ব্লুমবার্গ নিউ এনার্জি ফিন্যান্সের অ্যাডভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান মিখায়েল লিব্রিচ বলেন, এ বছর বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের দাম কমতির দিকে রয়েছে। মূলত সে কারণেই নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ কিছুটা কমেছে। এ ছাড়া ডলারের দাম বেড়ে যাওয়াও এ ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি মনে করেন। এ বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ প্রান্তিকে চীন, ইউরোপ ও ব্রাজিলের বাজারে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ কমেছে। যদিও এ সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় বিনিয়োগ কিছুটা বেড়েছে। বিজনেসস্পেক্টেটর ডটকম।   Source : কালের কণ্ঠ
  • 'পোশাক খাত সংস্কারে সন্তুষ্ট যুক্তরাষ্ট্র'
    রানা প্লাজা ধসের পর পোশাক খাতের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া এস বি বার্নিকাট। ওই সময় দেশটির বাজারে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি) স্থগিত করে তা পুনর্বহালের জন্য ১৬টি শর্ত জুড়ে দিয়ে বাস্তবায়নের তাগিদ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ওই সব শর্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতিতেও সন্তুষ্ট বার্নিকাট। গতকাল সচিবালয়ে বার্নিকাটের সঙ্গে সাক্ষাতের পর বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, অপ্রত্যাশিত রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ও অর্জিত সাফল্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তর ইউনাইটেড স্টেট ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (ইউএসটিআর) সন্তোষ প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ ক্রেতাগোষ্ঠীর দেওয়া ১৬ দফা শর্ত পূরণের অগ্রগতিতেও তারা সন্তুষ্ট।    Source : কালের কণ্ঠ
  • বিএটিবির ৫৫০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন
    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের (বিএটিবি) ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) গত রোববার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান গোলাম মইনউদ্দিন।সভায় ২০১৪ সালে সমাপ্ত আর্থিক বছরের আর্থিক ও পরিচালকদের প্রতিবেদন এবং শেয়ারধারীদের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়। কোম্পানিটি ২০১৪ সালে শেয়ারধারীদের জন্য মোট ৫৫০ শতাংশ বা প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৫৫ টাকা নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ১০০ শতাংশ বা শেয়ারপ্রতি ১০ টাকা অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ হিসেবে শেয়ারধারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৩ সালে কোম্পানিটি শেয়ারধারীদের মোট ৬২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। কোম্পানিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।সভায় আরও জানানো হয়, ২০১৪ সালে কোম্পানি বেসরকারি খাতের সর্বোচ্চ করদাতা ছিল। ওই বছর এককভাবে প্রতিষ্ঠানটি সরকারি কোষাগারে বিভিন্ন ধরনের কর বাবদ ৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা দিয়েছে।বার্ষিক সাধারণ সভায় কোম্পানির পরিচালকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কে এইচ মাসুদ সিদ্দিকী, জালাল আহমেদ, মোশাররফ হোসেন, উইলিয়াম পেগেল, মোহাম্মদ ফায়েকুজ্জামান, কামরুল হাসান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেহ্জাদ মুনিম প্রমুখ।   Source : প্রথম আলো 
  • করপোরেট কর কমানোর প্রস্তাব এফসিসিআইয়ের
    করপোরেট কর কমানোর সুপারিশ করেছে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফসিসিআই)। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানি ৩০ শতাংশ, তালিকাভুক্ত কোম্পানি ২৫ শতাংশ ও মোবাইল ফোন অপারেটরদের জন্য সাড়ে ৩২ শতাংশ হারে কর নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে এফসিসিআই। বর্তমানে এ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে কর হার যথাক্রমে ৩৫ শতাংশ, সাড়ে ২৭ শতাংশ ও ৪৫ শতাংশ।জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) অনুষ্ঠিত চলমান প্রাক্-বাজেট আলোচনায় এফসিসিআই গতকাল রোববার এ প্রস্তাব করে। এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সংস্থার সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এফসিসিআইয়ের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি রূপালী চৌধুরী।করের আওতা বৃদ্ধি করার প্রস্তাব করে রূপালী চৌধুরী বলেন, ‘এতে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর করের বোঝা কমবে। করপোরেট কর ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে। ভারত আগামী চার বছরে ২৫ শতাংশ করপোরেট কর কমানোর পরিকল্পনা করেছে। আমাদেরও সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা থাকতে হবে।’অন্যদিকে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে এফসিসিআই। এ সংগঠনের প্রস্তাব হলো তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত রাখা, তার পরের পাঁচ লাখ টাকার জন্য ১০ শতাংশ, পরবর্তী পাঁচ লাখ টাকার জন্য ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ১০ লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ ও পরবর্তী আয়ের জন্য ২৫ শতাংশ হারে কর নির্ধারণ। এ ছাড়া সামাজিক দায়বদ্ধতা খাতে খরচ করা অর্থ পুরোপুরি কর ছাড়ের মধ্যে রাখার দাবি জানিয়েছে এফসিসিআই।মোবাইল ফোনের সিমকার্ডের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এ চেম্বার। তারা বলছে, দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্প্রসারণে সিমকার্ড কর একটি প্রতিবন্ধক। মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিস্তার লাভের সঙ্গে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নও হচ্ছে। আর সিমকার্ডের ওপর কর প্রত্যাহার করা হলে দেশে সুবিধাবঞ্চিত মানুষও মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে।এ ছাড়া আমদানি শুল্ক হার পুনর্বিন্যাস করার প্রস্তাব করেছে এফসিসিআই। প্রস্তাবিত শুল্ক হার হলো শূন্য শতাংশ, পাঁচ শতাংশ, ১০ শতাংশ ও ২০ শতাংশ। এ প্রস্তাবের কারণ হিসেবে চেম্বার বলছে, পণ্যের দাম কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য শুল্ক হার হ্রাস করা উচিত।এ ছাড়া নবজাতক ও শিশুদের জীবন রক্ষার কিছু পণ্য আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক ও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে এফসিসিআই। তারা মনে করে, এসব পণ্য শিশুর জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়।নতুন মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আইনে ঢালাওভাবে কর নির্ধারণে রেয়াতি হারে মূসক আরোপের প্রস্তাব করেছে এফসিসিআই। পরামর্শক ও তদারকি প্রতিষ্ঠান, নিরীক্ষা ও হিসাব প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, আইন পরামর্শক, পরিবহন ঠিকাদার ও মানবসম্পদ সরবরাহ বা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের জন্য সাড়ে চার শতাংশ হারে মূসক আরোপের প্রস্তাব করেছে এ সংগঠনটি।মূল্য ঘোষণা অনুমোদন-সংক্রান্ত বিধিমালা বাতিল করার সুপারিশ করেছে এফসিসিআই। তাদের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, করদাতারা শুধু বিক্রয়মূল্য ঘোষণা করবেন। মূসক কর্মকর্তার এ মূল্য হ্রাস বা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা বাতিল করতে হবে। করদাতার ঘোষিত মূল্যের অধিক হারে পণ্য বিক্রয় করছে—এমন দালিলিক প্রমাণ পাওয়া গেলেই ওই করদাতার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।   Source : প্রথম আলো 
View All
Latest DSE News
  • FIRSTFIN

    The Company will be placed in B category from existing A category with effect from April 19, 2015 as the Company approved stock dividend @ 5% for the year ended on December 31, 2014.

  • AMC

    Withdrawal of Authorized Representatives: Al-Muntaha Trading Co. Ltd. (DSE TREC No. 49), has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mr. Mohammad Harun-Or-Rashid, with immediate effect.

  • AIB

    Withdrawal of Authorized Representatives: AIBL Capital Market Services Ltd. (DSE TREC No. 234), has withdrawn two of its Authorized Representatives, namely, Mr. Mohammad Sohel Rana and Mr. Mohammad Abul Hossain, with immediate effect.

  • HAM

    Withdrawal of Authorized Representative: HAC Securities Limited (DSE TREC No. 74), has withdrawn one of its Authorized Representatives, Mst. Lovely Begum, with immediate effect.

  • UNIONCAP

    The Company has informed that it has credited the bonus shares for the year ended on December 31, 2014 to the respective shareholders' BO Accounts through CDBL system on April 16, 2015.

View All

HOT STOCK TODAY

Company LTP YCLOSE CHANGE(TK) CHANGE(%)
ZAHINTEX 13.40 12.20 1.20 9.84
RAKCERAMIC 56.00 51.00 5.00 9.80
FAREASTLIF 70.40 64.20 6.20 9.66
PLFSL 16.10 14.70 1.40 9.52
ISLAMICFIN 14.00 12.80 1.20 9.37
ISNLTD 12.00 11.00 1.00 9.09
UPGDCL 207.80 190.90 16.90 8.85
ABBANK 22.30 20.50 1.80 8.78
NORTHERN 216.00 198.60 17.40 8.76
SHASHADNIM 44.70 41.40 3.30 7.97

OUR SERVICE

Welcome to StockBangladesh.com


Our mission is simple - to make you a better investor so that you can invest conveniently at Bangladesh stock exchange. Our Stock Bangladesh tool lets you create the web's best looking financial charts for technical analysis. Our Scan Engine shows you the Bangladesh share market's best investing opportunities.

In today's world, if you rely on fundamental analysis, brokers advise, share price information, newspaper articles or business channels for your investing or trading decisions, you are asking for a painful experience in the markets.

Whether you are a first time investor, a seasoned pro, an "in and out" day trader or a long term investor at Dhaka stock exchange, StockBangladesh.com will provide you with the necessary information you need for maximum profits and success in today's dynamic markets.Initially we are covering Dhaka share market.

Our goal is to help traders and investors of Bangladesh share market to achieve above-average returns from the markets by providing them with profitable trading signals and at the same time protect their trading capital from large drawdowns with our sound money management principles.

The methods used to analyze securities and make investment decisions fall into two very broad categories: fundamental analysis and technical analysis. Fundamental analysis involves analyzing the characteristics of a company in order to estimate its value. Technical analysis takes a completely different approach; it doesn't care one bit about the "value" of a company or a commodity. Technicians (sometimes called chartists) are only interested in the price movements in the market.

Despite all the fancy and exotic tools it employs, technical analysis really just studies supply and demand in a market in an attempt to determine what direction, or trend, will continue in the future. In other words, technical analysis attempts to understand the emotions in the market by studying the market itself, as opposed to its components. If you understand the benefits and limitations of technical analysis, it can give you a new set of tools or skills that will enable you to be a better trader or investor.

Hotline:

+880 (02) 8189295
+880 (02) 8189296
+880 (02) 8189297